(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: -)
المقرر على أبواب المحرر   (يوسف بن ماجد بن أبي المجد المقدسي)

القسم: كتب السنة

الكتاب: المقرر على أبواب المحرر

المؤلف: يوسف بن ماجد بن أبي المجد المقدسي الحنبلي

حققه وخرج أحاديثه: حسين إسماعيل الجمل، دبلوم الدراسات العليا في الوثائق قسم المكتبات - جامعة القاهرة

الناشر: دار الرسالة العالمية، دمشق - سوريا

الطبعة: الأولى، 1433 هـ - 2012 م

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 19 رمضان 1438

আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার   (ইউসুফ বিন মাজিদ বিন আবি আল-মাজদ আল-মাকদিসি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

গ্রন্থ: আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার

লেখক: ইউসুফ বিন মাজিদ বিন আবি আল-মাজদ আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি

সম্পাদনা ও হাদিস যাচাই: হুসাইন ইসমাইল আল-জামাল, উচ্চতর গবেষণা ডিপ্লোমা (ডকুমেন্টেশন), লাইব্রেরি বিভাগ - কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশক: দারুর রিসালাহ আল-আলামিয়্যাহ, দামেস্ক - সিরিয়া

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৩ হিজরি - ২০১২ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৯ রমজান ১৪৩৮

(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: -)
المقرر على أبواب المحرر

 

تصنيف

الإمام العالم العلامة فريد دهره ووحيد عصره

يوسف بن ماجد بن أبي المجد (المقدسي الحنبلي)

تغمده الله برحمته، وأسكنه فسيح جنته، آمين

من تلاميذ شيخ الإسلام ابن تيمية

 

حققه وخرج أحاديثه

حسين إسماعيل الجمل

دبلوم الدراسات العليا في الوثائق

قسم المكتبات - جامعة القاهرة

 

[المجلد الأول]
আল-মুহাররার-এর অধ্যায়সমূহের ওপর সুনির্ধারিত ভাষ্য

 

গ্রন্থনা

ইমাম, প্রাজ্ঞ পণ্ডিত, মহান আল্লামা, নিজ যুগের অদ্বিতীয় ও সময়ের অনন্য ব্যক্তিত্ব

ইউসুফ বিন মাজিদ বিন আবি আল-মাজদ (আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি)

আল্লাহ তাঁকে তাঁর রহমতে আবৃত করুন এবং তাঁকে তাঁর প্রশস্ত জান্নাতে স্থান দান করুন, আমীন

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর অন্যতম ছাত্র

 

সম্পাদনা ও হাদিস বিন্যাস করেছেন

হুসাইন ইসমাইল আল-জামাল

নথিপত্র ও দলিলের ওপর উচ্চতর গবেষণায় ডিপ্লোমা

গ্রন্থাগার বিভাগ - কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়

 

[প্রথম খণ্ড]
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌مقدمة المحقق

الحمد للَّه نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ باللَّه من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهده اللَّه فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا اللَّه وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.

عن أمير المؤمنين أبي حفص عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال: سمعت رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم يقول: "إنما الأعمال بالنيات، وإنما لكل امرئ ما نوى، فمن كانت هجرته إلى اللَّه ورسوله فهجرته إِلى اللَّه ورسوله، ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها، أو امرأة ينكحها، فهجرته إلى ما هاجر إليه" متفق على صحته.

أما بعد. .

فهذا كتاب "المقرر على أبواب المحرر" تصنيف الإمام العالم الشيخ يوسف بن ماجد بن أبي المجد المقدسي رحمه الله، صنفه على أبواب "المحرر" للإمام العلامة الشيخ أبي البركات ابن تيمية رحمه الله، حيث أورد تحت كل باب من أبواب "المحرر" الأحاديث المناسبة له، فجاء كتابه جامعًا بين الفقه والحديث، وحافلًا للفوائد الفقهية والحديثية مما لا يستغني عنه كل طالب علم حريص على اتباع الدليل ومعرفة الحق بشاهده.

لذا فقد عزمت على تحقيقه وتخريج أحاديثه حسب الوسع والطاقة سائلًا المولى سبحانه أن يتقبله مني بقبول حسن، وأن يجعله في موازين حسنات كل من أعان على طبعه ونشره، واللَّه ولي التوفيق.
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌সম্পাদকের ভূমিকা

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।

আমীরুল মুমিনীন আবু হাফস উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তি তা-ই পাবে যার সে নিয়ত করবে। সুতরাং যার হিজরত হবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত হবে পার্থিব কোনো উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কিংবা কোনো নারীকে বিবাহ করার জন্য, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।" এটি সহীহ হওয়ার ব্যাপারে সকলে একমত।

অতঃপর...

এটি হলো ইমাম, আলিম, শাইখ ইউসুফ বিন মাজিদ বিন আবিল মাজদ আল-মাকদিসী রহিমাহুল্লাহ রচিত "আল-মুর্কায়্যার আলা আবওয়াবিল মুহাররার" নামক গ্রন্থ। তিনি এটি ইমাম, আল্লামা শাইখ আবুল বারাকাত ইবনে তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ-এর "আল-মুহাররার" গ্রন্থের অধ্যায়সমূহের বিন্যাসে সংকলন করেছেন। এখানে তিনি "আল-মুহাররার"-এর প্রতিটি অধ্যায়ের অধীনে সংশ্লিষ্ট হাদিসসমূহ উপস্থাপন করেছেন। ফলে তাঁর এ গ্রন্থটি ফিকহ ও হাদিসের এক সমন্বিত রূপ ধারণ করেছে এবং এটি ফিকহী ও হাদিস বিষয়ক এমন সব উপকারে সমৃদ্ধ হয়েছে যা দলিল অনুসরণ ও প্রমাণের মাধ্যমে সত্য উদ্ঘাটনে আগ্রহী প্রত্যেক জ্ঞানপিপাসুর জন্য অপরিহার্য।

তাই আমি আমার সাধ্য ও সামর্থ্য অনুযায়ী এর সম্পাদনা ও হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (তাখরীজ) করার সংকল্প করেছি। আমি মহান রবের নিকট প্রার্থনা করছি যেন তিনি আমার পক্ষ থেকে এটি উত্তমভাবে কবুল করেন এবং এর মুদ্রণ ও প্রকাশনায় যারা সাহায্য করেছেন তাদের প্রত্যেকের নেক আমলের পাল্লায় এটি যুক্ত করে দেন। আল্লাহই তাওফীক দানকারী।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ৪)
ويأتي هذا الكتاب في سياق ما تقدمه المؤسسة من كتب أهل السنة والجماعة؛ حيث قدمت أمهات الكتب التي من شأنها الحفظ على فقه العلماء الأوائل وتقديمه بشكل يتناسب مع متطلبات هذا العصر؛ فعنيت بالتفصيل والترقيم، والتعليق على ما أشكل والتأكيد على صحة النص بالرجوع إلى المخطوطات المنتشرة في المكتبات العامة والخاصة، للتأكد من صحة النص، حتى غدا هذا الأمر ديدنًا لا يمكن الحياد عنه.

فكان ما تصدره محط أنظار أهل العلم والفضل، وأصبح ما قدمته المؤسسة من كتب السنة النبوية في مأمن من عبث العابثين، وتحريف المغالين، وانتحال المبطلين.

وكذلك فقد قدمت الكثير من كتب أئمة الفقهاء أصحاب الفضل؛ بما سبقوا إليه من رسم قواعد الاستنباط ومسالك الاجتهاد والنظر، وبما بذلوا من جهود في تخريج أحكام الفقه الإسلامي.

وكتاب "المحرر في الفقه" (1) من الكتب المهمة، هذبه مصنفه وجعله مختصرًا، ورتبه محررًا.

ومؤلفه هو الفقيه الأصولي النحوي المقرئ، شيخ الإسلام مجد الدين أبو البركات عبد السلام بن عبد اللَّه بن أبي القاسم بن الخضر بن محمد بن علي ابن تيمية الحراني صاحب "منتقى الأخبار" في أحاديث الأحكام، وشارح "هداية" أبي الخطاب المولود بحران سنة (590 هـ) والمتوفى بها يوم الجمعة عيد الفطر سنة (625 هـ) (2).

وقد تم -بفضل اللَّه وعونه- تحقيق المحرر وإخراجه في المؤسسة، بعد مقابلته على نُسخه الخطية.

وكتاب "المحرر" عبارة عن متن شبيه بمتن "المقنع" لابن قدامة ولكنه صغير

--------------------------------------------

(1) نقلًا عن كتاب: المذهب الحنبلي للدكتور عبد اللَّه بن عبد المحسن التركي مؤسسة الرسالة (1/ 457 - 458).

‌‌(2) يأتي التعريف بالمصنف رحمه الله.
এই বইটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের গ্রন্থসমূহের ধারাবাহিকতায় এই প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপস্থাপিত হচ্ছে; যেখানে এমন সব মৌলিক গ্রন্থ প্রদান করা হয়েছে যা পূর্ববর্তী আলেমদের ফিকহ সংরক্ষণ করে এবং এই যুগের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে তা উপস্থাপন করে। তাই এটি বিস্তারিত আলোচনা, নম্বর প্রদান, জটিল বিষয়সমূহের ওপর টীকা প্রদান এবং সাধারণ ও ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারগুলোতে ছড়িয়ে থাকা পাণ্ডুলিপিগুলোর সহায়তায় পাঠ্যের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে, যেন পাঠ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত হয়; এমনকি এই বিষয়টি একটি এমন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে যা থেকে বিচ্যুত হওয়া সম্ভব নয়।

ফলে প্রতিষ্ঠানটি যা প্রকাশ করছে তা জ্ঞানী ও গুণী ব্যক্তিদের দৃষ্টির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এবং সুন্নাহর যে সকল কিতাব প্রতিষ্ঠানটি উপস্থাপন করেছে, তা বিকৃতকারীদের অপচেষ্টা, অতিরঞ্জনকারীদের বিকৃতি এবং বাতিলপন্থীদের মিথ্যা আরোপ থেকে নিরাপদ হয়েছে।

একইভাবে, এটি সম্মানিত ফকীহ ইমামদের অনেক গ্রন্থও উপস্থাপন করেছে; ইস্তিম্বাতের (মাসআলা উদ্ঘাটন) মূলনীতি এবং ইজতিহাদ ও গবেষণার পথ নির্ধারণে তাদের অগ্রগামী ভূমিকা এবং ইসলামী ফিকহের বিধানসমূহ আহরণে তাদের প্রচেষ্টার আলোকে।

এবং "আল-মুহাররার ফিল ফিকহ" (১) একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ, এর লেখক একে পরিমার্জিত করেছেন এবং সংক্ষেপিত করেছেন, আর একে সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যস্ত করেছেন।

আর এর লেখক হলেন ফকীহ, উসূলবিদ, ব্যাকরণবিদ ও ক্বারী, শাইখুল ইসলাম মাজদুদ্দিন আবুল বারাকাত আবদুস সালাম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবিল কাসিম ইবনুল খিজির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে তাইমিয়া আল-হাররানী। তিনি আহকাম সংক্রান্ত হাদিসের কিতাব "মুনতাক্বাল আখবার"-এর রচয়িতা এবং আবুল খাত্তাবের "হিদায়া" গ্রন্থের ব্যাখ্যাকারী; যিনি ৫৯০ হিজরিতে হাররানে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬২৫ হিজরির ঈদুল ফিতরের দিন জুমার দিনে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন (২)।

আল্লাহর অনুগ্রহ ও সাহায্যে পাণ্ডুলিপিগুলোর সাথে মিলানোর পর প্রতিষ্ঠান থেকে "আল-মুহাররার" গ্রন্থটির তাহকীক ও প্রকাশনা সম্পন্ন হয়েছে।

আর "আল-মুহাররার" গ্রন্থটি ইবনে কুদামার "আল-মুক্বনি" মাতানের (মূল পাঠ) অনুরূপ একটি মাতান, তবে এটি আকারে ছোট।

--------------------------------------------

(১) ড. আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আত-তুর্কির 'আল-মাযহাবুল হাম্বলি' গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ (১/ ৪৫৭ - ৪৫ Parsed)।

‌‌(২) লেখকের (রহিমাহুল্লাহ) পরিচিতি সামনে আসছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ৫)
الحجم، وخال من الأدلة والتعليلات، وجيز اللفظ والعبارات.

وهو حاوٍ لأكثر أصول المسائل، خاليًا من العلل والدلائل فكان مصدرًا من المصادر الهامة، وهو صنو "المقنع" كما أن مصنفه "المجد" صنو "الموفق" متوازيان في الترجيح لدى أهل المذهب. فيقال: إن المذهب ما اتفق عليه الشيخان الموفق والمجد.

وكتاب "المقرر على أبواب المحرر" هو في أحاديث الأحكام، رتبه المصنف على أبواب "المحرر" على غرار ما صنع ابنُ عُبيدان في كتابه "المطلع" ويوسف المرداوي في كتابه "الانتصار".

وختامًا: أتقدم بالشكر إلى فضيلة الدكتور/ سعد عبد اللَّه الحميد، على فوائده العلمية الجمة التي استفدتها من فضيلته، ولعل تفضله عليَّ بنسخة خطية من "خلاصة الأحكام" للحافظ النووي إبَّان تحقيقي له، من أدلِّ الشواهد على عائدنة الخيرة، شكر اللَّه له، ونفعنا بعلمه.

ولا يفوتني أيضًا في هذا المقام أن أذكر الإشارة الكريمة التي تفضل بها علي فضيلة الشيخ/ عبد العزيز القاسم -القاضي بالمحكمة الكبرى بالرياض سابقًا، حفظه اللَّه- إذ أشار على فضيلته أن أدرج متن "المحرر" في كتاب "المقرر" تسهيلًا لطالب العلم عند مراجعة مسائل "المحرر" مع أدلتها من "المقرر". وإنها لإشارة جديرة بالامتثال والتنفيذ لما فيها من الفائدة الظاهرة التي لا تخفى على المشتغلين بالعلم الشرعي، غير أني آثرت بادي الرأي، أن أخرج كتاب "المقرر" على الصورة التي أرادها مؤلفه دون إلحاق متن "المحرر" به، ولعلي بعد إخراج هذه النشرة من "المقرر" أن أحقق إن شاء اللَّه إشارة فضيلة الشيخ/ عبد العزيز القاسم -حفظه اللَّه- ونفع به.

[واللَّه من وراء القصد وهو يهدى السبيل]

* * *
আকার (আয়তন), এবং এটি দলীল ও কারণসমূহ থেকে মুক্ত, সংক্ষিপ্ত শব্দ ও বাক্যাবলী সংবলিত।

এটি মাসআলাসমূহের অধিকাংশ মূলনীতি অন্তর্ভুক্ত করেছে, কারণ ও প্রমাণসমূহ থেকে মুক্ত হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছে। এটি "আল-মুকনি" এর সমতুল্য, যেমন এর লেখক "আল-মাজদ" হলেন "আল-মুওয়াফফাক" এর সমতুল্য। মাযহাবের অনুসারীদের নিকট অগ্রাধিকার প্রদানের ক্ষেত্রে তারা উভয়ই সমান্তরাল। তাই বলা হয়: মাযহাব হলো সেই বিষয় যার ওপর দুই শাইখ—মুওয়াফফাক এবং মাজদ—ঐক্যমত পোষণ করেছেন।

আর "আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহররার" গ্রন্থটি বিধান সংশ্লিষ্ট হাদীসসমূহ (আহকাম) বিষয়ে রচিত। লেখক একে "আল-মুহররার" এর অধ্যায়সমূহের বিন্যাসে সাজিয়েছেন, যেমনটি ইবন উবাইদান তাঁর "আল-মাতলা" গ্রন্থে এবং ইউসুফ আল-মারদাওয়ি তাঁর "আল-ইনতিসার" গ্রন্থে করেছেন।

পরিশেষে: আমি সম্মানীয় ডক্টর সা'দ আব্দুল্লাহ আল-হুমাইদ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাঁর অসংখ্য ইলমী উপকারের জন্য যা আমি তাঁর থেকে লাভ করেছি। হাফেয আন-নওয়াবীর "খুলাসাতুল আহকাম" গ্রন্থটি আমার তাহকীক করার সময় তিনি আমাকে এর একটি পাণ্ডুলিপি প্রদান করে যে অনুগ্রহ করেছেন, তা তাঁর মহানুভবতার অন্যতম উজ্জ্বল প্রমাণ। আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন এবং তাঁর ইলম দ্বারা আমাদের উপকৃত করুন।

এই পর্যায়ে আমি সম্মানীয় শাইখ আব্দুল আজিজ আল-কাসিম —রিয়াদের উচ্চ আদালতের প্রাক্তন বিচারক, আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন— এর প্রদানকৃত মূল্যবান পরামর্শের কথা উল্লেখ করাও ভুলে যাব না। তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন যেন আমি "আল-মুহররার" এর মূল পাঠকে "আল-মুকাররার" গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করি, যাতে তালিবে ইলমদের জন্য "আল-মুহররার" এর মাসআলাগুলো "আল-মুকাররার" থেকে প্রাপ্ত এর দলীলসহ পর্যালোচনা করা সহজ হয়। এটি অবশ্যই অনুসরণ এবং বাস্তবায়নের যোগ্য একটি পরামর্শ ছিল, কারণ এতে স্পষ্ট উপকারিতা রয়েছে যা শরয়ী ইলম নিয়ে গবেষণাকারীদের কাছে গোপন নয়। তবে আমি প্রাথমিক বিচারে "আল-মুকাররার" গ্রন্থটিকে এর লেখকের অভিপ্রায় অনুযায়ী "আল-মুহররার" এর মূল পাঠ যুক্ত না করেই প্রকাশ করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। সম্ভবত "আল-মুকাররার" এর এই সংস্করণটি প্রকাশের পর, ইনশাআল্লাহ আমি সম্মানীয় শাইখ আব্দুল আজিজ আল-কাসিম —আল্লাহ তাঁকে হিফাযত করুন ও তাঁর দ্বারা উপকৃত করুন— এর পরামর্শটি বাস্তবায়ন করব।

[আর আল্লাহই একমাত্র লক্ষ্য এবং তিনিই সঠিক পথ প্রদর্শন করেন]

* * *
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌ترجمة المؤلف (1)

‌‌أ- اسمه:

الشيخ الفقيه العالم المفتي جمال الدين، أبو العباس، يوسف بن ماجد بن أبي المجد بن عبد الخالق المرداوي المقدسي من فضلاء الحنابلة.

