(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: -)
جزء من حديث ابن شاهين رواية ابن المهتدي   (ابن شاهين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء من حديث ابن شاهين جمع أبي الحسين بن المهتدي

المؤلف: أبو حفص عمر بن أحمد بن عثمان بن أحمد بن محمد بن أيوب بن أزداذ البغدادي المعروف بـ ابن شاهين (ت 385هـ)

تحقيق: بدر البدر

الناشر: دار ابن الأثير - الكويت (ضمن مجموع فيه من مصنفات ابن شاهين)

الطبعة: الأولى 1415 هـ - 1994 م

عدد الصفحات: 381

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে শাহীনের হাদীসের একটি অংশ, ইবনুল মুহতাদীর বর্ণনা   (ইবনে শাহীন)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু আল-হুসাইন বিন আল-মুহতাদী কর্তৃক সংগৃহীত ইবনে শাহীনের হাদীসের একটি অংশ

লেখক: আবু হাফস উমর বিন আহমদ বিন উসমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব বিন আজদাদ আল-বাগদাদী, যিনি ইবনে শাহীন নামে পরিচিত (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরী)

তাহকিক: বদর আল-বদর

প্রকাশক: দার ইবনে আল-াসির - কুয়েত (ইবনে শাহীনের রচনাবলীর সংকলনের অন্তর্ভুক্ত)

সংস্করণ: প্রথম ১৪১৫ হিজরী - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৮১

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরী (অনুলিখন) ، এবং ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল (যাচাইকরণ)

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩২৭)
جزء فيه من حديث

الشيخ أبي حفص عمر بن أحمد بن شاهين الواعظ رحمه الله

رواية القاضي الشريف أبي الحسين محمد بن علي بن محمد بن عبيد الله بن عبد الصمد بن المهتدي بالله عنه

رواية الشيخ الثقة أبي السعود أحمد بن علي بن المُجْلي عنه

رواية أبي شجاع عيسى بن عبد الرحمن بن زيد بن الفضل الوراق عنه

رواية الشيخ الحافظ شمس الدين أبي الحجاج يوسف بن خليل بن عبد الله عنه

سماع عبد المنعم بن محمد بن هبة الله بن أمين الدولة الحلبي الحنفي نفعه الله بالعلم

وقفه محمد بن كامل الحراني، على جميع المسلمين وجعل مستقره بالمدرسة الضيائية بسفح جبل قاسيون
একটি অংশ যাতে রয়েছে হাদিস

শাইখ আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন শাহীন আল-ওয়ায়িজ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আল-কাদি আশ-শরিফ আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুস সামাদ বিন আল-মুহতাদী বিল্লাহ

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন নির্ভরযোগ্য শাইখ আবু আল-সাউদ আহমাদ বিন আলী বিন আল-মুজলি

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু শুজা ঈসা বিন আব্দুর রহমান বিন যায়েদ বিন আল-ফদল আল-ওয়াররাক

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন শাইখ আল-হাফিজ শামসুদ্দিন আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলিল বিন আব্দুল্লাহ

এটি শ্রবণ করেছেন আব্দুল মুনইম বিন মুহাম্মদ বিন হিবাতুল্লাহ বিন আমিন আদ-দাওলা আল-হালাবি আল-হানাফি, আল্লাহ তাঁকে ইলম বা জ্ঞানের মাধ্যমে উপকৃত করুন

এটি সকল মুসলিমদের জন্য ওয়াকফ করেছেন মুহাম্মদ বিন কামিল আল-হাররানি এবং এর স্থায়ী নিবাস নির্ধারণ করেছেন কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত আল-মাদরাসা আদ-দিয়ায়িয়াহ-তে
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩২৯)
‌‌بسم الله الرحمن الرحمن الرحيم

أخبرنا الشيخ الإمام العالم العامل الحافظ المتقن شمس الدين أبو الحجاج يوسف بن خليل بن عبد الله الدمشقي أكرمه الله تعالى في ذي الحجة سنة إحدى وأربعين وستمائة قراءة عليه ونحن نسمع قال أخبرنا أبو شجاع عيسى بن عبد الرحمن بن زيد بن الفضل الوراق بقراءتي عليه في جمادى الاخرة سنة سبع وثمانين وخمسمائة قلت له: أخبركم جدك لأمك أبو السعود أحمد بن علي بن المُجْلي قراءة عليه وأنت تسمع في شعبان من سنة ثلاث وعشرين وخمسمائة فأقر به حدثنا القاضي الشريف أبو الحسين محمد بن علي بن مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ المهتدي بالله من لفظه في رجب من سنة ثمان وخمسين وأربعمائة:

1- حدثنا أبو حفص عمر بن أحمد بن شاهين إملاء في يوم الجمعة بعد الصلاة لأربع بقين من ذي القعدة من سنة ثلاث وثمانين وثلاثمائة في جامع المدينة: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ زُغَيْلٍ التَّمَّارُ ⦗ص: 330⦘ بِالْبَصْرَةِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الواحد بن غياث المربذي وَطَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ قَالا: حَدَّثَنَا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ يَقُولُ: سَمعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " اكْفُلُوا لِي بِسِتٍّ أَكْفُلُ لَكُمْ بِالْجَنَّةِ: إِذَا حَدَّثَ أَحَدُكُمْ فَلا يَكْذِبْ وَإِذَا وَعَدَ فَلا يُخْلِفْ وَإِذَا ائْتُمِنَ فَلا يَخُنْ وَغُضُّوا أَبْصَارَكُمْ وَاحْفَظُوا فُرُوجَكُمْ وَصِلُوا أرحامكم ".
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন শাইখ, ইমাম, আলিম, আমলকারী, হাফিয, মুতকিন শামসুদ্দিন আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবন খলিল ইবন আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকি—আল্লাহ তাআলা তাকে সম্মানিত করুন—ছয়শত একচল্লিশ হিজরি সনের যিলহজ্জ মাসে, তার সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু শুজা ঈসা ইবন আব্দুর রহমান ইবন যায়িদ ইবনুল ফযল আল-ওয়াররাক, পাঁচশত সাতাশি হিজরি সনের জুমাদাল আখিরাহ মাসে তার সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাকে বললাম: আপনার মাতামহ আবুল সুউদ আহমদ ইবন আলি ইবনুল মুজলি কি আপনাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন পাঁচশত তেইশ হিজরি সনের শাবান মাসে তার সামনে আপনার শ্রবণের মাধ্যমে? তখন তিনি তা স্বীকার করলেন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাযি, শরীফ আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আলি ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল মুহতাদি বিল্লাহ, চারশত আটান্ন হিজরি সনের রজব মাসে তার নিজ যবানে:

১- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর ইবন আহমদ ইবন শাহিন, মদিনার জামে মসজিদে তিনশত তিরাশি হিজরি সনের যিলকদ মাসের চব্বিশ তারিখ জুমুআর সালাতের পর শ্রুতলিখন প্রদানের মাধ্যমে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন সালিহ ইবন যুগাইল আত-তাম্মার ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩০⦘ বসরায়, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন গিয়াস আল-মারবাযি এবং তালুত ইবন আব্বাদ, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফায্যাল ইবন জুবাইর, তিনি বলেন: আমি আবু উমামাহ-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "তোমরা আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের জিম্মাদার হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হব: তোমাদের কেউ যখন কথা বলবে, সে যেন মিথ্যা না বলে; যখন ওয়াদা করবে, তা যেন ভঙ্গ না করে; যখন তার কাছে আমানত রাখা হবে, সে যেন খিয়ানত না করে; তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত রাখো, তোমাদের লজ্জাস্থান হিফাযত করো এবং তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখো।"‌
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৩২)
2- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ حَدَّثَنَا نَافِعٌ أَبُو هُرْمُزَ مَوْلَى يُوسُفَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السُّلَمِيُّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ لإِبْلِيسَ مَرَدَةً مِنَ الشَّيَاطِينِ يَقُولُ لَهُمْ: عَلَيْكُمْ بِالْحُجَّاجِ وَالْمُجَاهِدِينَ فأضلوهم عن السبيل ".
2- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়বান বিন ফাররুখ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে আবু হুরমুজ—যিনি ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ আস-সুলামীর মুক্তদাস—তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই ইবলিসের শয়তানদের মধ্যে কিছু অবাধ্য অনুসারী রয়েছে, সে তাদের বলে: তোমরা হাজীদের এবং মুজাহিদদের পিছনে লেগে থাকো এবং তাদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করো।"
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৩২)
3- حدثنا أبو حفص حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى قَالَ حَدَّثَنِي هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِم الْحَرَّانِيُّ حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَرَادٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " الْحَمَّامُ بَيْتٌ لا سِتْرَ لَهُ لا يَصْلُحُ لِرَجُلٍ مُسْلِمٍ أَنْ يَدْخُلَهُ لامْرَأَتِهِ فِي بَيْتِهِ ⦗ص: 333⦘ مستحم ".
৩- আমাদের নিকট আবু হাফস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার নিকট হাশিম ইবনুল কাসিম আল-হাররানি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়ালা ইবনুল আশদাক বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে জারাদ থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "হাম্মাম (গণ-গোসলখানা) এমন এক ঘর যার কোনো পর্দা নেই; কোনো মুসলিম ব্যক্তির জন্য তাতে প্রবেশ করা সমীচীন নয়। তার স্ত্রীর জন্য তার নিজ গৃহেই ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩৩⦘ গোসলের স্থান রয়েছে।"
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৩৩)
4- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْحُسَيْنِ حَدَّثَنَا الزُّبَيْرُ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " إِنَّ الْعَفْوَ لا يَزِيدُ الْعَبْدَ إِلا عِزًّا فَاعْفُوا يَعِزَّكُمُ اللَّهُ وَالتَّوَاضُعُ لا يَزِيدُ الْعَبْدَ إِلا رِفْعَةً فَتَوَاضَعُوا يَرْفَعْكُمُ اللَّهُ عز وجل وَإِنَّ الصَّدَقَةَ لا تَزِيدُ الإِنْسَانَ إِلا رَحْمَةً فَتَصَدَّقُوا يَرْحَمْكُمُ اللَّهُ عز وجل ".
৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর, তিনি বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আল-হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে আল-হুসাইন থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন আল-জুবায়ের থেকে এবং তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই ক্ষমা বান্দার সম্মান বৃদ্ধি ছাড়া আর কিছুই করে না, অতএব তোমরা ক্ষমা করো, আল্লাহ তোমাদের সম্মানিত করবেন। আর বিনয় বান্দার উচ্চমর্যাদা বৃদ্ধি ছাড়া আর কিছুই করে না, অতএব তোমরা বিনয় অবলম্বন করো, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাদের সমুন্নত করবেন। আর দান মানুষের জন্য রহমত বা দয়া বৃদ্ধি ছাড়া আর কিছুই করে না, অতএব তোমরা দান করো, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।"
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৩৪)
5- حدثنا عمر بن أحمد حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْحُسَيْنِ حَدَّثَنَا الزُّبَيْرُ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " أَلا أُخْبِرُكُمْ بِخِيَارِكُمْ؟ " قَالُوا: بلى يارسول اللَّهِ. قَالَ: " خِيَارُكُمْ مَنْ لانَ مَنْكِبَاهُ وَحَسُنَ خُلُقُهُ وَأَكْرَمَ زَوْجَهُ إِذَا قَدَرَ ". قَالَ: " أَلا أُخْبِرُكُمْ بِشِرَارِكُمْ؟ " قَالَ أَبُو بَكْرٍ: بَلَى يارسول اللَّهِ. قَالَ: " شِرَارُكُمْ مَنْ لا يُرْجَى خَيْرُهُ وَلا يُؤْمَنُ شَرُّهُ وَإِنَّ خِيَارَكُمْ مَنْ يُؤْمَنُ شَرُّهُ ويرجى خيره ".
৫- ওমর ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনুল হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আয-যুবাইর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি কি তোমাদের মাঝে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের সম্পর্কে খবর দেব না?" তাঁরা বললেন: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন: "তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সেই ব্যক্তি, যে বিনম্র স্বভাবের, যার চরিত্র সুন্দর এবং সামর্থ্য অনুযায়ী যে নিজ স্ত্রীকে সম্মান করে।" তিনি বললেন: "আমি কি তোমাদের মাঝে নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে খবর দেব না?" আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন: "তোমাদের মধ্যে নিকৃষ্ট হলো সেই ব্যক্তি, যার থেকে কল্যাণের আশা করা যায় না এবং যার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকা যায় না। আর তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো সেই ব্যক্তি, যার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকা যায় এবং যার থেকে কল্যাণের আশা করা যায়।"
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৩৪)
6- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ الْبَهْلُولِ الْقَاضِي حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَمْرٍو الْعَنْقَزِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ مُجَالِدٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ لِرَجُلٍ يَوْمَ الْجُمُعَةِ بَعْدَمَا انْصَرَفَ: لا جُمُعَةَ لَكَ. قَالَ: فَقَالَ الرجل: يارسول اللَّهِ! إِنَّ سَعْدًا قَالَ لِي: لا جُمُعَةَ لَكَ. قَالَ: ⦗ص: 335⦘ فَقَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لم ياسعد؟ " قَالَ: إِنَّهُ تَكَلَّمَ وَأَنْتَ تَخْطُبُ. قال: " صدق سعد ".

آخر المجلس
৬- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে বাহলুল আল-কাজী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে আমর আল-আনকাজি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উসামাহ, তিনি মুজালিদ থেকে, তিনি আশ-শা’বি থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস জুমার দিন (সালাত) শেষে এক ব্যক্তিকে বললেন: তোমার জুমা হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন: তখন ঐ ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! সাদ আমাকে বলেছেন: তোমার জুমা হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩৫⦘ অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "কেন হে সাদ?" তিনি বললেন: আপনি যখন খুতবা দিচ্ছিলেন তখন সে কথা বলছিল। তিনি বললেন: "সাদ সত্য বলেছে।"

মজলিসের সমাপ্তি
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৩৫)
7- وحدثنا أبو حفص عمر بن أحمد بن شاهين يوم الجمعة بعد الصلاة إملاء لليلتين خلتا من المحرم من سنة أربع وثمانين وثلاثمائة حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ غُضَيْفٍ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " إِنَّ اللَّهَ عز وجل وَضَعَ الْحَقَّ عَلَى لِسَانِ عُمَرَ رضي الله عنه ".
৭- এবং আমাদের নিকট আবু হাফস উমর বিন আহমদ বিন শাহিন জুমার দিন সালাতের পর শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, যখন তিনশ চুরাশি হিজরি সনের মুহাররম মাসের দুই রাত অতিবাহিত হয়েছিল; মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আল-বাগান্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর বিন আবু শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন নুমাইর আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি গুদাইফ থেকে, তিনি আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জিহ্বায় সত্যকে স্থাপন করেছেন।"
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৩৭)
8- حدثنا عمر بن أحمد حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بن الأَشْعَثُ حَدَّثَنَا أَبُو عُمَيْرٍ عِيسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النَّحَّاسِ الرَّمْلِيُّ.

وَحَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ النَّيْسَابُورِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي مَوْهَبُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ خَالِدٍ قَالا حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ بْنُ رَبِيعَةَ عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ كَثِيرٍ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ رَأَيْتُ عُثْمَانَ رضي الله عنه جَاءَ بِأَلْفِ دِينَارٍ فَصَبَّهَا فِي حِجْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ جَهَّزَ جَيْشَ الْعُسْرَةِ قَالَ: فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُدْخِلُ يَدَهُ فِيهَا يُقَلِّبُهَا وَيَقُولُ: " مَا ضَرَّ عُثْمَانَ مَا عَمِلَ بَعْدَ الْيَوْمِ ".

⦗ص: 338⦘ قَالَ الشَّيْخُ: تَفَرَّدَ بِهَذِهِ الْفَضِيلَةِ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ مَا شَارَكَهُ فِيهَا أحد قط.
৮- ওমর বিন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন সুলায়মান বিন আল-আশআদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উমায়ের ঈসা বিন মুহাম্মদ বিন আন-নাহহাস আল-রামলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

এবং ওমর বিন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আন-নিশাপুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাওহাব বিন ইয়াযিদ বিন খালিদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: দামরাহ বিন রাবিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে শাওযাব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন সামুরার মুক্তদাস কাসীর থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন সামুরা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দেখলাম যে, তিনি এক হাজার দিনার নিয়ে আসলেন এবং যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাইশুল উসরাহ (সংকটের বাহিনী) প্রস্তুত করছিলেন তখন তা তাঁর কোলে ঢেলে দিলেন। তিনি বলেন: অতঃপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখলাম তিনি এর মধ্যে তাঁর হাত প্রবেশ করাচ্ছেন, তা নাড়াচাড়া করছেন এবং বলছেন: "আজকের দিনের পর উসমান যা-ই আমল করুক না কেন, তা তাঁর কোনো ক্ষতি করবে না।"

⦗পৃষ্ঠা: ৩৩৮⦘ শায়খ বলেন: উসমান বিন আফফান এই মর্যাদায় একক ও অনন্য ছিলেন, এতে তাঁর সাথে আর কেউ কখনো শরিক হয়নি।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৩৮)
9- حدثنا عمر بن أحمد حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِعَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليه ⦗ص: 339⦘ السلام: " ياعلي! أَنْتَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى إِلا أَنَّهُ لا نَبِيَّ بَعْدِي ". قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ: فَلَقِيتُ سَعْدًا فَقُلْتُ: إِنَّ عَامِرًا ابْنَكَ حَدَّثَنِي فَأَوْمَأَ بِيَدِهِ ثُمَّ قَالَ: صُكَّتَا إِنْ لَمْ أَكُنْ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنْ لَمْ أَكُنْ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

قَالَ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ: تَفَرَّدَ بِهَذِهِ الْفَضِيلَةِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ ⦗ص: 340⦘ عليه السلام مَا شَارَكَهُ فِيهَا أَحَدٌ.

وَرَوَاهُ جَمَاعَةٌ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَوَّلُ مَنْ رَوَاهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَسَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ وَعُقَيْلُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَأَبُو هُرَيْرَةَ وَجَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَحُذَيْفَةُ بْنُ أُسَيْدٍ وَأَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ وَمَالِكُ بْنُ الْحُوَيْرِثِ وَابْنُ أَبِي أَوْفَى وَجَابِرُ بْنُ سَمُرَةَ وَالْبَرَاءُ بْنُ عَازِبٍ وَزَيْدُ بْنُ أَرْقَمَ وَبُرَيْدَةُ الأَسْلَمِيُّ وَأَبُو الطُّفَيْلِ وَأَسْمَاءُ ابْنَةُ عُمَيْسٍ وَجَمَاعَةٌ رَوَوْهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذِهِ الْفَضِيلَةِ.

وَقَوْلُهُ لِعَلِيٍّ: " أَنْتَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى " أَخْبَرَ بِمَحَبَّتِهِ لَهُ وَوَقَارِهِ وَلا نَعْلَمُ أَنَّ أَحَدًا قَطُّ مِنَ الإِخْوَةِ كَانَ أَبَرَّ مِنْ مُوسَى بِهَارُونَ لأَنَّهُ طَلَبَ النُّبُوَّةَ وَالْقُرْآنُ نَطَقَ بِذَلِكَ فَقَالَ: {وَاجْعَلْ لِي وَزِيرًا مِنْ أَهْلِي * هَارُونَ أَخِي * اشْدُدْ بِهِ أَزْرِي * وَأَشْرِكْهُ فِي أَمْرِي} الآيات.

فَعَرَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِعَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ أَنَّهُ عِنْدَهُ فِي الْفَضْلِ وَالْوَقَارِ وَالنَّصْرِ مِثْلَ مَا أَعْطَى اللَّهُ لِمُوسَى فِي هَارُونَ وَاسْتَجَابَ دَعْوَتَهُ فِيهِ. وَقَوْلُهُ لِعَلِيٍّ: " إِلا أَنَّهُ لا نَبِيَّ بَعْدِي " لأَنَّ مُوسَى عليه السلام سَأَلَ اللَّهَ عز وجل أَنْ يُشْرِكَ لِهَارُونَ فِي النُّبُوَّةِ مَعَهُ فَقَالَ اللَّهُ عز وجل لِمُوسَى: {اذْهَبْ إِلَى فِرْعَوْنَ إنه طغى}

فَأَعْلَمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِعَلِيٍّ عليه السلام أَنَّهُ لا نَبِيَّ بَعْدِي. فَقَالَ لَهُ: ياعلي! أَتَدْرِي مَا مَثَلُكَ فِي أَصْحَابِي؟ مِثْلُ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ فِي ⦗ص: 341⦘ الْقُرْآنِ لأَنَّ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ عز وجل سُورَةٌ إِذَا قُرِئَتْ مَرَّةً فَكَانَتْ ثُلُثَ الْقُرْآنِ إِلا سُورَةُ {قُلْ هُوَ الله أحد} .

آخر المجلس
৯- উমর বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান আল-বাগিন্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক বিন আবিল শাওয়ারিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ বিন যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন যাইদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি আমির বিন সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী বিন আবি তালিব আলাইহিস ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩৯⦘ সালামকে বলেছিলেন: "হে আলী! আমার কাছে তোমার মর্যাদা ঠিক তেমনি, যেমনটি মুসার কাছে হারুনের ছিল; তবে পার্থক্য হলো আমার পরে আর কোনো নবী নেই।" সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব বলেন: এরপর আমি সাদের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং বললাম, আপনার পুত্র আমির আমাকে (এই হাদিসটি) বর্ণনা করেছেন। তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করলেন এবং বললেন: আমার এই কান দুটি বধির হয়ে যাক যদি আমি তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে না শুনে থাকি, যদি আমি তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে না শুনে থাকি।

আবু হাফস উমর বলেন: আলী বিন আবি তালিব ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪০⦘ আলাইহিস সালাম এই শ্রেষ্ঠত্বের ক্ষেত্রে একক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী, এতে অন্য কেউ তাঁর সাথে শরিক নেই।

একদল সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রথম যারা এটি বর্ণনা করেছেন তারা হলেন: আলী বিন আবি তালিব, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, আকিল বিন আবি তালিব, ইবনে আব্বাস, আবু হুরায়রা, জাবির বিন আব্দুল্লাহ, হুজাইফা বিন উসাইদ, আবু সাঈদ আল-খুদরি, মালিক বিন আল-হুওয়াইরিস, ইবনে আবি আওফা, জাবির বিন সামুরা, বারা বিন আজিব, যাইদ বিন আরকাম, বুরাইদা আল-আসলামি, আবু তুফাইল, আসমা বিনতে উমাইস এবং এক জামাত সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই শ্রেষ্ঠত্বের হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।

আলীর প্রতি তাঁর এই উক্তি: "আমার কাছে তোমার মর্যাদা ঠিক তেমনি, যেমনটি মুসার কাছে হারুনের ছিল", এর মাধ্যমে তিনি তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রকাশ করেছেন। আর আমরা জানি না যে ভাইদের মধ্যে কেউ কখনো মুসার চেয়ে হারুনের প্রতি অধিক অনুগ্রহশীল ছিলেন কি না, কারণ তিনি (হারুন আলাইহিস সালামের জন্য) নবুওয়াত চেয়েছিলেন এবং কুরআন সে সম্পর্কে বলেছে। আল্লাহ বলেন: "এবং আমার পরিবারের মধ্য থেকে আমার জন্য একজন সাহায্যকারী নিযুক্ত করে দিন, আমার ভাই হারুনকে; তাঁর মাধ্যমে আমার শক্তি সুদৃঢ় করুন এবং তাঁকে আমার কাজে শরিক করুন।" - আয়াতসমূহ।

ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী বিন আবি তালিবের জন্য এটি সাব্যস্ত করেছেন যে, মর্যাদা, সম্মান ও সাহায্যের ক্ষেত্রে তিনি তাঁর নিকট সেরূপই ছিলেন যেরূপ আল্লাহ মুসাকে হারুনের মাধ্যমে দান করেছিলেন এবং তাঁর দোয়া কবুল করেছিলেন। আর আলীকে বলা তাঁর এই কথা: "তবে পার্থক্য হলো আমার পরে আর কোনো নবী নেই", এর কারণ হলো মুসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালীর নিকট প্রার্থনা করেছিলেন যেন তিনি হারুনকে তাঁর সাথে নবুওয়াতে শরিক করেন। তখন আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী মুসাকে বলেছিলেন: "ফেরাউনের কাছে যাও, সে তো সীমালঙ্ঘন করেছে।"

সুতরাং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী আলাইহিস সালামকে জানিয়ে দিলেন যে, আমার পরে আর কোনো নবী নেই। অতঃপর তিনি তাঁকে বললেন: হে আলী! তুমি কি জানো আমার সাহাবীদের মধ্যে তোমার উপমা কী? কুরআনের ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪১⦘ মধ্যে ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ (সূরা ইখলাস)-এর মতো। কারণ আল্লাহর কিতাবে এমন কোনো সূরা নেই যা একবার পাঠ করলে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান হয়, কেবল ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ ব্যতীত।

মজলিসের সমাপ্তি
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৪১)
‌‌مجلس آخر

10- حدثنا أبو حفص عمر بن أحمد بن شاهين يوم الجمعة قبل الصلاة لأربع عشر خلون من صفر من سنة أربع وثمانين وثلاثمائة إملاء حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ الْفُضَيْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْجَحْدَرِيُّ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " الأُذُنَانِ مِنَ الرَّأْسِ ".

قَالَ الشَّيْخُ أَبُو حَفْصٍ: تَفَرَّدَ بِهَذَا الْحَدِيثِ ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَ بِهِ عَنْهُ غُنْدَرٌ وَقِيلَ: الرَّبِيعُ بْنُ بَدْرٍ.

قَالَ أَبُو حَفْصِ بْنُ شَاهِينَ: قَالَ الْبَاغَنْدِيُّ قَالَ أَبُو كَامِلٍ: لَمْ أَكْتُبْ عَنْ غُنْدَرٍ إِلا هَذَا الْحَدِيثَ الْوَاحِدَ أَفَادَنِي عَنْهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ.
অন্য একটি মজলিস

১০- আমাদের নিকট আবু হাফস উমর ইবনে আহমাদ ইবনে শাহীন ৩৮৪ হিজরীর সফর মাসের চৌদ্দ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর জুমার দিন সালাতের পূর্বে শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগান্দি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কামিল আল-ফুযাইল ইবনুল হুসাইন আল-জাহদারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন গুন্দার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ, আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "উভয় কান মাথার অংশ।"

শায়খ আবু হাফস বলেন: ইবনে জুরাইজ এই হাদিসটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন, তাঁর থেকে এটি গুন্দার বর্ণনা করেছেন। আবার বলা হয়েছে যে, (বর্ণনাকারী হলেন) রাবি ইবনে বদর।

আবু হাফস ইবনে শাহীন বলেন: বাগান্দি বলেছেন যে আবু কামিল বলেছেন: আমি গুন্দার থেকে এই একটি মাত্র হাদিস ব্যতীত আর কিছুই লিখিনি, যা আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ তাঁর থেকে শিখিয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৪৪)
11- حدثنا أبو حفص أحمد حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ رحمه الله يَقُولُ: كُلُّ شَيْءٍ فِي الْقُرْآنِ: "أَوْ أَوْ " فَإِنَّمَا هُوَ تَخْيِيرٌ.
১১- আমাদের নিকট আবু হাফস আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আল-বাগাওয়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি আবু আবদুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-কে বলতে শুনেছি: কুরআনে যা কিছু "অথবা অথবা" হিসেবে এসেছে, তা কেবল (বিধানের মধ্য থেকে কোনোটি) নির্বাচন করার সুযোগ প্রদানের জন্য।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৪৪)
12- حدثنا عمر بن أحمد حَدَّثَنَا أَحْمَد بْن مُحَمَّد بْن سعيد الهمذاني حَدَّثَنَا أَحْمَد بْن عبد الحميد حَدَّثَنَا أسباط عن داود بْن أَبِي هند عن عكرمة قَالَ: ما كان في القرآن " أو أو " فخذ بأية شئت وما كان فيه: " فمن لم يجد " فخذ بالأول الأول.
১২- আমাদের নিকট উমর বিন আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-হামদানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ বিন আব্দুল হামিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আসবাত বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন আবি হিন্দ থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কুরআনে যেখানে "অথবা... অথবা..." শব্দ এসেছে, সেখানে তুমি যা ইচ্ছা গ্রহণ করো। আর যেখানে "অতঃপর যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখবে না" শব্দ এসেছে, সেখানে প্রথম থেকে পর্যায়ক্রমে গ্রহণ করো।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৪৫)
13- حدثنا عمر حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ الْبَغَوِيّ حَدَّثَنَا أَبُو الربيع الزهراني حَدَّثَنَا هشام بْن سلمان المجاشعي قَالَ كنت عند أَبِي رجاء العطاردي فَقَالَ: لما غرق اللَّه الدنيا لم يبق إلا نوح صلى الله عليه وسلم ومن معه في السفينة فأتاه إبليس فقال: يانوح! اجعلني معك. قَالَ: ومن أنت؟ قَالَ: أنا إبليس. فأوحى اللَّه عز وجل إلى نوح: قل لإبليس يسجد لك سجدة حتى أحملك معي. فَقَالَ له ذلك فَقَالَ: لم أسجد لأَبِيك قبلك فأسجد لك بعده؟ فوقع في البحر فمأواه البحر ومن البحر يبث جنوده فنعوذ باللَّه منه.
১৩- উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু রবী আল-যাহরানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন সালমান আল-মুজাশিয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু রাজা আল-আতারিদীর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তখন তিনি বললেন: আল্লাহ যখন পৃথিবীকে নিমজ্জিত করলেন, তখন নূহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর সাথে যারা নৌকায় ছিলেন তারা ব্যতীত আর কেউ অবশিষ্ট রইল না। এমতাবস্থায় ইবলিস তাঁর নিকট এসে বলল: হে নূহ! আমাকে আপনার সাথে নিন। তিনি বললেন: তুমি কে? সে বলল: আমি ইবলিস। তখন মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ নূহের প্রতি ওহী পাঠালেন: ইবলিসকে বলুন সে যেন আপনাকে একটি সিজদাহ করে, তবেই আমি তাকে আপনার সাথে বহন করব। তিনি তাকে তা বললেন। তখন সে (ইবলিস) বলল: আমি আপনার পূর্বে আপনার পিতার প্রতি সিজদাহ করিনি, তবে কি তাঁর পরে আপনাকে সিজদাহ করব? অতঃপর সে সমুদ্রে পতিত হলো; তাই সমুদ্রই তার আবাসস্থল এবং সমুদ্র থেকেই সে তার বাহিনীকে ছড়িয়ে দেয়। আমরা আল্লাহর নিকট তার থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৪৬)
وأما ما أملاه بعد الصلاة:

14- حدثنا أبو حفص عمر بن أحمد حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ الْحَدَثَانِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَحَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ اللَّهَ لا يَقْبِضُ الْعِلْمَ انْتِزَاعًا مِنْ أَهْلِهِ وَلَكِنْ بِذَهَابِ الْعُلَمَاءِ فَإِذَا لَمْ يَبْقَ عَالِمٌ اتَّخَذَ النَّاسُ رؤوسا جُهَّالا فَأَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا ".

قَالَ الشَّيْخُ أَبُو حَفْصٍ: تَفَرَّدَ بِهَذَا الْحَدِيثِ سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ مَالِكٍ وَحَفْصِ بْنِ مَيْسَرَةَ: لا أَعْلَمُ ذَكَرَ حَفْصَ بن ميسرة سوى سويدا.

آخر المجلس
আর সালাতের পর তিনি যা লিখিয়েছেন:

১৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর ইবনে আহমদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগিন্দি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আল-হাদাসানি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস এবং হাফস ইবনে মাইসারা, তাঁরা হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ জ্ঞানকে তাঁর বান্দাদের নিকট থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে উঠিয়ে নেবেন না, বরং আলেমদের বিদায়ের মাধ্যমেই তিনি জ্ঞান উঠিয়ে নেবেন। ফলে যখন কোনো আলেম অবশিষ্ট থাকবে না, তখন মানুষ মূর্খদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে। অতঃপর তারা ইলম বা জ্ঞান ছাড়াই ফতোয়া প্রদান করবে, যার ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে।"

শাইখ আবু হাফস বলেন: মালিক এবং হাফস ইবনে মাইসারা থেকে এই হাদিসটি বর্ণনায় সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ একক হয়ে গেছেন; সুওয়াইদ ছাড়া আর কাউকে আমি হাফস ইবনে মাইসারার নাম উল্লেখ করতে দেখিনি।

মজলিসের সমাপ্তি
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৪৭)
‌‌مجلس آخر

15- حدثنا أبو حفص عمر بن أحمد بن عثمان بن أحمد بن شاهين إملاء يوم الجمعة بعد الصلاة لإحدى عشر بقين من المحرم من سنة خمس وثمانين وثلاثمائة حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْجَرْجَرَائِيُّ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ دُحَيْمٌ وَمُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ يَعْنِي الدِّمَشْقِيَّ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنِ الأَوْزَاعِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إذ افْتَتَحْتُمْ مِصْرَ فَاسْتَوْصُوا بِالْقِبْطِ فَإِنَّ لَهُمْ ذِمَّةً وَرَحِمًا ".
অন্য মজলিস

