(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: -)
أمالي المحاملي رواية ابن مهدي الفارسي   (المحاملي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أمالي المحاملي

المؤلف: أبو عبد الله البغدادي الحسين بن إسماعيل بن محمد بن إسماعيل بن سعيد بن أبان الضبي المحاملي (ت 330 هـ)

رواية: ابن مهدي الفارسي، عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن مهدي الفارسي (416 هـ)

المحقق: حمدي عبد المجيد السلفي [ت 1433 هـ]

الناشر: دار النوادر

الطبعة: الأولى، 1427 هـ - 2006 م

عدد الصفحات: 215

أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ)، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 6 صفر 1432

ইবনে মাহদী আল-ফারিসীর বর্ণনায় আমালি আল-মাহামিলি   (আল-মাহামিলি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আমালি আল-মাহামিলি

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদী আল-হুসাইন বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন সাঈদ বিন আবান আদ-দাব্বি আল-মাহামিলি (মৃত্যু ৩৩০ হিজরি)

বর্ণনা: ইবনে মাহদী আল-ফারিসী, আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাহদী আল-ফারিসী (৪১৬ হিজরি)

তাহকীক: হামদী আব্দুল মাজীদ আস-সালাফি [মৃত্যু ১৪৩৩ হিজরি]

প্রকাশক: দারুন নাওয়াদির

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৭ হিজরি - ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২১৫

শামেলা সংস্করণের প্রস্তুতি: আহমদ আল-খুদরি (অনুলিখন), এবং ইয়া বাগিয়াল খাইরি আকবিল (নিরীক্ষণ)

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৬ সফর ১৪৩২

(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: -)
ـ[أمالي المحاملي]ـ

المؤلف: أبو عبد الله البغدادي الحسين بن إسماعيل بن محمد بن إسماعيل بن سعيد بن أبان الضبي المحاملي (المتوفى: 330هـ)

رواية: ابن مهدي الفارسي، عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن مهدي الفارسي (416هـ)

المحقق: حمدي عبد المجيد السلفي

الناشر: دار النوادر

الطبعة: الأولى، 1427 هـ - 2006 م

عدد الأجزاء: 1

أعده للشاملة/ أحمد الخضري (نسخ)، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
[আমালি আল-মাহামিলি]

লেখক: আবু আবদুল্লাহ আল-বাগদাদি আল-হুসাইন বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন সাঈদ বিন আবান আদ-দাব্বি আল-মাহামিলি (মৃত্যু: ৩৩০ হিজরি)

বর্ণনা: ইবনে মাহদি আল-ফারসি, আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মাহদি আল-ফারসি (৪১৬ হিজরি)

গবেষক: হামদি আবদুল মাজিদ আস-সালাফি

প্রকাশক: দারুন নাওয়াদির

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৭ হিজরি - ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ১

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খিদরি (অনুলিপি) এবং ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল (পুনর্নিরীক্ষণ)

[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ١٩)
‌‌الجزء الأول

بسم الله الرحمن الرحيم

[وما توفيقي إلا بالله]

أَخْبَرَنَا [الشَّيْخُ] أَبُو عُمَرَ عَبْد الْوَاحِدِ بْن مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مهدي الفارسي قراءة عليه [فأقر به] قال:

‌‌[هذا مجلس يوم الأحد لسبع بقين مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الآخَرِ. سَنَةَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وثلاث مئة].

حدثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِلِيُّ القاضي في يوم الأحد لسبع بقين مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الآخَرِ سَنَةَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وثلاث مئة قال.

1 - حدثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي قال حدثنا مروان بن معاوية الفزاري قال أخبرنا عاصم الأحول عن أبي المتوكل ⦗ص: 20⦘ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إذا أتى أحدكم أهله ثم أراد أن يعود فليتوضأ.
প্রথম খণ্ড

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

[আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই]

[শায়খ] আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন মাহদী আল-ফারসি আমাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন [অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন], তিনি বলেছেন:

‌‌[এটি তিনশ উনত্রিশ হিজরি সালের রবিউস সানি মাসের সাত দিন অবশিষ্ট থাকতে রবিবার দিনের মজলিস].

বিচারক আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলি তিনশ উনত্রিশ হিজরি সালের রবিউস সানি মাসের সাত দিন অবশিষ্ট থাকতে রবিবার দিনে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

১ - ইয়াকুব বিন ইবরাহিম আদ-দাওরাকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আসিম আল-আহওয়াল আবু আল-মুতাওয়াক্কিল থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, অতঃপর পুনরায় তা করতে চায়, তবে সে যেন ওযু করে নেয়।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
2 - حدثنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا مروان حدثنا عاصم عن أبي عثمان عن سلمان بن ربيعة عن عمر مثله.
২ - ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আসিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উসমান থেকে, তিনি সালমান ইবনে রাবিআহ থেকে, তিনি উমর থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
3 - حدثنا حسين بن إسماعيل قال حدثنا يوسف بن موسى قال حدثنا جرير عن ليث عن نافع عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لا تتخذوا الضيعة فترغبوا في الدنيا.

ثم يقول عبد الله وبراذان ما براذان وبالمدينة ما بالمدينة.
৩ - আমাদের নিকট হুসাইন ইবনে ইসমাইল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, আমাদের নিকট ইউসুফ ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, আমাদের নিকট জারীর বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: তোমরা ভূ-সম্পত্তি বা খামার গড়ে তুলো না, অন্যথায় তোমরা দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়বে।

অতঃপর আবদুল্লাহ বলতেন: আর বারাজান, বারাজান কী? আর মদীনায়, মদীনায় যা আছে।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
4 - حدثنا أبو حاتم الرازي قال حدثنا محمد بن أحمد الرقي قال حدثنا فياض بن محمد الرقي عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عمرو ⦗ص: 21⦘ عن أبي السائب قال كان بالمدينة أشياخ قد أوعوا قال وكان ذلك فيهم عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم من صلى صلاة لا يقرأ فيها بأم الكتاب فهي خداج فهي خداج فهي خداج لا تمام.
৪ - আবু হাতিম আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন আহমাদ আর-রাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ফায়্যাদ বিন মুহাম্মদ আর-রাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আমর থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘ তিনি আবুস সায়িব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মদিনায় এমন কিছু প্রবীণ ব্যক্তি ছিলেন যারা প্রচুর জ্ঞান অর্জন ও সংরক্ষণ করেছিলেন। তিনি বলেন, তাদের মাঝে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি প্রচলিত ছিল যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি এমন কোনো সালাত আদায় করল যাতে উম্মুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) পাঠ করা হয়নি, তবে তা অসম্পূর্ণ, তা অসম্পূর্ণ, তা অসম্পূর্ণ; তা পূর্ণাঙ্গ নয়।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢١)
5 - حدثنا أحمد بن إسماعيل المدني قال حدثنا محمد بن طلحة عن أبي سهيل بن مالك عن أبيه عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال آية المنافق ثلاث إذا حدث كذب وإذا وعد أخلف وإذا ائتمن خان.
৫ - আহমাদ ইবনে ইসমাইল আল-মাদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে তালহা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সুহাইল ইবনে মালিক হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মুনাফিকের নিদর্শন তিনটি: যখন সে কথা বলে, মিথ্যা বলে; যখন সে অঙ্গীকার করে, তা ভঙ্গ করে; এবং যখন তার নিকট আমানত রাখা হয়, সে তাতে খিয়ানত করে।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢١)
6 - حدثنا محمد بن إسماعيل البخاري قال حدثنا ابن أبي أويس قال حدثني أخي عن سليمان عن محمد بن أبي عتيق قال سئل ابن شهاب عن الحرير تلبسه النساء فزعم أن أنس بن مالك أخبره أنه رأى على أم كلثوم بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم برد [ثوب] حرير سيراء.
৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট ইবনে আবি উওয়াইস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার ভাই সুলাইমান থেকে এবং তিনি মুহাম্মদ বিন আবি আতিক থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবনে শিহাবকে নারীদের রেশম পরিধান করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি উল্লেখ করেন যে, আনাস বিন মালিক তাকে অবহিত করেছেন যে তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা উম্মে কুলসুমের পরিধানে একটি ডোরাকাটা রেশমি চাদর [পোশাক] দেখেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
7 - حدثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي قال حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن مجاهد وعن أبي صالح وعن مسلم البطين عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ما من أيام العمل الصالح فيها أحب إلى الله من هذه الأيام يعني أيام العشر قالوا يا رسول الله ولا الجهاد في سبيل الله قال ولا الجهاد في سبيل الله إلا رجل خرج بنفسه وماله فلم يرجع من ذلك بشيء.
৭ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইবরাহিম আদ-দাওরাকী, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, তিনি আল-আ’মাশ থেকে, তিনি মুজাহিদ, আবু সলিহ এবং মুসলিম আল-বাতীন থেকে, তাঁরা সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: এমন কোনো দিন নেই যাতে নেক আমল করা আল্লাহর নিকট এই দিনগুলোর—অর্থাৎ দশ দিনের—চেয়ে অধিক প্রিয়। তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর পথে জিহাদও কি নয়? তিনি বললেন: আল্লাহর পথে জিহাদও নয়; তবে সেই ব্যক্তির কথা ভিন্ন, যে নিজের জান ও মাল নিয়ে বের হয়েছে এবং এর কোনো কিছু নিয়েই আর ফিরে আসেনি।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
8 - حدثنا محمد بن عبد الملك بن زنجويه قال حدثنا عبد الرزاق قال أخبرنا الثوري قال أخبرنا الأعمش عن مسلم البطين عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ما من أيام أحب إلى الله العمل فيهن أو قال أفضل فيهن العمل من أيام العشر قيل يا رسول الله ولا الجهاد في سبيل الله قال ولا الجهاد في سبيل الله إلا رجل خرج بماله ونفسه فلا يرجع من ذلك بشيء.
8 - মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে জানজাওয়াইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আস-সাওরী আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-আ'মাশ আমাদের নিকট মুসলিম আল-বাতীন থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “এমন কোনো দিন নেই যাতে আমল করা আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় — অথবা তিনি বলেছেন: যাতে আমল করা অধিক উত্তম — এই দশ দিনের (জিলহজের প্রথম দশ দিন) তুলনায়।” জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর পথে জিহাদও কি নয়? তিনি বললেন: “আল্লাহর পথে জিহাদও নয়, তবে সেই ব্যক্তি ছাড়া যে নিজের জান ও মাল নিয়ে বের হয়েছে এবং এরপর এর কোনো কিছু নিয়েই ফিরে আসেনি।”
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
9 - حدثنا محمد بن خلف قال حدثنا منصور بن أبي نويرة قال حدثنا عبد المؤمن بن داود أبو الجحاف عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ عَبْدِ الله بن الحارث ⦗ص: 23⦘ عن عبد المطلب بن ربيعة قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول أترجو سلهم شفاعتي ولا ترجوها بنو عبد المطلب.
৯ - মুহাম্মাদ ইবনে খালাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মানসুর ইবনে আবি নুয়াইরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুল মুমিন ইবনে দাউদ আবু আল-জাহহাফ আমাদের নিকট ইয়াযিদ ইবনে আবি যিয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ তিনি আব্দুল মুত্তালিব ইবনে রাবিআহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতে শুনেছি: “সিলহাম কি আমার শাফায়াতের আশা রাখে, অথচ আব্দুল মুত্তালিবের বংশধরেরা কি তা আশা করবে না?”
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
10 - حدثنا محمد بن عبد الملك بن زنجويه قال حدثنا عمرو بن الربيع قال حدثنا يحيى بن أيوب عن يونس عن ابن شهاب قال حدثني عبيد الله بن عبد الله أن عبد الله بن عباس أخبره أنه جاء عمر بن الخطاب حين طعن في غلس السحر قال فاحتملته أنا ورهط كانوا معي في المسجد حتى أدخلناه بيته، قال: وأمر عبد الرحمن بن عوف أن يصلي بالناس، قال فلما أدخلنا عمر بيته غشي عليه من النزف فلم يزل في غشيته حتى أسفر ثم أفاق فقال هل صلى الناس قلنا نعم قال لا إسلام لمن ترك الصلاة، قال: ثم دعا بوضوء فتوضأ وصلى.

وقال عمر رضي الله عنه حين أخبر أن أبا لؤلؤة هو الذي طعنه قال ⦗ص: 24⦘ الحمد لله الذي قتلني من لا يحاجني عند الله بصلاة صلاها وكان مجوسيا.
১০ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন জানজুওয়াইহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আমর বিন আল-রাবি' বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব ইউনুস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উমর বিন আল-খাত্তাব যখন শেষ রাতের অন্ধকারে আক্রান্ত হলেন, তখন তিনি তাঁর কাছে এলেন। তিনি বলেন, আমি এবং মসজিদে আমার সাথে থাকা একদল লোক তাঁকে বহন করলাম এবং আমরা তাঁকে তাঁর ঘরে নিয়ে এলাম। তিনি বলেন, আর তিনি (উমর) আব্দুর রহমান বিন আউফকে নির্দেশ দিলেন মানুষকে নিয়ে নামাজ পড়ার জন্য। তিনি বলেন, যখন আমরা উমরকে তাঁর ঘরে নিয়ে আসলাম, রক্তক্ষরণের কারণে তিনি বেহুঁশ হয়ে পড়লেন এবং ভোর হওয়া পর্যন্ত তিনি বেহুঁশ অবস্থায় থাকলেন। এরপর তিনি সচেতন হলেন এবং বললেন, "মানুষ কি নামাজ পড়েছে?" আমরা বললাম, "হ্যাঁ।" তিনি বললেন, "যে ব্যক্তি নামাজ ত্যাগ করে, ইসলামে তার কোনো অংশ নেই।" তিনি বলেন, এরপর তিনি ওযুর পানি চাইলেন, ওযু করলেন এবং নামাজ পড়লেন।

