(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: -)
سؤالات الاثرم لأحمد بن حنبل   (أحمد بن حنبل)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: من سؤالات أبي بكر أحمد بن محمد بن هانئ الأثرم أبا عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل

المؤلف: أبو عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل بن هلال بن أسد الشيباني (ت 241هـ)

المحقق: د. عامر حسن صبري

الناشر: دار البشائر الإسلامية - بيروت

الطبعة: الأولى، 1425هـ - 2004م.

عدد الصفحات: 53

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আহমদ বিন হাম্বলকে করা আল-আছরামের প্রশ্নসমূহ   (আহমদ বিন হাম্বল)

বিভাগ: হাদিসের দোষত্রুটি (ইলাল) এবং হাদিস বিষয়ক প্রশ্নসমূহ


কিতাব: আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হানি আল-আছরাম কর্তৃক আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বলকে করা প্রশ্নসমূহ হতে অংশবিশেষ

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ আশ-শায়বানি (মৃত্যু: ২৪১ হিজরি)

গবেষক/সম্পাদনা: ড. আমির হাসান সাবরি

প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৩

[গ্রন্থটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌بسم الله الرحمن الرحيم

أخبرنا الشيخ الأصيل أبو القاسم عبد الله بن الحسين بن عبد الله بن رواحة الأنصاري - بقراءتي عليه في منزله بحلب، يوم الثلاثاء العشرين من شعبان سنة ثمان وثلاثين وستمائة -، قال:

أخبرنا الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن أحمد بن محمد بن إبراهيم السلفي الأصبهاني - قراءة عليه ونحن نسمع، في جمادى الأولى سنة ثلاث وسبعين وخمسمائة، بثغر الإسكندرية - أخبرنا أبو القاسم محمود بن سعادة بن أحمد بن يوسف بن عمران الهلالي - بثغر سلماس من أصل سماعه، سنة ست وخمسمائة - أخبرنا أبو يعلى الخليل بن عبد الله القزويني - قدم علينا سنة اثنتين وعشرين وأربعمائة -، حدثنا أبي حدثنا علي بن أحمد بن الصباح، حدثنا أبو بكر أحمد بن محمد بن هانئ الأثرم، قال:

1- قيل لأبي عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل الشيباني: من أبو نجيح الذي يروي عن عبد الله بن عمرو في أجور بيوت
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

আভিজাত্যপূর্ণ শায়খ আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনুল হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন - আলেপ্পোতে তাঁর নিজ বাসভবনে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, ছয়শ আটত্রিশ হিজরী সনের বিশে শাবান, মঙ্গলবার - তিনি বলেন:

হাফেজ আবু তাহের আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আস-সিলাফী আল-আসবাহানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শ্রবণ করেছি, পাঁচশ তেয়াত্তর হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে, আলেকজান্দ্রিয়া সীমান্তে - আবুল কাসিম মাহমুদ ইবনে সাআদাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে ইমরান আল-হিলালী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন - তাঁর মূল শ্রুতি পান্ডুলিপি হতে সালমাস সীমান্তে, পাঁচশ ছয় হিজরী সনে - আবু ইয়ালা আল-খালীল ইবনে আবদুল্লাহ আল-কাযভিনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন - তিনি চারশ বাইশ হিজরী সনে আমাদের এখানে আগমন করেন -, আমার পিতা আমাদের বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে আহমাদ ইবনে আস-সাব্বাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হানি আল-আছরাম আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

১- আবু আবদুল্লাহ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল আশ-শায়বানীকে জিজ্ঞেস করা হলো: আবু নাজীহ কে, যিনি ঘরবাড়ির ভাড়ার বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন?
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ২৬)
مكة؟ فقال: هو أبو عبد الله بن أبي نجيح

2- قال أبو عبد الله: سماع عبد الرزاق من سفيان بمكة مضطرب، فأما سماعه باليمن أرى أملى عليهم، فذاك صحيح جدا، كان القاضي يكتب، وكانوا يصححون.

3- وسمعت أبا عبد الله يقول: في سبيل الله دراهم أنفقناها في الذهاب إلى عدن - يعني إلى إبراهيم بن الحكم-.
মক্কা? তিনি বললেন: তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি নাজিহ

2- আবু আব্দুল্লাহ বলেন: মক্কায় সুফিয়ান থেকে আব্দুর রাজ্জাকের শ্রবণ বিশৃঙ্খল, তবে ইয়ামেনে তার শ্রবণ সম্পর্কে আমার অভিমত হলো যে তিনি তাদের কাছে শ্রুতলিপি প্রদান করেছিলেন, তাই সেটি অত্যন্ত সহীহ; বিচারক লিখতেন এবং তারা সংশোধন করতেন।

3- আর আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি: আল্লাহর পথে সেই দিরহামগুলো যা আমরা আদন-এ যাওয়ার জন্য ব্যয় করেছি—অর্থাৎ ইবরাহীম বিন আল-হাকামের কাছে।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ২৭)
4- قيل لأبي عبد الله: أبو داود أين هو من أبي عبيدة؟ فقال: أبو داود أعرف بالحديث وأحفظ، لم يكن صاحب حفظ، إلا أن أبا عبيدة كان كتابه صحيحا.

5- قلت لأبي عبد الله: معن بن عبد الرحمن ابن من هو؟ فقال: هو معن بن عبد الرحمن بن عبد الله بن مسعود، قلت له: هو ابن عبد الرحمن بن عبد الله نفسه؟ قال: نعم. قلت: فأدركه سفيان - أعني الثوري -؟ فقال: إي لعمري، روى عنه غير شيء.

6- قلت لأبي عبد الله: روى ابن المبارك عن موسى بن عقبة عن نافع عن ابن عمر: ما كنا ندعو زيد بن حارثة؟ فقال لي: عن نافع منكر، إنما هو عن سالم.
৪- আবু আবদুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো: আবু দাউদ আবু উবাইদাহর তুলনায় কেমন? তিনি বললেন: আবু দাউদ হাদিস সম্পর্কে অধিক অভিজ্ঞ এবং অধিক স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন ছিলেন; তিনি (আবু উবাইদাহ) মুখস্থ রাখার অধিকারী ছিলেন না, তবে আবু উবাইদাহর কিতাব সঠিক ছিল।

৫- আমি আবু আবদুল্লাহকে বললাম: মান বিন আবদুর রহমান কার পুত্র? তিনি বললেন: তিনি হলেন মান বিন আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন মাসউদ। আমি তাঁকে বললাম: তিনি কি সরাসরি আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহর পুত্র? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: সুফিয়ান —অর্থাৎ আস-সাওরি— কি তাঁর সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমার জীবনের কসম, তিনি তাঁর থেকে অনেক কিছু বর্ণনা করেছেন।

৬- আমি আবু আবদুল্লাহকে বললাম: ইবনুল মুবারক মুসা বিন উকবা থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন: "আমরা জায়েদ বিন হারিসাহকে ডাকতাম না"? তিনি আমাকে বললেন: নাফে থেকে এটি মুনকার (অগ্রহণযোগ্য), এটি কেবল সালেম থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ২৮)
7- وسعمت أبا عبد الله يسأل عن حديث علي في المسح، هو صحيح مرفوعا؟ فقال: نعم، هو مرفوع.

8- قيل لأبي عبد الله: شريح بن هانئ صحيح الحديث؟ فقال: نعم، هو متقدم جدا، روى الناس عنه.

9- قيل لأبي عبد الله: المقدام بن شريح هو ابنه؟ فقال: نعم، قلت: روى عنه أيضا عمارة؟ فقال: نعم.

10- قيل لأبي عبد الله: القاسم بن مخيمرة؟ فقال: هو كوفي، نزل الشام، روى عنه الكوفيون.

11- قيل لأبي عبد الله: غالب القطان ابن من هو؟ فقال:
7- আমি আবু আব্দুল্লাহকে মাসাহ সম্পর্কে আলীর হাদীস বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে শুনেছি, এটি কি মারফূ হিসেবে সহীহ? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এটি মারফূ।

8- আবু আব্দুল্লাহকে বলা হলো: শুরাইহ বিন হানি কি হাদীসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি অনেক পূর্ববর্তী, লোকেরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

9- আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো: মিকদাম বিন শুরাইহ কি তাঁর পুত্র? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আমি বললাম: উমারাও কি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

10- আবু আব্দুল্লাহকে কাসিম বিন মুখাইমিরা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো? তিনি বললেন: তিনি কূফী, সিরিয়ায় বসবাস করেছেন, কূফাবাসীরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

11- আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো: গালিব আল-কাত্তান কার পুত্র? তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ২৯)
ابن خطاف، قالها مرتين، بفتح الخاء.

12- وسمعت أبا عبد الله يسأل عن الرجل يعرف بلقبه؟ فقال: إذا لم يعرف إلا به، الأعمش إنما يعرفه الناس هكذا، فسهل في مثل هذا إذا اشتهر به.

13- أملى علينا أبو عبد الله من كتابه، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، حدثنا عبدة بن أبي لبابة، عن سعيد بن عبد الرحمن بن أبزى، عن أبيه، أن عبد الله بن مسعود: قنت في الوتر بعد القراءة قبل الركوع.

14- قلت لأبي عبد الله: سعيد بن عبد الرحمن بن أبزى، وعبد الله بن عبد الرحمن بن أبزى أخوان؟ فقال: نعم.
ইবন খাত্তাাফ, তিনি এটি দুইবার বলেছেন, 'খা' বর্ণের ফাতহাহ (যবর) সহকারে।

১২- এবং আমি আবু আব্দুল্লাহকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি, যাকে তার উপাধির মাধ্যমে চেনা যায়? তিনি বললেন: যখন সে এটি ব্যতীত অন্য কোনোভাবে পরিচিত নয়; যেমন আল-আ'মাশ, মানুষ তাকে কেবল এভাবেই চেনে। সুতরাং যখন কেউ এটি দিয়ে প্রসিদ্ধ হয়ে যায়, তখন এমন ক্ষেত্রে বিষয়টি সহজ (অনুমোদিত)।

১৩- আবু আব্দুল্লাহ তাঁর কিতাব থেকে আমাদের নিকট শ্রুতিলিপি প্রদান করেছেন; তিনি বলেন: আল-ওয়ালিদ ইবন মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদাহ ইবন আবি লুবাবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন আবদির রহমান ইবন আবযা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ বিতর নামাজে কিরাআতের পর এবং রুকুর পূর্বে কুনুত পাঠ করেছেন।

১৪- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: সাঈদ ইবন আবদির রহমান ইবন আবযা এবং আব্দুল্লাহ ইবন আবদির রহমান ইবন আবযা কি দুই ভাই? তিনি বললেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩০)
قلت له: فأيهما أحب إليك؟ فقال: كلاهما عندي حسن الحديث.

15- قلت لأبي عبد الله: معلى كتب عنه شيئا؟ فقال: لا ولا حرفا.

16- حدثنا أبو عبد الله، حدثنا يحيى بن سعيد، عن العوام بن حمزة، قال: سألت أبا عثمان عن القنوت؟ فقال: بعد الركوع، قلت: عمن؟ قال: عن أبي بكر وعمر وعثمان رضي الله عنهم.

17- ذكر أبو عبد الله عطية بن بهرام، فقال: عطية بن بهرام هذا ثقة.

18- قلت لأبي عبد الله: المهلب بن أبي حبيبة؟ فقال: ما أرى به بأسا، ثم قال: يحيى روى عنه غير شيء.
আমি তাকে বললাম: আপনার নিকট এই দুজনের মধ্যে কোনটি অধিক পছন্দনীয়? তিনি বললেন: আমার নিকট তারা উভয়েই উত্তম হাদিস বর্ণনাকারী।

১৫- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: মুআল্লা কি তার থেকে কিছু লিখেছেন? তিনি বললেন: না, এমনকি একটি অক্ষরও না।

১৬- আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওয়াম ইবনে হামজা থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু উসমানকে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: রুকুর পরে। আমি বললাম: কার সূত্রে? তিনি বললেন: আবু বকর, উমর ও উসমান (আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে।

১৭- আবু আব্দুল্লাহ আতিয়্যা ইবনে বাহরামের উল্লেখ করলেন এবং বললেন: এই আতিয়্যা ইবনে বাহরাম নির্ভরযোগ্য।

১৮- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: মুহাল্লাব ইবনে আবি হাবিবা সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: আমি তার মধ্যে কোনো সমস্যা দেখি না। অতঃপর তিনি বললেন: ইয়াহইয়া তার থেকে অনেক কিছু বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩১)
19- قلت لأبي عبد الله: محمد بن عمرو أبو سهل كيف هو؟ فقال: كان عبد الرحمن يحدث عنه، ويحيى بن سعيد لم يكن يستمريه، ولم أر أبا عبد الله يشتهيه.

20- حدثنا أبو عبد الله، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عمر، أنه كان يقنت في الوتر قبل الركوع.

21- قلت لأبي عبد الله: شيء يرويه الوليد بن مسلم، عن الأوزاعي، عن الزهري، عن القاسم بن محمد، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم سجي في ثوب حبرة؟ فقال: نعم، هو عندنا.

22- قل لأبي عبد الله: حديث ابن عمر، هو عن جلاس بن عمرو؟ فقال: نعم، جلاس. قلت له: قال إنسان: خلاس؟! فضحك، وقال: إنما هو جلاس.
১৯- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: মুহাম্মদ ইবনে আমর আবু সাহল কেমন? তিনি বললেন: আবদুর রহমান তার থেকে বর্ণনা করতেন, তবে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ তাকে পছন্দ করতেন না, আর আমি আবু আব্দুল্লাহকেও তাকে পছন্দ করতে দেখিনি।

২০- আবু আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ ইবনে হারুন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বিতর নামাজে রুকুর আগে কুনুত পাঠ করতেন।

২১- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আওযাঈ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি 'হিবারাহ' (ইয়ামানি নকশাদার) চাদরে আবৃত করা হয়েছিল? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এটি আমাদের কাছে আছে।

২২- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: ইবনে উমরের হাদিসটি কি জুল্লাস ইবনে আমর থেকে বর্ণিত? তিনি বললেন: হ্যাঁ, জুল্লাস। আমি তাকে বললাম: একজন ব্যক্তি বলেছে: 'খুল্লাস'?! তখন তিনি হাসলেন এবং বললেন: এটি কেবল 'জুল্লাস'।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩২)
قال أبو عبد الله: اختلف به وكيع وأبو معاوية، فقال أحدهما: عن أبيه. قيل له: رواه غير أبي جناب؟ فقال: ما علمت. ثم قال لي أبو عبد الله: الذي قال خلاس صاحب حديث هو؟! وتبسم. قلت: أراه أراد خلاس بن عمرو الهجري، فقال: وأين هذا من ذاك؟

23- سمعت أبا عبد الله يسأل عن قول النبي صلى الله عليه وسلم: أعوذ بك من الفقر، كيف هذا، وفي الفقر ما فيه من الفضل؟ فقال: إنما استعاذ النبي صلى الله عليه وسلم من فقر القلب.
আবু আব্দুল্লাহ বললেন: ওকী এবং আবু মুয়াবিয়া এই বিষয়ে মতভেদ করেছেন। তাদের একজন বলেছেন: তাঁর পিতা থেকে। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আবু জনাব ছাড়া অন্য কেউ কি এটি বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: আমি জানি না। এরপর আবু আব্দুল্লাহ আমাকে বললেন: যে ব্যক্তি খালাসের কথা বলেছে, সে কি হাদিসের পারদর্শী?! এবং তিনি মুচকি হাসলেন। আমি বললাম: আমার মনে হয় সে খালাস ইবনে আমর আল-হাজরীকে বুঝাতে চেয়েছে। তিনি বললেন: এর সাথে তার কী তুলনা? (কোথায় এ আর কোথায় সে?)

