(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: -)
التوسط والاقتصاد   (علوي السقاف)

القسم: العقيدة


الكتاب : التوسط والاقتصاد في أن الكفر يكون بالقول أو العمل أو الاعتقاد

المؤلف : علوي بن عبد القادر السَّقَّاف

الناشر : دار ابن القيم للنشر والتوزيع - الدمام

الطبعة :الأولى، 1420 هـ - 1999 م

عدد الصفحات: 148

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মধ্যপন্থা ও পরিমিতিবোধ   (আলাউই আস-সাক্কাফ)

বিভাগ: আকীদা


বই : কথা, কাজ বা বিশ্বাসের মাধ্যমে কুফর হওয়ার বিষয়ে মধ্যপন্থা ও পরিমিতিবোধ

লেখক : আলাউই ইবন আব্দুল কাদির আস-সাক্কাফ

প্রকাশক : দার ইবনুল কায়্যিম প্রকাশনী ও বিতরণ - দাম্মাম

সংস্করণ :প্রথম، ১৪২০ হিজরী - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৮

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: -)
ـ[التوسط والاقتصاد في أن الكفر يكون بالقول أو العمل أو الاعتقاد]ـ

المؤلف: علوي بن عبد القادر السَّقَّاف

الناشر: دار ابن القيم للنشر والتوزيع - الدمام

الطبعة:الأولى، 1420 هـ - 1999 م

عدد الأجزاء: 1

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
[কুফর যে কথা, কাজ বা বিশ্বাসের মাধ্যমে হয় - সে বিষয়ে মধ্যপন্থা ও পরিমিতিবোধ]

লেখক: আলভি বিন আব্দুল কাদির আস-সাক্কাফ

প্রকাশক: দার ইবনুল কায়্যিম প্রকাশনী ও পরিবেশনী - দাম্মাম

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ১

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: -)
التوسطُ والاقتصادُ

في أن الكُفرَ يكونُ

بالقولِ أو العملِ أو الاعتقادِ

((رسالة في المكفرات القولية والعملية من خلال أقوال العلماء))

 

بقلم

علوي بن عبد القادر السَّقَّاف

 

قرأها وقرَّظها وأوصى بطبعها ونشرها

الإمام

عبد العزيز بن عبد الله بن باز

(يرحمه الله)
পরিমিতি ও মধ্যপন্থা

কুফর হতে পারে

কথা, কাজ অথবা বিশ্বাসের মাধ্যমে

((উলামায়ে কিরামের বক্তব্যের আলোকে মৌখিক ও কর্মগত কুফরি বিষয়াবলি সম্পর্কিত একটি পুস্তিকা))

 

লেখনীতে

আলাউই বিন আব্দুল কাদির আস-সাক্কাফ

 

এটি পাঠ ও মূল্যায়ন করেছেন এবং মুদ্রণ ও প্রকাশের সুপারিশ করেছেন

ইমাম

আব্দুল আজীজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বায

(আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১)
‌‌بين يدي الكتاب

الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على سيد الأولين والآخرين. أما بعد:

فقد كنت فرغتُ من هذا الكتاب قبل سنة تقريبا وأرسلت نُسخاً منه لعدد من العلماء وطلاب العلم وفي مقدمتهم الإمام عبد العزيز بن عبد الله بن باز - يرحمه الله - كما أرسلت لبقية أعضاء اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء - بالسعودية -:

الشيخ عبد العزيز آل الشيخ والشيخ عبد الله الغديان والشيخ صالح الفوزان والشيخ بكر أبوزيد، كما أرسلت نسخاً للشيخ محمد بن صالح العثيمين، والشيخ عبد الله بن جبرين والشيخ عبد الرحمن البراك وغيرهم من العلماء وطلبة العلم لأخذ ملاحظاتهم وتصويباتهم، وقد تجاوب أكثرهم مع الكتاب وجاءتني منهم تعليقاتٌ وإضافاتٌ زادت الكتاب قوة، فمنهم من علَّق على النسخة نفسها وأعادها إليَّ، ومنهم من أرسل تعليقاته عبر جهاز الفاكس، ومنهم من أرسل مع تعليقاته تقريظاً للكتاب، وقد نصحني كثير منهم بالتعجيل بطبعه لينتفع به المسلمون، لكنِّي آثرت الانتظار حتى تصلني ملاحظات الشيخ عبد العزيز يرحمه الله، وفي هذه الفترة أعدت صف الكتاب بعد الأخذ بكثير من الآراء التي وصلتني وأرسلت إلى الشيخ النسخة المعدَّلة، وعلمت بعد ذلك أن الكتاب وصل إليه وأنه أمر بأن يُقرأ عليه وأخبرني من كان يقرأه عليه - جزاه الله خيراً - أنه قد أنجز معه الثلث وأن الشيخَ مسرورٌ به، فحمدت الله على ذلك، وما هي إلا أيام حتى صُعِقْنا بنبأ وفاة الشيخ أسأل الله أن يسكنه فسيح جناته، ثم وبعد ثلاثة أسابيع وصلني خطابٌ من مدير عام مكتب المفتي العام متضمنا تقريظ الشيخ للكتاب ومعه الكتاب نفسه وعليه تعليق واحد وتصويبات لأخطاء مطبعية.
‌গ্রন্থের উপস্থাপনা

সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের সরদারের প্রতি। অতঃপর:

আমি প্রায় এক বছর পূর্বে এই গ্রন্থটি সমাপ্ত করেছিলাম এবং এর বেশ কিছু অনুলিপি একদল আলেম ও ইলম অন্বেষণকারীর নিকট পাঠিয়েছিলাম, যাদের অগ্রভাগে ছিলেন ইমাম আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ - আল্লাহ তাঁকে রহম করুন। এছাড়াও আমি সৌদি আরবের স্থায়ী বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক কমিটির অবশিষ্ট সদস্যদের নিকটও তা পাঠিয়েছিলাম:

শাইখ আব্দুল আজিজ আল-শাইখ, শাইখ আব্দুল্লাহ আল-গু দাইয়ান, শাইখ সালেহ আল-ফাওজান এবং শাইখ বকর আবু যায়দ। তদ্রূপ আমি শাইখ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন, hospital শাইখ আব্দুল্লাহ বিন জিবরীন, শাইখ আব্দুর রহমান আল-বাররাক এবং অন্যান্য আলেম ও ইলম অন্বেষণকারীদের নিকট কপি পাঠিয়েছিলাম যাতে তাঁদের পর্যবেক্ষণ ও সংশোধনী গ্রহণ করা যায়। তাঁদের অধিকাংশ গ্রন্থটির ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন এবং তাঁদের পক্ষ থেকে আমার নিকট এমন কিছু মন্তব্য ও সংযোজন এসেছে যা গ্রন্থটির গ্রহণযোগ্যতা ও মান বৃদ্ধি করেছে। তাঁদের মধ্যে কেউ মূল কপির উপরেই মন্তব্য লিখে তা আমার নিকট ফেরত পাঠিয়েছেন, কেউ ফ্যাক্সের মাধ্যমে তাঁদের মন্তব্য পাঠিয়েছেন, আবার কেউ কেউ মন্তব্যের পাশাপাশি গ্রন্থটির জন্য প্রশংসামূলক অভিমত (তাকরিজ) প্রদান করেছেন। তাঁদের অনেকেই আমাকে এটি দ্রুত মুদ্রণের পরামর্শ দিয়েছিলেন যাতে মুসলিমরা এর দ্বারা উপকৃত হতে পারে; কিন্তু আমি শাইখ আব্দুল আজিজ (আল্লাহ তাঁকে রহম করুন)-এর পর্যবেক্ষণগুলো না পৌঁছানো পর্যন্ত অপেক্ষা করাকেই শ্রেয় মনে করেছি। এই সময়ের মধ্যে আমি প্রাপ্ত মতামতগুলোর আলোকে গ্রন্থটি পুনরায় বিন্যস্ত করি এবং শাইখের নিকট পরিমার্জিত কপিটি প্রেরণ করি। পরবর্তীতে আমি জানতে পারি যে, গ্রন্থটি তাঁর নিকট পৌঁছেছে এবং তিনি সেটি তাঁকে পড়ে শোনানোর নির্দেশ দিয়েছেন। যিনি তাঁকে পড়ে শোনাচ্ছিলেন—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন—তিনি আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি শাইখকে গ্রন্থটির এক-তৃতীয়াংশ পড়ে শুনিয়েছেন এবং শাইখ এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এতে আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি। কিন্তু এর মাত্র কয়েক দিন পরেই আমরা শাইখের ইন্তেকালের খবরে স্তব্ধ হয়ে যাই; আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের প্রশস্ত বাগানে স্থান দান করেন। অতঃপর তিন সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পর গ্র্যান্ড মুফতির কার্যালয়ের মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে আমার নিকট একটি পত্র আসে, যাতে গ্রন্থটির ওপর শাইখের প্রশংসামূলক অভিমত (তাকরিজ) অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং সেই সাথে মূল কপিটিও ছিল, যার মধ্যে কেবল একটি মন্তব্য এবং কিছু মুদ্রণজনিত ত্রুটির সংশোধন ছিল।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ২)
‌‌الفرق بين هذه النسخة والنسخة التي اطلع عليها الشيخ:

1- كان عنوان الكتاب " المكفرات القولية والعملية من خلال أقوال العلماء " فاقترح بعض الفضلاء تغيير العنوان بما يفيد أن المقصود بالمكفرات، الأقوال والأعمال المُخرِجة من الملة وليست مكفرات الذنوب فجعلت العنوان " التوسطُ والاقتصادُ في أن الكُفرَ يكون بالقول أو العملِ أو الاعتقادِ ".

2- زيادة في المقدمة من قولي (ص11) : فإنه من المقطوع به … إلى قولي (ص13) : هذا وقد ترددت في الآونة الأخيرة … وذلك أخذا بقول من أشار عليَّ أنه يحسن البدء بتقرير معتقد أهل السنة والجماعة في الإيمان والكفر قبل الخوض في المسألة.

3- حذفت من كلام صاحب الفروع (ابن مفلح) من قوله: وقال في الترغيب … إلى آخره كما أشار الشيخ.

4- حذفت كلام الدسوقي كلَّه كما أشار الشيخ.

5- أضفت كلام ابن بلبان (ص99) مكان كلام الدسوقي رغم أنه حسب الترتيب الزمني ليس هذا موضعه لكن للحفاظ على ترتيب الصفحات.

6- أضفت (ص97) تعليقاً للشيخ رحمه الله على كلام البجيرمي.

أما ما عدا ذلك فكلُّ ما في الكتاب فقد قُرئ على الشيخ وأقره وأثنى عليه.

والحمد لله الذي بنعمته تتم الصالحات.

المؤلف

حُرِّرَ في 23/2/1420هـ
এই সংস্করণ এবং শাইখ যে সংস্করণটি দেখেছিলেন তার মধ্যে পার্থক্য:

১- কিতাবটির শিরোনাম ছিল "উলামাদের বক্তব্যের আলোকে মৌখিক ও ব্যবহারিক কুফরি কাজসমূহ"। অতঃপর কিছু গুণী ব্যক্তি শিরোনাম পরিবর্তনের পরামর্শ দেন যাতে এটি স্পষ্ট হয় যে, 'মুকফফিরাত' (কুফরি কাজ) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো এমন কথা ও কাজ যা ধর্ম থেকে বের করে দেয়, এটি গুনাহ মোচনকারী আমল নয়। তাই আমি শিরোনামটি পরিবর্তন করে রেখেছি "কথা, কাজ বা বিশ্বাসের মাধ্যমে কুফরি হওয়ার বিষয়ে মধ্যপন্থা ও পরিমিতিবোধ"।

২- ভূমিকার পরিবর্ধন; আমার কথা (পৃষ্ঠা ১১): "নিশ্চয়ই এটি সুনিশ্চিত যে..." থেকে শুরু করে আমার কথা (পৃষ্ঠা ১৩): "সম্প্রতি আমি দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম..." পর্যন্ত। এটি এমন ব্যক্তির পরামর্শ অনুযায়ী করা হয়েছে যিনি আমাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, মূল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার আগে ঈমান ও কুফর সম্পর্কে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকিদা সুপ্রতিষ্ঠিত করা উত্তম হবে।

৩- 'আল-ফুরু' গ্রন্থের লেখক (ইবনে মুফলিহ)-এর বক্তব্য থেকে তাঁর কথা: "তিনি আত-তারগিব-এ বলেছেন..." থেকে শেষ পর্যন্ত মুছে ফেলা হয়েছে, যেমনটি শাইখ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

৪- দাসুকির সমস্ত বক্তব্য মুছে ফেলা হয়েছে, যেমনটি শাইখ নির্দেশ করেছিলেন।

৫- দাসুকির বক্তব্যের পরিবর্তে ইবনে বালবানের বক্তব্য (পৃষ্ঠা ৯৯) যোগ করা হয়েছে। যদিও কালানুক্রমিক বিন্যাস অনুযায়ী এটি এর সঠিক স্থান নয়, তবে পৃষ্ঠার ক্রম বজায় রাখার স্বার্থে এটি করা হয়েছে।

৬- বুজাইরিমির বক্তব্যের ওপর শাইখের (রাহিমাহুল্লাহ) একটি মন্তব্য (পৃষ্ঠা ৯৭) যুক্ত করেছি।

এগুলো ছাড়া কিতাবের বাকি সমস্ত অংশ শাইখকে পড়ে শোনানো হয়েছে এবং তিনি তা অনুমোদন করেছেন ও প্রশংসা করেছেন।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যাঁর অনুগ্রহে সকল নেক কাজ সম্পন্ন হয়।

লেখক

লিখিত তারিখ: ২৩/২/১৪২০ হিজরি।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: -)
التوسط والاقتصاد   (علوي السقاف)

القسم: العقيدة


الكتاب : التوسط والاقتصاد في أن الكفر يكون بالقول أو العمل أو الاعتقاد

المؤلف : علوي بن عبد القادر السَّقَّاف

الناشر : دار ابن القيم للنشر والتوزيع - الدمام

الطبعة :الأولى، 1420 هـ - 1999 م

عدد الصفحات: 148

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মধ্যপন্থা ও পরিমিতি   (আলাউই আস-সাক্কাফ)

বিভাগ: আকীদা


বই : মধ্যপন্থা ও পরিমিতি: কুফর কথা, কাজ অথবা বিশ্বাসের মাধ্যমে হওয়া প্রসঙ্গে

লেখক : আলাউই বিন আব্দুল কাদির আস-সাক্কাফ

প্রকাশক : দার ইবনুল কাইয়্যিম প্রকাশনী ও পরিবেশনী - দাম্মাম

সংস্করণ : প্রথম, ১৪২০ হিজরী - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: 148

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ৪)
‌‌خطاب مكتب المفتي العام

 

المملكة العربية السعودية

رئاسة إدارة البحوث العلمية والافتاء

مكتب المفتي العام

 

حضرة الأخ المكرم فضيلة الشيخ علوي بن عبد القادر السقاف وفقه الله لما فيه رضاه آمين.

سلام عليكم ورحمة الله وبركاته أما بعد.

فإشارة إلى رسالتك الموجهة إلى سماحة الوالد المفتي العام للمملكة العربية السعودية الشيخ عبد العزيز بن باز رحمه الله المشفوع بها كتابك المسمى المكفرات القولية والعملية من خلال أقوال العلماء.

أفيدك أنه قد تم عرض رسالتك وكتابك على سماحته في حياته وقد أملى جواباً لكم ما نصه (فقد وصلني كتابكم الكريم المؤرخ بدون. وصلكم الله بحبل الهدى والتوفيق واطلعت على الرسالة المرفقة التي كتبتم في المكفرات القولية والعملية. وقد قرأتها كلها فألفيتها رسالة قيمة مفيدة يحسن طبعها ونشرها ليستفيد منها المسلمون بعد حذف بعض ما نقلتم عن صاحب الفروع ابتداء من قوله وقال في الترغيب إلى آخره. وحذف ما نقلتم عن الدسوقي كله لما فيه من اللبس) فأرجو الإحاطة وأسأل الله لكم العون والتوفيق إنه جواد كريم.

والسلام عليكم ورحمة وبركاته.

