(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: -)
أمالي المحاملي رواية ابن الصلت   (المحاملي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أمالي المحاملي

المؤلف: أبو عبد الله البغدادي الحسين بن إسماعيل بن محمد بن إسماعيل بن سعيد بن أبان الضبي المحاملي (ت 330 هـ)

رواية ابن الصلت القرشي: أحمد بن محمد بن موسى بن الصلت المجبِّر (405 هـ)

المحقق: حمدي عبد المجيد السلفي [ت 1433 هـ]

الناشر: دار النوادر [طبع مع أمالي المحاملي رواية ابن مهدي الفارسي]

الطبعة: الأولى 1427 هـ - 2006 م

عدد الصفحات: 240

أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ)، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 6 صفر 1432

আমালি আল-মুহামিলি ইবনুল সালতের বর্ণনা   (আল-মুহামিলি)

বিভাগ: সুন্নাহ গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: আমালি আল-মুহামিলি

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদি আল-হুসাইন বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল বিন সাঈদ বিন আবান আদ-দাব্বি আল-মুহামিলি (মৃত্যু ৩৩০ হি.)

ইবনুল সালত আল-কুরাশির বর্ণনা: আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুসা বিন আল-সালত আল-মুজাব্বির (৪০৫ হি.)

গবেষক: হামদি আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি [মৃত্যু ১৪৩৩ হি.]

প্রকাশক: দারুন নাওয়াদির [ইবনে মাহদি আল-ফারিসির বর্ণনায় আমালি আল-মুহামিলির সাথে মুদ্রিত]

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৭ হি. - ২০০৬ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪০

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরি (অনুলিখন), এবং ইয়া বাগিয়াল খাইরা আকবিল (যাচাইকরণ)

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৬ সফর ১৪৩২

(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: -)
ـ[أمالي المحاملي]ـ

المؤلف: أبو عبد الله البغدادي الحسين بن إسماعيل بن محمد بن إسماعيل بن سعيد بن أبان الضبي المحاملي (المتوفى: 330هـ)

رواية ابن الصلت القرشي: أحمد بن محمد بن موسى بن الصلت المجبِّر (405هـ)

المحقق: حمدي عبد المجيد السلفي

الناشر: دار النوادر [طبع مع أمالي المحاملي رواية ابن مهدي الفارسي]

الطبعة: الأولى 1427 هـ - 2006 م

عدد الأجزاء: 1

أعده للشاملة/ أحمد الخضري (نسخ)، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
[আমালি আল-মুহামিলি]

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদি আল-হুসাইন বিন ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন সাঈদ বিন আবান আদ-দাব্বি আল-মুহামিলি (মৃত্যু: ৩৩০ হিজরি)

ইবনুল সালত আল-কুরাশি-এর বর্ণনা: আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুসা বিন আল-সালত আল-মুজাব্বির (৪০৫ হিজরি)

তাহকীককারী: হামদি আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি

প্রকাশক: দারুন নাওয়াদির [ইবনে মাহদি আল-ফারিসির বর্ণিত আমালি আল-মুহামিলির সাথে একত্রে মুদ্রিত]

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৭ হিজরি - ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ১

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদারি (অনুলিখন), এবং ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল (যাচাইকরণ)

[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ]
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২১)
‌‌بسم الله الرحمن الرحيم.

أخبرنا الشيخ أبو المعمر بقاء بن عمر بن عبد الباقي [بن] حُنْد بقراءتي عليه ببغداد قلت أخبركم أبو غالب أحمد بن الحسن بن أحمد بن البنا قال: أخبرنا أبو بكر أحمد بن محمد بن سياوش الكازروني قراءة عليه في يوم السبت الثالث عشر من شهر جمادى الأولى من سنة سبع وخمسين وأربع مئة قال: أخبرنا أبو الحسن أحمد بن محمد بن موسى بن القاسم ابن الصلت القرشي المجبر في داره في جمادى الآخرة من سنة أربع وأربع مئة قال: حدثنا القاضي أبو عبد الله الحسين بن إسماعيل المحاملي في داره إملاء يوم الأحد النصف من جمادى الأولى من سنة أربع وعشرين وثلاثمئة قال.

1 - حدثنا أبو هشام الرفاعي قال: حدثنا ابن فضيل قال: حدثنا حبيب بن أبي عمرة عن عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين رضوان الله عليها قالت قلت يا رسول الله على النساء جهاد؟ قال جهاد لا قتال فيه الحج والعمرة.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু আল-মুয়াম্মার বাকা বিন উমর বিন আব্দুল বাকি [বিন] হুন্দ বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আল-বান্না, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন সিয়াউশ আল-কাযরুনী, চারশত সাতান্ন হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসের তেরো তারিখ শনিবার তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-কাসিম ইবনুল সালত আল-কুরাশী আল-মুজাব্বির চারশত চার হিজরী সনের জুমাদাল আখিরা মাসে তাঁর নিজ গৃহে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলী তিনশত চব্বিশ হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসের মধ্যভাগে রবিবার তাঁর নিজ গৃহে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন।