আর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন অবহিত হলেন যে আবু লু'লু'আ তাঁকে আঘাত করেছে, তখন তিনি বললেন, ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি এমন ব্যক্তির হাতে আমার মৃত্যু রেখেছেন যে আল্লাহর কাছে তার আদায় করা কোনো নামাজের মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে বিতর্ক করতে পারবে না; আর সে ছিল একজন মাজুসি (অগ্নিউপাসক)।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
11 - حدثنا عبد الوهاب الوراق قال حدثنا أبو ضمرة عن أبي حازم عن أبي سلمة قال ما أعلمه إلا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال نزل القرآن على سبعة أحرف المراء في القرآن كفر (ثلاث مرات) ما عرفتم فاعملوا به وما جهلتم فردوه إلى عالمه.
১১ - আব্দুল ওয়াহহাব আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু দামরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাযেম থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি এটি কেবল আবু হুরায়রা (রা.) থেকেই বর্ণিত বলে জানি যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: কুরআন সাতটি পদ্ধতিতে অবতীর্ণ হয়েছে; কুরআন নিয়ে বিতর্ক করা কুফরি (তিনবার)। এর মধ্যে যা তোমরা জানো, সে অনুযায়ী আমল করো এবং যা তোমাদের কাছে অজানা, তা এর বিজ্ঞের নিকট সোপর্দ করো।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
12 - حدثنا محمد بن عثمان بن كرامة قال حدثنا أبو نعيم عن الربيع عن عَطَاء عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بعث بضعفة أهله ليلة المزدلفة وأمرهم ألا يرموا جمرة العقبة حتى تطلع الشمس.
১২ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে উসমান ইবনে কারামা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু নুআইম রাবি‘ থেকে, তিনি আতা থেকে, আর তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুজদালিফার রাতে তাঁর পরিবারের দুর্বল সদস্যদের অগ্রিম পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এবং তাঁদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা যেন জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপ না করেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
13 - حدثنا محمد بن عبد الله المخرمي قال حدثنا أبو هشام المخزومي قال حدثنا وهَيْب قال حدثنا يحيى بن سعيد وإسماعيل بن أمية وعبيد الله بن عمر عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حِبَّانَ عَنِ عمه واسع بن حبان عن ابن عمر قال رقيت فوق بيت حفصة فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم على مذهبه مستقبل القبلة مستدبر الشام.
১৩ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাখরামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হিশাম আল-মাখযুমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উহাইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, ইসমাঈল ইবনে উমাইয়া এবং উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হিব্বান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর চাচা ওয়াসি' ইবনে হিব্বান থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি হাফসার ঘরের ছাদের ওপর আরোহণ করলাম, তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজনে কিবলার দিকে মুখ করা এবং শামের দিকে পিঠ দেওয়া অবস্থায় দেখতে পেলাম।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
14 - حدثنا محمد بن يونس السراج قال حدثنا محمد بن فضيل قال حدثنا هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت توفي أبو بكر رضي الله عنه ليلة الثلاثاء فما أصبحنا حتى دفناه.
১৪ - মুহাম্মদ বিন ইউনুস আস-সাররাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন ফুদাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হিশাম বিন উরওয়াহ তাঁর পিতার সূত্রে আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মঙ্গলবার রাতে ইন্তেকাল করেন, ফলে আমরা সকাল হওয়ার পূর্বেই তাঁকে দাফন করি।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
