(খণ্ড: ১)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: -)
دراسة حول قول أبي زرعة في سنن ابن ماجه القسم: علوم الحديث
الكتاب: دراسة حول قول أبي زرعة في سنن ابن ماجه
المؤلف: سعدي بن مهدي الهاشمي
الناشر: مجلة الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، ورقم الجزء هو رقم العدد من المجلة]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
সুনান ইবনে মাজাহ-তে আবু যুরআর উক্তি সম্পর্কে একটি গবেষণা বিভাগ: উলূমুল হাদীস (হাদীস শাস্ত্র)
বই: সুনান ইবনে মাজাহ-তে আবু যুরআর উক্তি সম্পর্কে একটি গবেষণা
লেখক: সাদী বিন মাহদী আল-হাশেমী
প্রকাশক: মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকী
[বইটির পৃষ্ঠাসংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ রাখা হয়েছে, এবং খণ্ড সংখ্যাটি সাময়িকীর সংখ্যা অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
دراسة حول قول أبي زرعة في سنن
ابن ماجهللدكتور سعدي الهاشمي
أستاذ مساعد بكلية الحديث بالجامعة
ابن ماجه:
هو الإمام أبو عبد الله محمد بن يزيد بن ماجه الربعي القزويني الحافظ، ولد سنة 209هـ.
وصفه أبو يعلى الخليلي بقوله: ابن ماجه ثقة كبير متفق عليه، محتج به، له معرفة وحفظ، وله مصنفات في السنن والتفسير والتاريخ، وكان عارفا بهذا الشأن، ارتحل إلى العراقيين - البصرة والكوفة – ومكة والشام ومصر1.
وقال عنه الحافظ ابن كثير: صاحب كتاب السنن المشهورة وهي دالة على عمله وعلمه، وتبحره واطلاعه، واتباعه للسنة في الأصول والفروع2، وكانت وفاته لثمان بقين من رمضان سنة 273? 3.
সুনান
ইবনে মাজাহ-এ আবু যুরআহর উক্তি সম্পর্কে একটি গবেষণা
ডক্টর সা’দী আল-হাশিমী
বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদিস অনুষদের সহকারী অধ্যাপক
ইবনে মাজাহ:
তিনি হলেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ বিন মাজাহ আল-রাবয়ী আল-কাজভিনী আল-হাফিজ, ২০৯ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন।
আবু ইয়ালা আল-খালিলি তাঁকে বর্ণনা করে বলেছেন: ইবনে মাজাহ একজন সুমহান নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব যার ব্যাপারে সকলে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, তাঁর বর্ণনা দলীলযোগ্য, তাঁর প্রজ্ঞা ও মুখস্থ শক্তি ছিল, সুনান, তাফসির এবং ইতিহাসে তাঁর গ্রন্থাবলী রয়েছে। তিনি এই বিষয়ে অভিজ্ঞ ছিলেন, তিনি ইরাকদ্বয় (বসরা ও কুফা), মক্কা, শাম এবং মিসরে সফর করেছিলেন১।
হাফিজ ইবনে কাসির তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি বিখ্যাত সুনান গ্রন্থের রচয়িতা এবং এটি তাঁর কর্ম ও জ্ঞান, গভীর পাণ্ডিত্য ও অবগতি এবং মূলনীতি ও শাখাগত বিষয়ে সুন্নাহর অনুসরণের প্রমাণ বহন করে২, তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ২৭৩ হিজরির রমজান মাসের আট দিন বাকি থাকতে৩।
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
منزلة سنن ابن ماجه بين كتب الستة…منزلة سنن ابن ماجه بين الكتب الستة:
قال الحافظ السلفي: اتفق على صحتها - أي الكتب الخمسة4 - علماء الشرق والغرب، ولم يضموا إليها سنن ابن ماجه لتأخر مرتيتها عنها، وأول من جعلها سادس الكتب الستة الحافظ أبو الفضل محمد بن طاهر بن علي بن أحمد القيسراني المقدسي المتوفى سنة 507? في كتابه (أطراف الكتب الستة) ، ورسالته (شروط الأئمة الستة) 5.
--------------------------------------------
কুতুবুস সিত্তাহর মধ্যে সুনান ইবনে মাজাহর মর্যাদা...কুতুবুস সিত্তাহর মধ্যে সুনান ইবনে মাজাহর মর্যাদা:
হাফিজ সালাফি বলেছেন: পূর্ব ও পশ্চিমের আলেমগণ এই পাঁচটি কিতাবের৪ বিশুদ্ধতার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, এবং তারা সুনান ইবনে মাজাহকে এগুলোর সাথে যুক্ত করেননি কারণ সেগুলোর তুলনায় এর মর্যাদা পরবর্তী স্তরের। আর যিনি একে সর্বপ্রথম কুতুবুস সিত্তাহর ষষ্ঠ কিতাব হিসেবে গণ্য করেছেন তিনি হলেন হাফিজ আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন তাহির বিন আলী বিন আহমদ আল-কায়সারানী আল-মাকদিসী (মৃত্যু ৫০৭ হিজরি), তার ‘আতরাফুল কুতুবুস সিত্তাহ’ গ্রন্থে এবং তার পুস্তিকা ‘শুরুতুল আইম্মতিস সিত্তাহ’৫-এ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
ثم تابعه الحافظ عبد الغني بن عبد الواحد المقدسي المتوفى سنة 600? في كتابه (الكمال في أسماء الرجال) ، ثم تابعهما أصحاب كتب الأطراف وأسماء الرجال، والمتأخرون في تصانيفهم، وإنما قدم هؤلاء سنن ابن ماجة على الموطأ لكثرة زوائده على الكتب الخمسة بخلاف الموطأ؛ فإن أحاديثه - إلا القليل منها - موجودة في الكتب الخمسة مندمجة فيها، فهذا هو السبب في عدهم السادس سنن ابن ماجة دون الموطأ1
وقد عدّ بعض الحفاظ موطأ مالك في درجة الصحيحين، بل منهم من قدمه على الصحيحين، كالإمام ابن عبد البر المتوفى سنة 463?، والإمام أبو بكر بن العربي المتوفى سنة 543?.
وقال ابن حجر: لم يرو - أي الإمام مالك - فيه إلا الصحيح عنده2.
ومن الذين قدموا الموطأ على سنن ابن ماجة أبو الحسن أحمد بن رزين السرقسطي المتوفى سنة 535? في كتابه (التجريد في الجمع بين الصحاح) ، وتابعه على ذلك أبو السعادات مبارك بن محمد المشهور بابن الأثير الجزري المتوفى سنة 606? وكذا غيره3.
ومن الحفاظ من عد سادس الكتب كتاب الدارمي.
قال طاهر الجزائري: ولما كان ابن ماجة قد أخرج أحاديث عن رجال متهمين بالكذب وسرقة الأحاديث، قال بعضهم: ينبغي أن يجعل السادس كتاب الدارمي؛ فإنه قليل الرجال الضعفاء، نادر الأحاديث المنكرة والشاذة، وإن كانت فيه أحاديث مرسلة وموقوفة؛ فهو مع ذلك أولى منه4.
وقال الذهبي: سنن أبي عبد الله كتاب حسن لولا ما كدره أحاديث واهية ليست بالكثيرة5.
وقال الحافظ ابن رجب عند كلامه عن طبقات الرواة عن الزهري في الطبقة الخامسة: قوم من المتروكين والمجهولين كالحكم الأيلي، وعبد القدوس بن حبيب، ومحمد بن سعيد المصلوب، وبحر السقاء ونحوهم؛ فلم يخرج لهم الترمذي ولا أبو داود ولا
--------------------------------------------
এরপর হাফেজ আব্দুল গনি ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (মৃত্যু ৬০০? হি.) তাঁর (আল-কামাল ফি আসমাইর রিজাল) গ্রন্থে তাঁদের অনুসরণ করেছেন। অতঃপর আতরাফ ও আসমাউর রিজাল বিষয়ক গ্রন্থের লেখকগণ এবং পরবর্তী যুগের আলেমগণ তাঁদের সংকলনসমূহে তাঁদেরই অনুসরণ করেছেন। তারা কেবল মুওয়াত্তার ওপর সুনান ইবনে মাজাহকে প্রাধান্য দিয়েছেন কারণ পাঁচটি গ্রন্থের অতিরিক্ত হাদীসের সংখ্যা এতে অনেক বেশি, যা মুওয়াত্তার ক্ষেত্রে ভিন্ন; কারণ মুওয়াত্তার হাদীসগুলো—খুব সামান্য কিছু বাদে—পাঁচটি গ্রন্থের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আর এটাই ষষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে মুওয়াত্তার পরিবর্তে সুনান ইবনে মাজাহকে গণ্য করার কারণ।১
কোনো কোনো হাফেজ ইমাম মালিকের মুওয়াত্তাকে সহীহায়নের (বুখারী ও মুসলিম) সমপর্যায়ের গণ্য করেছেন। এমনকি তাঁদের মধ্যে এমন কেউও আছেন যিনি একে সহীহায়নের ওপরও প্রাধান্য দিয়েছেন, যেমন ইমাম ইবনে আব্দুল বার (মৃত্যু ৪৬৩? হি.) এবং ইমাম আবু বকর ইবনুল আরাবি (মৃত্যু ৫৪৩? হি.)।
ইবনে হাজার বলেন: তিনি—অর্থাৎ ইমাম মালিক—এতে কেবল তাঁর নিকট যা সহীহ তা-ই বর্ণনা করেছেন।২
যারা সুনান ইবনে মাজাহর ওপর মুওয়াত্তাকে প্রাধান্য দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে রাজীন আল-সারাগোস্তি (মৃত্যু ৫৩৫? হি.) তাঁর (আত-তাজরীদ ফিল জামই বাইনাস সিহাহ) গ্রন্থে। আর আবুস সা'আদাত মুবারক ইবনে মুহাম্মদ—যিনি ইবনুল আসীর আল-জাজারি (মৃত্যু ৬০৬? হি.) নামে পরিচিত—এবং অন্যান্যরাও এ ব্যাপারে তাঁর অনুসরণ করেছেন।৩
হাফেজদের মধ্যে কেউ কেউ ষষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে দারেমীর গ্রন্থকে গণ্য করেছেন।
তাহের আল-জাজাইরি বলেন: যেহেতু ইবনে মাজাহ মিথ্যাচার এবং হাদীস চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত বর্ণনাকারীদের থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাই কেউ কেউ বলেছেন: ষষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে দারেমীর গ্রন্থকেই নির্ধারণ করা উচিত; কারণ এতে দুর্বল বর্ণনাকারীর সংখ্যা কম, এবং মুনকার ও শায হাদীস খুবই বিরল। যদিও এতে কিছু মুরসাল এবং মাওকুফ হাদীস রয়েছে, তবুও এটি ইবনে মাজাহর তুলনায় অগ্রগণ্য।৪
যাহাবী বলেন: আবু আব্দুল্লাহর সুনান একটি উত্তম গ্রন্থ, যদি না এটি কিছু অতি দুর্বল হাদীসের কারণে কলুষিত হতো, তবে সেই হাদীসগুলো সংখ্যায় খুব বেশি নয়।৫
হাফেজ ইবনে রজব যুহরী থেকে বর্ণনাকারীদের স্তর সম্পর্কে আলোচনার সময় পঞ্চম স্তর প্রসঙ্গে বলেন: তারা হলো পরিত্যক্ত ও অজ্ঞাত বর্ণনাকারীদের একটি দল, যেমন হাকাম আল-আইলি, আব্দুল কুদ্দুস ইবনে হাবিব, মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মাসলুব, বাহর আস-সাক্কা এবং তাদের অনুরূপ ব্যক্তিগণ; তাদের থেকে তিরমিযী বা আবু দাউদ হাদীস বর্ণনা করেননি এবং...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
النسائي، ويخرج لبعضهم ابن ماجة، ومن هنا نزلت درجة كتابه عن بقية الكتب، ولم يعده من الكتب المعتبرة سوى طائفة من المتأخرين1.
وقال الحافظ ابن حجر: كتابه في السنن - أي ابن ماجة - جامع جيد، كثير الأبواب والغرائب، وفيه أحاديث ضعيفة جدا، حتى بلغني أن السري كان يقول: مهما انفرد بخبر، فيه أحاديث كثيرة منكرة، والله تعالى المستعان، ثم وجدت بخط الحافظ شمس الدين محمد بن علي الحسيني ما لفظه: سمعت شيخنا الحافظ أبا الحجاج المزي يقول: كل ما انفرد به ابن ماجة فهو ضعيف2، يعني: وكلامه هو ظاهر كلام شيخه.
لكن حمله على الرجال أولى، وأما حمله على أحاديث فلا يصح3.
আন-নাসায়ী; আর ইবনে মাজাহ তাঁদের কারো কারো বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন। এখান থেকেই তাঁর কিতাবের মান অন্যান্য কিতাবের তুলনায় নিচে নেমে গিয়েছে, এবং পরবর্তী যুগের একটি ক্ষুদ্র দল ব্যতীত অন্য কেউ একে নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহের অন্তর্ভুক্ত করেননি ১।
হাফিজ ইবনে হাজার বলেন: আস-সুনান বিষয়ে তাঁর কিতাবটি—অর্থাৎ ইবনে মাজাহর কিতাব—একটি উত্তম সংকলন, যা অনেক অধ্যায় ও বিরল বর্ণনায় সমৃদ্ধ; তবে এতে অত্যন্ত দুর্বল হাদিসও রয়েছে। এমনকি আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আস-সারী বলতেন: যখনই তিনি কোনো সংবাদ বর্ণনায় একক হয়েছেন, তাতে অনেক মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) হাদিস রয়েছে। আর আল্লাহ তাআলাই সাহায্যকারী। অতঃপর আমি হাফিজ শামসউদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-হুসাইনীর হস্তাক্ষরে নিম্নোক্ত কথাগুলো পেয়েছি: আমি আমাদের শায়খ হাফিজ আবুল হাজ্জাজ আল-মিযযীকে বলতে শুনেছি যে, ইবনে মাজাহ যা কিছু এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার সবই দুর্বল ২। অর্থাৎ, তাঁর বক্তব্য তাঁর শায়খের বক্তব্যেরই প্রকাশ্য রূপ।
তবে একে বর্ণনাকারীদের (রাবী) ওপর প্রয়োগ করাই অধিক সমীচীন; আর সরাসরি হাদিসসমূহের ওপর একে প্রয়োগ করা সঠিক নয় ৩।
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
عدد كتب سنن ابن ماجة، وأبوابه، وأحاديثه:قال الذهبي: عدد كتب سننه - أي ابن ماجة - اثنان وثلاثون كتابا4.
وقال أبو الحسن القطان صاحب ابن ماجة5: في السنن ألف وخمس مائة باب، وجملة ما فيها أربعة آلاف حديث6.
ولقد قام الأستاذ المحقق محمد فؤاد عبد الباقي رحمه الله – بإحصاء أحاديث سنن ابن ماجة بصورة علمية متقنة؛ فكان جملة أحاديثها (4341) أربعة آلاف وثلاثمائة وواحد وأربعون حديثا، من هذه الأحاديث (3002) اثنان وثلاثة آلاف حديث أخرجها أصحاب الكتب الخمسة كلهم أو بعضهم، وباقي الأحاديث وعددها (1339) ألف وثلاثمائة وتسعة وثلاثون حديثا هي الزوائد على ما جاء بالكتب الخمسة، وهذه الزوائد هي التي عرض لها
--------------------------------------------
সুনান ইবনে মাজাহ-র কিতাবসমূহ, অধ্যায়সমূহ এবং হাদিসসমূহের সংখ্যা:আয-যাহাবি বলেছেন: তার—অর্থাৎ ইবনে মাজাহ-র—সুনান গ্রন্থের কিতাবসমূহের সংখ্যা বত্রিশটি।৪
ইবনে মাজাহ-র ছাত্র আবুল হাসান আল-কাত্তান৫ বলেছেন: সুনান গ্রন্থে এক হাজার পাঁচশটি অধ্যায় রয়েছে এবং এতে বিদ্যমান মোট হাদিসের সংখ্যা চার হাজার।৬
মুহাক্কিক উস্তাদ মুহাম্মাদ ফুয়াদ আব্দুল বাকি (রহিমাহুল্লাহ) সুশৃঙ্খল বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সুনান ইবনে মাজাহ-র হাদিসসমূহ গণনা করেছেন; ফলে এর মোট হাদিস সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩৪১ (চার হাজার তিনশ একচল্লিশ) টি। এই হাদিসগুলোর মধ্যে ৩০০২ (তিন হাজার দুই) টি হাদিস অন্য পাঁচটি কিতাবের সংকলকগণ সবাই অথবা কেউ কেউ বর্ণনা করেছেন। অবশিষ্ট হাদিসসমূহ—যার সংখ্যা ১৩৩৯ (এক হাজার তিনশ উনচল্লিশ) টি—হলো ওই সব হাদিস যা অন্য পাঁচটি কিতাবে বর্ণিত হাদিসগুলোর অতিরিক্ত (যা 'যাওয়ায়িদ' নামে পরিচিত)। আর এই অতিরিক্ত হাদিসগুলোই উপস্থাপন করেছেন—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
الحافظ الشهاب البوصيري في (مصباح الزجاجة) 1، ومن هذه الزوائد (428) أربعمائة وثمانية وعشرون حديثا رجالها ثقات صحيحة الإسناد، ومنها (199) تسعة وتسعون ومائة حديث؛ حسنة الإسناد، ومنها (613) ثلاثة عشر وستمائة حديث؛ ما بين واهية الإسناد أو منكرة أو مكذوبة2.
تبين لنا من خلال إحصاء الأستاذ محمد فؤاد أن عدد كتب سنن ابن ماجة (37) سبعة وثلاثون كتابا عدا المقدمة، وعدد أبوابه (1515) بابا، وعدد أحاديثه (4341) حديثا3.
ويبدو أن الاختلاف في عدد الأحاديث نجم عن اختلاف النسخ؛ فالنسخة التي كانت عند أبي الحسن القطان تختلف من حيث عدد الأبواب والأحاديث عن النسخ التي طبعت ووقف عليها الأستاذ محمد فؤاد عبد الباقي4 ولعل أبا الحسن القطان رحمه الله لم يدخل مقدمة سنن ابن ماجة ضمن أحاديث الكتب الأخرى ابتداء من كتاب الطهارة وسننها حتى نهاية كتاب الزهد، ولو أسقطنا أحاديث المقدمة والتي مجموعها (266) حديثا يبقى الفرق بين العدد الذي ذكره فؤاد عبد الباقي وبين ما ذكره أبو الحسن القطان (75) حديثا، ولعل تعبير ابن القطان - وجملة ما فيها – يدل على أنه لم يذكرها بالضبط والدقة حديثا حديثا؛ ابتداء من المقدمة حتى نهاية كتاب لزهد.
وكذلك يقال عن الأبواب؛ فالفرق بين عدد الأبواب التي ذكرها فؤاد عبد الباقي وبين ما ذكره أبو الحسن القطان (15) خمسة عشر بابا؛ عد فؤاد عبد الباقي في المقدمة (24) أربعة وعشرين بابا.
--------------------------------------------
হাফেজ শিহাব আল-বুসিরি (মিসবাহ আল-জুজাজাহ) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, এই অতিরিক্ত হাদিসগুলোর মধ্যে ৪২৮টি (চারশত আঠাশ) হাদিসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য এবং এদের সনদ সহিহ; ১৯৯টি (একশত নিরানব্বই) হাদিসের সনদ হাসান; এবং ৬১৩টি (ছয়শত তের) হাদিস অত্যন্ত দুর্বল সনদযুক্ত, মুনকার অথবা মিথ্যা হিসেবে সাব্যস্ত।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ফুয়াদের পরিসংখ্যান থেকে আমাদের নিকট স্পষ্ট হয়েছে যে, সুনানে ইবনে মাজাহর কিতাব বা অধ্যায় সংখ্যা (ভূমিকা ব্যতীত) ৩৭টি (সাঁইত্রিশ), এর পরিচ্ছেদ সংখ্যা ১৫১৫টি (এক হাজার পাঁচশত পনের) এবং হাদিস সংখ্যা ৪৩৪১টি (চার হাজার তিনশত একচল্লিশ)।
মনে হচ্ছে হাদিস সংখ্যার এই পার্থক্য মূলত পাণ্ডুলিপির পার্থক্যের কারণে ঘটেছে। আবু আল-হাসান আল-কাত্তানের নিকট সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপিটি পরিচ্ছেদ ও হাদিস সংখ্যার দিক থেকে সেই পাণ্ডুলিপিগুলো থেকে ভিন্ন, যা অধ্যাপক মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি মুদ্রণ করেছেন এবং পর্যবেক্ষণ করেছেন। সম্ভবত আবু আল-হাসান আল-কাত্তান (রহিমাহুল্লাহ) সুনানে ইবনে মাজাহর ভূমিকা অংশের হাদিসগুলোকে পবিত্রতা অধ্যায় থেকে যুহদ অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত থাকা অন্যান্য কিতাবসমূহের হাদিসের অন্তর্ভুক্ত করেননি। যদি আমরা ভূমিকা অংশের হাদিসগুলো বাদ দেই, যার মোট সংখ্যা ২৬৬টি (দুইশত ৬৬) হাদিস, তবে ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি এবং আবু আল-হাসান আল-কাত্তানের উল্লেখ করা সংখ্যার মধ্যে ৭৫টি (পঁচাত্তর) হাদিসের ব্যবধান থাকে। সম্ভবত ইবনুল কাত্তানের অভিব্যক্তি—"এর মধ্যে মোট যা রয়েছে"—নির্দেশ করে যে তিনি ভূমিকা থেকে শুরু করে যুহদ অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত প্রতিটি হাদিস অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁতভাবে গণনা করেননি।
পরিচ্ছেদসমূহের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়; ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি এবং আবু আল-হাসান আল-কাত্তানের উল্লেখিত পরিচ্ছেদ সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য হলো ১৫টি (পনের); ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি ভূমিকা অংশে ২৪টি (চব্বিশ) পরিচ্ছেদ গণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
أما عدد الكتب ففيه اختلاف كذلك؛ فذكر الذهبي أنها (اثنان وثلاثون) كتابا، بينما عددها حسب إحصاء فؤاد عبد الباقي (سبعة وثلاثون) كتابا، ولو وقف الأستاذ فؤاد عبد الباقي على نسخة متقنة مروية بالسند الصحيح عن الإمام ابن ماجة لكان عمله أكمل في خدمة هذا المصدر السادس للسنة النبوية، ويزيل هذا الاختلاف الواقع في عدد الكتب وكذا الأبواب والأحاديث.
আর গ্রন্থের সংখ্যার ক্ষেত্রেও একইভাবে মতভেদ রয়েছে; ইমাম যাহাবী উল্লেখ করেছেন যে তা (বত্রিশ) টি গ্রন্থ, পক্ষান্তরে ফুয়াদ আব্দুল বাকীর গণনা অনুযায়ী তার সংখ্যা (সাইত্রিশ) টি গ্রন্থ। যদি অধ্যাপক ফুয়াদ আব্দুল বাকী ইমাম ইবনে মাজাহ থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত কোনো সুসংহত পাণ্ডুলিপি লাভ করতেন, তবে সুন্নাহে নববীর এই ষষ্ঠ উৎসের সেবায় তাঁর কর্মটি আরও পূর্ণাঙ্গ হতো এবং গ্রন্থ সংখ্যা, সেইসাথে অধ্যায় ও হাদিসের সংখ্যার ক্ষেত্রে বিদ্যমান এই মতভেদ দূর হতো।
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قول أبي زرعة في سنن ابن ماجة:قال ابن ماجة: عرضت هذه السنن على أبي زرعة؛ فنظر فيها وقال: أظن إن وقع هذا في أيدي الناس تعطلت هذه الجوامع أو أكثرها، ثم قال: (لعل لا يكون فيه تمام ثلاثين حديثا مما في إسناده ضعف) 1.
وعقب الحافظ الذهبي على هذا القول في سير أعلام النبلاء بقوله: (وقول أبي زرعة لعل لا يكون فيه تمام ثلاثين حديثا مما في سنده ضعف، أو نحو ذلك - إن صح- كأنما عنى بثلاثين حديثا، الأحاديث المطرحة الساقطة، وأما الأحاديث التي لا تقوم بها حجة فكثيرة نحو الألف..) 2.
ونقل ابن الوزير في (تنقيح الأنظار) كلام الذهبي هذا وعقب عليه بقوله: (إنما أراد الذهبي تقليل الأحاديث الباطلة، وأما الأحاديث الضعيفة في عرف أهل الحديث ففيه قدر ألف حديث منها - كما ذكر في النبلاء في ترجمة ابن ماجة - وقدر الباطلة بعشرين حديثا) 3.
أما الشق الأول من كلام أبي زرعة وهو: (أظن إن وقع هذا في أيدي الناس تعطلت هذه الجوامع أو أكثرها) ؛ فأراد به - والله أعلم - ما ذكره ابن طاهر المقدسي المتوفى سنة 507? من (حسن الترتيب، وغزارة الأبواب، وقلة الأحاديث، وترك التكرار، ولا يوجد فيه من النوازل والمقاطيع والمراسيل..)
--------------------------------------------
সুনান ইবনে মাজাহ সম্পর্কে আবু যুরআ’র উক্তি:ইবনে মাজাহ বলেন: আমি এই সুনান আবু যুরআ’র নিকট পেশ করলাম; তিনি এটি দেখলেন এবং বললেন: আমার মনে হয় যদি এটি মানুষের হাতে পৌঁছায় তবে এই জামে গ্রন্থসমূহ বা এর অধিকাংশ অকেজো হয়ে পড়বে। অতঃপর তিনি বললেন: (সম্ভবত এতে এমন তিরিশটি হাদিসও নেই যার সনদে দুর্বলতা রয়েছে) ১।
হাফিয যাহাবি ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ গ্রন্থে এই উক্তির ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন: (আবু যুরআ’র উক্তি—সম্ভবত এতে এমন তিরিশটি হাদিসও নেই যার সনদে দুর্বলতা রয়েছে, বা অনুরূপ কিছু—যদি তা সহিহ হয়—তবে তিনি তিরিশটি হাদিস দ্বারা সম্ভবত সেই সব হাদিসকে বুঝিয়েছেন যা বর্জনীয় ও পরিত্যক্ত। আর যেসব হাদিস দ্বারা দলিল গ্রহণ করা যায় না, তেমন হাদিসের সংখ্যা অনেক, প্রায় এক হাজারের মতো...) ২।
ইবনুল উযাইর ‘তানকিহুল আনযার’ গ্রন্থে যাহাবির এই কথাটি উদ্ধৃত করেছেন এবং এর ওপর মন্তব্য করে বলেছেন: (যাহাবি কেবল বাতিল হাদিসসমূহের সংখ্যা কম বুঝাতে চেয়েছেন। আর মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় দুর্বল হাদিস এতে প্রায় এক হাজার রয়েছে—যেমনটি তিনি ‘নুবালা’ গ্রন্থে ইবনে মাজাহ-এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন—এবং বাতিল হাদিসের সংখ্যা বিশটি বলে নির্ধারণ করেছেন) ৩।
আবু যুরআ’র উক্তির প্রথম অংশটি হলো: (আমার মনে হয় যদি এটি মানুষের হাতে পৌঁছায় তবে এই জামে গ্রন্থসমূহ বা এর অধিকাংশ অকেজো হয়ে পড়বে); এর দ্বারা তিনি যা বুঝিয়েছেন—আল্লাহই ভালো জানেন—তা হলো ৫০৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী ইবনে তাহের আল-মাকদিসি কর্তৃক উল্লিখিত বিষয়সমূহ যেমন: (চমৎকার বিন্যাস, অধ্যায়সমূহের প্রাচুর্য, হাদিসের স্বল্পতা, পুনরাবৃত্তি বর্জন এবং এতে দুর্বল সনদ, মাকতু ও মুরসাল হাদিসের অনুপস্থিতি...) ৪।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وقال الحافظ ابن حجر: (كتابه في السنن - أي ابن ماجة - جامع جيد، كثير الأبواب والغرائب، وفيه أحاديث ضعيفة جدا..) 1.
وقال صديق حسن خان عند كلامه عن سنن ابن ماجة: (وفي الواقع؛ الذي فيه من حسن الترتيب وسرد الأحاديث بالاختصار من غير تكرار ليس في أحد من الكتب، وقد شهد أبو زرعة على صحته) 2.
ولعل الإمام الرازي - أبو زرعة - أراد بالجوامع التي صنفها الحفاظ في بلاد الري وقزوين وطبرستان وتلك البلادن، ويؤيد هذا ما قاله ابن طاهر المقدسي عند ذكره سنن ابن ماجة، يقول ابن طاهر: (وهذا الكتاب وإن لم يشتهر عند أكثر الفقهاء فإن له بالري وما والاها من ديار الجبل وقوهستان ومازندان وطبرستان شأن عظيم؛ عليه اعتمادهم، وله عندهم طرق كثيرة) 3.
أو أراد الجوامع المشهورة، ومنها الجامع الصحيح للبخاري والجامع الصحيح لمسلم؛ من حيث الترتيب والتنظيم، وهذا رأيه، ولكل رأيه واجتهاده.
ولقد ذكر بعض المحدثين عددا أقل من الأحاديث التي ذكرها أبو زرعة، ولعلهم أرادوا أن يرفعوا من شأن سنن ابن ماجة ومكانتها.
قال أبو القاسم عبد الكريم بن محمد القزويني الرافعي المتوفى سنة 623? في ترجمة ابن ماجة من تأريخه: (وسمعت والدي رحمه الله يقول: عرض كتاب السنن لابن ماجة على أبي زرعة الرازي فاستحسنه وقال: لم يخطئ إلا في ثلاثة أحاديث) 4.
أقول: هذا الخبر ظاهر الضعف، ولعله أراد أن يفتخر بإمام بلده ويرفع من شأن سننه - رحمهما الله-، ويحتمل وقوع تصحيف (ثلاثين) إلى (ثلاثة) .
وروى ابن نقطة بسنده إلى ابن طاهر المقدسي الحافظ أنه قال: (رأيت على ظهر جزء قديم بالري حكاية كتبها أبو حاتم الحافظ المعروف بخاموش: قال أبو زرعة: طالعت
--------------------------------------------
হাফেজ ইবনে হাজার বলেন: (সুনানের ওপর তাঁর কিতাব - অর্থাৎ ইবনে মাজাহ - একটি উত্তম জামে গ্রন্থ, এতে প্রচুর অধ্যায় ও অনন্য (গারীব) বর্ণনা রয়েছে, তবে এতে অত্যন্ত দুর্বল হাদিসও রয়েছে...) ১।
সিদ্দিক হাসান খান সুনানে ইবনে মাজাহ সম্পর্কে আলোচনার সময় বলেন: (প্রকৃতপক্ষে, এতে বিন্যাসের যে চমৎকারিত্ব এবং পুনরাবৃত্তি ছাড়াই সংক্ষেপে হাদিস বর্ণনা করার যে পদ্ধতি রয়েছে, তা অন্য কোনো গ্রন্থে নেই; আর আবু জুরআ এর বিশুদ্ধতার সাক্ষ্য দিয়েছেন।) ২।
সম্ভবত ইমাম রাজি - আবু জুরআ - এর দ্বারা সেই জামে গ্রন্থগুলো উদ্দেশ্য নিয়েছেন যা রায়, কাজউইন, তাবারিস্তান এবং সেই অঞ্চলের হাফেজগণ সংকলন করেছিলেন। ইবনে তাহের আল-মাকদিসি সুনানে ইবনে মাজাহ-এর বর্ণনায় যা বলেছেন তা একে সমর্থন করে। ইবনে তাহের বলেন: (এই কিতাবটি যদিও অধিকাংশ ফকিহদের নিকট প্রসিদ্ধি লাভ করেনি, তবে রায় এবং এর আশপাশের এলাকা যেমন দিয়ারুল জাবাল, কুহিস্তান, মাজান্দান ও তাবারিস্তানে এর এক মহান মর্যাদা রয়েছে; তাদের নির্ভরতা এর ওপরই, এবং তাদের নিকট এর অনেক সনদ বা সূত্র রয়েছে।) ৩।
অথবা তিনি প্রসিদ্ধ জামে গ্রন্থগুলো উদ্দেশ্য নিয়েছেন, যার মধ্যে বিন্যাস ও সাজানোর দিক থেকে বুখারির জামে সহিহ ও মুসলিমের জামে সহিহ অন্তর্ভুক্ত; আর এটি তাঁর ব্যক্তিগত অভিমত, এবং প্রত্যেকেরই নিজস্ব মত ও ইজতিহাদ রয়েছে।
আর কিছু মুহাদ্দিস আবু জুরআ বর্ণিত হাদিসের সংখ্যার চেয়েও কম সংখ্যা উল্লেখ করেছেন, সম্ভবত তারা সুনানে ইবনে মাজাহ-এর শান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করতে চেয়েছিলেন।
৬২৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী আবুল কাসিম আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মদ আল-কাজউইনি আর-রাফেয়ি তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে ইবনে মাজাহ-এর জীবনীতে বলেন: (আমি আমার পিতাকে—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—বলতে শুনেছি: ইবনে মাজাহ-এর সুনান গ্রন্থটি আবু জুরআ আর-রাজির নিকট উপস্থাপন করা হলে তিনি তা পছন্দ করেন এবং বলেন: এটি মাত্র তিনটি হাদিস ছাড়া ভুল করেনি।) ৪।
আমি বলব: এই বর্ণনাটি স্পষ্টভাবে দুর্বল। সম্ভবত তিনি নিজ শহরের ইমামকে নিয়ে গর্ব করতে চেয়েছিলেন এবং তাঁর সুনানের মর্যাদা বৃদ্ধি করতে চেয়েছিলেন—আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর রহম করুন—। আবার এটিও সম্ভব যে, এখানে ‘ত্রিশ’ শব্দটি ভুলবশত ‘তিন’ হয়ে গিয়েছে।
ইবনে নুকতাহ হাফেজ ইবনে তাহের আল-মাকদিসির সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি (ইবনে তাহের) বলেছেন: (আমি রায় শহরের একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপির মলাটে একটি কাহিনী দেখেছি যা খামুশ নামে পরিচিত হাফেজ আবু হাতেম লিখেছিলেন: আবু জুরআ বলেছেন: আমি পাঠ করেছি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
كتاب أبي عبد الله بن ماجة فلم أجد فيه إلا قدرا يسيرا مما فيه شيء. وذكر بضعة عشر، وكلاما هذا معناه، قال ابن طاهر المقدسي: وحسبك من كتاب يعرض على أبي زرعة الرازي، ويذكر هذا الكلام بعد إمعان النظر والنقد) 1.
وذكر الحافظ ابن عساكر في تاريخ دمشق في ترجمة ابن ماجة قول أبي زرعة هذا إلى قوله: وكلامه هذا معناه..، إلا أنه قال فيه: (وذكر قريب تسعة عشر..) 2.
আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাজাহ-র কিতাব; এতে আমি অতি সামান্য অংশ ছাড়া এমন কিছু পাইনি যাতে কোনো (আপত্তিজনক) কিছু রয়েছে। তিনি দশের অধিক (হাদিসের) কথা উল্লেখ করেছেন এবং এই মর্মে কিছু কথা বলেছেন। ইবনে তাহের আল-মাকদিসি বলেন: একটি কিতাবের শ্রেষ্ঠত্বের জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে, তা আবু যুরআহ আর-রাজির সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তিনি গভীর পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার পর এই মন্তব্য করেছেন। ১।
হাফেজ ইবনে আসাকির ‘তারিখে দামেশক’-এ ইবনে মাজাহ-র জীবনী আলোচনায় আবু যুরআহর এই বক্তব্যটি তাঁর এই কথা পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন: “এবং তাঁর কথার অর্থ এই...”, তবে তিনি এতে বলেছেন: (তিনি প্রায় উনিশটির মতো বিষয় উল্লেখ করেছেন...) ২।
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
الرد على هذ القول - رد الإمام ابن الرشيد -
…الرد على هذا القول
رد الإمام ابن رشيد:
قال الإمام أبو عبد الله بن رشيد - أثناء كلامه عن منزلة سنن النسائي، والموازنة بينها وبين كتب السنن -: (وأما ما حكاه ابن طاهر عن أبي زرعة أنه نظر فيه فقال: (لعل لا يكون فيه تمام ثلاثين حديثا) لا تصح لانقطاع سندها، وإن كانت محفوظة فلعله أراد ما فيه من الأحاديث الساقطة إلى الغاية، أو كان ما رأى من الكتاب إلا جزءا منه فيه هذا القدر، وقد حكم أبو زرعة على أحاديث منه بكونها باطلة أو ساقطة أو منكرة، وذلك محكي في كتاب (العلل) لأبي حاتم3. [والصواب لابن أبي حاتم] .
এই বক্তব্যের খণ্ডন - ইমাম ইবনে রুশাইদের জবাব -
…এই বক্তব্যের খণ্ডন
ইমাম ইবনে রুশাইদের জবাব:
ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবনে রুশাইদ—সুনানে নাসায়ীর মর্যাদা এবং অন্যান্য সুনান গ্রন্থসমূহের সাথে এর তুলনামূলক আলোচনার সময়—বলেছেন: (আর ইবনে তাহির আবু যুর'আহ থেকে যা বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এতে দৃষ্টিপাত করে বলেছিলেন: "সম্ভবত এতে পূর্ণ ত্রিশটি হাদীসও নেই", তা এর সনদের বিচ্ছিন্নতার কারণে সহীহ নয়। আর যদি বর্ণনাটি সংরক্ষিতও হয়, তবে সম্ভবত তিনি এর অত্যন্ত দুর্বল হাদীসগুলোর কথা বুঝিয়েছেন, অথবা তিনি কিতাবটির কেবল একটি অংশ দেখেছিলেন যাতে এই পরিমাণ (হাদীস) ছিল। আবু যুর'আহ এর কিছু হাদীসের ব্যাপারে বাতিল, পরিত্যক্ত বা মুনকার হওয়ার হুকুম দিয়েছেন, যা আবু হাতিমের 'আল-ইলাল' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। [সঠিক হলো: ইবনে আবু হাতিমের])।
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
رد الحافظ ابن الملقن:ولقد رد على قول ابن طاهر أيضا الحافظ ابن الملقن في فصل أفرده لسنن ابن ماجة في كتابه البدر المنير، يقول فيه: (وأما سنن أبي عبد الله بن ماجة القزويني فلا أعلم له شرطا، وهو أكثر السنن الأربعة ضعفا، وفيه موضوعات، منها ما ذكره في إتيانه بحديث في فضل قزوين، لكن قال أبو زرعة فيما رويناه عنه: طالعت كتاب أبي عبد الله بن ماجة فلم أجد فيه إلا قدرا يسيرا مما فيه شيء، وذكر قدر بضعة عشر، أو كلاما هذا معناه، وهذا الكلام من أبي زرعة رحمه الله لولا أنه مروي عنه من أوجه لجزمت بعدم صحته عنه؛ فإنه غير لائق لجلالته،
--------------------------------------------
হাফেজ ইবনুল মুলাক্কিনের খণ্ডন:হাফেজ ইবনুল মুলাক্কিন তাঁর 'আল-বদরুল মুনীর' গ্রন্থের সুনানে ইবনে মাজাহর জন্য নিবেদিত একটি পরিচ্ছেদে ইবনে তাহিরের বক্তব্যেরও প্রতিবাদ করেছেন। সেখানে তিনি বলেন: (আর আবু আবদুল্লাহ ইবনে মাজাহ আল-কাযভীনীর সুনানের ব্যাপারে আমার জানা মতে কোনো সুনির্দিষ্ট শর্ত নেই। এটি 'সুনানে আরবাআ' বা চার সুনানের মধ্যে দুর্বল বর্ণনার দিক থেকে সর্বাধিক এবং এতে জাল বর্ণনাও রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো কাযভীনের ফযীলত সম্পর্কে তিনি যে হাদীসটি এনেছেন। তবে আবু যুরআ থেকে আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহ ইবনে মাজাহর কিতাবটি পর্যালোচনা করেছি এবং এতে সামান্য কিছু ত্রুটিপূর্ণ হাদীস ছাড়া আর তেমন কিছু পাইনি। তিনি আনুমানিক দশের অধিক বা এ জাতীয় কোনো কথা বলেছিলেন। আবু যুরআ (রহ.)-এর এই বক্তব্যটি যদি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত না হতো, তবে আমি নিশ্চিতভাবেই এটি তাঁর বক্তব্য হওয়ার ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করতাম; কারণ তাঁর সুমহান মর্যাদার সাথে এই মন্তব্যটি মানানসই নয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
لا جرم أن الشيخ تقي الدين قال في الإلمام: هذا الكلام من أبي زرعة لابد من تأويله وإخراجه عن ظاهره وحمله على وجه صحيح، وعجيب قول ابن طاهر حسبك من كتاب يعرض على أبي زرعة الرازي ويذكر هذا الكلام بعد إمعان النظر والنقد، وقوله: ولعمري إن كتاب أبي عبد الله بن ماجة من نظر فيه علم منزلة الرجل من حسن الترتيب وغزارة الأبواب وقلة الأحاديث وترك التكرار، ولا يوجد فيه من النوازل والمقاطيع والمراسيل والرواية عن المجروحين إلا هذا القدر الذي أشار إليه أبو زرعة. وروى ابن عساكر عن أبي الحسن بن بالويه قال: أبو عبد الله ابن ماجة: عرضت هذه النسخة على أبي زرعة فنظر فيه وقال: أظن إن وقع هذا في أيدي الناس تعطلت هذه الجوامع كلها أو أكثرها، ثم قال: لعله لا يكون فيه تمام ثلاثين حديثا مما في إسناده ضعف، أو قال: عشرين ونحوها من الكلام، قال: وحكى عنه أنه نظر في جزء من أجزائه وكان عنده في خمسة أجزاء، قال الشيخ تقي الدين: لابد من تأويله جزما، ولعله أراد ذلك الجزء الذي نظر فيه أو غيره مما يصح) 1.
والحق أن سنن ابن ماجة فيها أكثر من هذا العدد المشار إليه من الأحاديث المنتقدة، ولقد ساق الشيخ عبد الرشيد النعماني - في كتابه (ما تمس إليه الحاجة لمن يطالع سنن ابن ماجة) - (34) حديثا من أحاديث سنن ابن ماجة والتي ذكرها ابن الجوزي في الموضوعات، ثم قال: (فهذه أربعة وثلاثون حديثا قد حكم عليها ابن الجوزي بالوضع، وقد تركت من الأحاديث ما أدرجها ابن الجوزي في الموضوعات وشطرها مروي في سنن ابن ماجة أولها شاهد في كتابه، والحافظ السيوطي ذكر في كتابه (القول الحسن في الذب عن السنن) ستة عشر حديثا مما أورده ابن الجوزي في الموضوعات وهو في سنن ابن ماجة، وأورد في التعقبات على الموضوعات من كتاب ابن الجوزي ثلاثين حديثا؛ فزدت عليه الأربعة، ولله الحمد) .
وقال النعماني أيضا: ويوجد في كتاب ابن ماجه أحاديث أخر قد حكم عليها بعض الحفاظ بالوضع أو البطلان منها..) وذكر سبعة أحاديث2.
ولقد جمعت الرجال الذين انفرد ابن ماجة بالرواية عنهم دون أصحاب الكتب الستة، وتكلم فيهم الإمام أبو زرعة بالضعف أو الكذب أو غير ذلك من ألفاظ التجريح؛ فكانت مجموعة كبيرة أذكرها بعد هذا الكلام، مع الإشارة إلى المصادر التي نقلت أقوال أبي زرعة فيهم، وإضافة إلى هؤلاء هنالك من الرجال الذين تكلم فيهم أبو زرعة وقد انفرد بالرواية عنهم ابن ماجة
--------------------------------------------
নিঃসন্দেহে শায়খ তাকিউদ্দীন 'আল-ইলমাম' গ্রন্থে বলেছেন: আবু জুরআ’র এই কথাটি অবশ্যই ব্যাখ্যা করতে হবে এবং একে এর বাহ্যিক অর্থ থেকে সরিয়ে একটি সঠিক অর্থের দিকে নিতে হবে। ইবনে তাহিরের এই কথাটি বিস্ময়কর যে, আপনার জন্য এমন একটি কিতাবই যথেষ্ট যা আবু জুরআ আর-রাজির সামনে পেশ করা হয়েছে এবং তিনি গভীর পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার পর এই কথাটি বলেছেন। আর তার কথা: "আমার জীবনের কসম, আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাজাহ’র কিতাব যে ব্যক্তি দেখবে, সে এর উত্তম বিন্যাস, অধ্যায়ের প্রাচুর্য, হাদিসের স্বল্পতা এবং পুনরাবৃত্তি বর্জনের কারণে ওই ব্যক্তির মর্যাদা বুঝতে পারবে। এতে নওয়াযিল (একক বর্ণনা), মাকাতী (ছেদ পড়া বর্ণনা), মারাসিল (তাবেয়ীদের থেকে সরাসরি বর্ণিত) এবং দুর্বল বর্ণনাকারীদের থেকে বর্ণনা খুব সামান্যই রয়েছে যা আবু জুরআ ইঙ্গিত করেছেন।" ইবনে আসাকির আবুল হাসান বিন বালোয়াইহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাজাহ বলেছেন: আমি এই পাণ্ডুলিপিটি আবু জুরআ’র সামনে পেশ করেছিলাম, তিনি এটি দেখলেন এবং বললেন: "আমি মনে করি, যদি এটি মানুষের হাতে পৌঁছে যায়, তবে এই সমস্ত জামে' (হাদিস গ্রন্থ) বা এগুলোর অধিকাংশ অকার্যকর হয়ে যাবে।" এরপর তিনি বললেন: "সম্ভবত এতে পূর্ণ তিরিশটি হাদিসও নেই যার সনদে দুর্বলতা আছে", অথবা তিনি বলেছিলেন: "বিশটি বা এই জাতীয় কিছু কথা"। বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি এর একটি অংশ দেখেছিলেন যা তার কাছে পাঁচটি খণ্ডে ছিল। শায়খ তাকিউদ্দীন বলেছেন: "এটি অবশ্যই নিশ্চিতভাবে ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন, সম্ভবত তিনি সেই অংশটি বুঝিয়েছিলেন যা তিনি দেখেছিলেন অথবা অন্য এমন কিছু যা সঠিক হতে পারে।" 1.
আর সত্য কথা হলো, সুনানে ইবনে মাজাহ’তে সমালোচিত হাদিসের সংখ্যা এখানে উল্লিখিত সংখ্যার চেয়েও বেশি। শায়খ আব্দুর রশিদ আন-নুমানী—তার ‘মা তমুসসু ইলাইহিল হাজাহ লিমান ইউতালিউ সুনানা ইবনি মাজাহ’ গ্রন্থে—সুনানে ইবনে মাজাহ’র (৩৪)টি হাদিস উল্লেখ করেছেন যেগুলোকে ইবনে আল-জাওযি ‘আল-মাওদুআত’ (জাল হাদিসসমূহ) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেন: "এই চৌত্রিশটি হাদিসকে ইবনে আল-জাওযি জাল বলে হুকুম দিয়েছেন। আমি ওইসব হাদিস বাদ দিয়েছি যেগুলো ইবনে আল-জাওযি জাল হাদিসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন কিন্তু সেগুলোর অর্ধেক সুনানে ইবনে মাজাহ’র শুরুতে সাক্ষী হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাফেজ সুয়ুতী তার ‘আল-কাওলুল হাসান ফিদ-দাব্বি আনিস সুনান’ গ্রন্থে ষোলোটি হাদিস উল্লেখ করেছেন যা ইবনে আল-জাওযি জাল হাদিসের কিতাবে এনেছেন অথচ সেগুলো সুনানে ইবনে মাজাহ’তে আছে। তিনি ইবনে আল-জাওযি’র জাল হাদিসের কিতাবের ওপর করা তার আপত্তির কিতাবে (আত-তাক্কিবাত) ত্রিশটি হাদিস উল্লেখ করেছেন; আমি তাতে আরও চারটি বাড়িয়েছি, আর আল্লাহর জন্যই সমস্ত প্রশংসা।"
নুমানী আরও বলেছেন: "ইবনে মাজাহ’র কিতাবে আরও কিছু হাদিস পাওয়া যায় যেগুলোকে কোনো কোনো হাফেজ জাল বা বাতিল বলে হুকুম দিয়েছেন, তার মধ্যে..." এবং তিনি সাতটি হাদিস উল্লেখ করেছেন। 2.
আর আমি সেইসব বর্ণনাকারীদের একত্রিত করেছি যাদের থেকে ছয়টি কিতাবের সংকলকদের মধ্যে কেবল ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম আবু জুরআ তাদের দুর্বল, মিথ্যুক বা জারাহ-তাদিল (সমালোচনা) এর অন্যান্য শব্দে অভিযুক্ত করেছেন। আমি এই আলোচনার পর একটি বড় তালিকা উল্লেখ করব, পাশাপাশি তাদের ব্যাপারে আবু জুরআ’র উক্তিগুলো যেসব উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে তারও ইঙ্গিত দেব। এছাড়া আরও কিছু বর্ণনাকারী রয়েছেন যাদের ব্যাপারে আবু জুরআ সমালোচনা করেছেন এবং তাদের থেকে কেবল ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
والإمام الترمذي دون الأئمة الستة، وكذلك من انفرد بالرواية عنهم ابن ماجة والإمام أبو داود دون الأئمة الستة، وقد أرجأت ذكر هؤلاء الرواة والأحاديث التي رووها إلى دراسة موسعة في سنن ابن ماجة أرجو إنهاءها.
এবং ইমাম তিরমিযী ছয় ইমাম ব্যতীত, একইভাবে যাদের বর্ণনার ক্ষেত্রে ইবনে মাজাহ একক হয়েছেন এবং ইমাম আবু দাউদ ছয় ইমাম ব্যতীত। আমি এই বর্ণনাকারীগণ এবং তাঁদের বর্ণিত হাদীসসমূহের আলোচনা সুনানে ইবনে মাজাহর ওপর একটি বিস্তৃত গবেষণা পর্যন্ত স্থগিত রেখেছি, যা আমি সমাপ্ত করার আশা রাখি।
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
أسماء الرواة الذين انفرد الإمام ابن ماجة في الرواية عنهم في سننه دون رجال الكتب الستة:1- إبراهيم بن محمد بن أبي يحيى، واسمه سمعان الأسلمي مولاهم، أبو إسحاق المدني ت 184?، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء1.
2- إبراهيم بن مسلم العبدي، أبو إسحاق الكوفي المعروف بالهجري قال عنه: (ضعيف) 2.
3- (خت ق) إبراهيم بن إسماعيل بن مجمع بن يزيد، وقيل ابن زيد بن مجمع الأنصاري، أبو إسحاق المدني. نقل ابن أبي حاتم عن أبي زرعة أنه قال عنه: (لا يسوي حديثه) ، وسكت ثم قال بعد ذلك - أي أبو زرعة -: (لا يسوي حديثه فلسين) 3، وذكره أبو زرعة أيضا في أسماء الضعفاء4.
4-إسحاق بن إبراهيم بن سعيد الصواف المدني، وقيل المزني مولى مزينة، قال عنه: (منكر الحديث ليس بقوي) 5.
5- إسماعيل بن زياد، ويقال ابن أبي زياد، السكوني قاضي الموصل، قال البرذعي: وسمعته - أي أبو زرعة - يقول: (إسماعيل بن أبي زياد يروي أحاديث مفتعلة) ، قلت: - أي البرذعي - من أين هو؟ قال: (كوفي حدث عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن
--------------------------------------------
ইমাম ইবনে মাজাহ তাঁর সুনান গ্রন্থে যে সকল বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় একক হয়েছেন এবং কুতুবে সিত্তাহর (অন্যান্য পাঁচজন) ইমামগণ যাদের থেকে বর্ণনা করেননি, তাদের নামসমূহ:১- ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন আবি ইয়াহইয়া, তাঁর নাম সামআন আল-আসলামী তাদের মাওলা, আবু ইসহাক আল-মাদানি (মৃত্যু ১৮৪ হিজরি?), আবু জুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন।১
২- ইবরাহীম বিন মুসলিম আল-আবদি, আবু ইসহাক আল-কুফি, যিনি আল-হিজরি নামে পরিচিত। তিনি (আবু জুরআ) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (দুর্বল)। ২
৩- (খত ক্ব) ইবরাহীম বিন ইসমাঈল বিন মাজমা বিন ইয়াযিদ, মতান্তরে ইবনে যায়েদ বিন মাজমা আল-আনসারী, আবু ইসহাক আল-মাদানি। ইবনে আবি হাতিম আবু জুরআ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (তার হাদিস কোনো মূল্যের নয়), তিনি নীরব থাকলেন এবং এরপর বললেন - অর্থাৎ আবু জুরআ -: (তার হাদিস দুই পয়সা মূল্যেরও নয়) ৩, আবু জুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায়ও উল্লেখ করেছেন।৪
৪- ইসহাক বিন ইবরাহীম বিন সাঈদ আস-সাওয়াফ আল-মাদানি, মতান্তরে আল-মুজানি মুযাইনাহর মাওলা। তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস তথা হাদিস বর্জনীয়, তিনি শক্তিশালী নন) ৫।
৫- ইসমাঈল বিন যিয়াদ, মতান্তরে ইবনে আবি যিয়াদ, আস-সাকুনি মওসেলের বিচারক, আল-বারযাঈ বলেন: আমি তাঁকে - অর্থাৎ আবু জুরআকে - বলতে শুনেছি: (ইসমাঈল বিন আবি যিয়াদ বানোয়াট হাদিস বর্ণনা করেন)। আমি (আল-বারযাঈ) বললাম: তিনি কোথাকার লোক? তিনি বললেন: (কুফার লোক, তিনি ইসরাঈল থেকে, আবু ইসহাক থেকে, ... থেকে বর্ণনা করেছেন)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
الحارث، عن علي في (الكرفس بقلة الأنبياء) 1.
6- (بخ ق) إسماعيل بن سلمان بن أبي المغيرة الأزرق التميمي الكوفي قال عنه: (واهي الحديث، ضعيف الحديث) 2.
7- إسماعيل بن محمد بن يحيى الطلحي الكوفي ت 232? أو 233? قال البرذعي: (وانتهى أبو زرعة في كتاب الفوائد إلى حديث إسماعيل بن محمد الطلحي، عن داود بن عطاء3، عن صالح بن كيسان4، عن سعيد بن المسيب5، عن أبي بن كعب6، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "أول من يصافح الحق عمر"7، فلم أره،
--------------------------------------------
আল-হারিস, আলীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন (সেলারি হলো নবীদের শাক) ১।
৬- (বুখারি ও ইবনে মাজাহ) ইসমাইল বিন সালমান বিন আবু আল-মুগিরা আল-আজরাক আত-তামিমি আল-কুফি; তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি হাদিস বর্ণনায় অত্যন্ত দুর্বল, হাদিসে দুর্বল) ২।
৭- ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আত-তালহি আল-কুফি, মৃত্যু ২৩২? বা ২৩৩? হিজরি। আল-বারযায়ি বলেছেন: (আবু জুরআ ‘কিতাবুল ফাওয়ায়িদ’-এ ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আত-তালহির হাদিস পর্যন্ত পৌঁছেছেন, যা দাউদ বিন আতা ৩ হতে, তিনি সালিহ বিন কায়সান ৪ হতে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব ৫ হতে, তিনি উবাই বিন কাব ৬ হতে, তিনি নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) হতে বর্ণনা করেছেন: "সত্য (আল্লাহ) সর্বপ্রথম যাঁর সাথে করমর্দন করবেন তিনি হলেন ওমর" ৭, তবে আমি তা দেখিনি,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
وقال: (حديث منكر) ، وأمرنا لأن نضرب عليه، ثم قرأه عليّ في كتاب الفضائل بعد أن ألححت عليه) 1.
8- بشار بن كدام، السلمي، الكوفي، قال البرذعي: (قلت لأبي زرعة: بشار بن كدام؟ قال: ضعيف الحديث، حدث عن محمد بن زيد2، عن ابن عمر3، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "الحلف حنث أو ندم"4، ورواه عاصم بن محمد بن زيد5 عن أبيه، قال: (كان عمر يقول: (اليمين مأثمة) 6، حدثناه أحمد بن يونس، وجماعة7.
9- بشر بن منصور الحناط عن أبي زيد، عن المغيرة، عن ابن عباس بحديث "أبى الله أن يقبل عمل صاحب بدعة..) الحديث، قال عنه: (لا أعرفه ولا أعرف أبا زيد) 8.
10- بشر بن نمير القشيري البصري روى عن مكحول والقاسم بن عبد الرحمن، وروى عنه نسخة كبيرة ساقطة، توفي ما بين (140- 150?) ، قال البرذعي: وقلت: (حديث صفوان
--------------------------------------------
এবং তিনি বলেছেন: (মুনকার হাদীস), এবং তিনি আমাদের এটি কেটে দেওয়ার (বর্জন করার) আদেশ দেন, এরপর আমার পিড়াপিড়ির পর তিনি এটি কিতাবুল ফাযায়িলে আমার সামনে পাঠ করেন। ১
৮- বাশশার বিন কুদাম, আস-সুলামী, আল-কুফী। আল-বারযাঈ বলেন: (আমি আবু যুরআকে বললাম: বাশশার বিন কুদাম সম্পর্কে আপনার মত কী? তিনি বললেন: সে হাদীসে দুর্বল; সে মুহাম্মাদ বিন যায়িদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: "শপথ করা হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা অথবা অনুশোচনা।" ৪ আর আসিম বিন মুহাম্মাদ বিন যায়িদ ৫ এটি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (উমর বলতেন: "শপথ হলো একটি পাপ") ৬। আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইউনুস এবং একদল রাবী। ৭
৯- বিশর বিন মানসুর আল-হান্নাত, আবু যায়িদ থেকে, তিনি মুগীরাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন: "আল্লাহ বিদআতীর কোনো আমল কবুল করতে অস্বীকার করেছেন..." হাদীসটি শেষ পর্যন্ত। তিনি (আবু যুরআ) তার সম্পর্কে বলেছেন: (আমি তাকে চিনি না এবং আবু যায়িদকেও চিনি না)। ৮
১০- বিশর বিন নুমাইর আল-কুশাইরী আল-বাসরী। তিনি মাকহুল এবং কাসিম বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে একটি বড় এবং পরিত্যক্ত পাণ্ডুলিপি বর্ণিত হয়েছে। তিনি ১৪০ থেকে ১৫০ হিজরীর মাঝামাঝি সময়ে মৃত্যুবরণ করেন। আল-বারযাঈ বলেন: আমি বললাম: (সাফওয়ানের হাদীস...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
بن أمية1 "من دفِّي بكفّي"2 حديث يحيى بن العلاء3؟ فكلح وجهه وحرك رأسه وقال: (حدثنا به سلمة ابن شبيب) 4، ولم يرد علي فيه جوابا كأنه أنكره؛ إذ هو رواية يحيى بن العلاء وبشر بن نمير. قال أبو عثمان - أي البرذعي -: (سمعت محمد بن سهل بن عسكر5؛ كذاب رافضي، يضع الحديث، وبشر بن نمير أسوأ حالا منه) 6.
11- بشير بن ميمون الخراساني ثم الواسطي، أبو صيفي توفي ما بين (180- 190?) قال ابن أبي حاتم: (سئل أبو زرعة عنه فقال: ضعيف الحديث، ولم يمنع من قراءة حديثه) 7.
12- ثابت بن موسى بن عبد الرحمن بن سلمة الضبي، أبو يزيد الكوفي الضرير العابد، ت 229 أو 228?. قال ابن أبي حاتم: (أمسك أبي وأبو زرعة الرواية عنه) 8.
13- جبارة بن المغلس الحماني، أبو محمد الكوفي ت 241? قال البرذعي: (سمعت أبا زرعة ذكر جبارة بن المغلس فقال: أما أنه كان لا يتعمد الكذب، ولكن كان يوضع له الحديث فيقرأه) 9.
--------------------------------------------
ইবনে উমাইয়া ১ "আমার হাতের দফ থেকে" ২—এটি কি ইয়াহইয়া ইবনুল আলা ৩ এর বর্ণিত হাদিস? তখন তাঁর (আবু যুরআহ) চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল, তিনি মাথা নাড়লেন এবং বললেন: (আমাদের নিকট এটি সালামাহ ইবনে শাবিব বর্ণনা করেছেন) ৪। তিনি আমাকে এর কোনো উত্তর দিলেন না, যেন তিনি এটি অস্বীকার করছেন; যেহেতু এটি ইয়াহইয়া ইবনুল আলা এবং বিশর ইবনে নুমাইরের বর্ণনা। আবু উসমান—অর্থাৎ আল-বারযাঈ—বলেন: (আমি মুহাম্মদ ইবনে সাহল ইবনে আসকার ৫ সম্পর্কে শুনেছি; সে একজন রাফেজি চরম মিথ্যাবাদী, সে হাদিস জাল করে, আর বিশর ইবনে নুমাইরের অবস্থা তার চেয়েও খারাপ) ৬।
১১- বাশির ইবনে মাইমুন আল-খুরাসানি, অতঃপর আল-ওয়াসিতি, আবু সাইফি, তিনি ১৮০ থেকে ১৯০ হিজরির মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে আবি হাতিম বলেন: (আবু যুরআহকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: হাদিস বর্ণনায় তিনি দুর্বল, তবে তাঁর হাদিস পাঠ করা থেকে তিনি নিষেধ করেননি) ৭।
১২- সাবিত ইবনে মুসা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে সালামাহ আদ-দাব্বি, আবু ইয়াজিদ আল-কুফি, অন্ধ এবং ইবাদতগুজার ব্যক্তি, মৃত্যু ২২৯ বা ২২৮ হিজরি। ইবনে আবি হাতিম বলেন: (আমার পিতা এবং আবু যুরআহ তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা পরিহার করেছেন) ৮।
১৩- জুবাহরাহ ইবনুল মুগাল্লিস আল-হিম্মানি, আবু মুহাম্মদ আল-কুফি, মৃত্যু ২৪১ হিজরি। আল-বারযাঈ বলেন: (আমি আবু যুরআহকে জুবাহরাহ ইবনুল মুগাল্লিস সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: সে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলত না, তবে তার নিকট জাল হাদিস পেশ করা হতো এবং সে তা পাঠ করত) ৯।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
14- جعفر بن الزبير الحنفي، وقيل الباهلي الدمشقي نزيل البصرة، توفي ما بين (140- 150?) . قال عنه: (لا أحدث عنه، ليس بشيء) 1.
15- جميل بن الحسن بن جميل الأزدي الجهضمي، أبو الحسن البصري، نزيل الأهواز2، سأل البرذعي أبا زرعة عنه فقال: (قد كنت كتبت عنه، وسألت عنه نصر بن علي الجهضمي3 فقال: اتق الله! ذاك زفان4، يجتمع بالليل مع هؤلاء المغبرين5 يزفن ويرقص معهم. قال أبو زرعة: فضربت على ما كتبت عنه) 6.
16- (خدق) جويبر بن سعيد الأزدي، أبو القاسم البلخي عداده في الكوفيين، ويقال اسمه جابر، وجويبر توفي ما بين (140- 150?) . قال ابن أبي حاتم: (سمعت أبي وأبا زرعة يقولان: جويبر ابن سعيد كان خرسانيا ليس بالقوي) 7.
17- الحارث بن عمران الجعفري المدني، قال عنه: (ضعيف الحديث، واهي الحديث) 8.
--------------------------------------------
১৪- জাফর বিন আল-জুবায়ের আল-হানাফী, বলা হয় আল-বাহিলী আদ-দিমাশকী, বসরার অধিবাসী ছিলেন, তিনি (১৪০-১৫০?) হিজরির মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (আমি তার থেকে হাদীস বর্ণনা করি না, সে কিছুই নয়) ১।
১৫- জামিল বিন আল-হাসান বিন জামিল আল-আজদী আল-জাহদামী, আবু আল-হাসান আল-বসরী, আহওয়াজের অধিবাসী ২, আল-বারদাঈ আবু জুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: (আমি তার থেকে হাদীস লিখেছিলাম, এরপর আমি নাসর বিন আলী আল-জাহদামীকে৩ তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: আল্লাহকে ভয় করো! সে একজন নৃত্যশিল্পী৪, সে রাতে এই মুগাব্বিরিনদের৫ সাথে মিলিত হয় এবং তাদের সাথে অঙ্গভঙ্গি করে ও নাচে। আবু জুরআ বলেন: এরপর আমি তার থেকে যা লিখেছিলাম তা কেটে দিয়েছি) ৬।
১৬- (খাদাক্ব) জুওয়াইবার বিন সাঈদ আল-আজদী, আবু আল-কাসিম আল-বালখী, কুফাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করা হয়, বলা হয় তার নাম জাবির, জুওয়াইবার (১৪০-১৫০?) হিজরির মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে আবি হাতিম বলেন: (আমি আমার পিতা এবং আবু জুরআকে বলতে শুনেছি: জুওয়াইবার বিন সাঈদ খুরাসানী ছিলেন, তিনি শক্তিশালী রাবী ছিলেন না) ৭।
১৭- আল-হারিস বিন ইমরান আল-জাফারি আল-মাদানি, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদীস বর্ণনায় দুর্বল, অত্যন্ত দুর্বল হাদীস বর্ণনাকারী) ৮।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
18- حيان بن علي العنزي الكوفي ت 171 أو 172? قال عنه: (لين) 1.
19- حبيب بن أبي حبيب إبراهيم، ويقال مرزوق، ويقال زريق الحنيفي أبو محمد المصري كاتب مالك ت 218? قال البرذعي: (سمعت أبا زرعة يقول: وقع بمصر رجلان كانا يضعان الحديث؛ خالد بن نجيح2، وحبيب بن زريق) 3.
20- حريش بن الخريت، البصري، أخو الزبير، قال عنه: (واهي الحديث) 4.
21- حصين، والد داود بن الحصين الأموي مولاهمـ ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء5.
22- حفص بن جميع العجلي الكوفي، قال عنه: (ليس بالقوي) 6.
23- حفص بن عمر بن ميمون، العدني، أبو إسماعيل الملقب بالفرخ، مولى عمر، ويقال مولى علي، ويقال له الصنعاني، قال عنه: واهي7.
24- حماد بن عبد الرحمن الكلبي، أبو عبد الرحمن من أهل قنسرين، وقيل كوفي، وقيل حمصي، قال عنه: (يروي أحاديث مناكير) 8.
25- حميد بن أبي سويد، ويقال ابن أبي سوية، ويقال ابن أبي حميد المكي قال عنه: (ضعيف الحديث) 9.
--------------------------------------------
১৮- হাইয়ান বিন আলী আল-আনাজি আল-কুফি, মৃত্যু ১৭১ বা ১৭২? তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (নমনীয়) ১।
১৯- হাবিব বিন আবি হাবিব ইব্রাহিম, তাকে মারজুক বা জুরাইক আল-হানিফি আবু মুহাম্মাদ আল-মিসরিও বলা হয়, মালিকের লেখক, মৃত্যু ২১৮? আল-বারদাঈ বলেন: (আমি আবু জুরআকে বলতে শুনেছি: মিশরে এমন দুইজন লোক ছিল যারা হাদিস জাল করত; খালিদ বিন নাজিহ ২ এবং হাবিব বিন জুরাইক) ৩।
২০- হুরিশ বিন আল-খিররিত আল-বাসরি, জুবাইরের ভাই, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল) ৪।
২১- হুসাইন, দাউদ বিন আল-হুসাইন আল-উমাবি আল-মাওলার পিতা— আবু জুরআ তাঁকে দুর্বলদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৫।
২২- হাফস বিন জামি আল-ইজলি আল-কুফি, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (শক্তিশালী নন) ৬।
২৩- হাফস বিন উমর বিন মাইমুন আল-আদানি, আবু ইসমাইল যাকে 'আল-ফারখ' উপাধি দেওয়া হয়, উমরের মুক্তদাস, মতান্তরে আলীর মুক্তদাস, তাকে আস-সানআনিও বলা হয়, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: অত্যন্ত দুর্বল ৭।
২৪- হাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-কালবি, আবু আব্দুর রহমান, কিননাসরিনের অধিবাসী, মতান্তরে কুফি বা হিমসি, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি মুনকার বা অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনা করেন) ৮।
২৫- হুমাইদ বিন আবি সুওয়াইদ, মতান্তরে ইবনে আবি সুওয়াইয়াহ, আবার ইবনে আবি হুমাইদ আল-মাক্কিও বলা হয়, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল) ৯।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
26- داود بن عطاء المزني مولاهم، ويقال مولى الزبير، أبو سليمان المديني قال عنه: (منكر الحديث) 1.
27- (قدق) داود بن المحبر بن محذم بن سليمان الطائي، ويقال الثقفي البكراوي، أبو سليمان البصري، نزيل بغداد وصاحب كتاب العقل ت 206? قال عنه: (ضعيف الحديث) 2.
28- دهثم بن قران العكلي، ويقال الحنفي اليمامي الذي روى عن يحيى بن كثير وغيره، قال عنه: (ضعيف الحديث) 3.
29- الربيع بن حبيب الملاح العبسي مولاهم، أبو هاشم الكوفي الأحول توفي ما بين (150-160?) ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء4.
30- زكرياء بن منظور، يقال اسم جده عقبة بن ثعلبة بن أبي مالك، ويقال زكرياء بن يحيى بن منظور بن ثعلبة القرضي، أبو يحيى المدني قال عنه: (واهي الحديث) 5.
--------------------------------------------
২৬- দাউদ ইবনে আতা আল-মুজানি, তাদের আযাদকৃত দাস, বলা হয় যুবাইরের আযাদকৃত দাস, আবু সুলাইমান আল-মাদিনি। তিনি (আবু জুরাহ) তার সম্পর্কে বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস বা হাদিস বর্ণনায় প্রত্যাখ্যাত) ১।
২৭- (কদক) দাউদ ইবনুল মুহাব্বার ইবনে মাহযাম ইবনে সুলাইমান আত-তাই, বলা হয় আস-সাকাফি আল-বাকরাউয়ি, আবু সুলাইমান আল-বাসরি, বাগদাদের অধিবাসী এবং 'কিতাবুল আকল'-এর লেখক, মৃত্যু ২০৬ হিজরি? তিনি (আবু জুরাহ) তার সম্পর্কে বলেছেন: (দয়িফুল হাদিস বা দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী) ২।
২৮- দাহসাম ইবনে কুররান আল-উকুলি, বলা হয় আল-হানাফি আল-ইয়ামামি, যিনি ইয়াহইয়া ইবনে কাসির ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (দয়িফুল হাদিস বা দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী) ৩।
২৯- আর-রবি ইবনে হাবিব আল-মাল্লাহ আল-আবিসি, তাদের আযাদকৃত দাস, আবু হাশিম আল-কুফি আল-আহওয়াল, মৃত্যু ১৫০ থেকে ১৬০ হিজরির মধ্যে? আবু জুরাহ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৪।
৩০- যাকারিয়া ইবনে মানযুর, বলা হয় তার দাদার নাম উকবাহ ইবনে সালাবাহ ইবনে আবি মালিক, আবার বলা হয় যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানযুর ইবনে সালাবাহ আল-কুরাযি, আবু ইয়াহইয়া আল-মাদিনি। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (ওয়াহিউল হাদিস বা অত্যন্ত দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী) ৫।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
31- السري بن إسماعيل الهمداني الكوفي ابن عم الشعبي ذكره في أسماء الضعفاء1.
32- سعاد (كجبار) بن سليمان الجعفي، ويقال التميمي، الكوفي قال عنه: (ضعيف) 2.
33- سعيد بن خالد بن أبي طويل، القرشي، الصيداوي روى عن أنس وغيره، قال: ضعيف الحديث؛ حدث عن أنس بمناكير3.
34- سعيد بن سنان، أبو مهدي الحنفي، ويقال الكندي الحمصي ت 163 أو 168? قال ابن أبي حاتم: (سألت أبا زرعة عنه فأومأ بيده أنه ضعيف) 4.
35- سعيد بن الجبار الزبيدي، أبو عثمان، ويقال أبو عثيم بن أبي سعيد الحمصي، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء5.
36- سلام بن مسلم، أبو سليمان، ويقال أبو أيوب، ويقال أبو عبد الله وهو سلام الطويل المدائني ت بحدود 177? قال البرذعي: (وذكرت لأبي زرعة في حديث جرى عنده سلام الطويل؟ فحرك رأسه كالمتعجب من ذكري له، كأن سلاما الطويل عنده في موضع لا يذكر، ومر بحديث في كتابنا، عنه، عن قبيصة6، عن سلام، فأمر أن نضرب عليه، وقال: سلام ما نصنع به) 7.
37- أبو بكر الهذلي البصري، اسمه سلمى بن عبد اله بن سلمى، وقيل اسمه روح، وهو ابن بنت حميد بن عبد الرحمن الحميري ت 168? قال عنه: (ضعيف) 8.
--------------------------------------------
31- আস-সারী বিন ইসমাইল আল-হামদানি আল-কুফি, আশ-শা'বীর চাচাতো ভাই; তিনি তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন১।
32- সুয়াদ (জাব্বার-এর ওজনে) বিন সুলাইমান আল-জু'ফি, কারো মতে আত-তামিমি, আল-কুফি; তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (দুর্বল) ২।
33- সাঈদ বিন খালিদ বিন আবি তাওয়িল, আল-কুরাশি, আস-সাইদাউয়ি; তিনি আনাস ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল; আনাস থেকে মুনকার (পরিত্যক্ত) হাদিস বর্ণনা করেছেন৩।
34- সাঈদ বিন সিনান, আবু মাহদি আল-হানাফি, কারো মতে আল-কিন্দি আল-হিমসি, মৃত্যু ১৬৩ বা ১৬৮ হিজরি?; ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: (আমি আবু যুরআহকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করেছিলেন যে তিনি দুর্বল) ৪।
35- সাঈদ বিন আল-জাব্বার আজ-যুবাইদি, আবু উসমান, কারো মতে আবু উসাইম বিন আবি সাঈদ আল-হিমসি; আবু যুরআহ তাঁকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন৫।
36- সালাম বিন মুসলিম, আবু সুলাইমান, কারো মতে আবু আইয়ুব, আবার কারো মতে আবু আব্দুল্লাহ; তিনি হলেন সালাম আত-তাবিল আল-মাদায়িনি, মৃত্যু প্রায় ১৭৭ হিজরির দিকে?; আল-বারযা'য়ি বলেছেন: (আমি আবু যুরআহর কাছে একটি হাদিস প্রসঙ্গে সালাম আত-তাবিলের কথা উল্লেখ করেছিলাম; তখন তিনি মাথা নেড়েছিলেন যেন আমার কথাটি শুনে তিনি আশ্চর্য হয়েছেন, যেন সালাম আত-তাবিল তাঁর কাছে এমন স্তরের যে তাঁকে উল্লেখ করারই প্রয়োজন নেই। এবং আমাদের বইতে একটি হাদিস এল, যা তাঁর সূত্রে কাবিসাহ৬ থেকে সালামের মাধ্যমে বর্ণিত, তখন তিনি তা কেটে ফেলার আদেশ দিলেন এবং বললেন: সালামকে দিয়ে আমরা কী করব!) ৭।
37- আবু বকর আল-হুযালি আল-বাসরি, তাঁর নাম সালমা বিন আব্দুল্লাহ বিন সালমা, কারো মতে তাঁর নাম রাউহ; তিনি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান আল-হিমইয়ারির নাতি (মেয়ের ঘরের সন্তান), মৃত্যু ১৬৮ হিজরি?; তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (দুর্বল) ৮।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
38- سليمان بن عطاء بن قيس، القرشي، أبو عمرو الجزري ت ما بين 190-200? قال عنه: (منكر الحديث) 1.
39- سليمان بن يسير، ويقال ابن أسير، ويقال ابن قسم النخعي، أبو الصباح الكوفي، مولى إبراهيم النخعي قال البرذعي: (قلت: سليمان بن يسير؟ قال: منكر الحديث، حدث عنه شعبة2، قلت: شعبة؟ قال: نعم شعبة، عن أبي الصباح، وليس موسى بن أبي كثير3، عن إبراهيم4 مسألة، قلت: فهو سليمان بن يسير؟ قال: نعم) 5.
40- صالح بن عبد الله بن صالح العامري مولاهم المدني ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء6.
41- طلحة بن زيد القرشي، أبو مسكين، ويقال أبو محمد الرقي ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء7.
42- طلحة بن عمرو بن عثمان الحضرمي المكي ت 152? قال عنه (ضعيف) 10.
43- عائذ الله المجاشعي، أبو معاذ، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء11.
--------------------------------------------
৩৮- সুলায়মান বিন আতা বিন কাইস, আল-কুরাশি, আবু আমর আল-জাজারি। তিনি ১৯০-২০০ হিজরির মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন? তার সম্পর্কে বলা হয়েছে: (মুনকারুল হাদিস) ১।
৩৯- সুলায়মান বিন ইয়াসির, মতান্তরে ইবনে আসির, আবার মতান্তরে ইবনে কাসম আন-নাখয়ি, আবুস সাবাহ আল-কুফি, ইব্রাহিম আন-নাখয়ির মুক্তদাস। আল-বারযায়ী বলেন: (আমি বললাম: সুলায়মান বিন ইয়াসির সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: মুনকারুল হাদিস, তার থেকে শু'বাহ বর্ণনা করেছেন ২। আমি বললাম: শু'বাহ? তিনি বললেন: হ্যাঁ শু'বাহ, আবুস সাবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মুসা বিন আবি কাসির নন ৩, ইব্রাহিম ৪ থেকে একটি মাসআলা প্রসঙ্গে। আমি বললাম: তাহলে কি তিনি সুলায়মান বিন ইয়াসির? তিনি বললেন: হ্যাঁ) ৫।
৪০- সালিহ বিন আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আল-আমেরি, তাদের মুক্তদাস, আল-মাদানি। আবু জুরা তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের (আসমাউদ দুয়াফা) তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৬।
৪১- তালহা বিন যাইদ আল-কুরাশি, আবু মিসকিন, মতান্তরে আবু মুহাম্মাদ আর-রাক্কি। আবু জুরা তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৭।
৪২- তালহা বিন আমর বিন উসমান আল-হাদরামি আল-মাক্কি। মৃত্যু ১৫২ হিজরি? তার সম্পর্কে বলা হয়েছে (যয়িফ) ১০।
৪৩- আইযুল্লাহ আল-মুজাসায়ি, আবু মুয়ায। আবু জুরা তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ১১।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
44- عاصم بن عمرو، ويقال ابن عوف البجلي الكوفي الشيعي ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء1.
45- (بخ ق) عباد بن كثير الرملي الفلسطيني بقي إلى ما بعد 170? قال عنه: واهي الحديث2.
46- عباس بن الفضل بن عمرو بن عبيد بن حنظلة بن رافع الأنصاري الواقفي، أبو الفضل البصري ت 186? قال عنه (كان لا يصدق) 3.
47- عبد الأعلى بن أعين الكوفي، مولى بني شيبان، قال عنه (ضعيف الحديث) 4.
48- عبد الأعلى بن أبي المساور الزهري مولاهم، أبو مسعود الجرار الكوفي، قال عنه: (ضعيف جدا) 5.
49- (بخ ق) عبد الله بن الحسين بن عطاء بن يسار الهلالي المدني، قال عنه: (ضعيف) 6.
50- عبد الله بن خراش بن حريث الشيباني الحوشبي، أبو جعفر الكوفي، قال عنه: (منكر الحديث، يحدث عن العوام بأحاديث مناكير..) 7.
--------------------------------------------
৪৪- আসিম বিন আমর, তাকে ইবনে আউফ আল-বাজালি আল-কুফি আশ-শিয়ি-ও বলা হয়। আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় (আসমাউয যুয়াফা) উল্লেখ করেছেন।১
৪৫- (বুখারি [আল-আদাবুল মুফরাদ], ইবনে মাজাহ) আব্বাদ বিন কাসির আর-রামলি আল-ফিলিস্তিনি। তিনি ১৭০ হিজরির পর পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: হাদীসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্বল।২
৪৬- আব্বাস বিন আল-ফাযল বিন আমর বিন উবাইদ বিন হানযালা বিন রাফি আল-আনসারি আল-ওয়াকিফি, আবু আল-ফাযল আল-বাসরি। মৃত্যু ১৮৬ হিজরি? তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে (তিনি সত্যবাদী ছিলেন না)।৩
৪৭- আবদ আল-আলা বিন আ'ইয়ান আল-কুফি, বনু শাইবান-এর মুক্তদাস। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে (হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল)।৪
৪৮- আবদ আল-আলা বিন আবি আল-মুসাওয়ির আজ-যুহরি (তাদের মুক্তদাস), আবু মাসউদ আল-জাররার আল-কুফি। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: (অত্যন্ত দুর্বল)।৫
৪৯- (বুখারি [আল-আদাবুল মুফরাদ], ইবনে মাজাহ) আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আতা বিন ইয়াসার আল-হিলালি আল-মাদানি। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: (দুর্বল)।৬
৫০- আবদুল্লাহ বিন খিরাশ বিন হুরাইস আশ-শাইবani আল-হাওশাবি, আবু জাফর আল-কুফি। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: (মুনকারুল হাদীস, তিনি আওয়াম-এর সূত্রে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেন...)।৭
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
51- عبد الله بن دينار، البهراني، ويقال الأسدي، أبو محمد، الحمصي، قال عنه (شيخ ربما أنكر) 8.
52- (مدق) عبد الله بن زياد بن سليمان بن سمعان المخزومي، أبو عبد الرحمن المدني، قال ابن أبي حاتم: (امتنع أبو زرعة من أن يقرأ علينا حديث ابن سمعان وقال: هو لا شيء) 9.
53- عبد الله بن عامر الأسلمي أبو عامر المدني ت 151 أو 150?، قال عنه: (ضعيف الحديث) 1.
54- عبد الله بن عبد العزيز بن عبد الله بن عامر الليثي أبو عبد العزيز قال عنه: (ضعيف الحديث) 2.
55- عبد الله بن محمد العدوي التميمي، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء3.
56- عبد الله بن محرر العامري الجزري الحراني قاضي الجزيرة توفي ما بين (150- 160?) (قال ابن أبي حاتم سألت أبا زرعة عنه فقال: ضعيف الحديث وامتنع من قراءة حديثه وضربنا عليه) 4.
--------------------------------------------
৫১- আবদুল্লাহ বিন দীনার, আল-বাহরানি, তাকে আল-আসাদিও বলা হয়, আবু মুহাম্মাদ, আল-হিমসি; তার সম্পর্কে তিনি (আবু যুরআ) বলেছেন: (তিনি এমন একজন শাইখ যিনি সম্ভবত মুনকার বা আপত্তিকর বর্ণনা করতেন) ৮।
৫২- (মাদাক্ব) আবদুল্লাহ বিন যিয়াদ বিন সুলায়মান বিন সামআন আল-মাখযুমি, আবু আবদুর রহমান আল-মাদানি; ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: (আবু যুরআ আমাদের কাছে ইবনে সামআনের হাদিস পাঠ করতে বিরত থাকেন এবং বলেন: সে কিছুই নয়) ৯।
৫৩- আবদুল্লাহ বিন আমির আল-আসলামি আবু আমির আল-মাদানি, মৃত্যু ১৫১ অথবা ১৫০ হিজরি?, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিস বর্ণনায় দুর্বল) ১।
৫৪- আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ বিন আমির আল-লাইসি আবু আবদুল আজিজ, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিস বর্ণনায় দুর্বল) ২।
৫৫- আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-আদাবি আত-তামিমি, আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৩।
৫৬- আবদুল্লাহ বিন মুহাররির আল-আমিরি আল-জাযারি আল-হাররানি, আল-জাযিরার বিচারক, মৃত্যু ১৫০ থেকে ১৬০ হিজরির মধ্যে? (ইবনে আবি হাতিম বলেন, আমি আবু যুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন: হাদিস বর্ণনায় সে দুর্বল; তিনি তার হাদিস পড়া থেকে বিরত থাকেন এবং আমরা সেটি কেটে দিয়েছি) ৪।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৪০)
57- (عس ق) عبد الله بن ميسرة أبو ليلى الحارثي الكوفي، قال عنه (واهي الحديث) 5.
58- عبد الله بن نافع العدوي مولاهم المدني ابن عمر ت 154? قال عنه: (منكر الحديث) 6.
59- عبد الرحمن بن ثابت بن الصامت الأنصاري ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء7.
60- عبد الرحمن بن عبد الله بن عمر بن حفص بن عاصم العمري، قال عنه ابن أبي حاتم (سئل أبو زرعة عنه فقال: هو متروك الحديث، وترك قراءة حديثه في مسند ابن عمر ولم يقرأه علينا) 8.
61- عبد الرحيم بن زيد بن الحواري، العمري، البصري، أبو زيد ت 184? قال عنه: (واهي ضعيف الحديث) 9.
62- عبد السلام بن أبي الجنوب المدني روى عن الزهري. قال ابن أبي حاتم: سئل أبو زرعة عنه فقال: (ضعيف ولم يقرأ علينا حديثه) 10.
