(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: -)
الطهور - أبو عبيد - ت مشهور   (أبو عبيد القاسم بن سلام)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الطهور للقاسم بن سلام

المؤلف: أبو عُبيد القاسم بن سلاّم بن عبد الله الهروي البغدادي (ت 224هـ)

حقه وخرج أحاديثه: مشهور حسن محمود سلمان

الناشر: مكتبة الصحابة، جدة - الشرفية، مكتبة التابعين، سليم الأول - الزيتون

الطبعة: الأولى، 1414 هـ - 1994 م

عدد الصفحات: 412

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আত্ব-ত্বহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক: মাশহুর   (আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম)

বিভাগ: সুন্নাহ গ্রন্থসমূহ


কিতাব: আল-কাসিম বিন সাল্লামের আত্ব-ত্বহুর

লেখক: আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম বিন আব্দুল্লাহ আল-হারাবী আল-বাগদাদী (মৃত্যু ২২৪ হিজরি)

তাহকীক ও হাদিস তাখরীজ করেছেন: মাশহুর হাসান মাহমুদ সালমান

প্রকাশক: মাকতাবাতুস সাহাবা, জেদ্দা - আশ-শারাফিয়্যাহ, মাকতাবাতুত তাবেয়ীন, সেলিম আল-আউয়াল - আজ-জাইতুন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৪ হিজরি - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪১২

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে মিল রয়েছে]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ٨٧)
كِتَابُ الطَّهُورِ لِأَبِي عُبَيْدٍ الْقَاسِمِ بْنِ سَلَّامٍ الْخُزَاعِيِّ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، صَلَّى اللَّهُ عَلَى مُحَمَّدٍ وَآلِهِ رِوَايَةُ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ يَزِيدَ الْمَرْوَزِيِّ عَنْهُ. رِوَايَةَ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَخْلَدٍ الدَّقَّاقِ عَنْهُ رِوَايَةُ أَبِي مُحَمَّدٍ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْجَوْهَرِيِّ عَنْهُ رِوَايَةُ الْقَاضِي أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَزَّازُ عَنْهُ رِوَايَةُ الشَّيْخِ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرِ بْنِ طَبْرَزَذَ عَنْهُ رِوَايَةُ أُمِّ عَبْدِ الْكَرِيمِ فَاطِمَةَ بِنْتِ سَعْدِ الْخَيْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْهُ رِوَايَةُ الشَّيْخِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدِ بْنِ أَبِي الثَّنَاءِ حَامِدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَمَدٍ الْأَرْتَاحِيِّ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ سَعْدِ الْخَيْرِ الْأَنْصَارِيِّ رِوَايَةُ أَحْمَدَ، وَإِبْرَاهِيمَ ابْنَا مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الظَّاهِرِيِّ، وَابْنِ أَخِيهِمَا مُوسَى عَنْهُ.
আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লাম আল-খুজাঈ রচিত পবিত্রতা বিষয়ক গ্রন্থ। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর রহমত বর্ষণ করুন। তাঁর থেকে আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইমান ইবনে ইয়াযীদ আল-মারওয়াযীর বর্ণনা। তাঁর থেকে আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাখলাদ আদ-দাক্কাকের বর্ণনা। তাঁর থেকে আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান আল-জাওহারীর বর্ণনা। তাঁর থেকে কাযী আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকী ইবনে মুহাম্মাদ আল-বায্যাযের বর্ণনা। তাঁর থেকে শায়খ আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মা’মার ইবনে তাবরাযাদের বর্ণনা। তাঁর থেকে উম্মে আব্দুল করীম ফাতিমা বিনতে সাদুল খাইর ইবনে মুহাম্মাদ আল-আনসারীর বর্ণনা। ফাতিমা বিনতে সাদুল খাইর আল-আনসারী থেকে শায়খ আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে আবিস সানা হামিদ ইবনে আহমাদ ইবনে হামাদ আল-আরতাহীর বর্ণনা। তাঁর থেকে আহমাদ ও ইবরাহীম—মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-যাহিরীর দুই পুত্র—এবং তাদের ভ্রাতুষ্পুত্র মূসার বর্ণনা।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ٨٩)
‌‌بَابُ فَضْلِ الطُّهُورِ تَكُونُ بَعْدَهُ الصَّلَاةُ
পবিত্রতার শ্রেষ্ঠত্ব বিষয়ক অধ্যায় যার পর সালাত আদায় করা হয়
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ٨٩)
أَخْبَرَنَا الْقَاضِي الْإِمَامُ الْعَدْلُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْجَوْهَرِيِّ، قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَخْلَدٍ الدَّقَّاقُ. قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ يَزِيدَ الْمَرْوَزِيُّ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ الْقَاسِمِ بْنِ سَلَّامٍ الْخُزَاعِيِّ رحمه الله قَالَ: هَذَا ذِكْرُ فَضَائِلِ الطَّهُورِ وَأَبْوَابِهِ وَدَرَجَاتِهِ:

 

1 - حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ الْجُنْدَعِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ حُمْرَانَ، مَوْلَى عُثْمَانَ يَقُولُ: رَأَيْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ ، رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ ، يَتَوَضَّأُ ، فَأَهْرَاقَ عَلَى يَدَيْهِ ثَلَاثَ ⦗ص: 90⦘ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ اسْتَنْشَقَ وَتَمَضْمَضَ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ غَسَلَ يَدَهُ الْيُمْنَى إِلَى الْمِرْفَقِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ غَسَلَ الْيُسْرَى مِثْلَ ذَلِكَ ، ثُمَّ مَسَحَ بِرَأْسِهِ ، وَغَسَلَ قَدَمَهُ الْيُمْنَى ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ غَسَلَ الْيُسْرَى مِثْلَ ذَلِكَ ، ثُمَّ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ نَحْوَ وُضُوئِي هَذَا. ثُمَّ قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأَ مِثْلَ وُضُوئِي هَذَا ثُمَّ قَامَ فَرَكَعَ رَكْعَتَيْنِ لَمْ يُحَدِّثْ فِيهِمَا نَفْسَهُ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ন্যায়পরায়ণ ইমাম কাজী আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আবদুল বাকি ইবন মুহাম্মদ আল-বাজ্জাজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-হাসান আল-জাওহারী, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবন মুহাম্মদ ইবন উবাইদ ইবন আহমদ ইবন মাখলাদ আদ-দাক্কাক। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন সুলায়মান ইবন ইয়াযীদ আল-মারওয়াযী, আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবন সাল্লাম আল-খুযাঈ (রহিমাহুল্লাহ) থেকে। তিনি বলেন: এটি পবিত্রতার ফযীলত, এর অধ্যায়সমূহ এবং এর স্তরসমূহের আলোচনা:

 

১ - আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাজ্জাজ ইবন মুহাম্মদ, আবদুল মালিক ইবন জুরাইজ থেকে, তিনি বলেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন ইবন শিহাব, আতা ইবন ইয়াযীদ আল-জুনদাঈ থেকে, তিনি উসমানের আযাদকৃত গোলাম হুমরানকে বলতে শুনেছেন যে: আমি উসমান ইবন আফফানকে দেখেছি—তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক—তিনি ওযু করছেন। তিনি তাঁর দুই হাতের ওপর তিনবার পানি ঢাললেন ⦗পৃষ্ঠা: ৯০⦘ বার, এরপর নাকে পানি দিলেন ও কুলি করলেন, তারপর তাঁর মুখমণ্ডল তিনবার ধৌত করলেন। এরপর তাঁর ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন, এরপর বাম হাতও অনুরূপভাবে ধৌত করলেন। অতঃপর তাঁর মাথা মাসেহ করলেন এবং তাঁর ডান পা তিনবার ধৌত করলেন, এরপর বাম পা-ও অনুরূপভাবে ধৌত করলেন। এরপর তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমার এই ওযুর মতোই ওযু করতে দেখেছি। এরপর তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি আমার এই ওযুর ন্যায় ওযু করবে, অতঃপর দাঁড়িয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করবে এবং তাতে নিজের মনের সাথে কোনো কথা বলবে না, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ٩٣)
2 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَقِيلِ بْنِ خَالِدٍ، وَيُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حُمْرَانُ، مَوْلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ ، قَالَ: رَأَيْتُ عُثْمَانَ تَوَضَّأَ فَأَفْرَغَ عَلَى يَدَيْهِ مِنَ الْإِنَاءِ ، فَغَسَلَهُمَا ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ أَدْخَلَ يَدَهُ الْيُمْنَى فِي الْوَضُوءِ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ، وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ ، ثُمَّ مَسَحَ بِرَأْسِهِ ، ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَهُ الْيُمْنَى ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ نَحْوَ وُضُوئِي هَذَا ، ثُمَّ قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأَ نَحْوَ وُضُوئِي هَذَا ثُمَّ رَكَعَ رَكْعَتَيْنِ لَمْ يُحَدِّثْ فِيهِمَا نَفْسَهُ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ» وَرَوَاهُ يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ فَذَكَرَهُ بِمَعْنَاهُ ، قَالَ: «غَسَلَ رِجْلَيْهِ إِلَى الْكَعْبِ» قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: قَرَأَ: «وَالْكَعْبَ» ، فِي حَدِيثِهِ
২ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন লাইস ইবনে সাদ থেকে, তিনি আকীল ইবনে খালিদ ও ইউনুস ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তাঁরা ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান ইবনে আফফানের মুক্তদাস হুমরান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি উসমানকে ওযু করতে দেখেছি। তিনি পাত্র থেকে তাঁর দুই হাতের ওপর পানি ঢাললেন এবং হাত দুটি তিনবার ধুইলেন। এরপর তিনি তাঁর ডান হাত ওযুর পানির পাত্রে প্রবেশ করালেন, এরপর কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিয়ে পরিষ্কার করলেন। এরপর তিনবার তাঁর মুখমন্ডল ধুইলেন এবং কনুই পর্যন্ত হাত দুটি ধুইলেন। এরপর তাঁর মাথা মাসাহ করলেন। এরপর তাঁর ডান পা তিনবার ধুইলেন, তারপর তাঁর বাম পা তিনবার ধুইলেন। এরপর তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমার এই ওযুর ন্যায় ওযু করতে দেখেছি। এরপর তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি আমার এই ওযুর ন্যায় ওযু করবে, অতঃপর দুই রাকাত সালাত আদায় করবে এবং তাতে মনে মনে অন্য কোনো চিন্তা করবে না, তবে তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।» ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর এটি বর্ণনা করেছেন এবং সমার্থক অর্থ উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: «তিনি তাঁর দুই পা গোড়ালি পর্যন্ত ধুইলেন।» আবু উবাইদ বলেন: তিনি তাঁর বর্ণনায় «গোড়ালি» শব্দযুক্ত আয়াতটি পাঠ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ٩٣)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ ⦗ص: 94⦘ حُمْرَانَ، مَوْلَى عُثْمَانَ ، قَالَ: قَعَدَ عُثْمَانُ عَلَى الْمَقَاعِدِ ، فَدَعَا بِوَضُوءٍ ، فَتَوَضَّأَ ثُمَّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ تَوَضَّأَ مِثْلَ وُضُوئِي هَذَا ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ، وَلَا تَغْتَرُّوا ⦗ص: 96⦘»

 

4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي فَضْلِ الْوُضُوءِ وَصَلَاةِ الرَّكْعَتَيْنِ نَحْوَ ذَلِكَ. قَالَ: قَالَ أَيُّوبُ: فَقُلْتُ لِأَبِي قِلَابَةَ: رَكْعَتَيْنِ؟ قَالَ: وَمَنْ يُطِيقُ رَكْعَتَيْنِ؟ ⦗ص: 97⦘ قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: أَحْسَبُهُ يَقُولُ: «مَنْ يَسْتَطِيعُ أَنْ يَأْتِيَ بِهِمَا عَلَى مَا فِي خُشُوعِ الْقَلْبِ ، وَكَمَالِ الْعَمَلِ» قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: وَتَصْدِيقُهُ الْحَدِيثُ الْآخَرُ عَنِ اللَّيْثِ
৩ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে কাসীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীম থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৯৪⦘ উসমানের মুক্তদাস হুমরান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উসমান বসার স্থানে বসলেন এবং ওযুর পানি চাইলেন। এরপর তিনি ওযু করলেন এবং বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি আমার এই ওযুর ন্যায় ওযু করবে, অতঃপর দাঁড়িয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। আর তোমরা বিভ্রান্ত হয়ো না ⦗পৃষ্ঠা: ৯৬⦘»

 

৪ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে ইব্রাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে আবাসা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ওযুর ফযীলত এবং দুই রাকাত সালাত সম্পর্কে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আইয়ুব বললেন: আমি আবু কিলাবাহকে বললাম: দুই রাকাত? তিনি বললেন: কার সাধ্য আছে দুই রাকাত (যথাযথভাবে আদায় করার)? ⦗পৃষ্ঠা: ৯৭⦘ আবু উবাইদ বলেন: আমি মনে করি তিনি বলছেন: «কে আছে এমন যে হৃদয়ের একাগ্রতা এবং কর্মের পূর্ণতা বজায় রেখে ওই দুই রাকাত আদায় করতে সক্ষম?» আবু উবাইদ বলেন: আর এর সত্যতা পাওয়া যায় লাইস থেকে বর্ণিত অন্য হাদিসে।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ٩٧)
5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ اللَّيْثِ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ سُفْيَانَ الثَّقَفِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَوَضَّأَ كَمَا أُمِرَ ، وَصَلَّى كَمَا أُمِرَ ، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ عَمَلٍ» أَكَذَاكَ يَا عُقْبَةُ؟ قَالَ: نَعَمْ
৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন সালিহ বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি সুফিয়ান বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আসিম বিন সুফিয়ান আস-সাকাফি থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আদিষ্ট পন্থায় অজু করল এবং আদিষ্ট পন্থায় সালাত আদায় করল, তার পূর্ববর্তী আমলসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে» হে উকবা, বিষয়টি কি এমনই? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ٩٨)
6 - حَدَّثَنَا الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا الْقَوَارِيرِيُّ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ، ثنا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: «مَا مِنْ رَجُلٍ ، أَوْ رَجُلٍ مُسْلِمٍ ، يَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَأْتِي مَسْجِدًا لَا يَأْتِيهِ إِلَّا لِعِبَادَةٍ ، إِلَّا كَانَ زَائِرًا لِلَّهِ ، عز وجل ، وَحَقٌّ عَلَى الْمَزُورِ أَنْ يُكْرِمَ الزَّائِرَ»
৬ - আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাওয়ারীরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে যুরাই‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান আত-তাইমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উসমান আন-নাহদী থেকে বর্ণিত, সালমান আল-ফারসী থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: «কোনো ব্যক্তি —বা কোনো মুসলিম ব্যক্তি— যখন ওযু করে, অতঃপর কেবল ইবাদতের উদ্দেশ্যেই কোনো মসজিদে আসে, তবে সে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর দর্শনার্থী হিসেবে গণ্য হয়। আর যাঁর দর্শন করা হয়েছে, তাঁর ওপর দর্শনার্থীকে সম্মান করা একটি অধিকার হিসেবে সাব্যস্ত হয়»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ٩٩)
7 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم ، أَوْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا تَوَضَّأَ الرَّجُلُ فِي بَيْتِهِ ، ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الْمَسْجِدِ ، فَلَا يَقُولَنَّ هَكَذَا ، وَشَبَّكَ بَيْنَ أَصَابِعِهِ» وَوَصَفَهُ الْقَوَارِيرِيُّ ، أَنَّهُ لَنْ يَزَالَ فِي صَلَاةٍ حَتَّى يَرْجِعَ
৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ আল-মারওয়াজি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-কাওয়ারীরী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল ওয়ারিস বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসমাইল বিন উমাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন আবু সাঈদ আল-মাকবুরী থেকে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অথবা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যখন কোনো ব্যক্তি তার ঘরে ওযু করে, তারপর মসজিদের দিকে বের হয়, তখন সে যেন এমন না করে — এবং তিনি নিজের আঙুলগুলো একে অপরের মধ্যে ঢুকিয়ে (খিলান করে) দেখালেন»; আল-কাওয়ারীরী বর্ণনা করেছেন যে, নিশ্চয়ই সে ফিরে আসা পর্যন্ত সালাতরত অবস্থায় থাকবে।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٠٠)
8 - حَدَّثَنَا الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِكَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ: «إِذَا تَوَضَّأْتَ ثُمَّ أَتَيْتَ الْمَسْجِدَ ، فَلَا تُشَبِّكْ بَيْنَ أَصَابِعِكَ ، فَإِنَّكَ فِي صَلَاةٍ»
৮ - আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-কাওয়ারীরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে, তিনি সা’দ ইবনে আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কা’ব ইবনে উজরাহ-কে বলেছেন: «যখন তুমি ওযু করবে অতঃপর মসজিদে আসবে, তখন তোমার আঙুলগুলো একটির ভেতর অন্যটি প্রবেশ করাবে না, কারণ তুমি তখন নামাযেই রত থাকো।»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٠٣)
9 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: ثنا أَبُو شِهَابٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، عَنْ سَلْمَانَ، قَالَ: «إِذَا تَوَضَّأَ الْعَبْدُ ثُمَّ أَتَى الْمَسْجِدَ ، يُصَلِّيَ فِيهِ ، فَهُوَ زَائِرٌ لِلَّهِ عز وجل ، وَحَقٌّ عَلَى الْمَزُورِ أَنْ يُكْرِمَ مَنْ زَارَهُ»
৯ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালাফ ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু শিহাব দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি আবু উসমান আন-নাহদি থেকে, তিনি সালমান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «যখন কোনো বান্দা ওযু করে অতঃপর মসজিদে আসে তাতে সালাত আদায় করার জন্য, তবে সে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর একজন সাক্ষাৎকারী। আর যাঁর নিকট সাক্ষাৎ করতে আসা হয়েছে, তাঁর ওপর এটি কর্তব্য যে তিনি তাঁর সাক্ষাৎকারীকে সম্মান প্রদর্শন করবেন (মেহমানদারি করবেন)।»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٠٣)
10 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ: ثنا حَسَّانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، ⦗ص: 104⦘ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لَا يَسْهُو فِيهِمَا ، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
১০ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসসান ইবনে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, লাইস ইবনে সা'দ থেকে, তিনি যাইদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি যাইদ ইবনে খালিদ আল-জুহানি থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ১০৪⦘ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি অজু করল এবং উত্তমরূপে অজু সম্পন্ন করল, অতঃপর দুই রাকাত সালাত আদায় করল যাতে সে কোনো ভুল করল না, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٠٤)
11 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ ، فَأَخَذَ غُصْنًا مِنْ شَجَرَةٍ يَابِسَةٍ فَحَتَّهُ ، ثُمَّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ، تَحَاتَتْ عَنْهُ خَطَايَاهُ ، كَمَا تَحَاتَّ هَذَا الْوَرَقُ» ⦗ص: 105⦘ قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: لَا أَدْرِي أَذَكَرَ الصَّلَاةَ بَعْدَ هَذَا الْأَمْرِ أَمْ لَا ، إِلَّا أَنَّهُ قَالَ: ثُمَّ قَرَأَ: {وَأَقِمِ الصَّلَاةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ} [هود: 114] الْآيَةُ
১১ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট কাবিছা ইবনে উকবা বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি আলি ইবনে যাইদ থেকে, তিনি আবু উসমান আন-নাহদী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি সালমান আল-ফারসির সাথে ছিলাম, তিনি একটি শুকনো গাছের ডাল নিলেন এবং তার পাতাগুলো ঝরিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু সম্পাদন করল, তার থেকে তার গুনাহসমূহ ঝরে যায়, যেমন এই পাতাগুলো ঝরে গেল» ⦗পৃষ্ঠা: ১০৫⦘ আবু উবাইদ বলেন: আমি জানি না তিনি এই নির্দেশের পর সালাতের কথা উল্লেখ করেছিলেন কি না, তবে তিনি বলেন: এরপর তিনি পাঠ করলেন: {আর আপনি দিনের দুই প্রান্তভাগে এবং রাতের একাংশে সালাত কায়েম করুন; নিশ্চয়ই ভালো কাজ মন্দ কাজকে মিটিয়ে দেয়} [হুদ: ১১৪] - আয়াতাংশ।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٠٥)
12 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ مُوسَى بْنِ يَعْقُوبَ الزَّمْعِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبَّادُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانُ، مَوْلَى جُوَيْرِيَةَ بِنْتِ الْأَخْفَشِ الْغَطَفَانِيُّ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَتَوَضَّأُ لِلصَّلَاةِ فَيَغْسِلُ وَجْهَهُ إِلَّا تَنَاثَرَ مِنْ عَيْنَيْهِ مَعَ قَطْرِ الْمَاءِ كُلُّ سَيِّئَةٍ نَظَرَ بِهِمَا إِلَيْهَا ، وَلَا يَسْتَنْشِقُ إِلَّا خَرَجَ مَعَ قَطْرِ الْمَاءِ كُلُّ سَيِّئَةٍ وَجَدَ رِيحَهَا بِأَنْفِهِ ، وَلَا تَمَضْمَضَ إِلَّا خَرَجَ مَعَ قَطْرِ الْمَاءِ كُلُّ سَيِّئَةٍ تَكَلَّمَ بِهَا بِلِسَانِهِ ، وَلَا يَغْسِلُ شَيْئًا مِنْ يَدَيْهِ إِلَّا خَرَجَ مَعَ قَطْرِ الْمَاءِ كُلُّ سَيِّئَةٍ بَطَشَ بِهِمَا ، وَلَا يَغْسِلُ شَيْئًا مِنْ رِجْلَيْهِ إِلَّا خَرَجَ مَعَ قَطْرِ الْمَاءِ كُلُّ سَيِّئَةٍ ، مَشَى بِهِمَا إِلَيْهَا ، فَإِذَا خَرَجَ إِلَى الْمَسْجِدِ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ خَطَاهَا حَسَنَةً ، وَمَحَى عَنْهُ بِهَا سَيِّئَةً ، حَتَّى يَأْتِيَ مَقَامَهُ»
১২ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে আবু মারইয়াম আমাদের নিকট মূসা ইবনে ইয়াকুব আজ-জামঈ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাদ ইবনে আবু সালেহ আস-সাম্মান, যিনি জুওয়াইরিয়াহ বিনতে আল-আখফাশ আল-গাতাফানির মুক্তদাস ছিলেন, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু হুরাইরাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কোনো মুসলিম যখন সালাতের জন্য ওযু করে এবং তার মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন পানির ফোঁটার সাথে তার দুই চোখ থেকে সেই প্রতিটি গুনাহ ঝরে যায় যা সে তার দুই চোখ দিয়ে দেখার মাধ্যমে করেছিল; সে যখন নাকে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে, তখন পানির ফোঁটার সাথে সেই প্রতিটি গুনাহ বের হয়ে যায় যার ঘ্রাণ সে তার নাক দিয়ে নিয়েছিল; সে যখন কুলি করে, তখন পানির ফোঁটার সাথে সেই প্রতিটি গুনাহ বের হয়ে যায় যা সে তার জিহ্বা দিয়ে বলেছিল; সে যখন তার হাতের কোনো অংশ ধৌত করে, তখন পানির ফোঁটার সাথে সেই প্রতিটি গুনাহ বের হয়ে যায় যা সে তার দুই হাত দিয়ে অন্যায়ভাবে করেছিল; এবং সে যখন তার পায়ের কোনো অংশ ধৌত করে, তখন পানির ফোঁটার সাথে সেই প্রতিটি গুনাহ বের হয়ে যায় যার দিকে সে তার দুই পা দিয়ে হেঁটে গিয়েছিল। অতঃপর সে যখন মসজিদের দিকে বের হয়, তখন তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে আল্লাহ তার জন্য একটি করে নেকি লিখে দেন এবং তার একটি করে গুনাহ মুছে দেন, যতক্ষণ না সে তার গন্তব্যে পৌঁছায়।»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٠٦)
13 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ: ثنا حَجَّاجٌ، عَنْ شُعْبَةَ، وَحَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا تَوَضَّأَ خَرَّتْ خَطَايَاهُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ ، فَإِذَا غَسَلَ وَجْهَهُ خَرَّتْ خَطَايَاهُ مِنْ وَجْهِهِ ، فَإِذَا غَسَلَ يَدَيْهِ خَرَّتْ خَطَايَاهُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ ، فَإِذَا غَسَلَ رِجْلَيْهِ خَرَّتْ خَطَايَاهُ مِنْ رِجْلَيْهِ ، فَإِذَا قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ فَكَانَ هُوَ» ، قَالَ أَبُو بَكْرٍ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيَّ: يُخْبِرُ عَنْ جَدِّهِ أَنَّهُ قَالَ: هُوَ ، يَعْنِي هِمَّتَهُ وَقَلْبَهُ وَوَجْهَهُ - أَوْ كَلِمَةً نَحْوَ: التَّوَجُّهِ - إِلَى اللَّهِ ، انْصَرَفَ كَمَا وَلَدَتْهُ أُمُّهُ " فَقِيلَ لَهُ: أَنْتَ سَمِعْتَ هَذَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: لَوْ لَمْ أَسْمَعْهُ إِلَّا مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ ، أَوْ كَذَا وَكَذَا ، مَا حَدَّثْتُ بِهِ
১৩ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ ও হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি ইয়া'লা ইবনে আতা থেকে, তিনি ইয়াযীদ ইবনে তালক থেকে, তিনি আবদুর রহমান আল-বাইলামানী থেকে, তিনি আমর ইবনে আবাসা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই বান্দা যখন ওযু করে, তখন তার দুই হাতের সম্মুখ থেকে তার গুনাহসমূহ ঝরে পড়ে; যখন সে তার মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন তার মুখমণ্ডল থেকে তার গুনাহসমূহ ঝরে পড়ে; যখন সে তার দুই হাত ধৌত করে, তখন তার দুই হাতের সম্মুখ থেকে তার গুনাহসমূহ ঝরে পড়ে; যখন সে তার দুই পা ধৌত করে, তখন তার দুই পা থেকে তার গুনাহসমূহ ঝরে পড়ে; অতঃপর যখন সে সালাতে দাঁড়ায় এবং সে এমন হয়—" আবু বকর বলেন: আমি আমর ইবনে আবি আমর আশ-শাইবানীকে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেন: 'সে এমন হয়' অর্থাৎ তাঁর সংকল্প, তাঁর অন্তর এবং তাঁর চেহারা—অথবা এর অনুরূপ কোনো শব্দ যেমন: ‘অভিমুখিতা’—আল্লাহর দিকে নিবদ্ধ থাকে, তবে সে (সালাত শেষে) এমনভাবে ফিরে আসে যেন আজই তাঁর মা তাঁকে প্রসব করেছেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনি কি এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: আমি যদি এটি মাত্র একবার বা দুইবার, এমনকি অমুক অমুক সংখ্যক বার না শুনতাম, তবে তা বর্ণনা করতাম না।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٠٧)
14 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى: عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذُبَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَلِيٍّ، عليه السلام قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِسْبَاغُ الْوُضُوءِ فِي الْمَكَارِهِ ، وَإِعْمَالُ الْأَقْدَامِ إِلَى الْمَسَاجِدِ ، وَانْتِظَارُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ ، يَغْسِلُ الْخَطَايَا غَسْلًا»
১৪ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাফওয়ান ইবন ঈসা বলেছেন: আল-হারিস ইবন আবদুর রহমান ইবন আবি যুবাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আলী (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কষ্টকর পরিস্থিতিতেও পূর্ণাঙ্গভাবে ওজু করা, মসজিদের দিকে পদচালনা করা এবং এক নামাজের পর অপর নামাজের জন্য অপেক্ষা করা—পাপসমূহকে পুরোপুরি ধুয়ে মুছে দেয়।»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٠٧)
15 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: ثنا أَبُو شِهَابٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ سَبْرَةَ، عَنْ سَلْمَانَ، قَالَ: «إِذَا تَوَضَّأَ الْعَبْدُ ثُمَّ قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ ، وُضِعَتْ خَطَايَاهُ عَلَى رَأْسِهِ ، فَتَحَاتَتْ عَنْهُ كَمَا تَتَحَاتُّ عُرُوقُ النَّخْلَةِ ، وَإِذَا رَجَفَ قَلْبُ الْعَبْدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ، وُضِعَتْ خَطَايَاهُ عَلَى رَأْسِهِ ⦗ص: 108⦘ فَتَحَاتَتْ عَنْهُ كَمَا تَحَاتُّ عُرُوقُ النَّخْلَةِ»

 

16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنِ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَلِيٍّ، عليه السلام ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَ ذَلِكَ. ⦗ص: 109⦘ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ: قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: هَذَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَارِثِ ، وَالْأَوَّلُ الْحَارِثُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ
১৫ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালাফ ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু শিহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু ওয়ায়েল থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে সাবরাহ থেকে, তিনি সালমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «যখন কোনো বান্দা অজু করে অতঃপর সালাতে দাঁড়ায়, তখন তার গুনাহসমূহ তার মাথার উপরে রাখা হয়, অতঃপর সেগুলো তার থেকে ঝরে পড়ে যেমনিভাবে খেজুর গাছের তন্তু বা ডালপালা ঝরে পড়ে। আর যখন আল্লাহর পথে কোনো বান্দার অন্তর প্রকম্পিত হয়, তখন তার গুনাহসমূহ তার মাথার উপরে রাখা হয় ⦗পৃষ্ঠা: ১০৮⦘ অতঃপর সেগুলো তার থেকে ঝরে পড়ে যেমনিভাবে খেজুর গাছের ডালপালা ঝরে পড়ে।»

 

১৬ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবায়দ আমাদের অবহিত করেছেন, ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবিয যিনাদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আবুল আব্বাস থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আলী (আলাইহিস সালাম) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১০৯⦘ মুহাম্মাদ বলেন: আবু উবায়দ বলেছেন: ইনি হলেন আবদুর রহমান ইবনুল হারিস, আর পূর্ববর্তী জন ছিলেন আল-হারিস ইবনে আবদুর রহমান।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٠٩)
17 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا يَمْحُو اللَّهُ بِهِ الْخَطَايَا وَيَرْفَعُ بِهِ الدَّرَجَاتِ؟» ، قَالُوا: بَلَى، قَالَ: «إِسْبَاغُ الْوُضُوءِ فِي الْمَكَارِهِ ، وَكَثْرَةُ الْخُطَا إِلَى الْمَسَاجِدِ ، وَانْتِظَارُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ ، فَذَلِكُمُ الرِّبَاطُ» ⦗ص: 111⦘

 

18 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْأَسْوَدِ الْمِصْرِيُّ، عَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الْأَشَجِّ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ، أَنَّ بِنْتَ قَهْدٍ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ يَوْمًا عَلَى عَمِّهِ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ ، وَكَانَتْ تَحْتَهُ ، فَصَنَعْتُ لَهُ سَخِينَةً ، فَأَكَلُوا مِنْهَا ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِكَفَّارَاتِ الْخَطَايَا؟» ، ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَ ذَلِكَ أَيْضًا
১৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবন জাফর আল-আলা ইবন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «আমি কি তোমাদের এমন বিষয়ের সন্ধান দেব না যার মাধ্যমে আল্লাহ পাপসমূহ মুছে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন?» তাঁরা বললেন: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: «কষ্টকর পরিস্থিতিতেও পূর্ণাঙ্গভাবে উযু করা, মসজিদের দিকে অধিক পদচারণা করা এবং এক সালাতের পর অপর সালাতের জন্য অপেক্ষা করা; আর এটিই হলো রিবাত (অটল থাকা)।» ⦗পৃষ্ঠা: ১১১⦘

 

১৮ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-আসওয়াদ আল-মিসরী ইবন লাহীআহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বুকাইর ইবন আল-আশাজ থেকে, তিনি আদ-দাহহাক ইবন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি মাহমুদ ইবন লাবীদ থেকে বর্ণনা করেন যে, বিন্ত কাহদ তাঁকে জানিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন তাঁর চাচা হামযাহ ইবন আব্দুল মুত্তালিবের নিকট প্রবেশ করলেন, আর তিনি (বিন্ত কাহদ) তাঁর বিবাহাধীনে ছিলেন। তখন আমি তাঁর জন্য সাখীনা (এক প্রকার খাবার) তৈরি করলাম এবং তাঁরা তা থেকে আহার করলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: «আমি কি তোমাদের পাপসমূহের কাফফারা (মোচনকারী আমল) সম্পর্কে সংবাদ দেব না?» এরপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করলেন।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١١٢)
19 - قَالَ الْمَرْوَزِيُّ وَحَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ ثَوْبَانَ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اسْتَقِيمُوا وَلَنْ تُحْصُوا ، وَاعْلَمُوا أَنَّ مِنْ خَيْرِ أَعْمَالِكُمُ الصَّلَاةَ ، وَلَنْ يُحَافِظَ عَلَى الْوُضُوءِ إِلَّا مُؤْمِنٌ»
১৯ - মারওয়াযী বলেন, আমাদের নিকট খালাফ ইবনে হিশাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-আহওয়াস মানসূর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সালিম ইবনে আবিল জা'দ থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আযাদকৃত দাস সাওবান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা ইস্তিকামাত (অটলতা) অবলম্বন করো, তবে তোমরা তা পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারবে না। আর জেনে রেখো, তোমাদের সর্বোত্তম আমলের অন্তর্ভুক্ত হলো সালাত। আর মুমিন ব্যতীত অন্য কেউ অজুর প্রতি যত্নশীল থাকে না।»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١١٣)
‌‌بَابُ فَضْلِ الْوُضُوءِ مِنْ غَيْرِ ذِكْرِ صَلَاةٍ بَعْدَهُ
এরপর সালাতের উল্লেখ ছাড়াই উযুর ফযীলত সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١١٣)
20 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا عَلِيُّ بْنُ مَعْبَدٍ الْمِصْرِيُّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، ⦗ص: 114⦘ قَالَ: أَتَيْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ ، فَوَجَدْتُهُ فِي الْمَسْجِدِ يَتَنَفَّلُ ، فَقُلْتُ: يَا أَبَا أُمَامَةَ الْحَدِيثُ الَّذِي ذَكَرْتَهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْوُضُوءِ، فَقَالَ: نَعَمْ ، لَوْ لَمْ أَسْمَعْهُ إِلَّا مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا أَوْ أَرْبَعًا أَوْ خَمْسًا أَوْ سِتًّا أَوْ سَبْعًا ، مَا بَالَيْتُ أَنْ لَا أُحَدِّثَ بِهِ ، قَالَ: «إِذَا تَوَضَّأَ الرَّجُلُ كَمَا أُمِرَ ، ذَهَبَ الْإِثْمُ مِنْ سَمْعِهِ وَبَصَرِ وَيَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِهِ» ⦗ص: 115⦘

 

21 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ زَائِدَةَ بْنِ قُدَامَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّهُ قَالَ: لَوْ لَمْ أَسْمَعْهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَّا سَبْعَ مَرَّاتٍ مَا حَدَّثْتُهُ ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَ ذَلِكَ.
২০ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উবাইদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মাবাদ আল-মিসরি, উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে আবি আনাইসা থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে বর্ণনা করেন, ⦗পৃষ্ঠা: ১১৪⦘ তিনি বলেন: আমি আবু উমামা আল-বাহিলির নিকট আসলাম এবং তাকে মসজিদে নফল সালাত আদায় করতে দেখলাম। আমি বললাম: হে আবু উমামা, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে অজুর ব্যাপারে আপনি যে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন (তা সম্পর্কে বলুন)? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি যদি এটি মাত্র একবার, দুইবার, তিনবার, চারবার, পাঁচবার, ছয়বার অথবা সাতবার শুনতাম, তবে তা বর্ণনা না করলেও পরোয়া করতাম না। তিনি বললেন: «যখন কোনো ব্যক্তি আদিষ্ট পন্থায় অজু করে, তখন তার শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, দুই হাত এবং দুই পা থেকে পাপ দূর হয়ে যায়।» ⦗পৃষ্ঠা: ১১৫⦘

 

২১ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উবাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর, যায়েদা ইবনে কুদামা থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আবু উমামা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: যদি আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এটি সাতবার না শুনতাম, তবে তা বর্ণনা করতাম না। অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١١٥)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أَيُّوبَ الدِّمَشْقِيُّ، عَنْ شُعَيْبِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنِ الصُّدَيِّ بْنِ عَجْلَانَ وَهُوَ أَبُو أُمَامَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الطَّهُورُ يُكَفِّرُ مَا قَبْلَهُ وَيُصِيرُ الصَّلَاةَ نَافِلَةً»

 

23 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى سُلَيْمِ بْنِ عَامِرٍ الْخَبَائِرِيِّ ، وَضَمْرَةَ بْنِ حَبِيبٍ، وَأَبِي طَلْحَةَ نُعَيْمِ بْنِ زِيَادٍ ، قَالَ: كُلُّ هَؤُلَاءِ سَمِعَهُ مِنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ عَمْرَو بْنَ عَبَسَةَ، يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذِهِ الْأَحَادِيثِ فِي فَضْلِ ⦗ص: 116⦘ الْوُضُوءِ ، قَالَ: فَقُلْتُ لَهُ يَا عَمْرُو بْنَ عَبَسَةَ انْظُرْ مَا تَقُولُ فَقَالَ: أَمَا وَاللَّهِ لَقَدْ كَبِرَتْ سِنِّي ، وَدَنَا أَجَلِي ، وَمَا بِي فَقْرٌ لِأَكْذِبَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
২২ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু উবাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আইয়ুব আদ-দিমাশকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুআইব বিন ইসহাক থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি আরুবাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি শাহর বিন হাওশাব থেকে, তিনি সুদায়্যি বিন আজলান থেকে—যিনি হলেন আবু উমামা—তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «পবিত্রতা তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মোচন করে দেয় এবং সালাতকে নফল (অতিরিক্ত ইবাদত) হিসেবে গণ্য করে।»

 

