(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: -)
الفرائض للثوري   (سفيان الثوري)

القسم: الفرائض والوصايا


الكتاب: الفرائض للثوري

المؤلف: أبو عبد الله سفيان بن سعيد بن مسروق الثوري الكوفي (ت 161هـ)

تخريج: أبي عبد الله عبد العزيز بن عبد الله الهليل

إشراف: أبي عبد الله محمود بن محمد الحداد

الناشر: دار العاصمة - الرياض

الطبعة: الأولى 1410 هـ

عدد الصفحات: 53

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-ফারায়েজ লিস-সাওরী   (সুফিয়ান আস-সাওরী)

বিভাগ: উত্তরাধিকার আইন ও অসিয়তনামা


গ্রন্থ: আল-ফারায়েজ লিস-সাওরী

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ সুফিয়ান বিন সাঈদ বিন মাসরুক আস-সাওরী আল-কুফী (মৃত্যু ১৬১ হি.)

তাখরিজ: আবু আব্দুল্লাহ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আল-হালীল

তত্ত্বাবধান: আবু আব্দুল্লাহ মাহমুদ বিন মুহাম্মদ আল-হাদ্দাদ

প্রকাশক: দারুল আসিমা - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম সংস্করণ ১৪১০ হিজরি

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৩

[গ্রন্থের সংখ্যাবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের প্রত্যাশী, অগ্রসর হও

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: -)
مصنفات المحدثين (1)

 

الفرائض

للإمام أبي عبد الله سفيان بن سعيد الثوري

رحمه الله

97 - 161 هـ

 

رواية محمد بن سليمان بن الحارث الواسطي عن شيوخه عنه رحمه الله

 

تخريج

أبي عبد الله عبد العزيز بن عبد الله الهليل

 

إشراف

أبي عبد الله محمود بن محمد الحداد

 

دار العاصمة - الرياض

 

الطبعة الأولى

1410 هـ
মুহাদ্দিসগণের রচনাবলি (১)

 

আল-ফারাইদ (উত্তরাধিকার আইন)

ইমাম আবু আবদুল্লাহ সুফিয়ান বিন সাঈদ আস-সাওরী কর্তৃক

আল্লাহ তাঁর ওপর দয়া করুন

৯৭ - ১৬১ হিজরি

 

তাঁর নিকট থেকে তাঁর শায়েখদের মাধ্যমে মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান বিন আল-হারিস আল-ওয়াসিতীর বর্ণনা, আল্লাহ তাঁর ওপর দয়া করুন

 

তাখরীজ

আবু আবদুল্লাহ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল-হুলাইল

 

তত্ত্বাবধান

আবু আবদুল্লাহ মাহমুদ বিন মুহাম্মাদ আল-হাদ্দাদ

 

দারুল আসিমা - রিয়াদ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪১০ হিজরি
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ১৭)
رواية محمد بن سليمان بن الحارث الواسطي. عن شيوخه.

رواية أبي عمرو وعثمان بن أحمد بن عبد الله الدقاق. عنه.

رواية أبي علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان عنه.

رواية أبي الحسين المبارك بن عبد الجبار بن أحمد الحمامي. عنه.

رواية أبي عبد الله الحسين بن علي بن الحسين الكوفي عنه.

رواية أبي بَكْرٍ مِسْمَار بْنُ عُمَر بْن مُحَمَّد بْن العويس عنه.

سماع يوسف بن أحمد بن محمود بن الطحان الثقفي عليه.

وقف ابن الحاجب بسفح قاسيون.
মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান বিন আল-হারিস আল-ওয়াসিতির বর্ণনা। তাঁর শায়খদের থেকে।

আবু আমর উসমান বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাক্কাকের বর্ণনা। তাঁর থেকে।

আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন শাযানের বর্ণনা। তাঁর থেকে।

আবু আল-হুসাইন আল-মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার বিন আহমাদ আল-হাম্মামির বর্ণনা। তাঁর থেকে।

আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আল-হুসাইন আল-কুফির বর্ণনা। তাঁর থেকে।

আবু বকর মিসমার বিন উমর বিন মুহাম্মাদ বিন আল-উওয়াইসের বর্ণনা। তাঁর থেকে।

তাঁর নিকট ইউসুফ বিন আহমাদ বিন মাহমুদ বিন আত-তাহহান আস-সাকাফির শ্রবণ।

কাসিয়ুন পর্বতের পাদদেশে ইবনুল হাজিবের ওয়াকফ।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ১৮)
بسم الله الرحمن الرحيم

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ؛ أَبُو بَكْرٍ مِسْمَارُ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ النَّيَّارِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي.. .. ..

قال أنا أبو عبد الله؛ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ الْكُوفِيُّ قِرَاءَةً فِي يَوْمِ الثُّلاثَاءِ ثَانِي عَشَرَ ذِي الْقَعْدَةِ من سنة اثنتين وخمسين وخمس مئة. قال أنا أبو الحسن المبارك بن عبد الجبار بْنِ أَحْمَدَ الصَّيْرَفِيُّ فِي جُمَادَى الآخِرَةِ مِنْ سنة أربع وتسعين وأربع مئة. قال أنا أبو عمرو وعثمان بن أحمد بن عبد الله الدَّقَّاقُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ السَّمَّاكِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي سنة أربع وأربعين وثلاث مئة. ثنا محمد بن سيلمان بْنِ الْحَارِثِ الْوَاسِطِيُّ، أَبُو بَكْرٍ. سَنَةَ ثَمَانٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ فِي الْجَامِعِ.
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।

পুণ্যবান শায়খ আবু বকর মিসমার বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন আন-নাইয়্যার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম...

তিনি বলেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আল-হুসাইন আল-কুফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; ৫৫২ হিজরীর যিলকদ মাসের ১২ তারিখ মঙ্গলবার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন, আবু আল-হাসান আল-মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার বিন আহমাদ আস-সাইরাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ৪৯৪ হিজরীর জুমাদাল আখিরাহ মাসে। তিনি বলেন, আবু আমর উসমান বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাক্কাক, যিনি ইবনুস সাম্মাক নামে পরিচিত, ৩৪৪ হিজরীতে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু বকর মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন আল-হারিস আল-ওয়াসিতী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; ২৭৮ হিজরীতে জামে মসজিদে।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ১৯)
1- ثنا أَبُو نُعَيْمٍ، نا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: قَالَ لِي عَلْقَمَةُ: إِذَا أَرَدْتَ أَنْ تَعْلَمَ الْفَرَائِضَ فَأَمِتْ جِيرَانَكَ.
১- আমাদের নিকট আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আ'মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আলকামা আমাকে বলেছেন, "তুমি যদি ফরায়েজ (উত্তরাধিকার আইন) শিখতে চাও, তবে তোমার প্রতিবেশীদের মৃত মনে করো।"
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ১৯)
2- حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عن أبي وائل، عن عبد الله قَالَ: تَعَلَّمُوا، فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لا يَدْرِي مَتَى يختيل إليه.
২- আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তোমরা ইলম (জ্ঞান) অর্জন করো, কেননা তোমাদের কেউ জানে না কখন তার মুখাপেক্ষী হওয়া হবে।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২০)
3- حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا سُفْيَانُ عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: قَالَ عُمَرُ: تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ فَإِنَّهَا مِنْ دِينِكُمْ.
৩- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর বলেছেন: তোমরা ফারায়েদ (উত্তরাধিকার আইন) শিক্ষা করো, কেননা তা তোমাদের দীনের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২০)
4- حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ طاووس، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَلْحِقُوا الْمَالَ بِالْفَرَائِضِ، فَإِذَا تُرِكَتِ الْفَرَائِضُ فَأَوْلَى رجلٍ ذَكَرٍ.
৪- আবু নুআইম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইবনে তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা সম্পদকে (উত্তরাধিকারীদের) নির্ধারিত অংশ অনুযায়ী প্রদান করো, অতঃপর নির্ধারিত অংশসমূহ বণ্টনের পর যা অবশিষ্ট থাকবে তা সবচেয়ে নিকটবর্তী পুরুষ ব্যক্তির জন্য।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২১)
5- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، نا سُفْيَانُ، عَنْ أَسْلَمَ الْمِنْقَرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عُمَرَ فَسَأَلَهُ عَنْ فَرِيضَةٍ فَقَالَ: ائْتِ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ فَاسْأَلْهُ، فَإِنَّهُ أَعْلَمُ مِنِّي بِالْفَرَائِضِ وَهُوَ يَفْرِضُ كَمَا أفرض.
৫- আমাদের নিকট ক্ববীসাহ বিন উক্ববাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফইয়ান থেকে, তিনি আসলাম আল-মিনক্বারি থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ইবনে উমরের নিকট এসে তাকে উত্তরাধিকারের কোনো এক বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি (ইবনে উমর) বললেন: তুমি সাঈদ বিন জুবায়েরের নিকট যাও এবং তাকে জিজ্ঞাসা করো; কেননা তিনি উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধানে আমার চেয়েও অধিক জ্ঞানী। আর তিনি সেভাবেই বিধান নির্ধারণ করেন যেভাবে আমি করে থাকি।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২১)
6- حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: كُلُّ نَسَبٍ مُتَوَاصِلٌ فِي الإِسْلامِ فَهُوَ وَارِثٌ مَوْرُوثٌ.
৬- আমাদের নিকট আবু নুআইম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে এবং তিনি ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: ইসলামে প্রতিটি অবিচ্ছিন্ন বংশীয় সম্পর্কই হচ্ছে উত্তরাধিকারী এবং উত্তরাধিকার প্রদানকারী।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২২)
7- حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، نا سُفْيَانُ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ: أَهْلُ الشِّرْكِ؛ لا نَرِثُهُمْ وَلا يَرِثُونَّا.
৭- আবু নুআইম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: শিরককারীগণ; আমরা তাদের উত্তরাধিকারী হই না এবং তারাও আমাদের উত্তরাধিকারী হয় না।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২২)
8- حَدَّثَنَا خَلادُ بْنُ عِيسَى بْنِ صَفْوَانَ، نا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ أَبِي سَهْلٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عن زيد وعلي قالا: المملوكين وَالْيَهُودُ وَالنَّصَارَى لا يَحْجُبُونَ وَلا يَرِثُونَ.
৮- আমাদের নিকট খাল্লাদ বিন ঈসা বিন সাফওয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান আস-সাওরী বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু সাহল থেকে, তিনি আশ-শাবি থেকে এবং তিনি জায়েদ ও আলী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: ক্রীতদাস, ইহুদি ও খ্রিষ্টানরা (অন্যদের উত্তরাধিকার থেকে) বঞ্চিত করে না এবং নিজেরাও উত্তরাধিকার লাভ করে না।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৩)
9- حَدَّثَنَا خَلادٌ، نا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا مَعَ ابْنِ مَسْعُودٍ وَحُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ عِنْدَ السُّدَّةِ فَجَاءَ رَجُلٌ فَسَأَلَهُمَا عَنْ فَرِيضَةٍ، فَنَظَرَ أَحَدُهُمَا إِلَى صَاحِبِهِ؛ فَقُلْتُ: تَأْذَنَانِ أَنْ أُخْبِرَهُ بِقَوْلِ أخيكم فيها. عبد الله بْنِ مَسْعُودٍ، قَالا: نَعَمْ، فَأَخْبَرْتُهُ؛ فَقَالا: إِنْ كُنَّا لَنَرَاهَا كَمَا ذَكَرْتَ، وَلَكِنَّا خَشِينَا أَنْ نَكُونَ قَدْ نُسِّينَا.
৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাল্লাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, আর তিনি আলকামা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে মাসউদ এবং হুজাইফা ইবনুল ইয়ামানের সাথে প্রবেশপথের নিকট বসে ছিলাম। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে তাঁদের নিকট একটি ফরজি বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তাঁদের একজন অন্যজনের দিকে তাকালেন; তখন আমি বললাম: আপনারা কি আমাকে অনুমতি দেবেন যাতে আমি তাকে এই বিষয়ে আপনাদের ভাই—আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের—অভিমতটি জানাতে পারি? তাঁরা উভয়ে বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর আমি তাকে তা জানালাম। তখন তাঁরা বললেন: আমরাও বিষয়টি তেমনই মনে করতাম যেমনটি আপনি উল্লেখ করেছেন, কিন্তু আমাদের ভয় হচ্ছিল যে হয়তো আমরা তা ভুলে গিয়েছি।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌1- بَابُ الأَكْدَرِيَّةِ

10- حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، نا سُفْيَانُ قَالَ: سَأَلْتُ الأَعْمَشَ: لِمَ سُمِّيَتِ الأَكْدَرِيَّةُ؟ قَالَ: طرحها عبد الملك بْنُ مَرْوَانَ عَلَى رَجُلٍ يُقَالُ لَهُ أَكْدَرُ، فَأَخْطَأَ فِيهَا، فَسُمِّيَتِ الأَكْدَرِيَّةَ.
১- আকদারিয়্যাহ পরিচ্ছেদ

১০- আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমাশকে জিজ্ঞাসা করলাম, কেন একে আকদারিয়্যাহ নামকরণ করা হয়েছে? তিনি বললেন: আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান এটি আকদার নামক এক ব্যক্তির নিকট পেশ করেছিলেন, তখন তিনি এতে ভুল করেছিলেন, ফলে এর নাম আকদারিয়্যাহ রাখা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৪)
11- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، نا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إبراهيم، عن عبد الله، في الأكدرية في ثمانية: الأخت النِّصْفُ، وَلِلزَّوْجِ النِّصْفُ، وَلِلأُمِّ سَهْمٌ، وَلِلْجَدِّ سَهْمٌ. وَقَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ: مِنْ تِسْعَةٍ: لِلأُخْتِ النِّصْفُ وَلِلزَّوْجِ النِّصْفُ وَلِلأُمِّ الثُّلُثُ، وَلِلْجَدِّ سَهْمٌ.

وَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ: مِنْ سَبْعَةٍ وعشرين.
১১- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কবীসাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, মানসূর থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আকদারিয়াহ মাসআলার ক্ষেত্রে আট ভাগের মধ্যে: বোনের জন্য অর্ধেক, স্বামীর জন্য অর্ধেক, মায়ের জন্য এক অংশ এবং দাদার জন্য এক অংশ। আর আলী ইবনে আবি তালিব বলেছেন: নয় ভাগের মধ্যে: বোনের জন্য অর্ধেক, স্বামীর জন্য অর্ধেক, মায়ের জন্য এক-তৃতীয়াংশ এবং দাদার জন্য এক অংশ।

আর জায়েদ ইবনে সাবিত বলেছেন: সাতাশ ভাগের মধ্যে।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌2- بَابٌ فِي امرأةٍ وَأَبَوَيْنِ

12- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ: أَنَّ عُثْمَانَ جَعَلَهَا مِنْ أَرْبَعَةٍ؛ قَالَ هِيَ مِنْ أَرْبَعَةٍ.
২- অধ্যায়: একজন স্ত্রী ও পিতা-মাতার (উত্তরাধিকার) বিষয়ে

১২- আমাদের নিকট কাবিসাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে এবং তিনি আবু আল-মুহাল্লাব থেকে বর্ণনা করেছেন যে: নিশ্চয়ই উসমান (রা.) একে চার ভাগের অন্তর্ভুক্ত করেছেন; তিনি বলেছেন এটি চার ভাগের অন্তর্ভুক্ত হবে।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৫)
13- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، نا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عُمَرَ وَعَبْدِ اللَّهِ: أَنَّهُمَا جَعَلاهَا مِنْ أَرْبَعَةٍ: امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ، لِلْمَرْأَةِ سَهْمُ الرُّبُعِ، وَلِلأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ، وَلِلأَبِ مَا بَقِيَ؛ فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ.
১৩- কাবিসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানসুর থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি উমর এবং আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন: তাঁরা উভয়ে একে চার ভাগ থেকে নির্ধারণ করেছেন: স্ত্রী এবং পিতা-মাতার ক্ষেত্রে; স্ত্রীর জন্য এক-চতুর্থাংশ অংশ, মায়ের জন্য অবশিষ্টের এক-তৃতীয়াংশ এবং পিতার জন্য যা অবশিষ্ট থাকে; এটি স্ত্রী এবং পিতা-মাতা বিদ্যমান থাকার ক্ষেত্রে।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৬)
14- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، نا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ فُضَيْلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: خَالَفَ النَّاسُ ابْنَ عباسٍ فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ.
১৪- আমাদের নিকট কাবিসাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ফুযাইল থেকে এবং তিনি ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: স্বামী ও পিতামাতার (উত্তরাধিকার সংক্রান্ত মাসআলায়) লোকেরা ইবনে আব্বাসের বিরোধিতা করেছে।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৬)
15- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، نا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِيهِ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، عَنِ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: مَا كَانَ اللَّهُ تَعَالَى لِيَرَانِي أُفَضِّلُ أُمًّا عَلَى أبٍ.
১৫- আমাদের নিকট কাবীসাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা সাঈদ বিন মাসরুক থেকে, তিনি মুসাইয়াব বিন রাফি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহ তাআলা আমাকে এমন অবস্থায় দেখবেন না যে আমি মাকে পিতার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করছি।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌3- باب ابنة وابنة ابن وأخت

16- حدثنا عبد الوهاب بْنُ عِيسَى الْوَاسِطِيُّ، ثنا ابْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ هُزَيْلِ بْنِ شُرَحْبِيلَ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ، إِلَى أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، فَسَأَلَهُ عَنِ ابْنَةٍ وَابْنَةِ ابْنٍ وَأُخْتٍ؟ فَقَالَ: لِلْبِنْتِ النِّصْفُ، وَلابْنَةِ الابْنِ النِّصْفُ: وَائْتِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ فَإِنَّهُ سَيُتَابِعُنَا ثُمَّ ائْتِنِي.

فَأَتَى عَبْدَ اللَّهِ فَسَأَلَهُ فَقَالَ: قَدْ ضَلَلْتُ إِذًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُهْتَدِينَ، لأَقْضِيَنَّ فِيهَا بِقَضَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لِلْبِنْتِ النِّصْفُ وَلابْنَةِ الابْنِ السُّدُسُ وَمَا بَقِيَ فَلِلأُخْتِ.

فَأَتَى أَبَا مُوسَى فَأَخْبَرَهُ فَقَالَ: لا تَسْأَلُونِي عَنْ شَيْءٍ مَا دَامَ هَذَا الْحَبْرُ فِيكُمْ.
৩- পরিচ্ছেদ: কন্যা, পুত্রের কন্যা এবং বোন

১৬- আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে ঈসা আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি আবু কায়স থেকে, তিনি হুযাইল ইবনে শুরাহবীল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আবু মুসা আল-আশআরীর নিকট এসে এক কন্যা, এক পুত্রের কন্যা এবং এক বোন (এর মিরাস) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেন: কন্যার জন্য অর্ধেক এবং পুত্রের কন্যার জন্য অর্ধেক। তুমি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের নিকট যাও, কেননা সে আমার সাথে একমত হবে, এরপর আমার নিকট এসো।

অতঃপর সে আব্দুল্লাহর নিকট এসে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: (আমি যদি তাই বলি) তবে তো আমি পথভ্রষ্ট হলাম এবং আমি হিদায়াতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত রইলাম না। আমি এই বিষয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফয়সালা অনুযায়ী ফয়সালা প্রদান করব: কন্যার জন্য অর্ধেক, পুত্রের কন্যার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ এবং যা অবশিষ্ট থাকবে তা বোনের জন্য।

অতঃপর সে আবু মুসার নিকট এসে তাঁকে সংবাদ দিলে তিনি বললেন: যতক্ষণ এই বিজ্ঞ আলেম তোমাদের মাঝে বর্তমান আছেন, ততক্ষণ তোমরা আমাকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করো না।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌4- بَابُ إِخْوَةٍ لأُمٍّ وَأُمٍّ

17- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ: فِي إِخْوَةٍ لأُمٍّ وَأُمٍّ فَأَعْطَى الإِخْوَةَ لِلأُمِّ الثُّلُثَ وَأَعْطَى الأُمَّ السُّدُسَ وَرَدَّ مَا بَقِيَ عَلَى الأُمِّ.

وَقَالَ: الأُمُّ عَصَبَةُ مَنْ لا عَصَبَةَ لَهُ.

وَكَانَ لا يَرُدُّ عَلَى الأُخْتِ لأَبٍ مَعَ أُخْتٍ لأَبٍ وَأُمٍّ وَلا عَلَى بِنْتِ الابْنِ [مَعَ ابْنَةِ الصُّلْبِ] .

18- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: كَانَ عَلِيٌّ يَرُدُّ عَلَى كُلِّ ذِي سَهْمٍ إِلا الْمَرْأَةَ وَالزَّوْجَ.

وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ لا يَرُدُّ عَلَى أُخْتٍ لأَبٍ مَعَ أُخْتٍ لأَبٍ وَأُمٍّ وَلا عَلَى إِخْوَةٍ لأُمٍّ مَعَ أُمٍّ وَلا عَلَى جَدَّةٍ.
৪- বৈপিত্রেয় ভাই ও মা সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ

১৭- কবীসা ইবনে উকবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মনসুর থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন: বৈপিত্রেয় ভাই এবং মায়ের ক্ষেত্রে তিনি বৈপিত্রেয় ভাইদের এক-তৃতীয়াংশ প্রদান করেন এবং মাকে এক-ষষ্ঠাংশ প্রদান করেন এবং যা অবশিষ্ট থাকে তা মায়ের ওপর ফিরিয়ে দেন।

তিনি বলেন: যার কোনো আসাবা নেই, মা তার আসাবা।

আর তিনি সহোদর বোনের সাথে বৈমাত্রেয় বোনের ওপর এবং আপন মেয়ের সাথে ছেলের মেয়ের ওপর (উদ্বৃত্ত অংশ) ফিরিয়ে দিতেন না।

১৮- কবীসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সালিম থেকে, তিনি শাবি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী (রা.) স্ত্রী এবং স্বামী ব্যতীত প্রত্যেক অংশীদারের ওপর (উদ্বৃত্ত অংশ) ফিরিয়ে দিতেন।

আর আবদুল্লাহ সহোদর বোনের সাথে বৈমাত্রেয় বোনের ওপর ফিরিয়ে দিতেন না, এবং মায়ের সাথে বৈপিত্রেয় ভাইদের ওপর ফিরিয়ে দিতেন না এবং দাদির ওপরও ফিরিয়ে দিতেন না।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌5- بَابُ ابْنَةٍ وَأُخْتٍ

19- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ مُعَاذٍ: أَنَّهُ قَضَى بِالْيَمَنِ فِي ابْنَةٍ وَأُخْتٍ النِّصْفَ وَالنِّصْفَ.
৫- এক কন্যা ও এক বোন সম্পর্কিত অধ্যায়

১৯- কাবিছাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফইয়ান থেকে, তিনি আশআস ইবন আবিশ শা’সা থেকে, তিনি আল-আসওয়াদ ইবন ইয়াযীদ থেকে এবং তিনি মুআয (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি ইয়ামেনে এক কন্যা ও এক বোনের উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে অর্ধেক এবং অর্ধেক ফয়সালা করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৯)
20- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ مُعَاذٍ مِثْلَهُ.
২০- আমাদের নিকট কাবিযাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আল-আসওয়াদ থেকে এবং তিনি মুআয থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌6- بَابٌ فِي زَوْجٍ وَأُمٍّ وَإِخْوَةٍ

21- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ: أَنَّهُ كَانَ يُعْطِي فَرَائِضَهُمْ وَيَرُدُّ مَا بَقِيَ عَلَى بَيْتِ الْمَالِ.
৬- স্বামী, মাতা এবং ভাইদের (উত্তরাধিকার) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

২১- আমাদের নিকট কাবীসাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সালিম থেকে, তিনি আশ-শা'বী থেকে বর্ণনা করেন যে: তিনি তাদের নির্ধারিত অংশসমূহ প্রদান করতেন এবং যা অবশিষ্ট থাকত তা বায়তুল মালে ফেরত দিতেন।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ৩০)
22- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، نا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ: أَنَّ عُمَرَ وَعَبْدَ [اللَّهِ] وَزَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ، كَانُوا يَقُولُونَ، لَمْ يَزِدْهُمُ الأَبُ إِلا قرباً.
২২- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবিছাহ, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে: নিশ্চয়ই উমর, আবদুল্লাহ এবং যায়দ ইবনে ছাবিত বলতেন, পিতা (দাদা) তাদের জন্য নৈকট্য ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করেনি।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌7- بَابُ ابْنَةِ أَخٍ وَعَمَّةٍ

23- حَدَّثَنَا خَلادٌ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ الشَّيْبَانِيِّ، عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: سُئِلَ عَنِ ابْنَةِ أَخٍ وَعَمَّةٍ؟ قَالَ: الْمَالُ لابنة الأخ.
৭- ভ্রাতুষ্পুত্রী এবং ফুফু সংক্রান্ত অধ্যায়

২৩- খাল্লাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান আশ-শায়বানী থেকে, তিনি আশ-শা‘বী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: তাকে ভ্রাতুষ্পুত্রী এবং ফুফু (এর মিরাস) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: সমুদয় সম্পদ ভ্রাতুষ্পুত্রীর জন্য।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌8- بَابُ بَنِي عَمٍّ أَحَدُهُمْ أَخٌ لأُمٍّ

24- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ: أَنَّهُ وَرَّثَ بَنِي عَمٍّ أَحَدُهُمْ أَخٌ لأُمٍّ فَأَعْطَى سَهْمَهُ، وَجَعَلَ مَا بَقِيَ بَيْنَهُمْ يورثه دونهم.
৮- পরিচ্ছেদ: এমন কয়েকজন চাচাতো ভাই যাদের একজন বৈপিত্রেয় ভাই

২৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবিছাহ ইবনে উকবাহ, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-হারিস থেকে এবং তিনি আলী ইবনে আবু তালিব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে: তিনি এমন কয়েকজন চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে উত্তরাধিকার বণ্টন করেন যাদের একজন ছিল বৈপিত্রেয় ভাই। অতঃপর তিনি তাকে তার (নির্ধারিত) অংশ প্রদান করেন এবং অবশিষ্ট যা ছিল তা তাদের মাঝে বণ্টন করেন; তিনি তাকেই অন্যদের পরিবর্তে উত্তরাধিকারী সাব্যস্ত করেন।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌9- بَابٌ فِي الْجَدِّ

25- حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا سفيان، عن إبراهيم: أن عمر وعبد الله وَزَيْدًا شَرَّكُوا جَمِيعًا -يَعْنِي فِي الْجَدِّ-.
৯- দাদা বিষয়ক পরিচ্ছেদ

২৫- আমাদের কাছে আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেন যে: উমর, আব্দুল্লাহ এবং যায়িদ সকলেই (উত্তরাধিকারে) অংশীদার সাব্যস্ত করেছেন—অর্থাৎ দাদার ক্ষেত্রে।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ৩২)
26- حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عن إبراهيم قال: كان عمر وعبد الله يَكْرَهَانِ أَنْ يُفَضِّلا أُمًّا عَلَى جدٍّ.
২৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর এবং আব্দুল্লাহ মাকে দাদার ওপর প্রাধান্য দেওয়া অপছন্দ করতেন।
(খণ্ড: ১) আল-ফারাইজু লিছ ছাওরী (পৃষ্ঠা: ৩২)
27- حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَسْرُوقٍ: فِي ابْنَةٍ وَأُخْتٍ وَجَدٍّ؛ قَالَ مِنْ أَرْبَعَةٍ.
২৭- ক্বাবীসাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আ'মাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি মাসরুক্ব থেকে বর্ণনা করেন: কন্যা, বোন এবং পিতামহের (উত্তরাধিকারের) বিষয়ে; তিনি বলেন, চার ভাগ থেকে।