(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: -)
فوائد عبد الغني بن سعيد الأزدي   (عبد الغني بن سعيد الأزدي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: فوائد حديث الحافظ عبد الغني بن سعيد الأزدي عن شيوخه

المؤلف: أبو محمد عبد الغني بن سعيد بن علي بن بشر بن مروان الأزدي المصري (ت 409هـ)

المحقق: رياض حسين الطائي

الناشر: دار المغني - الرياض

الطبعة: الأولى 1425 هـ - 2004 م

عدد الصفحات: 62

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আব্দুল গনি বিন সাঈদ আল-আজদীর ফাওয়াইদ   (আব্দুল গনি বিন সাঈদ আল-আজদী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


বই: হাফেজ আব্দুল গনি বিন সাঈদ আল-আজদী কর্তৃক তাঁর উস্তাদগণের নিকট থেকে বর্ণিত হাদিসের ফাওয়াইদ

লেখক: আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি বিন সাঈদ বিন আলী বিন বিশর বিন মারওয়ান আল-আজদী আল-মিসরী (মৃত্যু: ৪০৯ হিজরি)

তাহকিক: রিয়াদ হুসাইন আল-তাই

প্রকাশক: দারুল মুগনী - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬২

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: -)
فوائد حديث

الحافظ عبد الغني بن سعيد الأزدي

عن شيوخه

(409 هـ)

 

حققه وعلق عليه

رياض حسين الطائي

 

دار المغني

الرياض

 

الطبعة الأولى

1425 هـ - 2004 م
হাদিসের ফাওয়াইদ

হাফেজ আব্দুল গনি বিন সাঈদ আল-আযদি

তাঁর শায়খদের নিকট থেকে বর্ণিত

(৪০৯ হিজরি)

 

তাহকিক ও তালীক করেছেন

রিয়াদ হোসেন আত-তাই

 

দারুল মুগনি

রিয়াদ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ২৭)
بسم الله الرحمن الرحيم

‌‌فوائد حديث الحافظ عبد الغني بن سعيد الأزدي عن شيوخه

أخبرنا القاضي الفقيه أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَحْيَى بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْعُثْمَانِيُّ الدِّيبَاجِيُّ، قِرَاءَةً مِنِّي عَلَيْهِ وَهُوَ يَنْظُرُ فِي أَصْلِهِ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ الْفَقِيهِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ الْمُشَرّفِ بْنِ الْمُسْلِمِ بْنِ حُمَيْدٍ الأَنْمَاطِيِّ: أَخْبَرَكَ الشَّيْخُ أَبُو زَكَرِيَّا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الْبُخَارِيُّ -إِجَازَةً- قَالَ:

أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْغَنِيِّ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ:

1- حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّسَوِيُّ الْعَدْلُ: قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ الطَّحَاوِيَّ يَقُولُ: سمعت الْعَلاءِ الْكُوفِيَّ يَقُولُ: حَضَرْتُ يَوْمًا عِنْدَ بَكَّارِ بْنِ قُتَيْبَةَ، فَدَخَلَ إِلَيْهِ رَجُلانِ يَتَخَاصَمَانِ، أَحَدُهُمَا أب الآخر، فنظر إليهما وأنشأ يقول:

تعاطيتما ثَوْبَ الْعُقُوقِ كِلاكُمَا … أبٌ غَيْرُ بَرٍّ وَابْنُهُ غير واصل
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

‌‌হাফেজ আব্দুল গনি বিন সাঈদ আল-আযদি কর্তৃক তার শায়খদের নিকট থেকে বর্ণিত হাদিসের ফায়দাহসমূহ

বিচারক ফকিহ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া বিন ইসমাইল আল-উসমানি আদ-দিবাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে যখন তিনি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপির দিকে তাকাচ্ছিলেন, তিনি বললেন: আমি শায়খ ফকিহ আবু হাসান আলী বিন আল-মুশাররাফ বিন আল-মুসলিম বিন হুমাইদ আল-আনমাতির নিকট পাঠ করেছি: শায়খ আবু জাকারিয়া আব্দুর রহিম বিন আহমদ বিন নাসর আল-বুখারি আপনাকে ইজাজাতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি বিন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

১- আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ আন-নাসায়ি আল-আদল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: তিনি বলেন: আমি আবু জাফর আত-তহাবিকে বলতে শুনেছি: আমি আলা আল-কুফিকে বলতে শুনেছি: আমি একদিন বাক্কার বিন কুতাইবাহ-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় বিবাদমান দুই ব্যক্তি তাঁর নিকট প্রবেশ করল, যাদের একজন ছিল অন্যজনের পিতা। অতঃপর তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে এই কবিতা আবৃত্তি করলেন:

তোমরা উভয়েই অবাধ্যতার পোশাক গ্রহণ করেছ … একজন পিতা যে সদাচারী নয় এবং তার পুত্র যে সম্পর্ক রক্ষাকারী নয়।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ২৭)
2- وَحَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْحَدَّادُ النهاوندي قال: حدثني محمد السقاء -وَهُوَ صَالِحٌ فَاضِلٌ مِنْ خِيَارِ الْمُسْلِمِينَ- قَالَ: رَكِبْتُ فِي سفينةٍ مِنْ تِنِّيسَ إِلَى مِصْرَ، قَالَ:

فَاشْتَدَّ هَوْلُ الْبَحْرِ عَلَيْنَا فَتَضَرَّعَ النَّاسُ وجأروا إلى الله عز وجل قال: فنبغ رجلٌ مِنْ وَسَطِهِمْ، وَقَالَ: ⦗ص: 28⦘

عَجِبْتُ لِقَلْبِكَ كَيْفَ انقلب

قال: فاستجهلناه، وَقُلْنَا: انْظُرْ، فِي أَيِّ وقتٍ يُخَاطَبُ اللَّهُ بمثل هذا؟

قال: ثُمَّ زَادَ الْهَوْلُ، فَأَطْلَعَ رَأْسَهُ مَرَّةً أُخْرَى، ثُمَّ قَالَ:

وَشِدَّةُ حُبِّكَ لِي لِمْ ذَهَبَ؟

قَالَ: فَكُنَّا عَلَيْهِ فِي هَذِهِ أَشَدَّ غَيْظًا من الأولى.

ثم زاد الهول فَأَطْلَعَ رَأْسَهُ الثَّالِثَةَ فَقَالَ:

وَأَعْجَبُ مِنْ ذَا وذا أَنَّنِي … أَرَاكَ بِعَيْنِ الرِّضَا فِي الْغَضَبِ

قَالَ: فَمَا تَمَّ الْكَلامُ حَتَّى سَكَنَ الْهَوَاءُ. قَالَ: فَوَضَعْتُ عَيْنِي عَلَيْهِ وَقُلْتُ: هَذَا وَلِيٌّ مِنْ أَوْلِيَاءِ اللَّهِ، أَكُونُ مُرَافِقًا لَهُ وَصَاحِبًا.

قَالَ: فَمَا هُوَ إِلا أَنْ وَصَلْنَا اتَّبَعْتُهُ فَلَمْ أجده، ولم أدر أَيَّ طريقٍ سَلَكَ.
২- আমাদের নিকট আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-হাদ্দাদ আন-নাহাওয়ান্দি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ আস-সাক্কা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—আর তিনি ছিলেন একজন সৎ ও মর্যাদাবান ব্যক্তি এবং সর্বোত্তম মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত—তিনি বলেন: আমি তিন্নীস থেকে মিসরের উদ্দেশ্যে একটি জাহাজে আরোহণ করলাম। তিনি বললেন:

অতঃপর সমুদ্রের বিভীষিকা আমাদের ওপর প্রবল হলো, তখন মানুষ বিনীত প্রার্থনা করতে লাগল এবং মহান আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করতে লাগল। তিনি বললেন: তখন তাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি সামনে আসলেন এবং বললেন: ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘

আমি আপনার হৃদয়ের ব্যাপারে বিস্মিত, তা কীভাবে পরিবর্তিত হয়!

তিনি বললেন: আমরা তাকে নির্বোধ মনে করলাম এবং বললাম: দেখ, এই সংকটের মুহূর্তে কি আল্লাহর সাথে এমনভাবে কথা বলা হয়?

তিনি বললেন: অতঃপর বিভীষিকা আরও বৃদ্ধি পেল, তখন সে পুনরায় তার মাথা তুলল এবং বলল:

আর আমার প্রতি আপনার গভীর ভালোবাসা কেন চলে গেল?

তিনি বললেন: আমরা তার প্রতি এবার প্রথম বারের চেয়েও বেশি রাগান্বিত হলাম।

অতঃপর বিভীষিকা আরও বেড়ে গেল, তখন সে তৃতীয়বার মাথা তুলল এবং বলল:

এর চেয়েও বেশি বিস্ময়কর এই যে, আমি ... আপনাকে ক্রোধের মধ্যেও সন্তুষ্টির চোখে দেখতে পাই।

তিনি বললেন: কথাটি শেষ হতে না হতেই বাতাস শান্ত হয়ে গেল। তিনি বললেন: আমি তার দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখলাম এবং বললাম: ইনি আল্লাহর ওলীদের মধ্য থেকে একজন ওলী, আমি তাঁর সঙ্গী ও সহচর হবো।

তিনি বললেন: পৌঁছানোর সাথে সাথেই আমি তাঁকে অনুসরণ করলাম, কিন্তু তাঁকে আর খুঁজে পেলাম না এবং তিনি কোন পথে গেলেন তাও জানতে পারলাম না।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ২৮)
3- سَمِعْتُ أَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدَ الْغَنِيِّ بْنَ سَعِيدٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ جَعْفَرِ بْنِ الورد يقول: سمعت عبيد الله بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْبَرْقِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ ذَا النُّونِ ⦗ص: 29⦘ يَقُولُ: الأُنْسُ بِاللَّهِ نورٌ سَاطِعٌ، وَالأُنْسُ بِالنَّاسِ غَمٌّ واقعٌ.
৩- আমি আবু মুহাম্মাদ আব্দুল গানি বিন সাঈদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন আল-ওয়ারদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুর রাহিম আল-বারকিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি যুন-নূনকে ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ বলতে শুনেছি: আল্লাহর সাথে সখ্যতা হলো এক উজ্জ্বল জ্যোতি, আর মানুষের সাথে সখ্যতা হলো এক অনিবার্য বিষাদ।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ২৯)
4- حَدَّثَنِي حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكِنَانِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَاغَنْدِيُّ قَالَ: قَالَ عَلِيُّ بن المديني، قال: مُعَاوِيَةُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ الضَّالُّ: عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ: عَنْ عُبَيْدَةَ السَّلْمَانِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه: أَنَّهُ ذَكَرَ الْمُخْدَجَ. فَقَصَّ الْحَدِيثَ وَمَا فِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

قَالَ الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ: قَالَ لِي حَمْزَةُ: فَقُلْتُ لِلْبَاغَنْدِيِّ: مَا يَمْنَعُنِي أَنْ أَقُولَ أَنَا: قَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ؟ ⦗ص: 30⦘ قَالَ: فَقَالَ لِي: بَقِيَ أَشُدُّهُ، أَنَا رَأَيْتُهُ وَسَمِعْتُ مِنْهُ وَأَنْتَ لَمْ تَرَهُ وَلَمْ تَسْمَعْ مِنْهُ!
৪- হামযা ইবন মুহাম্মদ আল-কিনানী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আল-বাগান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনুল মাদিনী বলেছেন, মুয়াবিয়া ইবন আব্দুল কারীম আল-দাল বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন সীরীন থেকে, তিনি উবায়দাহ আস-সালমানী থেকে, তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: তিনি ত্রুটিযুক্ত হাতবিশিষ্ট ব্যক্তি (আল-মুখদাজ) সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। অতঃপর তিনি হাদিসটি এবং এতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যা বর্ণিত হয়েছে তা বর্ণনা করলেন।

শায়খ আবু মুহাম্মদ বলেন: হামযা আমাকে বলেছেন: আমি বাগান্দি-কে বললাম: "আলী ইবনুল মাদিনী বলেছেন"—একথাটি আমার পক্ষ থেকে বলতে বাধা কোথায়? ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ তিনি বললেন: অতঃপর তিনি আমাকে বললেন: এর চেয়ে শক্তিশালী কারণ বিদ্যমান; আমি তাঁকে সচক্ষে দেখেছি এবং তাঁর থেকে সরাসরি শুনেছি, কিন্তু আপনি তাঁকে দেখেননি এবং তাঁর থেকে শুনেননি!
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৩০)
5- سَمِعْتُ الشَّيْخَ يَقُولُ: رَجُلانِ نَبِيلانِ مِنَ الْمُحَدِّثِينَ حَصَلَ عَلَيْهِمَا لَقَبَانِ قَبِيحَانِ: مُعَاوِيَةُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ، هَذَا أَحَدُهُمَا، لَمْ يَكُنْ ضَالًّا فِي دِينِهِ، وَإِنَّمَا ضَلَّ فِي طَرِيقِ الْحَجِّ، فَافْتُقِدَ فسمي الضال.

وَالآخَرُ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الضَّعِيفُ، لَمْ يَكُنْ ضَعِيفًا فِي رِوَايَتِهِ، وَإِنَّمَا كَانَ ⦗ص: 31⦘ ضَعِيفًا في جسمه.
৫- আমি শায়খকে বলতে শুনেছি: মুহাদ্দিসদের মধ্যে এমন দুজন মহান ব্যক্তি ছিলেন যাঁদের ওপর দুটি কদর্য উপাধি এসে পড়েছিল। মুয়াবিয়া ইবনে আব্দুল কারীম ছিলেন তাঁদের একজন; তিনি তাঁর দ্বীনের বিষয়ে পথভ্রষ্ট ছিলেন না, বরং তিনি হজের পথে পথ হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন, তাই তাঁকে ‘আদ-দাল্ল’ (পথ হারানো ব্যক্তি) বলা হতো।

আর অপরজন হলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দায়ীফ; তিনি তাঁর বর্ণনার ক্ষেত্রে দুর্বল ছিলেন না, বরং তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘ শারীরিকভাবে দুর্বল ছিলেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৩১)
6- وَقَدْ سَمِعْتُ أَبَا الْوَلِيدِ بْنَ الْقَاسِمِ يَقُولُ: كَانَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّسَوِيُّ لا يُسَمِّي أَحَدًا صَاحِبَ حَدِيثٍ، وَإِنْ كَانَ ثِقَةً حَافِظًا حَتَّى يَتْرُكَ الضُّعَفَاءَ فَلا يُحَدِّثُ عَنْهُمْ.
৬- আমি আবুল ওয়ালীদ ইবনুল কাসিমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আবু আবদুর রহমান আন-নাসাওয়ী কাউকে ‘সাহেবে হাদীস’ (হাদীস বিশারদ) বলে অভিহিত করতেন না—যদিও তিনি নির্ভরযোগ্য ও হাফেজ হতেন—যতক্ষণ না তিনি দুর্বল বর্ণনাকারীদের বর্জন করতেন এবং তাদের থেকে হাদীস বর্ণনা করা ছেড়ে দিতেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৩২)
7- حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الدَّارَقُطْنِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا دَعْلَجُ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْجَارُودِ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هَاشِمٍ، قَالَ: ⦗ص: 33⦘ قَالَ لَنَا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ يَوْمًا: أَيُّمَا أَعْجَبُ إِلَيْكُمْ: سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَوِ الأَعْمَشُ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ؟ قَالَ: فَقُلْنَا: الأَعْمَشُ عَنْ أبي وائل عن عبد الله.

فقال: غَلِطْتُمُ! الأَعْمَشُ شَيْخٌ وَأَبُو وَائِلٍ شَيْخٌ.

وَمَنْصُورٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ: فَقِيهٌ عَنْ فَقِيهٍ، أَوْ قَالَ: فُقَهَاءُ.
৭- আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাউলাজ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আলী ইবনুল জারুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে হাশেম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ একদিন অকি' ইবনুল জাররাহ আমাদের বললেন: তোমাদের নিকট কোনটি অধিক পছন্দনীয়: সুফিয়ান বর্ণনা করছেন মানসুর থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) থেকে; নাকি আমাশ বর্ণনা করছেন আবু ওয়ায়িল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে? তিনি বললেন: আমরা বললাম: আমাশ, আবু ওয়ায়িল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে।

তখন তিনি বললেন: তোমরা ভুল করেছ! আমাশ একজন শায়খ এবং আবু ওয়ায়িল একজন শায়খ।

আর মানসুর, ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে: (এটি হলো) ফকিহ থেকে ফকিহ-র বর্ণনা, অথবা তিনি বলেছিলেন: তাঁরা সকলে ফকিহ।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৩৩)
8- حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ النَّقَّاشُ الْمِصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُكْرَمٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ قَالَ: سَمِعْتُ خَالِدَ بْنَ الْحَارِثِ يَقُولُ: ⦗ص: 34⦘ لَسْتُ أُحَدِّثُ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ بِشَيْءٍ، لأَنَّهُ يَشُكُّ وَأَنَا أَشُكُّ، فَيَصِيرُ الْحَدِيثُ كُلُّهُ شَكًّا.
৮- আমাদের নিকট আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আলী আন-নাক্কাশ আল-মিসরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন মুকরাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমর বিন আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি খালিদ বিন আল-হারিসকে বলতে শুনেছি: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ আমি সুলায়মান আত-তাইমি থেকে কোনো কিছু বর্ণনা করি না, কারণ তিনি সন্দেহ করেন এবং আমিও সন্দেহ করি, ফলে পুরো হাদিসটিই সন্দেহে পরিণত হয়।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৩৪)
9- سَمِعْتُ الشَّيْخَ أَبَا مُحَمَّدٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ النَّقَّاشَ يَقُولُ: عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ لَيْسَ بِتَابِعِيٍّ، وَرَوَى عَنْهُ عِشْرُونَ رَجُلا مِنَ التَّابِعِينَ. قال الشيخ: فتتبعت ذلك فاجتمع عندي نحو مِنْ ثَلاثِينَ رَجُلا مِنَ التَّابِعِينَ رَوَوْا عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ.

⦗ص: 35⦘ قَالَ الشَّيْخُ: وَكَذَلِكَ إِبْرَاهِيمُ النَّخَعِيُّ، تَلامِذَتُهُ كُلُّهُمْ تَابِعُونَ وَلَيْسَ هُوَ مِنَ التَّابِعِينَ غَيْرَ أَنَّهُ أُدْخِلَ عَلَى عَائِشَةَ رضي الله عنها وَهُوَ صَبِيٌّ، وَلَيْسَ يَصِحُّ لَهُ شيءٌ عَنِ الصَّحَابَةِ.
৯- আমি শেখ আবু মুহাম্মদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু বকর আন-নাক্কাশকে বলতে শুনেছি: আমর ইবনে শুআইব তাবেয়ী নন, অথচ তাঁর নিকট থেকে বিশজন তাবেয়ী বর্ণনা করেছেন। শেখ বলেন: আমি এ বিষয়টি অনুসন্ধান করেছি এবং আমার নিকট প্রায় ত্রিশজন তাবেয়ী ব্যক্তির তথ্য একত্রিত হয়েছে যারা আমর ইবনে শুআইব থেকে বর্ণনা করেছেন।

⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘ শেখ বলেন: ইব্রাহিম আন-নাখয়ীর বিষয়টিও অনুরূপ; তাঁর সকল ছাত্রই তাবেয়ী অথচ তিনি নিজে তাবেয়ী নন। তবে শৈশবকালে তাঁকে আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সাহাবীদের থেকে তাঁর সরাসরি কোনো বর্ণনা বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত নয়।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৩৫)
10- أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ الْحُسَيْنُ بْنُ جَعْفَرٍ السَّعْدِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بن سالم البزاز قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسَرْائِيلَ قَالَ: أَخْبَرَنَا عبد الرازق قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ: عَنْ قَتَادَةَ: عَنْ مُطَرِّفٍ قَالَ: ((حَظٌّ مِنْ عِلْمٍ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ حظٍ مِنْ عِبَادَةٍ، وَلأَنْ أُعَافَى فَأَشْكُرُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أُبْتَلَى فَأَصْبِرُ. وَنَظَرْتُ فِي الْخَيْرِ الَّذِي لا شَرَّ فِيهِ فَلَمْ أَرَ مِثْلَ الْمُعَافَاةِ وَالشُّكْرِ)) .
১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আল-হুসাইন বিন জাফর আস-সাদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল জাফর বিন আহমাদ বিন সালিম আল-বাজজাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইসরাঈল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, কাতাদাহ থেকে, তিনি মুতাররিফ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ইবাদতের অংশ অপেক্ষা ইলমের (জ্ঞানের) সামান্য অংশও আমার নিকট অধিক প্রিয়। আর আমি সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় থেকে শোকর (কৃতজ্ঞতা) আদায় করাকে বিপদে পতিত হয়ে সবর (ধৈর্য) ধারণ করার চেয়ে বেশি পছন্দ করি। আমি এমন কল্যাণের তালাশ করেছি যাতে কোনো মন্দ নেই, অতঃপর আমি সুস্থতা ও কৃতজ্ঞতার মতো অন্য কিছু দেখতে পাইনি।"।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৩৬)
11- حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ أَحْمَدَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ الْخَالِقِ الْبَزَّارُ إِمْلاءً مِنْ كِتَابِهِ قَالَ: حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ جِحْلٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ الأَبَحُّ -وَهُوَ عمر بن سعيد-: عن ابن أبي عروبة. عن الحكم بن جحلٍ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ: عَنْ أَبِي مُوسَى: عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((مَا سَتَرَ اللَّهُ تبارك وتعالى عَلَى عبدٍ فِي الدُّنْيَا ذَنْبًا فَيُعَيِّرُهُ بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ)) .

⦗ص: 39⦘

قَالَ الْبَزَّارُ: وَهَذَا الْحَدِيثُ لا نَعْلَمُهُ يُرْوَى بِهَذَا اللَّفْظِ إِلا عَنْ أَبِي مُوسَى بِهَذَا الإِسْنَادِ، وَلَمْ نَسْمَعْهُ إِلا مِنْ نَصْرٍ، تَفَرَّدَ بِهِ نصر.
১১- ইয়াকুব বিন আল-মুবারক বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আমর বিন আব্দুল খালিক আল-বাযযার তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতিলিখন হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নাসর বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল বিন আল-হাকাম বিন জিহ্ল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর আল-আবাহ—যিনি উমর বিন সাঈদ—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবি আরুবাহ থেকে, তিনি হাকাম বিন জিহ্ল থেকে, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "মহান ও বরকতময় আল্লাহ দুনিয়াতে কোনো বান্দার যে গুনাহ গোপন রেখেছেন, কিয়ামতের দিন তিনি তাকে তা দ্বারা লজ্জিত করবেন না।"

⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘

আল-বাযযার বলেন: এই শব্দে এই হাদিসটি কেবল এই সনদে আবু মুসা থেকেই বর্ণিত হয়েছে বলে আমাদের জানা, এবং আমরা এটি কেবল নাসর থেকেই শুনেছি; নাসর এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৩৯)
12- حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبُرُوجِرْدِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ قَالَ: أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ رَاهُوَيْهِ قَالَ: سَمِعْتُ النَّضْرَ بْنَ شُمَيْلٍ يَقُولُ: كَانَ عَوْفٌ الأَعْرَابِيُّ لَحَّانًا، وَقَدْ كَسَوْتُ لَكُمْ حَدِيثَهُ كِسْوَةً حَسَنَةً -أي أعربته-.
১২- আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-বুরুজিরদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে রাহাওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আন-নাদর ইবনে শুমাইলকে বলতে শুনেছি: আওফ আল-আরাবি ব্যাকরণগত ভুল করতেন, আর আমি তোমাদের জন্য তাঁর বর্ণিত হাদিসকে একটি সুন্দর পোশাকে সজ্জিত করেছি—অর্থাৎ আমি এর ব্যাকরণ শুদ্ধ করে দিয়েছি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৪০)
13- حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْغَنِيِّ الأَزْدِيُّ قَالَ: حدثنا أبو أحمد السعدي قال: حدثنا جعفر بن أحمد العبدي قَالَ: حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ -وَهُوَ الْجَهْضَمِيُّ- قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ -وَهُوَ الْعَمِّيُّ- قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ -وَهُوَ السَّخْتِيَانِيُّ-: عَنْ أَبِي صَالِحٍ -وَهُوَ الْغَطَفَانِيُّ-: عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ -وَهُوَ الدَّوْسِيُّ-: عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:

((الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا، وَالْحَجُّ الْمَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جزاءٌ إِلَّا الْجَنَّةُ)) .

هَكَذَا رَوَاهُ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ: عَنْ أَيُّوبَ: عَنْ أَبِي صَالِحٍ نَفْسِهِ.

وَرَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ: عَنْ أَيُّوبَ: عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وَسُمَيٌّ: عَنْ أَبِي صَالِحٍ مَوْقُوفًا، فَأَسْقَطَ مِنْهُ عَبْدُ الْعَزِيزِ رَجُلَيْنِ.

وَرَوَاهُ سَعِيدُ بْنُ عَتَّابٍ: عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ: عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ: عَنْ أَيُّوبَ: عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، فَرَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
১৩- আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আব্দুল গানি আল-আজদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আহমদ আস-সাদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জাফর বিন আহমদ আল-আবদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট নাসর বিন আলী—যিনি আল-জাহদামি—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল সামাদ—যিনি আল-আম্মি—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আইয়ুব—যিনি আস-সাখতিয়ানি—বর্ণনা করেছেন: আবু সালিহ—যিনি আল-গাতাফানি—থেকে বর্ণিত: আবু হুরায়রা—যিনি আদ-দাওসি—থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন:

((এক উমরাহ থেকে অন্য উমরাহ—উভয়ের মধ্যবর্তী গুনাহসমূহের জন্য কাফফারা, আর মাবরুর হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু নয়।))

এভাবেই আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল সামাদ এটি বর্ণনা করেছেন: আইয়ুব থেকে: সরাসরি আবু সালিহ থেকে।

আর হাম্মাদ বিন যায়েদ এটি বর্ণনা করেছেন: আইয়ুব থেকে: উবায়দুল্লাহ বিন উমর ও সুমাই থেকে: আবু সালিহ থেকে মাওকুফ হিসেবে, ফলে আব্দুল আজিজ এর মাঝ থেকে দুইজন ব্যক্তিকে বাদ দিয়েছেন।

আর সাঈদ বিন আত্তাব এটি বর্ণনা করেছেন: সুলায়মান বিন হারব থেকে: হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে: আইয়ুব থেকে: উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে, অতঃপর তিনি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৪১)
14- حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحُسَيْنُ بْنُ عبدٍ الْقُرَشِيِّ قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ -عَلانُ- قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ نِزَارٍ قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ رحمه الله يَقُولُ لِفَتًى مِنْ قُرَيْشٍ: يَا ابْنَ أَخِي، ((تَعَلَّمِ الأَدَبَ قَبْلَ ⦗ص: 42⦘ أَنْ تَتَعَلَّمَ الْعِلْمَ)) .
১৪- আমাদের নিকট আবুল কাসিম আল-হুসাইন ইবনে আবদ আল-কুরাইশী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে আহমাদ ইবনে সুলায়মান -আল্লান- বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে আবী মারইয়াম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট খালিদ ইবনে নিযার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক ইবনে আনাস (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-কে কুরাইশ বংশের এক যুবককে বলতে শুনেছি: হে ভ্রাতুষ্পুত্র, ((আদব শিক্ষা করো আগে ⦗পৃষ্ঠা: ৪২⦘ ইলম অর্জন করার))।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৪২)
15- حَدَّثَنِي أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ يَحْيَى بْنِ سَلامٍ الْحَلَبِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ الْقُرَشِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ قيس بْنُ طُلَيْقٍ وَتَوْبَةُ بْنُ السَّرِيِّ قَالا: حَدَّثَنَا روح بن أسلم: عن بشر بن المفضل قال: لقيت سفيان الثوري بمكة، فجعل يحدثني عن بعض أصحابه، قال: حدثنا منصور.

قلت: خشبي. ⦗ص: 43⦘ قال: حدثنا الأعمش.

قلت: ذاك سبأي.

قَالَ: حَدَّثَنَا فُلانٌ.

قُلْتُ: ذَاكَ كَذَا.

قَالَ: حَدَّثَنَا فُلانٌ.

قُلْتُ: ذَاكَ كَذَا. ⦗ص: 44⦘ قَالَ: لا أَدْرِي عَمَّنْ أُحَدِّثُكَ!

قَالَ: قُلْتُ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، وَأَيُّوبُ، وَابْنُ عَوْنٍ، وَسُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ.

قَالَ: فَلَمْ يقل شيئاً.

قال: فقدم البصرة فلقيهم فَسَأَلَ عَنْ مَنْزِلِي، ثُمَّ أَتَانِي فَاسْتَأْذَنَ عَلَيَّ. قَالَ: فَخَرَجْتُ إِلَيْهِ، فَقَالَ: يَا أَبَا إِسْمَاعِيلَ مَا رَأَيْتُ مِثْلَ هَؤُلاءِ الأَرْبَعَةِ اجْتَمَعُوا فِي موضع قط.
১৫- আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন ইয়াহইয়া বিন সালাম আল-হালাবি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন খালিদ আল-কুরাশি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালিদ বিন কায়েস বিন তুলায়ক এবং তাওবা বিন আল-সাররি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: রাওহ বিন আসলাম আমাদের বর্ণনা করেছেন: বিশর বিন আল-মুফাদদাল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি মক্কায় সুফিয়ান আল-সাওরির সাথে সাক্ষাৎ করলাম, তখন তিনি তাঁর কিছু সঙ্গী সম্পর্কে আমাকে বর্ণনা করতে লাগলেন। তিনি বললেন: মানসুর আমাদের বর্ণনা করেছেন।

আমি বললাম: সে খাশাবি। ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ তিনি বললেন: আল-আ'মাশ আমাদের বর্ণনা করেছেন।

আমি বললাম: সে তো সাবায়ি।

তিনি বললেন: অমুক আমাদের বর্ণনা করেছেন।

আমি বললাম: সে এমন (ত্রুটিযুক্ত)।

তিনি বললেন: অমুক আমাদের বর্ণনা করেছেন।

আমি বললাম: সে এমন (ত্রুটিযুক্ত)। ⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ তিনি বললেন: আমি জানি না তবে কার পক্ষ থেকে তোমাকে বর্ণনা করব!

বিশর বলেন: আমি বললাম: ইউনুস, আইয়ুব, ইবনে আউন এবং সুলাইমান আল-তাইমি আমাদের বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন: এরপর তিনি (সুফিয়ান) আর কিছুই বললেন না।

বিশর বলেন: এরপর তিনি বসরায় আসলেন এবং তাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করলেন। অতঃপর তিনি আমার বাড়ি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন এবং আমার নিকট এসে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। বিশর বলেন: আমি তাঁর দিকে বেরিয়ে আসলাম। তিনি বললেন: হে আবু ইসমাইল! আমি কখনো কোনো স্থানে এই চারজনের মতো কাউকে একত্রিত হতে দেখিনি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৪৪)
16- سَمِعْتُ الشَّيْخَ أَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدَ الْغَنِيِّ يَقُولُ: سَمِعْتُ حَمْزَةَ بْنَ مُحَمَّدٍ الْحَافِظَ يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْحُسَيْنِ بْنِ مُكْرَمٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَخِي يَقُولُ: رَأَيْتُ أَبَا مُوسَى مُحَمَّدَ بْنَ الْمُثَنَّى بَعْدَ مَوْتِهِ فِيمَا يَرَى النَّائِمُ، فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَبَا مُوسَى، مَا فَعَلَ اللَّهُ بِكَ؟ قَالَ: خَيْرًا، أَدَّيْتُ إِلَيْكُمْ مَا سَمِعْتُ، وَاللَّهِ مَا زِدْتُكُمْ أَلِفًا وَلا وَاوًا -أَوْ كَمَا قَالَ-:

سَمِعْتُ النَّقَّاشَ يَذْكُرُهَا عَنِ ابْنِ مكرم نحو ما حدثنا بها حمزة عن ابن مكرم، وسمى له أخوه إبراهيم.
১৬- আমি শাইখ আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাফিয হামজা বিন মুহাম্মদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুকরামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার ভাইকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্নাকে তাঁর মৃত্যুর পর স্বপ্নে দেখেছি। আমি তাঁকে বললাম: হে আবু মুসা, আল্লাহ আপনার সাথে কেমন আচরণ করেছেন? তিনি বললেন: কল্যাণকর; আমি তোমাদের নিকট তা-ই পৌঁছে দিয়েছি যা আমি শুনেছি। আল্লাহর কসম, আমি তোমাদের নিকট (বর্ণনার ক্ষেত্রে) একটি আলিফ কিংবা একটি ওয়াও-ও বৃদ্ধি করিনি—অথবা যেমনটি তিনি বলেছেন—:

আমি আন-নাককাশকে এটি ইবনে মুকরামের সূত্রে উল্লেখ করতে শুনেছি, যা হামজা আমাদের নিকট ইবনে মুকরামের সূত্রে বর্ণনা করেছেন তার অনুরূপ; আর সেখানে তিনি তাঁর ভাই ইব্রাহিমের নাম উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৪৫)
17- قَالَ الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ: مَا تَكَلَّمَ أحدٌ عَلَى الْحَدِيثِ وَعَلَّلَهُ أَحْسَنَ مِنْ كَلامِ ثَلاثَةٍ: عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ وَمُوسَى بْنِ هَارُونَ وَعَلِيِّ بْنِ عُمَرَ الدَّارَقُطْنِيِّ.
১৭- শায়খ আবু মুহাম্মদ বলেছেন: হাদীস এবং তার ত্রুটি (ইল্লাত) বিশ্লেষণ সম্পর্কে এই তিন ব্যক্তির আলোচনার চেয়ে অধিক সুন্দরভাবে আর কেউ আলোচনা করেননি: আলী ইবনুল মাদীনী, মূসা ইবনে হারুন এবং আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনী।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৪৫)
18- أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْغَنِيِّ بْنُ سَعِيدٍ -قِرَاءَةً عَلَيْهِ- قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ الْقَاسِمِ الميانجي قال: حدثنا القاسم بن عباد بالبصرة قال: حدثنا سويد بن سعيد قَالَ: رَأَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُبَارَكِ بِمَكَّةَ أَتَى مَاءَ زَمْزَمَ، فَاسْتَقَى مِنْهُ شَرْبَةً ثُمَّ اسْتَقْبَلَ الْكَعْبَةَ فَقَالَ: اللَّهُمَّ إِنَّ ابْنَ أَبِي الْمَوَالِ حَدَّثَنَا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ عَنْ جَابِرٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ)) .

وهذا أشربه لعطش الْقِيَامَةِ، ثُمَّ شَرِبَهُ.

⦗ص: 50⦘ سَأَلْتُ الشَّيْخَ وَقْتَ الْقِرَاءَةِ عَلَيْهِ، فَقُلْتُ لَهُ: قَدْ حَجَجْتَ، فَهَلْ شَرِبْتَ مِنْ مَاءِ زَمْزَمَ؟

فَقَالَ لِي: شَرِبْتُهُ مِرَارًا لمثل ذلك.
১৮- আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি ইবনে সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠকালে—তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনে কাসেম আল-মিয়ানজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাসেম ইবনে আব্বাদ বসরায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারককে মক্কায় যমযমের পানির নিকট আসতে দেখেছি। তিনি তা থেকে এক ঢোক পানি নিলেন, অতঃপর কাবার দিকে মুখ করে বললেন: হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই ইবনে আবিল মাওয়াল আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন যে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয়, তা তারই জন্য।"

আর আমি এটি কিয়ামতের দিনের তৃষ্ণার (নিবারণের) জন্য পান করছি। অতঃপর তিনি তা পান করলেন।

⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ পাঠ করার সময় আমি শাইখকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি তাঁকে বললাম: আপনি তো হজ করেছেন, আপনি কি যমযমের পানি পান করেছেন?

তিনি আমাকে বললেন: আমি অনুরূপ উদ্দেশ্যে বহুবার তা পান করেছি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫০)
19- وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ حركات الصُّوفِيّ -مِنْ وَلَدِ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ ⦗ص: 51⦘ الصَّادِقِ- قَالَ: سَأَلْتُ بَعْضَ الصُّوفِيَّةِ عَنْ سَمَاعِ الْغِنَاءِ، فَقَالَ لِي: هُوَ مِثْلُ مَاءِ زَمْزَمَ: لِمَا شُرِبَ لَهُ!
১৯- এবং হাসান ইবনে আলী হারাকাত আস-সুফি —যিনি জাফর ইবনে মুহাম্মদ ⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ আস-সাদিকের বংশধর— আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি জনৈক সুফিকে গান শোনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন তিনি আমাকে বললেন: এটি জমজম পানির মতো: যে উদ্দেশ্যে এটি পান করা হয়!
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫১)
20- سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ الْمُعَيْطِيَّ -وَاسْمُهُ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُتَيْبَةَ- يَقُولُ: سَأَلَنِي بَعْضُ بَنِي العباس: من قتل جَدِّكَ عُقْبَةَ بْنِ أَبِي مُعَيْطٍ؟

فَقُلْتُ لَهُ: اخْتَلَفَ النَّاسُ فِي ذَلِكَ، فَقَالَتْ طَائِفَةٌ: قَتَلَهُ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ عليه السلام، وَقَالَتْ طَائِفَةٌ: بَلْ قَتَلَهُ أَبُو الْيُسْرِ.

قَالَ: فَقَالَ لِي: مَنْ هَذَا أَبُو الْيُسْرِ؟ مَا سَمِعْنَا بِهِ.

فَقُلْتُ لَهُ: هَذَا أَبُو الْيُسْرِ كَعْبُ بْنُ عَمْرٍو الَّذِي شَدَّ الْقِدَّ فِي رِجْلِ سَيِّدِي الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ لَيْلَةَ بَدْرٍ.

قَالَ الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ: قَالَ أَبُو الطَّاهِرِ الْقَاضِي: قَالَ الْوَزِيرُ أَبُو الْفَضْلِ: هو يطيب الحكاية بـ ((سيدي)) يَعْنِي: أَبَا بَكْرٍ الْمُعَيْطِيَّ.
২০- আমি আবু বকর আল-মুআইতীকে—তাঁর নাম মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উতাইবাহ—বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আব্বাসীয় বংশের কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করল: আপনার দাদা উকবাহ ইবনে আবি মুআইতকে কে হত্যা করেছিল?

আমি তাকে বললাম: এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। একদল বলেছে: তাঁকে আমিরুল মুমিনীন আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিস সালাম) হত্যা করেছেন; আর অন্য একদল বলেছে: বরং তাঁকে আবুল ইয়াসার হত্যা করেছেন।

তিনি বলেন: অতঃপর সে আমাকে বলল: এই আবুল ইয়াসার কে? আমরা তাঁর সম্পর্কে শুনিনি।

আমি তাকে বললাম: ইনি হলেন আবুল ইয়াসার কাব ইবনে আমর, যিনি বদরের রাতে আমার সায়্যিদ আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের পায়ে চামড়ার রশি বেঁধেছিলেন।

শায়খ আবু মুহাম্মদ বলেন: আবু তাহের আল-কাজি বলেন: উজির আবুল ফজল বলেছেন: তিনি—অর্থাৎ আবু বকর আল-মুআইতী—"আমার সায়্যিদ" শব্দটির মাধ্যমে বর্ণনাটিকে সুন্দর করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫১)
21- حَدَّثَنَا أَبُو الطَّاهِرِ الْقَاضِي قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، فَقَالَ: مَا تَقُولُ فِي الصَّلاةِ خَلْفَ هَؤُلاءِ؟

فَقَالَ: انظروا إلى هذا، جاء إلى مَسَائِلَ اللَّيْلِ يَسْأَلُهَا بِالنَّهَارِ!
২১- আবু তাহের আল-কাজী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি সুফিয়ান আস-সাওরীর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করলেন, "এদের পেছনে সালাত আদায় করার ব্যাপারে আপনি কী বলেন?"

তখন তিনি বললেন, "তোমরা একে লক্ষ্য করো! সে রাতের বেলার মাসআলাসমূহ নিয়ে এসেছে যা সে দিনের বেলা জিজ্ঞাসা করছে!"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫১)
22-قَالَ الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ: قَرَأْتُ يَوْمًا عَلَى الْقَاضِي أَبِي طَاهِرٍ فَنَعَسَ شَيْئًا كَثِيرًا ⦗ص: 52⦘ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ، فَكَانَ كُلَّمَا خَفَتَ أَمْسَكْتُ أَنَا عَنِ الْقِرَاءَةِ، فَلَمَّا كَثُرْتُ مِنْ هَذَا ضَاقَ صَدْرُهُ فَقَالَ لِي:

جَاءَ رَجُلانِ إِلَى عُبَيْدِ الله بن الحسن العنبري القاضي يختصمان فسكتا، فَقَالَ لَهُمَا: أَنْتُمَا عَلَى سِرٍّ، أَقُومُ عَنْكُمَا؟!
২২-শায়খ আবু মুহাম্মদ বলেছেন: আমি একদিন কাজী আবু তাহিরের কাছে পাঠ করছিলাম, সেদিন তিনি খুব তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘। ফলে যখনই তিনি ঝিমাতেন, আমি পাঠ করা বন্ধ করে দিতাম। যখন আমি এটি বারবার করতে থাকলাম, তখন তিনি বিরক্ত হয়ে আমাকে বললেন:

কাজী উবায়দুল্লাহ ইবনে হাসান আল-আনবারীর নিকট দুই ব্যক্তি বিবাদ নিয়ে এল এবং তারা চুপ হয়ে রইল। তিনি তাদের বললেন: "তোমরা কি কোনো গোপন বিষয়ে লিপ্ত? আমি কি তোমাদের ছেড়ে উঠে যাব?"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫২)
23- حدثنا علي بن الحسن الْمَغْرِبِيُّ الْكَاتِبُ وَزِيرُ سَيْفِ الدَّوْلَةِ، وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ بن أحمد بن شقير الجياش وَطَالِبُ بْنُ هَجْرَسٍ -وَاللَّفْظُ لَهُ- قَالُوا: حَدَّثَنَا هارون بن عبد العزيز الأوازجي قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ وهبٍ -وَهُوَ الدِّينَوَرِيُّ الْحَافِظُ- قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِدْرِيسَ الشَّافِعِيَّ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ يَقُولُ: سَلُونِي عَمَّا شِئْتُمْ، أُخْبِرُكُمْ بِهِ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ وَسُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ.

فَقُلْتُ: إِنَّ هَذَا لَجَرِيءٌ، مَا تَقُولُ -أَصْلَحَكَ اللَّهُ- فِي الْمُحْرِمِ يَقْتُلُ زُنْبُورًا؟

فَقَالَ: نَعَمْ، بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ. قَالَ اللَّهُ عز وجل: {وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فخذوه وما نهاكم عنه فانتهوا} . ⦗ص: 53⦘ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ: عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ: عَنْ رِبْعِيٍّ: عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((اقتدوا باللذين من بعدي: أبي بَكْرٍ وَعُمَرُ)) .

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ: عَنْ مِسْعَرٍ: عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ: عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ: أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَمَرَ الْمُحْرِمَ بِقَتْلِ الزُّنْبُورِ.
২৩- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাইফ উদ-দাওলার উজির আলী ইবনুল হাসান আল-মাগরিবি আল-কাতিব, আবদুর রাজ্জাক বিন আহমদ বিন শুকাইর আল-জাইয়াস এবং তালিব বিন হাজরাস - শব্দাবলি তাঁর - তারা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন বিন আবদুল আজিজ আল-আওয়াজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ওয়াহাব - আর তিনি হলেন হাফেজ আদ-দিনাওয়ারি - তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-ফিরিয়াবি, তিনি বলেন: আমি বাইতুল মাকদিসে মুহাম্মদ বিন ইদরিস আশ-শাফিঈকে বলতে শুনেছি: তোমরা যা ইচ্ছা আমাকে জিজ্ঞাসা করো, আমি আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসুলের সুন্নাহ থেকে তোমাদেরকে সে সম্পর্কে অবহিত করব।

তখন আমি বললাম: এটি তো অত্যন্ত সাহসী কথা! আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুন - মুহরিম (ইহরামকারী) ব্যক্তি যদি ভীমরুল মারে তবে সে সম্পর্কে আপনি কী বলেন?

তিনি বললেন: হ্যাঁ, পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। মহান আল্লাহ বলেছেন: {রাসুল তোমাদেরকে যা দেন তা তোমরা গ্রহণ করো, আর যা থেকে তিনি তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে তোমরা বিরত থাকো}। ⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা: আবদুল মালিক বিন উমায়ের থেকে: রিবঈ থেকে: হুজাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ((তোমরা আমার পরবর্তী দুই ব্যক্তির অনুসরণ করো: আবু বকর ও ওমর))।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা: মিসআর থেকে: কাইস বিন মুসলিম থেকে: তারিক বিন শিহাব থেকে বর্ণিত: নিশ্চয়ই ওমর বিন আল-খাত্তাব মুহরিম ব্যক্তিকে ভীমরুল মারার নির্দেশ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫৩)
24- حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ النِّعَالِيُّ الْفَقِيهُ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَمَضَانَ الْفَقِيهُ قال: سمعت محمد بن عبد الله بن عبد الحكم يقول: سَمِعْتُ الْحَارِثَ بْنَ مِسْكِينٍ قَاضِي مِصْرَ يَقُولُ: كَانَ فِي قَلْبِي عَلَى الشَّافِعِيِّ شَيءٌ حَتَّى بَلَغَنِي عَنْهُ أَنَّهُ سُئِلَ عَنِ الْمُولِي يَتَزَوَّجُ الْعَرَبِيَّةَ؟

فَقَالَ: نَعَمْ.

فَقُلْتُ: إِنَّمَا يَحْمِلُهُ عَلَى ذَلِكَ التَّقْوَى؛ لأَنَّهُ مِنْ قُرَيْشٍ.
২৪- আমাদের নিকট ফকিহ আবু বকর মুহাম্মদ বিন বকর আন-নিআলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ফকিহ মুহাম্মদ বিন রামাদান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হাকামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মিশরের বিচারক হারিস বিন মিসকিনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: ইমাম শাফেয়ীর প্রতি আমার মনে কিছুটা (সংকোচ) ছিল, যতক্ষণ না আমার নিকট তাঁর সম্পর্কে এ সংবাদ পৌঁছাল যে, তাঁকে জনৈক মাওলা (আজাদ করা দাস বা অনারব) কর্তৃক কোনো আরব নারীকে বিবাহ করার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।

অতঃপর তিনি বললেন: হ্যাঁ।

তখন আমি বললাম: কেবল তাকওয়াই তাঁকে এই মতে উদ্বুদ্ধ করেছে; কারণ তিনি তো কুরাইশ বংশীয়।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫৪)
25- حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ يَعْقُوبَ الْفَحَّامُ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ أَحْمَدُ بْنُ عِيَاضٍ الْمفرضِ قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ مَعِينٍ يَقُولُ: مَنْ عَاجَلَ الرِّيَاسَةَ فَاتَهُ عِلْمٌ كثير.
২৫- আমাদের নিকট আবু আলী আল-হুসাইন বিন ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-ফাহহাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু গাসসান আহমদ বিন ইয়াজ আল-মুফাররিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি নেতৃত্বের জন্য তাড়াহুড়া করে, তার থেকে প্রচুর জ্ঞান হাতছাড়া হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫৪)
26- سَمِعْتُ أَبَا مُحَمَّدٍ عَبْدَ الْغَنِيِّ بْنَ سَعِيدٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا عِمْرَانَ مُوسَى بْنَ رَبَاحِ بْنِ عِيسَى يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ بَسَّامٍ يَقُولُ: كَانَ عَلِيُّ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَخْفَشُ إِذَا سَمِعَ شَيْئًا فَاسْتَحْسَنَهُ، يقول: هذا يكتب بالخناجر في النواظر.
২৬- আমি আবু মুহাম্মাদ আব্দুল গনি ইবনে সাঈদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু ইমরান মুসা ইবনে রাবাহ ইবনে ঈসাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বাসসামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আলি ইবনে সুলাইমান আল-আখফাশ যখন কোনো কিছু শুনতেন এবং তা তাঁর কাছে চমৎকার মনে হতো, তখন তিনি বলতেন: এটি চোখের মনিতে খঞ্জর দিয়ে লিখে রাখার মতো।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫৫)
27- حَدَّثَنِي أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إبراهيم بن عبيد اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ عُفَيْرٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ بَسَّامٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ مَنْصُورَ الْفَقِيهَ يَقُولُ: الْبلاذر الأَكْبَرُ الأَنَفَةُ مِنَ الْجَهْلِ.
২৭- আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ ইবনে কাসির ইবনে উফায়র আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বাসসামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মানসুর আল-ফকিহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: সবচেয়ে বড় বালাজুর (স্মৃতিবর্ধক ওষুধি) হলো অজ্ঞতা হতে বিমুখ থাকা।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়িদু আবদিল গানী বিন সাঈদ আল-আযদি (পৃষ্ঠা: ৫৫)
28- سَمِعْتُ أَبَا مُحَمَّدٍ يَقُولُ: لا يَصِحُّ لِلْحَسَنِ عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ إِلا حَدِيثٌ وَاحِدٌ، وَهُوَ فِي الْعَقِيقَةِ. تَفَرَّدَ بِهِ قُرَيْشُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ. ⦗ص: 56⦘ وَقَدْ دَفَعَ قومٌ آخَرُونَ قَوْلَ قُرَيْشٍ، وَقَالُوا: مَا يَصِحُّ له سماع.
২৮- আমি আবু মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি: সামুরা বিন জুনদুবের সূত্রে আল-হাসানের বর্ণনায় কেবল একটি হাদীস ছাড়া অন্য কোনোটি সহীহ নয়, আর সেটি আকীকা সংক্রান্ত। হাবিব ইবনুশ শহীদ থেকে কুরাইশ ইবনে আনাস এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘ অন্য একদল লোক কুরাইশের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন: তাঁর শ্রবণ করা প্রমাণিত নয়।