(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: -)
مجلسان من الأمالي أحدهما في صفات الله لابن مردويه   (أبو بكر بن مردويه)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مجلسان من الأمالي أحدهما في صفات الله لابن مردويه

المؤلف: أبو بكر أحمد بن موسى بن مردوية بن فورك بن موسى بن جعفر الأصبهاني (ت 410هـ)

المحقق: محمد بن زياد بن عمر التُّكْله

الناشر: دار البشائر الإسلامية - ضمن المجموعة التاسعة من لقاء العشر الأواخر (105)

الطبعة: الأولى، 1428 هـ - 2007 م

عدد الصفحات: 43

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনুল মারদুওয়াইহ্ কর্তৃক রচিত আমালি থেকে দু’টি মজলিস, যার একটি আল্লাহর গুণাবলি সম্পর্কিত   (আবু বকর ইবনুল মারদুওয়াইহ্)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: ইবনুল মারদুওয়াইহ্ কর্তৃক রচিত আমালি থেকে দু’টি মজলিস, যার একটি আল্লাহর গুণাবলি সম্পর্কিত

লেখক: আবু বকর আহমদ বিন মুসা বিন মারদুওয়াইহ্ বিন ফাওরাক বিন মুসা বিন জাফর আল-আসফাহানি (মৃত্যু ৪১০ হিজরি)

গবেষক: মুহাম্মদ বিন জিয়াদ বিন উমর আত-তুকলাহ

প্রকাশক: দারুল বাশায়ির আল-ইসলামিয়্যাহ - লিকাউল আশরিল আওয়াখির-এর নবম সংকলনের অন্তর্ভুক্ত (১০৫)

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৮ হিজরি - ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৩

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি (অনুলিখন) , এবং ইয়া বাগী আল-খায়র আকবিল (পাঠ পরীক্ষা)

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌مجلس من أمالي الحافظ (أحمد) بن موسى بن مردويه

أخبر الشَّيْخُ الإمام العالم الحافظ جمال الدين عبد الله ابن الشيخ الإمام الأوحد الحافظ تقي الدين عبد الغني المقدسي رحمه الله قال: أخبرنا أبو عبد الله محمد بن أبي نصر بن أبي طاهر اللباد قراءةً عليه قال: أخبرنا أبو سعد أحمد بن محمد بن أبي سعد البغدادي قال: أخبرنا أبو القاسم يحيى بن محمد بن يحيى بن محمد بن الحسن بن علي بن أحمد بن الحسن حسنويه الضبي الضراب الكاتب في سنة 475 حدثنا الشيخ أبو بكر أحمد بن موسى بن مردويه:
হাফিজ (আহমদ) বিন মুসা বিন মারদুওয়াইহ্-এর আমালি (শ্রুতিলিপি) থেকে একটি মজলিস

শাইখ ইমাম আলিম হাফিজ জামালুদ্দিন আবদুল্লাহ ইবন শাইখ ইমাম অপ্রতিদ্বন্দ্বী হাফিজ তাকিউদ্দিন আব্দুল গনি আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবি নাসর বিন আবি তাহির আল-লাব্বাদ তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবি সাদ আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আহমদ বিন আল-হাসান হাসনুয়াহ আদ-দাব্বি আদ-দাররাব আল-কাতিব ৪৭৫ হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: শাইখ আবু বকর আহমদ বিন মুসা বিন মারদুওয়াইহ্ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন:
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
1- حدثنا أبو الحسين أحمد بن عثمان بن يحيى الأدمي حدثنا العباس بن محمد بن حاتم الدوري حدثنا خالد بن مخلد القطواني حدثنا موسى بن يعقوب الزمعي عن عبد الله بن أبي بكر بن زيد بن المهاجر حدثني مسلم بن أبي سهل النبال حدثني حسن بن أسامة بن زيد بن حارثة أخبرني أبي أسامة بن زيد ، قال طرقت رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة لبعض الحاجة ، فخرج إلي وهو مشتمل على شيء لا أدري ما هو ، قال: فلما فرغت من حاجتي قلت: ما هذا الذي أنت مشتمل عليه ، وكشف فإذا حسن وحسين على ركبتيه ، فقال: هذان ابناي وابنا ابنتي ، اللهم إنك تعلم أني أحبهما فأحبهما اللهم إنك تعلم أني أحبهما فأحبهما اللهم إنك تعلم أني أحبهما فأحبهما.
১- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হোসেন আহমদ বিন উসমান বিন ইয়াহইয়া আল-আদমি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস বিন মুহাম্মাদ বিন হাতিম আদ-দুরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন মাখলাদ আল-কাতওয়ানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা বিন ইয়াকুব আজ-জাময়ি, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবি বকর বিন যায়িদ বিন আল-মুহাজির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম বিন আবি সাহল আন-নাব্বাল, তিনি বলেন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন উসামা বিন যায়িদ বিন হারিসা, তিনি বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা উসামা বিন যায়িদ, তিনি বলেন: এক রাতে কোনো এক প্রয়োজনে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরজায় কড়া নাড়লাম। তখন তিনি এমন কিছু জড়িয়ে আমার নিকট বেরিয়ে এলেন যা আমি বুঝতে পারছিলাম না যে সেটি কী। তিনি বলেন: যখন আমি আমার প্রয়োজন শেষ করলাম, তখন বললাম: এটি কী যা আপনি জড়িয়ে আছেন? তখন তিনি তা উন্মোচন করলেন এবং দেখা গেল হাসান ও হুসাইন তাঁর দুই হাঁটুর ওপর। তিনি বললেন: এরা দুজন আমার পুত্র এবং আমার কন্যার পুত্র। হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি জানেন যে আমি তাদের ভালোবাসি, সুতরাং আপনিও তাদের ভালোবাসুন। হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি জানেন যে আমি তাদের ভালোবাসি, সুতরাং আপনিও তাদের ভালোবাসুন। হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি জানেন যে আমি তাদের ভালোবাসি, সুতরাং আপনিও তাদের ভালোবাসুন।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
2- حدثنا عبد الله بن إسحاق بن إبراهيم البغوي حدثنا الحسن بن سلام السواق حدثنا عبيد الله بن موسى أخبرنا شيبان بن عبد الرحمن عن عبد الملك بن عمير عن مصعب بن سعد ، عن أبيه قال عادني رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرض مرضته فقلت يا رسول الله أوصي مالي كله قال لا قلت فالشطر قال لا قلت فالثلث قال نعم الثلث والثلث كثير.
২- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন সালাম আস-সাওয়াক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন মুসা, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়বান বিন আবদুর রহমান, তিনি আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে, তিনি মুসআব বিন সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি যে রোগে আক্রান্ত ছিলাম তাতে আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) আমাকে দেখতে আসলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আমার সমস্ত সম্পদের অসিয়ত করব? তিনি বললেন, “না।” আমি বললাম, তবে কি অর্ধেক? তিনি বললেন, “না।” আমি বললাম, তবে কি এক-তৃতীয়াংশ? তিনি বললেন, “হ্যাঁ, এক-তৃতীয়াংশ, আর এক-তৃতীয়াংশও অনেক।”
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
3- حدثنا أحمد بن عيسى بن محمد الخفاف حدثنا أحمد بن يونس الضبي حدثنا محاصر بن المورع حدثنا هشام بن عروة ، عن أبيه عن ناجية صاحب بدن النبي صلى الله عليه وسلم أنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم ما أصنع بما عطب من البدن قال انحرها ثم اضرب بنعلها في دمها ثم خل بينها وبين الناس.
৩- আমাদের নিকট আহমদ বিন ঈসা বিন মুহাম্মদ আল-খাফফাফ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমদ বিন ইউনুস আদ-দাব্বি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাসির বিন আল-মুওয়াররি' বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হিশাম বিন উরওয়াহ তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কুরবানীর পশুর (বদন) তত্ত্বাবধায়ক নাজিয়া (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: "কুরবানীর পশুদের মধ্যে যেগুলো পথিমধ্যে অচল হয়ে পড়বে, আমি সেগুলোর ব্যাপারে কী করব?" তিনি বললেন: "সেগুলো নহর করো, এরপর সেগুলোর রক্তে সেগুলোর জুতো রঞ্জিত করো, তারপর সেগুলো মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দাও।"
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
4- حدثنا أحمد بن كامل بن خلف وعبد الله بن إسحاق بن إبراهيم قالا حدثنا أبو قلابة عبد الملك بن محمد الرقاشي حدثنا أبو عتاب الدلال سهل بن حماد عن قيس بن الربيع عن أبي حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يقول الله عز وجل أنا خير شريك لا يصعد إلي من الرياء شيء.

هذا لفظ ابن كامل وقال عبد الله بن إسحاق يقول الله عز وجل أنا أغنى الشركاء عن الشرك لا يصعد إلي من الرياء شيء.
৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে কামিল ইবনে খালাফ এবং আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কিলাবা আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ আর-রাকাশি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আত্তাব আদ-দাল্লাল সাহল ইবনে হাম্মাদ, তিনি কাইস ইবনে রাবি থেকে, তিনি আবু হাসিন থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা বলেন, "আমি সর্বোত্তম অংশীদার; লোকদেখানো (রিয়া) কোনো কিছুই আমার দিকে উপরে উঠে না।"

এটি ইবনে কামিলের বর্ণিত শব্দপ্রয়োগ। আর আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক বলেন, আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা বলেন: "অংশীদারিত্ব থেকে আমি অংশীদারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অমুখাপেক্ষী; লোকদেখানো কোনো কিছুই আমার দিকে উপরে উঠে না।"
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
5- وحدثنا محمد بن محمد بن أحمد بن مالك البزاز حدثنا إسماعيل بن محمد بن أبي كثير القاضي حدثنا مكي بن إبراهيم عن داود بن يزيد الأودي عن عامر عن هرم بن خنبش قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فأتته امرأة فقالت يا رسول الله في أي الشهور أعتمر فقال اعتمري في رمضان فإن عمرة في رمضان كحجة.
৫- মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মালিক আল-বাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন আবি কাসীর আল-কাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাক্কি বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন ইয়াজিদ আল-আওদি থেকে, তিনি আমির থেকে, তিনি হারাম বিন খানবাশ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন একজন নারী তাঁর নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কোন মাসে উমরা পালন করব? তিনি বললেন: তুমি রমজান মাসে উমরা করো, কেননা রমজান মাসে উমরা আদায় করা একটি হজের সমতুল্য।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২০)
6- حدثنا عبد الرحمن بن الحسن بن أحمد الهمداني حدثنا إبراهيم بن الحسين الهمداني حدثنا إسحاق بن محمد الفروي حدثني مالك بن أنس عن أبي الزناد ، عن الأَعْرَج ، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تجدون من خير الناس أشدهم كراهية لهذا الشأن حتى يقع فيه.
৬- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ আল-হামাদানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনুল হুসাইন আল-হামাদানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ আল-ফারভি, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “তোমরা সর্বোত্তম মানুষের মধ্যে তাদেরকেই পাবে যারা এই শাসনক্ষমতার ব্যাপারে তীব্র অপছন্দ পোষণ করে, যতক্ষণ না তারা এতে লিপ্ত হয়।”
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২০)
7- حدثنا عبد الخالق بن الحسن بن محمد السقطي حدثنا محمد بن سليمان بن الحارث حدثنا قبيصة بن عقبة حدثنا سفيان الثوري عن يونس بن عبيد عن الحكم بن الأَعْرج قال سألت ابن عباس عن صوم عاشوراء قال إذا رأيت هلال المحرم فاعدد تسعا ثم أصبح صائما.

قال وحدثني ابن أخي حكم بن الأعرج عن الحكم بن الأعرج قال: قلت لابن عباس أفعله رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم.
৭- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল খালিক বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আস-সাকতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন আল-হারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবিসাহ বিন উকবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি, তিনি ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাকাম বিন আল-আরাজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে আশুরার রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: যখন তুমি মহররমের চাঁদ দেখবে, তখন নয় দিন গণনা করবে এবং পরবর্তী সকালে রোজা রাখবে।

তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, হাকাম বিন আল-আরাজের ভ্রাতুষ্পুত্র হাকাম বিন আল-আরাজ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বললাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি এটি করেছিলেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২১)
8- حدثنا أبو عَمْرو أحمد بن محمد بن إبراهيم حدثنا أبو أمية محمد بن إبراهيم وحدثنا علي بن الحسن المظالمي حدثنا أبو حاتم محمد بن إدريس الرازي قالا حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاريّ حدثنا حبيب بن الشهيد عن ميمون بن مهران عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم احتجم وهو محرم صائم.
৮- আমাদের নিকট আবু আমর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু উমাইয়্যাহ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন এবং আমাদের নিকট আলী বিন হাসান আল-মুজালিমি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু হাতিম মুহাম্মদ বিন ইদরিস আর-রাজি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়েই বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হাবিব বিন আল-শাহিদ বর্ণনা করেছেন মাইমুন বিন মিহরান থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় ও রোজা থাকা অবস্থায় হিজামা (সিঙ্গা) গ্রহণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২২)
9- حدثنا محمد بن علي بن دحيم حدثنا أحمد بن حازم بن أبي عزرة أخبرنا علي بن قادم أخبرنا زافر بن سليمان عن حفص بن عبد الرحمن عن [محمد بن] عبد الملك المدني عن محمد بن المنكدر عن ابن عمر قال أراه رفعه: من قاد مكفوفا أربعين خطوة غفر له.
৯- মুহাম্মাদ বিন আলী বিন দুহাইম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন হাযিম বিন আবি আযরা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আলী বিন ক্বাদিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যাফির বিন সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফস বিন আবদুর রহমান থেকে, তিনি [মুহাম্মাদ বিন] আব্দুল মালিক আল-মাদানী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমার ধারণা তিনি এটি মারফু হিসেবে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে) বর্ণনা করেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো দৃষ্টিহীন ব্যক্তিকে চল্লিশ কদম পথ পরিচালিত করবে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
10- حدثنا محمد بن أحمد بن علي الأسواري وعبد الله بن محمد بن إسحاق المكي قالا حدثنا أبو يحيى عبد الله بن أحمد بن أبي مسرة حدثنا أبي حدثنا هشام بن سليمان عن ابن جريج حدثني زياد بن سعد عن محمد بن عجلان عن سعيد المقبري أنه سمع أباه يقول سمعت أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كان يؤمن بالله ⦗ص: 24⦘ واليوم الأخر فلا يؤذي جاره من كان يؤمن بالله واليوم الأخر فليكرم ضيفه من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليسكت.
১০- মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আলী আল-আসওয়ারী এবং আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আল-মাক্কী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন, আবু ইয়াহইয়া আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আবি মাসাররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হিশাম বিন সুলাইমান থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি বলেন, যিয়াদ বিন সাদ মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে বলতে শুনেছেন, তিনি আবু হুরাইরাহ-কে বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ এবং পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়; যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি এবং পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি এবং পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
11- حدثنا أبو الحسن علي بن الحسن المظالمي وأحمد بن محمد بن زياد قالا حدثنا محمد بن غالب بن حرب حدثنا علي بن الحسين الخواص الموصلي حدثنا إبراهيم بن موسى المازني عن عوف عن عمرو بن دينار عن جابر بن عبد الله أن النبي صلى الله عليه وسلم رخص في لحوم الخيل وحرم لحوم الحمر الأهلية.
১১- আমাদের নিকট আবুল হাসান আলী বিন আল-হাসান আল-মুজাল্লিমি এবং আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন গালিব বিন হারব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন আল-হুসাইন আল-খাওওয়াস আল-মাওসিলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহিম বিন মুসা আল-মাযিনি বর্ণনা করেছেন, আওফ থেকে, তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন এবং গৃহপালিত গাধার গোশত হারাম করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
12- حدثنا أبو عَمْرو أحمد بن محمد بن إبراهيم حدثنا أبو أمية محمد بن إبراهيم حدثنا معاوية بن عمرو عن أبي إسحاق الفزاري عن إسماعيل بن أمية وعبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فبلغن سهماننا اثني عشر بعير اثني عشر بعير ونفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعيرا بعيرا.

