(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: -)
الذخر الحرير بشرح مختصر التحرير القسم: أصول الفقه
عنوان الكتاب: الذخر الحرير بشرح مختصر التحرير
المؤلف: أحمد بن عبد الله بن أحمد البعلي الحنبلي (ت 1189 هـ)
المحقق: وائل محمد بكر زهران الشنشوري
نقديم: أحمد منصور آل سبالك
الناشر: (المكتبة العمرية - دار الذخائر)، القاهرة - مصر
الطبعة: الأولى، 1441 هـ - 2020 م
عدد الصفحات: 894
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 23 رجب 1443
আয-যুখরুল হারীর বি-শারহি মুখতাসারিত তাহরীর বিভাগ: উসুলুল ফিকহ
কিতাবের শিরোনাম: আয-যুখরুল হারীর বি-শারহি মুখতাসারিত তাহরীর
লেখক: আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আল-বালি আল-হাম্বলি (মৃত্যু ১১৮৯ হিজরি)
গবেষণা ও সম্পাদনা: ওয়াইল মুহাম্মদ বকর যাহরান আশ-শানশুরি
উপস্থাপনা: আহমাদ মানসুর আল সাবালিক
প্রকাশক: (আল-মাকতাবাতুল উমরিয়্যাহ - দারুয যাখাইর), কায়রো - মিশর
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪১ হিজরি - ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৯৪
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৩ রজব ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ১১)
مقدمة التحقيقبسم الله الرحمن الرحيم
الحمدُ للهِ الَّذي أيَّدَ مذهبَ الإمامِ أحمدَ، بمَن أَتَى فيه بما عليه مِن مُؤَلَّفٍ يُحمَدُ، مِن فروعٍ فيه لها الأصولُ تَشهَدُ، بلفظٍ مُوجَزٍ مُنَقَّحٍ مُهَذَّبٍ، بَلَغَ فيه مِن الكفايةِ والمَطلبِ، ووَشَّحَ مسائلَه براجحِ المَذهبِ، معَ احتوائِه على ما يَحتاجُ إليه الأمرُ ويَطلُبُ.
وأَشهَدُ أنْ لا إلهَ إلَّا اللهُ وحدَه لا شريكَ له، شهادةً تَرفَعُ قائلَها أعلى الدَّرجاتِ، وتُبَلِّغُه أقصى الغاياتِ مِن جميعِ الخيراتِ، وأُصلِّي وأُسلِّم على سيِّدنا مُحمَّدٍ خيرِ البَريَّات.
وبعدُ؛ فإنَّ عِلمَ أصولِ الفقهِ علمٌ عظيمٌ مِن أعظمِ علومِ الشَّريعةِ الإسلاميَّةِ وأجلِّها قَدْرًا وأكثرِها فائدةً، فهو عِلْمٌ يُتَعَرَّفُ منه تقريرُ مطالبِ الأحكامِ الشَّرعيَّةِ العلميَّةِ، وطُرُقُ استنباطِها، وموادُّ حُجَجِها، واستخراجُها بالنَّظَرِ، كما قالَ المُناويُّ رحمه الله.
قالَ الإمامُ الغَزَّاليُّ في «المُستصفى» (ص 4): وأشرفُ العُلومِ ما ازدُوجَ فيه العقلُ والسَّمْعُ، واصْطُحِبَ فيه الرَّأيُ والشَّرعُ، وعِلْمُ الفقهِ وأصولُه مِن هذا القَبيلِ؛ فإنَّه يَأخُذُ مِن صَفْوِ الشَّرعِ والعقلِ سواءَ السَّبيلِ، فلا هو تَصَرُّفٌ بمَحْضِ العقولِ بحيثُ لا يَتَلَقَّاه الشَّرعُ بالقبولِ، ولا هو مبنيٌّ على مَحضِ التَّقليدِ الَّذي لا يَشْهَدُ له العقلُ بالتَّأييدِ والتَّسديدِ. اهـ
هذا، وقد كانَ ظَهَرَ في زمانِنا هذا بعضُ مَن لا يَرَوْنَ حاجةً إلى تَعَلُّمِ أصولِ الفقهِ، ويُنْكِرُونه، ويَنْتَقِدونَ على مَن يُعَلِّمُه ويَتَعَلَّمُه، مُتَمَسِّكِينَ بالأخذِ بالكتابِ والسُّنَّةِ مُباشرةً.
তাহকীক বা পাণ্ডুলিপি সম্পাদনার ভূমিকাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি ইমাম আহমদের মাযহাবকে এমন ব্যক্তিদের মাধ্যমে শক্তিশালী করেছেন যারা এতে প্রশংসনীয় কিতাবসমূহ রচনা করেছেন; এমন সব শাখা-উপশাখা সম্বলিত যার সপক্ষে মূলনীতিসমূহ সাক্ষ্য দেয়। অতি সংক্ষিপ্ত, পরিমার্জিত ও সুবিন্যস্ত শব্দমালায় সমৃদ্ধ এসব কিতাব প্রয়োজনীয়তা পূরণে এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম। আর লেখক বিষয়গুলোকে মাযহাবের অগ্রগণ্য মতামতের মাধ্যমে সুশোভিত করেছেন এবং বিষয়টির জন্য যা কিছু আবশ্যক ও কাম্য তার সবটুকুই এতে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। এমন এক সাক্ষ্য যা এর পাঠকারীকে উচ্চ মর্যদায় উন্নীত করে এবং তাকে যাবতীয় কল্যাণের চরম লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। আর আমি দরুদ ও সালাম পেশ করছি আমাদের নেতা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর, যিনি সৃষ্টির সেরা।
অতঃপর: নিশ্চয়ই উসুলুল ফিকহ বা ফিকহশাস্ত্রের মূলনীতি একটি মহান ইলম, যা ইসলামি শরীয়তের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, মর্যাদাপূর্ণ এবং অত্যন্ত উপকারী একটি শাস্ত্র। এটি এমন এক ইলম যার মাধ্যমে শরীয়তের ব্যবহারিক বিধানসমূহের উদ্দেশ্য সাব্যস্তকরণ, সেগুলো আহরণের পদ্ধতি, দলিলের উৎসসমূহ এবং গবেষণার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত বের করার নিয়মাবলি জানা যায়, যেমনটি আল-মুনাভী রহিমাহুল্লাহ বলেছেন।
ইমাম গাযালী রহিমাহুল্লাহ তাঁর ‘আল-মুসতাসফা’ (পৃষ্ঠা: ৪) গ্রন্থে বলেন: "সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ইলম হলো তা-ই যাতে বিবেক ও শ্রুতির সমন্বয় ঘটেছে এবং গবেষণা ও শরীয়ত পরস্পর সহগামী হয়েছে। ফিকহ ও উসুলুল ফিকহ এই পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। কারণ এটি শরীয়তের নির্যাস ও বিবেকের সঠিক পথ থেকে গৃহীত হয়েছে। এটি না কেবল নিছক বিবেকের খেয়ালখুশি যে শরীয়ত একে গ্রহণ করবে না, আর না এটি নিছক অন্ধ অনুকরণের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত যাকে বিবেক সমর্থন ও সঠিক বলে সাক্ষ্য দেয় না।" উদ্ধৃতি সমাপ্ত।
বর্তমান সময়ে এমন কিছু লোকের আবির্ভাব ঘটেছে যারা উসুলুল ফিকহ শেখার কোনো প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে না, বরং তারা একে অস্বীকার করে এবং যারা এটি শেখায় বা শেখে তাদের সমালোচনা করে। তারা সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহ থেকে বিধান গ্রহণ করার নীতিতে অটল থাকতে চায়।
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ১২)
أقولُ: وهو فهمٌ خاطئٌ، فهذه العلومُ الشَّرعيَّةُ ما هي إلَّا تقريبٌ وتيسيرٌ وتنظيمٌ لِما جاءَ في الكتابِ والسُّنَّةِ النَّبويَّةِ المُطَهَّرةِ، كيف وهذا العِلمُ الشَّريفُ نالَ عنايةً بالغةً مِن أهلِ العِلمِ مِن المذاهبِ الفقهيَّةِ، وتَنَافَسُوا فيه، مِن القديمِ للحديثِ وإلى زمانِنا هذا، حتَّى سُمِّيَ مَن يَشتغلونَ به بالأُصُوليِّين.
قالَ الرَّازيُّ في «تفسيرِه» (2/ 348): وعِلْمُ الفقهِ كلُّه مأخوذٌ مِن القرآنِ، وكذا علمُ أصولِ الفقهِ .. إلخ.
وقالَ الزَّرْكَشِيُّ في «البحر المحيط» (1/ 457): وقد تَكَلَّمَ المُفَسِّرون هنا في حقيقةِ النَّسخِ الشَّرعيِّ وأقسامِه، وما اتُّفِقَ عليه منه، وما اختُلِف فيه، وفي جوازِه عقلًا، ووقوعِه شرعًا، وبماذا يُنْسَخُ، وغيرِ ذلك من أحكامِ النَّسخِ ودلائلِ تلك الأحكامِ، وطَوَّلُوا في ذلك، وهذا كلُّه موضوعُه علمُ أصولِ الفقهِ، فيُبْحَثُ في ذلك كلِّه فيه.
وقالَ ابنُ حَمدانَ الحنبليُّ في «صفة المُفتي» (ص: 151): فأمَّا الفقيهُ على الحقيقةِ فهو: مَن له أهليَّةٌ تامَّةٌ، يُمْكِنُه أنْ يَعرِفَ الحُكْمَ بها إذا شاءَ، معَ معرفتِه جملةً كثيرةً عُرفًا مِن أُمَّهاتِ مسائلِ الأحكامِ الشَّرعيَّةِ الفروعيَّةِ العمليَّةِ، بالاجتهادِ والتَّأمُّلِ، وحُضُورِها عندَه .. فلهذا كانَ علمُ أصولِ الفقهِ فَرْضًا على الفقهاءِ.
وقد ذَكَرَ ابنُ عَقِيلٍ: أنَّه فرضُ عينٍ، والمذهبُ: أنَّه فرضُ كفايةٍ، كالفقهِ. اهـ
وقالَ البَزْدَوِيُّ الحنفيُّ في مُقدِّمَةِ «كشف الأسرارِ» (1/ 3): .. لا سِيَّمَا عِلمُ أصولِ الفقهِ الَّذي هو أَصعَبُها مداركَ، وأدقُّها مسالكَ، وأعمُّها عوائدَ، وأتمُّها فوائدَ، لولاه لبَقِيَتْ لطائفُ علومِ الدِّينِ كامنةَ الآثارِ، ونجومُ سماءِ الفقهِ والحِكمةِ مَطمُوسةَ الأنوارِ، لا تَدخُلُ ميامنُه تحتَ الإحصاءِ، ولا تُدرَكُ محاسنُه بالاستقصاءِ. اهـ
আমি বলছি: এটি একটি ভুল উপলব্ধি; কেননা এই শরয়ি ইলমসমূহ কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহে যা এসেছে, সেগুলোকে নিকটবর্তী করা, সহজ করা এবং সুসংবদ্ধ করা ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ এই মর্যাদাপূর্ণ জ্ঞান প্রাচীনকাল থেকে আধুনিক এবং আমাদের বর্তমান সময় পর্যন্ত ফিকহি মাযহাবসমূহের আলিমগণের নিকট থেকে ব্যাপক মনোযোগ লাভ করেছে এবং তারা এর চর্চায় প্রতিযোগিতা করেছেন; এমনকি যারা এই জ্ঞান নিয়ে কাজ করেন তাদের 'উসূলী' (উসূলবিদ) নামে অভিহিত করা হয়।
ইমাম রাযী তার 'তাফসীর'-এ (২/৩৪৮) বলেছেন: ফিকহ শাস্ত্রের পুরোটাই কুরআন থেকে গৃহীত, অনুরূপভাবে উসূলে ফিকহ শাস্ত্রও... ইত্যাদি।
ইমাম যারকাশী 'আল-বাহরুল মুহীত' (১/৪৫৭) গ্রন্থে বলেছেন: মুফাসসিরগণ এখানে শরয়ি নাসখ (রহিতকরণ)-এর হাকীকত ও এর প্রকারভেদ, এ বিষয়ে যা কিছু সর্বসম্মত ও যা কিছু মতভেদপূর্ণ, বুদ্ধিগতভাবে এর বৈধতা এবং শরয়িভাবে এর সংঘটন, কিসের মাধ্যমে নাসখ হয় এবং নাসখের অন্যান্য বিধান ও সেগুলোর দলিলসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং দীর্ঘ বর্ণনা দিয়েছেন। আর এই সবকিছুরই আলোচ্য বিষয় হলো উসূলে ফিকহ শাস্ত্র, তাই এ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় এই শাস্ত্রেই আলোচিত হয়।
ইবনে হামদান আল-হাম্বলী 'সিফাতুল মুফতি' (পৃষ্ঠা: ১৫১) গ্রন্থে বলেছেন: প্রকৃতপক্ষে ফকীহ হলেন তিনি, যার মধ্যে পূর্ণ যোগ্যতা রয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি চাইলে কোনো বিধান আহরণ করতে পারেন; সাথে সাথে ইজতিহাদ ও গবেষণার মাধ্যমে এবং বিষয়টি উপস্থিত থাকার মাধ্যমে আমলী ফিকহি মাসআলাসমূহের মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে প্রথাগতভাবে তার অনেক জ্ঞান থাকে। এ কারণেই ফকীহদের ওপর উসূলে ফিকহ শিক্ষা করা ফরজ।
ইবনে আকীল উল্লেখ করেছেন যে, এটি ফরযে আইন; তবে মাযহাবের প্রসিদ্ধ মত হলো এটি ফিকহের মতো ফরযে কিফায়া। [সমাপ্ত]
ইমাম বাযদাবী আল-হানাফী 'কাশফুল আসরার' (১/৩)-এর ভূমিকায় বলেছেন: বিশেষ করে উসূলে ফিকহ শাস্ত্র, যা অনুধাবন করা খুবই কঠিন, যার পথসমূহ অত্যন্ত সূক্ষ্ম, যার উপকারিতা সর্বাধিক ব্যাপক এবং যার সুফলগুলো অত্যন্ত পূর্ণাঙ্গ। যদি এই শাস্ত্র না থাকতো, তবে দ্বীনি জ্ঞানের সূক্ষ্ম বিষয়গুলোর নিগূঢ় রহস্য অপ্রকাশিত থেকে যেত এবং ফিকহ ও হিকমতের আকাশের নক্ষত্ররাজির আলো নিভে যেত। এর কল্যাণসমূহ গণনা করে শেষ করা সম্ভব নয় এবং এর সৌন্দর্য অনুসন্ধান করে আয়ত্ত করা যায় না। [সমাপ্ত]
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وها هو ابنُ خلدونَ يُوضِحُ الأمرَ أيَّما إيضاحٍ، فقالَ في «تاريخِه» (1/ 575): واعلمْ أنَّ هذا الفنَّ مِن الفنونِ المُستحدَثَةِ في المِلَّةِ، وكانَ السَّلفُ في غُنيَةٍ عنه بما أنَّ استفادةَ المعاني مِن الألفاظِ لا يُحتاجُ فيها إلى أزيدَ ممَّا عندَهم مِن المَلَكَةِ اللِّسانيَّةِ، وأمَّا القوانين الّتي يُحتاج إليها في استفادة الأحكام خصوصًا فمنهم أُخذ معظمها، وأمَّا الأسانيدُ فلم يَكونُوا يَحتاجونَ إلى النَّظرِ فيها؛ لقُربِ العصرِ وممارسةِ النَّقَلَةِ وخِبرَتِهم بهم، فلمَّا انْقَرَضَ السَّلَفُ وذَهَبَ الصَّدرُ الأوَّلُ وانقلبَتِ العلومُ كلُّها صناعةً كما قَرَّرْناه مِن قبلُ؛ احتاجَ الفقهاءُ والمجتهدونَ إلى تحصيلِ هذه القوانينِ والقواعدِ لاستفادةِ الأحكامِ مِن الأدلَّةِ؛ فكَتَبُوها فنًّا قائمًا برأسِه سَمَّوْه «أصولَ الفقهِ». اهـ
وقالَ شيخُ شيوخِنا العلَّامةُ العُثيمينُ رحمه الله في «شرحِ الأصولِ»: عِلْمُ أصولِ الفقهِ عِلْمٌ مهمٌّ، لا يَنبغي لطالبِ العِلمِ أن يُفرِّطَ فيه، ومعَ كونِه ثمرةَ الفقهِ فهو أصولٌ أيضًا لغيرِ الفقهِ؛ إذْ يُمكِنُ أنْ تَستخدِمَه في بابِ التَّوحيدِ .. إلخ.
