(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: -)
فضل الرحيم الودود تخريج سنن أبي داود (ياسر فتحي)
القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: فضل الرحيم الودود تخريج سنن أبي داود
المؤلف: أبو عمرو ياسر بن محمد فتحي آل عيد
الناشر: دار ابن الجوزي، الدمام - السعودية
عدد الأجزاء: 30 (إلى تاريخه)
الطبعة: الأولى، 1434 - 1446 هـ
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 رمضان 1442
ফাদলুর রহীমিল ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবি দাউদ (ইয়াসির ফাতহী)
বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ
গ্রন্থ: ফাদলুর রহীমিল ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবি দাউদ
লেখক: আবু আমর ইয়াসির বিন মুহাম্মাদ ফাতহী আল-ঈদ
প্রকাশক: দার ইবনুল জাওযী, দাম্মাম - সৌদি আরব
খণ্ড সংখ্যা: ৩০ (এখন পর্যন্ত)
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ - ১৪৪৬ হিজরী
[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৪ রমজান ১৪৪২
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمةبسم الله الرحمن الرحيمإن الحمد لله، نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ (102)} [آل عمران: 102].{يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا (1)} [النساء: 1].{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا (71)} [الأحزاب: 70 - 71].أما بعد:قال النووي في مقدمة خلاصته: "فإنه ينبغي لكل أحد أن يتخلق بأخلاق رسول الله صلى الله عليه وسلم، ويقتدي بأقواله وأفعاله وتقريره في الأحكام والآداب وسائر معالم الإسلام، وأن يعتمد في ذلك ما صح، ويجتنب ما ضعُف، ولا يغتر بمخالفي السنن الصحيحة، ولا يقلِّد معتمدي الأحاديث الضعيفة؛ فإن الله سبحانه وتعالى قال: {وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا} [الحشر: 7]، وقال تعالى: {لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ} [الأحزاب: 21]، وقال تعالى: {قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ} [آل عمران: 31]؛ فهذه الآيات وما في معناهن حثٌّ على اتباعه صلى الله عليه وسلم، ونهانا عن الابتداع والاختراع، وأمرنا الله سبحانه وتعالى عند التنازع بالرجوع إلى الله والرسول؛ أي: الكتاب والسُّنَّة، وهذا كله في سُنَّةِ صحَّت، أما ما لم تصح فكيف تكون سُنَّةَ، وكيف يُحكم على رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قاله أو فعله من غير مسوغ لذلك، ولا تغترن بكثرة المتساهلين في العمل، والاحتجاج في الأحكام بالأحاديث الضعيفة، وإن كانوا مصنفين وأئمةً في الفقه وغيره، وقد أكثروا من ذلك في كتبهم،
ভূমিকাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। (১০২)} [আল-ইমরান: ১০২]।{হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর জোড়া সৃষ্টি করেছেন আর তাঁদের উভয় থেকে বহু পুরুষ ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের কাছে যাচ্ঞা করো এবং রক্ত-সম্পর্কীয় আত্মীয়তার বন্ধন সম্পর্কে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন। (১)} [আন-নিসা: ১]।{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। (৭০) তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করল। (৭১)} [আল-আহজাব: ৭০ - ৭১]।অতঃপর:নববী তাঁর 'খুলাসাত' গ্রন্থের ভূমিকায় বলেছেন: "নিশ্চয়ই প্রত্যেকের জন্য উচিত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর চরিত্রে চরিত্রবান হওয়া এবং বিধান, শিষ্টাচার ও ইসলামের অন্যান্য সকল নিদর্শনে তাঁর কথা, কাজ ও অনুমোদনের অনুসরণ করা; আর এক্ষেত্রে যা সহিহ (বিশুদ্ধ) তার ওপর নির্ভর করা এবং যা দুর্বল তা বর্জন করা। সহিহ সুন্নাহর বিরোধিতাকারীদের দ্বারা প্রতারিত না হওয়া এবং দুর্বল হাদিসের ওপর নির্ভরযোগ্যদের অনুকরণ না করা। কারণ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন: {রাসূল তোমাদের যা প্রদান করেন তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো} [আল-হাশর: ৭]। আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন: {অবশ্যই তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ} [আল-আহজাব: ২১]। আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন: {বলো, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো তবে আমার অনুসরণ করো, তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন} [আল-ইমরান: ৩১]। অতএব, এই আয়াতসমূহ এবং এর সমার্থক আয়াতসমূহ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অনুসরণে উৎসাহিত করে এবং আমাদের নব উদ্ভাবন ও মনগড়া বিষয় থেকে নিষেধ করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বিবাদের সময় আমাদের আল্লাহ ও রাসূলের দিকে অর্থাৎ কিতাব ও সুন্নাহর দিকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আর এ সবই সেই সুন্নাহর ক্ষেত্রে যা সহিহ প্রমাণিত হয়েছে। আর যা সহিহ নয় তা কীভাবে সুন্নাহ হতে পারে? এবং কোনো অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই কীভাবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর হুকুম লাগানো যেতে পারে যে তিনি তা বলেছেন বা করেছেন? আমলে শিথিলতা প্রদর্শনকারী এবং বিধানের ক্ষেত্রে দুর্বল হাদিসের মাধ্যমে দলিল পেশকারীদের আধিক্য দেখে তোমরা প্রতারিত হইও না, যদিও তারা ফিকহ বা অন্য শাস্ত্রের রচয়িতা এবং ইমাম হয়ে থাকেন এবং তাঁরা তাঁদের কিতাবসমূহে এর প্রাচুর্য ঘটিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৬)
ولو سئلوا عن ذلك لأجابوا بأنه لا يعتمد في ذلك الضعيف، وإنما أباح العلماء العمل بالضعيف في القصص وفضائل الأعمال التي ليست فيها مخالفة لما تقرر في أصول الشرع مثل فضل التسبيح، وسائر الأذكار، والحث على مكارم الأخلاق، والزهد في الدنيا وغير ذلك مما أصوله معلومة مقررة".قال أبو المظفر محمد بن أحمد بن حامد بن إبراهيم بن الفضل البخاري: لما عُزل أبو العباس الوليد بن إبراهيم بن زيد الهمذاني عن قضاء الرَّي ورد بُخارى سنة ثماني عشرة وثلاث مئة لتجديد مودةٍ كانت بينه وبين أبي الفضل محمد بن عُبَيد الله البَلْعمي، فنزل في جوارنا.قال: فحملني معلمي أبو إبراهيم إسحاق بن إبراهيم الخُتَّلي إليه، وقال له: أسألك أن تحدِّث هذا الصبي بما سمعت من مشايخك رحمهم الله. فقال: ما لي سماع. قال: فكيف وأنت فقيه، فما هذا؟ قال: لأني لما بلغتُ مبلغَ الرجال تاقت نفسي إلى طلب الحديث، ومعرفة الرجال، ودراية الأخبار، وسماعها، فقصدتُ محمدَ بن إسماعيل البخاري ببخارى صاحب "التاريخ" والمنظور إليه في معرفة الحديث، فأعلمتُه مُرادي، وسألته الإقبال علي بذلك.فقال لي: يا بني لا تدخل في أمر إلا بعد معرفة حدوده، والوقوف على مقاديره.قال: فقلت له: عرِّفني حدودَ ما قصدتُ له، ومقادير ما سألتك عنه؟قال: اعلم أن الرجل لا يصير محدثًا كاملًا في حديثه إلا بعد أن يكتب أربعًا مع أربع كأربع مثل أربع في أربع عند أربع بأربع على أربع عن أربع لأربع، وكل هذه الرباعيات لا تتم إلا بأربع مع أربع، فإذا تمت له كلها هانت عليه أربع وابتلي بأربع، فإذا صبر على ذلك أكرمه الله تعالى في الدنيا بأربع، وأثابه في الآخرة بأربع.قال: قلت له: فسِّر لي رحمك الله ما ذكرت من أحوال هذه الرباعيات عن قلب صافٍ بشرح كافٍ، وبيان شافٍ طلبًا للأجر الوافي.قال: نعم، أما الأربعة التي تحتاج إلى كِتْبتها هي: أخبار الرسول صلى الله عليه وسلم وشرائعه، والصحابة ومقاديرهم، والتابعين وأحوالهم، وسائر العلماء وتواريخهم.مع أسماء رجالها، وكناهم، وأمكنتهم، وأزمنتهم.
আর যদি তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হতো, তবে তারা উত্তর দিতেন যে, এ ক্ষেত্রে দুর্বল (যয়ীফ) বর্ণনার ওপর নির্ভর করা যাবে না। ওলামায়ে কেরাম কেবল গল্প-কাহিনী এবং আমলের ফজিলতের ক্ষেত্রে যয়ীফ হাদিসের ওপর আমল করার অনুমতি দিয়েছেন, যদি তা শরয়ি মূলনীতির প্রতিষ্ঠিত বিষয়ের পরিপন্থী না হয়। যেমন: তাসবিহের ফজিলত, অন্যান্য জিকির-আজকার, মহৎ চরিত্রের প্রতি উৎসাহ প্রদান, দুনিয়াবিমুখতা এবং এমন অন্যান্য বিষয় যেগুলোর মূলভিত্তি সুনিশ্চিত ও প্রতিষ্ঠিত।আবু আল-মুজাফফর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামিদ বিন ইবরাহিম বিন আল-ফজল আল-বুখারি বলেন: যখন আবুল আব্বাস আল-ওয়ালিদ বিন ইবরাহিম বিন যায়েদ আল-হামদানি রাই শহরের কাজির পদ থেকে অপসারিত হলেন, তখন তিনি তিনশত আঠারো হিজরিতে বুখারায় আগমন করলেন। এটি ছিল তাঁর এবং আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন উবায়দুল্লাহ আল-বালআমির মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার উদ্দেশ্যে; অতঃপর তিনি আমাদের প্রতিবেশী হিসেবে অবস্থান করতে লাগলেন।তিনি বলেন: আমার শিক্ষক আবু ইবরাহিম ইসহাক বিন ইবরাহিম আল-খুত্তালি আমাকে তাঁর নিকট নিয়ে গেলেন এবং তাঁকে বললেন: 'আমি আপনাকে অনুরোধ করছি যেন আপনি এই বালকটিকে আপনার শায়খদের (আল্লাহ তাদের ওপর রহম করুন) নিকট যা শুনেছেন তা বর্ণনা করেন।' তিনি বললেন: 'আমার কাছে শোনার মতো কিছু নেই।' তিনি (শিক্ষক) বললেন: 'সেটি কীভাবে সম্ভব? আপনি তো একজন ফকিহ (আইনবিদ), তবে এটি কী?' তিনি বললেন: 'কারণ যখন আমি সাবালক হলাম, তখন আমার মন হাদিস অন্বেষণ, রাবিদের পরিচয় লাভ, সংবাদসমূহ উপলব্ধি করা ও শোনার প্রতি ব্যাকুল হলো। অতঃপর আমি বুখারায় "আত-তারিখ"-এর রচয়িতা এবং হাদিস শাস্ত্রের জ্ঞানে যাঁর দিকে সকলের দৃষ্টি নিবদ্ধ, সেই মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারির নিকট গেলাম। আমি তাঁকে আমার অভিপ্রায়ের কথা জানালাম এবং এ বিষয়ে আমাকে সাহায্য করার অনুরোধ করলাম।'তিনি আমাকে বললেন: 'হে প্রিয় বৎস! কোনো বিষয়ে তার সীমা এবং পরিমাণসমূহ অবগত হওয়া ব্যতীত তাতে প্রবেশ করো না।'তিনি বলেন: আমি তাঁকে বললাম: 'আমি যে উদ্দেশ্যে এসেছি তার সীমানা এবং যে বিষয়ে আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছি তার পরিমাণগুলো আমাকে অবগত করুন।'তিনি বললেন: 'জেনে রেখো, একজন ব্যক্তি তার হাদিসের ক্ষেত্রে ততক্ষণ পূর্ণাঙ্গ মুহাদ্দিস হতে পারে না, যতক্ষণ না সে চারের সাথে চার, চারের মতো চার, চারের ন্যায় চার, চারের মধ্যে চার, চারের নিকট চার, চারের দ্বারা চার, চারের ওপর চার, চারের পক্ষ থেকে চার এবং চারের জন্য চার লিপিবদ্ধ করে। আর এই সকল চার সম্বলিত বিষয়াবলি চারের সাথে চার ব্যতীত পূর্ণ হয় না। যখন এগুলো তার জন্য পূর্ণ হয়ে যাবে, তখন তার কাছে চারটি বিষয় তুচ্ছ হয়ে যাবে এবং সে চারটি বিষয়ে পরীক্ষিত হবে। অতঃপর যদি সে এগুলোর ওপর ধৈর্য ধারণ করে, তবে আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতে তাকে চারটি বিষয় দ্বারা সম্মানিত করবেন এবং আখিরাতে তাকে চারটি বিষয় দ্বারা পুরস্কৃত করবেন।'তিনি বলেন: আমি তাঁকে বললাম: 'আল্লাহ আপনার ওপর রহম করুন, পূর্ণ প্রতিদানের আশায় স্বচ্ছ অন্তরে পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা এবং সন্তোষজনক বর্ণনার মাধ্যমে আমার নিকট এই চার সম্বলিত অবস্থাগুলো ব্যাখ্যা করুন।'তিনি বললেন: 'হ্যাঁ, যে চারটি বিষয় তোমার লিপিবদ্ধ করা প্রয়োজন সেগুলো হলো: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীসমূহ ও তাঁর শরিয়ত, সাহাবিগণ ও তাঁদের মর্যাদা, তাবেয়িগণ ও তাঁদের অবস্থা এবং অন্যান্য ওলামায়ে কেরাম ও তাঁদের ইতিহাস।'এর সাথে যুক্ত হবে তাদের বর্ণনাকারীদের নাম, ডাকনাম, অবস্থানস্থল এবং সময়কাল।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৭)
كالتحميد مع الخطب، والدعاء مع الترسل، والبسملة مع السور، والتكبير مع الصلوات.مثل المسندات، والمُرسلات، والموقوفات، والمقطوعات.في صغره، وفي إدراكه، وفي شبابه، وفي كهولته.عند شغله، وعند فراغه، وعند فقره، وعند غناه.بالجبال، والبحار، والبلدان، والبراري.على الأحجار، والأصداف، والجلود، والأكتاف، إلى الوقت الذي يمكنه نقلها إلى الأوراق.عن من هو فوقه، وعن من هو مثله، وعن من هو دونه، وعن كتاب أبيه، يتيقن أنه بخط أبيه دون غيره.لوجه الله تعالى طالبًا لمرضاته، والعمل بما وافق كتاب الله منها، ونشرها بين طالبيها ومحبيها، والتأليف في إحياء ذكره بعده.ثم لا تتم له هذه الأشياء إلا بأربع التي هي من كسب العبد؛ أعني: معرفة الكتابة، واللغة، والصرف، والنحو.مع أربع هي من إعطاء الله عز وجل؛ أعني: الصحة، والقدرة، والحرص، والحفظ.فإذا تمت له هذه الأشياء هان عليه أربع: الأهل، والولد، والمال، والوطن.وابتلي بأربع: بشماتة الأعداء، وملامة الأصدقاء، وطعن الجهلاء، وحسد العلماء.فإذا صبر على هذه المحن أكرمه الله تعالى في الدنيا بأربع: بعز القناعة، وبهيبة النفس، وبلذة العلم، وبحيوة الأبد.وأثابه في الآخرة بأربع: بالشفاعة لمن أراد من إخوانه، وبظل العرش حيث لا ظل إلا ظله، وبسقي من أراد حوض نبيه محمد صلى الله عليه وسلم، وبجوار النبيين في أعلى عليين في الجنة.فقد أعلمتك يا بني مجملًا جميع ما كنت سمعت من مشايخي متفرقًا في هذا الباب، فأقبل الآن على ما قصدتني له، أو دَع.
যেমন খুতবার সাথে আল্লাহর প্রশংসা (তাহমীদ), চিঠিপত্রের সাথে দুআ, সূরাগুলোর সাথে বিসমিল্লাহ এবং সালাতগুলোর সাথে তাকবীর।যেমন মুসনাদ, মুরসাল, মাওকুফ এবং মাকতু হাদিসসমূহ।তার শৈশবে, তার বোধশক্তিকালে, তার যৌবনে এবং তার প্রৌঢ়ত্বে।তার কর্মব্যস্ততায়, তার অবসরে, তার দারিদ্রে এবং তার সচ্ছলতায়।পাহাড়ে, সমুদ্রে, জনপদে এবং মরুপ্রান্তরে।পাথর, ঝিনুক, চামড়া এবং কাঁধের হাড়ের ওপর, যতক্ষণ না সেগুলো কাগজে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়।এমন ব্যক্তির নিকট থেকে যিনি তার ঊর্ধ্বে, তার সমপর্যায়ের কিংবা তার নিম্নপর্যায়ের; এবং তার পিতার কিতাব থেকে, যার হস্তাক্ষর সম্পর্কে সে নিশ্চিত যে তা অন্য কারো নয় বরং তার পিতারই।মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে, এর মধ্য থেকে আল্লাহর কিতাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় অনুযায়ী আমল করার নিমিত্তে, জ্ঞানান্বেষী ও জ্ঞানপিপাসুদের মাঝে তা প্রচারের জন্য এবং নিজের পর তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত রাখার জন্য রচনার উদ্দেশ্যে।এরপর এই বিষয়গুলো চারটি বস্তু ছাড়া পূর্ণতা পায় না যা বান্দার অর্জনের অন্তর্ভুক্ত; অর্থাৎ: লিখনশৈলী, ভাষা, রূপতত্ত্ব (সরফ) এবং ব্যাকরণ (নাহব) শাস্ত্রের জ্ঞান।এর সাথে আরও চারটি বিষয় রয়েছে যা মহান আল্লাহর দান; অর্থাৎ: সুস্থতা, সক্ষমতা, একাগ্রতা এবং স্মরণশক্তি।যখন তার জন্য এই বিষয়গুলো পূর্ণতা পায়, তখন চারটি বিষয় তার কাছে তুচ্ছ হয়ে যায়: পরিবার, সন্তান, সম্পদ এবং স্বদেশ।আর সে চারটি পরীক্ষার সম্মুখীন হয়: শত্রুদের উপহাস, বন্ধুদের তিরস্কার, মূর্খদের অপবাদ এবং আলিমদের হিংসা।যদি সে এই বিপদে ধৈর্য ধারণ করে, তবে মহান আল্লাহ তাকে দুনিয়াতে চারটি বস্তু দিয়ে সম্মানিত করেন: অল্পে তুষ্টির মর্যাদা, ব্যক্তিত্বের গাম্ভীর্য, ইলমের স্বাদ এবং চিরস্থায়ী জীবন।আর পরকালে তিনি তাকে চারটি প্রতিদান দেবেন: তার ভাইদের মধ্য থেকে যাকে সে চাইবে তার জন্য সুপারিশ করার ক্ষমতা, আরশের ছায়া—যেদিন আল্লাহর ছায়া ব্যতীত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না, নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাউজ থেকে যাকে ইচ্ছা পান করানোর সুযোগ এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তর ইল্লিয়্যীনে নবীগণের সান্নিধ্য।হে বৎস! এই অধ্যায়ে আমি আমার মাশায়েখদের থেকে বিক্ষিপ্তভাবে যা কিছু শুনেছি, তার সারসংক্ষেপ আমি তোমাকে জানিয়ে দিলাম। এখন তুমি যে উদ্দেশ্যে আমার কাছে এসেছ তাতে মনোনিবেশ করো, অথবা বর্জন করো।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৮)
قال: فهالني قوله، وسكتُّ متفكرًا، وأطرقت نادمًا، فلما رأى ذلك مني، قال: فإن لا تُطِق احتمال هذه المشاق كلها؛ فعليك بالفقه الذي يمكنك تعلمه وأنت في بيتك قارٌّ ساكنٌ، لا تحتاج إلى بُعد الأسفار ووطي الديار، وركوب البحار، وهو مع ذا ثمرة الحديث، وليس ثواب الفقيه بدون ثواب المحدث في الآخرة، ولا عزه بأقل من عز المحدث.فلما سمعت ذلك نقص عزمي في طلب الحديث، وأقبلت على علم ما أمكنني من علمه بتوفيق الله ومنه، فلذلك لم يكن عندي ما أمليه على هذا الصبي يا أبا إبراهيم.فقال أبو إبراهيم: إن هذا الحديث الذي لا يوجد عند أحد غيرك خير من ألف حديث يوجد مع غيرك. اهـ كلامه.ساق هذه القصة بإسناده: القاضي عياض في الإلماع (29 - 34)، والمزي في التهذيب (24/ 461 - 464)، والسيوطي في تدريب الراوي (2/ 156 - 158).ولهذه القصة معانٍ ودلالات، والذي قصدته من إيرادها: التنويه بشأن هؤلاء الأئمة، أئمة الحديث والأثر، ومدى اعتنائهم بحديث رسول الله صلى الله عليه وسلم، وبذل أعمارهم وأغلى ما لديهم للوقوف على طرقه وأسانيده، سواءً في ذلك المسند والمرسل والموقوف والمقطوع، مما به تتبين وتظهر علة الحديث، ويظهر صحيحه من سقيمه، ولذلك فقد اجتهدوا في جمع ما أمكن جمعه من حَمَلَته الذين يحملونه في زمانهم، حتى إن بعضهم كان يرحل الأيام والليالي في طلب حديث واحد [انظر في هذا: الجامع لأخلاق الراوي (2/ 225)].وبعد جمعهم للأحاديث وطرقها وأسانيدها اجتهدوا في تمحيصها، وتمييز الصحيح منها من الضعيف، والمحفوظ من الشاذ، والمعروف من المنكر، وعرفوا بذلك الأفراد والغرائب والمناكير، بل وصنفوا فيها تمييزًا لها عن الصحاح والمشاهير، والحجة عندهم في ذلك: الحفظ والفهم والمعرفة [انظر: معرفة علوم الحديث (151)].وقد أعانهم على ذلك: معرفة الصحابة والتابعين وتابعيهم وأتباعهم وسائر العلماء والرواة، وأسمائهم وكناهم وألقابهم وطبقاتهم وأنسابهم وقبائلهم وبلدانهم وأزمنتهم، لتمييز الرواة بعضهم من بعض.