⦗ص: 27⦘ غير أن في حديث إسماعيل: بعثنا إلى نجد.
১২- আবু আমর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু উমাইয়াহ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মুয়াবিয়া বিন আমর আমাদের নিকট আবু ইসহাক আল-ফাযারি থেকে, তিনি ইসমাইল বিন উমাইয়াহ ও উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের একটি অভিযানে প্রেরণ করেছিলেন, তখন আমাদের গনিমতের হিসসা বারোটি করে উট পর্যন্ত পৌঁছেছিল এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের অতিরিক্ত পুরস্কার হিসেবে একটি করে উট প্রদান করেছিলেন।

⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘ তবে ইসমাইলের বর্ণিত হাদিসে রয়েছে: তিনি আমাদের নাজদ অভিমুখে পাঠিয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
13- حدثنا دعلج بن أحمد بن دعلج حدثنا محمد بن أحمد بن النضر حدثنا معاوية بن عمرو عن أبي إسحاق الفزاري عن إسماعيل بن أمية وليث بن أبي سليم عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تسافروا بالقرآن إلى أرض العدو فإني أخاف أن يناله العدو.
১৩- আমাদের নিকট দাউলাজ ইবনে আহমদ ইবনে দাউলাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আন-নদর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুয়াবিয়া ইবনে আমর বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইসহাক আল-ফাজারি থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে উমাইয়া এবং লাইস ইবনে আবু সুলাইম থেকে, তিনি নাফি থেকে, আর তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা কুরআন নিয়ে শত্রুর ভূখণ্ডে সফর করো না, কেননা আমি আশঙ্কা করি যে শত্রু তা হস্তগত করবে।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
14- حدثنا دعلج بن أحمد حدثنا محمد بن علي بن زيد حدثنا إبراهيم بن محمد الشافعي حدثنا ابن رجاء الثقة المأمون الحافظ عن إسماعيل بن أمية عن نافع أن ابن عمر كان إذا دخل المسجد يعني ⦗ص: 28⦘ مسجد المدينة سلم على النبي صلى الله عليه وسلم ، ثم قال: السلام عليك يا أبا بكر ، ثم قال: السلام عليك يا أبتاه.
১৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দালাজ বিন আহমাদ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন যাইদ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম বিন মুহাম্মাদ আশ-শাফেঈ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নির্ভরযোগ্য, আমানতদার ও হাফিজ ইবনে রাজা, তিনি ইসমাঈল বিন উমাইয়্যাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবনে উমর যখন মসজিদে প্রবেশ করতেন—অর্থাৎ ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ মদীনার মসজিদে—তখন তিনি নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-এর প্রতি সালাম পেশ করতেন, এরপর বলতেন: "আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক হে আবু বকর", এরপর বলতেন: "আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক হে আমার পিতা"।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
15- حدثنا عبد الله بن محمد بن عيسى حدثنا أحمد بن مهدي بن رستم حدثنا داود بن مهران الدباغ حدثنا مسلم بن خالد عن إسماعيل بن أمية عن نافع عن ابن عمر قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم البيت ودخل معه الفضل ⦗ص: 29⦘ بن عباس وبلال وعثمان بن طلحة وأسامة بن زيد فأطال المكث ثم خرج فبادرت الناس فكنت في أول من دخل فلقيت بلالا على يمين الباب فقلت أين صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلى بين ذينك الأسطوانتين المقدمتين قال ابن عمر ونسيت أن أسأله كم صلى.
১৫- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমদ ইবনে মাহদী ইবনে রুস্তম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট দাউদ ইবনে মিহরান আদ-দাব্বাগ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুসলিম ইবনে খালিদ বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে উমাইয়া থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাবা ঘরে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর সাথে ফজল ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ ইবনে আব্বাস, বিলাল, উসমান ইবনে তালহা এবং উসামা ইবনে যায়েদ প্রবেশ করলেন। তিনি সেখানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করলেন, তারপর বের হলেন। তখন আমি লোকজনের আগে দ্রুত ছুটে গেলাম এবং যারা প্রথমে প্রবেশ করেছিল আমি তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলাম। আমি দরজার ডান পাশে বিলালকে দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোথায় সালাত আদায় করেছেন? তিনি বললেন, তিনি সামনের ওই দুটি স্তম্ভের মাঝখানে সালাত আদায় করেছেন। ইবনে উমর বলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করতে ভুলে গিয়েছিলাম যে তিনি কত রাকাত সালাত আদায় করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
16- حدثنا عبد الباقي بن قانع حدثنا أسلم بن سهل حدثنا علي بن الحسن أبو الشعثاء حدثنا أبو معاوية حدثنا إسماعيل بن مسلم عن إسماعيل بن أمية عن الزهري عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يلبي: لبيك اللهم لبيك ، لبيك لا شريك لك لبيك ، إن الحمد والنعمة لك والملك ، لا شريك لك.

قال أبو بكر بن مردويه: هكذا قال أبو الشعثاء ورواه محمد بن عبد الله بن نمير عن أبي معاوية عن إسماعيل بن مسلم عن الزهري عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ولم يذكروا إسماعيل بن أمية.
১৬- আব্দুল বাকি বিন কানে' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসলাম বিন সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আল-হাসান আবুশ শা'সা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন মুসলিম ইসমাইল বিন উমাইয়া থেকে, তিনি যুহরি থেকে এবং তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তালবিয়া পাঠ করতেন: "আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত। আমি উপস্থিত, আপনার কোনো শরীক নেই, আমি উপস্থিত। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা ও নেয়ামত আপনারই এবং রাজত্বও আপনারই। আপনার কোনো শরীক নেই।"

আবু বকর বিন মারদুওয়াই বলেছেন: আবুশ শা'সা এভাবেই বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর এটি আবু মুয়াবিয়া থেকে, তিনি ইসমাইল বিন মুসলিম থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; তবে তারা ইসমাইল বিন উমাইয়া-এর কথা উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
17- حدثنا أحمد بن كامل قال أنشدني أبو القاسم عبد الله بن محمد اليزيدي:

