(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: -)
عوالي مالك رواية أبي أحمد الحاكم القسم: كتب السنة
الكتاب: عوالي مالك رواية أبي أحمد الحاكم
المؤلف: أبو أحمد محمد بن محمد بن أحمد بن إسحاق النيسابوري الكرابيسي المعروف بالحاكم الكبير (ت 378هـ)
المحقق: محمد الحاج الناصر
الناشر: دار الغرب الإسلامي [طبع مع مجموعة من عوالي الإمام مالك]
الطبعة: الثانية 1998 م
عدد الصفحات: 226
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433
আউয়ালিয়ে মালিক আবু আহমাদ আল-হাকিমের বর্ণনা বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আউয়ালিয়ে মালিক আবু আহমাদ আল-হাকিমের বর্ণনা
লেখক: আবু আহমাদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইসহাক আন-নায়সাবুরি আল-কারাবিসি, যিনি আল-হাকিম আল-কাবির নামে পরিচিত (মৃত্যু ৩৭৮ হিজরী)
সম্পাদক: মুহাম্মদ আল-হাজ্জ আন-নাসির
প্রকাশক: দারুল গারব আল-ইসলামি [ইমাম মালিকের আউয়ালিয়ে হাদীসসমূহের একটি সংকলনের সাথে মুদ্রিত]
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২৬
শামেলা সংস্করণের প্রস্তুতকারক: হে কল্যাণের প্রত্যাশী, অগ্রসর হও
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সংগতিপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: -)
عن مالك بن أنس الإمام
العوالي
روايات
هشام بن عمار أبوالوليد (ت 240هـ)
-[الحاكم أبو أحمد محمد بن أحمد (ت378هـ)]-
زاهر بن طاهر الشحامي أبوالقاسم (ت 533هـ)
سليم بن أيوب الرازي (ت 449هـ)
أبوبكر أحمد بن ثابت الخطيب (ت 463هـ)
زيد بن الحسين الكندي أبواليمن (ت 613هـ)
عمر بن الحاجب الأميني أبو الفتح (ت 630هـ)
تحقيق
محمد الحاج الناصر
بمساعدة الأساتذة
محمد عوام - الحسينة مجاطي علمي - مريم مولولا
دار الغرب الإسلامي
الطبعة الثانية 1998 م
ইমাম মালিক ইবনে আনাস হতে
আল-আওয়ালি
বর্ণনাধারা
হিশাম ইবনে আম্মার আবুল ওয়ালিদ (মৃত্যু ২৪০ হি.)
-[আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ (মৃত্যু ৩৭৮ হি.)]-
জহির ইবনে তাহির আশ-শাহামি আবুল কাসিম (মৃত্যু ৫৩৩ হি.)
সুলাইম ইবনে আইয়ুব আর-রাজি (মৃত্যু ৪৪৯ হি.)
আবু বকর আহমাদ ইবনে সাবিত আল-খতিব (মৃত্যু ৪৬৩ হি.)
যায়েদ ইবনে আল-হুসাইন আল-কিন্দি আবুল ইয়ামান (মৃত্যু ৬১৩ হি.)
উমর ইবনে আল-হাজিব আল-আমিনি আবুল ফাতহ (মৃত্যু ৬৩০ হি.)
তাহকিক ও সম্পাদনা
মুহাম্মাদ আল-হাজ্জ আন-নাসির
সহযোগিতায়
মুহাম্মাদ আওয়াম - আল-হুসায়না মাজতি আলমি - মারইয়াম মাওলাওলা
দারুল গারব আল-ইসলামি
দ্বিতীয় সংস্করণ ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
عوالي مالكبرواية الحاكم الكبير
ইমাম মালিকের উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদীসসমূহআল-হাকিম আল-কাবীরের বর্ণনায়
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
بسم الله الرحمن الرحيم
حدثنا الشيخ العالم أبو علي الحسن بن سيف البغدادي الوطن الشهرباني الأصل رضي الله عنه قال أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ ثِقَةُ الدِّينِ أَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرِ بن محمد الشحامي النيسابوري المستملي قدم علينا حاجا قراءة عليه وأنا حاضر أسمع وهو يسمع ويفهم فَأَقَرَّ بِهِ قَالَ أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرحمن بن محمد الكنجروذي رحمه الله بقراءة الحسن بن أحمد السمرقندي عليه في شهر ربيع الآخر سنة إثنين وخمسين وأربعمائة قال أخبرنا الحاكم أبوأحمد مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ بِقِرَاءَةِ أَبِي جعفر العزايمي عَلَيْهِ فِي سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وثلاثمئة قال الحمد لله رب العالمين وصلى الله على محمد وآله أجمعين.
عوالي حديث إمام أهل الأثر في زمانه ومن خص منهم بالعلم والتقى والنزاهة في أيامه أبي عبد الله مَالِكُ بْنُ أَنَسِ بْنِ أَبِي عامر التيمي الأصبحي المديني حليف عثمان بن عبد الله القرشي مات سنة تسع وسبعين ومئة رضوان الله عليه.
25 - (1) أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بن محمد بن عبد العزبز الْبَغَوِيُّ بِبَغْدَادَ حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيَّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ جَدَّتَهُ مُلَيْكَةَ دَعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي طَعَامٍ صَنَعَتْهُ لَهُ فَأَكَلَ مِنْهُ ثُمَّ قَالَ قُومُوا فَلأُصَلِّيَ لَكُمْ
⦗ص: 26⦘ قَالَ أَنَسٌ فَقُمْتُ إِلَى حَصِيرٍ قَدِ اسْوَدَّ مِنْ طُولِ مَا لُبِسَ فَنَضَحْتُهُ بِمَاءٍ فَقَامَ عَلَيْهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُمْتُ أَنَا وَوَالِدَتِي وَرَاءَهُ العجوز من ورائنا فصلى بنا ركعتي ثُمَّ انْصَرَفَ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ, আলেম আবু আলী আল-হাসান ইবনে সাইফ আল-বাগদাদী, যিনি শাহরাবান বংশোদ্ভূত ও বাগদাদের অধিবাসী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন), তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম শাইখ, নির্ভরযোগ্য দ্বীনদার ব্যক্তিত্ব আবু আল-কাসিম যাহির ইবনে তাহির ইবনে মুহাম্মদ আশ-শাহামী আন-নাইসাবুরী আল-মুস্তামলী, যখন তিনি আমাদের নিকট হাজ্জ পালনের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন; আমি তাঁর উপস্থিতিতে এবং শ্রবণরত অবস্থায় তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং তিনি তা বুঝছিলেন ও এর স্বীকৃতি প্রদান করেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু সা’দ মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-কাঞ্জারুযী (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন), চারশত বায়ান্ন হিজরী সনের রবিউস সানি মাসে হাসান ইবনে আহমদ আস-সামারকান্দীর পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাকীম আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আল-হাফিয, তিনশত সাতাত্তর হিজরী সনে আবু জাফর আল-আযায়িমীর পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: সকল প্রশংসা জগতসমূহের রব আল্লাহর জন্য এবং সালাত (দরুদ) বর্ষিত হোক মুহাম্মদ ও তাঁর সকল পরিবারের ওপর।
নিজ সময়ের আসরপন্থীদের (হাদীস ও আছার অনুসারীদের) ইমাম এবং তাঁর যুগে জ্ঞান, তাকওয়া ও চারিত্রিক শুভ্রতায় বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত আবু আব্দুল্লাহ মালিক ইবনে আনাস ইবনে আবি আমির আত-তাইমি আল-আসবাহি আল-মাদানী—যিনি উসমান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কুরাশীর মিত্র ছিলেন এবং একশত ঊনআশি হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন (আল্লাহর সন্তুষ্টি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)—এর উচ্চমানের (আওয়ালী) হাদীসসমূহ।
২৫ - (১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাবী বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসআব ইবনে আব্দুল্লাহ আজ-যুবাইরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি তালহা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁর নানী মুলাইকা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর তৈরি খাবারের দাওয়াত দিলেন। অতঃপর তিনি তা থেকে আহার করলেন। এরপর তিনি বললেন: "তোমরা দাঁড়াও, আমি তোমাদের নিয়ে সালাত আদায় করব।"
⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ আনাস বলেন: অতঃপর আমি একটি চাটাইয়ের দিকে এগিয়ে গেলাম যা দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে কালো হয়ে গিয়েছিল, আমি তাতে পানি ছিটিয়ে দিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটির ওপর দাঁড়ালেন এবং আমি ও আমার মাতা তাঁর পেছনে দাঁড়ালাম এবং বৃদ্ধা আমাদের পেছনে দাঁড়ালেন। অতঃপর তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন এবং এরপর প্রস্থান করলেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
26 - (2) أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ حُمَيْدٍ التَّاجِرُ بِبَغْدَادَ أَنْبَأَنَا أَبُو مُصْعَبٍ يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيَّ عَنْ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِي مِكْيَالِهِمْ وَبَارِكْ لَهُمْ فِي صَاعِهِمْ. يَعْنِي أَهْلَ الْمَدِينَةِ.
২৬ - (২) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে হারুন ইবনে হুমাইদ আত-তাজির বাগদাদে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসআব—অর্থাৎ আহমাদ ইবনে আবি বকর আজ-জুহরি—মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি তালহা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "হে আল্লাহ, আপনি তাদের জন্য তাদের মিকয়ালে (পরিমাপক যন্ত্রে) বরকত দান করুন এবং তাদের সা-এ (ওজন পাত্রে) বরকত দান করুন।" অর্থাৎ মদিনাবাসীদের জন্য।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
27 - (3) أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْوَاسِطِيُّ بِبَغْدَادَ قَالَ قُرِئَ عَلَى سُوَيْدٍ يَعْنِي بن سعيد مالك يعني بْنُ أَنَسٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ سُئِلَتْ عَائِشَةُ عَنْ صَلاةِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي رَمَضَانَ فَقَالَتْ مَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَزِيدُ فِي رَمَضَانَ ولا في غَيْرِهِ عَلَى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةٍ يُصَلِّي أَرْبَعًا فَلا تَسْأَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ وَيُصَلِّي أَرْبَعًا فَلا تَسْأَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ ثُمَّ يُصَلِّي ثَلاثًا قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَنَامُ قَبْلَ أَنْ تُوتِرَ قَالَ يَا عَائِشَةُ تَنَامُ عَيْنِي وَلا يَنَامُ قَلْبِي.
২৭ - (৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আল-ওয়াসিতি বাগদাদে। তিনি বলেন, সুওয়াইদ অর্থাৎ ইবনে সাঈদের নিকট পাঠ করা হয়েছে, মালিক অর্থাৎ ইবনে আনাস হতে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ হতে, তিনি আবু সালামাহ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে রমজানে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে কিংবা অন্য কোনো মাসে এগারো রাকাতের বেশি নামায পড়তেন না। তিনি চার রাকাত পড়তেন, সুতরাং তুমি সেই রাকাতগুলোর সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো না। তারপর তিনি (আরও) চার রাকাত পড়তেন, সুতরাং তুমি সেই রাকাতগুলোর সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো না। তারপর তিনি তিন রাকাত পড়তেন। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি বিতর পড়ার আগেই ঘুমিয়ে পড়েন? তিনি বললেন: হে আয়েশা! আমার দুই চোখ ঘুমায়, কিন্তু আমার অন্তর ঘুমায় না।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
28 - (4) أَخْبَرَنَا أَبُو اللَّيْثِ نَصْرُ بْنُ الْقَاسِمِ الْفَرَايِضِيُّ بِبَغْدَادَ حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ يَعْنِي مُحَمَّدَ بْنَ سُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ الأَسْدِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَى رَأْسِهِ مِغْفَرٌ فَقِيلَ هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِالأَسْتَارِ فَقَالَ اقْتُلُوهُ.
২৮ - (৪) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-লায়স নাসর ইবনুল কাসিম আল-ফারায়েজি বাগদাদে; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন লুওয়াইন—অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে হাবিব আল-আসাদি—তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। তখন বলা হলো, "এই যে ইবনে খাতাল কাবার পর্দার সাথে ঝুলে আছে।" তিনি বললেন, "তাকে হত্যা করো।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
29 - (5) أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مَرْوَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْبَزَّازُ بِدِمَشْقَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ حدثنا مالك يعني بن أنس حدثنا صَفْوَانُ بْنُ سُلَيْمٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ سَلَمَةَ مِنْ آلِ الأَزْرَقِ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ أَبِي بُرْدَةَ وَهُوَ مِنْ بَنِي عَبْدِ الدَّارِ حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولُ اللَّهِ إِنَّا نَرْكَبُ فِي الْبَحْرِ وَنَحْمِلُ مَعَنَا الْقَلِيلَ مِنَ الْمَاءِ فَإِنْ تَوَضَّأْنَا بِهِ عَطِشْنَا أَفَنَتَوَضَّأُ مِنْ مَاءِ الْبَحْرِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هُوَ الطَّهُورُ مَاؤُهُ الْحَلالُ مَيْتَتُهُ.
২৯ - (৫) দামেস্কে আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান ইবনে আব্দুল মালিক আল-বাজ্জায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক—অর্থাৎ ইবনে আনাস—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাফওয়ান ইবনে সুলাইম সাঈদ ইবনে সালামাহ (যিনি আল-আযরাক বংশের লোক) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, বনু আবদুদ-দার গোত্রের আল-মুগীরাহ ইবনে আবি বুরদাহ তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন: এক ব্যক্তি নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সমুদ্রে ভ্রমণ করি এবং আমাদের সাথে সামান্য পানি বহন করি; যদি আমরা তা দিয়ে ওযু করি তবে আমরা তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ব। আমরা কি সমুদ্রের পানি দিয়ে ওযু করতে পারি? তখন আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বললেন: “এর পানি পবিত্রকারী এবং এর মৃত প্রাণী হালাল।”
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
30 - (6) أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْحَلَبِيُّ بِدِمَشْقَ حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ يَعْنِي الْحَلَبِيَّ عُبَيْدَ بْنَ هِشَامٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي عَيَّاشٍ ⦗ص: 30⦘ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يُبَاعَ الرُّطَبِ بِالتَّمْرِ.
৩০ - (৬) দামেস্কে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ আল-হালাবি, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু নুআইম অর্থাৎ হালাবি উবাইদ বিন হিশাম, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মালিক অর্থাৎ ইবনে আনাস, তিনি আব্দুল্লাহ বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি আবু আইয়াশ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ তিনি সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুকনো খেজুরের বিনিময়ে কাঁচা খেজুর বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٣١)
31 - (7) أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي مَعْشَرٍ السُّلَمِيُّ بِحَرَّانَ حَدَّثَنَا إسماعيل بن موسى بن ابْنَةِ السُّدِّيِّ أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ الأَيِّمُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا وَالْبِكْرُ تُسْتَأْذَنُ فِي نَفْسِهَا وَإِذْنُهَا صُمَاتُهَا.
৩১ - (৭) হাররানে আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আরুবাহ আল-হুসাইন ইবনে আবি মা‘শার আস-সুলামি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে মুসা ইবনে ইবনাত আস-সুদ্দি, তিনি বলেন আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আল-ফাদল থেকে, তিনি নাফি ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতঈম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “স্বামীহীনা নারী নিজের বিষয়ে অধিক হকদার এবং কুমারী মেয়ের বিবাহের ব্যাপারে তার অনুমতি প্রার্থনা করতে হবে, আর তার নীরবতাই হলো তার অনুমতি।”
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
32 - (8) أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَابُورَ الدَّقِيقِيُّ بِبَغْدَادَ حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ يَعْنِي عُبَيْدَ بْنَ هِشَامٍ الْحَلَبِيَّ حَدَّثَنَا مَالِكٍ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ كَانَ يَرْمُلُ مِنَ الْحَجَرِ إِلَى الْحَجَرِ.
৩২ - (৮) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন সাবুর আদ-দাকিকি বাগদাদে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম অর্থাৎ উবাইদ বিন হিশাম আল-হালাবি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক অর্থাৎ ইবনে আনাস, নাফে’ হতে বর্ণিত যে, ইবনে উমর পাথর (হাজারে আসওয়াদ) থেকে পাথর পর্যন্ত রমল করতেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
33 - (9) أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ بِبَغْدَادَ حَدَّثَنَا أَبُو نَصْرٍ يَعْنِي التَّمَّارَ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ النَّسَائِيَّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابن عمر كان من يَرْمُلُ مِنَ الْحَجَرِ.
৩৩ - (৯) বাগদাদে আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু নাসর অর্থাৎ আত-তাম্মার আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল আজিজ আন-নাসায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট নাফে থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে উমর হাজরে আসওয়াদ থেকে দ্রুত পদক্ষেপে চলতেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
34 - (10) أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي مَعْشَرٍ السُّلَمِيُّ الْحَرَّانِيُّ وَأَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْخَثْعَمِيُّ بِالْكُوفَةِ قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ وَهُوَ ابْنُ مُوسَى الْفَزَارِيُّ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ رَمَلَ مِنَ الْحَجَرِ إِلَى الْحَجَرِ. جَمِيعُهُمْ لَفْظًا وَاحِدًا. قَالَ الْحَاكِمُ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَيْشِيِّ عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَمَلَ مِنَ الْحَجَرِ إِلَى الْحَجَرِ. وَبِصِحَّةِ مَا ذَكَرْتُهُ.
৩৪ - (১০) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আরূবাহ আল-হুসাইন ইবনে আবি মাশার আস-সুলামী আল-হাররানী এবং কূফায় আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-খাসআমি। তাঁরা বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসমাঈল—আর তিনি হলেন ইবনে মূসা আল-ফাযারী—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক অর্থাৎ ইবনে আনাস, তিনি নাফে’ থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবনে উমর পাথর (হাজরুল আসওয়াদ) থেকে পাথর পর্যন্ত রমল (দ্রুত পদচারণা) করেছেন। তাঁদের সকলের বর্ণনা অভিন্ন শব্দে। আল-হাকিম বলেন: এই হাদীসটি আবু আবদির রহমান উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আইশী সূত্রে মালিক থেকে, তিনি নাফে’ থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাথর থেকে পাথর পর্যন্ত রমল করেছেন। আর আমি যা উল্লেখ করেছি তা বিশুদ্ধ।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
35 - (11) أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيُّ بِسَمَرْقَنْدَ حَدَّثَنَا أَبُو غالب بن ابْنَةِ مُعَاوِيَةَ بْنِ عُمَرَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَائِشَةَ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَمَلَ مِنَ الْحَجَرِ إِلَى الْحَجَرِ.
৩৫ - (১১) সমরকন্দে আবু জাফর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুয়াবিয়া বিন ওমরের দৌহিত্র আবু গালিব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনে আইশাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মালিক বিন আনাস নাফে থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) পাথর থেকে পাথর পর্যন্ত রমল করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
36 - (12) أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ الْهَاشِمِيُّ بِبَغْدَادَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ يَعْنِي ابْنَ نَضْلَةَ الْخُزَاعِيَّ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ وَأَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنِي مَالِكٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ فَأَهْلَلْنَا بِعُمْرَةٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ كَانَ مَعَهُ هَدْيٌ فَلْيُهِلَّ بِالْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ ثُمَّ لا يَحِلَّ حَتَّى يَحِلَّ مِنْهُمَا جَمِيعًا. قَالَتْ فَقَدِمْتُ مَكَّةَ وَأَنَا حَائِضٌ فَلَمْ أَطُفْ بِالْبَيْتِ وَلا بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَشَكَوْتُ ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ انْقُضِي رَأْسَكِ وَامْتَشِطِي وَأَهِلِّي بِالْحَجِّ وَدَعِي الْعُمْرَةَ. فَفَعَلْتُ فَلَمَّا قَضَيْنَا الحجر أَرْسَلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَعَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ⦗ص: 35⦘ أَبِي بَكْرٍ إِلَى التَّنْعِيمِ فَاعْتَمَرْتُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَذِهِ عُمْرَةٌ مَكَانَ عُمْرَتِكِ. قَالَتْ فَطَافَ الَّذِينَ أَهَلُّوا بِالْعُمْرَةِ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ حَلُّوا ثُمَّ طَافُوا طَوَافًا آخَرَ بَعْدَ أَنْ رَجَعُوا مِنْ مِنًى لِحَجِّهِمْ فَأَمَّا الَّذِينَ كَانُوا جَمَعُوا بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ فَإِنَّهُمْ طَافُوا طَوَافًا وَاحِدًا.
৩৬ - (১২) বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ আল-হাশিমী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন সুলাইমান অর্থাৎ ইবনে নাদলাহ আল-খুযায়ী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক অর্থাৎ ইবনে আনাস; এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ; এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হাকাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব; আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মালিক, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমরা বিদায় হজের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে বের হলাম এবং উমরার ইহরাম বাঁধলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, "যার সাথে কুরবানীর পশু রয়েছে, সে যেন হজ ও উমরার ইহরাম বাঁধে, অতঃপর সে উভয়টি সম্পন্ন করে হালাল হওয়ার আগে হালাল হবে না।" তিনি (আয়েশা) বললেন, আমি মক্কায় পৌঁছালাম এমতাবস্থায় যে আমি ঋতুবতী ছিলাম, ফলে আমি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করিনি এবং সাফা ও মারওয়ার মাঝে সায়ীও করিনি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট সেই অভিযোগ জানালে তিনি বললেন, "তোমার মাথার চুল খুলে ফেল, চিরুনি করো এবং হজের ইহরাম বাঁধো আর উমরা বর্জন করো।" আমি তা-ই করলাম। অতঃপর যখন আমরা হজ পালন শেষ করলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে আব্দুর রহমান বিন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘ আবু বকরের সাথে তানঈমে পাঠালেন এবং আমি উমরা সম্পাদন করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, "এটি তোমার সেই উমরার স্থলাভিষিক্ত উমরা।" তিনি (আয়েশা) বললেন, যারা কেবল উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন তারা বাইতুল্লাহর তাওয়াফ এবং সাফা ও মারওয়ার মাঝে সায়ী সম্পন্ন করে হালাল হলেন। অতঃপর তারা মিনা থেকে ফিরে আসার পর হজের জন্য পুনরায় আরেকটি তাওয়াফ করলেন। কিন্তু যারা হজ ও উমরা উভয়টি একত্রিত করেছিলেন, তারা কেবল একটি তাওয়াফই করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
37 - (13) حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ زِيَادٍ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيَّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيِّ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إنما الأعمال بالنيات وَإِنَّمَا لامْرِئٍ مَا نَوَى فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ.
৩৭ - (১৩) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম ইবন যিয়াদ আত-তয়ালিসী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব অর্থাৎ আহমাদ ইবন আবী বকর আজ-জুহরী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক ইবন আনাস, তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-আনসারী, তিনি মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম আত-তাইমী থেকে, তিনি আলক্বামাহ ইবন ওয়াক্কাস আল-লায়সী থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যার সে নিয়ত করেছে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হয়, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া অর্জনের জন্য অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার জন্য হয়, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।”
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
38 - (14) حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شُعَيْبٍ الْغَازِيُّ بِطَبَرِسْتَانَ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَدَنِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ حُمَيْدٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ حَجَمَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبُو طَيْبَةَ فَأَمَرَ لَهُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصَاعٍ مِنْ تَمْرٍ وَأَمَرَ أَهْلَهُ أَنْ يُخَفِّفُوا مِنْ خَرَاجِهِ.
