(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: -)
أخبار ابن أبي ذئب لابن زبر الربعي   (الربعي، أبو سليمان)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الجزء فيه من أخبار ابن أبي ذئب

المؤلف: أبو سليمان محمد بن عبد الله بن أحمد بن ربيعة بن سليمان بن خالد بن عبد الرحمن بن زبر الربعي (ت 379هـ)

المحقق: أبو هاشم إبراهيم بن منصور الهاشمي الأمير

الناشر: مؤسسة الريان

الطبعة: الأولى 1425 هـ - 2004 م

عدد الصفحات: 58

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে জাবর আর-রাবাঈ রচিত ইবনে আবি যিব-এর সংবাদসমূহ   (আর-রাবাঈ, আবু সুলাইমান)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: এতে ইবনে আবি যিব-এর সংবাদসমূহের একটি অংশ রয়েছে

লেখক: আবু সুলাইমান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন রাবিআহ বিন সুলাইমান বিন খালিদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাবর আর-রাবাঈ (মৃত্যু ৩৭৯ হিজরি)

মুহাক্কিক: আবু হাশিম ইবরাহিম বিন মানসুর আল-হাশিমি আল-আমির

প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রায়য়ান

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৮

[বইটির নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণের অন্বেষী, এগিয়ে এসো

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: -)
الجزء فيه

من أخبار ابن أبي ذئب

رحمه الله

(80 - 159 هـ)

 

جمع

الحافظ أبي سليمان محمد بن عبد الله الربعي

المعروف بابن زبر

(298 - 379 هـ)

 

تحقيق

أبي هاشم إبراهيم بن منصور الهاشمي الأمير

 

توزيع

مؤسسة الريان

 

الطبعة الأولى

1425 هـ - 2004 م
এই অংশে রয়েছে

ইবনে আবি জি’ব-এর সংবাদের অংশবিশেষ

আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন

(৮০ - ১৫৯ হিজরি)

 

সংকলনে

হাফেজ আবু সুলাইমান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-রাবঈ

যিনি ইবনে জাবর নামে পরিচিত

(২৯৮ - ৩৭৯ হিজরি)

 

তাহকিক

আবু হাশেম ইবরাহিম বিন মনসুর আল-হাশেমি আল-আমির

 

পরিবেশনায়

মুয়াসসাসাতুর রায়য়ান

 

প্রথম সংস্করণ

১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৪৭)
‌‌الجزء فيه من أخبار ابن أبي ذئب رحمه الله

جمع أبي سليمان محمد بن عبد الله بن زبر الحافظ.

رواية الحافظ أبي نصر عبد الوهاب بن عبد الله المري عنه.

رواية الحافظ أبي محمد عبد العزيز بن أحمد بن محمد الكتاني عنه.

رواية الحافظ أبي محمد هبة الله بن أحمد الأكفاني عنه.

رواية الشيخ أبي طاهر بركات بن إبراهيم الخشوعي عنه إجازة سماع إسماعيل بن عبد الله بن عبد المحسن ابن الأنماطي نفعه الله به

إجازة لمحمد بن جامع بن باقي بن عبد الله بن علي التميمي نفعه الله الكريم به آمين رب العالمين.
ইবনে আবি যিব (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) সংক্রান্ত সংবাদসমূহ সম্বলিত অংশ

হাফিয আবু সুলাইমান মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যাবার কর্তৃক সংকলিত।

তাঁর থেকে হাফিয আবু নাসর আব্দুল ওয়াহহাব বিন আব্দুল্লাহ আল-মাররির বর্ণনা।

তাঁর থেকে হাফিয আবু মুহাম্মাদ আব্দুল আযীয বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-কাত্তানির বর্ণনা।

তাঁর থেকে হাফিয আবু মুহাম্মাদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ আল-আকফানির বর্ণনা।

তাঁর থেকে শায়খ আবু তাহির বারাকাত বিন ইব্রাহিম আল-খুশু'য়ির ইজাযতপ্রাপ্ত বর্ণনা, যা ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন ইবনুল আনমাতির শ্রবণকৃত; আল্লাহ এর মাধ্যমে তাঁকে উপকৃত করুন।

মুহাম্মাদ বিন জামি' বিন বাকি বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী আত-তামিমির জন্য ইজাযত; দয়াময় আল্লাহ এর মাধ্যমে তাঁকে উপকৃত করুন, আমীন হে জগতসমূহের প্রতিপালক।
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৪৮)
وقف مؤبد مستقره بالمدرسة الضيائية بسفح قاسيون

سمع جميع هذا الجزء على الشيخ أبي محمد عبد الرحمن بن عبد الواحد بن عبد الرحمن بن سلامة المقدسي السراج بسماعه فيه نقلاً من ابن الخشوعي عن أبيه بقراءة كاتب السماع عبد الله بن أحمد بن المحب المقدسي ابنه أحمد، والمحدث بدر الدين محمد بن رافع بن هجرس الصميدي، وبدر الدين الحسن بن علي بن محمد البغدادي، والحاج محمد بن عثمان ابن الوراق وابنه أحمد، وأبو بكر بن علي بن أحمد المؤذن بالربوة، وإبراهيم بن عبد العزيز بن علي الموصلي.

وصح يوم الاثنين تاسع رجب سنة أربع وعشرين وسبعمائة بجامع الخبزداحار.
কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জিয়াউয়্যাহ মাদ্রাসায় স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত একটি চিরস্থায়ী ওয়াকফ।

এই পূর্ণ অংশটি শেখ আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন আবদুল ওয়াহিদ বিন আবদুর রহমান বিন সালামাহ আল-মাকদিসি আস-সাররাজ-এর নিকট শ্রবণ করা হয়েছে; ইবনুল খশুঈ কর্তৃক তাঁর পিতার নিকট থেকে প্রাপ্ত শ্রুতির বরাতে। শ্রবণলিপিকার আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন আল-মুহিব্ব আল-মাকদিসির পাঠের মাধ্যমে এটি শ্রবণ করেছেন: তাঁর পুত্র আহমদ, মুহাদ্দিস বদর উদ্দিন মুহাম্মদ বিন রাফে বিন হাজরাস আস-সুমাইদি, বদর উদ্দিন আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-বাগদাদী, আল-হাজ মুহাম্মদ বিন উসমান ইবনুল ওয়াররাক ও তাঁর পুত্র আহমদ, রাবওয়াহর মুয়াজ্জিন আবু বকর বিন আলী বিন আহমদ এবং ইব্রাহিম বিন আবদুল আজিজ বিন আলী আল-মাওসিলি।

এটি ৭২৪ হিজরি সালের ৯ই রজব সোমবার আল-খুবজদাহার জামে মসজিদে সত্যায়িত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৪৯)
بسم الله الرحمن الرحيم

وما توفيقي إلا بالله

أخبرنا الشيخ الأمين الأصيل مسند الشام أبو طاهر بركات بن إبراهيم بن طاهر بن بركات القرشي الخشوعي رضي الله عنه قراءةً عليه ونحن نسمع في شهر رمضان المعظم من سنة ست وتسعين وخمسمائة بدمشق أن الشيخ الأمين أبا محمد هبة الله بن أحمد بن محمد الأكفاني العدل الأنصاري أجاز لهم -إن لم يكن سمعه منه- قال: أنا أبو محمد عبد العزيز بن أحمد بن محمد بن علي التميمي الكتاني الحافظ، قال: أنا أبو نصر عبد الوهاب بن عبد الله بن عمر المري الحافظ قال: أنا أبو سليمان محمد بن عبد الله بن زبر الحافظ رحمه الله قال:

اسم ابن أبي ذئب: هشام بن شعبة بن عبد الله بن أبي قيس بن عبد ود بن [نصر] بن مالك بن حسل بن عامر بن لؤي، فقيه أهل
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আর আমার তাওফীক কেবল আল্লাহর সাহায্যেই।

নির্ভরযোগ্য ও সম্ভ্রান্ত শায়খ, শামের মুসনিদ আবু তাহির বারাকাত ইবনে ইবরাহিম ইবনে তাহির ইবনে বারাকাত আল-কুরাশি আল-খশুঈ (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) ৫৯৬ হিজরি সনের মহিমান্বিত রমজান মাসে দামেস্কে তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন আমরা তা শুনছিলাম; যে, নির্ভরযোগ্য শায়খ আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আকফানি আল-আদল আল-আনসারি তাঁদের ইজাযত প্রদান করেছেন—যদি তিনি তা তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ না করে থাকেন—। তিনি বলেন: হাফিয আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আত-তামিমি আল-কাত্তানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: হাফিয আবু নাসর আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-মাররি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: হাফিয আবু সুলাইমান মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জাবর (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

ইবনে আবি যি'ব-এর নাম: হিশাম ইবনে শু'বাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি কায়স ইবনে আব্দ ওদ্দ ইবনে [নাসর] ইবনে মালিক ইবনে হিসল ইবনে আমির ইবনে লুআই, তিনি অধিবাসীদের ফকিহ...
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৫০)
المدينة وزاهدهم -يعني- محمد بن عبد الرحمن بن المغيرة بن الحارث بن هشام.

وأمه: بريهة بنت عبد الرحمن بن الحارث بن أبي ذئب.

وخاله: الحارث بن عبد الرحمن بن أبي ذئب، وهو يروي عنه، وكان يأمر بالمعروف وينهى عن المنكر، أشخصه المهدي إلى بغداد،
মদীনার অধিবাসী এবং তাদের মধ্যে সর্বাধিক দুনিয়াবিমুখ (যাহিদ)—অর্থাৎ—মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-মুগীরাহ বিন আল-হারিস বিন হিশাম।

এবং তাঁর মাতা: বুরাইহা বিনতে আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস বিন আবি যিব।

এবং তাঁর মামা: আল-হারিস বিন আব্দুর রহমান বিন আবি যিব, এবং তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেন; তিনি সৎকাজের আদেশ দিতেন এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করতেন, আল-মাহদী তাঁকে বাগদাদে তলব করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৫১)
ثم انصرف من بغداد فمات بالكوفة رحمه الله.

وسمعت أبا القاسم ابن بنت منيع ببغداد يقول: سمعت أبا عبد الله أحمد بن حنبل رحمه الله يقول: كان ابن أبي ذئب رجلاً صالحاً قوالاً بالحق، وكان يشبه بسعيد بن المسيب، وكان قليل الحديث.

قال أبو سليمان: ولد ابن أبي ذئب في المحرم من سنة إحدى وثمانين، ومات بالكوفة ودفن بها سنة تسع وخمسين ومائة.
এরপর তিনি বাগদাদ থেকে প্রস্থান করেন এবং কুফায় মৃত্যুবরণ করেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন।

আমি বাগদাদে আবুল কাসিম ইবন বিনতে মানি‘-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহ আহমদ বিন হাম্বল (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইবন আবি দি’ব একজন নেককার ও সত্যের বলিষ্ঠ প্রবক্তা ছিলেন। তাঁকে সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের সাথে তুলনা করা হতো এবং তিনি অল্প হাদীস বর্ণনা করতেন।

আবু সুলায়মান বলেন: ইবন আবি দি’ব একাশি হিজরী সনের মুহররম মাসে জন্মগ্রহণ করেন এবং একশত ঊনষাট হিজরী সনে কুফায় মৃত্যুবরণ করেন ও সেখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৫২)
حدثنا عبد الله بن محمد البغوي، حدثني هارون بن سفيان قال: قال [أبو نعيم] : حججت سنة حج أبو جعفر وأنا ابن إحدى وعشرين سنة، ومعه ابن أبي ذئب، ومالك بن أنس، فدعا ابن أبي ذئب فأقعده معه على دار الندوة عند غروب الشمس، فقال له: ما تقول في الحسن بن زيد بن الحسن بن فاطمة؟

قال: أما إنه يتحرى العدل.

قال: فما تقول فيَّ مرتين أو ثلاثاً؟

قال: ورب هذه البنية إنك لجائر.

قال: فأخذ الربيع بلحيته.
আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগাওয়ী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হারুন ইবনে সুফিয়ান আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: [আবু নুআইম] বলেছেন: আবু জাফর যে বছর হজ্জ করেছিলেন আমি সে বছর হজ্জ করেছি, তখন আমার বয়স ছিল একুশ বছর। তার সাথে ইবনে আবি যিব এবং মালিক ইবনে আনাসও ছিলেন। অতঃপর তিনি ইবনে আবি যিবকে ডেকে পাঠালেন এবং সূর্যাস্তের সময় দারুন নাদওয়াহতে তাকে নিজের সাথে বসালেন। এরপর তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: হাসান ইবনে যাইদ ইবনে হাসান ইবনে ফাতেমা সম্পর্কে তোমার অভিমত কী?

তিনি বললেন: জেনে রাখুন, তিনি ন্যায়বিচার অন্বেষণ করেন।

তিনি (আবু জাফর) দুই বা তিনবার জিজ্ঞেস করলেন: তাহলে আমার সম্পর্কে তোমার অভিমত কী?

তিনি বললেন: এই ঘরের রবের কসম, নিশ্চয়ই আপনি একজন যালিম।

তিনি বলেন: তখন রাবি' তার দাড়ি ধরে ফেললেন।
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৫৩)
فقال أبو جعفر: كف يا ابن اللخناء، وأمر له بثلاثمائة دينار.

أخبرنا أبي، نا أحمد بن محمد بن الحجاج قال: سمعت أبا جعفر الخراساني محمد بن هارون يقول: حدثني أحمد بن صالح، نا ابن أبي فديك قال: سمعت ابن أبي ذئب يحدث سفيان الثوري، قال لأبي جعفر: أنا لك خير من ابنك المهدي.

فقال له سفيان: سبحان الله وحل لك أن تقول: المهدي.

فقال ابن أبي ذئب: سبحان الله، كلنا مهدي هدانا الله عز وجل.
আবু জাফর বললেন: ক্ষান্ত হও ওহে অশ্লীল রমণীর পুত্র; এবং তিনি তাকে তিনশত দিনার প্রদানের নির্দেশ দিলেন।

আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাজ্জাজ আমাদের বলেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু জাফর আল-খুরাসানি মুহাম্মাদ ইবনে হারুনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে সালিহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি ফুদাইক আমাদের বলেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আবি যিবকে সুফিয়ান আস-সাওরির নিকট কথা বলতে শুনেছি, তিনি আবু জাফরকে বলেছিলেন: আমি আপনার জন্য আপনার পুত্র মাহদীর চেয়েও উত্তম।

অতঃপর সুফিয়ান তাকে বললেন: সুবহানাল্লাহ! আপনার জন্য তাকে ‘মাহদী’ বলা কি বৈধ হলো?

তখন ইবনে আবি যিব বললেন: সুবহানাল্লাহ, আমরা সকলেই মাহদী (হেদায়েতপ্রাপ্ত), মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করেছেন।
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৫৪)
أخبرنا أبي، نا أبو الحجاج قال: سمعت أبا عبد الله بن حنبل يقول: كان ابن أبي ذئب ومالك يحضران عند السلطان فيسكت مالك ويتكلم ابن أبي ذئب، ولقد دخل على أبي جعفر فصدقه فأمر له بشيءٍ فلم يقبله.

أخبرنا أبي قال: نا أحمد بن سعد الزهري قال: سمعت أحمد بن صالح يقول: ابن أبي ذئب أكبر من مالك بثلاث عشرة سنة، ابن أبي ذئب ولد سنة ثمانين.

أخبرنا أبي قال: نا عبد الله بن مسلم المصري، عن داود بن أبي العباس، عن أبيه، عن جده قال: بعث بي المنصور إلى ابن أبي ذئب أسأله عن مسألة فقال: ما هي؟

فذكرتها له.

فقال: لا يراني الله عز وجل أفتي جباراً مثله في مسألة فيها ضرر على المسلمين.

قال: فرجعت إلى المنصور مغضباً، فعرف في وجهي.

فقال: لقد جئت بغير الوجه الذي ذهبت به.

فقلت: تبعث بي إلى مجنون! وأخبرته.

فقال المنصور: الذي لقيت أنا منه العام في الطواف أشد من هذا. كنت
আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, আবুল হাজ্জাজ আমাদের বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: ইবন আবি দি'ব এবং মালিক সুলতানের নিকট উপস্থিত হতেন; তখন মালিক চুপ থাকতেন এবং ইবন আবি দি'ব কথা বলতেন। তিনি আবু জাফরের নিকট প্রবেশ করে তাকে সত্য কথা বলেন, অতঃপর তিনি (খলিফা) তাঁর জন্য কিছু প্রদানের নির্দেশ দেন, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।

আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন সা'দ আজ-জুহরী আমাদের বলেছেন: আমি আহমাদ বিন সালিহকে বলতে শুনেছি: ইবন আবি দি'ব মালিকের চেয়ে তেরো বছরের বড়। ইবন আবি দি'ব আশি হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।

আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম আল-মিসরী আমাদের বলেছেন, দাউদ বিন আবিল আব্বাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল-মানসুর আমাকে ইবন আবি দি'বের নিকট একটি মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য পাঠিয়েছিলেন। তিনি (ইবন আবি দি'ব) বললেন: সেটি কী?

অতঃপর আমি তাঁর নিকট তা উল্লেখ করলাম।

তিনি বললেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আমাকে তাঁর মতো একজন স্বৈরাচারকে এমন কোনো মাসআলায় ফতোয়া দিতে দেখবেন না যাতে মুসলিমদের ক্ষতি রয়েছে।

তিনি বলেন: এরপর আমি রাগান্বিত অবস্থায় আল-মানসুরের নিকট ফিরে এলাম এবং তিনি আমার চেহারা দেখে তা বুঝতে পারলেন।

তিনি বললেন: তুমি যে চেহারা নিয়ে গিয়েছিলে, তার বিপরীত চেহারা নিয়ে ফিরে এসেছ।

আমি বললাম: আপনি আমাকে এক উন্মাদের নিকট পাঠিয়েছেন! এরপর আমি তাঁকে বিস্তারিত জানালাম।

আল-মানসুর বললেন: এই বছর তাওয়াফের সময় আমি তাঁর কাছ থেকে যা পেয়েছি, তা এর চেয়েও কঠোর ছিল। আমি ছিলাম...
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৫৫)
في شوق إلى أن أراه، فبينا أنا أطوف إذ قال لي المسيب: أليس كنت تسأل عن ابن أبي ذئب؟

فقلت: بلى، فقال: هو ذا، هو يطوف، فأتيته.

فقلت: السلام عليكم ورحمة الله، وناولته يدي، فبرق عينيه في وجهي وقال: من أنت؟ فلقد أخذت يدي أخذ جبار.

قلت: أو ما تعرفني؟

قال: لا.

قلت: أنا أبو جعفر المنصور.

قال: فجذب يده من يدي وقال: {لا تجد قوماً يؤمنون بالله واليوم الآخر يوادون من حاد الله ورسوله} .

قال: قلت: يا أمير المؤمنين، ما صنعت به؟

قال: ما عسيت أن أفعل برجلٍ الله في قلبه عظيم.

أخبرنا أبي، أخبرني عبد الله بن مسلم، عن أحمد بن يحيى عن محمد بن إدريس الشافعي قال: قدم أبو جعفر المنصور المدينة حاجاً فأتته الوفود من كل بلد يشكون إليه الأمراء، فأتاه أهل اليمن يشكون معن بن زائدة، وأتاه بنو أبي عمرو الغفاري من أهل المدينة يشكون أميرهم الحسن بن زيد، فقال وفد اليمن لأبي جعفر
আমি তাঁকে দেখার জন্য ব্যাকুল ছিলাম। আমি যখন তাওয়াফ করছিলাম, তখন মুসাইয়িব আমাকে বললেন: আপনি কি ইবন আবি জিব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছিলেন না?

আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: ওই যে তিনি, তিনি তাওয়াফ করছেন। তখন আমি তাঁর কাছে গেলাম।

আমি বললাম: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি আমার হাত তাঁর দিকে বাড়িয়ে দিলাম। তখন তিনি আমার চেহারার দিকে চোখ রাঙিয়ে চাইলেন এবং বললেন: তুমি কে? তুমি তো কোনো জাব্বারের (অত্যাচারী) মতো আমার হাত ধরলে।

আমি বললাম: আপনি কি আমাকে চিনতে পারছেন না?

তিনি বললেন: না।

আমি বললাম: আমি আবু জাফর আল-মানসুর।

তিনি বলেন: তখন তিনি আমার হাত থেকে নিজের হাত টেনে নিলেন এবং বললেন: "আপনি এমন কোনো সম্প্রদায় পাবেন না যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে অথচ তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব পোষণ করে।"

তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আমিরুল মুমিনীন, আপনি তাঁর সাথে কী করলেন?

তিনি বললেন: আমি এমন একজন ব্যক্তির সাথে আর কী-ই বা করতে পারতাম যার অন্তরে আল্লাহ অতি মহান।

আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আব্দুল্লাহ ইবন মুসলিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন ইদ্রিস আশ-শাফিঈ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আল-মানসুর হজ পালনকারী হিসেবে মদিনায় আসলেন, তখন প্রতিটি দেশ থেকে প্রতিনিধিরা তাঁর কাছে এসে আমিরদের (গভর্নরদের) বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে লাগলেন। ইয়েমেনের অধিবাসীরা তাঁর কাছে এসে মা'ন ইবন যায়িদার বিরুদ্ধে অভিযোগ করল এবং মদিনার অধিবাসীদের মধ্য থেকে বনু আবি আমর আল-গিফারি তাদের আমির হাসান ইবন যায়েদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে আসল। তখন ইয়েমেনের প্রতিনিধি দল আবু জাফরকে বলল
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৫৬)
المنصور، وقد أحضر ابن أبي ذئب والعلماء فقالوا: يا أمير المؤمنين، إن معن بن زائدة قد تعدى علينا وأساء فينا السيرة، وقد رضينا بابن أبي ذئب فقال له أبو جعفر: ما تقول في معن بن زائدة؟

قال: قولي فيه وعلمي به أنه عدو الله، يقتل المسلمين بغير حق والمعاهدين، ويحكم بغير ما أنزل ويفسد العباد والبلاد.

