(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: -)
العزلة والانفراد القسم: كتب السنة
الكتاب : العزلة والانفراد
المؤلف : أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (المتوفى : 281هـ)
المحقق : مسعد عبد الحميد محمد السعدني
الناشر : مكتبة الفرقان - القاهرة
عدد المجلدات :1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 81
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-উযলাহ ওয়াল-ইনফিরাদ (নিঃসঙ্গতা ও নির্জনতা) বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ : আল-উযলাহ ওয়াল-ইনফিরাদ
লেখক : আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন উবাইদ বিন সুফিয়ান বিন কায়েস আল-বাগদাদী আল-উমাবী আল-কুরাশী, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু : ২৮১ হিজরি)
গবেষক : মুসআদ আব্দুল হামিদ মুহাম্মাদ আস-সাদানি
প্রকাশক : মাকতাবাতুল ফুরকান - কায়রো
খণ্ড সংখ্যা : ১
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮১
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١)
ـ[العزلة والانفراد]ـ
المؤلف: أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (المتوفى: 281هـ)
المحقق: مسعد عبد الحميد محمد السعدني
الناشر: مكتبة الفرقان - القاهرة
عدد المجلدات: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع وهو مذيل بالحواشي]
--------------------------------------------
-[একাকীত্ব ও নির্জনবাস]-
লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কায়স আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু: ২৮১ হিজরি)
গবেষক: মুসআদ আব্দুল হামিদ মুহাম্মদ আস-সাদানি
প্রকাশক: মাকতাবাতুল ফুরকান - কায়রো
খণ্ড সংখ্যা: ১
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর ছাপানো কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এতে টীকা সংযোজন করা হয়েছে]
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة التحقيق إن الحمد لله نحمده ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، واشهد أن لا إله إلَاّ الله وحده لا شريك له، وأشهذ أن محمدًا عبده ورسوله.
أمّا بعد:
فإن أصدق الحديث كتاب الله، وخير الهدي هدي محمد صلى الله عليه وسلم، وشر الأمور محدثاتها، وكل محدثة بدعة، وكل بدعة ضلالة، وكل ضلالة في النار.
وبعد: فهذا كتاب للإمام الحافظ الواعظ ابن أبي الدنيا، فيه حثٌّ على العزلة، وترغيب في الإنفراد، وترك المخالطة.
والعُزلة اختلف فيها الناس بين مؤيد لها، وبين رافض لها.
فذهب إلى اختيار العزلة، وتفضيلها على المخالطة: سفيان الثوري، وإبراهيم بن أدهم، وداود الطائي، وفضيل بن عياض، وسليمان الخواص، ويوسف بن أسباط، وحذيفة المرعشي، وبشر الحافي، كذا في " الإحياء " (2/22) .
أمّا من رفضها وفضل المخالطة: سعيد بن المسيب، والشَّعبي، وابن أبي ليلى، وهشام بن عروة، وابن شبرمة، وشُريح القاضي، وشريك بن عبد الله، وسفيان بن عيينة، وعبد الله بن المبارك، ومحمد بن إدريس الشافعي، وأحمد ابن جنبل، وجماعة. الإحياء (2/222) .
وقد احتجَّ هؤلاء بما رواه مسلم وغيره، من حديث أبي هريرة، مرفوعًا بلفط: " من ترك الجماعة فمات فميتته جاهلية ".
قال الغزالي أبو حامد في " الإحياء " (2/222) : " وهذا ضعيف ـ أي رأي ضعيف وليس الحديث ـ لأن المراد به: الجماعة التي اتفقت آراؤهم على لإمام بعقد البيعة، فالخروج عليهم بغي، وذلك مخالفة بالرأي وخروج عليهم، وذلك محظور لاضطرار الخلق إلى الإمام يجمع رأيهم، ولا يكون ذلك إلَاّ بالبيعة
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
সম্পাদকের ভূমিকা নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি এবং তাঁরই কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের আমলের মন্দ দিকগুলো থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ দেখান তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
অতঃপর:
নিশ্চয়ই সর্বোত্তম কথা আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম পথনির্দেশনা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পথনির্দেশনা। আর নিকৃষ্টতম কাজ হলো দ্বীনের মধ্যে নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ, এবং প্রতিটি নব উদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত, প্রতিটি বিদআত ভ্রষ্টতা, আর প্রতিটি ভ্রষ্টতা জাহান্নামে।
অতঃপর: এটি ইমাম হাফেজ ওয়ায়েজ ইবনু আবিদ দুনিয়ার একটি গ্রন্থ। এতে নির্জনবাসের প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে এবং একাকীত্ব অবলম্বন ও মেলামেশা ত্যাগের ব্যাপারে অনুপ্রাণিত করা হয়েছে।
নির্জনবাসের (উযলত) ব্যাপারে মানুষের মধ্যে মতভেদ রয়েছে—একদল এর সমর্থক এবং অন্যদল এর বিরোধী।
নির্জনবাসকে গ্রহণ করা এবং মেলামেশার চেয়ে একে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন: সুফিয়ান আস-সাওরি, ইবরাহিম বিন আদহাম, দাউদ আত-তাঈ, ফুদাইল বিন ইয়াদ, সুলাইমান আল-খাওয়াস, ইউসুফ বিন আসবাত, হুজাইফা আল-মারআশি এবং বিশর আল-হাফি। "আল-ইহয়া" (২/২২) গ্রন্থে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে।
পক্ষান্তরে যারা এটি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং মেলামেশাকে প্রাধান্য দিয়েছেন তারা হলেন: সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব, আশ-শাবি, ইবনু আবি লায়লা, হিশাম বিন উরওয়াহ, ইবনু শুবরুমাহ, শুরাইহ আল-কাদি, শারিক বিন আব্দুল্লাহ, সুফিয়ান বিন উয়াইনা, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক, মুহাম্মদ বিন ইদরিস আশ-শাফিঈ, আহমাদ ইবনু হাম্বল এবং একটি দল। আল-ইহয়া (২/২২২)।
এঁরা মুসলিম ও অন্যান্যদের বর্ণিত আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত মারফূ হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করেছেন যার শব্দ হলো: "যে ব্যক্তি জামাত ত্যাগ করল এবং মারা গেল, তার মৃত্যু জাহেলিয়াতের মৃত্যু।"
আবু হামিদ আল-গাজালি "আল-ইহয়া" (২/২২২) গ্রন্থে বলেন: "আর এটি দুর্বল—অর্থাৎ এটি একটি দুর্বল মত, হাদিসটি দুর্বল নয়—কেননা এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: এমন এক জামাত যাদের মতামত বায়আত গ্রহণের মাধ্যমে একজন ইমামের ওপর ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা হলো সীমালঙ্ঘন; আর তা হলো মতাদর্শগত বিরোধিতা ও তাদের বিরুদ্ধে চলে যাওয়া। এটি নিষিদ্ধ, কারণ সৃষ্টির জন্য এমন একজন ইমাম অপরিহার্য যিনি তাদের মতামতের ঐক্য রক্ষা করবেন, আর তা বায়আত ছাড়া সম্ভব নয়।"
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٤)
من الأكثر، فالمخالفة تشويش مثير للفتنة، فليس في هذا تعرض للعزلة اهـ.
وللمزيد انظر: الإحياء (2/222 ـ 224) .
وعن فوائد العزلة، يقول الغزالي في: الإحياء " (2/226 ـ وما بعدها) :
الفائدة الأولى: التفرغ للعبادة والفكر والاستئناس بمناجات الله تعالى عن مناجاة الخلق.
الفائدة الثانية: التخلص بالعزلة عن المعاصي التي يتعرض الإنسان لها غالبًا بالمخالطة، ويسلم منها في الخلوة، وهي أربع " الغيبة، والنميمة، والرياء، والسكوت عن الأمر بالمعروف الونهي عن المنكر، ومسارقة الطبع من الأخلاق الرديئة، والأعمال الخبيثة التي يوجبها الحرص على الدنيا.
الفائدة الثالثة: الخلاص من الفتن والخصومات وصيانة الدين والنفس عن الخوض فيها والتعرض لأخطارها، وقلما تخلو البلاد عن تعصبات وفتن وخصومات، فالمعتزل عنهم في سلامة منها.
الفائدة الرابعة: الخلاص من شر الناس.