১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হিশাম আল-রিফায়ী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ফুদাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবীব বিন আবু আমরা, আয়েশা বিনতে তালহা থেকে বর্ণিত, মুমিনদের মাতা আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! নারীদের ওপর কি জিহাদ আছে? তিনি বললেন: এমন জিহাদ যাতে কোনো লড়াই নেই; (তা হলো) হজ ও উমরাহ।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২১)
2 - حدثنا محمد بن عمرو بن أبي مذعور قال: حدثنا عمر بن أبي خليفة عن محمد بن زياد ⦗ص: 222⦘ عن أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كان رجل فيمن كان قبلكم لبس بردين يتبختر فيهما فأمر الله الأرض فبلعته فهو يتجلجل فيها إلى يوم القيامة.
২ - মুহাম্মদ ইবন আমর ইবন আবি মাযউর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবন আবি খলিফা আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ২২২⦘ তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল যে দুটি চাদর পরিহিত অবস্থায় দম্ভভরে পথ চলত, অতঃপর আল্লাহ জমিনকে নির্দেশ দিলেন এবং তা তাকে গ্রাস করে নিল। ফলে সে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তাতে ধসে যেতে থাকবে।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২২)
3 - حدثنا أبو موسى محمد بن المثنى قال: حدثنا عباد بن جويرية العبرتي قال: حدثنا الأوزاعي قال: حدثني يحيى بن أبي كثير قال: حدثني محمد بن إبراهيم التيمي قال: حدثني أبو سلمة قال: حدثني أبو هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أنفق زوجين من ماله دعته خزنة كل باب من أبواب الجنة هلم أقبل ادخل فقال أبو بكر الصديق ذلك الذي لا توى عليه.
৩ - আমাদের নিকট আবু মুসা মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্বাদ বিন জুওয়াইরিয়াহ আল-আবরাতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-আওযায়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আত-তাইমি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু সালামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু হুরায়রা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "যে ব্যক্তি তার সম্পদ হতে এক জোড়া (একই জাতীয় দুটি বস্তু) ব্যয় করবে, জান্নাতের প্রতিটি দরজার রক্ষীরা তাকে এই বলে ডাকবে—হে অমুক! এদিকে এসো, অগ্রসর হও, প্রবেশ করো।" তখন আবু বকর সিদ্দিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, "এ তো সেই ব্যক্তি যার কোনো লোকসান বা বিনাশ নেই।"
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২২)
4 - حدثنا علي بن إشكاب (1) قال: حدثنا أبو بدر قال: حدثنا الرحيل بن معاوية قال: حدثنا أبو إسحاق عن نافع عن ابن عمر قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على هذا المنبر من أتى الجمعة فليغتسل.

--------------------------------------------

(1) في المطبوع: بن أبي إشكاب.
৪ - আমাদের নিকট আলী বিন ইশক্বাব (১) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বদর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আর-রুহাইল বিন মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইসহাক নাফে’ হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি, "যে ব্যক্তি জুমার সালাতে আসবে, সে যেন গোসল করে।"

--------------------------------------------

(১) মুদ্রিত কপিতে রয়েছে: বিন আবি ইশক্বাব।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৩)
5 - حدثنا علي بن إشكاب قال: حدثنا أبو بدر بن بلال [الوليد] قال: حدثنا الرحيل قال: حدثنا أبو إسحاق عن يحيى بن وثاب عن عبد الله بن عمر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم مثله.
5 - আমাদের নিকট আলী ইবনে ইশকাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বদর ইবনে বিলাল [আল-ওয়ালিদ] বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আর-রাহীল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইসহাক বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ওয়াসসাব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৩)
6 - حدثنا يوسف قال: حدثنا جرير عن عبد العزيز بن رفيع عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تسبوا الدهر فإن الله هو الدهر.
৬ - ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আযীয ইবন রফী‘ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আবী কাতাদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তোমরা কালকে গালি দিও না, কেননা আল্লাহই হলেন কাল।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৩)
7 - حدثنا أحمد بن المقدام قال: حدثنا أبو عامر العقدي عن الزبير بن عبد الله مولى عثمان بن عفان قال حدثني ربيح بن أبي سعيد الخُدْري عن أبيه قال قلنا يوم الخندق يا رسول الله بلغت القلوب الحناجر هل من شيء نقوله؟ قال نعم قال قولوا اللهم استر عوراتنا وآمن روعاتنا قال فضرب وجوه أعدائه بالريح فهزمهم الله عز وجل.
৭ - আহমদ ইবনুল মিকদাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমির আল-আকাদি আমাদের নিকট উসমান ইবনে আফফানের আযাদকৃত দাস জুবায়ের ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রুবাইহ ইবনে আবি সাঈদ আল-খুদরি আমার নিকট তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খন্দকের যুদ্ধের দিন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! প্রাণ ওষ্ঠাগত (হৃদয় কণ্ঠাগত) হয়েছে, আমাদের কি কিছু বলার আছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তোমরা বলো: হে আল্লাহ! আমাদের দুর্বলতা ও গোপন বিষয়গুলো ঢেকে দিন এবং আমাদের ভীতিসমূহ থেকে আমাদের নিরাপত্তা দান করুন। তিনি বলেন: এরপর তিনি বাতাসের মাধ্যমে তাঁর শত্রুদের মুখমণ্ডলে আঘাত করলেন এবং আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাদের পরাজিত করলেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৩)
8 - حدثنا محمد بن خلف قال: حدثنا أبو يحيى المهراني الحماني عن النضر أبي عمر الخزاز عن عكرمة ⦗ص: 224⦘ عن ابن عباس أن رجلا صلى خلف الصفوف وحده فأمره النبي صلى الله عليه وسلم أن يعيد الصلاة.
৮ - মুহাম্মাদ বিন খালাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইয়াহইয়া আল-মাহরানি আল-হিমমানি আমাদের নিকট আন-নাদর আবু উমর আল-খাযযায থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ২২৪⦘ তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি কাতারের পেছনে একাকী সালাত আদায় করেছিলেন, ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সালাত পুনরায় আদায় করার নির্দেশ দিলেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৪)
9 - حدثنا محمود بن خداش قال: حدثنا محمد بن عبيد قال: حدثنا إسماعيل بن أبي خالد عن قيس قال سمعت سعدا يقول والله إني لأول رجل من العرب رمى بسهم في سبيل الله والله لقد كنا نغزو مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لنا طعام نأكله إلا ورق الحبلة وهذا السمر حتى إن أحدنا ليضع كما تضع الشاة ما له خلط ثم أصبحت بنو أسد يعذروني على الدين لقد خبت إذا وضل عملي.
৯ - মাহমুদ বিন খাদাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল বিন আবি খালিদ কায়স থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সা'দকে বলতে শুনেছি: আল্লাহর শপথ, নিশ্চয়ই আমি আরবদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি যে আল্লাহর পথে তীর নিক্ষেপ করেছে। আল্লাহর শপথ, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে এমন অবস্থায় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতাম যে, ‘হাবলাহ’ ও ‘সামুর’ নামক গাছের পাতা ব্যতীত আমাদের খাওয়ার মতো কোনো খাদ্য ছিল না। এমনকি আমাদের কেউ যখন মলত্যাগ করত তখন তা ছাগলের বিষ্ঠার ন্যায় শুকনো ও বিচ্ছিন্ন হতো, যা মিশে থাকত না। অথচ এখন বনু আসাদ গোত্রের লোকেরা আমাকে দ্বীনের বিষয়ে সংশোধনী দিতে চায়; তবে তো আমি ব্যর্থ হলাম এবং আমার আমলসমূহ বিফলে গেল।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৪)
10 - حدثنا زيد بن أخرم بن معاذ يعني ابن هشام قال: حدثني أبي عن عامر عن عكرمة بن خالد عن ابن عباس قال أقامني رسول الله صلى الله عليه وسلم عن يمينه.
১০ - জায়দ ইবন আখরাম ইবন মুআয অর্থাৎ ইবন হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমির থেকে, তিনি ইকরিমাহ ইবন খালিদ থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করালেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৪)
11 - حدثنا حجاج بن يوسف قال: حدثنا مسلم بن إبراهيم قال: حدثنا ⦗ص: 225⦘ فرقد بن الحجاج قال: حدثنا عقبة يعني ابن أبي حسناء اليمامي عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ولغ الكلب في الإناء فاغسلوه سبع مرات.
১১ - হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসলিম ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ২২৫⦘ ফারকাদ ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উকবাহ অর্থাৎ ইবনে আবি হাসনা আল-ইয়ামামি আমাদের নিকট আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যখন কুকুর কোনো পাত্রে মুখ দেয়, তখন তোমরা তা সাতবার ধৌত করো।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৫)
12 - حدثنا الفضل بن سهل الأعرج قال: حدثنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا أبي عن صالح بن كيسان قال: حدثنا نافع أن عبد الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يدخل أهل الجنة الجنة وأهل النار النار ثم يقوم مؤذن بينهم يقول يا أهل الجنة لا موت ويا أهل النار لا موت خلود فيما هم فيه.
১২ - আমাদের নিকট ফযল ইবন সাহল আল-আরাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াকুব ইবন ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা সালেহ ইবন কায়সান থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নাফে‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: জান্নাতবাসীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামবাসীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, এরপর তাদের মাঝে এক ঘোষণাকারী দাঁড়িয়ে বলবেন: হে জান্নাতবাসীরা, আর কোনো মৃত্যু নেই এবং হে জাহান্নামবাসীরা, আর কোনো মৃত্যু নেই; তারা যে অবস্থায় আছে তাতেই হবে তাদের চিরস্থায়ী অবস্থান।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৫)
13 - حدثنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا ابن علية عن أيوب عن القاسم التميمي عن زهدم الجرمي قال كنا عند أبي موسى فقدم طعامه وقدم لي طعامه لحم دجاج وفي القوم رجل من بني تيم الله أحمر كأنه مولى فلم يدن فقال له أبو موسى ادن فإني قد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل منه قال إني رأيته يأكل شيئا قذرا فقذرته فحلفت أني لا أطعمه أبدا قال ادن أخبرني عن ذلك قال إني أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط من الأشعريين نستحمله وهو يقسم نعما من نعم الصدقة قال أحسبه قال وهو غضبان فقال لا والله لا أحملكم وما عندي ما أحملكم عليه فانطلقنا فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب إبل فقيل أين هؤلاء الأشعريون؟ فأتينا فأمر لنا بخمس ذود غر ⦗ص: 226⦘ الذُّرى قال فاندفعنا فقلت لأصحابي أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم نستحمله فحلف ألا يحملنا ثم أرسل إلينا فحملنا نسي رسول الله صلى الله عليه وسلم والله ليس تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه لا نفلح أبدا ارجعوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلنذكره يمينه فرجعنا إليه فقلنا يا رسول الله أتيناك نستحملك فحلفت ألا تحملنا ثم حملتنا فعرفنا أو ظننا أنك نسيت يمينك قال انطلقوا فإنما حملكم الله إني والله إن شاء الله لا أحلف على يمين ثم أرى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها.
১৩ - ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে উলাইয়াহ আমাদের নিকট আইয়ুব থেকে, তিনি আল-কাসিম আত-তামিমি থেকে এবং তিনি জাহদাম আল-জারমি থেকে বর্ণনা করেছেন। জাহদাম আল-জারমি বলেন: আমরা আবু মুসার নিকটে ছিলাম, তখন তাঁর খাবার পরিবেশন করা হলো এবং তিনি আমার কাছে মুরগির মাংস পেশ করলেন। সমবেত লোকদের মধ্যে বনু তায়মুল্লাহ গোত্রের একজন লালচে বর্ণের লোক ছিল, যাকে দেখে কোনো আযাদকৃত দাসের মতো মনে হচ্ছিল। সে খাবারের কাছে এগিয়ে আসছিল না। তখন আবু মুসা তাকে বললেন: "কাছে আসো, কারণ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তা খেতে দেখেছি।" সে বলল: "আমি একে নোংরা কিছু খেতে দেখেছি, ফলে তা আমার কাছে ঘৃণিত মনে হয়েছে এবং আমি কসম খেয়েছি যে আমি এটি কখনোই খাব না।" আবু মুসা বললেন: "কাছে আসো, আমি তোমাকে এ বিষয়ে বলছি। আমি একদল আশআরী লোকের সাথে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসেছিলাম সওয়ারি চাওয়ার জন্য। তখন তিনি সদকার উটগুলো বণ্টন করছিলেন।" বর্ণনাকারী বলেন: আমার ধারণা তিনি বলেছেন যে তখন তিনি রাগান্বিত ছিলেন। তিনি বললেন: "আল্লাহর কসম, আমি তোমাদের সওয়ারি দেব না এবং আমার কাছে তোমাদের দেওয়ার মতো কোনো সওয়ারি নেই।" এরপর আমরা ফিরে গেলাম। পরে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গনীমতের কিছু উট আনা হলো। তখন বলা হলো: "সেই আশআরীরা কোথায়?" এরপর আমাদের ডেকে আনা হলো এবং তিনি আমাদের জন্য উজ্জ্বল সাদা কুঁজবিশিষ্ট পাঁচটি উট প্রদানের নির্দেশ দিলেন। ⦗পৃষ্ঠা: ২২৬⦘ বর্ণনাকারী বলেন: এরপর আমরা সেগুলো নিয়ে রওনা হলাম। আমি আমার সাথীদের বললাম: "আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সওয়ারি চাইতে এসেছিলাম, তিনি আমাদের সওয়ারি দেবেন না বলে কসম খেয়েছিলেন। এরপর তিনি আমাদের নিকট লোক পাঠালেন এবং আমাদের সওয়ারি দান করলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তাঁর কসম ভুলে গেছেন? আল্লাহর কসম, যদি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কসম সম্পর্কে অসতর্ক হয়ে থাকেন (আর আমরা তা গ্রহণ করি), তবে আমরা কখনোই সফল হতে পারব না। চলো, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে ফিরে যাই এবং তাঁকে তাঁর কসমের কথা মনে করিয়ে দিই।" সুতরাং আমরা তাঁর কাছে ফিরে গিয়ে বললাম: "হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার কাছে সওয়ারি চাইতে এসেছিলাম, আপনি কসম খেয়েছিলেন যে আমাদের সওয়ারি দেবেন না। এরপর আপনি আমাদের সওয়ারি দিলেন। তখন আমরা বুঝতে পারলাম বা আমাদের ধারণা হলো যে আপনি আপনার কসমের কথা ভুলে গেছেন।" তিনি বললেন: "তোমরা এগুলো নিয়ে চলে যাও, কারণ আল্লাহই তোমাদের সওয়ারি দান করেছেন। আল্লাহর কসম, ইনশাআল্লাহ, আমি যখনই কোনো বিষয়ে কসম খাই এবং পরে তার চেয়ে উত্তম কোনো কিছু দেখি, তখন আমি সেই উত্তম কাজটিই করি এবং আমার কসম ভঙ্গ করার কাফফারা দিয়ে দিই।"
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৬)
14 - حدثنا علي بن حرب الطائي قال: حدثنا المحاربي عن محمد بن عمرو عن سالم عن أبيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تباع الثمرة حتى يبدو صلاحها.
১৪ - আমাদের নিকট আলী ইবনে হারব আত-তাঈ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-মুহারিবি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আমর থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ফল পরিপক্ক না হওয়া পর্যন্ত তা বিক্রয় করা যাবে না।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৬)
15 - حدثنا يوسف بن موسى قال: حدثنا إسحاق بن سليمان قال: سمعت شيبان بن أبي شيبان أبا معاوية عن يحيى بن أبي كثير عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقرأ في الركعتين من الظهر في كل ركعة بفاتحة الكتاب وسورة كان يطول في الركعة الأولى ويقصر في الثانية ويسمعنا الآية أحيانا وكان يقرأ في الركعتين من العصر في ⦗ص: 227⦘ كل ركعة بفاتحة الكتاب وسورة وكان يطول في الركعة الأولى من صلاة الفجر ويقصر في الثانية.
১৫ - ইউসুফ ইবনে মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে সুলায়মান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি শায়বান ইবনে আবি শায়বান আবু মুয়াবিয়াকে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি জোহরের প্রথম দুই রাকাতের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা এবং একটি সূরা পাঠ করতেন। তিনি প্রথম রাকাতটি দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতটি সংক্ষিপ্ত করতেন এবং মাঝে মাঝে আমাদের আয়াত শোনাতেন। আর তিনি আসরের প্রথম দুই রাকাতের ⦗পৃষ্ঠা: ২২৭⦘ প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা ও একটি সূরা পাঠ করতেন। আর তিনি ফজরের নামাজের প্রথম রাকাতে দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সংক্ষিপ্ত করতেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৭)
16 - حدثنا الهيثم بن خالد الأموي قال: حدثنا موسى بن محمد بن عطاء القرشي من أهل البلقاء عن الوليد بن محمد عن الزهري عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم رأس العقل بعد الإيمان بالله عز وجل التودد إلى الناس.
১৬ - আল-হাইসাম ইবন খালিদ আল-উমায়্যি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বালকা অঞ্চলের অধিবাসী মূসা ইবন মুহাম্মাদ ইবন আতা আল-কুরাশী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ ইবন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আজ-জুহরি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মহান আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার পর মানুষের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করাই হলো বুদ্ধিমত্তার মূল।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৭)
17 - حدثنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا يحيى بن سعيد عن الأجلح قال: حدثني ابن بريدة عن أبي الأسود عن أبي ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن أحسن ما غيرتم به الشيب الحناء والكتم.
১৭ - আমাদের নিকট ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আহলাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট ইবনে বুরাইদাহ আবু আল-আসওয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু যার থেকে এবং তিনি নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই তোমরা যা দিয়ে বার্ধক্যের শুভ্রতা পরিবর্তন করো, তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম হলো মেহেদি ও কাতাম।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৮)
18 - حدثنا علي بن إشكاب قال: حدثنا أبو بدر قال: حدثنا زياد بن خيثمة عن محمد بن جحادة عن الحسن عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قرأ يس في ليلة ابتغاء وجه الله غفر له.
18 - আলী ইবনে ইশকাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বদর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যিয়াদ ইবনে খাইসামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুহাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর চেহারা (সন্তুষ্টি) লাভের উদ্দেশ্যে কোনো এক রাতে সূরা ইয়াসীন পাঠ করবে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৮)
19 - حدثنا محمد بن عمرو بن أبي مذعور قال: حدثنا عبد الوهاب بن عبد المجيد قال: حدثنا عنبسة عن الحسن عن جابر أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان محاصرا بني محارب بنخل فقال رجل أنا أفتك لكم بمحمد فأتى النبي صلى الله عليه وسلم وهو جالس واضع سيفه على فخذه فقال انظر إلى سيفك هذا قال انظر إليه إن شئت فأخذه فجعل يهم ويكبته الله ويهم ويكبته الله فقال أما تخافني؟ قال ما أخافك قال من يمنعك مني؟ قال يمنعني منك الله عز وجل فشام سيفه ثم نودي في الناس إن الصلاة جامعة فجعلهم رسول الله صلى الله عليه وسلم طائفتين طائفة مقبلة على العدو يتحدثون وصلى طائفة ركعتين ثم سلم فانصرفوا فكانوا مكان إخوانهم وجاءت الطائفة الأخرى فصلى بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين فكان للنبي صلى الله عليه وسلم أربع ركعات ولكل طائفة ركعتان قال ثم إن أبا موسى صلى بهم في بعض مغازيهم فجعلهم طائفتين صلى بكل طائفة ركعة ثم صلت كل طائفة ركعة فكان لأبي موسى ركعتان في الجميع ولكل طائفة ركعة.

قال الحسن والله أعلم أيهما كان أحفظ للحديث.
১৯ - আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন আমর বিন আবি মাজুর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আব্দুল ওয়াহাব বিন আব্দুল মজিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আনবাসাহ হাসানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাখল নামক স্থানে বনু মুহারিব গোত্রকে অবরোধ করে রেখেছিলেন। তখন এক ব্যক্তি বলল, আমি তোমাদের পক্ষ থেকে মুহাম্মদকে অতর্কিতে হত্যা করব। এরপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলো যখন তিনি বসা ছিলেন এবং তাঁর তলোয়ারটি নিজের উরুর ওপর রাখা ছিল। সে বলল, আপনার এই তলোয়ারটি আমাকে দেখতে দিন। তিনি বললেন: চাইলে দেখতে পারো। সে সেটি হাতে নিল এবং আঘাত করার সংকল্প করল, কিন্তু আল্লাহ তাকে অবদমিত করে দিলেন। সে পুনরায় সংকল্প করল এবং আবারও আল্লাহ তাকে অবদমিত করলেন। এরপর তিনি (নবী) বললেন: তুমি কি আমাকে ভয় পাও? সে বলল, আমি আপনাকে ভয় পাই না। তিনি বললেন: কে তোমাকে আমার হাত থেকে রক্ষা করবে? সে বলল, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ আমাকে আপনার থেকে রক্ষা করবেন। এরপর সে তলোয়ারটি খাপে ঢুকিয়ে রাখল। অতঃপর মানুষের মধ্যে ঘোষণা দেওয়া হলো যে, সালাত সমবেতভাবে অনুষ্ঠিত হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দুই দলে বিভক্ত করলেন। এক দল শত্রুর মুখোমুখি হয়ে পাহারায় নিয়োজিত ছিল, আর অন্য এক দল দুই রাকাত সালাত আদায় করল। এরপর তারা সালাম ফিরিয়ে চলে গেল এবং তাদের অন্য ভাইদের জায়গায় অবস্থান নিল। তখন অপর দলটি আসলো এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মোট চার রাকাত হলো এবং প্রত্যেক দলের জন্য দুই রাকাত করে হলো। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আবু মুসা তাদের কোনো এক যুদ্ধে সালাত আদায় করিয়েছেন, সেখানে তিনি তাদের দুই দলে বিভক্ত করেছিলেন। তিনি প্রত্যেক দলের সাথে এক রাকাত করে সালাত আদায় করলেন। ফলে আবু মুসার জন্য মোট দুই রাকাত হলো এবং প্রত্যেক দলের জন্য এক রাকাত করে হলো।

হাসান বলেন, আল্লাহই ভালো জানেন তাদের মধ্যে কে হাদিসটি অধিক নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৯)
20 - حدثنا زياد بن أيوب قال: أخبرنا ابن علية قال: حدثنا أيوب عن يعلى بن حكيم عن سليمان بن يسار عن رافع بن خديج قال كنا نحاقل بالأرض على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ونكريها بالثلث والربع والطعام المسمى فجاء ذات يوم رجل من عمومتي فقال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أمر كان لنا رافقا وطواعية رسول الله صلى الله عليه وسلم أنفع لنا نهانا أن نحاقل بالأرض ونكريها بالثلث وبالربع والطعام المسمى وأمر رب الأرض أن يزرعها أو يزرعها وكره كراءها وما سوى ذلك.
২০ - যিয়াদ ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা ইবনে হাকিম থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি রাফি ইবনে খাদীজ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে ভূমিতে মুহাসালা (ফসলের বিনিময়ে চাষাবাদ) করতাম এবং তা এক-তৃতীয়াংশ, এক-চতুর্থাংশ অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যের বিনিময়ে ইজারা দিতাম। একদিন আমার পিতৃব্যদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি এসে বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এমন একটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন যা আমাদের জন্য সহজ ও সুবিধাজনক ছিল। কিন্তু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আনুগত্যই আমাদের জন্য অধিক কল্যাণকর। তিনি আমাদের ভূমিতে মুহাসালা করতে এবং এক-তৃতীয়াংশ, এক-চতুর্থাংশ ও নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যের বিনিময়ে ইজারা দিতে নিষেধ করেছেন। আর তিনি ভূমির মালিককে নির্দেশ দিয়েছেন যেন সে নিজে তা চাষ করে অথবা অন্য কাউকে দিয়ে চাষ করিয়ে নেয়, এবং তিনি এর ইজারা বা ভাড়া প্রদান করা ও এ জাতীয় অন্যান্য বিষয়কে অপছন্দ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৯)
21 - حدثنا عبد الله بن شبيب قال: حدثني إسماعيل قال: حدثني أبي عن زيد بن أسلم عن أبيه أن عمر بن الخطاب رضوان الله عليه قال في العام الذي مات فيه والله ما وفينا للأنصار لما عهدناهم عليه لئن بقيت إلى رأس الحول لا يبقى لي عامل إلا أنصاري قال وكان أهل اليمن أول من أسلم من العرب بعد الأنصار ثم عبد القيس أهل البحرين.
২১ - আব্দুল্লাহ বিন শাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) যে বছর মৃত্যুবরণ করেন সেই বছর তিনি বলেছিলেন: আল্লাহর কসম! আনসারদের সাথে আমরা যে অঙ্গীকার করেছিলাম তা পূর্ণ করতে পারিনি; যদি আমি আগামী বছরের শুরু পর্যন্ত বেঁচে থাকি, তবে আমার কোনো কর্মকর্তাই আনসারী ব্যতীত অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি বলেন, আনসারদের পর আরবদের মধ্যে ইয়ামেনবাসীরাই সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেছিল, অতঃপর বাহরাইনের আব্দুল কায়স গোত্র।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২২৯)
22 - حدثنا عبد الله بن شبيب قال: حدثني إسماعيل قال: حدثني ابن أبي فديك عن خالد بن عبد الله الأنصاريّ ⦗ص: 230⦘ عن ابن أبي تجراة عن أمه قالت أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حين وضع الحجر بيده في الثوب قيل لها لمن الثوب الذي وضع فيه الحجر قالت للوليد بن المغيرة.
২২ - আবদুল্লাহ বিন শাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি ফুদাইক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারী হতে ⦗পৃষ্ঠা: ২৩০⦘ তিনি ইবনে আবি তাজরাহ হতে, তিনি তাঁর মা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে তাকাচ্ছিলাম যখন তিনি নিজ হাতে পাথরটি কাপড়ের মধ্যে রাখছিলেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, যে কাপড়ে পাথরটি রাখা হয়েছিল সেটি কার ছিল? তিনি বললেন: ওয়ালিদ বিন মুগিরার।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২৩০)
23 - حدثنا أبو هاشم الرفاعي قال: حدثنا ابن فضيل قال: حدثنا يونس بن عمرو عن مجاهد في قوله عز وجل {لرادك إلى معاد} قال إلى مولدك بمكة.
২৩ - আবু হাশিম আর-রিফায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে ফুদাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস ইবনে আমর মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর এই বাণী— {অবশ্যই তিনি আপনাকে আপনার প্রত্যাবর্তনস্থলে ফিরিয়ে আনবেন} সম্পর্কে, তিনি বলেন: (এর অর্থ হলো) মক্কায় আপনার জন্মস্থানে।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২৩০)
24 - حدثنا عبد الله بن أبي سعيد قال: حدثنا محمد بن أبي يحيى النيسابوري قال: حدثني محمد بن إسماعيل الجعفري حدثنا عبد الله بن سلمة الربعي عن محمد بن مسلم الزهري عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة.

عن ابن عباس قال بعث إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فروة بن عامر الجذامي بإسلامه وأهدى له بغلة بيضاء وكان فروة غلاما لقيصر ملك الروم على من يليه من العرب وكان منزله عمان وما حولها فلما بلغ الروم ذلك من أمره حبسوه فقال في محبسه.

طرقت سليمى موهنا أصحابي … والروم بين الباب والقروان

صد الخيال وساءه ما قد رأى … فهممت أن أغفي وقد أبكاني

⦗ص: 231⦘

لا تكتحلن العين بعدي إثمدا … سلمى ولا يدلكن للإيمان

ولقد علمت أبا كبيشة أنني … وسط الأعزة لا يحس لساني

فلئن هلكت لتفقدن أخاكم … ولئن أصبت ليعرفن مكاني

ولقد عرفت بكل ما جمع الفتى … من راية وبنجدة وبيان

فلما أجمعوا على صلبه صلبوه على ماء يقال [له] عفرى من فلسطين فلما رفع على خشبته قال:.

ألا هل أتى سلمى بأن حليلها … على ماء عفرى فوق إحدى الرواحل.

على ناقة لم يطرق الفحل أمها … مشذبة أطرافها بالمناجل.

بلغ سراة المسلمين بأنني … سلم لربي أعظمي ومقامي.
২৪ - আবদুল্লাহ ইবনে আবি সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আবি ইয়াহইয়া আল-নিশাপুরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-জাফারি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সালামা আল-রুবায়ি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম আল-জুহরি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবা থেকে।

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ফারওয়া ইবনে আমির আল-জুজামি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তার ইসলাম গ্রহণের সংবাদ পাঠিয়েছিলেন এবং তাঁকে একটি সাদা খচ্চর উপহার দিয়েছিলেন। ফারওয়া রোম সম্রাট কায়সারের পক্ষ থেকে তাঁর নিকটবর্তী আরব অঞ্চলের গভর্নর ছিলেন। তাঁর আবাসন ছিল আম্মান ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায়। যখন রোমানরা তাঁর এই সংবাদ (ইসলাম গ্রহণ) জানতে পারল, তখন তারা তাঁকে বন্দি করল। এমতাবস্থায় তিনি তাঁর কারাগারে বসে বললেন:

সুলাইমা রাতের গভীরে আমার সাথীদের কাছে এসেছে … আর রোমানরা তখন দরজা ও কারওয়ানের মাঝে রয়েছে

কল্পনাটি বিফল হলো এবং সে যা দেখল তাতে ব্যথিত হলো … আমি ঘুমানোর চেষ্টা করলাম অথচ তা আমাকে কাঁদিয়ে ফেলল

⦗পৃষ্ঠা: ২৩১⦘

হে সালমা! আমার পরে তুমি চোখে আর ইসমুদ সুরমা দিও না … এবং হাত আর অলঙ্কৃত করো না

হে আবু কুবাইশা! তুমি অবশ্যই জেনেছ যে আমি … সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের মাঝে ছিলাম যেখানে আমার কথা কেউ উপেক্ষা করতে পারত না

যদি আমি মৃত্যুবরণ করি তবে তোমরা তোমাদের ভাইকে হারাবে … আর যদি আমি বেঁচে যাই তবে তোমরা আমার অবস্থান জানতে পারবে

একজন যুবক যা কিছু মহৎ গুণ অর্জন করতে পারে আমি তার সবকিছুতেই সুপরিচিত ছিলাম … তা সে নেতৃত্ব হোক, কিংবা বীরত্ব বা বাগ্মিতা

অতঃপর তারা যখন তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করার ব্যাপারে একমত হলো, তখন তারা ফিলিস্তিনের 'আফরা' নামক জলাশয়ের পাড়ে তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করল। তাঁকে যখন কাঠের শূলে তোলা হলো, তখন তিনি বললেন:

হায়! সালমার কাছে কি খবর পৌঁছেছে যে, তার স্বামী … আফরার জলাশয়ের পাড়ে এক সওয়ারির (শূলের) উপর ঝুলে আছে?

