(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: -)
المتكلمون في الرجال   (السخاوي)

القسم: علوم الحديث


الكتاب: المتكلمون في الرجال (مطبوع ضمن مجموعة «أربع رسائل في علوم الحديث» )

المؤلف: شمس الدين أبو الخير محمد بن عبد الرحمن بن محمد بن أبي بكر بن عثمان بن محمد السخاوي (ت 902هـ)

المحقق: عبد الفتاح أبو غدة

الناشر: دار البشائر - بيروت

الطبعة: الرابعة، 1410هـ - 1990م

عدد الصفحات: 146

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

বর্ণনাকারীদের বিষয়ে সমালোচনাকারীগণ (المتكلمون في الرجال)   (সাখাভী)

বিভাগ: হাদিস শাস্ত্র (علوم الحديث)


গ্রন্থ: বর্ণনাকারীদের বিষয়ে সমালোচনাকারীগণ (المتكلمون في الرجال) (হাদিস শাস্ত্রের চারটি রিসালাহ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত)

লেখক: শামসুদ্দিন আবুল খায়ের মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর ইবনে উসমান ইবনে মুহাম্মদ আল-সাখাভী (মৃত্যু ৯০২ হিজরি)

সম্পাদক: আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ

প্রকাশক: দারুল বাশায়েব - বৈরুত

সংস্করণ: চতুর্থ, ১৪১০ হিজরি - ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৬

[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ٩٣)
المتكلمون فِي الرِّجَال

قَالَ الْحَافِظ السخاوي فِي آخر كِتَابه الإعلان بالتوبيخ لمن ذمّ أهل التواريخ

وَفِي كِتَابه فتح المغيث بشرح ألفية الحَدِيث ص479-481: (*)

 

وَأما المتكلمون فِي الرِّجَال فخلق من نُجُوم الْهدى ومصابيح الظُّلم المستضاء بهم فِي دفع الردى لَا يتهيأ حصرهم من زمن الصَّحَابَة رضي الله عنهم، وهلم جرا

سرد ابْن عدي فِي مُقَدّمَة كَامِله مِنْهُم خلقا إِلَى زَمَنه

--------------------------------------------

(*) قَالَ مُعِدُّ الْكتاب للشاملة: أَفَادَ مُحَقّق الْكتاب، الشَّيْخ عبد الْفَتْح أَبُو غُدَّة أَن الْحَافِظ السخاوي ذكر جلّ هَذَا الْفَصْل فِي (فتح المغيث) ، وَذكره بِتَمَامِهِ فِي آخر (الإعلان بالتوبيخ) وَأَن أصل هَذَا الْفَصْل هُوَ جُزْء «ذكر من يعْتَمد قَوْله فِي الْجَرْحِ وَالتَّعْدِيلِ» للذهبي

وَأفَاد أَيْضا أَن السخاوي لم يرد الِاسْتِقْصَاء بل ذكر من حَضَره فَلم يرتبهم حسب سني وفاتهم، وَترك ذكر جمَاعَة كَبِيرَة من الْحفاظ الْكِبَار الْمُتَكَلِّمين فِي الحَدِيث من الْمُتَقَدِّمين والمتأخرين
রাবী সমালোচকগণ (المتكلمون في الرجال)

হাফিজ সাখাবী তাঁর 'আল-ই'লান বিত-তাওবীখ লি-মান জাম্মা আহলিত-তাওয়ারীখ' গ্রন্থের শেষে বলেছেন:

এবং তাঁর 'ফাতহুল মুগীস বি-শারহি আলফিয়াতিল হাদিস' গ্রন্থের ৪৭৯-৪৮১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন: (*)

 

আর রাবী সমালোচকগণ (المتكلمون في الرجال) হলেন হেদায়েতের নক্ষত্ররাজি ও অন্ধকারের প্রদীপস্বরূপ এক বিশাল সৃষ্টি, যাঁদের মাধ্যমে ধ্বংস প্রতিহত করার আলো লাভ করা যায়। সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর যুগ থেকে আজ অবধি তাঁদের সীমাবদ্ধ বা গণনা করা সম্ভব নয়।

ইবনে আদী তাঁর 'কামিল' গ্রন্থের ভূমিকায় তাঁর সময় পর্যন্ত তাঁদের এক বিশাল দলের তালিকা বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(*) শামেলা সংস্করণের প্রস্তুতকারী বলেন: গ্রন্থের মুহাক্কিক শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ উল্লেখ করেছেন যে, হাফিজ সাখাবী এই অনুচ্ছেদের অধিকাংশ 'ফাতহুল মুগীস' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং পূর্ণাঙ্গভাবে 'আল-ই'লান বিত-তাওবীখ' গ্রন্থের শেষে বর্ণনা করেছেন। মূলত এই অনুচ্ছেদের মূল উৎস হলো ইমাম যাহাবীর রিসালা 'জিকরুন মান ইউ'তামাদু কাওলুহু ফিল জারহি ওয়াত তা'দীল' (ذكر من يعتمد قوله في الجرح والتعديل)।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, সাখাবী এখানে সকলের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে চাননি, বরং কেবল যাঁদের কথা তাঁর তাৎক্ষণিক স্মরণে এসেছে তাঁদেরই উল্লেখ করেছেন। তাই তিনি তাঁদের মৃত্যুসন অনুযায়ী সাজাননি এবং পূর্বসূরী (المتقدمين) ও উত্তরসূরী (المتأخرين) হাদিস বিশারদদের মধ্য থেকে এক বিশাল জামাত তথা বড় বড় হাফিজগণ (الحفاظ), যাঁরা হাদিস বিষয়ে সমালোচনা করেছেন, তাঁদের উল্লেখ করা ছেড়ে দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ٩٤)
‌‌1- فالصحابة الَّذين أوردهم

