(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: -)
مشيخة النعال القسم: كتب السنة
الكتاب: مشيخة النعال البغدادي صائن الدين محمد بن الأنجب
المؤلف: محمد بن الأنجب ابن أبي عبد الله، أبو الحسن، صائن الدين، النعّال البغدادي (ت 659هـ)
تخريج: الحافظ المنذري 643 هـ
المحقق: الدكتور ناجي معروف - الدكتور بشار عواد معروف
الطبعة: الثانية 1993
عدد الصفحات: 148
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মাশয়াখাতুন নি'আল বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: মাশয়াখাতুন নি'আল আল-বাগদাদী সাইন উদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনুল আনজাব
লেখক: মুহাম্মাদ ইবনুল আনজাব ইবনু আবী আবদিল্লাহ, আবুল হাসান, সাইন উদ্দীন, আন-নি'আল আল-বাগদাদী (মৃ. ৬৫৯ হি.)
তাখরীজ: আল-হাফিজ আল-মুনযিরী ৬৪৩ হি.
মুহাক্কিক: ডক্টর নাজি মারুফ - ডক্টর বাশশার আওয়াদ মারুফ
সংস্করণ: দ্বিতীয় ১৯৯৩
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৮
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: -)
مشيخة
النعال البغدادي
صائن الدين محمد بن الأنجب
659 هـ
تخريج
الحافظ رشيد الدين محمد بن عبد العظيم المنذري
643 هـ
تحقيق
الدكتور ناجي معروف - الدكتور بشار عواد معروف
الطبعة الثانية
1993
মাশয়াখা
আন-নিআল আল-বাগদাদী
সায়েনুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আল-আনজাব
৬৫৯ হিজরি
তাকরীজ
আল-হাফিজ রশিদউদ্দীন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিম আল-মুনযিরী
৬৪৩ হিজরি
তাহকীক
ডক্টর নাজি মারুফ - ডক্টর বাশার আওয়াদ মারুফ
দ্বিতীয় সংস্করণ
১৯৯৩
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٥١)
الجزء الأول من مشيخة الشيخ الأجل صائن الدين أبي الحسن محمد بن الأنجب بن أبي عبد الله بن عبد الرحمن الصوفي النعالي البغدادي رحمه الله تعالى آمين.
تخريج الحافظ رشيد الدين أبي بكر محمد ابن الشيخ الإمام الحافظ زكي الدين أبي محمد عبد العظيم بن عبد القوي بن عبد الله بن سلامة المنذري -تغمده الله برحمته بمحمدٍ وآله آمين
অত্যন্ত সম্মানিত শায়খ সায়িনুদ্দীন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনুল আনজাব বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আস-সূফী আন-নাআলী আল-বাগদাদীর (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন, আমীন) মাশয়াখাহ-এর প্রথম খণ্ড।
হাফিজ রশীদুদ্দীন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে শায়খ ইমাম হাফিজ যাকীয়ুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আযীম বিন আব্দুল ক্বউয়ী বিন আব্দুল্লাহ বিন সালামাহ আল-মুনযিরীর সংকলন—আল্লাহ তাঁকে মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিজনদের অসিলায় নিজ রহমতে আবৃত করুন, আমীন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
بسم الله الرحمن الرحيم. رب زدني علماً وفهماً
الحمد لله جامع الشتات، ومخرج النبات، ومحيي الرفات، أحمده حمد من يسأله على ذلك الثبات. وأشهد أن لا إله إلا هو، شهادةً أدخرها ليوم الممات. وأشهد أن محمداً عبده ورسوله المنقذ به من الهلكات، المظهر على يديه من المعجزات خوارق العادات. صلى الله عليه وعلى آله وأصحابه صلاةً تتضاعف على مر الأوقات.
وبعد،
فإنه كان من جملةٍ نعم الله تعالى علي، وعميم إحسانه إلي، أن قيض له في حال النشأة والصغر من فعل في حقي عنايةً ظهرت بركاتها أوان الشيخوخة والكبر، فحملني إلى مجالس الحديث، وأثبت اسمي في أهل الرواية والتحديث، وأخذ لي خطوط جماعة كبيرة، وثلة خطيرة من متعيني الرواة، وممن تقدم دروجه بالوفاة، والمتولي لذلك هو جدي الشيخ الأجل الصالح أبو القاسم هبة الله بن رمضان ابن أبي العلاء المقرئ -تغمده الله تعالى برضوانه، وأسكنه غرف جنانه- فاستخرت الله تعالى، وخرجت في هذا الكتاب جملةً من مشايخي المجيزين، متكلماً على حال كل واحد منهم على جهة الاختصار، متجنباً في ذلك للتطويل والإكثار، مرتباً لهم على قدم وفياتهم -أعاد الله تعالى علينا من بركاتهم- وخرجت في ترجمة كل شخص منهم حديثاً واحداً ليكون ذلك لي إن شاء الله تعالى يوم القيامة شاهداً فيها عليه بحسب ما يقتضيه الحال، منكباً عما يفضي إلى السآمة والإملال. وبدأت بذكر جدي المذكور أول الكتاب لما أشرت إليه في ترجمته من الأسباب. وإلى الله -سبحانه- الرغبة في حسن النية، وأن ينفعنا بذلك وسائر المسلمين بفضله - ورحمته. آمين.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। হে আমার প্রতিপালক, আমার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা বৃদ্ধি করে দিন।সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি বিক্ষিপ্ত বিষয়সমূহকে একত্রিতকারী, উদ্ভিদ উদগতকারী এবং গলিত অস্থির পুনর্জীবনদানকারী। আমি তাঁর এমন প্রশংসা করছি, যেমন প্রশংসা করে সেই ব্যক্তি যে এর ওপর অবিচল থাকার জন্য তাঁর নিকট প্রার্থনা করে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি ছাড়া আর কোনো সত্য ইলাহ নেই—এমন এক সাক্ষ্য যা আমি আমার মৃত্যুর দিনের জন্য সঞ্চয় করে রাখছি। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যাঁর মাধ্যমে তিনি ধ্বংসলীলা থেকে রক্ষা করেছেন এবং যাঁর হাতে অলৌকিক ও অস্বাভাবিক ঘটনাবলি প্রকাশ করেছেন। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীবর্গের ওপর এমন রহমত বর্ষণ করুন যা সময়ের আবর্তনে বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
অতঃপর,
আমার ওপর মহান আল্লাহর অসংখ্য নিআমত ও ব্যাপক অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত হলো এই যে, তিনি আমার শৈশব ও বেড়ে ওঠার সময়ে আমার জন্য এমন একজনকে নিয়োজিত করেছিলেন যিনি আমার প্রতি এমন যত্ন নিয়েছিলেন যার বরকত আমার বার্ধক্য ও প্রৌঢ়ত্বের সময়ে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি আমাকে হাদীসের মজলিসসমূহে নিয়ে যেতেন, বর্ণনাকারী ও মুহাদ্দিসদের তালিকায় আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করিয়েছিলেন এবং আমার জন্য এক বিশাল জামাত ও গুরুত্বপূর্ণ একদল প্রথিতযশা বর্ণনাকারীর দস্তখত বা ইজাযত গ্রহণ করেছিলেন, যাঁদের মধ্যে অনেকে ইতোমধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছেন। এই কাজের তদারকি করেছিলেন আমার পরম সম্মানিত ও নেককার দাদা শাইখ আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন রমজান ইবনে আবিল আলা আল-মুকরি—আল্লাহ তাআলা তাঁকে তাঁর সন্তুষ্টির চাদরে আবৃত করুন এবং জান্নাতের সুউচ্চ কক্ষে স্থান দান করুন। তাই আমি মহান আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করে এই কিতাবে আমার ইজাযতদানকারী শাইখদের এক উল্লেখযোগ্য অংশ সংকলন করেছি। আমি দীর্ঘসূত্রতা ও বাহুল্য পরিহার করে সংক্ষেপে তাঁদের প্রত্যেকের অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছি এবং তাঁদের মৃত্যুর তারিখ অনুযায়ী ক্রমানুসারে সাজিয়েছি—আল্লাহ তাআলা তাঁদের বরকত আমাদের ওপর পুনরায় বর্ষণ করুন। আমি তাঁদের প্রত্যেকের জীবনীতে একটি করে হাদীস উল্লেখ করেছি, যাতে আল্লাহর ইচ্ছায় কিয়ামতের ময়দানে পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী তা আমার জন্য সাক্ষী হয়। আমি সেই সব বিষয় থেকে বিমুখ থেকেছি যা বিরক্তি ও একঘেয়েমি সৃষ্টি করে। কিতাবের শুরুতে আমি আমার উল্লিখিত দাদার আলোচনার মাধ্যমে শুরু করেছি, যার কারণ আমি তাঁর জীবনীতে নির্দেশ করেছি। মহান আল্লাহর কাছেই উত্তম নিয়তের আকুতি জানাই এবং প্রার্থনা করি যে, তিনি তাঁর দয়া ও করুণায় এর মাধ্যমে আমাকে ও সমস্ত মুসলিমদের উপকৃত করবেন। আমীন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
الشيخ الأولجدي لأمي أبو القاسم هبة الله بن رمضان ابن أبي العلاء بن شبيبا - بضم المعجمة وفتح الباءين الموحدتين بينهما ياء ساكنة مثناة من تحتها.
هيتي الأصل بغدادي الدار
سمع أبا القاسم هبة الله بن محمد بن الحصين الشيباني، وأبا الحسن محمد بن أحمد بن صرما، وأبا الفتح عبد الملك بن أبي القاسم الكروخي وغيرهم. مولده سنة عشر وخمسمئة.
وتوفي في ربيع الأول سنة ثلاث وتسعين وخمسمئة ببغداد، ودفن بالمقبرة المعروفة بالوردية.
