(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: -)
نزهة الناظر في ذكر من حدث عن البغوي القسم: كتب السنة
الكتاب: نزهة الناظر في ذكر من حدث عن أبي القاسم البغوي من الحفاظ والأكابر
المؤلف: يحيى بن علي بن عبد الله بن علي بن مفرج، أبو الحسين، رشيد الدين القرشي الاموي النابلسي ثم المصري، المعروف بالرشيد العطار (ت 662هـ)
المحقق: مشعل بن باني الجبرين المطيري
الناشر: دار ابن حزم
الطبعة: الأولى 1423 هـ - 2002 م
عدد الصفحات: 161
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-বাগাউয়ী থেকে যারা বর্ণনা করেছেন তাদের স্মরণে দর্শকদের প্রমোদ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-হাফিজ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে যারা আবু আল-কাসিম আল-বাগাউয়ী থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন তাদের আলোচনায় দর্শকদের প্রমোদ
লেখক: ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে মুফরিজ, আবু আল-হুসাইন, রশিদ উদ্দিন আল-কুরাশী আল-উমাবী আন-নাবলুসী অতঃপর আল-মিসরী, যিনি আর-রশিদ আল-আত্তার নামে পরিচিত (মৃত্যু ৬৬২ হিজরি)
সম্পাদক: মিশআল ইবনে বানি আল-জাবরীন আল-মুতাইরী
প্রকাশক: দার ইবনে হাজম
সংস্করণ: প্রথম ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬১
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: -)
نزهة الناظر
في ذكر من حدث عن أبي القاسم البغوي من الحفاظ والأكابر
للإمام الحافظ
رشيد الدين أبي الحسين يحيى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ العطار القرشي
(584 - 662 هـ)
تحقيق وتعليق
مشعل بن باني الجبرين المطيري
دار ابن حزم
الطبعة الأولى
1423 هـ - 2002 م
নুজহাতুন নাযির
হাফেজ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্য থেকে যারা আবুল কাসেম আল-বাগাভী থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাদের আলোচনা প্রসঙ্গে
ইমাম হাফেজ
রশীদুদ্দীন আবুল হুসাইন ইয়াহইয়া বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-আত্তার আল-কুরাশী
(৫৮৪ - ৬৬২ হিজরী)
সম্পাদনা ও টীকা
মিশআল বিন বানী আল-জাবরীন আল-মুতাইরী
দার ইবনে হাযম
প্রথম সংস্করণ
১৪২৩ হিজরী - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
بسم الله الرحمن الرحيمرب يسر يا كريم
أخبرنا سيدنا الشيخ الإمام الحافظ رشيد الدين بقية السلف قدوة الخلف أبو الحسين يحيى ابن الإمام أبي الحسن علي بن عبد الله القرشي -أثابه الله تعالى رضوانه- قال:
الحمد لله مخترع الخلائق بقدرته، ومصرفهم على وفق إرادته، ومقدر أرزاقهم وآجالهم بحكمته، الذي فضل العلماء على بريته، ورفع بالعلم درجات أهله وحملته، وخصهم بحفظه وضبطه ومعرفته، ونفع به من أخلص له في قصده ونيته.
وصلى الله على محمد نبيه وآله وصحابته وسلم عليه وعليهم أجمعين إلى يوم الدين.
وبعد.
فإن بعض أصحاب الحديث -كثرهم الله تعالى- ذاكرني بشيء من أحوال الشيخ الحافظ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ محمد بن عبد العزيز المنيعي البغوي ثم البغدادي محدث العراق في زمانه، والمقدم على أقرانه فذكرنا ما رزقه الله تعالى من طول العمر وقدم السماع وكثرة الحديث والفهم والدراية ولقاء الحفاظ والأكابر من أهل النقل كأحمد بن حنبل وعلي بن المديني وأبي خيثمة وأبي بكر وعثمان بن أبي شيبة وعلي بن الجعد وأبي الأحوص البغوي وأبي نصر التمار وخلف بن هشام البزار وهدبة بن خالد وغيرهم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।হে রব, সহজ করে দিন, হে দয়ালু।
আমাদের নেতা, শাইখ, ইমাম, হাফেজ রশিদ উদ্দিন, সালাফদের অবশিষ্টাংশ, উত্তরসূরিদের আদর্শ, আবুল হুসাইন ইয়াহইয়া ইবনে ইমাম আবুল হাসান আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-কুরাশি—আল্লাহ তাআলা তাঁকে তাঁর সন্তুষ্টি দান করুন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন:
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর কুদরতে সৃষ্টির উদ্ভাবক, তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী তাদের পরিচালক এবং তাঁর হিকমতে তাদের রিজিক ও আয়ু নির্ধারণকারী; যিনি আলেমগণকে তাঁর সৃষ্টির উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং ইলমের মাধ্যমে এর ধারক ও বাহকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন; আর তিনি তাঁদেরকে তাঁর হিফাজত, যথাযথ সংরক্ষণ ও জ্ঞান দিয়ে বিশিষ্ট করেছেন এবং এর মাধ্যমে এমন ব্যক্তিকে উপকৃত করেছেন যে তার লক্ষ্য ও নিয়তে তাঁর প্রতি একনিষ্ঠ হয়েছে।
আর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর সকল সাহাবীর উপর কিয়ামত দিবস পর্যন্ত।
অতঃপর—
নিশ্চয়ই হাদিস অনুসারীদের কেউ কেউ—আল্লাহ তাআলা তাঁদের সংখ্যা বৃদ্ধি করুন—আমার কাছে শাইখ, হাফেজ আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-মানি’য়ি আল-বাগাউয়ি অতঃপর আল-বাগদাদি সম্পর্কে আলোচনা করলেন, যিনি তাঁর সমসাময়িক ইরাকের মুহাদ্দিস এবং তাঁর সমকক্ষদের মধ্যে অগ্রগণ্য ছিলেন। আমরা আলোচনা করলাম আল্লাহ তাআলা তাঁকে যে দীর্ঘ হায়াত দান করেছেন এবং তাঁর প্রাচীন শ্রবণ, হাদিসের আধিক্য, প্রজ্ঞা ও দক্ষতা এবং হাফেজ ও হাদিস বর্ণনাকারী মহান ব্যক্তিবর্গের সাথে তাঁর সাক্ষাত সম্পর্কে; যেমন: আহমাদ বিন হাম্বল, আলী বিন মাদিনি, আবু খাইসামা, আবু বকর ও উসমান বিন আবু শাইবা, আলী বিন জা’দ, আবু আহওয়াস আল-বাগাউয়ি, আবু নাসর আত-তাম্মার, খালাফ বিন হিশাম আল-বাযযার, হুদবা বিন খালিদ এবং অন্যান্য।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ২৪)
ممن تقدمت وفاتهم، وروى عنهم الأئمة الكبار كالبخاري ومسلم وأبي داود وغيرهم وعمره الله تعالى حتى تفرد بالرواية عن جماعةٍ جمةٍ من شيوخه لم يبق في الدنيا من يروي عنهم غيره وانتشر حديثه في الآفاق وكثر الرواة عنه إلى غير ذلك من أحواله، فحداني ذلك على أن أجمع شيوخه والرواة عنه وترتيب أسماءهم على حروف المعجم، فشرعت في ذلك ثم تذكرت أن صاحبنا الحافظ أبا بكر ابن نقطة البغدادي -رحمه الله تعالى- كان قد ذكر أن الحافظ أبا محمد ابن الأخضر البغدادي قد جمع شيوخه فقط فشرعت في جمع الرواة عنه فوجدتهم خلقاً لا يحصرهم عد ولا يحدهم حد فوقع الاختيار على ذكر من روى عنه أو سمع منه من حفاظ الحديث وأعيان الرواة، فاستخرت الله تعالى وعلقت في هذا المجموع ما تيسر لي جمعه منهم ورتبت أسماءهم على ترتيب حروف المعجم وذكرت ما انتهى إلي علمه من مولدهم ووفاتهم ونبذةً من أسماء شيوخهم ورواتهم وما تيسر من حديث أكثرهم عنه، ولم أستوعب جميع من يدخل في هذا الباب لاتساعه والله تعالى يحسن العون على بلوغ ما أردته ويعصم من الخطأ والزلل فيما أوردته إنه جوادٌ كريمٌ وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بالله العلي العظيم.
যাঁদের মৃত্যু ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে এবং ইমাম বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও অন্যদের মতো বড় ইমামগণ তাঁদের থেকে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ তাআলা তাঁকে দীর্ঘায়ু দান করেছিলেন, ফলে তিনি তাঁর এক বিশাল সংখ্যক উস্তাদের থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে একক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন; পৃথিবীতে তিনি ছাড়া তাঁদের থেকে বর্ণনা করার মতো আর কেউ অবশিষ্ট ছিল না। দিগন্তজুড়ে তাঁর হাদিস ছড়িয়ে পড়ে এবং তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, এছাড়াও তাঁর আরও অনেক অবস্থা রয়েছে। এই বিষয়টিই আমাকে তাঁর উস্তাদ ও বর্ণনাকারীদের তথ্য সংগ্রহ করতে এবং তাঁদের নামসমূহ বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আমি যখন এ কাজ শুরু করি, তখন আমার স্মরণে এলো যে আমাদের সাথী হাফেজ আবু বকর ইবনে নুকতাহ আল-বাগদাদী (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) উল্লেখ করেছিলেন যে, হাফেজ আবু মুহাম্মদ ইবনুল আখদার আল-বাগদাদী কেবল তাঁর উস্তাদদেরই তালিকাভুক্ত করেছিলেন। এরপর আমি তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের তথ্য একত্র করার কাজ শুরু করি এবং তাঁদের এমন এক বিশাল জনসমষ্টি হিসেবে পেলাম যাঁদের কোনো গণনা বা সীমারেখায় আবদ্ধ করা সম্ভব নয়। ফলে যারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন অথবা তাঁর নিকট শ্রবণ করেছেন, এমন হাদিস বিশারদ এবং প্রখ্যাত বর্ণনাকারীদের উল্লেখ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম। আমি আল্লাহ তাআলার কাছে ইস্তিখারা করলাম এবং এই সংকলনে তাঁদের মধ্য থেকে যা সংগ্রহ করা আমার জন্য সহজসাধ্য হয়েছে তা লিপিবদ্ধ করলাম। আমি তাঁদের নামসমূহ বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছি এবং তাঁদের জন্ম ও মৃত্যু সম্পর্কে আমার জানা তথ্যসমূহ উল্লেখ করেছি। পাশাপাশি তাঁদের উস্তাদ ও বর্ণনাকারীদের নামের সংক্ষিপ্ত বিবরণ এবং তাঁদের অধিকাংশের পক্ষ থেকে বর্ণিত হাদিস থেকে যা সহজলভ্য হয়েছে তা উল্লেখ করেছি। বিষয়টি অত্যন্ত ব্যাপক হওয়ার কারণে আমি এই প্রসঙ্গের অন্তর্ভুক্ত সকল ব্যক্তিকে পূর্ণাঙ্গভাবে উল্লেখ করতে পারিনি। আমি যা সংকল্প করেছি তা অর্জনে আল্লাহ তাআলা সর্বোত্তম সাহায্যকারী এবং আমি যা উপস্থাপন করেছি তাতে ভুলভ্রান্তি ও বিচ্যুতি থেকে তিনি রক্ষা করুন। নিশ্চয়ই তিনি অতিশয় দানশীল ও মহানুভব। সুউচ্চ ও মহান আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় ও শক্তি নেই।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
فصل في ذكر مولد أبي القاسم البغوي وما انتهى عمره إليه وشيء من ثناء العلماء عليهاختلفت الرواية عنه في تعيين السنة التي ولد فيها فذكر أبو بكر ابن شاذان الدورقي أنه سمعه يقول: ولدت سنة ثلاث عشرة ومائتين.
قال ابن شاذان: ومات في ليلة الفطر من سنة سبع عشرة وثلاثمائة عمر مائة سنة وأربع سنين.
وروى أبو حفص ابن شاهين وغيره عنه أنه ولد في شهر رمضان سنة أربع عشرة ومائتين وأنه قرأ ذلك بخط جده أحمد بن منيع وكتب الإملاء عن إسحاق بن إسماعيل الطالقاني سنة خمس وعشرين ومائتين وتوفي -رحمه الله تعالى- ليلة عيد الفطر سنة سبع عشرة وثلاثمائة بلا خلاف أعلمه في ذلك.
قال الحافظ أبو بكر الخطيب: ((كان يعني أبا القاسم البغوي ثقة ثبتا مكثرا فهما عارفا)) .
قال الحافظ أبو يعلى الخليلي: أبو القاسم البغوي ثقة كبير كتب عنه
আবুল কাসিম আল-বাগাভীর জন্ম, তাঁর বয়স এবং তাঁর প্রতি আলেমদের প্রশংসার বিবরণ সংবলিত পরিচ্ছেদতাঁর জন্মের সাল নির্ধারণের ক্ষেত্রে তাঁর থেকে বর্ণিত বর্ণনায় মতভেদ রয়েছে। আবু বকর ইবন শাযান আদ-দাওরাকী উল্লেখ করেছেন যে তিনি তাঁকে বলতে শুনেছেন: "আমি দুইশ তের হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেছি।"
ইবন শাযান বলেন: "তিনি তিনশ সতের হিজরীর ঈদুল ফিতরের রাতে একশ চার বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।"
আবু হাফস ইবন শাহীন ও অন্যান্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি দুইশ চৌদ্দ হিজরীর রমজান মাসে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি তা তাঁর দাদা আহমদ ইবন মানী'-এর হস্তাক্ষরে পড়েছিলেন। তিনি দুইশ পঁচিশ হিজরীতে ইসহাক ইবন ইসমাঈল আত-তালিকানী থেকে শ্রুতলিখন গ্রহণ করেছিলেন। তিনি—আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন—তিনশ সতের হিজরীর ঈদুল ফিতরের রাতে ইন্তেকাল করেন, এ বিষয়ে আমার জানামতে কোনো মতভেদ নেই।
হাফেজ আবু বকর আল-খাতীব বলেন: "তিনি (অর্থাৎ আবুল কাসিম আল-বাগাভী) ছিলেন নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ়, অধিক বর্ণনাকারী, প্রজ্ঞাবান ও বিশেষজ্ঞ।"
হাফেজ আবু ইয়ালা আল-খলীলী বলেন: "আবুল কাসিম আল-বাগাভী ছিলেন একজন মহান নির্ভরযোগ্য আলেম, তাঁর থেকে ইলম লিখে নেওয়া হয়েছে।"
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ২৬)
العلماء قديما وعمر [مائة وعشر سنين] أدرك الكبار من شيوخ البصرة وبغداد هدبة بن خالد وعلي بن الجعد وذكر جماعة غيرهم.