مدير عام مكتب مفتي عام المملكة

 

د/ عبد الله بن حافظ الحكمي
গ্র্যান্ড মুফতির কার্যালয়ের পত্র

 

সৌদি আরব রাজ্য

বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ফতোয়া বিভাগীয় প্রেসিডেন্সি

গ্র্যান্ড মুফতির কার্যালয়

 

সম্মানিত দ্বীনি ভাই ফযীলাতুশ শায়খ আলওয়ী বিন আব্দুল কাদির আস-সাক্কাফ, আল্লাহ তাকে তাঁর সন্তুষ্টির পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমীন।

আপনাদের ওপর আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। অতঃপর:

সৌদি আরব রাজ্যের গ্র্যান্ড মুফতি মহামান্য শায়খ আব্দুল আজিজ বিন বাজ (রহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট প্রেরিত আপনার পত্র এবং এর সাথে সংযুক্ত আপনার লিখিত ‘উলামায়ে কেরামের বক্তব্যের আলোকে মৌখিক ও ব্যবহারিক কুফরি বিষয়সমূহ’ নামক বইটির প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে—

আমি আপনাকে অবগত করছি যে, মহামান্য শায়খের জীবদ্দশায় আপনার পত্র ও বইটি তাঁর নিকট পেশ করা হয়েছিল। তিনি আপনাদের জন্য একটি উত্তরের প্রতিলিপি প্রদান করেছিলেন যার পাঠ নিম্নরূপ: (আপনার তারিখবিহীন সম্মানিত পত্রটি আমার নিকট পৌঁছেছে। আল্লাহ আপনাকে হিদায়াত ও তাওফিকের রজ্জুর সাথে যুক্ত রাখুন। আমি মৌখিক ও ব্যবহারিক কুফরি বিষয়ে আপনার লেখা সংযুক্ত রিসালাহটি (পুস্তিকাটি) দেখেছি। আমি এটি আদ্যোপান্ত পড়েছি এবং একে একটি মূল্যবান ও উপকারী রিসালাহ হিসেবে পেয়েছি। এটি ছাপানো ও প্রচার করা সমীচীন হবে যাতে মুসলিমগণ এর দ্বারা উপকৃত হতে পারে; তবে ‘আল-ফুরু’ গ্রন্থের লেখকের বরাতে ‘আল-তারগিব-এ বলা হয়েছে’—এই কথা থেকে শেষ পর্যন্ত যে উদ্ধৃতি দিয়েছেন তা বাদ দেওয়ার পর। আর আদ-দাসুকি থেকে যা কিছু উদ্ধৃত করেছেন তা অস্পষ্টতা থাকার কারণে সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে)। সুতরাং বিষয়টি অবগত হওয়ার অনুরোধ রইল। আমি আল্লাহর নিকট আপনার সাহায্য ও সফলতা কামনা করছি। নিশ্চয়ই তিনি মহান দাতা ও দয়ালু।

আপনাদের ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।

রাজ্যের গ্র্যান্ড মুফতির কার্যালয়ের মহাপরিচালক

 

ড. আব্দুল্লাহ বিন হাফিজ আল-হাকামী
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ৫)
المحتويات

مقدمة

1. التَّابعيُّ الجليل نافع مولى ابن عمر رضي الله عنه. ت:117هـ

2. الإمام سفيان بن عيينة. ت:198هـ

3. الإمام محمّد بن إدريس الشافعيّ. ت: 204هـ

4. الإمام عبد الله بن الزّبير الحميديّ. ت:219هـ

5. الإمام إسحاق بن راهويه المروزيّ. ت:238هـ

6. الإمام أبو ثور إبراهيم بن خالد. ت:240هـ

7. إمام أهل السُّنَّة أحمد بن حنبل. ت:241هـ

8. فقيه المغرب محمد بن سحنون المالكي. ت:265هـ

9. إمام المفسرين أبو جعفر محمد بن جرير الطبري.تك310هـ

10. الشيخ أبو الحسن عليُّ بن إسماعيل الأشعريّ. ت:324هـ

11. شيخ الحنابلة الحسن بن علي البربهاري. ت:329هـ

12. أبو بكر أحمد بن عليٍّ الجصَّاص (الحنفيّ) . ت:370هـ

13. الإمام أبو القاسم هبةُ الله بن الحسن اللالكائيّ. ت: 418هـ

14. محمد بن الوليد السمرقنديّ (الحنفيّ) : كان حيَّاً سنة450هـ

15. العلَاّمة أبو محمَّد عليُّ بن حزم (الظاهريّ) . ت:456هـ
বিষয়বস্তুসমূহ

ভূমিকা

১. মহান তাবেয়ি নাফে', ইবনে উমরের (আল্লাহ তার ওপর সন্তুষ্ট হোন) মুক্তদাস। মৃত্যু: ১১৭ হিজরি

২. ইমাম সুফিয়ান বিন উয়ায়নাহ। মৃত্যু: ১৯৮ হিজরি

৩. ইমাম মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস আশ-শাফিঈ। মৃত্যু: ২০৪ হিজরি

৪. ইমাম আব্দুল্লাহ বিন আল-জুবায়ের আল-হুমাইদি। মৃত্যু: ২১৯ হিজরি

৫. ইমাম ইসহাক বিন রাহওয়াই আল-মারওয়াজি। মৃত্যু: ২৩৮ হিজরি

৬. ইমাম আবু সাওর ইব্রাহিম বিন খালিদ। মৃত্যু: ২৪০ হিজরি

৭. আহলে সুন্নাতের ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল। মৃত্যু: ২৪১ হিজরি

৮. মাগরিবের ফকিহ মুহাম্মাদ বিন সাহনুন আল-মালিকি। মৃত্যু: ২৬৫ হিজরি

৯. মুফাসসিরদের ইমাম আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন জারির আত-তবারি। মৃত্যু: ৩১০ হিজরি

১০. শাইখ আবুল হাসান আলী বিন ইসমাইল আল-আশআরি। মৃত্যু: ৩২৪ হিজরি

১১. হাম্বলিদের শাইখ হাসান বিন আলী আল-বারবাহারি। মৃত্যু: ৩২৯ হিজরি

১২. আবু বকর আহমাদ বিন আলী আল-জাসসাস (হানাফি)। মৃত্যু: ৩৭০ হিজরি

১৩. ইমাম আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন হাসান আল-লালকায়ি। মৃত্যু: ৪১৮ হিজরি

১৪. মুহাম্মাদ বিন আল-ওয়ালিদ আস-সামারকান্দি (হানাফি): তিনি ৪৫০ হিজরি সনে জীবিত ছিলেন

১৫. আল্লামা আবু মুহাম্মাদ আলী বিন হাযম (জাহেরি)। মৃত্যু: ৪৫৬ হিজরি
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ৬)
16. الحافظ يوسف بن عبد الله بن عبد البر (المالكي) . ت:463هـ

17. إمام الحرمين عبد الملك بن عبد الله الجوَينيّ (الشافعيّ) ت:478هـ

18. عليُّ بن محمَّد البزدَويّ (الحنفيّ) . ت:482هـ

19. عمادُ الدِّين عليُّ بن محمَّد الكِيا الهرَّاسي (الشافعيّ) .ت:504هـ

20. القاضي أبو بكرٍ بن العربيّ (المالكيّ) . ت:543هـ

21. القاضي عياض بن موسى (المالكيّ) . ت:544هـ

22. فخر الدِّين محمَّد بن عمر الرَّازيّ. ت:544هـ

23. علاء الدِّين مسعود بن أحمد الكاسانيّ (الحنفيّ) . ت:587هـ

24. فخر الدِّين حسن بن منصور الفرغان (الحنفيّ) . ت:592هـ

25. أبو الفرج عبد الرحمن بن عليٍّ ابن الجوزيّ. ت:597هـ

26. جلال الدِّين عبد الله بن نجم بن شاس (المالكيّ) . ت:616هـ

27. برهان الدِّين محمود بن أحمد بن مازه (الحنفيّ) . ت:616هـ

28. عبد الله بن أحمد بن قدامة المقدسيّ (الحنبليّ) . ت:620هـ

29. عثمان بن أبي بكرٍ المعروف بابن الحاجب (المالكيّ) .ت:646هـ

30. أبو عبد الله محمد بن أحمد القرطبي. ت:671هـ

31. محيي الدين يحيى بن شرف النوويّ (الشافعيّ) . ت:676هـ

32. شهاب الدِّين أحمد بن إدريسٍ القرافيّ (المالكيّ) . ت:684هـ

33. شيخ الإسلام أحمد بن عبد الحليم بن تيميَّة. ت: 728هـ

34. علاء الدين عبد العزيز بن أحمد البخاري (الحنفي) .ت:730هـ

35. عبيد الله بن مسعود المحبوبي البخاريّ (الحنفيّ) . ت:747هـ
16. হাফেজ ইউসুফ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল বার (মালিকি)। ওফাত: ৪৬৩ হি.

17. ইমামুল হারামাইন আব্দুল মালিক বিন আব্দুল্লাহ আল-জুওয়াইনি (শাফেয়ি)। ওফাত: ৪৭৮ হি.

18. আলী বিন মুহাম্মদ আল-বাজদাবি (হানাফি)। ওফাত: ৪৮২ হি.

19. ইমাদুদ্দিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-কিয়া আল-হাররাসি (শাফেয়ি)। ওফাত: ৫০৪ হি.

20. কাজী আবু বকর বিন আল-আরাবি (মালিকি)। ওফাত: ৫৪৩ হি.

21. কাজী আয়াজ বিন মুসা (মালিকি)। ওফাত: ৫৪৪ হি.

22. ফখরুদ্দিন মুহাম্মদ বিন উমর আল-রাজি। ওফাত: ৫৪৪ হি.

23. আলাউদ্দীন মাসউদ বিন আহমদ আল-কাসানি (হানাফি)। ওফাত: ৫৮৭ হি.

24. ফখরুদ্দিন হাসান বিন মনসুর আল-ফারগানি (হানাফি)। ওফাত: ৫৯২ হি.

25. আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আলী ইবনুল জাওজি। ওফাত: ৫৯৭ হি.

26. জালালুদ্দিন আব্দুল্লাহ বিন নাজমু বিন শাস (মালিকি)। ওফাত: ৬১৬ হি.

27. বুরহানুদ্দিন মাহমুদ বিন আহমদ বিন মাজাহ (হানাফি)। ওফাত: ৬১৬ হি.

28. আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি (হাম্বলি)। ওফাত: ৬২০ হি.

29. উসমান বিন আবু বকর, ইবনুল হাজিব নামে পরিচিত (মালিকি)। ওফাত: ৬৪৬ হি.

30. আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-কুরতুবি। ওফাত: ৬৭১ হি.

31. মহিউদ্দিন ইয়াহইয়া বিন শরাফ আন-নববী (শাফেয়ি)। ওফাত: ৬৭৬ হি.

32. শিহাবুদ্দিন আহমদ বিন ইদ্রিস আল-কারাফি (মালিকি)। ওফাত: ৬৮৪ হি.

33. শায়খুল ইসলাম আহমদ বিন আব্দুল হালিম বিন তাইমিয়া। ওফাত: ৭২৮ হি.

34. আলাউদ্দীন আব্দুল আজিজ বিন আহমদ আল-বুখারি (হানাফি)। ওফাত: ৭৩০ হি.

35. ওবায়দুল্লাহ বিন মাসউদ আল-মাহবুবি আল-বুখারি (হানাফি)। ওফাত: ৭৪৭ হি.
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ৭)
36. زين الدين عمر بن مظفر الوردي (الشافعي) . ت:749هـ

37. الحافظ محمد بن أبي بكر ابن قيِّم الجوزيَّة. ت:751هـ

38. تقيّ الدِّين عليُّ بن عبد الكافي السبكيّ (الشافعيّ) .ت:756هـ

37.محمَّد بن مفلح المقدسيّ (الحنبليّ) .ت:763هـ

39. الحافظ إسماعيل بن عمر بن كثير. ت:774هـ

40. الشيخ خليل بن إسحاق (المالكيّ) . ت:776هـ

41. محمَّد بن عبد الرحمن العثمانيّ (الشافعيّ) . ت: بعد 780هـ

42. عالم بن العلاء الأندربتي الدهلويّ (الحنفيّ) . ت:786هـ

43. سعد الدِّين مسعود بن عمر التفتازانيّ (الشافعيّ) . ت:792هـ

44. بدر الدين بن محمَّد بهادر الزَّركشيّ (الشافعيّ) . ت:794هـ

45. الحافظ عبد الرَّحمن بن أحمد ابن رجب (الحنبليّ) .ت:795هـ

46. برهان الدِّين إبراهيم بن فرحون اليعمري (المالكيّ) .ت:799هـ

47. محمَّد بن شهاب البزَّاز (الحنفيّ) . ت:827هـ

48. العلَاّمة محمّد بن المرتضى ابن الوزير الصنعانيّ. ت:840هـ

49. علاء الدِّين عليُّ بن خليل الطرابلسيّ (الحنفيّ) . ت:844هـ

50. الحافظ أحمد بن علي ابن حجر العسقلاني. ت:852هـ

51. كمال الدين ابن عبد الواحد ابن الهمام (الحنفيّ) . ت:861هـ

52. جلال الدِّين محمَّد بن أحمد المحليّ (الشافعيّ) . ت:864هـ

53. محمَّد بن أحمد بن عماد الأقفهسي (الشافعيّ) . ت:867هـ

54. محمّد بن محمّد بن محمّد (ابن أمير الحاج) (الحنفيّ) .ت:879هـ
৩৬. জয়নুদ্দিন উমর ইবনে মুজাফফর আল-ওয়ার্দি (শাফেয়ী)। ওফাত: ৭৪৯ হিজরী।

৩৭. আল-হাফিজ মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর ইবনুল কায়্যিম আল-জাওজিয়্যাহ। ওফাত: ৭৫১ হিজরী।

৩৮. তকিউদ্দিন আলি ইবনে আব্দুল কাফি আস-সুবকি (শাফেয়ী)। ওফাত: ৭৫৬ হিজরী।

৩৭. মুহাম্মাদ ইবনে মুফলিহ আল-মাকদিসি (হাম্বলী)। ওফাত: ৭৬৩ হিজরী।

৩৯. আল-হাফিজ ইসমাইল ইবনে উমর ইবনে কাসির। ওফাত: ৭৭৪ হিজরী।

৪০. শায়খ খলিল ইবনে ইসহাক (মালিকী)। ওফাত: ৭৭৬ হিজরী।

৪১. মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-উসমানি (শাফেয়ী)। ওফাত: ৭৮০ হিজরীর পর।

৪২. আলিম ইবনুল আলা আল-আন্দারবাতি আদ-দেহলভী (হানাফী)। ওফাত: ৭৮৬ হিজরী।

৪৩. সা'দউদ্দিন মাসুদ ইবনে উমর আত-তাফতাজানি (শাফেয়ী)। ওফাত: ৭৯২ হিজরী।

৪৪. বদরুদ্দিন ইবনে মুহাম্মাদ বাহাদুর আজ-যারকাশি (শাফেয়ী)। ওফাত: ৭৯৪ হিজরী।

৪৫. আল-হাফিজ আব্দুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে রজব (হাম্বলী)। ওফাত: ৭৯৫ হিজরী।

৪৬. বুরহানুদ্দিন ইব্রাহিম ইবনে ফারহুন আল-ইয়ামুরি (মালিকী)। ওফাত: ৭৯৯ হিজরী।

৪৭. মুহাম্মাদ ইবনে শিহাব আল-বাযযায (হানাফী)। ওফাত: ৮২৭ হিজরী।

৪৮. আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনুল মুরতাজা ইবনুল ওয়াযির আস-সানআনি। ওফাত: ৮৪০ হিজরী।

৪৯. আলাউদ্দিন আলি ইবনে খলিল আত-তারাবুলুসি (হানাফী)। ওফাত: ৮৪৪ হিজরী।

৫০. আল-হাফিজ আহমাদ ইবনে আলি ইবনে হাজার আল-আসকালানি। ওফাত: ৮৫২ হিজরী।

৫১. কামালুদ্দিন ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল হুমাম (হানাফী)। ওফাত: ৮৬১ হিজরী।

৫২. জালালুদ্দিন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-মাহাল্লি (শাফেয়ী)। ওফাত: ৮৬৪ হিজরী।

৫৩. মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইমাদ আল-আকফাহাসি (শাফেয়ী)। ওফাত: ৮৬৭ হিজরী।

৫৪. মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ (ইবনুল আমিরিল হাজ্জ) (হানাফী)। ওফাত: ৮৭৯ হিজরী।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ৮)
55. محمَّد بن أحمد المنهاجيّ الأسيوطيّ (الشافعيّ) . ت:880هـ

56. عليُّ بن سليمان المرداويّ (الحنبليّ) . ت:885هـ

57. محمد بن فراموز (مُنلَاّ خِسرو) (الحنفي) . ت:885هـ

58. أبو عبد الله محمّد بن قاسم الرصَّاع (المالكيّ) . ت:894هـ

59. محمَّد بن قاسم الغزِّي (الشافعيّ) . ت:918هـ

60. زكريَّا بن محمَّد الأنصاريّ (الشافعيّ) . ت:926هـ

61. محمَّد بن عبد الرَّحمن المغربيّ (المالكيّ) . ت:954هـ

62. شهاب الدِّين أحمد البرلُّسي (عميرة) (الشافعيّ) . ت:957هـ

63. زين الدِّين بن إبراهيم الشهير بابن نجيم (الحنفيّ) . ت:970هـ

64. محمَّد بن أحمد الفتوحي (ابن النجار) (الحنبليّ) . ت:972هـ

65. أحمد بن محمَّد بن حجر الهيتميّ (الشافعيّ) . ت:973هـ

66. محمَّد بن أحمد الخطيب الشربينيّ (الشافعيّ) . ت:977هـ

67. زين الدِّين بن عبد العزيز المليباري (الشافعيّ) . ت:987هـ

68. محمَّد عبد الرؤوف المناويّ (الشافعيّ) . ت:1031هـ

69. مَرْعيّ بن يوسفٍ الكرميّ المقدسيّ (الحنبليّ) . ت:1033هـ

70. منصور بن يونس البَهْوَتيّ (الحنبليّ) . ت:1051هـ

71. أحمدُ بن أحمدَ شهاب الدِّين القليوبيّ (الشافعيّ) . ت:1070هـ

72. عبد الرَّحمن بن شيخي زاده داماد (الحنفيّ) . ت:1078هـ

73. أبو البقاء أيوب بن موسى الكفويّ (الحنفيّ) . 1095هـ

74. أحمد بن محمَّد الحسينيّ الحمَويّ (الحنفيّ) . ت:1098هـ
55. মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-মিনহাজি আল-আসিউতি (শাফিঈ)। মৃত: ৮৮০ হিজরী

56. আলি বিন সুলাইমান আল-মারদাউয়ি (হাম্বলি)। মৃত: ৮৮৫ হিজরী

57. মুহাম্মাদ বিন ফারা-মুজ (মোল্লা খুসরু) (হানাফি)। মৃত: ৮৮৫ হিজরী

58. আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন কাসিম আল-রাসসা' (মালিকি)। মৃত: ৮৯৪ হিজরী

59. মুহাম্মাদ বিন কাসিম আল-গাজ্জি (শাফিঈ)। মৃত: ৯১৮ হিজরী

60. যাকারিয়া বিন মুহাম্মাদ আল-আনসারি (শাফিঈ)। মৃত: ৯২৬ হিজরী

61. মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-মাগরিবি (মালিকি)। মৃত: ৯৫৪ হিজরী

62. শিহাবুদ্দিন আহমাদ আল-বুরুল্লুসি (উমাইরা) (শাফিঈ)। মৃত: ৯৫৭ হিজরী

63. যাইনুদ্দিন বিন ইবরাহিম, যিনি ইবনে নুজাইম নামে পরিচিত (হানাফি)। মৃত: ৯৭০ হিজরী

64. মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-ফুতুহি (ইবনুন নাজ্জার) (হাম্বলি)। মৃত: ৯৭২ হিজরী

65. আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাজার আল-হাইতামি (শাফিঈ)। মৃত: ৯৭৩ হিজরী

66. মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-খাতিব আশ-শিরবিনি (শাফিঈ)। মৃত: ৯৭৭ হিজরী

67. যাইনুদ্দিন বিন আব্দুল আজিজ আল-মালিবারি (শাফিঈ)। মৃত: ৯৮৭ হিজরী

68. মুহাম্মাদ আব্দুর রউফ আল-মুনাউয়ি (শাফিঈ)। মৃত: ১০৩১ হিজরী

69. মারঈ বিন ইউসুফ আল-কারমি আল-মাকদিসি (হাম্বলি)। মৃত: ১০৩৩ হিজরী

70. মানসুর বিন ইউনুস আল-বাহুতি (হাম্বলি)। মৃত: ১০৫১ হিজরী

71. আহমাদ বিন আহমাদ শিহাবুদ্দিন আল-কালিউবি (শাফিঈ)। মৃত: ১০৭০ হিজরী

72. আব্দুর রহমান বিন শায়খি যাদা দামাদ (হানাফি)। মৃত: ১০৭৮ হিজরী

73. আবু আল-বাকা আইয়ুব বিন মুসা আল-কাফাউয়ি (হানাফি)। ১০৯৫ হিজরী

74. আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হুসাইনি আল-হামাউয়ি (হানাফি)। মৃত: ১০৯৮ হিজরী
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ৯)
75. العلَاّمة صالح بن مَهْديّ المقبليّ. ت:1108هـ

76. مجموعةٌ من علماء الهند الأحناف

77. العلَاّمة محمَّد بن إسماعيل الأمير الصَّنعانيّ. ت:1182هـ

78. أحمد العَدَويّ أبو البركات (الدَّردير) (المالكيّ) . ت:1201هـ

79. سليمان بن عمر العُجيليّ (الجمل) (الشافعيّ) . ت:1204هـ

80. الإمام المجدِّد محمَّد بن عبد الوهاب التميميّ. ت:1206هـ

81. الشيخ محمَّد بن عليٍّ بن غريب. ت:1209هـ

82. سليمان بن محمَّد بن عمر البجيرميّ (الشافعيّ) . ت:1221هـ

83. عبد الله بن حجازي (الشرقاويّ) (الشافعيّ) . ت:1227هـ

84. محمد بن بدر الدين بن بلبان. (الحنبلي) ت:1083هـ

85. سليمان بن عبد الله بن محمّد بن عبد الوهَّاب. ت:1233هـ

86. مصطفى بن سعد بن عبدَة الرُّحيبانيّ (الحنبليّ) . ت:1243هـ

87. الإمام عبدُ الله بن محمَّد بن عبد الوهَّاب. ت:1244هـ

88. العلَاّمة محمَّد بن عليٍّ الشَّوكانيّ. ت:1250هـ

89. محمَّد أمين ابن عابدين (الحنفيّ) . ت:1252هـ

90. شهاب الدِّين محمود بن عبد الله الآلوسي. ت:1270هـ

91. إبراهيم بن محمَّد بن أحمد البيجوريّ (الشافعيّ) . ت:1277هـ

92. الشيخ عبد الله بن عبد الرَّحمن أبابطين. ت:1282هـ

93. عبد الرَّحمن بن حسن بن محمَّد بن عبد الوهّاب. ت:1285هـ

94. محمَّد بن أحمد المعروف بالشيخ عليش (المالكيّ) .ت: 1299هـ
75. আল্লামা সালিহ বিন মাহদী আল-মুকবিলি। মৃত্যু: ১১০৮ হি.

76. ভারতের একদল হানাফি আলেম

77. আল্লামা মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-আমীর আস-সানআনি। মৃত্যু: ১১৮২ হি.

78. আহমাদ আল-আদাওয়ি আবুল বারাকাত (আদ-দারদীর) (মালিকি)। মৃত্যু: ১২০১ হি.

79. সুলাইমান বিন উমর আল-উজাইলি (আল-জামাল) (শাফেয়ি)। মৃত্যু: ১২০৪ হি.

80. ইমাম মুজাদ্দিদ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আত-তামিমি। মৃত্যু: ১২০৬ হি.

81. শায়খ মুহাম্মাদ বিন আলী বিন গারীব। মৃত্যু: ১২০৯ হি.

82. সুলাইমান বিন মুহাম্মাদ বিন উমর আল-বুজাইরামি (শাফেয়ি)। মৃত্যু: ১২২১ হি.

83. আব্দুল্লাহ বিন হিজাজি (আশ-শারকাউয়ি) (শাফেয়ি)। মৃত্যু: ১২২৭ হি.

84. মুহাম্মাদ বিন বদরুদ্দিন বিন বালবান। (হাম্বলি) মৃত্যু: ১০৮৩ হি.

85. সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব। মৃত্যু: ১২৩৩ হি.

86. মুস্তফা বিন সাদ বিন আবদাহ আর-রুহিবানি (হাম্বলি)। মৃত্যু: ১২৪৩ হি.

87. ইমাম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব। মৃত্যু: ১২৪৪ হি.

88. আল্লামা মুহাম্মাদ বিন আলী আশ-শাওকানি। মৃত্যু: ১২৫০ হি.

89. মুহাম্মাদ আমীন ইবনে আবিদীন (হানাফি)। মৃত্যু: ১২৫২ হি.

90. শিহাবুদ্দিন মাহমুদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আলুসি। মৃত্যু: ১২৭০ হি.

91. ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-বাইজুরি (শাফেয়ি)। মৃত্যু: ১২৭৭ হি.

92. শায়খ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আবাবতাইন। মৃত্যু: ১২৮২ হি.

93. আব্দুর রহমান বিন হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব। মৃত্যু: ১২৮৫ হি.

94. মুহাম্মাদ বিন আহমাদ, যিনি শায়খ আলিশ নামে পরিচিত (মালিকি)। মৃত্যু: ১২৯৯ হি.
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১০)
95. الشيخ حمد بن عليٍّ بن عتيق. ت:1301هـ

96. أحد علماء الدعوة النجديَّة

97. عثمان بن محمد شطا البكريّ (الشافعيّ) . ت:1302هـ

98. العلَاّمة صدِّيق حسن خان القنوجي. ت:1307هـ

99. الشيخ أحمد بن إبراهيم بن عيسى السديريّ. ت:1329هـ

100. علامة الشَّام محمَّد جمال الدِّين القاسميّ. ت:1332هـ

101. محمَّد أنور شاه الكشميريّ.ت: 1352هـ

102. إبراهيم بن محمَّد بن ضويان (الحنبليّ) . ت:1353هـ

103. السيد محمَّد رشيد رضا. ت:1354هـ

104. العلَاّمة عبد الرَّحمن بن ناصر بن سعديّ. ت:1376هـ

105. الشيخ حافظ بن أحمد الحكمي. ت:1377هـ

106. الشيخ محمّد بن إبراهيم آل الشيخ. ت:1389هـ

107. العلَاّمة محمَّد الأمين الشنقيطي. ت:1393هـ

108. اللجنة الدائمة للبحوث العلميَّة والإفتاء (بالسعودية)

109. الإمام عبد العزيز بن عبد الله بن باز (وُلد عام:1330هـ)

110. الشيخ محمَّد بن صالح بن عثيمين (وُلد عام: 1347هـ)

111. الشيخ عبد الله بن عبد الرَّحمن الجبرين (وُلد عام:1349هـ)

112. الشيخ صالح بن فوزان الفوزان (وُلد عام: 1354هـ)

113. الشيخ بكر بن عبد الله أبو زيد (وُلد عام: 1364هـ)

114. "الموسوعة الفقهيَّة الكويتيَّة"
95. শাইখ হামাদ বিন আলী বিন আতীক। মৃত্যু: ১৩০১ হিজরি

96. নজদি দাওয়াহর অন্যতম আলিম

97. উসমান বিন মুহাম্মদ শাত্তা আল-বাকরি (শাফেয়ি)। মৃত্যু: ১৩০২ হিজরি

98. আল্লামা সিদ্দিক হাসান খান আল-কান্নৌজি। মৃত্যু: ১৩০৭ হিজরি

99. শাইখ আহমদ বিন ইবরাহিম বিন ঈসা আস-সুদাইরি। মৃত্যু: ১৩২৯ হিজরি

100. শাম অঞ্চলের বিজ্ঞ আলিম মুহাম্মদ জামালুদ্দিন আল-কাসিমি। মৃত্যু: ১৩৩২ হিজরি

101. মুহাম্মদ আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি। মৃত্যু: ১৩৫২ হিজরি

102. ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন দুওয়াইয়ান (হাম্বলি)। মৃত্যু: ১৩৫৩ হিজরি

103. সাইয়্যিদ মুহাম্মদ রশিদ রিদা। মৃত্যু: ১৩৫৪ হিজরি

104. আল্লামা আব্দুর রহমান বিন নাসির বিন সাদী। মৃত্যু: ১৩৭৬ হিজরি

105. শাইখ হাফিজ বিন আহমদ আল-হাকামি। মৃত্যু: ১৩৭৭ হিজরি

106. শাইখ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আলুশ শাইখ। মৃত্যু: ১৩৮৯ হিজরি

107. আল্লামা মুহাম্মদ আল-আমিন আশ-শানকিতী। মৃত্যু: ১৩৯৩ হিজরি

108. বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (সৌদি আরব)

109. ইমাম আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (জন্ম: ১৩৩০ হিজরি)

110. শাইখ মুহাম্মদ বিন সালিহ বিন উসাইমিন (জন্ম: ১৩৪৭ হিজরি)

111. শাইখ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জিবরীন (জন্ম: ১৩৪৯ হিজরি)

112. শাইখ সালিহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান (জন্ম: ১৩৫৪ হিজরি)

113. শাইখ বকর বিন আব্দুল্লাহ আবু যায়দ (জন্ম: ১৩৬৪ হিজরি)

114. "কুয়েতি ফিকহ বিশ্বকোষ"
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌مقدمة

 

إنَّ الحمدَ للهِ نحمدُه ونستعينُه ونستغفرُه، ونعوذُ بالله من شُرور أنفسنا وسيئاتِ أعمالنا، مَن يهدهِ الله فلا مُضِلَّ له، ومَن يُضلل فلا هاديَ له، وأشهدُ ألَاّ إله إلَاّ الله وحده لا شريك له وأشهد أنَّ محمَّداً عبدُه ورسولُه؛ أمَّا بعد:

فإنه من المقطوع به عند أهل السنةِ والجماعةِ أنَّ الإيمانَ قولٌ وعملٌ (1) يزيد بالطاعة وينقص بالمعصية، وتارة يقولون: الإيمان: قولٌ باللسان، وعملٌ بالأركان (الجوارح) ، واعتقادٌ بالجَنان (القلب) ،وتارة يقولون: قولٌ وعملٌ ونِيَّةٌ،ولهم عباراتٌ لا تختلف عن هذه في معناها، وقد حكى غيرُ واحدٍ إجماعَ الصحابة والتابعين والفقهاء والمحدثين على ذلك، ومن هؤلاء الشافعي (2) والبغوي (3)

--------------------------------------------

(1) قول القلب واللسان، وعمل القلب والجوارح.

(2) قال ابن تيمية في كتاب "الإيمان" (ص292) : ((قال الشافعى رضى الله عنه في كتاب الأم فى باب النية فى الصلاة … وكان الإجماع من الصحابة والتابعين من بعدهم ومن أدركناهم يقولون: الإيمان قول وعمل ونية لا يجزئ واحد من الثلاث إلا بالآخر)) قلت:لم يرد هذا النقل في كتاب الأم المطبوع فليُستدرك من هنا.

(3) قال في "شرح السنة" (ص38) : ((اتفقت الصحابة والتابعون فمن بعدهم من علماء السنة على أن الأعمال من الإيمان، … وقالوا: إن الإيمان قول وعمل وعقيدة … ))
ভূমিকা

 

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে হিদায়াত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। অতঃপর:

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের নিকট এটি অকাট্যভাবে প্রমাণিত যে, ঈমান হলো কথা ও কাজ (১), যা আনুগত্যের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায় এবং নাফরমানির মাধ্যমে হ্রাস পায়। কখনো তারা বলেন: ঈমান হলো জিহ্বা দ্বারা বলা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দ্বারা আমল করা এবং অন্তর দ্বারা বিশ্বাস করা। আবার কখনো তারা বলেন: কথা, কাজ ও নিয়ত। এবং তাদের এমন আরও কিছু উক্তি রয়েছে যা অর্থের দিক থেকে এগুলোর চেয়ে ভিন্ন নয়। একাধিক আলেম এ বিষয়ের ওপর সাহাবী, তাবেয়ী, ফকীহ এবং মুহাদ্দিসগণের ইজমা (ঐক্যমত) বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে শাফেয়ী (২) ও বাগভী (৩) অন্যতম।

--------------------------------------------

(১) অন্তরের কথা ও জিহ্বার কথা, এবং অন্তরের কাজ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজ।

(২) ইবন তাইমিয়্যাহ তাঁর "ঈমান" গ্রন্থে (পৃ. ২৯২) বলেন: ((শাফেয়ী রাদিয়াল্লাহু আনহু কিতাবুল উম্ম-এর নামাযের নিয়ত অধ্যায়ে বলেন … সাহাবী, তাঁদের পরবর্তী তাবেয়ী এবং আমরা যাদের পেয়েছি তাঁদের ইজমা ছিল যে, তাঁরা বলতেন: ঈমান হলো কথা, কাজ ও নিয়ত; এই তিনটির কোনো একটি অন্যটি ছাড়া যথেষ্ট হবে না))। আমি বলছি: এই উদ্ধৃতিটি মুদ্রিত কিতাবুল উম্ম গ্রন্থে পাওয়া যায়নি, তাই এখান থেকে তা সংশোধন করে নেওয়া উচিত।

(৩) তিনি "শারহুস সুন্নাহ" (পৃ. ৩৮) গ্রন্থে বলেন: ((সাহাবী, তাবেয়ী এবং তাঁদের পরবর্তী সুন্নাহর আলেমগণ একমত হয়েছেন যে, আমল ঈমানের অন্তর্ভুক্ত, … এবং তাঁরা বলেছেন: নিশ্চয়ই ঈমান হলো কথা, কাজ ও আকিদাহ … ))
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১২)
وابن عبد البر (1) وغيرهم. بل أصبح هذا مما يميزهم عن أهل البدع.

كما أنَّه من المقطوعِ به عندهم أنَّ من الأقوالِ والأعمالِ ما هو كفرٌ أكبر يُخرج من الملة، وقد حكى غيرُ واحدٍ الإجماع على أنَّ سبَّ اللهِ ورسولِه كفرٌ مخرج من الملة، ومن هؤلاء: الإمام إسحاق بن راهوية ومحمد بن سحنون (2) وغيرهما. فظنَّ بعض الناس أنَّ الكفرَ العمليَّ لا يخرج صاحبه من الإسلام وأنَّ سبَّ الله ورسوله مستثنى من ذلك (3) ،

وهذا خلاف ما عليه أهل السنة والجماعة. بل حكى غيرُ واحدٍ الإجماع على أنَّ الكفرَ يكون

--------------------------------------------

(1) قال في التمهيد (9/28) : ((أجمع أهل الفقه والحديث على أنَّ الإيمان قول وعمل، ولا عمل إلا بنيَّة … ))

(2) انظر النقولات عنهم من هذا الكتاب.

(3) سئلت اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء في السعودية (2/34) السئوال التالي: ((اعتبارهم تاركَ الصَّلاة كافراً كفراً عملياً والكفر العمليُّ لا يخرِجُ صاحبَه من المِلَّة إلَاّ ما استثنَوْه من سبِّ الله تعالى وما شابهه فهل تارك الصلاة مستثنىً وما وجه الاستثناء؟

فأجابت: ليس كلُّ كفرٍ عمليٍّ لا يخرج من ملَّة الإسلام، بل بعضه يخرج من ملَّة الإسلام))

وقال الشيخ عبد العزيز بن باز كما في مجلة الفرقان الكويتية، العدد (94) : ((الذَّبحُ لغيرِ الله، والسُّجود لغير الله،كفرٌ عمليٌّ مُخرجٌ من الملَّة، وهكذا لو صلَّى لغير الله أو سجد لغيره سبحانه، فإنَّه يكفر كفراً عمليَّاً أكبر- والعياذ بالله - وهكذا إذا سبَّ الدِّين، أو سبَّ الرَّسول، أو استهزأ بالله ورسوله، فإنَّ ذلك كفرٌ عمليٌّ أكبر عند جميع أهل السُّنَّة والجماعة))

 

لذا قال الشيخ حافظ الحكمي في "أعلام السنة النشورة" (ص182) " ((نحن لم نعرِّف الكفر الأصغر بالعمليِّ مطلقاً، بل بالعمليِّ المحض الذي لم يستلزم الاعتقادَ ولم يناقض قولَ القلبِ ولا عملَه))
এবং ইবনে আবদিল বার (১) ও অন্যান্যরা। বরং এটি এমন একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে যা তাদেরকে বিদআতিদের থেকে আলাদা করে।

যেমন তাদের নিকট এটি নিশ্চিত যে, এমন কিছু কথা ও কাজ রয়েছে যা বড় কুফর এবং তা দ্বীন থেকে বের করে দেয়। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে গালি দেওয়া যে দ্বীন থেকে বের করে দেওয়ার মতো কুফর, এ ব্যাপারে একাধিক আলেম ইজমা বা ঐক্যমত্য বর্ণনা করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইমাম ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ এবং মুহাম্মদ ইবনে সাহনুন (২) ও অন্যান্যরা। তবে কিছু মানুষ ধারণা করেছে যে, কর্মগত কুফর ব্যক্তিকে ইসলাম থেকে বের করে দেয় না এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে গালি দেওয়া এর ব্যতিক্রম (৩),

আর এটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের অবস্থানের পরিপন্থী। বরং একাধিক আলেম এই মর্মে ইজমা বর্ণনা করেছেন যে, কুফর হয়ে থাকে...

