(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: -)
ما قرب سنده من حديث أبي القاسم السمرقندي   (ابن السمرقندي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: ما قرب سنده من حديثٍ للإمام أبي القاسم إسماعيل بن أحمد السمرقندي

المؤلف: أَبُو القَاسِمِ إِسْمَاعِيْلُ بنُ أَحْمَدَ بنِ عُمَرَ بنِ أَبِي الأَشْعَثِ السَّمَرْقَنْديُّ، الدِّمَشْقِيُّ المَوْلِدِ، البَغْدَادِيُّ الوَطَنِ (ت 536هـ)

المحقق: عطاء الله بن عبد الغفار بن فيض أبو مطيع السندي

الناشر: مكتبة السنة

الطبعة: الأولى 1414 هـ - 1994 م

عدد الصفحات: 95

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আল-কাসিম আস-সামারকান্দির হাদিসসমূহের উচ্চ সনদ সম্বলিত অংশ   (ইবনে আস-সামারকান্দি)

বিভাগ: হাদিসের কিতাবসমূহ


কিতাব: ইমাম আবু আল-কাসিম ইসমাইল বিন আহমাদ আস-সামারকান্দির হাদিসসমূহের মধ্য থেকে যা উচ্চ সনদ সম্বলিত

লেখক: আবু আল-কাসিম ইসমাইল বিন আহমাদ বিন উমর বিন আবিল আশআস আস-সামারকান্দি, জন্মসূত্রে দামেস্কি, আবাসে বাগদাদি (মৃত্যু ৫৩৬ হিজরি)

তাহকিক: আতাউল্লাহ বিন আব্দুল গাফফার বিন ফয়জ আবু মুতি আস-সিন্ধি

প্রকাশক: মাকতাবাতুস সুন্নাহ

সংস্করণ: প্রথম সংস্করণ ১৪১৪ হিজরি - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৫

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুতকারক: ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: -)
ما قرب سنده من حديثٍ

للإمام العالم الحافظ أبي القاسم إسماعيل بن أحمد السمرقندي

 

المتوفى سنة (536 هـ)

 

حققه وعلق عليه وخرج أحاديثه

عطاء الله بن عبد الغفار بن فيض

أبو مطيع السندي

 

مكتبة السنة

 

الطبعة الأولى

 

1414 هـ - 1994 م
উচ্চ সনদসম্পন্ন হাদীসসমূহ

ইমাম, আলিম, হাফিয আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনে আহমাদ আস-সামারকান্দী-এর

 

মৃত্যু (৫৩৬ হিজরি)

 

সম্পাদনা, টীকা প্রদান এবং হাদীসের সূত্র বিশ্লেষণ করেছেন

আতাউল্লাহ ইবনে আব্দুল গাফফার ইবনে ফায়েজ

আবু মুতী' আস-সিনদী

 

মাকতাবাতুস সুন্নাহ

 

প্রথম সংস্করণ

 

১৪১৪ হিজরি - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৪৩)
جزء فيه ما قرب سنده من حديث الشيخ الإمام:

الحافظ أَبِي الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بن الأشعث السمرقندي الدمشقي مولده، البغدادي منزله ونشؤه رحمه الله.

رواية الشيخ الإمام العالم الحافظ أبي محمد عبد العزيز بن الأخضر عنه سماع لصاحبه الشيخ الإمام أبي الفتح محمد بن يوسف بن همام الدمشقي منه نفعه الله الكريم.

بسم الله الرحمن الرحيم. لا إله إلا الله عدة للقاء الله عز وجل.

1- أخبرنا الشيخ الإمام الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عمر بن الأشعث السمرقندي الدمشقي، بقراءتي عليه مرتين في ذي الحجة سنة ثمان وعشرين، وفي سنة تسع وعشرين وخمس مئة، نا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ مِنْ لَفْظِهِ وَحِفْظِهِ، نا أَبُو حَفْصٍ عمر بن إبراهيم بن أحمد الكتاني المقري، نا أَبُو سَعِيدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْعَدَوِيُّ، نا خِرَاشُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ⦗ص: 44⦘ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه: أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((الصَّوْمُ جنةٌ)) .
একটি খণ্ড, যাতে শাইখ ইমামের নিকটবর্তী সনদযুক্ত হাদীসসমূহ রয়েছে:

হাফিজ আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনুল আশআস আস-সামারকান্দি আদ-দিমাশকি—যাঁর জন্ম দামেস্কে এবং বসবাস ও বেড়ে ওঠা বাগদাদে, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন।

তাঁর থেকে শাইখ ইমাম আলিম হাফিজ আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ ইবনুল আখদারের বর্ণনা, যা তাঁর নিকট থেকে তাঁর সাথী শাইখ ইমাম আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে হাম্মাম আদ-দিমাশকি সরাসরি শুনেছেন, মহান আল্লাহ তাঁকে এর দ্বারা উপকৃত করুন।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, যা মহান আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের পাথেয়।

