(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: -)
أحاديث في ذم الكلام وأهله القسم: كتب السنة
الكتاب: أحاديث في ذم الكلام وأهله انتخبها الإمام أبو الفضل المقرئ من رد أبي عبد الرحمن السلمي على أهل الكلام
المؤلف: أبو الفضل عبد الرحمن بن أحمد بن الحسن الرازي المقرىء (ت 454هـ)
المحقق: الدكتور ناصر بن عبد الرحمن بن محمد الجديع
الناشر: دار أطلس للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى 1417 هـ - 1996 م
عدد الصفحات: 104
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইলমুল কালাম ও এর অনুসারীদের নিন্দায় হাদিসসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
বই: ইলমুল কালাম ও এর অনুসারীদের নিন্দায় হাদিসসমূহ, যা ইমাম আবু আল-ফজল আল-মুকরি আবু আবদুর রহমান আস-সুলামির ‘আহলুল কালামের বিরুদ্ধে খণ্ডন’ গ্রন্থ থেকে নির্বাচন করেছেন
লেখক: আবু আল-ফজল আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-রাজি আল-মুকরি (মৃত ৪৫৪ হি.)
সম্পাদক: ডক্টর নাসের বিন আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-জুদাই
প্রকাশক: দার আতলাস প্রকাশনা ও বিতরণ
সংস্করণ: প্রথম ১৪১৭ হি. - ১৯৯৬ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০৪
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুতকারক: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: -)
أحاديث في
ذم الكلام وأهله
انتخبها
الْإِمَامُ أَبُو الْفَضْلِ الْمُقْرِئُ
مِنْ رَدِّ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ على أهل الكلام
دراسة وتحقيق
الدكتور ناصر بن عبد الرحمن بن محمد الجديع
الأستاذ المشارك في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
دار أطلس للنشر والتوزيع
الطبعة الأولى
1417 هـ - 1996 م
ইলমুল কালাম ও এর অনুসারীদের নিন্দায় বর্ণিত
হাদিসসমূহ
এটি নির্বাচন করেছেন
ইমাম আবুল ফজল আল-মুকরি
ইলমুল কালামের অনুসারীদের বিরুদ্ধে আবু আবদুর রহমান আস-সুলামির খণ্ডনমূলক গ্রন্থ থেকে
গবেষণা ও সম্পাদনা
ডক্টর নাসির বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আল-জুদাই
ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক
দার আতলাস প্রকাশনা ও বিতরণ
প্রথম সংস্করণ
১৪১৭ হিজরি - ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، وَصَلَوَاتُهُ عَلَى نَبِيِّهِ مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَسَلَّمَ.
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْأَجَلُّ السَّيِّدُ سَيْفُ السَّلَفِ إِمَامُ الْحَرَمَيْنِ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ جَبَرَ اللَّهُ سُمُوَّهُ، وَحَفِظَهُ فِي الدَّارَيْنِ قَالَ: حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَصْبَهَانِيُّ وَالشَّيْخُ أَبُو الْهَمَّامِ الْإِمَامُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ جَعْفَرٍ فِي الْمَسْجِدِ الْجَامِعِ فِي مَجْلِسٍ وَاحِدٍ فِي الْحَظِيرَةِ بِالْكَرْجِ، فِي شَهْرِ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ سِتَّةٍ وسبعين وأربعمائة، قَالا حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْمُقْرِئُ الرَّازِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُوسَى السُّلَمِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحصامي، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ
সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং তাঁর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারের উপর।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহান ইমাম শাইখ সাইয়্যিদ সাইফুস সালাফ ইমামুল হারামাইন আবু হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক—আল্লাহ তাঁর মর্যাদাকে সমুন্নত করুন এবং তাঁকে উভয় জাহানে হেফাযত করুন—তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শাইখ ইমাম আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-আসফাহানি এবং শাইখ আবু আল-হাম্মাম ইমাম আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন জাফর; কারজ অঞ্চলের জামে মসজিদে এক মজলিসে 'হাজিরা' নামক স্থানে, ৪৭৬ হিজরী সনের মহররম মাসে। তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শাইখ ইমাম আবুল ফজল আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-মুকারি আর-রাজি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুসা আস-সুলামি আন-নাইসাবুরি (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন), আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ আল-হুসামি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আহমাদ।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
بْنِ مَالِكٍ الزَّعْفَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنا يَزِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التُّسْتَرِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (تَفَكَّرُوا فِي خَلْقِ اللَّهِ، وَلا تَفَكَّرُوا فِي اللَّهِ) .
...বিন মালিক আজ-জাফরানি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-হারাউয়ি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ বিন ইবরাহিম আত-তুস্তারি, ইবনে সিরিন থেকে, আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (তোমরা আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করো, কিন্তু আল্লাহ সম্পর্কে চিন্তা করো না)।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
قَالَ أَبُو الْفَضْلِ وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَتَّوَيْهِ: يَقُولُ سَمِعْتُ حَامِدَ بْنَ رُسْتُمَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُطِيعٍ التِّرْمِذِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ رُسْتُمَ، عَنْ نُوحٍ الْجَامِعِ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا حَنِيفَةَ: مَنْ أَهْلُ الْجَمَاعَةِ؟ فَقَالَ: (مَنْ فَضَّلَ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ،
আবুল ফজল বলেন এবং আমি আবু আব্দুর রহমানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবুল কাসিম আব্দুর রহমান ইবনে মাত্তাওয়াইহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হামিদ ইবনে রুস্তমকে বলতে শুনেছি, আমাদের নিকট হাসান ইবনে মুতি‘ আত-তিরমিজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে ইব্রাহিম ইবনে রুস্তম নূহ আল-জামি‘ থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু হানিফাকে জিজ্ঞাসা করলাম: আহলে জামাত কারা? তিনি বললেন: (যারা আবু বকর এবং উমরকে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করে,
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
وَأَحَبَّ عُثْمَانَ وَعَلِيًّا، وَرَأَى الْمَسْحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ، وَلَمْ يَنْطِقْ فِي اللَّهِ بِشَيْءٍ، وَلَمْ يُكَفِّرْ أَحَدًا بِذَنْبِهِ فَهُوَ مِنْ أَهْلِ الْجَمَاعَةِ) .
قَالَ: قَالَ وَحَدَّثَنَا الْأَصَمُّ، سَمِعْتُ الرَّبِيعَ بْنَ سُلَيْمَانَ، سَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ رضي الله عنه أَنَّهُ قَالَ: (لَأَنْ يَلْقَى اللَّهَ الْعَبْدُ بِكُلِّ ذَنْبٍ مَا خَلا الشِّرْكَ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَلْقَاهُ بِشَيْءٍ مِنَ الْهَوَى) .
...এবং উসমান ও আলীকে ভালোবাসতেন, চামড়ার মোজার ওপর মাসাহ করাকে সঠিক মনে করতেন, আল্লাহর ব্যাপারে (মনগড়া) কিছুই বলতেন না এবং কাউকে তার পাপের কারণে কাফির আখ্যা দিতেন না, তবে তিনি জামাআতের অন্তর্ভুক্ত)।
তিনি বলেন: আল-আসাম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি রাবি ইবনে সুলাইমানকে বলতে শুনেছি, আমি শাফিঈ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি যে তিনি বলেছেন: (বান্দা যদি শিরক ব্যতীত প্রতিটি গুনাহ নিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করে, তবে তা তার জন্য প্রবৃত্তির বশবর্তী কোনো কিছু নিয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করার চেয়ে উত্তম)।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
قَالَ وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، سَمِعْتُ الرَّبِيعَ بْنَ سُلَيْمَانَ يَقُولُ: لَمَّا كَلَّمَ الشَّافِعِيُّ حَفْصَ الْفردِ، فَقَالَ حَفْصٌ: الْقُرْآنُ مَخْلُوقٌ، فَقَالَ لَهُ الشَّافِعِيُّ: (كَفَرْتَ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ) .
তিনি বলেন, এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলীকে বলতে শুনেছি, আমি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজায়মাকে বলতে শুনেছি, আমি রাবি ইবনে সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: যখন শাফিঈ হাফস আল-ফারদের সাথে বিতর্ক করলেন, তখন হাফস বললেন: কুরআন সৃষ্ট; তখন শাফিঈ তাকে বললেন: (তুমি মহান আল্লাহর সাথে কুফরি করেছ)।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮০)
قَالَ: وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ الدَّغُولِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ زَكَرِيَّا بْنَ يَحْيَى، سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ يَقُولُ: قَالَ الشَّافِعِيُّ: (إِنْ سَأَلَكَ رَجُلٌ عَنْ شَيْءٍ مِنَ الْكَلامِ فَلا تُجِبْهُ، فَإِنَّكَ إِنْ زَلَلْتَ قَالَ لَكَ: كَفَرْتَ) .
তিনি বললেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবুল আব্বাস আদ-দাগূলীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি, আমি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইমাম শাফেয়ী বলেছেন: (যদি কোনো ব্যক্তি আপনাকে কালাম শাস্ত্রের কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে, তবে তাকে উত্তর দেবেন না; কেননা আপনি যদি পদস্খলিত হন, তবে সে আপনাকে বলবে: আপনি কুফরি করেছেন।)
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮১)
قَالَ: وَسَمِعْتُ أَبَا الْوَلِيدِ حَسَّانَ بْنَ مُحَمَّدٍ الْفَقِيهَ، سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، سَمِعْتُ يُونُسَ بْنَ عَبْدِ الْأَعْلَى يَقُولُ: أتيت الشافعي بعد ما كَلَّمَهُ حَفْصُ الفردِ، فَقَالَ: غِبْتَ عَنَّا يَا أَبَا مُوسَى، ثُمَّ قَالَ الشَّافِعِيُّ: (لَقَدِ اطَّلَعْتُ مِنْ أَهْلِ الْكَلَامِ عَلَى شَيْءٍ وَاللَّهِ مَا تَوَهَّمْتُهُ قَطُّ، وَلَأَنْ يُبْتَلَى الْمَرْءُ بِمَا نَهَى اللَّهُ عَنْهُ خَلَا الشِّرْكَ بِاللَّهِ خَيْرٌ مِنْ أَنْ يُبْتَلَى بِالْكَلَامِ) .
তিনি বলেন: আমি আবুল ওয়ালিদ হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-ফকিহকে বলতে শুনেছি, আমি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমাহকে বলতে শুনেছি, আমি ইউনুস ইবনে আবদিল আলাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: হাফস আল-ফারদ কর্তৃক ইমাম শাফিয়ীর সাথে বিতর্ক করার পর আমি তাঁর নিকট আসলাম। তিনি বললেন: হে আবু মুসা, আপনি আমাদের কাছে অনুপস্থিত ছিলেন। অতঃপর শাফিয়ী বললেন: (আল্লাহর কসম, আমি ইলমে কালামের অনুসারীদের থেকে এমন কিছু বিষয় অবগত হয়েছি যা আমি কখনো কল্পনাও করিনি। আর কোনো ব্যক্তির জন্য আল্লাহর সাথে শিরক করা ব্যতীত তাঁর নিষিদ্ধকৃত অন্য যেকোনো বিষয়ে লিপ্ত হওয়াও ইলমে কালামে লিপ্ত হওয়ার চেয়ে উত্তম)।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮২)
قَالَ: وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَحْمُودٍ الْفَقِيهُ الْمَرْوَزِيُّ بِهَا، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَيْرٍ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى زَكَرِيَّا بْنُ أَيُّوبَ الْعَلافُ التُّجِيبِيُّ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، حَدَّثَنَا أَشْهَبُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ يَقُولُ: (إِيَّاكُمْ وَالْبِدَعَ) فَقِيلَ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَمَا الْبِدَعُ؟ قَالَ: (أَهْلُ الْبِدَعِ الَّذِينَ يَتَكَلَّمُونَ فِي أَسْمَاءِ اللَّهِ وَصِفَاتِهِ وَكَلامِهِ وَعِلْمِهِ وَقُدْرَتِهِ، وَلا يَسْكُتُونَ عَمَّا سَكَتَ عَنْهُ الصَّحَابَةُ وَالتَّابِعُونَ لَهُمْ بُإِحْسَانٍ) .
তিনি বলেন: এবং সেখানে মুহাম্মাদ ইবনে মাহমুদ আল-ফকিহ আল-মারওয়াজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে উমাইর আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়াহইয়া যাকারিয়া ইবনে আইয়ুব আল-আল্লাফ আত-তুজিবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনে আবদিল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আশহাব ইবনে আবদিল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক ইবনে আনাসকে বলতে শুনেছি: (তোমরা বিদআত হতে সাবধান থাকো)। তখন জিজ্ঞেস করা হলো: হে আবু আব্দুল্লাহ, বিদআত কী? তিনি বললেন: (বিদআতী হলো তারা, যারা আল্লাহর নামসমূহ, তাঁর গুণাবলি, তাঁর কালাম, তাঁর জ্ঞান এবং তাঁর ক্ষমতা নিয়ে কথা বলে; এবং সাহাবীগণ ও নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসারী তাবেঈগণ যে সকল বিষয়ে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, তারা সে সকল বিষয়ে নীরব থাকে না)।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
قَالَ: وَسَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الرَّازِيَّ، سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي حَاتِمٍ، سَمِعْتُ الْمُزَنِيَّ، سَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ يَقُولُ: (الْكَلَامُ يَلْعَنُ أَهْلَ الْكَلَامِ) .
قَالَ: وَسَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ، سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي حَاتِمٍ، قَالَ الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ: نَزَلَ الشَّافِعِيُّ مِنَ الدَّرَجِ وَقَوْمٌ فِي الْمَجْلِسِ يَتَكَلَّمُونَ
তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-রাজিকে বলতে শুনেছি, আমি আব্দুর রহমান ইবনে আবি হাতিমকে বলতে শুনেছি, আমি আল-মুজানিকে বলতে শুনেছি, আমি আশ-শাফিয়িকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: (কালাম শাস্ত্র ইলমুল কালামের চর্চাকারীদের লানত করে)।
তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দাউদকে বলতে শুনেছি, আমি ইবনে আবি হাতিমকে বলতে শুনেছি, রাবি ইবনে সুলাইমান বলেন: আশ-শাফিয়ি সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামলেন এমতাবস্থায় যে মজলিসের একদল লোক (ইলমুল কালাম নিয়ে) বিতর্ক করছিল।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
فِي شَيْءٍ مِنَ الْكَلَامِ، فَصَاحَ عَلَيْهِمْ وَقَالَ: (إِمَّا أَنْ تُجَاوِرُونَا بِخَيْرٍ، وَإِمَّا أَنْ تَقُومُوا عَنَّا) .
قَالَ: قَالَ: وَسَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ بِشْرٍ الْإِسْفَرَايِينِيَّ يَقُولُ: حَدَّثَنَا الْفِرْيَابِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْوَلِيدِ،
কালামের কোনো বিষয়ে, তিনি তাদের প্রতি উচ্চৈঃস্বরে চিৎকার করে বললেন: (হয় তোমরা আমাদের সাথে সদ্ভাবে অবস্থান করো, না হয় আমাদের নিকট থেকে উঠে চলে যাও)।
তিনি বললেন: তিনি বললেন: আমি বিশর ইবনে আহমদ ইবনে বিশর আল-ইসফারায়িনিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমাদের নিকট আল-ফিরয়াবি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বিশর ইবনুল ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
سَمِعْتُ أَبَا يوُسُفَ يَقُولُ: (مَنْ طَلَبَ الدِّينَ بِالْكَلَامِ تَزَنْدَقَ، وَمَنْ طَلَبَ غَرِيبَ الْحَدِيثِ كَذَبَ، وَمَنْ طَلَبَ الْمَالَ بِالْكِيمْيَاءِ أَفْلَسَ) .
قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ مَتَّوَيْهِ الْبَلْخِيُّ، حَدَّثَنَا حَامِدُ بْنُ
আমি আবু ইউসুফকে বলতে শুনেছি: (যে ব্যক্তি ইলমে কালামের মাধ্যমে দ্বীন অন্বেষণ করবে সে যিন্দিক হয়ে যাবে, এবং যে ব্যক্তি বিরল হাদীস অন্বেষণ করবে সে মিথ্যায় পতিত হবে, আর যে ব্যক্তি কিমিয়া বা রসায়নবিদ্যার মাধ্যমে সম্পদ অন্বেষণ করবে সে নিঃস্ব হয়ে যাবে)।
তিনি বললেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইবনে মাত্তাওয়া আল-বালখি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হামিদ ইবনে...
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
رُسْتُمَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُطِيعٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ رُسْتُمَ، عَنْ نُوحٍ الْجَامِعِ قَالَ: قُلْتُ لِأَبِي حَنِيفَةَ: مَا تَقُولُ فِيمَا أَحْدَثَ النَّاسُ مِنَ الْكَلَامِ فِي الْأَعْرَاضِ وَالْأَجْسَامِ؟ فَقَالَ: (مَقَالَاتُ الْفَلَاسِفَةِ، عَلَيْكَ بِالْأَثَرِ وَطَرِيقَةِ السَّلَفِ، وَإِيَّاكَ وَكُلَّ مُحْدَثَةٍ، فَإِنَّهَا بِدْعَةٌ) .
قَالَ: وَسَمِعْتُ أَبَا نَصْرٍ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ حَامِدٍ السِّجْزِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: قُلْتُ لِأَبِي الْعَبَّاسِ ابن سُرَيْجٍ: مَا التَّوْحِيدُ؟ قَالَ: (تَوْحِيدُ أَهْلِ الْعِلْمِ وَجَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ: أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وأشهد أن
রুস্তম, হাসান ইবনে মুতি' আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবরাহীম ইবনে রুস্তম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, নূহ আল-জামি' হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবূ হানীফাকে বললাম: মানুষ ‘আরায’ (আকস্মিক গুণাবলি) ও ‘আকসাম’ (দেহ/বস্তু) নিয়ে যে নতুন ‘কালাম’ (তর্কশাস্ত্র) উদ্ভাবন করেছে, সে বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী? তিনি বললেন: “(এগুলো) দার্শনিকদের কথা। তোমার ওপর আসার (হাদীস ও বর্ণনা) এবং সালাফদের পথ অনুসরণ করা আবশ্যক। আর প্রতিটি নব-উদ্ভাবিত বিষয় থেকে বেঁচে থাকো, কেননা তা বিদআত।”
তিনি বলেন: আমি আবূ নাসর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হামিদ আস-সিজজীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবুল আব্বাস ইবনে সুরাইজকে বললাম: তাওহীদ কী? তিনি বললেন: “আহলে ইলম ও মুসলিম জামাআতের তাওহীদ হলো: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে...”
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
محمد رَسُولُ اللَّهِ، وَتَوْحِيدُ أَهْلِ الْبَاطِلِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ: الْخَوْضُ فِي الْأَعْرَاضِ وَالْأَجْسَامِ، وَإِنَّمَا بُعِثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِإِنْكَارِ ذَلِكَ) .
قَالَ: وَسَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ سَعِيدٍ الْبُخَارِيَّ، سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْأَحْنَفِ، سَمِعْتُ الْفَتْحَ بْنَ عُلْوَانَ، سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ الْحَجَّاجِ، سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْحَسَنِ، صَاحِبَ أَبِي حَنِيفَةَ يَقُولُ: قَالَ أَبُو حَنِيفَةَ:
মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল। আর মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত বাতিলপন্থীদের তাওহীদ হলো: দুর্ঘটনা (আ’রাজ) এবং দেহ (আজসাম) নিয়ে তর্কে লিপ্ত হওয়া। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগুলো অস্বীকার করার জন্যই প্রেরিত হয়েছেন।)
তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন সাঈদ আল-বুখারীকে বলতে শুনেছি, তিনি সাঈদ বিন আল-আহনাফকে বলতে শুনেছেন, তিনি ফাতাহ বিন উলওয়ানকে বলতে শুনেছেন, তিনি আহমদ বিন আল-হাজ্জাজকে বলতে শুনেছেন, তিনি আবু হানিফার সহচর মুহাম্মদ বিন হাসানকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আবু হানিফা বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
(لَعَنَ اللَّهُ عَمْرَو بْنَ عُبَيْدٍ، إِنَّهُ فَتَحَ لِلنَّاسِ الطَّرِيقَ إِلَى الْكَلَامِ، فِيمَا لَا يَعْنِيهِمْ مِنَ الْكَلَامِ) .
قَالَ أَبُو الْفَضْلِ الْمُقْرِئُ: قَالَ: وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ: (كَانَ أَبُو حَنِيفَةَ يَحُثُّنَا عَلَى الْفِقْهِ، وَيَنْهَانَا عَنِ الْكَلَامِ) .
قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْحَرْبِيَّ، سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ الْحَسَنِ، سَمِعْتُ أَبَا عَلِيٍّ الصُّولِيَّ، سَمِعْتُ شَيْبَانَ بْنَ قَتَادَةَ، سَمِعْتُ أَبَا حَاتِمٍ السِّجِسْتَانِيَّ، سَمِعْتُ الْأَصْمَعِيَّ، سَمِعْتُ
(আল্লাহ আমর ইবনে উবাইদকে লানত করুন, নিশ্চয়ই সে মানুষের জন্য এমন অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে কালামশাস্ত্রের পথ উন্মোচন করেছে যা তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়)।
আবু আল-ফজল আল-মুকরি বলেছেন: তিনি বলেছেন: এবং মুহাম্মদ ইবনুল হাসান বলেছেন: (আবু হানিফা আমাদের ফিকহ চর্চায় উৎসাহিত করতেন এবং কালামশাস্ত্র থেকে আমাদের নিষেধ করতেন)।
তিনি বলেন: আমি উমর ইবনে আবদুল্লাহ আল-হারবিকে বলতে শুনেছি, আমি আহমদ ইবনে আল-হাসানকে বলতে শুনেছি, আমি আবু আলি আস-সুলিকেও বলতে শুনেছি, আমি শাইবান ইবনে কাতাদাহকে বলতে শুনেছি, আমি আবু হাতিম আস-সিজিস্তানিকে বলতে শুনেছি, আমি আল-আসমাঈকে বলতে শুনেছি, আমি শুনেছি
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৮৯)
شُعْبَةَ يَقُولُ: كَانَ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ يَبْغَضُ أَهْلَ الْأَهْوَاءِ، وَيَنْهَى عَنْ مُجَالَسَتِهِمْ أَشَدَّ النَّهْيِ، وَكَانَ يَقُولُ: (عَلَيْكُمْ بِالْأَثَرِ، وَإِيَّاكُمْ وَالْكَلَامَ فِي ذَاتِ اللَّهِ عز وجل .
قَالَ وَسَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الرَّازِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ الْخَوَّاصَ يَقُولُ: (مَا كَانَتْ زَنْدَقَةٌ وَلَا كُفْرٌ، وَلَا بِدْعَةٌ، وَلَا جُرْأَةٌ فِي الدِّينِ، إِلَّا مِنْ قِبَلِ الْكَلَامِ، وَالْجَدَلِ وَالْمِرَاءِ، وَالْعُجْبِ، وَكَيْفَ يَجْتَرِئُ الرَّجُلُ عَلَى
শুবা বলেন: সুফিয়ান আস-সাওরী প্রবৃত্তিপূজারীদের ঘৃণা করতেন এবং তাদের সাথে উঠাবসা করতে কঠোরভাবে নিষেধ করতেন। তিনি বলতেন: "তোমরা আসার (পূর্বসূরীদের বর্ণনা) আঁকড়ে ধরো এবং মহান আল্লাহর সত্তা সম্পর্কে তর্কালাপ থেকে সাবধান থেকো।"
তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রাযীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবরাহীম আল-খাওওয়াসকে বলতে শুনেছি: "ধর্মের ক্ষেত্রে যত ধর্মদ্রোহিতা, কুফর, বিদআত এবং ধৃষ্টতা সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল তর্কালাপ (কালাম), বিতর্ক, বাদানুবাদ এবং আত্মমুগ্ধতার কারণেই হয়েছে। আর একজন মানুষ কীভাবে ধৃষ্টতা দেখায়..."
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯০)
الْجِدَالِ وَالْمِرَاءِ وَاللَّهُ يَقُولُ: {مَا يُجَادِلُ فِي آيَاتِ اللَّهِ إِلا الذين كفروا} .
قَالَ: وَسَمِعْتُ إِسْمَاعِيلَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ حَمْدَانَ الْفَقِيهَ يَقُولُ عَنِ الرَّبِيعِ، عَنِ الشَّافِعِيِّ رحمه الله أَنَّهُ قَالَ فِي مَبْسُوطِهِ فِي كِتَابِ الْوَصَايَا: (لَوْ أَنَّ رَجُلًا أوصى بكتبه من الْعِلْمِ لِأَحَدٍ، وَكَانَ فِيهَا كُتُبُ الْكَلَامِ لَمْ يَدْخُلْ فِي الْوَصِيَّةِ، لَأَنَّهُ لَيْسَ مِنَ الْعِلْمِ) .
قَالَ: وَسَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ الْجُرْجَانِيَّ، سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ هَارُونَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَاتِبَ، سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ مُوسَى الْخَوَارِزْمِيَّ، سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ
বিতর্ক ও ঝগড়া-বিবাদ; আর আল্লাহ বলেন: {কাফিররা ব্যতিরেকে কেউ আল্লাহর আয়াতসমূহ নিয়ে বিতর্ক করে না}।
তিনি বলেন: আমি ফকিহ ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হামদানকে বলতে শুনেছি, তিনি রাবি'র সূত্রে শাফি'ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর 'মাবসুত' গ্রন্থের 'কিতাবুল ওয়াসায়া' (অছিয়তনামা অধ্যায়)-এ বলেছেন: (যদি কোনো ব্যক্তি কারো জন্য তার ইলমি কিতাবসমূহ অছিয়ত করে যায়, আর তাতে কালাম শাস্ত্রের কিতাব থাকে, তবে তা অছিয়তের অন্তর্ভুক্ত হবে না; কারণ তা ইলমের অন্তর্ভুক্ত নয়)।
তিনি বলেন: আমি আবু বকর আল-জুরজানিকে বলতে শুনেছি, আমি ইব্রাহিম ইবনে হারুন ইবনে মুহাম্মদ আল-কাতিবকে বলতে শুনেছি, আমি মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খাওয়ারিজমিকে বলতে শুনেছি, আমি আহমদ ইবনে...
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯১)
الْحُسَيْنِ، سَمِعْتُ أَبَا عُبَيْدٍ الْقَاسِمَ بْنَ سَلامٍ، وَجَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ مَا تَرَى فِي رَأْيِ أَصْحَابِ الْكَلَامِ؟ فَقَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: لَقَدْ دَلَّكَ رَبُّكَ عَلَى سَبِيلِ الرُّشْدِ وَطَرِيقِ الْحَقِّ، فَقَالَ عز وجل: {فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شيءٍ فردوه إلى الله والرسول} الآية، أَمَا لَكَ فِيمَا دَلَّكَ عَلَيْهِ رَبُّكَ، مِنْ كَلَامِهِ وَسُنَّةِ نَبِيِّهِ عليه السلام مَا يُغْنِيكَ عَنِ الرُّجُوعِ إِلَى رَأْيِكَ، فَتَهْلَكَ، فَقَدْ نَهَاكَ اللَّهُ عَنِ الْكَلَامِ فِي ذَاتِهِ وَصِفَاتِهِ إِلَّا حَسْبَ مَا أَطْلَقَهُ لَكَ، قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: {وَإِذَا رَأَيْتَ الَّذِينَ يَخُوضُونَ في آياتنا فأعرض عنهم} الآية - وَقَالَ: {وَذَرُوا الَّذِينَ يُلْحِدُونَ في أسمائه} .
قَالَ: وَسَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ حَامِدٍ السُّلَمِيَّ، سَمِعْتُ
আল-হুসাইন থেকে বর্ণিত, আমি আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তাঁর নিকট এক ব্যক্তি এসে বলল, "ইলমুল কালামপন্থীদের মতামতের ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?" আবু উবাইদ বললেন, "তোমার প্রতিপালক তোমাকে সঠিক পথ এবং সত্যের পথের দিশা দিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেছেন: {যদি তোমরা কোনো বিষয়ে বিবাদে লিপ্ত হও, তবে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও} (আয়াত)। তোমার প্রতিপালক তাঁর কালাম ও তাঁর নবীর (আলাইহিস সালাম) সুন্নাহর মাধ্যমে তোমাকে যে বিষয়ের দিশা দিয়েছেন, তা কি তোমাকে তোমার নিজের মতামতের দিকে ফিরে যাওয়া থেকে অমুখাপেক্ষী করার জন্য যথেষ্ট নয়? অন্যথায় তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে। আল্লাহ তোমাকে তাঁর সত্তা ও তাঁর গুণাবলি (সিফাত) সম্পর্কে কালাম বা অনর্থক বিতর্ক করা থেকে নিষেধ করেছেন, কেবল ততটুকু ব্যতীত যতটুকু তিনি তোমার জন্য স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {আর যখন তুমি তাদের দেখবে যারা আমার আয়াতসমূহ নিয়ে অনর্থক বিতর্কে লিপ্ত হয়, তখন তাদের থেকে বিমুখ হও} (আয়াত)। তিনি আরও বলেছেন: {আর তাদেরকে বর্জন করো যারা তাঁর নামসমূহের ব্যাপারে সত্য পথ হতে বিচ্যুত হয়}।
তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হামিদ আস-সুলামীকে বলতে শুনেছি, আমি শুনেছি...
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯২)
مُحَمَّدَ بْنَ عَقِيلِ بْنِ الْأَزْهَرِ الْفَقِيهَ يَقُولُ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى الْمُزَنِيِّ، فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ مِنَ الْكَلَامِ، فَقَالَ: إِنِّي أَكْرَهُ هَذَا، بَلْ أَنْهَى عَنْهُ، كَمَا نَهَى عَنْهُ الشَّافِعِيُّ، وَلَقَدْ سَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ يَقُولُ: (سُئِلَ مَالِكٌ عَنِ الْكَلَامِ وَالتَّوْحِيدِ، فَقَالَ مَالِكٌ: مُحَالٌ أَنْ يُظَنَّ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ عَلَّمَ أُمَّتَهُ الاسْتِنْجَاءَ وَلَمْ يُعَلِّمْهُمُ التَّوْحِيدَ، وَالتَّوْحِيدُ مَا قَالَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: (أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَإِذَا قَالُوهَا عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَقِّهَا، وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ) فَمَا عُصِمَ بِهِ الدَّمُ وَالْمَالُ فَهُوَ حَقِيقَةُ التَّوْحِيدِ) .
قال: وأخبرنا أبو أحمد بن سَعِيدُ الْعَسْكَرِيُّ فِيمَا كَتَبَ إِلَيَّ قال: سمعت أبا بكر الرفاء،
মুহাম্মদ ইবন আকীল ইবন আল-আযহার আল-ফকীহ বলেন, জনৈক ব্যক্তি আল-মুযানীর নিকট আসলেন এবং তাঁকে ইলমুল কালামের কোনো একটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি বললেন: "আমি একে অপছন্দ করি, বরং আমি এ থেকে নিষেধ করি, যেমনটি ইমাম শাফিঈ এ থেকে নিষেধ করেছেন। আর আমি শাফিঈকে বলতে শুনেছি যে: (ইমাম) মালিককে ইলমুল কালাম ও তাওহীদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন মালিক বলেছিলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে এমন ধারণা করা অসম্ভব যে, তিনি তাঁর উম্মতকে শৌচকার্য শিক্ষা দিয়েছেন অথচ তাদের তাওহীদ শিক্ষা দেননি। আর তাওহীদ হলো তা-ই যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (আমি মানুষের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে যে, 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই'। যখন তারা তা বলবে, তখন তারা আমার নিকট থেকে তাদের রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ করে নেবে, এর হক ব্যতীত; আর তাদের হিসাব আল্লাহর ওপর।) সুতরাং যার মাধ্যমে রক্ত ও সম্পদ নিরাপদ হয়, তা-ই তাওহীদের প্রকৃত বাস্তবতা।"
তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ ইবন সাঈদ আল-আসকারী, তিনি আমার নিকট যা লিখেছেন তাতে বলেছেন: আমি আবু বকর আর-রাফ্ফাকে বলতে শুনেছি,
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯৩)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى السُّلَمِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ الْوَزِيرِ الْقَاضِي، يَقُولُ: قُلْتُ لِأَبِي عُمَرَ الضَّرِيرِ: الرَّجُلُ يَتَعَلَّمُ شَيْئًا مِنَ الْكَلَامِ يَرُدُّ بِهِ عَلَى أَهْلِ الْجَهْلِ، فَقَالَ: (الْكَلَامُ كُلُّهُ جَهْلٌ، لا تَتَعَلَّمِ الْجَهْلَ، فَإِنَّكَ كُلَّمَا كُنْتَ بِالْجَهْلِ أَعْلَمَ كُنْتَ [بِالْعِلْمِ] أَجْهَلَ) .
قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ الْفَقِيهُ الرَّازِيُّ رحمه الله، حَدَّثَنَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي حَاتِمٍ قَالَ: سَمِعْتُ الرَّبِيعَ بْنَ سُلَيْمَانَ قَالَ: قَالَ لِي الشَّافِعِيُّ: (لَوْ أَرَدْتُ أَنْ أَصْنَعَ عَلَى كُلِّ مُخَالِفٍ لِي كِتَابًا كَبِيرًا لَفَعَلْتُ، وَلَكِنَّ الْكَلَامَ لَيْسَ مِنْ شَأْنِي، وَلَا أُحِبُّ أَنْ يُنْسَبَ إِلَيَّ
মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আস-সুলামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমাদ ইবনুল ওয়াজীর আল-কাদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু উমর আদ-দারীরকে বললাম: একজন লোক ইলমুল কালামের কিছু অংশ শেখে যা দ্বারা সে মূর্খ লোকদের প্রতিবাদ করতে পারে। তখন তিনি বললেন: (ইলমুল কালাম পুরোটাই মূর্খতা, তুমি মূর্খতা শিখো না। কেননা তুমি এই মূর্খতায় যত বেশি পারদর্শী হবে, [প্রকৃত জ্ঞানের] ব্যাপারে তত বেশি অজ্ঞ হবে)।
তিনি বলেন: এবং আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উমর আল-ফকীহ আর-রাযী (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুর রহমান ইবনে আবী হাতিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাবী ইবনে সুলাইমানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইমাম শাফেঈ আমাকে বলেছেন: (আমি যদি আমার প্রত্যেক বিরোধীর বিরুদ্ধে একটি করে বড় কিতাব রচনা করতে চাইতাম, তবে আমি অবশ্যই তা করতাম। কিন্তু ইলমুল কালাম আমার কাজ নয় এবং আমি এটি পছন্দ করি না যে, তা আমার দিকে সম্পর্কিত করা হোক)।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
مِنْهُ شَيْءٌ) .
قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ: وَقَالَ الْمُزَنِيُّ: (كَانَ الشَّافِعِيُّ يَكْرَهُ الْخَوْضَ فِي الْكَلَامِ) .
قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: قُلْتُ لِلشَّافِعِيِّ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مَا كَانَ يَقُولُ فِيهِ صَاحِبُنَا: أُرِيدُ اللَّيْثَ - يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ قَالَ: كَانَ يَقُولُ: (إِنْ
তা থেকে কোনো কিছু) ।
আবদুর রহমান ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: এবং মুজানি বলেছেন: (শাফিঈ কালাম শাস্ত্রে লিপ্ত হওয়া অপছন্দ করতেন) ।
তিনি বলেছেন: আবুল হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে আবি হাতিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইউনুস ইবনে আবদিল আ’লা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি শাফিঈকে বললাম: হে আবু আবদুল্লাহ, আমাদের সাথী—আমি লাইস অর্থাৎ ইবনে সাদকে বুঝাচ্ছি—তাঁর ব্যাপারে কী বলতেন? তিনি বললেন: তিনি বলতেন: (যদি
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
رَأَيْتَهُ يَمْشِي عَلَى الْمَاءِ -يَعْنِي صَاحِبَ الْكَلَامِ- فَلَا تَثِقْ بِهِ، وَلَا تَعْبَأْ بِهِ، وَلَا تُكَلِّمْهُ) قَالَ الشَّافِعِيُّ: (فَإِنَّهُ وَاللَّهِ قَدْ قَصَّرَ) .
قَالَ: وَسَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَاذَانَ الرَّازِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ الْفَرْغَانِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ الْجُنَيْدَ يَقُولُ: (أَقَلُّ مَا فِي الْكَلَامِ سقط هَيْبَةِ الرَّبِّ مِنَ الْقَلْبِ، وَالْقَلْبُ إِذَا عَرِيَ عَنِ الْهَيْبَةِ مِنَ اللَّهِ فَقَدْ عَرِيَ مِنَ الْإِيمَانِ) .
(তুমি তাকে পানির উপর হাঁটতে দেখ -অর্থাৎ কালাম শাস্ত্রের অনুসারীকে- তবে তাকে বিশ্বাস করো না, তাকে গ্রাহ্য করো না এবং তার সাথে কথা বলো না) শাফিঈ বলেন: (আল্লাহর কসম, তিনি নিশ্চয়ই কম বলেছেন) ।
তিনি বলেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন শাযান আর-রাজিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু জাফর আল-ফারগানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি জুনায়েদকে বলতে শুনেছি: (ইলমে কালামের সর্বনিম্ন বিষয় হলো অন্তর থেকে রবের মহিমা ও গাম্ভীর্য বিলুপ্ত হওয়া; আর অন্তর যখন আল্লাহর গাম্ভীর্য থেকে শূন্য হয়, তখন তা ঈমান থেকেও শূন্য হয়ে যায়) ।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
قَالَ: وَأَخْبَرَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مَنْصُورٍ الْعُمْرَكِيُّ بِسَرَخْسَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُعَاذِ بْنِ الْفَرَجِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الصَّايِغُ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْوَلِيدِ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا يُوسُفَ الْقَاضِي يَقُولُ: (الْعِلْمُ بِالْكَلَامِ وَالْخُصُومَةُ جَهْلٌ، وَالْجَهْلُ بِالْكَلَامِ وَالْخُصُومَةُ عِلْمٌ) .
قَالَ: وَسَمِعْتُ أَبَا عُمَرَ بْنَ مَطَرٍ، سَمِعْتُ هَارُونَ بْنَ الْمُنْذِرِ الْهَرَوِيَّ، سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْبَصْرِيَّ، سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ يَقُولُ: دَخَلْتُ عَلَى مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ وَعِنْدَهُ رَجُلٌ يَسْأَلُهُ عَنِ الْقُرْآنِ، فَقَالَ: (لَعَلَّكَ مِنْ أَصْحَابِ
তিনি বলেন: সারাখসে আবু উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি মনসুর আল-উমরাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুয়াজ ইবনে আল-ফারাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আস-সায়িগ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনুল ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু ইউসুফ আল-কাদীকে বলতে শুনেছি: (কালাম শাস্ত্রের জ্ঞান এবং ঝগড়া-বিবাদ হলো মূর্খতা, আর কালাম শাস্ত্র ও ঝগড়া-বিবাদ সম্পর্কে অজ্ঞ থাকা হলো প্রকৃত জ্ঞান)।
তিনি বলেন: আমি আবু উমর ইবনে মাতারকে বলতে শুনেছি, তিনি হারুন ইবনুল মুনজির আল-হারাউয়িকে বলতে শুনেছেন, তিনি আবু সাঈদ আল-বাসরিকে বলতে শুনেছেন, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে মাহদিকে বলতে শুনেছেন: আমি মালিক ইবনে আনাসের নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাঁর নিকট একজন ব্যক্তি ছিল যে তাঁকে কুরআন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছিল। তখন তিনি বললেন: (সম্ভবত তুমি ঐ দলের অন্তর্ভুক্ত...
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯৭)
عَمْرِو بْنِ عُبَيْدٍ، لَعَنَ اللَّهُ عَمْرًا، فَإِنَّهُ ابْتَدَعَ هَذِهِ الْبِدَعَ مِنَ الْكَلَامِ، وَلَوْ كَانَ الْكَلَامُ عِلْمًا لَتَكَلَّمَ فِيهِ الصَّحَابَةُ وَالتَّابِعُونَ كَمَا تَكَلَّمُوا فِي الْأَحْكَامِ وَالشَّرَائِعِ، وَلَكِنَّهُ بَاطِلٌ، يَدُلُّ عَلَى بَاطِلٍ) .
قَالَ: وَسَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَاذَانَ يَقُولُ: سَمِعْتُ الْحُسَيْنَ بْنَ عَلِيِّ بْنِ يَزْدَانِيَارَ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عبد الله ابن مَاجَهْ يَقُولُ: حُدِّثْتُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ أَنَّهُ قَالَ: (مَنْ طَلَبَ الْعَرَبِيَّةَ فَآخِرُهُ مُؤَدِّبٌ، وَمَنْ طَلَبَ الشِّعْرَ فَآخِرُهُ شَاعِرٌ، يَهْجُو أَوْ يَمْدَحُ بِالْبَاطِلِ، وَمَنْ طَلَبَ
আমর ইবনে উবাইদ—আল্লাহ আমরকে অভিশাপ দিন—কেননা সে কালামশাস্ত্রের এই বিদআতগুলোর উদ্ভাবন করেছে। যদি কালাম কোনো ইলম হতো, তবে সাহাবী এবং তাবিঈগণ এ বিষয়ে অবশ্যই কথা বলতেন, যেভাবে তাঁরা বিধিবিধান ও শরীয়ত নিয়ে আলোচনা করেছেন। কিন্তু এটি বাতিল এবং এটি বাতিলের দিকেই পথ প্রদর্শন করে।)
তিনি বললেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে শাযানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি হুসাইন ইবনে আলী ইবনে ইয়াযদানইয়ারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহ ইবনে মাজাহকে বলতে শুনেছি: আমাকে আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী থেকে বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: (যে ব্যক্তি আরবি ভাষা অন্বেষণ করে, তার শেষ পরিণতি হয় একজন শিক্ষক হওয়া; আর যে ব্যক্তি কবিতা অন্বেষণ করে, তার শেষ পরিণতি হয় একজন কবি হওয়া, যে মিথ্যার আশ্রয়ে কারও নিন্দা করে অথবা প্রশংসা করে; আর যে ব্যক্তি অন্বেষণ করে...
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯৮)
الْكَلَامَ فَآخِرُ أَمْرِهِ الزَّنْدَقَةُ، وَمَنْ طَلَبَ الْحَدِيثَ؛ فَإِنْ قَامَ بِهِ كَانَ إِمَامًا، وَإِنْ فَرَّطَ فِيهِ ثُمَّ أَنَابَ يَوْمًا يَرْجِعْ إِلَيْهِ وَقَدْ عُتِقَتْ وَجَادَتْ) .
قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ رَشِيقٍ الْمِصْرِيُّ إِجَازَةً، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْأَنْمَاطِيُّ، وَعُبْيَدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْعُمَرِيُّ قَالَا: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ قَالَ: سَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ يَقُولُ: (حُكْمِي فِي أَصْحَابِ
ইলমুল কালাম, তবে তার শেষ পরিণতি হলো ধর্মহীনতা। আর যে ব্যক্তি হাদিস অন্বেষণ করে; সে যদি তা যথাযথভাবে আঁকড়ে ধরে তবে সে একজন ইমাম হবে। আর যদি সে তাতে অবহেলা করে, অতঃপর কোনো একদিন প্রত্যাবর্তন করে, তবে সে এমন অবস্থায় তার নিকট ফিরে আসবে যখন তা প্রাচীন ও উৎকর্ষমণ্ডিত হয়েছে)।
তিনি বলেন: হাসান ইবনে রাশীক আল-মিসরি আমাদের ইজাযাহ সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আনমাতি এবং উবায়দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আল-উমারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আস-সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি শাফেয়ীকে বলতে শুনেছি: (কালাম শাস্ত্রের অনুসারীদের ব্যাপারে আমার ফয়সালা হলো
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ৯৯)
الْكَلَامِ أَنْ يُضْرَبُوا بِالْجَرِيدِ، وَيُحْمَلُوْا عَلَى الْإِبِلِ، وَيُطَافَ بِهِمْ فِي الْعَشَائِرِ وَالْقَبَائِلِ، وَيُقَالُ: هَذَا جَزَاءُ مَنْ تَرَكَ الْكِتَابَ وَالسُّنَّةَ وَأَخَذَ فِي الْكَلَامِ) .
قَالَ: وَقَالَ زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى السَّاجِيُّ، عَنْ أَبِي ثَوْرٍ قَالَ: قُلْتُ لِلشَّافِعِيِّ: ضَعْ فِي الْكَلَامِ شَيْئًا قَالَ، قَالَ: (مَنْ تَزَيَّا بِالْكَلَامِ فَلا أَفْلَحَ) .
قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيُّ رحمه الله: رَأَيْتُ بِخَطِّ أَبِي عَمْرِو بْنِ مَطَرٍ: سُئِلَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ عَنِ الْكَلَامِ فِي الْأَسْمَاءِ وَالصِّفَاتِ فَقَالَ: (بِدْعَةٌ ابْتَدَعُوهَا، وَلَمْ يَكُنْ أَئِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ مِنَ الصَّحَابَةِ،
(ইলমুল) কালাম (চর্চাকারীদের শাস্তি হলো) তাদের খেজুরের ডাল দিয়ে পেটানো হবে, উটের পিঠে চড়ানো হবে এবং গোত্র ও কাবিলাগুলোর মধ্যে ঘোরানো হবে, আর বলা হবে: এটি সেই ব্যক্তির প্রতিদান যে কিতাব ও সুন্নাহ বর্জন করেছে এবং কালামশাস্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।)
তিনি বলেন: এবং যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া আস-সাজি আবু সাওর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি শাফিয়ীকে বললাম: কালামশাস্ত্র সম্পর্কে কিছু লিখুন। তিনি বলেন: (যে ব্যক্তি কালামশাস্ত্রের বেশ ধারণ করল সে সফল হলো না।)
আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী (রহ.) বলেন: আমি আবু আমর বিন মাতার-এর হস্তাক্ষরে দেখেছি: মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন খুযাইমাকে (আল্লাহর) নাম ও গুণাবলী সংক্রান্ত কালামশাস্ত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: (এটি একটি বিদআত যা তারা উদ্ভাবন করেছে, অথচ সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত মুসলিমদের ইমামগণ এমন ছিলেন না,)
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ১০০)
وَالتَّابِعِينَ، وَأَئِمَّةُ الدِّينِ، أَرْبَابُ الْمَذَاهِبِ، مِثْلَ: مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، وَسُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، وَالْأَوَزَاعِيِّ، وَالشَّافِعِيِّ، وَأَبِي حَنِيفَةَ، وَأَبِي يُوسُفَ، وَمُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ، وَأَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، وَإِسْحَاقَ الْحَنْظَلِيِّ، وَيَحْيَى بْنِ يَحْيَى، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، وَمُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى - يَتَكَلَّمُونَ فِي
এবং তাবেয়ীগণ, দ্বীনের ইমামগণ, মাযহাবসমূহের নেতৃবৃন্দ, যেমন: মালিক ইবনে আনাস, সুফিয়ান আস-সাওরী, আল-আওযাঈ, আশ-শাফিঈ, আবু হানিফা, আবু ইউসুফ, মুহাম্মদ ইবনুল হাসান, আহমাদ ইবনে হাম্বল, ইসহাক আল-হানজালী, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক এবং মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া—তাঁরা কথা বলেন...
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ১০১)
ذَلِكَ، وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْخَوْضِ فِيهِ، وَيَدُلُّونَ أَصْحَابَهُمْ عَلَى الْكِتَابِ وَالسُّنَّةِ) .
هَذَا مَا انْتَخَبَهُ الْإِمَامُ أَبُو الْفَضْلِ الْمُقْرِئُ مِنْ رَدِّ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَلَى أَصْحَابِ الْكَلَامِ.
قَالَ الْإِمَامُ أَبُو الْفَضْلِ: وأخبرني أبو الحسين بن أَحْمَدُ بْنُ فَارِسَ بْنِ زَكَرِيَّا إِجَازَةً قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ حَمْدَانَ، سَمِعْتُ هِلالَ بْنَ الْعَلاءِ الرَّقِّيَّ يَقُولُ: لَمَّا خَرَجْتُ إِلَى الْبَصْرَةِ فِي طَلَبِ الْحَدِيثِ كَتَبَ إِلَيَّ أَبِي: (يَا بُنَيَّ اكتب الحديث، وإياك والنظر في الْكَلَامِ،
...তা, এবং তারা এতে লিপ্ত হতে নিষেধ করেন, আর তারা তাদের সঙ্গীদের কিতাব ও সুন্নাহর দিকে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন)।
ইলমুল কালামের অনুসারীদের বিরুদ্ধে আবু আবদুর রহমান আস-সুলামীর খণ্ডনমূলক বক্তব্য থেকে ইমাম আবুল ফযল আল-মুকরি যা নির্বাচন করেছেন তা এটিই।
ইমাম আবুল ফযল বলেন: আবুল হুসাইন ইবনে আহমাদ ইবনে ফারিস ইবনে যাকারিয়া আমাকে ইজাযাহ মারফত সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে হামদানকে বলতে শুনেছি, আমি হিলাল ইবনুল আলা আর-রাক্কীকে বলতে শুনেছি: আমি যখন হাদিস অন্বেষণের উদ্দেশ্যে বসরার পথে বের হই, তখন আমার পিতা আমাকে লিখেছিলেন: (হে বৎস, তুমি হাদিস লিপিবদ্ধ করো, আর ইলমুল কালামের প্রতি দৃষ্টিপাত করা থেকে সাবধান থেকো,
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু ফী যাম্মিল কালামি ওয়া আহলিহী
(পৃষ্ঠা: ১০২)
فَإِنَّ هُشَيْمًا حَدَّثَنِي أَنَّ مُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ أَوْصَى إِيَاسًا ابْنَهُ فَقَالَ: يَا بُنَيَّ إِيَّاكَ وَالنَّظَرَ فِي الْكَلَامِ، فَإِنَّ النَّاظِرَ فِي الْكَلَامِ كَالنَّاظِرِ فِي عَيْنِ الشَّمْسِ، كُلَّمَا ازْدَادَ بَصِيرَةً ازْدَادَ تَحَيُّرًا) .
قَالَ: وَأَخْبَرَنِي أَحْمَدُ إِجَازَةً، حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعُثْمَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دِينَارٍ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ
নিশ্চয়ই হুশায়ম আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, মুয়াবিয়া ইবনে কুররাহ তাঁর পুত্র ইয়াসকে অসিয়ত করে বলেছিলেন: হে বৎস, তুমি কালাম শাস্ত্রের (তর্কশাস্ত্র) দিকে দৃষ্টিপাত করা থেকে সাবধান থেকো; কেননা কালাম শাস্ত্রের দিকে দৃষ্টিদানকারী সূর্যের প্রখর দীপ্তির দিকে তাকানো ব্যক্তির ন্যায়, তার অন্তর্দৃষ্টি যতই বৃদ্ধি পায়, তার বিভ্রান্তি ততই বৃদ্ধি পায়।
তিনি বলেন: এবং আহমাদ ইজাজাতান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ আল-উসমানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দিনার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাবী ইবনে...