(খণ্ড: ১) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: -)
دراسة حول قول أبي زرعة في سنن ابن ماجه   (سعدي بن مهدي الهاشمي)

القسم: علوم الحديث


الكتاب: دراسة حول قول أبي زرعة في سنن ابن ماجه

المؤلف: سعدي بن مهدي الهاشمي

الناشر: مجلة الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، ورقم الجزء هو رقم العدد من المجلة]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

সুনান ইবনে মাজাহ-তে আবু যুরআর উক্তি সম্পর্কে একটি গবেষণা   (সাদী বিন মাহদী আল-হাশেমী)

বিভাগ: উলূমুল হাদীস (হাদীস শাস্ত্র)


বই: সুনান ইবনে মাজাহ-তে আবু যুরআর উক্তি সম্পর্কে একটি গবেষণা

লেখক: সাদী বিন মাহদী আল-হাশেমী

প্রকাশক: মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকী

[বইটির পৃষ্ঠাসংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ রাখা হয়েছে, এবং খণ্ড সংখ্যাটি সাময়িকীর সংখ্যা অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
دراسة حول قول أبي زرعة في سنن‌‌ ابن ماجه

للدكتور سعدي الهاشمي

أستاذ مساعد بكلية الحديث بالجامعة

ابن ماجه:

هو الإمام أبو عبد الله محمد بن يزيد بن ماجه الربعي القزويني الحافظ، ولد سنة 209هـ.

وصفه أبو يعلى الخليلي بقوله: ابن ماجه ثقة كبير متفق عليه، محتج به، له معرفة وحفظ، وله مصنفات في السنن والتفسير والتاريخ، وكان عارفا بهذا الشأن، ارتحل إلى العراقيين - البصرة والكوفة – ومكة والشام ومصر1.

وقال عنه الحافظ ابن كثير: صاحب كتاب السنن المشهورة وهي دالة على عمله وعلمه، وتبحره واطلاعه، واتباعه للسنة في الأصول والفروع2، وكانت وفاته لثمان بقين من رمضان سنة 273? 3.
সুনান ইবনে মাজাহ-এ আবু যুরআহর উক্তি সম্পর্কে একটি গবেষণা

ডক্টর সা’দী আল-হাশিমী

বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদিস অনুষদের সহকারী অধ্যাপক

ইবনে মাজাহ:

তিনি হলেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ বিন মাজাহ আল-রাবয়ী আল-কাজভিনী আল-হাফিজ, ২০৯ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন।

আবু ইয়ালা আল-খালিলি তাঁকে বর্ণনা করে বলেছেন: ইবনে মাজাহ একজন সুমহান নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব যার ব্যাপারে সকলে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, তাঁর বর্ণনা দলীলযোগ্য, তাঁর প্রজ্ঞা ও মুখস্থ শক্তি ছিল, সুনান, তাফসির এবং ইতিহাসে তাঁর গ্রন্থাবলী রয়েছে। তিনি এই বিষয়ে অভিজ্ঞ ছিলেন, তিনি ইরাকদ্বয় (বসরা ও কুফা), মক্কা, শাম এবং মিসরে সফর করেছিলেন১।

হাফিজ ইবনে কাসির তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি বিখ্যাত সুনান গ্রন্থের রচয়িতা এবং এটি তাঁর কর্ম ও জ্ঞান, গভীর পাণ্ডিত্য ও অবগতি এবং মূলনীতি ও শাখাগত বিষয়ে সুন্নাহর অনুসরণের প্রমাণ বহন করে২, তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ২৭৩ হিজরির রমজান মাসের আট দিন বাকি থাকতে৩।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌منزلة سنن ابن ماجه بين كتب الستة

…

منزلة سنن ابن ماجه بين الكتب الستة:

قال الحافظ السلفي: اتفق على صحتها - أي الكتب الخمسة4 - علماء الشرق والغرب، ولم يضموا إليها سنن ابن ماجه لتأخر مرتيتها عنها، وأول من جعلها سادس الكتب الستة الحافظ أبو الفضل محمد بن طاهر بن علي بن أحمد القيسراني المقدسي المتوفى سنة 507? في كتابه (أطراف الكتب الستة) ، ورسالته (شروط الأئمة الستة) 5.

--------------------------------------------

1 انظر تذكرة الحفاظ ج 2/636، وتهذيب التهذيب ج 9/531، والمنتخب من الإرشاد في علماء قزوين.

2 انظر البداية والنهاية لابن كثير ج 11/52.

3 انظر المصادر السابقة.

4 أي صحيح البخاري وصحيح مسلم وسنن أبي داود والنسائي وجامع الترمذي. والمراد بالصحة، صحة أصولها. انظر التقييد والإيضاح ص 62

5 انظر البحر الذي زخر في شرح ألفية الأثر ورقة (65- أ-) حيث نسبه ابن عساكر الدمشقي لأبي الفضل إضافته للكتب الستة.
কুতুবুস সিত্তাহর মধ্যে সুনান ইবনে মাজাহর মর্যাদা

...

কুতুবুস সিত্তাহর মধ্যে সুনান ইবনে মাজাহর মর্যাদা:

হাফিজ সালাফি বলেছেন: পূর্ব ও পশ্চিমের আলেমগণ এই পাঁচটি কিতাবের৪ বিশুদ্ধতার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, এবং তারা সুনান ইবনে মাজাহকে এগুলোর সাথে যুক্ত করেননি কারণ সেগুলোর তুলনায় এর মর্যাদা পরবর্তী স্তরের। আর যিনি একে সর্বপ্রথম কুতুবুস সিত্তাহর ষষ্ঠ কিতাব হিসেবে গণ্য করেছেন তিনি হলেন হাফিজ আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন তাহির বিন আলী বিন আহমদ আল-কায়সারানী আল-মাকদিসী (মৃত্যু ৫০৭ হিজরি), তার ‘আতরাফুল কুতুবুস সিত্তাহ’ গ্রন্থে এবং তার পুস্তিকা ‘শুরুতুল আইম্মতিস সিত্তাহ’৫-এ।

--------------------------------------------

১. দেখুন: তাজকিরাতুল হুফফাজ, খণ্ড ২/৬৩৬; তাহজিবুত তাহজিব, খণ্ড ৯/৫৩১; এবং আল-মুন্তাখাব মিনাল ইরশাদ ফি উলামায়ে কাজওয়িন।

২. দেখুন: ইবনে কাসীরের আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, খণ্ড ১১/৫২।

৩. পূর্ববর্তী উৎসসমূহ দেখুন।

৪. অর্থাৎ সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনান আবু দাউদ, নাসাঈ এবং জামে তিরমিযী। আর বিশুদ্ধতা দ্বারা এর মূল অংশগুলোর বিশুদ্ধতা বোঝানো হয়েছে। দেখুন: আত-তাকয়ীদ ওয়াল ইদাহ, পৃষ্ঠা ৬২।

৫. দেখুন: আল-বাহরুল লাজি জাখার ফি শারহি আলফিয়াতিল আসার, পৃষ্ঠা (৬৫-ক-), যেখানে ইবনে আসাকির আদ-দিমাশকী একে কুতুবুস সিত্তাহর অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি আবুল ফজলের দিকে নিসবত করেছেন বা সম্পর্কিত করেছেন।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
ثم تابعه الحافظ عبد الغني بن عبد الواحد المقدسي المتوفى سنة 600? في كتابه (الكمال في أسماء الرجال) ، ثم تابعهما أصحاب كتب الأطراف وأسماء الرجال، والمتأخرون في تصانيفهم، وإنما قدم هؤلاء سنن ابن ماجة على الموطأ لكثرة زوائده على الكتب الخمسة بخلاف الموطأ؛ فإن أحاديثه - إلا القليل منها - موجودة في الكتب الخمسة مندمجة فيها، فهذا هو السبب في عدهم السادس سنن ابن ماجة دون الموطأ1

وقد عدّ بعض الحفاظ موطأ مالك في درجة الصحيحين، بل منهم من قدمه على الصحيحين، كالإمام ابن عبد البر المتوفى سنة 463?، والإمام أبو بكر بن العربي المتوفى سنة 543?.

وقال ابن حجر: لم يرو - أي الإمام مالك - فيه إلا الصحيح عنده2.

ومن الذين قدموا الموطأ على سنن ابن ماجة أبو الحسن أحمد بن رزين السرقسطي المتوفى سنة 535? في كتابه (التجريد في الجمع بين الصحاح) ، وتابعه على ذلك أبو السعادات مبارك بن محمد المشهور بابن الأثير الجزري المتوفى سنة 606? وكذا غيره3.

ومن الحفاظ من عد سادس الكتب كتاب الدارمي.

قال طاهر الجزائري: ولما كان ابن ماجة قد أخرج أحاديث عن رجال متهمين بالكذب وسرقة الأحاديث، قال بعضهم: ينبغي أن يجعل السادس كتاب الدارمي؛ فإنه قليل الرجال الضعفاء، نادر الأحاديث المنكرة والشاذة، وإن كانت فيه أحاديث مرسلة وموقوفة؛ فهو مع ذلك أولى منه4.

وقال الذهبي: سنن أبي عبد الله كتاب حسن لولا ما كدره أحاديث واهية ليست بالكثيرة5.

وقال الحافظ ابن رجب عند كلامه عن طبقات الرواة عن الزهري في الطبقة الخامسة: قوم من المتروكين والمجهولين كالحكم الأيلي، وعبد القدوس بن حبيب، ومحمد بن سعيد المصلوب، وبحر السقاء ونحوهم؛ فلم يخرج لهم الترمذي ولا أبو داود ولا

--------------------------------------------

1 انظر توجيه النظر ص 153.

2 انظر تعجيل المنفعة ص 9.

3 انظر توجيه النظر ص 153.

4 انظر توجيه النظر ص 153 ومقدمة ابن الصلاح ص 34- 35 حيث ذكر السبب في تأخر المسانيد عن مرتبة الكتب الخمسة ومنها مسند الدارمي، وانظر كلام ابن رشيد في حاشية سنن النسائي ج 1/11.

5 انظر تذكرة الحفاظ ج2/636.
এরপর হাফেজ আব্দুল গনি ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (মৃত্যু ৬০০? হি.) তাঁর (আল-কামাল ফি আসমাইর রিজাল) গ্রন্থে তাঁদের অনুসরণ করেছেন। অতঃপর আতরাফ ও আসমাউর রিজাল বিষয়ক গ্রন্থের লেখকগণ এবং পরবর্তী যুগের আলেমগণ তাঁদের সংকলনসমূহে তাঁদেরই অনুসরণ করেছেন। তারা কেবল মুওয়াত্তার ওপর সুনান ইবনে মাজাহকে প্রাধান্য দিয়েছেন কারণ পাঁচটি গ্রন্থের অতিরিক্ত হাদীসের সংখ্যা এতে অনেক বেশি, যা মুওয়াত্তার ক্ষেত্রে ভিন্ন; কারণ মুওয়াত্তার হাদীসগুলো—খুব সামান্য কিছু বাদে—পাঁচটি গ্রন্থের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আর এটাই ষষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে মুওয়াত্তার পরিবর্তে সুনান ইবনে মাজাহকে গণ্য করার কারণ।১

কোনো কোনো হাফেজ ইমাম মালিকের মুওয়াত্তাকে সহীহায়নের (বুখারী ও মুসলিম) সমপর্যায়ের গণ্য করেছেন। এমনকি তাঁদের মধ্যে এমন কেউও আছেন যিনি একে সহীহায়নের ওপরও প্রাধান্য দিয়েছেন, যেমন ইমাম ইবনে আব্দুল বার (মৃত্যু ৪৬৩? হি.) এবং ইমাম আবু বকর ইবনুল আরাবি (মৃত্যু ৫৪৩? হি.)।

ইবনে হাজার বলেন: তিনি—অর্থাৎ ইমাম মালিক—এতে কেবল তাঁর নিকট যা সহীহ তা-ই বর্ণনা করেছেন।২

যারা সুনান ইবনে মাজাহর ওপর মুওয়াত্তাকে প্রাধান্য দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে রাজীন আল-সারাগোস্তি (মৃত্যু ৫৩৫? হি.) তাঁর (আত-তাজরীদ ফিল জামই বাইনাস সিহাহ) গ্রন্থে। আর আবুস সা'আদাত মুবারক ইবনে মুহাম্মদ—যিনি ইবনুল আসীর আল-জাজারি (মৃত্যু ৬০৬? হি.) নামে পরিচিত—এবং অন্যান্যরাও এ ব্যাপারে তাঁর অনুসরণ করেছেন।৩

হাফেজদের মধ্যে কেউ কেউ ষষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে দারেমীর গ্রন্থকে গণ্য করেছেন।

তাহের আল-জাজাইরি বলেন: যেহেতু ইবনে মাজাহ মিথ্যাচার এবং হাদীস চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত বর্ণনাকারীদের থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাই কেউ কেউ বলেছেন: ষষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে দারেমীর গ্রন্থকেই নির্ধারণ করা উচিত; কারণ এতে দুর্বল বর্ণনাকারীর সংখ্যা কম, এবং মুনকার ও শায হাদীস খুবই বিরল। যদিও এতে কিছু মুরসাল এবং মাওকুফ হাদীস রয়েছে, তবুও এটি ইবনে মাজাহর তুলনায় অগ্রগণ্য।৪

যাহাবী বলেন: আবু আব্দুল্লাহর সুনান একটি উত্তম গ্রন্থ, যদি না এটি কিছু অতি দুর্বল হাদীসের কারণে কলুষিত হতো, তবে সেই হাদীসগুলো সংখ্যায় খুব বেশি নয়।৫

হাফেজ ইবনে রজব যুহরী থেকে বর্ণনাকারীদের স্তর সম্পর্কে আলোচনার সময় পঞ্চম স্তর প্রসঙ্গে বলেন: তারা হলো পরিত্যক্ত ও অজ্ঞাত বর্ণনাকারীদের একটি দল, যেমন হাকাম আল-আইলি, আব্দুল কুদ্দুস ইবনে হাবিব, মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মাসলুব, বাহর আস-সাক্কা এবং তাদের অনুরূপ ব্যক্তিগণ; তাদের থেকে তিরমিযী বা আবু দাউদ হাদীস বর্ণনা করেননি এবং...

--------------------------------------------

১ দেখুন: তাওজিহুন নজর, পৃষ্ঠা ১৫৩।

২ দেখুন: তা'জিলুল মানফায়াহ, পৃষ্ঠা ৯।

৩ দেখুন: তাওজিহুন নজর, পৃষ্ঠা ১৫৩।

৪ দেখুন: তাওজিহুন নজর, পৃষ্ঠা ১৫৩ এবং মুকাদ্দিমাহ ইবনুস সালাহ, পৃষ্ঠা ৩৪-৩৫, যেখানে পাঁচটি গ্রন্থের মর্যাদার তুলনায় মাসানিদ বা মুসনাদ গ্রন্থগুলোর—যার মধ্যে মুসনাদে দারেমীও রয়েছে—পিছিয়ে থাকার কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। আরও দেখুন সুনান আন-নাসায়ীর টীকায় ইবনে রশীদের বক্তব্য, খণ্ড ১/১১।

৫ দেখুন: তাযকিরাতুল হুফফাজ, খণ্ড ২/৬৩৬।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
النسائي، ويخرج لبعضهم ابن ماجة، ومن هنا نزلت درجة كتابه عن بقية الكتب، ولم يعده من الكتب المعتبرة سوى طائفة من المتأخرين1.

وقال الحافظ ابن حجر: كتابه في السنن - أي ابن ماجة - جامع جيد، كثير الأبواب والغرائب، وفيه أحاديث ضعيفة جدا، حتى بلغني أن السري كان يقول: مهما انفرد بخبر، فيه أحاديث كثيرة منكرة، والله تعالى المستعان، ثم وجدت بخط الحافظ شمس الدين محمد بن علي الحسيني ما لفظه: سمعت شيخنا الحافظ أبا الحجاج المزي يقول: كل ما انفرد به ابن ماجة فهو ضعيف2، يعني: وكلامه هو ظاهر كلام شيخه.

لكن حمله على الرجال أولى، وأما حمله على أحاديث فلا يصح3.
আন-নাসায়ী; আর ইবনে মাজাহ তাঁদের কারো কারো বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন। এখান থেকেই তাঁর কিতাবের মান অন্যান্য কিতাবের তুলনায় নিচে নেমে গিয়েছে, এবং পরবর্তী যুগের একটি ক্ষুদ্র দল ব্যতীত অন্য কেউ একে নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহের অন্তর্ভুক্ত করেননি ১।

হাফিজ ইবনে হাজার বলেন: আস-সুনান বিষয়ে তাঁর কিতাবটি—অর্থাৎ ইবনে মাজাহর কিতাব—একটি উত্তম সংকলন, যা অনেক অধ্যায় ও বিরল বর্ণনায় সমৃদ্ধ; তবে এতে অত্যন্ত দুর্বল হাদিসও রয়েছে। এমনকি আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আস-সারী বলতেন: যখনই তিনি কোনো সংবাদ বর্ণনায় একক হয়েছেন, তাতে অনেক মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) হাদিস রয়েছে। আর আল্লাহ তাআলাই সাহায্যকারী। অতঃপর আমি হাফিজ শামসউদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-হুসাইনীর হস্তাক্ষরে নিম্নোক্ত কথাগুলো পেয়েছি: আমি আমাদের শায়খ হাফিজ আবুল হাজ্জাজ আল-মিযযীকে বলতে শুনেছি যে, ইবনে মাজাহ যা কিছু এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার সবই দুর্বল ২। অর্থাৎ, তাঁর বক্তব্য তাঁর শায়খের বক্তব্যেরই প্রকাশ্য রূপ।

তবে একে বর্ণনাকারীদের (রাবী) ওপর প্রয়োগ করাই অধিক সমীচীন; আর সরাসরি হাদিসসমূহের ওপর একে প্রয়োগ করা সঠিক নয় ৩।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌عدد كتب سنن ابن ماجة، وأبوابه، وأحاديثه:

قال الذهبي: عدد كتب سننه - أي ابن ماجة - اثنان وثلاثون كتابا4.

وقال أبو الحسن القطان صاحب ابن ماجة5: في السنن ألف وخمس مائة باب، وجملة ما فيها أربعة آلاف حديث6.

ولقد قام الأستاذ المحقق محمد فؤاد عبد الباقي رحمه الله – بإحصاء أحاديث سنن ابن ماجة بصورة علمية متقنة؛ فكان جملة أحاديثها (4341) أربعة آلاف وثلاثمائة وواحد وأربعون حديثا، من هذه الأحاديث (3002) اثنان وثلاثة آلاف حديث أخرجها أصحاب الكتب الخمسة كلهم أو بعضهم، وباقي الأحاديث وعددها (1339) ألف وثلاثمائة وتسعة وثلاثون حديثا هي الزوائد على ما جاء بالكتب الخمسة، وهذه الزوائد هي التي عرض لها

--------------------------------------------

1 انظر شرح علل الترمذي ص 294. ومحمد بن سعيد المصلوب لم ينفرد ابن ماجة بإخراج حديثه في السنن بل شاركه أيضاً الترمذي في الجامع. انظر: ميزان الاعتدال ج3/561. وخلاصة تهذيب الكمال ج2/407

2 وقال ابن حجر في الفهرسة: إنه قال الحافظ المزي: إن الغالب فيما انفرد به ابن ماجة الضعف. انظر توضيح الأفكار للأمير الصنعاني ج 1/223.

3 انظر: تهذيب التهذيب ج 9/531- 532، وفي البحر الذي زخر للسيوطي ورقة (65- أ-) (قال الحافظ ابن حجر فيما كتبه بخطه على حاشية الكتاب: مراده – أي المزي - من الرجال لا من الأحاديث فإن في أفراده صحاحا) ا?.

4 انظر تذكرة الحفاظ ج 2/636.

5 هو الحافظ الإمام القدوة أبو الحسن علي بن إبراهيم بن سلمة بن بحر القزويني، محدث قزوين وعالمها (254- 345?) . انظر تذكرة الحفاظ ج 3/856- 857.

6 انظر تذكرة الحفاظ ج 2/636.
সুনান ইবনে মাজাহ-র কিতাবসমূহ, অধ্যায়সমূহ এবং হাদিসসমূহের সংখ্যা:

আয-যাহাবি বলেছেন: তার—অর্থাৎ ইবনে মাজাহ-র—সুনান গ্রন্থের কিতাবসমূহের সংখ্যা বত্রিশটি।৪

ইবনে মাজাহ-র ছাত্র আবুল হাসান আল-কাত্তান৫ বলেছেন: সুনান গ্রন্থে এক হাজার পাঁচশটি অধ্যায় রয়েছে এবং এতে বিদ্যমান মোট হাদিসের সংখ্যা চার হাজার।৬

মুহাক্কিক উস্তাদ মুহাম্মাদ ফুয়াদ আব্দুল বাকি (রহিমাহুল্লাহ) সুশৃঙ্খল বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সুনান ইবনে মাজাহ-র হাদিসসমূহ গণনা করেছেন; ফলে এর মোট হাদিস সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩৪১ (চার হাজার তিনশ একচল্লিশ) টি। এই হাদিসগুলোর মধ্যে ৩০০২ (তিন হাজার দুই) টি হাদিস অন্য পাঁচটি কিতাবের সংকলকগণ সবাই অথবা কেউ কেউ বর্ণনা করেছেন। অবশিষ্ট হাদিসসমূহ—যার সংখ্যা ১৩৩৯ (এক হাজার তিনশ উনচল্লিশ) টি—হলো ওই সব হাদিস যা অন্য পাঁচটি কিতাবে বর্ণিত হাদিসগুলোর অতিরিক্ত (যা 'যাওয়ায়িদ' নামে পরিচিত)। আর এই অতিরিক্ত হাদিসগুলোই উপস্থাপন করেছেন—

--------------------------------------------

১ দেখুন শারহু ইলালিত তিরমিযি, পৃষ্ঠা ২৯৪। এবং মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আল-মাসলুব-এর হাদিস বর্ণনায় ইবনে মাজাহ একক নন, বরং তিরমিযিও আল-জামি‘ গ্রন্থে তার সাথে শরিক হয়েছেন। দেখুন: মীযানুল ই’তিদাল খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৫৬১; এবং খুলাসাতু তাহযিবিল কামাল খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৪০৭।

২ হাফেজ ইবনে হাজার আল-ফিহরাসাত গ্রন্থে বলেছেন: হাফেজ মিযযি বলেছেন যে, ইবনে মাজাহ এককভাবে যা বর্ণনা করেছেন, তার অধিকাংশ হাদিসই দুর্বল। দেখুন: আমির আস-সানআনি রচিত তাওযিহুল আফকার খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২২৩।

৩ দেখুন: তাহযিবুত তাহযিব খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা ৫৩১-৫৩২; এবং সুয়ুতী রচিত আল-বাহরুল্লাযী যাখার-এর ৬৫ (ক) পৃষ্ঠায় (হাফেজ ইবনে হাজার কিতাবের পার্শ্বটীকায় নিজ হাতে যা লিখেছেন তাতে বলেছেন: তার—অর্থাৎ মিযযির—উদ্দেশ্য হলো বর্ণনাকারীগণ (রিজাল), হাদিসসমূহ নয়। কেননা তার একক বর্ণনাসমূহের মধ্যে সহিহ হাদিসও রয়েছে)।

৪ দেখুন: তাযকিরাতুল হুফফায খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৬৩৬।

৫ তিনি হলেন হাফেজ, ইমাম, আদর্শ ব্যক্তিত্ব আবুল হাসান আলি ইবনে ইবরাহিম ইবনে সালামাহ ইবনে বাহর আল-কাযউইনি; কাযউইনের মুহাদ্দিস ও প্রাজ্ঞ আলেম (২৫৪-৩৪৫ হিজরি)। দেখুন: তাযকিরাতুল হুফফায খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৮৫৬-৮৫৭।

৬ দেখুন: তাযকিরাতুল হুফফায খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৬৩৬।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
الحافظ الشهاب البوصيري في (مصباح الزجاجة) 1، ومن هذه الزوائد (428) أربعمائة وثمانية وعشرون حديثا رجالها ثقات صحيحة الإسناد، ومنها (199) تسعة وتسعون ومائة حديث؛ حسنة الإسناد، ومنها (613) ثلاثة عشر وستمائة حديث؛ ما بين واهية الإسناد أو منكرة أو مكذوبة2.

تبين لنا من خلال إحصاء الأستاذ محمد فؤاد أن عدد كتب سنن ابن ماجة (37) سبعة وثلاثون كتابا عدا المقدمة، وعدد أبوابه (1515) بابا، وعدد أحاديثه (4341) حديثا3.

ويبدو أن الاختلاف في عدد الأحاديث نجم عن اختلاف النسخ؛ فالنسخة التي كانت عند أبي الحسن القطان تختلف من حيث عدد الأبواب والأحاديث عن النسخ التي طبعت ووقف عليها الأستاذ محمد فؤاد عبد الباقي4 ولعل أبا الحسن القطان رحمه الله لم يدخل مقدمة سنن ابن ماجة ضمن أحاديث الكتب الأخرى ابتداء من كتاب الطهارة وسننها حتى نهاية كتاب الزهد، ولو أسقطنا أحاديث المقدمة والتي مجموعها (266) حديثا يبقى الفرق بين العدد الذي ذكره فؤاد عبد الباقي وبين ما ذكره أبو الحسن القطان (75) حديثا، ولعل تعبير ابن القطان - وجملة ما فيها – يدل على أنه لم يذكرها بالضبط والدقة حديثا حديثا؛ ابتداء من المقدمة حتى نهاية كتاب لزهد.

وكذلك يقال عن الأبواب؛ فالفرق بين عدد الأبواب التي ذكرها فؤاد عبد الباقي وبين ما ذكره أبو الحسن القطان (15) خمسة عشر بابا؛ عد فؤاد عبد الباقي في المقدمة (24) أربعة وعشرين بابا.

--------------------------------------------

(مصباح الزجاجة في زوائد ابن ماجة) لأحمد بن أبي بكر ابن إسماعيل الكناني البوصيري المتوفى سنة 840?، توجد نسخة منه في دار الكتب المصرية رقم (حديث 442) وقد اطلعت عليه. وانظر تاريخ التراث العربي ج1/380 ط1. وأفرد هذه الزوائد أيضا نور الدين أبو الحسن علي بن أبي بكر بن سليمان الهيثمي المتوفى سنة 807? باسم زوائد على الكتب الخمسة. توجد نسخة منه في الآصفية رقم (حديث 410) . انظر تاريخ التراث ج 1/380.

2 انظر سنن ابن ماجة ج 2/1519- 1520.

3 انظر سنن ابن ماجة ج 2/1524.

4 اعتمد الأستاذ فؤاد عبد الباقي على نسخة مطبوعة بالمطبعة العلمية بمصر سنة 1313? وعليها حاشية الإمام أبي الحسن محمد بن عبد الهادي الحنفي نزيل المدينة المنورة المتوفى سنة 1138?. وهذه النسخة - كما يقول فؤاد عبد الباقي - لم يراع فيها شيء من الدقة، لا في تحري صحة المتن ولا في أسماء رجال السند.

والمطبوعة الثانية طبعت سنة 1847 ميلادية، نصفها في المطبع الفاروقي في الدهلي بالهند بتصحيح مولانا مولوي طاهر، والنصف الآخر في مطبع مجتبائي في الدهلي بالهند بتصحيح مولوي عبد الأحد.

ولعل أصح النسخ المروية عن ابن ماجة هي النسخة التي تداولتها أيدي الحفاظ المتقنين من المقادسة وغيرهم طبقة بعد طبقة، والمحفوظة بالخزانة التيمورية (رقم 522) بدار الكتب المصرية.
হাফেজ শিহাব আল-বুসিরি (মিসবাহ আল-জুজাজাহ) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, এই অতিরিক্ত হাদিসগুলোর মধ্যে ৪২৮টি (চারশত আঠাশ) হাদিসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য এবং এদের সনদ সহিহ; ১৯৯টি (একশত নিরানব্বই) হাদিসের সনদ হাসান; এবং ৬১৩টি (ছয়শত তের) হাদিস অত্যন্ত দুর্বল সনদযুক্ত, মুনকার অথবা মিথ্যা হিসেবে সাব্যস্ত।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ফুয়াদের পরিসংখ্যান থেকে আমাদের নিকট স্পষ্ট হয়েছে যে, সুনানে ইবনে মাজাহর কিতাব বা অধ্যায় সংখ্যা (ভূমিকা ব্যতীত) ৩৭টি (সাঁইত্রিশ), এর পরিচ্ছেদ সংখ্যা ১৫১৫টি (এক হাজার পাঁচশত পনের) এবং হাদিস সংখ্যা ৪৩৪১টি (চার হাজার তিনশত একচল্লিশ)।

মনে হচ্ছে হাদিস সংখ্যার এই পার্থক্য মূলত পাণ্ডুলিপির পার্থক্যের কারণে ঘটেছে। আবু আল-হাসান আল-কাত্তানের নিকট সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপিটি পরিচ্ছেদ ও হাদিস সংখ্যার দিক থেকে সেই পাণ্ডুলিপিগুলো থেকে ভিন্ন, যা অধ্যাপক মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি মুদ্রণ করেছেন এবং পর্যবেক্ষণ করেছেন। সম্ভবত আবু আল-হাসান আল-কাত্তান (রহিমাহুল্লাহ) সুনানে ইবনে মাজাহর ভূমিকা অংশের হাদিসগুলোকে পবিত্রতা অধ্যায় থেকে যুহদ অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত থাকা অন্যান্য কিতাবসমূহের হাদিসের অন্তর্ভুক্ত করেননি। যদি আমরা ভূমিকা অংশের হাদিসগুলো বাদ দেই, যার মোট সংখ্যা ২৬৬টি (দুইশত ৬৬) হাদিস, তবে ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি এবং আবু আল-হাসান আল-কাত্তানের উল্লেখ করা সংখ্যার মধ্যে ৭৫টি (পঁচাত্তর) হাদিসের ব্যবধান থাকে। সম্ভবত ইবনুল কাত্তানের অভিব্যক্তি—"এর মধ্যে মোট যা রয়েছে"—নির্দেশ করে যে তিনি ভূমিকা থেকে শুরু করে যুহদ অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত প্রতিটি হাদিস অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁতভাবে গণনা করেননি।

পরিচ্ছেদসমূহের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়; ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি এবং আবু আল-হাসান আল-কাত্তানের উল্লেখিত পরিচ্ছেদ সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য হলো ১৫টি (পনের); ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি ভূমিকা অংশে ২৪টি (চব্বিশ) পরিচ্ছেদ গণনা করেছেন।

--------------------------------------------

আহমদ বিন আবি বকর ইবনে ইসমাইল আল-কিনানি আল-বুসিরি (মৃত্যু ৮৪০ হিজরি) রচিত 'মিসবাহ আল-জুজাজাহ ফি যাওয়ায়েদ ইবনে মাজাহ'; মিশরের দারুল কুতুব-এ এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে (হাদিস নং ৪৪২) এবং আমি তা দেখেছি। দেখুন: তারিখুত তুরাসিল আরাবি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৮০, প্রথম সংস্করণ। নুরুদ্দিন আবু আল-হাসান আলি বিন আবি বকর বিন সুলাইমান আল-হাইসামি (মৃত্যু ৮০৭ হিজরি) এই অতিরিক্ত হাদিসগুলোকে 'যাওয়ায়েদ আলা আল-কুতুব আল-খামসাহ' নামে পৃথকভাবে সংকলন করেছেন। এর একটি পাণ্ডুলিপি আসিফিয়া গ্রন্থাগারে রয়েছে (হাদিস নং ৪১০)। দেখুন: তারিখুত তুরাস, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৮০।

২ দেখুন: সুনানে ইবনে মাজাহ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৫১৯-১৫২০।

৩ দেখুন: সুনানে ইবনে মাজাহ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৫২৪।

৪ অধ্যাপক ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি মিশরের আল-মাতবাআ আল-ইলমিয়্যাহ-তে ১৩১৩ হিজরিতে মুদ্রিত একটি সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছেন, যাতে মদিনা মুনাওয়ারায় বসবাসকারী ইমাম আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দ আল-হাদি আল-হানাফি (মৃত্যু ১১৩৮ হিজরি)-এর টীকা বা হাশিয়া রয়েছে। ফুয়াদ আব্দ আল-বাকি যেমনটি বলেছেন—এই সংস্করণটিতে পাঠ্যের সঠিকতা যাচাই বা সনদের বর্ণনাকারীদের নামের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সূক্ষ্মতা বজায় রাখা হয়নি।

দ্বিতীয় সংস্করণটি ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে মুদ্রিত হয়েছিল, যার অর্ধেক ভারতের দিল্লির মাতবাআ আল-ফারুকি-তে মাওলানা মৌলভি তাহিরের সংশোধনে এবং বাকি অর্ধেক দিল্লির মাতবাআ মুজতাবাই-তে মৌলভি আব্দ আল-আহাদের সংশোধনে মুদ্রিত হয়।

সম্ভবত ইবনে মাজাহ থেকে বর্ণিত পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ হলো সেই সংস্করণটি যা মাকদিসি এবং অন্যান্য দক্ষ হাফেজদের মাধ্যমে বংশপরম্পরায় হস্তান্তরিত হয়েছে এবং যা মিশরের দারুল কুতুব-এর আল-খিজানাতুত তাইমুরিয়্যাহ (নং ৫২২)-তে সংরক্ষিত আছে।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
أما عدد الكتب ففيه اختلاف كذلك؛ فذكر الذهبي أنها (اثنان وثلاثون) كتابا، بينما عددها حسب إحصاء فؤاد عبد الباقي (سبعة وثلاثون) كتابا، ولو وقف الأستاذ فؤاد عبد الباقي على نسخة متقنة مروية بالسند الصحيح عن الإمام ابن ماجة لكان عمله أكمل في خدمة هذا المصدر السادس للسنة النبوية، ويزيل هذا الاختلاف الواقع في عدد الكتب وكذا الأبواب والأحاديث.
আর গ্রন্থের সংখ্যার ক্ষেত্রেও একইভাবে মতভেদ রয়েছে; ইমাম যাহাবী উল্লেখ করেছেন যে তা (বত্রিশ) টি গ্রন্থ, পক্ষান্তরে ফুয়াদ আব্দুল বাকীর গণনা অনুযায়ী তার সংখ্যা (সাইত্রিশ) টি গ্রন্থ। যদি অধ্যাপক ফুয়াদ আব্দুল বাকী ইমাম ইবনে মাজাহ থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত কোনো সুসংহত পাণ্ডুলিপি লাভ করতেন, তবে সুন্নাহে নববীর এই ষষ্ঠ উৎসের সেবায় তাঁর কর্মটি আরও পূর্ণাঙ্গ হতো এবং গ্রন্থ সংখ্যা, সেইসাথে অধ্যায় ও হাদিসের সংখ্যার ক্ষেত্রে বিদ্যমান এই মতভেদ দূর হতো।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌قول أبي زرعة في سنن ابن ماجة:

قال ابن ماجة: عرضت هذه السنن على أبي زرعة؛ فنظر فيها وقال: أظن إن وقع هذا في أيدي الناس تعطلت هذه الجوامع أو أكثرها، ثم قال: (لعل لا يكون فيه تمام ثلاثين حديثا مما في إسناده ضعف) 1.

وعقب الحافظ الذهبي على هذا القول في سير أعلام النبلاء بقوله: (وقول أبي زرعة لعل لا يكون فيه تمام ثلاثين حديثا مما في سنده ضعف، أو نحو ذلك - إن صح- كأنما عنى بثلاثين حديثا، الأحاديث المطرحة الساقطة، وأما الأحاديث التي لا تقوم بها حجة فكثيرة نحو الألف..) 2.

ونقل ابن الوزير في (تنقيح الأنظار) كلام الذهبي هذا وعقب عليه بقوله: (إنما أراد الذهبي تقليل الأحاديث الباطلة، وأما الأحاديث الضعيفة في عرف أهل الحديث ففيه قدر ألف حديث منها - كما ذكر في النبلاء في ترجمة ابن ماجة - وقدر الباطلة بعشرين حديثا) 3.

أما الشق الأول من كلام أبي زرعة وهو: (أظن إن وقع هذا في أيدي الناس تعطلت هذه الجوامع أو أكثرها) ؛ فأراد به - والله أعلم - ما ذكره ابن طاهر المقدسي المتوفى سنة 507? من (حسن الترتيب، وغزارة الأبواب، وقلة الأحاديث، وترك التكرار، ولا يوجد فيه من النوازل والمقاطيع والمراسيل..)

--------------------------------------------

1 انظر تذكرة الحفاظ ج 2/636، وفي معجم البلدان لياقوت الحموي في مادة (قزوين) (عرضت هذه النسخة) ، وزاد في الخبر بعد قوله في إسناده ضعف (أو قال عشرين أو نحو هذا الكلام) .

2 انظر سير أعلام النبلاء النسخة المصورة المحفوظة في معهد المخطوطات بجامعة الدول العربية.

3 انظر توضيح الأفكار لمعاني تنقيح الأنظار للأمير الصنعاني ج 1/223.

4 انظر كتاب التقييد لرواة السنن والمسانيد لابن نقطة الحنبلي البغدادي المتوفى سنة 629? نسخة المتحف البريطاني ورقة (42- ب-) وانظر كتاب البدر المنير في تخريج الأحاديث والآثار الواقعة في الشرح الكبير الذي صنفه أبو القاسم عبد الكريم بن أبي الفضل الرافعي المتوفى سنة 623? لأبي حفص ابن الملقن المتوفى سنة 804? ج 1/ ورقة 15.
সুনান ইবনে মাজাহ সম্পর্কে আবু যুরআ’র উক্তি:

ইবনে মাজাহ বলেন: আমি এই সুনান আবু যুরআ’র নিকট পেশ করলাম; তিনি এটি দেখলেন এবং বললেন: আমার মনে হয় যদি এটি মানুষের হাতে পৌঁছায় তবে এই জামে গ্রন্থসমূহ বা এর অধিকাংশ অকেজো হয়ে পড়বে। অতঃপর তিনি বললেন: (সম্ভবত এতে এমন তিরিশটি হাদিসও নেই যার সনদে দুর্বলতা রয়েছে) ১।

হাফিয যাহাবি ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ গ্রন্থে এই উক্তির ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন: (আবু যুরআ’র উক্তি—সম্ভবত এতে এমন তিরিশটি হাদিসও নেই যার সনদে দুর্বলতা রয়েছে, বা অনুরূপ কিছু—যদি তা সহিহ হয়—তবে তিনি তিরিশটি হাদিস দ্বারা সম্ভবত সেই সব হাদিসকে বুঝিয়েছেন যা বর্জনীয় ও পরিত্যক্ত। আর যেসব হাদিস দ্বারা দলিল গ্রহণ করা যায় না, তেমন হাদিসের সংখ্যা অনেক, প্রায় এক হাজারের মতো...) ২।

ইবনুল উযাইর ‘তানকিহুল আনযার’ গ্রন্থে যাহাবির এই কথাটি উদ্ধৃত করেছেন এবং এর ওপর মন্তব্য করে বলেছেন: (যাহাবি কেবল বাতিল হাদিসসমূহের সংখ্যা কম বুঝাতে চেয়েছেন। আর মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় দুর্বল হাদিস এতে প্রায় এক হাজার রয়েছে—যেমনটি তিনি ‘নুবালা’ গ্রন্থে ইবনে মাজাহ-এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন—এবং বাতিল হাদিসের সংখ্যা বিশটি বলে নির্ধারণ করেছেন) ৩।

আবু যুরআ’র উক্তির প্রথম অংশটি হলো: (আমার মনে হয় যদি এটি মানুষের হাতে পৌঁছায় তবে এই জামে গ্রন্থসমূহ বা এর অধিকাংশ অকেজো হয়ে পড়বে); এর দ্বারা তিনি যা বুঝিয়েছেন—আল্লাহই ভালো জানেন—তা হলো ৫০৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী ইবনে তাহের আল-মাকদিসি কর্তৃক উল্লিখিত বিষয়সমূহ যেমন: (চমৎকার বিন্যাস, অধ্যায়সমূহের প্রাচুর্য, হাদিসের স্বল্পতা, পুনরাবৃত্তি বর্জন এবং এতে দুর্বল সনদ, মাকতু ও মুরসাল হাদিসের অনুপস্থিতি...) ৪।

--------------------------------------------

১ দ্রষ্টব্য: তাযকিরাতুল হুফফায, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৬৩৬; এবং ইয়াকুত আল-হামাভির মুজামুল বুলদান গ্রন্থে ‘কাযউইন’ শিরোনামে (আমি এই পান্ডুলিপিটি পেশ করলাম) বর্ণিত আছে, এবং সেখানে তার উক্তি ‘সনদে দুর্বলতা রয়েছে’-এর পর এ কথাটি অতিরিক্ত আছে যে: (অথবা তিনি বিশটি বা এই জাতীয় কিছু বলেছিলেন)।

২ দ্রষ্টব্য: সিয়ারু আলামিন নুবালা, আরব লিগ পাণ্ডুলিপি ইনস্টিটিউটে সংরক্ষিত ছায়ালিপি সংস্করণ।

৩ দ্রষ্টব্য: আমির আস-সানআনি রচিত তাওদিহুল আফকার লি-মাআনি তানকিহিল আনযার, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২৩।

৪ দ্রষ্টব্য: ৬২৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী ইবনুস নুকতাহ আল-হাম্বলি আল-বাগদাদি রচিত কিতাবুত তাকিয়িদ লি-রুওয়াতিল সুনানি ওয়াল মাসানিদ, ব্রিটিশ মিউজিয়াম সংস্করণ, পত্র (৪২-খ); এবং ৬২৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী আবুল কাসিম আব্দুল কারিম বিন আবুল ফজল আর-রাফিঈ রচিত আশ-শারহুল কাবির-এ বর্ণিত হাদিস ও আসারসমূহের তাখরিজ বিষয়ে ৮০৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী আবু হাফস ইবনুল মুলাক্কিন রচিত কিতাবুল বাদরুল মুনির, ১ম খণ্ড, পত্র ১৫।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
وقال الحافظ ابن حجر: (كتابه في السنن - أي ابن ماجة - جامع جيد، كثير الأبواب والغرائب، وفيه أحاديث ضعيفة جدا..) 1.

وقال صديق حسن خان عند كلامه عن سنن ابن ماجة: (وفي الواقع؛ الذي فيه من حسن الترتيب وسرد الأحاديث بالاختصار من غير تكرار ليس في أحد من الكتب، وقد شهد أبو زرعة على صحته) 2.

ولعل الإمام الرازي - أبو زرعة - أراد بالجوامع التي صنفها الحفاظ في بلاد الري وقزوين وطبرستان وتلك البلادن، ويؤيد هذا ما قاله ابن طاهر المقدسي عند ذكره سنن ابن ماجة، يقول ابن طاهر: (وهذا الكتاب وإن لم يشتهر عند أكثر الفقهاء فإن له بالري وما والاها من ديار الجبل وقوهستان ومازندان وطبرستان شأن عظيم؛ عليه اعتمادهم، وله عندهم طرق كثيرة) 3.

أو أراد الجوامع المشهورة، ومنها الجامع الصحيح للبخاري والجامع الصحيح لمسلم؛ من حيث الترتيب والتنظيم، وهذا رأيه، ولكل رأيه واجتهاده.

ولقد ذكر بعض المحدثين عددا أقل من الأحاديث التي ذكرها أبو زرعة، ولعلهم أرادوا أن يرفعوا من شأن سنن ابن ماجة ومكانتها.

قال أبو القاسم عبد الكريم بن محمد القزويني الرافعي المتوفى سنة 623? في ترجمة ابن ماجة من تأريخه: (وسمعت والدي رحمه الله يقول: عرض كتاب السنن لابن ماجة على أبي زرعة الرازي فاستحسنه وقال: لم يخطئ إلا في ثلاثة أحاديث) 4.

أقول: هذا الخبر ظاهر الضعف، ولعله أراد أن يفتخر بإمام بلده ويرفع من شأن سننه - رحمهما الله-، ويحتمل وقوع تصحيف (ثلاثين) إلى (ثلاثة) .

وروى ابن نقطة بسنده إلى ابن طاهر المقدسي الحافظ أنه قال: (رأيت على ظهر جزء قديم بالري حكاية كتبها أبو حاتم الحافظ المعروف بخاموش: قال أبو زرعة: طالعت

--------------------------------------------

1 انظر تهذيب التهذيب ج 9/531-532، والبحر الذي زخر للسيوطي ورقة (65- أ-) .

2 انظر الحطة في ذكر الصحاح الستة ص 256 ط إسلامي أكادمي أردو بازار - لاهور 1397? / 1977م.

3 انظر التقييد لابن نقطة وكذا البدر المنير لابن الملقن. ومن المعلوم أن تلك البلاد برز فيها الكثير من الحفاظ لا سيما في القرن الثالث وصنفوا الكثير من المسانيد، والسنن وغير ذلك من كتب السنة النبوية.

4 انظر كتاب التدوين في ذكر أهل العلم بقزوين النسخة المصورة بدار الكتب المصرية.
হাফেজ ইবনে হাজার বলেন: (সুনানের ওপর তাঁর কিতাব - অর্থাৎ ইবনে মাজাহ - একটি উত্তম জামে গ্রন্থ, এতে প্রচুর অধ্যায় ও অনন্য (গারীব) বর্ণনা রয়েছে, তবে এতে অত্যন্ত দুর্বল হাদিসও রয়েছে...) ১।

সিদ্দিক হাসান খান সুনানে ইবনে মাজাহ সম্পর্কে আলোচনার সময় বলেন: (প্রকৃতপক্ষে, এতে বিন্যাসের যে চমৎকারিত্ব এবং পুনরাবৃত্তি ছাড়াই সংক্ষেপে হাদিস বর্ণনা করার যে পদ্ধতি রয়েছে, তা অন্য কোনো গ্রন্থে নেই; আর আবু জুরআ এর বিশুদ্ধতার সাক্ষ্য দিয়েছেন।) ২।

সম্ভবত ইমাম রাজি - আবু জুরআ - এর দ্বারা সেই জামে গ্রন্থগুলো উদ্দেশ্য নিয়েছেন যা রায়, কাজউইন, তাবারিস্তান এবং সেই অঞ্চলের হাফেজগণ সংকলন করেছিলেন। ইবনে তাহের আল-মাকদিসি সুনানে ইবনে মাজাহ-এর বর্ণনায় যা বলেছেন তা একে সমর্থন করে। ইবনে তাহের বলেন: (এই কিতাবটি যদিও অধিকাংশ ফকিহদের নিকট প্রসিদ্ধি লাভ করেনি, তবে রায় এবং এর আশপাশের এলাকা যেমন দিয়ারুল জাবাল, কুহিস্তান, মাজান্দান ও তাবারিস্তানে এর এক মহান মর্যাদা রয়েছে; তাদের নির্ভরতা এর ওপরই, এবং তাদের নিকট এর অনেক সনদ বা সূত্র রয়েছে।) ৩।

অথবা তিনি প্রসিদ্ধ জামে গ্রন্থগুলো উদ্দেশ্য নিয়েছেন, যার মধ্যে বিন্যাস ও সাজানোর দিক থেকে বুখারির জামে সহিহ ও মুসলিমের জামে সহিহ অন্তর্ভুক্ত; আর এটি তাঁর ব্যক্তিগত অভিমত, এবং প্রত্যেকেরই নিজস্ব মত ও ইজতিহাদ রয়েছে।

আর কিছু মুহাদ্দিস আবু জুরআ বর্ণিত হাদিসের সংখ্যার চেয়েও কম সংখ্যা উল্লেখ করেছেন, সম্ভবত তারা সুনানে ইবনে মাজাহ-এর শান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করতে চেয়েছিলেন।

৬২৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী আবুল কাসিম আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মদ আল-কাজউইনি আর-রাফেয়ি তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে ইবনে মাজাহ-এর জীবনীতে বলেন: (আমি আমার পিতাকে—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—বলতে শুনেছি: ইবনে মাজাহ-এর সুনান গ্রন্থটি আবু জুরআ আর-রাজির নিকট উপস্থাপন করা হলে তিনি তা পছন্দ করেন এবং বলেন: এটি মাত্র তিনটি হাদিস ছাড়া ভুল করেনি।) ৪।

আমি বলব: এই বর্ণনাটি স্পষ্টভাবে দুর্বল। সম্ভবত তিনি নিজ শহরের ইমামকে নিয়ে গর্ব করতে চেয়েছিলেন এবং তাঁর সুনানের মর্যাদা বৃদ্ধি করতে চেয়েছিলেন—আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর রহম করুন—। আবার এটিও সম্ভব যে, এখানে ‘ত্রিশ’ শব্দটি ভুলবশত ‘তিন’ হয়ে গিয়েছে।

ইবনে নুকতাহ হাফেজ ইবনে তাহের আল-মাকদিসির সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি (ইবনে তাহের) বলেছেন: (আমি রায় শহরের একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপির মলাটে একটি কাহিনী দেখেছি যা খামুশ নামে পরিচিত হাফেজ আবু হাতেম লিখেছিলেন: আবু জুরআ বলেছেন: আমি পাঠ করেছি...

--------------------------------------------

১ তাহজিবুত তাহজিব খণ্ড ৯/৫৩১-৫৩২ এবং সুয়ুতির আল-বাহরুল্লাজি জাখার এর ৬৫-ক পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য।

২ আল-হিত্তাহ ফি জিকরিল সিহাহিস সিত্তাহ পৃষ্ঠা ২৫৬ দ্রষ্টব্য, ইসলামি একাডেমি উর্দু বাজার - লাহোর ১৩৯৭ হি./ ১৯৭৭ খ্রি.।

৩ ইবনে নুকতাহ-এর আত-তাকয়িদ এবং ইবনুল মুলাক্কিন-এর আল-বদরুল মুনির দ্রষ্টব্য। এটি সুবিদিত যে, ওই অঞ্চলগুলোতে বিশেষ করে তৃতীয় হিজরি শতাব্দীতে অনেক হাফেজ আত্মপ্রকাশ করেছিলেন এবং তাঁরা অনেক মুসনাদ, সুনান এবং সুন্নাহর অন্যান্য কিতাব সংকলন করেছিলেন।

৪ কাজউইনের আলেমদের স্মরণে কিতাবুত তাদউইন দ্রষ্টব্য, মিশরীয় দারুল কুতুবের পাণ্ডুলিপি সংস্করণ।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
كتاب أبي عبد الله بن ماجة فلم أجد فيه إلا قدرا يسيرا مما فيه شيء. وذكر بضعة عشر، وكلاما هذا معناه، قال ابن طاهر المقدسي: وحسبك من كتاب يعرض على أبي زرعة الرازي، ويذكر هذا الكلام بعد إمعان النظر والنقد) 1.

وذكر الحافظ ابن عساكر في تاريخ دمشق في ترجمة ابن ماجة قول أبي زرعة هذا إلى قوله: وكلامه هذا معناه..، إلا أنه قال فيه: (وذكر قريب تسعة عشر..) 2.
আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাজাহ-র কিতাব; এতে আমি অতি সামান্য অংশ ছাড়া এমন কিছু পাইনি যাতে কোনো (আপত্তিজনক) কিছু রয়েছে। তিনি দশের অধিক (হাদিসের) কথা উল্লেখ করেছেন এবং এই মর্মে কিছু কথা বলেছেন। ইবনে তাহের আল-মাকদিসি বলেন: একটি কিতাবের শ্রেষ্ঠত্বের জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে, তা আবু যুরআহ আর-রাজির সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তিনি গভীর পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার পর এই মন্তব্য করেছেন। ১।

হাফেজ ইবনে আসাকির ‘তারিখে দামেশক’-এ ইবনে মাজাহ-র জীবনী আলোচনায় আবু যুরআহর এই বক্তব্যটি তাঁর এই কথা পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন: “এবং তাঁর কথার অর্থ এই...”, তবে তিনি এতে বলেছেন: (তিনি প্রায় উনিশটির মতো বিষয় উল্লেখ করেছেন...) ২।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌الرد على هذ القول - رد الإمام ابن الرشيد -

…

الرد على هذا القول

رد الإمام ابن رشيد:

قال الإمام أبو عبد الله بن رشيد - أثناء كلامه عن منزلة سنن النسائي، والموازنة بينها وبين كتب السنن -: (وأما ما حكاه ابن طاهر عن أبي زرعة أنه نظر فيه فقال: (لعل لا يكون فيه تمام ثلاثين حديثا) لا تصح لانقطاع سندها، وإن كانت محفوظة فلعله أراد ما فيه من الأحاديث الساقطة إلى الغاية، أو كان ما رأى من الكتاب إلا جزءا منه فيه هذا القدر، وقد حكم أبو زرعة على أحاديث منه بكونها باطلة أو ساقطة أو منكرة، وذلك محكي في كتاب (العلل) لأبي حاتم3. [والصواب لابن أبي حاتم] .
এই বক্তব্যের খণ্ডন - ইমাম ইবনে রুশাইদের জবাব -

…

এই বক্তব্যের খণ্ডন

ইমাম ইবনে রুশাইদের জবাব:

ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবনে রুশাইদ—সুনানে নাসায়ীর মর্যাদা এবং অন্যান্য সুনান গ্রন্থসমূহের সাথে এর তুলনামূলক আলোচনার সময়—বলেছেন: (আর ইবনে তাহির আবু যুর'আহ থেকে যা বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এতে দৃষ্টিপাত করে বলেছিলেন: "সম্ভবত এতে পূর্ণ ত্রিশটি হাদীসও নেই", তা এর সনদের বিচ্ছিন্নতার কারণে সহীহ নয়। আর যদি বর্ণনাটি সংরক্ষিতও হয়, তবে সম্ভবত তিনি এর অত্যন্ত দুর্বল হাদীসগুলোর কথা বুঝিয়েছেন, অথবা তিনি কিতাবটির কেবল একটি অংশ দেখেছিলেন যাতে এই পরিমাণ (হাদীস) ছিল। আবু যুর'আহ এর কিছু হাদীসের ব্যাপারে বাতিল, পরিত্যক্ত বা মুনকার হওয়ার হুকুম দিয়েছেন, যা আবু হাতিমের 'আল-ইলাল' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। [সঠিক হলো: ইবনে আবু হাতিমের])।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌رد الحافظ ابن الملقن:

ولقد رد على قول ابن طاهر أيضا الحافظ ابن الملقن في فصل أفرده لسنن ابن ماجة في كتابه البدر المنير، يقول فيه: (وأما سنن أبي عبد الله بن ماجة القزويني فلا أعلم له شرطا، وهو أكثر السنن الأربعة ضعفا، وفيه موضوعات، منها ما ذكره في إتيانه بحديث في فضل قزوين، لكن قال أبو زرعة فيما رويناه عنه: طالعت كتاب أبي عبد الله بن ماجة فلم أجد فيه إلا قدرا يسيرا مما فيه شيء، وذكر قدر بضعة عشر، أو كلاما هذا معناه، وهذا الكلام من أبي زرعة رحمه الله لولا أنه مروي عنه من أوجه لجزمت بعدم صحته عنه؛ فإنه غير لائق لجلالته،

--------------------------------------------

1 انظر كتاب التقييد لرواة السنن والمسانيد نسخة المتحف البريطاني، وشروط الأئمة الستة للحافظ أبي الفضل محمد بن طاهر المقدسي، وقال ابن حجر في تهذيب التهذيب ج 9/532 وذكر ابن طاهر في المسور - ولعل الصواب - المشهور أن أبا زرعة وقف عليه فقال: ليس فيه إلا نحو سبعة أحاديث.

2 تاريخ دمشق لابن عساكر نسخة المكتبة الظاهرية نسخة منها مصورة محفوظة في معهد المخطوطات لجامعة الدول العربية.

3 انظر سنن النسائي (المجتبى) بشرح زهر الربى ج 1/11، والبحر الذي زخر في شرح ألفية الأثر للسيوطي المتوفى سنة 911? ورقة (65- أ-) مخطوط في دار الكتب المصرية تحت رقم (10 حليم مصطلح الحديث) وابن رشيد هو محمد بن عمر بن محمد بن عمر بن رشيد، أبو عبد الله السبتي الفهري المالكي المتوفى سنة 721?، رحالة عالم بالأدب، عارف بالتفسير والتاريخ، وله (المحاكمة بين البخاري ومسلم) و (مسألة العنعنة) و (إيضاح المذاهب فيمن يطلق عليه اسم الصاحب) و (ترجمان التراجم على أبواب البخاري) لم يتمه وله غير ذلك من الكتب والرسائل. انظر الدرر الكامنة ج 4/111- 113.
হাফেজ ইবনুল মুলাক্কিনের খণ্ডন:

হাফেজ ইবনুল মুলাক্কিন তাঁর 'আল-বদরুল মুনীর' গ্রন্থের সুনানে ইবনে মাজাহর জন্য নিবেদিত একটি পরিচ্ছেদে ইবনে তাহিরের বক্তব্যেরও প্রতিবাদ করেছেন। সেখানে তিনি বলেন: (আর আবু আবদুল্লাহ ইবনে মাজাহ আল-কাযভীনীর সুনানের ব্যাপারে আমার জানা মতে কোনো সুনির্দিষ্ট শর্ত নেই। এটি 'সুনানে আরবাআ' বা চার সুনানের মধ্যে দুর্বল বর্ণনার দিক থেকে সর্বাধিক এবং এতে জাল বর্ণনাও রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো কাযভীনের ফযীলত সম্পর্কে তিনি যে হাদীসটি এনেছেন। তবে আবু যুরআ থেকে আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহ ইবনে মাজাহর কিতাবটি পর্যালোচনা করেছি এবং এতে সামান্য কিছু ত্রুটিপূর্ণ হাদীস ছাড়া আর তেমন কিছু পাইনি। তিনি আনুমানিক দশের অধিক বা এ জাতীয় কোনো কথা বলেছিলেন। আবু যুরআ (রহ.)-এর এই বক্তব্যটি যদি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত না হতো, তবে আমি নিশ্চিতভাবেই এটি তাঁর বক্তব্য হওয়ার ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করতাম; কারণ তাঁর সুমহান মর্যাদার সাথে এই মন্তব্যটি মানানসই নয়।

--------------------------------------------

১. ব্রিটিশ মিউজিয়ামের পাণ্ডুলিপি অনুসারে 'আত-তাকয়ীদ লি-রুওয়াতিল সুনান ওয়াল মাসানীদ' এবং হাফেজ আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন তাহির আল-মাকদিসীর 'শুরুতুল আইম্মতিস সিত্তাহ' দেখুন। ইবনে হাজার 'তাহযীবুত তাহযীব' খণ্ড ৯/৫৩২-এ বলেছেন এবং ইবনে তাহির 'আল-মাসুর' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন—সম্ভবত সঠিক পাঠ হবে 'আল-মাশহুর'—যে আবু যুরআ কিতাবটি পাঠ করে বলেছিলেন: এতে মাত্র সাতটির মতো হাদীস ছাড়া তেমন কোনো সমস্যা নেই।

২. ইবনে আসাকিরের 'তারীখে দামেশক', জাহিরিয়া লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি, যার একটি অনুলিপি আরব লিগের পাণ্ডুলিপি ইনস্টিটিউটে সংরক্ষিত।

৩. 'যাহরুর রুবা' ব্যাখ্যাসহ সুনানে নাসায়ী (আল-মুজতাবা) খণ্ড ১/১১ এবং ৯১১ হিজরিতে ইন্তেকালকারী সুয়ূতীর 'আল-বাহরুল্লাযী যাখার ফি শারহি আলফিয়াতিল আসার'-এর (৬৫-ক) পত্র দেখুন, যা মিশরের দারুল কুতুবে '১০ হালীম মুসতালাহুল হাদীস' নম্বরে পাণ্ডুলিপি হিসেবে রয়েছে। ইবনে রুশাইদ হলেন মুহাম্মদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন উমর বিন রুশাইদ, আবু আবদুল্লাহ আস-সাবতী আল-ফিহরি আল-মালিকি (মৃত্যু ৭২১ হি.), তিনি একজন পর্যটক, সাহিত্যিক, মুফাসসির ও ঐতিহাসিক ছিলেন। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলি হলো: 'আল-মুহাকামা বাইনাল বুখারী ওয়া মুসলিম', 'মাসআলাতুল আনআনা', 'ঈজাহুল মাযাহিব ফীমান ইউতলাকু আলাইহিস সামুস সাহিব' এবং 'তারজুমানুত তারাজিম আলা আবওয়াবিল বুখারী' (অসমাপ্ত) ইত্যাদি। দেখুন: 'আদ-দুরারুল কামিনাহ' খণ্ড ৪/১১১-১১৩।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
لا جرم أن الشيخ تقي الدين قال في الإلمام: هذا الكلام من أبي زرعة لابد من تأويله وإخراجه عن ظاهره وحمله على وجه صحيح، وعجيب قول ابن طاهر حسبك من كتاب يعرض على أبي زرعة الرازي ويذكر هذا الكلام بعد إمعان النظر والنقد، وقوله: ولعمري إن كتاب أبي عبد الله بن ماجة من نظر فيه علم منزلة الرجل من حسن الترتيب وغزارة الأبواب وقلة الأحاديث وترك التكرار، ولا يوجد فيه من النوازل والمقاطيع والمراسيل والرواية عن المجروحين إلا هذا القدر الذي أشار إليه أبو زرعة. وروى ابن عساكر عن أبي الحسن بن بالويه قال: أبو عبد الله ابن ماجة: عرضت هذه النسخة على أبي زرعة فنظر فيه وقال: أظن إن وقع هذا في أيدي الناس تعطلت هذه الجوامع كلها أو أكثرها، ثم قال: لعله لا يكون فيه تمام ثلاثين حديثا مما في إسناده ضعف، أو قال: عشرين ونحوها من الكلام، قال: وحكى عنه أنه نظر في جزء من أجزائه وكان عنده في خمسة أجزاء، قال الشيخ تقي الدين: لابد من تأويله جزما، ولعله أراد ذلك الجزء الذي نظر فيه أو غيره مما يصح) 1.

والحق أن سنن ابن ماجة فيها أكثر من هذا العدد المشار إليه من الأحاديث المنتقدة، ولقد ساق الشيخ عبد الرشيد النعماني - في كتابه (ما تمس إليه الحاجة لمن يطالع سنن ابن ماجة) - (34) حديثا من أحاديث سنن ابن ماجة والتي ذكرها ابن الجوزي في الموضوعات، ثم قال: (فهذه أربعة وثلاثون حديثا قد حكم عليها ابن الجوزي بالوضع، وقد تركت من الأحاديث ما أدرجها ابن الجوزي في الموضوعات وشطرها مروي في سنن ابن ماجة أولها شاهد في كتابه، والحافظ السيوطي ذكر في كتابه (القول الحسن في الذب عن السنن) ستة عشر حديثا مما أورده ابن الجوزي في الموضوعات وهو في سنن ابن ماجة، وأورد في التعقبات على الموضوعات من كتاب ابن الجوزي ثلاثين حديثا؛ فزدت عليه الأربعة، ولله الحمد) .

وقال النعماني أيضا: ويوجد في كتاب ابن ماجه أحاديث أخر قد حكم عليها بعض الحفاظ بالوضع أو البطلان منها..) وذكر سبعة أحاديث2.

ولقد جمعت الرجال الذين انفرد ابن ماجة بالرواية عنهم دون أصحاب الكتب الستة، وتكلم فيهم الإمام أبو زرعة بالضعف أو الكذب أو غير ذلك من ألفاظ التجريح؛ فكانت مجموعة كبيرة أذكرها بعد هذا الكلام، مع الإشارة إلى المصادر التي نقلت أقوال أبي زرعة فيهم، وإضافة إلى هؤلاء هنالك من الرجال الذين تكلم فيهم أبو زرعة وقد انفرد بالرواية عنهم ابن ماجة

--------------------------------------------

1 انظر الجزء الأول من كتاب (البدر المنير في تخريج الأحاديث والآثار الواقعة في الشرح الكبير) ورقة

2 انظر ما تمس إليه الحاجة لمن يطالع سنن ابن ماجة لمحمد رشيد الهندي ط الهند ص 44- 45.
নিঃসন্দেহে শায়খ তাকিউদ্দীন 'আল-ইলমাম' গ্রন্থে বলেছেন: আবু জুরআ’র এই কথাটি অবশ্যই ব্যাখ্যা করতে হবে এবং একে এর বাহ্যিক অর্থ থেকে সরিয়ে একটি সঠিক অর্থের দিকে নিতে হবে। ইবনে তাহিরের এই কথাটি বিস্ময়কর যে, আপনার জন্য এমন একটি কিতাবই যথেষ্ট যা আবু জুরআ আর-রাজির সামনে পেশ করা হয়েছে এবং তিনি গভীর পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার পর এই কথাটি বলেছেন। আর তার কথা: "আমার জীবনের কসম, আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাজাহ’র কিতাব যে ব্যক্তি দেখবে, সে এর উত্তম বিন্যাস, অধ্যায়ের প্রাচুর্য, হাদিসের স্বল্পতা এবং পুনরাবৃত্তি বর্জনের কারণে ওই ব্যক্তির মর্যাদা বুঝতে পারবে। এতে নওয়াযিল (একক বর্ণনা), মাকাতী (ছেদ পড়া বর্ণনা), মারাসিল (তাবেয়ীদের থেকে সরাসরি বর্ণিত) এবং দুর্বল বর্ণনাকারীদের থেকে বর্ণনা খুব সামান্যই রয়েছে যা আবু জুরআ ইঙ্গিত করেছেন।" ইবনে আসাকির আবুল হাসান বিন বালোয়াইহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাজাহ বলেছেন: আমি এই পাণ্ডুলিপিটি আবু জুরআ’র সামনে পেশ করেছিলাম, তিনি এটি দেখলেন এবং বললেন: "আমি মনে করি, যদি এটি মানুষের হাতে পৌঁছে যায়, তবে এই সমস্ত জামে' (হাদিস গ্রন্থ) বা এগুলোর অধিকাংশ অকার্যকর হয়ে যাবে।" এরপর তিনি বললেন: "সম্ভবত এতে পূর্ণ তিরিশটি হাদিসও নেই যার সনদে দুর্বলতা আছে", অথবা তিনি বলেছিলেন: "বিশটি বা এই জাতীয় কিছু কথা"। বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি এর একটি অংশ দেখেছিলেন যা তার কাছে পাঁচটি খণ্ডে ছিল। শায়খ তাকিউদ্দীন বলেছেন: "এটি অবশ্যই নিশ্চিতভাবে ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন, সম্ভবত তিনি সেই অংশটি বুঝিয়েছিলেন যা তিনি দেখেছিলেন অথবা অন্য এমন কিছু যা সঠিক হতে পারে।" 1.

আর সত্য কথা হলো, সুনানে ইবনে মাজাহ’তে সমালোচিত হাদিসের সংখ্যা এখানে উল্লিখিত সংখ্যার চেয়েও বেশি। শায়খ আব্দুর রশিদ আন-নুমানী—তার ‘মা তমুসসু ইলাইহিল হাজাহ লিমান ইউতালিউ সুনানা ইবনি মাজাহ’ গ্রন্থে—সুনানে ইবনে মাজাহ’র (৩৪)টি হাদিস উল্লেখ করেছেন যেগুলোকে ইবনে আল-জাওযি ‘আল-মাওদুআত’ (জাল হাদিসসমূহ) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেন: "এই চৌত্রিশটি হাদিসকে ইবনে আল-জাওযি জাল বলে হুকুম দিয়েছেন। আমি ওইসব হাদিস বাদ দিয়েছি যেগুলো ইবনে আল-জাওযি জাল হাদিসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন কিন্তু সেগুলোর অর্ধেক সুনানে ইবনে মাজাহ’র শুরুতে সাক্ষী হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাফেজ সুয়ুতী তার ‘আল-কাওলুল হাসান ফিদ-দাব্বি আনিস সুনান’ গ্রন্থে ষোলোটি হাদিস উল্লেখ করেছেন যা ইবনে আল-জাওযি জাল হাদিসের কিতাবে এনেছেন অথচ সেগুলো সুনানে ইবনে মাজাহ’তে আছে। তিনি ইবনে আল-জাওযি’র জাল হাদিসের কিতাবের ওপর করা তার আপত্তির কিতাবে (আত-তাক্কিবাত) ত্রিশটি হাদিস উল্লেখ করেছেন; আমি তাতে আরও চারটি বাড়িয়েছি, আর আল্লাহর জন্যই সমস্ত প্রশংসা।"

নুমানী আরও বলেছেন: "ইবনে মাজাহ’র কিতাবে আরও কিছু হাদিস পাওয়া যায় যেগুলোকে কোনো কোনো হাফেজ জাল বা বাতিল বলে হুকুম দিয়েছেন, তার মধ্যে..." এবং তিনি সাতটি হাদিস উল্লেখ করেছেন। 2.

আর আমি সেইসব বর্ণনাকারীদের একত্রিত করেছি যাদের থেকে ছয়টি কিতাবের সংকলকদের মধ্যে কেবল ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম আবু জুরআ তাদের দুর্বল, মিথ্যুক বা জারাহ-তাদিল (সমালোচনা) এর অন্যান্য শব্দে অভিযুক্ত করেছেন। আমি এই আলোচনার পর একটি বড় তালিকা উল্লেখ করব, পাশাপাশি তাদের ব্যাপারে আবু জুরআ’র উক্তিগুলো যেসব উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে তারও ইঙ্গিত দেব। এছাড়া আরও কিছু বর্ণনাকারী রয়েছেন যাদের ব্যাপারে আবু জুরআ সমালোচনা করেছেন এবং তাদের থেকে কেবল ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

1 'আল-বাদরুল মুনীর ফি তাখরিজি আল-আহাদিসি ওয়াল আসারিল ওয়াকিয়াতি ফিশ শারহিল কাবীর' কিতাবের প্রথম খণ্ড দেখুন।

2 মুহাম্মাদ রশিদ আল-হিন্দি রচিত 'মা তমুসসু ইলাইহিল হাজাহ লিমান ইউতালিউ সুনানা ইবনি মাজাহ' দেখুন, ভারত সংস্করণ, পৃষ্ঠা ৪৪-৪৫।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
والإمام الترمذي دون الأئمة الستة، وكذلك من انفرد بالرواية عنهم ابن ماجة والإمام أبو داود دون الأئمة الستة، وقد أرجأت ذكر هؤلاء الرواة والأحاديث التي رووها إلى دراسة موسعة في سنن ابن ماجة أرجو إنهاءها.
এবং ইমাম তিরমিযী ছয় ইমাম ব্যতীত, একইভাবে যাদের বর্ণনার ক্ষেত্রে ইবনে মাজাহ একক হয়েছেন এবং ইমাম আবু দাউদ ছয় ইমাম ব্যতীত। আমি এই বর্ণনাকারীগণ এবং তাঁদের বর্ণিত হাদীসসমূহের আলোচনা সুনানে ইবনে মাজাহর ওপর একটি বিস্তৃত গবেষণা পর্যন্ত স্থগিত রেখেছি, যা আমি সমাপ্ত করার আশা রাখি।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌أسماء الرواة الذين انفرد الإمام ابن ماجة في الرواية عنهم في سننه دون رجال الكتب الستة:

1- إبراهيم بن محمد بن أبي يحيى، واسمه سمعان الأسلمي مولاهم، أبو إسحاق المدني ت 184?، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء1.

2- إبراهيم بن مسلم العبدي، أبو إسحاق الكوفي المعروف بالهجري قال عنه: (ضعيف) 2.

3- (خت ق) إبراهيم بن إسماعيل بن مجمع بن يزيد، وقيل ابن زيد بن مجمع الأنصاري، أبو إسحاق المدني. نقل ابن أبي حاتم عن أبي زرعة أنه قال عنه: (لا يسوي حديثه) ، وسكت ثم قال بعد ذلك - أي أبو زرعة -: (لا يسوي حديثه فلسين) 3، وذكره أبو زرعة أيضا في أسماء الضعفاء4.

4-إسحاق بن إبراهيم بن سعيد الصواف المدني، وقيل المزني مولى مزينة، قال عنه: (منكر الحديث ليس بقوي) 5.

5- إسماعيل بن زياد، ويقال ابن أبي زياد، السكوني قاضي الموصل، قال البرذعي: وسمعته - أي أبو زرعة - يقول: (إسماعيل بن أبي زياد يروي أحاديث مفتعلة) ، قلت: - أي البرذعي - من أين هو؟ قال: (كوفي حدث عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن

--------------------------------------------

1 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف - أ- وقال عنه: (ليس بشيء) . انظر الجرح والتعديل ج 1/ق1/127، وكذا في تهذيب التهذيب ج 1/160، وقال الذهبي في ميزان الاعتدال ج 1/61: (ما خرج له ابن ماجة سوى الحديث الماضي من مات مريضا مات شهيدا) . انظر سنن ابن ماجة ج 1/516.

ملاحظة: إذا ذكر أحد الرواة في أسماء الضعفاء لأبي زرعة فأذكر الحرف الذي ذكر فيه ذلك الراوي أما إذا ذكره في الأجوبة - أي أجوبة أبي زرعة على أسئلة البرذعي - فأشير إلى رقم الورقة لأن الكتاب المخطوط يحتوي على كتاب الضعفاء لأبي زرعة مع أجوبته على أسئلة البرذعي.

2 انظر تهذيب التهذيب ج 1/165.

3 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق1/84 وفي تهذيب التهذيب ج1/105، وقال أبو زرعة: سمعت أبا نعيم - أي الفضل بن دكين - يقول: (لا يسوى حديثه فلسين) .

4 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف- أ-.

5 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق1/206، وتهذيب التهذيب ج 1/105، وأسماء الضعفاء لابن الجوزي. واكتفى الذهبي في ميزان الاعتدال ج 1/176 بقوله (منكر الحديث) .
ইমাম ইবনে মাজাহ তাঁর সুনান গ্রন্থে যে সকল বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় একক হয়েছেন এবং কুতুবে সিত্তাহর (অন্যান্য পাঁচজন) ইমামগণ যাদের থেকে বর্ণনা করেননি, তাদের নামসমূহ:

১- ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন আবি ইয়াহইয়া, তাঁর নাম সামআন আল-আসলামী তাদের মাওলা, আবু ইসহাক আল-মাদানি (মৃত্যু ১৮৪ হিজরি?), আবু জুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন।১

২- ইবরাহীম বিন মুসলিম আল-আবদি, আবু ইসহাক আল-কুফি, যিনি আল-হিজরি নামে পরিচিত। তিনি (আবু জুরআ) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (দুর্বল)। ২

৩- (খত ক্ব) ইবরাহীম বিন ইসমাঈল বিন মাজমা বিন ইয়াযিদ, মতান্তরে ইবনে যায়েদ বিন মাজমা আল-আনসারী, আবু ইসহাক আল-মাদানি। ইবনে আবি হাতিম আবু জুরআ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (তার হাদিস কোনো মূল্যের নয়), তিনি নীরব থাকলেন এবং এরপর বললেন - অর্থাৎ আবু জুরআ -: (তার হাদিস দুই পয়সা মূল্যেরও নয়) ৩, আবু জুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায়ও উল্লেখ করেছেন।৪

৪- ইসহাক বিন ইবরাহীম বিন সাঈদ আস-সাওয়াফ আল-মাদানি, মতান্তরে আল-মুজানি মুযাইনাহর মাওলা। তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস তথা হাদিস বর্জনীয়, তিনি শক্তিশালী নন) ৫।

৫- ইসমাঈল বিন যিয়াদ, মতান্তরে ইবনে আবি যিয়াদ, আস-সাকুনি মওসেলের বিচারক, আল-বারযাঈ বলেন: আমি তাঁকে - অর্থাৎ আবু জুরআকে - বলতে শুনেছি: (ইসমাঈল বিন আবি যিয়াদ বানোয়াট হাদিস বর্ণনা করেন)। আমি (আল-বারযাঈ) বললাম: তিনি কোথাকার লোক? তিনি বললেন: (কুফার লোক, তিনি ইসরাঈল থেকে, আবু ইসহাক থেকে, ... থেকে বর্ণনা করেছেন)

--------------------------------------------

১ আবু জুরআর দুর্বল বর্ণনাকারীদের কিতাবের আলিফ (أ) বর্ণ অধ্যায় দেখুন এবং তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (তিনি নগণ্য)। আল-জারহু ওয়াত-তাদীল ১ম খণ্ড/১ম অংশ/১২৭ পৃষ্ঠা দেখুন, অনুরূপভাবে তাহযীবুত তাহযীব ১ম খণ্ড/১৬০ পৃষ্ঠা। ইমাম যাহাবী মীযানুল ইতিদাল ১ম খণ্ড/৬১ পৃষ্ঠায় বলেন: (ইবনে মাজাহ তাঁর থেকে কেবল উল্লিখিত হাদিসটিই বর্ণনা করেছেন: যে ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে সে শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করে)। সুনানে ইবনে মাজাহ ১ম খণ্ড/৫১৬ পৃষ্ঠা দেখুন।

দ্রষ্টব্য: যদি আবু জুরআর ‘আসমায়ুদ দুয়াফা’ (দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামসমূহ) গ্রন্থে কোনো বর্ণনাকারীর উল্লেখ থাকে, তবে আমি সেই বর্ণটির কথা উল্লেখ করব যেখানে বর্ণনাকারীটি উল্লিখিত হয়েছেন। আর যদি তিনি তাঁর ‘আজউয়িবা’-তে (অর্থাৎ বারযাঈ-র প্রশ্নের জবাবে আবু জুরআর উত্তরসমূহ) উল্লেখ করেন, তবে আমি পৃষ্ঠা নম্বরটি উল্লেখ করব। কারণ পাণ্ডুলিপিটিতে আবু জুরআর দুর্বল বর্ণনাকারীদের কিতাব এবং বারযাঈ-র প্রশ্নের উত্তরসমূহ একত্রে রয়েছে।

২ তাহযীবুত তাহযীব ১ম খণ্ড/১৬৫ পৃষ্ঠা দেখুন।

৩ আল-জারহু ওয়াত-তাদীল ১ম খণ্ড/১ম অংশ/৮৪ পৃষ্ঠা এবং তাহযীবুত তাহযীব ১ম খণ্ড/১০৫ পৃষ্ঠা দেখুন। আবু জুরআ বলেন: আমি আবু নুয়াইমকে - অর্থাৎ ফাদল বিন দুকাইনকে - বলতে শুনেছি: (তার হাদিস দুই পয়সা মূল্যেরও নয়)।

৪ আবু জুরআর দুর্বল বর্ণনাকারীদের কিতাবের আলিফ (أ) বর্ণ অধ্যায় দেখুন।

৫ আল-জারহু ওয়াত-তাদীল ১ম খণ্ড/১ম অংশ/২০৬ পৃষ্ঠা, তাহযীবুত তাহযীব ১ম খণ্ড/১০৫ পৃষ্ঠা এবং ইবনুল জাওযির ‘আসমায়ুদ দুয়াফা’ দেখুন। যাহাবী মীযানুল ইতিদাল ১ম খণ্ড/১৭৬ পৃষ্ঠায় কেবল (মুনকারুল হাদিস) কথাটি উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হয়েছেন।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
الحارث، عن علي في (الكرفس بقلة الأنبياء) 1.

6- (بخ ق) إسماعيل بن سلمان بن أبي المغيرة الأزرق التميمي الكوفي قال عنه: (واهي الحديث، ضعيف الحديث) 2.

7- إسماعيل بن محمد بن يحيى الطلحي الكوفي ت 232? أو 233? قال البرذعي: (وانتهى أبو زرعة في كتاب الفوائد إلى حديث إسماعيل بن محمد الطلحي، عن داود بن عطاء3، عن صالح بن كيسان4، عن سعيد بن المسيب5، عن أبي بن كعب6، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "أول من يصافح الحق عمر"7، فلم أره،

--------------------------------------------

(ع) الحارث بن عبد الأعور. الهمذاني، الخارفي، أبو زهير الكوفي ت 65? قال عنه أبو زرعة: (لا يحتج بحديثه) انظر الجرح والتعديل ج 1/ق2/79، وتهذيب التهذيب ج2/146.

والحديث بهذا اللفظ لم أقف عليه إلا أن السيوطي ذكر في اللآلئ المصنوعة ج 2/223 كتاب الأطعمة، وابن عراق في تنزيه الشريعة ج 2/263 عن الحسن بن علي أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له: "يا بني كل الكرفس فإنها بقلة الأنبياء".

2 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق1/176، وتهذيب التهذيب ج 1/303- 304 ونقل البرذعي في الأجوبة عن أبي زرعة تضعيفه لإسماعيل. انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة مع أجوبته على أسئلة البرذعي ورقة (11- ب-) .

(ق) داود بن عطاء المزني مولاهم، ويقال مولى الزبير أبو سليمان المديني قال عنه أبو زرعة: (منكر الحديث) انظر الجرح والتعديل ج1/ق2/421، وتهذيب التهذيب ج1/194.

(ع) صالح بن كيسان المدني أبو محمد ويقال أبو الحارث قال ابن حبان: (كان من فقهاء المدينة والجامعين للحديث والفقه من ذوي الهيئة والمروءة) توفي بعد 140? انظر تهذيب التهذيب ج 4/399- 400.

(ع) سعيد بن المسيب، أبو محمد المخزومي الإمام أجل التابعين كان واسع العلم وافر الحرمة متين الديانة، قوالا بالحق فقيه النفس توفى سنة 94?. انظر تذكرة الحفاظ ج 1/54- 56.

(ع) أبي بن كعب بن قيس بن عبيد بن زيد بن معاوية بن عمرو أبو المنذر المدني سيد القراء كان من أصحاب القضاء من الصحابة، شهد بدرا والمشاهد كلها، وكان عمر يسميه سيد المسلمين. انظر تهذيب التهذيب ج 1/187- 188، والإصابة ج 1/27- 28.

7 رواه ابن ماجة في سننه ج 1/39 قال: ثنا إسماعيل بن محمد الطلحي، أنبأنا داود بن عطاء المديني، عن صالح بن كيسان، عب ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي بن كعب، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "أول من يصافحه الحق عمر، وأول من يأخذ بيده فيدخله الجنة"، قال ابن كثير في جامع المسانيد: هذا حديث منكر جدا، وما هو أبعد من أن يكون موضوعا. كذا في حاشيته على سنن ابن ماجة ج 1/39. ورواه الحاكم في المستدرك ج 3/84 من طريق يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب، عن أبي..وزاد في أوله "أول من يعانقه الحق يوم القيامة"، ولم يذكر "وأول من يسلم عليه". وقال عنه الذهبي في تلخيص المستدرك ج 3/84: (موضوع في إسناده كذاب) وذكر في الميزان ج 2/12 في ترجمة داود بن عطاء أن الحديث ذكره ابن أبي عاصم في كتاب السنة بنفس سند ابن ماجة واللفظ دون ذكر "وأول من يسلم عليه"، وقال عنه: هذا منكر جدا.
আল-হারিস, আলীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন (সেলারি হলো নবীদের শাক) ১।

৬- (বুখারি ও ইবনে মাজাহ) ইসমাইল বিন সালমান বিন আবু আল-মুগিরা আল-আজরাক আত-তামিমি আল-কুফি; তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি হাদিস বর্ণনায় অত্যন্ত দুর্বল, হাদিসে দুর্বল) ২।

৭- ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আত-তালহি আল-কুফি, মৃত্যু ২৩২? বা ২৩৩? হিজরি। আল-বারযায়ি বলেছেন: (আবু জুরআ ‘কিতাবুল ফাওয়ায়িদ’-এ ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আত-তালহির হাদিস পর্যন্ত পৌঁছেছেন, যা দাউদ বিন আতা ৩ হতে, তিনি সালিহ বিন কায়সান ৪ হতে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব ৫ হতে, তিনি উবাই বিন কাব ৬ হতে, তিনি নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) হতে বর্ণনা করেছেন: "সত্য (আল্লাহ) সর্বপ্রথম যাঁর সাথে করমর্দন করবেন তিনি হলেন ওমর" ৭, তবে আমি তা দেখিনি,

--------------------------------------------

(আ) আল-হারিস বিন আবদ আল-আওয়ার আল-হামদানি, আল-খারফি, আবু জুহাইর আল-কুফি, মৃত্যু ৬৫? হিজরি। আবু জুরআ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (তাঁর হাদিস দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়)। দেখুন: আল-জারহ ওয়াত তা'দীল, খণ্ড ১/অংশ ২/৭৯ এবং তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ২/১৪৬।

এই শব্দে হাদিসটি আমার সামনে আসেনি, তবে আস-সুয়ূতি ‘আল-লাআলি আল-মাসনুআহ’ গ্রন্থের ২/২২৩ পৃষ্ঠায় খাদ্য অধ্যায়ে এবং ইবনে ইরাক ‘তানযিহুশ শারীআহ’ গ্রন্থের ২/২৬৩ পৃষ্ঠায় হাসান বিন আলীর সূত্রে উল্লেখ করেছেন যে, নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তাঁকে বলেছেন: "হে বৎস, তুমি সেলারি খাও, কারণ এটি নবীদের শাক।"

২. দেখুন: আল-জারহ ওয়াত তা'দীল, খণ্ড ১/অংশ ১/১৭৬ এবং তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ১/৩০৩-৩০৪। আল-বারযায়ি 'আল-আজউবাহ'-তে ইসমাইল সম্পর্কে আবু জুরআর দুর্বলতার বর্ণনাটি উদ্ধৃত করেছেন। দেখুন: আবু জুরআর ‘কিতাবুদ দুয়াফা’ এবং আল-বারযায়ির প্রশ্নের উত্তর, পত্র (১১- খ)।

(কা) দাউদ বিন আতা আল-মুজানি, তাঁদের মুক্তদাস, এবং বলা হয় জুবাইরের মুক্তদাস আবু সুলাইমান আল-মাদিনি। আবু জুরআ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (তিনি প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী)। দেখুন: আল-জারহ ওয়াত তা'দীল, খণ্ড ১/অংশ ২/৪২১ এবং তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ১/১৯৪।

(আ) সালিহ বিন কায়সান আল-মাদিনি আবু মুহাম্মদ, এবং বলা হয় আবু আল-হারিস। ইবনে হিব্বান বলেছেন: (তিনি মদিনার ফকিহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং হাদিস ও ফিকহের সংকলক ছিলেন, একজন মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ)। তিনি ১৪০ হিজরির পর ইন্তেকাল করেন। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৪/৩৯৯-৪০০।

(আ) সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব, আবু মুহাম্মদ আল-মাখযুমি, শ্রেষ্ঠ ইমাম ও তাবিঈ। তিনি গভীর জ্ঞানের অধিকারী, অত্যন্ত সম্মানিত এবং দ্বীনের ব্যাপারে অত্যন্ত দৃঢ় ছিলেন। তিনি সত্যবাদী এবং স্বভাবজাত ফকিহ ছিলেন। তিনি ৯৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: তাযকিরাতুল হুফফাজ, খণ্ড ১/৫৪-৫৬।

(আ) উবাই বিন কাব বিন কায়েস বিন উবাইদ বিন যাইদ বিন মুআবিয়া বিন আমর আবু আল-মুনযির আল-মাদিনি, ক্বারীগণের নেতা। তিনি সাহাবীদের মধ্যে বিচারকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বদর এবং সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ওমর তাঁকে মুসলিমদের নেতা বলে সম্বোধন করতেন। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ১/১৮৭-১৮৮ এবং আল-ইসাবাহ, খণ্ড ১/২৭-২৮।

৭. ইবনে মাজাহ তাঁর সুনান গ্রন্থে (খণ্ড ১/৩৯) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আত-তালহি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, দাউদ বিন আতা আল-মাদিনি আমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি সালিহ বিন কায়সান হতে, তিনি ইবনে শিহাব হতে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব হতে, তিনি উবাই বিন কাব হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "সত্য (আল্লাহ) সর্বপ্রথম যাঁর সাথে করমর্দন করবেন তিনি হলেন ওমর, এবং প্রথম ব্যক্তি যার হাত ধরে তিনি জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।" ইবনে কাসির 'জামি'উল মাসানিদ'-এ বলেছেন: এটি অত্যন্ত প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) হাদিস, এবং এটি জাল হওয়ার সম্ভাবনা থেকে দূরে নয়। ইবনে মাজাহ-র টীকাতেও (খণ্ড ১/৩৯) অনুরূপ উল্লেখ আছে। হাকেম 'আল-মুস্তাদরাক' গ্রন্থে (খণ্ড ৩/৮৪) ইয়াহইয়া বিন সাঈদ হতে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব হতে, তিনি উবাই হতে বর্ণনা করেছেন... এবং এর শুরুতে বৃদ্ধি করেছেন "কিয়ামতের দিন সত্য (আল্লাহ) সর্বপ্রথম যাকে আলিঙ্গন করবেন", তবে তিনি "যাঁকে সর্বপ্রথম সালাম দেবেন" অংশটি উল্লেখ করেননি। যাহাবি 'তালখিসুল মুস্তাদরাক' গ্রন্থে (খণ্ড ৩/৮৪) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (এটি জাল এবং এর বর্ণনাসূত্রে মিথ্যাবাদী রয়েছে)। তিনি 'মিযান' গ্রন্থে (খণ্ড ২/১২) দাউদ বিন আতার জীবনীতে উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে আবি আসিম 'কিতাবুস সুন্নাহ'-তে ইবনে মাজার সনদে এবং পাঠে হাদিসটি উল্লেখ করেছেন, তবে "যাঁকে সর্বপ্রথম সালাম দেবেন" অংশটি ছাড়াই। তিনি এর সম্পর্কে বলেছেন: এটি অত্যন্ত প্রত্যাখ্যাত।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
وقال: (حديث منكر) ، وأمرنا لأن نضرب عليه، ثم قرأه عليّ في كتاب الفضائل بعد أن ألححت عليه) 1.

8- بشار بن كدام، السلمي، الكوفي، قال البرذعي: (قلت لأبي زرعة: بشار بن كدام؟ قال: ضعيف الحديث، حدث عن محمد بن زيد2، عن ابن عمر3، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "الحلف حنث أو ندم"4، ورواه عاصم بن محمد بن زيد5 عن أبيه، قال: (كان عمر يقول: (اليمين مأثمة) 6، حدثناه أحمد بن يونس، وجماعة7.

9- بشر بن منصور الحناط عن أبي زيد، عن المغيرة، عن ابن عباس بحديث "أبى الله أن يقبل عمل صاحب بدعة..) الحديث، قال عنه: (لا أعرفه ولا أعرف أبا زيد) 8.

10- بشر بن نمير القشيري البصري روى عن مكحول والقاسم بن عبد الرحمن، وروى عنه نسخة كبيرة ساقطة، توفي ما بين (140- 150?) ، قال البرذعي: وقلت: (حديث صفوان

--------------------------------------------

1 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة مع أجوبته على أسئلة البرذعي ورقة (29- ب-) .

(ع) محمد بن زيد بن عبد الله بن عمر الخطاب، القرشي، العدوي روى عن جده وسعيد بن زيد بن عمرو وغيرهما. وثقه أبو زرعة وأبو حاتم وقال: يحتج به. انظر تهذيب التهذيب ج 9/172.

(ع) عبد الله عمر بن الخطاب بن نفيل، القرشي، العدوي، أبو عبد الرحمن المكي، أسلم قديما وهو صغير وهاجر مع أبيه واستصغر في أحد ثم شهد الخندق وبيعة الرضوان والمشاهد بعدها ت 73 أو 74?. انظر تهذيب التهذيب ج 5/328- 330، الإصابة ج 4/181- 188.

4 رواه ابن ماجة في سننه ج 1/680 من طرق بشار بن كدام، ورواه الحاكم في المستدرك ج 4/303 وقال: (قد كنت أحسب برهة من دهري بشار هذا أخو مسعر فلم أقف عليه، وهذا الكلام صحيح من قول ابن عمر) . ورواه الطبراني في لمعجم الصغير ج 2/112 ثم قال: لم يروه عن بشار إلا معاوية ولا نحفظ لبشار حديثا مسندا غير هذا. ورواه أبو يعلى، والعسكري فيما ذكره السخاوي في المقاصد الحسنة ص 193، وانظر كشف الخفاء ومزيل الإلباس ج 1/365ن ورواه البخاري في التاريخ انظر الجامع الصغير ج 1/0151، وذكره الذهبي في ميزان الاعتدال في ترجمة بشار ج 1/310 بلفظ: (اليمين حنث أو ندم) وقال: أخرجه ابن أبي شيبة.

(ع) عاصم بن محمد بن زيد بن عبد الله بن عمر الخطاب العمري المدني روى عن أبيه وإخوته، وغيرهم قال أحمد وابن معين وأبو داود (ثقة) وقال أبو زرعة: صدوق في الحديث. انظر تهذيب التهذيب ج 5/57.

6 رواه الحاكم في المستدرك ج 4/304 من طريق عاصم بن محمد إلى ابن عمر رضي الله عنهما أنه قال: (إنما اليمين مأثمة أو مندمة) وانظر المقاصد الحسنة ص 193، وكشف الخفاء ومزيل الإلباس ج 1/365.

7 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة مع أجوبته على أسئلة البرذعي ورقة (4- ب-) وتقل المزي قول أبي زرعة فيه. انظر تهذيب التهذيب ج 1/440، وكذلك الذهبي في ميزان الاعتدال ج 1/310.

8 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق1/365، وتهذيب التهذيب ج 1/460.
এবং তিনি বলেছেন: (মুনকার হাদীস), এবং তিনি আমাদের এটি কেটে দেওয়ার (বর্জন করার) আদেশ দেন, এরপর আমার পিড়াপিড়ির পর তিনি এটি কিতাবুল ফাযায়িলে আমার সামনে পাঠ করেন। ১

৮- বাশশার বিন কুদাম, আস-সুলামী, আল-কুফী। আল-বারযাঈ বলেন: (আমি আবু যুরআকে বললাম: বাশশার বিন কুদাম সম্পর্কে আপনার মত কী? তিনি বললেন: সে হাদীসে দুর্বল; সে মুহাম্মাদ বিন যায়িদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: "শপথ করা হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা অথবা অনুশোচনা।" ৪ আর আসিম বিন মুহাম্মাদ বিন যায়িদ ৫ এটি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (উমর বলতেন: "শপথ হলো একটি পাপ") ৬। আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইউনুস এবং একদল রাবী। ৭

৯- বিশর বিন মানসুর আল-হান্নাত, আবু যায়িদ থেকে, তিনি মুগীরাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন: "আল্লাহ বিদআতীর কোনো আমল কবুল করতে অস্বীকার করেছেন..." হাদীসটি শেষ পর্যন্ত। তিনি (আবু যুরআ) তার সম্পর্কে বলেছেন: (আমি তাকে চিনি না এবং আবু যায়িদকেও চিনি না)। ৮

১০- বিশর বিন নুমাইর আল-কুশাইরী আল-বাসরী। তিনি মাকহুল এবং কাসিম বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে একটি বড় এবং পরিত্যক্ত পাণ্ডুলিপি বর্ণিত হয়েছে। তিনি ১৪০ থেকে ১৫০ হিজরীর মাঝামাঝি সময়ে মৃত্যুবরণ করেন। আল-বারযাঈ বলেন: আমি বললাম: (সাফওয়ানের হাদীস...

--------------------------------------------

১ দেখুন, আবু যুরআর কিতাবুদ দুআফা এবং বারযাঈর প্রশ্নের উত্তরে তার জবাবসমূহ, পত্র (২৯- খ)।

২ মুহাম্মাদ বিন যায়িদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-খাত্তাব, আল-কুরাশী, আল-আদাবী। তিনি তার দাদা এবং সাঈদ বিন যায়িদ বিন আমর ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু যুরআ এবং আবু হাতিম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং আবু হাতিম বলেছেন: তার বর্ণনা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৯/১৭২।

৩ আব্দুল্লাহ উমর বিন আল-খাত্তাব বিন নুফাইল, আল-কুরাশী, আল-আদাবী, আবু আব্দুর রহমান আল-মাক্কী। তিনি ছোট থাকতেই ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তার পিতার সাথে হিজরত করেন। উহুদ যুদ্ধে তাকে ছোট মনে করা হয়েছিল, এরপর তিনি খন্দক যুদ্ধ, বাইয়াতে রিদওয়ান এবং পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে অংশগ্রহণ করেন। মৃত্যু ৭৩ বা ৭৪ হিজরী। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ৫/৩২৮-৩৩০, আল-ইসাবাহ খণ্ড ৪/১৮১-১৮৮।

৪ ইবনে মাজাহ তার সুনান গ্রন্থে (খণ্ড ১/৬৮০) বাশশার বিন কুদামের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। হাকেম তার মুসতাদরাক গ্রন্থে (খণ্ড ৪/৩০৩) এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: (আমি দীর্ঘ সময় ধরে মনে করতাম যে এই বাশশার হলো মিসআরের ভাই, কিন্তু আমি এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ পাইনি। আর এই বক্তব্যটি ইবনে উমরের উক্তি হিসেবে সঠিক)। তাবারানী তার আল-মুজামুস সাগীর গ্রন্থে (খণ্ড ২/১১২) এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: মুয়াবিয়া ব্যতীত আর কেউ বাশশার থেকে এটি বর্ণনা করেনি এবং বাশশারের এই একটি মারফু হাদীস ছাড়া আর কোনো হাদীস আমাদের জানা নেই। আবু ইয়ালা এবং আসকারীও এটি বর্ণনা করেছেন যেমনটি সাখাভী 'আল-মাকাসিদুল হাসানাহ' (পৃষ্ঠা ১৯৩) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আরো দেখুন: কাশফুল খাফা ওয়া মুযীলুল ইলবাস খণ্ড ১/৩৬৫। বুখারী তার তারিখ গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন। দেখুন: আল-জামীউস সাগীর খণ্ড ১/১০১৫১। যাহাবী একে মীযানুল ইতিদাল গ্রন্থে বাশশারের জীবনীতে (খণ্ড ১/৩১০) এই শব্দে উল্লেখ করেছেন: "শপথ হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা অথবা অনুশোচনা" এবং বলেছেন: ইবনে আবি শাইবাহ এটি বের করেছেন।

৫ আসিম বিন মুহাম্মাদ বিন যায়িদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-খাত্তাব আল-উমারী আল-মাদানী। তিনি তার পিতা, ভাই এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, ইবনে মাঈন এবং আবু দাউদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু যুরআ বলেছেন: তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে সত্যবাদী। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ৫/৫৭।

৬ হাকেম তার মুসতাদরাক গ্রন্থে (খণ্ড ৪/৩০৪) আসিম বিন মুহাম্মাদের সূত্রে ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই শপথ হলো পাপ অথবা অনুশোচনা।" আরো দেখুন: আল-মাকাসিদুল হাসানাহ পৃষ্ঠা ১৯৩, এবং কাশফুল খাফা ওয়া মুযীলুল ইলবাস খণ্ড ১/৩৬৫।

৭ দেখুন, আবু যুরআর কিতাবুদ দুআফা এবং বারযাঈর প্রশ্নের উত্তরে তার জবাবসমূহ, পত্র (৪- খ) এবং মিযযী তার সম্পর্কে আবু যুরআর উক্তিটি উদ্ধৃত করেছেন। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ১/৪৪০, এবং যাহাবীর মীযানুল ইতিদাল খণ্ড ১/৩১০।

৮ দেখুন: আল-জারহু ওয়াত তাদীল খণ্ড ১/প ১/৩৬৫, এবং তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ১/৪৬০।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
بن أمية1 "من دفِّي بكفّي"2 حديث يحيى بن العلاء3؟ فكلح وجهه وحرك رأسه وقال: (حدثنا به سلمة ابن شبيب) 4، ولم يرد علي فيه جوابا كأنه أنكره؛ إذ هو رواية يحيى بن العلاء وبشر بن نمير. قال أبو عثمان - أي البرذعي -: (سمعت محمد بن سهل بن عسكر5؛ كذاب رافضي، يضع الحديث، وبشر بن نمير أسوأ حالا منه) 6.

11- بشير بن ميمون الخراساني ثم الواسطي، أبو صيفي توفي ما بين (180- 190?) قال ابن أبي حاتم: (سئل أبو زرعة عنه فقال: ضعيف الحديث، ولم يمنع من قراءة حديثه) 7.

12- ثابت بن موسى بن عبد الرحمن بن سلمة الضبي، أبو يزيد الكوفي الضرير العابد، ت 229 أو 228?. قال ابن أبي حاتم: (أمسك أبي وأبو زرعة الرواية عنه) 8.

13- جبارة بن المغلس الحماني، أبو محمد الكوفي ت 241? قال البرذعي: (سمعت أبا زرعة ذكر جبارة بن المغلس فقال: أما أنه كان لا يتعمد الكذب، ولكن كان يوضع له الحديث فيقرأه) 9.

--------------------------------------------

(خت م 4) صفوان بن أمية بن خلف بن وهب الجمحي روى عن النبي صلى الله عليه وسلم وكان من أشراف قريش في الجاهلية والإسلام. ت 41 أو 42? ، انظر تهذيب التهذيب ج 4/424- 425، والإصابة ج 3/432- 434.

2 رواه ابن ماجة في سننه ج 2/871- 872 من طريق يحيى بن العلاء، أنه سمع بشر بن نمير أنه سمع مكحولا يقول أنه سمع يزيد ابن عبد الله أنه سمع صفوان بن أمية قال: كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء عمر بن مرة فقال: "يا رسول الله، إن الله قد كتب علي الشقوة، فما أراني أرزق إلا من دُفِّي بكفِّي، فأذن لي في الغناء في غير فاحشة".. وذكر بقية الحديث، وذكره الذهبي في ميزان الاعتدال ج 1/326 في ترجمة بشر بن نمير القشيري البصري.

(د ق) يحيى بن العلاء البجلي، أبو سلمة، ويقال أبو عمرو الرازي ت ما بين (150- 160?) قال عنه أبو زرعة (في حديثه ضعف) ، انظر الجرح والتعديل ج4 – ق 2/180، وتهذيب التهذيب ج 11/262.

(م4) سلمة بن شبيب النيسابوري، أبو عبد الرحمن الجحري المسمعي نزيل مكة الحافظ الجوال قال النسائي عنه: (ليس به بأس) ت 247 أو 246?، انظر تهذيب التهذيب ج 4/146، تذكرة الحفاظ ج 2/543

(5) (م ت س) محمد بن سهل بن عسكر بن عمارة التميمي مولاهم أبو بكر الحافظ الجوال روى عن عبد الرزاق وغيره، وعنه مسلم والنسائي، وأبو حاتم والذهلي وكان ثقة صدوقا ت 251?. انظر تهذيب التهذيب ج 9/207.

6 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة.. ورقة (23- ب-) .

7 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق1/379، وذكره أبو زرعة في كتابه الضعفاء حرف- ب- انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة … ورقة (25- ب-) .

8 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق1/458، وتهذيب التهذيب ج 2/15.

9 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة..ورقة (13- أ-) وقال ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل ج 1/ق1/550 (كان أبو زرعة حدث عنه في أول أمره وكناه. قال: حدثنا أبو محمد الحماني، ثم ترك حديثه بعد ذلك فلم يقرأ علينا حديثه 9. وقال- أي أبو زرعة - (قال لي ابن نمير: ما هو عندي ممن يكذب، قلت: ما حاله؟ كان يوضع له الحديث فيحدث به وما كان عندي ممن يتعمد الكذب) وانظر تهذيب التهذيب ج 2/58 حيث ذكر قول أبي زرعة فيه باختصار.
ইবনে উমাইয়া ১ "আমার হাতের দফ থেকে" ২—এটি কি ইয়াহইয়া ইবনুল আলা ৩ এর বর্ণিত হাদিস? তখন তাঁর (আবু যুরআহ) চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল, তিনি মাথা নাড়লেন এবং বললেন: (আমাদের নিকট এটি সালামাহ ইবনে শাবিব বর্ণনা করেছেন) ৪। তিনি আমাকে এর কোনো উত্তর দিলেন না, যেন তিনি এটি অস্বীকার করছেন; যেহেতু এটি ইয়াহইয়া ইবনুল আলা এবং বিশর ইবনে নুমাইরের বর্ণনা। আবু উসমান—অর্থাৎ আল-বারযাঈ—বলেন: (আমি মুহাম্মদ ইবনে সাহল ইবনে আসকার ৫ সম্পর্কে শুনেছি; সে একজন রাফেজি চরম মিথ্যাবাদী, সে হাদিস জাল করে, আর বিশর ইবনে নুমাইরের অবস্থা তার চেয়েও খারাপ) ৬।

১১- বাশির ইবনে মাইমুন আল-খুরাসানি, অতঃপর আল-ওয়াসিতি, আবু সাইফি, তিনি ১৮০ থেকে ১৯০ হিজরির মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে আবি হাতিম বলেন: (আবু যুরআহকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: হাদিস বর্ণনায় তিনি দুর্বল, তবে তাঁর হাদিস পাঠ করা থেকে তিনি নিষেধ করেননি) ৭।

১২- সাবিত ইবনে মুসা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে সালামাহ আদ-দাব্বি, আবু ইয়াজিদ আল-কুফি, অন্ধ এবং ইবাদতগুজার ব্যক্তি, মৃত্যু ২২৯ বা ২২৮ হিজরি। ইবনে আবি হাতিম বলেন: (আমার পিতা এবং আবু যুরআহ তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা পরিহার করেছেন) ৮।

১৩- জুবাহরাহ ইবনুল মুগাল্লিস আল-হিম্মানি, আবু মুহাম্মদ আল-কুফি, মৃত্যু ২৪১ হিজরি। আল-বারযাঈ বলেন: (আমি আবু যুরআহকে জুবাহরাহ ইবনুল মুগাল্লিস সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: সে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলত না, তবে তার নিকট জাল হাদিস পেশ করা হতো এবং সে তা পাঠ করত) ৯।

--------------------------------------------

(খাত, মিম ৪) সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া ইবনে খালাফ ইবনে ওয়াহাব আল-জুমাহি, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি জাহিলিয়াত ও ইসলাম উভয় যুগেই কুরাইশদের অন্যতম সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন। মৃত্যু ৪১ বা ৪২ হিজরি। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৪/৪২৪-৪২৫ এবং আল-ইসাবাহ, খণ্ড ৩/৪৩২-৪৩৪।

২ এটি ইবনে মাজাহ তাঁর সুনানে (খণ্ড ২/৮৭১-৮৭২) ইয়াহইয়া ইবনুল আলার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বিশর ইবনে নুমাইর থেকে শুনেছেন, তিনি মাকহুল থেকে শুনেছেন, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে শুনেছেন, তিনি সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া থেকে শুনেছেন যে তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় উমর ইবনে মুররাহ এসে বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহ আমার জন্য দুর্ভাগ্য লিখে দিয়েছেন, তাই আমি দেখছি যে আমার হাতের দফ থেকেই আমার রিজিক আসবে, সুতরাং আমাকে অশ্লীলতা ব্যতিরেকে গান গাওয়ার অনুমতি দিন"... তিনি হাদিসের অবশিষ্টাংশ উল্লেখ করেন। আয-যাহাবি একে মীযানুল ইতিদাল (খণ্ড ১/৩২৬) গ্রন্থে বিশর ইবনে নুমাইর আল-কুশাইরি আল-বাসরির জীবনীতে উল্লেখ করেছেন।

(দাল, কফ) ইয়াহইয়া ইবনুল আলা আল-বাজালি, আবু সালামাহ, তাঁকে আবু আমর আর-রাজিও বলা হয়, মৃত্যু ১৫০ থেকে ১৬০ হিজরির মধ্যে। আবু যুরআহ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন (তাঁর হাদিসে দুর্বলতা রয়েছে), দেখুন: আল-জারহু ওয়াত তা'দীল খণ্ড ৪ - অনুচ্ছেদ ২/১৮০ এবং তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ১১/২৬২।

(মিম ৪) সালামাহ ইবনে শাবিব আন-নাইসাবুরি, আবু আবদুর রহমান আল-জুহরি আল-মাসমায়ি, মক্কায় বসবাসকারী, হাফিজ এবং পর্যটক। আন-নাসায়ী তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই), মৃত্যু ২৪৭ বা ২৪৬ হিজরি। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ৪/১৪৬, তাযকিরাতুল হুফফাজ খণ্ড ২/৫৪৩।

(৫) (মিম, তা, সিন) মুহাম্মদ ইবনে সাহল ইবনে আসকার ইবনে আম্মারা আত-তামিমি, তাদের মুক্তদাস, আবু বকর, হাফিজ এবং পর্যটক। তিনি আবদুর রাজ্জাক ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে মুসলিম, নাসায়ী, আবু হাতিম ও আয-যুহলি বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী ছিলেন। মৃত্যু ২৫১ হিজরি। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ৯/২০৭।

৬ আবু যুরআহর কিতাবুয যুয়াফা দেখুন.. পৃষ্ঠা (২৩-খ)।

৭ আল-জারহু ওয়াত তা'দীল খণ্ড ১/অনুচ্ছেদ ১/৩৭৯ দেখুন, আবু যুরআহ এটি তাঁর 'আয-যুয়াফা' গ্রন্থে 'বা' বর্ণমালার অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন, দেখুন: কিতাবুয যুয়াফা লিত আবু যুরআহ... পৃষ্ঠা (২৫-খ)।

৮ আল-জারহু ওয়াত তা'দীল খণ্ড ১/অনুচ্ছেদ ১/৪৫৮ এবং তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ২/১৫ দেখুন।

৯ আবু যুরআহর কিতাবুয যুয়াফা দেখুন.. পৃষ্ঠা (১৩-ক)। ইবনে আবি হাতিম আল-জারহু ওয়াত তা'দীল (খণ্ড ১/অনুচ্ছেদ ১/৫৫০) গ্রন্থে বলেছেন (আবু যুরআহ তাঁর শুরুর দিকে তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন এবং তাঁর কুনিয়াত উল্লেখ করতেন। তিনি বলতেন: আবু মুহাম্মদ আল-হিম্মানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তাঁর হাদিস বর্জন করেন এবং আমাদের নিকট তাঁর হাদিস পাঠ করেননি)। এবং তিনি—অর্থাৎ আবু যুরআহ—বলেছেন: (ইবনে নুমাইর আমাকে বলেছেন: তিনি আমার কাছে মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত নন। আমি বললাম: তাঁর অবস্থা কী? তাঁর জন্য হাদিস সাজিয়ে দেওয়া হতো আর তিনি তা বর্ণনা করতেন, তিনি আমার নিকট ইচ্ছাকৃত মিথ্যাবাদী ছিলেন না)। দেখুন: তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ২/৫৮, যেখানে আবু যুরআহর বক্তব্য সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
14- جعفر بن الزبير الحنفي، وقيل الباهلي الدمشقي نزيل البصرة، توفي ما بين (140- 150?) . قال عنه: (لا أحدث عنه، ليس بشيء) 1.

15- جميل بن الحسن بن جميل الأزدي الجهضمي، أبو الحسن البصري، نزيل الأهواز2، سأل البرذعي أبا زرعة عنه فقال: (قد كنت كتبت عنه، وسألت عنه نصر بن علي الجهضمي3 فقال: اتق الله! ذاك زفان4، يجتمع بالليل مع هؤلاء المغبرين5 يزفن ويرقص معهم. قال أبو زرعة: فضربت على ما كتبت عنه) 6.

16- (خدق) جويبر بن سعيد الأزدي، أبو القاسم البلخي عداده في الكوفيين، ويقال اسمه جابر، وجويبر توفي ما بين (140- 150?) . قال ابن أبي حاتم: (سمعت أبي وأبا زرعة يقولان: جويبر ابن سعيد كان خرسانيا ليس بالقوي) 7.

17- الحارث بن عمران الجعفري المدني، قال عنه: (ضعيف الحديث، واهي الحديث) 8.

--------------------------------------------

1 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (14- ب-) وروى بسنده إلى عبد الله ابن المبارك أنه اتهم بأنه كان اختلط - أي في الحديث - وقال ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل ج 1/ق1/479 (سمعت أبا زرعة يقول: - وكان في كتابنا حديث عن جعفر بن الزبير - فقال اضربوا عليه. فقلت: ما حال جعفر بن الزبير؟ ضعيف هو؟ قال: كما يكون لا أحدث عنه ليس بشيء) وانظر تهذيب التهذيب ج 2/91 حيث ذكر قول أبي زرعة فيه باختصار.

2 الأهواز: سبع كور بين البصرة وفارس، لكل كورة منها اسم ويجمعهن الأهواز. انظر معجم البلدان لياقوت الحموي في مادة (الأهواز) ومراصد الاطلاع ج 1/135.

(ع) نصر بن علي بن نصر بن علي، أبو عمرو الأزدي الجهضمي البصري الحافظ العلامة روى عن سفيان بن عيينة وغيره. قال أحمد: ما به بأس، وقال النسائي: ثقة وقال أبو حاتم: هو أحب إلي من الفلاس وأحفظ منه وأوثق. ت 250?. انظر تذكرة الحفاظ ج 2/519.

4 الزفن: الرقص. انظر تهذيب اللغة ج 13/224، والقاموس المحيط ج 4/233.

5 المغبرة: قوم يغبرون، يذكرون الله بدعاء وتضرع، وقد يسمى ما يقرأ بالتطريب من الشعر في ذكر الله تعالى تغبيرا، كأنهم إذا تناشدوها بالألحان طربوا فرقصوا وأَرْهَجوا فسموا مغبرة بهذا المعنى، قال الشافعي رحمه الله: أرى الزنادقة وضعوا هذا التغبير ليصدوا الناس عن ذكر الله وقراءة القرآن. وقال أبو إسحاق النحوي: سمي هؤلاء مغبرين لتزهيدهم الناس في الفانية الماضية وترغيبهم في الغابرة، وهي الآخرة الباقية. انظر تهذيب اللغة ج 8/122- 123. والقاموس المحيط ج 2/103.

6 انظر: كتاب الضعفاء لأبي زرعة..... ورقة (23-أ-) .

7 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق1/541، وذكره أبو زرعة في كتاب الضعفاء حرف - ج - وقال عنه أبو زرعة أيضا: لا يحتج بحديثه. انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (33- ب-) وورقة (39 - ب -) .

8 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق2/84، وتهذيب التهذيب ج 2/152، واكتفى الذهبي في ميزان الاعتدال ج 1/439 بقوله (واهي الحديث) ونقل ابن الجوزي في أسماء الضعفاء انه قال: (ضعيف الحديث واه) .
১৪- জাফর বিন আল-জুবায়ের আল-হানাফী, বলা হয় আল-বাহিলী আদ-দিমাশকী, বসরার অধিবাসী ছিলেন, তিনি (১৪০-১৫০?) হিজরির মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (আমি তার থেকে হাদীস বর্ণনা করি না, সে কিছুই নয়) ১।

১৫- জামিল বিন আল-হাসান বিন জামিল আল-আজদী আল-জাহদামী, আবু আল-হাসান আল-বসরী, আহওয়াজের অধিবাসী ২, আল-বারদাঈ আবু জুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: (আমি তার থেকে হাদীস লিখেছিলাম, এরপর আমি নাসর বিন আলী আল-জাহদামীকে৩ তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: আল্লাহকে ভয় করো! সে একজন নৃত্যশিল্পী৪, সে রাতে এই মুগাব্বিরিনদের৫ সাথে মিলিত হয় এবং তাদের সাথে অঙ্গভঙ্গি করে ও নাচে। আবু জুরআ বলেন: এরপর আমি তার থেকে যা লিখেছিলাম তা কেটে দিয়েছি) ৬।

১৬- (খাদাক্ব) জুওয়াইবার বিন সাঈদ আল-আজদী, আবু আল-কাসিম আল-বালখী, কুফাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করা হয়, বলা হয় তার নাম জাবির, জুওয়াইবার (১৪০-১৫০?) হিজরির মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে আবি হাতিম বলেন: (আমি আমার পিতা এবং আবু জুরআকে বলতে শুনেছি: জুওয়াইবার বিন সাঈদ খুরাসানী ছিলেন, তিনি শক্তিশালী রাবী ছিলেন না) ৭।

১৭- আল-হারিস বিন ইমরান আল-জাফারি আল-মাদানি, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদীস বর্ণনায় দুর্বল, অত্যন্ত দুর্বল হাদীস বর্ণনাকারী) ৮।

--------------------------------------------

১ আবু জুরআর কিতাব আদ-দুয়াফা দেখুন, পৃষ্ঠা (১৪- খ-) এবং তিনি তার সনদে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তার বিরুদ্ধে হাদীসে সংমিশ্রণ ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে। ইবনে আবি হাতিম আল-জারহ ওয়াত তা'দীল খণ্ড ১/অংশ ১/৪৭৯-এ বলেছেন: (আমি আবু জুরআকে বলতে শুনেছি - আমাদের কিতাবে জাফর বিন আল-জুবায়েরের একটি হাদীস ছিল - তিনি বললেন: এটি কেটে দাও। আমি বললাম: জাফর বিন আল-জুবায়েরের অবস্থা কী? সে কি দুর্বল? তিনি বললেন: তার অবস্থা এমনই যে আমি তার থেকে বর্ণনা করি না, সে কিছুই নয়)। তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ২/৯১ দেখুন যেখানে সংক্ষেপে তার সম্পর্কে আবু জুরআর উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে।

২ আহওয়াজ: বসরা ও পারস্যের মধ্যবর্তী সাতটি জনপদ, যার প্রতিটি জনপদের আলাদা নাম রয়েছে এবং সবগুলোকে একত্রে আহওয়াজ বলা হয়। ইয়াকুত আল-হামাভীর মুজামুল বুলদান 'আহওয়াজ' অংশে এবং মারাসিদুল ইত্তিলা' খণ্ড ১/১৩৫ দেখুন।

(আইন) নাসর বিন আলী বিন নাসর বিন আলী, আবু আমর আল-আজদী আল-জাহদামী আল-বসরী, হাফিজ ও বড় আলিম। তিনি সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। আহমাদ বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, নাসায়ী বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, এবং আবু হাতিম বলেছেন: তিনি আমার কাছে ফাল্লাসের চেয়েও প্রিয় এবং তার চেয়ে অধিক হিফযকারী ও নির্ভরযোগ্য। মৃত্যু ২৫০? হিজরি। তাযকিরাতুল হুফফাজ খণ্ড ২/৫১৯ দেখুন।

৪ আয-যাফন: নৃত্য। তাহযীবুল লুগাহ খণ্ড ১৩/২২৪ এবং আল-কামুস আল-মুহিত খণ্ড ৪/২৩৩ দেখুন।

৫ আল-মুগাব্বিরাহ: এমন একদল লোক যারা গান গেয়ে সুর করে আল্লাহকে ডাকেন এবং অনুনয়-বিনয় করেন। কখনও কখনও আল্লাহর যিকিরে কবিতার যে অংশ সুর করে পাঠ করা হয় তাকেও 'তাগবীর' বলা হয়, যেন তারা যখন এগুলো সুর দিয়ে পাঠ করে তখন তারা আবেগাপ্লুত হয়ে নেচে ওঠে এবং ধুলো উড়ায়, তাই এই অর্থে তাদের মুগাব্বিরাহ বলা হয়েছে। ইমাম শাফিঈ (রহমতুল্লাহি আলাইহি) বলেছেন: আমি মনে করি যিনদীকগণ মানুষকে আল্লাহর যিকির এবং কুরআন তিলাওয়াত থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য এই 'তাগবীর' উদ্ভাবন করেছে। আবু ইসহাক আন-নাহবী বলেছেন: এই লোকদের মুগাব্বিরিন বলা হয়েছে কারণ তারা মানুষকে ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার প্রতি বিমুখ করে এবং আগত দীর্ঘস্থায়ী আখিরাতের প্রতি উৎসাহিত করে। তাহযীবুল লুগাহ খণ্ড ৮/১২২-১২৩ এবং আল-কামুস আল-মুহিত খণ্ড ২/১০৩ দেখুন।

৬ দেখুন: আবু জুরআর কিতাব আদ-দুয়াফা... পৃষ্ঠা (২৩- ক-)।

৭ আল-জারহ ওয়াত তা'দীল খণ্ড ১/অংশ ১/৫৪১ দেখুন, এবং আবু জুরআ কিতাব আদ-দুয়াফার 'জিম' বর্ণে তার উল্লেখ করেছেন। আবু জুরআ তার সম্পর্কে আরও বলেছেন: তার হাদীস দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। আবু জুরআর কিতাব আদ-দুয়াফা পৃষ্ঠা (৩৩- খ-) এবং পৃষ্ঠা (৩৯- খ-) দেখুন।

৮ আল-জারহ ওয়াত তা'দীল খণ্ড ১/অংশ ২/৮৪ এবং তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ২/১৫২ দেখুন। আয-যাহাবী মীযানুল ইতিদাল খণ্ড ১/৪৩৯-এ শুধুমাত্র "অত্যন্ত দুর্বল হাদীস বর্ণনাকারী" বলে ক্ষান্ত হয়েছেন। ইবনুল জাওযী আসমাউ আদ-দুয়াফা-তে উল্লেখ করেছেন যে তিনি বলেছেন: "হাদীসে দুর্বল এবং অত্যন্ত দুর্বল"।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩৪)
18- حيان بن علي العنزي الكوفي ت 171 أو 172? قال عنه: (لين) 1.

19- حبيب بن أبي حبيب إبراهيم، ويقال مرزوق، ويقال زريق الحنيفي أبو محمد المصري كاتب مالك ت 218? قال البرذعي: (سمعت أبا زرعة يقول: وقع بمصر رجلان كانا يضعان الحديث؛ خالد بن نجيح2، وحبيب بن زريق) 3.

20- حريش بن الخريت، البصري، أخو الزبير، قال عنه: (واهي الحديث) 4.

21- حصين، والد داود بن الحصين الأموي مولاهمـ ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء5.

22- حفص بن جميع العجلي الكوفي، قال عنه: (ليس بالقوي) 6.

23- حفص بن عمر بن ميمون، العدني، أبو إسماعيل الملقب بالفرخ، مولى عمر، ويقال مولى علي، ويقال له الصنعاني، قال عنه: واهي7.

24- حماد بن عبد الرحمن الكلبي، أبو عبد الرحمن من أهل قنسرين، وقيل كوفي، وقيل حمصي، قال عنه: (يروي أحاديث مناكير) 8.

25- حميد بن أبي سويد، ويقال ابن أبي سوية، ويقال ابن أبي حميد المكي قال عنه: (ضعيف الحديث) 9.

--------------------------------------------

1 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق2/270ن وتهذيب التهذيب 2/173، وميزان الاعتدال ج 1/449 روى له ابن ماجة في السنن حديثا واحدا، وآخر في التفسير.

2 خالد بن نجيح المصري، كان يصحب عثمان بن صالح المصري قال أبو حاتم عنه (هو كذاب كان يفتعل الأحاديث ويضعها في كتب ابن أبي مريم وأبي صالح. وهذه الأحاديث التي أنكرت على أبي صالح يتوهم أنه من فعله) انظر الجرح والتعديل ج 1/ق2/355، وميزان الاعتدال ج 1/644.

3 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (12- أ-) ، وروى له ابن ماجة حديثا واحدا في البيوع.

4 انظر المصدر السابق ورقة (8- أ -) . ونقل المزي قول أبي زرعة فيه. انظر تهذيب التهذيب ج 2/241 وفي ميزان الاعتدال ج 1/467 اكتفى بقوله، في علل الحديث ج 1/47 قال أبو زرعة عن حديث رواه: (هذا حديث منك، والحريش شيخ لا يحتج به) . روى له ابن ماجة حديثا واحدا عن عائشة "كنت أضع لرسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة آنية مخمرة" انظر سنن ابن ماجة ج 1/99، 129 ج 2/1119، 1129.

5 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف - ح - وقال عنه ابن حبان: (كان ممن اختلط في آخر عمره حتى كان لا يدري ما يحدث به، واختلط حديثه القديم بحديثه الأخير فاستحق الترك) انظر المجروحين ج 1/270. روى له ابن ماجة حديثا واحدا في الجنائز. انظر سنن ابن ماجة ج 1/495.

6 انظر الجرح والتعديل ج 1/ق2/171 وتهذيب التهذيب ج 2/397، وميزان الاعتدال ج 1/656، وأسماء الضعفاء لابن الجوزي.

7 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (10- أ -) له عند ابن ماجة حديث واحد من جحد آية من القرآن فقد حل ضرب عنقه. انظر سنن ابن ماجة ج 2/848- 849.

8 انظر المصدر السابق ورقة (15- ب-) ، والجرح والتعديل ج 1/ق2/143، وتهذيب التهذيب ج 2/18.

9 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (4- ب-) .
১৮- হাইয়ান বিন আলী আল-আনাজি আল-কুফি, মৃত্যু ১৭১ বা ১৭২? তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (নমনীয়) ১।

১৯- হাবিব বিন আবি হাবিব ইব্রাহিম, তাকে মারজুক বা জুরাইক আল-হানিফি আবু মুহাম্মাদ আল-মিসরিও বলা হয়, মালিকের লেখক, মৃত্যু ২১৮? আল-বারদাঈ বলেন: (আমি আবু জুরআকে বলতে শুনেছি: মিশরে এমন দুইজন লোক ছিল যারা হাদিস জাল করত; খালিদ বিন নাজিহ ২ এবং হাবিব বিন জুরাইক) ৩।

২০- হুরিশ বিন আল-খিররিত আল-বাসরি, জুবাইরের ভাই, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল) ৪।

২১- হুসাইন, দাউদ বিন আল-হুসাইন আল-উমাবি আল-মাওলার পিতা— আবু জুরআ তাঁকে দুর্বলদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৫।

২২- হাফস বিন জামি আল-ইজলি আল-কুফি, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (শক্তিশালী নন) ৬।

২৩- হাফস বিন উমর বিন মাইমুন আল-আদানি, আবু ইসমাইল যাকে 'আল-ফারখ' উপাধি দেওয়া হয়, উমরের মুক্তদাস, মতান্তরে আলীর মুক্তদাস, তাকে আস-সানআনিও বলা হয়, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: অত্যন্ত দুর্বল ৭।

২৪- হাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-কালবি, আবু আব্দুর রহমান, কিননাসরিনের অধিবাসী, মতান্তরে কুফি বা হিমসি, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি মুনকার বা অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনা করেন) ৮।

২৫- হুমাইদ বিন আবি সুওয়াইদ, মতান্তরে ইবনে আবি সুওয়াইয়াহ, আবার ইবনে আবি হুমাইদ আল-মাক্কিও বলা হয়, তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল) ৯।

--------------------------------------------

১ দ্রষ্টব্য: আল-জারহু ওয়াত তাদিল ১/খণ্ড ২/২৭০; তাহজিবুত তাহজিব ২/১৭৩ এবং মিজানুল ইতিদাল ১/৪৪৯; ইবনে মাজাহ তাঁর সুনানে একটি এবং তাফসির গ্রন্থে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

২ খালিদ বিন নাজিহ আল-মিসরি, তিনি উসমান বিন সালিহ আল-মিসরির সাথে থাকতেন। আবু হাতিম তাঁর সম্পর্কে বলেন: (তিনি একজন চরম মিথ্যাবাদী, তিনি হাদিস জাল করতেন এবং সেগুলো ইবনে আবি মারইয়াম ও আবু সালিহ-এর বইয়ে ঢুকিয়ে দিতেন। আবু সালিহ-এর নামে যেসব হাদিস অস্বীকার করা হয়, ধারণা করা হয় সেগুলো তারই কাজ)। দ্রষ্টব্য: আল-জারহু ওয়াত তাদিল ১/খণ্ড ২/৩৫৫ এবং মিজানুল ইতিদাল ১/৬৪৪।

৩ দ্রষ্টব্য: আবু জুরআর কিতাবুয দুআফা, পৃষ্ঠা (১২- ক), ইবনে মাজাহ ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়ে তাঁর থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।

৪ দ্রষ্টব্য: পূর্বোক্ত উৎস, পৃষ্ঠা (৮- ক)। আল-মিযযি তাঁর সম্পর্কে আবু জুরআর উক্তি উদ্ধৃত করেছেন। দ্রষ্টব্য: তাহজিবুত তাহজিব ২/২৪১। মিজানুল ইতিদাল ১/৪৬৭ গ্রন্থে তিনি কেবল এই উক্তিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। ইলালুল হাদিস ১/৪৭ গ্রন্থে তাঁর বর্ণিত একটি হাদিস সম্পর্কে আবু জুরআ বলেন: (এটি একটি মুনকার বা পরিত্যক্ত হাদিস, আর হুরিশ এমন একজন শাইখ যার হাদিস দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যায় না)। ইবনে মাজাহ আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত তাঁর একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন: "আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য তিনটি ঢাকা দেওয়া পাত্র রাখতাম।" দ্রষ্টব্য: সুনানে ইবনে মাজাহ ১/৯৯, ১২৯; ২/১১১৯, ১১২৯।

৫ দ্রষ্টব্য: আবু জুরআর কিতাবুয দুআফা, 'হা' বর্ণমালা। ইবনে হিব্বান তাঁর সম্পর্কে বলেন: (তিনি শেষ জীবনে স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে পড়েছিলেন, এমনকি তিনি কী বর্ণনা করছেন তা বুঝতে পারতেন না। তাঁর আগের হাদিস পরের গুলোর সাথে মিশে যায়, তাই তিনি ত্যাজ্য হওয়ার যোগ্য)। দ্রষ্টব্য: আল-মাজরুহিন ১/২৭০। ইবনে মাজাহ জানাজা অধ্যায়ে তাঁর বর্ণিত একটি হাদিস উল্লেখ করেছেন। দ্রষ্টব্য: সুনানে ইবনে মাজাহ ১/৪৯৫।

৬ দ্রষ্টব্য: আল-জারহু ওয়াত তাদিল ১/খণ্ড ২/১৭১, তাহজিবুত তাহজিব ২/৩৯৭, মিজানুল ইতিদাল ১/৬৫৬ এবং ইবনুল জাওজির আসমাউয দুআফা।

৭ দ্রষ্টব্য: আবু জুরআর কিতাবুয দুআফা, পৃষ্ঠা (১০- ক)। ইবনে মাজাহর নিকট তাঁর একটি হাদিস রয়েছে: যে ব্যক্তি কুরআনের কোনো আয়াত অস্বীকার করল, তাকে হত্যা করা বৈধ হয়ে গেল। দ্রষ্টব্য: সুনানে ইবনে মাজাহ ২/৮৪৮-৮৪৯।

৮ দ্রষ্টব্য: পূর্বোক্ত উৎস, পৃষ্ঠা (১৫- খ), আল-জারহু ওয়াত তাদিল ১/খণ্ড ২/১৪৩ এবং তাহজিবুত তাহজিব ২/১৮।

৯ দ্রষ্টব্য: আবু জুরআর কিতাবুয দুআফা, পৃষ্ঠা (৪- খ)।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩৫)
26- داود بن عطاء المزني مولاهم، ويقال مولى الزبير، أبو سليمان المديني قال عنه: (منكر الحديث) 1.

27- (قدق) داود بن المحبر بن محذم بن سليمان الطائي، ويقال الثقفي البكراوي، أبو سليمان البصري، نزيل بغداد وصاحب كتاب العقل ت 206? قال عنه: (ضعيف الحديث) 2.

28- دهثم بن قران العكلي، ويقال الحنفي اليمامي الذي روى عن يحيى بن كثير وغيره، قال عنه: (ضعيف الحديث) 3.

29- الربيع بن حبيب الملاح العبسي مولاهم، أبو هاشم الكوفي الأحول توفي ما بين (150-160?) ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء4.

30- زكرياء بن منظور، يقال اسم جده عقبة بن ثعلبة بن أبي مالك، ويقال زكرياء بن يحيى بن منظور بن ثعلبة القرضي، أبو يحيى المدني قال عنه: (واهي الحديث) 5.

--------------------------------------------

1 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف -د- والجرح والتعديل ج 1/ق2/421 وتهذيب التهذيب ج 3/194.

ملاحظة: قال ابن حجر في آخر ترجمة داود بن عمر الضبي في تهذيب التهذيب ج 3/195: (وحكى ابن الجوزي في الضعفاء أن أبا زرعة وأبا حاتم قالا أنه منكر الحديث فيحرر هذا) وكذا فعل الذهبي في ميزان الاعتدال ج 2/17، وانظر أسماء الضعفاء لابن الجوزي. وعقب ذلك الشيخ المعلمي اليماني في حاشية ج 1/ق2/420: (إنما قالا ذلك في الآتي - أي داود بن عطاء - فكأن ابن الجوزي لم يتفطن لأول الترجمة الآتية وتوهم أن ما فيها من الكلام يتعلق بهذا. ونقل ابن الجوزي في ترجمة - ابن عطاء - عن أبي زرعة قوله: (متروك الحديث) والصواب قوله: (منكر الحديث) .

2 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (17- أ-) . وانظر الجرح والتعديل ج 1/ق2/424، وتهذيب التهذيب ج3/200ن وتاريخ بغداد ج 8/361 ن واكتفى الذهبي في ميزان الاعتدال ج 2/20 بقوله (ضعيف) روى له ابن ماجة حديثه عب الربيع بن صبيح عن يزيد الرقاشي، عن أنس في فضل قزوين وهو منكر يقال أنه أدخله عليه. قال الذهبي: (لقد شان ابن ماجة سننه بإدخاله هذا الحديث الموضوع فيها) وذكر أبو زرعة في كتابه الضعفاء حرف - د – انظر سنن ابن ماجة ج 2/929.

3 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (11- أ-) وقال الذهبي في ميزان الاعتدال ج 2/29 في ترجمة دهثم (وقد روى دهثم بن قران، عن نمران ابن جارية، عن أبيه من بني حنيفة، عن النبي صلى الله عليه وسلم: يأخذ ماء جديدا للأذنين رواه ابن ماجة ولا يصح لحال دهثم وجهالة نمران) .

4 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة في حرف - ر- وقال عنه أيضا (شيعي) انظر الجرح والتعديل ج 1/ق2/458ن وتهذيب التهذيب ج 3/241ن وميزان الاعتدال ج 2/40. له في سنن ابن ماجة حديث واحد في النهي عن ذبح ذوات الدر.

