القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: معجم البلدان
المؤلف: شهاب الدين أبو عبد الله ياقوت بن عبد الله الرومي الحموي (ت 626هـ)
الناشر: دار صادر، بيروت
الطبعة: الثانية، 1995 م
عدد الأجزاء: 7
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বিভাগ: দেশসমূহ এবং ভ্রমণকাহিনী
গ্রন্থ: মু'জামুল বুলদান
লেখক: শিহাবুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ ইয়াকুত ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রুমী আল-হামাউয়ী (মৃত্যু ৬২৬ হিজরি)
প্রকাশক: দার সাদির, বৈরুত
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৭
[গ্রন্থের নাম্বারিং মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
এবং এক ফুটের দশমাংশের এক ষষ্ঠাংশ। এর শেষ সীমা সেখানে, যেখানে মধ্যাহ্নে বিষুবীয় ছায়া হয় সাড়ে চার ফুট এবং এক ফুটের দশমাংশের এক তৃতীয়াংশ। এর মধ্যভাগে দিনের দৈর্ঘ্য চৌদ্দ ঘণ্টায় পৌঁছায়। এটি পূর্ব দিক থেকে শুরু হয় এবং চীনের উত্তরাঞ্চল, অতঃপর ভারত, সিন্ধু, কাবুল, কিরমান, সিজিস্তান, পারস্য, আহওয়াজ, দুই ইরাক, সিরিয়া (শাম), মিসর ও আলেকজান্দ্রিয়ার ওপর দিয়ে অতিক্রম করে। এতে চীন দেশের পরবর্তী শহরগুলোর মধ্যে এর মধ্যভাগে সিরিয়ার পার্শ্ববর্তী মাদইয়ান এবং ইরাকের পার্শ্ববর্তী আকসাহ্ অবস্থিত। সালাবিয়াহ এবং এর সমান্তরালে পূর্ব ও পশ্চিমে যা কিছু আছে, তা এর দক্ষিণ প্রান্তের শেষ সীমায় পড়েছে। আর মদিনাতুস সালাম (বাগদাদ), পারস্য, কান্দাহার, ভারত এবং সিন্ধু অঞ্চলের মুলতান, নিহায়াহ্, কারুর, আফগান পর্বতমালা, শামদেশের সুর, তাবারিয়া ও বৈরুত এর উত্তর প্রান্তের নিম্ন সীমায় অবস্থিত। একইভাবে দুই অঞ্চলের মধ্যবর্তী পূর্ব ও পশ্চিমে এর সমান্তরালে যা কিছু আছে তাও এর অন্তর্ভুক্ত। এই অঞ্চলে অবস্থিত সুপরিচিত শহরগুলো হলো: গজনি, কাবুল, রুখ্খাজ, জাবুলিস্তান পর্বতমালা, সিজিস্তান, ইসফাহান, বুস্ত, যারাঞ্জ ও কিরমান। পারস্যের শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে: ইস্তাখর, জুর, ফাসা, সাবুর, শিরাজ, সিরাফ, জান্নাবাহ, সিনিজ, মাহরুবান এবং আহওয়াজের সকল জেলা। ইরাকের শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে: বসরা, ওয়াসিত, কুফা, বাগদাদ, আনবার, হীত ও জাজিরা। শামদেশের শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে: কিছু বর্ণনা অনুযায়ী হিমস, দামেস্ক, সুর, আক্কা, তাবারিয়া, কায়সারিয়া, আরসুফ, রামাল্লাহ, বাইতুল মুকাদ্দাস, আসকালান, গাজা, মাদইয়ান ও কুলজুম। মিসরীয় ভূমির মধ্যে রয়েছে: ফারামা, তিন্নীস, দিময়াত, ফুস্তাত, আলেকজান্দ্রিয়া ও ফাইয়ুম। মাগরিবের (উত্তর আফ্রিকা) মধ্যে রয়েছে: বারকাহ, ইফ্রিকিয়া, কাইরাওয়ান, পশ্চিমাঞ্চলের বারবার গোত্রসমূহ, তাহেরাত, সুস ও তানজাহ শহর এবং এটি মহাসাগর পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়েছে। এই অঞ্চলের শুরুতে দীর্ঘতম দিন হয় সাড়ে তেরো ঘণ্টা ও পনেরো মিনিট, এর মধ্যভাগে চৌদ্দ ঘণ্টা এবং এর শেষ প্রান্তে সোয়া চৌদ্দ ঘণ্টা। পূর্ব থেকে পশ্চিমে এর দৈর্ঘ্য আট লক্ষ সাতশত চুয়াত্তর মাইল ও তেইশ মিনিট। এর প্রস্থ তিনশত আটচল্লিশ মাইল ও পঁয়তাল্লিশ মিনিট। এর মোট ক্ষেত্রফল ত্রিশ কোটি ছয় হাজার চারশত আটান্ন মাইল ও ঊনত্রিশ মিনিট। পারসিকদের মতে এটি মঙ্গলের সাথে সংশ্লিষ্ট, আর রোমানদের মতে এটি বুধের সাথে সংশ্লিষ্ট; ফারসি ভাষায় এর নাম ‘বাহরাম’। রাশিচক্রের মধ্যে এর সাথে সংশ্লিষ্ট রাশি হলো:
মেষ ও বৃশ্চিক এবং এর সমান্তরালে যা কিছু আছে তা এর অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহই সঠিক পথের তাওফিকদাতা। চতুর্থ অঞ্চল:এটি সেখানে অবস্থিত যেখানে মার্চ মাসে দিবা-রাত্রি সমান হওয়ার সময় মধ্যাহ্নের ছায়া হয় চার ফুট এবং এক ফুটের পাঁচ ভাগের তিন ভাগ ও এক পঞ্চমাংশের এক তৃতীয়াংশ। এর শেষ সীমা সেখানে যেখানে বিষুবকালে মধ্যাহ্নের ছায়া হয় পাঁচ ফুট এবং এক ফুটের পাঁচ ভাগের তিন ভাগ ও এক পঞ্চমাংশের এক তৃতীয়াংশ। এটি চীন, তিব্বত ও খোতান ভূমি এবং এর মধ্যবর্তী শহরসমূহ থেকে শুরু হয়। অতঃপর এটি কাশ্মীর পর্বতমালা, বালুর, বুর্জান, বাদাখশান, কাবুল, ঘুর, হেরাত, বলখ, তুখারিস্তান, মার্ভ, কুহিস্তান, নিশাপুর, কুমিস, জুরজান, তাবারিয়া, রায়, কোম, কাশান, হামাদান, আজারবাইজান, মসুল, হাররান, আজাজ, সীমান্ত এলাকা, সাইপ্রাস দ্বীপ, রোডস ও সিসিলির ওপর দিয়ে অতিক্রম করে আন্দালুস ও মাগরিবের মধ্যবর্তী প্রণালীর নিকটবর্তী মহাসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই অঞ্চলের ইরাক সংলগ্ন নিম্ন প্রান্তটি বাগদাদ ও এর সমান্তরালে পূর্ব ও পশ্চিমে অবস্থিত স্থানগুলোর কাছাকাছি পড়েছে। আর এর উত্তর সংলগ্ন নিম্ন প্রান্তটি কালিকালা এবং তাবারিয়া উপকূল থেকে আরদাবিল ও জুরজান এবং এই সমান্তরালে অবস্থিত স্থানগুলোর কাছাকাছি পড়েছে,