(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: -)
عوالي مالك رواية عمر بن الحاجب القسم: كتب السنة
الكتاب: عوالي مالك رواية عمر بن الحاجب
المؤلف: عمر بن محمد بن منصور الأميني، أبو حفص، عز الدين، المعروف بابن الحاجب (ت 630هـ)
المحقق: محمد الحاج الناصر
الناشر: دار الغرب الإسلامي [طبع مع مجموعة من عوالي الإمام مالك]
الطبعة: الثانية، 1998 م
عدد الصفحات: 404
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433
আউয়ালি মালিক, উমর বিন হাজিবের বর্ণনা বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: আউয়ালি মালিক, উমর বিন হাজিবের বর্ণনা
গ্রন্থকার: উমর বিন মুহাম্মাদ বিন মানসুর আল-আমিনী, আবু হাফস, ইযযুদ্দীন, ইবনুল হাজিব নামে পরিচিত (মৃত্যু ৬৩০ হি.)
সম্পাদক: মুহাম্মাদ আল-হাজ্জ আন-নাসির
প্রকাশক: দারুল গারব আল-ইসলামী [ইমাম মালিকের আউয়ালি সংকলনের সাথে মুদ্রিত]
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪০৪
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, অগ্রসর হও
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: -)
عن مالك بن أنس الإمام
العوالي
روايات
هشام بن عمار أبوالوليد (ت 240هـ)
الحاكم أبوأحمد محمد بن أحمد (ت748هـ)
زاهر بن طاهر الشحامي أبوالقاسم (ت 533هـ)
سليم بن أيوب الرازي (ت 449هـ)
أبوبكر أحمد بن ثابت الخطيب (ت 463هـ)
زيد بن الحسين الكندي أبواليمن (ت 613هـ)
-[عمر بن الحاجب الأميني أبوالفتح (ت 630هـ)]-
تحقيق
محمد الحاج الناصر
بمساعدة الأساتذة
محمد عوام - الحسينة مجاطي علمي - مريم مولولا
دار الغرب الإسلامي
الطبعة الثانية 1998 م
ইমাম মালিক বিন আনাস থেকে বর্ণিত
আল-আওয়ালী (উচ্চ সূত্রাবলি)
বর্ণনাসমূহ
হিশাম বিন আম্মার আবুল ওয়ালিদ (মৃত ২৪০ হিজরী)
আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ (মৃত ৭৪৮ হিজরী)
যাহির বিন তাহির আশ-শাহামী আবুল কাসিম (মৃত ৫৩৩ হিজরী)
সুলাইম বিন আইয়ুব আর-রাযী (মৃত ৪৪৯ হিজরী)
আবু বকর আহমাদ বিন সাবিত আল-খাতীব (মৃত ৪৬৩ হিজরী)
যায়েদ বিন আল-হুসাইন আল-কিন্দী আবুল ইয়ামান (মৃত ৬১৩ হিজরী)
-[উমর বিন আল-হাজিব আল-আমিনী আবুল ফাতহ (মৃত ৬৩০ হিজরী)]-
তাহকীক ও সম্পাদনা
মুহাম্মাদ আল-হাজ্জ আন-নাসির
সহযোগী শিক্ষকবৃন্দ
মুহাম্মাদ আওয়াম - আল-হাসিনা মাজাতী ইলমী - মারিয়াম মাওলুলা
দার আল-গারব আল-ইসলামী
দ্বিতীয় সংস্করণ ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٣)
عوالي مالكبرواية عمر بن الحاجب
ইমাম মালিকের উচ্চ সনদবিশিষ্ট বর্ণনাসমূহউমর ইবনুল হাজিবের বর্ণনায়
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٥)
الجزء فيه من عوالي حديث إمام دار الهجرة أبي عبد الله مالك بن أنس الأصبحي تغمده الله برحمته من مسموعات مخرجه وكاتبه عمر بن محمد المعروف بابن الحاجب بن منصور الأميني عن شيوخه عفا الله عنهم.
ذكر ما انتهى إلينا من عوالي حديث إمام دار الهجرة أبي عبد الله مالك بن أنس الأصبحي قدس الله روحه مما رواه عنه مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مصعب بن ثابت بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ بن العوام بن خويلد
يكنى بأبي عبد الله القرشي الأسدي الزبيري المدني روى عنه القزويني حديثا واحدا مات ليومين خَلَوَا من شوال سنة ست وثلاثين ومئتين.