وقال الحافظ أبو سعد ابن السمعاني: ((أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي ابن بنت أحمد بن منيع البغوي وإنما قيل له البغوي لأجل جده أحمد.
وولد هو ببغداد ونشأ بها وكان محدث العراق في عصره وإليه الرحلة من البلاد وكانت ولادته سنة ثلاث عشرة ومائتين ووفاته سنة سبع عشرة وثلاثمائة)) .
أخبرنا أبو الحسن ابن المقدسي الحارثي -رحمه الله تعالى- فيما قرأت عليه عن أحمد بن محمد بن أحمد الحافظ.
أخبرنا أبو الفضل محمد بن طاهر الحافظ بهمذان قال: قرأت على أبي القاسم الفضل بن أبي حرب الجرجاني بنيسابور عن أبي عبد الرحمن السلمي قال: سألت أبا الحسن الدراقطني الحافظ عن أبي القاسم ابن منيع فقال: ثقة جبل إمام من الأئمة أقل المشايخ خطأ وكان ابن صاعد أكثر حديثا من ابن منيع إلا أن كلام ابن منيع على الحديث أحسن من كلام ابن صاعد.
أخبرنا أبو الفضل المطرز، أخبرنا أحمد بن محمد الحافظ قال: سمعت أبا نصر المؤتمن بن أحمد الحافظ قال: سمعت إسماعيل بن مسعدة الجرجاني الحافظ قال: سمعت أبا القاسم حمزة بن يوسف السهمي قال: وسمعت أبا الحسين محمد بن غسان يقول: سمعت الأردبيلي -وكان من أصحابنا يكتب الحديث ويفهم- قال: سئل ابن أبي حاتم عن أبي القاسم البغوي يدخل في الصحيح؟
প্রাচীন আলেমগণ এবং তার বয়স ছিল [একশত দশ বছর]। তিনি বসরা ও বাগদাদের প্রবীণ শায়খদের সান্নিধ্য লাভ করেন, যেমন হুদবা ইবনে খালিদ ও আলী ইবনুল জা'দ এবং তিনি অন্যদের একটি দলের কথাও উল্লেখ করেছেন।
হাফেজ আবু সাদ ইবনে সামআনী বলেন: ((আবু কাসেম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি হলেন আহমদ বিন মানী আল-বাগাউয়ির মেয়ের ঘরের নাতি। মূলত তার দাদা আহমদের কারণেই তাকে আল-বাগাউয়ি বলা হতো।
তিনি বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। তিনি তাঁর সময়ের ইরাকের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ছিলেন এবং বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ তাঁর নিকট জ্ঞানার্জনের জন্য সফর করত। তাঁর জন্ম ছিল দুইশত তেরো হিজরিতে এবং মৃত্যু ছিল তিনশত সতেরো হিজরিতে))।
আবু হাসান ইবনে মাকদিসি আল-হারিসি —আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর দয়া করুন— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমি তাঁর কাছে যা পাঠ করেছি তাতে আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ হাফেজ থেকে।
হামাদানে আবু ফজল মুহাম্মদ বিন তাহের হাফেজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি নিশাপুরে আবুল কাসেম আল-ফজল বিন আবি হারব আল-জুরজানি এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু আবদুর রহমান আস-সুলামি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি হাফেজ আবুল হাসান আদ-দারা কুতনিকে আবুল কাসেম ইবনে মানী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, এক বিশাল পাহাড়তুল্য ব্যক্তিত্ব এবং ইমামদের মধ্য হতে একজন ইমাম। তিনি উস্তাদদের মধ্যে সবচেয়ে কম ভুলের অধিকারী ছিলেন। ইবনে সাঈদ ইবনে মানীর চেয়ে অধিক হাদিস জানতেন, তবে হাদিসের ওপর ইবনে মানীর পর্যালোচনা ইবনে সাঈদের পর্যালোচনার চেয়ে উত্তম ছিল।
আবুল ফজল আল-মুতরিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন মুহাম্মদ হাফেজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু নাসর আল-মুতামান বিন আহমদ হাফেজকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইসমাইল বিন মাসআদা আল-জুরজানি হাফেজকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবুল কাসেম হামজা বিন ইউসুফ আস-সাহমিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: এবং আমি আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন গাসসানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আরদাবিলিকে বলতে শুনেছি —যিনি আমাদের সাথীদের একজন ছিলেন, হাদিস লিখতেন এবং বুঝতেন— তিনি বলেন: ইবনে আবি হাতিমকে আবুল কাসেম আল-বাগাউয়ি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তিনি কি সহীহ (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের) অন্তর্ভুক্ত হবেন?
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
قال: نعم.
أخبرنا أبو محمد العثماني وأبو علي الكاغدي قراءة عليهما قالا: أخبرنا أحمد بن محمد الحافظ، أخبرنا أبو الحسين ابن الصيرفي، أخبرنا أبو الحسن علي بن أحمد المؤدب، أخبرنا أحمد بن إسحاق النهاوندي، أخبرنا الحسن بن عبد الرحمن القاضي قال:
لا يعرف في الإسلام محدث وازى عبد الله بن محمد البغوي المعروف بابن منيع في قدم السماع فإنه توفي في سنة سبع عشرة وثلاثمائة سمعناه يقول: أخبرنا إسحاق بن إسماعيل الطالقاني سنة خمس وعشرين ومائتين.
قلت: وقد وقع مثل هذا في المتأخرين للرئيس أبي القاسم ابن بيان الرزار الْبَغْدَادِيّ والله أعلم.
قلت: وبلغني أن بعض أصحاب أبي القاسم البغوي كان يلقبه بثلث الإسلام.
وحكى أن بعض أصحاب الحديث استملى عليه فقال: من ذكرت يا ثلث الإسلام رضي الله عنك؟
ومن أغرب ما يذكر هاهنا وأعجبه أن في الرواة رجلا وافق البغوي في اسمه واسم أبيه واسم جده واتفقا أيضا في الرواية عن شيخ واحد وهو عبد الله بن محمد بن عبد العزيز الجرجاني يكنى أبا الخصيب روى هو والبغوي عن محمد بن حميد الرازي يدل على ذلك ما أخبرنا الحافظ أبو محمد عبد الغني بن عبد الواحد بن علي المقدسي إجازة، أخبرنا الإمام أبو
তিনি বললেন: হ্যাঁ।
আবু মুহাম্মাদ আল-উসমানি এবং আবু আলী আল-কাগাদি তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হুসাইন ইবনুন সাইরাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান আলী বিন আহমাদ আল-মুয়াদ্দিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন ইসহাক আন-নাহাওয়ান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান বিন আব্দুর রহমান আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন:
ইসলামে এমন কোনো মুহাদ্দিস পরিচিত নন, যিনি শ্রুতির প্রাচীনত্বের (কাদামুস সামা’) ক্ষেত্রে ইবনে মানি’ নামে পরিচিত আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাওয়ির সমকক্ষ হতে পেরেছেন। কেননা তিনি ৩১৭ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। আমরা তাঁকে বলতে শুনেছি: ইসহাক বিন ইসমাইল আত-তালিকানি ২২৫ হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
আমি (গ্রন্থকার) বলছি: পরবর্তীদের মধ্যে রাইস আবুল কাসিম ইবনে বায়ান আর-রাজ্জার আল-বাগদাদির ক্ষেত্রেও অনুরূপ ঘটনা ঘটেছে, আর আল্লাহই ভালো জানেন।
আমি বলছি: আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ির কোনো কোনো সঙ্গী তাঁকে ‘ইসলামের এক-তৃতীয়াংশ’ উপাধিতে ভূষিত করতেন।
বর্ণিত আছে যে, হাদিসের কোনো এক ছাত্র তাঁর নিকট ইমলা গ্রহণকালে (হাদিস লিখে নেওয়ার সময়) বলেছিল: হে ইসলামের এক-তৃতীয়াংশ, আল্লাহ আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হোন, আপনি কার কথা উল্লেখ করলেন?
এখানে যা কিছু উল্লেখ করা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে অদ্ভুত ও বিস্ময়কর বিষয় হলো এই যে, বর্ণনাকারীদের মধ্যে এমন একজন ব্যক্তি রয়েছেন যার নিজের নাম, পিতার নাম এবং দাদার নাম আল-বাগাওয়ির সাথে হুবহু মিলে যায়। আবার তাঁরা উভয়ে একজন সাধারণ শাইখের নিকট থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রেও একমত হয়েছেন, আর তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ আল-জুরজানি, যাঁর কুনিয়াত হলো আবু আল-খাসিব। তিনি এবং আল-বাগাওয়ি উভয়েই মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ আর-রাজি থেকে বর্ণনা করেছেন। হাফিজ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল গানি বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী আল-মাকদিসি ইজাজাতান (অনুমতিক্রমে) আমাদের যা সংবাদ দিয়েছেন তা এর প্রমাণ বহন করে; ইমাম আবু... আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
الفضل مسعود بن علي بن عبيد الله بن البادر قراءة عليه ببغداد، أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن أحمد السمرقندي (ح) .
وأخبرنا عاليا جماعة من شيوخنا إجازة قالوا: أخبرنا الحافظ أبو القاسم ابن السمرقندي، أخبرنا أبو القاسم إسماعيل بن مسعدة، أخبرنا حمزة بن يوسف السهمي الحافظ في ((تاريخ جرجان)) قال:
((عبد الله بن محمد بن عبد العزيز الجرجاني أبو الخصيب القاضي روى عن محمد بن حميد وعبد السلام بن صالح روى عنه أبو الطيب محمد بن عبد الله الشعيري)) .
ফজল মাসউদ ইবনে আলী ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আল-বাদির, তাঁর নিকট বাগদাদে পাঠ করা হয়েছে, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম ইসমাইল ইবনে আহমদ আস-সামারকান্দি (হ)।
এবং আমাদের একদল উস্তাদ উচ্চ সনদে ইজাযাহর মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: হাফেজ আবুল কাসেম ইবনে আস-সামারকান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসেম ইসমাইল ইবনে মাসআদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ হামজা ইবনে ইউসুফ আস-সাহমি ((তারিখে জুরজান)) গ্রন্থে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:
((আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-জুরজানি আবুল খাসিব আল-কাজি; তিনি মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ এবং আবদুস সালাম ইবনে সালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু তাইয়্যিব মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আশ-শাইরি))।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ২৯)
باب الألف
من اسمه: أحمد
1- أحمد بن إبراهيم بن إسماعيل بن العباس الجرجاني الإسماعيلي منسوبٌ إلى جده إسماعيل يكنى أبا بكر.
أحد الأئمة المشهورين والحفاظ المذكورين وله التواليف الحسنة المفيدة ومن جملتها كتاب ((الصحيح المخرج على صحيح البخاري)) .
وذكر الخليلي أنه خرج على كتاب البخاري وعلى كتاب مسلم أيضا وله غير ما ذكرته من الجموع والتخاريج.
وكان مقدما في الفقه والحديث وغير ذلك من فنون العلم سمع محمد بن عثمان بن أبي شيبة وأبا يعلى الموصلي وأبا خليفة الجمحي والحسن بن سفيان النسوي وجعفر بن محمد الفريابي وأبا القاسم البغوي ويحيى بن محمد بن صاعد والقاسم بن زكريا المطرز وجماعةٌ يكثر تعدادهم وله معجم بأسماء شيوخه يزيد عددهم على أربعمائة شيخ.
روى عنه أبو بكر البرقاني وأبو حازم العبدوي وأبو سعد الماليني وخلف بن محمد الواسطي وأبو جعفر بن دلان وأبو نصر بن أبي بكر الإسماعيلي وغيرهم.
আলিফ অধ্যায়যাদের নাম: আহমদ১- আহমদ বিন ইবরাহিম বিন ইসমাঈল বিন আব্বাস আল-জুরজানি আল-ইসমাঈলি। তিনি তাঁর দাদা ইসমাঈলের দিকে সম্বন্ধযুক্ত এবং তাঁর উপনাম আবু বকর।
তিনি অন্যতম প্রসিদ্ধ ইমাম এবং সুপরিচিত হাফেজ। তাঁর বহু উত্তম ও উপকারী রচনা রয়েছে, যার মধ্যে ‘আস-সহীহ আল-মুখরাজ আলা সহীহ আল-বুখারী’ গ্রন্থটি অন্যতম।
আল-খালিলি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বুখারীর গ্রন্থের পাশাপাশি মুসলিমের গ্রন্থের উপরেও তাখরীজ করেছেন। আমার উল্লিখিত গ্রন্থগুলো ছাড়াও তাঁর আরও বহু সংকলন ও তাখরীজ রয়েছে।
তিনি ফিকহ, হাদিস এবং ইলমের অন্যান্য শাখায় অগ্রগণ্য ছিলেন। তিনি মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবু শায়বাহ, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, আবু খলিফা আল-জুমাহি, হাসান বিন সুফিয়ান আন-নাসাউয়ি, জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফারিয়াবি, আবুল কাসিম আল-বাগাভি, ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সায়িদ, কাসিম বিন জাকারিয়া আল-মুতাররিজ এবং এমন এক জামাতের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন যাদের সংখ্যা অনেক। তাঁর উস্তাদদের নামের একটি মু’জাম রয়েছে যেখানে তাঁর উস্তাদের সংখ্যা চারশ’রও বেশি।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-বারকানি, আবু হাযিম আল-আবদুওয়ি, আবু সাদ আল-মালিনি, খালাফ বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি, আবু জাফর বিন দালান, আবু নাসর বিন আবু বকর আল-ইসমাঈলি এবং অন্যান্যরা।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وحدث عن أبي القاسم البغوي كثيرا وروى في صحيحه عن رجل عنه أيضا.
وتوفي -رحمه الله تعالى- يوم السبت غرة رجب سنة إحدى وسبعين وثلاثمائة وهو ابن أربع وتسعين سنة.
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْفَقِيهُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِظَاهِرِ مَدِينَةِ دِمَشْقَ، أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ الْحَاجِبُ وَأَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ الدَّيْنَوَرِيُّ قَالَ أَبُو الْفَتْحِ:
أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ خَيْرُونَ الْعَدْلُ، وَقَالَ أَبُو الْقَاسِمِ: أَخْبَرَنَا أَبِي أَبُو الْمَعَالِي ثَابِتُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمُقْرِئُ قَالا: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَالِبٍ الْبُرْقَانِيُّ الْفَقِيهُ قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَبِي بَكْرٍ الإِسْمَاعِيلِيِّ –رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى- أَخْبَرَكُمْ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَجُلا مَدَحَ رَجُلا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ((وَيْحَكَ قَطَعْتَ عُنُقَ صَاحِبِكَ)) ثُمَّ قَالَ:
((إِنْ كَانَ أحدكم مادحاً أخاه لا مَحَالَةَ فَلْيَقُلْ: أَحْسَبُ فُلانًا وَلا أُزَكِّي عَلَى اللَّهِ أَحَدًا حَسِيبُهُ اللَّهُ إِنْ كَانَ يَرَى أَنَّهُ كَذَلِكَ)) .
أَخْبَرَنَاهُ عَالِيًا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي الْبَرَكَاتِ بْنِ أَبِي سَعْدٍ الصُّوفِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ عَلِيُّ بْنُ عَلِيٍّ الأَمِينُ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الصَّرِيفِينِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ ابْنُ حُبَابَةَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ فَذَكَرَهُ.
وَأَمَّا حَدِيثُهُ عَنْ رَجُلٍ عَنِ الْبَغَوِيِّ فَأَخْبَرَنَاهُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الدِّمَشْقِيُّ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ الدَّيْنَوَرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبِي، أَخْبَرَنَا أَبُو بْكَرٍ الْبُرْقَانِيُّ، أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الإِسْمَاعِيلِيُّ
তিনি আবুল কাসেম আল-বাগাওয়ী থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সহীহ গ্রন্থেও একজন ব্যক্তির সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
তিনি—আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন—তিনশ একাত্তর হিজরী সনের পহেলা রজব শনিবার মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স হয়েছিল চুরানব্বই বছর।
দামেস্ক শহরের উপকণ্ঠে শায়খ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফকিহ তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ—আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকী ইবনে আহমদ আল-হাজিব এবং আবু আল-কাসেম ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত আদ-দায়নাওয়ারী। আবু আল-ফাতহ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফদল আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে খাইরুন আল-আদল। আবু আল-কাসেম বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু আল-মাআলি সাবিত ইবনে ইব্রাহিম আল-মুকরি। তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে গালিব আল-বুরকানি আল-ফকিহ। তিনি বলেন: আমি আবু বকর আল-ইসমাঈলী—আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন—এর নিকট পাঠ করেছি। (তিনি বলেছেন) আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী, আলী ইবনে আল-জাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, শুবা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খালিদ আল-হাযযা থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি বাকরা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে অন্য এক ব্যক্তির প্রশংসা করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: "তোমার জন্য আক্ষেপ! তুমি তো তোমার সাথীর ঘাড় কেটে দিলে।" এরপর তিনি বললেন:
"তোমাদের মধ্যে যদি কাউকে তার ভাইয়ের প্রশংসা করতেই হয়, তবে সে যেন বলে: আমি অমুককে এরূপ মনে করি, আর আমি আল্লাহর সম্মুখে কাউকেই পবিত্র সাব্যস্ত করি না; আল্লাহই তার হিসাব গ্রহণকারী, যদি সে জানে যে সে প্রকৃতপক্ষে তেমনই।"
উচ্চতর সনদে আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান ইবনে আবি আল-বারাকাত ইবনে আবি সাদ আস-সুফি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর আলী ইবনে আলী আল-আমিন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আস-সারিফিনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসেম ইবনে হুবাবাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসেম আল-বাগাওয়ী, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী ইবনে আল-জাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুবা, অতঃপর তিনি পূর্বোক্ত হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।
আর জনৈক ব্যক্তির সূত্রে আল-বাগাওয়ী থেকে তাঁর বর্ণনাকৃত হাদিসটি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আদ-দিমাশকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত আদ-দায়নাওয়ারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-বুরকানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু বকর আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আল-ইসমাঈলী।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩১)
الْحَافِظُ فِي ((كِتَابِ الصَّحِيحِ)) أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا أبو جعفر ابن الْمُنَادَى، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لأُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ:
((إِنَّ اللَّهَ أَمَرَنِي أَنْ أُقْرِئَكَ الْقُرْآنَ)) .
قَالَ: اللَّهُ سَمَّانِي لَكَ؟
قَالَ: ((نَعَمْ)) .
قَالَ: وَذُكِرْتُ عِنْدَ رَبِّ الْعَالَمِينَ؟
قَالَ: ((نَعَمْ)) فَذَرَفَتْ عَيْنَاهُ.
محمد بن أحمد بن القاسم هذا هو أبو أحمد الغطريفي فيما يغلب على ظني وقد روى عنه الإسماعيلي عدة أحاديث وهو من أقرانه وسيأتي ذكره في حرف الميم إن شاء الله تعالى.
وقد روى الإسماعيلي في ((صحيحه)) في قصة إسلام عمر عن محمد بن الخليلي العبدي عن البغوي عن إبراهيم بن هانئ.
2- أحمد بن محمد بن إسحاق بن إبراهيم بن أسباط بن عبد الله بن بديح البديحي القرشي الهاشمي مولاهم الدينوري القاضي المعروف بابن السني الحافظ.
وبديح جده مولى عبد الله بن جعفر بن أبي طالب قاله أبو سعد ابن السمعاني الحافظ.
يكنى أبا بكر أحد الحفاظ المشهورين والثقات المأمونين ولي قضاء القضاة بالري ثم استعفي منه وتركه.
হাফিজ তাঁর 'কিতাবুস সহীহ' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: আমাকে মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আল-কাসিম সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের কাছে আব্দুল্লাহ আল-বাগাওয়ী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবু জাফর ইবনুল মুনাদা বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে রাওহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে সাঈদ বিন আবি আরুবাহ বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উবাই বিন কাব (রা.)-কে বললেন:
“নিশ্চয় আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমি তোমাকে কুরআন পড়ে শুনাই।”
তিনি (উবাই) বললেন: আল্লাহ কি আপনার নিকট আমার নাম নিয়েছেন?
তিনি (রাসূল) বললেন: “হ্যাঁ।”
তিনি বললেন: জগতসমূহের রবের নিকট কি আমার কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
তিনি বললেন: “হ্যাঁ।” তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় থেকে অশ্রু ঝরতে লাগল।
এই মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আল-কাসিম সম্ভবত আবু আহমাদ আল-গাতরীফী, আমার প্রবল ধারণা অনুযায়ী। আল-ইসমাঈলী তাঁর থেকে বেশ কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তাঁর সমসাময়িকদের অন্তর্ভুক্ত। ইনশাআল্লাহ তাআলা ‘মীম’ বর্ণে তাঁর কথা পুনরায় আসবে।
আর আল-ইসমাঈলী তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থে উমরের ইসলাম গ্রহণের ঘটনায় মুহাম্মদ বিন আল-খালীলী আল-আবদী থেকে, তিনি বাগাওয়ী থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন হানি থেকে বর্ণনা করেছেন।
২- আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন আসবাত বিন আব্দুল্লাহ বিন বাদীহ আল-বাদীহী আল-কুরাশী আল-হাশিমী, তাঁদের মুক্তদাস, আদ-দীনওয়ারী, আল-কাজী, যিনি ইবনুস সুন্নী আল-হাফিজ নামে পরিচিত।আর তাঁর দাদা বাদীহ ছিলেন আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন আবি তালিবের মুক্তদাস—একথা হাফিজ আবু সাদ ইবনে আস-সামআনী বলেছেন।
তাঁর উপনাম আবু বকর। তিনি প্রসিদ্ধ হাফিজ এবং নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। তিনি রাই শহরের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন, অতঃপর তিনি এ থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন এবং তা পরিত্যাগ করেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩২)
وله رحلة إلى العراق والحجاز والشام ومصر وفي شيوخه كثرةٌ ومنهم أبو يعلى الموصلي وأبو القاسم البغوي وأبو الحسن ابن جوصا وأبو عبد الرحمن النسائي وأبو عروبة الحراني وجماعةٌ يتسع ذكرهم.
روى عنه القاضيان أبو بكر أحمد بن عبد الله بن علي ابن شاذان وأبو نصر أحمد بن الحسين بن الكسار الدينوريان وجماعة غيرهما.
وتوفي سنة أربع وستين وثلاثمائة.
وذكر الخليلي أنه توفي سنة تسع وخمسين وثلاثمائة.
والقول الأول أصح والله عز وجل أعلم.
أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ جُمْعَةَ السِّجِسْتَانِيُّ وَأَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ حُمَيْدٍ الصُّوفِيُّ التَّفْلِيسِيُّ قِرَاءَةً عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا بِانْفِرَادِهِ قَالا: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمَدِ بْنِ الْحَسَنِ الدُّونِيُّ وَأَبُو النَّجْمِ بَدْرُ بْنُ دُلَفِ بْنِ يُوسُفَ الْفَرَكِيُّ بِالْفَرَكِ قَالا: أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أبو نصر أحمد بن الحسين بن مُحَمَّدِ بْنِ بَوَانٍ الدَّيْنَوَرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بن إسحاق ابن السُّنِّيِّ الْحَافِظُ بِالدَّيْنَوَرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الرَّازِيِّ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عُمَرَ عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ عَنِ ابْنٍ لِعُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ عَنْ عُثْمَانَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((مَنْ خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ يُرِيدُ سَفَرًا فَقَالَ حِينَ يَخْرُجُ: آمَنْتُ بِاللَّهِ وَاعْتَصَمْتُ بِاللَّهِ وَتَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ رَزَقَهُ اللَّهُ عز وجل خَيْرَ ذَلِكَ الْمَخْرَجِ وَصَرَفَ عَنْهُ شَرَّ ذَلِكَ الْمَخْرَجِ)) .
তিনি ইরাক, হিজাজ, সিরিয়া এবং মিশরে সফর করেছেন। তাঁর শিক্ষকদের সংখ্যা অনেক, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ি, আবু আল-হাসান ইবনে জওসা, আবু আবদুর রহমান আন-নাসায়ি, আবু আরুবা আল-হাররানি এবং আরও একটি দল যাদের কথা উল্লেখ করতে গেলে দীর্ঘ হয়ে যাবে।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন দুই বিচারক— আবু বকর আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন আলী ইবনে শাযান এবং আবু নাসর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-কাসসার আদ-দিনাওয়ারি এবং আরও অনেকে।
তিনি ৩৬৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-খলিলি উল্লেখ করেছেন যে তিনি ৩৫৯ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেছেন।
প্রথম মতটিই অধিকতর সঠিক এবং আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা সবচেয়ে ভালো জানেন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন জুমআ আস-সিজিস্তানি এবং আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন হুমাইদ আস-সুফি আত-তিফলিসি, তাঁদের প্রত্যেকের নিকট আলাদাভাবে পাঠ করার মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আহমদ বিন মুহাম্মদ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন হামাদ বিন আল-হাসান আদ-দুনি এবং আবু আন-নাজম বদর বিন দুলফ বিন ইউসুফ আল-ফারাতি ফরাক নামক স্থানে। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু নাসর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন বাওয়ান আদ-দিনাওয়ারি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক ইবনুস সুন্নি, দিনাওয়ারে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে মানি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন রুশাইদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ, আবু জাফর আর-রাজি থেকে, তিনি আবদুল আজিজ বিন উমর থেকে, তিনি সালিহ বিন কাইসান থেকে, তিনি উসমান বিন আফফানের এক পুত্র থেকে, তিনি উসমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
((যে ব্যক্তি সফরের উদ্দেশ্যে নিজ ঘর থেকে বের হয় এবং বের হওয়ার সময় বলে: “আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনলাম, আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধরলাম, আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম এবং আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি বা সামর্থ্য নেই”, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাকে সেই যাত্রার কল্যাণ দান করবেন এবং সেই যাত্রার অকল্যাণ থেকে তাকে রক্ষা করবেন।))
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
3- أحمد بن محمد بن عيسى بن الجراح الربعي المصري الحافظ يعرف بابن النحاس يكنى أبا العباس.
حافظ جليلٌ ومحدثٌ نبيلٌ سمع ببلده علي بن أحمد بن سليمان الحافظ المعروف بعلان بن الصيقل المصري العدل وأبا بكر محمد بن زبان ومحمد بن محمد بن بدر الباهلي وطبقتهم ورحل إلى الحجاز والشام والعراقين وخورستان وأصبهان وجرجان وخراسان واستوطن نيسابور وبها توفي.
ومن شيوخه أبو عروبة الحراني وأبو العباس الدغولي ومكي بن عبدان وأبو القاسم البغوي وأبو الحسن ابن جوصا وأبو بكر بن أبي داود وابن أبي حاتم وغيرهم.
৩- আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন আল-জাররাহ আর-রিবঈ আল-মিসরি আল-হাফিয, তিনি ইবনুন নাহহাস নামে পরিচিত এবং তাঁর উপনাম আবুল আব্বাস।.
তিনি ছিলেন একজন মহান হাফিয এবং উচ্চমর্যাদাবান মুহাদ্দিস। তিনি নিজ জনপদে হাফিয আলি বিন আহমাদ বিন সুলাইমান—যিনি আল্লান বিন আস-সাইকাল আল-মিসরি আল-আদল নামে পরিচিত—এবং আবু বকর মুহাম্মাদ বিন জাব্বান, মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন বদর আল-বাহিলি ও তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি হিজায, শাম, ইরাকাইন, খুজিস্তান, ইস্পাহান, জুরজান ও খুরাসান সফর করেন এবং নিশাপুরে বসতি স্থাপন করেন ও সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন আবু আরুবা আল-হাররানি, আবুল আব্বাস আদ-দাগুলি, মাক্কি বিন আবদান, আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি, আবুল হাসান ইবনে জওসা, আবু বকর বিন আবি দাউদ, ইবনে আবি হাতিম এবং অন্যান্য।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
روى عنه أبو عبد الله الحاكم وأبو نعيم الأصبهاني الحافظ وأبو حازم العبدوي الأعرج وأبو عبد الرحمن السلمي وغيرهم.
وتوفي في سلخ ذي القعدة سنة ست وسبعين وثلاثمائة.
أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ الأَنْصَارِيُّ الدِّمَشْقِيُّ -رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى- إِذْنًا أَنَّ أَبَا الْمُظَفَّرِ عَبْدَ الْمُنْعِمِ بْنَ أَبِي الْقَاسِمِ الْقُشَيْرِيَّ أَنْبَأَهُمْ، أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ الْبَحِيرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى الْمِصْرِيُّ الْحَافِظُ مِنْ حِفْظِهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحِمَّانِيُّ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ أَبِي الصَّهْبَاءِ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَتِيقٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
((مَنْ شَغَلَهُ ذِكْرِي عَنْ مَسْأَلَتِي أَعْطَيْتُهُ أَفْضَلَ مَا أُعْطِي السَّائِلِينَ)) .
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম, হাফেজ আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি, আবু হাযেম আল-আবদুবি আল-আরাজ, আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামি এবং অন্যান্যরা।
তিনি তিনশত ছিয়াত্তর হিজরি সনের জিলকদ মাসের শেষাংশে ইন্তেকাল করেন।
বিচারক আবু আল-কাসিম আল-আনসারি আদ-দিমাশকি—আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন—অনুমতি সাপেক্ষে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আল-মুজাফফর আব্দুল মুনইম ইবনে আবিল কাসিম আল-কুশাইরি তাঁদের অবহিত করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান আল-বাহিরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আল-মিসরি তাঁর স্মৃতি থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ আল-হিমমানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাফওয়ান ইবনে আবি আস-সাহবা, বুকাইর ইবনে আতিক থেকে, তিনি সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
((যাকে আমার স্মরণ আমার নিকট প্রার্থনা করা থেকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছে, আমি তাকে প্রার্থনাকারীদের যা দান করি তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কিছু দান করি।))
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
نَقَلْتُهُ مِنْ ((تَارِيخِ دِمَشْقَ)) وَقَوْلُهُ فِي هَذَا الإِسْنَادِ: ((حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ أَبِي الصَّهْبَاءِ)) وَهْمٌ فِيمَا أَعْلَمُ وَصَوَابُهُ: ((حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ أَبِي الصَّهْبَاءِ)) .
وَهَذَا الْحَدِيثُ مِنْ أَفْرَادِهِ وَقَدْ تَكَلَّمَ فِيهِ ابْنُ حِبَّانَ وَقَالَ:
((يَرْوِي عَنِ الإِثْبَاتِ مَا لا أَصْلَ لَهُ مِنْ حَدِيثِ الثِّقَاتِ)) .
وَذَكَرَ أَنَّ هَذَا الْحَدِيثَ موضوعٌ وَاللَّهُ عز وجل أَعْلَمُ.
4- أحمد بن محمد بن سعيد بن عبد الرحمن الكوفي الحافظ المعروف بابن عقدة.
حافظٌ مشهورٌ ومصنفٌ مذكورٌ.
سمع من أبي القاسم البغوي وهو متقدم الوفاة توفي في ذي القعدة سنة اثنتين وثلاثين وثلاثمائة.
روى عنه الحافظ الأكابر أبو علي الحسين بن علي وأبو أحمد الكرابيسي النيسابوريان وأبو بكر ابن الجعابي وأبو الحسن الدارقطني وأبو الحسين ابن المظفر البغداديون.
أنبأنا أبو الفرج ابن الجوزي وأبو اليمن الكندي وفاطمة بنت سعد الخير الأنصارية قالوا: أخبرنا أبو منصور القزاز، أخبرنا أبو بكر الخطيب، أخبرنا أبو عبد الله أحمد بن أحمد بن محمد بن علي القصري قال: سمعت أبا زيد الحسين بن الحسن بن عامر الكوفي يقول: قدم أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي إلى الكوفة فاجتمعنا مع أبي العباس أحمد بن سعيد ابن عقدة إليه ليسمع منه فسألنا عنه فقالت الجارية: قد أكل سمكا وشرب فقاعا فنام، فعجب أبو العباس من ذلك لكبر سنه ثم أذن لنا فدخلنا إليه فقال: يا أبا العباس حدثتني أختي أنها كانت نازلة في بنى حمان
আমি এটি ((তারিখে দামেশক)) থেকে উদ্ধৃত করেছি। এই সনদে তার উক্তি: ((আমাদের কাছে ফাদল বিন আবিস সাহবা বর্ণনা করেছেন)) - আমার জানামতে এটি একটি ভুল, আর সঠিক হলো: ((আমাদের কাছে সাফওয়ান বিন আবিস সাহবা বর্ণনা করেছেন))।
আর এই হাদিসটি তার একক বর্ণনাসমূহের (আফরাদ) অন্তর্ভুক্ত। ইবনে হিব্বান তার ব্যাপারে সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন:
((তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বরাতে এমন কিছু বর্ণনা করেন যার ভিত্তি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের হাদিসে পাওয়া যায় না))।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে এই হাদিসটি জাল এবং আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা অধিক অবগত।
৪- আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন আবদুর রহমান আল-কুফি আল-হাফিজ, যিনি ইবনে উকদাহ নামে পরিচিত।
তিনি একজন প্রসিদ্ধ হাফিজ এবং প্রখ্যাত গ্রন্থকার।
তিনি আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি থেকে শ্রবণ করেছেন, আর তিনি অগ্রবর্তী মৃত্যুসম্পন্ন (অর্থাৎ বাগাওয়ির আগেই ইন্তেকাল করেছেন)। তিনি ৩৩২ হিজরি সনের যিলকদ মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
তার থেকে বর্ণনা করেছেন প্রথিতযশা হাফিজগণ: নিশাপুরের আবু আলী আল-হুসাইন বিন আলী ও আবু আহমাদ আল-কারাবিসি, এবং বাগদাদের আবু বকর ইবনুল জাআবি, আবু আল-হাসান আদ-দারাকুতনি ও আবু আল-হুসাইন ইবনুল মুজাফফর।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযি, আবুল ইয়ামান আল-কিন্দি এবং ফাতিমা বিনতে সাদ আল-খাইর আল-আনসারিয়া। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আল-কাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-খাতিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আহমাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-কাসরি। তিনি বলেন: আমি আবু যায়েদ আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন আমির আল-কুফিকে বলতে শুনেছি: আবুল কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল আজিজ আল-বাগাওয়ি কুফায় আগমন করলে আমরা আবুল আব্বাস আহমাদ বিন সাঈদ ইবনে উকদাহর সাথে তার নিকট সমবেত হলাম যেন তার থেকে (হাদিস) শ্রবণ করা যায়। আমরা তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে পরিচারিকা বলল: তিনি মাছ খেয়েছেন এবং ফুক্কা (এক প্রকার পানীয়) পান করেছেন, এরপর ঘুমিয়ে পড়েছেন। আবুল আব্বাস তার বার্ধক্যের কারণে এতে বিস্ময় প্রকাশ করলেন। এরপর তিনি আমাদের অনুমতি দিলেন এবং আমরা তার কাছে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি বললেন: হে আবুল আব্বাস, আমার বোন আমাকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বনু হিম্মানে অবস্থান করছিলেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
وكان في الموضع طحان فكان يقول لغلامه: اصمد أبا بكر فيصمد البغل إلى أن يذهب بعض الليل ثم يقول: اصمد عمر فيصمد الآخر.
فقال له أبو العباس: يا أبا القاسم لا تحملك عصبيتك لأحمد بن حنبل أن تقول في أهل الكوفة ما ليس فيهم ما روي ((خير هذه الأمة بعد نبيها أبو بكر وبعد أبي بكر عمر)) عن علي إلا أهل الكوفة، ولكن أهل المدينة رووا أن عليا لم يبايع أبا بكر إلا بعد ستة أشهر.
فقال أبو القاسم: يا أبا العباس لا تحملك عصبيتك لأهل الكوفة أن تقول على أهل المدينة ثم بعد ذلك انبسط وأخرج الكتب وحدثنا.
قرأت على الشيخ أبي الحسن ابن المقدسي المقري عن أحمد بن محمد الحافظ قال: حدثني أبو الفضل محمد بن طاهر المقدسي الحافظ بهمذان قال: رأيت في كتاب أبي أحمد الخليل بن أحمد السجستاني وحدث عن أبي القاسم البغوي بحديثه عن إسحاق الطالقاني في سنة خمس وعشرين ومائتين فقال: ولقد سمعت المنكدري يقول: ما كان في الإسلام أعلى إسنادا من ابن منيع كان بين أن أكتب عن إسحاق في سنة خمس وعشرين ومائتين وبين أن مات سنة سبع عشرة وثلاثمائة اثنتان وتسعون سنة قال: وسمعت ابن منيع يقول: نزلت في بعض حججي بالكوفة فقعدت أحدث الناس ويحضرني ابن عقدة فجعل يفرك عينيه فقلت: ما لك تفرك عينيك؟ فقال: ظننت أني أرى في المنام محدثا يحدث عن هؤلاء القوم في هذا الوقت.
5- أحمد بن عبدان بن محمد بن الفرج الشيرازي الحافظ نزيل الأهواز يكنى أبا بكر.
مشهورٌ بالحفظ والمعرفة والثقة ويلقب بالباز الأبيض.
حدث عن أبي القاسم البغوي وروى أيضا عن عمر البصري عنه
সেই স্থানে একজন ময়দাকল চালক ছিল, সে তার গোলামকে বলত: 'আবু বকরকে স্থির করো', তখন খচ্চরটি রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হওয়া পর্যন্ত স্থির থাকত। তারপর সে বলত: 'উমরকে স্থির করো', তখন অন্যটি স্থির থাকত।
তখন আবুল আব্বাস তাকে বললেন: হে আবুল কাসিম, আহমাদ ইবনে হাম্বলের প্রতি আপনার পক্ষপাতিত্ব যেন আপনাকে কুফাবাসীদের সম্পর্কে এমন কিছু বলতে প্ররোচিত না করে যা তাদের মধ্যে নেই। নবী (সা.)-এর পরে এই উম্মতের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন আবু বকর এবং আবু বকরের পরে উমর—এই বর্ণনাটি কুফাবাসী ছাড়া আর কেউ আলীর সূত্রে বর্ণনা করেনি। অথচ মদিনাবাসীরা বর্ণনা করেছেন যে, আলী ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার আগে আবু বকরের নিকট বায়আত হননি।
আবু কাসিম বললেন: হে আবুল আব্বাস, কুফাবাসীদের প্রতি আপনার পক্ষপাতিত্ব যেন আপনাকে মদিনাবাসীদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে প্ররোচিত না করে। এরপর তিনি প্রফুল্ল হলেন, কিতাবসমূহ বের করলেন এবং আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করলেন।
আমি শায়খ আবুল হাসান ইবনে আল-মাকদিসি আল-মুকরির নিকট পাঠ করেছি, তিনি আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হাফিজ থেকে, তিনি বলেন: হামাদানে হাফিজ আবুল ফজল মুহাম্মাদ ইবনে তাহির আল-মাকদিসি আমাকে বলেছেন: আমি আবু আহমাদ আল-খলিল ইবনে আহমাদ আল-সিজিস্তানির কিতাবে দেখেছি, তিনি আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ীর সূত্রে দুইশত পঁচিশ হিজরি সালে ইসহাক আত-তালিকানির হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি আল-মুনকাদরিকে বলতে শুনেছি: ইসলামে ইবনে মানী’-এর চেয়ে উচ্চতর সনদের আর কেউ ছিল না। আমি দুইশত পঁচিশ হিজরি সালে ইসহাকের নিকট থেকে হাদিস লিখেছিলাম, আর তার মৃত্যু হয়েছে তিনশত সতেরো হিজরিতে; এর মধ্যবর্তী ব্যবধান ছিল বিরানব্বই বছর। তিনি বলেন: আমি ইবনে মানী’-কে বলতে শুনেছি: আমার কোনো এক হজের সময় আমি কুফায় অবস্থান করছিলাম এবং মানুষের কাছে হাদিস বর্ণনা করতে বসলাম। তখন ইবনে উকদাহ আমার সামনে উপস্থিত হয়ে তার চোখ কচলাতে লাগলেন। আমি তাকে বললাম: আপনি চোখ কচলাচ্ছেন কেন? তিনি বললেন: আমার কাছে মনে হচ্ছিল যে আমি বুঝি স্বপ্নে দেখছি যে, বর্তমান সময়ে কোনো মুহাদ্দিস এই ব্যক্তিবর্গের সূত্রে হাদিস বর্ণনা করছেন।
৫- আহমাদ ইবনে আবদান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল ফারাজ আশ-শিরাজি আল-হাফিজ, আহওয়াজের অধিবাসী, তার উপনাম আবু বকর.
তিনি মুখস্থশক্তি, জ্ঞান এবং নির্ভরযোগ্যতার জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন এবং তাকে 'আল-বায আল-আবইয়াদ' (সাদা বাজপাখি) উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
তিনি আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ী থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং উমর আল-বাসরির মাধ্যমেও তার থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
حكاية سنوردها عند ذكر عمر البصري -إن شاء الله تعالى- وحدث أيضا عن جماعةٍ غير البغوي منهم أبو بكر بن أبي داود.
روى عنه عبد الوهاب بن محمد الغندجاني وأبو ذر الهروي الحافظ وأبو القاسم حمزة بن يوسف الجرجاني الحافظ والقاضي أبو الحسن ابن صخر وغيرهم.
ذكره أبو ذر الهروي في ((مشيخته)) وأثنى عليه ثناء حسنا.
قيل: إنه توفي في شهر ربيع الأول سنة ثمان وثمانين وثلاثمائة بالأهواز.
أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سُعُودٍ الْبُوصِيرِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ سَنَةَ خَمْسٍ وتسعين وخمسمائة بِمِصْرَ أَخْبَرَنَا أَبُو صَادِقٍ مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْقَاسِمِ الْمَدِينِيُّ بِقِرَاءَةِ الْحَافِظِ أَبِي طَاهِرٍ السِّلَفِيِّ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الأَزْدِيُّ الْقَاضِي مِنْ مَكَّةَ -شَرَّفَهَا اللَّهُ تَعَالَى-، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَانَ الْحَافِظُ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْبِتْعِ فَقَالَ:
((كُلُّ شرابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حرامٌ)) .
6- أحمد بن القاسم بن عبد الله بن مهدي البغدادي الحافظ المعروف بابن الخشاب يكنى أبا الفرج سكن طرسوس.
একটি কাহিনী আমরা উমর আল-বসরীর বর্ণনার সময় উল্লেখ করব -ইনশাআল্লাহ তাআলা- এবং তিনি বাগবী ছাড়া আরও একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন যাদের মধ্যে আবু বকর ইবনে আবি দাউদ অন্যতম।
তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহাব বিন মুহাম্মদ আল-গান্দাজানী, হাফিয আবু যর আল-হারাভী, হাফিয আবুল কাসিম হামযা বিন ইউসুফ আল-জোরজানী, কাজী আবুল হাসান ইবনে সাখর এবং অন্যান্যরা।
আবু যর আল-হারাভী তাঁর 'মাশয়াখা' গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
বলা হয়ে থাকে যে, তিনি তিনশ আটাশি হিজরী সালের রবিউল আউয়াল মাসে আহওয়াজে ইন্তেকাল করেন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলী বিন সুউদ আল-বুসিরী, পাঁচশ পঁচানব্বই হিজরী সনে মিসরে তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায়; তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম আল-মাদীনী, যখন হাফিয আবু তাহির আস-সিলাফী তাঁর নিকট পাঠ করছিলেন এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বললেন: মক্কা —আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করুন— হতে কাজী আবু হাসান মুহাম্মদ বিন আলী আল-আযদি আমার নিকট লিখেছেন যে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিয আবু বকর আহমদ বিন আবদান, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসআব বিন আব্দুল্লাহ আজ-যুবাইরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে 'বিত' (মধু থেকে তৈরি পানীয়) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন:
((প্রত্যেক নেশাজাতীয় পানীয়ই হারাম।))
৬- আহমদ বিন আল-কাসিম বিন আব্দুল্লাহ বিন মাহদী আল-বাগদাদী, যিনি ইবনুল খাশশব নামে পরিচিত হাফিয। তাঁর উপনাম আবু আল-ফারাজ। তিনি তারসুসে বসবাস করতেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
حدث عن أبي القاسم البغوي وأبي بكر بن أبي داود وغيرهما.
روى عنه أبو الحسن الدارقطني وتمام بن محمد الدمشقي الحافظان وغيرهما.
وتوفي سنة أربع وستين وثلاثمائة.
ذكره عبد العزيز الكتاني وأبو بكر الخطيب وأبو القاسم ابن عساكر لم يقع لي حديثه عن البغوي إلى الآن.
7- أحمد بن محمد بن إسماعيل بن يونس المرادي المصري النحوي المعروف بابن النحاس يكنى أبا جعفر.
أحد حذاق النحويين وأعيان المصنفين كتب الحديث بمصر عن جماعة من شيوخها منهم بكر بن سهل الدمياطي وأبو جعفر الطحاوي وأبو عبد الرحمن النسوي ومحمد بن زبان وأحمد بن محمد بن نافع وغيرهم.
ورحل إلى العراق فسمع من أبي القاسم البغوي ومحمد بن جعفر بن أبي داود الأنباري وأحمد بن محمد بن خالد البراثي وغيرهم.
ولقي أصحاب المبرد.
وله تصانيف حسنة في تفسير القرآن والنحو وغير ذلك.
روى عنه أبو بكر محمد بن علي الأدفوي والوزير أبو الفضل ابن الفرات الحافظ.
وهو قديم الوفاة ذكر أبو سعيد ابن يونس الحافظ أنه توفي في ذي الحجة سنة ثمان وثلاثين وثلاثمائة.
أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمُقْرِي فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ بِالْجَامِعِ الْعَتِيقِ بِمِصْرَ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ أَبُو الْفُتُوحِ نَاصِرُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ
তিনি আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ী, আবু বকর ইবনে আবি দাউদ এবং অন্যদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে দুই হাফিজ আবু আল-হাসান আদ-দারা কুতনি ও তাম্মাম বিন মুহাম্মদ আদ-দিমাশকি এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন।
তিনি তিনশত চৌষট্টি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
আব্দুল আজিজ আল-কাত্তানি, আবু বকর আল-খাতিব এবং আবুল কাসিম ইবনে আসাকির তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন; আল-বাগাওয়ী থেকে তাঁর বর্ণিত কোনো হাদিস এখন পর্যন্ত আমার হস্তগত হয়নি।
৭- আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইউনুস আল-মুরাদি আল-মিসরি ব্যাকরণবিদ, যিনি ইবনে আন-নাহাস নামে পরিচিত, তাঁর উপনাম আবু জাফর।
তিনি ব্যাকরণবিদদের মধ্যে অত্যন্ত দক্ষ এবং শ্রেষ্ঠ গ্রন্থকারদের একজন ছিলেন। তিনি মিশরের একদল শায়খের থেকে হাদিস লিপিবদ্ধ করেছেন, যাঁদের মধ্যে বকর বিন সাহল আদ-দামিয়াতি, আবু জাফর আত-তাহাবি, আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ি, মুহাম্মদ বিন জিব্বান, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন নাফি এবং আরও অনেকে রয়েছেন।
তিনি ইরাক সফর করেন এবং সেখানে আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ী, মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আবি দাউদ আল-আনবারি, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন খালিদ আল-বুরাসি ও অন্যান্যদের থেকে শ্রবণ করেছেন।
তিনি আল-মুবররাদের ছাত্রদের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন।
কুরআনের তাফসির, ব্যাকরণ এবং অন্যান্য বিষয়ে তাঁর চমৎকার সব রচনা রয়েছে।
তাঁর থেকে আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলি আল-আদফুবি এবং হাফিজ উজির আবু আল-ফজল ইবনুল ফুরাত বর্ণনা করেছেন।
তিনি অনেক পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেছেন। হাফিজ আবু সাঈদ ইবনে ইউনুস উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তিনশত আটত্রিশ হিজরির জিলহজ মাসে ইন্তেকাল করেন।
আবুল কাসিম ঈসা বিন আব্দুল আজিজ আল-মুকরি মিশরের জামে আতীকে পাঠের মজলিসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: শরীফ আবু আল-ফুতুহ নাসির বিন আল-হাসান বিন...
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
إِسْمَاعِيلَ الْحُسَيْنِيُّ الْخَطِيبُ كِتَابَةً، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيٍّ الْفَارِسِيُّ الْعَطَّارُ، أخبرنا أبو الحسن علي بن إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعِيدٍ الْحُوفِيُّ النَّحْوِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الأُدْفُوِيُّ قَالَ: قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بن محمد بن عبد العزيز عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((كُلُّ مسكرٍ خمرٌ وَكُلُّ مسكرٍ حرامٌ)) .
8- أحمد بن محمد بن إسماعيل بن الفرج المصري المعروف بابن المهندس ويقال فيه: ابن البنا أيضا يكنى أبا بكر.
أحد محدثي مصر المشهورين وثقاتهم المرضيين انتقى عليه عبد الغني بن سعيد الحافظ وأبوه محمد يكنى أبا العباس من أعيان محدثي مصر وثقاتهم أيضًا.
سمع أحمد من أبي القاسم البغوي بمكة -شرفها الله تعالى- سنة عشرين وثلاثمائة وحدث عنه وعن جماعةٍ يكثر تعدادهم منهم أبو عبيد علي بن الحسين قاضي مصر وأبو شيبة داود بن إبراهيم وأبو بشر الدولابي وعلي بن أحمد بن سليمان علان الحافظ وأبوه محمد بن إسماعيل المهندس وغيرهم.
روى عنه أبو الحسن عبد الملك بن مسكين الزجاج وعلي بن عبد الواحد النجيرمي الكاتب وعبد الرحمن بن المظفر النحوي الكحال، والحافظ أبو الوليد عبد الله بن محمد بن يوسف الأزدي المعروف بابن
ইসমাইল আল-হুসাইনি আল-খতিব লিখিতভাবে আমাদের জানিয়েছেন, আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আলী আল-ফারিসি আল-আত্তার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আলী ইবন ইবরাহিম ইবন সাঈদ আল-হুফি আন-নাহবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আলী ইবন আহমাদ আল-উদফুয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইসমাইল আস-সাফফার বলেছেন: আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আজিজের নিকট আবু আবদুল্লাহ আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন হাম্বলের সূত্রে পাঠ করা হয়েছে, ইউনুস ইবন মুহাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ ইবন যায়দ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আইয়ুব থেকে, তিনি নাফি থেকে এবং তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
((প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই মদ এবং প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম।)) .
৮- আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইসমাইল ইবন আল-ফারাজ আল-মিসরি, যিনি ইবনুল মুহানদিস নামে পরিচিত; তাকে ইবনুল বান্নাও বলা হয়, তার উপনাম আবু বকর।তিনি মিশরের প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ ও নির্ভরযোগ্য গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের অন্যতম। হাফেজ আবদুল গনি ইবন সাঈদ তার নিকট থেকে হাদীস নির্বাচন করেছেন। তার পিতা মুহাম্মাদ—যার উপনাম আবুল আব্বাস—তিনিও মিশরের বিশিষ্ট হাদীস বিশারদ ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
আহমাদ ৩২০ হিজরি সনে মক্কায়—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করুন—আবুল কাসিম আল-বাগাবি থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। তিনি তার থেকে এবং এক বিশাল জামাআত থেকে বর্ণনা করেছেন যাদের সংখ্যা অনেক; তাদের মধ্যে রয়েছেন মিশরের বিচারক আবু উবায়দ আলী ইবনুল হুসাইন, আবু শাইবাহ দাউদ ইবন ইবরাহিম, আবু বিশর আদ-দুলাবি, আলী ইবন আহমাদ ইবন সুলাইমান আল্লান আল-হাফেজ এবং তার পিতা মুহাম্মাদ ইবন ইসমাইল আল-মুহানদিস সহ আরও অনেকে।
তার থেকে বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আবদুল মালিক ইবন মিসকিন আজ-যাজ্জাজ, আলী ইবন আবদুল ওয়াহিদ আন-নুজাইরিমি আল-কাতিব, আবদুর রহমান ইবনুল মুজাফফর আন-নাহবি আল-কাহহাল এবং হাফেজ আবু ওয়ালিদ আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইউসুফ আল-আজদি—যিনি ইবন হিসেবে পরিচিত।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪০)
الفرضي، والقاضي أبو عبد الله محمد بن يحيى بن الحذاء القرطبي والصاحبان أبو جعفر أحمد بن محمد بن ميمون وأبو إسحاق إبراهيم بن محمد بن حسين بن شنظير، ومحمد بن عبد الله بن عابد المعافري وحكم بن محمد بن حكم الجذامي الأندلسيون وغيرهم.