5 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (10- أ -) وكذا في ميزان الاعتدال ج 2/78ن وروى الخطيب في تاريخه ج 8/452 بسنده إلى البرذعي قول أبي زرعة وزاد على واهي الحديث (واهي الحديث منكر الحديث) ، وكذلك نقله المزي كما تهذيب التهذيب ج 3/333، أما في الجرح والتعديل ج 1/ق2/597 قال عنه (ليس بقوي) .
২৬- দাউদ ইবনে আতা আল-মুজানি, তাদের আযাদকৃত দাস, বলা হয় যুবাইরের আযাদকৃত দাস, আবু সুলাইমান আল-মাদিনি। তিনি (আবু জুরাহ) তার সম্পর্কে বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস বা হাদিস বর্ণনায় প্রত্যাখ্যাত) ১।

২৭- (কদক) দাউদ ইবনুল মুহাব্বার ইবনে মাহযাম ইবনে সুলাইমান আত-তাই, বলা হয় আস-সাকাফি আল-বাকরাউয়ি, আবু সুলাইমান আল-বাসরি, বাগদাদের অধিবাসী এবং 'কিতাবুল আকল'-এর লেখক, মৃত্যু ২০৬ হিজরি? তিনি (আবু জুরাহ) তার সম্পর্কে বলেছেন: (দয়িফুল হাদিস বা দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী) ২।

২৮- দাহসাম ইবনে কুররান আল-উকুলি, বলা হয় আল-হানাফি আল-ইয়ামামি, যিনি ইয়াহইয়া ইবনে কাসির ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (দয়িফুল হাদিস বা দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী) ৩।

২৯- আর-রবি ইবনে হাবিব আল-মাল্লাহ আল-আবিসি, তাদের আযাদকৃত দাস, আবু হাশিম আল-কুফি আল-আহওয়াল, মৃত্যু ১৫০ থেকে ১৬০ হিজরির মধ্যে? আবু জুরাহ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৪।

৩০- যাকারিয়া ইবনে মানযুর, বলা হয় তার দাদার নাম উকবাহ ইবনে সালাবাহ ইবনে আবি মালিক, আবার বলা হয় যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানযুর ইবনে সালাবাহ আল-কুরাযি, আবু ইয়াহইয়া আল-মাদিনি। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (ওয়াহিউল হাদিস বা অত্যন্ত দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী) ৫।

--------------------------------------------

১. দেখুন আবু জুরাহ-র কিতাবুয যুয়াফা, 'দাল' বর্ণ; আল-জারহু ওয়াত-তাদিল ১ম খণ্ড/২য় ভাগ/৪২১ এবং তাহযিবুত তাহযিব ৩য় খণ্ড/১৯৪।

দ্রষ্টব্য: ইবনে হাজার তাহযিবুত তাহযিব ৩য় খণ্ড/১৯৫-এ দাউদ ইবনে উমর আদ-দাব্বি-র জীবনীর শেষে বলেছেন: (ইবনুল জাওযি 'আয-যুয়াফা' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন যে, আবু জুরাহ এবং আবু হাতিম বলেছেন যে সে 'মুনকারুল হাদিস', এটি সংশোধন করা প্রয়োজন)। অনুরূপ করেছেন আয-যাহাবি 'মিযানুল ইতিদাল' ২য় খণ্ড/১৭ পৃষ্ঠায়। ইবনুল জাওযি-র 'আসমাউয যুয়াফা' দেখুন। এর প্রেক্ষিতে শায়খ আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি ১ম খণ্ড/২য় ভাগ/৪২০-এর টীকায় বলেছেন: (তাঁরা কেবল পরবর্তী জন—অর্থাৎ দাউদ ইবনে আতা—সম্পর্কে এটি বলেছিলেন। সম্ভবত ইবনুল জাওযি পরবর্তী জীবনীর শুরুটি খেয়াল করেননি এবং ধারণা করেছিলেন যে সেখানে যা বলা হয়েছে তা এর সাথে সম্পর্কিত। ইবনুল জাওযি 'ইবনে আতা'-র জীবনীর আলোচনায় আবু জুরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি তাকে 'মাতরুকুল হাদিস' বা পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী বলেছেন, অথচ সঠিক হলো তার বক্তব্য: 'মুনকারুল হাদিস' বা প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনাকারী)।

২. দেখুন আবু জুরাহ-র কিতাবুয যুয়াফা, পৃষ্ঠা (১৭-ক)। আরও দেখুন আল-জারহু ওয়াত-তাদিল ১ম খণ্ড/২য় ভাগ/৪২৪, তাহযিবুত তাহযিব ৩য় খণ্ড/২০০, তারিখু বাগদাদ ৮ম খণ্ড/৩৬১। আয-যাহাবি মিযানুল ইতিদাল ২য় খণ্ড/২০ পৃষ্ঠায় কেবল 'দয়িফ' (দুর্বল) কথাটি উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হয়েছেন। ইবনে মাজাহ তার মাধ্যমে রবি ইবনে সাবিহ থেকে, তিনি ইয়াজিদ আর-রাক্কাশি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে কাজভিনের ফজিলত সম্পর্কে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা একটি 'মুনকার' (পরিত্যাজ্য) হাদিস; বলা হয় যে এটি তার বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল। যাহাবি বলেন: (ইবনে মাজাহ তাঁর 'সুনান' গ্রন্থে এই জাল বা মাওদু হাদিসটি অন্তর্ভুক্ত করে গ্রন্থটিকে কলঙ্কিত করেছেন)। আবু জুরাহ তাঁর 'কিতাবুয যুয়াফা'-র 'দাল' বর্ণে এটি উল্লেখ করেছেন, দেখুন সুনানে ইবনে মাজাহ ২য় খণ্ড/৯২৯ পৃষ্ঠা।

৩. দেখুন আবু জুরাহ-র কিতাবুয যুয়াফা, পৃষ্ঠা (১১-ক)। আয-যাহাবি মিযানুল ইতিদাল ২য় খণ্ড/২৯ পৃষ্ঠায় দাহসাম-এর জীবনীতে বলেছেন: (দাহসাম ইবনে কুররান, নামরান ইবনে জারিয়া থেকে, তিনি তার পিতা থেকে—যিনি বনু হানিফা গোত্রের—তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে: তিনি দুই কানের জন্য নতুন পানি নিতেন। এটি ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন, কিন্তু দাহসাম-এর দুর্বল অবস্থা এবং নামরানের পরিচয় অজ্ঞাত হওয়ার কারণে এটি সহিহ নয়)।

৪. দেখুন আবু জুরাহ-র কিতাবুয যুয়াফা, 'রা' বর্ণ। তিনি তাঁর সম্পর্কে আরও বলেছেন যে তিনি একজন 'শিয়া'। দেখুন আল-জারহু ওয়াত-তাদিল ১ম খণ্ড/২য় ভাগ/৪৫৮, তাহযিবুত তাহযিব ৩য় খণ্ড/২৪১ এবং মিযানুল ইতিদাল ২য় খণ্ড/৪০ পৃষ্ঠা। সুনানে ইবনে মাজাহ-তে দুগ্ধবতী পশু জবাই করতে নিষেধ করা বিষয়ে তার একটি মাত্র হাদিস রয়েছে।

৫. দেখুন আবু জুরাহ-র কিতাবুয যুয়াফা, পৃষ্ঠা (১০-ক)। অনুরূপ মিযানুল ইতিদাল ২য় খণ্ড/৭৮ পৃষ্ঠা। আল-খাতিব তাঁর ইতিহাসে ৮ম খণ্ড/৪৫২ পৃষ্ঠায় তাঁর সনদে আল-বারযাঈ থেকে আবু জুরাহ-র বক্তব্য বর্ণনা করেছেন এবং 'ওয়াহিউল হাদিস'-এর সাথে যোগ করেছেন '(ওয়াহিউল হাদিস মুনকারুল হাদিস)'। আল-মিযযিও তাহযিবুত তাহযিব ৩য় খণ্ড/৩৩৩ পৃষ্ঠায় অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে আল-জারহু ওয়াত-তাদিল ১ম খণ্ড/২য় ভাগ/৫৯৭ পৃষ্ঠায় তার সম্পর্কে বলা হয়েছে: (সে শক্তিশালী নয়)।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩৬)
31- السري بن إسماعيل الهمداني الكوفي ابن عم الشعبي ذكره في أسماء الضعفاء1.

32- سعاد (كجبار) بن سليمان الجعفي، ويقال التميمي، الكوفي قال عنه: (ضعيف) 2.

33- سعيد بن خالد بن أبي طويل، القرشي، الصيداوي روى عن أنس وغيره، قال: ضعيف الحديث؛ حدث عن أنس بمناكير3.

34- سعيد بن سنان، أبو مهدي الحنفي، ويقال الكندي الحمصي ت 163 أو 168? قال ابن أبي حاتم: (سألت أبا زرعة عنه فأومأ بيده أنه ضعيف) 4.

35- سعيد بن الجبار الزبيدي، أبو عثمان، ويقال أبو عثيم بن أبي سعيد الحمصي، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء5.

36- سلام بن مسلم، أبو سليمان، ويقال أبو أيوب، ويقال أبو عبد الله وهو سلام الطويل المدائني ت بحدود 177? قال البرذعي: (وذكرت لأبي زرعة في حديث جرى عنده سلام الطويل؟ فحرك رأسه كالمتعجب من ذكري له، كأن سلاما الطويل عنده في موضع لا يذكر، ومر بحديث في كتابنا، عنه، عن قبيصة6، عن سلام، فأمر أن نضرب عليه، وقال: سلام ما نصنع به) 7.

37- أبو بكر الهذلي البصري، اسمه سلمى بن عبد اله بن سلمى، وقيل اسمه روح، وهو ابن بنت حميد بن عبد الرحمن الحميري ت 168? قال عنه: (ضعيف) 8.

--------------------------------------------

1 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة في حرف - س -.

2 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (15- أ -) .

3 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (3- أ -) واقتصر الذهبي في ميزان الاعتدال ج 2/132 على قوله (ضعفه أبو زرعة وغيره) والمزي على قوله (ضعيف الحديث) انظر تهذيب التهذيب ج 4/20.

4 انظر الجرح والتعديل ج 2/ق1/28- 29 وكذا في تهذيب التهذيب ج 4/47 وذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء حرف - س-.

5 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف - س – روى له ابن ماجه حديثا واحدا في الكحل وهو صائم. انظر سنن ابن ماجة ج 1/536.

(ع) قبيصة بن عقبة بن محمد بن سفيان بن عقبة السوائي، أبو عامر الكوفي كان ثقة صدوقا كثير الحديث عن سفيان الثوري ت 213?. انظر تهذيب التهذيب ج 8/347- 349 ، والجرح والتعديل ج 3/ق2/126- 127.

7 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (22- ب -) ونقل ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل ج 2/ق1/260 عن أبي زرعة أنه قال عنه (ضعيف الحديث) . واكتفى في تهذيب التهذيب ج 4/281- 282 بقوله (ضعيف) وكذا في ميزان الاعتدال ج 2/175.

8 انظر تهذيب التهذيب ج 12/45- 46، وذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء حرف - س - والجرح والتعديل ج 2/ق1/314.
31- আস-সারী বিন ইসমাইল আল-হামদানি আল-কুফি, আশ-শা'বীর চাচাতো ভাই; তিনি তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন১।

32- সুয়াদ (জাব্বার-এর ওজনে) বিন সুলাইমান আল-জু'ফি, কারো মতে আত-তামিমি, আল-কুফি; তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (দুর্বল) ২।

33- সাঈদ বিন খালিদ বিন আবি তাওয়িল, আল-কুরাশি, আস-সাইদাউয়ি; তিনি আনাস ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল; আনাস থেকে মুনকার (পরিত্যক্ত) হাদিস বর্ণনা করেছেন৩।

34- সাঈদ বিন সিনান, আবু মাহদি আল-হানাফি, কারো মতে আল-কিন্দি আল-হিমসি, মৃত্যু ১৬৩ বা ১৬৮ হিজরি?; ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: (আমি আবু যুরআহকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করেছিলেন যে তিনি দুর্বল) ৪।

35- সাঈদ বিন আল-জাব্বার আজ-যুবাইদি, আবু উসমান, কারো মতে আবু উসাইম বিন আবি সাঈদ আল-হিমসি; আবু যুরআহ তাঁকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন৫।

36- সালাম বিন মুসলিম, আবু সুলাইমান, কারো মতে আবু আইয়ুব, আবার কারো মতে আবু আব্দুল্লাহ; তিনি হলেন সালাম আত-তাবিল আল-মাদায়িনি, মৃত্যু প্রায় ১৭৭ হিজরির দিকে?; আল-বারযা'য়ি বলেছেন: (আমি আবু যুরআহর কাছে একটি হাদিস প্রসঙ্গে সালাম আত-তাবিলের কথা উল্লেখ করেছিলাম; তখন তিনি মাথা নেড়েছিলেন যেন আমার কথাটি শুনে তিনি আশ্চর্য হয়েছেন, যেন সালাম আত-তাবিল তাঁর কাছে এমন স্তরের যে তাঁকে উল্লেখ করারই প্রয়োজন নেই। এবং আমাদের বইতে একটি হাদিস এল, যা তাঁর সূত্রে কাবিসাহ৬ থেকে সালামের মাধ্যমে বর্ণিত, তখন তিনি তা কেটে ফেলার আদেশ দিলেন এবং বললেন: সালামকে দিয়ে আমরা কী করব!) ৭।

37- আবু বকর আল-হুযালি আল-বাসরি, তাঁর নাম সালমা বিন আব্দুল্লাহ বিন সালমা, কারো মতে তাঁর নাম রাউহ; তিনি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান আল-হিমইয়ারির নাতি (মেয়ের ঘরের সন্তান), মৃত্যু ১৬৮ হিজরি?; তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (দুর্বল) ৮।

--------------------------------------------

১. আবু যুরআহর 'কিতাবুজ যুয়াফা' দেখুন, 'সীন' (س) বর্ণের অধীনে।

২. আবু যুরআহর 'কিতাবুজ যুয়াফা' দেখুন, পৃষ্ঠা (১৫- ক)।

৩. আবু যুরআহর 'কিতাবুজ যুয়াফা' দেখুন, পৃষ্ঠা (৩- ক); আয-যাহাবি 'মিযানুল ইতিদাল' খণ্ড ২/১৩২-এ কেবল এই কথার ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছেন যে, (আবু যুরআহ ও অন্যরা তাঁকে দুর্বল বলেছেন) এবং আল-মিযযি (হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল) কথাটির ওপর; দেখুন 'তাহযীবুত তাহযীব' খণ্ড ৪/২০।

৪. 'আল-জারহ ওয়াত তা'দীল' খণ্ড ২/অংশ ১/২৮-২৯ দেখুন; একইভাবে 'তাহযীবুত তাহযীব' খণ্ড ৪/৪৭-এ; আবু যুরআহ তাঁকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় 'সীন' বর্ণের অধীনে উল্লেখ করেছেন।

৫. আবু যুরআহর 'কিতাবুজ যুয়াফা' দেখুন, 'সীন' বর্ণ; ইবনে মাজাহ তাঁর সূত্রে রোজা রাখা অবস্থায় সুরমা ব্যবহার সম্পর্কে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। দেখুন 'সুনানে ইবনে মাজাহ' খণ্ড ১/৫৩৬।

৬. কাবিসাহ বিন উকবাহ বিন মুহাম্মাদ বিন সুফিয়ান বিন উকবাহ আস-সুওয়ায়ি, আবু আমির আল-কুফি; তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), সত্যবাদী এবং সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন; মৃত্যু ২১৩ হিজরি?; দেখুন 'তাহযীবুত তাহযীব' খণ্ড ৮/৩৪৭-৩৪৯ এবং 'আল-জারহ ওয়াত তা'দীল' খণ্ড ৩/অংশ ২/১২৬-১২৭।

৭. আবু যুরআহর 'কিতাবুজ যুয়াফা' দেখুন, পৃষ্ঠা (২২- খ); ইবনে আবি হাতিম 'আল-জারহ ওয়াত তা'দীল' খণ্ড ২/অংশ ১/২৬০-এ আবু যুরআহ থেকে উদ্ধৃত করেছেন যে, তিনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল)। 'তাহযীবুত তাহযীব' খণ্ড ৪/২৮১-২৮২-এ কেবল (দুর্বল) শব্দের ওপর সীমাবদ্ধ থাকা হয়েছে এবং একইভাবে 'মিযানুল ইতিদাল' খণ্ড ২/১৭৫-এ।

৮. 'তাহযীবুত তাহযীব' খণ্ড ১২/৪৫-৪৬ দেখুন; আবু যুরআহ তাঁকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় 'সীন' বর্ণের অধীনে উল্লেখ করেছেন এবং 'আল-জারহ ওয়াত তা'দীল' খণ্ড ২/অংশ ১/৩১৪।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩৭)
38- سليمان بن عطاء بن قيس، القرشي، أبو عمرو الجزري ت ما بين 190-200? قال عنه: (منكر الحديث) 1.

39- سليمان بن يسير، ويقال ابن أسير، ويقال ابن قسم النخعي، أبو الصباح الكوفي، مولى إبراهيم النخعي قال البرذعي: (قلت: سليمان بن يسير؟ قال: منكر الحديث، حدث عنه شعبة2، قلت: شعبة؟ قال: نعم شعبة، عن أبي الصباح، وليس موسى بن أبي كثير3، عن إبراهيم4 مسألة، قلت: فهو سليمان بن يسير؟ قال: نعم) 5.

40- صالح بن عبد الله بن صالح العامري مولاهم المدني ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء6.

41- طلحة بن زيد القرشي، أبو مسكين، ويقال أبو محمد الرقي ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء7.

42- طلحة بن عمرو بن عثمان الحضرمي المكي ت 152? قال عنه (ضعيف) 10.

43- عائذ الله المجاشعي، أبو معاذ، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء11.

--------------------------------------------

1 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (4- ب-) ن وتهذيب التهذيب ج 4/211، وذكره أبو زرعة كذلك في أسماء الضعفاء حرف - س -.

2 شعبة هو (ع) ابن الحجاج بن الورد، أبو بسطام الأزدي العتكي مولاهم الواسطي الحجة الحافظ شيخ الإسلام قال الثوري: شعبة أمير المؤمنين في الحديث. ت 160?. انظر تذكرة الحفاظ ج 1/193.

(بخ س) موسى بن أبي كثير الأنصاري مولاهم، ويقال الهمداني، أبو الصباح الكوفي، ويقال الواسطي، المعروف بموسى الكبير ضعفه أبو زرعة بقوله (كان يرى القدر) انظر تهذيب التهذيب ج 10/368.

(ع) إبراهيم بن يزيد بن قيس بن الأسود النخعي، أبو عمران الكوفي ثقة إلا أنه يرسل كثيرا ت 96?. انظر تهذيب التهذيب ج 1/177- 178.

5 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (11- أ -) وقال ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل ج 2/ق1/150 (سمعت أبا زرعة يقول: سليمان بن يسير واهي الحديث، ضعيف الحديث) . وانظر كذلك تهذيب التهذيب ج 4/230 روى له ابن ماجة حديثا واحدا في أجر القرض. وانظر سنن ابن ماجة ج 2/812.

6 انظر كتاب الضعفاء لبي زرعة حرف - ص- قال عنه البخاري في الضعفاء الصغير (منكر الحديث) .

7 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف - ط -.

10 انظر الجرح والتعديل ج 2/ق1/478ن وتهذيب التهذيب ج 5/24، وميزان الاعتدال ج 2/342 وأسماء الضعفاء لابن الجوزي وكذلك ذكره أبو زرعة في كتاب الضعفاء حرف - ط -.

11 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف (ع) ، وذكره العقيلي في الضعفاء وأورد له الحديث الذي أخرجه له ابن ماجه في الأضاحي (وإن بكل شعرة حسنة) انظر سنن ابن ماجة ج 2/1045.
৩৮- সুলায়মান বিন আতা বিন কাইস, আল-কুরাশি, আবু আমর আল-জাজারি। তিনি ১৯০-২০০ হিজরির মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন? তার সম্পর্কে বলা হয়েছে: (মুনকারুল হাদিস) ১।

৩৯- সুলায়মান বিন ইয়াসির, মতান্তরে ইবনে আসির, আবার মতান্তরে ইবনে কাসম আন-নাখয়ি, আবুস সাবাহ আল-কুফি, ইব্রাহিম আন-নাখয়ির মুক্তদাস। আল-বারযায়ী বলেন: (আমি বললাম: সুলায়মান বিন ইয়াসির সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: মুনকারুল হাদিস, তার থেকে শু'বাহ বর্ণনা করেছেন ২। আমি বললাম: শু'বাহ? তিনি বললেন: হ্যাঁ শু'বাহ, আবুস সাবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মুসা বিন আবি কাসির নন ৩, ইব্রাহিম ৪ থেকে একটি মাসআলা প্রসঙ্গে। আমি বললাম: তাহলে কি তিনি সুলায়মান বিন ইয়াসির? তিনি বললেন: হ্যাঁ) ৫।

৪০- সালিহ বিন আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আল-আমেরি, তাদের মুক্তদাস, আল-মাদানি। আবু জুরা তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের (আসমাউদ দুয়াফা) তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৬।

৪১- তালহা বিন যাইদ আল-কুরাশি, আবু মিসকিন, মতান্তরে আবু মুহাম্মাদ আর-রাক্কি। আবু জুরা তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৭।

৪২- তালহা বিন আমর বিন উসমান আল-হাদরামি আল-মাক্কি। মৃত্যু ১৫২ হিজরি? তার সম্পর্কে বলা হয়েছে (যয়িফ) ১০।

৪৩- আইযুল্লাহ আল-মুজাসায়ি, আবু মুয়ায। আবু জুরা তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ১১।

--------------------------------------------

১. দেখুন: আবু জুরার কিতাবুয দুয়াফা, পৃষ্ঠা (৪-খ), তাহযিবুত তাহযিব, খণ্ড ৪/২১১; আবু জুরা তাকে একইভাবে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকার 'সীন' (س) বর্ণে উল্লেখ করেছেন।

২. শু'বাহ হলেন (আইন - জামাআত) ইবনুল হাজ্জাজ বিন আল-ওয়ারদ, আবু বিসতাম আল-আযদি আল-আতকি, তাদের মুক্তদাস, আল-ওয়াসিতি; তিনি একজন হুজ্জাত (প্রমাণ), হাফিজ ও শায়খুল ইসলাম। সাওরি বলেন: শু'বাহ হাদিসের ক্ষেত্রে আমিরুল মুমিনিন। মৃত্যু ১৬০ হিজরি? দেখুন: তাযকিরাতুল হুফফায, খণ্ড ১/১৯৩।

৩. (বুখারি ও নাসাঈ) মুসা বিন আবি কাসির আল-আনসারি, তাদের মুক্তদাস, মতান্তরে আল-হামদানি, আবুস সাবাহ আল-কুফি, মতান্তরে আল-ওয়াসিতি, মুসা আল-কাবির নামে পরিচিত। আবু জুরা তাকে এই বলে দুর্বল করেছেন যে: (তিনি কাদারি মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন)। দেখুন: তাহযিবুত তাহযিব, খণ্ড ১০/৩৬৮।

৪. (আইন - জামাআত) ইব্রাহিম বিন ইয়াযিদ বিন কাইস বিন আল-আসওয়াদ আন-নাখয়ি, আবু ইমরান আল-কুফি। তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), তবে তিনি প্রচুর ইরসাল (মুরসাল হাদিস বর্ণনা) করতেন। মৃত্যু ৯৬ হিজরি? দেখুন: তাহযিবুত তাহযিব, খণ্ড ১/১৭৭-১৭৮।

৫. দেখুন: আবু জুরার কিতাবুয দুয়াফা, পৃষ্ঠা (১১-ক)। ইবনে আবি হাতিম আল-জারহু ওয়াত তা'দিল গ্রন্থে (খণ্ড ২/অংশ ১/১৫০) বলেন: (আমি আবু জুরাকে বলতে শুনেছি: সুলায়মান বিন ইয়াসির ওয়াহিয়ুল হাদিস তথা অত্যন্ত দুর্বল, যয়িফুল হাদিস)। আরও দেখুন: তাহযিবুত তাহযিব, খণ্ড ৪/২৩০; ইবনে মাজাহ তার থেকে ঋণের সওয়াব সংক্রান্ত একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। দেখুন: সুনানে ইবনে মাজাহ, খণ্ড ২/৮১২।

৬. দেখুন: আবু জুরার কিতাবুয দুয়াফা, 'সোয়াদ' (ص) বর্ণ। ইমাম বুখারি আয-যুয়াফাউস সাগির গ্রন্থে তার সম্পর্কে বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস)।

৭. দেখুন: আবু জুরার কিতাবুয দুয়াফা, 'ত' (ط) বর্ণ।

১০. দেখুন: আল-জারহু ওয়াত তা'দিল, খণ্ড ২/অংশ ১/৪৭৮; তাহযিবুত তাহযিব, খণ্ড ৫/২৪; মিজানুল ইতিদাল, খণ্ড ২/৩৪২; ইবনুল জাওযির আসমাউয যুয়াফা। এছাড়াও আবু জুরা তাকে কিতাবুয দুয়াফা-এর 'ত' (ط) বর্ণে উল্লেখ করেছেন।

১১. দেখুন: আবু জুরার কিতাবুয দুয়াফা, 'আইন' (ع) বর্ণ। উকায়লি তাকে আয-যুয়াফা গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তার বর্ণিত সেই হাদিসটি এনেছেন যা ইবনে মাজাহ কোরবানির অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন (নিশ্চয়ই পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকি রয়েছে)। দেখুন: সুনানে ইবনে মাজাহ, খণ্ড ২/১০৪৫।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩৮)
44- عاصم بن عمرو، ويقال ابن عوف البجلي الكوفي الشيعي ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء1.

45- (بخ ق) عباد بن كثير الرملي الفلسطيني بقي إلى ما بعد 170? قال عنه: واهي الحديث2.

46- عباس بن الفضل بن عمرو بن عبيد بن حنظلة بن رافع الأنصاري الواقفي، أبو الفضل البصري ت 186? قال عنه (كان لا يصدق) 3.

47- عبد الأعلى بن أعين الكوفي، مولى بني شيبان، قال عنه (ضعيف الحديث) 4.

48- عبد الأعلى بن أبي المساور الزهري مولاهم، أبو مسعود الجرار الكوفي، قال عنه: (ضعيف جدا) 5.

49- (بخ ق) عبد الله بن الحسين بن عطاء بن يسار الهلالي المدني، قال عنه: (ضعيف) 6.

50- عبد الله بن خراش بن حريث الشيباني الحوشبي، أبو جعفر الكوفي، قال عنه: (منكر الحديث، يحدث عن العوام بأحاديث مناكير..) 7.

--------------------------------------------

1 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف (ع) روى له ابن ماجة حديثا واحدا في فضل صلاة الرجل في بيته، انظر سنن ابن ماجة ج 1/437- 438، قال ابن أبي حاتم: سألت أبي عنه فقال: (صدوق كتبه البخاري في كتاب الضعفاء) فسمعت أبي يقول: يحول من هناك، انظر الجرح والتعديل ج 3/ق1/348 قال البخاري: لم يثبت حديثه.

2 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (7) ، وانظر الجرح والتعديل ج 3/ق1/85ن وتهذيب التهذيب ج 5/102، وفي ميزان الاعتدال ج 2/370 نقل عنه قوله (ضعيف) ، وكذا في أسماء الضعفاء لابن الجوزي، وذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء حرف - ع -، وذكره أيضا في موضعين من كتابه الضعفاء ورقة (15- ب-) ، و (39- ب) وقال عنه لا يحتج بحديثه.

3 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (15 - ب -) والجرح والتعديل ج 3/ق1/213ن وتهذيب التهذيب ج 5/126ن وأسماء الضعفاء لابن الجوزي، وكذلك ذكره أبو زرعة في الضعفاء في حرف (ع) .

4 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (2 - أ-) وذكره مرة أخرى فوهن أمره روى له ابن ماجة حديثا واحدا في آداب الأكل. انظر تهذيب التهذيب ج 6/93.

5 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (2- أ-) وانظر كذلك الجرح والتعديل ج 3/ق1/27، وتهذيب التهذيب ج 6/98.

6 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (19- أ-) والجرح والتعديل ج 2/ق2/35 وكذا في أسماء الضعفاء لابن الجوزي وميزان الاعتدال ج 2/408، وتهذيب التهذيب ج 5/187 وفيه (له عندها في القول عند الخروج من البيت) انظر سنن ابن ماجة ج 2/1278.

7 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (12- أ-) وقال عنه أيضا (ليس بشيء، ضعيف الحديث) انظر الجرح والتعديل ج 2/ق2/46، وفي تهذيب التهذيب ج 5/198 (ليس بشيء ضعيف) ، واكتفى في ميزان الاعتدال ج 2/413 بقوله (ليس بشيء) وكذا في أسماء الضعفاء لابن الجوزي. والعوام هو: (ع) بن حوشب بن يزيد بن الحارث الشيباني الربعي كان صاحب أمر بالمعروف ونهي عن المنكر وكان ثقة ت 148?. وانظر تهذيب التهذيب ج 8/163- 164، وتاريخ واسط ص 114- 117 ومن هذه الأحاديث ما رواه ابن ماجة في سننه ج 2/826 بسنده عن شيخ شيخه بن خراش بن حوشب ولفظه (المسلمون شركاء في ثلاث: في الماء والكلأ والنار، وثمنه حرام) ورواه أحمد في مسنده ج 5/364، ورواه أبو إسحاق الفزاري بسنده مطولا. وهذه الرواية ضعفها أبو حاتم كما ذكرها ابن أبي حاتم في علل الحديث ج 2/322.
৪৪- আসিম বিন আমর, তাকে ইবনে আউফ আল-বাজালি আল-কুফি আশ-শিয়ি-ও বলা হয়। আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় (আসমাউয যুয়াফা) উল্লেখ করেছেন।১

৪৫- (বুখারি [আল-আদাবুল মুফরাদ], ইবনে মাজাহ) আব্বাদ বিন কাসির আর-রামলি আল-ফিলিস্তিনি। তিনি ১৭০ হিজরির পর পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: হাদীসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্বল।২

৪৬- আব্বাস বিন আল-ফাযল বিন আমর বিন উবাইদ বিন হানযালা বিন রাফি আল-আনসারি আল-ওয়াকিফি, আবু আল-ফাযল আল-বাসরি। মৃত্যু ১৮৬ হিজরি? তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে (তিনি সত্যবাদী ছিলেন না)।৩

৪৭- আবদ আল-আলা বিন আ'ইয়ান আল-কুফি, বনু শাইবান-এর মুক্তদাস। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে (হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল)।৪

৪৮- আবদ আল-আলা বিন আবি আল-মুসাওয়ির আজ-যুহরি (তাদের মুক্তদাস), আবু মাসউদ আল-জাররার আল-কুফি। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: (অত্যন্ত দুর্বল)।৫

৪৯- (বুখারি [আল-আদাবুল মুফরাদ], ইবনে মাজাহ) আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আতা বিন ইয়াসার আল-হিলালি আল-মাদানি। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: (দুর্বল)।৬

৫০- আবদুল্লাহ বিন খিরাশ বিন হুরাইস আশ-শাইবani আল-হাওশাবি, আবু জাফর আল-কুফি। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: (মুনকারুল হাদীস, তিনি আওয়াম-এর সূত্রে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেন...)।৭

--------------------------------------------

১ আবু যুরআ-র 'কিতাবুয যুয়াফা' দেখুন, 'আইন' (ع) বর্ণ। ইবনে মাজাহ তাঁর সূত্রে একজন ব্যক্তির নিজ বাড়িতে সালাত আদায়ের ফযীলত সম্পর্কে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন; দেখুন সুনান ইবনে মাজাহ, খণ্ড ১/৪৩৭-৪৩৮। ইবনে আবি হাতিম বলেন: আমি আমার পিতাকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন: (তিনি সত্যবাদী, বুখারি তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের কিতাবে [কিতাবুয যুয়াফা] অন্তর্ভুক্ত করেছেন)। এরপর আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: তাকে সেখান থেকে স্থানান্তর করা উচিত। দেখুন আল-জারহ ওয়াত তাদিল, খণ্ড ৩/১/৩৪৮। বুখারি বলেছেন: তাঁর হাদীস সাব্যস্ত নয়।

২ আবু যুরআ-র 'কিতাবুয যুয়াফা' পৃষ্ঠা (৭) দেখুন। আরও দেখুন আল-জারহ ওয়াত তাদিল, খণ্ড ৩/১/৮৫; তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৫/১০২; এবং মীযানুল ইতিদাল, খণ্ড ২/৩৭০-এ তাঁর সম্পর্কে (দুর্বল) কথাটি উদ্ধৃত হয়েছে। ইবনুল জাওযীর 'আসমাউয যুয়াফা' কিতাবেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আবু যুরআ তাকে দুর্বল রাবিদের নামের তালিকায় 'আইন' (ع) বর্ণে উল্লেখ করেছেন। তিনি তাঁর 'যুয়াফা' কিতাবের আরও দুটি স্থানে - পৃষ্ঠা (১৫-খ) এবং (৩৯-খ)-এ তাকে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তাঁর হাদীস দ্বারা দলিল পেশ করা যাবে না।

৩ আবু যুরআ-র 'কিতাবুয যুয়াফা' পৃষ্ঠা (১৫-খ) দেখুন। আরও দেখুন আল-জারহ ওয়াত তাদিল, খণ্ড ৩/১/২১৩; তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৫/১২৬; এবং ইবনুল জাওযীর 'আসমাউয যুয়াফা'। আবু যুরআ-ও তাকে 'যুয়াফা' কিতাবের 'আইন' (ع) বর্ণে উল্লেখ করেছেন।

৪ আবু যুরআ-র 'কিতাবুয যুয়াফা' পৃষ্ঠা (২-ক) দেখুন। তিনি তাকে পুনরায় উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর বিষয়টি দুর্বল প্রতিপন্ন করেছেন। ইবনে মাজাহ তাঁর সূত্রে খাবার আদব সম্পর্কিত একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। দেখুন তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৬/৯৩।

৫ আবু যুরআ-র 'কিতাবুয যুয়াফা' পৃষ্ঠা (২-ক) দেখুন। আরও দেখুন আল-জারহ ওয়াত তাদিল, খণ্ড ৩/১/২৭ এবং তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৬/৯৮।

৬ আবু যুরআ-র 'কিতাবুয যুয়াফা' পৃষ্ঠা (১৯-ক) দেখুন। আরও দেখুন আল-জারহ ওয়াত তাদিল, খণ্ড ২/২/৩৫; ইবনুল জাওযীর 'আসমাউয যুয়াফা'; মীযানুল ইতিদাল, খণ্ড ২/৪০৮; এবং তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৫/১৮৭। সেখানে তাঁর সূত্রে (বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় যা বলতে হয়) সেই সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। দেখুন সুনান ইবনে মাজাহ, খণ্ড ২/১২৭৮।

৭ আবু যুরআ-র 'কিতাবুয যুয়াফা' পৃষ্ঠা (১২-ক) দেখুন। তিনি তাঁর সম্পর্কে আরও বলেছেন: (তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু নন, হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল)। দেখুন আল-জারহ ওয়াত তাদিল, খণ্ড ২/২/৪৬। তাহযীবুত তাহযীব-এ রয়েছে (উল্লেখযোগ্য কিছু নন, দুর্বল), খণ্ড ৫/১৯৮। মীযানুল ইতিদাল-এ (খণ্ড ২/৪১৩) শুধুমাত্র (উল্লেখযোগ্য কিছু নন) কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে। ইবনুল জাওযীর 'আসমাউয যুয়াফা' কিতাবেও অনুরূপ রয়েছে। 'আওয়াম' হলেন: (আইন) বিন হাওশাব বিন ইয়াযিদ বিন আল-হারিস আশ-শাইবানি আর-রাবা'ই। তিনি সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধকারী ছিলেন এবং তিনি বিশ্বস্ত (সিকাহ) ছিলেন; মৃত্যু ১৪৮ হিজরি? দেখুন তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৮/১৬৩-১৬৪; তারিখ ওয়াসিত, পৃষ্ঠা ১১৪-১১৭। এই হাদীসগুলোর মধ্যে একটি হলো যা ইবনে মাজাহ তাঁর সুনানে (খণ্ড ২/৮২৬) তাঁর উস্তাদের উস্তাদ বিন খিরাশ বিন হাওশাব-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যার শব্দ হলো: (মুসলিমরা তিনটি বিষয়ে অংশীদার: পানি, চারণভূমি ও আগুন এবং এর মূল্য হারাম)। আহমাদ তাঁর মুসনাদে (খণ্ড ৫/৩৬৪) এটি বর্ণনা করেছেন। আবু ইসহাক আল-ফাযারি তাঁর সূত্রে এটি বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনাটিকে আবু হাতিম দুর্বল বলেছেন, যেমনটি ইবনে আবি হাতিম 'ইলালুল হাদীস'-এ (খণ্ড ২/৩২২) উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৩৯)
51- عبد الله بن دينار، البهراني، ويقال الأسدي، أبو محمد، الحمصي، قال عنه (شيخ ربما أنكر) 8.

52- (مدق) عبد الله بن زياد بن سليمان بن سمعان المخزومي، أبو عبد الرحمن المدني، قال ابن أبي حاتم: (امتنع أبو زرعة من أن يقرأ علينا حديث ابن سمعان وقال: هو لا شيء) 9.

53- عبد الله بن عامر الأسلمي أبو عامر المدني ت 151 أو 150?، قال عنه: (ضعيف الحديث) 1.

54- عبد الله بن عبد العزيز بن عبد الله بن عامر الليثي أبو عبد العزيز قال عنه: (ضعيف الحديث) 2.

55- عبد الله بن محمد العدوي التميمي، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء3.

56- عبد الله بن محرر العامري الجزري الحراني قاضي الجزيرة توفي ما بين (150- 160?) (قال ابن أبي حاتم سألت أبا زرعة عنه فقال: ضعيف الحديث وامتنع من قراءة حديثه وضربنا عليه) 4.

--------------------------------------------

8 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (2- ب-) ، وانظر تهذيب التهذيب ج 5/203.

9 انظر الجرح والتعديل ج 2/ق2/62، وتهذيب التهذيب ج 5/220- 221، وروى أبو زرعة بسنده إلى مالك أنه قال عن ابن سمعان (كذاب) وذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء حرف (ع) .

1 انظر الجرح والتعديل ج 2/ق2/123، وتهذيب التهذيب ج 5/275.

2 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (4- ب-) ، وفي الجرح والتعديل ج 2/ق2/103 قال عمه (ليس بالقوي) ، وكذلك في تهذيب التهذيب ج 5/301، وميزان الاعتدال ج 2/455، والترغيب والترهيب ج 4/573 وقال أبو زرعة في موضع آخر ورقة (30- أ-) من كتابه الضعفاء.. (ليس بالقوي) .

3 انظر كتاب الضعفاء حرف (ع) قال ابن حبان في المجروحين ج 2/9 (منكر الحديث جدا على قلة روايته، لا يشبه حديثه حديث الأثبات ولا روايته رواية الثقات لا يحل الاحتجاج بخبره وهو صاحب حديث: تارك الجمعة: ألا ولا صلاة له، ألا ولا صوم له ألا ولا حج له) قال ابن عبد البر: (جماعة أهل العلم بالحديث يقولون إن هذا الحديث يعني الذي أخرجه له ابن ماجة من وضع عبد الله بن محمد العدوي وهو عندهم موسوم بالكذب) انظر تهذيب التهذيب ج 6/21، وانظر سنن ابن ماجة ج 1 /343.

4 انظر الجرح والتعديل ج2/ق2/176ن وفي تهذيب التهذيب ج 5/389 له في سنن ابن ماجة حديث واحد في الحلف باليهودية. انظر سنن ابن ماجة ج 1/679.
৫১- আবদুল্লাহ বিন দীনার, আল-বাহরানি, তাকে আল-আসাদিও বলা হয়, আবু মুহাম্মাদ, আল-হিমসি; তার সম্পর্কে তিনি (আবু যুরআ) বলেছেন: (তিনি এমন একজন শাইখ যিনি সম্ভবত মুনকার বা আপত্তিকর বর্ণনা করতেন) ৮।

৫২- (মাদাক্ব) আবদুল্লাহ বিন যিয়াদ বিন সুলায়মান বিন সামআন আল-মাখযুমি, আবু আবদুর রহমান আল-মাদানি; ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: (আবু যুরআ আমাদের কাছে ইবনে সামআনের হাদিস পাঠ করতে বিরত থাকেন এবং বলেন: সে কিছুই নয়) ৯।

৫৩- আবদুল্লাহ বিন আমির আল-আসলামি আবু আমির আল-মাদানি, মৃত্যু ১৫১ অথবা ১৫০ হিজরি?, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিস বর্ণনায় দুর্বল) ১।

৫৪- আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ বিন আমির আল-লাইসি আবু আবদুল আজিজ, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিস বর্ণনায় দুর্বল) ২।

৫৫- আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-আদাবি আত-তামিমি, আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৩।

৫৬- আবদুল্লাহ বিন মুহাররির আল-আমিরি আল-জাযারি আল-হাররানি, আল-জাযিরার বিচারক, মৃত্যু ১৫০ থেকে ১৬০ হিজরির মধ্যে? (ইবনে আবি হাতিম বলেন, আমি আবু যুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন: হাদিস বর্ণনায় সে দুর্বল; তিনি তার হাদিস পড়া থেকে বিরত থাকেন এবং আমরা সেটি কেটে দিয়েছি) ৪।

--------------------------------------------

৮ আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা দেখুন, পৃষ্ঠা (২- খ-), এবং তাহযীবুত তাহযীব দেখুন, খণ্ড ৫/২০৩।

৯ আল-জারহ ওয়াত তাদিল দেখুন, খণ্ড ২/অংশ ২/৬২; তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৫/২২০-২২১; এবং আবু যুরআ তার নিজস্ব সনদে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইবনে সামআন সম্পর্কে বলেছেন (মিথ্যাবাদী); আবু যুরআ তাকে তার দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় ‘আইন’ (ع) বর্ণে উল্লেখ করেছেন।

১ আল-জারহ ওয়াত তাদিল দেখুন, খণ্ড ২/অংশ ২/১২৩; তাহযীবুত তাহযীব, খণ্ড ৫/২৭৫।

২ আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা দেখুন, পৃষ্ঠা (৪- খ-); আল-জারহ ওয়াত তাদিল-এ খণ্ড ২/অংশ ২/১০৩-এ তার চাচা বলেছেন (সে শক্তিশালী নয়); অনুরূপভাবে তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ৫/৩০১, মীযানুল ইতিদাল খণ্ড ২/৪৫৫, এবং আত-তারগীব ওয়াত তারহীব খণ্ড ৪/৫৭৩। আবু যুরআ তার কিতাবুদ দুয়াফা-এর অন্য এক স্থানে পৃষ্ঠা (৩০- ক-) তে বলেছেন.. (সে শক্তিশালী নয়)।

৩ কিতাবুদ দুয়াফা দেখুন, বর্ণ ‘আইন’ (ع)। ইবন হিব্বান আল-মাজরুহীন গ্রন্থে বলেছেন (খণ্ড ২/৯): (অল্প বর্ণনা করা সত্ত্বেও সে হাদিস বর্ণনায় চরম মুনকার বা আপত্তিকর, তার হাদিস নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের হাদিসের মতো নয় এবং তার বর্ণনাও বিশ্বস্তদের বর্ণনার সদৃশ নয়; তার সংবাদের মাধ্যমে দলিল পেশ করা বৈধ নয়। সে জুমার নামাজ ত্যাগকারী সংক্রান্ত হাদিসের বর্ণনাকারী, যাতে বলা হয়েছে: সাবধান! তার কোনো নামাজ নেই, তার কোনো রোজা নেই, তার কোনো হজ নেই)। ইবনে আবদিল বার বলেছেন: (একদল হাদিস বিশারদ বলেন যে, এই হাদিসটি—অর্থাৎ যা ইবনে মাজাহ তার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন—আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-আদাবির নিজের বানানো, এবং সে তাদের নিকট মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত)। তাহযীবুত তাহযীব দেখুন খণ্ড ৬/২১; এবং সুনানে ইবনে মাজাহ দেখুন খণ্ড ১/৩৪৩।

৪ আল-জারহ ওয়াত তাদিল দেখুন, খণ্ড ২/অংশ ২/১৭৬; তাহযীবুত তাহযীব খণ্ড ৫/৩৮৯-এ ইবনে মাজাহর সুনানে ইয়াহুদী হওয়ার কসম সংক্রান্ত তার একটি মাত্র হাদিস রয়েছে। সুনানে ইবনে মাজাহ দেখুন খণ্ড ১/৬৭৯।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৪০)
57- (عس ق) عبد الله بن ميسرة أبو ليلى الحارثي الكوفي، قال عنه (واهي الحديث) 5.

58- عبد الله بن نافع العدوي مولاهم المدني ابن عمر ت 154? قال عنه: (منكر الحديث) 6.

59- عبد الرحمن بن ثابت بن الصامت الأنصاري ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء7.

60- عبد الرحمن بن عبد الله بن عمر بن حفص بن عاصم العمري، قال عنه ابن أبي حاتم (سئل أبو زرعة عنه فقال: هو متروك الحديث، وترك قراءة حديثه في مسند ابن عمر ولم يقرأه علينا) 8.

61- عبد الرحيم بن زيد بن الحواري، العمري، البصري، أبو زيد ت 184? قال عنه: (واهي ضعيف الحديث) 9.

62- عبد السلام بن أبي الجنوب المدني روى عن الزهري. قال ابن أبي حاتم: سئل أبو زرعة عنه فقال: (ضعيف ولم يقرأ علينا حديثه) 10.

63- عبد السلام بن صالح بن سليمان بن أيوب بن ميسرة القرشي مولاهم، أبو الصلت الهروي، قال ابن أبي حاتم: (وأما أبو زرعة فأمر أن يضرب على حديث أبي الصلت، وقال: لا أحدث عنه ولا أرضاه) 1.

64- عبد العزيز بن عبيد الله بن حمزة بن صهيب الحمصي، قال عنه: (ضعيف الحديث) 2.

--------------------------------------------

5 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (10- ب-) وفي الجرح والتعديل ج 2/ق2/178 (واهي الحديث، ضعيف الحديث) .

6 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف (ع) .

7 انظر المصدر السابق وقال ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل ج 2/ق2/219 (سألت أبي عنه فقال: ليس عندي بمنكر الحديث، قلت: أدخله البخاري في كتابه الضعفاء قال: يكتب حديثه ليس بحديثه بأس ويحول من هناك) .

8 انظر الجرح والتعديل ج2/ق2/253ن واكتفى في تهذيب التهذيب ج 6/305 بقوله (متروك الحديث وترك قراءة حديثه) وفي أسماء الضعفاء لابن الجوزي اكتفى بقوله (متروك) له في سنن ابن ماجة حديث واحد في العيدين. انظر سنن ابن ماجة ج 1/411.

9 انظر الجرح والتعديل ج 2/ق2/340، وتهذيب التهذيب ج 6/305، واكتفى الذهبي في ميزان الاعتدال ج 2/605 بقوله (واه) وكذا في أسماء الضعفاء لابن الجوزي.

10 انظر الجرح والتعديل ج 3/ق1/45، وتهذيب التهذيب ج 6/315.

1 انظر الجرح والتعديل ج 3/ق1/48، وتهذيب التهذيب ج 6/312، وذكره الذهبي في ميزان الاعتدال ج 2/616 باختصار. له في سنن ابن ماجه حديث الإيمان إقرار بالقول وهو متهم بوضعه كذا في تهذيب التهذيب. انظر سنن ابن ماجة ج 1/25- 26.

2 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (20- أ-) وقال عنه أيضا (مضطرب الحديث، واهي الحديث) وزاد في تهذيب التهذيب ج 6/348- 349 0 يروي عن أهل الكوفة والمدينة ولم يرو عنه، غير إسماعيل، وهو عندي عجيب ضعيف منكر الحديث ينكر حديثه، ويروي أحاديث مناكير، ويروي أحاديث حسانا) روى له ابن ماجة حديثا واحدا في ترجمة السائب بن الخباب.
৫৭- (আস কা) আব্দুল্লাহ বিন মাইসারা আবু লাইলা আল-হারিসি আল-কুফি, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিস বর্ণনায় অত্যন্ত দুর্বল) ৫।

৫৮- আব্দুল্লাহ বিন নাফে আল-আদাবি, তাদের মুক্তদাস, আল-মাদানি ইবনে উমর, মৃত্যু ১৫৪ হিজরি? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস) ৬।

৫৯- আব্দুর রহমান বিন সাবিত বিন আস-সামিত আল-আনসারি, আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৭।

৬০- আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন হাফস বিন আসিম আল-উমারি, ইবনে আবি হাতিম তার সম্পর্কে বলেছেন (আবু যুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: সে মাতরুকুল হাদিস বা পরিত্যক্ত বর্ণনাকারী, এবং মুসনাদে ইবনে উমর-এ তার হাদিস পাঠ করা বর্জন করা হয়েছে এবং তিনি আমাদের নিকট তা পাঠ করেননি) ৮।

৬১- আব্দুর রহিম বিন যায়েদ বিন আল-হাওয়ারি, আল-উমারি, আল-বাসরি, আবু যায়েদ, মৃত্যু ১৮৪ হিজরি? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (ওয়াহি তথা অত্যন্ত দুর্বল ও জঈফ হাদিস বর্ণনাকারী) ৯।

৬২- আব্দুস সালাম বিন আবিল জুনুব আল-মাদানি, তিনি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আবু যুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: (জঈফ বা দুর্বল এবং তার হাদিস আমাদের নিকট পাঠ করা হয়নি) ১০।

৬৩- আব্দুস সালাম বিন সালিহ বিন সুলাইমান বিন আইয়ুব বিন মাইসারা আল-কুরাশি, তাদের মুক্তদাস, আবুস সালত আল-হারাউয়ি। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: (আর আবু যুরআ আবুস সালতের হাদিসের ওপর কলম চালিয়ে তা কেটে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন: আমি তার থেকে বর্ণনা করি না এবং তার প্রতি আমি সন্তুষ্ট নই) ১।

৬৪- আব্দুল আজিজ বিন উবাইদুল্লাহ বিন হামজা বিন সুহাইব আল-হিমসি, তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (জঈফ বা দুর্বল হাদিস বর্ণনাকারী) ২।

--------------------------------------------

৫ আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা, পৃষ্ঠা (১০-খ) এবং আল-জারহ ওয়াত তাদিল ২য় খণ্ড/২য় অংশ/১৭৮ দেখুন (হাদিস বর্ণনায় অত্যন্ত দুর্বল, জঈফ হাদিস বর্ণনাকারী)।

৬ আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা-এর ‘আইন’ বর্ণ দেখুন।

৭ পূর্বোক্ত উৎসটি দেখুন এবং ইবনে আবি হাতিম আল-জারহ ওয়াত তাদিল ২য় খণ্ড/২য় অংশ/২১৯-এ বলেছেন (আমি আমার পিতাকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আমার নিকট তিনি মুনকারুল হাদিস নন; আমি বললাম: বুখারি তাকে তার কিতাবুদ দুয়াফা-তে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি বললেন: তার হাদিস লেখা হবে, তার হাদিসে কোনো সমস্যা নেই এবং সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে)।

৮ আল-জারহ ওয়াত তাদিল ২য় খণ্ড/২য় অংশ/২৫৩ দেখুন এবং তাহযিবুত তাহযিব ৬ষ্ঠ খণ্ড/৩০৫-এ শুধু এটুকু বলা হয়েছে (মাতরুকুল হাদিস এবং তার হাদিস পাঠ বর্জন করা হয়েছে), আর ইবনুল জাওযির আসমাউদ দুয়াফা-তে শুধু ‘মাতরুক’ (পরিত্যক্ত) শব্দটি বলা হয়েছে। সুনান ইবনে মাজাহ-এর দুই ঈদের অধ্যায়ে তার একটি হাদিস রয়েছে। দেখুন সুনান ইবনে মাজাহ ১ম খণ্ড/৪১১।

৯ আল-জারহ ওয়াত তাদিল ২য় খণ্ড/২য় অংশ/৩৪০ এবং তাহযিবুত তাহযিব ৬ষ্ঠ খণ্ড/৩০৫ দেখুন; যাহাবি মিযানুল ইতিদাল ২য় খণ্ড/৬০৫-এ শুধু ‘ওয়াহি’ (অত্যন্ত দুর্বল) বলেছেন এবং ইবনুল জাওযির আসমাউদ দুয়াফা-তেও অনুরূপ।

১০ আল-জারহ ওয়াত তাদিল ৩য় খণ্ড/১ম অংশ/৪৫ এবং তাহযিবুত তাহযিব ৬ষ্ঠ খণ্ড/৩১৫ দেখুন।

১ আল-জারহ ওয়াত তাদিল ৩য় খণ্ড/১ম অংশ/৪৮ এবং তাহযিবুত তাহযিব ৬ষ্ঠ খণ্ড/৩১২ দেখুন; যাহাবি মিযানুল ইতিদাল ২য় খণ্ড/৬১৬-এ এটি সংক্ষেপে উল্লেখ করেছেন। সুনান ইবনে মাজাহ-তে তার একটি হাদিস আছে যা ‘ঈমান হলো মুখে স্বীকৃতি প্রদান’ বিষয়ক, এবং সেটি জাল করার অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত, যেমনটি তাহযিবুত তাহযিব-এ রয়েছে। দেখুন সুনান ইবনে মাজাহ ১ম খণ্ড/২৫-২৬।

২ আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা, পৃষ্ঠা (২০-ক) দেখুন এবং তিনি তার সম্পর্কে আরও বলেছেন (মুদতারিবুল হাদিস, ওয়াহি আল-হাদিস)। তাহযিবুত তাহযিব ৬ষ্ঠ খণ্ড/৩৪৮-৩৪৯-এ অতিরিক্ত এসেছে (তিনি কুফা ও মদিনার অধিবাসীদের থেকে বর্ণনা করেছেন কিন্তু ইসমাইল ব্যতীত কেউ তার থেকে বর্ণনা করেননি; তিনি আমার নিকট আশ্চর্যজনক, দুর্বল, মুনকারুল হাদিস, তার হাদিস প্রত্যাখ্যান করা হয়, তিনি অনেক মুনকার হাদিস বর্ণনা করেন, আবার কিছু হাসান বা সুন্দর হাদিসও বর্ণনা করেন)। ইবনে মাজাহ আস-সাইব বিন আল-খাববাবের জীবনীতে তার একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৪১)
65- عبد الملك بن حسين أبو مالك النخعي الواسطي، ويقال عبادة بن الحسين ويعرف بأبي ذر، قال عنه: (ضعيف الحديث) 3.

66- عبد الملك بن قدامة بن إبراهيم بن محمد بن حاطب الجمحي ت ما بين (160- 170?) ، قال عنه: (منكر الحديث) 4.

67- عبد الواحد بن قيس السلمي أبو حمزة الدمشقي الأفطس، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء5.

68- عبيد الله بن أبي حميد غالب، الهذلي، أبو الخطاب البصري، ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء6.

69- عبيد بن القاسم الأسدي التيمي الكوفي، قال عنه: (واهي الحديث) 7.

70- عبيدة بن ميمون التيمي الرقاشي، أبو عبيدة الخزار البصري قال عنه: (ضعيف الحديث) 8.

71- عثمان بن مطر الشيباني، أبو الفضل، ويقال أبو علي البصري قال ابن أبي حاتم سئل أبو زرعة عنه فقال: (حماد بن سلمة أحب إلي منه، فقلت: ما تقول فيه؟ قال: ضعيف الحديث) 1.

--------------------------------------------

3 انظر الجرح والتعديل ج 2/ق2/347ن وتهذيب التهذيب ج 12/219، واكتفى الذهبي في ميزان الاعتدال ج 2/653 بقوله (ضعيف) وكذا في أسماء الضعفاء لابن الجوزي.

4 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (4- ب-) .

5 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف - ع – قال عنه ابن حبان في المجروحين ج 2/54 (ممن ينفرد بالمناكير عن المشاهير فلا يجوز الاحتجاج بما خالف الثقات فإن اعتبر معتبر بحديثه الذي لم يخالف الأثبات فيه فحسن) له عند ابن ماجة حديث عن نافع عن ابن عمر: كان عليه السلام إذا توضأ عرك عرضه شيئا. انظر سنن ابن ماجة ج 1/149.

6 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف - ع - قال ابن حبان في المجروحين ج 2/65 (كان ممن يقلب الأسانيد ويأتي بالأشياء التي لا يشك مَن الحديث صناعته أنها مقلوبة فاستحق الترك لما كثر في روايته) له عند ابن ماجة حديث واثلة في قول الأعرابي "اللهم ارحمني ومحمدا.." ج 1/176 واتهمه أبو زرعة بهذا الحديث انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (7- أ -) .

7 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (16- ب-) وقال ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل ج 2/ق2/412 سألت أبا زرعة عنه فقال (كوفي قدم البصرة حدث بأحاديث منكرة لا ينبغي أن يحدث عنه) ، وفي تهذيب التهذيب ج 7/73 نقل المزي عن أبي زرعة أنه قال: (واهي الحديث حدث بأحاديث منكرة لا ينبغي لأن يحدث عنه) واكتفى ابن الجوزي في أسماء الضعفاء بقوله (لا ينبغي أن يحدث عنه) وكذا في ميزان الاعتدال ج 3/21 وانظر كذلك تاريخ بغداد ج 11/94- 95.

8 انظر كتاب تهذيب التهذيب ج 7/88 وفيه روى له ابن ماجة حديث سلمان الفارسي: "من غدا إلى صلاة الصبح". انظر سنن ابن ماجة ج 2/751 وفي سند الحديث اسم (عيسى بن ميمون) وذكره ابن أبي حاتم باسم عيسى بن ميمون أبو عبيدة التيمي البصري وقال عنه (ضعيف الحديث) انظر الجرح والتعديل ج 3/ق2/34 وكذا ذكره الذهبي بهذا الاسم انظر ميزان الاعتدال ج 3/26- 27، وخلاصة تذهيب الكمال ج 2/207.

