(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: -)
دليل الطالبين لكلام النحويين القسم: النحو والصرف
الكتاب: دليل الطالبين لكلام النحويين
المؤلف: مرعي بن يوسف بن أبى بكر بن أحمد الكرمى المقدسي الحنبلى (ت 1033هـ)
الناشر: إدارة المخطوطات والمكتبات الإسلامية - الكويت
عام النشر: 1430 هـ - 2009 م
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
দালিলুত তালিবীন লি-কালামিন নাহবিয়্যীন বিভাগ: নাহু ও সরফ (ব্যাকরণ ও রূপতত্ত্ব)
গ্রন্থ: দালিলুত তালিবীন লি-কালামিন নাহবিয়্যীন
লেখক: মারঈ ইবনে ইউসুফ ইবনে আবি বকর ইবনে আহমাদ আল-কারমি আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি (মৃত্যু ১০৩৩ হি.)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি ও ইসলামী গ্রন্থাগার বিভাগ - কুয়েত
প্রকাশকাল: ১৪৩০ হিজরি - ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১ হিজরি
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১০)
بسم الله الرحمن الرحيم
الكتاب: دليل الطالبين لكلام النحويين
المؤلف: مرعي بن يوسف بن أبي بكر بن أحمد الكرمي المقدسي (المتوفى 1033 هـ)
الناشر: إدارة المخطوطات والمكتبات الإسلامية - الكويت
عام النشر: 1430 هـ - 2009 م
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
গ্রন্থ: দালিলুত তালিবিন লি-কালামিন নাহউইয়িন
লেখক: মারঈ ইবনে ইউসুফ ইবনে আবি বকর ইবনে আহমাদ আল-কারমি আল-মাকদিসি (মৃত্যু ১০৩৩ হিজরি)
প্রকাশক: ইদারা আল-মাখতুতাত ওয়াল মাকতাবাত আল-ইসলামিয়া - কুয়েত
প্রকাশের বছর: ১৪৩০ হিজরি - ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ১
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১১)
المقدمةبسم الله الرحمن الرحيم
وبه نستعين
الحمد لله الذي رفع من خفضَ جناحه، ونصب نفسه للطالبين، والصلاة والسلام على أفصح الناس لفظاً وقولاً وإعراباً وكلمة، وكلاماً مبين (1) ، وأحسنهم اسما وفعلاً وصفةً ووصفاً ومعرفة وكنيةً وعلَماً ولقباً وتمييزاً وحالاً، وخاتم النبيين والمرسلين، وعلى آله وأصحابه الذين رفعوا الفاعل ونصبوا المفعول وخفضوا المضاف
فصاحة منهم وسجيةً لهم، كيف لا؛! وقد فازوا بصحبة أفضل الخلق أجمعين، صلى الله عليه وعليهم ما أعرب معرب قام زيد وعمرو وانطلق بكر وبشر، وامْتُثِلَ نهي وأمر، وما دامت السموات والأرضين.
أما بعد، فقد قال أهل العلم: النحو علم مستنبط بالقياس والاستقراء من كتاب الله تعالى والكلام الفصيح، ومعرفته فرض كفاية.
ويقال: أول من وضعه هو أبو الأسود بإشارةِ علي كرم الله وجهه علِّمهم
--------------------------------------------
ভূমিকাপরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি।
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাকে উচ্চকিত (رفع) করেছেন যে স্বীয় বিনয়ের ডানা অবনমিত (خفض) করেছে এবং ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য নিজেকে নিয়োজিত (نصب) করেছেন। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সেই সত্তার প্রতি, যিনি মানুষের মধ্যে শব্দ প্রয়োগে, উচ্চারণে, ব্যাকরণিক বিশ্লেষণে (إعراب), পদে এবং সুস্পষ্ট বক্তব্যে সর্বাধিক প্রাঞ্জল (১), আর নাম (اسم), ক্রিয়া (فعل), গুণ (صفة), বর্ণনা (وصف), নির্দিষ্টতা (معرفة), উপনাম (كنية), নামবাচক বিশেষ্য (علم), উপাধি (لقب), বৈশিষ্ট্য জ্ঞাপক (تمييز) ও অবস্থার (حال) দিক থেকে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম; যিনি নবী ও রাসূলগণের মোহর (সর্বশেষ)। এবং তাঁর পরিবার ও সহচরদের প্রতি, যারা কর্তাকে (فاعل) উচ্চকিত (رفع) করেছেন, কর্মকে (مفعول) প্রতিষ্ঠিত (نصب) করেছেন এবং সম্বন্ধযুক্ত পদকে (مضاف) নিম্নগামী (خفض) করেছেন—
যা ছিল তাঁদের সহজাত বাগ্মিতা ও স্বভাবজাত বিষয়; আর তা হবেই না কেন? তাঁরা তো সমস্ত সৃষ্টির সেরা মানুষের সাহচর্য লাভে ধন্য হয়েছেন। আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক তাঁর ও তাঁদের ওপর, যতদিন কোনো ব্যাকরণবিদ ‘জায়েদ ও আমর দাঁড়িয়েছে’ এবং ‘বকর ও বিশর প্রস্থান করেছে’ এর ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ (إعراب) করবে, এবং আদেশ ও নিষেধ মান্য করা হবে, আর যতদিন আসমান ও জমিন বিদ্যমান থাকবে।
অতঃপর, ওলামায়ে কেরাম বলেছেন: ব্যাকরণ (نحو) হলো এমন এক ইলম যা আল্লাহর কিতাব ও প্রাঞ্জল আরবী ভাষা থেকে অনুমান বা কিয়াস (القياس) এবং আরোহ পদ্ধতি বা পর্যবেক্ষণ (الاستقراء) এর মাধ্যমে উদ্ভাবিত হয়েছে; আর এই ইলম অর্জন করা ফরযে কিফায়া (فرض كفاية)।
বলা হয়ে থাকে যে, সর্বপ্রথম আলী (আল্লাহ তাঁর চেহারাকে মর্যাদাবান করুন)-এর নির্দেশনায় আবু আল-আসওয়াদ এটি সংকলন করেন এবং তিনি তাদের শিখিয়েছিলেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১২)
الاسم والفعل والحرف وشيئاً من الإِعراب، وقال له: انح هذا النحو يا أبا الأسود.
ثم النحو لغة: يطلق على: القصد والمقدار والجهة والمثل والنوع والبعض
واصطلاحاً: علم بأصول يعرف منها أحوال أواخر الكلم إعراباً وبناءً.
وموضوعه: الكلمات العربية.
وفائدته: الاحتراز عن الخطأ في اللسان والاستعانة على فهم معاني كلام الله
ورسوله صلى الله عليه وسلم ومخاطبة العرب بعضهم لبعض.
والطريق المؤدية إلى تحصيل هذا العلم معرفة الأهم منه كالكلمة والكلام والاسم والفعل والحرف والإِعراب والبناء والنكرة والمعرفة والمرفوع والمنصوب، والمجرور والمجزوم والتابع والعامل.
বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل), অব্যয় (حرف) এবং শব্দরূপের (إعراب) কিয়দাংশ, এবং তিনি তাঁকে বললেন: "হে আবু আসওয়াদ! এই পথ অনুসরণ (انح هذا النحو) করুন।"
অতঃপর শাব্দিক অর্থে 'নাহু' (النحو) বলতে উদ্দেশ্য, পরিমাণ, দিক, সদৃশ, প্রকার ও অংশকে বোঝায়।
আর পারিভাষিক অর্থে (اصطلاحاً): এটি এমন কিছু মূলনীতি (أصول) সংক্রান্ত জ্ঞান যার মাধ্যমে শব্দের শেষাবস্থার রূপান্তর (إعراب) ও অপরিবর্তনীয়তা (بناء) সম্পর্কে জানা যায়।
এর আলোচ্য বিষয়: আরবি শব্দসমূহ।
এর উপকারিতা: রসনায় ভুল করা থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর বাণীর অর্থ অনুধাবনে সহায়তা লাভ করা।
এবং তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী এবং একে অপরের সাথে আরবদের কথোপকথন বোঝা।
এই ইলম বা জ্ঞান অর্জনের পথ হলো এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানা, যেমন: পদ (كلمة), বাক্য (كلام), বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل), অব্যয় (حرف), শব্দরূপের পরিবর্তন (إعراب), অপরিবর্তনীয়তা (بناء), অনির্দিষ্টবাচক শব্দ (نكرة), নির্দিষ্টবাচক শব্দ (معرفة), পেশযুক্ত অবস্থা (مرفوع), জবরযুক্ত অবস্থা (منصوب), জেরযুক্ত অবস্থা (مجرور), জজমযুক্ত অবস্থা (مجزوم), অনুগামী শব্দ (تابع) এবং কারক নির্ধারণকারী বা আমিল (عامل)।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১৩)
بابُ الكَلِمَةِ والكَلَامِ[فصل]
الكَلِمةُ: بفتح الكاف وكسر اللام أفصح من فتحِ الكاف وكسرها مع إسكان اللام.
وهي لغةً: تقال للجمل المفيدة، واصطلاحاَ: قولٌ مفرد.
والقولُ: هو اللفظ الموضوع لمعنى.
واللفظُ: هو الصوتُ المشتمل على بعض الحروف الهجائية تحقيقاً أو تقديراً.
والصوتُ: عَرَضٌ يخرج من داخل الرئة مع النَّفَس مستطيلاً متصلاً بمقطع من مقطاع الحلق واللسان والشفتين.
والمفرد: ما لا يدلُّ جزؤه على جزء معناه كـ "زيد".
ويقابله المركب، وهو: ما دل جزؤه على جزء معناه كـ "غلام زيد"
وللمفرد أربعةُ إطلاقات، فتارةً يراد به ما قابل المركَّب كما هنا وكما في باب العَلَم،
وتارةً يُرَاد به ما قابل المُعْرَبَ بالحروف وجمع التكسير، وذلك في باب الإِعراب،
শব্দ ও বাক্য অধ্যায় (بابُ الكَلِمَةِ والكَلَامِ)[পরিচ্ছেদ (فصل)]
কালিমা (الكَلِمةُ): ‘কাফ’ বর্ণে ফাতহা ও ‘লাম’ বর্ণে কাসরা যোগে উচ্চারণ করা, ‘কাফ’ ও ‘লাম’ উভয় বর্ণে ফাতহা প্রদান করার চেয়ে অথবা ‘কাফ’ বর্ণে কাসরা ও ‘লাম’ বর্ণে সুকুন প্রদান করার চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ (أفصح)।
এটি আভিধানিক (لغةً) অর্থে: অর্থবোধক বাক্যের (الجمل المفيدة) ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, আর পারিভাষিক (اصطلاحاَ) অর্থে: একক কথা (قولٌ مفرد)।
কওল (القولُ) হলো: এমন শব্দ (اللفظ) যা কোনো অর্থ প্রকাশের জন্য গঠন করা হয়েছে।
লফজ (اللفظُ) হলো: এমন আওয়াজ (الصوتُ) যা বর্ণমালার কিছু অক্ষরকে অন্তর্ভুক্ত করে, তা বাস্তবে (تحقيقاً) হোক বা উহ্যভাবে (تقديراً)।
আওয়াজ (الصوتُ) হলো: এমন একটি আপতিত গুণ (عَرَضٌ) যা ফুসফুসের ভেতর থেকে নিঃশ্বাসের সাথে দীর্ঘ হয়ে বের হয় এবং কণ্ঠনালী, জিহ্বা বা ঠোঁটের কোনো একটি উচ্চারণস্থলের সাথে মিলিত হয়।
মুফরাদ (المفرد) হলো: যার অংশবিশেষ তার পূর্ণ অর্থের কোনো অংশকে নির্দেশ করে না, যেমন- "যায়েদ"।
এর বিপরীত হলো মুরাক্কাব (المركب), আর তা হলো: যার অংশবিশেষ তার পূর্ণ অর্থের অংশকে নির্দেশ করে, যেমন- "যায়েদের গোলাম"।
মুফরাদ (المফرد) শব্দটির চারটি প্রয়োগ রয়েছে: কখনও এর দ্বারা এমন বিষয় উদ্দেশ্য হয় যা মুরাক্কাব (المركب) এর বিপরীত, যেমনটি এখানে এবং আলম বা নামবাচক বিশেষ্য (العَلَم) অধ্যায়ে হয়েছে।
আবার কখনও এর দ্বারা এমন বিষয় উদ্দেশ্য হয় যা হরফের মাধ্যমে রূপান্তরযোগ্য (المُعْرَبَ بالحروف) এবং অনিয়মিত বহুবচন (جمع التكسير) এর বিপরীত, আর তা ই’রাব (الإِعراب) অধ্যায়ে হয়ে থাকে।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১৪)
وتارةً يُرَاد به ما قابل المضاف وشبهه، وذلك في باب " لا" والمنادى، وتارةً يُرَاد به ما قابل الجملة وشبهها، وذلك في باب المبتدأ والخبر.