তিনি বললেন: তাঁর কথা আমাকে আতঙ্কিত করল, আমি চিন্তিত অবস্থায় চুপ হয়ে গেলাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা নিচু করলাম। তিনি যখন আমার এই অবস্থা দেখলেন, তখন বললেন: তুমি যদি এই সমস্ত কষ্ট সহ্য করতে সক্ষম না হও, তবে তোমার উচিত ফিকহ চর্চা করা, যা তুমি তোমার ঘরে অবস্থান করেই শিখতে পারবে। এর জন্য তোমাকে দূরপাল্লার সফর, দেশ-বিদেশ ভ্রমণ কিংবা সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। অথচ এটিই হলো হাদিসের ফল। আর পরকালে ফকিহের সওয়াব মুহাদ্দিসের সওয়াবের চেয়ে কোনো অংশে কম নয় এবং তার মর্যাদা মুহাদ্দিসের মর্যাদার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।আমি যখন তা শুনলাম, তখন হাদিস অন্বেষণের সংকল্প আমার কমে গেল এবং আল্লাহর তৌফিক ও অনুগ্রহে যে জ্ঞান অর্জন করা আমার জন্য সম্ভব ছিল, আমি সেদিকে মনোনিবেশ করলাম। হে আবু ইব্রাহিম, এই কারণেই আমার কাছে এমন কিছু নেই যা আমি এই বালককে পাঠ করে লেখাব।তখন আবু ইব্রাহিম বললেন: আপনার কাছে থাকা এই একটি হাদিস—যা অন্য কারো কাছে নেই—তা অন্যদের কাছে থাকা হাজার হাদিসের চেয়েও উত্তম। (তাঁর বক্তব্য এখানেই সমাপ্ত)।এই ঘটনাটি নিজ সনদে বর্ণনা করেছেন: আল-কাদি ইয়াদ 'আল-ইলমা' গ্রন্থে (২৯-৩৪), আল-মিজ্জি 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে (২৪/ ৪৬১-৪৬৪) এবং আস-সুয়ূতি 'তাদরিবুর রাবি' গ্রন্থে (২/ ১৫৬-১৫৮)।এই গল্পের অনেক অর্থ ও তাৎপর্য রয়েছে। এটি উল্লেখ করার পেছনে আমার উদ্দেশ্য হলো: হাদিস ও আছারের এই ইমামদের উচ্চ মর্যাদা এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিসের প্রতি তাঁদের অসামান্য যত্নের বিষয়টি তুলে ধরা। তাঁরা তাঁদের জীবন এবং মূল্যবান সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছেন হাদিসের সূত্র ও সনদগুলো অবগত হওয়ার জন্য, চাই তা মুসনাদ, মুরসাল, মাওকুফ কিংবা মাকতু—যাই হোক না কেন। এর মাধ্যমেই হাদিসের গোপন ত্রুটি (ইল্লত) পরিস্ফুট ও স্পষ্ট হয় এবং সহিহ হাদিস থেকে জয়িফ হাদিস পৃথক হয়। এই উদ্দেশ্যেই তাঁরা তাঁদের যুগের হাদিস বহনকারীদের (বর্ণনাকারীদের) কাছ থেকে যতটুকু সম্ভব হাদিস সংগ্রহ করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। এমনকি তাঁদের কেউ কেউ মাত্র একটি হাদিসের সন্ধানে দিনের পর দিন এবং রাতের পর রাত সফর করতেন। [দেখুন: আল-জামি লি-আখলাকির রাবি (২/ ২২৫)]।হাদিসসমূহ এবং সেগুলোর বিভিন্ন সূত্র ও সনদ সংগ্রহের পর তাঁরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করতে এবং দুর্বল থেকে সহিহ, শায থেকে মাহফুজ এবং মুনকার থেকে মারুফ হাদিস পৃথক করতে কঠোর সাধনা করেছেন। এর মাধ্যমে তাঁরা আফরাদ (একক বর্ণনা), গারিব ও মুনকার হাদিসগুলো চিনতে পেরেছেন। এমনকি সহিহ ও মাশহুর (বিখ্যাত) হাদিসগুলো থেকে আলাদা করার লক্ষ্যে তাঁরা এগুলো নিয়ে স্বতন্ত্র গ্রন্থও রচনা করেছেন। এক্ষেত্রে তাঁদের নিকট মূল ভিত্তি ছিল: মুখস্থ শক্তি, প্রজ্ঞা এবং গভীর জ্ঞান। [দেখুন: মা’রিফাতু উলুমিল হাদিস (১৫১)]।এই কাজে তাঁদেরকে যা সাহায্য করেছিল তা হলো: সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ী এবং পরবর্তী অনুসারীসহ অন্যান্য সকল আলেম ও বর্ণনাকারী সম্পর্কে তাঁদের জ্ঞান। বর্ণনাকারীদের একে অপরের থেকে পৃথক করার জন্য তাঁরা তাঁদের নাম, উপনাম (কুনিয়াত), উপাধি, স্তর (তাবাকাত), বংশ পরিচয়, গোত্র, দেশ এবং সময়কাল সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৯)
واهتموا بنقد الحديث سندًا ومتنًا، لم يكتفوا بالنظر في الإسناد وعلّله فحسب، بل نقدوا المتون، وعللوها ولو رُويت بسند صحيح كالشمس.• والحقيقة التي تغيب عن كثير من المشتغلين بطلب الحديث: أن حكم هؤلاء الأئمة على الرجال جرحًا وتعديلًا كان نابعًا من مرويات هؤلاء الرواة، فإنهم إذا وثقوا راويًا أو ضعفوه، فإن هذا الحكم الصادر من أحدهم كان بالنظر إلى مرويات هذا الراوي وسبرها واعتبارها بمرويات الثقات الحفاظ، فإن وافقهم دل ذلك على حفظه وضبطه، فذاك الحافظ الضابط الحجة، وإن خالفهم: نظروا في مقدار المخالفة فإن قلَّت بحيث يمكن احتمال ذلك من مثله من البشر، مما يقع لهم في العادة من السهو والغفلة والخطأ العارض؛ احتملوه ووثقوه في الجملة، فإن زادت أوهامه تكلموا فيه بما يقتضيه المقام، لذا ترى ابن معين مثلًا تختلف الروايات عنه في أمثال هؤلاء بحسب ما يحضره من مروياته وحاله في الضبط، فيوثقه تارة ويلينه أخرى، فإذا زادت أوهامه وكثر غلطه حتى غلب عليه الغلط والوهم؛ ضعفوه مع كتابة حديثه للاعتبار، فإن قل صوابه وموافقته للثقات، تركوه ورموا به، فإن ثبت عليه تعمد الكذب والوضع مزقوا حديثه، واتهموه وحذروا منه.وليس من شرط الثقة أن لا يهم، وإن كان الأصل قبول حديثه، حتى تدل قرينة على وهمه وخطئه، قال الإمام مسلم في التمييز (170): "فليس من ناقل خبرٍ وحامل أثرٍ من السلف الماضين إلى زماننا وإن كان من أحفظ الناس وأشدهم توقيًا وإتقانًا لما يحفظ وينقل؛ إلا الغلط والسهو ممكن في حفظه ونقله، فكيف بمن وصفتُ لك ممن طريقه الغفلة والسهو في ذلك"، وقال الترمذي في العلل الصغير (5/ 702 - الجامع): "وإنما تفاضل أهل العلم بالحفظ والإتقان والتثبت عند السماع؛ مع أنه لم يسلم من الخطأ والغلط كبير أحد من الأئمة مع حفظهم".وأما اليوم فإنا نرى بعض من يحكم على الأحاديث ومتونها وأسانيدها مستمسكين في ذلك بأقوال الأئمة في الرجال، فقلبوا الأمر؛ إذ كان الأئمة يحكمون على الرجال بأحاديثهم، واليوم يُحكم على الأحاديث برجالها، بغض النظر عن أقوال هؤلاء الأئمة في هذه الأحاديث بعينها، فكم من حديث عللوه، ولهم أقوال في توثيق رجاله، فإذا ببعض من له عناية بعلم الحديث اليوم يضربون بأحكام هؤلاء الأئمة في الأحاديث عُرض الحائط متذرعين بأقوالهم في الرجال، بدعوى عدم
তারা হাদীসের সনদ (সূত্র) ও মতন (মূল পাঠ) উভয়টির পর্যালোচনার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন। তারা কেবল ইসনাদ ও এর ত্রুটিসমূহ (ইল্লাত) দেখার মাধ্যমেই ক্ষান্ত হননি, বরং তারা মতনেরও সমালোচনা করেছেন এবং তাতে ত্রুটি চিহ্নিত করেছেন, যদিও তা সূর্যের ন্যায় স্পষ্ট ও বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত হয়ে থাকে।• আর সেই বাস্তবতা যা হাদীস শাস্ত্রের অনেক শিক্ষার্থীর নিকট অস্পষ্ট থেকে যায় তা হলো: রাবীদের ব্যাপারে 'জারহ' (সমালোচনা) ও 'তাদীল' (প্রশংসা) সংক্রান্ত এই ইমামগণের ফয়সালাসমূহ মূলত সেই সব রাবীদের বর্ণিত হাদীসসমূহ থেকেই উৎসারিত ছিল। কেননা তাঁরা যখন কোনো রাবীকে নির্ভরযোগ্য বা দুর্বল সাব্যস্ত করতেন, তখন তাদের মধ্য থেকে কারো দেওয়া এই সিদ্ধান্তটি থাকতো সেই রাবীর বর্ণিত হাদীসসমূহ পর্যবেক্ষণ, গভীরভাবে যাচাই এবং প্রথিতযশা নির্ভরযোগ্য হাফেজদের বর্ণিত হাদীসের সাথে তার তুলনা করার মাধ্যমে। যদি তার বর্ণনা তাদের সাথে মিলে যেতো, তবে তা তার মুখস্থ শক্তি ও নির্ভুলতার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হতো; আর তখনই তিনি হতেন সেই হাফেজ, দাবিত ও হুজ্জাত (প্রমাণ)। আর যদি সে তাদের বিরোধিতা করতো, তবে তারা এই বিরোধিতার পরিমাণ পর্যবেক্ষণ করতেন। যদি তা সামান্য হতো যা একজন মানুষের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে সম্ভব, যেমন সচরাচর ঘটে থাকা অমনোযোগিতা বা আকস্মিক ভুল; তবে তারা তা গ্রহণ করতেন এবং সামগ্রিকভাবে তাকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করতেন। কিন্তু যদি তার ভুল-ভ্রান্তি বৃদ্ধি পেত, তবে তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী তার সমালোচনা করতেন। একারণেই আপনি দেখতে পাবেন যে, যেমন ইবনে মাঈন-এর নিকট থেকে এই ধরনের রাবীদের ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। তা নির্ভর করতো সেই মুহূর্তে তার নিকট উপস্থিত থাকা রাবীর বর্ণনাসমূহ এবং তার নির্ভুলতার অবস্থার ওপর। তাই তিনি তাকে কখনো নির্ভরযোগ্য বলতেন, আবার কখনো তাকে শিথিল আখ্যা দিতেন। যখন তার ভুল-ভ্রান্তি আরও বেড়ে যেতো এবং তা তার নির্ভুলতার ওপর জয়ী হতো, তখন তারা তাকে দুর্বল সাব্যস্ত করতেন, যদিও তার হাদীসগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য লিখে রাখতেন। আর যদি তার সঠিক বর্ণনা ও নির্ভরযোগ্যদের সাথে মিলের পরিমাণ কমে যেতো, তবে তারা তাকে বর্জন করতেন এবং প্রত্যাখ্যান করতেন। আর যদি তার বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচার ও হাদীস জাল করার বিষয়টি প্রমাণিত হতো, তবে তারা তার হাদীস ছিঁড়ে ফেলতেন, তাকে অভিযুক্ত করতেন এবং তার ব্যাপারে সতর্ক করতেন।কোনো রাবী নির্ভরযোগ্য হওয়ার জন্য এটি শর্ত নয় যে তার কখনো ভুল হবে না, যদিও মূলনীতি হলো তার হাদীস গ্রহণ করা, যতক্ষণ না তার ভুল বা ভ্রান্তির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়। ইমাম মুসলিম 'আত-তাময়িজ' (১৭০) গ্রন্থে বলেছেন: "অতীতের সালাফদের থেকে আমাদের সময় পর্যন্ত এমন কোনো সংবাদ বহনকারী বা হাদীস বর্ণনাকারী নেই—তিনি মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা অধিক মুখস্থ শক্তির অধিকারী এবং অত্যন্ত সতর্ক ও দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও—যার মুখস্থ রাখা বা বর্ণনার ক্ষেত্রে ভুল ও বিচ্যুতি ঘটা সম্ভব নয়। তাহলে আমি আপনার কাছে যাদের কথা বর্ণনা করেছি, যাদের স্বভাবই হলো অসতর্কতা ও ভুল করা, তাদের অবস্থা কেমন হতে পারে?" এবং ইমাম তিরমিযী 'ইলালুস সগীর' (৫/৭০২ - আল-জামে) গ্রন্থে বলেছেন: "নিশ্চয়ই ইলমের অধিকারীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের পার্থক্য করা হয় মুখস্থ শক্তি, দক্ষতা এবং শোনার সময় দৃঢ়তার মাধ্যমে; অথচ ইমামগণের প্রখর মুখস্থ শক্তি থাকা সত্ত্বেও তাদের বড় কেউ ভুল ও বিচ্যুতি থেকে মুক্ত ছিলেন না।"কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা এমন কিছু ব্যক্তিকে দেখি যারা হাদীস, এর মতন এবং সনদের ব্যাপারে হুকুম দেওয়ার সময় রাবীদের বিষয়ে ইমামগণের বক্তব্যকে আঁকড়ে ধরেন; ফলে তারা বিষয়টিকে উল্টে দিয়েছেন। কারণ, ইমামগণ রাবীদের হুকুম দিতেন তাদের বর্ণিত হাদীসের ভিত্তিতে, আর আজ হাদীসের হুকুম দেওয়া হয় তার রাবীদের ভিত্তিতে, সেই বিশেষ হাদীসগুলোর ব্যাপারে এই ইমামগণের নিজস্ব বক্তব্য কী ছিল তা বিবেচনা না করেই। এমন কত হাদীস রয়েছে যেগুলোকে তারা ত্রুটিযুক্ত বলেছেন, অথচ সেই হাদীসের রাবীদের তারা নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ফলে বর্তমানে যারা হাদীস শাস্ত্র নিয়ে কাজ করছেন তাদের কেউ কেউ রাবীদের ব্যাপারে ইমামগণের বক্তব্যের দোহাই দিয়ে হাদীসগুলোর ব্যাপারে দেওয়া সেই ইমামগণের সিদ্ধান্তগুলোকে অবজ্ঞা করেন, এই অজুহাতে যে...
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১০)
توهيم الثقات، ولو أدى ذلك إلى توهيم الصحابة، وقد يترتب على قبول هذه الرواية بعينها القدح بوجه ما في الصحابي، أو قبول الباطل من الأحاديث؛ المخالف لصحيح الحديث والأثر، أو جعل ما ليس بدين دينًا، وما ليس بسُنَّة سُنَّة، وكم ترك الأول للآخر!، زعموا.وقد يحكم الأئمة على حديث ما بإعلاله بما لم تظهر لنا علته، أو يشيرون إلى علة خفية في الحديث يصعب إدراكها، فيجب حينئذ المصير إلى أقوالهم إذا اتفقوا، فإن اتفاق المحدثين على شيء يكون حجة [المراسيل لابن أبي حاتم (703)] لا ينبغي لأحد مخالفتها كائنًا من كان، وأما إذا اختلفوا: فحينئذ نرجح بين أقوالهم، على مقتضى قواعدهم وطرقهم في الإعلال، ولا ينبغي لنا أن نحدث قولًا جديدًا لمنسبق إليه، فكما أن الصحابة رضي الله عنهم الذين عاينوا التنزيل، وكانوا أبر هذه الأمة قلوبًا، وأعمقها علمًا، وأقلها تكلفًا، وأقومها هديًا، وأحسنها أخلاقًا، فكما أنهم إذا اختلفوا في مسألة لا ينبغي لنا أن نخرج عن أقوالهم، فنحدث قولًا جديدًا، فكذلك هؤلاء الأئمة النقاد الذين عاصروا التدوين وخبروا أحوال الرواة والمرويات لا ينبغي الخروج عن أقوالهم وإحداث قول جديد، بل نقول بقولهم إذا اتفقوا، ونرجح بين أقوالهم إذا اختلفوا، ولابن حجر في هذا كلام نفيس أسوقه لفائدته في هذا الموطن، فإنه لما نقل كلام الأئمة في إعلال حديث أبي هريرة في كفارة المجلس [مخرج في الذكر والدعاء برقم (300)]، وهو حديث مروي بإسناد ظاهره الصحة، قال: "وبهذا التقرير يتبين عظم موقع كلام الأئمة المتقدمين، وشدة فحصهم، وقوة بحثهم، وصحة نظرهم، وتقدمهم؛ بما يوجب المصير إلى تقليدهم في ذلك، والتسليم لهم فيه، وكل من حكم بصحة الحديث مع ذلك إنما مشى فيه على ظاهر الإسناد" [النكت على ابن الصلاح (2/ 726)].• ومما يجعلنا نسلم لهم في أحكامهم، ولا ننازعهم فيها:أ- اطلاعهم على أحوال الرجال، بشكل لا يتسنى لنا اليوم الوقوف عليه، لا سيما مع اختلاف البيئة والعادات وطرق سير الحياة اليومية.ب- أنهم ما قبلوا كل أحاديث الثقات، بل ردوا ما وهموا فيه، ولا ردوا كل أحاديث الضعفاء ممن خف ضبطهم، وهم في الأصل يشملهم اسم الصدق وتعاطي العلم، بل قبلوا ما حفظوه، فكيف يتساهل البعض بعد ذلك في قبول رواية الثقة
নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের ভুল সাব্যস্ত করা, যদিও তা সাহাবায়ে কেরামের ভুল ধরার দিকে ধাবিত করে। এই নির্দিষ্ট বর্ণনাটি গ্রহণ করার ফলে কোনো না কোনোভাবে সাহাবীর ওপর দোষারোপ হতে পারে, অথবা এমন বাতিল হাদিস গ্রহণ করা হতে পারে যা সহিহ হাদিস ও আছারের পরিপন্থী; কিংবা যা দ্বীন নয় তাকে দ্বীন হিসেবে এবং যা সুন্নাহ নয় তাকে সুন্নাহ হিসেবে সাব্যস্ত করা হতে পারে। তারা দাবি করে যে, "পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদের জন্য কত কিছুই না রেখে গেছেন!"অনেক সময় ইমামগণ কোনো হাদিসের এমন ত্রুটির (ইল্লাত) কারণে সেটিকে ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্ত করেন যার কারণ আমাদের কাছে স্পষ্ট হয় না, অথবা তারা হাদিসের এমন কোনো সূক্ষ্ম ত্রুটির দিকে ইঙ্গিত করেন যা অনুধাবন করা কঠিন। এমতাবস্থায় যদি তারা ঐক্যমত পোষণ করেন তবে তাদের সিদ্ধান্তের দিকে প্রত্যাবর্তন করা অপরিহার্য; কেননা কোনো বিষয়ে মুহাদ্দিসগণের ঐক্যমত একটি দলিল [ইবন আবি হাতিমের আল-মারাসিল (৭০৩)], যা লঙ্ঘন করা কারোর জন্যই সমীচীন নয়, তিনি যেই হোন না কেন। আর যদি তারা মতভেদ করেন, তবে তখন আমরা তাদের ইল্লাত নির্ণয়ের মূলনীতি ও পদ্ধতির আলোকে তাদের বক্তব্যগুলোর মধ্যে প্রাধান্য (তারজিহ) দেব। আমাদের জন্য এমন কোনো নতুন মত সৃষ্টি করা উচিত নয় যে ব্যাপারে আমাদের পূর্বে কেউ কিছু বলেননি। যেমন সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)—যারা ওহী নাজিল হওয়া প্রত্যক্ষ করেছেন, যাদের অন্তর ছিল এই উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র, যাদের জ্ঞান ছিল সুগভীর, যাদের মধ্যে কৃত্রিমতা ছিল সবচেয়ে কম, যাদের হিদায়াত ছিল সবচেয়ে সুদৃঢ় এবং চরিত্র ছিল সবচেয়ে সুন্দর—তারা যখন কোনো বিষয়ে মতভেদ করতেন, তখন যেমন আমাদের জন্য তাদের মতের বাইরে গিয়ে নতুন কোনো মত তৈরি করা উচিত নয়, ঠিক তেমনি এই সমালোচক ইমামগণ—যারা হাদিস সংকলনের যুগে বেঁচে ছিলেন এবং বর্ণনাকারী ও বর্ণিত হাদিসসমূহের অবস্থা সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিলেন—তাদের মতের বাইরে গিয়ে নতুন কোনো মত উদ্ভাবন করা অনুচিত। বরং তারা একমত হলে আমরা তাদের মত গ্রহণ করব, আর তারা মতভেদ করলে তাদের বক্তব্যের মাঝে প্রাধান্য দেব। এ বিষয়ে ইবনে হাজারের একটি মূল্যবান বক্তব্য রয়েছে যা আমি এই স্থানে উপকারের জন্য উল্লেখ করছি। তিনি যখন ‘কাফফারায়ে মাজলিস’ বিষয়ে আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিসের ত্রুটি নিয়ে ইমামদের বক্তব্য উদ্ধৃত করেন [যা জিকর ও দোয়া অধ্যায়ে ৩০০ নম্বরে বর্ণিত], যে হাদিসটির বাহ্যিক সনদ সহিহ প্রতীয়মান হয়, তখন তিনি বলেন: "এই বিশ্লেষণের মাধ্যমে পূর্ববর্তী ইমামগণের বক্তব্যের উচ্চমর্যাদা, তাদের কঠোর যাচাই-বাছাই, শক্তিশালী গবেষণা, সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাদের অগ্রগামিতা স্পষ্ট হয়; যা এই বিষয়ে তাদের অনুসরণ করা এবং তাদের নিকট আত্মসমর্পণ করাকে অপরিহার্য করে তোলে। আর যারা এর বিপরীতে হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন, তারা মূলত সনদের বাহ্যিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করেই তা করেছেন।" [আন-নুকাত আলা ইবনিস সালাহ (২/৭২৬)]।• যেসব কারণে আমরা তাদের বিচার-বিশ্লেষণে কোনো আপত্তি না করে তা মেনে নেই:ক) বর্ণনাকারীদের অবস্থা সম্পর্কে তাদের এমন বিস্তৃত জ্ঞান ছিল যা আজ আমাদের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব নয়, বিশেষ করে পরিবেশ, অভ্যাস এবং প্রাত্যহিক জীবনযাত্রার পদ্ধতির পরিবর্তনের কারণে।খ) তারা নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সকল হাদিসই গ্রহণ করেননি, বরং যেগুলোতে তারা ভুল করেছেন সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন। আবার দুর্বল বর্ণনাকারীদের—যাদের মুখস্থ রাখার ক্ষমতা (যাবত) কিছুটা কম ছিল কিন্তু যারা মূলত সত্যবাদী এবং ইলম চর্চাকারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন—তাদের সকল হাদিসও তারা প্রত্যাখ্যান করেননি, বরং তারা যা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে পেরেছিলেন তা গ্রহণ করেছেন। এমতাবস্থায় কেউ কেউ কীভাবে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর বর্ণনা গ্রহণের ক্ষেত্রে শিথিলতা প্রদর্শন করতে পারে?
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১১)
مطلقًا، وإن دلت القرائن على وقوع الوهم في روايته، وعدم قبول رواية من كثر وهمه، وإن دلت القرائن على أنه حفظ.ج- اطلاعهم على النسخ الحديثية أو الصحف أو الكتب الخاصة بحديث راوٍ معين، بحيث إذا لم يجدوا حديث الراوي في كتابه أو صحيفته دل ذلك على أنه ليس من حديثه، وأنه قد وهم عليه فيه من هو دونه، أو أنه أُدخل عليه، أو لُقِّنه، وليس من حديثه، ومثل هذا يصعب الوقوف عليه اليوم.د- فقدان بعض أو كثير من النسخ الحديثية والمصنفات الكبار والصغار، والتي حوت كثيرًا من الطرق التي تعين على بيان وجه الصواب، ومن اطلع على علل الدارقطني مثلًا يعلم ذلك يقينًا.هـ- كلما تأخر الزمان وامتد، كلما أصبح عندنا كمّ هائل من الأوهام والتصحيفات، الناشئة عن غفلة الراوة، أو قلة ضبطهم، أو عدم حفظ كتبهم عن أن يُدخل فيها ما ليس منها، أو انتقال البصر أثناء التحديث من الكتاب فيُدخل حديث في حديث ونحو ذلك، أو التغير والاختلاط بسبب الكبَر وغيره، أو التلقين، أو جمع الأسانيد المتعددة والتي روي بها متن واحد على لفظ واحد مع اختلاف ألفاظ الناقلين، أو سلوك الجادة والطريق السهل المشهور، أو من حمله التشهي على التحديث بحديث غيره ولم يسمعه، أو سرقة أحاديث الرواة، أو تفنن الواضعين في الوضع بطرق خفية، فما كان من هذا مما وقع في زمان الأئمة النقاد أو قبله؛ فإنهم بيَّنوه بيانًا شافيًا، وميَّزوا الصحيح من هذا كله، لكن يبقى قسم كبير مما وقع بعد زمانهم، فلم يدركوه، ولا شك أن كثيرًا مما نعانيه اليوم من مثل هذه الطرق المحدثة لم يكن موجودًا في أيامهم، بل وقع بعد عصرهم [انظر مثلًا: الحديث رقم (134) من السنن، حديث ابن عباس من الشواهد، الطريق الخامسة]، فيأتي بعد ذلك من يغتر بظاهر الإسناد، وصلاحيته للاحتجاج أو الاعتضاد، وما هو في الحقيقة إلا سراب بقيعة!.• وقد عمدت إلى تخريج سنن أبي داود، وذلك لمكانته المعروفة بين كتب السنن، حتى عده بعضهم كتاب الأحكام الذي حوى معظم أحاديث الأحكام فلم يفته منها إلا اليسير، قال الخطابي في المعالم (1/ 6 - 8): "واعلموا رحمكم الله أن كتاب السنن لأبي داود كتاب شريف، لم يصنف في علم الدين كتاب مثله، وقد
সাধারণভাবে, যদিও আলামতসমূহ তার বর্ণনায় ভ্রম ঘটার দিকে ইঙ্গিত করে; এবং যার ভ্রমের আধিক্য রয়েছে তার বর্ণনা গ্রহণ না করা, যদিও আলামতসমূহ নির্দেশ করে যে সে এটি মুখস্থ রেখেছে।গ- হাদিসের পাণ্ডুলিপি, সংকলন বা নির্দিষ্ট কোনো বর্ণনাকারীর হাদিস সংশ্লিষ্ট বিশেষ কিতাবসমূহ সম্পর্কে তাদের অবগত থাকা; যার ফলে যদি তারা উক্ত বর্ণনাকারীর কিতাবে বা সংকলনে হাদিসটি না পেতেন, তবে এটি এই বিষয়ের প্রমাণ বহন করত যে এটি তার হাদিস নয়। বরং তার নিম্নস্তরের কোনো বর্ণনাকারী এতে ভ্রমে পতিত হয়েছেন, অথবা এটি তার বর্ণনায় অনুপ্রবেশ করানো হয়েছে, কিংবা তাকে এটি শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে অথচ এটি তার হাদিস নয়। বর্তমানে এই ধরনের বিষয় অবগত হওয়া অত্যন্ত কঠিন।ঘ- হাদিসের কিছু বা অনেক পাণ্ডুলিপি এবং ছোট-বড় এমন অনেক সংকলন হারিয়ে যাওয়া, যেগুলোতে অনেক সনদ (তরীক) বিদ্যমান ছিল যা সঠিক রূপটি স্পষ্ট করতে সাহায্য করত। উদাহরণস্বরূপ, যারা দারাকুতনীর 'ইলাল' কিতাবটি পাঠ করেছেন তারা বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই অবগত আছেন।ঙ- সময় যত অতিক্রান্ত ও দীর্ঘায়িত হয়েছে, আমাদের কাছে ভ্রম ও লেখনী-বিভ্রাটের (তাশহিফ) এক বিশাল ভাণ্ডার জমা হয়েছে। যা বর্ণনাকারীদের অসতর্কতা, তাদের মুখস্থশক্তির (জাবত) দুর্বলতা, অথবা তাদের কিতাবসমূহে বহিরাগত বিষয় অনুপ্রবেশ থেকে রক্ষা না করতে পারা থেকে উদ্ভূত হয়েছে। অথবা বর্ণনা করার সময় কিতাব থেকে দৃষ্টির স্থানান্তরের ফলে এক হাদিস অন্য হাদিসে ঢুকে পড়া বা এই জাতীয় বিষয়; কিংবা বার্ধক্যজনিত বা অন্য কোনো কারণে স্মৃতিবিভ্রম (ইখতিলাত), অথবা অন্যের শিখিয়ে দেওয়া কথা বর্ণনা করা, অথবা একাধিক সনদকে একত্রিত করে অভিন্ন শব্দে বর্ণনা করা অথচ বর্ণনাকারীদের শব্দে ভিন্নতা ছিল, অথবা পরিচিত ও সহজ পথ (সনদ) অবলম্বন করা, অথবা খেয়ালখুশির বশবর্তী হয়ে অন্যের হাদিস যা সে শোনেনি তা বর্ণনা করা, অথবা হাদিস চুরি করা, কিংবা জালকারিদের সূক্ষ্ম কৌশলে হাদিস জাল করা। এসবের মধ্যে যা কিছু সমালোচক ইমামগণের যুগে বা তার আগে সংঘটিত হয়েছিল, তারা তা পরিপূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করেছেন এবং এই সবকিছুর মধ্য থেকে সহিহ হাদিসকে পৃথক করেছেন। তবে তাদের সময়ের পরে যা ঘটেছে তার এক বড় অংশ রয়ে গেছে, যা তারা পাননি। নিঃসন্দেহে বর্তমানে আমরা এই ধরণের যে সকল নবসৃষ্ট সনদের (তরীক) সম্মুখীন হচ্ছি তার অনেকগুলোই তাদের যুগে বিদ্যমান ছিল না, বরং তাদের যুগের পরে সংঘটিত হয়েছে [উদাহরণস্বরূপ দেখুন: সুনানের ১৩৪ নম্বর হাদিস, শাওয়াহিদ হিসেবে বর্ণিত ইবনে আব্বাসের হাদিস, পঞ্চম পথ]। এরপর এমন একদল লোক আসে যারা সনদের বাহ্যিক রূপ এবং দলিল হিসেবে ব্যবহারের বা সমর্থক (ইতিজাজ বা ইতিদাদ) হওয়ার যোগ্যতায় প্রতারিত হয়; অথচ প্রকৃতপক্ষে তা মরুভূমির মরীচিকা ছাড়া আর কিছুই নয়!।• আমি সুনানে আবু দাউদের তাখরিজ করার সংকল্প করেছি। সুনান গ্রন্থসমূহের মাঝে এর সুবিদিত মর্যাদার কারণে এটি বেছে নেওয়া হয়েছে, এমনকি কেউ কেউ একে আহকামের কিতাব হিসেবে গণ্য করেছেন যা অধিকাংশ আহকামের হাদিসকে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং খুব অল্পই এর থেকে বাদ পড়েছে। খাত্তাবি 'মাআলিমুস সুনান' (১/৬-৮) গ্রন্থে বলেছেন: "হে আল্লাহর রহমতপ্রাপ্তগণ! জেনে রাখুন, আবু দাউদের সুনান গ্রন্থটি একটি মর্যাদাপূর্ণ কিতাব, দ্বীনি ইলমের ক্ষেত্রে এর মতো কোনো কিতাব রচিত হয়নি, এবং"
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১২)
رزق القبول من الناس كافة، فصار حكمًا بين فرق العلماء وطبقات الفقهاء على اختلاف مذاهبهم، فلكلٍ فيه وِردٌ ومنه شِربٌ"، ثم أطال في الثناء عليه، وبيان فضله على غيره من الكتب، وأوضح أنه اتفق لأبي داود ما لم يتفق لغيره ممن سبقه من المصنفين: جمعُ أحاديث الأحكام والسنن، وتلخيصها، وترتيبها، واختصار مواضع الشاهد منها من أصولها الطوال، وحكى عن إبراهيم الحربي أنه قال: "ألين لأبي داود الحديث، كما أُلين لداود الحديد"، وحكى عن شيخه ابن الأعرابي أن رجلًا لو لم يكن عنده من العلم إلا المصحف وسنن أبي داود لكفاه، ثم ختم كلامه بقوله: "وقد جمع أبو داود في كتابه هذا من الحديث في أصول العلم وأمهات السنن وأحكام الفقه ما لا نعلم متقدمًا سبقه إليه، ولا متأخرًا لحقه فيه" [وانظر في مسألة استيعاب سنن أبي داود لأحاديث الأحكام: رسالة أبي داود إلى أهل مكة (26)، روضة الطالبين (11/ 95)، البحر الذي زخر (3/ 1138)].وقال الحافظ زكريا الساجي: "كتاب الله أصل الإسلام، وكتاب أبي داود عهد الإسلام" [تاريخ دمشق (22/ 197)، تذكرة الحفاظ (2/ 593)، السير (13/ 215)، تاريخ الإسلام (20/ 360)، ختم سنن أبي داود لعبد الله بن سالم البصري (72)].وقال الخطيب: "ويقال: إنه صنفه [يعني: كتاب السنن] قديمًا، وعرضه على أحمد بن حنبل فاستجاده واستحسنه"، قال أبو طاهر السِّلفي: "وحسبه ذلك فخرًا" [تاريخ بغداد (9/ 56)، تاريخ دمشق (22/ 194)، السير (13/ 209)، تاريخ الإسلام (20/ 359)، البداية والنهاية (11/ 55)، مقدمة السلفي على المعالم (4/ 328)].وقال الذهبي في السير (13/ 215): "كان أبو داود مع إمامته في الحديث وفنونه من كبار الفقهاء، فكتابه يدل على ذلك، وهو من نجباء أصحاب الإمام أحمد، لازم مجلسه مدة، وسأله عن دقاق المسائل في الفروع والأصول، وكان على مذهب السلف في اتباع السُّنَّة والتسليم لها وترك الخوض في مضائق الكلام.روى الأعمش عن إبراهيم عن علقمة، قال: كان عبد الله بن مسعود يشبَّه بالنبي صلى الله عليه وسلم في هديه ودَلِّه، وكان علقمة يشبه بعبد الله في ذلك، قال جرير بن عبد الحميد: وكان إبراهيم النخعي يشبه بعلقمة في ذلك، وكان منصور يشبه بإبراهيم، وقيل: كان سفيان الثوري يشبه بمنصور، وكان وكيع يشبه بسفيان، وكان أحمد يشبه بوكيع، وكان أبو داود يشبه بأحمد" [انظر: تاريخ بغداد (9/ 56 - 58)].
এটি সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে, ফলে এটি আলেমদের বিভিন্ন দল এবং ফকিহদের সকল স্তরের মাঝে তাদের মাযহাবের ভিন্নতা সত্ত্বেও এক মীমাংসাকারী হিসেবে গণ্য হয়েছে। প্রত্যেকের জন্যই এতে পাথেয় ও পানের রসদ রয়েছে।" অতঃপর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর প্রশংসা করেন এবং অন্যান্য কিতাবের ওপর এর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, আবু দাউদ এমন কিছু করতে সক্ষম হয়েছেন যা তাঁর পূর্ববর্তী কোনো সংকলক পারেননি: আহকামের হাদিস ও সুন্নাহসমূহ একত্রিত করা, সেগুলোকে সংক্ষিপ্ত করা, সুশৃঙ্খল করা এবং দীর্ঘ মূল উৎসগুলো থেকে প্রয়োজনীয় অংশটুকু চয়ন করা। তিনি ইব্রাহিম আল-হারবি থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: "আবু দাউদের জন্য হাদিসকে তেমনি নরম করে দেওয়া হয়েছে যেমন দাউদ (আ.)-এর জন্য লোহাকে নরম করা হয়েছিল।" তিনি তাঁর শিক্ষক ইবনুল আরাবি থেকে বর্ণনা করেন যে, কোনো ব্যক্তির কাছে যদি ইলম হিসেবে শুধু আল-কুরআন এবং সুনানে আবু দাউদ থাকে, তবে তাঁর জন্য তা-ই যথেষ্ট হবে। অতঃপর তিনি তাঁর বক্তব্য এই বলে শেষ করেন: "আবু দাউদ তাঁর এই কিতাবে ইলমের মূলনীতি, সুন্নাহর মৌলিক বিষয়সমূহ এবং ফিকহী আহকাম সংক্রান্ত এমন সব হাদিস একত্রিত করেছেন যার নজির তাঁর পূর্বেও কেউ দেখাতে পারেননি এবং পরবর্তীকালেও কেউ তা স্পর্শ করতে পারেননি।" [আহকামের হাদিস বর্ণনায় সুনানে আবু দাউদের ব্যাপকতা সম্পর্কে দেখুন: রিসালাতু আবি দাউদ ইলা আহলি মাক্কাহ (২৬), রওদাতুত তালিবিন (১১/ ৯৫), আল-বাহরুল্লাজি যাখার (৩/ ১১৩৮)]।হাফেজ জাকারিয়া আস-সাজি বলেন: "আল্লাহর কিতাব ইসলামের মূল ভিত্তি, আর আবু দাউদের কিতাব হলো ইসলামের অঙ্গীকারপত্র।" [তারিখে দামেশক (২২/ ১৯৭), তাজকিরাতুল হুফফাজ (২/ ৫৯৩), আস-সিয়ার (১৩/ ২১৫), তারিখুল ইসলাম (২০/ ৩৬০), খতমুল সুনানি আবি দাউদ লি-আবদিল্লাহ বিন সালিম আল-বসরি (৭২)]।আল-খতিব বলেন: "বলা হয় যে, তিনি এটি [অর্থাৎ সুনান গ্রন্থটি] অনেক আগে সংকলন করেছিলেন এবং তা আহমদ ইবনে হাম্বলের সামনে পেশ করেছিলেন। তিনি এটি পছন্দ করেন এবং এর প্রশংসা করেন।" আবু তাহের আস-সিলাফি বলেন: "তাঁর জন্য এই গর্বটুকুই যথেষ্ট।" [তারিখে বাগদাদ (৯/ ৫৬), তারিখে দামেশক (২২/ ১৯৪), আস-সিয়ার (১৩/ ২০৯), তারিখুল ইসলাম (২০/ ৩৫৯), আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (১১/ ৫৫), মুকাদ্দিমাতুস সিলাফি আলাল মাআলিম (৪/ ৩২৮)]।আজ-জাহাবি 'সিয়ার' গ্রন্থে (১৩/ ২১৫) বলেন: "আবু দাউদ হাদিস ও এর বিভিন্ন শাস্ত্রে ইমাম হওয়ার পাশাপাশি বড় মাপের ফকিহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁর কিতাবই এর প্রমাণ দেয়। তিনি ইমাম আহমদের মেধাবী ছাত্রদের অন্যতম ছিলেন, দীর্ঘকাল তাঁর মজলিসে উপস্থিত থেকেছেন এবং তাঁকে ফুরু (শাখা) ও উসুল (মূলনীতি) সংক্রান্ত সূক্ষ্ম মাসআলাসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন। তিনি সুন্নাহর অনুসরণ, তাঁর প্রতি আনুগত্য এবং কালাম শাস্ত্রের জটিলতা পরিহার করার ক্ষেত্রে সালফদের মানহাজের ওপর অটল ছিলেন।আমাশ ইব্রাহিম থেকে এবং তিনি আলকামা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, চালচলন ও গুণাবলিতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সদৃশ ছিলেন। আলকামা এক্ষেত্রে আবদুল্লাহর সদৃশ ছিলেন।" জারির ইবনে আবদিল হামিদ বলেন: "ইব্রাহিম নাখয়ি এক্ষেত্রে আলকামার সদৃশ ছিলেন, আর মানসুর ছিলেন ইব্রাহিমের সদৃশ।" বলা হয়: "সুফিয়ান সাওরি মানসুরের সদৃশ ছিলেন, ওকি' ছিলেন সুফিয়ানের সদৃশ, আহমদ ছিলেন ওকি'র সদৃশ এবং আবু দাউদ ছিলেন আহমদের সদৃশ।" [দেখুন: তারিখে বাগদাদ (৯/ ৫৬ - ৫৮)]।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وقد اعتنى أبو داود بتصنيف السنن عناية كبيرة، حيث انتقاها من خمسمائة ألف حديث، كان يذاكر بمائة ألف منها، قال أبو داود: "كتبت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم خمسمائة ألف حديث، انتخبت منها ما ضمنته هذا الكتاب -يعني: كتاب السنن-، جمعت فيه أربعة آلاف حديث وثمانمائة حديث، ذكرت الصحيح وما يشبهه، وما يقاربه" [تاريخ بغداد (9/ 57)، طبقات الحنابلة (1/ 431)، تاريخ دمشق (22/ 196)، شروط الأئمة الستة (68)، السير (13/ 203)، البدر المنير (1/ 299)، ختم سنن أبي داود لعبد الله بن سالم البصري (65)].وقد اجتهد في إخراج أصح ما عنده في الباب [رسالة أبي داود إلى أهل مكة (22 و 26)، البدر المنير (1/ 300)].وقال أبو داود: "ما كان في كتابي من حديث فيه وَهَنٌ شديد فقد بيَّنته، وما لم أذكر فيه شيئًا فهو صالح، وبعضها أصح من بعض" [رسالة أبي داود إلى أهل مكة (27)، البدر المنير (1/ 300)، النفح الشذي (1/ 24)، التقييد والإيضاح (52)، تدريب الراوي (1/ 167)، وانظر: رسالة أبي داود إلى أهل مكة (25)].قال الذهبي في السير (13/ 214): "قلت: فقد وفَّى رحمه الله بذلك بحسب اجتهاده، وبيَّن ما ضعفُه شديدٌ، ووهنُه غير محتمل، وكاسَرَ عن ما ضعفه خفيف محتمل، فلا يلزم من سكوته والحالة هذه عن الحديث أن يكون حسنًا عنده، ولا سيما إذا حكمنا على حد الحسن باصطلاحنا المولَّد الحادث، الذي هو في عرف السلف يعود إلى قسم من أقسام الصحيح الذي يجب العمل به عند جمهور العلماء، أو الذي يرغب عنه أبو عبد الله البخاري ويمشيه مسلم وبالعكس، فهو داخل في أداني مراتب الصحة، فإنه لو انحط عن ذلك لخرج عن الاحتجاج ولبقي متجاذبًا بين الضعف والحسن.فكتاب أبي داود أعلى ما فيه من الثابت: ما أخرجه الشيخان، وذلك نحو من شطر الكتاب، ثم يليه: ما أخرجه أحد الشيخين ورغب عنه الآخر، ثم يليه: ما رغبا عنه وكان إسناده جيدًا سالمًا من علة وشذوذ، ثم يليه: ما كان إسناده صالحًا وقبله العلماء لمجيئه من وجهين لينين فصاعدًا يعضد كل إسناد منهما الآخر، ثم يليه: ما ضعُف إسناده لنقص حفظ راويه فمثل هذا يمشيه أبو داود ويسكت عنه غالبًا، ثم يليه: ما كان بَيِّن الضعف من جهة راويه فإذا لا يسكت عنه بل يوهنه غالبًا، وقد
আবু দাউদ 'আস-সুনান' সংকলনে অত্যন্ত যত্নবান ছিলেন, যেখানে তিনি পাঁচ লক্ষ হাদিস থেকে এটি নির্বাচন করেছেন, যার মধ্যে এক লক্ষ হাদিস নিয়ে তিনি আলোচনা-পর্যালোচনা করতেন। আবু দাউদ বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পাঁচ লক্ষ হাদিস লিখেছি। সেখান থেকে এই গ্রন্থে যা অন্তর্ভুক্ত করেছি তা নির্বাচন করেছি—অর্থাৎ কিতাবুস সুনান। আমি এতে চার হাজার আটশ হাদিস একত্রিত করেছি। আমি সহিহ এবং এর সদৃশ ও এর নিকটবর্তী হাদিসসমূহ উল্লেখ করেছি।" [তারিখ বাগদাদ (৯/ ৫৭), তাবাকাতুল হানাবিলা (১/ ৪৩১), তারিখ দামেশক (২২/ ১৯৬), শুরুতুল আইম্মাতিল সিত্তা (৬৮), আস-সিয়ার (১৩/ ২০৩), আল-বদরুল মুনির (১/ ২৯৯), খাতমে সুনানে আবি দাউদ লি আবদুল্লাহ বিন সালিম আল-বাসরি (৬৫)]।তিনি সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে তার কাছে থাকা সবচেয়ে বিশুদ্ধ হাদিসগুলো বের করার ব্যাপারে সচেষ্ট ছিলেন [রিসালাতু আবি দাউদ ইলা আহলি মাক্কাহ (২২ ও ২৬), আল-বদরুল মুনির (১/ ৩০০)]।আবু দাউদ বলেন: "আমার কিতাবে এমন কোনো হাদিস নেই যাতে তীব্র দুর্বলতা রয়েছে অথচ আমি তা বর্ণনা করিনি। আর যে হাদিস সম্পর্কে আমি কিছু বলিনি, তা আমলযোগ্য (সালিহ), আর সেগুলোর কতক কতকগুলোর চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ।" [রিসালাতু আবি দাউদ ইলা আহলি মাক্কাহ (২৭), আল-বদরুল মুনির (১/ ৩০০), আন-নাফহ আশ-শাযি (১/ ২৪), আত-তাকয়িদ ওয়াল ইদাহ (৫২), তাদরিবুর রাবি (১/ ১৬৭), এবং দেখুন: রিসালাতু আবি দাউদ ইলা আহলি মাক্কাহ (২৫)]।আয-যাহাবি 'আস-সিয়ার' গ্রন্থে (১৩/ ২১৪) বলেছেন: "আমি বলি: তিনি (আল্লাহ তার ওপর রহম করুন) তার ইজতিহাদ অনুযায়ী সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন। তিনি এমন হাদিসগুলো স্পষ্ট করেছেন যেগুলোর দুর্বলতা অত্যন্ত প্রকট এবং যার দুর্বলতা সহ্য করার মতো নয়। আর যেগুলোর দুর্বলতা হালকা ও সহনীয় সেগুলোর বিষয়ে তিনি কিছুটা নমনীয়তা প্রদর্শন করেছেন। সুতরাং এই পরিস্থিতিতে কোনো হাদিসের ব্যাপারে তার নীরবতা মানেই তা তার নিকট 'হাসান' হওয়া জরুরি নয়। বিশেষ করে যদি আমরা 'হাসান' হাদিসকে আমাদের পরবর্তী উদ্ভাবিত পরিভাষা দিয়ে বিচার করি। সালাফদের পরিভাষায় 'হাসান' সহিহ হাদিসেরই এমন একটি প্রকার যা জমহুর ওলামাদের নিকট আমলযোগ্য ছিল, অথবা ইমাম বুখারি যা এড়িয়ে যেতেন কিন্তু ইমাম মুসলিম গ্রহণ করতেন অথবা এর বিপরীত। এটি বিশুদ্ধতার সর্বনিম্ন স্তরের অন্তর্ভুক্ত। যদি এটি এর চেয়ে নিচে নেমে যেত, তবে তা দলিল হিসেবে গ্রহণের অযোগ্য হয়ে পড়ত এবং দুর্বল ও হাসানের মাঝামাঝি দোদুল্যমান অবস্থায় থাকত।আবু দাউদের কিতাবে বর্ণিত সাব্যস্ত হাদিসগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছে: যা শায়খাইন (বুখারি ও মুসলিম) উভয়ে বর্ণনা করেছেন, যা কিতাবটির প্রায় অর্ধেক অংশ। এরপর রয়েছে: যা শায়খাইনের একজন বর্ণনা করেছেন এবং অন্যজন করেননি। এরপর: যা তারা উভয়েই ত্যাগ করেছেন কিন্তু এর সনদ ছিল উত্তম এবং ইল্লত (ত্রুটি) ও শাজ (বিচ্যুতি) থেকে মুক্ত। এরপর: যার সনদ আমলযোগ্য (সালিহ) এবং ওলামাগণ তা গ্রহণ করেছেন কারণ এটি দুটি ভিন্ন শিথিল সূত্র বা ততোধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যা একে অপরকে শক্তিশালী করে। এরপর: রাবির স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার কারণে যার সনদ দুর্বল হয়েছে, আবু দাউদ এই ধরনের হাদিস সাধারণত চালিয়ে নিয়েছেন এবং নীরব থেকেছেন। এরপর: রাবির কারণে যে হাদিসের দুর্বলতা সুস্পষ্ট, এই ক্ষেত্রে তিনি নীরব থাকেননি বরং সাধারণত এর দুর্বলতা বর্ণনা করেছেন। আর তিনি...
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
يسكت عنه بحسب شهرته ونكارته، والله أعلم" [وانظر: تاريخ الإسلام (20/ 360)].ولابن حجر في تفسير عبارة أبي داود كلام نفيس أسوقه بتمامه لفائدته، فإنه يغني عن كلام كثير غيره، قال في النكت (1/ 435 - 445): "وفي قول أبي داود: "وما كان فيه وهن شديد بينته": ما يُفهِم أن الذي يكون فيه وهنٌ غير شديد أنه لا يبينه، ومن هنا يتبين أن جميع ما سكت عليه أبو داود لا يكون من قبيل الحسن الاصطلاحي بل هو على أقسام:1 - منه ما هو في الصحيحين أو على شرط الصحة.2 - ومنه ما هو من قبيل الحسن لذاته.3 - ومنه ما هو من قبيل الحسن إذا اعتضد، وهذان القسمان كثير في كلتابه جدًّا.4 - ومنه ما هو ضعيف؛ لكنه من رواية من لم يُجمَع على تركه غالبًا.وكل هذه الأقسام عنده تصلح للاحتجاج بها، كما نقل ابن منده عنه: أنه يخرج الحديث الضعيف إذا لم يجد في الباب غيره، وأنه أقوى عنده من رأي الرجال.وكذلك قال ابن عبد البر: "كل ما سكت عليه أبو داود فهو صحيح عنده، لا سيما إن كان لم يذكر في الباب غيره".ونحو هذا ما روينا عن الإمام أحمد بن حنبل فيما نقله ابن المنذر عنه: أنه كان يحتج بعمرو بن شعيب عن أبيه عن جده إذا لم يكن في الباب غيره، وأصرح من هذا ما رويناه عنه فيما حكاه أبو العز ابن كادش، أنه قال لابنه: "لو أردت أن أقتصر على ما صح عندي لم أرو من هذا المسند إلا الشيء بعد الشيء، ولكنك يا بني تعرف طريقتي في الحديث أني لا أخالف ما يضعف إلا إذا كان في الباب شيء يدفعه"، ومن هذا ما روينا من طريق عبد الله ابن الإمام أحمد بن حنبل بالإسناد الصحيح إليه، قال: سمعت أبي يقول: "لا تكاد ترى أحدًا ينظر في الرأي إلا وفي قلبه دغل، والحديث الضعيف أحب إليَّ من الرأي"، قال: فسألته عن الرجل يكون ببلد لا يجد فيها إلا صاحب حديث، لا يدري صحيحه من سقيمه، وصاحب رأي، فمن يسأل؟ قال: "يسأل صاحب الحديث، ولا يسأل صاحب الرأي".فهذا نحو مما حكي عن أبي داود، ولا عجب فإنه كان من تلامذة الإمام
এর প্রসিদ্ধি ও অগ্রহণযোগ্যতা অনুসারে এর ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করা হয়, আর আল্লাহই ভালো জানেন" [এবং দেখুন: তারিখুল ইসলাম (২০/ ৩৬০)]।আবু দাউদের বক্তব্যের ব্যাখ্যায় ইবনে হাজারের অত্যন্ত মূল্যবান কিছু কথা রয়েছে যা আমি এর উপযোগিতার কারণে পূর্ণাঙ্গভাবে এখানে উল্লেখ করছি, কেননা এটি অন্য অনেক বক্তব্যের প্রয়োজন মিটিয়ে দেয়। তিনি আন-নুকাত (১/ ৪৩৫ - ৪৪৫) গ্রন্থে বলেছেন: "আবু দাউদের এই কথা: 'এবং যাতে চরম দুর্বলতা রয়েছে আমি তা স্পষ্ট করে দিয়েছি'—এটি একথাই বোঝায় যে, যেটির দুর্বলতা চরম নয় সেটি তিনি স্পষ্ট করেন না। এখান থেকেই প্রতীয়মান হয় যে, আবু দাউদ যেগুলোর ব্যাপারে নীরব থেকেছেন তার সবটুকুই কেবল পারিভাষিক হাসান পর্যায়ের নয়, বরং তা কয়েকটি ভাগে বিভক্ত:১ - এর মধ্যে কিছু রয়েছে যা বুখারি ও মুসলিমের অন্তর্ভুক্ত অথবা সহিহ হওয়ার শর্তানুযায়ী।২ - কিছু রয়েছে যা হাসান লি-যাতিহি (স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাসান) পর্যায়ের।৩ - কিছু রয়েছে যা অন্যান্য বর্ণনার মাধ্যমে শক্তিশালী হলে হাসান পর্যায়ের হয়; আর এই দুই প্রকার তাঁর গ্রন্থে অত্যন্ত বেশি।৪ - এবং এর মধ্যে কিছু রয়েছে যা দুর্বল; তবে তা এমন বর্ণনাকারীর বর্ণনা যার পরিত্যাগের ব্যাপারে সাধারণত ঐকমত্য হয়নি।তাঁর নিকট এই সকল প্রকারই দলিল হিসেবে পেশ করার যোগ্য, যেমনটি ইবনে মানদাহ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: তিনি যখন কোনো অধ্যায়ে অন্য কিছু না পেতেন তখন দুর্বল হাদিসও চয়ন করতেন, আর এটি তাঁর নিকট মানুষের ব্যক্তিগত মতের চেয়ে অধিক শক্তিশালী ছিল।অনুরূপভাবে ইবনে আবদিল বার্র বলেছেন: "আবু দাউদ যে হাদিসের ব্যাপারে নীরব থেকেছেন তা তাঁর নিকট সহিহ, বিশেষ করে যদি তিনি সেই অধ্যায়ে আর কোনো হাদিস উল্লেখ না করে থাকেন।"অনুরূপ বিষয় ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল থেকেও বর্ণিত হয়েছে যা ইবনে মুনযির তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: তিনি আমর ইবনে শুয়াইব তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণিত হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করতেন যখন সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে অন্য কোনো হাদিস থাকত না। এর চেয়েও স্পষ্টতর হলো সেই বর্ণনা যা আমরা আবু আল-ইয ইবনে কাদিশের সূত্রে বর্ণনা করেছি যে, তিনি (আহমাদ) তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন: "যদি আমি কেবল আমার নিকট সহিহ হাদিসের ওপর সীমাবদ্ধ থাকতে চাইতাম, তবে আমি এই মুসনাদ থেকে সামান্য কিছু ব্যতীত আর কিছুই বর্ণনা করতাম না। কিন্তু হে বৎস, তুমি হাদিসের ক্ষেত্রে আমার পদ্ধতি সম্পর্কে জানো যে, আমি দুর্বল হাদিসের বিরোধিতা করি না যদি না সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে এমন কিছু থাকে যা একে খণ্ডন করে।" এর অন্তর্ভুক্ত হলো সেটি যা আমরা ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের পুত্র আবদুল্লাহর সূত্রে সহিহ সনদে বর্ণনা করেছি। তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: "তুমি এমন কাউকে খুব কমই দেখবে যে রায় বা ব্যক্তিগত মতের ওপর নির্ভর করে অথচ তার অন্তরে কোনো মালিন্য নেই; আর দুর্বল হাদিস আমার নিকট ব্যক্তিগত মতের চেয়ে অধিক প্রিয়।" তিনি বলেন: অতঃপর আমি তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে এমন এক স্থানে থাকে যেখানে হাদিস বিশারদ ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায় না যে হাদিসের বিশুদ্ধতা ও দুর্বলতা সম্পর্কে জানে না, আর সেখানে রায় বা ব্যক্তিগত মতে পারদর্শী ব্যক্তিও আছে; তবে সে কাকে জিজ্ঞাসা করবে? তিনি বললেন: "সে হাদিস বিশারদকেই জিজ্ঞাসা করবে এবং রায় বা ব্যক্তিগত মতে পারদর্শী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করবে না।"এটি আবু দাউদ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তারই অনুরূপ, আর এতে আশ্চর্যের কিছু নেই কারণ তিনি ইমামের অন্যতম ছাত্র ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
أحمد، فغير مستنكر أن يقول قوله، بل حكى النجم الطوفي عن العلامة تقي الدين ابن تيمية أنه قال: "اعتبرت مسند أحمد فوجدته موافقًا لشرط أبي داود".وقد أشار شيخنا في النوع الثالث والعشرين إلى شيء من هذا، ومن هنا يظهر ضعف طريقة من يحتج بكل ما سكت عليه أبو داود، فإنه يخرج أحاديث جماعة من الضعفاء في الاحتجاج ويسكت عنها، مثل: ابن لهيعة، وصالح مولى التوأمة، وعبد الله بن محمد بن عقيل، وموسى بن وردان، وسلمة بن الفضل، ودلهم بن صالح، وغيرهم.فلا ينبغي للناقد أن يقلده في السكوت على أحاديثهم، وينابعه في الاحتجاج بهم؛ بل طريقه أن ينظر هل لذلك الحديث متابع فيعتضد به، أو هو غريب فيتوفف فيه، ولا سيما إن كان مخالفًا لرواية من هو أوثق منه؛ فإنه ينحط الى قبيل المنكر.وقد يخرِّج لمن هو أضعف من هؤلاء بكثير: كالحارث بن وجيه، وصدقة الدقيقي، وعثمان بن واقد العمري، ومحمد بن عبد الرحمن البيلماني، وأبي جناب الكلبي، وسليمان بن أرقم، وإسحاق بن عبد الله بن أبي فروة، وأمثالهم من المتروكين.وكذلك ما فيه من الأسانيد المنقطعة، وأحاديث المدلسين بالعنعنة، والأسانيد التي فيها من أبهمت أسماؤهم، فلا يتجه الحكم لأحاديث هؤلاء بالحسن من أجل سكوت أبي داود؛ لأن سكوته تارة يكون اكتفاء بما تقدم له من الكلام في ذلك الراوي في نفس كتابه، وتارة يكون لذهول منه، وتارة يكون لشدة وضوح ضعف ذلك الراوي واتفاق الأئمة على طرح روايته، كأبي الحويرث، ويحيى بن العلاء، وغيرهما.وتارة يكون من اختلاف الرواة عنه وهو الأكثر؛ فإن في رواية أبي الحسن بن العبد عنه من الكلام على جماعة من الرواة والأسانيد ما ليس في رواية اللؤلؤي وإن كانت روايته أشهر، ومن أمثلة ذلك: ما رواه من طريق: الحارث بن وجيه، عن مالك بن دينار، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة رضي الله تعالى عنه: حديث "إن تحت كل شعرة جنابة … " الحديث، فإنه تكلَّم عليه في بعض الروايات، فقال: "هذا حديث ضعيف، والحارث: حديثه منكر"، وفي بعضها اقتصر على بعض هذا الكلام، وفي بعضها لم يتكلم فيه.
আহমদ, তাই তাঁর বক্তব্য বলাটা আপত্তিকর কিছু নয়। বরং নাজম আত-তুফি আল্লামা তাকিউদ্দিন ইবনে তাইমিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "আমি মুসনাদে আহমদ পর্যালোচনা করে একে আবু দাউদের শর্তের অনুকূল পেয়েছি।"আমাদের শায়খ ২৩তম প্রকারে এই বিষয়ে কিছুটা ইঙ্গিত করেছেন। এখান থেকেই ওই ব্যক্তির পদ্ধতির দুর্বলতা স্পষ্ট হয়, যে আবু দাউদ যা সম্পর্কে নীরব থেকেছেন তার সবকিছুকেই দলিল হিসেবে গ্রহণ করে। কারণ তিনি দলিল হিসেবে গ্রহণের ক্ষেত্রে একদল দুর্বল রাবির হাদিস বর্ণনা করেন এবং সে সম্পর্কে নীরব থাকেন, যেমন: ইবনে লাহিয়াহ, সালিহ মাওলা আত-তাওআমাহ, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকিল, মুসা ইবনে ওয়ারদান, সালামাহ ইবনুল ফাদল, দালহাম ইবনে সালিহ এবং অন্যান্যরা।সুতরাং কোনো সমালোচকের জন্য উচিত নয় তাদের হাদিসের ব্যাপারে নীরবতায় তাঁর অন্ধ অনুসরণ করা এবং তাদের দলিল হিসেবে গ্রহণে তাঁর অনুগামী হওয়া। বরং সমালোচকের পদ্ধতি হবে এটা দেখা যে, সেই হাদিসের কোনো মুতাবি (সমর্থনকারী বর্ণনা) আছে কি না যার মাধ্যমে সেটি শক্তিশালী হতে পারে, অথবা সেটি গারিব কি না যার ফলে সেটির ব্যাপারে থামা (বিরত থাকা) প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে যদি তা অধিকতর নির্ভরযোগ্য কোনো রাবির বর্ণনার বিরোধী হয়, তবে তা মুনকার পর্যায়ের নিচে নেমে যায়।আবার কখনও কখনও তিনি তাদের চেয়েও অনেক বেশি দুর্বল রাবিদের বর্ণনা উল্লেখ করেন: যেমন হারিস ইবনে ওয়াজিহ, সদকা আদ-দাকিকি, উসমান ইবনে ওয়াকিদ আল-উমরি, মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-বাইলামানি, আবু জানাব আল-কালবি, সুলাইমান ইবনে আরকাম, ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি ফারওয়াহ এবং তাদের মতো মাতরুক (পরিত্যক্ত) রাবিগণ।অনুরূপভাবে বিচ্ছিন্ন সনদ, মুদাল্লিসদের 'আন-আনা' যুক্ত হাদিস এবং এমন সনদ যাতে এমন রাবি রয়েছেন যাদের নাম অস্পষ্ট রাখা হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে আবু দাউদের নীরবতার কারণে তাদের হাদিসকে হাসান বলে হুকুম করা সঠিক নয়। কারণ তাঁর নীরবতা কখনও কখনও ওই রাবি সম্পর্কে তাঁর কিতাবের পূর্বেই করা কোনো আলোচনার ওপর নির্ভর করার কারণে হয়, কখনও কখনও বিস্মৃতির কারণে হয়, আবার কখনও রাবির দুর্বলতা অত্যন্ত স্পষ্ট হওয়ার কারণে এবং তাঁর বর্ণনা বর্জনের ব্যাপারে ইমামগণের ঐকমত্য থাকার কারণে হয়, যেমন আবুল হুওয়াইরিস, ইয়াহইয়া ইবনুল আলা এবং অন্যান্যরা।আবার কখনও কখনও তা তাঁর থেকে বর্ণনা করা বর্ণনাকারীদের মতভেদের কারণে হয়, আর এটিই অধিক ঘটে থাকে। কেননা তাঁর থেকে আবুল হাসান ইবনুল আবদ-এর বর্ণনায় একদল রাবি ও সনদের ব্যাপারে এমন সব মন্তব্য রয়েছে যা লু'লুয়ি-র বর্ণনায় নেই, যদিও লু'লুয়ি-র বর্ণনাটি অধিক প্রসিদ্ধ। এর একটি উদাহরণ হলো যা তিনি হারিস ইবনে ওয়াজিহ, মালিক ইবনে দিনার, মুহাম্মদ ইবনে সিরিন এবং আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন: "নিশ্চয়ই প্রতিটি চুলের নিচে জানাবাত রয়েছে … " হাদিসটি। তিনি কোনো কোনো বর্ণনায় এর ওপর মন্তব্য করেছেন এবং বলেছেন: "এটি একটি দুর্বল হাদিস এবং হারিস-এর হাদিস মুনকার।" আবার কোনো কোনো বর্ণনায় তিনি এই আলোচনার সংক্ষেপ করেছেন এবং কোনো কোনো বর্ণনায় তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্যই করেননি।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وقد يتكلم على الحديث بالتضعيف البالغ خارج السنن، ويسكت عنه فيها، ومن أمثلته: ما رواه في السنن من طريق: محمد بن ثابت العبدي، عن نافع، قال: انطلقت مع ابن عمر رضي الله تعالى عنهما في حاجة إلى ابن عباس رضي الله تعالى عنهما، فذكر الحديث في الذي سلَّم على النبي صلى الله عليه وسلم فلم يرد عليه، حتى تيمم ثم رد السلام، وقال: "إنه لم يمنعني أن أرد عليك إلا أني لم أكن على طهر"، لم يتكلم عليه في السنن، ولما ذكره في كتاب التفرد قال: "لم يتابع أحدٌ محمد بن ثابت على هذا" ثم حكى عن أحمد بن حنبل أنه قال: "هو حديث منكر".وأما الأحاديث التي في إسنادها انقطاع أو إبهام: ففي الكتاب من ذلك أحاديث كثيرة، منها: وهو ثالث حديث في كتابه: ما رواه من طريق: أبي التياح قال: حدثني شيخ، قال: لما قدم ابن عباس البصرة كان يحدِّث عن أبي موسى رضي الله تعالى عنه، فذكر حديث: "إذا أراد أحدكم أن يبول فليرتد لبوله": لم يتكلم عليه في جميع الروايات، وفيه هذا الشيخ المبهم، إلى غير ذلك من الأحاديث التي يمنع من الاحتجاج بها ما فيها من العلل.فالصواب عدم الاعتماد على مجرد سكوته؛ لما وصفنا أنه يحتج بالأحاديث الضعيفة، ويقدمها على القياس إن ثبت ذلك عنه، والمعتمد على مجرد سكوته لا يرى الاحتجاج بذلك فكيف يقلده فيه.وهذا جميعه إن حملنا قوله: "وما لم أقل فيه شيئًا فهو صالح" على أن مراده: أنه صالح للحجة، وهو الظاهر، وإن حملناه على ما هو أعم من ذلك، وهو الصلاحية للحجة أو للاستشهاد أو للمتابعة: فلا يلزم منه أنه يحتج بالضعيف.ويحتاج إلى تأمل تلك المواضع التي يسكت عليها وهي ضعيفة: هل فيها إفراد أم لا؟ إن وجد فيها إفراد: تعين الحمل على الأول، وإلا حمل على الثاني، وعلى كل تقدير: فلا يصلح ما سكت عليه للاحتجاج مطلقًا.وقد نبَّه على ذلك الشيخ محيي الدين النووي رحمه الله تعالى، فقال: "في سنن أبي داود أحاديث ظاهرة الضعف لم يبينها؛ مع أنه متفق على ضعفها، فلا بد من تأويل كلامه"، ثم قال:"والحق: أن ما وجدناه في سننه مما لم يبيِّنه، ولم ينصَّ على صحته أو حسنه أحد ممن يعتمد: فهو حسن، وإن نصَّ على ضعفه مَن يعتمد، أو رأى العارف في سنده ما يقتضي الضعف ولا جابر له: حكم بضعفه، ولم يلتفت إلى سكوت أبي داود".
কখনো কখনো তিনি সুনান গ্রন্থের বাইরে কোনো হাদিসকে অত্যন্ত দুর্বল সাব্যস্ত করে সে সম্পর্কে আলোচনা করেন, অথচ সুনান গ্রন্থে তিনি সে বিষয়ে নীরব থাকেন। এর অন্যতম উদাহরণ হলো: যা তিনি সুনান গ্রন্থে মুহাম্মদ ইবনে সাবিত আল-আবদি-এর সূত্রে নাফে‘ থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমি ইবনে উমর (আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর সাথে কোনো প্রয়োজনে ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর কাছে গেলাম। এরপর তিনি সেই হাদিসটি উল্লেখ করেন যাতে এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে সালাম দিয়েছিলেন কিন্তু তিনি তাঁর উত্তর দেননি, যতক্ষণ না তিনি তায়াম্মুম করলেন, অতঃপর সালামের উত্তর দিলেন এবং বললেন: "আমি পবিত্র অবস্থায় ছিলাম না বলেই তোমার সালামের উত্তর দিতে পারিনি।" তিনি সুনানে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করেননি, কিন্তু যখন তিনি এটি কিতাবুত তাফাররুদ-এ উল্লেখ করেছেন তখন বলেছেন: "মুহাম্মদ ইবনে সাবিতের এই বর্ণনায় কেউ তাঁর অনুসরণ করেনি।" এরপর তিনি আহমদ ইবনে হাম্বল থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: "এটি একটি মুনকার হাদিস।"আর যেসব হাদিসের সনদে বিচ্ছিন্নতা বা অস্পষ্টতা রয়েছে: এ কিতাবে সে ধরনের অনেক হাদিস রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো তাঁর কিতাবের তৃতীয় হাদিসটি: যা তিনি আবুল তায়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাকে একজন শায়খ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন ইবনে আব্বাস বসরায় আসলেন, তিনি আবু মুসা (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করতেন। এরপর তিনি এই হাদিসটি উল্লেখ করেন: "তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করার ইচ্ছা করে, সে যেন তার প্রস্রাবের জন্য উপযুক্ত স্থান খুঁজে নেয়।" সকল বর্ণনায় তিনি এ বিষয়ে নীরব থেকেছেন, অথচ এতে এই অস্পষ্ট শায়খ রয়েছেন। এ ছাড়াও আরও এমন অনেক হাদিস রয়েছে যেগুলোর ভেতরের ত্রুটিসমূহ সেগুলো দ্বারা দলিল পেশ করতে বাধা দেয়।সুতরাং সঠিক হলো কেবল তাঁর নীরবতার ওপর নির্ভর না করা; কারণ আমরা বর্ণনা করেছি যে তিনি দুর্বল হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করেন এবং যদি তাঁর পক্ষ থেকে তা প্রমাণিত হয় তবে তিনি সেটিকে কিয়াসের ওপর প্রাধান্য দেন। আর যে ব্যক্তি কেবল তাঁর নীরবতার ওপর নির্ভর করেন তিনি তো তা দ্বারা দলিল পেশ করাকে সঠিক মনে করেন না, তবে তিনি কীভাবে এ ক্ষেত্রে তাঁর অনুসরণ করবেন?আর এ সবই তখন প্রযোজ্য হবে যদি আমরা তাঁর এই কথাকে— "যে বিষয়ে আমি কিছু বলিনি তা সালিহ (উপযুক্ত)"—এই মর্মে গ্রহণ করি যে তাঁর উদ্দেশ্য হলো: তা দলিল হিসেবে উপযুক্ত হওয়া, আর এটিই বাহ্যিক অর্থ। আর যদি আমরা একে এর চেয়েও ব্যাপক অর্থের ওপর প্রয়োগ করি, অর্থাৎ তা দলিল হওয়ার অথবা সাক্ষ্য গ্রহণের অথবা অনুকূল বর্ণনার জন্য উপযুক্ত হওয়া, তবে এ থেকে এটি আবশ্যক হয় না যে তিনি দুর্বল হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করছেন।আর সেই স্থানগুলোর বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা প্রয়োজন যেখানে তিনি নীরব থেকেছেন অথচ সেগুলো দুর্বল: সেখানে কি একক বর্ণনা রয়েছে নাকি নেই? যদি সেখানে একক বর্ণনা পাওয়া যায়, তবে তা প্রথম অর্থের ওপর প্রয়োগ করা অবধারিত হবে, অন্যথায় দ্বিতীয় অর্থের ওপর প্রয়োগ করা হবে। আর যাই হোক না কেন: তিনি যে বিষয়ে নীরব থেকেছেন তা নিরঙ্কুশভাবে দলিল হিসেবে পেশ করার জন্য উপযুক্ত নয়।শেখ মুহিউদ্দিন আন-নববী (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন এবং বলেছেন: "সুনানে আবু দাউদে এমন কিছু হাদিস রয়েছে যেগুলোর দুর্বলতা প্রকাশ্য, অথচ তিনি সেগুলো স্পষ্ট করেননি; যদিও সেগুলোর দুর্বলতার বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে, তাই তাঁর কথাকে ব্যাখ্যা করা আবশ্যক।" অতঃপর তিনি বলেন: "প্রকৃত বিষয় হলো: তাঁর সুনান গ্রন্থে আমরা যা পেয়েছি অথচ তিনি তা স্পষ্ট করেননি এবং নির্ভরযোগ্য কোনো আলেম সেটির বিশুদ্ধতা বা হাসান হওয়ার ব্যাপারে স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি, তবে তা হাসান হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি নির্ভরযোগ্য কোনো আলেম সেটির দুর্বলতা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, অথবা কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তি সনদে এমন কিছু দেখতে পান যা দুর্বল হওয়াকে আবশ্যক করে এবং এর কোনো পরিপূরক নেই, তবে সেটির দুর্বল হওয়ার ফয়সালা দেওয়া হবে এবং আবু দাউদের নীরবতার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করা হবে না।"
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
قلت: وهذا هو التحقيق، لكنه خالف ذلك في مواضع من شرح المهذب وغيره من تصانيفه، فاحتج بأحاديث كثيرة من أجل سكوت أبي داود عليها؛ فلا يغتر بذلك والله أعلم" انتهى كلام ابن حجر بنصه من النكت [وانظر: البحر الذي زخر (3/ 1075 - 1108)، ختم سنن أبي داود لعبد الله بن سالم البصري (78)].• وأما طريقتي التي اتبعتها في التخريج والحكم على الحديث، فهي كالآتي:1 - حذفت من آخر إسناد أبي داود من لدن شيخه إلى من عليه مدار الحديث عند من ذكرت كتبهم من المصنفين، تسهيلًا واختصارًا في ذكر من خرَّج هذا الحديث من طريق هذا الراوي، مثاله: (68) … سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال: اغتسل بعض أزواج النبي صلى الله عليه وسلم في جفنة … الحديث، فعنيت بذلك أن كل المصنفين الذين ذكرتهم في التخريج إنما أخرجوه من طريق سماك بن حرب، إذ عليه مدار الحديث عندهم، وقد أخرجوه من طرق متعددة عن سماك، رواه عنه: شعبة، وسفيان الثوري، وأبو الأحوص، وحماد بن سلمة، وإسرائيل، وشريك، وغيرهم، وقد فعلت ذلك بعد التأكد من تعدد الطرق إلى هذا الراوي، بحيث تكون ثابتة إليه في الجملة، لا أن يتوارد على روايتها عنه الضعفاء والمتروكون فلا تثبت عنه حينئذ.وقد أذكر الإسناد كاملًا بلا حذف؛ إما لأني لم أقف عليه إلا من طريق أبي داود، أو لعلة أخرى، فأقول: قال أبو داود: حدثنا مسدد … مثلًا، فأسوقه بتمامه.2 - وأما الطرق التي أوردتها في أثناء التخريج، فإما أن تكون متعددة الطرق إلى راوٍ معين فابدأ بمن عليه مدار الإسناد، على ما ذكرت آنفًا، أو يكون مرويًا بإسناد فرد: فإما أن أذكره بتمامه دونما حذف من آخره، أو أحذفه من لدن شيخ المصنف إلى راوٍ معين يكون هو علة الإسناد، أو لكونه مرويًا بإسناد صالح للاحتجاج إلى من ذكرته.3 - أجمع طرق الحديث من المصادر المتوافرة لدي قدر الاستطاعة، ثم أقوم بتصنيف هذه الطرق حسب اتفاق الرواة واختلافهم على راوٍ معين.4 - أجمع أقوال الأئمة على الحديث سواء من مصادر التخريج، أو من كتب الرجال والعلل، أو من غيرها.
আমি বললাম: "এটাই সঠিক অনুসন্ধান, কিন্তু তিনি ‘শারহুল মুহাযযাব’ ও তাঁর অন্যান্য রচনায় এর বিরোধিতা করেছেন; ফলে তিনি অনেক হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করেছেন কেবল সেগুলোর ব্যাপারে আবু দাউদের নীরব থাকার কারণে। সুতরাং এতে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।" ‘আন-নুকাত’ থেকে ইবনে হাজারের কথা হুবহু এখানেই শেষ। [এবং দেখুন: আল-বাহরুল্লাযী যাখার (৩/ ১০৭৫ - ১১০৮), আবদুল্লাহ বিন সালিম আল-বাসরী রচিত খতমু সুনানি আবি দাউদ (৭৮)]।• আর তাখরীজ ও হাদিসের ওপর হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে আমি যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছি, তা নিম্নরূপ:১ - আমি আবু দাউদের সনদের শেষ অংশ অর্থাৎ তাঁর শিক্ষক থেকে শুরু করে সেই বর্ণনাকারী (রাবী) পর্যন্ত অংশটুকু বাদ দিয়েছি যাকে কেন্দ্র করে হাদিসটি আবর্তিত হয় (মাদার), বিশেষ করে সেই গ্রন্থকারদের নিকট যাদের কিতাবের নাম আমি উল্লেখ করেছি। এটি করা হয়েছে সহজীকরণ ও সংক্ষিপ্ত করার উদ্দেশ্যে, যাতে এই বর্ণনাকারীর সূত্রে আর কে কে এই হাদিসটি তাখরীজ করেছেন তা সহজে উল্লেখ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ: (৬৮) … সিমাক, ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জনৈক স্ত্রী একটি বড় পাত্রের পানি দিয়ে গোসল করলেন … হাদিস। এর দ্বারা আমি উদ্দেশ্য নিয়েছি যে, তাখরীজের মধ্যে আমি যে সকল গ্রন্থকারের নাম উল্লেখ করেছি, তারা সকলেই হাদিসটি সিমাক বিন হারবের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, কারণ তাদের নিকট হাদিসটি তাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। তারা সিমাক থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন; তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: শু’বা, সুফিয়ান সাওরী, আবুল আহওয়াস, হাম্মাদ বিন সালামাহ, ইসরাঈল, শারীক এবং আরও অনেকে। এই রাবী পর্যন্ত পৌঁছানোর একাধিক সূত্র নিশ্চিত হওয়ার পরই আমি এটি করেছি, যাতে সামগ্রিকভাবে তাঁর থেকে বর্ণনাটি প্রমাণিত হয়; এমন নয় যে তাঁর থেকে কেবল দুর্বল ও পরিত্যক্ত বর্ণনাকারীরাই এটি বর্ণনা করেছেন, যার ফলে তাঁর থেকে এটি আর প্রমাণিত থাকে না।আবার কখনও আমি কোনো অংশ বাদ না দিয়ে পূর্ণ সনদ উল্লেখ করি; হয় একারণে যে আমি আবু দাউদের সূত্র ছাড়া অন্য কোনো সূত্রে এটি পাইনি, অথবা অন্য কোনো কারণে। তখন আমি বলি: আবু দাউদ বলেছেন: মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন … উদাহরণস্বরূপ, এভাবে আমি পূর্ণ সনদটি নিয়ে আসি।২ - তাখরীজের মধ্যে আমি যে সকল সূত্র উল্লেখ করেছি, সেগুলো হয় কোনো নির্দিষ্ট রাবী পর্যন্ত একাধিক সূত্রে বর্ণিত, সেক্ষেত্রে আমি পূর্বোল্লিখিত নিয়ম অনুযায়ী সনদের ‘মাদার’ বা মূল কেন্দ্র থেকে শুরু করি। অথবা সেটি একক সনদে বর্ণিত: সেক্ষেত্রে হয় আমি শেষের অংশ বাদ না দিয়ে তা পূর্ণাঙ্গরূপে উল্লেখ করি, অথবা গ্রন্থকারের শিক্ষক থেকে শুরু করে কোনো নির্দিষ্ট রাবী পর্যন্ত অংশটুকু বাদ দেই যিনি সনদের ত্রুটি (ইল্লত) হিসেবে গণ্য, কিংবা যে পর্যন্ত আমি উল্লেখ করেছি সে পর্যন্ত সনদটি দলিল হিসেবে গ্রহণের যোগ্য হওয়ার কারণে এমনটি করি।৩ - আমি আমার সাধ্যমতো সহজলভ্য উৎসগুলো থেকে হাদিসের সকল সূত্র একত্র করি, অতঃপর নির্দিষ্ট কোনো রাবীর ব্যাপারে বর্ণনাকারীদের ঐক্যমত ও মতপার্থক্যের ভিত্তিতে এই সূত্রগুলোকে বিন্যস্ত করি।৪ - হাদিসের ব্যাপারে ইমামগণের বক্তব্যসমূহ আমি সংগ্রহ করি, চাই তা তাখরীজের মূল উৎসসমূহ থেকে হোক, কিংবা রিজালশাস্ত্র ও ইলাল (সনদের সূক্ষ্ম ত্রুটি) বিষয়ক গ্রন্থসমূহ অথবা অন্য কোনো উৎস থেকে হোক।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
5 - أسترشد بأقوال الأئمة في استنباط العلة، محاولًا تفسير كلامهم ليظهر مقصودهم، إن كان فيه خفاء.6 - إذا اتفقت أقوال الأئمة على حديث وجب المصير إلى قولهم، كما قررته آنفًا.7 - إذا اختلفوا حاولت الجمع بين أقوالهم، فإن لم يتيسر ذلك، رجحت أحد الأقوال مستعينًا في ذلك بطرائقهم في التصحيح والإعلال حسب ما يظهر من قرائن الترجيح، والله أعلم.وقد سميته: "فضل الرحيم الودود تخريج سنن أبى داود".وقبل أن أختم كلامي أتمثل بقول الشاطبي رحمه الله تعالى:وظُنَّ به خيرًا وسامح نسيجه … بالإغضاء والحسنى وإن كان هَلهلاوسلِّم لإحدى الحسنيين: إصابةٌ … والأُخرى اجتهادٌ رام صوبًا فأمحلاوإن كان خرقٌ فادَّركْه بفضلةٍ … من الحلم وليُصلحه من جاد مِقْوَلاوقل صادقًا لولا الوئامُ وروحُه … لطاح الأنام الكلُّ في الخُلف والقِلاوعشْ سالمًا صدرًا وعن غِيبة فَغِبْ … تحضَّر حِظارَ القُدس أنقَى مُغَسَّلاوالله تعالى أسأل أن يوفقني للصواب، إنه سميعٌ مجيب الدعاء، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين. حرره:أبو عمرو ياسر بن محمد فتحي آل عيدالرياض 15 شعبان 1428 هـfathy.yaser@gmail.com
৫ - ইল্লাত (সুক্ষ্ম ত্রুটি) উদ্ঘাটনে আমি ইমামগণের বাণীর মাধ্যমে পথনির্দেশ গ্রহণ করেছি এবং তাঁদের বক্তব্যের ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি যাতে তাঁদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়, যদি তাতে কোনো অস্পষ্টতা থেকে থাকে।৬ - কোনো হাদীসের ব্যাপারে যদি ইমামগণের বক্তব্য একমত হয়, তবে তাঁদের বক্তব্যের দিকেই ফিরে যাওয়া আবশ্যক, যেমনটি আমি ইতিপূর্বে সাব্যস্ত করেছি।৭ - যদি তাঁরা মতভেদ করেন, তবে আমি তাঁদের বক্তব্যের মধ্যে সমন্বয় করার চেষ্টা করেছি। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে হাদীস শুদ্ধিকরণ (তাসহিহ) ও ত্রুটি নির্ণয়ের (ই’লাল) ক্ষেত্রে তাঁদের অনুসৃত পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে এবং প্রাধান্য দেওয়ার বিভিন্ন আলামতের ভিত্তিতে কোনো একটি মতকে প্রাধান্য দিয়েছি। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।আর আমি এর নামকরণ করেছি: "ফাদলুর রাহীমিল ওয়াদুদ তাখরীজু সুনানি আবি দাউদ"।আর আমার কথা শেষ করার পূর্বে আমি ইমাম শাত্বেবী (রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা)-এর পঙক্তিটি তুলে ধরছি:এর প্রতি সুধারণা পোষণ করো এবং এর বুননের ত্রুটি মার্জনা করো … উপেক্ষা ও মহানুভবতার সাথে, যদিও তা দুর্বল হয়।এবং দু’টি কল্যাণের যেকোনো একটি মেনে নাও: সঠিক হওয়া … অথবা এমন ইজতিহাদ যা সঠিক পথ চেয়েছিল কিন্তু তা অর্জন করতে পারেনি।আর যদি কোনো ছিদ্র (ত্রুটি) থাকে তবে ধৈর্য ও মহানুভবতা দিয়ে তা পূরণ করো … আর যে উত্তম বাগ্মী সে যেন তা সংশোধন করে দেয়।আর সত্যনিষ্ঠভাবে বলো, যদি সম্প্রীতি ও তার প্রাণশক্তি না থাকত … তবে সমস্ত মানুষই মতভেদ ও বিদ্বেষের গহ্বরে নিপতিত হতো।আর প্রশান্ত হৃদয়ে বেঁচে থাকো এবং গীবত থেকে দূরে থাকো … যেন তুমি পবিত্রতম অবস্থায় জান্নাতের আঙিনায় উপস্থিত হতে পারো।আমি আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে সঠিক পথের তাওফীক দান করেন; নিশ্চয়ই তিনি প্রার্থনা শ্রবণকারী ও কবুলকারী। আমাদের শেষ কথা হলো, সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। লিখেছেন:আবু আমর ইয়াসির বিন মুহাম্মাদ ফাতহী আল-ঈদরিয়াদ, ১৫ই শাবান ১৪২৮ হিজরীfathy.yaser@gmail.com
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
1 - كتاب الطهارة1 - باب التخلي عند قضاء الحاجة1 - . . . محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن المغيرة بن شعبة: أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا ذهب المذهب أبعد.• حديث صحيحأخرجه الترمذي (20)، والنسائي (1/ 18/ 17)، وابن ماجه (331)، والدارمي (1/ 176/ 660)، وابن خزيمة (50)، وابن الجارود (27)، والحاكم (1/ 140)، وأحمد (4/ 248)، وابن المنذر في الأوسط (1/ 321)، والطبراني في الكبير (20/ 436 - 437/ 1062 - 1065)، والبيهقي (1/ 93)، والبغوي في شرح السُّنَّة (184).وزاد عند النسائي: … قال: فذهب لحاجته وهو في بعض أسفاره فقال: "ائتني بوَضوء"، فأتيته بوضوء فتوضأ ومسح على الخفين.قال الترمذي: "حسن صحيح".وقال الحاكم: "صحيح على شرط مسلم".قلت: هو كما قال الترمذي، وليس كما قال الحاكم، فإن مسلمًا لم يخرج شيئًا بهذا الإسناد.ومحمد بن عمرو: هو ابن علقمة بن وقاص الليثي: وهو صدوق، حسن الحديث، مكثر عن أبي سلمة بن عبد الرحمن [انظر: التهذيب (7/ 352)، الميزان (3/ 673)].ومما يدل على أنه حفظ هذا الحديث، ولم يهم فيه أمور:الأول: أنه لم يسلك فيه الجادة، فلم يقل: عن أبي هريرة.الثاني: أنه لم ينفرد بهذا المتن عن المغيرة بن شعبة، فقد تابعه عليه: 1 - أبو معاوية، عن الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن المغيرة بن شعبة، قال: كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فقال: "يا مغيرة! خذ الإداوة" فأخذتها ثم خرجت معه، فانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى توارى عني، فقضى حاجته … الحديث.أخرجه البخاري (363)، ومسلم (274/ 77)، وأبو عوانة (1/ 166/ 488) و (1/ 216/ 703)، وأبو نعيم في مستخرجه على مسلم (1/ 328/ 630)، والنسائي في
১ - পবিত্রতা অধ্যায়১ - পরিচ্ছেদ: প্রয়োজন পূরণের সময় নির্জনে যাওয়া১ - . . . মুহাম্মাদ ইবনু আমর, আবু সালামাহ থেকে, তিনি মুগীরা ইবনু শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রয়োজন পূরণের জন্য যেতেন, তখন অনেক দূরে চলে যেতেন।• হাদীসটি সহীহএটি তিরমিযী (২০), নাসাঈ (১/১৮/১৭), ইবনু মাজাহ (৩৩১), দারেমী (১/১৭৬/৬৬০), ইবনু খুযাইমাহ (৫০), ইবনু জারুদ (২৭), হাকেম (১/১৪০), আহমাদ (৪/২৪৮), ইবনুল মুনযির 'আল-আওসাত'-এ (১/৩২১), তাবারানী 'আল-কাবীর'-এ (২০/৪৩৬ - ৪৩৭/১০৬২ - ১০৬৫), বায়হাকী (১/৯৩) এবং বাগাবী 'শারহুস সুন্নাহ' (১৮৪) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।নাসাঈর বর্ণনায় অতিরিক্ত রয়েছে: … তিনি বলেন: এক সফরে তিনি তাঁর প্রয়োজন পূরণের জন্য গেলেন এবং বললেন: "আমার জন্য ওযুর পানি নিয়ে এসো", অতঃপর আমি ওযুর পানি নিয়ে এলাম, তিনি ওযু করলেন এবং মোজাদ্বয়ের উপর মাসেহ করলেন।তিরমিযী বলেছেন: "হাসান সহীহ"।হাকেম বলেছেন: "মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ"।আমি (গ্রন্থকার) বলছি: বিষয়টি তিরমিযী যেমন বলেছেন তেমনই, হাকেম যেমন বলেছেন তেমন নয়; কারণ ইমাম মুসলিম এই সনদে কোনো হাদীস বর্ণনা করেননি।আর মুহাম্মাদ ইবনু আমর হলেন: ইবনু আলকামাহ ইবনু ওয়াক্কাস আল-লাইসী। তিনি সত্যবাদী (সদুক), তাঁর বর্ণিত হাদীস হাসান পর্যায়ের, তিনি আবু সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন [দেখুন: আত-তাহযীব (৭/৩৫২), আল-মীযান (৩/৬৭৩)]।তিনি যে এই হাদীসটি মুখস্থ রেখেছেন এবং এতে কোনো ভ্রম বা ভুল করেননি, তা কয়েকটি বিষয় দ্বারা প্রমাণিত হয়:প্রথমত: তিনি এতে প্রচলিত সাধারণ পথ (সনদ) অনুসরণ করেননি, তিনি 'আবু হুরায়রা থেকে' বলেননি।দ্বিতীয়ত: তিনি মুগীরা ইবনু শু'বাহ থেকে এই মূল পাঠ (মতন) বর্ণনায় একক নন, বরং অন্যরা তাঁর অনুসরণ করেছেন: ১ - আবু মুআবিয়াহ, আমাশ থেকে, তিনি মুসলিম থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি মুগীরা ইবনু শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। তিনি বললেন: "হে মুগীরা! পানির পাত্রটি নাও।" আমি তা নিলাম এবং তাঁর সাথে বের হলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলতে লাগলেন যতক্ষণ না তিনি আমার দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলেন। অতঃপর তিনি তাঁর প্রয়োজন পূরণ করলেন... (হাদীস)।এটি বুখারী (৩৬৩), মুসলিম (২৭৪/৭৭), আবু আওয়ানাহ (১/১৬৬/৪৮৮) ও (১/২১৬/৭০৩), আবু নুআঈম তাঁর 'মুস্তাখরাজ আলা মুসলিম' (১/৩২৮/৬৩০) এবং নাসাঈ তাঁর... গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২০)
الكبرى (5/ 481/ 9664)، وأحمد (4/ 250)، وابن أبي شيبة (1/ 101 و 162)، والطبراني (20/ 398/ 44)، وغيرهم. 2 - عامر الشعبي قال: أخبرني عروة بن المغيرة، عن أبيه، قال: كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة في مسير، فقال لي: "أمعك ماء؟ " قلت: نعم، فنزل عن راحلته، فمشى حتى توارى في سواد الليل، ثم جاء … الحديث.أخرجه البخاري (5799)، ومسلم (274/ 79)، وأبو عوانة (1/ 166 و 215/ 489 و 699)، وأبو نعيم (1/ 329/ 631)، والنسائي (1/ 63/ 82)، والدارمي (1/ 194/ 713)، وأحمد (4/ 251 و 255)، والطبراني (20/ 864 و 868 و 870)، والبيهقي (1/ 281)، وغيرهم. 3 - عبيد الله بن إياد قال: سمعت إيادًا يحدث عن قبيصة بن برمة، عن المغيرة، بنحوه، وفيه موضع الشاهد.أخرجه أحمد (4/ 248)، ورجاله ثقات. 4 - ابن سيرين، عن عمرو بن وهب، عن المغيرة بن شعبة، قال: "كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا تبرز تباعد".أخرجه الدارمي (661)، والطبراني في الأوسط (7/ 356/ 7716).- وفي سنده اختلاف. انظر: النسائي (82)، والطبراني.وله شواهد: منها حديث عبد الرحمن بن أبي قراد:أخرجه البخاري في التاريخ الكبير (5/ 244)، والنسائي (1/ 17/ 16)، وابن ماجه (334)، وابن خزيمة (51)، وأحمد (3/ 443) و (4/ 224 و 237)، وابن قانع في المعجم (2/ 146).وشاهده: "وكان إذا أراد الحاجة أبعد".ورجاله ثقات.* * * 2 - . . . إسماعيل بن عبد الملك، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله: أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا أراد البراز انطلق حتى لا يراه أحد.• حديث منكرأخرجه ابن ماجه (335)، ولفظه: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفرٍ، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يأتي البَرازَ حتى يتغيَّبَ فلا يُرَى، والدارمي (1/ 23/ 17) مطولًا، وأوله بنحو لفظ ابن ماجه. وابن أبي شيبة (1/ 101) مختصرًا و (6/ 321) مطولًا، وعبد بن حميد (1053) مطولًا، وأبو العباس السراج في مسنده (16)، وابن عبد البر في التمهيد (1/ 223) مطولًا، والبغوي في شرح السُّنَّة (185).