প্রথম শায়খআমার মাতামহ আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন রামাদান ইবনে আবিল আলা বিন শাবিবা — প্রথম বর্ণে পেশ এবং পরবর্তী দুটি 'বা' বর্ণের উপরে জবর, আর উভয়ের মাঝে নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট সাকিন 'ইয়া' যোগে।
তিনি জন্মসূত্রে হিতি এবং আবাসে বাগদাদী ছিলেন।
তিনি আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন আশ-শায়বানী, আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন সরমা, আবুল ফাতহ আব্দুল মালিক বিন আবিল কাসিম আল-কারুখি এবং অন্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর জন্ম পাঁচশ দশ হিজরি সনে।
তিনি পাঁচশ তিয়ানব্বই হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে বাগদাদে ইন্তেকাল করেন এবং আল-ওয়ারদিয়্যাহ নামে পরিচিত গোরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٥٧)
خصصته بالتقديم لأوجه: أولها لقرابته. الثاني: لعنايته بي وإفادته. الثالث: لتمييز السماع وعلو درجته - ورحمه الله تعالى وجزاه عني أفضل الجزاء بمنه ورحمته.
أخبرنا جدي أبو القاسم هبة الله بن رمضان بن أبي العلاء بن شبيبا المقرئ بقراءة الحافظ أبي بكر عبد الرزاق بن عبد القادر الجيلي عليه وأنا أسمع بمدينة السلام بغداد المحروسة في يوم الخميس سادس عشري شعبان سنة أربع وثمانين وخمسمئة، أنا أبو غالب محمد بن الحسن بن علي بن زوران الماوردي قراءة عليه في سنة إحدى وعشرين وخمسمئة، أنا أبو الحسين أحمد بن محمد ابن أحمد بن النقور البزاز أنا أبو الحسين محمد بن عبد الله بن الحسين بن عبد الله بن هارون الدقاق، ثنا عبد الله - يعني ابن محمد بن عبد العزيز البغوي ثنا أبو محمد خلف بن هشام البزاز ومنصور بن أبي مزاحم ومحمد بن سليمان الأسدي قالوا: ثنا مالك بن أنس عن الزهري عن أنس، قال: ((دخل النبي صلى الله عليه وسلم مكة وعلى رأسه مغفر فلما نزعه قيل هذا ابن خطلٍ متعلقٌ بأستار الكعبة، قال: فاقتلوه)) .
هذا حديث صحيح متفق على صحته وثبوته من حديث إمام دار الهجرة أبي عبد الله مالك بن أنس بن مالك بن أبي عامر الأصبحي المدني. أخرجه البخاري عن عبد الله بن يوسف التنيسي وعن إسماعيل بن أبي أويس، وعن يحيى بن
আমি তাঁকে কয়েকটি কারণে অগ্রগণ্য করেছি: প্রথমত, তাঁর আত্মীয়তার কারণে। দ্বিতীয়ত, আমার প্রতি তাঁর যত্ন এবং তাঁর থেকে প্রাপ্ত উপকারের কারণে। তৃতীয়ত, তাঁর শ্রবণের (সিমা’) স্বাতন্ত্র্য এবং উচ্চ মর্যাদার কারণে—আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁর অনুগ্রহ ও করুণায় আমার পক্ষ থেকে তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন রামাদান বিন আবিল আলা বিন শাবিব আল-মুকরি, হাফিজ আবু বকর আবদুর রাজ্জাক বিন আবদুল কাদির আল-জিলানির পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম সুরক্ষিত বাগদাদ শহরে, ৫৮৪ হিজরি সনের ২৬শে শাবান বৃহস্পতিবার। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন জাওরান আল-মাওয়ারদি, ৫২১ হিজরিতে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আন-নাকুর আল-বাজ্জায। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আবদুল্লাহ বিন হারুন আদ-দাক্কাক। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ—অর্থাৎ ইবন মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-বাগাউয়ি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ খালাফ বিন হিশাম আল-বাজ্জায, মানসুর বিন আবি মুযাহিম এবং মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আল-আসাদি। তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক বিন আনাস, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় একটি শিরস্ত্রাণ ছিল। যখন তিনি তা খুললেন, তখন বলা হলো, এই যে ইবনে খাতাল কাবার পর্দার সাথে ঝুলে আছে। তিনি বললেন: তাকে হত্যা করো।"
এটি একটি সহীহ হাদীস, যার বিশুদ্ধতা ও প্রামাণিকতার ওপর হিজরতের আবাসস্থলের ইমাম আবু আবদুল্লাহ মালিক বিন আনাস বিন মালিক বিন আবি আমির আল-আসবাহি আল-মাদানির হাদীস থেকে ঐকমত্য পোষণ করা হয়েছে। ইমাম বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ আত-তিননিসি, ইসমাইল বিন আবি উওয়াইস এবং ইয়াহইয়া বিন...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
قزعة وعن أبي الوليد هشام بن عبد الملك الطيالسي. وأخرجه مسلم عن عبد الله بن مسلمة القعنبي، ويحيى بن يحيى النيسابوري، وقتيبة بن سعيد البغلاني. وأخرجه أبو داود سليمان ابن الأشعث السجستاني في سننه عن القعنبي. وأبو عيسى محمد بن عيسى الترمذي في جامعه عن قتيبة بن سعيد، وعن عيسى بن أحمد العسقلاني عن عبد الله بن وهب. وأخرجه أبو عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي في سننه عن قتيبة بن سعيد، وعن عبيد الله بن فضالة عن عبد الله بن الزبير الحميدي، عن سفيان بن عيينة، وعن محمد بن سلمة، عن عبد الرحمن بن القاسم. وأخرجه أبو عبد الله محمد بن يزيد بن ماجه عن هشام بن عمار وسويد بن سعيد. كلهم عن مالك، وهم اثنا عشر رجلاً.
وقع لنا بدلاً عالياً بحمد الله ومنه. وفي حديث سفيان بن عيينة كأن
কাযা'আহ এবং আবু আল-ওয়ালিদ হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক আল-তায়ালিসি থেকে বর্ণিত। ইমাম মুসলিম এটি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ আল-কা'নাবি, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-নিসাবুরি এবং কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ আল-বাঘলানি থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ সুলায়মান ইবনে আল-আশ'আস আল-সিজিস্তানি এটি তাঁর সুনান গ্রন্থে আল-কা'নাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিযি তাঁর জামি' গ্রন্থে এটি কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ থেকে এবং ঈসা ইবনে আহমদ আল-আসকালানি এটি আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু আব্দুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ি তাঁর সুনান গ্রন্থে এটি কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ থেকে, উবাইদুল্লাহ ইবনে ফাদালাহ আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের আল-হুমাইদি থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে এবং মুহাম্মদ ইবনে সালামাহ আব্দুর রহমান ইবনে আল-কাসিম থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে মাজাহ এটি হিশাম ইবনে আম্মার এবং সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সকলে ইমাম মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁরা সংখ্যায় বারোজন ব্যক্তি।
আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের 'বদল' (সনদ) হিসেবে পৌঁছেছে। আর সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ-এর হাদিসে যেন...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
شيخ شيخي سمعه من أبي عبد الرحمن النسائي وكانت وفاته سنة ثلاث وثلاثمئة. وتوفي شيخ شيخنا في شهر رمضان سنة خمس وعشرين وخمسمئة.
وابن خطل -بفتح الخاء المعجمة والطاء المهملة- اسمه عبد الله، ويقال: هلال، ويقال: عبد العزى.
الشيخ الثانيأبو الفضل وفاء بن أسعد بن النفيس بن البهي التركي الأصل البغدادي الخباز.
سمع أبا القاسم علي بن أحمد بن بيان الرزاز، وأبا الخطاب محفوظ
আমার শাইখের শাইখ এটি আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ী থেকে শুনেছেন এবং তাঁর মৃত্যু হয়েছিল তিনশত তিন হিজরি সনে। আর আমাদের শাইখের শাইখ পাঁচশত পঁচিশ হিজরি সনের রমজান মাসে ইন্তেকাল করেন।
এবং ইবনে খাতাল —নুকতাযুক্ত খ এবং নুকতাহীন ত-এর উপর ফাতহা (জবর) সহকারে— তাঁর নাম হলো আব্দুল্লাহ, বলা হয়ে থাকে হিলাল, আবার বলা হয়ে থাকে আব্দুল উজ্জা।
দ্বিতীয় শাইখআবুল ফজল ওয়াফা বিন আসআদ বিন আন-নাফিস বিন আল-বাহি, তুর্কি বংশোদ্ভূত বাগদাদি রুটি বিক্রেতা।
তিনি আবুল কাসিম আলি বিন আহমাদ বিন বায়ান আর-রাজ্জাজ এবং আবু আল-খাত্তাব মাহফুজ থেকে শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦٠)
بن أحمد الكلواذاني، وأبا عبد الله محمد بن عبد الباقي الدوري وغيرهم.
ولد سنة خمسمئة.
وتوفي في ربيع الآخر سنة ثمان وسبعين وخمسئمة.
أخبرنا أبو الفضل وفاء بن أسعد الخباز إجازة، أنا أبو القاسم علي بن أحمد بن محمد بن بيان قراءة عليه وأنا أسمع، أنا أبو القاسم طلحة بن علي بن الصقر الكتاني قراءةً عليه أنا أبو القاسم عمر بن جعفر بن سلم الختلي ثنا أبو علي بشر بن موسى الأسدي، ثنا أبو بكر عبد الله بن الزبير الحميدي، ثنا عبد العزيز بن محمد بن صفوان بن سليم، وسعد بن سعيد، عن عمر بن ثابت، عن أبي أيوب الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ((من صام رمضان وأتبعه بستٍ من شوال فكأنما صام الدهر)) .
