(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: -)
جمهرة نسب قريش وأخبارها (الزبير بن بكار)
القسم: الأنساب
الكتاب: جمهرة نسب قريش وأخبارها
المؤلف: الزبير بن بكار بن عبد الله القرشي الأسدي المكي (ت 256هـ)
المحقق: محمود محمد شاكر
الناشر: مطبعة المدني
عام النشر: 1381 هـ
عدد الصفحات: 527
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
কুরাইশদের বংশতালিকা ও তাদের সংবাদ সংকলন (যুবাইর বিন বাক্কার)
বিভাগ: বংশবিদ্যা
গ্রন্থ: কুরাইশদের বংশতালিকা ও তাদের সংবাদ সংকলন
লেখক: যুবাইর বিন বাক্কার বিন আব্দুল্লাহ আল-কুরাইশি আল-আসাদি আল-মাক্কি (মৃত্যু: ২৫৬ হিজরি)
সম্পাদক: মাহমুদ মুহাম্মদ শাকির
প্রকাশক: মাদানি প্রেস
প্রকাশের বছর: ১৩৮১ হিজরি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫২৭
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ৫)
الجزء الثالث عشرزبان بن سَيّارمَدَحتُ بَنِي العَلاّتِ من رَهْطِ حَلْبَسٍ … وَزَيْدٍ، بمثل البُرْدِ غالٍ ثوابُهَاعَنَيْتُ بها الحُكّامَ والمجلسَ الّذِي … لَهُ مِنْ مِياهِ ابْنَىْ سَمِىّ عِذَابُهاوفي آل زبّان بن سَيّارَ فِتْيَةٌ … يَرَوْنَ ثَنَاياَ المجدِ سهلاً صِعاَبُهاوجدتُ الذي قالَ اُلحَطيْئةُ فيهمُ … تَوارثَهُ بعدَ الكُهُولِ شَبَابُها
ত্রয়োদশ খণ্ডযাব্বান ইবনে সাইয়্যারআমি হালবাসের গোত্রীয় বনু আল-আল্লাত এবং যায়দকে প্রশংসা করেছি … যা একটি মূল্যবান চাদরের ন্যায় এবং এর প্রতিদানও অত্যন্ত উচ্চমানেরএর দ্বারা আমি বিচারকদের এবং সেই মজলিসকে বুঝিয়েছি … যাদের জন্য ইবনে সামিয়্যির মিষ্ট পানি রয়েছেযাব্বান ইবনে সাইয়্যারের বংশে এমন কিছু যুবক রয়েছে … যারা গৌরবের কঠিন পথসমূহকে সহজ মনে করেআল-হুতাইআ তাদের সম্পর্কে যা বলেছিলেন আমি তা পেয়েছি … যা প্রবীণদের পরবর্তী বংশধর হিসেবে যুবকরা উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করেছে
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ৬)
إذا مَا ارتقَوْا في سُلَّم المجد أصعَدُوا … بأقدامِ عزٍّ لا تزولُ كِعَابُهاإذا ماتَ منهُمْ سيّد قام سَيّدٌ … بحُلّة عَصْبٍ لم يَخُنْهُ اكتِسابُهاحدثنا الزبير قال، وحدثنا موسى بن زهير بن مضرس بن منظور بن زبان بن سيار قال: لم يقل الخطيئة:أتت آل شماسِ بن لأْيٍوإنما قال:أتَتْ آل سيّارِ بن عَمْرو وإنمَّا … أتاهمْ بها الآباءُ والحَسَبُ العِدُّأولئك قومٌ لا يَسُدُّ مَسَدَّهم … شَريْكٌ إذا عُدَّ المساعِي ولا وَرْدُقال: " شَريكٌ " و " وَرْدٌ " أبنا حذيفة بن بدر.حدثنا الزبير قال: وجدت كتاباً بخط الضحاك بن عثمان، فيه: زعم أبو الدُّهَىّ أن الحطيئة إياهم أراد بقوله:
যখন তারা গৌরবের সিঁড়িতে আরোহণ করে, তখন তারা উন্নত হয় … এমন মর্যাদাপূর্ণ পদযুগলের সাহায্যে যার গোড়ালি কখনো ক্ষয় হয় না।যখন তাদের মধ্য থেকে কোনো নেতা মৃত্যুবরণ করেন, তখন অন্য এক নেতা দণ্ডায়মান হন … এমন এক সুদৃঢ় পোশাক ধারণ করে যার অর্জন তাকে প্রতারিত করেনি।জুবায়র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এবং মূসা ইবনে জুহাইর ইবনে মুদাররিস ইবনে মানজুর ইবনে... আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। যাব্বান ইবনে সাইয়্যার বলেন: হুতাইআহ এটি বলেননি:তা শাম্মাস ইবনে লা'ই-এর পরিবারের কাছে এসেছেবরং তিনি বলেছিলেন:তা সাইয়্যার ইবনে আমরের পরিবারের কাছে এসেছে এবং প্রকৃতপক্ষে … তাদের পিতৃপুরুষগণ এবং বংশীয় মর্যাদা তা তাদের নিকট নিয়ে এসেছে।তারা এমন এক জাতি যাদের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে না … শারিক, যখন মহৎ কর্মসমূহ গণনা করা হয়, আর না ওয়ার্দ।তিনি বলেন: "শারিক" এবং "ওয়ার্দ" হলেন হুজাইফা ইবনে বদরের দুই পুত্র।জুবায়র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি দাহহাক ইবনে উসমানের হস্তাক্ষরে একটি কিতাব পেয়েছি, তাতে রয়েছে: আবু আদ-দুহা দাবি করেছেন যে, হুতাইআহ তার বাণীর মাধ্যমে তাদেরকেই উদ্দেশ্য করেছেন:
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ৭)
فإنَّ التي نَكَّبتُها عن مَعَاشرٍ … غِضاباً علىَّ أن صَدَدتُ كما صدُّواأتت آلّ سَيّار بن عمرٍو وإنّما … أتَاهم بها الآباء والحَسَبُ العِدُّوالذي عليه من رأيت من الرواة في قول الحطيئة:أتَتْ آل شماس بن لأْيِ وإنّما … أتاهم بها الآباء والحَسَبُ العِدُّقال: وأنشدني محمد بن الضحاك، عن أبيه، لقُرَاد بن حَنَش:ظَعَائنُ إن يُنْسَبْنَ يُنْسَبْنَ للذُّرى … لبدر بن عمرو أو لعمرو بن جابِرِتَعَوّدْنَ أنْ يْعَبأْن مِسْكاً وعَنْبراً … ذَكيًّا، وما عُوّدنَ نَسْجَ الغرائِرِوقال آخر:إيَّاكَ والعَمْرين عمرو بن جَابرٍ … وبدر، وفي أمانِ بدرٍ نوَادرُحدثنا الزبير قال، وحدثني حُرَيْثُ بن رياح الفَزَارىّ، وجَهْمُ بن مسعدة: أن حُجْر بن عقبة بن حصن بن حذيفة بن بدر قال يفخر بآل سيار:
নিশ্চয়ই যাকে আমি একদল লোক থেকে সরিয়ে নিয়েছি … তারা আমার ওপর রাগান্বিত যে আমি বিমুখ হয়েছি যেমন তারা বিমুখ হয়েছিল।তা সাইয়্যার ইবনে আমরের বংশধরদের নিকট এসেছে এবং … পিতৃপুরুষ ও ঐতিহ্যবাহী আভিজাত্যই তাদের কাছে তা নিয়ে এসেছে।আর আল-হুতাইয়াহ-এর উক্তির ব্যাপারে আমি যে বর্ণনাকারীদের দেখেছি তাদের অভিমত হলো:তা শাম্মাস ইবনে লাঈ-এর বংশধরদের নিকট এসেছে এবং … পিতৃপুরুষ ও ঐতিহ্যবাহী আভিজাত্যই তাদের কাছে তা নিয়ে এসেছে।তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনুল দাহহাক তাঁর পিতার সূত্রে কুরাদ ইবনে হানাশের কবিতা আমাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন:শিবিকাসমূহ, যদি তাদের বংশপরিচয় দেওয়া হয় তবে তা সুউচ্চ মর্যাদার দিকেই দেওয়া হবে … বদর ইবনে আমর অথবা আমর ইবনে জাবিরের দিকে।তারা সুগন্ধি কস্তুরী ও আম্বর ব্যবহার করতে অভ্যস্ত … আর তারা স্থুল বস্তা বুননে অভ্যস্ত নয়।অন্য এক কবি বলেছেন:তুমি দুই আমর অর্থাৎ আমর ইবনে জাবির … এবং বদর থেকে সাবধান থাকো; আর বদরের আশ্রয়ে অনেক বিরল বৈশিষ্ট্য রয়েছে।আমাদের নিকট যুবায়ের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার নিকট হুরাইস ইবনে রিয়াহ আল-ফাজারি এবং জাহম ইবনে মাসআদাহ বর্ণনা করেছেন: হুজর ইবনে উকবাহ ইবনে হিসন ইবনে হুযাইফাহ ইবনে বদর সাইয়্যার পরিবারের গৌরব প্রকাশ করে বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ৮)
ومنِّىَ سيِّارُ بن عمرٍو ورهطُه … جراثيمُ في عَاديهِّا لم تُعَقرِقال جهم بن مسعدة: وكان يقال لحجر بن عقبة: ذو اللسانين، من كثرة شعره.حدثنا الزبير قال، وحدثني محمد بن الضحاك الحزامي، عن أبيه قال: قال أرطاة بن كعب الفزاري، أخو بني عامر بن جؤية بن لَوذان بن ثعلبة بن عدي أبن فزارة، يحضضُ بني فزارة على أبن دارة، حين تفلت على أم أنَاسٍ:إذا ما تغنىَّ نبيطُ الحُطِّ جاوبهاَ … بحمِصَ صَوْتُ غِنَاءِ الشارب الدِّاريما بَعْدَ أمِّ أناسٍ ظلّ مِدْرعُها … يُلوَى وينزعُ منْ خِزْيٍ ومن عارِ