১৫- আমাদের নিকট আবু হাফস ওমর ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে শাহীন ৩৮৫ হিজরি সালের মহররম মাসের এগারো দিন অবশিষ্ট থাকতে জুমার নামাজের পর শ্রুতলিখন করিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগান্দি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমার নিকট মুহাম্মদ ইবনুল সাব্বাহ আল-জারজারাঈ, আব্দুর রহমান ইবনে ইবরাহিম দুহায়ম এবং মুহাম্মদ ইবনে খালিদ (অর্থাৎ আদ-দিমাশকি) বর্ণনা করেছেন। তারা বলেন, আমাদের নিকট ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম বর্ণনা করেছেন আওজাঈ থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যখন তোমরা মিশর জয় করবে, তখন কিবতিদের ব্যাপারে সদাচরণের নির্দেশ গ্রহণ করো; কারণ তাদের জন্য নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি এবং আত্মীয়তার অধিকার রয়েছে।"
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৪৮)
16- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ الْبَغَوِيُّ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ أَنْبَأَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ مَخْلَدِ بْنِ خُفَافٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَضَى أَنَّ الْخَرَاجَ بِالضَّمَانِ.
১৬- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আলী বিন আল-জা'দ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদেরকে ইবনে আবি জিব সংবাদ দিয়েছেন মাখলাদ বিন খুফাফ হতে, তিনি উরওয়াহ হতে, তিনি আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফয়সালা করেছেন যে, লভ্যাংশ ঝুঁকির বিনিময়ে নির্ধারিত হবে।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৫১)
17- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ حُمَيْدِ بْنِ الْمُجَدَّرِ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ عَنْ ⦗ص: 352⦘ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " مَنْ أَتَى اللَّهَ عز وجل بِثَلاثٍ أَدْخَلَهُ الْجَنَّةَ: مَنْ عَبَدَ اللَّهَ لا يُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا وَمَنْ أَعْطَى زَكَاةَ مَالِهِ طَيِّبَةً بِهَا نَفْسُهُ مُحْتَسِبًا وَسَمِعَ وَأَطَاعَ ". وَقَالَ: " خَمْسٌ لَيْسَ لَهُنَّ كَفَّارَةٌ: الشِّرْكُ بِاللَّهِ عز وجل وَقَتْلُ النَّفْسِ الْمُسْلِمَةِ بِغَيْرِ حَقٍّ وَبَهْتُ مُؤْمِنٍ وَفِرَارٌ يَوْمَ الزَّحْفِ وَيَمِينٌ صَابِرَةٌ لِيَقْطَعَ بِهَا مَالا بِغَيْرِ حَقٍّ ".
১৭- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন হারুন ইবন হুমাইদ ইবনুল মুজাদ্দার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবন রুশাইদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ, তিনি বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫২⦘ বাহীর ইবন সা'দ থেকে, তিনি খালিদ ইবন মা'দান থেকে, তিনি আবু আল-মুতাওয়াক্কিল থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "যে ব্যক্তি তিনটি বিষয় নিয়ে মহান আল্লাহর নিকট উপস্থিত হবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর ইবাদত করে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করে না, যে ব্যক্তি সওয়াবের আশায় সন্তুষ্টচিত্তে তার সম্পদের যাকাত প্রদান করে এবং যে (নেতৃত্বের নির্দেশ) শোনে ও আনুগত্য করে।" তিনি আরও বলেছেন: "পাঁচটি পাপ এমন রয়েছে যার কোনো কাফফারা নেই: মহান আল্লাহর সাথে শিরক করা, অন্যায়ভাবে কোনো মুসলিমকে হত্যা করা, কোনো মুমিনের প্রতি অপবাদ আরোপ করা, যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা এবং এমন মিথ্যা শপথ যার দ্বারা অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করা হয়।"
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৫৩)
18- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ نَصْرِ بْنِ زَيْدٍ الشَّاعِرُ أَخُو أَبِي اللَّيْثِ الْفَرَائِضِيُّ حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ أَسَدٍ الْمُحَاسِبِيُّ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْقَاسِمِ عَنْ عَطَاءٍ الْكَيْخَارَانِيِّ عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَفْضَلُ مَا يوضع يوم القيامة في ميزان العبد حسن ⦗ص: 354⦘ الخلق ".
১৮- আবু হাফস উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন আল-কাসিম বিন নাসর বিন যাইদ আশ-শা‘ইর—যিনি আবু আল-লাইস আল-ফারাইযীর ভাই—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস বিন আসাদ আল-মুহাসিবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু‘বাহ থেকে, তিনি আল-কাসিম থেকে, তিনি আতা আল-কাইখারানী থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কিয়ামতের দিন বান্দার মিযানে (আমল মাপার পাল্লায়) যা কিছু রাখা হবে তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো সচ্চরিত্র।" ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫৪⦘
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৫৪)
19- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ قَالَ: كُنَّا قُعُودًا فِي الْمَسْجِدِ مَعَ أَبِي هُرَيْرَةَ فَأَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ فَقَامَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ بِشَيْءٍ فَأَتْبَعَهُ أَبُو هُرَيْرَةَ بَصَرَهُ حَتَّى ⦗ص: 355⦘ خَرَجَ مِنَ الْمَسْجِدِ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: أَمَّا هَذَا فَقَدْ عَصَى أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم.
১৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সুলায়মান ইবনুল আশ'আশ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লুওয়াইন মুহাম্মাদ ইবনে সুলায়মান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আহওয়াস, ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবুশ শা’সা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আবু হুরায়রার সাথে মসজিদে বসা ছিলাম, এমতাবস্থায় মুয়াযযিন আযান দিলেন। তখন উপস্থিত লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে গেল, আবু হুরায়রা তার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখলেন যতক্ষণ না সে ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫৫⦘ মসজিদ থেকে বের হয়ে গেল। অতঃপর আবু হুরায়রা বললেন: এই ব্যক্তি তো আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবাধ্যতা করল।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৫৫)
20- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ جَابِرٍ الْحَافِظُ بِالرَّمْلَةِ وَمُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمَوَيْهِ الْعَسْكَرِيُّ بِالْبَصْرَةِ قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ خَلِيٍّ الْكَلاعِيُّ حَدَّثَنَا أَبِي حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْعَوْصِيُّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حُمَيْدٍ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ شَقِيقٍ قَالَ: بَاعَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ أَرْضًا لَهُ بِأَرْبَعِينَ أَلْفَ دِينَارٍ فَأَتَى أُمَّ سَلَمَةَ فَقَالَ: إِنِّي قَدْ هَلَكْتُ أَنَا أَكْثَرُ قُرَيْشٍ مَالا قَالَتْ: أَيْ بُنَيَّ! أَنْفِقْ مَا آتَاكَ اللَّهُ عز وجل فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " إِنَّ مِنْ أَصْحَابِي مَنْ لا يَرَانِي بَعْدَ أَنْ أُفَارِقَهُ ". قَالَ: فَأَتَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَأَتَاهَا عُمَرُ ⦗ص: 356⦘ فَقَالَ: أَنْتِ سَمِعْتِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ؟ قَالَتْ: نَعَمْ، قَالَ: أَنْشُدُكِ اللَّهَ أَمِنْهُمْ أنا؟ قالت: لا ولن أبرىء أحدا بعدك.
২০- আমাদের নিকট আবু হাফস উমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট রামলার হাফেজ আহমদ বিন আমর বিন জাবির এবং বসরার মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মাহমাওয়াইহ আল-আসকারি বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন খালিদ বিন খালি আল-কালাই বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সালামাহ বিন আব্দুল মালিক আল-আওসি বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন হুমায়দ থেকে, তিনি আ’মাশ থেকে, তিনি শাকিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন আউফ তাঁর একটি জমি চল্লিশ হাজার দিনারে বিক্রি করলেন। অতপর তিনি উম্মে সালামাহ-এর নিকট এসে বললেন: আমি তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছি, আমি কুরাইশদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদের অধিকারী হয়ে গেছি। তিনি বললেন: হে বৎস! মহান আল্লাহ তোমাকে যা দান করেছেন তা ব্যয় করো, কেননা আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই আমার সাহাবীদের মধ্যে এমন কেউ আছে, যে আমাকে আর দেখতে পাবে না যখন আমি তাদের ছেড়ে চলে যাব।" বর্ণনাকারী বলেন: অতপর তিনি উমর বিন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে বিষয়টি তাঁর নিকট উল্লেখ করলেন। তখন উমর তাঁর নিকট আসলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫৬⦘ এবং বললেন: আপনি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ কথা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। উমর বললেন: আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, আমি কি তাদের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন: না, এবং আপনার পরে আমি আর কাউকে নির্দোষ ঘোষণা করব না।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৫৭)
21- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ الْمِهْرَانِيُّ بِالْبَصْرَةِ حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ خَلادٍ الْبَاهِلِيُّ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ قَالَ: صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعَصْرَ بِالْمَدِينَةِ فَلَمَّا قَضَى صَلاتَهُ انْصَرَفَ يَتَخَطَّى رِقَابَ النَّاسِ سَرِيعًا حَتَّى تَعَجَّبَ النَّاسُ لِسُرْعَتِهِ فَتَبِعُوهُ حَتَّى أَتَى بَعْضَ مَنَازِلِ أَزْوَاجِهِ فَدَخَلَ فَجَلَسُوا يَنْتَظِرُونَهُ فَخَرَجَ إِلَيْهِمْ فَرَأَى التَّعَجُّبَ فِي وُجُوهِهِمْ فَقَالَ: " إِنِّي ذَكَرْتُ وَأَنَا فِي الصَّلاةِ تِبْرًا كَانَ عِنْدَنَا فَكَرِهْتُ أَنْ يَبِيتَ عِنْدَنَا مِنْهُ شَيْءٌ فَأَمَرْتُ بقسمه ".
২১- আমাদের নিকট আবু হাফস উমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বসরার আবু উসমান সাঈদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ আল-মিহরানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু আমর ইবনে খাল্লাদ আল-বাহিলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বিশর ইবনে আস-সাররি বর্ণনা করেছেন, তিনি উমর ইবনে সাঈদ ইবনে আবি হুসাইন থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, আর তিনি উকবাহ ইবনে আল-হারিস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মদিনায় আল্লাহর রাসুল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-এর সাথে আসরের সালাত আদায় করলাম। অতঃপর যখন তিনি তাঁর সালাত শেষ করলেন, তখন তিনি দ্রুততার সাথে লোকজনের ঘাড় টপকিয়ে চলে গেলেন, এমনকি লোকজন তাঁর দ্রুততায় বিস্মিত হয়ে পড়ল। এরপর তাঁরা তাঁর অনুসরণ করলেন যতক্ষণ না তিনি তাঁর স্ত্রীদের কোনো এক ঘরে আসলেন এবং প্রবেশ করলেন। তখন লোকজন তাঁর অপেক্ষায় বসে রইল। এরপর তিনি তাঁদের নিকট বের হয়ে আসলেন এবং তাঁদের চেহারায় বিস্ময়ের ছাপ দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেন: "সালাতে থাকা অবস্থায় আমার কাছে থাকা কিছু স্বর্ণপিণ্ডের কথা মনে পড়েছিল, তাই আমি অপছন্দ করলাম যে আমাদের নিকট তার কোনো কিছু রাত অতিবাহিত করুক। ফলে আমি তা বণ্টন করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।"
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৫৭)
22- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ الْبَغَوِيُّ أَمْلَى سَنَة اثْنَتَيْ عَشْرَةَ وثلاثمائة حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ حَبِيبٍ الْقُومَسِيُّ حَدَّثَنَا ⦗ص: 358⦘ أَزْهَرُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَافَ قَبْلَ طُلُوعِ الْفَجْرِ ثَلاثَ أَسَابِيعَ ثُمَّ صَلَّى خَلْفَ الْمَقَامِ لِكُلِّ سُبُوعٍ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ جَعَلَ يَلْتَفِتُ يَمِينًا وَشِمَالا كُلَّمَا صَلَّى رَكْعَتَيْنِ فَظَنَنَّا أَنَّهُ يَفْعَلُهُ لِيُعَلِّمَنَا أَنَّهُ يُصَلِّي لِكُلِّ سُبُوعٍ رَكْعَتَيْنِ.

قَالَ الشَّيْخُ: وَهَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لا أَعْلَمُ رَوَاهُ إِلا أَزْهَرَ بْنَ الْقَاسِمِ لأَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَعَلَ لِكُلِّ سُبُوعٍ رَكْعَتَيْنِ. فَلَمَّا لَمْ يَرْكَعْهُمَا فِي وَقْتِهَا أَرَاهُمْ أَنَّهَا لكل سبوع ركعتين.
২২- আমাদের নিকট আবু হাফস উমর হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী ৩১২ হিজরী সনে শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন, আমাদের নিকট নূহ ইবনে হাবীব আল-কূমাসী হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫৮⦘ আজহার ইবনুল কাসিম হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুস সালাম ইবনে মুহাম্মদ যুহরী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজর উদিত হওয়ার পূর্বে তিন দফা সাত চক্কর (তিন সপ্তাহ) তাওয়াফ করলেন, অত:পর মাকামে ইবরাহীমের পেছনে প্রতি সাত চক্করের জন্য দুই রাকাত করে সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি যখনই দুই রাকাত সালাত আদায় করছিলেন, ডানে ও বামে তাকাচ্ছিলেন। আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি আমাদের শেখানোর জন্যই এমনটি করছেন যে, প্রতি সাত চক্করের জন্য দুই রাকাত সালাত আদায় করতে হয়।