وقالَ شيخي الحبيبُ العَلَّامةُ المُحدِّثُ أبو إسحاقَ الحُوينيُّ حَفِظَه اللهُ ورَعَاه وشفاه وعافاه في مُقدِّمَةِ كتابِه «تنبيه الهاجدِ» (1/ 13) وهو يَحكي تَجْرِبَتَه العلميَّةَ وحضورَه مجالسَ شيخِه العلَّامةِ محمَّد نجيب المطيعيِّ رحمه الله، وكان يَشرَحُ أربعةَ كتبٍ، وهي «صحيحُ البخاريِّ» و «المجموعُ» للنَّوويِّ، و «الأشباهُ والنَّظائرُ» للسُّيُوطِيِّ، و «إحياءُ علومِ الدِّينِ» للغزَّاليِّ، قالَ حَفِظَه اللهُ: أَتاحَتْ لي هذه المجالسُ دراسةَ نُبَذٍ كثيرةٍ مِن علميْ أُصُولِ الحديثِ وأصولِ الفقهِ، وواللهِ لا أَشْتَطُّ إذا قُلْتُ: إنَّني أبْصَرْتُ بعدَ العَمى
আর এই যে ইবনে খালদুন বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে পরিষ্কার করছেন, তিনি তাঁর 'তারিখ' (১/৫৭৫)-এ বলেছেন: জেনে রেখো যে, এই শাস্ত্রটি মিল্লাতের (ধর্মাদর্শের) মধ্যে উদ্ভাবিত শাস্ত্রসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সালাফগণ (পূর্বসূরিগণ) এটি থেকে অমুখাপেক্ষী ছিলেন, কারণ শব্দ থেকে অর্থ আহরণ করার ক্ষেত্রে তাঁদের মাঝে বিদ্যমান ভাষাগত দক্ষতার চেয়ে অতিরিক্ত কিছুর প্রয়োজন তাঁদের ছিল না। আর বিশেষ করে বিধান আহরণের ক্ষেত্রে যেসব নিয়মনীতি প্রয়োজন, তার অধিকাংশই তাঁদের থেকেই গ্রহণ করা হয়েছে। আর সনদ বা সূত্রের ব্যাপারে তাঁরা তাতে পর্যালোচনার প্রয়োজন মনে করতেন না; কারণ সে যুগটি ছিল নিকটবর্তী এবং বর্ণনাকারীদের সাথে তাঁদের গভীর মেলামেশা ও অভিজ্ঞতা ছিল। অতঃপর যখন সালাফদের যুগ শেষ হলো এবং প্রথম প্রজন্মের অবসান ঘটল এবং আমরা ইতিপূর্বে যেমনটা নির্ধারণ করেছি যে সকল জ্ঞান একটি সুসংবদ্ধ শাস্ত্রে রূপান্তরিত হলো; তখন ফকিহ ও মুজতাহিদগণ দলীল থেকে বিধান আহরণের জন্য এই নিয়মনীতি ও উসুলগুলো অর্জন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন। ফলে তাঁরা একে একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্র হিসেবে সংকলন করলেন এবং এর নাম দিলেন 'উসুলুল ফিকহ'। [সমাপ্ত]
আমাদের শাইখদের শাইখ আল্লামা আল-উসাইমিন (রহিমাহুল্লাহ) 'শারহুল উসুল'-এ বলেছেন: উসুলুল ফিকহ শাস্ত্রটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যা, ইলম অন্বেষণকারীর জন্য এতে অবহেলা করা উচিত নয়। এটি ফিকহের ফল হওয়ার পাশাপাশি ফিকহ ছাড়া অন্যান্য বিষয়ের জন্যও মূলনীতিস্বরূপ; কারণ আপনি এটি তাওহীদের অধ্যায়েও ব্যবহার করতে পারেন... ইত্যাদি।
আমার প্রিয় শাইখ আল্লামা মুহাদ্দিস আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনি (হাফিযাহুল্লাহু ওয়া রাআহু ওয়া শাফাহু ওয়া আফাহু) তাঁর 'তানবিহুল হাজিদ' (১/১৩) গ্রন্থের ভূমিকায় তাঁর ইলমি অভিজ্ঞতা এবং তাঁর শাইখ আল্লামা মুহাম্মাদ নাজীব আল-মুতিয়ি (রহিমাহুল্লাহ)-এর মজলিসে উপস্থিতির কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে, তিনি চারটি কিতাব ব্যাখ্যা করতেন, সেগুলো হলো 'সহীহুল বুখারী', ইমাম নববীর 'আল-মাজমু', সুয়ূতির 'আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ির' এবং গাজালীর 'ইহয়াউ উলুমিদ্দীন'। তিনি (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন: এই মজলিসগুলো আমাকে উসুলুল হাদীস ও উসুলুল ফিকহ শাস্ত্রদ্বয়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ অধ্যয়নের সুযোগ করে দিয়েছে। আল্লাহর কসম, আমি যদি বলি যে আমি অন্ধত্বের পর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছি, তবে আমি মোটেও বাড়িয়ে বলব না।
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ১৪)
لمَّا دَرَسْتُ هذينِ العِلْمينِ الجليلينِ، وأُقَرِّرُ هنا أنَّ الجاهلَ بهذينِ العِلْمَينِ لا يَكونُ عالمًا مهما حَفِظَ مِن كُتُبِ الفروعِ؛ لأنَّ تقريرَ الحقِّ في مَواردِ النِّزاعِ لا يَكونُ إلَّا بِهِما، فعِلْمُ الحديثِ يُصَحِّحُ لك الدَّليلَ، وعِلمُ أُصولِ الفقهِ يُسَدِّدُ لك الفهمَ، فهما كجَناحيِ الطَّائرِ. اهـ
أوَّلُ مَن صَنَّفَ في أُصولِ الفقهِ
ومشهورٌ أنَّ إمامَنا الشَّافعيَّ رضي الله عنه هو أوَّلُ مَن ألَّفَ وجَمَعَ في هذا العِلْمِ الشَّريفِ، وقالَ البعضُ بأنَّ الحنفيَّةَ هم أوَّلُ مَن وَضَعَ قواعدَ هذا العِلْمِ.
قالَ الزَّرْكَشِيُّ في «البرهان» (1/ 18): الشَّافعيُّ رضي الله عنه أوَّلُ مَن صَنَّفَ في أُصولِ الفقهِ، صَنَّفَ فيه كتابَ «الرِّسالة»، وكتابَ «أَحكام القرآنِ»، و «اختلاف الحديثِ»، و «إبطال الاستحسانِ»، وكتابَ «جماع العِلمِ»، وكتابَ «القياس» الَّذي ذَكَرَ فيه تضليلَ المُعتزلةِ ورُجوعَه عن قَبولِ شهادتِهم، ثمَّ تَبِعَه المُصَنِّفون في الأُصولِ.
قالَ الإمامُ أحمدُ ابنُ حنبلٍ: لم نَكُنْ نَعرِفُ الخُصوصَ والعمومَ حتَّى وَرَدَ الشَّافعيُّ.
وقالَ الجُوينيُّ في «شرح الرِّسالةِ»: لم يَسبِقِ الشَّافعيَّ أحدٌ في تصانيفِ الأصولِ ومعرفتِها. اهـ
وقالَ ابنُ خلدونَ في «تاريخِه» (1/ 576): كانَ أوَّلَ مَن كَتَبَ فيه -أي: علْمِ أُصولِ الفقهِ- الشَّافعيُّ رضي الله عنه، أَمْلَى فيه رسالتَه المشهورةَ، تَكَلَّمَ فيها على الأوامرِ والنَّواهي، والبيانِ، والخبرِ، والنَّسخِ، وحُكْمِ العِلَّةِ المَنصوصةِ مِن القياسِ. اهـ
যখন আমি এই দুটি মহান শাস্ত্র অধ্যায়ন করলাম, আর আমি এখানে একমত পোষণ করছি যে, যে ব্যক্তি এই দুটি শাস্ত্র সম্পর্কে অজ্ঞ, সে কখনো আলেম হতে পারবে না, তা সে ফুরুআতের (শাখা মাসআলা) কিতাবাদি যতই মুখস্থ করুক না কেন; কারণ মতভেদের বিষয়গুলোতে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা কেবল এই দুটির মাধ্যমেই সম্ভব। কেননা হাদিস শাস্ত্র আপনার জন্য দলিলকে বিশুদ্ধ করে দেয়, আর উসূলে ফিকহ শাস্ত্র আপনার বুঝকে সঠিক পথে পরিচালিত করে; তাই এই দুটি হলো পাখির দুটি ডানার মতো। সমাপ্ত।
উসূলে ফিকহ শাস্ত্রে সর্বপ্রথম গ্রন্থকার
এটি প্রসিদ্ধ যে, আমাদের ইমাম শাফেঈ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হলেন সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি এই মহান শাস্ত্রে কিতাব রচনা ও সংকলন করেছেন। তবে কেউ কেউ বলেছেন যে, হানাফিগণই সর্বপ্রথম এই শাস্ত্রের মূলনীতিগুলো প্রণয়ন করেছেন।
যারকাশী ‘আল-বুরহান’ (১/১৮) গ্রন্থে বলেছেন: শাফেঈ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হলেন সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি উসূলে ফিকহ শাস্ত্রে কিতাব লিখেছেন। তিনি এতে ‘আর-রিসালাহ’, ‘আহকামুল কুরআন’, ‘ইখতিলাফুল হাদিস’, ‘ইবতালুল ইসতিহসান’, ‘জিমাউল ইলম’ এবং ‘আল-কিয়াস’ কিতাবগুলো রচনা করেছেন, যাতে তিনি মুতাজিলাদের বিভ্রান্তি এবং তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা থেকে তাঁর প্রত্যাবর্তনের কথা উল্লেখ করেছেন। অতঃপর উসূলে ফিকহ শাস্ত্রের অন্যান্য গ্রন্থকারগণ তাঁর অনুসরণ করেছেন।
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: শাফেঈর আগমনের পূর্ব পর্যন্ত আমরা খাস (বিশেষ) এবং আম (সাধারণ) সম্পর্কে জানতাম না।
জুওয়াইনী ‘শারহুর রিসালাহ’ গ্রন্থে বলেছেন: উসূলে ফিকহ শাস্ত্রের কিতাব রচনা ও এর জ্ঞানের ক্ষেত্রে শাফেঈর পূর্বে কেউ অগ্রগামী হতে পারেনি। সমাপ্ত।
ইবনে খালদুন তাঁর ‘তারিখ’ (১/৫৭৬) গ্রন্থে বলেছেন: সর্বপ্রথম যিনি এতে—অর্থাৎ উসূলে ফিকহ শাস্ত্রে—লিখেছেন, তিনি হলেন শাফেঈ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। তিনি এতে তাঁর প্রসিদ্ধ রিসালাহটি শ্রুতলিপি করিয়েছেন, যাতে তিনি আদেশ, নিষেধ, বায়ান (সুস্পষ্ট বর্ণনা), খবর (সংবাদ), নাসখ (রহিতকরণ) এবং কিয়াসের অন্তর্ভুক্ত দালিলিক কারণের (ইল্লাত) বিধান সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ১৫)
قالَ الشَّنشُوريُّ: وكذا تَبِعَهم على ذلك مِن المُعاصرينَ الشَّيخُ العلَّامةُ عبدُ الوَهَّابِ خلَّاف رحمه الله في «علم أُصولِ الفقهِ» (ص: 18)، والشَّيخُ العلَّامةُ الدُّكتورُ مُحمَّد سليمان الأشقر رحمه الله في «الواضح في أُصولِ الفقهِ» (ص: 15)، والشَّيخُ العلَّامةُ الدُّكتورُ عبدُ الكريمِ زيدان رحمه الله في «الوجيز في أُصولِ الفقهِ» (ص: 16)، والشَّيخُ العَلَّامةُ الدُّكتورُ وهبةُ الزُّحيليُّ رحمه الله في «الوجيز في أصولِ الفقهِ»، وغيرُهم.
وقد صَنَّفَ العلماءُ في هذا العِلمِ وغيرِه مُؤلَّفاتٍ صغيرةً تَنفَعُ المُبتدِئينَ وتَأخُذُ بأيديهم للدُّخولِ في رَوضةِ هذا العِلمِ المباركِ، ومُؤَلَّفاتٍ أُخرى للمُتَوسِّطينَ ممَّن تَجاوَزُوا الكتبَ السَّابقةَ، وأُخرى للمُنتهينَ المُتْقِنينَ.
ومِن المُؤلَّفاتِ الصَّغيرةِ التي أُلِّفَتْ في هذا العِلْمِ المختصرُ المشهورُ في أصولِ الفقهِ: «مُختصَر التَّحريرِ» للإمامِ الفُتُوحيِّ رحمه الله، الَّذي اختَصَرَه مِن كتابِ المَرْدَاوِيِّ «تحريرُ المنقولِ وتهذيبُ عِلْمِ الأصولِ»، وكلاهما مطبوعٌ.