১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম হাফিজ আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনুল আশআস আস-সামারকান্দি আদ-দিমাশকি—৫২৮ হিজরি সনের যিলহজ মাসে এবং ৫২৯ হিজরি সনে তাঁর নিকট আমার দু'বার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আস-সারিফিনি তাঁর নিজ উচ্চারিত শব্দে ও স্মৃতি থেকে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে ইবরাহিম ইবনে আহমাদ আল-কাত্তানি আল-মুকরি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-আদাউয়ি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খিরাশ ইবনে আবদুল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "রোজা হচ্ছে ঢাল।"
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৪৫)
2- أخبرنا (الشيخ) أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّقُّورِ قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ: عيسى بن علي بن عيسى بن داود بْنِ الْجَرَّاحِ الْوَزِيرِ وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ⦗ص: 46⦘ الْبَغَوِيِّ وَأَنَا أَسْمَعُ: نا كامل بن طلحة أبو يحيى الْجَحْدَرِيُّ إِمْلاءً مِنْ كِتَابِهِ، نا عَبَّادُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ أَبُو مَعْمَرٍ، نا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رضي الله عنه: أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قاَلَ: ((طَبَقَاتُ أُمَّتِي خَمْسُ طَبَقَاتٍ كُلُّ طَبَقَةٍ مِنْهَا أَرْبَعُونَ سَنَةً، فَطَبَقَتِي وَطَبَقَةُ أَصْحَابِي أَهْلُ الْعِلْمِ وَالإِيمَانِ وَالدِّينِ، يَلُونَهُمْ إِلَى الثَّمَانِينَ أَهْلُ الْبِرِّ وَالتَّقْوَى، وَالَّذِينَ يلونهم إلى العشرين ومئة أهل التراحم والتواصل، والذين يلونهم إلى الستين -يعني ومئة- أهل التقاطع والتدابر، والذين يلونهم إلى المئتين أهل الهرج والحرب)) .
২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (শাইখ) আবুল হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আন-নাক্কুর, তিনি বলেছেন: আবুল কাসিম ঈসা বিন আলী বিন ঈসা বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ আল-উজিরের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেছেন: আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ আল-বাগাওয়ীর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম: কামিল বিন তালহা আবু ইয়াহইয়া আল-জাহদারি তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতলিপি হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাদ বিন আব্দুস সামাদ আবু মা'মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((আমার উম্মতের স্তরসমূহ হলো পাঁচটি স্তর, যার প্রতিটি স্তর চল্লিশ বছর। সুতরাং আমার এবং আমার সাহাবীদের স্তর হলো জ্ঞান, ঈমান ও দ্বীনের অধিকারীদের। অতঃপর আশি বছর পর্যন্ত তাদের পরবর্তীগণ হলো পুণ্য ও তাকওয়ার অধিকারী। অতঃপর একশ বিশ বছর পর্যন্ত তাদের পরবর্তীগণ হলো পারস্পরিক দয়া ও সুসম্পর্ক বজায় রাখাকারী। অতঃপর একশ ষাট বছর পর্যন্ত—অর্থাৎ একশ বিশের পর—তাদের পরবর্তীগণ হলো সম্পর্ক ছিন্নকারী ও পরস্পর বিমুখ। আর দুইশ বছর পর্যন্ত তাদের পরবর্তীগণ হলো বিশৃঙ্খলা ও যুদ্ধের লোক।))।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৪৭)
3- أخبرنا (الشيخ أبو محمد) عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصَّرِيفِينِيُّ ⦗ص: 48⦘ أنا عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ الْكَتَّانِيُّ، نا أَبُو حَامِدٍ وَهُوَ مُحَمَدُّ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ، نا إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي إِسْرَائِيلَ، نا كثير بن عبد الله الأبلي، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ من النار)) .
৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (শায়খ আবু মুহাম্মদ) আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আস-সারিফিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর বিন ইবরাহিম বিন আহমদ আল-কাত্তানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ—আর তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন হারুন আল-হাদরামি—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন আবি ইসরাঈল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসির বিন আবদুল্লাহ আল-আবলি, আনাস বিন মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: ((যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল বানিয়ে নেয়))।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৫০)
4- أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ وَأَحْمَدُ بن محمد (بن أحمد) بْنِ النَّقُّورِ قَالا: أنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْمُخَلِّصُ نا أَبُو حَامِدٍ محمد بن هارون عبد الله الحضرمي [قراءة عليه وأنا أسمع بمنزله] ، نا عِيسَى بْنُ مُسَاوِرٍ، نا يَغْنَمُ بْنُ سَالِمِ بْنِ قَنْبَرٍ خَادِمُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طالب رضي الله عنه قال: قالي لِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهُ صلى الله عليه وسلم: ((مَنْ قَادَ أَعْمَى أَرْبَعِينَ خُطْوَةً لَمْ تَمَسَّ وَجْهَهُ النَّارُ)) .
4- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস-সারিফিনি এবং আহমাদ বিন মুহাম্মদ (বিন আহমাদ) বিন আন-নাক্কুর; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আল-আব্বাস আল-মুখাল্লিস; আমাদের বর্ণনা দিয়েছেন আবু হামিদ মুহাম্মদ বিন হারুন আবদুল্লাহ আল-হাদরামি [তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তাঁর গৃহে অবস্থানকালে তা শুনছিলাম]; আমাদের বর্ণনা দিয়েছেন ঈসা বিন মুসাউয়ির; আমাদের বর্ণনা দিয়েছেন আলী বিন আবি তালিব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর সেবক ইয়াগনাম বিন সালিম বিন কানবার; তিনি বলেন: আনাস বিন মালিক আমাকে বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছেন: ((যে ব্যক্তি কোনো অন্ধ ব্যক্তিকে চল্লিশ কদম পথ চালিয়ে নিয়ে গেল, জাহান্নামের আগুন তার মুখমণ্ডল স্পর্শ করবে না))।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৫৩)
5- أخبرنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ (بْنِ أَحْمَدَ) بْنِ النَّقُّورِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ قِرَاءَةً عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا وَأَنَا أَسْمَعُ قَالا: أنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ، نا أَبُو حَامِدٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ، نا عِيسَى، يعني ابن مساور، نا يغنم بْنُ سَالِمٍ، نا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((طُوبَى لِمَنْ رَآنِي وَآمَنَ بِي، وَمَنْ رَأَى مَنْ رَآنِي وَمَنْ رَأَى مَنْ رَأَى مَنْ رآني)) .
৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ (বিন আহমাদ) বিন আন-নাক্কুর এবং আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস-সারীফিনী, তাঁদের প্রত্যেকের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখাল্লিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ মুহাম্মাদ বিন হারুন আল-হাদরামী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা—অর্থাৎ ইবনে মুসাওয়ির—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াগনাম বিন সালিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস বিন মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন), তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: ((সুসংবাদ তার জন্য যে আমাকে দেখেছে এবং আমার প্রতি ঈমান এনেছে; এবং তার জন্য যে তাকে দেখেছে যে আমাকে দেখেছে; এবং তার জন্য যে তাকে দেখেছে যে তাকে দেখেছে যে আমাকে দেখেছে।))।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৫৬)
6- أخبرنا الشيخ أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بن النَّقُّورِ، أنا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرحمن المخلص [قراءة عليه] وأنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ إِمْلاءً، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، نا عِيسَى بْنُ سَالِمٍ الشَّاشِيُّ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هُدْبَةَ أَبُو هُدْبَةَ الْفَارِسِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ أنَسَ بْنَ مَالِكٍ رضي الله عنه يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((لَوْ أَنَّ اللَّهَ سبحانه أَذِنَ لِلسَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ أَنْ تَتَكَلَّمَ لَبَشَّرْتُ الَّذِي يصوم شهر رمضان بالجنة)) .
৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আন-নাক্কুর; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখলিস [তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে]; এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস-সারিফিনি; আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখলিস শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাওয়ি; আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন সালিম আশ-শাশী; আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন হুদবাহ আবু হুদবাহ আল-ফারিসি; তিনি বলেন: আমি আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ সুবহানাহু যদি আসমানসমূহ ও জমিনকে কথা বলার অনুমতি দিতেন, তবে আমি রমজান মাসে রোজা পালনকারীকে জান্নাতের সুসংবাদ দিতাম।"
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৫৮)
7- أخبرنا (الشيخ أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ) ابْنُ النَّقُّورِ، أنا عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عيسى بن داود بن الجراح قراءة عليه، أنا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ الْبَغَوِيُّ، نا كَامِلٌ هو بن طَلْحَةَ الْجَحْدَرِيُّ، نا عَبَّادُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه رَفَعَ الْحَدِيثَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أنه قال: ((من بلغه فضل عن الله عز وجل -يَعْنِي فَعَمِلَ بِهِ- أَعْطَاهُ اللَّهُ عز وجل ذلك وإن لم يكن ذلك [بلغ] .
৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (শায়খ আবুল হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ) ইবনুন নাক্কুর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা বিন আলী বিন ঈসা বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ—তিনি হলেন আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কামিল—তিনি হলেন ইবনে তালহা আল-জাহদারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন আব্দুল সামাদ, তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি হাদীসটিকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "যার নিকট মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো ফযীলতের কথা পৌঁছেছে—অর্থাৎ সে অনুযায়ী সে আমল করেছে—মহান আল্লাহ তাকে তা দান করবেন, যদিও প্রকৃতপক্ষে বিষয়টি সেভাবে [পৌঁছানো] না হয়ে থাকে।"
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৬০)
8- أخبرنا (الشيخ أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ) ابن النقور، أنا أبو القاسم عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْجَرَّاحِ سَنَةَ تِسْعٍ وثمانين وثلاث مئة، أنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْوَرْكَانِيُّ، نا سَعِيدُ بْنُ مَيْسَرَةَ الْبَكْرِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا صَلَّى عَلَى جِنَازَةٍ كَبَّرَ عَلَيْهَا أَرْبَعًا، وَإِنَّهُ كَبَّرَ عَلَى حَمْزَةَ سَبْعِينَ تَكْبِيرَةً.
৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (শাইখ আবুল হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ) ইবনুন নাকূর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ঈসা বিন আলী বিন আল-জাররাহ ৩৮৯ হিজরি সনে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল আজিজ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন জাফর আল-ওয়ারকানী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন মাইসারা আল-বাকরী, আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন জানাযার সালাত আদায় করতেন তখন তাতে চারবার তাকবীর দিতেন; তবে তিনি হামযাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জানাযার সালাতে সত্তরবার তাকবীর দিয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৬১)
9- أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ، أنا عمر بن إبراهيم الكناني، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، نا أبو عمران الوركاني (وهو محمد بن جعفر) ، نا سَعِيدُ بْنُ مَيْسَرَةَ الْبَكْرِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا صَلَّى عَلَى جِنَازَةٍ كَبَّرَ عَلَيْهَا أَرْبَعًا.
৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস-সারিফিনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর বিন ইবরাহিম আল-কিনানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাভি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু ইমরান আল-ওয়ারকানি (যিনি মুহাম্মাদ বিন জাফর), আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাঈদ বিন মাইসারা আল-বাকরি, আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোনো জানাজার সালাত আদায় করতেন, তখন তিনি তাতে চার তাকবির প্রদান করতেন।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৬২)
10- أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النَّقُّورِ وَأَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ محمد بن علي بن البسري البندار والشريف الزاهد أبو نصر محمد ابن محمد بن علي الزينبي العباسي قالوا: أنا محمد -وهو بن عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ- نا عَبْدُ اللَّهِ -وَهُوَ بن مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ- نا أَبُو عِمْرَانَ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْوَرْكَانِيُّ، نا سَعِيدُ بْنُ مَيْسَرَةَ الْبَكْرِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه: ((أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى على حمزة سبعين صلاة)) .
১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আন-নাক্কুর, আবুল কাসিম আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-বুসরি আল-বান্দার এবং শরীফ আয-যাহিদ আবু নাসর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ বিন আলী আয-যাইনাবি আল-আব্বাসি। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ—যিনি হলেন ইবনে আবদুর রহমান আল-মুখাল্লিস। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ—যিনি হলেন ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাভী। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইমরান মুহাম্মদ বিন জাফর আল-ওয়ারকানি। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ বিন মাইসারা আল-বাকরি, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হামযার ওপর সত্তর বার জানাযার সালাত আদায় করেছেন।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৬৩)
11- أخبرنا (الشيخ أبو الحسين) أَحْمَدُ بْنُ النَّقُّورِ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْيدُ الله بن محمد بن إسحاق بن حبابة، أنا أبو القاسم عبد الله بن محمد الْبَغَوِيُّ، نا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ، نا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ، نا أَبُو أُمَامَةَ رضي الله عنه قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ((إِنَّ أَوَّلَ الآيَاتِ طُلُوعُ الشَّمْسِ مِنْ مَغْرِبِهَا)) .
১১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (শায়খ আবুল হুসাইন) আহমাদ বিন আন-নাক্কুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন হাবাবাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তালুত বিন আব্বাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফায্যাল বিন জুবাইর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমামাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু), তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: ((নিশ্চয় প্রথম নিদর্শন হলো পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়।))
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৬৫)
12- أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَزَّازُ هُوَ ابْنُ النَّقُّورِ، أنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ حَبَابَةَ، أنا (أَبُو القاسم) عبد الله هو (بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ) الْبَغَوِيُّ، نا طالوت (هو ابن عباد) ، نا عَاصِمُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْوَزَّانُ، قَالَ رَأَيْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رضي الله عنه يَخْضِبُ بِالْحُمْرَةِ فَسَأَلَهُ أَبَانٌ فَقَالَ: يَا ⦗ص: 66⦘ أَبَا حَمْزَةَ مَا تَقُولُ فِي كَسْبِ الْحَجَّامِ؟ فَقَالَ: احْتَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فلما (فرغ) أَعْطَاهُ كِرَاهُ. قَالَ لَهُ: ((أَخَذْتَ كِرَاكَ)) ؟ قَالَ: نعم. قال: ((فلا تأكله وأطعمه [ناضحك] )) .
১২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-বাজ্জায, তিনি হলেন ইবনুন নাক্কুর; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে হাবাবাহ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আবুল কাসিম) আবদুল্লাহ, তিনি হলেন (ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আজিজ) আল-বাগাবী; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন তালুত (তিনি হলেন ইবনে আব্বাদ); আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আসিম ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-ওয়াযযান। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহুকে লাল রঙের খিযাব ব্যবহার করতে দেখেছি। অতঃপর আবান তাকে জিজ্ঞেস করলেন এবং বললেন: হে ⦗পৃষ্ঠা: ৬৬⦘ আবু হামযাহ! সিঙা লাগানো ব্যক্তির উপার্জনের ব্যাপারে আপনি কী বলেন? তখন তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিঙা লাগিয়েছিলেন, অতঃপর যখন তিনি (অবসর হলেন) তাকে তার পারিশ্রমিক প্রদান করলেন। তিনি তাকে বললেন: ((তুমি কি তোমার পারিশ্রমিক গ্রহণ করেছ?)) সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: ((তাহলে তুমি এটি নিজে খেও না, বরং এটি তোমার [পানি বহনকারী পশুকে] খাইয়ে দাও))।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৬৭)
13- أخبرنا (أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ) بْنِ النَّقُّورِ، أنا ابن حَبَابَةَ، أنا (أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ محمد بن عبد العزيز) البغوي، نا طالوت (هو ابن عباد) ، نا سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعَتَكِيُّ قَالَ: رَأَيْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ عَلَيْهَ جُبَّةُ خَزٍّ دكنا ومطرف خز دكن، وعمامة سوداء لها ذؤابة من خلفه مخضب بالصفرة.
১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ) ইবনে আন-নাক্কুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে হাবাবাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ) আল-বাগাবী, আমাদের বর্ণনা করেছেন তালুত (যিনি হলেন ইবনে আব্বাদ), আমাদের বর্ণনা করেছেন সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আতাকি, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে দেখেছি, তাঁর পরিধানে ছিল গাঢ় ধূসর বর্ণের একটি রেশমি (খাজ) জুব্বা এবং একটি গাঢ় ধূসর বর্ণের রেশমি চাদর, এবং একটি কালো পাগড়ি যার পেছনের দিকে ঝুলন্ত অংশ ছিল, আর তিনি হলুদ খেজাব দ্বারা রঞ্জিত ছিলেন।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৬৮)
14- حدثنا (الشيخ أبو محمد) عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ (بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بن عمر بن أحمد) الصريفيني إملاء مِنْ لَفْظِهِ وَحِفْظِهِ نا (أَبُو حَفْصٍ) عُمَرُ بن إبراهيم بن أحمد هو الكتاني و (أبو القاسم) عبيد الله بن محمد بن حبابة يلقينا كل واحد مفرداً قالا: نا (أَبُو الْقَاسِمِ) عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، نا طالوت بن عباد.