والكلامُ لغةً: عبارةٌ عن القول وما كان مكتفياً بنفسه، واصطلاحاً: لفظٌ مفيدٌ.
وأجزاء الكلام التي يتركَّبُ منها ثلاثةٌ: اسم وفعل وحرف، فيتركب من اسمين
كـ "زيد قائمٌ "، ومن فعل واسم كـ "قامَ زيد"، ومن الثلاثْ كـ "لَنْ يقومَ زيد".
وأما الكلم، فهو: ما تركَّبَ من ثلاثِ كلماتٍ فأكثر، أفاد أم لم يفد، فهو أخص من الكلام باشتراط التركيب من الثلاث، وأعم منه بعدم اشتراط الفائدة، والكلام عكسه.
কখনও কখনও এর দ্বারা মুদাফ (مضاف) এবং এর সাদৃশ্যের বিপরীত অর্থ গ্রহণ করা হয়, আর তা "লা" (لا) এবং মুনাদা (منادى) অধ্যায়ে পরিলক্ষিত হয়। আবার কখনও এর দ্বারা জুমলা (جملة) এবং এর সাদৃশ্যের বিপরীত অর্থ গ্রহণ করা হয়, যা মুবতাদা (مبتدأ) এবং খবর (خبر) অধ্যায়ে আলোচিত হয়।
শাব্দিক অর্থে কালাম (كلام) হলো: উক্তি (قول) এবং এমন বিষয় যা স্বয়ংসম্পূর্ণ। আর পারিভাষিক অর্থে তা হলো: অর্থবোধক শব্দ (لفظ مفيد)।
কালাম-এর অংশসমূহ যা দ্বারা এটি গঠিত হয় তা তিনটি: বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل) এবং অব্যয় (حرف)। সুতরাং এটি গঠিত হয় দুটি বিশেষ্য (اسمين) দ্বারা,
যেমন: "জায়েদ দণ্ডায়মান", এবং একটি ক্রিয়া ও একটি বিশেষ্য দ্বারা যেমন: "জায়েদ দাঁড়িয়েছে", এবং তিনটি অংশ দ্বারা যেমন: "জায়েদ কখনই দাঁড়াবে না"।
আর কালিম (كلم) হলো: যা তিন বা ততোধিক শব্দ (كلمات) দ্বারা গঠিত হয়, চাই তা পূর্ণ অর্থ প্রদান করুক বা না করুক। সুতরাং তিনটি শব্দ দ্বারা গঠিত হওয়ার শর্তের ভিত্তিতে এটি কালাম (كلام) অপেক্ষা অধিক বিশিষ্ট (أخص), আর পূর্ণ অর্থ প্রদানের শর্ত না থাকার কারণে এটি কালাম অপেক্ষা অধিক ব্যাপক (أعم); আর কালাম (كلام) এর বিষয়টি এর বিপরীত।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১৫)
باب الاسم والفعل والحرف[فصل]
الاسم لغةً: ما دلَّ على مسمّى، واصطلاحاً: كلمةٌ دلّت على معنى في نفسها غير مقترنة بزمن وضعاً.
وعلامتُه: إمَّا أن تكون من أوله مثل: حروف الجر، وحروف النداء، وأداة
التعريف. وإمَّا من آخره مثل: تنوين التمكين، والتنكير، والعوض، والمقابلة، وياء النسب والتثنية والجمع.
وإمَّا من جملته مثل: التصغير والتنكير والإِضمار.
وإمَّا من معناه مثل: كونه خبراً، أو مخبراً عنه، أو فاعلاً، أو مفعولاً، أو منعوتاً.
وحكمُه: الإِعرابُ ما لم يشبه الحرف فيبنى، وهو ثلاثة أقسام: مظهر، ومضمر، ومبهم.
فالمظهُر: ما دلَّ بظاهرهِ وإعرابه على المعنى المراد به كـ "زيد".
والمضمُر: ما كُنِيَ به عن الظاهر اختصاراً كـ "أنا وأنت ".
والمبهم: كـ "هذا وهذه ".
বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل) এবং অব্যয় (حرف) সংক্রান্ত অধ্যায়[পরিচ্ছেদ]
শাব্দিক (لغةً) অর্থে বিশেষ্য (اسم) হলো: যা কোনো নামীয় বস্তুকে নির্দেশ করে। আর পারিভাষিক (اصطلاحاً) অর্থে: এমন শব্দ যা অন্য কোনো সময়ের সাথে সম্পৃক্ত না হয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
এর চিহ্নসমূহ: হয় শব্দের শুরু থেকে হবে যেমন: অব্যয় (حروف الجر), সম্বোধনসূচক বর্ণ (حروف النداء) এবং নির্দিষ্টকরণ চিহ্ন (أداة التعريف)। অথবা শব্দের শেষ থেকে হবে যেমন: তানভীন আত-তামকীন (تنوين التمكين), তানভীন আত-তানকীর (التنكير), তানভীন আল-ইওয়াদ (العوض), তানভীন আল-মুক্বাবালাহ (المقابلة), এবং সম্বন্ধসূচক ইয়া (ياء النسب), দ্বিবচন (التثنية) ও বহুবচন (الجمع)।
অথবা এর গঠনগত রূপ থেকে হবে যেমন: ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ (التصغير), অনির্দিষ্টকরণ (التنكير) এবং সর্বনামকরণ (الإِضمار)।
অথবা এর অর্থগত দিক থেকে হবে যেমন: সংবাদ (خبر) হওয়া, সংবাদ প্রদানকৃত উদ্দেশ্য (مخبر عنه) হওয়া, কর্তা (فاعل) হওয়া, কর্ম (مفعول) হওয়া অথবা বিশেষিত (منعوت) হওয়া।
এর বিধান হলো: বিভক্তি বা শব্দরূপ পরিবর্তন (الإِعرابُ) গ্রহণ করা, যতক্ষণ না এটি অব্যয়ের সদৃশ হয়। অব্যয়ের সদৃশ হলে তা অপরিবর্তনীয় (مبني) হয়ে যায়। বিশেষ্য তিন প্রকার: প্রকাশ্য (مظهر), সর্বনাম (مضمر) এবং ইঙ্গিতবাচক (مبهم)।
প্রকাশ্য (المظهُر): যা তার বাহ্যিক রূপ এবং বিভক্তির মাধ্যমে উদ্দিষ্ট অর্থ নির্দেশ করে, যেমন: "যায়েদ" (زيد)।
সর্বনাম (المضمُر): যা সংক্ষিপ্তকরণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ্য বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যেমন: "আমি" (أنا) এবং "তুমি" (أنت)।
ইঙ্গিতবাচক (المبهم): যেমন: "ইহা" (هذا) এবং "উহা" (هذه)।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১৬)
والفعل لغةً: الحدث، واصطلاحاً: كلمةٌ دلَّت على معنًى في نفسها واقترنت بزمن وضعاً، وهو ثلاثة أقسام: ماض ومضارع وأمر.
فالماضي: ما دلَّ وضعاً على حدث وزمان انقضى.
وعلامتُه: أن يقبل تاء التأنيث الساكنة.
وحكمُه: البناءُ على الفتح لفظاً كـ "قامَ "، أو تقديراً إن اتصل به ضمير رفع متحرك أو واو جماعة كـ "ضربتُ وضربوا".
والمضارع: ما دلَّ وضعاً على حدث، وزمان غير منقضٍ حاضراً كان أو مستقبلاً.
وعلامتُه: أن يقبل لم، والسين، وسوف.
وحكمُه: الإِعراب ما لم تتصل به نون النسوة، فيبنى على السكون، أو تباشره نون التوكيد الخفيفة أو الثقيلة، فيبنى على الفتح.
والأمر: ما دلَّ على حدث في زمن مستقبل، فقط.
وعلامته: أن يدلّ على الطلب بالصيغة مع قبول ياء المخاطبة.
وحكمه: البناءُ على ما يجزم به مضارعه لو كان معرباً.
فصل
والحرفُ لغةً: طرفُ الشيء، واصطلاحاً: كلمةٌ دلَّت على معنى في غيرها لا في نفسها.
শাব্দিক অর্থে (لغةً) ক্রিয়া (الفعل) হলো কোনো কাজ (الحدث); আর পারিভাষিক অর্থে (اصطلاحاً) এটি এমন একটি শব্দ যা স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে এবং মৌলিকভাবে কোনো সময়ের সাথে সম্পৃক্ত হয়। এটি তিন প্রকার: অতীতকাল (ماض), বর্তমান বা ভবিষ্যৎকাল (مضارع) এবং আদেশসূচক (أمر)।
অতীতকাল (الماضي) হলো তা, যা মৌলিকভাবে এমন কাজ এবং অতিবাহিত সময়ের ওপর দলালত করে।
এর চিহ্ন হলো: এটি সাকিনযুক্ত স্ত্রীবাচক ‘তা’ (تاء التأنيث الساكنة) গ্রহণ করা।
এর বিধান (حكم) হলো: শব্দগতভাবে (لفظاً) ফাতহা (الفتح)-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত বা মাবনি (البناء) হওয়া, যেমন "قامَ"; অথবা উহ্যভাবে (تقديراً) মাবনি হওয়া যদি এর সাথে হরকতবিশিষ্ট রফ’সূচক সর্বনাম (ضمير رفع متحرك) অথবা বহুবচনের ওয়াও (واو الجماعة) যুক্ত হয়, যেমন "ضربتُ" এবং "ضربوا"।
আর বর্তমান বা ভবিষ্যৎকাল (المضارع) হলো তা, যা মৌলিকভাবে কোনো কাজ এবং এমন সময়ের ওপর দলালত করে যা এখনো অতিবাহিত হয়নি, চাই তা বর্তমান হোক বা ভবিষ্যৎ।
এর চিহ্ন হলো: এটি 'লাম' (لم), 'সিন' (السين) এবং 'সাওফা' (سوف) গ্রহণ করা।
এর বিধান (حكم) হলো: এটি পরিবর্তনশীল বা ইরাব (الإعراب) গ্রহণকারী হওয়া যতক্ষণ না এর সাথে স্ত্রীবাচক ‘নুন’ (نون النسوة) যুক্ত হয়—সেক্ষেত্রে এটি সুকুন (السكون)-এর ওপর মাবনি হবে; অথবা এর সাথে সরাসরি জোর প্রদানকারী হালকা বা ভারী ‘নুন’ (نون التوكيد الخفيفة أو الثقيلة) যুক্ত হয়—সেক্ষেত্রে এটি ফাতহা (الفتح)-এর ওপর মাবনি হবে।
আর আদেশসূচক ক্রিয়া (الأمر) হলো তা, যা শুধুমাত্র ভবিষ্যৎকালে কোনো কাজের নির্দেশ প্রদান করে।
এর চিহ্ন হলো: এটি নির্দিষ্ট শব্দরূপের (صيغة) মাধ্যমে তলব বা প্রার্থনার (الطلب) ওপর দলালত করা এবং সেই সাথে সম্বোধিত স্ত্রীলিঙ্গের ‘ইয়া’ (ياء المخاطبة) গ্রহণ করা।
এর বিধান হলো: এর ‘মুদারে’ যদি পরিবর্তনশীল (معرب) হতো তবে তা যা দিয়ে মাজযুম (يجزم) হতো, এটিও তার ওপর ভিত্তি করে গঠিত বা মাবনি হবে।
পরিচ্ছেদ (فصل)
আর অব্যয় (الحرف) শাব্দিক অর্থে (لغةً) হলো কোনো জিনিসের কিনারা বা প্রান্ত; এবং পারিভাষিক অর্থে (اصطلاحاً) এটি এমন একটি শব্দ যা অন্য শব্দের সাহায্য ছাড়া নিজ সত্তায় পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وعلامتُه: ألَاّ يقبل شيئاً من علامات الأسماء، ولا شيئاً من علامات الأفعال
وحكمُه: البناء مطلقاً، وهو ثلاثة أقسام:
مختص بالأسماء" فيعمل فيها الجرَّ كـ "مِنْ وإلى ".
ومختص بالأفعال " فيعملُ فيها الجزمَ كـ "لم ولمّا".
ومشترَك، فلا يعمل كـ "هل وبل ".