সাইয়্যার বিন আমর এবং তার দল আমার অন্তর্ভুক্ত … তারা তাদের প্রাচীন আভিজাত্যের এমন মূল যা কখনো ক্ষুণ্ণ হয়নি।জাহম বিন মাসআদাহ বলেন: হুজর বিন উকবাহ-কে তার কবিতার প্রাচুর্যের কারণে ‘দ্বি-জিহ্বাধারী’ বলা হতো।যুবায়ের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন যাহহাক আল-হিযামী তার পিতার সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বনু আমির বিন জুয়াইয়াহ বিন লাওযান বিন সা'লাবাহ বিন আদী ইবনে ফাযারাহ-এর ভাই আরতাহ বিন কা'ব আল-ফাযারী বনু ফাযারাহ-কে ইবনে দারাহ-এর বিরুদ্ধে উত্তেজিত করছিলেন, যখন সে উম্মু আনাসের প্রতি ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছিল:যখন হুতের নাবাতীরা গান ধরে, তখন হিমসে তার প্রত্যুত্তর আসে … দারী মদ্যপায়ীর সংগীতের মূর্ছনায়।উম্মু আনাসের ঘটনার পর তার পরিধেয় কামিজটি … লজ্জা ও অপমানে কুঁচকানো এবং টেনে হেঁচড়ে খোলার উপক্রম হলো।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ৯)
فأين مَوْلاك منظورٌ ورحْلَتُهُ … أم أينَ قِرْفةُ عنها وأبنُ عمّارِوقال سالم بن دارة لأبيه مسافع، حين ضربه زُمَيْله بن أبَيرٍ المعروف بابن أمّ دينار:أبلغْ أبا سالمٍ عنّي مغلغلَةً … فلا تكوننّ أدنَى القوم للعارلا تأخذنْ مِئةً منِّىِ مُجَلْجَلَةً … وأضربْ بسيفك منظورّ بن سَيّارِ
তোমার মনিব মনজুর এবং তার সফরই বা কোথায় … আর কিরফাহ ও ইবনে আম্মারই বা তার থেকে কত দূরে?আর সালিম বিন দারাহ তার পিতা মুসাফিকে বলেছিলেন, যখন তাকে জুমায়ল বিন আবায়র (যিনি ইবনে উম্মে দিনার নামে পরিচিত ছিলেন) আঘাত করেছিলেন:আবু সালিমের নিকট আমার পক্ষ থেকে একটি দূরপ্রসারী বার্তা পৌঁছে দাও … যেন তুমি লোকজনের মধ্যে অপমানের সবচেয়ে নিকটবর্তী না হও।আমার নিকট থেকে একশত ঝনঝনকারী উট (রক্তপণ) গ্রহণ করো না … বরং তোমার তরবারি দিয়ে মনজুর বিন সাইয়ারকে আঘাত করো।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১০)
فلم يَعدِل أحداً من فزارة بمنظور بن سيار، وطالب الثأر مُسْتَجْسِمٌ لا يعدوا السَّرَف. فقال أبو مُسافعٌ: لقد عقّنى سالم حياً، وجشَّمنِي عند الموت امرأً متعباً! أضرب بسيفي منظور بن سيار! وقال نابغة بني ذبيان:لا أعرفَنْ رَبْرَباً حُوراً مَدامِعُها … كأنهنَّ نِعاجٌ حَوْلَ دُوّارِ
ফাজারা গোত্রের কাউকেই তারা মনযুর ইবনে সাইয়্যারের সমতুল্য মনে করত না। আর প্রতিশোধপ্রার্থী ব্যক্তি দৃঢ়সংকল্প হওয়া সত্ত্বেও যেন সীমালঙ্ঘন না করে। আবু মুসাফি' বললেন: সালিম জীবিত অবস্থায় আমার অবাধ্যতা করেছে, আর মৃত্যুর সময় সে আমাকে এক ক্লান্তিকর ব্যক্তির ভার অর্পণ করে গেল! আমি কি আমার তলোয়ার দিয়ে মনযুর ইবনে সাইয়্যারকে আঘাত করব! বনু যুবইয়ানের নাবিগা বলেন:আমি যেন এমন একদল সুন্দরী হরিণীকে না দেখি যাদের চোখের মণি গাঢ় কালো … তারা যেন দুওয়ারের (মূর্তির) চারপাশে বিচরণরত মেষশাবক।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১১)
يَنظُرْنَ شزْراً إلى مَنْ جاء عن عُرُض … بأوجُهٍ مُنْكرِاتِ الرِّقِّ أحرارِيُذْرِينَ دَمْعَ عُيُونٍ دمعُها دِرَرٌ … يأمُلْنَ رِحْلةَ حِصْنٍ وأبن سَيَّارِوقال بدر بن حزاز المازني، ينقض على النابغة قوله:يأملن رحلة حصن وأبن سيارحين أصاب النعمان بن جَبَلَة بني غيظ بن مُرّة، فسبى النساء وفيهن بني النابغة:إن تجمَعِ الشَّمْل من غَيظٍ وما ألَبَتْ … أو المِحَاشَ فأنت الرائش البارِي
তারা আড়চোখে তাকায় সেই ব্যক্তির দিকে যে পাশ থেকে এসেছে … এমন মুখাবয়বে যা দাসত্বকে ঘৃণা করা স্বাধীনদের মুখ।তারা দু'চোখের অশ্রু ঝরায় যার ফোঁটাগুলো মুক্তার মতো … তারা হসিন এবং ইবনে সাইয়্যারের আগমনের প্রতীক্ষা করে।বদর বিন হাজ্জাজ আল-মাজেনি নাবেগার উক্তিটি খণ্ডন করে বলেছেন:তারা হসিন এবং ইবনে সাইয়্যারের আগমনের প্রতীক্ষা করে।যখন নুমান বিন জাবালা বনু গাইজ বিন মুররা গোত্রকে আক্রমণ করলেন এবং নারীদের বন্দি করলেন—যাদের মধ্যে নাবেগার কন্যারাও ছিল—তখন তিনি বললেন:যদি আপনি গাইজ গোত্রের বিক্ষিপ্তদের এবং তারা যা গুছিয়েছিল তা একত্রিত করেন … অথবা দগ্ধদের, তবে আপনিই সেই পালক ও উদ্ধারকারী।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১২)
فأنهض بخُفْرةِ أقوامٍ غررتَهُمُ … بني ضِبابٍ ودع عنكَ أبنَ سَّيارِقد كان وافِدَ أقوامٍ فجاءَ بهِمْ … وأنتاش عانِيَهُمْ من أهلِ ذي قارِحدثنا الزبير قال: وأخبرني ذلك محمد بن الضحاك الحزامي، عن أبيه.وحدثني محمد بن الضحاك الحزامي: أن الذي حمل للنعمان بألف ناقة في دم أبنه الذي قتله الحارث بن ظالم، الحارث بن سفيان الصاردي رهن بها قوسه، وهو خال الحارث بن ظالم، فأدى الألف كلها إلا مئة ناقة، ثم أدركه الموت، فأدى المئة سيار بن عمرو بن جابر الفزاري، وهو أخو الحارث بن سفيان لأمه.وقال في ذلك أرطاة بن سُهَيَّة المُرى:ربَطْنَا دياتٍ للملوك سَعَى بهاَ … سِنانٌ وسَيَّار بن عمرو فأسْرَعاونحنُ رهنَّا القوسَ ثُمَّ أفتككتُها … بألفٍ على ظَهْر أبن مُزْنَةَ أقرَعا
সুতরাং সেই সব কওমের জামানত নিয়ে দাঁড়াও যাদের তুমি ধোঁকা দিয়েছ … বনু দিবাব; আর ইবনে সাইয়্যারকে বাদ দাও।তিনি ছিলেন বিভিন্ন কওমের প্রতিনিধি এবং তাদের নিয়ে আসলেন … আর যি কার-এর অধিবাসীদের মধ্য থেকে তাদের বন্দীদের উদ্ধার করলেন।জুবায়ের আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে দাহহাক আল-হিযামি তাঁর পিতার সূত্রে আমাকে এ সংবাদ দিয়েছেন।মুহাম্মদ ইবনে দাহহাক আল-হিযামি আমাকে আরও বর্ণনা করেছেন যে: হারিস ইবনে জালিম কর্তৃক নিহত নুমানের পুত্রের রক্তের বিনিময়ে যে ব্যক্তি এক হাজার উটের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তিনি হলেন হারিস ইবনে সুফিয়ান আল-সারদি; তিনি এর জন্য তাঁর ধনুক বন্ধক রেখেছিলেন। তিনি ছিলেন হারিস ইবনে জালিমের মামা। তিনি একশ উট ব্যতীত পুরো এক হাজারই আদায় করেছিলেন, এরপর তাঁর মৃত্যু হয়। ফলে অবশিষ্ট একশ উট সাইয়্যার ইবনে আমর ইবনে জাবির আল-ফাজারি আদায় করেন, যিনি হারিস ইবনে সুফিয়ানের বৈমাত্রেয় ভাই ছিলেন।এ প্রসঙ্গে আরতাহ ইবনে সুহাইয়্যাহ আল-মুররি বলেছেন:আমরা রাজন্যবর্গের জন্য রক্তপণ নির্ধারণ করেছি যা অর্জনে … সিনান এবং সাইয়্যার ইবনে আমর চেষ্টা করেছেন এবং দ্রুত তা সম্পন্ন করেছেন।আর আমরাই ধনুক বন্ধক রেখেছিলাম, অতঃপর আমি তা উদ্ধার করেছি … ইবনে মুজনার বংশোদ্ভূত এক হাজার বলিষ্ঠ উটের বিনিময়ে।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وقال: وسيار بن عمرو، والحارث بن سفيان: أبنا مُزْنة.قال: وبنو منظور تزعم أن أرطاة بن سُهَيَّة إنما قال:رَبَطْنَا دِياَتٍ للمُلُوكِ سَعَى بها … ليُحْمَدَ سَيَّارُ بن عمرٍو فأسْرَعاومما يقوى قول سيار بن عمرو في حمالة الألف وأدائه إياها، قول زبان بن يسار:أبِى حَامِلُ الألفِ التي جرَّ حارثٌ … لُمرّةَ إذْ لم يُرْقِ عِرْقاً رحَالُهاونحن ودَيْنَا الجَوْنَ من جَذْم كفهِ … غَنَاء اليمينِ زايَلتْهَا شَمِاُلهاونحن حملنا عن كنانةَ جُرْمَها … وجُرْمَ هِلالٍ حين ضاقتْ نِعالها
এবং তিনি বললেন: সায়্যার ইবনে আমর এবং আল-হারিস ইবনে সুফিয়ান হলেন মুজনার দুই পুত্র।তিনি বলেন: এবং বনু মানযুর দাবি করে যে, আরতাহ ইবনে সুহায়্যাহ কেবল এটাই বলেছিলেন:আমরা রাজাদের জন্য রক্তপণ (দিয়াত) নির্ধারণ করেছি যা নিয়ে চেষ্টা চালানো হয়েছে ... যাতে সায়্যার ইবনে আমরের প্রশংসা করা হয়, আর তিনি দ্রুতগতিতে তা সম্পন্ন করেছেন।সহস্রের বোঝা (রক্তপণ) বহন এবং তা আদায় করার ক্ষেত্রে সায়্যার ইবনে আমরের উক্তিকে যা শক্তিশালী করে, তা হলো যাব্বান ইবনে ইয়াসারের এই বক্তব্য:আমার পিতা সেই সহস্রের বহনকারী যা হারিস টেনে এনেছিলেন ... মুররাহ গোত্রের জন্য, যখন তাদের বাহনগুলোর ঘামও ঝরছিল না।আর আমরা আল-জাওনের রক্তপণ তার হাতের কবজি কর্তনের কারণে পরিশোধ করেছি ... ডান হাতের সামর্থ্য যা তার বাম হাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।এবং আমরা কিনানা গোত্রের অপরাধের বোঝা বহন করেছি ... এবং হিলাল গোত্রের অপরাধের বোঝাও, যখন তাদের জুতো (চলার পথ) সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১৪)
ونحنُ إذا ضاقتْ مَعَدٌ حُلُومُها … ونحنُ إذا خفَّتْ مَعَدٌّ جِبَالُهاوقال زبان بن سيار:ونحنُ حملنَا عن كنانةَ جُرْمَهَا … وجُرْمَ خِدَاشٍ حين عَىَّ وأضْلَعَاحدثنا الزبير قال، وحدثني محمد بن الضحاك الحزامي، عن أبيه وحدثنيه حريث بن رياح الفزاري قالا: كانت حرب بين بني نَجْبَةَ وبين عوف من بني هلال بن شمخ بن فزارة، فقتل كل واحد من القبيلتين رجلاً من صاحبه، فحمل زبان بينهم، فأدَّى عقلهما جميعاً، فقال زبان:سائِلْ هِلَالاً إذْ تفاقَ أمرُها … وخانتهُمُ أحلامُهُمْ، أيَّ مَوْئِلِوأيَّ فتًى إذْ أحْجَم الناسُ عَنْهُمُ … وقالوا هلكنا فأركب الحُكْمَ وأعدِلِغداةَ هلالٌ واقفونَ كأنَّهُمْ … من الشرِّ والقتْلَى على وِرْد مَنْهَلِقُبَيِّلةٌ دَاءَتْ وأثعلَ شرُّهَا … وأعيتْ على الآسِينَ في كلّ مَزْحَلِ
আমরাই সেই পক্ষ যখন মা'আদ গোত্রের সহনশীলতা সংকীর্ণ হয়ে যায় … আর আমরাই অটল থাকি যখন মা'আদ গোত্রের পাহাড়সমূহ হালকা হয়ে যায় (অর্থাৎ তারা অস্থির হয়ে পড়ে)।যাব্বান ইবনে সাইয়্যার বলেছেন:আমরাই কিনানার পক্ষ থেকে তাদের অপরাধের ভার বহন করেছি … এবং খিদাশের অপরাধের দায়ভারও নিয়েছি যখন সে অক্ষম হয়ে পড়েছিল এবং বোঝার ভারে নুয়ে গিয়েছিল।যুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে দাহহাক আল-হিযামি তাঁর পিতার সূত্রে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং হারিস ইবনে রিয়াহ আল-ফাযারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: বনু নাজবা এবং বনু ফাযারার শামখ শাখার হিলাল গোত্রের আওফ বংশের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। তখন উভয় গোত্রের প্রত্যেকেই প্রতিপক্ষের একজনকে হত্যা করেছিল। অতঃপর যাব্বান তাদের মধ্যে মধ্যস্থতা করলেন এবং উভয়ের রক্তপণ আদায় করে দিলেন। তখন যাব্বান বললেন:তুমি হিলাল গোত্রকে জিজ্ঞেস করো, যখন তাদের বিষয়টি জটিল হয়ে পড়েছিল … এবং তাদের বুদ্ধি তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল (অর্থাৎ তারা দিশেহারা হয়েছিল), তখন আশ্রয়স্থল কোথায় ছিল?এবং কে সেই যুবক ছিল, যখন মানুষ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল … আর তারা বলেছিল ‘আমরা ধ্বংস হয়ে গেছি’, তখন সে ফয়সালা মেনে নিয়েছিল এবং ইনসাফ করেছিল?সেই প্রভাতে হিলাল গোত্র এমনভাবে দাঁড়িয়ে ছিল যে, মনে হচ্ছিল … তারা অকল্যাণ ও লাশের আধিক্যের কারণে কোনো পানির ঘাটে এসে উপস্থিত হয়েছে।এটি এমন এক ক্ষুদ্র গোত্র যারা ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিল এবং তাদের অনিষ্ট ছড়িয়ে পড়েছিল … আর তারা প্রতিটি প্রস্থানে চিকিৎসকদের জন্য দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছিল।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১৫)
تتَبّعتُها حتى أسَوْتُ جُروحَها … وجادتْ بمعروفٍ من الحكمِ فَيْصَلوَسعْنَا وَسِعْنَا في أمورٍ تَمَهَّلَتْ … على الطالب الموتورِ أيَّ تَمَهُّلِنَمُدُّ بأسبابٍ إلى كلِّ غايةٍ … طِوَالٍ ذُرَاها صَعْبَةِ المُتَنَزَّلِيُصَعْصِعُ أقوامٌ إليها رُؤوسَهُمْ … ومن يَتجَشَّمها من القومِ يُعْمَلِفليسَ الفَعَال أن تَنحَّلَ باطِلاً … ولكنْ لَدَى غُرْمِ المِئينَ المُعَقَّلِسعيناَ لبشرٍ يوم ذاك ورهطِهِ … وعُرْوَةَ خيرَ السَّعْي لو لم يُبَدَّلوذِي إبلٍ أضحَى يَعُدُّ فُضُولَها … بَطِيناً ولولا سَعْيُنا لم يُؤَبلِ
আমি সেগুলোর অনুসরণ করেছি যতক্ষণ না আমি সেগুলোর জখম উপশম করেছি … এবং তা ফয়সালাকারী প্রজ্ঞাপূর্ণ এক উত্তম দান প্রদান করেছে।আমরা সেই সকল বিষয়ে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছি যা মন্থর হয়ে পড়েছিল … প্রতিশোধকামী অন্বেষণকারীর জন্য অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে।আমরা প্রতিটি লক্ষ্যের দিকে উপায়-উপকরণ প্রসারিত করি … যার চূড়া সুউচ্চ এবং যেখান থেকে অবতরণ করা অত্যন্ত কঠিন।একদল লোক সেগুলোর দিকে তাদের মস্তক অবনত করে … আর কওমের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি সেই কঠিন কাজ সম্পাদন করার সংকল্প করে, সে পরিশ্রমে লিপ্ত হয়।মহত্ব কেবল অসার দাবি করার মধ্যে নয় … বরং তা হলো শত শত উটের রক্তপণ (দিয়াত) পরিশোধ করার সময়।সেদিন আমরা বিশর, তার গোত্র এবং উরওয়াহর জন্য সর্বোত্তম প্রচেষ্টা চালিয়েছিলাম … যদি তা পরিবর্তন করা না হতো।এবং অনেক উটের মালিক যে তার অতিরিক্ত সম্পদের হিসাব করে … পরিতৃপ্ত অবস্থায়, অথচ আমাদের প্রচেষ্টা না থাকলে সে উটের অধিকারী হতে পারত না।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১৬)
لقد علموا مَسْعاَتَنا في أبن مالكٍ … وفي الجونِ إن عَدُّوا وفي حرب مَعْقِلِقال، قال حُرَيْث بن رياح: أراد " وسعنا وسِعناَ "، مرتين.قال: وزادني حُرَيْث بن عمارة بن منظور بن زبان أبن سيار مع قول بشر بن أبي خازم:وجدتُ الذِي قال الحُطيئةُ فِيكُمُ … توارثَهُ بَعْدَ الكُهُولِ شَبَابُهاتَزِينُ صَفَاراءَ الملُوكُ التي بها … وبُنْيَانُ مجدٍ لم تُهَدَّم قِبابُهاقال الزبير: صَفَاراء، ماء لهم. وهي أكثر من هذا، فاقتصرت منها على ما أحتاج إليه. قال، وقال حريث: صَفَاراء، ماء لبني سيَّار.وقال: الذي قال الحطيئة فيهم:لَهَا أسُّ دارٍ بالعُرَيْمَةِ أنْهَجَتْ … مَعارفْها بَعْدِى كما يُنْهِجُ الُبْردُخَلَتْ بَعْدَ مَغْنَى أهْلها وتأبَّدَتْ … كأن لم يكنْ للحاضرين بهاَ عَهْدُ
তারা ইবনে মালিকের বিষয়ে আমাদের প্রচেষ্টা সম্পর্কে জেনেছে … এবং আল-জাওনের ক্ষেত্রেও যদি তারা গণনা করে, আর মাকিলের যুদ্ধে।তিনি বলেন, হুরাইস বিন রিয়াহ বলেছেন: তিনি "আমাদের প্রশস্ততা, আমাদের প্রশস্ততা" এভাবে দুইবার বুঝিয়েছেন।তিনি বলেন: হুরাইস বিন উমারা বিন মানযুর বিন যাব্বান ইবনে সাইয়্যার বিশর বিন আবি খাযিমের বক্তব্যের সাথে আমার নিকট আরও যোগ করেছেন:আল-হুতাইআ তোমাদের সম্পর্কে যা বলেছিলেন আমি তা পেয়েছি … যা প্রবীণদের পরে তাদের যুবকরা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে।বাদশাহরা সাফারআ-কে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে যা তাতে রয়েছে … আর গৌরবের এমন এক ভিত্তি যার গম্বুজগুলো কখনো ধ্বংস হয়নি।যুবাইর বলেন: সাফারআ হলো তাদের একটি জলাশয়। এটি এর চেয়েও বিস্তৃত, তবে আমি আমার যতটুকু প্রয়োজন তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছি। তিনি বলেন, হুরাইস বলেছেন: সাফারআ হলো বনু সাইয়্যারের একটি জলাশয়।তিনি বলেন: আল-হুতাইআ তাদের সম্পর্কে যা বলেছিলেন:উরাইমাহ-তে তার একটি গৃহের ভিত্তি রয়েছে যা জীর্ণ হয়ে গেছে … আমার পরে এর পরিচিতিগুলো এমনভাবে মলিন হয়েছে যেমনটি চাদর মলিন হয়।এর বাসিন্দাদের প্রাচুর্যের পরে এটি জনশূন্য ও বন্য হয়ে গেছে … যেন এখানে বসবাসকারীদের কোনো স্মৃতিই কখনো ছিল না।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১৭)
كأنْ لم تُدمِنْهَا الحلُولُ وفيهِمُ … كُهولٌ وشُبَّانٌ غطارفةٌ مُرْدُهُمُ آلُ سّيَّار بن عمرو بن جابرٍ … رِجالٌ وَفّتْ أحلامُهُمْ ولهم جَدُّإذا نازعَ الأقوامُ يَوْماً قَنَاتَهُمْ … أبَى لهُم المعروف والحَسَبُ العِدُّفمن كان يرجو أن يُساَوِيَ سعيَهُ … لمِسَعْاتِهِمْ قدَّ الأدِيمَ كما قدُّواأبوهُمْ وَدَى عَقْلَ الملوكِ تَكلُّفاً … وما لَهُمُ ممَّا تكلَّفَهُ بُدُّتكلفَ أثمانَ الملوكِ فساقَهاَ … وما غَضَّ عَنْه من سُؤالٍ ولا زَنْدُحَمالةَ ما جرّتْ فَتَاكةُ ظالمٍ … حَمالَةَ مَلْكٍ لم يكنْ مثلُها بَعْدًهُمُ حَمَلُوا الألفَ التي جَرّ جارمٌ … وردٌّوا جِيادَ الخَيْل ضَاحيةً تَعْدُو
যেন জনবসতিগুলো তাদের অভ্যস্ত করতে পারেনি; তাদের মাঝে রয়েছেন প্রবীণ এবং সম্ভ্রান্ত দাড়িহীন যুবকগণ। … তাঁরা হলেন সাইয়্যার বিন আমর বিন জাবিরের বংশধর; এমন সব পুরুষ যাদের প্রজ্ঞা পূর্ণতা লাভ করেছে এবং যাদের রয়েছে সুউচ্চ সৌভাগ্য। … যদি কোনো জাতি কোনোদিন তাদের কর্তৃত্ব নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হয়, তবে তাদের পরিচিত মহত্ত্ব ও আভিজাত্য তাতে অস্বীকৃতি জানায়। … সুতরাং যে ব্যক্তি তার প্রচেষ্টাকে তাদের প্রচেষ্টার সমান করতে চায়, সে যেন চামড়া সেভাবেই কাটে যেভাবে তারা কেটেছে। … তাদের পিতা রাজকীয় রক্তপণের ভার স্বেচ্ছায় গ্রহণ করেছিলেন; আর তিনি যে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তা পালন করা ছাড়া তাদের কোনো উপায় ছিল না। … তিনি রাজকীয় মূল্যের দায়ভার বহন করেছেন এবং তা পূর্ণ করেছেন; আর কোনো যাচ্ঞা বা ক্লান্তি তাঁকে তা থেকে নিবৃত্ত করতে পারেনি। … কোনো অপরাধীর হঠকারিতা যে ঋণের বোঝা টেনে এনেছিল, সেই দায়ভার তিনি বহন করেছেন; এটি ছিল এমন এক রাজকীয় মহানুভবতা যার নজির পরে আর সৃষ্টি হয়নি। … তাঁরাই সেই সহস্র (উটের) ভার বহন করেছেন যা কোনো অপরাধী সাব্যস্ত করেছিল; আর তাঁরা রৌদ্রোজ্জ্বল প্রভাতে ধাবমান তেজস্বী ঘোড়াগুলোকে প্রতিহত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১৮)
أولئك قومٌ إن بَنَوْا أحْسَنوا البُنَى … وإن عاهدوا أوفَوْا وإن عَقَدُوا شَدُّواوإن تكن النُّعْمَى عليهم جزَوْا بها … وإن أنْعَموا لا كدَّروها ولا كدُّواوإن قال مولاهُمْ على جُلّ حَادثٍ … من الأمرِ: رُدُّوا فَضْلَ أحلامِكم رَدُّواأولئك قوم لنْ يَسُدَّ مكانَهُمْ … شريكٌ إذا عُدَّ المَساعِي ولا وَرْدُوقال أحد بني حَرْمَلَة بن ربيعة بن بدرٍ:إذا جئتَ سَيَّارَ بن عمرٍو وجدتَهُم … نَدَامَى الملوك زِيَّها ورِجَاُلهاإذا رحلوا يوماً فَهُمْ رُفَقَاؤُهُمْ … وإن نزلوا حلَّتْ إليهم رِحاُلهاحدثنا الزبير قال، حدثني حُرَيْث بن رياح قال: قال قُراد أبن حَنَش الصاردي، يذكر أن سيار بن عمرو بن جابر الذي حمل للنعمان بألف في دِيَةِ أبنه الذي قتله الحارث بن ظالم:إذا أتَّفَقَ العَمْرانِ عمرو بن جابرٍ … وبَدْرُ بن عمرو كان ذُبْيانُ تُبَّعَا
তারা এমন এক সম্প্রদায়, যখন তারা কোনো কিছু নির্মাণ করে তখন তা অতি উত্তমরূপে নির্মাণ করে … আর যখন তারা অঙ্গীকার করে তখন তা পূর্ণ করে এবং যখন তারা কোনো চুক্তি করে তখন তা সুদৃঢ় করে।যদি তাদের প্রতি কোনো অনুগ্রহ করা হয় তবে তারা তার প্রতিদান দেয় … আর যখন তারা নিজেরা অনুগ্রহ করে, তখন তারা সেটাকে কলুষিত করে না এবং খোঁটাও দেয় না।আর যখন তাদের অভিভাবক কোনো গুরুতর দুর্ঘটনার … বিষয়ে বলেন: "তোমাদের ধৈর্যের শ্রেষ্ঠাংশ ফিরিয়ে দাও", তখন তারা তা ফিরিয়ে দেয়।তারা এমন এক কওম যে, যখন কর্মতৎপরতা গণনা করা হয় তখন … কোনো অংশীদার বা আগন্তুক তাদের স্থান পূরণ করতে পারে না।হারমালা বিন রাবীআ বিন বদরের বংশধরদের একজন বলেন:তুমি যখন সাইয়্যার বিন আমরের নিকট আসবে তখন দেখবে তারা … রাজাদের সহচরদের পোশাক ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন।যখন তারা কোনো দিন যাত্রা করে তখন তারাই হয় তাদের সফরসঙ্গী … আর যখন তারা কোথাও অবতরণ করে, তখন তাদের সওয়ারিগুলো তাদের কাছেই এসে থামে।যুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হুরাইছ বিন রিয়াহ আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: কুরাদ ইবনে হানাশ আল-সারাদি বর্ণনা করেছেন; তিনি উল্লেখ করেন যে, সাইয়্যার বিন আমর বিন জাবির নু'মানের কাছে তার পুত্রের রক্তপণ বাবদ এক হাজার উট নিয়ে গিয়েছিলেন, যাকে হারিস বিন জালিম হত্যা করেছিল:যখন দুই আমর—অর্থাৎ আমর বিন জাবির … এবং বদর বিন আমর একমত হন, তখন জুবইয়ান গোত্র তাদের অনুসারী হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ১৯)
وذلك إن الله فضَّلَ مَازِناً … وبدراً على ذُبْيانَ بالفضْلِ أجمعاَوأنَّهُمُ مَأوَى الحَمَالَاتِ مِنْهَمَ … وأصبَرُ إن عضَّ الزمانُ فأوجعاَوأنَّهُمُ مَأوَى الطَّرِيد إذا ضَوَى … وقد راحَ مرعُوبَ الفؤاد مُرَوَّعَاهُمُ حاربوا النعمانَ في عَصْر دَهْرِه … فما استطاعَ أن يَسْتطيعَ الحربَ مَطْلعاَيكلّفُهُم ما شاء ثمّ وَفَوْا بهاَ … بألفٍ على ظَهْر الفزارِيّ أقرَعَابعَشْرِ مِئينَ للملُوكِ سَعَى بها … ليُحْمَدَ سيَّارُ بن عمرو فأسرَعَاأتَاهُم بآلافِ المِئين فأصبحتْ … ثَناياهُ للسَّاعِين للمجدِ مَهْيَعاَإذا بادَروه المجْدَ أرْبىَ عليهمُ … بسَجْليَنِ حتى استفرَغَ المجدَ مُتْرَعَاوما رفدَتْ سعد بن ذُبْيان قومَها … بِجَدْىٍ لها في ذلك الأمرِ أصْمَعاَولكنَّهُمْ قوم كفاهُمْ أخوهُمُ … فزّارَةُ شَعْبَ الأمْر حين تَصدَّعَاهُمُ النازلون الثَّغْرَ قُدَّامَ قومِهمْ … يُعِدُّون للأعداءِ سَمًّا مُسَلَّعَا
নিশ্চয়ই আল্লাহ মাজিনকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন … এবং বদরকেও, সমগ্র ফযীলতের দিক থেকে জুবয়ানের ওপর।আর নিশ্চয়ই তারা দায়দায়িত্ব ও রক্তপণের আশ্রয়স্থল … এবং তারা অধিক ধৈর্যশীল যখন সময় দংশন করে ব্যথিত করে।আর নিশ্চয়ই তারা বিতাড়িত ব্যক্তির আশ্রয়স্থল যখন সে আশ্রয়প্রার্থী হয় … এমতাবস্থায় যে সে আতঙ্কিত ও ভীত-সন্ত্রস্ত হৃদয়ে ফিরে আসে।তারাই তাদের যুগের সময়ে নুমানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল … ফলে সে যুদ্ধের কোনো পথ খুঁজে পেতে সক্ষম হয়নি।সে তাদের ওপর যা ইচ্ছা অর্পণ করেছিল, অতঃপর তারা তা পূর্ণ করেছিল … ফাযারীর পিঠে এক হাজার উৎকৃষ্ট উটের মাধ্যমে।রাজাদের জন্য দশটি শতক (হাজার) উট নিয়ে তিনি প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন … যাতে সায়্যার ইবনে আমর প্রশংসিত হন, তাই তিনি দ্রুত অগ্রসর হয়েছিলেন।তিনি তাদের কাছে হাজার হাজার শতক নিয়ে এসেছিলেন, ফলে তার বীরত্বগাথা … মর্যাদা অন্বেষণকারীদের জন্য প্রশস্ত রাজপথে পরিণত হয়েছিল।যখন তারা তার সাথে মর্যাদার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়, তখন তিনি তাদের ওপর জয়ী হন … উপচে পড়া দুই বালতি প্রদানের মাধ্যমে, যতক্ষণ না তিনি মর্যাদাকে পরিপূর্ণভাবে নিঃশেষ করেন।আর সা'দ ইবনে জুবইয়ান তার সম্প্রদায়কে সাহায্য করেনি … সেই বিষয়ে তার একটি ক্ষুদ্র ছাগলছানা দিয়েও।কিন্তু তারা এমন এক সম্প্রদায় যাদের জন্য তাদের ভাই ফাযারাই যথেষ্ট ছিল … যখন বিষয়টি ফাটল ধরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।তারাই তাদের সম্প্রদায়ের অগ্রভাগে সীমান্তে অবতরণকারী … যারা শত্রুদের জন্য মারাত্মক বিষ প্রস্তুত করে রাখে।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২০)