৩৮ - (১৪) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন শুআইব আল-গাজি তাবারস্তানে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইসমাইল আল-মাদানি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মালিক বিন আনাস, তিনি হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু তাইবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সিঙা লাগিয়েছিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এক সা' পরিমাণ খেজুর প্রদানের নির্দেশ দেন এবং তার মালিকদের নির্দেশ দেন যেন তারা তার প্রদেয় কর কমিয়ে দেয়।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
39 - (15) حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ بِبَغْدَادَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ سَعِيدٍ الإِسْكَنْدَرَانِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكٌ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ ابْنِ السَّبَّاقِ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ عَمْرِو بْنُ السَّرْجِ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ عَنْ مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنِ ابْنِ السَّبَّاقِ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي جُمُعَةٍ مِنَ الْجُمَعِ قَالَ يَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ إِنَّ هَذَا يَومٌ جَعَلَهُ اللَّهُ عِيدًا لِلْمُسْلِمِينَ فَاغْتَسِلُوا وَمَنْ كَانَ عِنْدَهُ طِيبٌ فَلا يَضُرَّهُ أَنْ يَمَسَّ مِنْهُ وَعَلَيْكُمْ بِالسِّوَاكِ. هَذَا لَفْظُ حَدِيثِ ابْنِ وَهْبٍ عَنْ مَالِكٍ وَكَانَ قَدَّمَهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ وَقَالَ فِي حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مَالِكٍ عَنِ ابْنِ السَّبَّاقِ بِمِثْلِهِ. ⦗ص: 40⦘ قَالَ الْحَاكِمُ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ صَالِحِ بْنِ أَبِي الأَخْضَرِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ السَّبَّاقِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَبِصِحَّةِ مَا ذَكَرْتُهُ.
৩৯ - (১৫) বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে আশ-আস আস-সিজিস্তানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে সাঈদ আল-ইসকান্দারানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক—অর্থাৎ ইবনে আনাস—ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনে আস-সাব্বাক থেকে। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহির—অর্থাৎ আহমদ ইবনে আমর ইবনে আস-সারজ—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, মালিক থেকে, ইবনে শিহাব থেকে, ইবনে আস-সাব্বাক থেকে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো এক জুমার দিনে বলেছেন: হে মুসলিম সম্প্রদায়! নিশ্চয়ই আল্লাহ এই দিনটিকে মুসলিমদের জন্য ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং তোমরা গোসল করো, আর যার নিকট সুগন্ধি আছে সে যেন তা ব্যবহার করে, এতে তার কোনো ক্ষতি হবে না; এবং তোমরা অবশ্যই মিসওয়াক করবে। এটি মালিকের সূত্রে ইবনে ওয়াহাবের বর্ণিত হাদিসের শব্দ। আর আবু বকর ইবনে আবু দাউদ একে আগে উল্লেখ করেছেন এবং ইয়াজিদ ইবনে সাঈদ সূত্রে মালিক থেকে ইবনে আস-সাব্বাক হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ আল-হাকিম বলেন: এই হাদিসটি সালিহ ইবনে আবিল আখদার সূত্রে যুহরি থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে আস-সাব্বাক থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে এবং আমি যা উল্লেখ করেছি তা সঠিক।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
40 - (16) حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ حَمْدُونِ بْنِ عُمَارَةَ حَدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ خَالِدٍ يَعْنِي الْوَاسِطِيَّ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ غُرَابٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ أَبِي الأَخْضَرِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ السَّبَّاقِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ هَذَا يَوْمَ عِيدٍ جَعَلَهُ اللَّهُ لِلْمُسْلِمِينَ فَمَنْ جَاءَ إِلَى الجمعة فليغتسل وإن كان طيبا فَلْيَمَسَّ مِنْهُ وَعَلَيْكُمْ بِالسِّوَاكِ.
৪০ - (১৬) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমদ ইবনে হামদুন ইবনে উমারা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার ইবনে খালিদ অর্থাৎ আল-ওয়াসিতি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে গুরাব, সালেহ ইবনে আবিল আখদার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে সাব্বাক থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই এটি ঈদের দিন যা আল্লাহ মুসলিমদের জন্য নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি জুমার সালাতে আসবে সে যেন গোসল করে, আর যদি সুগন্ধি থাকে তবে সে যেন তা ব্যবহার করে এবং তোমরা অবশ্যই মেসওয়াক করবে।”
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٤١)
41 - (17) أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ رَمِيسٍ الْقَصْرِيُّ بِالْقَصْرِ حَدَّثَنَا أَبُو حُذَافَةَ يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ السَّهْمِيَّ حَدَّثَنَا مَالِكٌ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ نَاسًا مِنَ الأَنْصَارِ سَأَلُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَعْطَاهُمْ ثُمَّ سَأَلُوهُ فَأَعْطَاهُمْ حَتَّى نَفِدَ مَا عِنْدَهُ فَقَالَ مَا يَكُونُ عِنْدِي مِنْ خَيْرٍ فَلَنْ أَدَّخِرَهُ عنكم وممن يَسْتَعْفِفْ يُعِفَّهُ اللَّهُ وَمَنْ يَسْتَغْنِ يُغْنِهِ اللَّهُ وَمَنْ يَتَصَبَّرْ يُصَبِّرْهُ اللَّهُ عز وجل وَمَا أُعْطِيَ أَحَدٌ عَطَاءً خَيْرًا وَأَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ.
41 - (১৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে রামীস আল-কাসরী, কাসর নামক স্থানে; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হুযাইফা অর্থাৎ আহমাদ ইবনে ইসমাঈল আস-সাহমী; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক অর্থাৎ ইবনে আনাস, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আনসারদের কিছু লোক আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাচনা করলেন। তিনি তাঁদের দান করলেন। তাঁরা আবারও যাচনা করলেন, তিনি আবারও তাঁদের দান করলেন। শেষ পর্যন্ত তাঁর নিকট যা ছিল তা নিঃশেষ হয়ে গেল। তখন তিনি বললেন: "আমার নিকট যে কল্যাণ (সম্পদ) থাকে, তা আমি তোমাদের না দিয়ে কখনোই জমা করে রাখব না। আর যে ব্যক্তি পবিত্র থাকার (যাচনা থেকে বিরত থাকার) চেষ্টা করে, আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখেন। আর যে ব্যক্তি অমুখাপেক্ষী হতে চায়, আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী করে দেন। আর যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণের চেষ্টা করে, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তাকে ধৈর্য দান করেন। আর ধৈর্যের চেয়ে উত্তম ও প্রশস্ততর কোনো দান কাউকে প্রদান করা হয়নি।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
42 - (18) أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ الْمَرْوَزِيُّ بِبَغْدَادَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ أَبُو يَحْيَى قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ أَدْرَكْتُ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُونَ كُلُّ شَيْءٍ بِقَدَرٍ قَالَ وَسَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ كُلُّ شَيْءٍ بقدر حتى العجز والكيس بقدر أَوِ الْكَيْسِ وَالْعَجْزِ.
৪২ - (১৮) বাগদাদে আবু আল-হাসান আলী ইবনুল মুবারক আল-মারওয়াযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল আ'লা ইবনে হাম্মাদ আবু ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক ইবনে আনাসের নিকট পাঠ করেছি, তিনি যিয়াদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি আমর ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি তাউস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (তাউস) বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এমন কিছু সাহাবীকে পেয়েছি যারা বলতেন, সবকিছুই তাকদীর অনুযায়ী হয়। তিনি (তাউস) বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি যে, সবকিছুই তাকদীর অনুযায়ী হয়, এমনকি অক্ষমতা ও বিচক্ষণতাও তাকদীর অনুযায়ী হয়, অথবা বলেছেন: বিচক্ষণতা ও অক্ষমতা।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
43 - (19) أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ بِبَغْدَادَ حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ يَعْنِي مُحَمَّدَ بْنَ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ فَقِيلَ هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ فَقَالَ ⦗ص: 43⦘ اقْتُلُوهُ.
৪৩ - (১৯) বাগদাদে আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশআস আস-সিজিস্তানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট লুওয়াইন—অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান—বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মালিক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কায় প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় ছিল শিরস্ত্রাণ। তখন বলা হলো, "এই যে ইবনে খাতাল কাবার পর্দার সাথে ঝুলে আছে।" তিনি বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ "তাকে হত্যা করো।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
44 - (20) أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الثَّقَفِيُّ أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ ابْنِ أُكَيْمَةَ اللَّيْثِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصَرَفَ مِنْ صَلاةٍ جَهَرَ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ فَقَالَ هَلْ قَرَأَ أَحَدٌ مِنْكُمْ مَعِي آنِفًا فَقَالَ رَجُلٌ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ إِنِّي أَقُولُ مَالِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ. قَالَ فَانْتَهَى النَّاسُ عَنِ الْقِرَاءَةِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيمَا جَهَرَ فِيهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْقِرَاءَةِ مِنَ الصَّلَوَاتِ حِينَ سَمِعُوا ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ ⦗ص: 44⦘ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
৪৪ - (২০) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবন ইসহাক আল-সাকাফি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কুতাইবাহ ইবন সাঈদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক অর্থাৎ ইবন আনাস, তিনি ইবন শিহাব থেকে, তিনি ইবন উকাইমাহ আল-লাইসি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি সালাত হতে অবসর হলেন যাতে তিনি উচ্চস্বরে কিরাত পাঠ করেছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ কি এইমাত্র আমার সাথে কিরাত পাঠ করেছ?" এক ব্যক্তি বললেন, "হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল।" তখন তিনি বললেন, "আমি মনে মনে বলছিলাম, কেন আমার থেকে কুরআনের কিরাত ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে (বা বিঘ্ন ঘটানো হচ্ছে)?" বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর যখন তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে এই কথা শুনলেন, তখন থেকে মানুষ সেই সব সালাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কিরাত পাঠ করা থেকে বিরত হলো যেগুলোতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উচ্চস্বরে কিরাত পাঠ করতেন ⦗পৃ: ৪৪⦘।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
45 - (21) حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ إِمْلاءً حَدَّثَنَا عُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْيَحْمَدِيُّ قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنِ الْعَلاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا السَّائِبِ مَوْلَى هِشَامِ بْنِ زُهْرَةَ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ صَلَّى صَلاةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ هِيَ خِدَاجٌ هِيَ خِدَاجٌ ⦗ص: 45⦘ غَيْرُ تَمَامٍ. قَالَ فَقُلْتُ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ إِنِّي أَحْيَانًا وَرَاءَ الإِمَامِ قَالَ فَغَمَزَ ذِرَاعِي ثُمَّ قَالَ اقْرَأْهَا يَا فَارِسِيُّ فِي نَفْسِكَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ قَالَ اللَّهُ عز وجل قَسَمْتُ الصَّلاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ نِصْفُهَا لِي وَنِصْفُهَا لِعَبْدِي يَقُولُ الْعَبْدُ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ يَقُولُ اللَّهُ حَمِدَنِي عَبْدِي يَقُولُ العبد الرحمن الرحيم يَقُولُ اللَّهُ أَثْنَى عَلَيَّ عَبْدِي يقول العبد ملك يوم الدين يَقُولُ اللَّهُ مَجَّدَنِي عَبْدِي وَهَذِهِ الآيَةُ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي إِيَّاكَ نعبد وإياك نستعين فَهُوَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ وَيَقُولُ الْعَبْدُ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ ⦗ص: 46⦘ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلا الضالين فَهُوَ لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ.