الفائدة الخامسة: أن ينقطعَ الناسُ عنك، وينقطع طمعك عن الناس.
الفائدة السادسة: الخلاص من مشاهدة الثقلاء، والحمقى، ومقاساة حمقهم وأخلاقهم، فإن رؤية الثقيل هي العمى الأصغر. اهـ بتصرف.
وقال أبو حاتم بن حِبَّان في " روضة العقلاء " (ص 81) : " الواجب على العاقل لزوم الاعتزال عن الناس عامًا، مع توقي مخالطتهم؛ إذ الاعتزال من الناس لو يُكَدِّر وجود السلامة بلزوم السبب المؤدي إلى المناقشة ".
وللمزيد انظر: مختصر منهاج القاصدين (ص 111 ـ 114) ، وموعظة المؤمنين للقاسمي (2/132) ، والأمر بالعزلة، لابن الوزير (ص 27 ـ وما بعده / ط. دار الصحابة للتراث) .
অধিকাংশের বিপরীত চলা ফেতনা সৃষ্টিকারী বিভ্রান্তি, তাই এতে নির্জনবাসের অবকাশ নেই। (সমাপ্ত)
বিস্তারিত জানতে দেখুন: আল-ইহ্ইয়া (২/২২২-২২৪)।
নির্জনবাসের উপকারিতা সম্পর্কে আল-গাজালী 'আল-ইহ্ইয়া' (২/২২৬ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা)-তে বলেন:
প্রথম উপকারিতা: ইবাদত ও চিন্তার জন্য অবসর লাভ এবং সৃষ্টির সাথে কথোপকথনের পরিবর্তে মহান আল্লাহর সাথে নিভৃত আলাপের মাধ্যমে প্রশান্তি অর্জন।
দ্বিতীয় উপকারিতা: নির্জনবাসের মাধ্যমে সেই সব পাপাচার থেকে মুক্তি পাওয়া যা মেলামেশার কারণে সাধারণত মানুষকে পেয়ে বসে এবং নির্জনে থাকলে তা থেকে নিরাপদ থাকা যায়। সেগুলো চারটি: গিবত, চোগলখোরি, রিয়া, এবং সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ ত্যাগ করে নীরব থাকা। এছাড়া দুনিয়াপ্রেমের কারণে স্বভাবজাতভাবে সংক্রমিত মন্দ চরিত্র ও নিকৃষ্ট কাজগুলো থেকেও রক্ষা পাওয়া।
তৃতীয় উপকারিতা: ফিতনা-ফ্যাসাদ ও বিবাদ থেকে মুক্তি এবং এগুলোতে লিপ্ত হওয়া ও এর বিপদ থেকে দ্বীন ও জানকে রক্ষা করা। জনপদগুলো দলাদলি, ফিতনা ও বিবাদমুক্ত হওয়া বিরল, তাই নির্জনবাস অবলম্বনকারী এগুলো থেকে নিরাপদে থাকেন।
চতুর্থ উপকারিতা: মানুষের অনিষ্ট থেকে মুক্তি।
পঞ্চম উপকারিতা: তোমার থেকে মানুষের প্রত্যাশা বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং মানুষের প্রতি তোমার লালসা ছিন্ন হওয়া।
ষষ্ঠ উপকারিতা: বিরক্তিকর ও নির্বোধ লোকদের দেখা এবং তাদের বোকামি ও স্বভাব সহ্য করা থেকে মুক্তি লাভ। কারণ বিরক্তিকর লোককে দেখা যেন ক্ষুদ্র অন্ধত্ব। (সংক্ষিপ্ত ও পরিমার্জিত)
আবু হাতিম বিন হিব্বান ‘রাওদাতুল উক্বালা’ (পৃষ্ঠা ৮১)-তে বলেন: "বিচক্ষণ ব্যক্তির কর্তব্য হলো সাধারণভাবে মানুষের থেকে নির্জনতা অবলম্বন করা এবং তাদের সাথে মেলামেশা থেকে সতর্ক থাকা; কারণ মানুষের থেকে নির্জনতা অবলম্বন যদি নিরাপত্তার কারণ হয়, তবে তাদের সাথে মেলামেশা তর্কের কারণ হয়ে সেই নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে।"
বিস্তারিত জানতে দেখুন: মুখতাসারু মিনহাজিল কাসিদিন (পৃষ্ঠা ১১১-১১৪), কাসিমীর মাওয়ায়িজুল মুমিনিন (২/১৩২), এবং ইবনুল উযীরের আল-আমর বিল উযলাহ (পৃষ্ঠা ২৭ এবং পরবর্তী / দারুস সাহাবাহ লিত-তুরাস সংস্করণ)।
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٥)
آفات العزلة:
أمّا آفات العزلة فهي سبع، في العزلة حرمان منها وابتعاد عنها وهي:
1 - التعليم والتعلم، وهما أعظم العبادات، والعزلة قبل تعلم العلم المفروض عصيان.
2 - النفع والانتفاع، لأن كلاٌّ منهما بالمخالطة.
3 - التأديب والتأدب، بقهر الشهوات، وهو أفضل من العزلة لمن لم تتهذب بعد أخلاقه.
4 - الاستئناس والإيناس، وذلك قد يكون حرامًا، كمجالس الغيبة واللهو وقد يكون مباحًا في الدين، كمجالسة المشايخ، وأهل العلم.
5 - في نيل الثواب وإنالته، وذلك بحضور الصلوات الخمس في جماعة، وصلاة العيدين، وعيادة المريض، وحضرو الجنائز، وغيرها، وهذا لا يأتي إلَاّ بالمخالطة.
6 - التجارب في كل شيء، وهذا لا يأتي إلَاّ بالمخالطة.
7 - التواضع، ولايقدر عليه من الوحدة، وقد يكون أيضًا أكبر سبب في اختيار العزلة.
وانظر للمزيد " الإحياء (2/236 ـ 134) .
قلت: وجملة القول في هذه المسألة ما قاله عليُّ ملا القاريّ في " مرقاة المفاتيح " (4/743) : " والمختار هو: التوسط بين العُزلةِ عن أكثر الناسِ وعوامِّهم، والخُلطة بالصاحين، والاجتماع مع عامتهم في نحو جمعهم وجماعتهم " اهـ.
وكتابنا هذا سيوضح هذا الموضوع بجلاء، والله الموفق لما فيه الخير.
كتبه
مسعد عبد الحميد محمد السعدنى
عفا الله عنه وعن والديه
নির্জনবাসের অপকারিতাসমূহ:
নির্জনবাসের অপকারিতা হলো সাতটি; নির্জনবাসে এসব থেকে বঞ্চিত থাকতে হয় এবং এসব থেকে দূরে থাকতে হয়। সেগুলো হলো:
১ - শিক্ষা ও শিক্ষা দান; এ দুটি সর্বোত্তম ইবাদত। আর ফরয ইলম অর্জন করার পূর্বেই নির্জনবাস অবলম্বন করা একটি অবাধ্যতা।
২ - উপকার করা ও উপকার লাভ করা; কারণ এ দুটির প্রতিটিই সামাজিক মেলামেশার মাধ্যমে অর্জিত হয়।
৩ - আদব শিক্ষা দান ও আদব গ্রহণ; কুপ্রবৃত্তিকে দমনের মাধ্যমে এটি অর্জিত হয়। যার চরিত্র এখনো মার্জিত হয়নি, তার জন্য নির্জনবাসের চেয়ে এটিই উত্তম।
৪ - সখ্যতা স্থাপন ও সাহচর্য দান; এটি কখনো হারাম হতে পারে, যেমন গীবত ও অনর্থক ক্রীড়া-কৌতুকের মজলিস। আবার কখনো দ্বীনের দৃষ্টিতে বৈধ হতে পারে, যেমন মাশায়েখ ও ইলম চর্চাকারীদের মজলিসে বসা।
৫ - সওয়াব অর্জন ও সওয়াব লাভে সহযোগিতা করা; এটি অর্জিত হয় জামাআতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়, দুই ঈদের সালাত, অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া, জানাজায় অংশগ্রহণ করা এবং এই জাতীয় অন্যান্য কাজের মাধ্যমে। আর এগুলো সামাজিক মেলামেশা ব্যতীত সম্ভব নয়।
৬ - সকল বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন; এটিও সামাজিক মেলামেশা ব্যতীত সম্ভব হয় না।
৭ - বিনয়; একাকী থেকে এটি অর্জন করা সম্ভব নয়। আবার এটিই নির্জনবাস বেছে নেওয়ার অন্যতম প্রধান কারণও হতে পারে।
আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন: "আল-ইহয়া" (২/১৩৪-২৩৬)।
আমি বলি: এই মাসআলায় সারকথা হলো তাই যা আলী মোল্লা আল-কারী 'মিরকাতুল মাফাতিহ' (৪/৭৪৩) গ্রন্থে বলেছেন: "পছন্দনীয় মত হলো: অধিকাংশ মানুষ ও সাধারণ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা এবং সচেতন নেককারদের সাথে মেলামেশা করা, আর সাধারণ মানুষের সাথে জুমুআ ও জামাআতের মতো ক্ষেত্রগুলোতে একত্রিত হওয়ার মাধ্যমে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা।" সমাপ্ত।
আমাদের এই বইটি এ বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করবে। আল্লাহই কল্যাণের তাওফীক দানকারী।
এটি লিখেছেন
মুসআদ আব্দুল হামীদ মুহাম্মাদ আল-সা'দানী
আল্লাহ তাকে এবং তার পিতা-মাতাকে ক্ষমা করুন।
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٦)
ترجمة مختصرة لابن أبي الدنيا هو: أبو عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عبيد بن سفيان بن قيس، القرشي الأموي، البغدادي، المشهور بابن أبي الدنيا.
