(খণ্ড: ১) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: -)
المطالب العالية بزوائد المسانيد الثمانية   (ابن حجر العسقلاني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: المطالب العالية بزوائد المسانيد الثمانية

المؤلف: أبو الفضل أحمد بن علي بن محمد بن أحمد بن حجر العسقلاني (ت 852هـ)

المحقق: (17) رسالة علمية قدمت لجامعة الإمام محمد بن سعود

تنسيق: د. سعد بن ناصر بن عبد العزيز الشثري

الناشر: دار العاصمة، دار الغيث - السعودية

الطبعة: الأولى، 1419هـ

عدد الأجزاء: 19

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-জাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়্যাহ   (ইবনে হাজার আসকালানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-জাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়্যাহ

লেখক: আবুল ফজল আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাজার আসকালানি (মৃ. ৮৫২ হি.)

গবেষক ও সম্পাদক: (১৭) ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থাপিত বৈজ্ঞানিক অভিসন্দর্ভসমূহ

সমন্বয়: ড. সাদ বিন নাসের বিন আব্দুল আজিজ আশ-শাসরি

প্রকাশক: দারুল আসিমা, দারুল গায়স - সৌদি আরব

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হি.

খণ্ড সংখ্যা: ১৯

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: -)
ـ[المطالب العالية بزوائد المسانيد الثمانية]ـ

المؤلف: أبو الفضل أحمد بن علي بن محمد بن أحمد بن حجر العسقلاني (المتوفى: 852هـ)

المحقق: (17) رسالة علمية قدمت لجامعة الإمام محمد بن سعود

تنسيق: د. سعد بن ناصر بن عبد العزيز الشثري

الناشر: دار العاصمة، دار الغيث - السعودية

الطبعة: الأولى، 1419هـ

عدد الأجزاء: 19

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، وهو ضمن خدمة تخريج الأحاديث]
[আটটি মুসনাদ গ্রন্থের অতিরিক্ত হাদীস সংবলিত উচ্চতর উদ্দেশ্যসমূহ]

লেখক: আবুল ফজল আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হাজার আল-আসকালানী (মৃত্যু: ৮৫২ হি.)

সম্পাদক: (১৭টি) গবেষণাপত্র যা ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থাপিত হয়েছে

সমন্বয়: ড. সাদ বিন নাসের বিন আব্দুল আজিজ আল-শাশরি

প্রকাশক: দারুল আসিমাহ, দারুল গাইস - সৌদি আরব

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হি.

খণ্ড সংখ্যা: ১৯

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ এবং এটি হাদীস তাখরীজ সেবার অন্তর্ভুক্ত]
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ١٩)
‌‌مقدمة

الْمَطَالِبُ الْعَالِيَةُ
لِلْحَافِظِ ابْنِ حَجَرٍ الْعَسْقَلَانِيِّ
ভূমিকা

আল-মাতালিবুল আলিয়া
হাফেজ ইবনে হাজার আল-আসকালানির রচিত
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ١٩)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ ، وَآلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ الْحَمْدُ لِلَّهِ جَامِعِ الشَّتَاتِ مِنَ الْأَحْيَاءِ وَالْأَمْوَاتِ وَسَامِعِ الْأَصْوَاتِ بِاخْتِلَافِ اللُّغَاتِ ، وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، رَبُّ الْأَرْضِينَ وَالسَّمَاوَاتِ ذُو الْأَسْمَاءِ الْحُسْنَى وَالصِّفَاتِ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ الْمَبْعُوثُ بِالْآيَاتِ الْبَيِّنَاتِ وَالْخَوَارِقِ الْمُنِيرَاتِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ، وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أُولِي الْعُلُومِ الزَّاهِرَتِ وَعَلَى أَزْوَاجِهِ الطَّيِّبَاتِ الطَّاهِرَاتِ صَلَاةً وَسَلَامًا عَلَى الْأَيَّامِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জীবিত ও মৃতদের মধ্য হতে বিচ্ছিন্নদের একত্রকারী এবং বিচিত্র ভাষার কণ্ঠস্বর শ্রবণকারী। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; তিনি পৃথিবীসমূহ ও আকাশমণ্ডলীর প্রতিপালক, সুন্দরতম নামসমূহ ও গুণাবলির অধিকারী। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যিনি সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি ও জ্যোতির্ময় অলৌকিক ঘটনাবলি সহ প্রেরিত হয়েছেন। তাঁর ওপর, প্রোজ্জ্বল জ্ঞানের অধিকারী তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর এবং তাঁর পুত-পবিত্র সহধর্মিণীদের ওপর চিরন্তন রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٠)
مُتَوَالِيَاتٍ، أَمَّا بَعْدُ: فَإِنَّ الِاشْتِغَالَ بِالْعِلْمِ - خُصُوصًا الْحَدِيثَ النَّبَوِيَّ - مِنْ أَفْضَلِ الْقُرُبَاتِ ، وَقَدْ جَمَعَ أَئِمَّتُنَا مِنْهُ الشَّتَاتَ عَلَى الْمَسَانِيدِ وَالْأَبْوَابِ الْمُرَتَّبَاتِ فَرَأَيْتُ جَمْعَ جَمِيعِ مَا وَقَعْتُ عَلَيْهِ مِنْ ذَلِكَ فِي كِتَابٍ وَاحِدٍ لَيَسْهُلَ الْكَشْفُ مِنْهُ عَلَى أُولِي الرَّغَبَاتِ، ثُمَّ عَدَلْتُ إِلَى‌‌ جَمْعِ اَلْأَحَادِيثِ الزَّائِدَةِ عَلَى الْكُتُبِ الْمَشْهُورَاتِ فِي الْكُتُبِ الْمُسْنَدَاتِ، وَعُنِيتُ بِالْمَشْهُورَاتِ الْأُصُولَ السِّتَّةَ، وَمُسْنَدَ أَحْمَدَ وَبِالْمُسْنَدَاتِ عَلَى مَا رُتِّبَ عَلَى مَسَانِيدِ الصِّحَابَةِ وَقَدْ وَقَعَ لِي مِنْهَا‌‌ ثَمَانِيَةٌ كَامِلَاتٌ وَهِيَ لِأَبِي دَاوُدَ الطَّيَالِسِيِّ، وَالْحُمَيْدِيِّ، وَابْنِ أَبِي عُمَرَ، وَمُسَدَّدٍ، وَأَحْمَدَ بْنِ مَنِيعٍ، وَأَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ، وَالْحَارِثِ بْنِ أَبِي أُسَامَةَ
অবিরাম ধারায়। অতঃপর: নিশ্চয়ই জ্ঞানচর্চায় লিপ্ত হওয়া—বিশেষ করে নববী হাদীসের ক্ষেত্রে—তা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। আমাদের ইমামগণ হাদীসের বিক্ষিপ্ত সংকলনসমূহকে মাসানিদ এবং সুবিন্যস্ত অধ্যায় অনুসারে একত্রিত করেছেন। তাই আমি এ সংক্রান্ত যা কিছু পেয়েছি, তা একটি কিতাবে একত্রিত করার সিদ্ধান্ত নিলাম যাতে আগ্রহী অন্বেষণকারীদের জন্য তা হতে তথ্য তালাশ করা সহজ হয়। অতঃপর আমি মুসনাদ গ্রন্থসমূহের মধ্যে বিদ্যমান ঐ সকল হাদীস একত্রিত করার সিদ্ধান্ত নিলাম যা প্রসিদ্ধ কিতাবসমূহের অতিরিক্ত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। আমি প্রসিদ্ধ কিতাব বলতে উসূলুস সিত্তা (ছয়টি মূল গ্রন্থ) এবং মুসনাদে আহমাদকে বুঝিয়েছি। আর মুসনাদ বলতে ঐ সকল গ্রন্থকে বুঝিয়েছি যা সাহাবীগণের মুসনাদ অনুযায়ী বিন্যস্ত। আর আমার নিকট এগুলোর মধ্য হতে আটটি পূর্ণাঙ্গ কিতাব সংগৃহীত হয়েছে। সেগুলো হলো: আবু দাউদ আল-তায়ালিসী, আল-হুমায়দী, ইবনে আবি উমর, মুসাদ্দাদ, আহমাদ ইবনে মানী’, আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ, আবদ ইবনে হুমায়দ এবং আল-হারিস ইবনে আবি উসামার মুসনাদসমূহ
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢١)
وَقَدْ وَقَعَ لِي مِنْهَا أَشْيَاءُ كَامِلَةٌ أَيْضًا كَمُسْنَدِ الْبَزَّارِ، وَأَبِي يَعْلَى، وَمَعَاجِمِ الطَّبَرَانِيِّ لَكِنْ رَأَيْتُ شَيْخَنَا أَبَا الْحَسَنِ الْهَيْثَمِيَّ قَدْ جَمَعَ مَا فِيهَا، وَفِي مُسْنَدِ أَحْمَدَ فِي كِتَابٍ مُفْرَدٍ، مَحْذُوفِ الْأَسَانِيدِ، فَلَمْ أَرَ أَنْ أُزَاحِمَهُ عَلَيْهِ، إِلَّا أَنِّي تَتَبَّعْتُ مَا فَاتَهُ مِنْ مُسْنَدِ أَبِي يَعْلَى لِكَوْنِهِ اقْتَصَرَ فِي كِتَابِهِ عَلَى الرِّوَايَةِ الْمُخْتَصَرَةِ‌‌ وَوَقَعَ لِي عِدَّةٌ مِنَ الْمَسَانِيدِ غَيْرِ مُكْمَلَةٍ، كَمُسْنَدِ إِسْحَاقَ بْنِ رَاهَوَيْهِ وَوَقَفْتُ مِنْهُ عَلَى قَدْرِ النِّصْفِ فَتَتَبَّعْتُ مَا فِيهِ فَصَارَ مَا تَتَبَّعْتُهُ مِنْ ذَلِكَ مِنْ عَشَرَةِ دَوَاوِينَ، وَوَقَفْتُ أَيْضًا عَلَى قِطَعٍ مِنْ عِدَّةِ مَسَانِيدَ، كَمُسْنَدِ الْحَسَنِ بْنِ سُفْيَانَ، وَمُحَمَّدِ بْنِ هِشَامٍ السَّدُوسِيِّ، وَمُحَمَّدِ بْنِ هَارُونَ
এবং আমি এগুলোর মধ্য থেকে কিছু পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থও লাভ করেছি, যেমন মুসনাদে বাযযার, আবু ইয়ালা এবং তাবারানির মু’জামসমূহ। কিন্তু আমি দেখলাম যে, আমাদের শায়খ আবুল হাসান আল-হাইসামি একটি পৃথক গ্রন্থে এগুলোর এবং মুসনাদে আহমাদের বিষয়বস্তুগুলো সনদ বাদ দিয়ে একত্র করেছেন; তাই আমি এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া সমীচীন মনে করিনি। তবে আমি মুসনাদে আবু ইয়ালা থেকে তিনি যা বাদ দিয়েছেন তা অনুসরণ করেছি, কারণ তিনি তাঁর গ্রন্থে শুধুমাত্র সংক্ষিপ্ত বর্ণনার ওপর সীমাবদ্ধ ছিলেন।এবং আমি বেশ কিছু অপূর্ণাঙ্গ মুসনাদও পেয়েছি, যেমন ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ-এর মুসনাদ। আমি এর অর্ধেক পরিমাণ পেয়েছি এবং তাতে যা রয়েছে তা সংগ্রহ করেছি, ফলে তা থেকে আমার সংগ্রহ দশটি খণ্ডে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া আমি আরও বেশ কিছু মুসনাদের অংশবিশেষ পেয়েছি, যেমন আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান, মুহাম্মদ ইবনে হিশাম আস-সাদুসি এবং মুহাম্মদ ইবনে হারুনের মুসনাদ।
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٢)
الرُّويَانِيِّ، وَالْهَيْثَمِ بْنِ كُلَيْبٍ وَغَيْرِهِمْ، فَلَمْ أَكْتُبْ مِنْهَا شَيْئًا، لَعَلِّي إِذَا بَيَّضْتُ هَذَا التَّصْنِيفَ أَنْ أَرْجِعَ فَأَتَتَبَّعَ مَا فِيهَا مِنَ الزَّوَائِدِ وَأُضِيفَ إِلَى ذَلِكَ الْأَحَادِيثَ الْمُتَفَرِّقَةَ فِي الْكُتُبِ الْمُرَتَّبَةِ عَلَى فَوَائِدِ الشُّيُوخِ، وَرَتَّبْتُهُ عَلَى أَبْوَابِ الْأَحْكَامِ الْفِقْهِيَّةِ وَهِيَ الطَّهَارَةُ، الصَّلَاةُ، الْجَنَائِزُ، الزَّكَاةُ، الصِّيَامُ، الْحَجُّ، الْبُيُوعُ، الْعِتْقُ، الْفَرَائِضُ، الْوَصَايَا، النِّكَاحُ وَالطَّلَاقُ وَالنَّفَقَاتُ، الْأَيْمَانُ وَالنُّذُورُ، الْحُدُودُ، الْقِصَاصُ، الدِّيَاتُ، الْجِهَادُ، الْإِمَارَةُ وَالْخِلَافَةُ، الْقَضَاءُ وَالشَّهَادَاتُ، اللِّبَاسُ، وَالْأُضْحِيَةُ وَالْعَقِيقَةُ وَالذَّبَائِحُ وَالصَّيْدُ، الْأَطْعِمَةُ وَالْأَشْرِبَةُ، الطِّبُّ، الْبِرُّ وَالصِّلَةُ، الْأَدَبُ وَالتَّعْبِيرُ،
আল-রুইয়ানী, আল-হায়সাম ইবনে কুলাইব এবং অন্যদের (গ্রন্থসমূহ) থেকে আমি কিছুই লিপিবদ্ধ করিনি। সম্ভবত যখন আমি এই সংকলনটির একটি চূড়ান্ত পাণ্ডুলিপি তৈরি করব, তখন আমি পুনরায় সেগুলোর দিকে ফিরে যাব এবং তাতে বিদ্যমান অতিরিক্ত হাদিসগুলো অনুসন্ধান করব। এছাড়া শাইখদের 'ফাওয়াইদ' (উপকারিতা) এর ওপর ভিত্তি করে বিন্যস্ত গ্রন্থগুলোতে বিক্ষিপ্তভাবে থাকা হাদিসগুলোকেও এর সাথে যুক্ত করব। আর আমি একে ফিকহী বিধানের অধ্যায় অনুসারে বিন্যস্ত করেছি, আর সেগুলো হলো: পবিত্রতা, সালাত, জানাজা, জাকাত, সিয়াম, হজ, ক্রয়-বিক্রয়, দাসমুক্তি, মিরাস, অসিয়ত, বিবাহ, তালাক ও ভরণপোষণ, শপথ ও মানত, হুদুদ (নির্ধারিত দণ্ডবিধি), কিসাস, দিয়াত (রক্তপণ), জিহাদ, ইমারত (নেতৃত্ব) ও খিলাফত, বিচার ও সাক্ষ্যদান, পোশাক-পরিচ্ছদ, কুরবানি, আকিকা, জবেহ ও শিকার, খাদ্য ও পানীয়, চিকিৎসা, সদাচরণ ও সুসম্পর্ক, শিষ্টাচার এবং স্বপ্নের ব্যাখ্যা।
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٣)
ثُمَّ ذَكَرْتُ بَدْءَ الْخَلْقِ وَالْإِيمَانَ وَالتَّوْحِيدَ، الْعِلْمَ وَالسُّنَّةَ، الزُّهْدَ وَالرَّقَائِقَ، الْأَذْكَارَ وَالدَّعَوَاتِ، أَحَادِيثَ الْأَنْبِيَاءِ، فَضَائِلَ الْقُرْآنِ، التَّفْسِيرَ، الْمَنَاقِبَ، السِّيرَةَ النَّبَوِيَّةَ وَالْمَغَازِي وَالْخُلَفَاءَ، وَالْآدَابَ، وَالْأَدْعِيَةَ، الْفِتَنَ، الْأَشْرَاطَ، الْبَعْثَ وَالنُّشُورَ، وَسَمَّيْتُهُ: الْمَطَالِبُ الْعَالِيَةُ بِزَوائِدِ الْمَسَانِيدِ الثَّمَانِيَةِ،‌‌ وَشَرْطِي فِيهِ: ذِكْرُ كُلِّ حَدِيثٍ وَرَدَ عَنْ صِحَابِيٍّ لَمْ يُخَرِّجْهُ الْأُصُولُ السَّبْعَةُ مِنْ حَدِيثِهِ، وَلَوْ أَخْرَجُوهُ، أَوْ بَعْضُهُمْ مِنْ حَدِيثِ غَيْرِهِ
এরপর আমি সৃষ্টির সূচনা, ঈমান ও তাওহীদ, ইলম ও সুন্নাহ, যুহদ ও রাকায়েক, যিকির ও দোয়াসমূহ, নবীদের হাদীসসমূহ, কুরআনের ফযীলতসমূহ, তাফসীর, মানাকিব, সীরাতুন্নবী, মাগাযী ও খলীফাগণ, আদব, দুয়াসমূহ, ফিতনা, কিয়ামতের আলামত এবং পুনরুত্থান ও হাশর উল্লেখ করেছি। আমি এর নামকরণ করেছি: ‘আল-মাতালিবুল আলিয়াহ বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়াহ’, আর এতে আমার শর্ত হলো: এমন প্রতিটি হাদীস উল্লেখ করা যা কোনো সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে অথচ সাতটি মূল গ্রন্থ তা উক্ত সাহাবীর হাদীস হিসেবে সংকলন করেনি; যদিও তারা বা তাদের কেউ কেউ অন্য কোনো সাহাবীর সূত্রে তা সংকলন করে থাকেন।
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٤)
مَعَ التَّنْبِيهِ عَلَيْهِ أَحْيَانًا،‌‌ وَهَذَا بَيَانُ أَسَانِيدِي لِلْمَسَانِيدِ الْعَشَرَةِ بِطَرِيقِ الِاخْتِصَارِ:

‌‌أَمَّا مُسْنَدُ أَبِي دَاوُدَ الطَّيَالِسِيِّ: فَأَخْبَرَنِي بِهِ: أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ مِنْ أَوَّلِهِ إِلَى آخِرِ مُسْنَدِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ مِنْهُ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الدَّشْتِيِّ، قَالَ: أَنَا يُوسُفُ بْنُ
মাঝে মাঝে এ বিষয়ে সতর্ক করার সাথে সাথে, এবং এটি হলো সংক্ষেপে দশটি মুসনাদ গ্রন্থের জন্য আমার সনদসমূহের বর্ণনা:

আবু দাউদ আত-তায়ালিসির মুসনাদ প্রসঙ্গে: এটি আমাকে জানিয়েছেন আবু আল-হাসান আলি ইবন মুহাম্মদ ইবন আবিল মাজদ, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—যা গ্রন্থের শুরু থেকে জাবির ইবন আব্দুল্লাহ আল-আনসারির মুসনাদ অংশের শেষ পর্যন্ত; তিনি আবু বকর আদ-দাশতি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউসুফ ইবন
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٥)
خَلِيلٍ الْحَافِظُ قَالَ: أَنَا بِهِ مُلَفَّقًا أَبُو الْمَكَارِمِ اللَّبَّانُ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَيْدٍ الْكَرَّانِيُّ، وَأَبُو جَعْفَرٍ الصَّيْدَلَانِيُّ،
খালীল আল-হাফিয বলেন: আবুল মাকারিম আল-লাব্বান, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবি যায়দ আল-কাররানি এবং আবু জাফর আস-সাইদালানি কর্তৃক সম্মিলিতভাবে আমাকে এটি অবহিত করা হয়েছে,
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٦)
وَخَلِيلُ بْنُ بَدْرٍ الرَّارَّانِيُّ، قَالُوا: أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ، أَنَا أُبُو نُعَيْمٍ،
এবং খলীল ইবন বদর আর-রাররানি, তাঁরা বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাদ্দাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম,
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٧)
أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسَ، أَنَا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ الْعِجْلِيُّ، ثَنَا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ وَقَرَأْتُهُ كُلَّهُ عَلَى أَبِي الْفَرَجِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُبَارَكِ الْغَزِّيِّ،
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবন জাফর ইবন আহমাদ ইবন ফারিস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবন হাবীব আল-ইজলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ সুলায়মান ইবন দাউদ আত-তায়ালিসী এবং আমি আবুল ফারাজ আবদুর রহমান ইবন আহমাদ ইবন আল-মুবারক আল-গাজ্জীর নিকট এটি সম্পূর্ণ পাঠ করেছি,
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٨)
بِسَمَاعِهِ مِنْ أَوَّلِهِ إِلَى قَوْلِهِ: أَحَادِيثُ سَعْدٍ، وَمِنْ أَحَادِيثِ عِمْرَانَ بْنِ حَصَينٍ إِلَى أَثْنَاءِ مُسْنَدِ جَابِرٍ، حَدِيثِ: " مَا مِنْ مُؤْمِنٍ يَغْرِسُ غَرْسًا "، وَمِنْ حَدِيثِ: أّيُّ الرَّكْعَتَيْنِ؟ مِنْ مُسْنَدِ جَابِرٍ إِلَى آخِرِ الْكِتَابِ عَلَى أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ مَنُصُورٍ الْجَوْهَرِيِّ، أَنَا الْفَخْرُ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَقْدِسِيُّ سَمَاعًا وَالنَّجِيبُ أَبُو الْفَرَجِ
এর শুরু থেকে "সা'দ-এর হাদিসসমূহ" উক্তিটি পর্যন্ত তাঁর শ্রবণের মাধ্যমে; এবং ইমরান ইবনে হুসাইন-এর হাদিসসমূহ থেকে জাবির-এর মুসনাদ-এর মধ্যভাগ অর্থাৎ "কোনো মুমিন যখন কোনো চারা রোপণ করে" হাদিসটি পর্যন্ত; এবং জাবির-এর মুসনাদ-এর "কোন দুই রাকাত?" হাদিসটি থেকে কিতাবটির শেষ পর্যন্ত; আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন মানসুর আল-জাওহারীর সম্মুখে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাখর আলী বিন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসী শ্রবণের মাধ্যমে এবং আন-নাজীব আবু আল-ফারাজ।
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٢٩)
الْحَرَّانِيُّ إِجَازَةً قَالَا: أَنَا اللَّبَّانُ، وَالصَّيْدَلَانِيُّ إِجَازَةً بِسَنَدِهِمَا،

‌‌وَأَمَّا مُسْنَدُ مُسَدَّدٍ فَأَخْبَرَنَا بِالْكَبِيرِ رِوَايةََ معَاذِ بْنِ الْمُثَنَّى أَبُو عَلِيٍّ الْفَاضِلِيُّ إِجَازَةً مًشَافَهَةً، أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ
আল-হাররানি ইজাযাহ সূত্রে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-লাব্বান এবং আস-সাইদালানি ইজাযাহ সূত্রে তাঁদের সনদের মাধ্যমে,

আর মুসাদ্দাদ-এর মুসনাদ সম্পর্কে আমাদের নিকট মু'আয ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় 'আল-কাবীর' আবু আলী আল-ফাযিলি মৌখিক ইজাযাহ সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে...
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٠)
أَبِي إِسْحَاقَ، إِذْنًا عَنْ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الْمُقَيَّرِ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ سَهْلٍ،
আবু ইসহাক, আবু আল-হাসান বিন আল-মুকায়্যিরের নিকট থেকে অনুমতিক্রমে, আল-ফাদল বিন সাহল থেকে,
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣١)
عَنِ الْخَطِيبِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَمَّامِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ،
খতীব আবূ বকর থেকে বর্ণিত, আবূল হাসান আলী ইবনে উমর আল-হাম্মামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবূ বকর আশ-শাফিঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٢)
أَنَا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثَنَا مُسَدَّدٌ،. وَفِيهِ مِنْ زَيَادَاتِ مُعَاذِ بْنِ الْمُثَنَّى قَلِيلٌ، وَقَرَأْتُ الصَّغِيرَ رِوَايَةَ أَبِي خَلِيفَةَ الْفَضْلِ بْنِ الْحُبَابِ، عَنْ مُسَدَّدٍ، وَفِيهِ مِنْ زِيَادَاتِ أَبِي خَلِيفَةَ، وَفِي آخِرِهِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ
আমি মুআয বিন আল-মুসান্না, মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এতে মুআয বিন আল-মুসান্নার সামান্য কিছু অতিরিক্ত অংশ রয়েছে। আমি আবু খলিফা আল-ফজল বিন আল-হুবাব-এর সূত্রে মুসাদ্দাদ হতে বর্ণিত ‘আস-সাগীর’ পাঠ করেছি; এতে আবু খলিফার কিছু অতিরিক্ত অংশ রয়েছে এবং এর শেষাংশে আবু মুহাম্মদ বিন-এর হাদিস হতে কিছু অংশ রয়েছে।
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٣)
السَّقَّا رِوَايَةً عَنْ أَبِي خَلِيفَةَ، عَلَى أُمِّ الْفَضْلِ خَدِيجَةَ بِنْتِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ سُلْطَانَ، بِإِجَازَتِهَا إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا مِنَ الْقَاسِمِ بْنِ مُظَفَّرِ بْنِ عَسَاكِرَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ دُلَفٍ، وَزَهْرَةَ بْنِتِ مُحَمَّدِ بْنِ
আস-সাক্কা, আবু খলিফার সূত্রে বর্ণিত, উম্মুল ফজল খাদীজা বিনতে ইবরাহীম ইবনে ইসহাক ইবনে সুলতানের নিকট; যদি তা সরাসরি শ্রবণ করা না হয়ে থাকে তবে তার ইজাজতের মাধ্যমে, যা কাসিম ইবনে মুজাফফর ইবনে আসাকিরের নিকট থেকে প্রাপ্ত, তিনি আব্দুল আযীয ইবনে দুলাফ এবং যাহরা বিনতে মুহাম্মাদ ইবনে...
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٤)
حَاضِرٍ، قَالَ الْأَوَّلُ: أَخْبَرَتْنَا شُهْدَةُ بِنْتُ الْإِبَّرِيِّ، وَقَالَتْ زَهْرَةُ: أَنَا يَحْيَى بْنُ ثَابِتِ بْنِ بُنْدَارٍ، قَالَا: أَنَا ثَابِتُ بْنُ بُنْدَارٍ، أَنَا الْقَاضِي
উপস্থিত, প্রথমজন বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুহদাহ বিনতে আল-ইবরি, এবং যাহরাহ বললেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন সাবিত বিন বুন্দার, তারা উভয়ে বললেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সাবিত বিন বুন্দার, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন বিচারক (আল-কাজী)।
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٥)
أَبُو الْعَلَاءِ الْوَاسِطِيُّ، وَقَالَ عَبْدُ الْعَزِيزِ أَيْضًا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ: أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمِ بْنُ أَبِي اْلَبَرَكَاتِ
আবু আল-আলা আল-ওয়াসিতি, এবং আব্দুল আজিজ আরও বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনুল মুবারক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম বিন আবিল বারাকাত।
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٦)
الْجَمَّارِيُّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ المُظَفَّرِ قَالَا:
আল-জাম্মারি এবং আহমাদ বিন আল-মুজাফ্ফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁরা উভয়েই বলেছেন:
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٧)
أَنَا ابْنُ السَّقَّا، أَنَا أَبُو خَلِيفَةَ،

‌‌وَأَمَّا مُسْنَدُ الْحُمَيْدِيِّ: فَأَخْبَرَنَا بِهِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمدَ بْنِ
আমি ইবনুল সাক্কা, আমি আবু খলিফা,

আর মুসনাদে হুমাইদি প্রসঙ্গে: আমাদেরকে এটি অবহিত করেছেন আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٨)
الْمِقْدَادِ الْقَيْسِيُّ فِي كِتَابٍ إِلَيْنَا مِنْ دِمَشْقَ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، وَالْمَجْدُ مُحَمَّدُ بْنُ الْعِمَادِ الْكَاتِبُ سَمَاعًا، كِلَاهُمَا عَنْ عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْقُبَيْطِيِّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْغَنِيِّ،
আল-মিকদাদ আল-কায়সী দামেস্ক থেকে আমাদের নিকট প্রেরিত একটি পত্রে (জানিয়েছেন যে), আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আবু তালিব এবং আল-মাজদ মুহাম্মদ বিন আল-ইমাদ আল-কাতিব শ্রবণের মাধ্যমে; তাঁরা উভয়ে আব্দুল লতিফ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-কুবাইতী থেকে (বর্ণনা করেছেন), আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আব্দুল গনী,
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٩)
أَنَا أَبُو مَنْصُورٍ الْخَيَّاطُ، أَنَا عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُؤَدِّبُ، ثَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ الصَّوَّافِ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الحميدي،
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আল-খাইয়্যাত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল গাফফার বিন মুহাম্মদ আল-মুয়াদ্দিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী বিন আস-সাওয়াফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদী,
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٠)
‌‌وَأَمَّا مُسْنَدُ إِسْحَاقَ بْنِ رَاهَوَيْهِ: فَأَخْبَرَنَا بِهِ أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي الْمُجِدِّ مُشَافَهَةً، عَنْ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَنْدَنِيجِيِّ، وَيَحْيَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ الْأَوَّلُ: أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الْبَغْدَادِيُّ،
আর ইসহাক ইবনে রাহাওয়াইহ-এর মুসনাদ প্রসঙ্গে: সেটি আমাদের কাছে মৌখিকভাবে বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান ইবনে আবিল মুজিদ, আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-বান্দানিজী এবং ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাদ থেকে। প্রথমজন বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে ইউসুফ আল-বাগদাদী,
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٤١)
سَمَاعًا أَنَا أَبُو الْخَيْرِ أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الطَّالِقَانِيُّ، إِجَازَةً، وَقَالَ
শ্রবণ করার মাধ্যমে আমি আবুল খায়ের আহমদ বিন ইসমাঈল আত-তালিকানী, ইজাজতসূত্রে, এবং তিনি বললেন:
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٢)
الثَّانِي: أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ عُمَرَ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الْبَغْدَادِيَّانِ، كِتَابَةً قَالَا: أَخْبَرَنَا الطَّالِقَانِيُّ، سَمَاعًا، أَنَا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَهْلٍِ الصَّعْلُوكِيُّ، أَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ حَفْصَوَيْهِ، أَنَا أَبُو سَعْدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمْدَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّصْرَوِيُّ،
দ্বিতীয়: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন আবদুল ওয়াহহাব ইবন উমর এবং ইসমাঈল ইবন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া বাগদাদীদ্বয়—লিখিতভাবে তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তালিকানী শ্রবণ করার মাধ্যমে, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ ইবন সাহল আস-সালুকী, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হুসাইন ইবন আবিল কাসিম ইবন হাফসাওয়াইহি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আবদুর রহমান ইবন হামদান ইবন মুহাম্মদ আন-নাসরাবী।
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٣)
أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ زِيَادٍ السِّمْذِيُّ، أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شِيرَوَيْهِ عَنْهُ،
আমি আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে যিয়াদ আস-সিমযী, আমাকে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে শিরাওয়াইহ তাঁর থেকে সংবাদ দিয়েছেন,
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٤)
‌‌وَأَمَّا مُسْنَدُ ابْنِ أَبِي عُمَرَ: فَأَخْبَرَنِي بِهِ الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ الْحُسَيْنِ بِقِرَاءَتِي، عَلَيْهِ سِوًى مِنْ أَثْنَاءِ سَلْمَانَ، وَهُوَ فِي أَوَاخِرِ
আর মুসনাদে ইবনে আবি উমরের বিষয়: হাফিজ আবুল ফজল বিন আল-হুসাইন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এটি আমাকে জানিয়েছেন, তবে সালমানের [মুসনাদ] চলাকালীন অংশটুকু ব্যতীত; আর এটি শেষের দিকের
(খণ্ড: ٢) আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٥)
الْكِتَابِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ الْقَيِّمِ، أَنَا الْفَخْرُ ابْنُ الْبُخَارِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ، وَهِشَامِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ قَالَا: أَنَا سَعِيدُ بْنُ
কিতাব। তিনি বলেন: আমাকে আবু মুহাম্মাদ ইবনুল কাইয়্যিম সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাখর ইবনুল বুখারি, মুহাম্মাদ বিন মা’মার এবং হিশাম বিন আব্দুর রাহিম থেকে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ বিন...