(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: -)
ما رواه الأكابر عن الأصاغر لأبي بكر الباغندي   (الباغندي الصغير)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الجزء فيه الأول مما رواه الأكابر عن الأصاغر من المحدثين من الأفراد

المؤلف: الباغندي الصغير محمد بن محمد بن سليمان بن الحارث الأزدي، أبو بكر الواسطي (ت 312هـ)

المحقق: خالد بن محمد بن سعيد باسمح

الناشر: دار التوحيد

الطبعة: الأولى 1428 هـ - 2007 م

عدد الصفحات: 174

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু বকর আল-বাগান্দি কর্তৃক বড়দের থেকে ছোটদের বর্ণিত হাদিসসমূহ   (আল-বাগান্দি আস-সাগির)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মুহাদ্দিসগণের মধ্যে একক বর্ণনাকারীদের থেকে বড়দের মাধ্যমে ছোটদের বর্ণিত হাদিসসমূহের প্রথম অংশ

লেখক: আল-বাগান্দি আস-সাগির মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন আল-হারিস আল-আজদি, আবু বকর আল-ওয়াসিতি (মৃত ৩১২ হিজরি)

সম্পাদক: খালিদ বিন মুহাম্মদ বিন সাইদ বাসমিহ

প্রকাশক: দারুত তাওহিদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৮ হিজরি - ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭৪

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: -)
الجزء فيه الأول

مما رواه الأكابر عن الأصاغر

من المحدثين من الأفراد

 

جمع

الحافظ أبي بكر محمد بن محمد بن سليمان الباغندي

(312 هـ)

 

رواية

الحافظ أبي الحسين محمد بن المظفر الحافظ عنه

 

دراسة وتحقيق الدكتور

خالد بن محمد بن سعيد باسمح

الأستاذ المساعد بقسم السنة وعلومها - كلية أصول الدين - جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية

 

دار التوحيد

 

الطبعة الأولى

1428 هـ - 2007 م
এতে প্রথম অংশ রয়েছে

বড়দের থেকে ছোটদের মাধ্যমে যা বর্ণিত হয়েছে

একক মুহাদ্দিসগণের নিকট থেকে

 

সংকলনে

হাফিজ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগন্দি

(৩১২ হিজরি)

 

বর্ণনায়

তাঁর থেকে হাফিজ আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফ্ফর আল-হাফিজ

 

গবেষণা ও সম্পাদনায় ডক্টর

খালিদ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ বাসামাহ

সহকারী অধ্যাপক, সুন্নাহ ও এর উলুম বিভাগ - উসুল আদ-দীন অনুষদ - ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়

 

দারুত তাওহীদ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৮ হিজরি - ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ৮৭)
‌‌الجزء فيه الأول مما رواه الأكابر عن الأصاغر من المحدثين من الأفراد

جمع أبي بكر محمد بن محمد بن سليمان الباغندي

رواية أبي الحسين محمد بن المظفر الحافظ عنه

رواية أبي الفرج عبد الوهاب بن برهان الغزال عنه

رواية الفقيه أبي الفتح نصر بن إبراهيم المقدسي عنه

رواية أبي المفضل محمد بن محمد بن [المسلم] بن هلال الأزدي عنه

رواية أبي علي الحسن بن حفاظ الغساني عنه
মুহাদ্দিসগণের একক বর্ণনাসমূহের মধ্য হতে বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের থেকে বর্ণিত হাদিসসমূহের প্রথম খণ্ড

আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগিন্দির সংকলন

তাঁর থেকে হাফেজ আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুজাফফরের বর্ণনা

তাঁর থেকে আবু আল-ফারাজ আব্দুল ওয়াহাব ইবনে বুরহান আল-গাজ্জালের বর্ণনা

তাঁর থেকে ফকিহ আবু আল-ফাতহ নাসর ইবনে ইব্রাহিম আল-মাকদিসির বর্ণনা

তাঁর থেকে আবু আল-মুফাদদাল মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে [আল-মুসলিম] ইবনে হিলাল আল-আজদির বর্ণনা

তাঁর থেকে আবু আলি হাসান ইবনে হাফফাজ আল-গাসানির বর্ণনা
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ৮৯)
بسم الله الرحمن الرحيم

رب أعن بلطفك يا كريم

أخبرنا جدي الشيخ [الحافظ] أبو المكارم عبد الواحد بن محمد بن المسلم بن هلال شفاهاً وإذناً غير مرة، عن الفقيه أبي الفتح المقدسي (ح) ،

ثم قرأت على الشيخ أبي علي الحسن بن حفاظ بن الحسن بن الحسين بن محمد الغساني الناسخ الشروطي -أثابه الله- في يوم الخميس تاسع عشر من شوال من سنة خمس وستين وخمس مئة بباب الجامع الشرقي، قلت له: أخبركم الشيخ أبو المفضل محمد بن محمد بن المسلم بن هلال الأزدي قراءة عليه وأنتم تسمعون في مسجد شعبان بسفح جبل قاسيون في سابع عشرين من شهر
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে মহানুভব প্রতিপালক, আপনার অনুগ্রহে সাহায্য করুন।