1 انظر الجرح والتعديل ج 3/ق1/170، وفي تهذيب التهذيب ج 7/154- 155 قال أبو زرعة (ضعيف الحديث) وقال ابن الجوزي في أسماء الضعفاء (ضعفه أبو زرعة..) .
৬৫- আব্দুল মালিক বিন হুসাইন আবু মালিক আন-নাখায়ি আল-ওয়াসিতি, তাকে উবাদাহ বিন আল-হুসাইনও বলা হয় এবং তিনি আবু যার নামে পরিচিত। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল)। ৩

৬৬- আব্দুল মালিক বিন কুদামা বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন হাতিব আল-জুমাহি, মৃত্যু ১৬০-১৭০ হিজরির মধ্যে?। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস বা অস্বীকৃত হাদিস বর্ণনাকারী)। ৪

৬৭- আব্দুল ওয়াহিদ বিন কায়স আস-সুলামি আবু হামযাহ আদ-দিমাশকি আল-আফতাস। আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ৫

৬৮- উবায়দুল্লাহ বিন আবি হুমাইদ গালিব, আল-হুযালি, আবু আল-খাত্তাব আল-বাসরি। আবু যুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ৬

৬৯- উবাইদ বিন আল-কাসিম আল-আসাদি আত-তায়মি আল-কুফি। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল)। ৭

৭০- উবাইদাহ বিন মাইমুন আত-তায়মি আর-রাকাশি, আবু উবাইদাহ আল-খাযযার আল-বাসরি। তিনি তার সম্পর্কে বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল)। ৮

৭১- উসমান বিন মাতার আশ-শায়বানি, আবু আল-ফাদল, তাকে আবু আলী আল-বাসরিও বলা হয়। ইবনে আবি হাতিম বলেন, আবু যুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: (হাম্মাদ বিন সালামাহ আমার কাছে তার চেয়ে অধিক পছন্দনীয়। আমি বললাম: আপনি তার সম্পর্কে কী বলেন? তিনি বললেন: হাদিসে দুর্বল)। ১

--------------------------------------------

৩ দেখুন আল-জারহু ওয়াত-তাদিল, খণ্ড ২/২/৩৪৭ এবং তাহযিবুত তাহযিব, খণ্ড ১২/২১৯। আয-যাহাবি মিজানুল ইতিদাল-এ (খণ্ড ২/৬৫৩) শুধুমাত্র 'দুর্বল' শব্দেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন, ইবনুল জাওযিও আসমাউদ দুয়াফা গ্রন্থে অনুরূপ করেছেন।

৪ দেখুন আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা, পৃষ্ঠা (৪-খ)।

৫ দেখুন আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা, বর্ণ 'আইন'। ইবনে হিব্বান আল-মাজরুহিন গ্রন্থে (খণ্ড ২/৫৪) তার সম্পর্কে বলেছেন: (তিনি সেই সকল ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের থেকে এককভাবে মুনকার হাদিস বর্ণনা করেন, সুতরাং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বিরুদ্ধাচরণ করলে তার বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করা বৈধ নয়। যদি কোনো বিবেচক ব্যক্তি তার সেই হাদিসকে বিবেচনা করেন যাতে তিনি নির্ভরযোগ্যদের বিরুদ্ধাচরণ করেননি, তবে তা উত্তম)। ইবনে মাজাহ-এর নিকট নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে একটি হাদিস রয়েছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন অজু করতেন তখন তার গালের দুই পাশ মর্দন করতেন। দেখুন সুনানে ইবনে মাজাহ, খণ্ড ১/১৪৯।

৬ দেখুন আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা, বর্ণ 'আইন'। ইবনে হিব্বান আল-মাজরুহিন গ্রন্থে (খণ্ড ২/৬৫) বলেছেন: (তিনি সেই সকল ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা সনদ উল্টে দিতেন এবং এমন সব বিষয় নিয়ে আসতেন যা হাদিস শাস্ত্রের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিকট উল্টে দেওয়া বলে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হত। তার বর্ণনায় এর আধিক্যের কারণে তিনি বর্জনীয় হওয়ার যোগ্য)। ইবনে মাজাহ-এর নিকট ওয়াখিলার একটি হাদিস রয়েছে বেদুঈনের এই উক্তির বিষয়ে "হে আল্লাহ! আমার ওপর এবং মুহাম্মাদের ওপর রহম করুন..." খণ্ড ১/১৭৬। আবু যুরআ এই হাদিসটির কারণে তাকে অভিযুক্ত করেছেন। দেখুন আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা, পৃষ্ঠা (৭-ক)।

৭ দেখুন আবু যুরআর কিতাবুদ দুয়াফা, পৃষ্ঠা (১৬-খ)। ইবনে আবি হাতিম আল-জারহু ওয়াত-তাদিল গ্রন্থে (খণ্ড ২/২/৪১২) বলেন, আমি আবু যুরআকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: (তিনি একজন কুফিবাসী, বসরায় এসেছিলেন। তিনি অনেক মুনকার হাদিস বর্ণনা করেছেন, তার থেকে হাদিস বর্ণনা করা সমীচীন নয়)। তাহযিবুত তাহযিব গ্রন্থে (খণ্ড ৭/৭৩) আল-মিযযি আবু যুরআ থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: (তিনি হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল, অনেক মুনকার হাদিস বর্ণনা করেছেন, তার থেকে হাদিস বর্ণনা করা সমীচীন নয়)। ইবনুল জাওযি আসমাউদ দুয়াফা গ্রন্থে শুধুমাত্র বলেছেন (তার থেকে হাদিস বর্ণনা করা উচিত নয়), অনুরূপ মিজানুল ইতিদাল খণ্ড ৩/২১ এবং তারিখু বাগদাদ খণ্ড ১১/৯৪-৯৫ দেখুন।

৮ দেখুন কিতাব তাহযিবুত তাহযিব খণ্ড ৭/৮৮, এতে ইবনে মাজাহ সালমান আল-ফারসি থেকে তার একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন: "যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের জন্য ভোরে বের হয়"। দেখুন সুনানে ইবনে মাজাহ খণ্ড ২/৭৫১। হাদিসের সনদে 'ঈসা বিন মাইমুন' নামটি রয়েছে। ইবনে আবি হাতিম তাকে ঈসা বিন মাইমুন আবু উবাইদাহ আত-তায়মি আল-বাসরি নামে উল্লেখ করেছেন এবং তার সম্পর্কে বলেছেন (হাদিসে দুর্বল), দেখুন আল-জারহু ওয়াত-তাদিল খণ্ড ৩/২/৩৪। আয-যাহাবিও তাকে এই নামে উল্লেখ করেছেন, দেখুন মিজানুল ইতিদাল খণ্ড ৩/২৬-২৭ এবং খুলাসাতু তাহযিবিল কামাল খণ্ড ২/২০৭।

১ দেখুন আল-জারহু ওয়াত-তাদিল খণ্ড ৩/১/১৭০। তাহযিবুত তাহযিব গ্রন্থে (খণ্ড ৭/১৫৪-১৫৫) আবু যুরআ বলেছেন (হাদিসে দুর্বল) এবং ইবনুল জাওযি আসমাউদ দুয়াফা গ্রন্থে বলেছেন (আবু যুরআ তাকে দুর্বল বলেছেন...)।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৪২)
72- عدي بن الفضل التيمي، أبو حاتم البصري ت 171? قال ابن أبي حاتم: (وترك أبو زرعة حديث عدي بن الفضل وكان في كتابه، عن عبد الواحد بن غياث عنه، فلم يقرأ علينا وقال: ليس بالقوي) 2.

73- علي بن الحزور الكوفي ت ما بين (130- 140?) ، قال عنه: (واهي الحديث) 3.

74- علي بن ظبيان بن هلال بن قتادة الكوفي أبو الحسن ت 172?، قال عنه: (واهي الحديث جدا) 4.

75- عمر بن حبيب بن محمد بن مجالد العدوي البصري القاضي ت 202 أو 207? قال عنه: (ليس بالقوي) 5.

76- عمر بن شبيب بن عمر المسلي المذحجي أبو حفص الكوفي ت 202?. قال عنه: (واهي الحديث) 6.

77- عمر بن صهبان ويقال عمر بن محمد بن صهبان الأسلمي أبو جعفر المدني ت 157?. ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء7.

78- عمر بن قيس المكي أبو جعفر، المعروف بسندل، بقي إلى قريب 160? قال عنه: (لين الحديث) 8.

--------------------------------------------

2 انظر الجرح والتعديل ج 3/ق2/4، وكذا في تهذيب التهذيب ج 7/170 وفيه روى له ابن ماجة حديثا واحدا في النهي عن البول قائما، وذكره ابن عدي بهذا الحديث وغيره. وذكره أيضا أبو زرعة في كتابه الضعفاء ورقة (30) وقال عن حديث عن روايته: غريب، منكر ولم يقرأه وأمر بالضرب عليه.

3 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (11- أ -) قال ابن معين (لا يحل لأحد أن يروي عنه) انظر ميزان الاعتدال ج 3/118، وتهذيب التهذيب ج 7/296- 297، روى له ابن ماجة حديثا واحدا في الجنائز. انظر سنن ابن ماجة ج 1/476.

4 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (11- أ-) ، وتاريخ بغداد ج 11/445، وتهذيب التهذيب ج 7/342، وأسماء الضعفاء لابن الجوزي، روى له ابن ماجة حديث المدبر عن ابن عمر فقط، وقال علي: كنت أرفعه فنهاني أصحابي ورواه جماعة عن علي مرفوعا. ساق له ابن عدي عدة أحاديث، وقال: الضعف على حديثه بين. انظر تهذيب التهذيب ج 7/342، وميزان الاعتدال ج 3/134.

5 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (7- أ -) وتهذيب التهذيب ج 7/432، وتاريخ بغداد ج 11/200.

6 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (11- أ -) وكذا في أسماء الضعفاء لابن الجوزي وتاريخ بغداد ج 11/195، وفي الجرح والتعديل ج 3/ق1/115 نقل قوله (لين الحديث) وفي ميزان الاعتدال ج 3/204 اكتفى بقوله (لين) وفي تهذيب التهذيب ج 7/462 قال أبو زرعة (لين الحديث، وقال مرة واهي الحديث) .

7 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة في حرف (ع) ونقل عنه ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل ج 3/ق1/116 في ترجمة عمر بن صهبان قوله (ضعيف الحديث) وفي ج 3/ق1/132 في ترجمة عمر بن محمد بن صهبان قوله (واهي الحديث) وفي تهذيب التهذيب ج 7/464 ذكر القولين في ترجمة الأول، واكتفى في ميزان الاعتدال ج 3/220 بقوله (واه) وقال ذهبي في ترجمة عمر بن محمد بن صهبان وهو عمر بن صهبان نسب إلى جده، واه عنده حديث في الأكل يوم الفطر قبل الغدو، ونقل ابن الجوزي عنه في ترجمة عمر بن صهبان قوله (واهي الحديث) وانظر ابن ماجة ج 1/558.

8 انظر الجرح والتعديل ج 3/ق1/130، وكذا في تهذيب التهذيب ج 7/491، وضعفه أيضا حينما ذكر عنده حميد بن قيس المكي ووثقه وقال البرذعي: (ما أبعد ما بين الأخوين، انظر إلى حميد في أعلى درجة العلو، وانظر إلى عمر في أي درجة من الوهاء) انظر كتاب الضعفاء.
৭২- আদি ইবনুল ফদল আত-তাইমি, আবু হাতিম আল-বাসরি মৃত্যু ১৭১? ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: (আবু জুরআ আদি ইবনুল ফদলের হাদিস বর্জন করেছেন এবং তা তার কিতাবে ছিল, আব্দুল ওয়াহিদ বিন গিয়াস থেকে তার সূত্রে, ফলে তিনি আমাদের নিকট সেটি পাঠ করেননি এবং বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন) ২.

৭৩- আলী বিন আল-হাজওয়ার আল-কুফি মৃত্যু ১৩০ থেকে ১৪০ হিজরির মধ্যে? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল) ৩.

৭৪- আলী বিন জাবিয়ান বিন হিলাল বিন কাতাদাহ আল-কুফি আবু আল-হাসান মৃত্যু ১৭২? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল) ৪.

৭৫- উমর বিন হাবিব বিন মুহাম্মাদ বিন মুজালিদ আল-আদাউয়ি আল-বাসরি আল-কাদি মৃত্যু ২০২ বা ২০৭? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি শক্তিশালী নন) ৫.

৭৬- উমর বিন শাবিব বিন উমর আল-মাসলি আল-মাজহাজি আবু হাফস আল-কুফি মৃত্যু ২০২? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল) ৬.

৭৭- উমর বিন সহবান, যাকে উমর বিন মুহাম্মাদ বিন সহবান আল-আসলামি আবু জাফর আল-মাদানিও বলা হয়, মৃত্যু ১৫৭? আবু জুরআ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন ৭.

৭৮- উমর বিন কায়স আল-মাক্কি আবু জাফর, যিনি সানদাল নামে পরিচিত, ১৬০ হিজরির কাছাকাছি সময় পর্যন্ত জীবিত ছিলেন? তার সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসে নমনীয়) ৮.

--------------------------------------------

২ আল-জারহু ওয়াত-তাদিল খণ্ড ৩/অংশ ২/৪ দেখুন, একইভাবে তাহজিবুত তাহজিব খণ্ড ৭/১৭০ দেখুন, যেখানে ইবনে মাজাহ তার সূত্রে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে আদি এই হাদিসটি ও অন্যান্য হাদিসের মাধ্যমে তাকে উল্লেখ করেছেন। আবু জুরআও তার 'আদ-দুয়াফা' গ্রন্থের ৩০ নম্বর পৃষ্ঠায় তাকে উল্লেখ করেছেন এবং তার একটি বর্ণনা সম্পর্কে বলেছেন: এটি অদ্ভুত, মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) এবং তিনি তা পাঠ করেননি বরং তা কেটে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

৩ আবু জুরআর 'আদ-দুয়াফা' কিতাবের ১১-ক পৃষ্ঠা দেখুন। ইবনে মাঈন বলেছেন (কারও জন্য তার থেকে বর্ণনা করা বৈধ নয়), মিজানুল ইতিদাল খণ্ড ৩/১১৮ এবং তাহজিবুত তাহজিব খণ্ড ৭/২৯৬-২৯৭ দেখুন। ইবনে মাজাহ তার সূত্রে জানাজা অধ্যায়ে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। দেখুন সুনানে ইবনে মাজাহ খণ্ড ১/৪৭৬।

৪ আবু জুরআর 'আদ-দুয়াফা' কিতাবের ১১-ক পৃষ্ঠা দেখুন, তারিখে বাগদাদ খণ্ড ১১/৪৪৫, তাহজিবুত তাহজিব খণ্ড ৭/৩৪২ এবং ইবনুল জাওযির 'আসমাউদ দুয়াফা' দেখুন। ইবনে মাজাহ কেবল ইবনে উমর থেকে তার সূত্রে মুদাব্বার গোলাম সংক্রান্ত হাদিস বর্ণনা করেছেন। আলী বলেছেন: আমি এটিকে মারফু (রাসূলের কথা হিসেবে) বর্ণনা করতাম, কিন্তু আমার সাথীরা আমাকে তা করতে নিষেধ করেন এবং একদল বর্ণনাকারী আলীর সূত্রে এটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আদি তার বেশ কিছু হাদিস উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তার হাদিসে দুর্বলতা স্পষ্ট। দেখুন তাহজিবুত তাহজিব খণ্ড ৭/৩৪২ এবং মিজানুল ইতিদাল খণ্ড ৩/১৩৪।

৫ আবু জুরআর 'আদ-দুয়াফা' কিতাবের ৭-ক পৃষ্ঠা, তাহজিবুত তাহজিব খণ্ড ৭/৪৩২ এবং তারিখে বাগদাদ খণ্ড ১১/২০০ দেখুন।

৬ আবু জুরআর 'আদ-দুয়াফা' কিতাবের ১১-ক পৃষ্ঠা দেখুন, একইভাবে ইবনুল জাওযির 'আসমাউদ দুয়াফা' এবং তারিখে বাগদাদ খণ্ড ১১/১৯৫-এ রয়েছে। আল-জারহু ওয়াত-তাদিল খণ্ড ৩/অংশ ১/১১৫-এ তার উক্তি (হাদিসে নমনীয়) উদ্ধৃত হয়েছে এবং মিজানুল ইতিদাল খণ্ড ৩/২০৪-এ কেবল (নমনীয়) শব্দের ওপর সীমাবদ্ধ থাকা হয়েছে এবং তাহজিবুত তাহজিব খণ্ড ৭/৪৬২-এ আবু জুরআ বলেছেন (হাদিসে নমনীয়, আর অন্য একবার বলেছেন হাদিসে দুর্বল)।

৭ আবু জুরআর 'আদ-দুয়াফা' কিতাবে (ع) বর্ণের অধীনে দেখুন। ইবনে আবি হাতিম আল-জারহু ওয়াত-তাদিল খণ্ড ৩/অংশ ১/১১৬-এ উমর বিন সহবানের জীবনীতে তার উক্তি (হাদিসে দুর্বল) এবং খণ্ড ৩/অংশ ১/১৩২-এ উমর বিন মুহাম্মাদ বিন সহবানের জীবনীতে তার উক্তি (হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল) উদ্ধৃত করেছেন। তাহজিবুত তাহজিব খণ্ড ৭/৪৬৪-এ প্রথম বর্ণনাকারীর জীবনীতে উভয় উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে এবং মিজানুল ইতিদাল খণ্ড ৩/২২০-এ কেবল (দুর্বল) শব্দের ওপর সীমাবদ্ধ থাকা হয়েছে। যাহাবি উমর বিন মুহাম্মাদ বিন সহবানের জীবনীতে বলেছেন: তিনি সেই উমর বিন সহবানই যাকে তার দাদার দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে, তিনি অত্যন্ত দুর্বল, তার কাছে ঈদুল ফিতরের দিন নামাজের আগে কিছু খাওয়ার বিষয়ে একটি হাদিস রয়েছে। ইবনুল জাওযি উমর বিন সহবানের জীবনীতে তার থেকে (হাদিসে অত্যন্ত দুর্বল) কথাটি উদ্ধৃত করেছেন। আরও দেখুন ইবনে মাজাহ খণ্ড ১/৫৫৮।

৮ আল-জারহু ওয়াত-তাদিল খণ্ড ৩/অংশ ১/১৩০ এবং একইভাবে তাহজিবুত তাহজিব খণ্ড ৭/৪৯১ দেখুন। যখন তার সামনে হুমাইদ বিন কায়স আল-মাক্কির কথা উল্লেখ করা হয় এবং তাকে নির্ভরযোগ্য বলা হয়, তখন তিনি উমর বিন কায়সকেও দুর্বল বলে অভিহিত করেন। আল-বারযাঈ বলেছেন: (এই দুই ভাইয়ের মধ্যে কত পার্থক্য! হুমাইদকে দেখুন উচ্চ মর্যাদায়, আর উমরকে দেখুন দুর্বলতার কোন স্তরে)। 'আদ-দুয়াফা' কিতাবটি দেখুন।
(খণ্ড: ৪৭৪৮) দিরাসাতুন হাওলা কাওলি আবী যুরআহ ফী সুনানি ইবনি মাজাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩)
79- عمرو بن الحصين العقيلي، الباهلي، أبو عثنان البصري قال عنه: (واهي الحديث) 9.

80- عمرو بن خالد، أبو خالد القرشي الكوفي انتقل إلى واسط ت ما بين (110- 120?) ذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء1.

81- عمرو بن عثمان بن يسار الكلابي، أبو عمرو الرقي ت 219 أو 217? ذكره عنده البرذعي؛ (فكلح وجهه وأساء الثناء عليه) 2.

82- عون بن عمارة العبدي، القيسي، أبو محمد البصري ت 212? قال عنه: (منكر الحديث) 3.

83- عيسى بن عبد الرحمن بن فروة الأنصاري المدني قال عنه: (ليس بالقوي) 4.

84- الفضل بن عيسى بن أبان الرقاشي، أبو عيسى البصري قال عنه: (شيخ صالح، إلا أنه ضعيف، وكان قدريا، وكان قاصا يذكر) 5.

85- (بخ ق) الفضل بن مبشر الأنصاري، أبو بكر المدني قال عنه: (لين) 6.

86- القاسم بن عبد الله بن عمر بن حفص أبو الخطاب العمري المدني، ت ما بين (150- 160?) قال عنه: (ضعيف لا يساوي شيئا، ومتروك الحديث، منكر الحديث) 7.

--------------------------------------------

9 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (17- أ -) وقال ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل ج 3/ق/229 وسئل أبو زرعة عنه عندما امتنع من التحديث عنه فقال: ليس هو موضع يحدث عنه واهي انظر تهذيب التهذ يب ج 8/21، واكتفى الذهبي في ميزان الاعتدال ج 3/253 بقوله (واه) .

1 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة حرف (ع) وقال ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل ج 3/ق1/230 سألت أبا زرعة عنه فقال (كان واسطيا، وكان يضع الحديث، ولم يقرأ علينا حديثه وقال اضربوا عليه) وفي تهذيب التهذيب ج 8/27 اكتفى بقوله (كان يضع الحديث) وكذا في أسماء الضعفاء لابن الجوزي.

2 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (37- أ -) .

3 انظر الجرح والتعديل ج 3/ق1/388، وتهذيب التهذيب ج 8/173.

4 انظر تهذيب التهذيب ج 8/218، وميزان الاعتدال ج 3/317ن وقال عنه في الضعفاء ورقة (2- أ-) ضعيف.

5 انظر كتاب الضعفاء لأبي زرعة ورقة (3- ب-) وذكره في أسماء الضعفاء حرف - ف- وروى بسنده إلى أيوب السختياني أنه كان قال عنه: (إن فضلا الرقاشي لو ولد أخرس كان خيرا له) وقال عنه أبو زرعة أيضا (منكر الحديث) انظر الجرح والتعديل ج 3/ق2/65، وتهذيب التهذيب ج 8/283.

6 انظر الجرح والتعديل ج 3/ق2/67، وتهذيب التهذيب ج 8/285، وذكره أبو زرعة في أسماء الضعفاء حرف - ف-.

7 انظر الجرح والتعديل ج 3/ق2/112، وتهذيب التهذيب ج 8/321، وفي أسماء الضعفاء لابن الجوزي اكتفى بقوله (لا يساوي شيئا متروك الحديث) .
৭৯- আমর বিন আল-হুসাইন আল-উকাইলি, আল-বাহিলি, আবু উসমান আল-বাসরি। তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (হাদিসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্বল) ৯।

৮০- আমর বিন খালিদ, আবু খালিদ আল-কুরাশি আল-কুফি। তিনি ওয়াসিতে স্থানান্তরিত হন। তাঁর মৃত্যু ১১০ থেকে ১২০ হিজরির মধ্যে? আবু জুরআ তাকে 'আসমাউদ দুয়াফা' (দুর্বল বর্ণনাকারীদের নাম) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন ১।

৮১- আমর বিন উসমান বিন ইয়াসার আল-কিলাবি, আবু আমর আর-রাক্কি। মৃত্যু ২১৯ অথবা ২১৭ হিজরি? আল-বারযাঈ তাঁর নিকট এটি উল্লেখ করেছেন; (এতে তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল এবং তিনি তাঁর কঠোর সমালোচনা করলেন) ২।

৮২- আউন বিন আম্মারা আল-আবদি, আল-কাইসি, আবু মুহাম্মদ আল-বাসরি। মৃত্যু ২১২ হিজরি? তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি মুনকারুল হাদিস বা অগ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী) ৩।

৮৩- ঈসা বিন আবদুর রহমান বিন ফারওয়া আল-আনসারি আল-মাদানি। তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি শক্তিশালী নন) ৪।

৮৪- আল-ফাদল বিন ঈসা বিন আবান আর-রাকাশি, আবু ঈসা আল-বাসরি। তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি একজন নেককার শায়খ, তবে তিনি দুর্বল। তিনি কাদরিয়া মতাবলম্বী ছিলেন এবং তিনি কিচ্ছা-কাহিনী শোনাতেন) ৫।

৮৫- (বুখারি - আল-আদাবুল মুফরাদ, ইবনে মাজাহ) আল-ফাদল বিন মুবাশশির আল-আনসারি, আবু বকর আল-মাদানি। তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (শিথিল) ৬।

৮৬- আল-কাসিম বিন আবদুল্লাহ বিন উমর বিন হাফস আবু আল-খাত্তাব আল-উমরি আল-মাদানি। তাঁর মৃত্যু ১৫০ থেকে ১৬০ হিজরির মধ্যে? তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছেন: (তিনি দুর্বল, তাঁর কোনো মূল্য নেই; তিনি মাতরুকুল হাদিস বা বর্জিত হাদিস বর্ণনাকারী এবং মুনকারুল হাদিস) ৭।

--------------------------------------------

৯ দেখুন: আবু জুরআর 'কিতাবুদ দুয়াফা', পৃষ্ঠা (১৭- অ)। ইবনে আবি হাতিম 'আল-জারহ ওয়াত তাদিল' খণ্ড ৩/পৃষ্ঠা ২২৯-এ বলেছেন: আবু জুরআকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে—যখন তিনি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করতে অস্বীকৃতি জানান—তিনি বলেন: তিনি এমন কেউ নন যার থেকে হাদিস বর্ণনা করা যায়, তিনি অত্যন্ত দুর্বল। দেখুন: 'তাহজিবুত তাহজিব' খণ্ড ৮/২১। আয-যাহাবি 'মিজানুল ইতিদাল' খণ্ড ৩/২৫৩-এ কেবল (অত্যন্ত দুর্বল) বলেই ক্ষান্ত হয়েছেন।

১ দেখুন: আবু জুরআর 'কিতাবুদ দুয়াফা', বর্ণ 'আইন' (ع)। ইবনে আবি হাতিম 'আল-জারহ ওয়াত তাদিল' খণ্ড ৩/পৃষ্ঠা ২৩০-এ বলেছেন: আমি আবু জুরআকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন: (তিনি ওয়াসিতের অধিবাসী ছিলেন, তিনি হাদিস জাল করতেন, তিনি আমাদের কাছে হাদিস পাঠ করেননি এবং তিনি বলেছেন, তাকে বর্জন করো)। 'তাহজিবুত তাহজিব' খণ্ড ৮/২৭-এ কেবল (তিনি হাদিস জাল করতেন) কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে, এবং ইবনুল জাওজির 'আসমাউদ দুয়াফা' গ্রন্থেও অনুরূপ রয়েছে।

২ দেখুন: আবু জুরআর 'কিতাবুদ দুয়াফা', পৃষ্ঠা (৩৭- অ)।

৩ দেখুন: 'আল-জারহ ওয়াত তাদিল' খণ্ড ৩/পৃষ্ঠা ৩৮৮, এবং 'তাহজিবুত তাহজিব' খণ্ড ৮/১৭৩।

৪ দেখুন: 'তাহজিবুত তাহজিব' খণ্ড ৮/২১৮, এবং 'মিজানুল ইতিদাল' খণ্ড ৩/৩১৭। 'আদ-দুয়াফা' পৃষ্ঠা (২- অ)-তে তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: তিনি দুর্বল।

৫ দেখুন: আবু জুরআর 'কিতাবুদ দুয়াফা', পৃষ্ঠা (৩- ব)। তিনি তাকে 'আসমাউদ দুয়াফা' গ্রন্থের 'ফা' (ف) বর্ণে উল্লেখ করেছেন এবং আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি থেকে স্বীয় সনদে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর সম্পর্কে বলতেন: (ফাদল আর-রাকাশি যদি বোবা হয়ে জন্মাতেন তবে তা তাঁর জন্য কল্যাণকর হতো)। আবু জুরআ তাঁর সম্পর্কে আরও বলেছেন: (মুনকারুল হাদিস)। দেখুন: 'আল-জারহ ওয়াত তাদিল' খণ্ড ৩/পৃষ্ঠা ৬৫, এবং 'তাহজিবুত তাহজিব' খণ্ড ৮/২৮৩।

৬ দেখুন: 'আল-জারহ ওয়াত তাদিল' খণ্ড ৩/পৃষ্ঠা ৬৭, এবং 'তাহজিবুত তাহজিব' খণ্ড ৮/২৮৫। আবু জুরআ তাকে 'আসমাউদ দুয়াফা' গ্রন্থের 'ফা' (ف) বর্ণে উল্লেখ করেছেন।

৭ দেখুন: 'আল-জারহ ওয়াত তাদিল' খণ্ড ৩/পৃষ্ঠা ১১২, এবং 'তাহজিবুত তাহজিব' খণ্ড ৮/৩২১। ইবনুল জাওজির 'আসমাউদ দুয়াফা' গ্রন্থে কেবল (তাঁর কোনো মূল্য নেই, তিনি মাতরুকুল হাদিস) কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে।