(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: -)
مشيخة ابن طهمان (ابن طهمان)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مشيخة ابن طهمان
المؤلف: أبو سعيد إبراهيم بن طهمان بن شعبة الخراسانى الهروي (ت 168هـ)
المحقق: محمد طاهر مالك
الناشر: مجمع اللغة العربية - دمشق
سنة النشر: 1403 هـ - 1983 م
عدد الصفحات: 237
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান (ইবনে তাহমান)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
লেখক: আবু সাঈদ ইবরাহীম বিন তাহমান বিন শুবা আল-খুরাসানী আল-হারাওয়ী (মৃত ১৬৮ হিজরী)
মুহাক্কিক: মুহাম্মদ তাহের মালেক
প্রকাশক: মাজমাউল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ - দামেস্ক
প্রকাশের বছর: ১৪০৩ হিজরী - ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৩৭
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[مشيخة ابن طهمان]ـالمؤلف: أبو سعيد إبراهيم بن طهمان بن شعبة الخراسانى الهروي (المتوفى: 168هـ)المحقق: محمد طاهر مالكالناشر: مجمع اللغة العربية - دمشقسنة النشر: 1403 هـ - 1983 م[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، وهو ضمن خدمة التخريج]
[মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান]লেখক: আবু সাঈদ ইব্রাহিম বিন তাহমান বিন শুবা আল-খোরাসানি আল-হারাবি (মৃত্যু: ১৬৮ হিজরি)গবেষক: মুহাম্মদ তাহির মালিকপ্রকাশক: আরবি ভাষা একাডেমি - দামেস্কপ্রকাশের বছর: ১৪০৩ হিজরি - ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দ[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ এবং এটি তাখরিজ সেবার অন্তর্ভুক্ত]
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْمَعَالِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ صَابِرٍ السُّلَمِيُّ، بِقَرَاءَةِ وَالِدِي قَدَّسَ اللَّهُ رُوحَهُ قَالَ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّرِيفُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعَبَّاسِ الْحُسَيْنِيُّ سَنَةَ ثَمَانٍ وَخَمْسِمِائَةٍ، أَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ الْكِتَّانِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَوْفٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، ⦗ص: 54⦘ أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْفَضْلُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمُؤَذِّنُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، نا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنُ عَبْدُوسٍ النَّيْسَابُورِيُّ بِالرَّمْلَةِ، نا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَاشِدٍ النَّيْسَابُورِيُّ، نا أَبِي، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ 1 -، عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شُرَحْبِيلَ بْنِ جُعْشُمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَوَّلَ النَّاسِ هَلَاكًا قُرَيْشٌ، وَإِنَّ أَوَّلَ قُرَيْشٍ هَلَاكًا أَهْلُ بَيْتِي»
শেখ আবু আল-মা'আলি আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে সাবির আস-সুলামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতার পাঠের মাধ্যমে—আল্লাহ তাঁর রুহকে পবিত্র করুন—তিনি তাঁকে বলেছেন: শরিফ আবুল কাসিম আলি ইবনে ইবরাহিম ইবনে আব্বাস আল-হুসাইনি পাঁচশত আট হিজরি সনে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আজিজ ইবনে আহমাদ আল-কাত্তানি, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আউফ ইবনে আহমাদ ইবনে আউফ তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, ⦗পৃষ্ঠা: ৫৪⦘ (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-ফাদল ইবনে জাফর আল-মুয়াজ্জিন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুস আন-নিসাবুরি রামলা শহরে, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে হাফস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রাশিদ আন-নিসাবুরি, (তিনি বলেন) আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) ইবরাহিম ইবনে তাহমান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ১ - আব্বাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে শুরাহবিল ইবনে জু'শুম-এর মুক্তদাস আবু ইসহাক থেকে, তিনি আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম যারা ধ্বংস হবে তারা হলো কুরাইশ, আর কুরাইশদের মধ্যে সর্বপ্রথম যারা ধ্বংস হবে তারা হলো আমার আহলুল বাইত (পরিবার-পরিজন)»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
2 - عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ ⦗ص: 55⦘ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ «أَوَّلَ النَّاسِ هَلَاكًا قَوْمُكِ، وَأَوَّلُ النَّاسِ هَلَاكًا أَهْلُ بَيْتِي»
২ - আব্বাদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি উমর বিন সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন মুসলিম ⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ আজ-জুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম ধ্বংস হবে তোমার কওম, এবং মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম ধ্বংস হবে আমার আহলে বাইত (পরিবার-পরিজন)।’
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
3 - عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ هَاشِمِ بْنِ هَاشِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْتِيَ فَقَالَ: «لَا يَدْخُلُ عَلَيَّ أَحَدٌ فَسَمِعْتُ صَوْتًا، فَدَخَلْتُ، فَإِذَا عِنْدَهُ حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ وَإِذَا هُوَ حَزِينٌ، أَوْ قَالَتْ: يَبْكِي، فَقُلْتُ: مَا لَكَ تَبْكِي يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: أَخْبَرَنِي جِبْرِيلُ أَنَّ أُمَّتِي تَقْتُلُ هَذَا بَعْدِي فَقُلْتُ وَمَنْ يَقْتُلُهُ؟ فَتَنَاوَلَ مَدَرَةً، فَقَالَ:» أَهْلُ هَذِهِ الْمَدَرَةِ تَقْتُلُهُ "
৩ - আব্বাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি হাশেম ইবনে হাশেম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব থেকে, আর তিনি উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করলেন এবং বললেন: "আমার নিকট কেউ যেন প্রবেশ না করে।" অতঃপর আমি একটি শব্দ শুনতে পেয়ে ভিতরে প্রবেশ করলাম। তখন দেখলাম তাঁর নিকট হুসাইন ইবনে আলী রয়েছেন এবং তিনি ব্যথিত অবস্থায় আছেন, অথবা বর্ণনাকারী বলেন: তিনি কাঁদছেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন কাঁদছেন? তিনি বললেন: "জিবরাঈল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আমার উম্মত আমার পরে একে হত্যা করবে।" আমি বললাম: তাকে কে হত্যা করবে? তখন তিনি একখণ্ড মাটি হাতে নিলেন এবং বললেন: "এই মাটির অধিবাসীরাই তাকে হত্যা করবে।"
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
4 - عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِيهِ، مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الشَّاةِ الضَّالَّةِ فَقَالَ: «لَكَ وَلِأَخِيكَ أَوْ لِلذِّئْبِ وَسُئِلَ عَنِ الْبَعِيرِ فَغَضِبَ وَاحْمَرَّ وَجْهُهُ، فَقَالَ:» مَا لَكَ وَلَهُ، مَعَهُ ⦗ص: 57⦘ حِذَاؤُهُ، وَسِقَاؤُهُ، يَرِدُ الْمَاءَ وَيَرْعَى الشَّجَرَ وَسُئِلَ عَنِ اللُّقَطَةِ، فَقَالَ: تُعَرِّفُهَا حَوْلًا فَإِنْ جَاءَ صَاحِبُهَا دَفَعْتَهَا إِلَيْهِ وَإِلَّا عَرَفْتَ وِكَاءَهَا وَعِفَاصَهَا، ثُمَّ أَفْضِهَا فِي مَالِكَ، فَإِنْ جَاءَ صَاحِبُهَا دَفَعْتَهَا إِلَيْهِ "
৪ - আব্বাদ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, যিনি মুনবাইসের আযাদকৃত গোলাম ছিলেন, তিনি যায়েদ ইবনে খালিদ আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হারানো বকরি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: «সেটি তোমার জন্য, অথবা তোমার ভাইয়ের জন্য, অথবা নেকড়ে বাঘের জন্য।» আর তাঁকে উট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি রাগান্বিত হলেন এবং তাঁর চেহারা লাল হয়ে গেল। তিনি বললেন: «তোমার সাথে সেটির কী সম্পর্ক? সেটির সাথেই ⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ তার খুর এবং তার পানির আধার রয়েছে; সে নিজেই পানির ঘাটে পৌঁছায় এবং গাছের লতাপাতা আহার করে।» আর তাঁকে কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: «তুমি সেটি এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা করতে থাকো। অতঃপর যদি তার মালিক আসে তবে তা তাকে দিয়ে দাও। অন্যথায় তুমি সেটির বাঁধন এবং পাত্র চিনে রাখো, এরপর তা তোমার সম্পদের অন্তর্ভুক্ত করে নাও। তারপরও যদি তার মালিক আসে তবে তা তাকে দিয়ে দাও।»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
5 - عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: بَدَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَرَضِهِ الَّذِي قَبَضَهُ اللَّهُ فِيهِ فِي بَيْتِ مَيْمُونَةَ ، فَجَاءَنِي يُهَادَى بَيْنَ رَجُلَيْنِ ، تَخُطُّ قَدَمَاهُ فِي الْأَرْضِ ، فَلَمَّا دَخَلَ قُلْتُ: وَارَأْسَاهْ. ⦗ص: 59⦘ فَقَالَ: «لَوَدِدْتُ أَنَّ ذَلِكَ كَانَ فَأَشْهَدُكِ وَأُصَلِّي عَلَيْكِ» . فَقُلْتُ: إِنَّى أَظُنُّ ذَلِكَ لَوْ كَانَ مَا أَمْسَيْتَ مِنْ يَوْمِكَ حَتَّى تَعْرِسَ بِبَعْضِ نِسَائِكَ. ثُمَّ قَالَ: «وَارَأْسَاهْ» . مَرَّتَيْنِ، ثُمَّ قَالَ: «أَلَا ادْعُوا أَبَا بَكْرٍ وَابْنَهُ فَأَعْهَدَ إِلَيْهِ أَنْ لَا يَطْمَعَ فِي الْأَمْرِ طَامِعٌ أَوْ يَقُولَ فِيهِ قَائِلٌ» . مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا. ثُمَّ قَالَ: «يَأْبَى اللَّهُ وَيُدْفَعُ الْمُؤْمِنُونَ» . مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ: فَخَرَجْتُ ، فَجَلَسْتُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ ، فَقُلْتُ: لَوْ رَأَيْتَ أُمَّكَ عَائِشَةَ تَقُولُ كَذَا وَكَذَا فَقَالَ: وَمَنِ الرَّجُلَيْنِ؟ قُلْتُ: أَمَّا أَحَدُهُمَا فَالْعَبَّاسُ ، وَأَمَّا الْآخَرُ فَلَمْ تُسَمِّهِ. قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: وَالْآخَرُ عَلِيُّ بْنُ أَبَى طَالَبٍ وَلَكِنْ لَا تَنْشَرِحْ لَهُ بِخَبَرٍ وَقَدْ صَدَقْتَ "
৫ - আব্বাদ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম আজ-জুহরি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সেই অসুস্থতা, যাতে আল্লাহ তাঁর জান কবজ করেছেন, তা মাইমুনা (রা.)-এর ঘরে শুরু হয়েছিল। অতঃপর তিনি দুই ব্যক্তির মাঝে ভর দিয়ে হেলেদুলে আমার কাছে আসলেন, তখন তাঁর দুই পা মাটিতে হেঁচড়ে যাচ্ছিল। যখন তিনি প্রবেশ করলেন, আমি বললাম: "হায় আমার মাথা!" ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ তখন তিনি বললেন: "আমি কামনা করি যদি তেমনটি হতো (তোমার মৃত্যু হতো), তবে আমি তোমার জানাজায় উপস্থিত থাকতাম এবং তোমার জানাজার সালাত পড়তাম।" আমি বললাম: "আমার মনে হয়, যদি তেমনটি ঘটত, তবে আপনি দিন পার না হতেই আপনার অন্য কোনো স্ত্রীর সাথে বাসর যাপন করতেন।" এরপর তিনি বললেন: "হায় আমার মাথা!" —এ কথাটি তিনি দুইবার বললেন। অতঃপর বললেন: "শোনো, তোমরা আবু বকর এবং তাঁর ছেলেকে ডাকো, যাতে আমি তাঁকে অসিয়ত করতে পারি, যেন এই বিষয়ের (নেতৃত্বের) প্রতি কোনো আকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি লোভ না করে অথবা কোনো বক্তা এ নিয়ে কিছু না বলে।" —এ কথাটি তিনি দুই বা তিনবার বললেন। এরপর তিনি বললেন: "আল্লাহ তা অস্বীকার করবেন এবং মুমিনরা তা প্রতিহত করবে।" —এ কথাটি তিনি দুই বা তিনবার বললেন। উবায়দুল্লাহ বলেন: অতঃপর আমি বের হলাম এবং ইবনে আব্বাসের কাছে বসলাম। আমি বললাম: "আপনি যদি দেখতেন আপনার মা আয়েশা এমন এমন বলছেন!" তিনি বললেন: "সেই দুই ব্যক্তি কে ছিলেন?" আমি বললাম: "তাদের একজন তো আব্বাস, আর অন্যজনের নাম তিনি উল্লেখ করেননি।" ইবনে আব্বাস বললেন: "সেই অন্য ব্যক্তি হলেন আলী ইবনে আবি তালিব। কিন্তু তিনি (আয়েশা) তাঁর কোনো সংবাদ দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না; তবে তুমি সত্য বলেছ।"
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٠)
6 - عَنْ عَبَّادٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ مُصْعَبٍ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، قَالَ: خَرَجْتُ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ لَيْلَةً مِنَ اللَّيَالِي نَحْرُسُ الْمَدِينَةَ ، حَتَّى كُنَّا بِالْمُصَلَّى فَشَبَّ لَنَا سِرَاجٌ ، فَقَالَ عُمَرُ: هَلْ تَدْرِي أَيْنَ هَذَا السِّرَاجُ؟ قَالَ: هَذَا فِي دَارِ رَبِيعَةَ بْنِ أُمَيَّةَ بْنِ خَلَفٍ وَهُمْ شَرْبٌ الْآنَ. قَالَ: فَتَيَمَّمْنَا دَارَهُ ، حَتَّى سَمِعْنَا اللَّغَطَ وَالْأَصْوَاتَ ، فَقَالَ عُمَرُ: «مَا أَظُنُّنَا إِلَّا قَدْ جِئْنَا مَا لَا يَحِلُّ لَنَا. فَقُلْتُ: أَجَلْ. فَانْصَرَفْنَا»
৬ - আব্বাদ থেকে বর্ণিত, তিনি উমর ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি জুহরি মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি যুরারা ইবনে মুসআব থেকে, তিনি মিসওয়ার ইবনে মাখরামা থেকে এবং তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি এক রাতে উমর ইবনে আল-খাত্তাব (রা.)-এর সাথে মদিনা পাহারা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলাম। এক পর্যায়ে আমরা যখন মুসাল্লায় পৌঁছলাম, তখন আমাদের সামনে একটি প্রদীপ প্রজ্বলিত হলো। উমর (রা.) বললেন: "তুমি কি জানো এই প্রদীপটি কোথায়?" তিনি বললেন: "এটি রাবিআ ইবনে উমাইয়া ইবনে খালাফের বাড়িতে এবং তারা এখন মদ্যপানে লিপ্ত।" বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর আমরা তার বাড়ির দিকে অগ্রসর হলাম এবং শেষ পর্যন্ত শোরগোল ও নানা কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম। তখন উমর (রা.) বললেন: "আমার মনে হয় আমরা এমন কাজ করেছি যা আমাদের জন্য বৈধ নয়।" আমি বললাম: "জি হ্যাঁ।" অতঃপর আমরা ফিরে এলাম।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦١)
7 - عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ: «لَقَدْ رَأَيْتُنِي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَاءٍ مِنَ السَّمَاءِ وَإِنِّي لَأُدَلِّكُ ظَهْرَهُ وَأَغْسِلُهُ»
৭ - আব্বাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি সাবিত ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর থেকে এবং তিনি সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি নিজেকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আসমান থেকে বর্ষিত পানির (বৃষ্টির) মধ্যে দেখেছি; আমি তাঁর পিঠ মলন করে দিচ্ছিলাম এবং তা ধুয়ে দিচ্ছিলাম।»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦١)
8 - عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «كَانَ إِبْرَاهِيمُ خَلِيلُ اللَّهِ يَزُورُ ابْنَهُ إِسْمَاعِيلَ عَلَى الْبُرَاقِ ، وَهِيَ دَابَّةُ جِبْرِيلَ ، تَضَعُ حَافِرَهَا حَيْثُ يَنْتَهِي طَرَفُهَا ، وَهِيَ الدَّابَّةُ الَّتِي رَكِبَ رَسُولُ اللَّهِ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِهِ»
8 - আব্বাদ বিন ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ হতে, তিনি মুহাম্মাদ বিন মুসলিম আজ-জুহরি হতে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব হতে এবং তিনি আবু হুরায়রা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর খলীল ইব্রাহিম তাঁর পুত্র ইসমাইলকে বোরাকে চড়ে দেখতে যেতেন। আর সেটি ছিল জিবরাঈলের বাহন, যা তার দৃষ্টির শেষ সীমানায় তার খুর রাখত। এটি সেই বাহন যাতে আল্লাহর রাসুলকে ইসরা-র রাতে আরোহণ করানো হয়েছিল।»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
9 - عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَتَّابٍ ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ يَخْطُبُ النَّاسَ ، فَخَرَجَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ فِي رَقَبَتِهِ خِرْقَةٌ يَجُرُّهَا فَعَثَرَ فِيهَا فَسَقَطَ عَلَى وَجْهِهِ ، فَنَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْمِنْبَرِ يُرِيدُهُ ، فَلَمَّا رَآهُ النَّاسُ أَخَذُوا الصَّبِيَّ فَأَتَوْا بِهِ ، فَحَمَلَهُ ، فَقَالَ: «قَاتَلَ اللَّهُ الشَّيْطَانَ ، إِنَّ الْوَلَدَ فِتْنَةٌ ، وَاللَّهِ مَا عَلِمْتُ أَنِّي نَزَلْتُ عَنِ الْمِنْبَرِ حَتَّى أَتَيْتُ بِهِ»
৯ - আব্বাদ বিন ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনে আবি আত্তাব থেকে, তিনি উবাইদ বিন জুরাইজ থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে মানুষের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে দেখেছি। এমতাবস্থায় হাসান বিন আলী বেরিয়ে আসলেন, তাঁর ঘাড়ে একটি কাপড়ের টুকরো ছিল যা তিনি টেনে আনছিলেন, এমতাবস্থায় তিনি তাতে হোঁচট খেয়ে উপুড় হয়ে পড়ে গেলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উদ্দেশ্যে মিম্বার থেকে নেমে আসলেন। লোকেরা যখন তাঁকে দেখল, তারা শিশুটিকে ধরে নিয়ে আসলো। তিনি তাকে কোলে নিলেন এবং বললেন: "আল্লাহ শয়তানকে ধ্বংস করুন; নিশ্চয়ই সন্তান একটি পরীক্ষা। আল্লাহর কসম, আমি মিম্বার থেকে নেমে আসার বিষয়টি টেরই পাইনি যতক্ষণ না তাকে আমার কাছে আনা হয়েছে।"
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
10 - عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلًا وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا»
১০ - সিমাক ইবনে হারব থেকে বর্ণিত, ইকরিমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই হাসতে কম এবং কাঁদতে বেশি»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
11 - عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ قَالَ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا ، وَفِي سَمْعِي نُورًا ، وَفِي بَصَرِي نُورًا»
১১ - সিমাক ইবনে হারব হতে বর্ণিত, তিনি ইকরিমা হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে নূর দান করুন, আমার শ্রবণেন্দ্রিয়ে নূর দান করুন এবং আমার দর্শনেন্দ্রিয়ে নূর দান করুন»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
12 - وَبِهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: يَقُولُ اللَّهُ عز وجل: «مَا كَانَ يَحْرُمُ مِنَ النَّسَبِ فَهُوَ حَرَامٌ مِنَ الرَّضَاعِ»
১২ - এবং তাঁর মাধ্যমেই ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেন: «বংশীয় সম্পর্কের কারণে যা হারাম হয়, দুগ্ধপানের কারণেও তা হারাম»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٥)
13 - وَبِهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: إِنَّمَا «أُحِلَّتْ ذَبَائِحُ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى، لِأَنَّهُمْ آمَنُوا بِالتَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ»
১৩ - এবং তাঁর মাধ্যমেই ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই ইয়াহুদি ও নাসারাদের যবেহকৃত পশু কেবল এই কারণেই হালাল করা হয়েছে যে, তারা তাওরাত ও ইঞ্জিলের প্রতি ঈমান এনেছে (বিশ্বাস স্থাপন করেছে)»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٥)
14 - عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ أَخِيهِ مُحَمَّدِ بْنِ حَرْبٍ ، عَنِ ابْنِ ⦗ص: 66⦘ جَرِيرٍ ، عَنْ أَبِيهِ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فَاجْلِدُوهُ ، ثُمَّ إِنْ شَرِبَ فَاجْلِدُوهُ ، ثُمَّ إِنْ شَرِبَ فَاجْلِدُوهُ ، ثُمَّ إِنْ شَرِبَ الرَّابِعَةَ فَاقْتُلُوهُ»
১৪ - সিমাক ইবন হারব থেকে, তিনি তাঁর ভাই মুহাম্মদ ইবন হারব থেকে, তিনি ইবন ⦗পৃষ্ঠা: ৬৬⦘ জারীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা জারীর ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি মদ পান করবে তাকে বেত্রাঘাত করো, অতঃপর সে যদি পুনরায় পান করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করো, পুনরায় যদি সে পান করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করো, এরপর যদি চতুর্থবার পান করে তবে তাকে হত্যা করো।»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٧)
15 - عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ، كَانَ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «شَارِبُ الْخَمْرِ فَاجْلِدُوهُ ، ثُمَّ إِنْ شَرِبَ فَاجْلِدُوهُ ، ثُمَّ إِنْ شَرِبَ فَاجْلِدُوهُ ، فَإِنْ شَرِبَ فَاجْلِدُوهُ ، ثُمَّ إِنْ شَرِبَ فَاقْتُلُوهُ» فَأُتِيَ بِرَجُلٍ قَدْ شَرِبَ ، فَجَلَدَهُ أَرْبَعَ مَرَّاتٍ ، وَوَضَعَ الْقَتْلَ فِي الْخَمْرِ عَنِ الْمُسْلِمِينَ
১৫ - আব্বাদ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি যুহরী থেকে, তিনি কাবিসা ইবনে যুয়াইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতেন যে তিনি বলেছেন: «মদ পানকারীকে তোমরা চাবুক মারো, এরপর সে যদি পুনরায় পান করে তবে তাকে চাবুক মারো, এরপর যদি পুনরায় পান করে তবে তাকে চাবুক মারো, এরপর যদি পুনরায় পান করে তবে তাকে চাবুক মারো, এরপর যদি পুনরায় পান করে তবে তাকে হত্যা করো»। অতঃপর জনৈক ব্যক্তিকে আনা হলো যে মদ পান করেছিল, তিনি তাকে চারবার চাবুক মারলেন এবং মুসলিমদের জন্য মদ পানের ক্ষেত্রে হত্যার দণ্ড রহিত করলেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٨)
16 - عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ مُرِّيِّ بْنِ قَطَرِيٍّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «وَقَى أَحَدُكُمْ وَجْهَهُ النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ ، فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَكَلِمَةٌ لَيِّنَةٌ ، فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا لَقِيَ اللَّهَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَقُولُ: أَلَمْ أَجْعَلْ لَكَ سَمْعًا وَبَصَرًا؟ يَقُولُ: بَلَى. فَيَقُولُ: أَلَمْ أَجْعَلْ لَكَ مَالًا وَوَلَدًا ⦗ص: 69⦘ فيَقُولُ: بَلَى. يَقُولُ: فَمَاذَا قَدَّمْتَ لِنَفْسِكَ؟ قَالَ: فَيَنْظُرُ يَمِينًا وَشِمَالًا فَلَا يَرَى شَيْئًا»
১৬ - সিমাাক হতে বর্ণিত, তিনি মুররী ইবন কাতারী হতে, তিনি আদি ইবন হাতিম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের প্রত্যেকে যেন তার মুখমণ্ডলকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করে, যদিও তা একটি খেজুরের অর্ধাংশের বিনিময়ে হয়। আর যদি সে তা না পায়, তবে যেন একটি কোমল কথার মাধ্যমে হয়। কেননা তোমাদের কেউ যখন আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে সেই কিয়ামতের দিন, তিনি বলবেন: আমি কি তোমাকে শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি দান করিনি? সে বলবে: অবশ্যই। তিনি বলবেন: আমি কি তোমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দান করিনি? ⦗পৃষ্ঠা: ৬৯⦘ সে বলবে: অবশ্যই। তিনি বলবেন: তবে তুমি তোমার নিজের জন্য কী অগ্রিম পাঠিয়েছ? তিনি বলেন: তখন সে ডানে ও বামে তাকাবে কিন্তু কিছুই দেখতে পাবে না।»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٦٩)
17 - عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم «يَخْرُجُ إِلَى الصَّلَاةِ وَرَأْسُهُ يَقْطُرُ مِنَ الْجَنَابَةِ» قَالَ: فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: هِيَ أَعْلَمُ إِذَنْ
১৭ - সিমাক ইবনে হারব হতে বর্ণিত, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের হতে এবং তিনি আয়েশা (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «সালাতের উদ্দেশ্যে বের হতেন এমতাবস্থায় যে, জানাবাতের কারণে তাঁর মাথা থেকে পানির ফোঁটা ঝরছিল»। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তখন আবু হুরায়রা বললেন: তবে তিনিই এ বিষয়ে অধিক অবগত।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٧٠)
18 - عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَيْرَةَ، عَنِ الْأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، قَالَ: مَرَّتْ سَحَابَةٌ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَا هَذَا؟ قُلْنَا: السَّحَابُ. قَالَ: أَوِ الْمُزْنُ. قُلْنَا: أَوِ الْمُزْنُ قَالَ: أَوِ الْعَنَانُ. قُلْنَا: أَوِ الْعَنَانُ قَالَ: فَهَلْ تَدْرُونَ مَا بُعْدُ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ؟ فَقُلْنَا: لَا. قَالَ: إِحْدَى وَسَبْعُونَ أَوِ اثْنَتَانِ وَسَبْعُونَ أَوْ ثَلَاثٌ وَسَبْعُونَ سَنَةً. قَالَ:» وَإِلَى فَوْقِهَا مِثْلُ ذَلِكَ. حَتَّى عَدَّهُنَّ سَبْعَ سَمَوَاتٍ عَلَى نَحْوِ ذَلِكَ ، قَالَ: ثُمَّ فَوْقَ السَّابِعَةِ الْبَحْرُ ، أَسْفَلُهُ مِنْ أَعْلَاهُ ⦗ص: 71⦘ مِثْلُ مَا مِنْ سَمَاءٍ إِلَى سَمَاءٍ ، ثُمَّ فَوْقَهُ ثَمَانِيَةُ أَوْعَالٍ بَيْنَ أَظْلَافِهِمْ، وَرُكَبِهِمْ مِثْلُ مَا بَيْنَ سَمَاءٍ إِلَى سَمَاءٍ ، الْعَرْشُ فَوْقَ ذَلِكَ ، بَيْنَ أَسْفَلِهِ وَأَعْلَاهُ مِثْلُ مَا بَيْنَ سَمَاءٍ إِلَى سَمَاءٍ ، وَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى فَوْقَ ذَلِكَ فَوْقَ الْعَرْشِ "
১৮ - সিমাক ইবনে হারব থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমাইরা থেকে, তিনি আহনাফ ইবনে কাইস থেকে, তিনি আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট দিয়ে একটি মেঘখণ্ড অতিক্রম করল, তিনি বললেন: «তোমরা কি জানো এটি কী? আমরা বললাম: মেঘ। তিনি বললেন: অথবা মুযন। আমরা বললাম: অথবা মুযন। তিনি বললেন: অথবা আনান। আমরা বললাম: অথবা আনান। তিনি বললেন: তোমরা কি জানো আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত? আমরা বললাম: না। তিনি বললেন: একাত্তর, বাহাত্তর অথবা তেহাত্তর বছরের পথ। তিনি বললেন: »এর উপরের আসমান পর্যন্ত দূরত্বও তদ্রূপ। এভাবে তিনি সাতটি আসমান পর্যন্ত গণনা করলেন। তিনি বললেন: অতঃপর সপ্তম আসমানের উপরে রয়েছে একটি সমুদ্র, যার তলদেশ থেকে উপরিভাগের দূরত্ব ⦗পৃষ্ঠা: ৭১⦘ এক আসমান থেকে অন্য আসমানের দূরত্বের সমান। অতঃপর তার উপরে রয়েছে আটটি পাহাড়ী ছাগল (আকৃতির ফেরেশতা), যাদের খুর এবং হাঁটুর মধ্যবর্তী দূরত্ব এক আসমান থেকে অন্য আসমানের দূরত্বের সমান। আরশ তার উপরে অবস্থিত, যার তলদেশ এবং উপরিভাগের মধ্যবর্তী দূরত্ব এক আসমান থেকে অন্য আসমানের দূরত্বের সমান। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তার উপরে, আরশের উপরে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٧١)
19 - عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم «يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْأُوَلَ مِنْ رَمَضَانَ»
১৯ - মুসা ইবনে উকবা হতে বর্ণিত, তিনি নাফে হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «রমজানের প্রথম দশ দিন ইতিকাফ করতেন»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٧١)
20 - عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِإِحْرَامِهِ، وَحِلِّهِ»
২০ - মুসা ইবনে উকবা হতে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে এবং তিনি আয়েশা (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর ইহরাম বাঁধার সময় এবং ইহরাম খোলার সময় সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছিলাম।»
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٧٢)
21 - عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَذِنَ لِي رَبِّي أُحَدِّثُ عَنْ مَلَكٍ مِنَ الْمَلَائِكَةِ مِنْ حَمَلَةِ الْعَرْشِ مَا بَيْنَ شَحْمَةِ أُذُنِهِ إِلَى عَاتِقِهِ مَسِيرَةُ سَبْعِمِائَةِ عَامٍ»
২১ - মূসা ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমার প্রতিপালক আমাকে আরশ বহনকারী ফেরেশতাদের মধ্য থেকে একজন ফেরেশতা সম্পর্কে বর্ণনা করার অনুমতি দিয়েছেন যে, তার কানের লতি থেকে কাঁধ পর্যন্ত দূরত্ব সাতশত বছরের পথ।”
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٧٣)
22 - عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْلَا بَنُو إِسْرَائِيلَ لَمْ يَخْنَزِ اللَّحْمُ ، وَلَوْلَا حَوَّاءُ لَمْ تَخُنِ امْرَأَةٌ زَوْجَهَا الدَّهْرَ» قَالَ: وَكَانَتْ خَيْبَرُ لِمَنْ شَهِدَ الْحُدَيْبِيَةَ ، لَمْ يُشْرِكْهُمْ فِيهَا أَحَدٌ إِلَّا نَفَرٌ مِنْ دَوْسٍ ، أَشْرَكَهُمْ فِيهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِإِذْنِ أَهْلِ الْحُدَيْبِيَةِ ، وَرَجُلٌ يُقَالُ لَهُ دِحْيَةُ بْنُ خَلِيفَةَ الْكَلْبِيُّ ، وَلَمْ يَتَخَلَّفْ مِنْ خَيْبَرَ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ الْحُدَيْبِيَةِ ، وَكَانَ أَهْلُ الْحُدَيْبِيَةِ أَلْفَ رَجُلٍ وَثَمَانَمِائَةِ رَجُلٍ ، فَقُسِمَتْ فِي عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم جَمَلًا ⦗ص: 74⦘ لِكُلِّ قَبِيلَةٍ مِنْهُمْ بَعْدَ مَا أَخْرِجُوا الْخُمُسَ ، فَعَلَى ذَلِكَ كَانُوا يَأْخُذُونَ نِصْفَ الثَّمَرِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خُمُسَ خَيْبَرَ أَخْمَاسًا: فَخُمْسَيْنِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فِي الْمُهَاجِرِينَ ، وَخُمْسًا لِأَهْلِ خَيْبَرَ ، وَخُمْسًا لِأَمِيرِ الْعَامَّةِ ، قَالَ: فَلَمَّا أَخْرَجَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَهُودَ خَيْبَرَ مِنْهَا ، قَسَّمَهَا عَلَى ثَمَانِيَةَ عَشَرَ سَهْمًا ، لِكُلِّ سَهْمٍ مِائَةُ رَجُلٍ
২২ - মূসা ইবনে উকবা থেকে বর্ণিত, তিনি সাফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যদি বনী ইসরাঈল না হতো, তবে গোশত পচত না; আর যদি হাওয়া না হতেন, তবে কোনো নারী কখনো তার স্বামীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করত না।» তিনি বলেন: আর খায়বার ছিল তাদের জন্য যারা হুদায়বিয়াতে উপস্থিত ছিল। দাউস গোত্রের একটি দল ব্যতীত অন্য কেউ তাদের সাথে এতে অংশীদার ছিল না; আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুদায়বিয়াবাসীদের অনুমতি নিয়ে তাদের এতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। আর দিহয়া ইবনে খলিফা আল-কালবী নামক এক ব্যক্তিও (অন্তর্ভুক্ত ছিলেন)। হুদায়বিয়াবাসীদের কেউ খায়বার থেকে অনুপস্থিত থাকেনি। হুদায়বিয়াবাসীর সংখ্যা ছিল এক হাজার আটশ পুরুষ। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে খুমুস (এক-পঞ্চমাংশ) বের করার পর ⦗পৃষ্ঠা: ৭৪⦘ তাদের প্রতিটি গোত্রের জন্য তা সমষ্টিগতভাবে বণ্টন করা হয়। সেই ভিত্তিতে তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ফসলের অর্ধেক গ্রহণ করত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের খুমুসকে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করেছিলেন: দুই পঞ্চমাংশ আল্লাহর পথে মুহাজিরদের জন্য, এক পঞ্চমাংশ খায়বারবাসীদের জন্য এবং এক পঞ্চমাংশ সাধারণ আমীরের জন্য। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর যখন উমর ইবনুল খাত্তাব সেখান থেকে খায়বারের ইহুদিদের বহিষ্কার করেন, তখন তিনি তা আঠারোটি অংশে বিভক্ত করেন, যার প্রতিটি অংশে একশ জন করে লোক ছিল।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٧٤)
23 - عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصَدَقَةٍ ، فَقِيلَ: مُنِعَ ابْنُ جَمِيلٍ ، وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ ، وَعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ. فَقَالَ ⦗ص: 75⦘ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا نَقَمَ ابْنُ جَمِيلٍ ، إِلَّا أَنَّهُ كَانَ فَقِيرًا ، فَأَغْنَاهُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ ، وَأَمَّا خَالِدٌ فَإِنَّكُمْ تَظْلِمُونَ خَالِدًا ، قَدِ احْتَبَسَ أَدْرَاعَهُ، وَأَعْتُدَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ، الْعَبَّاسُ عَمُّ رَسُولِ اللَّهِ فَهِيَ عَلَيْهِ ، وَمِثْلُهَا مَعَهَا»
২৩ - মুসা ইবনে উকবা থেকে বর্ণিত, আবুয যিনাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাকাত প্রদানের নির্দেশ দিলেন। তখন বলা হলো: ইবন জামিল, খালিদ ইবনে ওয়ালিদ এবং আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (যাকাত দিতে) বিরত থেকেছেন। তখন ⦗পৃষ্ঠা: ৭৫⦘ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “ইবন জামিল কেবল একারণেই অসন্তুষ্ট হচ্ছে যে, সে দরিদ্র ছিল, অতঃপর আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তাকে সচ্ছল করেছেন। আর খালিদের বিষয়ে কথা হলো— তোমরা খালিদের প্রতি অন্যায় করছ; সে তো তার বর্মসমূহ এবং রণসম্ভার আল্লাহর পথে উৎসর্গ করে রেখেছে। আর আব্বাস আল্লাহর রাসূলের চাচা, তার যাকাত তার জিম্মায় রইল এবং তার সাথে সমপরিমাণ আরও।”
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
24 - عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيِّ، عَنْ جَدِّهِ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ، قَالَ: سَمِعْتُ بِلَالَ بْنَ الْحَارِثِ الْمُزَنِيَّ، يَقُولُ فِي حَدِيثٍ يُحَدِّثُهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: إِنَّ «⦗ص: 76⦘ الرَّجُلَ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ مِنَ الْخَيْرِ مَا يَعْلَمُ مَبْلَغَهَا ، يَكْتُبُ اللَّهُ لَهُ بِهَا رِضْوَانَهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ، وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ مِنَ الشَّرِّ مَا يَعْلَمُ مَبْلَغَهَا ، يَكْتُبُ اللَّهُ لَهُ بِهَا سَخَطَهُ إِلَى يَوْمِ يَلْقَاهُ»
২৪ - মুসা ইবন উকবা থেকে বর্ণিত, মুহাম্মাদ ইবন আমর ইবন আলকামা ইবন ওয়াক্কাস আল-লায়সী থেকে বর্ণিত, তাঁর দাদা আলকামা ইবন ওয়াক্কাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি বিলাল ইবন হারিস আল-মুযানীকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটি হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: "নিশ্চয়ই ⦗পৃষ্ঠা: ৭৬⦘ কোনো ব্যক্তি কল্যাণের এমন কোনো কথা বলে যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব সম্পর্কে সে অবগত নয়, অথচ আল্লাহ তার জন্য সেই কথার বিনিময়ে কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর সন্তুষ্টি লিখে দেন, আর কোনো ব্যক্তি মন্দের এমন কোনো কথা বলে যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব সম্পর্কে সে অবগত নয়, অথচ আল্লাহ তার জন্য সেই কথার বিনিময়ে তাঁর সাথে সাক্ষাতের দিন পর্যন্ত তাঁর অসন্তুষ্টি লিখে দেন।"
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٧٧)
25 - عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «هَاجَرَ إِبْرَاهِيمُ بِسَارَةَ ، فَدَخَلَ بِهَا قَرْيَةً فِيهَا مَلِكٌ مِنَ الْمُلُوكِ أَوْ جَبَّارٌّ مِنَ الْجَبَابِرَةِ ، فَقِيلَ: دَخَلَ إِبْرَاهِيمُ اللَّيْلَةَ بِامْرَأَةٍ مِنْ أَحْسَنِ النَّاسِ ، فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ ، فَقَالَ: يَا إِبْرَاهِيمُ ، مَنْ هَذِهِ الَّتِي مَعَكَ؟ قَالَ: هَذِهِ أُخْتِي. ثُمَّ رَجَعَ إِلَيْهَا فَقَالَ: لَا تُكَذِّبِينِي ، فَإِنِّي قَدْ أَخْبَرْتُهُمْ أَنَّكِ أُخْتِي ، فَوَاللَّهِ إِنْ عَلَى الْأَرْضِ مُؤْمِنٌ غَيْرِي وَغَيْرُكِ ، قَالَ: فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ أَنْ أَرْسِلْ بِهَا ، فَأَرْسَلَ بِهَا إِلَيْهِ ، فَقَامَ إِلَيْهَا ، فَقَامَتْ تَتَوَضَّأُ وَتُصَلِّي ، تَقُولُ: اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتُ آمَنْتُ بِكَ وَبِرَسُولِكَ ، وَأَحْصَنْتُ فَرْجِي إِلَّا زَوْجِي ، فَلَا تُسَلِّطْ عَلَيَّ الْكَافِرَ ، قَالَ: فَغَطَّ حَتَّى رَكَضَ بِرِجْلَيْهِ» قَالَ: فَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: قَالَ أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: إِنَّهَا قَالَتِ: إِنَّهُ إِنْ يَمُتْ يُقَلْ: هِيَ قَتَلَتْهُ ، فَأُرْسِلَ ثُمَّ قَامَ إِلَيْهَا، فَقَامَتْ تَتَوَضَّأُ وَتُصَلِّي ، وَتَقُولُ: اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتُ آمَنْتُ بِكَ وَبِرَسُولِكَ ، وَأَحْصَنْتُ فَرْجِي إِلَّا زَوْجِي ، فَلَا تُسَلِّطْ عَلَيَّ الْكَافِرَ ، قَالَ: فَغَطَّ حَتَّى رَكَضَ بِرِجْلَيْهِ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ قَالَ أَبُو سَلَمَةَ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ ، قَالَ: إِنَّهَا قَالَتِ: اللَّهُمَّ إِنْ يَمُتْ يُقَلْ: هِيَ قَتَلَتْهُ ، قَالَ فَأُرْسِلَ فِي الثَّانِيَةِ أَوِ ⦗ص: 78⦘ الثَّالِثَةِ ، فَقَالَ: وَاللَّهِ مَا أَرْسَلْتُمْ إِلَيَّ إِلَّا شَيْطَانًا ، أَرْجِعُوهَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ ، وَأَعْطُوهَا هَاجَرَ. قَالَ: فَرَجَعَتْ إِلَى إِبْرَاهِيمَ ، فَقَالَتْ: أَشَعَرْتَ أَنَّ اللَّهَ رَدَّ كَيَدَ الْكَافِرِ وَأَخْدَمَ وَلِيدَةً
২৫ - মুসা ইবনে উকবা থেকে বর্ণিত, তিনি আবুল জিনাদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ইবরাহিম (আ.) সারাহকে নিয়ে হিজরত করলেন। তিনি এমন এক জনপদে প্রবেশ করলেন যেখানে রাজাদের মধ্যে এক রাজা অথবা স্বৈরাচারীদের মধ্যে এক স্বৈরাচারী ছিল। তখন বলা হলো: ইবরাহিম আজ রাতে এমন এক মহিলাকে নিয়ে প্রবেশ করেছেন যিনি মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সুন্দরীদের অন্তর্ভুক্ত। রাজা তাঁর কাছে লোক পাঠাল এবং জিজ্ঞাসা করল: হে ইবরাহিম, তোমার সাথে এই যে মহিলা, সে কে? তিনি বললেন: সে আমার বোন। এরপর তিনি সারাহর কাছে ফিরে গিয়ে বললেন: তুমি আমাকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করো না, কারণ আমি তাদের খবর দিয়েছি যে তুমি আমার বোন। আল্লাহর কসম, এই পৃথিবীতে আমি আর তুমি ছাড়া কোনো মুমিন নেই। বর্ণনাকারী বলেন: রাজা তাঁর কাছে লোক পাঠাল যে তাকে যেন পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তখন তাকে রাজার কাছে পাঠানো হলো। রাজা তার দিকে উঠে দাঁড়াল, আর সারাহ উঠে অজু করলেন ও নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বলতে লাগলেন: হে আল্লাহ, আমি যদি তোমার ওপর এবং তোমার রাসুলের ওপর ঈমান এনে থাকি এবং আমার স্বামী ছাড়া অন্য সবার থেকে আমার লজ্জাস্থানকে হেফাযত করে থাকি, তবে তুমি এই কাফেরকে আমার ওপর বিজয়ী করো না। বর্ণনাকারী বলেন: তখন রাজার দম বন্ধ হয়ে এল এমনকি সে তার পা দিয়ে মাটিতে আঘাত করতে লাগল।’ আবদুর রহমান বলেন: আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, সারাহ বলেছিলেন: ‘সে যদি মারা যায় তবে বলা হবে যে, সেই তাকে হত্যা করেছে।’ তখন তাকে ছেড়ে দেওয়া হলো। এরপর রাজা পুনরায় তার দিকে উঠে দাঁড়াল, তখন তিনি আবার অজু করলেন ও নামাজে দাঁড়ালেন এবং বললেন: হে আল্লাহ, আমি যদি তোমার ওপর এবং তোমার রাসুলের ওপর ঈমান এনে থাকি এবং আমার স্বামী ছাড়া অন্য সবার থেকে আমার লজ্জাস্থানকে হেফাযত করে থাকি, তবে তুমি এই কাফেরকে আমার ওপর বিজয়ী করো না। বর্ণনাকারী বলেন: তখন রাজার দম বন্ধ হয়ে এল এমনকি সে তার পা দিয়ে মাটিতে আঘাত করতে লাগল। আবদুর রহমান বলেন: আবু সালামাহ বর্ণনা করেছেন যে আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন: সারাহ বলেছিলেন: ‘হে আল্লাহ, সে যদি মারা যায় তবে বলা হবে যে, সেই তাকে হত্যা করেছে।’ বর্ণনাকারী বলেন: তখন দ্বিতীয়বার অথবা ⦗পৃষ্ঠা: ৭৮⦘ তৃতীয়বার তাকে ছেড়ে দেওয়া হলো। তখন রাজা বলল: ‘আল্লাহর কসম, তোমরা আমার কাছে শয়তান ছাড়া আর কিছুই পাঠাওনি। একে ইবরাহিমের কাছে ফিরিয়ে দাও এবং তাকে হাজেরকে প্রদান করো।’ সারাহ ইবরাহিমের কাছে ফিরে এলেন এবং বললেন: ‘আপনি কি অবগত হয়েছেন যে আল্লাহ কাফেরের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন এবং একজন দাসীকে সেবায় নিয়োজিত করেছেন?’।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٧٨)
26 - عَنْ مَطَرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، ⦗ص: 79⦘ قَالَ: إِنَّ رَجُلًا كَانَ عَلَى بَعِيرٍ وَهُوَ بِمِنًى فَأَقْعَصَهُ ، فَمَاتَ وَهُوَ مُحْرِمٌ ، فَأُتِيَ بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَفَّنْتُمُوهُ فَلَا تُغَطُّوا وَجْهَهُ حَتَّى يُبْعَثَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مُلَبِّيًا 27 -» . عَنْ مَطَرٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ بِمِثْلِ ذَلِكَ ⦗ص: 80⦘ 28 -. عَنْ مَطَرٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي وَحْشِيَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، بِمِثْلِ ذَلِكَ
26 - মাতার থেকে, কাতাদাহ থেকে, সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, ⦗পৃষ্ঠা: ৭৯⦘ তিনি বলেন: এক ব্যক্তি মিনায় উটের পিঠে থাকাকালীন উট তাকে নিচে ফেলে দিল, ফলে ইহরাম অবস্থায় সে মারা গেল। তাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আনা হলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «যখন তোমরা তাকে কাফন পরাবে, তখন তার মুখমণ্ডল ঢেকে দিও না; যাতে সে কিয়ামতের দিন তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় পুনরুত্থিত হয়। 27 -»। মাতার থেকে, আমর ইবনে দীনার থেকে, সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে অনুরূপ বর্ণিত। ⦗পৃষ্ঠা: ৮০⦘ 28 -। মাতার থেকে, জাফর ইবনে আবি ওয়াহশিয়া থেকে, সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে অনুরূপ বর্ণিত।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٨٠)
29 - عَنْ مَطَرٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: إِنَّ أُخْتَ ⦗ص: 81⦘ عُقْبَةَ نَذَرَتْ أَنْ تَحُجَّ مَاشِيَةً ، وَإِنَّ عُقْبَةَ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ ، فَقَالَ: إِنَّ أُخْتِي نَذَرَتْ أَنْ تَحُجَّ مَاشِيَةً ، وَإِنَّهَا لَا تُطِيقُ ذَلِكَ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ اللَّهَ لَغَنِيٌّ عَنْ مَشْيِ أُخْتِكَ ، فَلْتَرْكَبْ وَلْتُهْدِ بَدَنَةً "
২৯ - মাতার থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই ⦗পৃষ্ঠা: ৮১⦘ উকবার বোন পায়ে হেঁটে হজ করার মানত করেছিলেন। উকবা এই বিষয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন: আমার বোন পায়ে হেঁটে হজ করার মানত করেছেন, অথচ তিনি তা সহ্য করার ক্ষমতা রাখেন না? তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমার বোনের পায়ে হেঁটে চলার মুখাপেক্ষী নন; সুতরাং সে যেন সওয়ার হয় এবং একটি উট হাদয় (কুরবানি) হিসেবে প্রদান করে।”
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু ইবনে তাহমান
(পৃষ্ঠা: ٨١)
30 - عَنْ مَطَرٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ مِقْسَمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الَّذِي يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ: «لِيَتَصَدَّقَ بِدِينَارٍ أَوْ نِصْفِ دِينَارٍ»
৩০ - মতর থেকে, আল-হাকাম ইবনে উতাইবাহ থেকে, মিকসাম থেকে এবং ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে ঋতুবতী অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করে: «সে যেন এক দীনার অথবা অর্ধেক দীনার সদকা করে»