1-عمر

2-وَعلي

3- وَابْن عَبَّاس
১- সুতরাং সেই সাহাবীগণ (الصحابة) যাদের তিনি উল্লেখ করেছেন

১-উমর

২-এবং আলী

৩-এবং ইবনে আব্বাস
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ٩٥)
4-وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلام

5-وَعبادَة بن الصَّامِت

6- وانس

7-وَعَائِشَة رضي الله عنهم

وتصريح كل مِنْهُم بتكذيب من لم يصدقهُ بِمَا قَالَه

 

‌‌2- وسرد من التَّابِعين عددا

8- كالشعبي

9- وَابْن سِيرِين
4-আবদুল্লাহ ইবনে সালাম

5-উবাদাহ বিন আস-সামিত

6-আনাস

7-আয়েশা (আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হোন)

এবং তাঁদের প্রত্যেকের পক্ষ থেকে ঐ ব্যক্তিকে মিথ্যা প্রতিপন্ন (تكذيب) করার স্পষ্ট ঘোষণা, যে তাঁদের বর্ণিত বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করেনি

 

‌‌২- তাবিঈগণের (التابعين) একটি সংখ্যার ধারাবাহিক তালিকা

8- যেমন আশ-শাবী

9- এবং ইবনে সিরীন
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ٩٦)
10- والسعيدين ابْن الْمسيب

11- وَابْن جُبَير

وَلَكنهُمْ قَلِيل بِالنِّسْبَةِ لمن بعدهمْ قلَّة الضَّعْفِ فِي مَتْبُوعِيهِمْ إِذِ أكْثَرُهُمْ صَحَابَةٌ عُدُولٌ وَغَيْرُ الصَّحَابَةِ مِنَ الْمَتْبُوعِينَ أَكْثَرُهُمْ ثِقَاتٌ وَلَا يَكَادُ يُوجَدُ فِي الْقَرْنِ الْأَوَّلِ الَّذِي انْقَرَضَ فِيهِ الصَّحَابَةِ وَكِبَارِ التَّابِعِينَ ضَعِيفٌ إِلَّا الْوَاحِدَ بَعْدَ الْوَاحِدِ كَالْحَارِثِ الْأَعْوَرِ وَالْمُخْتَارِ الْكَذَّابِ
10- এবং দুই সাঈদ, (তথা) ইবনুল মুসায়্যিব

11- এবং ইবনে জুবায়ের

কিন্তু তাদের পরবর্তী স্তরের বর্ণনাকারীদের তুলনায় তারা সংখ্যায় অতি সামান্য; যার কারণ হলো তাদের অনুসরণীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে দুর্বলতার (الضعف) স্বল্পতা। কেননা তাদের অধিকাংশ ছিলেন ন্যায়পরায়ণ (عدول) সাহাবী এবং সাহাবী ব্যতীত অন্যান্য অনুসরণীয় ব্যক্তিবর্গেরও অধিকাংশ ছিলেন নির্ভরযোগ্য (ثقات)। প্রথম শতাব্দীতে—যেই যুগে সাহাবী এবং প্রবীণ তাবেয়ীগণের জীবনকাল সমাপ্ত হয়েছিল—সেখানে কালেভদ্রে দু-একজন ব্যতীত কোনো দুর্বল (ضعيف) বর্ণনাকারী প্রায় দেখাই যায় না; যেমন— হারিস আল-আ‘ওয়ার এবং মুখতার আল-কাযযাব (চরম মিথ্যাবাদী (الكذاب))।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ٩٧)
‌‌3- فَلَمَّا مَضَى الْقَرْنُ الْأَوَّلُ وَدَخَلَ الثَّانِي كَانَ فِي أَوَائِلِهِ مِنْ أَوْسَاطِ التَّابِعِينَ جَمَاعَةٌ مِنَ الضُّعَفَاءِ الَّذِينَ ضُعِّفُوا غَالِبًا مِنْ قِبَلِ تَحَمُّلِهِمْ وَضَبْطِهِمْ لِلْحَدِيثِ فَتَرَاهُمْ يَرْفَعُونَ الْمَوْقُوفَ وَيُرْسِلُونَ كَثِيرًا وَلَهُمْ غَلَطٌ كَأَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ

 

‌‌4- فَلَمَّا كَانَ عِنْدَ آخِرِ عَصْرِ التَّابِعِينَ وَهُوَ حُدُود الْخَمِيس ومئة تَكَلَّمَ فِي التَّوْثِيقِ وَالتَّرْجِيح طَائِفَةٌ مِنْ الْأَئِمَّةِ

12- فَقَالَ أَبُو حَنِيفَةَ مَا رَأَيْتُ أَكْذَبَ مِنْ جَابِرٍ الْجُعْفِيِّ

13- وَضَعَّفَ الْأَعْمَشُ جَمَاعَةً وَوَثَّقَ آخَرِينَ

14- وَنَظَرَ فِي الرِّجَالِ شُعْبَةُ وَكَانَ مثبتا لَا يَكَادُ يَرْوِي إِلَّا عَنْ ثِقَةٍ
‌৩- অতঃপর যখন প্রথম শতাব্দী অতিবাহিত হলো এবং দ্বিতীয় শতাব্দীতে পদার্পণ করল, তখন তার শুরুর দিকে মধ্যম স্তরের তাবিঈদের মধ্যে এমন একদল দুর্বল (الضعفاء) বর্ণনাকারী ছিলেন, যারা সাধারণত হাদিস গ্রহণ (تحمل) এবং তা যথাযথভাবে সংরক্ষণের (ضبط) ক্ষেত্রে দুর্বল (ضعفوا) বলে গণ্য হতেন। আপনি তাদের দেখবেন যে তারা মাওকুফ (الموقوف) হাদিসকে মারফু (يرفعون) করে ফেলতেন এবং প্রচুর পরিমাণে মুরসাল (يرسلون) করতেন; আর তাদের বর্ণনায় ভুল (غلط) প্রকাশ পেত, যেমন আবু হারুন আল-আবদি।

 

‌‌৪- অতঃপর যখন তাবিঈদের যুগের শেষ সময় উপস্থিত হলো, যা ছিল ১৫০ হিজরির সমসাময়িক, তখন একদল ইমাম বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্য সাব্যস্তকরণ (التوثيق) এবং প্রাধান্য নিরূপণ (الترجيح) বিষয়ে আলোচনা করেন।

১২- ইমাম আবু হানিফা বলেছেন: আমি জাবির আল-জু’ফির চেয়ে বড় মিথ্যাবাদী (أكذب) আর কাউকে দেখিনি।

১৩- ইমাম আমাশ একদল বর্ণনাকারীকে দুর্বল (ضعف) সাব্যস্ত করেছেন এবং অন্যদের নির্ভরযোগ্য (وثق) সাব্যস্ত করেছেন।

১৪- শু'বা বর্ণনাকারীদের অবস্থা পর্যালোচনা করেছেন; তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুদৃঢ় (مثبت), তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি ছাড়া কারো থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন না বললেই চলে।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ٩٨)
15- وَكَذَا كَانَ مَالِكٌ

16-وَمِمَّنْ إِذَا قَالَ فِي هَذَا الْعَصْرِ قبل قَول معمر

17- وهَاشِم الدَّسْتَوَائِيُّ

18- وَالْأَوْزَاعِيُّ

19- وَالثَّوْرِيُّ

20-وَابْنُ الْمَاجِشُونِ

21-وَحَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ
১৫- মালিকও এমনই ছিলেন।

১৬-আর এই যুগে যারা কোনো কথা বললে তাদের কথা গ্রহণ (قبول) করা হতো, তাদের মধ্যে রয়েছেন মা'মার।

১৭- এবং হাশিম আদ-দাস্তাওয়ায়ি।

১৮- এবং আল-আওযায়ি।

১৯- এবং আস-সাওরি।

২০- এবং ইবনুল মাজিশুন।

২১- এবং হাম্মাদ ইবনে সালামাহ।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ٩٩)
22- وَاللَّيْث بن سعد وَغَيْرُهُمْ

 

‌‌5- ثُمَّ طَبَقَةٌ أُخْرَى بَعْدَ هَؤُلَاءِ

23- كَابْنِ الْمُبَارَكِ

24- وَهُشَيْمٍ

25- وَابْن إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ

26-وَالْمُعَافَى بن الْموصِلِي

27- وَبشير بْنِ الْمُفَضَّلِ

28- وَابْنِ عُيَيْنَةَ وَغَيْرِهِمْ

 

‌‌6- ثُمَّ طَبَقَةٌ أُخْرَى فِي زَمَانِهِمْ

29- كَابْنِ عُلَيَّةَ

30- وَابْنِ وَهْبٍ
22- এবং আল-লাইস ইবনে সাদ ও অন্যান্যরা

 

‌‌5- এরপর এদের পরবর্তী অপর একটি স্তর (طبقة)

23- যেমন ইবনুল মুবারক

24- এবং হুশাইম

25- এবং ইবনে ইসহাক আল-ফাজারি

26- এবং আল-মুয়াফা ইবনুল মাওসিলি

27- এবং বিশির ইবনুল মুফায্যাল

28- এবং ইবনে উয়াইনাহ ও অন্যান্যরা

 

‌‌6- এরপর তাদের সমসাময়িক অপর একটি স্তর (طبقة)

29- যেমন ইবনে উলাইয়্যাহ

30- এবং ইবনে ওয়াহাব
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠٠)
31- وَوَكِيعٍ

 

‌‌7- ثُمَّ انْتُدِبَ فِي زَمَانِهِمْ أَيْضًا لِنَقْدِ الرِّجَال

32- الْحَافِظ الْحُجَّتَانِ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ

33- وَابْنُ مَهْدِيٍّ فَمَنْ جَرَّحَاهُ لَا يَكَادُ يَنْدَمِلُ جُرْحُهُ وَمَنْ وَثَّقَاهُ هُوَ الْمَقْبُولُ وَمَنِ اخْتَلَفَا فِيهِ وَذَلِكَ قَلِيلٌ اجْتُهِدَ فِي أَمْرِهِ

 

‌‌8- ثُمَّ كَانَ بَعْدَهُمْ مِمَّنْ إِذَا قَالَ سُمِعَ مِنْهُ

34- إِمَامُنَا الشَّافِعِي رضي الله عنه

35- وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ
31- এবং ওয়াকী।

 

‌‌৭- অতঃপর তাদের যুগেও বর্ণনাকারীদের সমালোচনার (نقد الرجال) জন্য যারা নিয়োজিত হয়েছিলেন:

32- হাফিজ ও প্রামাণ্য ব্যক্তিত্ব (الحجة) দ্বয়: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান।

33- এবং ইবনে মাহদী। সুতরাং তারা দু’জন যার ত্রুটি বর্ণনা বা জরাহ (جرح) করেছেন, তার সেই ক্ষত সহজে উপশম হয় না। আর তারা যাকে নির্ভরযোগ্য (وثق) সাব্যস্ত করেছেন, তিনি গ্রহণযোগ্য (المقبول)। আর যাদের বিষয়ে তারা মতভেদ করেছেন—যা খুবই সামান্য—তাদের ব্যাপারে ইজতিহাদ (اجتهد) করা হয়েছে।