وذكر الحافظ أبو القاسم الحضرمي أنه توفي سنة خمس وثمانين وثلاثمائة وقال: ((كان ثقة ثبتا)) .
أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي الْفَتْحِ الْبَصْرِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِمِصْرَ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ (ح) ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو الثُّرَيَّا نَجْمُ بْنُ أَبِي الْفَرَجِ الشَّافِعِيُّ الْفَقِيهُ وَجِبْرِيلُ بْنُ مَحْمُودٍ الْمِصْرِيَّانِ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِمَا قَالا:
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الْوَحْشِ الْمَقْدِسِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو صَادِقٍ الْمَدِينِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُوسَى الْقَفَّاصُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بن محمد بن إسماعيل بن الْفَرَجِ الْمُهَنْدِسُ بِانْتِقَاءِ عَبْدِ الْغَنِيِّ بْنِ سَعِيدٍ الْحَافِظِ، حَدَّثَنَا أَبُو القاسم عبد الله بن محمد بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ حَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ قَالَ:
((خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْمَدِينَةِ إِلَى مَكَّةَ -شَرَّفَهَا اللَّهُ تَعَالَى- فلم يصل إلا ركعتين رَكْعَتَيْنِ حَتَّى رَجَعْنَا)) .
قُلْتُ لأَنَسٍ: فَكَمْ أَقَمْتُمْ بِمَكَّةَ؟ قَالَ: ((عَشْرًا)) .
أخبرناه عَالِيًا أَبُو طَاهِرٍ الْخُشُوعِيُّ مُكَاتَبَةً قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ أَبُو صَادِقٍ الْمَدِينِيُّ فَذَكَرَهُ.
وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْمُطَرِّزُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأُمَوِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَاهِلِيُّ الأَنْدَلُسِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَبُوهُ إِجَازَةً قَالا: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو عَلِيٍّ
আল-ফারদি, এবং বিচারক আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুল হাজ্জা আল-কুরতুবি এবং দুই সাথী আবু জাফর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাইমুন ও আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনে শানজির, এবং মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবিদ আল-মুআফিরি ও হাকাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাকাম আল-জুজামি আন্দালুসি এবং অন্যান্যরা।
হাফেজ আবুল কাসিম আল-হাদরামি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তিনশত পঁচাশি হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং তিনি বলেছেন: ((তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ়))।
আবুল হাসান ইবনে আবিল ফাতহ আল-বাসরি মিশরে তাঁর কাছে পাঠ করার সময় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হ)। এবং আবুল সুরাইয়া নাজম ইবনে আবিল ফারাজ আশ-শাফেয়ি আল-ফকিহ এবং জিবরিল ইবনে মাহমুদ আল-মিসরিদ্বয় আমার পাঠ করার সময় সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন:
আবদুল্লাহ ইবনে আবিল ওয়াহশ আল-মাকদিসি তাঁর কাছে পাঠ করার সময় এবং আমরা শোনার সময় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু সাদিক আল-মাদিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম ইয়াহইয়া ইবনুল হুসাইন ইবনে মুসা আল-কাফফাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আবদুল গনি ইবনে সাঈদের নির্বাচনের ভিত্তিতে আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনুল ফারাজ আল-মুহান্দিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু রবি আল-জাহরানি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবদুল ওয়ারিস আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আবি ইসহাক আমাদের বর্ণনা করেছেন, আনাস ইবনে মালিক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
((আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মদিনা থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলাম—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করুন—অতঃপর ফিরে আসা পর্যন্ত তিনি দুই রাকাত দুই রাকাত করেই সালাত আদায় করলেন))।
আমি আনাসকে জিজ্ঞাসা করলাম: আপনারা মক্কায় কতদিন অবস্থান করেছিলেন? তিনি বললেন: ((দশ দিন))।
আবু তাহির আল-খুশুয়ি চিঠিপত্রের মাধ্যমে উন্নত সনদে আমাদের এটি জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাদিক আল-মাদিনি আমার কাছে লিখেছেন, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
এবং আবুল ফজল আল-মুতররিজ তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আল-উমাওয়ি তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাহিলি আল-আন্দালুসি তাঁর নিকট পাঠ করার সময় এবং তাঁর পিতা অনুমতির মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: হাফেজ আবু আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪১)
الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَاهُ حَكَمُ بْنُ مُحَمَّدٍ قِرَاءَةً مِنِّي عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْفَرَجِ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الْمُهَنْدِسِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ بِمِصْرَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الله بن محمد بن عبد الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ إِمْلاءً مِنْ حِفْظِهِ بِمَكَّةَ -شَرَّفَهَا اللَّهُ تَعَالَى- فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ فِي ذِي الْحِجَّةِ سنة عشرين وثلاثمائة حَدَّثَنِي جَدِّي أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ شُجَاعٍ الْخَصِيفِيُّ عَنْ سَالِمٍ الأَفْطَسِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ:
((الشِّفَاءُ فِي ثلاثٍ فِي شَرْبَةِ عسلٍ أَوْ شَرْطَةِ مِحْجَمٍ أَوْ كَيَّةِ نارٍ وَأَنْهَى عَنِ الْكَيِّ)) وَرَفَعَ الْحَدِيثَ.
قُلْتُ: رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي ((صَحِيحِهِ)) عَنِ الْحُسَيْنِ غَيْرَ مَنْسُوبٍ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ مَنِيعٍ وَاللَّهُ الْمُوَفِّقُ.
9- أحمد بن دحيم بن خليل الأموي قرطبي يكنى أبا عمر.
محدثٌ جليلٌ بقطره وله رحلةٌ إلى المشرق سمع فيها من أبي القاسم البغوي ويحيى بن محمد بن صاعد وأبي عبد الله محمد بن مخلد العطار وغيرهم.
وسمع بمكة -شرفها الله تعالى- من أبي جعفر العقيلي وأبي سعيد ابن الأعرابي وأبي جعفر الديبلي وغيرهم.
ورجع إلى الأندلس وتولى القضاء بطليطلة ولم يزل قاضيا بها إلى حين وفاته، وكان معتنيا بالآثار جامعا للسنة ثقةٌ فيما رواه ذكر ذلك الحافظ أبو الوليد ابن الفرضي.
روى عنه أبو عثمان سعيد بن نصر الأندلسي شيخ أبي عمر ابن عبد البر الحافظ.
আল-গাসসানি; হাকাম ইবনে মুহাম্মাদ আমার পাঠের মাধ্যমে এটি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আল-ফারাজ—যিনি ইবনুল মুহান্দিস নামে পরিচিত—মিসরে তাঁর বাসভবনে আমার পাঠের মাধ্যমে তা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি ৩২০ হিজরির জিলহজ মাসে মক্কায়—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করুন—মসজিদে হারামে তাঁর স্মৃতি থেকে তা আমাদের শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আমার দাদা আহমাদ ইবনে মানি' আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মারওয়ান ইবনে শুজা আল-খাসিফি সালিম আল-আফতাস থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন:
((তিনটি জিনিসে আরোগ্য রয়েছে: মধুর পানে, শিংগা লাগানোতে অথবা আগুন দিয়ে দাগ দেওয়াতে; তবে আমি আগুন দিয়ে দাগ দিতে নিষেধ করছি।)) তিনি হাদিসটিকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (গ্রন্থকার) বলছি: ইমাম বুখারি তাঁর ‘সহিহ’ গ্রন্থে হুসাইন (যাঁর বংশপরিচয় উল্লেখ করা হয়নি) এর সূত্রে আহমাদ ইবনে মানি' থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহই তাওফিকদাতা।
৯- আহমাদ ইবনে দুহাইম ইবনে খলিল আল-উমাবি আল-কুরতুবি, যাঁর ডাকনাম আবু উমর।তিনি তাঁর অঞ্চলের একজন মহান মুহাদ্দিস ছিলেন এবং প্রাচ্য অভিমুখে তাঁর একটি সফর ছিল, যেখানে তিনি আবুল কাসিম আল-বাগাউয়ি, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সায়িদ, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ আল-আত্তার এবং অন্যান্যদের থেকে হাদিস শুনেছেন।
তিনি মক্কায়—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করুন—আবু জাফর আল-উকাইলি, আবু সাঈদ ইবনুল আরাবি, আবু জাফর আদ-দাইবুলি এবং অন্যদের থেকে হাদিস শুনেছেন।
তিনি আন্দালুসে ফিরে আসেন এবং তোলেদোর বিচারক (কাজি) নিযুক্ত হন। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি সেখানে বিচারকের দায়িত্বে আসীন ছিলেন। তিনি প্রাচীন নিদর্শনের (আসার) প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন, সুন্নাহর সংকলক ছিলেন এবং তিনি যা বর্ণনা করেছেন তাতে নির্ভরযোগ্য ছিলেন। হাফেজ আবু ওয়ালিদ ইবনুল ফারযি এটি উল্লেখ করেছেন।
তাঁর থেকে আবু উসমান সাঈদ ইবনে নাসর আল-আন্দালুসি বর্ণনা করেছেন, যিনি হাফেজ আবু উমর ইবনে আব্দুল বার-এর উস্তাদ ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪২)
أخرج أبو عمر حديثه عن البغوي في ((تمهيده)) وهو قديم الوفاة، ذكر أبو القاسم الحضرمي الحافظ أنه توفي سنة ثمان وثلاثين وثلاثمائة وأنه كان ثقة.
10- أحمد بن سعيد بن أحمد بن محمد بن معدان المعداني الفقيه يكنى أبا العباس وهو منسوب إلى جده معدان.
كان أحد الفقهاء الفضلاء والمحدثين النبلاء.
ذكر أبو سعد ابن السمعاني أنه رحل في طلب الحديث إلى العراق والحجاز وسمع أبا [بكر] ابن خزيمة وأبا العباس السراج وأبا القاسم البغوي.
روى عنه أبو عبد الله الحاكم وأبو عبد الله غنجار وأبو عبد الرحمن السلمي وغيرهم.
وله تصانيف كثيرةٌ.
ولد سنة إحدى وتسعين ومائتين ومات في شهر رمضان سنة خمس وتسعين وثلاثمائة.
أورد الشيرازي في ((كتاب الألقاب)) للمعداني هذا حديثا عن البغوي في أول باب الباء: ببه عبد الله بن الحارث.
والشيرازي المذكور هو أبو بكر أحمد بن عبد الرحمن الشيرازي الحافظ روي عن المعداني هذا كثيرا في ((كتاب الألقاب)) .
আবু উমর তার বর্ণিত হাদিস আল-বাগাউয়ি থেকে তার 'তামহিদ' গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন; তিনি অনেক আগে ইন্তেকাল করেছেন। হাফেজ আবু আল-কাসিম আল-হাদরামি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ৩৩৮ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন এবং তিনি একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী ছিলেন।
১০. আহমাদ ইবনে সাঈদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাদান আল-মাদানি আল-ফকিহ, তার ডাকনাম আবু আল-আব্বাস এবং তিনি তার দাদা মাদানের সাথে সম্পর্কিত।তিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফকিহ এবং মহান মুহাদ্দিসগণের একজন ছিলেন।
আবু সাদ ইবনে আস-সামআনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি হাদিস অন্বেষণের জন্য ইরাক ও হিজাজে সফর করেছেন এবং আবু বকর ইবনে খুজাইমা, আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ ও আবু আল-কাসিম আল-বাগাউয়ির নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন।
আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম, আবু আব্দুল্লাহ গুনজার, আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামি এবং আরও অনেকে তার থেকে বর্ণনা করেছেন।
তার অনেক গ্রন্থ রয়েছে।
তিনি ২৯১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৩৯৫ হিজরির রমজান মাসে ইন্তেকাল করেন।
আশ-শিরাজি তার 'কিতাব আল-আলকাব' গ্রন্থে এই আল-মাদানির সূত্রে আল-বাগাউয়ি থেকে একটি হাদিস 'বা' অধ্যায়ের শুরুতে বর্ণনা করেছেন: বাববাহ আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস।
উল্লিখিত আশ-শিরাজি হলেন হাফেজ আবু বকর আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান আশ-শিরাজি; তিনি 'কিতাব আল-আলকাব' গ্রন্থে এই আল-মাদানির নিকট থেকে অনেক বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
11- أحمد بن جعفر بن حمدان بن مالك القطيعي يكنى أبا بكر.
أحد الرواة المشهورين والمحدثين المكثرين.
يروى عن إبراهيم الحربي وعبد الله بن أحمد بن حنبل وجماعةٌ غيرهما.
وذكر الحافظ أبو بكر الخطيب أنه روى عن أبي القاسم البغوي أيضا.
روى عنه جماعة منهم أبو الحسن الدارقطني وابن شاهين وأبو عبد الله الحاكم وأبو نعيم الأصبهاني الحافظ وغيرهم.
وتوفي سنة ثمان وستين وثلاثمائة.
12- أحمد بن إبراهيم بن الحسن بن محمد بن شاذان البغدادي ثم الدورقي يكنى أبا بكر.
كان محدثا جليلا ومسندا نبيلا وله رحلةٌ قدم فيها مصر وسمع من جماعة من شيوخها وهو والد أبي علي الحسن ابن شاذان.
قال الخطيب: ((كان ثقة ثبتا صحيح السماع كثير الحديث، سمعت الأزهري يقول: كان ثقة ثبتا حجة)) .
قلت: وكذلك أثنى عليه أبو ذر الهروي الحافظ وأبو الحسن العتيقي وغيرهما.
حدث عن أبي القاسم البغوي وعن جماعةٍ يكثر تعدادهم.
توفي في شوال سنة ثلاث وثمانين وثلاثمائة.
১১- আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী, তার উপনাম আবু বকর.
তিনি অন্যতম প্রসিদ্ধ বর্ণনাকারী এবং অধিক হাদিস বর্ণনাকারী মুহাদ্দিসগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
তিনি ইব্রাহিম আল-হারবি, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল এবং আরও একদল ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাফিজ আবু বকর আল-খাতিব উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি থেকেও বর্ণনা করেছেন।
তার থেকে একদল ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন আবুল হাসান আদ-দারা কুতনি, ইবনে শাহিন, আবু আবদুল্লাহ আল-হাকিম, হাফিজ আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি এবং আরও অনেকে।
তিনি ৩৬৮ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
১২- আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে শাযান আল-বাগদাদি অতঃপর আদ-দাওরাকি, তার উপনাম আবু বকর.
তিনি একজন মহান মুহাদ্দিস এবং উচ্চমর্যাদাবান মুসনিদ (বর্ণনাকারী) ছিলেন। তিনি জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে সফর করেছেন যার মধ্যে মিশরেও আগমন করেছিলেন এবং সেখানকার একদল শাইখের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি আবু আলি আল-হাসান ইবনে শাযানের পিতা।
আল-খাতিব বলেছেন: "তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ়, সহিহ শ্রবণকারী এবং প্রচুর হাদিসের অধিকারী। আমি আল-আযহারিকে বলতে শুনেছি: তিনি নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ় ও হুজ্জাত (প্রমাণস্বরূপ) ছিলেন।"
আমি বলছি: একইভাবে হাফিজ আবু যার আল-হারাউয়ি, আবু হাসান আল-আতিকি এবং অন্যরাও তার প্রশংসা করেছেন।
তিনি আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি এবং আরও এমন একদল ব্যক্তি থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন যাদের সংখ্যা অনেক।
তিনি ৩৮৩ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَعَالِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّافِعِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ خَلَفِ بْنِ الْعَرِيفِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن إبراهيم المعدل بالإسكندرية، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَوْصِلِيُّ بِمِصْرَ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إبراهيم بن الحسن بن محمد بْنِ شَاذَانَ بْنِ حَرْبٍ الْبَزَّازُ بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ محمد بن عبد العزيز البغوي، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ الطَّائِفِيُّ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ((أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَفْرَدَ الْحَجَّ)) .
قَالَ ابْنُ شَاذَانَ: ((غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ جَابِرٍ تَفَرَّدَ بِهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ لَمْ يَرْوِهِ عَنْهُ غَيْرُ الْحَارِثِيِّ)) .
13- أحمد بن عطاء الروذباري الصوفي يكنى أبا عبد الله.
كان أحد مشايخ المتصوفة المشهورين.
حدث عن أبي القاسم البغوي وغيره.
حدث عنه ابن جهضم وغيره وهو أحد المشايخ المذكورين في ((كتاب الرسالة)) لأبي القاسم القشيري، نزل مدينة صور من ساحل الشام وبها توفي سنة تسع وستين وثلاثمائة في ذي الحجة رحمه الله تعالى.
আমাদের জানিয়েছেন আবুল মাআলী আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আশ-শাফিঈ, আমাদের জানিয়েছেন আবুল কাসিম মুহাম্মাদ বিন আলী বিন খালাফ বিন আল-আরিফ তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আমরা তা শুনছিলাম, আমাদের জানিয়েছেন আলেকজান্দ্রিয়ার মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন ইবরাহীম আল-মুয়াদ্দিল, আমাদের জানিয়েছেন মিশরের আবু তাহের মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ আল-মাওসিলি, আমাদের জানিয়েছেন বাগদাদের আবু বকর আহমাদ বিন ইবরাহীম বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন শাযান বিন হারব আল-বায্যায, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আল-হারিছি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন মুসলিম আত-তায়েফি, তিনি আমর বিন দিনার থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, ((নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এককভাবে হজ্জ আদায় করেছিলেন))।
ইবনে শাযান বলেন: ((আমর বিন দিনার থেকে জাবিরের বর্ণনায় এটি একটি গরিব হাদিস, মুহাম্মাদ বিন মুসলিম এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আল-হারিছি ছাড়া আর কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেননি))।
১৩- আহমাদ বিন আতা আর-রউযাবারি আস-সুফি, তাঁর উপনাম আবু আব্দুল্লাহ.
তিনি প্রসিদ্ধ সুফি মাশায়েখদের অন্যতম ছিলেন।
তিনি আবুল কাসিম আল-বাগাউয়ি ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে ইবনে জাহযাম ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি আবু কাসিম আল-কুশাইরির ‘কিতাবুর রিসালা’-তে উল্লিখিত মাশায়েখদের একজন। তিনি শামের উপকূলীয় শহর সূর-এ বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানেই ৩৬৯ হিজরি সালের যিলহজ মাসে ইন্তেকাল করেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
14- أحمد بن موسى بن العباس بن مجاهد البغدادي المقرئ يكنى أبا بكر.
إمامٌ في القراءات ثقةٌ مشهورٌ وله تصانيف في معرفة اختلاف القراء منها كتاب.
روى عن عباس الدوري وأحمد بن منصور الرمادي وعبد الله بن أحمد بن حنبل، وأبي قلابة الرقاشي ومحمد بن الجهم وعبد الله بن محمد بن أيوب المخرمي وغيرهم.
روى عنه أبو بكر ابن الجعابي وأبو الحسن الدارقطني وابن شاهين أبو حفص وغيرهم.
وتوفي في شعبان سنة أربع وعشرين وثلاثمائة.
قرأت في الجزء الثاني من ((كتاب قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم)) تأليف أبي بكر ابن مجاهد ما هذا نصه:
((حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنِي جَدِّي، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، حَدَّثَنَا الْعَوَّامُ عَنْ عَذْرَةَ بْنِ الْحَارِثِ عَمَّنْ حَدَّثَهُ عَنِ الْبَرَاءِ أَنَّ ابْنَ أُمِّ مَكْتُومٍ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ الْحَدِيثَ. قُلْتُ: يَعْنِي حَدِيثًا قَبْلَهُ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَنَزَلَتْ: {لا يَسْتَوِي القاعدون} فَقَالَ: ((ادْعُوا لِي زَيْدًا وَلْيَكُنْ معه اللَّوْحِ وَالدَّوَاةِ وَالْكَتِفِ)) فَقَالَ: ((اكْتُبْ: {لا يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ} )) فَجَاءَ عَمْرُو بْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ فَقَالَ: ((يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي ضَرِيرُ الْبَصَرِ وَقَدْ تَرَى بِي مِنَ الزَّمَانَةِ مَا تَرَى)) فَنَزَلَتْ مكانه: {غير أولي الضرر} .
نَقَلْتُهُ مِنْ أَصْلٍ عَتِيقٍ وَهَكَذَا فِيهِ: ((عُذْرَةُ بْنُ الْحَارِثِ)) وَيَغْلِبُ عَلَى ظَنِّي أَنَّهُ وهمٌ وَصَوابُهُ أَنَّهُ عُرْوَةُ بْنُ الْحَارِثِ وَاللَّهُ عز وجل أَعْلَمُ.
১৪- আহমাদ ইবনে মূসা ইবনে আল-আব্বাস ইবনে মুজাহিদ আল-বাগদাদি আল-মুকরি, তাঁর উপনাম আবু বকর.
তিনি কিরাআত শাস্ত্রের একজন ইমাম, বিশ্বস্ত ও সুপ্রসিদ্ধ; কিরাআত পাঠকদের মতপার্থক্য বিষয়ে তাঁর বহু রচনা রয়েছে, যার মধ্যে একটি গ্রন্থও রয়েছে।
তিনি আব্বাস আদ-দুরি, আহমাদ ইবনে মানসুর আল-রামাদি, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল, আবু কিলাবা আল-রাক্কাশি, মুহাম্মাদ ইবনে আল-জাহম, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব আল-মাখরামি এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁর থেকে আবু বকর ইবনে আল-জা'আবি, আবু আল-হাসান আদ-দারাকুতনি, ইবনে শাহিন আবু হাফস এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন।
তিনি ৩২৪ হিজরি সনের শাবান মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
আমি আবু বকর ইবনে মুজাহিদ রচিত "কিতাবু কিরাআতি রাসূলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" এর দ্বিতীয় খণ্ডে পড়েছি, যার পাঠ নিম্নরূপ:
"আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার দাদা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আওয়াম আমাদের নিকট আজরাহ ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি তাঁর নিকট বর্ণনাকারীর সূত্রে বারা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে উম্মে মাকতুম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন, অতঃপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করলেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: অর্থাৎ এর পূর্ববর্তী একটি হাদীস। তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম, এমতাবস্থায় অবতীর্ণ হলো: {বসে থাকা ব্যক্তিরা সমান নয়}। তখন তিনি বললেন: 'আমার নিকট যায়েদকে ডাকো এবং সে যেন সাথে লেখার ফলক, দোয়াত ও পশুর কাঁধের হাড় নিয়ে আসে।' এরপর তিনি বললেন: 'লেখো: {মুমিনদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে তারা সমান নয়}।' এমতাবস্থায় আমর ইবনে উম্মে মাকতুম আসলেন এবং বললেন: 'হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন দৃষ্টিহীন ব্যক্তি এবং আপনি আমার শারীরিক অক্ষমতা সম্পর্কে যা দেখছেন তা তো দেখছেনই।' তখন সেই স্থানেই অবতীর্ণ হলো: {অক্ষম ব্যক্তিরা ব্যতীত}।"
আমি এটি একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করেছি এবং সেখানে এভাবেই ছিল: "আজরাহ ইবনে আল-হারিস"। তবে আমার প্রবল ধারণা যে এটি একটি ভ্রম এবং এর সঠিক রূপ হবে "উরওয়াহ ইবনে আল-হারিস"। আর মহান আল্লাহ প্রবল পরাক্রমশালী ও সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
من اسمه إسماعيل
15- إسماعيل بن القاسم بن عيذون بن هارون بن عيسى بن محمد القالي يكنى أبا بكر.
وجده عيذون قيده العلماء بالعين المهملة بعدها ياء معجمة باثنتين من تحتها ثم ذال معجمة ويشتبه بعبدون بالباء بواحدة.
وكذلك يشتبه بالقاف يشتبه الفالي بالفاء.
كان إماما في اللغة وعلم العربية ذكر غير واحد من العلماء أن أصله من منازكرد، وأنه قدم بغداد فسمع بها أبا القاسم البغوي وابن أبي داود وابن دريد وابن الأنباري وغيرهم.
وكان أحفظ أهل زمانه للغة والشعر ونحو البصريين، وذكر الحافظ أبو سعد ابن السمعاني أنه إنما قيل له القالي لأنه سافر إلى بغداد مع أهل قاليا فبقي عليه ثم رحل إلى بلاد الأندلس فاستوطنها وروى بها عن البغوي وابن أبي داود وأبي يعلي الموصلي وغيرهم.
روى عنه أبو بكر الزبيدي الأندلسي وأبو عمر أحمد بن عبد العزيز بن فرج بن أبي الحباب القرطبي النحوي وكانت له منه خاصة، وأبو القاسم محمد بن أبان بن سيد اللغوي القرطبي المعروف بصاحب الشرطة، وأحمد بن سعيد بن الهندي القرطبي صاحب ((كتاب الوثائق)) ومحمد بن عاصم النحوي العاصمي القرطبي وسعيد بن عثمان اللغوي القرطبي المعروف بابن القزاز وكان من أجل أصحاب أبي على ثقة وجماعة غيرهم من أهل الأندلس.
وتوفي بقرطبة في شهر ربيع الآخر سنة ست وخمسين وثلاثمائة وكان مولده في سنة ثمانين ومائتين وقيل: سنة ثمان وثمانين ومائتين ذكر ذلك
যাঁদের নাম ইসমাইল১৫- ইসমাইল বিন আল-কাসিম বিন আইদুন বিন হারুন বিন ঈসা বিন মুহাম্মদ আল-কালি, তাঁর উপনাম (কুনিয়া) আবু বকর।তাঁর পিতামহ ‘আইদুন’ নামের বানান আলেমগণ নুকতাহীন ‘আইন’, এরপর নিচে দুই নুকতাযুক্ত ‘ইয়া’ এবং তারপর নুকতাযুক্ত ‘যাল’ দিয়ে নির্দিষ্ট করেছেন। এটি এক নুকতাযুক্ত ‘বা’ দিয়ে ‘আবদুন’ নামের সাথে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।
একইভাবে ‘কাফ’ বর্ণের কারণে ‘আল-কালি’ নামের সাথে ‘ফা’ বর্ণযুক্ত ‘আল-ফালি’ নামের বিভ্রান্তি ঘটতে পারে।
তিনি ভাষাতত্ত্ব ও আরবি ব্যাকরণ শাস্ত্রে একজন ইমাম ছিলেন। একাধিক আলেম উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর আদি নিবাস ছিল মানজিকার্দে। তিনি বাগদাদে আগমন করেন এবং সেখানে আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ী, ইবন আবি দাউদ, ইবন দুরেদ, ইবন আল-আনবারি ও অন্যান্যদের নিকট জ্ঞান অর্জন করেন।
তিনি তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে ভাষাতত্ত্ব, কবিতা এবং বসরার ব্যাকরণবিদদের মতবাদে সর্বশ্রেষ্ঠ হাফেজ (স্মৃতিধর) ছিলেন। হাফেজ আবু সাদ ইবন আল-সাময়ানি উল্লেখ করেছেন যে, তাঁকে ‘আল-কালি’ বলা হতো কারণ তিনি ‘কালিয়া’ অঞ্চলের অধিবাসীদের সাথে বাগদাদে সফর করেছিলেন এবং সেই নিসবত বা সম্বন্ধই তাঁর নামের সাথে যুক্ত হয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি আন্দালুসে পাড়ি জমান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সেখানে তিনি আল-বাগাওয়ী, ইবন আবি দাউদ, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেন।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু বকর আজ-জুবায়দি আল-আন্দালুসি, আবু উমর আহমদ বিন আব্দুল আজিজ বিন ফারাজ বিন আবিল হুবাব আল-কুরতুবি আন-নাহবি (যিনি তাঁর বিশেষ ঘনিষ্ঠ ছিলেন), আবু আল-কাসিম মুহাম্মদ বিন আবান বিন সাইয়্যিদ আল-লুগাবি আল-কুরতুবি (যিনি সাহেব আশ-শুরতাহ নামে পরিচিত), আহমদ বিন সাঈদ বিন আল-হিন্দি আল-কুরতুবি (যিনি ‘কিতাব আল-ওয়াসায়িক’ এর রচয়িতা), মুহাম্মদ বিন আসিম আন-নাহবি আল-আসেমি আল-কুরতুবি এবং সাঈদ বিন উসমান আল-লুগাবি আল-কুরতুবি (যিনি ইবন আল-কাযযায নামে পরিচিত)। তিনি আবু আলীর নির্ভরযোগ্য ও শ্রেষ্ঠ সঙ্গীদের একজন ছিলেন। এছাড়াও আন্দালুসের একদল আলেম তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
তিনি তিনশ ছাপ্পান্ন হিজরির রবিউস সানি মাসে কর্ডোভায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জন্ম হয়েছিল দুইশ আশি হিজরিতে, মতান্তরে দুইশ আটাশি হিজরিতে। এ কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
الأمير أبو نصر ابن ماكولا وذكر أنه من موالي محمد بن عبد الملك بن مروان والله أعلم.
من اسمه: إسحاق
16- إسحاق بن أحمد بن محمد بن يعقوب الجوزقي الهروي الحافظ نزيل سمرقند يكنى أبا الفضل.
وهو من جوزق هراة لا من جوزق نيسابور.
ذكر الحافظ أبو سعد أنه روى عن أبي القاسم البغوي وأنه مات بسمرقند سنة ثمان وخمسين وثلاثمائة وكان ثقة.
আমির আবু নাসর ইবনে মাকুলা এবং তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ানের মুক্তদাসের অন্তর্ভুক্ত; আর আল্লাহই ভালো জানেন।
যাঁদের নাম: ইসহাক
১৬- ইসহাক ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-জাওজাকি আল-হারাবি আল-হাফিজ, সমরকন্দের অধিবাসী, তাঁর উপনাম আবুল ফজল।
এবং তিনি হেরাতের জাওজাক থেকে এসেছেন, নিশাপুরের জাওজাক থেকে নয়।
হাফিজ আবু সাদ উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তিনশত আটান্ন হিজরি সনে সমরকন্দে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
ومن حرف الجيم
من اسمه: جعفر
17- جعفر بن الفضل بن جعفر بن محمد بن الفرات البغدادي الوزير الحافظ المعروف بابن حنزابة نزيل مصر يكنى أبا الفضل.
كان وزير الكافور أمير مصر وحدث من بيته جماعة.
وكان هو من أجلاء المحدثين والحفاظ المسندين كثير الرواية مع المعرفة والدراية وله أمالي كثيرة الفوائد أملاها بمصر.
وفي شيوخه كثرةٌ منهم إبراهيم بن محمد بن أبي عباد والحسين بن أحمد بن بسطام وأبو عبيد القاسم بن إسماعيل المحاملي، وأبو يعلى محمد بن زهير الأبلي وأبو جعفر ابن النحاس النحوي وجماعة غيرهم.
وذكر الحافظ أبو بكر الخطيب في ((تاريخه)) عنه أنه كان يذكر أنه سمع من عبد الله بن محمد البغوي مجلسا ولم يكن عنده وكان يقول: ((من جاءني به أغنيته)) .
قال: ((وبسببه خرج أبو الحسن الدراقطني إلى هناك -يعني إلى مصر-
এবং ‘জিম’ বর্ণ থেকেযাদের নাম: জাফর১৭- জাফর ইবনুল ফজল ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফুরাত আল-বাগদাদী, উজির ও হাফেজ, যিনি ইবনে হিনজাবাহ নামে পরিচিত, মিসরের বাসিন্দা, তার উপনাম আবুল ফজল।.
তিনি মিসরের আমির কাফুরের উজির ছিলেন এবং তার পরিবার থেকে একদল লোক হাদিস বর্ণনা করেছেন।
তিনি ছিলেন বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ও হাফেজে মুসনিদগণের অন্তর্ভুক্ত, বর্ণনার ক্ষেত্রে আধিক্য থাকার পাশাপাশি হাদিসের গভীর জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় তিনি পারদর্শী ছিলেন। তার অনেক ‘আমালি’ (শ্রুতলিপি) রয়েছে যা অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ এবং তিনি তা মিসরে প্রদান করেছিলেন।
তার উস্তাদদের সংখ্যা অনেক, তাদের মধ্যে রয়েছেন ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি আব্বাদ, হুসাইন ইবনে আহমদ ইবনে বিসতাম, আবু উবাইদ কাসিম ইবনে ইসমাইল আল-মাহামিলি, আবু ইয়ালা মুহাম্মদ ইবনে জুহাইর আল-উবুল্লি, আবু জাফর ইবনে নাহহাস আন-নাহবি এবং আরও একদল ব্যক্তি।
হাফেজ আবু বকর আল-খাতিব তার ‘তারিখ’ (ইতিহাস গ্রন্থে) তার সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বর্ণনা করতেন যে তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাভী থেকে একটি মজলিস (হাদিসের আসর) শ্রবণ করেছেন কিন্তু সেটি তার সংগ্রহে ছিল না। তিনি বলতেন: ‘যে ব্যক্তি এটি আমার কাছে নিয়ে আসবে, আমি তাকে অভাবমুক্ত (ধনী) করে দেব।’
তিনি বলেন: ‘তার কারণেই আবুল হাসান আদ-দারা কুতনি সেখানে—অর্থাৎ মিসরে—গমন করেছিলেন—’
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
فإنه كان يريد أن يصنف مسندا، فخرج أبو الحسن إليه وأقام عنده مدة يصنف له المسند وحصل له من جهته مال كثير.
روى عنه الدارقطني في ((المدبج)) وغيره أحاديث)) انتهي كلام الخطيب.
وذكر الحافظ أبو القاسم الحضرمي أن حمزة الكناني والدارقطني رويا عنه قبل أن يموت بنحو من ثلاثين سنة.
قلت: وروى عنه حمزة بن يوسف السهمي أيضا وأبو الحسين عبد الباقي بن فارس المقرئ وأبو القاسم عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل الضراب وعبد الغني بن سعيد الأزدي وأبو سعد الماليني.
وقد وقعت لي حكاية رواها عن الوزير أبي الفضل هذا ثلاثة من الحفاظ بعد أن سمعها كل واحد منهم من صاحبه، وهي ما أخبرنا أبو طاهر بركات بن إبراهيم القرشي في كتابه إلينا بخطه من دمشق غير مرة، أنبأنا أبو الحسن علي بن المشرف المصري، أخبرنا أبو علي الحسين بن محمد القيسي بمصر، حدثنا أبو سعد أحمد بن محمد الماليني، حدثنا أبو محمد عبد الغني بن سعيد الحافظ قال: سمعت أبا القاسم حمزة بن محمد الكناني الحافظ يقول: أحدثكم اليوم عن شيخ حدثتكم عنه ثم قال: حدثنا أبو الفضل جعفر بن الفضل الوزير، أخبرنا محمد بن علي بن خطاب بتكريت، حدثنا سنان بن محمد قال: جاء رجل إلى بشر بن الوليد القاضي فقال له: إني نازعت امرأتي فقالت لي: الآخر سفلة فقلت لها: إن كنت سفلة فأنت طالق فقال: يا هذا أنت تسب أحدا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال: لا، قال: لا شيء عليك.
قال عبد الغني: وقد سمعتها من الوزير أبي الفضل.
قال الحافظ أبو سعد الماليني: وقد سمعتها أنا من الوزير أبي الفضل أيضا.
নিশ্চয়ই তিনি একটি মুসনাদ সংকলন করতে চেয়েছিলেন, তাই আবুল হাসান তাঁর নিকট গমন করেন এবং সেখানে কিছুকাল অবস্থান করে তাঁর জন্য মুসনাদ সংকলন করেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে প্রচুর ধনসম্পদ লাভ করেন।
আদ-দারা কুতনী তাঁর থেকে ‘আল-মুদাব্বাজ’ এবং অন্যান্য গ্রন্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আল-খাতীবের বক্তব্য এখানেই শেষ।
হাফিজ আবুল কাসিম আল-হাদরামী উল্লেখ করেছেন যে, হামজাহ আল-কিনানী এবং আদ-দারা কুতনী তাঁর মৃত্যুর প্রায় ত্রিশ বছর পূর্বে তাঁর নিকট থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
আমি (গ্রন্থকার) বলছি: তাঁর থেকে হামজাহ বিন ইউসুফ আস-সাহমীও বর্ণনা করেছেন এবং আবু আল-হুসাইন আব্দুল বাকী বিন ফারিস আল-মুকরী, আবুল কাসিম আব্দুল আযীয বিন আল-হাসান বিন ইসমাঈল আদ-দাবরাব, আব্দুল গনী বিন সাঈদ আল-আযদী এবং আবু সাদ আল-মালীনিও বর্ণনা করেছেন।
আমার নিকট উজির আবুল ফজল থেকে বর্ণিত একটি ঘটনা পৌঁছেছে যা তিনজন হাফিজ বর্ণনা করেছেন, যেখানে প্রত্যেকেই তাঁর সঙ্গীর কাছ থেকে তা শুনেছেন। সেটি হলো যা আমাদের আবু তাহির বারাকাত বিন ইবরাহীম আল-কুরাশী দামেস্ক থেকে তাঁর নিজ হস্তাক্ষরে লিখিত পত্রে একাধিকবার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আমাদের আবুল হাসান আলী বিন আল-মুশাররাফ আল-মিসরী সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের আবু আলী আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-কায়সী মিসরে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের আবু সাদ আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মালীনি হাদীস শুনিয়েছেন, আমাদের আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনী বিন সাঈদ আল-হাফিজ বলেছেন: আমি হাফিজ আবুল কাসিম হামজাহ বিন মুহাম্মদ আল-কিনানীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: আজ আমি তোমাদের এমন একজন শাইখের বর্ণনা শোনাব যার পক্ষ থেকে ইতিপূর্বে আমি তোমাদের নিকট বর্ণনা করেছি। অত:পর তিনি বলেন: আমাদের উজির আবুল ফজল জাফর বিন আল-ফজল হাদীস শুনিয়েছেন, আমাদের মুহাম্মদ বিন আলী বিন খাত্তাব তিকরিত শহরে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সিনান বিন মুহাম্মদ হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি বিচারক বিশর বিন আল-ওয়ালিদের কাছে এসে বলল, ‘আমি আমার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করেছি, সে আমাকে বলল: অন্যজন (তুমি) তো এক নিচ ব্যক্তি। তখন আমি তাকে বললাম: আমি যদি নিচ হই তবে তোমার ওপর তালাক।’ তখন তিনি বললেন, ‘হে ব্যক্তি! তুমি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো সাহাবীকে গালি দাও?’ সে বলল, ‘না’। তিনি বললেন, ‘তবে তোমার ওপর কোনো কিছু (তালাক) আবশ্যক হবে না।’
আব্দুল গনী বলেন: আমি এটি উজির আবুল ফজলের নিকট থেকেও শুনেছি।
হাফিজ আবু সাদ আল-মালীনি বলেন: আমিও এটি উজির আবুল ফজলের নিকট থেকে শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুন নাযির ফী যিকরি মান হাদ্দাসা আনিল বাগাবী
(পৃষ্ঠা: ৫০)
توفي الوزير أبو الفضل ابن الفرات بمصر في شهر ربيع الأول سنة إحدى وتسعين وثلاثمائة.
وذكر الحافظ أبو سعد المروزي أن مولد الوزير أبي الفضل هذا كان في ذي الحجة سنة ثمان وثلاثمائة وأنه توفي بمصر سنة تسعين وقيل: سنة إحدى وتسعين وثلاثمائة.
وقال: ((كان كثير السماع عظيم الرئاسة محسنا إلى العلماء، ولي الأمر بمصر وقصده العلماء من كل ناحية وبسببه سار الدارقطني الإمام إلى مصر)) .
উজির আবুল ফজল ইবনুল ফুরাত ৩৯১ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসে মিশরে ইন্তেকাল করেন।
হাফেজ আবু সা'দ আল-মারওয়াযী উল্লেখ করেছেন যে, এই উজির আবুল ফজলের জন্ম ৩০৮ হিজরীর জিলহজ মাসে হয়েছিল এবং তিনি ৩৯০ হিজরীতে মিশরে ইন্তেকাল করেন; মতান্তরে ৩৯১ হিজরীতে।
তিনি বলেন: "তিনি প্রচুর হাদিস শ্রবণকারী, মহান নেতৃত্বের অধিকারী এবং আলেমদের প্রতি অনুগ্রহশীল ছিলেন। তিনি মিশরের শাসন ক্ষমতা লাভ করেন এবং সকল অঞ্চল থেকে আলেমগণ তাঁর নিকট আগমন করতেন। তাঁর কারণেই ইমাম দারাকুতনী মিশরে সফর করেছিলেন।"