⦗ص: 69⦘

وأنا (أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ) بْنُ النَّقُّورِ، أنا (أَبُو الْقَاسِمِ) عَبْيدُ اللَّهِ بن محمد (بن إسحاق بن حبابة سنة ست وعشر وثلاث مئة قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بن محمد بن بِنْتِ مَنِيعٍ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ خمس عشر وثلاث مئة، نا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ أَبُو عُثْمَانَ الصَّيْرَفِيُّ من كتابه.

وأنا أيضاً ابْنُ النَّقُّورِ، أنا عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ هُوَ الْكَتَّانِيُّ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ هُوَ الْبَغَوِيُّ، نا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ، نا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ رضي الله عنه يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ((اكْفُلُوا لِي بِسِتٍّ أَكْفُلُ لَكُمْ بِالْجَنَّةِ: إِذَا حَدَّثَ أَحَدُكُمْ فلا يكذب، وإذا ائتمن فلا يخن، وإذا وعد فلا يخلف، غضوا أَبْصَارَكُمْ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ، وَاحْفَظُوا فُرُوجَكُمْ)) .
১৪- আমাদের বর্ণনা করেছেন (শায়খ আবু মুহাম্মদ) আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ (বিন আবদুল্লাহ বিন উমর বিন আহমদ) আস-সারিফিনি, তাঁর নিজ উচ্চারণ ও স্মৃতি থেকে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে। আমাদের বর্ণনা করেছেন (আবু হাফস) উমর বিন ইবরাহিম বিন আহমদ আল-কাত্তানি এবং (আবু কাসিম) উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন হাবাবাহ, আমাদের প্রত্যেকের সাথে তাঁদের পৃথকভাবে সাক্ষাৎ হয়েছে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন (আবু কাসিম) আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি, আমাদের বর্ণনা করেছেন তালুত বিন আব্বাদ।

⦗পৃষ্ঠা: ৬৯⦘

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ) বিন আন-নাক্কুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আবু কাসিম) উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ (বিন ইসহাক বিন হাবাবাহ ৩২৬ হিজরি সনে)। তিনি বলেন: আবু কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন বিন্তি মানি'-এর নিকট ৩১৫ হিজরি সনের মুহাররম মাসে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন তালুত বিন আব্বাদ আবু উসমান আস-সাইরাফি তাঁর কিতাব থেকে।

এবং আমাদের আরও সংবাদ দিয়েছেন ইবনুন নাক্কুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর বিন ইবরাহিম আল-কাত্তানি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি, আমাদের বর্ণনা করেছেন তালুত বিন আব্বাদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন ফায্যাল বিন জুবাইর, তিনি বলেন: আমি আবু উমামাহ আল-বাহিলি রাযিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: ((তোমরা আমাকে ছয়টি বিষয়ের নিশ্চয়তা দাও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব: যখন তোমাদের কেউ কথা বলে তখন সে যেন মিথ্যা না বলে, যখন তার নিকট আমানত রাখা হয় তখন যেন সে খিয়ানত না করে, যখন সে ওয়াদা করে তখন যেন তা ভঙ্গ না করে; তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত রাখো, তোমাদের হাতকে বিরত রাখো এবং তোমাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করো।))
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৬৯)
15- وَأَخْبَرَنَا بِهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ (إِمْلاءً) ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، نا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ أَبُو عُثْمَانَ الصَّيْرَفِيُّ، نا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ((اكْفُلُوا لِي بِسِتٍّ أَكْفُلُ لَكُمْ بِالْجَنَّةِ: إِذَا حَدَّثَ أَحَدُكُمْ فَلا يَكْذِبْ، وإذا ائتمن فلا يخن، وإذا وعد فلا يخلف، غضوا أبصاركم، وكفوا أيديكم، واحفظوا فروجكم)) .
১৫- এবং আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস-সারিফিনি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখাল্লিস (শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে), আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন তালুত বিন আব্বাদ আবু উসমান আস-সাইরাফি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফাদদাল বিন জুবাইর, তিনি বলেন: আমি আবু উমামাহ আল-বাহিলি-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: “তোমরা আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের জিম্মাদার হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হব: যখন তোমাদের কেউ কথা বলবে, সে যেন মিথ্যা না বলে; যখন তার কাছে আমানত রাখা হবে, সে যেন খেয়ানত না করে; যখন সে ওয়াদা করবে, তখন তা যেন ভঙ্গ না করে; তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনমিত রাখো, তোমাদের হাত সংযত রাখো এবং তোমাদের লজ্জাস্থান হেফাযত করো।”
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৭১)
16- أخبرنا (الشيخ أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ) ابْنُ النَّقُّورِ، أنا (عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بن إسحاق) ابن حَبَابَةَ، أنا (أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ محمد) البغوي، نا طالوت (هو ابن عَبَّادٍ) ، نا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ، نا أَبُو أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ رضي الله عنه قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ((ثَلاثٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ وَجَدَ ⦗ص: 72⦘ حَلاوَةَ الإِيمَانِ: أَنْ يَكُونَ اللَّهُ عز وجل وَرَسُولُهُ صلى الله عليه وسلم أَحَبَّ إِلَيْهِ مِمَّا سِوَاهُمَا، وَأَنْ يُحِبَّ الْعَبْدَ لا يُحِبُّهُ إِلا لِلَّهِ عز وجل، وَأَنْ يَكْرَهَ أَنْ يَرْجِعَ فِي الْكُفْرِ بَعْدَ إِذْ أَنْقَذَهُ اللَّهُ عز وجل مِنْهُ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ يُلْقَى فِي النَّارِ)) .
১৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (শাইখ আবুল হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ) ইবনুন নাক্কুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক) ইবনে হাবাবাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আবুল কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ) আল-বাগাওয়ী, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন তালুত (তিনি হলেন ইবনে আব্বাদ), আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ফাযযাল বিন জুবাইর, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু উমামাহ আল-বাহিলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু), তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: ((তিনটি গুণ যার মধ্যে থাকবে সে ⦗পৃষ্ঠা: ৭২⦘ ঈমানের স্বাদ পাবে: আল্লাহ (আযযা ওয়া জাল্লা) এবং তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট অন্য সবকিছুর চেয়ে অধিক প্রিয় হওয়া, কোনো বান্দাকে ভালোবাসা যাকে সে কেবলমাত্র আল্লাহর (আযযা ওয়া জাল্লা) জন্যই ভালোবাসে, এবং আল্লাহ (আযযা ওয়া জাল্লা) তাকে কুফরি থেকে উদ্ধার করার পর পুনরায় তাতে ফিরে যাওয়াকে এমনভাবে অপছন্দ করা যেমন সে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অপছন্দ করে))।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৭৩)
17- أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ، أنا عمر هو ابن إبراهيم (بن أحمد) الْكَتَّانِيُّ، نا أَبُو سَعِيدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْعَدَوِيُّ الْبَصْرِيُّ، نا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ، نا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ رضي الله عنه [قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم] يَقُولُ: ((لَوْ جاز لأحد أن يسجد لأَحَدٍ مِنْ دُونِ اللَّهِ عز وجل لأَمَرْتُ المرأة أن تسجد لزوجها لعظم حقه عليها)) .
১৭- আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস-সারিফিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর—যিনি ইবন ইবরাহীম (বিন আহমাদ) আল-কাত্তানি—আমাদের জানিয়েছেন, আবু সাঈদ আল-হাসান বিন আলী আল-আদাবী আল-বাসরি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তালুত বিন আব্বাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, ফাদ্বদাল বিন জুবাইর আমাদের বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমি আবু উমামাহ আল-বাহিলি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি [তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি] তিনি বলছেন: ((যদি মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সিজদাহ করা কারো জন্য বৈধ হতো, তবে আমি স্ত্রীকে তার স্বামীকে সিজদাহ করার নির্দেশ দিতাম, স্ত্রীর ওপর স্বামীর হকের মহানত্বের কারণে।)) ।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৭৪)
18- أخبرنا (الشيخ أبو الحسين) أحمد بن محمد النقور، أنا (أَبُو الْقَاسِمِ) عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ، أنا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ الْبَغَوِيُّ، نا كَامِلٌ هُوَ ابْنُ طَلْحَةَ الجحدري، نا عباد بن عبد الصمد، قال حَدَّثَنِي أَبُو سَلْمَى رَاعِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: (مَنْ لَقِيَ اللَّهَ عز وجل يَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُهُ، وَآمَنَ بِالْبَعْثِ وَالْحِسَابِ، دَخَلَ الْجَنَّةَ. قُلْنَا: أَنْتَ سَمِعْتَ هَذَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ فَأَدْخَلَ إِصْبَعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ ثم قال: سَمِعْتُ هَذَا مِنْهُ غَيْرَ مَرَّةٍ وَلا مَرَّتَيْنِ ولا ثلاث ولا أربعة.
১৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (শায়খ আবু আল-হুসাইন) আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আন-নাকুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আবু আল-কাসিম) ঈসা বিন আলি বিন ঈসা বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ—যিনি আল-বাগাওয়ি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন কামিল—যিনি ইবনে তালহা আল-জাহদারি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্বাদ বিন আব্দুস সামাদ, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর রাখাল আবু সালমা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: (যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর সাথে এই সাক্ষ্য দিয়ে সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল, আর পুনরুত্থান ও হিসাবের প্রতি ঈমান আনবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমরা বললাম: আপনি কি এটি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট থেকে শুনেছেন? তখন তিনি তাঁর দুই আঙ্গুল তাঁর দুই কানের ছিদ্রে প্রবেশ করালেন এবং বললেন: আমি এটি তাঁর নিকট থেকে একবার নয়, দুইবার নয়, তিনবার নয় এবং চারবারও নয় [বরং বহুবার] শুনেছি।)
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৭৫)
19- أخبرنا (الشيخ أبو الحسين أحمد بن محمد) ابن النقور، نا (أَبُو الْقَاسِمِ) عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ الجراح سنة تسع وثمانين وثلاث مئة، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ هُوَ الْبَغَوِيُّ، نا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، نا سَعِيدُ بْنُ سالم الضَّبِّيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَالَ اللَّهُ تبارك وتعالى: {مَنْ أَخَذْتُ كَرِيمَتَيْهِ فِي الدُّنْيَا لَمْ أَرْضَ لَهُ إِلا الْجَنَّةَ} فَقَالَ أَنَسٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ وإن كانت واحدة. قال: ولو كان واحدة.
১৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (শাইখ আবুল হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ) ইবনুন নাকূর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আবুল কাসিম) ঈসা বিন আলী বিন আল-জাররাহ তিনশ উননব্বই হিজরি সালে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ—যিনি আল-বাগাবী—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়বান বিন ফাররূখ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন সালিম আদ-দাব্বী, আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেছেন: {দুনিয়াতে আমি যার অত্যন্ত প্রিয় দুটি বস্তু (চোখ) কেড়ে নিয়েছি, তার জন্য জান্নাত ছাড়া আমি অন্য কিছুতে সন্তুষ্ট হব না।} অতঃপর আনাস বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, যদি একটি হয়? তিনি বললেন: যদিও তা একটি হয়।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৭৭)
20- أخبرنا (أحمد بن محمد) ابن النقور، نا (أَبُو الْقَاسِمِ) عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ الجراح، أنا (أبو القاسم) عبد الله بن محمد البغوي، نا كامل هو بن طَلْحَةَ الْجَحْدَرِيُّ، نا عَبَّادُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قال: ((من طلب العلم تباهي بِهِ الْعُلَمَاءَ أَوْ يُمَارِي بِهِ السُّفَهَاءَ أَوْ يَصْرِفُ أَعْيُنَ النَّاسِ إِلَيْهِ تَبَوَّأَ مَقْعَدَهُ مِنَ النار)) .
২০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আহমদ ইবনে মুহাম্মদ) ইবনুন নাকূর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আবুল কাসিম) ঈসা ইবনে আলী ইবনুল জাররাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (আবুল কাসিম) আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাভী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কামিল, আর তিনি হলেন ইবনে তালহা আল-জাহদারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্বাদ ইবনে আব্দুস সামাদ, তিনি আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ((যে ব্যক্তি ইলম অর্জন করে আলেমদের সাথে অহংকার করার জন্য, কিংবা নির্বোধদের সাথে বিতর্কে লিপ্ত হওয়ার জন্য, অথবা মানুষের দৃষ্টি নিজের দিকে আকৃষ্ট করার জন্য; সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা করে নেয়))।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৭৯)
21- أخبرنا أبو الحسين بن محمد بن أحمد البزار هُوَ ابْنُ النَّقُّورِ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْيدُ الله بن محمد بن إسحاق بن حبابة، أنا أبو القاسم عبد الله بن محمد الْبَغَوِيُّ، نا طَالُوتُ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَعْيَنَ أَبُو الْعَلانِيَةِ، قَالَ: ⦗ص: 80⦘ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أبي أوفى يلبي بالكوفة بأعلا صوته، في غير أَيَّامِ التَّشْرِيقِ، فَسَأَلْتُ بَعْضَهُمْ فَقَالَ: إِنَّهُ يُلَبِّي مِنَ السَّنَةِ إِلَى السَّنَةِ. وَكَانَ يَأْتِي الصَّيَارِفَةَ فَيَقُولُ: أَبْشِرُوا، أَبْشِرُوا، فَيَقُولُونَ: بَشَّرَكَ اللَّهُ، فَيَقُولُ: أبشروا بالنار)) .
২১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-বাযযার, যিনি ইবনুন নাক্কুর নামে পরিচিত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে হাবাবাহ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগাবী; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তালুত; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আয়ান আবুল আলানিয়াহ। তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৮০⦘ আমি আবদুল্লাহ ইবনে আবি আউফাকে তাশরিকের দিনগুলো ছাড়া অন্য সময়ে কুফায় উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। আমি এ ব্যাপারে কাউকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: তিনি সারা বছরই তালবিয়া পাঠ করেন। আর তিনি মুদ্রা বিনিময়কারীদের নিকট আসতেন এবং বলতেন: "সুসংবাদ গ্রহণ করো, সুসংবাদ গ্রহণ করো!" তারা বলত: "আল্লাহ আপনাকেও সুসংবাদ দান করুন।" তখন তিনি বলতেন: "তোমরা আগুনের সুসংবাদ গ্রহণ করো।")) ।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৮০)
22- وَأَخْبَرَنَا ابْنُ النَّقُّورِ، أنا عِيسَى بْنُ عَلِيِّ، نا عَبْدُ اللَّهِ الْبَغَوِيُّ، نا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ أَعْيَنَ أَبُو الْعَلانِيَةِ قَالَ رَأَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى يُلَبِّي بِالْكُوفَةِ فِي غَيْرِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ فَقِيلَ لي إِنَّهُ يُحْرِمُ مِنَ السَّنَةِ إِلَى السَّنَةِ.
২২- এবং ইবনুন নাক্কুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ আল-বাগাওয়ী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তালুত বিন আব্বাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আ'ইয়ান আবুল আলানিয়াহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন আবি আওফাকে আইয়ামে তাশরিক ব্যতিরেকে কুফায় তালবিয়া পাঠ করতে দেখেছি। তখন আমাকে বলা হলো যে, তিনি এক বছর থেকে পরবর্তী বছর পর্যন্ত ইহরাম পালন করতেন।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৮০)
23- أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ، أنا عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْكَتَّانِيُّ، نا أَبُو سَعِيدٍ وَهُوَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْعَدَوِيُّ، نا كَامِلُ بن طلحة الْجَحْدَرِيُّ، نا أَبُو هِشَامٍ الْقَنَّادُ قَالَ: كُنْتُ أَحْمِلُ الْمَتَاعَ مِنَ البَصْرَةِ إِلَى الْحَسَنِ بْنِ علي عليهما السلام وَكَانَ يُمَاكِسُنِي فَلَعَلِّي لا أَقُومُ مِنْ عِنْدِهِ حَتَّى يَهَبَ عَامَّتَهُ وَيَقُولُ إِنَّ أَبِي ⦗ص: 81⦘ حَدَّثَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((الْمَغْبُونُ لا مَحْمُودٌ، وَلا مَأْجُورٌ)) .
২৩- আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আস-সারিফিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর বিন ইবরাহিম আল-কাত্তানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ — আর তিনি হলেন হাসান বিন আলি আল-আদাবি — আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, কামিল বিন তালহা আল-জাহদারি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু হিশাম আল-কান্নাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বসরা থেকে হাসান বিন আলি (তাদের উভয়ের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)-এর নিকট পণ্য সামগ্রী বহন করে নিয়ে আসতাম। তিনি আমার সাথে দরাদরি করতেন; সম্ভবত আমি তাঁর নিকট থেকে উঠে যাওয়ার আগেই তিনি তার অধিকাংশ দান করে দিতেন এবং বলতেন, নিশ্চয়ই আমার পিতা ⦗পৃষ্ঠা: ৮১⦘ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি (ক্রয়-বিক্রয়ে) প্রতারিত হয়, সে প্রশংসিতও নয় এবং সওয়াবপ্রাপ্তও নয়।"
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৮২)
24- أخبرنا أحمد بن محمد بن أحمد البزار، نا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ إِمْلاءً، قَالَ قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ هُوَ الْبَغَوِيُّ وَأَنَا أَسْمَعُ قِيلَ لَهُ حَدَّثَكُمْ دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، نا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ عَنْ ⦗ص: 83⦘ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَرَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ رضي الله عنها: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ لِلأَرَامِلِ بَعْدَكَ مِنْ قريش قال: ((الآباء الأكفاء من بين عامر)) .
২৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-বাজ্জার, আমাদের নিকট শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম ঈসা বিন আলী বিন ঈসা বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ। তিনি বলেন, আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ—যিনি আল-বাগাভী—তার নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; তাকে বলা হলো যে দাউদ বিন রুশাইদ আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা বিন আল-আশদাক ⦗পৃষ্ঠা: ৮৩⦘ আবদুল্লাহ বিন জারাদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেছেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার পরে কুরাইশদের বিধবাদের দেখাশোনার ভার কার ওপর থাকবে? তিনি বললেন: “বনু আমের গোত্রের যোগ্য পিতৃপুরুষদের ওপর।”
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৮৪)
25- أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّقُّورِ، أنا عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أحمد الكتاني وأبو الحسين محمد بن عبد الله بن الحسين بن أَخِي مِيمِي الدَّقَّاقُ قَالا: نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، نا داود بن رشيد، نا يعلى الأَشْدَقِ قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ يَقُولُ: أَنْشَدْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم:

بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَجُدُودُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَا

فَقَالَ: أَيْنَ الْمَظْهَرُ يَا أَبَا لَيْلَى؟ قُلْتُ الْجَنَّةَ … قال: أجل إن شاء الله. قُلْتُ:

وَلا خَيْرَ فِي حلمٍ إِذَا لَمْ يكن لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَا

وَلا خَيْرَ فِي جهلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حليمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَا

فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَجَدْتَ لا يفضض الله فاك مرتين.
২৫- আবুল হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আন-নাক্কুর; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর বিন ইবরাহিম বিন আহমদ আল-কাত্তানি এবং আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আখি মিমি আদ-দাক্কাক; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন রাশিদ; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়ালা আল-আশদাক; তিনি বলেন: আমি আন-নাবিগাকে বলতে শুনেছি: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে (এই) কবিতা আবৃত্তি করলাম:

আমাদের মর্যাদা ও আমাদের পূর্বপুরুষগণ আকাশ স্পর্শ করেছে … আর আমরা নিশ্চয়ই এর ঊর্ধ্বে কোনো গন্তব্য প্রত্যাশা করি।

তখন তিনি বললেন: হে আবু লায়লা, সেই গন্তব্যটি কোথায়? আমি বললাম: জান্নাত … তিনি বললেন: হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ। আমি বললাম:

আর সেই সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই, যার এমন কোনো তেজ নেই … যা তার নির্মলতাকে কলুষিত হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

আর সেই তেজস্বিতার মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই, যার জন্য এমন কোনো সহনশীল ব্যক্তি নেই … যে কোনো জটিল বিষয় উপস্থিত হলে তা সমাধান করতে পারে।

তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তুমি চমৎকার বলেছ; আল্লাহ তোমার মুখগহ্বর (দাঁত) চূর্ণ না করুন—এ কথাটি তিনি দুইবার বললেন।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৮৫)
26- أخبرنا (الشيخ أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ) أَحْمَدَ بن النقور ⦗ص: 86⦘ وأبو القاسم علي بْنُ الْبُسْرِيُّ وَالشَّرِيفُ أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْهَاشِمِيُّ الزَّيْنَبِيُّ قَالُوا: أنا أبو طاهر محمد بن عبد الرحمن وهو المخلص، ح،

وأنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ، نا أَبُو طاهر المخلص إملاء، ح،

وأنا ابْنُ النَّقُّورِ، نا عِيسَى بْنُ عَلِيٍّ الْوَزِيرُ إملاء، قالا: نا عبد الله وهو بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، نا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، نا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ عِنْدَ عِيسَى الْجَعْدِيِّ يَقُولُ نشدت النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم:

بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَجُدُودُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَا

فَقَالَ: أَيْنَ الْمَظْهَرُ يَا أَبَا لَيْلَى؟ قُلْتُ الْجَنَّةَ … قَالَ: أَجَلْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ. ثُمَّ قُلْتُ:

وَلا خَيْرَ فِي حلمٍ إِذَا لَمْ يكن لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَا

وَلا خَيْرَ فِي جهلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حليمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَا

فَقَالَ لي رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يفضض فوك مرتين وفي رواية الصريفيني عن المخلص فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يُفْضَضُ فُوكَ مَرَّتَيْنِ.

وَعِنْدَ عِيسَى الْوَزِيرِ فقال صلى الله عليه وسلم: أجدت لا يفضض فوك مرتين.
২৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (শায়খ আবুল হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন) আহমদ বিন আন-নাকুর ⦗পৃষ্ঠা: ৮৬⦘ এবং আবু আল-কাসিম আলি বিন আল-বুসরি ও আশ-শরিফ আবু নাসর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আল-হাশেমি আজ-জায়নাবি। তাঁরা বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান—যিনি আল-মুখলিস নামে পরিচিত, হা (হাদিস বর্ণনার সনদ পরিবর্তন),

এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস-সারিফিনি, (তিনি বলেন) আমাদের নিকট আবু তাহির আল-মুখলিস শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, হা,

এবং আমাকে ইবনুন নাকুর সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন আলি আল-ওয়াজির শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ—যিনি হলেন বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন রুশাইদ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা বিন আল-আশদাক। তিনি বলেন: আমি নাবিগাহকে ঈসা আল-জাদির নিকট বলতে শুনেছি যে, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এই কবিতা পাঠ করেছি:

আমাদের গৌরব ও পিতৃপুরুষদের মর্যাদা আকাশ স্পর্শ করেছে … আর আমরা এর ঊর্ধ্বে আরও উচ্চতর স্থানের প্রত্যাশা করি।

তখন তিনি বললেন: হে আবু লায়লা, সেই উচ্চতর স্থানটি কোথায়? আমি বললাম: জান্নাত … তিনি বললেন: হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ। অতঃপর আমি বললাম:

এমন সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই, যার মধ্যে এমন তেজস্বিতা নেই … যা তার নির্মলতাকে কলুষিত হওয়া থেকে রক্ষা করে।

আর এমন অজ্ঞতায় কোনো কল্যাণ নেই, যার জন্য এমন কোনো … সহনশীল ব্যক্তি নেই যে কোনো বিষয় উত্থাপিত হলে তা সমাধান করতে পারে।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দুইবার বললেন: তোমার মুখ যেন ভেঙে না যায় (অর্থাৎ তোমার দাঁত যেন অটুট থাকে)। আর সারিফিনি-র বর্ণনায় আল-মুখলিস থেকে এসেছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমার মুখ যেন ভেঙে না যায় (কথাটি তিনি দুইবার বললেন)।

এবং ঈসা আল-ওয়াজিরের বর্ণনায় রয়েছে যে, তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি চমৎকার বলেছ, তোমার মুখ যেন ভেঙে না যায় (কথাটি তিনি দুইবার বললেন)।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৮৬)
27- وأخبرنا الشيخ أبو محمد عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصريفيني الخطيب، ثنا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ إملاء، ثنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي، ثنا داود بن رشيد، ثنا يعلى الأَشْدَقِ قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ يَقُولُ: أَنْشَدْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم:

⦗ص: 87⦘

بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَجُدُودُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَا

فَقَالَ: أَيْنَ الْمَظْهَرُ يَا أَبَا لَيْلَى؟ قُلْتُ الْجَنَّةَ … قَالَ: أَجَلْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ. ثُمَّ قُلْتُ:

ولا خير في حلمٍ إذا لم يكن لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَا

وَلا خَيْرَ فِي جهلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حليمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَا

فَقَالَ رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا يفضض فوك مرتين.
২৭- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আস-সারিফিনি আল-খাতিব, আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-মুখলিস আমাদের কাছে শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাওয়ী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, দাউদ ইবনে রাশিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়ালা আল-আশদাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আন-নাবিগাহকে বলতে শুনেছি: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে কবিতা আবৃত্তি করলাম:

⦗পৃষ্ঠা: ৮৭⦘

আমাদের মর্যাদা এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণ আকাশে পৌঁছে গেছেন … আর আমরা তো এর ঊর্ধ্বে আরও উচ্চতর গন্তব্যের আশা রাখি।

তিনি বললেন: হে আবু লায়লা, সেই গন্তব্যটি কোথায়? আমি বললাম: জান্নাত … তিনি বললেন: হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ। অতঃপর আমি বললাম:

সেই সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই যার জন্য এমন … তেজস্বিতা নেই যা তার নির্মলতাকে ঘোলাটে হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

আর সেই অজ্ঞতায় (তেজস্বিতায়) কোনো কল্যাণ নেই যার জন্য এমন … সহনশীল ব্যক্তি নেই যে কোনো কাজ শুরু করলে তা সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে পারে।

অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুবার বললেন: তোমার মুখ যেন দাঁত না হারায়।
(খণ্ড: ১) মা কুরুবা সানাদুহু মিন হাদীছি আবিল কাসিম আস-সামারকান্দী (পৃষ্ঠা: ৮৭)
28- أخبرنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّقُّورِ، ثنا عيسى بن علي الوزير إملاء، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عبد العزيز إملاء، ثنا داود ابن رشيد، ثنا يعلى الأشدق قال: سمعت النابغة الْجَعْدِيِّ يَقُولُ: أَنْشَدْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم:

بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَجُدُودُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ مَظْهَرَا

فَقَالَ: أَيْنَ الْمَظْهَرُ يَا أَبَا لَيْلَى؟ قُلْتُ الْجَنَّةَ … قَالَ: أَجَلْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ. ثُمَّ قُلْتُ:

وَلا خَيْرَ فِي حلمٍ إذا لم يكن لَهُ … بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَا

وَلا خَيْرَ فِي جهلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حليمٌ إذا ما أورد الأمر أصدرا
২৮- আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুল নাক্কুর, আমাদের নিকট শ্রুতলিপি অনুযায়ী বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে আলী আল-ওয়াজির, আমাদের নিকট শ্রুতলিপি অনুযায়ী বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আজিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনে রাশিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা আল-আশদাক, তিনি বলেন: আমি আন-নাবিগাহ আল-জাদিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সমীপে কবিতা আবৃত্তি করলাম:

আমাদের গৌরব ও আমাদের পূর্বপুরুষগণ আকাশচুম্বী হয়েছে … আর আমরা নিশ্চয়ই তার ঊর্ধ্বে একটি গন্তব্যের প্রত্যাশা রাখি

তখন তিনি বললেন: হে আবু লায়লা, সেই গন্তব্যটি কোথায়? আমি বললাম: জান্নাত … তিনি বললেন: হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ। অতঃপর আমি বললাম:

সেই সহিষ্ণুতায় কোনো কল্যাণ নেই যার এমন কোনো তেজ নেই … যা তার নির্মলতাকে ঘোলাটে হওয়া থেকে রক্ষা করে

আর সেই অজ্ঞতায় কোনো কল্যাণ নেই যার জন্য এমন কোনো … সহিষ্ণু ব্যক্তি নেই যে কোনো বিষয় উপস্থাপিত হলে তা সুষ্ঠুভাবে নিষ্পত্তি করে।