 

‌‌৮- অতঃপর তাদের পরবর্তী পর্যায়ে এমন ব্যক্তিগণ ছিলেন, যাদের কথা প্রামাণ্য হিসেবে গ্রহণ করা হতো:

34- আমাদের ইমাম শাফেয়ী (রা.)।

35- এবং ইয়াযীদ ইবনে হারুন।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠١)
36- وَأَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ

37- وَعبد الرازق

38- وَالْفِرْيَابِيُّ

39- وَأَبُو عَاصِمٍ النَّبِيل وَغَيرهم

 

‌‌9-وَبَعْدَهُمْ طَبَقَةٌ أُخْرَى

40- كَالْحُمَيْدِيِّ

41- وَالْقَعْنَبِيِّ

42- وَأَبِي عُبَيْدٍ
36- আবু দাউদ আত-তায়ালিসি

37- আব্দুর রাজ্জাক

38- আল-ফিরইয়াবি

39- আবু আসিম আন-নাবিল ও অন্যান্য

 

‌‌৯- তাদের পরবর্তী আরেকটি স্তর (طبقة)

40- যেমন আল-হুমাইদি

41- আল-কানাবি

42- আবু উবাইদ
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠٢)
43- وَيَحْيَى بْنِ يَحْيَى

44- وَأَبِي الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيِّ

 

‌‌10- ثُمَّ صُنِّفَتِ الْكُتُبُ وَدُوِّنَتْ فِي الْجَرْحِ وَالتَّعْدِيلِ وَالْعِلَلِ وَبُيِّنَ مَنْ هُوَ فِي الثِّقَة والتثبيت كالسرية وَمَنْ هُوَ فِي الثِّقَةِ كَالشَّابِّ الصَّحِيحِ الْجِسْمِ وَمَنْ هُوَ لين كمن هُوَ يوجعه رَأْسُهُ وَهُوَ مُتَمَاسِكٌ يُعَدُّ مِنْ أَهْلِ الْعَافِيَةِ وَمِنْ صِفَتُهُ كمحموم يرجح إِلَى السَّلَام وَمِنْ صِفَتُهُ كَمَرِيضٍ شعْبَان مِنَ الْمَرَضِ وَآخَرُ كمن سَقَطت قُوَاهُ وَأَشْرَفَ عَلَى التَّلَفِ وَهُوَ الَّذِي يَسْقُطُ حَدِيثُهُ

وَوُلَاةُ الْجرْح وَالتَّعْدِيل تعد مَنْ ذَكَرْنَا

45- يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ وَقَدْ سَأَلَهُ عَنِ الرِّجَالِ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ الْحَافِظ وَمِنْ ثَمَّ اخْتَلَفَتْ آراؤه وعباراته فِي بَعْضِ الرِّجَالِ كَمَا اخْتَلَفَ اجْتِهَادُ الْفُقَهَاءِ وَصَارَتْ لَهُمُ الْأَقْوَالُ وَالْوُجُوهُ فَاجْتَهَدُوا فِي الْمَسَائِلِ كَمَا اجْتَهَدَ ابْنُ مَعِينٍ فِي الرِّجَالِ
43- এবং ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া

44- এবং আবু আল-ওয়ালিদ আত-তায়ালিসি

 

‌‌১০- অতঃপর গ্রন্থসমূহ রচিত ও সংকলিত হলো জারহ (الجرح) বা সমালোচনা, তাদিল (التعديل) বা গুণাগুণ বর্ণনা এবং ইলাল (العلل) বা হাদিসের সূক্ষ্ম ত্রুটি বিষয়ে। সেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কারা নির্ভরযোগ্যতা (الثقة) এবং সুদৃঢ়তার (التثبيت) ক্ষেত্রে অগ্রবর্তী দলের মতো, আর কারা নির্ভরযোগ্যতার (الثقة) ক্ষেত্রে সুস্থ দেহের যুবকের মতো। আবার কে নমনীয় (لين), যার উদাহরণ হলো এমন ব্যক্তি যার মাথাব্যথা থাকলেও সে নিজেকে সামলে রেখেছে এবং সুস্থদের কাতারেই গণ্য হয়। কারো বৈশিষ্ট্য আবার জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির মতো, যে সুস্থতার দিকে ফিরছে। কারো বৈশিষ্ট্য হলো রোগাক্রান্ত ব্যক্তির মতো যে রোগে জীর্ণ হয়ে পড়েছে। আর কেউ হলো এমন যার সব শক্তি নিঃশেষ হয়ে গেছে এবং ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে; আর এরাই হলো তারা যাদের হাদিস বর্জনীয়। আমরা যাদের কথা উল্লেখ করেছি তারা জারহ (الجرح) ও তাদিল (التعديل) শাস্ত্রের ইমাম বা কর্ণধার হিসেবে গণ্য।