আমাদের নিকট আমার দাদা শেখ [হাফেজ] আবুল মাকারিম আবদুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুসলিম বিন হিলাল মৌখিকভাবে এবং একাধিকবার অনুমতিক্রমে বর্ণনা করেছেন ফকিহ আবুল ফাতহ আল-মাকদিসি থেকে (হা),

অত:পর আমি শেখ আবু আলী হাসান বিন হাফফায বিন হাসান বিন হুসাইন বিন মুহাম্মাদ আল-গাসসানী আন-নাসিখ আশ-শুরুতি—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন—এর নিকট পাঠ করেছি বৃহস্পতিবার দিন, পাঁচশত পঁয়ষট্টি হিজরির শাওয়াল মাসের উনিশ তারিখে পূর্ব জামে মসজিদের দরজার নিকট; আমি তাঁকে বললাম: শেখ আবুল মুফাদ্দাল মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুসলিম বিন হিলাল আল-আজদী আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পঠিত অবস্থায় এবং আপনি তা শ্রবণ করছিলেন শাবান মসজিদে কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে মাসের সাতাশ তারিখে—
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ৯০)
ربيع الأول سنة ست وعشرين وخمس مئة فأقر به قال: نا الفقيه أبو الفتح نصر بن إبراهيم بن نصر الزاهد المقدسي سماعاً من لفظه في ذي القعدة سنة تسع وثمانين وأربع مئة قال: أنا أبو الفرج عبد الوهاب بن الحسين بن برهان الغزال قال: أنا أبو الحسين محمد بن المظفر بن موسى الحافظ قال: أنا أبو بكر محمد ابن محمد بن سليمان الباغندي قراءة عليه فأقر به سنة سبع وثلاث مئة قال:

1- نا سويد بن سعيد الحدثاني قال: نا مالك بن أنس، عن ابن شهاب، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عبد الله ⦗ص: 91⦘ بن الحارث بن نوفل، عن عبد الله بن عباس رضي الله عنهما: أن عمر رضي الله عنه خرج إلى الشام حتى إذا كان بسرغ لقيه أمراء الأجناد أبو عبيدة ابن الجراح رضي الله عنه وأصحابه فأخبروه أن الوباء قد وقع بالشام فقال ابن عباس رضي الله عنهما: قال عمر رضي الله عنه: ادع لي المهاجرين الأولين، فدعاهم فاستشارهم وأخبرهم أن الوباء قد وقع بالشام فاختلفوا عليه، فقال بعضهم: قد خرجت لأمرٍ ولا نرى أن ترجع عنه، وقال بعضهم: معك بقية الناس وأصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا نرى أن تقدمهم على هذا الوباء، فقال عمر رضي الله عنه: ارتفعوا عني، ثم قال: ادع لي الأنصار، فدعوتهم له فاستشارهم فسلكوا سبيل المهاجرين واختلفوا اختلافهم، فقال رضي الله عنه: ارتفعوا عني، ثم قال: ادع لي من كان هاهنا من مشيخة قريش من مهاجرة الفتح وغيرهم، فدعوتهم فلم يختلف عليه منهم ⦗ص: 92⦘ رجلان، فقالوا: نرى أن ترجع بالناس ولا تقدمهم على هذا الوباء،

فنادى عمر رضي الله عنه في الناس: إني مصبحٌ على ظهرٍ فأصبحوا عليه، فقال أبو عبيدة رضي الله عنه: أفراراً من قدر الله؟ فقال عمر رضي الله عنه: لو غيرك قالها يا أبا عبيدة -وكان عمر رضي الله عنه يكره خلافه- قال: نعم، [نفر] من قدر الله إلى قدر الله، أرأيت لو كان لك إبل فهبطت وادياً له عدوتان إحداهما خصبةٌ، [والأخرى] جدبةٌ؛ أليس إن [رعيت] الخصبة رعيتها بقدر الله، وإن رعيت الجدبة رعيتها بقدر الله،

فجاء عبد الرحمن بن عوف رضي الله عنه وكان متغيباً في بعض حاجاته فقال: إن عندي من هذا [علماً] ، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ((إذا سمعتم به بأرض فلا تقدموا عليه، وإذا وقع بأرض وأنتم فيها فلا تخرجوا [فراراً] منه)) ، فحمد الله عمر رضي الله عنه ثم انصرف.
৫২৬ হিজরী সনের রবিউল আউয়াল মাসে তিনি এটি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন: ফকীহ আবুল ফাতহ নাসর ইবনে ইবরাহীম ইবনে নাসর আল-জাহিদ আল-মাকদিসী তাঁর নিজ মুখে পাঠ করে আমাকে শুনিয়েছেন ৪৮৯ হিজরী সনের জিলকদ মাসে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল ফারাজ আব্দুল ওয়াহহাব ইবনুল হুসাইন ইবনে বুরহান আল-গাজ্জাল। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফফর ইবনে মুসা আল-হাফিয। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগান্দী তাঁর নিকট পাঠকালে, আর তিনি তা স্বীকার করে নিয়েছেন ৩০৭ হিজরী সনে। তিনি বলেন:

১- আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আল-হাদাসানী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন মালিক ইবনে আনাস, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আব্দুল হামীদ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ৯১⦘ ইবনুল হারিস ইবনে নাওফাল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন: উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) শামের উদ্দেশ্যে বের হলেন। যখন তিনি 'সারগ' নামক স্থানে পৌঁছালেন, তখন তাঁর সাথে সেনাপতিদের সাক্ষাৎ হলো—আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এবং তাঁর সাথীবৃন্দ। তাঁরা তাঁকে সংবাদ দিলেন যে, শামে মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে। ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন: উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, "আমার নিকট প্রথম পর্যায়ের মুহাজিরদের ডাকো।" আমি তাঁদের ডাকলাম, তিনি তাঁদের সাথে পরামর্শ করলেন এবং তাঁদের জানালেন যে শামে মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁরা মতবিরোধ করলেন। তাঁদের কেউ কেউ বললেন, "আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে বের হয়েছেন, আমরা মনে করি না যে আপনার তা থেকে ফিরে যাওয়া উচিত।" আবার কেউ কেউ বললেন, "আপনার সাথে অবশিষ্ট মানুষ এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ রয়েছেন, আমরা মনে করি না যে আপনি তাঁদের এই মহামারির মুখে ঠেলে দেবেন।" উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, "আপনারা আমার নিকট থেকে চলে যান।" এরপর তিনি বললেন, "আনসারদের আমার কাছে ডাকো।" আমি তাঁদের ডাকলাম, তিনি তাঁদের নিকট পরামর্শ চাইলেন। তাঁরা মুহাজিরদের পথই অনুসরণ করলেন এবং তাঁদের মতোই মতবিরোধ করলেন। তিনি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, "আপনারা আমার নিকট থেকে চলে যান।" এরপর তিনি বললেন, "মক্কা বিজয়ের সময় হিজরতকারী কুরাইশের প্রবীণদের মধ্য থেকে যাঁরা এখানে আছেন, তাঁদের আমার নিকট ডাকো।" আমি তাঁদের ডাকলাম। তাঁদের মধ্যকার ⦗পৃষ্ঠা: ৯২⦘ দুইজন লোকও এ বিষয়ে মতবিরোধ করলেন না। তাঁরা বললেন, "আমরা মনে করি আপনি মানুষকে নিয়ে ফিরে যান এবং তাঁদের এই মহামারির মুখে ঠেলে দেবেন না।"

অতঃপর উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) মানুষের মাঝে ঘোষণা দিলেন: "আমি ভোরে সওয়ারীতে চড়ে (মদিনার পথে) রওয়ানা হব, সুতরাং তোমরাও ভোরে রওয়ানা হও।" তখন আবু উবাইদাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, "আল্লাহর তাকদীর থেকে পলায়ন করার জন্য কি?" উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, "হে আবু উবাইদাহ! তুমি ছাড়া অন্য কেউ যদি এ কথা বলত! —আর উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর বিরোধিতা করা অপছন্দ করতেন— উমর বললেন: হ্যাঁ, [আমরা পলায়ন করছি] আল্লাহর তাকদীর থেকে আল্লাহরই তাকদীরের দিকে। তোমার কী মনে হয়, যদি তোমার কিছু উট থাকে এবং তুমি সেগুলোকে নিয়ে এমন এক উপত্যকায় অবতরণ করো যার দুটি ঢাল আছে; একটি তৃণশ্যামল উর্বর এবং [অন্যটি] শুষ্ক অনুর্বর। বিষয়টি কি এমন নয় যে, তুমি যদি [উটগুলোকে] উর্বর ভূমিতে চরাও, তবে তা আল্লাহর তাকদীর অনুযায়ীই চরাবে; আর যদি অনুর্বর ভূমিতে চরাও, তবে তাও আল্লাহর তাকদীর অনুযায়ীই চরাবে?"

অতঃপর আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আসলেন—তিনি তাঁর কোনো প্রয়োজনে অনুপস্থিত ছিলেন—তিনি বললেন, "এ বিষয়ে আমার নিকট [জ্ঞান] আছে। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: ((যখন তোমরা কোনো ভূমিতে মহামারি ছড়িয়ে পড়ার সংবাদ শুনবে, তখন সেখানে প্রবেশ করবে না। আর যদি কোনো ভূমিতে মহামারি দেখা দেয় এবং তোমরা সেখানে অবস্থান করো, তবে তা থেকে [পলায়নের] উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যেও না।))" অতঃপর উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং ফিরে গেলেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ৯৪)
2- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا أبو بكر: نا أبو موسى -يعني: إسحاق بن موسى الأنصاري- نا معن ابن عيسى، نا ملك (ح) ،

⦗ص: 95⦘

3- قال: ونا أبو الطاهر، وأبو خالد يزيد بن سنان قالا: نا عبد الله بن وهب قال: أخبرني مالك، ويونس بن يزيد، عن ابن شهاب قال: أخبرني عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب، أن عبد الله بن الحارث بن نوفل أخبره: أن عبد الله بن عباس رضي الله عنهما أخبره: أنه كان مع عمر بن الخطاب رضي الله عنه فذكر الحديث بطوله، وزاد فيه [كلاماً كثيراً] ، وذكر عبد الرحمن بن عوف رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله.
২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসা -অর্থাৎ: ইসহাক বিন মুসা আল-আনসারি- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'ন ইবনে ঈসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক (হা),

⦗পৃষ্ঠা: ৯৫⦘

৩- তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহির ও আবু খালিদ ইয়াজিদ বিন সিনান, তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মালিক এবং ইউনুস বিন ইয়াজিদ, ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবদুল হামিদ বিন আবদুর রহমান বিন জাইদ বিন আল-খাত্তাব যে, আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন নাওফাল তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন: যে আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন: তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর সাথে ছিলেন, এরপর তিনি হাদীসটি দীর্ঘভাবে উল্লেখ করেন এবং তাতে [অনেক কথা] বৃদ্ধি করেন, আর আবদুর রহমান বিন আউফ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ৯৬)
4- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: نا علي بن عبد الله النسائي، نا عبد الرزاق بن همام، أنا معمر، عن الزهري، عن هند بنت الحارث -قال الزهري: وكان لها أزرار في كمها- عن أم سلمة رضي الله عنها قالت: استيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة وهو يقول: (لا إله إلا الله؛ ما فتح الليلة من الخزائن؟! لا إله إلا الله؛ ما أنزل الليلة من الفتنة؟! من يوقظ صواحب الحجرة؟ يا رب ⦗ص: 97⦘ كاسية في الدنيا عارية في الآخرة) .

⦗ص: 98⦘ قال عبد الرزاق: ((قال ابن عيينة: سمعت حديث هند بنت الحارث عن الزهري من عمرو بن دينار، ⦗ص: 100⦘ ويحيى بن سعيد، ومعمر، ومالك بن أنس)) .
৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী বিন আব্দুল্লাহ আন-নাসায়ী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক বিন হাম্মাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, যুহরী থেকে, হিন্দ বিনতে হারিস থেকে—যুহরী বলেন: তার জামার হাতায় বোতাম ছিল—উম্মে সালামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক রাতে জাগ্রত হলেন এবং বলছিলেন: (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; আজ রাতে কতই না ধনভাণ্ডার উন্মুক্ত করা হয়েছে?! আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; আজ রাতে কতই না ফিতনা অবতীর্ণ করা হয়েছে?! কামরাগুলোর অধিবাসিনীদের কে জাগিয়ে দেবে? হে রব! ⦗পৃ: ৯৭⦘ দুনিয়াতে বস্ত্র পরিহিত অনেক নারীই আখিরাতে উলঙ্গ হবে)।

⦗পৃ: ৯৮⦘ আব্দুর রাজ্জাক বলেন: ((ইবনে উয়াইনাহ বলেছেন: আমি হিন্দ বিনতে হারিসের হাদীস যুহরীর মাধ্যমে আমর বিন দীনার, ⦗পৃ: ১০০⦘ ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, মা'মার এবং মালিক বিন আনাস থেকে শুনেছি))।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১০১)
5- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: نا إبراهيم بن إسماعيل الغزي، نا مؤمل بن إسماعيل، نا حماد بن سلمة، نا يحيى بن سعيد، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن معمر بن نضلة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (لا يحتكر إلا خاطئ) .
৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবন ইসমাঈল আল-গাজ্জী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআম্মাল ইবন ইসমাঈল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন সালামাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ, যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি মা'মার ইবন নাদলাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (পাপিষ্ঠ ছাড়া কেউ মজুদদারি করে না)।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১০৪)
6- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: نا إسحاق بن إبراهيم، وعمرو بن محمد بن يحيى العثماني قالا: ⦗ص: 105⦘ نا ابن أبي أويس ⦗ص: 108⦘ قال: حدثني أخي، عن سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن ابن شهاب، عن جعفر بن عمرو بن أمية، عن أخيه: أنا أباه رضي الله عنه ⦗ص: 109⦘ أخبره: أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم يحتز من كتف شاة في يده فأكل منها فدعي إلى الصلاة فقام فصلى ولم يتوضأ.
৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইবরাহিম এবং আমর বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-উসমানি; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১০৫⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবি উওয়াইস ⦗পৃষ্ঠা: ১০৮⦘ তিনি বলেন: আমার ভাই আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন বিলাল থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাইদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি জাফর বিন আমর বিন উমাইয়া থেকে, তিনি তাঁর ভাই থেকে; তিনি তাঁর পিতা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, ⦗পৃষ্ঠা: ১০৯⦘ তিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন: তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাঁর হাতে থাকা বকরির কাঁধের গোশত থেকে কেটে নিতে দেখেছেন এবং তিনি তা থেকে আহার করেছেন। অতঃপর তাঁকে সালাতের জন্য ডাকা হলো, তখন তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন এবং নতুন করে অজু করলেন না।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১১২)
7- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: حدثني عمرو بن محمد بن يحيى العثماني، نا ابن أبي أويس قال: حدثني أخي، عن سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن ابن شهاب قال: حدثني أبو بكر بن عبيد الله بن عبد الله بن عمر، عن عبد الله بن ⦗ص: 113⦘ عمر رضي الله عنه: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (لا يأكل أحدكم بشماله، ولا يشرب بشماله، فإن الشيطان يأكل بشماله، ويشرب بشماله) .
৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-উসমানি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি উওয়াইস, তিনি বলেন: আমার ভাই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনে বিলাল হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ হতে, তিনি ইবনে শিহাব হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর, আব্দুল্লাহ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১১৩⦘ উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (তোমাদের কেউ যেন বাম হাত দিয়ে আহার না করে এবং বাম হাত দিয়ে পান না করে; কেননা শয়তান বাম হাত দিয়ে আহার করে এবং বাম হাত দিয়ে পান করে)।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১১৬)
8- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: حدثني عبد الله بن شبيب بن خالد قال: حدثني أيوب بن سليمان ⦗ص: 117⦘ قال: حدثني أبو بكر يعني: ابن أبي أويس، عن سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن الزهري، عن عبد الله بن عامر، عن أبيه رضي الله عنه: أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم يصلي على راحلته.
৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে শাবিব ইবনে খালিদ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব ইবনে সুলাইমান ⦗পৃষ্ঠা: ১১৭⦘ তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর, অর্থাৎ ইবনে আবি উওয়াইস, তিনি সুলাইমান ইবনে বিলাল থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমির থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর সওয়ারির ওপর সালাত আদায় করতে দেখেছেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১১৮)
9- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: نا عبد الأعلى بن حماد النرسي، نا المعتمر بن سليمان ⦗ص: 119⦘ قال: سمعت أبي يحدث عن صاحب له وهو: الحضرمي، ⦗ص: 120⦘ عن أبي السوار يحدث به عن جندب بن عبد الله رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث رهطاً فبعث عليهم [أبا عبيدة] بن الجراح فلما أخذ ينطلق بكى ⦗ص: 121⦘ صبابة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث عليهم رجلاً مكانه يقال له: عبد الله بن جحش فكتب له كتاباً.
৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল আ'লা ইবনে হাম্মাদ আন-নারসি, আমাদের বর্ণনা করেছেন মু'তামির ইবনে সুলাইমান ⦗পৃষ্ঠা: ১১৯⦘ তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে তাঁর এক সাথী থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, আর তিনি হলেন: আল-হাদরামি, ⦗পৃষ্ঠা: ১২০⦘ আবুস সাওয়ার থেকে, তিনি এটি বর্ণনা করেন জুনদুব ইবনে আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে: যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি দল পাঠালেন এবং তাদের ওপর [আবু উবাইদাহ] ইবনুল জাররাহকে নিযুক্ত করলেন। অতঃপর তিনি যখন রওনা হতে শুরু করলেন, তখন তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ১২১⦘ আল্লাহর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি গভীর অনুরাগের কারণে কেঁদে ফেললেন। ফলে তিনি তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আবদুল্লাহ ইবনে জাহশ নামক এক ব্যক্তিকে তাদের ওপর নিযুক্ত করে পাঠালেন এবং তাকে একটি পত্র লিখে দিলেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১২২)
10- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: نا أحمد بن المقدام، نا يزيد بن زريع، نا سعيد بن ⦗ص: 123⦘ أبي عروبة، عن قتادة، عن عزرة، عن سعيد بن عبد الرحمن بن أبزى، عن أبيه رضي الله عنه، عن عمار بن ياسر رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمره في ⦗ص: 124⦘ التيمم بالوجه والكفين.
১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আল-মিকদাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন যুরাই, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন ⦗পৃষ্ঠা: ১২৩⦘ আবি আরুবাহ, কাতাদাহ থেকে, আযরাহ থেকে, সাঈদ বিন আবদুর রহমান বিন আবযা থেকে, তাঁর পিতা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, আম্মার বিন ইয়াসির (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত: যে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর দরুদ ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তাঁকে ⦗পৃষ্ঠা: ১২৪⦘ তায়াম্মুমের ক্ষেত্রে মুখমণ্ডল ও উভয় হাতের কবজি মাসহ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১২৪)
11- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: نا أبو بكر، وعثمان، وغير واحد قالوا: نا إسماعيل بن ⦗ص: 125⦘ إبراهيم، نا سعيد مثله.
১১- আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু বকর, উসমান এবং আরও অনেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: ইসমাইল ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১২৫⦘ ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদও এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১২৭)
12، 13- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: نا العباس بن يزيد، نا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، نا ⦗ص: 128⦘ قرة، عن بديل بن ميسرة، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن أبي مالك الأشعري رضي الله عنه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديثٍ

حدثنا أحمد بن المقدام، نا يزيد، نا سعيد، عن قتادة، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن أبي مالك رضي الله عنه أنه قال: اجتمعوا حتى أصلي بكم صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فاجتمعوا، فقال: هل فيكم أحد ليس منكم؟ قالوا: لا؛ إلا ابن أخت لنا قال رضي الله عنه: ذلك من القوم، قال: فدعا بجفنة فيها ماء وتوضأ وهم شهود، فمضمض واستنشق وغسل وجهه ثلاثاً، وذراعيه ثلاثاً، ومسح برأسه وظهر قدميه، وصلى بهم الظهر، فكبر ⦗ص: 129⦘ فيها ثنتين وعشرين تكبيرة، يكبر إذا سجد، وإذا رفع رأسه، وقرأ بهم في الركعتين الأوليين بفاتحة الكتاب وأسمع من يليه، وزاد بديلٌ في حديثه: وسلم عن يمينه وعن شماله.
১২, ১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্বাস ইবনে ইয়াযীদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল আ'লা ইবনে আবদুল আ'লা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১২৮⦘ কুররাহ, তিনি বদীল ইবনে মায়সারা থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে গানম থেকে, তিনি আবু মালিক আল-আশআরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরুপ একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন।

আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ ইবনুল মিকদাম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াযীদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে গানম থেকে, তিনি আবু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বললেন: তোমরা একত্রিত হও যাতে আমি তোমাদের নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নামাযের মতো নামায আদায় করতে পারি। অতঃপর তারা একত্রিত হলেন। তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে যে তোমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়? তারা বললেন: না; আমাদের এক ভাগ্নে ছাড়া। তিনি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: সে তো এই দলেরই অন্তর্ভুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি পানিভর্তি একটি বড় পাত্র আনালেন এবং তাদের উপস্থিতিতে ওযু করলেন। তিনি কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন, তিনবার তাঁর মুখমণ্ডল ধৌত করলেন, তিনবার তাঁর দুই হাত (বাহু) ধৌত করলেন এবং তাঁর মাথা ও দুই পায়ের উপরিভাগ মাসেহ করলেন। এরপর তিনি তাদের নিয়ে যোহরের নামায পড়লেন। তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ১২৯⦘ এতে বাইশটি তাকবীর দিলেন; তিনি যখন সিজদাহ করতেন এবং যখন তাঁর মাথা তুলতেন তখন তাকবীর দিতেন। তিনি প্রথম দুই রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করলেন এবং যারা তাঁর নিকটে ছিল তাদের শোনালেন। বদীল তাঁর বর্ণিত হাদীসে আরও বৃদ্ধি করেছেন: তিনি তাঁর ডান দিকে ও বাম দিকে সালাম ফিরিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১৩২)
14- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: أنا أحمد بن المقدام، نا يزيد بن زريع، نا حبيب بن الشهيد، عن ⦗ص: 134⦘ قيس بن سعد، عن عطاء بن أبي رباح قال: قال ابن عباس رضي الله عنهما: ألا يتقي الله زيد بن ثابت، لإن شاء باهلته عند الحجر؛ أيجعل ولد الولد بمنزلته إذا لم يكن دونه ولد، ولا يجعل الجد بمنزلة الوالد؟!
১৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মিকদাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে জুরাই‘, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবিব ইবনে শাহীদ, ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৪⦘ কায়েস ইবনে সাদ থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন: জায়েদ ইবনে সাবিত কি আল্লাহকে ভয় করবেন না? তিনি চাইলে আমি হাজরে আসওয়াদের নিকট তাঁর সাথে মুবাহালা করতে পারি; তিনি কি নাতিকে (পুত্রের পুত্রকে) পুত্রের স্থলাভিষিক্ত করেন যখন কোনো পুত্র থাকে না, অথচ দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেন না?!
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১৩৭)
15- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: نا أبو بكر بن أبي شيبة، نا عبدة (ح) ،

16- قال: وأنا محمد قال: وثنا عثمان يعني ابن أبي شيبة قال: نا وكيع، عن سفيان الثوري، عن مخول (ح) ،

⦗ص: 138⦘

17- قال: وأنا محمد قال: نا ابن أبي الشوارب قال: نا أبو عوانة، نا مخول (ح) ،

18- قال: وأنا محمد قال: نا علي بن مسلم قال: نا يحيى بن يعلى، نا زائدة، ⦗ص: 139⦘ أنا مغيرة، عن مخول، [عن مسلم البطين] ، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضي الله عنهما: أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في صلاة الفجر يوم الجمعة بـ: {ألم. تنزيل} السجدة، و {هل أتى على الإنسان حينٌ من الدهر} ، زاد أبو بكر في حديثه: وإن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في [صلاة] الجمعة بسورة الجمعة والمنافقين.
১৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদাহ (পরিবর্তন),

১৬- তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান অর্থাৎ ইবনে আবি শায়বাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ওয়াকি, তিনি সুফিয়ান সাওরি থেকে, তিনি মাখুল থেকে (পরিবর্তন),

⦗পৃষ্ঠা: ১৩৮⦘

১৭- তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে আবিশ শাওয়ারিব, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মাখুল (পরিবর্তন),

১৮- তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুসলিম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইয়ালা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যায়িদাহ, ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৯⦘ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুগিরাহ, তিনি মাখুল থেকে, [তিনি মুসলিম আল-বাতিন থেকে], তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার দিন ফজরের সালাতে ‘আলিফ-লাম-মীম তানযীল’ (সূরা আস-সাজদাহ) এবং ‘হাল আতা ‘আলাল ইনসানি হীনুম মিনাদ দাহর’ (সূরা আল-ইনসান) পাঠ করতেন। আবু বকর তাঁর বর্ণিত হাদিসে আরও বর্ধিত করেছেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার [সালাতে] সূরা আল-জুমুআ এবং সূরা আল-মুনাফিকুন পাঠ করতেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১৪৫)
19- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: حدثني محمد بن سفيان بن أبي الزرد الأبلي، نا سعيد بن واصل أبو عمرو الحرشي، نا وهيب بن خالد، عن أيوب السختياني، عن ⦗ص: 146⦘ شعبة، عن أبي إسحاق، عن عبد الله بن [أبي بصير] ، عن أبي بن ⦗ص: 147⦘ كعب رضي الله عنه قال: صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الصبح فقال صلى الله عليه وسلم: (أشاهدٌ فلان) ؟ فقالوا: لا، قال صلى الله عليه وسلم: (أشاهدٌ فلان) ؟ قالوا: لا، قال صلى الله عليه وسلم: (إن هاتين الصلاتين أثقل الصلوات على المنافقين، ولو يعلمون ما فيهما لأتوهما ولو حبواً، والصف المقدم على مثل صف الملائكة، ولو تعلمون فضيلته لابتدرتموه، وصلاة الرجل مع الرجل أفضل من صلاته وحده، وصلاة الرجل مع الرجلين أفضل من صلاته مع رجل، وما كان أكثر فهو أحب إلى الله عز وجل.

⦗ص: 148⦘ قال سعيد: ونا شعبة، عن أبي إسحاق مثله.
১৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে আবিল জারদ আল-উবুল্লি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে ওয়াসিল আবু আমর আল-হারাশি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উহাইব ইবনে খালিদ, আইয়ুব আল-সাখতিয়ানি থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৬⦘ শু'বা থেকে, আবু ইসহাক থেকে, আবদুল্লাহ ইবনে [আবু বাসির] থেকে, উবাই ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৭⦘ কাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায় করলেন, অতঃপর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: (অমুক কি উপস্থিত আছে?) তারা বললেন: না। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: (অমুক কি উপস্থিত আছে?) তারা বললেন: না। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: (নিশ্চয়ই এই দুই সালাত মুনাফিকদের নিকট সবচেয়ে ভারী সালাত। যদি তারা জানত এই দুই সালাতে কী (মর্যাদা) রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হতো। আর প্রথম কাতার হলো ফেরেশতাদের কাতারের ন্যায়; যদি তোমরা এর ফজিলত জানতে, তবে অবশ্যই তা লাভে প্রতিযোগিতা করতে। আর একজনের সাথে আরেকজনের সালাত একা সালাত আদায়ের চেয়ে উত্তম, এবং দুইজনের সাথে একজনের সালাত একজনের সাথে সালাত আদায়ের চেয়ে উত্তম। আর সংখ্যায় যা বেশি হবে, তা মহান আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।)

⦗পৃষ্ঠা: ১৪৮⦘ সাঈদ বলেন: আর আমাদের নিকট শু'বা বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে অনুরূপ।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১৫৯)
أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد: وذكر محمد حزابة المروزي، نا الأسود بن عامر، عن حماد بن ⦗ص: 160⦘ سلمة، عن أيوب، عن جرير بن حازم، عن الحسن، عن عمرو بن تغلب رضي الله عنه قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: (لا تقوم الساعة حتى تقاتلوا قوماً عراض الوجوه كأن وجوههم المجان المطرقة، ولا تقوم الساعة حتى تقاتلوا قوماً ينتعلون الشعر) .

20- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد بن محمد بن سليمان: ناه عبد الله بن سليمان، نا محمد بن حزابة ⦗ص: 161⦘ فذكر بإسناده.
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ: এবং মুহাম্মদ হুযাবাহ আল-মারওয়াযী উল্লেখ করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আসওয়াদ ইবনে আমির, হাম্মাদ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১৬০⦘ সালামাহ থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি জারীর ইবনে হাযিম থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আমর ইবনে তাগলিব রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে যাদের মুখমণ্ডল প্রশস্ত, যেন তাদের মুখমণ্ডল পিটানো চামড়ার ঢাল। আর কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে যারা পশমের জুতো পরিধান করে)।

২০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হুযাবাহ ⦗পৃষ্ঠা: ১৬১⦘ অতঃপর তিনি তাঁর সনদসহ এটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১৬২)
21- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد بن محمد بن سليمان: نا الربيع يعني: ابن سليمان، نا النضر يعني: ابن عبد الجبار، ⦗ص: 163⦘ نا ابن لهيعة، ⦗ص: 166⦘ عن بكير، عن سليمان بن يسار، عن ابن خباب، عن أبي سعيد رضي الله عنه قال: وجد رسول الله صلى الله عليه وسلم ريح البصل فقال صلى الله عليه وسلم: (من أكل من هذه ⦗ص: 167⦘ الشجرة فلا يقربنا) .
২১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলায়মান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রাবী অর্থাৎ ইবনে সুলায়মান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নাদর অর্থাৎ ইবনে আব্দুল জাব্বার, ⦗পৃষ্ঠা: ১৬৩⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে লাহিয়াহ, ⦗পৃষ্ঠা: ১৬৬⦘ বুকায়র হতে, তিনি সুলায়মান বিন ইয়াসার হতে, তিনি ইবনে খাব্বাব হতে, তিনি আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিঁয়াজের গন্ধ পেলেন। অতঃপর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: (যে ব্যক্তি এই ⦗পৃষ্ঠা: ১৬৭⦘ বৃক্ষ থেকে আহার করবে, সে যেন আমাদের নিকটবর্তী না হয়)।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১৬৮)
22- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد بن محمد: نا عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد قال: حدثني أبي ⦗ص: 169⦘ قال: حدثني [أبي] الليث بن سعد قال: حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن بكير بن عبد الله بن الأشج، عن نايلٍ صاحب العباء، عن عبد الله بن عمر رضي الله عنه، عن صهيب رضي الله عنه: أنه سلم على النبي صلى الله عليه وسلم وهو يصلي؛ فرد صلى الله عليه وسلم عليه إشارة.
২২- আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আব্দুল মালিক বিন শুয়াইব বিন লাইস বিন সাদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা ⦗পৃষ্ঠা: ১৬৯⦘ বলেন: আমার নিকট [আমার পিতা] লাইস বিন সাদ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বুকাইর বিন আব্দুল্লাহ বিন আশাজ থেকে, তিনি চাদরওয়ালা নায়েল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন ওমর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, তিনি সুহাইব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন যে: তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম দিলেন এমতাবস্থায় যখন তিনি সালাত আদায় করছিলেন; অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশারার মাধ্যমে তাঁর উত্তর দিলেন।
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১৭২)
23- أخبرنا عبد الوهاب، أنا محمد، أنا محمد بن محمد: نا عبد الملك بن شعيب قال: حدثني أبي، قال: حدثني أبي الليث قال: حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن محمد بن إسحاق، عن العلاء بن عبد الرحمن مولى جهينة، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه: أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: (أزرة المؤمن إلى نصف الساق، فإن كان إلى الكعب فلا بأس، فما تحت الكعب ففي النار، لا ينظر الله إلى من يجر ثوبه من الخيلاء) .
২৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন শুআইব, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আল-লাইস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াযিদ বিন আবি হাবিব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি আলা বিন আব্দুর রহমান থেকে—যিনি জুহায়নার মুক্তদাস—তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে: তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: (মুমিনের তহবন্দ হবে নলার অর্ধেক পর্যন্ত, আর যদি তা গোড়ালি পর্যন্ত হয় তবে তাতে কোনো দোষ নেই; তবে যা গোড়ালির নিচে যাবে তা জাহান্নামে যাবে। আল্লাহ সেই ব্যক্তির দিকে তাকাবেন না যে দম্ভবশত তার কাপড় টেনে হেঁচড়ে নিয়ে চলে।)
(খণ্ড: ১) মা রাওয়াহুল আকাবিরু আনিল আসাগির লি-আবী বাকরিল বাগিনদী (পৃষ্ঠা: ১৭৪)
آخر الجزء الأول من جمع الباغندي رحمه الله.
আল-বাঘান্দি (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন)-এর সংকলনের প্রথম খণ্ডের সমাপ্তি।