15 - حدثنا يوسف بن موسى قال حدثنا جرير عن أبي حيان التيمي عن مجمع التيمي قال كانت لعمر بن سعد إلى أبيه حاجة قال فانطلق فوصل كلاما ثم أتى سعدا فكلمه به فوصله بحاجته فكلمه بكلام لم يكن يسمعه منه قبل ذلك فلما فرغ قال له سعد أفرغت يا بني من حاجتك قال نعم قال ما كنت أبعد من حاجتك منك الآن ولا كنت أزهد فيك مني الآن أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول يكون قوم يأكلون بألسنتهم كما تأكل البقرة بألسنتها.
১৫ - ইউসুফ ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাইয়ান আত-তাইমি থেকে, তিনি মুজাম্মি‘ আত-তাইমি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে সাদের তার পিতার নিকট একটি বিশেষ প্রয়োজন ছিল। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর সে রওয়ানা হলো এবং দীর্ঘ ভূমিকা দিয়ে কথা সাজালো, এরপর সে সাদের নিকট এসে তা ব্যক্ত করল। সে তার প্রয়োজনের কথাটি এমন বাকপটুতার সাথে উপস্থাপন করল যা তিনি ইতিপূর্বে তার থেকে শোনেননি। যখন সে কথা শেষ করল, তখন সাদ তাকে বললেন: হে বৎস! তুমি কি তোমার প্রয়োজনের কথা শেষ করেছ? সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: তোমার এই প্রয়োজন পূরণ হওয়া থেকে তুমি এখনকার চেয়ে অধিক দূরে কখনো ছিলে না এবং তোমার প্রতি আমি এখনকার চেয়ে অধিক বিমুখ কখনো ছিলাম না। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা তাদের জিহ্বা দিয়ে এমনভাবে খাবে যেভাবে গাভী তার জিহ্বা দিয়ে ঘাস খায়।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
16 - حدثنا فضيل الأعرج قال حدثنا الأسود بن عامر قال حدثنا قيس بن عائذ بن نصيب عن جابر بن سمرة قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو يشير بإصبعه في الصلاة فلما سلم قال اللهم إني أسألك من الخير كله ما علمت منه وما لم أعلم وأعوذ بك من الشر كله ما علمت منه وما لم أعلم.
১৬ - ফুযাইল আল-আ'রাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-আসওয়াদ ইবনে আমির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, কায়েস ইবনে আইজ ইবনে নাসীব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি জাবির ইবনে সামুরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলাম যখন তিনি সালাতের মধ্যে তাঁর আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করছিলেন। অতঃপর যখন তিনি সালাম ফিরালেন, তখন তিনি বললেন, "হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে সমস্ত কল্যাণ প্রার্থনা করছি—যা আমি জানি এবং যা আমি জানি না। আর আমি আপনার কাছে সমস্ত অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি—যা আমি জানি এবং যা আমি জানি না।"
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
17 - حدثنا أبو الأشعث أحمد بن المقدام قال حدثنا المعتمر قال: سمعت إسماعيل بن أبي خالد يحدث عن مجالد بن سعيد عن الشعبي قال أخبرتني فاطمة بنت قيس أَنّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الظهر وصلاها يومئذ بنهار ثم صعد المنبر وكان لا يصعد عليه إلا يوم الجمعة قبل يومئذ قال فأنكر الناس ذلك قالت فمن بين قائم وقاعد فأومأ إليهم أن اقعدوا فقعدوا فقال إني والله ما قمت مقامي هذا لأبغضكم إلا رغبة ورهبة ولكن تميم الداري أخبرنا خبرا منع مني القائلة من فرح فأحببت أن أعلمكم فرح ⦗ص: 27⦘ نبيكم إن بني عم لتميم الداري أخذتهم عاصف في البحر فألجأتهم إلى جزيرة لا يعرفونها فقعدوا في قوارب السفينة ثم خرجوا إليها فإذا هم بشيء أهدب أسود كثير الشعر فقالوا وما أنت قالت أنا الجساسة قالوا فأخبرينا قالت ما أنا بمخبرتكم شيئا ولا سألتكم عنه ولكن في هذا الدير قد رهقتموه فيه رجل بالأشواق إلى أن تخبروه ويخبركم فعمدوا إليه واستأذنوا عليه فإذا شيخ موثق شديد الوثاق كثير الحزن شديد التشكي قال من أين أنتم؟ قالوا من الشام قال ما فعل العرب؟ قالوا نحن العرب فعم تسأل قال فما فعل هذا الرجل الذي خرج فيكم قالوا خيرا ناوأه قوم كثير فأظهره الله عليهم فدينهم واحد وإلههم واحد قال ذاك خير لهم قال فما فعل عين زعر؟ قالوا خيرا يشربون بشفاههم ويسقون منها زرعهم قال فما فعل نخل بين عمان وبيسان قالوا خيرا يطعم جناه كل عام قال ما فعلت بحيرة الطبرية قالوا يدفق جانباه من كثرة الماء قالوا فزفر زفرة ثم زفر ثم قال لو قد أفلت من وثاقي هذا لم تبق أرض إلا وطئتها برجلي هاتين غير طيبة فإنه ليس لي عليها سلطان.