حدث به عن سعد بن سعيد جماعة من الرفعاء. وأخرجه مسلم في صحيحه من حديث أبي عبد الرحمن عبد الله بن المبارك المروزي، وأبي هشام عبد الله
বিন আহমাদ আল-কালওয়াযানি, এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি আদ-দাওরি ও অন্যান্যরা।
তিনি পাঁচশত হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।
এবং পাঁচশত আটাত্তর হিজরি সনের রবিউস সানি মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
আবু আল-ফাদল ওয়াফা বিন আসআদ আল-খাব্বাজ আমাদের ইজাজতসূত্রে অবহিত করেছেন, আবুল কাসিম আলি বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন বায়ান আমাদের সামনে পাঠ করেছেন এবং আমি তা শ্রবণ করেছি, আবুল কাসিম তালহা বিন আলি বিন আস-সাকর আল-কাত্তানি আমাদের সামনে পাঠ করেছেন, আবুল কাসিম উমর বিন জাফর বিন সালম আল-খাতলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলি বিশর বিন মুসা আল-আসাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আবদুল্লাহ বিন আয-যুবাইর আল-হুমাইদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মাদ বিন সাফওয়ান বিন সালিম এবং সাদ বিন সাঈদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উমর বিন সাবিত থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ((যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল এবং এরপর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল))।
একদল বিশিষ্ট বর্ণনাকারী এটি সাদ বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে আবু আব্দুর রহমান আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক আল-মারওয়াজি এবং আবু হিশাম আবদুল্লাহ-এর হাদিস থেকে উদ্ধৃত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦١)
ابن نمير الهمداني، وأبي إبراهيم إسماعيل بن جعفر بن أبي كثير عن سعد. فأما حديث عبد العزيز الدراوردي الذي خرجناه الذي جمع فيه بين صفوان ابن سليم وسعد بن سعيد فأخرجه أبو داود في سننه عن عبد الله بن محمد النفيلي. وأخرجه النسائي عن خلاد بن أسلم، كلاهما عنه، فوقع لنا بدلاً عالياً بحمد الله ومنه.
وصفوان بن سليم أحد الثقات الذين اتفق البخاري ومسلم على الاحتجاج بحديثهم، وقد تابع سعداً على رواية هذا الحديث عن عمر بن ثابت، وفي ذلك دفع لقول من يقول أن سعداً تفرد به. وقد تابعه عليه غير صفوان أيضاً. وله شواهد من رواية جماعة من الصحابة سوى أبي أيوب، وأبو أيوب الأنصاري اسمه خالد بن زيد رضي الله عنهم.
الشيخ الثالثأبو المحاسن محمد ابن أبي المظفر عبد الملك بن علي بن محمد. همذاني الأصل ولد ببغداد وسمع بها من أبي نصر أحمد بن عبد الله بن رضوان، وأبوي
ইবন নুমাইর আল-হামদানি এবং আবু ইবরাহিম ইসমাঈল ইবন জাফর ইবন আবু কাসীর সা'দ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আবদুল আজিজ আদ-দারাওয়ার্দির যে হাদিসটি আমরা সংকলন করেছি, যেখানে তিনি সাফওয়ান ইবন সুলাইম ও সা'দ ইবন সাঈদের বর্ণনাকে একত্রিত করেছেন, তা আবু দাউদ তাঁর সুনানে আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আন-নুফাইলী থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী এটি খাল্লাদ ইবন আসলাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের জন্য একটি উচ্চতর বিকল্প (বাদাল আলিন) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
সাফওয়ান ইবন সুলাইম সেই নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের একজন যাঁদের হাদিসকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ব্যাপারে বুখারি ও মুসলিম একমত হয়েছেন। তিনি উমর ইবন সাবিত থেকে এই হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে সা'দকে অনুসরণ করেছেন, যা ওই ব্যক্তির বক্তব্যকে খণ্ডন করে যে বলে যে সা'দ এই বর্ণনায় একক ছিলেন। সাফওয়ান ছাড়াও অন্যরাও তাঁকে অনুসরণ করেছেন। আবু আইয়ুব ব্যতীত একদল সাহাবীর বর্ণনা থেকে এর সমর্থক বর্ণনা (শাওয়াহিদ) রয়েছে। আবু আইয়ুব আনসারীর নাম হলো খালিদ ইবন যায়েদ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)।
তৃতীয় শায়েখআবু আল-মাহাসিন মুহাম্মদ ইবন আবু আল-মুজাফফর আব্দুল মালিক ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ। তিনি মূলত হামাদানি বংশোদ্ভূত, বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানে আবু নাসর আহমদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন রেদওয়ান এবং দুই আবু থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
القاسم: هبة الله بن محمد بن الحصين، وزاهر بن طاهر الشحامي، وأبي الحسين محمد بن محمد بن الفراء، وأبي غالب أحمد بن الحسن ابن البناء وجماعة سواهم. توفي في ذي الحجة سنة ثمان وسبعين وخمسمئة.
أخبرنا أبو المحاسن محمد بن عبد الملك ابن الهمذاني إجازة، أنا أبو القاسم هبة الله بن محمد بن الحصين إملاء، أنا أبو علي الحسن بن علي بن محمد الواعظ، أنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن حمدان، ثنا أبو عبد الرحمن عبد الله ابن أحمد بن حنبل، ثنا أبي ثنا عفان، ثنا همام، أنا ثابت، عن أنس أن أبا بكر رضي الله عنه حدثه قال: قلت للنبي صلى الله عليه وسلم وهو في الغار: لو أن أحدهم نظر إلى قدميه لأبصرنا تحت قدميه، قال: فقال: ((يا أبا بكر ما ظنك باثنين الله ثالثهما)) .
أخرجه أبو عيسى الترمذي في جامعه عن أبي هاشم زياد بن أيوب الطوسي، عن عفان بن مسلم فوقع لنا بدلاً عالياً بحمد الله ومنه. وقد أخرجه البخاري عن
কাসেম: হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন, যাহির বিন তাহির আশ-শাহামি, আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাররা, আবু গালিব আহমদ বিন আল-হাসান ইবনুল বান্না এবং তাঁদের ছাড়া আরও এক জামাত। তিনি পাঁচশত আটাত্তর হিজরি সনের জিলহজ মাসে ইন্তেকাল করেন।
আবুল মাহাসিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক ইবনুল হামাদানি আমাদের ইজাজাতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসেম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আমাদের শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-ওয়ায়েজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ বিন হাম্বল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আফফান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আনাস (রা.) থেকে যে, আবু বকর (রা.) তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললাম যখন তিনি গুহায় ছিলেন: যদি তাদের কেউ নিজের পায়ের দিকে তাকাত তবে সে আমাদের তার পায়ের নিচে দেখতে পেত। তিনি বললেন: "হে আবু বকর, সেই দুইজন সম্পর্কে তোমার ধারণা কী যাদের তৃতীয়জন হলেন আল্লাহ?"
আবু ঈসা আত-তিরমিজি তাঁর জামে গ্রন্থে এটি আবু হাশিম যিয়াদ বিন আইয়ুব আত-তুসি থেকে, তিনি আফফান বিন মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের কাছে উচ্চ পর্যায়ের 'বাদাল' (উন্নত মানের সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর ইমাম বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦٣)
عبد الله بن محمد المسندي. ومسلم عن زهير بن حرب، وعبد بن حميد. وعبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أربعتهم عن حبان بن هلال، عن همام فوقع لنا عالياً أيضاً.
الشيخ الرابعأبو العلاء محمد بن جعفر بن عقيل -بفتح العين وكسر القاف- بصري الأصل بغدادي المولد والدار.
قرأ القرآن الكريم بالقراءات على أبي الخير المبارك بن الحسين الغسال -بالغين المعجمة والسين المهملة- وعلى غيره. وسمع من أبي غالب محمد بن عبد الواحد القزاز، وأبي القاسم علي بن أحمد بن بيان الرزاز، وأبي الغنائم محمد بن
আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-মুসনাদী। এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন যুহাইর ইবন হারব, আবদ ইবন হুমাইদ এবং আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান আদ-দারিমি থেকে, তাঁরা চারজনই হিব্বান ইবন হিলাল থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে; ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চতর সনদেও পৌঁছেছে।
চতুর্থ শাইখআবুল আলা মুহাম্মদ ইবন জাফর ইবন আকীল —'আইন' বর্ণে ফাতহাহ এবং 'ক্বাফ' বর্ণে কাসরা সহ— পৈত্রিক সূত্রে বসরার অধিবাসী, জন্ম ও নিবাস বাগদাদে।
তিনি আবুল খাইর আল-মুবারক ইবনুল হুসাইন আল-গাসসাল —নুক্তাযুক্ত 'গাইন' এবং নুক্তাবিহীন 'সীন' সহ— এবং অন্যান্যদের নিকট বিভিন্ন কিরাআত অনুযায়ী পবিত্র কুরআন পাঠ করেছেন। তিনি আবু গালিব মুহাম্মদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ আল-কাযযায, আবুল কাসিম আলী ইবন আহমাদ ইবন বায়ান আর-রাযযায এবং আবুল গানায়িম মুহাম্মদ ইবন থেকে শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
علي بن ميمون النرسي، وأبي المظفر عبد المنعم بن عبد الكريم بن هوازن القشيري وغيرهم. وأجاز له جماعة منهم: الحاجب أبو الحسن علي بن محمد ابن العلاف وأبو زكريا يحيى بن علي التبريزي، وأبو الفتح أحمد بن محمد ابن الحداد الأصبهاني، وأبو غالب شجاع بن فارس بن الحسين الذهلي الحافظ، وأبو سعد محمد بن محمد بن المطرز.
مولده في ذي الحجة سنة ست وثمانين وأربعمئة. وتوفي في جمادى الآخرة سنة تسع وسبعين وخمسمئة، ودفن بالشونيزي.
وقد حدث عنه الحافظ أبو سعد عبد الكريم بن محمد السمعاني وتوفي قبل مولدي بثلاث عشرة سنة.
আলী বিন মায়মুন আল-নারসি, আবু আল-মুজাফফর আব্দুল মুনিম বিন আব্দুল কারিম বিন হাওয়াজিন আল-কুশায়রি এবং অন্যান্যরা। তাদের মধ্য থেকে একদল তাকে ইজাজত প্রদান করেছেন, তারা হলেন: আল-হাজিব আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ ইবনুল আল্লাফ, আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন আলী আল-তাবরিজি, আবুল ফাতহ আহমদ বিন মুহাম্মদ ইবনুল হাদ্দাদ আল-আসবাহানি, আবু গালিব শুজা বিন ফারিস বিন আল-হুসাইন আল-যুহলি আল-হাফিজ এবং আবু সাদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুতাররিজ।
তার জন্ম চারশত ছিয়াশি হিজরি সনের জিলহজ মাসে। তিনি পাঁচশত ঊনআশি হিজরি সনের জমাদিউল আখিরা মাসে ইন্তেকাল করেন এবং তাকে শাওনিজিতে দাফন করা হয়।
হাফিজ আবু সাদ আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মদ আল-সাময়ানি তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার জন্মের তেরো বছর পূর্বে ইন্তেকাল করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦٥)
أخبرنا أبو العلاء محمد بن جعفر البصري إجازة، أنا الرئيس أبو القاسم علي ابن أحمد بن محمد بن بيان الرزاز قراءة عليه وأنا أسمع، أنا أبو القاسم طلحة بن علي بن الصقر بن عبد المجيب، أنا أبو بكر الشافعي، ثنا محمد بن غالب، ثنا عبد الله بن مسلمة ثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كسرت رباعيته يوم أحدٍ وشج فجعل يمسح الدم عن وجهه ثم يقول: ((كيف يفلح قومٌ شجوا نبيهم وكسروا رباعيته وهو يدعوهم إلى الله –عز وجل؟)) . فأنزل الله عز وجل {ليس لك من الأمر شيءٌ أو يتوب عليهم} .
