(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: -)
المشيخة البغدادية - الأموي - ت عامر صبري القسم: كتب السنة
الكتاب: المشيخة البغدادية
المؤلف: رَشِيدُ الدِّيْنِ، أَبُو العَبَّاسِ أَحْمَدُ بنُ المُفَرّج بن عَلِيِّ بنِ عَبْدِ العَزِيْزِ بنِ مَسْلَمَةَ الدِّمَشْقِيُّ (ت 650 هـ)
المحقق: عامر حسن صبري
الناشر: مؤسسة الريان [طبع ضمن مجموع فيه ثلاث من كتب المشيخات الحديثية]
الطبعة: الأولى 1425 هـ - 2004 م
عدد الصفحات: 323
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-মাশইয়াখাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - সম্পাদনা: আমির সাবরি বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-মাশইয়াখাতুল বাগদাদিয়্যাহ
গ্রন্থকার: রশীদউদ্দীন, আবুল আব্বাস আহমদ বিন আল-মুফাররিজ বিন আলী বিন আব্দুল আযীয বিন মাসলামাহ আদ-দিমাশকী (মৃত্যু ৬৫০ হিজরি)
গবেষক/সম্পাদক: আমির হাসান সাবরি
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রায়্যান [এটি তিনটি হাদিস বিষয়ক মাশইয়াখাত গ্রন্থের একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত হয়েছে]
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩২৩
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: -)
سلسلة الأجزاء والكتب الحديثية (26 - 27 - 28)
مجموع فيه
ثلاث من كتب المشيخات الحديثية
مشيخة الإمام الزاهد شهاب الدين أبي حفص عمر بن محمد السهروردي
المتوفى سنة (632 هـ)
-[المشيخة البغدادية]-
للإمام رَشِيدِ الدِّينِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُفَرِّجِ ابن مسلمة الأموي
المتوفى سنة (650 هـ)
مشيخة أبي المنجى عبد الله بن عمر ابن اللتي البغدادي
المتوفى سنة (635 هـ)
حققها وقدم لها
الدكتور عامر حسن صبري
مؤسسة الريان
الطبعة الأولى
1425 هـ - 2004 م
হাদীস বিষয়ক পুস্তিকা ও কিতাব সিরিজ (২৬ - ২৭ - ২৮)
সংকলিত
তিনটি হাদীস বিষয়ক মাশয়াখাত কিতাব
ইমাম যাহিদ শিহাবুদ্দীন আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ আস-সুহরাওয়ার্দীর মাশয়াখাত
মৃত্যু বছর (৬৩২ হিজরী)
-[আল-মাশয়াখাতুল বাগদাদিয়্যাহ]-
ইমাম রশীদুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আল-মুফাররিজ ইবনে মুসলিমাহ আল-উমাবীর
মৃত্যু বছর (৬৫০ হিজরী)
আবু মানজা আব্দুল্লাহ বিন উমর ইবনুল লাতী আল-বাগদাদীর মাশয়াখাত
মৃত্যু বছর (৬৩৫ হিজরী)
তাহকীক ও ভূমিকা প্রদান করেছেন
ডক্টর আমির হাসান সাবরী
মুয়াসসাসাতুর রায়য়ান
প্রথম সংস্করণ
১৪২৫ হিজরী - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٤٩)
الجزء الأول من المشيخة البغدادية
تخريج مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبِرْزَالِيّ الإِشْبِيلِيّ رحمه الله تعالى
للشيخ الْمُسْنِدِ الْمُعَمَّرِ الْعَدْلِ الثِّقَةِ رَشِيدِ الدِّينِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ الْمُفَرِّجِ بْنِ عمرو بن مسلمة الأموي عن شيوخه الذين أجازوا له من العراق، رحمهم الله تعالى.
আল-মাশইয়াখাতুল বাগদাদিয়্যাহ-র প্রথম খণ্ড
মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-বিরজালি আল-ইশবিলি (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর তাখরিজ
শায়খ, মুসনিদ, দীর্ঘজীবী, ন্যায়পরায়ণ ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব রাশিদুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আবিল ফাতহ আল-মুফাররিজ বিন আমর বিন মাসলামা আল-উমাবি-এর জন্য; তাঁর ঐ সকল শিক্ষকদের পক্ষ থেকে যারা তাঁকে ইরাক থেকে ইজাজত প্রদান করেছেন, আল্লাহ তাআলা তাঁদের সকলের প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٥١)
[الشَّيْخُ الأَوَّلُ]
أَخْبَرَنَا
يَحْيَى بْنُ ثَابِتِ بْنِ بُنْدَارِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ بُنْدَارِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ بُنْدَارٍ الْبَقَّالُ، أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي الْمَعَالِي، كِتَابَةً فِي سَنَةِ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ وَخَمْسِ مئة، مِنْ مَدِينَةِ السَّلامِ حَاطَهَا اللَّهُ، أَخْبَرَنَا أَبِي أَبُو الْمَعَالِي ثَابِتٌ قِرَاءَةً عَلَيْهِ غَيْرَ مرةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو بكرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ بُكَيْرٍ النَّجَّارُ، وَأَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ دُومَا قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حاضرٌ أَسْمَعُ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو بكرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ سَلَمٍ الْخُتَّلِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مَسْلَمَةَ الْوَصِيفِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ،
[প্রথম শায়খ]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত ইবনে বুন্দার ইবনে ইবরাহিম ইবনে বুন্দার ইবনে আল-হাসান ইবনে বুন্দার আল-বাক্কাল, আবুল কাসিম ইবনে আবিল মা'আলি, পাঁচশ ঊনষাট হিজরি সনে মদিনাতুস সালাম থেকে লিখিতভাবে—আল্লাহ একে রক্ষা করুন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু আল-মা'আলি সাবিত তাঁর নিকট একাধিকবার পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে বুকাইর আন-নাজ্জার এবং আবু আলি আল-হাসান ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আল-আব্বাস ইবনে দুমা তাঁদের নিকট পাঠকালে—আমি তখন উপস্থিত থেকে শ্রবণ করছিলাম; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে সালাম আল-খুত্তালি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-ফজল ইবনে মাসলামাহ আল-ওসিফি; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আবু দাউদ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٥٢)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ يَعْنِي ابْنَ الْعَلاءِ، قَالَ: سَمِعْتُ نَافِعًا يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ:
أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَخْطُبُ إِلَى جذعٍ فَلَمَّا اتَّخَذَ مِنْبَرًا تَحَوَّلَ إِلَيْهِ فَحَنَّ الْجِذْعُ، فَمَشَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَمَسَحَهُ بِيَدِهِ فَسَكَنَ.
قَالَ ابْنُ أَبِي دَاوُدَ: أَبُو حَفْصِ بْنُ الْعَلاءِ أَخُو أَبِي عَمْرٍو، وَهُمْ أَرْبَعَةٌ: مُعَاذُ بْنُ الْعَلاءِ، وَأَبُو سُفْيَانَ، وَأَبُو حفصٍ لَيْسَ هُوَ مُعَاذٌ وَلا يُعْرَفُ اسْمُهُ.
كَذَا قَالَ، وَقَدْ صَرَّحَ بِاسْمِهِ إِمَامُ أَهْلِ الصَّنْعَةِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ.
وَالْحَدِيثُ فَقَدْ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي صَحِيحِهِ فِي عَلامَاتِ النُّبُوَّةِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى، عَنْ يَحْيَى بْنِ كثيرٍ أَبِي غَسَّانَ، عَنْ أَبِي حفصٍ -اسْمُهُ عُمَرُ بْنُ الْعَلاءِ أَخِي أَبِي عَمْرِو بْنِ الْعَلاءِ- عَنْ نافعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ.
وَقَدْ أَخْرَجَ الْبُخَارِيُّ عُقَيْبَهُ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ مُعَاذٍ أَخِيهِ مُعَلَّقًا فَقَالَ: وَقَالَ عَبْدُ الْحَمِيدِ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا مُعَاذٌ.
وَعَبْدُ الْحَمِيدِ هُوَ: عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ الْكَشِّيُّ فِيمَا يَغْلُبُ عَلَى ظَنِّي، وَلَمْ يَذْكُرْ لَهُ الْبُخَارِيُّ سِوَى هَذَا الْحَدِيثِ وَلَمْ يَقَعْ سَمَاعًا.
وَأَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ فِي كِتَابِهِ، أَخْبَرَنَا أَبِي أَبُو الْمَعَالِي، أَخْبَرَنَا أَبُو بكرٍ مُحَمَّدٌ، وَأَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ دُومَا قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو بكرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ،
মুহাম্মাদ ইবনে বাশার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হাফস অর্থাৎ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নাফেকে ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি খেজুর গাছের কাণ্ডের সাথে হেলান দিয়ে খুতবা দিতেন। যখন তিনি একটি মিম্বর গ্রহণ করলেন এবং সেদিকে সরে গেলেন, তখন খেজুর কাণ্ডটি ডুকরে কেঁদে উঠল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সেটির কাছে গেলেন এবং নিজের হাত দিয়ে তা স্পর্শ করলেন, ফলে সেটি শান্ত হলো।
ইবনে আবু দাউদ বলেন: আবু হাফস ইবনুল আলা হলেন আবু আমরের ভাই। তারা চারজন: মুআয ইবনুল আলা, আবু সুফিয়ান এবং আবু হাফস—যিনি মুআয নন এবং যার নাম জানা যায় না।
তিনি এমনটাই বলেছেন, তবে হাদীস শাস্ত্রের ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী স্পষ্টভাবে তার নাম উল্লেখ করেছেন।
আর এই হাদীসটি ইমাম বুখারী তার সহীহ গ্রন্থের 'নবুওয়াতের নিদর্শনাবলী' অধ্যায়ে মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর আবু গাসসান থেকে, তিনি আবু হাফস থেকে—যার নাম উমর ইবনুল আলা, তিনি আবু আমর ইবনুল আলার ভাই—তিনি নাফে থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম বুখারী এর পরপরই এই হাদীসটি তার ভাই মুআয থেকে মুআল্লাক হিসেবে উদ্ধৃত করে বলেছেন: আবদুল হামীদ বলেছেন, উসমান ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
আর আমার প্রবল ধারণা অনুযায়ী আবদুল হামীদ হলেন: আবদ ইবনে হুমাইদ আল-কাশ্শি। ইমাম বুখারী তার কিতাবে এই হাদীসটি ছাড়া তার থেকে অন্য কোনো হাদীস উল্লেখ করেননি এবং এটি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়নি।
ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত তার কিতাবে আমাদের অবহিত করেছেন, আমার পিতা আবু আল-মা'আলী আমাদের অবহিত করেছেন, আবু বকর মুহাম্মাদ এবং আবু আলী আল-হাসান ইবনে দুমা আমাদের অবহিত করেছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর আমাদের অবহিত করেছেন,
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٥٣)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا أَبُو طالبٍ الْكَاتِبُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ محمدٍ بْنِ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ سَلامٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ قَالَ:
جَلَسْتُ إِلَى ابْنِ [عميرٍ الْمَدَنِيِّ] فِي مَجْلِسِهِ فِي بَنِي سَدُوسَ وَهُوَ فِي الصَّلاةِ فَقَالَ فِي التَّشَهُّدِ: الْحَمْدُ لِلَّهِ، لَوْ كَانَ الْبَلاءُ بِالْحِصَصِ مَا نَالَنَا مَا نَرَى، وَمِنْ ذَلِكَ أَنَّا وَجَّهْنَا الْجَارِيَةَ بِالشَّاةِ إِلَى التَّيَّاسِ فَرَجَعَتِ الْجَارِيَةُ حَامِلا، وَالشَّاهُ حَائِلا، السَّلامُ عَلَيْكُمْ.
هَذَا الشَّيْخُ مُحَدِّثٌ ابْنُ مُحَدِّثٍ، سَمِعَ مِنْ أَبِيهِ الْكَثِيرَ، صَحِيحَ الإِسْمَاعِيلِيِّ وَغَيْرَهُ، وَسَمِعَ أَبَا الْفَوَارِسِ طَرَّادَ بْنَ مُحَمَّدٍ الزَّيْنَبِيَّ،
মুহাম্মদ ইবনুল ফজল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু তালিব আল-কাতিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু সালাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উবায়দা বর্ণনা করেছেন:
আমি বনী সাদূস গোত্রে ইবনে [উমাইর আল-মাদানী]-এর মজলিসে তাঁর নিকট বসলাম, এমতাবস্থায় তিনি সালাত আদায় করছিলেন। তিনি তাশাহহুদের মধ্যে বললেন: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যদি বিপদ-আপদগুলো হিস্যা অনুযায়ী বণ্টন হতো, তবে আমরা যা প্রত্যক্ষ করছি তা আমাদের নিকট পৌঁছাত না। এর অন্তর্ভুক্ত হলো এই যে, আমরা একটি দাসীকে ছাগীসহ ছাগল প্রজননকারীর নিকট পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু দাসীটি গর্ভবতী অবস্থায় ফিরে এল আর ছাগীটি বন্ধ্যা রয়ে গেল। আপনাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।
এই শাইখ একজন মুহাদ্দিস এবং মুহাদ্দিসের পুত্র; তিনি তাঁর পিতার নিকট থেকে অনেক কিছু শুনেছেন, যার মধ্যে সহীহ আল-ইসমাঈলী ও অন্যান্য কিতাব রয়েছে। তিনি আবুল ফাওয়ারিস তাররাদ ইবনে মুহাম্মদ আজ-জাইনাবীর নিকট থেকেও শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٥٤)
وَأَبَا الْحَسَنِ عَلِيَّ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْعَلافِ، وَأَبَا يَاسِرٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْخَيَّاطَ وَغَيْرَهُمْ، تُوُفِّيَ سَنَةَ سِتٍّ وَسِتِّينَ وخمس مئة.
এবং আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনুল আল্লাফ, এবং আবু ইয়াসির মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-খাইয়াত ও অন্যান্যরা; তিনি পাঁচশত ছেষট্টি হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٥٥)
شيخٌ آخَرُ [الثَّانِي]
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ
أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْخَشَّابِ النَّحْوِيُّ اللُّغَوِيُّ الْمُحَدِّثُ، فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ مَدِينَةِ السَّلامِ بَغْدَادَ، فِي سنة تسعٍ وخمسين وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّبَعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَخْلَدٍ الْبَزَّازُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو عمروٍ عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الدَّقَّاقُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ السَّمَّاكِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بن عبيد الله الْمُنَادِي، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الطَّنَافِسِيُّ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنِ الْمَعْرُورِ بْنِ سويدٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ:
أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي ظِلِّ الْكَعْبَةِ، فَلَمَّا رَآنِي قَدْ أَقْبَلْتُ قَالَ: ((هُمُ الأَخْسَرُونَ وَرَبِّ الْكَعْبَةِ، هُمُ الأَخْسَرُونَ وَرَبِّ الْكَعْبَةِ)) ، قَالَ: فَأَخَذَنِي غَمٌّ وَجَعَلْتُ أَتَنَفَّسُ، قُلْتُ: هَذَا شَيْءٌ حَدَثَ بِي، قُلْتُ: مَنْ هُمْ
অন্য একজন শায়খ [দ্বিতীয়]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ
আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আহমাদ বিন আহমাদ বিন আল-খাশ্শাব আন-নাহবী আল-লুগাবী আল-মুহাদ্দিস, পাঁচশত ঊনষাট হিজরী সালে শান্তির শহর বাগদাদ হতে আমার নিকট প্রেরিত তাঁর কিতাবে; আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ আর-রাবাঈ তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মাখলাদ আল-বায্যায তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আমর উসমান বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযিদ আদ-দাক্কাক—যিনি ইবনুস সাম্মাক নামে পরিচিত—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ আল-মুনাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; মুহাম্মদ বিন উবাইদ আত-তানাফিসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; আল-আ’মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মা'রুর বিন সুওয়াইদ থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম যখন তিনি কাবার ছায়ায় অবস্থান করছিলেন। তিনি যখন আমাকে আসতে দেখলেন তখন বললেন: "কাবার রবের কসম, তারাই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত! কাবার রবের কসম, তারাই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত!"। তিনি বলেন: তখন আমি অত্যন্ত মর্মাহত হলাম এবং দীর্ঘশ্বাস ফেলতে লাগলাম। আমি (মনে মনে) বললাম: এটি কি এমন কিছু যা আমার ক্ষেত্রে ঘটেছে? আমি বললাম: তারা কারা?
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٥٦)
فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي؟ قَالَ: ((هُمُ الأَخْسَرُونَ إِلا مَنْ قَالَ فِي عِبَادِ اللَّهِ هَكَذَا وَهَكَذَا وَأَوْمَأَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بِيَدِهِ يَمِينًا وَشِمَالا وَخَلْفَهُ، وقليلٌ مَا هُمْ، مَا مِنْ رجلٍ يَمُوتُ فَيَتْرُكُ غَنَمًا أَوْ إِبِلا أَوْ بَقَرًا لَمْ يُؤَدِّ زَكَاتَهَا إِلا جَاءَتْهُ أَعْظَمَ مَا تَكُونُ وَأَسْمَنَهُ، تَطَؤُهُ بِأَظْلافِهَا، وَتَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا، حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ النَّاسِ، ثُمَّ يَعُودُ أُولاهَا عَلَى أُخْرَاهَا)) .
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ مُخْتَصَرًا عَنْ عُمَرَ بْنِ حفصٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مَعْرُورٍ، في كتاب النذر مِنْ صَحِيحِهِ وَأَوَّلُهُ: مَا مِنْ رجلٍ يَكُونُ لَهُ إِبِلٌ، الْحَدِيثُ بِمَعْنَاهُ.
وَأَخْرَجَهُ مسلمٌ بِقِصَّتِهِ وَكَمَالِهِ فِي الزَّكَاةِ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ وَكِيعٍ، وَعَنْ أَبِي كُرَيْبٍ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، كِلَيْهِمَا عَنِ الأَعْمَشِ عَنِ الْمَعْرُورِ بِنَحْوِهِ.
هَذَا الشَّيْخُ سَمِعَ الْكَثِيرَ بِنَفْسِهِ، وَحَصَّلَ وَجَمَعَ الأُصُولَ الْحِسَانَ وَالْكُتُبَ وَالأَجْزَاءَ، وَكَانَ حَسَنَ الْخَطِّ مَعَ معرفةٍ تامةٍ بِالأَدَبِ وَالنَّحْوِ وَاللُّغَةِ وَالْعَرُوضِ، وَلَمْ يَكُنْ أحدٌ فِي زَمَانِهِ يُشَارِكُهُ فِي مَعَارِفِهِ لِصَغِرِ سِنِّهِ مِنْ أَتْرَابِهِ، وَانْضَافَ إِلَى عِلْمِ الْعَرَبِيَّةِ مَعْرِفَتُهُ بِالْحَدِيثِ، وَحُسْنُ إِيرَادِهِ فِي قِرَاءَتِهِ لَهُ:
ذَكَرَ أَبُو شُجَاعٍ عمر بن أبي الحسن البسطمي، قَالَ: لَمَّا دَخَلْتُ بَغْدَادَ قَرَأَ عَلَيَّ أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ الْخَشَّابِ كِتَابَ (غَرِيبِ الْحَدِيثِ) لأَبِي مُحَمَّدِ بْنِ قُتَيْبَةَ قِرَاءَةً مَا سَمِعْتُ قَبْلَهَا مِثْلَهَا فِي الصِّحَّةِ وَالسُّرْعَةِ، وَحَضَرَ جماعةٌ مِنَ
"আমার পিতামাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোন।" তিনি বললেন: "তারাই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত, তবে তারা ব্যতীত যারা আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এভাবে ও ওভাবে (দান) করে—এবং আবু আবদুল্লাহ তার হাত দিয়ে ডানে, বামে ও পেছনে ইশারা করলেন—আর তারা সংখ্যায় খুবই কম। কোনো ব্যক্তি যদি এমন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে যে সে ভেড়া, উট বা গরু রেখে গিয়েছে যার জাকাত সে আদায় করেনি, তবে কিয়ামতের দিন সেগুলো তার কাছে আসবে পূর্বের তুলনায় অধিক বিশাল ও স্থূলকায় হয়ে, যা তাকে তাদের খুড় দিয়ে মাড়াবে এবং শিং দিয়ে গুঁতো দেবে; যতক্ষণ না মানুষের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হয়, অতঃপর তাদের প্রথমটি পুনরায় শেষটির ওপর ফিরে আসবে।"
ইমাম বুখারি এটি ওমর বিন হাফস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আমাশ থেকে এবং তিনি মা’রুর থেকে তার সহিহ গ্রন্থের 'মানত' (নাজর) অধ্যায়ে সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। এর প্রারম্ভিক অংশ হলো: "কোনো ব্যক্তির যদি উট থাকে..." - হাদিসটি এর মর্মার্থসহ বর্ণিত হয়েছে।
ইমাম মুসলিম এটি পূর্ণাঙ্গ ঘটনাপ্রবাহসহ জাকাত অধ্যায়ে আবু বকর বিন আবি শায়বা থেকে, তিনি ওকি’ থেকে এবং আবু কুরাইব থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া থেকে—উভয়েই আমাশ থেকে এবং তিনি মা’রুর থেকে অনুরুপভাবে বর্ণনা করেছেন।
এই শায়খ নিজে প্রচুর (হাদিস) শ্রবণ করেছেন, এবং তিনি উত্তম মূল পাণ্ডুলিপি, কিতাব ও সংকলনসমূহ সংগ্রহ ও অর্জন করেছেন। আরবি সাহিত্য, নাহু (ব্যাকরণ), ভাষা ও ছন্দশাস্ত্রে পূর্ণ দক্ষতার পাশাপাশি তার হস্তাক্ষর ছিল অত্যন্ত সুন্দর। তার সমসাময়িক সমবয়সীদের মধ্যে কেউ তার মতো জ্ঞানের অধিকারী ছিল না, যদিও তিনি বয়সে ছিলেন কনিষ্ঠ। আরবি ভাষার জ্ঞানের সাথে হাদিস শাস্ত্রে তার পাণ্ডিত্য এবং হাদিস পাঠের সময় তার চমৎকার উপস্থাপনশৈলীও যুক্ত হয়েছিল:
আবু শুজা ওমর বিন আবিল হাসান আল-বিসতামি উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: "যখন আমি বাগদাদে প্রবেশ করলাম, তখন আবু মুহাম্মদ বিন আল-খাশশাব আমার কাছে আবু মুহাম্মদ বিন কুতায়বা রচিত 'গারিবুল হাদিস' গ্রন্থটি পাঠ করলেন। তিনি এমন পাঠ করলেন যে, এর আগে নির্ভুলতা ও ক্ষিপ্রতার দিক থেকে আমি তেমনটি আর কখনো শুনিনি। সেখানে একদল লোক উপস্থিত ছিল..."
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٥٧)
الْفُضَلاءِ سَمَاعَهُ، وَكَانُوا يُرِيدُونَ أَنْ يَأْخُذُوا عَلَيْهِ فَلْتَةَ لسانٍ فَمَا قَدِرُوا عَلَى ذَلِكَ.
وَشُهْرَتُهُ تُغْنِي عَنِ الإِكْثَارِ فِي حَقِّهِ، سَمِعَ أَبَا الْقَاسِمِ عَلِيَّ الرَّبَعِيَّ، وَأَبَا الْقَاسِمِ عَلِيَّ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ وَمَنْ دُونَهُمْ، وَوَقَفَ كُتُبَهُ عِنْدَ مَوْتِهِ، وَكَانَتْ كُتُبُهُ فَاخِرَةً بَدِيعَةَ الْحُسْنِ والصحة، مولده سنة اثنتين وتسعين وأربع مئة، وَتُوُفِّيَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَدُفِنَ مِنْ غَدِهِ، رَابِعَ شهر رمضان سنة سبع وستين وخمس مئة.
গুণীজনরা তাঁর নিকট পাঠ শ্রবণ করতেন এবং তাঁরা তাঁর কোনো মুখফসকে যাওয়া ভুল ধরার চেষ্টা করতেন, কিন্তু তাঁরা তা করতে সক্ষম হননি।
তাঁর সুখ্যাতি তাঁর সম্পর্কে অধিক আলোচনার আবশ্যকতা রাখে না। তিনি আবুল কাসিম আলী আর-রাবায়ি, আবুল কাসিম আলী বিন মুহাম্মদ বিন বায়ান এবং তাঁদের পরবর্তী পর্যায়ের আলেমদের নিকট থেকে পাঠ শ্রবণ করেছেন। মৃত্যুর সময় তিনি তাঁর কিতাবসমূহ ওয়াকফ করে দিয়ে যান। তাঁর কিতাবসমূহ ছিল অত্যন্ত উন্নতমানের, চমৎকার সৌন্দর্যমণ্ডিত ও নির্ভুল। তাঁর জন্ম হয়েছিল চারশত বিরানব্বই হিজরি সনে এবং তিনি শুক্রবার ইন্তেকাল করেন। তাঁকে তাঁর ইন্তেকালের পরের দিন অর্থাৎ পাঁচশত সাতষট্টি হিজরি সনের চার রমজানে দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٥٨)
شيخٌ آخَرُ [الثَّالِثُ]
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ
أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ محمد بن أحمد بن عبد الله ابن النَّقُورِ أَبُو بكرٍ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ مَدِينَةِ السَّلامِ حَمَاهَا اللَّهُ سَنَةَ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّبَعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الدَّقَّاقُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ السَّمَّاكِ إِمْلاءً، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سعيدٍ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ وهبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مسعودٍ، قَالَ:
حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ الصَّادِقُ الْمَصْدُوقُ: ((إِنَّ أَحَدَكُمْ يُجْمَعُ خَلْقُهُ فِي بَطْنِ أُمِّهِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا، أَوْ قَالَ: أَرْبَعِينَ لَيْلَةً، ثُمَّ يَكُونُ عَلَقَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يَكُونُ مُضْغَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يُرْسِلُ اللَّهُ تَعَالَى إِلَيْهِ الْمَلَكَ فَيُؤْمَرُ بِأَرْبَعِ كلماتٍ، قَالَ: فَيَكْتُبُ رِزْقَهُ وَأَجَلَهُ وَعَمَلَهُ وشقيُّ أَوْ سعيدٌ، ثُمَّ يَنْفُخُ فِيهِ الرُّوحَ، قَالَ: فَوَالَّذِي لا إِلَهَ غَيْرُهُ، إِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ حَتَّى مَا يَكُونَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إِلا ذراعٌ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ فَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ فَيَكُونُ مِنْ أَهْلِهَا، وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ حَتَّى مَا يَكُونَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إِلا ذراعٌ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ، فَيُخْتَمُ لَهُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَيَكُونُ مِنْ أَهْلِهَا)) .
অন্য একজন শাইখ [তৃতীয়]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ
আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবদুল্লাহ ইবনুন নাকূর; আবু বকর পাঁচশত ঊনষাট হিজরি সনে মদিনাতুস সালাম (বাগদাদ) —আল্লাহ একে রক্ষা করুন— থেকে আমার নিকট প্রেরিত তাঁর চিঠিতে জানিয়েছেন যে, আবুল কাসেম আলী বিন আল-হুসাইন বিন আবদুল্লাহ আল-রাবায়ি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; ইবনুস সাম্মাক নামে পরিচিত আবু আমর উসমান বিন আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আদ-দাক্কাক শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন মানসুর আল-হারিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যায়েদ বিন ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর তিনি হলেন সত্যবাদী ও যাঁর সত্যবাদিতা স্বীকৃত: "তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদানগুলো তার মায়ের পেটে চল্লিশ দিন পর্যন্ত একত্রিত করা হয়, অথবা তিনি বলেছেন: চল্লিশ রাত; অতঃপর তা অনুরূপ সময়ের জন্য জমাট রক্তপিণ্ডে পরিণত হয়; অতঃপর তা অনুরূপ সময়ের জন্য মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়; তারপর আল্লাহ তাআলা তার কাছে একজন ফেরেশতা পাঠান এবং তাকে চারটি বিষয় লিখে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বলেন: অতঃপর ফেরেশতা তার রিজিক, আয়ুষ্কাল, আমল এবং সে কি দুর্ভাগা না সৌভাগ্যবান—তা লিখে দেন। এরপর তার মধ্যে রূহ ফুঁকে দেওয়া হয়। তিনি বলেন: সেই সত্তার কসম, যাঁকে ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই, তোমাদের কেউ জান্নাতিদের মতো আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র এক হাত ব্যবধান থাকে, এমন সময় তার ওপর লিখিত লিপি প্রবল হয় এবং সে জাহান্নামিদের মতো আমল শুরু করে, ফলে সে জাহান্নামিদের অন্তর্ভুক্ত হয়। আর তোমাদের কেউ জাহান্নামিদের মতো আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মধ্যে মাত্র এক হাত ব্যবধান থাকে, এমন সময় তার ওপর লিখিত লিপি প্রবল হয় এবং জান্নাতিদের আমলের মাধ্যমে তার জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে, ফলে সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হয়।"
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٥٩)
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي بَدْءِ الْخَلْقِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، وَفِي خَلْقِ آدَمَ عَنْ عُمَرَ بْنِ حفصٍ، عَنْ أَبِيهِ.
وَفِي الْقَدَرِ عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ وَآدَمَ كِلَيْهِمَا عَنْ شُعْبَةَ، كُلُّهُمْ عَنِ الأَعْمَشِ بِهِ.
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الْقَدَرِ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ وَوَكِيعٍ.
وَعَنِ [ابْنِ] نُمَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ، وَأَبِي مُعَاوِيَةَ، وَوَكِيعٍ.
وَعَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَإِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ جَرِيرٍ.
وَعَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ.
وَعَنِ الأَشَجِّ، عَنْ وكيع.
وعن عبيد الله، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ شُعْبَةَ، كُلُّهُمْ عَنِ الأَعْمَشِ بِهِ.
هَذَا الشَّيْخُ سَمِعَ أَبَا الْقَاسِمِ عَلِيَّ بْنَ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّبَعِيَّ،
ইমাম বুখারী এটি 'সৃষ্টির সূচনা' অধ্যায়ে হাসান ইবনুর রবী' থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে এবং 'আদম সৃষ্টি' অধ্যায়ে উমর ইবনে হাফস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং 'তাকদীর' অধ্যায়ে আবুল ওয়ালীদ ও আদম থেকে, তাঁরা উভয়ে শু'বাহ থেকে, তাঁরা সকলে আ'মাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
ইমাম মুসলিম এটি 'তাকদীর' অধ্যায়ে আবু বকর ইবনে আবু শায়বাহ থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া ও ওয়াকী' থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং [ইবনে] নুমাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা, আবু মুয়াবিয়া ও ওয়াকী' থেকে।
এবং উসমান ইবনে আবু শায়বাহ ও ইসহাক ইবনে ইবরাহীম থেকে, তাঁরা জারীর থেকে।
এবং ইসহাক ইবনে ইবরাহীম থেকে, তিনি ঈসা ইবনে ইউনুস থেকে।
এবং আশাজ থেকে, তিনি ওয়াকী' থেকে।
এবং উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তাঁরা সকলে আ'মাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
এই শায়খ আবুল কাসিম আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রাবা'য়ীকে শুনেছেন,
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦٠)
وَأَبَا سعدٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ خُشَيْشٍ، وَأَبَا الْحَسَنِ عَلِيَّ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْعَلافِ الْمُقْرِئَ الْحَاجِبَ وَغَيْرَهُمْ، تُوُفِّيَ سنة خمس وستين وخمس مئة.
এবং আবু সা’দ মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারীম বিন খুশাইশ, এবং আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-আল্লাফ আল-মুকরি আল-হাজিব ও অন্যান্যরা। তিনি পাঁচশত পঁয়ষট্টি হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦١)
شيخٌ آخَرُ [الرَّابِعُ]
أَخْبَرَنَا
أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَحْبُوبٍ الْغَزِّيُّ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ مَدِينَةِ السَّلامِ كَلأَهَا الله سنة تسع وخمسين وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ الرَّزَّازُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ الزَّاهِدُ، قِرَاءَةً، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ خُزَيْمَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ سَنَةَ سبعٍ وَأَرْبَعِينَ وثلاث مئة، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَيُّوبَ وَخَالِدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ:
عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ فِي عَمَّارٍ: ((تَقْتُلُكَ الْفِئَةُ الْبَاغِيَةُ)) .
وَقَالَ خالدٌ: تَقْتُلُهُ.
অন্য একজন শায়খ [চতুর্থ]
আমাদের জানিয়েছেন
আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আব্দুর রহমান বিন মাহবুব আল-গাজ্জি, মাদিনাতুস সালাম (বাগদাদ) থেকে আমার নিকট লিখিত তাঁর কিতাবে—আল্লাহ একে রক্ষা করুন—পাঁচশত উনষাট হিজরি সনে; আমাদের জানিয়েছেন আবুল কাসিম আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন বায়ান আর-রাজ্জাজ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের জানিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আজ-জাহিদ, পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের জানিয়েছেন আবু আলী আহমাদ বিন আল-ফাদল বিন আল-আব্বাস বিন খুজাইমাহ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে তিনশত সাতচল্লিশ হিজরি সনে; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আদ-দাওরাকি; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমর বিন মারজুক; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, আইয়ুব ও খালিদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে এবং তিনি উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি আম্মার সম্পর্কে বলেছেন: ((তোমাকে একটি বিদ্রোহী দল হত্যা করবে))।
এবং খালিদ বলেছেন: তারা তাকে হত্যা করবে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦٢)
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَبَلَةَ وَعُقْبَةَ بْنِ مُكْرَمٍ وَأَبِي بَكْرِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ غُنْدَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ.
وَعَنْ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ عَبْدِ الْوَارِثِ، عَنْ شُعْبَةَ، عن خالدٍ الخذاء، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ وَالْحَسَنِ، عَنْ أُمِّهِمَا، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ بِهِ.
وَعَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم به.
وأخبرنا الْحُسَيْنُ بْنُ مَحْبُوبٍ إِذْنًا، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ بَيَانٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ سَنَةَ سَبْعٍ وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ التِّرْمِذِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ الطَّبَّاعِ أَبُو جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا مُجَمِّعُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ مُجَمِّعِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِيهِ يَعْقُوبَ، عَنْ عَمِّهِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَمِّهِ مُجَمِّعِ بْنِ جَارِيَةَ الأَنْصَارِيِّ -وَكَانَ أَحَدَ الْقُرَّاءِ الَّذِينَ قَرَأُوا الْقُرْآنَ- قَالَ:
شَهِدْتُ الْحُدَيْبِيَةَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَإِذَا النَّاسُ يَهُزُّونَ الأَبَاعِرَ، فَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ لبعضٍ: مَا لِلنَّاسِ؟ قَالُوا: أُوحِيَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَخَرَجْنَا نُوجِفُ مَعَ النَّاسِ فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم واقفٌ عَلَى رَاحِلَتِهِ عِنْدَ كراع
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে জাবালাহ, উকবাহ ইবনে মুকরাম এবং আবু বকর ইবনে নাফে থেকে, তাঁরা গুন্দার থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি খালিদ আল-হায্যা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবিল হাসান থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে।
এবং ইসহাক ইবনে মানসুর থেকে, তিনি আবদুস সামাদ ইবনে আবদুল ওয়ারিস থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি খালিদ আল-হায্যা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবিল হাসান ও হাসান থেকে, তাঁরা তাঁদের মা থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে এই সূত্রে।
এবং আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি ইবনে আউন থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এই সূত্রে।
এবং হুসাইন ইবনে মাহবুব অনুমতির মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আলি ইবনে বায়ান পাঁচশত সাত হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আবদুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলি আহমদ ইবনুল ফাদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আত-তিরমিজি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে তাব্বা আবু জাফর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুজাম্মি' ইবনে ইয়াকুব ইবনে মুজাম্মি' ইবনে ইয়াজিদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতা ইয়াকুব থেকে, তিনি তাঁর চাচা আবদুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি তাঁর চাচা মুজাম্মি' ইবনে জারিয়া আল-আনসারি থেকে —যিনি কুরআন পাঠকারী কারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন— তিনি বলেন:
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে হুদাইবিয়ায় উপস্থিত ছিলাম। তখন দেখা গেল যে, লোকজন উটগুলোকে দ্রুত হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কিছু লোক অন্য লোকদের জিজ্ঞেস করল: লোকদের কী হয়েছে? তারা বলল: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি ওহি অবতীর্ণ হয়েছে। ফলে আমরাও লোকদের সাথে দ্রুত বেগে বেরিয়ে পড়লাম। তখন দেখা গেল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কুরা'-এর নিকট তাঁর বাহনের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦٣)
الْغَمِيمِ فَقَرَأَ: {إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِينًا} فَقَالَ رجلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أفتحٌ هُوَ؟ قَالَ: وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّهُ لفتحٌ، قَالَ: فَقُسِّمَتْ خيبرٌ عَلَى أَهْلِ الْحُدَيْبِيَةِ، لَمْ يَدْخُلْ مَعَهُمْ أحدٌ غَيْرُهُمْ، قَالَ: وَكَانَ الْجَيْشُ أَلْفًا وخمس مئة، فيهم ثلاث مئة فارسٍ، فَأَعْطَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْفَارِسَ سَهْمَيْنِ وَالرَّاجِلَ سَهْمًا.
رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الْجِهَادِ مِنْ سُنَنِهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى، عَنْ مُجَمِّعِ بْنِ يَعْقُوبَ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً.
سَمِعَ هَذَا الشَّيْخُ أَبَا الْحَسَنِ مُحَمَّدَ بْنَ مَرْزُوقِ بْنِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ بْنِ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيَّ، وَأَبَا سَعِيدٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ خُشَيْشٍ، وَأَبَا طَالِبٍ عَبْدَ الْقَادِرِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْقَادِرِ.
شَاهَدْتُ بِخَطِّهِ يَقُولُ: ذَكَرَتْ وَالِدَتِي رضي الله عنها أَنِّي كُنْتُ حَمْلا وَقْتَ مَاتَ السُّلْطَانُ مَلِكُ شَاهٍ رحمه الله، وذلك في سنة خس وثمانين وأربع مئة.
গামীমে অবস্থানকালে তিনি পাঠ করলেন: {নিশ্চয় আমি আপনার জন্য সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি}। তখন এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এটি কি বিজয়? তিনি বললেন: "সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই এটি একটি বিজয়।" তিনি বলেন: এরপর খয়বর কেবল হুদায়বিয়াহর লোকদের মধ্যে বণ্টন করা হলো, তাদের সাথে অন্য কেউ এতে শরিক হতে পারেনি। তিনি বলেন: সৈন্যবাহিনী ছিল এক হাজার পাঁচশত জনের, তাদের মধ্যে তিনশত জন অশ্বারোহী ছিলেন। ফলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অশ্বারোহীকে দুই অংশ এবং পদব্রজীকে এক অংশ প্রদান করলেন।
এটি আবু দাউদ তাঁর সুনান গ্রন্থের জিহাদ অধ্যায়ে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা থেকে, তিনি মুজাম্মি ইবনে ইয়াকুব থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি আমাদের জন্য 'মুওয়াফাকাহ' (সনদের উচ্চতর সূত্রের একমুখিতা) হিসেবে সাব্যস্ত হলো।
এই শাইখ এটি আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে মারজুক ইবনে আবদুর রাজ্জাক ইবনে মুহাম্মদ আজ-জা'ফরানী, আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কারিম ইবনে খুশাইশ এবং আবু তালিব আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কাদির থেকে শ্রবণ করেছেন।
আমি তাঁর নিজ হস্তাক্ষরে লিখিত দেখেছি, তিনি বলছেন: "আমার মাতা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) উল্লেখ করেছেন যে, সুলতান মালিক শাহ (রাহিমাহুল্লাহ) যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন আমি মাতৃগর্ভে ছিলাম; আর তা ছিল চারশত পঁচাশি হিজরি সনে।"
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦٤)
شيخٌ آخَرُ [الْخَامِسُ]
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ
أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ [الْحَسَنِ] بْنِ عَلانَ الشُّرُوطِيُّ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ بَغْدَادَ حَرَسَهَا الله سنة تسع وخمسين وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعِزِّ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُخْتَارِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْمُؤَيَّدِ بِاللَّهِ، قراءةً عليه سنة ثمانٍ وتسعين وأربع مئة، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْجَوْهَرِيُّ إِمْلاءً مِنْ لَفْظِهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْغَفَّارِ الْفَارِسِيُّ النَّحْوِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مَعْدَانَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا الْمُلائِيُّ -وَهُوَ أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بن دكين- وعبيد الله بْنُ مُوسَى قَالا: حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ مُخَارِقٍ، عَنْ طارقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه، قَالَ:
((شَهِدْتُ مِنَ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ مَشْهَدًا لأَنْ أَكُونَ أَنَا صَاحِبَهُ أحب إلي
অপর একজন শাইখ [পঞ্চম]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ
আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে [আল-হাসান] ইবনে আলান আশ-শুরুতি বাগদাদ (আল্লাহ একে রক্ষা করুন) থেকে পাঁচশত ঊনষাট হিজরি সনে আমার নিকট প্রেরিত তাঁর কিতাবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ইযয মুহাম্মদ ইবনুল মুখতার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল মুয়াইয়িদ বিল্লাহ, চারশত আটানব্বই হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-জাওহারি স্বীয় মুখে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল গাফফার আল-ফারিসি আন-নাহবি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে মা'দান, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-হানজালি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুলাইয়ি—যিনি হলেন আবু নুআইম আল-ফাদল ইবনে দুকাইন—এবং উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসরাঈল, মুখারিক থেকে, তিনি তারিক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
((আমি মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদকে এমন এক অবস্থায় প্রত্যক্ষ করেছি যে, সেই অবস্থানের অধিকারী হওয়া আমার কাছে অধিক প্রিয়...))
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦٥)
مِمَّا عُدِلَ بِهِ، أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَدْعُو عَلَى الْمُشْرِكِينَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا لا نَقُولُ لَكَ كَمَا قَالَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ لِمُوسَى: اذْهَبْ أنت وربك فقاتلا إنا هاهنا قَاعِدُونَ، وَلَكِنَّا نُقَاتِلُ بَيْنَ يَدَيْكَ وَمِنْ خَلْفِكَ وَعَنْ يَمِينِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ، قَالَ: فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُشْرِقُ لِذَلِكَ وَيُسَرُّ بِذَلِكَ)) . أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الْمَغَازِي وَالتَّفْسِيرِ عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ، عَنْ إِسْرَائِيلَ.
وَفِي التَّفْسِيرِ عَنْ حَمْدَانَ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنِ الأَشْجَعِيِّ، عَنْ سُفْيَانَ، كِلَيْهِمَا عَنْ مخارقٍ، عَنْ طارقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ.
وَرَوَاهُ وكيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ طارقٍ، أَنَّ الْمِقْدَادَ.
هَذَا الشَّيْخُ سَمِعَ أَبَا الْبَرَكَاتِ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ [يَحْيَى] الْوَكِيلَ، وَأَبَا الْحُسَيْنِ الْمُبَارَكَ بْنَ عَبْدِ الْجَبَّارِ الطُّيُورِيَّ وَغَيْرَهُمَا.
...যা দ্বারা সমতুল্য করা হয়েছে; তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলেন যখন তিনি মুশরিকদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করছিলেন। তখন তিনি বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনাকে তেমন বলব না যেমনটি বনী ইসরাঈল মূসাকে বলেছিল— 'আপনি ও আপনার রব যান এবং যুদ্ধ করুন, আমরা এখানে বসে থাকলাম'; বরং আমরা আপনার সামনে, আপনার পেছনে, আপনার ডানে এবং আপনার বামে যুদ্ধ করব।" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: "অতঃপর আমি দেখলাম আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা এতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল এবং তিনি আনন্দিত হলেন।" ইমাম বুখারী এটি আল-মাগাযী ও আত-তাফসীর অধ্যায়ে আবু নুআইম থেকে এবং তিনি ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আত-তাফসীর অধ্যায়ে হামদান ইবনে উমর থেকে, তিনি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি আল-আশজাঈ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তাঁরা উভয়ে মুখারিক থেকে, তিনি তারিক থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ওয়াকী এটি সুফিয়ান থেকে এবং তিনি তারিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, মিকদাদ...
এই শাইখ আবুল বারাকাত মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে [ইয়াহইয়া] আল-ওয়াকিল এবং আবুল হুসাইন আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জব্বার আত-তুয়ূরী ও অন্যান্যদের নিকট শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦٦)
شيخٌ آخَرُ [السَّادِسُ]
أَخْبَرَنَا
حَيْدَرَةُ بْنُ عُمَرَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَمْزَةَ الْحُسَيْنِيُّ أَبُو الْمَنَاقِبِ الْكُوفِيُّ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ بَغْدَادَ حَرَسَهَا اللَّهُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْفَوَارِسِ طَرَّادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ إِمْلاءً، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقَوَيْهِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حربٍ، حَدَّثَنَا جَدِّي عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ الطَّائِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ:
جَاءَ الطُّفَيْلُ بْنُ عَمْرٍو الدَّوْسِيُّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: ((إِنَّ دَوْسًا قَدْ عَصَتْ وَأَبَتْ، فَادْعُ اللَّهَ عَلَيْهَا، فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ: اللَّهُمَّ اهْدِ دَوْسًا وَأْتِ بِهِمْ)) .
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ عَلِيٍّ ابْنِ الْمَدِينِيِّ عَنْ سُفْيَانَ.
وَرَوَاهُ عَنْ أَبِي الْيَمَانِ الْحَكَمِ بْنِ نافعٍ، عَنْ شُعَيْبِ بْنِ أَبِي حمزة،
অন্য একজন শায়খ [ষষ্ঠ]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
হায়দারাহ ইবনে উমর ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হামযাহ আল-হুসাইনি আবুল মানাকিব আল-কুফি আল্লাহ একে হিফাযত করুন এমন শহর বাগদাদ থেকে আমার নিকট প্রেরিত তাঁর কিতাবে; আবুল ফাওয়ারিস তাররাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আজ-জাইনাবি আমাদের নিকট শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে রিযকওয়াইহি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমর ইবনে আলি ইবনে হারব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার দাদা আলি ইবনে হারব আত-তায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ’রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
তুফাইল ইবনে আমর আদ-দাওসি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: “নিশ্চয়ই দাওস গোত্র অবাধ্যতা করেছে এবং (ইসলাম গ্রহণে) অস্বীকার করেছে, সুতরাং আপনি তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর নিকট বদদোয়া করুন।” তখন তিনি কিবলার দিকে মুখ করলেন এবং তাঁর হাত দু’টি উঠালেন (এবং বললেন): “হে আল্লাহ! দাওস গোত্রকে হিদায়াত দান করুন এবং তাদের নিয়ে আসুন।”
ইমাম বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন আলি ইবনুল মাদিনি থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে।
এবং তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আবুল ইয়ামান আল-হাকাম ইবনে নাফি থেকে, তিনি শুয়াইব ইবনে আবি হামযাহ থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦٧)
كِلَيْهِمَا عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ بِهِ.
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، عَنْ مُغِيرَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ بِمِثْلِهِ.
سَمِعَ أَبَا الْبَقَاءِ الْمُعَمَّرَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، وَأَبَا الْفَوَارِسِ طَرَّادَ بْنَ مُحَمَّدٍ الزَّيْنَبِيَّ وَغَيْرَهُمَا، مَوْلِدُهُ سَنَةَ إِحْدَى وثمانين وأربع مئة.
তারা উভয়েই আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মুগীরা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
তিনি আবুল বাকা আল-মুআম্মার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী, আবুল ফাওয়ারিস তাররাদ ইবনে মুহাম্মদ আয-যাইনাবী এবং অন্যদের থেকে (হাদীস) শুনেছেন। তাঁর জন্ম চারশত একাশি হিজরি সনে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦٨)
شيخٌ آخَرُ [السَّابِعُ]
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ
الْمُبَارَكُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ صَدَقَةَ أَبُو الْفَضْلِ السِّمْسَارُ، فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ مَدِينَةِ السَّلامِ حَرَسَهَا اللَّهُ، سنة تسع وخمسين وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحَسَنُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْمُنْذِرِ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ [الْحُسَيْنُ] بْنُ صَفْوَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو بكرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا هشيمٌ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ:
قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَخْبِرْنِي عَنِ الإِسْلامِ بأمرٍ لا أَسْأَلُ عَنْهُ أَحَدًا بَعْدَكَ؟ قَالَ: ((قُلْ آمَنْتُ بِاللَّهِ ثُمَّ اسْتَقِمْ، قُلْتُ: فَمَا أَتَّقِي؟ فَأَوْمَأَ بِيَدِهِ إِلَى لِسَانِهِ)) .
অন্য একজন শায়খ [সপ্তম]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ
আল-মুবারক ইবনে আল-মুবারক ইবনে সাদাকা আবুল ফজল আস-সিমসার, তাঁর প্রেরিত পত্রে মদিনাতুস সালাম (আল্লাহ একে রক্ষা করুন) থেকে পাঁচশত ঊনষাট হিজরি সালে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে তালহা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-হাসান ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-মুনজির, এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী [আল-হুসাইন] ইবনে সাফওয়ান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিদ দুনিয়া, আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হুশাইম, ইয়ালা ইবনে আতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সুফিয়ান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে এমন একটি বিষয়ে সংবাদ দিন যে সম্পর্কে আপনার পরে আমি আর কাউকে জিজ্ঞাসা করব না? তিনি বললেন: ((বল, "আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি", অতঃপর তার ওপর অটল থাক। আমি বললাম: তবে আমি কী থেকে বেঁচে থাকব? তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে নিজের জিহ্বার দিকে ইশারা করলেন))।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٦٩)
أخرجه مسلم بن الحجاج بن كِتَابِهِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ وَأَبِي كريبٍ، عَنِ ابْنِ نُمَيْرٍ.
وَعَنْ قُتَيْبَةَ بن سعيدٍ وإسحق بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِي كريبٍ، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، كُلِّهِمْ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيِّ بِهِ.
سَمِعَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ النعالي، وتوفي سنة اثنين [وستين] وخمسمائة.
এটি মুসলিম বিন হাজ্জাজ তাঁর কিতাবে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর বিন আবি শায়বা এবং আবু কুরায়ব হতে, তারা ইবনে নুমাইর হতে।
এবং কুতায়বা বিন সাঈদ ও ইসহাক বিন ইবরাহিম হতে, তারা জারীর হতে, তিনি আবু কুরায়ব হতে, তিনি আবু উসামা হতে, তারা সকলেই হিশাম বিন উরওয়া হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি সুফিয়ান বিন আব্দুল্লাহ আস-সাকাফী হতে এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন তালহা আন-নিআলী এটি শুনেছেন, আর তিনি পাঁচশত বাষট্টি হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٧٠)
شيخٌ آخَرُ [الثَّامِنُ]
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ
لاحِقُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَارَةَ أَبُو مُحَمَّدٍ، الْفَقِيهُ الْمُقْرِئُ، فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ مَدِينَةِ السَّلامِ حرسها الله، سنة تسع وخمسين وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نَبْهَانَ الْكَاتِبُ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ الْبَزَّارُ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ دَرَسْتَوَيْهِ الْفَارِسِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو يُوسُفَ يَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ النَّسَوِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ هُوَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُهَاجِرِ، عَنِ الضَّحَّاكِ الْمَعَافِرِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ كريبٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، حَدَّثَنِي أُسَامَةُ بْنُ زيدٍ:
অন্য একজন শাইখ [অষ্টম]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পুণ্যবান শাইখ
লাহিক বিন আলী বিন মানসুর বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন কারাহ আবু মুহাম্মদ, ফকিহ ও মুকরি, পাঁচশত ঊনষাট হিজরি সনে মদিনাতুস সালাম (আল্লাহ তা রক্ষা করুন) থেকে আমার নিকট লিখিত তাঁর পত্রে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন ইবরাহিম বিন নাবহান আল-কাতিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন শাযান আল-বাযযার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন দুরুস্তাওয়াইহ আল-ফারিসি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু ইউসুফ ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আন-নাসাউয়ি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ (যিনি দিমাসকি), আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ বিন মুসলিম, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-মুহাজির, যাহহাক আল-মাআফিরি থেকে, সুলায়মান বিন মুসা থেকে, ইবনে আব্বাসের মুক্ত দাস কুরাইব থেকে, উসামা বিন যায়েদ আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٧١)
أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لأَصْحَابِهِ: ((أَلا مشمرٌ لِلْجَنَّةِ؟ إِنَّ الْجَنَّةَ لا حظر لَهَا، هِيَ وَرَبِّ الْكَعْبَةِ نورٌ يَتَلأْلأُ، وريحانةٌ تَهْتَزُّ، وقصرٌ مشيدٌ، ونهرٌ مطردٌ، وفاكهةٌ كثيرةٌ نضيجةٌ، وزوجةٌ حَسْنَاءُ جميلةٌ فِي حَبْرَةٍ ونعمةٍ، فِي مُقَامٍ أَبَدًا، فِي حبرةٍ ونعمةٍ، فِي دارٍ عاليةٍ، بهيةٍ سليمةٍ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، نَحْنُ الْمُشَمِّرُونَ لَهَا. قَالَ: قُولُوا إِنْ شَاءَ اللَّهُ، قَالَ: ثُمَّ ذَكَرَ الْجِهَادَ، وَحَضَّ عَلَيْهِ)) .
هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، مِنْ حَدِيثِ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى الدِّمَشْقِيِّ، يُقَالُ كُنْيَتُهُ أَبُو أَيُّوبَ، وَيُقَالُ لَهُ: ابْنُ الأَشْدَقِ، عَنْ كريبٍ أَبِي رِشْدِينَ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ مَوْلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، الْحِبِّ بْنِ الْحِبِّ.
لا يُعْرَفُ إِلا مِنْ حَدِيثِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ الدِّمَشْقِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ الْمَعَافِرِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بِهَذَا، وَسُلَيْمَانُ قَدْ تُكُلِّمَ فِيهِ.
هَذَا الشَّيْخُ فقيهٌ، عَلَى مَذْهَبِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، مقرئٌ فاضلٌ زَاهِدٌ مُتَقَلِّلٌ، قَدِ انْقَطَعَ فِي مسجدٍ بِالْحَرِيمِ الطَّاهِرِيِّ، مِنَ الْجَانِبِ الْغَرْبِيِّ.
আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীগণকে বললেন: "জান্নাতের জন্য কোমর বেঁধে প্রস্তুতি গ্রহণকারী কেউ আছে কি? নিশ্চয়ই জান্নাত কোনো সাধারণ বিষয় নয়, কাবার রবের কসম! তা এক চমকপ্রদ আলো, আন্দোলিত সুগন্ধি লতা, সুউচ্চ প্রাসাদ, প্রবহমান নদী, প্রচুর পাকা ফল, অপরূপা সুন্দরী স্ত্রী; আনন্দ ও নিআমতের মাঝে চিরস্থায়ী অবস্থানে, এক সুউচ্চ, মনোরম ও ত্রুটিমুক্ত গৃহে।" তাঁরা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমরাই এর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণকারী।" তিনি বললেন: "তোমরা বলো: ইনশাআল্লাহ।" বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি জিহাদের কথা উল্লেখ করলেন এবং এর প্রতি উৎসাহিত করলেন।
এটি একটি গরীব হাদিস, যা সুলাইমান ইবন মুসা আদ-দিমাশকী-এর হাদিস থেকে বর্ণিত; বলা হয় যে তাঁর কুনিয়াত আবু আইয়ুব এবং তাঁকে ইবনুল আশদাক-ও বলা হয়; তিনি ইবন আব্বাসের আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব আবু রুশদীন থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আযাদকৃত গোলাম উসামা ইবন যায়দ ইবন হারিসা থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি ছিলেন প্রিয়ভাজনের পুত্র প্রিয়ভাজন।
এটি কেবল ওয়ালীদ ইবন মুসলিম আদ-দিমাশকী-এর সূত্রে মুহাম্মাদ ইবন মুহাজির থেকে, তিনি দাহহাক আল-মুয়াফিরী থেকে, তিনি সুলাইমান থেকে এই সূত্রে বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমেই পরিচিত; আর সুলাইমান সম্পর্কে হাদিসশাস্ত্রে সমালোচনা করা হয়েছে।
এই শায়খ একজন ফকীহ ছিলেন, তিনি আহমদ ইবন হাম্বলের মাযহাবের অনুসারী ছিলেন; তিনি ছিলেন একজন বিদগ্ধ ক্বারী, ফাজিল, জাহিদ এবং অল্পে তুষ্ট ব্যক্তি। তিনি পশ্চিম পার্শ্বের হারীমুত তাহিরী নামক স্থানের একটি মসজিদে ইবাদতের জন্য নির্জনে অবস্থান করতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٧٢)
سَمِعَ هُوَ وَأَخُوهُ دَهْبَلٌ مِنْ جَمَاعَةٍ.
مَوْلِدُهُ سنة خمس وتسعين وأربعة مئة. وَتُوُفِّيَ فِي النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ، سَنَةَ ثَلاثَةٍ وسبعين وخمسمائة، وَدُفِنَ بِبَابِ حَرْبٍ.
তিনি এবং তাঁর ভাই দাহবাল একদল (শায়েখ) থেকে শ্রবণ করেছেন।
তাঁর জন্ম চারশত পঁচানব্বই হিজরী সনে। এবং তিনি পাঁচশত তেহাত্তর হিজরী সনের শাবান মাসের মধ্যভাগে ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে বাব-ই হারবে দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٧٣)
شيخٌ آخَرُ [التَّاسِعُ]
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ
ضِيَاءُ بْنُ بدر بن عبد الله البغددي أَبُو الْفَرَجِ الْبَزَّارُ، الْمَعْرُوفُ بِصَاحِبِ غَوَادِي، فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ مَدِينَةِ السَّلامِ بَغْدَادَ حَرَسَهَا الله، سنة تسع وخمسين وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ إِمْلاءً سنة ثمان عشرة وخمس مئة، أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ محمدٍ الْعَبَّاسِيُّ، مِنْ لَفْظِهِ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ الْوَاعِظُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أنسٍ:
عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ((لا يَتَمَنَّى الْمُؤْمِنُ الْمَوْتَ لِضُرٍّ نَزَلَ بِهِ، فَإِنْ كَانَ لا بُدَّ فَاعِلا؛ فَلْيَقُلِ: اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْرًا لِي، وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي)) .
অন্য একজন শাইখ [নবম]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ
জিয়া বিন বদর বিন আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদি আবু আল-ফারাজ আল-বাজ্জার, যিনি ‘সাহিব গাউয়াদি’ নামে পরিচিত, শান্তির শহর বাগদাদ (আল্লাহ একে রক্ষা করুন) থেকে ৫৫৯ হিজরি সনে আমার নিকট লিখিত তার পত্রে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আবু তাহির ৫১৮ হিজরি সনে শ্রুতলিখন প্রদানের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-আব্বাসি তার স্বকণ্ঠে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন আহমদ আল-ওয়ায়েজ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-জাদ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুবা, সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: “কোনো মুমিন যেন তার ওপর আপতিত কোনো বিপদের কারণে মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা না করে। তবে যদি তাকে তা করতেই হয়, তাহলে সে যেন বলে: হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ততক্ষণ জীবিত রাখুন যতক্ষণ জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয়, আর যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয় তখন আপনি আমাকে মৃত্যু দান করুন।”
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٧٤)
حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْبُخَارِيُّ فِي صَحِيحِهِ، عَنْ آدَمَ بْنِ أَبِي إِيَاسٍ -وَاسْمُهُ نَاهِيَةُ الْخُرَاسَانِيُّ، نَزَلَ عَسْقَلانَ.
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي كِتَابِ الدَّعَوَاتِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، عَنْ رَوْحِ بْنِ عُبَادَةَ الْقَيْسِيِّ، جَمِيعًا عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ أَبِي بَسْطَامٍ الْعَتَكِيِّ، نَزِيلِ وَاسِطَ، أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ فِي الْحَدِيثِ، وَهُوَ بَصْرِيٌّ، يُكْنَى أَبَا بَسْطَامٍ، وَالْحَدِيثُ مِنْ حديثه به.
এটি একটি সহীহ হাদীস, ইমাম আবু আবদুল্লাহ আল-বুখারী এটি তাঁর সহীহ গ্রন্থে আদম ইবনে আবু ইয়াস থেকে বর্ণনা করেছেন—তাঁর নাম নাহিয়াহ আল-খুরাসানী, তিনি আসকালানে বসতি স্থাপন করেছিলেন।
এবং ইমাম মুসলিম এটি ‘কিতাবুদ দাওয়াত’-এ মুহাম্মাদ ইবনে আবু খালাফ থেকে এবং তিনি রাওহ ইবনে উবাদাহ আল-কায়সী থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলেই শু’বাহ ইবনুল হাজ্জাজ আবু বাসতাম আল-আতাকী থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি ওয়াসিতের অধিবাসী এবং হাদীস শাস্ত্রে আমীরুল মুমিনীন। তিনি বসরার অধিবাসী, তাঁর উপনাম আবু বাসতাম এবং হাদীসটি তাঁর বর্ণিত সূত্রের মাধ্যমেই এসেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٧٥)
شيخٌ آخَرُ [الْعَاشِرُ]
أَخْبَرَنَا
الْمُبَارَكُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُعَمَّرِ الْبَادَرَائِيُّ أَبُو الْمَكَارِمِ الشَّيْخُ الصَّالِحُ، فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ بَغْدَادَ، سَنَةَ تِسْعٍ وخمسين وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو يَاسِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْخَيَّاطُ، سَنَةَ أَرْبَعٍ وَتِسْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاذَانَ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ إِسْرَائِيلَ، الْفَقِيهُ النَّجَّادُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ جعفرٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بن عاصمٍ، أخبرني عبيد الله بْنُ أَبِي بكرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مالكٍ يَقُولُ:
((مَا خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا قَطُّ حَتَّى يَأْكُلَ ثمرات ثَلاثًا، قَالَ: فَكَانَ أَنَسٌ يَأْكُلُ خَمْسًا، إِنْ شَاءَ أَنْ يَزْدَادَ، إِلا أَنَّهُ يَجْعَلُهُنَّ وِتْرًا)) .
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي صَلاةِ الْعِيدِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عن هشيم، عن عبيد الله بْنِ أَبِي بكرٍ، وَقَالَ: قَالَ: مُرَجَّا بْنُ رجاء: حدثني عبيد الله، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: وَيَأْكُلُهُنَّ وِتْرًا.
অন্য একজন শাইখ [দশম]
সৎ ব্যক্তি শাইখ
আল-মুবারাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-মুয়াম্মার আল-বাদরায়ী আবু আল-মাকারিম বাগদাদ থেকে পাঁচশত উনষাট হিজরি সনে আমার নিকট প্রেরিত তার কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, চারশত চুরানব্বই হিজরি সনে আবু ইয়াসির মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-খাইয়্যাত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে শাযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ফকিহ আন-নাজ্জাদ আবু বকর আহমদ ইবনে সালমান ইবনে আল-হাসান ইবনে ইসরাঈল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে আবু বকর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি:
((আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ঈদের) দিন কখনো বের হতেন না যতক্ষণ না তিনি তিনটি খেজুর খেতেন। বর্ণনাকারী বলেন: আনাস (রা.) পাঁচটি খেতেন, যদি তিনি সংখ্যা বৃদ্ধি করতে চাইতেন তবে তিনি সেগুলোকে বেজোড় রাখতেন।))।
ইমাম বুখারি এটি ঈদের সালাত অধ্যায়ে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহিম থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে সুলায়মান থেকে, তিনি হুশাইম থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং তিনি বলেন: মুরাজ্জা ইবনে রাজা বলেছেন: উবাইদুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে: তিনি সেগুলো বেজোড় সংখ্যায় খেতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٧٦)
سَمِعَ هَذَا الشَّيْخُ أَبَا الْخَطَّابِ نَصْرَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ الْبَطِرِ، وَأَبَا ياسرٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَغَيْرَهُمَا.
এই শায়খ আবুল খাত্তাব নাসর ইবনে আহমদ ইবনুল বাতির এবং আবু ইয়াসির মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ ও তাঁদের ব্যতীত আরও অনেকের নিকট থেকে (হাদীস) শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাশইয়াহাতুল বাগদাদিয়্যাহ - আল-উমাবী - তাহকীক আমির সাবরী
(পৃষ্ঠা: ١٧٧)
شيخٌ آخَرُ [الْحَادِي عَشَرَ]
أَخْبَرَنَا
مُظَفَّرُ بْنُ هبة الله ابن الْبَوَّابِ، أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نصرٍ الْبَغْدَادِيُّ، فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ بَغْدَادَ، سَنَةَ تسع وخمسين وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ الْحَرِيرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ سَنَةَ خمسٍ وعشرين وخمس مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْفَتْحِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَتْحِ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْعُشَارِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الثُّلاثَاءِ الْعِشْرِينَ مِنْ ذِي الْحَجَّةِ، سَنَةَ أربعٍ وأربعين وأربع مئة، أَخْبَرَنَا أَبُو طاهرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ محمدٍ الْمُخَلِّصُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ مِنْ سنة سبع وثمانين وثلاث مئة،
অন্য একজন শাইখ [একাদশতম]
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
মুজাফফর বিন হিবাতুল্লাহ ইবনুল বাওয়াব, আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি নাসর আল-বাগদাদী, বাগদাদ থেকে পাঁচশত ঊনষাট হিজরী সালে আমার নিকট প্রেরিত তাঁর কিতাবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ বিন উমর আল-হারীরি, পাঁচশত পঁচিশ হিজরী সালে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আল-ফাতহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-ফাতহ, যিনি ইবনুল উশারী নামে পরিচিত, চারশত চুয়াল্লিশ হিজরী সালের বিশে জিলহজ মঙ্গলবার তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-আব্বাস বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আল-মুখাল্লিস, তিনশত সাতাশি হিজরী সালের রমজান মাসে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে,