(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
تحقيق الإيمان لابن تيمية (ابن تيمية)
القسم: العقيدة
الكتاب: الإيمان
المؤلف: تقي الدين أبو العباس أحمد بن عبد الحليم بن تيمية (ت 728هـ)
الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت
الطبعة: الرابعة - 1413 هـ- 1993 م
تحقيق: خرج أحاديثه محمد ناصر الدين الألباني
عدد الصفحات: 167
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে তাইমিয়্যাহর ঈমান গ্রন্থের তাহকীক (ইবনে তাইমিয়্যাহ)
বিভাগ: আকিদা
গ্রন্থ: আল-ঈমান
লেখক: তাকিউদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালীম বিন তাইমিয়্যাহ (মৃত্যু ৭২৮ হিজরী)
প্রকাশক: আল-মাকতাবুল ইসলামী - বৈরুত
সংস্করণ: চতুর্থ - ১৪১৩ হিজরী - ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দ
তাহকীক: হাদীসসমূহ যাচাই ও সূত্রায়ন করেছেন মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬৭
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ করা হয়েছে]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١)
الإيمان لابن تيميةلشيخ الإسلام ابن تيميةخرج أحاديثهمحمد ناصر الدين الألبانيالمكتب الإسلاميالطبعة الرابعة
ইবন তাইমিয়্যাহ-এর আল-ইমানশাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ-এর রচিতহাদীসসমূহের তাখরীজ করেছেনমুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানীআল-মাকতাব আল-ইসলামীচতুর্থ সংস্করণ
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢)
1413 - هـ - 1993 م
১৪১৩ - হিজরি - ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٣)
صحيح(الإيمان أن تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله واليوم الآخر وتؤمن بالقدر خيره وشره)
সহিহ(ইমান হলো এই যে, আপনি আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসুলগণ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবেন এবং ভাগ্যের ভালো ও মন্দের প্রতি বিশ্বাস রাখবেন।)
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٤)
(صحيح)بني الإسلام على خمس: شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وحج البيت وصوم رمضان
(সহীহ)ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি স্তম্ভের ওপর রাখা হয়েছে: এই সাক্ষ্য প্রদান করা যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল; সালাত কায়েম করা; যাকাত প্রদান করা; বাইতুল্লাহর হাজ্জ সম্পাদন করা এবং রমজানের সিয়াম পালন করা।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٥)
(صحيح بشواهده)عن أبي قلابة عن رجل من أهل الشام عن أبيه عن النبيصلى الله عليه وسلم قال له: أسلم تسلم قال: وما الإسلام؟ قال: أن تسلم قلبك الله وأن يسلم المسلمون من لسانك ويدك) قال: فأي الإسلام أفضل؟ قال: (الإيمان) قال: وما الإيمان؟ قال: (أن تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله وبالبعث بعد الموت) قال: فأي الإيمان أفضل قال: (الهجرة) قال: وما الهجرة؟ قال: (أن تهجر السوء) قال: فأي الهجرة أفضل؟ قال: (الجهاد) قال: وما الجهاد؟ قال: (أن تجاهد أو تقاتل الكفار إذا لقيتهم ولا تغلل ولا تجبن) ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (عملان هما أفضل الأعمال إلا من عمل بمثلهما قالها ثلاثا: حجة مبرورة أو عمرة)
(সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সহীহ)আবু কিলাবাহ হতে সিরিয়ার জনৈক ব্যক্তি হতে, তিনি তার পিতা হতে এবং তিনি নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাকে বলেছিলেন: ইসলাম গ্রহণ করো, শান্তিতে থাকবে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: ইসলাম কী? তিনি বললেন: তা হলো তোমার অন্তরকে আল্লাহর প্রতি সমর্পণ করা এবং তোমার জবান ও হাত থেকে মুসলমানদের নিরাপদ থাকা) তিনি বললেন: কোন ইসলাম সর্বোত্তম? তিনি বললেন: (ঈমান) তিনি বললেন: আর ঈমান কী? তিনি বললেন: (তুমি আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ এবং মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতি ঈমান আনবে) তিনি বললেন: কোন ঈমান সর্বোত্তম? তিনি বললেন: (হিজরত) তিনি বললেন: আর হিজরত কী? তিনি বললেন: (মন্দকে বর্জন করা) তিনি বললেন: কোন হিজরত সর্বোত্তম? তিনি বললেন: (জিহাদ) তিনি বললেন: আর জিহাদ কী? তিনি বললেন: (যখন তুমি কাফিরদের মুখোমুখি হবে তখন তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ বা লড়াই করবে এবং তুমি খেয়ানত করবে না ও কাপুরুষতা দেখাবে না) অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: (দুটি আমল হলো সর্বোত্তম আমল, কেবল সেই ব্যক্তি ব্যতীত যে এগুলোর অনুরূপ আমল করে—একথা তিনি তিনবার বললেন: মকবুল হজ অথবা ওমরাহ)
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٦)
(صحيح)المسلم من سلم المسلمون من لسانه ويده والمؤمن من أمنه الناس على دمائهم وأموالهم والمهاجر من هجر السيئات والمجاهد من جاهد نفسه لله
(সহিহ)প্রকৃত মুসলিম সেই ব্যক্তি, যাঁর জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে; এবং মুমিন সেই ব্যক্তি, যাঁর নিকট মানুষ তাদের জান ও মালের বিষয়ে নিরাপদ বোধ করে; আর মুহাজির সেই ব্যক্তি, যে মন্দ কর্মসমূহ বর্জন করে; এবং মুজাহিদ সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজ নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ করে।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٧)
(صحيح)عن عبد الله بن عبيد بن عمير عن أبيه عن جده أنه قيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم: ما الإسلام قال: إطعام الطعام وطيب الكلام قيل: فما الإيمان؟ قال: (السماحة والصبر) قيل: فمن أفضل المسلمين إسلاما؟ قال: (من سلم المسلمون من لسانه ويده) قيل: فمن أفضل المؤمنين إيمانا؟ قال: (أحسنهم خلقا) قيل: فما أفضل الهجرة؟ قال: (من هجر ما حرم الله عليه) قيل: أي الصلاة أفضل؟ قال: (طول القنوت) قيل: أي الصدقة أفضل؟ قال: (جهد مقل) قيل: أي الجهاد أفضل؟ قال: (أن تجاهد بمالك ونفسك فيعقر جوادك ويراق دمك) قيل: أي الساعات أفضل؟ قال: (جوف الليل الغابر)
(সহীহ)আবদুল্লাহ বিন উবাইদ বিন উমাইর তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো: ইসলাম কী? তিনি বললেন: অন্নদান করা এবং উত্তম কথা বলা। জিজ্ঞেস করা হলো: ঈমান কী? তিনি বললেন: (উদারতা ও ধৈর্য)। জিজ্ঞেস করা হলো: ইসলামের দিক থেকে কোন মুসলিম সর্বোত্তম? তিনি বললেন: (যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে)। জিজ্ঞেস করা হলো: ঈমানের দিক থেকে কোন মুমিন সর্বোত্তম? তিনি বললেন: (তাদের মধ্যে যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর)। জিজ্ঞেস করা হলো: সর্বোত্তম হিজরত কোনটি? তিনি বললেন: (যে ব্যক্তি আল্লাহ তার ওপর যা হারাম করেছেন তা বর্জন করে)। জিজ্ঞেস করা হলো: কোন সালাত সর্বোত্তম? তিনি বললেন: (দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা)। জিজ্ঞেস করা হলো: কোন সদকা সর্বোত্তম? তিনি বললেন: (অল্প সম্পদবিশিষ্ট ব্যক্তির সাধ্যমতো দান)। জিজ্ঞেস করা হলো: কোন জিহাদ সর্বোত্তম? তিনি বললেন: (তোমার মাল ও জান দিয়ে জিহাদ করা, যাতে তোমার ঘোড়াটি যবেহ হয় এবং তোমার রক্ত প্রবাহিত হয়)। জিজ্ঞেস করা হলো: কোন সময়টি সর্বোত্তম? তিনি বললেন: (শেষ রাতের গভীর প্রহর)।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٨)
(صحيح)قال صلى الله عليه وسلم: الإيمان بضع وسبعون شعبة أعلاها قول لا إله إلا الله وأدناها إماطة الأذى عن الطريق
(সহীহ)রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ঈমানের সত্তরটিরও বেশি শাখা রয়েছে, যার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো— আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এ কথা বলা, এবং তার মধ্যে সর্বনিম্ন হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٩)
(ضعيف)الإسلام علانية والإيمان في القلب
(দুর্বল)ইসলাম প্রকাশ্য এবং ঈমান হলো অন্তরে।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
(صحيح)إن في الجسد مضغة إذا صلحت صلح لها سائر الجسد وإذا فسدت فسد لها سائر الجسد ألا وهي القلب
(সহিহ)নিশ্চয়ই শরীরের মধ্যে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে; যখন তা ঠিক থাকে তখন তার দরুন সমগ্র শরীর ঠিক থাকে, আর যখন তা নষ্ট হয়ে যায় তখন তার দরুন সমগ্র শরীর নষ্ট হয়ে যায়; জেনে রেখো, তা হলো অন্তর।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١١)
(صحيح)هذا جبريل جاءكم يعلمكم دينكم
(সহীহ)ইনি জিবরীল, তিনি তোমাদের নিকট তোমাদের দ্বীন শিক্ষা দিতে এসেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٢)
(صحيح)قيل: ما الغيبة؟ قال: (ذكرك أخاك بما يكره
(সহীহ)জিজ্ঞাসা করা হলো: গীবত কী? তিনি বললেন: (তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু আলোচনা করা যা সে অপছন্দ করে
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٣)
(صحيح)الكبر بطر الحق وغمط الناس
(সহিহ)অহংকার হলো সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা এবং মানুষকে তুচ্ছজ্ঞান করা।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
(صحيح)الإيمان بضع وستون أو بضع وسبعون شعبة أفضلها قول لا إله إلا الله وأدناها إماطة الأذى عن الطريق والحياء شعبة من الإيمان
(সহিহ)ঈমানের ষাটের অধিক বা সত্তরের অধিক শাখা রয়েছে; যার মধ্যে সর্বোত্তম হলো ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা এবং তার সর্বনিম্ন স্তর হলো পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেয়া; আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
(صحيح)الحياء شعبة من الإيمان
(সহীহ)লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
(صحيح)لا يؤمن أحدكم حتى أكون أحب إليه من ولده ووالده والناس أجمعين
(সহীহ)তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার সন্তান, তার পিতা এবং সকল মানুষ অপেক্ষা অধিক প্রিয় হই।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
(صحيح)لا يؤمن أحدكم حتى يحب لأخيه ما يحب لنفسه
(সহীহ)তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
(صحيح)والله لا يؤمن والله لا يؤمن والله لا يؤمن قيل: من يا رسول الله؟ قال: (الذي لا يأمن جاره بوائقه)
(সহীহ)আল্লাহর শপথ, সে মুমিন নয়; আল্লাহর শপথ, সে মুমিন নয়; আল্লাহর শপথ, সে মুমিন নয়। জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! কে সেই ব্যক্তি? তিনি বললেন: (যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ থাকে না।)
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
(صحيح)من رأى منكم منكرا فليغيره بيده فإن لم يستطع فبلسانه فإن لم يستطع فبقلبه وذلك أضعف الإيمان
(সহিহ)তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোনো অন্যায় কাজ দেখবে, সে যেন তা নিজ হাত দ্বারা পরিবর্তন করে দেয়; যদি সে তাতে সক্ষম না হয়, তবে নিজ জিহ্বা দ্বারা; আর যদি সে তাতেও সক্ষম না হয়, তবে নিজ অন্তর দ্বারা; আর এটি হলো ঈমানের দুর্বলতম স্তর।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
(صحيح)لا صلاة إلا بأم القرآن
(সহীহ)উম্মুল কুরআন (কুরআনের জননী) ব্যতীত কোনো সালাত নেই।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
(صحيح)لا إيمان لمن لا أمانة له ولا دين لمن لا عهد له
(সহীহ)যার আমানতদারিতা নেই তার কোনো ঈমান নেই এবং যার অঙ্গীকার পালনের কোনো বৈশিষ্ট্য নেই তার কোনো দ্বীন নেই।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
(صحيح)قال للمسيئ صلاته: ارجع فصل فإنك لم تصل
(সহীহ)তিনি সালাত ভুলকারী ব্যক্তিকে বললেন: ফিরে যাও এবং পুনরায় সালাত আদায় করো, কেননা তুমি সালাত আদায় করোনি।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
(صحيح)وقد أمره بالإعادة: لا صلاة لفذ خلف الصف
(সহীহ)এবং তিনি তাকে পুনরায় আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন: কাতারের পিছনে একাকী ব্যক্তির কোনো সালাত নেই
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
(ضعيف)العلم علمان فعلم في القلب وعلم على اللسان فعلم القلب هو العلم النافع وعلم اللسان حجة الله على عباده
(যঈফ)ইলম বা জ্ঞান দুই প্রকার; এক প্রকার জ্ঞান হলো অন্তরের জ্ঞান এবং অন্য প্রকার জ্ঞান হলো জিহ্বার জ্ঞান। অন্তরের জ্ঞানই হলো উপকারী জ্ঞান, আর জিহ্বার জ্ঞান হলো তাঁর বান্দাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর প্রমাণ।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