 

‌‌ب- شيوخه:

حَدث عن الحجار وابن الرضي والشرف بن الحافظ وابن الشحنة وغيرهم.

 

‌‌ج- تأثره بشيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله-:

صحب المصنف شيخ الإسلام ابن تيمية رحمهما اللَّه، وتأثر به، فكان كثير الاعتناء بالنظر في كلامه، وينصر مسائله الأصولية، مثابرًا على فتواه في الطلاق وكذا في عدة مسائل، وسجن بسبب ذلك ولا يرجع عن قوله، حتى أنه بلغه أن الشيخ شهاب الدين بن المصري يحُط في درسه على شيخ الإسلام ابن تيمية في الجامع، فجاء إليه وضربه بيده وأهانه.

 

‌‌د- آثاره:

صنف جمال الدين يوسف بن ماجد المصنفات الحسان فمن آثاره العلمية:

‌‌1 - "شرح المحرر".

--------------------------------------------

(1) مصادر الترجمة: الدرر الكامنة (4/ 468)، إنباء الغمر (1/ 252)، شذرات الذهب (6/ 282)، والمقصد الأرشد (3/ 147 - 148)، الجوهر المنضد (ص 179)، السحب الوابلة (ص 493)، معجم المؤلفين (4/ 178).
লেখকের জীবনী (১)

‌‌ক- তাঁর নাম:

শায়খ, ফকিহ, আলেম, মুফতি জামালুদ্দিন, আবুল আব্বাস ইউসুফ বিন মাজিদ বিন আবিল মাজদ বিন আব্দুল খালিক আল-মারদাউয়ি আল-মাকদিসি; তিনি হাম্বলি মাযহাবের বিশিষ্ট আলিমগণের অন্যতম ছিলেন।

 

‌‌খ- তাঁর শিক্ষকবৃন্দ:

তিনি আল-হাজ্জার, ইবনুর রাযি, আশ-শারাফ বিন আল-হাফিয, ইবনুশ শুহনা এবং অন্যদের নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌গ- শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ)-এর মাধ্যমে তাঁর প্রভাবিত হওয়া:

গ্রন্থকার শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর রহম করুন)-এর সংশ্রব লাভ করেন এবং তাঁর দ্বারা প্রভাবিত হন। তিনি শায়খুল ইসলামের বক্তব্যসমূহ পর্যালোচনার প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন এবং তাঁর উসুলি মাসয়ালাগুলো সমর্থন করতেন। তালাক সংক্রান্ত ফতোয়া এবং আরও অনেক বিষয়ে তিনি শায়খুল ইসলামের মতের ওপর অবিচল ছিলেন। এই কারণে তাঁকে কারাবরণ করতে হয়, তবুও তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। এমনকি তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছায় যে, শায়খ শিহাবুদ্দিন ইবনুল মিসরি জামে মসজিদে তাঁর পাঠদানকালে শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর সমালোচনা করছেন, তখন তিনি সেখানে গিয়ে তাঁকে নিজ হাত দিয়ে প্রহার করেন এবং লাঞ্ছিত করেন।

 

‌‌ঘ- তাঁর রচনাবলি:

জামালুদ্দিন ইউসুফ বিন মাজিদ চমৎকার সব গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর ইলমি রচনাবলির মধ্যে রয়েছে:

‌‌১ - "শারহুল মুহাররার"।

--------------------------------------------

(১) জীবনীর উৎসসমূহ: আদ-দুরারুল কামিনাহ (৪/ ৪৬৮), ইনবাউল গুমর (১/ ২৫২), শাযারাতুয যাহাব (৬/ ২৮২), আল-মাকসাদুল আরশাদ (৩/ ১৪৭ - ১৪৮), আল-জাওহারুল মুনাদদাদ (পৃষ্ঠা ১৭৯), আস-সুহুবুল ওয়াবিল্লাহ (পৃষ্ঠা ৪৯৩), মু'জামুল মুয়াল্লিফিন (৪/ ১৭৮)।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌2 - "النهاية في تصحيح الفروع".

‌‌3 - "المقرر على أبواب المحرر" كتابنا هذا.

وقال ابن عبد الهادي في "الجوهر المنضد" (ص: 180): "صنف كتابًا في الفقه، وحكى فيه خلافًا كثيرًا، وفيه أوهام كثيرة وفيه مواضع حسنة، ويذكر في بعض المواضع الخلاف بصيغة: أو".

 

‌‌هـ- وفاته:

توفي رحمه الله في التاسع عشر من صفر سنة 783 هـ.

* * *
২ - "আন-নিহায়াহ ফি তাসহিহিল ফুরু"।

৩ - "আল-মুর্কাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার" এটি আমাদের এই কিতাব।

এবং ইবনে আবদিল হাদি "আল-জাওহারুল মুনাদদাদ" (পৃষ্ঠা: ১৮০) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি ফিকহ শাস্ত্রে একটি কিতাব রচনা করেছেন এবং তাতে অনেক মতভেদ বর্ণনা করেছেন, সেখানে অনেক ভুল-ভ্রান্তিও রয়েছে আবার অনেক উত্তম অংশও রয়েছে; তিনি কোনো কোনো স্থানে 'অথবা' শব্দ ব্যবহার করে মতভেদ উল্লেখ করেন।"

 

ঙ- তাঁর মৃত্যু:

তিনি (রহিমাহুল্লাহ) ৭৮৩ হিজরি সালের ১৯শে সফর মৃত্যুবরণ করেন।

* * *
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ৯)
أولاً:‌‌ وصف المخطوط

‌‌أ- مكان وجوده:

المخطوط من محفوظات دار الكتب المصرية تحت رقم (25922 ب)، ولم أعثر عليه في مكان آخر فيما أعلم.

 

‌‌ب- عنوانه:

احتفظ المخطوط بعنوانه كاملًا على شكل هرم مقلوب.

ونصه: "كتاب المقرر على أبواب المحرر، تصنيف الإمام فريد دهره ووحيد عصره يوسف بن ماجد بن أبي المجد تغمده اللَّه تعالى برحمته وأسكنه فسيح جنته. آمين".

وثبت على يمين العنوان مطالعة للمخطوط ونصها:

"الحمد للَّه، طالع في السفر المبارك الجامع الفقير تقي الدين الحسيني الشافعي -عفي عنه- سنة 1090 هـ".

وثبت أيضًا على يسار العنوان تمليك ونصه:

"الحمد للَّه مستحق الحمد، من كتب الفقير عمر بن. . . الحسني الشافعي. لطف اللَّه به".

وثمة تمليك آخر أسفل من الأول ونصه:

"ثم ملكه العبد الفقير محمد بن داود المقدسي الشافعي في سنة 991".

 

‌‌جـ - عدد لوحاته:

اشتمل المخطوط على 74 لوحة لكل لوحة وجهان، ومسطرة كل وجه 33 سطرًا.
প্রথমত:‌‌ পাণ্ডুলিপির বিবরণ

‌‌ক- প্রাপ্তিস্থান:

পাণ্ডুলিপিটি মিশরীয় দারুল কুতুব-এর সংরক্ষিত সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত যার নম্বর (২৫৯২২ ব), এবং আমার জানামতে আমি এটি অন্য কোথাও খুঁজে পাইনি।

 

‌‌খ- শিরোনাম:

পাণ্ডুলিপিটিতে এর পূর্ণাঙ্গ শিরোনামটি উল্টানো পিরামিড আকৃতিতে সংরক্ষিত আছে।

এবং এর পাঠ্য হলো: "কিতাবুল মুক্বররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার, সংকলনে ইমাম, স্বীয় যুগের অনন্য ও অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব ইউসুফ ইবনে মাজিদ ইবনে আবিল মাজদ, আল্লাহ তাআলা তাকে তাঁর রহমতে আবৃত করুন এবং তাঁর প্রশস্ত জান্নাতে স্থান দিন। আমিন।"

এবং শিরোনামের ডান পাশে পাণ্ডুলিপি পাঠের একটি বর্ণনা স্থিরকৃত আছে, যার পাঠ্য হলো:

"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এই বরকতময় সংকলিত গ্রন্থটি পাঠ করেছেন দরিদ্র তাকিউদ্দীন আল-হুসাইনী আশ-শাফিঈ —আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন— ১০৯০ হিজরি সনে।"

এবং শিরোনামের বাম পাশে মালিকানার একটি বর্ণনাও স্থিরকৃত আছে, যার পাঠ্য হলো:

"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি প্রশংসার যোগ্য, দরিদ্র উমর ইবনে... আল-হাসানি আশ-শাফিঈ-এর সংগ্রহ থেকে। আল্লাহ তার প্রতি অনুগ্রহ করুন।"

প্রথমটির নিচে মালিকানার আরেকটি বর্ণনা রয়েছে, যার পাঠ্য হলো:

"অতঃপর ৯৯১ সনে এর মালিক হয়েছেন দরিদ্র বান্দা মুহাম্মদ ইবনে দাউদ আল-মাকদিসি আশ-শাফিঈ।"

 

‌‌গ- এর পত্রসংখ্যা:

পাণ্ডুলিপিটি ৭৪টি পত্র সম্বলিত, যার প্রতিটি পত্রের দুটি পার্শ্ব রয়েছে এবং প্রতিটি পার্শ্বে ৩৩টি করে লাইন আছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌د- مقدمة المخطوط:

احتفظ المخطوط بمقدمة المؤلف، أنقل منها ثلاثة أسطر فحسب ونصها:

(بسم اللَّه الرحمن الرحيم وصلواته وسلامه على سيدنا محمد نبي الرحمة وكاشف الغُمة وشفيع الأمة وسيد الأئمة وعلى آله وصحبه، قال الشيخ الإمام العالم العلامة جمال الدين أبو عبد اللَّه يوسف بن ماجد بن أبي المجد المقدسي قدس اللَّه روحه ونور ضريحه: الحمد للَّه نحمده ونستعينه ونستهديه ونستغفره ونعوذ باللَّه من شرور أنفسنا).

 

‌‌هـ- خاتمة المخطوط:

احتفظ المخطوط بخاتمته ونصها:

"تم الكتاب والحمد للَّه وحده، وصلواته على سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم، وعلقه لنفسه العبد الفقير إلى اللَّه تعالى محمد أبو المكارم بن عبد اللَّه بن الزين. ووافق الفراغ من نسخه في الرابع عشر من جمادى الأولى سنة واحد (كذا) وثلاثين وثماني مائة وذلك بالقاهرة المحروسة والحمد للَّه رب العالمين وحسبنا اللَّه ونعم الوكيل".

 

‌‌و- تاريخ الفراغ من نسخ المخطوط:

وافق الفراغ من نسخ المخطوط في 14 من جمادى الأولى سنة 831 هـ بالقاهرة.

 

‌‌ز- اسم ناسخ المخطوط:

احتفظ المخطوط باسم ناسخه وهو: محمد أبو المكارم بن عبد اللَّه بن الزين.

 

‌‌ح- خط المخطوط:

كتب المخطوط بخط نسخي حسن.
‌‌ঘ- পাণ্ডুলিপির ভূমিকা:

পাণ্ডুলিপিটিতে লেখকের ভূমিকা সংরক্ষিত রয়েছে, আমি সেখান থেকে মাত্র তিনটি পঙ্ক্তি উদ্ধৃত করছি এবং তার পাঠ হলো:

(পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আর তাঁর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদের ওপর, যিনি রহমতের নবী, দুঃখ-দুর্দশা মোচনকারী, উম্মতের সুপারিশকারী এবং ইমামগণের নেতা; আর তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর। শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলিম জামালুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ ইউসুফ বিন মাজিদ বিন আবিল মাজদ আল-মাকদিসি—আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন এবং তাঁর কবরকে আলোকিত করুন—বলেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই, তাঁর কাছে হেদায়াত প্রার্থনা করি এবং তাঁর নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি।)।

 

‌‌ঙ- পাণ্ডুলিপির সমাপ্তি:

পাণ্ডুলিপিটিতে এর সমাপ্তি অংশ সংরক্ষিত রয়েছে এবং তার পাঠ হলো:

"বইটি সমাপ্ত হলো এবং সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। আর তাঁর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং সাহাবীগণের ওপর। মহান আল্লাহর মুখাপেক্ষী বান্দা মুহাম্মাদ আবু আল-মাকারিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আজ-জাইন এটি নিজের জন্য অনুলিপি করেছেন। এর অনুলিপি সম্পন্ন হয়েছে আটশত একত্রিশ হিজরি সনের চৌদ্দই জুমাদাল উলা তারিখে, সংরক্ষিত শহর কায়রোতে। আর সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট ও তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।"

 

‌‌চ- পাণ্ডুলিপি অনুলিপি সম্পন্ন হওয়ার তারিখ:

পাণ্ডুলিপিটি অনুলিপি করার কাজ ৮৩১ হিজরি সনের ১৪ই জুমাদাল উলা তারিখে কায়রোতে সম্পন্ন হয়েছে।

 

‌‌ছ- পাণ্ডুলিপির অনুলিপিকারীর নাম:

পাণ্ডুলিপিটিতে এর অনুলিপিকারীর নাম সংরক্ষিত রয়েছে, আর তিনি হলেন: মুহাম্মাদ আবু আল-মাকারিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আজ-জাইন।

 

‌‌জ- পাণ্ডুলিপির লিপি:

পাণ্ডুলিপিটি সুন্দর নাসখ লিপিতে লিখিত।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌ط- إلحاقات المخطوط:

توجد إلحاقات في مواضع من المخطوط وثبت في آخر أغلب الإلحاقات علامة (صح) الدالة على صحة ثبوت هذا الإلحاق. كما يوجد أيضًا في آخره علامة (حـ) الدالة على ثبوت اللحق في نسخة من المخطوط.

وتوجد أيضًا في مواضع من المخطوط الدائرة المنقوطة الدالة على موضع انتهاء المقابلة على نسخة المؤلف أو نسخة قوبلت على نسخة المؤلف.

كما يوجد أيضًا بياض في عدة مواضع يسيرة من المخطوط ويتراوح البياض ما بين السطرين إلى الثلاث وقد نبهت على ذلك كله في هامش النص المحقق.

* * *
ট- পাণ্ডুলিপির সংযোজনসমূহ:

পাণ্ডুলিপির বিভিন্ন স্থানে কিছু সংযোজন পাওয়া যায় এবং অধিকাংশ সংযোজনের শেষে (সাহ) চিহ্নটি বিদ্যমান, যা এই সংযোজনটি সঠিক হওয়ার প্রমাণ বহন করে। এছাড়া এর শেষে (হা) চিহ্নটিও পাওয়া যায়, যা পাণ্ডুলিপির কোনো একটি কপিতে এই সংযোজনটি থাকার বিষয়টি নির্দেশ করে।

পাণ্ডুলিপির বিভিন্ন স্থানে কিছু বিন্দুযুক্ত বৃত্তও পাওয়া যায়, যা লেখকের নিজস্ব পাণ্ডুলিপি অথবা লেখকের পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে এমন কোনো কপির সাথে পাঠ-পর্যালোচনা বা মুকাবিলার সমাপ্তিস্থল নির্দেশ করে।

পাণ্ডুলিপির সামান্য কয়েকটি স্থানে কিছু শূন্যস্থানও রয়েছে এবং এই শূন্যস্থানগুলোর পরিমাণ দুই থেকে তিন লাইনের মতো। আমি সম্পাদিত পাঠের পাদটীকায় এ সকল বিষয়ে সবিশেষ উল্লেখ করেছি।

* * *
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১২)
صور النسخة الخطية المعتمدة للمقرر
নির্ধারিত পাঠ্যের অনুমোদিত পাণ্ডুলিপির চিত্রসমূহ।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১৩)
صور النسخة الخطية المعتمدة للمقرر
নির্ধারিত পাঠ্যক্রমের জন্য অনুমোদিত পাণ্ডুলিপির চিত্রসমূহ
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১৪)
صور النسخة الخطية المعتمدة للمقرر
নির্ধারিত পাঠ্যসূচির অনুমোদিত পাণ্ডুলিপির চিত্রসমূহ
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

وصلواتُه وسلامُهُ على سيدنا محمد؛ نبي الرحمة، وكاشف الغُمة، وشفيع الأمة، وسيد الأئمة، وعلى آله وصحبه.