432 - (1) أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُو يَحْيَى زَكَرِيَّا بْنُ عَلِيِّ بْنِ حَسَّانِ بْنِ عَلِيٍّ الْعُلْبِيُّ الْبَغْدَادِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِرِبَاطِ الشَّيْخِ أَبِي النَّجِيبِ السَّهْرَوَرْدِيِّ عَلَى شَاطِئِ دِجْلَةَ بِالْجَانِبِ الشَّرْقِيِّ مِنْ مَدِينَةِ السَّلامِ فِي الْعَشْرِ الآخِرَةِ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ سنة ثلاث وعشرين وستمئة أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبٍ السِّجْزِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أَخْبَرَتْنَا بِيبِي بِنْتُ عَبْدِ الصَّمَدِ الْهَرْثَمِيَّةُ قِرَاءَةً عليها سنة تسع وستين وأربعمئة أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي شُرَيْحٍ الأَنْصَارِيُّ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ البغوي ببغداد سنة عشر وثلاثمئة أَخْبَرَنَا مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُصْعَبِ بْنِ ثَابِتٍ إِمْلاءً فِي شَعْبَانَ مِنْ سَنَةِ ثَمَانٍ وعشرين ومئتين حَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الْوَلاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ.
দারুল হিজরতের ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মালিক ইবন আনাস আল-আসবাহী (আল্লাহ তাঁকে তাঁর রহমতে সিক্ত করুন)-এর উন্নত (আওয়ালি) হাদিসসমূহ সম্বলিত অংশ, যা এর সংকলক ও লেখক ওমর ইবন মুহাম্মদ—যিনি ইবনুল হাজিব ইবন মানসুর আল-আমিনি নামে পরিচিত—তাঁর শাইখদের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন (আল্লাহ তাদের ক্ষমা করুন)।
দারুল হিজরতের ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মালিক ইবন আনাস আল-আসবাহী (আল্লাহ তাঁর রূহকে পবিত্র করুন)-এর সেই সকল উন্নত (আওয়ালি) হাদিসের বর্ণনা যা আমাদের নিকট পৌঁছেছে, যা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন মুসআব ইবন আব্দুল্লাহ ইবন মুসআব ইবন সাবিত ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল জুবায়ের ইবনুল আওয়াম ইবন খুওয়াইলিদ।
তাঁর কুনিয়াত হলো আবু আব্দুল্লাহ আল-কুরাশি আল-আসাদি আজ-জুবাইরি আল-মাদানি। আল-কাজভিনি তাঁর থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি দুশো ছত্রিশ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের দুই দিন অতিবাহিত হওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন।
৪৩২ - (১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম আবু ইয়াহইয়া জাকারিয়া ইবন আলী ইবন হাসসান ইবন আলী আল-উলবি আল-বাগদাদি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—মদিনাতুস সালামের পূর্ব দিকে দজলা নদীর তীরে শাইখ আবু নাজিব আস-সুহরাওয়ার্দীর রিবাত-এ, ছয়শো তেইশ হিজরি সনের জিলহজ মাসের শেষ দশকে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল ওয়াক্ত আব্দুল আউয়াল ইবন ঈসা ইবন শুআইব আস-সিজজি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিবি বিনতে আব্দুস সামাদ আল-হারসামিয়্যাহ চারশো উনসত্তর হিজরি সনে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন আবি শুরাইহ আল-আনসারি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল আজিজ আল-বাগাভি বাগদাদে, তিনশো দশ হিজরি সনে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসআব ইবন আব্দুল্লাহ ইবন মুসআব ইবন সাবিত দুইশো আঠাশ হিজরি সনের শাবান মাসে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে। আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবন আনাস, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবন ওমর থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আল-ওয়ালা (উত্তরাধিকারের স্বত্ব) তার জন্য যে মুক্ত করে।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٦)
433 - (2) وَبِهِ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَطَعَ فِي مِجَنٍّ ثَمَنُهُ ثَلاثَةُ دَرَاهِمَ.
