(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: -)
الغنية في شيوخ القاضي عياض القسم: كتب السنة
الكتاب: الغنية فهرست شيوخ القاضي عياض
المؤلف: عياض بن موسى بن عياض بن عمرون اليحصبي السبتي، أبو الفضل (ت 544هـ)
المحقق: ماهر زهير جرار
الناشر: دار الغرب الإسلامي
الطبعة: الأولى 1402 هـ - 1982 م
عدد الصفحات: 231
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-গুনিয়াহ ফি শুয়ুখিল কাযী আইয়াদ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-গুনিয়াহ: ফিহরিসতু শুয়ুখিল কাযী আইয়াদ
লেখক: আইয়াদ বিন মুসা বিন আইয়াদ বিন আমরুন আল-ইয়াহসুবি আস-সাবতি, আবু আল-ফজল (মৃত্যু ৫৪৪ হিজরি)
তাহকীক: মাহের জুহাইর জাররার
প্রকাশক: দারুল গারব আল-ইসলামি
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০২ হিজরি - ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৩১
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগী আল-খায়র আকবিল
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: -)
الغنية
فهرست شيوخ القاضي عياض
(476 - 544 هـ)
تحقيق
ماهر زهير جرار
دار الغرب الإسلامي
الطبعة الأولى
1402 هـ - 1982 م
আল-গুনিয়া
কাজি আয়াজের উস্তাদগণের তালিকা
(৪৭৬ - ৫৪৪ হিজরি)
সম্পাদনা
মাহির যুহাইর জাররার
দারুল গারব আল-ইসলামি
প্রথম সংস্করণ
১৪০২ হিজরি - ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
بسم الله الرحمن الرحيم وصلى الله على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه وسلم تسليما
قال الشيخ الفقيه القاضي الإمام المحدث الحافظ الناقد أبو الفضل عياض بن موسى بن عياض اليحصبي رحمه الله:
الحمد لله الذي شرح أفئدتنا لمعرفته وذلل ألسنتنا بالإقرار بربوبيته، وجعل أمتنا من أتباع سيد الرسل وزمرته، وجمع همتنا على الاهتداء به واتباع سنته، صلى الله عليه وسلم وعلى آله وعترته.
وبعد، أيها الراغبون في تعيين رواياتي وإجازة مسموعاتي ومجموعاتي، فقد تعين بحكم إلحاحكم علي، ومدكم أيدي الرغبات إلي، أن أنص لكم من ذلك على عيون، وأخص أوراقي هذه بما لعله يفي بالمضمون، وأحيل على فهارس الأشياخ على العموم في سائر أنواع العلوم، وأسمي أشياخي الذين أخذت عنهم قراءةً وسماعاً، ومناولةً وإجازةً وممن كتب إلي ممن لم ألقه وذكرت من خبر كل واحدٍ منهم ما يعطي الحال وفقه، بطرفٍ من الاختصار والإيجاز، بحكم ما أدت إليه الحال من الرحلة والانحفاز. وذكرت أثناء ذلك أسماء جلةٍ ممن لقيتهم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের নেতা মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর রহমত ও প্রচুর শান্তি বর্ষিত হোক।
শায়খ, ফকীহ, বিচারক, ইমাম, মুহাদ্দিস, হাফিয, সমালোচক আবু ফাদল ইয়াদ ইবন মুসা ইবন ইয়াদ আল-ইয়াহসুবি (আল্লাহ তাঁকে রহমত করুন) বলেছেন:
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর মারিফাতের (পরিচয়) জন্য আমাদের অন্তরসমূহকে উন্মোচিত করেছেন এবং তাঁর রুবুবিয়্যাত (প্রভুত্ব) স্বীকার করার মাধ্যমে আমাদের জিহ্বাকে বিনম্র করেছেন। তিনি আমাদের উম্মতকে রাসূলগণের সর্দারের অনুসারী ও তাঁর দলের অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং তাঁর মাধ্যমে হিদায়াত লাভ ও তাঁর সুন্নাহ অনুসরণের ওপর আমাদের সংকল্পকে সুদৃঢ় করেছেন। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার ও বংশধরদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
অতঃপর, হে আমার বর্ণনাগুলো চিহ্নিত করতে এবং আমার শ্রবণকৃত ও সংকলিত বিষয়গুলোর ইজাযত লাভে আগ্রহীগণ! আপনাদের পীড়াপীড়ি এবং আমার প্রতি আপনাদের ব্যাকুলতার হাত প্রসারিত করার কারণে এটি আবশ্যক হয়ে পড়েছে যে, আমি আপনাদের জন্য সেগুলোর মধ্য থেকে সারসংক্ষেপ বর্ণনা করি। আমি আমার এই পৃষ্ঠাগুলোকে এমন বিষয়ের জন্য নির্দিষ্ট করছি যা সম্ভবত মূল উদ্দেশ্যের জন্য যথেষ্ট হবে। আমি ইলমের অন্যান্য সকল শাখায় সাধারণভাবে শায়খদের তালিকার (ফিহরিস) ওপর নির্ভর করছি। আমি আমার ঐ সকল শায়খদের নাম উল্লেখ করব যাদের নিকট থেকে আমি পাঠ, শ্রবণ, মুনাওয়ালা ও ইজাযত সূত্রের মাধ্যমে ইলম অর্জন করেছি এবং তাদের নামও যারা আমার নিকট পত্র লিখেছেন কিন্তু তাদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়নি। আমি তাদের প্রত্যেকের অবস্থা ও ইলম সম্পর্কে ততটুকু উল্লেখ করেছি যা প্রাসঙ্গিক, তবে তা অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সারসংক্ষিপ্তভাবে—সফর ও ব্যস্ততা আমাকে যে অবস্থায় উপনীত করেছে সেই বিচারে। এর মাঝে আমি এমন সব মহান ব্যক্তিদের নামও উল্লেখ করেছি যাদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
وجالستهم وذاكرتهم ولم أرو عنهم، أو سمعت منهم اليسير إما لقاطعٍ قطع، أو لسبب منع. أو لأنهم لم يكونوا أصحاب روايةٍ، أو أهل إتقان لما رووا أو دراية.
আমি তাদের সংস্পর্শে বসেছি এবং তাদের সাথে ইলমি আলোচনা করেছি, তবে আমি তাদের থেকে বর্ণনা করিনি; অথবা আমি তাদের থেকে অতি সামান্যই শ্রবণ করেছি—হয়তো কোনো প্রতিবন্ধকতার কারণে যা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে, অথবা কোনো নিবৃত্তকারী কারণবশত; কিংবা এজন্য যে, তারা বর্ণনার (রেওয়ায়েত) অধিকারী ছিলেন না, অথবা তারা যা বর্ণনা করতেন সে বিষয়ে তাদের কোনো পারদর্শিতা বা গভীর জ্ঞান ছিল না।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
باب من اسمه محمد من شيوخنا
1-الفقيه القاضي أبو عبد الله محمد بن عيسى بن حسين التميمي: أجل شيوخ بلدنا سبتة، رحمه الله، ومقدم فقهائهم، مولده بمدينة فاس انتقل به أبوه إلى سبتة وهو شاب، وأصله من تاهرت وجده هو المنتقل إلى فاس؛ فطلب العلم بسبتة على شيوخنا أبي محمد المسيلي وغيره.
ورحل إلى الأندلس ثلاث رحل: إحداها في شبيبته إلى إشبيلية، فقرأ بها الأدب على أبي بكر ابن القصيرة. والثانية إلى المرية سنة ثمانين وأربعمائة، فأخذ عن ابن المرابط وأجازه الدلائي. والثالثة سنة ثمانٍ وثمانين إلى قرطبة، فسمع
আমাদের শায়খদের মধ্য হতে যাদের নাম মুহাম্মদ তাদের সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ১- ফকিহ ও কাযী আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন ঈসা ইবন হুসাইন আত-তামিমি: আমাদের শহর সিউটার সবচেয়ে মহান শায়খ—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—এবং সেখানকার ফকিহদের মধ্যে অগ্রগণ্য। তাঁর জন্ম ফেস শহরে। তিনি যখন যুবক ছিলেন তখন তাঁর পিতা তাঁকে সিউটায় নিয়ে আসেন। তাঁর আদি নিবাস তাহেরত এবং তাঁর দাদাই মূলত ফেস শহরে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন। তিনি সিউটায় আমাদের শায়খ আবু মুহাম্মদ আল-মাসিলি ও অন্যান্যদের নিকট ইলম শিক্ষা করেন।
তিনি আন্দালুসে তিনবার সফর করেন: প্রথমটি ছিল তাঁর যৌবনকালে সেভিলে, সেখানে তিনি আবু বকর ইবনুল কাসিরাহর নিকট সাহিত্য শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। দ্বিতীয়টি ছিল ৪৮০ হিজরি সনে আলমেরিয়াতে, সেখানে তিনি ইবনুল মুরাবিত থেকে ইলম অর্জন করেন এবং আদ-দালায়ি তাঁকে ইজাজত প্রদান করেন। তৃতীয়টি ছিল ৪৮৮ হিজরি সনে কর্ডোভায়, সেখানে তিনি শ্রবণ করেন...
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
الجياني وابن الطلاع وأبا مروان ابن سراج والعبسي، وأقام بها نحو عامين واتسع في الأخذ وتقلد الشورى أخريات أيام البرغواطي قبل رحلته فاستمر رأساً في المفتين إلى أخريات أيامه، وسمع أيضاً من ابن سعدون وأبي القاسم ابن الباجي وغيرهما.
وكان كثير الكتب حافظاً عارفاً بالفقه، مليح الخط والكتابة والمحاضرة، من أعقل أهل زمانه وأفضلهم وأسمتهم تام الفضل كامل المروءة بعيد الصيت عند الخاصة والعامة عظيم القدر.
لازمته كثيراً للمناظرة في المدونة والموطأ وسماع المصنفات فقرأت وسمعت عليه بقراءة غيري كثيراً وأجازني جميع روايته.
وولي القضاء بسبتة نحو ست سنين، واستعفى من ذلك أخيراً فأعفي، وذلك في محرم سنة ست وتسعين، ثم التزم القضاء بمدينة فاس بعد أن سجن على إبايته من ذلك، وذلك سنة ثلاث وخمسمائة فنهض إليها ثم انصرف زائراً إلى سبتة وتلدد
আল-জাইয়ানি, ইবনুল তলা‘, আবু মারওয়ান ইবনে সিরাজ এবং আল-আবসি; তিনি সেখানে প্রায় দুই বছর অবস্থান করেন এবং জ্ঞান আহরণে ব্যাপকতা লাভ করেন। তাঁর সফরের পূর্বে আল-বারগাওয়াতির শেষ দিনগুলোতে তিনি শূরার দায়িত্ব পালন করেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মুফতিদের প্রধান হিসেবে বহাল ছিলেন। তিনি ইবনে সাদুন, আবুল কাসিম ইবনুল বাজি এবং অন্যান্যদের থেকেও শ্রবণ করেছেন।
তিনি প্রচুর কিতাবের অধিকারী ছিলেন, হাফেজ এবং ফিকহশাস্ত্রে অভিজ্ঞ ছিলেন। তাঁর হস্তলিপি, লিখনশৈলী এবং আলোচনা ছিল চমৎকার। তিনি তাঁর সমকালের অন্যতম বুদ্ধিমান, শ্রেষ্ঠ ও গাম্ভীর্যপূর্ণ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি ছিলেন পূর্ণ ফযিলত ও পরিপূর্ণ পৌরুষের অধিকারী, বিশিষ্ট ও সাধারণ—উভয় শ্রেণির মানুষের নিকট সুপ্রসিদ্ধ এবং সুউচ্চ মর্যাদাবান।
আল-মুদাওওয়ানাহ ও আল-মুওয়াত্তার ওপর মুনাজারা (তাত্ত্বিক আলোচনা) এবং বিভিন্ন সংকলন শ্রবণের উদ্দেশ্যে আমি দীর্ঘকাল তাঁর সান্নিধ্যে ছিলাম। আমি তাঁর নিকট পাঠ করেছি এবং অন্যের পাঠের মাধ্যমেও তাঁর নিকট অনেক কিছু শ্রবণ করেছি; তিনি আমাকে তাঁর সকল বর্ণনার অনুমতি (ইজাজাহ) প্রদান করেছেন।
তিনি প্রায় ছয় বছর সেউতা নগরীতে বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং অবশেষে অব্যাহতি প্রার্থনা করলে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়; এটি ছিল চারশত ছিয়ানব্বই হিজরির মহরম মাসের ঘটনা। অতঃপর পাঁচশত তিন হিজরিতে ফাস নগরীতে বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোয় কারাবরণ করার পর তিনি সেখানে বিচারপতির পদ গ্রহণ করেন। এরপর তিনি সেখানে গমন করেন এবং পরবর্তীতে দর্শনার্থী হিসেবে সেউতায় ফিরে আসেন ও সেখানে অবস্থান করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
بها رجاء تخلصه من الخطة فتوفي بها صبيحة يوم السبت لتسعٍ بقين لجمادى الأولى سنة خمس وخمسمائة؛ مولده سنة تسع وعشرين وأربعمائة.
وكان من أحسن القضاة وأنزههم وأجراهم على الطريقة القويمة، فمضى فقيداً حميداً واحتفل الناس لجنازته وولعت العامة بنعشه مسحاً بالأكف ولمساً بأطراف الثياب تبركاً به رحمة الله عليه.
فمما سمعت عليه وقرأت، ومنه ما فاتني بعضه فأجازنيه:
1- موطأ الإمام مالك بن أنس رواية يحيى بن يحيى الليثي:
حدثني به عن الفقيه أبي عبد الله محمد بن فرج مولى ابن الطلاع عن القاضي يونس بن عبد الله عن أبي عيسى يحيى بن عبد الله عن عم أبيه عبيد الله بن يحيى بن يحيى عن أبيه يحيى عن مالك.
وحدثني به أيضاً عن الفقيه الحافظ أبي علي الحسين بن محمد الجياني وهو لي من أبي علي إجازةً عن أبي عبد الله بن عتاب عن أبي القاسم خلف بن يحيى عن أحمد بن مطرف بن المشاط وأحمد بن سعيد بن حزم ومحمد بن قاسم بن هلال بن عبيد الله.
قال ابن عتاب: وحدثني به أيضاً أبو عثمان سعيد بن سلمة والقاضي
সেখানে এই আশায় ছিলেন যে তিনি এই পদ থেকে নিষ্কৃতি পাবেন। অতঃপর তিনি সেখানে পাঁচশত পাঁচ হিজরি সালের জমাদিউল আউয়াল মাসের নয় দিন অবশিষ্ট থাকতে শনিবার সকালে ইন্তেকাল করেন; তাঁর জন্ম চারশত ঊনত্রিশ হিজরি সালে।
তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠতম বিচারপতিদের অন্তর্ভুক্ত, অত্যন্ত পবিত্র চরিত্রের অধিকারী এবং সঠিক পথের ওপর সবচেয়ে দৃঢ়ভাবে অটল। তিনি প্রশংসিত ও স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিদায় নিয়েছেন। তাঁর জানাজায় মানুষের ঢল নেমেছিল এবং সাধারণ মানুষ বরকতের আশায় তাঁর খাটিয়া স্পর্শ করার জন্য ও কাপড়ের আঁচল দিয়ে মোছার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল, আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন।
আমি তাঁর কাছে যা কিছু শুনেছি এবং পাঠ করেছি, এবং যার কিছু অংশ আমার নিকট হতে ছুটে গিয়েছিল কিন্তু তিনি আমাকে সেগুলোর ইজাজত দিয়েছেন, তা হলো:
১- ইমাম মালিক বিন আনাসের মুওয়াত্তা, ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আল-লাইসীর বর্ণনা:
তিনি আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন ফকিহ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ফারাজ মাওলা ইবনে ত্বল্লা' থেকে, তিনি বিচারক ইউনুস বিন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি আবু ঈসা ইয়াহইয়া বিন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতার চাচা উবায়দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মালিক থেকে।
তিনি এটি আমার কাছে ফকিহ হাফেজ আবু আলী আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ আল-জায়্যানী থেকেও বর্ণনা করেছেন। আর আমার কাছে আবু আলীর পক্ষ থেকে ইজাজত রয়েছে আবু আবদুল্লাহ বিন আত্তাব থেকে, তিনি আবুল কাসিম খালাফ বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আহমাদ বিন মুতাররিফ বিন আল-মাশশাত, আহমাদ বিন সাঈদ বিন হাযম এবং মুহাম্মাদ বিন কাসিম বিন হিলাল বিন উবায়দুল্লাহ থেকে।
ইবনে আত্তাব বলেন: এটি আমার কাছে আবু উসমান সাঈদ বিন সালামাহ এবং বিচারকও বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
أبو بكر ابن وافد عن أبي عيسى عن عبيد الله، حاشا كتاب الحج وبعض كتاب الصلاة فإن ابن عتاب شك في سماعه من ابن وافد.
قال ابن عتاب: وحدثني به أيضاً أبو بكر عبد الرحمن بن حوبيل عن ابن المشاط وابن حزم وأبي عيسى عن عبيد الله.
قال الجياني: وحدثني به أيضاً حاتم بن محمد عن الفقيهين أبي عبد الله ابن الفخار وأبي عمر الطلمنكي والقاضي أبي المطرف ابن فطيس عن أبي عيسى، وشك حاتم في سماع بعضه من ابن فطيس.
قال حاتم: وحدثنا به الطلمنكي عن أبي جعفر ابن عون الله عن قاسم ابن أصبغ عن ابن وضاح عن يحيى.
قال حاتم: وحدثنا به أيضاً أبو بكر ابن حوبيل عن أبي عمر ابن المشاط عن عبيد الله.
قال الجياني: وحدثني به أبو عمر ابن عبد البر الحافظ عن أبي عثمان سعيد بن نصر عن أبي محمد قاسم بن أصبغ عن ابن وضاح عن يحيى.
قال أبو عمر: وحدثنا به أيضاً أبو الفضل التاهرتي عن أبي عبد الملك محمد ابن أبي دليم ووهب بن مسرة كلاهما عن ابن وضاح.
আবু বকর ইবন ওয়াফিদ বর্ণনা করেছেন আবু ঈসা থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে; তবে হজ্জ অধ্যায় এবং সালাত অধ্যায়ের কিছু অংশ ব্যতীত, কারণ ইবন আত্তাব ইবন ওয়াফিদ থেকে তার শোনার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেছেন।
ইবন আত্তাব বলেন: আবু বকর আব্দুর রহমান ইবন হুবাইলও আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন ইবনুল মাশাত, ইবন হাযম এবং আবু ঈসা থেকে, তাঁরা উবায়দুল্লাহ থেকে।
আল-জাইয়ানি বলেন: হাতিম ইবন মুহাম্মদও আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন দুই ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল ফাকখার ও আবু উমর আত-তালামানকি এবং বিচারক আবু আল-মুতরিফ ইবন ফুতাইস থেকে, তাঁরা আবু ঈসা থেকে; আর হাতিম ইবন ফুতাইস থেকে এর কিছু অংশ শোনার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেছেন।
হাতিম বলেন: আত-তালামানকি এটি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু জাফর ইবন আউনুল্লাহ থেকে, তিনি কাসিম ইবন আসবাগ থেকে, তিনি ইবন ওয়াদদাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে।
হাতিম বলেন: আবু বকর ইবন হুবাইলও আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আবু উমর ইবনুল মাশাত থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে।
আল-জাইয়ানি বলেন: হাফিজ আবু উমর ইবন আব্দুল বার আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আবু উসমান সাঈদ ইবন নাসর থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ কাসিম ইবন আসবাগ থেকে, তিনি ইবন ওয়াদদাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে।
আবু উমর বলেন: আবু আল-ফাদল আত-তাহারতিও এটি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল মালিক মুহাম্মদ ইবন আবি দুলাইম এবং ওয়াহাব ইবন মাসাররাহ থেকে, তাঁরা উভয়ই ইবন ওয়াদদাহ থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣١)
قال أبو عمر: وأخبرني به أيضاً أبو عمر أحمد بن محمد الأموي عن ابن المشاط وأحمد بن سعيد بن حزم عن عبيد الله.
قال القاضي أبو عبد الله ابن عيسى: وحدثني به أيضاً الفقيه القاضي أبو عبد الله محمد بن خلف المري يعرف بابن المرابط عن أبي الوليد محمد بن عبد الله بن ميقل، وأبي القاسم المهلب بن أبي صفرة عن أبي محمد الأصيلي عن ابن المشاط عن عبيد الله. وعن الأصيلي عن وهب بن مسرة عن ابن وضاح.
قال أبو الوليد: وحدثني به أيضاً عيسى ابن أبي العلاء حدثنا أحمد بن سعيد عن عبيد الله.
قال القاضي أبو الفضل: وقد سمعت جميع الموطأ من هذه الرواية على جماعةٍ من شيوخنا غيره، منهم الشيخ الفقيه أبو محمد ابن عتاب، رحمه الله، حدثني به عن أبيه وأبي القاسم حاتم بن محمد بأسانيدهما المتقدمة.
وقرأت جميعه أيضاً وسمعته بقراءة غيري على الفقيه أبي إسحاق إبراهيم بن جعفر اللواتي حدثني به عن القاضي أبي الأصبغ عيسى بن سهل عن ابن عتاب وحاتم بن محمد بأسانيدهما المتقدمة أيضاً.
আবু উমর বলেন: আমাকে এটি আরও সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-উমাভী, তিনি ইবনুল মাশশাত থেকে এবং আহমদ বিন সাঈদ বিন হাযম উবায়দুল্লাহ থেকে।
কাযী আবু আব্দুল্লাহ ইবনে ঈসা বলেন: ফকীহ কাযী আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন খালাফ আল-মুররি—যিনি ইবনুল মুরাবিত নামে পরিচিত—আমাকে এটি বর্ণনা করেছেন আবু ওয়ালিদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাইকাল এবং আবুল কাসেম মুহাল্লাব বিন আবু সাফরা থেকে, তারা আবু মুহাম্মদ আল-আসীলি থেকে, তিনি ইবনুল মাশশাত থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে। এবং আল-আসীলি থেকে, তিনি ওয়াহাব বিন মাসাররাহ থেকে, তিনি ইবনে ওয়াদদাহ থেকে।
আবু ওয়ালিদ বলেন: ঈসা ইবনে আবুল আলাও এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন; আহমদ বিন সাঈদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ থেকে।
কাযী আবু ফজল বলেন: আমি আমাদের অন্যান্য একদল শায়েখের কাছে এই বর্ণনাসূত্রে পূর্ণ মুয়াত্তা শুনেছি, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শায়খ ফকীহ আবু মুহাম্মদ ইবনে আত্তাব (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন)। তিনি তাঁর পিতা এবং আবুল কাসেম হাতেম বিন মুহাম্মদ থেকে তাঁদের পূর্বে বর্ণিত সনদসমূহের মাধ্যমে এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন।
আমি এর পুরোটাই পাঠ করেছি এবং অন্যের পাঠের মাধ্যমে শুনেছি ফকীহ আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন জাফর আল-লাওয়াতির কাছে; তিনি এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন কাযী আবু আসবাগ ঈসা বিন সাহল থেকে, তিনি ইবনে আত্তাব ও হাতেম বিন মুহাম্মদ থেকে তাঁদের পূর্বে উল্লিখিত সনদসমূহের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
قال ابن سهل: وحدثني به أيضاً الفقيه أبو زكرياء يحيى بن محمد القليعي عن الفقيه أبي عبد الله محمد بن عبد الله ابن أبي زمنين عن ابن المشاط عن عبيد الله.
قال القاضي أبو الفضل: وسمعت جميعه أيضاً يقرأ على الفقيه القاضي بقرطبة أبي عبد الله محمد بن علي بن حمدين حدثني به عن الفقيه أبي عبد الله ابن عتاب بأسانيده المتقدمة وعن أبيه عن جده لأمه أبي زكرياء القليعي بسنده المذكور.
وحدثني به أيضاً الفقيه أبو بحر سفيان بن العاصي الأسدي عن أبي عمر ابن عبد البر بسنده المتقدم.
وحدثني به أيضاً الشيخ أبو عبد الله أحمد بن محمد الخولاني عن أبي عمرو عثمان بن أحمد عن أبي عيسى. ولهؤلاء وغيرهم من شيوخنا فيه أسانيد أخرى اختصرناها اكتفاء بما ذكرنا.
2- المسند الصحيح المختصر من آثار رسول الله، صلى الله عليه وسلم، تصنيف أبي عبد الله محمد بن إسماعيل البخاري:
حدثني به القاضي أبو عبد الله عن الحافظ أبي علي الجياني عن القاضي
ইবনে সাহল বলেন: ফকিহ আবু জাকারিয়া ইয়াহিয়া ইবনে মুহাম্মদ আল-কুলাইয়ি আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি যামানিন থেকে, তিনি ইবনুল মাশাত থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে।
কাজি আবুল ফজল বলেন: আমি এর পুরো অংশ কর্ডোভার (কুরতুবা) ফকিহ কাজি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হামদিনের কাছে পাঠ করতে শুনেছি; তিনি এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আত্তাব থেকে তার পূর্বোক্ত সনদসমূহের মাধ্যমে এবং তার পিতার সূত্রে তার মাতামহ আবু জাকারিয়া আল-কুলাইয়ি থেকে তার উল্লেখিত সনদে।
ফকিহ আবু বাহর সুফিয়ান ইবনুল আসি আল-আসাদিও এটি আমার কাছে আবু উমর ইবনে আব্দুল বার থেকে তার পূর্বোক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন।
শায়খ আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-খাওলানিও এটি আমার কাছে আবু আমর উসমান ইবনে আহমদ থেকে, তিনি আবু ঈসা থেকে বর্ণনা করেছেন। আমাদের এই শায়খগণ এবং অন্যদের আরও অনেক সনদ রয়েছে যা আমরা যা উল্লেখ করেছি তার ওপর নির্ভর করে সংক্ষেপ করেছি।
২- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আসার (পরম্পরা) থেকে সংকলিত সংক্ষিপ্ত বিশুদ্ধ মুসনাদ, সংকলনে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি:
কাজি আবু আব্দুল্লাহ এটি আমার কাছে হাফিজ আবু আলী আল-জাইয়ানি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি কাজি থেকে...
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
سراج بن محمد بن سراج وأبي شاكر بن محمد بن موهب عن أبي محمد الأصيلي عن أبي أحمد محمد بن محمد بن يوسف الجرجاني وأبي زيد محمد بن أحمد المروزي عن محمد بن يوسف الفربري.
وحدثني به عن الجياني عن حاتم بن محمد عن أبي الحسن علي بن خلف القابسي عن المروزي.
وحدثني به أيضاً الجياني عن أبي العباس أحمد بن عمر الدلائي عن أبي ذر الهروي عن شيوخه الثلاثة: أبي محمد الحموي وأبي الهيثم الكشميهني وأبي إسحاق المستملي عن الفربري.
قال الجياني: وكتبت إلي كريمة بنت محمد المروزية تحدثني به عن أبي الهيثم.
قال الجياني: وحدثني به أبو عمر أحمد بن محمد ابن الحذاء، وأبو عمر ابن عبد البر عن أبي محمد ابن أسد الجهني عن أبي علي بن السكن عن الفربري.
সিরাজ বিন মুহাম্মদ বিন সিরাজ এবং আবু শাকির বিন মুহাম্মদ বিন মাওহাব, আবু মুহাম্মদ আল-আসিলি থেকে, তিনি আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-জুরজানি ও আবু যায়েদ মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মারওয়াযি থেকে, আর তাঁরা মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-ফিরিবরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং তিনি আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আল-জাইয়ানি থেকে, তিনি হাতিম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবুল হাসান আলী বিন খালাফ আল-কাবেসি থেকে, আর তিনি আল-মারওয়াযি থেকে।
এবং আল-জাইয়ানি আমার নিকট এটি আরও বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন উমর আদ-দালাই থেকে, তিনি আবু যর আল-হারায়ি থেকে, তিনি তাঁর তিন শায়খ: আবু মুহাম্মদ আল-হামাভি, আবু হাইসাম আল-কুশমিহানি এবং আবু ইসহাক আল-মুস্তামলি থেকে, আর তাঁরা আল-ফিরিবরি থেকে।
আল-জাইয়ানি বলেন: কারিমা বিনতে মুহাম্মদ আল-মারওয়াযিয়া আমার নিকট লিখে পাঠিয়েছেন যে, তিনি আমার নিকট এটি বর্ণনা করছেন আবু হাইসাম থেকে।
আল-জাইয়ানি বলেন: আবু উমর আহমদ বিন মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জা এবং আবু উমর ইবনে আব্দুল বার আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে আসাদ আল-জুহানি থেকে, তিনি আবু আলী বিন আস-সাকান থেকে, আর তিনি আল-ফিরিবরি থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
وقد أجاز أبو العباس الدلائي جميعه لشيخنا القاضي أبي عبد الله ابن عيسى.
قال القاضي أبو الفضل: وسمعت أنا البخاري وقرأته على غيره عن شيوخنا. فقرأت جميعه على الفقيه أبي محمد ابن عتاب، رحمه الله، حدثني به عن حاتم بن محمد بسنده المقدم.
وحدثني به أيضاً عن أبيه حدثنا أحمد بن ثابت الواسطي عن الأصيلي بسنده وعن أبي عمر ابن الحذاء وأبي عمر ابن عبد البر بسنديهما إجازةً له وعن أبيه عن أبي عبد الله ابن نبات عن أحمد بن عون الله ومحمد بن أحمد بن مفرج عن أبي علي ابن السكن عن الفربري.
وسمعت جميعه على القاضي الشهيد أبي علي الحسين بن محمد الصدفي حدثني به عن القاضي أبي الوليد الباجي عن أبي ذر بسنده.
وحدثني به القاضي أبو علي أيضاً عن الشيخ أبي الحسن ابن أيوب البزاز عن أبي عبد الله الحسن بن محمد الخلال عن أبي علي إسماعيل بن محمد ابن حاجب الكشاني -بالنون وضم الكاف وشين معجمة- عن الفربري.
قال القاضي: وحدثني به الشيخ أحمد بن محمد عن أبي ذر إجازة.
وحدثني به أبو القاسم خلف بن إبراهيم المقرئ والشيخ أحمد بن خليفة بن منصور الخزاعي والشيخ أبو الأصبغ عيسى بن أبي البحر الزهري كلهم عن كريمة بنت محمد.
আর আবু আব্বাস আদ-দালাই আমাদের শায়খ কাজী আবু আব্দুল্লাহ ইবনে ঈসাকে এর পূর্ণাঙ্গ অনুমতি প্রদান করেছেন।
কাজী আবু ফজল বলেন: আমি বুখারি শুনেছি এবং আমাদের শায়খদের নিকট থেকে অন্যদের নিকটও তা পড়েছি। আমি এর সম্পূর্ণ অংশ ফকিহ আবু মুহাম্মদ ইবনে আত্তাব (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট পড়েছি; তিনি হাতিম ইবনে মুহাম্মাদের মাধ্যমে তাঁর পূর্বোক্ত সনদে আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।
এবং তিনি এটি তাঁর পিতার সূত্রেও আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন, আহমদ ইবনে সাবিত আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট আল-আসিলির সনদে এটি বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও তিনি আবু উমর ইবনুল হাজ্জা এবং আবু উমর ইবনে আব্দুল বার-এর নিকট থেকে তাঁদের ইজাজতপ্রাপ্ত সনদে এটি বর্ণনা করেছেন। আবার তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ ইবনে নাবাতা থেকে, তিনি আহমদ ইবনে আউনুল্লাহ এবং মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুফাররিজ থেকে, তাঁরা আবু আলী ইবনুস সাকান থেকে এবং তিনি আল-ফারাবরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
এবং আমি এর পুরোটা শহীদ কাজী আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আস-সাদাফির নিকট শ্রবণ করেছি; তিনি কাজী আবুল ওয়ালিদ আল-বাজির সূত্রে এবং তিনি আবু যর-এর সনদে এটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
এবং কাজী আবু আলী আরও বর্ণনা করেছেন শায়খ আবু আল-হাসান ইবনে আইয়ুব আল-বাজজাজ থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-খাল্লাল থেকে, তিনি আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাজিব আল-কাশানি (নুন-যুক্ত, কাফ-এ পেশ এবং শীন-এর উপর নুকতা বিশিষ্ট) থেকে এবং তিনি আল-ফারাবরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
কাজী বলেন: শায়খ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আবু যর-এর অনুমতি (ইজাজত) মূলে এটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
এবং আবু আল-কাসিম খালাফ ইবনে ইব্রাহিম আল-মুকরি, শায়খ আহমদ ইবনে খলিফা ইবনে মনসুর আল-খুজায়ি এবং শায়খ আবু আল-আসবাহ ঈসা ইবনে আবু আল-বাহর আজ-জুহরি—তাঁরা সকলেই কারিমা বিনতে মুহাম্মাদের সূত্রে আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
وحدثني برواية النسفي إجازةً الشيخ الحافظ أبو علي الجياني عن أبي العاصي حكم بن محمد عن أبي الفضل أحمد بن أبي عمران عن أبي صالح خلف بن محمد الخيام عن إبراهيم بن معقل النسفي عن البخاري.
ولي فيه أسانيد أخر أذكرها في موضعها إن شاء الله، ولم تدخل هذه البلاد رواية البخاري إلا من هذين الطريقين عن الفربري والنسفي.
3- المسند الصحيح المختصر من السنن لأبي الحسين مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري رحمه الله تعالى:
حدثني به القاضي أبو عبد الله قراءةً مني وسماعاً إلا ما فاتني منه فأجازنيه عن أبي العباس أحمد بن عمر العذري إجازة منه له.
وعن الحافظ أبي علي الجياني سماعاً عن أبي العباس العذري عن أبي العباس أحمد بن الحسن الرازي حدثنا أبو أحمد محمد بن عيسى الجلودي حدثنا إبراهيم بن سفيان حدثنا مسلم بن الحجاج.
এবং তিনি আমাকে শাইখ হাফিয আবু আলী আল-জায়্যানীর ইজাযতের মাধ্যমে নাসাফীর বর্ণনাসূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আল-আসী হাকাম বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আবু আল-ফাদল আহমাদ বিন আবী ইমরান থেকে, তিনি আবু সালিহ খালাফ বিন মুহাম্মাদ আল-খায়্যাম থেকে, তিনি ইবরাহীম বিন মাকিল আন-নাসাফী থেকে, তিনি ইমাম বুখারী থেকে।
এ বিষয়ে আমার আরও অন্যান্য সনদ রয়েছে যা আমি ইনশাআল্লাহ যথাস্থানে উল্লেখ করব। আর এই ভূখণ্ডে ইমাম বুখারীর বর্ণনা কেবল ফারাবরী ও নাসাফীর এই দু'টি সূত্র ছাড়া আর কোনো পথে প্রবেশ করেনি।
৩- আবু আল-হুসাইন মুসলিম বিন হাজ্জাজ আল-কুশাইরী আন-নাইসাবুরী (আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রতি রহম করুন) সংকলিত ‘আল-মুসনাদুস সহীহ আল-মুখতাসার মিনাস সুনান’:
কাজী আবু আব্দুল্লাহ আমার পাঠ ও শ্রবণের মাধ্যমে এটি আমাকে বর্ণনা করেছেন; তবে এর যতটুকু অংশ আমার বাদ পড়েছে, সেটুকু তিনি আমাকে আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন উমর আল-উযরীর সূত্রে ইজাযত দিয়েছেন, যা উযরী তাঁকে ইজাযত দিয়েছিলেন।
এবং হাফিয আবু আলী আল-জায়্যানী থেকে শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি আবু আল-আব্বাস আল-উযরী থেকে, তিনি আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন আল-হাসান আর-রাযী থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন ঈসা আল-জালূদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম বিন সুফিয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম বিন হাজ্জাজ।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
قال الجياني: وحدثنا به أبو القاسم حاتم بن محمد الطرابلسي حدثنا أبو سعيد عمر بن محمد السجزي حدثنا أبو أحمد الجلودي.
قال القاضي أبو الفضل: وبعض شيوخنا يقول فيه الجلودي -بفتح الجيم- منسوبٌ إلى ((جلود)) مدينة كما قال ابن السكيت في الإصلاح في عيسى الجلودي، وجل شيوخنا يقولونه بالضم وأراه الصواب في هذا بخلاف ما ذكره ابن السكيت، نسبةً للبلد، بالفتح. والسجزي منسوبٌ إلى سجستان.
قال حاتم بن محمد: وحدثنا به عبد الملك بن الحسن الصقلي حدثنا أبو بكر محمد بن إبراهيم الكسائي حدثنا ابن سفيان.
قال الجياني: وحدثني به القاضي أبو عمر أحمد بن محمد بن يحيى بن الحذاء قال: حدثني أبي حدثنا أبو العلاء عبد الوهاب بن عيسى بن ماهان قال: حدثنا أبو بكر أحمد بن محمد ابن الأشقر حدثنا أبو محمد أحمد بن محمد القلانسي حدثنا مسلمٍ، حاشا من آخر الكتاب، من حديث حذيفة: ((والله إني لأعلم الناس بكل فتنة)) فإن ابن ماهان روى ذلك عن الجلودي بسنده.
قال القاضي أبو الفضل: وقد قرأت هذا الكتاب وسمعته أيضاً على غير واحدٍ من أشياخي: منهم القاضي الشهيد الحافظ أبو علي الصدفي، سمعت جميعه يقرأ عليه في جامع مرسية سنة ثمانٍ وخمسمائة حدثني به عن أبي العباس العذري بسنده.
আল-জইয়ানি বলেন: আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম হাতিম ইবনে মুহাম্মদ আত-তরাবুলসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ উমর ইবনে মুহাম্মদ আস-সিজজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ আল-জুলুদি।
কাজী আবুল ফজল বলেন: আমাদের কোনো কোনো উস্তাদ একে 'জালোদি'—জিম বর্ণে ফাতহাহ (জবর) সহকারে—উচ্চারণ করেন, যা 'জালুদ' নামক শহরের সাথে সম্পর্কিত; যেমনটি ইবনুল সিক্কিত তার 'আল-ইসলাহ' গ্রন্থে ঈসা আল-জালোদির বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন। তবে আমাদের অধিকাংশ উস্তাদ একে দম্মাহ (পেশ) দিয়ে 'জুলুদি' উচ্চারণ করেন এবং এই ক্ষেত্রে আমি এটিকেই সঠিক মনে করি, যা ইবনুল সিক্কিত শহরের দিকে সম্বন্ধ করে ফাতহাহ দিয়ে উল্লেখ করেছেন তার বিপরীত। আর আস-সিজজি শব্দটি সিজিস্তানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত।
হাতিম ইবনে মুহাম্মদ বলেন: আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনুল হাসান আস-সাকালি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-কিসায়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে সুফিয়ান।
আল-জইয়ানি বলেন: আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন কাজী আবু উমর আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুল হাজ্জা, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আলা আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে ঈসা ইবনে মাহান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল আশকার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কালানিসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম—গ্রন্থের শেষাংশের হুজাইফার বর্ণিত হাদিসটি ছাড়া, যাতে বলা হয়েছে: "আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমি মানুষের মধ্যে সকল ফিতনা সম্পর্কে সর্বাধিক অবগত"; কেননা ইবনে মাহান এটি আল-জুলুদি থেকে তার সনদে বর্ণনা করেছেন।
কাজী আবুল ফজল বলেন: আমি এই গ্রন্থটি পাঠ করেছি এবং আমার একাধিক উস্তাদের নিকট এটি শ্রবণও করেছি: তাদের মধ্যে রয়েছেন কাজী শহীদ হাফেজ আবু আলী আস-সাদফী; আমি পাঁচশত আট হিজরি সনে মুর্সিয়া জামে মসজিদে তাঁর নিকট পঠিত অবস্থায় এর সম্পূর্ণ অংশ শুনেছি। তিনি এটি আমার নিকট আবুল আব্বাস আল-উজরি থেকে তাঁর সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
وقرأت جميعه على الفقيه أبي محمد ابن أبي جعفر الخشني حدثني به عن أبي عبد الله الحسين بن علي الطبري إمام الحرمين عن أبي الحسين عبد الغافر بن محمد الفارسي عن أبي أحمد الجلودي بسنده، وله فيه أسانيد أخر عن أبيه عن أبي حفص الهوزني عن القاضي أبي عبد الله الباجي عن ابن ماهان.
وسمعت جميعه يقرأ على الفقيه أبي بحر سفيان بن العاصي بقرطبة سنة سبع وخمسمائة.
حدثني به عن أبي العباس العذري بسنده وعن أبي الفتح وأبي الليث نصر بن الحسن السمرقندي عن أبي الحسين الفارسي بسنده، وعن القاضي أبي الوليد هشام بن أحمد الكناني عن أبي محمد الشنتجالي عن أبي سعيد السجزي بسنده المتقدم.
ولم يصل إلى هذه البلاد كتاب مسلم إلا من طريق القلانسي وابن سفيان.
4- مصنف السنن لأبي داود سليمان بن الأشعث السجستاني:
سمعت أكثره عن القاضي أبي عبد الله التميمي وقرأت جميعه على الفقيه أبي الوليد هشام بن أحمد؛ حدثنا بجميعه عن الحافظ أبي علي الجياني عن
আমি এর পুরোটি ফকীহ আবু মুহাম্মদ ইবনে আবু জাফর আল-খুশানির নিকট পাঠ করেছি; তিনি আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন হারামাইনের ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী আত-তাবারী থেকে, তিনি আবু আল-হুসাইন আব্দুল গাফির বিন মুহাম্মদ আল-ফারিসী থেকে, তিনি আবু আহমদ আল-জালুদী থেকে তাঁর সনদে; এবং এই বিষয়ে তাঁর আরও অন্যান্য সনদ রয়েছে তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আবু হাফস আল-হাওযানী থেকে, তিনি কাযী আবু আব্দুল্লাহ আল-বাজী থেকে, তিনি ইবনে মাহান থেকে।
আর আমি এর সম্পূর্ণ অংশ পাঁচশ সাত হিজরি সনে কর্ডোভাতে ফকীহ আবু বাহর সুফিয়ান বিন আল-আসীর নিকট পাঠ করতে শুনেছি।
তিনি এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্বাস আল-উযরী থেকে তাঁর সনদে এবং আবু আল-ফাতহ ও আবু আল-লাইস নাসর বিন হাসান আস-সামারকান্দী থেকে, তিনি আবু আল-হুসাইন আল-ফারিসী থেকে তাঁর সনদে, এবং কাযী আবু আল-ওয়ালীদ হিশাম বিন আহমদ আল-কিনানী থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ আশ-শানতাজালী থেকে, তিনি আবু সাঈদ আস-সিজযী থেকে তাঁর পূর্বোক্ত সনদে।
আর মুসলিমের কিতাব (সহীহ মুসলিম) এই দেশগুলোতে আল-কালানিসী এবং ইবনে সুফিয়ানের পথ ব্যতীত পৌঁছেনি।
৪- আবু দাউদ সুলাইমান বিন আল-আশআস আস-সিজিস্তানি প্রণীত আস-সুনান:
আমি এর অধিকাংশ কাযী আবু আব্দুল্লাহ আত-তামীমীর নিকট শ্রবণ করেছি এবং এর সম্পূর্ণ অংশ ফকীহ আবু আল-ওয়ালীদ হিশাম বিন আহমদের নিকট পাঠ করেছি; তিনি আমাদের নিকট এর পুরোটি হাফিয আবু আলী আল-জাইয়ানী থেকে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
أبي عمر ابن عبد البر عن أبي محمد ابن عبد المؤمن عن أبي بكر ابن داسة عن أبي داود. وأجازنيه أبو علي الجياني، رحمه الله، وقابلت كتابي بأصله.
قال الجياني؛ قال أبو عمر: وحدثني به أبو زيد عبد الرحمن بن يحيى حدثنا أحمد بن سعيد بن حزم حدثنا أبو سعيد ابن الأعرابي حدثنا أبو داود.
قال أبو عمر: وحدثني به سعيد بن عثمان النحوي يعرف بابن القزاز حدثنا أبو عمر أحمد بن دحيم حدثنا أبو عيسى الرملي حدثنا أبو داود.
وأما رواية اللؤلؤي عنه فحدثني بها، فيما كتب به إلي، الإمام أبو بكر محمد بن الوليد الطرطوشي عن أبي علي التستري عن القاضي أبي عمر الهاشمي عن أبي علي محمد بن أحمد اللؤلؤي.
وللجياني وغيره من شيوخنا في هذا الكتاب من هذه الروايات أسانيد أخر؛ ولم يبلغنا هذا الكتاب من غير هذه الطرق الأربع.
5- شرح غريب الحديث لأبي عبيد القاسم بن سلام رحمة الله عليه:
قرأت جميعه على القاضي أبي عبد الله، رحمه الله، وحدثني به عن الشيخ أبي مروان ابن سراج عن أبي القاسم إبراهيم بن محمد ابن الإفليلي عن أبي زكرياء يحيى بن مالك بن عائذ حدثنا أحمد بن خالد حدثنا علي بن عبد العزيز عن أبي عبيد.
আবু উমর ইবনে আব্দুল বার বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মুমিন থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে দাসাহ থেকে, তিনি আবু দাউদ থেকে। আর আবু আলি আল-জায়ানি (রহিমাহুল্লাহ) আমাকে এর অনুমতি প্রদান করেছেন এবং আমি আমার পাণ্ডুলিপিটি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়েছি।
আল-জায়ানি বলেন; আবু উমর বলেন: আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু জাইদ আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে সাঈদ ইবনে হাযম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ ইবনুল আরাবি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ।
আবু উমর বলেন: আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে উসমান আন-নাহবি, যিনি ইবনুল কাযযায নামে পরিচিত, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর আহমাদ ইবনে দুহাইম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ঈসা আর-রামলি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ।
আর তাঁর থেকে আল-লুলুয়ি-এর বর্ণনার ব্যাপারে বলা যায় যে, ইমাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আল-ওয়ালিদ আত-তারতুশি আমাকে সেই বিষয়ে লিখেছেন, যা তিনি বর্ণনা করেছেন আবু আলি আত-তুস্তারি থেকে, তিনি কাজি আবু উমর আল-হাশিমি থেকে, তিনি আবু আলি মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-লুলুয়ি থেকে।
আল-জায়ানি এবং আমাদের অন্যান্য শাইখদের কাছে এই কিতাবের এই বর্ণনাগুলোর আরও অন্যান্য সনদ রয়েছে; তবে এই চারটি পথ ছাড়া এই কিতাবটি আমাদের কাছে পৌঁছেনি।
৫- আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে সালাম (রহিমাহুল্লাহ)-এর শারহু গারিবিল হাদিস:
আমি এর সম্পূর্ণ অংশ কাজি আবু আব্দুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন শাইখ আবু মারওয়ান ইবনে সিরাজ থেকে, তিনি আবু আল-কাসিম ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ইফলিবি থেকে, তিনি আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মালিক ইবনে আইজ থেকে, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে খালিদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে আব্দুল আজিজ, তিনি আবু উবাইদ থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
وقد قرأت جميعه أيضاً عن الفقيه أبي إسحاق ابن جعفر.
وحدثني به عن القاضي أبي الأصبغ عيسى بن سهل عن الفقيه أبي عبد الله ابن عتاب عن أبي المطرف القنازعي عن محمد بن يحيى بن عبد العزيز عن أحمد بن خالد.
قال ابن سهل: وحدثني به أبو القاسم الطرابلسي عن أبي عمر الطلمنكي عن ابن عون الله عن ابن الأعرابي كلاهما عن علي بن عبد العزيز.
قال حاتم: وحدثني به أيضاً أبو جعفر ابن مسمار عن أحمد بن أبي الموت عن علي بن عبد العزيز عن أبي عبيد.
6- كتاب إصلاح الغلط على أبي عبيد تأليف أبي محمد ابن قتيبة:
قرأته على القاضي أبي عبد الله محمد بن عيسى حدثني به عن أبي مروان عبد الملك بن سراج عن أبي القاسم إبراهيم بن محمد الإفليلي عن أبيه عن قاسم بن أصبغ عن أبي محمد ابن قتيبة، وقرأته أيضاً على غيره وسنذكره بعد.
7- كتاب غريب الحديث لأبي سليمان أحمد بن محمد البستي الخطابي:
سمعت جميعه يقرأ عليه، وقرأت بعضه، وفاتني ورقات من أوله أجازنيها. وسمعت جميعه على الوزير أبي الحسين سراج بن عبد الملك الحافظ بقراءة شيخنا الأستاذ أبي الحسن علي بن أحمد قالا: حدثنا أبو مروان ابن سراج حدثنا أبو عمرو عثمان بن أبي بكر السفاقسي عن أبي عبد الله محمد بن علي بن عبد الملك الفارض عن مؤلفه.
আমি এর পুরোটাই ফকিহ আবু ইসহাক ইবনে জাফরের নিকট পাঠ করেছি।
তিনি আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন কাজী আবু আল-আসবাহ ঈসা বিন সাহল থেকে, তিনি ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আত্তাব থেকে, তিনি আবু আল-মুতরিফ আল-কানাজি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি আহমদ বিন খালিদ থেকে।
ইবনে সাহল বলেন: আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আত-তরাবুলুসি, তিনি আবু উমর আত-তালামাঙ্কি থেকে, তিনি ইবনে আউনুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনুল আরাবি থেকে, তারা উভয়ই আলি বিন আব্দুল আজিজ থেকে।
হাতেম বলেন: আমার কাছে এটি আরও বর্ণনা করেছেন আবু জাফর ইবনে মিসমার, তিনি আহমদ বিন আবিল মউত থেকে, তিনি আলি বিন আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি আবু উবাইদ থেকে।
৬- আবু মুহাম্মাদ ইবনে কুতাইবাহ রচিত কিতাব ‘ইসলাহুল গালাত আলা আবি উবাইদ’:
আমি এটি কাজী আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ঈসার নিকট পাঠ করেছি। তিনি আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু মারওয়ান আব্দুল মালিক বিন সিরাজ থেকে, তিনি আবুল কাসিম ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আল-ইফলিলালি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি কাসিম বিন আসবাহ থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ ইবনে কুতাইবাহ থেকে। আমি এটি অন্য একজনের নিকটও পাঠ করেছি যার উল্লেখ আমরা পরে করব।
৭- আবু সুলাইমান আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-বুস্তি আল-খাত্তাবি রচিত কিতাব ‘গারিবুল হাদিস’:
আমি এর পুরোটাই তার সামনে পঠিত হতে শুনেছি এবং এর কিছু অংশ নিজে পাঠ করেছি। এর শুরুর কয়েক পৃষ্ঠা আমার ছুটে গিয়েছিল যা তিনি আমাকে ইজাজাহ দিয়েছেন। আমি এর পুরোটাই উজির আবুল হুসাইন সিরাজ বিন আব্দুল মালিক আল-হাফিজের নিকট আমাদের শাইখ উস্তাদ আবুল হাসান আলি বিন আহমদের পাঠের মাধ্যমে শুনেছি। তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মারওয়ান ইবনে সিরাজ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর উসমান বিন আবু বকর আস-সাফাকুসি, তিনি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলি বিন আব্দুল মালিক আল-ফারিজ থেকে, তিনি এর লেখকের থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
قال القاضي: وحدثني به أيضاً الفقيه أبو محمد ابن عتاب وغيره عن السفاقسي إجازةً.
وحدثني به غير واحد من شيوخنا بالإجازة بغير هذه الطرق وبها.
8- كتاب علوم الحديث لأبي عبد الله محمد بن عبد الله الحاكم النيسابوري.
سمعت جميعه على الفقيه القاضي أبي عبد الله التميمي، وقرأته بلفظي على الشيخ أبي علي الحسن بن طريف النحوي: حدثاني به عن الفقيه أبي عبد الله ابن سعدون القروي عن أبي بكر محمد بن علي المطوعي عن مؤلفه.
وحدثني به أيضاً غير واحدٍ من شيوخنا عن ابن سعدون المذكور.
وناولنيه القاضي أبو عامر بن إسماعيل وحدثني به عن القاضي أبي عبد الله محمد بن خلف ابن السقاط عن المطوعي.
وحدثني به أبو الحسن علي بن مشرف بن مسلم الاسكندراني عن أبي زكرياء البخاري عن الحاكم بجميع تواليفه بالإجازة.
9- كتاب الطبقات لمسلم بن الحجاج:
قرأته على القاضي أبي عبد الله حدثني به عن أبي العباس الدلائي إجازةً، ومن أصل أبي العباس نقلت كتابي وهو أصل شيخنا الذي أمسك علي وقت
কাজি বলেন: ফকিহ আবু মুহাম্মদ ইবনে আত্তাব এবং অন্যরাও আস-সাফাকুসি থেকে ইজাজাহর মাধ্যমে আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।
আমার একাধিক শিক্ষকও ইজাজাহর মাধ্যমে এই পথগুলো এবং এগুলো ছাড়াও অন্য পথের মাধ্যমে এটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
৮- আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাকিম আন-নিশাপুরি রচিত ‘উলুমুল হাদিস’ গ্রন্থ।
আমি এর সম্পূর্ণ অংশ ফকিহ কাজি আবু আব্দুল্লাহ আত-তামিমির নিকট শ্রবণ করেছি, এবং আমি নিজে এটি শায়খ আবু আলি আল-হাসান বিন তারিফ আন-নাহভির নিকট পাঠ করেছি: তাঁরা উভয়ে ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ ইবনে সাদনুল আল-কারাউয়ি থেকে, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলি আল-মুতাউয়ি থেকে, তিনি এর লেখকের নিকট থেকে এটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তিও উল্লিখিত ইবনে সাদনুল থেকে এটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
কাজি আবু আমির বিন ইসমাইল এটি আমাকে প্রদান করেছেন এবং তিনি কাজি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন খালাফ ইবনুল সাক্কাত থেকে, তিনি আল-মুতাউয়ি থেকে এটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
আবু হাসান আলি বিন মুশাররাফ বিন মুসলিম আল-ইসকান্দারানি আবু জাকারিয়া আল-বুখারি থেকে, তিনি আল-হাকিম থেকে ইজাজাহর মাধ্যমে তাঁর সকল রচনাবলি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
৯- মুসলিম বিন হাজ্জাজ রচিত ‘আত-তাবাকাত’ গ্রন্থ:
আমি এটি কাজি আবু আব্দুল্লাহর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু আব্বাস আদ-দালায়ি থেকে ইজাজাহর মাধ্যমে আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন। আবু আব্বাসের মূল পাণ্ডুলিপি থেকেই আমি আমার গ্রন্থটি অনুলিপি করেছি, এবং সেটিই ছিল আমাদের শায়খের মূল পাণ্ডুলিপি যা তিনি আমার (পাঠের) সময়কালে ধারণ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤١)
القراءة؛ قال: حدثنا أبو الحسن ابن بندار القزويني وأبو أسامة الهروي قالا: حدثنا أبو الحسن طاهر بن محمد حدثنا مكي بن عبدان حدثنا مسلم.
10، 11- كتاب الضعفاء والمتروكين لأبي عبد الرحمن النسائي وكتاب الطبقات له:
قرأتهما على القاضي أبي عبد الله حدثني بهما عن الدلائي عن أبي الحسن ابن فهر عن الحسن بن رشيق عن النسائي.
12- الكتب المدونة:
ناظرت في جميعها عليه مناظرات عدة وقرأت عليه الكثير منها روايةً وضبطاً وأجازني باقيها.
حدثني بها عن الفقيه أبي عبد الله محمد بن فرج مولى ابن الطلاع عن الفقيه أبي علي الحداد بن محمد بن عبيدون عن محمد بن وضاح عن سحنون.
وحدثنا بها أيضاً، رحمه الله، عن القاضي أبي عبد الله ابن المرابط عن الفقيه أبي الوليد بن ميقل عن أبي محمد الأصيلي عن أبي الحسن بن مسرور عن أحمد بن داود عن سحنون، إلا كتابي الوصايا وجنايات العبيد، فإن ابن مسرور إنما يرويهما عن سعيد بن إسحاق عن سحنون.
পাঠ; তিনি বলেন: আবুল হাসান ইবনে বুন্দার আল-কাযওয়িনী এবং আবু উসামাহ আল-হারাউই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেন: আবুল হাসান তাহির ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাক্কী ইবনে আবদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
১০, ১১- আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ীর 'কিতাবুদ দুআফা ওয়াল মাত্রুকীন' (দুর্বল ও বর্জনীয় বর্ণনাকারীদের গ্রন্থ) এবং তাঁর রচিত 'কিতাবুত তাবাকাত':
আমি এ দু'টি গ্রন্থ কাযী আবু আব্দুল্লাহর নিকট পাঠ করেছি; তিনি আদ-দালাই থেকে, তিনি আবুল হাসান ইবনে ফাহর থেকে, তিনি আল-হাসান ইবনে রাশীক থেকে, তিনি আন-নাসায়ী থেকে এগুলো আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
১২- আল-মুদাওওয়ানাহ গ্রন্থসমূহ:
আমি তাঁর নিকট এগুলোর সবকটি বেশ কয়েকবার পর্যালোচনা করেছি এবং বর্ণনার পরম্পরা ও নির্ভুলতাসহ এর অনেক অংশ তাঁর নিকট পাঠ করেছি, আর অবশিষ্ট অংশসমূহের জন্য তিনি আমাকে অনুমতি (ইজাযাহ) প্রদান করেছেন।
তিনি এগুলো আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ফকীহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ফারাজ (ইবনুত তাল্লা'র আযাদকৃত গোলাম) থেকে, তিনি ফকীহ আবু আলী আল-হাদ্দাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুন থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ওয়াদদাহ থেকে, তিনি সাহনুন থেকে।
এবং তিনি (রহিমাহুল্লাহ) আরও আমাদের নিকট এগুলো বর্ণনা করেছেন কাযী আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল মুরাবিত থেকে, তিনি ফকীহ আবুল ওয়ালীদ ইবনে মিকাল থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ আল-আসীলী থেকে, তিনি আবুল হাসান ইবনে মাসরুর থেকে, তিনি আহমদ ইবনে দাউদ থেকে, তিনি সাহনুন থেকে। তবে 'কিতাবুল ওয়াসায়া' (অসিয়তনামা) এবং 'জিনায়াতুল আবীদ' (দাসদের অপরাধ সংক্রান্ত) গ্রন্থদ্বয় ব্যতীত; কারণ ইবনে মাসরুর এ দু'টি গ্রন্থ কেবল সাঈদ ইবনে ইসহাক থেকে, আর তিনি সাহনুন থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
وقرأت أيضاً أكثرها وسمعت باقيها على الفقيه أبي محمد عبد الرحمن بن محمد بن عتاب عن أبيه عن أبي بكر عبد الرحمن بن حوبيل عن أبي إبراهيم إسحاق بن إبراهيم الفقيه عن أحمد بن خالد عن ابن وضاح وإبراهيم بن محمد بن باز وإبراهيم بن قاسم بن هلال عن سحنون.
قال أبو عبد الله ابن عتاب: وأخبرني بها أبو القاسم خلف بن يحيى الفهري عن أبي المطرف عبد الرحمن بن مدراج عن أحمد بن خالد.
قال أبو القاسم: وحدثنا بها أيضاً أبو محمد ابن أبي العطاف عن ابن وضاح.
وعارضت كتابي بأصل أبي عبد الله ابن عتاب العتيق المقروء على ابن وضاح وبأصل أبي عبد الله ابن المرابط.
13- الملخص لمسند الموطأ لأبي الحسن القابسي:
سمعته يقرأ عليه وحدثني به عن الجياني عن الطرابلسي عن مؤلفه. وقرأته
আমি এর অধিকাংশ পাঠ করেছি এবং অবশিষ্টাংশ ফকিহ আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আত্তাবের নিকট শ্রবণ করেছি; তিনি তাঁর পিতার নিকট থেকে, তিনি আবু বকর আবদুর রহমান ইবনে খুবাইল থেকে, তিনি আবু ইব্রাহিম ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-ফকিহ থেকে, তিনি আহমদ ইবনে খালিদ থেকে, তিনি ইবনে ওয়াদদাহ, ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বাজ এবং ইব্রাহিম ইবনে কাসেম ইবনে হিলাল থেকে, তাঁরা সাহনুন থেকে বর্ণনা করেছেন।
আবু আবদুল্লাহ ইবনে আত্তাব বলেছেন: আবু কাসেম খালাফ ইবনে ইয়াহইয়া আল-ফিহরি আমাকে এটি অবহিত করেছেন, তিনি আবু মুতাররিফ আবদুর রহমান ইবনে মাদরাজ থেকে, তিনি আহমদ ইবনে খালিদ থেকে।
আবু কাসেম বলেছেন: আবু মুহাম্মদ ইবনে আবিল আত্তাফও ইবনে ওয়াদদাহ থেকে আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।
আমি আমার পাণ্ডুলিপিটি আবু আবদুল্লাহ ইবনে আত্তাবের সেই প্রাচীন মূল কপির সাথে মিলিয়ে নিয়েছি যা ইবনে ওয়াদদাহর নিকট পাঠ করা হয়েছিল, এবং আবু আবদুল্লাহ ইবনুল মুরাবিতের মূল কপির সাথেও মিলিয়েছি।
১৩- আবুল হাসান আল-কাবেসি রচিত ‘আল-মুলখখাস লি-মুসনাদিল মুয়াত্তা’:
আমি এটি তাঁর নিকট পঠিত হতে শুনেছি এবং তিনি আল-জাইয়ানি থেকে, তিনি আত-তরাবুলসি থেকে, তিনি এর গ্রন্থকারের সূত্রে আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন। আর আমি এটি পাঠ করেছি...
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
على الفقيهين أبوي محمد عبد الله بن أبي جعفر وعبد الرحمن بن عتاب حدثاني به عن أبي القاسم الطرابلسي عن مؤلفه.
وقرأته أيضاً على الفقيه أبي إسحاق ابن جعفر حدثني به عن القاضي ابن سهل عن الطرابلسي.
وبعض شيوخنا يقول فيه الملخص بكسر الخاء وترجمة الكتاب تدل على الوجهين. فإذا كانت الترجمة الملخص لمسند الموطأ فهو بالكسر، قال ابن مكي في كتاب تقويم اللسان: ((كذا سماه مؤلفه وكذا هو في أكثر النسخ)) وإذا كان من مسند الموطأ فبالفتح.
14- التقصي لمسند الموطأ لأبي عمر ابن عبد البر: سمعته يقرأ عليه وحدثني به عن الجياني عن مؤلفه. وسمعت جميعه أيضاً على الفقيه أبي عمران موسى بن أبي تليد حدثني به أيضاً عن مؤلفه حدثنا صاحبنا الفقيه أبو بكر ابن فتحون قال: حدثني أبي قال: كنت يوماً جالساً في مجلس القاضي أبي الوليد الباجي وشاوره إنسانٌ في نسخ كتاب الملخص للقابسي فقال له الباجي: فهلا كتاب التقصي لأبي عمر؟ وفضله عليه وبلغني مثل هذا عن الفقيه أبي عمران الفاسي.
15- مسند الموطأ لأبي القاسم الجوهري، رحمه الله تعالى: حدثني به سماعاً لبعضه وإجازةً لباقيه عن الدلائي عن أبي الحسن ابن فهر وأبي بكر ابن عقال عن مؤلفه.
দুই ফকিহ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবি জাফর এবং আবদুর রহমান ইবনে আত্তাবের নিকট এটি পাঠ করেছি, তারা উভয়ে এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আত-তরাবুলসির সূত্রে, তিনি এর লেখকের সূত্রে।
এবং আমি এটি ফকিহ আবু ইসহাক ইবনে জাফরের নিকটও পাঠ করেছি, তিনি এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন কাজি ইবনে সাহলের সূত্রে, তিনি আত-তরাবুলসির সূত্রে।
আমাদের কিছু শায়খ এই কিতাবটির ক্ষেত্রে 'খ' বর্ণে কাসরা (ই-কার) দিয়ে 'আল-মুলাখখিস' বলেন এবং কিতাবের শিরোনাম উভয় প্রকারের (ফাতহা ও কাসরা) সম্ভাবনা রাখে। যদি শিরোনামটি 'আল-মুলাখখিস লি-মুসনাদিল মুয়াত্তা' হয়, তবে তা কাসরা দিয়ে হবে। ইবনে মাক্কি তার 'তাকবিমুল লিসান' গ্রন্থে বলেছেন: "এর লেখক একে এভাবেই নামকরণ করেছেন এবং অধিকাংশ পাণ্ডুলিপিতেও এমনই রয়েছে।" আর যদি এটি 'মুসনাদুল মুয়াত্তা' এর সংক্ষেপিত রূপ (আল-মুলাখখাস) হয়, তবে তা ফাতহা (আ-কার) দিয়ে হবে।
১৪- আবু উমর ইবনে আবদিল বার-এর 'আত-তাকাসসি লি-মুসনাদিল মুয়াত্তা': আমি তাকে এটি পাঠ করতে শুনেছি এবং তিনি আল-জাইয়ানির সূত্রে এর লেখকের পক্ষ থেকে আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছেন। এবং আমি ফকিহ আবু ইমরান মুসা ইবনে আবি তালিদের নিকটও এর সম্পূর্ণ অংশ শুনেছি, তিনি এটি লেখকের সূত্রে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। আমাদের সাথী ফকিহ আবু বকর ইবনে ফাতহুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদিন আমি কাজি আবু ওয়ালিদ আল-বাজির মজলিসে বসা ছিলাম এবং এক ব্যক্তি আল-কাবিসির 'আল-মুলাখখাস' কিতাবটি অনুলিপি করার ব্যাপারে তার পরামর্শ চাইল। তখন আল-বাজি তাকে বললেন: তুমি আবু উমরের 'আত-তাকাসসি' কিতাবটি কেন গ্রহণ করছ না? এবং তিনি একে সেটির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করলেন। ফকিহ আবু ইমরান আল-ফাসির পক্ষ থেকেও আমার কাছে অনুরূপ কথা পৌঁছেছে।
১৫- আবু আল-কাসিম আল-জাওহারি (রহিমাহুল্লাহ)-এর 'মুসনাদুল মুয়াত্তা': আদ-দালাই-এর সূত্রে আবুল হাসান ইবনে ফাহর এবং আবু বকর ইবনে আক্কালের পক্ষ থেকে এর লেখকের সূত্রে আমার কাছে এর কিয়দংশ শ্রবণ এবং অবশিষ্টাংশ ইজাজত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
16- الرسالة لأبي محمد ابن أبي زيد، رحمه الله تعالى: حدثني بها سماعاً عليه وقراءةً مني، عن الفقيه أبي عبد الله ابن فرج عن مكي بن أبي طالب وأبي عبد الله ابن عابد عن أبي محمد.
وقرأت جميعها على الخطيب أبي القاسم خلف بن إبراهيم المقرئ عن أبي عبد الله ابن عابد عن أبي محمد ابن أبي زيد.
وقرأتها أيضاً وسمعتها على الفقيه أبي إسحاق ابن الفاسي أخبرني بها عن القاضي ابن سهل عن مكي بن أبي طالب وغيره عن أبي محمد.
وقد سمعت منه، رحمة الله عليه، غير هذا مما لعلنا سنذكره عند ذكر غيره إن شاء الله تعالى.
حدثنا القاضي أبو عبد الله حدثنا أبو مروان ابن سراج قال: حدثنا عثمان بن أبي بكر حدثنا محمد بن علي الفارض حدثنا أحمد بن أحمد البستي حدثنا أحمد بن إبراهيم بن مالك حدثنا عمر بن حفص السدوسي حدثنا عاصم بن علي حدثنا عيسى بن عبد الرحمن حدثني طلحة بن مطرف عن عبد الرحمن بن عوسجة عن البراء بن عازب قال:
১৬- আবু মুহাম্মদ ইবন আবি যায়েদ (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) রচিত আর-রিসালাহ: এটি আমার কাছে তাঁর নিকট শ্রবণ করার মাধ্যমে এবং আমার পাঠ করার মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে, যা ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ ইবন ফারাজ থেকে, তিনি মক্কি বিন আবি তালিব এবং আবু আব্দুল্লাহ ইবন আবিদ থেকে, তাঁরা আবু মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আমি এর সম্পূর্ণ অংশ খতিব আবু আল-কাসিম খালাফ বিন ইবরাহিম আল-মুকরি-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু আব্দুল্লাহ ইবন আবিদ থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ ইবন আবি যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আমি এটি আরও পাঠ করেছি ও শ্রবণ করেছি ফকিহ আবু ইসহাক ইবন আল-ফাসি-এর নিকট, তিনি আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন কাজি ইবন সাহল থেকে, তিনি মক্কি বিন আবি তালিব ও অন্যান্যদের থেকে, তাঁরা আবু মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আমি তাঁর নিকট থেকে (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক) এছাড়া আরও কিছু শ্রবণ করেছি যা সম্ভবত আমরা অন্য কারো আলোচনার সময় উল্লেখ করব, ইনশাআল্লাহ তাআলা।
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজি আবু আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মারওয়ান ইবন সিরাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আবি বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলি আল-ফারিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আহমাদ আল-বুসতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন মালিক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন হাফস আস-সাদুসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম বিন আলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন আব্দুর রহমান, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তালহা বিন মুতাররিফ, তিনি আব্দুর রহমান বিন আওসাজাহ থেকে, তিনি বারা ইবন আজিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
جاء أعرابيٌ إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: علمني عملاً يدخلني الجنة قال: ((أعتق النسمة وفك الرقبة)) قال: أو ليسا واحداً؟ قال: ((لا، عتق النسمة أن تفرد بعتقها، وفك الرقبة أن تعين في ثمنها)) .
وحدثنا، رحمه الله تعالى قال: حدثنا أبو العباس العذري فيما كتبه له حدثنا أبو الحسن ابن فهر قال أبو القاسم الجوهري: حدثنا علي ابن أبي مطر حدثنا محمد بن علي حدثنا محمد بن إبراهيم البرقي حدثنا ابن علية حدثنا إسحاق بن سويد قال: تعبد عبد الله بن مطرف فقال له مطرف: ((يا عبد الله العلم أفضل من العمل، الحسنة بين السيئتين، خير الأمور أوساطها، وشر السير الحقحقة)) .
وأخبرنا رحمه الله قال؛ أخبرنا القاضي أبو عبد الله محمد بن خلف بن المرابط قال؛ أخبرنا المهلب ابن أبي صفرة حدثنا أبو محمد الأصيلي قال؛ أنشدنا أبو بكر الأبهري قال؛ أنشدني بعض أصحابنا عن وكيع بن خلف:
إن الملوك بلاءٌ حيثما حلوا
… فلا يكن لك من أكنافهم ظل
ماذا رجاؤك من قومٍ إذا غضبوا
… جاروا عليك وإن أرضيتهم ملوا
وإن مدحتهم ظنوك تخدعهم
… واستثقلوك كما يستثقل الكل
وإن أتيتهم تبغي زيارتهم
… رجعت منتقصاً من دينك الكل
জনৈক গ্রাম্য ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: আমাকে এমন একটি আমল শিখিয়ে দিন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। তিনি বললেন: ((প্রাণ মুক্ত করো এবং দাসত্ব থেকে বিমুক্ত করো))। তিনি বললেন: এই দুটি কি একই নয়? তিনি বললেন: ((না, প্রাণ মুক্ত করা হলো তুমি একাকী কাউকে মুক্তি দান করবে, আর দাসত্ব থেকে বিমুক্ত করা হলো তুমি তার মুক্তিপণের মূল্যে সাহায্য করবে))।
এবং তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবুল আব্বাস আল-উজরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যা তিনি তাকে লিখেছিলেন, আবুল হাসান ইবনে ফিহর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল কাসিম আল-জাওহারি বলেছেন: আলি ইবনে আবি মাতার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-বারকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন সুওয়াইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ বিন মুতাররিফ ইবাদতে আত্মনিয়োগ করলেন, তখন মুতাররিফ তাকে বললেন: ((হে আবদুল্লাহ, আমলের চেয়ে জ্ঞান বা ইলম উত্তম, পুণ্য হলো দুই মন্দের মাঝে অবস্থিত, সর্বোত্তম কাজ হলো মধ্যপন্থা অবলম্বন করা এবং নিকৃষ্টতম পথচলা হলো ক্লান্তিকর বাড়াবাড়ি))।
এবং তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন; কাজী আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন খালাফ বিন আল-মুরাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন; আল-মুহাল্লাব ইবনে আবি সুফরা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আল-আসিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন; আবু বকর আল-আবহারি আমাদের নিকট কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেছেন; আমাদের জনৈক সঙ্গী ওয়াকি ইবনে খালাফ থেকে আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:
নিশ্চয়ই রাজন্যবর্গ যেখানেই অবস্থান নেয় সেখানেই তারা আপদস্বরূপ
… সুতরাং তাদের সান্নিধ্যে তোমার জন্য যেন কোনো আশ্রয় না থাকে
এমন সম্প্রদায়ের নিকট তোমার কীইবা প্রত্যাশা থাকতে পারে যারা ক্রোধান্বিত হলে
… তোমার ওপর জুলুম করে এবং তুমি তাদের সন্তুষ্ট করলে তারা বিরক্ত হয়
আর যদি তুমি তাদের প্রশংসা করো তবে তারা মনে করে তুমি তাদের ধোঁকা দিচ্ছ
… এবং তারা তোমাকে ভার মনে করে যেমন গলগ্রহ ব্যক্তিকে বোঝা মনে করা হয়
আর তুমি যদি তাদের সাথে সাক্ষাতের প্রত্যাশায় তাদের কাছে আসো
… তবে তুমি তোমার পূর্ণ দ্বীন থেকে বিচ্যুত হয়ে ফিরে আসবে
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
زاد غيره:
فاستعن بالله عن دنياهم ورعاً
… إن الوقوف على أبوابهم ذل
2- الفقيه القاضي أبو عبد الله محمد بن علي بن محمد بن عبد العزيز بن حمدين التغلبي: أجل رجال الأندلس وزعيمها في وقته ومقدمها جلالة ووجاهةً وفهماً ونباهة، مع النظر الصحيح في الفقه والأدب البارع والتقدم في النثر والنظم تقلد الشورى بقرطبة لأول الدولة المرابطية ثم ولي قضاء الجماعة بها سنة تسعين إلى أن توفي في يوم الخميس لثلاث بقين من محرم سنة ثمان وخمسمائة ودفن يوم الجمعة بعد صلاة العصر؛ مولده سنة تسع وثلاثين وأربعمائة.
وتفقه بأبيه وطبقته وسمع منه ومن أبي عبد الله ابن عتاب وأبي القاسم الطرابلسي وغيرهم، وأجازه ابن عبد البر والدلائي.
لقيته بقرطبة سنة سبعٍ وخمسمائة وصدر سنة ثمان وجالسته كثيراً، رحمه الله.
وسمعت عليه الموطأ رواية يحيى بن يحيى الليثي، وقد تقدم ذكر إسناده فيه.
وقرأت عليه بعض رسائله وردوده على الغزالي وسمعت بعضها، وسمعت منه كثيراً من كلامه ورسالته لابن شماخ وأجاز لي سائر رواياته.
অন্যদের সংযোজন:
সুতরাং তাকওয়ার সাথে তাদের দুনিয়া থেকে বিমুখ হয়ে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করো
… নিশ্চয়ই তাদের দরজায় দাঁড়ানো লাঞ্ছনাদায়ক।
২- ফকীহ ও বিচারক আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন হামদিন আত-তাগলিবি: তিনি ছিলেন আন্দালুসের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব এবং তাঁর সময়ের অন্যতম নেতা; মর্যাদা, প্রভাব-প্রতিপত্তি, প্রজ্ঞা ও মেধার বিচারে তিনি ছিলেন অগ্রগণ্য। ফিকহ শাস্ত্রে সঠিক অন্তর্দৃষ্টির পাশাপাশি তিনি ছিলেন প্রাজ্ঞ সাহিত্যিক এবং গদ্য ও পদ্যে পারদর্শী। তিনি মুরাবিতুন সাম্রাজ্যের সূচনালগ্নে কর্ডোভায় পরামর্শ সভার সদস্য নিযুক্ত হন, অতঃপর চারশত নব্বই হিজরিতে সেখানে প্রধান বিচারপতির পদ অলংকৃত করেন এবং পাঁচশত আট হিজরির মহররম মাসের তিন দিন বাকি থাকতে বৃহস্পতিবার ইন্তেকাল করা পর্যন্ত উক্ত পদে বহাল ছিলেন। শুক্রবার আছরের নামাজের পর তাঁকে দাফন করা হয়; তাঁর জন্ম চারশত ঊনচল্লিশ হিজরিতে।
তিনি তাঁর পিতা এবং তাঁর সমসাময়িক আলেমদের নিকট ফিকহ শিক্ষা করেন এবং তাঁর পিতা, আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আত্তাব, আবুল কাসিম আত-তরাবুলুসি ও অন্যান্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। ইবনে আব্দুল বার এবং আদ-দালাঈ তাঁকে ইজাজত প্রদান করেছেন।
পাঁচশত সাত হিজরিতে এবং পাঁচশত আট হিজরির শুরুর দিকে কর্ডোভায় তাঁর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয় এবং আমি অনেকবার তাঁর মজলিসে বসেছি, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
আমি তাঁর নিকট ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আল-লাইসির বর্ণনায় মুয়াত্তা শ্রবণ করেছি, যার সনদ ইতিপূর্বেই বর্ণিত হয়েছে।
আমি তাঁর নিকট তাঁর কিছু পত্রাবলী এবং ইমাম গাজালির ওপর তাঁর লিখিত খণ্ডনমূলক জবাবগুলো পাঠ করেছি ও শ্রবণ করেছি। এছাড়া তাঁর নিকট থেকে অনেক জ্ঞানগর্ভ কথা এবং ইবনে শাম্মাখের প্রতি লেখা তাঁর পত্রটি শ্রবণ করেছি; তিনি তাঁর সকল বর্ণনার জন্য আমাকে ইজাজত প্রদান করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
وحدثنا القاضي أبو عبد الله محمد بن علي قراءة عليه وأنا أسمع قال؛ حدثني أبي قال؛ حدثني جدي لأمي أبو زكرياء القليعي حدثنا أبو عبد الله ابن أبي زمنين حدثنا أبو عمر ابن المشاط حدثنا عبيد الله بن يحيى حدثنا يحيى بن يحيى حدثنا مالك بن أنس قال:
بلغني أن لقمان الحكيم أوصى ابنه فقال: ((يا بني جالس العلماء وزاحمهم بركبتيك فإن الله يحيي القلوب بنور الحكمة كما يحيي الأرض الميتة بوابل السماء)) .
3- الفقيه القاضي الشهيد أبو عبد الله محمد بن أحمد بن خلف بن إبراهيم التجيبي ابن الحاج: أحد الفقهاء الفضلاء تفقه بشيوخ بلده قرطبة: أبي جعفر ابن رزق وأبي الحسن ابن حمدين، وسمع الجياني وابن الطلاع وأبا مروان ابن سراج والعبسي وابن مدير الخطيب وحازم بن محمد وغيرهم.
وكان حسن الضبط جيد الكتب كثير الرواية له حظٌ من الأدب، مطبوعاً في الفتيا مقدماً في الشورى، صليب الدين متواضعاً متسمتاً حليماً.
وولي قضاء الجماعة بقرطبة مرتين حمد فيهما أثره استعفى من أولاهما ثم أجبر ثانيةً، وقتل وهو قاضٍ يوم الجمعة وهو ساجدٌ في صلاة الجمعة طعن بحديدةٍ وقتل
বিচারক আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলি আমাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার মাতামহ আবু জাকারিয়া আল-কুলাইয়ি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আবি জামানিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উমর ইবনুল মাশাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক বিন আনাস বলেন:
আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, লুকমান হাকিম তাঁর পুত্রকে অসিয়ত করে বলেছেন: "হে প্রিয় বৎস, তুমি আলেমদের মজলিসে বসবে এবং তাদের খুব নিকটে হাঁটু গেড়ে বসবে। কেননা আল্লাহ তাআলা হিকমতের নূর বা প্রজ্ঞার আলো দ্বারা অন্তরসমূহকে সেভাবেই জীবিত করেন, যেভাবে তিনি আকাশের প্রবল বৃষ্টি দ্বারা মৃত জমিনকে জীবিত করেন।"
৩- ফকিহ, কাজি, শহীদ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন খালাফ বিন ইবরাহিম আত-তুজিবি ইবনুল হাজ: তিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফকিহ ছিলেন। তিনি তাঁর নিজ শহর কর্ডোভার শায়খদের নিকট ফিকহ শিক্ষা করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন: আবু জাফর ইবনে রিজক ও আবু হাসান ইবনে হামদিন। তিনি আল-জিয়ানি, ইবনুত তাল্লা', আবু মারওয়ান ইবনে সিরাজ, আল-আবসি, ইবনে মুদির আল-খতিব, হাজিম বিন মুহাম্মদ এবং অন্যদের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন।
তিনি উত্তম স্মৃতিশক্তির অধিকারী ছিলেন, তাঁর কিতাবসমূহ ছিল উন্নত মানের এবং তাঁর বর্ণনার সংখ্যা ছিল প্রচুর। সাহিত্যের ওপর তাঁর দখল ছিল, ফতোয়া প্রদানে তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত, পরামর্শ সভার কাজে অগ্রগণ্য ছিলেন, দ্বীনের বিষয়ে ছিলেন দৃঢ়পদ, পাশাপাশি বিনয়ী, গাম্ভীর্যপূর্ণ ও সহনশীল ছিলেন।
তিনি কর্ডোভার প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দুইবার পালন করেন এবং উভয়বারই তাঁর ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। প্রথমবার তিনি অব্যাহতি চেয়েছিলেন, কিন্তু দ্বিতীয়বার তাঁকে দায়িত্ব গ্রহণে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি বিচারপতি থাকাকালীন জুমার দিনে জুমার সালাতে সিজদারত অবস্থায় নিহত হন। তাঁকে একটি লোহার অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল এবং তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
العامة للحين قاتله وذلك لأربعٍ بقين لصفر من سنة تسعٍ وعشرين؛ ومولده سنة ثمان وخمسين وأربعمائة. وجهل السبب في ذلك وكثر التخوض فيه، وكانت أمور الأندلس الكبار قد صرفها إليه أمير المسلمين أيام قضائه وفتواه واعتمد على فتواه بعد وفاة ابن رشد صاحبه.
قرأت عليه في داره بقرطبة جميع كتاب غريب الحديث لأبي محمد بن قتيبة، وعارضت كتابي بكتابه، حدثني به عن الشيخ أبي مروان ابن سراج، رحمه الله، عن أبي القاسم إبراهيم بن محمد الإفليلي عن أبيه عن قاسم بن أصبغ عن مؤلفه. وحدثني به أيضاً عن أبي علي الجياني الحافظ عن أبوي عمر ابن الحذاء وابن عبد البر عن عبد الوارث بن سفيان عن قاسم بن أصبغ. وصححت كثيراً من شواهده وعويص حروفه على الوزير أبي الحسين ابن سراج وأخبرني به عن أبيه، رحمهما الله، وكتبت عنه فوائد.
وأجازني جميع رواياته، حدثنا القاضي الشهيد أبو عبد الله التجيبي، رحمه الله، من لفظه قال؛ حدثنا أبو علي الحافظ الغساني حدثنا أبو العباس العذري حدثنا أبو العباس الرازي قال؛ حدثنا أبو بكر سليمان بن أحمد الطبراني قال؛ حدثنا بشر بن موسى حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ قال؛ حدثنا حيوة بن شريح حدثنا عقبة بن مسلم عن أبي عبد الرحمن هو الحبلي عن الصنابحي عن معاذ بن جبل:
সাধারণ জনগণ তাকে সেই সময় হত্যা করে এবং তা ছিল ৫২৯ হিজরি সনের সফর মাস শেষ হতে চার দিন বাকি থাকতে; আর তার জন্ম ছিল ৪৫৮ হিজরি সনে। এই হত্যাকাণ্ডের কারণ অজ্ঞাত রয়ে গেছে এবং এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা হয়েছে। আমীরুল মুসলিমীন তার বিচারকাজ ও ফতোয়া প্রদানের সময়কালে আন্দালুসের বড় বড় বিষয়াবলি তার ওপর ন্যস্ত করেছিলেন এবং তার সহকর্মী ইবনে রুশদ-এর মৃত্যুর পর তার ফতোয়ার ওপরই নির্ভর করতেন।
আমি কর্ডোভায় তার নিজ গৃহে তার কাছে আবু মুহাম্মদ ইবনে কুতায়বা রচিত ‘গারিবুল হাদিস’ গ্রন্থটি সম্পূর্ণ পাঠ করেছি এবং আমার পাণ্ডুলিপিকে তার পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে সংশোধন করেছি। তিনি এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন শায়খ আবু মারওয়ান ইবনে সিরাজ (আল্লাহ তার ওপর রহম করুন) থেকে, তিনি আবু আল-কাসিম ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-ইফলিলা থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি কাসিম ইবনে আসবাগ থেকে এবং তিনি গ্রন্থটির লেখকের নিকট থেকে। তিনি এটি আমার নিকট হাফেজ আবু আলী আল-জাইয়ানি থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি দুই শায়খ আবু উমর ইবনুল হাজ্জা ও ইবনে আবদিল বার থেকে, তাঁরা আবদ আল-ওয়ারিস ইবনে সুফিয়ান থেকে এবং তিনি কাসিম ইবনে আসবাগ থেকে। আমি এর অনেক কাব্যিক উদ্ধৃতি ও কঠিন শব্দসমূহ উজির আবু আল-হুসাইন ইবনে সিরাজের কাছে সংশোধন করেছি এবং তিনি তার পিতার বরাতে আমাকে এ সংবাদ দিয়েছেন (আল্লাহ তাদের উভয়ের ওপর রহম করুন), আর আমি তার নিকট থেকে বিভিন্ন জ্ঞানগর্ভ বিষয়সমূহ লিখে নিয়েছি।
এবং তিনি আমাকে তার সকল বর্ণনার অনুমতি প্রদান করেছেন। শহীদ কাজী আবু আবদুল্লাহ আত-তুজিবি (আল্লাহ তার ওপর রহম করুন) নিজ মুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন; আবু আলী আল-হাফেজ আল-গাসসানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-আব্বাস আল-উজরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-আব্বাস আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন; আবু বকর সুলাইমান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন; বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন; হাইওয়াহ ইবনে শুরাইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উকবা ইবনে মুসলিম আবু আবদুর রহমান—যিনি আল-হুবলি—থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আস-সুনাবিহি থেকে এবং তিনি মুআজ ইবনে জাবাল থেকে বর্ণনা করেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخذ بيده وقال: ((يا معاذ والله إني لأحبك)) فقال: ((أوصيك يا معاذ لا تدعن في كل صلاة أن تقول: ((اللهم أعني على ذكرك وشكرك وحسن عبادتك)) .
وأوصى بذلك معاذٌ الصنابحي وأوصى بها الصنابحي أبا عبد الرحمن وأوصى بها أبو عبد الرحمن عقبة بن مسلم وأوصى بها عقبة بن مسلم حيوة وأوصى بها حيوة المقرئ وأوصى بها المقرئ بشر بن موسى وأوصى بها بشر الطبراني وأوصى بها الطبراني الرازي وأوصى بها الرازي العذري وأوصى بها العذري أبا علي الغساني وأوصى بها الغساني شيخنا القاضي أبا عبد الله التجيبي وأوصانا بها القاضي أبو عبد الله قال القاضي: وأنا أوصيكم بها.
قال القاضي أبو الفضل: كذا قاله القاضي أبو عبد الله: أبو بكر الطبراني وكذا كتبه لي بخطه، والمعروف في كنية الطبراني هذا أبو القاسم وهو إمام مشهور.
أخبرنا القاضي الشهيد أبو عبد الله محمد بن أحمد التجيبي أخبرنا الحافظ أبو علي الحسين بن محمد الغساني قال: حدثنا أبو عمر ابن عبد البر حدثنا أبو محمد قاسم بن محمد حدثنا خالد بن سعد حدثنا أبو الحسن طاهر ابن عبد العزيز حدثنا أبو بكر ابن الإمام البغدادي بدمياط، حدثنا أبو السكين زكرياء بن يحيى بن عمر بن حصين بن حميد بن منهب ابن حارثة بن خريم بن أوس بن حارثة بن لام إملاءً من حفظه ومن كتابه قال: حدثنا عم أبي زحر بن
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর হাত ধরলেন এবং বললেন: "হে মুয়াজ! আল্লাহর শপথ, নিশ্চয়ই আমি তোমাকে ভালোবাসি।" অতঃপর তিনি বললেন: "হে মুয়াজ! আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতে এটি বলা ছেড়ে দিও না: 'হে আল্লাহ! আপনার স্মরণ, আপনার কৃতজ্ঞতা এবং আপনার সুন্দর ইবাদত পালনে আমাকে সাহায্য করুন'।"
এবং মুয়াজ (রা.) এটি সুনাবেহীকে অসিয়ত করেন, সুনাবেহী আবু আব্দুর রহমানকে অসিয়ত করেন, আবু আব্দুর রহমান উকবাহ বিন মুসলিমকে অসিয়ত করেন, উকবাহ বিন মুসলিম হাইওয়াহকে অসিয়ত করেন, হাইওয়াহ আল-মুকারি বিশর বিন মুসাকে অসিয়ত করেন, বিশর তাবারানিকে অসিয়ত করেন, তাবারানি আল-রাজিকে অসিয়ত করেন, রাজি আল-উজরিকে অসিয়ত করেন, উজরি আবু আলী আল-গাসসানিকে অসিয়ত করেন, গাসসানি আমাদের শায়খ কাজি আবু আব্দুল্লাহ আত-তিজিবিকে অসিয়ত করেন এবং কাজি আবু আব্দুল্লাহ আমাদের এটি অসিয়ত করেছেন। কাজি বলেন: আমি তোমাদের এটি অসিয়ত করছি।
কাজি আবু ফজল বলেন: কাজি আবু আব্দুল্লাহ এভাবেই বলেছেন: "আবু বকর তাবারানি" এবং এভাবেই তিনি স্বহস্তে আমার নিকট এটি লিখেছেন। আর এই তাবারানির প্রসিদ্ধ উপনাম (কুনিয়া) হলো আবু আল-কাসিম এবং তিনি একজন প্রসিদ্ধ ইমাম।
কাজি শহীদ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ আত-তিজিবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আবু আলী আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-গাসসানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উমর ইবনে আব্দুল বার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুহাম্মদ কাসিম বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ বিন সা’দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-হাসান তাহির ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে ইমাম আল-বাগদাদি দিময়াতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুস সাকিন জাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া বিন উমর বিন হুসাইন বিন হুমাইদ বিন মুনহিব বিন হারিসা বিন খুরাইম বিন আওস বিন হারিসা বিন লাম তাঁর মুখস্থ স্মৃতি থেকে এবং তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতিলিখন হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতার চাচা জাহর বিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
حصن عن جده حميد بن منهب قال:
حججت في السنة التي قتل فيها عثمان، رحمه الله تعالى، فصادفت طلحة والزبير وعائشة بمكة فلما ساروا إلى البصرة سرت معهم فلما وقفت عائشة بالبصرة قالت:
((إن لي عليكم حرمة الأمومة وحق الموعظة، لا يتهمني منكم إلا من عصى ربه، [قبض رسول الله، صلى الله عليه وسلم، بين سحري ونحري وأنا إحدى نسائه في الجنة وله حصنني ربي من كل بضع] ، بي ميز مؤمنكم من منافقكم وبي رخص لكم في صعيد الأبواء. وأبي رابع أربعة من المسلمين وأول من سمي
হিসন তাঁর দাদা হুমাইদ বিন মুনহিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
উসমান (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন) যে বছর শহীদ হন, আমি সেই বছর হজ পালন করি। তখন মক্কায় তালহা, যুবাইর এবং আয়েশার সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়। এরপর তাঁরা যখন বসরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন, আমিও তাঁদের সাথে পথ চললাম। আয়েশা যখন বসরায় অবস্থান গ্রহণ করলেন, তখন তিনি বললেন:
“তোমাদের ওপর আমার মাতৃত্বের মর্যাদা এবং উপদেশ প্রদানের অধিকার রয়েছে। তোমাদের মধ্যে কেবল সেই ব্যক্তিই আমাকে অভিযুক্ত করবে যে তার রবের অবাধ্যতা করেছে। [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার বুক ও কণ্ঠনালীর মাঝে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন এবং জান্নাতে আমি তাঁর অন্যতম স্ত্রী। এ কারণেই আমার রব আমাকে সকল অপবাদ থেকে পবিত্র রেখেছেন]। আমার মাধ্যমেই তোমাদের মধ্যকার মুমিন ও মুনাফিকদের পৃথক করা হয়েছে এবং আমার কারণেই তোমাদের জন্য আবওয়া প্রান্তরের মাটিতে তায়াম্মুমের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর আমার পিতা ছিলেন ইসলামের প্রথম চারজন ব্যক্তির অন্যতম এবং তিনিই প্রথম ব্যক্তি যাকে...”
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٥١)
صديقاً. مضى سول الله، صلى الله عليه وسلم، راضياً عنه مطوقه وهف الإمامة. ثم اضطرب حبل الدين فأخذ بطرفيه وربق لكم أثناه، فوقذ النفاق، وغاض نبع الردة، وأطفأ ما حشت يهود، وأنتم حينئذ جحظ تنتظرون العدوة وتستمعون الصيحة، فرأب الثأي، وأوذم العطلة، وامتاح من المهواة، واجتهر دفن الرواء، ثم انتظم طاعتكم بجفلة في ذات الله، مذعنٌ إذا ركن إليه، بعيد
সিদ্দিক হিসেবে। আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট অবস্থায় পরলোকগমন করেছেন এবং তাঁর স্কন্ধে ইমামতের দায়িত্বভার অর্পণ করেছেন। অতঃপর যখন দ্বীনের রশি টালমাটাল হয়ে পড়ল, তখন তিনি এর দুই প্রান্ত শক্ত করে ধরলেন এবং আপনাদের জন্য এর মধ্যভাগকে সুসংহত করলেন। তিনি নিফাককে চূর্ণ করলেন, ধর্মত্যাগের প্রস্রবণ শুকিয়ে দিলেন এবং ইহুদিরা যা উসকে দিয়েছিল তা নির্বাপিত করলেন। তখন আপনারা অত্যন্ত বিমূঢ় অবস্থায় শত্রুর আক্রমণের অপেক্ষায় ছিলেন এবং কোনো ভয়াবহ ধ্বনি শোনার অপেক্ষায় কান পেতে ছিলেন। অতঃপর তিনি ফাটল মেরামত করলেন, অচল রশি সচল করলেন, অতল গহ্বর থেকে উদ্ধার করলেন এবং সুপ্ত প্রাচুর্য প্রকাশ করলেন। এরপর আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে এক সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আপনাদের আনুগত্য সুসংবদ্ধ হলো; তাঁর ওপর যখন নির্ভর করা হতো তখন তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনম্র, অথচ মর্যাদার দিক থেকে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুউচ্চ।
(খণ্ড: ১)
আল-গুনইয়াহ ফী শুয়ূখিল কাজী আইয়াজ
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
ما بين اللابتين، عركة للأذاة بجنبه، صفوح عن أذى الجاهلين، يقظان الليل في نصرة الإسلام، خشاش المراءة والمخبر، فسلك مسلك السابقيه، تبرأت إلى الله من خطب جمع شمل الفتنة وفرق أعضاء ما جمع القرآن أنا نصب المسألة عن مسيري هذا إن لم أجدد إثماً أدرعه ولم أدلس فتنة أوطئكموها؛ أقول قولي هذا صدقاً وعذراً واعتذاراً وتعذيراً، وأسأل الله أن يصلي على محمد عبده ورسوله وأن يخلفه في أمته أفضل خلافة المرسلين)) .
قال: فانطلق رجلٌ ممن سمع مقالتها إلى الأحنف بن قيس وهو معتزلٌ في بني سعد فأخبره بما قالت، فأنشأ يقول:
لشتان ما بين المقامين تارةً
… قصارى وطوراً عدوة تستقيلها
فلو كانت الأكناف دونك لم يجد
… عليك مقالاً ذو أذاةٍ يقولها
দুই কঙ্করময় ভূমির (মদিনার) মধ্যবর্তী এই ব্যক্তি, নিজ পার্শ্ব দিয়ে কষ্ট প্রতিহতকারী, মূর্খদের দেওয়া কষ্টে ক্ষমাশীল, ইসলামের সাহায্যে রাত্রি জাগরণকারী, বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণভাবে অত্যন্ত সূক্ষ্মদর্শী। তিনি তাঁর পূর্ববর্তীদের পথ অবলম্বন করেছেন। আমি আল্লাহর নিকট সেই সকল ভাষণ থেকে সম্পর্কহীনতা ঘোষণা করছি যা ফিতনাকে একত্রিত করেছে এবং কুরআন যা ঐক্যবদ্ধ করেছিল তার অঙ্গসমূহকে বিচ্ছিন্ন করেছে। আমার এই সফরের বিষয়ে আমি জিজ্ঞাসিত হব যদি আমি নতুন কোনো পাপ অর্জন না করি এবং কোনো ফিতনার প্রলেপ না দেই যা তোমাদের পদতলে দলিত করবে। আমি সত্যনিষ্ঠা, ওজর পেশ, ক্ষমা প্রার্থনা ও যুক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে আমার এই কথাগুলো বলছি। আর আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি যেন তিনি তাঁর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদের প্রতি রহমত বর্ষণ করেন এবং তাঁর উম্মতের মাঝে তাঁকে রাসূলদের সর্বোত্তম স্থলাভিষিক্ত দান করেন।
তিনি বলেন: যারা তাঁর কথা শুনেছিল তাদের মধ্যে জনৈক ব্যক্তি আহনাফ ইবনে কায়সের নিকট গমন করলেন—যিনি বনু সা’দ গোত্রে নির্জনবাস করছিলেন—এবং তাঁকে তাঁর বক্তব্য অবহিত করলেন। তখন তিনি এই কবিতা আবৃত্তি করতে লাগলেন:
উভয় অবস্থানের মধ্যে কতই না পার্থক্য; কখনও তা চূড়ান্ত সীমা
… আবার কখনও তা এমন আক্রমণ যা থেকে নিষ্কৃতি প্রত্যাশা করা হয়।
যদি তোমার পাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকত
… তবে অনিষ্টকারী তোমার বিরুদ্ধে কোনো অপবাদ দেওয়ার সুযোগ পেত না।