(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: -)
فوائد ابن شاهين   (ابن شاهين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الفوائد

المؤلف: أبو حفص عمر بن أحمد بن عثمان بن أحمد بن محمد بن أيوب بن أزداذ البغدادي المعروف بـ ابن شاهين (ت 385هـ)

تحقيق: بدر البدر

الناشر: دار ابن الأثير - الكويت (ضمن مجموع فيه من مصنفات ابن شاهين)

الطبعة: الأولى 1415 هـ - 1994 م

عدد الصفحات: 107

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ফাওয়ায়েদ ইবনু শাহীন   (ইবনু শাহীন)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-ফাওয়ায়েদ

লেখক: আবু হাফস ওমর বিন আহমদ বিন উসমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব বিন আজদাদ আল-বাগদাদি, যিনি ইবনু শাহীন নামে পরিচিত (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরী)

তাহকীক: বদর আল-বদর

প্রকাশক: দার ইবনুল আসির - কুয়েত (ইবনু শাহীনের রচনাবলির একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত)

সংস্করণ: প্রথম সংস্করণ ১৪১৫ হিজরী - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০৭

[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর ছাপানো কপির অনুরূপ]

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি (অনুলিখন) , এবং ইয়া বাগী আল-খায়ের আকবিল (পাণ্ডুলিপি যাচাই)

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৭৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

1- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زُهَيْرِ بْنِ الْفَضْلِ بِالأُبُلَّةِ حَدَّثَنَا بُكَيْرٌ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ حَفْصٍ الأُبُلِّيُّ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا غَضِبْتَ فَاسْكُتْ ".
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

১- উবুল্লাহ নামক স্থানে মুহাম্মদ ইবনে জুহাইর ইবনুল ফাদল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, বুকাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইসমাঈল ইবনে হাফস আল-উবুল্লি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু বকর ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট আবু হুসাইন থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যখন তুমি রাগান্বিত হও, তখন চুপ থাকো।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৭৪)
2- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ يعقوب الرواحني حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ أَبِي ثَوْرٍ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَيْرَةَ عَنْ الأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا بِالْبَطْحَاءِ عِصَابَةٌ فِيهِمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمَرَّتْ سَحَابَةٌ فَنَظَرَ إِلَيْهَا فَقَالَ: " أَتَدْرُونَ مَا اسْمُ هَذِهِ؟ " قُلْنَا: نَعَمْ هَذِهِ السَّحَابُ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " هَذَا الْمُزْنُ وَالْعَنَانُ أَتَدْرُونَ كَمْ بُعْدُ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ؟ " قُلْنَا: لا. قَالَ: " فَإِنَّ بُعْدَ مَا بَيْنَهُمَا إِمَّا وَاحِدَةٌ أَوِ اثنين وإما ثلاث وسبعين سَنَةً وَالسَّمَاءُ فَوْقَهَا " كَذَلِكَ حَتَّى عَدَّ سَبْعَ سَمَوَاتٍ " وَفَوْقَ السَّابِعَةِ بَحْرٌ إِنَّ مَا بَيْنَ أَسْفَلِهِ وَأَعْلاهُ كَمَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ وَعَلَى ظَهْرِهِ الْعَرْشُ مَا بَيْنَ أَسْفَلِهِ وَأَعْلاهُ كَمَا بَيْنَ سَمَاءٍ إِلَى سَمَاءٍ وَاللَّهُ عز وجل فَوْقَ ذَلِكَ ".
২- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন সুলায়মান বিন আল-আশআদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন ইয়াকুব আল-রাওয়াজিনি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ বিন আবি সাওর, তিনি সিমাক বিন হারব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমাইরাহ থেকে, তিনি আল-আহনাফ বিন কায়েস থেকে, তিনি আল-আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা একদল লোক আল-বাতহা উপত্যকায় বসা ছিলাম যাদের মধ্যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উপস্থিত ছিলেন। তখন একটি মেঘখণ্ড অতিক্রম করল, তিনি সেটির দিকে তাকালেন এবং বললেন: "তোমরা কি জানো এটির নাম কি?" আমরা বললাম: "হ্যাঁ, এটি মেঘ।" আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "এটি হলো 'আল-মুজন' এবং 'আল-আনান'। তোমরা কি জানো আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত?" আমরা বললাম: "না।" তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই এ দুটির মধ্যবর্তী দূরত্ব এক বা দুই অথবা তিয়াত্তর বছর এবং তার উপরের আসমানও তদ্রূপ।" এভাবে তিনি সাত আসমান পর্যন্ত গণনা করলেন। "এবং সপ্তম আসমানের উপরে একটি সমুদ্র রয়েছে যার তলদেশ ও উপরিভাগের মধ্যবর্তী দূরত্ব আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান। আর তার পৃষ্ঠদেশে রয়েছে আরশ, যার তলদেশ ও উপরিভাগের মধ্যবর্তী দূরত্ব এক আসমান থেকে অন্য আসমানের দূরত্বের সমান। আর মহান আল্লাহ তারও উপরে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৭৬)
3- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ. ح.

وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْمَرْوَزِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو سَعْدٍ الزُّهْرِيُّ وَعُمَرُ بْنُ مُدْرِكٍ وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ مَالِكٍ قَالُوا: حَدَّثَنَا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُبَيْدَةَ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَعَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " دُونَ اللَّهِ سَبْعُونَ أَلْفِ حِجَابٍ مِنْ نُورٍ وَظُلْمَةٍ وَمَا سَمِعَتْ نَفَسٌ حِسًّا مِنْ تِلْكَ الْحُجُبِ إِلا زُهِقَتْ نَفْسُهَا ".

قَالَ ابْنُ شَاهِينَ: وَاللَّفْظُ لِحَدِيثِ الْمَرْوَزِيُّ وَلَمْ يَذْكُرِ الْحَضْرَمِيُّ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ فِي الْحَدِيثِ.
৩- আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-হাদরামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বুন্দার মুহাম্মদ ইবনে বাশার বর্ণনা করেছেন। (হা)

এবং আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু সা'দ আয-যুহরী, উমর ইবনে মুদরিক এবং ইব্রাহিম ইবনে মালিক বর্ণনা করেছেন; তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট মাক্কী ইবনে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুসা ইবনে উবাইদাহ বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে আল-হাকাম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে এবং আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল ইবনে সা'দ থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহর সামনে নূর ও অন্ধকারের সত্তর হাজার পর্দা রয়েছে। কোনো প্রাণই সেই পর্দাগুলোর সামান্যতম অনুভূতি লাভ করবে না, তার প্রাণ বিয়োগ হওয়া ছাড়া।"