২৩- আমি আবু আব্দুল্লাহকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি: "আমি আপনার নিকট দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি"—এটি কীভাবে সম্ভব, অথচ দারিদ্র্যের মধ্যে তো ফযীলত বা মর্যাদা রয়েছে? তখন তিনি বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূলত অন্তরের দারিদ্র্য থেকেই আশ্রয় চেয়েছেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩৩)
24- وذكر الأوزاعي - يعني عند أبي عبد الله - فقال الهيثم بن خارجة: سمعنا أصحابنا يقولون: ليس هو من الأوزاع، هو ابن عم يحيى بن أبي عمرو الشيباني لحا، إنما كان ينزل قرية للأوزاع. قال الهيثم: قرية بدمشق، إذا خرجت من باب الفراديس. فقال رجل عند أبي عبد الله: سمعت الوليد يقول: لم يكن الأوزاعي من الأوزاع.

25- سمعت أبا عبد الله يسأل عن أبي تميلة، يحيى بن واضح، كيف هو، ثقة؟ فقال: ليس به بأس؟ ثم قال: أرجو إن شاء الله أن لا يكون به بأس. ثم قال: كتبنا عنه على باب هشيم، ثم بقي بعد ذلك زمانا، وكان يختلف يكتب الحديث، قيل له: كان يكتب عن كل ضرب؟ فقال: نعم، كان يكتب عن كِلٍّ. قيل له: خراساني هو؟ فقال: نعم، من أهل مرو، جارنا.
২৪- আওযায়ীকে স্মরণ করা হলো - অর্থাৎ আবু আব্দুল্লাহর নিকট - তখন হাইসাম বিন খারিজাহ বললেন: আমরা আমাদের সাথীদের বলতে শুনেছি: তিনি আওযা গোত্রভুক্ত নন, বরং তিনি ইয়াহইয়া বিন আবু আমর আশ-শাইবানি-র আপন চাচাতো ভাই; তিনি কেবল আওযা গোত্রীয় একটি গ্রামে বসবাস করতেন। হাইসাম বলেন: দামেস্কের একটি গ্রাম, যখন আপনি বাবু আল-ফারাদিস থেকে বের হবেন। আবু আব্দুল্লাহর নিকট এক ব্যক্তি বললেন: আমি ওয়ালিদকে বলতে শুনেছি: আওযায়ী আওযা গোত্রভুক্ত ছিলেন না।

২৫- আমি আবু আব্দুল্লাহকে আবু তূমাইলাহ অর্থাৎ ইয়াহইয়া বিন ওয়াদিহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি যে, তিনি কেমন, নির্ভরযোগ্য কি না? তিনি বললেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। এরপর বললেন: আমি ইনশাআল্লাহ আশা করি যে তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। তারপর তিনি বললেন: আমরা হুশায়িমের দরজায় থাকাকালীন তাঁর থেকে লিখেছি, তারপর তিনি দীর্ঘকাল বেঁচে ছিলেন এবং তিনি বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে হাদিস লিখতেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: তিনি কি সব ধরণের মানুষের থেকে লিখতেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি সবার থেকেই লিখতেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: তিনি কি খুরাসানি ছিলেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, মার্ভের অধিবাসী, আমাদের প্রতিবেশী।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩৪)
26- وذكر لأبي عبد الله عبد الكريم الخراز، فحمل عليه، وقال: ذاك الذي يروي عن أبي إسحاق؟! وتبسم.

27- حدثنا أبو عبد الله، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا أشعث، عن الحسن، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه قدموا مكة، وقد لبوا بحج وعمرة، فذكر الحديث، ثم قال: ما أعجب هذا؟! جعله بحج وعمرة!

28- حدثنا أبو عبد الله، حدثني بهز بن أسد أبو الأسود العمي - وكان ثبتا ثقة، صاحب حديث-.

29- حدثنا أبو عبد الله، حدثنا هشيم، أخبرنا حميد الطويل، حدثنا بكر بن عبد الله المزني، قال: سمعت أنس بن مالك يحدث، قال: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يلبي بالحج والعمرة جميعا، فحدثت بذلك ابن عمر، فقال: لبى بالحج وحده، فحدثت بذلك أنسا، فقال أنس: ما تعدونا إلا صبيانا، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: لبيك عمرة وحجا.
২৬- আবু আব্দুল্লাহর কাছে আব্দুল কারীম আল-খাররাজ-এর কথা উল্লেখ করা হলো, তখন তিনি তার তীব্র সমালোচনা করলেন এবং বললেন: "সেই ব্যক্তি যে আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করে?!" এরপর তিনি মুচকি হাসলেন।

২৭- আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রওহ ইবনে উবাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আশআস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ মক্কায় আগমন করলেন এবং তাঁরা হজ ও উমরার তালবিয়া পাঠ করেছিলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি উল্লেখ করলেন, এরপর তিনি (আবু আব্দুল্লাহ) বললেন: "এটি কতই না আশ্চর্যজনক?! তিনি একে হজ ও উমরা উভয়ের জন্য নির্ধারণ করেছেন!"

২৮- আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাহজ ইবনে আসাদ আবু আল-আসওয়াদ আল-আম্মী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং তিনি ছিলেন সুদৃঢ় ও নির্ভরযোগ্য হাদীস বিশারদ।

২৯- আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আত-তাবীল আমাদের জানিয়েছেন, বকর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুযানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হজ ও উমরা উভয়ের জন্য একত্রে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। অতঃপর আমি বিষয়টি ইবনে উমরকে জানালাম, তিনি বললেন: তিনি কেবল হজের জন্য তালবিয়া পাঠ করেছেন। এরপর আমি বিষয়টি আনাসকে জানালাম, তখন আনাস বললেন: তোমরা তো আমাদের শিশু ছাড়া আর কিছুই মনে করো না; আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: আমি উমরা ও হজের জন্য উপস্থিত।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩৫)
قال أبو عبد الله: لم يذكر فيه الإحلال، وابن أبي عدي وحماد بن سلمة يذكران الإحلال.

30- سمعت أبا عبد الله يقول: هشام - يعني الدستوائي -: أثبت في حديث يحيى من معمر.

31- قلت لأبي عبد الله: يزيد مولى المنبعث معروف؟ فقال: نعم.

32- أتينا أبا عبد الله في عشر الأضحى، فقال أبو عوانة: كنا نأتي الجريري في العشر، فيقول: هذه أيام شغل، وللناس حاجات، وابن آدم إلى الملال ما هو.
আবু আব্দুল্লাহ বলেন: তিনি এতে ইহলাল উল্লেখ করেননি, তবে ইবন আবি আদি এবং হাম্মাদ ইবন সালামাহ ইহলাল উল্লেখ করেছেন।

৩০- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি: হিশাম—অর্থাৎ আদ-দুসতুওয়ায়ী—ইয়াহইয়ার হাদীসের ক্ষেত্রে মা'মার অপেক্ষা অধিক নির্ভরযোগ্য।

৩১- আমি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলাম: আল-মুনবাইস-এর মুক্তদাস ইয়াযীদ কি পরিচিত? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

৩২- আমরা যিলহজ্জের দশকে আবু আব্দুল্লাহর নিকট আসলাম। আবু আওয়ানাহ বললেন: আমরা দশকে আল-জারীরীর নিকট আসতাম, তখন তিনি বলতেন: এগুলো ব্যস্ততার দিন, মানুষের নানাবিধ প্রয়োজন থাকে, আর আদম সন্তান তো ক্লান্তিরই অনুগামী।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩৬)
33- سمعت أبا عبد الله يسأل كم حج النبي صلى الله عليه وسلم؟ فقال: واحدة الذي في الظاهر، ويقال: حجة أخرى قبل هجرته. قال أبو عبد الله: مجاهد وأبو إسحاق يقولان: حج النبي صلى الله عليه وسلم قبل أن يهاجر حجة.

34- قيل لأبي عبد الله: وكم اعتمر؟ قال: أربع عُمَر، ومن الناس من يقول ثلاثا.

35- قيل لأبي عبد الله: هذيل بن بلال كيف هو؟ فقال: ما أرى به بأسا.

36- قيل لأبي أبو عبد الله: سدير الصيرفي ابن من هو؟ فقال: لا أدري ما سمعت، فقال: سدير بن حكيم. قلت له: من ذكر هذا؟ فقال: أبو الحسين العكلي عن شريك، قال: سدير بن حكيم.
৩৩- আমি আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতবার হজ করেছেন? তিনি বললেন: প্রকাশ্য বর্ণনায় একবার, আর বলা হয়: তাঁর হিজরতের পূর্বে আরও একবার হজ করেছিলেন। আবু আব্দুল্লাহ বলেন: মুজাহিদ ও আবু ইসহাক বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিজরত করার পূর্বে একবার হজ করেছিলেন।

৩৪- আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো: তিনি কতবার উমরাহ করেছেন? তিনি বললেন: চারবার উমরাহ, তবে কিছু লোক বলেন তিনবার।

৩৫- আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো: হুযাইল ইবনে বিলাল কেমন? তিনি বললেন: আমি তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা দেখি না।

৩৬- আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো: সুদাইর আস-সাইরাফী কার পুত্র? তিনি বললেন: আমি যা শুনেছি তা জানি না, অতঃপর তিনি বললেন: সুদাইর ইবনে হাকিম। আমি তাঁকে বললাম: এটি কে উল্লেখ করেছেন? তিনি বললেন: আবু আল-হুসাইন আল-উক্লী শারীক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সুদাইর ইবনে হাকিম।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩৭)
قال أبو عبد الله: روى عن شريك. قلت: وحسن بن صالح؟ فقال: نعم، والثوري.

37- قلت لأبي عبد الله: فرات القزاز ابن من؟ قال: لا أدري، فأخبرته عن علي عن زياد بن حسن بن فرات، قال: هو ابن أبي عبد الرحمن. فقال أبو عبد الله: قد رأيت ابنا لحسن بن فرات يجالس ابن إدريس، ولم أحمل عنه شيئا.

38- قلت لأبي عبد الله: سماك الحنفي ابن من هو؟ قال: لا أدري، قلت: ابن الوليد؟ فقال: قد نسبه بعضهم.

قلت له: عبد ربه بن بارق، يقول ابن الوليد؟ فقال: نعم عبد ربه بن بارق.

39- قال أبو عبد الله: سبحان الله! ما أعلم ابن عيينة بعمرو بن دينار، أعلم الناس به ابن عيينة.
আবু আবদুল্লাহ বলেন: তিনি শারিক থেকে বর্ণনা করেছেন। আমি বললাম: এবং হাসান বিন সলিহ? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এবং সাওরীও।

৩৭- আমি আবু আবদুল্লাহকে বললাম: ফুরাত আল-কাযযায কার ছেলে? তিনি বললেন: আমি জানি না। অতঃপর আমি তাকে আলী হতে যিয়াদ বিন হাসান বিন ফুরাতের সূত্রে সংবাদ দিলাম, তিনি বললেন: তিনি আবু আব্দুর রহমানের ছেলে। তখন আবু আবদুল্লাহ বললেন: আমি হাসান বিন ফুরাতের এক ছেলেকে ইবনে ইদরীসের সাথে বসতে দেখেছি, কিন্তু আমি তার থেকে কিছু গ্রহণ করিনি।

৩৮- আমি আবু আবদুল্লাহকে বললাম: সিমাক আল-হানাফী কার ছেলে? তিনি বললেন: আমি জানি না। আমি বললাম: ইবনুল ওয়ালীদ? তিনি বললেন: তাদের কেউ কেউ তাকে এই বংশের বলে উল্লেখ করেছেন।

আমি তাকে বললাম: আবদু রাব্বিহি বিন বারিক, তিনি কি ইবনুল ওয়ালীদ বলেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আবদু রাব্বিহি বিন বারিক।

৩৯- আবু আবদুল্লাহ বলেন: সুবহানাল্লাহ! ইবনে উইয়ায়না আমর বিন দীনার সম্পর্কে কতই না অভিজ্ঞ! মানুষের মধ্যে ইবনে উইয়ায়নাই তাঁর সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অবগত।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩৮)
وذكر علم شعبة وأيوب وابن جريج، قلت له: فأي الناس أعلم به؟ ما أعلم أحدا أعلم به من ابن عيينة، قيل له: كان ابن عيينة صغيرا؟ قال: وإن كان صغيرا، فقد يكون صغير كيس.

40- قيل لأبي عبد الله: عمرو بن دينار، وعبد الله بن دينار أخوان؟ فقال: لا، ثم قال: عبد الله بن دينار مديني، مولى ابن عمرو، وعمرو بن دينار، مكي مولى ابن باذان.

41- قال أبو عبد الله: مات عطاء سنة أربع عشرة أو خمس عشرة، قلت له: أربع أو خمس؟ قال: اختلفوا فيه.

42- سمع أبا عبد الله يقول: ولد سفيان بن عيينة سنة سبع ومائة.

43- وقدم الزهري للحج في سنة ثلاث وعشرين، فرجع من الحج، ومات سنة أربع.

44- قيل له وأبو إسحاق؟ فقال: أبو إسحاق مات سنة تسع وعشرين، يعني السبيعي.
শু'বাহ, আইয়ুব এবং ইবনে জুরাইজের জ্ঞান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। আমি তাঁকে বললাম: মানুষের মধ্যে তাঁদের সম্পর্কে সবথেকে বিজ্ঞ কে? তিনি বললেন: ইবনে উয়ায়নাহর চেয়ে অধিক বিজ্ঞ কাউকে আমি জানি না। তাঁকে বলা হলো: ইবনে উয়ায়নাহ কি তখন ছোট ছিলেন না? তিনি বললেন: ছোট হলেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ।

৪০- আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আমর ইবনে দীনার এবং আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার কি পরস্পর ভাই? তিনি বললেন: না। এরপর তিনি বললেন: আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার মদিনাবাসী, ইবনে উমরের মুক্তদাস; আর আমর ইবনে দীনার মক্কাবাসী, ইবনে বাযানের মুক্তদাস।

৪১- আবু আব্দুল্লাহ বললেন: আতা একশ চৌদ্দ অথবা পনেরো হিজরীতে ইন্তেকাল করেছেন। আমি তাঁকে বললাম: চৌদ্দ না পনেরো? তিনি বললেন: এ বিষয়ে বর্ণনাকারীরা মতভেদ করেছেন।

৪২- তিনি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ একশ সাত হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেছেন।

৪৩- যুহরী একশ তেইশ হিজরীতে হজ্জের উদ্দেশ্যে আসলেন, অতঃপর হজ্জ থেকে ফিরে গেলেন এবং একশ চব্বিশ হিজরীতে ইন্তেকাল করলেন।

৪৪- তাঁকে আবু ইসহাক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: আবু ইসহাক একশ ঊনত্রিশ হিজরীতে ইন্তেকাল করেছেন; অর্থাৎ আস-সাবিঈ।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৩৯)
45- سمعت أبا عبد الله يسأل عن عمرو بن شعيب، قيل له: ما تقول فيه؟ قال: أنا أكتب حديثه، وربما احتججنا به، وربما وجس في القلب منه. ثم قال: مالك يروي عن رجل عنه، قال أبو عبد الله: عمرو بن شعيب بن محمد بن عبد الله بن عمرو بن العاصي.

46- قيل لأبي عبد الله: عكرمة أين مات؟ فقال: مات بالمدينة، زعموا أنه أخرجت جنازته وجنازة كثير عزة في يوم. فقال الهيثم بن خارجة عن عبد القدوس: أن عكرمة مات بإفريقية، ولم يوجد من يحمله حتى اكتري له أربع حبشان، فأنكره أبو عبد الله.
৪৫- আমি আবু আব্দুল্লাহকে আমর ইবনে শুয়াইব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি তাঁর সম্পর্কে কী বলেন? তিনি বললেন: আমি তাঁর হাদিস লিপিবদ্ধ করি এবং কখনো কখনো আমরা তা দলিল হিসেবে গ্রহণ করি, আবার কখনো কখনো তাঁর ব্যাপারে অন্তরে সংশয় জাগে। এরপর তিনি বললেন: মালিক জনৈক ব্যক্তির সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেন। আবু আব্দুল্লাহ বলেন: তিনি হলেন আমর ইবনে শুয়াইব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস।

৪৬- আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো: ইকরিমা কোথায় মৃত্যুবরণ করেছেন? তিনি বললেন: তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। লোকেরা ধারণা করে যে, তাঁর জানাজা এবং কুসাইয়ির আজজার জানাজা একই দিনে বের করা হয়েছিল। অতঃপর হাইসাম ইবনে খারিজা আব্দুল কুদ্দুসের সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে: ইকরিমা আফ্রিকায় মৃত্যুবরণ করেছেন এবং তাঁকে বহন করার মতো কাউকে পাওয়া যায়নি, এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁর জানাজা বহনের জন্য চারজন হাবশি ব্যক্তিকে ভাড়া করা হয়েছিল। আবু আব্দুল্লাহ এই বর্ণনাটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪০)
47- سمعت أبا عبد الله ذكر رواية أبي عاصم عن أبي عوانة، فقال: قال: عفان رأيت أنا أبا عاصم عند أبي عوانة، يأخذ أخذا سيئا.

48- سمعت الهيثم بن خارجة يقول، وأبو عبد الله يسمع: زياد بن علاقة التغلبي؟ فقال أبو عبد الله: يا أبا أحمد! هو زياد بن علاقة الثعلبي، فقال الهيثم: نعم الثعلبي.

49- حدثنا أبو عبد الله بحديث ذكر فيه الصفرية، فقال: الصفرية الخوارج.

50- سمعت أبا عبد الله ذكر قول سفيان: كان عمرو لا يثبت لنا سنه، فقال: لا يحفظ كم أتى عليه.

51- سمعت أبا عبد الله ذكر اسم أبي مسلم عبد الله بن ثوب ثم تبسم، ثم قال: كان علي قال غير هذا، وهو الصواب.
47- আমি আবু আব্দুল্লাহকে আবু আওয়ানা থেকে আবু আসিমের বর্ণনার কথা উল্লেখ করতে শুনেছি। তিনি বললেন: আফফান বলেছেন: আমি আবু আসিমকে আবু আওয়ানার নিকট দেখেছি, সে অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণভাবে (হাদিস) গ্রহণ করছিল।

48- আমি হায়সাম বিন খারিজাকে বলতে শুনেছি, তখন আবু আব্দুল্লাহ শুনছিলেন: যিয়াদ বিন ইলাকাহ আত-তাগলিবি? তখন আবু আব্দুল্লাহ বললেন: হে আবু আহমাদ! তিনি হলেন যিয়াদ বিন ইলাকাহ আস-সা'লাবি। এরপর হায়সাম বললেন: হ্যাঁ, আস-সা'লাবি।

49- আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন যাতে সুফরিয়্যাহদের কথা উল্লেখ ছিল। তিনি বললেন: সুফরিয়্যাহরা হলো খাওয়ারিজ।

50- আমি আবু আব্দুল্লাহকে সুফিয়ানের এই উক্তিটি উল্লেখ করতে শুনেছি: আমর আমাদের নিকট তার বয়স নিশ্চিত করতেন না। তিনি বললেন: তার কত বয়স হয়েছিল তা তিনি স্মরণ রাখতে পারতেন না।

51- আমি আবু আব্দুল্লাহকে আবু মুসলিম আব্দুল্লাহ বিন সাওব-এর নাম উল্লেখ করতে শুনেছি, এরপর তিনি মুচকি হাসলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আলী এ ছাড়া অন্য কিছু বলেছিলেন, আর সেটিই সঠিক।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪১)
52- سمعت أبا عبد الله ذكر زيد بن مربع، فقال: صاحب حديث عمرو بن دينار.

53- ذكر أبو عبد الله اسم أبي نعامة العدوي، فقال: هذا وكيع إن شاء الله سماه عمرو بن عيسى.

54- سمعت أبا عبد الله ذكر أبا أيوب مولى عثمان، فقال: روى عنه أبو يعقوب إسحاق بن عثمان أحاديث.

55- سمعت أبا عبد الله ذكر قول شعبة: ما أخاف أن يدخلني النار غيره - يعني الحديث -، فقال: نعلم أنه كان صافي العمل، أو نحو هذا.
৫২- আমি আবু আব্দুল্লাহকে যাইদ ইবনে মুর্বাই-এর কথা উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি বললেন: তিনি আমর ইবনে দীনারের হাদীস বর্ণনাকারী।

৫৩- আবু আব্দুল্লাহ আবু নুআমা আল-আদাভীর নাম উল্লেখ করে বললেন: ইনশাআল্লাহ, ইনিই হলেন সেই ব্যক্তি যাকে ওয়াকি আমর ইবনে ঈসা নামে অভিহিত করেছেন।

৫৪- আমি আবু আব্দুল্লাহকে উসমানের আযাদকৃত গোলাম আবু আইয়ুবের কথা উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি বললেন: তার থেকে আবু ইয়াকুব ইসহাক ইবনে উসমান হাদীসসমূহ বর্ণনা করেছেন।

৫৫- আমি আবু আব্দুল্লাহকে শু'বার এই উক্তিটি উল্লেখ করতে শুনেছি: "আমি এটি (অর্থাৎ হাদীস) ব্যতীত অন্য কোনো কারণে জাহান্নামে প্রবেশের ভয় করি না"; অতঃপর তিনি বললেন: আমরা জানি যে তাঁর আমল ছিল স্বচ্ছ, অথবা এই জাতীয় কিছু।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪২)
56- ذكر أبو عبد الله ابن عياش، فقال: قديم الموت - يعني إسماعيل-.

57- ذكر أبو عبد الله حفص بن سليمان، فقيل له: المنقري؟ فقال: فمن يكون حفص بن سليمان غير المنقري؟!

58- سمعت أبا عبد الله ذكر حديث موسى بن علي، عن أبيه، عن مسلمة بن مخلد، ذكره عن وكيع وعبد الرحمن اختلفا فيه، فقال أحدهما: توفي النبي صلى الله عليه وسلم وأنا ابن عشر، وقال الآخر: وأنا ابن أربع عشرة، فقال: سبحان الله! متعجبا من ذلك.

59- سمعت أبا عبد الله ذكر أن معتمرا ولد سنة ست، فقلت له: هذا كبير يا أبا عبد الله؟! فقال: كبير؟! لقي الركين وفلانا وكان كبيرا.
56- আবু আবদুল্লাহ ইবনে আইয়াশকে স্মরণ করলেন এবং বললেন: তিনি অনেক আগে ইন্তেকাল করেছেন—অর্থাৎ ইসমাইল।

57- আবু আবদুল্লাহ হাফস ইবনে সুলাইমানের কথা উল্লেখ করলেন, তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: আল-মিনকারি? তিনি বললেন: আল-মিনকারি ছাড়া হাফস ইবনে সুলাইমান আর কে হতে পারে?!

58- আমি আবু আবদুল্লাহকে মুসা ইবনে আলী, তাঁর পিতা থেকে, তিনি মাসলামাহ ইবনে মুখাল্লাদ থেকে বর্ণিত হাদিসটি উল্লেখ করতে শুনেছি। তিনি ওয়াকি এবং আবদুর রহমানের কথা উল্লেখ করেছেন যে, তাঁরা এ বিষয়ে মতভেদ করেছেন; তাঁদের একজন বলেছেন: নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) ইন্তেকাল করেছেন যখন আমার বয়স দশ বছর ছিল, এবং অন্যজন বলেছেন: যখন আমার বয়স চৌদ্দ বছর ছিল। তখন তিনি অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন: সুবহানাল্লাহ!

59- আমি আবু আবদুল্লাহকে উল্লেখ করতে শুনেছি যে, মুতামির একশ ছয় সনে জন্মগ্রহণ করেন। আমি তাকে বললাম: হে আবু আবদুল্লাহ, তিনি কি অনেক প্রবীণ ছিলেন?! তিনি বললেন: প্রবীণ?! তিনি রুকীন এবং অমুক ব্যক্তির সাক্ষাৎ পেয়েছেন এবং তিনি প্রবীণ ছিলেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪৩)
ثم قال: هو أكبر من ابن عيينة، ابن عيينة سبع وهو ست.

60- قيل لأبي عبد الله: الذي يصح عندك أن عبد الله صحب النبي صلى الله عليه وسلم ليلة الجن؟ فقال: ما أدري؟!

61- سمعت أبا عبد الله ذكر أبا المهاجر الرقي، فقلت له: من هو هذا؟ فقال: معروف، روى عنه علي بن ثابت. قلت له: اسم تعرفه؟ فقال: قد سموه، ولا أذكره الساعة، وقد سماه غير أبي عبد الله سالم بن عبد الله.

62- ذكر أبو عبد الله عن أبي عبد الرحمن المقرئ اسم أبي قبيل، ثم قال: ما كان أضبط أبو عبد الرحمن من هؤلاء - يعني أهل مصر-.
এরপর তিনি বললেন: তিনি ইবনে উয়াইনার চেয়ে বড়, ইবনে উয়াইনা সাত এবং তিনি ছয়।

৬০- আবু আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনার নিকট কি এটি বিশুদ্ধ হিসেবে সাব্যস্ত যে, আব্দুল্লাহ জিনের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে ছিলেন? তিনি বললেন: আমি জানি না?!

৬১- আমি আবু আব্দুল্লাহকে আবুল মুহাজির আল-রিক্কির কথা উল্লেখ করতে শুনলাম, তখন আমি তাকে বললাম: তিনি কে? তিনি বললেন: সুপরিচিত, আলী বিন সাবিত তার থেকে বর্ণনা করেছেন। আমি তাকে বললাম: এমন কোনো নাম কি আছে যা আপনি জানেন? তিনি বললেন: তারা তার নাম উল্লেখ করেছেন, তবে এই মুহূর্তে আমার স্মরণে নেই; আবু আব্দুল্লাহ ব্যতীত অন্যজন তার নাম সালেম বিন আব্দুল্লাহ বলে উল্লেখ করেছেন।

৬২- আবু আব্দুল্লাহ আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরির সূত্রে আবু কাবীলের নাম উল্লেখ করলেন, এরপর বললেন: আবু আব্দুর রহমান এদের তুলনায় —অর্থাৎ মিশরবাসীদের তুলনায়— কতই না অধিক নির্ভুল ও স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন ছিলেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪৪)
63- ذكر أبو عبد الله نسب عبد الرحمن بن حميد الرؤاسي، فقال: عبد الرحمن بن حميد بن عبد الرحمن بن عوف.

فقلت: ابن عبد الرحمن بن عوف؟ فقال: هو هذا الرؤاسي، ولكن هذا نسبته يتفق نسبه ونسب ابن عبد الرحمن بن عوف.

64- ذكر أبو عبد الله أبا أسامة، فقال: أي شيء كان عنده عن إسماعيل من الغرائب؟!

65- ذكر أبو عبد الله أبا عامر الهوزي عبد الله بن لحي، فقال: قال بعضهم: نجي. قلت له: يحيى؟ قال: لحي، فقال: نعم يحيى، قال: لحي.
৬৩- আবু আবদুল্লাহ আবদুর রহমান বিন হুমাইদ আল-রুয়াসির বংশপরিচয় উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: আবদুর রহমান বিন হুমাইদ বিন আবদুর রহমান বিন আউফ।

আমি বললাম: আবদুর রহমান বিন আউফের পুত্র? তিনি বললেন: সে এই রুয়াসিই, তবে তার বংশপরিচয় এবং আবদুর রহমান বিন আউফের বংশপরিচয় মিলে গেছে।

৬৪- আবু আবদুল্লাহ আবু উসামার কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: ইসমাইলের সূত্রে তার নিকট কী বিস্ময়কর সব দুর্লভ বর্ণনা ছিল!

৬৫- আবু আবদুল্লাহ আবু আমির আল-হাওজি আবদুল্লাহ বিন লুহাইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তাদের কেউ কেউ বলেছে: নাজি। আমি তাকে বললাম: ইয়াহইয়া? তিনি বললেন: লুহাই। এরপর তিনি বললেন: হ্যাঁ ইয়াহইয়া; (পুনরায় বললেন) লুহাই।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪৫)
66- سمعت أبا عبد الله ذكر معمرا، فقال: كان معمر صاحب علم، وصاحب رحلة.

ثم ذكر من روى عنه، فذكر سعيد بن أبي عروبة، وأظنه قد ذكر أيوب، وقال: كان سعيد يروي عنه، يقول: معمر الزهري، ينسبه إلى الزهري.

67- ذكر أبو عبد الله رباحا صاحب معمر بشيء قد نسيته، أنه كان خاصا بمعمر، وكان يؤثره.

68- حدثنا أبو عبد الله، قال: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، قال: سألت سفيان عن رجل من أهل الذمة اشترى أرضا من أهل العشر، يكون عليها الخراج؟ قال: لا.

69- سمعت أبا عبد الله يقول: سعيد بن أبي هلال ما أدري
৬৬- আমি আবু আব্দুল্লাহকে মা'মার সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি, তিনি বললেন: মা'মার ছিলেন ইলমের অধিকারী এবং ইলম অন্বেষণে দেশভ্রমণকারী।

এরপর তিনি তাঁর নিকট থেকে যারা বর্ণনা করেছেন তাদের কথা উল্লেখ করলেন, তিনি সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ-এর কথা উল্লেখ করলেন, এবং আমার ধারণা তিনি আইয়ুবের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি বললেন: সাঈদ তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করতেন এবং বলতেন: মা'মার আল-জুহরি; তিনি তাঁকে আল-জুহরির দিকে সম্বন্ধ করতেন।

৬৭- আবু আব্দুল্লাহ মা'মারের সাথী রাবাহ সম্পর্কে এমন কিছু উল্লেখ করেছেন যা আমি ভুলে গিয়েছি, যে তিনি মা'মারের বিশেষ ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং তিনি তাঁকে প্রাধান্য দিতেন।

৬৮- আবু আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে মাহদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ানকে এমন এক জিম্মি ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে উশর প্রদানকারী (মুসলিমদের) থেকে জমি ক্রয় করেছে, তার ওপর কি খরাজ ধার্য হবে? তিনি বললেন: না।

৬৯- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি: সাঈদ ইবনে আবি হিলাল সম্পর্কে আমি জানি না—
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪৬)
أي شيء حديثه؟! يخلط في الأحاديث. ثم قال: هو أيضا يروي عن أبي الدرداء في السجود، قلت: حديث النجم؟ فقال: نعم

70- ذكر أبو عبد الله أبا وهب الجيشاني الديلم بن الهوشع، فقال: ما أرى هذا بشيء.

71- قلت لأبي عبد الله: أيما أصح حديثا عن خالد بن معدان، ثور أو بحير بن سعد؟ فقدم بحيرا عليه.
তার হাদিসের কী মূল্য?! সে হাদিসগুলোতে সংমিশ্রণ ঘটায়। তারপর তিনি বললেন: সে আবু দারদা থেকেও সাজদাহ সংক্রান্ত হাদিস বর্ণনা করে। আমি বললাম: (সূরা) নজমের হাদিসটি? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

৭০- আবু আব্দুল্লাহ, আবু ওয়াহাব আল-জাইশানি দাইলাম বিন আল-হাওশা সম্পর্কে আলোচনা করলেন এবং বললেন: আমি তাকে উল্লেখযোগ্য কিছু মনে করি না।

৭১- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: খালিদ বিন মাদানের সূত্রে হাদিসের ক্ষেত্রে কে অধিক বিশুদ্ধ, সাওর নাকি বুহাইর বিন সাদ? তিনি বুহাইরকে তার ওপর প্রাধান্য দিলেন।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪৭)
72- سمعت أبا عبد الله، وعنده أبو بكر الطالقاني صاحب ابن المبارك، فسأل أبا عبد الله عن تفسير: من غسل واغتسل؟ فقال: لو كانت غسل كانت أبين، فأما من قال: غسل واغتسل، فهو عندي يشبه ما فسر سفيان بن عيينة: حل وبل، قال: حل محلل، كأنه كلام مكرر، مثل وبكر وابتكر كلام مكرر.

73- ذكر أبو عبد الله أن ابن عيينة كان يفسر فيحسن التفسير، سمعته يفسر قوله: وأنا أبا بكر وعمر منهم وأنعما، قال: منهم وأهلا، ورأيت هذا يعجب أبا عبد الله.
৭২- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, এমতাবস্থায় যে তাঁর কাছে ইবনুল মুবারকের সাথী আবু বকর আত-তালিকানী উপস্থিত ছিলেন। তিনি আবু আব্দুল্লাহর কাছে এই ব্যাখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন: "যে ধৌত করল এবং গোসল করল (গাসসালা ওয়া ইগতাসালা)"? তিনি বললেন: "যদি শব্দটি (শুধুমাত্র) 'ধৌত করা' (গাসালা) হতো তবে তা আরও স্পষ্ট হতো। আর যারা বলে: 'ধৌত করল এবং গোসল করল', সেটি আমার কাছে সুফিয়ান ইবনে উয়াইনার সেই ব্যাখ্যার সদৃশ যা তিনি 'হাল্লা ওয়া বাল্লা' (বৈধ ও মুক্ত) সম্পর্কে করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন: এটি একটি বৈধকারী কথা, যেন এটি একটি পুনরাবৃত্তিমূলক শব্দ, যেমন 'ভোরে যাওয়া এবং প্রথমে পৌঁছানো' (বাকারা ওয়া ইবতাকারা) হলো পুনরাবৃত্তিমূলক কথা।"

৭৩- আবু আব্দুল্লাহ উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে উয়াইনা যখন ব্যাখ্যা করতেন তখন অত্যন্ত চমৎকার ব্যাখ্যা করতেন। আমি তাঁকে এই পঙ্ক্তির ব্যাখ্যা করতে শুনেছি: "আর আমি আবু বকর ও উমরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করি এবং অনুগ্রহ করি (আনআমা)", তিনি বললেন: "(এর অর্থ) তাদের অন্তর্ভুক্ত করি এবং আপনজন হিসেবে গণ্য করি (আহলান)"। আমি দেখলাম যে বিষয়টি আবু আব্দুল্লাহকে মুগ্ধ করল।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪৮)
قال: رواه عن مالك بن مغول.

74- سمعت أبا عبد الله ذكر سفيان بن عيينة، فقال: ما رأينا مثله.

75- قال أبو بكر الطالقاني - صاحب ابن المبارك - لأبي عبد الله: قد روى ابن المبارك عن عمر بن علي، فقال: هكذا، فقال: نعم، فقال: ماذا روى عنه؟ فقال: أخبرنا عمر بن علي، عن سفيان بن حسين، عن إياس بن معاوية: إياك والشاذ من العلم. قال أبو عبد الله: ما كان أحسن عقله - يعني عمر بن علي -.

76- سمعت أبا عبد الله ذكر يحيى بن الضريس، فقال: قاضي الري.

77- سمعت أبا عبد الله يسأل عن الزبير بن عربي كيف هو؟ قال: لا أعرفه، ما أعلم أحدا روى عنه غير حماد بن زيد، ثم قال: أراه لا بأس به.
তিনি বলেন: তিনি এটি মালিক ইবনে মিগওয়াল থেকে বর্ণনা করেছেন।

74- আমি আবু আবদুল্লাহকে সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহর কথা উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি বলেছিলেন: আমরা তাঁর মতো আর কাউকে দেখিনি।

75- আবু বকর আত-তালিকানি—যিনি ইবনুল মুবারকের সাথী ছিলেন—আবু আবদুল্লাহকে বললেন: ইবনুল মুবারক তো ওমর ইবনে আলী থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: এভাবেই কি? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তিনি তাঁর থেকে কী বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: ওমর ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি ইয়াস ইবনে মুয়াবিয়া থেকে: তোমরা ইলমের বিরল বা ব্যতিক্রমী (শায) বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকো। আবু আবদুল্লাহ বললেন: তাঁর—অর্থাৎ ওমর ইবনে আলীর—বিবেক কতই না চমৎকার ছিল!

76- আমি আবু আবদুল্লাহকে ইয়াহইয়া ইবনে আদ-দারিসের কথা উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি বললেন: রয় এর কাজী।

77- আমি আবু আবদুল্লাহকে জুবায়ের ইবনে আরাবি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে শুনেছি যে, তিনি কেমন? তিনি বললেন: আমি তাঁকে চিনি না, হাম্মাদ ইবনে যাইদ ছাড়া অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই। এরপর তিনি বললেন: আমি মনে করি তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৪৯)
78- سمعت أبا عبد الله ذكر موت أبي عوانة سنة ست وسبعين.

79- سمعت أبا عبد الله ذكر معاوية بن عبد الكريم، فقال: معاوية الضال ثقة، ما أثبت حديثه، ما أصح حديثه.

قلت لأبي عبد الله: يقال بعض ما روى عن عطاء لم يسمعه، فأنكره. وقال: هو يروي بعضها عن قيس، وبعضها يقول: سمعت عطاء، أي: فلا يدلس. قيل: ولم سمي الضال؟ قال: ضل ـ زعموا ـ في طريق مكة، فسمي الضال.

80- قلت لأبي عبد الله: أبو قزعة، اسمه سويد بن حجير؟ فقال: نعم، سويد بن حجير.
৭৮- আমি আবু আব্দুল্লাহকে ছিয়াত্তর হিজরি সনে আবু আওয়ানার মৃত্যুর কথা উল্লেখ করতে শুনেছি।

৭৯- আমি আবু আব্দুল্লাহকে মুয়াবিয়া ইবনে আব্দুল কারিম সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি; তিনি বললেন: মুয়াবিয়া আদ-দালল নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), তার বর্ণিত হাদিস কতই না সুদৃঢ়, তার হাদিস কতই না নির্ভুল (সহীহ)।

আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: বলা হয়ে থাকে যে, আতা থেকে তিনি যা বর্ণনা করেছেন তার কিছু অংশ তিনি সরাসরি শোনেননি। তখন তিনি তা অস্বীকার করলেন এবং বললেন: তিনি সেগুলোর কিছু অংশ কায়স থেকে বর্ণনা করেন এবং কিছু ক্ষেত্রে বলেন: ‘আমি আতাকে বলতে শুনেছি’, অর্থাৎ তিনি তাদলীস করেন না। জিজ্ঞাসা করা হলো: তাকে কেন ‘আদ-দালল’ (পথভ্রষ্ট) নামে ডাকা হয়? তিনি বললেন: তারা ধারণা করে যে, তিনি মক্কার পথে হারিয়ে গিয়েছিলেন, তাই তাকে ‘আদ-দালল’ (পথ হারানো ব্যক্তি) বলা হয়।

৮০- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: আবু কাযাআহ, তার নাম কি সুয়াইদ ইবনে হুজাইর? তিনি বললেন: হ্যাঁ, সুয়াইদ ইবনে হুজাইর।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৫০)
قيل: هو أبو قزعة بن سويد؟ فقال: نعم، هو أبوه شعبة عن أبي قزعة، يروي عنه أحاديث. قال: وأما قزعة بن سويد، فما أقل من يروي عنه، هو شبه المتروك.

81- سمعت أبا عبد الله ذكر حديث أخروا الأحمال، فقال: كان سفيان - يعني ابن عيينة - يرويه عن وائل بن داود، عن ابنه عن الزهري.

82- قلت لأبي عبد الله: عثمان البتي ابن من هو؟ فقال: لا أدري أخبرك، إلا أن هشيما كان إذا حدث عنه يكنيه، ولا يقول: البتي البتة، وكان يقول: عثمان أبو عمرو. وقال غير أبي عبد الله: هو عثمان بن سليمان بن جرموز.
বলা হলো: তিনি কি আবু কাযাআ বিন সুওয়াইদ? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি শু’বার পিতা আবু কাযাআ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি তাঁর থেকে হাদিসসমূহ বর্ণনা করেন। তিনি বললেন: আর কাযাআ বিন সুওয়াইদ সম্পর্কে বলতে গেলে, তাঁর থেকে বর্ণনাকারীর সংখ্যা কতই না কম, তিনি প্রায় পরিত্যক্ত (মাতরুক) পর্যায়ের।

৮১- আমি আবু আব্দুল্লাহকে ‘বোঝাগুলো পিছিয়ে দাও’ (আখখিরুল আহামাল) হাদিসটি উল্লেখ করতে শুনেছি, তখন তিনি বললেন: সুফিয়ান—অর্থাৎ ইবনে উইয়াইনা—এটি ওয়ায়েল বিন দাউদ থেকে, তিনি তাঁর পুত্র থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করতেন।

৮২- আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: উসমান আল-বাত্তী কার পুত্র? তিনি বললেন: আমি জানি না যে আপনাকে কী বলব, তবে হুশাইম যখন তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন তখন তাঁর উপনাম (কুনিয়া) উল্লেখ করতেন, তিনি ‘আল-বাত্তী’ শব্দটি আদৌ উচ্চারণ করতেন না, বরং বলতেন: উসমান আবু আমর। আবু আব্দুল্লাহ ব্যতীত অন্যজন বলেছেন: তিনি হলেন উসমান বিন সুলাইমান বিন জারমুজ।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৫১)
83- سمعت أبا عبد الله ذكر إبراهيم بن شماس السمرقندي، فأحسن الثناء عليه. وقال: كتب إلي بعض أصحابنا أنه أوصى بمائة ألف يشترى بها أسرى من الترك، قال: فاشترينا مائتي نفس أو نحو ذا. قال أبو عبد الله: قتلته الترك أيضا، فانظر ما ختم له به مع القتل؟! وذكر مرة أخرى، فقال: صاحب سنة، وكانت له نكاية في الترك.

84- سمعت أبا عبد الله يقول: كان حجاج يقول في حديث شعبة كله كلمة: حدثني شعبة، كان سأله عنه.

85- حدثنا أبو عبد الله بحديث زهير بن محمد، عن صالح، عن كيسان، عن عبد الله ابن أبي أمامة، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم: البذاذة من الإيمان، يقول: هذا ليس هو أبو أمامة الباهلي، هذا يقولون أبو أمامة بن ثعلبة الأنصاري.
৮৩- আমি আবু আবদুল্লাহকে ইব্রাহিম ইবন শাম্মাস আস-সামারকান্দির কথা উল্লেখ করতে শুনেছি এবং তিনি তাঁর উচ্চ প্রশংসা করেছেন। তিনি বললেন: আমাদের জনৈক সাথী আমার কাছে লিখেছেন যে, তিনি এক লক্ষ (মুদ্রা) অসিয়ত করেছেন যা দিয়ে তুর্কিদের থেকে যুদ্ধবন্দিদের মুক্ত করা হবে। তিনি বলেন: আমরা দুইশ জন বা এর কাছাকাছি ব্যক্তিকে মুক্ত করেছি। আবু আবদুল্লাহ বলেন: তুর্কিরা তাঁকে হত্যাও করেছে, সুতরাং লক্ষ্য করো শাহাদাতের সাথে তাঁর জীবনের সমাপ্তি কী চমৎকার হয়েছে! তিনি পুনরায় তাঁর কথা উল্লেখ করে বলেন: তিনি সুন্নাহর অনুসারী ছিলেন এবং তুর্কিদের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর আঘাত ছিল।

৮৪- আমি আবু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি: হাজ্জাজ শু'বাহর প্রতিটি হাদিসের ক্ষেত্রে বলতেন: ‘শু'বাহ আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন’, কারণ তিনি তাঁকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন।

৮৫- আবু আবদুল্লাহ আমাদের কাছে জুহাইর ইবন মুহাম্মাদের সূত্রে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি সালেহ থেকে, তিনি কায়সান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবি উমামা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: ‘সাদাসিধে জীবনযাপন ঈমানের অংশ’। তিনি বলেন: ইনি আবু উমামা আল-বাহিলি নন, বরং তাঁরা বলেন ইনি আবু উমামা ইবন সা'লাবা আল-আনসারি।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৫২)
وقال: حدثناه عباد عن محمد بن عمرو عن عبد الله بن أبي أمامة الأنصاري، لم يقل عن أبيه.

86- ذكر أبو عبد الله عبد الله بن الحارث المخزومي، فقال: مكي، ثقة.

87- قال أبو عبد الله: الضحاك بن عثمان، مديني، ثقة.

889- ذكر أبو عبد الله: حريش بن سليم، فقال: كوفي، ثقة.

89- وذكر أبو عبد الله: قرة بن خالد، فقال: ثقة.

90- وذكر أبو عبد الله: المختار بن فُلْفُل، فقال: كوفي، ثقة.

91- وذكر أبو عبد الله: مُعَرّف بن واصل، فقال: كوفي، ثقة.
এবং তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট এটি আব্বাদ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি উমামাহ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি তাঁর পিতার কথা উল্লেখ করেননি।

৮৬- আবু আবদুল্লাহ, আবদুল্লাহ ইবনে আল-হারিস আল-মাখজুমির কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি মক্কাবাসী, নির্ভরযোগ্য।

৮৭- আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: আদ-দাহহাক ইবনে উসমান, তিনি মদিনাবাসী, নির্ভরযোগ্য।

৮৮৯- আবু আবদুল্লাহ হুরইশ ইবনে সুলাইমের কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি কুফাবাসী, নির্ভরযোগ্য।

৮৯- এবং আবু আবদুল্লাহ কুররাহ ইবনে খালিদের কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য।

৯০- এবং আবু আবদুল্লাহ আল-মুখতার ইবনে ফুলফুলের কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি কুফাবাসী, নির্ভরযোগ্য।

৯১- এবং আবু আবদুল্লাহ মুআরিফ ইবনে ওয়াসিলের কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি কুফাবাসী, নির্ভরযোগ্য।
(খণ্ড: ১) সুয়ালাতুল আসরাম লিআহমাদ বিন হাম্বল (পৃষ্ঠা: ৫৩)
92- وذكر أبو عبد الله: أبا بكر الحنفي، فقال: ثقة، بصري.

‌‌آخر الجزء، والحمد لله رب العالمين، وصلى الله على محمد وآله وصحبه.

نقله علي بن محمد بن علي البالسي، من خط أبي طاهر إسماعيل بن عبد الله بن الأنماطي.
৯২- এবং আবু আবদুল্লাহ উল্লেখ করেছেন: আবু বকর আল-হানাফী সম্পর্কে, তিনি বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, বসরার অধিবাসী।

‌খণ্ডের সমাপ্তি, এবং সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সাথীবর্গের ওপর।

এটি নকল করেছেন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-বালিসী, আবু তাহির ইসমাঈল বিন আবদুল্লাহ বিন আল-আনমাতির হস্তলিপি থেকে।