শায়খ বলেন: এটি একটি গরীব (অপ্রসিদ্ধ) হাদীস, আমার জানা মতে আজহার ইবনুল কাসিম ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি। কারণ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি সাত চক্করের জন্য দুই রাকাত নির্ধারিত করেছিলেন। যখন তিনি সেই সময়ে (তাওয়াফের পরপরই) তা আদায় করতে পারেননি, তখন তিনি তাদের দেখালেন যে প্রতি সাত চক্করের জন্য দুই রাকাত সালাত রয়েছে।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৫৮)
23- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ حَدَّثَنَا الْمُسَيِّبُ بْنُ وَاضِحٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْقَدَّاحُ عَنْ إِسْرَائِيلَ قَالَ حَدَّثَنِي عَمْرٌو عَنْ زَيْدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنْ ⦗ص: 359⦘ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه قَالَ: انْكَسَرَ إِحْدَى يَدَيَّ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَنِي أَنْ أَمْسَحَ عَلَى الجبائر.
২৩- আবু হাফস উমর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশ‘আথ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-মুসাইয়িব ইবনে ওয়াদিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আল-কাদ্দাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যায়িদ ইবনে আলী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫৯⦘ আলী ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার একটি হাত ভেঙে গিয়েছিল, ফলে আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম; তখন তিনি আমাকে পট্টির ওপর মাসেহ করার নির্দেশ দিলেন।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৫৯)
24- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا أَحْمَد بْن مُحَمَّد بْن ⦗ص: 360⦘ أَبِي شَيْبَةَ الْبَزَّارُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرِ بْنِ خَالِدٍ النَّيْسَابُورِيُّ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " فِي رِقَابِ الْمُؤَذِّنِينَ أَمَانَتَانِ: أَمَانَةٌ عِنْدَ فِطْرِهِمْ إِذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ قَالُوا: كُلُوا وَاشْرَبُوا قَدْ أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ وَعِنْدَ الأَذَانِ بِالصُّبْحِ إِذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ قَالَ: كُفُّوا عَنِ الطَّعَامِ وَالشَّرَابِ قَدْ أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ ".

قَالَ الشَّيْخُ: وَهَذَا حَدِيثٌ تَفَرَّدَ بِهِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ وَلا أَعْلَمُ رَوَاهُ غَيْرَهُ ".
২৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬০⦘ আবু শায়বাহ আল-বাযযার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন বাকর বিন খালিদ আন-নাইসাবুরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন আব্দুল আযীয, তিনি আব্দুল আযীয বিন আবু রাওয়াদ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মুয়াজ্জিনদের ঘাড়ে দুটি আমানত রয়েছে: একটি আমানত তাদের ইফতারের সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট, যখন মুয়াজ্জিন আযান দেয় তখন তারা বলে: তোমরা পানাহার করো, মুয়াজ্জিন আযান দিয়েছে; আর অন্যটি ভোরের আযানের সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট, যখন মুয়াজ্জিন আযান দেয় তখন সে বলে: তোমরা পানাহার থেকে বিরত থাকো, মুয়াজ্জিন আযান দিয়েছে।"

শায়খ বলেন: "এটি এমন একটি হাদীস যা কেবলমাত্র আব্দুল আযীয বিন আবু রাওয়াদ এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।"
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৬০)
25- حدثنا عمر بن أحمد بن شاهين حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ يَزِيدَ عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْمُزْدَلِفَةِ جَمِيعًا لا يُؤَذَّنُ فِي وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا إِلا ⦗ص: 361⦘ بِإِقَامَةٍ وَلا يُسَبِّحُ بَيْنَهُمَا وَلا عَلَى إِثْرِ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا.
২৫- উমর ইবনে আহমাদ ইবনে শাহীন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-কাসিম ইবনে ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি দি'ব থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা (ইবনে উমর) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন। এ দুটির কোনোটির জন্যই আযান দেওয়া হয়নি, কেবল ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬১⦘ ইকামাত দেওয়া হয়েছিল; আর তিনি এই দুই সালাতের মাঝে কোনো নফল সালাত আদায় করেননি এবং এ দুটির কোনোটির পরেও কোনো নফল সালাত আদায় করেননি।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৬১)
26- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا عَمِّي حَدَّثَنَا مُعَلَّى حَدَّثَنَا وُهَيْبُ عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَمَعَ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ بِجَمْعٍ وَأَقَامَ لِكُلِّ وَاحِدَةٍ منهما إقامة.
২৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস ওমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন সুলায়মান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআল্লা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উহাইব, তিনি ইবনে আবি জি’ব থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সালেম থেকে এবং সালেম তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাম’ (মুজদালিফা)-তে মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে আদায় করেছেন এবং এগুলোর প্রতিটির জন্য পৃথক ইকামত দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৬১)
27- حدثنا أبو حفص عمر حدثنا الحسين بن محمد بْنُ سِنَانٍ الْمَوْصِلِيُّ بِأَطْرَابُلُسَ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْخَنَاجِرِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُصْعَبٍ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى لَيْلَةً المزدلفة الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِغَيْرِ نِدَاءٍ وَلا إِقَامَةٍ وَلا يَتَطَوَّعُ بَيْنَهُمَا بِشَيْءٍ.
২৭- আবু হাফস উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবন মুহাম্মদ ইবন সিনান আল-মাওসিলি ত্রিপোলিতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবিল খানাজির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আবি যিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরি থেকে বর্ণিত, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবন উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুযদালিফার রাতে আযান ও ইকামাত ছাড়াই মাগরিব ও ইশা সালাত আদায় করেছেন এবং এই দুই সালাতের মাঝে কোনো নফল সালাত আদায় করেননি।
(খণ্ড: ১) জুজউম মিন হাদিসি ইবনি শাহীন রিওয়ায়াতু ইবনিল মুহতারী (পৃষ্ঠা: ৩৬২)
28- حدثنا أبو حفص عمر حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَسْعُودٍ الزَّنْبَرِيُّ بِمِصْرَ أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ أَنْبَأَنَا الشَّافِعِيُّ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْمُزْدَلِفَةِ جَمِيعًا لَمْ ينادى فِي وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا إِلا بِإِقَامَةٍ وَلا يُسَبِّحُ بَيْنَهُمَا وَلا عَلَى إثر واحدة منهما.
২৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মাসউদ আজ-জানবারি মিসরে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হাকাম, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাফিঈ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন নাফি, তিনি ইবনে আবি দি’ব থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করেছেন। এ দুটির কোনোটির জন্যই আযান দেওয়া হয়নি কেবল ইকামাত ব্যতীত, আর তিনি এই দুই সালাতের মাঝে কোনো নফল সালাত আদায় করেননি এবং কোনোটির পরেও না।