২৩ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু উবাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া বিন সালিহ থেকে, তিনি আবু ইয়াহইয়া সুলাইম বিন আমির আল-খাবাইরি, দামরা বিন হাবিব এবং আবু তালহা নুআইম বিন জিয়াদ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: তারা সকলেই এটি আবু উমামা আল-বাহিলি থেকে শুনেছেন যে, তিনি আমর বিন আবাসা-কে ওজুর ফজিলত সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই হাদিসগুলোর অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১১৬⦘। তিনি বলেন: আমি তাকে বললাম, হে আমর বিন আবাসা! আপনি কী বলছেন তা লক্ষ্য করুন। তখন তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, আমার বয়স হয়েছে এবং আমার মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছে; আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর মিথ্যা বলার কোনো প্রয়োজন আমার নেই।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١١٦)
24 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ اللَّيْثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَتَوَضَّأُ فِي الصَّيْفِ فَرُبَّمَا بَلَغَ فِي الْوُضُوءِ إِبْطَيْهِ
24 - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উবায়দ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ, লায়স থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আজলান থেকে, তিনি নাফি থেকে, ইবনে উমর থেকে বর্ণিত যে, তিনি গ্রীষ্মকালে অযু করতেন এবং অনেক সময় তিনি অযুর পানি বগল পর্যন্ত পৌঁছাতেন।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١١٦)
25 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، وَعَنْ أَبِي السَّاجِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، قَالَ: قَالَ أَحَدُهُمَا: «كَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ يَتَوَضَّأُ عَلَى نِصْفِ السَّاقِ» ، فَقَالَ الْآخَرُ: «كَانَ يَتَوَضَّأُ إِلَى الْعَضُدِ» ، وَقَالَ: «إِنَّ الْحِلْيَةَ تَبْلُغَ إِلَى مَوَاضِعِ الْوُضُوءِ»
২৫ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াযীদ ইবনে হারুন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু'বা থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং আবু সাজ থেকে, তিনি আবু যুরআ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তাঁদের একজন বলেছেন: «আবু হুরায়রা পায়ের নলার অর্ধেক পর্যন্ত অজু করতেন», এবং অপরজন বলেছেন: «তিনি বাহুর উপরের অংশ পর্যন্ত অজু করতেন», এবং তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই (জান্নাতের) অলঙ্কার অজুর স্থানসমূহ পর্যন্ত পৌঁছাবে।»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١١٧)
26 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ اللَّيْثِ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ نُعَيْمٍ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْمُجْمِرِ، قَالَ: رَكِبْتُ يَوْمًا مَعَ أَبِي هُرَيْرَةَ عَلَى ظَهْرِ الْمَسْجِدِ ، وَعَلَيْهِ سَرَاوِيلُ مِنْ تَحْتِ قَمِيصِهِ ، فَنَزَعَ سَرَاوِيلَهُ ، ثُمَّ تَوَضَّأَ ، فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ ، فَرَفَعَ فِي عَضُدَيْهِ الْوُضُوءَ ، وَغَسَلَ رِجْلَيْهِ ، فَرَفَعَ فِي سَاقَيْهِ الْوُضُوءَ ، قَالَ: إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّ أُمَّتِي يَأْتُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ غُرًّا مُحَجَّلِينَ مِنْ آثَارِ الْوُضُوءِ ، فَمَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أَنْ يُطِيلَ غُرَّتَهُ فَلْيَفْعَلْ» ، ⦗ص: 118⦘ قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: لَا أَدْرِي أَقَالَ: وَتَحْجِيلَهُ ، أَمْ لَا
২৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি খালিদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে, তিনি নুআইম আবু আব্দুল্লাহ আল-মুজমির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি একদিন আবু হুরায়রার সাথে মসজিদের ছাদে আরোহণ করলাম। তাঁর কামিসের নিচে একটি পায়জামা ছিল, তিনি তাঁর পায়জামাটি খুলে নিলেন, অতঃপর ওজু করলেন। তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ও দুই হাত ধুলেন এবং ওজুর পানি তাঁর দুই বাহুর উপরিভাগ পর্যন্ত পৌঁছালেন। এরপর তিনি তাঁর দুই পা ধুলেন এবং ওজুর পানি তাঁর দুই নলার উপরিভাগ পর্যন্ত পৌঁছালেন। তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আমার উম্মত কিয়ামতের দিন ওজুর চিহ্নের কারণে উজ্জ্বল মুখমণ্ডল এবং শুভ্র হাত-পা বিশিষ্ট অবস্থায় আসবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার উজ্জ্বলতা দীর্ঘ করতে সক্ষম হয়, সে যেন তা করে», ⦗পৃষ্ঠা: ১১৮⦘ আবু উবাইদ বলেন: আমি জানি না তিনি ‘এবং তার হাত-পায়ের শুভ্রতা’ কথাটিও বলেছেন কি না।
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١١٨)
27 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا يَزِيدُ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تَعْرِفُ مَنْ لَمْ تَرَ مِنْ أُمَّتِكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ قَالَ: «هُمْ غُرٌّ مُحَجَّلُونَ مِنْ آثَارِ الْوُضُوءِ»
২৭ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি আসেম ইবনে আবি আন-নাজুদ থেকে, তিনি যির ইবনে হুবায়েশ থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার উম্মতের মধ্যে যাদেরকে আপনি দেখেননি, কিয়ামতের দিন আপনি তাদের কীভাবে চিনবেন? তিনি বললেন: "ওযুর চিহ্নের কারণে তাদের মুখমণ্ডল ও হাত-পা উজ্জ্বল শুভ্র হবে।"
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١١٩)
28 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ وَحَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُمَيْرٍ الرَّحَبِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُسْرٍ الْمَازِنِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «مَا مِنْ أُمَّتِي أَحَدٌ إِلَّا وَأَنَا أَعْرِفُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» ، قِيلَ: وَكَيْفَ تَعْرِفُهُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، فِي كَثْرَةِ الْخَلْقِ؟ ، قَالَ: " أَرَأَيْتَ إِنْ دَخَلْتَ صَبِرَةً بِهَا خَيْلٌ دُهْمٌ ، بُهْمٌ ، وَمَعَهَا فَرَسٌ أَغَرُّ مُحَجَّلٌ ، أَكُنْتَ تَعْرِفُهُ؟ ، قَالُوا: بَلَى. قَالَ: «إِنَّ أُمَّتِي يَوْمَئِذٍ غُرٌّ مِنَ السُّجُودِ ، وَمُحَجَّلُونَ مِنَ الْوُضُوءِ»
২৮ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আবুল ইয়ামান আল-হাকাম ইবনে নাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাফওয়ান ইবনে আমর থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে খুমাইর আর-রাহাবি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে বুসর আল-মাজিনি থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: “কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের এমন কেউ থাকবে না যাকে আমি চিনতে পারব না।” জিজ্ঞাসা করা হলো: “হে আল্লাহর রাসুল, সৃষ্টির এই বিশাল ভিড়ের মাঝে আপনি তাদের কীভাবে চিনবেন?” তিনি বললেন: “তুমি কি মনে করো, যদি তুমি এমন এক আস্তাবলে প্রবেশ করো যেখানে অনেকগুলো কুচকুচে কালো ঘোড়া রয়েছে এবং সেগুলোর মাঝে কপালে ও পায়ে শুভ্র উজ্জ্বল চিহ্নযুক্ত একটি ঘোড়া থাকে, তবে কি তুমি তাকে চিনতে পারবে না?” তারা বললেন: “অবশ্যই পারব।” তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই সেদিন সিজদাহর কারণে আমার উম্মতের কপাল উজ্জ্বল থাকবে এবং ওযুর কারণে তাদের হাত ও পা শুভ্র-উজ্জ্বল দেখাবে।”
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٢٠)
29 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا عَاصِمٌ، قَالَ: ثنا أَبِي عَلِيِّ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ كَعْبٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَنْتُمُ الْغُرُّ الْمُحَجَّلُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ آثَارِ الْوُضُوءِ وَالطَّهُورِ ، فَمَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أَنْ يُطِيلَ غُرَّتَهُ فَلْيَفْعَلْ»
২৯ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আলী ইবনে আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি লাইস ইবনে আবি সুলাইম থেকে, তিনি কাব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «ওযূ ও পবিত্রতার চিহ্নের কারণে কিয়ামতের দিন তোমরা উজ্জ্বল শুভ্র কপাল ও হাত-পা বিশিষ্ট অবস্থায় থাকবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার সেই উজ্জ্বলতা দীর্ঘ করতে সক্ষম হয়, সে যেন তা করে।»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٢٠)
30 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْجَعِيِّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَرِدُونَ عَلَيَّ الْحَوْضَ ، غُرٌّ مُحَجَّلُونَ مِنْ آثَارِ الْوُضُوءِ ، سِيمَا أُمَّتِي لَيْسَ لِأَحَدٍ غَيْرَهَا»
৩০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবী শায়বাহ, তিনি ইয়াহইয়া বিন যাকারিয়া বিন আবী যাইদাহ থেকে, তিনি আবু মালিক আল-আশজাঈ থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তারা ওযুর চিহ্নের কারণে উজ্জ্বল মুখমন্ডল ও শুভ্র হাত-পা বিশিষ্ট অবস্থায় আমার নিকট হাউজে উপস্থিত হবে; এটি আমার উম্মতের নিদর্শন, যা অন্য কারো নেই।»
(খণ্ড: ১) আত-তহুর - আবু উবাইদ - তাহকীক মাশহুর (পৃষ্ঠা: ١٢١)
31 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبَانَ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أُمَّتِي الْغُرُّ الْمُحَجَّلُونَ»
৩১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ আল-মারওয়াযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আবান আল-কুরাশী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামান, তিনি আমাশ হতে, তিনি আবু সালিহ হতে, তিনি জাবির হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার উম্মত হবে উজ্জ্বল কপাল এবং উজ্জ্বল হাত-পা বিশিষ্ট»