و «مختصرُ التَّحريرِ» مُختصرٌ مهمٌّ نافعٌ مُفيدٌ مِن أفضلِ المختصراتِ في هذا العِلمِ، أهمِّيَّتُه ومكانتُه مُستقِرَّةٌ عندَ أهلِ العلمِ.
قالَ العلَّامةُ العثيمينُ رحمه الله في «شرح الأصولِ مِن علْمِ الوُصولِ» (ص 40): إنَّ مِن أحسنِ ما أُلِّفَ في أصولِ الفقهِ بلْ مِن أجمعِه كتابًا صغيرًا يُسَمَّى «مُختصَرُ التَّحريرِ» للفُتُوحِيِّ، وهذا المُختصَرُ في الحقيقةِ خلاصةُ ما قالَه الأُصُولِيُّونَ في أصولِ الفقهِ، ويُمكِنُ للإنسانِ أنْ يَحفَظَه عن ظَهرِ قلبٍ، إلَّا أنَّه يَحتاجُ إلى عالمٍ يُبَيِّنُ مَعناه للطَّالبِ، فالَّذي يَحفَظُه عن ظهرِ قلبٍ
শানশুরি বলেছেন: একইভাবে সমসাময়িকদের মধ্যে শায়খ আল্লামা আব্দুল ওয়াহহাব খাল্লাফ (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'ইলমে উসুলুল ফিকহ' (পৃষ্ঠা: ১৮) গ্রন্থে, শায়খ আল্লামা ডক্টর মুহাম্মদ সুলাইমান আল-আশকার (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'আল-ওয়াদিহ ফি উসুলিল ফিকহ' (পৃষ্ঠা: ১৫) গ্রন্থে, শায়খ আল্লামা ডক্টর আব্দুল কারিম যাইদান (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'আল-ওয়াজিজ ফি উসুলিল ফিকহ' (পৃষ্ঠা: ১৬) গ্রন্থে, এবং শায়খ আল্লামা ডক্টর ওয়াহবা আয-জুহাইলি (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'আল-ওয়াজিজ ফি উসুলিল ফিকহ' গ্রন্থে তাঁদের অনুসরণ করেছেন এবং আরও অনেকে।
আলেমগণ এই জ্ঞান এবং অন্যান্য বিষয়ে ছোট ছোট গ্রন্থ রচনা করেছেন যা নবীনদের জন্য উপকারী এবং এই বরকতময় জ্ঞানের বাগানে প্রবেশের জন্য তাদের হাত ধরে পরিচালিত করে। এছাড়াও মধ্যম স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য অন্য গ্রন্থ রচনা করেছেন যারা পূর্ববর্তী কিতাবগুলো অতিক্রম করেছেন এবং দক্ষ বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও অন্যান্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।
এবং এই বিদ্যায় রচিত ছোট গ্রন্থগুলোর মধ্যে উসুলুল ফিকহের একটি প্রসিদ্ধ সংক্ষিপ্তসার হলো: ইমাম আল-ফুতুহি (রহিমাহুল্লাহ)-এর 'মুখতাসারুত তাহরির', যা তিনি ইমাম আল-মারদাউয়ি-এর কিতাব 'তাহরিরুল মানকুল ওয়া তাহযিবু ইলমিল উসুল' থেকে সংক্ষিপ্ত করেছেন এবং উভয় কিতাবই মুদ্রিত।
আর 'মুখতাসারুত তাহরির' হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ, উপকারী ও কল্যাণকর সংক্ষিপ্তসার, যা এই বিদ্যার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ। আলেমদের নিকট এর গুরুত্ব ও মর্যাদা সুপ্রতিষ্ঠিত।
আল্লামা উসাইমিন (রহিমাহুল্লাহ) 'শারহুল উসুল মিন ইলমিল উসুল' (পৃষ্ঠা: ৪০) গ্রন্থে বলেছেন: উসুলুল ফিকহ বিষয়ে রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ, বরং সবচেয়ে সমৃদ্ধ একটি ছোট কিতাব হলো আল-ফুতুহি-র 'মুখতাসারুত তাহরির'। প্রকৃতপক্ষে এই সংক্ষিপ্তসারটি হলো উসুলবিদগণ উসুলুল ফিকহ বিষয়ে যা বলেছেন তার নির্যাস। একজন ব্যক্তির পক্ষে এটি মুখস্থ করা সম্ভব, তবে শিক্ষার্থীর জন্য এর অর্থ ব্যাখ্যা করার জন্য একজন আলেমের প্রয়োজন রয়েছে। সুতরাং যে ব্যক্তি এটি মুখস্থ করবে...
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ১৬)
ويَعرِفُ مَعناه سيَكُونُ أُصُوليًّا بالمَعنى الحقيقيِّ، فهذا مِن أجمعِ ما رَأَيْتُ على اختصارِه. اهـ
ولمَّا كانَ هذا المختصَرُ يَحتاجُ إلى شرحٍ كما سَبَقَ، ولمَّا كانَ عادَةُ أهلِ العلمِ أنْ يَشرَحُوا هذه المختصراتِ؛ فقد وَضَعَ الإمامُ البَعْلِيُّ رحمه الله شرحًا نفيسًا مُتَوَسِّطًا يَأخُذُ بيدِ مَن أرادَ أن يَرتقيَ في هذا العِلْمِ، وهو شرحٌ عظيمُ النَّفعِ، وهو كتابُنا هذا «الذُّخرُ الحريرُ».
قالَ عنه ابنُ بدرانَ في «المدخل إلى مَذهبِ الإمامِ أحمدَ» (ص: 461): ثمَّ إنَّ مُصنِّفَه شَرَحَه في مجلَّدٍ وسمَّاه: «الكوكبُ المنيرُ في شرحِ مختصرِ التَّحريرِ»، ثمَّ شَرَحَه الشَّيخُ أحمدُ البَعليُّ وسمَّاه: «الذُّخرُ الحريرُ شرحُ مختصرِ التَّحريرِ»، وهذانِ الشَّرحانِ يُفيدانِ المتوسِّطَ في هذا الفنِّ. اهـ
قالَ الشَّنشُورِيُّ: وشَرَحَه جماعةٌ مِن أهلِ العِلمِ في زمانِنا للطَّلبةِ:
- شَرَحَه شيخُ شيوخِنا العلَّامةُ الفقيهُ الأصوليُّ محمَّدُ ابنُ العثيمينِ رحمه الله في دروسٍ علميَّةٍ، ثمَّ طُبِعَ الشَّرحُ في مجلَّدٍ مِن إصداراتِ مُؤسَّسةِ الشَّيخِ محمَّدِ بنِ صالِحٍ العثيمينِ الخيريَّةِ.
- وشَرَحَه الشَّيخُ العلَّامةُ عياضٌ السُّلَمِيُّ، والشَّيخُ العلَّامةُ عبدُ المُحسنِ الزَّاملُ، والشَّيخُ العلَّامةُ سعدٌ الشِّثْرِيُّ، والشَّيخُ الدُّكتورُ مُطلِقٌ الجاسرُ، والشَّيخُ الدُّكتورُ حَسَن بُخارِيّ، وغيرُهم، حَفِظَهم اللهُ وبارَكَ فيهم في دروسٍ علميَّةٍ ماتعةٍ.
- ولشيخِ شيوخِنا العلَّامةِ عبدِ الرَّحمنِ بنِ ناصرٍ السَّعديِّ رحمه الله-
এবং এর অর্থ জানেন, তবে তিনি প্রকৃত অর্থেই একজন উসূলবিদ হবেন। এটি সংক্ষিপ্ত হওয়া সত্ত্বেও আমি যা দেখেছি তার মধ্যে অন্যতম পূর্ণাঙ্গ। (সমাপ্ত)।
যেহেতু এই সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপটির একটি ব্যাখ্যার প্রয়োজন ছিল যা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, এবং যেহেতু আলিমগণের রীতি হলো এই জাতীয় সংক্ষিপ্ত গ্রন্থগুলোর ব্যাখ্যা করা; তাই ইমাম বালি (রহিমাহুল্লাহ) একটি মূল্যবান মধ্যম মানের ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করেছেন, যা এই বিদ্যায় উন্নতি করতে ইচ্ছুক ব্যক্তির হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে যায়। এটি অত্যন্ত উপকারী একটি ব্যাখ্যা, আর সেটিই আমাদের এই কিতাব 'আয-যুখরুল হারীর'।
ইবনু বাদরান তাঁর 'আল-মাদখাল ইলা মাযহাবিল ইমাম আহমাদ' (পৃষ্ঠা: ৪৬১) গ্রন্থে এর সম্পর্কে বলেছেন: অতঃপর এর লেখক নিজেই এক খণ্ডে এর একটি ব্যাখ্যা লিখেছেন এবং নাম দিয়েছেন: 'আল-কাওকাবুল মুনীর ফী শারহি মুখতাসারিত তাহরীর'। এরপর শায়খ আহমাদ আল-বালি এটি ব্যাখ্যা করেন এবং এর নাম দেন: 'আয-যুখরুল হারীর শারহু মুখতাসারিত তাহরীর'। আর এই দুটি ব্যাখ্যাগ্রন্থই এই শাস্ত্রের মধ্যম স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী। (সমাপ্ত)।
শানশূরী বলেন: আমাদের সময়ের একদল আলিম ছাত্রদের জন্য এর ব্যাখ্যা করেছেন:
- আমাদের শায়খদের শায়খ আল্লামাহ, ফকিহ, উসূলবিদ মুহাম্মাদ ইবনু উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) বৈজ্ঞানিক পাঠদানের মাধ্যমে এটি ব্যাখ্যা করেছেন। অতঃপর এই ব্যাখ্যাটি শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা হিসেবে এক খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে।
- এবং এটি ব্যাখ্যা করেছেন শায়খ আল্লামাহ ইয়াদ আস-সুলামী, শায়খ আল্লামাহ আব্দুল মুহসিন আয-যামিল, শায়খ আল্লামাহ সাদ আশ-শিসরি, শায়খ ডক্টর মুতলাক আল-জাসির, শায়খ ডক্টর হাসান বুখারী এবং আরও অনেকে (আল্লাহ তাঁদের হিফাযত করুন এবং তাঁদের মধ্যে বরকত দান করুন), যা অত্যন্ত চমৎকার সব ইলমী পাঠের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
- এবং আমাদের শায়খদের শায়খ আল্লামাহ আব্দুর রহমান বিন নাসির আস-সাদী (রহিমাহুল্লাহ)-এরও-
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ১৭)
تعليقاتٌ على «مختصر التَّحريرِ» كما ذَكَرَ ذلك الشَّيخُ العلَّامةُ سعدٌ الشِّثريُّ في بحثٍ له بعنوانِ: «العلماءُ الَّذينَ لهم إسهامٌ في علمِ الأُصولِ مِن عامِ 1300 - 1375 هـ».
- وله رسالةٌ بعنوانِ: «صفوةُ أصولِ الفقهِ المُنتخبةُ مِن مختصرِ التَّحريرِ» وَقَفْتُ على نسخةٍ خطِّيَّةٍ لها بخطِّ شيخِ شيوخِنا الشَّيخِ العلَّامةِ ابنِ عَقِيلٍ رحمه الله، وقد شَرَحَ هذه الرِّسالةَ الشَّيخُ العلَّامةُ عبدُ اللهِ بنُ صالحٍ الفوزانُ حَفِظَه اللهُ في دروسٍ علميَّةٍ.
- ونَظَمَ «مختصر التَّحريرِ» الشَّيخُ العلَّامةُ عامِر بهجَتْ حَفِظَه اللهُ، وسَمَّاه: «النَّظم الصَّغير مِن مُختصَرِ التَّحريرِ»، ووَضَعَ عليه تَشجيرًا سَمَّاه: «التَّشجير لمسائلِ النَّظمِ الصَّغيرِ».
وقد بَذَلْتُ ما أَستطيعُ في ضبْطِ نصِّ الكتابِ وإخراجِه في أفضلِ صورةٍ، فاللَّهُمَّ تَقَبَّلْ وبارِكْ وانفَعْ به يا رَبَّ العالمينَ.
وكتب
أبو حبيبة
وائل محمد بكر زهران الشنشوري
قرية شنشور، أشمون، محافظة المنوفية، مصر الحبيبة
في السَّابِعِ مِن صفرٍ، لعامِ 1441 هـ، 6/ 10/ 2019 م
waaelbakr@yahoo.com
'মুখতাসারুত তাহরীর'-এর ওপর কিছু টীকা, যেমনটি আল্লামা শায়খ সা'দ আশ-শিথরি তাঁর একটি গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, যার শিরোনাম: "১৩০০ - ১৩৭৫ হিজরি পর্যন্ত উসুলশাস্ত্রে অবদান রাখা আলেমগণ"।
- তাঁর একটি পুস্তিকা রয়েছে যার শিরোনাম: "সাফওয়াতু উসুলিল ফিকহ আল-মুনতাখাবাহ মিন মুখতাসারুত তাহরীর"। আমি আমাদের শায়খদের শায়খ আল্লামা ইবনে আকীল (রহিমাহুল্লাহ)-এর হস্তাক্ষরে লিখিত এর একটি পাণ্ডুলিপি দেখেছি। আল্লামা শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ আল-ফাওজান (হাফিযাহুল্লাহ) তাঁর ইলমি পাঠদানসমূহে এই পুস্তিকাটির ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন।
- আল্লামা শায়খ আমির বাহজাত (হাফিযাহুল্লাহ) 'মুখতাসারুত তাহরীর'-কে কাব্যাকারে বিন্যস্ত করেছেন এবং এর নাম দিয়েছেন: "আন-নাযমুস সাগীর মিন মুখতাসারুত তাহরীর", এবং তিনি এর একটি চিত্রনির্ভর ব্যাখ্যা প্রস্তুত করেছেন যার নাম দিয়েছেন: "আত-তশজীর লি-মাসাইলিন নাযমিস সাগীর"।
আমি এই গ্রন্থের মূল পাঠ্য পরিশোধন করতে এবং একে সর্বোত্তম রূপে উপস্থাপন করতে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। হে আল্লাহ! আপনি এটি কবুল করুন, এতে বরকত দান করুন এবং এর মাধ্যমে উপকৃত হওয়ার তাওফিক দিন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক।
লিখেছেন
আবু হাবিবা
ওয়াইল মুহাম্মদ বকর যাহরান আশ-শানশুরী
শানশুর গ্রাম, আশমুন, মিনুফিয়া প্রদেশ, প্রিয় মিশর
৭ সফর, ১৪৪১ হিজরি, ৬/১০/২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ
waaelbakr@yahoo.com
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ১৮)
التَّعريف بالإمام البَعْلِيِّ
(1)صاحب الشَّرح «الرَّوض النَّدي»
هو الإمام الفقيه العلَّامة الزَّاهد: شهاب الدِّين أحمد بن عبد الله بن أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن مصطفى الحَلَبِيُّ الأصل، البَعْليُّ، الدِّمَشْقِيُّ المولد والسَّكن والوفاة، الحَنْبَلِيُّ.