৪৫ - (২১) আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমাহ আমাদের কাছে শ্রুতিলিখন হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উতবাহ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ইয়াহমিদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি মালিক ইবনে আনাসের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আল-আলা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি হিশাম ইবনে যুহরার মুক্তদাস আবু সাইবকে বলতে শুনেছেন, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি এমন কোনো সালাত আদায় করল যাতে উম্মুল কুরআন (সূরা আল-ফাতিহা) পাঠ করল না, তবে তা ত্রুটিপূর্ণ, তা ত্রুটিপূর্ণ, তা ত্রুটিপূর্ণ ⦗পৃষ্ঠা: ৪৫⦘ অপূর্ণাঙ্গ।" তিনি (আবু সাইব) বলেন, আমি বললাম: হে আবু হুরায়রা, আমি তো কখনো কখনো ইমামের পেছনে থাকি। তখন তিনি আমার বাহুতে চাপ দিলেন এবং বললেন: হে পারস্যবাসী, তুমি তা নিজের মনে মনে পাঠ করো। কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ বলেন: "আমি সালাতকে আমার ও আমার বান্দার মধ্যে দুই ভাগে ভাগ করেছি; এর অর্ধেক আমার জন্য এবং অর্ধেক আমার বান্দার জন্য। যখন বান্দা বলে: 'সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য', তখন আল্লাহ বলেন: 'আমার বান্দা আমার প্রশংসা করল'। যখন বান্দা বলে: 'পরম করুণাময়, অতি দয়ালু', তখন আল্লাহ বলেন: 'আমার বান্দা আমার গুণগান করল'। যখন বান্দা বলে: 'বিচার দিবসের মালিক', তখন আল্লাহ বলেন: 'আমার বান্দা আমার মহিমা বর্ণনা করল'। আর এই আয়াতটি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে: 'আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি এবং কেবল আপনারই সাহায্য প্রার্থনা করি'। সুতরাং এটি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে, আর আমার বান্দা যা প্রার্থনা করবে তা-ই সে পাবে। আর যখন বান্দা বলে: 'আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন, তাদের পথ ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ যাদের ওপর আপনি অনুগ্রহ করেছেন, যাদের ওপর আপনার ক্রোধ আপতিত হয়নি এবং যারা পথভ্রষ্টও নয়'; তবে এটি আমার বান্দার জন্য, আর আমার বান্দা যা প্রার্থনা করবে তা-ই সে পাবে।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
46 - (22) حَدَّثَنَا أَبُو قُرَيْشٍ مُحَمَّدُ بْنُ جُمْعَةَ بْنِ خَلَفٍ الْحَافِظُ الْقُهُسْتَانِيُّ حَدَّثَنَا يَحْيَى يَعْنِي ابْنَ سُلَيْمَانَ بْنِ نَضْلَةَ الْخُزَاعِيَّ حَدَّثَنِي مَالِكٌ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ أَنَّ عَبْدَ الْحَمِيدِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ حَدَّثَهُ أَنَّ مُسْلِمَ بْنَ يَسَارٍ الْجُهَنِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّ عُمَرَ سُئِلَ عَنْ هَذِهِ الآيَةِ: (وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِي آدَمَ مِنْ ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ عَلَى أَنْفُسِهِمْ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ قَالُوا بَلَى شَهِدْنَا أَنْ تَقُولُوا يوم القيامة .. .) الآيَةَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُسْأَلُ عَنْهَا فَقَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ خَلَقَ آدَمَ ومسح على ظَهْرَهُ بِيَمِينِهِ ثُمَّ اسْتَخْرَجَ مِنْهُ ذريته فَقَالَ هَؤُلاءِ لِلنَّارِ ⦗ص: 47⦘ وَبِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ يَعْمَلُونَ. فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَفِيمَ الْعَمَلُ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ إِذَا خَلَقَ الْعَبْدَ لِلْجَنَّةِ اسْتَعْمَلَهُ لِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ حَتَّى يَمُوتَ عَلَى عَمَلٍ بِأَعْمَالِ الْجَنَّةِ فَيُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ وإذا خلق العبد للنار استعلمه بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ حَتَّى يَمُوتَ عَلَى عَمَلٍ مِنْ أَعْمَالِ أَهْلِ النَّارِ فَيُدْخِلَهُ النَّارَ. قَالَ الْحَاكِمُ هَكَذَا قَالَ أَبُو قُرَيْشٍ أَنَّ عَبْدَ الْحَمِيدِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدٍ حَدَّثَهُ وَذِكْرُ الْحَسَنِ فِي نِسْبَةِ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدٍ خَطَأٌ وَهُوَ عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ الْقُرَشِيُّ الْعَدَوِيُّ مَشْهُورُ النَّسَبِ سَمِعَ مُسْلِمَ بْنَ يَسَارٍ الْجُهَنِيَّ وَمِقْسَمَ بْنَ بُجْرَةَ أَبَا الْقَاسِمِ حَدَّثَ عَنْهُ الْحَكَمُ بْنُ عُتَيْبَةَ بْنِ النَّهَّاسِ أَبُو مُحَمَّدٍ الْكِنْدِيُّ وَأَبُو أُسَامَةَ زَيْدُ بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ الْغَنَوِيُّ كَانَ عَامِلَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَلَى الْكُوفَةِ.
৪৬ - (২২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইশ মুহাম্মদ ইবনে জুমুআ ইবনে খালাফ আল-হাফিজ আল-কুহুস্তানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া অর্থাৎ ইবনে সুলাইমান ইবনে নাদলা আল-খুজাঈ, তিনি বলেন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক অর্থাৎ ইবনে আনাস, তিনি জায়েদ ইবনে আবি উনাইসাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল হামিদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে জায়েদ ইবনে আল-খাত্তাব তাঁকে জানিয়েছেন যে, মুসলিম ইবনে ইয়াসার আল-জুহানি তাঁকে জানিয়েছেন যে, উমর (রা.)-কে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: (আর যখন আপনার রব আদম সন্তানদের পিঠ থেকে তাদের বংশধরদের বের করলেন এবং তাদেরকে তাদের নিজেদের ওপর সাক্ষী রাখলেন [এই বলে], "আমি কি তোমাদের রব নই?" তারা বলেছিল, "হ্যাঁ, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি", পাছে তোমরা কিয়ামতের দিন বলো...) - আয়াতটি। উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আদমকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর ডান হাত দিয়ে তার পিঠে স্পর্শ করেছেন, এরপর তার থেকে তার বংশধরদের বের করেছেন এবং বলেছেন, এরা জাহান্নামের জন্য ⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘ এবং তারা জাহান্নামবাসীদের আমলই করবে।" তখন এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে আমল করার প্রয়োজন কী? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ যখন কোনো বান্দাকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তাকে জান্নাতবাসীদের আমলের কাজে নিয়োজিত করেন, এমনকি সে জান্নাতবাসীদের আমলের ওপরই মৃত্যুবরণ করে, ফলে তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান। আর যখন কোনো বান্দাকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তাকে জাহান্নামবাসীদের আমলের কাজে নিয়োজিত করেন, এমনকি সে জাহান্নামবাসীদের আমলের ওপরই মৃত্যুবরণ করে, ফলে তিনি তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করান।" ইমাম আল-হাকিম বলেন, আবু কুরাইশ এভাবেই বলেছেন যে, আবদুল হামিদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে জায়েদ তাঁকে বর্ণনা করেছেন। আর আবদুল হামিদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে জায়েদের বংশপরিচয় বর্ণনায় 'আল-হাসান' উল্লেখ করা ভুল। তিনি হলেন আবদুল হামিদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে জায়েদ ইবনে আল-খাত্তাব আল-কুরাশি আল-আদাভি, যাঁর বংশপরিচয় সুপ্রসিদ্ধ। তিনি মুসলিম ইবনে ইয়াসার আল-জুহানি এবং মিকসাম ইবনে বুজরাহ আবুল কাসিম থেকে শুনেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আল-হাকাম ইবনে উতাইবাহ ইবনে আন-নাহহাস আবু মুহাম্মদ আল-কিন্দি এবং আবু উসামাহ জায়েদ ইবনে আবি উনাইসাহ আল-গানাভি, যিনি কুফায় উমর ইবনে আবদুল আজিজের নিযুক্ত গভর্নর ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
47 - (23) أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ بِبَغْدَادَ حَدَّثَنَا مُصْعَبٍ يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيَّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ⦗ص: 48⦘ مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ فَرَأَى خَيْرًا مِنْهَا فَلْيُكَفِّرْ عَنْ يَمِينِهِ وَلْيَفْعَلِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ.