وقال خالد بن جعفر بن كلاب حين أطرَدَتْ بنو سيار إبلَهُ، يذكر عزهم ومنعتهم، ويوُئِس نفسه منها:بُعْداً لرَاعيها وبُعْداً لربهِّا … إذا برَّكتْ حولَ أبن عمرو بن جابِرِتُمَشِّى عُوَيْجٌ حَوْلَهَا برمَاحها … وتَرْمِى جُحَادٌ بالخِفاف المَطَاحِرِودافعَ عنْهَا من مَنُولَةَ عُصْبَةٌ … على مثلهم تُبْنَى بيوتُ الضرائِرِوقال المُساوِر بن هِندٍ العبسي:فخبِّرني بمثْلِ بني زُهَيْرٍ … وخبِّرني بمثل بني زِيادِومثْلِ حُذَيْفَةَ الخيرِ بن بدْرٍ … ومثل الحارث الفَيْضِ الجوادِوزبانٍ ومثل أبي قُعَيْنٍ … كُهُولَ الحربِ في السَّنَةِ الجَمَادِأبو قعين: قطبة بن سيار بن عمرو وبنو زهير بن جذيمة: قيسٌ،
খালেদ ইবনে জাফর ইবনে কিলাব যখন বনু সাইয়্যার তার উটগুলো তাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল, তখন তিনি তাদের প্রতাপ ও প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে এবং সেগুলোর আশা ছেড়ে দিয়ে বলেছিলেন:
ধ্বংস হোক তার রাখালের জন্য এবং ধ্বংস হোক তার মালিকের জন্য … যখন সেগুলো ইবনে আমর ইবনে জাবিরের আশেপাশে হাঁটু গেড়ে বসে।
‘উওয়াইয’ তার চারপাশে বর্শা নিয়ে বিচরণ করে … এবং ‘জুহাদ’ দ্রুতগামী খুর দ্বারা আঘাত হানে।
মানুলাহ গোত্রের একদল লোক সেগুলো রক্ষা করেছে … যাদের মতো বীরদের ওপরই আভিজাত্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
এবং মুসাওয়ির ইবনে হিন্দ আল-আবসি বলেছেন:
আমাকে বনু যুহাইরের মতো কারো সংবাদ দাও … এবং আমাকে বনু জিয়াদের মতো কারো সংবাদ দাও।
এবং হুজাইফা আল-খায়ের ইবনে বদরের মতো … এবং দানবীর হারিস আল-ফায়েদের মতো।
এবং যাব্বান ও আবু কুআইনের মতো … যারা কঠিন দুর্ভিক্ষের বছরে যুদ্ধের অভিজ্ঞ প্রবীণ।
আবু কুআইন হলেন: কুতবাহ ইবনে সাইয়্যার ইবনে আমর; এবং বনু যুহাইর ইবনে জাযিমা হলেন: কায়েস,
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২১)
ومالك، بنو زهير وبنو زياد الكَمَلَةُ: الربيع، وعمارة، وأنس، بنو زياد.حدثنا الزبير قال، حدثني محمد بن الضحاك الحزامي، عن أبيه قال: تجمعت بطون عَدِى على بني بدر، فحالفت بنو بدر بني مازن بن فزارة، وكان الذي شد لهم الحلف على بني مازن، ثعلبة بن سيار، فقال زبان بن سيار:فما بِي يا ابنَ شَعْثَةَ من جُنُونٍ … فأختارَ الكُرَاعَ على السَّنامِبأسْتَاهٍ تَجمَّعُ مِنْ عَدْىٍّ … على أرْبابِهاَ حَمْقَى لِئَامِوقال في ذلك الحِلف شُتَيْم بن خويلد لقُطْبة بن سيار:قُلْتُ لسِّيدنا يا حَكِيمُ … إنّكَ لم تَأْسُ أسْواً فريقاَأعَنْتَ عَدِيًّا على شأوِهَا … تُوَالِى فريقاً وتَنْفِى فريقاَ
এবং মালিক; বনু জুহাইর এবং বনু জিয়াদ হলেন ‘আল-কামাল্লাহ’ (পূর্ণতা প্রাপ্তগণ): তারা হলেন রাবি, উমারা এবং আনাস—জিয়াদের পুত্রগণ।আয-যুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ বিন আদ-দাহহাক আল-হিযামী তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আদীর উপগোত্রসমূহ বনু বদরের বিরুদ্ধে সমবেত হয়েছিল। ফলে বনু বদর বনু মাযিন বিন ফাযারার সাথে মৈত্রী চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। বনু মাযিনের সাথে তাদের এই মৈত্রীকে যিনি সুসংহত করেছিলেন তিনি হলেন সা’লাবা বিন সাইয়্যার। তখন যাব্বান বিন সাইয়্যার বলেছিলেন:হে শা’সার পুত্র! আমার মাঝে কোনো উন্মাদনা নেই … যার ফলে আমি কুঁজের পরিবর্তে পায়ের নলিকে বেছে নেব।আদী গোত্র থেকে সমবেত হওয়া একদল হীন লোক … যারা তাদের প্রভুদের ওপর চড়ে বসা একদল নীচ ও নির্বোধ।সেই মৈত্রী সম্পর্কে শুতাইম বিন খুয়াইলিদ কুতবা বিন সাইয়্যারকে বলেছিলেন:আমি আমাদের নেতাকে বলেছিলাম, হে হাকিম! … তুমি তো এই দলটির জন্য কোনো সুচিকিৎসা বা প্রতিকার করোনি।তুমি আদী গোত্রকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করেছ … তুমি একদলের সাথে বন্ধুত্ব করছ এবং অন্য দলকে বিতাড়িত করছ।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২২)
أطَعْتَ غُرَيَّبَ إبْطِ الشِّمالِ … تُنَحِّى لِحَدِّ المَواسِى الحُلُوقَا
তুমি বাম বগলের ক্ষুদ্র অস্থির আনুগত্য করেছ … তুমি গলাগুলোকে ক্ষুরের ধারের দিকে নিয়ে যাচ্ছ।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২৩)
قال: " غُرَيِّب إبطِ الشِّمال "، معاوية بن حذيفة، وكان مَشُوماً، فيما يذكر العربُ.وقال القتال البكرىّ، من بني كلابٍ:يا ليتَنِي، والمُنَى ليستْ بنافِعةٍ … لمالكٍ أو لحِصْنٍ أو لسيَّارِمن مَعشَرٍ بَقِيتْ فيهم مكارمُهُمْ … إنّ المكارمَ في إرْثٍ وآثارِ
তিনি বলেন: "ঘুরাইব ইবতিশ শিমাল", মুয়াবিয়া ইবনে হুযায়ফা, আর আরবদের বর্ণনামতে তিনি ছিলেন একজন অমঙ্গলজনক ব্যক্তি।আর বনু কিলাব গোত্রের আল-কাত্তাল আল-বাকরি বলেন:হায় আমি যদি হতাম—যদিও আকাঙ্ক্ষা কোনো উপকারে আসে না—মালিকের অথবা হিসনের কিংবা সাইয়্যারের বংশধর!…এমন এক সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত যাদের মাঝে তাদের মহানুভবতা অবশিষ্ট আছে;…নিশ্চয়ই মহানুভবতা উত্তরাধিকার ও ঐতিহ্যের মাঝেই নিহিত।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২৪)
لا يَتركون أخاهُمْ في مُرَمَّعَةٍ … يُخاف فيها دَرِيكُ الخِزْي والعارِولا يُسِيخونَ والمخزاةُ تقرعُهُمْ … حتى يُصيُبوا بأيدٍ ذاتِ أظْفَارِمالك بن حمار الفزاري، ثم الشمخي وحصن بن حذيفة بن بدر بن عمرو وسيار بن عمرو بن جابر.وأنشدني محمد بن مُفْتِي بن عبد الله بن عنبسة، وغيره، لجرير بن الخطفي:
তারা তাদের ভাইকে কোনো ধ্বংসাত্মক বিপদে একা ফেলে যায় না … যেখানে লাঞ্ছনা ও অপমানের ধাওয়া করার ভয় থাকে।আর তারা অপমানের করাঘাতে নত হয় না … যতক্ষণ না তারা নখবিশিষ্ট হাত দিয়ে পাল্টা আঘাত হানে।মালিক বিন হিমার আল-ফাজারি, অতঃপর আশ-শামখি এবং হিসন বিন হুযাইফা বিন বদর বিন আমর ও সাইয়্যার বিন আমর বিন জাবির।মুহাম্মাদ বিন মুফতি বিন আব্দুল্লাহ বিন আনবাসাহ এবং অন্যান্যরা আমার কাছে জারির বিন আল-খাতাফির এই কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন:
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২৫)
جئِني بمثل بني بدْرٍ لقومهمُ … أو مثلِ أسْرة منظور بن سيَّارِأو مثلِ آل زُهيْرٍ والقَنا قِصَدٌ … والخيلُ في رَهَجٍ مِنْها وإعصَارِأو عامر بن طُفْيلٍ في مُرَكبهِ … أو حارِثٍ يوم قال القوم يا حَارِوقال حُفَيْزٌ العبسيّ، ورواها بعض الناس لجرير، وليست له، هي لُحفَيْز:إنّ النّدى من بني ذبيانَ قد علِمُوا … والجُودَ في آل منظور بن سَيَّارِالماطِرينَ بأيديهِمْ نَدًى ديَماً … وكُلَّ غَيْثٍ من الوَسْمِىِّ مِدْرَارِتزورُ جارتَهُمْ وَهْناً هديَّتُهُمْ … وما فَتاهُمْ لها وَهْناً بزوّارِترضَى قريشُ بهِمْ صِهْراً لأنفُسِهِمْ … وهمْ رِضي لبني أختٍ وأصْهاَرِحدثنا الزبير قال، وحدثني مغيرة بنت أبي عدى قالت: حملت قِهْطِمُ بنت هاشم بن حرملة، منظور بن زبان أربع سنين، فولدته قد جمع فاهُ، فأسماه أبو منظوراً، لطول ما أنتظر، وقال في ذلك زبان بن سيار:
আমার কাছে বনু বদরের মতো কাউকে নিয়ে এসো যারা তাদের কওমের জন্য … অথবা মানজুর ইবনে সাইয়্যারের পরিবারের মতো কাউকে।অথবা যুহাইরের পরিবারের মতো, যখন বল্লমগুলো ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় … এবং ঘোড়াগুলো ধুলোবালি ও ঝড়ের মধ্যে থাকে।অথবা তার যুদ্ধক্ষেত্রে আমির ইবনে তুফাইলের মতো … কিংবা হারিসের মতো সেই দিন যখন কওম বলেছিল, হে হারিস!হুফায়েজ আল-আবসি বলেছেন, যদিও কেউ কেউ এটিকে জারিরের কবিতা বলে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু এটি তার নয়, এটি হুফায়েজের:নিশ্চয়ই বনু যুবইয়ানের দানশীলতা সম্পর্কে তারা জানে … এবং উদারতা রয়েছে মানজুর ইবনে সাইয়্যারের পরিবারে।যারা তাদের হাত দিয়ে অবিরাম বৃষ্টির মতো দান বর্ষণ করে … এবং বসন্তের প্রতিটি মুষলধারে বৃষ্টির মতো।তাদের উপহার রাতের নিস্তব্ধতায় তাদের প্রতিবেশীর কাছে পৌঁছে যায় … অথচ তাদের যুবকরা রাতের বেলা তাদের (প্রতিবেশিনীদের) কাছে যাতায়াতকারী নয়।কুরাইশরা নিজেদের জন্য বৈবাহিক আত্মীয় হিসেবে তাদের প্রতি সন্তুষ্ট … এবং তারা ভাগ্নে ও জামাতাদের জন্যও সন্তুষ্টির পাত্র।যুবাইর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, মুগীরা বিনতে আবি আদি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: হাশিম ইবনে হারমালার কন্যা কিহতাম, মানজুর ইবনে যাব্বানকে চার বছর গর্ভে ধারণ করেছিলেন। অতঃপর তিনি যখন তাকে প্রসব করলেন, তখন তার মুখ পূর্ণ ছিল (দাঁত গজিয়ে গিয়েছিল)। দীর্ঘ প্রতীক্ষার কারণে তার পিতা তার নাম রাখলেন 'মানজুর'। এ বিষয়ে যাব্বান ইবনে সাইয়্যার বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২৬)
سُمِّيت منظوراً وجئتَ على قَدْرِ … وإنّي لأرجُو أن تسودَ بني عَمْرِووإنّي لأخشَى أن تظَلّ رِكابُهُ … بخيْبَر ميَّاراً حريصاً على التَّمْرِقال: " عمرو "، أبو سيار. وأم زبان بن سيار: سلمى بنت حَرْمَلة بن الأشعر.وفي بني حَرْمَلَة بن الأشْعَر يقول الحارث بن ظالم:أبْلغْ جَذيمة إن عَرَضتَ فإننيِ … عَمْداً تركْتُهُمُ عَبِيدَ سِنانِلَوْ كنتُ من رَهْط الحرامِلِ لم أعُدْ … وبَنَيْتُ مكرُمةً بكُلّ مكانِالقاتلينَ من المناذِرِ سَبْعَةً … في الكَهفِ فوقَ وسائد الريحَانِقال: " جذيمة "، رهط الحارث بن ظالم، و " المناذر "، النعمان بن المنذر ورهطه.قال الزبير: حُمِل بمالك بن أنس ثلاث سنين، وحُمِل بابن عجلان خمس سنين.
তোমাকে মানজুর নাম রাখা হয়েছে এবং তুমি এক নির্দিষ্ট সময়ে এসেছ … আর আমি নিশ্চয়ই আশা করি যে তুমি বনী আমরের নেতৃত্ব দেবে।আর আমি নিশ্চয়ই ভয় পাই যে তার উটগুলো … খায়বারে খেজুরের প্রতি লোভী খাদ্য সংগ্রহকারী হিসেবে অবস্থান করবে।তিনি বললেন: "আমর", আবু সাইয়ার। আর যাব্বান ইবনে সাইয়ারের মা হলেন: সালমা বিনতে হারমালা ইবনে আশআর।এবং বনী হারমালা ইবনে আশআর সম্পর্কে হারিস ইবনে জালিম বলেন:জাযিমাকে সংবাদ পৌঁছে দিও যদি তুমি তার দেখা পাও, কারণ আমি … ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের সিনানের দাসে পরিণত করেছি।আমি যদি হারামি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত হতাম তবে আমি ফিরে আসতাম না … এবং প্রতিটি স্থানে সম্মানের সৌধ নির্মাণ করতাম।যারা মুনাযিরদের সাতজনকে হত্যা করেছিল … গুহার ভেতরে সুগন্ধি গুল্মের বালিশের উপরে।তিনি বললেন: "জাযিমা", হারিস ইবনে জালিমের গোত্র; এবং "মুনাযির" হলো নুমান ইবনে মুনযির ও তার পরিবারবর্গ।যুবাইর বলেন: মালিক ইবনে আনাস তিন বছর মাতৃগর্ভে ছিলেন এবং ইবনে আজলান পাঁচ বছর মাতৃগর্ভে ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২৭)
حدثنا الزبير قال، حدثني إبراهيم بن زياد، عن أبي طلحة محمد بن عبد الرحمن المرواني، مثل حديث المغيرة، إلا أنه قال في شعر زبان:ما جئتُ حتى آيسَ الناسَ أن تَجِي … فَسُمّيت منظوراً وجئت على قَدْرِوإني لأرجو أنْ تجئ كهَاشِمٍ … وإني لأرجو أن تسودَ بني بَدْروإني لأخشى أن يكونَ مُحَامِلاً … بخْيَبَر ميَّاراً حريصاً على التَّمْرِقال: " عمرو "، أبو سيار بن عمرو و " هاشم "، بن حرملة وبنو مرة يحاملون التمر من خيبر.حدثنا الزبير قال، حدثني عبد الله بن معاذ الصنعاني، عن معمر، عن أبن شهاب قال: كان أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يعملون في الخندق ويقولون:هَذَا الحِمَالُ لا حِمَالُ خَيْبَرْ … هَذَا أبرُّ ربَّنَا وأطْهَرْ
যুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইব্রাহিম বিন যিয়াদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু তালহা মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-মারওয়ানি থেকে, মুগিরাহর হাদিসের অনুরূপ, তবে তিনি যাব্বানের কবিতায় বলেছেন:আমি আসিনি যতক্ষণ না মানুষ তোমার আসার ব্যাপারে হতাশ হয়েছে … অতঃপর তোমার নাম রাখা হয়েছে মানযুর এবং তুমি নির্ধারিত সময়েই এসেছআর আমি আশা করি যে, তুমি হাশিমের মতো আসবে … এবং আমি আশা করি যে, তুমি বনু বদরের নেতৃত্ব দেবেআর আমি ভয় করি যে, সে যেন খায়বারে একজন ভারবাহী না হয়ে যায় … যে খেজুরের প্রতি অতিশয় লোভী খাদ্য সংগ্রাহকতিনি বলেন: "আমর" হলেন আবু সাইয়ার বিন আমর, আর "হাশিম" হলেন ইবনে হারমালাহ এবং বনু মুররাহ খায়বার থেকে খেজুর বহন করত।যুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ বিন মুয়ায আস-সানআনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মা'মার থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ খন্দকের (পরিখার) যুদ্ধে কাজ করছিলেন এবং বলছিলেন:এই ভার বহন খায়বারের ভার বহনের মতো নয় … হে আমাদের প্রতিপালক, এটি অধিক পুণ্যময় এবং অধিক পবিত্র
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২৮)
حدثنا الزبير قال، حدثني محمد بن الضحاك الحزامي، عن أبيه قال: حضرت أم خارجة بن سِنان، جدة تماضر بنت منظور، أخي أمها، الوفاة، وهي حامل به وقد أتمت، فقالت: إني لأجد مَسَّ الجنين في بطني حَيًّا، ائتوني بحديدة. فإتوها بحديدة فبقَرَتْ نفسها وأخرجته وقالت: استوصوا به خيراً، فإنه أبيض طوال. وماتت، فسُمى خارجةُ " البَقيرَ ".وهو الذي رهن قوسه في دماء عبس وذبيان بألف ناقة، وأشرك معه أبوه أبن عمه الحارث بن عوف بن أبي حارثة، ففيهما يقول زهير بن أبي سلمى:فَرِحْتُ بمَا خُبِّرْتُ عن سَيِّديكُمُ … وكانوا قديماً كُلُّ أمرهما يَعلُوتداركْتُما الأحلافَ قد ثُلَّ عَرْشُها … وذبيانَ إذ زَلَّتْ بأقدامِها النَّعْلُفأصبحْتُما منها عَلَى خير موطِنٍ … سبيلكُمَا فيها إذا أحزنوا سَهْلُسَعَى بَعْدَهُمْ قومٌ لكَيْ يُدْرِكوهُمُ … فلم يفعَلُوا، ولم يُلامُوا، ولم يَألُوافأدى الألف ناقة خارجة بن سنان، والحارث بن عوف، وأديا بعدها
