(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: -)
فوائد أبي القاسم الحرفي رواية الثقفي   (الحرفي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الكتاب: فوائد أبي القاسم الحرفي

المؤلف: عبد الرحمن بن عبيد الله بن عبد الله ابن محمد، أبو القاسم الحربي الحُرْفي (ت 423هـ)

رواية: الرئيس أبو عبد الله القاسم بن الفضل الثقفي

المحقق: أبو عبد الله حمزة الجزائري

الناشر: الدار الأثرية [ضمن مجموع أبي القاسم الحرفي]

الطبعة: الأولى، 2007 م

عدد الصفحات: 195

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আল-কাসিম আল-হারফির ফাওয়াইদ, সাকাফির বর্ণনা   (আল-হারফি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


বই: বই: আবু আল-কাসিম আল-হারফির ফাওয়াইদ

লেখক: আবদুর রহমান বিন উবাইদুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ, আবু আল-কাসিম আল-হারবি আল-হারফি (মৃত্যু ৪২৩ হি.)

বর্ণনা: আল-রাইস আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফাদল আল-সাকাফি

সম্পাদক: আবু আবদুল্লাহ হামজা আল-জাজাইরি

প্রকাশক: আদ-দারুল আসারিয়্যাহ [আবু আল-কাসিম আল-হারফির সংকলনের অন্তর্ভুক্ত]

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯৫

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে মিল রেখে রাখা হয়েছে]

শামিলার জন্য এটি প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরি (অনুলিপি) ، এবং হে কল্যাণকামী এগিয়ে এসো (পাঠ যাচাই)

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৩৮)
جزء فيه فوائد أبي القاسم عبد الرحمن بن عبيد الله بن عبد الله الحرفي

انتخاب أبي القاسم هبة الله بن الحسن الطبري

رواية الرئيس أبي عبد الله القاسم بن الفضل بن أحمد الثقفي عنه

وعنه الإمام الأجل الحافظ فخر الأئمة جمال الحفاظ

أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن إبراهيم السلفي الأصبهاني رضي الله عنه
একটি পুস্তিকা যাতে রয়েছে আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ আল-হারফি-এর বর্ণিত ফাওয়ায়িদ (হাদিস সংকলন)

আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আল-হাসান আত-তাবারী কর্তৃক নির্বাচিত ও সংকলিত

তাঁর সূত্রে প্রধান আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আহমাদ আস-সাকাফীর রেওয়ায়েত

এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন মহান ইমাম, বিজ্ঞ হাফিজ, ইমামগণের গৌরব ও হাফিজদের অলঙ্কার

আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আস-সিলাফী আল-আসবাহানী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৩৯)
بسم الله الرحمن الرحيم

[ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم]

1- حدثنا الشيخ الإمام الأجل الحافظ والآية جمال الحفاظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن إبراهيم السلفي الأصبهاني رضي الله عنه: أخبرنا أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن أحمد بن محمود الثقفي قراءة عليه بأصبهان في جمادى الأولى سنة 488 وأنا أسمع قيل له: أخبركم أبو القاسم عبد الرحمن بن عبيد الله بن عبد الله الحرفي قراءة عليه ببغداد حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ⦗ص: 140⦘ عَبْدِ اللَّهِ بن إبراهيم الشافعي: [ثنا أبو إسماعيل محمد بن إسماعيل] (1) حَدَّثَنَا مُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ أَخُو بَهْزِ بْنِ أَسَدٍ: حَدَّثَنَا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي مُرَّةَ مَوْلَى عَقِيلِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنْ أُمِّ هَانِئٍ رضي الله عنها، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى فِي بَيْتِهَا عَامَ الْفَتْحِ ثَمَانِيَ رَكْعَاتٍ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ قَدْ خَالَفَ بَيْنَ طَرَفَيْهِ.

صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ جعفر بن محمد الصادق، ولا أَعْلَمُ رَوَاهُ عَنْهُ غَيْرَ وُهَيْبِ بن خالد، وأخرجه مُسْلِمٌ عَنْ حَجَّاجِ بْنِ الشَّاعِرِ عَنْ مُعَلَّى بْنِ أَسَدٍ الْعَمِّيِّ البصري.

--------------------------------------------

(1) سقطت من النسختين (أ) و (ب) ، استدركته من السنن للبيهقي.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

[এবং মহান ও সুউচ্চ আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা ও কোনো শক্তি নেই]

১- আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন সুমহান শায়খ, ইমাম, হাফেজ এবং নিদর্শন, হাফেজদের সৌন্দর্য আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আস-সালাফি আল-আসবাহানি (রাদিয়াল্লাহু আনহু): আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসেম ইবনে আল-ফাদল ইবনে আহমদ ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি, তাঁর উপস্থিতিতে আসবাহানে জুমাদাল উলা ৪৪৮ হিজরীতে তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায়, আর আমি তা শুনছিলাম, তাঁকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসেম আব্দুর রহমান ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হারফি, বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায়, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১৪০⦘ আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আশ-শাফিঈ: [আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইসমাইল মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল] (১) আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুআল্লা ইবনে আসাদ, যিনি বাহজ ইবনে আসাদের ভাই: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন উহাইব ইবনে খালিদ, জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু মুররাহ (আকিল ইবনে আবি তালিবের আযাদকৃত দাস) থেকে, তিনি উম্মে হানি (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের বছর তাঁর ঘরে এক কাপড়ে আট রাকাত সালাত আদায় করেছিলেন, যার দুই প্রান্ত তিনি বিপরীতমুখী করে পেঁচিয়েছিলেন।

এটি আবু আব্দুল্লাহ জাফর ইবনে মুহাম্মদ আস-সাদিকের বর্ণনা থেকে একটি সহীহ গরীব হাদীস, আর আমি জানি না যে উহাইব ইবনে খালিদ ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এবং ইমাম মুসলিম এটি হাজ্জাজ ইবনে আশ-শা'য়ির থেকে, তিনি মুআল্লা ইবনে আসাদ আল-আম্মি আল-বাসরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) এটি (ক) এবং (খ) উভয় পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে, আমি এটি বায়হাকীর আস-সুনান থেকে সংযোজন করেছি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৪০)
2- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: حدثنا محمد بن إسماعيل بن يوسف: حدثنا سليمان بن أيوب من ولد طلحة بن عبيد الله: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ رضي الله عنه قال: أتيت النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي جَمَاعَةٍ مِنْ أَصْحَابِهِ وبيده سفرجلة يقلبها، فلما رأني جَلَسْتُ إِلَيْهِ رَمَى بِهَا ⦗ص: 141⦘ نَحْوِي ثم قَالَ: دُونَكَهَا أَبَا مُحَمَّدٍ، فَإِنَّهَا تَشُدُّ الْقَلْبَ، وَتُطَيِّبُ النَّفْسَ، وَتُذْهِبُ بِطَخَاءِ الصَّدْرِ.

هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لا نَحْفَظُهُ إِلا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ.
২- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইউসুফ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহর বংশধর সুলাইমান ইবনে আইয়ুব: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর দাদা থেকে, তিনি মুসা ইবনে তালহা থেকে, তিনি তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর একদল সাহাবীর মাঝে ছিলেন এবং তাঁর হাতে একটি সফরজল ফল ছিল যা তিনি নাড়াচাড়া করছিলেন। অতঃপর যখন তিনি আমাকে দেখলেন এবং আমি তাঁর নিকট বসলাম, তিনি সেটি ⦗পৃষ্ঠা: ১৪১⦘ আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন এবং বললেন: হে আবু মুহাম্মদ, এটি নাও; কেননা এটি হৃদয়কে শক্তিশালী করে, মনকে প্রফুল্ল করে এবং বক্ষের ভারাক্রান্ত ভাব দূর করে।

এটি একটি গারীব হাদিস, আমরা কেবল এই সূত্র ব্যতিরেকে এটি আর জানি না।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৪১)
3- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ⦗ص: 142⦘ إِسْمَاعِيلَ: حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ: حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ نَوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ الأَنْصَارِيِّ قَالَ: أَقَمْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْمَدِينَةِ سَنَةً مَا يَمْنَعُنِي مِنَ الْهِجْرَةِ إِلا الْمَسْأَلَةُ، فَإِنَّ أَحَدَنَا إِذَا هَاجَرَ لَمْ يَسْأَلْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ شَيْءٍ قَالَ: فَسَأَلْتُهُ عَنِ الْبِرِّ وَالإِثْمِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: الْبِرُّ حُسْنُ الْخُلُقِ، وَالإِثْمُ مَا حَاكَ فِي نَفْسِكَ وَكَرِهْتَ أَنْ يَطَّلِعَ عَلَيْهِ الناس.

⦗ص: 143⦘ هذا حديث صحيح الإسناد أَخْرَجَهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ بِلَفْظٍ مُخْتَصَرٍ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ عَنْ مُعَاوِيَةَ.
৩- মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মদ বিন ⦗পৃষ্ঠা: ১৪২⦘ ইসমাঈল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: আবু সালিহ আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: মুআবিয়া বিন সালিহ আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি আব্দুর রহমান বিন জুবায়ের বিন নুফায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নাওয়াস বিন সামআন আল-আনসারী (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মদিনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এক বছর অবস্থান করেছি। হিজরত করা থেকে কেবল প্রশ্ন করার আকাঙ্ক্ষাই আমাকে বিরত রেখেছিল, কেননা আমাদের কেউ যখন হিজরত করত তখন সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করত না। তিনি বলেন: অতঃপর আমি তাঁকে পুণ্য ও পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: পুণ্য হলো উত্তম চরিত্র, আর পাপ হলো যা তোমার অন্তরে খটকা সৃষ্টি করে এবং তুমি এটা অপছন্দ করো যে মানুষ তা জেনে ফেলুক।

⦗পৃষ্ঠা: ১৪৩⦘ এই হাদিসটির সনদ সহীহ। মুসলিম বিন হাজ্জাজ এটি আব্দুর রহমান বিন মাহদী থেকে মুআবিয়ার সূত্রে সংক্ষিপ্ত পাঠে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৪৩)
4- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ: حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ: حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ الْعَلاءِ بْنِ الْحَارِثِ، عن حرام بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَمَّا يُوجِبُ الْغُسْلَ، وَعَنِ الْمَاءِ يَكُونُ بَعْدَ الْمَاءِ، وَعَنِ الصَّلاةِ فِي بَيْتِي، وَعَنِ الصَّلاةِ فِي الْمَسْجِدِ، وَعَنْ مُؤَاكَلَةِ الْحَائِضِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ اللَّهَ لا يَسْتَحِي مِنَ الْحَقِّ - وَعَائِشَةُ إِلَى جنبه - أما أنا إذا كان مني وطؤ قمت فتوضأت ثم اغتسلت، أما الْمَاءُ يَكُونُ بَعْدَ الْمَاءِ فَذَلِكَ الْمَذْيُ، وَكُلُّ فَحْلٍ يَمْذِي، فَتَغْسِلُ من ذلك فرجك وأنثييك وَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلاةِ، وَأَمَّا الصَّلاةُ فِي الْمَسْجِدِ وَالصَّلاةُ فِي بَيْتِكَ، فَقَدْ تَرَى مَا أَقْرَبَ بَيْتِي مِنَ الْمَسْجِدِ، فَلأَنْ أُصَلِّيَ فِي بَيْتِي أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أُصَلِّيَ فِي الْمَسْجِدِ إِلا أَنْ تَكُونَ صَلاةً مَكْتُوبَةً، وَأَمَّا مُؤَاكَلَةُ الْحَائِضِ فَوَاكِلْهَا.

⦗ص: 144⦘ هَذَا حَدِيثٌ شَامِيٌّ لا نحفظه إلا من حديثهم، لا أعلم رواه غير حرام بْنِ حَكِيمٍ الدِّمَشْقِيِّ، وَعَنْهُ الْعَلاءُ بْنُ الْحَارِثِ الْحِمْصِيُّ.
৪- মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ আশ-শাফিয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: আবু সালিহ আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: মুআবিয়া ইবনে সালিহ আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি আলা ইবনুল হারিস থেকে, তিনি হারাম ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর চাচা আবদুল্লাহ ইবনে সা’দ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে গোসল ওয়াজিব হওয়ার কারণ সম্পর্কে, পানির পরে যে পানি বের হয় (মজি) সে সম্পর্কে, আমার ঘরে সালাত আদায় এবং মসজিদে সালাত আদায় সম্পর্কে এবং ঋতুবতী নারীর সাথে একত্রে আহার করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ সত্য প্রকাশে লজ্জাবোধ করেন না - আর আয়েশা (রা.) তাঁর পাশেই ছিলেন - আমার কথা যদি বলি, যখন আমার দ্বারা সহবাস হয় তখন আমি অযু করি এবং এরপর গোসল করি। আর পানির পরে যে পানি বের হয় তা হলো ‘মজি’, আর প্রত্যেক পুরুষই মজি নির্গত করে থাকে। সুতরাং এর কারণে তুমি তোমার লজ্জাস্থান ও অণ্ডকোষ ধৌত করবে এবং সালাতের অযুর ন্যায় অযু করবে। আর মসজিদে সালাত এবং তোমার ঘরে সালাত আদায়ের ব্যাপারে বলব, তুমি তো দেখতেই পাচ্ছ যে আমার ঘর মসজিদের কতটা কাছে, তবুও (নফল) সালাত মসজিদে আদায়ের চেয়ে ঘরে আদায় করা আমার কাছে অধিক প্রিয়, তবে যদি তা ফরজ সালাত হয় (তবে ভিন্ন কথা)। আর ঋতুবতী নারীর সাথে একত্রে আহারের ব্যাপারে কথা হলো, তুমি তার সাথে একত্রে আহার করো।

⦗পৃষ্ঠা: ১৪৪⦘ এটি একটি শামী (সিরীয়) হাদিস, যা তাদের বর্ণনা ছাড়া আমাদের জানা নেই। হারাম ইবনে হাকিম আদ-দিমাশকি ছাড়া অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, আর তাঁর থেকে আলা ইবনুল হারিস আল-হিমসি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৪৪)
5- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُطَرِّزِ: حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو حَاتِمُ بْنُ بَكْرٍ الضَّبِّيُّ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ الْهُنَائِيُّ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ، وَمَنْ لا فَلْيَصُمْ، فَإِنَّ ⦗ص: 145⦘ الصَّوْمَ لَهُ وِجَاءٌ.

⦗ص: 146⦘ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ، لا نعلم رَوَاهُ غَيْرُ حَاتِمٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادٍ الْهُنَائِيِّ الْبَصْرِيِّ.
৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুতাররিজ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর হাতিম বিন বাকর আদ-দাব্বি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্বাদ আল-হুনায়ি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হাকাম থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আলক্বামাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমাদের মধ্যে যার বিবাহের সামর্থ্য আছে সে যেন বিবাহ করে, আর যার নেই সে যেন রোজা রাখে, কেননা ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৫⦘ রোজা তার জন্য কামভাব দমনকারী।

⦗পৃষ্ঠা: ১৪৬⦘ শু'বাহর হাদিস হিসেবে এটি গরিব, আমাদের জানামতে হাতিম ব্যতীত অন্য কেউ মুহাম্মদ বিন আব্বাদ আল-হুনায়ি আল-বাসরি থেকে এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৪৬)
6- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشافعي: حَدَّثَنِي أَبُو أَحْمَدَ الْمُطَرِّزُ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ خَلَفٍ: حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عَامِرٍ الْبَجَلِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِثْلِهِ.
৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফেয়ী: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ আল-মুতাররিয: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন খালাফ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাহল বিন আমির আল-বাজালি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আয়্যাশ, তিনি মুগিরা থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৪৬)
7- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: حَدَّثَنِي أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ زَيد المزاري: حدثنا عمرو بن عاصم: عن شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ وَعَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ قَالَ: كَانَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهُ، فَذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهُ.. .. ..

⦗ص: 147⦘ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ عَنْ بُنْدَارٍ عن غندر عن شعبة غريب من حديث أبي ⦗ص: 148⦘ حصين عُثْمَانَ بْنِ عَاصِمٍ، لا أَعْلَمُ رَوَاهُ عَنْهُ غَيْرُ عَمْرِو بْنِ عَاصِمٍ الْكِلابِيُّ.
৭- মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আহমাদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ বিন আহমাদ যাইদ আল-মাজারি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আমর বিন আসিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: শু’বাহ থেকে, তিনি আবু হুসাইন ও আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি সা’দ বিন উবাইদাহ থেকে, তিনি বারা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শয্যা গ্রহণ করতেন, অতঃপর তিনি আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত বারা (রা.)-এর হাদিসের অনুরূপ উল্লেখ করেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শয্যা গ্রহণ করতেন.. .. ..

⦗পৃষ্ঠা: ১৪৭⦘ শু’বাহ থেকে আমর বিন মুররাহ-এর সূত্রে বর্ণিত এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম বুখারি ও মুসলিম এটি বুন্দার-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি গুন্দার থেকে, তিনি শু’বাহ থেকে। এটি আবু ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৮⦘ হুসাইন উসমান বিন আসিম-এর হাদিস থেকে গারিব (একক); আমর বিন আসিম আল-কিলাবি ছাড়া আর কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৪৮)
8- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الْمُطَرِّزُ: حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ الْمَدَائِنِيِّ: حَدَّثَنَا سَلامُ بن سلم: حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي حَصين، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: آخِرُ مَا تَكَلَّمَ بِهِ إِبْرَاهِيمُ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ حِينَ أُلْقِيَ فِي النَّارِ: حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ. هَذَا حديث غريب من حديث أبي حصين عُثْمَان بْن عَاصِم الْكُوفِيّ عن أبي صَالِح عن أبي هريرة مسندًا، لا أعلم رواه غير سلام بن سلم المدائني الطويل السعدي التميمي عن إسرائيل بْن يُونُس عَنْهُ، والمحفوظ ما رواه الناس عن إسرائيل وأبي بكر بْن عياش، عن أبي حصين، عن أبي الضحى، عن ابْن عباس قَالَ: لما ألقي إِبْرَاهِيم.. .. ..
৮- মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আহমাদ আল-মুতরিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সাহল বিন আল-মাদায়িনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সালাম বিন সালম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইসরাঈল আবু হাসীন থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম)-কে যখন আগুনে নিক্ষেপ করা হয়, তখন তাঁর শেষ কথা ছিল: আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।" এটি আবু হাসীন উসমান বিন আসিম আল-কুফী থেকে আবু সালিহ-এর সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত একটি মুসনাদ পর্যায়ের 'গারীব' (একক) হাদীস। সালাম বিন সালম আল-মাদায়িনী আত-তাবীল আস-সা'দী আত-তামিমী ছাড়া অন্য কেউ এটি ইসরাঈল বিন ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই। তবে সংরক্ষিত (মাহফূজ) বর্ণনাটি হলো যা বর্ণনাকারীগণ ইসরাঈল এবং আবু বকর বিন আইয়াশ থেকে, তাঁরা আবু হাসীন থেকে, তিনি আবু আদ-দুহা থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন ইব্রাহিমকে নিক্ষেপ করা হলো...
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৪৯)
9- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيّ: حَدَّثَنَا أَبُو أحمد المطرز: حَدَّثَنِي الحسن بْن عبد العزيز الجرَوي: حَدَّثَنَا يحيى بْن حسان: حَدَّثَنَا هشيم، عن مغيرة وابن عون، عن إِبْرَاهِيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، أنه رمى الجمرة من بطن الوادي وَقَالَ: هَذَا مقام الذي نزلت عليه سورة البقرة صلى الله عليه وسلم.

⦗ص: 150⦘ هَذَا حديث غريب من حديث عَبْد اللَّهِ بْن عون، عن إِبْرَاهِيم بْن يزيد النخعي، ومن حديث مغيرة بْن مقسم أبي هِشَام الضبي الضرير الكوفي، لا أعلم رواه غير يحيى بْن حسان الكوفي، نزل تنيس، ولم نكتبه إلا من هَذَا الْوَجْهِ.
৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আশ-শাফিঈ: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আহমাদ আল-মুতাররিজ: আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন হাসান বিন আব্দুল আজিজ আল-জারাবি: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন হাসসান: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হুশাইম, তিনি মুগিরা ও ইবনে আওন থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি উপত্যকার তলদেশ থেকে জামরাহ (কংকর) নিক্ষেপ করেছেন এবং বললেন: এটি তাঁর দাঁড়ানোর স্থান যাঁর ওপর সুরা আল-বাকারা অবতীর্ণ হয়েছে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।

⦗পৃষ্ঠা: ১৫০⦘ আবদুল্লাহ বিন আওন-ইব্রাহিম বিন ইয়াজিদ আন-নাখায়ি-এর সূত্র থেকে এবং মুগিরা বিন মিকসাম আবু হিশাম আদ-দব্বি আদ-দরির আল-কুফি-এর সূত্র থেকে এটি একটি গারিব হাদিস; আমি ইয়াহইয়া বিন হাসসান আল-কুফি ছাড়া অন্য কাউকে এটি বর্ণনা করতে দেখিনি, তিনি তিন্নিসে বসতি স্থাপন করেছিলেন এবং আমরা এই একটি সূত্র ছাড়া এটি অন্য কোনোভাবে লিপিবদ্ধ করিনি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৫০)
10- أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بنُ غَالِبِ بْنِ حَرْبٍ: حَدَّثَنَا ⦗ص: 151⦘ مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ: حَدَّثَنَا أَبَانٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، أَنَّهُ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ قَوْلِهِ تَعَالَى: {لَهُمُ الْبُشْرَى فِي الْحَيَاةِ الدنيا وفي الآخرة} قال: ما سألني أحد قَبْلَكَ، هِيَ الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ يَرَاهَا الْمُؤْمِنُ أَوْ تُرَى لَهُ.

⦗ص: 153⦘ هَذَا حديث محفوظ بهذا الإسناد من حديث أَبِي صَالِحٍ ذكوان، وهو لم يسمع من أَبِي الدرداء شيئًا، وهو مرسل.
১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ: আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন গালিব বিন হারব: আমাদের বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৫১⦘ মূসা বিন ইসমাঈল: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবান, আসিম থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: {তাদের জন্য পার্থিব জীবনে এবং পরকালে সুসংবাদ রয়েছে}। তিনি বললেন: তোমার আগে আমাকে এ সম্পর্কে কেউ জিজ্ঞাসা করেনি। এটি হলো সেই নেক স্বপ্ন যা মুমিন ব্যক্তি নিজে দেখে অথবা তার জন্য (অন্য কেউ) দেখে।

⦗পৃষ্ঠা: ১৫৩⦘ এই হাদীসটি আবু সালিহ জাকওয়ান থেকে বর্ণিত এই সনদে সংরক্ষিত। তবে তিনি আবু দারদা থেকে সরাসরি কিছুই শোনেননি, তাই এটি একটি মুরসাল হাদীস।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৫৩)
11- حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّقَطِيُّ إِمْلاءً: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بن يونس بن موسى القرشي: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ قُتَيْبَةَ الرِّفَاعِيُّ: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: بَرُّوا آبَاءَكُمْ تَبَرَّكُمْ أَبْنَاؤُكُمْ، وَعِفُّوا تَعِفَّ نِسَاؤُكُمْ، وَمَنْ تَنَصَّلَ إِلَيْهِ فَلَمْ يَقْبَلْ فَلَنْ يَرِدَ عَلَى الْحَوْضِ.

⦗ص: 154⦘ هَذَا حديث غريب من حديث مالك، لا أعلم رواه عَنْهُ غير عَلِيّ بْن قتيبة الرفاعي، وحدث عَنْهُ جماعة.
১১- আমাদের নিকট আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ আস-সাকাতি শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস ইবনে মুসা আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে কুতাইবাহ আর-রিফাই বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মালিক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন, আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমরা তোমাদের পিতাদের সাথে সদাচরণ করো, তাহলে তোমাদের সন্তানরাও তোমাদের সাথে সদাচরণ করবে; এবং তোমরা পবিত্রতা বজায় রাখো, তাহলে তোমাদের নারীরাও পবিত্র থাকবে; আর যার কাছে কেউ ক্ষমা প্রার্থনা করল অথচ সে তা গ্রহণ করল না, সে হাউজে (কাওসারে) আমার নিকট পৌঁছাতে পারবে না।

⦗পৃষ্ঠা: ১৫৪⦘ মালিকের বর্ণনা থেকে এটি একটি গরীব হাদীস, আমি জানি না আলী ইবনে কুতাইবাহ আর-রিফাই ছাড়া অন্য কেউ এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন কি না; তবে তাঁর থেকে একদল রাবী বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৫৪)
12- حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَرْوَانَ ⦗ص: 155⦘ الْوَاسِطِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاذٍ الْفَضْلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التَّمَّارُ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الْمُزَنِيُّ: حَدَّثَنَا زِيَادٌ الْجَصَّاصُ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ سَلْمَانَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: إِنَّ الله تعالى خلق مئة رَحْمَةٍ، أَنْزَلَ مِنْهَا رَحْمَةً تَتَرَاحَمُ بِهَا الْخَلائِقُ، وَتِسْعًا وَتِسْعِينَ يَوْمَ القيامة، فإذا كان يوم القيامة جعلت تسع وَتِسْعُونَ عَلَى تِلْكَ الرَّحْمَةِ، فَصَارَتْ مئة لأَهْلِ الْجَنَّةِ.

هَذَا حديث غريب من حديث أَبِي مُحَمَّد زياد بْن أَبِي زياد الجصاص الواسطي عَنْ أَبِي عُثْمَان، والمشهور حديث سُلَيْمَان التيمي عَنْ أَبِي عُثْمَان. لا أعلم رواه عَنْ زياد غير مُحَمَّد بْن الحسن المزني الواسطي الطحان، ولم نكتبه إلا من حديث الفضل.
১২- উসমান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইবরাহীম ইবনে আহমদ ইবনে মারওয়ান ⦗পৃষ্ঠা: ১৫৫⦘ আল-ওয়াসিতী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু মুয়ায আল-ফদল ইবনে আব্দুল্লাহ আত-তাম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে হাসান আল-মুযানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যিয়াদ আল-জাসসাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু উসমান থেকে, তিনি সালমান থেকে, তিনি নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা একশত রহমত সৃষ্টি করেছেন। তার মধ্য থেকে একটি রহমত তিনি অবতীর্ণ করেছেন যার মাধ্যমে সৃষ্টিজগৎ একে অপরের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে, আর নিরানব্বইটি রহমত কিয়ামতের দিনের জন্য। যখন কিয়ামতের দিন আসবে, তখন সেই রহমতের সাথে এই নিরানব্বইটি যুক্ত করা হবে, ফলে জান্নাতবাসীদের জন্য তা একশত রহমতে পূর্ণ হবে।

আবু মুহাম্মদ যিয়াদ ইবনে আবি যিয়াদ আল-জাসসাস আল-ওয়াসিতী কর্তৃক আবু উসমান থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি গরীব। আর সুলাইমান আত-তাইমী কর্তৃক আবু উসমান থেকে বর্ণিত হাদিসটিই অধিক পরিচিত। মুহাম্মদ ইবনে হাসান আল-মুযানী আল-ওয়াসিতী আত-তাহহান ছাড়া আর কেউ এটি যিয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, এবং আমরা এটি কেবল ফদলের হাদিস থেকেই লিপিবদ্ধ করেছি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৫৬)
13- حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنِ يُونُسَ الْقُرَشِيُّ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بن عمر بن فارس: أخبرنا شُعْبَةُ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عن بريدة بن الحصيب قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لا رُقْيَةَ إِلا مِنْ عَيْنٍ أَوْ حُمَة.

هَذَا حديث غريب من حديث أَبِي بسطام شعبة عَنْ أَبِي الهذيل حصين بْن عبد الرحمن السلمي مرفوعًا، لا أعلم رواه غير مُحَمَّد بْن يُونُس عَنْ عُثْمَان بْن عمر، والصحيح موقوف، حدث به روح بْن عبادة من حديث الشَّعْبِيّ عَنْ بريدة موقوفًا.

⦗ص: 157⦘ ثم أسند عَنْ سَعِيد بْن جبير عَنِ ابْن عباس: يدخل الجنة، أخرجه البخاري عَنْ إسحاق بْن منصور عَنْ روح بْن عبادة، وقيل: تفرد به روح عَنْ شعبة.
১৩- উসমান বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন ইউনুস আল-কুরাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উসমান বিন উমর বিন ফারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: শু’বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুসাইন থেকে, তিনি শাবি থেকে, তিনি বুরায়দাহ বিন আল-হুসাইব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: বদনজর অথবা বিষক্রিয়া ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষেত্রে রুকইয়াহ নেই।

এটি আবু বিস্তাম শু’বাহ-এর হাদিস থেকে আবু আল-হুযাইল হুসাইন বিন আবদুর রহমান আস-সুলামি সূত্রে মারফু হিসেবে বর্ণিত একটি গারীব হাদিস। উসমান বিন উমর থেকে মুহাম্মাদ বিন ইউনুস ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই। তবে সঠিক হলো এটি মাওকুফ; রাওহ বিন উবাদাহ এটি শাবি থেকে এবং তিনি বুরায়দাহ থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

⦗পৃষ্ঠা: ১৫৭⦘ অতঃপর তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে সনদ বর্ণনা করেছেন: (তারা) জান্নাতে প্রবেশ করবে। ইমাম বুখারী এটি ইসহাক বিন মানসুর থেকে এবং তিনি রাওহ বিন উবাদাহ থেকে বর্ণনা করে সংকলন করেছেন। বলা হয়েছে যে, শু’বাহ থেকে এটি বর্ণনায় রাওহ একক হয়ে গেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৫৮)
14- حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّد السَّقَطِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ الْمَعْرُوفُ بِعُبَيْدِ الْعِجْلِ: حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ: حَدَّثَنَا المعتمر بن سليمان، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن أبي حازم مَوْلَي ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: بَيْنَمَا رَجُلٌ فِيمَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ مُسْبِلٌ إِزَارَهُ معجبا بِنَفْسِهِ، إِذْ خَسَفَ اللَّهُ بِهِ الأَرْضَ، فَهُوَ يَتَجَلْجَلُ فِيهَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ.

هَذَا حديث غريب مِنْ حَدِيثِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ إسماعيل بْن أَبِي خالد الْكُوفِيّ عَنْ أَبِي حازم نبتل المدني مولي ابْن عباس. لا أعلم رواه غير سويد عَنْ معتمر.
১৪- আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান বিন মুহাম্মদ আস-সাকাতি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-হাফিজ, যিনি উবাইদ আল-ইজল নামে পরিচিত: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ বিন সাঈদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-মুতামির বিন সুলাইমান, ইসমাঈল বিন আবি খালিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাসের মুক্ত দাস আবু হাযিম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের মধ্যে এক ব্যক্তি অহংকারবশত নিজের কাপড় (টাখনুর নিচে) ঝুলিয়ে চলাফেরা করছিল, এমন সময় আল্লাহ তাকে জমিনে ধসিয়ে দিলেন, ফলে সে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তাতে ক্রমাগত নিচে যেতে থাকবে।

এই হাদিসটি আবু আব্দুল্লাহ ইসমাঈল বিন আবি খালিদ আল-কুফি থেকে ইবনে আব্বাসের মুক্ত দাস আবু হাযিম নাবতাল আল-মাদানির সূত্রে বর্ণিত একটি ‘গরিব’ হাদিস। সুওয়াইদ ছাড়া আর কেউ মুতামির থেকে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬০)
15- حَدَّثَنَا عثمان بن محمد: حدثنا أبوجعفر أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْخَزَّازُ الْمُقْرِئُ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ الْمَكِّيّ: حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: قاربوا وسددوا، فإن أحدكم لا يجزيه عَمَلُهُ قَالُوا: وَلا أَنْتَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ؟ قَالَ: وَلا أَنَا، إِلا أَنْ يَتَغَمَّدَنِي اللَّهُ مِنْهُ برحمة وفضل.

⦗ص: 161⦘ حديث محفوظ من حديث الأعمش عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هريرة، رواه عنه جماعة. وهو هذه الألفاظ من حديث طويل، وغريب فيه ذكر جابر.
১৫- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন মুহাম্মাদ: তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আহমাদ বিন আলী আল-খাযযায আল-মুকরি: তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্বাদ আল-মাক্কি: তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাতিম, শারীক বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা এবং জাবির বিন আব্দুল্লাহ (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন, নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) হতে বর্ণিত যে তিনি বলেছেন: তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন করো এবং সঠিক পথে অবিচল থাকো, কারণ তোমাদের কাউকেই তার আমল মুক্তি দেবে না। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর নবী, আপনিও কি নন? তিনি বললেন: আমিও নই, যতক্ষণ না আল্লাহ আমাকে তাঁর পক্ষ থেকে রহমত ও অনুগ্রহ দ্বারা আচ্ছাদিত করেন।

⦗পৃষ্ঠা: ১৬১⦘ আল-আ’মাশ থেকে বর্ণিত আবু সালিহ ও আবু হুরায়রার সূত্রে এটি একটি সংরক্ষিত হাদীস, যা তাঁর থেকে একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। এই শব্দগুলো একটি দীর্ঘ হাদীসের অংশ, এবং এতে জাবিরের উল্লেখ থাকাটি গরীব (অপ্রসিদ্ধ)।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬১)
16- حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الزُّبَيْرِ الْكُوفِيُّ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ الضُّبَعِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجُونِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ كَعْبٍ: {إن إبراهيم لأواه} قَالَ: كَانَ إِذَا ذَكَرَ النَّارَ قال: أوه.

حديث غريب من حديث عبد الملك بْن حبيب أَبِي عمران الجوني، لا أعلم رواه عَنْهُ غير جَعْفَر، ورواية زيد عَنْهُ حسن عزيز.
১৬- আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-জুবায়ের আল-কুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যায়েদ ইবনে আল-হুবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: জাফর ইবনে সুলায়মান আদ-দুবায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু ইমরান আল-জুনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে রাবাহ আল-আনসারী থেকে, তিনি কাব থেকে বর্ণনা করেন: {নিশ্চয় ইব্রাহিম ছিলেন অতিশয় কোমলহৃদয় (আওয়াহ)}, তিনি বলেন: তিনি যখনই জাহান্নামের আগুনের কথা স্মরণ করতেন, তখন বলতেন: আহ!

এটি আবু ইমরান আল-জুনি আব্দুল মালিক ইবনে হাবিবের বর্ণিত একটি ‘গারিব’ হাদিস। জাফর ছাড়া অন্য কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই; আর তাঁর সূত্রে যায়িদের বর্ণনাটি ‘হাসান আজিজ’।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬১)
17- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الزبير: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زيد، عَنْ مالك بْن مغول قَالَ: سمعت الشَّعْبِيّ يقول: ليتني لم أكن علمت من ذا العلم شيئًا.
১৭- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুজ জুবায়ের: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জায়েদ, মালেক ইবনে মিগওয়াল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আশ-শাবিকে বলতে শুনেছি: হায়! আমি যদি এই ইলম থেকে কিছুই না শিখতাম।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬২)
18- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زيد، عَنْ مُحَمَّد بْن طَلْحَة بن مصرف: حدثني ميمون بن أبي حمزة قَالَ: قَالَ لي إِبْرَاهِيم النخعي: تكلمت، ولو وجدت بدا لم أتكلم، وإن زمانًا أكون فيه فقيهًا لزمان سوء.
১৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়িদ, মুহাম্মাদ ইবনে তালহা ইবনে মুসাররিফ থেকে বর্ণিত: মায়মুন ইবনে আবু হামজাহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম আন-নাখায়ি আমাকে বলেছেন: আমি কথা বলেছি, যদি আমার কোনো বিকল্প পথ থাকত তবে আমি কথা বলতাম না। আর যে যুগে আমি ফকিহ হয়েছি, তা নিশ্চয়ই এক মন্দ যুগ।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬২)
19- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زَيْدٌ: حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ: حدثني السفر بن نُسير الأَسَدِيُّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: وَلَدُ الزِّنَا شَرُّ الثَّلاثَةِ إنْ أَبَوَاهُ أَسْلَمَا وَلَمْ يُسْلِمْ هُوَ، فَقَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: هُوَ شَرُّ الثَّلاثَةِ.
১৯- আমাদের নিকট আলী ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট যায়িদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন: আস-সাফার ইবনে নুসাইর আল-আসাদী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জারজ সন্তান তিনজনের মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট যদি তার পিতা-মাতা ইসলাম গ্রহণ করে এবং সে ইসলাম গ্রহণ না করে; অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: সে তিনজনের মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬৩)
20- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ: حَدَّثَنِي إسماعيل بْن عبد الملك ابْن أخي عبد العزيز بْن رفيع: سألت عطاء بْن أَبِي رباح عَنْ ولد الزنا: إن مرض أعوده؟ قَالَ: نعم، قلت: فإن مات أصلي عليه؟ قَالَ: نعم، قلت: فإن شهد تجوز شهادته؟ فقال: نعم، قلت: أيؤم؟ قَالَ: نعم.
২০- আলী ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যায়েদ ইবনুল হুবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল আজিজ ইবনে রফী’-এর ভ্রাতুষ্পুত্র ইসমাঈল ইবনে আব্দুল মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আমি আতা ইবনে আবি রাবাহকে ব্যভিচারজাত সন্তান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: যদি সে অসুস্থ হয়, তবে কি আমি তাকে দেখতে যাব? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: যদি সে মারা যায়, তবে কি আমি তার জানাযার সালাত আদায় করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: যদি সে সাক্ষ্য দেয়, তবে কি তার সাক্ষ্য গ্রহণীয় হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: সে কি ইমামতি করতে পারবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬৩)
21- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ: حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ سَعِيدٍ الْحُسَيْنِيُّ الْمَكِّيُّ الْقُرَشِيُّ: حَدَّثَتْنِي أُمِّي أَنَّهَا أَرْسَلَتْ ⦗ص: 164⦘ إِلَى ابْنَ عُمَرَ تَسْأَلُهُ عَنِ الَّذِي لا يُعْرَفُ لَهُ أَبٌ، أَيُتَصَدَّقُ عليه؟ فقال ابْنُ عُمَرَ: يَا أَهْلَ مَكَّةَ، كم تَجْمَعُونَ لِي وَعِنْدَكُمْ عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ، لَوَدِدْتُ أَنَّ عِنْدِي عشرة منهم أغديهم، وعشرة أُعَشِّيَهُمْ.
২১- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ ইবনুল হুবাব: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে সাঈদ আল-হুসাইনী আল-মাক্কী আল-কুরাশী: আমার মা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ১৬৪⦘ ইবনে উমর-এর নিকট এই মর্মে লোক পাঠালেন যে, তিনি তাঁর কাছে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন যার পিতার পরিচয় জানা নেই—তাকে কি সদকা প্রদান করা যাবে? ইবনে উমর বললেন: হে মক্কাবাসী! তোমরা কেন আমার নিকট (প্রশ্ন নিয়ে) ভিড় করো, অথচ তোমাদের নিকট আতা ইবনে আবি রাবাহ রয়েছেন? আমি অবশ্যই কামনা করি যে, আমার নিকট তাঁর মতো দশজন ব্যক্তি থাকত যাদের আমি সকালে আহার করাতাম এবং আরও দশজন ব্যক্তি থাকত যাদের আমি রাতে আহার করাতাম।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬৪)
22- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زَيْدٌ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ الْعَنْبَرِيُّ: حَدَّثَنِي أَبُو مُسْلِمٍ مُنْذُ خَمْسِينَ سَنَةً، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه قَالَ: تَعَلَّمُوا الْعَرَبِيَّةَ، فَإِنَّهَا تُزِيدُ فِي الْمُرُوءَةِ.