قال النبي صلى الله عليه وسلم هذا منتهى فرحي هذه طيبة المدينة والذي نفسي بيده ما بها طريق ضيق ولا وازع من سهل ولا جبل إلا عليه ملك شاهر بالسيف إلى يوم القيامة.
১৭ - আবু আল-আশআস আহমাদ ইবনে আল-মিকদাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, মুতামির আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইসমাঈল ইবনে আবু খালিদকে মুজালিদ ইবনে সাঈদ থেকে এবং তিনি শাবী থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন, ফাতিমা বিনতে কাইস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যোহরের সালাত আদায় করলেন এবং সেই দিন তিনি দিনের আলোতেই তা আদায় করেন। এরপর তিনি মিম্বারে আরোহণ করলেন, অথচ সেই দিনের আগে তিনি জুমার দিন ছাড়া মিম্বারে উঠতেন না। তিনি বলেন, মানুষ একে অস্বাভাবিক মনে করল। তিনি বলেন, কেউ দাঁড়িয়ে ছিল আবার কেউ বসা ছিল, তখন তিনি তাদের দিকে ইশারা করলেন যে তারা যেন বসে পড়ে। ফলে তারা বসে পড়ল। অতঃপর তিনি বললেন: "আল্লাহর শপথ, আমি তোমাদের প্রতি কোনো ক্রোধের কারণে আমার এই স্থানে দাঁড়াইনি বরং কেবল আশা ও ভয়ের কারণে দাঁড়িয়েছি। তবে তামীম আদ-দারী আমাকে একটি সংবাদ দিয়েছেন যা আনন্দের আতিশয্যে আমার দুপুরের বিশ্রাম কেড়ে নিয়েছে। তাই আমি তোমাদেরকে তোমাদের নবীর আনন্দ সম্পর্কে জানাতে পছন্দ করলাম ⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘। তামীম আদ-দারীর কিছু চাচাতো ভাই সমুদ্রে ঝড়ের কবলে পড়েছিল, যা তাদেরকে এমন এক দ্বীপে নিয়ে যায় যা তারা চিনত না। তারা জাহাজের ছোট নৌকাগুলোতে চড়ে দ্বীপে নামল। হঠাৎ তারা লম্বা ও ঘন কালো পশম বিশিষ্ট একটি প্রাণীর দেখা পেল। তারা বলল, 'তুমি কে?' সে বলল, 'আমি জাসসাসাহ।' তারা বলল, 'আমাদের সংবাদ দাও।' সে বলল, 'আমি তোমাদের কিছুই জানাব না এবং তোমাদের কাছে কিছু জিজ্ঞেসও করব না। তবে এই গির্জায়, যার কাছাকাছি তোমরা পৌঁছে গেছ, সেখানে এমন একজন ব্যক্তি আছে যে তোমাদের খবরের অপেক্ষায় ব্যাকুল হয়ে আছে এবং সে তোমাদের সংবাদ দেবে।' তারা দ্রুত তার দিকে গেল এবং তার কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইল। সেখানে তারা অত্যন্ত মজবুতভাবে শিকল দিয়ে বাঁধা একজন বৃদ্ধ লোককে দেখতে পেল, যে খুব বিষণ্ণ এবং যার অভিযোগ ছিল অনেক বেশি। সে বলল, 'তোমরা কোত্থেকে এসেছ?' তারা বলল, 'সিরিয়া থেকে।' সে বলল, 'আরবদের কী অবস্থা?' তারা বলল, 'আমরাই আরব, আপনি কোন বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন?' সে বলল, 'তোমাদের মাঝে যে লোকটির আবির্ভাব হয়েছে, তার খবর কী?' তারা বলল, 'ভালো খবর। বহু লোক তার বিরোধিতা করেছে, কিন্তু আল্লাহ তাকে তাদের ওপর বিজয়ী করেছেন। ফলে তাদের দ্বীন এখন এক এবং তাদের ইলাহ এক।' সে বলল, 'সেটাই তাদের জন্য মঙ্গলজনক।' সে বলল, 'যুগর ঝরনার কী খবর?' তারা বলল, 'ভালো, মানুষ তা থেকে পান করে এবং তা দিয়ে তাদের ফসলে সেচ দেয়।' সে বলল, 'আম্মান ও বায়সানের মধ্যবর্তী খেজুর বাগানগুলোর কী খবর?' তারা বলল, 'ভালো, প্রতি বছরই তার ফল সংগ্রহ করা হয়।' সে বলল, 'তিবরিয়া হ্রদের কী অবস্থা?' তারা বলল, 'পানির আধিক্যের কারণে তার দুই কূল উপচে পড়ছে।' তারা বলল, এরপর সে এক দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল এবং পুনরায় দীর্ঘশ্বাস ফেলল। অতঃপর বলল, 'যদি আমি আমার এই বাঁধন থেকে মুক্তি পাই, তবে এমন কোনো ভূমি বাকি থাকবে না যা আমি আমার এই দুই পা দিয়ে পদদলিত করব না, তবে তাইয়িবাহ ছাড়া। কেননা সেখানে আমার কোনো আধিপত্য নেই।'"