৪৩৩ - (২) এবং তাঁর মাধ্যমেই আমাদের নিকট মালিক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে, যিনি ইবনে উমরের মুক্তদাস ছিলেন, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঢালের কারণে (হাত) কেটেছিলেন যার মূল্য ছিল তিন দিরহাম।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٦)
434 - (3) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ وَهُوَ مُحَمَّدُ بْنُ تَدْرُسَ الْمَكِّيُّ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ نَحَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ الْحُدَيْبِيَةِ الْبَدَنَةَ عَنْ سَبْعَةٍ وَالْبَقَرَةَ عَنْ سَبْعَةٍ.
৪৩৪ - (৩) এবং এই সনদে মালিক আমাকে আবু যুবাইর (যিনি মুহাম্মাদ ইবন তাদরুস আল-মাক্কী) থেকে, তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা হুদায়বিয়াহর বছর আল্লাহর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে একটি উট সাতজনের পক্ষ থেকে এবং একটি গরু সাতজনের পক্ষ থেকে কুরবানি করেছিলাম।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٦)
435 - (4) وَبِهِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ حَفْصَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَا شَأْنُ النَّاسِ قَدْ حَلُّوا وَلَمْ تُحِلَّ فِي عُمْرَتِكَ قَالَ إِنِّي لَبَّدْتُ رَأْسِي وَقَلَّدْتُ هَدْيِي فَلا أَحِلُّ حَتَّى أَنْحَرَ.
৪৩৫ - (৪) এবং এই সনদেই মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী হাফসা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: "লোকদের কী হলো যে তারা হালাল হয়ে গেছে, অথচ আপনি আপনার উমরা থেকে হালাল হননি?" তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আমি আমার মাথার চুল জমাটবদ্ধ করেছি এবং আমার কুরবানির পশুর গলায় মালা পরিয়েছি, তাই আমি কুরবানি না করা পর্যন্ত হালাল হব না।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٦)
436 - (5) وبه حدثنا مَالِكٌ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَحَرَ هَدْيَهُ بِيَدِهِ وَنَحَرَ بَعْضَهُ غَيْرُهُ.
৪৩৬ - (৫) এবং এই সূত্রে মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জা'ফর ইবন মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ থেকে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাদঈ (কুরবানির পশু) নিজ হাতে নহর করেছেন এবং এর কিছু অংশ অন্য কেউ নহর করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٦)
437 - (6) وَبِهِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ⦗ص: 367⦘ وَسَلَّمَ قَالَ اللَّهُمَّ ارْحَمِ الْمُحَلِّقِينَ قَالُوا وَالْمُقَصِّرِينَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ اللَّهُمَّ ارْحَمِ الْمُحَلِّقِينَ قَالُوا وَالْمُقَصِّرِينَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ وَالْمُقَصِّرِينَ.
৪৩৭ - (৬) এবং এই সূত্রে আমাদের নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন নাফি' থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬৭⦘ ওয়াসাল্লাম বলেছেন: হে আল্লাহ, আপনি মস্তক মুণ্ডনকারীদের প্রতি রহম করুন। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এবং যারা চুল খাটো করে তাদের প্রতিও? তিনি বললেন: হে আল্লাহ, আপনি মস্তক মুণ্ডনকারীদের প্রতি রহম করুন। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এবং যারা চুল খাটো করে তাদের প্রতিও? তিনি বললেন: এবং যারা চুল খাটো করে তাদের প্রতিও।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٧)
438 - (7) وَبِهِ حَدَّثَنِي مُصْعَبٌ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ الْكَعْبَةَ هُوَ وأسامة بن زيد وبلالا وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ الْحَجَبِيُّ فَأَغْلَقَهَا عَلَيْهِمْ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ فَسَأَلْتُ بِلالا حِينَ خَرَجَ مَاذَا صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ جَعَلَ عَمُودًا عَنْ يَسَارِهِ وَعَمُودَيْنِ عَنْ يَمِينِهِ وَثَلاثَةُ أَعْمِدَةٍ وَرَاءَهُ. وَكَانَ الْبَيْتُ يَوْمَئِذٍ عَلَى سِتَّةِ أَعْمِدَةٍ.