ولد ببغداد سنة 208 هـ وكانت أسرته بيت علم وصلاح، فأبوه من العلماء المهتمين بالحديث ورواته، وهذا مما ساهم في نشأته العلمية، وتكوينه في وقت مبكر.
وشيوخه كثيرون، حتى قال الذهبي عنه: " وقد جمع شيخنا أبو الحجاج أسماء شيوخه على المعجم، وهم خلق كثير ".
ومن مشايخه: عليُّ بن الجَعْد، وخالد بن خداش، وغيرهما.
وقال ابن الجوزي: " كان ذا مروءة، ثقةً، صدوقًا ".
وقال الذهبي: " المحدث العالم الصدوق ".
وقال الزَّبيديّ: " حافظ الدنيا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا ".
وقد صنف الكثير من الكتب، وقد طبع منها الكثير، منها:
1 - الصمت وحفظ اللسان.
2 - التهجد وقيام الليل، طبع بتحقيقي.
3 - الرقة والبكاء، طبع بتحقيقي.
4 - الورع، طبع بتحقيقي.
5 - حسن الظن بالله.
6 - العزلة والانفراد، وهو كتابنا هذا.
وقد توفي رحمه الله يوم الثلثاء لأربع عشرة ليلة خلق من جمادى الآخرة سنة 281 هـ.
ইবনে আবিদ দুনিয়ার সংক্ষিপ্ত জীবনী তিনি হলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস, আল-কুরাশি আল-উমাউয়ি, আল-বাগদাদি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত।
তিনি ২০৮ হিজরি সনে বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পরিবার ছিল ইলম ও নেক আমলের আধার। তাঁর পিতা ছিলেন হাদিস এবং হাদিস বর্ণনাকারীদের বিষয়ে আগ্রহী আলেমদের অন্তর্ভুক্ত, যা তাঁর জ্ঞানতাত্ত্বিক বিকাশ এবং অল্প বয়সেই নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছিল।
তাঁর উস্তাদগণ সংখ্যায় অগণিত, এমনকি ইমাম আয-যাহাবি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "আমাদের শায়েখ আবুল হাজ্জাজ তাঁর উস্তাদদের নাম বর্ণানুক্রমে সংকলন করেছেন এবং তাঁরা এক বিশাল জনসমষ্টি।"
তাঁর উল্লেখযোগ্য উস্তাদদের মধ্যে রয়েছেন: আলী ইবনুল জাদ, খালিদ ইবনে খিদাশ এবং আরও অনেকে।
ইবনুল জাওজি বলেছেন: "তিনি ছিলেন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী।"
আয-যাহাবি বলেছেন: "তিনি ছিলেন মুহাদ্দিস, প্রাজ্ঞ আলেম ও সত্যবাদী।"
যাবিদি বলেছেন: "বিশ্বের হাফেজ আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া।"
তিনি অসংখ্য কিতাব রচনা করেছেন এবং সেগুলোর অনেকগুলোই মুদ্রিত হয়েছে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
১ - আস-সামত ওয়া হিফজুল লিসান (নীরবতা ও জিহ্বা হেফাজত)।
২ - আত-তাহাজ্জুদ ওয়া কিয়ামুল লাইল, যা আমার তাহকীকে মুদ্রিত হয়েছে।
৩ - আর-রিক্কাহ ওয়াল বুকা (কোমলতা ও রোদন), যা আমার তাহকীকে মুদ্রিত হয়েছে।
৪ - আল-ওয়ারা' (পরহেজগারি), যা আমার তাহকীকে মুদ্রিত হয়েছে।
৫ - হুসনুয যান্নি বিল্লাহ (আল্লাহর প্রতি সুধারণা)।
৬ - আল-উযলাহ ওয়াল ইনফেরাদ (নির্জনতা ও একাকীত্ব), যা আমাদের এই বর্তমান কিতাবটি।
তিনি ২৮১ হিজরি সনের জুমাদাল আখিরা মাসের চৌদ্দ তারিখ মঙ্গলবার ইন্তেকাল করেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٧)
وللمزيد عنه انظر: الجرح والتعديل (5/163) ، وتاريخ بغداد (10/89) ، وطبقات الحنابلة (1/192) ، والسير (13/397) وهامشه، ومقدمة: " التهجد وقيام الليل " بتحقيقي.
وصف المخطوط وتوثيقه لهذا الكتاب نسختان:
الأولى: محفوظة بمكتبة (لاللي) تحت رقم (3664/4) ، وعنها مصورة في معهد المخطوطات تحت رقم (387 ـ تصوف) .
والثانية: بمكتبة رامبور (1/360) ، وقد ذكرها كارل بروكلمان في " تاريخ الأدب العربي " (2/131 ـ ط. دار المعارف بمصر) .
وعن توثيق الكتاب، فقد ذكره الذهبي في " السير " (13/397، 403) ، وابن حجر في " المجمع المؤسس " (2/396) ، والمنذري في " الترغيب والترهيب " (3/275 ـ 276) ، والسيوطي في ّ الدر المنثور " (6/474) ، وفي " الجامع الكبير ـ ترتيبه المسمى بكنر العمال " (ج 3 رقم 8709، 8711، 8712، 8714، 8715، 8717، 8719، 8721، 8724) .
والراوندي في " صلة الخلف " (ص 307) .
طرة الغلاف وقد كُتب على طرة الغلاف ، الآتي:
" الجزء الأول من كتاب العزلة والانفراد، تأليف الشيخ: أبي بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بن عبيد الله بن أبي الدنيا القرشي ـ رحمه الله تعالى.
رواية: أبي عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ الْبَرْذَعِيُّ عنه.
তাঁর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন: আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল (৫/১৬৩), তারিখু বাগদাদ (১০/৮৯), তাবাকাতুল হানাবিলা (১/১৯২), আস-সিয়ার (১৩/৩৯৭) ও এর টীকা, এবং আমার তাহকিককৃত "আত-তাহাজ্জুদ ওয়া কিয়ামুল লাইল"-এর ভূমিকা।
পাণ্ডুলিপির বিবরণ ও এর নির্ভরযোগ্যতা এই বইটির দুইটি অনুলিপি বা নুসখা রয়েছে:
প্রথমটি: ‘লালিলি’ লাইব্রেরিতে ৩৬৬৪/৪ নম্বরে সংরক্ষিত আছে এবং এর একটি অনুলিপি পাণ্ডুলিপি ইনস্টিটিউটে ৩৮৭-তাসাউফ নম্বরে সংরক্ষিত আছে।
দ্বিতীয়টি: রামপুর লাইব্রেরিতে (১/৩৬০) আছে, কার্ল ব্রোকলম্যান তাঁর "তারিখুল আদাবিল আরবি" (২/১৩১ - দারুল মাআরিফ, মিশর সংস্করণ) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন।
বইটির নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে বলা যায়, ইমাম যাহাবি তাঁর "আস-সিয়ার" (১৩/৩৯৭, ৪০৩), ইবনে হাজার "আল-মু'জামুল মুআসসিস" (২/৩৯৬), আল-মুনযিরি "আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব" (৩/২৭৫-২৭৬), সুয়ূতি "আদ-দুররুল মানসুর" (৬/৪৭৪) এবং "আল-জামি'উল কাবির"—যা "কানযুল উম্মাল" হিসেবে বিন্যস্ত—এর ৩য় খণ্ডে (ক্রমিক নং ৮৭০৯, ৮৭১১, ৮৭১২, ৮৭১৪, ৮৭১৫, ৮৭১৭, ৮৭১৯, ৮৭২১, ৮৭২৪) এটি উল্লেখ করেছেন।
এবং রাওয়ান্দি "সিলাতুল খালাফ" (পৃ. ৩০৭)-এ এটি উল্লেখ করেছেন।
প্রচ্ছদ লিপি প্রচ্ছদ পৃষ্ঠায় নিচের লেখাগুলো রয়েছে:
“কিতাবুল উযলাহ ওয়াল ইনকিরাদ-এর প্রথম অংশ, রচনায় শায়খ: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবিদ দুনিয়া আল-কুরাশি — আল্লাহ তা’আলা তাঁর ওপর রহম করুন।
বর্ণনায়: তাঁর থেকে আবু আলি আল-হুসাইন ইবনে সাফওয়ান আল-বারযাঈ।”
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٨)
رواية: أبي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يوسف بن دوست العلاّف عنه.
رواية: الإمام أبي الكرم بن الحسن بن أحمد الشهرزوري عنه.
رواية: الشيخ أبي الحسن بن أبي عبد اللَّهِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ المقير البغدادي عنه.
سماعًا منه لكتابه: أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أبي الغنايم الْمُسْلِمِ بْنِ حَمَّادِ بْنِ مَيْسَرَةَ الأزديّ، غفر الله لهن وَلأَبَوْيِه وَلِمَنِ اسْتَغْفَرَ لَهُمْ أَجْمَعِينَ. اهـ.
ثم بعده سماع يأتي نصه في قسم السماعات إن شاء الله تعالى.
وهاكم
تراجم رجال هذا الإسناد:
1 - ترجمة أبي عليّ البَرْذعِي هو: أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ بن إسحاق بن إبراهيم البرذعيّ، سمع محمد بن الفرج الأزرق، ومحمد بن شداد المسمعي، وأبا العباس البرتي، وجعفر بن أبي عثمان الطيالسي، وطبقتهم.
وروى عن أبي بكر بن أبي الدنيا مصنفاته، حدث عنه: محمد بن عبد الله ابن أخي ميمي، وأبو عبد الله بن دوست، وأبو الحسين بن بشران، وقال الخطيب: " كان صدوقًا ".
وقال فيه الذهبي: " الشيخ، المحدث، الثقة ". توفي في شعبان سنة 340 هـ ببغداد.
انظر: تاريخ بغداد (8/54) ، والسير (15/442) وهامشه.
বর্ণনা: আবু আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন দাস্ত আল-আল্লাফ তাঁর থেকে।
বর্ণনা: ইমাম আবুল কারাম বিন হাসান বিন আহমদ আশ-শাহরাজুরি তাঁর থেকে।
বর্ণনা: শাইখ আবুল হাসান বিন আবু আবদুল্লাহ বিন আবুল হাসান বিন আল-মুকাইয়ের আল-বাগদাদি তাঁর থেকে।
তাঁর থেকে তাঁর কিতাবটি সরাসরি শ্রবণ করেছেন: আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবুল গানাইম আল-মুসলিম বিন হাম্মাদ বিন মাইসারা আল-আজদি। আল্লাহ তাকে, তার পিতামাতাকে এবং যারা তাদের সবার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে তাদের সকলকে ক্ষমা করুন। সমাপ্ত।
এরপর আরও একটি শ্রবণ রয়েছে যার পাঠ্য শ্রবণের অংশে আসবে, ইনশাআল্লাহ তায়ালা।
এখানে উপস্থাপন করা হলো:
এই সনদের বর্ণনাকারীদের জীবনী:
১ - আবু আলী আল-বারযাঈ-এর জীবনী তিনি হলেন: আবু আলী আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-বারযাঈ। তিনি মুহাম্মদ বিন আল-ফারাজ আল-আযরাক, মুহাম্মদ বিন শাদ্দাদ আল-মিসমায়ি, আবুল আব্বাস আল-বারতি, জাফর বিন আবু উসমান আল-তায়ালিসি এবং তাঁদের সমসাময়িক স্তরের বর্ণনাকারীদের থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন।
তিনি আবু বকর বিন আবিদ দুনিয়ার গ্রন্থগুলো তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ ইবনু আখি মিমি, আবু আবদুল্লাহ বিন দাস্ত এবং আবুল হুসাইন বিন বিশরান। খতিব আল-বাগদাদি বলেন: "তিনি সত্যবাদী ছিলেন।"
ইমাম আয-যাহাবি তাঁর সম্পর্কে বলেন: "শাইখ, মুহাদ্দিস, বিশ্বস্ত।" তিনি ৩৪০ হিজরির শাবান মাসে বাগদাদে ইন্তেকাল করেন।
দেখুন: তারিখ বাগদাদ (৮/৫৪) এবং আস-সিয়ার (১৫/৪৪২) ও এর টীকা।
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٩)
2 - ترجمة أبي عبد الله بن دوست هو: أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ محمد بن يوسف بن دُوست، قال فيه الخطيب: " كان محدثًا مكثرًا عارفًا "، وقال الذهبي " الإمام الحافظ الأوحد المسند ".
حدث عن محمد بن جعفر المطيري، وعمر بن الحسن بن الأشناني، وأبي عليّ البرذعي، وآخرين.
وعنه: الحسن بن محمد الخلال، وحمزة بن محمد الدقاق، وأبو القاسم الأزهري، وآخرون.
توفي في رمضان سنة 407 هـ. انظر: تاريخ بغداد (5/124) ، والمنتظم (7/284) ، والسير (17/322) ، وتذكرة الحفاظ (3/1066) ، والميزان (1/153)
3 - ترجمة أبي محمد التميمي هو: الإمام المحدث أَبُو مُحَمَّدٍ رِزْقُ اللَّهِ بْنُ عبد الله بن عبد العزيز التميمي البغدادي الحنبلي المقرئ الواعظ.
ولد سنة 400 هـ، وسمع من: أبي الحسين أحمد بن المتيم، وأبي عمر بن مهدي، ،أبي الحسين بن بشران، وابن دوست، وآخرين، وعنه: أبو الفتح بن البطي، وأبو طاهر السلفي، وغيرهما.
وقال السمعاني: " هو فقيه الحنابلة وإمامهم "، وقال الذهبي: " كان إمامًا مقرئًا، محدثًا، مفسرًا، فرضيًا، كبير الشأن وافر الحرمة ".
توفي سنة 488 هـ.
انظر: معرفة القراء الكبار (1/441 رقم 378) ، والتذكرة (4/1208) .
২ - আবু আব্দুল্লাহ বিন দুস্ত-এর জীবনী তিনি হলেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ বিন দুস্ত। খতীব (বাগদাদী) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি ছিলেন একজন পারদর্শী এবং অধিক হাদিস বর্ণনাকারী মুহাদ্দিস", এবং যাহাবী বলেছেন: "ইমাম, হাফেয, অনন্য ব্যক্তিত্ব এবং উচ্চ বর্ণনাসূত্রের অধিকারী (মুসনাদ)"।
তিনি মুহাম্মাদ বিন জাফর আল-মুতায়রি, উমর বিন হাসান আল-উশনানি, আবু আলী আল-বারযাঈ এবং আরও অনেকের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।
তাঁর নিকট থেকে: আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ আল-খলাল, হামযাহ বিন মুহাম্মাদ আদ-দাক্কাক, আবুল কাসিম আল-আযহারী এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন।
তিনি ৪০৭ হিজরির রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: তারিখ বাগদাদ (৫/১২৪), আল-মুনতাযাম (৭/২৮৪), আস-সিয়ার (১৭/৩২২), তাযকিরাতুল হুফফায (৩/১০৬৬) এবং আল-মিযান (১/১৫৩)।
৩ - আবু মুহাম্মাদ আত-তামীমী-এর জীবনী তিনি হলেন: ইমাম, মুহাদ্দিস আবু মুহাম্মাদ রিযকুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আযীয আত-তামীমী আল-বাগদাদী আল-হাম্বলী, যিনি একজন ক্বারী ও ওয়ায়েজ ছিলেন।
তিনি ৪০০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং আবুল হুসাইন আহমদ বিন আল-মুতাইয়্যাম, আবু উমর বিন মাহদী, আবুল হুসাইন বিন বিশরান, ইবনে দুস্ত এবং আরও অনেকের থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর নিকট থেকে আবুল ফাতহ বিন আল-বাত্তি, আবু তাহির আস-সিলাফী এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন।
সামআনী বলেন: "তিনি হাম্বলীগণের ফকীহ এবং তাদের ইমাম।" যাহাবী বলেন: "তিনি ছিলেন ইমাম, ক্বারী, মুহাদ্দিস, মুফাসসির এবং ফারায়েয (উত্তরাধিকার আইন) বিশেষজ্ঞ; তিনি সুউচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন এবং অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন।"
তিনি ৪৮৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
দেখুন: মারিফাতুল কুররাউল কিবার (১/৪৪১, নং ৩৭৮), এবং আত-তাযকিরাহ (৪/১২০৮)।
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
والسير (18/609) ثلاثتهم للذهبي، وإكمال ابن ماكولا (1/109) ، والمنتظم (9/88 ـ 89) ، وهامش السير.
4 - ترجمة أبي الكرم الشهرزوري هو: أَبُو الْكَرَمِ الْمُبَارَكُ بْنُ الْحَسَنِ بن أحمد الشهرزوري، من أهل بغداد، سمع من: أبي القاسم إسماعيل بن مسعدة الإسماعيلي، وأحمد بن الحسن عن خيرون، ورزق الله بن عبد الوهاب التميمي، وغيرهم وعنه السمعاني.
وأبو الحسن الأزجي. ولد سنة 462 هـ في شهر ربيع الآخر.
وقال فيه السمعاني: " مقرئ فاضل صالح دين، قائم بكتاب الله تعالى ".
وقال أيضًا: " شيخ صالح، دَيِّن، خيِّر، قيِّم بكتاب الله ".
وقال الذهبي: " الإمام المقرئ المجود، الأوحد ". توفي سنة 550 هـ في ذي الحجة.
انظر: الأنساب (3/474 ـ 475) ، والمنتظم (10/164) ، والسير (20/289) .
5 - ترجمة أبي الحسن الأزجي هو: أبو الحسين عليّ بن أبي عبيد الله الحسين بن أبي الحسن منصور بن المُنَيَّر البغدادي، مسند الديار المصرية، ولد سنة 545 هـ، وسمع من شُهْدة، ومعمر بن الفاخر، وجماعة، ونعته الذهبي في " السير " (23/119) فقال: " الشيخ، المسند، الصالح، رحلة الوقت ". توقي سنة 643 هـ.
انظر " السير (23 /119) وهامشه، و " تكملة الإكمال " لابن الصابوني (342 ـ 347) ، والعبر (3/247) ، وشذرات الذهب (5/223) .
وله " جزء حديثي "، هو قيد التحقيق بمعرفتي، وفيه ترجمته بإسهاب، والله الموفق.
এবং আয-যাহাবীর সিয়ার (১৮/৬০৯) তিনটিই, এবং ইবনে মাকুলার ইকমাল (১/১০৯), এবং আল-মুনতাযাম (৯/৮৮-৮৯) ও সিয়ারের টীকা।
৪ - আবুল কারাম আশ-শাহরাযুরীর জীবনী তিনি হলেন: আবুল কারাম আল-মুবারক ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ আশ-শাহরাযুরী, বাগদাদের অধিবাসী। তিনি শ্রবণ করেছেন: আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনে মাসআদাহ আল-ইসমাঈলী, আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে খাইরুন, রিযকুল্লাহ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আত-তামীমী এবং অন্যদের নিকট থেকে। আর তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন আস-সামআনী এবং আবুল হাসান আল-আযজী। তিনি ৪৬২ হিজরির রবিউস সানি মাসে জন্মগ্রহণ করেন।
আস-সামআনী তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "একজন ফাদিল (বিদ্বান), সালিহ (নেককার) ও দ্বীনদার ক্বারী, যিনি মহান আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী সুপ্রতিষ্ঠিত।"
তিনি আরও বলেছেন: "সালিহ শাইখ, দ্বীনদার, কল্যাণকামী এবং আল্লাহর কিতাবের তত্ত্বাবধায়ক।"
আয-যাহাবী বলেছেন: "তাজবিদ বিশেষজ্ঞ ইমাম ক্বারী, অদ্বিতীয়।" তিনি ৫৫০ হিজরির যিলহজ মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
দেখুন: আল-আনসাব (৩/৪৭৪-৪৭৫), আল-মুনতাযাম (১০/১৬৪) এবং সিয়ার (২০/২৮৯)।
৫ - আবুল হাসান আল-আযজীর জীবনী তিনি হলেন: আবুল হুসাইন আলী ইবনে আবি উবায়দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আবিল হাসান মানসুর ইবনুল মুনাইয়ির আল-বাগদাদী, মিশরের মুসনিদ (হাদিস বর্ণনাকারী)। তিনি ৫৪৫ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শুহদাহ, মুয়াম্মার ইবনুল ফাখির এবং এক জামাতের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। আয-যাহাবী "সিয়ার" (২৩/১১৯) গ্রন্থে তাঁর প্রশংসা করে বলেছেন: "শাইখ, মুসনিদ, সালিহ, সমসাময়িক পর্যটক।" তিনি ৬৪৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
দেখুন: সিয়ার (২৩/১১৯) ও এর টীকা, ইবনে আস-সাবুনীর "তাকমিলাতুল ইকমাল" (৩৪২-৩৪৭), আল-ইবার (৩/২৪৭) এবং শাযারাতুয যাহাব (৫/২২৩)।
তাঁর একটি "হাদিস সংকলন" (জুজউ হাদিসী) রয়েছে, যা আমার তত্ত্বাবধানে সম্পাদনাধীন (তাহকীক) রয়েছে এবং তাতে তাঁর জীবনী বিস্তারিতভাবে দেওয়া হয়েছে। আর আল্লাহই তাওফীকদাতা।
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١١)
6 - ترجمة أبي العباس الأزدي هو: المحدث الجليل أبو العباس أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ المسلم بن حامد ميسرة الأزدي، الدمشقي التاجر، ولد سنة 604 هـ، وسمع من أبي القاسم الحرستاني، وأبي الحسن الأزجي، وغيرهما، وكتب العالي النازل، ورحل إلى بغداد، ومصر والإسكندرية، وخرَّج " المعجم "، توفي سنة 666 هـ في 11 ربيع الأول.
انظر: العبر (3/315) ، والشذرات (5/322) ، والنجوم الزاهرة (7/227) . ومن هنا نتأكد من صحة الكتاب لمؤلفه، وذلك بصحة الإسناد إليه.
ومن ذكر العلماء له كما تقدم، والحمد لله وحده.
إسنادي الكتاب وأروي كتاب " العزلة والإنفراد " للإمام الحافظ ابن أبي الدنيا، عن المحدث العلَاّمة محمد ياسين بن محمد عبسى الفاداني المالكي رحمه الله إجازة، عن الشريف محمد عبد الحي الكتابني، عن الشهاب أحمد بن صالح السويدي، عن السيد مرتضى الزبيدي، عن محمد بن سِنَّة، عن مولاي الشريف، عن ابن أركماش، عن المحدث شيخ الحفاظ ابن حجر العسقلاني، عن عيسى المطعم، عن حعفر بن علي بن هبة الله الهمداني، عن أبي الطاهر السلفي، قال: أخبرنا رِزْقُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ التميمي، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ بْنِ دوست، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صفوان البرذعي، قال: حدثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا به.
وهذا إسناد في غاية العلو، نظافة السند، والله الموفق لما يحبه ويرضاه، إنه على كل شيءٍ قدير.