45- ইয়াহইয়া ইবনে মাইন। তাঁর কাছে বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে একাধিক হাফেজ (الحافظ) প্রশ্ন করেছেন। এই কারণেই কিছু বর্ণনাকারীর ব্যাপারে তাঁর মতামত ও পরিভাষার ভিন্নতা পাওয়া যায়, ঠিক যেমন ফকিহগণের ইজতিহাদ (اجتهاد) বা গবেষণার ভিন্নতার কারণে তাঁদের বিভিন্ন মত ও দিক তৈরি হয়। সুতরাং তাঁরা যেমন বিভিন্ন মাসআলায় ইজতিহাদ (اجتهاد) করেছেন, তেমনি ইবনে মাইনও বর্ণনাকারীদের বিষয়ে ইজতিহাদ (اجتهاد) করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠٣)
46-وَمِنْ طَبَقَتِهِ أَحْمَدُ بْنُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ سَأَلَهُ جَمَاعَةٌ مِنْ تَلَامِذَتِهِ عَنِ الرِّجَالِ وَكَلَامِهِ فِيهِمْ بِاعْتِدَالٍ وَإِنْصَافٍ وَأَدَبٍ وَوَرَعٍ

47-وَكَذَا تَكَلَّمَ فِي الْجَرْحِ وَالتَّعْدِيلِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ كَاتَبُ الْوَاقِدِيِّ فِي طَبَقَاتِهِ بِكَلَامٍ جَيِّدٍ مَقْبُولٍ

48- وَأَبُو خَيْثَمَةَ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ لَهُ كَلَامٌ كَثِيرٌ رَوَاهُ عَنْهُ ابْنُهُ أَحْمَدُ وَغَيْرُهُ

49-وَأَبُو جَعْفَر عِنْد عبد الله بن مُحَمَّد النُّفَيْلِي حَافِظُ الْجَزِيرَةِ الَّذِي قَالَ فِيهِ أَبُو دَاوُدَ لَمْ أَرَ أَحْفَظَ مِنْهُ 50- وَعَلِيُّ بن الْمدنِي وَله التصفيات الْكَثِيرَةُ فِي الْعِلَلِ وَالرِّجَالِ

51- وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ نُمَيْرٍ الَّذِي قَالَ فِيهِ أَحْمَدُ هُوَ دُرَّةُ الْعِرَاقِ
46-এবং তাঁর সমপর্যায়ের (طبقة) অন্তর্ভুক্ত হলেন আহমদ বিন হাম্বল; তাঁর একদল ছাত্র তাঁকে রাবিদের (الرجال) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং তাঁদের সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য ছিল ভারসাম্য, ইনসাফ, শিষ্টাচার ও পরহেজগারির সাথে।

47-একইভাবে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন সা’দ—যিনি আল-ওয়াকিদীর লেখক—তাঁর তাবাকাত গ্রন্থে জরাহ ও তা'দীল (الجرح والتعديل) সম্পর্কে চমৎকার ও গ্রহণযোগ্য (مقبول) আলোচনা করেছেন।

48- এবং আবু খাইসামাহ জুহাইর বিন হারব; তাঁর অনেক বক্তব্য রয়েছে যা তাঁর পুত্র আহমদ এবং অন্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

49-এবং আবু জাফর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আন-নুফাইলি, যিনি জাজিরা অঞ্চলের হাফিজ (حافظ); যাঁর সম্পর্কে আবু দাউদ বলেছেন: “আমি তাঁর চেয়ে বড় হাফিজ (أحفظ) আর কাউকে দেখিনি।” 50- এবং আলী ইবনুল মাদিনী; গোপন ত্রুটি (العلل) ও রাবিদের (الرجال) বিষয়ে তাঁর বহু শ্রেণীবদ্ধ সংকলন রয়েছে।

51- এবং মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর; যাঁর সম্পর্কে আহমদ বলেছেন: “তিনি ইরাকের মুক্তা।”
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠٤)
52- وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ صَاحِبُ الْمُسْنَدِ وَكَانَ آيَةً الْحِفْظ يشبه احْمَد فِي الْمَعْرِفَةِ

53- وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِير الَّذِي قَالَ فِيهِ صَالِحٌ جَزَرَةُ هُوَ أَعْلَمُ مَنْ رَأَيْتُ بِحَدِيثِ أَهْلِ الْبَصْرَةِ

54- وَإِسْحَاق بن رَاهْوَيْهِ إِمَامُ خُرَاسَانَ

55- وَأَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بن عبد اله بْنِ عَمَّارٍ الْمَوْصِلِيُّ الْحَافِظُ وَلَهُ كَلَامٌ
52- এবং আবু বকর ইবনে আবি শায়বা, যিনি মুসনাদ-এর রচয়িতা; তিনি মুখস্থশক্তির (الحفظ) এক অনন্য নিদর্শন ছিলেন এবং ইলম বা প্রজ্ঞার (المعرفة) ক্ষেত্রে তিনি ইমাম আহমাদের সদৃশ ছিলেন।

53- এবং উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাওয়ারীরি, যার সম্পর্কে সালিহ জাযারা বলেছেন: “বসরাবাসীদের হাদিস সম্পর্কে আমি যত মানুষকে দেখেছি, তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে বড় জ্ঞানী।”

54- এবং ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ, যিনি খুরাসানের ইমাম।

55- এবং আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আম্মার আল-মাওসিলি, যিনি হাফেজ (الحافظ) ছিলেন এবং বর্ণনাকারীদের সমালোচনার ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষজ্ঞ মতামত বা বক্তব্য (كلام) রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠٥)
جَيِّدٌ فِي الْجَرْحِ وَالتَّعْدِيل

56- أَحْمد بْنُ صَالِحٍ الطَّبَرِيُّ حَافِظُ مِصْرَ وَكَانَ قَلِيلَ الْمِثْلِ

57- وَهَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَمَّالُ وَكُلُّهُمْ مِنْ أَئِمَّةِ الْجَرْحِ وَالتَّعْدِيلِ
জারহ ও তাদিল (الجرح والتعديل) শাস্ত্রে উত্তম (جيد)