صبرت على ما لو تحمل بعضه … جبال شرورى أصبحت تتصدع

ملكت دموع العين ثم رددتها … إلى ناظري وأعين القلب تدمع

فلو شئت أن أبكي دما لبثثته … عليك ولكن ساحة الصبر أوسع

آخر المجلس

والحمد لله وحده وصلى الله على محمد وآله.
১৭- আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে কামিল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবুল কাসেম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-ইয়াজিদি আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন:

আমি এমন কষ্টের ওপর ধৈর্য ধারণ করেছি, যার সামান্য অংশও যদি … শারুরা পাহাড় বহন করত, তবে তা বিদীর্ণ হয়ে যেত।

আমি চোখের অশ্রুকে সংবরণ করেছি, অতঃপর তা ফিরিয়ে দিয়েছি … আমার চোখের দৃষ্টিতে, অথচ অন্তরের চোখগুলো তখন অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছিল।

আমি যদি চাইতাম যে তোমার বিরহে রক্তের অশ্রু ঝরাব, তবে আমি তা প্রকাশ করতাম … কিন্তু ধৈর্যের প্রাঙ্গণ অধিক প্রশস্ত।

মজলিসের সমাপ্তি

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌[مجلس آخر من الآمالي وهو في صفات الله عز وجل]

أخبرنا أبو الفضل محمد بن محمد بن عبد الواحد بن محمد الجصاص قال: حدثنا الشيخ أبو بكر أحمد بن موسى بن مردويه إملاء:

18- حدثنا أبو سهل أحمد بن محمد بن زياد القطان وميمون بن إسحاق بن الحسن الحنفي وعبد الله بن إسماعيل بن إبراهيم الهاشمي وأحمد بن هشام بن حميد الحصري قالوا أخبرنا أحمد بن عبد الجبار العطاردي حدثنا أبو معاوية الضرير محمد بن خازم عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه ، قال: قال رجل من أهل الكتاب إن الله يحمل الخلائق على إصبع والشجر على إصبع والثرى على إصبع والسماوات على إصبع والأرضين على إصبع قال فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه قال فأنزل اللهُ عز وجل {وما قدروا الله حق قدره} .
[আমালি (শ্রুতলিপি) থেকে অপর একটি মজলিস এবং এটি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর গুণাবলি সম্পর্কে]

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ আল-জাসসাস, তিনি বলেন: শাইখ আবু বকর আহমদ বিন মুসা বিন মারদুওয়াইহ শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন:

১৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাহল আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আল-কাত্তান, মাইমুন বিন ইসহাক বিন আল-হাসান আল-হানাফী, আব্দুল্লাহ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আল-হাশেমী এবং আহমদ বিন হিশাম বিন হুমাইদ আল-হুসরী; তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আব্দুল জাব্বার আল-উতারিদী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর মুহাম্মদ বিন খাযিম, তিনি আ'মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, আর তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহলে কিতাবদের এক ব্যক্তি বলল, "নিশ্চয়ই আল্লাহ সৃষ্টিজগতকে একটি আঙুলের উপর, বৃক্ষরাজিকে একটি আঙুলের উপর, মৃত্তিকাকে একটি আঙুলের উপর, আসমানসমূহকে একটি আঙুলের উপর এবং যমিনসমূহকে একটি আঙুলের উপর বহন করবেন।" তিনি (ইবনে মাসউদ) বলেন: তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসলেন, এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত দৃশ্যমান হলো। তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা অবতীর্ণ করলেন, {তারা আল্লাহকে তাঁর যথাযথ মর্যাদা দেয়নি}।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
19- حدثنا عبد الله بن جعفر حدثنا إسماعيل بن عبد الله بن مسعود (ح) وحدثنا أحمد بن الحسن بن أيوب حدثنا عبد الله بن محمد بن النعمان قالا حدثنا عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش ، قال: سمعت إبراهيم يقول سمعت علقمة يقول قال عبد الله بن مسعود جاء رجل من أهل الكتاب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا أبا القاسم إن الله يمسك السماوات على إصبع والأرضين على إصبع والشجر والثرى على إصبع والخلائق على إصبع ويقول أنا الملك أنا الملك قال فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم ضحك حتى بدت نواجذه ، ثم قال: {وما قدروا الله حق قدره} .
১৯- আব্দুল্লাহ বিন জাফর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইসমাঈল বিন আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন (হা) এবং আহমাদ বিন হাসান বিন আইয়ুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন নুমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই বলেন উমর বিন হাফস বিন গিয়াস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার পিতা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবরাহীমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি আলকামাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: আহলে কিতাবদের এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, "হে আবুল কাসিম! নিশ্চয়ই আল্লাহ আসমানসমূহকে একটি আঙ্গুলের ওপর, যমিনসমূহকে একটি আঙ্গুলের ওপর, গাছপালা ও মাটিকে একটি আঙ্গুলের ওপর এবং অন্যান্য সৃষ্টিজগতকে একটি আঙ্গুলের ওপর রাখবেন এবং বলবেন: আমিই রাজা, আমিই রাজা।" বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হাসতে দেখলাম এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত প্রকাশিত হয়ে পড়ল। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {তারা আল্লাহকে তাঁর যথার্থ মর্যাদা দেয়নি}।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
20- حدثنا أبو عمرو أحمد بن محمد بن إبراهيم حدثنا محمد بن عبد الوهاب العسقلاني أخبرنا آدم بن أبي إياس (ح) وحدثنا عبد الله بن إسحاق بن إبراهيم حدثنا أحمد بن لخليل بن ثابت البرجلاني حدثنا أبو النضر هاشم بن القاسم حدثنا شيبان بن عبد الرحمن عن منصور عن إبراهيم عن عبيدة السلماني عن عبد الله بن مسعود قال جاء حبر من أحبار اليهود إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: يا محمد، إنا نجد في التوراة أن الله عز وجل يجعل السموات يوم القيامة على إصبع، والأرضين على إصبع، والجبال والشجر على إصبع، والماء والثرى على إصبع، وسائر الخلائق على إصبع، ثم يهزهن، فيقول: أنا الملك قال فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه تصديقا لقول الحبر، ثم قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم: {وما قدروا الله حق قدره} .
২০- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাব আল-আসকালানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আদম বিন আবি ইয়াস (হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আল-খলিল বিন সাবিত আল-বুরজালানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আন-নাদর হাশিম বিন আল-কাসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়বান বিন আব্দুর রহমান, মানসুর থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি উবাইদাহ আস-সালমানি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইহুদি পণ্ডিতদের মধ্যে একজন পণ্ডিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললেন: হে মুহাম্মদ, আমরা তাওরাতে পাই যে, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল কিয়ামতের দিন আসমানসমূহকে একটি আঙুলের ওপর রাখবেন, জমিনসমূহকে একটি আঙুলের ওপর, পাহাড় ও গাছপালাকে একটি আঙুলের ওপর, পানি ও আর্দ্র মাটিকে একটি আঙুলের ওপর এবং অবশিষ্ট সৃষ্টিজগতকে একটি আঙুলের ওপর রাখবেন; অতঃপর তিনি সেগুলো নাড়াবেন এবং বলবেন: আমিই রাজাধিরাজ। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওই পণ্ডিতের কথার সত্যায়ন স্বরূপ এমনভাবে হাসলেন যে তাঁর মাড়ির দাঁত প্রকাশিত হয়ে পড়ল। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করলেন: {তারা আল্লাহকে তাঁর যথার্থ মর্যাদা দেয়নি}।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
21- حدثنا علي بن الحسين بن محمد الكاتب أخبرنا أحمد بن الحسن بن سعيد بن عثمان الخراز قال: حدثنا أبي حدثنا حصين بن مخارق عن مالك بن مغول عن منصور عن إبراهيم عن عبيدة عن عبد الله بن مسعود ومحمد بن خالد عن الحكم عن إبراهيم عن عبيدة السلماني وعلقمة بن قيس عن عبد الله بن مسعود عنه قال جاء حبر من أهل الكتاب إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد إن الله يمسك السماوات على إصبع والأرضين على إصبع والجبال على إصبع والثرى على إصبع ثم يهزهن ، ثم يقول أنا الجبار فضحك النبي صلى الله عليه وسلم تصديقا لقوله ونزلت {وما قدروا الله حق قدره} .
২১- আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ আল-কাতিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে সাঈদ ইবনে উসমান আল-খাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে মুখারিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে মিগওয়াল থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি উবাইদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে। এবং মুহাম্মাদ ইবনে খালিদ হাকাম থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি উবাইদাহ আস-সালমানি এবং আলকামা ইবনে কায়স থেকে, তাঁরা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আহলে কিতাবদের জনৈক পণ্ডিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন, হে মুহাম্মাদ! নিশ্চয়ই আল্লাহ আসমানসমূহকে একটি আঙুলের ওপর, যমিনসমূহকে একটি আঙুলের ওপর, পাহাড়সমূহকে একটি আঙুলের ওপর এবং সিক্ত মাটিকে একটি আঙুলের ওপর রাখবেন; অতঃপর তিনি সেগুলো প্রকম্পিত করবেন এবং বলবেন, আমিই মহাপরাক্রমশালী। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কথার সত্যতা প্রতিপাদনস্বরূপ হাসলেন এবং অবতীর্ণ হলো: {তারা আল্লাহকে তাঁর যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি}।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
22- حدثنا أبو عَمْرو أحمد بن محمد بن إبراهيم حدثنا محمد بن عبد الوهاب العسقلاني حدثنا آدم بن أبي إياس حدثنا حماد بن سلمة عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة عن عبيد الله بن مقسم عن ابن عمر قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأ على المنبر {وما قدروا الله حق قدره إذ قالوا ما أنزل الله} فبسط رسول الله صلى الله عليه وسلم يده ثم قبضها إليه ، ثم قال: ⦗ص: 34⦘ يقول الجبار جل جلاله أنا الملك أنا العزيز أنا المتكبر قال فرجف برسول الله صلى الله عليه وسلم المنبر.
২২- আমাদের নিকট আবু আমর আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব আল-আসকালানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আদম ইবন আবু ইয়াস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবন সালামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসহাক ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আবু তালহা থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবন মিকসাম থেকে এবং তিনি ইবন উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট খুতবা প্রদান করলেন, তখন তিনি মিম্বারের উপর এই আয়াতটি পাঠ করলেন: "তারা আল্লাহকে তাঁর যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি, যখন তারা বলেছিল যে, আল্লাহ কিছুই অবতীর্ণ করেননি।" এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর হাত প্রসারিত করলেন এবং তা নিজের দিকে মুষ্টিবদ্ধ করলেন। এরপর তিনি বললেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ (জাল্লা জালালুহু) বলছেন, "আমিই রাজা, আমিই মহাপরাক্রমশালী, আমিই অহংকারী।" বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-সহ মিম্বরটি প্রকম্পিত হতে লাগল।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩৪)
23- حدثنا عبد الله بن إسحاق بن إبراهيم حدثنا أحمد بن ملاعب بن حيان المخرمي حدثنا سعيد بن منصور حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن قال: حدثني أبو حازم قال وحدثني عبد العزيز بن أبي حازم قال حدثني أبي عن عبيد الله بن مقسط عن ابن عمر قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على المنبر يقول يأخذ الجبار سماواته وأرضه بيده فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبض أصابعه ويبسطها ويقول أنا الرحمن أنا الملك أين الجبارون أين المتكبرون وجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يتمايل عن يمينه وعن شماله حتى نظرنا أسفل شيء من المنبر يتحرك حتى إني لأقول أساقط هو برسول الله صلى الله عليه وسلم.
২৩- আমাদের কাছে আবদুল্লাহ বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আহমাদ বিন মুলাঈব বিন হাইয়ান আল-মুখাররামী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে সাঈদ বিন মানসুর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে ইয়াকুব বিন আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার কাছে আবু হাজিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন এবং আমার কাছে আবদুল আজিজ বিন আবি হাজিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার কাছে আমার পিতা উবায়দুল্লাহ বিন মিকসাত থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মিম্বারের ওপর থাকা অবস্থায় বলতে দেখেছি, তিনি বলছিলেন— মহাপরাক্রমশালী (আল-জাব্বার) তাঁর আসমানসমূহ ও তাঁর জমিন নিজের হাতে গ্রহণ করবেন। এরপর আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর আঙুলগুলো মুষ্টিবদ্ধ করতে ও প্রসারিত করতে শুরু করলেন এবং বলতে লাগলেন: "আমিই পরম দয়াময় (আর-রাহমান), আমিই রাজাধিরাজ; স্বেচ্ছাচারীরা কোথায়? অহংকারীরা কোথায়?" তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ডানে ও বামে এমনভাবে দুলতে লাগলেন যে, আমরা মিম্বারের নিচের অংশটিকেও নড়তে দেখলাম, এমনকি আমি মনে মনে বলছিলাম যে, এটি কি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিয়ে পড়ে যাবে?
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩৪)
24- حدثنا محمد بن الحسين بن علي الدقاق البغدادي حدثنا محمد بن عثمان بن محمد العبسي حدثنا جندل بن والق حدثنا محمد بن ⦗ص: 35⦘ صالح الواسطي عن سليمان بن محمد عن عمر بن نافع ، عن أبيه قال: قال عبد الله بن عمر رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قائما على المنبر يعني منبر رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يحكي ربه عز وجل فقال: إن الله تعالى إذا كان يوم القيامة جمع السموات السبع والأرضين السبع بقبضته ثم قال هكذا وشد قبضته ثم بسطها ثم يقول أنا الله أنا الرحمن أنا الملك أنا القدوس أنا السلام أنا المؤمن أنا المهيمن أنا العزيز أنا الجبار أنا المتكبر أنا الذي بدأت الدنيا ولم تك شيئا أنا الذي أعيدها أين الملوك؟ أين الجبابرون.
২৪- আমাদের নিকট মুহম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আলী আদ-দাক্কাক আল-বাগদাদী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহম্মদ ইবনে উসমান ইবনে মুহম্মদ আল-আবসী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট জানদাল ইবনে ওয়ালিক হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহম্মদ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘ সালিহ আল-ওয়াসিতী সুলাইমান ইবনে মুহম্মদ থেকে, তিনি উমর ইবনে নাফে’ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে উমর বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি—অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মিম্বার—এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর মহান প্রতিপালক সম্পর্কে বর্ণনা দিচ্ছিলেন। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা যখন কিয়ামতের দিন হবে, তখন সাত আসমান এবং সাত যমীনকে তাঁর হাতের মুঠোয় একত্রিত করবেন। অতঃপর তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এভাবে ইশারা করলেন এবং নিজের হাতের মুঠো শক্ত করে বন্ধ করলেন, তারপর তা প্রসারিত করলেন। এরপর তিনি (আল্লাহ) বলবেন: আমিই আল্লাহ, আমিই রহমান, আমিই বাদশাহ, আমিই অতি পবিত্র, আমিই শান্তিদাতা, আমিই মুমিন (নিরাপত্তা দানকারী), আমিই মুহাইমিন (রক্ষণাবেক্ষণকারী), আমিই মহাপরাক্রমশালী, আমিই প্রবল প্রতাপশালী, আমিই অহংকারী। আমিই সেই সত্তা যিনি দুনিয়া শুরু করেছিলেন যখন তা কিছুই ছিল না, আমিই একে পুনরায় ফিরিয়ে আনব। কোথায় আজ রাজারা? কোথায় আজ প্রতাপশালীরা?
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩৫)
25- حدثنا عبد الباقي بن قانع بن مرزوق حدثنا إبراهيم بن إسحاق الحربي حدثنا سعيد بن داود الزنبري حدثنا مالك بن أنس عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يقبض الله تعالى الأرض يوم القيامة ويطوي السماوات بيمينه.
২৫- আব্দুল বাকী বিন কানে' বিন মারজুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম বিন ইসহাক আল-হারবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন দাউদ আজ-জুনবারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক বিন আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন জমিনকে মুষ্টিবদ্ধ করবেন এবং আসমানসমূহকে তাঁর ডান হাত দিয়ে গুটিয়ে নেবেন।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩৬)
26- حدثنا عبد الله بن إسحاق البغوي حدثنا محمد بن أحمد بن أبي العوام حدثنا يزيد بن هارون أخبرنا هشام بن حسان عن محمد بن سيرين ، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اختصمت الجنة والنار فقالت النار: يدخلني الجبارون، والمتكبرون، وقالت الجنة: يدخلني الضعفاء والمساكين فقال الله تعالى للجنة: أنت رحمتي أرحم بك من شئت، وقال للنار: أنت عذابي أنتقم بك ممن شئت من عبادي، ولكل واحدة منكما ملؤها. فأما الجنة فإن الله تعالى لا يظلم من خلقه أحدا، وإنه ينشئ لها من خلقه ما شاء، وأما النار فيلقون فيها، وتقول: هل من مزيد حتى يضع ربنا عز وجل فيها قدمه فهنالك تمتلئ وينزوي بعضها إلى بعض، وتقول: قط قط.
২৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আবিল আওয়াম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম ইবনে হাসান, মুহাম্মদ ইবনে সীরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: জান্নাত ও জাহান্নাম বিবাদে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল: "আমার মধ্যে প্রতাপশালী ও অহংকারীরা প্রবেশ করবে।" জান্নাত বলল: "আমার মধ্যে দুর্বল ও মিসকীনরা প্রবেশ করবে।" তখন আল্লাহ তাআলা জান্নাতকে বললেন: "তুমি আমার রহমত, তোমার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা দয়া করি।" এবং জাহান্নামকে বললেন: "তুমি আমার আযাব, তোমার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যার থেকে ইচ্ছা প্রতিশোধ গ্রহণ করি। আর তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই পূর্ণকারী (অধিবাসী) রয়েছে।" জান্নাতের ব্যাপারে কথা হলো, আল্লাহ তাআলা তাঁর সৃষ্টির কারোর প্রতি জুলুম করবেন না এবং তিনি এর জন্য তাঁর সৃষ্টি থেকে যা ইচ্ছা নতুন সৃষ্টি করবেন। আর জাহান্নামের ব্যাপারে কথা হলো, তাতে (পাপীদের) নিক্ষেপ করা হতে থাকবে এবং সে বলবে: "আরও কি অতিরিক্ত আছে?" যতক্ষণ না আমাদের রব মহান ও পরাক্রমশালী তাতে তাঁর পা রাখেন। তখন সেটি পূর্ণ হয়ে যাবে এবং এর এক অংশ অপর অংশের সাথে সংকুচিত হয়ে যাবে, আর সে বলবে: "যথেষ্ট, যথেষ্ট।"
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩৬)
27- حدثنا أبو عَمْرو أحمد بن محمد بن إبراهيم حدثنا محمد بن عبد الوهاب العسقلاني (ح) وحدثنا عبد الله بن إسحاق وأحمد بن محمد بن زياد قالا حدثنا إبراهيم بن الهيثم البلدي قالا حدثنا آدم بن أبي إياس حدثنا شيبان بن عبد الرحمن عن قَتَادة عن أَنَس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تزال جهنم تقول هل من مزيد حتى يضع رب العزة فيها قدمه فتقول قط قط وعزتك، ويزوي بعضها إلى بعض ولا يزال في الجنة فضل حتى ينشىء الله تعالى خلقا آخر فيسكنه فضل الجنة.
২৭- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব আল-আসকালানি (হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক ও আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ, তাঁরা উভয়ে বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনুল হাইসাম আল-বালাদি, তাঁরা উভয়ে বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আদম ইবনে আবি ইয়াস, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়বান ইবনে আবদুর রহমান, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জাহান্নাম অনবরত বলতে থাকবে, "আরও কি আছে?" যতক্ষণ না ইজ্জতের রব তাতে তাঁর পা রাখবেন। তখন সে বলবে, "যথেষ্ট, যথেষ্ট, আপনার ইজ্জতের কসম!" আর তার একাংশ অপর অংশের সাথে সংকুচিত হয়ে যাবে। আর জান্নাতে অতিরিক্ত স্থান বাকি থাকবে, যতক্ষণ না আল্লাহ তাআলা নতুন একটি সৃষ্টি সৃষ্টি করেন এবং জান্নাতের সেই অতিরিক্ত স্থানে তাদের বসতি দান করেন।
(খণ্ড: ১) মাজলিসানি মিনাল আমালী আহাদুহুমা ফী সিফাতিল্লাহি লিবনি মারদুওয়াইহ (পৃষ্ঠা: ৩৭)
28- حدثنا عبد الله بن جعفر أخبرنا الخليل بن محمد حدثنا عبد العزيز بن أبان حدثنا عبد الغفار بن القاسم عن عدي بن ثابت عن زر بن حبيش عن أبي بن كعب قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الصراط مضروب بين ظهراني جهنم فتمر أمتي حتى يكون آخرهم رجل يحبوا حبوا وهي الأعمال وجهنم تسأل المزيد حتى يضع قدمه عليها فينزوي بعضها إلى بعض وتقول قط قط.
২৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন জাফর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-খলিল বিন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ বিন আবান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল গাফফার বিন আল-কাসিম, আদি বিন সাবিত থেকে, তিনি জির বিন হুবাইশ থেকে, তিনি উবাই বিন কাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: জাহান্নামের মধ্যস্থলে সিরাত স্থাপন করা হবে। এরপর আমার উম্মত তা অতিক্রম করবে, এমনকি তাদের সর্বশেষ ব্যক্তিটি হবে এমন এক লোক যে হামাগুড়ি দিয়ে চলবে; আর এটি হবে আমল অনুযায়ী। জাহান্নাম আরও বৃদ্ধির প্রার্থনা করতে থাকবে যতক্ষণ না তিনি (আল্লাহ) তাঁর পা তার ওপর রাখবেন, তখন জাহান্নামের এক অংশ অন্য অংশের সাথে সংকুচিত হয়ে যাবে এবং সে বলবে: যথেষ্ট, যথেষ্ট।