(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: -)
ذم من لا يعمل بعلمه لابن عساكر   (أبو القاسم ابن عساكر)

القسم: كتب السنة


الكتاب: ذم من لا يعمل بعلمه (المجلس الرابع عشر من أمالي ابن عساكر)

المؤلف: ثقة الدين، أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله المعروف بابن عساكر (ت 571هـ)

تحقيق: محمد مطيع الحافظ

الناشر: دار الفكر - دمشق [طبع مع: ذم قرناء السوء]

الطبعة: الأولى 1399 هـ - 1979 م

عدد الصفحات: 40

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تمت مقابلة الكتاب، وقوبل أيضا على طبعة دار المامون للتراث بتحقيق أحمد البزرة / الطبعة الأولى (1410 هـ - 1990 م) وأخذ منها ترقيم الأحاديث، لأن الطبعة المعتمدة غير مرقمة الأحاديث، فهذه النسخة موافقة للطبعة الأولى بأرقام الصفحات وللثانية بأرقام الأحاديث

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আসাকিরের 'নিজ জ্ঞান অনুযায়ী আমল না কারীদের নিন্দা'   (আবু আল-কাসিম ইবনে আসাকির)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: নিজ জ্ঞান অনুযায়ী আমল না কারীদের নিন্দা (ইবনে আসাকিরের আমালির চৌদ্দতম মজলিস)

লেখক: সিকাতুদ্দিন، আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ, যিনি ইবনে আসাকির নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫৭১ হিজরি)

সম্পাদনা: মুহাম্মদ মুতী আল-হাফিজ

প্রকাশক: দার আল-ফিকর - দামেস্ক [একত্রে মুদ্রিত: মন্দ সঙ্গীদের নিন্দা]

সংস্করণ: প্রথম ১৩৯৯ হিজরি - ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪০

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও

গ্রন্থটির পাঠ তুলনা সম্পন্ন হয়েছে; এটি আহমদ আল-বিজরার সম্পাদনায় 'দার আল-মামুন লিত-তুরাস' সংস্করণের (প্রথম সংস্করণ: ১৪১০ হিজরি - ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ) সাথেও মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং তা থেকে হাদীসের ক্রমিক নম্বর গ্রহণ করা হয়েছে, কারণ মূল গ্রন্থটিতে হাদীসের ক্রমিক নম্বর ছিল না। অতএব, এই সংস্করণটি পৃষ্ঠা সংখ্যার দিক থেকে প্রথম সংস্করণের এবং হাদীস নম্বরের দিক থেকে দ্বিতীয় সংস্করণের অনুরূপ।

[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: -)
مجلسان

من مجالس الحافظ ابن عساكر

في مسجد دمشق

 

الأول: في ذم من لا يعمل بعلمه

الثاني: في ذم قرناء السوء

 

تحقيق

محمد مطيع الحافظ

 

دار الفكر - دمشق

الطبعة الأولى

1399 هـ - 1979 م

 

[وقوبلت أيضا على طبعة دار المامون للتراث بتحقيق أحمد البزرة - الطبعة الأولى (1410 هـ - 1990 م) وأخذ منها ترقيم الأحاديث، لأن الطبعة المعتمدة غير مرقمة الأحاديث، فهذه النسخة موافقة للطبعة الأولى بأرقام الصفحات وللثانية بأرقام الأحاديث]
দুটি মজলিস

হাফিয ইবনে আসাকিরের মজলিসসমূহ থেকে

দামেস্কের মসজিদে

 

প্রথম: যে ব্যক্তি তার ইলম অনুযায়ী আমল করে না, তার নিন্দায়

দ্বিতীয়: অসৎ সঙ্গীদের নিন্দায়

 

তাহকীক

মুহাম্মদ মুতী‘ আল-হাফিয

 

দারুল ফিকর - দামেস্ক

প্রথম প্রকাশ

১৩৯৯ হিজরী - ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দ

 

[এটি দারুল মামুন লিত-তুরাস থেকে প্রকাশিত এবং আহমাদ আল-বিযরাহ কর্তৃক সম্পাদিত সংস্করণের (প্রথম প্রকাশ: ১৪১০ হিজরী - ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ) সাথেও মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং সেখান থেকে হাদীসের ক্রমিক নম্বরসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে; কারণ নির্ভরযোগ্য মূল সংস্করণে হাদীসগুলো নম্বরযুক্ত ছিল না। সুতরাং এই সংস্করণটি পৃষ্ঠা নম্বরের ক্ষেত্রে প্রথম সংস্করণের অনুরূপ এবং হাদীস নম্বরের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।]
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ২৯)
المجلس الرابع عشر في ذم من لا يعمل بعلمه

تأليف الإمام الحافظ أبي القاسم علي بن الحسن بن هبة الله الشافعي

المعروف بابن عساكر

رواية الشيخ الإمام العالم أبي القاسم الحسين بن هبة الله بن صصرى عنه
চতুর্দশ মজলিস: নিজ ইলম অনুযায়ী আমল না করার নিন্দায়

ইমাম হাফেজ আবুল কাসিম আলী বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ আশ-শাফেয়ীর রচনা

যিনি ইবনে আসাকির নামে পরিচিত

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন শায়খ ইমাম আলেম আবুল কাসিম আল-হুসাইন বিন হিবাতুল্লাহ বিন সাসরা
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩১)
بسم الله الرحمن الرحيم

حدثنا الشيخ الإمام الحافظ أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله الشافعي إملاء بجامع دمشق حرسها الله قال:

1- أنبأ أبو الأعز قَرَاتِكِينُ بْنُ الْأَسْعَدِ بْنِ الْمَذْكُورِ ببغداد قال: أنبأ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلُيِّ بن محمد الجوهري قال: أنبأ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بن أحمد بن لؤلؤ قال: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبَانٍ السَّرَّاجُ قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ يَعْنِي الحماني قال: ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشِ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((لَا تَزُولُ قَدَمَا عبدٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عن أربع: عن ماله مما اكتسبه؟ وفيما أَنْفَقَهُ؟ وَعَنْ عِلْمِهِ مَا صَنَعَ فيه؟ وعن شبابه فيما أبلاه؟ وعن عمره فيما أَفْنَاهُ؟)) .