قال: ثم تقدم الغفاريون يشكون الحسن بن زيد وسيرته فيهم وقالوا: قد رضينا بابن أبي ذئب. فأطبق عليه ابن أبي ذئب وذكره بسوء.

فقال الحسن بن زيد: يا أمير المؤمنين، ذكرني بما قد ذكر فإن رأى أمير المؤمنين أن يسأله عن حال [أمير المؤمنين] عنده؟

فقال أبو جعفر: ما تقول فيَّ يا ابن أبي ذئب؟

فقال: اعفني.

قال: قد عزمت عليك.

قال: اعفني.

قال: لست أفعل.

قال: فبكى ابن أبي ذئب، ثم قال: تسألني عن نفسك، أنت أعلم بنفسك مني، وما عسى أن أقول فيك مما فيك، أنت والله الرجل الذي أمرر على المسلمين أمرهم، ظلمتهم، واعتديت عليهم، وسفكت الدماء الحرام، وأخذت الأموال من غير حلها ووضعتها في غير حقها، وأهلكت المسلمين، والفقراء، واليتامى، والمساكين.

قال محمد بن إبراهيم: وبين يدي أبي جعفر عمودٌ فجمع الناس
আল-মনসুর; তিনি ইবনে আবি দিব এবং আলেমদের উপস্থিত করলেন। তখন তারা বললেন: হে আমিরুল মুমিনিন, মা’ন বিন জাইদাহ আমাদের ওপর সীমালঙ্ঘন করেছে এবং আমাদের প্রতি অসদাচরণ করেছে। আমরা ইবনে আবি দিবের (ফয়সালার) ব্যাপারে সন্তুষ্ট। তখন আবু জাফর তাকে বললেন: মা’ন বিন জাইদাহ সম্পর্কে তোমার বক্তব্য কী?

তিনি বললেন: তার সম্পর্কে আমার বক্তব্য এবং আমার জ্ঞান হলো এই যে, সে আল্লাহর শত্রু; সে অন্যায়ভাবে মুসলিমদের এবং চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমদের হত্যা করে, যা অবতীর্ণ হয়েছে তা ব্যতিরেকে ফয়সালা করে এবং বান্দা ও জনপদকে বিপর্যস্ত করে।

বর্ণনাকারী বলেন: এরপর গিফারি গোত্রের লোকেরা হাসান বিন জাইদ এবং তাদের প্রতি তার আচরণের অভিযোগ নিয়ে এগিয়ে এল। তারা বলল: আমরা ইবনে আবি দিবের (ফয়সালার) ব্যাপারে সন্তুষ্ট। অতঃপর ইবনে আবি দিব তার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেন এবং তাকে মন্দভাবে স্মরণ করলেন।

তখন হাসান বিন জাইদ বললেন: হে আমিরুল মুমিনিন, তিনি আমাকে নিয়ে যা বলার বলেছেন; এখন আমিরুল মুমিনিন যদি সমীচীন মনে করেন তবে তাকে তার কাছে [আমিরুল মুমিনিনের] অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন?

আবু জাফর বললেন: হে ইবনে আবি দিব, আমার সম্পর্কে তুমি কী বলো?

তিনি বললেন: আমাকে অব্যাহতি দিন।

তিনি বললেন: আমি তোমাকে দৃঢ়ভাবে আদেশ করছি।

তিনি বললেন: আমাকে অব্যাহতি দিন।

তিনি বললেন: আমি তা করব না।

বর্ণনাকারী বলেন: তখন ইবনে আবি দিব কেঁদে ফেললেন, অতঃপর বললেন: আপনি আমাকে আপনার নিজের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন? আপনি নিজের সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনার মাঝে যা আছে তা নিয়ে আমার বলারই বা কী থাকতে পারে? আল্লাহর কসম, আপনি সেই ব্যক্তি যাকে মুসলিমদের বিষয়াবলীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, অথচ আপনি তাদের ওপর জুলুম করেছেন, তাদের ওপর সীমালঙ্ঘন করেছেন, নিষিদ্ধ রক্ত প্রবাহিত করেছেন, অবৈধভাবে সম্পদ গ্রহণ করেছেন এবং তা অন্যায্য খাতে ব্যয় করেছেন। আপনি মুসলিমদের, দরিদ্রদের, এতিমদের এবং মিসকিনদের ধ্বংস করেছেন।

মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বলেন: আবু জাফরের সামনে একটি দণ্ড ছিল, অতঃপর তিনি লোকজনকে সমবেত করলেন...
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৫৭)
عليهم ثيابهم مخافةً أن يتلطخ عليهم من دمه ودماغه، فلم يهجه بشيء وانصرف الناس، فقال عمٌّ لأبي جعفر: يا أمير المؤمنين، إن هذا مجلس قد حضره أهل الآفاق وينصرفون إلى البلاد فيخبرون بما كان إلى أمير المؤمنين من الجرأة، فلو قتلت هذا الكلب لئلا يجترئ عليك غيره من الناس.