(كلام على رضي الله عن هـ أخرجه عبد الرزاق وعبد بن حميد وابن جرير وابن المنذر وابن أبي حاتم والحاكم وصححه)وعن علي: الخشوع في القلب وأن تلين للمرء المسلم كتفك ولا تلتفت يمينا ولا شمالا
(আলী রাযিয়াল্লাহু আনহুর বাণী; এটি আবদুর রাযযাক, আবদ বিন হুমাইদ, ইবনে জারীর, ইবনে মুনযির, ইবনে আবি হাতিম এবং হাকেম বর্ণনা করেছেন এবং তিনি একে সহীহ বলেছেন।)আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: খুশু হলো অন্তরে, আর তা হলো কোনো মুসলিম ব্যক্তির জন্য তোমার কাঁধকে নমনীয় রাখা এবং ডানে বা বামে ভ্রূক্ষেপ না করা।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
(صحيح)عن ابن سيرين وغيره: كان النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه يرفعون أبصارهم في الصلاة إلى السماء وينظرون يمينا وشمالا حتى نزلت هذه: {قد أفلح المؤمنون الذين هم في صلاتهم خاشعون} [المؤمنون: 1 - 2] . فجعلوا بعد ذلك أبصارهم حيث يسجدون وما رؤي أحد منهم بعد ذلك ينظر إلا إلى الأرض
(সহিহ)ইবনে সিরিন এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ সালাত আদায়ের সময় তাঁদের দৃষ্টি আকাশের দিকে উত্তোলন করতেন এবং ডানে ও বামে তাকাতেন, যতক্ষণ না এই আয়াতটি অবতীর্ণ হলো: {নিশ্চয়ই মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে, যারা তাদের সালাতে বিনম্র} [আল-মুমিনুন: ১-২]। এরপর তাঁরা তাঁদের দৃষ্টি সেজদার স্থানের দিকে নিবদ্ধ করেন এবং এরপর তাঁদের কাউকেই জমিনের দিক ব্যতীত অন্য কোথাও তাকাতে দেখা যায়নি।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
(ضعيف)وأبصر النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يعبث بلحيته في الصلاة فقال: (لو خشع قلب هذا لخشعت جوارحه)(وعلى هامش النسخة الهندية: هذا الحديث رواه الحكيم الترمذي والبيهقي في (شعب الإيمان) عن أبي بكر الصديق رضي الله عن هـ (تعوذوا بالله من خشوع النفاق) . قالوا: يا رسول الله وما خشوع النفاق؟ قال: (خشوع البدن ونفاق القلب) . وروى أحمد في (الزهد) وأبو بكر بن أبي شيبة معناه عن أبي الدرداء موقوفا عليه
(দুর্বল)নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে নামাজের মধ্যে তার দাড়ি নিয়ে নাড়াচাড়া করতে দেখলেন। তখন তিনি বললেন: (যদি এই ব্যক্তির অন্তর বিনম্র হতো, তবে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও বিনম্র হতো)(এবং ভারতীয় সংস্করণের পার্শ্বটীকায় রয়েছে: এই হাদিসটি আল-হাকিম আত-তিরমিযী এবং আল-বাইহাকী ‘শুআবুল ঈমান’-এ আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন: (তোমরা মুনাফেকী বিনয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো)। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, মুনাফেকী বিনয় কী? তিনি বললেন: (শরীরের বিনয় অথচ অন্তরের মুনাফেকী)। এবং আহমাদ ‘আয-যুহদ’-এ এবং আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ এর মর্মার্থ আবু দারদা থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন)
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
(ضعيف)عن ابن مسعود وابن عباس: أن في الصلاة منهى ومزجرا عن معاصي الله فمن لم تنهه صلاته عن الفحشاء والمنكر ولم يزدد بصلاته من الله إلا بعدا
(দুর্বল)ইবনে মাসউদ এবং ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত: নিশ্চয়ই সালাতের মধ্যে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বিরত রাখার এবং বাধা দেওয়ার শক্তি রয়েছে। সুতরাং যার সালাত তাকে অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে না, সে তার সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর থেকে কেবল দূরত্বই বৃদ্ধি করে।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকুল ঈমান লি ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
(حسن)عن عمار عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال:إن العبد لينصرف من صلاته ولم يكتب له منها إلا نصفها إلا ثلثها حتى قال: إلا عشرها)
(হাসান)আম্মার (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:নিশ্চয়ই বান্দা তার সালাত শেষ করে ফিরে আসে, অথচ তার জন্য তার সালাতের কেবল অর্ধেক, কেবল এক-তৃতীয়াংশ—এমনকি তিনি এক-দশমাংশ পর্যন্ত বললেন—ব্যতীত আর কিছুই লেখা হয় না।