৪৩৮ - (৭) এবং উক্ত সূত্রে আমার কাছে মুসআব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক, নাফে'র সূত্রে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাবাগৃহে প্রবেশ করলেন—তিনি, উসামা ইবনে যায়িদ, বিলাল এবং উসমান ইবনে তালহা আল-হাজাবি। অতঃপর তিনি তাঁদের নিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলেন। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন: অতঃপর বিলাল যখন বের হলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভেতরে কী করেছেন? তিনি বললেন: তিনি একটি খুঁটি তাঁর বাম দিকে, দুটি খুঁটি তাঁর ডান দিকে এবং তিনটি খুঁটি তাঁর পেছনে রেখেছিলেন। আর সেই সময় ঘরটি (কাবা) ছয়টি খুঁটির ওপর (দণ্ডায়মান) ছিল।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٧)
439 - (8) وَبِهِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَالِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْمُزْدَلِفَةِ جَمِيعًا.
৪৩৯ - (৮) এবং সেই একই সনদে আমাদের নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালেম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুজদালিফায় মাগরিব ও এশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٧)
440 - (9) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ذُكِرَتْ صَفِيَّةُ بِنْتُ حُيَيٍّ فَقِيلَ إِنَّهَا قَدْ حَاضَتْ قَالَتْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَعَلَّهَا حَابِسَتُنَا فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا قَدْ أَفَاضَتْ فَقَالَ فَلا إِذًا.
৪৪০ - (৯) এবং এই সনদেই মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহধর্মিণী আয়িশা থেকে বর্ণনা করেন যে, সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই সম্পর্কে আলোচনা করা হলো এবং বলা হলো যে তিনি ঋতুবতী হয়েছেন। আয়িশা (রা.) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তবে কি তিনি আমাদের আটকে দেবেন? তখন বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তো (ইতিপূর্বেই) তাওয়াফে ইফাজাহ সম্পাদন করেছেন। তখন তিনি বললেন: তাহলে আর নয়।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٨)
441 - (10) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ مَالِكٍ الْجَزَرِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ أَنَّهُ كَانَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا الْقَمْلُ فِي رَأْسِهِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم احْلِقْ رَأْسَكَ وَصُمْ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ أَوْ أَطْعِمْ سَتَّةَ مَسَاكِينَ مُدَّيْنِ مُدَّيْنِ لِكُلِّ إِنْسَانٍ أَوِ انْسُكْ شَاةً أَيَّ ذَلِكَ فَعَلْتَ أَجْزَأَ عَنْكَ.
441 - (১০) এবং এর মাধ্যমে মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল কারীম ইবন মালিক আল-জাযারি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবন আবি লায়লা থেকে, তিনি কাব ইবন উজরাহ থেকে যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর মাথায় উকুন ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, "তোমার মাথা মুণ্ডন করো এবং তিন দিন রোজা রাখো অথবা ছয়জন মিসকিনকে খাবার দাও—প্রত্যেক ব্যক্তিকে দুই মুদ করে, অথবা একটি বকরি কোরবানি করো। এগুলোর মধ্যে তুমি যা-ই করো না কেন, তা তোমার পক্ষ থেকে যথেষ্ট হবে।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٨)
442 - (11) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ قَيْسٍ الْمَكِّيِّ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَعَلَّكَ أَذَاكَ هَوَامُّكَ فَقُلْتُ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم احْلِقْ رَأْسَكَ وَصُمْ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ أَوْ أَطْعِمْ سِتَّةَ مَسَاكِينَ أَوِ انْسُكْ شَاةً.
৪৪২ - (১১) এবং তাঁর মাধ্যমেই মালিক আমার কাছে বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবনে কায়স আল-মাক্কি থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি কাব ইবনে উজরাহ থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "সম্ভবত তোমার মাথার উকুন তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে?" আমি বললাম: "হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল।" তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "তোমার মাথা মুণ্ডন করো এবং তিন দিন রোজা রাখো অথবা ছয়জন মিসকিনকে খাবার খাওয়াও অথবা একটি বকরি কোরবানি করো।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٨)
443 - (12) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ.
