(খণ্ড: ১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
بحث في صيغة أفعل بين النحويين واللغويين واستعمالاتها في العربية   (مصطفى أحمد النماس)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: بحث في صيغة أفعل بين النحويين واللغويين واستعمالاتها في العربية

المؤلف: مصطفى أحمد النماس

الناشر: مجلة الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، ورقم الجزء هو رقم العدد من المجلة]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ব্যাকরণবিদ ও ভাষাবিদদের নিকট 'আফআলা' (أفعل) রূপকাঠামোর গবেষণা এবং আরবি ভাষায় এর ব্যবহারসমূহ   (মুস্তফা আহমাদ আন-নামাস)

বিভাগ: নাহু ও সরফ (ব্যাকরণ ও রূপতত্ত্ব)


গ্রন্থ: ব্যাকরণবিদ ও ভাষাবিদদের নিকট 'আফআলা' (أفعل) রূপকাঠামোর গবেষণা এবং আরবি ভাষায় এর ব্যবহারসমূহ

লেখক: মুস্তফা আহমাদ আন-নামাস

প্রকাশক: মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকী

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ, এবং খণ্ড সংখ্যাটি সাময়িকীর সংখ্যা হিসেবে গণ্য]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১ হিজরি

(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৬৬)
بحث في صيغة (أفعل) (بين النحويين واللغويين واستعمالاتها في العربية)

لفضيلة الدكتور مصطفى أحمد النماس المدرس بكلية اللغة العربية -جامعة الأزهر

الحلقة الثانية

‌‌آراء العلماء في فعل وأفعل بمعنى واحد:

رأى ابن درستويه في مجيء فعل وأفعل بمعنى واحد وقد أورده السيوطي في المزهر1 قال:

قال ابن درستويه في شرح الفصيح2: لا يكون فعل وأفعل بمعنى واحد كما لم يكونا على بناء واحد إلا أن تجيء ذلك في لغتين مختلفتين فأما من لغة واحدة فمحال أن يختلف اللفظان والمعنى واحد كما يظن كثير من اللغويين والنحويين، وإنما سمعوا العرب تتكلم بذلك على طباعها وما في نفوسها من معانيها المختلفة، وعلى ما جرت به عادتها وتعارفها ولن يعرف السامعون تلك العلة فيه والفروق فظنوا أنهما بمعنى واحد وأولوا على العرب هذا التأويل من ذات أنفسهم فإن كانوا قد صدقوا في رواية ذلك عن العرب فقد أخطؤوا عليهم في تأويلهم ما لا يجوز في الحكمة وليس يجيء شيء من هذا الباب إلا على لغتين متباينتين كما بينا أو يكون على معنيين مختلفين أو تشبيه شيء بشيء على ما شرحناه في كتابنا الذي ألفناه في افتراق معنى فعل وأفعل.

--------------------------------------------

1 انظر المزهر ج 1 ص 384-386. وانظر تصحيح الفصيح ج 1 ص 165 تحقيق عبد الله جبوري طبعة بغداد. وقد ذكر هذا الكلام تعقيباً على الإمام ثعلب تصحيح الباب الثالث وهو باب فعلت بغير ألف، عند قوله، وأما قوله في رعد وبرق في باب فعلت إنه يقال فيه أرعد وأبرق فإن لكل واحد من هذين معنى يخصه … الخ.

2 في تصحيح الفصيح إتمام للكلام هو: الهمزة التي تدخل لنقل الفعل الذي على فعل فيجعل على أفعل نحو كرم وأكرم وحس وحسن.
(আফ'আলু) রূপকাঠামো সংক্রান্ত একটি গবেষণা (নাহুবিদ ও ভাষাবিদদের দৃষ্টিতে এবং আরবি ভাষায় এর ব্যবহারসমূহ)

আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা অনুষদের শিক্ষক ডক্টর মোস্তফা আহমদ আন-নাম্মাস-এর পক্ষ থেকে

দ্বিতীয় পর্ব

‌‌'ফা'আলা' এবং 'আফ'আলা' একই অর্থে ব্যবহৃত হওয়া প্রসঙ্গে আলেমদের মতামত:

'ফা'আলা' এবং 'আফ'আলা' একই অর্থে আসা সম্পর্কে ইবনে দুরুস্তাওয়াইহ-এর অভিমত, যা আস-সুয়ূতী তার 'আল-মুযহির' (১) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন; তিনি বলেন:

ইবনে দুরুস্তাওয়াইহ 'শারহুল ফাসিহ' (২) গ্রন্থে বলেন: 'ফা'আলা' এবং 'আফ'আলা' একই অর্থবোধক হয় না, যেভাবে তারা একই রূপকাঠামো বিশিষ্ট নয়; তবে যদি তা ভিন্ন ভিন্ন উপভাষায় আসে তবে ভিন্ন কথা। কিন্তু একই উপভাষায় শব্দ দুটি ভিন্ন হবে অথচ অর্থ এক হবে—এমনটি হওয়া অসম্ভব, যদিও অনেক ভাষাবিদ ও নাহুবিদ তা মনে করেন। মূলত তারা আরবদের তাদের স্বভাবজাত রীতিতে এবং তাদের অন্তরে বিদ্যমান বিভিন্ন অর্থের চাহিদা অনুযায়ী সেই শব্দগুলো বলতে শুনেছেন, যা তাদের অভ্যাস ও পারস্পরিক পরিচিতি অনুসারে চলে আসছিল। কিন্তু শ্রোতারা এর পেছনের কারণ ও পার্থক্যগুলো বুঝতে পারেনি, ফলে তারা ধারণা করে নিয়েছে যে শব্দ দুটি একই অর্থবোধক। তারা আরবদের পক্ষ থেকে এই ব্যাখ্যাটি নিজেদের পক্ষ থেকেই আরোপ করেছে। যদি তারা আরবদের কাছ থেকে এর বর্ণনার ক্ষেত্রে সত্যবাদীও হয়ে থাকে, তবে তারা এই ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে ভুল করেছে যা যুক্তিসঙ্গত নয়। এই অধ্যায়ের কোনো কিছুই দুটি ভিন্ন ভিন্ন উপভাষা ব্যতীত আসে না—যেমনটি আমরা স্পষ্ট করেছি, অথবা তা দুটি ভিন্ন অর্থের ক্ষেত্রে হবে, কিংবা একটিকে অন্যটির সাথে সাদৃশ্য প্রদানের ক্ষেত্রে হবে; যেমনিভাবে আমরা 'ফা'আলা' এবং 'আফ'আলা'-এর অর্থের পার্থক্য নিয়ে রচিত আমাদের গ্রন্থে ব্যাখ্যা করেছি।

--------------------------------------------

১ দেখুন: আল-মুযহির, ১ম খণ্ড, ৩৮৪-৩৮৬ পৃষ্ঠা। আরও দেখুন: তাসহিহুল ফাসিহ, ১ম খণ্ড, ১৬৫ পৃষ্ঠা, আব্দুল্লাহ জাব্বুরীর সম্পাদনায়, বাগদাদ সংস্করণ। ইমাম ছা'লাব-এর তৃতীয় অধ্যায়ের (অর্থাৎ 'আলিফ' ব্যতীত 'ফা'আলতু' অধ্যায়) সংশোধনের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে এই কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে; যেখানে তিনি বলেছেন: "আর 'রা'দ' ও 'বারক' (বজ্র ও বিদ্যুৎ) সম্পর্কে 'ফা'আলতু' অধ্যায়ে তিনি যা বলেছেন যে, এতে 'আর'আদা' ও 'আবলাকা' বলা হয়, তবে এর প্রত্যেকটির একটি নির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে..." ইত্যাদি।

২ 'তাসহিহুল ফাসিহ' গ্রন্থে কথাটির পূর্ণরূপ হলো: সেই হামযা যা 'ফা'আলা' ওজনের ক্রিয়াকে 'আফ'আলা' ওজনে রূপান্তরের জন্য প্রবেশ করে, যেমন: 'কারুমা' থেকে 'আকরামা' এবং 'হাসুনা' থেকে 'আহসানা'।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৬৭)
ومن ههنا يجب أن يتعرف ذلك وأن قول ثعلب: وقفت الدابة ووقفت أنا، ووقفت وقفا للمساكين لا يجوز أن يكون الفعل اللازم من هذا النحو، والمجاوز على لفظ واحد في النظر والقياس لما في ذلك من الإلباس، وليس إدخال الإلباس في الكلام من الحكمة والصواب، وواضع اللغة عز وجل حكيم عليم، وإنما اللغة موضوعة للإبانة عن المعاني، فلو جاز وضع لفظ واحد للدلالة على معنيين مختلفين أو أحدهما ضد للآخر لما كان ذلك إبانة بل تعمية وتغطية ولكن قد يجيء النادر من هذا لعلل، كما يجيء فعل وأفعل فيتوهم من لا يعرف العلل أنهما لمعنيين مختلفين وإن اتفق اللفظان، والسماع في ذلك صحيح من العرب فالتأويل عليهم خطأ وإنما يجيء ذلك في لغتين متباينتين، أو لحذف واختصار وقع في الكلام حتى اشتبه اللفظان وخفي سبب ذلك على السامع وتأول فيه الخطأ وذلك أن الفعل الذي لا يتعدى فاعله إذا احتيج إلى تعديته لم تجز تعديته على لفظه الذي هو عليه حتى يُغير إلى لفظ آخر إما بأن يزاد في أوله همزة1 أو يوصل به حرف جر بعد تمامه ليستدل السامع على اختلاف المعنيين إلا أنه ربما كثر استعمال بعض هذا الباب في كلام العرب حتى يحاولوا تخفيفه فيحذفوا حرف الجر منه كقولهم: كلته -وزنته أي كلت له وزنته له فيعرف بطول العادة وكثرة الاستعمال وينوب المفعول وإعرابه فيه عن الجار والمجرور المحذوف، أو يشبه الفعل بفعل آخر متعد على غير لفظه فيجري مجراه لاتفاقهما في المعنى كقولهم حبست الدابة وحبست مالاً على المساكين.

وقد استقصينا شرح ذلك كله في كتاب فعلت وأفعلت بحججه ورواية أقاويل العلماء فيه وذكر علله والقياس فيه اهـ، وقال في موضع آخر، أهل اللغة أو عامتهم يزعمون أن فعل وأفعل بهمزة وبغير همزة قد يجيئان لمعنى واحد وإن قولهم دير بي وأدير بي من ذلك وهو قول فاسد في القياس والعقل مخالف للحكمة والصواب، ولا يجوز أن يكون لفظان مختلفان لمعنى واحد إلا أن يجيء أحدهما في لغة قوم والآخر في لغة غيرهم، كما يجيء في لغة العرب والعجم أو في لغة رومية ولغة هندية.

وقد ذكر ثعلب أن أدير بي لغة فأصاب في ذلك وخالف من يزعم أن فعلت وأفعلت بمعنى واحد، والأصل في هذا قد درت وهو الفعل اللازم ثم ينقل إما بالباء وإما بالألف فيقال: قد دير بي أو أدرت فهذا القياس.

ثم جيء بالباء مع الألف فقيل: قد أدير بي كما قيل قد أسرى بي على لغة من قال

--------------------------------------------

1 هناك وإما بان يوصل الخ مثل ذهب بغيره، وقام وقام بأخره.
এখান থেকে এটি জানা আবশ্যক যে, সা'লাবের উক্তি: "আমি পশুটিকে থামালাম", "আমি থামলাম" এবং "আমি মিসকিনদের জন্য দান (ওয়াকফ) করলাম"—একই শব্দরূপে অকর্মক ও সকর্মক ক্রিয়ার ব্যবহার হওয়া যুক্তি ও ব্যাকরণিক নিয়মের বিচারে বৈধ নয়। কারণ এতে অর্থের অস্পষ্টতা সৃষ্টি হয়। আর বক্তব্যে অস্পষ্টতা প্রবেশ করানো প্রজ্ঞা ও সঠিক পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত নয়। ভাষার প্রবর্তক মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান ও সর্বজ্ঞ। মূলত ভাষা তৈরিই হয়েছে অর্থসমূহ সুস্পষ্টভাবে প্রকাশের জন্য। সুতরাং যদি দুটি ভিন্ন অর্থ কিংবা পরস্পরবিরোধী দুটি অর্থের জন্য একটিমাত্র শব্দ নির্ধারণ করা বৈধ হতো, তবে তা স্পষ্টীকরণ হতো না; বরং তা হতো সত্য গোপন ও বিভ্রান্তি তৈরির নামান্তর। তবে বিরল ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট কারণে এমনটি হতে পারে। যেমন ‘ফাআলা’ এবং ‘আফআলা’ ওজনের রূপান্তর ঘটে, ফলে যারা এই কারণগুলো জানে না তারা শব্দ দুটি এক হওয়া সত্ত্বেও ধারণা করে বসে যে সেগুলো ভিন্ন অর্থের জন্য। আরবদের থেকে এ সংক্রান্ত বর্ণনাগুলো সঠিক, তাই তাদের ভাষ্যের ভুল ব্যাখ্যা করা অনুচিত। মূলত এটি দুটি ভিন্ন উপভাষার সংমিশ্রণে ঘটে থাকে, অথবা বাক্যে কোনো বিলোপ বা সংক্ষেপনের কারণে ঘটে, যার ফলে শব্দ দুটি সদৃশ মনে হয় এবং শ্রোতার কাছে এর প্রকৃত কারণটি গোপন থেকে যায় এবং সে ভুল ব্যাখ্যা করে থাকে। এর কারণ হলো, যে ক্রিয়া তার কর্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে (অকর্মক), যখন সেটিকে সকর্মক করার প্রয়োজন হয়, তখন তার মূল রূপ বহাল রেখে তা করা জায়েয নয় যতক্ষণ না শব্দটির কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হয়; হয় শুরুতে একটি হামযা যুক্ত করার মাধ্যমে অথবা শব্দটির শেষে একটি অব্যয় যুক্ত করে, যাতে শ্রোতা দুটি ভিন্ন অর্থের পার্থক্য বুঝতে পারে। তবে কখনো কখনো আরবদের বক্তব্যে এই অধ্যায়ের কিছু শব্দের ব্যবহার এত অধিক হয় যে, তারা তা সহজ করার জন্য অব্যয়টি বিলোপ করে দেয়। যেমন তাদের উক্তি: "আমি তাকে মেপে দিলাম" বা "ওজন করে দিলাম", যার অর্থ হলো "তার জন্য মেপে দিলাম" এবং "তার জন্য ওজন করে দিলাম"। দীর্ঘকালের অভ্যাস এবং অধিক ব্যবহারের কারণে এটি সুপরিচিত হয়ে যায় এবং তখন কর্মপদ ও তার কারক বিভক্তি বিলুপ্ত অব্যয় ও তার পরবর্তী পদের স্থলাভিষিক্ত হয়। অথবা কোনো ক্রিয়াকে তার বাহ্যিক রূপ ভিন্ন অন্য একটি সকর্মক ক্রিয়ার সদৃশ মনে করা হয় এবং অর্থে মিল থাকার কারণে সেটি সেই রূপেই পরিচালিত হয়। যেমন তাদের উক্তি: "আমি পশুটিকে আটকালাম" এবং "আমি মিসকিনদের জন্য সম্পদ দান (আটক) করলাম।"

আমি 'ফাআলতু ওয়া আফআলতু' নামক গ্রন্থে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রমাণসহ উল্লেখ করেছি এবং আলেমদের মতামত, এর কারণসমূহ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাকরণিক নিয়মাবলী বর্ণনা করেছি। অন্য এক স্থানে তিনি বলেছেন, ভাষাবিদগণ বা তাদের অধিকাংশ মনে করেন যে হামযা যুক্ত এবং হামযা বিহীন 'ফাআলা' ও 'আফআলা' একই অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে এবং তাদের উক্তি "আমি ঘুরেছি" এবং "আমাকে ঘুরানো হয়েছে" এর অন্তর্ভুক্ত। এই ধারণাটি যুক্তি ও বিবেকের বিচারে ভ্রান্ত এবং প্রজ্ঞা ও সঠিক পদ্ধতির পরিপন্থী। দুটি ভিন্ন শব্দ একই অর্থের জন্য হওয়া জায়েয নয়, যদি না একটি শব্দ কোনো এক জনগোষ্ঠীর ভাষায় আর অন্যটি অন্য জনগোষ্ঠীর ভাষায় প্রচলিত হয়; যেমনটি আরবি ও অনারবি ভাষার ক্ষেত্রে ঘটে থাকে অথবা রোমান ও ভারতীয় ভাষার ক্ষেত্রে ঘটে।

সা'লাব উল্লেখ করেছেন যে 'আমাকে ঘুরানো হয়েছে' এটি একটি ভিন্ন উপভাষা, আর এক্ষেত্রে তিনি সঠিক মত পোষণ করেছেন এবং তাদের বিরোধিতা করেছেন যারা মনে করেন 'ফাআলতু' এবং 'আফআলতু' একই অর্থ বহন করে। মূলত এর মূল রূপ হলো 'আমি ঘুরেছি', যা একটি অকর্মক ক্রিয়া। এরপর এটিকে সকর্মক করা হয় হয় অব্যয় যোগে অথবা হামযা যোগ করে। তখন বলা হয়: 'আমাকে ঘুরানো হয়েছে' অথবা 'আমি ঘুরালাম'। এটিই ব্যাকরণগত নিয়ম।

অতঃপর হামযা এবং অব্যয় উভয়টি একত্রে ব্যবহার করে বলা হয়: 'আমাকে ঘুরানো হয়েছে' যেমনটি বলা হয় 'তাকে নিয়ে পরিভ্রমণ করানো হয়েছে' সেই উপভাষার ভিত্তিতে যারা এমনটা বলে থাকে।

--------------------------------------------

১ সেখানে, অথবা যুক্ত করার মাধ্যমে ইত্যাদি। যেমন 'অন্যকে নিয়ে গেল' এবং 'দাঁড়াল' ও 'তার ভাইকে নিয়ে দাঁড়াল'।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৬৮)
أسرى في معنى سرى لأن إدخال الألف في أول الفعل والباء في آخره للنقل خَطأ إلا أن يكون قد نقل مرتين إحداهما بالألف والأخرى بالباء1 اهـ.

--------------------------------------------

1 قال في لسان: أسريت بالألف لغة أهل الحجاز وجاء القرآن العزيز بهما جميعا.
'আসরা' শব্দটি 'সারা' শব্দের অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে। কারণ ক্রিয়ার শুরুতে 'আলিফ' এবং শেষে 'বা' যুক্ত করে কর্মবাচক করা ভুল, যদি না এটি দুইবার রূপান্তর করা হয়ে থাকে—একবার আলিফ দ্বারা এবং অন্যবার বা দ্বারা।১ সমাপ্ত।

--------------------------------------------

১ লিসানুল আরব গ্রন্থে বলা হয়েছে: আলিফ সহকারে 'আসরাইতু' বলা হিজাজবাসীদের ভাষা এবং পবিত্র কুরআনে উভয়েরই ব্যবহার এসেছে।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৬৮)
‌‌رأي ابن قتيبة:

وقال ابن ابن قتيبة2 باب فعلت وأفعلت بإتقان معنى.

جد فلان في أمره وأجد، ويقال فلان جاد ومجد، لاق الدواة وألاقها "الفراء" أضاء القمر وضاء وأنشد غيره للعباس بن عبد المطلب عم الرسول يمدح النبي صلى الله عليه وسلم.

أنت لما ظهرت أشرقت الأر … ض وضاءت بنورك الأفق

وقال الفراء أوحى ووحى وأومأ وومأ وقال غيره محصته السوء وأمحصته، وسلكته وأسلكته. قال الله تعالى: {مَا سَلَكَكُمْ فِي سَقَرَ} .

وقال الهذلي:

حتى إذا أسلكوهم في قتائدة … شَلَاّ كما تطرد الجَمَّالة الشُرُدا

عمَّر الله بك دارك وأعمرها، أمر الله ما له وأمر، نضر الله وجهك وأنضره، مددت الدواة وأمددتها وأمددته بالرجال لا غير، خلف الله عليك بخير وأخلف، نهج الثوب وأنهج إذا بلى، سكت القوم وأسكتو، وصمتوا وأصمتوا، خلق الثوب وأخلق، سمح الرجل وأسمح محَّ الكتاب وأمحَّ إذا درس، ينعت الثمرة وأينعت، نسل الوبر وأنسل إذا وقع، سندت في الجبل وأسندت، قطرت عليه الماء وأقطرت، خلد إلى الأرض وأخلد، نزفت البئر وأنزفتها، جلب الجرح وأجلب إذا صارت عليه جلبة، قدعته وأقدعته، فتنته وأفتنته، ساس الطعام وأساس إذا سوس، وداد وأدادا إذا دود، سريت وأسريت، كنبت يداه وأكنبت إذا اشتدت وغلظت، سوءت به ظنا وأسأت الظن، قتر الرجل وأقتر إذا قل ماله، خفقت الأمر وأخفقته وهرقت الماء وأهرقته، زها البسر وأزهى، شنقت القربه وأشنقتها إذا شددت رأسها، قصر عنه وأقصر عنه، زكا الزرع وأزكى الزرع، جمَّت الدابة وأجمت، قتله البيع وأقتله، سار الدابة وأسارها، مُطرنا وأُمطرنا، وأبو عبيدة يفرق بينهما، غسا الليل يغسو وأغسى إذا أظلم، حشمته وأحشمته، أغضبته. زننت به خيراً وأزننت، جهده السير وأجهده، جرمت

--------------------------------------------

1 قال في لسان: أسريت بالألف لغة أهل الحجاز وجاء القرآن العزيز بهما جميعا.

2 انظر أدب الكاتب لابن قتيبة ص 360 دار صادر بيروت.
ইবনে কুতায়বার অভিমত:

ইবনে কুতায়বা বলেন, "ফাতু" এবং "আফাতু" পরিচ্ছেদটি অর্থের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের সাথে।

অমুক ব্যক্তি তার কাজে সচেষ্ট হয়েছে এবং অত্যন্ত সচেষ্ট হয়েছে, এবং বলা হয় অমুক ব্যক্তি সচেষ্ট ও উদ্যমী। কালির দোয়াত ঠিক করা এবং ঠিক করা - 'আল-ফাররা' হতে বর্ণিত। চাঁদ আলোকিত হয়েছে এবং উদ্ভাসিত হয়েছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রশংসা করে বর্ণিত হয়েছে:

আপনি যখন প্রকাশিত হলেন তখন পৃথিবী আলোকিত হয়ে উঠল … এবং আপনার আলোতে দিগন্ত উদ্ভাসিত হলো।

আল-ফাররা বলেন, ওহী করা (ওয়াহা ও আওহা) এবং ইঙ্গিত করা (ওয়ামআ ও আওমআ)। অন্যরা বলেন, আমি তাকে মন্দ থেকে মুক্ত করেছি এবং মুক্ত করেছি, এবং আমি তাকে প্রবেশ করিয়েছি ও প্রবেশ করিয়েছি। আল্লাহ তাআলা বলেন: {কী তোমাদের জাহান্নামে প্রবেশ করিয়েছে?}।

হুযালী কবি বলেন:

যতক্ষণ না তারা তাদের কাতাআদাহ (একটি দুর্গম পথ)-তে প্রবেশ করাল … তাড়ানোর মতো যেভাবে উষ্ট্রচালকরা অবাধ্য উট তাড়িয়ে নিয়ে যায়।

আল্লাহ আপনার ঘর আবাদ রাখুন এবং আবাদ রাখুন। আল্লাহ তার সম্পদ বৃদ্ধি করুন এবং বৃদ্ধি করুন। আল্লাহ আপনার চেহারা উজ্জ্বল করুন এবং উজ্জ্বল করুন। আমি দোয়াতের কালি বৃদ্ধি করেছি এবং বৃদ্ধি করেছি, তবে সৈন্যদলের মাধ্যমে সাহায্য করার ক্ষেত্রে কেবল 'আমি সাহায্য করেছি' (আলিফ যোগে) ব্যবহৃত হয়। আল্লাহ আপনার কল্যাণের ব্যবস্থা করুন এবং প্রতিদান দিন। পোশাক পুরনো হয়ে জরাজীর্ণ হওয়া। মানুষ নীরব হওয়া এবং নীরব হওয়া। তারা চুপ হওয়া এবং চুপ হওয়া। পোশাক পুরনো হওয়া। ব্যক্তিটি দানশীল ও উদার হওয়া। কিতাবের লেখা অস্পষ্ট বা মুছে যাওয়া। ফল পেকে যাওয়া। পশম ঝরে পড়া। আমি পাহাড়ে আরোহণ করলাম এবং আরোহণ করলাম। আমি তার ওপর পানি বর্ষণ করলাম এবং বর্ষণ করলাম। সে দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হলো এবং আসক্ত হলো। কূয়ার পানি নিঃশেষ হলো এবং আমি তা নিঃশেষ করলাম। ক্ষতস্থানে শক্ত চামড়া আবৃত হওয়া। আমি তাকে মন্দ থেকে বাধা প্রদান করলাম এবং বাধা দিলাম। আমি তাকে পরীক্ষায় ফেললাম এবং পরীক্ষায় ফেললাম। খাবারে পোকা ধরা এবং পোকা ধরা। পোকা হওয়া এবং পোকা হওয়া। আমি রাতে ভ্রমণ করলাম এবং ভ্রমণ করলাম। তার হাত শক্ত ও খসখসে হয়ে গেল এবং শক্ত হলো। আমি তার প্রতি কুধারণা করলাম এবং কুধারণা করলাম। ব্যক্তির সম্পদ কমে গিয়ে সে দরিদ্র হওয়া। আমি বিষয়টি গোপন করলাম এবং গোপন করলাম। আমি পানি প্রবাহিত করলাম এবং প্রবাহিত করলাম। খেজুর পরিপক্ক হওয়া এবং হওয়া। আমি মশকের মুখ শক্ত করে বাঁধলাম এবং বাঁধলাম। সে তা থেকে বিরত হলো এবং বিরত হলো। শস্য বৃদ্ধি পাওয়া এবং বৃদ্ধি পাওয়া। পশুটি শান্ত হওয়া এবং শান্ত হওয়া। বিক্রয় তাকে ধ্বংস করল এবং ধ্বংস করল। সে পশুটিকে পরিচালিত করল এবং পরিচালিত করল। আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হলো এবং বৃষ্টি বর্ষিত হলো; তবে আবু উবাইদাহ এ দুটির মধ্যে পার্থক্য করেন। রাত অন্ধকার হওয়া এবং অন্ধকার হওয়া। আমি তাকে লজ্জিত বা রাগান্বিত করলাম। আমি তাকে রাগান্বিত করলাম। আমি তার প্রতি সুধারণা পোষণ করলাম এবং সুধারণা করলাম। সফর তাকে ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত করল। আমি কাটলাম...

--------------------------------------------

১. 'লিসানুল আরব' গ্রন্থে বলা হয়েছে: 'আসরাইতু' আলিফ যোগে হিজাযীদের ভাষা এবং পবিত্র কুরআনে উভয় রূপই এসেছে।

২. ইবনে কুতায়বার 'আদাবুল কাতিব' দেখুন, পৃষ্ঠা ৩৬০, দার সাদির, বৈরুত।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৬৯)
وأجرمت من الجرم، خلا المكان وأخلى، عسرت الرجل وأعسرته إذا طلبت الدين منه على عسرة خفق الطائر بجناحيه وأخفق، سقفت الباب وأسقفته، ثاب جسمه وأثاب، أجرت الغلام وآجرته، ذرت الريح وأذرت، لغطوا وألغطوا، وضجوا وأضجوا.

نبت البقل وأنبت، رجنت الشاة وأرجنت، ثرى الرجل وأثرى إذا أيسر، رجف وأرجف إذا أعيا، سحته الله وأسحته إذا استأصله، وقرىء فيسحتكم وفيسحتكم، (بفتح الياء وضمها) ، جاح الله ماله وأجاحه، هديت العروس وأهديتها، عرض لك الخير وأعرض حدت المرأة وأحدت، فرزت الشيء وأفرزته.

عقم الله رحمها وأعقمها، حدق القوم به وأحدقوا، أوخفت الخطمى ووخفته، دجنت السماء وأدجنت، جلبوا عليهم وأجلبوا إذا صاحوا، لاذوا به وألاذوا وجرته الدواء وأوجرته، صلَّ اللحم وأصلَّ، وخمَّ وأخمَّ، سعرني شرا وأسعرني، مهرت المرأة وأمهرت، شار العسل وأشار، عذر الغلام وأعذره، ضب الرجل وأضب إذا سكت، صددت الرجل وأصددته، صردت السهم وأصردته إذا أنفذته، وعيت العلم وأوعيته، وأوعيت الطعام لا غير، وفيت بالعهد وأوفيت به، وأوفيت الكيل لا غير، غللت وأغللت من الغلول، لحدت القبر وألحدته، ولحد الرجل في الدين وألحد، وقرئ يَلحدون يُلحدون (بفتح الياء وضمها) بدأ الله الخلق وأبدأ وقال عز وجل {يُبْدِئُ وَيُعِيدُ} ، بشرت الرجل وأبشرته وبشرت الأديم وأبشرته إذا قشرت ما عليه.

قبل وأقبل، ودبر وأدبر، وقح الحافر وأوقح، جهشت في البكاء وأجهشت، جمع القوم رأيهم وأجمعوا رأيهم، سمل الثوب وأسمل، عصفت القارورة وأعصفتها، حل من إحرامه وأحل، بل من مرضه وأبل أي نجا، ثويت عنده وأثويت، منيت وأمنيت من المني، مذيت وأمذيت، من المذي، طافوا به وأطافوا، حال في متن فرسه وأحال، صرَّ الفرس أذنه وأصرَّ، مر الطعام وأمر، وقعت بالقوم في القتال وأوقعت، نويت النوى وأنويته، إذا أكلت التمر ورميت بالنوى، غمي عليه وأغمي، مطيت عنده وأمطيت تنحيت، وكذلك مطت غيري وأمطيته، هذا قول أبي زيد وقال الأصمعي مطت أنا وأمطيت غيري لا غير، قمعت الرجل وأقمعته، صعقتهم السماء وأصعقتهم، ألقت عليهم صاعقة، قمسته في الماء وأقمسته إذا غططته، مضَّني وأمضَّني، قال الأصمعي أمضَّني بالألف ولم يعرف غيره، صليت الشيء في النار وأصليته نجوت الجلد عن اللحم، وأنجيته إذا قشرته، جننته في القبر وأجننته، ربعت عليه الحمى وأربعت، وغبت عليه وأغبت، رميت على الخمسين وأرميت زدت، كلأت الناقة وأكلأت، إذا أكلت الكلأ، حكمت الفرس وأحكمته، ورسنته وأرسنته، رحبت الدار وأرحبت
আমি ‘জোরম’ (অপরাধ) থেকে ‘আজরামতু’ (অপরাধ করলাম) শব্দ প্রয়োগ করেছি। কোনো স্থান খালি হওয়া অর্থে ‘খালা’ এবং ‘আখলা’ উভয়ই ব্যবহৃত হয়। ঋণের ভারে জর্জরিত ব্যক্তির কাছে যখন ঋণ পরিশোধের দাবি করা হয় তখন ‘আসাবতুর্ রাজুলা’ এবং ‘আ’সারতুহু’ বলা হয়। পাখি তার ডানা ঝাপটানো অর্থে ‘খাফাকা’ এবং ‘আখফাকা’ ব্যবহৃত হয়। আমি দরজায় ছাদ তৈরি করলাম অর্থে ‘সাকাফতুল বাবা’ এবং ‘আসকাফতুহু’। তার শরীর সুস্থ ও সবল হলো অর্থে ‘সাবা’ এবং ‘আসাবা’। আমি গোলামকে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে নিয়োগ করলাম অর্থে ‘আজারতু’ এবং ‘আজারতু’ (ভিন্ন রূপ)। বাতাস ধুলোবালি উড়িয়ে নিয়ে গেল অর্থে ‘জারাত’ এবং ‘আজরাত’। তারা শোরগোল বা গোলমাল করলো অর্থে ‘লাঘাতু’ এবং ‘আলঘাতু’। তারা আর্তনাদ বা উচ্চশব্দ করলো অর্থে ‘দাযযু’ এবং ‘আযাযযু’।

উদ্ভিদ গজালো অর্থে ‘নাবাতা’ এবং ‘আনবাতা’ ব্যবহৃত হয়। বকরি একস্থানে স্থির থাকলো বা আটকে গেল অর্থে ‘রাজানাত’ এবং ‘আরজানাত’। ব্যক্তিটি ধনাঢ্য হলো অর্থে ‘সারা’ এবং ‘আসরা’। সে ক্লান্ত হয়ে কাঁপতে লাগলো অর্থে ‘রাজাফা’ এবং ‘আরজাফা’। আল্লাহ তাকে সমূলে বিনাশ করেছেন অর্থে ‘সাহাতাহুল্লাহু’ এবং ‘আসহাতাহু’; এ ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনে ‘ফায়াসহাতাকুম’ এবং ‘ফায়ুসহিতাকুম’ (ইয়া বর্ণে যবর ও পেশ উভয় যোগে) কিরাত বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তার সম্পদ ধ্বংস করেছেন অর্থে ‘জাহাল্লাহু মালাহু’ এবং ‘আজাহাহু’। আমি কনেকে তার পতিগৃহে পৌঁছে দিলাম বা পথ দেখালাম অর্থে ‘হাদাইতুল আরুসা’ এবং ‘আহদাইতুহা’। তোমার জন্য কল্যাণ প্রকাশিত হলো অর্থে ‘আরাদা’ এবং ‘আ’রাদা’। নারীটি শোক পালন করলো অর্থে ‘হাদাত’ এবং ‘আহদাত’। আমি বস্তুটিকে পৃথক বা আলাদা করলাম অর্থে ‘ফারাজতুশ শাইয়া’ এবং ‘আফরাজতুহু’।

আল্লাহ তার জরায়ু বন্ধ্যা বা নিষ্ফল করেছেন অর্থে ‘আকামাল্লাহু’ এবং ‘আ’কামাহা’। লোকেরা তাকে পরিবেষ্টন করলো অর্থে ‘হাদাকা’ এবং ‘আহদাকু’। আমি খতমি উদ্ভিদ পানিতে ভিজালাম অর্থে ‘ওয়াকাফতু’ এবং ‘আওকাফতু’। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হলো অর্থে ‘দাজানাত’ এবং ‘আদজানাত’। তারা উচ্চৈঃস্বরে চিৎকার করলো অর্থে ‘জালাবু’ এবং ‘আজলাবু’। তারা তার নিকট আশ্রয় গ্রহণ করলো অর্থে ‘লাজু’ এবং ‘আলাজু’। আমি তাকে ওষুধ সেবন করালাম অর্থে ‘ওয়াজারতুহু’ এবং ‘আওজারতুহু’। মাংস দুর্গন্ধযুক্ত বা নষ্ট হয়ে গেল অর্থে ‘সাল্লাল লাহমু’ এবং ‘আসাল্লা’, অনুরূপভাবে ‘ওয়াখিম্মা’ এবং ‘আখিম্মা’। সে আমার সাথে অনিষ্টতা বা শত্রুতা করলো অর্থে ‘সা’রানি’ এবং ‘আস’রানি’। আমি মহিলার মোহরানা আদায় করলাম অর্থে ‘মাহারিতু’ এবং ‘আমহারতু’। সে মৌচাক থেকে মধু আহরণ করলো অর্থে ‘শারা’ এবং ‘আশারা’। বালককে খতনা করানো হলো অর্থে ‘আদারা’ এবং ‘আ’দারা’। ব্যক্তিটি নীরবতা অবলম্বন করলো অর্থে ‘দাব্বা’ এবং ‘আদাব্বা’। আমি লোকটিকে সরিয়ে দিলাম বা বাধা দিলাম অর্থে ‘সাদাদতু’ এবং ‘আসদাদতু’। আমি তীরটিকে লক্ষ্যভেদ করে ওপাড়ে পৌঁছে দিলাম অর্থে ‘সারাদতু’ এবং ‘আসারাদতু’। আমি জ্ঞান আয়ত্ত বা সংরক্ষণ করলাম অর্থে ‘ওয়াইতু’ এবং ‘আওয়াইতু’; তবে খাদ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কেবল ‘আওয়াইতু’ ব্যবহৃত হয়। আমি অঙ্গীকার পূর্ণ করলাম অর্থে ‘ওয়াফাইতু’ এবং ‘আওফাইতু’; তবে পরিমাপ পূর্ণ করার ক্ষেত্রে কেবল ‘আওফাইতু’ ব্যবহৃত হয়। আমি খিয়ানত বা আত্মসাৎ করলাম অর্থে ‘গালালতু’ এবং ‘আগলালতু’। আমি কবরের একপাশে গর্ত (লাহাদ) করলাম অর্থে ‘লাহাদতু’ এবং ‘আলহাদতু’। ব্যক্তিটি দ্বীনের ক্ষেত্রে বিচ্যুত বা সত্যত্যাগী হলো অর্থে ‘লাহাদা’ এবং ‘আলহাদা’; এ ক্ষেত্রে ‘ইয়ালহাদুন’ ও ‘ইউলিহদুন’ (ইয়া বর্ণে যবর ও পেশ উভয় যোগে) কিরাত রয়েছে। আল্লাহ সৃষ্টি শুরু করেছেন অর্থে ‘বাদা’আ’ এবং ‘আবাদা’আ’; এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, {তিনিই সৃষ্টি শুরু করেন এবং পুনরায় সৃষ্টি করবেন}। আমি লোকটিকে সুসংবাদ দিলাম অর্থে ‘বাশশারতু’ এবং ‘আবাশশারতু’। আমি পশুর চামড়া থেকে পশম বা উপরিভাগ পরিষ্কার করলাম অর্থে ‘বাশশারতু’ এবং ‘আবাশশারতু’।

সে সামনে অগ্রসর হলো অর্থে ‘কাবিলা’ এবং ‘আকবালা’। সে প্রস্থান করলো বা পিঠ ফিরিয়ে নিল অর্থে ‘দাবারা’ এবং ‘আদবারা’। পশুর খুর শক্ত হলো অর্থে ‘ওয়াকুহা’ এবং ‘আওকাহা’। আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম বা ডুকরে কাঁদলাম অর্থে ‘জাহাশতু’ এবং ‘আজহাশতু’। লোকেরা তাদের মতামতে বা সিদ্ধান্তে ঐক্যবদ্ধ হলো অর্থে ‘জামা’আ’ এবং ‘আজমা’উ’। কাপড়টি জীর্ণ বা পুরনো হয়ে গেল অর্থে ‘সামালা’ এবং ‘আসমাল’। শিশিটি প্রবলভাবে কেঁপে উঠলো অর্থে ‘আসাফাত’ এবং ‘আ’সাফাতুহা’। সে ইহরাম থেকে মুক্ত হলো অর্থে ‘হাল্লা’ এবং ‘আহাল্লা’। সে রোগ থেকে মুক্তি পেল বা আরোগ্য লাভ করলো অর্থে ‘বাল্লা’ এবং ‘আবাল্লা’। আমি তার নিকট অবস্থান করলাম অর্থে ‘সাউয়াইতু’ এবং ‘আসাউয়াইতু’। বীর্যপাত হলো অর্থে ‘মানাইতু’ এবং ‘আমানাইতু’। মজি (পিচ্ছিল রস) নির্গত হলো অর্থে ‘মাজাইতু’ এবং ‘আমজাইতু’। তারা তার চারদিকে প্রদক্ষিণ করলো অর্থে ‘তাফু’ এবং ‘আতাফু’। সে ঘোড়ার পিঠে লাফিয়ে সওয়ার হলো অর্থে ‘হালা’ এবং ‘আহালা’। ঘোড়াটি তার কান খাড়া করলো অর্থে ‘সাররা’ এবং ‘আসাররা’। খাবারটি তেতো হয়ে গেল অর্থে ‘মাররা’ এবং ‘আমাররা’। যুদ্ধে আমি কওমের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম বা আক্রমণ করলাম অর্থে ‘ওয়াকা’তু’ এবং ‘আওকা’তু’। আমি খেজুর খেয়ে আঁটি ফেলে দিলাম অর্থে ‘নাওয়াইতু’ এবং ‘আনওয়াইতু’। সে মূর্ছিত বা অজ্ঞান হলো অর্থে ‘গুমিয়া’ এবং ‘অুগমিয়া’। আমি তার নিকট থেকে দূরে সরে গেলাম অর্থে ‘মাতাইতু’ এবং ‘আমতাইতু’। অনুরূপভাবে অন্যকে সরিয়ে দেওয়া অর্থেও ‘মাতাততু’ এবং ‘আমতাইতু’ বলা হয়; এটি আবু যাইদ-এর অভিমত। তবে আসমায়ি বলেন, নিজের ক্ষেত্রে ‘মাতাততু’ এবং অন্যকে সরানোর ক্ষেত্রে কেবল ‘আমতাইতু’ ব্যবহৃত হয়। আমি লোকটিকে দমন বা পরাস্ত করলাম অর্থে ‘কামা’তু’ এবং ‘আকমা’তু’। আকাশ থেকে তাদের ওপর বিদ্যুৎ বা বজ্রপাত হলো অর্থে ‘সা’আকাতহুম’ এবং ‘আসা’আকাতহুম’, অর্থাৎ তাদের ওপর বজ্র নিপতিত হলো। আমি তাকে পানিতে নিমজ্জিত করলাম অর্থে ‘কামাসতুহু’ এবং ‘আকামাসতুহু’। বিষয়টি আমাকে ব্যথিত বা দগ্ধ করলো অর্থে ‘মাদ্দানি’ এবং ‘আমাদ্দানি’। আসমায়ি বলেন, তিনি কেবল আলিফ যোগে ‘আমাদ্দানি’ রূপটিই জানেন। আমি কোনো বস্তু আগুনে দগ্ধ বা রোস্ট করলাম অর্থে ‘সালাইতু’ এবং ‘আসালাইতু’। আমি গোশত থেকে চামড়া আলাদা করলাম বা ছাল ছাড়ালাম অর্থে ‘নাজাওতু’ এবং ‘আনজাইতু’। আমি তাকে কবরে সমাহিত করলাম বা লোকচক্ষুর আড়ালে নিয়ে গেলাম অর্থে ‘জানানতুহু’ এবং ‘আজানানতুহু’। তার পালাজ্বর চতুর্থ দিনে এলো অর্থে ‘রাবা’আত’ এবং ‘আরবা’আত’; একদিন অন্তর জ্বর আসাকে ‘গাব্বাত’ এবং ‘আগাব্বাত’ বলা হয়। আমি পঞ্চাশের ঊর্ধ্বে গেলাম বা সংখ্যাটি বৃদ্ধি করলাম অর্থে ‘রামাইতু’ এবং ‘আরামাইতু’। উষ্ট্রীটি ঘাস ভক্ষণ করলো অর্থে ‘কালা’আত’ এবং ‘আকালা’আত’। আমি ঘোড়াকে লাগাম পরালাম বা নিয়ন্ত্রণে আনলাম অর্থে ‘হাকামতু’ এবং ‘আহকামতু’। আমি তাকে রশি দিয়ে বাঁধলাম অর্থে ‘রাসানতুহু’ এবং ‘আরাসানতুহু’। ঘরটি প্রশস্ত বা বড় হলো অর্থে ‘রাহুবাত’ এবং ‘আরহাবাত’।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭০)
إذا اتعست، جهرت بالقول وأجهرت، خسرت الميزان وأخسرته نقصته، حصُر الرجل من الغائط وأحصر، صقعت الأرض وأصقعت من الصقيع، عَنَدَ العِرْقُ وأعند إذا سال أكثر، لخيت الغلام وألخيته إذا أوجرته الدواء، فرشته فراشاً وأفرشته، صرَّت إليَّ رأسه وأصرته إذا أملته ضنأت المرأة وأضنأت إذا كثر ولدها، هلكت الشيء وأهلكته. قال العجاج: ومهمه هالكٍ مَنَ تَعَرَّجا بمعنى مهلك، هذا قول أبو عبيد وقال غيره أي هالك المتعرجين أي من عرج فيه واحتبس هلك.

جذا الشيء وأجذى إذا ثبت قائما، زلت الشيء وأزلته، رفل من مشيته وأرفل، وضعت في مالي وأوضعت، ووكست وأوكست، زحفت في المشي وأزحفت أعييت، أويته وآويته، وأويت إلى فلان مقصور لا غير، حلت في ظهر دابتي وأحلت إذا وثبت عليه، حشت عليه الصيد وأوحشت، قصرنا وأقصرنا في قصر العشىِّ.

وكف البيت وأوكف، خطل في كلامه وأخطل، حاك فيه القول وأحاك أي نجح، غمدت سيفي وأغمدته، رشَّت السماء وأرشَّت، وطشَّت وأطشَّت، هلت عليه التراب وأهلت، نار الشيء وأنار، خذ ما طف لك وأطف، شمس يوماً وأشمس، حالت الدار وأحالت من الحول، وبان وأبان، حضرت حتى عنت وأعينت أي بلغت العيون، طلق يده بالخير وأطلق رملت الحصير وأرملته، وسفقته وأسفقته نسجته، برا الله حجك وأبره، وسعده الله وأسعده ونعشه الله وأنعشه، قطبت الشراب وأقطبته فرجته، شظظت الوعاء وأشظظته من الشظاظ، رجعت يدي وأرجعتها، لمحته وألمحته، تبله الحب وأتبله، جلا القوم عن الموضع وأجلوا تنحوا عنه، وأجلوتهم.

قال أبو ذؤيب:

فلما جلاها بالأيام تحيرت … ثبات عليها ذُلُّها واكتئابها

يعني مشتار العسل جلاها عن موضعها بالدخان ليشتاره.

لاح الرجل وألح أي أشفق، سقت إليها الصداق وأسقته، جفلت الريح وأجفلت، خوت النجوم وأخوت إذا سقطت ولم تمطر، غبش الليل وأغبش أظلم، ذرق الطير وأذرق، صم الرجل وأصم، غامت السماء وأغامت، خلف فوه وأخلف، زففت العروس وأزففتها، وعزت إليك في الأمر وأوعزت، شنقت الناقة وأشنقتها، إذا كففتها بزمامها، وسنفتها وأسفنتها من السناف، بقَّت المرأة وأبقَّت كثر ولدها، وقد بقفت يا رجل وأبقفت إذا كثر كلامه.
যখন আপনি দুর্ভাগা হন; কথা উচ্চস্বরে বলা এবং প্রকাশ করা; ওজনে কম দেওয়া এবং তা হ্রাস করা; মলত্যাগের বেগ রুদ্ধ হওয়া এবং তা রুদ্ধ করা; ভূমি তুষারাচ্ছন্ন হওয়া এবং তুষারপাত হওয়া; ধমনী থেকে প্রবল রক্তক্ষরণ হওয়া; বালককে ঔষধ সেবন করানো; বিছানা বিছানো; মাথা নত করা বা বাঁকানো; নারীর অধিক সন্তান হওয়া; কোনো কিছু ধ্বংস করা। আল-আজজাজ বলেছেন: "এক ধ্বংসকারীর মরুভূমি যে বিচ্যুত হয়েছে" এখানে ‘হালিক’ অর্থ ‘মুহলিক’ (ধ্বংসকারী), এটি আবু উবাইদের অভিমত। অন্যরা বলেছেন, এর অর্থ বিচ্যুতদের ধ্বংসস্থল, অর্থাৎ যে ব্যক্তি সেখানে পথ হারিয়েছে এবং আটকা পড়েছে সে ধ্বংস হয়েছে।

কোনো কিছু স্থির দাঁড়িয়ে থাকা; কোনো কিছুকে বিচ্যুত করা বা সরিয়ে দেওয়া; অহংকারের সাথে পথ চলা; নিজের সম্পদের লোকসান করা; চলাফেরায় ক্লান্ত হয়ে পড়া; কাউকে আশ্রয় দেওয়া এবং কারো নিকট আশ্রয় নেওয়া (পরেরটি কেবল হ্রস্ব স্বরেই ব্যবহৃত হয়); পশুর পিঠে আরোহণ করা বা লাফিয়ে উঠা; শিকার তাড়িয়ে নিয়ে আসা; সন্ধ্যার শেষভাগে সময় অতিবাহিত করা বা কাজ সংক্ষিপ্ত করা।

ঘরের ছাদ চুইয়ে পানি পড়া; কথাবার্তায় ভুল করা; কথা কার্যকর হওয়া বা সফল হওয়া; তলোয়ার খাপবদ্ধ করা; আকাশ থেকে হালকা বৃষ্টি হওয়া; ধুলোবালি নিক্ষেপ করা; কোনো কিছু আলোকিত হওয়া; যা তোমার নাগালের মধ্যে আসে তা গ্রহণ করো; দিনটি রৌদ্রোজ্জ্বল হওয়া; এক বছর অতিক্রান্ত হওয়া; পৃথক হওয়া এবং পৃথক করা; কোনো কিছুর উৎস পর্যন্ত পৌঁছানো; বদান্যতায় হাত উন্মুক্ত করা; মাদুর বোনা; আল্লাহ আপনার হজ কবুল করুন; আল্লাহ তাকে সৌভাগ্য দান করুন এবং তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার বা উন্নতি দান করুন; পানীয় মিশ্রিত করা; চামড়ার থলে বাঁধা; হাত ফিরিয়ে নেওয়া; পলক ফেলা বা এক পলক দেখা; ভালোবাসায় উন্মাদের মতো হওয়া; সম্প্রদায়টি স্থান ত্যাগ করা বা তাদের সরিয়ে দেওয়া।

আবু জুয়াইব বলেছেন:

যখন সে দিনের আলোতে তাকে সরিয়ে দিল তখন সে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেল … তার ওপর লাঞ্ছনা ও বিষণ্ণতা স্থায়ী হলো

অর্থাৎ মধু সংগ্রহকারী মৌমাছিকে ধোঁয়ার মাধ্যমে তার স্থান থেকে সরিয়ে দিয়েছে যাতে সে মধু সংগ্রহ করতে পারে।

ভীত হওয়া বা দয়া করা; মোহরানা নিয়ে আসা বা প্রদান করা; বাতাস উড়িয়ে নেওয়া; বৃষ্টির সম্ভাবনা ছাড়াই নক্ষত্র অস্তমিত হওয়া; অন্ধকার হওয়া; পাখির বিষ্ঠা ত্যাগ করা; বধির হওয়া; আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হওয়া; মুখের দুর্গন্ধ হওয়া; কনেকে বরের নিকট নিয়ে যাওয়া; কোনো বিষয়ে পরামর্শ বা সতর্ক করা; উটকে লাগাম টেনে ধরা; উটকে রশি দিয়ে বাঁধা; নারীর অধিক সন্তান হওয়া; এবং হে লোক, যখন কারো কথা অনেক বেড়ে যায় তখন তাকে এই বিশেষণে অভিহিত করা হয়।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭১)
حرست الناقة وأحرستها إذا سرت عليها حتى تهزل، قحدت الناقة وأقحدت إذا صار مقحادا وهي العظيمة السنام، وهنه الله وأوهنه قال طرفة أنني لست بموهون فقر.

فقال الآخر:

أقتلت سادتنا بغير دم … إلا لتوهن آمن العظْم

صغوت إلى الرجل وأصغيت، ذروت الحب وأذريته الفراء، وجملت الشحم وأجملته أذبته، نجزت الحاجة وأنجزتها قضيتها، ركست الشيء وأركسته إذا رددته قال الله تعالى: {وَاللَّهُ أَرْكَسَهُمْ بِمَا كَسَبُوا} يروى في التفسير ردهم إلى كفرهم ابن العربي، مرأني الطعام وأمرأني، وروى لطَّ دون الحق بالباطل وألطَّ، وقول الناس الإلطاط وهو ملط من هذا، ويروى كفأت الإناء وأكفيته، ألفت المكان وآلفته، نكرت القوم وأنكرتهم، نعم الله بك عيناً وأنعم، جدب الوادي وأجدب، وخصب وأخصب، وبأت الأرض وأوبأت، وحطبت وأحطبت، وعشبت وأعشبت، وبقلت وأبقلت، وضبعت الناقة وأضبعت اشتهت الفحل، لحقته وألحقته ومنه إن عذاب بالكفار ملحق أي لاحق، قويت الدار وأقوت، زكنت الأمر وأزكنته، خطئت وأخطأت.

وقال الله تعالى: {لا يَأْكُلُهُ إِلَاّ الْخَاطِئُونَ} .

وقال الشاعر:

عبادك يخطئون وأنت … رب بِكَفَّيْكَ المنايا لا تموت

ردفته وأردفته، ملح الماء وأملح، ونتن الشيء وأنتن، أعورت عينه وعرتها، دير بالرجل وأدير من دوار الرأس، مرع الوادي وأمرع … انتهى كلام ابن قتيبة.

قال في لحن العامة1 فعل وأفعل: يخلطون بين هذين الوزنين ففي العربية أفعال جاءت على وزن أفعل ينطقونها ثلاثية على فعل فيقولون: ضج القوم، وحكّني رأسي وأحس كذا وشرعت الرمح، وعييت، وحسن الشيء ومسكت كذا وصح الله بدنك، وعازني الشيء وباده الله وخزاه.

--------------------------------------------

1 انظر لحن العامة للدكتور مطر طبع وزارة الثقافة المصرية ص 94.
আমি উটটির ওপর আরোহণ করে ততক্ষণ ভ্রমণ করেছি যতক্ষণ না সেটি কৃশ হয়ে গেছে বুঝাতে 'হারাসতু' এবং 'আহরাসতু' উভয়ই ব্যবহৃত হয়। উটের কুঁজ বড় হলে 'কাহাদাতিল নাক্বাহ' এবং 'আক্বহাদাত' বলা হয়, আর এমন উটকে বলা হয় 'মিক্বহাদ'। আল্লাহ তাকে দুর্বল করেছেন বুঝাতে 'ওয়াহানাহু' এবং 'আওহানাহু' ব্যবহৃত হয়; যেমনটি ত্বরাফাহ বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমি মেরুদণ্ডের হাড়ের দুর্বলতায় আক্রান্ত নই।"

অন্য একজন কবি বলেছেন:

তুমি কি আমাদের সর্দারদের রক্তপাতহীনভাবে হত্যা করেছ … কেবল হাড়ের সন্ধিস্থলকে দুর্বল করার জন্য?

আমি লোকটির দিকে ঝুঁকেছি বা কান পেতেছি বুঝাতে 'সগাওতু' এবং 'আসহাইতু' বলা হয়। আল-ফাররা বলেন, আমি শস্য ঝেড়ে পরিষ্কার করেছি বুঝাতে 'জারাইতু' এবং 'আজরাইতু' ব্যবহৃত হয়। আমি চর্বি গলিয়েছি বুঝাতে 'জামালতু' এবং 'আজমালতু' বলা হয়। আমি প্রয়োজন পূরণ করেছি বুঝাতে 'নাজাঝতু' এবং 'আনজাঝতু' বলা হয়। কোনো কিছু উল্টে দেওয়া বা ফিরিয়ে দেওয়া বুঝাতে 'রাকাসতু' এবং 'আরকাসতু' ব্যবহৃত হয়; আল্লাহ তাআলা বলেন: "আল্লাহ তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদেরকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিয়েছেন।" ইবনুল আরাবি থেকে বর্ণিত তফসির অনুযায়ী এর অর্থ হলো—তিনি তাদেরকে পুনরায় কুফরিতে ফিরিয়ে নিয়েছেন। খাবারটি আমার জন্য সুস্বাদু ও হজমযোগ্য হয়েছে বুঝাতে 'মারাআনী' এবং 'আমরাআনী' বলা হয়। বাতিলের মাধ্যমে সত্যকে ঢেকে দেওয়া বুঝাতে 'লাত্ত্বা' এবং 'আলাত্ত্বা' বর্ণিত হয়েছে; সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচলিত 'ইলত্বাত' শব্দটি এখান থেকেই এসেছে এবং এমন ব্যক্তিকে 'মুলিত্ত্ব' বলা হয়। পাত্র উপুড় করা বুঝাতে 'কাফাতু' এবং 'আকফাইতু' বর্ণিত আছে। কোনো স্থানের সাথে পরিচিত হওয়া বা সেখানে অভ্যস্ত হওয়া বুঝাতে 'আলিফতু' এবং 'আলাফতু' ব্যবহৃত হয়। আমি লোকগুলোকে চিনতে পারিনি বা অপরিচিত মনে করেছি বুঝাতে 'নাকিরতু' এবং 'আনকারতুহুম' বলা হয়। আল্লাহ তোমার চোখ জুড়িয়ে দিন বা তোমাকে ধন্য করুন বুঝাতে 'না’ইমাল্লাহু' এবং 'আন’আমা' বলা হয়। উপত্যকাটি উষর বা দুর্ভিক্ষপীড়িত হওয়া বুঝাতে 'জাদাবা' এবং 'আজদাবা' বলা হয়; আর উর্বর হওয়া বুঝাতে 'খাস্বাবা' এবং 'আখসোয়াবা' বলা হয়। ভূমিতে মহামারি ছড়িয়ে পড়া বুঝাতে 'বাআত' এবং 'আওবাআত' বলা হয়। কাঠ সংগ্রহ করা বুঝাতে 'হাত্বাবতু' এবং 'আহাত্বাবতু' বলা হয়। ঘাস জন্মানো বুঝাতে 'আশাবাত' এবং 'আ’শাবাত' বলা হয়। শাক-সবজি জন্মানো বুঝাতে 'বাক্বলাত' এবং 'আবক্বালাত' বলা হয়। মাদী উট মদ্দা উটের মিলনাকাঙ্ক্ষী হওয়া বুঝাতে 'দবায়াত' এবং 'আদবায়াত' বলা হয়। আমি তার নাগাল পেয়েছি বা তার সাথে মিলিত হয়েছি বুঝাতে 'লাহিকতুহু' এবং 'আলহাকতুহু' বলা হয়; আর এখান থেকেই এসেছে: "নিশ্চয়ই কাফিরদের ওপর আল্লাহর আযাব আপতিত হবে" অর্থাৎ তা তাদের নাগাল পাবে। ঘরটি জনশূন্য হয়ে পড়া বুঝাতে 'ক্বাওয়াত' এবং 'আক্বওয়াত' বলা হয়। আমি বিষয়টি বুঝতে পেরেছি বা উপলব্ধি করেছি বুঝাতে 'ঝাকানতু' এবং 'আজকানতু' বলা হয়। অপরাধ করা বা ভুল করা বুঝাতে 'খাত্বি’তু' এবং 'আখত্বা’তু' বলা হয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন: "অপরাধীরা ব্যতীত কেউ তা খাবে না।"

কবি বলেছেন:

আপনার বান্দারা ভুল করে, আর আপনি … হে রব, আপনার দুই হাতেই রয়েছে মৃত্যুসমূহ, আপনি মরণশীল নন।

আমি তার পেছনে আরোহণ করেছি বুঝাতে 'রাদাফতুহু' এবং 'আরাদাফতুহু' বলা হয়। পানি লবণাক্ত হওয়া বুঝাতে 'মালাহা' এবং 'আমলাহা' বলা হয়। কোনো কিছু দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া বুঝাতে 'নাতানা' এবং 'আন্তানা' বলা হয়। তার চোখ কানা হওয়া বা আমি তাকে কানা করে দেওয়া বুঝাতে 'আওয়ারাত' এবং 'আওয়ারতুহা' বলা হয়। লোকটির মাথা ঘোরা বুঝাতে 'দিইরা' এবং 'উদিইরা' বলা হয়। উপত্যকাটি সুজলা-সুফলা হওয়া বুঝাতে 'মারা’আ' এবং 'আমরা’আ' বলা হয় … ইবনে কুতায়বার বক্তব্য এখানেই শেষ।

'লাহনুল আম্মাহ' (সাধারণ মানুষের ভাষাগত ভুল) গ্রন্থে 'ফায়ালা' ও 'আফয়ালা' ওযন সম্পর্কে বলা হয়েছে: সাধারণ মানুষ এই দুটি ওযনের মধ্যে তালগোল পাকিয়ে ফেলে। আরবিতে এমন কিছু ক্রিয়া রয়েছে যা 'আফয়ালা' ওযনে এসেছে, কিন্তু তারা সেগুলোকে 'ফায়ালা' ওযনের ন্যায় ত্রিাক্ষরিক হিসেবে উচ্চারণ করে। যেমন তারা বলে থাকে: লোকজন শোরগোল করেছে, আমার মাথা চুলকাচ্ছে, আমি এমন অনুভব করছি, আমি বর্শা তাক করেছি, আমি ক্লান্ত হয়েছি, বিষয়টি সুন্দর হয়েছে, আমি এটি ধরেছি, আল্লাহ তোমার শরীর সুস্থ রাখুন, আমি জিনিসটির অভাব বোধ করছি এবং আল্লাহ তাকে ধ্বংস ও লাঞ্ছিত করুন।

--------------------------------------------

১. দ্রষ্টব্য: ড. মাতার সম্পাদিত 'লাহনুল আম্মাহ', মিশরীয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ৯৪।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭২)
وشبه فلان أباه وصحت السماء فهي صاحية، وجبرت فلانا على كذا، وفلان يأوي اللصوص، وكل هذه الأفعال رباعية في اللغة العربية على أفعل.

وحدث عكس ما سبق أيضاً قالوا: أرفدت فلانا وأرسنت الدابة، وأردمت الباب وأسعرهم شراً، وأشملت الريح، وأشغلت فلانا، وأشفاك الله وأصرفته عما أراد، وأعناني الشيء، وأقلينا الماء، وأقست الشيء وأكريت النهر، وأكببت فلانا على وجهه، وأنعشه الله وأنجع الدواء، وأنبذت، وأوقفت دابتي، وأهديت العروس، وصواب كله على وزن فعل لا فعل وهذا الباب أعني الخلط بين فعل وأفعل قد شاع من القرن الثالث الهجري فعالجه ابن السكيت في إصلاح المنطق1، وابن قتيبة في أدب الكاتب2، وثعلب في الفصيح.

وقد صنفت في باب (فعل وأفعل) كتب خاصة للأصمعي وأبي عبيد القاسم بن سلام وأبي إسحاق الزجاج3.

--------------------------------------------

1 من ص 225 إلى ص 228. من 333-353.

2 أبواب فعلت بغير ألف، فعلت وأفعلت، أفعل.

3 انظر تاريخ الأدب العربي لبروكلمان ج 2 ص 149.
অমুক তার পিতার সদৃশ হয়েছে, আকাশ নির্মল হয়েছে তাই তা পরিষ্কার, আমি অমুককে অমুক বিষয়ে বাধ্য করেছি এবং অমুক চোরদের আশ্রয় দেয়; আরবি ভাষায় এই সকল ক্রিয়াই 'আফআলা' ওজনে চতুর্মাত্রিক।

আবার পূর্বোক্ত বিষয়ের বিপরীত ঘটনাও ঘটেছে। যেমন তারা বলে: আমি অমুককে সাহায্য করেছি, পশুর লাগাম পরিয়েছি, দরজা বন্ধ করেছি, সে তাদের মন্দের দিকে উসকে দিয়েছে, বাতাস উত্তর দিক থেকে প্রবাহিত হয়েছে, অমুককে ব্যস্ত রেখেছি, আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করুন, আমি তাকে তার সংকল্প থেকে ফিরিয়ে দিয়েছি, বিষয়টি আমাকে ক্লান্ত করেছে, আমরা পানি ফুটিয়েছি, আমি বিষয়টির পরিমাপ করেছি, নদী খনন করেছি, অমুককে উপুড় করে ফেলে দিয়েছি, আল্লাহ তাকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন, ঔষধ কার্যকর হয়েছে, আমি নিক্ষেপ করেছি, বাহন থামিয়েছি এবং কনেকে পাঠিয়েছি; অথচ এই সবগুলোরই সঠিক রূপ হলো 'ফাআলা' ওজনে, 'আফআলা' ওজনে নয়। 'ফাআলা' এবং 'আফআলা' ওজনের মধ্যকার এই সংমিশ্রণের বিষয়টি হিজরি তৃতীয় শতাব্দী থেকে ব্যাপকতা লাভ করে। ফলে ইবনুল সিক্কিত তার 'ইসলাহুল মানতিক' গ্রন্থে, ইবনে কুতায়বাহ তার 'আদাবুল কাতিব' গ্রন্থে এবং সা'লাব তার 'আল-ফাসিহ' গ্রন্থে এই সমস্যার প্রতিকার করেছেন।

'ফাআলা এবং আফআলা' বিষয়ে আসমাঈ, আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লাম এবং আবু ইসহাক আল-যাজ্জাজ বিশেষ গ্রন্থ রচনা করেছেন।

--------------------------------------------

১. পৃষ্ঠা ২২৫ থেকে ২২৮ পর্যন্ত। পৃষ্ঠা ৩৩৩-৩৫৩ থেকে।

২. আলিফ ব্যতীত 'ফাআলতু' অধ্যায়সমূহ, 'ফাআলতু ওয়া আফআলতু' এবং 'আফআলা'।

৩. ব্রোকলম্যানের 'তারিখুল আদাবুল আরাবি' (আরবি সাহিত্যের ইতিহাস), ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৪৯ দেখুন।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭২)
‌‌أفعال ينطقها العامة بالهمزة والفصيح بدونه

وقد عقد لها ابن السكيت في كتابه إصلاح المنطق4.

تقول نعشه الله يَنْعَشَه أي رفعه الله ومنه سمى النعش نعشاً لارتفاعه ولا يقال أنعشه: وتقول: نجع فيه الدواء، وقد نجع في الدابة العلف ينجع ولا يقال قد أنجع فيه.

ويقال قد نبذت نبيذاً وقد نبذت الشيء من يدي إذا ألقيته فقال: أبو محمد أنشدني غير واحد:

نظرت على عنوانه فنبذته

… كنبذك نعلا أخلقت من نعالكا

ومنه قوله تعالى: {فَنَبَذُوهُ وَرَاءَ ظُهُورِهِمْ} ولا يقال أنبذت نبيذاً. وقد شغلته ولا يقال أشغلته.

--------------------------------------------

1 من ص 225 إلى ص 228. من 333-353.

2 أبواب فعلت بغير ألف، فعلت وأفعلت، أفعل.

3 انظر تاريخ الأدب العربي لبروكلمان ج 2 ص 149.

4 انظر إصلاح المنطق ص 251 باب يتكلم فيه بفعلت مما تغلط فيه العامة فيتكلمون بأفعلت.
সাধারণ মানুষ যে ক্রিয়াগুলোকে হামজা সহকারে উচ্চারণ করে, অথচ শুদ্ধ ভাষায় তা হামজা বিহীন

ইবনুল সিক্কিত তাঁর 'ইসলাহুল মানতিক' গ্রন্থে এর জন্য একটি বিশেষ পরিচ্ছেদ নির্ধারণ করেছেন।

তুমি বলবে: 'নাআশাহুল্লাহু ইয়ানআশাউহু' অর্থাৎ আল্লাহ তাকে উন্নীত করেছেন বা উপরে তুলেছেন। আর এ কারণেই খাটিয়াকে 'নাশ' বলা হয় কারণ তা উঁচু করা হয়। 'আনআশাহু' বলা যাবে না। আর তুমি বলবে: 'নাজাআ ফীহিদ দাওয়াউ' (ওষুধটি তার মধ্যে কার্যকর হয়েছে)। আর চতুষ্পদ জন্তুর ক্ষেত্রে ঘাস বা খাদ্য কাজ করলে বলা হয় 'ইয়ানজাউ'। 'আনজাআ ফীহি' বলা যাবে না।

বলা হয়: 'নাবাজতু নাবীজান' (আমি পানীয় তৈরি করেছি)। আর যখন কোনো কিছু হাত থেকে ফেলে দেওয়া হয়, তখন বলা হয় 'নাবাজতুশ শাইয়া'। আবু মুহাম্মাদ বলেন: একাধিক ব্যক্তি আমার কাছে এই পংক্তিটি আবৃত্তি করেছেন:

আমি এর শিরোনামের দিকে তাকালাম এবং তা নিক্ষেপ করলাম

... যেমন তুমি তোমার ছিঁড়ে যাওয়া পুরোনো জুতো নিক্ষেপ করো

এর উদাহরণ হলো মহান আল্লাহর বাণী: {অতঃপর তারা তা তাদের পিছনের দিকে নিক্ষেপ করল}। 'আনবাজতু নাবীজান' বলা যাবে না। একইভাবে 'শাগালতুহু' (আমি তাকে ব্যস্ত রেখেছি) বলতে হবে, 'আশগালতুহু' বলা যাবে না।

--------------------------------------------

১. পৃষ্ঠা ২২৫ থেকে ২২৮ পর্যন্ত; পৃষ্ঠা ৩৩৩-৩৫৩ পর্যন্ত।

২. 'ফাআলতু' অধ্যায়সমূহ যা আলিফ ব্যতীত ব্যবহৃত হয়, 'ফাআলতু' এবং 'আফআলতু', 'আফআলা'।

৩. দেখুন: ব্রোকলম্যান রচিত 'তারীখুল আদাবিল আরাবী', ২য় খণ্ড, ১৪৯ পৃষ্ঠা।

৪. দেখুন: ইসলাহুল মানতিক, ২৫১ পৃষ্ঠা, ঐ অধ্যায় যেখানে এমন 'ফাআলতু' শব্দ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ ভুলবশত 'আফআলতু' বলে থাকে।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৩)
ويقال سعرهم شراً ولا يقال أسعرهم، وقد رعبته إذا أفزعته وكذلك رعبت الحوض إذا ملأته وهو مرعوب.

قال الهذلي أبو خراش:

نقاتل جوعهم بمكلاّت

… من الفُرنّى يرعبها الجميل

ويقال جملت الشحم إذا أذبته وكذلك أجتملت وقال مليح بن الحكم الهذلي:

بذي هيدب أيما الربا تحت

… ودقة فتروى وأيما كل واد فيرعب

أيما في معنى أما.

وقد هزلت دابتي وكذلك هزل في منطقه يهزل ويقال قد أهزل الناس إذا وقع في أموالهم الهزال.

وقد كفأت الإناء فهو مكفوء إذا قلبته.

ويقال قد قلبت الشيء وأقلبته قلباً، وقد قلبت الصبيان وصرفتهم بغير ألف.

وقالوا أقلبت الخبزة إذا نضجت وأنى لها أن تقلب. وقد وقفت دابتي وقد وقفت وقفاً للمساكين، ووقفته على ذنب كله بغير ألف.

وحكى الكسائي: ما أوقفك هاهنا؟ أي شيء أوقفك هاهنا؟ صيرك إلى الوقوف.

قال الأصمعي: جنبت الريح وشملت وقبلت وصبت ودبرت كله بغير ألف.

ويقال قد برقت السماء وأرعدت وقد برق ورعد إذا تهدد وأوعد، قال ولم يكن يرى بيت الكميت حجة لأنه عنده مولد وهو قوله.

أبرق وأرعد يا يزيد

… فما وعيدك لي بضائر

وحكى أبو عبيدة وأبو عمرو: برق ورعد، وأبرق وأرعد إذا تهدد وأوعد، الفراء يقال: وعدته خيرا ووعدته شرا بإسقاط الألف فإذا أسقطوا الخير والشر قالوا في الخير وعدته وفي الشر أوعدته، وفي الخير الوعد والعدة وفي الشر الإيعاد والوعيد وإذا قالوا أوعدته بالشر أو بكذا أثبتوا الألف مع الياء وأنشد.

أوعدني بالسجن والأداهم

… رجلي ورجلي شثنة المناسم
বলা হয়ে থাকে 'সাআরাহুম শাররান' (তিনি তাদের মাঝে মন্দের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছেন), কিন্তু 'আসআরাহুম' বলা হয় না। যখন আমি কাউকে আতঙ্কিত করি তখন বলা হয় 'রাআবতুহু'। অনুরূপভাবে যখন আমি হাউজ বা চৌবাচ্চা পূর্ণ করি তখন বলা হয় 'রাআবতুহু', এমতাবস্থায় সেটি 'মারউব' (পূর্ণ)।

হুযালী কবি আবু খিরাশ বলেছেন:

আমরা তাদের ক্ষুধাকে প্রতিহত করি খাদ্যপূর্ণ পাত্রসমূহ দিয়ে

… গমের রুটি যা চর্বি দ্বারা পূর্ণ করা হয়েছে।

বলা হয় 'জামালতুশ শাহমা' যখন আমি চর্বি গলাই। অনুরূপভাবে 'ইজতামালতু'ও বলা হয়। মালিহ ইবনুল হাকাম আল-হুযালী বলেছেন:

ঝুলে পড়া মেঘের মাধ্যমে যার নিচে পাহাড়ের চূড়াগুলো রয়েছে

… এবং ঝিরঝিরে বৃষ্টি, ফলে তা সিক্ত হয় এবং প্রতিটি উপত্যকা পূর্ণ হয়ে যায়।

'আইয়্যামা' শব্দটি 'আম্মা' অর্থে ব্যবহৃত হয়।

আমার পশুটি কৃশ বা দুর্বল হয়ে পড়েছে। অনুরূপভাবে যখন কেউ তার কথাবার্তায় ঠাট্টা বা হালকা কথা বলে তখন 'হাযালা' 'ইয়াহযুলু' বলা হয়। আর যখন মানুষের গবাদি পশুগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে তখন বলা হয় 'আহযালাল ক্বাওমু'।

আমি পাত্রটিকে উল্টে দিয়েছি, তখন সেটি 'মাকফুউ'।

বলা হয় 'ক্বালাবতুশ শাইআ' এবং 'আক্বলাবতুহু' (আমি বস্তুটিকে উল্টে দিয়েছি বা পরিবর্তন করেছি)। আর আলিফ ব্যতিরেকে 'ক্বালাবতুস সিবইয়ানা ওয়া সারাফতুহুম' (আমি শিশুদের ফিরিয়ে দিয়েছি বা বিদায় দিয়েছি) বলা হয়।

তারা বলেন, রুটিটি যখন সুসিদ্ধ বা খাওয়ার উপযোগী হয় তখন 'আক্বলাবাতিল খুবযাতু' বলা হয়। আমি আমার পশুকে থামিয়েছি অর্থে 'ওয়াক্বাফতু দাব্বাতি' এবং আমি মিসকিনদের জন্য ওয়াকফ করেছি অর্থে 'ওয়াক্বাফতু ওয়াক্বফালিল মাসাকিন' বলা হয়। আর আমি তাকে তার অপরাধ সম্পর্কে অবগত করেছি অর্থে 'ওয়াক্বাফতুহু আলা যানবিহি' - এই সবই আলিফ ব্যতীত ব্যবহৃত হয়।

কিসায়ী বর্ণনা করেছেন: 'মা আওক্বাফাকা হাহুনা?' অর্থাৎ কোন জিনিস তোমাকে এখানে থামিয়ে দিয়েছে বা দাঁড় করিয়েছে?

আসমায়ী বলেছেন: 'জানাবাতুর রিহু' (দক্ষিণা বাতাস বইল), 'শামালাত' (উত্তরা বাতাস), 'ক্বাবিলাত' (পূর্বা বাতাস), 'সাব্বাত' এবং 'দাব্বারাত' (পশ্চিমা বাতাস)—এই সবই আলিফ ব্যতীত ব্যবহৃত হয়।

বলা হয় 'বারাক্বাতিস সামাউ' (আকাশে বিদ্যুৎ চমকাল) এবং 'আরআদাত' (বজ্রপাত হলো)। আর যখন কেউ হুমকি বা ধমক দেয় তখন 'বারাক্বা' এবং 'রাআদা' বলা হয়। তিনি (আসমায়ী) বলেছেন যে, কুমাইতের কাব্যচরণকে তিনি দলিল হিসেবে গণ্য করতেন না, কারণ সেটি তার মতে পরবর্তীকালের (মুওয়াল্লাদ)। তার কবিতাটি হলো:

হে ইয়াযিদ! তুমি বিদ্যুৎ চমকাও এবং গর্জন করো (হুমকি দাও)

… কারণ তোমার ধমক আমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।

আবু উবাইদাহ এবং আবু আমর বর্ণনা করেছেন: হুমকি বা ধমক দেওয়ার ক্ষেত্রে 'বারাক্বা ওয়া রাআদা' এবং 'আবরাক্বা ওয়া আরআদা' উভয়ই বলা হয়। ফিররা বলেন: ভালো কিছুর প্রতিশ্রুতি দিলে 'ওয়াআদতুহু খাইরান' এবং মন্দের হুমকি দিলে 'ওয়াআদতুহু শাররান' আলিফ বাদ দিয়ে বলা হয়। আর যখন তারা 'খাইর' (কল্যাণ) এবং 'শার' (অকল্যাণ) শব্দদ্বয় উল্লেখ করে না, তখন কল্যাণের ক্ষেত্রে বলে 'ওয়াআদতুহু' এবং অকল্যাণের (হুমকি) ক্ষেত্রে বলে 'আওয়াআদতুহু'। কল্যাণের ক্ষেত্রে এর ক্রিয়ামূল হলো 'আল-ওয়াদ' এবং 'আল-ইদাহ', আর মন্দের ক্ষেত্রে 'আল-ঈআদ' এবং 'আল-ওয়াইদ'। যখন তারা মন্দের বা কোনো কিছুর হুমকি দেয়, তখন আলিফের সাথে ইয়া যোগ করে 'আওয়াআদতুহু' ব্যবহার করে এবং তিনি পাঠ করেছেন:

সে আমাকে জেলখানা এবং শিকল দিয়ে হুমকি দিচ্ছে

… অথচ আমার পা, আর আমার পায়ের তালু বেশ শক্ত।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৪)
ويقال قد كببته لوجهه وكب الله الأبعد لوجهه ولا يقال أكب الله، ويقال قد علفت الدابة وقد رسنتها بغير الألف.

وقد حششت بعيري، وقد حميت المريض وأحمية حمْيَة وقد حميت أَنَفًا أن أفعل كذا وكذا حمية ومحمية إذا أنفت أن تفعله.

ويقال: عبته ولا يقال أعبته، وحدرت السفينة ولا يقال أحدرتها، وعن غير يعقوب حميت المكان وأَحْميته أي جعلته حمى لا يقرب، ومنعت الناس منه وكذلك المسمار وأحميته أنشدنا أبو الحسن ويعقوب وغيره.

حمى أحماته فَتُركن قفرا

… وأحمى ما يليه من الإجام

وقد رفدته ولا يقال أرفدته.

وقد عقد لها الزجاج في كتاب فعلت وأفعلت باب ما تكلم فيه بفعلت دون أفعلت وما اختير فيه فعلت1 على أفعلت.

يقال بهأت به وبهئت به إذا أنست به … وبردت عيني أبردها … وبرد الماء حرارة جوفي بردا … وبحرت أذن الناقة شققتها وبترت الشيء قطعته من أصله.

تنح بالمكان وتنأ به أقسام به وتمك السنام إذا ارتفع.

ثنيت الشيء عطفته، وثلمت الشيء فهم مثلوم، وثبر الله العدو أهلكه فهو مبثور، وثروت الرجل إذا كنت أكثر منه مالاً وثلجت صدر الرجل إذا أتيته بما يسره وهو حق. وثمأت رأسه بالحجر شدخته.

يقال دمعت العين تدمع … ودرأته عن الشيء أدراه دفعته … ودهنت الناقة ودهنت إذا قل لبنها، ودنأ يدنأ دناءه ودنوء إذا كان دنيا لا خير فيه.

--------------------------------------------

1 انظر الأفعال لابن القطاع، وإصلاح المنطق لابن السكيت وتصحيح الفصيح ج 1 ص 163 طبعة بغداد.
বলা হয়, 'আমি তাকে উপুড় করে ফেলেছি' এবং 'আল্লাহ সেই পাপিষ্ঠকে তার চেহারার ওপর উপুড় করে ফেলেছেন', কিন্তু 'আকাব্বা আল্লাহ' বলা হয় না। এবং বলা হয়, 'আমি পশুকে ঘাস খাইয়েছি' এবং 'আমি তাকে লাগাম পরিয়েছি', আলিফ (বর্ণ) ব্যতিরেকে।

আমি আমার উটের জন্য ঘাস সংগ্রহ করেছি, আমি রোগীকে নির্দিষ্ট খাবার থেকে বিরত রেখেছি এবং তাকে পথ্য পালনে বাধ্য করেছি। এবং আমি মর্যাদাবোধ থেকে অমুক অমুক কাজ করা থেকে বিরত থেকেছি, যখন আপনি কোনো কাজ করাকে নিজের জন্য মর্যাদাহানিকর মনে করেন।

বলা হয়: 'আমি তার দোষ বর্ণনা করেছি' এবং 'আমি তাকে ত্রুটিযুক্ত করেছি' বলা হয় না। এবং 'আমি নৌকাটি নিচের দিকে নামিয়েছি', 'আমি তাকে নামিয়ে দিয়েছি' বলা হয় না। আর ইয়াকুব ছাড়া অন্যদের মতে, 'আমি জায়গাটিকে সংরক্ষিত করেছি' এবং 'আমি তা সুরক্ষিত করেছি', অর্থাৎ আমি সেটিকে সংরক্ষিত এলাকা বানিয়েছি যেখানে কেউ কাছে ভিড়তে পারবে না এবং আমি মানুষকে সেখান থেকে বিরত রেখেছি। অনুরূপভাবে পেরেক এবং 'আমি তা উত্তপ্ত করেছি' (উভয়টিই ব্যবহৃত হয়)। আমাদের কাছে আবু আল-হাসান, ইয়াকুব এবং অন্যান্যরা কবিতা পাঠ করেছেন:

তিনি তার সংরক্ষিত এলাকাগুলোকে রক্ষা করেছেন, ফলে সেগুলো জনশূন্য হয়ে পড়ে রয়েছে

... এবং তিনি তার নিকটবর্তী ঝোপঝাড়গুলোকেও সুরক্ষিত করেছেন

আমি তাকে সাহায্য করেছি, 'আমি তাকে সাহায্য দিয়েছি' (আফ'আলতু ছাঁচে) বলা হয় না।

আয-যাজ্জাজ তার 'ফা'আলতু ওয়া আফ'আলতু' গ্রন্থে একটি অধ্যায় রচনা করেছেন সেই শব্দগুলো নিয়ে যেগুলো 'ফা'আলতু' ছাঁচে বলা হয়, 'আফ'আলতু' ছাঁচে নয় এবং যে শব্দগুলোতে 'আফ'আলতু'র চেয়ে 'ফা'আলতু' ছাঁচকে পছন্দ করা হয়েছে।১

বলা হয়, 'আমি তার প্রতি অভ্যস্ত হয়েছি' এবং 'আমি তার সাথে ঘনিষ্ঠ হয়েছি' যখন আপনি তার প্রতি অনুরাগী হন ... এবং 'আমি আমার চোখ শীতল করেছি' ... এবং 'পানি আমার অন্তরের দহনকে শীতল করেছে' ... এবং 'আমি উটনীর কান চিরেছি' এবং 'আমি বস্তুটিকে তার মূল থেকে কেটে ফেলেছি'।

সে স্থানে অবস্থান করেছে এবং সেখানে স্থায়ী হয়েছে, আর 'কুঁজটি পুষ্ট হয়েছে' যখন তা উঁচু হয়ে যায়।

আমি বস্তুটিকে বাকিয়েছি বা ভাজ করেছি, এবং 'আমি বস্তুটিকে ভেঙেছি বা ফুটো করেছি' ফলে সেটি ত্রুটিযুক্ত হয়েছে। এবং 'আল্লাহ শত্রুকে ধ্বংস করেছেন' ফলে সে ধ্বংসপ্রাপ্ত। আর 'আমি লোকটির চেয়ে সম্পদশালী হয়েছি' যখন আপনার সম্পদ তার চেয়ে বেশি হয়। এবং 'আমি লোকটির অন্তরকে শান্ত করেছি' যখন আপনি তার কাছে এমন কিছু নিয়ে আসেন যা তাকে আনন্দিত করে এবং তা সত্য হয়। এবং 'আমি পাথর দিয়ে তার মাথা চূর্ণ করেছি'।

বলা হয়, 'চোখ অশ্রুসজল হয়েছে' ... এবং 'আমি তাকে তা থেকে ফিরিয়ে দিয়েছি' অর্থাৎ আমি তাকে প্রতিহত করেছি ... এবং 'উটনীটির দুধ কমে গিয়েছে' যখন তার দুধের পরিমাণ অল্প হয়। এবং 'সে নীচ হয়েছে' যখন সে এমন অধম হয় যার মাঝে কোনো কল্যাণ নেই।

--------------------------------------------

১ দেখুন: ইবনুল কাত্তাউ-এর আল-আফআল, ইবনুস সিক্কিত-এর ইসলাহুল মান্তিক এবং তাসহিহুল ফাসিহ ১ম খণ্ড, ১৬৩ পৃষ্ঠা, বাগদাদ সংস্করণ।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৫)
يقال رعف الرجل من الرعاف، ورعبت الرجل أرعبُه ورزأته أرزؤه رزءً أي أصبت منه خيرا … وربأت القوم أربؤهم إذا كنت لهم طليعة … ورفأت السفينة رفءً إذا قربتها من الشط … ورقأت العين إذا جفت دمعها … ورأيت الشيء إذا أصلحته … ورأفت الرجل أرأف به إذا رحمته ورأس الرجل القوم صار رئيسهم.

يقال زريت على الرجل أزري عليه إذا أعبته، وزرى الرجل وجهه عني، وزرى الميراث عن الورثة … وزعيت له من المال زعية أعطيته منه قطعة، وزيده زيدا أعطاه … وزأدت الرجل دعوته … وزنأ في الجبل صعد وزبرت الكتاب كتبته.

سحوت القرطاس وسحيته قشرته … وسبيت العدو سبيا وسبأت الخمر شربتها … وسأبت الرجل ختنته … وسرأت المرأة كثر ولدها … وسلأت السمن أَسْلَؤُهُ إذا خلصته.

شريت الشيء أشريته وشريته بعته، وشملت الريح … وشأوت القوم سبقتهم … وشفأ الناب طلع.

صرف الله عنك الأذى … وصرفت القوم عن الشيء وصرف عن الأمر أعرض عنه … وصمدت للشيء أصمد له وصبت الريح من الصبا … وصبأت عن الشيء رجعت عنه وصبا الرجل في دينه صار صابئاً … وصبأ الناب طلع وصال الطيب وغيره يصيل بالشيء إذا لزق به.

ضفا الشيء إذا كثر يضفو … وضمر الشيء فهو ضامر … وضفرت الشعر … وضربت إليه لجأت إليه … وضامه يضميه إذا ظلمه … وضبأ الرجل بالمكان إذا اختبأ ضبوءا … وضلعت مع فلان مِلْتُ معه.
বলুন বলা হয়ে থাকে ‘রাআফা আর-রাজুল’ অর্থাৎ লোকটির নাক দিয়ে রক্ত ঝরল (রুআফ থেকে), এবং ‘রাআবতু আর-রাজুল’ মানে আমি লোকটিকে ভীত করলাম, আর ‘রাজা’তুহু’ অর্থ আমি তার কাছ থেকে কোনো কল্যাণ লাভ করলাম ... আর ‘রাবা’তুল কউম’ মানে যখন আমি তাদের জন্য অগ্রবর্তী পর্যবেক্ষক হলাম ... আর ‘রাফাউতুস সাফিনাহ’ মানে যখন আমি নৌকাটিকে তীরের নিকটবর্তী করলাম ... আর ‘রাকাআতিল আইন’ মানে যখন চোখের অশ্রু শুকিয়ে গেল ... আর ‘রাআইতুশ শাই’ মানে যখন আমি বস্তুটিকে সংশোধন করলাম ... আর ‘রাআফতু বির-রাজুল’ মানে যখন আমি লোকটির প্রতি দয়া করলাম, আর ‘রাআসার রাজুলুল কউম’ মানে লোকটি সম্প্রদায়ের প্রধান হলো।

বলা হয় ‘জরাইতু আলার রাজুল’ মানে যখন আমি তাকে দোষারোপ করলাম, আর ‘জরা আর-রাজুলু ওয়াজহাহু আন্নি’ মানে লোকটি আমার থেকে তার মুখ ফিরিয়ে নিল, এবং ‘জরাল মিরাছা আনিল ওয়ারাবাহ’ মানে সে উত্তরাধিকারীদের থেকে মিরাস সরিয়ে রাখল ... আর ‘জাআইতু লাহু মিনাল মাল’ মানে আমি তাকে সম্পদের একটি অংশ প্রদান করলাম, এবং ‘জাইদাহু জাইদান’ মানে সে তাকে অতিরিক্ত প্রদান করল ... আর ‘জأদতুর রাজুল’ মানে আমি লোকটিকে ডাকলাম ... আর ‘জানাআ ফিল জাবাল’ মানে সে পাহাড়ে আরোহণ করল এবং ‘জাবাতুল কিতাব’ মানে আমি বইটি লিখলাম।

‘সাহাউতুল কিরতাস’ এবং ‘সাহাইতুহু’ মানে আমি কাগজটির উপরিভাগ ছিলে ফেললাম ... আর ‘সাবাইতুল আদুউ’ মানে আমি শত্রুকে বন্দি করলাম, এবং ‘সাবা’তুল খামর’ মানে আমি মদ পান করলাম ... আর ‘সাআবতুর রাজুল’ মানে আমি লোকটির খতনা করালাম ... আর ‘সারাআতিল মারআহ’ মানে মহিলার সন্তান সংখ্যা বৃদ্ধি পেল ... আর ‘সালা’তুস সামন’ মানে আমি ঘি গলিয়ে খাঁটি করলাম।

‘শারাইতুশ শাই’ মানে আমি বস্তুটি ক্রয় করলাম আবার ‘শারাইতুহু’ মানে আমি তা বিক্রয় করলাম, আর ‘শামালাতির রিহ’ মানে উত্তর দিকের বাতাস প্রবাহিত হলো ... আর ‘শাউতুল কউম’ মানে আমি সম্প্রদায়ের অগ্রবর্তী হলাম ... আর ‘শাফআন নাব’ মানে দাঁত গজালো।

আল্লাহ আপনার থেকে কষ্ট দূর করে দিন ... আর ‘সরফতুল কউম আনিশ শাই’ মানে আমি সম্প্রদায়কে কোনো বিষয় থেকে ফিরিয়ে রাখলাম, এবং ‘সরফা আনিল আমর’ মানে সে বিষয়টি থেকে বিমুখ হলো ... আর ‘সমাদতু লিশ-শাই’ মানে আমি কোনো কিছুর সংকল্প করলাম, আর ‘সবাতুর রিহ’ মানে পূর্ব দিকের বাতাস প্রবাহিত হলো ... আর ‘সবাআ আনিশ শাই’ মানে আমি তা থেকে ফিরে আসলাম, এবং ‘সবা আর-রাজুলু ফি দিনিহি’ মানে লোকটি তার ধর্মে সাবি (ধর্মত্যাগী) হলো ... আর ‘সবাআন নাব’ মানে দাঁত গজালো এবং ‘সালাত তীবু ওয়া গইরুহু’ মানে সুগন্ধি বা অন্য কিছু কোনো বস্তুর সাথে লেগে গেল।

‘দফা আশ-শাই’ মানে যখন কোনো কিছু প্রচুর হলো ... আর ‘দমারা আশ-শাই’ মানে বস্তুটি কৃশ হলো ... আর ‘দফারতুশ শার’ মানে আমি চুল বিনুনি করলাম ... আর ‘দরাবতু ইলাইহি’ মানে আমি তার কাছে আশ্রয় নিলাম ... আর ‘দ-মাহু’ মানে যখন সে তার ওপর জুলুম করল ... আর ‘দবাআর রাজুলু বিল মাকান’ মানে যখন লোকটি কোনো স্থানে আত্মগোপন করল ... আর ‘দলা’তু মাআ ফুলান’ মানে আমি অমুকের দিকে ঝুঁকে পড়লাম।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৬)
طما الشيء يطمو إذا علا … وطمأت الشيء واريته … وطم الشعر جزه … وطان الكتاب يطينه ختمه بالطين … وطبأه إلى الشيء يطبؤه دعاه إليه … وطبن له فطن له … وطببت له صرت طبيباً … وطببت الطب صرت رفيقاً بالشيء فهماً به.

عبأت الطيب وغيره خلطته … وعبأت بالشيء باليت به … وما عبأت بفلان ما باليت … وعابني فلان وعبته بغير ألف وعرضت الجيش … وعلفت الدابة … وعناني الأمر يعينيني بغير ألف … وعززت فلان بالشر … وعدا فلان على فلان يعدو إذا ظلمه.

غارهم إذا أتاهم بالميره وغار على الشيء غيرة … وغبنته في البيع غبناً، وغلت القدر تغلي … وغثت نفسه تغثي وغبطته أغبطه إذا أحببت أن يكون لك مثل ما له من غير أن يُسلبه.

فتأت الرجل عن رأيه أفتوه صرفته عنه … وكل شيء رددته عنك فقد فتأْته عنك.

قال الشاعر:

تغور علينا قدرهم فنديمها … وتفتؤها عنا إذا حميتها غلى

وفأوت رأسه شققته وفأيته أيضاً … وفأدت الرجل أصبت فؤاده … وفرق الرجل بين الشيئين وهو فارق بينهما فرقاً … وفقأت عينه.

قاس الرجل الشيء يقيسه … وقلمت ظفري … وقنا للون إذا احمر … وقلبت الشيء … وقلبت القوم إلى منازلهم وقريت الضيف أطعمته، وقنط الرجل قنوطاً إذا استحكم يأسه.

كسبت مالاً بغير ألف أكسبه … وكتفت الرجل أكِفُه توليت حياطته … وكرف الحمار
কোনো বস্তু বৃদ্ধি পায় বা উপচে পড়ে যখন তা উপরে উঠে … আর আমি বস্তুটি লুকিয়েছি বা ঢেকে দিয়েছি … আর চুল ছেঁটেছে বা কেটেছে … আর সে কিতাব বা পত্রে মাটি দিয়ে মোহর মেরেছে … আর সে তাকে কোনো বিষয়ের দিকে আহ্বান করেছে … আর সে তা বুঝতে পেরেছে বা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে … আর আমি তার জন্য চিকিৎসক হয়েছি … আর আমি চিকিৎসাবিদ্যায় পারদর্শী হয়েছি অর্থাৎ আমি কোনো বিষয়ে সহানুভূতিশীল ও গভীর প্রজ্ঞাসম্পন্ন হয়েছি।

আমি সুগন্ধি ও অন্যান্য বস্তু মিশ্রিত করেছি … আর আমি বিষয়টির গুরুত্ব দিয়েছি বা পরোয়া করেছি … আর আমি অমুক ব্যক্তির কোনো পরোয়া করিনি … আর অমুক ব্যক্তি আমার দোষারোপ করেছে এবং আমিও তার দোষারোপ করেছি (আলিফ ব্যতীত), আর আমি সৈন্যবাহিনী পরিদর্শন করেছি … আর আমি পশুকে ঘাস বা খাদ্য দিয়েছি … আর বিষয়টি আমাকে চিন্তিত বা ব্যস্ত করেছে (আলিফ ব্যতীত) … আর আমি অমুককে মন্দ দ্বারা পরাভূত করেছি … আর অমুক ব্যক্তি অমুকের ওপর সীমালঙ্ঘন করেছে যখন সে তার প্রতি জুলুম করেছে।

সে তাদের খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেছে যখন সে তাদের নিকট রসদ নিয়ে এসেছে, আর সে বিষয়টির ওপর আত্মমর্যাদাবোধ বা ঈর্ষা পোষণ করেছে … আর আমি তাকে ক্রয়-বিক্রয়ে ঠকিয়েছি, আর পাতিল টগবগ করে ফুটছে … আর তার মন বা আত্মা বমি বমি ভাব অনুভব করেছে, আর আমি তাকে দেখে ঈর্ষা (গিবতাহ) করেছি যখন আপনি কামনা করেন যে তার যা আছে আপনারও তা হোক, কিন্তু তার থেকে তা কেড়ে নেওয়া না হোক।

আমি লোকটিকে তার অভিমত থেকে ফিরিয়ে দিয়েছি … আর যা কিছু আপনি আপনার থেকে সরিয়ে দিয়েছেন, আপনি তা আপনার থেকে বিচ্যুত করেছেন।

কবি বলেছেন:

তাদের পাতিল আমাদের ওপর উথলে ওঠে ফলে আমরা তা অব্যাহত রাখি … আর যখন তার তাপ টগবগ করে ফোটে তখন আপনি তা আমাদের থেকে নিবৃত্ত করেন।

আর আমি তার মাথা বিদীর্ণ করেছি এবং একইভাবে বিদীর্ণ করা অর্থে অন্য শব্দটিও ব্যবহৃত হয় … আর আমি লোকটির হৃদপিণ্ডে আঘাত করেছি … আর লোকটি দুটি জিনিসের মধ্যে পার্থক্য করেছে এবং সে উভয়ের মাঝে বিচ্ছেদকারী হিসেবে পৃথক করেছে … আর আমি তার চোখ উপড়ে ফেলেছি।

লোকটি বিষয়টি পরিমাপ করেছে … আর আমি আমার নখ কেটেছি … আর রঙের উজ্জ্বলতা যখন লাল হয় … আর আমি বস্তুটি উল্টে দিয়েছি … আর আমি লোকজনকে তাদের আবাসে ফিরিয়ে দিয়েছি, আর আমি মেহমানকে খাইয়েছি তথা মেহমানদারি করেছি, আর লোকটি চরম হতাশ হয়েছে যখন তার নিরাশা সুদৃঢ় হয়েছে।

আমি সম্পদ উপার্জন করেছি (আলিফ ব্যতীত) … আর আমি লোকটির রক্ষণাবেক্ষণ বা হিফাযতের দায়িত্ব নিয়েছি … আর গাধা ঘ্রাণ নিয়েছে।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৭)
إذا شم البول ورفع رأسه … وكبا الزند يكبو إذا لم يخرج ناره … وكفلت الرجل صرت كفيله، وكعَّ الرجل عن قرنه كبن عنه … وكلمت الرجل إذا جرحته وكسأت وسطه قطعته بالسيف.

لبأت القوم أطعمتهم اللبأ … ولطأ الرجل بالأرض لزق بها … ولمَّ الشَّعث أصلحته … ولبأت اللحم من العظم قشرته … ولززت الشيء بالشيء ألزقته … ولددت الصبي صببت الدواء عن جانب فيه … ولبقت الطعام خلطته ومثله لكته … ولهف الرجل ولهث.

مجن الرجل صار ماجنا … ومأوت بين القوم أفسدت بينهم … ومأست بينهم مثله … ومأنت الرجل احتملت مؤنته … ومريت الشيء مسحته … ومقرت السمك مقراً جعلته في الخل.

نفيت الرجل بغير ألف أنفيه … ونبذت النبيذ اتخذته … ونبذت الشيء ألقيته … ونقل الرجل بين القوم سعى بالفساد بينهم وناء الرجل بالحمل ينوء إذا نهض به … وناء اللحم ينئ إذا لم ينضج في الطبخ ونسأت الإبل في مشيها إذا تأخرت … ونبأت من بلد إلى بلد خرجت … ونكأت الجرح … ونكيت في العدو … وما نبس فلان بكلمة أي ما نطق … ونوى البعير سمن.

وقفت الدابة والضيعة بغير ألف … ووصلت بين الشيئين جمعت بين طرفيهما … ووديت الرجل أعطيته ديته … ووراه الداءُ يريه أفسد جوفه … ووسمت الدابة وسما ووألت من الشيء نجوت منه … ووسقت المرأة حملت … ووسق الإبل حملها … ووشيت الثوب من الوشى وولب الرجل الكلام سلقه وأسرع فيه … ووقمت العدو قمعته وقهرته … ووأد الموؤدة دفنها وهي في الحياة ووترت الرجل من التِّرة وهي العداوة … ووصل السيب كثر واتصل … ووشيت الشيء إذا خرزته.
যখন সে প্রস্রাবের গন্ধ শোঁকে এবং মাথা উঁচু করে … আর চকমকি পাথর আগুন বের করতে ব্যর্থ হলে তাকে 'কাবা' বলা হয় … আমি লোকটির দায়িত্ব নিলাম অর্থাৎ আমি তার জামিনদার হলাম; আর লোকটি যখন তার প্রতিপক্ষ থেকে পিছিয়ে পড়ল তখন তাকে 'কাআ' বলা হয় … আমি লোকটিকে আহত করলাম এবং যখন আমি তলোয়ার দিয়ে তার মাঝখানটি দ্বিখণ্ডিত করলাম।

আমি লোকগুলোকে শালদুধ খাওয়ালাম … লোকটি মাটির সাথে লেগে রইল … আমি অগোছালো অবস্থা সংস্কার করলাম … আমি হাড় থেকে গোশত ছাড়িয়ে নিলাম … আমি এক বস্তুকে অন্য বস্তুর সাথে সেঁটে দিলাম … আমি শিশুটির মুখের এক পাশ দিয়ে ঔষধ গিলে খাওয়ালাম … আমি খাবার মিশ্রিত করলাম এবং অনুরূপভাবে একে 'লাকাততুহু'ও বলা হয় … লোকটি আক্ষেপ করল এবং হাঁপাতে লাগল।

লোকটি নির্লজ্জ হলো … আমি লোকদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করলাম … আমি তাদের মধ্যে অনুরূপ বিবাদ ঘটালাম … আমি লোকটির ভরণপোষণের দায়িত্ব নিলাম … আমি বস্তুটি মুছলাম … আমি মাছ সিরকায় ডুবিয়ে রাখলাম।

আমি আলিফ ব্যতিরেকে লোকটিকে তাড়িয়ে দিলাম … আমি নাবিয (পানীয়) প্রস্তুত করলাম … আমি বস্তুটি নিক্ষেপ করলাম … লোকটি লোকদের মাঝে চোগলখুরি করে বিবাদ সৃষ্টি করল; আর লোকটি যখন ভারী বোঝা নিয়ে ওঠার চেষ্টা করল তখন তাকে 'না-আ' বলা হয় … আর রান্নার সময় যখন গোশত সুসিদ্ধ হয় না তাকেও 'না-আ' বলা হয় এবং উট যখন চলতে চলতে পিছিয়ে পড়ে তাকে 'নাসা-আতু' বলা হয় … আমি এক দেশ থেকে অন্য দেশে প্রস্থান করলাম … আমি ক্ষতস্থানটি খুঁচিয়ে দিলাম … আমি শত্রুর ক্ষতি সাধন করলাম … অমুক ব্যক্তি একটি শব্দও উচ্চারণ করল না অর্থাৎ সে কথা বলল না … উটটি হৃষ্টপুষ্ট হলো।

আমি আলিফ ব্যতিরেকে পশু এবং ভূসম্পত্তি ওয়াকফ করলাম … আমি দুটি বস্তুর প্রান্তদ্বয়কে একত্রিত করলাম … আমি লোকটিকে তার রক্তপণ প্রদান করলাম … রোগ তার পেটের অভ্যন্তরভাগকে নষ্ট করে দিল … আমি পশুর গায়ে চিহ্ন দিলাম এবং আমি কোন বস্তু থেকে মুক্তি পেলাম … নারী গর্ভবতী হলো … উটগুলো মাল বহন করল … আমি কাপড়ে কারুকার্য করলাম এবং লোকটি কথা দ্রুত ও সাবলীলভাবে প্রকাশ করল … আমি শত্রুকে দমন ও পরাস্ত করলাম … সে জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিচাপা দিল; এবং আমি শত্রুতাবশত লোকটির ক্ষতি করলাম … দান বা প্রবাহ প্রচুর ও অবিচ্ছিন্ন হলো … আমি বস্তুটি সেলাই করলাম।
(খণ্ড: ৪৯) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৮)
هنأته النعمة وهنأني الأمر … وهرف القوم بالرجل أفرطوا في مدحه … وهرقت الماء صببته … وهتيت بالرجل إذا دعوته رافعاً صوتك … وهمدت النار طفئت، وهمد الثوب أخلق … وهزأت بالرجل وهرئت به سواء … وهال التراب صبه وهالني الأمر بغير ألف … وهجأني الطعام أشبعني.

يمن الرجل القوم بيِمنهُم إذا صار ميمونا عليهم مباركاً … ويعر الجدي يتعر يعارا إذا صاح … ويسرت بالقداح إذا ضربت بها.

أجر العظم إذا جبر على فساد … وأفل النجم إذا غار وغاب وأبر النخل يأبرها إذا لقحها … وأدمت الخبز أكلته بإدام وأممت القوم صرت لهم إماما … وأجن الماء يأجن ويأجن وأسن يأسن ويأسُن إذا تغيرت رائحته، وأطر الرجل الشيء على الشيء إذا ثناه عليه … وأصر الشيء يأصره إذا عطفه … وأشر الرجل الشيء بالحديد يأشره ويأشره بالمنشار.

(يتبع)
নিআামত তার জন্য আনন্দদায়ক হয়েছে এবং বিষয়টি আমার জন্য আনন্দদায়ক হয়েছে … সম্প্রদায়টি লোকটির প্রশংসায় সীমা লঙ্ঘন করেছে … আমি পানি ঢেলে দিয়েছি … যখন তুমি উচ্চস্বরে কাউকে ডাকো তখন তাকে বলা হয় 'হাতাইতু' (আমি তাকে ডেকেছি) … আগুন নিভে গেছে, এবং কাপড়টি জীর্ণ হয়ে গেছে … আমি লোকটিকে নিয়ে উপহাস করেছি এবং 'হারায়তু' (উপহাস করা) উভয়ই সমান … সে মাটি ঢেলে দিয়েছে এবং আলিফ ছাড়াই বলা হয় যে বিষয়টি আমাকে আতঙ্কিত করেছে … খাবারটি আমাকে পরিতৃপ্ত করেছে।

লোকটি সম্প্রদায়ের জন্য কল্যাণময় হয়েছে যখন সে তাদের জন্য সৌভাগ্যবান ও বরকতময় হয় … ছাগলছানাটি যখন চিৎকার করে তখন তাকে বলা হয় 'ইয়াআররা' … যখন তীরের মাধ্যমে ভাগ্য পরীক্ষা (জুয়া) করা হয় তখন বলা হয় 'ইয়াসারতু'।

হাড় যদি বাঁকা বা ত্রুটিপূর্ণভাবে জোড়া লাগে … নক্ষত্রটি যখন অস্তমিত ও অদৃশ্য হয় এবং সে যখন খেজুর গাছে পরাগায়ন করে … আমি রুটি সালুন বা তরকারি দিয়ে খেয়েছি এবং আমি লোকদের ইমাম বা নেতা হয়েছি … পানির স্বাদ বা বর্ণ পরিবর্তন হওয়া এবং এর গন্ধ পরিবর্তিত হয়ে দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া … লোকটি যখন একটি বস্তুকে অন্যটির উপর বাঁকায় … সে যখন বস্তুটিকে মুচড়ায় বা বাঁকায় … লোকটি লোহা দিয়ে কিছু চিরেছে অথবা করাত দিয়ে চিরেছে।

(চলবে)
(খণ্ড: ১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
بحث في صيغة أفعل بين النحويين واللغويين واستعمالاتها في العربية   (مصطفى أحمد النماس)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: بحث في صيغة أفعل بين النحويين واللغويين واستعمالاتها في العربية

المؤلف: مصطفى أحمد النماس

الناشر: مجلة الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، ورقم الجزء هو رقم العدد من المجلة]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

নাহুবিদ ও ভাষাবিদগণের মাঝে 'আফ'আলা' ছীগাহ ও আরবিতে এর ব্যবহার নিয়ে গবেষণা   (মুস্তফা আহমাদ আন-নামমাস)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


বই: নাহুবিদ ও ভাষাবিদগণের মাঝে 'আফ'আলা' ছীগাহ ও আরবিতে এর ব্যবহার নিয়ে গবেষণা

লেখক: মুস্তফা আহমাদ আন-নামমাস

প্রকাশক: মদীনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় জার্নাল

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ, এবং খণ্ড নম্বর জার্নালের সংখ্যা নম্বর হিসেবে গণ্য]

শামেলার প্রকাশকাল: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৭)
بحث في صيغة أفعل

وبين نحويين واللغويين واستعمالاتها في العربية

لفضيلة الشيخ مصطفى أحمد النماس

المدرس بكلية اللغة العربية –جامعة الأزهر

الحلقة الثالثة

‌‌تعقيب على بعض المواد

هراق

قال ابن درستويه في كتابه تصحيح الفصيح 1: وقد غلط ثعلب في وضعه قولهم: هرقت الماء في هذا الباب (باب فعلت بغير ألف) ؛ لأنه ترجمه بباب فعلت بغير ألف، وإنما هرقت من باب أفعلت بالألف عند جميع النحويين2، وإنما هذه الهاء التي في هرقت بدل من الألف التي تكون في أفعلت، لأن أصل هرقت أرقت3، فعل معتل العين من الواو، وأصله أروقت؛ لأنه من قولنا راق4 الماء يروق، وأروقته أنا، ولكنه لما اعتلت الواو في (قولنا) راق يروق وجب أن يعتل في الرباعي أيضا، فصارت ألفا وانتقلت فتحتها إلى الراء فصارت أراق، فلما كانت هذه الكلمة مما يكثر استعماله في الكلام، استثقلت الهمزة في أولها فأبدلت منها الهاء؛ لأنها ألين كما قالوا: هياك في إياك ولهنك في (لأنك) 5 وهذه الهمزة التي في أراق

--------------------------------------------

1 انظر تصحيح الفصيح جـ1 ص 163، 164 تحقيق عبد الله الجبوري طبع بغداد.

2 انظر كتاب ليس في كلام العرب ص 46 ص 189، واللسان هرق وشرح المفصل جـ1 ص5

3 انظر شرح الشافية للجابردي ص152 وسر الصناعة الورقة ص122 ب وتفسير غريب القرآن.

4 وراقني الشيء يروقني اللسان وورق وحكى الكسائي راق الماء يريق إذا نصب ص12.

5 الهاء قوله، هياك على البدل مثل أراق وهراق. وعن الفراء إنما يقولون، هياك في موضع زجر، انظر إبدال أبي الطيب جـ2 ص569. والمقتضب جـ1 ص154. وليس ص189 والتصريف الملوكي ص44 وتفسير غريب القرآن ص12 والكتاب جـ2 ص474 وشرح الرضي على الكافية جـ2 ص569. والأشباه والنظائر جـ1 ص69.
'আফআলা' সিগাহ বা রূপ বিষয়ক গবেষণা

ব্যাকরণবিদ ও ভাষাবিদদের দৃষ্টিতে আরবি ভাষায় এর প্রয়োগ ও ব্যবহার

ফাদিলাতুশ শায়খ মুস্তফা আহমাদ আন-নামমাস

আরবি ভাষা অনুষদ – আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

তৃতীয় পর্ব

‌‌কিছু বিষয়ের ওপর পর্যালোচনা

হারাকা (প্রবাহিত করা)

ইবনে দুরুস্তুওয়াইহ তার 'তাসহিহুল ফাসিহ' (১) গ্রন্থে বলেছেন: সা'লাব তার 'হারাফতুল মা' (আমি পানি প্রবাহিত করেছি) কথাটিকে এই পরিচ্ছেদে (আলিফ ব্যতীত 'ফাউলতু' পরিচ্ছেদ) উল্লেখ করে ভুল করেছেন; কেননা তিনি একে আলিফ ব্যতীত 'ফাউলতু' পরিচ্ছেদে সংজ্ঞায়িত করেছেন। অথচ সকল ব্যাকরণবিদের নিকট 'হারাফতু' হলো আলিফ যুক্ত 'আফআলতু' পরিচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত (২)। মূলত 'হারাফতু' শব্দে এই 'হা' বর্ণটি 'আফআলতু' এর 'আলিফ'-এর স্থলাভিষিক্ত বা বদল হয়েছে। কারণ 'হারাফতু' এর মূল রূপ হলো 'আরাফতু' (৩)। এটি 'ওয়াও' বর্ণবিশিষ্ট একটি মু'তালুল আইন (মধ্যম বর্ণ দুর্বল) ক্রিয়া। এর মূল রূপ হলো 'আরওয়াকতু'; কারণ এটি আমাদের 'রাকাল মা-উ ইয়ারুকু' (৪) (পানি স্বচ্ছ হওয়া বা প্রবাহিত হওয়া) কথা থেকে এসেছে, এবং আমি যখন তা করেছি তখন বলা হয় 'আরওয়াকতুহু'। কিন্তু যখন 'রাকা ইয়ারুকু' ক্রিয়াটিতে 'ওয়াও' বর্ণটি দুর্বল (ইল্লাত) হয়ে গেল, তখন চতুবর্ণী (রুবায়ী) রূপেও একে দুর্বল করা আবশ্যক হয়ে পড়ল। ফলে এটি আলিফে রূপান্তরিত হলো এবং এর স্বরচিহ্ন (ফাতহা) 'রা' বর্ণের দিকে স্থানান্তরিত হয়ে এটি 'আরাকা' হয়ে গেল। যেহেতু এই শব্দটি কথাবার্তায় প্রচুর ব্যবহৃত হয়, তাই এর শুরুর হামজাটি উচ্চারণ করা ভারী মনে করা হতো। ফলে হামজার পরিবর্তে 'হা' বর্ণটি নিয়ে আসা হয়েছে; কারণ এটি উচ্চারণে অধিক কোমল। যেমন তারা 'ইয়্যাকা' এর স্থলে 'হিয়্যাকা' এবং 'লিয়ান্নাকা' এর স্থলে 'লাহান্নাকা' (৫) বলে থাকে। আর 'আরাকা' শব্দের এই হামজাটি...

--------------------------------------------

১. দেখুন: তাসহিহুল ফাসিহ, ১ম খণ্ড, ১৬৩-১৬৪ পৃষ্ঠা, আবদুল্লাহ আল-জুবুরীর তাহকিক, বাগদাদ মুদ্রণ।

২. দেখুন: কিতাবু লাইসা ফি কালামিল আরব, পৃষ্ঠা ৪৬ ও ১৮৯; আল-লিসান (হারাকা শব্দ); এবং শারহুল মুফাসসাল, ১ম খণ্ড, ৫ পৃষ্ঠা।

৩. দেখুন: আল-জাবারদি কৃত শারহুশ শাফিয়া, ১৫২ পৃষ্ঠা; সিররু সিনাআতিল ই'রাব, ১২২-বি পৃষ্ঠা এবং তাফসিরু গারিবিল কুরআন।

৪. আল-লিসান গ্রন্থে আছে 'রাকানি আশ-শাইউ ইয়ারুকুনি'। আল-কিসায়ি বর্ণনা করেছেন যে, 'রাকাল মা-উ ইয়ারিকু' অর্থ পানি প্রবাহিত হওয়া, পৃষ্ঠা ১২।

৫. 'হা' বর্ণটি 'আরাকা' ও 'হারাকা' শব্দের মতো বদল বা স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। আল-ফাররা থেকে বর্ণিত যে, তারা ধমক বা সতর্ক করার স্থলে 'হিয়্যাকা' বলে থাকে। দেখুন: আবু তাইয়্যেব কৃত আল-ইবদাল, ২য় খণ্ড, ৫৬৯ পৃষ্ঠা; আল-মুকতাদাব, ১ম খণ্ড, ১৫৪ পৃষ্ঠা; লাইসা, ১৮৯ পৃষ্ঠা; আত-তাসরিফুল মুলুকি, ৪৪ পৃষ্ঠা; তাফসিরু গারিবিল কুরআন, ১২ পৃষ্ঠা; আল-কিতাব, ২য় খণ্ড, ৪৭৪ পৃষ্ঠা; কাফিয়া গ্রন্থের ওপর আর-রাদীর শরহ, ২য় খণ্ড, ৫৬৯ পৃষ্ঠা; এবং আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ির, ১ম খণ্ড, ৬৯ পৃষ্ঠা।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৮)
تسقط في مضارعه لئلا تجتمع همزتان فيقول: أنا أريق وأصله أؤريق1، فمن العرب من يزيد بين حرف المضارعة وبين الراء هاء ساكنة عوضا من الهمزة التي تسقط لأن الهاء ليست تستثقل مع الهمزة فيقولون أنا أهريق2. وزعم سيبوبه أن هذه الهاء عوضٌ من ذهاب حركة العين المعتلة، وإنما قال ذلك لأنهم زادوا الهاء في الماضي أيضا فقالوا: أهراق ولم تحذف من الماضي همزة فتكون عوضا منها فلما جرى ذلك في الماضي، والمستقبل جعل علتهما واحدة، وشبهها بالسين التي في اسطاع يستطيع 3 إنما هي من أطاع يطيع، فمن العرب من يقول في المستقبل: يهريق فيفتح الهاء على فتحة الهمزة التي حذفها؛ لأنها مفتوحة ومنهم من يقول: يهريق. فمن حركها فلا شك في أنه جعل لها الهاء عوضا من الهمزة، ومن أسكنها فعلى ما قاله سيبوبه.

وأما الهاء التي في الفعل الماضي فلا يحركونها مع الهمزة في قولهم: أهراق، لأنها ليست ببدل من الهمزة، ومن جعل الهاء في هراق بدلا من الهمزة التي في أراق 4 … أبدلها أيضا في الأمر منها فقال: هرق كما قال الراجز (رؤية) .

يأيها الكاسر عين الأغضن … والقائل الأقوال ما لم يلقِني

هرق على خمرك أو تبين

فتوهم ثعلب أن هاء هرقت وهاء هرق في الأمر من نفس الكلمة، فأدخل هرقت في باب فعلت بغير ألف، وهو خطأ.
এর মুজারি (বর্তমান/ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া) রূপে হামযাটি বিলুপ্ত হয় যাতে দুটি হামযা একত্রিত না হয়। তাই বলা হয়: 'আমি ঢালছি' (আনা আরিকু), যার মূল রূপ ছিল 'আউরিকু'। আরবদের মধ্যে কেউ কেউ মুজারি-র বর্ণ (হরফে মুজারি) এবং 'রা' বর্ণের মাঝখানে একটি সাকিনযুক্ত 'হা' যোগ করেন সেই হামযার বিনিময়ে যা বিলুপ্ত হয়েছে; কারণ 'হা' বর্ণটি হামযার সাথে উচ্চারণে ভারী মনে হয় না, তাই তারা বলেন: 'আমি ঢালছি' (আনা উহরিকু)। সিবওয়াইহ মনে করেন যে, এই 'হা' বর্ণটি মূলত ইল্লতযুক্ত 'আইন' কালেমার হরকত বিলুপ্ত হওয়ার বিনিময়ে এসেছে। তিনি একারণেই এটি বলেছেন কারণ তারা মাজি (অতীতকালীন ক্রিয়া)-তেও 'হা' যোগ করেছে এবং বলেছে: 'আহরাকা', অথচ মাজি থেকে কোনো হামযা বিলুপ্ত হয়নি যে এটি তার পরিবর্তে হবে। যখন মাজি এবং মুস্তাকবিল (ভবিষ্যৎ) উভয় ক্ষেত্রেই এটি ঘটেছে, তখন তিনি দুটোর কারণকে এক হিসেবে গণ্য করেছেন এবং একে 'ইস্তাতা-আ ইয়াস্তাত্বি-উ' এর 'সিন' বর্ণের সাথে তুলনা করেছেন যা মূলত 'আত্বা-আ ইউত্বি-উ' থেকে এসেছে। আরবদের মধ্যে কেউ কেউ ভবিষ্যতে বলেন: 'ইয়াহরিকু' (হা-তে ফাতহা বা জবর দিয়ে), সেই হামযার ফাতহার অনুসরণে যা তিনি বিলুপ্ত করেছেন; কারণ সেটি ফাতহাযুক্ত ছিল। আবার তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেন: 'ইউহরিকু'। সুতরাং যিনি একে হরকতযুক্ত করেছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তিনি 'হা' বর্ণটিকে হামযার স্থলাভিষিক্ত করেছেন। আর যিনি একে সাকিন করেছেন, তিনি সিবওয়াইহ-র মতানুসারে তা করেছেন।

আর মাজি বা অতীতকালীন ক্রিয়ার 'হা' বর্ণটিকে তারা হামযার সাথে হরকত দেন না যখন তারা 'আহরাকা' বলেন, কারণ এটি হামযার বিকল্প নয়। আর যিনি 'হারাকা' শব্দের 'হা'-কে 'আরাকা' শব্দের হামযার বিকল্প মনে করেন … তিনি এর আমর (আদেশবাচক ক্রিয়া) রূপেও একে পরিবর্তন করেছেন এবং বলেছেন: 'হরিক', যেমনটি রাজেজ কবি (রুয়বাহ) বলেছেন:

হে অবনত চোখের অধিকারী ভঙ্গকারী … এবং আমার সাথে সাক্ষাৎ না করেই নানাবিধ কথা বলা ব্যক্তি

তোমার শরাব ঢেলে দাও অথবা স্পষ্ট করো

সা'লাব ধারণা করেছেন যে 'হারাকতু' এর 'হা' এবং আমরের 'হরিক' এর 'হা' মূলত মূল শব্দেরই অংশ। ফলে তিনি 'হারাকতু'-কে আলিফ বিহীন 'ফাআলতু' অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যা একটি ভুল।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৮)
‌‌وقف وأوقف

قال ابن درستويه5 وكذلك قوله: وقفت الدابة، وقفت وقفا للمساكين، وقفت أنا، لا يجوز أن يكون الفعل اللازم من هذا النحو، والمجاوز على لفظ واحد في النظر والقياس؛ لما في ذلك من الإلباس وليس إدخال الإلباس في الكلام من الحكمة والصواب، وواضع اللغة عز وجل حكيم عليم، وإنما اللغة موضوعة للإبانة عن المعاني، فلو جاوز وضع لفظ واحد للدلالة على معنيين مختلفين، أو أحدهما ضد الآخر لما كان في ذلك إبانة، بل كان تعمية وتغطية، ولكن قد يجيء الشيء النادر من هذا لعلل، كما يجيء فعل وأفعل فيتوهم من لا يعرف العلل أنهما

--------------------------------------------

1 انظر ليس لابن خالوية ص 46.

2 انظر اللسان، وإبدال ابن السكيت ص 25.

3 انظر اللسان، وابن يعيش جـ10 ص5.

4 انظر الجمهرة جـ3 ص438، والممتع لابن عصفور جـ 1 ص399، وما اختلفت ألفاظه واتحدت معانيه ص32، والتصريف الملوكي ص44.

5 انظر تصحيح الفصيح جـ1 ص 166 تحقيق عبد الله الحبوري طبعة بغداد.
ওয়াক্বাফা (وقف) এবং আওয়াক্বাফা (أوقف)

ইবনে দুরুসতুওয়াইহ ৫ বলেছেন: তদ্রূপ তাঁর বক্তব্য: "আমি পশুটিকে থামালাম" (ওয়াকাফতুদ দাব্বাহ), "আমি মিসকিনদের জন্য একটি ওয়াকফ করলাম" (ওয়াকাফতু ওয়াকফান) এবং "আমি নিজে থেমে গেলাম" (ওয়াকাফতু আনা)। যুক্তি ও ভাষাতাত্ত্বিক নিয়মানুযায়ী এই ধরনের ক্ষেত্রে অকর্মক (লাজিম) এবং সকর্মক (মুতাআদ্দি) ক্রিয়া একই শব্দরূপে হওয়া বৈধ নয়; কারণ এতে অস্পষ্টতা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। আর কথার মধ্যে অস্পষ্টতা তৈরি করা প্রজ্ঞা ও সঠিকতার অন্তর্ভুক্ত নয়। ভাষার প্রণেতা মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহ হলেন প্রজ্ঞাময় ও সর্বজ্ঞ। মূলত অর্থসমূহ স্পষ্টভাবে প্রকাশের জন্যই ভাষার উদ্ভব হয়েছে। সুতরাং যদি দুটি ভিন্ন অর্থ বা একটির বিপরীতে আরেকটি অর্থ প্রকাশের জন্য একই শব্দ নির্ধারণ করা বৈধ হতো, তবে তাতে কোনো স্পষ্টতা থাকতো না; বরং তা হতো অর্থকে অস্পষ্ট করা ও ঢেকে রাখার শামিল। তবে কিছু নির্দিষ্ট কারণে এ জাতীয় কিছু বিরল উদাহরণ পাওয়া যেতে পারে, যেমন 'ফা'আলা' (فعل) এবং 'আফ'আলা' (أفعل) রূপের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে; যার ফলে এই কারণগুলো সম্পর্কে যারা অবগত নয়, তারা ধারণা করে যে উভয়টি...

--------------------------------------------

১ দেখুন: ইবনে খালওয়াইহ-এর 'লাইসা', পৃষ্ঠা ৪৬।

২ দেখুন: 'আল-লিসান' এবং ইবনে সিক্কীত-এর 'ইবদাল', পৃষ্ঠা ২৫।

৩ দেখুন: 'আল-লিসান' এবং ইবনে ইয়াঈশ, খণ্ড ১০, পৃষ্ঠা ৫।

৪ দেখুন: 'আল-জামহারা', খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৪৩৮; ইবনে আসফূরের 'আল-মুমতি', খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৯৯; 'মা ইখতালাফাত আলফাযুহু ওয়া ইত্তাহাদাত মাআনিহু', পৃষ্ঠা ৩২; এবং 'আত-তাসরীফ আল-মুলুকী', পৃষ্ঠা ৪৪।

৫ দেখুন: 'তাসহীহুল ফাসীহ', খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৬৬, আব্দুল্লাহ আল-হাবূরীর সম্পাদনা (তাহকীক), বাগদাদ সংস্করণ।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৯)
لمعنيين مختلفين، وإن اتفق اللفظان فالسماع في ذلك صحيح عن العرب والتأويل عليهم خطأ، وإنما يجيء ذلك في لغتين متباينتين، أو لحذف واختصار وقع في الكلام حتى اشتبه اللفظان وخفي سبب ذلك على السامع فتأوّل فيه الخطأ وذلك أن الفعل الذي لا يتعدى فاعله إذا أصبح إلى تعدية لم يجز تعديته على لفظه الذي هو عليه حتى يغير إلى لفظ آخر.

ومما يدل على أن الأصل في وقف ما ذكرنا أنهم يقولون:-

ما أوقفك هاهنا؟ 1 بالألف، ويجدونه أحسن وأفصح عندهم من قولهم: ما وقفك هاهنا، وهو أكثر استعمالا منه فالأصل في وقفت أن يكون غير متعد بنفسه إلى مفعول مثل ثبت ولبثت، وألا يتعدى إلا بزيادة قبله أو بعده أو غير ذلك، فيقال أوقفته أو وقفت به أو وقفته بالتشديد، ثم يجوز حذف الجار بعد ذلك لما ذكرنا من وجوب التخفيف وكثرة الاستعمال، وطول معرفته واعتياده؛ كما قال الله عز وجل: {وَلَوْ تَرَى إِذْ وُقِفُوا عَلَى النَّارِ} ، وقوله: {وَلَوْ تَرَى إِذِ الظَّالِمُونَ مَوْقُوفُونَ عِنْدَ رَبِّهِم} لأنه بمعنى حبسوا أو محبوسون.

ثم استطرد يفسر هذه المادة فقال:2 وأما قوله: (أي ثعلب) وقفت الدابة أقفها فمعناه: حبست الدابة عن السير، وكذلك وقفت وقفا للمساكين أي حبسته عليهم، وكذلك وقفت أنا أي احتبست عن الشيء، أو المضي، وثبت مكاني قائما، واسم فاعله واقف، ومفعوله موقوف، ومصدرها لا يتعدى منه الوقوف. ومصدر المتعدى الوقف.
দুটি ভিন্ন অর্থের জন্য, যদিও শব্দ দুটি অভিন্ন হয়; আর এক্ষেত্রে আরবদের নিকট থেকে যা শ্রুত হয়েছে তা-ই সঠিক এবং তাদের ওপর ভিত্তি করে রূপক ব্যাখ্যা করা ভুল। আর এটি ঘটে থাকে দুটি ভিন্ন ভাষার ক্ষেত্রে, অথবা কথাবার্তায় কোনো বিলুপ্তি বা সংক্ষেপণের কারণে, যার ফলে শব্দ দুটি অস্পষ্ট হয়ে যায় এবং শ্রোতার কাছে এর কারণটি গোপন থেকে যায়, ফলে সে ভুল ব্যাখ্যা করে। আর তা এজন্য যে, যে ক্রিয়া তার কর্তাকে অতিক্রম করে না (অকর্মক), তা যখন সকর্মক হওয়ার পর্যায়ে আসে, তখন সেটি যে শব্দরূপে আছে সেই রূপেই তাকে সকর্মক করা বৈধ নয়, যতক্ষণ না তাকে অন্য কোনো শব্দরূপে পরিবর্তিত করা হয়।

আমরা যা উল্লেখ করেছি 'ওয়াকফ' শব্দের ক্ষেত্রে মূল বিষয়টি যে তাই, তার প্রমাণ হলো তাদের এই উক্তি:-

"তোমাকে এখানে কিসে থামালো?" আলিফ সহযোগে; তারা তাদের নিকট এটিকে "তোমাকে এখানে কিসে থামালো" (আলিফ ছাড়া) বলার চেয়ে অধিক উত্তম ও প্রাঞ্জল মনে করে এবং এটিই অধিক ব্যবহৃত। সুতরাং 'ওয়াকাফতু' (আমি থেমেছি) এর মূল হলো এটি কর্মের দিকে নিজে নিজে সকর্মক হবে না, যেমন 'সাবাত্তু' (আমি স্থির হয়েছি) এবং 'লাবিসতু' (আমি অবস্থান করেছি); আর এর আগে বা পরে কোনো বৃদ্ধি বা অন্য কিছু ছাড়া এটি সকর্মক হবে না। তাই বলা হয়: 'আওকাফতুহু' (আমি তাকে থামিয়েছি) অথবা 'ওয়াকাফতু বিহি' (আমি তাকে নিয়ে থেমেছি) অথবা দ্বিত্ব উচ্চারণের সাথে 'ওয়াক্কাফতুহু'। এরপর আমরা যে লঘুকরণের আবশ্যকতা, অধিক ব্যবহার এবং দীর্ঘদিনের পরিচিতি ও অভ্যাসের কথা উল্লেখ করেছি, তার কারণে অব্যয় বিলুপ্ত করা বৈধ; যেমন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা ইরশাদ করেছেন: "আর আপনি যদি দেখতেন যখন তাদেরকে আগুনের ওপর দাঁড় করানো হবে", এবং তাঁর বাণী: "আর আপনি যদি দেখতেন যখন জালিমদেরকে তাদের রবের নিকট দাঁড় করানো হবে"; কারণ এটি 'আটক করা হয়েছে' বা 'আটককৃত' অর্থে ব্যবহৃত।

এরপর তিনি প্রসঙ্গক্রমে এই মূল ধাতুর ব্যাখ্যায় বলেন: আর তাঁর (অর্থাৎ ছালাব) উক্তি: "আমি পশুটিকে থামিয়েছি", এর অর্থ হলো: আমি পশুটিকে চলা থেকে বিরত রেখেছি। তেমনিভাবে "আমি মিসকিনদের জন্য ওয়াকফ করেছি", অর্থাৎ আমি এটি তাদের জন্য নির্ধারিত বা আটকে দিয়েছি। তদ্রূপ "আমি থেমেছি", অর্থাৎ আমি কোনো বিষয় থেকে বা পথচলা থেকে বিরত হয়েছি এবং নিজ স্থানে দাঁড়িয়ে স্থির হয়েছি। এর কর্তৃবাচক বিশেষ্য হলো 'ওয়াকিফ', আর কর্মবাচক বিশেষ্য হলো 'মাওকুফ'। এর অকর্মক ক্রিয়ামূল হলো 'উকুফ' আর সকর্মক ক্রিয়ামূল হলো 'ওয়াকফ'।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৭৯)
‌‌غلقت وأغلقت

قالت ثعلب في فصيحة تقول: أغلقت الباب فهو مغلق، وأقفلته فهو مقفل، فإن معناه: شددته بالغلق وأوثقته وارتجته، وأما أقفلت فمعناه أوثقته بالقفل.

والعامة تقولهما بغير ألف، وهو خطأ.... ففي كتاب الأفعال لا بن القطاع3 " غلقت الباب غلقا، لغة، وصرح ابن دريد بأن البصريين لا يقولون إلا أغلقت، ونص على غلقت، قال ولم يجيزوا غلقته البتة...."

وقد أثبت الشاعر أبو الأسود الدؤلي غلق الثلاثي في قوله:

ولا أقول لقدر القوم قد غليت … ولا أقول لباب الدار مغلوق

وإنَّما كان على أفعل؛ لأنه بمعنى أوثقت وأحكمت وأوصدت وارتجت، أي جعلت عليه الغلق أو القفل، ومعناها راجع إلى قولهم: غلق الشيء يغلق غلقا وأغلقه غيره إغلاقا يالي قولهم:

--------------------------------------------

1حكاية عن الكسائي انظر، إصلاح المنطق ص 226. وأفعال ابن القطاع 3 ص 289 واللسان وقف لغة رديئة.

2 انظر تصحيح الفصيح جـ1 ص182 تحقيق عبد الله الجبوري.

3 انظر جـ2 ص411، الجمهرة جـ3 ص439، وما تلحن فيه العامة ص40.
‌'গালাকতু' এবং 'আগলাকতু'

ছা'লাব তার 'ফাসীহ' গ্রন্থে বলেন: তুমি বলবে, 'আমি দরজাটি বন্ধ করেছি' (আগলাকতু), সুতরাং তা বন্ধ (মুগলাক)। এবং 'আমি তালাবদ্ধ করেছি' (আকফালতু), সুতরাং তা তালাবদ্ধ (মুকফাল)। এর অর্থ হলো: আমি এটি বন্ধ করার মাধ্যমে সুদৃঢ় করেছি, একে সুরক্ষিত করেছি এবং আগল লাগিয়েছি। আর 'আকফালতু'র অর্থ হলো, আমি একে তালা দিয়ে মজবুত করেছি।

সাধারণ মানুষ এ দুটি শব্দকে আলিফ ছাড়াই উচ্চারণ করে, যা ভুল। তবে ইবনুল কাত্ত্বা’র 'কিতাবুল আফআল'-এ রয়েছে: 'আমি দরজাটি বন্ধ করেছি' (গালাকতু), এটি একটি ভাষাতাত্ত্বিক প্রয়োগ। ইবনে দুরাইদ স্পষ্ট করেছেন যে, বসরার ভাষাবিদগণ 'আগলাকতু' (আলিফসহ) ছাড়া অন্য কিছু বলেন না। তিনি 'গালাকতু'র ব্যাপারেও উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং বলেছেন যে, তারা 'গালাকতু' বলাকে একেবারেই বৈধ মনে করেন না...

কবি আবু আল-আসওয়াদ আদ-দুয়ালি তার কবিতায় তিন অক্ষরবিশিষ্ট 'গালাকা' রূপটির ব্যবহার প্রমাণ করেছেন তার এই উক্তিতে:

আর আমি কওমের ডেকচির জন্য বলি না যে তা উথলে উঠেছে … আর আমি ঘরের দরজার জন্য বলি না যে তা বন্ধ (মাগলুক)।

মূলত এটি 'আফআলা' ওজনে এসেছে; কারণ এটি সুদৃঢ় করা, মজবুত করা, রুদ্ধ করা এবং আগল লাগানোর অর্থে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ আমি এর উপর তালা বা হুড়কো লাগিয়েছি। এর অর্থ মূলত তাদের এই কথার দিকেই ফিরে যায়: কোনো বস্তু নিজে বন্ধ হওয়া বা অন্য কেউ তা বন্ধ করে দেওয়া। যেমন তারা বলে থাকে:

--------------------------------------------

১. আল-কিসায়ীর একটি বর্ণনা, দেখুন: 'ইসলাহুল মানতিক', পৃষ্ঠা ২২৬। এবং ইবনুল কাত্ত্বা’র 'আফআল', খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ২৮৯; এবং 'আল-লিসান' গ্রন্থে 'ওয়াকফা' একটি নিকৃষ্ট ভাষা হিসেবে উল্লিখিত।

২. দেখুন: 'তাসহিহুল ফাসীহ', খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৮২, আব্দুল্লাহ আল-জুবুরীর সম্পাদনা।

৩. দেখুন: খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৪১১; 'আল-জামহারা', খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৪৩৯; এবং 'ওয়ামা তালহানু ফিহিল আম্মাহ', পৃষ্ঠা ৪০।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৮০)
قفل الشيء يقفل قفولا وأقفله غيره إن شئت من الرجوع إلى القافلة، إن شئت من اليبس الذي ينال المسافر في جلده يقالا قد قفل جلده أي يبس 1.

কোনো কিছু ফিরে আসাকে কাফালা ইয়াকফিলু কুফুলান বলা হয় এবং অন্য কেউ তাকে ফিরিয়ে দিলে আকফালা বলা হয়। আপনি চাইলে একে কাফেলা বা যাত্রীবাহিনীর ফিরে আসার অর্থের সাথে সম্পর্কিত করতে পারেন, অথবা মুসাফিরের চামড়ায় যে শুষ্কতা পরিলক্ষিত হয় তার সাথেও সম্পর্কিত করতে পারেন। বলা হয়ে থাকে যে, তার চামড়া শুষ্ক হয়ে গেছে অর্থাৎ শুকিয়ে গেছে ১।

(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৮০)
‌‌عتق وأعتق 2

هذان من باب فعل وأفعل بمعنى فعتق الشيء أي صار حرا أي كريما.