যুবায়ের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনুল দহহাক আল-হিযামী তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তমাযির বিনতে মানযূরের মাতামহী এবং তার মায়ের ভাই খারিজাহ ইবনে সিনানের মা যখন মৃত্যুশয্যায় ছিলেন, তখন তিনি তাকে নিয়ে পূর্ণগর্ভা ছিলেন। তিনি বললেন: আমি আমার গর্ভে ভ্রূণের জীবন্ত স্পন্দন অনুভব করছি, তোমরা আমার কাছে একটি লোহার হাতিয়ার নিয়ে এসো। তারা তাকে একটি লোহার হাতিয়ার এনে দিলে তিনি নিজের পেট বিদীর্ণ করে তাকে বের করে আনলেন এবং বললেন: তোমরা তার ব্যাপারে কল্যাণের অসিয়ত গ্রহণ করো, কারণ সে ফর্সা ও দীর্ঘদেহী হবে। এরপর তিনি মারা যান এবং খারিজাহকে 'আল-বাকীর' (বিদীর্ণকারী) নামে অভিহিত করা হয়।তিনি সেই ব্যক্তি যিনি আবস ও যুবইয়ান গোত্রের রক্তপণের বিনিময়ে এক হাজার উটের জামিন হিসেবে নিজের ধনুক বন্ধক রেখেছিলেন। তার পিতা তার সাথে তার চাচাতো ভাই হারিস ইবনে আওফ ইবনে আবি হারিসাহকেও শরিক করেছিলেন। তাদের উভয়ের প্রশংসায় যুহাইর ইবনে আবি সুলমা বলেন:তোমাদের দুই নেতার সম্পর্কে যে খবর আমাকে জানানো হয়েছে তাতে আমি আনন্দিত হয়েছি … অতীতেও তাদের উভয়ের সকল বিষয় সমুন্নত ছিল।তোমরা উভয়ই মিত্রদের রক্ষা করেছ যখন তাদের সিংহাসন চূর্ণ হতে বসেছিল … এবং যুবইয়ান গোত্রকে রক্ষা করেছ যখন তাদের পদতলে জুতো পিছলে গিয়েছিল।অতঃপর তোমরা উভয়েই এক সর্বোত্তম অবস্থানে উপনীত হয়েছ … যখন অন্যরা সংকটে পড়ে, তোমাদের পথ তখন সহজ থাকে।তাদের পরে একদল লোক তাদের স্তরে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছিল … কিন্তু তারা তা পারেনি, যদিও তারা চেষ্টার ত্রুটি করেনি এবং তাদের নিন্দাও করা যায় না।অতঃপর খারিজাহ ইবনে সিনান ও হারিস ইবনে আওফ সেই এক হাজার উট আদায় করেন এবং এর পরেও তারা আদায় করে চলেন।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ২৯)
مئتي ناقة في القتيلين اللذين قتل أبنا ضَمضَمٍ بعد الصُّلح، ففي ذلك يقول شبيب بن يزيد المري، المعروف بابن البرصاء:ونحْنُ رَهَنَّا القوسَ في حرب داحِسٍ … بألفٍ، وكانت بعدَها مِئَتَانِوفي ذلك يقول خارجة بن سنان:أمّا تَرَيْنيَ لا أهْدِى إلى سَفَرٍ … ولستُ مُهْتدَياً إلا مَعِي هَاديفقد صَبَحْتُ سَوامَ الحيّ مُشْعَلَةً … رَهْواً تُطاَلعُ من غَيْبٍ وأجْمَادِوقد يَسَرتُ إذا ما الشَّوْلُ روَّحَها … بَرْدُ العَشِىّ بشَفَّانٍ وصُرَّادِوقد حَمَلتُ ولم أجرُرْ على أحَدٍ … شَأوَ العَشِيرَةِ والأكفاء شُهَّادِيقد يعَلُم القومُ إذ خفتْ حقَائبُهُمْ … وأرمَلُوا الزادَ أنّى مُنْفِدٌ زادِي
সন্ধির পর দিমদাম-এর দুই পুত্র কর্তৃক নিহত দুইজন ব্যক্তির রক্তপণ হিসেবে দুইশত উট প্রদান করা হয়। এ সম্পর্কে ইবনুল বারসা নামে পরিচিত শাবীব ইবনে ইয়াযীদ আল-মুররি বলেন:
আর আমরা দাহিসের যুদ্ধে ধনুক বন্ধক রেখেছিলাম … এক হাজারের বিনিময়ে, আর এরপরে ছিল দুইশত।
এ বিষয়ে খারিজাহ ইবনে সিনান বলেন:
তুমি কি আমাকে দেখছ না যে, আমি সফরের পথ খুঁজে পাই না … আর আমি পথপ্রদর্শক ছাড়া পথ চলতে পারি না।
আমি গোত্রের চারণরত পশুদের ওপর সকালে অতর্কিত আক্রমণ করেছি … যা দ্রুত গতিতে অদৃশ্য স্থান ও শক্ত ভূমি থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
আর আমি জুয়া খেলেছি (অর্থাৎ অকাতরে দান করেছি) যখন উটের পাল সন্ধ্যায় ফিরে আসত … সন্ধ্যার হিমেল হাওয়া ও হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে।
আর আমি (রক্তপণের) বোঝা বহন করেছি এবং কারো প্রতি অন্যায় করিনি … গোত্রের গুরুদায়িত্ব আমি পালন করেছি এবং সমকক্ষরাই আমার সাক্ষী।
সম্প্রদায় অবশ্যই জানে যখন তাদের ঝুলি হালকা হয়ে গিয়েছিল … এবং তারা পাথেয়হীন হয়ে পড়েছিল, তখন আমিই ছিলাম আমার পাথেয় বিলিয়ে দেওয়া ব্যক্তি।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ৩০)
ولسْتُ غَاشِىَ أخلاقٍ أسَبُّ بها … حتَّى يَؤُوبَ من القْبرِ ابنُ مَيَّادِحدثنا الزبير قال، وأخبرني عمي نصعب بن عبد الله: أن جده سنان ابن أبي حارثة قال له في تلك الحَمالَةِ: ما عندك من العون فيها؟ فقال: طعام كل نازل، ورضى كل سائل، وخطبة حتى الليل آمر فيها بمعروف وأنهى عن منكر.وسنان بن أبي حارثة، وأبنه هرم بن سنان، اللذان مدحهما زهير ابن أبي سلمى بما مدحهما به.حدثنا الزبير قال، وحدثني محمد بن الضحاك بن عثمان الحزامي، عن أبيه قال: كبر سنان، فضل بنخل فلم يوجد، ففي ذلك يقول زهير بن أبي لسمى يرثيه:إن الرزيّةَ لا رَزِيّةَ مِثْلُها … ما تبتَغِي غَطفانُ يومَ أضلَّتَ
আমি এমন চরিত্রের অনুসারী নই যার কারণে আমি নিন্দিত হব … যতক্ষণ না ইবনে মাইয়াদ তার কবর থেকে ফিরে আসে।যুবায়ের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার চাচা মুসআব ইবনে আবদুল্লাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর দাদা সিনান ইবনে আবি হারিসা সেই রক্তপণ পরিশোধের (হামালাহ) বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: "এ কাজে তোমার কাছে কী ধরনের সাহায্য আছে?" তিনি উত্তরে বললেন: "প্রত্যেক আগন্তুকের খাবার, প্রত্যেক যাঞ্চাকারীর সন্তুষ্টি এবং রাত পর্যন্ত দীর্ঘ ভাষণ প্রদান—যাতে আমি সৎ কাজের আদেশ দেব এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করব।"সিনান ইবনে আবি হারিসা এবং তাঁর পুত্র হারাম ইবনে সিনান হলেন সেই দুই ব্যক্তি, যাঁদের প্রশংসায় জুহাইর ইবনে আবি সুলমা তাঁর কাব্যগাথা রচনা করেছেন।যুবায়ের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন দাহহাক বিন উসমান আল-হিযামি তাঁর পিতার সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সিনান যখন বার্ধক্যে উপনীত হলেন, তখন তিনি একটি খেজুর বাগানে পথ হারিয়ে ফেলেন এবং তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁর স্মরণে শোক প্রকাশ করে জুহাইর ইবনে আবি সুলমা বলেন:নিশ্চয়ই এটি এমন এক মহাবিপদ যার সমতুল্য কোনো বিপদ নেই … গাতফান গোত্র সেদিন কীসেরই বা অনুসন্ধান করছিল যেদিন তারা তাঁকে হারিয়ে ফেলেছিল।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ৩১)
يَبْغُونَ خيرَ الناسِ مَسَّا واحداً … عَظْمتْ رَزيَّتُهُ الغدَاةَ وجَلَّتِإنّ الرِّكابَ لتبتَغِي ذَا مِرةٍ … بجنوبِ نخْلَ إذا الشُّهُورُ أهِلَّتِحدثنا الزبير قال، وحدثني محمد بن سلام الجمحي، عن أبان بن عثمان البجلي قال: أتى الحجاجُ بأسرى من الروم أو التُرْك، فأمر بقتلهم. فقال له رجل منهم: أيها الأمير، أطلب إليك حاجة ليس عليك فيها مؤونة. قال: ماهي؟ قال: تأمر رجلاً من أصحابك شريفاً يقتلني، فإني رجل شريف. فسأل أصحابه عنه فقالوا: كذلك هو. فأمر خريماً المريّ بقتله. فلما أقبل نحوه، وكان دميماً أسود أفطس، صرخ الرجل، فقال الحجاج: سلوه، ماله؟ فقال: طلبت إليك أن تأمر رجلاً شريفاً يقتلني، فأمرت هذا الخنفساء! فقال الحجاج: إنه لجاهل بما تبتغي غطفان يوم أضلت! و " خُرَيْم "، من ولد سنان بن أبي حارثة.
তারা মানুষের মধ্যে সর্বোত্তমকে একক পরশে অন্বেষণ করে … আজ প্রভাতে তার বিপদ মহিমান্বিত ও গুরুতর হয়ে উঠেছে।আরোহী বাহনগুলো তেজস্বী পুরুষকে খোঁজে … নাখলার দক্ষিণ অঞ্চলে যখন মাসসমূহের নতুন চাঁদ উদিত হয়।যুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, এবং মুহাম্মাদ ইবনে সাল্লাম আল-জুমাহি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবান ইবনে উসমান আল-বাজালি থেকে, তিনি বলেন: হাজ্জাজের নিকট রোমান বা তুর্কি যুদ্ধবন্দিদের আনা হলো, তখন তিনি তাদের হত্যার নির্দেশ দিলেন। তাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি তাকে বলল: হে আমির, আমি আপনার নিকট এমন একটি আবদার করছি যাতে আপনার কোনো পরিশ্রম বা ব্যয় নেই। তিনি বললেন: সেটি কী? সে বলল: আপনি আপনার সঙ্গীদের মধ্য থেকে কোনো এক উচ্চবংশীয় মর্যাদাবান ব্যক্তিকে আমাকে হত্যা করার আদেশ দিন, কারণ আমি একজন মর্যাদাবান ব্যক্তি। তখন তিনি তার সঙ্গীদের নিকট তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন, তারা বলল: সে তেমনই। তখন তিনি খুরাইম আল-মুররিকে তাকে হত্যার আদেশ দিলেন। যখন সে তার দিকে এগিয়ে এল, আর সে ছিল কুৎসিত, কৃষ্ণবর্ণ ও চ্যাপ্টা নাক বিশিষ্ট, তখন লোকটি চিৎকার করে উঠল। হাজ্জাজ বললেন: তাকে জিজ্ঞেস করো, তার কী হয়েছে? সে বলল: আমি আপনার কাছে আবেদন করেছিলাম যেন কোনো মর্যাদাবান ব্যক্তিকে আমাকে হত্যার আদেশ দেন, অথচ আপনি এই গোবরে পোকাটিকে আদেশ দিলেন! হাজ্জাজ বললেন: গাতাফান গোত্র যেদিন পথভ্রষ্ট হয়েছিল সেদিন তারা যা অন্বেষণ করছিল, সে সম্পর্কে এ তো নিরেট অজ্ঞ! আর "খুরাইম" হলেন সিনান ইবনে আবি হারিসার বংশধর।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ৩২)
ومنولد عبد الله بن الزبيرعامر بن عبد الله، وموسى بن عبد الله أمُّهما: حَنْتَمةُ بنت عبد الرحمن بن الحارث بن هشام وأمها: فاختة بنت عتبة ابن سهيل بن عمرو بن عبد شمس بن عبد وَدّ بن نصر بن مالك نب حسل بن عامر ابن لؤي وأمها: كنود بنت قرظة بن عبد عمرو بن نوفل ابن عبد مناف وأمها: أم كلثوم بنت عمرو بن عبد شمس بن عبد وَدّ ابن نضر بن مالك بن حسل بن عامر بن لؤي وأمها: عاتكة بنت الأخيف أبن علقمة بن عبد بن الحارث بن منقذ بن عمرو بن معيص بن عامر بن لؤي وأمها: أميمة بنت ناقش بن وهب بن ثعلبة بن وائل بن عمرو بن شيبان بن محارب بن فهر.وأبو بكر بن عبد الله أمه: ريطة بنت عبد الرحمن ابن الحارث بن هشام وأمها سُعدى بنت عوف بن خارجة بن سنان ابن أبي حارثة وأمها: أمية بنت الحارث بن عوف بن أبي حارثة وأمها: بهيشة بنت أوس بن حارثة بن لأم.ولأوس بن حارثة يقول الشاعر:
এবংআবদুল্লাহ বিন আল-যুবাইরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেনআমির বিন আবদুল্লাহ এবং মুসা বিন আবদুল্লাহ, তাঁদের মা হলেন: হান্তামাহ বিনতে আবদুর রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশাম। আর তার (হান্তামাহর) মা হলেন: ফাখিতাহ বিনতে উতবাহ ইবনে সুহাইল বিন আমর বিন আবদ শামস বিন আবদ ওদ বিন নাসর বিন মালিক বিন হিসল বিন আমির ইবনে লুয়াই। আর তার (ফাখিতাহর) মা হলেন: কুনুদ বিনতে কারাজাহ বিন আবদ আমর বিন নাওফাল ইবনে আবদ মানাফ। আর তার (কুনুদের) মা হলেন: উম্মে কুলসুম বিনতে আমর বিন আবদ শামস বিন আবদ ওদ ইবনে নাদর বিন মালিক বিন হিসল বিন আমির বিন লুয়াই। আর তার (উম্মে কুলসুমের) মা হলেন: আতিকাহ বিনতে আল-আখইয়াফ ইবনে আলকামাহ বিন আবদ বিন আল-হারিস বিন মুনকিজ বিন আমর বিন মুআইস বিন আমির বিন লুয়াই। আর তার (আতিকাহর) মা হলেন: উমাইমাহ বিনতে নাকিশ বিন ওয়াহাব বিন সালাবাহ বিন ওয়াইল বিন আমর বিন শায়বান বিন মুহারিব বিন ফিহর।এবং আবু বকর বিন আবদুল্লাহ, তাঁর মা হলেন: রায়তাহ বিনতে আবদুর রহমান ইবনে আল-হারিস বিন হিশাম। আর তার (রায়তাহর) মা হলেন সুদা বিনতে আউফ বিন খারিজাহ বিন সিনান ইবনে আবি হারিসাহ। আর তার (সুদার) মা হলেন: উমাইয়াহ বিনতে আল-হারিস বিন আউফ বিন আবি হারিসাহ। আর তার (উমাইয়াহর) মা হলেন: বুহাইশাহ বিনতে আউস বিন হারিসাহ বিন লাম।আর আউস বিন হারিসাহ সম্পর্কে কবি বলেন:
(খণ্ড: ১)
জামহারাতু নাসাবি কুরাইশ ওয়া আখবারিহা
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
أوْسَ بنَ سُعْدَي فلا تَهْلِكْ حَمُولتنا … يا أوسُ يا خيرَ من يمشي على قَدَمِوبكر بن عبد الله، وأمه: عائشة بنت عثمان بن عفان وأمها: رملة بنت شيبة بن ربيعة وأمها: أم شراك بنت وقدان ابن عبد شمس بن عبد وَدّ بن نصر بن مالك بن حسل بن عامر بن لؤي وأمها: لبابة بنت عبد الله بن السباق بن عبد الدار بن قصي.وأخوه لأمه: أبو بكر بن الحارث بن الحكم بن أبي العاص بن أمية.وأم حسن بنت عبد الله أمها: أم حسن، وأسمها:
আওস ইবনে সুয়াদা, আমাদের ভারবাহী পশুরা যেন বিনষ্ট না হয় … হে আওস, যে ব্যক্তি পায়ের উপর ভর দিয়ে চলে তাদের মধ্যে আপনিই শ্রেষ্ঠ।এবং বকর ইবনে আব্দুল্লাহ, তাঁর মাতা হলেন: আয়িশা বিনতে উসমান ইবনে আফফান; এবং তাঁর মাতা: রামলা বিনতে শায়বা ইবনে রাবিয়া; এবং তাঁর মাতা: উম্মু শারাক বিনতে ওয়াকদান ইবনে আব্দু শামস ইবনে আব্দু ওয়াদ্দ ইবনে নাসর ইবনে মালিক ইবনে হাসল ইবনে আমির ইবনে লুআই; এবং তাঁর মাতা: লুবাবা বিনতে আব্দুল্লাহ ইবনে আস-সাব্বাক ইবনে আব্দুদ দার ইবনে কুসাই।এবং তাঁর বৈপিত্রেয় ভাই হলেন: আবু বকর ইবনে আল-হারিস ইবনে আল-হাকাম ইবনে আবিল আস ইবনে উমাইয়া।এবং উম্মু হাসান বিনতে আব্দুল্লাহ, তাঁর মাতা হলেন: উম্মু হাসান, আর তাঁর নাম হলো: