(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: -)
مسند حديث مالك لإسماعيل القاضي القسم: كتب السنة
الكتاب: الجزء الخامس من مسند حديث مالك بن أنس
المؤلف: القاضي أبو إسحاق إسماعيل بن إسحاق بن إسماعيل بن حماد بن زيد الأزدي البصري ثم البغدادي المالكي الجهضمي (ت 282هـ)
برواية: محمد بن عبد الله بن الحسان بن أبي المنظور الأندلسي (337 هـ)
المحقق: ميكلوش موراني - جامعة بون / المانيا
الناشر: دار الغرب الإسلامي
الطبعة: الأولى 2002م
عدد الصفحات: 86
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইসমাঈল আল-কাদীর মুসনাদ হাদীসে মালিক বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মালিক বিন আনাসের মুসনাদ হাদীসের পঞ্চম খণ্ড
লেখক: আল-কাদী আবু ইসহাক ইসমাঈল বিন ইসহাক বিন ইসমাঈল বিন হাম্মাদ বিন যায়েদ আল-আযদী আল-বসরী অতঃপর আল-বাগদাদী আল-মালিকী আল-জাহদামী (মৃত্যু ২৮২ হিজরী)
বর্ণনায়: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসসান বিন আবি আল-মানযুর আল-আন্দালুসী (৩৩৭ হিজরী)
সম্পাদক: মিকলোশ মুরানি - বন বিশ্ববিদ্যালয় / জার্মানি
প্রকাশক: দার আল-গারব আল-ইসলামী
সংস্করণ: প্রথম ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৬
[কিতাবটির বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খোদরী (অনুলিখন) ، এবং ইয়া বাগীয়াল খাইর আকবিল (পাঠ যাচাই)
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٣)
الجزء الخامس [من] مسند مالكابن أنس المدني [
… ...] عن رسول الله
صلى الله عليه وسلم من تأليف إسماعيل بن
إسحاق بن إسماعيل بن حـ[مّاد] بن زيد [الجهضـ]ـمي
[.......................................................]
[........................................................]
لعبد الله بن إسحاق الفقيه
মুসনাদ মালিকের [থেকে] পঞ্চম খণ্ডইবনে আনাস আল-মাদানি [
… ...] আল্লাহর রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, ইসমাইল বিন
ইসহাক বিন ইসমাইল বিন হাম্মাদ বিন যায়েদ আল-জাহদামি-এর রচনা
[.......................................................]
[........................................................]
ফকিহ আবদুল্লাহ বিন ইসহাকের জন্য
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٤)
حديث هشام بن عروة بن الزبير[حدثنا محمد بن أبي المنظور قال: حدثنا إسماعيل بن إسحاق قال:
1- حدثنا إسماعيل بن أبي أويس قال حدثنا مالك بن أنس عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي عليه السلام] أنها قالت: [لما اشتكى رسول] الله صلى الله عليه وسلم [ذكرت بعض نسائه كنيسة] رأينها بأرض [الحبشة يقال] لها مارية وكانت [أم سلمة وأم حبيبة أتتا أرض] الحبشة فذكرتا من حسنها وتصاوير فيها فرفع رسول [الله صلى الله عليه] وسلم رأسه فقال: أولئك إذا مات منهم الرجل الصالح بنوا على قبره مسجدا صوروا فيه تلك الصور أولئك شرار الخلق عند الله.
হিশাম ইবনে উরওয়াহ ইবনে যুবাইর বর্ণিত হাদিস[মুহাম্মাদ ইবনে আবিল মানযুর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে ইসহাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
১- ইসমাঈল ইবনে আবি উওয়াইস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী আলাইহিস সালামের স্ত্রী আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন] যে, তিনি বলেন: [যখন আল্লাহর রাসূল] সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [অসুস্থ হলেন, তখন তাঁর কোনো কোনো স্ত্রী একটি গির্জার কথা উল্লেখ করলেন] যা তাঁরা [আবিসিনিয়া] ভূমিতে [দেখেছিলেন, যাকে বলা হতো] মারিয়া। [উম্মে সালামাহ এবং উম্মে হাবিবা আবিসিনিয়া] ভূমিতে [গিয়েছিলেন]। তাঁরা সেটির সৌন্দর্য এবং তাতে থাকা চিত্রকর্মগুলোর কথা উল্লেখ করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি] ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা তুললেন এবং বললেন: তারা এমন লোক যে, যখন তাদের মধ্যে কোনো নেককার লোক মারা যেত, তখন তারা তার কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করত এবং তাতে ওইসব ছবি অঙ্কন করত। আল্লাহর নিকট তারা সৃষ্টির নিকৃষ্টতম।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٥)
2- حدثنا عبد الله عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الرقاب أيها أفضل فقال: أغلاها ثمنا وأنفسها عند أهلها.
২- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাস মুক্ত করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, কোনটি সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "মূল্যে যা সবচেয়ে বেশি এবং তার মালিকের নিকট যা সবচেয়ে মূল্যবান।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٥)
3- حدثنا أبو مصعب عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ولم يذكر أبو مصعب في إسناده عائشة.
৩- আবু মুসাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিকের সূত্রে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবু মুসাব তাঁর সনদে আয়িশার কথা উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٥)
4- حدثنا ابن أبي أويس قال حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي عليه السلام أنها قالت: جاءت بريرة فقالت: إني كاتبت أهلي على تسع أواق في كل عام أوقية فأعينيني فقالت: عائشة إن أحب أهلك أن أعدها لهم عنك عددتها ويكون ⦗ص: 6⦘ ولاؤك لي فعلت فذهبت بريرة إلى أهلها فقالت لهم ذلك فأبوا عليها فجاءت من عند أهلها ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فقالت: إني قد عرضت عليهم ذلك فأبوا إلا أن يكون الولاء لهم فسمع ذلك رسول الله عليه السلام فسألها فأخبرت عائشة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: خذيها واشترطي لهم الولاء فإنما الولاء لمن أعتق ففعلت عائشة ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فحمد الله فأثنى عليه ثم قال: ما بال رجال يشترطون شروطا ليست في كتاب الله ما كان من شرط ليس في كتاب الله فهو باطل وإن كان مائة شرط قضاء الله أحق وشرط الله أوثق إنما الولاء لمن أعتق.
৪- আমাদের নিকট ইবনে আবী উওয়াইস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: বারীরাহ এলেন এবং বললেন: আমি আমার মালিকপক্ষের সাথে নয় উকিয়া রূপার বিনিময়ে মুক্তিচুক্তি করেছি, যেখানে প্রতি বছর এক উকিয়া করে প্রদান করতে হবে, সুতরাং আপনি আমাকে সাহায্য করুন। আয়েশা (রা.) বললেন: তোমার মালিকরা যদি পছন্দ করে যে আমি তাদের জন্য তোমার পক্ষ থেকে পুরো অর্থ একবারে গণনা করে দেব এবং ⦗পৃষ্ঠা: ৬⦘ তোমার 'ওয়ালা' (উত্তরাধিকারের অধিকার) আমার অনুকূলে থাকবে, তবে আমি তা করব। তখন বারীরাহ তার মালিকদের নিকট গেলেন এবং তাদের তা জানালেন, কিন্তু তারা তা অস্বীকার করল। এরপর তিনি তার মালিকদের কাছ থেকে ফিরে এলেন যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন। বারীরাহ বললেন: আমি তাদের কাছে বিষয়টি প্রস্তাব করেছিলাম, কিন্তু তারা 'ওয়ালা' তাদের অনুকূলে থাকা ছাড়া তা মানতে অস্বীকার করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনলেন এবং এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন আয়েশা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পুরো ঘটনা জানালেন। তিনি বললেন: তুমি তাকে গ্রহণ করো এবং তাদের জন্য 'ওয়ালা'র শর্ত মেনে নাও; কেননা 'ওয়ালা' তো তারই প্রাপ্য যে মুক্ত করে। আয়েশা (রা.) তাই করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের মাঝে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন, অতঃপর বললেন: মানুষের কী হলো যে তারা এমন সব শর্তারোপ করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই? যে শর্ত আল্লাহর কিতাবে নেই তা বাতিল, যদিও তা শত শর্ত হয়। আল্লাহর ফয়সালাই অধিক সত্য ও বাস্তবসম্মত এবং আল্লাহর শর্তই অধিক সুদৃঢ়। আর 'ওয়ালা' তো তারই প্রাপ্য যে মুক্ত করে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٦)
5- حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي عليه السلام أنها قالت: لما قدم رسول الله عليه السلام المدينة وعك أبو بكر وبلال قالت: فدخلت عليهما فقلت: ياأبت كيف تجدك ويابلال كيف تجدك قالت: فكان أبو بكر إذا أخذته الحمى
⦗ص: 7⦘ يقول:
كل امرىء مصبح في أهله
… والموت أدنى من شراك نعله
وكان بلال إذا أقلع عنه يرفع عقيرته فيقول:
ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة
… بواد وحولي إذخر وجليل
وهل أردن يوما مياه مجنة
… وهل يبدون لي شامة وطفيل
قالت عائشة: فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال: اللهم حبب إلينا المدينة كحبنا مكة وأشد وصححها وبارك لنا في صاعها ومدها وانقل حماها فاجعلها بالجحفة.
৫- আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামা আমাদের নিকট মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি নবী আলাইহিস সালামের স্ত্রী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: যখন রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম মদিনায় আসলেন তখন আবু বকর ও বিলাল জ্বরে আক্রান্ত হলেন। আয়েশা বলেন: আমি তাঁদের নিকট প্রবেশ করলাম এবং বললাম: হে আব্বাজান, আপনি কেমন অনুভব করছেন? এবং হে বিলাল, আপনি কেমন অনুভব করছেন? তিনি বলেন: আবু বকর যখন জ্বরে আক্রান্ত হতেন
⦗পৃষ্ঠা: ৭⦘ তখন বলতেন:
প্রত্যেক ব্যক্তি তার পরিবারের মাঝে সকাল যাপন করে
… অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতার চেয়েও নিকটবর্তী।
আর বিলাল যখন জ্বর থেকে উপশম পেতেন তখন উচ্চকণ্ঠে বলতেন:
হায়! আমি যদি জানতাম, আমি কি কোনো এক রাত কাটাতে পারব এমন এক উপত্যকায়
… যেখানে আমার চারপাশে ইযখির ও জালীল (সুগন্ধি ঘাস) থাকবে?
আর আমি কি কোনোদিন মাজান্নার ঝরনার পানিতে পৌঁছাতে পারব?
… আর শামা ও তাফীল (পাহাড়) কি আমার নিকট দৃশ্যমান হবে?
আয়েশা বলেন: এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে তাঁকে সংবাদ দিলাম। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নিকট মদিনাকে প্রিয় করে দিন যেমন আমরা মক্কাকে ভালোবাসি বরং তার চেয়েও বেশি; এর আবহাওয়াকে স্বাস্থ্যকর করে দিন এবং আমাদের জন্য এর সা’ ও মুদ-এ বরকত দান করুন; আর এর জ্বরকে স্থানান্তরিত করে জুহফাতে পাঠিয়ে দিন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٧)
6- حدثنا؟ به أبو مصعب عن مالك وزاد فيه قال مالك: قال يحيى بن سعيد: قالت عائشة: وكان عامر بن فهيرة يقول:
قد رأيت الموت قبل ذوقه إن الجبان حتفه من فوقه
৬- আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব, মালিক থেকে এবং তিনি এতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। মালিক বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বলেছেন: আয়েশা বলেছেন: এবং আমির ইবনে ফুহাইরা বলতেন:
আমি মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করার আগেই তা দেখেছি, নিশ্চয়ই ভীরু ব্যক্তির মৃত্যু তার উপর থেকেই আসে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٧)
7- حدثنا عبد الله عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة ⦗ص: 8⦘ أنها قالت كانت عندي امرأة من بني أسد فدخل النبي عليه السلام فقال: من هذه؟ فقلت له: هذه امرأة لا تنام الليل تذكر من صلاتها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: مه عليكم من الأعمال بما تطيقون فوالله لا يمل الله حتى تملوا.
৭- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট মালিক থেকে, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ⦗পৃষ্ঠা: ৮⦘ তিনি বলেন, বনু আসাদ গোত্রের এক মহিলা আমার নিকট বসা ছিলেন। এমতাবস্থায় নবী (আলাইহিস সালাম) প্রবেশ করলেন এবং বললেন: “ইনি কে?” আমি আরজ করলাম: “ইনি সেই মহিলা যিনি রাতে ঘুমান না, তাঁর সালাতের প্রশংসা করা হচ্ছিল।” তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: “থামো, তোমাদের কেবল সেই পরিমাণ আমলই করা উচিত যা করার সামর্থ্য তোমাদের রয়েছে। আল্লাহর কসম, আল্লাহ ক্লান্ত হন না যতক্ষণ না তোমরা নিজেরাই ক্লান্ত হয়ে পড়।”
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٨)
8- حدثنا عبد الله قال حدثنا مالك عن هشام بن عروة أو ابن شهاب عن عروة عن عائشة قالت: كنت أغتسل أنا ورسول الله عليه السلام من إناء قال: أحسبه واحد.
৮- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মালিক আমাদের নিকট হিশাম ইবনে উরওয়াহ অথবা ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এবং আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) একটি পাত্র থেকে গোসল করতাম। তিনি বলেন: আমি মনে করি সেটি একটিই ছিল।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٨)
9- وحدثنا أبو مصعب قال حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت: كنت أغتسل أنا ورسول الله من إناء واحد نغترف ⦗ص: 9⦘ فيه جميعا.
৯- এবং আমাদের নিকট আবু মুসআব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি এবং আল্লাহর রাসূল একই পাত্র থেকে গোসল করতাম, আমরা ⦗পৃষ্ঠা: ৯⦘ উভয়েই একত্রে তা থেকে পানি নিতাম।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٩)
10- حدثنا عبد الله قال حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة عن فاطمة بنت أبي حبيش قالت: يارسول الله إني لا أطهر أفأدع الصلاة؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إنما ذلك عرق وليس بالحيضة.
১০- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে, তিনি ফাতিমা বিনতে আবি হুবাইশ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো পবিত্র হই না, তবে কি আমি সালাত বর্জন করব? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তা কেবল একটি শিরার রক্ত, ঋতুস্রাব নয়।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٩)
11- حدثنا عبد الله عن مالك عن هشام بن عروة عن عروة عن عائشة زوج النبي عليه السلام أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا اغتسل من الجنابة بدأ بغسل يديه ثم توضأ كما يتوضأ للصلاة ثم يدخل أصابعه في الماء فيخلل أصول شعره ثم يصب على رأسه ثلاث غرف بيديه ثم يفيض الماء على جلده كله.
১১- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট মালিক হতে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ হতে, তিনি উরওয়াহ হতে এবং তিনি নবী আলাইহিস সালামের স্ত্রী আয়েশা হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে গোসল করতেন, তখন তিনি তাঁর দুই হাত ধৌত করার মাধ্যমে শুরু করতেন। অতঃপর তিনি সালাতের অযুর ন্যায় অযু করতেন। এরপর তিনি তাঁর আঙুলসমূহ পানির মধ্যে প্রবেশ করাতেন এবং তা দিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। অতঃপর তিনি তাঁর দুই হাত দিয়ে তিন আঁজলা পানি তাঁর মাথার ওপর ঢালতেন। এরপর তিনি তাঁর পুরো শরীরের ওপর পানি প্রবাহিত করতেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ٩)
12- حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن هشام بن عروة عن ⦗ص: 10⦘ أبيه عن عائشة أنها قالت: كنت أرجل رأس رسول الله عليه السلام وأنا حائض.
১২- আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ১০⦘ তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি ঋতুবতী অবস্থায় আল্লাহর রাসূল আলাইহিস সালামের মাথা আঁচড়ে দিতাম।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
13- حدثنا عبد الله عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت: قالت فاطمة بنت أبي حبيش لرسول الله عليه السلام: يارسول الله إني لا أطهر أفأدع الصلاة؟ قالت: فقال رسول الله عليه السلام: إنما ذلك عرق وليس بالحيضة فإذا أقبلت فاتركي الصلاة فإذا ذهب قدرها واغسلي الدم عنك وصلي.
১৩- আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: ফাতিমা বিনতে আবি হুবাইশ আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)-কে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো পবিত্র হতে পারছি না, আমি কি সালাত বর্জন করব? তিনি (আয়েশা) বলেন: তখন আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) বললেন: এটি তো কেবল একটি ধমনীর রক্ত এবং এটি ঋতুস্রাব নয়। সুতরাং যখন ঋতুস্রাবের সময় উপস্থিত হয় তখন সালাত বর্জন করো, আর যখন সেই সময় অতিবাহিত হয়ে যায়, তখন তোমার শরীর থেকে রক্ত ধুয়ে ফেলো এবং সালাত আদায় করো।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١١)
14- حدثنا عبد الله عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي عليه السلام أن الحارث بن هشام سأل رسول الله عليه السلام كيف يأتيك الوحي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحيانا يأتيني في مثل صلصلة الجرس وهو أشده علي فيفصم عني وقد وعيت ما قال وأحيانا يتمثل لي الملك رجلا فيكلمني فأعي ما يقول قالت عائشة ولقد رأيته ينزل عليه في اليوم الشديد البرد فيفصم عنه وإن جبينه ليتفصد عرقا.
১৪- আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি নবী আলাইহিস সালামের স্ত্রী আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, হারিস ইবনে হিশাম রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালামকে জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনার নিকট ওহী কীভাবে আসে?" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "কখনো তা আমার নিকট ঘণ্টার শব্দের মতো আসে এবং এটিই আমার জন্য সবচাইতে কষ্টকর হয়; এরপর যখন ওহী শেষ হয়, তখন তিনি যা বলেছেন তা আমি হেফজ (সংরক্ষণ) করে ফেলি। আবার কখনো ফেরেশতা মানুষের রূপ ধারণ করে আমার সামনে আসেন এবং আমার সাথে কথা বলেন, তখন তিনি যা বলেন আমি তা আয়ত্ত করে নেই।" আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, "আমি প্রচণ্ড শীতের দিনেও তাঁর ওপর ওহী অবতীর্ণ হতে দেখেছি; ওহী শেষ হওয়ার পর তাঁর কপাল থেকে ঘাম ঝরে পড়ত।"
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١١)
15- حدثنا عبد الله عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن ⦗ص: 12⦘ عائشة زوج النبي عليه السلام أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: إذا نعس أحدكم في الصلاة فليرقد حتى يذهب عنه النوم فإن أحدكم إذا صلى وهو ناعس لعله يذهب يستغفر فيسب نفسه.
১৫- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট মালিক হতে, তিনি হিশাম বিন উরওয়া হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ১২⦘ নবী আলাইহিস সালাম-এর স্ত্রী আয়েশা হতে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন সালাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়, তখন সে যেন ঘুমিয়ে নেয় যতক্ষণ না তার থেকে ঘুম দূর হয়ে যায়। কেননা তোমাদের কেউ যখন তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় সালাত আদায় করে, তখন হতে পারে সে ক্ষমা প্রার্থনা করতে গিয়ে নিজেকে গালি দিয়ে বসবে।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
16- حدثنا عبد الله عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بالليل ثلاث عشرة ركعة ثم يصلي إذا سمع النداء للصبح ركعتين خفيفتين.
১৬- আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে তেরো রাকাত সালাত আদায় করতেন, এরপর যখন তিনি ভোরের আযান শুনতেন, তখন সংক্ষিপ্ত দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
17- حدثنا عبد الله عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن ⦗ص: 13⦘ عائشة زوج النبي عليه السلام أنها قالت: صلى رسول الله عليه السلام في بيته وهو جالس فصلى وراءه قوم قياما فأشار إليهم أن اجلسوا فلما انصرف قال: إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا.
১৭- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ১৩⦘ আল্লাহর নবীর (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) স্ত্রী আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) তাঁর ঘরে বসে সালাত আদায় করলেন, আর একদল লোক তাঁর পেছনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করল। তখন তিনি তাঁদের ইশারা করলেন যেন তাঁরা বসে পড়েন। অতঃপর যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন: ইমাম কেবল এজন্যই নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে তাঁকে অনুসরণ করা হয়। সুতরাং তিনি যখন রুকু করেন, তখন তোমরাও রুকু করো; তিনি যখন মাথা উঠান, তখন তোমরাও মাথা উঠাও এবং তিনি যখন বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরা সবাই বসে সালাত আদায় করো।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
18- حدثنا عبد الله عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي عليه السلام أنها أخبرته أنها لم تر رسول الله عليه السلام يصلي صلاة الليل قاعدا قط حتى أسن فكان يقرأ قاعدا حتى إذا أراد أن يركع قام فقرأ نحوا من ثلاثين أو أربعين آية ثم يركع.
১৮- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী আলাইহিস সালাম-এর স্ত্রী আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম-কে বার্ধক্যে উপনীত হওয়ার আগে কখনো রাতের সালাত বসে আদায় করতে দেখেননি। অতঃপর তিনি বসে কিরাত পাঠ করতেন, যখন তিনি রুকু করার ইচ্ছা করতেন তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং প্রায় ত্রিশ বা চল্লিশটি আয়াত পাঠ করতেন, তারপর রুকু করতেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
19- حدثنا أبو مصعب قال حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي عليه السلام أنها قالت: أتي رسول الله عليه السلام ⦗ص: 14⦘ بصبي فبال على ثوبه فدعا بماء فأتبعه إياه.
১৯- আবু মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মালিক আমাদের নিকট হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (আলাইহিস সালাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট ⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘ একটি শিশুকে আনা হলো, সে তাঁর কাপড়ে প্রস্রাব করে দিল। অতঃপর তিনি পানি আনালেন এবং তা (প্রস্রাবের স্থানের ওপর) ঢেলে দিলেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
20- حدثنا أبو مصعب قال: حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى في جدار القبلة بصاقا أو مخاطا أو نخامة فحكه.
২০- আবু মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক আমাদের নিকট হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিবলার দেয়ালে থুতু, শ্লেষ্মা অথবা কফ দেখতে পেলেন, অতঃপর তিনি তা খুঁটিয়ে পরিষ্কার করলেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
21- حدثنا أبو مصعب قال حدثنا مالك عن هشام عن أبيه عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: مروا أبا بكر فليصل بالناس فقالت عائشة: يارسول الله إن أبا بكر إذا قام في مقامك لم يسمع الناس من البكاء فمر عمر ⦗ص: 15⦘ فليصل بالناس قالت عائشة: فقلت لحفصة: قولي له إن أبا بكر إذا قام في مقامك لم يسمع الناس من البكاء فمر عمر فليصل بالناس ففعلت حفصة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: مه إنكن لأنتن صواحب يوسف مروا أبا بكر فليصل بالناس فقالت حفصة لعائشة: ما كنت لأصيب منك خيرا.
২১- আবু মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মালিক আমাদের নিকট হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা আবু বকরকে নির্দেশ দাও সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। তখন আয়েশা (রা.) বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! আবু বকর যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন কান্নার কারণে তিনি লোকদের শোনাতে পারবেন না। তাই আপনি উমরকে নির্দেশ দিন ⦗পৃষ্ঠা: ১৫⦘ সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। আয়েশা (রা.) বলেন: অতঃপর আমি হাফসাকে বললাম: আপনি তাঁকে বলুন যে, আবু বকর যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন তখন কান্নার কারণে তিনি লোকদের শোনাতে পারবেন না, তাই আপনি উমরকে নির্দেশ দিন যেন সে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। হাফসা তাই করলেন। তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: থামো! তোমরা তো ইউসুফের সঙ্গিনীদের মতো। আবু বকরকে নির্দেশ দাও সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। তখন হাফসা আয়েশাকে (রা.) বললেন: আমি তোমার থেকে কখনোই কোনো কল্যাণ পাব না।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
22- حدثنا أبو مصعب قال: حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عائشة أنها قالت: خسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناس فقام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم قام فأطال القيام وهو دون القيام الأول ثم ركع فأطال الركوع وهو دون الركوع الأول ثم رفع ثم سجد ثم فعل في الركعة الأخرى مثل ذلك ثم انصرف وقد تجلت الشمس فخطب الناس فحمد الله وأثنى عليه ثم قال: إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته فإذا رأيتم ذلك فادعوا ⦗ص: 16⦘ الله وكبروا وتصدقوا وقال: ياأمة محمد والله ما من أحد أغير من الله أن يزني عبده أو تزني أمته ياأمة محمد لو تعلمون ما أعلم لضحكتم قليلا ولبكيتم كثيرا.