--------------------------------------------

(১) তিনি আত-তামহীদ (৯/২৮) গ্রন্থে বলেছেন: ((ফুকাহা ও মুহাদ্দিসগণ ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে, ঈমান হলো কথা ও কাজের নাম, আর নিয়ত ছাড়া কোনো আমল নেই … ))

(২) এই কিতাবে তাদের থেকে বর্ণিত উদ্ধৃতিগুলো দেখুন।

(৩) সৌদি আরবের স্থায়ী ফতোয়া ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা কমিটিকে (২/৩৪) নিম্নোক্ত প্রশ্নটি করা হয়েছিল: ((সালাত ত্যাগকারীকে তারা কর্মগত কাফির হিসেবে গণ্য করেন এবং কর্মগত কুফর ব্যক্তিকে দ্বীন থেকে বের করে দেয় না, তবে তারা আল্লাহ তাআলাকে গালি দেওয়া এবং এই জাতীয় বিষয়গুলোকে এর ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য করেছেন। তাহলে কি সালাত ত্যাগকারী এই ব্যতিক্রমের অন্তর্ভুক্ত এবং এই ব্যতিক্রমের ভিত্তি কী?

উত্তরে তারা বলেছেন: সকল কর্মগত কুফরই এমন নয় যে তা ইসলাম থেকে বের করে দেয় না, বরং এর মধ্যে কিছু আছে যা ইসলাম থেকে বের করে দেয়।))

শেখ আব্দুল আজিজ বিন বাজ কুয়েতের আল-ফুরকান ম্যাগাজিনের ৯৪তম সংখ্যায় বলেছেন: ((আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উদ্দেশ্যে পশু জবাই করা এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সেজদা করা এমন এক কর্মগত কুফর যা দ্বীন থেকে বের করে দেয়। একইভাবে যদি কেউ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য সালাত আদায় করে বা সেজদা করে, তবে সে বড় ধরনের কর্মগত কুফরে লিপ্ত হলো - আল্লাহর নিকট এ থেকে আশ্রয় চাই - এবং একইভাবে যদি কেউ দ্বীনকে গালি দেয়, বা রাসূলকে গালি দেয়, অথবা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে উপহাস করে, তবে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের সকল আলেমের মতে তা বড় কর্মগত কুফর হিসেবে গণ্য হবে।))

 

তাই শেখ হাফেজ আল-হাকামী 'আলামুস সুন্নাহ আল-মানশুরাহ' (পৃ. ১৮২) গ্রন্থে বলেছেন: ((আমরা ছোট কুফরকে ঢালাওভাবে কর্মগত কুফর হিসেবে সংজ্ঞায়িত করিনি, বরং একে এমন নিছক কর্মগত বিষয় বলেছি যা আকিদাহকে সংশ্লিষ্ট করে না এবং যা অন্তরের কথা বা কাজের বিরোধী নয়।))
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১৩)
بالقولِ أو الفعلِ أو الإعتقادِ، ومن هؤلاء: العلَاّمة ابن حزم (1) والشيخ سليمان آل الشيخ (2) والشيخ عبد الله أبابطين (3) والشيخ محمد بن ابراهيم (4) ، فسقطت دعوى الاستثناء والحمد لله، ومن فرَّق بين سبِّ الله أو رسوله وبين أي قولٍ أو عملٍ أجمع المسلمون أنه كفر كالذبح لغير الله أو السجود لصنمٍ أو نحو ذلك فعليه الدليل. فلا يظنُّ ظانٌ أَنَّ في المسألة خلافاً يجعل المسألة من مسائل الخلاف والاجتهاد، إذ لا يستطيع أحدٌ أَنْ يحكي عن واحدٍ من علماء أهل السنة والجماعة خلاف ذلك البتَّةَ.

هذا وقد تردَّدت في الآونة الأخيرة مسألة التَّكفير بالقول والعمل، وزعم بعضُهم أنَّه لا يكفُر إلَاّ من اعتقد الكفر، أمَّا من تلفَّظ به أو عمل ما هو كفرٌ صراحةً فلا يكفر؛ إذ الكفر هو

--------------------------------------------

(1) قال في "الفِصَل" (3/245) . ((بقي من أظهر الكفر: لا قارئاً ولا شاهداً، ولا حاكياً ولا مكرهاً على وجوب الكفر له بإجماع الأمَّة على الحكم له بحكم الكفر وبحكم رسول الله ? بذلك، وبنصِّ القرآن على من قال كلمة الكفر إِنَّه كافرٌ))

(2) قال في "الدلائل" (ص30) : ((أجمع العلماء على أَنَّ من تكلَّم بالكفر هازِلاً أَنَّه يكفر. فكيف بمن أظهر الكفرَ خوفاً وطمعاً في الدُّنيا؟ ! … ))

(3) قال كما في "مجموعة الرسائل والمسائل" (1/659) : ((والمرتدُّ هو الذي يكفر بعدَ إسلامه بكلامٍ أو اعتقادٍ أو فعلٍ أو شكٍّ وهو قبل ذلك يتلفَّظ بالشَّهادتين ويصلي ويصوم، فإذا أتى بشيءٍ مما ذكروه صار مرتدَّاً مع كونه يتكلَّم بالشَّهادتين ويصلي ويصوم ولا يمنعه تكلُّمه بالشَّهادتين وصلاته وصومه عن الحكم عليه بالرِّدَّة، وهذا ظاهرٌ بالأدلَّة من الكتابِ والسُّنَّة والإجماع))

(4) قال في شرحه لكشف الشبهات (ص102) : ((فهذا المذكور في هذا الباب إجماع منهم أنه يخرج من الملة ولو معه الشهادتان، لأجل اعتقادٍ واحد أو عملٍ واحد أو قولٍ واحد، يكفي بإجماع أهل العلم لا يختلفون فيه))
কথা, কাজ বা বিশ্বাসের মাধ্যমে; তাদের মধ্যে রয়েছেন: আল্লামা ইবনে হাজম (১), শেখ সুলাইমান আল শেখ (২), শেখ আবদুল্লাহ আবাবতিন (৩) এবং শেখ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম (৪)। এর ফলে ব্যতিক্রমের দাবিটি অসার প্রমাণিত হলো, সকল প্রশংসা আল্লাহর। যে ব্যক্তি আল্লাহ বা তাঁর রাসূলকে গালি দেওয়া এবং এমন কোনো কথা বা কাজের মধ্যে পার্থক্য করে যেটিকে মুসলমানগণ কুফরি বলে ঐকমত্য পোষণ করেছেন—যেমন আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো উদ্দেশ্যে পশু জবাই করা বা মূর্তিকে সিজদা করা বা এই জাতীয় কিছু—তবে তাকে এর স্বপক্ষে দলিল পেশ করতে হবে। কেউ যেন মনে না করেন যে এই বিষয়ে এমন কোনো মতভেদ রয়েছে যা এই মাসয়ালাটিকে মতভেদপূর্ণ বা ইজতিহাদী মাসয়ালায় পরিণত করে; কেননা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আলেমদের মধ্য থেকে কোনো একজনের পক্ষ থেকেও এর বিপরীতে কোনো মত কেউ কখনোই উদ্ধৃত করতে পারবে না।

আর সম্প্রতি কথা ও কাজের মাধ্যমে কাফির সাব্যস্ত করার মাসয়ালাটি বার বার আলোচিত হচ্ছে। তাদের কেউ কেউ দাবি করেছে যে, কুফরির বিশ্বাস অন্তরে পোষণ না করা পর্যন্ত কেউ কাফির হবে না। আর যে ব্যক্তি কুফরি কথা উচ্চারণ করে বা স্পষ্টভাবে কুফরি কাজ করে, সে কাফির হবে না; কেননা কুফর হলো...

--------------------------------------------

(১) তিনি 'আল-ফিসাল' (৩/২৪৫) গ্রন্থে বলেছেন: "সেই ব্যক্তি অবশিষ্ট থাকল যে কুফরি প্রকাশ করেছে: সে (কুফরি কালামের) পাঠকারী নয়, সাক্ষী নয়, বর্ণনাকারী নয় এবং বাধ্যও নয়; উম্মতের ইজমা অনুযায়ী তার ওপর কুফরির বিধান সাব্যস্ত হওয়া আবশ্যক এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে তার ওপর কুফরির হুকুম প্রদানের কারণে এবং কুরআনের স্পষ্ট ভাষ্যের ভিত্তিতে যে কুফরি শব্দ উচ্চারণ করে সে কাফির।"

(২) তিনি 'আদ-দালািল' (পৃ. ৩০) গ্রন্থে বলেছেন: "ওলামায়ে কেরাম একমত হয়েছেন যে, যে ব্যক্তি উপহাসবশত কুফরি কথা বলবে সে কাফির হয়ে যাবে। তবে সেই ব্যক্তির অবস্থা কেমন হবে যে দুনিয়ার ভয় বা লোভে পড়ে কুফরি প্রকাশ করে?! ... "

(৩) তিনি 'মাজমুআতুর রাসায়িল ওয়াল মাসায়িল' (১/৬৫৯) গ্রন্থে যেমনটি বলেছেন: "মুরতাদ হলো সেই ব্যক্তি যে ইসলাম গ্রহণের পর কথা, বিশ্বাস, কাজ বা সন্দেহের মাধ্যমে কাফির হয়। অথচ সে এর আগে শাহাদাতাইন পাঠ করত, সালাত আদায় করত এবং সিয়াম পালন করত। সুতরাং তারা যা উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে কোনোটি যদি সে করে, তবে সে মুরতাদ হয়ে যাবে; যদিও সে শাহাদাতাইন পাঠ করে, সালাত আদায় করে এবং সিয়াম পালন করে। তার শাহাদাতাইন পাঠ, সালাত ও সিয়াম তাকে মুরতাদ হিসেবে গণ্য করার ক্ষেত্রে বাধা হবে না। এটি কিতাব, সুন্নাহ ও ইজমার দলিল দ্বারা সুস্পষ্ট।"

(৪) তিনি 'শারহু কাশফিশ শুবুহাত' (পৃ. ১০২) গ্রন্থে বলেছেন: "এই অধ্যায়ে যা উল্লেখ করা হয়েছে তা তাদের পক্ষ থেকে একটি ইজমা যে, সে মিল্লাত থেকে বের হয়ে যাবে যদিও তার সাথে শাহাদাতাইন থাকে। শুধুমাত্র একটি বিশ্বাস, বা একটি কাজ অথবা একটি কথার কারণে; যা আলেমদের ইজমা অনুযায়ী যথেষ্ট এবং তারা এতে কোনো দ্বিমত পোষণ করেন না।"
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১৪)
الاعتقاد فقط ـ وهذا هو مذهب المرجئة المذموم ـ، مستدلِّين بتقسيم بعض العلماء الكفر إلى عمليٍّ واعتقاديٍّ، وأنَّ الأول كفرٌ أصغرُ والثاني كفرٌ أكبرُ، دون تفريقٍ بين الكفر العمليِّ الذي يعنيه العلماء والكفر بالعمل أو الأعمال المكفِّرة.

ومن هنا نشأت شبهة أخرى وهي أنَّ المرء لو عمل عملاً كفريَّاً، كالسُّجود لصنمٍ أو صليبٍ، أو قال قولاً كفريّاً،كَسَبِّ الله ورسوله، أو استهزأ بآيات الله لشهوةٍ أو غرضٍ دنيويٍ فإنَّه لا يكفُر ما لم يعتقد؛ فعدُّوا ذلك مانعاً من موانع التَّكفير، والذي عليه علماء أهل السنة والجماعة أنَّ موانع التكفير أربعة: ((الجهل، والخطأ، والتأويل أو الشبهة، والإكراه)) ، فمن وقع في كفرٍ عملاً أو قولاً ثم أقيمت عليه الحجة وبُيِّن له أنَّ هذا كفرٌ يخُرج من الملة فأصَرَّ على فعله طائعاً غير مُكْرَهٍ، متعمّداً غير مخطىءٍ ولا متأوّلٍ فإنَّه يكفر ولو كان الدافع لذلك الشهوة أو أيّ غرضٍ دنيويٍّ، وهذا ما عليه أهل الحق وعليه ظاهرين إلى قيام الساعة إن شاء الله.

ولما رأيتُ بعضَهم يستشهد بأقوالٍ محتملةٍ لبعض العلماء، نشطْتُ لجمع جملةٍ من أقوالهم في هذه المسألة. فتحصل لي منها مئات الأقوال لأكثر من مئةِ عالم، نقل بعضهم الإجماع كما تقدم.
কেবলমাত্র বিশ্বাস (এর মধ্যে সীমাবদ্ধ) — আর এটিই হচ্ছে মুরজিয়াদের নিন্দিত মাযহাব —, তারা এক্ষেত্রে কিছু উলামাদের কুফরকে আমলী (কর্মগত) এবং ইতিকাদী (বিশ্বাসগত) এই দুই ভাগে বিভক্ত করার বিষয়টিকে দলিল হিসেবে পেশ করে। তারা মনে করে যে, প্রথমটি কুফরে আসগর (ছোট কুফর) এবং দ্বিতীয়টি কুফরে আকবর (বড় কুফর)। অথচ তারা উলামাদের উদ্দেশ্যকৃত ‘আমলী কুফর’ এবং কুফর কাজ বা তাকফিরযোগ্য আমলের মধ্যে কোনো পার্থক্য করে না।

এখান থেকেই অন্য একটি সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে, আর তা হলো—যদি কোনো ব্যক্তি কুফরি কোনো কাজ করে, যেমন মূর্তিকে বা ক্রুশকে সিজদা করা, অথবা কুফরি কোনো কথা বলে, যেমন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে গালি দেওয়া, কিংবা প্রবৃত্তির বশবর্তী হয়ে বা কোনো পার্থিব উদ্দেশ্যে আল্লাহর আয়াতসমূহ নিয়ে উপহাস করা, তবে যতক্ষণ না সে মনেপ্রাণে তা বিশ্বাস করছে ততক্ষণ সে কাফির হবে না। তারা এটিকে তাকফিরের পথে অন্তরায়সমূহের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করেছে। অথচ আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের উলামাগণের নিকট তাকফিরের অন্তরায়সমূহ চারটি: (অজ্ঞতা, ভুল, ভুল ব্যাখ্যা বা সংশয় এবং জবরদস্তি)। সুতরাং যে ব্যক্তি কথা বা কাজের মাধ্যমে কুফরিতে লিপ্ত হয় এবং এরপর তার ওপর প্রমাণ কায়েম করা হয় ও তাকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয় যে এটি এমন কুফর যা তাকে ধর্ম থেকে বের করে দেয়, এরপরও যদি সে বাধ্য না হয়ে স্বেচ্ছায় তার কর্মে অটল থাকে, ভুল না করে এবং কোনো প্রকার অপব্যাখ্যা ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে তা করে, তবে সে কাফির হয়ে যাবে—যদিও এর পেছনে কারণ হিসেবে প্রবৃত্তি বা কোনো পার্থিব উদ্দেশ্য থাকে। হকপন্থীগণ এই মতাদর্শের ওপরই রয়েছেন এবং ইনশাআল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত তাঁরা এর ওপরই বিজয়ী থাকবেন।

যখন আমি দেখলাম যে তাদের কেউ কেউ কতিপয় উলামার ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে এমন কিছু উক্তি দিয়ে দলিল পেশ করছে, তখন আমি এই মাসআলায় তাঁদের একগুচ্ছ বাণী সংকলন করতে উদ্যোগী হলাম। এর ফলে আমি শতাধিক আলেমের শত শত উক্তি সংগ্রহ করতে পেরেছি, যাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ইতিপূর্বে বর্ণিত ঐক্যমত বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১৫)
وهنا لابدّ من توضيحِ أمورٍ تتعلَّق بمنهج الكتاب:

أولاً:مجمَل أقوالِ العلماءِ التي جمعتُها تنحصر في خمس عباراتٍ:

1- أنَّ الكفرَ يكون بالقول أو الفعل. فلم يقيّدوه بالاعتقادِ (1) .

2- أنَّ الكفرَ يكون بالقول أو الفعل أو الاعتقاد. فغايروا بينها (2) .

3- أنَّ الكفرَ يكون بالقول أو الفعل ولو لم يُعْتَقَد، فنصُّوا على عدمِ شرطيَّةِ الاعتقاد (3) .

--------------------------------------------

(1) ومن هؤلاء: نافع مولى ابن عمر، الشافعيّ، إسحاق بن راهويه، محمد بن سحنون، ابن جرير الطبريّ، أبو الحسن الأشعريّ، البربهاريّ، الجصّاص، ابن عبد البرّ، الجوينيّ،البزدويّ، إلكيا الهرَّاسيّ، ابن العربيّ، الرازيّ، الكاسانيّ، الفرغان صاحب فتاوى قاضيخان،ابن الجوزيّ، القرطبيّ، القرافيّ، ابن القيّم، ابن مفلح، ابن رجب، البزاز صاحب الفتاوى البزازية، ابن حجر العسقلانيّ، المرداويّ، الحمويّ، العدويّ، الشوكانيّ، رشيد رضا، الحكميّ، الشنقيطي.