২২- আলী ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুল ওয়ারিস ইবনে সাঈদ আল-আনবারী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু মুসলিম পঞ্চাশ বছর আগে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: তোমরা আরবি ভাষা শিক্ষা করো, কেননা তা ব্যক্তিত্ব বৃদ্ধি করে।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬৪)
23- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ: حَدَّثَنِي طَلْحَةُ بن عمر الْمَكِّيُّ: حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه سَمِعَ رَجُلا يَتَكَلَّمَ بِالْفَارِسِيَّةِ فِي الطَّوَافِ، فَأَخَذَ بِعَضُدَيْهِ فَقَالَ: ابْتَغِ إِلَى الْعَرَبِيَّةِ سَبِيلا.
২৩- আলী ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যায়দ ইবনুল হুবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: তালহা ইবনে উমর আল-মাক্কী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আতা ইবনে আবি রাবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাওয়াফ করার সময় জনৈক ব্যক্তিকে ফারসি ভাষায় কথা বলতে শুনলেন, তখন তিনি তার দুই বাহু ধরলেন এবং বললেন: "আরবি ভাষার কোনো পথ অন্বেষণ করো।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬৫)
24- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُقْبَةَ بْنِ لَهِيعَةَ: حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ دِينَارٍ الْهُذَلِيُّ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه قَالَ: إِيَّاكُمْ وَمُرَاطَنَةَ الأَعَاجِمِ، وَأَنْ تَدْخُلُوا فِي بِيَعِهم يَوْمَ عِيدِهِمْ، فَإِنَّ السَّخْطَةَ تَنْزِلُ عَلَيْهِمْ.
২৪- আমাদের নিকট আলী বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-হাসান বিন আলী বিন আফফান বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট যায়েদ বিন আল-হুবাব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন উকবা বিন লাহীআহ বর্ণনা করেছেন: আতা বিন দীনার আল-হুযালী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, উমর বিন আল-খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) বলেছেন: তোমরা অনারবদের ভাষা (বা বুলি) পরিহার করো এবং তাদের উৎসবের দিনে তাদের উপাসনালয়গুলোতে প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকো, কেননা তখন তাদের ওপর আল্লাহর ক্রোধ অবতীর্ণ হয়।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬৫)
25- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ: حَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ السَّمَّانُ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ وَابْنَ عَبَّاسٍ كَانَا يَضْرِبَانِ أَوْلادَهُمَا عَلَى اللَّحْنِ.
25- আলী ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: যায়িদ ইবনুল হুবাব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবুুর রাবী আল-সাম্মান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আমর ইবনে দীনার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে ওমর এবং ইবনে আব্বাস তাঁদের সন্তানদের ব্যাকরণগত ভুলের জন্য প্রহার করতেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬৫)
26- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ: حَدَّثَنِي الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ الْقُرَشِيُّ مِنْ وَلَدِ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ الْمَدَنِيُّ: حَدَّثَنِي نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى جاريتين له تلعبان بالشهارْدَهْ بأربعة عشر، فضربهما حَتَّى تَكَسَّرَتْ.
২৬- আলী ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাসান ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যায়িদ ইবনুল হুবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মাদানী হাকিম ইবনে হিযামের বংশধর দাহহাক ইবনে উসমান আল-কুরাশী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: নাফি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে উমর (রা.) থেকে যে, তিনি তাঁর দুই দাসীর নিকট প্রবেশ করলেন যারা চৌদ্দ গুটির খেলা (শাহরদাহ) খেলছিল; অতঃপর তিনি তাদের প্রহার করলেন এবং খেলাটি (খেলার সরঞ্জাম) ভেঙে ফেললেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬৬)
27- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ قَالَ: سمعت سفيان الثوري يقول فِي الرجل يدعى قتل الرجل الحر فيجحده فيصالحه ثم يجد بينة قَالَ: الصلح جائز، وَقَالَ ابْن أَبِي ليلى: يبطل الصلح.
২৭- আলী ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: যায়িদ ইবনুল হুবাব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান সাওরিকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে শুনেছি যার বিরুদ্ধে একজন স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ তোলা হয়েছে এবং সে তা অস্বীকার করেছে, অতঃপর সে (বাদীর সাথে) সন্ধি করে নিয়েছে এবং এরপর (বাদী হত্যার) প্রমাণ লাভ করেছে; তিনি (সুফিয়ান) বলেন: সন্ধিটি বৈধ। আর ইবনে আবি লাইলা বলেন: সন্ধিটি বাতিল হয়ে যাবে।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবিল কাসিম আল-হারফি রিওয়ায়াতুস সাকাফি (পৃষ্ঠা: ১৬৬)
28- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الحباب: حدثنا سفيان، عَنْ هِشَام، عَنْ مُحَمَّد بْن سيرين فِي رجل أدخل قوما يحتسبون وقالوا: لا تشهد علينا، قال: يشهد عليهم قَالَ سفيان: به آخذ.
২৮- আলী ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাসান ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যায়েদ ইবনে আল-হুবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন যিনি একদল লোককে (সৎ কাজের তদারকির উদ্দেশ্যে) প্রবেশ করালেন এবং তারা বলল: "আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিও না", তিনি (ইবনে সিরীন) বললেন: "সে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে।" সুফিয়ান বলেন: "আমি এটিই গ্রহণ করি।"