قال الشيخُ الإمام العالُم العلامةُ جمالُ الدين أبو عبد اللَّه، يوُسف بنُ ماجد بن أبي المجد المقدسي، قدس اللَّه روحه، ونور ضريحه:

الحمد للَّه، نحمده ونستعينه، ونستهديه، ونستغفره، ونعوذ باللَّه من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهده اللَّه فلا مُضل له، ومن يُضلل فلا هَادي له، وأشهد أن لا إله إلا اللَّه وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبدهُ ورسولهُ، صلى اللَّه عليه وعلى آله الطيبين الطاهرين، صلاةً دائمةً إلى يوم الدين، وسلم تسليمًا كثيرًا، ورضي اللَّه عن الصحابة أجمعين، وعن التابعين لهم بإحسان إلى يوم الدين.

أما بعد.

فهذا كتاب في الأحكام سيمته:

"المقرر على أبواب المحرر"

وجعلتُ ما أخرجه البُخَارِيّ ومسلم مهملًا بلا علامة، وما عدا ذلك نذكُرُ من رواه إن شاء اللَّه.

فالخمسة هم: الإمام أحمد، وأصحاب السننِ الأربعةِ.

وإذا ابتدأتُ بذكر حديثٍ عن صحابي عطفتُ عليه ما جاءَ منه في ذلك الباب، ولم أُخِلّ بذلك إلا في مُويضِعات يسيرة، لكون غير موضعها أنسب لها، وإنما فعلت
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

এবং তাঁর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদের ওপর; যিনি রহমতের নবী, দুঃখ-কষ্ট দূরকারী, উম্মতের সুপারিশকারী এবং ইমামগণের নেতা; আর তাঁর পরিবার-পরিজন ও তাঁর সাহাবীগণের ওপর।

শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, মহাজ্ঞানী জামালুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ ইউসুফ ইবন মাজিদ ইবন আবিল মাজদ আল-মাকদিসী (আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন এবং তাঁর কবরকে আলোকিত করুন) বলেছেন:

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই, তাঁর কাছে হিদায়াত কামনা করি এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্ট এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন পরিবার-পরিজনের ওপর কিয়ামত পর্যন্ত অবিরাম সালাত ও প্রচুর সালাম বর্ষণ করুন। আর আল্লাহ সকল সাহাবী এবং কিয়ামত পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসারী তাবেয়ীদের ওপর সন্তুষ্ট হন।

অতঃপর।

এটি আহকাম বা বিধান বিষয়ক একটি কিতাব, যার নামকরণ করা হয়েছে:

"আল-মুর্কারারু আলা আবওয়াবিল মুহররার"

বুখারী ও মুসলিম যে হাদীসগুলো বর্ণনা করেছেন, সেগুলোকে আমি কোনো সুনির্দিষ্ট চিহ্ন ছাড়াই উল্লেখ করেছি। আর এ ছাড়া অন্য যা আছে, ইনশাআল্লাহ আমি সেগুলোর বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করব।

আর ‘পাঁচজন’ বলতে উদ্দেশ্য হলো: ইমাম আহমাদ এবং চার সুনান গ্রন্থের সংকলকগণ।

যখন আমি কোনো সাহাবী থেকে বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করা শুরু করি, তখন ওই অধ্যায়ে তাঁর থেকে বর্ণিত অন্যান্য হাদীসগুলোকেও তার সাথে যুক্ত করি। আমি খুব সামান্য কিছু ক্ষেত্র ব্যতীত এর ব্যতিক্রম করিনি, কারণ অন্য স্থানটিই সেগুলোর জন্য অধিকতর উপযুক্ত ছিল। আর আমি তো কেবল এমনটি করেছি...
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১৬)
ذلك -وإن كان خلاف المعتادِ- اختصارًا وتسهيلًا لمن أراد حفظه.

وأشرتُ فيه إلى شيء يسير من الجرح والتعديل مما وقع لي، مع كوني مزجي البضاعة في هذه الصناعة.

وأنا سائل وداعٍ لأخ عثر فيه على شيء لا يليق به منْ ساقطٍ، أو مُصحف، أو مكرر، أو غير ذلك إثباته، وحذفه، وإصلاحه؛ هذا مع النظر إليَّ بعين التجاوز والمسامحة وأن لا يُثرب، فإني معترف بالتقصير، [و] (1) إلى الرب في كل وقت فقير، وأسألُ اللَّه العظيم أن يجعل أعمالنا صالحة، ويجعلها لوجهه الكريم خالصةً، وهو حسبنا ونعم الوكيلُ.

* * *

--------------------------------------------

(1) الزيادة من المحقق.
এটি—যদিও প্রচলিত রীতির পরিপন্থী—সংক্ষিপ্তকরণ এবং যারা এটি মুখস্থ করতে চান তাদের জন্য সহজ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

আর আমি এতে বর্ণনাকারীদের গুণাগুণ ও ত্রুটি-বিচ্যুতি (জারহ ও তাদীল) সংক্রান্ত সামান্য কিছু বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করেছি যা আমার নিকট প্রতীয়মান হয়েছে, যদিও এই বিদ্যায় আমার পুঁজি অত্যন্ত নগণ্য।

আর আমি সেই ভাইয়ের নিকট বিনম্র আবেদন ও দোয়া করছি, যিনি এতে কোনো অনুপযুক্ত বিষয় যেমন—কোনো অংশ বাদ পড়া, শব্দগত বিকৃতি, পুনরাবৃত্তি বা অন্য কোনো ভুল খুঁজে পাবেন, তিনি যেন তা সংশোধন করেন, বর্জন করেন কিংবা যথাযথভাবে সাব্যস্ত করেন। আর এটি যেন আমার প্রতি ক্ষমা ও উদারতার দৃষ্টিতে দেখা হয় এবং আমাকে যেন তিরস্কার করা না হয়; কেননা আমি নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করছি এবং সর্বদা প্রতিপালকের নিকট মুখাপেক্ষী। আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের আমলসমূহকে নেক আমলে পরিণত করেন এবং তা একান্তই তাঁর মহান সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত করেন। তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক।

* * *

--------------------------------------------

(১) এই অতিরিক্ত অংশটুকু গবেষক কর্তৃক সংযোজিত।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌كتاب الطهارة

‌‌باب المياه

‌‌[1] عَنْ أبي هُرَيْرَة رضي الله عنه، قَالَ: سَأَل رَجلٌ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم، فَقَال: يَا رسُولَ اللَّهِ، إنَّا نَركَبُ البَحْر، ونَحْمِلُ مَعَنا القليلَ من الماءِ، فَإنْ توضأْنَا بِهِ عَطِشْنَا؛ أفنتوضَّأُ بِماءِ البَحْر؟ فَقَال رَسُولُ اللَّه: "هو الطَّهُورُ مَاؤُه، الحِلُّ مَيْتَتُهُ" (1).

--------------------------------------------

(1) حديث صحيح: أخرجه مالك في "الموطأ" (53) عن صفوان بن سُليم عن سعيد بن سلمة، مولى ابن الأزرق، أن المغيرة بن أبي بردة، وهو من بني عبد الدار، أنه سمع أبا هريرة يقول: فذكره.

ومن طريق مالك أخرجه الشافعي (42)، وأحمد (7233) و (8735) و (9100)، وأبو داود (83)، والتِّرْمِذِيّ (69)، والنسائي (1/ 150 و 176 و 7/ 207) وابن ماجه (386) و (3246)، وابن خزيمة (111)، وابن حبان (1243)، والدارمي (1/ 186)، وابن الجارود (43)، والحاكم (1/ 140) والبيهقي (1/ 13) والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 36) وقال التّرْمِذِيّ: حديث حسن صحيح.

ورجاله ثقات رجال الشيخين غير المغيرة بن أبي بردة وسعيد بن سلمة؛ وثقهما النسائي، كما في "التقريب".

وصححه البُخَارِيّ كما في "العلل الكبير" للترمذي (1/ 136) وابن خزيمة وابن حبان وابن المنذر والخطابي والطحاوي وابن مندة والحاكم وابن حزم والبيهقي وعبد الحق وآخرون كما في "تهذيب التهذيب" (10/ 321).

وفي الباب عن جابر أخرجه أحمد (15012)، وابن حبان (1244)، وابن ماجه (388)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 34).

وعن أنس أخرجه عبد الرزاق في "المصنف" (320)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 35).

وعن علي أخرجه الحاكم (1/ 142 - 143).

وعن ابن عباس أخرجه الدَّارَقُطْنِيّ (1/ 35)، والحاكم (1/ 143). =
পবিত্রতা অধ্যায়

পানি সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

[১] আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সমুদ্রে ভ্রমণ করি এবং আমাদের সাথে সামান্য পানি বহন করি। যদি আমরা তা দিয়ে অযু করি তবে আমরা পিপাসার্ত হয়ে পড়ব। আমরা কি সমুদ্রের পানি দিয়ে অযু করতে পারব?" তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "এর পানি পবিত্রকারী এবং এর মৃত (প্রাণী) হালাল।" (১)।

--------------------------------------------

(১) সহিহ হাদিস: ইমাম মালেক এটি তাঁর "মুওয়াত্তা" (৫৩) গ্রন্থে সাফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি ইবনুল আজরাকের মুক্তদাস সাঈদ ইবনে সালামা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, বনু আবদুদ দার গোত্রের মুগিরা ইবনে আবি বুরদাহ শুনেছেন আবু হুরায়রা বলছেন—অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন।

মালেকের সূত্র ধরে এটি বর্ণনা করেছেন শাফেয়ী (৪২), আহমদ (৭২৩৩, ৮৭৩৫ ও ৯১০০), আবু দাউদ (৮৩), তিরমিযী (৬৯), নাসায়ী (১/১৫০, ১৭৬ ও ৭/২০৭), ইবনে মাজাহ (৩৮৬ ও ৩২৪৬), ইবনে খুজাইমা (১১১), ইবনে হিব্বান (১২৪৩), দারেমি (১/১৮৬), ইবনুল জারুদ (৪৩), হাকেম (১/১৪০), বায়হাকী (১/১৩) এবং দারাকুতনী (১/৩৬)। ইমাম তিরমিযী বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহিহ।

এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য এবং তারা শায়খাইনের (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণনাকারী, তবে মুগিরা ইবনে আবি বুরদাহ এবং সাঈদ ইবনে সালামা ব্যতীত; তবে ইমাম নাসায়ী তাঁদের উভয়কে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, যেমনটি "তাকরিব" গ্রন্থে উল্লেখ আছে।

ইমাম বুখারী একে সহিহ বলেছেন যেমনটি তিরমিযীর "আল-ইলালুল কাবীর" (১/১৩৬)-এ বর্ণিত হয়েছে। এছাড়াও ইবনে খুজাইমা, ইবনে হিব্বান, ইবনুল মুনযির, খাত্তাবি, ত্বহাবি, ইবনে মান্দাহ, হাকেম, ইবনে হাজম, বায়হাকী, আবদুল হক এবং অন্যান্যরা একে সহিহ বলেছেন, যেমনটি "তাহযিবুত তাহযিব" (১০/৩২১) গ্রন্থে উল্লেখ আছে।

এই পরিচ্ছেদে জাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকেও হাদিস বর্ণিত হয়েছে যা আহমদ (১৫০১২), ইবনে হিব্বান (১২৪৪), ইবনে মাজাহ (৩৮৮) এবং দারাকুতনী (১/৩৪) বর্ণনা করেছেন।

আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকেও বর্ণিত হয়েছে যা আবদুর রাজ্জাক তাঁর "মুসান্নাফ" (৩২০) এবং দারাকুতনী (১/৩৫) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকেও বর্ণিত হয়েছে যা হাকেম (১/১৪২-১৪৩) বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকেও বর্ণিত হয়েছে যা দারাকুতনী (১/৩৫) এবং হাকেম (১/১৪৩) বর্ণনা করেছেন। =
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১৮)
رواهُ الخمسة، وصححه البُخَارِيّ (1)، والتِّرْمِذِيّ (2)، وَابْن خُزَيمة (3)، وَابْن حِبَّان (4)، وَابْن عبد البرّ (5)، وغيرهم.

قَالَ البَيْهَقِيّ: "إِنَّما لم يخرِّجه البُخَارِيّ وَمسلم لخُلْفٍ وقعَ في اسمِ سعيد بن سلمة، والمُغِيرَة بن أبي بُردة، وقد رُوي عَنْ عليِّ، وجابر، وَابْن عمر" (6).

وَقَالَ ابن المنذر فى "إشرافه": "ثبت أنَّ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ذَلِكَ" (7).

قَالَ الشافعي: "في إِسنادهِ مَن لَا أعرفهُ"، وأراد سعيدًا هذا، أو المُغِيرَة، أو هما (8).

 

‌‌[2] وعَنْه، عَنْ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "لا يَبُولنَّ أَحدُكم فِي الماءِ الدائمِ -الَّذي لَا يَجْري- ثم يَغْتَسلُ فِيهِ" (9)، ولفظ مُسلم: "مِنه".

 

‌‌[3] وعَنْه، قَالَ: قَالَ رسولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: "لا يَغْتَسِلُ أَحَدُكم في الماءِ الدَّائمِ، وَهُوَ جُنُبٌ" (10).

--------------------------------------------

= وعن ابن عمرو أخرجه الدَّارَقُطْنِيّ (1/ 35)، والحاكم (1/ 143).

‌‌(1) حكاه عنه التِّرْمِذِيّ في "العلل الكبير" (1/ 136).

‌‌(2) "جامع التَرْمِذِيّ" (1/ 101).

‌‌(3) "الصحيح" لابن خزيمة (1/ 159).

‌‌(4) "الصحيح" لابن حبان (4/ 49).

‌‌(5) "التمهيد" لابن عبد البر (2/ 77).

‌‌(6) "معرفة السنن والآثار" للبيهقي (1/ 224).

‌‌(7) قال ابن المنذر في "الإشراف" (2/ 625): وقد روينا عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في البحر: "هو الطهور ماؤه الحل ميتته".

‌‌(8) "السنن الكبرى" للبيهقي (1/ 3).

‌‌(9) أخرجه البُخَارِيّ (239)، ومسلم (282) (95).

‌‌(10) أخرجه مسلم (283) (97). وأبو السائب لا يعرف له اسم.

انظر "الاستغناء في معرفة المشهورين من حملة العلم بالكنى" لابن عبد البر (3/ 1576). =
এটি পাঁচজন (ইমাম) বর্ণনা করেছেন এবং বুখারি (১), তিরমিজি (২), ইবনে খুজাইমা (৩), ইবনে হিব্বান (৪), ইবনে আব্দুল বার (৫) ও অন্যান্যরা একে সহিহ বলেছেন।

বায়হাকি বলেন: "বুখারি ও মুসলিম এটি কেবল এজন্যই বর্ণনা করেননি যে, সাঈদ বিন সালামাহ এবং মুগিরা বিন আবু বুরদাহ-এর নামের ব্যাপারে মতভেদ ঘটেছে। তবে এটি আলি, জাবির এবং ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণিত হয়েছে" (৬)।

ইবনুল মুনজির তাঁর "আল-ইশরাফ" গ্রন্থে বলেছেন: "এটি সাব্যস্ত হয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটি বলেছেন" (৭)।

শাফেয়ি বলেন: "এর সনদে এমন ব্যক্তি রয়েছে যাকে আমি চিনি না"; তিনি এর দ্বারা এই সাঈদ অথবা মুগিরা অথবা উভয়কে বুঝিয়েছেন (৮)।

 

‌‌[২] তাঁর থেকেই বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন স্থির পানিতে—যা প্রবাহিত হয় না—প্রস্রাব না করে, অতঃপর তাতে গোসল করে" (৯); মুসলিমের শব্দ হলো: "তা থেকে"।

 

‌‌[৩] তাঁর থেকেই বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন অপবিত্র অবস্থায় স্থির পানিতে গোসল না করে" (১০)।

--------------------------------------------

= এবং ইবনে আমর থেকে এটি দারাকুতনি (১/৩৫) ও হাকেম (১/১৪৩) বর্ণনা করেছেন।

‌‌(১) তিরমিজি তাঁর "আল-ইলালুল কাবির" (১/১৩৬) গ্রন্থে এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

‌‌(২) "জামে তিরমিজি" (১/১০১)।

‌‌(৩) ইবনে খুজাইমার "আস-সহিহ" (১/১৫৯)।

‌‌(৪) ইবনে হিব্বানের "আস-সহিহ" (৪/৪৯)।

‌‌(৫) ইবনে আব্দুল বারের "আত-তামহিদ" (২/৭৭)।

‌‌(৬) বায়হাকির "মা'রিফাতুস সুনানি ওয়াল আসার" (১/২২৪)।

‌‌(৭) ইবনুল মুনজির "আল-ইশরাফ" (২/৬২৫) গ্রন্থে বলেছেন: আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছি যে তিনি সমুদ্র সম্পর্কে বলেছেন: "এর পানি পবিত্র এবং এর মৃত (প্রাণী) হালাল।"

‌‌(৮) বায়হাকির "আস-সুনানুল কুবরা" (১/৩)।

‌‌(৯) এটি বুখারি (২৩৯) ও মুসলিম (২৮২) (৯৫) বর্ণনা করেছেন।

‌‌(১০) এটি মুসলিম (২৮৩) (৯৭) বর্ণনা করেছেন। আর আবু সাইবের নাম জানা যায় না।

দেখুন ইবনে আব্দুল বারের "আল-ইস্তিগনা ফি মা'রিফাতি আল-মাশহুরিন মিন হামালাতিল ইলমি বিল কুনা" (৩/১৫৭৬)। =
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ১৯)
قَالَ أَبو السائب: كيف يَفْعَلُ يا أبا هُرَيْرَة؟

قَالَ: يتناوَلُهُ تناوَلًا.