৬ - আবু আল-আব্বাস আল-আজদির জীবনী তিনি হলেন: মহান মুহাদ্দিস আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-মুসলিম বিন হামিদ মাইসারা আল-আজদি, দামেস্কী ব্যবসায়ী। তিনি ৬০৪ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আবু আল-কাসিম আল-হারাসতানি, আবু আল-হাসান আল-আজাজি এবং অন্যদের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি উচ্চ ও নিম্ন উভয় স্তরের সনদ লিপিবদ্ধ করেছেন এবং বাগদাদ, মিসর ও আলেকজান্দ্রিয়া সফর করেছেন। তিনি "আল-মু'জাম" সংকলন করেছেন এবং ৬৬৬ হিজরির ১১ই রবিউল আউয়াল মৃত্যুবরণ করেন।
দেখুন: আল-ইবার (৩/৩১৫), আশ-শাযারাত (৫/৩২২) এবং আন-নুজুমুজ জাহেরা (৭/২২৭)। এর মাধ্যমেই আমরা লেখকের প্রতি কিতাবটির নিসবত বা সম্বন্ধের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করতে পারি, আর তা লেখকের প্রতি সনদটি সহিহ হওয়ার কারণে।
এবং ওলামায়ে কেরাম তাঁর সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন তা উপরে অতিবাহিত হয়েছে। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য।
কিতাবটির সনদসমূহ আমি ইমাম হাফিজ ইবনে আবিদ দুনইয়ার "আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ" কিতাবটি মুহাদ্দিস আল্লামা মুহাম্মদ ইয়াসিন বিন মুহাম্মদ ঈসা আল-ফাদানি আল-মালিকি (রহিমাহুল্লাহ) থেকে ইজাজতসূত্রে বর্ণনা করছি, তিনি শরিফ মুহাম্মদ আব্দুল হাই আল-কাত্তানি থেকে, তিনি শিহাব আহমদ বিন সালেহ আস-সুওয়াইদি থেকে, তিনি সায়্যিদ মুরতাদা আজ-জাবিদি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন সিননাহ থেকে, তিনি মাওলাই আশ-শরিফ থেকে, তিনি ইবনে আরকামাশ থেকে, তিনি মুহাদ্দিস শায়খুল হুফফাজ ইবনে হাজার আল-আসকালানি থেকে, তিনি ঈসা আল-মুতয়িম থেকে, তিনি জাফর বিন আলী বিন হিবাতুল্লাহ আল-হামদানি থেকে, তিনি আবু তাহের আস-সিলাফি থেকে; তিনি বলেন: রিজকুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহাব আত-তামিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন দুস্ত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান আল-বারযাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।
এটি অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের এবং পরিচ্ছন্ন একটি সনদ। আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন এবং যাতে সন্তুষ্ট হন সেই তাওফিক দানকারী; নিশ্চয়ই তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٣)
الجزء الأول من كتابالعزلة ولإنفراد تأليف الشيخ الإمام: أبي بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ ابن عبيد بن أبي الدنيا القرشيّ رحمه الله.
رواية: أبي عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ الْبَرْذَعِيُّ عنه.
رواية: أبي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بن يوسف ابن دوست العلَاّف عنه.
رواية الإمام: أبي الكرم المبارك بن الحسن أحمد الشهرزوري عنه.
رواية: الشيخ: أبي الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الْمُقِيرِ البغدادي كتابةً عنه.
سماعًا منه لكاتبه: أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أبي العنايم الْمُسْلِمِ بْنِ حَمَّادِ بْنِ مَيْسَرَةَ الأَزْدِيُّ ـ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ وَلأَبَوْيِه ولمن استغفر لهم أجمعين.
আল-উযলাহ ওয়াল ইনফেরাদ (নির্জনতা ও একাকীত্ব) কিতাবেরপ্রথম খণ্ড শায়খ ইমাম আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে আবিদ দুনিয়া আল-কুরাশি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) এর রচনা।
তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে সাফওয়ান আল-বারযাঈ।
তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আবদুল্লাহ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে দোস্ত আল-আল্লাফ।
ইমাম আবুল কারাম আল-মুবারক ইবনুল হাসান আহমাদ আশ-শাহরযুরীর বর্ণনা।
শায়খ আবু হাসান ইবনে আবি উবাইদুল্লাহ ইবনে আবুল হাসান ইবনুল মুক্বীর আল-বাগদাদীর বর্ণনা, তাঁর নিকট থেকে লিখিত অনুলিপি সূত্রে।
তাঁর নিকট থেকে লেখক আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবিল আনাইম আল-মুসলিম ইবনে হাম্মাদ ইবনে মাইসারা আল-আযদির সরাসরি শ্রবণ — আল্লাহ তাকে, তার পিতামাতাকে এবং যারা তাদের সকলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে তাদের সকলকে ক্ষমা করুন।
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
بسم الله الرحمن الرحيم
رَبِّ يَسِّرْ بِرَحْمَتِكَ أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الأَعَزُّ الصَّالِحُ الزَّاهِدُ الْمُعَمَّرُ أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الْمُقِيرِ الْمُؤَدِّبُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ السَّبْتِ رَابِعَ عَشَرَ رَمَضَانَ الْمُبَارَكِ عَامَ ثَلاثٍ وَسِتِّ مِائَةٍ بِجَامِعِ دِمَشْقَ، عَمَّرَهُ اللَّهُ بِتِلاوَةِ ذِكْرِهِ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخُ الْفَقِيهُ الإِمَامُ الْعَالِمُ الْحَافِظُ جَمَالُ الإِسْلامِ، أَبُو الْكَرَمِ الْمُبَارَكُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الشَّهْرَزُورِيِّ، إِجَازَةً، كَتَبَ لَكُمْ بِهَا، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُو مُحَمَّدٍ رِزْقُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْحَارِثِ التَّمِيمِيُّ، رضي الله عنه، فِي شَوَّالٍ سَنَةَ سَبْعٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ دُوَسْتَ الْعَلافُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ الْبَرْذَعِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
হে প্রতিপালক, আপনার রহমতের উসিলায় সহজ করে দিন অত্যন্ত সম্মানিত, নেককার, দুনিয়াবিমুখ ও দীর্ঘজীবী শায়খ আবুল হাসান বিন আবি উবায়দিল্লাহ বিন আবিল হাসান বিন আল-মুকির আল-মুয়াদ্দিব আমাদের অবহিত করেছেন; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম। সময়টি ছিল ৬০৩ হিজরী সনের বরকতময় রমজান মাসের চৌদ্দ তারিখ, শনিবার; স্থানটি ছিল দামেস্কের জামে মসজিদ, আল্লাহ একে তাঁর যিকির তিলাওয়াতের মাধ্যমে আবাদ রাখুন। তাঁকে বলা হলো: শায়খ, ফকীহ, ইমাম, আলিম, হাফিজ ও জামালুল ইসলাম আবুল করম আল-মুবারাক বিন আল-হাসান বিন আহমদ বিন আশ-শাহরাজুরি আপনাদের ইজাজাত (অনুমতি) হিসেবে অবহিত করেছেন, যা তিনি আপনাদের জন্য লিখে দিয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন শায়খ ও ইমাম আবু মুহাম্মদ রিজকুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আব্দুল আজিজ বিন আল-হারিস আত-তামিমী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন), ৪৮৭ হিজরী সনের শাওয়াল মাসে। তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন দুওয়াসত আল-আল্লাফ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান আল-বারযা'ঈ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবিদ দুনিয়া:
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
مَا النَّجَاةُ؟
1 - ثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ زُهَيْرٍ الضَّبِّيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ زَحْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: قَالَ عُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَا النَّجَاةُ؟ قَالَ: " امْلِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ، وَلْيَسَعْكَ بَيْتُكَ، وَابْكِ عَلَى خَطِيئَتِكَ (1) "..
--------------------------------------------
মুক্তি কিসে?১ - দাউদ ইবনে আমর ইবনে জুহায়র আদ-দাব্বি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে যাহর থেকে, তিনি আলী ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি কাসিম থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উকবা ইবনে আমির বলেছেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! মুক্তি কিসে? তিনি বললেন: "তোমার জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণে রাখো, তোমার ঘর যেন তোমার জন্য প্রশস্ত হয় (অর্থাৎ ঘরে অবস্থান করো), এবং তোমার পাপের জন্য ক্রন্দন করো (১)"..
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
طُوبَى لِمَنْ مَلَكَ لِسَانَه2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ التَّمِيمِيُّ، قَالَ: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ الْخَوْلانِيِّ، عَنْ ثَوْبَانَ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " طُوبَى لِمَنْ مَلَكَ لِسَانَهُ، وَوَسِعَهُ بَيْتُهُ، وَبَكَى عَلَى خَطِيئَتِهِ (1) ".
--------------------------------------------
সেই ব্যক্তির জন্য শুভসংবাদ যে নিজের জিহ্বাকে আয়ত্তে রেখেছে২ - আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল মাজিদ আত-তামিমি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবন আইয়্যাশ আমাদের কাছে শুরাহবিল ইবন মুসলিম আল-খাওলানি থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুক্তদাসী সাওবান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "সেই ব্যক্তির জন্য শুভসংবাদ, যে নিজের জিহ্বাকে আয়ত্তে রেখেছে, যার ঘর তার জন্য প্রশস্ত হয়েছে এবং যে নিজের গুনাহের জন্য ক্রন্দন করেছে।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
مِنْ وَصَايَا ابْنِ مَسْعُودٍ3 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ لِي أَبِي: " يَا بُنَيَّ! اتَّقِ رَبَّكَ، وَلْيَسَعْكَ بَيْتُكَ، وَامْلِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ، وَابْكِ مِنْ ذِكْرِ خَطِيئَتِكَ (1) ".
--------------------------------------------
ইবনে মাসউদ-এর উপদেশসমূহ হতে৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল জা'দ, তিনি শারীক থেকে, তিনি আব্দুল মালিক বিন উমায়ের থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বলেছেন: "হে বৎস! তোমার রবকে ভয় করো, তোমার ঘর যেন তোমার জন্য পর্যাপ্ত হয়, তোমার জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করো এবং তোমার পাপের স্মরণে ক্রন্দন করো (১)।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
مِنْ وَصَايَا أَبِي الدَّرْدَاءِ4 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ التَّمِيمِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْن عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الأَلْهَانِيِّ، أَنَّ أَبَا الدَّرْدَاءِ، كَانَ يَقُولُ: " امْلِكْ لِسَانَكَ، وَابْكِ عَلَى خَطِيئَتِكَ، وَلْيَسَعْكَ بَيْتُكَ (1) ".
--------------------------------------------
আবুদ্দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর উপদেশাবলী থেকে৪ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মাজীদ আত-তামিমী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-আলহানি থেকে বর্ণিত যে, আবুদ্দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলতেন: "তুমি তোমার জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করো, নিজের পাপের জন্য ক্রন্দন করো এবং তোমার ঘর যেন তোমার জন্য প্রশস্ত (যথেষ্ট) হয় (১)।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
مَنْ أَعْجَبُ النَّاسِ؟
5 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، ثَنا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، حَدَّثَنِي بَكْرُ بْنُ سَوَادَةَ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: " إِنَّ أَعْجَبَ النَّاسِ إِلَيَّ، رَجُلٌ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَيُقِيمُ الصَّلاةَ، وَيُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَيُعَمِّرُ مَالَهُ، وَيَحْفَظُ دِينَهُ، وَيَعْتَزِلُ النَّاسَ (1) ".
--------------------------------------------
সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ব্যক্তি কে?৫ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে আবদুল মালিক আমাকে বলেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনে লাহিয়াহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, বকর ইবনে সাওয়াদাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে সা’দ আস-সা’ঈদি (রাযি.) থেকে, তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ঐ ব্যক্তি, যে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান আনে, নামাজ কায়েম করে, জাকাত প্রদান করে, নিজের সম্পদ আবাদ করে, নিজের দ্বীন সংরক্ষণ করে এবং লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে (১)।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
مِنْ أُمْنِيَاتِ ابْنِ مَسْعُودٍ6 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ عَدَسَةَ الطَّائِيِّ، قَالَ: أُتِيَ عَبْدُ اللَّهِ بِطَيْرٍ صِيدَ فِي شَرَافٍ، فَقَالَ: " لَوَدِدْتُ أَنِّي كُنْتُ حَيْثُ صِيدَ الطَّيْرُ، لا أُكَلِّمُ بَشَرًا، وَلا يُكَلِّمُنِي، حَتَّى أَلْقَى اللَّهَ عز وجل (1) ".
--------------------------------------------
ইবনে মাসউদের আকাঙ্ক্ষাসমূহের মধ্য থেকে৬ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল জা‘দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আমাশ থেকে, তিনি মুসলিম আল-বাতীন থেকে, তিনি আদাসাহ আত-তাঈ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহর নিকট একটি পাখি আনা হলো যা শারাফ নামক স্থানে শিকার করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন: "আমার একান্ত আকাঙ্ক্ষা হয় যে, আমি যদি সেখানে থাকতাম যেখানে পাখিটি শিকার করা হয়েছে; আমি কোনো মানুষের সাথে কথা বলতাম না এবং কেউ আমার সাথে কথা বলত না, যতক্ষণ না আমি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করি।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
أَبُو الْجُهَيْمِ وَالْعُزْلَةُ7 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، ثَنا أَصْبَغُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ مَالِكٍ، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، قَالَ: كَانَ أَبُو الْجُهَيْمِ الْحَارِثُ بْنُ الصِّمَّةِ لا يُجَالِسُ الأَنْصَارَ، فَإِذَا ذُكِرَتْ لَهُ الْوِحْدَةُ، قَالَ: النَّاسُ شَرٌّ مِنَ الْوِحْدَةِ (1) ".
--------------------------------------------
আবুল জুহাইম এবং নির্জনতা৭ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আসবাগ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহাব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মালিক থেকে, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আবুল জুহাইম আল-হারিস ইবনুল সিম্মাহ আনসারদের সাথে বসতেন না। যখন তাঁর কাছে নির্জনতার কথা উল্লেখ করা হতো, তখন তিনি বলতেন: "মানুষ নির্জনতার চেয়েও মন্দ (১)।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
وَهَلْ يُفْسِدُ النَّاسَ إِلا النَّاسُ8 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي دَهْثَمُ بْنُ الْفَضْلِ الْقُرَشِيُّ، قَالَ: أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُكَيْمٍ، ثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ رَجُلٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: " لَوْلا مَخَافَةَ الْوَسْوَاسِ، لَدَخَلْتُ إِلَى بِلادٍ لا أَنِيسَ بِهَا، وَهَلْ يُفْسِدُ النَّاسَ إِلا النَّاسُ؟ " (1) .
--------------------------------------------
মানুষ ছাড়া আর কি মানুষকে কলুষিত করে?৮ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাহসাম ইবনুল ফাদল আল-কুরাশী আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনু উকাইম আমাদের জানিয়েছেন, মালিক ইবনু আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জনৈক ব্যক্তি থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যদি কুমন্ত্রণার ভয় না থাকত, তবে আমি এমন এক জনপদে প্রবেশ করতাম যেখানে কোনো সঙ্গী নেই। আর মানুষ ছাড়া আর কি মানুষকে কলুষিত করে?" (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
الْعُزْلَةُ أَسْلَمُ9 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ، ثنا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ، ثنا ابْنُ
⦗ص: 19⦘ لَهِيعَةَ، عَنْ سَيَّارِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: قَالَ لِي بُكَيْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ: مَا فَعَلَ عَمُّكَ؟ قَالَ: قُلْتُ: لَزِمَ الْبَيْتَ مُنْذُ كَذَا وَكَذَا، فَقَالَ: إِنَّ رِجَالا مِنْ أَهْلِ بَدْرٍ لَزِمُوا بُيُوتَهُمْ بَعْدَ قَتْلِ عُثْمَانَ، نَضَّرَ اللَّهُ وَجْهَهُ، فَلَمْ يَخْرُجُوا إِلا إِلَى قُبُورِهِمْ " (1) .
--------------------------------------------
নিভৃতবাসই অধিক নিরাপদ৯ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আবু হাতিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনে দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ লাহিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাইয়ার ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি বলেন: বুকাইর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল আশাজ্জ আমাকে বললেন: তোমার চাচা কী করছেন? তিনি (সাইয়ার) বলেন: আমি বললাম: তিনি অমুক অমুক সময় থেকে ঘরে অবস্থান করছেন। তখন তিনি বললেন: বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী এমন কিছু ব্যক্তি ছিলেন যারা উসমান—আল্লাহ তাঁর চেহারা উজ্জ্বল করুন—নিহত হওয়ার পর নিজেদের ঘরে অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। অতঃপর তাঁরা কবরের (মৃত্যুর) উদ্দেশ্য ব্যতীত আর বের হননি।" (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
وَجَدْتُ مُجَالَسَةَ النَّاسِ شَرًّا10 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ، ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: كَانَ أَبُو الْجُهَيْمِ الأَنْصَارِيُّ بَدْرِيًّا، وَكَانَ لا يُجَالِسُ النَّاسَ، وَكَانَ يَعْتَزِلُ فِي بَيْتِهِ، فَقَالُوا لَهُ: لَوْ جَالَسْتَ النَّاسَ وَجَالَسُوكَ؟ فَقَالَ: وَجَدْتُ مُجَالَسَةَ النَّاسِ شَرًّا ، وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو أَكْثَرَ النَّاسِ مُجَالَسَةً لَهُ، وَكَانَ يُحَدِّثُهُ عَنِ الْفِتَنِ، فَلَمَّا كَانَ مِنْ أَمْرِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو مَا كَانَ بِالشَّامِ، قَالَ: تُحَدِّثُنِي مَا تُحَدِّثُنِي، وَكَانَ هَذَا مِنْ أَمْرِهِ، لِلَّهِ عَلَيَّ أَنْ لا أُكَلِّمَهُ أَبَدًا " (1) .
--------------------------------------------
আমি মানুষের সাথে ওঠাবসা করাকে ক্ষতিকর পেয়েছি১০ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মালিক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-জুহাইম আল-আনসারি বদরি সাহাবী ছিলেন। তিনি মানুষের সাথে ওঠাবসা করতেন না এবং নিজের ঘরে নির্জনবাস করতেন। লোকেরা তাকে বলল, "আপনি যদি মানুষের সাথে বসতেন এবং তারাও আপনার সাথে বসত!" তিনি বললেন, "আমি মানুষের সাথে ওঠাবসা করাকে ক্ষতিকর পেয়েছি।" আব্দুল্লাহ ইবনে আমর তার সাথে সবচেয়ে বেশি ওঠাবসা করতেন এবং তিনি তাকে ফিতনা (বিপর্যয়) সম্পর্কে হাদিস শোনাতেন। অতঃপর সিরিয়ায় আব্দুল্লাহ ইবনে আমরের ক্ষেত্রে যা ঘটার ছিল তা যখন ঘটল, তখন তিনি (আবু আল-জুহাইম) বললেন, "তুমি আমাকে যা শোনানোর শুনিয়েছিলে, আর তার নিজের ব্যাপারটি এই হলো? আল্লাহর জন্য আমার ওপর আবশ্যিক হলো যে, আমি তার সাথে কখনো কথা বলব না।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
11 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: ثنا حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُوسَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَالَ حُذَيْفَةُ: " وَاللَّهِ لَوَدِدْتُ أَنَّ لِي إِنْسَانًا يَكُونُ فِي مَالِي، ثُمَّ أُغْلِقُ عَلَيَّ بَابًا، فَلا يَدْخُلُ عَلَيَّ أَحَدٌ حَتَّى أَلْحَقَ بِاللَّهِ عز وجل " (1) .
--------------------------------------------
১১ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি মুসা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযীদ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: হুযাইফা বলেছেন: "আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই কামনা করি যে আমার সম্পদের দেখাশোনার জন্য যদি একজন মানুষ থাকত, অতঃপর আমি আমার ওপর দরজা বন্ধ করে দিতাম, ফলে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর সাথে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত আমার নিকট কেউ প্রবেশ করতে পারত না।" (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
صِفَةُ خَيْرِ النَّاسِ12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ عُمَرَ بْنِ خَالِدٍ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ
⦗ص: 20⦘ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أُمِّ مُبَشِّرٍ الأَنْصَارِيَّةِ، قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ لأَصْحَابِهِ: " أَلا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ النَّاسِ رَجُلا؟ " ، قَالُوا: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَأَوْمَأَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ، فَقَالَ: " رَجُلٌ آخِذٌ بِعَنَانِ فَرَسِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، يَنْتَظِرُ أَنْ يُغِيرَ أَوْ يُغَارَ عَلَيْهِ، أَفَلا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِهِمْ بَعْدَهُ؟ " ، قَالُوا: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَأَوْمَأَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْحِجَازِ، فَقَالَ: " رَجُلٌ فِي غَنِيمَةٍ يُقِيمُ الصَّلاةَ، وَيُؤْتِي الزَّكَاةَ، قَدْ عَلِمَ حَقَّ اللَّهِ، تَعَالَى، فِي مَالِهِ، وَاعْتَزَلَ شُرُورَ النَّاسِ " (1) .
--------------------------------------------
শ্রেষ্ঠ মানুষের বৈশিষ্ট্য১২ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবন উমর ইবন খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন
⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ সালামাহ, মুহাম্মদ ইবন ইসহাক থেকে, তিনি ইবন আবি নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি উম্মে মুবাশশির আল-আনসারিয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তাঁর সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: "আমি কি তোমাদের মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেব না?" তাঁরা বললেন: "হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসুল।" অতঃপর তিনি তাঁর হাত দিয়ে পূর্বদিকের দিকে ইশারা করলেন এবং বললেন: "এমন এক ব্যক্তি যে আল্লাহর পথে নিজের ঘোড়ার লাগাম ধরে থাকে, সে আক্রমণ করার অথবা তার ওপর আক্রমণ হওয়ার প্রতীক্ষায় থাকে। আমি কি তোমাদের তাঁর পরবর্তী শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেব না?" তাঁরা বললেন: "হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসুল।" তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে হিজাজের দিকে ইশারা করলেন এবং বললেন: "এমন এক ব্যক্তি যে তার মেষপালের মধ্যে অবস্থান করে সালাত কায়েম করে, জাকাত প্রদান করে, নিজের সম্পদের ব্যাপারে মহান আল্লাহর হক সম্পর্কে অবগত এবং মানুষের অনিষ্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে।" (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
مِنْ كَلامِ الْفَارُوقِ فِي الْعُزْلَةِ13 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ، قَالَ: ثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: " خُذُوا بِحَظِّكُمْ مِنَ الْعُزْلَةِ " (1) .
--------------------------------------------
নির্জনতা অবলম্বন সম্পর্কে আল-ফারুকের বাণীসমূহ থেকে১৩ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং মুহাম্মাদ ইবনে আবি হাতিম আল-আজদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আবি দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খুবাইব ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: "নির্জনতা থেকে তোমরা তোমাদের অংশ গ্রহণ করো।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
الْعُزْلَةُ عِبَادَةٌ14 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ بَكَّارٍ، عَنْ عُمَيْرِ بْنِ الرَّيَّانِ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: " الْعُزْلَةُ عِبَادَةٌ " (1)
--------------------------------------------
নির্জনতা অবলম্বন একটি ইবাদত১৪ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট ইবরাহীম বিন সাঈদ আল-জাওহারী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মূসা বিন আইয়্যুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন বাক্কার বর্ণনা করেছেন, উমাইর বিন আর-রাইয়ান থেকে, তিনি ইবনে সীরীন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নির্জনতা অবলম্বন করা একটি ইবাদত।" (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উযলাতু ওয়াল ইনফেরাদ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
خَيْرُ مَالِ الْمُسْلِمِ15 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْمُثَنَّى بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ: ثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، وَحَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، وَسُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ (1) ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يُوشَكُ أَنْ يَكُونَ خَيْرُ مَالِ الْمُسْلِمِ شَاةٌ يَتَتَبَّعُ بِهَا صَاحِبُهَا شَعَفَ الْجِبَالِ، وَمَوَاقِعَ الْقَطْرِ، يَفِرُّ بِدِينِهِ مِنَ الْفِتَنِ " (2) .
--------------------------------------------
মুসলমানের সর্বোত্তম সম্পদ১৫ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মুসান্না ইবনে মুআয আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআম্মাল ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে যায়েদ, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ এবং সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি সা'সাআ থেকে (১), তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "শীঘ্রই এমন সময় আসবে যখন একজন মুসলমানের সর্বোত্তম সম্পদ হবে বকরি, যা নিয়ে তার মালিক পাহাড়ের চূড়ায় এবং বৃষ্টির স্থানে (তৃণভূমিতে) ঘুরে বেড়াবে, সে ফিতনা থেকে নিজের দীনকে রক্ষার জন্য পলায়ন করবে।" (২)।
--------------------------------------------