৪৪৩ - (১২) এবং তাঁর মাধ্যমেই মালিক আমার নিকট নাফি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শত্রুর ভূখণ্ডে কুরআন নিয়ে সফর করতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٨)
444 - (13) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ سَرِيَّةً فِيهَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قِبَلَ نَجْدٍ فَغَنِمُوا إِبِلا كَثِيرَةً وَكَانَتْ سُهْمَانُهُمُ اثْنَيْ عَشَرَ بَعِيرًا أَوْ أَحَدَ عَشَرَ بَعِيرًا وَنُفِّلُوا بَعِيرًا بَعِيرًا.
৪৪৪ - (১৩) এবং এ সূত্রেই মালিক আমার কাছে নাফে থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নজদ অভিমুখে একটি ক্ষুদ্র বাহিনী (সারিয়্যা) প্রেরণ করেছিলেন, যাতে আবদুল্লাহ ইবনে উমরও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তারা গনীমত হিসেবে প্রচুর উট লাভ করেন। তাদের প্রত্যেকের ভাগে বারটি অথবা এগারটি করে উট পড়েছিল এবং তাদেরকে অতিরিক্ত পুরস্কার হিসেবে আরও একটি করে উট প্রদান করা হয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٨)
445 - (14) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ⦗ص: 369⦘ وَسَلَّمَ قَالَ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ لَيْسَ عَلَى الْمُحْرِمِ فِي قَتْلِهِنَّ جُنَاحٌ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَأْرَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ.
৪৪৫ - (১৪) এবং এই সূত্রেই মালিক আমার নিকট নাফে’র মাধ্যমে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬৯⦘ ওয়া সাল্লাম বলেছেন: পাঁচ প্রকারের জীবজন্তু রয়েছে যা হত্যা করলে ইহরাম গ্রহণকারীর কোনো পাপ নেই: কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর এবং হিংস্র কুকুর।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٩)
446 - (15) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ مَنْ قَتَلَهُنَّ مُحْرِمًا فَلا جُنَاحَ عَلَيْهِ الْعَقْرَبُ وَالْفَأْرَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ وَالْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ.
৪৪৬ - (১৫) এবং একই সূত্রে মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: পাঁচ প্রকারের এমন জীব রয়েছে যা ইহরাম অবস্থায় হত্যা করলে কোনো দোষ নেই; সেগুলো হলো— বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর, কাক এবং চিল।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٩)
447 - (16) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا وَقَفَ عَلَى الصَّفَا يُكَبِّرُ ثَلاثًا فَيَقُولُ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ. يَصْنَعُ ذَلِكَ ثَلاثَ مَرَّاتٍ وَيَدْعُو وَيَصْنَعُ عَلَى الْمَرْوَةِ مِثْلَ ذَلِكَ.
৪৪৭ - (১৬) এবং এই সূত্রেই মালিক আমার নিকট জাফর ইবন মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি জাবির ইবন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সাফা পাহাড়ে দাঁড়াতেন, তখন তিনবার তাকবির পাঠ করতেন এবং বলতেন: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি প্রতিটি বিষয়ের ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান। তিনি এরূপ তিনবার করতেন এবং দোয়া করতেন; আর মারওয়া পাহাড়েও তিনি অনুরূপ করতেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٩)
448 - (17) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا نَزَلَ مِنَ الصَّفَا مَشَى حَتَّى إِذَا انْصَبَّتْ قَدَمَاهُ فِي بَطْنِ الْوَادِي سَعَى حَتَّى يَخْرُجَ مِنْهُ.
৪৪৮ - (১৭) এবং তাঁর মাধ্যমেই মালিক আমার কাছে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সাফা থেকে নিচে নামতেন তখন হেঁটে চলতেন; অতঃপর যখন তাঁর দুই পা উপত্যকার তলদেশে পৌঁছাত তখন তিনি দ্রুতবেগে চলতেন যতক্ষণ না সেখান থেকে বের হতেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٦٩)
449 - (18) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ⦗ص: 370⦘ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ وَكَانَ لَهُ مَالٌ يَبْلُغُ ثَمَنَ الْعَبْدِ قُوِّمَ عَلَيْهِ قِيمَةَ الْعَدْلِ وَأَعْطَى شُرَكَاءَهُ حِصَصَهُمْ وَعَتَقَ عَلَيْهِ الْعَبْدُ وَإِلا فَقَدْ عَتَقَ مِنْهُ مَا عَتَقَ.
৪৪৯ - (১৮) এবং এই সনদেই মালিক ইবনে আনাস নাফে’র সূত্রে ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ⦗পৃ: ৩৭০⦘ ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো দাসের মধ্যে থাকা তার অংশ আযাদ করে দেয় এবং তার নিকট যদি দাসের পূর্ণ মূল্যের সমপরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে ইনসাফের সাথে দাসের মূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং সে তার অংশীদারদের তাদের প্রাপ্য অংশ প্রদান করবে, ফলে দাসটি তার পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ আযাদ হয়ে যাবে। অন্যথায়, তার আযাদকৃত অংশটুকুই কেবল আযাদ বলে গণ্য হবে।”
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٧١)
450 - (19) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي النَّاسِ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ أَمَّا بَعْدُ فَمَا بَالُ رِجَالٍ يَشْتَرِطُونَ شُرُوطًا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ عز وجل مَا كَانَ مِنْ شَرْطٍ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَهُوَ بَاطِلٌ قَضَاءُ اللَّهِ حَقٌّ وَشَرْطُ اللَّهِ أَوْثَقُ وَإِنَّمَا الْوَلاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ.
৪৫০ - (১৯) এবং এই সূত্রে মালিক আমার কাছে বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়িশাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকজনের মাঝে দাঁড়ালেন, অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন, তারপর বললেন: "অতঃপর, সেই সব লোকদের কী হয়েছে যারা এমন সব শর্তারোপ করে যা মহামহিম আল্লাহর কিতাবে নেই? যে শর্তই আল্লাহর কিতাবে নেই তা বাতিল। আল্লাহর ফয়সালাই সত্য এবং আল্লাহর শর্তই অধিকতর সুদৃঢ়। আর 'ওয়ালা' (অভিভাবকত্ব ও উত্তরাধিকার) কেবল তারই প্রাপ্য যে মুক্ত করেছে।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٧١)
451 - (20) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عائشة قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْوَلاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ.
৪৫১ - (২০) এবং উক্ত সনদে মালিক আমার নিকট হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ওয়ালা (উত্তরাধিকারের অধিকার) তার জন্যই যে মুক্ত করেছে।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٧١)
452 - (21) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا أَرَادَتْ أَنْ تَشْتَرِيَ جَارِيَةً فَتَعْتِقَهَا فَقَالَ أَهْلُهَا نَبِيعُكِهَا وَوَلاؤُهَا لَنَا فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لا يَمْنَعُكِ ذَلِكَ فَإِنَّمَا الْوَلاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ.
৪৫২ - (২১) এবং এই সূত্রেই মালিক আমার নিকট নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়েশা (রা.) একজন দাসী ক্রয় করে তাকে মুক্ত করে দিতে চেয়েছিলেন। তখন দাসীটির মালিকপক্ষ বলল, আমরা তাকে তোমার কাছে বিক্রয় করব তবে তার ‘ওয়ালা’ (উত্তরাধিকারের অধিকার) আমাদের থাকবে। তিনি বিষয়টি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন, “এটি যেন তোমাকে বিরত না রাখে। কারণ ‘ওয়ালা’ কেবল তারই প্রাপ্য যে মুক্ত করে।”
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٧١)
453 - (22) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ بَيْعِ الْوَلاءِ وَعَنْ هِبَتِهِ.
৪৫৩ - (২২) এই সনদেই ইমাম মালিক আমার নিকট আবদুল্লাহ বিন দীনার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়ালা (মুক্ত দাসের উত্তরাধিকার লাভের অধিকার) বিক্রয় করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٧١)
454 - (23) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الأعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَثَلُ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ الصَّائِمِ الْقَائِمِ الَّذِي لا يَفْتُرُ عَنْ صِيَامٍ وَلا صَلاةٍ حَتَّى يَرْجِعَ.
৪৫৪ - (২৩) এবং এই সনদে মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আয-যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহর পথে জিহাদকারীর দৃষ্টান্ত সেই রোযা পালনকারী ও (নামাজে) দণ্ডায়মান ব্যক্তির মতো, যে রোযা ও নামাজ হতে বিরত হয় না যতক্ষণ না সে ফিরে আসে।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٧٢)
455 - (24) وَبِهِ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ وَفِي الرِّكَازِ الْخُمُسِ.
৪৫৫ - (২৪) এবং এই সনদেই মালিক আমার নিকট ইবনু শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আর রিকায-এর (মাটিচাপা গুপ্তধন) ক্ষেত্রে এক-পঞ্চমাংশ (যাকাত প্রদান করা ওয়াজিব)।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٧٢)
456 - (25) وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو نَصْرٍ مُوسَى بْنُ الشَّيْخِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْقَادِرِ الْجِيلِيِّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِدِمَشْقَ وَالشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ اللَّيْثِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْحَرِيمِ الظَّاهِرِيِّ بِالْجَانِبِ الْغَرْبِيِّ بِبَغْدَادَ والشيخ أبو علي الحسن الْمُبَارَكِ بْنِ الزُّبَيْرِيِّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِالْجَانِبِ الشَّرْقِيِّ مِنْ مَدِينَةِ السَّلامِ قَالُوا أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَقْتِ السِّجْزِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ الْفُضَيْلُ بْنُ يَحْيَى الْفُضَيْلِيُّ أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي شُرَيْحٍ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْبَغَوِيُّ أَخْبَرَنَا مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيُّ أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَوْ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَبْعَةٌ يُظِلُّهُمُ اللَّهُ فِي ظِلِّهِ يَوْمَ لا ظَلَّ إِلا ظِلُّهُ إِمَامٌ عَادِلٌ وَشَابٌّ نَشَأَ لِعَبَادَةِ اللَّهِ عز وجل وَرَجُلٌ قَلْبُهُ مُتَعَلِّقٌ بِالْمَسْجِدِ إِذَا خَرَجَ مِنْهُ حَتَّى يَعُودَ إِلَيْهِ وَرَجُلانِ تَحَابَّا فِي اللَّهِ فَاجْتَمَعَا عَلَى ذَلِكَ وَتَفَرَّقَا وَرَجُلٌ ذَكَرَ اللَّهَ خَالِيًا فَفَاضَتْ عَيْنَاهُ وَرَجُلٌ دَعَتْهُ ذَاتُ حَسَبٍ وَجَمَالٍ فَقَالَ إِنِّي أَخَافُ اللَّهَ وَرَجُلٌ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ فَأَخْفَاهَا حَتَّى لا تَعْلَمُ شِمَالُهُ مَا تُنْفِقُ يَمِينُهُ.
৪৫৬ - (২৫) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আবু নাসর মুসা বিন শেখ আবু মুহাম্মদ আব্দুল কাদির আল-জিলি, দামেস্কে তাঁর নিকট পাঠকালে; এবং শেখ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-লায়সি, বাগদাদের পশ্চিম পার্শ্বে হারিমুজ জাহিরিতে তাঁর নিকট আমার পাঠকালে; এবং শেখ আবু আলী হাসান আল-মুবারক বিন আল-জুবাইরি, মদিনাতুস সালামের পূর্ব পার্শ্বে তাঁর নিকট পাঠকালে। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াক্ত আস-সিজজি তাঁর নিকট পাঠকালে। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আসিম আল-ফুদাইল বিন ইয়াহইয়া আল-ফুদাইলি। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন আবি শুরাইহ। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-বাগাভি। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসআব বিন আব্দুল্লাহ আজ-জুবাইরি। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক বিন আনাস, খুবাইব বিন আব্দুর রহমানের সূত্রে, তিনি হাফস বিন আসিমের সূত্রে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি অথবা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: "সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তাঁর ছায়াতলে ছায়া দান করবেন যেদিন তাঁর ছায়া ব্যতীত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না; ন্যায়পরায়ণ শাসক, সেই যুবক যে আল্লাহ মহান ও মহিমান্বিতের ইবাদতের মাঝে বেড়ে উঠেছে, সেই ব্যক্তি যার অন্তর মসজিদের সাথে সংযুক্ত থাকে যখন সে সেখান থেকে বের হয় যতক্ষণ না পুনরায় সেখানে ফিরে আসে, সেই দুই ব্যক্তি যারা আল্লাহর জন্য একে অপরকে ভালোবাসে, তারা সেই ভিত্তিতেই একত্রিত হয় এবং সেই ভিত্তিতেই পৃথক হয়, সেই ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে ফলে তার দুই চোখ বেয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়, সেই ব্যক্তি যাকে উচ্চবংশীয় ও সুন্দরী নারী আহ্বান জানায় (পাপের প্রতি) তখন সে বলে: 'নিশ্চয়ই আমি আল্লাহকে ভয় করি', এবং সেই ব্যক্তি যে এমনভাবে সদকা করে যে তা গোপন রাখে, এমনকি তার বাম হাত জানতে পারে না তার ডান হাত কী ব্যয় করছে।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٧٣)
457 - (26) وَبِهِ حَدَّثَنَا مُصْعَبُ حَدَّثَنَا مَالِكٌ بْنُ أَنَسٍ عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ سَمِعَ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهُ يَقُولُ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ نَجْدٍ ثَائِرَ الرَّأْسِ يُسْمَعُ دَوِيُّ صَوْتِهِ وَلا نَفْقَهُ مَا يَقُولُ حَتَّى دَنَا فَإِذَا هُوَ يَسْأَلُ عَنِ الإِسْلامِ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَمْسُ صَلَوَاتٍ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ قَالَ هَلْ عَلَيَّ غَيْرُ هَذَا قَالَ لا إِلا أن تطوع وذكر رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الصَّدَقَةَ قَالَ فَهَلْ عَلَيَّ غَيْرُهَا قَالَ لا إِلا أَنْ تَطَوَّعَ قَالَ فَأَدْبَرَ الرَّجُلُ وَهُوَ يَقُولُ وَاللَّهِ لا أَزِيدُ عَلَى هَذَا وَلا أَنْقُصُ مِنْهُ فَقَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَفْلَحَ إِنْ صَدَقَ.
৪৫৭ - (২৬) এবং তাঁর মাধ্যমেই মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস তাঁর চাচা আবু সুহাইল ইবনে মালিক হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন, নজদ থেকে এক ব্যক্তি উস্কোখুস্কো চুলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন। তাঁর কণ্ঠের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল কিন্তু তিনি কী বলছিলেন তা আমরা বুঝতে পারছিলাম না, যতক্ষণ না তিনি নিকটে আসলেন। তখন দেখা গেল তিনি ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন। তালহা (রা.) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “দিন ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত।” তিনি বললেন: “এগুলো ছাড়া আমার ওপর আর কি কিছু (ফরজ) আছে?” তিনি বললেন: “না, তবে তুমি যদি নফল হিসেবে কিছু করো।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট যাকাতের কথাও উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন: “এ ছাড়া আমার ওপর আর কি কিছু আছে?” তিনি বললেন: “না, তবে তুমি যদি নফল হিসেবে কিছু করো।” বর্ণনাকারী বলেন, এরপর সেই ব্যক্তি এই বলতে বলতে প্রস্থান করলেন যে, “আল্লাহর কসম! আমি এর চেয়ে বৃদ্ধি করব না এবং এর থেকে হ্রাসও করব না।” তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “সে সফল হবে যদি সত্য বলে থাকে।”
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু উমর ইবনুল হাজিব
(পৃষ্ঠা: ٣٧٤)
458 - (27) أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِي مَنْصُورٍ مَوْهُوبُ بْنُ الْجَوَالِيقِيِّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الزَّاغُونِيِّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْبُسْرِيِّ أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ الْبَغَوِيُّ حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أفرد بالحج.
৪৫৮ - (২৭) আবু আলী আল-হাসান ইবনে ইসহাক ইবনে আবি মনসুর মাওহুব ইবনুল জাওয়ালিকী বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শায়খ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উবাইদিল্লাহ ইবনে ইয-যাগুনী তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসেম আলী ইবনে আহমদ ইবনুল বুসরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-মুখাল্লিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসেম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাউয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুসআব ইবনে আব্দুল্লাহ আয-যুবাইরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনুল কাসেম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এককভাবে হজ্জ সম্পাদন করেছিলেন।