(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
المستدرك على الصحيحين - ط العلمية   (أبو عبد الله الحاكم)

القسم: كتب السنة

الكتاب: المستدرك على الصحيحين

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن عبد الله الحاكم النيسابوري

مع تضمينات: الذهبي في التلخيص والميزان والعراقي في أماليه والمناوي في فيض القدير وغيرهم

دراسة وتحقيق: مصطفى عبد القادر عطا

الناشر: دار الكتب العلمية - بيروت

الطبعة: الأولى، 1411 - 1990

عدد الأجزاء: 4

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-মুস্তাদরাক আলাস সহীহাইন - ইলমিয়্যাহ সংস্করণ   (আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

গ্রন্থ: আল-মুস্তাদরাক আলাস সহীহাইন

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাকিম আন-নিশাপুরী

যাদের টীকা ও মন্তব্যসহ: আত-তালখিস ও আল-মিযানে আয-যাহাবী, তার আমালীতে আল-ইরাকী, ফয়জুল কাদীরে আল-মুনাবী এবং অন্যান্যরা

গবেষণা ও সম্পাদনা: মুস্তফা আব্দুল কাদির আতা

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৪১১ - ১৯৯০

খণ্ড সংখ্যা: ৪

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
‌‌مُقَدِّمَةُ الْمُصَنِّفِ

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، وَبِهِ نَسْتَعِينُ وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّهِ وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَأَصْحَاِبهِ وَسَلَّمَ،

 

أَنْبَأَنَا الْحَاكِمُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ إِمْلَاءً فِي يَوْمِ الْإِثْنَيْنِ السَّابِعِ مِنَ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَسَبْعِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الْعَزِيزِ الْقَهَّارِ، الصَّمَدِ الْجَبَّارِ، الْعَالِمِ بِالْأَسْرَارِ، الَّذِي اصْطَفَى سَيِّدَ الْبَشَرِ مُحَمَّدَ بْنَ عْبِد اللَّهِ بِنُبَوَّتِهِ وَرِسَالَتِهِ، وَحَذَّرَ جَمِيعَ خَلْقِهِ مُخَالَفتَهُ، فَقَالَ عَزَّ مِنْ قَائِلٍ: {فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا} [النساء: 65] الْآيَةَ، وَصَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَآلِهِ أَجْمَعِينَ. أَمَّا بَعْدُ، فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى ذِكْرُهُ أَنْعَمَ عَلَى هَذِهِ الْأُمَّةِ بِاصْطِفَائِهِ بِصُحْبَةِ نَبِيِّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلى آلِهِ أَخْيَارِ خَلْقِهِ فِي عَصْرِهِ، وُهُمُ الصِّحَابِةُ النُّجَبَاءُ، الْبَرَرَةُ الْأَتْقِيَاءُ، لَزِمُوهُ فِي الشِّدَّةِ وَالرَّخَاءِ، حَتَّى حَفِظُوا عَنْهُ مَا شَرَّعَ لَأُمَّتِهِ بَأَمْرِ اللَّهِ تَعَالَى ذِكْرُهُ، ثُمَّ نَقَلُوهُ إِلَى أَتْبَاعِهِمْ، ثُمَّ كَذَلِكَ عَصْرًا بَعْدَ عَصْرٍ إِلَى عَصْرِنَا هَذَا، وَهُوَ هَذِهِ الْأَسَانِيدُ الْمَنْقُولَةُ إِلَيْنَا بِنَقْلِ الْعَدْلِ عَنِ الْعَدْلِ، وَهِيَ كَرَامَةٌ مِنَ اللَّهِ لِهَذِهِ الْأُمَّةِ خَصَّهُمْ بِهَا دُونَ سَائِرِ الْأُمَمِ، ثُمَّ قَيَّضَ اللَّهُ لِكُلِّ عَصْرٍ جَمَاعَةً مِنْ عُلَمَاءِ الدِّينِ، وَأَئِمَّةِ الْمُسِلِمِينَ، يُزَكُّونَ رُوَاةَ الْأَخْبَارِ وَنَقَلَةَ الْآثَارِ لِيَذُبُّوا بِهِ الْكَذِبَ عَنْ وَحْيِ المْلَكِ ِالْجَبَّارِ، فَمِنْ هَؤُلَاءِ الْأَئِمَّةِ: أَبُو عَبْدِ اللِّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْجُعْفِيُّ، وَأَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ الْقُشَيْرِيُّ رضي الله عنهما، صَنَّفَا فِي صَحِيحِ الْأَخْبَارِ كِتَابَيْنِ مُهَذَّبَيْنِ انْتَشَرَ ذِكْرُهُمَا فِي الْأَقْطَارِ، وَلَمْ يَحْكُمَا وَلَا وَاحِدٌ مِنْهُمَا أَنَّهُ لَمْ يَصِحَّ مِنَ الْحَدِيثَ غَيْرُ مَا أَخْرَجَهُ، وَقَدْ نَبَغَ فِي عَصْرِنَا هَذَا جَمَاعَةٌ مِنَّ الْمُبْتَدِعَةِ يَشْمَتُونَ بِرُوَاةِ الْآثَارِ، بِأَنَّ جَمِيعَ مَا يَصِحُّ عِنْدَكُمْ مِنَ الْحَدِيثَ لَا يَبْلُغُ عَشْرَةَ َآلَافِ حَدِيثٍ، وَهَذِهِ الْأَسَاَنيِدُ الْمَجْمُوعَةُ الْمُشْتَمِلَةُ عَلَى أَلْفِ جُزْءٍ أَوْ أَقَلَّ أَوْ أَكْثَرَ مِنْهُ كُلُّهَا سَقِيمَةٌ غَيْرُ صَحِيحَةٍ، وَقَدْ سَأَلَنَيِ جَمَاعَةٌ مِنْ أَعْيَانِ أَهْلِ الْعِلْمِ بِهَذِهِ الْمَدِينَةِ وَغَيْرِهَا أَنْ أَجْمَعَ كِتَابًا يَشْتَمِلُ عَلَى الْأَحاَديِثِ الْمَرْوِيَّةِ بِأَسَانِيدَ يَحْتَجُّ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، وَمُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ بِمِثْلِهَا، إِذْ لَا سَبِيلَ إِلَى إِخْرَاجِ مَا لَا عِلَّةَ لَهُ، فَإِنَّهُمَا رَحِمَهُمَا اللَّهُ لَمْ يَدَّعِيَا ذَلِكَ لِأَنُفِسِهِمَا، وَقَدْ خَرَّجَ جَمَاعَةٌ مِنْ عُلَمَاءِ عَصْرِهِمَا وَمَنْ بَعْدَهُمَا عَلَيْهِمَا أَحَادِيثَ قَدْ أَخْرَجَاهَا، وَهِيَ مَعْلُولَةٌ، وَقَدْ جَهِدْتُ فِي الذَّبِّ عَنْهُمَا فِي «الْمَدْخَلِ إِلَى الصَّحِيحِ» بِمَا رَضِيَهُ أَهْلُ الصَّنْعَةِ، وَأَنَا أَسْتَعِينُ اللَّهَ عَلَى إِخْرَاجِ أَحَادِيثَ رُوَاتُهَا ثِقَاتٌ، قَدِ احْتَجَّ بِمِثْلِهَا الشَّيْخَانِ رضي الله عنهما أَوْ أَحَدُهُمَا، وَهَذَا شَرْطُ الصَّحِيحِ عِنْدَ كَافَّةِ فُقَهَاءِ أَهْلِ الْإِسْلَامِ أَنَّ الزِّيَادَةَ فِي الْأَساَنِيدِ وَالْمُتُونِ مِنَ الثِّقَاتِ مَقْبُولَةٌ، وَاللَّهُ الْمُعِينُ عَلَى مَا قَصَدْتُهُ، وَهُوَ حَسْبِي وَنِعْمَ الْوَكِيلُ. فَمِنَ الْأَحَادِيثِ الَّتِي مَدْخَلُهَا:
লেখকের ভূমিকা

পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি। আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই। আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।

 

হাকেম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হাফিজ আমাদের কাছে ৩৭৩ হিজরীর মুহাররম মাসের ৭ তারিখ, সোমবার শ্রুতলিপি (ইমলা) প্রদান করেছেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মহাপরাক্রমশালী, বিজয়ী, অভাবমুক্ত, সর্বাধিপতি এবং সকল রহস্য সম্পর্কে পরিজ্ঞাত। তিনি মানবজাতির নেতা মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহকে তাঁর নবুওয়াত ও রিসালাতের জন্য মনোনীত করেছেন এবং তাঁর সকল সৃষ্টিকে তাঁর (রাসূলের) অবাধ্যতা থেকে সতর্ক করেছেন। মহান বাণীদাতা হিসেবে তিনি বলেছেন: {তবে না, আপনার রবের শপথ! তারা ঈমানদার হবে না যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে আপনাকে বিচারক হিসেবে গ্রহণ করে, অতঃপর আপনি যে ফয়সালা করেন সে ব্যাপারে তাদের মনে কোনোরূপ কুণ্ঠা বোধ না করে এবং তা পূর্ণ সন্তুষ্টির সাথে মেনে নেয়} [সূরা নিসা: ৬৫], এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক তাঁর ওপর ও তাঁর সকল পরিবারবর্গের ওপর। অতঃপর, মহান আল্লাহ এই উম্মতের ওপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তিনি তাঁর নবীর (যাঁর ওপর এবং যাঁর পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক) সাহচর্যের জন্য তাঁর সমসাময়িক সৃষ্টির মধ্যে সর্বোত্তমদের মনোনীত করেছেন। তাঁরা হলেন মহৎ সাহাবীগণ, পুণ্যবান ও আল্লাহভীরু; তাঁরা সুখে-দুঃখে নবীর সাথে লেপ্টে ছিলেন, যতক্ষণ না তাঁরা আল্লাহর আদেশে উম্মতের জন্য তিনি যা বিধিবদ্ধ করেছেন তা সংরক্ষণ করেছেন। এরপর তাঁরা তা তাঁদের অনুসারীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, এবং এভাবে যুগ যুগ ধরে আমাদের এই সময় পর্যন্ত পৌঁছেছে। আর এটিই হলো আমাদের কাছে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী কর্তৃক নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর থেকে বর্ণিত এই সনদসমূহ। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এই উম্মতের জন্য একটি অনন্য মর্যাদা, যা তিনি অন্য কোনো উম্মতকে প্রদান করেননি। অতঃপর আল্লাহ প্রতি যুগে একদল দ্বীনি আলেম ও মুসলিম ইমামদের নিয়োজিত করেছেন, যাঁরা সংবাদ বর্ণনাকারী ও আসার (ঐতিহ্য) বহনকারীদের যাচাই-বাছাই করেন, যাতে তাঁরা মহাপরাক্রমশালী রাজাধিরাজের ওহী থেকে মিথ্যাকে দূর করতে পারেন। এই ইমামদের মধ্যে রয়েছেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-জু’ফি এবং আবুল হুসাইন মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ আল-কুশাইরি (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হোন)। তাঁরা সহীহ হাদীসের ওপর দুটি সুবিন্যস্ত গ্রন্থ সংকলন করেছেন, যেগুলোর খ্যাতি পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁদের কেউই এই ফয়সালা দেননি যে, তাঁরা যা বর্ণনা করেছেন তা ছাড়া আর কোনো সহীহ হাদীস নেই। অথচ বর্তমান যুগে একদল বিদআতি লোকের আবির্ভাব ঘটেছে যারা হাদীস বর্ণনাকারীদের নিয়ে উপহাস করে বলে যে, "তোমাদের কাছে সহীহ বলে গণ্য মোট হাদীসের সংখ্যা দশ হাজারও পৌঁছাবে না; আর হাজার হাজার খণ্ডে সংগৃহীত এই সমস্ত সনদসমূহ সবই ত্রুটিপূর্ণ ও অশুদ্ধ।" এই শহরের এবং অন্যান্য স্থানের বিশিষ্ট আলেমদের একদল আমার কাছে অনুরোধ করেছেন যেন আমি এমন একটি গ্রন্থ সংকলন করি যা এমন সব হাদীস অন্তর্ভুক্ত করবে যার সনদসমূহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল এবং মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। কেননা নিখুঁত হাদীস বের করার অন্য কোনো উপায় নেই। তাঁরা উভয়েই (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন) নিজেদের জন্য এমন দাবি করেননি যে তাঁরা সব সহীহ হাদীস সংকলন করেছেন। এমনকি তাঁদের সমসাময়িক ও পরবর্তী অনেক আলেম তাঁদের সংকলিত কিছু হাদীসের সমালোচনা করেছেন এবং সেগুলোকে ত্রুটিযুক্ত বলেছেন। আমি 'আল-মাদখাল ইলাস সহীহ' গ্রন্থে বিশেষজ্ঞগণের নিকট গ্রহণযোগ্য পন্থায় তাঁদের পক্ষ থেকে প্রতিরক্ষা করার চেষ্টা করেছি। আমি এখন আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করছি এমন সব হাদীস সংকলন করার জন্য যার বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য এবং শায়খাইন (আল্লাহ তাঁদের ওপর সন্তুষ্ট হোন) বা তাঁদের যেকোনো একজন এ ধরনের বর্ণনাকারীদের মাধ্যমে দলিল পেশ করেছেন। আর সমস্ত ইসলামী ফকীহদের নিকট সহীহ হাদীসের শর্ত হলো এই যে, নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের মাধ্যমে সনদ বা মতনে কোনো অতিরিক্ত বর্ণনা থাকলে তা গ্রহণযোগ্য। আমি যা উদ্দেশ্য করেছি সে ব্যাপারে আল্লাহই সাহায্যকারী, তিনিই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। সেই সব হাদীসের মধ্যে রয়েছে যেগুলো শুরু হয়েছে:
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩)
‌‌كِتَابُ الْإِيمَانِ
ঈমান অধ্যায়
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩)
‌‌1 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْخُزَاعِيُّ بِمَكَّةَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مَيْسَرَةَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ الْمُقْرِئُ، ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي ابْنُ عَجْلَانَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَكْمَلُ الْمُؤْمِنِينَ إِيمَانًا أَحْسَنُهُمْ خُلُقًا»

1 - لم يتكلم عليه المؤلف وهو صحيح
১ - মক্কায় আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আল-খুযাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবু মাইসারা আমাদের বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ আল-মুকরি আমাদের বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবন আবু আইয়ুব আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইবন আজলান আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, কাক্কা ইবন হাকীম থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মুমিনদের মধ্যে ঈমানে সবচাইতে পূর্ণাঙ্গ হলো সেই ব্যক্তি, যার চরিত্র তাদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর।»

১ - লেখক এর উপর কোনো মন্তব্য করেননি এবং এটি সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩)
‌‌2 - حَدَّثَنَاهُ عَلِيُّ بْنُ حَمْشَاذَ الْعَدْلُ، ثنا أَبُو الْمُثَنَّى، ثنا مُسَدَّدٌ، ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَكْمَلُ الْمُؤْمِنِينَ إِيمَانًا أَحْسَنُهُمْ خُلُقًا» هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ لَمْ يُخَرَّجْ فِي الصَّحِيحَيْنِ، وَهُوَ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ مُسْلِمِ بْنِ الْحَجَّاجِ، فَقَدِ اسْتَشْهَدَ بِأَحَادِيثَ لِلْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَمُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، وَقَدِ احْتَجَّ بِمُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ «وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ أَيْضًا، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ. وَشُعَيْبِ بْنِ الْحَبْحَابِ، عَنْ أَنَسٍ. وَرَوَاهُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ عَائِشَةَ.» وَأَنَا أَخْشَى أَنَّ أَبَا قِلَابَةَ لَمْ يَسْمَعْهُ، عَنْ عَائِشَةَ "
২ - আলী ইবনে হামশায আল-আদল আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, আবু আল-মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ঈমানের দিক থেকে মুমিনদের মধ্যে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ হলো তারা, যারা চরিত্রে সবচেয়ে উত্তম» এটি একটি সহীহ হাদীস যা বুখারী ও মুসলিম (সহীহাইন)-এ বর্ণিত হয়নি, তবে এটি মুসলিম ইবনে হাজ্জাজের শর্তানুযায়ী সহীহ। কেননা তিনি আবু সালিহ-এর সূত্রে আল-ক্বাক্বাহ থেকে আবু হুরায়রা এবং মুহাম্মদ ইবনে আমরের বর্ণিত হাদীসসমূহকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন, আর তিনি মুহাম্মদ ইবনে আজলানকেও দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। «এই হাদীসটি মুহাম্মদ ইবনে সীরীন থেকে আবু হুরায়রা (রা.)-এর সূত্রে এবং শুআইব ইবনে হাবহাব থেকে আনাস (রা.)-এর সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। ইবনে উলাইয়া এটি খালিদ আল-হাযযা থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে এবং তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।» আর আমি আশঙ্কা করছি যে আবু কিলাবাহ এটি আয়িশা (রা.) থেকে সরাসরি শোনেননি।
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৪)
‌‌3 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ، ثنا أَبُو دَاوُدَ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بَلْجٍ، وَأَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ يَعْقُوبَ الثَّقَفِيُّ، ثنا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ السَّدُوسِيُّ، ثنا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ وَهُوَ أَبُو بَلْجٍ وَهَذَا لَفْظُ حَدِيثِ أَبِي دَاوُدَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ مَيْمُونٍ، يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَجِدْ حَلَاوَةَ الْإِيمَانِ، فَلْيُحِبِ الْمَرْءَ لَا يُحِبُّهُ إِلَّا لِلَّهِ» هَذَا حَدِيثٌ لَمْ يُخَرَّجْ فِي الصَّحِيحَيْنِ، وَقَدِ احْتَجَّا جَمِيعًا بِعَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَاحْتَجَّ مُسْلِمٌ بِأَبِي بَلْجٍ، وَهُوَ حَدِيثٌ صَحِيحٌ لَا يُحْفَظُ لَهُ عِلَّةٌ "

3 - لا يحتج به يعني بأبي بلج
৩ - আমাদের নিকট আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবন ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবন মারযুক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শুবা বর্ণনা করেছেন আবু বালজ থেকে। এবং আমাকে আহমদ ইবন ইয়াকুব আস-সাকাফী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উমর ইবন হাফস আস-সাদুসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আসিম ইবন আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শুবা ইয়াহইয়া ইবন আবি সুলাইম—যিনি আবু বালজ—থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটি আবু দাউদের বর্ণিত হাদিসের শব্দ। তিনি বলেন: আমি আমর ইবন মাইমুনকে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করে আনন্দিত হতে চায়, সে যেন কোনো মানুষকে কেবল আল্লাহর জন্যই ভালোবাসে।» এই হাদিসটি সহীহাইনে (বুখারী ও মুসলিম) সংকলিত হয়নি, তবে তাঁরা উভয়েই আমর ইবন মাইমুন থেকে আবু হুরায়রার সূত্রে দলিল গ্রহণ করেছেন এবং ইমাম মুসলিম আবু বালজকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এটি একটি সহীহ হাদিস এবং এর কোনো ত্রুটি জানা নেই।

৩ - তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না, অর্থাৎ আবু বালজকে।
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৪)
‌‌4 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَيَّاشِ بْنِ عَبَّاسٍ الْقِتْبَانِيُّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ، خَرَجَ إِلَى الْمَسْجِدِ يَوْمًا فَوَجَدَ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ عِنْدَ قَبْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَبْكِي، فَقَالَ: مَا يُبْكِيكَ يَا مُعَاذُ؟ قَالَ: يُبْكِينِي حَدِيثٌ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «الْيَسِيرُ مِنَ الرِّيَاءِ شِرْكٌ، وَمَنْ عَادَى أَوْلِيَاءَ اللَّهِ فَقَدْ بَارَزَ اللَّهَ بِالْمُحَارَبَةِ، إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْأَبْرَارَ الْأَتْقِيَاءَ الْأَخْفِيَاءَ، الَّذِينَ إِنْ غَابُوا لَمْ يُفْتَقَدُوا، وَإِنْ حَضَرُوا لَمْ يُعْرَفُوا، قُلُوبُهُمْ مَصَابِيحُ الْهُدَى، يَخْرُجُونَ مِنْ كُلِّ غَبْرَاءَ مُظْلِمَةٍ» . «هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ وَلَمْ يُخَرَّجْ فِي الصَّحِيحَيْنِ، وَقَدِ احْتَجَّا جَمِيعًا بِزَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ الصَّحَابَةِ، وَاتَّفَقَا جَمِيعًا عَلَى الِاحْتِجَاجِ بِحَدِيثِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَيَّاشِ بْنِ عَبَّاسٍ الْقِتْبَانِيِّ وَهَذَا إِسْنَادٌ مِصْرِيٌّ صَحِيحٌ وَلَا يَحْفَظُ لَهُ عِلَّةٌ»