وأبو السائب، لا يُعرف اسمُه.

 

‌‌[4] وعَنْ أبي سعيد الخدري -واسمه سَعْدُ بن مالك رضي الله عنه، قَالَ: قِيل يا رسُولَ اللَّه: أنَتَوضَّأُ من بِئْرِ بُضاعةَ، وهي بئرٌ يُلْقى فيها الحِيَضُ ولحومُ الكلابِ، والنّتَنُ؟ .

فَقَال رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: "الماءُ طهورٌ لا يُنجِّسُهُ شيءٌ" (1).

رواه الخمسة، إلَّا ابْن مَاجَه، وصححه الإِمَام أَحْمَد (2)، وحسَّنَهُ التِّرْمِذِيّ (3) [وصححه] (4) ابن خزيمة (5)، . . . .

--------------------------------------------

= وقال الحافظ في "التهذيب" (4/ 526): "ووقع في "نوادر الأصول" في الأصل الثامن والستين أنه جهني وأن اسمه عبد اللَّه بن السائب".

‌‌(1) حديث صحيح: أخرجه أحمد (11257)، وأبو داود (66)، والتِّرْمِذِيّ (66)، والنسائي (1/ 174)، والبيهقي (1/ 4 - 5)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 30)، وابن الجارُود (47).

من طريق أبي أسامة عن الوليد بن كثير عن محمد بن كعب عن عبيد اللَّه بن رافع بن خديج عن أبي سعيد الخدري به.

وقال التِّرْمِذِيّ: حديث حسن، وقد جود أبو أسامة هذا الحديث فلم يرو أحد حديث أبي سعيد في بئر بضاعة أحسن مما روى أبو أسامة، وقد روى هذا الحديث من غير وجه عن أبي سعيد وفي الباب عن ابن عباس وعائشة.

وقال الحافظ في "التلخيص" (1/ 13): وصححه أحمد بن حنبل ويحيى بن معين وأبو محمد ابن حزم.

‌‌(2) "تنقيح التحقيق" (1/ 28)، و"المغني" لابن قدامة (1/ 40).

‌‌(3) "جامع التِّرْمِذِيّ" (1/ 96).

‌‌(4) الزيادة من المحقق.

‌‌(5) لم يروه ابن خزيمة في "الصحيح" من حديث أبي سعيد الخدري -فيما أعلم- إنما رواه من حديث ابن عباس (91)، وصححه.
আবু সাইব বললেন: হে আবু হুরায়রা, তিনি কীভাবে করবেন?

তিনি বললেন: তিনি এটি সাধারণভাবে গ্রহণ করবেন।

আর আবু সাইব, তাঁর নাম জানা যায় না।

 

‌‌[৪] আবু সাঈদ আল-খুদরী —তাঁর নাম সাদ বিন মালিক (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন)— থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি বুদাআ কূপের পানি দিয়ে ওজু করব? অথচ এটি এমন এক কূপ যাতে ঋতুর রক্তমাখা ন্যাকড়া, কুকুরের গোশত এবং দুর্গন্ধময় বস্তু ফেলা হয়।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "পানি পবিত্র, কোনো কিছুই একে অপবিত্র করে না" (১)।

ইবনে মাজাহ ব্যতীত পাঁচজন ইমাম এটি বর্ণনা করেছেন, ইমাম আহমাদ একে সহীহ বলেছেন (২), তিরমিযী একে হাসান বলেছেন (৩), [এবং সহীহ বলেছেন] (৪) ইবনে খুজাইমাহ (৫)...

--------------------------------------------

= হাফিজ (ইবনে হাজার) 'আত-তাহযীব' (৪/৫২৬) গ্রন্থে বলেছেন: 'নাওয়াদিরুল উসুল' গ্রন্থের ৬৮তম মূলনীতিতে উল্লেখ রয়েছে যে, তিনি জুহানি গোত্রের এবং তাঁর নাম আবদুল্লাহ বিন সাইব।

‌‌(১) হাদিসটি সহীহ: এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ (১১২৫৭), আবু দাউদ (৬৬), তিরমিযী (৬৬), নাসায়ী (১/১৭৪), বায়হাকী (১/৪-৫), দারা কুতনী (১/৩০) এবং ইবনুল জারুদ (৪৭)।

এটি আবু উসামার সূত্রে ওয়ালিদ বিন কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন কাব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন রাফি বিন খাদীজ থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিযী বলেছেন: হাদিসটি হাসান। আবু উসামা এই হাদিসের সনদকে অত্যন্ত চমৎকার করেছেন; আবু উসামা বুদাআ কূপ সম্পর্কে আবু সাঈদের যে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তার চেয়ে উত্তমভাবে কেউ তা বর্ণনা করেননি। এই হাদিসটি আবু সাঈদ থেকে আরও বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে এবং এ বিষয়ে ইবনে আব্বাস ও আয়েশা থেকেও বর্ণনা রয়েছে।

হাফিজ (ইবনে হাজার) 'আত-তালখিস' (১/১৩) গ্রন্থে বলেছেন: আহমাদ বিন হাম্বল, ইয়াহইয়া বিন মাঈন এবং আবু মুহাম্মাদ ইবনে হাজম একে সহীহ বলেছেন।

‌‌(২) 'তানকীহুত তাহকীক' (১/২৮) এবং ইবনে কুদামার 'আল-মুগনী' (১/৪০)।

‌‌(৩) 'জামে তিরমিযী' (১/৯৬)।

‌‌(৪) এই সংযোজনটি মুহাক্কিকের পক্ষ থেকে।

‌‌(৫) আমার জানামতে ইবনে খুজাইমাহ তাঁর 'আস-সহীহ' গ্রন্থে আবু সাঈদ আল-খুদরীর সূত্রে এটি বর্ণনা করেননি; বরং তিনি এটি ইবনে আব্বাসের সূত্রে (৯১) বর্ণনা করেছেন এবং একে সহীহ বলেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২০)
وَابْن حِبَّان (1)، والدَّارَقُطْنِيّ (2)، وَالبَيْهَقِيّ (3)، والخطابي (4)، والطحاوي (5)، والحاكم (6)، وغيرهم، وقَالَ ابن معين: "هو حديث جيد" (7).

ورُوي أيضًا عَنْ أَبي هُرَيْرَة (8)، وسهل بن سعد (9)، وجابر (10)، وَابْن عباس (11)، وعائشة (12).

--------------------------------------------

(1) لم يروه ابن حبان في "الصحيح" من حديث أبي سعيد -فيما أعلم- إنما رواه عن ابن عباس (1241) و (1242)، وصححه.

‌‌(2) "العلل" للدارقطني (11/ 288).

‌‌(3) "السنن الكبرى" للبيهقي (1/ 4 - 5) وسكت عنه.

‌‌(4) "معالم السنن" للخطابي (1/ 37).

‌‌(5) "معاني الآثار" للطحاوي (1/ 15).

‌‌(6) لم يروه الحاكم في "المستدرك" من حديث أبي سعيد -فيما أعلم- إنما رواه من حديث ابن عباس (1/ 159) وصححه، ووافقه الذهبي.

‌‌(7) "التلخيص الحبير" (1/ 18).

‌‌(8) أخرجه الدَّارَقُطْنِيّ (1/ 31) من طريق عبد الرحمن بن زيد بن أسلم عن أبيه عن عطاء عن أبي هريرة بنحوه. وعبد الرحمن بن زيد بن أسلم ضعيف، كما في "التقريب".

‌‌(9) أخرجه الدَّارَقُطْنِيّ (1/ 32) والبيهقي (1/ 259)، والطحاوي (1/ 12) من حديث محمد بن أبي يحيى الأسلمي عن أمه (وعند البيهقي عن أبيه). قالت: دخلن على سهل بن سعد في أربع نسوة فقال. فذكره بنحوه. وقال البيهقي: هذا إسناد حسن موصول.

‌‌(10) أخرجه ابن ماجه (520) من طريق شريك عن طريف بن شهاب قال. سمعت أبا نضرة يحدث عن جابر فذكره بنحوه. وضعفه البوصيري في "الزوائد".

‌‌(11) أخرجه أحمد (2100) و (2102)، والنسائي (1/ 173)، وابن خزيمة (109)، وابن حبان (1242) من طريق سفيان عن سماك بن حرب عن عكرمة عن ابن عباس بمعناه. وصححه (1/ 195). ووافقه الذهبي! وسماك بن حرب صدوق إلا أن روايته عن عكرمة خاصة مضطربة.

‌‌(12) أخرجه أبو يعلى (4765) من طريق شريك عن المقدام بن شريح عن أبيه عن عائشة به. وفيه شريك بن عبد اللَّه النخعي صدوق يخطئ كثيرًا تغير حفظه منذ ولي القضاء على الكوفة كما في "التقريب".
ইবনে হিব্বান (১), আদ-দারাকুতনী (২), আল-বায়হাকী (৩), আল-খাত্তাবী (৪), আত-তাহাবী (৫), আল-হাকিম (৬) এবং আরও অনেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন বলেন: "এটি একটি উত্তম হাদিস" (৭)।

এটি আবু হুরায়রা (৮), সাহল বিন সাদ (৯), জাবির (১০), ইবনে আব্বাস (১১) এবং আয়েশা (১২) থেকেও বর্ণিত হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) ইবনে হিব্বান তাঁর "সহীহ" গ্রন্থে আবু সাঈদের হাদিস থেকে এটি বর্ণনা করেননি - যতটুকু আমি জানি - বরং তিনি এটি ইবনে আব্বাস (১২৪১) ও (১২৪২) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং একে সহীহ বলেছেন।

‌‌(২) আদ-দারাকুতনী রচিত "আল-ইলাল" (১১/ ২৮৮)।

‌‌(৩) আল-বায়হাকী রচিত "আস-সুনানুল কুবরা" (১/ ৪ - ৫) এবং তিনি এ ব্যাপারে নীরব থেকেছেন।

‌‌(৪) আল-খাত্তাবী রচিত "মাআলিমুস সুনান" (১/ ৩৭)।

‌‌(৫) আত-তাহাবী রচিত "মাআনিল আসার" (১/ ১৫)।

‌‌(৬) আল-হাকিম তাঁর "আল-মুস্তাদরাক" গ্রন্থে আবু সাঈদের হাদিস থেকে এটি বর্ণনা করেননি - যতটুকু আমি জানি - বরং তিনি এটি ইবনে আব্বাসের হাদিস (১/ ১৫৯) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং একে সহীহ বলেছেন, আর আয-যাহাবী তাঁর সাথে একমত হয়েছেন।

‌‌(৭) "আত-তালখীসুল হাবীর" (১/ ১৮)।

‌‌(৮) আদ-দারাকুতনী (১/ ৩১) এটি আব্দুর রহমান বিন যায়িদ বিন আসলামের সূত্র ধরে তাঁর পিতা থেকে, তিনি আতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন। আর "আত-তাকরীব" অনুযায়ী আব্দুর রহমান বিন যায়িদ বিন আসলাম দুর্বল।

‌‌(৯) আদ-দারাকুতনী (১/ ৩২), আল-বায়হাকী (১/ ২৫৯) এবং আত-তাহাবী (১/ ১২) এটি মুহাম্মাদ বিন আবু ইয়াহইয়া আল-আসলামী থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে (এবং আল-বায়হাকীর বর্ণনায় তাঁর পিতা থেকে) বর্ণনা করেছেন। তিনি (মা) বলেন: আমরা চারজন মহিলা সাহল বিন সাদের নিকট প্রবেশ করলাম, তখন তিনি বললেন। এরপর তিনি অনুরূপভাবে এটি উল্লেখ করেন। আল-বায়হাকী বলেন: এটি একটি হাসান মুত্তাসিল সনদ।

‌‌(১০) ইবনে মাজাহ (৫২০) এটি শারীকের সূত্র ধরে তারিফ বিন শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু নাদরাকে জাবির থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, এরপর তিনি অনুরূপভাবে এটি উল্লেখ করেন। আল-বুসীরি "আয-যাওয়ায়েদ"-এ একে দুর্বল বলেছেন।

‌‌(১১) আহমাদ (২১০০) ও (২১০২), আন-নাসায়ী (১/ ১৭৩), ইবনে খুযাইমা (১০৯) এবং ইবনে হিব্বান (১২৪২) এটি সুফিয়ানের সূত্র ধরে সিমাক বিন হারব থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে সমার্থে বর্ণনা করেছেন। তিনি একে সহীহ (১/ ১৯৫) বলেছেন এবং আয-যাহাবী তাঁর সাথে একমত হয়েছেন! তবে সিমাক বিন হারব সত্যবাদী হলেও ইকরিমাহ থেকে তাঁর বর্ণনা বিশেষভাবে অসংলগ্ন (মুদতারিব)।

‌‌(১২) আবু ইয়ালা (৪৭৬৫) এটি শারীকের সূত্র ধরে মিকদাম বিন শুরাইহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এতে শারীক বিন আব্দুল্লাহ আন-নাখঈ রয়েছেন, যিনি সত্যবাদী হলেও প্রচুর ভুল করতেন; কুফার বিচারক হওয়ার পর থেকে তাঁর মুখস্থ শক্তিতে পরিবর্তন ঘটেছিল, যেমনটি "আত-তাকরীব"-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২১)
وكلام الدَّارَقُطْنِيّ فِيهِ أنَّه لَا يَثْبُتُ، من طريق أبي هُرَيْرَة، وَلَا من طريق أبي سعيد (1).

 

‌‌[5] وَعَنْ أبي فَزارةَ، عَنْ أَبي زيدٍ، عَنْ ابن مسعودٍ، أَنَّ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم قَالَ له ليلةَ الجنِّ: "ما في إدَاوتكَ؟ ".

قَالَ: نَبِيذٌ.

قَالَ: "تَمرةٌ (2) طيبةٌ، وَمَاءٌ طَهورٌ" (3).

أخرجه التِّرْمِذِيّ، وأبو داود. وأبو فزارة غيرُ ابن كيسان، وَهُوَ وأبو زيد مجهولان (4).

وقَالَ الإِمَام أَحْمَد وأبو زُرْعة: "لا يصح هذا الحديث" (5).

وقَالَ أبو أحمد الكرابيسي: "لا يثبت في هذا الباب من هذه الرواية حديثٌ".

--------------------------------------------

(1) "تنقيح التحقيق" (1/ 29).

‌‌(2) في الأصل "ثمرة". والمثبت من مصادر التخريج.

‌‌(3) حديث ضعيف: أخرجه أحمد (4296)، وأبو داود (84)، والتِّرْمِذِيّ (88)، وابن ماجه (384)، وأبو يعلى (5046)، و (5301)، والبيهقي (1/ 9)، وعبده الرزاق في "المصنف" (693)، والطبراني في "الكبير" (9963) من طرق عن أبي فزارة، عن أبي زيد عن عبد اللَّه بن مسعود.

قال التِّرْمِذِيّ: إنما رُوي هذا الحديث عن أبي زيد عن عبد اللَّه عن النبي صلى الله عليه وسلم، وأبو زيد رجل مجهول عند أهل الحديث لا يُعرف له رواية غيرُ هذا الحديث.

وقال ابن أبي حاتم في "العلل" (1/ 17): سمعت أبا زرعة يقول: حديث أبي فزارة ليس بصحيح، وأبو زيد مجهول.

وقال الحافظ في "الفتح" (1/ 422): وهذا الحديث أطبق علماء السلف على تضعيفه.

‌‌(4) قال الحاكم أبو أحمد في أبي زيد المخزومي: رجل مجهول لا يوقف على صحة كنيته ولا اسمه، ولا يعرف له راويًا غير أبي فزارة ولا رواية من وجه ثابت إلا هذا الحديث الواحد، نقله المزي عنه في "تهذيب الكمال" (33/ 332)، وأما أبو فزارة فالصواب أنه ابن كيسان واسمه رشد ابن كيسان وثقه يحيى بن معين، وقال أبو حاتم: صالح، وقال الدَّارَقُطْنِيّ: ثقة كيس، وقال الحافظ في "التقريب": ثقة.

وانظر: "تهذيب التهذيب" (3/ 203)، و"تهذيب الكمال" (9/ 13 - 16).

‌‌(5) "الجرح والتعديل" (3/ 485)، و"تنقيح التحقيق" (1/ 41).
আদ-দারাকুতনীর বক্তব্য এই যে, এটি সাব্যস্ত নয়—না আবু হুরায়রার বর্ণনা থেকে, আর না আবু সাঈদের বর্ণনা থেকে (১)।

 

‌‌[৫] আবু ফাজারা থেকে বর্ণিত, তিনি আবু যায়েদ থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিনের রাতে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন: "তোমার মশকটিতে কী আছে?"।

তিনি বললেন: নাবিয (খেজুরের পানীয়)।

তিনি বললেন: "পবিত্র খেজুর (২) এবং পবিত্র পানি" (৩)।

এটি তিরমিযী এবং আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন। আর আবু ফাজারা ইবনে কায়সান নন, এবং তিনি ও আবু যায়েদ উভয়ই অপরিচিত (মাজহুল) (৪)।

এবং ইমাম আহমাদ ও আবু জুরআ বলেছেন: "এই হাদিসটি সহিহ নয়" (৫)।

এবং আবু আহমাদ আল-কারাবিসি বলেছেন: "এই অধ্যায়ে এই বর্ণনা থেকে কোনো হাদিসই সাব্যস্ত নেই।"

--------------------------------------------

(১) "তানকিহুত তাহকিক" (১/ ২৯)।

‌‌(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে "থামরাহ" (ফল) রয়েছে। তবে তাখরিজ সূত্রসমূহ থেকে এটি (তামরাহ - খেজুর) সংশোধন করা হয়েছে।

‌‌(৩) হাদিসটি দুর্বল: আহমাদ (৪২৯৬), আবু দাউদ (৮৪), তিরমিযী (৮৮), ইবনে মাজাহ (৩৮৪), আবু ইয়ালা (৫০৪৬), ও (৫৩০১), বায়হাকি (১/ ৯), আবদুর রাজ্জাক "আল-মুসান্নাফ"-এ (৬৯৩), এবং তাবারানি "আল-কাবীর"-এ (৯৯৬৩) আবু ফাজারা থেকে, তিনি আবু যায়েদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিযী বলেছেন: এই হাদিসটি শুধুমাত্র আবু যায়েদের সূত্রে আবদুল্লাহ থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু যায়েদ হাদিস বিশারদদের নিকট একজন অপরিচিত ব্যক্তি, এই হাদিসটি ছাড়া তার অন্য কোনো বর্ণনার কথা জানা যায় না।

এবং ইবনে আবি হাতিম "আল-ইলাল" (১/ ১৭)-এ বলেছেন: আমি আবু জুরআকে বলতে শুনেছি: আবু ফাজারার হাদিসটি সহিহ নয় এবং আবু যায়েদ অপরিচিত (মাজহুল)।

এবং হাফেজ (ইবনে হাজার) "আল-ফাতহ" (১/ ৪২২)-এ বলেছেন: এবং সালাফ উলামাগণ এই হাদিসটিকে দুর্বল বলার ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন।

‌‌(৪) হাকিম আবু আহমাদ আবু যায়েদ আল-মাখজুমি সম্পর্কে বলেছেন: তিনি একজন অপরিচিত ব্যক্তি যার কুনিয়াহ বা নাম সঠিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আবু ফাজারা ছাড়া তার অন্য কোনো বর্ণনাকারী পরিচিত নয় এবং কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই একটি হাদিস ছাড়া তার অন্য কোনো বর্ণনাও পরিচিত নয়; আল-মিযযি "তাহযিবুল কামাল" (৩৩/ ৩৩২)-এ তার থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন। আর আবু ফাজারার ব্যাপারে সঠিক হলো এই যে, তিনি হলেন ইবনে কায়সান এবং তার নাম রিশদ ইবনে কায়সান; ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন, আবু হাতিম বলেছেন: সালেহ (সৎ), আদ-দারাকুতনী বলেছেন: নির্ভরযোগ্য ও বিচক্ষণ, এবং হাফেজ (ইবনে হাজার) "আত-তাকরীব"-এ তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন।

আরও দেখুন: "তাহযিবুত তাহযিব" (৩/ ২০৩), এবং "তাহযিবুল কামাল" (৯/ ১৩-১৬)।

‌‌(৫) "আল-জারহু ওয়াত-তাদিল" (৩/ ৪৮৫) এবং "তানকিহুত তাহকিক" (১/ ৪১)।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২২)
قَالَ التِّرْمِذِيّ: "الصوابُ أنه ابنُ كيسان"، ونقل النواوي اتفاق المحدثين على ضعف الحديث (1).

وقَالَ الخلال: "حديث موضوع، لا يشبه كلامَ النبي صلى الله عليه وسلم".

وقَالَ الطحاوي: "لا أصل له، وقد رجع أبو حنيفة عَن القول به" (2).

 

‌‌[6] قَالَ علقمةُ: قلتُ لابنِ مسعود: من كَانَ منكم مع رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم ليلة الجنّ؟ .

قَالَ: ما كان منَّا معه أَحدٌ (3).

أخرجه مسلم.

 

‌‌[7] وَعَنْ عَبْدِ اللَّه (4) بن عمر رضي الله عنهما، قَالَ: سُئِل رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ الماء وَمَا يَنُوُبُه من الدَّوابِ والسِّباع؟ فَقَالَ: "إِذَا كَانَ الماءُ قُلَّتينِ لا يَحمِلُ الخَبَثَ" (5).

--------------------------------------------

(1) "المجموع" (1/ 142).

‌‌(2) قال الطحاوي في "معاني الآثار" (1/ 96) بعد أن ضعف حديث ابن مسعود في التوضيء بنبيذ التمر من جهة الإسناد وجهة النظر: "فثبت بذلك أنه لا يجوز التوضيء به في حال من الأحوال، وهو قول أبي يوسف، وهو النظر عندنا".

‌‌(3) أخرجه مسلم (450)، (150).

‌‌(4) في الأصل: عبد الرحمن بن عمر، والتصويب من مصادر التخريج.

‌‌(5) حديث صحيح: أخرجه أبو داود (63)، والتِّرْمِذِيّ (67)، والنسائي (1/ 46)، وابن ماجه (517)، وابن الجارود (45)، وابن خزيمة (92)، وابن حبان (1249)، والبيهقي (1/ 260 - 261)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 14، 15)، من طرق عن أبي أسامة حدثنا الوليد بن كثير عن محمد بن جعفر بن الزبير أن عبد اللَّه بن عبد اللَّه حدثهم أن أباه عبد اللَّه بن عمر حدثهم، فذكره.

وصححه الحاكم (1/ 132)، ووافقه الذهبي، وقال الحاكم: "هذا حديث صحيح على شرط الشيخين، فقد احتجا بجميع رواته، ولم يخرجاه، وأظنهما -واللَّه أعلم- لم يخرجاه لخلاف فيه على أبي أسامة على الوليد بن كثير".

ومن وجوه الخلاف على أبي أسامة: =
তিরমিযী বলেন: "সঠিক হলো তিনি ইবনে কায়সান।" আর নববী হাদিস বিশারদগণের ঐকমত্য বর্ণনা করেছেন যে হাদিসটি দুর্বল (১)।

খাল্লাল বলেন: "এটি একটি জাল হাদিস, যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীর সদৃশ নয়।"

তহাবী বলেন: "এর কোনো ভিত্তি নেই, আর আবু হানিফা এই মত থেকে ফিরে এসেছিলেন" (২)।

 

‌‌[৬] আলকামা বলেন: আমি ইবনে মাসউদকে বললাম: জিনদের রাতে আপনাদের মধ্যে কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলেন?

তিনি বললেন: আমাদের মধ্য থেকে কেউ তাঁর সাথে ছিল না (৩)।

এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌[৭] আবদুল্লাহ (৪) ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পানি এবং এতে বিচরণকারী চতুষ্পদ ও হিংস্র প্রাণীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন: "পানি যখন দুই কুল্লা (একটি পরিমাপ) পরিমাণ হয়, তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না" (৫)।

--------------------------------------------

(১) "আল-মাজমু" (১/ ১৪২)।

‌‌(২) তহাবী 'মাআনী আল-আসার' (১/ ৯৬) গ্রন্থে খেজুরের নাবিয দিয়ে অজু করা সংক্রান্ত ইবনে মাসউদের হাদিসটিকে সনদ ও যুক্তির দিক থেকে দুর্বল সাব্যস্ত করার পর বলেন: "এর দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, কোনো অবস্থাতেই এটি দিয়ে অজু করা জায়েয নেই। এটি আবু ইউসুফের অভিমত এবং আমাদের নিকট এটিই সঠিক যুক্তি।"

‌‌(৩) এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন (৪৫০), (১৫০)।

‌‌(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে ছিল: আবদুর রহমান ইবনে উমর, আর হাদিস বর্ণনার উৎসসমূহ থেকে তা সংশোধন করা হয়েছে।

‌‌(৫) হাদিসটি সহিহ: আবু দাউদ (৬৩), তিরমিযী (৬৭), নাসায়ী (১/ ৪৬), ইবনে মাজাহ (৫১৭), ইবনে আল-জারুদ (৪৫), ইবনে খুযাইমাহ (৯২), ইবনে হিব্বান (১২৪৯), বায়হাকী (১/ ২৬০ - ২৬১), দারা কুতনী (১/ ১৪, ১৫) বিভিন্ন সূত্রে আবু ওসামা থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু ওসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে যুবায়ের থেকে যে, আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ইবনে উমর তাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।

হাকিম এটিকে সহিহ বলেছেন (১/ ১৩২) এবং যাহাবী তাঁর সাথে একমত হয়েছেন। হাকিম বলেন: "এই হাদিসটি শায়খাইনের (বুখারি ও মুসলিম) শর্তানুযায়ী সহিহ, কারণ তাঁরা এর সকল বর্ণনাকারীর বর্ণনা গ্রহণ করেছেন, যদিও তাঁরা এটি বর্ণনা করেননি। আমার ধারণা—আর আল্লাহই ভালো জানেন—তাঁরা এটি বর্ণনা করেননি আবু ওসামার বর্ণনায় ওয়ালিদ ইবনে কাসীরের ব্যাপারে মতভেদের কারণে।"

আর আবু ওসামার বর্ণনায় মতভেদের দিকগুলো হলো: =
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২৩)
وفي لفظ: "لا يُنجِّسهُ شيءٌ" (1)

--------------------------------------------

= أ- أخرجه الدارمي (1/ 187)، والنسائي (1/ 175)، والطحاوي في "شرح معاني الآثار" (1/ 15) عن أبي أسامة عن الوليد بن كثير عن محمد بن جعفر بن الزبير، عن عبيد اللَّه بن عبد اللَّه ابن عمر، عن أبيه فوقع عندهم: عبيد اللَّه بن عبد اللَّه بدل: عبد اللَّه بن عبد اللَّه. وهذا سند صحيح، على شرطهما.

ب- وأخرجه ابن الجارود (44)، وابن حبان (1235)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 15 و 16 - 17)، والحاكم (1/ 133)، والبيهقي (1/ 260) من طريق أبي أسامة عن الوليد بن كثير عن محمد بن عباد بن جعفر عن عبد اللَّه بن عبد اللَّه بن عمر، عن أبيه به، فوقع عندهم: محمد بن عباد بن جعفر بدل محمد بن جعفر بن الزبير.

جـ- وأخرجه الحاكم (1/ 133)، والدَّارقطْنِيّ (1/ 18)، والبيهقي (1/ 261) من طريق أبي أسامة عن الوليد بن كثير عن محمد بن جعفر بن الزبير، ومحمد بن عباد بن جعفر، عن عبد اللَّه بن عبد اللَّه بن عمر، عن أبيه، به، فوقع عندهم محمد بن عباد مقرونًا بمحمد بن جعفر.

وقال الدَّارَقُطْنِيّ في "السنن" (1/ 17): "وصح أن الوليد بن كثير رواه عن محمد بن جعفر بن الزبير، وعن محمد بن عباد بن جعفر جميعًا عن عبد اللَّه بن عبد اللَّه بن عمر، عن أبيه، فكان أبو أسامة مرة يحدث به عن الوليد بن كثير عن محمد بن جعفر بن الزبير، ومرة يحدث به عن الوليد ابن كثير عن محمد بن عباد بن جعفر، واللَّه أعلم".

وقال الحافظ في "التلخيص" (1/ 17): "وقد رواه جماعة عن أبي أسامة عن الوليد بن كثير على الوجهين".

وللحديث طرق أخرى ستأتي بعده.

وتابع الوليد بن كثير عليه، محمد بن إسحاق فأخرجه:

أحمد (4803)، وأبو داود (64)، والتِّرْمِذِيّ (45)، وابن ماجه (517)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 19 و 21) عنه، عن محمد بن جعفر بن الزبير به، وقد صرح ابن إسحاق بالتحديث عند الدَّارَقُطْنِيّ فانتفت شبهة التدليس.

وانظر: تعليق العلامة الشيخ أحمد شاكر رحمه الله على سنن التِّرْمِذِيّ (1/ 98 - 99).

وهذا والحديث لم أجده عند أحمد من طريق الوليد بن كثير عن محمد بن جعفر به.

‌‌(1) حديث جيد: أخرجه أحمد (4753)، وابن ماجه (518)، والدَّارَقطْنِيّ (1/ 22) (46)، وابن الجارود (46) والحاكم (1/ 134)، والبيهقي (1/ 262) من حديث حماد بن سلمة عن =
অন্য শব্দে: "কোনোকিছুই তাকে অপবিত্র করে না" (১)

--------------------------------------------

= ক- দারেমি (১/ ১৮৭), নাসায়ি (১/ ১৭৫) এবং তহাবি তার "শারহু মাআনিল আসার" (১/ ১৫)-এ আবু উসামা থেকে, তিনি ওয়ালিদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের বর্ণনায় আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহর স্থলে উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ এসেছে। আর এটি একটি সহিহ সনদ, যা তাদের শর্তানুযায়ী।

খ- ইবনে জারুদ (৪৪), ইবনে হিব্বান (১২৩৫), দারা কুতনি (১/ ১৫ এবং ১৬-১৭), হাকেম (১/ ১৩৩) এবং বায়হাকি (১/ ২৬০) এটি বর্ণনা করেছেন আবু উসামার সূত্রে ওয়ালিদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে। এখানে তাদের বর্ণনায় মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে জুবায়েরের স্থলে মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফর এসেছে।

গ- হাকেম (১/ ১৩৩), দারা কুতনি (১/ ১৮) এবং বায়হাকি (১/ ২৬১) এটি বর্ণনা করেছেন আবু উসামার সূত্রে ওয়ালিদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে জুবায়ের এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে। এখানে তাদের বর্ণনায় মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ মুহাম্মদ ইবনে জাফরের সাথে একত্রে উল্লিখিত হয়েছে।

দারা কুতনি তার "সুনান" (১/ ১৭) গ্রন্থে বলেন: "এটি বিশুদ্ধ যে, ওয়ালিদ ইবনে কাসির এটি মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে জুবায়ের এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফর উভয়ের সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আবু উসামা কখনও এটি ওয়ালিদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে জুবায়েরের সূত্রে বর্ণনা করতেন, আবার কখনও এটি ওয়ালিদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফরের সূত্রে বর্ণনা করতেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।"

হাফেজ (ইবনে হাজার) "আত-তালখিস" (১/ ১৭) গ্রন্থে বলেন: "একদল বর্ণনাকারী আবু উসামার সূত্রে ওয়ালিদ ইবনে কাসির থেকে এই উভয় পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন।"

হাদিসটির আরও কিছু সূত্র রয়েছে যা সামনে আসবে।

ওয়ালিদ ইবনে কাসিরের অনুসরণ করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, যা বর্ণনা করেছেন:

আহমাদ (৪৮০৩), আবু দাউদ (৬৪), তিরমিজি (৪৫), ইবনে মাজাহ (৫১৭) এবং দারা কুতনি (১/ ১৯ এবং ২১) তার সূত্রে, মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে ইসহাক দারা কুতনির বর্ণনায় স্পষ্টভাবে শ্রবণের (তথা সরাসরি শুনে বর্ণনা করার) কথা উল্লেখ করেছেন, ফলে 'তাদলিস' করার সংশয় দূর হয়ে গেছে।

দেখুন: সুনানে তিরমিজির (১/ ৯৮-৯৯) ওপর আল্লামা শাইখ আহমাদ শাকির (রহিমাহুল্লাহ)-এর টীকা।

আর এই হাদিসটি আমি ইমাম আহমাদের নিকট ওয়ালিদ ইবনে কাসির-এর সূত্রে মুহাম্মদ ইবনে জাফরের মাধ্যমে পাইনি।

‌‌(১) হাদিসটি হাসান (জায়্যিদ): এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ (৪৭৫৩), ইবনে মাজাহ (৫১৮), দারা কুতনি (১/ ২২) (৪৬), ইবনে জারুদ (৪৬), হাকেম (১/ ১৩৪) এবং বায়হাকি (১/ ২৬২), হাম্মাদ ইবনে সালামাহ-এর হাদিস থেকে =
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২৪)
وفي لفظ: "إِذَا كان قَدرَ قُلَّتينِ، أَوْ ثلاثَ؛ لم يُنَجِّسْه شيءٌ" (1).

رواه الخمسة، وصححه ابن خُزيمة (2)، وَابْن حِبَّان (3)، والدَّارَقُطْنِيّ (4)، والبَيْهَقِيّ (5)، والخطابي (6)، والطحاوي والحاكم، وغيرهم.

وَقَالَ ابن معين: "هُو حَدِيث جيد" (7).

قَالَ الخَطَّابِي: "ويكفي شاهدًا على صحته أن نجوم أهل الحديث صححوه" (8).

وقد تكلم فيه جماعة:

قَالَ ابن عبد البر: "هو مضطرب" (9).

وَقَالَ أبو بكر بن العربي: "مداره على مطعون فيه، أو مضطرب، أو موقوف" (10).

--------------------------------------------

= عاصم عن بن عبد اللَّه بن عمر عن أبيه مرفوعًا: إذا كان الماء قدر قلتين أو ثلاث لم ينجسه شيء، واختلف على حماد بن سلمة فيه، فأخرجه أبو داود (65)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 23)، والبيهقي (1/ 262) من طريق موسى بن إسماعيل وابن الجارود (46) من طريق عفان بن مسلم والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 23) من طريق يعقوب بن إسحاق وبشر بن السري والعلاء بن عبد الجبار المكي وعبد اللَّه بن محمد العيشي، ستتهم عن حماد بن سلمة به دون قوله "أو ثلاث ".

والحديث جيد الإسناد دون قوله: "أو ثلاث".

‌‌(1) تقدم قبله.

‌‌(2) "الصحيح" لابن خزيمة (1/ 49).

‌‌(3) "الصحيح" لابن حبان (1249)، و (1253).

‌‌(4) "سنن الدَّارَقُطْنِيّ" (1/ 17).

‌‌(5) "السنن الكبرى" للبيهقي (1/ 260).

‌‌(6) "معالم السنن" للخطابي (1/ 32).

‌‌(7) "التلخيص الحبير" (1/ 20)، و "مختصر سنن أبي داود" للمنذري (1/ 58).

‌‌(8) "معالم السنن" للخطابي (1/ 58).

‌‌(9) قال ابن عبد اللَّه في "التمهيد - هداية المستفيد" (1/ 309): "ومثل هذا الاضطراب في الإسناد يوجب التوقف عن القول بهذا الحديث".

‌‌(10) "عارضة الأحوذي" (1/ 74).
অন্য এক শব্দে এসেছে: "যদি (পানি) দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, অথবা তিন; তবে কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করে না" (১)।

পাঁচজন ইমাম এটি বর্ণনা করেছেন এবং একে সহিহ বলেছেন ইবনু খুযাইমাহ (২), ইবনু হিব্বান (৩), আদ-দারাকুতনি (৪), আল-বাইহাকি (৫), আল-খাত্তাবি (৬), আত-তহাবি, আল-হাকিম এবং আরও অনেকে।

ইবনু মাঈন বলেছেন: "এটি একটি উত্তম হাদিস" (৭)।

আল-খাত্তাবি বলেছেন: "এর বিশুদ্ধতার সাক্ষ্য হিসেবে এতটুকুই যথেষ্ট যে, হাদিস শাস্ত্রের নক্ষত্ররা একে সহিহ বলেছেন" (৮)।

তবে একদল এতে আপত্তি তুলেছেন:

ইবনু আবদিল বার বলেছেন: "এটি মুদতারিব (অসংগতিপূর্ণ)" (৯)।

আবু বকর ইবনুল আরাবি বলেছেন: "এর ভিত্তি হচ্ছে এমন ব্যক্তির ওপর যিনি বিতর্কিত, অথবা এটি মুদতারিব, অথবা এটি মাওকুফ" (১০)।

--------------------------------------------

= আসেম বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনু উমরের পুত্র থেকে, তিনি তার পিতা থেকে মারফু হিসেবে: যখন পানি দুই কুল্লা অথবা তিন কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করে না। এ বিষয়ে হাম্মাদ ইবনু সালামাহর বর্ণনায় মতপার্থক্য হয়েছে; ফলে আবু দাউদ (৬৫), আদ-দারাকুতনি (১/২৩) ও আল-বাইহাকি (১/২৬২) একে বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনু ইসমাইলের সূত্র থেকে; ইবনুল জারুদ (৪৬) বর্ণনা করেছেন আফফান ইবনু মুসলিমের সূত্র থেকে; আদ-দারাকুতনি (১/২৩) বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনু ইসহাক, বিশর ইবনুস সারি, আল-আলা ইবনু আবদিল জাব্বার আল-মাক্কি ও আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ আল-আইশি-এর সূত্র থেকে। এই ছয়জনই একে হাম্মাদ ইবনু সালামাহ থেকে "অথবা তিন" কথাটি ছাড়াই বর্ণনা করেছেন।

হাদিসটির সনদ "অথবা তিন" শব্দটুকু ব্যতীত উত্তম।

‌‌(১) এর আগে অতিক্রান্ত হয়েছে।

‌‌(২) ইবনু খুযাইমাহর "আস-সহিহ" (১/৪৯)।

‌‌(৩) ইবনু হিব্বানের "আস-সহিহ" (১২৪৯) এবং (১২৫৩)।

‌‌(৪) "সুনানুদ দারাকুতনি" (১/১৭)।

‌‌(৫) আল-বাইহাকির "আস-সুনানুল কুবরা" (১/২৬০)।

‌‌(৬) আল-খাত্তাবির "মাআলিমুস সুনান" (১/৩২)।

‌‌(৭) "আত-তালখিসুল হাবির" (১/২০) এবং মুনযিরির "মুখতাসারু সুনানি আবি দাউদ" (১/৫৮)।

‌‌(৮) আল-খাত্তাবির "মাআলিমুস সুনান" (১/৫৮)।

‌‌(৯) ইবনু আবদিল বার "আত-তামহিদ - হিদায়াতুল মুস্তাফিদ" (১/৩০৯) গ্রন্থে বলেছেন: "সনদে এই ধরনের অসংগতি (ইদতিরাব) এই হাদিস সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বিরত থাকা আবশ্যক করে।"

‌‌(১০) "আরিদাতুল আহওয়াযি" (১/৭৪)।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২৫)
وَقَالَ علي بن المديني: "لَا يَثْبُت".

وَقَالَ أَبو داود: "لَا يكاد يصح في تقدير الماء حديثٌ".

وقد وقفه جماعة على ابن عمر منهم: ابن عليَّة (1)، ومجاهد (2)، وقال شيخنا أبو العباس ابن تيمية في كلام له: "والَّذي أَظُنُ بل أقطع قطعًا أنَّه ليس من كلام النبي صلى الله عليه وسلم" (3).

قَالَ سيد الحفاظ أبو حفص عمر بن بدر بن سعيد الموصلي (4): "لم يصح في هذا الباب شيء عَنْ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم، وفي "الصَّحِيح" ضدُّ ذلك" (5).

 

‌‌[8] وعَنْ ابن عباس رضي الله عنهما، أَنَّ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم كانَ يَغْتَسِل بِفضلِ مَيْمُونَة (6). رواه مسلم.

 

‌‌[9] وَعَنْهُ، قَالَ: اغْتَسَلَ بَعْضُ أَزْوَاجِ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم في جَفْنَةٍ، فَجَاءَ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم ليَتَوَضَّأَ مِنْهَا أَوْ يَغْتَسِلَ، فَقَالتْ لَهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي كُنْتُ جُنُبًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: "الْمَاءُ لا

--------------------------------------------

(1) رواية ابن علية أشار إليها الدَّارَقُطْنِيّ (1/ 22)، وقال: وكذلك رواه إسماعيل بن علية عن عاصم بن المنذر عن رجل لم يسمه عن ابن عمر موقوفًا أيضًا.

‌‌(2) أخرجه الدَّارَقُطْنِيّ (1/ 24)، والبيهقي (1/ 262) من طريق معاوية بن عمرو حدثنا زائدة عن ليث عن مجاهد عن ابن عمر مثله موقوفًا.

وقال الدَّارَقُطْنِيّ: وهو الصواب، يعني الموقوف.

وفي سنده ليث وهو ابن أبي سُليم قال أحمد: ضعيف الحديث جدًا كثير الخطأ، كما في "المجروحين" (2/ 232).

‌‌(3) انظر: "مجموع الفتاوى" (21/ 35).

‌‌(4) عمر بن بدر بن سعيد، الإمام المحدث الفقيه الأصولي، حدث بحلب ودمشق له تواليف مفيدة في الحديث، توفي في شوال سنة (622).

انظر: "سير أعلام النبلاء" (22/ 287) "شذرات الذهب" (5/ 101) وانظر: (ص 345).

‌‌(5) "المغني عن الحفظ والكتاب" (17).

‌‌(6) أخرجه مسلم (323)، (48).
এবং আলী ইবনুল মাদীনী বলেছেন: "এটি সাব্যস্ত নয়।"

এবং আবু দাউদ বলেছেন: "পানির পরিমাপ নির্ধারণের বিষয়ে কোনো হাদিসই বিশুদ্ধ হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে না।"

একদল আলেম একে ইবনে উমরের নিজস্ব বক্তব্য (মাওকূফ) হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে উলাইয়্যাহ (১) এবং মুজাহিদ (২)। আমাদের শায়খ আবুল আব্বাস ইবনে তাইমিয়্যাহ তার এক বক্তব্যে বলেছেন: "যা আমি ধারণা করি বরং আমি দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত যে, এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী নয়" (৩)।

হাফেজদের সর্দার আবু হাফস উমর বিন বদর বিন সাঈদ আল-মাওসিলী (৪) বলেছেন: "এই অধ্যায়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো কিছুই বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত নয়, বরং 'সহীহ' গ্রন্থে এর বিপরীতটি বিদ্যমান" (৫)।

 

‌‌[৮] ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মায়মূনাহ রাদিয়াল্লাহু আনহার ব্যবহৃত অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করতেন (৬)। এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌[৯] তার থেকেই বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জনৈক সহধর্মিণী একটি বড় গামলায় গোসল করলেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা থেকে উযু বা গোসল করতে আসলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি অপবিত্র (জানাবাত অবস্থায়) ছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "নিশ্চয়ই পানি...

--------------------------------------------

(১) ইবনে উলাইয়্যাহর বর্ণনার দিকে দারাকুতনী (১/২২) ইঙ্গিত করেছেন এবং বলেছেন: অনুরূপভাবে ইসমাইল বিন উলাইয়্যাহ, আসিম বিন মুনজির থেকে, তিনি জনৈক অজ্ঞাত ব্যক্তি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে মাওকূফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

‌‌(২) এটি দারাকুতনী (১/২৪) এবং বায়হাকী (১/২৬২) মুয়াবিয়া বিন আমর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জাইদাহ বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে অনুরূপ মাওকূফ হিসেবে।

দারাকুতনী বলেছেন: আর এটিই সঠিক, অর্থাৎ মাওকূফ হওয়া।

এর সনদে লাইস রয়েছেন, তিনি হলেন ইবনে আবি সুলাইম। আহমাদ বলেছেন: তার হাদিস অত্যন্ত দুর্বল এবং তিনি প্রচুর ভুল করতেন, যেমনটি 'আল-মাজরূহীন' (২/২৩২) গ্রন্থে রয়েছে।

‌‌(৩) দেখুন: "মাজমূউল ফাতাওয়া" (২১/৩৫)।

‌‌(৪) উমর বিন বদর বিন সাঈদ; তিনি একজন ইমাম, মুহাদ্দিস, ফকীহ এবং উসূলবিদ। তিনি আলেপ্পো ও দামেস্কে হাদিস বর্ণনা করেছেন। হাদিস শাস্ত্রে তার বেশ কিছু উপকারী গ্রন্থ রয়েছে। তিনি ৬২২ হিজরীর শাওয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (২২/২৮৭), "শাযারাতুজ যাহাব" (৫/১০১) এবং দেখুন: (পৃ. ৩৪৫)।

‌‌(৫) "আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব" (১৭)।

‌‌(৬) এটি মুসলিম (৩২৩), (৪৮) বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২৬)
يُجْنِبُ" (1). رواه الخمسة، وصححه التِّرْمِذِيّ، وَابْن خُزَيمة، وَابْن حِبَّان، والحاكم.

وَقَالَ أحمد: "أتقيه لحال سِماك، ليس أحدٌ يرويه غيره، وفيه اختلاف شديد" (2)، وقد ضعفه شعبة، وَابْن الْمُبَارَك، والثَّوْرِي، وَابْن المديني، ووثقه آخرون (3).

 

‌‌[10] وَعَنْ الحَكَم بن عمرو الغِفَاري رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهى أَن يَتَوضَّأَ الرَّجُلُ بِفضْلِ وَضوءِ المرأةِ (4). رواه الخمسة، وحسّنه التِّرْمِذِيّ.

--------------------------------------------

(1) حديث صحيح لغيره: أخرجه أحمد (2100)، و (2101) و (2102)، و (2566)، و (2805) و (2806)، و (2807) و (3120)، وأبو داود (68)، والتِّرْمِذِيّ (65)، وابن ماجه (370)، والنسائي (1/ 173)، وابن خزيمة (91)، و (109)، وابن حبان (1242)، والحاكم (1/ 159)، والدارمي (1/ 178)، والبيهقي (1/ 189 و 269)، وأبو يعلى (2411)، والطبراني (11715) و (11716)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 53) من طرق عن سماك بن حرب عن عكرمة عن ابن عباس به. وقال التِّرْمِذِيّ: "حسن صحيح، وسماك بن حرب صدوق إلا في روايته عن عكرمة خاصة فهي مضطربة، وهذا منها كما ترى، ولكنه قد توبع عليه، فأخرجه الحاكم (1/ 159)، وابن خزيمة (91) من طريق شعبة عن سماك به، وقال الحافظ في "الفتح" (1/ 360): "وقد أعله قوم بسماك بن حرب راويه عن عكرمة؛ لأنه كان يقبل التلقين، ولكن قد رواه عنه شعبة وهو لا يحمل عن مشايخه إلا صحيح حديثهم. . ".

وله شاهد من حديث أبي سعيد الخدري، تقدم قبله برقم (4).

‌‌(2) "تنقيح التحقيق" (1/ 36).

‌‌(3) سماك بن حرب، احتج به مسلم، وهو صدوق وروايته عن عكرمة خاصة مضطربة.

‌‌(4) حديث رجاله ثقات، وقد أعل بالوقف: أخرجه أحمد (17863) و (17865) و (20657)، وأبو داود (82)، والتِّرْمِذِيّ (64)، وابن ماجه (373)، وابن حبان (1260)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 53)، والبيهقي (1/ 191 و 192)، والطبراني (3155) و (3156) من حديث عاصم عن أبي حاجب عن الحكم بن عمرو فذكره.

وقال التِّرْمِذِيّ؛ "حديث حسن".

وأبو حاجب اسمه سوادة بن عاصم، صدوق، كما في "التقريب" وقال التِّرْمِذِيّ في "العلل" (1/ 134): سألت محمدًا -يعني البُخَارِيّ- عن هذا الحديث؟ فقال: ليس بصحيح.

وأعله الدَّارَقُطْنِيّ بالوقف. =
"নাপাক করে না" (১)। এটি পাঁচজন (ইমাম) বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিযী, ইবনু খুযাইমাহ, ইবনু হিব্বান ও হাকেম একে সহীহ বলেছেন।

ইমাম আহমাদ বলেছেন: "সিমাকের অবস্থার কারণে আমি এটি পরিহার করি, সে ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেনি এবং এতে তীব্র মতপার্থক্য রয়েছে" (২)। শু'বাহ, ইবনুল মুবারক, সাওরী এবং ইবনুল মাদীনী একে যয়ীফ বলেছেন, তবে অন্যরা একে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (৩)।

 

‌‌[১০] হাকাম বিন আমর আল-গিফারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুরুষের জন্য মহিলার ওযুর অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযু করতে নিষেধ করেছেন (৪)। এটি পাঁচজন (ইমাম) বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিযী একে হাসান বলেছেন।

--------------------------------------------

(১) এটি অন্য সূত্রের কারণে সহীহ (সহীহ লি-গাইরিহী): আহমাদ (২১০০), (২১০১), (২১০২), (২৫৬৬), (২৮০৫), (২৮০৬), (২৮০৭) ও (৩১২০), আবু দাউদ (৬৮), তিরমিযী (৬৫), ইবনু মাজাহ (৩৭০), নাসাঈ (১/১৭৩), ইবনু খুযাইমাহ (৯১) ও (১০৯), ইবনু হিব্বান (১২৪২), হাকেম (১/১৫৯), দারেমী (১/১৭৮), বায়হাকী (১/১৮৯ ও ২৬৯), আবু ইয়ালা (২৪১১), তাবারানী (১১৭১৫) ও (১১৭১৬) এবং দারা কুতনী (১/৫৩) বিভিন্ন সূত্রে সিমাক বিন হারব থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেছেন: "হাসান সহীহ। সিমাক বিন হারব সত্যবাদী, তবে বিশেষ করে ইকরিমাহ থেকে তার বর্ণনাটি বিশৃঙ্খল (মুতদারিব); আর এটিও তেমনি যেমনটি আপনি দেখছেন। কিন্তু এর সমর্থিত বর্ণনা (মুতাবায়াত) রয়েছে; হাকেম (১/১৫৯) এবং ইবনু খুযাইমাহ (৯১) শু'বাহর সূত্রে সিমাক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। হাফিয (ইবনু হাজার) 'ফাতহুল বারী'তে (১/৩৬০) বলেছেন: "একদল আলিম একে সিমাক বিন হারবের কারণে ত্রুটিযুক্ত বলেছেন, যিনি ইকরিমাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন; কারণ তিনি তালকীন গ্রহণ করতেন। কিন্তু শু'বাহ তার থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি (শু'বাহ) তার উস্তাদদের থেকে কেবল সহীহ হাদীসই গ্রহণ করেন...।"

আর এর একটি শাহিদ (সমর্থনকারী হাদীস) আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে রয়েছে, যা ইতিপূর্বে ৪ নং ক্রমিকে বর্ণিত হয়েছে।

‌‌(২) "তানকীহুত তাহকীক" (১/৩৬)।

‌‌(৩) সিমাক বিন হারব, ইমাম মুসলিম তার মাধ্যমে দলীল পেশ করেছেন; তিনি সত্যবাদী তবে বিশেষ করে ইকরিমাহ থেকে তার বর্ণনাটি বিশৃঙ্খল (মুতদারিব)।

‌‌(৪) হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে একে মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য) হওয়ার কারণে ত্রুটিযুক্ত বলা হয়েছে: আহমাদ (১৭৮৬৩), (১৭৮৬৫) ও (২০৬৫৭), আবু দাউদ (৮২), তিরমিযী (৬৪), ইবনু মাজাহ (৩৭৩), ইবনু হিব্বান (১২৬০), দারা কুতনী (১/৫৩), বায়হাকী (১/১৯১ ও ১৯২) এবং তাবারানী (৩১৫৫) ও (৩১৫৬) আসিমের সূত্রে আবু হাজিব থেকে, তিনি হাকাম বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিযী বলেছেন: "হাদীসটি হাসান"।

আবু হাজিবের নাম সুওয়াদাহ বিন আসিম, তিনি সত্যবাদী, যেমনটি 'তাকরীব'-এ বলা হয়েছে। তিরমিযী 'আল-ইলাল'-এ (১/১৩৪) বলেছেন: আমি মুহাম্মাদকে (অর্থাৎ বুখারীকে) এই হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি বললেন: এটি সহীহ নয়।

দারা কুতনী একে মাওকুফ হওয়ার কারণে ত্রুটিযুক্ত বলেছেন। =
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২৭)
قَالَ البُخَارِيّ: "لَا أرى حديثًا عَنْ الحكم يصح" (1).

قَالَ ابنُ الجوزي: "قول البُخَارِيّ ظنٌّ، لَا دليل عليه" (2) وقد احتج به الإِمَام أَحْمَد والصواب وقْفه، ومن رفعه فقد أخطأ، قَالَه البُخَارِيّ وغيره من الأئمة.

وقَالَ الإِمَام أَحْمَد فِي رواية الأثرم: "يضطربون فيه عَنْ شعبة، بعضهم يقول: عَنْ فضل سُؤر المرأة، وبعضهم يقول: عَنْ فضل وضوئها. وليس هُوَ فِي كِتَاب غُنْدر" (3).

 

‌‌[11] وَعَنْ جابر رضي الله عنه، قَالَ: "جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يعُودُنِي وَأَنَا مَرِيضٌ لَا أَعْقِلُ فَتَوَضَّأَ، وَصَبَّ عَلَيَّ وَضُوءَهُ" (4).

 

‌‌[12] وَعَنْ طَلْحَةَ بن مُصِّرفِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ قَالَ: "دَخَلْتُ عَلَى النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَتَوَضَأُ، وَالْمَاءُ يَسِيلُ مِنْ وَجْهِهِ وَلِحْيَتهِ عَلَى صَدْرِهِ" (5).

--------------------------------------------

= وفي الباب عن عبد اللَّه بن سرجس مرفوعًا عند ابن ماجه (374)، والبيهقي (1/ 192)، وموقوفًا عند الدَّارَقُطْنِيّ (1/ 117)، ورجحه ورواه أيضًا البيهقي (1/ 192 - 193) عن طريق شعبة عن عاصم الأحول عنه موقوفًا.

‌‌(1) قال التِّرْمِذِيّ في "العلل الكبير" (1/ 134): "سألتُ محمدًا عن هذا الحديث فقال: "ليس بصحيح".

‌‌(2) "التحقيق" (1/ 35).

‌‌(3) "تنقيح التحقيق" (1/ 33).

‌‌(4) أخرجه البُخَارِيّ (194) و (4577) و (5651) و (5676) و (6723) و (7309)، ومسلم (1616).

‌‌(5) حديث ضعيف: أخرجه أبو داود (139) من طريق ليث عن طلحة به.

وقال المباركفوي في "عون المعبود" (1/ 165): ضعيف لا تقوم به حجة.

وفيه: ليث بن أبي سليم وهو ضعيف، قال ابن حبان: كان يصلب الأسانيد ويرفع المراسيل، ويأتي عن الثقات بما ليس من حديثهم. وقال النووي: اتفق العلماء على ضعفه.
বুখারি বলেন: "আমি হাকাম থেকে (বর্ণিত) কোনো হাদিসকে সহিহ বলে মনে করি না" (১)।

ইবনুল জাওজি বলেন: "বুখারির কথাটি কেবলই একটি ধারণা, এর পক্ষে কোনো দলিল নেই" (২)। ইমাম আহমাদ এটি দ্বারা দলিল পেশ করেছেন, তবে সঠিক হলো এটি 'মাওকুফ' হওয়া। আর যে ব্যক্তি একে 'মারফু' হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি ভুল করেছেন; বুখারি এবং অন্যান্য ইমামগণ এটিই বলেছেন।

ইমাম আহমাদ আসরামের বর্ণনায় বলেন: "শু'বাহ থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে তারা এতে ইজতিরাব (অসংগতি) করে; কেউ কেউ বলে: মহিলার পানের অবশিষ্ট অংশ সম্পর্কে, আবার কেউ বলে: তার ওজুর অবশিষ্ট পানি সম্পর্কে। আর এটি গুন্দারের কিতাবে নেই" (৩)।

 

‌‌[১১] জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে আসলেন যখন আমি অসুস্থ ছিলাম এবং বেহুঁশ অবস্থায় ছিলাম। অতঃপর তিনি ওজু করলেন এবং তাঁর ওজুর পানি আমার ওপর ঢেলে দিলেন" (৪)।

 

‌‌[১২] তালহা ইবনে মুসাররিফ থেকে, তাঁর পিতা ও তাঁর দাদার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশ করলাম যখন তিনি ওজু করছিলেন, আর পানি তাঁর মুখমণ্ডল ও দাড়ি বেয়ে তাঁর বুকের ওপর গড়িয়ে পড়ছিল" (৫)।

--------------------------------------------

= এ অধ্যায়ে আবদুল্লাহ ইবনে সারজিস থেকে 'মারফু' হিসেবে ইবনে মাজাহ (৩৭৪) ও বায়হাকিতে (১/১৯২) বর্ণিত আছে। আর দারাকুতনিতে (১/১১৭) এটি 'মাওকুফ' হিসেবে বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি একেই প্রাধান্য দিয়েছেন। এটি বায়হাকিও (১/১৯২-১৯৩) শু'বাহর সূত্রে আসিম আল-আহওয়াল থেকে তাঁর মাধ্যমে 'মাওকুফ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

‌‌(১) তিরমিজি 'আল-ইলাল আল-কাবির'-এ (১/১৩৪) বলেন: "আমি মুহাম্মদকে এই হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: এটি সহিহ নয়।"

‌‌(২) "আল-তাহকিক" (১/৩৫)।

‌‌(৩) "তানকিহুত তাহকিক" (১/৩৩)।

‌‌(৪) এটি বুখারি (১৯৪), (৪৫৭৭), (৫৬৫১), (৫৬৭৬), (৬৭২৩) ও (৭৩০৯) এবং মুসলিম (১৬১৬) বর্ণনা করেছেন।

‌‌(৫) হাদিসটি জয়িফ: আবু দাউদ (১৩৯) লাইসের সূত্রে তালহা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

মুবারকপুরী 'আউনুল মাবুদ'-এ (১/১৬৫) বলেন: জয়িফ, যা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

এতে রয়েছেন লাইস ইবনে আবি সুলাইম, যিনি জয়িফ। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি সনদ ওলটপালট করতেন, 'মুরসাল' হাদিসকে 'মারফু' হিসেবে বর্ণনা করতেন এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সূত্রে এমন সব হাদিস নিয়ে আসতেন যা তাঁদের হাদিস নয়। নববি বলেন: উলামায়ে কিরাম তাঁর দুর্বলতার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২৮)
رواه أبو داود، وقَالَ: "سَمِعْنَا أحمد بن حنبل يقول: زعموا أن ابن عيينة كان يُنكره، ويقول: "إيشٍ طلحة عَنْ أبيه عَنْ جده" (1).

 

‌‌[13] وعَنْ أُمِّ هَانِئ: أَنَّ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم اغْتَسَلَ هُوَ وَمَيْمُونَةُ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ فِي (2) قَصْعَةٍ فِيهَا أثَرُ الْعَجِينِ (3). رواه أحمد، والنَّسَائِيّ، وَابْن مَاجَه.

وإسناده كلهم ثقات من طريق أحمد.

وقَالَ ابن الجوزي: "لا يثبت" (4).

وفي كلامه نظر إن أراد من كل طريق، وَهُوَ ظاهره.

 

‌‌[14] ولابْن مَاجَه عَنْ أَبي أُمامةَ يرفعه: "الماءُ طَهورٌ إلّا ما غَيَّر لونَه، أَوْ طعمه، أو ريحَه" (5).

--------------------------------------------

(1) "السنن" لأبي داود (1/ 92).

‌‌(2) في الأصل: من. والمثبت من مصادر التخريج.

‌‌(3) حديث صحيح: أخرجه أحمد (26895)، والنسائي (1/ 131) وابن ماجه (378)، والبيهقي (1/ 7)، وابن حبان (1245) من حديث إبراهيم بن نافع قال حدثنا عبد اللَّه بن أبي نجيح عن مجاهد عن أم هانئ، فذكره، وإسناده ضعيف، رجاله ثقات.

فقد قال التِّرْمِذِيّ: قال محمد -يعني البُخَارِيّ-: لا أعرف لمجاهد سماعًا من أم هانئ.

وأخرجه أحمد (26887)، وابن خزيمة (237) من حديث ابن طاوس عن المطلب بن عبد اللَّه ابن حنطب عن أم هانئ، وليس فيه ذكر ميمونة، والمطلب كثير التدليس والإرسال ولم يلق أم هانئ.

وأخرجه أحمد (26888) من طريق ابن جريج أخبرني عطاء عن أم هانئ فذكره بنحوه، وعطاء هو ابن أبي رباح لم يسمع من أم هانئ، قاله علي بن المديني في "العلل" (ص 71). وأما ما جاء من التصريح بسماعه منها فهو خطأ، وهو ما أخرجه النسائي (1/ 202) من طريق عبد الملك بن أبي سليمان عن عطاء قال حدثتني أم هانئ فذكره بنحوه.

‌‌(4) "التحقيق"، لابن الجوزي (1/ 45).

‌‌(5) حديث صحيح بدون الاستثناء: أخرجه ابن ماجه (521)، والبيهقي (1/ 259)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 28 - 29)، والطبراني في "الكبير" (7503) من طريق رشدين بن سعد عن معاوية =
আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: "আমরা আহমদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি: তারা দাবি করে যে, ইবনে উইয়াইনাহ একে অস্বীকার করতেন এবং বলতেন: 'তালহা তার পিতা থেকে এবং তিনি তার দাদা থেকে—এর হাকিকত কী?'" (১)।

 

‌‌[১৩] আর উম্মে হানি থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং মাইমুনা একই পাত্র থেকে গোসল করেছেন, যা ছিল একটি বড় গামলা এবং তাতে আটার চিহ্ন লেগে ছিল (৩)। এটি আহমদ, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন (২)।

আর আহমদের সূত্রের বর্ণনাকারীদের সবাই নির্ভরযোগ্য।

এবং ইবনুল জাওযী বলেছেন: "এটি প্রমাণিত নয়" (৪)।

এবং তার এই বক্তব্যে আপত্তির অবকাশ আছে যদি তিনি প্রতিটি সূত্রের কথা বুঝিয়ে থাকেন, আর এটিই বাহ্যত তার বক্তব্য থেকে বোঝা যায়।

 

‌‌[১৪] এবং ইবনে মাজাহ-তে আবু উমামাহ থেকে মারফু সূত্রে বর্ণিত: "পানি পবিত্র, যতক্ষণ না এর রং, স্বাদ অথবা গন্ধ পরিবর্তন হয়ে যায়" (৫)।

--------------------------------------------

(১) আবু দাউদের "আস-সুনান" (১/ ৯২)।

‌‌(২) মূলে রয়েছে: "থেকে" (মিন)। আর পাঠ্যভুক্তটি তাখরিজের উৎসসমূহ থেকে নেওয়া হয়েছে।

‌‌(৩) সহিহ হাদিস: আহমদ (২৬৮৯৫), নাসাঈ (১/ ১৩১), ইবনে মাজাহ (৩৭৮), বায়হাকী (১/ ৭), এবং ইবনে হিব্বান (১২৪৫) ইবরাহিম ইবনে নাফি'র সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি নাজিহ বর্ণনা করেছেন মুজাহিদ থেকে, তিনি উম্মে হানি থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন। এর সনদ দুর্বল হলেও বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

কেননা তিরমিযী বলেছেন: মুহাম্মদ (অর্থাৎ বুখারি) বলেছেন: উম্মে হানি থেকে মুজাহিদের শ্রবণের ব্যাপারে আমার জানা নেই।

এটি আহমদ (২৬৮৮৭) এবং ইবনে খুজাইমা (২৩৭) ইবনে তাউসের সূত্র থেকে মুত্তালিব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হানতাবের মাধ্যমে উম্মে হানি থেকে বর্ণনা করেছেন। এতে মাইমুনার উল্লেখ নেই। আর মুত্তালিব অনেক বেশি তাদলীস ও ইরসাল করেন এবং তিনি উম্মে হানির সাক্ষাৎ পাননি।

আহমদ (২৬৮৮৮) এটি ইবনে জুরাইজের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আমাকে আতা সংবাদ দিয়েছেন উম্মে হানি থেকে, অতঃপর তিনি এর অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। আর আতা হলেন ইবনে আবি রাবাহ, যিনি উম্মে হানি থেকে শোনেননি—একথা আলি ইবনুল মাদিনী তার "আল-ইলাল" (পৃ. ৭১)-এ বলেছেন। আর তার থেকে শ্রবণের যে সুস্পষ্ট বর্ণনা এসেছে তা ভুল; যা নাসাঈ (১/ ২০২) আব্দুল মালিক ইবনে আবি সুলাইমানের সূত্রে আতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমাকে উম্মে হানি বর্ণনা করেছেন", অতঃপর তিনি এর অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।

‌‌(৪) ইবনুল জাওযীর "আত-তাহকীক" (১/ ৪৫)।

‌‌(৫) ব্যতিক্রমী অংশটুকু ছাড়া হাদিসটি সহিহ: এটি ইবনে মাজাহ (৫২১), বায়হাকী (১/ ২৫৯), দারা কুতনী (১/ ২৮-২৯) এবং তাবারানি তার "আল-কাবীর" (৭৫০৩) গ্রন্থে রুশদিন ইবনে সা'দ-এর সূত্রে মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন =
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ২৯)
وَقَالَ الشَّافعي: "هو ضعيف باتفاق أهل العلم بالحديث" (1).

وَقَالَ الإِمَام أَحْمَد: "لَا يثبت في ذلك حديث" (2).

وَفِيهِ: سُليمان بن عمرو (3)، ورشدِين بن سعد، وهما ضعيفان، ذكره الخلال. وَقَالَ يحيى بن معين: "ليس بشيء" (4).

وَقَالَ أحمد مرة: "لا يبالي عمّن أخذ" (5)، ومرة: "أرجو أنه صالح الحديث" (6).

 

‌‌باب تطهير مواد الأنجاس

‌‌[15] عَنْ أَبِي هُرَيْرَة رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: "إِذَا وَلَغَ الْكَلْبُ فِي إِنَاءِ

--------------------------------------------

= بن صالح عن راشد بن سعد عن أبي أمامة به، وإسناده ضعيف، رشدين بن سعد، قال الحافظ في "التلخيص": متروك. وقال في "التقريب": ضعيف.

وله طريق أخرى عن راشد بن سعد.

أخرجه البيهقي (1/ 259)، من حديث عطية بن بقية بن الوليد حدثنا أبي عن ثور بن يزيد عن راشد بن سعد عن أبي أمامة به، وبقية بن الوليد، صدوق كثير التدليس عن الضعفاء، لا يقبل من حديثه إلا ما صرح فيه بالسماع، وثور بن يزيد هو الكلاعي، وراشد بن سعد الحمصي كلاهما ثقة. وفي هذا الإسناد رد على من زعم أن رشدين بن سعد تفرد بوصله.

وأخرجه الطحاوي (1/ 16)، والدَّارَقُطْنِيّ (1/ 28) من طريق الأحوص بن حكيم، عن راشد ابن سعد به مرسلًا.

وصحح أبو حاتم والدَّارَقُطْنِيّ إرساله. لكنه يتقوى -بدون الاستثناء المذكور- بحديث أبي سعيد الخدري المتقدم برقم (4) في بئر بضاعة.

‌‌(1) "التلخيص الحبير" (1/ 17).

‌‌(2) "المغني" لابن قدامة (1/ 39).

‌‌(3) كذا الأصل، ولم أجد في إسناد هذا الحديث من يسمى بسليمان بن عمرو، فاللَّه أعلم.

‌‌(4) "تهذيب الكمال" (9/ 194).

‌‌(5) "تهذيب الكمال" (9/ 193).

‌‌(6) "تهذيب الكمال" (9/ 193).
ইমাম শাফেয়ী বলেন: "হাদীস বিশারদদের ঐকমত্যে এটি দুর্বল" (১)।

ইমাম আহমাদ বলেন: "এ বিষয়ে কোনো হাদীস সাব্যস্ত নেই" (২)।

এতে আছেন: সুলাইমান বিন আমর (৩) এবং রিশদিন বিন সাদ, তারা উভয়েই দুর্বল, আল-খাল্লাল এটি উল্লেখ করেছেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য কিছু নন" (৪)।

আহমাদ এক জায়গায় বলেছেন: "তিনি কার কাছ থেকে হাদীস গ্রহণ করছেন তা নিয়ে পরোয়া করেন না" (৫), এবং অন্য জায়গায় বলেছেন: "আমি আশা করি তিনি হাদীস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য" (৬)।

 

‌‌নাপাক বস্তুসমূহ পবিত্র করার পরিচ্ছেদ

‌‌[১৫] আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "যখন কুকুর কোনো পাত্রে মুখ দেয়

--------------------------------------------

= ইবনে সালিহ রাশেদ বিন সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং এর সনদ দুর্বল। রিশদিন বিন সাদ সম্পর্কে হাফেজ ইবনে হাজার 'আত-তালখীস' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি পরিত্যক্ত। আর 'আত-তাকরীব' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি দুর্বল।

রাশেদ বিন সাদ থেকে এর অন্য একটি সূত্রও রয়েছে।

বায়হাকী এটি বর্ণনা করেছেন (১/ ২৫৯), আতিয়্যাহ বিন বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ-এর সূত্রে: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সওর বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি রাশেদ বিন সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে। আর বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ সত্যবাদী কিন্তু দুর্বল বর্ণনাকারীদের থেকে অনেক বেশি তাদলীস করেন, তাঁর হাদীস গ্রহণ করা হবে না যদি না তিনি স্পষ্টভাবে শোনার কথা উল্লেখ করেন। সওর বিন ইয়াজিদ আল-কালা'য়ী এবং রাশেদ বিন সাদ আল-হিমসী উভয়েই নির্ভরযোগ্য। এই সনদে ওই ব্যক্তির প্রতিবাদ রয়েছে যিনি দাবি করেছেন যে রিশদিন বিন সাদ এটি নিরবচ্ছিন্নভাবে বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।

ইমাম তহাবী (১/ ১৬) এবং দারা কুতনী (১/ ২৮) এটি আল-আহওয়াস বিন হাকিমের সূত্রে রাশেদ বিন সাদ থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আবু হাতিম এবং দারা কুতনী এর মুরসাল হওয়াকে সঠিক বলেছেন। তবে উল্লিখিত ব্যতিক্রম ছাড়াই এটি পূর্ববর্তী ৪ নম্বর হাদীসে বর্ণিত আবু সাঈদ খুদরী-এর 'বি'রে বিদা'আহ' সংক্রান্ত হাদীস দ্বারা শক্তিশালী হয়।

‌‌(১) "আত-তালখীস আল-হাবীর" (১/ ১৭)।

‌‌(২) ইবনে কুদামা রচিত "আল-মুগনী" (১/ ৩৯)।

‌‌(৩) মূল কপিতে এভাবেই আছে, তবে এই হাদীসের সনদে সুলাইমান বিন আমর নামে কাউকে আমি পাইনি, আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

‌‌(৪) "তাহযীবুল কামাল" (৯/ ১৯৪)।

‌‌(৫) "তাহযীবুল কামাল" (৯/ ১৯৩)।

‌‌(৬) "তাহযীবুল কামাল" (৯/ ১৯৩)।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ৩০)
أَحَدِكُمْ فَلْيُرِقْهُ، ثُمَّ لِيَغْسِلْه سَبع مرَّاتٍ" رواه مسلم (1).

وَفِي لفظ: "طَهُورُ إِنَاءِ أَحَدِكُمْ إِذَا وَلَغَ فِيهِ الْكَلْبُ أَنْ يَغْسِلَهُ سَبْعَ مَرَّاتٍ أَولاهُنَّ بِالتُّرَابِ" (2).

 

‌‌[16] وَعَنْهُ، عَنْ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم أَنَّه قَالَ: "يُغْسَلُ الإِنَاءُ إِذَا وَلَغَ فِيهِ الْكَلْبُ سبع مَرَّاتٍ، أُوَلاهُنَّ بِالتُّرَابِ، وإِذَا وَلَغَتْ فِيهِ الْهِرَّةُ غُسِلَ مَرَّةً" (3).

قَالَ التِّرْمِذِيّ: "حديث حسن صحيح" (4).

 

‌‌[17] وَعَنْه، أَنَّ رَسول اللَّه صلى الله عليه وسلم قَالَ: "إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِي شَرَابِ أَحَدِكُمْ فَلْيَغْمِسَهُ كُلَّهُ ثُمَّ لِيَطْرَحْهُ فَإِنَّ فِي أَحَدِ جَنَاحَيْهِ شِفَاءً، وِفِي الآخَر دَاءً" (5). رواه البُخَارِيّ.

--------------------------------------------

(1) أخرجه مسلم (279) (89)، وعنده: "سبع مرار" وأصله متفق عليه.

‌‌(2) رواية مسلم (279) (91).

‌‌(3) حديث صحيح: أخرجه التِّرْمِذِيّ (91) قال حدثنا سوار بن عبد اللَّه العنبري حدثنا المعتمر بن سليمان قال سمعت أيوب يحدث عن محمد بن سيرين عن أبي هريرة، فذكره مرفوعًا.

وأخرجه أبو داود (72) قال مسدد حدثنا المعتمر -يعني ابن سليمان (ح)، وحدثنا محمد بن عبيد حدثنا حماد زيد جميعًا عن أيوب به بمعناه موقوفًا.

فاختلف على المعتمر بن سليمان فروي عنه مرفوعًا وموقوفًا.

واعتمد التِّرْمِذِيّ في تصحيحه مرفوعًا على عدالة الرجال عنده، ولم يلتفت لوقف من وقفه. وأخرجه الدَّارَقُطْنِيّ (1/ 64 و 67 و 68)، والحاكم (1608 و 161).

‌‌(4) "جامع التِّرْمِذِيّ" (1/ 152).

‌‌(5) أخرجه البُخَارِيّ (3320)، و (5782).

وفي الباب عن أبي سعيد الخدري، أخرجه أحمد (11189)، و (11643)، والنسائي (7/ 178 و 179)، وابن ماجه (3504)، والبيهقي (1/ 253)، وأبو يعلى (986)، وابن حبان (247) من حديث سعيد بن خالد عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عنه مرفوعًا: "إذا وقع الذباب في إناء أحدكم فامقلوه فإن في أحد جناحيه داء وفي الآخر دواء" وسنده حسن، سعيد بن خالد هو ابن عبد اللَّه بن قارظ، صدوق، كما في "التقريب".
তোমাদের কারো (পাত্রে কুকুর মুখ দিলে) সে যেন তা ঢেলে ফেলে দেয়, অতঃপর তা সাতবার ধৌত করে।" মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন (১)।

অন্য শব্দে এসেছে: "তোমাদের কারো পাত্রে যদি কুকুর মুখ দেয়, তবে তার পবিত্রতা অর্জনের উপায় হলো সে যেন তা সাতবার ধৌত করে, যার প্রথমবার হবে মাটি দিয়ে।" (২)।

 

‌‌[১৬] তাঁর (আবু হুরায়রা) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: "পাত্রে কুকুর মুখ দিলে তা সাতবার ধৌত করা হবে, যার প্রথমবার হবে মাটি দিয়ে। আর যদি বিড়াল মুখ দেয়, তবে তা একবার ধৌত করা হবে।" (৩)।

তিরমিযী বলেন: "হাদিসটি হাসান সহীহ।" (৪)।

 

‌‌[১৭] তাঁর থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কারো পানীয় দ্রব্যে মাছি পড়লে সে যেন তাকে পুরোপুরি ডুবিয়ে দেয়, অতঃপর ফেলে দেয়। কারণ তার এক ডানায় নিরাময় এবং অন্য ডানায় রোগ রয়েছে।" (৫)। বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) মুসলিম (২৭৯) (৮৯) এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট পাঠ রয়েছে: "সাত বার", আর এর মূল বিষয়বস্তু মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম উভয়েই বর্ণনা করেছেন)।

‌‌(২) মুসলিমের বর্ণনা (২৭৯) (৯১)।

‌‌(৩) হাদিসটি সহীহ: তিরমিযী (৯১) এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, সাওয়ার ইবনে আবদুল্লাহ আল-আম্বারি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুতামির ইবনে সুলাইমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি আইয়ুবকে মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করতে শুনেছি।

আবু দাউদও (৭২) এটি বর্ণনা করেছেন। মুসাদ্দাদ আমাদের কাছে মুতামির (অর্থাৎ ইবনে সুলাইমান) থেকে (সূত্রে), এবং মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে, তাঁরা সকলে আইয়ুব থেকে অনুরূপ অর্থে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ফলে মুতামির ইবনে সুলাইমানের ক্ষেত্রে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে; তাঁর থেকে এটি মারফু ও মাওকুফ উভয়ভাবেই বর্ণিত হয়েছে।

তিরমিযী হাদিসটিকে মারফু হিসেবে সহীহ বলার ক্ষেত্রে তাঁর কাছে বর্ণনাকারীদের ন্যায়পরায়ণতার ওপর নির্ভর করেছেন এবং একে যারা মাওকুফ বলেছেন তাঁদের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেননি। দারা কুতনী (১/ ৬৪ ও ৬৭ ও ৬৮) এবং হাকেম (১৬০৮ ও ১৬১) এটি বর্ণনা করেছেন।

‌‌(৪) "জামে তিরমিযী" (১/ ১৫২)।

‌‌(৫) বুখারী (৩৩২০) ও (৫৭৮২) এটি বর্ণনা করেছেন।

এই বিষয়ে আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকেও বর্ণিত হয়েছে, যা আহমাদ (১১১৮৯) ও (১১৬৪৩), নাসায়ী (৭/ ১৭৮ ও ১৭৯), ইবনে মাজাহ (৩৫০৪), বায়হাকী (১/ ২৫৩), আবু ইয়ালা (৯৮৬) এবং ইবনে হিব্বান (২৪৭) সাঈদ ইবনে খালিদ থেকে, তিনি আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: "যখন তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পড়ে, তখন তাকে ডুবিয়ে দাও। কারণ তার এক ডানায় রোগ এবং অন্যটিতে ওষুধ রয়েছে।" এর সনদ হাসান। সাঈদ ইবনে খালিদ হলেন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কারিজ, তিনি নির্ভরযোগ্য (সাদুক), যেমনটি "আত-তাকরীব" গ্রন্থে রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুকাররার আলা আবওয়াবিল মুহাররার (পৃষ্ঠা: ৩১)
وَفِي لفظ (1): "إِذَا وَطِئَ أَحَدُكم بنعليه الأذى فليُدلِكْه، فإنَّ التراب له طَهورٌ" (2).

وَفِي لفظ: "بِخُفّيْهِ فَطَهورهما الترابُ" (3). رواه أبو داود.

وروي عَنْ عائشة رضي الله عنها مرفوعًا بِمعْناه (4).

 

‌‌[18] وَعَنْ عَبْدِ اللَّه بن المغفَّل رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم "إِذَا وَلَغَ الْكَلْبُ فِي الإِنَاء فَاغْسِلُوهُ سَبْعَ مَرَّاتٍ، وَعَفِّرُوهُ الثَّامِنهَ بِالتُّرَابِ" (5) رواه مسلم.

 

‌‌[19] وَعَنْ أَبِي قَتَادَة رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي الهِرَّة: "إِنَّهَا لَيْسَتْ بِنَجَسٍ، إِنَّمَا هِيَ مِنْ الطَّوَّافِينَ عَلَيْكُمْ، أَوْ الطَّوَّافَاتِ" (6).

--------------------------------------------

(1) قوله: وفي لفظ. . يعني: وفي حديث آخر لأبي هريرة، تبين لي ذلك بالاستقراء.

‌‌(2) حديث حسن: أخرجه أبو داود (385)، والبيهقي (2/ 430) من طريق الأوزاعي قال أنبئت أن سعيد بن أبي سعيد المقبري حدث عن أبيه عن أبي هريرة فذكره مرفوعًا. وليس عندهما قوله "فليدكه"، وفي سنده انقطاع.

ورواه أبو داود موصولًا (386)، وابن خزيمة (1/ 148)، والطحاوي (1/ 51)، والحاكم (1/ 166)، والبيهقي (2/ 430) من حديث محمد بن كثير عن الأوزاعي عن ابن عجلان عن سعيد به مرفوعًا. ومداره على محمد بن كثير هو ابن أبي عطاء، صدوق كثير الغلط، كما في "التقريب".

‌‌(3) رواية أبي داود (386) من حديث محمد بن كثير المتقدم.

‌‌(4) حديث حسن: أخرجه أبو داود (387)، ومن طريقه البيهقي (2/ 430) من حديث يحيى -يعني ابن حمزة- عن الأوزاعي عن محمد بن الوليد أخبرني أيضًا سعيد بن أبي سعيد عن القعقاع ابن حكيم عن عائشة مرفوعًا، ولم يسق لفظه وقال: بمعناه.

وقيل إن القعقاع بن حكيم لم يسمع من عائشة. لكن الحديث بطرقه حسن.

‌‌(5) أخرجه مسلم (280) (93)، وعنده: وعفروه الثامنة في التراب. وتقدم نحوه، برقم (15).

‌‌(6) حديث صحيح: أخرجه مالك في "الموطأ" (54) عن إسحاق بن عبد اللَّه بن أبي طلحة عن حُميدة بنت عبيد بن رفاعة، عن كبشة بنت كعب بن مالك، أنا أبا قتادة، فذكره، ومن طريقه الشافعي (39)، وعبد الرزاق (353)، وابن أبي شيبة (1/ 31)، وأحمد (22580)، وأبو داود =
এবং অন্য এক বর্ণনায় (১): "তোমাদের কেউ যখন তার জুতো দিয়ে অপবিত্র বস্তু মাড়ায়, তখন সে যেন তা ঘষে নেয়, কেননা মাটি তার জন্য পবিত্রকারী" (২)।

এবং অন্য এক বর্ণনায়: "তার মোজা দ্বয় দ্বারা, তবে সে দুটির পবিত্রকারী হলো মাটি" (৩)। আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে মারফু হিসেবে এর সমার্থবোধক বর্ণিত হয়েছে (৪)।

 

‌‌[১৮] এবং আবদুল্লাহ ইবনুল মুগাফফাল রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যখন কুকুর কোনো পাত্রে মুখ দেয়, তখন তোমরা তা সাতবার ধৌত করো এবং অষ্টম বার মাটি দিয়ে মেজে নাও" (৫)। মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন।

 

‌‌[১৯] এবং আবু কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিড়াল সম্পর্কে বলেছেন: "নিশ্চয়ই এটি অপবিত্র নয়, এটি তোমাদের আশেপাশে বিচরণকারী বা বিচরণকারিণীদের অন্তর্ভুক্ত" (৬)।

--------------------------------------------

(১) তার কথা: "এবং অন্য এক বর্ণনায়"... অর্থাৎ: আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত অন্য একটি হাদীসে; অনুসন্ধান ও পর্যালোচনার মাধ্যমে বিষয়টি আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে।

‌‌(২) হাদীসটি হাসান: আবু দাউদ (৩৮৫) এবং বায়হাকী (২/৪৩০) এটি আওযায়ী-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে জানানো হয়েছে যে, সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ আল-মাকবুরী তার পিতা হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তা মারফু হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে তাদের উভয়ের বর্ণনায় "সে যেন তা ঘষে নেয়" কথাটি নেই, এবং এর সনদে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।

আবু দাউদ এটি মাওসুল (সংযুক্ত) হিসেবে বর্ণনা করেছেন (৩৮৬), ইবনে খুজাইমা (১/১৪৮), তাহাবী (১/৫১), হাকেম (১/১৬৬) এবং বায়হাকী (২/৪৩০) মুহাম্মদ ইবনে কাসীরের হাদীস হতে, তিনি আওযায়ী হতে, তিনি ইবনে আজলান হতে, তিনি সাঈদ হতে বর্ণিত মারফু সূত্রে। এর কেন্দ্রবিন্দু মুহাম্মদ ইবনে কাসীর, যিনি ইবনে আবু আতা, তিনি সত্যবাদী তবে প্রচুর ভুল করেন, যেমনটি "তাকরীব" গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।

‌‌(৩) আবু দাউদের বর্ণনা (৩৮৬) পূর্বোক্ত মুহাম্মদ ইবনে কাসীরের হাদীস হতে।

‌‌(৪) হাদীসটি হাসান: আবু দাউদ (৩৮৭) এবং তার সূত্রে বায়হাকী (২/৪৩০) ইয়াহইয়া —অর্থাৎ ইবনে হামযা— এর হাদীস হতে, তিনি আওযায়ী হতে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ওয়ালিদ হতে, তিনি বলেন আমাকে সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ খবর দিয়েছেন কাকা ইবনে হাকিম হতে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এর শব্দ উল্লেখ করেননি বরং বলেছেন: এর সমার্থবোধক।

বলা হয়েছে যে, কাকা ইবনে হাকিম আয়েশা থেকে শোনেননি। তবে বিভিন্ন সূত্রের কারণে হাদীসটি হাসান।

‌‌(৫) মুসলিম (২৮০) (৯৩) এটি বর্ণনা করেছেন এবং তার নিকট শব্দ হলো: "এবং অষ্টম বার মাটি দিয়ে মেজে নাও"। এর অনুরূপ বর্ণনা ১৫ নং ক্রমিকে অতিবাহিত হয়েছে।

‌‌(৬) হাদীসটি সহীহ: মালিক "মুয়াত্তা" গ্রন্থে (৫৪) ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবু তালহা হতে, তিনি হুমাইদা বিনতে উবায়েদ ইবনে রিফাআ হতে, তিনি কাবশাহ বিনতে কাব ইবনে মালিক হতে বর্ণনা করেছেন যে আবু কাতাদা... অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন। তার সূত্রে শাফেয়ী (৩৯), আবদুর রাজ্জাক (৩৫৩), ইবনে আবু শাইবা (১/৩১), আহমাদ (২২৫৮০) এবং আবু দাউদ =