63- عبد السلام بن صالح بن سليمان بن أيوب بن ميسرة القرشي مولاهم، أبو الصلت الهروي، قال ابن أبي حاتم: (وأما أبو زرعة فأمر أن يضرب على حديث أبي الصلت، وقال: لا أحدث عنه ولا أرضاه) 1.
64- عبد العزيز بن عبيد الله بن حمزة بن صهيب الحمصي، قال عنه: (ضعيف الحديث) 2.
--------------------------------------------
৫৭- (আস কা) আব্দুল্লাহ বিন মাইসারা আবু লাইলা আল-হারিসি আল-কুফি, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিস বর্ণনায় অত্যন্ত দুর্বল) ৫।
৫৮- আব্দুল্লাহ বিন নাফে আল-আদাবি, তাদের মুক্তদাস, আল-মাদানি ইবনে উমর, মৃত্যু ১৫৪ হিজরি? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস) ৬।
৫৯- আব্দুর রহমান বিন সাবিত বিন আস-সামিত আল-আনসারি, আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৭।
৬০- আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন হাফস বিন আসিম আল-উমারি, ইবনে আবি হাতিম তার সম্পর্কে বলেছেন (আবু যুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: সে মাতরুকুল হাদিস বা পরিত্যক্ত বর্ণনাকারী, এবং মুসনাদে ইবনে উমর-এ তার হাদিস পাঠ করা বর্জন করা হয়েছে এবং তিনি আমাদের নিকট তা পাঠ করেননি) ৮।
৬১- আব্দুর রহিম বিন যায়েদ বিন আল-হাওয়ারি, আল-উমারি, আল-বাসরি, আবু যায়েদ, মৃত্যু ১৮৪ হিজরি? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (ওয়াহি তথা অত্যন্ত দুর্বল ও জঈফ হাদিস বর্ণনাকারী) ৯।
৬২- আব্দুস সালাম বিন আবিল জুনুব আল-মাদানি, তিনি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আবু যুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: (জঈফ বা দুর্বল এবং তার হাদিস আমাদের নিকট পাঠ করা হয়নি) ১০।
৬৩- আব্দুস সালাম বিন সালিহ বিন সুলাইমান বিন আইয়ুব বিন মাইসারা আল-কুরাশি, তাদের মুক্তদাস, আবুস সালত আল-হারাউয়ি। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: (আর আবু যুরআ আবুস সালতের হাদিসের ওপর কলম চালিয়ে তা কেটে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন: আমি তার থেকে বর্ণনা করি না এবং তার প্রতি আমি সন্তুষ্ট নই) ১।
৬৪- আব্দুল আজিজ বিন উবাইদুল্লাহ বিন হামজা বিন সুহাইব আল-হিমসি, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (জঈফ বা দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী) ২।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৪১)
65- عبد الملك بن حسين أبو مالك النخعي الواسطي، ويقال عبادة بن الحسين ويعرف بأبي ذر، قال عنه: (ضعيف الحديث) 3.
66- عبد الملك بن قدامة بن إبراهيم بن محمد بن حاطب الجمحي ت ما بين (160- 170?) ، قال عنه: (منكر الحديث) 4.
67- عبد الواحد بن قيس السلمي أبو حمزة الدمشقي الأفطس، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء5.
68- عبيد الله بن أبي حميد غالب، الهذلي، أبو الخطاب البصري، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء6.
69- عبيد بن القاسم الأسدي التيمي الكوفي، قال عنه: (واهي الحديث) 7.
70- عبيدة بن ميمون التيمي الرقاشي، أبو عبيدة الخزار البصري قال عنه: (ضعيف الحديث) 8.
71- عثمان بن مطر الشيباني، أبو الفضل، ويقال أبو علي البصري قال ابن أبي حاتم سئل أبو زرعة عنه فقال: (حماد بن سلمة أحب إلي منه، فقلت: ما تقول فيه؟ قال: ضعيف الحديث) 1.
--------------------------------------------
৬৫- আব্দুল মালিক বিন হুসাইন আবু মালিক আন-নাখায়ি আল-ওয়াসিতি, তাকে উবাদাহ বিন আল-হুসাইনও বলা হয় এবং তিনি আবু যার নামে পরিচিত। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল)। ৩
৬৬- আব্দুল মালিক বিন কুদামা বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন হাতিব আল-জুমাহি, মৃত্যু ১৬০-১৭০ হিজরির মধ্যে?। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস বা অস্বীকৃত হাদিস বর্ণনাকারী)। ৪
৬৭- আব্দুল ওয়াহিদ বিন কায়স আস-সুলামি আবু হামযাহ আদ-দিমাশকি আল-আফতাস। আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ৫
৬৮- উবায়দুল্লাহ বিন আবি হুমাইদ গালিব, আল-হুযালি, আবু আল-খাত্তাব আল-বাসরি। আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ৬
৬৯- উবাইদ বিন আল-কাসিম আল-আসাদি আত-তায়মি আল-কুফি। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল)। ৭
৭০- উবাইদাহ বিন মাইমুন আত-তায়মি আর-রাকাশি, আবু উবাইদাহ আল-খাযযার আল-বাসরি। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল)। ৮
৭১- উসমান বিন মাতার আশ-শায়বানি, আবু আল-ফাদল, তাকে আবু আলী আল-বাসরিও বলা হয়। ইবনে আবি হাতিম বলেন, আবু যুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: (হাম্মাদ বিন সালামাহ আমার কাছে তার চেয়ে অধিক পছন্দনীয়। আমি বললাম: আপনি তার সম্পর্কে কী বলেন? তিনি বললেন: হাদিসে দুর্বল)। ১
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৪২)
72- عدي بن الفضل التيمي، أبو حاتم البصري ت 171? قال ابن أبي حاتم: (وترك أبو زرعة حديث عدي بن الفضل وكان في كتابه، عن عبد الواحد بن غياث عنه، فلم يقرأ علينا وقال: ليس بالقوي) 2.
73- علي بن الحزور الكوفي ت ما بين (130- 140?) ، قال عنه: (واهي الحديث) 3.
74- علي بن ظبيان بن هلال بن قتادة الكوفي أبو الحسن ت 172?، قال عنه: (واهي الحديث جدا) 4.
75- عمر بن حبيب بن محمد بن مجالد العدوي البصري القاضي ت 202 أو 207? قال عنه: (ليس بالقوي) 5.
76- عمر بن شبيب بن عمر المسلي المذحجي أبو حفص الكوفي ت 202?. قال عنه: (واهي الحديث) 6.
77- عمر بن صهبان ويقال عمر بن محمد بن صهبان الأسلمي أبو جعفر المدني ت 157?. ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء7.
78- عمر بن قيس المكي أبو جعفر، المعروف بسندل، بقي إلى قريب 160? قال عنه: (لين الحديث) 8.
--------------------------------------------
৭২- আদি ইবনুল ফদল আত-তাইমি, আবু হাতিম আল-বাসরি মৃত্যু ১৭১? ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: (আবু জুরআ আদি ইবনুল ফদলের হাদিস বর্জন করেছেন এবং তা তার কিতাবে ছিল, আব্দুল ওয়াহিদ বিন গিয়াস থেকে তার সূত্রে, ফলে তিনি আমাদের নিকট সেটি পাঠ করেননি এবং বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন) ২.
৭৩- আলী বিন আল-হাজওয়ার আল-কুফি মৃত্যু ১৩০ থেকে ১৪০ হিজরির মধ্যে? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল) ৩.
৭৪- আলী বিন জাবিয়ান বিন হিলাল বিন কাতাদাহ আল-কুফি আবু আল-হাসান মৃত্যু ১৭২? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল) ৪.
৭৫- উমর বিন হাবিব বিন মুহাম্মাদ বিন মুজালিদ আল-আদাউয়ি আল-বাসরি আল-কাদি মৃত্যু ২০২ বা ২০৭? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি শক্তিশালী নন) ৫.
৭৬- উমর বিন শাবিব বিন উমর আল-মাসলি আল-মাজহাজি আবু হাফস আল-কুফি মৃত্যু ২০২? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল) ৬.
৭৭- উমর বিন সহবান, যাকে উমর বিন মুহাম্মাদ বিন সহবান আল-আসলামি আবু জাফর আল-মাদানিও বলা হয়, মৃত্যু ১৫৭? আবু জুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৭.
৭৮- উমর বিন কায়স আল-মাক্কি আবু জাফর, যিনি সানদাল নামে পরিচিত, ১৬০ হিজরির কাছাকাছি সময় পর্যন্ত জীবিত ছিলেন? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে নমনীয়) ৮.
--------------------------------------------
(খণ্ড: ৪৭৪৮)
দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
79- عمرو بن الحصين العقيلي، الباهلي، أبو عثنان البصري قال عنه: (واهي الحديث) 9.
80- عمرو بن خالد، أبو خالد القرشي الكوفي انتقل إلى واسط ت ما بين (110- 120?) ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء1.
81- عمرو بن عثمان بن يسار الكلابي، أبو عمرو الرقي ت 219 أو 217? ذكره عنده البرذعي؛ (فكلح وجهه وأساء الثناء عليه) 2.
82- عون بن عمارة العبدي، القيسي، أبو محمد البصري ت 212? قال عنه: (منكر الحديث) 3.
83- عيسى بن عبد الرحمن بن فروة الأنصاري المدني قال عنه: (ليس بالقوي) 4.
84- الفضل بن عيسى بن أبان الرقاشي، أبو عيسى البصري قال عنه: (شيخ صالح، إلا أنه ضعيف، وكان قدريا، وكان قاصا يذكر) 5.
85- (بخ ق) الفضل بن مبشر الأنصاري، أبو بكر المدني قال عنه: (لين) 6.
86- القاسم بن عبد الله بن عمر بن حفص أبو الخطاب العمري المدني، ت ما بين (150- 160?) قال عنه: (ضعيف لا يساوي شيئا، ومتروك الحديث، منكر الحديث) 7.
--------------------------------------------
৭৯- আমর বিন আল-হুসাইন আল-উকাইলি, আল-বাহিলি, আবু উসমান আল-বাসরি। তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্বল) ৯।
৮০- আমর বিন খালিদ, আবু খালিদ আল-কুরাশি আল-কুফি। তিনি ওয়াসিতে স্থানান্তরিত হন। তাঁর মৃত্যু ১১০ থেকে ১২০ হিজরির মধ্যে? আবু জুরআ তাকে 'আসমাউদ দুয়াফা' (দুর্বল বর্ণনাকারীদের নাম) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন ১।
৮১- আমর বিন উসমান বিন ইয়াসার আল-কিলাবি, আবু আমর আর-রাক্কি। মৃত্যু ২১৯ অথবা ২১৭ হিজরি? আল-বারযাঈ তাঁর নিকট এটি উল্লেখ করেছেন; (এতে তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল এবং তিনি তাঁর কঠোর সমালোচনা করলেন) ২।
৮২- আউন বিন আম্মারা আল-আবদি, আল-কাইসি, আবু মুহাম্মদ আল-বাসরি। মৃত্যু ২১২ হিজরি? তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি মুনকারুল হাদিস বা অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী) ৩।
৮৩- ঈসা বিন আবদুর রহমান বিন ফারওয়া আল-আনসারি আল-মাদানি। তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি শক্তিশালী নন) ৪।
৮৪- আল-ফাদল বিন ঈসা বিন আবান আর-রাকাশি, আবু ঈসা আল-বাসরি। তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি একজন নেককার শায়খ, তবে তিনি দুর্বল। তিনি কাদরিয়া মতাবলম্বী ছিলেন এবং তিনি কিচ্ছা-কাহিনী শোনাতেন) ৫।
৮৫- (বুখারি - আল-আদাবুল মুফরাদ, ইবনে মাজাহ) আল-ফাদল বিন মুবাশশির আল-আনসারি, আবু বকর আল-মাদানি। তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (শিথিল) ৬।
৮৬- আল-কাসিম বিন আবদুল্লাহ বিন উমর বিন হাফস আবু আল-খাত্তাব আল-উমরি আল-মাদানি। তাঁর মৃত্যু ১৫০ থেকে ১৬০ হিজরির মধ্যে? তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি দুর্বল, তাঁর কোনো মূল্য নেই; তিনি মাতরুকুল হাদিস বা বর্জিত হাদিস বর্ণনাকারী এবং মুনকারুল হাদিস) ৭।
--------------------------------------------