قَالَ رضي الله عنه، أَخْرَجَهُ أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيُّ فِي جَامِعِهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيِّ عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ عَامِرٍ شَاذَانَ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ الْمُقْرِئِ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ رُزقناه عَالِيًا مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَيَّاشٍ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

শাইখ, ইমাম, হাফেজ আবুল কাসিম আলী ইবনুল হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ আশ-শাফিয়ি দামেস্কের জামে মসজিদে—আল্লাহ একে রক্ষা করুন—শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

১- বাগদাদে আবুল আ’য কারাতিকীন ইবনুল আসআদ ইবনুল মাযকুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে লুলু আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবান আস-সাররাজ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ—অর্থাৎ আল-হিমানি—আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আ’মাশ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আবু বারযাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((কিয়ামতের দিন কোনো বান্দার দুই পা সরবে না যতক্ষণ না তাকে চারটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়: তার ধন-সম্পদ সম্পর্কে—তা কোথা থেকে উপার্জন করেছে এবং কোন পথে ব্যয় করেছে? তার জ্ঞান সম্পর্কে—সে তাতে কী আমল করেছে? তার যৌবন সম্পর্কে—তা কিসে ক্ষয় করেছে? এবং তার জীবনকাল সম্পর্কে—তা কিসে অতিবাহিত করেছে?)) ।

তিনি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আবু ঈসা আত-তিরমিযি এটি তাঁর 'জামে' গ্রন্থে আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আদ-দারেমি থেকে, তিনি আসওয়াদ ইবনে আমির শাযান থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে আইয়াশ আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (তিরমিযি) বলেছেন: এই হাদিসটি হাসান সহিহ। আমরা ইবনে আইয়াশের সূত্রে এটি উচ্চ সনদসহ লাভ করেছি।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩২)
2- أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلَكِ بْنِ الحسين الأديب قال: ⦗ص: 32⦘ أنبأ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَحْمُودِ بن أحمد الثقفي قال: أنبأ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بن علي بن المقرئ قال: ثنا الْمُفَضَّلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْجَنَدِيُّ فِي مَسْجِدِ الْحَرَامِ قَالَ: ثنا صَامِتُ بْنُ مُعَاذٍ الْجَنَدِيُّ قَالَ: ثنا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بن أبي رواد قال: ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ عَدِيٍّ، عَنِ الصُّنَابِحِيِّ. عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم:

((لَا تَزُولُ قَدَمَا عَبْدٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ أربع خصال، عن عمره فيما أفناه؟ وعن شبابه فيما أَبْلَاهُ؟ وَعَنْ مَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكتسبه؟ وفيما (1) أَنْفَقَهُ؟ وَعَنْ عِلْمِهِ مَاذَا عَمِلَ فيه؟)) .

قال أبو سعيد الْجَنَدِيُّ: قَالَ لَنَا صَامِتٌ، لَيْسَ لمسألة منها جواب.

قال: وأنبأ أَبُو بَكْرِ بْنُ الْمُقْرِئِ قَالَ: ثنا أبو عروبة قال: ثنا عمرو بن هشام قال: ثنا قبيصة قال: ثنا سُفْيَانُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ عَدِيٍّ عَنِ الصُّنَابِحِيِّ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ مِثْلَهُ مَوْقُوفًا.

قَالَ رضي الله عنه: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ عَدِيِّ بْنِ عَدِيٍّ الْكِنْدِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُسَيْلَةَ الصُّنَابِحِيِّ عَنْ معاذ.

--------------------------------------------

(1) [تعليق:: في المطبوع: ومم، والمثبت من طبعة أحمد البزرة]
২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আব্দুল মালিক বিন আল-হুসাইন আল-আদিব, তিনি বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ আমাদের অবহিত করেছেন আবু তাহের আহমদ বিন মাহমুদ বিন আহমদ আস-সাকাফি, তিনি বলেছেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আলি বিন আল-মুকরি, তিনি বলেছেন: আল-মুফায্যাল বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-জানাদি মাসজিদুল হারামে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সামিত বিন মুয়ায আল-জানাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আব্দুল মাজিদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আবি রাওয়াদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সুফিয়ান আস-সাওরি সাফওয়ান বিন সুলাইম থেকে, তিনি আদি বিন আদি থেকে, তিনি আস-সুনাবিহি থেকে, তিনি মুয়ায বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

((কিয়ামতের দিন কোনো বান্দার দুটি পা ততক্ষণ পর্যন্ত সরবে না, যতক্ষণ না তাকে চারটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়: তার জীবন সম্পর্কে যে সে তা কিসে অতিবাহিত করেছে? তার যৌবন সম্পর্কে যে সে তা কিসে ক্ষয় করেছে? তার সম্পদ সম্পর্কে যে সে তা কোথা থেকে উপার্জন করেছে এবং কিসে (১) ব্যয় করেছে? আর তার ইলম (জ্ঞান) সম্পর্কে যে সে তাতে কী আমল করেছে?))।

আবু সাঈদ আল-জানাদি বলেন: সামিত আমাদের বলেছেন, এগুলোর কোনো প্রশ্নেরই (সহজ) উত্তর নেই।

তিনি বলেন: আবু বকর বিন আল-মুকরি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু আরুবা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর বিন হিশাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাবিদাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান লাইস থেকে, তিনি আদি বিন আদি থেকে, তিনি আস-সুনাবিহি থেকে, তিনি মুয়ায বিন জাবাল থেকে অনুরূপ মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: এটি আদি বিন আদি আল-কিন্দি থেকে আব্দুর রহমান বিন উসাইলা আস-সুনাবিহি হয়ে মুয়ায সূত্রে বর্ণিত একটি গারিব (একক) হাদিস।

--------------------------------------------

(১) [টীকা: মুদ্রিত সংস্করণে রয়েছে: 'ওয়া মিম', আর সাব্যস্তকৃত পাঠটি আহমদ আল-বাযরাহ সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে]
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩২)
3- أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بن أحمد بن عمر بن السمرقندي قال: أنبأ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعَدَةَ بن إسماعيل الجرجاني، قال: أنبأ حَمْزَةُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ القرشي قال: أنبأ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَدِيٍّ الْجُرْجَانِيُّ، قال: ثنا مُوسَى بْنُ عِيسَى الْخَرَزِيُّ قَالَ: ثنا صُهَيْبُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ بن صهيب قال: ثنا بشر بن إبراهيم، قال: ثنا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةِ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((رُبَّ عابدٍ جَاهِلٍ، وَرُبَّ عالم فاجر، فاحذوا الجُهَّالَ مِنَ ⦗ص: 33⦘ العُبَّادِ، والفُجَّارَ مِنَ الْعُلَمَاءِ، فَإِنَّ أُولَئِكَ فِتْنَةُ الفُتَنَاءِ)) .

قَالَ رضي الله عنه: تَفَرَّدَ بِهِ أَبُو سَعِيدٍ بِشْرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ.
৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে আস-সামারকান্দি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইসমাইল ইবনে মাসআদাহ ইবনে ইসমাইল আল-জুরজানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামযাহ ইবনে ইউসুফ ইবনে ইবরাহিম আল-কুরাশি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আদি আল-জুরজানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে ঈসা আল-খারাযি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুহাইব ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাদ ইবনে সুহাইব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাওর ইবনে ইয়াযিদ, খালিদ ইবনে মাদান থেকে, তিনি আবু উমামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((কতই না ইবাদতকারী রয়েছে যারা মূর্খ, আর কতই না আলিম রয়েছে যারা পাপাচারী; অতএব তোমরা মূর্খ ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ ইবাদতকারী এবং পাপাচারী আলিমদের থেকে সতর্ক থাকো, কেননা তারা ফিতনাকারীদের জন্য বড় ফিতনা (বিপদ)।))।

তিনি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: এটি আবু সাঈদ বিশর ইবনে ইবরাহিম আদ-দিমাশকি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৩)
4- أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْفَرَجِ سَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ الْأَصْبَهَانِيُّ، قَالَ: أنبأ أَبُو الْفَتْحِ مَنْصُورُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ وَأَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بن محمود الأديب قالا: أنبأ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ بن عاصم قال: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ بِشْرٍ الْهَرَوِيُّ الْحَافِظُ بدمشق قال: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ الثقفي، قال: ثنا زكريا بن نافع، قال: ثنا سَعِيدُ بْنُ الْحَسَنِ عَنِ السَّرِيِّ بْنِ يَحْيَى عَنْ سَعِيدِ بْنِ أبي سعيد المقبري.

قال: وَأَخْبَرَنِي الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ النَّيْسَابُورِيُّ الصوفي بأصبهان قال: ثنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ (1) بْنُ عُمَرَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ يُونُسَ الْحَافِظُ، قال: أنبأ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْقَاسِمِ بن الحسن النجاد قال: ثنا أَبُو رَوْقٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بن بكر الهزاني قال: ثنا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ الْخَوْلَانِيُّ قَالَ: ثنا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَلَامٍ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مِقْسِمٍ عَنِ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((أَشَدُّ -وَفِي حَدِيثِ سَعِيدٍ، إِنَّ أَشَدَّ- النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ القِيَامَةِ عَالِمٌ لَمْ يَنْفَعْهُ- وَفِي حَدِيثِ إِسْمَاعِيلَ، لَا يَنْفَعُهُ- الله عز وجل بعلمه)) .

--------------------------------------------

(1) [تعليق:: في طبعة أحمد البزرة: الحسين]
৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আল-ফারাজ সাঈদ ইবনে আবি আল-রাজা আল-আসফাহানি। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-ফাতহ মনসুর ইবনুল হুসাইন ইবনে আলী এবং আবু তাহির আহমদ ইবনে মাহমুদ আল-আদিব। তারা উভয়ে বলেন: আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আলী ইবনে আসিম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে বিশর আল-হারাউই আল-হাফিজ দামেস্কে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আস-সাকাফি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাকারিয়া ইবনে নাফে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনুল হাসান, আস-সাররি ইবনে ইয়াহইয়া হতে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি হতে।

তিনি বলেন: এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে আলী ইবনুল হুসাইন আন-নিশাপুরি আস-সুফি আসফাহানে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান (১) ইবনে উমর ইবনুল হাসান ইবনে ইউনুস আল-হাফিজ। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনুল কাসিম ইবনুল হাসান আন-নাজ্জাদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু রওক আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বকর আল-হাজ্জানি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর ইবনে নাসর আল-খাওলানি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহাব। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাল্লাম, উসমান ইবনে মিকসাম হতে, তিনি আল-মাকবুরি হতে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

((কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে আযাবের দিক থেকে সবচেয়ে কঠিন হবে —এবং সাঈদের হাদিসে রয়েছে: "নিশ্চয়ই আযাবের দিক থেকে সবচেয়ে কঠিন হবে"— সেই আলেম, যাকে আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা তার ইলম দ্বারা উপকৃত করেননি —এবং ইসমাইলের হাদিসে রয়েছে: "আল্লাহ উপকৃত করেন না"—))।

--------------------------------------------

(১) [টীকা: আহমদ আল-বিজরাহ এর সংস্করণে রয়েছে: আল-হুসাইন]
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৩)
5- أخبرناه عَالِيًا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلَكِ الأصبهاني قال: أنبأ أَحْمَدُ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ أَحْمَدَ الأديب قال: أنبأ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ العاصمي، قال: ثنا بَكْرِ بْنُ ⦗ص: 34⦘ بُنْدَارِ بْنِ سُلَيْمَانَ بن شعيب، قال: ثنا أَيُّوبُ بْنُ مُحَمَّدِ الْوَزَّانُ قَالَ: ثنا غسان بن عبيد قال: ثنا عُثْمَانُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ:

((مِنْ أَشَدِّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيامَةِ عَالِمٌ لَا يَنْفَعُهُ عِلْمُهُ))