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, "এটাই আমার আনন্দের মূল কারণ। এই হলো তাইয়িবাহ অর্থাৎ মদিনা। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ, মদিনার প্রতিটি সরু পথ এবং সমতল বা পাহাড়ে এমন কোনো প্রবেশপথ নেই যেখানে কিয়ামত পর্যন্ত উন্মুক্ত তলোয়ার হাতে ফেরেশতা পাহারায় নিয়োজিত নেই।"
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
18 - حدثنا سعدان بن نصر قال حدثنا إسحاق قال حدثنا مسعر بن كدام ⦗ص: 28⦘ عن زيد العمي عن أبي الصديق الناجي قال خرج سليمان النبي يستسقي فمر بنملة مستلقية رافعة قوائمها إلى السماء تقول اللهم إنما انا خلق من خلقك ليس بنا غنى عن سقياك ورزقك فإما أن تسقينا وترزقنا وإما ان تهلكنا قال فقال سليمان عليه السلام ارجعوا فقد سقيتم.
১৮ - সাদান ইবন নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মিসআর ইবন কিদাম ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ যায়িদ আল-আম্মী থেকে, তিনি আবুস সিদ্দিক আন-নাজি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সুলাইমান বৃষ্টির প্রার্থনার জন্য বের হলেন। এরপর তিনি একটি পিপীলিকার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন যা চিৎ হয়ে শুয়ে তার পাগুলো আকাশের দিকে তুলে বলছিল, 'হে আল্লাহ! আমি আপনার সৃষ্টিজগতের মাঝে একটি সৃষ্টি মাত্র। আপনার প্রদানকৃত পানি ও রিযিক ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই। সুতরাং হয় আপনি আমাদের পানি দান করুন ও রিযিক দিন, নতুবা আমাদের ধ্বংস করে দিন।' তিনি বলেন, তখন সুলাইমান আলাইহিস সালাম বললেন, 'তোমরা ফিরে যাও, তোমাদের বৃষ্টির ব্যবস্থা করা হয়েছে।'
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
19 - حدثنا عبد الله بن شبيب قال حدثني أبو بكر قال حدثني أبو غزية قال حدثني عبد الله بن جعفر عن عبد الله بن عامر بن ربيعة عن أبيه قَالَ رَأَيْتُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لا يستلم من أركان البيت إلا اليماني والأسود ورأيته رمل ثلاثا ومشى ثلاثا.
১৯ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে শাবিব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু বকর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু গাজিয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমির ইবনে রাবিআহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি বাইতুল্লাহর কোণগুলোর মধ্যে কেবল ইয়ামানি কোণ এবং হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) ব্যতীত অন্য কোনোটি স্পর্শ করতেন না এবং আমি তাঁকে দেখেছি তিনি তিন চক্কর রমল (দ্রুত পদবিক্ষেপ) করেছেন এবং তিন চক্কর স্বাভাবিকভাবে হেঁটেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
20 - حدثنا الحسن بن محمد بن الصباح قال حدثنا شبابة بن سوار قال حدثنا الليث عن يزيد عن سويد بن قيس عن معاوية بن حديج عن معاوية بن أبي سفيان أنه سأل أخته أم حبيبة هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 29⦘ يصلي في الثوب الذي يجامعها فيه قالت نعم إذا لم ير فيه أثر.
২০ - হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, শাবাবাহ বিন সাওয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ থেকে, তিনি সুয়াইদ বিন কাইস থেকে, তিনি মুয়াবিয়া বিন হুদাইজ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া বিন আবু সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর বোন উম্মে হাবিবা (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ সেই পোশাকে সালাত আদায় করতেন যাতে তিনি তাঁর সাথে সহবাস করতেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যদি তিনি তাতে কোনো চিহ্ন না দেখতেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
21 - حدثنا أحمد بن إسماعيل المدني قال حدثنا مالك بن أنس عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يعرق في الثوب وهو جنب ثم يصلي فيه.
২১ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবন ইসমাঈল আল-মাদানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, মালিক ইবন আনাস আমাদের নিকট নাফে‘ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর জানাবাত (অপবিত্র) অবস্থায় কাপড়ে ঘামতেন, অতঃপর তিনি সেই কাপড়েই সালাত আদায় করতেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
22 - حدثنا فضل بن سهل قال حدثنا حسين عن زائدة عن عبد الله بن عثمان المكي قال سألت سعيد بن جبير فقلت ملحفتي أجامع فيها امرأتي فأعرق فيها أفأصلي فيها قال نعم.
২২ - আমাদের নিকট ফজল বিন সাহল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন যায়িদাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উসমান আল-মাক্কী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি সাঈদ বিন জুবাইরকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আমার চাদর যাতে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করি এবং তাতে ঘামি, আমি কি তাতে সালাত আদায় করতে পারব? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
‌‌مجلس يوم الخميس لثلاث بقين مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الآخَرِ. سَنَةَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وثلاث مئة.

23 - حدثنا يوسف بن موسى القطان قال حدثنا جرير عن منصور عن أبي وائل ⦗ص: 30⦘ عن قيس بن أبي غرزة قال كنا بالمدينة نبيع الوساق ونبتاعها وكنا نسمي أنفسنا السماسرة [ويسمينا الناس فخرج إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذات يوم] فسمانا باسم هو خير من الذي سمينا به أنفسنا وسمانا الناس فقال يا معشر التجار إنه يشهد بيعكم اللغو والحلف فشوبوه بالصدقة.
‌৩২৯ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের তিন দিন অবশিষ্ট থাকতে বৃহস্পতিবারের মজলিস।

২৩ - ইউসুফ ইবনে মুসা আল-কাত্তান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, জারির আমাদের নিকট মানসুর থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ এবং তিনি কায়েস ইবনে আবি গারাজা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা মদিনায় পণ্যের বোঝা কেনাবেচা করতাম এবং আমরা নিজেদেরকে 'সামাসিরা' (দালাল) বলতাম [এবং মানুষও আমাদের এই নামেই ডাকত। অতঃপর একদিন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট বের হয়ে আসলেন] এবং তিনি আমাদের এমন এক নামে অভিহিত করলেন যা আমাদের নিজেদের রাখা নাম এবং মানুষের দেয়া নামের চেয়ে উত্তম ছিল। তিনি বললেন: "হে বণিক সম্প্রদায়! নিশ্চয়ই তোমাদের কেনাবেচায় অহেতুক কথা ও শপথের সংমিশ্রণ ঘটে, তাই তোমরা একে সদকার মাধ্যমে মিশ্রিত করো।"
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٣٠)
24 - حدثنا محمد بن عبد الله المخرمي قال حدثنا يحيى بن سعيد عن ابن جريج قال: سمعت ابن أبي مليكة يحدثني عن ذكوان أبي عمرو عن عائشة رضي الله عنها عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ استأمروا النساء في أبضاعهن فإن البكر تستحيي فتسكت قال فهي إذنها.
২৪ - মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-মাখরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে জুরাইজ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আবি মুলাইকাকে যাকওয়ান আবু আমর থেকে আমার নিকট বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তোমরা নারীদের নিকট তাদের বিবাহের বিষয়ে অনুমতি প্রার্থনা করো; কারণ কুমারী কন্যা লজ্জা পায় এবং চুপ থাকে। তিনি বললেন: তার এই চুপ থাকাই হলো তার অনুমতি।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٣٠)
25 - حدثنا عبيد الله بن سعد قال حدثنا عمي عن أبي إسحاق عن محمد بن عمرو بن عطاء عن ذكوان مولى عائشة أَنَّهَا حَدَّثَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كان يصلي بعد العصر وينهى عنها ويواصل وينهى عن الوصال فقيل يا رسول الله فإنك تواصل قال إني لست في ذلك مثلكم إني أظل إلى ربي يطعمني ويسقيني.
২৫ - উবাইদুল্লাহ বিন সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার চাচা আবু ইসহাক থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.)-এর মুক্তদাস যাকওয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আয়েশা (রা.) তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পর সালাত আদায় করতেন অথচ তিনি তা করতে নিষেধ করতেন এবং তিনি বিরতিহীন রোজা (বিসাল) রাখতেন অথচ তিনি বিরতিহীন রোজা রাখতে নিষেধ করতেন। তখন বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো বিরতিহীন রোজা রাখেন। তিনি বললেন, আমি এ বিষয়ে তোমাদের মতো নই। নিশ্চয়ই আমি আমার রবের নিকট এমনভাবে অবস্থান করি যে, তিনি আমাকে আহার করান এবং পান করান।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٣١)
26 - حدثنا محمد بن عمرو بن أبي مذعور قال حدثنا عبد العزيز قال أخبرنا هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كان يستسقى له الماء العذب من بئر السقيا.
২৬ - মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে আবি মায'ুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক)-এর জন্য 'সুকয়া' কূপ হতে মিষ্ট পানি আনা হতো।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٣١)
27 - حدثنا أبو حاتم الرازي قال حدثنا الحسن بن عبد الله بن حرب قال حدثنا عمر بن عطية بن سعد العوفي عن عطية عن ابن عمر {وما أرسلنا من رسول إلا بلسان قومه} قال أرسل محمدا صلى الله عليه وسلم بلسان قومه عربي.
২৭ - আবু হাতিম আর-রাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-হাসান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উমর ইবনে আতিয়্যাহ ইবনে সাদ আল-আউফী আমাদের নিকট আতিয়্যাহ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন: {আর আমি প্রত্যেক রাসুলকে তাঁর নিজ সম্প্রদায়ের ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি} তিনি বলেন, তিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর সম্প্রদায়ের ভাষা অর্থাৎ আরবি ভাষায় প্রেরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনি মাহদী আল ফারিসী (পৃষ্ঠা: ٣١)
28 - حدثنا إبراهيم بن هانئ قال حدثنا عبد القدوس بن الحجاج قال حدثنا عبد الله بن العلاء قال حدثنا أبو زيادة عبيد الله بن زيادة الكندي عن بلال أنه حدثه أنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم يؤذنه بصلاة الغداة فشغلت عائشة بلال بأمر سألته عنه حتى فضحه الصبح وأصبح جدا قال فقام بلال فأذن وآذنه بالصلاة وتابع أذانه فلم يخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما خرج ليصلي للناس أخبره أن عائشة شغلته بأمر سألته عنه حتى أصبح جدا وأنه أبطأ عليه بالخروج فقال إني ركعت ركعتي الفجر قال يا رسول الله إنك قد ⦗ص: 32⦘ أصبحت جدا قال ولو أكثر مما اصبحت لركعتهما وأحسنتهما وأجملتهما.
২৮ - ইবরাহীম ইবন হানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল কুদ্দুস ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু যিয়াদাহ উবায়দুল্লাহ ইবন যিয়াদাহ আল-কিন্দি বিলাল (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, বিলাল (রাযিআল্লাহু আনহু) তাঁকে বলেছেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন তাঁকে ফজরের সালাতের সংবাদ দিতে। এমতাবস্থায় আয়িশা (রাযিআল্লাহু আনহা) বিলালকে একটি বিষয়ে জিজ্ঞাসার মাধ্যমে ব্যস্ত করে রাখলেন, এমনকি ভোর সুস্পষ্ট হয়ে গেল এবং বেশ ফর্সা হয়ে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর বিলাল (রাযিআল্লাহু আনহু) উঠে দাঁড়ালেন এবং আযান দিলেন ও তাঁকে সালাতের সংবাদ দিলেন এবং তাঁর আযানের অনুগমন করলেন; কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন না। অতঃপর যখন তিনি লোকেদের সালাত পড়ানোর জন্য বের হলেন, তখন বিলাল তাঁকে জানালেন যে, আয়িশা তাঁকে একটি বিষয়ে প্রশ্ন করে ব্যস্ত রেখেছিলেন যার ফলে অনেক ফর্সা হয়ে গিয়েছে এবং তাঁর বের হতে বিলম্ব হয়েছে। তখন তিনি (রাসূল) বললেন, "আমি ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) আদায় করছিলাম।" তিনি (বিলাল) বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ অনেক বেশি ফর্সা করে ফেলেছেন।" তিনি বললেন, "যদি এর চেয়েও বেশি ফর্সা হয়ে যেত, তবুও আমি সেই দুই রাকাত আদায় করতাম এবং তা অতি উত্তম ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতাম।"