الشَّهير بالخطيب الحنبلي، كما جاء في نهاية النسخة الخطية (س) من هذا الكتاب المبارك.
مولده:ولد رحمه الله في ثامن رمضان، وقيل: ثامن عشر، سنة ثمان ومائة وألف بدمشق، ونشأ فيها في بيت علمٍ في كنف والده جمال الدين وكان من أهل العلم، وتلا القرآن العظيم، ثمَّ شرع في طلب العلم.
شيوخه وطلبه للعلماشتغل رحمه الله بطلب العلم، فأخذ عن والده التفسير والحديث والفقه، وأيضًا عن جدِّه الشيخ أحمد كما ذكر في إجازته للشيخ محمد شاكر العمري، وقرأ على جماعة وأخذ عنهم الحديث والتفسيره وغيره منهم:
--------------------------------------------
ইমাম আল-বালির
(১) পরিচয়
‘আর-রাওদুন নাদি’ নামক ব্যাখ্যাগ্রন্থের রচয়িতা
তিনি হলেন ইমাম, ফকিহ, বিজ্ঞ আলেম ও দুনিয়াবিমুখ যাহিদ: শিহাবুদ্দীন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুস্তাফা আল-হালাবি (মূলত), আল-বালি, দামেস্কে যাঁর জন্ম, বসবাস ও মৃত্যু হয়েছে, মাযহাবগতভাবে তিনি হাম্বলি।
তিনি ‘আল-খতিব আল-হাম্বলি’ নামে প্রসিদ্ধ, যেমনটি এই বরকতময় কিতাবের পাণ্ডুলিপি (স)-এর শেষে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাঁর জন্ম:তিনি (রহিমাহুল্লাহ) ১১০৮ হিজরি সালের ৮ই রমজান (কারো মতে ১৮ই রমজান) দামেস্কে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সেখানেই তাঁর পিতা জামালুদ্দীনের তত্ত্বাবধানে এক ইলমি পরিবারে লালিত-পালিত হন। তাঁর পিতা একজন আলেম ছিলেন। তিনি আল-কুরআনুল কারীম তিলাওয়াত করেন এবং অতঃপর ইলম অর্জনে আত্মনিয়োগ করেন।
তাঁর উস্তাদগণ ও ইলম অন্বেষণতিনি (রহিমাহুল্লাহ) ইলম অর্জনে ব্যতিব্যস্ত থাকেন। তিনি তাঁর পিতার নিকট তাফসির, হাদিস ও ফিকহ শাস্ত্র গ্রহণ করেন। এছাড়া তিনি তাঁর দাদা শায়খ আহমদের কাছ থেকেও ইলম অর্জন করেছেন, যেমনটি তিনি শায়খ মুহাম্মদ শাকির আল-উমরি-র জন্য লিখিত তাঁর ইজাজতনামায় (সনদ প্রদানকালে) উল্লেখ করেছেন। তিনি একদল উলামার নিকট পড়াশোনা করেছেন এবং তাঁদের কাছ থেকে হাদিস, তাফসির ও অন্যান্য শাস্ত্র গ্রহণ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ১৯)
خاتمة المُسندين الشيخ أبو المَواهب الحنبليُّ مفتي الحنابلة بدمشق، وعن حفيده الشيخ محمد بن عبد الجليل المَوَاهِبِيِّ، والشيخ عبد القادر بن عمر التَّغْلبِيِّ وانتفع به ولازمه، ومنهم الشيخ الشهاب أحمد بن عبد الكريم الغَزِّي العَامِرِيُّ الدِّمشقيُّ مفتي الشافعية بدمشق، ومنهم الشيخ مصطفى بن عبد الحق اللّبدي، والشيخ محمد بن علي الكاملي وولده العز عبد السلام، والشيخ محمد العَجْلُونِي نزيل دمشق، والمنلا إلياس الكُردي نزيل دمشق أيضًا، والشيخ عواد بن عبيد الله الكوري الحنبلي الدمشقي، والمُحدِّث الشيخ إسماعيل العَجْلُونِي، والشيخ محمد بن عيسى الكناني الصالحي، والشمس محمد بن عبد الرحمن الغَزِّي العامري.
وأخذ طريق الخلوتية عن الأستاذ الشيخ محمد بن عيسى الكناني الصالحي الدمشقي، والشيخ محمد عقيلة المكي سمع منه حديث الأولية وأجاز له بما تجوز له روايته، والشيخ عبد الله الخليلي نزيل طرابلس الشام.
وحجَّ سنة 1165 فأخذ بالمدينة المنورة عن الشيخ الإمام جعفر بن حسن بن عبد الكريم البَرْزَنْجِيِّ.
وكان يأكل من كسب يمينه في حياكة الإلاجة وهي صناعة نسيج لأثواب الرجال معروفة في دمشق، فرضي بما يرزقه الله منها حلالًا، وفي آخر عمره ترك ذلك لعَجزه وحجَّ ودرَّس بالمدينة المنورة، ولازمه جماعة من أهلها، وتولى إفتاء الحنابلة بعد الشيخ إبراهيم المواهبي سنة ثمان وثمانين ومائة وألف.
قال ابن عابدين: وكان يخطب في الجامع المَنْجَكِّيِّ بمحلة الأقصاب بأرض العنابة
(1).
--------------------------------------------
মুসনাদবিদগণের শেষ প্রতিনিধি দামেস্কের হাম্বলি মাযহাবের মুফতি শায়খ আবু আল-মাওয়াহিব আল-হাম্বলি থেকে তিনি বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও তাঁর নাতি শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল জলীল আল-মাওয়াহিবি এবং শায়খ আব্দুল কাদির ইবনে উমর আত-তাগলিবী থেকে বর্ণনা করেছেন, যাঁর দ্বারা তিনি উপকৃত হয়েছেন এবং যাঁর সান্নিধ্যে তিনি থেকেছেন। তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন দামেস্কের শাফেয়ী মাযহাবের মুফতি শায়খ আশ-শিহাব আহমাদ ইবনে আব্দুল কারিম আল-গাজ্জি আল-আমিরি আদ-দিমাশকি, শায়খ মুস্তফা ইবনে আব্দুল হক আল-লাবদি, শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে আলী আল-কামিলি ও তাঁর পুত্র আল-ইযয আব্দুস সালাম, দামেস্কে বসবাসকারী শায়খ মুহাম্মাদ আল-আজলুনি, দামেস্কে বসবাসকারী মোল্লা ইলিয়াস আল-কুর্দি, শায়খ আওয়াদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-কুরি আল-হাম্বলি আদ-দিমাশকি, মুহাদ্দিস শায়খ ইসমাইল আল-আজলুনি, শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আল-কিনানি আস-সালিহি এবং আশ-শামস মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-গাজ্জি আল-আমিরি।
তিনি উস্তাদ শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আল-কিনানি আস-সালিহি আদ-দিমাশকির নিকট থেকে খালওয়াতীয়াহ তরীকা গ্রহণ করেন। এছাড়াও শায়খ মুহাম্মাদ আকীলা আল-মাক্কি থেকে তিনি হাদীস আল-আউয়ালিয়াহ শ্রবণ করেন এবং তিনি তাঁকে তাঁর থেকে বর্ণিত হওয়ার যোগ্য সকল বর্ণনার ইজাযাহ প্রদান করেন। আরও বর্ণনা করেছেন শামে ত্রিপোলিতে বসবাসকারী শায়খ আব্দুল্লাহ আল-খালিলি থেকে।
তিনি ১১৬৫ হিজরীতে হজ্জ পালন করেন এবং মদিনা মুনাওয়ারায় শায়খ ইমাম জাফর ইবনে হাসান ইবনে আব্দুল কারিম আল-বারযাঞ্জির নিকট ইলম অর্জন করেন।
তিনি নিজ হাতের উপার্জিত অর্থে জীবিকা নির্বাহ করতেন; তিনি 'ইলাজাহ' বয়ন করতেন, যা দামেস্কে পুরুষদের পোশাক তৈরির একটি সুপরিচিত বয়ন শিল্প। আল্লাহ তাঁকে সেখান থেকে যে হালাল রিযিক দান করতেন তাতেই তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন। জীবনের শেষ দিকে বার্ধক্যের কারণে তিনি তা ছেড়ে দেন এবং হজ্জ পালন করে মদিনা মুনাওয়ারায় অধ্যাপনা করেন। সেখানকার একদল মানুষ তাঁর সান্নিধ্যে থেকেছেন। ১১৮৮ হিজরীতে শায়খ ইব্রাহিম আল-মাওয়াহিবির পর তিনি হাম্বলিদের ইফতা (ফতোয়া প্রদানের দায়িত্ব) লাভ করেন।
ইবনে আবিদীন বলেন: তিনি আরদুল আন্নাবাহর মাহাল্লাতুল আকসাবে অবস্থিত জামে মানজাকিতে খুতবা দিতেন।
(১).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২০)
تلامذتهدرَّس رحمه الله بالجامع الأموي، فأفاد وأجاد، وانتفع به الناس طبقة بعد طبقة، وحجَّ ودرَّس بالمدينة المنورة، ولازمه جماعة من أهلها، ومن تلامذته:
* الشيخ إبراهيم بن ناصر بن جَديد الزُّبيري الحَنبليُّ.
قال البكري: أخذ عن البَعْلِيِّ الحديث والتفسير وغير ذلك
(1).
*والشيخ محمد شاكر قرأ عليه شرح الرَّحبيَّة للشَّنْشُورِيِّ
(2)، كما ذكر ابن عابدين.
* الشيخ مصطفى بن سعد بن عَبْدُه.
قال البَكْرِيُّ: لازم علَّامة المَذهبِ إذ ذاك بدمشق الورع الشيخ أحمد البَعْلِيَّ
(3).
ثناء العلماء عليهقال الحسيني في «سلك الدرر»: الإمام الورع الزاهد الفقيه، كان عالمًا فاضلًا عاملًا بعِلمه، ناسكًا، خاشعًا، متواضعًا، بقيَّة العلماء العاملين، عابدًا، فَرَضِيًّا، أُصوليًّا، لم يكن على طريقته أحدٌ ممَّن أدركناه، مع الفضل
--------------------------------------------
তাঁর ছাত্রগণতিনি (রহিমাহুল্লাহ) উমাইয়া মসজিদে অধ্যাপনা করেছেন, ফলে তিনি প্রভূত উপকার সাধন করেছেন ও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষ তাঁর দ্বারা উপকৃত হয়েছে। তিনি হজ সম্পাদন করেছেন এবং মদিনা মুনাওয়ারায় অধ্যাপনা করেছেন এবং সেখানকার একদল লোক তাঁর সান্নিধ্যে ধন্য হয়েছেন। তাঁর ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন:
* শাইখ ইবরাহিম বিন নাসির বিন জাদিদ আজ-জুবাইরি আল-হাম্বলি।
আল-বাকরি বলেন: তিনি আল-বালির নিকট থেকে হাদিস, তাফসির এবং অন্যান্য শাস্ত্র গ্রহণ করেছেন
(১)।
* এবং শাইখ মুহাম্মদ শাকির তাঁর নিকট আশ-শানশুরি রচিত ‘শারহুর রাহবিয়্যাহ’ পাঠ করেছেন
(২), যেমনটি ইবনে আবিদিন উল্লেখ করেছেন।
* শাইখ মুস্তফা বিন সাদ বিন আবদুহু।
আল-বাকরি বলেন: তিনি সেই সময়ে দামেস্কের মাযহাবের বিজ্ঞ আলেম, পরহেযগার শাইখ আহমদ আল-বালির সান্নিধ্যে ছিলেন
(৩)।
তাঁর সম্পর্কে আলেমগণের প্রশংসাআল-হুসাইনি ‘সিলকুদ দুরার’ গ্রন্থে বলেছেন: ইমাম, পরহেযগার, দুনিয়াবিমুখ, ফকিহ; তিনি ছিলেন একজন গুণী আলেম যিনি তাঁর ইলম অনুযায়ী আমলকারী, সাধক, বিনয়ী, নম্র, আমলকারী আলেমদের অবশিষ্টাংশ, ইবাদতগুজার, ফরায়েয শাস্ত্রবিদ ও উসুলবিদ। ফজিলত ও শ্রেষ্ঠত্ব থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেখা ব্যক্তিদের মধ্যে তাঁর পদ্ধতিতে আর কেউ ছিল না...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২১)
الذي لا يُنكر، وتفوَّق وحاز فضلًا سيِّما بالفقه والفرائض، ودرَّس بالجامع الأموي، وأفاد وانتفع به النَّاس سلفًا وخلفًا.
وأثنى عليه البَكْرِيُّ في ترجمة أحد تلامذته فقال: شيخ المذهب، العلَّامة الورع الزَّاهد الفقيه الأُصوليُّ، أخذ عنه التَّفسير، والقِراءات، والحديث، والفقه، والنَّحو، والأصلين وغيرها، ثمَّ أجازه وغالب علماء دمشق المحروسة من أهل المذاهب
(1).
وقال الغَزِّي في «النَّعت الأكمل»: الشيخ الإمام العالم العامل الفقيه الفَرَضِيُّ الحَيسُوب الصُّوفِي الخَلوتي الخاشع النَّاسك العابد الزَّاهد الصَّالح الكامل المُتقشِّف الأوحد النَّحرير، شيخُنا وأستاذُنا.
عالمٌ ضربَ من الفضل بنصيبٍ وافرٍ، وأحيى من مُندرس العِلم عالي المَآثر، بزُهدٍ يحكي زُهدَ ابن أدهم، وتقشُّفٍ كان لبرده الطّراظ المُعلم، وقوَّة دينٍ كالجبال الرَّواسي، وبديعِ يقينٍ بحلله الشَّريفة كاسي.
وقال ابن عابدين في «عقود اللآلئ»: الشَّيخ الإمام، والحبر الهُمام، النَّاسك العابد، والورع الزَّاهد، الصُّوفِي الفقيه النَّحرير، والعالم العامل الكبير، بقيَّة السَّلف، وقُدوة الخَلف، الأمَّار بالمَعروف والنَّهاء عن المُنكر، المُثابر على العبادات والطَّاعات، مُفتي السَّادة الحنابلة بدمشق
(2).
وقال ابن شطي في «مختصر ذيل طبقات الحنابلة»: شيخنا وأستاذنا الشيخ الإمام العلَّامة العامل الفقيه الفَرَضِيُّ الصُّوفِي الخَلوتي الخاشع النَّاسك النَّحرير الأوحد.
--------------------------------------------
যিনি অনস্বীকার্য [মর্যাদার অধিকারী], তিনি অনন্য উচ্চতায় আরোহণ করেছেন এবং বিশেষ করে ফিকহ ও ফারায়িজ (উত্তরাধিকার আইন) শাস্ত্রে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছেন। তিনি উমাইয়া জামে মসজিদে পাঠদান করেছেন এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বহু মানুষ তাঁর দ্বারা উপকৃত হয়েছেন।
আল-বাকরি তাঁর জনৈক ছাত্রের জীবনীতে তাঁর প্রশংসা করতে গিয়ে বলেছেন: তিনি মাযহাবের শায়খ, আল্লামা, পরহেযগার, দুনিয়াবিমুখ, ফকিহ ও উসুলবিদ। তাঁর নিকট থেকে তাফসির, কিরাত, হাদিস, ফিকহ, নাহু (ব্যাকরণ), উসুলাইন (আকিদা ও উসুলুল ফিকহ) এবং অন্যান্য শাস্ত্র গ্রহণ করা হয়েছে। অতঃপর তিনি এবং সংরক্ষিত দামেস্কের বিভিন্ন মাযহাবের অধিকাংশ উলামায়ে কিরাম তাঁকে ইজাযত প্রদান করেছেন
(১)।
আল-গাজ্জি 'আন-নাতুল আকমাল' গ্রন্থে বলেছেন: শায়খ, ইমাম, আলেম, আমলকারী ফকিহ, ফারায়িজ শাস্ত্রজ্ঞ, গণিতবিদ, সুফি, খালওয়াতি (তরিকতের অনুসারী), বিনয়ী, ইবাদতগুজার, আবেদ, যাহেদ, নেককার, পূর্ণাঙ্গ মানুষ, মিতব্যয়ী, অনন্য ও সুপণ্ডিত; আমাদের শায়খ ও উস্তাদ।
তিনি এমন এক আলেম যিনি ফযিলতের এক বিশাল অংশ লাভ করেছেন এবং বিলুপ্তপ্রায় ইলমের উচ্চমর্যাদাপূর্ণ নিদর্শনসমূহকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। তাঁর দুনিয়াবিমুখতা ইবনে আদহামের যুহদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, এবং তাঁর মিতব্যয়িতা ছিল তাঁর ভূষণের অলঙ্কার। পাহাড়ের মতো সুদৃঢ় দ্বীনদারি এবং অপূর্ব ইয়াকিন (দৃঢ় বিশ্বাস) তাঁকে মহিমান্বিত পোশাকে আবৃত করেছিল।
ইবনে আবিদিন 'উকুদুল লাআলি' গ্রন্থে বলেছেন: শায়খ, ইমাম, মহান পণ্ডিত, ইবাদতগুজার, আবেদ, পরহেযগার, দুনিয়াবিমুখ, সুফি, সুপণ্ডিত ফকিহ, মহান আমলকারী আলেম, সালাফদের উত্তরসূরি, উত্তরসূরিদের আদর্শ, সৎকাজের আদেশদাতা ও অসৎকাজের নিষেধকারী, ইবাদত ও আনুগত্যে অবিচল ব্যক্তি এবং দামেস্কের হাম্বলি আলেমদের মুফতি
(২)।
ইবনে শাত্তি 'মুখতাসার যাইল তাবাকাতিল হানাবিলা' গ্রন্থে বলেছেন: আমাদের শায়খ ও উস্তাদ, ইমাম, আল্লামা, আমলকারী ফকিহ, ফারায়িজ শাস্ত্রজ্ঞ, সুফি, খালওয়াতি, বিনয়ী, ইবাদতগুজার, অনন্য সুপণ্ডিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২২)
وقال أيضًا: إليه ينتهي سندُ الفقهِ في ديارنا الشَّاميَّة الآن، بروايته عن الشيخ أبي المواهب، عن والده الشيخ عبد الباقي الحنبلي صاحب الثَّبت المَشهور جزاهم الله عنَّا خيرًا.
وقال أثناء ذكر شيوخه: وجميع من ذُكر كَتبوا له إجازاتٍ بخُطوطهم وقفتُ عليها فرأيتها مشحونةً بالثَّناء عليه.
وقال ابن حميد في «السُّحب الوابلة»: وذكره الغَزِّي أيضًا في كتابه «معجم الشيوخ» المسمى بـ «إتحاف ذوي الرسوخ» وأثنى عليه ثناءً بليغًا.
قال: وقال تلميذه إبراهيم بن جديد: وكان كثيرَ الخَشية، سريعَ الدَّمعة، عليه أنوارٌ، ينتفع الشَّخص برُؤيته قبل أن يسمع كلامه.
وقال ابن بدران 1346 هـ: الورع الفقيه الأصولي الفَرَضِيُّ
(1).
وقال البغدادي في «هدية العارفين»: كان فقيهًا فَرَضِيًّا.
وقال الزِّرِكْلِيُّ: رياضيٌّ عالمٌ بالفَرائضِ، حنبلي.
ورعه وزهدهقال ابن عابدين: كان البَعْلِيُّ رحمه الله في الزُّهد والوَرع على جانبٍ عظيمٍ، أخبرني سيدي يعني الشيخ محمد شاكر تلميذ البَعْلِيِّ أنه مرَّة وقع وظيفة تدريس، فأراد مفتي دمشق أن يوجهها عليه وألحَّ عليه بذلك، فأبى وقال له: يا سيدي أنا تكفيني طاسة الشوربة، وترضى مني أم محمد بذلك، ثمَّ لمَّا أيس منه ألحَّ عليه أن يوجّهها على ولده الشيخ محمد فقال: هذا أنا لنفسي لم أقبلها، فكيف أرضى بها لغير مُستحقِّها.
--------------------------------------------
তিনি আরও বলেছেন: বর্তমানে আমাদের শাম দেশে ফিকহের সনদ তাঁর নিকটেই গিয়ে শেষ হয়, শায়খ আবুল মাওয়াহিবের সূত্রে তাঁর বর্ণনার মাধ্যমে, যিনি তাঁর পিতা শায়খ আব্দুল বাকী আল-হাম্বলী হতে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি (আব্দুল বাকী) বিখ্যাত 'সাবাত'-এর রচয়িতা; আল্লাহ তাঁদের আমাদের পক্ষ থেকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
তিনি তাঁর শায়খদের আলোচনার সময় বলেছেন: যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাঁদের সকলেই নিজ হাতে তাঁর জন্য ইজাজতনামা (অনুমতিপত্র) লিখেছেন, যা আমি দেখেছি এবং সেগুলো তাঁর প্রশংসায় পরিপূর্ণ দেখতে পেয়েছি।
ইবনে হুমাইদ 'আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ' গ্রন্থে বলেছেন: গাজ্জিও তাঁর শায়খদের জীবনী বিষয়ক গ্রন্থ 'মু'জামুশ শুয়ুখ' যা 'ইতহাফু যাউয়ির রুসুখ' নামে পরিচিত, সেখানে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
তিনি বলেন: তাঁর ছাত্র ইব্রাহিম ইবনে জাদিদ বলেছেন: তিনি অত্যন্ত আল্লাহভীরু ও কোমল হৃদয়ের ছিলেন, তাঁর মাঝে নূর বিদ্যমান ছিল, মানুষ তাঁর কথা শোনার আগেই কেবল তাঁকে দেখেই উপকৃত হতো।
ইবনে বাদরান (১৩৪৬ হিজরি) বলেছেন: তিনি ছিলেন পরহেজগার ফকিহ, উসুলবিদ ও ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন) বিশেষজ্ঞ
(১)।
বাগদাদী 'হাদিয়াতুল আরিফীন' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি ফকিহ ও ফারায়েজ বিশেষজ্ঞ ছিলেন।
যিরিকলি বলেছেন: তিনি গণিতবিদ, ফারায়েজ বিশারদ এবং হাম্বলী ছিলেন।
তাঁর পরহেজগারি ও দুনিয়াবিমুখতাইবনে আবিদীন বলেছেন: আল-বা'লী (রাহিমাহুল্লাহ) দুনিয়াবিমুখতা ও পরহেজগারির সুউচ্চ শিখরে ছিলেন। আমার সায়্যিদ অর্থাৎ আল-বা'লীর ছাত্র শায়খ মুহাম্মদ শাকির আমাকে জানিয়েছেন যে, একবার একটি শিক্ষকতার পদের সুযোগ এল। তখন দামেস্কের মুফতি পদটি তাঁকে দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন এবং এ বিষয়ে অনেক পীড়াপীড়ি করেন। কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং তাকে বলেন: "হে আমার সায়্যিদ, আমার জন্য এক বাটি ঝোলই যথেষ্ট, আর উম্মে মুহাম্মদ (তাঁর স্ত্রী) এতেই সন্তুষ্ট।" এরপর মুফতি যখন তাঁর দিক থেকে নিরাশ হলেন, তখন পদটি তাঁর ছেলে শায়খ মুহাম্মদকে দেওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করলেন। তখন তিনি বললেন: "এটি আমি নিজের জন্যই কবুল করিনি, তবে কীভাবে আমি এমন একজনের জন্য এটি মেনে নিতে পারি যে এর যোগ্য নয়।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২৩)
وقال أيضًا: كان البَعْلِيُّ رحمه الله لا يأكلُ من مال ولده المذكور؛ لشدَّة ورعِه وعِفَّته، وكان يكتسبُ من عمل يده في حياكة الإلاجة، ولمَّا كبرت سنُّه ترك ذلك ولزم حجرته بالخانقاه الشميصاتية.
مؤلفاته:«الذُّخر الحَرير بشرح مختصر التَّحرير».
وهو كتابنا هذا ويأتي الكلام عليه بإذن الله تعالى.
* «الروض الندي بشرح كافي المبتدي». وقد حققته بحمد الله تعالى على عدة نسخ خطية، وطُبع في مجلدين بمكتبة أهل الأثر بالكويت، وعليه حاشية «إرشاد المقتدي» لشيخنا العلامة أحمد القُعيمي حفظه الله.
* «منية الرائض لشرح عمدة كل فارض»
(1).
له نسخة خطية بمكتبة برنستون برقم الحفظ: 3050، 3799.
ونسخة أخرى بمكتبة زهير جاويش ببيروت، وحقق في رسالة جامعية.
قال الحسيني: وغير ذلك من التَّعليقات في الحساب والفرائض والفقه.
* * *
--------------------------------------------
তিনি আরও বলেছেন: বালি (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর উল্লিখিত সন্তানের সম্পদ থেকে আহার করতেন না; তাঁর প্রবল পরহেজগারি ও আত্মসংযমের কারণে। তিনি নিজের হাতের পরিশ্রমে ‘ইলাজাহ’ (এক প্রকার বস্ত্র) বুনে জীবিকা নির্বাহ করতেন। যখন তাঁর বয়স বৃদ্ধি পেল, তখন তিনি তা ছেড়ে দিলেন এবং শামিসাতিয়্যাহ খানকাহতে নিজের কামরায় অবস্থান গ্রহণ করলেন।
তাঁর রচনাবলি:«আয-যুখরুল হারীর বি-শারহি মুখতাসারিত তাহরীর»।
এটিই আমাদের বর্তমান এই কিতাব এবং মহান আল্লাহর ইচ্ছায় অচিরেই এ সম্পর্কে আলোচনা আসছে।
* «আর-রাওদুন নাদী বি-শারহি কাফিয়াল মুবতাদি»। মহান আল্লাহর প্রশংসায় আমি এটি কয়েকটি পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে সম্পাদনা করেছি এবং এটি কুয়েতের মাকতাবাতু আহলিল আসার থেকে দুই খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে। এর ওপর আমাদের শায়খ আল্লামা আহমদ আল-কুআইমি (হাফিযাহুল্লাহ)-এর টীকাগ্রন্থ «ইরশাদুল মুকতাদি» রয়েছে।
* «মুনইয়াতুর রাইদ লি-শারহি উমদাতি কুল্লি ফারিদ»
(১)।
প্রিন্সটন লাইব্রেরিতে এর একটি পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে, যার সংরক্ষণ নম্বর: ৩০৫০, ৩৭৯৯।
বৈরুতের জুহাইর জাবিশ লাইব্রেরিতে অপর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে এবং এটি একটি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণাপত্র হিসেবে সম্পাদিত হয়েছে।
আল-হুসাইনি বলেন: এ ছাড়াও গণিত, ফরায়েয (উত্তরাধিকার আইন) এবং ফিকহ শাস্ত্রের ওপর অন্যান্য তালীকাত (টীকা) রয়েছে।
* * *
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২৪)
وفاتهقال ابن شَطِّي: وما زال على أحسن حال وأبدع منوال إلى أن توفي رحمه الله في محرم سنة تسع وثمانين ومائة وألف، ودُفن بمَقْبَرة باب الصَّغير.
قال ابن عابدين: وكانت وفاته رحمه الله تعالى ونفعنا به وهو ساجدٌ في سُنَّة الفجر نهار السبت سادس عشر محرم الحرام سنة 1189، وصُلِّي عليه بعد صلاة الظُّهر يوم السَّبت المذكور بالجامع الأموي المعمور، ودُفن بتُربة الباب الصَّغير.
* * *
তাঁর ইন্তেকালইবনে শাত্তি বলেন: তিনি সর্বোত্তম অবস্থা ও চমৎকার কর্মপদ্ধতির ওপর অবিচল ছিলেন, অবশেষে ১১৮৯ হিজরির মহররম মাসে তিনি ইন্তেকাল করেন (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন); এবং তাঁকে বাবুস সগির গোরস্থানে দাফন করা হয়।
ইবনে আবিদিন বলেন: আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁর মাধ্যমে আমাদের উপকৃত করুন; তাঁর ইন্তেকাল হয় ১১৮৯ হিজরির ১৬ই মহররমুল হারাম, শনিবার দিনে, ফজরের সুন্নতে সিজদাবনত অবস্থায়। উক্ত শনিবার জোহরের নামাজের পর আবাদকৃত জামে উমবিতে তাঁর জানাজা পড়ানো হয় এবং তাঁকে বাবুস সগিরের মাটিতে দাফন করা হয়।
* * *
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২৫)
التعريف بكتاب الذخر الحريرهو تصنيفٌ رائقٌ بديعٌ، وَضَعَه مُؤَلِّفُه رحمه الله على كتابِ «مُختصر التَّحريرِ» بعباراتٍ متوسِّطةٍ لا طويلةٍ ولا قصيرةٍ، وأسلوبٍ سهلٍ بسيطٍ يَصِلُ إلى الطَّالبِ بيُسْرٍ، ظَهَرَتْ فيه مكانةُ الإمامِ البعليِّ رحمه الله ورُسوخُ قَدَمِه في هذا الفنِّ البديعِ.
وقد أبانَ رحمه الله في مُقَدِّمَةِ كتابِه «الذُّخرُ الحريرُ» عن منهجِه، فقالَ: لَمَّا رَأَيْتُ الكتابَ الموسومَ بـ «مُختصَر التَّحريرِ» -للشَّيخِ الإمامِ العالمِ تقيِّ الدِّينِ محمَّدِ بنِ أحمدَ بنِ النَّجَّارِ الفُتُوحِيِّ، اختَصَرَه مِن «تحريرُ المنقولِ وتَهذيبُ عِلْمِ الأصولِ» للشَّيخِ الإمامِ المُنقِّحِ علاءِ الدِّينِ المَرْدَاوِيِّ رَحِمَهما اللهُ تَعالى- مُشتملًا على قواعدَ كثيرةٍ، وفوائدَ عظيمةٍ، ومعَ ذلك شَرَحَه مُصَنِّفُه شرحًا عظيمًا، لكنَّه أطالَ في بعضِ المواضعِ، وتَرَكَ أُخْرى بلا حلٍّ لمَعانيها رَغِبْتُ أنْ أَشْرَحَه شرحًا مختصَرًا تَسْهُلُ قِراءتُه، لكونِ بعضِ أسيادي سَأَلَني ذلك، ولا يَسَعُني مُخالفتُه؛ فأَجَبْتُه لذلك مُسْتَثنيًا؛ لقولِه تَعالى: {وَلَا تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَلِكَ غَدًا (23) إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ}
(1) معَ عَجزي واعتِرافِي بالقُصورِ مِن رُتبةِ الخوضِ في تلك المسالكِ، واسْتَخَرْتُ اللهَ تعالى وطَلَبْتُ منه المعونةَ والتَّدبيرَ، وسَمَّيْتُه: «الذُّخْرُ الحَرِيرُ بِشَرْحِ مُخْتَصَرِ التَّحريرِ»، وأَسْأَلُ اللهَ النَّفعَ به، كما نَفَعَ بأصْلِه، إنَّه على ما يَشاءُ قديرٌ. اهـ
--------------------------------------------
‘আদ-দুখরুল হারীর’ গ্রন্থের পরিচিতিএটি একটি চমৎকার ও অনুপম সংকলন, যা এর লেখক (রহিমাহুল্লাহ) ‘মুখতাসারুত তাহরীর’ গ্রন্থের ওপর মধ্যম মানের শব্দচয়নে রচনা করেছেন; যা নাতিদীর্ঘ ও নাতিসংক্ষিপ্ত। এর শৈলী অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল যা শিক্ষার্থীর বোধগম্যতায় অনায়াসেই পৌঁছে যায়। এতে ইমাম আল-বালী (রহিমাহুল্লাহ)-এর সুউচ্চ মর্যাদা এবং এই অনুপম শাস্ত্রের গভীরে তাঁর দৃঢ় পদচারণার বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
তিনি (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'আদ-দুখরুল হারীর' গ্রন্থের ভূমিকায় নিজের কর্মপন্থা সম্পর্কে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন: “আমি যখন দেখলাম ‘মুখতাসারুত তাহরীর’ নামক গ্রন্থটি—যা শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলিম তাকিউদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আন-নাজ্জার আল-ফুতুহী কর্তৃক প্রণীত, যিনি এটি শাইখ, ইমাম, পরিমার্জক আলাউদ্দীন আল-মারদাওয়ী (মহান আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন)-এর ‘তাহরীরুল মানকুল ওয়া তাহযীবু ইলমিল উসূল’ গ্রন্থ থেকে সংক্ষেপিত করেছেন—তা বহু মূলনীতি ও মহান উপকারে সমৃদ্ধ। পাশাপাশি এর লেখক এর একটি বিশদ ব্যাখ্যাগ্রন্থও রচনা করেছেন, কিন্তু তিনি কিছু স্থানে দীর্ঘায়ন করেছেন এবং অন্য কিছু স্থানের অর্থ ব্যাখ্যা না করেই ছেড়ে দিয়েছেন। তখন আমি একে এমন একটি সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাগ্রন্থের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার ইচ্ছা পোষণ করলাম যা পাঠ করা সহজ হবে। কারণ আমার জনৈক উস্তাদ আমার কাছে তা চেয়েছিলেন, আর তাঁর অবাধ্য হওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাই আমি অক্ষমতা এবং এই সকল পথে বিচরণের যোগ্যতায় নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করা সত্ত্বেও তাঁর সেই আহবানে সাড়া দিলাম—তবে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলার ব্যতিক্রমসহ; মহান আল্লাহর এই বাণীর কারণে: {আর তুমি কোনো বিষয়ে কখনো বলো না যে, ‘আমি এটি আগামীকাল করব’, ‘যদি আল্লাহ চান’ (বলা) ছাড়া।} আমি মহান আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনা করেছি এবং তাঁর নিকট সাহায্য ও সুপরিচালনা কামনা করেছি। আমি এর নাম দিয়েছি: ‘আদ-দুখরুল হারীর বি শারহি মুখতাসারুত তাহরীর’। আমি আল্লাহর কাছে এর মাধ্যমে উপকার কামনা করি, যেমনটি তিনি এর মূল গ্রন্থের মাধ্যমে উপকার সাধন করেছেন। নিশ্চয়ই তিনি যা চান তার ওপর সর্বশক্তিমান।” সমাপ্ত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২৬)
قُلْتُ: وقد استفادَ رحمه الله مِن كتبِ أهلِ العِلمِ ممَّن سَبَقُوه في شرحِ «مختصر التَّحريرِ» أو ألَّفوا وكَتَبُوا وأَبْدَعُوا عامَّةً في عِلمِ الأصولِ، وممَّن استفادَ منهم:
المَردَاوِيُّ صاحبُ المختصرِ نفسِه في شرحِه «التَّحبيرُ في شرحِ التَّحريرِ» وهو العمدة في كتابه، وابنُ مفلحٍ في «أصولِه»، وابنُ حمدانَ في «مُقنعِه»، والآمِدِيُّ في «الإحكامُ في أصولِ الأحكامِ»، والطُّوفِيُّ في «شرحُ مُختصَرِ الرَّوضةِ»، وابنُ قاضي الجبلِ في مصنَّفِه في الأصولِ، والقَرافيُّ في «شرحُ التَّنقيحِ»، والشَّمسُ البِرْمَاوِيُّ في «الفوائدُ السَّنِيَّةُ في شرحِ الألفيَّةِ»، والغَزَّالِيُّ، والكُورانِيُّ، والأرمويُّ، وغيرُهم مِن أهلِ العِلمِ، كما ستَجِدُه فيه بإذنِ اللهِ تَعالى.
وبعضُ هذه المواردِ الَّتي نَقَلَ عنه الإمامُ البَعْلِيُّ رحمه الله واستفادَ مِنها لم يَصِلْنا ولم نَقِفْ عليه، وهو مِن ميزاتِ كتابِه.
والكتابُ مُهمٌّ مفيدٌ لكلِّ طالبِ عِلمٍ، جَزَى اللهُ مُؤلِّفَه خيرَ الجزاءِ، ونَفَعَنا جميعًا به.
أثنى عليه ابنُ بدرانَ في «المدخلُ إلى مذهبِ الإمامِ أَحمد» (ص: 461) فقالَ: ثمَّ إنَّ مُصنِّفَه (يَعني مصنفَ مختصرِ التَّحريرِ) شَرَحَه في مجلَّدٍ، وسَمَّاه «الكوكبُ المنيرُ في شرحِ مختصرِ التَّحريرِ»، ثمَّ شَرَحَه الشَّيخُ أحمدُ البَعليُّ وسَمَّاه «الذُّخرُ الحريرُ شرحُ مختصرِ التَّحريرِ»، وهذانِ الشَّرحانِ يُفيدانِ المُتوسِّطَ في هذا الفنِّ. اهـ
وقالَ العلَّامةُ ابنُ شطِّيٍّ رحمه الله في «مختصر طبقات الحنابلة» (ص: 145): وقد ألَّف شيخُنا مُؤلَّفاتٍ نافعةً؛ مِنها «ذُخرُ الحريرِ بشرحِ مختصرِ التَّحريرِ».
وكذا قال الغزِّيُّ في «النَّعتُ الأكملُ» (ص: 310).
আমি বলছি: তিনি (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন) তাঁর পূর্ববর্তী ইলমের অধিকারীদের গ্রন্থসমূহ থেকে উপকৃত হয়েছেন যারা 'মুখতাসারুত তাহরির' এর ব্যাখ্যা করেছেন অথবা যারা উসূল শাস্ত্রের উপর সাধারণভাবে গ্রন্থ রচনা করেছেন ও মৌলিক অবদান রেখেছেন। আর যাদের থেকে তিনি উপকৃত হয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন:
আল-মারদাওয়ি, যিনি মূল 'মুখতাসার' এর লেখক, তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'আত-তাহবির ফি শারহিত তাহরির'-এ (যা তাঁর এই কিতাবের মূল ভিত্তি), এবং ইবনে মুফলিহ তাঁর 'উসূল' গ্রন্থে, ইবনে হামদান তাঁর 'মুকনি' গ্রন্থে, আল-আমিদি তাঁর 'আল-ইহকাম ফি উসূলিল আহকাম' গ্রন্থে, আত-তুফি তাঁর 'শারহু মুখতাসারির রওজা' গ্রন্থে, ইবনে কাজিল জাবাল তাঁর উসূল বিষয়ক সংকলনে, আল-কারাফি তাঁর 'শারহুত তানকিহ' গ্রন্থে, আশ-শামস আল-বিরমাউই তাঁর 'আল-ফাওয়াইদুস সানিয়্যাহ ফি শারহিল আলফিয়্যাহ' গ্রন্থে, আল-গাজালি, আল-কুরানি, আল-আরমাউই এবং ইলমের অধিকারী অন্যান্য ব্যক্তিগণ, যা আল্লাহ তাআলা চাইলে আপনি এতে পাবেন।
ইমাম আল-বালি (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন) যেসব উৎস থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং উপকৃত হয়েছেন, তার কয়েকটি আমাদের কাছে পৌঁছেনি এবং আমরা সেগুলো দেখতে পাইনি; আর এটিই তাঁর এই কিতাবের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
কিতাবটি প্রত্যেক ইলম অন্বেষণকারীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারী। আল্লাহ এর লেখককে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন এবং আমাদের সকলকে এর মাধ্যমে উপকৃত করুন।
ইবনে বাদরান 'আল-মাদখাল ইলা মাজহিবিল ইমাম আহমাদ' (পৃষ্ঠা: ৪৬১) গ্রন্থে এর প্রশংসা করে বলেছেন: অতঃপর এর লেখক (অর্থাৎ মুখতাসারুত তাহরিরের লেখক) এটি এক খণ্ডে ব্যাখ্যা করেছেন এবং এর নাম রেখেছেন 'আল-কাওকাবুল মুনীর ফি শারহি মুখতাসারিত তাহরির'। এরপর শাইখ আহমাদ আল-বালি এটি ব্যাখ্যা করেছেন এবং এর নাম দিয়েছেন 'আয-যুখরুল হারীর শারহু মুখতাসারিত তাহরির'। এই দুটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ এই শাস্ত্রের মধ্যম স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী। সমাপ্ত।
আল্লামা ইবনে শাত্তি (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন) 'মুখতাসারু তাবাকাতিল হানাবিলাহ' (পৃষ্ঠা: ১৪৫) গ্রন্থে বলেছেন: আমাদের শাইখ কিছু উপকারী গ্রন্থ রচনা করেছেন; যার মধ্যে রয়েছে 'যুখরুল হারীর বিশারহি মুখতাসারিত তাহরির'।
অনুরূপ কথা আল-গাযযি 'আন-নাতুল আকমাল' (পৃষ্ঠা: ৩১০) গ্রন্থে বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২৭)
منهج العمل في التحقيقاعتمدت في تحقيق هذا الكتاب على نسختين خطيتين لم أظفر بغيرهما بعد البحث الشديد، وكان عملنا في تحقيق الكتاب ملخَّصًا فيما يلي:
* نسخت الكتابَ من النسخة الخطية «د» بمساعدة الباحث بكر رزق.
* جعلت آيات كتاب الله تعالى بالرَّسم العُثماني المعروف مع تخريجها.
* قابلت الكتاب على النُّسختين الخطِّيتين مقابلة مُتقنة بمساعدة الباحث: محمد فاروق رشاد.
* قابلت متن «مختصر التحرير» على طبعة فضيلة الشيخ الدكتور عبد الرحمن المطيري، ووضعت فروق المقابلة بالهامش، إذ طبعته تعد أفضل طبعات الكتاب، لما تتميز من ضبط النص وتفقيره وعنونته، وقد استفدت منه في ذلك وراسلته فقال: «العلم رحم بين أهله» جزاه الله خيرًا، ونفع به، وللكتاب أيضًا طبعة جيدة بتحقيق الشيخ مبارك الحثلان حفظه الله، إلا أني اعتمدت الأولى؛ لما تميزت به من تفقير وعنونة.
* نسَّقت فقرات الكتاب، ووضعت علامات التَّرقيم المناسبة، وميَّزت متن «مختصر التحرير» بين قوسين () وجعلته باللَّون الأحمر؛ ليتميَّز عن شرحه «الذخر الحرير».
* ضبطت الكتاب كاملًا بمساعدة الباحثين محمد علي شعراوي، ومحمد طه العطار، فضبطنا متنَ «مختصر التحرير» ضبطًا كاملًا، وشرحه «الذخر الحرير» ضبط إعراب وما أشكل منها.
সম্পাদনা ও গবেষণার কর্মপদ্ধতিএই গ্রন্থটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমি দুটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, কঠোর অনুসন্ধানের পর আমি এ দুটি ছাড়া আর কোনো পাণ্ডুলিপি খুঁজে পাইনি। গ্রন্থটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমাদের কাজ নিম্নোক্তভাবে সংক্ষেপিত:
* গবেষক বকর রিজক-এর সহায়তায় আমি পাণ্ডুলিপি «দাল» থেকে বইটি অনুলিপি করেছি।
* মহান আল্লাহর কিতাবের আয়াতসমূহকে আমি পরিচিত উসমানি লিপিতে সাজিয়েছি এবং সেগুলোর উদ্ধৃতি প্রদান করেছি।
* গবেষক মুহাম্মদ ফারুক রাশাদ-এর সহায়তায় আমি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে উভয় পাণ্ডুলিপির সাথে বইটি মিলিয়েছি।
* ‘মুখতাসারুত তাহরির’-এর মূল পাঠকে আমি শ্রদ্ধেয় শায়খ ড. আব্দুর রহমান আল-মুতাইরির সম্পাদিত সংস্করণের সাথে মিলিয়েছি এবং পাঠান্তরের পার্থক্যসমূহ টিকায় উল্লেখ করেছি। কেননা তাঁর সম্পাদিত সংস্করণটি এই গ্রন্থের সর্বোত্তম সংস্করণ হিসেবে গণ্য হয়, যেহেতু এটি পাঠের নির্ভুলতা, অনুচ্ছেদ বিন্যাস এবং শিরোনাম নির্ধারণে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এ ক্ষেত্রে আমি তাঁর থেকে উপকৃত হয়েছি এবং তাঁর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন: «জ্ঞান এর ধারক-বাহকদের মধ্যে এক প্রকার আত্মীয়তার বন্ধন»। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন এবং তাঁর মাধ্যমে কল্যাণ দান করুন। এছাড়া শায়খ মুবারক আল-হাসলান (আল্লাহ তাকে হিফাযত করুন) সম্পাদিত গ্রন্থটির আরও একটি ভালো সংস্করণ রয়েছে, তবে আমি প্রথমটির ওপর নির্ভর করেছি; কারণ সেটি অনুচ্ছেদ বিন্যাস ও শিরোনামের ক্ষেত্রে অধিক স্বতন্ত্র ছিল।
* আমি বইটির অনুচ্ছেদগুলো বিন্যস্ত করেছি এবং যথাযথ বিরামচিহ্ন বসিয়েছি। ‘মুখতাসারুত তাহরির’-এর মূল পাঠকে প্রথম বন্ধনীর () মাধ্যমে চিহ্নিত করেছি এবং লাল রঙ দিয়ে লিখেছি; যাতে এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘আয-যুখরুল হারির’ থেকে একে আলাদাভাবে চেনা যায়।
* গবেষক মুহাম্মদ আলি শাওরাবি এবং মুহাম্মদ তাহা আল-আত্তার-এর সহায়তায় আমি পুরো বইটি নির্ভুলভাবে পরিমার্জন করেছি। আমরা ‘মুখতাসারুত তাহরির’-এর মূল পাঠটি পূর্ণাঙ্গভাবে এবং এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘আয-যুখরুল হারির’-এর ক্ষেত্রে ব্যাকরণিক চিহ্ন এবং দুর্বোধ্য অংশগুলো পরিমার্জন করেছি।
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২৮)
* ضبطت الأبيات الشعرية الواردة في الكتاب مع بيان بحرها وتخريجها، وكانت قليلة جدًّا.
* خرَّجت الأحاديث والآثار التي ذكرها المؤلف أو أشار إليها تخريجًا موجزًا، مع بيان حكمها من كلام أهل العلم.
* عزوت الأقول الواردة في الكتاب التي نقلها المؤلف من كتب المذهب لقائليها، وهذا ساعدني في ضبط النَّصِّ.
* وضعت مقدمة علميَّة يسيرة للكتاب.
* وضعت فهارس علمية للكتاب اشتملت على:
- فهرس الآيات.
- فهرس الأحاديث والآثار.
- فهرس الأعلام.
- فهرس الكتب الواردة.
- فهرس الأشعار.
- فهرس الأماكن والبلدان.
- فهرس الموضوعات.
نسأل الله تعالى أن يجعله في ميزان حسنات
كل من ساهم فيه، وأن يرزقنا الإخلاص،
وأن يغفر لنا ما قصرنا فيه.
* * *
কিতাবে বর্ণিত কাব্যপঙক্তিগুলোর ছন্দ নির্ণয় ও উৎস নির্দেশপূর্বক সেগুলোকে সঠিকভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে, আর এগুলোর সংখ্যা ছিল খুবই কম।
লেখক যে সকল হাদিস ও আছার উল্লেখ করেছেন বা যেগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, সেগুলোর সংক্ষিপ্ত উৎস নির্দেশ (তাখরিজ) করা হয়েছে এবং বিজ্ঞ আলেমদের বক্তব্যের আলোকে সেগুলোর হুকুম বর্ণনা করা হয়েছে।
কিতাবে মাযহাবের বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে লেখক যে সকল উক্তি উদ্ধৃত করেছেন, সেগুলোকে আমি মূল প্রবক্তার সাথে সম্বন্ধযুক্ত করেছি; এটি আমাকে মূল পাঠের শুদ্ধরূপ নির্ধারণে সহায়তা করেছে।
গ্রন্থটির জন্য একটি সংক্ষিপ্ত তাত্ত্বিক ভূমিকা প্রদান করেছি।
গ্রন্থটির জন্য তাত্ত্বিক নির্ঘণ্ট প্রস্তুত করেছি যা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে:
- আয়াতের নির্ঘণ্ট।
- হাদিস ও আছারের নির্ঘণ্ট।
- ব্যক্তিবর্গের নির্ঘণ্ট।
- উল্লিখিত কিতাবসমূহের নির্ঘণ্ট।
- কবিতার নির্ঘণ্ট।
- স্থান ও জনপদের নির্ঘণ্ট।
- বিষয়বস্তুর নির্ঘণ্ট।
আমরা মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি একে নেক আমলের পাল্লায় কবুল করেন
তাদের প্রত্যেকের জন্য যারা এতে অবদান রেখেছেন, আর তিনি যেন আমাদের ইখলাস দান করেন,
এবং আমাদের সকল ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করেন।
* * *
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ২৯)
توثيق نسبة الكتاب لمؤلفه* نُسِبَ له على طُرَّةِ النُّسختينِ الخَطِّيَّتَينِ، وفي مقدِّمةِ الكتابِ.
* كما نَسَبَه له:
(1) الحسينيُّ في «سلك الدُّرَرِ» (1/ 287).
(2) والغَزِّيُّ في «النَّعت الأكمل» (ص: 310).
(3) وابنُ شَطِّيٍّ في «مختصر ذيلِ طبقاتِ الحنابلةِ» (ص: 145).
(4) والبغداديُّ في «هديَّة العارفينَ» (1/ 178).
(5) وابنُ حُمَيْدٍ في «السُّحُب الوابلة» (1/ 174).
(6) والعلَّامةُ ابنُ بدرانَ في «المدخل إلى مذهبِ الإمامِ أحمدَ» (ص: 461).
(7) والعلَّامةُ بَكرُ بنُ عبدِ اللهِ أبو زيدٍ في «المَدخل المُفَصَّل لمذهبِ الإمامِ أحمدَ» (2/ 799).
* نَقَلَ عنه أخوه عبدُ الرَّحمنِ البعليُّ في كتابِه «الرِّياض النَّضرات شرح أخصرِ المختصراتِ» في مُقدِّمَتِه أثناءَ شرحِه (للصَّلاةِ)، فقالَ: وهي مِن اللهِ تَعالى الرَّحمةُ، ومِن الملائكةِ الاستغفارُ، ومِن غيرِهم التَّضرُّعُ والدُّعاءُ. وتَجوزُ على غيرِ الأنبياءِ مُنفرِدًا على الصَّحيحِ عندَنا، نصَّ عليه. قالَه في «شَرحِ مُختَصرِ التَّحريرِ». وهو بتمامِه في مقدِّمَةِ «الذُّخر الحرير» (ص 47).
লেখকের প্রতি গ্রন্থটির সম্বন্ধের প্রামাণ্যতা* পাণ্ডুলিপিদ্বয়ের শিরোনামে এবং গ্রন্থের ভূমিকায় এটি তাঁর প্রতি সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে।
* এছাড়াও যারা এটি তাঁর প্রতি সম্বন্ধযুক্ত করেছেন:
(১) হুসাইনী 'সিলকুদ দুরার' গ্রন্থে (১/ ২৮৭)।
(২) গাজ্জী 'আন-নাতুল আকমাল' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা: ৩১০)।
(৩) ইবনে শাত্তি 'মুখতাসারু যাইলিত তাবাকাতিল হানাবিলাহ' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা: ১৪৫)।
(৪) বাগদাদী 'হাদিয়্যাতুল আরিফিন' গ্রন্থে (১/ ১৭৮)।
(৫) ইবনে হুমাইদ 'আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ' গ্রন্থে (১/ ১৭৪)।
(৬) আল্লামা ইবনে বাদ্রান 'আল-মাদখাল ইলা মাযহাবিল ইমাম আহমাদ' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা: ৪৬১)।
(৭) আল্লামা বকর বিন আব্দুল্লাহ আবু যায়েদ 'আল-মাদখালুল মুফাসসাল লি-মাযহাবিল ইমাম আহমাদ' গ্রন্থে (২/ ৭৯৯)।
* তাঁর ভাই আব্দুর রহমান আল-বালী তাঁর 'আর-রিয়াদুন নাদরাত শারহু আখসারিল মুখতাসারাত' গ্রন্থের ভূমিকায় (সালাত)-এর ব্যাখ্যা প্রদানকালে তাঁর থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন। তিনি বলেছেন: "আর আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এটি (সালাত) হলো রহমত, ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) এবং অন্যদের পক্ষ থেকে কাকুতি-মিনতি ও দোয়া। আমাদের নিকট বিশুদ্ধ মতানুযায়ী নবীদের ব্যতীত অন্যদের ওপরও পৃথকভাবে এটি বৈধ, তিনি এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।" তিনি এটি 'শারহু মুখতাসারিত তাহরির' গ্রন্থে বলেছেন। এটি পূর্ণাঙ্গভাবে 'আয-যুখরুল হারির' গ্রন্থের ভূমিকায় (পৃষ্ঠা ৪৭) রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وكتابُ «الرِّياضُ النَّضِرَاتُ» قيدَ الطِّباعةِ بتحقيقي، وعليه حاشيةُ العلَّامةِ القُعيميِّ حَفِظَه اللهُ، وطُبِعَ مِن قبلُ بتحقيقِ الشَّيخِ العلامة ناصر العجميِّ حَفِظَه اللهُ باسمِ «كَشْف المُخَدَّراتِ» (1/ 36).
এবং ‘আর-রিয়াদুন নাদিরাত’ কিতাবটি আমার সম্পাদনায় মুদ্রণাধীন রয়েছে এবং এতে আল্লামা আল-কুআইমি (আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন)-এর টীকা রয়েছে; এটি ইতিপূর্বে শায়খ আল্লামা নাসির আল-আজমি (আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন)-এর সম্পাদনায় ‘কাশফুল মুখাদ্দারাত’ (১/৩৬) নামে প্রকাশিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩১)
توصيف النسخ الخطية المعتمدة
اعتمدْتُ في تحقيقي لهذا الكتابِ المُبارَكِ على نسختينِ خَطِّيَّتينِ، لم أَظفَرْ بغيرِهما بعدَ البحثِ الشَّديدِ في فهارسِ المخطوطاتِ وقواعدِ البياناتِ الخاصَّةِ بذلك:
النُّسخةُ (د)
وهي مصوَّرةٌ عن النُّسخةِ الخَطِّيَّةِ المحفوظةِ بمكتبةِ الرِّياضِ، برقْمِ حِفظِ (341/ 86)، أَهْدَاني إيَّاها فضيلةُ الشَّيخِ الحبيبِ الكريمِ: عادلِ بنِ عبدِ الرَّحيمِ العوضيِّ الإماراتِيِّ حَفِظَه اللهُ ورَعَاه، وبارَكَ فيه، فكم له مِن أيادٍ عليَّ وعلى كثيرٍ مِن المُشتغلينَ بالتَّحقيقِ، فما طَلَبْتُ منه مخطوطاتٍ إلَّا وسارَعَ في البحثِ عنها وإرسالِها، دونَ مللٍ أو تغيُّرِ حالٍ، بل قد يَتَكَلَّفُ في تصويرِها مِن مركزِ جمعةَ الماجدِ أو غيرِه إن لم تَكُنْ لديه، ولم أرَ هذا لغيرِه في زمانِنا، بل رَأَيْنا مَن يَبْخَلُ ويَضنُّ بما عندَه لا لشيءٍ إلَّا الضّنُّ بها، فجَعَلَه اللهُ في ميزانِ حَسَناتِه وتَقَبَّلَ منه!
وهي نُسخةٌ متوسطة، وَقَعَ بها بعضُ الأخطاءِ والتحريف والسقط، والخَرْمُ كما وَقَعَ بعدَ (ص 2)، لم أعلق على كثير منه خشية الإثقال.
وهي نسخةٌ مُرَقَّمَةٌ ترقيمًا داخليًّا بالصَّفحاتِ في (190 صفحةً).
في كلِّ صفحةٍ 35 سطرًا.
নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপিগুলোর বর্ণনা
আমি এই বরকতময় কিতাবটির সম্পাদনার ক্ষেত্রে দুটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি। পাণ্ডুলিপির ক্যাটালগ এবং এ সংক্রান্ত ডেটাবেসগুলোতে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরও আমি এ দুটি ব্যতীত আর কোনো পাণ্ডুলিপি খুঁজে পাইনি:
পাণ্ডুলিপি (দাল)
এটি রিয়াদ লাইব্রেরিতে (সংরক্ষণ নম্বর: ৩৪১/ ৮৬) সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপিটির একটি ফটোপ্রতিলিপি। এটি আমাকে উপহার দিয়েছেন সম্মানিত ও প্রিয় শায়খ আদিল ইবনে আবদুর রহীম আল-আওয়াদী আল-ইমরাতী (আল্লাহ তাকে রক্ষা করুন, হেফাযত করুন এবং তাতে বরকত দান করুন)। আমার ওপর এবং পাণ্ডুলিপি সম্পাদনার কাজে নিয়োজিত অনেকের ওপরই তার অনেক অবদান রয়েছে। আমি যখনই তার কাছে কোনো পাণ্ডুলিপি চেয়েছি, তিনি কোনো প্রকার বিরক্তি বা অবস্থার পরিবর্তন ছাড়াই তা খুঁজে বের করতে ও পাঠাতে তৎপর হয়েছেন। এমনকি কোনো পাণ্ডুলিপি তার কাছে না থাকলে তিনি জুমুআ আল-মাজিদ সেন্টার বা অন্য কোথাও থেকে তা কপি করার কষ্ট স্বীকার করতেন। বর্তমান সময়ে আমি আর কারো মাঝে এমনটি দেখিনি; বরং আমরা এমন লোকও দেখেছি যারা তাদের কাছে যা আছে তা নিয়ে কৃপণতা করে, কোনো কারণ ছাড়াই কেবল সংকীর্ণমনা হওয়ার কারণে। আল্লাহ এটিকে তার নেক আমলের পাল্লায় যুক্ত করুন এবং তার পক্ষ থেকে কবুল করুন!