قَالَ رضي الله عنه: عُثْمَانُ هُوَ ابْنُ مِقْسَمٍ البُرِّيُّ. وَالْحَدِيثُ غَرِيبٌ، وَرَوَاهُ عَلِيُّ بْنُ ثَابِتٍ الْجَزَرِيُّ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مِقْسَمٍ فَزَادَ فِي إِسْنَادِهِ أبا سعيد كيسان المقبري.
৫- আল-হুসাইন বিন আব্দুল মালিক আল-আসবাহানি উচ্চ সনদে আমাদের তা অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন মাহমুদ বিন আহমাদ আল-আদিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আলী আল-আসিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বাকর বিন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ বুন্দার বিন সুলাইমান বিন শুআইব আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব বিন মুহাম্মদ আল-ওয়ায্যান আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: গাসসান বিন উবাইদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান আমাদের বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:

((কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন আজাব হবে সেই আলেমের, যার জ্ঞান তার কোনো উপকারে আসে না।))

তিনি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: উসমান হলেন ইবনে মিকসাম আল-বুররি। আর হাদিসটি গরিব, এবং আলী বিন সাবিত আল-জাজারি এটি উসমান বিন মিকসাম থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি তার সনদে আবু সাঈদ কায়সান আল-মাকবুরিকে বৃদ্ধি করেছেন।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৪)
6- أخبرنا الشَّيْخُ أَبُو الْعِزِّ أَحْمَدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ السُّلَمِيُّ، قال: أنبأ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلُيِّ بن محمد الشيرازي، قال: أنبأ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بن أحمد الوراق قال: أنبأ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَيُّوبَ السقطي، قال: ثنا محمد بن الصباح الجرجرائي، قال: أنبأ عَلِيُّ بْنُ ثَابِتٍ الْجَزَرِيُّ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مِقْسِمٍ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ القِيَامَةِ عالمٌ لَمْ يَنْفَعْهُ عِلْمُهُ)) .
৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আল-ইযয আহমদ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আস-সুলামী, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আশ-শিরাজী, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু হাফস উমর ইবনে আইয়ুব আস-সাকাতী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আস-সাব্বাহ আল-জারজারাঈ, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আলী ইবনে সাবিত আল-জাজারী, তিনি উসমান ইবনে মিকসাম থেকে, তিনি আল-মাকবুরী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন:

((নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হবে সেই আলেম, যার জ্ঞান তার কোনো উপকারে আসেনি।))
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৪)
7- أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْفَقِيهُ ببغداد قال: أنبأ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بن ثابت الحافظ قال: أنبأ الْحَسَنُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ قَالَ: أنبأ حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الله الهروي قال: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ وهب، قال: ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، قَالَ: ثنا أبو أحمد الزبيري قال: ثنا قَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ رضي الله عنه فِيمَا أَعْلَمُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

⦗ص: 35⦘ ((ويلٌ لِمَنْ لَا يَعْلَمُ، وويلٌ لِمَنْ عَلِمَ ثُمَّ لَا يَعْمَلُ. ثلاثاً))

قَالَ رضي الله عنه، غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي وَائِلٍ شَقِيقِ بْنِ سَلَمَةَ الْأَسَدِيِّ عَنْ حُذَيْفَةَ، تَفَرَّدَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ قَيْسٍ.
৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল হোসেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন হোসেন আল-ফকিহ বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আবু বকর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হারবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন সাঈদ আল-জাওহারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমদ আজ-জুবাইরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাইস বিন আর-রাবি, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়ায়েল থেকে, তিনি হুজাইফা বিন আল-ইয়ামান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, আমার জানামতে তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘ ((ধ্বংস তার জন্য যে জানে না, আর ধ্বংস তার জন্য যে জেনেও আমল করে না। তিনবার।))

তিনি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, হুজাইফা থেকে বর্ণিত আবু ওয়ায়েল শাকীক বিন সালামাহ আল-আসাদির হাদিস হিসেবে এটি গরীব; মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জুবাইর কাইস থেকে এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৫)
8- أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بِبَغْدَادَ، قال: أنبأ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلُيِّ بن محمد الجوهري، قال: أنبأ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي صابر الناقد قال: ثنا أبو خبيب الْعَبَاسُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بن عيسى البرتي قال: ثنا أَبُو سَلَمَةَ الْمَخْزُومِيُّ يَحْيَى بْنُ الْمُغِيرَةِ قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَائِذِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((أَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل فِي بَعْضِ كُتُبِهِ، أَوْ أَوْحَى إِلَى بَعْضِ أَنْبِيَائِهِ: قُلْ لِلَّذِينَ يَتَفَقَّهُونَ لِغَيرِ الدِّينِ وَيَتَعَلَّمُونَ لِغَيرِ الْعَمَلِ. وَيَطْلُبُونَ الدُّنْيَا بِعَمَلِ الْآخِرَةِ يَلْبَسُونَ لِلنَّاسِ مُسُوكَ الْكِبَاشِ قُلُوبُهُمْ كَقُلُوبِ الذِّئَابِ. أَلْسِنَتُهُمْ أَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ وقُلُوبُهُمْ أَمَرُّ مِنَ الصَّبْرِ. إِيَّايَ يَخْدَعُونَ أَوْ بِي يَسْتَهْزِئُونَ فَبِي حَلَفْتُ لَأُتِيحَنَّ لَهُمْ فِتْنَةً تَدَعُ الْحَلِيمَ حَيْرَانَ)) .

قَالَ رضي الله عنه، تَفَرَّدَ بِهِ الْمُغِيرَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيُّ عَنْ عُثْمَانَ الْوَقَّاصِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ.
৮- বাগদাদে শেখ আবু গালিব আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ ইবনুল হাসান ইবনে আলী ইবনে আবি সাবের আল-নাক্বিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু খুবাইব আল-আব্বাস ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আল-বিরতী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সালামাহ আল-মাখযুমী ইয়াহইয়া ইবনুল মুগীরাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল মুগীরাহ তার পিতা থেকে আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি উসমান ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আইযুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি আবু দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

((আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) তাঁর কোনো কোনো কিতাবে নাযিল করেছেন অথবা তাঁর কোনো কোনো নবীর প্রতি ওহী পাঠিয়েছেন: তুমি ঐসব লোকদের বলো যারা দ্বীন ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে দ্বীনি জ্ঞান (ফিকহ) অর্জন করে এবং আমল করা ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে ইলম শেখে, আর পরকালের আমলের বিনিময়ে দুনিয়া অন্বেষণ করে; তারা মানুষের সামনে ভেড়ার চামড়া পরিধান করে (নম্রতা প্রকাশ করে), অথচ তাদের অন্তর নেকড়েদের অন্তরের মতো। তাদের জিহ্বা মধুর চেয়েও মিষ্টি কিন্তু তাদের অন্তর সাবির (অত্যন্ত তিক্ত উদ্ভিদ)-এর চেয়েও বেশি তিক্ত। তারা কি আমাকে ধোঁকা দিতে চায় নাকি আমার সাথে উপহাস করে? আমি আমার নিজের কসম খেয়ে বলছি, আমি অবশ্যই তাদের ওপর এমন এক ফিতনা (বিপদ) চাপিয়ে দেব যা একজন ধৈর্যশীল প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিকেও দিশেহারা করে দেবে।))।

তিনি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আল-মুগীরাহ ইবনে আবদুর রহমান আল-মাখযুমী উসমান আল-ওয়াক্কাসী থেকে এবং তিনি যুহরী থেকে এই বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৫)
9- أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الْمُزَكِّي قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ ⦗ص: 36⦘ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ البغدادي قال: أنبأ أَبُو نَعِيمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الَّلهِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، قَالَ: ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسٍ قال: ثنا إِسْمَاعِيلُ [بْنُ] (1) عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مسعود العبدي، قال: ثنا هشام بن عمار قال: ثنا عَلِيُّ بْنُ سُلَيْمَانَ الْكَلْبِيُّ، قَالَ: ثنا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي تَمِيمَةَ عَنْ جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((مَثَلُ الْعَالِمِ الَّذِي يُعَلِّمُ النَّاسَ الْخَيْرَ وَيَنْسَى نَفْسَهُ، كَمَثَلِ السِّرَاجِ يضيء للناس ويحرق نفسه)) .

--------------------------------------------

(1) [تعليق:: من طبعة أحمد البزرة]
৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ আল-মুযাক্কি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ আহমদ বিন আলী আল-বাগদাদি, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন আহমদ বিন ফারিস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল [বিন] আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ আল-আবদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন আম্মার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন সুলাইমান আল-কালবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ, তিনি আবু তামীমা থেকে, তিনি জুনদুব বিন আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

((সেই জ্ঞানীর উদাহরণ, যিনি মানুষকে কল্যাণের শিক্ষা দেন অথচ নিজের কথা ভুলে যান, সেই প্রদীপের মতো যা মানুষকে আলো দান করে এবং নিজেকে পুড়িয়ে ফেলে।)) .

--------------------------------------------

(১) [টীকা: আহমদ আল-বিজরাহ এর সংস্করণ থেকে]
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৬)
10- أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ وَجِيهُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّحَّامِيُّ قال: أنبأ أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بن محمد الأزهري، قال: أنبأ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ المخلدي، قال: أنبأ أبو نعيم عبد الملك بن محمد قال: ثنا عَبْدُ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي قال: ثنا سيار بن حاتم، قال: ثنا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم:

((إِنَّ الله يعافي الأميين يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَا لَا يُعَافِي الْعُلَمَاءَ))

قَالَ رضي الله عنه، غريب تفرد بن سَيَّارٌ الْعَنَزِيُّ.
১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু বকর ওয়াজিহ বিন তাহির বিন মুহাম্মদ আশ-শাহহামি, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু হামিদ আহমদ বিন হাসান বিন মুহাম্মদ আল-আজহারি, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন হাসান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মাখলাদি, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু নুয়াইম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ অর্থাৎ আহমাদ বিন হাম্বলের পুত্র, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাইয়্যার বিন হাতিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাফর বিন সুলায়মান, তিনি সাবিত থেকে এবং তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((নিশ্চয়ই আল্লাহ কিয়ামতের দিন নিরক্ষরদের এমনভাবে ক্ষমা করবেন, যা তিনি আলেমদের করবেন না))

তিনি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, এটি একটি গরীব হাদীস, যা বর্ণনায় সাইয়্যার আল-আনাজি একক হয়ে গেছেন।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৬)
11- أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعَبَاسِ الْحُسَيْنِيُّ وغيره قالوا: ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بن ثابت الخطيب قال: أنبأ عَلِيُّ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ الْمُعَدَّلُ قال: ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أحمد الحوشبي قال: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ السُّكَّرِيُّ بِعَسْكَرِ مكرم قال: ثنا سهل بن بحر، قال: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السُّلَمِيُّ بِبَغْدَادَ، قال: ثنا ابن مبارك عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ ⦗ص: 37⦘ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((خِيَارُ أُمَّتِي عُلَمَاؤُهَا، وَخِيَارُ عُلَمَائِهَا رُحَمَاؤُهَا، أَلَا وَإِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ لِلْجَاهِلِ أَرْبَعِينَ ذَنْبًا قَبْلَ أَنْ يَغْفِرَ لِلْعَالِمِ ذَنْبًا وَاحِدًا، أَلَا وإِنَّ الْعَالِمَ الرَّحِيمَ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَإِنَّ نُورَهُ قَدْ أَضَاءَ يَمْشِي فِيهِ مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ كَمَا يسري الكوب الدُّرِّيُّ)) .