আল-কুবরা (৫/ ৪৮১/ ৯৬৬৪), আহমাদ (৪/ ২৫০), ইবনু আবি শাইবাহ (১/ ১০১ ও ১৬২), তাবারানি (২০/ ৩৯৮/ ৪৪) এবং অন্যান্য। ২ - আমির আশ-শা‘বি বলেন: আমাকে উরওয়াহ ইবনুল মুগিরাহ তার পিতা হতে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি এক রাতে সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। তিনি আমাকে বললেন: "তোমার কাছে কি পানি আছে?" আমি বললাম: হ্যাঁ। এরপর তিনি তার সওয়ারি থেকে নামলেন এবং হেঁটে চলে গেলেন, এমনকি রাতের অন্ধকারে অদৃশ্য হয়ে গেলেন। এরপর তিনি ফিরে এলেন... (পুরো হাদিস)।এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি (৫৭৯৯), মুসলিম (২৭৪/ ৭৯), আবু আওয়ানাহ (১/ ১৬৬ ও ২১৫/ ৪৮৯ ও ৬৯৯), আবু নুআইম (১/ ৩২৯/ ৬৩১), নাসাঈ (১/ ৬৩/ ৮২), দারেমি (১/ ১৯৪/ ৭১৩), আহমাদ (৪/ ২৫১ ও ২৫৫), তাবারানি (২০/ ৮৬৪ ও ৮৬৮ ও ৮৭০), বাইহাকি (১/ ২৮১) এবং অন্যান্য। ৩ - উবাইদুল্লাহ ইবনে ইয়াদ বলেন: আমি ইয়াদকে কবিসাহ ইবনে বুরমাহ হতে এবং তিনি মুগিরাহ হতে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি, আর এতেই ‘শাহেদ’ (সাক্ষ্যদানকারী অংশ) রয়েছে।এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ (৪/ ২৪৮) এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। ৪ - ইবনু সিরিন আমর ইবনে ওয়াহাব হতে এবং তিনি মুগিরাহ ইবনে শু'বাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মলত্যাগের ইচ্ছা করতেন, তখন দূরে চলে যেতেন।"এটি বর্ণনা করেছেন দারেমি (৬৬১) এবং তাবারানি ‘আল-আওসাত’ গ্রন্থে (৭/ ৩৫৬/ ৭৭১৬)।- এর সনদে মতভেদ রয়েছে। দেখুন: নাসাঈ (৮২) এবং তাবারানি।এর সমর্থক বর্ণনা (শাওয়াহেদ) রয়েছে: তার মধ্যে একটি হলো আবদুর রহমান ইবনে আবি কুরাদ এর হাদিস:এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি ‘আত-তারিখুল কাবির’ গ্রন্থে (৫/ ২৪৪), নাসাঈ (১/ ১৭/ ১৬), ইবনু মাজাহ (৩৩৪), ইবনু খুজাইমাহ (৫১), আহমাদ (৩/ ৪৪৩) ও (৪/ ২২৪ ও ২৩৭), এবং ইবনু কানি’ ‘আল-মু'জাম’ গ্রন্থে (২/ ১৪৬)।এর সমর্থক অংশ হলো: "তিনি যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের ইচ্ছা করতেন, তখন দূরে চলে যেতেন।"এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।* * * ২ - . . . ইসমাঈল ইবনে আব্দুল মালিক আবু জুবাইর হতে এবং তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ হতে বর্ণনা করেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মলত্যাগের ইচ্ছা করতেন, তখন দূরে চলে যেতেন যাতে তাকে কেউ দেখতে না পায়।• এটি একটি মুনকার হাদিসএটি বর্ণনা করেছেন ইবনু মাজাহ (৩৩৫), যার শব্দ হলো: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এক সফরে বের হলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মলত্যাগের জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত যেতেন না যতক্ষণ না তিনি আড়ালে চলে যেতেন এবং তাকে আর দেখা যেত না। দারেমি (১/ ২৩/ ১৭) বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন, যার শুরুটা ইবনু মাজাহর শব্দের অনুরূপ। ইবনু আবি শাইবাহ (১/ ১০১) সংক্ষেপে এবং (৬/ ৩২১) বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন, আব্দ ইবনে হুমাইদ (১০৫৩) বিস্তারিতভাবে, আবুল আব্বাস আস-সাররাজ তার মুসনাদ গ্রন্থে (১৬), ইবনু আব্দুল বার ‘আত-তামহিদ’ গ্রন্থে (১/ ২২৩) বিস্তারিতভাবে এবং বাগাবি ‘শারহুস সুন্নাহ’ গ্রন্থে (১৮৫)।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২১)
وهذا قد تفرد به إسماعيل بن عبد الملك بن أبي الصفيراء، والأكثر على تضعيفه، وهو ممن يكتب حديثه كما قال البخاري وابن عدي [التهذيب (327/ 1)]؛ تفرد به عن أبي الزبير دون بقية أصحابه على كثرتهم.والمحفوظ في ذلك: ما رواه مسلم في صحيحه (3012 - 3014) من طريق يعقوب بن مجاهد أبي حزرة، عن عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن جابرٍ، فلم يذكر فيه قصة الصبي والطير والجمل، وإنما ذكر قصة الشجرتين وفوران الماء من بين أصابعه صلى الله عليه وسلم.والشاهد منه قوله: سرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى نزلنا واديًا أفيح، فذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم يقضي حاجته، فاتبعته بإداوة من ماء، فنظر رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم ير شيئا يستتر به، فإذا شجرتان بشاطئ الوادي … فذكر قصة الشجرتين وفيه قوله: فخرجتُ أُحضِرُ مخافةَ أن يُحِسَّ رسولُ الله صلى الله عليه وسلم بقربى فيبتعد [وفي رواية: فيتبعَّد] … الحديث.وانظر: تخريج الذكر والدعاء (4/ 1279).قال ابن المنذر في الأوسط (1/ 321): "ثابت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه كان اذا أراد حاجته أبعد في المذهب.وثبت عنه أنه أراد البول فلم يتباعد عنهم. والذي يستحب: أن يتباعد من أراد الغائط عن الناس، وله أن يبول بالقرب منهم".• والحديث الذي أشار اليه:حديث حذيفة بن اليمان، قال: كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم فانتهى إلى سُباطة قومٍ، فبال قائمًا، فتنحَّيْتُ، فقال: "ادنه" فدنوت، حتى قمتُ عند عقبيه، فتوضأ، فمسح على خفيه.أخرجه البخاري (224 و 225 و 226 و 2471)، ومسلم (273)، وأبو عوانة (1/ 169/ 498 - 504)، وأبو نعيم (1/ 326/ 625 و 626)، وأبو داود (23)، والترمذي (13)، والنسائي (1/ 19 و 25/ 18 و 26 - 28)، وابن ماجه (305 و 306 و 544)، والدارمي (1/ 179/ 668)، وابن خزيمة (61)، وابن حبان (4/ 272 - 277/ 1424 - 1429)، وابن الجارود (36)، وأحمد (5/ 382 و 394 و 402)، والطيالسي (406)، والحميدي (442)، والبيهقي (1/ 100 و 101 و 270 و 274)، والبغوي في شرح السُّنَّة (193)، وغيرهم.• وفي الباب: 1 - قال ابن ماجه (333): حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب: حدثنا يحيى بن سليم، عن ابن خثيم، عن يونس بن خباب، عن يعلى بن مرة: أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا ذهب الى الغائط أبعد.وهدا إسناد ضعيف؛ لضعف يونس بن خباب. ويحيى بن سليم: سيئ الحفظ؛ إلا أنه كان قد أتقن حديث ابن خثيم. ويعقوب بن حميد: كان كثير الغرائب.
এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আবিল সাফীরা, আর অধিকাংশ মুহাদ্দিস তাকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন। তবে তিনি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যাদের হাদিস লিখে রাখা হয়, যেমনটি ইমাম বুখারি ও ইবন আদি উল্লেখ করেছেন [আত-তাহজিব (১/৩২৭)]। তিনি তার অসংখ্য সাথীদের বাদ দিয়ে একাই এটি আবু যুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন।এ বিষয়ে সংরক্ষিত বর্ণনা হলো যা ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে (৩০১২ - ৩০১৪) ইয়াকুব ইবনে মুজাহিদ আবু হাজরাহ্-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি উবাদাহ ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে উবাদাহ ইবনুস সামিত থেকে এবং তিনি জাবির থেকে। সেখানে বালক, পাখি ও উটের ঘটনাটি উল্লেখ করা হয়নি। বরং সেখানে দুটি গাছ এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আঙুলের মাঝখান থেকে পানি নির্গত হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।এর মধ্যে আলোচ্য অংশ হলো তাঁর উক্তি: "আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে পথ চলছিলাম যতক্ষণ না একটি প্রশস্ত উপত্যকায় অবতরণ করলাম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাজত পূর্ণ করার (শৌচকার্যের) জন্য গেলেন। আমি পানির একটি পাত্র নিয়ে তাঁর অনুসরণ করলাম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আশেপাশে তাকালেন কিন্তু আড়াল হওয়ার মতো কিছু পেলেন না। হঠাৎ দেখলেন উপত্যকার কিনারে দুটি গাছ আছে …" এরপর তিনি দুটি গাছের ঘটনা উল্লেখ করেন এবং তাতে তাঁর এই কথাটি রয়েছে: "আমি দ্রুত চলে আসলাম এই ভয়ে যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার নৈকট্য অনুভব করলে হয়তো দূরে সরে যাবেন [অন্য বর্ণনায় রয়েছে: আরও দূরে চলে যাবেন] …" হাদিসটি শেষ পর্যন্ত।আরও দেখুন: তাখরিজ আল-জিকর ওয়াদ দুআ (৪/ ১২৭৯)।ইবনুল মুনজির আল-আওসাত (১/ ৩২১) গ্রন্থে বলেন: "রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এটি সুসাব্যস্ত যে, যখন তিনি হাজত পূরণ করতে চাইতেন, তখন লোকালয় থেকে দূরে চলে যেতেন।আবার তাঁর থেকে এ-ও প্রমাণিত যে, তিনি প্রস্রাব করতে চাইলেন কিন্তু তাঁদের থেকে দূরে যাননি। মুস্তাহাব বা উত্তম হলো: যে ব্যক্তি মলত্যাগ করতে চায় সে মানুষের থেকে দূরে যাবে, আর প্রস্রাবের ক্ষেত্রে তাদের কাছাকাছিও তা করতে পারে।"• তিনি যে হাদিসটির দিকে ইশারা করেছেন:হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাযি.)-এর হাদিস, তিনি বলেন: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম। তিনি একটি গোত্রের আবর্জনার স্তূপের কাছে আসলেন এবং দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলেন। আমি দূরে সরে যাচ্ছিলাম, তখন তিনি বললেন: 'কাছে এসো'। ফলে আমি তাঁর নিকটবর্তী হলাম এমনকি তাঁর পায়ের গোড়ালির কাছে দাঁড়ালাম। এরপর তিনি ওজু করলেন এবং তাঁর মোজা দুটির ওপর মাসেহ করলেন।"এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি (২২৪, ২২৫, ২২৬ ও ২৪৭১), মুসলিম (২৭৩), আবু আওয়ানাহ (১/ ১৬৯/ ৪৯৮ - ৫০৪), আবু নুআইম (১/ ৩২৬/ ৬২৫ ও ৬২৬), আবু দাউদ (২৩), তিরমিজি (১৩), নাসায়ি (১/ ১৯ ও ২৫/ ১৮ ও ২৬ - ২৮), ইবনে মাজাহ (৩০৫ ও ৩০৬ ও ৫৪৪), দারিমি (১/ ১৭৯/ ৬৬৮), ইবনে খুজায়মাহ (৬১), ইবনে হিব্বান (৪/ ২৭২ - ২৭৭/ ১৪২৪ - ১৪২৯), ইবনুল জারুদ (৩৬), আহমাদ (৫/ ৩৮২ ও ৩৯৪ ও ৪০২), তায়ালিসি (৪০৬), হুমাইদি (৪৪২), বায়হাকি (১/ ১০০ ও ১০১ ও ২৭০ ও ২৭৪), বাগাউয়ি 'শারহুস সুন্নাহ' গ্রন্থে (১৯৩) এবং অন্যান্যরা।• এই পরিচ্ছেদে আরও রয়েছে: ১ - ইবনে মাজাহ (৩৩৩) বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনে হুমাইদ ইবনে কাসিব: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইম, ইবনে খুসাইম থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে খাব্বাব থেকে, তিনি ইয়ালা ইবনে মুররাহ থেকে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মলত্যাগের জন্য যেতেন, দূরে চলে যেতেন।এটি একটি দুর্বল সনদ; কারণ ইউনুস ইবনে খাব্বাব দুর্বল। আর ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইম মুখস্থশক্তির দিক থেকে দুর্বল ছিলেন; তবে তিনি ইবনে খুসাইমের বর্ণিত হাদিসগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করেছিলেন। আর ইয়াকুব ইবনে হুমাইদ অনেক অপরিচিত (গারিব) হাদিস বর্ণনা করতেন।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২২)
2 - عبد الله بن كثير بن جعفر: ثنا كثير بن عبد الله المزني، عن أبيه، عن جده، عن بلال بن الحارث المزني: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أراد الحاجة أبعد.أخرجه ابن ماجه (336)، والطبراني في الكبير (1/ 371/ 1142 و 1143)، وابن عدي (6/ 62).وهذا إسناد واهٍ جدًّا؛ كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف: متروك [التهذيب (6/ 558)، الميزان (3/ 406)، المغني (2/ 227)].وأبوه: ليس له راوٍ إلا ابنه هذا [الميزان (2/ 467)، التهذيب (4/ 417)].وعبد الله بن كثير بن جعفر: روى عنه جماعة ولم يوثق.قال ابن عدي بعد أن أورد هذا الحديث في ترجمة كثير بن عبد الله: "وعامة أحاديثه التي قد ذكرتها، وعامة ما يرويه: لا يتابع عليه". 3 - عمرو بن هاشم الحراني: ثنا عثمان بن عبد الرحمن الطرائفي، عن عبد الله بن العلاء بن زَبَر، عن يونس بن ميسرة، عن عبد الملك بن مروان، أنه قال وهو على المنبر: سمعت أبا هريرة يقول: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد الحاجة أبعد.أخرجه الطبراني في مسند الشاميين (1/ 797/451).وإسناده ليس بذاك عبد الملك بن مروان، وعثمان الطرائفي، وعمرو بن هاشم: متكلم فيهم. 4 - سعد بن طريف الإسكاف، عن عكرمة، عن ابن عباس، بمثل الذي قبله، مرفوعًا، وفيه قصة منكرة.أخرجه الطبراني في الأوسط (9/ 121/ 9304).وهو حديث منكر؛ لتفرد سعد بن طريف به عن عكرمة. وسعد هذا: متروك، ورماه ابن حبان بالوضع [التقريب (369)]. 5 - عن ابن مسعود بنحوه، وفيه قصة الشجرتين والبعير.أخرجه الطبراني في الأوسط (9/ 81/ 9189).وفي إسناده: يونس بن خباب، وزمعة بن صالح، وأبو قرة، ولا يصح هذا. 6 - روى الحاكم (4/ 70)، وابن سعد في الطبقات (1/ 157) و (8/ 246):عن محمد بن عمر الواقدي: حدثني علي بن محمد بن عبيد الله العموي: حدثني منصور بن عبد الرحمن، عن أمه صفية، عن برَّة بنت أبي تجراة، قالت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أراد الله كرامته وابتداءه بالنبوة؛ كان إذا خرج لحاجته أبعد حتى لا يَرَى بيتًا، ويفضي إلى الشعاب، وبطون الأودية، فلا يمر بحجرٍ ولا بشجرةٍ إلا قالت: السلام عليك يا رسول الله، وكان يلتفت عن يمينه وعن شماله وخلفه فلا يرى أحدًا.وهذا إسناد واهٍ؛ الواقدي: متروك، وعلي بن محمد العمري: لم أر من ترجم له.ورواه الفاكهي في أخبار مكة (5/ 95/ 2902) عن الربعي عبد الله بن شبيب [وهو
২ - আবদুল্লাহ ইবনে কাসীর ইবনে জাফর: আমাদের বর্ণনা করেছেন কাসীর ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুজানী, তার পিতা থেকে, তার দাদা থেকে, বেলাল ইবনুল হারিস আল-মুজানী থেকে: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হতে চাইতেন, তখন অনেক দূরে চলে যেতেন।এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ (৩৩৬), তাবারানী 'আল-কাবীর'-এ (১/ ৩৭১/ ১১৪২ ও ১১৪৩) এবং ইবনে আদী (৬/ ৬২)।এটি অত্যন্ত দুর্বল একটি সনদ; কাসীর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আউফ: পরিত্যক্ত [আত-তাহযীব (৬/ ৫৫৮), আল-মিজান (৩/ ৪০৬), আল-মুগনী (২/ ২২৭)]।এবং তার পিতা: এই পুত্র ছাড়া তার অন্য কোনো বর্ণনাকারী নেই [আল-মিজান (২/ ৪৬৭), আত-তাহযীব (৪/ ৪১৭)]।আর আবদুল্লাহ ইবনে কাসীর ইবনে জাফর: তার থেকে একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন তবে তিনি নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃত নন।ইবনে আদী কাসীর ইবনে আবদুল্লাহর জীবনীতে এই হাদিসটি উল্লেখ করার পর বলেছেন: "তার বর্ণিত সাধারণ হাদিসগুলো যা আমি উল্লেখ করেছি এবং তার বর্ণনার অধিকাংশেরই কোনো সমর্থন পাওয়া যায় না।" ৩ - আমর ইবনে হাশিম আল-হাররানী: আমাদের বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আবদুর রহমান আত-তরাইফী, আবদুল্লাহ ইবনে আল-আলা ইবনে জাবার থেকে, ইউনুস ইবনে মায়সারা থেকে, আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান থেকে, তিনি মিম্বরে থাকা অবস্থায় বলেছেন: আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হতে চাইতেন, তখন অনেক দূরে চলে যেতেন।এটি তাবারানী 'মুসনাদ আশ-শামিয়্যিন'-এ (১/ ৭৯৭/৪৫১) বর্ণনা করেছেন।এর সনদ তেমন মজবুত নয়; আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান, উসমান আত-তরাইফী এবং আমর ইবনে হাশিম: তাদের ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে। ৪ - সা’দ ইবনে তরীফ আল-ইসকাফ, ইকরিমা থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে, পূর্ববর্তী হাদিসের অনুরূপ মারফূ সূত্রে বর্ণিত, এবং এতে একটি অগ্রহণযোগ্য কাহিনী রয়েছে।এটি তাবারানী 'আল-আওসাত'-এ (৯/ ১২১/ ৯৩০৪) বর্ণনা করেছেন।এটি একটি অগ্রহণযোগ্য (মুনকার) হাদিস; কারণ সা’দ ইবনে তরীফ এককভাবে ইকরিমা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আর এই সা’দ: পরিত্যক্ত, এবং ইবনে হিব্বান তার বিরুদ্ধে জাল করার অভিযোগ এনেছেন [আত-তাকরীব (৩৬৯)]। ৫ - ইবনে মাসউদ থেকে অনুরূপ বর্ণিত, এতে দুটি গাছ ও উটের কাহিনী রয়েছে।এটি তাবারানী 'আল-আওসাত'-এ (৯/ ৮১/ ৯১৮৯) বর্ণনা করেছেন।এর সনদে রয়েছে: ইউনুস ইবনে খাব্বাব, যাম’আ ইবনে সালেহ এবং আবু কুররাহ; আর এটি সহীহ নয়। ৬ - হাকেম (৪/ ৭০) এবং ইবনে সা’দ ‘আত-তবাকাত’-এ (১/ ১৫৭) ও (৮/ ২৪৬) বর্ণনা করেছেন:মুহাম্মাদ ইবনে উমর আল-ওয়াকিদী থেকে: আমাকে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দুল্লাহ আল-আমুবী বর্ণনা করেছেন: আমাকে মানসুর ইবনে আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তার মা সাফিয়্যা থেকে, বাররাহ বিনতে আবি তাজরাহ থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে যখন আল্লাহ সম্মানিত করতে এবং নবুওয়াত শুরু করতে চাইলেন, তখন তিনি যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হতেন, অনেক দূরে চলে যেতেন যাতে কোনো ঘরবাড়ি দেখা না যায় এবং তিনি পাহাড়ের গিরিপথ ও উপত্যকার গভীরে চলে যেতেন। তখন তিনি যে পাথর বা গাছের পাশ দিয়ে যেতেন সেটিই বলত: আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলুল্লাহ! তিনি তার ডানে, বামে এবং পেছনে ফিরে তাকাতেন কিন্তু কাউকে দেখতে পেতেন না।এটি একটি অত্যন্ত দুর্বল সনদ; ওয়াকিদী: পরিত্যক্ত, আর আলী ইবনে মুহাম্মাদ আল-আমরী: আমি তার জীবনী আলোচনা করেছেন এমন কাউকে দেখিনি।আল-ফাকেহী এটি 'আখবারু মক্কা'-তে (৫/ ৯৫/ ২৯০২) রুবাই আবদুল্লাহ ইবনে শাবীব থেকে বর্ণনা করেছেন [যিনি...