فقال له أبو جعفر: ويحك، هذا رجلٌ قد بلغت منه صعوبة العبادة، وقد سمع الحديث: ((إن أفضل الجهاد كلمة عدل قالها عند سلطان جائر يقتل عليها)) ، فطمع أني أقتله أفيراني أقتله وأريحه مما هو فيه من صعوبة العبادة؟ ولا والله ما أهيجه أبداً حتى يموت أو أموت.

أخبرنا أبي، قال: ذكر عبد الجبار بن سعيد المساحقي، عن أبيه، عن محمد بن إبراهيم الإمام قال: حضرت أبا جعفر المنصور بالمدينة وعنده ابن أبي ذئب فقال له أبو جعفر المنصور: يا ابن أبي ذئب، أخبرني بحالات الناس.

فقال: يا أمير المؤمنين، هلك الناس، وضاعت أمورهم، فلو اتقيت الله فيهم، وقسمت فيئهم فيهم.

فقال: ويلٌ لك يا ابن أبي ذئب، لولا ما بعثنا بذلك الفيء من البعوث وسددنا به من الثغور لأُتيتَ في منزلك وأُخذت بعنقك وذُبحت كما يذبح الجمل.
তাদের পরিধেয় বস্ত্রসমূহ, তার রক্ত ও মগজ দ্বারা রঞ্জিত হওয়ার ভয়ে (তারা সতর্ক ছিল), কিন্তু তিনি তার সাথে কোনো বিরূপ আচরণ করলেন না এবং লোকজন চলে গেল। অতঃপর আবু জাফরের এক চাচা তাকে বললেন: "হে আমিরুল মুমিনীন, এটি এমন এক মজলিস যেখানে দূর-দূরান্তের মানুষ উপস্থিত হয়েছে এবং তারা নিজ নিজ জনপদে ফিরে গিয়ে আপনার সামনে এই ব্যক্তির ধৃষ্টতার কথা জানাবে। সুতরাং আপনি যদি এই কুকুরটিকে হত্যা করতেন, তবে অন্য কেউ আপনার বিরুদ্ধে এমন স্পর্ধা দেখানোর সাহস করত না।"

আবু জাফর তাকে বললেন: "তোমার প্রতি আক্ষেপ! এটি এমন এক ব্যক্তি যাকে ইবাদতের কঠোরতা এই পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। সে এই হাদিস শুনেছে যে: 'নিশ্চয়ই সর্বোত্তম জিহাদ হলো জালিম শাসকের সামনে ন্যায়ের কথা বলা, যার কারণে তাকে হত্যা করা হয়।' তাই সে লোভ করছে যেন আমি তাকে হত্যা করি। সে কি মনে করে যে আমি তাকে হত্যা করে ইবাদতের এই কঠোরতা থেকে তাকে মুক্তি দেব? না, আল্লাহর শপথ, আমি তাকে কখনোই বিরক্ত করব না যতক্ষণ না সে মারা যায় অথবা আমি মারা যাই।"

আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল জব্বার ইবনে সাঈদ আল-মাসাহিকি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-ইমাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মদিনায় আবু জাফর আল-মনসুরের কাছে উপস্থিত ছিলাম এবং তার নিকট ইবনে আবি যিব বসা ছিলেন। তখন আবু জাফর আল-মনসুর তাকে বললেন: "হে ইবনে আবি যিব, আমাকে মানুষের অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করুন।"

তিনি বললেন: "হে আমিরুল মুমিনীন, মানুষ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তাদের বিষয়াদি নষ্ট হয়ে গেছে। সুতরাং আপনি যদি তাদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করতেন এবং তাদের প্রাপ্য ফায় (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) তাদের মধ্যে বণ্টন করে দিতেন।"

তিনি বললেন: "তোমার জন্য আফসোস হে ইবনে আবি যিব! যদি আমি সেই ফায় থেকে সেনাবাহিনী প্রেরণ না করতাম এবং এর মাধ্যমে সীমান্তসমূহ সুরক্ষিত না রাখতাম, তবে তোমার ঘরেই তোমার কাছে আক্রমণকারী চলে আসত, তোমার ঘাড় ধরা হতো এবং তোমাকে উটের মতো জবাই করা হতো।"
(খণ্ড: ১) আখবারু ইবনু আবি যিব লি ইবনু যাবর আর-রাবাঈ (পৃষ্ঠা: ৫৮)
فقال ابن أبي ذئب: يا أمير المؤمنين، قد بعث البعوث وسد الثغور وقسم فيئهم فيهم غيرك.

قال: ويلك، ومن ذاك؟

قال: عمر بن الخطاب، فأطرق أبو جعفر إطراقةً ثم رفع رأسه فقال: إن عمر بن الخطاب رحمه الله عمل لزمانٍ وعملنا لغيره.

فقال: يا أمير المؤمنين إن الحق لا تنقله الأزمان عن مواضعه ولا تغيره عن وجهه.

قال: أحسبك يا ابن أبي ذئب طعاناً على السلطان.

قال: لا تقل ذاك يا أمير المؤمنين، فوالذي يمسك السماء أن تقع على الأرض إلا بإذنه لصلاحك أحب إلي من صلاح نفسي؛ وذاك أن صلاحي لنفسي لا يعدوها، وصلاحك لجميع المسلمين.

قال: فأطرق أبو جعفر وإن المسيب والحرس قيامٌ على رأس أبي جعفر بأيديهم السيوف المسللة.

قال: ثم رفع رأسه وقال: من أراد أن ينظر إلى خير أهل الأرض اليوم فلينظر إلى هذا الرجل وأومأ إلى ابن أبي ذئب.

قال: فقلت في نفسي أشهد أن الله ولي الذين آمنوا وهو منجي المتقين.

آخر الجزء، والحمد لله رب العالمين وصلواته على محمد وآله.

كتبه ابن الأنماطي لنفسه بدمشق في شهر [] .
ইবনে আবি জিব বললেন: হে আমিরুল মুমিনিন, আপনার পূর্বে অন্যজন বাহিনী প্রেরণ করেছেন, সীমান্তসমূহ সুরক্ষিত করেছেন এবং তাদের মধ্যে তাদের অর্জিত যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বণ্টন করেছেন।

তিনি বললেন: তোমার দুর্ভোগ হোক, তিনি কে?

তিনি বললেন: উমর ইবনুল খাত্তাব। তখন আবু জাফর মাথা নিচু করে কিছুক্ষণ থাকলেন, অতঃপর মাথা তুলে বললেন: নিশ্চয়ই উমর ইবনুল খাত্তাব (রহিমাহুল্লাহ) একটি সময়ের জন্য কাজ করেছেন আর আমরা অন্য সময়ের জন্য কাজ করছি।

তিনি বললেন: হে আমিরুল মুমিনিন, নিশ্চয়ই সত্যকে কাল বা সময় তার নিজ স্থান থেকে বিচ্যুত করে না এবং তার স্বরূপ থেকে তাকে পরিবর্তিত করে না।

তিনি বললেন: হে ইবনে আবি জিব, আমি মনে করি আপনি সুলতানের নিন্দা করছেন।

তিনি বললেন: হে আমিরুল মুমিনিন, এমন কথা বলবেন না। সেই সত্তার শপথ, যিনি আকাশকে তাঁর অনুমতি ব্যতীত জমিনের উপর পতিত হওয়া থেকে রক্ষা করেন, আমার নিজের সংশোধনের চেয়ে আপনার সংশোধন আমার নিকট অধিক প্রিয়; আর তা এজন্য যে, আমার নিজের সংশোধন কেবল আমার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে, কিন্তু আপনার সংশোধন সকল মুসলিমের কল্যাণের জন্য।

তিনি বললেন: তখন আবু জাফর মাথা নিচু করলেন, এমতাবস্থায় মুসাইয়িব ও প্রহরীরা আবু জাফরের শিয়রে কোষমুক্ত তরবারি হাতে দাঁড়িয়ে ছিল।

তিনি বলেন: অতঃপর তিনি মাথা তুললেন এবং বললেন: যে ব্যক্তি আজ যমীনের বুকে সর্বোত্তম মানুষকে দেখতে চায়, সে যেন এই ব্যক্তির দিকে তাকায়; এবং তিনি ইবনে আবি জিবের দিকে ইশারা করলেন।

তিনি বলেন: তখন আমি মনে মনে বললাম, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ ঈমানদারদের অভিভাবক এবং তিনি মুত্তাকীদের উদ্ধারকারী।

খণ্ডের সমাপ্তি, এবং সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর তাঁর রহমত বর্ষিত হোক।

ইবনুল আনমাতি এটি নিজের জন্য দামেস্কে [ ] মাসে লিখেছেন।