(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: -)
رفع اليدين في الصلاة   (ابن القيم)

القسم: مسائل فقهية


الكتاب: رفع اليدين في الصلاة

[آثار الإمام ابن قيم الجوزية وما لحقها من أعمال (20)]

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن أبي بكر بن أيوب ابن قيم الجوزية (691 - 751)

المحقق: علي بن محمد العمران

راجعه: سليمان بن عبد الله العمير - محمد أجمل الإصلاحي

الناشر: دار عطاءات العلم (الرياض) - دار ابن حزم (بيروت)

الطبعة: الرابعة، 1440 هـ - 2019 م (الأولى لدار ابن حزم)

عدد الصفحات: 384

قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 26 رمضان 1442

নামাজে হাত উত্তোলন করা   (ইবনুল কাইয়্যিম)

বিভাগ: ফিকহি মাসআলাসমূহ


গ্রন্থ: নামাজে হাত উত্তোলন করা

[ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহর রচনাবলি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মসমূহ (২০)]

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আইয়ুব ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ (৬৯১ - ৭৫১)

তাহকিক (সম্পাদনা): আলি বিন মুহাম্মদ আল-উমরান

নিরীক্ষণ করেছেন: সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ আল-উমাইর - মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহি

প্রকাশক: দারু আতাআতিল ইলম (রিয়াদ) - দারু ইবনি হাজম (বৈরুত)

সংস্করণ: চতুর্থ, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ (দারু ইবনি হাজমের জন্য প্রথম সংস্করণ)

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৮৪

শামিলা লাইব্রেরির জন্য পেশ করেছে: ‘আতাআতিল ইলম’ ফাউন্ডেশন, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ২৬ রমজান ১৪৪২

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১)
آثار الإمام ابن قيم الجوزية وما لحقها من أعمال (20)

رفع اليدين في الصلاة

 

تأليف

الإمام أبي عبد الله محمد بن أبي بكر بن أيوب ابن قيم الجوزية (691 - 751)

 

تحقيق

علي بن محمد العمران

 

وفق المنهج المعتمد من الشيخ العلامة

بكر بن عبد الله أبو زيد

رحمه الله تعالى

 

دار عطاءات العلم - دار ابن حزم
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহর রচনাবলি এবং তৎসংশ্লিষ্ট কর্মসমূহ (২০)

সালাতে দুই হাত উত্তোলন

 

রচনা

ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবু বকর বিন আইয়ুব ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ (৬৯১ - ৭৫১)

 

সম্পাদনা ও যাচাইকরণ

আলী বিন মুহাম্মদ আল-উমরান

 

সুবিজ্ঞ আল্লামা শাইখ কর্তৃক অনুমোদিত মানদণ্ড অনুযায়ী

বকর বিন আব্দুল্লাহ আবু যায়েদ

আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন

 

দারু আতাআতিল ইলম - দারু ইবনু হাযম
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌مقدمة التحقيق

الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على نبينا الأمين، وعلى آله وصحابته أجمعين إلى يوم الدين، وبعد:

فهذا بحث جليل أفرده الإمام شمس الدين أبو عبدالله محمد بن أبي بكر المشهور بابن قيِّم الجوزية (ت 751) رحمه الله تعالى، في مسألة فقهية واحدة، وهي مسألة: رفع اليدين في الصلاة، وجَعَل الخلافَ فيها معقودًا بين فريقين:

الأول: جماهير العلماء من الصحابة والتابعين والأئمة، القائلين بأن رفع اليدين في الركوع، والرفع منه، والقيام من الركعتين سنة ثابتة عن النبي صلى الله عليه وسلم.

والفريق الثاني: بعض العلماء من الحنفية وغيرهم، القائلين بعدم سنية رفع اليدين في تلك المواضع.

فحرَّر الأقوال في المسألة، وذكر دلائلها النّقلية والعقليّة، واستقصى فيها ما شاء له أن يستقصي، واستدلَّ لكلِّ مذهب بما يعجَز أصحابه أن يستدلوا له، وناقشَ مواقف الفُرَقاء منها، وبما أجاب به كلُّ فريق، ووازن بين تلك المذاهب، فنظر فيها نظر المُنصف المريد للحقِّ.

ولئن كان المؤلِّف لم يصرِّح باختياره وترجيحه لأحد القولين في المسألة ــ فيما بين أيدينا من الكتاب على الأقل(1) ــ فإنه يقود القارئ

--------------------------------------------

(1) إذ ربما صرح به في مقدمة الكتاب المفقودة.

সম্পাদকের ভূমিকা

সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের বিশ্বস্ত নবী, তাঁর পরিবারবর্গ এবং বিচার দিবস পর্যন্ত তাঁর সকল সাহাবীর ওপর। অতঃপর:

এটি একটি মহান গবেষণা যা ইমাম শামসুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবি বকর, যিনি ইবনুল কায়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ (মৃত্যু ৭৫১ হি.) নামে সমধিক পরিচিত—আল্লাহ তায়ালা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন—একটি মাত্র ফিকহি বিষয়ের ওপর স্বতন্ত্রভাবে রচনা করেছেন। বিষয়টি হলো: সালাতে হাত তোলা (রাফউল ইয়াদাইন); তিনি এই বিষয়ে বিদ্যমান মতভেদকে দুটি দলের মধ্যে বিন্যস্ত করেছেন:

প্রথম দল: সাহাবী, তাবিঈ এবং ইমামগণের মধ্যকার অধিকাংশ আলেম, যাঁরা বলেন যে রুকুতে যাওয়ার সময়, রুকু থেকে ওঠার সময় এবং দুই রাকাত শেষে দাঁড়ানোর সময় হাত তোলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে প্রমাণিত একটি সুন্নাহ।

দ্বিতীয় দল: হানাফি মাযহাবের কতিপয় আলেম ও অন্যান্যরা, যাঁরা উক্ত স্থানগুলোতে হাত তোলা সুন্নাহসম্মত না হওয়ার প্রবক্তা।

তিনি এই বিষয়ের বক্তব্যসমূহ বিশ্লেষণ করেছেন, এর বর্ণনাগত ও যৌক্তিক প্রমাণাদি উল্লেখ করেছেন এবং এতে যতটুকু সম্ভব বিস্তারিত অনুসন্ধান চালিয়েছেন। তিনি প্রতিটি মাযহাবের সপক্ষে এমন সব দলীল উপস্থাপন করেছেন যা পেশ করতে খোদ সেই মাযহাবের অনুসারীরাও অনেক সময় অক্ষম হন। তিনি বিভিন্ন পক্ষের অবস্থান এবং প্রতিটি দল যে উত্তর প্রদান করেছে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং মাযহাবগুলোর মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ তুলনা করেছেন। তিনি এই বিষয়টিকে একজন ন্যায়নিষ্ঠ ও সত্যপিয়াসী ব্যক্তির দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

যদিও লেখক এই মাসআলায় দুটি মতের মধ্যে তাঁর নিজের পছন্দ বা কোনো একটিকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেননি—অন্তত আমাদের হাতে থাকা কিতাবের এই অংশটিতে(১)—তথাপি তিনি পাঠককে এমনভাবে পরিচালিত করেন

--------------------------------------------

(১) কারণ সম্ভবত তিনি কিতাবটির হারিয়ে যাওয়া ভূমিকায় তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিলেন।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
إلى الرأي الراجح، ويأخذ بيده إلى الصواب دون أن يلجئه إليه إلجاءً، وسبيله في ذلك: كثرة الأدلة، وقوَّة الحجج التي يسوقها لطرفي النزاع، وسداد الأجوبة، ورد الاعتراضات، وهذا ظاهر في كتابنا بحمد الله تعالى لا خفاء به، إذ استغرق الاستدلال والاحتجاج للقائلين بالرفع أكثر من (200) صفحة، وللفريق الآخر نحو (33) صفحة.

على أن المؤلف قد نصَّ على اختياره في عدد من كتبه، وصرَّح بذلك تصريحًا لا مزيدَ عليه في كتابه «زاد المعاد»: (1/ 218 - 219) قال: «وروى رفع اليدين عنه في هذه المواطن الثلاثة (يعني للإحرام والركوع والرفع منه) نحوٌ من ثلاثين نفسًا، واتفق على روايتها العشرة، ولم يثبت عنه خلاف ذلك ألبتة، بل كان ذلك هديه دائمًا إلى أن فارق الدنيا، ولم يصح عنه حديث البراء: «ثم لا يعود» بل هي من زيادة يزيد بن [أبي] زياد. فليس تَرْك ابنِ مسعودٍ الرفعَ مما يُقدَّم على هديه المعلوم، فقد تُرِك من فِعْل ابن مسعود في الصلاة أشياء ليس معارضها مقاربًا ولا مدانيًا للرّفع، فقد تُرِك من فعله التطبيق والافتراش في السجود، ووقوفه إمامًا بين الاثنين في وسطهما دون التقدم عليهما، وصلاته الفرض في البيت بأصحابه بغير أذان ولا إقامة لأجل تأخير الأمراء. وأين الأحاديث في خلاف ذلك من الأحاديث التي في الرفع كثرةً وصحةً وصراحةً وعملًا، وبالله التوفيق» اهـ.

وللمصنِّف رحمه الله اهتمام بإفراد جُملةٍ من المسائل الفقهية بمؤلفات خاصة، ينتهِج فيها نهجًا واحدًا من تحرير الأقوال، واستيعاب الأدلة، والنظر فيها على طريقة الاجتهاد، وترجيح ما ينصره الدليل والبرهان، مثل: «إغاثة اللهفان
প্রবল মতের দিকে এবং তাকে বাধ্য না করেই সত্যের দিকে পরিচালিত করেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর পদ্ধতি হলো: প্রচুর দলীল-প্রমাণ উপস্থাপন, বিবাদমান উভয় পক্ষের জন্য জোরালো যুক্তি পেশ, যথাযথ উত্তর প্রদান এবং আপত্তি খণ্ডন। আলহামদুলিল্লাহ, এটি আমাদের এই কিতাবে অত্যন্ত সুস্পষ্ট, কোনো অস্পষ্টতা নেই। কেননা, যারা হাত তোলার (রাফউল ইয়াদাইন) প্রবক্তা তাদের সপক্ষে দলীল ও যুক্তির আলোচনা ২০০ পৃষ্ঠারও বেশি স্থান জুড়ে রয়েছে, আর অপর পক্ষের জন্য প্রায় ৩৩ পৃষ্ঠা রয়েছে।

তবে লেখক তাঁর বেশ কিছু কিতাবে নিজের পছন্দের কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর 'যাদুল মাআদ' (১/২১৮-২۱۹) কিতাবে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তা ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন: "এই তিনটি স্থানে (অর্থাৎ ইহরাম, রুকু এবং রুকু থেকে ওঠার সময়) তাঁর থেকে হাত তোলার বিষয়টি প্রায় ত্রিশ জন সাহাবী বর্ণনা করেছেন। আশারা মুবাশশারা এর বর্ণনার ব্যাপারে একমত হয়েছেন এবং এর বিপরীত কোনো কিছু তাঁর থেকে মোটেও প্রমাণিত হয়নি। বরং এটিই ছিল তাঁর চিরস্থায়ী আদর্শ যতক্ষণ না তিনি ইহলোক ত্যাগ করেছেন। আল-বারাআ বর্ণিত 'অতঃপর তিনি পুনরায় তা করেননি' হাদীসটি সহীহ নয়; বরং এটি ইয়াযীদ বিন [আবি] যিয়াদ-এর অতিরিক্ত সংযোজন। সুতরাং ইবনে মাসউদের হাত তোলা বর্জন করা এমন কোনো বিষয় নয় যাকে রাসূলুল্লাহর সুপরিচিত সুন্নাহর ওপর প্রাধান্য দেওয়া যাবে। কেননা সালাতে ইবনে মাসউদের এমন অনেক আমল বর্জন করা হয়েছে যেগুলোর বিপরীত প্রমাণগুলো হাত তোলার বিপরীত প্রমাণের মতো দুর্বল নয়। ইবনে মাসউদের আমল থেকে 'তাতবীক' (রুকুতে দুই হাঁটুর মাঝে হাত রাখা), সিজদায় 'ইফতিরাশ' বর্জন করা হয়েছে; তেমনিভাবে ইমাম হিসেবে দুই ব্যক্তির মাঝখানে দাঁড়ানো এবং শাসকদের বিলম্ব করার কারণে আযান ও ইকামত ছাড়াই বাড়িতে সাথীদের নিয়ে ফরয সালাত আদায় করাও বর্জন করা হয়েছে। আধিক্য, বিশুদ্ধতা, স্পষ্টতা এবং আমলের দিক থেকে হাত তোলার হাদীসগুলোর তুলনায় এর বিপরীত হাদীসগুলো কোথায়? আর আল্লাহর তাওফীকেই সব কিছু সম্পন্ন হয়।" (উদ্ধৃতি সমাপ্ত)।

গ্রন্থকার (রাহিমাহুল্লাহ) বেশ কিছু ফিকহী মাসআলা নিয়ে স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনায় আগ্রহী ছিলেন। যেখানে তিনি মতামতসমূহ বিশদভাবে বিশ্লেষণ, দলীলসমূহ পর্যবেক্ষণ, ইজতিহাদের পদ্ধতিতে সেগুলোর পর্যালোচনা এবং দলীল ও প্রমাণের ভিত্তিতে যা শক্তিশালী হয় তাকে প্রাধান্য দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করতেন। যেমন: "ইগাছাতুল লাহফান"
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
في حكم طلاق الغضبان»، و «حكم إغمام هلال رمضان»، و «نكاح المحرم»، و «حكم تارك الصلاة»، و «ما يحلّ ويحرم من لباس الحرير»، وغيرها.

وقد تأخَّر طبعُ هذا الكتاب مع وجود نسخته الخطيَّة على طَرَف الثُّمام، بل هي بأيدي الباحثين منذ زمن ليس بالقصير(1) = بسبب أن نسخته الوحيدة ــ آنذاك ــ كان لا يمكن الاعتماد عليها؛ لنقصها، ولكثرة البياضات والخروم فيها، ولكونها حديثة النَّسْخ.

ولم يكن في النية الجازمة التوجُّه لأخراج هذا الكتاب ضمن هذه السلسلة من مؤلفات الإمام ابن القيم رحمه الله تعالى في هذا الوقت على الأقل؛ للأسباب السالفة ذاتها، ولكن لما يسَّر الله تعالى الحصول على نسخة نفيسة للكتاب، وظهر أنها أصل تلك النسخة المتأخرة= قويَ العزمُ على تحقيق الكتاب، وسَلْكه ضمن كتب هذا المشروع المبارك إن شاء الله تعالى. على أنه لم يحصل تمامُ الفرح بها؛ إذ النقص حاصل فيها أيضًا، لكنها نسخة نفيسة بخط أحد تلاميذ المصنف، ونَسَخها من خطه، وكتَبها في حياة مؤلفها (كما سيأتي بالتفصيل عند الكلام عليها).

وقد تفضل الأخ الكريم الشيخ عبدالله بن محمد المديفر بإخباري بأمر هذه النسخة حالَ وقوفه عليها، ثم بادر بتصويرها وإرسالها على ( CD) فجزاه الله خيرًا ونفع به.

--------------------------------------------

(1) انظر «ابن قيم الجوزية: حياته آثاره موارده» (ص 251 - 252) لشيخنا العلامة بكر ابن عبدالله أبو زيد رحمه الله تعالى.

রাগান্বিত ব্যক্তির তালাকের বিধান, রমজানের চাঁদ মেঘাচ্ছন্ন হওয়ার বিধান, ইহরাম পরিহিত ব্যক্তির বিবাহ, নামাজ ত্যাগকারীর বিধান, রেশমি পোশাকের যা হালাল ও হারাম এবং অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত।

এই গ্রন্থটির পাণ্ডুলিপি হাতের নাগালে থাকা সত্ত্বেও, এমনকি দীর্ঘ সময় ধরে গবেষকদের নিকট তা বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও এর মুদ্রণ বিলম্বিত হয়েছে(১) = কারণ সে সময় এর একমাত্র যে পাণ্ডুলিপিটি ছিল তার ওপর নির্ভর করা সম্ভব ছিল না; এর অসম্পূর্ণতা, এতে প্রচুর শূন্যস্থান ও বিচ্যুতি থাকা এবং এটি পরবর্তী সময়ের অনুলিপি হওয়ার কারণে।

অন্তত এই সময়ে ইমাম ইবনুল কায়্যিম (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-এর রচনাবলির এই সিরিজের অন্তর্ভুক্ত করে গ্রন্থটি প্রকাশের কোনো দৃঢ় সংকল্প ছিল না; উপরে উল্লিখিত একই কারণগুলোর জন্য। কিন্তু যখন আল্লাহ তাআলা কিতাবটির একটি মূল্যবান পাণ্ডুলিপি প্রাপ্তি সহজ করে দিলেন এবং এটি স্পষ্ট হলো যে এটিই সেই পরবর্তী অনুলিপিটির মূল উৎস = তখন কিতাবটি সম্পাদনা করার এবং ইনশাআল্লাহ এই বরকতময় প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার সংকল্প সুদৃঢ় হলো। তবে এর মাধ্যমে পূর্ণ আনন্দ অর্জিত হয়নি; কারণ এতেও অসম্পূর্ণতা বিদ্যমান, তবে এটি লেখকের জনৈক ছাত্রের হস্তলিপিতে লিখিত একটি মূল্যবান পাণ্ডুলিপি, যা তিনি লেখকের পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করেছেন এবং লেখকের জীবদ্দশাতেই তা লিখেছেন (যেমনটি সে বিষয়ে আলোচনার সময় বিস্তারিত আসবে)।

শ্রদ্ধেয় ভাই শায়খ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-মুদাইফার এই পাণ্ডুলিপিটির সন্ধান পাওয়ামাত্র আমাকে এ বিষয়ে অবহিত করে অনুগ্রহ করেছেন, অতঃপর তিনি দ্রুত এটির ছবি তুলে একটি সিডিতে (CD) পাঠিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন এবং তাঁর দ্বারা উম্মাহর উপকার করুন।

--------------------------------------------

(১) দেখুন আমাদের শায়খ আল্লামা বকর ইবনে আব্দুল্লাহ আবু যায়েদ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) রচিত «ইবনুল কায়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ: হায়াাতুহু, আছারুহু, মাওয়ারিদুহু» (পৃ. ২৫১-২৫২)।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
وبين يدي الكتاب سأقدم عدة مباحث هي:

- تمهيد، وفيه: سبب عناية العلماء بهذه المسألة، وذكر المؤلفات فيها.

- مباحث دراسة الكتاب، وفيها:

- اسم الكتاب.

- تاريخ تأليفه.

- إثبات نسبته للمؤلف.

- عرض موضوعات الكتاب.

- موارد الكتاب.

- وصف النسخ الخطية.

- طبعات الكتاب.

- منهج التحقيق.

- نماذج من النسخ الخطية.

وفي آخر الكتاب توَّجْنا العملَ بفهارس مفصَّلة؛ لفظية وعلمية، كما هو دأبنا في هذه السلسلة. والحمد لله الذي بنعمته تتم الصالحات.

كتبه

عليّ بن محمّد العِمْران

في 28/جمادى الآخرة/1430

مكة المكرمة حرسها الله

للتواصل: aliomraan@hotmail.com
বইটির প্রারম্ভে আমি বেশ কিছু আলোচনা উপস্থাপন করব, সেগুলো হলো:

- ভূমিকা, এতে রয়েছে: এই বিষয়ের প্রতি আলেমগণের বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের কারণ এবং এ বিষয়ে রচিত গ্রন্থসমূহের উল্লেখ।

- গ্রন্থ পরিচিতি ও পর্যালোচনা বিষয়ক আলোচনা, এতে রয়েছে:

- বইয়ের নাম।

- রচনার ইতিহাস।

- লেখকের প্রতি বইটির সম্পৃক্ততার প্রমাণ।

- বইয়ের বিষয়বস্তুর উপস্থাপনা।

- বইয়ের উৎসসমূহ।

- পাণ্ডুলিপিসমূহের বিবরণ।

- বইটির মুদ্রণসমূহ।

- সম্পাদনা পদ্ধতি।

- পাণ্ডুলিপির নমুনা।

বইটির শেষে আমরা কাজটিকে বিস্তারিত শব্দানুক্রমিক ও বিষয়ভিত্তিক নির্ঘণ্টের মাধ্যমে পূর্ণতা দিয়েছি, যেমনটি এই গ্রন্থমালায় আমাদের নিয়মিত রীতি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর অনুগ্রহে সকল নেক কাজ সম্পন্ন হয়।

লিখেছেন

আলি বিন মুহাম্মাদ আল-ইমরান

২৮ জুমাদাল আখিরা, ১৪৩০ হিজরি

মক্কা মুকাররমা, আল্লাহ একে রক্ষা করুন

যোগাযোগের জন্য: aliomraan@hotmail.com
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌تمهيد في

‌‌سبب عناية العلماء بهذه المسألة، وذكر المؤلفات فيها

* سبب عناية العلماء بهذه المسألة

ألَّف جمعٌ من العلماء المتقدِّمين والمتأخِّرين مصنَّفات مفردة في هذه المسألة، ولم يقتصر التأليف فيها على مذهبٍ دون آخر، بل ألّف فيها أصحاب المذاهب الأربعة وغيرها، وقد أشار إلى سبب عنايتهم بذلك عدد منهم، قال الإمام أبو زكريا النواوي الشافعي (676): «اعلم أن هذه مسألة مهمة جدًّا، فإن كلَّ مسلم يحتاج إليها في كل يوم مرَّات متكاثرات، لا سيّما طالب الآخرة ومكثر الصلاة؛ ولهذا اعتنى العلماء بها أشدّ اعتناء، حتى صنَّف الإمام أبو عبدالله البخاريُّ كتابًا كبيرًا في إثبات الرفع في هذين الموضعين والإنكار الشديد على من خالف ذلك، فهو كتاب نفيس … »(1).

وكذلك الحافظ زين الدين ابن رجب الحنبلي (795) قال: «وسبب اعتنائهم بذلك: أنَّ جميعَ أمصار المسلمين، كالحجاز واليمن ومصر والعراق كانَ عامَّة أهلها يرون رفع الأيدي في الصلاة عند الرّكوع والرَّفع منه، سوى أهل الكوفة، فكانوا لا يرفعون أيديهم في الصلاة إلا في افتتاح الصلاة خاصَّة، فاعتنى علماء الأمصار بهذه المسألة، والاحتجاج لها، والرَّدّ على من خالفها.

--------------------------------------------

(1) «المجموع شرح المهذب»: (3/ 399).

ভূমিকা: এই মাসআলার প্রতি

ওলামায়ে কেরামের বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের কারণ, এবং এ বিষয়ক রচনাবলির উল্লেখ

* এই মাসআলার প্রতি ওলামায়ে কেরামের বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের কারণ

পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী আলেমদের একটি জামাত এই মাসআলায় স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন। এ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা কেবল কোনো একটি বিশেষ মাযহাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং চার মাযহাবের অনুসারীগণসহ অন্যরাও এ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাদের মধ্য থেকে বেশ কয়েকজন এই বিষয়ে তাদের বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের কারণ উল্লেখ করেছেন। ইমাম আবু যাকারিয়া আন-নওয়াবী আশ-শাফিঈ (৬৭৬ হিজরী) বলেন: “জেনে রাখুন যে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাসআলা, কারণ প্রত্যেক মুসলমানের প্রতিদিন বহুবার এর প্রয়োজন পড়ে, বিশেষ করে আখেরাত প্রত্যাশী এবং অধিক সালাত আদায়কারীর জন্য। এ কারণেই ওলামায়ে কেরাম এর প্রতি চরম গুরুত্বারোপ করেছেন, এমনকি ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আল-বুখারী এই দুই স্থানে হাত তোলার সাব্যস্তকরণে এবং এর বিরোধিতাকারীদের কঠোর খণ্ডনে একটি বৃহৎ গ্রন্থ রচনা করেছেন; এটি একটি অত্যন্ত মূল্যবান গ্রন্থ ...।”(১)।

অনুরূপভাবে হাফেজ যায়নুদ্দীন ইবনে রজব আল-হাম্বলী (৭৯৫ হিজরী) বলেন: “তাদের এই গুরুত্ব প্রদানের কারণ হলো: হিজায, ইয়েমেন, মিশর ও ইরাকের মতো সকল মুসলিম ভূখণ্ডের সাধারণ মানুষ রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে ওঠার সময় সালাতে হাত তোলা বিধেয় মনে করতেন, কেবল কুফাবাসী ব্যতীত। তারা কেবল সালাত শুরুর সময় (তাকবীরে তাহরিমা) ব্যতীত সালাতের অন্য কোথাও হাত তুলতেন না। তাই বিভিন্ন অঞ্চলের আলেমগণ এই মাসআলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন, এর স্বপক্ষে দলিল উপস্থাপন করেছেন এবং এর বিরোধিতাকারীদের জবাব দিয়েছেন।

--------------------------------------------

(১) «আল-মাজমু শরহুল মুহাযযাব»: (৩/ ৩৯৯)।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
قال الأوزاعي: ما اجتمع عليه علماء أهل الحجاز والشام والبصرة: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كانَ يرفع يديه حذو منكبيه حين يكبر لافتتاح الصلاة، وحين يكبِّر للرُّكوع، وإذا رفع رأسَه من الرُّكوع، إلا أهل الكوفة، فإنهم خالفوا في ذلك أئمتهم. خرجه ابن جرير وغيره.

وقال البخاري في كتابه «رفع اليدين» بعد أن روى الآثار في المسألة: فهؤلاء أهل مكة والمدينة واليمن والعراق قد اتفقوا على رفع الأيدي.

وقال محمد بن نصر المروزي: لا نعلم مصرًا من الأمصار تركوا الرَّفع بأجمعهم في الخفض والرَّفع منه، إلا أهل الكوفة»(1). انتهى كلامه.

 

*‌‌المؤلفات في المسألة:

وهذا ذِكْر من ألف من العلماءفي هذه المسألة، مرتبين على حسب وفياتهم:

1 - أبو عبدالله محمد بن إسماعيل البخاري (ت 256). له «جزء رفع اليدين». مطبوع.

2 - أحمد بن عَمرو البزَّار (ت 292)(2).

3 - محمد بن نصر المروزي (ت 294)(3).

--------------------------------------------

(1) «فتح الباري»: (4/ 304) لابن رجب.

(2) ذكره ابن عبد البر في «الاستذكار»: (1/ 410 - دار الكتب).

(3) نقل منه ابن عبدالبر في «التمهيد»: (9/ 213)، وذكره في «الاستذكار»: (1/ 410)، والذهبي في «السير»: (14/ 37)، وقال الصفدي في «الوافي»: (5/ 76 - إحياء التراث): إنه في أربع مجلدات. ووصفه بعض العلماء بأنه من المعجزات!! ونقل منه المصنف (ص 135) بواسطة ابن عبدالبر فيما يظهر.

আওযাঈ বলেছেন: হিজায, শাম এবং বসরার আলেমগণ যে বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন তা হলো: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শুরুর জন্য তাকবীর দিতেন, যখন রুকুর জন্য তাকবীর দিতেন এবং যখন রুকু থেকে মাথা তুলতেন, তখন তিনি তাঁর দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন; তবে কুফাবাসীরা ব্যতীত, তারা এ বিষয়ে তাদের ইমামদের বিরোধিতা করেছে। এটি ইবনে জারীর এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।

বুখারী তাঁর ‘রাফউল ইয়াদাইন’ গ্রন্থে এই মাসআলা সম্পর্কিত আসারসমূহ বর্ণনা করার পর বলেছেন: এই মক্কা, মদিনা, ইয়েমেন এবং ইরাকের অধিবাসীরা হাত উঠানোর (রাফউল ইয়াদাইন) বিষয়ে একমত হয়েছেন।

মুহাম্মাদ ইবন নাসর আল-মারওয়াযী বলেছেন: আমরা কুফাবাসী ছাড়া এমন কোনো শহর সম্পর্কে জানি না যেখানে রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে ওঠার সময় তারা সবাই মিলে হাত তোলা বর্জন করেছে।(১) তাঁর বক্তব্য এখানেই শেষ।

 

*‌‌এই মাসআলার ওপর রচিত গ্রন্থাবলি:

নিচে এই মাসআলার ওপর যেসব আলেম গ্রন্থ রচনা করেছেন, তাদের মৃত্যুর সাল অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে উল্লেখ করা হলো:

১ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন ইসমাইল আল-বুখারী (মৃত্যু ২৫৬ হি.)। তাঁর ‘জুযউ রাফইল ইয়াদাইন’ নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে। এটি মুদ্রিত।

২ - আহমাদ ইবন আমর আল-বাযযার (মৃত্যু ২৯২ হি.)(২)।

৩ - মুহাম্মাদ ইবন নাসর আল-মারওয়াযী (মৃত্যু ২৯৪ হি.)(৩)।

--------------------------------------------

(১) ইবনে রজবের ‘ফাতহুল বারী’: (৪/ ৩০৪)।

(২) ইবন আব্দুল বার ‘আল-ইস্তিজকার’ (১/ ৪১০ - দারুল কুতুব) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন।

(৩) ইবন আব্দুল বার ‘আত-তামহীদ’ (৯/ ২১৩) গ্রন্থে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং ‘আল-ইস্তিজকার’ (১/ ৪১০) গ্রন্থেও এটি উল্লেখ করেছেন। আয-যাহাবী ‘আস-সিয়ার’ (১৪/ ৩৭) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন এবং আস-সাফাদী ‘আল-ওয়াফী’ (৫/ ৭৬ - ইহয়াউত তুরাস) গ্রন্থে বলেছেন: এটি চার খণ্ডে সমাপ্ত। কোনো কোনো আলেম এটিকে একটি বিস্ময়কর কাজ (মু'জিযাত) হিসেবে অভিহিত করেছেন!! গ্রন্থকার (পৃষ্ঠা ১৩৫) সম্ভবত ইবন আব্দুল বারের মাধ্যমে এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
4 - أحمد بن شعيب النسائي (ت 303)(1).

5 - أبو نُعَيم أحمد بن عبدالله الأصفهاني الشافعي (ت 430)(2).

6 - أبو عبدالله الحاكم النيسابوري الشافعي (ت 405)، ذكره البيهقي في «مناقب أحمد»(3).

7 - أحمد بن الحسين البيهقي الشافعي (ت 458)(4).

8 - أبو زكريا محيي الدين النواوي الشافعي (ت 676) ذكر في «المجموع»: (3/ 399) أنه سيجمع في هذه المسألة كتابًا مستقلًّا.

9 - تقي الدين السبكي الشافعي (ت 756) له رسالة في أحاديث رفع اليدين(5). مطبوع. وهو رد على الأتقاني الآتي ذكره.

10 - أمير كاتب بن أمير عمر بن العميد أمير غازي أبو حنيفة الأتقاني الحنفي (ت 758). صنف في رفع اليدين عند الركوع والرفع، وادّعى

--------------------------------------------

(1) ذكره ابن رجب في «فتح الباري»: (4/ 304).

(2) ذكره السمعاني في «التحبير»: (1/ 178)، وعنه الذهبي في «السير»: (19/ 306).

(3) انظر «فتح الباري» (4/ 322) لابن رجب.

(4) ذكره النواوي في «المجموع»: (3/ 399) وقال: إنه سيذكر مهمات مقاصده.

(5) ذكرها ابنه في ترجمته من «طبقات الشافعية»: (10/ 311) باسم أحاديث رفع اليدين. وقد طبعت في «مجموعة الرسائل المنيرية»: (1/ 253 - 256). وهي في ثلاث صفحات. ولها نسختان في مركز الملك فيصل.

৪ - আহমদ বিন শুআইব আন-নাসায়ী (মৃত্যু ৩০৩)(১).

৫ - আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আসফাহানী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৪৩০)(২).

৬ - আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম আন-নাইসাপুরী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৪০৫), বায়হাকী তাকে ‘মানাকিব আহমদ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন(৩).

৭ - আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-বায়হাকী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৪৫৮)(৪).

৮ - আবু জাকারিয়া মুহিউদ্দীন আন-নববী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৬৭৬) ‘আল-মাজমু’ গ্রন্থে (৩/ ৩৯৯) উল্লেখ করেছেন যে, তিনি এই বিষয়ে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ সংকলন করবেন।

৯ - তাকিউদ্দীন আস-সুবকী আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৭৫৬) রফউল ইয়াদাইনের (উভয় হাত উঠানো) হাদিসসমূহ নিয়ে তাঁর একটি পুস্তিকা রয়েছে(৫)। এটি মুদ্রিত এবং সামনে উল্লিখিত আল-আতকানী-র খণ্ডনমূলক।

১০ - আমীর কাতিব বিন আমীর উমর বিন আল-আমীদ আমীর গাজী আবু হানীফা আল-আতকানী আল-হানাফী (মৃত্যু ৭৫৮)। তিনি রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে উঠার সময় হাত উঠানো সম্পর্কে একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং দাবি করেছেন

--------------------------------------------

(১) ইবনে রজব ‘ফাতহুল বারী’ গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন: (৪/ ৩০৪)।

(২) সামআনী ‘আত-তাহবীর’ গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন: (১/ ১৭৮), এবং তাঁর সূত্রে জাহাবী ‘আস-সিয়ার’ গ্রন্থে: (১৯/ ৩০৬)।

(৩) দেখুন: ইবনে রজব কৃত ‘ফাতহুল বারী’ (৪/ ৩২২)।

(৪) নববী ‘আল-মাজমু’ গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন: (৩/ ৩৯৯) এবং বলেছেন যে, তিনি এর গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যগুলো অচিরেই উল্লেখ করবেন।

(৫) তাঁর পুত্র ‘তাবাকাতুশ শাফিঈয়্যাহ’ গ্রন্থে তাঁর জীবনীতে এটি ‘আহাদিসু রফইল ইয়াদাইন’ নামে উল্লেখ করেছেন: (১০/ ৩১১)। আর এটি ‘মাজমুআতুর রাসায়িল আল-মুনীরিয়্যাহ’ গ্রন্থে মুদ্রিত হয়েছে: (১/ ২৫৩ - ২৫৬)। এটি তিন পৃষ্ঠা সম্বলিত এবং কিং ফয়সাল সেন্টারে এর দুটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
بطلان صلاة من فعل ذلك، فردَّ عليه السبكي بكتابه السالف، ثم ردَّ هو على السبكي في جزء(1).

11 - عمر بن عيسى بن عمر زين الدين المعروف بابن الباريني الشافعي (ت 764). له كتاب: إيضاح أقوى المذهبين في رفع اليدين. مطبوع(2).

12 - عبد الله بن عبد الرحمن بن عبد الله العقيلي الطالبي الهاشمي الشافعي (ت 769). له كتاب مطول على مسألة رفع اليدين، ثم لخَّصه في كرَّاس واحد(3).

13 - أحمد بن حسن بن عبدالله بن أبي عمر المقدسي ابن قاضي الجبل الحنبلي (ت 771)، من بنى قدامة وتلميذ شيخ الإسلام ابن تيمية، له رسالة في مسألة رفع اليدين(4).

14 - محمود بن أحمد بن مسعود جمال الدين أبو الثناء القنوي الدمشقي الحنفي (ت 771). له مقدمة في رفع اليدين في الصلاة(5).

--------------------------------------------

(1) «الدرر الكامنة»: (1/ 415). و «الفوائد البهية»: (ص 50 - 51) للكنوي، وانظر تعليقه في نقد الأتقاني. ورده على السبكي له نسخة خطية في مكتبة الحرم المكي. و (أتقان) إحدى قصبات فاراب، وضبطها ابن تغري بردي بفتح الهمزة وسكون التاء. «المنهل الصافي»: (3/ 103). ومن كتابه عدة نسخ خطية، انظر «الفهرس الشامل- الفقه وأصوله»: (4/ 403).

(2) صدر عن دار البخاري عام 1412 في (202 صفحة) بتحقيق الدكتور عبدالعزيز الأحمدي.

(3) انظر «غاية النهاية في طبقات القراء»: (1/ 190).

(4) انظر «الدرر الكامنة» (1/ 121)، و «معجم الكتب» (ص 110) ليوسف بن عبدالهادي. وترجمته في «المقصد الأرشد»: (1/ 92 - 95)، و «المنهج الأحمد»: (5/ 135 - 137) ولم يذكرا الكتاب.

(5) انظر «تاج التراجم»: (ص 290).

যে ব্যক্তি তা করবে তার সালাত বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে; অতঃপর সুবকী তাঁর পূর্বোক্ত কিতাবের মাধ্যমে তাঁর প্রতিবাদ করেন, এরপর তিনি একটি পুস্তিকায়(১) সুবকীর প্রতিবাদ করেন।

১১ - উমর বিন ঈসা bin উমর যাইনুদ্দীন, যিনি ইবনুল বারিনী আশ-শাফিঈ (ওফাত ৭৬৪) নামে পরিচিত। তাঁর একটি কিতাব রয়েছে: হাত উঠানোর (রাফউল ইয়াদাইন) বিষয়ে দুই মাযহাবের অধিক শক্তিশালী মতের স্পষ্টীকরণ। এটি মুদ্রিত(২)।

১২ - আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ আল-উকাইলী আত-তালিবি আল-হাশিমি আশ-শাফিঈ (ওফাত ৭৬৯)। হাত উঠানোর মাসআলায় তাঁর একটি দীর্ঘ কিতাব রয়েছে, পরবর্তীতে তিনি তা একটি মাত্র পুস্তিকায়(৩) সংক্ষেপ করেন।

১৩ - আহমদ বিন হাসান বিন আবদুল্লাহ বিন আবু উমর আল-মাকদিসী ইবনে কাযিল জাবাল আল-হাম্বলী (ওফাত ৭৭১), তিনি বনু কুদামা বংশোদ্ভূত এবং শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর ছাত্র। হাত উঠানোর মাসআলায় তাঁর একটি রিসালাহ(৪) রয়েছে।

১৪ - মাহমুদ বিন আহমদ বিন মাসউদ জামালুদ্দীন আবুল সানা আল-কুনাবী আদ-দিমাশকী আল-হানাফী (ওফাত ৭৭১)। সালাতে হাত উঠানো বিষয়ে তাঁর একটি ভূমিকা(৫) রয়েছে।

--------------------------------------------

(১) «আদ-দুরারুল কামিনাহ»: (১/ ৪১৫)। এবং লাখনভী রচিত «আল-ফাওয়াইদুল বাহিয়্যাহ»: (পৃ. ৫০ - ৫১), আল-আতকানী-র সমালোচনায় তাঁর টীকা দেখুন। সুবকীর প্রতি তাঁর প্রতিবাদের একটি পাণ্ডুলিপি মক্কার হারাম লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে। আর 'আতকান' হলো ফারাব অঞ্চলের অন্যতম শহর, ইবনে তাগরীবর্দী এর উচ্চারণ হামযাহ-তে ফাতহাহ এবং তা-তে সুকুন যোগে নির্ধারণ করেছেন। «আল-মানহালুস সাফী»: (৩/ ১০৩)। তাঁর কিতাবটির বেশ কয়েকটি পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান, দেখুন «আল-ফিহরিসুশ শামিল— আল-ফিকহ ওয়া উসুলুহু»: (৪/ ৪০৩)।

(২) এটি ১৪১২ হিজরীতে ডক্টর আবদুল আযীয আল-আহমাদীর তাহকীকে দারুল বুখারী থেকে প্রকাশিত হয়েছে (২০২ পৃষ্ঠায়)।

(৩) দেখুন «গায়াতুন নিহায়াহ ফী তাবাকাতিল কুররা»: (১/ ১৯০)।

(৪) দেখুন «আদ-দুরারুল কামিনাহ» (১/ ১২১), এবং ইউসুফ বিন আবদুল হাদীর «মু’জামুল কুতুব» (পৃ. ১১০)। তাঁর জীবনী «আল-মাকসাদুল আরশাদ»: (১/ ৯২ - ৯৫) এবং «আল-মানহাজুল আহমাদ»: (৫/ ১৩৫ - ১৩৭)-এ বর্ণিত হয়েছে, তবে তাঁরা কিতাবটির কথা উল্লেখ করেননি।

(৫) দেখুন «তাজুত তারাজিম»: (পৃ. ২৯০)।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
15 - أحمد بن محمد بن إسماعيل، أبو هاشم المصري الظاهري مذهبًا، التيميّ(1)، المعروف بابن البرهان (ت 798). له مسألة رفع اليدين في السجود(2). قال ابن ناصر الدين: له مصنف لطيف في رفع اليدين في الصلاة(3). قال السخاوي: أملاه وهو في الحبس بغير مطالعة، مما يدل على وفور اطلاعه.

16 - قاسم بن قطلوبغا زين الدين، وربما لقِّب الشرف، أبو العدل السودوني الحنفي (ت 879)، أفرد مسألة رفع اليدين برسالة(4).

17 - يوسف بن إسكندر بن محمد أبو المحاسن، الحلبي، الحنفي (ت 929). ألف رسالة في تقوية مذهب الإمام أبي حنيفة في عدم رفع اليدين قبل الركوع وبعده(5).

18 - عبد الرحمن بن عبد الكريم بن إبراهيم بن علي بن زياد الغيثي المقصري، الشافعي (ت 975). من مؤلفاته: إثبات سنة رفع اليدين عند الإحرام والركوع والاعتدال والقيام من الركعتين(6).

19 - شهاب الدين الخفاجي (ت 1069) له: النفحة القدسية في

--------------------------------------------

(1) نسبة لابن تيمية، ونُسِب إليه لأنه ــ كما قال السخاوي ــ نظر في كلام ابن تيمية فغلب عليه، بحيث صار لا يعتقد أن أحدًا أعلم منه.

(2) انظر «الضوء اللامع»: (2/ 97).

(3) انظر «توضيح المشتبه»: (6/ 8).

(4) «الضوء اللامع»: (6/ 187).

(5) «الكواكب السائرة بأعيان المئة العاشرة»: (1/ 197).

(6) «النور السافر عن أخبار القرن العاشر»: (ص 309)

১৫ - আহমেদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল, আবু হাশিম আল-মিসরি, মাযহাবে জাহিরি, আত-তাইমি(১), ইবনুল বুরহান নামে পরিচিত (মৃত্যু ৭৯৮ হি.)। সিজদাহর সময় হাত তোলার বিষয়ে তাঁর একটি মাসআলা বা আলোচনা রয়েছে(২)। ইবনে নাসিরুদ্দিন বলেন: সালাতে হাত তোলা বা রাফউল ইয়াদাইন বিষয়ে তাঁর একটি চমৎকার সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ রয়েছে(৩)। সাখাভি বলেন: তিনি এটি কারাবন্দি অবস্থায় কোনো কিতাব দেখা ছাড়াই শ্রুতলিখন করিয়েছেন, যা তাঁর জ্ঞানের গভীরতা ও ব্যাপক প্রসারের পরিচয় দেয়।

১৬ - কাসিম বিন কুতলুবুগা যয়নুদ্দিন, যাকে কখনো কখনো শরফ উপাধিতেও ভূষিত করা হয়, আবু আদিল আস-সুদুনি আল-হানাফি (মৃত্যু ৮৭৯ হি.), তিনি হাত তোলার মাসআলাটি নিয়ে একটি স্বতন্ত্র রিসালা বা পুস্তিকা রচনা করেছেন(৪)।

১৭ - ইউসুফ বিন ইসকান্দার বিন মুহাম্মদ আবু আল-মাহাসিন, আল-হালাবি, আল-হানাফি (মৃত্যু ৯২৯ হি.)। রুকুতে যাওয়ার আগে এবং রুকু থেকে ওঠার পর হাত না তোলার বিষয়ে ইমাম আবু হানিফার মাযহাবকে শক্তিশালী করার লক্ষে তিনি একটি রিসালা রচনা করেছেন(৫)।

১৮ - আবদুর রহমান বিন আবদিল কারিম বিন ইব্রাহিম বিন আলি বিন যিয়াদ আল-গাইসি আল-মাকসারি, আল-শাফিঈ (মৃত্যু ৯৭৫ হি.)। তাঁর অন্যতম রচনা হলো: ইহরাম বাঁধার সময়, রুকুতে যাওয়ার সময়, রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর (ইতিদাল) সময় এবং দুই রাকাত শেষ করে দাঁড়ানোর সময় হাত তোলার সুন্নাত সাব্যস্তকরণ(৬)।

১৯ - শিহাবুদ্দিন আল-খাফাজি (মৃত্যু ১০৬৯ হি.), তাঁর রচিত: আন-নাফহাতুল কুদসিয়্যাহ ফি...

--------------------------------------------

(১) এটি ইবনে তাইমিয়্যাহর সাথে সম্পৃক্ততা; তাঁকে এই নিসবত করা হয়েছে কারণ—যেমনটি সাখাভি বলেছেন—তিনি ইবনে তাইমিয়্যাহর কিতাবসমূহ গভীর মনোযোগ সহকারে পাঠ করেছিলেন এবং তাঁর মতাদর্শ তাঁর ওপর এমনভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল যে, তিনি মনে করতেন না ইবনে তাইমিয়্যাহর চেয়ে অধিক জ্ঞানী আর কেউ আছেন।

(২) দেখুন ‘আদ-দাও আল-লামি’: (২/ ৯৭)।

(৩) দেখুন ‘তাওদিহ আল-মুশতাবিহ’: (৬/ ৮)।

(৪) ‘আদ-দাও আল-লামি’: (৬/ ১৮৭)।

(৫) ‘আল-কাওয়াকিবুস সাইয়িরাহ বি আইয়ানিল মিতিল আশিরহ’: (১/ ১৯৭)।

(৬) ‘আন-নূরুস সাফির আন আখবারিল কারনিল আশির’: (পৃষ্ঠা ৩০৯)।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
حديث رواه السادة الحنفية وطعن فيه من خالفهم من السادة الشافعية(1).

20 - علي بن محمد بن عثمان الشمعة الشافعي (ت 1219). له رسالة في رفع اليدين في الصلاة، سماها: رفع التعدِّي عن رفع الأيدي(2).

21 - الشاة أبو إسحاق بن أبي الغوث الفاروقي (ت 1234)، له رسالة «نور العينين في إثبات رفع اليدين»، كانت نسخة منه عند صاحب «عون المعبود»(3).

22 - محمد إسماعيل بن عبدالغني بن وليّ الله الدِّهْلوي الهندي (ت 1246). من مؤلفاته: تنوير العينين في إثبات رفع اليدين. طبع(4).

23 - مجد الدين المؤيدي (ت 1332) له: رفع الملام في رفع اليدين عند تكبيرة الإحرام. مخطوطة باليمن(5).

24 - محمد المكِّي ابن عزُّوز المالكي (ت 1334) له: تنوير الحوالك في أنَّ رفع اليدين في الصلاة هو الرَّاجح من مذهب الإمام مالك(6).

25 - أنور شاه الكشميري الحنفي (ت 1352). له: نيل الفرقدين في

--------------------------------------------

(1) له نسخة في المكتبة التيمورية ضمن مجموع رقم (331/ 14).

(2) «الأعلام»: (5/ 19).

(3) انظر كتاب «حركة التأليف باللغة العربية في الإقليم الشمالي الهندي» (ص 166) للدكتور جميل أحمد.

(4) في الهند عام 1299 هـ في (48 ص)، وأخرى عام 1374 هـ في (36 ص). انظر «معجم المطبوعات العربية في شبه القارة الهندية»: (ص 408 - 409) للدكتور أحمد خان.

(5) ذكره الحبشي في «معجم الموضوعات المطروقة»: (1/ 563) وترجمته في «هجر العلم»: (3/ 1205 - 1206).

(6) ذكره في «إيضاح المكنون»: (1/ 28، 333).

একটি হাদীস যা হানাফী উলামাগণ বর্ণনা করেছেন এবং তাঁদের বিরোধিতাকারী শাফেয়ী উলামাগণ এতে আপত্তি উত্থাপন করেছেন(১)।

২০ - আলী বিন মুহাম্মদ বিন উসমান আশ-শামআ আশ-শাফেয়ী (ওফাত ১২১৯)। সালাতে হাত উঠানো (রাফউল ইয়াদাইন) বিষয়ে তাঁর একটি রিসালা (পুস্তিকা) রয়েছে, যার নাম তিনি রেখেছেন: ‘রাফউত তাআদ্দি আন রাফইল আইদি’(২)।

২১ - শাহ আবু ইসহাক বিন আবি আল-গাউস আল-ফারুকী (ওফাত ১২৩৪), তাঁর একটি রিসালা রয়েছে যার নাম ‘নূরুল আইনাইন ফি ইসবাত রাফইল ইয়াদাইন’, এর একটি পাণ্ডুলিপি ‘আওনুল মাবুদ’ প্রণেতার নিকট ছিল(৩)।

২২ - মুহাম্মদ ইসমাইল বিন আব্দুল গনি বিন ওয়ালিউল্লাহ আদ-দেহলভী আল-হিন্দী (ওফাত ১২৪৬)। তাঁর রচনাবলির মধ্যে অন্যতম: ‘তানওয়ীরুল আইনাইন ফি ইসবাত রাফইল ইয়াদাইন’। এটি মুদ্রিত হয়েছে(৪)।

২৩ - মাজদুদ্দীন আল-মুআইয়াদী (ওফাত ১৩৩২) তাঁর রচিত: ‘রাফউল মালাম ফি রাফইল ইয়াদাইন ইনদা তাকবীরাতিল ইহরাম’। এটি ইয়ামেনে পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে(৫)।

২৪ - মুহাম্মদ আল-মাক্কী ইবনে আয্যুয আল-মালিকী (ওফাত ১৩৩৪) তাঁর রচিত: ‘তানওয়ীরুল হাওয়ালিক ফি আন্না রাফআল ইয়াদাইন ফিস সালাতি হুয়াল রাজিহু মিন মাযহাবিল ইমাম মালিক’(৬)।

২৫ - আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি আল-হানাফী (ওফাত ১৩৫২)। তাঁর রচিত: ‘নাইলুল ফারকাদাইন ফি...’

--------------------------------------------

(১) আল-মাকতাবাতুত তাইমুরিয়্যাহ-তে ৩৩১/১৪ নম্বর সংকলনের অন্তর্ভুক্ত এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।

(২) ‘আল-আ’লাম’: (৫/ ১৯)।

(৩) ড. জামিল আহমদের ‘হারাকাতুত তালিফ বিল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ ফিল ইকলিমিশ শামালিল হিন্দি’ (পৃ. ১৬৬) গ্রন্থটি দেখুন।

(৪) ভারতে ১২৯৯ হিজরিতে (৪৮ পৃষ্ঠা) এবং পুনরায় ১৩৭৪ হিজরিতে (৩৬ পৃষ্ঠা)। ড. আহমদ খানের ‘মুজামুল মাতবুয়াতিল আরাবিয়্যাহ ফি শিবহিল কাররাতিল হিন্দিয়্যাহ’ (পৃ. ৪০৮ - ৪০৯) দেখুন।

(৫) আল-হাবশি একে ‘মুজামুল মাওদুআত আল-মাতরুকাহ’ (১/ ৫৬৩) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর জীবনী ‘হাজরুল ইলম’ (৩/ ১২০৫ - ১২০৬) এ বর্ণিত হয়েছে।

(৬) ‘ঈযাহুল মাকনুন’ (১/ ২৮, ৩৩৩) গ্রন্থে এর উল্লেখ করা হয়েছে।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
مسألة رفع اليدين، طبعت في (125) صفحة، ثم أردفها برسالة أخرى سماها: بسط اليدين لنيل الفرقدين في (64) صفحة(1).

26 - مشتاق أحمد بن مخدوم بخش الحنفي (ت 1360) له: قرة العين بتحقيق رفع اليدين(2).

27 - يحيى بن محمد بن لُطْف المَعْمَري (ت 1370) له: الكلم المتمم في وجوب الرفع والضم(3).

28 - النقض والإبرام في عدم استحباب رفع اليدين في غير تكبيرة الإحرام. ذكره حاجي خليفة بلا نسبة(4).

29 - التحقيق الراسخ في أن أحاديث الرفع ليس لها ناسخ. ذكره المباركفوري في «مرعاة المفاتيح»(5) قال: ولبعض شيوخنا تأليف مفرد مستقل في مسألة رفع اليدين وسماه.

30 - حبيب الله السندي (ت 1420) له رسالة سماها: الكشف عن كشف الرّين عن مسألة رفع اليدين(6).

31 - ابن زياد (؟) له: إثبات سنة رفع اليدين عند الإحرام والركوع(7).

--------------------------------------------

(1) انظر مقدمة «التصريح بما تواتر في نزول المسيح» (ص 30).

(2) «نزهة الخواطر»: (3/ 1380 - ط ابن حزم) للحسني.

(3) «هجر العلم ومعاقله في اليمن»: (4/ 2088 - 2094) لشيخنا القاضي إسماعيل الأكوع رحمه الله.

(4) انظر «كشف الظنون»: (2/ 1975).

(5) «مرعاة المفاتيح شرح مشكاة المصابيح»: (3/ 85).

(6) طبعت عام 1413 عن دار الكتاب والسنة في (136 صفحة).

(7) «معجم الموضوعات المطروقة»: (1/ 563) للحبشي.

রাফউল ইয়াদাইন (নামাজে হাত তোলা) সংক্রান্ত মাসআলা, যা ১২৫ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হয়েছে। এরপর তিনি এর সাথে আরও একটি পুস্তিকা যুক্ত করেন যার নাম দিয়েছেন: ‘বাসতুল ইয়াদাইন লিনাইলিল ফারকাদাইন’, যা ৬৪ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত।(১)

২৬ - মুশতাক আহমাদ বিন মাখদুম বাখশ আল-হানাফি (ওফাত ১৩৬০ হিজরী), তাঁর রচিত: ‘কুররাতুল আইন বিতাহকীক রাফউল ইয়াদাইন’।(২)

২৭ - ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন লুতফ আল-মামারি (ওফাত ১৩৭০ হিজরী), তাঁর রচিত: ‘আল-কালিমুল মুতাম্মাম ফি উজুবির রাফই ওয়াদ দম’।(৩)

২৮ - ‘আন-নাকদু ওয়াল ইবরাম ফি আদামি ইসতিহবাবি রাফইল ইয়াদাইন ফি গাইরি তাকবীরাতিল ইহরাম’। হাজী খলিফা এটি কোনো লেখকের নাম উল্লেখ না করেই বর্ণনা করেছেন।(৪)

২৯ - ‘আত-তাহকীকুর রাসিখ ফি আন্না আহাদিসার রাফয়ি লাইসা লাহা নাসিখ’। মুবারকপুরী এটি «মিরআতুল মাফাতিহ» গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন(৫) এবং বলেছেন: আমাদের কোনো কোনো শায়খের রাফউল ইয়াদাইন বা হাত তোলার মাসআলায় একটি পৃথক ও স্বতন্ত্র রচনা রয়েছে এবং তিনি সেটির নামকরণ করেছেন।

৩০ - হাবিবুল্লাহ আস-সিন্ধি (ওফাত ১৪২০ হিজরী), তাঁর একটি পুস্তিকা রয়েছে যার নাম তিনি দিয়েছেন: ‘আল-কাশফু আন কাশফির রইন আন মাসআলাতি রাফইল ইয়াদাইন’।(৬)

৩১ - ইবন যিয়াদ (?), তাঁর রচিত: ‘ইসবাতু সুন্নাতি রাফইল ইয়াদাইন ইনদাল ইহরাম ওয়ার রুকু’।(৭)

--------------------------------------------

(১) দ্রষ্টব্য: «আত-তাসরীহ বিমা তাওয়াতারা ফি নুযুলিল মাসীহ» এর ভূমিকা (পৃ. ৩০)।

(২) আল-হাসানি রচিত «নুজহাতুল খাওয়াতির»: (৩/ ১৩৮০ - ইবন হাজম সংস্করণ)।

(৩) আমাদের শায়খ কাজি ইসমাইল আল-আকওয়া (রহিমাহুল্লাহ) রচিত «হাজারুল ইলমি ওয়া মাআকিলুহু ফিল ইয়ামান»: (৪/ ২০৮৮ - ২০৯৪)।

(৪) দ্রষ্টব্য: «কাশফুয যুনুন»: (২/ ১৯৭৫)।

(৫) «মিরআতুল মাফাতিহ শারহু মিশকাতিল মাসাবিহ»: (৩/ ৮৫)।

(৬) এটি ১৪১৩ হিজরীতে দারুল কিতাব ওয়াস সুন্নাহ থেকে (১৩৬ পৃষ্ঠায়) মুদ্রিত হয়েছে।

(৭) আল-হাবাশি রচিত «মুজামুল মাওদুয়াতিল মাতরুকা»: (১/ ৫৬৩)।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌مباحث دراسة الكتاب

*‌‌ اسم الكتاب

غالب المصادر تنصُّ على أنّ اسم كتابنا هذا هو: (رفع اليدين في الصلاة). ذكر ذلك تلميذه زين الدين ابن رجب الحنبلي (795) في «الذيل على طبقات الحنابلة»: (5/ 175 - ط العثيمين)، ومعاصره خليل الصفدي (761) في كتابيه «الوافي بالوفيات»: (2/ 196)، و «أعيان العصر»: (4/ 369) وقال عنه: «سفر متوسط»، فالظاهر أنه اطلع عليه. والسيوطي (911) في «بغية الوعاة»: (1/ 63)، والعليمي (928) في «المنهج الأحمد»: (5/ 95)، والداوودي (945) في «طبقات المفسرين»: (2/ 96)، وابن العماد في «شذرات الذهب»: (6/ 170)، والحاج خليفة (1067) في «كشف الظنون» (911)(1)، والقنوجي في «أبجد العلوم»: (3/ 142).

واقْتَصَرَت بعضُ المصادر على تسميته بـ (رفع اليدين). كما في آخر نسخة الأصل التي بخطِّ أحد تلاميذ المصنِّف قال: «تمَّ كتاب رفع اليدين تأليف شيخنا الإمام العلامة شمس الدين … »(2). وكما ذكر ابن رجب في

--------------------------------------------

(1) وذكر قبل ذلك (ص 909) كتاب «رفع التنزيل» ونسبه لابن القيم، وتَبِعه من نَقَل عنه، ولا يعدو أن يكون تصحيفًا عن «رفع اليدين».

(2) (ق 100). أما العنوان المكتوب على أول المخطوط (كتاب رفع اليدين في الصلاة) فهو بخط متأخر لأحد المطالعين أو ملاك النسخة. وسيأتي أن النسخة قد سقط منها عدة أوراق من أولها ذهبت بصفحة العنوان وما بعدها.

গ্রন্থ পরিচিতি সংক্রান্ত আলোচনা

*‌গ্রন্থের নাম

অধিকাংশ উৎসগ্রন্থ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, আমাদের এই গ্রন্থটির নাম হলো: (সালাতে হাত উঠানো)। তাঁর ছাত্র যয়নুদ্দীন ইবনে রজব আল-হাম্বলী (৭৯৫ হি.) তাঁর ‘আয-যাইলু আলা তাবাকাতিল হানাবিলাহ’ (৫/ ১৭৫ - আল-উসাইমীন সংস্করণ) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন। তাঁর সমসাময়িক খলীল আস-সাফাদী (৭৬১ হি.) তাঁর দুটি গ্রন্থ ‘আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত’ (২/ ১৯৬) এবং ‘আইয়ানুল আসর’ (৪/ ৩৬৯)-এ এটি উল্লেখ করেছেন এবং এই গ্রন্থ সম্পর্কে বলেছেন: “মাঝারি আকারের একটি গ্রন্থ”, সুতরাং প্রতীয়মান হয় যে তিনি এটি পাঠ বা পর্যবেক্ষণ করেছেন। আস-সুয়ূতী (৯১১ হি.) ‘বুগয়াতুল উআত’ (১/ ৬৩) গ্রন্থে, আল-উলাইমী (৯২৮ হি.) ‘আল-মানহাজুল আহমাদ’ (৫/ ৯৫) গ্রন্থে, আদ-দাঊদী (৯৪৫ হি.) ‘তাবাকাতুল মুফাসসিরীন’ (২/ ৯৬) গ্রন্থে, ইবনুল ইমাদ ‘শাযারাতুয যাহাব’ (৬/ ১৭০) গ্রন্থে, হাজি খলীফা (১০৬৭ হি.) ‘কাশফুয যুনুন’ (৯১১)-এ(১) এবং কান্নূজী ‘আবজাদুল উলূম’ (৩/ ১৪২) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন।

কিছু কিছু উৎসগ্রন্থ এর নাম কেবল (হাত উঠানো) হিসেবে সংক্ষেপে উল্লেখ করার ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছে। যেমনটি মূল পাণ্ডুলিপির শেষে লেখকের জনৈক ছাত্রের হস্তাক্ষরে পাওয়া যায়, তিনি বলেছেন: “আমাদের শায়খ ইমাম আল্লামা শামসুদ্দীন … রচিত রাফউল ইয়াদাইন (হাত উঠানো) গ্রন্থটি সমাপ্ত হলো”(২)। যেমনটি ইবনে রজব উল্লেখ করেছেন...

--------------------------------------------

(১) তিনি এর আগে (পৃষ্ঠা ৯০৯) ‘রাফউত তানযীল’ নামক একটি গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছেন এবং সেটিকে ইবনুল কাইয়্যিমের কিতাব হিসেবে গণ্য করেছেন, এবং যারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন তারাও তাঁর অনুসরণ করেছেন। মূলত এটি ‘রাফউল ইয়াদাইন’ বা ‘সালাতে হাত উঠানো’ নামেরই একটি বর্ণ বিপর্যয় বা করণিক ভুল ছাড়া আর কিছু নয়।

(২) (পৃষ্ঠা ১০০)। পাণ্ডুলিপির শুরুতে লিখিত শিরোনামটি (সালাতে হাত উঠানো সংক্রান্ত কিতাব) মূলত পরবর্তীকালের কোনো পাঠক বা পাণ্ডুলিপির মালিকের হস্তাক্ষরে লেখা। সামনে আলোচনা আসবে যে, পাণ্ডুলিপির শুরু থেকে বেশ কিছু পাতা হারিয়ে গেছে, যার ফলে শিরোনামের পাতা এবং তার পরবর্তী অংশগুলো বিলীন হয়ে গেছে।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
«المنتقى من شيوخ والده شهاب الدين ابن رجب» (ص 101)، والحافظ ابن حجر (852) في «الدرر الكامنة»: (3/ 402)، والشوكاني (1250) في «البدر الطالع»: (2/ 144) ومادته من ابن حجر.

ولا يعدُّ هذا خلافًا في التسمية؛ إذ لا يعدو أن يكون إغفال قوله (في الصلاة) اختصارًا منهم للتسمية.

 

*‌‌ تاريخ تأليفه

من المتيقَّن أن المؤلف قد كتب هذا الكتاب قبل سنة (740)، وهو التاريخ الذي كُتِبت فيه نسخة الأصل كما ذكر ناسخها وهو من تلاميذه، ونقلها من خط ابن القيم نفسه. (وسيأتي نقل كلامه).

لكن لم أعثر على ما يفيد في تحديد التاريخ الذي ألفه فيه بدقة، ومن بعض القرائن قد نلمس ما يفيد في الأمر، فهناك مبحث طويل في الرد على ابن القطان الفاسي ذكره المصنف هنا (ص 152 - 154، 225 - 241) وذكره أيضًا في كتابه الآخر «تهذيب سنن أبي داود»: (1/ 354 - 374) بالعبارات نفسها، وكتاب تهذيب السنن ألفه ابن القيم أيام مقامه في مكة المكرمة سنة (732). فهل هو متقدم على هذا الكتاب؟ أو أن كتابنا متقدم عليه؟ الأمر محتمل لكني أميل إلى الأول؛ لأنه لو كان ألف هذا الكتاب أولًا لكان أشار في تهذيب السنن عند ذكر المسألة أنه قد أفرد فيها مصنّفًا خاصًّا.

وعليه فيكون تأريخ تأليفه بين سنتي (732 و 740) والله أعلم.
'আল-মুনতাকা মিন শুয়ুখি ওয়ালিদিহি শিহাব আদ-দীন ইবনে রজব' (পৃষ্ঠা ১০১), এবং হাফিজ ইবনে হাজার (৮৫২ হিজরী) 'আদ-দুরার আল-কামিনাহ' গ্রন্থে: (৩/৪০২), এবং শাওকানি (১২৫০ হিজরী) 'আল-বদর আত-তালি' গ্রন্থে: (২/১৪৪) এবং তার তথ্যসূত্র ইবনে হাজার থেকে গৃহীত।

এবং একে নামকরণের ক্ষেত্রে কোনো মতপার্থক্য হিসেবে গণ্য করা হয় না; কারণ এটি তাদের পক্ষ থেকে নামকরণের সংক্ষিপ্তকরণের উদ্দেশ্যে (সালাতের মধ্যে) কথাটি বাদ দেওয়া ছাড়া আর কিছু নয়।

 

*‌‌ রচনার ইতিহাস

এটি নিশ্চিত যে, লেখক এই গ্রন্থটি ৭৪০ হিজরীর আগে রচনা করেছেন। এটিই সেই তারিখ যে সময়ে মূল পাণ্ডুলিপিটি লেখা হয়েছিল, যেমনটি এর অনুলিপিকার উল্লেখ করেছেন—যিনি লেখকেরই অন্যতম ছাত্র এবং তিনি ইবনুল কাইয়্যিমের নিজস্ব হস্তলিপি থেকে এটি অনুলিপি করেছেন। (তার বক্তব্যের উদ্ধৃতি সামনে আসবে)।

কিন্তু গ্রন্থটি ঠিক কোন সময়ে রচিত হয়েছে তা সঠিকভাবে নির্ধারণে সহায়ক এমন কিছু আমি পাইনি। তবে কিছু আলামত থেকে বিষয়টি অনুধাবন করা যেতে পারে; এখানে ইবনুল কাত্তান আল-ফাসির খণ্ডনে একটি দীর্ঘ আলোচনা রয়েছে যা লেখক এখানে (পৃষ্ঠা ১৫২ - ১৫৪, ২২৫ - ২৪১) উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর অপর গ্রন্থ 'তাহজিবু সুনানি আবি দাউদ'-এও (১/৩৫৪ - ৩৭৪) একই ভাষায় উল্লেখ করেছেন। ইবনুল কাইয়্যিম ৭৩২ হিজরীতে মক্কা মুকাররমায় অবস্থানের সময় 'তাহজিবুস সুনান' গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। এখন প্রশ্ন হলো, সেটি কি এই গ্রন্থের আগে রচিত? নাকি আমাদের এই গ্রন্থটি তার আগে রচিত? উভয়টিই সম্ভব, তবে আমি প্রথমটির দিকেই বেশি ঝুঁকছি; কারণ তিনি যদি এই বইটি আগে রচনা করতেন, তবে 'তাহজিবুস সুনান'-এ বিষয়টি উল্লেখ করার সময় অবশ্যই ইশারা করতেন যে, তিনি এই বিষয়ে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন।

সুতরাং এটি রচনার তারিখ ৭৩২ থেকে ৭৪০ হিজরীর মাঝামাঝি সময়ে হবে। আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
*‌‌ إثبات نسبته للمؤلف

الكتاب ثابت النسبة لمؤلفه الإمام ابن القيم، وذلك من وجوه عديدة:

الأول: ما هو مكتوب في آخر نسخة الأصل، قال ناسخها في خاتمتها: «تمَّ كتاب «رفع اليدين» تأليف شيخنا الإمام العلامة شمس الدين أبي عبدالله محمد بن أبي بكر الزُّرعي المعروف بابن قيِّم الجوزية، أمتع الله بفوائده ورضي الله عنه، في يوم الاثنين منتصف شعبان سنة أربعين وسبعمائة بمدينة حلب حرسها الله تعالى وسائر بلاد الإسلام.

ونقلت هذه النسخة إلا يسيرًا منها وهو دون خمس ورقات من أصل المؤلف الذي بخطِّه، وقوبلت به» اهـ.

فأفادنا هذا النصُّ عدَّة أمور: أنها مكتوبة في حياة المؤلف في سنة (740 هـ) أي قبل وفاته بأحد عشر عامًا، وأنّ كاتِبها من تلاميذه، ونقلها من نسخته التي بخطِّه. فهذه الأمور لو أردنا الاكتفاء بها في إثبات نسبة الكتاب للمؤلِّف لكفت، ولله الحمد.

الثاني: ذَكَر غالبُ من ترجم للمؤلف ــ سبقَ ذكرُهم عند الكلام على تسميته ــ أنّ له كتابًا بهذا العنوان، ووصفه تلميذه ابن رجب بأنَّه مجلَّد، ووصفه معاصره الصفديُّ بأنه مجلَّد متوسِّط، وهذا يوافق صفة الكتاب التي وصلت إلينا.

الثالث: أن بعض مباحث الكتاب متطابقة تمامًا مع ما في كتب الشيخ الأخرى، وذلك في عدة مواضع، نكتفي بذكر مثالين واضحين:
লেখকের প্রতি এর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ

বইটি এর লেখক ইমাম ইবনুল কাইয়্যিমের প্রতি সংশ্লিষ্ট হওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি দিক থেকে সুপ্রমাণিত:

প্রথমত: মূল পাণ্ডুলিপির শেষে যা লিখিত রয়েছে। এর অনুলিপিকারক এর সমাপ্তিতে বলেছেন: «আমাদের শাইখ ইমাম আল্লামা শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবু বকর আজ-জুরায়ি, যিনি ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ নামে পরিচিত—আল্লাহ তাআলা তাঁর জ্ঞানগর্ভ আলোচনার মাধ্যমে আমাদের উপকৃত করুন এবং তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন—কর্তৃক রচিত ‘রাফউল ইয়াদাইন’ গ্রন্থটি সমাপ্ত হয়েছে সোমবার, সাতশ চল্লিশ হিজরি সনের শাবান মাসের মাঝামাঝি সময়ে, হালাব শহরে—আল্লাহ তাআলা এই শহর এবং সমস্ত মুসলিম ভূখণ্ডকে রক্ষা করুন।

আর এই অনুলিপিটি সামান্য অংশ—যা পাঁচ পৃষ্ঠারও কম—ব্যতীত সরাসরি লেখকের স্বহস্তে লিখিত মূল পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করা হয়েছে এবং তার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে» সমাপ্ত।

এই পাঠ্যটি আমাদের বেশ কয়েকটি বিষয় অবহিত করে: এটি লেখকের জীবদ্দশায় ৭৪০ হিজরি সনে লিখিত হয়েছে, অর্থাৎ তাঁর মৃত্যুর এগারো বছর আগে; এর লেখক তাঁর ছাত্রদের একজন; এবং তিনি এটি লেখকের স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করেছেন। লেখকের প্রতি বইটির সংশ্লিষ্টতা প্রমাণের জন্য যদি আমরা কেবল এই বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করতে চাইতাম, তবে তা যথেষ্ট হতো, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।

দ্বিতীয়ত: লেখকের জীবনীকারদের অধিকাংশই—যাদের কথা নামকরণের আলোচনার সময় পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে—উল্লেখ করেছেন যে, এই শিরোনামে তাঁর একটি বই রয়েছে। তাঁর ছাত্র ইবনে রাজাব একে একটি খণ্ড হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সমসাময়িক আস-সাফাদি একে একটি মাঝারি আকারের খণ্ড হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এটি আমাদের কাছে পৌঁছানো বইটির বৈশিষ্ট্যের সাথে সংগতিপূর্ণ।

তৃতীয়ত: বইটির কিছু আলোচনার বিষয়বস্তু শাইখের অন্যান্য বইয়ে থাকা আলোচনার সাথে বিভিন্ন স্থানে হুবহু মিলে যায়। এখানে আমরা কেবল দুটি স্পষ্ট উদাহরণ উল্লেখ করছি:
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
الأول: عند كلام المصنِّف على حديث أبي حُميد السَّاعديّ (ص 152 - 154، 225 - 241) وما أعلَّه به ابن القطّان الفاسي، وساق كلامه بطوله، ثم أجاب عنه بكلام مفصل طويل= فقد ذكر المصنف هذا المبحث بتمامه في كتابه الآخر «تهذيب سنن أبي داود»: (1/ 354 - 374). وقد استفدت من هذا المبحث فائدة مهمة؛ إذ وقع في نسختنا خرم في الورقتين (81، 82) فاستفدنا تكملته من هذا الموضع.

الثاني: أنّ المؤلِّف (ص 167 - 178) تكلَّم على جملة من المسائل التي خالف فيها الصحابي ما رواه عن النبي صلى الله عليه وسلم، وموقف الفقهاء منها= وذكر المصنف هذا المبحث بتمامه في كتابه «إعلام الموقعين عن رب العالمين»: (4/ 394 - 409).

الرابع: أنه نقل عن شيخه أبي الحجَّاج يوسف بن عبدالرحمن المِزِّي (ت 742) (كما في ص 194، 206، 236) وذلك من كتابه «تهذيب الكمال في أسماء الرجال»، وابن القيم ينقل عن شيخه المزِّي في كتبه الأخرى (كما في زاد المعاد: 1/ 435، 5/ 722. والفروسية: 10، 229. والوابل الصيب: 286. وجلاء الأفهام: 26، 81، 288، وغيرها).

* * *
প্রথমত: গ্রন্থকার যখন আবু হুমায়দ আস-সাঈদী-এর বর্ণিত হাদিস (পৃষ্ঠা ১৫২-১৫৪, ২২৫-২৪১) এবং ইবনুল কাত্তান আল-ফাসি একে যে কারণে ত্রুটিযুক্ত বলেছেন সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং তার বক্তব্য দীর্ঘভাবে উদ্ধৃত করেছেন, অতঃপর তার বিস্তারিত ও দীর্ঘ উত্তর দিয়েছেন—তখন গ্রন্থকার এই সম্পূর্ণ আলোচনাটি তার অপর গ্রন্থ ‘তাহজিবু সুনানি আবি দাউদ’ (১/৩৫৪-৩৭৪)-এ উল্লেখ করেছেন। আমি এই আলোচনা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকার লাভ করেছি; কারণ আমাদের পাণ্ডুলিপির ৮১ ও ৮২ নম্বর পৃষ্ঠায় কিছু অংশ বিচ্ছিন্ন ছিল, যা আমরা এই স্থান থেকে সংগ্রহ করে পূর্ণ করেছি।

দ্বিতীয়ত: লেখক (পৃষ্ঠা ১৬৭-১৭৮) এমন কিছু মাসআলা নিয়ে আলোচনা করেছেন যেগুলোতে কোনো সাহাবী নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা বর্ণনা করেছেন তার বিপরীত আমল করেছেন, এবং এ বিষয়ে ফকিহগণের অবস্থান কী—গ্রন্থকার এই সম্পূর্ণ আলোচনাটি তার ‘ইলামুল মুওয়াক্কিঈন আন রাব্বিল আলামিন’ গ্রন্থে (৪/৩৯৪-৪০৯) উল্লেখ করেছেন।

চতুর্থত: তিনি তার উস্তাদ আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে আব্দুর রহমান আল-মিজ্জি (মৃত্যু ৭৪২ হি.) থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন (যেমনটি ১৯৪, ২০৬, ২৩৬ পৃষ্ঠায় রয়েছে), যা তার ‘তাহজিবুল কামাল ফি আসমাইর রিজাল’ গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত। ইবনুল কাইয়্যিম তার অন্যান্য কিতাবেও তার উস্তাদ মিজ্জি থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন (যেমন: জাদুল মাআদ: ১/৪৩৫, ৫/৭২২; আল-ফুরুসিয়্যাহ: ১০, ২২৯; আল-ওয়াবিলুস সয়্যিব: ২৮৬; জালাউল আফহাম: ২৬, ৮১, ২৮৮ এবং অন্যান্য)।

* * *
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
* عرض موضوعات بالكتاب

- بدأ المؤلف كتابه بمقدمة ــ كما هي عادة المصنّفين ــ، لكنها ساقطة من أصلنا في نحو ثمان ورقات.

- تبدأ النسخة بذكر بقيَّة حُجج من قال بعدم رفع الأيدي (ص 3 - 4)، وبقي منها في نسختنا حُجَّتان فقط، والبقية مما أصابه التلف. وجملة ما ذكره المؤلف من حججهم سبع عشرة حجّةً، عرفنا عددها جميعًا من كلام المؤلف بعد ذلك في الرّدّ عليها واحدة واحدة بقوله: (وأما قولهم … وأما حديث فلان .. ) حتى استوفاها جميعًا بالذكر والنقض، فبلغت سبع عشرة حجة، وكانت آخر حُجَّتين منها هما اللتان بقيتا في نسختنا(1).

- ثم ذكر أجوبة القائلين برفع الأيدي، فذكر أولًا الأحاديث التي اعتمد عليها القائلون بالرفع، وهي ثمانية وثلاثون حديثًا عن الصحابة رضي الله عنهم، فسمَّاهم أولًا ثم ساق أحاديثهم بألفاظها، وذكر من أخرجها، وتكلم على درجتها من حيث القوَّة والضعف، ثم ذكر الموقوفات على الصحابة، وآثار السلف (ص 4 - 33).

- ثم أخذ في الجواب عن الأحاديث والحجج التي استدلَّ بها القائلون بعدم الرَّفع، فأجاب عنها حديثًا حديثًا، وحجّة حجّة، فأتى عليها

--------------------------------------------

(1) وقد ذكرنا في أول الكتاب في حاشيته هذه الحجج الخمس عشرة السَّاقطة من نسختنا، وذلك من كلام المؤلف عندما ساقها للرد عليها، وسقناها بنحو سياقه وترتيبه لها.

কিতাবটির বিষয়বস্তুসমূহ উপস্থাপন

- লেখক তাঁর কিতাবটি একটি ভূমিকা দিয়ে শুরু করেছেন—যেমনটি গ্রন্থকারদের চিরাচরিত নিয়ম—তবে আমাদের মূল পাণ্ডুলিপিতে প্রায় আট পৃষ্ঠার মতো অংশ বিলুপ্ত।

- এই পাণ্ডুলিপিটি শুরু হয়েছে রফউল ইয়াদায়েন (হাত না উঠানো)-এর প্রবক্তাদের অবশিষ্ট দলীলসমূহ বর্ণনার মাধ্যমে (পৃ. ৩ - ৪)। আমাদের কপিতে এর মধ্যে মাত্র দুটি দলীল অবশিষ্ট রয়েছে, আর বাকি অংশ বিনষ্ট হয়ে গেছে। লেখক তাদের যে সকল দলীল উল্লেখ করেছিলেন তার সংখ্যা মোট সতেরোটি। আমরা তাদের দলীলগুলোর সংখ্যা জানতে পেরেছি লেখকের পরবর্তী আলোচনা থেকে, যেখানে তিনি প্রতিটি দলীলের একে একে উত্তর দিয়েছেন এভাবে: (আর তাদের বক্তব্য প্রসঙ্গে কথা হলো... আর অমুকের বর্ণিত হাদিসটি...) এভাবে তিনি সবগুলো দলীলের উল্লেখ এবং তা খণ্ডন করেছেন। দলীলের সংখ্যা মোট সতেরোটিতে গিয়ে পৌঁছেছে এবং শেষ দুটি দলীলই আমাদের পাণ্ডুলিপিতে অবশিষ্ট রয়ে গেছে(১)।

- এরপর তিনি রফউল ইয়াদায়েন বা হাত উঠানোর প্রবক্তাদের জবাবসমূহ উল্লেখ করেছেন। প্রথমে তিনি সেই হাদিসগুলো উল্লেখ করেছেন যার ওপর রফউল ইয়াদায়েনকারীরা নির্ভর করেছেন। সেগুলো হলো সাহাবায়ে কেরাম (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণিত আটত্রিশটি হাদিস। তিনি প্রথমে সাহাবীদের নাম উল্লেখ করেছেন, তারপর তাদের বর্ণিত হাদিসগুলো হুবহু উদ্ধৃত করেছেন। কে কে এই হাদিসগুলো সংকলন করেছেন তা উল্লেখ করেছেন এবং হাদিসগুলোর বিশুদ্ধতা ও দুর্বলতা তথা মান নিয়ে আলোচনা করেছেন। এরপর তিনি সাহাবীদের থেকে বর্ণিত ‘মাওকুফ’ বর্ণনা এবং সালাফদের ‘আসার’সমূহ (পৃ. ৪ - ৩৩) উল্লেখ করেছেন।

- এরপর তিনি রফউল ইয়াদায়েন না করার প্রবক্তারা যে সকল হাদিস ও দলীলের মাধ্যমে প্রমাণ পেশ করেছেন সেগুলোর উত্তর দিতে শুরু করেন। তিনি প্রতিটি হাদিস ও প্রতিটি দলীলের একে একে জবাব দিয়েছেন এবং সেগুলোকে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আমরা কিতাবের শুরুতে টীকা হিসেবে আমাদের পাণ্ডুলিপি থেকে হারিয়ে যাওয়া পনেরোটি দলীল উল্লেখ করেছি। এই দলীলগুলো মূলত লেখকের আলোচনা থেকেই নেওয়া হয়েছে যখন তিনি সেগুলো খণ্ডন করার জন্য পেশ করেছিলেন। আমরা এগুলোকে লেখকের বিন্যাস ও বর্ণনাভঙ্গি অনুযায়ীই উপস্থাপন করেছি।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
من جهة ثبوت الدليل، ومن جهة ثبوت الدلالة، وتكلم على أسانيدها ومتونها وعللها، حتى قارب كلامه المئة صفحة في هذه الطبعة (ص 34 - 128)، فاستغرق هذا المبحث أكثر من ثلث الكتاب.

- وبعدما انتهى من ذلك العَرْض المُسهب، بدأ بذكر أجوبة القائلين بالخفض على أحاديث وحُجج القائلين بالرّفع، والكلام عليها واحدًا واحدًا، والكلام على الآثار التي استدلُّوا بها. (ص 128 - 156).

- ثم كرَّ بردود القائلين بالرَّفع على ما أورده القائلون بعدمه، والجواب عن تضعيفهم لأحاديث الرفع وإثبات صحَّتها. وقد استغرق هذا البحث أكثر من ثمانين صفحة في هذه الطبعة (ص 157 - 241).

وبهذا البحث يكون المؤلِّف قد انتهى من ذكر الخلاف في هذه المسألة، ومِن ذِكْر أدلَّة وحُجَج الفريقين، ونقاش كلِّ فريق لأدلة خصمه.

- ثم تطرَّق المؤلف لبعض المسائل الخلافية عند القائلين برفع الأيدي، فذكر أربعًا منها، وهي:

الأولى: من ذهب إلى الرفع عند الافتتاح والركوع والرفع منه وإذا قام من الثنتين (ص 241 - 246).

الثانية: من استحبَّ الرفع عند كلّ خفضٍ ورفع (ص 246 - 247).

الثالثة: مذهب ابن حزم في وجوب رفع اليدين في تكبيرة الإحرام، وسنيّته فيما عداها. (248 - 255).

الرابعة: فيمن يرى الرَّفع كلَّه واجبًا. (ص 255 - 257).
দলীল সাব্যস্ত হওয়ার দিক থেকে এবং দালালাত বা অর্থের নির্দেশক হওয়ার দিক থেকে; তিনি এগুলোর সনদ, মতন এবং ইল্লত নিয়ে আলোচনা করেছেন, এমনকি এই সংস্করণে তাঁর আলোচনা প্রায় একশ পৃষ্ঠার কাছাকাছি (পৃ. ৩৪ - ১২৮) পৌঁছেছে, ফলে এই গবেষণাটি বইটির এক-তৃতীয়াংশের বেশি জায়গা গ্রহণ করেছে।

- এই দীর্ঘ উপস্থাপনা সমাপ্ত করার পর, তিনি রফ’ (হাত তোলা) বর্জনকারীদের পক্ষ থেকে রফ’ সমর্থকদের হাদীস ও যুক্তিগুলোর জবাব এবং সেগুলোর প্রতিটি নিয়ে একে একে আলোচনা শুরু করেন। পাশাপাশি তাঁরা যে সকল আসার বা বর্ণনার মাধ্যমে দলীল পেশ করেছেন তা নিয়েও আলোচনা করেন। (পৃ. ১২৮ - ১৫৬)।

- এরপর তিনি রফ’ অস্বীকারকারীদের আপত্তির বিপরীতে রফ’ সমর্থকদের উত্তরগুলো এবং রফ’-এর হাদীসগুলোকে তাঁরা যে দুর্বল বলেছিলেন তার জবাব ও সেগুলোর বিশুদ্ধতা প্রমাণের আলোচনা নিয়ে পুনরায় আলোকপাত করেন। এই মুদ্রণে এই গবেষণাটি আশি পৃষ্ঠারও বেশি (পৃ. ১৫৭ - ২৪১) স্থান জুড়ে রয়েছে।

এই আলোচনার মাধ্যমে লেখক এই মাসআলায় বিদ্যমান মতভেদ এবং উভয় পক্ষের দলীল ও যুক্তির বর্ণনা, এবং নিজ প্রতিপক্ষের দলীল নিয়ে প্রতিটি পক্ষের পর্যালোচনা সমাপ্ত করেছেন।

- এরপর লেখক হাত তোলার (রফ’ উল ইয়াদাইন) প্রবক্তাদের মধ্যকার কিছু মতপার্থক্যপূর্ণ মাসআলা নিয়ে আলোচনা করেন এবং সেগুলোর মধ্য থেকে চারটি বিষয় উল্লেখ করেন, যা হলো:

প্রথম: যারা নামায শুরু করার সময়, রুকুতে যাওয়ার সময়, রুকু থেকে উঠার সময় এবং দুই রাকাত শেষ করে দাঁড়ানোর সময় হাত তোলার মত পোষণ করেন (পৃ. ২৪১ - ২৪৬)।

দ্বিতীয়: যারা প্রতিটি অবনমন ও উত্তোলনের (নিচে যাওয়া ও উপরে উঠার) সময় হাত তোলাকে মুস্তাহাব মনে করেন (পৃ. ২৪৬ - ২৪৭)।

তৃতীয়: তাকবীরে তাহরীমার সময় হাত তোলা ওয়াজিব হওয়া এবং এছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে হাত তোলা সুন্নাত হওয়ার বিষয়ে ইবনে হাজমের মাযহাব (২৪৮ - ২৫৫)।

চতুর্থ: যারা সমস্ত রফ’ বা হাত তোলাকেই ওয়াজিব মনে করেন (পৃ. ২৫৫ - ২৫৭)।
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
وختم بمسألة خامسة: في قولِ من أبطل الصلاة بالرفع، فَغَلا في خلاف السنة، والرّدّ عليه. (ص 257 - 258).

- ثم ختم المصنِّف كتابه بذكر ثماني عشرة مسألةً تتعلَّق بالرفع وكيفيته وابتدائه وانتهائه، وقال: إنَّه ذكرها ليكون الكتابُ جامعًا لأحكام هذه المسألة كافيًا في معناه. (ص 258 - 282).

تنبيه: في مركز جمعة الماجد رقم (4864) سؤال في رفع اليدين عند الركوع والرفع منه، في (4) ورقات، كتب سنة (1085) قال ناسخه في آخره: «انتهى ما وجدته معزوًّا إلى ابن القيّم». وقد اطلع أخي الأستاذ محمد عزير شمس على هذه الرسالة، ونقل لي أولها وآخرها، ومال إلى عدم صحة نسبتها لابن القيم ولا لشيخه. والله أعلم.

* * *
এবং তিনি পঞ্চম একটি বিষয়ের মাধ্যমে ইতি টেনেছেন: যারা হাত উঠানোর কারণে সালাত বাতিল হওয়ার কথা বলে সুন্নাহর বিরোধিতায় চরমপন্থা অবলম্বন করেছে, তাদের বক্তব্য এবং তার খণ্ডন প্রসঙ্গে। (পৃ. ২৫৭ - ২৫৮)।

- অতঃপর গ্রন্থকার হাত উঠানো, এর পদ্ধতি এবং এর শুরু ও শেষ সংক্রান্ত আঠারোটি মাসআলা আলোচনার মাধ্যমে তাঁর গ্রন্থটি সমাপ্ত করেছেন। তিনি বলেছেন যে, তিনি এগুলো এই উদ্দেশ্যে উল্লেখ করেছেন যাতে এই মাসআলার বিধানাবলির ক্ষেত্রে গ্রন্থটি একটি পূর্ণাঙ্গ ও বিষয়বস্তুর বিচারে পর্যাপ্ত সংকলন হয়। (পৃ. ২৫৮ - ২৮২)।

সতর্কবার্তা: জুমুআ আল-মাজিদ সেন্টারে (ক্রমিক নং ৪৮৬৪) রুকুতে যাওয়া ও রুকু থেকে উঠার সময় দুই হাত উঠানো সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন ৪ পৃষ্ঠার একটি পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে, যা ১০৮৫ হিজরীতে লিখিত। এর অনুলিপিকারক শেষে লিখেছেন: "ইবনুল কাইয়্যিমের দিকে সম্বন্ধযুক্ত যা কিছু আমি পেয়েছি, তা এখানেই সমাপ্ত।" আমার ভাই উস্তাদ মুহাম্মদ উযাইর শামস এই রিসালাটি (পুস্তিকা) পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং এর শুরু ও শেষ অংশ আমাকে জানিয়েছেন। তিনি এটিকে ইবনুল কাইয়্যিম কিংবা তাঁর শাইখের প্রতি সম্বন্ধ করার বিশুদ্ধতার বিপক্ষে মত দিয়েছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

* * *
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
*‌‌ موارد الكتاب

ونشير هنا إلى أمرين:

1 - بعض المصادر نقل عنها المصنف كثيرًا بل كاد أن يستوعبها، كما في كتاب البخاري «رفع اليدين»(1)، ومنها ما نقل منه نقولًا طويلة، كما نقل عن كتاب «اختلاف علي وابن مسعود» (ضمن كتاب الأم للشافعي) إذ نقل عنه نحو عشرين صفحة، ونقل عن ابن القطان صفحات، وأكثر النقل عن كتب ابن عبد البر.

2 - بعض المصادر التي لم ينص عليها ذكرناها على الاحتمال(2).

يمكن تقسيم الموارد التي اعتمد عليها المؤلف إلى ثلاثة أقسام:

الأول: ما صرَّح باسمه.

الثاني: ما صرح باسم مؤلفه ولم ينص على كتابه.

الثالث: ما لم يصرح به، وعرف بالمقارنة والتطابق.

النوع الأول: وفيه الكتب الآتية:

--------------------------------------------

(1) واعتمدت في العزو على الطبعة التي خرج أحاديثها الشيخ بديع الدين الراشدي السندي وسماه «جلاء العينين بتخريج روايات البخاري في جزء رفع اليدين» طبع دار ابن حزم الأولى 1416 هـ. وراجعت أيضًا للمقابلة عند الإشكال: نسخة الكتاب العتيقة النفيسة المحفوظة في المكتبة الظاهرية بدمشق، وهي نسخة قديمة كتبت قبل سنة 450 هـ، وعليها ما لايحصى من السماعات والقراءات لكبار المحدثين.

(2) وانظر في بقية الملاحظات على الموارد مقدمة تحقيقي لكتاب «بدائع الفوائد»: (1/ 45، 53).

গ্রন্থের উৎসসমূহ

আমরা এখানে দুটি বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করছি:

১ - কিছু উৎস থেকে গ্রন্থকার প্রচুর উদ্ধৃতি দিয়েছেন, এমনকি প্রায় সবটুকুই গ্রহণ করেছেন, যেমনটি দেখা যায় বুখারীর ‘রাফউল ইয়াদাইন’ গ্রন্থে(১)। আবার কোনো কোনো উৎস থেকে তিনি দীর্ঘ উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন, যেমন ‘ইখতিলাফু আলী ওয়া ইবনে মাসউদ’ (শাফেয়ীর কিতাবুল উম্ম-এর অন্তর্ভুক্ত) থেকে তিনি প্রায় বিশ পৃষ্ঠা উদ্ধৃত করেছেন; ইবনুল কাত্তান থেকে কয়েক পৃষ্ঠা উদ্ধৃত করেছেন। আর অধিকাংশ উদ্ধৃতি তিনি দিয়েছেন ইবনে আবদিল বার-এর গ্রন্থসমূহ থেকে।

২ - কিছু উৎস যেগুলোর কথা তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি, সেগুলো আমরা সম্ভাব্যতার ভিত্তিতে উল্লেখ করেছি(২)।

লেখক যে উৎসগুলোর ওপর নির্ভর করেছেন, সেগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:

প্রথম: যেগুলোর নাম তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।

দ্বিতীয়: যেগুলোর লেখকের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন কিন্তু গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেননি।

তৃতীয়: যেগুলোর কথা তিনি স্পষ্টভাবে বলেননি, তবে তুলনা ও সামঞ্জস্যের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে।

প্রথম প্রকার: এতে নিম্নোক্ত গ্রন্থগুলো রয়েছে:

--------------------------------------------

(১) উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে আমি সেই সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছি যার হাদিসগুলো শায়খ বদিউদ্দীন রাশিদী সিন্ধি তখরিজ করেছেন এবং এর নাম দিয়েছেন ‘জালাউল আইনাইন বিতখরিজি রিওয়ায়াতিল বুখারী ফি জুযই রাফইল ইয়াদাইন’, যা দারু ইবনে হাজম থেকে ১৪১৬ হিজরিতে প্রথম মুদ্রিত হয়েছে। এছাড়া জটিলতার ক্ষেত্রে তুলনামূলক পর্যালোচনার জন্য আমি দামেস্কের মাকতাবাতুজ জাহিরিয়ায় সংরক্ষিত কিতাবটির প্রাচীন ও মূল্যবান পাণ্ডুলিপিও দেখেছি। এটি ৪৫০ হিজরির পূর্বে লিখিত একটি প্রাচীন কপি এবং এতে বড় বড় মুহাদ্দিসগণের অসংখ্য শ্রবণের ও পাঠের বিবরণ রয়েছে।

(২) উৎসসমূহের ওপর অবশিষ্ট পর্যালোচনার জন্য দেখুন আমার সম্পাদিত ‘বাদায়িউল ফাওয়াইদ’ গ্রন্থের ভূমিকা: (১/ ৪৫, ৫৩)।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
1 - اختلاف عليّ وابن مسعود: 65 (ضمن الأم للشافعي).

2 - الاستذكار، لابن عبدالبر: 65.

* الأم= اختلاف علي وابن مسعود.

3 - الانتقاء، لابن عبدالبر:171

4 - الأوسط، لابن المنذر= الخلاف: 276

5 - التاريخ الكبير، للبخاري: 242، 246

6 - التتمة، للمتولي الشافعي: 281

7 - تهذيب الكمال، للمزي: 194، 206

8 - الثقات؟، لابن حبان: 226، 238

9 - الجامع (الكبير) للقاضي أبي يعلى: 275، 296

10 - الجامع للترمذي: 245، 249

11 - الجامع للخلال: 254

12 - الخلاف؟:286

* الخلاف= الأوسط لابن المنذر

13 - الخلافيات للبيهقي: 27

14 - رفع اليدين، للبخاري: 25، 26، 55، 83، 146، 189، 190،220

15 - السنن لابن ماجه: 16، 19، 21، 22، 123
১ - আলী ও ইবনে মাসউদের মতভেদ: ৬৫ (শাফেয়ীর আল-উম্ম-এর অন্তর্ভুক্ত)।

২ - আল-ইস্তিযকার, ইবনে আব্দুল বার কৃত: ৬৫।

* আল-উম্ম = আলী ও ইবনে মাসউদের মতভেদ।

৩ - আল-ইনতিকা, ইবনে আব্দুল বার কৃত: ১৭১

৪ - আল-আওসাত, ইবনে মুনযির কৃত = আল-খিলাফ: ২৭৬

৫ - আত-তারিখুল কাবির, বুখারী কৃত: ২৪২, ২৪৬

৬ - আত-তাতিম্মাহ, মুতাওয়াল্লী শাফেয়ী কৃত: ২৮১

৭ - তাহযিবুল কামাল, মিযযী কৃত: ১৯৪, ২০৬

৮ - আস-সিকাত?, ইবনে হিব্বান কৃত: ২২৬, ২৩৮

৯ - আল-জামি (আল-কাবির), কাযী আবু ইয়ালা কৃত: ২৭৫, ২৯৬

১০ - আল-জামি, তিরমিযী কৃত: ২৪৫, ২৪৯

১১ - আল-জামি, খাল্লাল কৃত: ২৫৪

১২ - আল-খিলাফ?: ২৮৬

* আল-খিলাফ = ইবনে মুনযির কৃত আল-আওসাত

১৩ - আল-খিলাফিয়াত, বায়হাকী কৃত: ২৭

১৪ - হাত উঠানো (রাফউল ইয়াদাইন), বুখারী কৃত: ২৫, ২৬, ৫৫, ৮৩, ১৪৬, ১৮৯, ১৯০, ২২০

১৫ - আস-সুনান, ইবনে মাজাহ কৃত: ১৬, ১৯, ২১, ২২, ১২৩
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
16 - السنن للنسائي: 243

17 - السنن لأبي داود: 256، 283، 289، 290

18 - السنن لسعيد بن منصور: 246، 291

19 - السنن للأثرم: 295

20 - شرح الهداية، لأبي البركات ابن تيمية: 257، 296

21 - صحيح ابن خزيمة:18

22 - صحيح البخاري: 24، 115، 253، 255

23 - صحيح مسلم:16، 109، 216، 217 (3)، 288

24 - الصحيح: 180 (خ وم).

25 - الصحيحان: 15، 283، 289

26 - الصلاة (المفرد)، لابن حبان: 57

27 - العلل، لابن أبي حاتم: 51

28 - العلل، للخلال: 53

29 - العلم، للخلال: 275، 276

30 - الكامل، لابن عدي: 159

31 - المدوَّنة: 138

32 - مسائل ابن هانئ عن أحمد: 253، 277
১৬ - সুনান আন-নাসাঈ: ২৪৩

১৭ - সুনান আবি দাউদ: ২৫৬, ২৮৩, ২৮৯, ২৯০

১৮ - সুনান সাঈদ বিন মানসুর: ২৪৬, ২৯১

১৯ - সুনান আল-আছরাম: ২৯৫

২০ - শারহুল হিদায়াহ, আবুল বারাকাত ইবনে তাইমিয়্যাহ কৃত: ২৫৭, ২৯৬

২১ - সহীহ ইবনে খুজাইমাহ: ১৮

২২ - সহীহ আল-বুখারী: ২৪, ১১৫, ২৫৩, ২৫৫

২৩ - সহীহ মুসলিম: ১৬, ১০৯, ২১৬, ২১৭ (৩), ২৮৮

২৪ - সহীহ: ১৮০ (বুখারী ও মুসলিম)।

২৫ - সহীহাইন: ১৫, ২৮৩, ২৮৯

২৬ - আস-সালাত (আল-মুফরাদ), ইবনে হিব্বান কৃত: ৫৭

২৭ - আল-ইলাল, ইবনে আবি হাতিম কৃত: ৫১

২৮ - আল-ইলাল, আল-খাল্লাল কৃত: ৫৩

২৯ - আল-ইলম, আল-খাল্লাল কৃত: ২৭৫, ২৭৬

৩০ - আল-কামিল, ইবনে আদি কৃত: ১৫৯

৩১ - আল-মুদাওওয়ানাহ: ১৩৮

৩২ - মাসায়িল ইবনে হানি আন আহমাদ: ২৫৩, ২৭৭
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
33 - مسائل أبي داود عن أحمد: 277

34 - مسائل المرّوذي عن أحمد: 274

35 - مسائل حرب الكرماني عن أحمد: 284

36 - مسند أحمد:26، 165، 215، 216، 217، 218، 289 (2)،290

37 - المصنف، لابن أبي شيبة: 84، 242، 260

38 - موطأ مالك: 173، 174، 176

النوع الثاني: الأعلام الذين نقل عنهم

نذكر في هذا القسم الأعلام الذين نقل المصنف عنهم دون تعيين اسم الكتاب المنقول عنه، فإن تبين بعد البحث اسم كتابه ووجدنا النقل فيه، ذكرناه بين قوسين ( … )، وإن لم نجزم باسم الكتاب وضعنا بعده علامة (؟)، وإن كان للعَلَم أكثر من كتاب أو لم نستطع معرفة الكتاب المنقول عنه تركناه غُفْلًا.

1 - ابن أبي شيبة: 144، 263 (المصنف).

2 - ابن الجوزي: 106 (الضعفاء والمتروكون)(1).

3 - ابن القطان الفاسي: 161 - 163 (بيان الوهم والإيهام)

4 - ابن جرير الطبري: 40 (التفسير).

--------------------------------------------

(1) وهو معتمده في تراجم الضعفاء، مع كتاب تهذيب الكمال للمزي.

33 - ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণিত আবু দাউদের মাসায়েল: ২৭৭

34 - ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণিত আল-মারওয়াযির মাসায়েল: ২৭৪

35 - ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণিত হারব আল-কিরমানির মাসায়েল: ২৮৪

36 - মুসনাদে আহমাদ: ২৬, ১৬৫, ২১৫, ২১৬, ২১৭, ২১৮, ২৮৯ (২), ২৯০

37 - ইবনে আবি শাইবাহর আল-মুসান্নাফ: ৮৪, ২৪২, ২৬০

38 - মুয়াত্তায়ে মালিক: ১৭৩, ১৭৪, ১৭৬

দ্বিতীয় প্রকার: সেই সকল ব্যক্তিবর্গ যাদের থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করা হয়েছে

এই পরিচ্ছেদে আমরা সেই সকল বরেণ্য ব্যক্তিত্বের নাম উল্লেখ করছি যাদের থেকে গ্রন্থকার উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, তবে কোন কিতাব থেকে উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে তার নাম উল্লেখ করেননি। অনুসন্ধানের পর যদি কিতাবের নাম নির্দিষ্টভাবে জানা যায় এবং তাতে উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায়, তবে আমরা তা বন্ধনীর ( … ) মধ্যে উল্লেখ করেছি। আর যদি কিতাবের নাম সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত হতে না পারি, তবে তার পাশে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন (؟) যুক্ত করেছি। যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির একাধিক কিতাব থাকে অথবা কোন কিতাব থেকে উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে তা নিরুপণ করা সম্ভব না হয়, তবে আমরা তা কোনো নাম ছাড়াই রেখে দিয়েছি।

1 - ইবনে আবি শাইবাহ: ১৪৪, ২৬৩ (আল-মুসান্নাফ)।

2 - ইবনুল জাওযি: ১০৬ (আদ-দুয়াফা ওয়াল মাত্রুকুন)(১)।

3 - ইবনুল কাত্তান আল-ফাসি: ১৬১ - ১৬৩ (বায়ানুল ওয়াহম ওয়াল ইহম)

4 - ইবনে জারির আত-তাবারি: ৪০ (আত-তাফসির)।

--------------------------------------------

(১) এটিই দুর্বল বর্ণনাকারীদের জীবনী পর্যালোচনার ক্ষেত্রে তার প্রধান নির্ভরযোগ্য উৎস, সাথে মিজ্জির তাহযিবুল কামাল কিতাবটিও রয়েছে।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
5 - ابن حبان: 94، 106، 157 (المجروحين).

6 - ابن حزم: 259، 261، 263، 268 (المحلى).

7 - ابن عبدالبر: 47، 135، 172 (التمهيد). و: 135، 168 - 169، 171، 172 (الانتقاء). و: 117، 118، 125، 126، 130 (جامع بيان العلم). و: 135، 219 (الاستذكار). و: 210 (الاستيعاب).

8 - ابن عدي: 44، 226 (الكامل).

9 - ابن يونس: 138 (الجامع).

10 - أبو البركات ابن تيمية: 284 (شرح الهداية؟).

11 - أبو الحجاج المزي: 236 (تهذيب الكمال).

12 - أبو داود: 17، 22، 45، 249، 261، 277 (السنن). و: 294 (المسائل).

13 - البخاري: 15، 120، 180 (الصحيح). و: 29، 34، 37، 44، 56، 86 - 90، 99، 107، 111، 190، 192، 194، 195، 196، 197، 205 (رفع اليدين).

14 - البيهقي: 9، 11، 12، 23، 27، 28، 44، 149 (الكبرى). و:241، 248 (معرفة السنن والآثار).

15 - الترمذي: 61، 218 (الجامع).
৫ - ইবন হিব্বান: ৯৪, ১০৬, ১৫৭ (আল-মাজরুহীন)।

৬ - ইবন হাযম: ২৫৯, ২৬১, ২৬৩, ২৬৮ (আল-মুহাল্লা)।

৭ - ইবন আবদিল বার: ৪৭, ১৩৫, ১৭২ (আত-তামহীদ)। এবং: ১৩৫, ১৬৮ - ১৬৯, ১৭১, ১৭২ (আল-ইনতিকা)। এবং: ১১৭, ১১৮, ১২৫, ১২৬, ১৩০ (জামি বয়ানিল ইলম)। এবং: ১৩৫, ২১৯ (আল-ইসতিযকার)। এবং: ২১০ (আল-ইসতিয়াব)।

৮ - ইবন আদি: ৪৪, ২২৬ (আল-কামিল)।

৯ - ইবন ইউনুস: ১৩৮ (আল-জামি)।

১০ - আবুল বারাকাত ইবন তাইমিয়্যাহ: ২৮৪ (শারহুল হিদায়াহ?)।

১১ - আবুল হাজ্জাজ আল-মিযযি: ২৩৬ (তাহযিবুল কামাল)।

১২ - আবু দাউদ: ১৭, ২২, ৪৫, ২৪৯, ২৬১, ২৭৭ (আস-সুনান)। এবং: ২৯৪ (আল-মাসায়িল)।

১৩ - আল-বুখারি: ১৫, ১২০, ১৮০ (আস-সহিহ)। এবং: ২৯, ৩৪, ৩৭, ৪৪, ৫৬, ৮৬ - ৯০, ৯৯, ১০৭, ১১১, ১৯০, ১৯২, ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৭, ২০৫ (রাফউল ইয়াদাইন)।

১৪ - আল-বাইহাকি: ৯, ১১, ১২, ২৩, ২৭, ২৮, ৪৪, ১৪৯ (আল-কুবরা)। এবং: ২৪১, ২৪৮ (মা'রিফাতুস সুনান ওয়াল আসার)।

১৫ - আত-তিরমিযি: ৬১, ২১৮ (আল-জামি)।
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
16 - الحاكم: 8، 9، 10، 18، 95، 201(1).

17 - الخلال: 280 (الجامع؟).

18 - الدارقطني: 154، 295 (السنن).

19 - الذهبي: 205 (الرواة المتكلم فيهم؟).

20 - الرافعي: 282 (العزيز شرح الوجيز؟).

21 - سعيد بن منصور: 16، 296 (السنن؟).

22 - الشافعي: 47 (الأم)، 113(2)؟

23 - الطحاوي: 142، 143، 147، 151، 153، 162 (شرح معاني الآثار). و: 147 (شرح مشكل الآثار).

24 - عبدالله بن أحمد: 9 (زوائد المسند).

25 - العقيلي: 159 (الضعفاء).

26 - الغزالي: 288 (الوجيز؟).

27 - القاضي أبو يعلى: 275 (لعله: الجامع)، 278، 293، 294، 296.

28 - محمد بن نصر المروزي: 144، 197 (من كتابه في رفع اليدين، بواسطة التمهيد لابن عبدالبر).

--------------------------------------------

(1) ليس النقل من المستدرك فلعله من كتاب آخر له أو نقلها المؤلف بواسطة تلميذه البيهقي.

(2) في هذا الموضع نقل المؤلف مناظرة بين الشافعي وبعض أهل الرأي (هو محمد بن الحسن غالبًا)، لكن لم أجدها في الأم، فلعلها مما حكاه عنه البيهقي في «الخلافيات»، فقد أشار ابن الملقن في «البدر المنير» إلى بعضها.

১৬ - আল-হাকিম: ৮, ৯, ১০, ১৮, ৯৫, ২০১(১).

১৭ - আল-খাল্লাল: ২৮০ (আল-জামি?)।

১৮ - আদ-দারাকুতনি: ১৫৪, ২৯৫ (আস-সুনান)।

১৯ - আয-যাহাবি: ২০৫ (আর-রুওয়াত আল-মুতাকাল্লাম ফিহিম - সমালোচিত বর্ণনাকারীগণ?)।

২০ - আর-রাফেয়ি: ২৮২ (আল-আজিজ শারহুল ওয়াজিজ?)।

২১ - সাঈদ ইবনে মানসুর: ১৬, ২৯৬ (আস-সুনান?)।

২২ - আশ-শাফেয়ি: ৪৭ (আল-উম্ম), ১১৩(২)?

২৩ - আত-তহাবি: ১৪২, ১৪৩, ১৪৭, ১৫১, ১৫৩, ১৬২ (শারহু মাআনিল আসার)। এবং: ১৪৭ (শারহু মুশকিলিল আসার)।

২৪ - আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ: ৯ (যাওয়াইদুল মুসনাদ)।

২৫ - আল-উকায়লি: ১৫৯ (আদ-দুয়াফা)।

২৬ - আল-গাজালি: ২৮৮ (আল-ওয়াজিজ?)।

২৭ - আল-কাজি আবু ইয়ালা: ২৭৫ (সম্ভবত: আল-জামি), ২৭৮, ২৯৩, ২৯৪, ২৯৬।

২৮ - মুহাম্মাদ ইবনে নাসর আল-মারওয়াজি: ১৪৪, ১৯৭ (হাত উঠানো বা রাফউল ইয়াদাইন সংক্রান্ত তাঁর কিতাব থেকে, ইবনে আব্দুল বার-এর আত-তামহিদ-এর মাধ্যমে)।

--------------------------------------------

(১) উদ্ধৃতিটি আল-মুসতাদরাক থেকে নয়, সম্ভবত এটি তাঁর অন্য কোনো কিতাব থেকে অথবা লেখক এটি তাঁর ছাত্র বায়হাকির মাধ্যমে উদ্ধৃত করেছেন।

(২) এই স্থানে লেখক ইমাম শাফেয়ি এবং কতিপয় আহলুর রায়ের (তিনি সম্ভবত মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান) মধ্যে একটি বিতর্ক উদ্ধৃত করেছেন, কিন্তু আমি সেটি আল-উম্ম কিতাবে পাইনি। সম্ভবত এটি বায়হাকি তাঁর «আল-খিলাফিয়্যাত» কিতাবে যা বর্ণনা করেছেন তার অন্তর্ভুক্ত, কেননা ইবনুল মুলাক্কিন তাঁর «আল-বাদরুল মুনির» কিতাবে এর কিছু অংশের দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
29 - النسائي: 262 (السنن).

30 - النووي:253 (المجموع)، 283؟

النوع الثالث: مالم يصرِّح فيه باسم الكتاب ولا مؤلِّفه:

1 - الإحكام لابن حزم: 115 - 132

2 - التمهيد: 32 - 34، 144

3 - تهذيب الكمال: 147، 230، 232 - 234، 235، 239 - 240

4 - الجامع لابن عبدالبر: 115 - 132

5 - الجرح والتعديل لابن أبي حاتم: 239؟

6 - الخلافيات: 50، 52، 84، 92، 95

7 - والسنن الكبرى كلاهما للبيهقي: 47، 49، 50، 87

8 - شرح معاني الآثار للطحاوي:153

9 - الضعفاء للعقيلي:158

10 - الضعفاء والمتروكون لابن الجوزي: 95 - 96، 97، 105، 155، 156

11 - الكامل لابن عدي: 227

12 - المحلى لابن حزم:256

13 - معرفة السنن والآثار: 47، 251
২৯ - নাসায়ি: ২৬২ (আস-সুনান)।

৩০ - আন-নাওয়াবি: ২৫৩ (আল-মাজমু'), ২৮৩?

তৃতীয় প্রকার: যেগুলোতে বইয়ের নাম বা লেখকের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি:

১ - ইবনে হাজমের আল-ইহকাম: ১১৫ - ১৩২

২ - আত-তামহিদ: ৩২ - ৩৪, ১৪৪

৩ - তাহজিবুল কামাল: ১৪৭, ২৩০, ২৩২ - ২৩৪, ২৩৫, ২৩৯ - ২৪০

৪ - ইবনে আবদিল বাররের আল-জামি': ১১৫ - ১৩২

৫ - ইবনে আবি হাতিমের আল-জারহ ওয়াত-তা'দিল: ২৩৯?

৬ - আল-খিলাফিয়্যাত: ৫০, ৫২, ৮৪, ৯২, ৯৫

৭ - এবং আস-সুনানুল কুবরা—উভয়টিই বায়হাকির: ৪৭, ৪৯, ৫০, ৮৭

৮ - তাহাবির শারহু মা'আনিল আসার: ১৫৩

৯ - উকায়লির আদ-দুয়াফা: ১৫৮

১০ - ইবনুল জাওজির আদ-দুয়াফা ওয়াল মাতরুকুন: ৯৫ - ৯৬, ৯৭, ১০৫, ১৫৫, ১৫৬

১১ - ইবনে আদির আল-কামিল: ২২৭

১২ - ইবনে হাজমের আল-মুহাল্লা: ২৫৬

১৩ - মা'রিফাতুস সুনানি ওয়াল আসার: ৪৭, ২৫১
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
*‌‌ وصف النسخ الخطية

لهذا الكتاب نسختان:

الأولى (الأصل): وهي نسخة نفيسة، محفوظة في مكتبة الملك عبدالعزيز بالمدينة النبوية على ساكنها أفضل الصلاة والسلام ــ مجموعة المكتبة المحمودية، وقد جُلِّد فيها مع كتاب «نظم بلوغ المرام» للأمير الصنعاني، وسجِّلا برقم واحد (913)، وكتب على غلاف المجلد ــ بخط حديث ــ: «من كتب فقه أهل الحديث والأثر: 1 - منظومة بلوغ المرام، لعالم اليمن السيد محمد بن السيد إسماعيل الأمير الصنعاني الأثري. 2 - رسالة في ترجيح رفع اليدين قبل الركوع وبعد الركوع، للحافظ شمس الدين محمد ابن قيم الجوزية الزرعي الدمشقي»، وعلى كتاب الصنعاني عدة تملّكات، وختم المكتبة المحمودية. وكتب على أول نسختنا بخط أقدم من خط كاتب التصدير السابق: «كتاب رفع اليدين في الصلاة لابن قيم الجوزية».

والنسخة تقع في (98 ورقة) بحسب الترقيم الموجود على النسخة، ولم يتنبه المرقِّم إلى سقوط ورقتين في أثنائها وهما رقم (81 - 82)، دلَّ على وجود السَّقط انقطاع الكلام، ودلَّ على أنهما ورقتان وليس ورقة واحدة: أنّ المبحث بتمامه ــ ومن ضمنه هذا النصّ ــ موجود في كتاب ابن القيم «تهذيب سنن أبي داود»: (1/ 354 - 374) (ق 39 أ-40 ب) بنصِّه، ومقدارُه يزيد على الورقة يقينًا. فيكون عدد أوراقها (100 ورقة)، وإذا
পাণ্ডুলিপিসমূহের বর্ণনা

এই গ্রন্থটির দুটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে:

প্রথমটি (মূল): এটি একটি মূল্যবান পাণ্ডুলিপি, যা মদিনা নববীর—তার অধিবাসীর ওপর সর্বোত্তম দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক—বাদশাহ আব্দুল আজিজ লাইব্রেরির মাহমুদিয়া কুতুবখানা সংগ্রহে সংরক্ষিত রয়েছে। এটি আমির সানআনির ‘নাজমু বুলুগিল মারাম’ গ্রন্থের সাথে একই মলাটে বাঁধানো হয়েছে এবং উভয়টি একই নম্বর (৯১৩) দিয়ে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ভলিউমটির প্রচ্ছদে আধুনিক হস্তাক্ষরে লেখা রয়েছে: “আহলে হাদিস ওয়াল আছারদের ফিকহ শাস্ত্রের কিতাবসমূহ থেকে: ১. মানজুমা বুলুগিল মারাম, ইয়েমেনের আলেম সাইয়্যেদ মুহাম্মদ ইবনে সাইয়্যেদ ইসমাইল আল-আমির আস-সানআনি আল-আছারি কর্তৃক রচিত। ২. রুকুতে যাওয়ার আগে এবং রুকু থেকে ওঠার পর দুই হাত তোলা বা রাফউল ইয়াদাইনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে একটি রিসালাহ, হাফেজ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ আজ-জারয়ি আদ-দিমাশকি কর্তৃক রচিত।” সানআনির কিতাবের ওপর বেশ কিছু মালিকানা স্বত্ব এবং মাহমুদিয়া লাইব্রেরির সিলমোহর রয়েছে। আমাদের এই কপির শুরুতে আগের ভূমিকা লেখকের লেখার চেয়েও পুরাতন হস্তাক্ষরে লেখা রয়েছে: “ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ রচিত সালাতে দুই হাত তোলা বা রাফউল ইয়াদাইন সংক্রান্ত কিতাব।”

পাণ্ডুলিপিতে বিদ্যমান ক্রমিক নম্বর অনুযায়ী এটি (৯৮টি পত্রে) বিন্যস্ত। কিন্তু নম্বর প্রদানকারী এর মাঝে দুটি পত্র (৮১-৮২) বাদ পড়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেননি। আলোচনার ধারাবাহিকতা বিচ্ছিন্ন হওয়া থেকে এই বিচ্যুতি বা পাতা পড়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়। আর এটি একটি নয় বরং দুটি পত্র ছিল তার প্রমাণ হলো: এই সম্পূর্ণ আলোচনাটি—এবং এই পাঠ্যাংশটিও—ইবনুল কাইয়্যিমের ‘তাহজিবু সুনানি আবি দাউদ’ গ্রন্থের (১/ ৩৫৪ - ৩৭৪) (পত্র ৩৯ক-৪০খ) হুবহু বিদ্যমান রয়েছে এবং এর কলেবর নিশ্চিতভাবেই একটি পত্রের চেয়ে বেশি। ফলে এর মোট পত্র সংখ্যা দাঁড়ায় (১০০টি), এবং যদি
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
حسبنا السقط الواقع في أول النسخة وأنه في ثماني ورقات، يكون عدد أوراقها بتمامها (108 ورقات). وقد رمزتُ لها بـ (الأصل).

والنسخة اعتورها أمران:

1 - نقصٌ في موضعين؛ أولهما: نقص في أولها إذ تبدأ بقوله «الانتقال من الركوع … » فما مقدار النقص؟ فنقول: مقداره سبع إلى ثماني ورقات، دلنا على مقداره التركينة التي التزمها الناسخ لكل عشر ورقات، فنجد أن أول تركينة كانت في رأس الورقة (3) وفيها «ثاني رفع اليدين» هذا يعني أن هناك نحو ثماني ورقات قد سقطت من أول النسخة بما فيها ورقة العنوان. وهذا السقط سببه ما سنذكره في النقطة الثانية. وثانيهما: نقص في الورقتين (81، 82) فهل سقطتا أو تَلِفَتا بسبب شدَّة الرُّطوبة؟

2 - أنه قد أصاب النسخةَ رطوبةٌ شديدة أدت إلى تلف عدة أوراق من أول الكتاب ــ كما سلف ــ، وإلى تآكل أطراف عدد من أوراق النسخة مما أدى إلى طمس الكثير من الكلمات، ويستمر هذا التآكل المؤثِّر إلى الورقة (26) ثم يبدأ في الانحسار. ثم يبدأ طمس شديد استوعب كامل الورقات (53 - 56) وذهب بكثير من النصوص. وقد حاول أحد المطالعين أو مالكي النسخة أن يستدرك الكلمات المطموسة في عدد من المواضع، وواضح من قاعدة خطِّه أنه من أهل المغرب.

والنسخة غاية في الجودة، وفي أعلى درجات الثقة، فهي منسوخة في حياة مؤلفها سنة 740 هـ، وناسخها من تلاميذه، وقد نسخها من نسخة مؤلفها، وقابلها عليها.
পাণ্ডুলিপির শুরুতে ঘটে যাওয়া বিচ্যুতি এবং এটি যে আটটি পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে, তা হিসাব করলে এর মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা দাঁড়ায় (১০৮ পৃষ্ঠা)। আমি এটিকে ‘মূল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছি।

পাণ্ডুলিপিটিতে দুটি ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়েছে:

১ - দুটি স্থানে অসম্পূর্ণতা রয়েছে; প্রথমটি হলো: এর শুরুর দিকের অসম্পূর্ণতা, কারণ এটি শুরু হয়েছে তাঁর এই বাণী দ্বারা যে, «রুকু থেকে স্থানান্তরণ … » তাহলে এই অসম্পূর্ণতার পরিমাণ কত? আমরা বলি: এর পরিমাণ সাত থেকে আট পৃষ্ঠা। অনুলিপিকারক প্রতি দশ পৃষ্ঠার জন্য যে ‘তারকিনা’ (পৃষ্ঠাসংখ্যা নির্দেশের চিহ্ন) ব্যবহারের নিয়ম অনুসরণ করেছেন, তা থেকে আমরা এই পরিমাণ সম্পর্কে জানতে পারি। আমরা দেখতে পাই যে, প্রথম তারকিনাটি ৩ নম্বর পৃষ্ঠার শীর্ষে ছিল এবং তাতে ছিল «দ্বিতীয়বার হাত তোলা»। এর অর্থ হলো শিরোনামের পাতাসহ পাণ্ডুলিপির শুরু থেকে প্রায় আটটি পৃষ্ঠা বিলুপ্ত হয়েছে। আর এই বিলুপ্তির কারণ সেটি যা আমরা দ্বিতীয় পয়েন্টে উল্লেখ করব। দ্বিতীয়টি হলো: ৮১ ও ৮২ নম্বর পৃষ্ঠার অসম্পূর্ণতা; এগুলো কি পড়ে গেছে নাকি তীব্র আর্দ্রতার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে?

২ - পাণ্ডুলিপিটিতে প্রচণ্ড আর্দ্রতা লেগেছে, যা বইয়ের শুরুর দিকের বেশ কিছু পৃষ্ঠা নষ্ট হওয়ার কারণ হয়েছে—যেমনটি আগে উল্লেখ করা হয়েছে—এবং পাণ্ডুলিপির বেশ কিছু পৃষ্ঠার কিনারাগুলো ক্ষয়ে গেছে, যার ফলে অনেক শব্দ মুছে গেছে। এই ক্ষতিকর ক্ষয় ২৬ নম্বর পৃষ্ঠা পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং এরপর তা কমতে শুরু করেছে। এরপর মারাত্মক অস্পষ্টতা শুরু হয়েছে যা ৫৩ থেকে ৫৬ নম্বর পৃষ্ঠা পর্যন্ত পুরোটা গ্রাস করেছে এবং অনেক পাঠ্য মিটিয়ে দিয়েছে। পাঠকদের একজন অথবা পাণ্ডুলিপির কোনো এক মালিক বেশ কিছু স্থানে মুছে যাওয়া শব্দগুলো পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করেছেন এবং তাঁর হস্তলিপির ধরন থেকে এটি স্পষ্ট যে তিনি মাগরিব (উত্তর আফ্রিকা) অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন।

আর এই পাণ্ডুলিপিটি অত্যন্ত উন্নত মানের এবং নির্ভরযোগ্যতার সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছে। কারণ এটি লেখকের জীবদ্দশায় ৭৪০ হিজরি সনে অনুলিপি করা হয়েছে। এর অনুলিপিকারক ছিলেন তাঁরই একজন ছাত্র এবং তিনি লেখকের মূল পাণ্ডুলিপি থেকে এটি অনুলিপি করেছেন এবং তাঁর সাথে এটি মিলিয়েও নিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) রাফউল ইয়াদাইন ফিস সালাহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
كل ذلك قاله ناسخها في آخرها، ونص كلامه: «تم كتاب رفع اليدين تأليف شيخنا الإمام العلامة شمس الدين أبي عبدالله محمد بن أبي بكر الزرعي المعروف بابن قيم الجوزية، أمتع الله بفوائده ورضي عنه. في يوم الاثنين منتصف شعبان سنة أربعين وسبعمائة بمدينة حلب حرسها الله تعالى وسائر بلاد الإسلام.

ونُقلت هذه النسخة إلا يسيرًا منها وهو دون خمس ورقات(1) من أصل المؤلف الذي بخطه، وقوبلت به».

خط النسخة واضح متقن قليل الإعجام، بعض كلماتها مضبوطة بالقلم، وللناسخ عناية بالتأكيد على صحة ما يكتب بوضع علامة التصحيح (صح) فوق بعض الكلمات التي قد تشكل أو يظن أنها خطأ، وقد يكررها مرتين زيادة في التنبيه.

ودلائل المقابلة واضحة بالبلاغات التي في هامش النسخة، وباللحق في مواضع أخرى.

والناسخ وإن لم نعرف من هو، فهو من المشتغلين بالعلم قطعًا إن لم يكن من العلماء، دل على ذلك ما ذكرناه من ميزات النسخة وجودتها.

--------------------------------------------

(1) هذه الخمس ورقات التي ليست بخط المؤلف يحتمل أن تكون نقلًا من أحد الكتب، وأرجح أن يكون هو مبحث الرد على كلام ابن القطان الذي ذكره المؤلف في كتابه تهذيب السنن، فكلّف المؤلف بعض طلابه أو غيرهم نقل كلامه من ذاك الكتاب إلى هنا. وهذا أمر قد صنع المؤلف نظيره في كتابه «طريق الهجرتين» في نسخته التي بخطه، انظر مقدمة تحقيقه للشيخ المحقق محمد أجمل الإصلاحي (1/ 57 - 58).

এ সব কথা এর লিপিকার এর শেষে উল্লেখ করেছেন, আর তাঁর বক্তব্যের বিবরণ হলো: "আমাদের শাইখ ইমাম আল্লামা শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর আয-যারি, যিনি ইবনুল কায়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ নামে পরিচিত—আল্লাহ তাঁর ইলমি উপকারিতা দ্বারা আমাদের উপকৃত করুন এবং তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন—কর্তৃক রচিত ‘রাফউল ইয়াদাইন’ কিতাবটি সমাপ্ত হলো। এটি ৭৪০ হিজরি সনের শা’বান মাসের মধ্যবর্তী সোমবার সিরিয়ার আলেপ্পো শহরে সম্পন্ন হয়েছে; আল্লাহ তাআলা এই শহর ও অন্যান্য মুসলিম ভূখণ্ডসমূহকে রক্ষা করুন।

আর এই পাণ্ডুলিপিটি লেখকের নিজ হাতের মূল পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করা হয়েছে, কেবল সামান্য অংশ অর্থাৎ পাঁচ পৃষ্ঠারও কম অংশ(১) ব্যতীত, এবং তাঁর মূল কপির সাথে এটি মিলিয়ে দেখা হয়েছে।"

পাণ্ডুলিপিটির হস্তাক্ষর স্পষ্ট ও সুনিপুণ এবং এতে নুকতাহীন বর্ণ খুবই কম। কিছু শব্দ কলম দ্বারা হরকতযুক্ত করা হয়েছে। যা লেখা হয়েছে তার বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করতে লিপিকার বিশেষ যত্ন নিয়েছেন; তিনি অস্পষ্ট বা ভুল মনে হতে পারে এমন শব্দের ওপর সংশোধন চিহ্ন (সাহ্) বসিয়েছেন এবং সতর্ক করার জন্য কখনো কখনো তা দুবার ব্যবহার করেছেন।

পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় থাকা টীকাচিহ্ন এবং বিভিন্ন স্থানে থাকা সংযোজনীগুলো থেকে মূল কপির সাথে এটি মিলিয়ে দেখার (মুকাবালা) প্রমাণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

যদিও এই লিপিকার কে ছিলেন তা আমাদের জানা নেই, তবে পাণ্ডুলিপির উল্লেখিত বৈশিষ্ট্য ও গুণগত মান থেকে এটি নিশ্চিতভাবেই প্রতীয়মান হয় যে, তিনি যদি আলেম নাও হয়ে থাকেন, তবে অবশ্যই ইলমি চর্চার সাথে গভীরভাবে সংশ্লিষ্ট কেউ ছিলেন।

--------------------------------------------

(১) এই পাঁচটি পৃষ্ঠা যা লেখকের নিজ হাতের নয়, সম্ভবত তা অন্য কোনো কিতাব থেকে সংকলিত হয়েছে। আমার প্রবল ধারণা এই যে, এটি ইবনুল কাত্তানের বক্তব্যের খণ্ডন সম্পর্কিত আলোচনা, যা লেখক তাঁর 'তাহজিবুস সুনান' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। লেখক তাঁর কোনো ছাত্র বা অন্য কাউকে সেই কিতাব থেকে কথাগুলো এখানে অনুলিপি করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। লেখক তাঁর ‘তারিকুল হিজরাতাইন’ গ্রন্থের নিজস্ব হস্তাক্ষরের কপিতেও অনুরূপ কাজ করেছেন। দেখুন, মুহাক্কিক শাইখ মুহাম্মাদ আজমল আল-ইসলাহি কর্তৃক সম্পাদিত সংস্করণের ভূমিকা (১/ ৫৭-৫৮)।