وإنّما عملت "ما، وإن، ولا النافيات " لعارض الحمل على "ليس "، ومن العرب من يهملهن على الأصل، وإنّما لم تعمل "هاء التنبيه، وأل المعرفة" مع اختصاصهما بالأسماء، ولا "قد، والسين، وسوف " مع اختصاصهن بالأفعال لتنزيلهن منزلة
الجزء من مدخلهن، وجزء الشيء لا يعمل فيه، وإنّما لم تعمل "إنّ وأخواتها، وأحرف النداء" الجَرّ لأنها أشبهت الفعل، وإنّما عملت "لَنْ " النصب دون الجزم حملاً
على "لا" النافية للجنس لأنها بمعناها، وبعضهم يجزم بها كقوله:
................ فَلَنْ يحْلَ للعينينِ، بَعْدَكِ مَنْظَرُ (الطويل)
এর আলামত হলো: এটি বিশেষ্যের কোনো আলামত গ্রহণ করবে না এবং ক্রিয়ার কোনো আলামতও গ্রহণ করবে না।
আর এর বিধান হলো: এটি সর্বাবস্থায় অপরিবর্তনীয়, এবং এটি তিন প্রকার:
বিশেষ্যের সাথে নির্দিষ্ট" যা সেগুলোতে 'যার'-এর আমল করে, যেমন: 'মিন' ও 'ইলা'।
ক্রিয়ার সাথে নির্দিষ্ট" যা সেগুলোতে 'জজম'-এর আমল করে, যেমন: 'লাম' ও 'লাম্মা'।
এবং সাধারণ, যা কোনো আমল করে না, যেমন: 'হাল' ও 'বাল'।
বস্তুত না-বোধক 'মা', 'ইন' ও 'লা' আমল করে থাকে কেবল 'লাইসা'-এর সাথে সাদৃশ্যের কারণে; আর আরবদের মধ্যে কেউ কেউ মূলনীতি অনুযায়ী এদের আমলহীন রাখেন। আর সতর্কীকরণ মূলক 'হা' এবং নির্দিষ্টকারক 'আল' বিশেষ্যের সাথে নির্দিষ্ট হওয়া সত্ত্বেও আমল করে না, তেমনি 'কাদ', 'সিন' ও 'সাওফা' ক্রিয়ার সাথে নির্দিষ্ট হওয়া সত্ত্বেও আমল করে না; কারণ এগুলোকে গণ্য করা হয়—
পরবর্তী শব্দের অংশ হিসেবে; আর কোনো বস্তুর অংশ তার নিজের মধ্যে আমল করতে পারে না। আর 'ইন্না' ও তার সমজাতীয় অব্যয়গুলো এবং আহ্বায়ক ধ্বনিগুলো (হরফে নিদা) 'যার'-এর আমল করে না কারণ সেগুলো ক্রিয়ার সদৃশ। আর 'লান' জজমের পরিবর্তে 'নসব'-এর আমল করে—
'লা নাফিয়া লিল জিনস'-এর অনুগামী হিসেবে, যেহেতু এটি তার অর্থই প্রদান করে। তবে কেউ কেউ এর মাধ্যমে জজমও প্রদান করে থাকেন, যেমন কবির উক্তি:
................ সুতরাং তোমার পরে চোখের জন্য কোনো দৃশ্যই আর আনন্দদায়ক হবে না। (তবিল ছন্দ)
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১৮)
باب الإعراب والبناء[فصل]
الإعرابُ لغةً: البيانُ والتغييرُ والتحسين.
واصطلاحاً، على القول بأنه لفظي: أثر ظاهر أو مقدر يجلبه العامل في آخر
الكلمة أو ما نُزِّل منزلته.
وعلى القول بأنه معنوي: تغيير أواخر الكلام لاختلاف العوامل الداخلة
عليها لفظاً أو تقديراً.
وأنواعه أربعةٌ: رفعٌ ونصبٌ في اسمٍ وفعلٍ، وخفضٌ في اسمٍ، وجزمٌ في فعلٍ.
والبناءُ لغةً: وضع شيء على شيء على صفة يراد بها الثبوت.
واصطلاحاً، على القول بأنه لفظي: ما جيء به لا لبيان مقتضى العامل من شبه الإِعراب من حركة أو حرفٍ أو سكونٍ أو حذفٍ، وليس حكاية ولا نقلاً ولا إتباعاً
ই’রাব (الإعراب) এবং বিনা (البناء)-এর অধ্যায়[অনুচ্ছেদ]
অভিধান অনুযায়ী ই’রাব (الإعراب) হলো: স্পষ্ট করা, পরিবর্তন করা এবং সৌন্দর্যমন্ডিত করা।
পারিভাষিক সংজ্ঞায়, এটি শাব্দিক (لفظي) হওয়ার মতানুসারে: এটি এমন এক প্রকাশ্য (ظاهر) অথবা অনুমিত (مقدر) প্রভাব, যা আমিল (العامل) শব্দের শেষে অথবা শব্দের স্থলাভিষিক্ত কোনো বিষয়ের শেষে সৃষ্টি করে।
আর এটি অর্থগত (معنوي) হওয়ার মতানুসারে: শব্দে প্রবেশকারী আমিল (العامل) সমূহের ভিন্নতার কারণে শাব্দিক (لفظاً) বা অনুমিত (تقديراً) ভাবে শব্দের শেষাংশের পরিবর্তন হওয়া।
এর প্রকারভেদ চারটি: বিশেষ্য (اسم) ও ক্রিয়া (فعل)-এর ক্ষেত্রে রফ’ (رفع) ও নসব (نصب), বিশেষ্যের (اسم) ক্ষেত্রে খফদ (خفض) এবং ক্রিয়ার (فعل) ক্ষেত্রে জজম (جزم)।
অভিধান অনুযায়ী বিনা (البناء) হলো: স্থায়িত্ব বা দৃঢ়তার উদ্দেশ্যে কোনো বস্তুর ওপর অন্য কোনো বস্তু স্থাপন করা।
পারিভাষিক সংজ্ঞায়, এটি শাব্দিক (لفظي) হওয়ার মতানুসারে: আমিল (العامل)-এর চাহিদা প্রকাশের জন্য নয় বরং ই’রাব (الإعراب)-এর সদৃশ হরকত (حركة), হরফ (حرف), সুকুন (سكون) বা বিলুপ্তি (حذف)-এর মাধ্যমে যা আনীত হয়; এবং যা অনুকরণ (حكاية), স্থানান্তর (نقل) বা অনুগমন (إتباع) নয়।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ১৯)
ولا تخلصاً من سكونين.
وعلى القول بأنه معنوي: لزوم آخر الكلمة حالةً واحدةً لغير عامل.
وأنواعه أربعة: ضمٌ وكسر في اسمٍ وحرفٍ، وفتح وسكون في الكلمِ الثلاث.
এবং তা দুটি স্থির বর্ণের (سكونين) মিলন পরিহার করার জন্য নয়।
আর এটি অর্থগত (معنوي) হওয়ার মতানুসারে এর সংজ্ঞা হলো: কোনো প্রভাবক (عامل) ছাড়াই শব্দের শেষাংশ সর্বদা এক অবস্থায় অপরিহার্যভাবে থাকা।
এর প্রকারভেদ চারটি: বিশেষ্য (اسم) ও অব্যয়ের (حرف) ক্ষেত্রে পেশ (ضم) ও জের (كسر); এবং তিন প্রকার শব্দের সবগুলোর মধ্যেই জবর (فتح) ও স্থিরতা (سكون) হতে পারে।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২০)
باب المعرب والمبني[فصل]
المعرب من الأسماء ما سلم من شبه الحرف، فإن كان صحيح الآخر، كـ "زيد" أو مشبهاً للصحيح كـ "دلو وظبي " ظهرت فيه الحركات الثلاث. وإن كان معتلاً بالألف،
كـ " الفتى " قدرت فيه الثلاث للتعذر وسمي مقصوراً، وهو كل اسم معرب آخره ألف لازمة، وإن كان مضافاً لياء المتكلم، كـ "غلامي " قدرت فيه الثلاث أيضاً لاشتغال المحل بحركة المناسبة، وهوكل اسم أضيف لياء المتكلم وليس مثنى، ولا مجموعاً
جمع سلامةٍ لمذكرٍ، ولا منقوصاً، ولا مقصوراً، وإن كان معتلاً بالياء، كـ "القاضي "
قدّرت فيه الضمة والكسرة للثقل، وظهرت الفتحة للخفة وسمي منقوصاً، وهو كل اسمٍ معربٍ آخره ياءٌ لازمة قبلها كسرة.
والمعرب من الأفعال: الفعل المضارع بشرطه، فإن كان صحيح الآخر، كـ "يضرب "
جزم بالسكون وظهرت فيه الضمة والفتحة، وإان كان معتلاً بالألف، كـ "يخشى" قدّرتا
فيه للتعذّر، وإن كان معتلاً بالواو والياء، كـ "يدعو، ويرمي " قدّرت الضمة فقط للثقل،
وظهرت الفتحة للخفّة، والجازم يحذف حرف العلة مطلقاً.
মু'রাব (معرب) ও মাবনি (مبني) সংক্রান্ত অধ্যায়[পরিচ্ছেদ]
বিশেষ্য বা ইসমের মধ্যে মু'রাব (معرب) হলো তা, যা হরফ বা অব্যয়ের সাদৃশ্য থেকে মুক্ত। সেটি যদি শেষে সবল বর্ণবিশিষ্ট (صحيح الآخر) হয়, যেমন "যাইদ"; অথবা সবল বর্ণের সদৃশ হয়, যেমন "দালবুন" ও "জাবইয়ুন", তবে তাতে তিনটি হারাকাত (حركة) বা স্বরচিহ্নই প্রকাশ পায়। আর যদি আলিফ দ্বারা ইল্লাতযুক্ত (معتلاً بالألف) হয়,
যেমন "আল-ফাতা", তবে তাতে অক্ষমতার (تعذر) কারণে তিনটি হারাকাতই গোপন ধরা হয় এবং একে মাকসুর (مقصور) বলা হয়। মাকসুর (مقصور) হলো এমন প্রতিটি মু'রাব (معرب) ইসম যার শেষে একটি অপরিহার্য আলিফ থাকে। আর যদি তা মুতাকাল্লিমের ইয়া (ياء المتكلم)-এর দিকে মুদাফ (مضاف) হয়, যেমন "গুলামী", তবে স্থানটি উপযুক্ত হারাকাত (حركة المناسبة) দ্বারা পূর্ণ থাকার কারণে তাতেও তিনটি হারাকাত গোপন ধরা হয়। এটি এমন প্রতিটি ইসম যা মুতাকাল্লিমের ইয়া-র দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়েছে এবং যা দ্বিবচন (مثنى) নয়, পুংলিঙ্গের নিরাপদ বহুবচন (جمع سلامةٍ لمذكرٍ) নয়, মানকুস (منقوص) নয় এবং মাকসুর (مقصور) নয়। আর যদি তা ইয়া দ্বারা ইল্লাতযুক্ত (معتلاً بالياء) হয়, যেমন "আল-কাদি",
তবে ভারাক্রান্ত হওয়ার (ثقل) কারণে তাতে পেশ (ضمة) এবং যের (كسرة) গোপন ধরা হয়, আর হালকা হওয়ার (خفة) কারণে জবর (فتحة) প্রকাশ পায় এবং একে মানকুস (منقوص) বলা হয়। মানকুস (منقوص) হলো এমন প্রতিটি মু'রাব (معرب) ইসম যার শেষে অপরিহার্য ইয়া থাকে এবং তার পূর্বাক্ষরে যের (كسرة) থাকে।
আর ক্রিয়াসমূহের মধ্যে মু'রাব (معرب) হলো: শর্তসাপেক্ষে ফে'ল মুদারে (الفعل المضارع)। সেটি যদি শেষে সবল বর্ণবিশিষ্ট (صحيح الآخر) হয়, যেমন "ইয়াদরিবু",
তবে সুকুন (سكون)-এর মাধ্যমে জাজম (جزم) হয় এবং তাতে পেশ (ضمة) ও জবর (فتحة) প্রকাশ পায়। আর যদি তা আলিফ দ্বারা ইল্লাতযুক্ত (معتلاً بالألف) হয়, যেমন "ইয়াখশা", তবে সেই দুটি হারাকাত তাতে অক্ষমতার (تعذر) কারণে গোপন ধরা হয়। আর যদি ওয়াও এবং ইয়া দ্বারা ইল্লাতযুক্ত (معتلاً بالواو والياء) হয়, যেমন "ইয়াদ'উ" এবং "ইয়ারমি", তবে ভারাক্রান্ত হওয়ার (ثقل) কারণে কেবল পেশ (ضمة) গোপন ধরা হয়,
আর হালকা হওয়ার (خفة) কারণে জবর (فتحة) প্রকাশ পায়। আর জাযেম (جازم) বা জাজম প্রদানকারী অব্যয় সাধারণভাবে ইল্লাত বর্ণ (حرف العلة)-কে বিলুপ্ত করে দেয়।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২১)
والمبني من الأسماء: ما أشبه الحرف في الوضع أو المعنى أو الاستعمال أو الافتقار أو الإِهمال أو اللفظ.
فالشبه الوضعي: أن يكون الاسم موضوعاً في الأصل على حرفٍ واحدٍ كـ "تاء" قمت، أو على حرفين وإن لم يكن ثانيهما حرف لين، كـ "الضمائر"، ولا يرد "نحن " لأنه فردٌ نادر فألحق بالأعم الأغلب.
والشبه المعنوي: أن يتضمن الاسم معنى من معاني الحروف، كـ "أسماء الشروط، والاستفهام، وكذا أسماء الإِشارة" وإنما أعرب "أيُّ وذانِ وتانِ " على قولٍ لمعارضة الشبه بالإِضافة والتثنية اللتين من خواصّ الأسماء.
والشبه الاستعمالي: أن يكون الاسم نائباً عن الفعل ولا يتأثر بالعامل كـ "أسماء الأفعال " فأشبهت الحرف في كونها عاملةً غير معمولةٍ.
والشبه الافتقاري: أن يكون الاسم لازم الافتقار إلى جملة يتم بها معناه كـ "الأسماء
ইসিমসমূহের মধ্যে মাবনি হলো সেইগুলো, যা গঠন, অর্থ, ব্যবহার, মুখাপেক্ষিতা, অকার্যকারিতা অথবা উচ্চারণে হরফের সাদৃশ্য রাখে।
গঠনগত সাদৃশ্য হলো: ইসিমটি মৌলিকভাবে একটি বর্ণের ওপর গঠিত হওয়া, যেমন 'ক্বামতু' ক্রিয়ার 'তা' বর্ণটি, অথবা দুটি বর্ণের ওপর গঠিত হওয়া যদিও তার দ্বিতীয়টি কোমল বর্ণ না হয়, যেমন সর্বনামসমূহ। এখানে 'নাহনু' শব্দটির মাধ্যমে কোনো আপত্তি আসবে না, কারণ এটি একটি বিরল উদাহরণ, তাই একে সাধারণ অধিকাংশের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অর্থগত সাদৃশ্য হলো: ইসিমটি হরফের অর্থসমূহের কোনো একটি অর্থকে অন্তর্ভুক্ত করা, যেমন শর্তবাচক ইসিমসমূহ, প্রশ্নবোধক ইসিমসমূহ এবং তদ্রূপ নির্দেশক ইসিমসমূহ। আর একটি মতানুসারে 'আইয়্যু', 'যানি' এবং 'তানি' শব্দসমূহকে মু'রাব করা হয়েছে, কারণ এগুলোর মধ্যে ইদাফাত এবং দ্বিবচন হওয়ার বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান যা হরফের সাদৃশ্য অর্জনে বাধা প্রদান করে; আর এই দুটি বৈশিষ্ট্য হলো ইসিমের বিশেষ গুণাবলীর অন্তর্ভুক্ত।
ব্যবহারিক সাদৃশ্য হলো: ইসিমটি ক্রিয়ার স্থলাভিষিক্ত হওয়া এবং কোনো আমিল দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া, যেমন ক্রিয়াবাচক ইসিমসমূহ। ফলে এগুলো আমিল হওয়া সত্ত্বেও আমল গ্রহণ না করার দিক থেকে হরফের সাদৃশ্যপূর্ণ হয়েছে।
মুখাপেক্ষিতামূলক সাদৃশ্য হলো: ইসিমটি তার অর্থ পূর্ণ করার জন্য সর্বদা কোনো বাক্যের প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া, যেমন ইসিমসমূহ...
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২২)
الموصولة "، وأعرب " اللذان واللتان " على قولٍ كما تقدّم.
والشبه الإهمالي: أن يكون الاسم مشبهاً للحرف في كونه غير عامل وغير معمولٍ
كـ "أوائل السور وأسماء الهجاء" وكذا الأسماء قبل التركيب على قولٍ.
والشبه اللفظي: أن يكون الاسم مشبها للحرف في لفظه كـ "على " الاسمية
و"كلا" بمعنى حقاً و"الكاف " بمعنى مثل.
সম্বন্ধসূচক (الموصولة); আর একটি অভিমত অনুযায়ী "আল-লাযানি" এবং "আল-লাতানি" রূপান্তরযোগ্য (معرب), যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।
অকর্মক সাদৃশ্য (الشبه الإهمالي): বিশেষ্যটি (اسم) অব্যয়ের (حرف) সাথে এই বৈশিষ্ট্যে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়া যে, এটি আমলকারী (عامل) নয় এবং আমলকৃতও (معمول) নয়
যেমন "সূরাসমূহের প্রারম্ভিক বর্ণসমূহ" ও "বর্ণমালার নামসমূহ" এবং অনুরূপভাবে একটি অভিমত অনুসারে বাক্য গঠনের পূর্বের বিশেষ্যসমূহ (أسماء)।
শাব্দিক সাদৃশ্য (الشبه اللفظي): বিশেষ্যটি (اسم) শাব্দিক উচ্চারণে অব্যয়ের (حرف) সদৃশ হওয়া, যেমন বিশেষ্য রূপী (الاسمية) "আলা (على)"
এবং "সত্যই" অর্থে ব্যবহৃত "কাল্লা (كلا)" এবং "সদৃশ" অর্থে ব্যবহৃত "কাফ (الكاف)"।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২৩)
باب علامات الإعراب[فصل]
الأصل في المعرب أن يعرب بالحركات، ثمّ في المرفوع أن يرفع بالضمة، وفي
المنصوب أن ينصب بالفتحة، وفي المجرور أن يجر بالكسرة، وفي المجزوم أن يجزم بالسكون، وخرج عن الأصل سبعة أبوابٍ:
الأول ما لا ينصرف فيجر بالفتحة، نحو " مساجدَ، ومصابيحَ، وصحراءَ، وحبلى،
وإبراهيمَ، وأحمدَ، وعمرَ، وعثمانَ، وبَعْلَبَكَّ، واطمةَ، وطلحةَ، وزينبَ، وسكرانَ، وأبيضَ، وأخرَ "، فإن أضيف أو دخلته "أل " جرَّ بالكسرة على الأصل.
الثاني: ما جمع بألف وتاءٍ مزيدتين كـ "هندات وسجدات "؛ فينصب بالكسرة وألحق
به "أولات " وكذا ما سمي به منه كـ "أذرِعاتِ وعَرَفاتِ "، بالتنوين وتركه وإعرابه إعراب ما لا ينصرف.
ই’রাবের আলামত বা চিহ্নসমূহের পরিচ্ছেদ (باب علامات الإعراب)[অনুচ্ছেদ (فصل)]
ই’রাব গ্রহণকারী (المعرب) শব্দের মূল নিয়ম হলো হরকত (الحركات) দ্বারা ই’রাব হওয়া। অতঃপর রফ’ বিশিষ্ট (المرفوع) শব্দের ক্ষেত্রে মূল হলো পেশ (الضمة) দ্বারা রফ’ হওয়া, নসব বিশিষ্ট (المنصوب) শব্দের ক্ষেত্রে জবর (الفتحة) দ্বারা নসব হওয়া, জর বিশিষ্ট (المجرور) শব্দের ক্ষেত্রে যের (الكسرة) দ্বারা জর হওয়া এবং জযম বিশিষ্ট (المجزوم) শব্দের ক্ষেত্রে সুকুন (السكون) দ্বারা জযম হওয়া। আর সাতটি বিষয় এই মূল নিয়মের বহির্ভূত:
প্রথমত: গায়রে মুনসারিফ বা রূপান্তরহীন (ما لا ينصرف) শব্দ, যা জবর (الفتحة) দ্বারা জর প্রাপ্ত হয়। যেমন- "মাসা-জিদা, মাসা-বীহা, সাহরা-আ, হাবলা, ইবরাহীমা, আহমাদা, উমারা, উছমানা, বালবাক্কা, ফাতিমাতা, তালহাতা, যায়নাবা, সাকরানা, আবয়াদা এবং উখারা"। তবে যদি তা মুদাফ (أضيف) হয় অথবা তাতে ‘আলিফ-লাম’ (أل) যুক্ত হয়, তবে মূল নিয়ম অনুযায়ী তা যের (الكسرة) দ্বারা জর প্রাপ্ত হবে।
দ্বিতীয়ত: যা অতিরিক্ত আলিফ ও তা দ্বারা বহুবচন (ما جمع بألف وتاءٍ مزيدتين) করা হয়েছে, যেমন- "হিন্দাতিন এবং সাজদাতিন"; এটি যের (الكسرة) দ্বারা নসব প্রাপ্ত হয়। "উলা-তু" (أولات) শব্দটিকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একইভাবে যার নামকরণ এর মাধ্যমে করা হয়েছে যেমন- "আদরি’আ-তিন এবং আরাফা-তিন"; এক্ষেত্রে তানভীন (التنوين) প্রদান করা বা বর্জন করা এবং গায়রে মুনসারিফের (ما لا ينصرف) ন্যায় ই’রাব (إعراب) প্রদান করাও বৈধ।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২৪)
الثالث: الأسماء الخمسة، وهي: "أخوك وأبوك وحموك وفوك وذو مالٍ "؛
فترفع بالواو وتنصب بالألف وتجر بالياء بشرط أن تكون مفردةً مكبّرةً مضافةً لغير ياء المتكلّم، وأن يخلو الفم من الميم والأفصح في "الهن " إعرابه بالحركات.
الرابع: المثنى فيرفع بالألف وينصب ويجر بالياء، وألحق به "كلا وكلتا" مع
المضمر، و"اثنان واثنتان " مطلقاً، وكذا ما سمي به منه كـ "زيدان " علماً، ويجوز فيه
أيضاً إعراب مالا ينصرف للعلمية وزيادة الألف والنون.
الخامس: جمع المذكر السالم، فيرفع بالواو وينصب ويجر بالياء، وألحق به
" أوو، وعشرون، وأخواته، وعالمون، وأهلون، وأرضون، وسنون، وبنون "،
وكذا ما سمي به منه كـ "عليون وزيدون "، ويجوز فيه أيضاً أن تلزمه "الياء أو الواو"
ويعرب بالحركات على النون منونةً، وأن تلزمه الواو وتفتح النون، وبعضهم يجري
" بنين، وسنين " مجرى "غسلين " فيعربه بالحركات منونة.
তৃতীয়: আসমাউল খামসাহ (الأسماء الخمسة) বা পাঁচটি বিশেষ্য, আর সেগুলো হলো: "তোমার ভাই, তোমার পিতা, তোমার শ্বশুর/দেবর, তোমার মুখ এবং সম্পদশালী";
এগুলো ওয়াও দ্বারা মারফু (مرفوع), আলিফ দ্বারা মানসুব (منصوب) এবং ইয়া দ্বারা মাজরুর (مجرور) হয়; তবে শর্ত হলো এগুলোকে একবচন (مفرد), তাসগীরবিহীন বা মূল রূপবিশিষ্ট (مكبّر), এবং 'ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম' ব্যতীত অন্য পদের দিকে ইজাফতকৃত (مضاف) হতে হবে। এছাড়া 'ফামুন' (মুখ) শব্দটিকে 'মীম' বর্ণ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। আর 'হানু' (الهن) শব্দের ক্ষেত্রে অধিক বিশুদ্ধ (الأفصح) মত হলো একে হরকত (حركات) দিয়ে ইরাব প্রদান করা।
চতুর্থ: দ্বিবচন (المثنى); এটি আলিফ দ্বারা মারফু (مرفوع) হয় এবং ইয়া দ্বারা মানসুব (منصوب) ও মাজরুর (مجرور) হয়। এর সাথে 'কিলা' (كلا) এবং 'কিলতা' (كلتا)-কে সংযুক্ত (ألحق) করা হয়েছে যখন তা সর্বনামের (مضمر) সাথে যুক্ত হয়। এছাড়া 'ইসনানি' (اثنان) ও 'ইসনাতানি' (اثنتان) শব্দ দুটি নিঃশর্তভাবে (مطلقاً) দ্বিবচনের হুকুমভুক্ত। অনুরূপভাবে যেসব দ্বিবচন শব্দকে নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন: 'যাইদান' (زيدان); এতে আলমিয়াত বা নাম হওয়া এবং অতিরিক্ত আলিফ ও নুন থাকার কারণে গায়রে মুনসারিফ (ما لا ينصرف) হিসেবে ইরাব প্রদান করাও বৈধ।
পঞ্চম: জমা মুযাক্কার সালেম (جمع المذكر السالم); এটি ওয়াও দ্বারা মারফু (مرفوع) হয় এবং ইয়া দ্বারা মানসুব (منصوب) ও মাজরুর (مجرور) হয়। এর সাথে 'উলু' (أولو), 'ইশরুন' (عشرون) ও এর সমগোত্রীয় শব্দসমূহ, 'আলামুন' (عالمون), 'আহলুন' (أهلون), 'আরাযুন' (أرضون), 'সিনুন' (سنون) এবং 'বানুন' (بنون)-কে সংযুক্ত (ألحق) করা হয়েছে।
অনুরূপভাবে যেসব শব্দ এই বহুবচনের আদলে নাম হিসেবে রাখা হয়েছে, যেমন: 'ইল্লিয়্যুন' (عليون) ও 'যাইদুন' (زيدون)। এসব ক্ষেত্রে সর্বদা 'ইয়া' অথবা 'ওয়াও' বজায় রেখে তানভীনযুক্ত নুনের ওপর হরকতের (حركات) মাধ্যমে ইরাব প্রদান করা বৈধ। আবার কেবল 'ওয়াও' বজায় রেখে নুনকে যবর প্রদান করাও সম্ভব। আর কোনো কোনো ব্যাকরণবিদ 'বানীন' (بنين) ও 'সীনীন' (سنين)-কে 'গিসলীন' (غسلين)-এর আদলে গণ্য করে তানভীনসহ হরকতের (حركات) মাধ্যমে ইরাব প্রদান করেন।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২৫)
السادس: الأمثلة الخمسة، وهي: " تفعلان، ويفعلان، وتفعلون، ويفعلون، وتفعلين "؛ فترفع بالنون وتجزم وتنصب بحذفها.
السابع: الفعل المضارع المعتل الآخر فيجزم بحذف آخره.
والحاصل أن الضمة ينوب عنها ثلاثةٌ: " الواو والألف والنون "، والفتحة ينوب عنها أربعة: "الألف والكسرة والياء وحذف النون "، والكسرة: تنوب عنها "الياء والفتحة "، والسكون: ينوب عنه " الحذف ".
ষষ্ঠ: পঞ্চ-ক্রিয়া, আর সেগুলো হলো: "তাফ'আলানি, ইয়াফ'আলানি, তাফ'আলুনা, ইয়াফ'আলুনা এবং তাফ'আলিনা"; এগুলো নুন-এর মাধ্যমে মারফু হয় এবং তা বিলুপ্তির মাধ্যমে মাজজুম ও মানসুব হয়।
সপ্তম: শেষাক্ষরে ইল্লতযুক্ত মুদারে ক্রিয়া; এটি শেষাক্ষর বিলুপ্তির মাধ্যমে মাজজুম হয়।
সারকথা হলো, দম্মাহ-এর স্থলাভিষিক্ত হয় তিনটি বিষয়: "ওয়াও, আলিফ এবং নুন"। ফাতহাহ-এর স্থলাভিষিক্ত হয় চারটি বিষয়: "আলিফ, কাসরাহ, ইয়া এবং নুন বিলুপ্তি"। কাসরাহ-এর স্থলাভিষিক্ত হয়: "ইয়া এবং ফাতহাহ"। আর সুকুন-এর স্থলাভিষিক্ত হয়: "বিলুপ্তি"।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২৬)
باب أحكام الفعل المضارعحكم الفعل المضارع إذا تجرّد من ناصبٍ وجازمٍ: الرفع لفظاً أو تقديراً أو محلاً.
[فصل]
ونواصبه كذلك أربعةٌ:
الأول، "لن " مطلقاً، ومعناها نفي المستقبل.
والثاني، "كي المصدرية"، وهي ما تقدّمها اللام لفظاً أو تقديراً.
الثالث "إذن " بشرط كونها مصدّرة، والفعل بعدها مستقبل، ولم يفصل بينها وبين الفعل فاصل، ولا يضرّ الفصل بالقسم و"لا" النافية، وإلغاؤها مع اجتماع الشرط
لغة لبعض العرب،، وتلقاها البصريون بالقبول.
الرابع "أن المصدرية"؛ فتعمل ظاهرةً نحو (أَنْ يَغْفِرَ لِي) ما لم تسبق بلفظٍ
دالٍّ على اليقين فتهمل نحو (عَلِمَ أَنْ سَيَكُونُ) ، (أَفَلَا يَرَوْنَ أَلَّا يَرْجِعُ) ، فإن سُبِقت بظنٍ فوجهان نحو (وَحَسِبُوا أَلَّا تَكُونَ فِتْنَةٌ) ، وتعمل
ফেলে মুদারের (الفعل المضارع) বিধানাবলি বিষয়ক পরিচ্ছেদফেলে মুদারের (الفعل المضارع) বিধান যখন এটি নসবদানকারী (ناصب) এবং জযমদানকারী (جازম) আমিল থেকে মুক্ত হয়: শব্দগতভাবে (لفظاً), উহ্যভাবে (تقديراً) অথবা স্থানগতভাবে (محلاً) রফআ (الرفع) হওয়া।
[অনুচ্ছেদ]
এর নসবদানকারী আমিলসমূহও (نواصب) অনুরূপভাবে চারটি:
প্রথমটি হলো, শর্তহীনভাবে "লান" (لن), এবং এর অর্থ হলো ভবিষ্যৎকালকে নেতিবাচক করা (نفي المستقبل)।
দ্বিতীয়টি হলো, "কাই মাসদারিয়্যাহ" (كي المصدرية), আর এটি হলো সেই শব্দ যার পূর্বে শব্দগতভাবে (لفظاً) বা উহ্যভাবে (تقديراً) "লাম" (اللام) বিদ্যমান থাকে।
তৃতীয়টি হলো "ইযান" (إذن); এই শর্তে যে এটি বাক্যের শুরুতে আসবে (مصدّرة), এর পরবর্তী ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকালীন হবে, এবং এটি ও ক্রিয়ার মাঝে কোনো ব্যবধান থাকবে না। তবে শপথ (القسم) এবং না-বোধক "লা" (لا النافية) দ্বারা ব্যবধান সৃষ্টি করলে তা ক্ষতিকর হবে না। শর্তাবলি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও এর আমল বাতিল করা (إلغاؤها) কিছু আরবের একটি রীতি, যা বসরার ব্যাকরণবিদগণ (البصريون) গ্রহণযোগ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
চতুর্থটি হলো "আন মাসদারিয়্যাহ" (أن المصدرية); এটি প্রকাশ্য অবস্থায় আমল করে যেমন: (যাতে তিনি আমাকে ক্ষমা করেন), যতক্ষণ না এটি নিশ্চিত বিশ্বাস (اليقين) জ্ঞাপক কোনো শব্দের পরে আসে; সেক্ষেত্রে এটি আমলহীন (تهمل) হয়ে পড়ে, যেমন: (তিনি জেনেছেন যে অতিসত্বর হবে), (তারা কি দেখছে না যে তা তাদের নিকট ফিরে আসে না)। আর যদি এটি ধারণা (ظن) জ্ঞাপক কোনো শব্দের পরে আসে, তবে তাতে দুটি রূপ বা সম্ভাবনা (وجهان) থাকে, যেমন: (এবং তারা মনে করেছিল যে কোনো ফিতনা হবে না), এবং এটি আমল করে।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২৭)
مضمرةٌ وإضمارها إما جوازاً، أو وجوباً، فالجواز بعد: الواو، والفاء، وثم، وأو،
واللام الجارة نحو.
2- ولُبْسُ عَبَاءَةٍ وَتَقَرَّ عَيْنِيِ (الوافر)
3- لَوْلَا تَوَقُّعُ مُعتَرٍّ فَأُرْضِيَهُ (البسيط)
4- إنِّي وَقَتْلِي سُلَيكاً ثم أَعْقِلَهُ (البسيط)
(أَوْ يُرْسِلَ رَسُولاً) ، (لِيَغْفِرَ لَكَ اللَّهُ) .
والوجوب: الأول، بعد " كي " التعليلية، وهي التي لم تتقدمها " اللام ".
এটি ঊহ্য (مضمرة) এবং এর গোপন থাকা (إضمار) হয় বৈধ (جوازاً) অথবা আবশ্যকীয় (وجوباً) ভাবে। বৈধতা (جوازاً) আসে নিম্নোক্ত বর্ণগুলোর পরে: ওয়াও (الواو), ফা (الفاء), ছুম্মা (ثم), এবং আও (أو),
এবং হরফে জার ‘লাম’ (اللام الجارة)-এর পরে, যেমন—
2- এবং একটি জুব্বা পরিধান করা এবং আমার চোখ জুড়ানো (الوافر)
3- যদি কোনো যাঞ্চাকারীর আগমনের প্রত্যাশা না থাকত, তবে আমি তাকে সন্তুষ্ট করতাম (البسيط)
4- আমি সুলাইককে হত্যা করে তার রক্তপণ আদায় করা (البسيط)
(অথবা তিনি একজন রাসূল প্রেরণ করেন), (যাতে আল্লাহ আপনার জন্য ক্ষমা করেন)।
আর আবশ্যকতা (وجوباً): প্রথমত, কারণবাচক ‘কাই’ (كي التعليلية)-এর পরে, যার শুরুতে ‘লাম’ (اللام) যুক্ত হয়নি।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২৮)
والثاني، بعد "لام الجحود": وهي المسبوقة بكونٍ منفي نحو (وَمَا كَانَ اللَّهُ
لِيُعَذِّبَهُمْ) ، (ولَّمْ يَكُنِ اللَّهُ لِيَغْفِرَ لَهُمْ) .
والثالث بعد "حتى" إذا كان الفعل بعدها مستقبلاً نحو (حَتَّى يَرْجِعَ)
(حَتَّى يَقُولَ الرَّسُولُ) .
والرابع، بعد "أو" الصالحة في موضعها "إلى " أو "إلا" نحو " لَأَ لْزِمَنَّكَ أوْ تَقْضِيَني حَقي "، "لأقتُلَنَّ الكَافِرَ أو يُسْلِمَ ".
والخامس: بعد "فاء السببية" أو "واو المعية" في الأجوبة الثمانية، وهي: "النفي، والأمر، والنهي، والدعاء، والاستفهام، والعرض، والتحضيض، والتمني "،
وزاد بعصْهم " الترجي " نحو (لَا يُقْضَى عَلَيْهِمْ فَيَمُوتُوا) ، " وارْحَم
مَنْ في الأَرْض فَيَرْحَمْكَ مَنْ في السماء"، "وَلا تَبْخَلْ فيوسعْ عَلَيك رَبُكَ "، "ربي أَغْنِنِي فَأَشْكرَكَ "، (هَلْ لَّنَا مِنْ شُفَعَآءَ فَيَشْفَعُواْ لَنَا) ، "ألا تُعْطينَا
فنَدْعُوَ لَكَ "، "هَلَّا أَكْرَمْتَنَا فنَشْكُرَكَ "، "ليتَكَ تمنُّ علينا فَيَمُنَّ اللهُ عليكَ "، "لعلًّك
দ্বিতীয়ত, অস্বীকৃতিমূলক লাম (لام الجحود)-এর পর: এটি এমন যা একটি না-বোধক ক্রিয়া (كون منفي)-এর পরে আসে। যেমন: (এবং আল্লাহ্ এমন নন যে
তিনি তাদেরকে শাস্তি দেবেন), (এবং আল্লাহ্ তাদেরকে ক্ষমা করবেন না)।
তৃতীয়ত, "হাত্তা" (حتى)-এর পর যখন এর পরবর্তী ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে। যেমন: (যতক্ষণ না সে ফিরে আসে)
(যতক্ষণ না রসূল বলেন)।
চতুর্থত, সেই "আও" (أو)-এর পর যা "পর্যন্ত" (إلى) অথবা "ব্যতীত" (إلا)-এর অর্থ প্রদানের যোগ্য। যেমন: "আমি অবশ্যই তোমার সাথ ছাড়ব না যতক্ষণ না তুমি আমার পাওনা পরিশোধ করো", "আমি কাফিরকে অবশ্যই হত্যা করব যদি না সে ইসলাম গ্রহণ করে"।
পঞ্চমত: কারণবোধক ফা (فاء السببية) অথবা সাথীবোধক ওয়াও (واو المعية)-এর পর আট প্রকার উত্তরের ক্ষেত্রে, যেগুলো হলো: "না-বোধক (النفي), আদেশ (الأمر), নিষেধ (النهي), দোয়া (الدعاء), প্রশ্ন (الاستفهام), প্রস্তাব (العرض), জোরালো আহ্বান (التحضيض) এবং আকাঙ্ক্ষা (التمني)",
এবং কেউ কেউ এর সাথে "আশা পোষণ" (الترجي) যুক্ত করেছেন। যেমন: (তাদের মৃত্যু ঘটানো হবে না যাতে তারা মরতে পারে), "এবং দয়া করো
জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি, তাহলে আসমানে যিনি আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন", "এবং কৃপণতা করো না তাহলে তোমার প্রতিপালক তোমার জন্য প্রশস্ত করে দেবেন", "হে আমার প্রতিপালক, আমাকে সম্পদশালী করুন যেন আমি আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি", (আমাদের কি কোনো সুপারিশকারী আছে যারা আমাদের জন্য সুপারিশ করবে?), "তুমি কি আমাদের দান করবে
যেন আমরা তোমার জন্য দোয়া করতে পারি?", "তুমি কেন আমাদের সম্মান করলে না যেন আমরা তোমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি?", "হায়! তুমি যদি আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করতে তাহলে আল্লাহ্ তোমার প্রতি অনুগ্রহ করতেন", "সম্ভবত তুমি...
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ২৯)
تَنْظُرُ إلينا فَيَنْظُرَ اللهُ إليكَ "، وقد سُمع النصبُ بعد "الفاء" في جميع ما مر وسمع
بعد "الواو" في خمسة: " النفي والأمر والنهي والتمني والاستفهام "، وقاسه النحويون
في الباقي، فإن سقطت "الفاء" بعد الطلب بجميع أنواعه ولو باسم الفعل وقُصِدَ الجزاء
جُزِمْ الفعل نحو "ارْحَمْ تُرْحَمْ، ولا تَظِلمْ تَغْنَمْ، وقُلْ رَبِي سَلِّمْنِي تَسْلَمْ ".
وجوازمه نوعان: ما يجزم فعلاً واحداً وهو أربعة: " لم " وهي حرفٌ لنفي حدث المضارع وقلبه ماضياً نحو "لَمْ يَقُمْ "، ولمّا نحو، (ولمَا يَقْضِ) ، واللام
في الأمر نحو (لِيُنْفِقْ) وفي الدعاء نحو (لِيَقْضِ عَلَيْنَا)
، ولا في النهي نحو (لا تُشْرِكْ) وفي الدعاء نحو (لا تُؤَاخِذْنَا) ، وما يجزم فعلين وهي: "إنْ " مع ما حمل عليها من الأسماء
كـ " مهما، ومَنْ، وما، وأي "، ومن الظروف المكانية كـ "أيَن وأنّىَ وحيثما "، والزمانية
كـ "أيَّان ومتى وإذ ما" في أحد القولين والأصح حرفيتها، ولا فرق في كون الفعلين مضارعين أم ماضيين، أم مختلفين نحو (وَإنْ تَعُودُوا نَعُدْ) ، و"مهما قدمتم من الخير وجدتم "، (مَنْ كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ الآخِرَةِ نَزِدْ لَهُ فِي حَرْثِهِ) ،
“আপনি আমাদের দিকে তাকান, ফলে আল্লাহ আপনার দিকে তাকাবেন।” পূর্বোল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে 'ফা' (الفاء)-এর পরে নসব (نصب) শ্রুত হয়েছে এবং শ্রুত হয়েছে
'ওয়াও' (الواو)-এর পরে পাঁচটি ক্ষেত্রে: “নফি (نفي), আমর (أمر), নাহি (نهي), তামান্নি (تمني) এবং ইস্তিফহাম (استفهام)।” ব্যাকরণবিদগণ অবশিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে
একে কিয়াস (قياس) করেছেন। যদি সকল প্রকার তলব (طلب)-এর পর 'ফা' (الفاء) বিলুপ্ত হয়—এমনকি ইসমে ফেল (اسم الفعل) এর ক্ষেত্রেও—এবং যদি প্রতিদান বা জাযা (جزاء) উদ্দেশ্য হয়,
তবে ক্রিয়াটি জজম (جزم) যুক্ত হয়, যেমন: “দয়া করো, তোমার ওপর দয়া করা হবে; জুলুম করো না, তুমি লাভবান হবে; এবং বলো: হে আমার রব! আমাকে নিরাপদ রাখুন, আপনি নিরাপদ থাকবেন।”
জজম (جزم) প্রদানকারী বিষয়সমূহ দুই প্রকার: যা কেবল একটি ফেল (فعل) বা ক্রিয়াকে জজম (جزم) প্রদান করে এবং তা চারটি: 'লাম' (لم), যা মুজারি (مضارع) ক্রিয়ার ঘটনাকে নফি (نفي) করতে এবং একে মাজি (ماضي) বা অতীতকালে রূপান্তরিত করার জন্য একটি হরফ (حرف), যেমন: “সে দাঁড়ায়নি”; এবং 'লাম্মা' (لما), যেমন: (এবং সে এখনও সম্পন্ন করেনি); এবং আমরের (أمر)
ক্ষেত্রে ব্যবহৃত 'লাম' (اللام), যেমন: (সে যেন ব্যয় করে) এবং দোয়ার (دعاء) ক্ষেত্রে, যেমন: (তিনি যেন আমাদের ওপর চূড়ান্ত ফয়সালা করেন)
; এবং নাহির (نهي) ক্ষেত্রে ব্যবহৃত 'লা' (لا), যেমন: (শিরক করো না) এবং দোয়ার (دعاء) ক্ষেত্রে, যেমন: (আমাদের পাকড়াও করবেন না)। আর যা দুটি ফেল (فعل) বা ক্রিয়াকে জজম (جزم) প্রদান করে সেগুলো হলো: 'ইন' (إنْ) এবং এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ইসম (أسماء) বা বিশেষ্যসমূহ
যেমন— “মাহমা (مهما), মান (مَنْ), মা (ما), আইয়ু (أي)”; এবং স্থানবাচক শব্দসমূহ (ظروف مكانية) যেমন— “আইনা (أين), আন্না (أنّى), হাইসুমা (حيثما)”; এবং কালবাচকসমূহ (زمانية)
যেমন— “আইয়ানা (أيَّان), মাতা (متى) এবং ইজ মা (إذ ما)” - দুটি মতের একটি অনুযায়ী, তবে অধিকতর বিশুদ্ধ (أصح) মতানুসারে এটি একটি হরফ হওয়া (حرفية)। এই দুটি ফেল (فعل) মুজারি (مضارع) হোক বা মাজি (ماضي), কিংবা ভিন্ন ভিন্ন হোক, তাতে কোনো পার্থক্য নেই। যেমন: (এবং যদি তোমরা পুনরায় শুরু করো, তবে আমি পুনরায় শুরু করব), এবং “তোমরা কল্যাণের যা কিছু অগ্রিম পাঠাবে তা পেয়ে যাবে”, (যে ব্যক্তি পরকালের ফসল কামনা করে, আমি তার জন্য তার ফসলে বৃদ্ধি ঘটাই)।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ৩০)
(وَمَا تَفْعَلُوا مِنْ خَيْرٍ يَعْلَمْهُ اللَّهُ) ، (أَيّاً مَا تَدْعُوا فَلَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى)
، (أَيْنَمَا تَكُونُوا يُدْرِكْكُمُ الْمَوْتُ) ، "أنَّى تجلسْ أجلسْ "،
5- حَيْثُمَا تَسْتَقِمْ يُقَدِّرْ لَكَ * اللَّهُ نَجَاحاً...........
6- أَيَّانَ نُؤْمِنْكَ تأْمَنْ غَيْرَناَ
"متى تسأل الكريم يعطك، وإذما تقصده يكفك "، والمشهور في "كيفما" عدم الجزم
لعدم السماع خلافاً للكوفيين، وفي "إذا" أنها لا تجزم إلا في الشعر خاصةً، ويسمى الأول من الفعلين شرطاً والثاني جواباً وجزاء.
(তোমরা যে কল্যাণই করো না কেন, আল্লাহ তা জানেন), (তোমরা যে নামেই আহ্বান করো না কেন, তাঁর জন্যই রয়েছে সুন্দরতম নামসমূহ)
، (তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই), "তুমি যেখানেই বসবে, আমিও বসবো",
5- তুমি যেখানেই সুদৃঢ় থাকবে, আল্লাহ তোমার জন্য সফলতা নির্ধারণ করবেন...
6- আমরা যখনই তোমাকে নিরাপত্তা দেবো, তুমি অন্যদের নিকট থেকে নিরাপদ থাকবে।
"তুমি যখনই কোনো দানশীলের নিকট প্রার্থনা করবে, তিনি তোমাকে দান করবেন; আর যখনই তুমি তাঁর অভিমুখী হবে, তিনি তোমার জন্য যথেষ্ট হবেন", এবং 'কাইফামা' এর ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ (المشهور) মত হলো জজম (الجزم) প্রদান না করা
কারণ আরবী ভাষাতাত্ত্বিক বর্ণনা (السماع) অনুপস্থিত; যা কুফাবাসীদের মতের পরিপন্থী। আর 'ইযা' এর ক্ষেত্রে নিয়ম হলো যে, এটি বিশেষ করে কাব্যিক ছন্দ ব্যতিরেকে জজম (الجزم) প্রদান করে না। এবং ক্রিয়াদ্বয়ের প্রথমটিকে শর্ত (شرط) এবং দ্বিতীয়টিকে জওয়াব (جواب) ও প্রতিদান (جزاء) বলা হয়।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ৩১)
باب النكرة والمعرفةالنكرة: ما شاع في جنس موجود في الخارج تعدده كـ " رجُلٍ "، أو مقدر وجود تعدده فيه كـ "شمسٍ ".
والمعرفة: ما وضع ليستعمل في معين، وهي ستة: الضمير، فالعلم، فاسم
الإشارة، فالموصول، فالمعرف بالأداة، والمضاف إلى واحدٍ منها.
فالضمير ما دل وضعاً على متكلم أو مخاطب أو غائب، وهو قسمان: مستتر، وبارز.
فالمستتر: ما ليس له صورة في اللفظ، وهو قسمان: مستترٌ وجوباً، ومستترٌ جوازاً.
فالمستتر وجوباً: ما لا يخلفه الظاهر، ولا يكون المستتر إلا مرفوعاً نحو "أقوم، ونقوم، وأنت تقوم، وقمْ، وقاموا ما خلا أو ماعدا أو حاشا أو ليس أو لا يكون زيداً،
ونعم رجلاً زيدٌ، وما أحسن المعروف، وأوَّاهٍ من البخيل، ونزال نكرمْك،
و (هُمْ أَحْسَنُ) ، وضرباً زيداً.
والمستترُ جوازاً: ما يخلفه الظاهر كـ " قام ويقوم، وهند تقوم، وزيدٌ قائم أو مضروبٌ أو حسن، وهيهاتَ ".
অনির্দিষ্ট ও নির্দিষ্ট বিশেষ্যের পরিচ্ছেদঅনির্দিষ্ট বিশেষ্য হলো এমন শব্দ যা বাস্তবে বিদ্যমান কোনো শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত সকলের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে প্রযোজ্য হয়, যেমন— "একজন পুরুষ"; অথবা যার বহুত্ব কেবল মনে মনে কল্পনা করা হয়, যেমন— "সূর্য"।
নির্দিষ্ট বিশেষ্য হলো যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে গঠিত হয়েছে। এটি ছয় প্রকার: সর্বনাম, নাম-বিশেষ্য, নির্দেশক বিশেষ্য, সম্বন্ধবাচক বিশেষ্য, পদাশ্রয়ী নির্দেশক দ্বারা নির্দিষ্ট বিশেষ্য এবং এগুলোর কোনো একটির দিকে সম্বন্ধযুক্ত বিশেষ্য।
সর্বনাম হলো যা গঠনগতভাবে উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ অথবা নাম পুরুষকে নির্দেশ করে। এটি দুই প্রকার: উহ্য ও প্রকাশ্য।
উহ্য সর্বনাম হলো শব্দে যার কোনো দৃশ্যমান রূপ থাকে না। এটি দুই প্রকার: আবশ্যিকভাবে উহ্য ও ঐচ্ছিকভাবে উহ্য।
আবশ্যিকভাবে উহ্য হলো যার স্থলাভিষিক্ত কোনো প্রকাশ্য বিশেষ্য হতে পারে না। আর উহ্য সর্বনাম কেবল কর্তৃকারক (مرفوع) হিসেবেই থাকে; যেমন— "আমি দাঁড়াচ্ছি", "আমরা দাঁড়াচ্ছি", "তুমি দাঁড়াচ্ছ", "দাঁড়াও", এবং জায়েদ ব্যতীত তারা দাঁড়িয়েছে— এরূপ বুঝাতে 'মা খালা' অথবা 'মা আদা' অথবা 'হাশা' অথবা 'লাইসা' অথবা 'লা ইয়াকুনু' এর ব্যবহার,
"জায়েদ কতই না উত্তম ব্যক্তি", "সৎকাজ কতই না চমৎকার", "কৃপণের জন্য আক্ষেপ", "নিচে নামো, আমরা তোমাকে সম্মান করব",
"তারা অধিক সুন্দর" এবং "জায়েদকে প্রহার করো"।
ঐচ্ছিকভাবে উহ্য হলো যার স্থলাভিষিক্ত প্রকাশ্য বিশেষ্য হতে পারে; যেমন— "সে দাঁড়িয়েছে" বা "সে দাঁড়াচ্ছে", "হিন্দ দাঁড়াচ্ছে", "জায়েদ দণ্ডায়মান" বা "প্রহৃত" বা "সুন্দর", এবং "বহু দূরে"।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ৩২)
والبارز: ما له صورةٌ في اللفظ، وهو قسمان: متصل ومنفصل.
فالمتصل: ما لا يبتدأ به ولا يقع بعد "إلا" في الاختيار، وينقسم إلى: مرفوعِ فقط
كـ " قمت، وقاما، وقاموا، وقُمنَ، وقومي "، وإلى: منصوبِ، ومجرورِ كـ "زيد مرَّ بي، وبك، وبه، فأكرَمَني وأكرمَكَ، وأكرمه "، وإلى: مشتَركٍ بين الثلَاثة وهو
"نا" خاصة نحو (رَبَّنَا إِنَنا سَمِعْنَا) .
والمنفصل: ما يبتدأ به ويقع بعد "إلا"، وينقسم إلى: مرفوع كـ "أنا، وأنت، وهو،
وفروعها " " وإلى منصوب كـ "إياي، وإياك، وإياه، وفروعها "، ولا يكون المنفصل مجروراً.
والضمير هو: "أن وإيا "، وما عداهما حروف إفراد وتثنية وجمع وتذكير وتأنيث
وتكلم وخطاب وغيبة، ولا انفصال مع إمكان الاتصال إلا في نحو " الهاء" من
" سلنيه، وملكتكه " بمرجوحيةٍ، و" ظننتُكَهُ وكُنْتَهُ " برجحان.
الثاني العلم وهو: ما وضع لمعين لا يتناول غيره، وهو قسمان: جنسي، وشخصي.
فالجنسيُّ: ما وضع لشيءٍ معينٍ في الذهن كـ "أسامة".
والشخصيُّ: ما وضع لشيءٍ معينٍ في الخارج لا يتناول غيره من حيث الوضع
আর প্রকাশ্য (البارز): যার উচ্চারণে স্পষ্ট রূপ রয়েছে; তা দুই প্রকার: সংযুক্ত (متصل) এবং পৃথক (منفصل)।
সংযুক্ত (متصل) হলো: যা দিয়ে বাক্য শুরু করা যায় না এবং সাধারণ অবস্থায় 'ইল্লা' এর পরে আসে না। এটি বিভক্ত হয়: শুধুমাত্র কর্তৃকারক (مرفوع) হিসেবে
যেমন- 'ক্বুমতু', 'ক্বামা', 'ক্বামু', 'ক্বুমনা', 'ক্বুমি'। এবং কর্মকারক (منصوب) ও সম্বন্ধপদ (مجرور) হিসেবে; যেমন- 'যাইদুন মাররা বি', 'বিকা', 'বিহি', অতঃপর 'আকরামানি', 'আকরামাকা', 'আকরামাহু'। এবং এমন যা তিন অবস্থার মধ্যেই সাধারণ (مشترك), তা হলো
বিশেষভাবে 'না' (نا); যেমন- (রাব্বানা ইন্নানা সামি'না)।
আর পৃথক (منفصل) হলো: যা দিয়ে বাক্য শুরু করা যায় এবং যা 'ইল্লা' এর পরে বসে। এটি বিভক্ত হয়: কর্তৃকারক (مرفوع) হিসেবে; যেমন- 'আনা', 'আনতা', 'হুয়া',
ও এগুলোর শাখাগুলো। এবং কর্মকারক (منصوب) হিসেবে; যেমন- 'ইয়্যায়া', 'ইয়্যাকা', 'ইয়্যাহু' ও এগুলোর শাখাগুলো। আর পৃথক (منفصل) কখনও সম্বন্ধপদ (مجرور) হয় না।
মূলত সর্বনাম (الضمير) হলো: 'আন' ও 'ইয়্যা'; আর এগুলো ব্যতীত বাকি অংশগুলো হলো একবচন (إفراد), দ্বিবচন (تثنية), বহুবচন (جمع), পুংলিঙ্গ (تذكير) ও স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث)
এবং উত্তম পুরুষ (تكلم), মধ্যম পুরুষ (خطاب) ও নাম পুরুষ (غيبة) প্রকাশক বর্ণ। সংযুক্ত হওয়ার (اتصال) সম্ভাবনা থাকলে পৃথক হওয়া (انفصال) জায়েয নেই; তবে 'হা' (الهاء) এর ক্ষেত্রে ভিন্নতর—
'সালনিহি' ও 'মাল্লাকতুকাহু' শব্দদ্বয়ে এটি অপ্রাধান্যযোগ্যতা (مرجوحية) হিসেবে এবং 'যানানতু কাহু' ও 'কুনতাহু' শব্দদ্বয়ে এটি প্রাধান্যযোগ্যতা (رجحان) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
দ্বিতীয়টি হলো নামবাচক বিশেষ্য (العلم): যা নির্দিষ্ট কোনো সত্তার জন্য নির্ধারিত, যা অন্যকে অন্তর্ভুক্ত করে না। এটি দুই প্রকার: জাতিগত (جنسي) এবং ব্যক্তিগত (شخصي)।
জাতিগত (جنسي) হলো: যা মস্তিষ্কে বিদ্যমান কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য নির্ধারিত; যেমন- 'উসামাহ্'।
আর ব্যক্তিগত (شخصي) হলো: যা বাস্তবে বিদ্যমান নির্দিষ্ট কোনো সত্তার জন্য নির্ধারিত, যা নামকরণের দিক থেকে অন্য কাউকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
له كـ "زيدٍ، ومكة"، وينقسم إلى: مرتجلِ وهو: ما استعمل من أول الأمر علماً
كـ "سعاد، وأُدَدْ"، وإلى منقولٍ وهو: ما اَستعمل قبل العلمية في غيرها كـ "زيدٍ،
وأسد، وحارث ومنصور، وشمر، ويشكر "، وإلى لقب وهو: ما أشعر برفعة المسمى أو بضِعَتِه كـ "زين العابدين، وبطة"، وإلى كنية وهو: ما صدر بأبٍ أو أمٍ كـ "أبي بكر وأم عمرو".
الثالث اسم الإشارة وهو: ما وضع لمسمى وإشارة إليه، فللمفرد المذكر "ذا"، وللمفرد المؤنث " ذِي، وذِهْ، وذهِي، وذه، وذاتِ وتي وتِهْ وتهِي وتِهِ وتا "،
وللمثنئ المذكر " ذانِ "، ولمثنى المؤنث "تانِ "، ولجمعهما "أولاءِ "، وقد يكون مع الإِشارة تنبيه مثل "هذا وهاتا" وخطاب مثل "ذاك وتاك "، والأمران جميعاً مثل
"هاذاك وهاتاك ".
الرابعُ الموصولَ وهو: ما افتقر إلى الوصل بجملةٍ خبريةٍ أو ظرفٍ أو مجرورٍ تامين،
أو وصفٍ صريحٍ، وإلى عائدٍ أو خَلفِه، وهو قسمان: خاص ومشترك.
فالخاصُّ: " الذي، والتي، واللذان، واللتان، والذين، والألى، واللائي، واللاتي ".
والمشترك: "مَنْ، وما، وأيْ، وذو" في لغة طيء، و"ذا " بعد "مَنْ أو
এর উদাহরণ যেমন "যায়েদ এবং মক্কা"। এটি দুই ভাগে বিভক্ত: এক. উদ্ভাবিত (مرتجل); যা ব্যবহারের শুরু থেকেই নাম হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে
যেমন "সুয়াদ এবং উদাদ"। দুই. স্থানান্তরিত (منقول); যা নাম হিসেবে ব্যবহারের পূর্বে অন্য কোনো অর্থে ব্যবহৃত হতো যেমন "যায়েদ,
আসাদ, হারিস, মানসুর, শাম্মার এবং ইয়াশকুর"। এবং উপাধি (لقب); যা নামধারী ব্যক্তির উচ্চ মর্যাদা বা হীনতা নির্দেশ করে যেমন "জয়নুল আবেদিন এবং বাত্তাহ"। এবং উপনাম (كنية); যা পিতা বা মাতার সম্পর্কের মাধ্যমে শুরু হয় যেমন "আবু বকর এবং উম্মে আমর" ।
তৃতীয় প্রকার হলো নির্দেশক বিশেষ্য (اسم الإشارة); যা নির্দিষ্ট কোনো সত্তা এবং তার দিকে ইশারা করার জন্য গঠিত হয়েছে। একবচন পুংলিঙ্গের জন্য "যা" (ذا), এবং একবচন স্ত্রীলিঙ্গের জন্য "যি, যিহ, যিহি, যাহ, যাত, তি, তিহ, তিহি, তিহি এবং তা",
এবং দ্বিবচন পুংলিঙ্গের জন্য "যানি" (ذانِ), দ্বিবচন স্ত্রীলিঙ্গের জন্য "তানি" (تانِ), এবং উভয়ের বহুবচনের জন্য "উলাই" (أولاء)। কখনও নির্দেশক বিশেষ্যের সাথে মনোযোগ আকর্ষণকারী অব্যয় (تنبيه) যুক্ত হতে পারে যেমন "হাযা এবং হাত্তা" এবং সম্বোধন (خطاب) যুক্ত হতে পারে যেমন "যাকা এবং তাকা", আবার কখনও উভয় বৈশিষ্ট্যই একত্রে থাকতে পারে যেমন
"হাযাকা এবং হাতাকা" ।
চতুর্থ প্রকার হলো সম্বন্ধবাচক বিশেষ্য (الموصول); যা একটি পূর্ণাঙ্গ বর্ণনামূলক বাক্য (جملة خبرية), ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) বা অব্যয়যুক্ত পদের (مجرور) সাথে সংযোগের মুখাপেক্ষী হয়,
অথবা কোনো স্পষ্ট গুণবাচক শব্দের (وصف صريح) সাথে এবং একটি প্রত্যাবর্তনকারী সর্বনাম (عائد) বা তার স্থলাভিষিক্ত শব্দের সাথে যুক্ত হওয়ার প্রয়োজন বোধ করে। এটি দুই প্রকার: সুনির্দিষ্ট (خاص) এবং সাধারণ (مشترك)।
সুনির্দিষ্ট (خاص) হলো: "আল্লাযি, আল্লাতি, আল্লাযানি, আল্লাতানি, আল্লাযিনা, আল-উলা, আল-লাই এবং আল-লাতি" ।
সাধারণ (مشترك) হলো: "মান, মা, আইয়্যু এবং যু" যা তাই গোত্রের ভাষায় ব্যবহৃত হয়, এবং "মান" অথবা "মা" এর পরে ব্যবহৃত "যা" ।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
ما "الاستفهاميتين، - و"ألْ " في وصفٍ صريحٍ كـ " الضارب والمضروب ".
وجملة صلاتها أربعة: " مبتدأ وخبر، وفعل وفاعل، وشرط وجزاء،
وظرف " واسم الفاعل والمفعول مع ألْ، ولا يظهر الفاعل معها في تثنيةٍ ولا جمعٍ بل يكون مستتراً والذي يظهر في اللفظ حرفٌ لا اسم؛ كـ "هذان الضاربان زيداً، وهؤلاء المكرمون عمراً ".
والخامس المعرف بالأداة، وهي ألْ بجملتها عند الخليل وسيبويه، واللام وحدها عند الأخفش، وهي إما عهدية نحو (فِي زُجَاجَةٍ الزّجَاجَةُ) ، و"جاء القاضي "، و (الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينكُمْ) ، أو جنسية نحو (وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ) ، (وَخُلِقَ الإٍنسَانُ ضَعِيفاً) ، وزيدٌ الرجلُ.
والمختار جواز نيابة ألْ عن الضمير نحو (فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى) ،
"মা" প্রশ্নবোধক দুটির ক্ষেত্রে, এবং স্পষ্ট বিশেষণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত "আল" যেমন- "প্রহারকারী" ও "প্রহৃত"।
আর এর পদাশ্রয়ী বাক্যের প্রকারসমূহ চারটি: "উদ্দেশ্য ও বিধেয়, ক্রিয়া ও কর্তা, শর্ত ও ফলাফল,
এবং অব্যয়জাত স্থান বা কাল" এবং "আল" যুক্ত কর্তৃবাচক বিশেষ্য ও কর্মবাচক বিশেষ্য। দ্বিবচন ও বহুবচনের ক্ষেত্রে এগুলোর সাথে কর্তা প্রকাশিত হয় না, বরং তা উহ্য থাকে। উচ্চারণে যা প্রকাশিত হয় তা মূলত একটি বর্ণ, কোনো বিশেষ্য নয়; যেমন- "এই দুইজন যায়িদকে প্রহারকারী, এবং এরা আমরকে সম্মানকারী"।
পঞ্চম প্রকার হলো পদাশ্রয়ী নির্দেশক দ্বারা নির্দিষ্টকৃত বিশেষ্য। খলীল এবং সীবওয়াইহ-এর মতে তা হলো পূর্ণ "আল", আর আখফাশ-এর মতে তা হলো কেবল "লাম"। এটি হয় পরিচিতিবাচক, যেমন- (একটি কাঁচের পাত্রে, সেই কাঁচের পাত্রটি), এবং "বিচারক এসেছেন", এবং (আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণ করলাম)। অথবা এটি হতে পারে জাতিবাচক, যেমন- (আর আমি প্রাণবান সবকিছু পানি থেকে সৃষ্টি করলাম), (এবং মানুষকে দুর্বল (ضعيف) হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে), এবং "যায়িদই হলো প্রকৃত পুরুষ"।
পছন্দনীয় মত হলো সর্বনামের পরিবর্তে "আল"-এর স্থলাভিষিক্ত হওয়া বৈধ হওয়া, যেমন- (নিশ্চয়ই জান্নাতই হবে তার আবাস)।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
7- بدأتُ ببسمِ اللهِ في النَّظم..... الطويل
وعن الاسم الظاهر نحو (وَعَلَّمَ آدَمَ الأَسْمَاءَ كُلَّهَا) ،
وقد تكون أل زائدة وموصولة واستفهامية كاللاتي والحارث والضارب و"أل فعلت ".
السادس: المضاف إلى واحدٍ مما ذكر كـ "غلامي، وغلام زيدٍ" وهو
في التعريف، بحسب ما يضاف إليه إلا المضاف إلى الضمير فكالعلم.
7- আমি আল্লাহর নামে কাব্যটি রচনা শুরু করছি..... (ছন্দটি হলো) আত-তবিল।
এবং প্রকাশ্য বিশেষ্য (الاسم الظاهر) প্রসঙ্গে, যেমন: (এবং তিনি আদমকে সমস্ত নাম শিক্ষা দিলেন),
আর 'আল' (أل) কখনো অতিরিক্ত (زائدة), সংযোজক (موصولة) ও প্রশ্নবোধক (استفهامية) হতে পারে; যেমন: 'আল-লাতি', 'আল-হারিস', 'আদ-দারিব' এবং "আল ফায়ালতু" (أل فعلت)।
ষষ্ঠত: উল্লিখিত বিষয়গুলোর কোনো একটির দিকে সম্বন্ধযুক্ত (المضاف) পদ, যেমন: "আমার গোলাম" ও "যাইদের গোলাম"; এবং এটি
নির্দিষ্টকরণের (التعريف) ক্ষেত্রে যার দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়েছে তার পর্যায়ভুক্ত হয়, তবে সর্বনামের (الضمير) দিকে সম্বন্ধযুক্ত হলে তা সুনির্দিষ্ট বিশেষ্যের (العلم) ন্যায় গণ্য হয়।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
باب أحكام الأسماءوهي: إما مرفوعة، أو منصوبة، أو مجرورة لفظاً، أو تقديراً، أو محلاً، فالمرفوعات سبعةٌ: الفاعل ونائبه، والمبتدأ وخبره، واسم كان وأخواتها، وخبر إنَ وأخواتها، والتابع.
ইসম বা বিশেষ্যসমূহের বিধানের অধ্যায়আর সেগুলো হলো: হয় মারফু (مرفوعة), অথবা মানসুব (منصوبة), অথবা মাজরুর (مجرورة); চাই তা শব্দগত (لفظاً), অনুমিত (تقديراً), অথবা স্থানগত (محلاً) ভাবে হোক। সুতরাং মারফুসমূহ সাতটি: ফায়েল (فاعل) ও তার স্থলাভিষিক্ত (نائب الفاعل), মুবতাদা (مبتدأ) ও তার খবর (خبر), 'কানা' ও তার সমজাতীয় শব্দাবলির ইসম (اسم), 'ইন্না' ও তার সমজাতীয় শব্দাবলির খবর (خبر), এবং তাবে (تابع) বা অনুগামী পদ।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
باب الفاعلفالفاعل: عبارة عن "اسم صريحِ أو مؤول به أسند إليه فعلٌ أو مؤول به مقدمٌ عليه
واقعاً منه أو قائماً به نحو "قام زيد"، وَ (أَنْ تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ) ، و (مُخْتَلِفٌ
أَلْوَانُهُ) ، و"علم زيدٌ".
ويرفعه أي يرفع الفاعلَ: الفعلُ، واسم الفاعل كما مرَّ، واسم الفعل كـ
...... هيهاتَ العقيقُ..... الطويل
والمصدر نحو (وَلَوْلا دَفْعُ اللَّهِ النَّاسَ) ، واسم المصدر نحو "من قُبْلةِ
الرجل امرأتَهُ الوضوءُ "، وأمثلة المبالغة، نحو " اضرابَّ زيدٌ "، والصفة المشبهة نحو "زيدٌ حسنٌ وجهُه "، واسم التفضيل نحو "ما رأيتُ رجلاً أحسنَ في عينهِ الكحلُ منهُ في عينِ زيدٍ "، والظرف نحو "ما عندكَ شِحٌ "، والمجرور نحو (أَفِي اللَّهِ شَكٌّ) .
কর্তৃকারক (الفاعل) অধ্যায়কর্তৃকারক (الفاعل) হলো: এমন একটি স্পষ্ট বিশেষ্য (اسم صريح) অথবা বিশেষ্যের অর্থ প্রদানকারী (مؤول به) শব্দ, যার দিকে তার পূর্বে অবস্থিত কোনো ক্রিয়া (فعل) অথবা ক্রিয়ার অর্থ প্রদানকারী শব্দকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে;
তা সংশ্লিষ্ট কর্তার মাধ্যমে সঙ্ঘটিত হোক কিংবা তার মাঝে বিদ্যমান থাকুক; যেমন: "জায়েদ দাঁড়িয়েছে", এবং (যেন তাদের হৃদয়সমূহ বিগলিত হয়), এবং (যার বর্ণসমূহ বৈচিত্র্যময়), এবং "জায়েদ অবগত হয়েছে"।
আর ফায়িলকে রফ (পেশ) প্রদানকারী বিষয়সমূহ হলো: ক্রিয়া (فعل), এবং ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হওয়া কর্তৃবাচক বিশেষ্য (اسم الفاعل), এবং ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য (اسم الفعل) যেমন: ...... আক্বীক অনেক দূরে অবস্থিত..... (তবীল ছন্দ)
এবং মূলধাতু (المصدر) যেমন: (আর আল্লাহ যদি মানুষের এক দলকে অন্য দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন), এবং ইসমুল মাসদার (اسم المصدر) যেমন: "স্ত্রীর কপালে স্বামীর চুম্বনের কারণে অজু ওয়াজিব হওয়া", এবং আধিক্যসূচক রূপসমূহ (أمثلة المبالغة), যেমন: "জায়েদ অত্যধিক প্রহারকারী", এবং গুণবাচক বিশেষণ (الصفة المشبهة) যেমন: "জায়েদ, যার চেহারা সুন্দর", এবং শ্রেষ্ঠত্বসূচক বিশেষণ (اسم التفضيل) যেমন: "জায়েদের চোখের সুরমার চেয়ে অধিক সুন্দর সুরমা আমি আর কোনো ব্যক্তির চোখে দেখিনি", এবং ক্রিয়াবিশেষণ (الظرف) যেমন: "তোমার নিকট কোনো কৃপণতা নেই", এবং অব্যয়যুক্ত পদ (المجرور) যেমন: (আল্লাহর ব্যাপারে কি কোনো সন্দেহ আছে?)।
(খণ্ড: ১)
দালিলুত তালিবীন লিকালামিন নাহউইয়্যীন
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
والفاعل قسمان: ظاهرٌ كما مرَّ، ومضمر إما متصل كـ " ضربت، وضربنا، وضربوا "، أو منفصل، نحو:
… ما وافٍ بعهديَ أَنْتُمَا
… الطويل
والأصل فيه أن يلي عامله كـ (وَوَرِثَ سُلَيْمَانُ دَاوُد) ، وقد يتأخر
جوازاً نحو (وَلَقَدْ جَاءَ آلَ فِرْعَوْنَ النُّذُرُ) ، ووجوباً نحو (وَإِذِ ابْتَلَى
إِبْرَاهِيمَ رَبُّهُ) ، و" ضربني زيد".
وقد يجب تأخير المفعول كـ "ضربت زيداً"، و"ضرب موسى عيسى "، وقد يتقدم على العامل
جوازاً نحو (فَرِيقاً هَدَى) ، ووجوياً نحو (أَيّاً مَا تَدْعُوا) .
ولا يلحق العامل علامة تثنية، ولا جمع، بل يقال: "قام رجلان، ورجال ونساء)) ، وتلحقه علامة التأنيث إن كان مؤنّثاً، كـ "قامت هندُ"، وقد يحذف العامل
جوازاً نحو قولك: "زيد" في جواب من قال: مَنْ قام؛
ووجوباً نحو (إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ) ، و (وَإِنِ امْرَأة خَافَتْ) .
ফায়েল (কর্তা) দুই প্রকার: প্রকাশ্য (ظاهر) যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে, এবং সর্বনাম (مضمر) যা হয় সংযুক্ত (متصل) যেমন: "আমি প্রহার করেছি", "আমরা প্রহার করেছি", "তারা প্রহার করেছে", অথবা বিযুক্ত (منفصل), যেমন:
… তোমরা দু’জন আমার অঙ্গীকার পূর্ণকারী নও
… আত-তওয়ীল (ছন্দ)
আর এর মূল নিয়ম হলো এটি তার আমেল বা ক্রিয়ার পরপরই আসবে, যেমন: "এবং সুলাইমান দাঊদের উত্তরাধিকারী হলেন", তবে কখনো এটি পেছনেও আসতে পারে
বৈধভাবে (جوازا), যেমন: "এবং নিশ্চয়ই ফেরাউনের সম্প্রদায়ের নিকট সতর্ককারীগণ এসেছিল", এবং আবশ্যিকভাবে (وجوبا), যেমন: "এবং যখন ইব্রাহীমকে তাঁর প্রতিপালক পরীক্ষা করলেন", এবং "যায়েদ আমাকে প্রহার করেছে"
আবার কখনো মাফঊল (কর্ম) পেছনে আনা আবশ্যিক (وجوبا) হয়, যেমন: "আমি যায়েদকে প্রহার করেছি", এবং "মূসা ঈসাকে প্রহার করেছে"; আবার কখনো এটি আমেল বা ক্রিয়ার পূর্বে আসতে পারে
বৈধভাবে (جوازا), যেমন: "একদলকে তিনি পথপ্রদর্শন করেছেন", এবং আবশ্যিকভাবে (وجوبا), যেমন: "তোমরা যাকে ইচ্ছা ডাকো"
আর আমেল বা ক্রিয়ার সাথে দ্বিবচন বা বহুবচনের কোনো চিহ্ন যুক্ত হয় না, বরং বলা হয়: "দুইজন পুরুষ দাঁড়িয়েছে, অনেক পুরুষ এবং অনেক নারী দাঁড়িয়েছে"; আর যদি কর্তা স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنث) হয় তবে ক্রিয়ার সাথে স্ত্রীলিঙ্গবাচক চিহ্ন যুক্ত হয়, যেমন: "হিন্দ দাঁড়িয়েছে", আবার কখনো আমেল বা ক্রিয়া বিলুপ্ত হতে পারে
বৈধভাবে (جوازا), যেমন আপনার উক্তি: "যায়েদ", সেই ব্যক্তির উত্তরে যে জিজ্ঞাসা করেছে: "কে দাঁড়িয়েছে?";
এবং আবশ্যিকভাবে (وجوبا), যেমন: "যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে" এবং "যদি কোনো নারী আশঙ্কা করে"।