(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: -)
من حديث سفيان الثوري - ت عامر صبري القسم: كتب السنة
الكتاب: من حديث الإمام سفيان بن سعيد الثوري
المؤلف: أبو عبد الله سفيان بن سعيد بن مسروق الثوري الكوفي (ت 161هـ)
رواية: السري بن يحيى عن شيوخه عن الثوري
ورواية: محمد بن يوسف الفريابي عن الثوري
المحقق: عامر حسن صبري
الناشر: دار البشائر الإسلامية [ضمن سلسلة الأجزاء والكتب الحديثية (31) ]
الطبعة: الأولى، 2004 م
عدد الصفحات: 171
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
الكتاب مقابل
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
সুফিয়ান আস-সাওরীর হাদিস থেকে - সম্পাদনা: আমির সাবরি বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: ইমাম সুফিয়ান ইবনে সাঈদ আস-সাওরীর হাদিস থেকে
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ সুফিয়ান ইবনে সাঈদ ইবনে মাসরুক আস-সাওরী আল-কুফি (মৃত্যু ১৬১ হিজরি)
বর্ণনা: আস-সাররি ইবনে ইয়াহইয়া, তাঁর শাইখদের সূত্রে সাওরী থেকে
এবং বর্ণনা: মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-ফিরিয়াবি, সাওরী থেকে
সম্পাদক: আমির হাসান সাবরি
প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ [হাদিস বিষয়ক ক্ষুদ্র সংকলন ও গ্রন্থ সিরিজের অন্তর্ভুক্ত (৩১) ]
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭১
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
গ্রন্থটি মূলের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
من حديث سفيان بن سعيد الثوري
القسم الأول: رواية السري بن يحيى عن شيوخه عن الثوري
সুফিয়ান বিন সাঈদ আস-সাওরির হাদিস হতে
প্রথম পরিচ্ছেদ: আস-সাররি বিন ইয়াহইয়া কর্তৃক তাঁর উস্তাদগণের সূত্রে আস-সাওরি থেকে বর্ণিত
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
[من حديث سفيان عن أبي الزبير]قال السري بن يحيى:
1- حدثنا يعلى، عن سفيان ، عن أبي الزبير ، عن جابر رضي الله عنه قال: نحرنا يوم الحديبية سبعين تسعين بدنة البدنة عن سبعة، فقال وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: اشتركوا في الهدي.
[সুফিয়ান কর্তৃক আবু যুবায়ের হতে বর্ণিত হাদীসসমূহ থেকে]আস-সাররি ইবনে ইয়াহইয়া বলেন:
১- ইয়ালা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা হুদায়বিয়ার দিনে সত্তর অথবা নব্বইটি উট কুরবানী করেছিলাম, প্রতিটি উট সাতজনের পক্ষ থেকে। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা কুরবানীর পশুতে শরিক হও।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
2- حدثنا أبو نُعَيْم وقَبِيصَة عن سفيان عن أبي الزبير ، عن جابر رضي الله عنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يشرب من فم السقاء.
২- আমাদের নিকট আবু নুআইম ও ক্বাবীসাহ সুফইয়ান হতে, তিনি আবুয যুবাইর হতে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মশকের মুখ হতে পান করতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
3- حدثنا يعلى، قال: حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر رضي الله عنه، قال: جاء أبو حميد إلى النبي صلى الله عليه وسلم، بقدح من لبن، بالبقيع بالنقيع نهارا، فقال: ألا خمرته، ولو بعود تعرضه عليه.
৩- ইয়ালা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হুমাইদ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট দিনের বেলা নাকি‘র বাকী‘ নামক স্থানে এক পেয়ালা দুধ নিয়ে আসলেন। তখন তিনি বললেন: তুমি কি তা ঢেকে রাখোনি? যদি একটি কাঠিও এর ওপর আড়াআড়িভাবে রেখে দিতে।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
4- حدثنا قَبِيصَة حدثنا سفيان عن أبي الزبير ، عن جابر رضي الله عنه قال مروا على رسول الله صلى الله عليه وسلم بحمار قد وسم في وجهه يدخن منخراه فقال لعن الله من فعل هذا ألست قد نهيت عن هذا ألا لا تسموا وجه حمار ولا تضلابوا تضربوا وجهه.
৪- কাবিছাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে একটি গাধা নিয়ে যাওয়া হলো যার মুখে দাগ দেওয়া হয়েছিল এবং যার নাসারন্ধ্র দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছিল। তখন তিনি বললেন: “যে ব্যক্তি এই কাজ করেছে আল্লাহ তার ওপর লানত বর্ষণ করুন। আমি কি তোমাদের এই কাজ থেকে নিষেধ করিনি? সাবধান! তোমরা গাধার মুখে দাগ দিও না এবং তার মুখে আঘাত করো না।”
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
5- حدثنا قَبِيصَة ، حدثنا سفيان عن أبي الزبير ، عن جابر رضي الله عنه قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم أيما رجل كان له شرك في أرض أو ربعة ⦗ص: 47⦘ فليس له أن يبيع حتى يستأذن صاحبه فإن شاء أخذ وإن شاء أذن له.
৫- কাবীসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে কোনো ব্যক্তির কোনো ভূমি বা বাসস্থানে অংশীদারিত্ব থাকলে ⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘ তার অংশীদারের অনুমতি গ্রহণ করা ব্যতীত তা বিক্রি করা তার জন্য বৈধ নয়। এমতাবস্থায় সে (অংশীদার) চাইলে তা নিজে গ্রহণ করবে অথবা চাইলে তাকে অনুমতি প্রদান করবে।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
6- حدثنا يعلى وقَبِيصَة وأبو نُعَيْم قالوا حدثنا سفيان عن أبي الزبير ، عن جابر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أمسكوا عليكم أموالكم لا تعمروها أحدا فمن أعمر شيئا فهو له.
৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা, কাবিদাহ এবং আবু নুয়াইম। তাঁরা বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: তোমরা তোমাদের সম্পদ নিজেদের কাছে রেখে দাও, তা কাউকে উমরা (আজীবনের দান) হিসেবে প্রদান করো না; কেননা যাকে কোনো কিছু উমরা হিসেবে দেওয়া হয়, তা তারই হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
7- حدثنا أبو نُعَيْم وقَبِيصَة حدثنا سفيان عن أبي الزبير ، عن جابر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا: لا إله إلا الله، فإذا قالوها عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها، وحسابهم على الله، ثم قرأ: {فذكر إنما أنت مذكر لست عليهم بمصيطر} .
৭- আবু নুআইম ও ক্বাবীসাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমাকে মানুষের সাথে লড়াই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতক্ষণ না তারা বলে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। সুতরাং যখন তারা তা বলবে, তখন তারা আমার থেকে তাদের রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ করে নেবে, তবে শরীয়তের হক ব্যতীত; আর তাদের হিসাব আল্লাহর ওপর। এরপর তিনি পাঠ করলেন: {অতএব আপনি উপদেশ দিন, আপনি তো কেবল একজন উপদেশদাতা। আপনি তাদের ওপর কোনো জবরদস্তিকারী নন।}
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
8- حدثنا أبو نُعَيْم، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن عرش إبليس على البحر، فيبعث سراياه، فأغبطهم عنده منزلة، أعظمهم فتنة.
৮- আমাদের নিকট আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, আবুয যুবাইর থেকে বর্ণিত, জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই ইবলিসের সিংহাসন সমুদ্রের উপর। এরপর সে তার বাহিনীসমূহ প্রেরণ করে। তাদের মধ্যে মর্যাদার দিক থেকে তার নিকট সবচেয়ে প্রিয় সেই ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বড় ফিতনা বা বিপর্যয় সৃষ্টি করে।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
9- حدثنا أبو نُعَيْم، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن إبليس قد يئس أن يعبده المصلون، ولكن في التحريش بينهم.
৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আবুয যুবাইর হতে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই ইবলিস এই বিষয়ে হতাশ হয়েছে যে সালাত আদায়কারীরা তার ইবাদত করবে, তবে সে তাদের মধ্যে পারস্পরিক বিবাদ ও উসকানি সৃষ্টি করার বিষয়ে (তৎপর রয়েছে)।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
10- حدثنا أبو نُعَيْم، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر رضي الله عنه، قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ {الم تنزيل} و {تبارك} .
১০- আমাদের নিকট আবু নুআয়ম বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, আর তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আলিফ-লাম-মীম তানযীল’ এবং ‘তাবারাকা’ পাঠ করতেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
11- حدثنا أبو نُعَيْم وقَبِيصَة حدثنا سفيان عن أبي الزبير ، عن جابر قال كوى النبي صلى الله عليه وسلم سعدا في أكحله [مرتين] .
১১- আমাদের কাছে আবু নুআইম এবং কাবিদাহ বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের কাছে সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ-কে তাঁর হাতের শিরার (আকহাল) ওপর [দুইবার] দাগ দিয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
من حديث سفيان عن عبد الله بن عثمان بن خثيم12- حدثنا ابن أبو نعيم وقَبِيصَة حدثنا سفيان عن عبد الله بن عثمان عن شهر بن حوشب عن أم الدرداء قالت إنما الوجل في قلب ابن آدم كاحتراق السعفة يا شهر أما يجد لها تجد القشعريرة أما تجد؟ قلت بلى، قالت: فادع فإن الدعاء عند ذاك يستجاب.
সুফিয়ান থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহের অন্তর্ভুক্ত, যা তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে খুসাইম থেকে বর্ণনা করেছেন১২- ইবনুল আবূ নুআইম এবং কাবিদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে এবং তিনি উম্মুদ দারদা থেকে বর্ণনা করেন; উম্মুদ দারদা বলেন: "আদমসন্তানের অন্তরে আল্লাহর ভীতি তো খেজুরের শুকনো ডাল পোড়ার মতো। হে শাহর! তুমি কি এর কারণে শরীরে শিহরণ অনুভব করো না?" আমি বললাম: "হ্যাঁ, করি।" তিনি বললেন: "তবে তখন তুমি দুআ করো, কারণ সেই মুহূর্তে দুআ কবুল করা হয়।"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
13- حدثنا قَبِيصَة حدثنا سفيان عن عبد الله عن ⦗ص: 50⦘ عبد الرحمن بن بهمان عن عبد الرحمن بن حسان بن ثابت ، عن أبيه قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم زوارات القبور.
১৩- কবীসাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ আব্দুর রহমান বিন বাহমান থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন হাসসান বিন সাবিত থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কবর জিয়ারতকারী নারীদের অভিসম্পাত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
14- حدثنا قَبِيصَة حدثنا سفيان عن عبد الله بن عثمان عن إسماعيل بن عبيد بن رفاعة الزرقي عن أبيه ، عن جده قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن قريشا أهل أمانة [وصدق فمن] ، بغاها العوائر أكبه الله لمنخريه من بغاها العوائر أكبه الله لمنخريه من بغاها العوائر أكبه الله لمنخريه.
১৪- কাবীসাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসমাঈল ইবনে উবাইদ ইবনে রিফাআহ আল-যুরাকী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই কুরাইশরা আমানতদার [ও সত্যবাদী; সুতরাং যে ব্যক্তি] তাদের অনিষ্ট কামনা করবে, আল্লাহ তাকে তার নাসিকার ভরে উপুড় করে নিক্ষেপ করবেন। যে ব্যক্তি তাদের অনিষ্ট কামনা করবে, আল্লাহ তাকে তার নাসিকার ভরে উপুড় করে নিক্ষেপ করবেন। যে ব্যক্তি তাদের অনিষ্ট কামনা করবে, আল্লাহ তাকে তার নাসিকার ভরে উপুড় করে নিক্ষেপ করবেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
15- حدثنا أبو نُعَيْم حدثنا سفيان عن عبد الله بن عثمان عن سعيد بن جُبَيْر ، عن ابن عباس رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم تزوج وهو محرم واحتجم وهو محرم.
১৫- আমাদের কাছে আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উসমান থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবাইর থেকে, তিনি ইবন আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) ইহরাম অবস্থায় থাকাকালে বিবাহ করেছেন এবং ইহরাম অবস্থায় থাকাকালে শিঙা লাগিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥١)
16- حدثنا يعلى وقَبِيصَة حدثنا سفيان عن عبد الله ؤبن ابن عثمان عن سعيد بن جُبَيْر ، عن ابن عباس رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير أكحالكم الإثمد يجلو البصر وينبت الشعر.
১৬- ইয়ালা ও কাবিছাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তাঁরা সুফিয়ান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উসমান থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবাইর থেকে এবং তিনি ইবন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের সুরমাগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো ইছমিদ; এটি দৃষ্টিশক্তিকে উজ্জ্বল করে এবং পশম (চোখের পাপড়ি) উৎপন্ন করে।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥١)
17- حدثنا يعلى حدثنا سفيان عن عبد الله بن عثمان عن إسماعيل بن عبيد بن رفاعة عن أبيه ، عن جده قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى البقيع، فقال: يا معشر التجار حتى إذا اشرأبوا قال: إن التجار يحشرون يوم القيامة فجارا إلا من اتقى وبر وصدق.
১৭- ইয়া’লা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উসমান থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে উবায়েদ ইবনে রিফাআ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাক্বী-এর দিকে বের হলেন এবং বললেন: হে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়! এমনকি তারা যখন ঘাড় উঁচু করে তাকাল, তখন তিনি বললেন: নিশ্চয়ই ব্যবসায়ীরা কিয়ামতের দিন পাপাচারী হিসেবে পুনরুত্থিত হবে, তবে তারা ব্যতীত যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে, সৎকর্ম করেছে এবং সত্য বলেছে।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥١)
18- حدثنا قَبِيصَة ، حدثنا سفيان عن عبد الله بن عثمان بن خثيم عن ابن سابط عن حفصة ابنة [عبد الرحمن بن] أبي بكر على عن أم سلمة قالت لما قدم المهاجرون المدينة تزوجوا في الأنصار فكانوا يجبونهم، وكانت الأنصار لا تفعل ذلك ، [فأراد رجل من المهاجرين ⦗ص: 52⦘ امرأته على ذلك] فقالت امرأة رجل منهم منهن لزوجها: حتى أسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستحيت أن تسأله فسألته؟ فدعا بها فقرأ عليها: {نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم} صمام واحد صمام واحد صمام واحد. .
১৮- আমাদের নিকট কাবিসাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে খুসাইম থেকে, তিনি ইবনে সাবিত থেকে, তিনি হাফসাহ বিনতে [আবদুর রহমান ইবনে] আবি বকর থেকে এবং তিনি উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যখন মুহাজিরগণ মদিনায় আসলেন, তখন তারা আনসারী নারীদের বিবাহ করলেন। মুহাজিরগণ তাদের সাথে পেছন দিক থেকে (যোনিপথে) সঙ্গম করতেন, কিন্তু আনসাররা তা করত না। [অতঃপর মুহাজিরদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ তার স্ত্রীর কাছে তা চাইলেন।] তখন তাদের মধ্য থেকে এক নারী তার স্বামীকে বললেন: ‘যতক্ষণ না আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করছি (ততক্ষণ এমনটি হবে না)।’ এরপর তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করলেন, তবুও কি জিজ্ঞাসা করলেন? তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ) তাকে ডেকে পাঠালেন এবং তার সামনে তিলাওয়াত করলেন: {তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র, অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করো।} একই পথে, একই পথে, একই পথে।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
19- حدثنا قَبِيصَة ، حدثنا سفيان عن عبد الله بن عثمان عن شهر بن حوشب عن أسماء ابنة يزيد قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يصلح الكذب إلا في ثلاثة الرجل يكذب امرأته لترضى عنه والكذب ليصلح بين الناس والكذب في الحرب.
thought)
* Role: Specialized translator of Islamic Heritage (Turath) texts.
* Language: Arabic to formal, scholarly Bangla.
* Constraints:
1. No Arabic in output.
2. Pure translation (translate everything).
3. Output format: Raw HTML only (no Markdown).
4. Preserve structure (keep HTML tags).
5. Specific Terminology: "Istiwa" = "উঠা", Attributes (Hand, Foot) = literal ("আল্লাহর হাত", "আল্লাহর পা"), no metaphors like "কুদরতি".
* Input: `19- حدثنا قَبِيصَة ، حدثنا سفيান عن عبد الله بن عثمان عن شهر بن حوشب عن أسماء ابنة يزيد قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يصلح الكذب إلا في ثلاثة الرجل يكذب امرأته لترضى عنه والكذب ليصلح بين الناس والكذب في الحرب.`
* Breakdown:
* `19-`: Number.
* `حدثنا قَبِيصَة`: "Qabisah narrated to us,"
* `حدثنا سفيان`: "Sufyan narrated to us,"
* `عن عبد الله بن عثمان`: "from Abdullah bin Uthman,"
* `عن شهر بن حوشب`: "from Shahr bin Hawshab,"
* `عن أسماء ابنة يزيد قالت`: "from Asma bint Yazid, she said:"
* `قال رسول الله صلى الله عليه وسلم`: "The Messenger of Allah (peace and blessings of Allah be upon him) said:"
* `لا يصلح الكذب إلا في ثلاثة`: "Lying is not permissible except in three [cases]:"
* `الرجل يكذب امرأته لترضى عنه`: "a man lying to his wife to please her,"
* `والكذب ليصلح بين الناس`: "lying to reconcile between people,"
* `والكذب في الحرب`: "and lying in war."
* *Hadith Chain (Isnad):* ক্ববীসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি আসমা বিনতে ইয়াযিদ থেকে বর্ণনা করেন।
* *Prophetic Title:* রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
* *Hadith Content:* "তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত মিথ্যা বলা বৈধ নয়: ব্যক্তিকে তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য মিথ্যা বলা, মানুষের মাঝে মীমাংসা করার জন্য মিথ্যা বলা এবং যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যা বলা।"
* `حدثنا` (Haddathana) -> আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন।
* `عن` (An) -> থেকে / হতে।
* `لا يصلح` -> বৈধ নয় / উচিত নয়।
* `لترضى عنه` -> তাকে (স্বামীকে) খুশি করতে / তাকে সন্তুষ্ট করতে।
* *Instruction 1 & 2:* All translated to Bangla.
* *Instruction 3:* Raw HTML only.
* *Instruction 4:* Maintain `19-`.
* *Instruction 5 & 6:* No "Istiwa" or Attributes present in this specific text, but I must remain mindful.
`১৯- আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ক্ববীসা, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি আসমা বিনতে ইয়াযিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত মিথ্যা বলা বৈধ নয়; যেমন স্বামীর তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য মিথ্যা বলা, মানুষের মধ্যে বিবাদ মীমাংসার জন্য মিথ্যা বলা এবং যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যা বলা।`
(Refining for formal scholarly tone)
`১৯- ক্ববীসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি আসমা বিনতে ইয়াযিদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত মিথ্যা বলা বৈধ নয়: স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য মিথ্যা বলা, মানুষের মাঝে আপোষ-মীমাংসা করার জন্য মিথ্যা বলা এবং যুদ্ধের সময় মিথ্যা বলা।`
*Note: "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" is the standard Bangla transliteration for the blessing.*
`১৯- ক্ববীসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি আসমা বিনতে ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত মিথ্যা বলা বৈধ নয়: স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বলা, মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার জন্য মিথ্যা বলা এবং যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যা বলা।`
Wait, the Arabic says "حدثنا قبيصة حدثنا سفيان".
"ক্ববীসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন..."
Let's stick to the structure:
`১৯- ক্ববীসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি আসমা বিনতে ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তিনটি ক্ষেত্র ছাড়া মিথ্যা বলা বৈধ নয়: ব্যক্তির তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য মিথ্যা বলা, মানুষের মধ্যে মীমাংসা করার জন্য মিথ্যা বলা এবং যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যা বলা।`
*Check:* Is there any Arabic left? No. Is it raw HTML? Yes. Is the structure preserved? Yes.
Final Version:
১৯- ক্ববীসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি আসমা বিনতে ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তিনটি ক্ষেত্র ব্যতীত মিথ্যা বলা বৈধ নয়: স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য মিথ্যা বলা, মানুষের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করার জন্য মিথ্যা বলা এবং যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যা বলা।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
من حديث سفيان عن عبد الله بن محمد بن عَقِيل.
20- حدثنا يعلى بن عبيد وأبو نُعَيْم وقَبِيصَة قالوا حدثنا سفيان بن سعيد الثوري عن عبد الله بن محمد بن
⦗ص: 53⦘ عقيل حدثنا ابن الحنفية عن علي رضي الله عنه قال أراه قد رفعه قال مفتاح الصلاة الطهور وتحريمها التكبير وتحليلها التسليم.
আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকিল থেকে বর্ণিত সুফিয়ানের হাদিসসমূহ.
২০- ইয়ালা ইবনে উবাইদ, আবু নুআইম এবং কাবিসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন, সুফিয়ান ইবনে সাঈদ আস-সাওরি আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ আকিল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনুল হানাফিয়্যাহ থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমার মনে হয় তিনি এটি মারফু হিসেবে (নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে) বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: নামাজের চাবিকাঠি হলো পবিত্রতা, এর তাহরিম (শুরু) হলো তাকবির এবং এর তাহলিল (শেষ) হলো সালাম।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
21- حدثنا يعلى وأبو نُعَيْم وقَبِيصَة حدثنا سفيان عن عبد الله [بن محمد بن عقيل] عن جابر بن عبد الله رضي الله عنه قال كنا نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم المغرب ومنازلنا [على قدر] ميل ثم نرجع إلى منازلنا ونحن نبصر مواقع النبل.
২১- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা, আবু নুআইম এবং কাবিাসাহ; তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আবদুল্লাহ [ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকিল] থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে মাগরিবের সালাত আদায় করতাম। এমতাবস্থায় আমাদের ঘরবাড়িগুলো ছিল [প্রায়] এক মাইল দূরত্বে। এরপর আমরা যখন আমাদের বাড়িতে ফিরে যেতাম, তখনো আমরা নিক্ষিপ্ত তিরের পতনের স্থানগুলো দেখতে পেতাম।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
22- حدثنا قَبِيصَة عن سفيان عن عبد الله عن جابر رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير صفوف الرجال المقدم وشرها المؤخر وخير صفوف النساء المؤخر وشرها المقدم.
২২- কাবিসাহ আমাদের নিকট সুফইয়ান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে এবং তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পুরুষদের কাতারসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো সম্মুখের কাতার এবং নিকৃষ্টতম হলো পেছনের কাতার; আর নারীদের কাতারসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো পেছনের কাতার এবং নিকৃষ্টতম হলো সম্মুখের কাতার।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
23- حدثنا قَبِيصَة ، حدثنا سفيان عن عبد الله بن محمد بن عَقِيل عن جابر بن عبد الله رضي الله عنه قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في صير بالمدينة فقال يطلع عليكم رسول الله صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 54⦘ مرجل رجل من أهل الجنة قال فجاء أبو بكر رضي الله عنه فهنيناه، ثُم قال: يطلع عليكم رجل من أهل الجنة قال فجاء عمر رضي الله عنه فهنيناه، ثُم قال: يطلع عليكم رجل من أهل الجنة قال فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصغي رأسه من تحت السعف ويقول اللهم إن شئت جعلته عليا فجاء علي رضي الله عنه فهنيناه.
২৩- আমাদের নিকট কবীসা বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আকীল থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমরা মদীনার একটি আঙিনায় আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, "তোমাদের সামনে জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত এক ব্যক্তি উপস্থিত হবেন যার চুল সুবিন্যস্ত।" ⦗পৃষ্ঠা: ৫৪⦘ তিনি বলেন, এরপর আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আসলেন এবং আমরা তাঁকে অভিনন্দন জানালাম। এরপর তিনি পুনরায় বললেন, "তোমাদের সামনে জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত এক ব্যক্তি উপস্থিত হবেন।" তিনি বলেন, এরপর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আসলেন এবং আমরা তাঁকে অভিনন্দন জানালাম। এরপর তিনি আবার বললেন, "তোমাদের সামনে জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত এক ব্যক্তি উপস্থিত হবেন।" বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে খেজুর পাতার নিচ থেকে মাথা ঝুঁকিয়ে দেখতে পেলাম এবং তিনি বলছিলেন, "হে আল্লাহ! আপনি চাইলে তাঁকে আলী বানিয়ে দিন।" এরপর আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আসলেন এবং আমরা তাঁকে অভিনন্দন জানালাম।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
24- حدثنا قَبِيصَة ، وأبرن وأبو نعيم قالا حدثنا سفيان عن عبد الله عن الطفيل بن أبي بن كعب عن أبي بن كعب قال قلت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أكثر الصلاة عليك، فكم أجعل لك من صلاتي؟ قال: ما شئت، [قلت: الربع؟ قال: ما شئت، وإن زدت فهو خير لك، قلت النصف؟ قال: ما شئت، فإن زدت فهو خير لك، قلت الثلثين؟ قال: ما شئت] فإن زدت فهو خير لك، قلت: أجعل صلاتي كلها؟ قال: إذن تكفى همك ويغفر ذنبك.
২৪- কবীসা, আবরুন এবং আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তুফাইল ইবনে উবাই ইবনে কাব থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমি আপনার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করি; সুতরাং আমি আমার দোয়ার কতটুকু অংশ আপনার জন্য (দরুদ পাঠে) নির্দিষ্ট করব? তিনি বললেন: "তুমি যতটুকু চাও।" [আমি বললাম: এক-চতুর্থাংশ? তিনি বললেন: "তুমি যতটুকু চাও, তবে যদি বৃদ্ধি করো তবে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে।" আমি বললাম: অর্ধেক? তিনি বললেন: "তুমি যতটুকু চাও, তবে যদি বৃদ্ধি করো তবে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে।" আমি বললাম: দুই-তৃতীয়াংশ? তিনি বললেন: "তুমি যতটুকু চাও,"] তবে যদি বৃদ্ধি করো তবে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে। আমি বললাম: আমি কি আমার দোয়ার পুরোটা সময়ই আপনার ওপর দরুদ পাঠে নিবেদন করব? তিনি বললেন: "তাহলে তোমার সকল দুশ্চিন্তা লাঘবের জন্য তা যথেষ্ট হবে এবং তোমার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
25- حدثنا قَبِيصَة ، حدثنا سفيان عن عبد الله بن محمد بن عَقِيل عن جابر بن عبد الله أو أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لصوت أبي طلحة في الجيش خير من ألف رجل.
২৫- কাবিছা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকিল থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ অথবা আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "সৈন্যবাহিনীতে আবু তালহার কণ্ঠস্বর এক হাজার পুরুষের চেয়েও উত্তম।"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
26- حدثنا قَبِيصَة ، حدثنا سفيان عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أو عائشة قالا: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ضحى اشترى كبشين عظيمين، سمينين أقرنين، أملحين موجؤين يذبح أحدهما عن أمته من شهد منهم بالتوحيد، وشهد له بالبلاغ، ويذبح الآخر عن محمد صلى الله عليه وسلم، وآل محمد صلى الله عليه وسلم.
২৬- কুবায়সাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আকীল থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা অথবা আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কুরবানী করতেন তখন তিনি দুটি বিশাল বড়, হৃষ্টপুষ্ট, শিংবিশিষ্ট, সাদা-কালো বর্ণ মিশ্রিত এবং খাসিকৃত মেষ ক্রয় করতেন। তিনি তাদের একটি তাঁর উম্মতের ঐসব লোকের পক্ষ থেকে যবেহ করতেন যারা তাওহীদের সাক্ষ্য দিয়েছে এবং তাঁর রিসালাত পৌঁছে দেওয়ার সাক্ষ্য দিয়েছে; আর অন্যটি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারের পক্ষ থেকে যবেহ করতেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
27- حدثنا قَبِيصَة ، حدثنا سفيان عن عبد الله بن محمد بن عَقِيل عن الطفيل بن أبي بن كعب، عن أبي بن كعب رضي الله عنه، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا جاء ربع الليل قام فقال أيها الناس اذكروا الله اذكروا الله جاءت الراجفة تتبعها الرادفة تتبعها الرادفة، جاء الموت بما فيه جاء الموت بما فيه.
২৭- ক্ববীসাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আকীল থেকে, তিনি তোফায়েল ইবনে উবাই ইবনে কাব থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিয়ম ছিল যখন রাতের এক-চতুর্থাংশ অতিবাহিত হতো, তখন তিনি উঠে দাঁড়াতেন এবং বলতেন, হে লোকসকল! তোমরা আল্লাহকে স্মরণ করো, তোমরা আল্লাহকে স্মরণ করো। প্রথম শিঙ্গায় ফুঁৎকার (রাজীফাহ) উপস্থিত হয়েছে, যার অনুগামী হবে দ্বিতীয় ফুঁৎকার (রাদিফাহ), যার অনুগামী হবে দ্বিতীয় ফুঁৎকার। মৃত্যু তার সকল ভয়াবহতা নিয়ে উপস্থিত হয়েছে, মৃত্যু তার সকল ভয়াবহতা নিয়ে উপস্থিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি সুফিয়ান আছ-ছাওরী - ত আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
سفيان بن سعيد عن أبي إسحاق.
28- حدثنا قَبِيصَة ، حدثنا سفيان عن أبي إسحاق عن أبي عبيدة عن عبد الله قال لا تقبل صلاة بغير طهور ولا صدقة من غلول.
সুফিয়ান ইবনে সাঈদ, আবু ইসহাক থেকে.
২৮- কাবিদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: পবিত্রতা ব্যতীত কোনো সালাত কবুল করা হয় না এবং আত্মসাৎকৃত মালের সদকাও কবুল করা হয় না।