(2) ومن هؤلاء: ابن شاس، ابن قدامة، ابن الحاجب، الوردي، السبكيّ، خليل بن إسحاق، العثمانيّ، ابن فرحون، الطرابلسيّ، المحلّي، الأقفهسيّ، الرصَّاع، ابن قاسم الغزيّ، زكريّا الأنصاريّ، ابن النجّار، المليباريّ، المناويّ، مرعيّ بن يوسف، البهوتيّ، محمد بن غريب، البجيرميّ، الدسوقيّ، عبد الرحمن بن حسن آل الشيخ، البكريّ، القنوجيّ، أحمد بن عيسى، ابن ضويان، ابن سعديّ، اللجنة الدائمة للإفتاء، بكر أبو زيد.

(3) ومن هؤلاء: أبو ثور، السمرقنديّ، ابن حزم، القاضي عياض، ابن مازه، النوويّ، ابن تيميّة، علاء الدين البخاريّ، المحبوبيّ، الأندربتي الدهلويّ، التفتازانيّ، الزركشيّ، ابن الوزير، ابن الهمّام، المنهاجيّ الأسيوطيّ، الأقفهسيّ، ابن أمير الحاج، منلا خسرو، عميرة، ابن نجيم، الهيتميّ، الخطيب الشربينيّ، القليوبيّ، زاده داماد، الكفويّ، المقبليّ، الصنعانيّ، الجمل، محمد بن عبد الوهّاب، الشرقاويّ، الرحيبانيّ، عبد الله بن محمد بن عبد الوهّاب، ابن عابدين، البيجوريّ، أبابطين، عليش، حمد بن عتيق، جمال الدين القاسميّ، الألوسيّ، الكشميريّ، محمد بن إبراهيم، ابن عثيمين، ابن جبرين، الفوزان، بكر أبو زيد، الموسوعة الفقهيّة الكويتيّة.ومن ألفاظهم: ولو لم يعتقد، وإن لم يعتقد، ولا معتقدٍ له، من غير اعتقادٍ له،وسواء اعتقدوه أو لم يعتقدوه، سواء (لا فرق) صدر (قاله) عن اعتقاد أو عناد أو..، سواء كان يعتقد أو كان ذاهلاً عن اعتقاده، ولا ينفعه ما في قلبه، وإن كان قلبه مطمئناً بالإيمان، جادّاً أو هازلاً (لاعباً) (مازحاً) ، الردّ على من قال أن مبنى الرّدّة على الاعتقاد، الردّ على من قال لا يكفر حتى يعتقد. إلى غير ذلك من الألفاظ.
এখানে গ্রন্থের পদ্ধতি বিষয়ক কিছু বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন:

প্রথমত: আমি আলেমদের যে বক্তব্যগুলো সংগ্রহ করেছি তার সারসংক্ষেপ পাঁচটি অভিব্যক্তিতে সীমাবদ্ধ:

১- কুফর কথা বা কাজের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। তারা একে বিশ্বাসের (আকীদার) সাথে সীমাবদ্ধ করেননি (১)।

২- কুফর কথা, কাজ অথবা বিশ্বাসের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। তারা এগুলোর মধ্যে পার্থক্য করেছেন (২)।

৩- কুফর কথা বা কাজের মাধ্যমে সংঘটিত হয়, যদিও তা বিশ্বাস করা না হয়; তারা বিশ্বাসের শর্ত না থাকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন (৩)।

--------------------------------------------

(১) এদের মধ্যে রয়েছেন: নাফে ইবনে উমরের মুক্তদাস, শাফেঈ, ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহি, মুহাম্মদ ইবনে সাহনুন, ইবনে জারির তাবারী, আবুল হাসান আশআরী, বারবাহারী, জাসসাস, ইবনে আব্দুল বারর, জুওয়াইনী, বাজদাবী, ইলকিয়া আল-হাররাসী, ইবনুল আরাবী, রাজী, কাসানী, ফাতাওয়া কাজিখানের লেখক ফারগানী, ইবনুল জাওজী, কুরতুবী, করাফী, ইবনুল কাইয়্যিম, ইবনে মুফলিহ, ইবনে রাজাব, ফাতাওয়া বাজজাজিয়ার লেখক বাজজাজ, ইবনে হাজার আসকালানী, মারদাবী, হামাবী, আদাওয়ী, শাওকানী, রশিদ রিদা, হাকামী, শানকীতী।

(২) এদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে শাস, ইবনে কুদামা, ইবনুল হাজিব, আল-ওয়ারদী, সুবকী, খলিল ইবনে ইসহাক, উসমানী, ইবনে ফারহুন, তারাবলুসী, মাহাল্লী, আকফাহাসী, রাসসা’, ইবনে কাসিম আল-গাজ্জী, যাকারিয়া আনসারী, ইবনুন নাজ্জার, মালিব বারী, মুনাওয়ী, মারঈ ইবনে ইউসুফ, বাহুতী, মুহাম্মদ ইবনে গারিব, বুজাইরিমী, দাসুকী, আব্দুর রহমান ইবনে হাসান আল শেখ, বাকরী, কান্নুজী, আহমদ ইবনে ঈসা, ইবনে দ্বাওয়ান, ইবনে সাদী, ফাতাওয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি (লাজনা দাইমা), বকর আবু যায়েদ।

(৩) এদের মধ্যে রয়েছেন: আবু সাওর, সামারকান্দী, ইবনে হাজম, কাজী ইয়াদ, ইবনে মাজাহ, নববী, ইবনে তাইমিয়্যাহ, আলাউদ্দীন বুখারী, মাহবুবী, আন্দারবাতী দেহলভী, তাফতাজানী, যারকাশী, ইবনুল উযির, ইবনুল হুমাম, মিনহাজী আসয়ুতী, আকফাহাসী, ইবনে আমির হাজ, মোল্লা খসরু, উমাইরা, ইবনে নুজাইম, হাইতামী, খতিব শিরবীনী, কলয়ুবী, জাদাহ দামাদ, কাফাবী, মাকবালী, সানআনী, জামাল, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব, শারকাওয়ী, রুহাইবানী, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব, ইবনে আবিদীন, বাইজুরী, আবাবতীন, আলীশ, হামদ ইবনে আতিক, জামালুদ্দীন কাসেমী, আলূসী, কাশ্মীরী, মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম, ইবনে উসাইমীন, ইবনে জিবরীন, ফাওজান, বকর আবু যায়েদ, কুয়েতি ফিকহ বিশ্বকোষ। এবং তাদের ব্যবহৃত শব্দাবলি হলো: যদিও বিশ্বাস না করে, যদিও তার কোনো বিশ্বাস না থাকে, তার বিশ্বাস ব্যতীতই, চাই তারা তা বিশ্বাস করুক বা না করুক, বিশ্বাস বা হঠকারিতার কারণে প্রকাশ পাক না কেন (এতে কোনো পার্থক্য নেই), চাই সে বিশ্বাসী হোক বা নিজ বিশ্বাসের ব্যাপারে অমনোযোগী হোক, তার অন্তরে যা আছে তা তার উপকারে আসবে না, যদিও তার অন্তর ঈমানের ওপর প্রশান্ত থাকে, সিরিয়াস হোক বা ঠাট্টা-বিদ্রূপকারী (তামাশাকারী) হোক, যে বলে ধর্মত্যাগের ভিত্তি বিশ্বাসের ওপর তার খণ্ডন, যে বলে বিশ্বাস না করা পর্যন্ত কাফের হবে না তার খণ্ডন। ইত্যাদি আরও অনেক শব্দাবলি।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১৬)
4ـ أنَّ الكفرَ يكون بالقول والفعل ولو لحظٍّ من حظوظِ الدُّنيا (1) .

5ـ ردودٌ أو إنكارٌ على الجهميّة والمرجئة الذين يشترطونَ الاعتقاد أو الاستحلال (2) .

ومن تأمَّل هذه العبارات يجد أن مؤدَّاها واحدٌ وإنْ كان بعضُها أصرح من بعضٍ في بيان المقصود.

--------------------------------------------

(1) وممن صرَّح بذلك: ابن تيميّة، ابن كثير، محمد بن عبد الرحمن المغربيّ، المقبليّ، محمّد بن عبد الوهّاب، سليمان بن عبد الله آل الشيخ، حمد بن عتيق، محمّد بن إبراهيم، الفوزان. ومن ألفاظهم: وإن كان سببه حبّ الدّنيا على الآخرة، بسبب إيثار الدّنيا لا بسبب العقيدة،طمعاً في الدّنيا، من أجل التّجارة، خوفاً من نقصِ مال، مدارة لأحد، أو لغير ذلك من الأغراض، سببه حظّاً من حظوظ الدّنيا، من أجل ماله أو بلده أو أهله، سببه قوة الشهوة. إلى غير ذلك من الألفاظ.

(2) ومن هؤلاء: ابن عيينة، الشافعيّ، الحميديّ، أحمد بن حنبل، ابن حزم، ابن تيميّة، الفوزان.
৪- কুফর (অবিশ্বাস) কথা এবং কাজের মাধ্যমে সংঘটিত হয়, এমনকি তা যদি দুনিয়াবী কোনো স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যেও হয় (১)।

৫- জাহমিয়্যাহ এবং মুরজিআদের প্রতি উত্তর বা খণ্ডন, যারা (কুফর সাব্যস্ত হওয়ার জন্য) অন্তরের বিশ্বাস বা বিষয়টিকে বৈধ মনে করার শর্তারোপ করে (২)।

আর যে ব্যক্তি এই উক্তিগুলো নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করবে, সে দেখতে পাবে যে এগুলোর সারমর্ম একই, যদিও উদ্দেশ্য বর্ণনার ক্ষেত্রে এগুলোর কোনো কোনটি অন্যটির তুলনায় অধিকতর স্পষ্ট।

--------------------------------------------

(১) যারা এ কথা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে তাইমিয়্যাহ, ইবনে কাসির, মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-মাগরিবি, আল-মাকবিলি, মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব, সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ আল শেখ, হামাদ বিন আতিক, মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম, আল-ফাওজান। এবং তাদের ব্যবহৃত শব্দাবলির মধ্যে রয়েছে: "যদিও এর কারণ হয় আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার ভালোবাসা", "দুনিয়াকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণে, আকিদার কারণে নয়", "দুনিয়ার লোভে", "ব্যবসা-বাণিজ্যের খাতিরে", "ধন-সম্পদ কমে যাওয়ার ভয়ে", "কাউকে খুশি করার জন্য", "অথবা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে", "এর কারণ দুনিয়ার কোনো স্বার্থ", "তার সম্পদ, দেশ বা পরিবারের কারণে", "এর কারণ তীব্র কামনা-বাসনা"। এছাড়াও অন্যান্য শব্দাবলি।

(২) এদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে উয়াইনাহ, শাফিঈ, আল-হুমাইদি, আহমাদ বিন হাম্বল, ইবনে হাজম, ইবনে তাইমিয়্যাহ, আল-ফাওজান।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১৭)
ثانياً: نقلْتُ أقوال بعض فقهاء المذاهب من الأشاعرة والماتريديَّة ممَّن خالطهم شيءٌ من الإرجاء لأنَّ ذلك أبلغ في الاستشهاد وإن كان قدوتنا علماء السُّنَّة القائلين بأن الإيمان قولٌ وعملٌ.

ثالثاً: رتَّبْتُ العلماءَ على حسب وَفَيَاتِهم، والأحياءَ منهم على حسب ولادَتِهم.

فكان منهم:

1 - أئمةٌ أعلامٌ من القرون الأولى أمثال: نافع مولى ابن عمر، وابن عيينة، والشافعيّ، والحميديّ، وإسحاق، وأبو ثور، وأحمد بن حنبل، ومحمد بن سحنون، وابن جرير الطبريّ، وأبو الحسن الأشعريّ، والبربهاري.

2 - ومنهم مفسِّرون أوردْتُ كلامَهم عند تفسيرهم لبعض الآيات. مثل: الجصّاص، وإلكِيا الهرَّاسي،وابن العربي،والرّازي، وابن الجوزي، والقرطبي، وابن كثير، والقاسمي، والألوسي.

3 - ومنهم علماءُ مجتهدون: كابن حزم (الظاهري) ، وابن عبد البرِّ (المالكيّ) ، والنوويّ (الشافعيّ) ، وابن تيميّة (الحنبليّ) ، وابن القيِّم (الحنبليّ) ، وابن الوزير، وابن حجر العسقلانيّ (الشافعيّ) ، والمقبليّ، والصنعانيّ، والشوكانيّ، وصِدِّيق خان.

4 - ومنهم فقهاءُ مذاهبٍ لا يسلم كثيرٌ منهم من شيء من الإرجاءِ.
দ্বিতীয়ত: আমি আশআরি ও মাতুরিদি মাযহাবের এমন কিছু ফকিহদের বক্তব্য উদ্ধৃত করেছি যাদের মাঝে কিছুটা ইরজা-র মিশ্রণ ছিল; কারণ এটি প্রমাণের ক্ষেত্রে অধিক কার্যকর, যদিও আমাদের আদর্শ হলেন সুন্নাহর ওই সকল ওলামায়ে কেরাম যারা বলেন যে ঈমান হলো মৌখিক স্বীকৃতি ও আমলের নাম।

তৃতীয়ত: আমি আলেমদের তাঁদের মৃত্যুর ক্রম অনুযায়ী এবং জীবিতদের তাঁদের জন্মের ক্রম অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি।

তাঁদের মধ্যে ছিলেন:

১ - প্রথম কয়েক শতাব্দীর প্রখ্যাত ইমামগণ, যেমন: ইবনে উমরের মুক্তদাস নাফি, ইবনে উইয়াইনা, শাফেয়ি, হুমাইদি, ইসহাক, আবু সাওর, আহমাদ বিন হাম্বল, মুহাম্মাদ বিন সাহনুন, ইবনে জারির তবারি, আবুল হাসান আশআরি এবং বারবাহারি।

২ - তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মুফাসসিরগণ, যাঁদের বক্তব্য আমি নির্দিষ্ট কিছু আয়াতের তাফসিরের ক্ষেত্রে উল্লেখ করেছি। যেমন: জাসসাস, ইলকিয়া আল-হাররাসি, ইবনুল আরাবি, রাজি, ইবনুল জাওজি, কুরতুবি, ইবনে কাসির, কাসিমি এবং আলওসি।

৩ - তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মুজতাহিদ আলেমগণ: যেমন ইবনে হাজম (জাহিরি), ইবনে আব্দুল বার (মালিকি), নববি (শাফেয়ি), ইবনে তাইমিয়্যাহ (হাম্বলি), ইবনুল কাইয়্যিম (হাম্বলি), ইবনুল উজির, ইবনে হাজার আসকালানি (শাফেয়ি), মুকবিলি, সানআনি, শাওকানি এবং সিদ্দিক খান।

৪ - তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন মাযহাবের ফকিহগণ, যাঁদের অনেকের মাঝেই কিছুটা ইরজা বিদ্যমান ছিল।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১৮)
فمن الحنفيَّة: السمرقنديِّ، والبزدويِّ، والكاسانيِّ، وابن مازه، والبزَّاز، وابن الهُمام، وابن أمير الحاج،، وابن نجيم، والكفَويِّ، وابن عابدين. وغيرهم.

ومن المالكيَّة: القاضي عِياض، وابن شاس، وابن الحاجب، والقرافيِّ، وخليل بن إسحاق،وابن قاسم الرصَّاع، والعَدويِّ الشهير بالدردير، والدسوقيِّ، والشيخ عليش، وغيرهم ممَّن تقدم من المفسِّرين كابن العربي والقرطبيِّ.

ومن الشافعيّة:إمام الحرمين الجُوَينيِّ، والسُّبكيِّ، وجلال الدين المحليِّ، ومحمد بن قاسم الغَزِّيِّ، وزكريَّا الأنصاريِّ، وعميرة، وابن حجر الهيتَميِّ، والشربينيِّ، والقليوبيِّ،والعُجيليِّ المشهور بالجمل، والبجيرميِّ، والشرقاويِّ، والبيجوريِّ، والبكريِّ. وغيرهم.

ومن الحنابلة: ابن قُدامة، وابن مفلح، وابن رجب، والمرداوي، وابن النجار، والكرميِّ، والبهوتيِّ، والرحيبانيِّ، وابن ضويان،وغيرهم.

5 - ومنهم طائفة من علماء الدَّعوة النجديَّة: كالإمام محمّد بن عبد الوهاب وابنه عبد الله وحفيداه سليمان بن عبد الله وعبد الرَّحمن بن حسن، ومحمد بن غريب، وأبابطين، وحمد بن عتيق، وأحمد بن عيسى.

6 - ومنهم معاصِرون: كأنور شاه الكشميريِّ، ورشيد رضا، والسعديِّ، والحكميِّ، ومحمد بن إبراهيم، والشنقيطيِّ.
হানাফী মাযহাবের আলেমদের মধ্য থেকে রয়েছেন: সমরকান্দি, পাজদাবি, কাসানি, ইবনে মাজাহ, বাযযায, ইবনুল হুমাম, ইবনে আমির আল-হাজ্জ, ইবনে নুজাইম, কাফাওয়ি এবং ইবনে আবিদিন। আর তাঁরা ছাড়াও অন্যান্যগণ।

মালিকী মাযহাবের আলেমদের মধ্য থেকে রয়েছেন: কাযী ইয়াদ, ইবনে শাস, ইবনুল হাজিব, আল-কারাফি, খলিল ইবনে ইসহাক, ইবনে কাসিম আল-রাসসা, আদ-দারদির নামে পরিচিত আল-আদাউয়ি, আদ-দাসুকি, শায়খ আলিশ এবং মুফাসসিরদের মধ্য থেকে পূর্বে উল্লেখিত ইবনুল আরাবি ও কুরতুবির মতো অন্যান্যগণ।

শাফেয়ী মাযহাবের আলেমদের মধ্য থেকে রয়েছেন: ইমামুল হারামাইন আল-জুওয়াইনি, আস-সুবকি, জালালুদ্দিন আল-মাহাল্লি, মুহাম্মদ ইবনে কাসিম আল-গাজ্জি, যাকারিয়া আল-আনসারি, উমাইরাহ, ইবনে হাজার আল-হাইতামি, আশ-শারবিনি, আল-কালয়ুবি, আল-জামাল নামে পরিচিত আল-উজাইলি, আল-বুজাইরামি, আশ-শারকাবি, আল-বাজুরি এবং আল-বাকরি। আর তাঁরা ছাড়াও অন্যান্যগণ।

হাম্বলী মাযহাবের আলেমদের মধ্য থেকে রয়েছেন: ইবনে কুদামা, ইবনে মুফলিহ, ইবনে রাজাব, আল-মারদাবি, ইবনুন নাজ্জার, আল-কারমি, আল-বাহুতি, আল-রুহাইবানি, ইবনে দাউয়ান এবং তাঁরা ছাড়াও অন্যান্যগণ।

৫ - তাঁদের মধ্য থেকে নজদী দাওয়াতের একদল আলেম রয়েছেন: যেমন ইমাম মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব, তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ এবং তাঁর দুই পৌত্র সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান বিন হাসান, মুহাম্মদ বিন গারিব, আবা বুতাইন, হামাদ বিন আতিক এবং আহমাদ বিন ঈসা।

৬ - তাঁদের মধ্য থেকে সমসাময়িক আলেমগণ রয়েছেন: যেমন আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি, রশিদ রিদা, আস-সাদি, আল-হাকামি, মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম এবং আশ-শানকিতি।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ১৯)
ومن الأحياء: ابن باز، وابن عثيمين، وابن جبرين، والفوزان، وبكر أبوزيد.

ومن أعضاء اللجنة الدائمة في السعودية غير من ذُكر: العفيفي، وآل الشيخ،وابن قعود.

رابعاً: آثرت أن أبقي كلام من نقلت عنهم كما هو ولم أعلِّق عليه إلا تعليقاتٍ يسيرةٍ وذلك لوضوح كلامهم وجلائه.

خامساً: لم أنقل كلام العلماءِ المتعلِّق بتكفيرِ تاركِ الصَّلاة، وهم جمهور أصحاب الحديث، علماً أنَّها أقوالٌ كثيرةٌ جداً مبثوثةٌ في كتب السَّلَف؛ وذلك لأَنَّها مسألة اختلف فيها أصحاب الحديث (1) . ولكن هاهنا مسألةٌ مهمَّةٌ، وهي أَنَّ أصحاب الحديث الذين لم يكفِّروا تاركَ الصَّلاة؛ لا يعنون أَنَّ الصَّلاةَ عملٌ والعمل

--------------------------------------------

(1) قال الإمام محمد بن نصر المروزيّ في "تعظيم قدر الصلاة" (2/925-936) : ((ذكرنا الأخبار المروية عن النبي? في إكفار تاركها، وإخراجه إياه من الملَّة، وإباحة قتال من امتنع من إقامتها، ثم جاءنا عن الصحابة رضي الله عنهم مثل ذلك، ولم يجئنا عن أحد منهم خلاف ذلك. ثم اختلف أهل العلم بعد ذلك في تأويل ما روي عن النبي ? ثم عن الصحابة رضي الله عنهم في إكفار تاركها، وإيجاب القتل على من امتنع من إقامتها.-ثم أورد مقالة الفريق الأول-وقال: قد حكينا مقالة هؤلاء الذين أكفروا تارك الصلاة متعمّداً، وحكينا جملة ما احتجّوا به، وهذا مذهب جمهور أهل الحديث. وقد خالفتهم جماعة أخرى من أصحاب الحديث، فأبوا أن يكفّروا تارك الصلاة، إلا أن يتركها جحوداً أو إباءً واستكباراً واستنكافاً ومعاندة فحينئذٍ يكفّر. وقال بعضهم: تارك الصلاة كتارك سائر الفرائض عن الزّكاة، وصيام رمضان، والحجّ. وقالوا: الأخبار التي جاءت في الإكفار بترك الصلاة نظير الأخبار التي جاءت في الإكفار بسائر الذنوب)) .
এবং জীবিতদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে বায, ইবনে উসাইমীন, ইবনে জিবরীন, আল-ফাওযান এবং বকর আবু যায়েদ।

আর সৌদি আরবের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে উল্লিখিত ব্যক্তিদের বাইরে রয়েছেন: আল-আফিফী, আলুশ শাইখ এবং ইবনে কাঊদ।

চতুর্থত: আমি যাদের কথা উদ্ধৃত করেছি তাদের বক্তব্য অপরিবর্তিত রাখাকেই পছন্দ করেছি এবং সামান্য কিছু টীকা ছাড়া আর কোনো মন্তব্য করিনি, কারণ তাদের কথা অত্যন্ত স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল।

পঞ্চমত: সালাত ত্যাগকারীকে কাফির সাব্যস্ত করার বিষয়ে আমি আলেমদের বক্তব্য উদ্ধৃত করিনি, অথচ তারা হলেন আসহাবুল হাদীসের সংখ্যাগুরু অংশ। উল্লেখ্য যে, এ বিষয়ে সালাফদের কিতাবসমূহে প্রচুর বক্তব্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে; আর এটি না করার কারণ হলো এটি এমন একটি মাসআলা যে বিষয়ে আসহাবুল হাদীসগণ মতভেদ করেছেন (১)। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, আর তা হলো আসহাবুল হাদীসের মধ্যে যারা সালাত ত্যাগকারীকে কাফির বলেননি, তারা এর দ্বারা এই উদ্দেশ্য নেননি যে সালাত একটি আমল এবং আমল...

--------------------------------------------

(১) ইমাম মুহাম্মদ ইবনে নাসর আল-মারওয়াযী তাঁর 'তা’যীমু কাদরিস সালাত' (২/৯২৫-৯৩৬) গ্রন্থে বলেছেন: ((সালাত ত্যাগকারীকে কাফির সাব্যস্ত করা, তাকে মিল্লাত (ইসলাম) থেকে বহিষ্কার করা এবং যারা সালাত কায়েম করতে অস্বীকৃতি জানায় তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে নবী (সা.) থেকে বর্ণিত হাদীসগুলো আমরা উল্লেখ করেছি। অতঃপর সাহাবী (রা.) থেকেও অনুরূপ বর্ণনা আমাদের কাছে পৌঁছেছে এবং তাদের মধ্য থেকে কারোর পক্ষ থেকে এর বিপরীতে কোনো বর্ণনা আমাদের কাছে আসেনি। এরপর সালাত ত্যাগকারীকে কাফির বলা এবং যে ব্যক্তি সালাত কায়েম করতে অস্বীকৃতি জানায় তাকে হত্যা করা ওয়াজিব হওয়া সংক্রান্ত নবী (সা.) ও সাহাবীদের থেকে বর্ণিত হাদীসগুলোর ব্যাখ্যা নিয়ে আলেমগণ মতভেদ করেছেন। —অতঃপর তিনি প্রথম দলের অভিমত উল্লেখ করে— বলেন: যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগকারীকে কাফির বলেছেন আমরা তাদের অভিমত বর্ণনা করেছি এবং তারা যে সকল দলীল পেশ করেছেন তার সারসংক্ষেপও তুলে ধরেছি। আর এটিই আসহাবুল হাদীসের সংখ্যাগুরু অংশের মাযহাব। অন্যদিকে আসহাবুল হাদীসের অপর একটি দল তাদের বিরোধিতা করেছেন; তারা সালাত ত্যাগকারীকে কাফির বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, যদি না সে তা অস্বীকারবশত কিংবা অবজ্ঞা, অহংকার ও হঠকারিতার কারণে ত্যাগ করে; এমতাবস্থায় তাকে কাফির বলা হবে। তাদের কেউ কেউ বলেছেন: সালাত ত্যাগকারী ব্যক্তি যাকাত, রমযানের রোযা এবং হজের মতো অন্যান্য ফরয ত্যাগকারীর সমতুল্য। তারা আরও বলেছেন: সালাত ত্যাগের কারণে কাফির হওয়ার যে সকল বর্ণনা এসেছে তা অন্যান্য গুনাহের কারণে কাফির হওয়ার বর্ণনাসমূহের অনুরূপ।))
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ২০)
لا يكفّر تاركه أو فاعله بغير اعتقادٍ أو استحلالٍ أو تكذيبٍ، فهذه لَوْثَةٌ إرجائيَّةٌ حاشاهم منها.

بل كما نقَلَ عنهم المروزيُّ قالوا: ((الأخبار التي جاءت في الإِكْفار بترك الصَّلاة نظير الأخبار التي جاءت في الإِكْفار بسائر الذُّنوب)) فهم نظروا إلى الأدلة التي ظاهرها التَّعارض فجمعوا بينها ورجَّحوا عدم إِكْفار تارك الصَّلاة كتارك الصَّوم والزَّكاة،إلَاّ إذا تركها جُحوداً أو إِباءً أو استنكافاً. ولم يُنْقَل عن أحدٍ منهم أَنَّ الصَّلاة عمل وليست اعتقاداً ولا يكفُرُ تاركَ العمل! كما أَنَّهم لم يعدّوا من يكفِّر تاركها بمثابة الخوارج الَّذين يكفِّرونَ بالذُّنوب، وهذا إقرارٌ منهم أَنَّ تاركّ العمل قد يخرج من الملَّة، لكن لم يترجَّحْ عندهم ذلك في شأْنِ تارك الصَّلاة.

سادساً: هناك من فقهاء المذاهب الذين نقلْتُ عنهم ممَّن كفَّر بالقول أو العمل لكن علَّل ذلك بعباراتٍ لم تُعْهد من السَّلف - تدلُّ على تأثُّرهم بالمرجئة -. كقولهم: هذا الفعل ليس كفراً لكنّه يدلُّ على الكفر، أو علامة على الكفر (1) . وكقولهم: لم يكفر بالعمل لكن كَفَرَ للاستخفاف (2) ،

أو للتكذيب، أو لعدم

--------------------------------------------

(1) وقد نسب هذا الرأي الشهرستانيّ لبشر المريسيّ من المرجئة فقال: ((وإلى هذا المذهب ميل ابن الرواندىِّ وبشر المريسيِّ قالا: ((الإيمان هو التَّصديق بالقلب واللسان جميعاً والكفر هو الجحود والإنكار، والسجود للشمس والقمر والصنم ليس بكفر في نفسه ولكنه علامة الكفر)) )) انظر: "الملل والنحل" (1/144) دار المعرفة. ط1404 هـ.

(2) وقد نسب هذا الرأي إلى المرجئه، الشهرستانيّ في "الملل" وأبو الحسن

 

الأشعريّ في "المقالات" وأقره شيخ الإسلام. قال أبو الحسن: (( (الفرقة العاشرة) : من المرجئة أصحاب أبي معاذ التومني … وكان أبو معاذ يقول: من قتل نبياً = = أو لطمه كفر وليس من أجل اللّطمة كفر ولكن من أجل الاستخفاف والعداوة والبغض له)) انظر: "مجموع الفتاوى" (7/547)
যে ব্যক্তি এর বর্জনকারী বা সম্পাদনকারীকে কেবল বিশ্বাস, হালাল মনে করা বা মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা ব্যতীত কাফির মনে করে না, তবে তা মুরজিয়াদের একটি ভ্রান্তি, যা থেকে তাঁরা মুক্ত ছিলেন।

বরং যেমনটি মারওয়াযী তাঁদের থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: ((সালাত ত্যাগ করার কারণে কাফির সাব্যস্ত করার ব্যাপারে যে হাদীসসমূহ এসেছে, তা অন্যান্য গুনাহের কারণে কাফির সাব্যস্ত করার হাদীসসমূহের অনুরূপ)) ফলে তাঁরা এমন দলীলসমূহের প্রতি দৃষ্টি দিয়েছেন যেগুলোর বাহ্যিক রূপ পরস্পরবিরোধী মনে হয়, অতঃপর তাঁরা সেগুলোর মধ্যে সমন্বয় করেছেন এবং সালাত ত্যাগকারীকে সিয়াম ও যাকাত ত্যাগকারীর মতো কাফির না হওয়ার মতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন; তবে যদি কেউ তা অস্বীকার করে, অবাধ্যতাবশত কিংবা ঘৃণাভরে ত্যাগ করে (তবে ভিন্ন কথা)। আর তাঁদের কারো কাছ থেকে এমনটি বর্ণিত হয়নি যে, সালাত কেবল একটি কর্ম এবং তা বিশ্বাসের অংশ নয়, আর কর্ম ত্যাগকারী কাফির হয় না! যেমন তাঁরা সালাত ত্যাগকারীকে কাফির মনে করা ব্যক্তিদের সেই খারিজিদের সমতুল্য গণ্য করেননি যারা গুনাহের কারণে কাফির বলে থাকে। এটি তাঁদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ের স্বীকৃতি যে, কর্ম বর্জনকারী ব্যক্তি মিল্লাত বা ধর্ম থেকে বের হয়ে যেতে পারে, তবে সালাত ত্যাগকারীর ক্ষেত্রে বিষয়টি তাঁদের নিকট প্রবল হয়নি।

ষষ্ঠত: মাযহাবসমূহের ফকীহদের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছেন যাদের থেকে আমি উদ্ধৃতি দিয়েছি, যারা কথা বা কাজের মাধ্যমে কাফির হওয়ার কথা বলেছেন, তবে তাঁরা এমন কিছু শব্দ দ্বারা এর কারণ বর্ণনা করেছেন যা সালাফদের থেকে পরিচিত নয়—যা তাদের উপর মুরজিয়াদের প্রভাবের ইঙ্গিত দেয়। যেমন তাঁদের কথা: এই কাজটি কুফরি নয় বরং তা কুফরির প্রমাণ দেয়, অথবা কুফরির আলামত মাত্র (১)। এবং তাঁদের কথা: সে কর্মের মাধ্যমে কাফির হয়নি, বরং তুচ্ছজ্ঞান করার কারণে কাফির হয়েছে (২),

অথবা মিথ্যাপ্রতিপন্ন করার কারণে, অথবা অনুপস্থিতির কারণে

--------------------------------------------

(১) শাহরাস্তানি এই মতটি মুরজিয়াদের অন্তর্ভুক্ত বিশর আল-মারীসির দিকে নিসবত করে বলেছেন: ((ইবনুর রাওয়ান্দি ও বিশর আল-মারীসি এই মাযহাবের দিকে ঝুঁকেছিলেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: ((ঈমান হলো অন্তর ও জিহ্বা—উভয়ের মাধ্যমে তাসদীক বা স্বীকৃতি প্রদান করা, আর কুফর হলো প্রত্যাখ্যান ও অস্বীকার করা। সূর্য, চন্দ্র ও মূর্তিকে সিজদা করা মূলত কুফরি নয় বরং তা কুফরির আলামত মাত্র)) )) দেখুন: "আল-মিলাল ওয়ান-নিহাল" (১/১৪৪) দারুল মা'রিফাহ। ১ম সংস্করণ, ১৪০৪ হি.।

(২) শাহরাস্তানি তাঁর "আল-মিলাল" গ্রন্থে এবং আবুল হাসান আশআরী তাঁর "আল-মাকালাত" গ্রন্থে এই মতটি মুরজিয়াদের দিকে নিসবত করেছেন এবং শায়খুল ইসলাম একে সমর্থন করেছেন। আবুল হাসান বলেন: (( (দশম দল): মুরজিয়াদের মধ্যে আবু মুয়ায আত-তাওমানীর অনুসারীগণ … আবু মুয়ায বলতেন: যে ব্যক্তি কোনো নবীকে হত্যা করল = = অথবা তাঁকে চড় মারল, সে কাফির হয়ে যাবে; তবে সে চড় মারার কারণে কাফির হয়নি, বরং তুচ্ছজ্ঞান করা, শত্রুতা এবং তাঁর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করার কারণে কাফির হয়েছে)) দেখুন: "মাজমুউল ফাতাওয়া" (৭/৫৪৭)
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ২১)
التصديق، أو أن هذا العمل ليس كفراً لكنَّه دليلٌ على عدم الاعتقاد أو ما شابه ذلك. وقد ردَّ عليهم ابن حزم ردّاً قويّاً (1) وكذا شيخ الإسلام ابن تيميَّة ونسب ذلك للجَهْم ومن وافقه (2) وقد يُشْكِلُ على البعض عبارات صدرت لبعض العلماء علَّلَت التَّكْفير بالتَّكْذيب (3) أو الإرادة (4) أو أَنَّها مُسْتَلزمة للكفرالاعتقاديِّ (5) ، فَفَرْقٌ بين من يقول هذا العمل أو القول كفرٌ لكذا، وبين من يقول هذا ليس كفراً لكنَّه دليلٌ أو علامةٌ على الكفر فالأوَّل يثبت الكفر ويعلِّلُه والآخر ينفي الكفر ويُثْبِتُ دليلَه أو علامتَه.

سابعاً: سيلحظ القاريءُ أَنَّ بعض العبارات والجمل مكرَّرةٌ أو متشابهةٌ، وخاصّةً في النُّقولات عن فقهاء المذاهب وذلك لأَنَّ بعض الكتب إِمَّا أَنْ تكون اختصاراً أو شرحاً أو حاشيةً على كتبٍ أخرى، والمعروفُ عن فقهاء المذاهب أَنَّهم

--------------------------------------------

(1) انظر النقولات عنه من هذا الكتاب.

(2) قال في كتاب "الإيمان" (ص384) بعد أن نقل كلام الإمام أحمد في تكفير من شدّ الزنار في وسطه، وصلّى للصليب … الخ: "قلت: ((هذا الذي ذكره الإمام أحمد من أحسن ما احْتُجَّ به عليهم، جمع في ذلك جملاً يقول غيرُه بعضها، وهذا الإلزام لا مَحِيدَ عنه، ولهذا لما عرف متكلِّمهم مثل جهم ومن وافقه أنّه لازم التزموه، وقالوا: لو فعل ما فعل من الأفعال الظاهرة لم يكن بذلك كافراً في الباطن، لكن يكون دليلاً على الكفر في أحكام الدنيا)) .

(3) انظر كلام ابن جرير الطبري.

(4) انظر كلام أبي الحسن الأشعري.

(5) انظر كلام حافظ الحكمي.
সত্যায়ন, অথবা এই কর্মটি কুফর নয় বরং এটি বিশ্বাসের অনুপস্থিতির দলীল বা অনুরূপ কিছু। ইবনে হাজম তাদের কঠোরভাবে খণ্ডন করেছেন (১), একইভাবে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহও এবং তিনি একে জাহম ও তার অনুসারীদের দিকে সম্বন্ধ করেছেন (২)। কারও কারও কাছে আলেমদের থেকে বর্ণিত কিছু বক্তব্য অস্পষ্ট মনে হতে পারে, যেখানে তাঁরা তাকফিরের কারণ হিসেবে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা (৩), অথবা অভিপ্রায় (৪), অথবা একে বিশ্বাসগত কুফরের অপরিহার্য পরিণতি (৫) হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সুতরাং, যে ব্যক্তি বলে—এই কাজ বা কথা অমুক কারণে কুফর, আর যে ব্যক্তি বলে—এটি কুফর নয় বরং এটি কুফরের দলীল বা আলামত, এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। প্রথম ব্যক্তি কুফরকে সাব্যস্ত করেন এবং তার কারণ ব্যাখ্যা করেন, আর দ্বিতীয় ব্যক্তি কুফরকে অস্বীকার করেন এবং তার দলীল বা আলামত সাব্যস্ত করেন।

সপ্তম: পাঠক লক্ষ্য করবেন যে, কিছু বক্তব্য এবং বাক্য পুনরাবৃত্ত হয়েছে বা সাদৃশ্যপূর্ণ, বিশেষ করে মাযহাবের ফকীহদের উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে। এর কারণ হলো—কিছু কিতাব হয় অন্য কিতাবের সংক্ষিপ্তসার, নতুবা ব্যাখ্যা অথবা টীকা। আর মাযহাবের ফকীহদের সম্পর্কে এটি সুপরিচিত যে তাঁরা...

--------------------------------------------

(১) এই কিতাবে তাঁর থেকে বর্ণিত উদ্ধৃতিগুলো দেখুন।

(২) তিনি "কিতাবুল ঈমান" (পৃ. ৩৮৪)-এ ইমাম আহমাদের বক্তব্য উদ্ধৃত করার পর—যেখানে কোমরে যুননার (বিধর্মীদের কোমরবন্ধ) বাঁধা এবং ক্রুশকে সেজদা করার কারণে কাফের হওয়ার কথা বলা হয়েছে... ইত্যাদি—বলেন: "আমি বলি: ইমাম আহমাদ যা উল্লেখ করেছেন তা তাদের বিরুদ্ধে পেশকৃত দলীলসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম। তিনি এখানে এমন কিছু বিষয় একত্রিত করেছেন যার কিছু অংশ অন্য কেউ কেউ বলেছেন। আর এই আবশ্যিকতা (ইলযাম) থেকে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো পথ নেই। এ কারণেই যখন তাদের মধ্য হতে জাহম এবং তার অনুসারীদের মতো কালাম শাস্ত্রবিদরা দেখল যে এটি অপরিহার্য, তখন তারা তা মেনে নিল এবং বলল: বাহ্যিক কর্মের মধ্যে সে যা-ই করুক না কেন, এর মাধ্যমে সে অন্তরে কাফের হবে না, তবে দুনিয়াবী বিধানের ক্ষেত্রে এটি কুফরের দলীল হিসেবে গণ্য হবে।"

(৩) ইবনে জারীর আত-তাবারীর বক্তব্য দেখুন।

(৪) আবুল হাসান আল-আশআরীর বক্তব্য দেখুন।

(৫) হাফেজ আল-হাকামীর বক্তব্য দেখুন।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ২২)
ينقلون عن بعضهم كثيراً، وإِنَّما أوردْتُ ذلك للتَّأكيد على أَنَّ التَّكفير بالقولِ والعملِ هو المذهبُ المعتمدُ عند أتباع المذاهب الأربعة.

ثامناً: هذا الكتاب ليس ردَّاً على شُبُهات المرجئة، فهذا يقتضي حصر شبهاتهم والردَّ عليها بالوَحْيَيْنِ - الكتاب والسنَّة - ثم ذكر أقوال الصَّحابة والتَّابعين ومن تبعهم من العلماء. لكنَّه ردٌّ على من ينسب للسَّلف القولَ بحصر التَّكفير في الاعتقاد فقط وأَنَّ هذا قول سائر العلماء، فأردْتُ أَنْ أُبَيِّنَ بُعْدَ هذا الزَّعم عن الصَّواب. أمَّا الرَّدُّ على المرجئة وشبهاتهم فقد كُفيناه منذ قرونٍ، وقد ظهرت في السَّنوات الأخيرةِ كتبٌ ورسائلُ قيِّمةٌ عن نواقض التَّوحيد، ونواقض الإيمان الاعتقاديَّة والقوليَّة والعمليَّة، والتَّكفير وضوابطه، وكتبٍ عن الإرجاء والمرجئة يمكن الرجوع إليها لمن أراد معرفةَ شبهاتهم والرُّدود عليها.

تاسعاً: وحيث كانت هذه النُّقولات تعالج مسألةَ التَّكْفير بالقول والفعل من جهة مغايرة لما عليه أهل الإرجاء، إلا أَنَّني أُحبُّ أَنْ أُنَبِّه إلى أََنَّ التَّكفير حكم شرعيٌّ له حدوده وضوابطه التي ينبغي مراعاتها، فلا بدَّ من قيام الحجَّةِ وتحَقُّق الشُّروط وانتفاء الموانع كالجهل والتَّأْويل والخطأ والإكراه، كما أَنَّه لابدَّ من التَّفْريق بين أّنْ تقول: هذا القول أو الفعل كفرٌ أو رِدَّةٌ، وبين التَّكفير المطلق كأَنْ تقول: من فعل كذا فهو كافرٌ أو مُرتَدٌّ، وبين تكفير المُعَيَّن فتقول: فلانٌ كافرٌ. وقد بسط هذا شيخ
তাঁরা একে অপরের থেকে অনেক বর্ণনা উদ্ধৃত করেন। আমি এই কথাগুলো কেবল এটি নিশ্চিত করার জন্যই উল্লেখ করেছি যে, কথা ও কাজের মাধ্যমে তাকফির করাই হচ্ছে চার মাযহাবের অনুসারীদের নিকট নির্ভরযোগ্য মত।

অষ্টম: এই কিতাবটি মুরজিয়াদের সংশয়সমূহের কোনো খণ্ডন নয়; কারণ এটি করলে তাদের সংশয়গুলোকে সীমাবদ্ধ করা এবং সেগুলোর উত্তর ওহীদ্বয়—কুরআন ও সুন্নাহ—দ্বারা প্রদান করা, অতঃপর সাহাবী, তাবিঈ এবং তাঁদের অনুসারী আলিমদের বক্তব্য উল্লেখ করা প্রয়োজন হতো। বরং এটি এমন এক ব্যক্তির প্রতিবাদ, যে সালাফদের দিকে এমন কথা নিসবত করে যে, তাকফির কেবল আকীদার সাথেই সীমাবদ্ধ এবং এটিই সকল আলিমের অভিমত। তাই আমি এই দাবির অসত্যতা ও সঠিক পথ থেকে এর দূরত্ব স্পষ্ট করতে চেয়েছি। আর মুরজিয়া ও তাদের সংশয়ের খণ্ডন শত শত বছর পূর্বেই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাওহীদ পরিপন্থী বিষয়াদি এবং বিশ্বাসগত, মৌখিক ও আমলগত ঈমান বিনাশী কার্যাবলি, তাকফির ও এর নীতিমালা এবং ইরজা ও মুরজিয়া বিষয়ক মূল্যবান বহু গ্রন্থ ও রিসালা প্রকাশিত হয়েছে। যারা তাদের সংশয় ও তার খণ্ডন সম্পর্কে জানতে চান, তাঁরা এগুলোর শরণাপন্ন হতে পারেন।

নবম: যেহেতু এই উদ্ধৃতিসমূহ মুরজিয়াদের অবস্থানের বিপরীত দৃষ্টিকোণ থেকে কথা ও কাজের মাধ্যমে তাকফির করার মাসআলাটি আলোচনা করে, তাই আমি একথায় সতর্ক করতে চাই যে, তাকফির একটি শারঈ হুকুম যার নির্দিষ্ট সীমা ও নীতিমালা রয়েছে যা মেনে চলা আবশ্যক। সুতরাং হুজ্জাত (প্রমাণ) কায়েম হওয়া, শর্তসমূহ পূরণ হওয়া এবং অজ্ঞতা, অপব্যাখ্যা, ভুল ও জবরদস্তির মতো প্রতিবন্ধকসমূহ দূরীভূত হওয়া অপরিহার্য। তদ্রূপ এই পার্থক্যের বিষয়টিতেও সতর্ক থাকা আবশ্যক যে, 'এই কথা বা কাজ কুফরি বা ধর্মত্যাগ' বলা এক বিষয়, এবং সাধারণ তাকফির যেমন— 'যে ব্যক্তি এমন করবে সে কাফির বা মুরতাদ' বলা অন্য বিষয়, আর নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে কাফির বলা যেমন— 'অমুক ব্যক্তি কাফির' বলা ভিন্ন বিষয়। শায়খ বিষয়টি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ২৩)
الإسلام ابن تيميَّة (1) وغيره في كتبهم فلتراجع.

… كما أُحبُّ أَنْ أُحذِّرَ من الوقوع في فتنة الإرجاء وشبهِهِ الضَّالَّة لخطورة آثاره السَّيِّئة على الإسلام والمسلمين.

وأخيراً أودُّ أَنْ أَخْتم هذه المقدِّمة بكلمات للعلَاّمة عبد الله أبا بطين لعل الله ينفع بها، قال رحمه الله:

((يتعيَّن على من نصح لنفسه وعلم أَنَّه مسئولٌ عمَّا قال ومُحاسَبٌ على اعتقاده وقوله وفعله أَنْ يُعِدَّ لذلك جواباً، ويخلع ثوبي الجهل والتعصُّب ويخلص القصدَ في طلب الحقِّ، قال الله تعالى: {قُلْ إِنَّمَا أَعِظُكُمْ بِوَاحِدَةٍ أَنْ تَقُومُوا لِلَّهِ مَثْنَى وَفُرَادَى ثُمَّ تَتَفَكَّرُوا} (2) ، وليعلم أَنَّه لا يخلِّصه إلا اتّباع كتاب الله وسنَّة نبيِّه، قال الله تعالى: {اتَّبِعُوا مَا أُنْزِلَ إِلَيْكُمْ مِنْ رَبِّكُمْ وَلا تَتَّبِعُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ قَلِيلاً مَا تَذَكَّرُونَ (3) } وقال تعالى: {كِتَابٌ أَنزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُوْلُوا الألْبَابِ (4) } ولما كان قد سبق في علم الله وقضائه أَنَّه سيقع الاختلاف بين الأُمَّة أَمَرهم وأوجَبَ عليهم عند التنازع الردَّ إلى كتابه وسنَّة نبيِّه، قال تعالى: {فَإِنْ

--------------------------------------------

(1) وذلك بقوله: ((وحقيقة الأمر في ذلك: أنّ القول قد يكون كفراً، فيطلق القول بتكفير صاحبه، ويقال من قال كذا فهو كافر لكن الشخص المعيّن الذي قاله لا يحكم بكفره حتى تقوم عليه الحجَّة التي يكفر تاركها)) انظر "مجموع الفتاوى" (23/345) .

(2) سورة سبأ: 46.

(3) سورة الأعراف: 3.

(4) سورة ص: 29.
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (১) এবং অন্যান্যরা তাঁদের কিতাবসমূহে যা লিখেছেন, তাই সেগুলো দেখে নেওয়া উচিত।

… তেমনিভাবে আমি ইরজা-এর ফিতনা এবং এই জাতীয় পথভ্রষ্ট সংশয়সমূহ থেকে সতর্ক করতে চাই, কারণ ইসলাম ও মুসলিমদের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব অত্যন্ত ভয়াবহ।

পরিশেষে, আমি আল্লামা আব্দুল্লাহ আবা বুতাইনের কিছু কথা দিয়ে এই ভূমিকাটি শেষ করতে চাই, সম্ভবত আল্লাহ এর মাধ্যমে উপকার দান করবেন। তিনি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন:

((যে ব্যক্তি নিজের কল্যাণ চায় এবং জানে যে সে যা বলেছে সে জন্য তাকে জিজ্ঞাসিত হতে হবে এবং তার আকিদা, কথা ও কাজের জন্য হিসেব দিতে হবে, তার উচিত এর জন্য উত্তর প্রস্তুত রাখা; আর মূর্খতা ও গোঁড়ামির পোশাক খুলে ফেলা এবং সত্য অনুসন্ধানে উদ্দেশ্যকে বিশুদ্ধ করা। মহান আল্লাহ বলেছেন: {বলুন, আমি তোমাদের একটি বিষয়ে নসীহত করছি: তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দুই-দুই জন করে অথবা এক-এক জন করে দাঁড়াও, অতঃপর চিন্তা-ভাবনা করো} (২)। আর সে যেন জেনে রাখে যে, আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর নবীর সুন্নাহ অনুসরণ ছাড়া অন্য কিছু তাকে মুক্তি দেবে না। মহান আল্লাহ বলেছেন: {তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে তা অনুসরণ করো এবং তাঁকে ছাড়া অন্য কাউকে অভিভাবক হিসেবে অনুসরণ করো না। তোমরা খুব সামান্যই উপদেশ গ্রহণ করো (৩)} এবং মহান আল্লাহ বলেছেন: {এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি আপনার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে তারা এর আয়াতসমূহ নিয়ে গবেষণা করে এবং যাতে বুদ্ধিমানরা উপদেশ গ্রহণ করে (৪)}। আর যেহেতু আল্লাহর ইলম ও ফয়সালায় এটি আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল যে উম্মতের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি হবে, তাই তিনি তাদের আদেশ দিয়েছেন এবং মতভেদের সময় তাঁর কিতাব ও তাঁর নবীর সুন্নাহর দিকে ফিরে যাওয়াকে তাদের ওপর ওয়াজিব করেছেন। মহান আল্লাহ বলেছেন: {অতঃপর যদি

--------------------------------------------

(১) আর তা তাঁর এই উক্তির মাধ্যমে: ((এই বিষয়ের প্রকৃত হাকিকত হলো: কোনো কথা কুফরি হতে পারে, এবং সাধারণভাবে সেই কথা বলা ব্যক্তিকে কাফির বলা হয়, আর বলা হয় যে ব্যক্তি এমন কথা বলবে সে কাফির। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি যে সেই কথা বলেছে, তার ওপর কুফরির হুকুম ততক্ষণ পর্যন্ত লাগানো যাবে না যতক্ষণ না তার বিরুদ্ধে এমন দলিল বা হুজ্জাত প্রতিষ্ঠিত হয়, যা অমান্যকারী কাফির হয়ে যায়।)) দেখুন "মাজমুউল ফাতাওয়া" (২৩/৩৪৫)।

(২) সূরা সাবা: ৪৬।

(৩) সূরা আল-আরাফ: ৩।

(৪) সূরা সদ: ২৯।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ২৪)
تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلا (1) } قال العلماء رحمهم الله: الردُّ إلى الله الردُّ إلى كتابه، والردُّ إلى الرسول الردُّ إليه في حياته والردُّ إلى سنَّتِه بعد مماته. ودلًّت الآية أَنَّ من لم يردَّ عند التنازع إلى كتاب الله وسنَّة نبيِّه فليس بمؤمنٍ لقوله تعالى: {إِنْ كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ} (2)

فهذا شرطٌ ينتفي المشْروطُ بانتفائه، ومُحالٌ أَنْ يأمرَ الله النَّاس بالرَّدِّ إلى مالا يفصل النِّزاع، لاسيَّما في أُصول الدِّين التي لا يجوز فيها التقليدُ عند عامَّة العلماء، وقال الله تعالى: {فَلا وَرَبِّكَ لا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لا يَجِدُوا فِي أَنفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا} (3) .

… وقد قال بعض السلف: (ما ترك أحدٌ حقَّاً إلا لِكِبْرٍ في نفسِه) . ومصداقُ ذلك قولُ النبيِّ ? حين قال: (لا يدخُلُ الجنَّةَ مَنْ في قلبِهِ مثْقالَ ذَرَّةٍ مِنْ كِبْرٍ) (4)) (5) .

واللهُ أعلمُ وصلَّى الله على نبيِّنا محمَّدٍ وعلى آلِه وصحبِه وسلَّم.

كتبه

عَلَويُّ بن عبد القادر السَّقَّاف

الظهران

--------------------------------------------

(1) سورة النساء: 59.

(2) سورة النور: 2..

(3) سورة النساء: 65.

(4) رواه مسلم في الإيمان باب تحريم الكبر وبيانه.

(5) "الانتصار لحزب الله الموحِّدين" (ص67) .مكتبة ابن الجوزي. ط1-407هـ.
...যদি তোমরা কোনো বিষয়ে বিবাদে লিপ্ত হও, তবে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও; যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের ওপর বিশ্বাস রাখো। এটাই উত্তম এবং পরিণামে চমৎকার (১) } আলিমগণ (আল্লাহ তাঁদের ওপর রহম করুন) বলেছেন: আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে দেওয়ার অর্থ হলো তাঁর কিতাবের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া, আর রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দেওয়ার অর্থ হলো তাঁর জীবদ্দশায় সরাসরি তাঁর কাছে এবং তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সুন্নাহর দিকে ফিরিয়ে দেওয়া। আর এই আয়াতটি প্রমাণ করে যে, বিবাদের সময় যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব ও তাঁর নবীর সুন্নাহর দিকে ফিরে যায় না, সে মুমিন নয়; কারণ মহান আল্লাহ বলেছেন: {যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের ওপর বিশ্বাস রাখো} (২)

এটি এমন এক শর্ত যা অনুপস্থিত থাকলে শর্তাধীন বিষয়টিও অপসারিত হয়। আর এটা অসম্ভব যে, আল্লাহ মানুষকে এমন কিছুর দিকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেবেন যা বিরোধ নিষ্পত্তি করে না; বিশেষ করে দ্বীনের মৌলিক বিষয়াবলির (উসূলুদ দীন) ক্ষেত্রে, যে ব্যাপারে সাধারণ আলিমদের মতে কোনো অন্ধ অনুসরণ (তাকলিদ) জায়েজ নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: {তোমার রবের শপথ, তারা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের পারস্পরিক বিবাদের বিষয়ে তোমাকে বিচারক মান্য করবে, অতঃপর তোমার দেওয়া ফয়সালার ব্যাপারে তাদের মনে কোনো সংকোচ না থাকে এবং তারা তা পূর্ণরূপে মেনে নেয়} (৩) ।

... কোনো কোনো পূর্বসূরি (সালাফ) বলেছেন: (কেউ সত্য বর্জন করে না কেবল তার অন্তরে অহংকার থাকার কারণেই।) এর সত্যতার প্রমাণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী, যখন তিনি বলেছিলেন: (যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না) (৪)) (৫) ।

আল্লাহই ভালো জানেন এবং আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীদের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

লিখেছেন

আলাউয়ি বিন আব্দুল কাদির আস-সাক্কাফ

যাহরান

--------------------------------------------

(১) সূরা আন-নিসা: ৫৯।

(২) সূরা আন-নূর: ২।

(৩) সূরা আন-নিসা: ৬৫।

(৪) মুসলিম বর্ণনা করেছেন, ঈমান অধ্যায়, অহংকার হারাম হওয়া ও তার ব্যাখ্যা পরিচ্ছেদ।

(৫) "আল-ইনতিসার লি হিযবুল্লাহিল মুওয়াহহিদীন" (পৃ. ৬৭)। মাকতাবাতু ইবনিল জাওযি। ১ম প্রকাশ- ১৪০৭ হি.।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ২৫)
أقوال العلماء

 

‌‌1. التَّابعيُّ الجليل نافع مولى ابن عمر رضي الله عنه. ت:117هـ

روى عبد الله بن أحمد في السُّنَّة بإسناده أنَّ: (( … معقل بن عبيد الله العبسيّ قال قدم علينا سالم الأفطس بالإرجاء فعرضه. قال: فنفر منه أصحابنا نفاراً شديداً … قال فجلست إلى نافع فقلت له … إِنَّهم يقولون: نحن نقرُّ بأَنَّ الصّلاة فريضةٌ ولا نصلي، وأَنَّ الخمر حرامٌ ونحن نشربها وأن نكاح الأمهات حرامٌ ونحن نفعل (1) . قال: فنتر يده من يدي ثم قال: من فعل هذا فهو كافر)) (2) .

 

‌‌2. الإمام سفيان بن عيينة. ت:198هـ

((قال عبد الله بن أحمد حدَّثنا سويد بن سعيد الهرويّ قال: سألنا سفيان بن عيينة عن الإرجاء. فقال: يقولون الإيمان قولٌ وعملٌ، والمرجئة أوجبوا الجنَّة لمن شهد أَنَّ لا إله إلا الله مصرَّاً بقلبه على ترك الفرائض وسمُّوا ترك الفرائض ذنباً بمنزلة ركوب

--------------------------------------------

(1) هذا من كفر الإباء والإعراض.

(2) انظر "السنة" لعبد الله بن الإمام أحمد (1/382-383 (دار ابن القيم، ط1- 1406هـ. و "السنة" للخلال (4/29-31) دار الراية.ط1 - 1410هـ. و "أصول الاعتقاد" للالكائي (5/953-954) دار طيبة. ط1 - 1402هـ.
ওলামায়ে কেরামের বক্তব্যসমূহ

 

‌‌১. মহান তাবেয়ী নাফে' (ইবনে ওমরের মুক্তদাস), আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন। মৃত্যু: ১১৭ হিজরী

আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ 'আস-সুন্নাহ' গ্রন্থে তাঁর সনদে বর্ণনা করেছেন যে: (( … মা'কিল ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-আবসি বলেন, সালিম আল-আফতাস ইরজা' (মতবাদ) নিয়ে আমাদের কাছে এসেছিল এবং তা পেশ করেছিল। তিনি বলেন: এতে আমাদের সাথীরা তার থেকে অত্যন্ত কঠোরভাবে বিমুখ হলেন … তিনি বলেন, এরপর আমি নাফে'-এর কাছে বসলাম এবং তাঁকে বললাম … তারা বলে: আমরা স্বীকার করি যে সালাত ফরজ কিন্তু আমরা সালাত আদায় করি না, এবং মদ হারাম কিন্তু আমরা তা পান করি, আর মায়েদের বিবাহ করা হারাম কিন্তু আমরা তা করি (১)। তিনি (নাফে') তাঁর হাত আমার হাত থেকে ঝটকা দিয়ে সরিয়ে নিলেন এবং বললেন: যে ব্যক্তি এরূপ করবে সে কাফির)) (২)।

 

‌‌২. ইমাম সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ। মৃত্যু: ১৯৮ হিজরী

((আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ বলেন, সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আল-হারাউয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহকে ইরজা' সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: তারা (আহলুস সুন্নাহ) বলে ঈমান হলো কথা ও কাজ, আর মুরজিয়ারা জান্নাত অবধারিত করে দিয়েছে এমন ব্যক্তির জন্য যে অন্তরে ফরজসমূহ বর্জনের ওপর অটল থেকে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'র সাক্ষ্য দেয় এবং তারা ফরজ বর্জনকে কেবল সেই পর্যায়ের গুনাহ হিসেবে গণ্য করে যেমন কোনো পাপে লিপ্ত হওয়া

--------------------------------------------

(১) এটি অহংকার ও বিমুখতাজনিত কুফরের অন্তর্ভুক্ত।

(২) দেখুন ইমাম আহমাদ তনয় আবদুল্লাহর "আস-সুন্নাহ" (১/৩৮২-৩৮৩), দার ইবনে কায়্যিম, ১ম প্রকাশ- ১৪০৬ হিজরী। এবং আল-খাল্লালের "আস-সুন্নাহ" (৪/২৯-৩১), দারুর রায়াহ, ১ম প্রকাশ- ১৪১০ হিজরী। এবং আল-লালিকায়ীর "উসুলুল ই'তিকাদ" (৫/৯৫৩-৯৫৪), দার তাইয়্যেবাহ, ১ম প্রকাশ- ১৪০২ হিজরী।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ২৬)
المحارم، وليس بسواء لأَنَّ ركوب المحارم من غير استحلالٍ معصية، وترك الفرائض متعمِّداً من غير جهل ولا عذر هو كفر)) (1)

 

‌‌3. الإمام محمّد بن إدريس الشافعيّ. ت: 204هـ

((سئل عمَّن هزل بشيءٍ من آيات الله تعالى أنَّه قال: هو كافرٌ واستدل بقوله تعالى: {قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ؟ لا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إيمانِكُم} (2)) (3) .

 

‌‌4. الإمام عبد الله بن الزّبير الحميديّ. ت:219هـ

((أُخْبِرت أَنَّ قوماً يقولون: إِنَّ من أقرَّ بالصَّلاة، والزَّكاة، والصَّوم، والحجَّ، ولم يفعل من ذلك شيئاً حتىّ يموت، أو يصلِّي مستدبر القبلة حتى يموت، فهو مؤمن ما لم يكن جاحداً … إذا كان يقرُّ بالفرائض واستقبال القبلة؛ فقلت: هذا الكفر الصُّراح وخلاف كتاب الله وسنَّة رسوله صلى الله عليه وسلم وفعل المسلمين)) (4) .

وقال في "أصول السُّنَّة": ((وأن لا نقول كما قالت الخوارج: ((من أصاب كبيرةً فقد كفر)) . ولا تكفير بشيء من الذُّنوب، إنَّما

--------------------------------------------

(1) انظر "السنَّة" لعبد الله بن أحمد (1/347-348) . وهذا أيضاً من كفر الإباء والإعراض. والتَّرك عمل وليس اعتقاداً.

(2) سورة التوبة: 65 و 66.

(3) انظر "الصارم المسلول" (3/956) رمادي للنشر، ط1 ـ 1417هـ.

(4) انظر "السنة" للخلال (3/586-587) دار الراية.ط1 -1410هـ. و"أصول الاعتقاد" للالكائي (5/887) دار طيبة. ط1 - 1402هـ.
হারাম কাজসমূহ, আর এটি সমান নয়; কারণ কোনো কিছুকে হালাল মনে না করে হারাম কাজে লিপ্ত হওয়া হলো পাপ, আর অজ্ঞতা বা ওজর ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে ফরজসমূহ ত্যাগ করা হলো কুফর)) (১)

 

‌‌৩. ইমাম মুহাম্মদ বিন ইদরিস আশ-শাফেয়ী। মৃত্যু: ২০৪ হিজরি

((তাঁকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে আল্লাহ তাআলার কোনো আয়াত নিয়ে উপহাস করে; তিনি বলেছিলেন: সে কাফের। আর তিনি আল্লাহ তাআলার এই বাণীর মাধ্যমে দলিল পেশ করেন: {বলুন, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ এবং তাঁর রাসুলকে নিয়ে উপহাস করছিলে? তোমরা অজুহাত দিও না, তোমরা ঈমান আনার পর কুফরি করেছ} (২)) (৩) ।

 

‌‌৪. ইমাম আবদুল্লাহ বিন আল-জুবায়ের আল-হুমাইদী। মৃত্যু: ২১৯ হিজরি

((আমাকে জানানো হয়েছে যে, একদল লোক বলে: যে ব্যক্তি নামাজ, জাকাত, রোজা ও হজের স্বীকৃতি দেয় কিন্তু মৃত্যু পর্যন্ত এর কোনোটিই পালন করে না, অথবা কিবলার দিকে পিঠ দিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত নামাজ পড়ে, সে মুমিন যতক্ষণ না সে একে অস্বীকার করে... যদি সে ফরজসমূহ এবং কিবলামুখী হওয়ার স্বীকৃতি দেয়; তখন আমি বললাম: এটি স্পষ্ট কুফর এবং আল্লাহর কিতাব, তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহ ও মুসলমানদের কর্মপন্থা বিরোধী)) (৪) ।

এবং তিনি "উসুলুস সুন্নাহ" গ্রন্থে বলেন: ((আর আমরা তেমনটি বলব না যেমন খারেজীরা বলেছিল: "যে ব্যক্তি কবিরা গুনাহ করবে সে কাফের হয়ে যাবে"। আর কোনো গুনাহের কারণে কাউকে কাফের বলা যাবে না, বরং...

--------------------------------------------

(১) দেখুন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ রচিত "আস-সুন্নাহ" (১/৩৪৭-৩৪৮)। এটিও অবাধ্যতা ও বিমুখতাজনিত কুফর। আর (আমল) ত্যাগ করা একটি কাজ, কোনো বিশ্বাস নয়।

(২) সুরা আত-তাওবাহ: ৬৫ ও ৬৬।

(৩) দেখুন "আস-সারিমুল মাসলুল" (৩/৯৫৬) রামাদি পাবলিকেশন্স, ১ম সংস্করণ — ১৪১৭ হিজরি।

(৪) দেখুন আল-খাল্লাল রচিত "আস-সুন্নাহ" (৩/৫৮৬-৫৮৭) দারুর রাইয়াহ, ১ম সংস্করণ — ১৪১০ হিজরি; এবং আল-লালাকায়ী রচিত "উসুলুল ইতিকাদ" (৫/৮৮৭) দারুত তায়্যিবাহ, ১ম সংস্করণ — ১৪০২ হিজরি।
(খণ্ড: ১) আত-তাওয়াসসুত ওয়াল ইক্তিসাদ (পৃষ্ঠা: ২৭)
الكفر في ترك الخمس التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (بُنِيَ الإسلام على خمس: شهادة أن لا إله إلَاّ الله، وأنَّ محمَّداً رسول الله، وإقام الصَّلاة، وإيتاء الزكاة، وصوم رمضان، وحجُّ البيت) (1)) (2) .

 

‌‌5. الإمام إسحاق بن راهويه المروزيّ. ت:238هـ

((وممَّا أجمعوا على تكفيره، وحكموا عليه كما حكموا على الجاحد، فالمؤمن الذي آمن بالله تعالى، ومما جاء من عنده، ثم قتل نبيَّاً، أو أعان على قتله، وإن كان مُقِرَّاً، ويقول: قتل الأنبياء محرَّمٌ، فهو كافرٌ، وكذلك من شتَمَ نبيَّاً، أو ردَّ عليه قولَه من غير تقيَّةٍ ولا خوفٍ)) (3) .

… ((أجمع المسلمون على أن من سبَّ الله، أو سبَّ رسولَه صلى الله عليه وسلم، أو دفع شيئاً مما أنزل الله عز وجل، أو قتل نبيَّاً من أنبياء الله، أَنَّه كافر بذلك وإِنْ كان مُقِرَّاً بكلِّ ما أنزل الله)) (4) .

 

‌‌6. الإمام أبو ثور إبراهيم بن خالد. ت:240هـ

((فاعْلَمْ يرحمنا الله وإيَّاك أَنَّ الإيمان تصديقٌ بالقلب وقولٌ باللسان وعملٌ بالجوارح. وذلك أَنَّه ليس بين أهل العلم خلافٌ

--------------------------------------------

(1) رواه البخاري في أول كتاب الإيمان، ومسلم في الإيمان، باب:بيان أركان الإسلام ودعائمه العظام.

(2) انظر "أصول السنّة" (ص 43) دار ابن الأثير. ط1 ـ 1418هـ.

(3) انظر "تعظيم قدر الصلاة" (2/930) مكتبة الدار. ط1 - 1406هـ. وقوله: ((من غير تقية ولا خوف)) أي: من غير إكراه.

(4) انظر"الصارم المسلول"لابن تيمية (2/15) رمادي للنشر، ط1- 1417هـ.
সেই পাঁচটি স্তম্ভ ত্যাগ করার কুফরি যা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, রমজানের রোজা রাখা এবং আল্লাহর ঘরের হজ করা।) (১) (২)।

 

‌‌৫. ইমাম ইসহাক বিন রাহওয়াইহ আল-মারওয়াযী। মৃত্যু: ২৩৮ হিজরি।

((এবং তারা যে বিষয়ে কাফির সাব্যস্ত করার ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেছেন এবং তার ওপর সেই হুকুম আরোপ করেছেন যা তারা অস্বীকারকারীর ওপর করেছেন, তা হলো—সেই মুমিন যে আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর পক্ষ থেকে যা এসেছে তার ওপর ঈমান এনেছে, অতঃপর সে কোনো নবীকে হত্যা করেছে অথবা তাঁকে হত্যায় সহায়তা করেছে, যদিও সে স্বীকার করে এবং বলে: নবীদের হত্যা করা হারাম, তবুও সে কাফির; একইভাবে যে ব্যক্তি কোনো নবীকে গালি দেয় অথবা কোনো প্রকার আত্মরক্ষা (তাকাইয়াহ) বা ভয়ভীতি ছাড়াই তাঁর কথাকে প্রত্যাখ্যান করে সেও কাফির।)) (৩)।

... ((মুসলিমগণ এ ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে, যে ব্যক্তি আল্লাহকে গালি দেয়, অথবা তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে গালি দেয়, অথবা আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তার কোনো কিছু প্রত্যাখ্যান করে, অথবা আল্লাহর নবীদের মধ্য থেকে কোনো নবীকে হত্যা করে, সে ব্যক্তি এর মাধ্যমে কাফির হয়ে যাবে, যদিও সে আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তার সবকিছুর প্রতি মৌখিক স্বীকৃতি প্রদান করে।)) (৪)।

 

‌‌৬. ইমাম আবু সাওর ইবরাহিম বিন খালিদ। মৃত্যু: ২৪০ হিজরি।

((জেনে রাখুন—আল্লাহ আমাদের ও আপনার প্রতি রহম করুন—যে ঈমান হলো অন্তরে বিশ্বাস, মুখে স্বীকৃতি এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আমল করা। আর তা এই কারণে যে, এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই যে...

--------------------------------------------

(১) ইমাম বুখারি এটি কিতাবুল ইমানের শুরুতে এবং মুসলিম ইমান অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন, পরিচ্ছেদ: ইসলামের স্তম্ভ এবং এর সুদৃঢ় ভিত্তিগুলোর বর্ণনা।

(২) দ্রষ্টব্য "উসুলুস সুন্নাহ" (পৃ. ৪৩) দার ইবনে আল-আসির। ১ম সংস্করণ — ১৪১৮ হিজরি।

(৩) দ্রষ্টব্য "তাজিমু কদরিস সালাত" (২/৯৩০) মাকতাবাতুদ দার। ১ম সংস্করণ — ১৪০৬ হিজরি। এবং তাঁর উক্তি: ((কোনো প্রকার আত্মরক্ষা বা ভয়ভীতি ছাড়া)) অর্থাৎ: জবরদস্তি ছাড়াই।

(৪) দ্রষ্টব্য ইবনে তাইমিয়্যাহ রচিত "আস-সারিমুল মাসলুল" (২/১৫) রামাদি পাবলিকেশন, ১ম সংস্করণ — ১৪১৭ হিজরি।