(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: -)
فضائل الشام ودمشق لأبي الحسن الربعي القسم: كتب السنة
الكتاب: فضائل الشام ودمشق
المؤلف: علي بن محمد بن صافي بن شجاع الربعي، أبو الحسن، ويعرف بابن أبي الهول (ت 444هـ)
المحقق: صلاح الدين المنجد
الناشر: مطبوعات المجمع العلمي العربي بدمشق
الطبعة: الأولى 1950
عدد الصفحات: 79
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবুল হাসান আর-রিবয়ি বিরচিত শাম ও দামেস্কের ফযীলতসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: শাম ও দামেস্কের ফযীলতসমূহ
লেখক: আলী বিন মুহাম্মদ বিন সাফি বিন শুজা আর-রিবয়ি, আবুল হাসান, এবং তিনি ইবনে আবুল হাওল নামে পরিচিত (মৃত্যু ৪৪৪ হিজরি)
গবেষণা ও সম্পাদনা: সালাহুদ্দীন আল-মুনজিদ
প্রকাশক: দামেস্কের আল-মাজমাউল ইলমি আল-আরাবি-এর প্রকাশনা
সংস্করণ: প্রথম ১৯৫০
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৯
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ করা হয়েছে]
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরি (অনুলিখন) , এবং ইয়া বাগী আল-খায়ের আকবিল (পাঠ সংকলন ও তুলনা)
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيمأخبرنا الشيخ المسند الأصيل الكبير جمال الدين أبو المعالي عبد الله بن عمر الحلاوي بسماعه على أبي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن خالد الفارسي بسماعه على أبي بكر محمد بن إسماعيل بن الأنماطي بسماعه على هبة الله بن أحمد بن طاووس أخبرنا الشيخ الثقة سديد الدين أَبُو مُحَمَّد هبة الله بْن الخضر بن هبة الله بن أحمد بن طاووس أيده الله بقراءتي عليه قلت له: أخبركم الشيخ أبو الفضائل ناصر بن محمود القرشي الحاج في سلخ رجب سنة ست وثلاثين وخمس مائة قال: حدثنا الشيخ أبو الحسن علي بن أحمد بن زهر التميمي المالكي في سنة ثمان وثلاثين وأربع مائة حدثنا الشيخ أَبُو الحسن علي بْن مُحَمَّد بن شجاع الربعي المالكي بدمشق حرسها الله في المسجد الجامع سنة خمس وثلاثين وأربع ماية قال:
1- أنبأنا أبو القاسم عبد الرحمن بن عمر بن نصر بن محمد الشيباني حدثنا أبو الفضل العباس بن بيهس بمصر حدثنا علي بن الحسن بن عبد المؤمن حدثنا مُحَمَّد بن إِسْحَاق العيني حدثنا عمر بن عبد الغفار حدثنا المسعودي عن عون بن عبد الله بن عتبة قال قرأت فيما أنزل الله عز وجل على بعض الأنبياء أن الله تعالى يقول الشام كنانتي فإذا غضبت على قوم رميتهم منها بسهم.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।প্রবীণ ও নির্ভরযোগ্য শাইখ জামালুদ্দীন আবুল মাআলি আব্দুল্লাহ ইবন উমর আল-হালাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবন খালিদ আল-ফারিসীর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল ইবন আল-আনমাতির নিকট শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি হিবাতুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন তাউসের নিকট শ্রবণের মাধ্যমে। নির্ভরযোগ্য শাইখ সাদিদুদ্দীন আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনুল খিদ্র ইবন হিবাতুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন তাউস—আল্লাহ তাকে সাহায্য করুন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে। আমি তাকে বললাম: শাইখ আবুল ফাদাইল নাসির ইবন মাহমুদ আল-কুরাশি আল-হাজ্জ পাঁচশত ছত্রিশ হিজরি সনের রজব মাসের শেষ দিকে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেছেন: শাইখ আবুল হাসান আলী ইবন আহমাদ ইবন যুহর আত-তামিমি আল-মালিকি চারশত আটত্রিশ হিজরি সনে আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; শাইখ আবু হাসান আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন শুজা আর-রাবঈ আল-মালিকি দামেস্কে—আল্লাহ শহরটিকে রক্ষা করুন—জামে মসজিদে চারশত পঁয়ত্রিশ হিজরি সনে আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন:
১- আবুল কাসিম আব্দুর রহমান ইবন উমর ইবন নাসর ইবন মুহাম্মদ আশ-শাইবানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; মিশরে আবুল ফাদল আব্বাস ইবন বাইহাস আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; আলী ইবন হাসান ইবন আব্দুল মুমিন আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; মুহাম্মদ ইবন ইসহাক আল-আইনি আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; উমর ইবন আব্দুল গাফফার আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন; আল-মাসউদি আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন আউন ইবন আব্দুল্লাহ ইবন উতবা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা কোনো কোনো নবীর প্রতি যা অবতীর্ণ করেছেন তাতে আমি পড়েছি যে, আল্লাহ তাআলা বলেন: "শাম হলো আমার তূণ; সুতরাং যখন আমি কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি রাগান্বিত হই, তখন আমি তাদের সেখান থেকে তীর নিক্ষেপ করি।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٤)
2- حدثنا علي بن أبي محمد عبد الرحمن بن عثمان بن القاسم حدثنا أبو علي الحسن بن حبيب حدثنا يزيد بن عبد الصمد حدثنا الوحاظي حدثنا سعيد عن قتادة قال الرأس الشام وإن مصر الذنب وإن العراق الجناح.