এমন এক উটনীর উপর যার মায়ের সাথে কোনো পুরুষ উটের মিলন ঘটেনি … যার ডালপালা কাস্তে দিয়ে ছেঁটে ফেলা হয়েছে (অর্থাৎ গাছের শুকনো কাণ্ড)

মুসলিম নেতৃবৃন্দকে পৌঁছে দিও যে আমি … আমার হাড় এবং আমার অবস্থান সবকিছুই আমার রবের প্রতি সমর্পণ করেছি।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২৩১)
25 - حدثنا أبو هاشم الرفاعي قال: حدثنا ابن فضيل قال: حدثنا يزيد عن عبد الرحمن بن سابط عن عياش بن أبي ربيعة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تزال هذه الأمة بخير ما عظموا هذه الحرمة حق تعظيمها فإذا ضيعوا هلكوا.
২৫ - আবু হাশিম আর-রিফাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন ফুদাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবন সাবিত থেকে, তিনি আইয়াশ ইবন আবি রাবিআ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: এই উম্মত ততক্ষণ পর্যন্ত কল্যাণের ওপর থাকবে যতক্ষণ তারা এই পবিত্রতাকে (কাবাকে) যথাযথ মর্যাদার সাথে সম্মান করবে। অতঃপর যখন তারা একে অবহেলা করবে, তখন তারা ধ্বংস হয়ে যাবে।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২৩২)
26 - حدثنا علي بن حرب قال: حدثنا القاسم يعني ابن يزيد عن أبي شهاب عن حميد عن أنس قال جاء ابن سلام إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إني سائلك عن خصال لا يعلمها إلا نبي ما أول طعام أهل الجنة؟ ولم أشبه الولد أباه أو أمه؟ وما أول أشراط الساعة؟ قال أخبرني بهن جبريل آنفا فأما أول أشراط الساعة فنار تخرج من المشرق تحشرهم إلى المغرب وأما أول طعام أهل الجنة فزيادة كبد الحوت وأما شبه الولد فإن سبق ماء الرجل أشبه أباه وإن سبق ماء المرأة أشبه أمه.
২৬ - আলী বিন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাসিম অর্থাৎ ইবনে ইয়াজিদ আমাদের নিকট আবু শিহাব থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে সালাম নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন: আমি আপনাকে এমন কিছু বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে চাই যা নবী ছাড়া অন্য কেউ জানে না; জান্নাতবাসীদের প্রথম খাবার কী? কেন সন্তান তার পিতা বা মাতার সদৃশ হয়? এবং কিয়ামতের প্রথম আলামত কী? তিনি (নবী) বললেন: জিবরাঈল এইমাত্র আমাকে এ সম্পর্কে অবহিত করেছেন। কিয়ামতের প্রথম আলামত হলো এমন এক আগুন যা পূর্ব দিক থেকে নির্গত হয়ে মানুষকে পশ্চিম দিকে তাড়িয়ে নিয়ে একত্রিত করবে। জান্নাতবাসীদের প্রথম খাবার হবে মাছের কলিজার বর্ধিত অংশ। আর সন্তানের সদৃশ হওয়ার বিষয়টি হলো, যদি পুরুষের বীর্য আগে আসে তবে সন্তান পিতার সদৃশ হয়, আর যদি নারীর বীর্য আগে আসে তবে সন্তান মাতার সদৃশ হয়।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২৩২)
27 - حدثنا أحمد بن المقدام العجلي قال: أخبرنا عبد الوهاب يعني الثقفي قال: حدثنا داود عن أبي نضرة عن أبي سعيد قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم صاحب نخله بصاع من تمر فقال من أين لك هذا؟ قال أعطيت صاعين أخذت صاعا من هذا قال له النبي صلى الله عليه وسلم إنك قد أربيت ولكن بع من تمرك بسلعة ثم اشتر بها.
২৭ - আহমদ ইবনুল মিকদাম আল-ইজলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল ওয়াহহাব—অর্থাৎ আস-সাকাফী—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: দাউদ আমাদের নিকট আবু নাদরাজ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক খেজুর বাগানের মালিক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এক 'সা' খেজুর নিয়ে আসলেন। তিনি (নবী) জিজ্ঞেস করলেন: তুমি এটি কোথা থেকে পেয়েছ? তিনি বললেন: আমি দুই 'সা' প্রদান করে এর এক 'সা' গ্রহণ করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: নিশ্চয়ই তুমি সুদী কারবার করেছ; বরং তুমি তোমার খেজুর কোনো পণ্যের বিনিময়ে বিক্রি করো, এরপর তা দিয়ে ক্রয় করো।
(খণ্ড: ১) আমালিল মুহামিলী রিওয়ায়াতু ইবনিস সালত (পৃষ্ঠা: ২৩২)
28 - حدثنا زيد بن أخزم قال: حدثنا معاذ بن هشام قال: حدثني أبي عن قتادة قال حدثنا أنس بن مالك قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يطوف على نسائه في الساعة من ⦗ص: 233⦘ الليل والنهار وهن إحدى عشرة قال قلت لأنس هل كان يطيق ذلك قال كنا نتحدث أنه أعطي قوة ثلاثين.
২৮ - জায়দ ইবনে আখযাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুয়াজ ইবনে হিশাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা কাতাদাহ থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি (কাতাদাহ) বলেছেন: আনাস ইবনে মালিক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন যে, নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) দিন ও রাতের এক সময়ে তাঁর সকল স্ত্রীর নিকট গমন করতেন, ⦗পৃষ্ঠা: ২৩৩⦘ আর তাঁরা ছিলেন এগারোজন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আনাসকে বললাম, তিনি কি তাতে সক্ষম হতেন? তিনি বললেন, আমরা বলাবলি করতাম যে, তাঁকে ত্রিশ জনের শক্তি দান করা হয়েছে।