৪৭ - (২৩) আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুসআব অর্থাৎ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-জুবাইরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক বিন আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সোহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ে শপথ করে, অতঃপর সে তার চেয়ে উত্তম কিছু দেখতে পায়, তবে সে যেন তার শপথের কাফফারা আদায় করে এবং যা উত্তম তাই যেন করে।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
48 - (24) أَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ حُمَيْدٍ التَّاجِرُ بِبَغْدَادَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُصْعَبٍ الزُّهْرِيُّ يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ أَبِي بَكْرٍ عَنْ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ مِنَ الثِّيَابِ قَالَ لا تَلْبَسُوا الْقُمُصَ وَلا الْعَمَائِمَ وَلا السَّرَاوِيلاتِ وَلا الْبَرَانِسَ وَلا الْخُفَّيْنِ إِلا مَنْ لا يَجِدُ نَعْلَيْنِ فَمَنْ لَمْ يَجِدِ النَّعْلَيْنِ فليلبس الخفين وليقطعها أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ وَلا تَلْبَسُوا شَيْئًا مِنَ الثِّيَابِ مَسَّهُ زَعْفَرَانٌ وَلا وَرْسٌ.
৪৮ - (২৪) বাগদাদের আবু বকর মুহাম্মদ ইবন হারুন ইবন হুমাইদ আত-তাজির আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুসআব আজ-জুহরি অর্থাৎ আহমদ ইবন আবু বকর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি মালিক ইবন আনাস থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, মুহরিম ব্যক্তি কী পোশাক পরিধান করবে? তিনি বললেন: "তোমরা কামিজ, পাগড়ি, পায়জামা, টুপিবিশিষ্ট চাদর এবং চামড়ার মোজা পরিধান করবে না। তবে যার জুতা নেই, সে যেন চামড়ার মোজা পরিধান করে এবং তা টাখনুর নিচ থেকে কেটে ফেলে। আর তোমরা এমন কোনো পোশাক পরিধান করো না যাতে জাফরান বা ওয়ারস স্পর্শ করেছে।"
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
49 - (25) حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْوَاسِطِيُّ بِبَغْدَادَ حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ الْحَدَثَانِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ لا يقبض العلم انتزاعا ولكن ينتزعه من الناس ويقبض الْعِلْمَ بِقَبْضِ الْعُلَمَاءِ حَتَّى إِذَا لَمْ يُبْقِ عَالِمًا اتَّخَذَ النَّاسَ رؤوسا جُهَّالا فَاسْتُفْتُوا فَأَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا.
৪৯ - (২৫) আমাদের কাছে বাগদাদে আবু বকর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলায়মান আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে সুওয়াইদ বিন সাঈদ আল-হাদাছানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মালিক বিন আনাস বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ জ্ঞানকে (মানুষের অন্তর থেকে) ছিনিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে তুলে নেবেন না, বরং আলেমদের মৃত্যু প্রদানের মাধ্যমে তিনি জ্ঞান তুলে নেবেন। এমনকি যখন তিনি কোনো আলেম অবশিষ্ট রাখবেন না, তখন মানুষ মূর্খদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে। তাদের নিকট ফতোয়া চাওয়া হবে, আর তারা জ্ঞান ছাড়াই ফতোয়া দেবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে।
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٥١)
50 - (26) أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مَرْوَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْبَزَّازُ بِدِمَشْقَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ يَعْنِي ابْنَ عَمَّارٍ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ بِلَبَنٍ قَدْ شِيبَ بِمَاءٍ وَعَنْ يَمِينِهِ أَعْرَابِيٌّ وَعَنْ يَسَارِهِ أَبُو بَكْرٍ فَشَرِبَ ثُمَّ أَعْطَى الأَعْرَابِيَّ ثُمَّ قَالَ الأَيْمَنَ فَالأَيْمَنَ.
৫০ - (২৬) দামেস্কে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়ান ইবনে আব্দুল মালিক আল-বাজজায, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হিশাম অর্থাৎ ইবনে আম্মার, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি বলেন, আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আয-যুহরী, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পানি মিশ্রিত দুধ আনা হলো। তখন তাঁর ডান পাশে একজন বেদুঈন এবং বাম পাশে আবু বকর (রা.) বসা ছিলেন। তিনি তা পান করলেন, অতঃপর বেদুঈনকে দিয়ে দিলেন এবং বললেন: “ডান দিকের জন অগ্রগণ্য, অতঃপর ডান দিকের জন।”
(খণ্ড: ১)
আওয়ালী মালিক রিওয়ায়াতু আবী আহমাদ আল-হাকিম
(পৃষ্ঠা: ٥١)
51 - (27) أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي مَعْشَرٍ الْحَرَّانِيُّ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُوسَى يَعْنِي الْفَزَارِيَّ أَخْبَرَنَا مَالِكٍ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَابِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَمَلَ مِنَ الْحَجَرِ إِلَى الْحَجَرِ.
৫১ - (২৭) আবু আরুবাহ আল-হুসাইন বিন আবি মাশার আল-হাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাইল বিন মুসা অর্থাৎ আল-ফাযারি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মালিক অর্থাৎ ইবনে আনাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি জা’ফর বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাথর থেকে পাথর পর্যন্ত রমল করেছেন।