4 - صحيح ولا علة له
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবন ইয়াকুব, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রবী ইবন সুলায়মান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন ওয়াহব, তিনি বলেন, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন লাইস ইবন সাদ, আইয়াশ ইবন আব্বাস আল-কিতবানি থেকে, তিনি যায়দ ইবন আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর (রা.) একদিন মসজিদের দিকে বের হলেন এবং মুআয ইবন জাবাল (রা.)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবরের নিকট কাঁদতে দেখলেন। তিনি বললেন, "হে মুআয! কিসে আপনাকে কাঁদাচ্ছে?" তিনি বললেন, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে শোনা একটি হাদিস আমাকে কাঁদাচ্ছে, তিনি বলতেন: «সামান্য রিয়া বা লোক-দেখানো কাজও শিরক। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর বন্ধুদের (ওলিদের) সাথে শত্রুতা করল, সে যেন আল্লাহর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হলো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ঐ সকল নেককার, মুত্তাকী ও নিভৃতচারী বান্দাদের ভালোবাসেন, যারা অনুপস্থিত থাকলে তাদের কেউ খোঁজ করে না আর উপস্থিত থাকলেও তাদের চেনা যায় না। তাদের অন্তরসমূহ হলো হিদায়াতের প্রদীপ। তারা প্রতিটি অন্ধকারাচ্ছন্ন ধূলিময় বিপদসংকুল স্থান থেকে বেরিয়ে আসে।»" «এই হাদিসটি সহীহ, তবে বুখারি ও মুসলিম (সহীহাইন) এটি সংকলন করেননি। অথচ তাঁরা উভয়েই যায়দ ইবন আসলামের সূত্রে তাঁর পিতা হতে এবং তিনি সাহাবীগণ থেকে বর্ণনাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এছাড়া লাইস ইবন সাদের সূত্রে আইয়াশ ইবন আব্বাস আল-কিতবানির বর্ণনাকেও তাঁরা দলিল হিসেবে গ্রহণের ব্যাপারে একমত হয়েছেন। এটি একটি সহীহ মিসরীয় সনদ এবং এর কোনো ত্রুটি জানা নেই।»

৪ - সহীহ এবং এর কোনো ত্রুটি নেই
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৫)
‌‌5 - حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ هَانِئٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مِهْرَانَ، ثنا أَبُو الطَّاهِرِ، أَنْبَأَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَبِي هَانِئٍ الْخَوْلَانِيِّ حُمَيْدُ بْنُ هَانِئٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ الْإِيمَانَ لَيَخْلَقُ فِي جَوْفِ أَحَدِكُمْ كَمَا يَخْلَقُ الثَّوْبُ الْخَلِقُ، فَاسْأَلُوا اللَّهَ أَنْ يُجَدِّدَ الْإِيمَانَ فِي قُلُوبِكُمْ» . " هَذَا حَدِيثٌ لَمْ يُخَرَّجْ فِي الصَّحِيحَيْنِ وَرُوَاتُهُ مِصْرِيُّونَ ثِقَاتٌ، وَقَدِ احْتَجَّ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ بِالْحَدِيثِ الَّذِي رَوَاهُ عَنْ ابْنِ أَبِي عُمَرَ، عَنْ الْمُقْرِئِ، عَنْ حَيْوَةَ، عَنْ أَبِي هَانِئٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى ذِكْرُهُ كَتَبَ مَقَادِيرَ الْخَلَائِقِ قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ» الْحَدِيثَ "

5 - رواته ثقات
৫ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে সালেহ ইবনে হানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে মিহরান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু তাহের, তিনি বলেন: আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে মাইসারা, তিনি আবু হানি আল-খাওলানি হুমায়দ ইবনে হানি থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই ঈমান তোমাদের কারো অন্তরে জীর্ণ হয়ে যায়, যেমন জীর্ণ হয় পুরোনো পোশাক। অতএব তোমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করো যেন তিনি তোমাদের অন্তরে ঈমানকে নবায়ন করে দেন।» "এটি এমন একটি হাদীস যা সহীহায়নে (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণিত হয়নি, তবে এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য মিশরীয়। আর ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে সেই হাদীস দ্বারা দলিল পেশ করেছেন যা তিনি ইবনে আবু উমর থেকে, তিনি মুকরি থেকে, তিনি হাইওয়া থেকে, তিনি আবু হানি থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির পূর্বেই সৃষ্টির তকদীরসমূহ লিখে রেখেছেন» - হাদীসটি।"

৫ - এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৫)
‌‌6 - أَخْبَرَنِي أَبُو النَّضْرِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ الْفَقِيهُ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْعَنْبَرِيُّ، ثنا أَبُو كُرَيْبٍ، ثنا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا أَذْنَبَ الْعَبْدُ نُكِتَ فِي قَلْبِهِ نُكْتَةٌ سَوْدَاءُ، فَإِنْ تَابَ صُقِلَ مِنْهَا، فَإِنْ عَادَ زَادَتْ حَتَّى تَعْظُمَ فِي قَلْبِهِ، فَذَلِكَ الرَّانُ الَّذِي ذَكَرَهُ اللَّهُ عز وجل {كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ} [المطففين: 14] «.» هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ لَمْ يُخَرَّجْ فِي الصَّحِيحَيْنِ وَقَدِ احْتَجَّ مُسْلِمٌ بِأَحَادِيثِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ "

6 - سكت عنه الذهبي في التلخيص في هذا الموضع
৬ - আবুন্নাসর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-ফকিহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে ইসমাইল আল-আনবারি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু কুরাইব আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু খালিদ আল-আহমার আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবনে আজলান থেকে, তিনি কাকা' ইবনে হাকিম থেকে, তিনি আবু সালেহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যখন কোনো বান্দা পাপ করে, তখন তার হৃদয়ে একটি কালো দাগ পড়ে। অতঃপর সে যদি তওবা করে, তবে তা পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু সে যদি পুনরায় পাপ করে, তবে সেই দাগ বাড়তে থাকে যতক্ষণ না তা তার হৃদয়ে প্রভাব বিস্তার করে। আর এটাই সেই 'রান' (মরিচা), যা মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ উল্লেখ করেছেন: {কখনো না, বরং তারা যা অর্জন করত, তা তাদের হৃদয়ে মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে} [আল-মুতাফফিফিন: ১৪]।" এটি একটি সহিহ হাদিস যা সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এ বর্ণিত হয়নি। তবে ইমাম মুসলিম আবু সালেহ-এর সূত্রে কাকা' ইবনে হাকিমের হাদিসসমূহ দ্বারা দলিল পেশ করেছেন।

৬ - ইমাম জাহাবি এই স্থানে তালখিস গ্রন্থে এ বিষয়ে নীরব থেকেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৬)
‌‌7 - حَدَّثَنَا الْإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْفَقِيهُ، أَنْبَأَ بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْحُمَيْدِيُّ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: " لَمْ يَزَلْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُسْأَلُ عَنِ السَّاعَةِ حَتَّى نَزَلَتْ: {فِيمَ أَنْتَ مِنْ ذِكْرَاهَا إِلَى رَبِّكَ مُنْتَهَاهَا} [النازعات: 44] «.» هَذَا حَدِيثٌ لَمْ يُخَرَّجْ فِي الصَّحِيحَيْنِ وَهُوَ مَحْفُوظٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِهِمَا مَعًا، وَقَدِ احْتَجَّا مَعًا بِأَحَادِيثِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها "

7 - سكت عنه الذهبي في التلخيص
‌৭ - ইমাম আবু বকর আহমদ বিন ইসহাক আল-ফকিহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, বিশর বিন মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুমাইদি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কিয়ামত সম্পর্কে অবিরত জিজ্ঞাসা করা হচ্ছিল যতক্ষণ না অবতীর্ণ হলো: {এর আলোচনার সাথে আপনার কী সম্পর্ক? এর চূড়ান্ত জ্ঞান তো আপনার রবের নিকটই রয়েছে} [আন-নাযিআত: ৪৪]।" এই হাদিসটি সহীহায়নে বর্ণিত হয়নি, তবে এটি সংরক্ষিত এবং তাঁদের উভয়ের শর্তানুযায়ী সহীহ। তাঁরা উভয়েই ইবনে উয়ায়নাহ সূত্রে যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত হাদিসসমূহ দ্বারা দলিল গ্রহণ করেছেন।

৭ - আয-যাহাবি আত-তালখিস গ্রন্থে এ ব্যাপারে নীরব থেকেছেন
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৬)
‌‌8 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْمَحْبُوبِيُّ بِمَرْوَ، ثنا سَعِيدُ بْنُ مَسْعُودٍ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، أَنْبَأَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْأَغَرِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَأَبِي سَعِيدٍ أَنَّهُمَا شَهِدَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " إِذَا قَالَ الْعَبْدُ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ صَدَّقَهُ رَبُّهُ، قَالَ: صَدَقَ عَبْدِي، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا وَأَنَا وَحْدِي، وَإِذَا قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ صَدَّقَهُ رَبُّهُ قَالَ: صَدَقَ عَبْدِي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا وَلَا شَرِيكَ لِي، وَإِذَا قَالَ: لَا إِلَهَ أَلَا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، قَالَ: صَدَقَ عَبْدِي، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا لِيَ الْمُلْكُ وَلِيَ الْحَمْدُ، وَإِذَا قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، قَالَ: صَدَقَ عَبْدِي، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِي «.» هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ لَمْ يُخَرَّجْ فِي الصَّحِيحَيْنِ، وَقَدِ احْتَجَّا جَمِيعًا بِحَدِيثِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْأَغَرِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَأَبِي سَعِيدٍ، وَقَدِ اتَّفَقَا جَمِيعًا عَلَى الْحُجَّةِ بِأَحَادِيثِ إِسْرَائِيلَ بْنِ يُونُسَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ "

8 - أوقفه شعبة وغيره
৮ - মার্ভে আমাদের নিকট আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মাহবুবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে মাসউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসরাঈল, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-আগার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা ও আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা উভয়েই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: "যখন কোনো বান্দা বলে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ', তখন তাঁর প্রতিপালক তাকে সত্যয়ন করে বলেন: 'আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আমি একক।' আর যখন সে বলে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই', তখন তাঁর প্রতিপালক তাকে সত্যয়ন করে বলেন: 'আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আমার কোনো অংশীদার নেই।' আর যখন সে বলে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, সার্বভৌমত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই', তখন আল্লাহ বলেন: 'আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, সার্বভৌমত্ব আমারই এবং সকল প্রশংসা আমারই।' আর যখন সে বলে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় ও কোনো শক্তি নেই', তখন আল্লাহ বলেন: 'আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমি ব্যতীত কোনো উপায় ও কোনো শক্তি নেই'।" এটি একটি সহীহ হাদিস যা সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এ বর্ণিত হয়নি, অথচ তাঁরা উভয়েই আল-আগার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা ও আবু সাঈদ থেকে বর্ণিত আবু ইসহাকের হাদিসের মাধ্যমে দলিল গ্রহণ করেছেন। তদুপরি তাঁরা উভয়েই আবু ইসহাক থেকে ইসরাঈল ইবনে ইউনুসের বর্ণিত হাদিসসমূহকে দলিল হিসেবে গ্রহণের ব্যাপারে একমত হয়েছেন।

৮ - শু'বাহ এবং অন্যরা এটিকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৬)
‌‌9 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَاضِي بِمَرْوَ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي عَامِرُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَعَافِرِيِّ الْحُبُلِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ اللَّهَ يَسْتَخْلِصُ رَجُلًا مِنْ أُمَّتِي عَلَى رُءُوسِ الْخَلَائِقِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيَنْشُرُ عَلَيْهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ سِجِلًّا، كُلُّ سِجِلٍّ مِثْلُ هَذَا، ثُمَّ يَقُولُ: أَتُنْكِرُ مِنْ هَذَا شَيْئًا؟ أَظَلَمَكَ كَتَبَتِي الْحَافِظُونَ؟ فَيَقُولُ: لَا يَا رَبِّ، فَيَقُولُ: أَفَلَكَ عُذْرٌ؟ فَيَقُولُ: لَا يَا رَبِّ، فَيَقُولُ: بَلَى، إِنَّ لَكَ عِنْدَنَا حَسَنَةً، وَإِنَّهُ لَا ظُلْمَ عَلَيْكَ الْيَوْمَ، فَيُخْرِجُ بِطَاقَةً فِيهَا أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، فَيَقُولُ: يَا رَبِّ، مَا هَذِهِ الْبِطَاقَةُ مَعَ هَذِهِ السِّجِلَّاتِ؟ فَقَالَ: إِنَّكَ لَا تُظْلَمُ، قَالَ: فَتُوضَعُ السِّجِلَّاتُ فِي كِفَّةٍ، وَالْبِطَاقَةُ فِي كِفَّةٍ فَطَاشَتِ السِّجِلَّاتُ وَثَقُلَتِ الْبِطَاقَةُ، وَلَا يَثْقُلُ مَعَ اسْمِ اللَّهِ شَيْءٌ «.» هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ لَمْ يُخَرَّجْ فِي الصَّحِيحَيْنِ، وَهُوَ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ مُسْلِمٍ فَقَدِ احْتَجَّ بِأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، وَعَامِرِ بْنِ يَحْيَى مِصْرِيٍّ ثِقَةٍ، وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ ، إِمَامٌ، وَيُونُسُ الْمُؤَدِّبُ: ثِقَةٌ، مُتَّفَقٌّ عَلَى إِخْرَاجِهِ فِي الصَّحِيحَيْنِ "

9 - هذا على شرط مسلم
৯ - মার্ভের বিচারক আবদুল্লাহ ইবনুল হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হারিস ইবনু আবি উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনু মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস ইবনু সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমির ইবনু ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-মাআফিরি আল-হুবুলি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ কিয়ামতের দিন সমগ্র সৃষ্টির সামনে আমার উম্মতের এক ব্যক্তিকে পৃথক করবেন। এরপর তার সামনে নিরানব্বইটি দফতর (আমলনামা) মেলে ধরবেন, যার প্রতিটি দফতর দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। অতঃপর তিনি বলবেন: তুমি কি এর মধ্য থেকে কোনো কিছু অস্বীকার করো? আমার সংরক্ষণকারী লেখক ফেরেশতারা কি তোমার ওপর কোনো জুলুম করেছে? সে বলবে: না, হে আমার রব! তিনি বলবেন: তোমার কি কোনো ওজর আছে? সে বলবে: না, হে আমার রব! তখন আল্লাহ বলবেন: অবশ্যই, আমাদের নিকট তোমার একটি নেকি রয়েছে, আর আজ তোমার ওপর কোনো জুলুম করা হবে না। তখন একটি কার্ড (বীতাকাহ) বের করা হবে যাতে রয়েছে 'আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল'। তখন সে বলবে: হে আমার রব! এই বিশাল দফতরগুলোর বিপরীতে এই সামান্য কার্ডের কী গুরুত্ব আছে? তিনি বলবেন: তোমার ওপর কোনো জুলুম করা হবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: অতঃপর দফতরগুলো এক পাল্লায় রাখা হবে এবং কার্ডটি অন্য পাল্লায় রাখা হবে; ফলে দফতরগুলো হালকা হয়ে যাবে এবং কার্ডটি ভারী হয়ে যাবে। আর আল্লাহর নামের চেয়ে ভারী কোনো কিছু হতে পারে না।" এটি একটি সহিহ হাদিস যা বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত হয়নি, তবে এটি মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহিহ। কারণ তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস থেকে আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলির বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করেছেন; এবং আমির ইবনু ইয়াহইয়া একজন নির্ভরযোগ্য মিসরি রাবি; লাইস ইবনু সাদ একজন ইমাম; এবং ইউনুস আল-মুয়াদ্দিব একজন নির্ভরযোগ্য রাবি, যার হাদিস বুখারি ও মুসলিমে গ্রহণের ব্যাপারে ঐকমত্য রয়েছে।

৯ - এটি মুসলিমের শর্তানুযায়ী
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৭)
‌‌10 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ قَاسِمُ بْنُ الْقَاسِمِ السَّيَّارِيُّ بِمَرْوَ، ثنا أَبُو الْمُوَجَّهِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَمَّارٍ، ثنا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «افْتَرَقَتِ الْيَهُودُ عَلَى إِحْدَى وَسَبْعِينَ فِرْقَةً أَوِ اثْنَتَيْنِ وَسَبْعِينَ فِرْقَةً، وَالنَّصَارَى مِثْلُ ذَلِكَ، وَتَفْتَرِقُ أُمَّتِي عَلَى ثَلَاثٍ وَسَبْعِينَ فِرْقَةً» هَذَا حَدِيثٌ كَثُرَ فِي الْأُصُولِ «وَقَدْ رُوِيَ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، وَعَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِثْلُهُ.» وَقَدِ احْتَجَّ مُسْلِمٌ بِمُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَاتَّفَقَا جَمِيعًا عَلَى الِاحْتِجَاجِ بِالْفَضْلِ بْنِ مُوسَى وَهُوَ ثِقَةٌ "

10 - ما احتج مسلم بمحمد بن عمرو منفردا بل بانضمامه إلى غيره
১০ - মার্ভে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস কাসিম বিন আল-কাসিম আস-সাইয়ারী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-মুওয়াজ্জিহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আম্মার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ফাদল বিন মুসা, মুহাম্মদ বিন আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ইয়াহূদীরা একাত্তর অথবা বাহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে, এবং নাসারারাও (খ্রিস্টানরা) তদ্রূপ, আর আমার উম্মত তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে» এটি এমন একটি হাদীস যা মূল উৎসগ্রন্থগুলোতে প্রচুর পরিমাণে বর্ণিত হয়েছে। «এবং সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, আব্দুল্লাহ বিন আমর ও আউফ বিন মালিক (রা.) থেকেও আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে» ইমাম মুসলিম আবু সালামাহর সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত মুহাম্মদ বিন আমরের হাদীসটি দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং তাঁরা (ইমাম বুখারী ও মুসলিম) উভয়ই ফাদল বিন মুসার বর্ণনার দ্বারা দলিল গ্রহণের ব্যাপারে একমত হয়েছেন, আর তিনি নির্ভরযোগ্য।

১০ - ইমাম মুসলিম এককভাবে মুহাম্মদ বিন আমরের বর্ণনার দ্বারা দলিল গ্রহণ করেননি, বরং অন্যদের সাথে তার সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে করেছেন
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৮)
‌‌11 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ الْقَاسِمُ بْنُ الْقَاسِمِ السَّيَّارِيُّ بِمَرْوَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هِلَالٍ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، ثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ وَاقِدٍ، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ هَانِئٍ، حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ شَاذَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْعَهْدُ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمُ الصَّلَاةُ، فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ» . «هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ لَا تُعْرَفُ لَهُ عِلَّةٌ بِوَجْهٍ مِنَ الْوُجُوهِ، فَقَدِ احْتَجَّا جَمِيعًا بِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، وَاحْتَجَّ مُسْلِمٌ بِالْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ وَلَمْ يُخْرِجَاهُ بِهَذَا اللَّفْظِ، وَلِهَذَا الْحَدِيثِ شَاهِدٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِهِمَا جَمِيعًا»

11 - صحيح ولا تعرف له علة
‌১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আল-কাসিম ইবনুল কাসিম আস-সাইয়ারী মার্ভে, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনু হিলাল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল হাসান ইবনু শাকীক, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনু ওয়াকিদ। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ ইবনু হানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ মুহাম্মাদ ইবনু শাযান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আম্মার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল ইবনু মুসা, তিনি হুসাইন ইবনু ওয়াকিদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমাদের এবং তাদের মধ্যে যে অঙ্গীকার রয়েছে তা হলো সালাত। সুতরাং যে ব্যক্তি তা ত্যাগ করল, সে কুফরী করল।» «এই হাদীসটির সনদ সহীহ, কোনো দিক থেকেই এর কোনো ত্রুটি (ইল্লাত) জানা নেই। তাঁরা (বুখারী ও মুসলিম) উভয়েই আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত রাবীদের দ্বারা দলিল গ্রহণ করেছেন এবং মুসলিম হুসাইন ইবনু ওয়াকিদ থেকে দলিল গ্রহণ করেছেন, যদিও তাঁরা এই শব্দে এটি বর্ণনা করেননি। এই হাদীসটির স্বপক্ষে তাঁদের উভয়ের শর্তানুসারে একটি সহীহ সমর্থক বর্ণনা (শাহিদ) বিদ্যমান»

১১ - সহীহ এবং এর কোনো ত্রুটি জানা নেই
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৮)
‌‌12 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَهْلٍ الْفَقِيهُ بِبُخَارَى، حَدَّثَنَا قَيْسُ بْنُ أُنَيْفٍ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «كَانَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَا يَرَوْنَ شَيْئًا مِنَ الْأَعْمَالِ تَرْكُهُ كُفْرًا غَيْرَ الصَّلَاةِ»

12 - لم يتكلم عليه وإسناده صالح
১২ - বুখারায় আহমাদ বিন সাহল আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কাইস বিন উনাইফ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, কুতায়বাহ বিন সাঈদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, বিশর বিন আল-মুফাদদাল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-জুরাইরি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন শাকিক থেকে এবং তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ সালাত ব্যতীত অন্য কোনো আমল ত্যাগ করাকে কুফরি মনে করতেন না।"

১২ - তিনি এর ওপর কোনো মন্তব্য করেননি এবং এর সানাদ গ্রহণযোগ্য।
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৮)
‌‌13 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّغَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَصَابَ حَدًّا فَعَجَّلَ اللَّهً لَهُ عُقُوبَتَهُ فِي الدُّنْيَا فَاللَّهُ أَعْدَلُ مِنْ أَنْ يُثَنِّي عَلَى عَبْدِهِ الْعُقُوبَةَ فِي الْآخِرَةِ، وَمَنْ أَصَابَ حَدًّا فَسَتَرَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَفَا عَنْهُ فَاللَّهُ أَكْرَمُ مِنْ أَنْ يَعُودَ فِي شَيْءٍ قَدْ عَفَا عَنْهُ» . «هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ وَلَمْ يُخْرِجَاهُ، وَقَدِ احْتَجَّا جَمِيعًا بِأَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، وَاتَّفَقَا عَلَى أَبِي إِسْحَاقَ، وَاحْتَجَّا جَمِيعًا بِالْحَجَّاجِ بْنِ مُحَمَّدٍ، وَاحْتَجَّ مُسْلِمٌ بِيُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ»

13 - صحيح الإسناد
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু জুহাইফা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো দণ্ডযোগ্য অপরাধ করল এবং আল্লাহ দুনিয়াতেই তাকে এর শাস্তি দিয়ে দিলেন, তবে আল্লাহ এর চেয়েও অধিক ন্যায়পরায়ণ যে তিনি পরকালে তাঁর বান্দাকে দ্বিতীয়বার শাস্তি দেবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো দণ্ডযোগ্য অপরাধ করল এবং আল্লাহ তা গোপন রাখলেন ও তাকে ক্ষমা করে দিলেন, তবে আল্লাহ এর চেয়েও অধিক মহানুভব যে তিনি এমন বিষয়ে পুনরায় ফিরে আসবেন যা তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন।»। «এই হাদিসটির সনদ সহিহ, তবে তাঁরা (বুখারি ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেননি। তাঁরা উভয়েই আলী (রা.)-এর সূত্রে আবু জুহাইফার বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করেছেন এবং আবু ইসহাকের ব্যাপারে উভয়েই একমত পোষণ করেছেন। তাঁরা উভয়েই হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদের বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করেছেন এবং মুসলিম ইউনুস ইবনে আবি ইসহাককে দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন।»

১৩ - সনদ সহিহ
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৯)
‌‌14 - أَخْبَرَنِي أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْهَرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِيَاسُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَنَّهُ كَانَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ جَاءَهُ رَجُلٌ بِفَرَسٍ لَهُ يَقُودُهَا عَقُوقٍ وَمَعَهَا مُهْرَةٌ لَهَا يَتْبَعُهَا، فَقَالَ: مَنْ أَنْتَ؟ فَقَالَ: «أَنَا نَبِيٌّ» ، قَالَ: مَا نَبِيٌّ؟ قَالَ: «رَسُولُ اللَّهِ» ، قَالَ: مَتَى تَقُومُ السَّاعَةُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «غَيْبٌ وَلَا يَعْلَمُ الْغَيْبَ إِلَّا اللَّهُ» قَالَ: أَرِنِي سَيْفَكَ، فَأَعْطَاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم سَيْفَهُ، فَهَزَّهُ الرَّجُلُ ثُمَّ رَدَّهُ عَلَيْهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَمَا إِنَّكَ لَمْ تَكُنْ تَسْتَطِيعُ الَّذِي أَرَدْتَ» قَالَ: وَقَدْ كَانَ. . . قَالَ: اذْهَبْ إِلَيْهِ فَسَلْهُ عَنْ هَذِهِ الْخِصَالِ «هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ وَلَمْ يُخَرِّجَاهُ، وَقَدِ اتَّفَقَا جَمِيعًا عَلَى الْحُجَّةِ بإيَاسِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، وَاحْتَجَّ مُسْلِمٌ بِهَذَا الْإِسْنَادِ بِعَيْنِهِ فَحَدَّثَ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ بِغَيْرِ حَدِيثٍ»

14 - على شرط مسلم
১৪ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ আল-জাওহারী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবন ইউসুফ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আন-নাদর ইবন মুহাম্মাদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইকরিমাহ ইবন আম্মার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াস ইবন সালামাহ, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন যখন একজন লোক তার কাছে একটি অবাধ্য ঘোড়া টেনে নিয়ে আসছিল এবং তার সাথে একটি শাবক ছিল যা তাকে অনুসরণ করছিল। তখন সে বলল: আপনি কে? তিনি বললেন: "আমি একজন নবী।" সে বলল: নবী কী? তিনি বললেন: "আল্লাহর রাসূল।" সে বলল: কিয়ামত কখন সংঘটিত হবে? তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "এটি গায়েব (অদৃশ্য), আর আল্লাহ ছাড়া কেউ গায়েব জানেন না।" সে বলল: আপনার তলোয়ারটি আমাকে দেখান। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তাঁর তলোয়ারটি দিলেন। লোকটি সেটি নেড়েচেড়ে আবার তাঁকে ফেরত দিল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "জেনে রেখো, তুমি যা ইচ্ছা করেছিলে তা করার সামর্থ্য তোমার ছিল না।" বর্ণনাকারী বলেন: আর এমনটিই হয়েছিল... তিনি বললেন: তার কাছে যাও এবং তাকে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো। "এটি একটি সহীহ হাদীস যা তাঁরা (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণনা করেননি। তবে তাঁরা উভয়েই ইয়াস ইবন সালামাহ কর্তৃক তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত হাদীসকে দলীল হিসেবে গ্রহণের ক্ষেত্রে একমত হয়েছেন। আর ইমাম মুসলিম এই একই সনদে আহমাদ ইবন ইউসুফ থেকে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন।"

১৪ - মুসলিমের শর্তানুযায়ী
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৯)
‌‌15 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الصَّفَّارُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مِهْرَانَ الْأَصْبَهَانِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَوْفُ بْنُ أَبِي جَمِيلَةَ، وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَاضِي بِمَرْوَ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا عَوْفٌ، عَنْ خِلَاسٍ، وَمُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَتَى عَرَّافًا أَوْ كَاهِنًا فَصَدَّقَهُ فِيمَا يَقُولُ، فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم» . «هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِهِمَا جَمِيعًا مِنْ حَدِيثِ ابْنِ سِيرِينَ، وَلَمْ يُخَرِّجَاهُ، وَحَدَّثَ الْبُخَارِيُّ، عَنْ إِسْحَاقَ، عَنْ رَوْحٍ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ خِلَاسٍ، وَمُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قِصَّةَ مُوسَى أَنَّهُ آدَرُ»

15 - على شرطهما
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-সাফফার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মিহরান আল-আসফাহানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওফ বিন আবু জামিলা। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন আল-কাদি (যিনি মার্ভে ছিলেন), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস বিন আবু উসামাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওহ বিন উবাদাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওফ, খিলাস ও মুহাম্মদ থেকে, তারা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো গণক বা জ্যোতিষীর কাছে আসল এবং সে যা বলল তা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তা অস্বীকার করল (কুফরি করল)»। «এটি ইবনে সীরীনের হাদীস থেকে তাদের উভয়ের (বুখারী ও মুসলিম) শর্ত অনুযায়ী একটি সহীহ হাদীস, তবে তারা এটি বর্ণনা করেননি। আর ইমাম বুখারী ইসহাক, রাওহ, আওফ, খিলাস ও মুহাম্মদ এর সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর সেই কাহিনীটি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ত্রুটিমুক্ত (আদার) ছিলেন»।

১৫ - তাদের উভয়ের শর্তানুযায়ী
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫০)
‌‌16 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الْحَافِظُ إِمْلَاءً، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السَّعْدِيُّ، ثنا قُرَيْشُ بْنُ أَنَسٍ، ثنا حَبِيبُ بْنُ الشَّهِيدِ، وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَطِيعِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ، ثنا حُمَيْدُ بْنُ هِلَالٍ، ثنا هِصَّانُ بْنُ كَاهِلٍ، وَفِي حَدِيثِ ابْنِ أَبِي عَدِيٍّ كَاهِنٌ قَالَ: جَلَسْتُ مَجْلِسًا فِيهِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَمُرَةَ وَلَا أَعْرِفُهُ، فَقَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «مَا عَلَى الْأَرْضِ نَفْسٌ تَمُوتُ لَا تُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا تَشْهَدُ أَنِّي رَسُولُ اللَّهِ، يَرْجِعُ ذَلِكَ إِلَى قَلْبٍ مُوقِنٍ إِلَّا غَفَرَ اللَّهُ لَهَا» . قَالَ: فَقُلْتُ: أَأَنْتَ سَمِعْتَ مِنْ مُعَاذٍ، فَعَنَّفَنِي الْقَوْمُ، فَقَالَ: دَعُوهُ فَإِنَّهُ لَمْ يُسِيءِ الْقَوْلَ، نَعَمْ، أَنَا سَمِعْتُهُ مِنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، وَزَعَمَ مُعَاذٌ أَنَّهُ سَمِعَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم. " هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ وَقَدْ تَدَاوَلَهُ الثِّقَاتُ، وَلَمْ يُخَرِّجَاهُ جَمِيعًا بِهَذَا اللَّفْظِ، وَالَّذِي عِنْدِي - وَاللَّهُ أَعْلَمُ - أَنَّهُمَا أَهْمَلَاهُ لِهِصَّانِ بْنِ كَاهِلٍ، وَيُقَالُ: ابْنُ كَاهِنٍ، فَإِنَّ الْمَعْرُوفَ بِالرِّوَايَةِ عَنْهُ حُمَيْدُ بْنُ هِلَالٍ الْعَدَوِيُّ فَقَطْ «. وَقَدْ ذَكَرَ ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ، أَنَّهُ رَوَى عَنْهُ قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ أَيْضًا،» وَقَدْ أَخْرَجَا جَمِيعًا عَنْ جَمَاعَةٍ مِنَ الثِّقَاتِ لَا رَاوِيَ لَهُمْ إِلَّا وَاحِدٌ، فَيَلْزَمُهُمَا بِذَلِكَ إِخْرَاجُ مِثْلِهِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ "

16 - هصان وثقه ابن حبان
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-হাফিজ মৌখিকভাবে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আবদুল্লাহ আস-সা’দি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুরাইশ ইবনে আনাস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবিব ইবনে আশ-শহীদ। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে জাফর আল-কাতিয়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি আদি, হাবিব ইবনে আশ-শহীদ থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমায়দ ইবনে হিলাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিসসান ইবনে কাহিল—আর ইবনে আবি আদির বর্ণনায় 'কাহিন' শব্দ রয়েছে—তিনি বলেন: আমি একটি মজলিসে বসেছিলাম যেখানে আবদুর রহমান ইবনে সামুরা উপস্থিত ছিলেন, তবে আমি তাঁকে চিনতাম না। তিনি বললেন: আমাদের নিকট মুয়াজ ইবনে জাবাল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «পৃথিবীর বুকে এমন কোনো ব্যক্তি নেই যে আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরিক না করে এবং আমি আল্লাহর রাসূল—এই সাক্ষ্য দিয়ে মৃত্যুবরণ করে, আর তার অন্তর যদি এ বিষয়ে সুনিশ্চিত থাকে, তবে আল্লাহ অবশ্যই তাকে ক্ষমা করে দেবেন»। তিনি (হিসসান) বললেন: তখন আমি বললাম, ‘আপনি কি এটি মুয়াজ থেকে শুনেছেন?’ তখন উপস্থিত লোকেরা আমার প্রতি কঠোরতা প্রদর্শন করল। তিনি (আবদুর রহমান ইবনে সামুরা) বললেন: «ওকে ছেড়ে দাও, কারণ সে কোনো মন্দ কথা বলেনি। হ্যাঁ, আমি এটি মুয়াজ ইবনে জাবাল থেকে শুনেছি, আর মুয়াজ বর্ণনা করেছেন যে তিনি এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছেন»। "এই হাদিসটি সহিহ এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীগণ এটি আদান-প্রদান করেছেন, তবে তাঁরা উভয়ে (বুখারি ও মুসলিম) এই শব্দে এটি উদ্ধৃত করেননি। আমার মতে—আল্লাহই ভালো জানেন—তাঁরা এটি হিসসান ইবনে কাহিল (যাকে ইবনে কাহিনও বলা হয়) এর কারণে বর্জন করেছেন, কারণ তাঁর থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে কেবল হুমায়দ ইবনে হিলাল আল-আদাউয়িই সুপরিচিত"। তবে ইবনে আবি হাতিম উল্লেখ করেছেন যে, কুররাহ ইবনে খালিদও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, "আর তাঁরা উভয়েই এমন একদল নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী থেকে হাদিস গ্রহণ করেছেন যাঁদের কেবল একজন রাবি বা ছাত্র রয়েছে, ফলে তাঁদের নীতি অনুযায়ী এই ধরনের হাদিস গ্রহণ করা আবশ্যক হয়। আর আল্লাহই ভালো জানেন"

১৬ - হিসসান, ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫১)
‌‌17 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي دَاوُدَ الْمُنَادِي، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا أَبُو غَسَّانَ مُحَمَّدُ بْنُ مُطَرِّفٍ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْحَيَاءُ وَالْعِيُّ شُعْبَتَانِ مِنَ الْإِيمَانِ، وَالْبَذَاءُ وَالْبَيَانُ شُعْبَتَانِ مِنَ النِّفَاقِ» . «هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ الشَّيْخَيْنِ، وَلَمْ يُخَرِّجَاهُ، وَقَدِ احْتَجَّا بِرُوَاتِهِ عَنْ آخِرهِمْ»

17 - هذا حديث صحيح على شرط الشيخين
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবন ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবন উবাইদুল্লাহ ইবন আবি দাউদ আল-মুনাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবন হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গাসসান মুহাম্মাদ ইবন মুতাররিফ, হাসসান ইবন আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু উমামাহ আল-বাহিলি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "লজ্জা ও অল্প কথা বলা ঈমানের দুটি শাখা, আর অশ্লীল ভাষা ও বাচালতা মুনাফিকির দুটি শাখা।" "এই হাদীসটি শাইখাইনের (বুখারী ও মুসলিম) শর্তানুসারে সহীহ, কিন্তু তাঁরা এটি সংকলন করেননি; তবে তাঁরা এর সকল বর্ণনাকারীর দ্বারা দলিল গ্রহণ করেছেন।"

১৭ - এই হাদীসটি শাইখাইনের শর্তানুসারে সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫১)
‌‌18 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَطِيعِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَهُوَ ابْنُ مَهْدِيٍّ، ثنا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أُمَامَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْبَذَاذَةُ مِنَ الْإِيمَانِ، الْبَذَاذَةُ مِنَ الْإِيمَانِ» . «قَدِ احْتَجَّ مُسْلِمٌ بِصَالِحِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ»

18 - احتج مسلم بصالح
১৮ - আহমদ ইবনে জাফর আল-কাতিয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল, তিনি বলেন আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান —আর তিনি হলেন ইবনে মাহদী— তিনি জুহাইর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি সলিহ ইবনে আবি সলিহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি উমামাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «সাদাসিধে জীবনযাপন ঈমানের অঙ্গ, সাদাসিধে জীবনযাপন ঈমানের অঙ্গ»। «ইমাম মুসলিম সলিহ ইবনে আবি সলিহ আস-সাম্মানের মাধ্যমে দলিল পেশ করেছেন»

১৮ - ইমাম মুসলিম সলিহ-এর মাধ্যমে দলিল পেশ করেছেন
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫২)
‌‌19 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّغَانِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي يَحْيَى سُلَيْمِ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ يَوْمَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ: «اعْبُدُوا رَبُّكُمْ، وَصَلُّوا خَمْسَكُمْ، وَصُومُوا شَهْرِكُمْ، وَأَدُّوا زَكَاةَ أَمْوَالِكُمْ، وَأَطِيعُوا ذَا أَمْرِكُمْ تَدْخُلُوا جَنَّةَ رَبِّكُمْ» . «هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ مُسْلِمٍ وَلَا نَعْرِفُ لَهُ عِلَّةً وَلَمْ يُخَرِّجَاهُ، وَقَدِ احْتَجَّ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ بِأَحَادِيثِ سُلَيْمِ بْنِ عَامِرٍ وَسَائِرُ رُوَاتِهِ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِمْ»

19 - على شرط مسلم ولا نعرف له علة
১৯ - আমাদের নিকট আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আবি মারিয়াম হাদীস বর্ণনা করেছেন মুআবিয়াহ ইবনে সালিহ থেকে, তিনি আবু ইয়াহইয়া সুলায়ম ইবনে আমির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু উমামাহ আল-বাহিলি-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বিদায় হজের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: «তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করো, তোমাদের পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করো, তোমাদের (রমজান) মাসের সিয়াম পালন করো, তোমাদের সম্পদের জাকাত প্রদান করো এবং তোমাদের আদেশদাতাদের (নেতৃবর্গের) আনুগত্য করো, তবেই তোমরা তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করবে»। «এই হাদীসটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ এবং আমরা এর কোনো ত্রুটি জানি না, তবে তারা (বুখারী ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেননি। ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম সুলায়ম ইবনে আমিরের হাদীসসমূহ দ্বারা দলিল পেশ করেছেন এবং এর অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ সর্বসম্মত»

১৯ - ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী এবং আমরা এর কোনো ত্রুটি জানি না
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫২)
‌‌20 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَسَنِ الْأَسَدِيُّ بِهَمْدَانَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحُسَيْنِ، حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَطِيعِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلَمَةَ، يُحَدِّثُ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ الْمُرَادِيُّ، قَالَ: قَالَ يَهُودِيٌّ لِصَاحِبِهِ: اذْهَبْ بِنَا إِلَى هَذَا النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَسْأَلَهُ عَنْ هَذِهِ الْآيَةِ {وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى تِسْعَ آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ} [الإسراء: 101] فَقَالَ: لَا تَقُولُوا لَهُ نَبِيٌّ، فَإِنَّهُ لَوْ سَمِعَكَ لَصَارَتْ لَهُ أَرْبَعَةُ أَعْيُنٍ، قَالَ: فَسَأَلَاهُ، فَقَالَ: «لَا تُشْرِكُوا بِاللَّهِ شَيْئًا، وَلَا تَسْرِقُوا، وَلَا تَزْنُوا، وَلَا تَقْتُلُوا النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ، وَلَا تَسْحَرُوا، وَلَا تَأْكُلُوا الرِّبَا، وَلَا تَمْشُوا بِبَرِيءٍ إِلَى ذِي سُلْطَانٍ لِيَقْتُلَهُ، وَلَا تَقْذِفُوا مُحْصَنَةً، وَأَنْتُمْ يَا يَهُودُ عَلَيْكُمْ خَاصَّةً أَلَا تَعْدُوا فِي السَّبْتِ» فَقَبَّلَا يَدَهُ وَرِجْلَهُ، وَقَالَا: نَشْهَدُ أَنَّكَ نَبِيٌّ، فَقَالَ: «مَا مَنَعَكُمَا أَنْ تُسْلِمَا؟» قَالَا: إِنَّ دَاوُدَ عليه السلام دَعَا أَنْ لَا يَزَالَ مِنْ ذُرِّيَّتِهِ نَبِيٌّ، وَإِنَّا نَخْشَى أَنْ يَقْتُلَنَا يَهُودُ " هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ لَا نَعْرِفُ لَهُ عِلَّةً بِوَجْهٍ مِنَ الْوُجُوهِ، وَلَمْ يُخَرِّجَاهُ، وَلَا ذَكَرَ الصَّفْوَانُ بْنُ عَسَّالٍ حَدِيثًا وَاحِدًا سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ يَعْقُوبَ الْحَافِظَ، وَيَسْأَلَهُ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، فَقَالَ: لِمَ تَرَكَا حَدِيثَ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ أَصْلًا؟ فَقَالَ: لِفَسَادِ الطَّرِيقِ إِلَيْهِ ". قَالَ الْحَاكِمُ: " إِنَّمَا أَرَادَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بِهَذَا حَدِيثَ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ فَإِنَّهُمَا تَرَكَا عَاصِمَ بْنَ بَهْدَلَةَ، فَأَمَّا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ وَيُقَالُ: الْهَمْدَانِيُّ وَكُنْيَتُهُ أَبُو الْعَالِيَةِ، فَإِنَّهُ مِنْ كِبَارِ أَصْحَابِ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ «. وَقَدْ رَوَى عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَغَيْرِهِمَا مِنَ الصَّحَابَةِ،» وَقَدْ رَوَى عَنْهُ أَبُو الزُّبَيْرِ الْمَكِّيُّ وَجَمَاعَةٌ مِنَ التَّابِعِينَ "

20 - صحيح لا نعرف له علة
20 - আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম ইবনে মারজুক, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব ইবনে জারীর, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ। এবং আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুর রহমান ইবনে হাসান আল-আসাদী হামদানে, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম ইবনে হুসাইন, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আদম ইবনে আবি ইয়াস, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ। এবং আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে জা'ফর আল-কাতী'ঈ, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে জা'ফর, আমাদিগকে হাদীস বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহকে সাফওয়ান ইবনে আসসাল আল-মুরাদী থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: এক ইহুদী তার সঙ্গীকে বলল, চলো আমরা এই নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাছে যাই এবং তাঁকে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি: "নিশ্চয়ই আমি মুসাকে নয়টি স্পষ্ট নিদর্শন দান করেছি" [আল-ইসরা: ১০১]। তখন সে (সঙ্গী) বলল: তাঁকে নবী বলো না; কারণ যদি তিনি তোমার মুখ থেকে এটি শোনেন তবে তাঁর চারটি চোখ হয়ে যাবে (অর্থাৎ তিনি অত্যন্ত আনন্দিত হবেন)। বর্ণনাকারী বলেন: তারপর তারা উভয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: «তোমরা আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরীক করো না, চুরি করো না, যিনা করো না, আল্লাহ যে প্রাণকে হত্যা করা হারাম করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করো না, জাদু করো না, সুদ খেও না, কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে শাসকের কাছে নিয়ে যেও না, সতী সাধ্বী রমণীর প্রতি অপবাদ দিও না; আর হে ইহুদী সম্প্রদায়! বিশেষ করে তোমাদের জন্য নির্দেশ এই যে, তোমরা শনিবারের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করো না।» তখন তারা উভয়ে তাঁর হাত ও পা চুম্বন করলেন এবং বললেন: আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি অবশ্যই নবী। তখন তিনি বললেন: «কোন বিষয়টি তোমাদের ইসলাম গ্রহণে বাধা দিচ্ছে?» তারা বলল: দাউদ আলাইহিস সালাম দুআ করেছিলেন যেন তাঁর বংশধরের মধ্যে সর্বদা নবী অবশিষ্ট থাকে, আর আমরা আশঙ্কা করি যে (আমরা ইসলাম গ্রহণ করলে) ইহুদীরা আমাদের হত্যা করে ফেলবে। এটি একটি সহীহ হাদীস, কোনো দিক থেকেই এর কোনো দোষ আমাদের জানা নেই, তবে তাঁরা (বুখারী ও মুসলিম) এটি তাঁদের গ্রন্থে বের করেননি। আর সাফওয়ান ইবনে আসসাল থেকে বর্ণিত অন্য কোনো হাদীস নেই। আমি হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুবকে বলতে শুনেছি, যখন মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দুল্লাহ তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: কেন তাঁরা সাফওয়ান ইবনে আসসালের হাদীসটি মোটেও গ্রহণ করেননি? তিনি বললেন: তাঁর পর্যন্ত পৌঁছানোর সুত্রটি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার কারণে। ইমাম হাকিম বলেন: "আবু আব্দুল্লাহ এর দ্বারা আসিম থেকে যির-এর হাদীসটি উদ্দেশ্য করেছেন, কারণ তাঁরা আসিম ইবনে বাহদালাকে বর্জন করেছেন। আর আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ আল-মুরাদী (যাকে আল-হামদানীও বলা হয় এবং তাঁর উপনাম আবু আল-আলিয়া) সম্পর্কে বলা যায় যে, তিনি আলী এবং আব্দুল্লাহর বড় মাপের সাথীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ এবং অন্যান্য সাহাবীগণ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তাঁর থেকে আবুয যুবায়ের আল-মাক্কী এবং তাবিঈদের একটি দল বর্ণনা করেছেন।"

২০ - এটি সহীহ, এর কোনো দোষ আমাদের জানা নেই
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫৩)
‌‌21 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ الْخَوْلَانِيُّ، أَنْبَأَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ، أَنْبَأَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ زِيَادٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ، وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ، وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ» قَالُوا: وَمَا ذَاكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «جَارٌ لَا يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَائِقَهُ» قَالُوا: وَمَا بَوَائِقُهُ؟ قَالَ: «شَرُّهُ» . " هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ الشَّيْخَيْنِ وَلَمْ يُخَرِّجَاهُ هَكَذَا، إِنَّمَا أَخْرَجَا حَدِيثَ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مَنْ لَا يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَائِقَهُ»

21 - في الصحيحين نحوه للأعرج
২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবন ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর ইবন নাসর আল-খাওলানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন ওয়াহাব, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবন আবি যি'ব। আর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবন ইসহাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবন আলী ইবন যিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবন আবি উওয়াইস, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবন আবি যি'ব, তিনি সাঈদ ইবন আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহর কসম, সে মুমিন নয়; আল্লাহর কসম, সে মুমিন নয়; আল্লাহর কসম, সে মুমিন নয়।" তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসুল! সেটি কী? তিনি বললেন: "এমন প্রতিবেশী, যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ থাকে না।" তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: তার অনিষ্টসমূহ (বাওয়াইক) কী? তিনি বললেন: "তার মন্দ বা ক্ষতিকর কাজ।" এই হাদিসটি শাইখাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এর শর্তানুযায়ী সহিহ, তবে তাঁরা এটি এভাবে বর্ণনা করেননি। তাঁরা কেবল আবুয যিনাদ-এর সূত্রে আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "সেই ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ থাকে না।"

২১ - সহিহাইনে আল-আ'রাজ-এর সূত্রে এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫৪)
‌‌22 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ سَلْمَانَ الْفَقِيهَانِ قَالَا: ثنا عُبَيْدُ بْنُ شَرِيكٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، ثنا اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ، وَالْمُؤْمِنُ مَنْ أَمِنَهُ النَّاسُ عَلَى دِمَائِهِمْ وَأَمْوَالِهِمْ» قَدِ اتَّفَقَا عَلَى إِخْرَاجِ طَرَفِ حَدِيثِ «الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ» وَلَمْ يُخَرِّجَا هَذِهِ الزِّيَادَةَ وَهِيَ صَحِيحَةٌ عَلَى شَرْطِ مُسْلِمٍ، وَفِي هَذَا الْحَدِيثِ زِيَادَةٌ أُخْرَى عَلَى شَرْطِهِ مِمَّا لَمْ يُخَرِّجَاهَا "

22 - لم يخرج مسلم نصفه الثاني
২২ - আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবূ বকর বিন ইসহাক এবং আবূ বকর বিন সালমান আল-ফকীহদ্বয়, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উবাইদ বিন শারীক, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন বুকাইর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-লাইস, তিনি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে, তিনি আল-কাক্কা বিন হাকীম থেকে, তিনি আবূ সালিহ থেকে, তিনি আবূ হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মুসলিম সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্যান্য মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে; আর মুমিন সেই ব্যক্তি, যার কাছে মানুষ তাদের জীবন ও সম্পদের বিষয়ে নিরাপদ বোধ করে»। তাঁরা উভয়ে (ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম) হাদীসের এই অংশটি বর্ণনা করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে: «মুসলিম সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্যান্য মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে»; কিন্তু তাঁরা এই অতিরিক্ত অংশটি বর্ণনা করেননি, অথচ এটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুসারে সহীহ। আর এই হাদীসটিতে তাঁর (মুসলিমের) শর্তানুসারে আরও একটি অতিরিক্ত অংশ রয়েছে যা তাঁরা বর্ণনা করেননি।

২২ - মুসলিম এর দ্বিতীয় অর্ধাংশ বর্ণনা করেননি
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫৪)
‌‌23 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ الْقَزَّازُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، سَمِعَ جَابِرًا يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَكْمَلُ الْمُؤْمِنِينَ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ» . «وَزِيَادَةٌ أُخْرَى صَحِيحَةٌ عَلَى شَرْطِهِمَا وَلَمْ يُخَرِّجَاهَا»

23 - لم يخرجا أكمل المؤمنين
২৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে সিনান আল-কাযযায, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে জুরায়জ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু যুবায়ের, তিনি জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মুমিনদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বাধিক পূর্ণাঙ্গ, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলমানগণ নিরাপদ থাকে»। «এটি তাঁদের (ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম) শর্তানুযায়ী অপর একটি সহিহ অতিরিক্ত অংশ, যা তাঁরা বর্ণনা করেননি»।

২৩ - তাঁরা 'মুমিনদের মধ্যে সর্বাধিক পূর্ণাঙ্গ' অংশটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫৪)
‌‌24 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحُسَيْنِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَا: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي أَبُو هَانِئٍ الْخَوْلَانِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَالِكٍ اللَّيْثِيِّ، عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ: «أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِالْمُؤْمِنِ؟ مَنْ أَمِنَهُ النَّاسُ عَلَى أَنْفُسِهِمْ وَأَمْوَالِهِمْ، وَالْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ، وَالْمُجَاهِدُ مَنْ جَاهَدَ نَفْسَهُ فِي طَاعَةٍ، وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ الْخَطَايَا وَالذُّنُوبَ» وَزِيَادَةٌ أُخْرَى عَلَى شَرْطِ مُسْلِمٍ، وَلَمْ يُخَرِّجَاهَا "

24 - سكت عنه الذهبي في التلخيص
২৪ - আব্দুর রহমান ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমদ আল-কাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে আল-হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম এবং আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হানি আল-খাওলানি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে মালিক আল-লাইসি থেকে বর্ণিত, ফাদালাহ ইবনে উবাইদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিদায় হজ্জের সময় বলেছেন: «আমি কি তোমাদের মুমিন সম্পর্কে সংবাদ দেব না? মুমিন সে-ই, যার নিকট মানুষ তাদের জান ও মালের ব্যাপারে নিরাপদ থাকে। আর মুসলিম সে-ই, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে। মুজাহিদ সে-ই, যে আল্লাহর আনুগত্যের পথে নিজের নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ করে। আর মুহাজির সে-ই, যে ভুলত্রুটি ও গুনাহসমূহ বর্জন করে।» এটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী একটি অতিরিক্ত বর্ণনা, যা তাঁরা (বুখারি ও মুসলিম) বর্ণনা করেননি।

২৪ - আত-তালখিস গ্রন্থে আয-যাহাবি এ ব্যাপারে নীরব থেকেছেন
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫৫)
‌‌25 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّغَانِيُّ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى الْأَشْيَبُ، ثنا حَمَّادٌ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، وَحُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمُؤْمِنُ مَنْ أَمِنَهُ النَّاسُ، وَالْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ، وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ السُّوءَ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَبْدٌ لَا يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَائِقَهُ» . «وَزِيَادَةٌ أُخْرَى صَحِيحَةٌ سَلِيمَةٌ مِنْ رِوَايَةِ الْمَجْرُوحِينَ فِي مَتْنِ هَذَا الْحَدِيثِ وَلَمْ يُخَرِّجَاهَا»

25 - سكت عنه الذهبي في التلخيص
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-সাগানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে মুসা আল-আশয়াব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি ইউনুস ইবনে উবাইদ ও হুমাইদ থেকে, তাঁরা আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মুমিন সেই ব্যক্তি যার থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে, আর মুসলিম সেই ব্যক্তি যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে, এবং মুহাজির সেই ব্যক্তি যে মন্দ বিষয় পরিত্যাগ করে। আর যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ, সেই বান্দা জান্নাতে প্রবেশ করবে না যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ থাকে না।» «এই হাদিসের মূল পাঠে আরও একটি সহীহ ও ত্রুটিমুক্ত সংযোজন রয়েছে যা দুর্বল বর্ণনাকারীদের বর্ণনা থেকে মুক্ত, তবে তাঁরা (বুখারী ও মুসলিম) তা বর্ণনা করেননি।»

২৫ - আত-তালখিসে ইমাম যাহাবী এ সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫৫)
‌‌26 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَمْشَاذَ الْعَدْلُ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقَاضِي، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، ثنا شُعْبَةُ، وَأَخْبَرَنِي أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْعَدْلُ، ثنا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، ثنا أَبِي، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ، وَأَثْنَى عَلَيْهِ خَيْرًا، عَنْ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «إِيَّاكُمْ وَالظُّلْمَ، فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَإِيَّاكُمْ وَالْفُحْشَ وَالتَّفَحُّشَ، وَإِيَّاكُمْ وَالشُّحَّ فَإِنَّمَا هَلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ بِالشُّحِّ، أَمَرَهُمْ بِالْقَطِيعَةِ فَقَطَعُوا، وَالْبُخْلِ فَبَخِلُوا، وَبِالْفُجُورِ فَفَجَرُوا» فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيُّ الْإِسْلَامِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: «أَنْ يَسْلَمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِكَ وَيَدِكَ» . فَقَالَ ذَلِكَ الرَّجُلُ أَوْ غَيْرُهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الْهِجْرَةِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: «أَنْ تَهْجُرَ مَا كَرِهَ رَبُّكَ» قَالَ: " وَالْهِجْرَةُ هِجْرَتَانِ: هِجْرَةُ الْحَاضِرِ، وَهِجْرَةُ الْبَادِي، فَهِجْرَةُ الْبَادِي: أَنْ يُجِيبَ إِذَا دُعِيَ، وَيُطِيعَ إِذَا أُمِرَ، وَهِجْرَةُ الْحَاضِرِ أَعْظَمُهُمَا بَلِيَّةً وَأَفْضَلُهُمَا أَجْرًا ". قَدْ خَرَّجَا جَمِيعًا حَدِيثَ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو مُخْتَصَرًا وَلَمْ يُخَرِّجَا هَذَا الْحَدِيثَ، وَقَدِ اتَّفَقَا عَلَى عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ النَّجْرَانِيِّ، فَأَمَّا أَبُو كَثِيرٍ زُهَيْرُ بْنُ الْأَقْمَرِ الزُّبَيْدِيُّ فَإِنَّهُ سَمِعَ عَلِيًّا وَعَبْدَ اللَّهِ فَمَنْ بَعْدَهُمَا مِنَ الصَّحَابَةِ، وَهَذَا الْحَدِيثُ بِعَيْنِهِ عِنْدَ الْأَعْمَشِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ ‌‌⦗ص: 56⦘.

 

‌‌27 - حَدَّثَنَاهُ عَلِيُّ بْنُ عِيسَى، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبَانَ، ثنا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنِ الْفُضَيْلِ بْنِ عِيَاضٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ الْأَقْمَرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اتَّقُوا الظُّلْمَ» فَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِطُولِهِ. «وَلِهَذِهِ الزِّيَادَاتِ الَّتِي ذَكَرْنَاهَا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو» شَاهِدٌ صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ مُسْلِمٍ مِنْ رِوَايَةِ أَبِي هُرَيْرَةَ

26 - اتفقا على عمرو عن عبد الله بن الحارث النجراني فأما أبو كثير زهير بن الأقمر الزبيدي فإنه سمع عليا وعبد الله ورواه الأعمش عن الأعمش عن عمرو
২৬ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন হামশায আল-আদল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল বিন ইসহাক আল-কাজী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন হারব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শু’বাহ। এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ বিন জাফর আল-আদল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন মুআয, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস হাদীস বর্ণনা করেছেন—এবং তিনি তাঁর উত্তম প্রশংসা করেছেন—আবু কাসীর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন, অতঃপর তিনি বললেন: «তোমরা জুলুম (অবিচার) থেকে বেঁচে থাকো, কেননা কিয়ামতের দিন জুলুম অন্ধকার হয়ে দেখা দেবে। তোমরা অশ্লীলতা ও কটু কথা থেকে বেঁচে থাকো। আর তোমরা লালসা ও কৃপণতা থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তোমাদের পূর্ববর্তীরা এই লালসা ও কৃপণতার কারণেই ধ্বংস হয়েছে; এটি তাদের আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিল ফলে তারা তা ছিন্ন করেছিল, কৃপণতার নির্দেশ দিয়েছিল ফলে তারা কৃপণতা করেছিল এবং পাপাচারের নির্দেশ দিয়েছিল ফলে তারা পাপাচার করেছিল»। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, ইসলামের কোন আমল সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন: «যাতে অন্য মুসলিমরা তোমার জিহ্বা ও হাত থেকে নিরাপদ থাকে»। তখন সেই ব্যক্তি অথবা অন্য কেউ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, কোন হিজরত সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন: «তোমার রব যা অপছন্দ করেন তা বর্জন করা»। তিনি আরও বললেন: "হিজরত দুই প্রকার: স্থায়ী বাসিন্দার হিজরত এবং মরুবাসীর হিজরত। মরুবাসীর হিজরত হলো: যখন তাকে ডাকা হবে তখন সাড়া দেওয়া এবং যখন তাকে আদেশ করা হবে তখন আনুগত্য করা। আর স্থায়ী বাসিন্দার হিজরত হলো এই দুইয়ের মধ্যে অধিকতর কষ্টসাধ্য এবং প্রতিদানের দিক থেকে সর্বোত্তম"। তাঁরা (বুখারী ও মুসলিম) উভয়েই শাবি-এর সূত্রে আব্দুল্লাহ বিন আমরের হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে উদ্ধৃত করেছেন, কিন্তু তাঁরা এই পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি উদ্ধৃত করেননি। তবে তাঁরা আমর বিন মুররাহ এবং আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস আন-নাজরানীর বর্ণনার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। আর আবু কাসীর যুহাইর বিন আল-আকমার আজ-যুবাইদী সম্পর্কে কথা হলো, তিনি আলী এবং আব্দুল্লাহ এবং তাঁদের পরবর্তী সাহাবীদের থেকে হাদীস শুনেছেন। আর এই হাদীসটি হুবহু আল-আ’মাশ এর নিকট আমর বিন মুররাহ থেকে বর্ণিত রয়েছে ‌⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘.

 

২৭ - আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আলী বিন ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আবান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন আলী, তিনি ফুযাইল বিন ইয়াদ থেকে, তিনি আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি যুহাইর বিন আল-আকমার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা জুলুম থেকে বেঁচে থাকো»—অতঃপর তিনি দীর্ঘ হাদীসটি উল্লেখ করেন। «আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত যে অতিরিক্ত অংশগুলো আমরা উল্লেখ করেছি», তার সমর্থনে ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত একটি সহীহ সাক্ষী (শাহিদ) হাদীস বিদ্যমান রয়েছে।

২৬ - তাঁরা (বুখারী ও মুসলিম) উভয়েই আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস আন-নাজরানী থেকে আমরের বর্ণনার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। আর আবু কাসীর যুহাইর বিন আল-আকমার আজ-যুবাইদী সম্পর্কে কথা হলো, তিনি আলী ও আব্দুল্লাহ থেকে হাদীস শুনেছেন এবং আ’মাশ এটি আমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন - তবাউল ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৫৬)
‌‌28 - أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْقَنْطَرِيُّ، ثنا أَبُو قِلَابَةَ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مِلْحَانَ، ثنا ابْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِيَّاكُمْ وَالْفُحْشَ وَالتَّفَحُّشَ، فَإِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْفَاحِشَ الْمُتَفَحِّشَ، وَإِيَّاكُمْ وَالظُّلْمَ فَإِنَّهُ هُوَ الظُّلُمَاتُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَإِيَّاكُمْ وَالشُّحَّ فَإِنَّهُ دَعَا مَنْ قَبْلَكُمْ فَسَفَكُوا دِمَاءَهُمْ، وَدَعَا مَنْ قَبْلَكُمْ فَقَطَعُوا أَرْحَامَهُمْ، وَدَعَا مَنْ قَبْلَكُمْ فَاسْتَحَلُّوا حُرُمَاتِهِمْ»

28 - رواه الليث والنبيل عنه
২৮ - আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-কান্তারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু কিলাবাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু আসিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আজলান থেকে; এবং আবু বকর বিন ইসহাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন - শব্দাবলী তাঁরই - তিনি বলেন: আহমাদ বিন ইবরাহীম বিন মিলহান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে বুকাইর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, লাইস আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবু সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা অশ্লীলতা ও কটু কথা থেকে বেঁচে থাকো, কারণ নিশ্চয়ই আল্লাহ অশ্লীল ও কটুভাষীকে পছন্দ করেন না। আর তোমরা জুলুম (অবিচার) থেকে বেঁচে থাকো, কেননা তা কিয়ামতের দিন ঘন অন্ধকার হয়ে দেখা দেবে। আর তোমরা কৃপণতা ও লালসা থেকে বেঁচে থাকো, কেননা তা তোমাদের পূর্ববর্তীদের প্ররোচিত করেছিল যার ফলে তারা রক্তপাত ঘটিয়েছিল, তা তাদের প্ররোচিত করেছিল ফলে তারা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করেছিল এবং তা তাদের প্ররোচিত করেছিল যার ফলে তারা নিষিদ্ধ বিষয়সমূহকে হালাল করে নিয়েছিল।"

২৮ - এটি লাইস এবং আন-নাবিল তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।