56- আহমদ ইবনে সালেহ আত-তাবারী, যিনি মিশরের হাফেজ (حافظ) ছিলেন এবং তিনি ছিলেন অতুলনীয় (قليل المثل)।

57- এবং হারুন ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাম্মাল; তাঁরা সকলেই ছিলেন জারহ ও তাদিল (الجرح والتعديل)-এর ইমামগণের (أئمة) অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠٦)
‌‌11- ثُمَّ خَلَفَهُمْ طَبَقَةٌ أُخْرَى مُتَّصِلَةٌ بِهِمْ مِنْهُمْ

58- إِسْحَاقُ الكوسج

59- والدرامي

60- والذهبي

61-وَالْبُخَارِيُّ

62- وَالْعِجْلِيُّ الْحَافِظُ نَزِيلُ الْمَغْرِبِ

 

‌‌12- ثُمَّ مِنْ بعدهمْ
১১- অতঃপর তাঁদের স্থলাভিষিক্ত হলেন তাঁদের সাথে সংশ্লিষ্ট (متصلة) অপর এক স্তর (طبقة), যাঁদের অন্তর্ভুক্ত হলেন:

৫৮- ইসহাক আল-কাউসাজ

৫৯- আদ-দারিমি

৬০- আয-যাহাবি

৬১- আল-বুখারি

৬২- আল-ইজলি, আল-হাফিজ (الحافظ), যিনি মাগরিবে বসবাসকারী ছিলেন।

 

১২- অতঃপর তাঁদের পরবর্তীগণ
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠٧)
63- أَبُو زُرْعَةَ

64- وَأَبُو دَاوُدَ السِّجْسِتَانِيُّ

67- وَبَقِيُّ بْنُ مَخْلَدٍ

68- وَأَبُو زُرْعَةَ الدِّمَشْقِيُّ وَغَيْرُهُمْ
৬৩- আবু যুরআ

৬৪- এবং আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি

৬৭- এবং বাকি ইবনে মাখলাদ

৬৮- এবং আবু যুরআ আদ-দিমাশকি ও অন্যান্যগণ
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠٨)
‌‌13- ثمَّ من بعدهمْ

69- عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يُونُس بْنِ خِرَاشٍ الْبَغْدَادِيُّ لَهُ مُصَنَّفٌ فِي الْجَرْحِ وَالتَّعْدِيلِ قَوِيُّ النَّفْسِ كَأَبِي حَاتِمٍ

70- وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَرْبِيُّ

71- وَمُحَمَّدُ بْنُ وَضَّاحٍ الْأَنْدَلُسِيُّ حَافِظُ قُرْطَبَةَ

72- وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي عَاصِمٍ

73- وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ

74- وَصَالِحٌ جَزَرَةَ
১৩- অতঃপর তাদের পরবর্তীগণ

৬৯- আব্দুর রহমান ইবনে ইউনুস ইবনে খিরাশ আল-বাগদাদি; বর্ণনাকারী সমালোচনা ও মূল্যায়ন (الجرح والتعديل) শাস্ত্রে তাঁর একটি সংকলন রয়েছে এবং তিনি আবু হাতিমের মতো কঠোর মানদণ্ডসম্পন্ন (قوي النفس) ছিলেন।

৭০- এবং ইব্রাহিম ইবনে ইসহাক আল-হারবি।

৭১- এবং মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াদদাহ আল-আন্দালুসি, কর্ডোভার হাফিজ (حافظ)।

৭২- এবং আবু বকর ইবনে আবি আসিম।

৭৩- এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ।

৭৪- এবং সালিহ জাযারাহ।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٠٩)
75- وَأَبُو بَكْرٍ الْبَزَّارُ

76- وَأَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَهُوَ ضَعِيفٌ لَكِنَّهُ مِنْ أَئِمَّةِ هَذَا الشَّأْنِ

77- وَمُحَمَّدُ بْنُ نَصْرٍ الْمَرْوَزِيُّ

 

‌‌14- ثُمَّ مِنْ بَعْدَهُمْ

78- أَبُو بَكْرٍ الْفِرْيَابِيُّ

79- وَالْبَرْدِيجِيُّ
৭৫- এবং আবু বকর আল-বাযযার

৭৬- এবং আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আবি শায়বাহ; তিনি দুর্বল (ضعيف), তবে তিনি এই শাস্ত্রের ইমামদের অন্তর্ভুক্ত

৭৭- এবং মুহাম্মদ বিন নাসর আল-মারওয়াযী

 

‌‌১৪- অতঃপর তাঁদের পরবর্তীগণ

৭৮- আবু বকর আল-ফিরইয়াবী

৭৯- এবং আল-বারদীজি
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١٠)
80- وَالنَّسَائِيُّ

81- وَأَبُو يَعْلَى

82- وَالْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ

83- وَابْنُ خُزَيْمَةَ

84- وَابْنُ جَرِيرٍ الطَّبَرِيُّ

85- وَالدُّولَابِيُّ

86-وَأَبُو عَرُوبَةَ الْحَرَّانِيُّ

87- وَأَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عُمَيْرِ بْنُ جَوْصَا
80- আন-নাসায়ী

81- আবু ইয়ালা

82- আল-হাসান বিন সুফিয়ান

83- ইবনে খুজাইমাহ

84- ইবনে জারীর আত-তাবারী

85- আদ-দুলাবী

86- আবু আরুবাহ আল-হাররানী

87- আবুল হাসান আহমদ বিন উমাইর বিন জাওসা
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١١)
88-وَأَبُو جَعْفَرٍ الْعُقَيْلِيُّ

 

‌‌15- ثُمَّ طَبَقَةٌ أُخْرَى مِنْهُمُ

89- ابْنُ أَبِي حَاتِم

90- وَأَبُو طَابَ أَحْمَدُ بْنُ نَصْرٍ الْبَغْدَادِيُّ الْحَافِظُ شَيْخُ الدَّارَقُطْنِيِّ

91- وَابْنُ عُقْدَةَ

92- وَعَبْدُ الْبَاقِي بْنُ قَانِعٍ

 

‌‌16- ثُمَّ مِنْ بَعْدِهِمْ

93- أَبُو سَعِيدِ بْنُ يُونُس

94- وَأَبُو حَاتِم بن حِبَّانَ الْبُسْتِيُّ
88-এবং আবু জাফর আল-উকায়লি

 

‌‌15- অতঃপর তাঁদের মধ্য থেকে অপর একটি স্তর (طبقة)

89- ইবনে আবি হাতিম

90- এবং আবু তাব আহমদ বিন নাসর আল-বাগদাদি আল-হাফিজ (الحافظ), দারা কুতনির শায়খ (شيخ)

91- এবং ইবনে উকদাহ

92- এবং আব্দুল বাকি বিন কানি'

 

‌‌16- অতঃপর তাঁদের পরবর্তীগণ

93- আবু সাঈদ বিন ইউনুস

94- এবং আবু হাতিম বিন হিব্বান আল-বুস্তি
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١٢)
95-وَالطَّبَرَانِيُّ

96- وَابْنُ عَدِيٍّ الْجُرْجَانِيُّ وَمُصَنَّفُهُ فِي الرِّجَالِ إِلَيْهِ الْمُنْتَهَى فِي الْجرْح

 

‌‌17- ثُمَّ بَعْدَهُمْ

79- أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَاسَرْجِسِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ وَلَهُ مُسْنَدٌ مُعَلَّلٌ فِي أَلْفٍ وَثَلَاث مئة جُزْءٍ

98- وَأَبُو الشَّيْخِ بْنُ حَيَّانَ
৯৫-এবং তাবারানি।

৯৬- এবং ইবন আদি আল-জুরজানি; বর্ণনাকারীদের জীবনী বিষয়ক তাঁর রচিত গ্রন্থটিই ত্রুটি অন্বেষণ বা জারহ (الجرح) শাস্ত্রের চূড়ান্ত নির্ভরযোগ্য আধার।

 

‌‌১৭- অতঃপর তাঁদের পরবর্তীগণ

৭৯- আবু আলী আল-হুসাইন ইবন মুহাম্মদ আল-মাসারজিসি আল-নিসাবুরি; তাঁর এক হাজার তিনশত খণ্ড বিশিষ্ট একটি সূক্ষ্ম ত্রুটিযুক্ত (معلل) মুসনাদ গ্রন্থ রয়েছে।

৯৮- এবং আবুশ শায়খ ইবন হাইয়ান।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١٣)
99- وَأَبُو بَكْرٍ الْإِسْمَاعِيلِيُّ

100- وَأَبُو أَحْمَدَ الْحَاكِمُ

101 - وَالدَّارَقُطْنِيُّ وَبِهِ خُتِمَ مَعْرِفَةُ الْعِلَلِ

 

‌‌18- ثُمَّ بَعْدَهُمْ

102- أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَنْدَهْ
৯৯- আবু বকর আল-ইসমাঈলি

১০০- আবু আহমদ আল-হাকিম

১০১- আদ-দারাকুতনি, যাঁর মাধ্যমে হাদিসের লুক্কায়িত ত্রুটি (علل) বিষয়ক জ্ঞানের পরিসমাপ্তি ঘটেছে

 

‌‌১৮- অতঃপর তাঁদের পরবর্তীগণ

১০২- আবু আব্দুল্লাহ বিন মানদাহ
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١٤)
103- وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَاكِمُ

104- وَأَبُو نَصْرٍ الْكَلَابَاذِيُّ

105- وَأَبُو الْمُطَرِّفِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ فُطَيْسٍ قَاضِي قُرْطَبَةَ وَلَهُ "دَلَائِلُ السُّنَّةِ" خمس مجلدات فِي فَضَائِل الصَّحَابَة

106- وَعَبْدُ الْغَنِيِّ بْنُ سَعِيدٍ

107- وَأَبُو بَكْرِ بْنُ مَرْدُوَيْهِ الْأَصْبَهَانِيُّ وَتَمَّامٌ الرَّازِيُّ
103- আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম

104- আবু নাসর আল-কালাবাদি

105- আবু আল-মুতাররিফ আব্দুর রহমান বিন ফুতাইস, কর্ডোভার বিচারক; সাহাবীগণের (الصحابة) ফজিলত (فضائل) সম্পর্কে পাঁচ খণ্ডে তাঁর ‘দালাইলুস সুন্নাহ’ গ্রন্থটি রয়েছে

106- আব্দুল গনি বিন সাঈদ

107- আবু বকর বিন মারদুওয়াই আল-আসবাহানি এবং তাম্মাম আল-রাজি
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١٥)
‌‌19- ثُمَّ بَعْدَهُمْ

109 - أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْفَوَارِسِ الْبَغْدَادِيُّ

110- وَأَبُو بَكْرٍ الْبَرْقَانِيُّ

111- وَأَبُو حَازِمٍ الْعَبْدَوِيُّ وَقد كتب عَن عَشَرَةُ أَنْفُسٍ عَشَرَةَ آلَافِ جُزْءٍ
‌‌১৯- অতঃপর তাঁদের পরবর্তীগণ

১০৯ - আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আবিল ফাওয়ারিস আল-বাগদাদি

১১০- এবং আবু বকর আল-বারকানি

১১১- এবং আবু হাযেম আল-আবদাওয়ি; তিনি দশজন ব্যক্তির নিকট থেকে দশ হাজার খণ্ড (جزء) লিপিবদ্ধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١٦)
112- وَخَلَفُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَاسِطِيُّ

113- وَأَبُو مَسْعُودٍ الدِّمَشْقِيُّ

114- وَأَبُو الْفَضْلِ الْفَلَكِيُّ وَلَهُ كِتَابُ الطَّبَقَاتِ فِي أَلْفِ جُزْءٍ

115- وَأَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ السَّهْمِيُّ

116- وَأَبُو يَعْقُوبَ الْقَرَّابُ

117- وَأَبُو ذَرٍّ الهرويان
১১২- খালাফ বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি

১১৩- আবু মাসউদ আদ-দিমাশকি

১১৪- আবু আল-ফজল আল-ফালাকি, তাঁর এক হাজার খণ্ড (جزء) সংবলিত একটি তাবাকাত গ্রন্থ রয়েছে

১১৫- আবু আল-কাসিম হামজা আস-সাহমি

১১৬- আবু ইয়াকুব আল-কাররাব

১১৭- আবু যার আল-হারাওয়িদ্বয় (الهرويان)
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١٧)
‌‌20-ثُمَّ بَعْدَهُمْ

118-أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَلَّالُ الْبَغْدَادِيُّ

119-وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ الصُّورِيُّ

120- وَأَبُو سَعْدٍ السَّمَّانُ

121- وَأَبُو يَعْلَى الْخَلِيلِيُّ
২০- অতঃপর তাঁদের পরবর্তীগণ

১১৮-আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-খাল্লাল আল-বাগদাদি

১১৯-এবং আবু আব্দুল্লাহ আস-সুরি

১২০-এবং আবু সাদ আস-সাম্মান

১২১-এবং আবু ইয়ালা আল-খালিলি
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١٨)
‌‌21- ثُمَّ بَعْدَهُمُ

122 - ابْنُ عَبْدِ الْبَرِّ

123- وَابْنُ حَزْمٍ الْأَنْدَلُسِيَّانِ

124- وَالْبَيْهَقِيُّ

125- وَالْخَطِيبُ

126- ثُمَّ أَبُو الْقَاسِمِ سَعْدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّنْجَانِيُّ

127- وَشَيْخُ الْإِسْلَامِ الْأَنْصَارِيُّ
‌‌২১- অতঃপর তাঁদের পরবর্তীগণ

১২২ - ইবনে আব্দুল বারর

১২৩- এবং ইবনে হাজম, উভয়ই আন্দালুসী

১২৪- এবং আল-বায়হাকী

১২৫- এবং আল-খতীব

১২৬- অতঃপর আবু কাসেম সাদ বিন মুহাম্মদ আয-যানজানী

১২৭- এবং শায়খুল ইসলাম আল-আনসারী
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١١٩)
128- وَأَبُو صَالِحٍ الْمُؤَذِّنُ

129- وَأَبُو الْوَلِيدِ الْبَاجِيُّ قد صَنَّفَ فِي الْجَرْحِ وَالتَّعْدِيلِ وَكَانَ عَلَّامَةً حُجَّةً

131- وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُمَيْدِيُّ

132- وَابْنُ مُفَوَّزٍ الْمُعَافِرِيُّ الشَّاطِبِيُّ

133- ثُمَّ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ طَاهِرٍ الْمَقْدِسِيُّ
128- এবং আবু সালিহ আল-মুআযযিন

129- এবং আবু আল-ওয়ালিদ আল-বাজি; তিনি সমালোচনা ও গুণাগুণ বিশ্লেষণ (الجرح والتعديل) শাস্ত্রে গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং তিনি ছিলেন একজন অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী (علامة) ও প্রামাণ্য ব্যক্তিত্ব (حجة)।

131- এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-হুমাইদি

132- এবং ইবনে মুফাওওয়ায আল-মুআফিরি আল-শাতিবি

133- অতঃপর আবু আল-ফাদল বিন তাহির আল-মাকদিসি
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٢٠)
134- وَشُجَاعُ بْنُ فَارِسٍ الذُّهْلِيُّ

135- وَالْمُؤْتَمِنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ السَّاجِيُّ

136-وَشِيرُوَيْهِ الدَّيْلَمِيُّ الْهَرَوِيُّ مُصَنِّفٌ تَارِيخِ هَرَاةَ
১৩৪- এবং শুজা ইবন ফারেস আদ-ধুহলি

১৩৫- এবং আল-মুতামিন ইবন আহমদ ইবন আলী আস-সাজি

১৩৬-এবং শিরুয়াইহ আদ-দাইলামি আল-হারাউয়ি, যিনি তারিখ হারাত-এর রচয়িতা (مصنف)
(খণ্ড: ১) আল-মুতাকাল্লিমুনা ফির রিজাল (পৃষ্ঠা: ١٢١)
137-وَأَبُو عَلِيٍّ الْغَسَّانِيُّ

 

‌‌22-ثُمَّ بَعْدَهُمْ

138-أَبُو الْفَضْلِ بْنُ نَاصِرٍ السَّلَامِيُّ

139-وَالْقَاضِي عِيَاضٌ

140- وَالسِّلَفِيُّ
১৩৭-এবং আবু আলী আল-গাসসানি

 

‌‌২২- অতঃপর তাদের পরবর্তীগণ

১৩৮-আবু আল-ফজল ইবনে নাসের আস-সালামি

১৩৯-এবং আল-কাজি ইয়াজ

১৪০- এবং আস-সিলাফি