2- আলী ইবনে আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উসমান ইবনে কাসেম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আলী হাসান ইবনে হাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ ইবনে আবদুস সামাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-উহাযি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: শাম হলো মস্তক, আর মিশর হলো পুচ্ছ এবং ইরাক হলো ডানা।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٤)
3- أخبرنا أَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عبد الله المري حدثنا أبو علي الحسين بن إبراهيم بن جابر الفرائضي حدثنا أبو سعيد محمد بن أحمد بن فياض حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم دحيم حدثنا الوليد حدثنا ابن لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب عن عبد الرحمن بن شماسة عن زيد بن ثابت قال سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول يا طوبى للشام يا طوبى للشام يا طوبى للشام قالوا يا رسول الله وبم ذلك قال تلك ملائكة الله باسطوا أجنحتها على الشام.
৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাররি, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে ইবরাহীম ইবনে জাবির আল-ফারাইদি, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ফায়াজ, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে ইবরাহীম দুহাইম, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-ওয়ালীদ, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে লাহিয়াহ, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে শুমাসাহ থেকে এবং তিনি জায়েদ ইবনে সাবিত থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "শামের জন্য কতই না সৌভাগ্য! শামের জন্য কতই না সৌভাগ্য! শামের জন্য কতই না সৌভাগ্য!" তারা জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! তা কিসের কারণে?" তিনি বললেন, "তারা আল্লাহর ফেরেশতা, যারা শামের ওপর তাদের ডানা বিস্তার করে আছেন।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٤)
4- أخبرنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ يحيى القطان حدثنا خيثمة بن سليمان حدثنا أبي حدثنا سعيد بن عبد العزيز حدثنا مكحول عن إبي إدريس
⦗ص: 5⦘ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوَالَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ستجندون أجنادا جندا بِالشَّامِ وَجُنْدًا بِالْعِرَاقِ وَجُنْدًا بِالْيَمَنِ قال عبد الله فقمت فقلت خر لي يا رسول الله فقال عَلَيْكُمْ بِالشَّامِ فَمَنْ أَبَى فَلْيَلْحَقْ بِيَمَنِهِ وَلْيَسْتَقِ مِنْ غَدْرِهِ فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل قَدْ تَكَفَّلَ لي بالشام وأهله.
قال ربيعة: فسمعت أبا إدريس يحدث بهذا الحديث يقول وَمَنْ تَكَفَّلَ اللَّهُ بِهِ فَلا ضيعة عليه.
৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাইসামাহ ইবনে সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাকহুল, আবু ইদ্রিস থেকে,
⦗পৃষ্ঠা: ৫⦘ আব্দুল্লাহ ইবনে হাওয়ালা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "শীঘ্রই তোমরা বিভিন্ন বাহিনীতে বিভক্ত হয়ে পড়বে—এক বাহিনী শামে, এক বাহিনী ইরাকে এবং এক বাহিনী ইয়ামেনে।" আব্দুল্লাহ বলেন, তখন আমি দাঁড়িয়ে বললাম: "হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য আপনি (একটি স্থান) পছন্দ করে দিন।" তিনি বললেন: "তোমাদের জন্য শামে থাকা আবশ্যক। আর যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করবে, সে যেন তার ইয়ামেনে গিয়ে মিলিত হয় এবং তার জলাধার থেকে পানি পান করে। কারণ, নিশ্চয়ই আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা আমার খাতিরে শামের এবং তার অধিবাসীদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।"
রাবিয়াহ বলেন: আমি আবু ইদ্রিসকে এই হাদিসটি বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "আর আল্লাহ যার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তার কোনো ধ্বংস নেই।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٥)
5- أخبرنا أبو الحسن عبد الوهاب بن جعفر الميداني حدثنا أبو علي الحسين بن إبراهيم بن جابر الفرائضي حدثنا أبو سعيد محمد بن فياض حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم دحيم حدثنا الوليد بن مسلم حدثنا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ مكحول عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيِّ عَنْ عَبْدِ الله بن حوالة وهو من الأزد قال: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول ستجندون أجنادا جندا بِالشَّامِ وَجُنْدًا بِالْعِرَاقِ وَجُنْدًا بِالْيَمَنِ قال عبد الله فقمت إلى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فقلت خر لي فقال عَلَيْكُمْ بِالشَّامِ فَمَنْ أَبَى فَلْيَلْحَقْ بِيَمَنِهِ وَلْيَسْتَقِ مِنْ غَدْرِهِ فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل قَدْ تَكَفَّلَ لي بالشام وأهله.
⦗ص: 6⦘قال ربيعة: فسمعت أبا إدريس يحدث بهذا الحديث ويقول: وَمَنْ تَكَفَّلَ اللَّهُ بِهِ فَلا ضيعة عليه.
৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আব্দুল ওয়াহহাব বিন জাফর আল-মায়দানী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন ইব্রাহিম বিন জাবির আল-ফারায়িযী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন ফায়্যাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন ইব্রাহিম দুহাইম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ওয়ালীদ বিন মুসলিম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি রাবীআহ বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবু ইদরীস আল-খাওলানী থেকে এবং তিনি আযদ গোত্রের আব্দুল্লাহ বিন হাওয়ালা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: "শীঘ্রই তোমরা কতগুলো সেনাদলে বিভক্ত হয়ে পড়বে; একদল শামে, একদল ইরাকে এবং একদল ইয়েমেনে।" আব্দুল্লাহ বলেন, তখন আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দাঁড়ালাম এবং বললাম: আপনি আমার জন্য (একটি স্থান) পছন্দ করে দিন। তিনি বললেন: "তোমরা শামকে বেছে নাও। আর যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করবে, সে যেন তার ইয়েমেনে চলে যায় এবং তার জলাধার থেকে পানি পান করে। কেননা মহান আল্লাহ আমার খাতিরে শাম এবং তার অধিবাসীদের জিম্মাদারি গ্রহণ করেছেন।"
⦗পৃষ্ঠা: ৬⦘রাবীআহ বলেন: আমি আবু ইদরীসকে এই হাদীসটি বর্ণনা করতে শুনেছি এবং তিনি বলছিলেন: "আল্লাহ যার জিম্মাদারি গ্রহণ করেন, তার কোনো ধ্বংস বা বিনাশ নেই।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٦)
6- أخبرنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عثمان حدثنا أبو علي بن حبيب حدثنا أبو زرعة عبد الرحمن بن عمرو حدثنا أبو نعيم حدثنا الأعمش عن عبد الله بن ضرار الأنصاريّ عن أبيه عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال قسم الله الخير عشرة أعشار فجعل تسعة أعشاره بالشام وبقيته في سائر الأرضين وقسم الشر عشرة أعشار فجعل جزء بالشام وبقيته في سائر الأرضين.
৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান বিন উসমান, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আলী বিন হাবীব, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু জুরআহ আবদুর রহমান বিন আমর, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু নুআইম, তিনি আল-আ'মাশ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন দিরার আল-আনসারী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহ কল্যাণকে দশ ভাগে বিভক্ত করেছেন, অতঃপর এর নয় ভাগ শামে (সিরিয়া অঞ্চল) রেখেছেন এবং এর অবশিষ্ট অংশ পৃথিবীর অন্যান্য ভূখণ্ডে। আর তিনি অকল্যাণকে দশ ভাগে বিভক্ত করেছেন, অতঃপর এর এক ভাগ শামে রেখেছেন এবং এর অবশিষ্ট অংশ পৃথিবীর অন্যান্য ভূখণ্ডে।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٦)
7- أخبرنا عبد الرحمن بن عمر بن نصر حدثنا خيثمة حدثنا أحمد بن أبي خيثمة حدثنا هارون بن معروف حدثنا ضمرة بن ربيعة عن الوليد بن صالح الأزدي قال في الكتاب الأول الله يقول للشام أنت الأندر ومنك المنشر وإليك المحشر فيك ناري ونوري من دخلك رغبة فيك فبرحمتي ومن ⦗ص: 7⦘ خرج عنك رغبة عنك فبسخطي تتسع لأهلها كما تتسع الرحم للولد.
৭- আমাদের নিকট আব্দুর রহমান বিন উমর বিন নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট খাইসামা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমাদ বিন আবি খাইসামা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হারুন বিন মারুফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট দামরা বিন রাবিয়া বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ বিন সালিহ আল-আজদি থেকে, তিনি বলেন: প্রথম কিতাবে (পূর্ববর্তী আসমানি কিতাবে) রয়েছে যে, আল্লাহ শামের প্রতি বলেন—তুমি হলে শস্যভাণ্ডার, তোমার থেকেই হবে পুনরুত্থান এবং তোমার দিকেই হবে মহাসমাবেশ। তোমার মাঝে রয়েছে আমার আগুন এবং আমার নূর। যে ব্যক্তি তোমার প্রতি অনুরাগী হয়ে তোমাতে প্রবেশ করবে, তা আমার রহমতের কারণেই হবে। আর যে ব্যক্তি ⦗পৃষ্ঠা: ৭⦘ তোমার প্রতি বিরাগী হয়ে তোমাকে ত্যাগ করবে, তা আমার ক্রোধের কারণেই হবে। তুমি তোমার অধিবাসীদের জন্য সেভাবেই প্রশস্ত হয়ে যাও, যেভাবে জরায়ু সন্তানের জন্য প্রশস্ত হয়।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٧)
8- أخبرنا أبو القاسم عبد الرحمن بن عمر حدثنا أبو الفضل بن بيهس بمصر حدثنا أحمد بن ثابت بن زيد حدثنا أبو حميد أحمد بن محمد بن المغيرة حدثنا يحيى بن سعيد القطان حدثنا علي بن ضمام عن كعب الأحبار قال جاء إليه رجل فقال إني أريد الخروج أبتغي فضل الله عز وجل فقال عليك بالشام فإنه ما نقص من بركة الأرضين يزاد في الشام.
৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আবদুর রহমান বিন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল বিন বায়হাস মিসরে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন সাবিত বিন যায়েদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুমায়দ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুগিরা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন দম্মাম, কাব আল-আহবার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলল, "আমি মহান আল্লাহর অনুগ্রহ অন্বেষণে বের হতে চাচ্ছি।" তিনি বললেন, "তুমি শামে (সিরিয়া অঞ্চল) যাও। কারণ জমিনসমূহের বরকত থেকে যা কিছু কমে যায়, তা শামে বাড়িয়ে দেওয়া হয়।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٧)
9- وأخبرنا عبد الرحمن بن عمر حدثنا أبي حدثنا عبد الرحمن بن إسماعيل الكوفي حدثنا إدريس بن سليمان حدثنا عبد الله بن خالد بن حازم حدثنا حاتم عن أبي حازم المدني قال براغيث الشام [تنقي] خطاياهم.
৯- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে উমর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে ইসমাইল আল-কুফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইদরিস ইবনে সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে খালিদ ইবনে হাজিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাতিম, তিনি আবু হাজিম আল-মাদানি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শামের পিশুগুলো (এক প্রকার মাছি) তাদের পাপসমূহকে [পরিষ্কার] করে।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٧)
10- أخبرنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عثمان حدثنا الحسن بن حبيب حدثنا أبو زرعة حدثنا عبد الله بن صالح حدثنا معاوية بن صالح عن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرٍ ، عَنْ أبيه أن كعب الأحبار قال تخرب الدنيا أو قال الأرض قبل الشام بأربعين عاما.
১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উসমান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে হাবিব, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সালেহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়াহ ইবনে সালেহ, তিনি বর্ণনা করেন আবদুর রহমান ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, কা’ব আল-আহবার বলেছেন: দুনিয়া —অথবা তিনি বলেছেন জমিন— শাম অঞ্চলের চল্লিশ বছর পূর্বেই ধ্বংস হয়ে যাবে।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٨)
11- أخبرنا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بن عبد الله القطان حدثنا العباس بن الوليد حدثنا علقمة حدثنا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ قَيْسٍ عَنْ عَبْدِ الله بن عمرو قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنِّي رَأَيْتُ عَمُودَ الْكِتَابِ انْتُزِعَ مِنْ تَحْتِ وِسَادَتِي فَنَظَرْتُ فَإِذَا هُوَ نُورٌ سَاطِعٌ عَمَدَ بِهِ إِلَى الشَّامِ أَلا إِنَّ الإِيمَانَ إِذَا وَقَعَتِ الفتن بالشام.
১১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস বিন আল-ওয়ালিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলকামা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ, তিনি আতিয়্যাহ বিন কায়স থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমি কিতাবের স্তম্ভকে আমার বালিশের নিচ থেকে ছিনিয়ে নিতে দেখেছি। অতঃপর আমি সেদিকে তাকালাম এবং দেখলাম সেটি একটি উজ্জ্বল নূর, যা শামের অভিমুখে চলে গেল। জেনে রেখো, যখন ফিতনা (বিপর্যয়) দেখা দেবে, তখন ঈমান শামে থাকবে।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٨)
12- أخبرنا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أنبأنا أبو القاسم علي بن يعقوب حدثنا محمد بن إسحاق حدثنا هشام بن عمار حدثنا الوليد حدثنا ابن لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب عن عبد الرحمن بن شماسة عن زيد بن ثابت قال: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول يا طوبى للشام يا طوبى للشام يا طوبى للشام قيل وما ذلك يا رسول الله قال تلك ملائكة الله عز وجل باسطو أجنحتها على الشام.
১২- আবদুল ওয়াহহাব বিন আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আলী বিন ইয়াকুব আমাদের অবহিত করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে লাহীআ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন আবি হাবীব থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন শুমাসাহ থেকে, তিনি জায়েদ বিন সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “শামের জন্য সুসংবাদ, শামের জন্য সুসংবাদ, শামের জন্য সুসংবাদ।” জিজ্ঞেস করা হলো, “হে আল্লাহর রাসূল! সেটি কীসের জন্য?” তিনি বললেন, “ঐ তো মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ফেরেশতাগণ শামের উপর তাঁদের ডানা প্রসারিত করে রেখেছেন।”
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٨)
13- أخبرنا عبد الرحمن بن عثمان حدثنا عمي أبو بكر بن القاسم حدثنا أحمد بن علي القاضي حدثنا عمرو بن الحصين حدثنا معاذ بن هشام ، عن أبيه عن قتادة عن سعيد عن عبد الله بن الصامت ⦗ص: 9⦘ عن أبي ذر رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: الشام أرض المحشر والمنشر.
১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবন উসমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা আবু বকর ইবনুল কাসিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন আলী আল-কাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনুল হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াজ ইবন হিশাম, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন সামিত থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ৯⦘ এবং তিনি আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: শাম হলো হাশর ও নাশর (একত্রিত হওয়া ও পুনরুত্থান)-এর ভূমি।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٩)
14- أخبرنا عبد الرحمن بن عثمان حدثنا حبيب حدثنا كثير حدثنا الزعفراني حدثنا الفضل بن دكين حدثنا الأَعْمَش حدثنا عبد الله بن ضرار ، عن أبيه قال: قال عبد الله بن مسعود إن الخير قسم عشرة أجزاء فجعل منه تسعة أجزاء بالشام وبقيته في سائر الأرضين.
১৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান বিন উসমান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবিব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসীর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যা'ফরানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফদল বিন দুকাইন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন দিরার, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন মাসউদ বলেছেন, নিশ্চয়ই কল্যাণ দশটি ভাগে বিভক্ত; তার মধ্যে নয়টি ভাগই সিরিয়ায় (শাম) রাখা হয়েছে এবং অবশিষ্ট অংশ পৃথিবীর বাকি ভূখণ্ডসমূহে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٩)
15- أخبرنا أبو القاسم تمام بْن مُحَمَّد بْن عبد الله الرازي الحافظ حدثنا جعفر بن محمد بن جعفر [حدثنا] عبد الوهاب بن الضحاك وهشام بن عمار قالا حدثنا عِمْرَانُ بْنُ إِسْحَاقَ أَبُو هَارُونَ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قرة ، عن أبيه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إذا هلك الشَّامِ فَلا خَيْرَ فِي أُمَّتِي وَلا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي على الحق يقاتلون الدجال.
১৫- আবু আল-কাসিম তাম্মাম বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আর-রাজি আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জা'ফর বিন মুহাম্মদ বিন জা'ফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, [আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন] আবদুল ওয়াহহাব বিন আদ-দাহহাক এবং হিশাম বিন আম্মার, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: ইমরান বিন ইসহাক আবু হারুন আমাদের নিকট শু'বাহ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া বিন কুররাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যখন শাম ধ্বংস হয়ে যাবে, তখন আমার উম্মতের মধ্যে আর কোনো কল্যাণ থাকবে না। আর আমার উম্মতের একটি দল সর্বদা হকের ওপর অটল থেকে দাজ্জালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকবে।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ٩)
16- أخبرنا تمام بن محمد حدثنا جعفر حدثنا أحمد بن عمرو بن إسماعيل الفارسي الوزان المقعد حدثنا شيبان بن أبي شيبة حدثنا الصعق بن حزن البكري سيار الكوفي عن جبير بن عبيدة الحمصي ، ⦗ص: 10⦘ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لن تبرح هذه الأمة منصورين أينما توجهوا لا يضرهم من خذلهم من الناس حتى يأتي أمر الله أكثرهم أهل الشام.
১৬- তমাম ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আহমাদ ইবনে আমর ইবনে ইসমাইল আল-ফারিসি আল-ওয়াজ্জান আল-মুআকয়াদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, শায়বান ইবনে আবি শায়বা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আস-সাক ইবনে হাযন আল-বাকরি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সাইয়্যার আল-কুফি জুবাইর ইবনে উবাইদাহ আল-হিমসি থেকে বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ১০⦘ আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: এই উম্মত সর্বদা সাহায্যপ্রাপ্ত থাকবে তারা যেখানেই অভিমুখ করুক না কেন; যারা তাদের পরিত্যাগ করবে তারা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না, যতক্ষণ না আল্লাহর নির্দেশ (কিয়ামত) আসে। তাদের অধিকাংশ হবে শামের অধিবাসী।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
17- وأخبرنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بكر الطبراني الزاهد بالأكواخ حدثنا العباس بن الحارس بن الصباح النابلسي حدثنا بكر بن سهل الدمياطي حدثنا عبد الله بن لهيعة حدثنا يزيد بن أبي حبيب عن عبد الرحمن [بن] شماسة المهري عن زيد بن ثابت الأنصاري قال بينما نحن عند رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يوما قال طوبى لأهل الشام طوبى لأهل الشام قلنا ما بال أهل الشام يا رسول الله قال ملائكة الرحمن باسطو أجنحتها على الشام.
17- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনে বকর আত-তাবারানি আল-আকওয়াখ-নিবাসী যাহিদ; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-আব্বাস ইবনে আল-হারিস ইবনে আস-সাব্বাহ আন-নাবুলুসি; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বকর ইবনে সাহল আদ-দিময়াতি; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে লাহিয়া; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব, আবদুর রহমান [ইবনে] শুমাসাহ আল-মাহরি থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে সাবিত আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: একদা যখন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তখন তিনি বললেন, "শামবাসীর জন্য সুসংবাদ, শামবাসীর জন্য সুসংবাদ।" আমরা আরজ করলাম, "হে আল্লাহর রাসূল! শামবাসীর বিষয়টি কী?" তিনি বললেন, "রহমানের ফেরেশতাগণ শামের উপর তাঁদের ডানাগুলো প্রসারিত করে রেখেছেন।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
18- أخبرنا أبو الحسين عبد الله بن الحسن بن الوليد الكلابي حدثنا أبو بكر بن خريم حدثنا هشام بن عمار حدثنا معاوية بن يحيى حدثنا أرطاة بن المنذر عمن حدثه ⦗ص: 11⦘ عن أبي الدرداء قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أهل الشام وأزواجهم وذرياتهم وعبيدهم وإماؤهم إلى منتهى الجزيرة مرابطين في سبيل الله فمن احتل منها مدينة من المدائن فهو في رباط ومن احتل منها ثغرا من الثغور فهو في جهاد.
১৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হোসেন আবদুল্লাহ ইবনুল হাসান ইবনুল ওয়ালিদ আল-কিলাবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন খুরিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন আম্মার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া বিন ইয়াহইয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আরতাহ বিন আল-মুনজির, তাঁর নিকট যিনি বর্ণনা করেছেন তাঁর থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ১১⦘ আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: শামবাসী এবং তাদের স্ত্রীগণ, তাদের সন্তান-সন্ততিগণ এবং তাদের দাস-দাসীগণ জাযিরার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত আল্লাহর রাস্তায় পাহারারত। সুতরাং তাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি কোনো শহরে অবস্থান করবে সে পাহারায় (রিবাত) রত, আর যে ব্যক্তি কোনো সীমান্তে অবস্থান করবে সে জিহাদে রত।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١١)
19- وبه حدثنا معاوية بن يحيى حدثنا سليمان بن سليم عن يحيى بن جابر عن يزيد بن شريح عن كعب الأحبار قال إن الله تبارك وتعالى بارك في الشام من الفرات إلى العريش.
১৯- এবং তাঁর মাধ্যমেই মুআবিয়াহ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনে সুলাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাবির থেকে, তিনি ইয়াযীদ ইবনে শুরাইহ থেকে, তিনি কাব আল-আহবার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা শাম দেশে ফুরাত থেকে আল-আরীশ পর্যন্ত বরকত দান করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١١)
20- أخبرنا أبو جعفر عمر بن الخضر بن محمد المعروف باليماني بمكة أخبرنا أبو هاشم بن الحسين بن محمد بن الفرج الحداد حدثنا أبو بكر محمد بن الليث الجوهري حدثنا إسماعيل بن علية أبو الحسن حدثنا أبي حدثنا زياد بن بيان عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عن عبد الله بن عمر قال صلى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الفجر ثم أقبل على القوم فقال اللهم بارك لنا في مدينتنا وبارك لنا في مدنا وصاعنا اللهم بارك لنا في حرمنا وبارك لنا ⦗ص: 12⦘ في شامنا فقال رجل وفي العراق فسكت ثم أعاد قال الرجل وفي عراقنا فسكت ، ثم قال: اللهم بارك لنا في مدينتنا وبارك لنا في مدنا وصاعنا اللهم بارك لنا في شامنا اللهم اجعل مع البركة بركة والذي نفسي بيده ما من المدينة شعب ولا نقب إلا وعليه ملكان يحرسانها حتى تقدموا عليها … ، وذكر الحديث.
২০- মক্কায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর ওমর ইবনুল খিজর বিন মুহাম্মদ, যিনি আল-ইয়ামানি নামে পরিচিত; তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাশিম বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফারাজ আল-হাদ্দাদ; তিনি বলেন আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-লাইস আল-জাওহারি; তিনি বলেন আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন উলাইয়া আবু আল-হাসান; তিনি বলেন আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা; তিনি বলেন আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন জিয়াদ বিন বায়ান, সালেম বিন আব্দুল্লাহর সূত্রে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন ওমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায় করলেন, অতঃপর তিনি লোকদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন: হে আল্লাহ, আমাদের জন্য আমাদের মদিনায় বরকত দান করুন এবং আমাদের মুদ ও সায়ে (পরিমাপক পাত্র) বরকত দিন। হে আল্লাহ, আমাদের হারামে বরকত দিন এবং আমাদের জন্য ⦗পৃষ্ঠা: ১২⦘ আমাদের শামে বরকত দিন। তখন এক ব্যক্তি বলল: এবং ইরাকেও? তিনি চুপ থাকলেন। অতঃপর ব্যক্তিটি পুনরায় বলল: এবং আমাদের ইরাকেও? তিনি চুপ থাকলেন। এরপর তিনি বললেন: হে আল্লাহ, আমাদের জন্য আমাদের মদিনায় বরকত দিন এবং আমাদের মুদ ও সায়ে বরকত দিন। হে আল্লাহ, আমাদের শামে বরকত দিন। হে আল্লাহ, বরকতের সাথে আরও বরকত যুক্ত করে দিন। সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ, মদিনার এমন কোনো গিরিপথ বা প্রবেশপথ নেই যেখানে দুজন ফেরেশতা তা পাহারা দিচ্ছে না, যতক্ষণ না তোমরা সেখানে উপনীত হও … , এবং তিনি হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
21- أخبرنا أبو إسحاق إبراهيم بن عثمان بن عبد الله بن الهيثم البهزاني الخطيب حدثنا أبو القاسم عبد الرحمن بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سعيد الخزرجي الأنصاريّ البخاري حدثنا الحسن بْن عبد الله بْن الحسين بن الحارث بهمدان حدثنا أبو أحمد القاسم بن الحسن حدثنا أبو علي خفيف بن عبد الله الغاوي حدثنا هشام بن عمار حدثنا عبد الله بن عَبْد الرَّحْمَنِ بْن يزيد بْن جابر حدثنا صالح بن رستم أبو عبد السلام مولى بني هاشم عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوَالَةَ أنه قال يا رسول الله اكتب لي بلدا أكون فيه فلو أعلم أنك تبقى لم أختر على قربك قال عليك بالشام ثلاثا فلما رأى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 13⦘ كراهيته للشام قال هل تدرون ما يقول الله عز وجل يقول يا شام يا شام يدي عليك يا شام أنت صفوتي من بلادي أدخل فيك خيرتي من عبادي أنت سيف نقمتي وسوط عذابي أنت الأندر وإليك المحشر ورأيت ليلة أسري بي عمودا أبيض كأنه لؤلؤ تحملة الملائكة قلت ما تحملون قالوا نحمل عمود الإسلام أمرنا أن نضعه بالشام وبينا أن نائم رأيت كتابا اختلس من تحت وسادتي فظننت أن الله تخلى من أهل الأرض فأتبعت بصري فإذا هو نور ساطع بين يدي حتى وضع بالشام فمن أبى أن يلحق بالشام فَلْيَلْحَقْ بِيَمَنِهِ وَلْيَسْتَقِ مِنْ غَدْرِهِ فإن الله قَدْ تَكَفَّلَ لِي بِالشَّامِ وَأَهْلِهِ.
২১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে উসমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হাইসাম আল-বাহজানি আল-খাতিব, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু কাসিম আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে সাঈদ আল-খাযরাজি আল-আনসারি আল-বুখারি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হুসাইন ইবনুল হারিস হামাদানে, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আহমদ কাসিম ইবনুল হাসান, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আলি খাফিফ ইবনে আবদুল্লাহ আল-গাভি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে আম্মার, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে ইয়াযিদ ইবনে জাবির, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সালেহ ইবনে রুস্তম আবু আবদুস সালাম মাওলা বনু হাশিম, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে হাওয়ালা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমার জন্য একটি দেশের নাম লিখে দিন যেখানে আমি বসবাস করব; যদি আমি জানতাম যে আপনি দীর্ঘকাল অবস্থান করবেন, তবে আপনার সান্নিধ্য ছেড়ে অন্য কিছু বেছে নিতাম না। তিনি বললেন: তুমি শামে চলে যাও (তিনবার)। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ⦗পৃষ্ঠা: ১৩⦘ শামের প্রতি তার অনীহা লক্ষ্য করলেন, তখন তিনি বললেন: তোমরা কি জানো মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ কী বলেন? তিনি বলেন: হে শাম, হে শাম, তোমার উপর আমার হাত রয়েছে, হে শাম। তুমি আমার দেশসমূহের মধ্যে আমার মনোনীত, তোমার মধ্যে আমি আমার বান্দাদের মধ্য হতে শ্রেষ্ঠদের প্রবেশ করাই। তুমি আমার প্রতিশোধের তলোয়ার এবং আমার শাস্তির চাবুক। তুমি শস্য মাড়াইয়ের স্থান এবং তোমার দিকেই হবে হাশর (মহাসমাবেশ)। আর মিরাজের রাতে আমি একটি সাদা স্তম্ভ দেখেছিলাম যা দেখতে মুক্তার মতো ছিল এবং ফেরেশতারা তা বহন করছিল। আমি বললাম: তোমরা কী বহন করছ? তারা বলল: আমরা ইসলামের স্তম্ভ বহন করছি, আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন আমরা তা শামে স্থাপন করি। আর আমি যখন ঘুমে ছিলাম, তখন দেখলাম যে আমার বালিশের নিচ থেকে একটি কিতাব ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, তখন আমার মনে হলো আল্লাহ হয়তো জমিনবাসীদের সান্নিধ্য ত্যাগ করেছেন, অতঃপর আমি আমার দৃষ্টি দিয়ে তা অনুসরণ করলাম এবং দেখলাম যে সেটি একটি উজ্জ্বল নূর হিসেবে আমার সামনে রয়েছে এবং পরিশেষে তা শামে স্থাপন করা হলো। সুতরাং যে ব্যক্তি শামে যেতে অস্বীকার করে, সে যেন ইয়ামেনে চলে যায় এবং তার জলাধার থেকে পানি পান করে। কারণ আল্লাহ আমার জন্য শাম এবং তার অধিবাসীদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
22- أخبرنا أبو الحسن عبد الوهاب بن جعفر الكلابي قال حدثنا الحسن بن علي بن عمر العنسي حدثنا أبو محمد قال قرأت على أبي بكر بن جعفر حدثنا يحيى بن محمد بن السكن حدثنا أبو قلابة عن بشير ⦗ص: 14⦘ عن عبد الله بن عمر قال: قال لنا نبي اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يوما إني رأيت الملائكة في المنام أخذوا عمود الكتاب فعمدوا به إلى الشام فإذا وقعت الفتن فإن الإيمان بالشام.
২২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আবদুল ওয়াহহাব বিন জাফর আল-কিলাবি, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী বিন উমর আল-আনসি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ, তিনি বলেন, আমি আবু বকর বিন জাফরের নিকট পাঠ করেছি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন আস-সাকান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু কিলাবাহ, বাশির থেকে বর্ণিত, ⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘ আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আমাদের বললেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম ফেরেশতারা কিতাবের স্তম্ভটি গ্রহণ করেছেন এবং তা নিয়ে শামের দিকে অগ্রসর হয়েছেন। যখন ফিতনা দেখা দেবে, তখন ঈমান শামে থাকবে।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
23- أخبرنا أَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عبد الله حدثنا أبو علي الحسن بن منير حدثنا أبو يحيى محمد بن سعيد الحريمي حدثنا دحيم حدثنا الوليد حدثنا الأوزاعي حدثني يحيى عَنْ أَبِي قِلابَةَ عَنْ سَالِمِ بن عبد الله عن أبيه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: سَتَخْرُجُ نَارٌ فِي آخِرِ الزَّمَانِ من حضر موت تحشر الناس قلنا فماذا تأمرنا يا رسول الله قال عليكم بالشام.
২৩- আবু নাসর আব্দুল ওয়াহহাব বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আলী আল-হাসান বিন মুনির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়াহইয়া মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-হারিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দুহাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমার নিকট আবু কিলাবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সালিম বিন আব্দুল্লাহ থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: শেষ যামানায় হাযরামাউত থেকে একটি আগুন নির্গত হবে যা মানুষকে একত্রিত করবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদের কী আদেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন: তোমরা শামে অবস্থান করবে।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
24- أخبرنا الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ القاسم الطرسوسي حدثنا أبو علي الحسن بْن عبد الله بْن محمد الأزهري حدثنا محمد بن عبد الملك الدقيقي قال: سمعت يزيد بن هارون يقول سمعت عبد الله بن طاووس يقول سمعت أبي يقول قال ابن عباس يرفعه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مكة آية الشرف والمدينة معدن الدين والكوفة فسطاط الإسلام والبصرة فخر العابدين والشام معدن الأبرار ومصر ⦗ص: 15⦘ عش أبليس وكهفه ومستقره والسند مراد إبليس والزنى في الزنج والصدق في النوبة والبحرين منزل مبارك والجزيرة معدن الفتك وأهل اليمن أفئدتهم رقيقة ولا يعدوهم الرزق والأئمة من قريش وسادة الناس بنو هاشم.
২৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান আলী বিন আল-হাসান বিন আল-কাসিম আত-তারসুসি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-আজহারি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আদ-দাকিকি, তিনি বলেন: আমি ইয়াজিদ বিন হারুনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি আব্দুল্লাহ বিন তাউসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এটি মারফু সূত্রে (রাসূলের প্রতি সম্বন্ধযুক্ত করে) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মক্কা হলো সম্মানের নিদর্শন, মদিনা হলো দ্বীনের আকর, কুফা হলো ইসলামের প্রধান কেন্দ্র এবং বসরা হলো ইবাদতকারীদের গর্ব, শাম হলো পুণ্যবানদের আকর এবং মিসর ⦗পৃষ্ঠা: ১৫⦘ হলো ইবলিসের বাসা, তার গুহা ও তার আবাসস্থল; সিন্ধু হলো ইবলিসের কাম্য স্থান, ব্যভিচার হলো জাঞ্জদের (একটি বিশেষ জনগোষ্ঠী) মধ্যে, সত্যবাদিতা হলো নুবিয়া অধিবাসীদের মধ্যে, বাহরাইন হলো বরকতময় আবাসস্থল, জাজিরা হলো দুঃসাহসিক সংঘাতের আকর, ইয়েমেনবাসীদের অন্তর অত্যন্ত কোমল, তাদের রিযিক তাদের ছেড়ে যায় না, আর ইমামগণ হবেন কুরাইশ বংশ থেকে এবং মানুষের মধ্যে সরদার হলেন বনু হাশিম।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
25- أخبرنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن عثمان الشاهد حدثنا أبو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ بن معاوية القشيري ، عن أبيه عن جده قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أين تأمرني فقال هاهنا وأومأ [بيده] نحو الشام قال إنكم محشورون رجالا وركبانا ومجرون على وجوهكم.
২৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান আশ-শাহিদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুয়াবিয়া, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বাহজ ইবনে হাকিম ইবনে মুয়াবিয়া আল-কুশাইরী, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে কোথায় যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন, এই দিকে, এবং তিনি [তাঁর হাত] দিয়ে শামের দিকে ইশারা করলেন। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই তোমাদেরকে সমবেত করা হবে পদব্রজে, আরোহী অবস্থায় এবং তোমাদের চেহারার ওপর টেনে হিঁচড়ে নেওয়া অবস্থায়।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
26- أخبرنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بن درستويه حدثنا أبو الحسن محمد بن أحمد بن عمارة العطار حدثنا إبراهيم بن سعيد الجوهري حدثنا عبد الله بن مسلم بن هرمز عن مجاهد عن تبيع ⦗ص: 16⦘ عن كعب الأحبار قال أهل الشام سيف من سيوف الله عز وجل ينتقم الله عز وجل بهم ممن عصاه في أرضه.
২৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দুরুসতাওয়াইহ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে উমারা আল-আত্তার, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে সাঈদ আল-জাওহারী, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে হুরমুজ, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি তুবাই থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ১৬⦘ তিনি কাব আল-আহবার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: শামবাসী হলো মহান আল্লাহর তরবারিগুলোর মধ্য হতে একটি তরবারি; তাদের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তাঁর জমিনে তাঁর অবাধ্যচারীদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
27- أخبرنا أبو الحسن أحمد بن إبراهيم بن فراس العدل بمكة حدثنا أبو جعفر محمد بن إبراهيم الدبيلي حدثنا عبد الحميد بن صبيح حدثنا حماد بن زيد عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أبيه عن جده قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أين تأمرني؟ فنحا بيده نحو الشام.
২৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মক্কার ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি আবু আল-হাসান আহমাদ ইবন ইবরাহিম ইবন ফিরাস, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহিম আদ-দুবাইলি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল হামিদ ইবন সাবিহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন যায়িদ, বাহজ ইবন হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি (দাদা) বলেন, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে কোথায় যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন? তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে শামের দিকে ইঙ্গিত করলেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
باب ذكر ما ورد في دمشق.
28- أخبرنا أبو القاسم تمام بْن مُحَمَّد بْن عبد الله بن جعفر الرازي الحافظ أخبرنا أبو بكر أحمد بن عبد الله بن الفرج القرشي وأبو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سهل بن يحيى بن صالح بن حبة البزاز قالا أخبرنا أبو قصي إسماعيل بن محمد بن إسحاق العذري حدثنا سليمان بن عبد الرحمن حدثنا مسلمة بن علي حدثنا أبو سعيد الأسدي حدثنا سُلَيْمِ بْنِ عَامِرٍ عَنْ أَبِي أمامة عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أنه تلا هذه الآية قوله عز وجل {وَآوَيْنَاهُمَا إِلَى رَبْوَةٍ ذَاتِ قَرَارٍ ومعين} ، ثم قال: هل تدرون أين هي قالوا الله ورسوله أعلم قال: هي بالشام بأرض يقال لها الغوطة مدينة يقال لها دمشق هي خير مدائن الشام.
দামেস্ক সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার বর্ণনা সম্পর্কিত অধ্যায়.
২৮- হাফিজ আবুল কাসিম তাম্মাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-ফারাজ আল-কুরাশি এবং আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে সাহল ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সালিহ ইবনে হাব্বাহ আল-বাজজায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আবু কুসাই ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-উধরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলায়মান ইবনে আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাসলামাহ ইবনে আলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সাঈদ আল-আসাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইম ইবনে আমির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন, যা মহাপরাক্রমশালী ও মহান আল্লাহর বাণী: "আর আমি তাদের উভয়কে আশ্রয় দিয়েছিলাম এক উচ্চভূমিতে, যা ছিল বসবাসের যোগ্য এবং স্বচ্ছ পানির প্রস্রবণ বিশিষ্ট।" এরপর তিনি বললেন: "তোমরা কি জানো এটি কোথায়?" তাঁরা বললেন: "আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন।" তিনি বললেন: "এটি শামে (সিরিয়া) আল-গুতা নামক এক ভূখণ্ডে অবস্থিত দামেস্ক নামক একটি শহর; এটি শামের শহরগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুশ শাম ওয়া দিমাসকা লি-আবীল হাসান আর-রাবায়ী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
29- وأخبرنا تمام حدثنا أبو بكر بن عبد الله البرامي حدثنا حامد بن أحمد البلدي حدثنا هارون بن إسحاق حدثنا وكيع عن إسرائيل عن سماك بن حرب عن عكرمة ⦗ص: 18⦘ عن ابن عباس في قوله عز وجل {وَآوَيْنَاهُمَا إِلَى رَبْوَةٍ ذَاتِ قَرَارٍ ومعين} قال أنهار دمشق.
২৯- তামাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর বিন আবদুল্লাহ আল-বারামি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হামিদ বিন আহমদ আল-বালাদি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হারুন বিন ইসহাক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ওয়াকি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসরাইলের সূত্রে, তিনি সিমাক বিন হারব থেকে, তিনি ইকরিমার সূত্রে ⦗পৃষ্ঠা: ১৮⦘ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে: {আর আমি তাদের উভয়কে এক উচ্চভূমিতে আশ্রয় দিলাম, যা ছিল বসবাসের যোগ্য ও প্রস্রবণবিশিষ্ট}। তিনি বলেন: (তা হলো) দামেস্কের নদ-নদীসমূহ।