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
واهٍ أيضًا، كان ممن يسرق الأخبار. الميزان (2/ 438)، اللسان (4/ 499)،: ثنا ابن أبي أويس: ثني مسلم بن خالد، عن داود بن عبد الرحمن، عن منصور، بنحوه.* * * 2 - باب الرجل يتبوأ لبوله3 - قال أبو داود: حدثنا موسى بن إسماعيل: حدثنا حماد: أخبرنا أبو التياح، قال: حدثني شيخ قال: لما قدم عبد الله بن عباس البصرة، فكان يحدث عن أبي موسى، فكتب عبد الله إلى أبي موسى يسأله عن أشياء، فكتب إليه أبو موسى: إني كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم، فأراد أن يبول فأتى دَمِثًا في أصل جدارٍ، فبال، ثم قال صلى الله عليه وسلم: "إذا أراد أحدُكم أن يبولَ؛ فلْيَرْتَدْ لبوله موضعًا".• حديث منكرأخرجه من طريق أبي داود: البيهقي في سننه الكبرى (1/ 93).ورواه شعبة بن الحجاج، عن أبي التياح: حدثني رجل أسود طويل -قال: جعل أبو التياح ينعته-، أنه قدم مع ابن عباس البصرة، فكتب إلى أبي موسى، فكتب إليه أبو موسى: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمشي فمال إلى دَمِثٍ في جنب حائطٍ فبال، ثم قال: "كان بنو إسرائيل إذا بال أحدهم؛ فأصابه شيء من بوله؛ يتبعه، فقرضه بالمقاريض" وقال: "إذا أراد أحدكم أن يبول فليرتد لبوله".أخرجه الحاكم (3/ 465 - 466)، وأحمد (4/ 396 و 399 و 414)، والطيالسي (519)، والروياني (558)، وابن المنذر في الأوسط (1/ 329)، والبيهقي (1/ 93).وهذا إسناد ضعيف؛ لأجل شيخ أبي التياح المبهم؛ فإنى لإسناده الصحة التي وصفه بها الحاكم حيث قال: "صحيح الإسناد".• والمحفوظ عن أبي موسى: هو ما رواه منصور، عن أبي وائل، قال: كان أبو موسى يشدد في البول، ويبول في قارورة، ويقول: إن بني إسرائيل كان إذا أصاب جلدَ أحدِهم بولٌ قرضه بالمقاريض. فقال حذيفة: لوددت أن صاحبكم لا يشدد هذا التشديد، فلقد رأيتني أنا ورسول الله صلى الله عليه وسلم نتماشى، فأتى سُباطةً خلف حائطٍ، فقام كما يقوم أحدكم فبال، فانتبذت منه، فأشار إليَّ فجئت فقمت عند عقبه حتى فرغ.أخرجه البخاري (226)، ومسلم (273/ 74)، وأبو نعيم (626)، وابن حبان (1429)، وابن أبي شيبة (1/ 115)، والروياني (259) وغيرهم. وقد تقدم تخريجه قريبًا.فحكاية فعل بني إسرائيل: موقوف من كلام أبي موسى، وقد ورد مرفوعًا فيما رواه الأعمش، عن زيد بن وهب، عن عبد الرحمن بن حسنة، قال: انطلقت أنا وعمرو بن
তিনিও দুর্বল, তিনি সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা হাদিস চুরি করত। আল-মিজান (২/ ৪৩৮), আল-লিসান (৪/ ৪৯৯): ইবনে আবি উওয়াইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুসলিম বিন খালিদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি দাউদ বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি মানসুর থেকে, অনুরূপ হাদিস।* * * ২ - অধ্যায়: পেশাবের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা৩ - আবু দাউদ বলেন: মূসা বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু তাইয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে একজন শায়খ (বৃদ্ধ ব্যক্তি) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস বসরায় আসলেন, তখন তিনি আবু মুসা থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন। অতঃপর আব্দুল্লাহ আবু মুসার নিকট কিছু বিষয়ে জানতে চেয়ে চিঠি লিখলেন। আবু মুসা তার নিকট প্রতিউত্তরে লিখলেন: আমি একদিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, তিনি পেশাব করার ইচ্ছা করলেন এবং একটি দেয়ালের পাদদেশে নরম ভূমিতে আসলেন। সেখানে তিনি পেশাব করলেন এবং এরপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "যখন তোমাদের কেউ পেশাব করার ইচ্ছা করে, সে যেন তার পেশাবের জন্য উপযুক্ত (নরম) স্থান খুঁজে নেয়।"• হাদিসটি মুনকার (পরিত্যক্ত)এটি আবু দাউদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন: আল-বাইহাকী তাঁর আস-সুনানুল কুবরা-তে (১/ ৯৩)।আর এটি শু'বাহ বিন হাজ্জাজ আবু তাইয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন: তিনি বলেন, আমাকে একজন দীর্ঘকায় কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন -আবু তাইয়্যাহ তার বর্ণনা দিচ্ছিলেন-, যে তিনি ইবনে আব্বাসের সাথে বসরায় এসেছিলেন, অতঃপর তিনি আবু মুসার নিকট চিঠি লিখলেন। তখন আবু মুসা তাকে লিখে জানালেন যে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পথ চলছিলেন এবং তিনি একটি প্রাচীরের পাশে নরম ভূমির দিকে ঝুঁকলেন এবং সেখানে পেশাব করলেন। এরপর তিনি বললেন: "বনী ইসরাঈলদের কারও পেশাব যদি তার কাপড়ে বা শরীরে লাগত, তবে তারা তা অনুসরণ করত এবং কাঁচি দিয়ে তা কেটে ফেলত।" তিনি আরও বললেন: "যখন তোমাদের কেউ পেশাব করতে চায়, সে যেন তার পেশাবের জন্য স্থান খুঁজে নেয়।"এটি বর্ণনা করেছেন আল-হাকিম (৩/ ৪৬৫ - ৪৬৬), আহমাদ (৪/ ৩৯৬, ৩৯৯ ও ৪১৪), আত-তায়ালিসি (৫১৯), আর-রুয়ানি (৫৫৮), ইবনুল মুনযির আল-আওসাত-এ (১/ ৩২৯) এবং আল-বাইহাকী (১/ ৯৩)।এই সানাদটি যঈফ (দুর্বল); আবু তাইয়্যাহর শায়খ অস্পষ্ট (মুভহাম) হওয়ার কারণে। সুতরাং এই সানাদের সেই বিশুদ্ধতা কোথায় যা দ্বারা আল-হাকিম একে বিশেষিত করেছেন এই বলে যে: "সানাদটি সহীহ"?• আর আবু মুসা থেকে সংরক্ষিত বর্ণনা হলো সেটি যা মানসুর আবু ওয়াইল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুসা পেশাবের ব্যাপারে খুব কঠোরতা অবলম্বন করতেন এবং একটি পাত্রে পেশাব করতেন। তিনি বলতেন: বনী ইসরাঈলদের কারও চামড়ায় পেশাব লাগলে তারা তা কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলত। তখন হুযায়ফা বললেন: আমি পছন্দ করতাম যদি তোমাদের এই সাথী এত কঠোরতা না করতেন। আমি নিজেকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে পথ চলতে দেখেছি, তিনি একটি প্রাচীরের আড়ালে আবর্জনার স্তূপের কাছে আসলেন এবং তোমাদেরই একজনের মতো দাঁড়িয়ে পেশাব করলেন। আমি তাঁর থেকে দূরে সরে গেলাম, কিন্তু তিনি আমাকে ইশারা করলেন। আমি আসলাম এবং তাঁর গোড়ালির কাছে দাঁড়ালাম যতক্ষণ না তিনি শেষ করলেন।এটি বর্ণনা করেছেন বুখারী (২২৬), মুসলিম (২৭৩/ ৭৪), আবু নুয়াইম (৬২৬), ইবনে হিব্বান (১৪২৯), ইবনে আবি শায়বাহ (১/ ১১৫), আর-রুয়ানি (২৫৯) এবং অন্যান্যরা। এর তাখরিজ ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।সুতরাং বনী ইসরাঈলদের এই ঘটনাটি আবু মুসার উক্তি হিসেবে মাওকুফ। তবে এটি মারফূ হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে যা আমাশ যাইদ বিন ওয়াহাব থেকে এবং তিনি আব্দুর রহমান বিন হাসানা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এবং আমর ইবনে...
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
العاص إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فخرج ومعه درقة، ثم استتر بها، ثم بال، فقلنا: انظروا إليه يبول كما تبول المرأة، فسمع ذلك، فقال: "ألم تعلموا ما لقِيَ صاحبُ بني إسرائيل؟ كانوا إذا أصابهم البولُ قطعوا ما أصابه البولُ منهم، فنهاهم، فعذب في قبره".أخرجه أبو داود (22)، والنسائي (1/ 27/ 30)، وابن ماجه (346)، والحاكم (1/ 294)، وأحمد (4/ 196)، والحميدي (882)، وابن أبي شيبة (3/ 51)، وابن أبي عاصم في الآحاد والمثاني (5/ 52/ 2588)، وأبو يعلى (932)، والبيهقي (1/ 104).وهذا إسناد صحيح، إن كان زيد بن وهب سمعه من عبد الرحمن بن حسنة، فإن زيدًا: ثقة مخضرم.• وأما الاستتار من البول: فثابت في أحاديث، منها:حديث ابن عباس: قال: مر رسول الله صلى الله عليه وسلم على قبرين فقال: "إنهما ليعذبان، وما يعذبان في كبير، أما أحدهما فكان يمشي بالنميمة، وأما الآخر فكان لا يستتر من بوله".متفق عليه [البخاري (216 و 218 و 1361 و 1378 و 6052 و 6055)، مسلم (292)].* * * 3 - باب ما يقول الرجل إذا دخل الخلاء4 - قال أبو داود: حدثنا مُسدَّد بن مُسَرْهَد: ثنا حماد بن زيد وعبد الوارث، عن عبد العزيز بن صُهَيْب، عن أنس بن مالك، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء -قال عن حماد-: قال: "اللَّهُمَّ إني أعوذ بك -قال عن عبد الوارث-: قال: أعوذ بالله من الخُبُث والخبائث".• متفق عليهأخرجه من طريق حماد بن زيد:مسلم (375)، وأبو عوانة (1/ 184/ 577)، وأبو نعيم في مستخرجه (1/ 408/ 824)، والترمذي (6)، والدارمي (1/ 180/ 669)، وأبو يعلى (7/ 34/ 3940)، وأبو العباس السراج في مسنده (27)، وفي حديثه بانتقاء الشحامي (466 و 1896)، وأبو القاسم البغوي في مسند ابن الجعد (1427)، وابن المنذر في الأوسط (1/ 324/ 258)، والطبراني في الدعاء (359)، والبيهقي في السنن (1/ 95)، وفي الدعوات الكبير (55)، والرافعي في التدوين (3/ 223).قال الترمذي: "حسن صحيح".وأخرجه من طريق عبد الوارث بن سعيد:النسائي في الكبرى (7/ 7617/125) و (9/ 9819/34)، وأبو علي الطوسي في مختصر الأحكام (5)، والطبراني في الدعاء (359)، والبيهقي في السنن (1/ 95).* * *
আল-আস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন, তখন তিনি একটি ঢাল নিয়ে বের হলেন এবং সেটি দিয়ে আড়াল করলেন, এরপর প্রস্রাব করলেন। আমরা বললাম: "তোমরা তাঁর দিকে তাকাও, তিনি নারীদের মতো (বসে) প্রস্রাব করছেন।" তিনি তা শুনতে পেলেন এবং বললেন: "তোমরা কি জানো না বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি কীসের সম্মুখীন হয়েছিল? তাদের কারো শরীরে প্রস্রাব লাগলে তারা প্রস্রাব লাগা অংশটি কেটে ফেলত। সে তাদেরকে এটি করতে নিষেধ করেছিল, ফলে তাকে কবরে আজাব দেওয়া হয়েছিল।"এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ (২২), নাসায়ি (১/ ২৭/ ৩০), ইবনে মাজাহ (৩৪৬), হাকেম (১/ ২৯৪), আহমাদ (৪/ ১৯৬), হুমাইদি (৮৮২), ইবনে আবি শায়বাহ (৩/ ৫১), আল-আহাদ ওয়াল মাসানি-তে ইবনে আবি আসিম (৫/ ৫২/ ২৫۸৮), আবু ইয়ালা (৯৩২) এবং বায়হাকি (১/ ১০৪)।আর এই সনদটি সহিহ, যদি যাইদ ইবনে ওয়াহাব এটি আবদুর রহমান ইবনে হাসানাহ থেকে শুনে থাকেন; কারণ যাইদ একজন নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) ও মুখাদরাম বর্ণনাকারী।• আর প্রস্রাবের সময় আড়াল হওয়া বা সতর্কতা অবলম্বন করার বিষয়টি বিভিন্ন হাদিসে প্রমাণিত, যার মধ্যে রয়েছে:ইবনে আব্বাসের হাদিস: তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তাদের উভয়কে আজাব দেওয়া হচ্ছে, আর তাদের কোনো বড় (কঠিন) বিষয়ের জন্য আজাব দেওয়া হচ্ছে না। তাদের একজন চোগলখুরি করে বেড়াত, আর অন্যজন প্রস্রাব থেকে নিজেকে আড়াল (সতর্ক) করত না।"মুত্তাফাকুন আলাইহি [বুখারি (২১৬, ২১৮, ১৩৬১, ১৩৭৮, ৬০৫২ ও ৬০৫৫), মুসলিম (২৯২)]।* * * ৩ - অধ্যায়: টয়লেটে প্রবেশের সময় যা বলতে হয়৪ - আবু দাউদ বলেন: আমাদের নিকট মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবনে যাইদ ও আবদুল ওয়ারিস বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ ইবনে সুহাইব থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন টয়লেটে প্রবেশ করতেন—হাম্মাদের বর্ণনায় এসেছে—তিনি বলতেন: "হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি—আবদুল ওয়ারিসের বর্ণনায় এসেছে—তিনি বলতেন: আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি অপবিত্র পুরুষ ও নারী জিনদের অনিষ্ট থেকে।"• মুত্তাফাকুন আলাইহিএটি হাম্মাদ ইবনে যাইদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন:মুসলিম (৩৭৫), আবু আওয়ানাহ (১/ ১৮৪/ ৫৭৭), তাঁর মুস্তাখরাজ গ্রন্থে আবু নুআইম (১/ ৪০৮/ ৮২৪), তিরমিজি (৬), দারেমি (১/ ১৮০/ ৬৬৯), আবু ইয়ালা (৭/ ৩৪/ ৩৯৪০), তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে আবুল আব্বাস আস-সাররাজ (২৭), এবং আশ-শুহামির বাছাইকৃত হাদিসে (৪৬৬ ও ১৮৯৬), মুসনাদ ইবনুল জাদ গ্রন্থে আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ি (১৪২৭), আল-আওসাত গ্রন্থে ইবনুল মুনজির (১/ ৩২৪/ ২৫৮), আদ-দুআ গ্রন্থে তাবারানি (৩৫৯), আস-সুনান গ্রন্থে বায়হাকি (১/ ৯৫), আদ-দাওয়াতুল কবির গ্রন্থে (৫৫) এবং আত-তাদউইন গ্রন্থে রাফিয়ি (৩/ ২২৩)।ইমাম তিরমিজি বলেন: "হাদিসটি হাসান সহিহ।"আর এটি আবদুল ওয়ারিস ইবনে সাঈদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন:নাসায়ি তাঁর আল-কুবরা গ্রন্থে (৭/ ৭৬১৭/ ১২৫) ও (৯/ ৯৮১৯/ ৩৪), আবু আলি আত-তুসি তাঁর মুখতাসারুল আহকাম গ্রন্থে (৫), আদ-দুআ গ্রন্থে তাবারানি (৩৫৯) এবং আস-সুনান গ্রন্থে বায়হাকি (১/ ৯৫)।* * *
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
5 - . . . شعبة، عن عبد العزيز -هو: ابن صهيب-، عن أنس، بهذا الحديث، قال: "اللَّهُمَّ إني أعوذ بك" وقال شعبة مَرَّة: "أعوذ بالله".وقال وهيب عن عبد العزيز: "فليتعوذ بالله".• متفق عليهأخرجه من طريق شعبة:البخاري (142 و 6322)، وأبو عوانة (1/ 184/ 576)، والترمذي (5)، وأبو علي الطوسي في مستخرجه عليه "مختصر الأحكام" (6)، وابن حبان (4/ 253/ 1407)، وابن الجارود (28)، وأحمد (3/ 282)، وأبو يعلى (7/ 19/ 3914)، وأبو العباس السراج في مسنده (26)، وأبو القاسم البغوي في مسند ابن الجعد (1426 و 3318)، والطبراني في الدعاء (359)، وابن السني في عمل اليوم والليلة (17)، وابن المقرئ في الأربعين (12)، والبغوي في شرح السُّنَّة (1/ 186/376)، والذهبي في السير (11/ 467).قال الترمذي: "حديث أنس أصح شيء في هذا الباب وأحسن".ولم أقف على من وصله من طريق وهيب.• ورواه أيضًا عن عبد العزيز بن صهيب: إسماعيل بن علية، وسعيد بن زيد، وهشيم بن بشير، وحماد بن سلمة، ومعمر بن راشد، وزكريا بن يحيى بن عمارة [وهم: ثقات]، وحماد بن واقد [ضعيف]:أخرجه البخاري في الأدب المفرد (692)، وعلقه في الصحيح (142)، ومسلم (375)، وأبو نعيم في مستخرجه (1/ 408 و 409/ 824 - 826)، والنسائي (19)، وابن ماجه (298)، وابن حبان (4/ 253/ 1457)، وأحمد (3/ 99 و 101 و 282)، وابن أبي شيبة (1/ 11/ 1) و (6/ 29898/114)، وأبو علي الطوسي في مختصر الأحكام (4)، وأبو يعلى (7/ 10 و 19 و 20 و 29/ 3902 و 3914 و 3915 و 3931)، وأبو العباس السراج في مسنده (28 و 29)، وأبو القاسم البغوي في مسند ابن الجعد (1427 و 2467 و 3318)، والطبراني في الدعاء (359)، وابن السني في عمل اليوم والليلة (17)، وابن المقرئ في الأربعين (12)، والبيهقي في السنن (1/ 95).ولفظ إسماعيل: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء قال: "أعوذ بالله من الخبث والخبائث"، وفي لفظ: "اللَّهُمَّ إني أعوذ بك".ولفظ هشيم: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا دخل الكنيف قال: "اللَّهُمَّ إني أعوذ بك من الخبث والخبائث".ولفظ سعيد: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن يدخل الخلاء قال:"اللَّهُمَّ إني أعوذ بك من الخبث والخبائث".
৫ - . . . শুবা থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ (যিনি ইবনে সুহাইব) থেকে, তিনি আনাস থেকে, এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: "হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি" এবং শুবা একবার বলেছেন: "আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"উহাইব আব্দুল আজিজ থেকে বর্ণনা করেছেন: "সে যেন আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে।"• মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)শুবার সূত্র থেকে এটি বর্ণনা করেছেন:আল-বুখারি (১৪২ ও ৬৩২২), আবু আওয়ানা (১/ ১৮৪/ ৫৭৬), আত-তিরমিজি (৫), আবু আলি আত-তুসি তার মুস্তাখরাজ 'মুখতাসার আল-আহকাম'-এ (৬), ইবনে হিব্বান (৪/ ২৫৩/ ১৪০৭), ইবনে আল-জারুদ (২৮), আহমদ (৩/ ২৮২), আবু ইয়ালা (৭/ ১৯/ ৩৯১৪), আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ তার মুসনাদে (২৬), আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ি মুসনাদ ইবনে আল-জাদে (১৪২৬ ও ৩৩১৮), আত-তাবারানি 'আদ-দুআ'-তে (৩৫৯), ইবনে আস-সুন্নি 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ'-তে (১৭), ইবনে আল-মুকরি 'আল-আরবাইন'-এ (১২), আল-বাগাওয়ি 'শারহুস সুন্নাহ'-তে (১/ ১৮৬/৩৭৬), এবং আয-যাহাবি 'আস-সিয়ার'-এ (১১/ ৪৬৭)।ইমাম তিরমিজি বলেছেন: "আনাসের হাদিসটি এই অধ্যায়ে সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও উত্তম।"আর উহাইবের সূত্রে কে এটি নিরবচ্ছিন্নভাবে বর্ণনা করেছেন তা আমি খুঁজে পাইনি।• এটি আব্দুল আজিজ বিন সুহাইব থেকে আরও বর্ণনা করেছেন: ইসমাইল ইবনে উলইয়াহ, সাঈদ ইবনে যায়েদ, হুশাইম ইবনে বাশির, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, মা’মার ইবনে রাশিদ এবং জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আম্মারা [তারা নির্ভরযোগ্য], এবং হাম্মাদ ইবনে ওয়াকিদ [দুর্বল]:এটি বর্ণনা করেছেন আল-বুখারি 'আল-আদাবুল মুফরাদ'-এ (৬৯২), এবং সহিহ বুখারিতে এটি ঝুলন্ত বা তাআলিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন (১৪২), মুসলিম (৩৭৫), আবু নুআঈম তার মুস্তাখরাজে (১/ ৪০৮ ও ৪০৯/ ৮২৪ - ৮২৬), আন-নাসায়ি (১৯), ইবনে মাজাহ (২৯৮), ইবনে হিব্বান (৪/ ২৫৩/ ১৪৫৭), আহমদ (৩/ ৯৯ ও ১০১ ও ২৮২), ইবনে আবি শায়বাহ (১/ ১১/ ১) ও (৬/ ২৯৮৯৮/১১৪), আবু আলি আত-তুসি 'মুখতাসার আল-আহকাম'-এ (৪), আবু ইয়ালা (৭/ ১০ ও ১৯ ও ২০ ও ২৯/ ৩৯০২ ও ৩৯১৪ ও ৩৯১৫ ও ৩৯৩১), আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ তার মুসনাদে (২৮ ও ২৯), আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ি মুসনাদ ইবনে আল-জাদে (১৪২৭ ও ২৪৬৭ ও ৩৩১৮), আত-তাবারানি 'আদ-দুআ'-তে (৩৫৯), ইবনে আস-সুন্নি 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ'-তে (১৭), ইবনে আল-মুকরি 'আল-আরবাইন'-এ (১২), এবং আল-বায়হাকি 'আস-সুনান'-এ (১/ ৯৫)।ইসমাইলের বর্ণিত পাঠ্য হলো: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন, তখন বলতেন: "আমি অপবিত্র পুরুষ ও নারী জিনদের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি।" অন্য একটি পাঠ্যে রয়েছে: "হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"হুশাইমের বর্ণিত পাঠ্য হলো: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন, তখন বলতেন: "হে আল্লাহ! আমি অপবিত্র পুরুষ ও নারী জিনদের অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"সাঈদের বর্ণিত পাঠ্য হলো: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শৌচাগারে প্রবেশের ইচ্ছা করতেন তখন বলতেন: "হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র পুরুষ ও নারী জিনদের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وشذ معمر، فقال في أوله: "إن هذه الحشوش محتضرة"، ودخل له متن حديث زيد بن أرقم الآتي في حديث أنس.والحديث مخرج في الذكر والدعاء برقم (52) فليراجع.* * * 6 - . . . قتادة، عن النصر بن أنس، عن زيد بن أرقم، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "إن هذه الحشوشُ محتضرةٌ، فإذا أتى أحدُكم الخلاء فليقل: أعوذ بالله من الخبث والخبائث".• حديث صحيحاختلف فيه على قتادة: 1 - فرواه شعبة عنه، واختلف عليه:أ- فرواه عبد الرحمن بن مهدي، وغندر محمد بن جعفر، وخالد بن الحارث، ومحمد بن أبي عدي، وأبو داود الطيالسي، والنضر بن شميل، ويزيد بن هارون، وعمرو بن مرزوق، وحجاج بن محمد الأعور:تسعتهم [وهم ثقات، وفيهم أثبت أصحاب شعبة: ابن مهدي وغندر وخالد بن الحارث]: عن شعبة، عن قتادة: سمعت النضر بن أنس، عن زيد بن أرقم، به مرفوعًا.أخرجه أبو داود (6)، والترمذي في العلل الكبير (3)، والنسائي في عمل اليوم والليلة (75)، وابن ماجه (296)، وابن خزيمة (69)، وابن حبان (1408)، والحاكم (1/ 187)، وأحمد (4/ 369 و 373)، والطيالسي (679)، والبزار (10/ 223/ 4312)، وأبو يعلى (13/ 182/ 7219)، وأبو بكر الدينوري في المجالسة وجواهر العلم (3488)، والطبراني في الكبير (5/ 204/ 5099)، وفي الدعاء (361)، والبيهقي (1/ 96)، والخطيب في تاريخ بغداد (4/ 287)، وغيرهم.ب- وخالفهم: عيسى بن يونس [وهو: ثقة]: فرواه عن شعبة، عن قتادة، عن القاسم الشيباني، عن زيد بن أرقم، به مرفوعًا؛ فشذ بذلك عن الجماعة.أخرجه ابن حبان (1406).ورواية الجماعة هي الصواب.تابع شعبة على هذا الوجه: سعيد بن بشير في رواية عنه:قال ابن بشران في الأمالي (781): أخبرنا أبو سهل أحمد بن محمد بن عبد الله بن زياد: ثنا عبيد بن عبد الواحد البزار: ثنا أبو الجماهر: ثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، عن النضر بن أنس، عن زيد بن أرقم به مرفوعًا.وإسناده حسن إلى أبي الجماهر محمد بن عثمان، عبيد بن عبد الواحد بن شريك
মামার শায (বিচ্ছিন্ন) বর্ণনা করেছেন, তিনি এর শুরুতে বলেছেন: "নিশ্চয়ই এই শৌচাগারগুলো (জ্বিন-শয়তানের) উপস্থিতিপূর্ণ", আর তার বর্ণনায় আনাস (রা.)-এর হাদিসের মধ্যে যায়েদ বিন আরকাম (রা.)-এর হাদিসের মতন (মূল পাঠ) প্রবিষ্ট হয়ে গেছে।হাদিসটি 'আয-যিকর ওয়াদ-দুয়া' অধ্যায়ে ৫২ নম্বর হিসেবে সংকলিত হয়েছে, তাই সেখানে দেখে নেয়া যেতে পারে।* * * ৬ - . . . কাতাদাহ থেকে, আন-নাদর বিন আনাস থেকে, যায়েদ বিন আরকাম থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই এই শৌচাগারগুলোতে (জ্বিন-শয়তানের) উপস্থিতি থাকে, তাই তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে যাবে, সে যেন বলে: আমি আল্লাহর কাছে অপবিত্র পুরুষ ও নারী শয়তান থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।"• হাদিসটি সহীহকাতাদাহর ওপর এই হাদিসটির বর্ণনায় মতভেদ রয়েছে: ১ - এটি শু'বাহ তার থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে শু'বাহর বর্ণনার ক্ষেত্রেও মতভেদ হয়েছে:ক- এটি বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন মাহদী, গুন্দার মুহাম্মদ বিন জাফর, খালিদ বিন আল-হারিস, মুহাম্মদ বিন আবি আদি, আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, আন-নাদর বিন শুমাইল, ইয়াযীদ বিন হারুন, আমর বিন মারযূক এবং হাজ্জাজ বিন মুহাম্মদ আল-আওয়ার:তাদের নয়জনই [এবং তারা সকলে বিশ্বস্ত, তাদের মধ্যে শু'বাহর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সঙ্গীরাও রয়েছেন: ইবনে মাহদী, গুন্দার এবং খালিদ বিন আল-হারিস]: শু'বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে: আমি আন-নাদর বিন আনাসকে যায়েদ বিন আরকাম থেকে মারফূ হিসেবে এটি বর্ণনা করতে শুনেছি।এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ (৬), তিরমিযী 'আল-ইলাল আল-কাবীর' (৩), নাসাঈ 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ' (৭৫), ইবনে মাজাহ (২৯৬), ইবনে খুযাইমাহ (৬৯), ইবনে হিব্বান (১৪০৮), হাকেম (১/ ১৮৭), আহমদ (৪/ ৩৬৯ ও ৩৭৩), তায়ালিসি (৬৭৯), বাযযার (১০/ ২২৩/ ৪৩১২), আবু ইয়ালা (১৩/ ১৮২/ ৭২১৯), আবু বকর আদ-দিনাওয়ারী 'আল-মুজালাসাহ ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম' (৩৪৮৮), তাবারানী 'আল-কাবীর' (৫/ ২০৪/ ৫০৯৯) ও 'আদ-দুয়া' (৩৬১), বায়হাকী (১/ ৯৬), খতীব বাগদাদী 'তারিখে বাগদাদ' (৪/ ২৮৭) এবং অন্যান্যরা।খ- তাদের বিপরীতে বর্ণনা করেছেন: ঈসা বিন ইউনুস [যিনি বিশ্বস্ত]: তিনি এটি শু'বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আল-কাসিম আশ-শাইবানী থেকে, তিনি যায়েদ বিন আরকাম থেকে মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন; এর মাধ্যমে তিনি জামাআত (সংখ্যাগরিষ্ঠ)-এর বিপরীতে শায (বিচ্ছিন্ন) বর্ণনা করেছেন।এটি ইবনে হিব্বান (১৪০৬) বর্ণনা করেছেন।জামাআতের বর্ণনাই সঠিক।এই সূত্রে শু'বাহর অনুসরণ (তাবে) করেছেন: সাঈদ বিন বাশীর তার একটি বর্ণনায়:ইবনে বিশরান 'আল-আমালী' (৭৮১) গ্রন্থে বলেছেন: আবু সাহল আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যিয়াদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: উবাইদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-বাযযার আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: আবু আল-জামাহির আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: সাঈদ বিন বাশীর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আন-নাদর বিন আনাস থেকে, তিনি যায়েদ বিন আরকাম থেকে মারফূ হিসেবে।এবং এর সনদটি আবু আল-জামাহির মুহাম্মদ বিন উসমান এবং উবাইদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন শারীক পর্যন্ত হাসান।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
البزار: قال الدارقطني وابن المنادي: "صدوق"، وقال أبو سعيد السمعاني: "وهو صدوق، أحد الثقات"، وذكره ابن حبان في الثقات [سؤالات الحاكم (154)، الثقات (8/ 434)، تاريخ بغداد (11/ 99)، الأنساب (1/ 337)، السير (13/ 385)، اللسان (5/ 355)]، وأبو سهل أحمد بن محمد بن عبد الله بن زياد القطان: قال البرقاني والخطيب: "صدوق"، ونعته الذهبي بالإمام المحدث الثقة مسند العراق [تاريخ بغداد (5/ 45)، السير (15/ 521)]، وقد اختلف فيه على أبي الجماهر، ويأتي ذكر الوجه الثاني بعد حديث ابن أبي عروبة. 2 - ورواه سعيد بن أبي عروبة، واختلف عليه:أ- فرواه إسماعيل ابن علية [ثقة حافظ، ذكر العجلي أنه سمع من ابن أبي عروبة في الصحة. شرح العلل (2/ 745)]، عن سعيد، عن قتادة، عن النضر، عن زيد، به مرفوعًا.أخرجه النسائي (76)، والطبراني في الكبير (5100)، وفي الدعاء (362).ب- وخالفه: يزيد بن زريع [ثقة ثبت، سمع من سعيد بن أبي عروبة قبل اختلاطه، وهو من أثبت الناس فيه. الكواكب النيرات (25)، سؤالات ابن بكير (55)، شرح العلل (2/ 743)]، وعبد الوهاب بن عطاء الخفاف [صدوق ربما أخطأ، وهو من أروى الناس عن ابن أبي عروبة. وممن سمع منه قبل الاختلاط وبعده، ولم يميز بينهما. التقريب (633)، الكواكب (25)، شرح العلل (2/ 747)]، وعبدة بن سليمان [ثقة ثبت. وهو أثبت الناس سماعًا من ابن أبي عروبة، قاله ابن معين، وقال أحمد: "سماع عبدة منه جيد"]، وعبد الأعلى بن عبد الأعلى [ثقة. قال ابن عدي بأنه أروى الناس عن ابن أبي عروبة]، وأسباط بن محمد [ثقة، وهو: أحبُّ إلى أحمد من الخفاف، في ابن أبي عروبة]، ومحمد بن بكر البرساني [صدوق يخطئ، روى له مسلم عن ابن أبي عروبة، وجوَّد أحمد سماعه من ابن أبي عروبة]، وعلي بن عاصم [صدوق يخطئ ويصر]:سبعتهم [وفيهم أثبت أصحاب ابن أبي عروبة ممن سمع منه قبل الاختلاط]، عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن القاسم بن عوف الشيباني، عن زيد بن أرقم، به مرفوعًا.أخرجه النسائي (77 و 78)، وابن ماجه (296 م)، والحاكم (1/ 187)، وأحمد (4/ 373)، وابن أبي شيبة (1/ 11/ 2) و (6/ 114/ 29899)، والبزار (10/ 223/ 4313)، وأبو يعلى (13/ 180/ 7218)، والطبراني في الكبير (5115)، وفي الدعاء (363)، والخطيب (13/ 301).ورواية الجماعة هي الصواب، والله أعلم.وتابعه على هذا الوجه: سعيد بن بشير؛ وهو ضعيف.أخرجه الطبراني في الكبير (5114)، وفي مسند الشاميين (2694)، وفي الدعاء (364).
আল-বাযযার: দারাকুতনী এবং ইবনুল মুনাদী বলেছেন: "তিনি সত্যবাদী", আবু সাঈদ আস-সামআনী বলেছেন: "তিনি সত্যবাদী এবং অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি", এবং ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্যদের তালিকায় (আস-সিকাত) উল্লেখ করেছেন [সুআলাতুল হাকিম (১৫৪), আস-সিকাত (৮/ ৪৩৪), তারিখু বাগদাদ (১১/ ৯৯), আল-আনসাব (১/ ৩৩৭), আস-সিয়ার (১৩/ ৩৮৫), আল-লিসান (৫/ ৩৫৫)]। আবু সাহল আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যিয়াদ আল-কাত্তান: আল-বারকানী এবং আল-খতিব বলেছেন: "তিনি সত্যবাদী", এবং আয-যাহাবী তাকে ইমাম, মুহাদ্দিস, নির্ভরযোগ্য এবং ইরাকের মুসনিদ হিসেবে অভিহিত করেছেন [তারিখু বাগদাদ (৫/ ৪৫), আস-সিয়ার (১৫/ ৫২১)]। আবু আল-জামাহিরের বর্ণনায় তার ব্যাপারে মতভেদ হয়েছে এবং দ্বিতীয় মতটির উল্লেখ ইবনে আবি আরুবাহর হাদিসের পর আসবে। ২ - এটি বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি আরুবাহ, এবং তার বর্ণনায় মতভেদ হয়েছে:ক- এটি বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে উলইয়্যাহ [যিনি নির্ভরযোগ্য হাফিজ; আল-ইজলী উল্লেখ করেছেন যে তিনি সাঈদের মানসিক বিভ্রম ঘটার পূর্বের সুস্থ অবস্থায় তার থেকে হাদিস শুনেছেন। শারহুল ইলাল (২/ ৭৪৫)], তিনি সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আন-নাদর থেকে, তিনি যায়িদ থেকে মারফু হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন।এটি বর্ণনা করেছেন আন-নাসায়ী (৭৬), তাবারানি আল-কাবীর গ্রন্থে (৫১০০) এবং আদ-দুআ গ্রন্থে (৩৬২)।খ- তার বিরোধিতা করেছেন: ইয়াযিদ বিন যুরাই [যিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় বর্ণনাকারী, সাঈদ বিন আবি আরুবাহর মানসিক বিভ্রম ঘটার পূর্বেই তার থেকে শুনেছেন এবং তিনি তার ব্যাপারে সবচেয়ে সুদৃঢ় ব্যক্তিদের অন্যতম। আল-কাওয়াকিবুন নাইয়িরাত (২৫), সুআলাতু ইবনে বুকাইর (৫৫), শারহুল ইলাল (২/ ৭৪৩)], আব্দুল ওয়াহাব বিন আতা আল-খাফফাফ [তিনি সত্যবাদী, তবে কখনও কখনও ভুল করতেন, তিনি ইবনে আবি আরুবাহ থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে অন্যতম। তিনি তার মানসিক বিভ্রমের আগে ও পরে উভয় সময়েই শুনেছেন এবং তিনি এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেননি। আত-তাক্বরীব (৬৩৩), আল-কাওয়াকিব (২৫), শারহুল ইলাল (২/ ৭৪৭)], আবদাহ বিন সুলাইমান [নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ়। তিনি ইবনে আবি আরুবাহ থেকে শ্রবণকারী হিসেবে সবচেয়ে সুদৃঢ় ব্যক্তি, এটি ইবনে মাঈন বলেছেন এবং আহমদ বলেছেন: "তার থেকে আবদাহর শ্রবণ অত্যন্ত উৎকৃষ্ট"], আব্দুল আ'লা বিন আব্দুল আ'লা [নির্ভরযোগ্য। ইবনে আদি বলেছেন যে তিনি ইবনে আবি আরুবাহ থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে অন্যতম], আসবাত বিন মুহাম্মদ [নির্ভরযোগ্য, ইবনে আবি আরুবাহর বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি ইমাম আহমদের নিকট আল-খাফফাফের চেয়ে অধিক প্রিয়], মুহাম্মদ বিন বকর আল-বুরসানী [সত্যবাদী কিন্তু ভুল করেন, ইমাম মুসলিম তার মাধ্যমে ইবনে আবি আরুবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আহমদ তার ইবনে আবি আরুবাহ থেকে শ্রবণকে উত্তম বলেছেন], এবং আলী বিন আসিম [সত্যবাদী তবে ভুল করেন এবং ভুলের ওপর অনড় থাকেন]:এই সাতজন [যাদের মধ্যে ইবনে আবি আরুবাহর এমন সুদৃঢ় সঙ্গীরা রয়েছেন যারা তার মানসিক বিভ্রম ঘটার আগেই শুনেছেন], সাঈদ বিন আবি আরুবাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন আউফ আশ-শায়বানী থেকে, তিনি যায়িদ বিন আরকাম থেকে মারফু হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন।এটি বর্ণনা করেছেন আন-নাসায়ী (৭৭ ও ৭৮), ইবনে মাজাহ (২৯৬ ম), আল-হাকিম (১/ ১৮৭), আহমদ (৪/ ৩৭৩), ইবনে আবি শাইবাহ (১/ ১১/ ২) ও (৬/ ১১৪/ ২৯৮৯৯), আল-বাযযার (১০/ ২২৩/ ৪ host/ ৪৩১৩), আবু ইয়া'লা (১৩/ ১৮০/ ৭২১৮), তাবারানি আল-কাবীর গ্রন্থে (৫১১৫), আদ-দুআ গ্রন্থে (৩৬৩) এবং আল-খতিব (১৩/ ৩০১)।জামাআত বা সংখ্যাগরিষ্ঠের বর্ণনাটিই সঠিক, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।সাঈদ বিন বাশির এই বর্ণনা পদ্ধতিতে তাকে সমর্থন করেছেন; তবে তিনি দুর্বল।এটি বর্ণনা করেছেন তাবারানি আল-কাবীর গ্রন্থে (৫১১৪), মুসনাদুশ শামিয়্যিন গ্রন্থে (২৬৯৪) এবং আদ-দুআ গ্রন্থে (৩৬৪)।
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
قال: حدثنا الحسن بن جرير الصوري [روى عنه جماعة من الأئمة والمصنفين، ولم يُذكر بجرح، بل نعته الذهبي بالإمام المحدث. إكمال ابن ماكولا (4/ 277)، تاريخ دمشق (13/ 42)، الأنساب (3/ 168)، السير (13/ 442)]: ثنا أبو الجماهر محمد بن عثمان التنوخي: ثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، عن القاسم بن عوف الشيباني، عن زيد به مرفوعًا.وأبو الجماهر: ثقة، فلا أدري ممن الوهم، لكن الدارقطني لما ذكر رواية سعيد بن بشير هذه في العلل (12/ 131) جعله متابعًا لشعبة في قوله: عن النضر بن أنس، عن زيد، والله أعلم.• وحاصل ما تقدم: أن المحفوظ عن شعبة: قتادة، عن النضر بن أنس، عن زيد بن أرقم. والمحفوظ عن ابن أبي عروبة: قتادة، عن القاسم بن عوف الشيباني، عن زيد بن أرقم.قال الترمذي في العلل الكبير:"سألت محمدًا [يعني: البخاري] عن هذا الحديث؟ وقلت له: روى هشام الدستوائي مثل رواية سعيد بن أبي عروبة: عن قتادة، عن القاسم بن عوف الشيباني، عن زيد بن أرقم، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: "أن هذه الحشوش محتضرة".ورواه معمر مثل ما روى شعبة: عن قتادة، عن النضر بن أنس، عن زيد بن أرقم.قلت لمحمد: فأي الروايات عندك أصح؟ قال: لعل قتادة سمع منهما جميعًا عن زيد بن أرقم، ولم يقضِ في هذا بشيء".وقال في الجامع (5):"وحديث زيد بن أرقم: في إسناده اضطراب، روى هشام الدستوائي وسعيد بن أبي عروبة عن قتادة، فقال سعيد: عن القاسم بن عوف الشيباني عن زيد بن أرقم، وقال هشام الدستوائي: عن قتادة عن زيد بن أرقم، ورواه شعبة ومعمر عن قتادة عن النضر بن أنس، فقال شعبة: عن زيد بن أرقم، وقال معمر: عن النضر بن أنس عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال أبو عيسى: سألت محمدًا عن هذا؟ فقال: يحتمل أن يكون قتادة روى عنهما جميعًا".قلت: إذا أمكن ترجيح رواية الأكثر والأحفظ، أو الجمع بين الروايات؛ فلا اضطراب حينئذٍ، فقد اتفق شعبة وابن أبي عروبة ومعمر وسعيد بن بشير على الواسطة، وأسقطها الدستوائي، وعليه فرواية من أثبت الواسطة أصح، ومعمر وسعيد بن بشير: ليسا بذاك في قتادة، فيبقى الترجيح بين رواية شعبة وابن أبي عروبة، وكلاهما حافظ ثبت في حديث قتادة، وعلى هذا فقول البخاري هو الصواب.وقد قدَّم أبو زرعة الرأزي حديث عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، على حديث زيد بن أرقم للاختلاف فيه، وقال بأن حديث أنس أشبه عنده [العلل لابن أبي حاتم (1/ 17/ 13)].وقال البزار:"وهذا الحديث قد اختلفوا في إسناده عن قتادة، فقال شعبة: عن قتادة
তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসান বিন জারীর আস-সুরী হাদিস বর্ণনা করেছেন [তাঁর থেকে একদল ইমাম ও গ্রন্থকার হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁর ব্যাপারে কোনো জারহ বা নেতিবাচক মন্তব্য উল্লেখ করা হয়নি, বরং আয-যাহাবী তাঁকে ইমাম ও মুহাদ্দিস হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইকমাল ইবনে মাকুলা (৪/২৭৭), তারিখু দামেশক (১৩/৪২), আল-আনসাব (৩/১৬৮), আস-সিয়ার (১৩/৪৪২)]: আমাদের নিকট আবু আল-জামাহির মুহাম্মাদ বিন উসমান আত-তানুখি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সাঈদ বিন বাশীর বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন আউফ আশ-শায়বানি থেকে, তিনি যাইদ (বিন আরকাম) থেকে মারফু সূত্রে।আর আবু আল-জামাহির হলেন সিকাহ বা নির্ভরযোগ্য, তাই আমি জানি না কার পক্ষ থেকে এই বিভ্রান্তি ঘটেছে, তবে আদ-দারাকুতনি যখন ‘আল-ইলাল’ (১২/১৩১) গ্রন্থে সাঈদ বিন বাশীরের এই বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন, তখন তিনি একে শু'বাহর বর্ণনার মুতাবা'আত বা সমর্থক হিসেবে গণ্য করেছেন তাঁর এই বক্তব্যে: আন-নাদর বিন আনাস থেকে, তিনি যাইদ থেকে, আর আল্লাহই ভালো জানেন।• পূর্বের আলোচনার সারকথা হলো: শু'বাহ থেকে সংরক্ষিত (মাহফুজ) বর্ণনা হলো: কাতাদাহ, তিনি আন-নাদর বিন আনাস থেকে, তিনি যাইদ বিন আরকাম থেকে। আর ইবনে আবি আরুবাহ থেকে সংরক্ষিত বর্ণনা হলো: কাতাদাহ, তিনি আল-কাসিম বিন আউফ আশ-শায়বানি থেকে, তিনি যাইদ বিন আরকাম থেকে।আত-তিরমিযী ‘আল-ইলাল আল-কাবীর’ গ্রন্থে বলেছেন: "আমি মুহাম্মাদকে [অর্থাৎ আল-বুখারীকে] এই হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং তাঁকে বললাম: হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ী সাঈদ বিন আবি আরুবাহর বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন: কাতাদাহ থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন আউফ আশ-শায়বানি থেকে, তিনি যাইদ বিন আরকাম থেকে, যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'নিশ্চয়ই এই শৌচাগারগুলো (জ্বিন ও শয়তানের) উপস্থিতির স্থান'।"আর মা'মার এটি শু'বাহর বর্ণনার মতো বর্ণনা করেছেন: কাতাদাহ থেকে, তিনি আন-নাদর বিন আনাস থেকে, তিনি যাইদ বিন আরকাম থেকে।আমি মুহাম্মাদকে বললাম: আপনার নিকট কোন বর্ণনাটি অধিক সহীহ? তিনি বললেন: সম্ভবত কাতাদাহ যাইদ বিন আরকাম থেকে এই উভয় সূত্র থেকেই শুনেছেন, আর তিনি এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো ফয়সালা দেননি।এবং তিনি 'আল-জামি' (৫) গ্রন্থে বলেছেন: "যাইদ বিন আরকামের হাদিসটির সনদে ইদতিরাব বা অস্থিরতা রয়েছে। হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ী এবং সাঈদ বিন আবি আরুবাহ কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন; সাঈদ বলেছেন: আল-কাসিম বিন আউফ আশ-শায়বানি থেকে, তিনি যাইদ বিন আরকাম থেকে। হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ী বলেছেন: কাতাদাহ থেকে, তিনি যাইদ বিন আরকাম থেকে। আর শু'বাহ এবং মা'মার কাতাদাহ থেকে, তিনি আন-নাদর বিন আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন; শু'বাহ বলেছেন: যাইদ বিন আরকাম থেকে, আর মা'মার বলেছেন: আন-নাদর বিন আনাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। আবু ঈসা (তিরমিযী) বলেন: আমি মুহাম্মাদকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: সম্ভবত কাতাদাহ তাঁদের উভয়ের থেকেই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।"আমি বলছি: যদি সংখ্যায় অধিক এবং অধিক স্মৃতিশক্তির অধিকারীদের বর্ণনাকে প্রাধান্য দেওয়া সম্ভব হয় অথবা বর্ণনাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা সম্ভব হয়, তবে সেক্ষেত্রে কোনো ইদতিরাব থাকে না। এখানে শু'বাহ, ইবনে আবি আরুবাহ, মা'মার এবং সাঈদ বিন বাশীর মধ্যস্থতাকারীর বর্ণনার ব্যাপারে একমত হয়েছেন, আর আদ-দাস্তাওয়ায়ী তাকে বাদ দিয়েছেন। সেই হিসেবে যিনি মধ্যস্থতাকারীর উল্লেখ করেছেন তাঁর বর্ণনাটিই অধিক সহীহ। তবে মা'মার এবং সাঈদ বিন বাশীর কাতাদাহর বর্ণনার ক্ষেত্রে ততটা পারদর্শী নন। ফলে শু'বাহ এবং ইবনে আবি আরুবাহর বর্ণনার মধ্যে যাচাই-বাছাই অবশিষ্ট থাকে, আর তাঁরা উভয়েই কাতাদাহর হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য হাফিয। এই ভিত্তিতে আল-বুখারীর বক্তব্যই সঠিক।আর আবু যুরআহ আর-রাযী সনদের এই পার্থক্যের কারণে যাইদ বিন আরকামের হাদিসের তুলনায় আব্দুল আজীজ বিন সুহাইব বর্ণিত আনাসের হাদিসকে প্রাধান্য দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন যে, আনাসের হাদিসটিই তাঁর নিকট অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয় [ইবনে আবি হাতিমের আল-ইলাল (১/১৭/১৩)]।আর আল-বাযযার বলেছেন: "এই হাদিসটির সনদে তাঁরা কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে মতভেদ করেছেন। শু'বাহ বলেছেন: কাতাদাহ থেকে..."
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
عن النضر عن زيد، وقال معمر: عن قتادة عن النضر بن أنس عن أبيه، وقال ابن أبي عروبة: عن قتادة عن القاسم بن عوف الشيباني عن زيد، وقال حسام بن مِصَك: عن قتادة عن القاسم بن ربيعة عن زيد بن أرقم".وذكر الدارقطني الاختلاف فيه في العلل (12/ 131/ 2520)، ثم قال: "ويشبه أن يكون القول: قول شعبة ومن تابعه".قلت: الأشبه عندي قول البخاري، فقد اختلف فيه حافظان لحديث قتادة، على قتادة، وهو ثقة ثبت حافظ، يحتمل من مثله التعدد في الأسانيد، وعليه: فكلا الإسنادين محفوظ، إسناد شعبة، وإسناد ابن أبي عروبة، والله أعلم.• وروي عن منصور بن المعتمر، عن قتادة، عن النضر بن أنس، عن زيد بن أرقم به مرفوعًا، أخرجه أبو الشيخ في طبقات المحدثين (3/ 162)، بإسناد غريب جدًّا عن منصور، ولا يثبت عنه. 3 - ورواه معمر، عن قتادة، عن النضر بن أنس، عن أنس بن مالك، به مرفوعًا.أخرجه أبو العباس السراج في مسنده (29)، والطبراني في الدعاء (355)، وعلقه العقيلي في الضعفاء (3/ 371)، والبيهقي في السنن (1/ 96).قال البيهقي: "وهو وهم".قلت: فإن معمرًا جلس إلى قتادة وهو صغير، فلم يحفظ عنه الأسانيد، قال الدارقطني: "معمر: سيئ الحفظ لحديث قتادة" [علل الدارقطني (4/ ق 40)، شرح العلل (2/ 698)]. 4 - ورواه قطن بن نسير: ثنا عدي بن أبي عمارة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، به مرفوعًا.أخرجه العقيلي (3/ 371)، والطبراني في الأوسط (3/ 161/ 2803)، وفي الدعاء (356).زاد في أول الدعاء: "بسم الله" وفي آخره: "ومن الشيطان الرجيم".قال العقيلي: "وتابعه إسماعيل بن مسلم على هذه الرواية، وإسماعيل دونه"، وتأتي روايته بعد هذه.وقال الطبراني: "لم يرو هذا الحديث عن قتادة عن أنس: إلا عدي، تفرد به قطن".وقال في الدعاء: "لم يقل أحد ممن روى هذا الحديث عن قتادة في متنه: "بسم الله" إلا عدي بن أبي عمارة".وقال الدارقطني في الأفراد [أطرافه (2/ 163)]: "غريب من حديث قتادة عنه، تفرد به عدي عنه".وقال ابن حجر في نتائج الأفكار (1/ 195): "هذا حديث غريب من هذا الوجه".قلت: وهدا منكر من حديث قتادة، سلك فيه الجادة والطريق السهل، وعدي بن أبي
আন-নাদর থেকে, তিনি যায়িদ থেকে বর্ণনা করেছেন। মা'মার বলেন: কাতাদাহ থেকে, তিনি আন-নাদর বিন আনাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আবি আরুবাহ বলেন: কাতাদাহ থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন আউফ আশ-শায়বানী থেকে, তিনি যায়িদ থেকে বর্ণনা করেছেন। হুসাম বিন মিসাক বলেন: কাতাদাহ থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন রাবীআহ থেকে, তিনি যায়িদ বিন আরকাম থেকে বর্ণনা করেছেন।আর আদ-দারা কুতনী 'আল-ইলাল' (১২/১৩১/২৫২০) গ্রন্থে এতে বিদ্যমান মতভেদ উল্লেখ করেছেন, তারপর বলেছেন: "সম্ভবত সঠিক অভিমত হলো: শু'বাহ এবং যারা তাঁর অনুসরণ করেছেন তাদের বক্তব্য"।আমি বলছি: আমার নিকট ইমাম বুখারীর অভিমতই অধিক সদৃশ (সঠিক), কারণ কাতাদাহর হাদিস বর্ণনাকারী দুইজন হাফেয তাঁর (কাতাদাহর) বর্ণনায় মতভেদ করেছেন, আর তিনি (কাতাদাহ) একজন নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ় ও হাফেয রাবী, তাঁর মতো রাবীর ক্ষেত্রে সনদে একাধিক সূত্র হওয়া সম্ভব, সেই অনুযায়ী: উভয় সনদই সংরক্ষিত (মাহফুজ), শু'বাহর সনদ এবং ইবনে আবি আরুবাহর সনদ, আর আল্লাহই ভালো জানেন।• এবং মানসুর বিন আল-মু'তামির থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আন-নাদর বিন আনাস থেকে, তিনি যায়িদ বিন আরকাম থেকে মারফু হিসেবে এটি বর্ণিত হয়েছে। আবুশ শায়খ 'তাবাকাতুল মুহাদ্দিসীন' (৩/১৬২) গ্রন্থে এটি মানসুর থেকে অত্যন্ত অদ্ভুত (গারিব) এক সনদে বর্ণনা করেছেন, যা তাঁর থেকে সাব্যস্ত নয়। ৩ - এবং মা'মার এটি কাতাদাহ থেকে, তিনি আন-নাদর বিন আনাস থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।এটি আবুল আব্বাস আস-সাররাজ তাঁর মুসনাদ (২৯), তাবারানি 'আদ-দুআ' (৩৫৫) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, এবং উকায়লি 'আদ-দুয়াফা' (৩/৩৭১) গ্রন্থে ও বায়হাকি 'আস-সুনান' (১/৯৬) গ্রন্থে তালীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।বায়হাকি বলেছেন: "এটি একটি ভ্রম"।আমি বলছি: মা'মার যখন ছোট ছিলেন তখন তিনি কাতাদাহর মজলিসে বসেছিলেন, তাই তিনি তাঁর থেকে সনদসমূহ সঠিকভাবে মুখস্থ করতে পারেননি। আদ-দারা কুতনী বলেছেন: "মা'মার কাতাদাহর হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল স্মৃতিশক্তির অধিকারী" [ইলালুদ দারা কুতনী (৪/ কা. ৪০), শারহুল ইলাল (২/৬৯৮)]। ৪ - এবং কাতান বিন নুসায়র এটি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আদী বিন আবি আম্মারা হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে মারফু হিসেবে।এটি উকায়লি (৩/৩৭১), তাবারানি 'আল-আওসাত' (৩/১৬১/২৮০৩) এবং 'আদ-দুআ' (৩৫৬) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।তিনি দোয়ার শুরুতে: "বিসমিল্লাহ" এবং শেষে: "ওয়ামিনাশ শাইত্বানির রাজীম" বৃদ্ধি করেছেন।উকায়লি বলেছেন: "ইসমাইল বিন মুসলিম এই বর্ণনায় তাঁর অনুসরণ করেছেন, আর ইসমাইল তাঁর চেয়ে নিম্নস্তরের", তাঁর বর্ণনাটি এর পরেই আসবে।তাবারানি বলেছেন: "কাতাদাহ থেকে আনাসের সূত্রে আদী ছাড়া আর কেউ এই হাদিস বর্ণনা করেননি, আর আদীর থেকে কাতান এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন"।তিনি 'আদ-দুআ' গ্রন্থে বলেছেন: "যারা কাতাদাহ থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন তাদের মধ্যে আদী বিন আবি আম্মারা ব্যতীত আর কেউ এর মূলপাঠের (মতন) মধ্যে 'বিসমিল্লাহ' শব্দটি বলেননি"।আদ-দারা কুতনী 'আল-আফরাদ' গ্রন্থে [আতরাফ (২/১৬৩)] বলেছেন: "কাতাদাহর সূত্রে এটি একটি অদ্ভুত (গারিব) হাদিস, আদী তাঁর থেকে এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন"।ইবনে হাজার 'নাতায়িজুল আফকার' (১/১৯৫) গ্রন্থে বলেছেন: "এই সূত্র থেকে এটি একটি অদ্ভুত (গারিব) হাদিস"।আমি বলছি: এটি কাতাদাহর হাদিস হিসেবে মুনকার (প্রত্যাখ্যাত), এতে তিনি প্রচলিত ও সহজ পথ অবলম্বন করেছেন, আর আদী বিন আবি...
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
عمارة الذارع الجرمي القسام: قال فيه الإمام أحمد: "شيخ"، وقال ابن معين وأبو حاتم: "ليس به بأس"، وذكره ابن حبان في الثقات، وقال العقيلي: "في حديثه اضطراب"، وعدَّ الدارقطني هذا الحديث من أوهامه، وعدَّه ابن حجر من أغلاطه [تاريخ ابن معين للدوري (4/ 316/ 4574)، الجرح والتعديل (7/ 4)، ضعفاء العقيلي (3/ 370)، الثقات (7/ 292)، تاريخ أسماء الثقات (1072)، علل الدارقطني (12/ 130/ 2520)، الأنساب (4/ 496)، اللسان (4/ 185)]، والمعروف في هذا عن قتادة: ما رواه أثبت الناس فيه: شعبة وابن أبي عروبة. 5 - ورواه إسماعيل بن مسلم المكي، عن الحسن وقتادة، عن أنس، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول إذا دخل الخلاء: " [بسم الله]، اللَّهُمَّ إني أعوذ بك من الرجس النجس الخبيث المخبث الشيطان الرجيم".وفي رواية: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: "إذا دخل أحدكم الخلاء فليقل: اللَّهُمَّ إني أعوذ بك من الخبث والخبائث".أخرجه البزار (13/ 220/ 6702)، وابن جرير الطبري في التفسير (8/ 32)، والطبراني في الأوسط (8/ 345/ 8825)، وفي الدعاء (365)، وابن السني في عمل اليوم والليلة (18).قال البزار: "وهذا الحديث لا نعلم رواه عن الحسن عن أنس إلا إسماعيل بن مسلم".وقال الطبراني: "لم يرو هذا الحديث عن الحسن وقتادة إلا إسماعيل بن مسلم، تفرد به: عبد الرحيم بن سليمان"، قلت: تابعه: عبد الرحمن بن محمد المحاربي عند الطبري.وخالفهما: علي بن مسهر، وأبو معاوية الضرير، وعبد الله بن نمير [وهم ثقات]: فرووه عن إسماعيل بن مسلم، عن الحسن، عن أنس به، ولم يذكروا قتادة فيه.ذكره الدارقطني في العلل (12/ 130/ 2520).وخالفهم: محمد بن فضيل [صدوق]: حدثنا إسماعيل بن مسلم، عن الحسن، قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء قال: "اللَّهُمَّ إني أعوذ بك من الرجس النجس الخبيث المخبث الشيطان الرجيم".أخرجه ابن فضيل في الدعاء (37).قلت: وهذا اضطراب من إسماعيل بن مسلم المكي في إسناد هذا الحديث ولفظه، وهو: ضعيف، عنده عجائب، ويروي عن الثقات المناكير [العلل ومعرفة الرجال (2/ 352/ 2556)، ضعفاء العقيلي (1/ 92)، الكامل (1/ 283)، التهذيب (1/ 167)].وقد تابع ابن فضيل على الوجه الأخير مرسلًا، وهو المحفوظ عن الحسن:هشام بن حسان [ثقة، من أصحاب الحسن]، عن الحسن؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا دخل الخلاء، قال: "اللَّهُمَّ إني أعوذ بك من الخبيث المخبث الرجس النجس الشيطان الرجيم".
উমারা ইবনুল জাররি আল-জারমি আল-কাসসাম: ইমাম আহমাদ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "শায়খ", এবং ইবনে মাঈন ও আবু হাতিম বলেছেন: "তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই", আর ইবনে হিব্বান তাকে 'আস-সিকাত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আল-উকাইলি বলেছেন: "তাঁর হাদিসে ইযতিরাব (বিশৃঙ্খলতা) রয়েছে", এবং আদ-দারাকুতনি এই হাদিসটিকে তাঁর কাল্পনিক ধারণাপ্রসূত ভুলের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, আর ইবনে হাজার একে তাঁর ভুলগুলোর অন্যতম হিসেবে গণ্য করেছেন [তারিখ ইবনে মাঈন লিদ-দুরি (৪/৩১৬/৪৫৭৪), আল-জারহু ওয়াত-তাদিল (৭/৪), দুয়াফাউল উকাইলি (৩/৩৭০), আস-সিকাত (৭/২৯২), তারিখু আসমাইস সিকাত (১০৭২), ইলালুদ দারাকুতনি (১২/১৩০/২৫২০), আল-আনসাব (৪/৪৯৬), আল-লিসান (৪/১৮৫)]। আর এই বিষয়ে কাতাদাহ থেকে যা প্রসিদ্ধ তা হলো সেই বর্ণনা যা তাঁর সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিরা বর্ণনা করেছেন: শু'বাহ এবং ইবনে আবি আরুবাহ। ৫ - এবং এটি ইসমাইল ইবনে মুসলিম আল-মাক্কি হাসান ও কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন তখন বলতেন: "[বিসমিল্লাহ], হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অপবিত্র, নাপাক, মন্দ, মন্দকারী এবং বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে প্রবেশ করে তখন যেন বলে: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র পুরুষ ও নারী শয়তানদের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাইছি।"এটি আল-বাযযার (১৩/২২০/৬৭০২), তাফসিরে ইবনে জারির আত-তাবারী (৮/৩২), আত-তাবারানি আল-আওসাত (৮/৩৪৫/৮৮২৫), আদ-দুআ (৩৬৫) এবং আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ গ্রন্থে ইবনে সুন্নি (১৮) বর্ণনা করেছেন।আল-বাযযার বলেছেন: "এই হাদিসটি হাসান থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা মতে ইসমাইল ইবনে মুসলিম ছাড়া আর কেউ নেই।"আত-তাবারানি বলেছেন: "এই হাদিসটি হাসান ও কাতাদাহ থেকে ইসমাইল ইবনে মুসলিম ছাড়া কেউ বর্ণনা করেননি, এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন: আবদুর রহিম ইবনে সুলাইমান।" আমি (লেখক) বলছি: আত-তাবারির গ্রন্থে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-মুহারিবি তাঁর অনুসরণ করেছেন।আর তাঁদের বিরোধিতা করেছেন: আলি ইবনে মুশহির, আবু মুয়াবিয়া আদ-দারির এবং আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর [তাঁরা নির্ভরযোগ্য]: তাঁরা এটি ইসমাইল ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং এতে তাঁরা কাতাদাহর কথা উল্লেখ করেননি।আল-দারাকুতনি এটি আল-ইলাল (১২/১৩০/২৫২০) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।আর তাঁদের বিরোধিতা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল [যিনি সত্যবাদী]: তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে মুসলিম, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন তখন বলতেন: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অপবিত্র, নাপাক, মন্দ, মন্দকারী এবং বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"ইবনে ফুদাইল এটি আদ-দুআ (৩৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।আমি (লেখক) বলছি: এই হাদিসের সনদ এবং পাঠে এটি ইসমাইল ইবনে মুসলিম আল-মাক্কির পক্ষ থেকে একটি ইযতিরাব (বিশৃঙ্খলতা), তিনি দুর্বল (যয়ীফ), তাঁর নিকট অনেক অদ্ভুত বর্ণনা রয়েছে এবং তিনি নির্ভরযোগ্য রাবিদের সূত্রে অগ্রহণযোগ্য (মুনকার) হাদিস বর্ণনা করেন [আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল (২/৩৫২/২৫৫৬), দুয়াফাউল উকাইলি (১/৯২), আল-কামিল (১/২৮৩), আত-তাহযিব (১/১৬৭)]।সর্বশেষ বর্ণনার ক্ষেত্রে মুরসাল হিসেবে ইবনে ফুদাইলের অনুসরণ করা হয়েছে এবং এটিই হাসান থেকে সংরক্ষিত (মাহফুজ):হিশাম ইবনে হাসান [নির্ভরযোগ্য, হাসানের অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত], তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন তখন বলতেন: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে মন্দ, মন্দকারী, অপবিত্র, নাপাক এবং বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।"
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
أخرجه أبو داود في المراسيل (2).قال الدارقطني في العلل (12/ 130/ 2520) لما سئل عن حديث قتادة، عن أنس: قال رسول الله: "إن هذه الحشوش محتضرة، فإذا دخل أحدكم، فليقل: اللَّهُمَّ إني أعوذ بك من الخبث والخبائث"؟ فقال: "اختلف فيه على قتادة: فرواه عديّ بن أبي عمارة، عن قتادة، عن أنس.وتابعه إسماعيل بن مسلم -من رواية المحاربي، وعبد الرحيم بن سليمان-، فإنهما روياه عن إسماعيل، عن الحسن وقتادة، عن أنس.وخالفهما: علي بن مسهر، وأبو معاوية الضرير، وعبد الله بن نمير: فرووه عن إسماعيل بن مسلم، عن الحسن، عن أنس، ولم يذكروا: قتادة فيه.ورواه هشام بن حسان، عن الحسن مرسلًا، وهو الصحيح عن الحسن.فأما قول عدي بن أبي عمارة، وإسماعيل بن مسلم المكي: عن قتادة، عن أنس؛ فإن ذلك وهم منهما؛ لأن قتادة لم يسند هذا الحديث عن أنس، وإنما أسنده عن زيد بن أرقم، واختلف عليه فيمن بينه وبين زيد".قال ابن أبي حاتم لأبي زرعة الرازي: "فحديث إسماعيل بن مسلم، يزيد فيه: "الرجس النجس"؟ قال: وإسماعيل ضعيف، فأرى أن يقال: الرجس النجس الخبيث المخبث الشيطان الرجيم؛ فإن هذا دعاء" [علل ابن أبي حاتم (13)].وانظر: غريب الحديث لأبي عبيد القاسم بن سلام (1/ 415).• وحاصل ما تقدم: أن الذي يظهر لي -والله أعلم-: أن إسناد شعبة وابن أبي عروبة: كلاهما محفوظ، والأمر كما قال الحاكم: "كلا الإسنادين من شرط الصحيح"، وكما قال البخاري: "يحتمل أن يكون قتادة روى عنهما جميعًا"، وفي رواية: "لعل قتادة سمع منهما جميعًا".وقد تكلمت على إسناديهما بالتفصيل في تخريج أحاديث الدعاء برقم (52)، فليراجع، إلا أن ثمة خطأ وقع هناك فليصحح من هنا، وهو المحفوظ عن شعبة، وعن ابن أبي عروبة، ومما يؤيد ما ذهبت إليه هنا: المساجلة العلمية التي وقعت بين يحيى بن سعيد القطان وعلي بن المديني [انظر: الجرح (1/ 240)، وغيره].* * * 4 - باب كراهية استقبال القبلة عند قضاء الحاجة7 - . . . إبراهيم [النخعي]، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن سلمان، قال: قيل له: لقد علَّمَكم نبيُّكم كلَّ شيءٍ حتى الخِرَاءَةَ! قال: أجل، لقد نهانا صلى الله عليه وسلم أن
আবু দাউদ এটি আল-মারাসিল গ্রন্থে (২) বর্ণনা করেছেন।আদ-দারা কুতনী আল-ইলাল গ্রন্থে (১২/ ১৩০/ ২৫২০) বলেছেন, যখন তাকে কাতাদাহর সূত্রে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "নিশ্চয়ই এই শৌচাগারগুলোতে জিনের উপস্থিতি থাকে, তাই তোমাদের কেউ যখন প্রবেশ করবে, সে যেন বলে: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অপবিত্র পুরুষ ও নারী জিন থেকে আশ্রয় চাই"? তখন তিনি বললেন: "কাতাদাহর বর্ণনায় এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে: আদি ইবনে আবি আমারা এটি কাতাদাহর সূত্রে আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।আর ইসমাইল ইবনে মুসলিম তার অনুসরণ করেছেন—মুহারিবি এবং আবদুর রাহিম ইবনে সুলাইমানের বর্ণনা থেকে—কেননা তারা উভয়ে এটি ইসমাইলের সূত্রে হাসান ও কাতাদাহ থেকে, তারা আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।কিন্তু আলি ইবনে মুশাহির, আবু মুয়াবিয়া আদ-দারির এবং আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর তাদের বিরোধিতা করেছেন: তারা এটি ইসমাইল ইবনে মুসলিমের সূত্রে হাসান থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তারা এতে কাতাদাহর কথা উল্লেখ করেননি।আর হিশাম ইবনে হাসসান এটি হাসানের সূত্রে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং হাসানের পক্ষ থেকে এটিই সঠিক।আর আদি ইবনে আবি আমারা এবং ইসমাইল ইবনে মুসলিম আল-মাক্কির বক্তব্য: 'কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে'—এটি তাদের উভয়ের একটি ভুল; কারণ কাতাদাহ এই হাদিসটি আনাস (রা.)-এর সূত্রে মুসনাদ হিসেবে বর্ণনা করেননি, বরং তিনি এটি জায়েদ ইবনে আরকাম (রা.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তার ও জায়েদের মধ্যবর্তী রাবি সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে।"ইবনে আবি হাতিম আবু যুরআ আর-রাজিকে বললেন: "ইসমাইল ইবনে মুসলিমের হাদিসে তিনি কি এতে 'আর-রিজসুন নাজিস' শব্দগুলো বৃদ্ধি করেছেন?" তিনি বললেন: "ইসমাইল দুর্বল, তাই আমি মনে করি এটি এভাবে বলা যায়: আর-রিজসুন নাজিসুল খাবিসুল মুখাবিসুশ শাইতানির রাজিম; কারণ এটি একটি দোয়া।" [ইলাল ইবনে আবি হাতিম (১৩)]।এবং দেখুন: আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লামের গারিবুল হাদিস (১/ ৪১৫)।• যা কিছু পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তার সারকথা হলো: আমার কাছে যা স্পষ্ট হচ্ছে—আর আল্লাহ ভালো জানেন—শু'বাহ এবং ইবনে আবি আরুবাহ উভয়ের সনদ সংরক্ষিত, আর বিষয়টি তেমনই যেমনটি আল-হাকিম বলেছেন: "উভয় সনদই সহিহ হাদিসের শর্ত অনুযায়ী," এবং যেমনটি আল-বুখারি বলেছেন: "সম্ভবত কাতাদাহ তাদের উভয় থেকে বর্ণনা করেছেন," অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে: "সম্ভবত কাতাদাহ তাদের উভয় থেকে শুনেছেন।"আমি তাদের উভয় সনদ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি 'তাখরিজু আহাদিসিদ দুআ' গ্রন্থে ৫২ নম্বর হাদিসে, তাই সেটি দেখে নেওয়া যেতে পারে; তবে সেখানে একটি ভুল হয়েছিল যা এখান থেকে সংশোধন করে নেওয়া উচিত, আর সেটি হলো যা শু'বাহ ও ইবনে আবি আরুবাহ থেকে সংরক্ষিত। আমি এখানে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি তার সমর্থনে রয়েছে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান এবং আলি ইবনুল মাদিনির মধ্যে সংঘটিত ইলমি বিতর্ক [দেখুন: আল-জারহু (১/ ২৪০) এবং অন্যান্য]।* * * ৪ - শৌচাগারে কিবলামুখী হওয়া অপছন্দনীয় হওয়া সংক্রান্ত অধ্যায়৭ - . . . ইব্রাহিম [আন-নাখায়ি], আবদুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি সালমান (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তাকে বলা হলো: তোমাদের নবী তোমাদের সবকিছু শিখিয়েছেন এমনকি শৌচকার্যের পদ্ধতিও! তিনি বললেন: অবশ্যই, তিনি (সা.) আমাদের নিষেধ করেছেন যে আমরা যেন...
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
نستقبلَ القبلةَ بغائطٍ أو بولٍ، وأن لا نستنجيَ باليمين، وأن لا يستنجي أحدُنا بأقلَّ من ثلاثة أحجار، أو يستنجي برجيعٍ أو عظمٍ.• حديث صحيحأخرجه مسلم (262)، وأبو عوانة (1/ 185/ 579 - 582)، وأبو نعيم (1/ 319/ 606 و 607)، والترمذي (16)، والنسائي (41 و 49)، وابن ماجه (316)، وابن خزيمة (74 و 81)، وابن الجارود (29)، وأحمد (5/ 437 و 438 و 439)، والطيالسي (654)، وابن أبي شيبة (1/ 139 و 140 و 143) و (7/ 305)، والبزار (6/ 470/ 2502)، والطحاوي في شرح المعاني (1/ 121)، والطبراني في الكبير (6/ 6079 - 6082)، والدارقطني (1/ 54)، والبيهقي (1/ 91 و 102 و 112)، وابن عبد البر في التمهيد (11/ 18) و (22/ 313)، والحازمي في الاعتبار (38)، وغيرهم.قال الترمذي: "حسن صحيح".* * * 8 - . . . محمد بن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "إنما أنا لكم بمنزلة الوالد أعلمكم؛ فإذا أتى أحدُكم الغائطَ فلا يستقبل القبلة ولا يستدبرها، ولا يستطب بيمينه" وكان يأمر بثلاثة أحجار، وينهى عن الرَّوْثِ والرِّمَّة.• حديث صحيحأخرجه النسائي (40)، وابن ماجه (313)، والدارمي (1/ 182/ 674)، وابن خزيمة (80)، وابن حبان (4/ 284 و 288/ 1435 و 1440)، وأبو عوانة (1/ 170 و 171/ 509 و 511)، والشافعي في المسند (13)، وفي الأم (1/ 22)، وأحمد (2/ 247 و 250)، والحميدي (988)، وابن المنذر في الأوسط (1/ 355)، والطحاوي في شرح المعاني (1/ 121 و 123) و (4/ 233)، وابن عدي في الكامل (6/ 465)، والبيهقي (1/ 91 و 102 و 112)، وابن عبد البر في التمهيد (11/ 18) و (22/ 312) وصححه. والبغوي في شرح السُّنَّة (173)، والرافعي في التدوين (1/ 266) و (4/ 64).وهذا إسناد مدني حسن.وأصل الحديث في صحيح مسلم (265) من رواية: سهيل بن أبي صالح، عن القعقاع، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "إذا جلس أحدكم على حاجته؛ فلا يستقبل القبلة ولا يستدبرها".* * *
আমরা যেন মলমূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ না করি, আর ডান হাত দিয়ে যেন শৌচকার্য সম্পাদন না করি, এবং আমাদের কেউ যেন তিনটির কম পাথর দিয়ে শৌচকার্য না করে অথবা গোবর বা হাড় দিয়ে শৌচকার্য না করে।• সহীহ হাদীসএটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম (২৬২), আবু আওয়ানা (১/১৮৫/৫৭৯ - ৫৮২), আবু নুআয়ম (১/৩১৯/৬০৬ ও ৬০৭), তিরমিযী (১৬), নাসাঈ (৪১ ও ৪৯), ইবনে মাজাহ (৩১৬), ইবনে খুযায়মাহ (৭৪ ও ৮১), ইবনে আল-জারুদ (২৯), আহমাদ (৫/৪৩৭ ও ৪৩৮ ও ৪৩৯), তায়ালিসী (৬৫৪), ইবনে আবী শায়বাহ (১/১৩৯ ও ১৪০ ও ১৪৩) ও (৭/৩০৫), বাযযার (৬/৪৭০/২৫০২), শারহুল মাআনীতে তাহাবী (১/১২১), তাবারানী আল-কাবীর-এ (৬/৬০৭৯ - ৬০৮২), দারাকুতনী (১/৫৪), বায়হাকী (১/৯১ ও ১০২ ও ১১২), আত-তামহীদে ইবনে আব্দুল বার (১১/১৮) ও (২২/৩১৩), আল-ইতিবারে হাযিমী (৩৮) এবং অন্যান্যগণ।তিরমিযী বলেছেন: "হাসান সহীহ"।* * * ৮ - . . . মুহাম্মদ বিন আজলান, আল-কাক্কা বিন হাকীম থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি তোমাদের জন্য কেবল একজন পিতার মতো, আমি তোমাদের শিক্ষা দেই; সুতরাং তোমাদের কেউ যখন মলত্যাগ করতে যায়, সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়, আর সে যেন তার ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য না করে।" তিনি তিনটি পাথর ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও পচা হাড় (ব্যবহার) করতে নিষেধ করতেন।• সহীহ হাদীসএটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ (৪০), ইবনে মাজাহ (৩১৩), দারেমী (১/১৮২/৬৭৪), ইবনে খুযায়মাহ (৮০), ইবনে হিব্বান (৪/২৮৪ ও ২৮৮/১৪৩৫ ও ১৪৪০), আবু আওয়ানা (১/১৭০ ও ১৭১/৫০৯ ও ৫১১), মুসনাদে শাফিঈ (১৩), আল-উম্ম-এ (১/২২), আহমাদ (২/২৪৭ ও ২৫০), হুমাইদী (৯৮৮), আল-আওসাতে ইবনে মুনযির (১/৩৫৫), শারহুল মাআনীতে তাহাবী (১/১২১ ও ১২৩) ও (৪/২৩৩), আল-কামিল-এ ইবনে আদী (৬/৪৬৫), বায়হাকী (১/৯১ ও ১০২ ও ১১২), আত-তামহীদে ইবনে আব্দুল বার (১১/১৮) ও (২২/৩১২) এবং তিনি একে সহীহ বলেছেন। শারহুস সুন্নাহ-তে বাগভী (১৭৩), আত-তাদওয়ীনে রাফেঈ (১/২৬৬) ও (৪/৬৪)।আর এটি একটি মাদানী হাসান সনদ।আর হাদীসটির মূল ভিত্তি সহীহ মুসলিমে (২৬৫) রয়েছে, যা সুহাইল বিন আবু সালিহ, তিনি আল-কাক্কা থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন তার প্রয়োজনে (মলমূত্র ত্যাগের জন্য) বসে, সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়।"* * *
(খণ্ড: ১)
ফাদলুর রাহীম আল-ওয়াদূদ তাখরীজু সুনানি আবী দাউদ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
9 - . . . الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي أيوب -روايةً- قال: "إذا أتيتم الغائط فلا تستقبلوا القبلة بغائطٍ ولا بول، ولكن شرَّقوا أو غرِّبوا".فقدمنا الشام، فوجدنا مراحيض قد بنيت قبل القبلة، فكنا ننحرف عنها، ونستغفر الله.• متفق عليهأخرجه البخاري (144 و 394)، ومسلم (264)، وأبو عوانة (1/ 170/ 505 - 508)، وأبو نعيم (1/ 302/ 609)، والترمذي (8)، والنسائي (21)، وابن ماجه (318)، والدارمي (1/ 178/ 665)، وابن خزيمة (57)، وابن حبان (4/ 263 - 265/ 1416 و 1417)، والشافعي في المسند (183)، وفي الرسالة (292)، وأحمد (5/ 416 و 417 و 421)، والحميدي (378)، وابن أبي شيبة (1/ 139)، وابن المنذر في الأوسط (1/ 324)، والطحاوي (4/ 232)، والطبراني في الكبير (4/ 141 - 144/ 3935 - 3948)، والبيهقي (1/ 91)، والبغوي في شرح السُّنَّة (174)، والحازمي في الاعتبار (37)، وغيرهم.ولفظه عند مسلم: عن أبي أيوب أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: "إذا أتيتم الغائط فلا تستقبلوا القبلة ولا تستدبروها ببولٍ ولا غائطٍ، ولكن شرِّقوا أو غرِّبوا".قال أبو أيوب: فقدمنا الشام، فوجدنا مراحيض قد بنيت قبل القبلة، فننحرف عنها ونستغفر الله.• وله طرق أخرى منها:ما رواه مالك في الموطأ (1/ 268/ 519)، والنسائي (20)، وأحمد (5/ 414 و 415 و 419)، والطحاوي (4/ 232)، والطبراني في الكبير (3931)، والجوهري في مسند الموطأ (288)، وغيرهم. وانظر: علل الدارقطني (6/ 97 و 115).* * * 10 - . . . عمرو بن يحيى، عن أبي زيد، عن معقل بن أبي معقل الأسدي، قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نستقبل القبلتين ببول أو غائط.قال أبو داود: وأبو زيد هو مولى بني ثعلبة.• حديث منكرأخرجه البخاري في التاريخ الكبير (7/ 391)، وابن ماجه (319)، وأحمد (4/ 210)، وابن أبي شيبة في المصنف (1/ 139 و 140)، وفي المسند (772)، وابن أبي عاصم في الآحاد والمثاني (2/ 295 و 296/ 1057 و 1058)، والطحاوي في شرح المعاني (4/ 233)، وأبو نعيم في معرفة الصحابة (5/ 2513/ 6091)، والبيهقي (1/ 91)، والخطيب في الموضح (2/ 475)، والحازمي في الاعتبار (38).
৯ - . . . যুহরি, আতা বিন ইয়াজিদ আল-লাইসি থেকে, আবু আইয়ুব থেকে—একটি বর্ণনা হিসেবে—তিনি বলেন: "যখন তোমরা শৌচাগারে যাবে, তখন মলত্যাগ বা প্রস্রাবের সময় কিবলার দিকে মুখ করো না, বরং তোমরা পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে মুখ করো।"অতঃপর আমরা শাম দেশে পৌঁছলাম, সেখানে আমরা কিছু শৌচাগার পেলাম যা কিবলার দিকে মুখ করে নির্মাণ করা হয়েছিল। সুতরাং আমরা সেগুলো থেকে (বসার সময়) ঘুরে থাকতাম এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতাম।• মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারি ও মুসলিম কর্তৃক ঐক্যমত)এটি বের করেছেন বুখারি (১৪৪ ও ৩৯৪), মুসলিম (২৬৪), আবু আওয়ানা (১/ ১৭০/ ৫০৫ - ৫০৮), আবু নুয়াইম (১/ ৩০২/ ৬০৯), তিরমিজি (৮), নাসাঈ (২১), ইবনে মাজাহ (৩১৮), দারিমী (১/ ১৭৮/ ৬৬৫), ইবনে খুজাইমাহ (৫৭), ইবনে হিব্বান (৪/ ২৬৩ - ২৬৫/ ১৪১৬ ও ১৪১৭), আশ-শাফিঈ মুসনাদে (১৮৩) ও রিসালাতে (২৯২), আহমাদ (৫/ ৪১৬ ও ৪১৭ ও ৪২১), হুমাইদী (৩৭৮), ইবনে আবি শায়বাহ (১/ ১৩৯), আল-আওসাত গ্রন্থে ইবনুল মুনজির (১/ ৩২৪), তাহাবি (৪/ ২৩২), তাবারানি আল-কাবিরে (৪/ ১৪১ - ১৪৪/ ৩৯৩৫ - ৩৯৪৮), বাইহাকি (১/ ৯১), বাগাভি শারহুস সুন্নাহ গ্রন্থে (১৭৪), হাজিমি আল-ইতিবারে (৩৭) এবং অন্যান্যরা।মুসলিমের বর্ণনায় এর শব্দমালা হলো: আবু আইয়ুব থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন তোমরা শৌচাগারে যাবে, তখন প্রস্রাব বা মলত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ করো না এবং তার দিকে পিঠও করো না, বরং তোমরা পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে মুখ করো।"আবু আইয়ুব বলেন: অতঃপর আমরা শাম দেশে পৌঁছলাম, সেখানে আমরা কিছু শৌচাগার পেলাম যা কিবলার দিকে মুখ করে নির্মাণ করা হয়েছিল, ফলে আমরা সেগুলো থেকে ঘুরে থাকতাম এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতাম।• এর আরও অন্যান্য সূত্র রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:যা মালিক মুওয়াত্তা (১/ ২৬৮/ ৫১৯), নাসাঈ (২০), আহমাদ (৫/ ৪১৪ ও ৪১৫ ও ৪১৯), তাহাবি (৪/ ২৩২), তাবারানি আল-কাবিরে (৩৯৩১), জাওহারি মুসনাদে মুওয়াত্তা (২৮৮) এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। দেখুন: ইলালুদ দারাকুতনি (৬/ ৯৭ ও ১১৫)।* * * ১০ - . . . আমর বিন ইয়াহইয়া, আবু যাইদ থেকে, মা'কিল বিন আবি মা'কিল আল-আসাদি থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্রাব বা মলত্যাগের সময় উভয় কিবলার দিকে মুখ করতে আমাদের নিষেধ করেছেন।আবু দাউদ বলেন: আবু যাইদ হলেন বনু সা'লাবার মুক্তদাস।• মুনকার হাদিস (অগ্রহণযোগ্য বর্ণনা)এটি বের করেছেন বুখারি তারিখুল কাবিরে (৭/ ৩৯১), ইবনে মাজাহ (৩১৯), আহমাদ (৪/ ২১০), ইবনে আবি শায়বাহ আল-মুসান্নাফে (১/ ১৩৯ ও ১৪০) ও আল-মুসনাদে (৭৭২), ইবনে আবি আসিম আল-আহাদ ওয়াল মাসানিতে (২/ ২৯৫ ও ২৯৬/ ১০৫৭ ও ১০৫৮), তাহাবি শারহুল মায়ানিতে (৪/ ২৩৩), আবু নুয়াইম মারিফাতুস সাহাবায় (৫/ ২৫১৩/ ৬০৯১), বাইহাকি (১/ ৯১), খাতিব আল-মুওয়াদ্বিহ গ্রন্থে (২/ ৪৭৫), হাজিমি আল-ইতিবারে (৩৮)।