قَالَ رضي الله عنه: غَرِيبٌ.
১১- শরীফ আবুল কাসিম আলী ইবনে ইব্রাহীম ইবনুল আব্বাস আল-হুসাইনি এবং অন্যরা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আল-খাতিব আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আলী ইবনে আবি আলী আল-মুআদ্দাল আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হাওশাবি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আসকারে মুকরামে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসমাইল আস-সুক্কারি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সাহল ইবনে বাহর আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: বাগদাদে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সুলামি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইবনে মুবারক আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘ তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

((আমার উম্মতের মধ্যে সর্বোত্তম হলো তাদের আলেমগণ, আর আলেমদের মধ্যে সর্বোত্তম হলো তাদের দয়ালুগণ। জেনে রেখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ একজন আলেমের একটি গুনাহ ক্ষমা করার আগে একজন অজ্ঞ ব্যক্তির চল্লিশটি গুনাহ ক্ষমা করবেন। জেনে রেখো, নিশ্চয়ই দয়ালু আলেম কিয়ামতের দিন এমনভাবে উপস্থিত হবেন যে, তার নূর চারপাশ আলোকিত করে দিবে এবং তিনি সেই নূরের মধ্য দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থানে পথ চলবেন, যেমনভাবে উজ্জ্বল নক্ষত্র বিচরণ করে।))।

তিনি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: এটি একটি গরীব (একক সূত্রীয়) হাদীস।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৭)
12- أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عمر، قال: أنبأ إسماعيل بن مسعدة، قال: أنبأ حَمْزَةُ بْنُ يُوسُفَ السَّهْمِي قَالَ: أنبأ أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَدِيٍّ الْحَافِظُ قال: ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ حيان قال: ثنا أَبِي قَالَ: أَبُو أَحْمَدُ، وَحَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بن يزيد قال: ثنا عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ حَيَّانَ، قَالَ: ثنا هشام بن عمار قال: ثنا سُوَيْدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ حَمِيدَ عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

((إِنَّ فِي جَهَنَّمَ رَحًى تَطْحَنُ عُلمَاءَ السُّوءِ طَحْنًا)) .

قَالَ أَبُو أَحْمَدَ: وَهَذَا تَفَرَّدَ (1) بِهِ عَنْ هِشَامٍ عبد العزيز الموصلي.

--------------------------------------------

(1) [تعليق:: في طبعة أحمد البزرة: انفرد]
১২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবন আহমাদ ইবন উমর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবন মাসআদাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামযাহ ইবন ইউসুফ আস-সাহমি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ ইবন আদি আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন আব্দুল আজিজ ইবন হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা। আবু আহমাদ বলেন: এবং আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবন ইসহাক ইবন ইব্রাহিম ইবন ইয়াযিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবন হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন আম্মার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ ইবন আব্দুল আজিজ, তিনি হুমাইদ থেকে, আর তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

“নিশ্চয়ই জাহান্নামে একটি যাঁতা রয়েছে যা মন্দ আলেমদের ভীষণভাবে পিষ্ট করবে।”

আবু আহমাদ বলেন: হিশাম থেকে এটি এককভাবে (১) বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ আল-মাউসিলি।

--------------------------------------------

(১) [মন্তব্য: আহমাদ আল-বিযরাহর সংস্করণে রয়েছে: 'ইনফারাযা' (তিনি এককভাবে বর্ণনা করেছেন)]
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৭)
13- أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السِّنْجِيُّ الْخَطِيبُ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ بَخْتِيَارُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهِنْدِيُّ بِمَرْوَ قَالَا: أنبأ أبو سعد مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَبْدِ الْقَاهِرِ الْأَسَدِيُّ بِبَغْدَادَ قَالَ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ قَالَ: أنبأ أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُكْرَمِ بْنِ حَسَّانٍ الْمَعْرُوفُ بِالطَّسْتِيُّ قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ الْمَعْرُوفُ بِأَبِي العيناء قال: ثنا أَبُو عَاصِمٍ عَنِ ⦗ص: 38⦘ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيرِ عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:

((اطَّلَعَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ عَلى قَوْمٍ مِنْ أَهْلِ النَّارِ. فَقَالُوا: بِمَ دَخَلْتُمُ النَّارَ؟ وَإِنَّمَا دَخَلْنَا الْجَنَّةَ بِتَعْلِيمِكُمْ، قَالُوا: إِنَّا كُنَّا نَأْمُرُكُمْ وَلَا نَفْعَلُ)) .

قَالَ ابن شاذان: غريب تفرد بن أَبُو الْعَيْنَاءِ عَنْ أَبِي عَاصِمٍ.
১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সিনজি আল-খতিব এবং আবু মুহাম্মদ বখতিয়ার বিন আব্দুল্লাহ আল-হিন্দি মার্ভ শহরে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন আব্দুল কাহির আল-আসাদি বাগদাদে। তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন শাযান। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আব্দুস সামাদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন মুকরাম বিন হাসান, যিনি আত-তস্তি নামে পরিচিত। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম, যিনি আবুল আইনা নামে পরিচিত। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আসিম ⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘ ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:

((জান্নাতবাসীদের একদল জাহান্নামবাসীদের একদলের প্রতি দৃষ্টিপাত করবে। তারা বলবে: তোমরা কিসের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করলে? অথচ আমরা তো তোমাদের শিক্ষার মাধ্যমেই জান্নাতে প্রবেশ করেছি। তারা বলবে: নিশ্চয়ই আমরা তোমাদের (সৎকাজের) আদেশ দিতাম কিন্তু নিজেরা তা করতাম না।))।

ইবনে শাযান বলেন: এটি একটি গরীব হাদিস, আবু আসিম থেকে এটি বর্ণনায় আবুল আইনা একক হয়ে গেছেন।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৮)
14- قَالَ رضي الله عنه: سَمِعْتُ الشَّيْخَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ خَسْرُو الْبَلْخِيَّ بِبَغْدَادَ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا مُحَمَّدٍ رِزْقَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ أَسَدِ بْنِ اللَّيْثِ بْنِ سُلَيْمِ بْنِ الْأَسَودِ بْنِ سُفْيَانَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ أُكَيْنَةَ بْنِ الْهَيْثَمِ التَّمِيمِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه يَقُولُ فِي خُطْبَتِهِ:

هَتَفَ الْعِلْمُ بِالْعَمَلِ فَإِنْ أَجَابَهُ وَإِلَّا ارْتَحَلَ.
১৪- তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন: আমি বাগদাদে শায়খ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খুসরু আল-বালখীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু মুহাম্মদ রিযকুল্লাহ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আল-হারিস ইবনে আসাদ ইবনে আল-লাইস ইবনে সুলাইম ইবনে আল-আসওয়াদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে ইয়াজিদ ইবনে উকাইনা ইবনে আল-হাইসাম আত-তামিমীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে আবি তালিবকে (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) তাঁর খুতবায় বলতে শুনেছি:

ইলম (জ্ঞান) আমলকে (কর্মকে) আহ্বান করে; যদি সে তাতে সাড়া দেয় (তবে জ্ঞান থাকে), অন্যথায় তা প্রস্থান করে।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৮)
15- أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الواحد الشيباني ببغداد قال: ثنا الْقَاضِي أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخَطِيبُ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ دُوسَتَ الْعَلَّافُ قال: ثنا محمد بن ⦗ص: 39⦘ حمدويه المروزي قال: ثنا معمر بن محمد قال: ثنا شِهَابٌ يَعْنِي ابْنَ مُعَمَّرٍ عَمَّهُ قال: ثنا عمران قَالَ: أَخْبَرَنِي رَجُلٌ مِنْ بَاهِلَةَ قَالَ:

دَخَلَ مَطَرٌ الْوَرَّاقُ عَلَى الْحَسَنِ فَقَالَ: يَا أَبَا سَعِيدٍ إِنَّ امْرَأَةً جَعَلَتْ عَلَى نَفْسِهَا إِنْ قَدِمَ زَوْجُهَا أَنْ تَصُومَ مِنْ يَوْمِهَا شَهْرًا فَقَدِمَ فِي أَوَّلِ يَوْمٍ مِنْ رَمَضَانَ. فَقَالَ الْحَسَنُ: صَامَتْ شَهْرَهَا وَوُفِّي نَذْرُهَا. قَالَ مَطَرٌ: إِنَّ بَعْضَ الْفُقَهَاءِ يَقُولُ غَيْرَ هَذَا. فَقَالَ الْحَسَنُ: ثكلتك أمك مطر. وَهَلْ رَأَيْتَ فَقِيهًا قَطُّ؟! وَهَل تَدْرِي مَنِ الْفَقِيهُ؟ الْفَقِيهُ الْوَرِعُ الزَّاهِدُ الَّذِي لَا يَهْمِزُ مَنْ فَوْقَهُ وَلَا يَتَضَجَّرُ بِمَنْ هُوَ أَسْفَلَ مِنْهُ وَلَا يَأَخُذُ عَلَى علمٍ عَلَّمَهُ اللَّهُ حُطَامًا.
১৫- বাগদাদে শায়খ আবু মানসুর আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহিদ আশ-শাইবানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজী আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-খাতিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন দোস্ত আল-আল্লাফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘ হামদুওয়াইহ আল-মারওয়াজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: শিহাব অর্থাৎ ইবনে মা'মার তার চাচা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইমরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাহিলা গোত্রের এক ব্যক্তি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন:

মাতার আল-ওয়াররাক হাসান আল-বাসরির নিকট প্রবেশ করে বললেন: হে আবু সাঈদ, এক মহিলা নিজের ওপর মানত করেছিলেন যে, যদি তার স্বামী ফিরে আসে তবে তিনি সেই দিন থেকে এক মাস রোজা রাখবেন। অতঃপর স্বামী রমজানের প্রথম দিনে ফিরে আসলেন। হাসান বললেন: তিনি তার মাসের (রমজানের) রোজা রাখবেন এবং এতেই তার মানত পূর্ণ হয়ে যাবে। মাতার বললেন: নিশ্চয়ই কোনো কোনো ফকিহ এর ভিন্ন কথা বলেন। তখন হাসান বললেন: তোমার মা তোমাকে হারাক হে মাতার! তুমি কি কখনো কোনো প্রকৃত ফকিহ দেখেছ? আর তুমি কি জানো ফকিহ কে? ফকিহ হলেন সেই মুত্তাকি ও দুনিয়াবিমুখ ব্যক্তি, যিনি তার উচ্চপদস্থদের প্রতি কটূক্তি করেন না, তার অধস্তনদের প্রতি বিরক্ত হন না এবং আল্লাহ তাকে যে ইলম দান করেছেন তার বিনিময়ে পার্থিব তুচ্ছ সম্পদ গ্রহণ করেন না।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৯)
16- أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أبي الحسين العلوي مع (1) جماعة قالوا: ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الحافظ قال: أنبأ أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الَّلهِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْخَفَافُ قال: أنبأ أبو طالب محمد بن أحمد بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ الْبَهْلُولِ الْقَاضِي قال: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ حَمْدُوَيْهِ الْحَرْبيُّ (2) قَالَ: سَمِعْتُ يَعْقُوبَ بْنَ سِوَاكٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ يَقُولُ:

الْعِلْمُ حَسَنٌ لِمَنْ عَمِلَ بِهِ. وَمَنْ لَمْ يَعْمَلْ يَعْنِي بِهِ مَا أَضَرَّهُ!

وَقَالَ: هَذِهِ حُجَجٌ أَوْ قَالَ: هَذِهِ حُجَّةٌ يَعْنِي عَلَى مَنْ عَلِمَ.

--------------------------------------------

(1) [تعليق:: من طبعة أحمد البزرة. وفي طبعة محمد مطيع الحافظ: ع]

(2) [تعليق:: من تاريخ بغداد طبعة بشار عواد (3/ 17) . وفي المطبوع: الحزي. وفي طبعة أحمد البزرة: الجرني]
১৬- আশ-শরীফ আবুল কাসিম বিন আবিল হুসাইন আল-আলাওয়ি একদল সাথীসহ (১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা বলেছেন: হাফেজ আহমাদ বিন আলি বিন সাবিত আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন আল-খাফফাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইসহাক বিন আল-বাহলুল আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন হামদুওয়াই আল-হারবি (২) আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াকুব বিন সিওয়াককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বিশর বিন আল-হারিসকে বলতে শুনেছি:

ইলম বা জ্ঞান তার জন্যই কল্যাণকর যে তদনুযায়ী আমল করে। আর যে আমল করে না—অর্থাৎ এর দ্বারা—তা তার জন্য কতটা ক্ষতিকর!

এবং তিনি বলেছেন: এগুলি হলো প্রমাণ, অথবা তিনি বলেছেন: এটি হলো প্রমাণ; অর্থাৎ যে জানে তার বিপক্ষে।

--------------------------------------------

(১) [মন্তব্য: আহমাদ আল-বিজরার সংস্করণ থেকে। এবং মুহাম্মদ মুতি আল-হাফিজের সংস্করণে রয়েছে: আ (ع)]

(২) [মন্তব্য: তারিখ বাগদাদ, বাশার আওয়াদ সংস্করণ (৩/ ১৭) থেকে। এবং মুদ্রিত সংস্করণে রয়েছে: আল-হিযি। এবং আহমাদ আল-বিজরার সংস্করণে রয়েছে: আল-জারনি]
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩৯)
17- قَالَ وَسَمِعْتُ يَعْقُوبَ بْنَ سِوَاكٍ يَقُولُ: سَمَعْتُ بِشْرًا يَقُولُ:

⦗ص: 40⦘ مِنْ كَلَامِ الْمَسِيحِ عليه السلام: مَنْ عَلِمَ وعَمِلَ وعلَّم فَذَاكَ يُدْعَى عظيماً في ملكوت السموات.
১৭- তিনি বলেন, আমি ইয়াকুব বিন সিওয়াককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বিশরকে বলতে শুনেছি:

⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ মাসীহ আলাইহিস সালামের বাণীসমূহের অন্তর্ভুক্ত: যে ব্যক্তি ইলম অর্জন করে, তদনুসারে আমল করে এবং তা শিক্ষা দেয়, তাকে আসমানসমূহের রাজত্বে মহান বলে অভিহিত করা হয়।
(খণ্ড: ১) যাম্মু মাল্লা ইয়া’মালু বিইলমিহী লিবনি আসাকির (পৃষ্ঠা: ৪০)
18- قَالَ رضي الله عنه: أَنْشَدَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ الْفَقِيهُ قَالَ: أَنْشَدَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ أَبُو بَكْرٍ الْحَافِظُ قَالَ: أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ الْأَصْبَهَانِيُّ لِبَعْضِهِمْ:

اعْمَلْ بِعِلْمِكَ تَغْنَمْ أَيُّهَا الرَّجُلُ … لَا يَنْفَعُ الْعِلْمُ إِنْ لَمْ يَحْسُنِ الْعَمَلُ

وَالْعِلْمُ زَيْنٌ وَتَقْوَى اللَّهِ زِينَتُهُ … وَالْمُتَّقُونَ لَهُمْ فِي عِلْمِهِمْ شُغُلُ

وَحُجَّةُ الله ياذا الْعِلْمِ بالغةٌ … لَا الْمَكْرُ يَنْفَعُ فِيهَا لَا وَلَا الْحِيَلُ

تَعَلَّمِ العلم واعمل ما استطعت به … لا يلهينك عنه اللهو والجدل

وعلم الناس واقصد نفعهم أبدا … إياك إياك أَنْ يَعْتَادَكَ الْمَلَلُ

وَعِظْ أَخَاكَ برفقٍ عِنْدَ زَلَّتِهِ … فَالرِّفْقُ يَعْطِفُ مَنْ يَعْتَادُهُ الزَّلَلُ

وَإِنْ تَكُنْ بَيْنَ قومٍ لَا خلاق لهم … فأمر عليهم بمعروفٍ إذا جهلوا

فإن عصوك فراجعهم بلا ضجرٍ … واصبر وصابر ولا يحزنك ما فعلوا

فكل شاةٍ برجليها معلقةٌ … عليك نفسك إن جاروا وإن عدلوا

والحمد لله رب العالمين

وصلواته على سيدنا محمد خاتم النبيين وآله الطاهرين

قوبل بأصل المصنف الذي بخطه.
১৮- তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) বলেন: আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফকিহ আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে আলী আবু বকর আল-হাফিজ আমাদের নিকট কবিতা পাঠ করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আবি আলী আল-আসবাহানি আমাদের নিকট জনৈক কবির এই কবিতাগুলো পাঠ করেছেন:

হে মানুষ! তুমি তোমার ইলম অনুযায়ী আমল করো তবেই তুমি সফল হবে … আমল যদি সুন্দর না হয় তবে ইলম কোনো উপকারে আসে না।

ইলম হলো অলঙ্কার আর আল্লাহর তাকওয়া হলো তার সৌন্দর্য … আর মুত্তাকিগণ তাদের ইলম চর্চায় সদা ব্যাপৃত থাকেন।

হে ইলমের অধিকারী! আল্লাহর প্রমাণ অত্যন্ত অকাট্য … সেখানে কোনো চাতুর্য বা কৌশল কাজে আসবে না।

ইলম শিক্ষা করো এবং সাধ্যমতো তা অনুযায়ী আমল করো … আমোদ-প্রমোদ ও বৃথা বিতর্ক যেন তোমাকে তা থেকে বিমুখ না করে।

মানুষকে ইলম শিক্ষা দাও এবং সর্বদা তাদের উপকারের সংকল্প করো … সাবধান, সাবধান! ক্লান্তি যেন তোমাকে গ্রাস না করে।

তোমার ভাই পদস্খলিত হলে তাকে নম্রতার সাথে উপদেশ দাও … কেননা নম্রতা তাকেও অনুগত করে যার পদস্খলন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

তুমি যদি এমন এক জাতির মাঝে থাকো যাদের কোনো চরিত্র নেই … তবে তারা যখন মূর্খতা প্রদর্শন করে তখন তুমি তাদের সৎ কাজের আদেশ দাও।

যদি তারা তোমার অবাধ্য হয় তবে বিরক্ত না হয়ে পুনরায় তাদের কাছে যাও … ধৈর্য ধরো ও ধৈর্যের পরাকাষ্ঠা দেখাও, তাদের কর্মকাণ্ডে তুমি ব্যথিত হয়ো না।

কেননা প্রতিটি বকরিকে তার নিজের পা দিয়েই ঝুলিয়ে রাখা হবে … তুমি নিজের নফসের প্রতি দৃষ্টি দাও, তারা জুলুম করুক বা ইনসাফ।

সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

আর দরুদ বর্ষিত হোক আমাদের নেতা সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পবিত্র বংশধরদের ওপর।

লেখকের স্বহস্তে লিখিত মূল পাণ্ডুলিপির সাথে এটি মিলিয়ে দেখা হয়েছে।