এটি একটি মাঝারি মানের পাণ্ডুলিপি। এতে কিছু ভুলভ্রান্তি, বিকৃতি ও বিচ্যুতি ঘটেছে এবং ২ নম্বর পৃষ্ঠার পর কিছু অংশ কর্তিত অবস্থায় রয়েছে। বিষয়বস্তু ভারাক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় আমি এর অধিকাংশের ওপর টীকা প্রদান করিনি।
এটি ১৯০ পৃষ্ঠার একটি পাণ্ডুলিপি, যাতে অভ্যন্তরীণ পৃষ্ঠা নম্বর দেওয়া আছে।
প্রতিটি পৃষ্ঠায় ৩৫টি করে লাইন রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩২)
وهي بخطِّ نسخٍ واضحٍ مقروءٍ، كُتِبَ نصُّ متنِ «مُختصرُ التَّحريرِ» باللَّونِ الأحمرِ.
ناسِخُها هو: الفقيرُ فرَّاجُ بنُ سابقٍ الأثريُّ الحنبليُّ
(1)، كما جاءَ في نهايةِ النُّسخةِ.
وكانَ الفراغُ مِن نَسخِها تاسعَ صفرٍ سَنَةَ 1245 هـ، كما جاءَ في نهايةِ النُّسخةِ الخَطِّيَّةِ.
النُّسخةُ عليها عناوينُ في الحواشي مثلُ ما جاءَ في (ص: 9): المجازُ، وفي (ص: 13): الاشتقاقُ.
النُّسخةُ مقابلةٌ، وعليها بلاغاتُ مُقابلةٍ وتصحيحاتٌ، كما في (ص: 9، 13).
وبها نظامُ التَّعقيبةِ.
النُّسخةُ على طُرَّتِها تعريفٌ موجزٌ بالمؤلِّفِ، وخَتْمُ مكتبةِ المَلِكِ فهدٍ الوطنيَّةِ، وخَتْمُ مكتبةِ الرِّياضِ، وكُتِبَ عليها: واردٌ مِن مكتبةِ الشَّيخِ محمَّدِ بنِ إبراهيمَ رحمه الله.
--------------------------------------------
এটি স্পষ্ট ও পাঠযোগ্য নাসখ লিপিতে লিখিত, 'মুখতাসারুত তাহরির'-এর মূল পাঠ লাল রঙে লেখা হয়েছে।
এর অনুলিপিকারক হলেন: আল-ফাকীর ফাররাজ বিন সাবিক আল-আসারি আল-হাম্বলি
(১), যেমনটি পাণ্ডুলিপির শেষে উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুলিপি করার কাজ সমাপ্ত হয়েছিল ১২৪৫ হিজরি সনের ৯ই সফর, যেমনটি পাণ্ডুলিপির শেষে এসেছে।
পাণ্ডুলিপিটির মার্জিনে বিভিন্ন শিরোনাম রয়েছে যেমন (পৃষ্ঠা: ৯)-এ এসেছে: আল-মাজায (রূপক), এবং (পৃষ্ঠা: ১৩)-তে: আল-ইশতিকাক (শব্দমূল)।
পাণ্ডুলিপিটি মূলের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং এতে সংশোধন ও মিলিয়ে দেখার চিহ্ন রয়েছে, যেমনটি (পৃষ্ঠা: ৯ ও ১৩)-তে দেখা যায়।
এতে 'তাকিবা' (পৃষ্ঠা নির্দেশক শব্দ) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
পাণ্ডুলিপির শিরোনামের পাতায় লেখকের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি, কিং ফাহাদ জাতীয় গ্রন্থাগারের সিল এবং রিয়াদ গ্রন্থাগারের সিল রয়েছে। এতে আরও লেখা রয়েছে: এটি শায়খ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম (রহিমাহুল্লাহ)-এর গ্রন্থাগার থেকে সংগৃহীত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
وعلى طُرَّتِها تَمَلُّكٌ للنَّاسخِ رحمه الله نَصُّه: قد وَقَفَ هذا الكتابَ وحَبَسَه وسَبَّلَه حالَ كتابتِه الفقيرُ إلى رحمةِ ربِّه وعفوِه عبدُه وابنُ عبدِه: فرَّاجُ بنُ سابقٍ الأثريُّ الحنبليُّ، عامَلَه اللهُ ووالدَيْه ومشايخَه بلُطفِه الخفيِّ والجليِّ، وجَعَلَ النَّظرَ فيه مُدَّةَ حياتِه لمَن شاءَه اللهُ ثمَّ شاءَه هو مِن بعدِه، فمَن بَدَّله بعدَ ما سَمِعَه فإنَّما إثمُه على الَّذين يُبَدِّلُونه إنَّ اللهَ سميعٌ عليمٌ، لَعَنَ اللهُ مَن بَدَّلَه أو غَيَّرَه، جَعَلَه اللهُ خالصًا لوجهِه الكريمِ، وسببًا للفوزِ بجنَّاتِ النَّعيمِ لنا ولوالِدِينا ومشايخِنا والمسلمينَ، وصَلَّى اللهُ على سيِّدِنا محمَّدٍ وعلى آلِه وصَحبِه وسَلَّمَ.
وكَتَبَ على طُرَّتِها أيضًا: هذا الكتابُ الوقفُ في يدِ الفقيرِ إلى اللهِ تَعالى محمَّدِ بنِ ناصرِ الدِّينِ مِن أوقافِ المسلمينَ، مِن تَرِكَةِ المرحومِ الشَّيخِ أحمدَ .. في شهرِ رجبٍ سنةَ 1275 هـ لا يُباعُ ولا يُوهَبُ ولا يُورَّثُ ولا يُمنَعُ مِن تَفهيمِه ..
وخَتَمَها النَّاسخُ رحمه الله بشعرٍ جميلٍ له [من الطَّويلِ]:
فَمَا سَهِرَتْ عَيْنِي وَلَا تَعِبَتْ يَدِي
… لِغَيْرِ دُعَاءٍ فِي الْبَرِيَّةِ مِنْ بَعْدِي
فَيَا قَارِئًا خَطِّي سَأَلْتُكَ دَعْوَةً
… لِيَرْحَمَنِي رَبِّي إِذَا صِرْتُ فِي لَحْدِي
* * *
এবং এর পার্শ্বপ্রান্তে পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকারকের (রহিমাহুল্লাহ) একটি মালিকানাপত্র রয়েছে যার পাঠ হলো: এই কিতাবটি লিখনকালীন অবস্থায় তাঁর রবের রহমত ও ক্ষমার ভিখারি, তাঁর বান্দা ও তাঁর বান্দার পুত্র ফাররাজ ইবন সাবিক আল-আসারি আল-হানবালি ওয়াকফ করেছেন, এর মালিকানা ত্যাগ করেছেন এবং একে আল্লাহর রাস্তায় সোপর্দ করেছেন। আল্লাহ তাঁর সাথে, তাঁর পিতা-মাতার সাথে এবং তাঁর উস্তাদদের সাথে তাঁর গোপন ও প্রকাশ্য অনুগ্রহপূর্ণ আচরণ করুন। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় এর প্রতি দৃষ্টিদানকে (অধ্যয়নকে) আল্লাহ যাঁর জন্য চান এবং পরবর্তীতে তিনি (পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকারক) যাঁর জন্য চান তার জন্য অবারিত রেখেছেন। সুতরাং এটি শোনার পর যে ব্যক্তি তা পরিবর্তন করবে, এর পাপ কেবল তাদের ওপরই বর্তাবে যারা তা পরিবর্তন করে; নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। যে ব্যক্তি এটি পরিবর্তন বা রূপান্তর করবে আল্লাহ তাকে অভিশাপ দিন। আল্লাহ একে কেবলমাত্র তাঁর মহান চেহারার জন্য কবুল করুন এবং আমাদের, আমাদের পিতা-মাতা, উস্তাদগণ ও সকল মুসলিমের জন্য নেয়ামতপূর্ণ জান্নাত লাভের মাধ্যম বানিয়ে দিন। আর আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
তিনি এর পার্শ্বপ্রান্তে আরও লিখেছেন: এই ওয়াকফকৃত কিতাবটি মহান আল্লাহর মুখাপেক্ষী মুহাম্মদ ইবন নাসিরুদ্দিনের হাতে রয়েছে যা মুসলিমদের ওয়াকফসমূহের অন্তর্ভুক্ত এবং মরহুম শাইখ আহমাদের পরিত্যক্ত সম্পদ থেকে প্রাপ্ত... ১২৭৫ হিজরি সনের রজব মাসে; এটি বিক্রয় করা যাবে না, হেবা (দান) করা যাবে না, মিরাস (উত্তরাধিকার) হিসেবে বণ্টন করা যাবে না এবং এটি থেকে জ্ঞান লাভ করতে বাধা দেওয়া যাবে না...
পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকারক (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর নিজের একটি সুন্দর কবিতার মাধ্যমে এটি সমাপ্ত করেছেন [তবিল ছন্দে]:
আমার চক্ষু নির্ঘুম থাকেনি এবং আমার হাত ক্লান্ত হয়নি
… আমার পরে সৃষ্টিজগতের নিকট থেকে কেবল দোয়ার প্রত্যাশা ব্যতীত
হে আমার হস্তলিপির পাঠক, আমি তোমার নিকট একটি দোয়া প্রার্থনা করছি
… যেন আমার রব আমার প্রতি দয়া করেন যখন আমি আমার কবরে শায়িত হব
* * *
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
النُّسخةُ (ع)
وهي مُصوَّرةٌ عن النُّسخةِ الخطِّيَّةِ المحفوظةِ بمكتبةِ شيخِ شيوخِنا العلَّامةِ ابنِ عقيلٍ الحنبليِّ رحمه الله وعليها ختمُ مكتبتِه مُؤَرَّخًا بعامِ 1354 هـ.
أَهْدَاني إيَّاها تلميذُه فضيلةُ الشَّيخِ العلَّامةِ المُحَقِّقِ: فيصلِ بنِ يوسُفَ العَلِيِّ الكويتيِّ حَفِظَه اللهُ ونَفَعَ به وبارَك فيه.
وهي نسخةٌ جيِّدةٌ، ومقابَلَةٌ، ناقصةُ الآخِرِ، وبها نظامُ التَّعقيبةِ، وهي أفضل من سابقتها، فيندر فيها السقط والتحريف والخطأ.
وهي نسخةٌ مُرَقَّمةٌ ترقيمًا داخليًّا بالصَّفحاتِ في (497 صفحةً).
في كلِّ صفحةٍ 23 سطرًا.
وهي بخطِّ نسخٍ واضحٍ مقروءٍ، كُتِبَ نصُّ متنِ «مُختصرُ التَّحريرِ» باللَّونِ الأحمرِ.
ناسِخُها غيرُ معروفٍ فلم يُذْكَرْ في نهايتِها؛ إذ هي ناقصةُ الآخِرِ، وتمَّ استكمالُ آخِرِها بخطٍّ حديثٍ بقلمٍ جافٍّ أزرقَ مِن النُّسخةِ السَّابقةِ (د)، ثمَّ كُتِبَ في نهايتِها: بَلَغَ 28/ 1/ 1422 بقراءةِ محمَّد الصَّالح بسَّام، وكُتِبَ أيضًا: بلغ في 9/ 3/ 1423 بقراءةِ صالحِ بنِ عبدِ اللهِ آلِ طالبٍ.
وعليها بلاغاتُ مقابلةٍ سَنَةَ 1413 هـ، 1421، 1422، 1423 هـ بخطٍّ حديثٍ.
* * *
সংস্করণ (আইন)
এটি আমাদের শায়খদের শায়খ আল্লামা ইবন আকীল আল-হাম্বলী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-এর গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপির একটি ছায়ালিপি (ফটোকপি), এবং এতে ১৩৫৪ হিজরি সালের তারিখ সম্বলিত তাঁর গ্রন্থাগারের সিলমোহর রয়েছে।
এটি আমাকে উপহার দিয়েছেন তাঁর ছাত্র, সম্মানিত শায়খ, গবেষক আল্লামা ফয়সাল বিন ইউসুফ আল-আলী আল-কুয়েতী (আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন, তাঁর দ্বারা উম্মাহর উপকার করুন এবং তাঁর মধ্যে বরকত দান করুন)।
এটি একটি উন্নতমানের এবং মুকাবেলাকৃত (অন্য পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে সংশোধিত) সংস্করণ, তবে এর শেষাংশ অসম্পূর্ণ। এতে ‘তাকীবাহ’ (পৃষ্ঠার শেষের শব্দ পরের পৃষ্ঠার শুরুতে লেখা) পদ্ধতি রয়েছে। এটি পূর্ববর্তী সংস্করণের চেয়ে শ্রেষ্ঠ; এতে শব্দ বাদ পড়া, বিকৃতি ও ভুল অত্যন্ত বিরল।
এটি একটি অভ্যন্তরীণভাবে পৃষ্ঠাসংখ্যা দ্বারা চিহ্নিত সংস্করণ, যা (৪৯৭ পৃষ্ঠা) বিশিষ্ট।
প্রতিটি পৃষ্ঠায় ২৩টি করে লাইন রয়েছে।
এটি স্পষ্ট ও পাঠযোগ্য নাসখ লিপিতে লিখিত; ‘মুখতাসারুত তাহরীর’-এর মূল পাঠ লাল কালিতে লেখা হয়েছে।
এর লিপিকার অজ্ঞাত, কারণ পাণ্ডুলিপিটির শেষাংশ অসম্পূর্ণ হওয়ায় সেখানে তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়নি। এর অসম্পূর্ণ শেষাংশটি পূর্ববর্তী সংস্করণ (দাল) থেকে নীল কালির বলপয়েন্ট কলমে আধুনিক হাতের লেখায় পূর্ণ করা হয়েছে। অতঃপর এর শেষে লেখা হয়েছে: ২৮/১/১৪২২ হিজরি তারিখে মুহাম্মদ আস-সালিহ বাসসাম-এর পাঠের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে; এবং আরও লেখা হয়েছে: ৯/৩/১৪২৩ হিজরি তারিখে সালিহ বিন আব্দুল্লাহ আল-তালিব-এর পাঠের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে।
এতে আধুনিক হাতের লেখায় ১৪১৩ হিজরি, ১৪২১, ১৪২২ এবং ১৪২৩ হিজরি সালের মুকাবেলা (পাঠ যাচাইয়ের) বিবরণ রয়েছে।
* * *
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
نماذج من النسخ الخطيةطرة النسخة الخطية (د)
হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপিগুলোর নমুনাহস্তলিখিত পাণ্ডুলিপির শিরোনাম অংশ (দ)
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
الورقة الأولى من النسخة الخطية (د)
হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি (দ)-এর প্রথম পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
الورقة الأخيرة من النسخة الخطية (د)
পাণ্ডুলিপি (দ)-এর সর্বশেষ পৃষ্ঠা।
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
طرة النسخة الخطية (ع)
পাণ্ডুলিপি (আ)-এর শিরোনামপত্র
(খণ্ড: ১)
আয-যুখরুল হারীর বিসারহি মুখতাসারিত তাহরীর
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
الورقة الأولى من النسخة الخطية (ع)
হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি (ع)-এর প্রথম পাতা।