ويقال لكل كريم من الخيل وغيره عتيق، ولذلك سميت الجارية المخدرة عاتقا، والخمر عتيق، وسميَ الماء العتيق، والتمر العتيق، وثوب عتيق ووجه عتيق أي كريم أو جميل وكل شيء قديم يسمى عتيقا أيضا، وذلك قيل للبيت الحرام العتيق قال الله عز وجل:

{ثُمَّ مَحِلُّهَا إِلَى الْبَيْتِ الْعَتِيقِ} ، وقال أيضا: {وَلْيَطَّوَّفُوا بِالْبَيْتِ الْعَتِيقِ} ، وامرأة عتيقة أي جميلة أو كريمة أو نجيبة.

وقال عنترة:

كذب العتيق وماء شن بارد … إن كنت سائلتي غبوقا فاذهبي

وأما أعتق فاسم فاعله معتقا ومفعوله معتق (بفتح التاء) ، ومصدره الإعتاق....

والعامة تقول: عتقت الغلام بغير ألف وهو خطأ.
‌আতাক্ব এবং আ’তাক্বা 2

এ শব্দ দুটি ‘ফাআলা’ এবং ‘আফআলা’ এর গঠনরীতি থেকে আগত এবং এগুলো একই অর্থ প্রদান করে। ‘আতাক্বাশ শাইউ’ এর অর্থ হলো—বস্তুটি স্বাধীন হয়েছে অর্থাৎ তা মর্যাদাপূর্ণ বা উৎকৃষ্ট হয়েছে।

ঘোড়া বা অন্য যেকোনো উৎকৃষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ বস্তুকে ‘আতিক্ব’ বলা হয়। এ কারণেই অন্তঃপুরবাসিনী যুবতী নারীকে ‘আতিক্বাহ’ বলা হয়। এছাড়া মদকেও ‘আতিক্ব’ বলা হয়। একইভাবে পানিকে ‘আতিক্ব’, খেজুরকে ‘আতিক্ব’, কাপড়কে ‘আতিক্ব’ এবং চেহারাকেও ‘আতিক্ব’ বলা হয়; যার অর্থ হলো মর্যাদাপূর্ণ বা সুন্দর। আবার যেকোনো প্রাচীন বস্তুকেও ‘আতিক্ব’ বলা হয়ে থাকে। এই অর্থেই বায়তুল হারাম বা পবিত্র ঘরকে ‘আল-আতিক্ব’ বলা হয়েছে। মহান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেন:

‘অতঃপর তাদের কুরবানির স্থান হলো প্রাচীন গৃহ পর্যন্ত।’, এবং তিনি আরও বলেন: ‘এবং তারা যেন প্রাচীন গৃহটির তাওয়াফ করে।’ আর ‘আতিক্বাহ’ নারী বলতে রূপসী, মহীয়সী বা উচ্চবংশীয়া নারীকে বোঝায়।

কবি আনতারা বলেন:

পুরাতন মদ এবং মশকের শীতল পানি ব্যর্থ হয়েছে … তুমি যদি আমার কাছে সায়াহ্নকালীন পানীয় প্রার্থনা করো, তবে চলে যাও।

পক্ষান্তরে ‘আ’তাক্বা’ ক্রিয়াটির ইসমে ফায়েল (কর্তৃবাচক বিশেষ্য) হলো ‘মু’তিক্ব’ এবং ইসমে মাফউল (কর্মবাচক বিশেষ্য) হলো ‘মু’তাক্ব’ (তা বর্ণে ফাতহাহ বা যবরসহ), আর এর মাসদার (ক্রিয়ামূল) হলো ‘ই’তাক্ব’....

সাধারণ মানুষ আলিফ (হামজা) ব্যতিরেকে ‘আতাক্বতুল গুলাম’ বলে থাকে, যা ভাষাগতভাবে ভুল।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৮০)
‌‌منى وأمنى

أمنى الرجل فهو يمني من المني، فمعناه أنزل فهو ينزل: وذلك إذا خرج منه الماء الدافق قال الله عز وجل: {مِنْ مَنِيٍّ يُمْنَى} والمنيّ مشدد الياء اسم على فعيل، وقد أمنى الرجل يمني إمناء، وبعض أهل اللغة يجيز منى بغير ألف كأنه على لغتين، وانظر اللسان فمعنى منى سالَ ومعنى أمنى أسال، وقد روى أن منى التي بعرفات إنما سميت منى لأن الدماء تمنى بها أي تسال إذا ذبحت النسك.
মানা এবং আমনা

যখন কোনো ব্যক্তি বীর্যপাত করে তখন তাকে বীর্য থেকে ‘ইউমনি’ বলা হয়; এর অর্থ হলো সে বীর্য নির্গত করেছে বা করছে। আর এটি তখনই ঘটে যখন তার থেকে প্রবল বেগে বীর্য নির্গত হয়। মহান আল্লাহ বলেছেন: “নিঃসৃত বীর্যবিন্দু হতে।” ‘আল-মানি’ শব্দটি ‘ইয়া’ বর্ণে তাশদীদযুক্ত, যা ‘ফাঈল’ ওজনের একটি বিশেষ্য। কোনো ব্যক্তি বীর্যপাত করলে তাকে ‘আমনা’, ‘ইউমনি’, ‘ইমনা’ বলা হয়। কোনো কোনো ভাষাবিদ ‘আলিফ’ (হামযাহ) ব্যতীত ‘মানা’ শব্দটিকেও বৈধ বলে গণ্য করেছেন, যেন এটি দুটি ভিন্ন উপভাষা। লিসানুল আরব গ্রন্থটি দেখুন; সেখানে ‘মানা’ শব্দের অর্থ হলো ‘প্রবাহিত হওয়া’ এবং ‘আমনা’ শব্দের অর্থ হলো ‘প্রবাহিত করা’। বর্ণিত আছে যে, আরাফাতের নিকটবর্তী মিনা নামক স্থানটিকে ‘মিনা’ নামকরণ করা হয়েছে কারণ সেখানে রক্ত প্রবাহিত করা হয়, অর্থাৎ যখন হজের কুরবানির পশু জবেহ করা হয় তখন সেখানে রক্ত ঝরানো হয়।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৮০)
‌‌أيديت ويديتَ

قولك: أيديت عند الرجل، يدًا، فمعناه أسديت إليه معروفا3، وأنعمت عليه وهو فعل مشتق من اليد، وهي جارحة من الجوارح، فهو اشتقاق من الأعيان، فليس اسمها بمصدر تتصرف منه الأفعال، ولكن صرف منه ذلك على الاستعارة والتشبيه بالمصادر؛ لأنه لما جعل اسما للإسداء

--------------------------------------------

1 انظر تصحيح الفصيح جـ1 ص318 لطبعة بغداد.

2 انظر تصحيح الفصيح جـ1 ص318. وأفعال ابن القطاع جـ2 ص377 وتثقيف اللسان ص265.

3 انظر ابن القوطية/169. وابن القطاع جـ3 ص374 والتصريف الملوكي ص66 وتصحيح الفصيح جـ1 ص325 طبعة بغداد
আমি উপকার করেছি এবং আপনি উপকার করেছেন

আপনার উক্তি: "আমি লোকটির প্রতি একটি হাত (উপকার) প্রসারিত করেছি", এর অর্থ হলো আপনি তার প্রতি ভালো কাজ করেছেন এবং তার ওপর অনুগ্রহ করেছেন। আর এটি 'হাত' (ইয়াদ) শব্দ থেকে উদ্ভূত একটি ক্রিয়া, যা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে একটি অঙ্গ। সুতরাং এটি বস্তুবাচক বিশেষ্য (আ'ইয়ান) থেকে নিষ্পন্ন হয়েছে; এর নাম কোনো ধাতু বা মূলশব্দ (মাসদার) নয় যেখান থেকে ক্রিয়াগুলো রূপান্তরিত হয়, বরং রূপক হিসেবে এবং মূলশব্দের সাথে সাদৃশ্য রেখে এর রূপান্তর করা হয়েছে; কারণ যখন একে অনুগ্রহ বা দান করার নাম হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

--------------------------------------------

১. বাগদাদ সংস্করণের তাসহিহুল ফাসিহ, ১ম খণ্ড, ৩১৮ পৃষ্ঠা দেখুন।

২. তাসহিহুল ফাসিহ, ১ম খণ্ড, ৩১৮ পৃষ্ঠা দেখুন। এবং ইবনে আল-কাত্তা'-এর আফআল, ২য় খণ্ড, ৩৭৭ পৃষ্ঠা এবং তাসকিফুল লিসান, ২৬৫ পৃষ্ঠা দেখুন।

৩. ইবনুল কুতিয়্যাহ/১৬৯ দেখুন। এবং ইবনে আল-কাত্তা', ৩য় খণ্ড, ৩৭৪ পৃষ্ঠা, আত-তাসরিফুল মুলুকি, ৬৬ পৃষ্ঠা এবং বাগদাদ সংস্করণের তাসহিহুল ফাসিহ, ১ম খণ্ড, ৩২৫ পৃষ্ঠা দেখুন।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৮১)
والإنعام على الاستعارة؛ لأنهما لا يكونان إلا بهذه الجارحة، فمعنى أيديت أي اتخذت عنده يدا.

والنعمة تسمى يدا، وتجمع على الأيدي كما جمعت اليد نفسها، وربما جمعوا الجمع فقالوا: الأيادي ليفرقوا بين جمع الجارحة والنعمة.... وقد روى عن بعضهم: يديت إليه معروفا، بغير ألف، وحكى الخليل أنهم يقولون: " إن 1 فلانًا لذو مال ييدي به ويبوع".

وهو عند الزجاج كأفعلت، وهو عند جماعة لغة … وهو كما قال الخليل فهو يبسط به يديه وباعه، فكان قولهم: يديت إنما هو من هذا لا من النعمة؛ لأن اليد هي التي تبسط بالخير والشر، وتصرف بها الأمور وكذا الباع.
অনুগ্রহ দানকে রূপক হিসেবে গণ্য করা হয়; কারণ হাত নামক অঙ্গ ব্যতীত এই কাজ সম্পন্ন হয় না। সুতরাং 'আমি হাত বাড়িয়েছি' কথাটির অর্থ হলো আমি তার নিকট একটি হাত (উপকার) রাখলাম।

নিআমত বা অনুগ্রহকেও 'হাত' নামে অভিহিত করা হয় এবং এর বহুবচন হিসেবে 'হাতসমূহ' শব্দটির ব্যবহার রয়েছে ঠিক যেমনটি অঙ্গ হিসেবে হাতের বহুবচন করা হয়। কখনও কখনও তারা হাত নামক অঙ্গ এবং অনুগ্রহের বহুবচনের মধ্যে পার্থক্য করার জন্য বহুবচনেরও বহুবচন ব্যবহার করে থাকে... কারো কারো থেকে বর্ণিত হয়েছে: 'আমি তার প্রতি কল্যাণ করেছি', এটি আলিফ ছাড়াই বর্ণিত হয়েছে। খলিল বর্ণনা করেছেন যে তারা বলে থাকে: "নিশ্চয়ই অমুক ব্যক্তি বিপুল সম্পদের অধিকারী যার মাধ্যমে সে তার হাত ও বাহু প্রসারিত করে।"

যাজ্জাজের নিকট এটি একটি নির্দিষ্ট ক্রিয়ারূপের মতো এবং একদল ভাষাবিদের নিকট এটি একটি স্বতন্ত্র ভাষাভঙ্গি … আর বিষয়টি খলিল যা বলেছেন ঠিক সেরকমই যে, সে এর মাধ্যমে তার দুই হাত ও বাহু প্রসারিত করে। সুতরাং তাদের 'আমি হাত বাড়িয়েছি' কথাটি মূলত এই হাত প্রসারিত করা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে, নিআমত থেকে নয়; কারণ হাতই কল্যাণ ও অকল্যাণের কাজে প্রসারিত করা হয় এবং এর মাধ্যমেই যাবতীয় বিষয় পরিচালিত হয়, বাহুর ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৮১)
‌‌غلى وأغلى

أغليت الماء فهو مغلى، فمعناه كمعنى سخنت وطبخت وأحميت وتقول: قد غلى الماء نفسه بغير ألف فهو يغلي غليانا وغليا كما قال الله عز وجل {يَغْلِي فِي الْبُطُونِ كَغَلْيِ الْحَمِيمِ} ، وقد أغلاه غيره وهو يغليه إغلاء فهو مغلي، كما تقول: حمي يحمي وأحماه غيره يحميه إحماء فهو محمى فتنقله بالألف، والعامة تقول: غليت الماء بغير ألف وهو مغلي على مفعول، وهو خطأ.... ويقولون: غليت القدر تغلي بكسر الثاني من الماضي والمستقبل، وهو أيضا خطأ وفيه قال الشاعر أبو الأسود:

ولا أقول لقدر القوم قد غليت … ولا أقول لباب الدار مغلوق

ولم يجيء فعل يفعل (بكسر العين في الماضي والمضارع) في الكلام إلا كلمات قليلة شاذة عن القياس، مثل حسب يحسب وورم يرم كأنهم حملوا أغليت على حميت لما كان في معناه وهو غلط منهم.
গাল্লা (ফুটা) এবং আগল্লা (ফুটানো)

আমি পানি ফুটিয়েছি (আগল্লাইতু), তাই সেটি ‘মুগলা’ (ফুটানো হয়েছে এমন)। এর অর্থ উত্তপ্ত করা, রান্না করা বা গরম করার ন্যায়। আর আপনি বলবেন: পানি নিজেই ফুটেছে (আলিফ ব্যতিরেকে ‘গালা’)। ফলে তা স্ফুটন বা টগবগ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়; মহান আল্লাহ যেমন বলেছেন, {তা পেটের মধ্যে ফুটবে যেমন ফুটন্ত গরম পানি ফুটে থাকে}। আর অন্য কেউ যখন তা ফুটায় (আগল্লাহু), তখন সে তা ফুটাচ্ছে (ইউগলিহি) ‘ইগলা’ (ফুটানো) অর্থে, এমতাবস্থায় তা ‘মুগলা’। এটি তেমন, যেমন আপনি বলেন ‘হামিয়া’ (গরম হওয়া) এবং অন্য কেউ তা উত্তপ্ত করলে ‘আহমাহু’ (গরম করেছে); অর্থাৎ আপনি ‘আলিফ’ যোগ করার মাধ্যমে ক্রিয়াটির অর্থ রূপান্তরিত করেছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ ‘আলিফ’ ছাড়াই ‘গালাইতুল মা’ বলে এবং কর্মবাচক পদ হিসেবে একে ‘মাগলি’ ব্যবহার করে, যা ভুল।... তারা আরও বলে: ‘গালিইয়াতিল কিদরু তাগলি’ (হাঁড়িটি ফুটছে)—অতীত ও বর্তমান উভয় কালে দ্বিতীয় বর্ণে কাসরা (জের) দিয়ে, এটিও অশুদ্ধ। এ প্রসঙ্গে কবি আবু আল-আসওয়াদ বলেছেন:

আমি মানুষের হাঁড়ির জন্য ‘গালিইয়াত’ (ফুটছে) শব্দ ব্যবহার করি না … এবং ঘরের দরজার জন্য ‘মাগলুক’ (বদ্ধ) বলি না।

আরবি ভাষায় ‘ফা’ইলা ইয়াফ’িলু’ (অতীত ও বর্তমান উভয় কালে আইনের নিচে কাসরা) ওজনে নিয়মের ব্যতিক্রম সামান্য কয়েকটি শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ আসেনি; যেমন: ‘হাসিবা ইয়াহসিবু’ এবং ‘ওয়ারিমা ইয়ারিমু’। মনে হয় তারা অর্থগত সাদৃশ্য থাকায় ‘আগল্লাইতু’ শব্দটিকে ‘হামাইতু’ শব্দের ওজনে ব্যবহার করেছে, যা তাদের একটি ভুল।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৮১)
‌‌غفيت وأغفيت

فإنَّ العامة تقول: غفيت بغير ألف وبالياء، وتقول في المستقبل أغفو غفوة، ومعناه: الدخول فيما قل من النوم، وهو اليسير الذي لا يكتفي به، ولا ينتفع وهو مأخوذ من الغفا، وهو رديء التمر،وهو داء يقع في البسر فيفسده، وكأن العامة لم تدخل فيه الألف؛ لأنها شبهته بقولهم: نعست ونمت، وجاءوا بالمستقبل بالواو، والماضي بالياء جهلا، وبالمصدر على فعلة واحدة والمصدر الإغفاء. والذي في اللسان: أن غفيت لغة، وقال الأزهري: وكلام العرب: أغفى وقلما

--------------------------------------------

1 انظر التهذيب. جـ14 ص 241 والمقتضب جـ1 ص150.
গাফাইতু এবং আগফাইতু

সাধারণ মানুষ আলিফ ছাড়া এবং ইয়া সহযোগে ‘গাফাইতু’ বলে থাকে; আর তারা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়ায় ‘আগফু’ এবং মাসদার (ক্রিয়া বিশেষ্য) হিসেবে ‘গাফওয়াহ’ বলে থাকে। এর অর্থ হলো: সামান্য ঘুমের মধ্যে প্রবেশ করা, যা অত্যন্ত অল্প এবং যাতে তৃপ্তি হয় না বা কোনো উপকার হয় না। এটি ‘আল-গাফা’ শব্দ থেকে গৃহীত, যার অর্থ হলো নিম্নমানের খেজুর। এটি মূলত কাঁচা খেজুরের একটি রোগ যা খেজুরকে নষ্ট করে দেয়। সাধারণ মানুষ সম্ভবত এতে আলিফ যুক্ত করেনি কারণ তারা একে তাদের ব্যবহৃত ‘না’আসতু’ (আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হলাম) এবং ‘নামতু’ (আমি ঘুমালাম) শব্দদ্বয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মনে করেছে। তারা অজ্ঞতাবশত ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়াকে ‘ওয়াও’ দিয়ে এবং অতীতকালীন ক্রিয়াকে ‘ইয়া’ দিয়ে গঠন করেছে, আর মাসদারকে ‘ফালআহ’ ওজনে গঠন করেছে; অথচ প্রকৃত মাসদার হলো ‘আল-ইগফা’। ‘লিসানুল আরব’ অভিধানে বর্ণিত হয়েছে যে, ‘গাফাইতু’ একটি উপভাষা। আজহারী বলেন: আরবদের শুদ্ধ ভাষা হলো ‘আগফা’, এবং ‘গাফাইতু’ এর ব্যবহার খুবই নগণ্য।

--------------------------------------------

১. দ্রষ্টব্য: আত-তাহযীব, খণ্ড ১৪, পৃষ্ঠা ২৪১ এবং আল-মুকতাদাব, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৫০।
(খণ্ড: ৫০৫১) বাহসুন ফী সিগাতি আফআল বাইনান নাহউইয়্যিনা ওয়াল লুগাওইয়্যিনা ওয়া ইস্তিমাল্লাতিহা ফিল আরাবিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ২৮২)
يقال غفا وفي الحديث"فغفوت غفوة" انظر النهاية جـ 3 ص 386، وهو لغة رديئة عند ابن القطاع 1، فهو مما جاء فيه فعلت وأفعلت، واختير فيه أفعلت لأنه الفصيح وقل فعلت لأنه رديء.
বলা হয়ে থাকে ‘ঘাফা’ এবং হাদিসে এসেছে: “অতঃপর আমি এক পলক তন্দ্রাভিভূত হলাম”, দেখুন: আন-নিহায়া, ৩য় খণ্ড, ৩৮৬ পৃষ্ঠা। ইবনুল কাত্ত্বা’ ১-এর মতে এটি একটি নিম্নমানের ভাষাগত রীতি। এটি এমন শব্দাবলির অন্তর্ভুক্ত যাতে ‘ফা‘আলতু’ এবং ‘আফ‘আলতু’ উভয় রূপই বর্ণিত হয়েছে; তন্মধ্যে ‘আফ‘আলতু’ রূপটিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কারণ এটিই বিশুদ্ধতর এবং ‘ফা‘আলতু’ রূপটি বিরল কারণ তা নিম্নমানের।