(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: -)
الأربعون للبكري   (الصدر البكري)

القسم: كتب السنة


الكتاب: كتاب الأربعين حديثا (الأربعين من أربعين عن أربعين)

المؤلف: الحسن بن محمد بن محمد ابن عمروك التيمي النيسابورىّ ثم الدمشقيّ، أبو علي، صدر الدين البكري (ت 656 هـ)

المحقق: محمد محفوظ [ت 1408 هـ]

الناشر: دار الغرب الإسلامي

الطبعة: الأولى 1400 هـ - 1980 م

عدد الصفحات: 168

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-বাকরির আল-আরবাউন   (আস-সাদর আল-বাকরি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


বই: কিতাবুল আরবাউন হাদিস (চল্লিশজন উস্তাদ থেকে বর্ণিত চল্লিশটি হাদিস সংকলন)

লেখক: আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমরুক আত-তাইমি আন-নাইসাবুরি অতঃপর আদ-দিমাশকি, আবু আলি, সদরুদ্দিন আল-বাকরি (মৃত্যু ৬৫৬ হিজরি)

গবেষক/সম্পাদক: মুহাম্মদ মাহফুজ [মৃত্যু ১৪০৮ হিজরি]

প্রকাশক: দারুল গারব আল-ইসলামি

সংস্করণ: প্রথম ১৪০০ হিজরি - ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬৮

[বইটির পৃষ্ঠা বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: -)
كتاب الأربعين حديثا

الأربعين من أربعين عن أربعين

 

تأليف

صدر الدين أبي علي الحسن بن محمد البكري

(656 هـ)

 

حققه وعلق عليه

محمد محفوظ

 

دار الغرب الإسلامي

 

الطبعة الأولى

1400 هـ - 1980 م
চল্লিশ হাদীসের গ্রন্থ

চল্লিশ জন শায়খ থেকে বর্ণিত চল্লিশ জন রাবীর মাধ্যমে চল্লিশটি হাদীস

 

রচনায়

সদরুদ্দীন আবু আলী হাসান বিন মুহাম্মদ আল-বাকরী

(৬৫৬ হিজরি)

 

তাহকীক ও টীকা প্রদান করেছেন

মুহাম্মদ মাহফুজ

 

দারুল গারব আল-ইসলামী

 

প্রথম সংস্করণ

১৪০০ হিজরি - ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ١٩)
‌‌بسم الله الرحمن الرحيم

أخبرنا الإمام العالم الشريف الحافظ الرحال، صدر الدين أبو علي الحسن بن محمد بن محمد بن محمد بن محمد البكري التيمي بالقاهرة، قراءة عليه، أنا الشيخ مفتي الشرق، أبو بكر القاسم ابن الإمام أبي سعد عبد الله ابن الإمام أبي حفص عمر بن أحمد بن منصور بن محمد بن القاسم بن حبيب بن عبدون الشافعي رحمه الله وقراءة عليه في نيسابور في المرة الأولى، أنا الشيخ الخطيب أبو الأسعد هبة الرحمن بن عبد الواحد بن أبي القاسم عبد الكريم بن هوازن بن عبد الملك بن طلحة بن محمد القشيري، أنا أبو محمد عبد الحميد بن عبد الرحمن البحيري، أنا أبو نعيم عبد الملك بن الحسن بن محمد بن إسحاق (بن) أزهر الأزهري أنا خالي أبو عوانة يعقوب بن إسحاق بن إبراهيم بن إسحاق الحافظ الإسفراييني، ثنا يوسف بن سعيد المصيصي، ثنا محمد بن إبراهيم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম, আলিম, শরীফ, হাফিজ, পরিব্রাজক, সদরুদ্দিন আবু আলী আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাকরি আত-তৈমি কায়রোতে, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, প্রাচ্যের মুফতি, আবু বকর আল-কাসিম ইবনে ইমাম আবু সাদ আবদুল্লাহ ইবনে ইমাম আবু হাফস উমর ইবনে আহমাদ ইবনে মানসুর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-কাসিম ইবনে হাবিব ইবনে আবদুন আশ-শাফিয়ি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন), নিশাপুরে প্রথমবার তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আল-খতিব আবুল আসআদ হিবাতুর রহমান ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আবুল কাসিম আব্দুল করিম ইবনে হাওয়াজিন ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে তালহা ইবনে মুহাম্মাদ আল-কুশাইরি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-বুহাইরি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আব্দুল মালিক ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক (ইবনে) আজহার আল-আজহারি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার মামা আবু আওয়ানা ইয়াকুব ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইসহাক আল-হাফিজ আল-ইসফরাইনি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে সাঈদ আল-মাসসিসি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
القرميسيني، وأبو العباس الغزي، والعباس بن محمد، قالوا: ثنا عبيد الله بن موسى، وأخبرتنا أم الضياء بنت عبد الرزاق الحسن أباذي، قراءة عليها بأصبهان، قالت: أنا أبو القاسم زاهر بن طاهر، ثنا أبو الحسن عبد الله بن محمد … [ثنا] أبو بكر محمد بن أحمد بن الحسن الطاهري المديني، أنا أبو جعفر محمد بن عياش ابن إدريس الجصاص بالموصل، ثنا أبو الحسن علي بن حرب الطائي، ثنا عبيد الله ابن موسى. ح وأنا أبو حفص عمر بن محمد بن معمر بن يحيى بن أحمد بن حسان بن طبرزد البغدادي، بدمشق، وأخبرنا أبو محمد عبد العزيز بن محمود
আল-কিরমিসিনি, আবু আল-আব্বাস আল-গাজ্জি এবং আল-আব্বাস বিন মুহাম্মদ, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ বিন মুসা হাদীস বর্ণনা করেছেন। এবং উম্মুজ যিয়া বিনতে আবদুর রাজ্জাক আল-হাসান আবাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—ইসফাহানে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবু আল-কাসিম জহির বিন তাহির সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট আবু আল-হাসান আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ হাদীস বর্ণনা করেছেন … [আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন] আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আত-তাহিরি আল-মাদিনি, আমাদের নিকট মসুলে আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আইয়াশ ইবনে ইদ্রিস আল-জাসসাস সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট আবু আল-হাসান আলী বিন হারব আত-তাঈ হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ বিন মুসা হাদীস বর্ণনা করেছেন। (হাওয়াহ) এবং আমাদের নিকট দামেস্কে আবু হাফস ওমর বিন মুহাম্মদ বিন মা’মার বিন ইয়াহইয়া বিন আহমদ বিন হাসান বিন তাবারযাদ আল-বাগদাদি সংবাদ দিয়েছেন, এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন মাহমুদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢١)
ابن المبارك بن محمد بن الأخضر ببغداد في المرة الثانية [و] جماعة، قالوا: أنا الشيخ الصالح أبو العباس أحمد بن أبي غالب بن الطلاية الوراق [أنا] أبو القاسم عبد العزيز بن علي بن أحمد الأنماطي أنا أبو طاهر محمد بن عبد الرحمان المخلص ثنا أبو القاسم البغوي ثنا داود بن رشيد، ثنا الوليد بن مسلم، قالا: ثنا الأوزاعي
ইবনুল মুবারাক বিন মুহাম্মাদ বিন আল-আখদার বাগদাদে দ্বিতীয়বার [এবং] একদল লোক, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পুণ্যবান শায়খ আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আবি গালিব বিন আত-তালায়া আল-ওয়াররাক, [আমাদের সংবাদ দিয়েছেন] আবুল কাসিম আব্দুল আযীয বিন আলী বিন আহমাদ আল-আনমাতি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখলিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আল-বাগাভী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন রাশিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ বিন মুসলিম, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আওযাঈ।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
عن قرة، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((كل أمر ذي بال لا يبدأ فيه بالحمد لله فهو أقطع)) .. حق من يحمد، وأشهد أن لا إله إلا الله الذي لا ينبغي لسلطان أن يعبد وأشهد [أن محمداً عبده] ذو الدين الأحمد، ورضي الله عن ذريته وأصحابه الذين لا ينكر فضلهم ولا يجحد.

وأخبرنا أبو حفص عمر بن محمد بن معمر الأديب، [أنا] أبو الفتح مفلح بن
কুররাহ থেকে বর্ণিত, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ যা আল্লাহর প্রশংসা দ্বারা শুরু করা হয় না, তা লেজকাটা বা অসম্পূর্ণ)) .. তিনিই প্রশংসার প্রকৃত হকদার। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, যাঁর রাজত্ব ব্যতীত অন্য কারও ইবাদত করা সমীচীন নয়। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে [মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা], যিনি অত্যন্ত প্রশংসিত দ্বীনের অধিকারী। আল্লাহ তাঁর বংশধর এবং সাহাবীগণের ওপর সন্তুষ্ট হোন, যাঁদের শ্রেষ্ঠত্ব অস্বীকার বা প্রত্যাখ্যান করা যায় না।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন মুয়াম্মার আল-আদীব, [আমাদের সংবাদ দিয়েছেন] আবুল ফাতহ মুফলিহ বিন
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
أحمد الدومي أنا أبو بكر أحمد بن علي الحافظ، أنا أبو عمر الهاشمي أنا أبو علي اللؤلؤي، [أنا أبو داود، أنا أبو بكر بن أبي شيبة] . أنا محمد بن فضيل، عن أبي حيان، عن يزيد بن حيان، عن زيد بن أرقم رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطبهم فقال: ((أما بعد)) . هذا حديث صحيح المتن والإسناد عن الصحابة، عن النبي، ومنهم جرير بن عبد الله، وسمرة بن جندب
আহমদ আদ-দাওমি: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন আলী আল-হাফিয, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আল-হাশেমি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-লুলুয়ি, [আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু দাউদ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ]। আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ফুযাইল, তিনি আবু হাইয়ান থেকে, তিনি ইয়াযীদ বিন হাইয়ান থেকে, তিনি যায়েদ বিন আরকাম (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তাঁদের উদ্দেশ্যে ভাষণ প্রদান করেন এবং বলেন: ((অতঃপর))। এই হাদীসটি সাহাবীগণের সূত্রে নবী থেকে বর্ণিত, এর মূল পাঠ (মতন) ও সূত্র (ইসনাদ) সহীহ; তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জারীর বিন আবদুল্লাহ এবং সামুরাহ বিন জুনদুব।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
وعائشة.. أما بعد فإن جماعة من الأيمة الأعلام وصدور الإسلام.. يجمعها طريق الطاعات رجاء الثواب وحصول المبرات وقصد كل إمام … فناً من الفنون. فمنهم من جمعها ورتبها على أبواب الفقه وما يحتاج إليه ومنهم من جمع في الزهد والرقائق، ومنهم من جمع في فضل الجهاد، ومنهم من جمع في ذكر طبقات الصوفية، وأخبار مشايخ الطريقة، ومنهم من جمع الأحاديث الطوال، ومنهم من زرقه الله الرحلة -فذكر أحاديث البلاد. فأول من جمع كتاب الأربعين -فيما بلغنا- الإمام العالم الزاهد، إمام عصره، أبو عبد الرحمن عبد الله بن المبارك المروزي، والإمام الرباني أبو الحسن محمد بن أسلم الطوسي، والإمام المجتهد أبو العباس الحسن بن سفيان النسوي، وأبو بكر محمد بن الحسين الآجري، نزيل مكة، ومحمد بن إبراهيم بن علي [بن] المقرئ وأحمد بن حرب الزاهد النيسابوري، وإبراهيم بن علي الذهلي، وعبد الملك بن محمد الجرجاني، وأبو بكر محمد بن عبد الله بن محمد الجوزقي الحافظ، وشيخ السنة أحمد بن الحسين البيهقي، والحاكم أبو عبد الله محمد بن عبد الله النيسابوري، وأبو عبد الرحمن محمد بن الحسين السلمي، وأبو القاسم عبد الكريم بن
এবং আয়েশা... অতঃপর, নিশ্চয়ই প্রথিতযশা ইমামগণের একটি জামাত এবং ইসলামের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্বগণ... সওয়াবের প্রত্যাশা এবং পুণ্য অর্জনের লক্ষ্যে আনুগত্যের পথে তারা তা একত্রিত করেছেন। প্রত্যেক ইমামের উদ্দেশ্য ছিল জ্ঞানের এক একটি শাখা …। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ফিকহের অধ্যায়সমূহ এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ের আলোকে তা সংকলন ও বিন্যস্ত করেছেন। তাদের মধ্যে কেউ যুহদ (দুনিয়াবিমুখতা) ও রাকায়েক (হৃদয় বিগলিতকারী বিষয়) সম্পর্কে সংকলন করেছেন, কেউ জিহাদের ফজিলত সম্পর্কে সংকলন করেছেন, কেউ সুফিদের স্তরসমূহ এবং তরীকার মাশায়েখদের সংবাদ বর্ণনায় সংকলন করেছেন, কেউ দীর্ঘ হাদিসসমূহ একত্রিত করেছেন, আবার কাউকে আল্লাহ সফরের তাওফিক দান করেছেন বিধায় তিনি বিভিন্ন জনপদের হাদিসসমূহ উল্লেখ করেছেন। আমাদের নিকট যতটুকু তথ্য পৌঁছেছে সে অনুযায়ী, সর্বপ্রথম যিনি চল্লিশ হাদিসের কিতাব সংকলন করেছেন তিনি হলেন স্বীয় যুগের ইমাম, প্রখ্যাত আলেম ও যাহেদ আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আল-মারওয়াযী। এরপর ইমামে রাব্বানী আবু الحسن মুহাম্মদ বিন আসলাম আত-তূসী, ইমামে মুজতাহিদ আবুল আব্বাস হাসান বিন সুফিয়ান আন-নাসায়ী, মক্কায় বসবাসকারী আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-আজুরী, মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আলী আল-মুকরী, যাহেদ আহমদ বিন হারব আন-নিসাবূরী, ইবরাহিম বিন আলী আদ-দুহলী, আবদুল মালিক বিন মুহাম্মদ আল-জুরজানী, হাফেজ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-জাওযাকী, শাইখুস সুন্নাহ আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-বায়হাকী, আল-হাকিম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আন-নিসাবূরী, আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আস-সুলামী এবং আবুল কাসিম আবদুল কারীম বিন...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
هوازن القشيري، وأبو الحسن علي بن أحمد الدارقطني وأبو سعد أحمد بن محمد الماليني، وأبو سعد إسماعيل بن أبي صالح المؤذن، وإسماعيل بن عبد الغافر الفارسي، وبلغت أربعينياته إلى السبعين، وابنه عبد الغافر، وشيخ هراة أبو إسماعيل عبد الله الأنصاري، وحافظ أصبهان أبو نعيم أحمد بن عبد الله الأصبهاني، وفقيه الشام وزاهدهم أبو الفتح نصر بن إبراهيم المقدسي، وحافظهم ومؤرخهم أبو القاسم علي ابن الحسن بن عساكر جمع عدة أربعينيات ونزيل الإسكندرية الحافظ أبو طاهر أحمد ابن محمد السلفي، وخلق سوى هؤلاء من أيمة الحديث، شاهدت جمعهم وحرصهم على جمعها، ومذكراتهم بها، ما لو شرحته وعددته … كتاباً مفرداً بذكر تواليفهم، وتباين مقاصدهم، لكني إقتصرت على ذكر هؤلاء الثقات … الرواية عن أكثرهم. وكنت أظن أن هذا الباب إذ ما جمع بالمشرق خاصة لكثرة الـ … وتدوين المسندات، فذاكرت بعض من وصل من أهل المغرب هذا الحرف من حفاظ المغرب وفضلائه جمعوا أربعينيات في فنون كثيرة من العلوم. ولقد شاهدت كتاب الأربعين ألفه
হাওয়াজিন আল-কুশায়রী, এবং আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ আদ-দারা কুতনী, এবং আবু সা'দ আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-মালিনী, এবং আবু সা'দ ইসমাঈল বিন আবি সালিহ আল-মুআযযিন, এবং ইসমাঈল বিন আব্দুল গাফির আল-ফারিসী—যাঁরা আরবাঈন (চল্লিশ হাদীসের সংকলন) সমূহের সংখ্যা সত্তর পর্যন্ত পৌঁছেছে—এবং তাঁর পুত্র আব্দুল গাফির, এবং হেরাতের শায়খ আবু ইসমাঈল আব্দুল্লাহ আল-আনসারী, এবং আসবাহানের হাফিয আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আসবাহানী, এবং শামের ফকীহ ও তাঁদের মধ্যকার যাহেদ আবুল ফাতহ নাসর বিন ইবরাহীম আল-মাকদিসী, এবং তাঁদের হাফিয ও ঐতিহাসিক আবুল কাসিম আলী ইবনুল হাসান বিন আসাকির—যিনি একাধিক আরবাঈন সংকলন করেছেন—এবং আলেকজান্দ্রিয়ার নিবাসী হাফিয আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আস-সিলাফী। হাদীসের ইমামগণের মধ্যে এঁরা ব্যতীত আরও অসংখ্য ব্যক্তিত্ব রয়েছেন; আমি তাঁদের সংকলন, সেগুলো সংগ্রহের প্রতি তাঁদের আগ্রহ এবং সেগুলো নিয়ে তাঁদের আলোচনা পর্যবেক্ষণ করেছি, যা যদি আমি ব্যাখ্যা করতাম এবং গণনা করতাম … তবে তাঁদের রচনাবলী এবং তাঁদের বিচিত্র উদ্দেশ্যসমূহ উল্লেখ করার জন্য একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থের প্রয়োজন হতো। কিন্তু আমি কেবল এই নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের উল্লেখ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছি … তাঁদের অধিকাংশের থেকে বর্ণনা। আমি মনে করতাম যে, এই বিষয়টি বিশেষ করে প্রাচ্যেই সংকলিত হয়েছে সেখানকার … এর আধিক্য এবং মুসনাদসমূহ লিপিবদ্ধকরণের কারণে। অতঃপর আমি মাগরিবের (পাশ্চাত্য) অধিবাসীদের মধ্যে যারা এই বিষয়ে পারদর্শী এমন কিছু হাফিয ও গুণীজনের সাথে আলোচনা করলাম; তাঁরাও জ্ঞানের বহু শাখায় আরবাঈনসমূহ সংকলন করেছেন। এবং আমি অবশ্যই আরবাঈনের এমন একটি কিতাব দেখেছি যা রচনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
الفقيه الحافظ أبو القاسم محمد بن عبد الواحد الغافقي، جمع فيه أربعين حديثاً، عن أربعين من أربعين قبيلة، عن أربعين من الصحابة من أربعين قبيلة، عن أربعين تابعياً من أربعين قبيلة، من أربعين مسنداً، في أربعين باباً، ذكر فيه من الفرائد والفوائد ما دل على فضله وإتساع علمه، وذكر أنه لم يسبق إليها. فذاكرني بعض طلبة الحديث في جمع أربعين إقتداء بالأيمة الماضين، فنظرت إلى جمع أربعين، فلم أقصد إلى فن ولم أذكر معنى إلا وقد شاهدت أني قد سبقت إليه، أو قيل لي أنه قد جمع. ولقد شاهدت بمكة -حرسها الله تعالى- أربعين حديثاً جمعها شيخنا الفقيه أبو عبد الله محمد بن أبي الصيف اليماني، نزيل مكة -رحمه الله تعالى- عن أربعين شيخاً قدموا إلى مكة، من أربعين مدينة، وأربعين جمعت بنيسابور لوجيه بن طاهر الشحامي، خرجها له من

ফকীহ হাফিয আবুল কাসিম মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-গাফেকি এতে চল্লিশটি হাদিস সংকলন করেছেন; যা চল্লিশটি গোত্রের চল্লিশজন বর্ণনাকারী থেকে, তারা চল্লিশটি গোত্রের চল্লিশজন সাহাবী থেকে, তারা চল্লিশটি গোত্রের চল্লিশজন তাবিঈ থেকে এবং চল্লিশটি মুসনাদ গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত, যা চল্লিশটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত। এতে তিনি এমন সব বিরল ও জ্ঞানগর্ভ বিষয় উল্লেখ করেছেন যা তার শ্রেষ্ঠত্ব ও জ্ঞানের প্রশস্ততার প্রমাণ দেয়। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, এই পদ্ধতিতে ইতিপূর্বে কেউ তার অগ্রগামী ছিল না। ইলমে হাদিসের কিছু শিক্ষার্থী পূর্ববর্তী ইমামগণের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চল্লিশটি হাদিস সংকলন করার বিষয়ে আমার সাথে আলোচনা করলেন। অতঃপর আমি চল্লিশটি হাদিস সংকলনের প্রতি দৃষ্টিপাত করলাম। তবে আমি এমন কোনো শাস্ত্র বা বিষয়ের সংকল্প করিনি যাতে আমি ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হইনি অথবা আমাকে বলা হয়নি যে এটি ইতিমধ্যে সংকলিত হয়ে গেছে। আমি মক্কায়—আল্লাহ তাআলা একে হেফাজত করুন—চল্লিশটি হাদিস সংকলন দেখেছি যা আমাদের শায়খ ফকীহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবিস সাইফ আল-ইয়ামানি (মক্কার অধিবাসী)—আল্লাহ তাআলা তার প্রতি রহম করুন—সংকলন করেছেন। তিনি সেগুলো মক্কায় আগত চল্লিশটি ভিন্ন ভিন্ন শহরের চল্লিশজন শায়খ থেকে গ্রহণ করেছিলেন। তদ্রূপ ওয়াজিহ ইবনে তাহির আশ-শাহহামীর জন্য নিশাপুরে চল্লিশটি হাদিস সংকলন করা হয়েছিল, যা তার জন্য উদ্ধৃত করা হয়েছে...

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
مسموعاته علي بن عمر الطوسي المفيد، ورتب اليوم الأربعين من سنة أربعين وخمس مائة، عن أربعين شيخاً، عن أربعين من الصحابة والتزم أن يذكر في كل حديث لفظ الأربعين. ورأيت مثل هذا من جمع الحافظ أبي موسى المديني الأصبهاني رحمه الله وذكر في كل حديث منها أو أثر أو تفسير آية لفظ الأربعين، وزاد فيها أربعين أخرى ثانية بشرط الأولى، وقال: أنه لم يسبق إلى جمعها. وقد سبقه وجيه قبل جمعها بأربعين سنة. فإنه توفي رحمه الله بعد الثمانين وخمس مائة بعد ذلك بأربعين سنة.

فلما شاهدت مسارعة من تقدم من أيمة الحديث، ومن سبق منهم إلى الإملاء والتحديث إجتهدوا وجمعوا وبذلوا الجهد حداني ذلك على أن إستخرت الله سبحانه وتعالى، وقفوت أثرهم وسلكت سننهم لما روي أن من تشبه بقوم فهو منهم، والمرء مع من أحب. نفعنا الله بمحبتهم وحشرنا في زمرتهم [رأيت أن أجمع] أربعين حديثاً من أربعين كتاباً، كل كتاب يسمى بالأربعين عن أربعين من الصحابة في أربعين باباً من العلم، فإن كل حديث إذا أضيف إلى مثله صار باباً من الأبواب، ولم أذكر … من أربعين إلا وهي جميعها مسموع لي، واتفق لي أن أسمعها في اليوم الأربعين … وسبحانه، فكان بيني
তাঁহার শ্রুত বিষয়সমূহ আলী ইবনে ওমর আত-তুসী আল-মুফীদের নিকট হইতে প্রাপ্ত, এবং তিনি পাঁচশত চল্লিশ হিজরী সনের চল্লিশতম দিবসে চল্লিশজন শাইখের নিকট হইতে চল্লিশজন সাহাবীর সূত্রে ইহা বিন্যস্ত করিয়াছেন এবং প্রত্যেক হাদীসে 'চল্লিশ' শব্দটির উল্লেখ করিবার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকিয়াছেন। আমি হাফিজ আবু মূসা আল-মাদীনী আল-আসবাহানী (রহিমাহুল্লাহ)-এর সংকলনেও অনুরূপ দেখিয়াছি, যেখানে তিনি প্রত্যেক হাদীস, আসার কিংবা আয়াতের তাফসীরে 'চল্লিশ' শব্দের উল্লেখ করিয়াছেন। তিনি উহাতে প্রথমটির শর্তানুসারে দ্বিতীয় আরেকটি চল্লিশ যুক্ত করিয়াছেন এবং বলিয়াছেন যে, এই প্রকার সংকলনে তাঁহার পূর্বে কেহ অগ্রগামী হন নাই। অথচ ওয়াজিহ তাঁহার এই সংকলনের চল্লিশ বৎসর পূর্বেই এই বিষয়ে অগ্রগামী হইয়াছিলেন। কেননা তিনি (ওয়াজিহ) পাঁচশত আশি হিজরী সনের চল্লিশ বৎসর পর ইন্তেকাল করিয়াছেন।

অতঃপর যখন আমি হাদীসের পূর্ববর্তী ইমামগণের তৎপরতা প্রত্যক্ষ করিলাম—যাঁহারা শ্রুতিলখন ও বর্ণনা কার্যে অগ্রগামী ছিলেন, কঠোর পরিশ্রম করিয়াছেন, সংকলন করিয়াছেন এবং স্বীয় প্রচেষ্টা ব্যয় করিয়াছেন—তখন ইহা আমাকে মহান আল্লাহর নিকট ইস্তিখারা করিতে উদ্বুদ্ধ করিল। আমি তাঁহাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করিয়াছি এবং তাঁহাদের পথ অবলম্বন করিয়াছি; যেহেতু বর্ণিত রহিয়াছে যে, "যে ব্যক্তি যে জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করিবে, সে তাহাদেরই অন্তর্ভুক্ত গণ্য হইবে" এবং "মানুষ তাহারই সাথী হইবে যাহাকে সে ভালোবাসে"। আল্লাহ তাআলা যেন তাঁহাদের প্রতি আমাদের ভালোবাসার মাধ্যমে আমাদিগকে উপকৃত করেন এবং তাঁহাদের দলেই আমাদের হাশর করেন। [আমি স্থির করিয়াছি যে] চল্লিশটি কিতাব হইতে চল্লিশটি হাদীস সংকলন করিব, যে কিতাবসমূহের প্রত্যেকটি 'আরবাঈন' (চল্লিশ) নামে অভিহিত এবং চল্লিশজন সাহাবীর সূত্রে বর্ণিত ইলমের চল্লিশটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত। কেননা প্রতিটি হাদীস যখন তাহার সদৃশ হাদীসের সহিত যুক্ত হয়, তখন তাহা একটি স্বতন্ত্র অধ্যায়ে পরিণত হয়। আমি সেই চল্লিশের অন্তর্ভুক্ত এমন কিছুই উল্লেখ করি নাই যাহা আমার সরাসরি শ্রুত নহে। কাকতালীয়ভাবে আমি উহা চল্লিশতম দিবসেই শ্রবণ করিয়াছিলাম … এবং মহান আল্লাহ পবিত্র, আমার মাঝে …
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
وبين تاريخ أسماع وجيه الشحامي مائة سنة. وقد رويت.. {ذلك فضل الله يؤتيه من يشاء} . وقد بلغ ما سمعت من الأربعينات في رحلتي وتطوافي في البلاد ما يزيد على ستين منها. وقدمت ذكر الحديث المروي في فضل حفظها وتبليغها إلى الأمة وأهلها وإن كانت الأسانيد التي روي بها هذا الحديث … كلام للأيمة. وقد نقل عنهم أن الأسانيد الضعيفة إذا كثرت طرقها [وتعدد] رواتها التبست طرفاً من الصحة خاصة إذا كانت في فضائل الأعمال. وهذا الحديث قد رواه عن النبي صلى الله عليه وسلم أمير المؤمنين علي بن أبي طالب وعبد الله بن عباس، وعبد الله
ওয়াজিহ আশ-শাহহামী-এর শ্রবণের ইতিহাসের মধ্যবর্তী ব্যবধান একশত বছর। আর আমি বর্ণনা করেছি.. {এটি আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করেন}। আমার সফর এবং দেশভ্রমণের সময় আমি যে 'আরবাঈন' (চল্লিশ হাদিসের সংকলন) শুনেছি, তার সংখ্যা ষাটের অধিক। আর আমি সেগুলো মুখস্থ করা এবং উম্মত ও এর যোগ্য ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ফযিলত সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসটি আগে উল্লেখ করেছি, যদিও যে সকল সনদের মাধ্যমে এই হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে সেগুলো নিয়ে … ইমামগণের বক্তব্য রয়েছে। তাঁদের থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, দুর্বল সনদসমূহের যদি অনেকগুলো পথ থাকে এবং [সংখ্যাধিক্য] বর্ণনাকারী হয়, তবে তা কিছুটা সহীহ হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে যায়, বিশেষ করে যদি তা আমলের ফযিলত সংক্রান্ত হয়। আর এই হাদিসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন আমীরুল মুমিনীন আলী ইবনে আবি তালিব, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস এবং আবদুল্লাহ...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
بن عمر، ومعاذ بن جبل وأبو الدرداء، وعبد الله بن مسعود وأبو هريرة وجابر بن عبد الله، وأبو سعيد الخدري، وأبو أمامة الباهلي. وأنس بن مالك ونويرة. رضي الله عنهم أجمعين.

أما حديث علي بن أبي طالب رضي الله عنه وأرضاه- فأخبرتنا به رقية، وإسمها ستيك ابنة الحافظ أبي أحمد معمر بن عبد الواحد بن الفاخر بأصبهان، قالت: أخبرتنا فاطمة بنت محمد بن أحمد البغدادي، قالت: أنا أبو عثمان سعيد بن أبي سعيد العيار الصوفي، أنا أبو بكر محمد بن عبد الله بن زكريا الجوزقي، أنا محمد بن الحسن بن يحيى بن الأشعث، إملاءً ببخارا أنا أبو إسحاق إبراهيم بن محمد البغدادي، ثنا عبد الله بن أحمد بن عامر الطائي، حدثني أبي، حدثني علي بن موسى بن جعفر، حدثني أبي موسى ابن جعفر، حدثني أبي جعفر بن محمد، حدثني أبي محمد بن علي، حدثني أبي علي بن الحسين، حدثني أبي الحسين بن علي، حدثني أبي علي بن أبي طالب رضي الله عنهم أجمعين- قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً ينتفعون بها بعثه الله عز وجل يوم القيامة فقيهاً عالماً)) . قال الإمام أبو بكر البيهقي: هذا الإسناد من علي بن موسى الرضا إلى آخره كالشمس غير أن هذا الطائي لم يثبت عند أهل العلم بالحديث عن الله ما يوجب ثبوت خبره، وقد يكون ثقة على حسن
ইবনে উমর, মুয়াজ ইবনে জাবাল, আবু দারদা, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ, আবু হুরায়রা, জাবির ইবনে আবদুল্লাহ, আবু সাঈদ আল-খুদরি, আবু উমামা আল-বাহিলি, আনাস ইবনে মালিক এবং নুওয়াইরা (আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হোন)।

আলী ইবনে আবি তালিব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাঁকে সন্তুষ্ট করুন)-এর হাদিস সম্পর্কে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রুকাইয়া, যাঁর নাম সুতাইক বিনতে হাফিজ আবু আহমাদ মুয়াম্মার ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল ফাখির আসবাহানি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-বাগদাদি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-আইয়ার আস-সুফি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাকারিয়া আল-জাওজাকি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুল আশআস বুখারায় শ্রুতলিপি হিসেবে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগদাদি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আমির আত-তায়ি; তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আলী ইবনে মুসা ইবনে জাফর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমার পিতা মুসা ইবনে জাফর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমার পিতা জাফর ইবনে মুহাম্মদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমার পিতা মুহাম্মদ ইবনে আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমার পিতা আলী ইবনুল হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমার পিতা হুসাইন ইবনে আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমার পিতা আলী ইবনে আবি তালিব (আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: ((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের উপকারের জন্য চল্লিশটি হাদিস সংরক্ষণ করবে, মহান আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন ফকিহ ও আলিম হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন))। ইমাম আবু বকর আল-বায়হাকি বলেন: আলী ইবনে মুসা আর-রিদা থেকে শেষ পর্যন্ত এই সনদটি সূর্যের ন্যায় উজ্জ্বল, তবে এই তায়ি ব্যক্তিটি হাদিস বিশারদদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে (হাদিস বর্ণনার) ক্ষেত্রে এমন কিছু সাব্যস্ত করতে পারেননি যা তাঁর বর্ণনাকে প্রামাণ্য হিসেবে গ্রহণ করা আবশ্যক করে তোলে; তবে তিনি সচ্চরিত্রের ভিত্তিতে বিশ্বস্ত হতে পারেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣٠)
الظن به وقد رواه عباد بن صهيب، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جده. ورواه أيضاً عبد الملك بن هارون، عن أبيه عن جده. والمحفوظ إنما هو من رواية أهل البيت كما سقناه.

أما حديث البحر عبد الله بن عباس رضي الله عنهما فأخبرنا به أبو الحسن المؤيد بن محمد بن علي الطوسي، والشيخة المعمرة زينب بنت عبد الرحمن بن الحسن الشعري بنيسابور في المرة الأولى، قالا: أخبرتنا الحرة أم الخير فاطمة بنت [علي] بن المظفر بن الحسن بن زعبل المعلمة، قالت: أنا أبو الحسين عبد الغافر بن محمد بن عبد الغافر
তাঁর সম্পর্কে ধারণা; এটি ইবাদ ইবন সুহাইব বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে। আবদুল মালিক ইবন হারুনও এটি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে সংরক্ষিত (মাহফুজ) বিষয়টি মূলত আহলে বাইতের বর্ণনার মাধ্যমেই প্রাপ্ত, যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি।

আর সমুদ্র (আল-বাহর) উপাধিপ্রাপ্ত আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-মুআয়্যিদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী আত-তূসী এবং দীর্ঘায়ু প্রাপ্ত বিদুষী শাইখা যায়নাব বিনতে আবদুর রহমান ইবন আল-হাসান আশ-শা’রী নিসাবুরে প্রথমবার। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুররাহ উম্মুল খায়ের ফাতিমা বিনতে [আলী] ইবনুল মুজাফফর ইবনুল হাসান ইবন যাবাল আল-মুআল্লিমাহ। তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আবদুল গাফির ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল গাফির।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣١)
الفارسي، أنا أبو عمرو محمد بن أحمد بن حمدان الحيري، أنا أبو العباس الحسن بن سفيان النسوي، أنا علي بن حجر، ح، وأنا أبو روح عبد المعز بن محمد بن أبي الفضل الهروي بهراة، أنا أبو القاسم تميم بن أبي سعيد بن أبي العباس الجرجاني، أنا أبو بكر أحمد بن منصور بن خلف المغربي، ثنا عبد المؤمن بن إبراهيم العدل، أنا أبو محمد بن يزداد، ثنا محمد بن سليمان، ثنا محمد بن الحسن الحضرمي، قالا: ثنا إسحاق ابن نجيح، عن ابن جريج، عن عطاء بن أبي رباح، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً من السنة كنت له شفيعاً يوم القيامة)) وقد رواه عن علي بن حجر إسحاق بن إبراهيم التاجر، أناه جدي
আল-ফারিসি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামদান আল-হিরি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আল-হাসান বিন সুফিয়ান আল-নাসাউয়ি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন হুজর, (হ), এবং আমাকে হেরাতে সংবাদ দিয়েছেন আবু রুহ আব্দুল মুইজ বিন মুহাম্মদ বিন আবিল ফজল আল-হারাউয়ি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম তামিম বিন আবি সাঈদ বিন আবিল আব্বাস আল-জুরজানি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মানসুর বিন খালাফ আল-মাগরিবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মুমিন বিন ইব্রাহিম আল-আদল, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ বিন ইয়াজদাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-হাদরামি, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে নাজিহ, ইবনে জুরাইজ থেকে, আতা বিন আবি রাবাহ থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য সুন্নাহ হতে চল্লিশটি হাদিস সংরক্ষণ করবে, কিয়ামতের দিন আমি তাঁর জন্য সুপারিশকারী হব।" আর এটি আলি বিন হুজর থেকে ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-তাজির বর্ণনা করেছেন, যা আমাকে আমার দাদা সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣٢)
شيخ الإسلام أبو الفتوح البكري، رحمه الله قراءة عليه بالمسجد الحرام والمسجد الأقصى، ودمشق وغير ذلك، أنا أبو الأسعد هبة الرحمن بن عبد الواحد القشيري بنيسابور، أنا عمي أبو سعيد عبد الله بن عبد الكريم، أنا أبو بكر أحمد بن علي بن محمد الأصبهاني الحافظ، أنا أبو حامد أحمد بن محمد بن رجاء السرخسي، أنا أبو يعقوب إسحاق بن إبراهيم التاجر، أنا علي بن حجر، فذكره، وقد رواه عبد الله بن عباس عن معاذ بن جبل، وليس في الإسناد إسحاق بن نجيح الضعيف، أنا بذلك جدي أبو الفتوح، ووالدي أبو عبد الله، وجماعة من الأشراف، والمحدثين، والصوفية، في بلاد متفرقة، قالوا: أنا الحافظ أبو طاهر السلفي بثغر الإسكندرية في كتاب أربعين البلدان، من جمعه، أنا أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن محمود الثقفي، بأصبهان سنة ثمان وثمانين وأربعمائة، ثنا أبو أحمد عبد الله بن عمر بن مخلد العطار، ثنا أبو محمد جعفر بن محمد الخندقي، وكان له حفظ، ثنا محمد بن إبراهيم السائح، ثنا عبد المجيد بن عبد العزيز بن أبي رواو، عن أبيه، عن عطاء بن أبي رباح، عن ابن عباس، عن معاذ بن جبل رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

শাইখুল ইসলাম আবুল ফুতুহ আল-বাকরি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন), তাঁর নিকট মাসজিদুল হারাম, মাসজিদুল আকসা, দামেস্ক এবং অন্যান্য স্থানে পাঠ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আসআদ হিবাতুর রহমান ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-কুশাইরি নিশাপুরে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা আবু সাঈদ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল কারিম। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মাদ আল-আসফাহানি আল-হাফিয। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে রাজা আস-সারখাসি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আত-তাজির। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে হুজর, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন। আর এটি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে বর্ণনা করেছেন, আর এই সনদে দুর্বল বর্ণনাকারী ইসহাক ইবনে নাজিহ নেই। এই বিষয়ে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার দাদা আবুল ফুতুহ এবং আমার পিতা আবু আব্দুল্লাহ এবং বিভিন্ন দেশের একদল সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি, মুহাদ্দিস ও সুফিগণ। তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফিয আবু তাহির আস-সিলাফি ইস্কান্দারিয়া সীমান্তে, তাঁর সংকলিত 'আরবাঈন আল-বুলদান' নামক কিতাবে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফাদল ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি আসফাহানে চারশত আটাশি হিজরি সনে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ আব্দুল্লাহ ইবনে উমার ইবনে মাখলাদ আল-আত্তার। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আল-খান্দাকি, আর তাঁর প্রখর স্মৃতিশক্তি ছিল। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম আস-সাইহ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল মাজিদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আবি রাওয়াদ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি মুয়াজ ইবনে জাবাল (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣٣)
((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً من أمر دينها بعثه الله يوم القيامة في زمرة الفقهاء والعلماء)) .

وأما حديث عبد الله بن عمر رضي الله عنهما فأخبرنا به أبو الحسن المؤيد بن محمد بن علي الطوسي بنيسابور، أنا أبو سعد محمد بن جامع بن أبي نصر [بن أبي بكر الصيرفي المعروف بخياط الصوف، أنا أبو القاسم الفضل بن أحمد بن محمد الجرجاني، أنا أبو سعد عبد الرحمن بن حمدان النصروي، أنا أبو النصر شافع بن محمد الإسفراييني، أنا يعقوب بن إسحاق العسقلاني، إملاء من حفظه، أنا أبو أحمد حميد بن زنجويه، ثنا يحيى بن عبد الله بن بكير، ثنا مالك، عن نافع، عن ابن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي أربعين
((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য দ্বীনি বিষয়ে চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে ফকীহ ও আলেমদের দলভুক্ত করে পুনরুত্থিত করবেন।))।

আর আব্দুল্লাহ বিন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বর্ণিত হাদিসটি সম্পর্কে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-মুয়াইয়িদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আত-তুসী নাইশাপুরে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ বিন জামে' বিন আবি নাসর [বিন আবি বকর আস-সাইরাফি, যিনি খইয়্যাত আস-সূফ নামে পরিচিত], তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-ফজল বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-জুরজানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আব্দুর রহমান বিন হামদান আন-নাসরাউই, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর শাফি' বিন মুহাম্মদ আল-ইসফরাইনি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-আসকালানি—তার স্মৃতি থেকে শ্রুতলিপি হিসেবে—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ হুমাইদ বিন যানজুয়াইহ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মালিক, নাফি' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য চল্লিশটি...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
حديثاً من السنة حتى يؤديها، كنت له شفيعاً أو شهيداً يوم القيامة)) ، وقد رواه عمرو ابن دينار، عن عبد الله بن عمر، بلفظ آخر أصرح وأرجا في حصول الثواب، أخبرناه جدي أبو الفتوح رحمه الله مشافهة مراراً من كتاب أبي عبد الله الحسين بن نصر ابن محمد بن خميس الموصلي، أنا القاضي أبو نصر محمد بن علي بن عبيد الله بن ودعان، ثنا أبو سعيد الأذني، ثنا أبو محمد عبد الله بن أحمد القاضي، ثنا أبي، ثنا أبو علي الحسن بن الصباح البزار، ثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن عبد الله بن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من نقل عني إلى من لم يلحقني من أمتي أربعين حديثاً كتب في زمرة العلماء وحشر في جملة الشهداء)) .
সুন্নাহর হাদীসসমূহ যেন তিনি তা পৌঁছে দেন, কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী অথবা সাক্ষী হব। আর আমর ইবনে দীনার এটি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে অন্য এক পাঠে বর্ণনা করেছেন যা সাওয়াব অর্জনের ক্ষেত্রে আরও সুস্পষ্ট এবং আশাব্যঞ্জক। আমাকে এটি আমার দাদা আবু আল-ফুতুহ (রাহিমাহুল্লাহ) আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন নাসর ইবনে মুহাম্মদ বিন খামিস আল-মাওসিলীর কিতাব থেকে মৌখিকভাবে বারবার সংবাদ দিয়েছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু নাসর মুহাম্মদ বিন আলী বিন উবাইদুল্লাহ বিন ওয়াদআন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আল-আযানি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আল-কাজী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আস-সাব্বাহ আল-বাযযার, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, তিনি আমর বিন দীনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমার উম্মতের মধ্যে যারা আমার সাক্ষাৎ পায়নি তাদের নিকট আমার পক্ষ থেকে যে ব্যক্তি চল্লিশটি হাদীস পৌঁছে দেবে, তাকে আলেমদের জামাতে অন্তর্ভুক্ত হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং শহীদদের দলে হাশর করানো হবে।"
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
وأما حديث معاذ بن جبل فأخبرني به جدي ووالدي، والقاضي أبو طالب أحمد بن عبد الله بن حديد الإسكندري، بدمشق قالوا: أنا الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد السلفي بالإسكندرية، أنا أبو عبد الله الثقفي بأصبهان أخبرنا أبو عبد الله سفيان بن محمد ابن الحسن بن عبد الله بن حسنكويه، قراءة عليه سنة خمس وأربع مائة، أنا أبو القاسم منصور بن جعفر الصيرفي، ببغداد، ثنا عبد الله بن سليمان، ثنا عباد بن يعقوب بن حاتم، عن شعيب بن سليمان السلمي، عن إسماعيل بن أبي زياد، عن معاذ

আর মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে আমাকে আমার দাদা, আমার পিতা এবং দামেস্কের বিচারক আবু তালিব আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাদিদ আল-ইসকান্দারি অবহিত করেছেন। তাঁরা বলেন: হাফেজ আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আস-সিলাফি আল-ইসকান্দারিয়ায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইসফাহানে আবু আব্দুল্লাহ আস-সাকাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আব্দুল্লাহ সুফিয়ান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হাসনাকুইয়া চারশ পাঁচ হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: বাগদাদে আবুল কাসিম মানসুর ইবনে জাফর আস-সাইরাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্বাদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে হাতিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি শুয়াইব ইবনে সুলাইমান আস-সুলামি থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে আবি জিয়াদ থেকে, তিনি মুয়াজ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন।

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
ابن جبل، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً في أمر دينها بعثه الله يوم القيامة عالماً فقيهاً)) .

أما حديث أبي الدرداء قاضي الشام رضي الله عنه فأخبرنا به أبو حفص عمر بن محمد بن معمر الدارقزي: قدم علينا دمشق، أنا أبو القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحصين، ببغداد، أنا أبو طالب محمد بن محمد بن إبراهيم بن غيلان، البزاز، أنا أبو بكر محمد بن عبد الله الشافعي، قراءة عليه وأنا أسمع، ثنا أبو بكر عبد الله بن محمد بن الدنيا، ثنا الفضل بن غانم، ثنا عبد الملك بن هارون بن عنترة، عن أبيه، عن جده، عن أبي الدرداء، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً من أمر دينها بعثه الله فقيهاً، وكتبه يوم القيامة شافعاً وشهيداً)) .

أما حديث عبد الله بن مسعود رضي الله عنه فأخبرناه جدي ووالدي -رحمهما الله- بدمشق قالا: أنا الحافظ أبو القاسم علي بن الحسن بن عساكر، المؤرخ بدمشق، أنا أبو
ইবনে জাবাল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনি বিষয়ে চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে একজন আলেম ও ফকিহ হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন।"

আর শামের বিচারক আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদিসটি আমাদের অবহিত করেছেন আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মা'মার আদ-দারকাযি: তিনি আমাদের কাছে দামেস্কে এসেছিলেন, তিনি বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল হুসাইন, বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে গায়লান আল-বায্যায, তিনি বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আশ-শাফিঈ, যা তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুদ দুনিয়া, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-ফাদল ইবনে গানিম, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল মালিক ইবনে হারুন ইবনে আনতারা, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে এবং তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেছেন, আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনি বিষয়ে চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ করবে, আল্লাহ তাকে ফকিহ হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন এবং কিয়ামতের দিন তাকে সুপারিশকারী ও সাক্ষী হিসেবে লিপিবদ্ধ করবেন।"

আর আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদিসটি আমাদের জানিয়েছেন আমার দাদা এবং পিতা—আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর রহম করুন—দামেস্কে; তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের খবর দিয়েছেন হাফেজ আবুল কাসিম আলী ইবনুল হাসান ইবনে আসাকির, যিনি দামেস্কের ঐতিহাসিক ছিলেন, তিনি বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন আবু...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣٧)
نصر أحمد بن عمر بن محمد الأصبهاني المعروف بالغازي بأصبهان، أنا أبو الحسين أحمد بن عبد الرحمن بن محمد المعدل، أنا أبو بكر أحمد بن موسى بن مردويه الحافظ، ثنا عبد الباقي بن قانع، ثنا الحسين بن إسحاق، ثنا محمد بن حفص الحرامي، ثنا عبد الرحمن بن محمد الأسدي، ثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً ينفعهم الله بها)) وقيل له: ادخل الجنة من أي أبواب الجنة شئت قال الحافظ أبو القاسم، إنما هو الحزامي، بالميم ابن أبي حزام، وهو كوفي، وذكر صوابه بحديث آخر ساقه بإسناد، وهو مبين بالميم. وقد قال غيره فيه: الحرامي، نسبة إلى بني حرام.

নাসর আহমদ ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-আসবাহানী, যিনি আসবাহানে আল-গাজী নামে পরিচিত, আমাদের অবহিত করেছেন, আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-মুয়াদ্দিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ ইবনে মুসা ইবনে মারদুওয়াইহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল বাকি ইবনে কানি‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে হাফস আল-হারামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-আসাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম থেকে, তিনি আবু ওয়ািল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: ((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের উপকারের জন্য চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে এর মাধ্যমে উপকৃত করবেন)) এবং তাকে বলা হবে: জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে ইচ্ছা তুমি প্রবেশ করো। হাফিজ আবু আল-কাসিম বলেন: এটি মূলত আল-হিযামী (শেষে মীম বর্ণ যোগে), যিনি ইবনে আবি হিযাম এবং তিনি কূফার অধিবাসী। তিনি অন্য একটি হাদীসে সনদসহ এর সঠিক রূপটি উল্লেখ করেছেন যেখানে মীম দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। তবে অন্য বর্ণনাকারীগণ তাঁকে ‘আল-হারামী’ বলেছেন, যা বনী হারাম গোত্রের দিকে সম্বন্ধযুক্ত।

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣٨)
وأما حديث أبي هريرة رضي الله عنه فأخبرناه أبو روح عبد المعز بن محمد بن أبي الفضل البزار بهراة. أنا أبو القاسم تميم بن أبي سعيد بن أبي العباس الجرجاني، أنا أبو بكر أحمد بن منصور بن خلف المغربي، ثنا أبو الحسن عبد الرحمن بن إبراهيم، ثنا عبد الله بن يزداد، ثنا محمد بن سليمان الحضرمي، ثنا إسحاق بن نجيح، عن عطاء الخراساني، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً من السنة كنت له شفيعاً يوم القيامة)) . ورواه عن أبي هريرة مجاهد بن جبر مثل هذا، وفيه زيادة، أخبرتنا أم الضياء قمر ستي بنت عبد الرزاق الحسناباذي، قالت: أنا أبو القاسم الشحامي، أنا أبو سعد الكنجروذي، أنا أبو عمرو بن حمدان، أنا أبو يعلى الموصلي، ثنا عمرو بن الحصين، ثنا ابن علاثة، عن خصيف، عن مجاهد، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

আর আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদীসের ব্যাপারে বলা যায়, হেরাতে আবু রূহ আবদুল মুইজ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবুল ফযল আল-বাযযার আমাদের তা অবহিত করেছেন। আবুল কাসিম তামীম ইবন আবু সাঈদ ইবন আবুল আব্বাস আল-জুরজানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ ইবন মানসুর ইবন খালাফ আল-মাগরিবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আবদুর রহমান ইবন ইবরাহীম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবন ইযদাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন সুলায়মান আল-হাদরামি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবন নাজীহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আতা আল-খুরাসানি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য সুন্নাহ থেকে চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ রাখবে, কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী হব))। আর মুজাহিদ ইবন জাবর আবু হুরায়রা থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং এতে বর্ধিত অংশ রয়েছে; উম্মুদ দিয়া কামার সিত্তি বিনতে আবদুর রাজ্জাক আল-হাসনাবাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আশ-শাহামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সা'দ আল-কানজুরূযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর ইবন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমর ইবনুল হুসাইন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবন উলাসাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খুসাইফ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٣٩)
((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً فيما ينفعهم من أمر دينهم بعث يوم القيامة من العلماء، وفضل العالم على العابد سبعين درجة، الله أعلم ما بين كل درجتين)) .

وأما حديث جابر بن عبد الله الأنصاري رضي الله عنه ففيه ذكر فضيلة التبليغ من غير ذكر لفظ الأربعين، أخبرتنا الحرة المعمرة رقية بنت الحافظ أبي أحمد معمر بن عبد الواحد بن الفاخر بأصبهان قالت: أخبرتنا فاطمة بنت محمد بن أحمد البغدادي، قالت: أنا أبو عثمان سعيد بن أبي سعيد العيار، أنا أبو بكر الجوزقي، أنا إسماعيل بن إسماعيل الصفار، ببغداد، ثنا الحسن بن عرفة، حدثني خالد بن حيان الرقي أبو يزيد، عن فرات بن سلمان، وعيسى بن أبي كثير، عن أبي رجاء، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر بن عبد الله الأنصاري، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من بلغه عن الله شيء فيه فضيلة، فأخذ به إيماناً به،
((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনের ব্যাপারে উপকারী এমন চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ করবে, কিয়ামতের দিন তাকে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত করে পুনরুত্থিত করা হবে। আর আবেদের তুলনায় আলেমের মর্যাদা সত্তর স্তর বেশি; দুই স্তরের মধ্যবর্তী ব্যবধান সম্পর্কে আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।))।

আর জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনসারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদীসটির ক্ষেত্রে এতে 'চল্লিশ' শব্দটির উল্লেখ ছাড়াই দ্বীন প্রচারের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। ইসফাহানের প্রবীণা বিদুষী রুকাইয়া বিনতে হাফেজ আবু আহমদ মুয়াম্মার ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল ফাখির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উসমান সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ আল-আইয়ার আমাকে জানিয়েছেন, আবু বকর আল-জাওযাকী আমাকে জানিয়েছেন, বাগদাদে ইসমাইল ইবনে ইসমাইল আস-সাফফার আমাকে জানিয়েছেন, হাসান ইবনে আরাফা আমাদের বর্ণনা করেছেন, খালেদ ইবনে হাইয়ান আর-রাক্কী আবু ইয়াজিদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ফুরাত ইবনে সালমান ও ঈসা ইবনে আবু কাসীর থেকে, তারা আবু রাজা থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবু কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনসারী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: ((আল্লাহর পক্ষ থেকে যার কাছে ফজিলতপূর্ণ কোনো বিষয় পৌঁছেছে, অতঃপর সে তার প্রতি বিশ্বাস রেখে তা গ্রহণ করেছে...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٤٠)
ورجاء ثوابه، أعطاه الله ذلك، وإن لم يكن كذلك، وقد روى هذا الحديث عن محمد بن واسع وثابت البناني، وأبان، عن أنس. وفي الباب أيضاً عن أبي هريرة، وعبد الله بن عمر. وله طرق كثيرة رواها جماعة من الأيمة والحفاظ في فوائدهم.

أما حديث أبي سعيد الخدري رضي الله عنه فأخبرناه أبو البركات الحسن بن محمد ابن الحسن المعدل بدمشق، أنا عمي الحافظ أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله المؤرخ: أنا أبو بكر محمد بن محمود بنيسابور، أنا محمد بن علي بن عبيد الله بن أحمد بن ودعان، أنا أبو الفتح أحمد بن عبيد الله بن أحمد بن ودعان، أنا أبو العباس أحمد بن
এবং তাঁর সওয়াবের আশায়, আল্লাহ তাকে তা দান করবেন, যদিও বিষয়টি তেমন না হয়। আর এই হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াসি', সাবিত আল-বুনানী এবং আবান হতে আনাস-এর সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এবং এই বিষয়ে আবু হুরাইরাহ ও আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকেও বর্ণিত হয়েছে। এর অনেকগুলো সূত্র বা পথ রয়েছে যা একদল ইমাম এবং হাফেয তাঁদের ‘ফাওয়ায়েদ’ গ্রন্থসমূহে বর্ণনা করেছেন।

আর আবু সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের বিষয়ে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল বারাকাত আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আল-মুআদ্দিল দামেস্কে, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আমার চাচা হাফেয আবুল কাসিম আলী ইবনুল হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-মুয়াররিখ; তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে মাহমুদ নিশাপুরে; তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ওয়াদআন; তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবুল ফাতহ আহমাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ওয়াদআন; তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٤١)
الحسين المؤدب، ثنا علي بن شعيب البزاز بالرقة، ثنا إسماعيل بن إبراهيم الأسدي، ثنا عباد بن إسحاق، ثنا عبد الرحمن بن معاوية، عن الحارث مولى سباع، عن أبي سعيد الخدري، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً من سنتي ادخلته يوم القيامة في شفاعتي)) .

আল-হুসাইন আল-মুয়াদ্দিব, আলী ইবনে শুয়াইব আল-বাযযায আর-রাক্কায় আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে ইব্রাহীম আল-আসাদী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্বাদ ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে মুয়াবিয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সিবায়ে-এর মুক্তদাস হারিস থেকে বর্ণিত, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য আমার সুন্নাহ থেকে চল্লিশটি হাদীস সংরক্ষণ করবে, আমি তাকে কিয়ামতের দিন আমার সুপারিশের অন্তর্ভুক্ত করব।"

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٤٢)
ورواه أبو الخير زيد بن عبد الله بن رفاعة الهاشمي، عن علي بن شعيب، نحو ما أوردناه.

أما حديث أبو أمامة الباهلي رضي الله عنه فأخبرناه أبو البركات -المقدم ذكره- أنا عمي أبو القاسم الحافظ، أنا أبو سعد عطاء بن أبي الفضل بن أبي سعد الصوفي المعروف بالمعلم بهراة، أنا أبو إسماعيل عبد الله بن محمد بن علي الأنصاري الهروي الواعظ، أنا أبو يعقوب الحافظ، يعني إسحاق بن إبراهيم، أنا الخليل، يعني ابن أحمد القاضي، أنا ابن صاعد، ثنا يحيى بن عبد الباقي الأذني، ثنا علي بن الحسن، ثنا عبد الرزاق، ثنا معمر، عن أبي غالب، عن أبي أمامة، قال: قال رسول
আবু আল-খাইর যায়িদ বিন আবদুল্লাহ বিন রিফাআহ আল-হাশিমী এটি আলী বিন শুয়াইব থেকে বর্ণনা করেছেন, আমরা যা উল্লেখ করেছি তার অনুরূপ।

আর আবু উমামা আল-বাহিলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদীস সম্পর্কে আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-বারাকাত—যার কথা পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে—তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আমার চাচা আবু আল-কাসিম আল-হাফিয, তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আবু সা'দ আতা বিন আবিল ফাযল বিন আবি সা'দ আস-সূফী, যিনি হিরাতে 'মুআল্লিম' নামে পরিচিত, তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আবু ইসমাঈল আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-আনসারী আল-হারাভী আল-ওয়ায়িয, তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আবু ইয়াকুব আল-হাফিয, অর্থাৎ ইসহাক বিন ইবরাহিম, তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আল-খালীল, অর্থাৎ ইবনু আহমাদ আল-কাযী, তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন ইবনু সাঈদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল বাকী আল-আযানী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-হাসান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার, আবু গালিব থেকে, তিনি আবু উমামা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন:
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٤٣)
الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً فيما ينوبهم وينفعهم من أمر دينهم، حشره الله يوم القيامة فقيهاً)) .

أما حديث أنس بن مالك، خادم رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورضي الله عنه- فأخبرناه مسند خراسان أبو الحسن المؤيد بن محمد بن علي الطوسي، وحرة بنت عبد الرحمن بن الحسن، بالشاذياخ، قالا: أخبرتنا فاطمة بنت علي المعلمة، قالت: أنا أبو الحسين عبد الغافر بن محمد الفارسي، أنا أبو عمرو بن حمدان، أنا الحسن بن سفيان، ثنا حميد، ثنا الحجاج بن نصير، ثنا حفص بن جميع، عن أبان، عن أنس بن مالك، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনী বিষয়ের মাঝে প্রয়োজনীয় ও উপকারী চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ রাখবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে ফকীহ হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন।)) ।

আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খাদেম আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদীসটি হলো—আমাদের তা জানিয়েছেন খুরাসানের মুসনিদ আবুল হাসান আল-মুয়াইয়িদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আলী আত-তুসী এবং হাররাহ বিনতে আবদুর রহমান ইবনুল হাসান, শাযিয়াখে; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতেমা বিনতে আলী আল-মুয়াল্লিমা, তিনি বলেছেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আবদুল গাফির ইবন মুহাম্মাদ আল-ফারিসী, তিনি বলেছেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবন হামদান, তিনি বলেছেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবন সুফিয়ান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হাজ্জাজ ইবন নুসায়ের, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাফস ইবন জামি‘, আবান থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٤٤)
أربعين حديثاً مما يحتاجون إليه كتبه الله فقيهاً عالماً)) ورواه إبراهيم التيمي، عن أنس بلفظ آخر، أخبرتناه ستيك بنت معمر بن عبد الواحد بأصبهان، قالت: أخبرتنا فاطمة بنت محمد البغدادي، قالت: أنا أبو عثمان العيار، أنا أبو بكر الجوزقي، أنا أبو الحسن علي بن محمد بن سختويه، ثنا عبد الله بن الليث المروزي، ثنا يزيد بن الحربة، ثنا عبد الله بن خراش، عن العوام بن حوشب، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أنس بن مالك، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً من أمر دينها بعثه الله يوم القيامة شريفاً عالماً)) . ورواه معلى بن هلال، عن أبان، بلفظ أخبرناه أبو الروح الصوفي بهراة، أنا أبو القاسم زاهر بن طاهر بن محمد الشحامي النيسابوري، أنا أبو عثمان البحيري، أنا أبو زاهر بن أحمد السرخسي، أنا وكيع، ثنا محمد بن أسلم الطوسي، ثنا أشرف بن محمد، ثنا معلى بن

...চল্লিশটি হাদিস যা তাদের প্রয়োজন, আল্লাহ তাকে ফকিহ ও আলেম হিসেবে লিপিবদ্ধ করবেন।)) এবং ইব্রাহিম আত-তাইমি এটি আনাস থেকে ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন। আস্পাহানে সুতিক বিনতে মুয়াম্মার ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান আল-আইয়ার, আমার নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-জাওজাকি, আমার নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাখতাওয়াইহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল লাইস আল-মারওয়াজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনুল হারবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে খিরাশ, তিনি আওয়াম ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনের বিষয়াবলীর অন্তর্ভুক্ত চল্লিশটি হাদিস সংরক্ষণ করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে একজন সম্মানিত আলেম হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন।))। এবং মুয়াল্লা ইবনে হিলাল এটি আবান থেকে বর্ণনা করেছেন; হিরাতে আবু রাওহ আস-সুফি আমাদের নিকট এটি সংবাদ দিয়েছেন, আমার নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম জহির ইবনে তাহির ইবনে মুহাম্মদ আশ-শাহামি আন-নিসাবুরি, আমার নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান আল-বুহাইরি, আমার নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু জাহির ইবনে আহমাদ আস-সারখাসি, আমার নিকট সংবাদ দিয়েছেন ওয়াকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আসলাম আত-তুসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আশরাফ ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াল্লা ইবনে

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٤٥)
هلال، عن أبان، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((ما من مسلم يحفظ على أمتي أربعين حديثاً يعلمهم من دينهم إلا بعثه الله يوم القيامة فقيهاً عالماً)) . وقد روي من طرق كثيرة عن أنس بن مالك، لو ذكرتها جاءت كتاباً مفرداً.

أما حديث نويرة الصاحب رضي الله عنه فأخبرناه جدي رحمه الله بدمشق، والحرة زينب بنت عبد الرحمن الشعري، بنيسابور، قالا: أنا أبو البركات عبد الله بن محمد الفراوي، قال جدي: إذناً، وقالت الحرة: سماعاً، أنا أبو بكر محمد بن إسماعيل التفليسي، أنا أبو يعلى حمزة بن عبد العزيز المهلبي، أنا أبو الحسن محمد بن محمد الكارزيني، ثنا أحمد بن تويه العطار المروزي، ثنا أحمد بن مصعب المروزي، ثنا عمر بن إبراهيم، ثنا مغلس بن عبدة العجلي، عن خاله مقاتل بن حيان، عن قتادة، عن نويرة، صاحب النبي صلى الله عليه وسلم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من حفظ على أمتي أربعين حديثاً في دينها حشر مع
হিলাল, আবান থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ((যে কোনো মুসলিম আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীন সম্পর্কিত চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ করবে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন ফকীহ ও আলিম হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন।)) আর এটি আনাস ইবনে মালিক থেকে অনেকগুলো সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, যা উল্লেখ করলে একটি স্বতন্ত্র কিতাব হয়ে যাবে।

আর সাহাবী নুয়াইরাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদীসটি আমাদের জানিয়েছেন আমার দাদা (রাহিমাহুল্লাহ) দামেস্কে এবং আল-হুররাহ যায়নাব বিনতে আবদুর রহমান আশ-শা'রী নিশাপুরে। তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবুল বারাকাত আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফারাওয়ী; আমার দাদা বলেন: অনুমতিক্রমে, আর আল-হুররাহ বলেন: সরাসরি শুনে; আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আত-তাফলিসি; আমাদের জানিয়েছেন আবু ইয়া'লা হামযাহ ইবনে আবদুল আযীয আল-মুহাল্লাবী; আমাদের জানিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কারযিনী; আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে তুয়াইহ আল-আত্তার আল-মারওয়াযী; আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মুসআব আল-মারওয়াযী; আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে ইবরাহীম; আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুগাল্লাস ইবনে আবদাহ আল-ইজলী; তিনি তাঁর মামা মুকাতিল ইবনে হাইয়ান থেকে; তিনি কাতাদাহ থেকে; তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী নুয়াইরাহ থেকে; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীনের ব্যাপারে চল্লিশটি হাদীস মুখস্থ করবে, তাকে হাশর করা হবে...))
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊনা লিল বাকরী (পৃষ্ঠা: ٤٦)
العلماء يوم القيامة)) . وقال غير أبي عبد الرحمن أحمد بن مصعب المروزي، ثنا عمر بن هارون، بدلاً من إبراهيم. قلت: ونويرة هذا لم يذكره أحد من مصنفي كتب الصحابة إلا أبا موسى المديني، الحافظ، استدركه في جملة الصحابة على من تقدمه، وأورد هذا الحديث من غير هذا الطريق، وقد ذكره أبو البركات الفراوي -كما أورده- في كتاب ((الأربعين التساعية)) من روايته، والله أعلم. وقد اختصرت في رواية هذا الحديث عن هؤلاء السادة الصحابة رضي الله عنهم ولو ذكرت ما اتصل لي منها في أوائل ما سمعته من كتب الأربعين، لطال ذلك. ولا شك أن لهذا العدد المذكور بلفظ الأربعين فضلاً ومزية، فإن الله سبحانه وتعالى ذكره في كتابه العزيز: [الذي، لا] يأتيه الباطل من بين يديه ولا من خلفه، بقوله تعالى في قصة موسى عليه السلام: {وواعدنا موسى ثلاثين ليلة} . وقوله تعالى: {فتم ميقات ربه أربعين ليلة} .

وفي ذكر قوم موسى {فإنها محرمة عليهم أربعين سنة} ، وقال تعالى وتقدس: {حتى إذا بلغ أشده وبلغ أربعين سنة} . وروى ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ((ما من رجل مسلم يموت فيقوم على جنازته أربعون رجلاً لا يشركون بالله شيئاً إلا نفعهم الله فيه)) . أورده مسلم في الصحيح بهذا اللفظ، وفي الصحيح أيضاً عند ذكر الدجال، من رواية عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما ((أن الدجال يخرج فيمكث أربعين، لا أدري أربعين يوماً أو أربعين شهراً، أو أربعين عاماً)) .
(কিয়ামতের দিন আলেমগণ)। আবু আব্দুর রহমান আহমাদ বিন মুসআব আল-মারওয়াযী ব্যতীত অন্য কেউ বলেছেন, ইব্রাহীমের পরিবর্তে উমর বিন হারুন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি বলছি: এই নুওয়াইরাহ-এর কথা সাহাবীগণের জীবনীগ্রন্থ রচয়িতাদের মধ্যে কেবল হাফেয আবু মুসা আল-মাদীনী উল্লেখ করেছেন; তিনি তাঁর পূর্ববর্তী লেখকদের বাদ পড়া সাহাবীগণের তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে তাকে সাহাবী হিসেবে গণ্য করেছেন এবং এই হাদীসটি ভিন্ন একটি সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবুল বারাকাত আল-ফারাবী—যেমনি তিনি বর্ণনা করেছেন—তাঁর 'আল-আরবাউন আত-তিসইয়্যাহ' গ্রন্থে তাঁর বর্ণনাসূত্রে এটি উল্লেখ করেছেন, আর আল্লাহই ভালো জানেন। এই সকল সম্মানিত সাহাবী (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর সূত্রে এই হাদীসের বর্ণনার ক্ষেত্রে আমি সংক্ষিপ্ত পথ অবলম্বন করেছি। আমি যদি 'চল্লিশ হাদীস' বিষয়ক গ্রন্থসমূহ থেকে আমার শোনা প্রারম্ভিক সূত্রগুলো বিস্তারিত উল্লেখ করতাম, তবে তা অনেক দীর্ঘ হয়ে যেত। আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, 'চল্লিশ' শব্দে উল্লিখিত এই সংখ্যার একটি বিশেষ ফযীলত ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কেননা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাঁর সুমহান কিতাবে এর উল্লেখ করেছেন—যার সামনে বা পেছন থেকে কোনো মিথ্যা আসতে পারে না—মুসা (আলাইহিস সালাম)-এর কাহিনীতে মহান আল্লাহর বাণী: "আর আমি মুসার সাথে ত্রিশ রাতের ওয়াদা করেছি।" এবং মহান আল্লাহর বাণী: "এভাবে তার রবের নির্ধারিত সময় চল্লিশ রাতে পূর্ণ হয়।"

আর মুসার কওমের বর্ণনায় রয়েছে: "নিশ্চয়ই তা তাদের জন্য চল্লিশ বছর পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবে।" এবং মহান আল্লাহ মহিমান্বিত হয়ে বলেছেন: "অবশেষে সে যখন পূর্ণ শক্তিতে উপনীত হয় এবং চল্লিশ বছরে পদার্পণ করে।" ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে কোনো মুসলিম ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে এবং তার জানাযায় এমন চল্লিশ জন লোক দাঁড়ায় যারা আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরীক করে না, তবে আল্লাহ তার ক্ষেত্রে তাদের সুপারিশ কবুল করবেন।" ইমাম মুসলিম তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে এই শব্দেই এটি বর্ণনা করেছেন। সহীহ গ্রন্থে দাজ্জালের বর্ণনায় আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে: "দাজ্জাল আত্মপ্রকাশ করবে এবং সে চল্লিশ পর্যন্ত অবস্থান করবে; আমি জানি না তা চল্লিশ দিন, নাকি চল্লিশ মাস, নাকি চল্লিশ বছর।"