القسم: علوم الحديث
الكتاب: شرح اختصار علوم الحديث
مؤلف الأصل: الإمام ابن كثير (ت 774هـ)
الشارح: عبد الكريم بن عبد الله بن عبد الرحمن بن حمد الخضير
دروس مفرغة من موقع الشيخ الخضير
[الكتاب مرقم آليا، رقم الجزء هو رقم الدرس - 19 درسا]
تاريخ النشر بالشاملة: 7 محرم 1432
বিভাগ: হাদীস বিজ্ঞান
বই: শরহু ইখতিসার উলূমিল হাদীস
মূল লেখক: ইমাম ইবনে কাসীর (মৃ. ৭৭৪ হি.)
ব্যাখ্যাকার: আবদুল কারীম বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন হামাদ আল-খুদাইর
শাইখ আল-খুদাইরের ওয়েবসাইট থেকে অনুলিখিত পাঠসমূহ
[বইটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত করা হয়েছে, খণ্ড নম্বর হলো পাঠের নম্বর - ১৯টি পাঠ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৭ মহররম ১৪৩২
এর মূল দ্বারা আল্লামা ইরাকির আলফিয়্যাহকে বোঝানো হয়েছে যেমনটি সুপরিচিত। উলুমে হাদিস বা হাদিস শাস্ত্রের লিখনী ও বিন্যাস বর্তমান সময় পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। ইলমের সাথে সম্পৃক্ত অনেক ব্যক্তিই গ্রন্থ রচনা করেছেন; যেমন জামালুদ্দিন আল-কাসেমীর এই বিষয়ে 'কাওয়ায়েদুত তাহদিস' নামক একটি উত্তম গ্রন্থ রয়েছে। শেখ তাহের আল-জাজাইরিরও একটি মূল্যবান গ্রন্থ রয়েছে যাতে তিনি এই শাস্ত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক গ্রন্থের সারসংক্ষেপ করেছেন, যার নাম 'তাওজিহুন নাজার'। এই শাস্ত্রের ক্ষেত্রে যারা গ্রন্থ রচনা করেছেন, সেই পূর্ববর্তীদের (মুতাকাদ্দিমীন) পদাঙ্ক অনুসরণ করে লেখালেখি এখনো চলমান রয়েছে। এরপর পরবর্তীকালীন আলিমদের (মুتاআখখিরীন) মূলনীতিগুলো বর্জন করে পূর্ববর্তীদের মানহাজ বা কর্মপন্থা থেকে উপকৃত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বাহ্যিকভাবে এটি একটি উত্তম আহ্বান মনে হলেও, এতে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো যে, এই আহ্বানটি সাধারণ শিক্ষার্থী তথা প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের নিকটও পেশ করা হয়। অথচ এই স্তরের শিক্ষার্থীরা এ ধরণের কথা অনুধাবন করার সক্ষমতা রাখে না, যা প্রকৃতপক্ষে তাদেরকে লক্ষ্যচ্যুত করার নামান্তর। হ্যাঁ, যে ব্যক্তি যোগ্য হয়ে উঠেছেন, তাকে অবশ্যই পূর্ববর্তীদের পথ অনুসরণ করতে হবে। কিন্তু একজন ইলম অন্বেষী শিক্ষার্থী কখন যোগ্য হয়ে উঠবে যাতে সে পরবর্তীদের মূলনীতিগুলো ত্যাগ করে তাদের অনুসৃত পথে চলতে পারে? কেননা পরবর্তীদের মূলনীতিগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য (আগলাবিয়্যাহ); এটা সত্য যে এগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে সঠিক এবং এমন কিছু উদাহরণও আছে যা এই নিয়মের বহির্ভূত, তবে এগুলো ইলমকে সুশৃঙ্খল ও সীমাবদ্ধ রাখে যতক্ষণ না শিক্ষার্থী পূর্ববর্তীদের অনুকরণের যোগ্যতা অর্জন করে। এর দৃষ্টান্ত হলো, যদি ছোট শিক্ষার্থীদের বলা হয়: ফিকহী মাসআলাগুলোতে ইজতিহাদ করো, সরাসরি কিতাব ও সুন্নাহ থেকে বিধান গ্রহণ করো, তাকলিদ বর্জন করো; তোমরাও তো ব্যক্তিত্ব আর আহমদ বিন হাম্বল, আবু হানিফা, মালিক ও শাফেয়ীও মানুষ ছিলেন; তোমরা কিতাব ও সুন্নাহ আঁকড়ে ধরো। হ্যাঁ, মূল ভিত্তি হলো কিতাব ও সুন্নাহ, ঠিক যেমন আমাদের এই শাস্ত্রের ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি হলো এই বিষয়ে বিজ্ঞ পূর্ববর্তী আলিমগণের বক্তব্য। কিতাব ও সুন্নাহ মূল ভিত্তি হওয়া সত্য, কিন্তু যে তালিবে ইলম ইজতিহাদের চেষ্টা করছে সে মূলত একজন সাধারণ ব্যক্তির (আমী) হুকুমে শামিল, আর সাধারণ ব্যক্তির কর্তব্য হলো তাকলিদ করা। 'তোমরা জ্ঞানীদের জিজ্ঞাসা করো'। সুতরাং শিক্ষার্থী যখন কিতাব ও সুন্নাহর দিকে দৃষ্টি দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে এবং কিতাব ও সুন্নাহ থেকে সরাসরি মাসআলা উদ্ভাবনে (ইস্তিনবাত) যা তাকে সহায়তা করবে তা আয়ত্ত করতে পারবে, তখন তার জন্য আর কারো তাকলিদ করার অবকাশ থাকবে না। কিন্তু এটি কখন হবে? যখন সে যোগ্য হবে। আমাদের সামনে বিদ্যমান উলুমে হাদিসের আলোচনাটিও ঠিক সেরকমই। যদি সে যোগ্য হয় এবং পারিপার্শ্বিক প্রমাণের (কারাইন) মাধ্যমে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে, তবে সে পরবর্তীদের মূলনীতি বর্জন করে পূর্ববর্তীদের অনুকরণ করতে পারে। কিন্তু এই যোগ্যতা অর্জন করা কবে সম্ভব? তা অত্যন্ত দুষ্কর কাজ।
এই ভূমিকায় আমি যা বলতে পারি এটিই তার সারসংক্ষেপ। উল্লেখ করা বাকি আছে যে, এই বইটি বহুবার মুদ্রিত হয়েছে। এর প্রথম সংস্করণ মক্কার আল-মাজিদিয়া প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। এর মুদ্রক আব্দুর রাজ্জাক হামজা বইটির নামকরণ করেছিলেন (হাফেজ ইবনে কাসীরের ইখতিসার উলুমিল হাদিসের ব্যাখ্যায় আল-বাইসুল হাসিস)। এই নামকরণ হাফেজ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) থেকে আসেনি; বরং তাঁর বইটির নাম ছিল: (ইখতিসার উলুমিল হাদিস)। কিন্তু শায়খ এই নামে নামকরণ করেছিলেন কারণ আলেমদের মধ্যে বইয়ের শিরোনামে অন্ত্যমিল (সাজ') ব্যবহারের যে প্রচলন ছিল তার কারণে। অন্যথায় বইটির প্রকৃত নাম হলো (ইখতিসার উলুমিল হাদিস)। শায়খ আহমাদ শাকির বইটির প্রতি যত্নশীল ছিলেন এবং শায়খ আব্দুর রাজ্জাক হামজার সংস্করণটি পর্যালোচনা করেছিলেন। বইটি মুদ্রণের পর এটি অত্যন্ত পরিচিতি ও প্রসার লাভ করে এবং জ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীদের কাছে (আল-বাইসুল হাসিস) নামেই পরিচিত হয়ে ওঠে। তাই শায়খ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) এই আধুনিক নামকরণ এবং লেখকের দেওয়া নামকরণের মধ্যে সমন্বয় করতে চেয়েছিলেন। তাই তিনি বইটির দিকে মনোযোগ দেন, এর ওপর টীকা লেখেন এবং তাঁর টীকাগ্রন্থের নামকরণ করেন (আল-বাইসুল হাসিস শারহু ইখতিসার উলুমিল হাদিস)। এভাবে তিনি লেখকের দেওয়া নামটিও বহাল রাখলেন এবং শায়খ আব্দুর রাজ্জাক হামজার দেওয়া নাম থেকেও উপকৃত হলেন; কারণ ভুল যখন ছড়িয়ে পড়ে, তখন তা পরিবর্তন করা কঠিন হয়ে যায়। তাই যদি সেটিকে সঠিক পথে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়, তবে সেটিই কাম্য। শায়খ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) তাঁর প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়ে এই কাজটি করেছিলেন এবং তাঁর টীকাগ্রন্থের নাম দিয়েছিলেন হাফেজ ইবনে কাসীরের (আল-বাইসুল হাসিস শারহু ইখতিসার উলুমিল হাদিস)। তবে প্রশ্ন থেকে যায় যে, কেউ কেউ এর দ্বারা বুঝতে পারে যে (আল-বাইসুল হাসিস) ইবনে কাসীরের লেখা; কারণ এখানে মুদাফ এবং মুদাফ ইলাইহি (সম্বন্ধ পদ) রয়েছে: 'ইবনে কাসীরের ইখতিসার উলুমিল হাদিসের ব্যাখ্যা'। এখানে ইবনে কাসীরের সাথে সম্বন্ধটি কার? মুদাফের (ব্যাখ্যা) নাকি মুদাফ ইলাইহির (ইখতিসার)? এটি মুদাফ ইলাইহির সাথে সম্পর্কিত। এবং এর জন্য এমন কোনো সংকেত থাকা প্রয়োজন যা এর ওপর প্রমাণ পেশ করবে, অন্যথায় এটি প্রসঙ্গ থেকে অনুধাবন করা যায় না। কারণ গুণবাচক শব্দটি যখন দুটি সম্বন্ধযুক্ত পদের পরে আসে, তখন এমন একটি সংকেত প্রয়োজন যা নির্দেশ করবে যে গুণটি কি মুদাফের নাকি মুদাফ ইলাইহির? যেমন: "এবং আপনার রবের সত্তা অবিনশ্বর, যিনি মহিমাময়" [(২৭) সূরা আর-রহমান] এবং "আপনার রবের নাম বরকতময়, যিনি মহিমাময়" [(৭৮) সূরা আর-রহমান]। যখন ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ (ই’রাব) অক্ষরের মাধ্যমে হয় তখন বিষয়টি সহজ হয়, কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় যখন ই’রাব স্বরচিহ্নের (হারাকাত) মাধ্যমে হয়। এই সমস্যা আরও বাড়ে যখন মুদাফ পদটি মুদাফ ইলাইহির মতোই মাজরুর (জের যুক্ত) হয়, যেমন: (আমি জায়েদের সচ্চরিত্র গোলামের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম)। এখানে বিষয়টি জটিল, বিশেষণটি কার জন্য? জায়েদের জন্য নাকি তার গোলামের জন্য? এটি বুঝার জন্য একটি সংকেত প্রয়োজন। এটি একটি প্রাসঙ্গিক আলোচনা হলেও একটি সতর্কতা; কারণ এটি অনেক শিক্ষার্থীর কাছে অস্পষ্ট থেকে যায় এবং তারা মনে করে যে 'আল-বাইসুল হাসিস' গ্রন্থটি হাফেজ ইবনে কাসীরের।
প্রথমত: হাফিয ইবনু হাজার যেভাবে নির্ধারণ করেছেন, সে অনুযায়ী আবু যার আল-হারাবীর বর্ণনাটি সহীহুল বুখারীর সর্বাধিক নির্ভুল ও সর্বোত্তম বর্ণনা; এটি ফাতহুল বারীর জন্য নয়। আবু যারের বর্ণনাটি সহীহ বুখারীর অন্যতম একটি বর্ণনা। আর সহীহ বুখারীর বহু বর্ণনা রয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো আবু যারের বর্ণনা। হাফিয এটিকেই নির্ভরযোগ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং ফাতহুল বারীতে এর ব্যাখ্যা করেছেন। মূল বিষয় হলো, ফাতহুল বারীতে মূল পাঠ (মাতন) নেই; এটাই মূল নিয়ম। কারণ হাফিয উদ্দেশ্যমূলকভাবেই মূল পাঠ বাদ দিয়েছিলেন যাতে কিতাবটি দীর্ঘ না হয়। যারা কিতাবটি মুদ্রণ করেছেন—অর্থাৎ ফাতহুল বারী—এর বুলাক্বের প্রথম সংস্করণে তারা ব্যাখ্যার ভেতরে মূল পাঠ অন্তর্ভুক্ত করেননি, বরং তা পার্শ্বটীকায় রেখেছিলেন। এরপর ভারতীয় সংস্করণটি আসে এবং এতে মূল পাঠ উপরে স্থান পায়, যা একটি রেখার মাধ্যমে ব্যাখ্যা থেকে পৃথক ছিল। এরপর এটি খাইরিয়্যাহ প্রেসে মুদ্রিত হয় এবং সেখানে মূল পাঠ পার্শ্বটীকায় রাখা হয়। পরবর্তীতে এটি বাহিয়্যাহ-তেও মুদ্রিত হয়, এরপর হালাবী এটি মুদ্রণ করেন। অতঃপর প্রথম সালাফিয়্যাহ সংস্করণটি প্রকাশিত হয়, যা আমাদের শাইখ আল্লামাহ শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ)-এর তত্ত্বাবধানে ছিল। তবে মুদ্রক নিজ পক্ষ থেকে হস্তক্ষেপ করে এতে মূল পাঠ সংযোজন করেন। হাফিযের উদ্দেশ্য ছিল মূল পাঠ উল্লেখ না করা যাতে কিতাবটি দীর্ঘ না হয়। যে মুদ্রক এটি সংযোজন করেছেন, তিনি যদি ব্যাখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পাণ্ডুলিপিটি খুঁজতেন, ব্যাখ্যার সাথে মিল রয়েছে এমন বর্ণনাটি তালাশ করতেন (তবে ভালো হতো); কারণ হাফিয আবু যারের বর্ণনার ওপর নির্ভর করেছেন এবং প্রয়োজনের সময় ওই বর্ণনাটি ছাড়া অন্যান্য বর্ণনার দিকেও ইঙ্গিত করেছেন। একারণেই আমরা দেখি যে হাফিয অনেকগুলো বর্ণনার দিকে ইঙ্গিত করেন না, যা কাসতালানীর বিপরীত; কারণ কাসতালানী প্রতিটি শব্দের ক্ষেত্রে আগত সকল বর্ণনার প্রতি ইঙ্গিত করেন, এমনকি সেই পার্থক্য যদি কেবল একটি বর্ণের (হরফের) ক্ষেত্রেও হয়। যদিও সেই পার্থক্যের ফলে কোনো বিশেষ ফায়দা অর্জিত না হয়, তবুও তিনি প্রতিটি বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করেন; চাই তা মূল পাঠে হোক বা সনদে হোক কিংবা বর্ণনার শব্দাবলির ক্ষেত্রে হোক বা অন্য কিছুতে। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে তিনি স্বতন্ত্র পরিচিতি লাভ করেছেন। কারণ একজন মানুষ ধারণা করতে পারে যে, এই বর্ণনাটি ঐ বর্ণনা থেকে ভিন্ন নয় এবং এই পার্থক্যের কোনো ফায়দা নেই; কিন্তু বাস্তবে এর গুরুত্ব রয়েছে এবং পরবর্তীতে এমন কেউ আসেন যার কাছে কিছু উপকারিতা স্পষ্ট হয়। মূল কথা হলো, হাফিয কিতাবটি দীর্ঘ হওয়ার ভয়ে এতে মূল পাঠ অন্তর্ভুক্ত করতে চাননি। কিন্তু মুদ্রক নিজ থেকে এতে মূল পাঠ ঢুকিয়ে দিয়েছেন। তবে তিনি যে মূল পাঠটি যুক্ত করেছেন তা মিশ্রিত, কোনো একটি একক বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে নয়। একারণেই আপনারা ব্যাখ্যা (শারহ) এবং মূল পাঠের (মাশরুহ) মধ্যে বড় ধরনের অমিল দেখতে পান। আপনারা মূল পাঠে এমন কিছু শব্দ পান যার ব্যাখ্যার প্রয়োজন থাকলেও হাফিয তা আলোচনা করেননি; আবার ব্যাখ্যার মধ্যে 'তার কথা এই' বলে এমন শব্দের ব্যাখ্যা করতে দেখেন যা মূল পাঠে বিদ্যমান নেই।
القسم: علوم الحديث
الكتاب: شرح اختصار علوم الحديث
مؤلف الأصل: الإمام ابن كثير (ت 774هـ)
الشارح: عبد الكريم بن عبد الله بن عبد الرحمن بن حمد الخضير
دروس مفرغة من موقع الشيخ الخضير
[الكتاب مرقم آليا، رقم الجزء هو رقم الدرس - 19 درسا]
تاريخ النشر بالشاملة: 7 محرم 1432
বিভাগ: হাদীস শাস্ত্র
গ্রন্থ: শারহু ইখতিসার উলূমুল হাদীস
মূল লেখক: ইমাম ইবনে কাসীর (মৃত্যু ৭৭৪ হিজরী)
ব্যাখ্যাকার: আব্দুল কারীম বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন হামাদ আল-খুদাইর
শাইখ আল-খুদাইরের ওয়েবসাইট থেকে অনুলিখিত পাঠসমূহ
[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত করা হয়েছে, খণ্ড নম্বর হলো পাঠ নম্বর - ১৯টি পাঠ]
শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৭ মুহররম ১৪৩২ হিজরী