২২- আবু মুসআব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক আমাদের নিকট হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়ে সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন, এরপর রুকু করলেন এবং দীর্ঘক্ষণ রুকুতে থাকলেন। এরপর আবার দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন, তবে তা ছিল প্রথম দাঁড়ানোর চেয়ে কম সময়। পুনরায় রুকু করলেন এবং দীর্ঘক্ষণ রুকুতে থাকলেন, তবে তা ছিল প্রথম রুকুর চেয়ে কম সময়। এরপর তিনি মাথা উঠালেন এবং সিজদা করলেন। দ্বিতীয় রাকাআতেও তিনি অনুরূপ কাজ করলেন। এরপর যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, ততক্ষণে সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গিয়েছে। এরপর তিনি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান বর্ণনা করলেন এবং বললেন: নিশ্চয়ই সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম দুটি নিদর্শন। কারও মৃত্যু বা জন্মের কারণে এদের গ্রহণ হয় না। সুতরাং যখন তোমরা তা দেখবে, তখন আল্লাহর কাছে দুআ করো, তাকবীর পাঠ করো এবং দান-সদকা করো। ⦗পৃষ্ঠা: ১৬⦘ তিনি আরও বললেন: হে মুহাম্মাদের উম্মত! আল্লাহর শপথ, যখন আল্লাহর কোনো বান্দা বা বান্দী ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, তখন আল্লাহর চেয়ে অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন আর কেউ হয় না। হে মুহাম্মাদের উম্মত! আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই হাসতে কম এবং কাঁদতে বেশি।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
23- حدثنا عبد الله وأبو مصعب عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت جاء عمي من الرضاعة فاستأذن علي فأبيت أن آذن له حتى أسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت: فجاء رسول الله عليه السلام فسألته عن ذلك فقال: إنه عمك فأذني له قالت: قلت يارسول الله إنما أرضعتني المرأة ولم يرضعني الرجل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إنه عمك فليلج عليك قالت عائشة: وذلك بعد أن ضرب علينا الحجاب فقالت عائشة: يحرم من الرضاعة ما يحرم من الولادة.
২৩- আব্দুল্লাহ ও আবু মুসআব আমাদের নিকট মালিক থেকে, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি মুমিনদের জননী আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমার দুগ্ধ-সম্পর্কীয় চাচা আসলেন এবং আমার নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। আমি তাঁকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম যতক্ষণ না আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন: এরপর আল্লাহর রাসূল আলাইহিস সালাম আসলেন এবং আমি তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: তিনি তোমার চাচা, সুতরাং তাকে অনুমতি দাও। তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে তো কেবল মহিলাটি দুধ পান করিয়েছে, পুরুষটি তো আমাকে দুধ পান করায়নি। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তিনি তোমার চাচা, সুতরাং তিনি যেন তোমার নিকট প্রবেশ করেন। আয়েশা বলেন: এটি ছিল আমাদের ওপর পর্দার বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পরের ঘটনা। আয়েশা বলেন: জন্মসূত্রে যা হারাম হয়, দুগ্ধ-সম্পর্কের কারণেও তা হারাম হয়।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
24- حدثنا أبو مصعب قال حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن ⦗ص: 17⦘ أبيه عن عائشة أن رجلا قال للنبي عليه السلام: إن أمي افتلتت نفسها وأراها لو تكلمت تصدقت أفأتصدق عنها؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: نعم.
২৪- আবু মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর ⦗পৃষ্ঠা: ১৭⦘ পিতা থেকে, তিনি আয়িশা থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী (আলাইহিস সালাম)-কে বললেন: আমার মা হঠাৎ মারা গেছেন; আমার মনে হয় তিনি যদি কথা বলতে পারতেন তবে দান-সদকা করতেন। আমি কি তাঁর পক্ষ থেকে দান-সদকা করতে পারি? তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
25- حدثنا أبو مصعب عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: قلت لعائشة زوج النبي عليه السلام وأنا يومئذ حديث السن: أرأيت قول الله تبارك وتعالى (إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما) فما أرى على أحد شيئا ألا يطوف بهما فقالت عائشة: كلا لو كان كما تقول لكانت: فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما إنما أنزلت هذه الآية في الأنصار كانوا يهلون لمناة وكانت مناة حذو قديد وكانوا يتحرجون أن يطوفوا بين الصفا والمروة فلما جاء الإسلام سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 18⦘ عن ذلك فأنزل الله تبارك وتعالى (إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما) .
২৫- আমাদের নিকট আবু মুসআব মালিক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেন: আমি নবী আলাইহিস সালামের স্ত্রী আয়েশাকে বললাম, আর আমি তখন অল্পবয়সী ছিলাম: আপনি কি মহান ও বরকতময় আল্লাহর এই বাণীটি লক্ষ্য করেছেন— (নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং যে ব্যক্তি কাবা ঘরের হজ অথবা উমরা পালন করে, তার জন্য এ দুটির মাঝে প্রদক্ষিণ করাতে কোনো গুনাহ নেই)? সুতরাং আমি মনে করি না যে, কারো জন্য এ দুটির মাঝে প্রদক্ষিণ না করাতে কোনো দোষ আছে। তখন আয়েশা বললেন: কক্ষনও না! তুমি যা বলছ বিষয়টি যদি তেমনই হতো, তবে আয়াতটি হতো এরূপ: (তার জন্য এ দুটির মাঝে প্রদক্ষিণ না করাতে কোনো গুনাহ নেই)। মূলত এই আয়াত আনসারদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। তারা মানাত মূর্তির নামে ইহরাম বাঁধত এবং মানাত কুদাইদ নামক স্থানের নিকটবর্তী ছিল। তারা সাফা ও মারওয়ার মাঝে প্রদক্ষিণ করাকে দোষের মনে করত। অতঃপর যখন ইসলাম এল, তারা এ বিষয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ⦗পৃষ্ঠা: ১৮⦘ জিজ্ঞাসা করলেন। তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা নাযিল করলেন— (নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং যে ব্যক্তি কাবা ঘরের হজ অথবা উমরা পালন করে, তার জন্য এ দুটির মাঝে প্রদক্ষিণ করাতে কোনো গুনাহ নেই)।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
26- حدثنا أبو مصعب قال حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي عليه السلام أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر صفية بنت حيي فقيل إنها قد حاضت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لعلها حابستنا فقالوا: يا رسول الله إنها قد أفاضت قال: فلا إذا.
قال مالك: قال هشام: قال عروة: قالت عائشة: ونحن نذكر ذلك فلم يقدم الناس نساءهم إن كان ذلك لا ينفعهم ولو كان الذي يقول لأصبح بمنى أكثر من ستة آلاف امرأة حائض كلهن قد أفضن.
২৬- আবু মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক আমাদের নিকট হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (আলাইহিস সালাম)-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাদিআল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাফিয়্যাহ বিনতে হুয়াই (রাদিআল্লাহু আনহা)-এর কথা উল্লেখ করলেন। তখন বলা হলো যে, তিনি ঋতুবতী হয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "সে কি তবে আমাদের আটকে রাখবে?" তাঁরা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তো তাওয়াফে ইফাদাহ সম্পন্ন করেছেন।" তিনি বললেন: "তাহলে আর (আটকে থাকার) প্রয়োজন নেই।"
মালিক বলেন: হিশাম বলেন: উরওয়াহ বলেন: আয়েশা (রাদিআল্লাহু আনহা) বলেছেন: আমরা তা আলোচনা করতাম; যদি বিষয়টি তাদের উপকারে না আসত (অর্থাৎ ঋতুবতী হলে মক্কায় অবস্থান করতে হতো), তবে লোকেরা তাদের স্ত্রীদের আগে পাঠাত না। আর যা বলা হচ্ছে যদি তা-ই হতো, তবে মিনায় ছয় হাজারের বেশি ঋতুবতী মহিলা পাওয়া যেত, যারা সকলেই তাওয়াফে ইফাদাহ সম্পন্ন করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
27- حدثنا أبو مصعب قال حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن ⦗ص: 19⦘ أبيه عن عائشة زوج النبي عليه السلام أنها كانت تقول إن كان رسول الله ليقبل بعض نسائه وهو صائم ثم تضحك.
২৭- আমাদের নিকট আবু মুসআব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মালিক হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী আলাইহিস সালাম-এর স্ত্রী আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখা অবস্থায় তাঁর কোনো কোনো স্ত্রীকে চুম্বন করতেন; অতঃপর তিনি হাসতেন।
(খণ্ড: ১)
মুসনাদু হাদীসি মালিক লিইসমাইল আল কাদী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
28- حدثنا أبو مصعب قال حدثنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أن حمزة بن عمرو الأسلمي قال لرسول الله عليه السلام: أصوم في السفر وكان كثير الصيام فقال له رسول الله عليه السلام: إن شئت فصم وإن شئت فأفطر.
২৮- আবু মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মালিক আমাদের নিকট হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, হামযা ইবনে আমর আল-আসলামি আল্লাহর রাসূল (আলাইহিস সালাম)-কে বললেন: আমি কি সফরে রোজা রাখব? তিনি অত্যধিক রোজা পালনকারী ছিলেন। তখন আল্লাহর রাসূল (আলাইহিস সালাম) তাকে বললেন: তুমি চাইলে রোজা রাখতে পারো, আর চাইলে রোজা নাও রাখতে পারো।