هذا حديث صحيح انفرد به مسلم فرواه عن أبي عبد الرحمن عبد الله ابن مسلمة بن قعنب القعنبي. وقع لنا موافقة عالياً بحمد الله ومنه.
وثابت: هو ابن أسلم، أبو محمد البناني البصري الزاهد.
الشيخ الخامسأبو المجد محمود بن نصر بن حماد بن صدقة بن الحسين ابن الشعار الحراني الأصل البغدادي المولد والدار.
আবু আল-আলা মুহাম্মদ ইবন জাফর আল-বাসরি আমাদের ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: প্রধান শায়খ আবুল কাসিম আলি ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন বায়ান আল-রাজজাজ আমাদের নিকট পাঠ করেছেন এবং আমি তা শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: আবুল কাসিম তালহা ইবন আলি ইবন আস-সাকর ইবন আব্দুল মুজিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আশ-শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন গালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন মাসলামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবন সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উহুদের যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনের দাঁত (রুবাইয়াহ) ভেঙে গিয়েছিল এবং তাঁর মাথা যখম হয়েছিল। তখন তিনি তাঁর মুখমণ্ডল থেকে রক্ত মুছছিলেন আর বলছিলেন: "সেই জাতি কীভাবে সফলকাম হবে যারা তাদের নবীকে যখম করেছে এবং তাঁর দাঁত ভেঙে দিয়েছে, অথচ তিনি তাদের আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার দিকে আহ্বান করছেন?" তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা অবতীর্ণ করেন: {এ বিষয়ে আপনার কোনো করণীয় নেই, কিংবা তিনি তাদের ক্ষমা করবেন}।
এটি একটি সহিহ হাদিস যা ইমাম মুসলিম এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবন মাসলামাহ ইবন কানাব আল-কানাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি উচ্চতর সনদে আমাদের নিকট পৌঁছেছে।
আর সাবিত হলেন: ইবন আসলাম, আবু মুহাম্মদ আল-বুনানি আল-বাসরি, যিনি একজন জাহিদ (দুনিয়াবিমুখ) ছিলেন।
পঞ্চম শায়খআবুল মাজদ মাহমুদ ইবন নাসর ইবন হাম্মাদ ইবন সাদাকাহ ইবন আল-হুসাইন ইবন আশ-শা’আর; যাঁর মূল বংশ হররানি এবং জন্ম ও আবাস বাগদাদে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦٦)
سمع من أبوي القاسم: هبة الله بن محمد بن الحصين وهبة الله بن أحمد الحريري، وأبوي بكر: محمد بن الحسين المزرفي ومحمد بن عبد الباقي الأنصاري، وأبي منصور محمد بن عبد الملك بن خيرون وغيرهم.
مولده سنة إحدى وخمسمئة.
وتوفي في شهر رمضان سنة تسع وسبعين وخمس مائة، ودفن في الجانب الشرقي.
أخبرنا أبو المجد محمود بن نصر بن حماد الحراني إجازة، أنا الشيخ الفقيه أبو الوفاء علي بن عقيل بن محمد بن عقيل قراءة عليه وأنا أسمع في يوم السبت سلخ
তিনি দুই আবুল কাসেম: হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ও হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমদ আল-হারিরি; দুই আবু বকর: মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-মাযরাফি ও মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি আল-আনসারি; এবং আবু মানসুর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে খাইরুন ও অন্যান্যদের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন।
তাঁর জন্ম পাঁচশত এক হিজরি সনে।
তিনি পাঁচশত উনআশি হিজরি সনের রমজান মাসে ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে পূর্ব পার্শ্বে দাফন করা হয়।
আবুল মাজদ মাহমুদ ইবনে নাসর ইবনে হাম্মাদ আল-হাররানি আমাদের ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: শায়খ ফকিহ আবুল ওয়াফা আলি ইবনে আকিল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকিল আমার উপস্থিতিতে তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, দিনটি ছিল শনিবার মাসের শেষ দিনে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦٧)
ربيع الأول من سنة ثمان وخمسمئة، أنا أبو محمد الحسن بن علي بن محمد الجوهري قراءة عليه وأنا أسمع، أنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن حمدان بن مالك القطيعي قراءة عليه وأنا أسمع، ثنا بشر بن موسى، ثنا أبو نعيم، ثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((قال الله عز وجل: الصوم لي وأنا أجزي به. يدع شهوته وأكله وشربه من أجلي. والصوم جنة، وللصائم فرحتان: فرحةٌ حين يفطر وفرحةٌ حين يلقى الله عز وجل وخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك)) .
هذا حديث صحيح متفق على صحته من حديث أبي محمد سليمان بن مهران الكاهلي، مولاهم، الكوفي الأعمش. أخرجه البخاري عن أبي نعيم، وهو الفضل بن دكين، فوقع لنا موافقة عالية بحمد الله ومنه. وأخرجه مسلم عن أبي بكر بن أبي شيبة، عن أبي معاوية محمد بن خازم ووكيع بن الجراح، وعن زهير بن حرب عن جرير بن عبد الحميد ثلاثتهم عن الأعمش فوقع لنا عالياً جداً، فكأن شيخي حدث به عن صاحب مسلم.
وأبو صالح: هو ذكوان السمان الزيات كان.. .. يجلبهما إلى الكوفة.
৫০৮ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে, আবু মুহাম্মদ হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জাওহারী আমার নিকট পাঠ করেছেন এবং আমি তা শ্রবণ করেছি, তিনি বলেছেন: আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-কাতিয়ী আমার নিকট পাঠ করেছেন এবং আমি তা শ্রবণ করেছি, তিনি বলেছেন: বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু নুয়াইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল-আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সলিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "মহান আল্লাহ বলেছেন: রোজা কেবল আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব। সে আমারই জন্য নিজের কামনা-বাসনা এবং পানাহার ত্যাগ করে। রোজা হলো ঢাল স্বরূপ। রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে: একটি আনন্দ তার ইফতারের সময় এবং অন্য আনন্দটি যখন সে মহান আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে। আর রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধময়।"
এটি একটি সহিহ হাদিস, আবু মুহাম্মদ সুলাইমান বিন মিহরান আল-কাহিলি, তাদের মুক্তদাস, কুফি আল-আমাশ বর্ণিত হাদিস থেকে এর বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য রয়েছে। ইমাম বুখারি এটি আবু নুয়াইম থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি হলেন আল-ফজল বিন দুকাইন; ফলে আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের 'মুওয়াফাকাহ' হিসেবে পৌঁছেছে। ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবু শাইবা থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মদ বিন খাযিম ও ওয়াকি বিন আল-জাররাহ থেকে; এবং জুহাইর বিন হারব থেকে, তিনি জারির বিন আব্দুল হামিদ থেকে—তাঁরা তিনজনই আল-আমাশ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের কাছে অত্যন্ত উচ্চ সনদে পৌঁছেছে, যেন মনে হচ্ছে আমার শায়খ এটি সরাসরি ইমাম মুসলিমের কোনো এক সঙ্গীর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর আবু সলিহ: তিনি হলেন যাকওয়ান আস-সাম্মান আজ-যাইয়্যাত, তিনি... ... এই দুটি জিনিস কুফায় বহন করে নিয়ে আসতেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦٨)
الشيخ السادسأبو الحسن ثعلب بن أبي المختار مذكور بن أرنب البغدادي الأكاف.
سمع بإفادة أبيه من أبي العز محمد بن جابر الجناني، وأبي القاسم هبة الله ابن محمد بن الحصين، وأبي غالب أحمد بن الحسن ابن البناء وجماعة غيرهم وهو أخو شيخنا أبي الحرم رجب بن مذكور الذي يأتي ذكره والأكبر منهما. وكانت وفاته في شهر رمضان المعظم سنة تسع وسبعين وخمسمئة.
أخبرنا أبو الحسن ثعلب بن مذكور بن أرنب إجازة، ثنا أبو القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحصين لفظاً، وقرئ عليه أيضاً وأنا أسمع في رجب سنة ثلاث وعشرين وخمسمئة، أنا أبو علي الحسن بن علي بن محمد التميمي الواعظ قراءة عليه من كتابه ونحن نسمع، أنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن حمدان ابن مالك القطيعي قراءة عليه، فأقر به، ثنا أبو عبد الرحمن عبد الله بن أحمد ابن محمد بن حنبل بن هلال بن أسد الشيباني، قال: حدثني أبي أبو عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل رحمه الله ثنا أبو معاوية، ثنا الأعمش عن إبراهيم عن الأسود، عن عائشة رضي الله عنها قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم -
ষষ্ঠ শায়খআবুল হাসান সালাব বিন আবিল মুখতার মাজকুর বিন আরনাব আল-বাগদাদি আল-আক্কাফ।
তিনি তাঁর পিতার সহযোগিতায় আবুল ইযয মুহাম্মদ বিন জাবির আল-জিনানি, আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন, আবু গালিব আহমাদ বিন আল-হাসান ইবনুল বান্না এবং আরও একদল আলেমের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি আমাদের শায়খ আবুল হারাম রজব বিন মাজকুর-এর ভাই, যাঁর উল্লেখ সামনে আসবে এবং তিনি তাঁদের মধ্যে বড় ছিলেন। তাঁর মৃত্যু হয়েছিল সম্মানীত রমজান মাসে পাঁচশ উনআশি হিজরিতে।
আমাদেরকে আবুল হাসান সালাব বিন মাজকুর বিন আরনাব অনুমতির মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন আমাদেরকে আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-হুসাইন শাব্দিকভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম পাঁচশ তেইশ হিজরির রজব মাসে, তিনি বলেছেন আমাদেরকে আবু আলী হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-তামিমি আল-ওয়ায়েজ তাঁর কিতাব থেকে পাঠ করে শুনিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আমরা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেছেন আমাদেরকে আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন, তিনি বলেছেন আমাদেরকে আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ আল-শাইবানি বলেছেন: আমাকে আমার পিতা আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলেছেন, আমাদেরকে আবু মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন-
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٦٩)
: ((لا يصيب المؤمن شوكةٌ فما فوقها إلا رفعه الله عز وجل بها درجةٌ وحط عنه بها خطيئةٌ)) .
هذا حديث صحيح من حديث أبي محمد سليمان بن مهران الأعمش. انفرد به مسلم فرواه عن أبي بكر بن أبي شيبة، وأبي كريب، وإسحاق بن إبراهيم عن أبي معاوية محمد بن خازم، فوقع لنا بدلاً عالياً بحمد الله ومنه. وقد أخرجه مسلم من حديث منصور بن المعتمر عن إبراهيم فوقع لنا عالياً أيضاً.
الشيخ السابعأبو محمد صالح بن عبد الرحمن بن علي بن زرعان الواسطي الأصل البغدادي المولد والدار التاجر.
سمع أبا القاسم هبة الله بن محمد بن الحصين، وأبا الحسين محمد بن محمد بن الفراء، وأبوي غالب: محمد بن الحسن الماوردي وأحمد بن الحسن ابن البناء وأبوي بكر: محمد بن الحسين المزرفي ومحمد بن عبد الباقي الأنصاري وغيرهم. وكان مولده سنة سبع وخمسمئة.
وتوفي في صفر، ويقال في ليلة التاسع والعشرين من رجب، ويقال في شهر رمضان وهذا هو الأشبه، سنة تسع وسبعين وخمسمئة ببغداد، ودفن بباب حرب.
((একজন মুমিনকে কোনো কাঁটা বা তার চেয়ে বেশি কিছু বিদ্ধ করে না, তবে তার বিনিময়ে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং তার একটি পাপ মোচন করে দেন।)) .
এটি আবু মুহাম্মদ সুলায়মান ইবনে মিহরান আল-আ'মাশ থেকে বর্ণিত একটি সহীহ হাদীস। ইমাম মুসলিম এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ, আবু কুরায়ব এবং ইসহাক ইবনে ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মদ ইবনে খাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের নিকট উচ্চতর পর্যায়ের 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে পৌঁছেছে। মুসলিম এটি মানসুর ইবনে আল-মুতামির থেকে ইবরাহিমের সূত্রেও বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চতর সনদ হিসেবেও গণ্য হয়েছে।
সপ্তম শাইখআবু মুহাম্মদ সালিহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আলী ইবনে যারআন; আদি নিবাস ওয়াসিত হলেও জন্ম ও বসবাস ছিল বাগদাদে এবং তিনি একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
তিনি আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন, আবু হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফাররা, দুই আবু গালিব: মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-মাওয়ারদি ও আহমদ ইবনুল হাসান ইবনুল বান্না এবং দুই আবু বকর: মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-মাযরাফি ও মুহাম্মদ ইবনে আবদিল বাকি আল-আনসারি এবং আরও অনেকের নিকট হাদীস শ্রবণ করেছেন। তাঁর জন্ম হয়েছিল পাঁচশত সাত হিজরীতে।
তিনি সফর মাসে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে রজব মাসের উনত্রিশ তারিখ রাতে, আবার বলা হয় রমজান মাসে এবং এটাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য; তাঁর মৃত্যু হয় পাঁচশত উনআশি হিজরীতে বাগদাদে এবং তাঁকে বাবু হারব-এ দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧٠)
وزرعان: بفتح الزاي وسكون الراء المهملة وعين مهملة وفي آخره نون.
أخبرنا أبو محمد صالح بن عبد الرحمن بن علي التاجر إجازة، أنا القاضي أبو بكر محمد بن عبد الباقي بن محمد القزاز قراءة عليه وأنا أسمع في رجب سنة اثنتين وعشرين وخمسمئة، أنا أبو محمد الحسن بن علي الجوهري قراءة عليه وأنا أسمع، أنا أبو القاسم إسماعيل بن سعيد بن إسماعيل بن سويد، أنا أبو بكر أحمد بن موسى بن العباس بن مجاهد، ثنا محمد، يعني ابن المنادي، ثنا وهب بن جرير، ثنا شعبة، عن إسماعيل، عن قيس، عن سعد بن أبي وقاص قال: ((لقد رأيتني وأنا سابع سبعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم -ما لنا طعام إلا ورق الحبلة -أو الحبلة هكذا حدث شعبة- حتى إن أحدنا ليضع كما تضع الشاة ثم أصبحت بنو أسد تعزرني على الإسلام. لقد خبت إذاً وضل عملي)) .
أخرجه البخاري عن عبد الله بن محمد، عن وهب بن جرير، فوقع لنا بدلاً عالياً بحمد الله ومنه. وأخرجه البخاري ومسلم من طرق إلى إسماعيل، وهو ابن أبي خالد، وقيس: هو ابن أبي خازم.
الشيخ الثامنأبو القاسم عبيد الله بن أبي الفرج علي بن خازم محمد بن أبي يعلى محمد بن أبي عبد الله الحسين بن أحمد بن خلف ابن الفراء البغدادي الحنبلي العدل.
যারআন: য-এর উপর ফাতহা, বিন্দুবহীন র-এর উপর সুকুন এবং বিন্দুবহীন আয়ন, আর এর শেষে রয়েছে নুন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ সালিহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আলী আত-তাজির ইজাযাহ সূত্রে; তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকি ইবনে মুহাম্মাদ আল-কাযযায তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম পাঁচশত বাইশ হিজরীর রজব মাসে; তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারী তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইসমাইল ইবনে সাঈদ ইবনে ইসমাইল ইবনে সুওয়াইদ; তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মুসা ইবনে আল-আব্বাস ইবনে মুজাহিদ; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ—অর্থাৎ ইবনুল মুনাদী; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ওয়াহাব ইবনে জারীর; তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বাহ, ইসমাঈলের সূত্রে, তিনি কায়িসের সূত্রে, তিনি সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি নিজেকে দেখেছি যে আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সপ্তম ব্যক্তি হিসেবে ছিলাম। আমাদের হাবলা বৃক্ষের পাতা—অথবা আল-হুবলাহ, শু'বাহ এভাবেই বর্ণনা করেছেন—ব্যতীত কোনো খাবার ছিল না; এমনকি আমাদের কেউ এমনভাবে মলত্যাগ করত যেভাবে ছাগল নাদি ত্যাগ করে। অতঃপর আজ বানু আসাদ গোত্র আমাকে ইসলামের ব্যাপারে ভর্ৎসনা করছে! যদি তাই হয়, তবে তো আমি নিশ্চয়ই ব্যর্থ হয়েছি এবং আমার আমল পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে।"
ইমাম বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদের সূত্রে, তিনি ওয়াহাব ইবনে জারীরের সূত্রে। ফলে আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের 'বদল' সনদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। আর বুখারী ও মুসলিম এটি ইসমাঈল—যিনি ইবনে আবি খালিদ—তাঁর পর্যন্ত একাধিক সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর কায়িস হলেন ইবনে আবি খাযিম।
অষ্টম শায়খআবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে আবুল ফারাজ আলী ইবনে খাযিম মুহাম্মাদ ইবনে আবি ইয়া'লা মুহাম্মাদ ইবনে আবি আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আহমাদ ইবনে খালাফ ইবনুল ফাররা আল-বাগদাদী আল-হাম্বলী আল-আদল।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧١)
سمع بإفادة أبيه، وبنفسه، من أبوي الحسن: علي بن هبة الله بن عبد السلام وأحمد بن عبد الله ابن الأبنوسي، وأبي منصور عبد الرحمن بن محمد القزاز، وأبي سعد أحمد بن محمد الزوزني، وأبي المعالي عبد الخالق بن عبد الصمد ابن البدن، وأبي البدر إبراهيم بن محمد الكرخي، وجماعة غيرهم. وهو من بيت الحديث، حدث هو وأبوه وجده وجد أبيه.
ولد في ذي الحجة سنة سبع وعشرين وخمسمئة. وتوفي في ذي الحجة سنة ثمانين وخمسمئة ودفن بباب حرب.
أخبرنا أبو القاسم عبيد الله بن علي بن محمد بن الفراء الشاهد إجازة أنا أبو الحسن محمد بن أحمد بن محمد الصائغ قراءة عليه وأنا أسمع، أنا أبو محمد عبد الله بن محمد بن عبد الله بن عمر الخطيب، أنا أبو حفص عمر بن إبراهيم المقرئ الكتاني، ثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد، وهو ابن عبد العزيز البغوي، ثنا سريج، يعني ابن يونس، ثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، عن الأعمش عن أبي الضحى، عن مسروق، عن عائشة رضي الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقبل وهو صائم.
هذا حديث صحيح انفرد به مسلم فرواه في كتابه عن أبي الفضل شجاع ابن مخلد البغوي، عن أبي سعيد يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، فوقع لنا بدلاً عالياً بحمد الله ومنه.
তিনি তাঁর পিতার নির্দেশনায় এবং ব্যক্তিগতভাবে দুই আবুল হাসান: আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুস সালাম এবং আহমদ বিন আব্দুল্লাহ ইবনুল আবনূসী, আবু মানসুর আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-কাযযায, আবু সা'দ আহমদ বিন মুহাম্মদ আয-যাওযানী, আবুল মা'আলী আব্দুল খালিক বিন আব্দুস সামাদ ইবনুল বদন, আবুল বদর ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আল-কারখী এবং একদল আলেমের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। তিনি একটি হাদীস চর্চাকারী পরিবারে লালিত-পালিত হয়েছেন; তিনি নিজে, তাঁর পিতা, তাঁর দাদা এবং তাঁর প্রপিতামহ—সকলেই হাদীস বর্ণনা করেছেন।
তিনি পাঁচশত সাতাশ হিজরী সনের জিলহজ মাসে জন্মগ্রহণ করেন। এবং পাঁচশত আশি হিজরী সনের জিলহজ মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁকে বাবে হারবে দাফন করা হয়।
আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাররা আশ-শাহিদ ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সায়েগ তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমি শ্রবণ করেছি যে, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-খতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হাফস উমর বিন ইব্রাহিম আল-মুকরি আল-কাত্তানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ (যিনি ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাভী) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুরাইজ (অর্থাৎ ইবনে ইউনুস) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন যাকারিয়া বিন আবি যায়িদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আ'মাশ থেকে, তিনি আবুল দুহা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আয়েশা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) রোজা রাখা অবস্থায় চুম্বন করতেন।
এটি একটি সহীহ হাদীস যা ইমাম মুসলিম এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি তাঁর কিতাবে আবুল ফজল শুজা' ইবনে মাখলাদ আল-বাগাভী থেকে, তিনি আবু সাঈদ ইয়াহইয়া বিন যাকারিয়া বিন আবি যায়িদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের নিকট উচ্চস্তরের 'বদল' (উচ্চতর সনদ) হিসেবে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧٢)
وأبو زائدة: اسمه خالد، ويقال هبيرة.
وأبو الضحى: هو مسلم بن صبيح.
الشيخ التاسعأبو محمد سعيد بن أبي البقاء الموفق بن علي بن جعفر النيسابوري ثم البغدادي الصوفي الخازن.
سمع أبا القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد الشيباني وأبا عبد الله الحسين ابن الفرخان السمناني، وشيخ الشيوخ أبا البركات إسماعيل بن أحمد النيسابوري وغيرهم. ولد سنة خمس وخمسمئة في رجب. وتوفي في شهر ربيع الآخر سنة إحدى وثمانين وخمسمئة.
أخبرنا أبو محمد سعيد بن الموفق بن علي الخازن إجازة، أنا أبو القاسم هبة الله ابن محمد بن الحصين، أنا أبو محمد الحسن بن علي الجوهري، ثنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن حمدان القطيعي، ثنا بشر بن موسى، ثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، ثنا سعيد بن أبي أيوب، حدثني أبو الأسود، عن عكرمة، عن عبد الله ابن عمرو، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ((من قتل دون ماله مظلوماً فله الجنة)) .
أخرجه البخاري في صحيحه منفرداً به عن أبي عبد الرحمن عبد الله بن
আবু যায়িদাহ: তার নাম খালিদ, আর বলা হয় হুবাইরাহ।
আবুয যুহা: তিনি হলেন মুসলিম ইবনে সাবিহ।
নবম শায়খআবু মুহাম্মাদ সাঈদ ইবনে আবিল বাকা আল-মুয়াফফাক ইবনে আলী ইবনে জাফর আন-নিসাপুরী, অতঃপর আল-বাগদাদী আস-সূফী আল-খাযিন।
তিনি আবুল কাসেম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শাইবানী, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনুল ফারখান আস-সামনানী, শাইখুশ শুয়ুখ আবু আল-বারাকাত ইসমাইল ইবনে আহমাদ আন-নিসাপুরী এবং অন্যান্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি পাঁচশত পাঁচ হিজরীর রজব মাসে জন্মগ্রহণ করেন এবং পাঁচশত একাশি হিজরীর রবিউস সানি মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
আবু মুহাম্মাদ সাঈদ ইবনুল মুয়াফফাক ইবনে আলী আল-খাযিন আমাদের ইজাযাতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আবুল কাসেম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান আল-কাতিয়ী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, বিশর ইবনে মুসা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবুল আসওয়াদ আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন ইকরিমা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যাকে তার সম্পদের রক্ষার্থে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে, তার জন্য জান্নাত রয়েছে।"
বুখারী তার সহীহ গ্রন্থে এটি এককভাবে আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧٣)
يزيد المقرئ، فوقع لنا موافقة عالية بحمد الله ومنه. ولفظه في كتابه: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: ((من قتل دون ماله فهو شهيدٌ)) . وخالف البخاري جماعة من كبار أصحاب أبي عبد الرحمن المقرئ فرووه باللفظ الذي أخرجناه. واسم أبي أيوب والد سعيد: مقلاص.
وأبو الأسود: هو محمد بن عبد الرحمن المعروف باسم عروة.
وعكرمة: هو أبو عبد الله مولى عبد الله بن عباس رضي الله عنهم وليس له في صحيح البخاري عن عبد الله بن عمرو بن العاص سوى هذا الحديث الواحد.
الشيخ العاشرأبو الفتح عبيد الله ابن أبي محمد عبد الله بن محمد بن نجا بن محمد بن علي بن شاتيل البغدادي الدباس.
سمع أبا سعد محمد بن عبد الكريم بن خشيش، وأبا القاسم علي ابن الحسين الربعي وجماعةً. وتفرد بالرواية عن أبي غالب محمد بن الحسن الباقلاني، وأبي بكر أحمد بن المظفر بن سوسن، والحاجب أبي الحسن علي بن محمد بن العلاف.
ইয়াজিদ আল-মুকরি, আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে আমাদের নিকট এটি উচ্চ পর্যায়ের সামঞ্জস্য (মুওয়াফাকাত আলিয়াহ) সহকারে পৌঁছেছে। তাঁর কিতাবে এর শব্দগুলো হলো: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যাকে তার সম্পদের রক্ষার্থে হত্যা করা হয়, সে শহীদ।" আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরির একদল বিশিষ্ট ছাত্র ইমাম বুখারীর বিরোধিতা করেছেন এবং তাঁরা সেই শব্দেই এটি বর্ণনা করেছেন যা আমরা উল্লেখ করেছি। আর সাঈদের পিতা আবু আইয়ুবের নাম হলো: মিকলাস।
আর আবুল আসওয়াদ হলেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান, যিনি উরওয়াহ নামে পরিচিত।
আর ইকরামা হলেন আবু আব্দুল্লাহ, যিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাসের (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) আযাদকৃত দাস। সহীহ বুখারীতে আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস থেকে এই একটি হাদীস ব্যতীত তাঁর আর কোনো বর্ণনা নেই।
দশম শায়খআবুল ফাতহ উবাইদুল্লাহ ইবনে আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন নাজা বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন শাতিল আল-বাগদাদী আদ-দাব্বাস।
তিনি আবু সা'দ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কারিম বিন খুশাইশ, আবুল কাসিম আলী ইবনুল হুসাইন আর-রাবায়ী এবং একদল উস্তাদের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। আর তিনি আবু গালিব মুহাম্মাদ বিন হাসান আল-বাকিল্লানি, আবু বকর আহমাদ বিন মুজাফফর বিন সাওসান এবং হাজিব আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আল-আল্লাফ থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে একক মর্যাদা (তাফাররুদ) লাভ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
ولد سنة إحدى وتسعين وأربعمئة. وتوفي في رجب سنة إحدى وثمانين وخمسمئة ببغداد، ودفن بباب حرب.
وقد حدث عنه الإمام تاج الإسلام أبو سعد عبد الكريم ابن السمعاني. وتوفي قبل مولدي بسنين.
أخبرنا أبو الفتح عبيد الله بن عبد الله بن محمد الدباس إجازة، أنا أبو عبد الله الحسين بن علي بن أحمد البندار، أنا أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم البزاز، أنا أبو أحمد حمزة بن محمد بن الحارث الدهقان، ثنا أبو يحيى جعفر بن هاشم البزاز، ثنا أبو الوليد، ثنا أبو هاشم صاحب الزعفراني، ثنا صالح بن عبيد، عن قبيصة بن وقاص، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((يكون عليكم أمراء بعدي يؤخرون الصلاة، فهي لكم وهي عليهم فصلوا معهم ما صلوا بكم القبلة)) .
انفرد به أبو داود السجستاني فرواه عن أبي الوليد هشام بن عبد الملك الباهلي، مولاهم، البصري الطيالسي، عن أبي هاشم، وهو عمار بن عمارة الزعفراني البصري، فوقع لنا موافقة عالية بحمد الله ومنه.
وقبيصة بن وقاص له صحبة من رسول الله صلى الله عليه وسلم. وهو سلمي من بني بهثة بن سليم، عداده في أهل البصرة. وقال أبو القاسم البغوي: سكن المدينة وروى عن النبي صلى الله عليه وسلم حديثاً.
তিনি ৪৯১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ৫৮১ হিজরির রজব মাসে বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁকে বাব হারব-এ দাফন করা হয়।
ইমাম তাজুল ইসলাম আবু সা'দ আব্দুল কারীম ইবনুল সামআনি তাঁর নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি আমার জন্মের কয়েক বছর পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন।
আবু ফাতহ উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দাব্বাস অনুমতিক্রমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আহমাদ আল-বুন্দার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আহমাদ হামযা ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হারিস আদ-দেহকান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়াহইয়া জাফর ইবনে হাশিম আল-বাযযায আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবুল ওয়ালিদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, যাফরানির সঙ্গী আবু হাশিম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, সালিহ ইবনে উবাইদ কাবিসাহ ইবনে ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমার পরে তোমাদের ওপর এমন কিছু শাসক আসবে যারা সালাত বিলম্বিত করবে। সেই সালাত তোমাদের জন্য (সওয়াব হিসেবে) গণ্য হবে এবং তাদের ওপর (বোঝা বা গুনাহ হিসেবে) বর্তাবে। সুতরাং তারা যতক্ষণ তোমাদের নিয়ে কিবলার দিকে ফিরে সালাত আদায় করবে, ততক্ষণ তোমরা তাদের সাথে সালাত আদায় করো।"
আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি আবুল ওয়ালিদ হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক আল-বাহিলি (তাদের মুক্ত দাস, আল-বাসরি আত-তায়ালিসি) থেকে, তিনি আবু হাশিম থেকে বর্ণনা করেছেন—আর তিনি হলেন আম্মার ইবনে আম্মারা আল-যাফরানি আল-বাসরি। আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের জন্য একটি উচ্চমানের সামঞ্জস্যপূর্ণ সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
কাবিসাহ ইবনে ওয়াক্কাস আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভ করেছিলেন। তিনি বানু বাহসাহ ইবনে সুলাইম গোত্রের একজন সুলামি ব্যক্তি এবং বসরাবাসীদের মধ্যে তাঁর গণনা করা হয়। আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ি বলেন: তিনি মদিনায় বসবাস করতেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
الشيخ الحادي عشرأبو حفص عمر بن أبي بكر علي بن الحسين البغدادي المأموني المقرئ المعروف بابن التبان -بالتاء المثناة من فوقها والباء الموحدة وآخره نون-.
سمع أبوي القاسم: هبة الله بن محمد بن الحصين الشيباني وزاهر بن طاهر ابن محمد الشحامي: وأبوي بكر: محمد بن الحسين المزرفي ومحمد بن عبد الباقي الأنصاري، وأبا نصر الحسن بن محمد بن إبراهيم اليونارتي الحافظ وغيرهم.
ولد في رجب سنة سبع وخمسمئة. وتوفي في جمادى الأولى سنة اثنتين وثمانين وخمسمئة ببغداد. وسمى بعضهم إياه: غانماً.
أخبرنا أبو حفص عمر بن أبي بكر بن علي المقرئ إجازة، أنا أبو القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحصين قراءةً عليه، أنا القاضي أبو القاسم علي ابن المحسن بن علي التنوخي قراءةً عليه، أنا الحسين بن محمد بن عبيد الدقاق والحسن بن جعفر الخرقي، قالا: ثنا محمد بن يحيى بن سليمان، ثنا عاصم بن
একাদশ শাইখআবু হাফস ওমর বিন আবি বকর আলি বিন আল-হুসাইন আল-বাগদাদি আল-মামুনি আল-মুকরি, যিনি ইবনুত তাব্বান নামে পরিচিত—উপরে দুই নুকতা বিশিষ্ট 'তা' এবং এক নুকতা বিশিষ্ট 'বা' যোগে, আর শেষে 'নুন'।
তিনি দুজন আবুল কাসিমের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন: হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-শায়বানি এবং জাহির বিন তাহির ইবনে মুহাম্মদ আল-শাহামি; এবং দুজন আবু বকরের নিকট থেকে: মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-মাজরাফি এবং মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি; এবং আবু নাসর আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-ইউনারতি আল-হাফিজ এবং অন্যান্যদের নিকট থেকে।
তিনি ৫০৭ হিজরির রজব মাসে জন্মগ্রহণ করেন। এবং ৫৮২ হিজরির জুমাদাল উলা মাসে বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন। কেউ কেউ তাঁর নাম গানিম বলেও উল্লেখ করেছেন।
আবু হাফস ওমর বিন আবি বকর বিন আলি আল-মুকরি ইজাযত সূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-হুসাইন তাঁর নিকট পঠন সূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) কাজী আবু আল-কাসিম আলি ইবনে আল-মুহাসসিন বিন আলি আত-তানুখি তাঁর নিকট পঠন সূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ আদ-দাক্কাক এবং আল-হাসান বিন জাফর আল-খারকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়েই বলেছেন: মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন সুলাইমান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আসিম বিন...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧٦)
علي، ثنا المسعودي، عن يزيد الرقاشي، عن أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((لا يرد الدعاء بين الأذان والإقامة)) .
هذا حديث غريب من حديث أبي عمرو يزيد بن أبان الرقاشي البصري، وكان رجلاً صالحاً وليس بالقوي في الحديث رواه عنه المسعودي، وهو عبد الرحمن ابن عبد الله بن عتبة بن عبد الله بن مسعود الهذلي الكوفي حدث عنه شعبة وجماعة من الكبار، ووثقه الإمام أحمد بن حنبل، وأثنى عليه مسعر بن كدام غير أنه اختلط بآخرةٍ.
وعاصم بن علي: هو أبو الحسن الواسطي، حدث عنه البخاري في ((الصحيح)) ومحمد بن يحيى بن سليمان المروزي، ثقة، وقد تابعه أبو محمد الحسن بن علويه القطان، وهو ثقة، فرواه عن عاصم بن علي. وقد رواه الحارث بن مرة الحنفي البصري، عن يزيد الرقاشي. كما رواه المسعودي. وقال يحيى بن معين: الحارث بن مرة ثقة. وقال أبو حاتم الرازي: يكتب حديثه. وقد روى هذا الحديث أبو إياس معاوية بن مرة عن أنس بن مالك وأخرجه أبو داود في سننه والترمذي في جامعه والنسائي في اليوم والليلة من حديثه، وقال الترمذي حديث حسن. ورواه أيضاً عن أنس بن مالك يزيد بن أبي مريم السلولي وأخرجه النسائي في اليوم والليلة من حديثه عنه.
আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাসউদী, তিনি ইয়াজিদ আর-রাকাশী থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ের দুয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।"
আবু আমর ইয়াজিদ ইবনে আবান আর-রাকাশী আল-বাসরীর বর্ণনা হিসেবে এই হাদিসটি গরিব। তিনি একজন নেককার লোক ছিলেন, তবে হাদিস বর্ণনায় শক্তিশালী ছিলেন না। মাসউদী তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি হলেন আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ আল-হুযালী আল-কুফী। শু'বাহ এবং একদল বড় আলেম তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং মিসআর ইবনে কিদাম তাঁর প্রশংসা করেছেন, তবে জীবনের শেষ ভাগে তাঁর স্মৃতিবিভ্রম ঘটেছিল।
আর আসিম ইবনে আলী হলেন আবু হাসান আল-ওয়াসিতী। ইমাম বুখারী তাঁর "সহীহ" গ্রন্থে এবং মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইমান আল-মারওয়াযী তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্ভরযোগ্য। আবু মুহাম্মদ হাসান ইবনে আলাউই আল-কাত্তান তাঁর অনুসরণ করেছেন, এবং তিনি নির্ভরযোগ্য; তিনি এটি আসিম ইবনে আলী থেকে বর্ণনা করেছেন। হারিস ইবনে মুররাহ আল-হানাফী আল-বাসরীও ইয়াজিদ আর-রাকাশী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, যেভাবে মাসউদী বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেছেন: হারিস ইবনে মুররাহ নির্ভরযোগ্য। আবু হাতিম আর-রাযী বলেছেন: তাঁর হাদিস লিখে রাখা যায়। আবু ইয়াস মুয়াবিয়া ইবনে মুররাহ আনাস ইবনে মালিক থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং আবু দাউদ তাঁর "সুনান" গ্রন্থে, তিরমিযী তাঁর "জামে" গ্রন্থে এবং নাসায়ী তাঁর "আল-ইয়াওম ওয়াল লাইলাহ" গ্রন্থে তাঁর সূত্র থেকে এটি সংকলন করেছেন। ইমাম তিরমিযী বলেছেন: হাদিসটি হাসান। ইয়াজিদ ইবনে আবি মারইয়াম আস-সালুলীও আনাস ইবনে মালিক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং নাসায়ী তাঁর সূত্র থেকে এটি "আল-ইয়াওম ওয়াল লাইলাহ" গ্রন্থে সংকলন করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧٧)
الشيخ الثاني عشرأبو الغنائم عبد الرحمن، ويسمى أيضاً غنيمة، بن جامع بن غنيمة البغدادي الأزجي الميداني البناء الفقيه.
سمع أبا طالب عبد القادر بن محمد بن يوسف، وأبا القاسم هبة الله بن محمد بن الحصين، وأبا عبد الله الحسين بن عبد الملك الخلال الأصفهاني وغيرهم.
توفي في شوال سنة اثنتين وثمانين وخمسمئة، ودفن بباب حرب. وهو من ميدان باب الأزج.
দ্বাদশ শায়খআবু আল-গানায়িম আবদুর রহমান, তাঁকে গানিমাহও বলা হতো, ইবনে জামি ইবনে গানিমাহ আল-বাগদাদি আল-আজজি আল-মাইদানি আল-বান্না আল-ফকিহ।
তিনি আবু তালিব আবদুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ, আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন, আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আবদুল মালিক আল-খাল্লাল আল-আসফাহানি এবং অন্যদের নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন।
তিনি পাঁচশত বিরাশি হিজরি সনের শাওয়াল মাসে ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে বাব-ই হারবে দাফন করা হয়। তিনি বাব আল-আজজ সংলগ্ন মাইদান এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧٨)
أخبرنا أبو الغنائم عبد الرحمن بن جامع بن غنيمة البناء الفقيه إجازة، أنا أبو طالب عبد القادر بن محمد بن عبد القادر اليوسفي، أنا محمد بن عبد الملك بن محمد بن بشران، أنا محمد بن العباس بن حيويه الخزاز، ثنا ابن أبي داود، ثنا عبد الرحمن بن عبد الله، ثنا شعبة بن الليث بن سعد، عن كثير بن فرقد، عن نافع أن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما كان يكري المزارع فحدث أن رافع بن خديج يأثر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه نهى عن ذلك، فقال نافع: فخرج إليه أبي البلاط وأنا معه فسأله فقال: نعم نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن كراء المزارع. فترك عبد الله كراءها.
أخرجه أبو عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي في سننه عن أبي القاسم عبد الرحمن بن عبد الله بن الحكم بن أعين المصري. فوقع لنا موافقة عالية بحمد الله تعالى ومنه. وقد اتفق البخاري ومسلم على إخراجه في صحيحهما من حديث أبي بكر أيوب بن أبي لهيعة السختياني عن نافع.
الشيخ الثالث عشرأبو العز عبد المغيث ابن أبي حرب زهير بن علوي البغدادي الحربي. سمع آباء القاسم: هبة الله بن الحصين، وهبة الله بن أحمد الحريري وزاهر بن
আবূল গানায়িম আবদুর রহমান বিন জামি বিন গুনাইমাহ আল-বান্না আল-ফকিহ ইজাযতের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবূ তালিব আবদুল কাদির বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল কাদির আল-ইউসুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আবদুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন হাইউইয়াহ আল-খায্যায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনু আবী দাউদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, শু'বাহ বিন আল-লায়স বিন সা'দ কাসীর বিন ফারকাদ থেকে, তিনি নাফি থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) আবাদি জমি ভাড়া দিতেন, অতঃপর সংবাদ পৌঁছাল যে রাফি বিন খাদীজ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করছেন যে তিনি তা থেকে নিষেধ করেছেন। নাফি বলেন: অতঃপর আমার পিতা আল-বালাতের দিকে তার নিকট গেলেন এবং আমিও তার সাথে ছিলাম, তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবাদি জমি ভাড়া দিতে নিষেধ করেছেন। ফলে আবদুল্লাহ তা ভাড়া দেওয়া ছেড়ে দিলেন।
আবূ আবদির রহমান আহমদ বিন শুআইব আন-নাসায়ী এটি তার সুনানে আবূল কাসিম আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হাকাম বিন আয়ুন আল-মিসরি থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের জন্য উচ্চতর সনদ (মুয়াফাকাহ আলিয়াহ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর বুখারী ও মুসলিম তাদের সহীহ গ্রন্থদ্বয়ে আবূ বকর আইয়ুব বিন আবী লাহিয়াহ আস-সাখতিয়ানি থেকে নাফির সূত্রে এটি বর্ণনা করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
ত্রয়োদশ শাইখআবূল ইযয আবদুল মুগীস ইবনু আবী হারব যুহাইর বিন আলাউয়ি আল-বাগদাদী আল-হারবী। তিনি আবূল কাসিমগণ: হিবাতুল্লাহ বিন আল-হুসাইন, হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ আল-হারীরি এবং যাহির বিন (থেকে শুনেছেন)।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٧٩)
طاهر الشحامي وعبد الله بن أحمد اليوسفي وإسماعيل بن أحمد ابن السمرقندي، وأبا الحسين محمد بن محمد ابن الفراء، وأبا العز أحمد بن عبيد الله بن كادش، وأبا غالب أحمد بن الحسن ابن البناء وجماعة غيرهم.
ولد تخميناً سنة خمسمئة. وتوفي في المحرم سنة ثلاث وثمانين وخمسمئة ببغداد، ودفن بباب حرب.
أخبرنا أبو العز عبد المغيث بن زهير الحربي إجازة، أنا أبو القاسم هبة الله بن محمد بن عبد الواحد بن الحصين الشيباني، أنا أبو علي الحسن بن علي بن محمد بن المذهب قراءةً عليه، أنا أبو بكر أحمد بن حفص بن حمدان بن مالك القطيعي، أنا أبو عبد الرحمن عبد الله بن أحمد بن محمد بن حنبل الشيباني أنا أبي، ثنا وكيع، ثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عاصم بن عمر، عن أبيه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((إذا أقبل الليل، وقال مرةً إذا جاء الليل، من هاهنا فقد أفطر الصائم - يعني المشرق والمغرب)) .
তাহের আশ-শুহামি, আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আল-ইউসুফি, ইসমাইল বিন আহমাদ ইবনুল সামারকান্দি, আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ ইবনুল ফাররা, আবুল ইজ্জ আহমাদ বিন উবাইদিল্লাহ বিন কাদিশ, আবু গালিব আহমাদ বিন আল-হাসান ইবনুল বান্না এবং একদল অন্য আলেম।
তিনি আনুমানিকভাবে পাঁচশ হিজরি সালে জন্মগ্রহণ করেন। এবং তিনি পাঁচশ তিরাশি হিজরি সালের মহরম মাসে বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁকে বাবু হারবে দাফন করা হয়।
আবুল ইজ্জ আব্দুল মুগিস বিন জুহাইর আল-হারবি ইজাযতন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-হুসাইন আশ-শাইবানি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুজাহহিব তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ বিন হাফস বিন হামদান বিন মালিক আল-কাতিয়ি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল আশ-শাইবানি আমাদের জানিয়েছেন যে, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ তাঁর পিতা থেকে, তিনি আসিম বিন উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ((যখন এই দিক থেকে রাত ঘনিয়ে আসবে—এবং একবার বলেছেন যখন রাত আসবে—তখন রোজাদার ইফতার করবে; অর্থাৎ পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্ত))।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٨٠)
أخرجه أبو داود سليمان بن الأشعث في سننه عن الإمام أبي عبد الله أحمد ابن محمد بن حنبل فوقع لنا موافقة عالية بحمد الله ومنه. وأخرجه أبو عبد الرحمن النسائي في سننه عن إسحاق بن إبراهيم الحنظلي عن وكيع فوقع لنا بدلاً عالياً. واتفق البخاري ومسلم على إخراجه في الصحيح من حديث هشام بن عروة، عن أبيه، وإخراجه أبو عيسى الترمذي في جامعه عن هارون بن إسحاق عن عبدة بن سليمان، عن هشام.
الشيخ الرابع عشرأبو السعادات نصر الله، ويسمى أيضاً المبارك، ابن أبي منصور عبد الرحمن ابن أبي غالب محمد بن عبد الواحد بن الحسن بن منازل -بضم الميم وفتح النون وبعد الألف زاي وآخره لام- الشيباني البغدادي القزاز البيع المعروف بابن زريق -بتقديم الزاي على الراء المهملة-.
سمع جده أبا غالب محمد بن عبد الواحد، ووالدته شمس النهار بنت الحافظ
এটি আবু দাউদ সুলায়মান ইবনুল আশআস তাঁর সুনান গ্রন্থে ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে আল্লাহর প্রশংসা ও অনুগ্রহে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের সামঞ্জস্যপূর্ণ (মুওয়াফাকাহ) সনদ হিসেবে পৌঁছেছে। আর আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ী তাঁর সুনান গ্রন্থে এটি ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আল-হানজালি থেকে, তিনি ওয়াকি থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের স্থলাভিষিক্ত (বাদাল) সনদ হিসেবে পৌঁছেছে। বুখারি ও মুসলিম তাঁদের সহিহ গ্রন্থে হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে—এই সূত্রে এটি বর্ণনার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। আর আবু ঈসা আত-তিরমিজি তাঁর জামে গ্রন্থে হারুন ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি আবদাহ ইবনে সুলায়মান থেকে এবং তিনি হিশাম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
চতুর্দশ শায়খআবুস সাআদাত নাসরুল্লাহ, যাঁকে আল-মুবারকও বলা হয়, ইবনে আবি মানসুর আব্দুর রহমান ইবনে আবি গালিব মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল হাসান ইবনে মানাযিল —মীম বর্ণে পেশ, নূন বর্ণে যবর, আলিফের পর যা এবং শেষে লাম সহযোগে— আশ-শায়বানি আল-বাগদাদি আল-কাযযায আল-বাই', যিনি ইবনে ঝুরাইক —রা বর্ণের আগে যা বর্ণ প্রদানপূর্বক— নামে পরিচিত।
তিনি তাঁর দাদা আবু গালিব মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ এবং তাঁর মাতা শামসুন নাহার বিনতে হাফেযের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতুন নিআল
(পৃষ্ঠা: ٨١)
أبي علي أحمد بن محمد البرداني، وأبا سعد محمد بن عبد الكريم بن خشيش وأبا القاسم علي بن الحسين الربيعي، وأبا الحسن علي بن محمد ابن العلاف، وأبا غالب شجاع بن فارس الذهلي، وغيرهم. وتفرد بالرواية عن أبي الحسين المبارك بن عبد الجبار الصيرفي وغيره.
وهو من بيت الحديث، حدث هو، وأبوه، وجده، مولده في جمادى الآخرة سنة إحدى وتسعين وأربعمئة. وتوفي في ربيع الآخر سنة ثلاث وثمانين وخمسمئة ببغداد، ودفن بباب حرب.
وحدث عنه تاج الإسلام أبو سعد ابن السمعاني رضي الله عنهم أجمعين-.
أخبرنا أبو السعادات نصر الله بن عبد الرحمن القزاز إجازة، أنا أبو سعد محمد ابن عبد الكريم بن محمد ابن عبد الكريم بن محمد بن خشيش الكاتب، أنا أبو علي الحسن بن أحمد ابن إبراهيم بن شاذان البزاز، أنا أبو بكر محمد بن جعفر بن محمد الآدمي، ثنا علي بن محمد بن عبد الملك، ثنا أبو الوليد، ثنا سلام ابن أبي مطيع، قال: سمعت معمراً، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن سعد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطى قوماً ومنع آخرين، قال: قلت: يا رسول الله انطيت فلاناً ومنعت فلاناً وهو مؤمن، فقال: لا تقل مؤمن ولكن قل مسلم. قال: وقال ابن
আবু আলী আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-বারদানি, আবু সা’দ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কারিম বিন খাশিশ, আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-হুসাইন আল-রাবি’ঈ, আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ ইবনুল আল্লাফ, আবু গালিব শুজা বিন ফারিস আদ-দাহলি এবং অন্যান্যগণ। তিনি আবু আল-হুসাইন আল-মুবারাক বিন আব্দুল জাব্বার আস-সাইরাফি ও অন্যদের থেকে এককভাবে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ছিলেন।
তিনি এক ইলমে হাদীসের পরিবারের সদস্য ছিলেন; তিনি নিজে, তাঁর পিতা এবং তাঁর দাদা হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাঁর জন্ম চারশত একানব্বই হিজরী সালের জুমাদিউল আখিরা মাসে। তিনি পাঁচশত তিরাশি হিজরী সালের রবিউস সানি মাসে বাগদাদে ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে বাব হারবে দাফন করা হয়।
তাজুল ইসলাম আবু সা’দ ইবনুল সাম’আনী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন—আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
আবু আল-সা’আদাত নাসরুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-কাযযায ইজাযত বা অনুমতির মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আবু সা’দ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল কারিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল কারিম ইবনে মুহাম্মাদ বিন খাশিশ আল-কাতিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আবু আলী হাসান বিন আহমাদ ইবনে ইবরাহিম বিন শাদান আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আবু বকর মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন মুহাম্মাদ আল-আদামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু আল-ওয়ালিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সাল্লাম ইবনে আবি মুতি’ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মা’মারকে যুহরি থেকে, তিনি আমির বিন সা’দ থেকে এবং তিনি সা’দ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল লোককে কিছু দান করলেন এবং অপর এক দলকে বঞ্চিত করলেন। তিনি (সা’দ) বলেন: আমি আরয করলাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি অমুককে দান করলেন অথচ অমুককে বঞ্চিত করলেন, অথচ সে একজন মুমিন।’ তখন তিনি বললেন: ‘তাকে মুমিন বলো না, বরং মুসলিম বলো।’ বর্ণনাকারী বলেন: এবং ইবনে...