ইবনে শাহীন বলেন: এই শব্দ বিন্যাস মারওয়াযীর হাদীস অনুযায়ী, এবং হাদরামি হাদীসটিতে সাহল ইবনে সা'দ-এর কথা উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৭৯)
4- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْمَرْوَزِيُّ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقَلُوسِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ عَنْ حُسَيْنِ الْمُعَلِّمِ حَدَّثَنَا عَامِرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الأَحْوَلُ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى قَوْمٍ مِنْ أَصْحَابِهِ جُلُوسًا فَقَالَ: " مَا أَجْلَسَكُمْ؟ " قَالُوا: جَلَسْنَا نَتَفَكَّرُ فِي عَظَمَةِ رَبِّنَا. فَقَالَ: " لا تَفَكَّرُوا فِي عَظَمَةِ رَبِّكُمْ فَإِنَّ فِي مَا خَلَقَ مُتَفَكَّرًا وَإِنَّ لِلَّهِ مَلَكًا يُقَالُ لَهُ إِسْرَافِيلَ زَاوِيَةٌ مِنْ زَوَايَا الْعَرْشِ عَلَى كَاهِلِهِ وَقَدَمَاهُ فِي الأَرْضِ السُّفْلَى قَدْ مَرَقَ رَأْسُهُ مِنَ السَّمَاءِ السَّابِعَةِ وَهِيَ سَبْعُ سَمَوَاتٍ ".
৪- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকূব ইবন ইসহাক আল-কালূসী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মা'মার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়ারিস, হুসাইন আল-মুআল্লিম থেকে, তিনি আমির ইবন আব্দুল ওয়াহিদ আল-আহওয়াল থেকে, তিনি শাহর ইবন হাওশাব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর একদল সাহাবীর নিকট বের হয়ে আসলেন যখন তাঁরা বসা ছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন: "তোমরা কী কারণে বসেছ?" তাঁরা বললেন: "আমরা আমাদের রবের মহিমা সম্পর্কে চিন্তা করার জন্য বসেছি।" তিনি বললেন: "তোমরা তোমাদের রবের মহিমা সম্পর্কে চিন্তা করো না, বরং যা তিনি সৃষ্টি করেছেন তাতে চিন্তা করার বিষয় রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর একজন ফেরেশতা রয়েছেন যাকে ইসরাফিল বলা হয়, আরশের অন্যতম একটি কোণ তাঁর কাঁধের ওপর রয়েছে এবং তাঁর দুই পা নিম্নতম জমিনে রয়েছে, আর তাঁর মাথা সপ্তম আকাশ অতিক্রম করেছে; আর আকাশ হলো সাতটি।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৮০)
5- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ الصَّبَّاحِ حَدَّثَنَا شُرَيْكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ التَّمِيمِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَاجِدًا قَدْ خَوَّى فَرَأَيْتُ بَيَاضَ إِبِطَيْهِ.
5- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান বিন আল-আশআদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসা বিন আল-সাব্বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শুরাইক বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আত-তামিমি থেকে, আর তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সিজদারত অবস্থায় দেখেছি, তিনি তাঁর দুই বাহু (পার্শ্বদেশ থেকে) পৃথক করে রেখেছিলেন, ফলে আমি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেয়েছি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৮২)
6- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زُهَيْرِ بْنِ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ سَلْمَانَ قَالَ: ثَلاثَةٌ لا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ: شَيْخٌ مُخْتَالٌ فَقِيرٌ وَأُشَيْمِطٌ زَانٍ وَرَجُلٌ اتَّخَذَ اللَّهَ حَلِفًا.
৬- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে যুহাইর ইবনুল ফাদল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আবদাহ আদ-দাব্বি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম, তিনি আবু উসমান থেকে এবং তিনি সালমান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তিন শ্রেণির ব্যক্তি এমন যাদের দিকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকাবেন না: অহংকারী দরিদ্র বৃদ্ধ, পক্ককেশ ব্যভিচারী এবং এমন ব্যক্তি যে আল্লাহকে তার শপথের বস্তু বানিয়ে নিয়েছে।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৮২)
7- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زُهَيْرٍ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الأَسْوَدِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَجْنَبَ ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يَنَامَ تَوَضَّأَ.
৭- মুহাম্মদ ইবনে জুহায়র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে আবদাহ আদ-দাব্বি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে জিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন অপবিত্র অবস্থায় থাকতেন এবং এরপর ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি অজু করে নিতেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৮৩)
8- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ حَمَّادٍ الصَّفَّارُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ عَنْ الأَعْمَشِ عَنْ شِمْرِ بْنِ عَطِيَّةَ قَالَ: قَالَ حُذَيْفَةُ بْنُ الْيَمَانِ: لَيْسَ خِيَارُكُمْ مَنْ تَرَكَ الدُّنْيَا لِلآخِرَةِ وَلا خِيَارُكُمْ مَنْ ترك الآخرة للدينا وَلَكِنَّ خِيَارَكُمْ مَنْ أَخَذَ مِنْ كُلٍّ.
৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস বিন হাম্মাদ আস-সাফফার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি শিমর বিন আতিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: হুজাইফা বিন আল-ইয়ামান বলেছেন: তোমাদের মধ্যে তারা সর্বোত্তম নয় যারা পরকালের জন্য দুনিয়া ত্যাগ করে এবং তারাও তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম নয় যারা দুনিয়ার জন্য পরকাল ত্যাগ করে; বরং তোমাদের মধ্যে তারাই সর্বোত্তম যারা উভয়টি থেকেই গ্রহণ করে।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৮৪)
9- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ الْبَغَوِيُّ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ أَخْبَرَنِي حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ إِيَاسٍ عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " أَنَا مُحَمَّدٌ وَأَحْمَدُ وَالْمُقَفِّي وَالْحَاشِرُ وَنَبِيُّ الرَّحْمَةِ وَنَبِيُّ الْمَلْحَمَةِ ".
৯- আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল জা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ জাফর ইবনে ইয়াস থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি নাফে ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আমি মুহাম্মদ, আহমদ, আল-মুকাফ্ফি, আল-হাশির, রহমতের নবী এবং মহাযুদ্ধের নবী।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৮৫)
10- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو نَصْرٍ التَّمَّارُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ هَذِهِ الآيَةَ (يَوْمَ يَقُومُ الناس لرب العالمين) .

قَالَ: " يَقُومُونَ حَتَّى يَبْلُغَ الرَّشْحُ أَنْصَافَ آذَانِهِمْ ".
১০- আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নাসর আত-তাম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই আয়াতটি পাঠ করলেন: (যেদিন সকল মানুষ বিশ্বজগতের রবের সামনে দণ্ডায়মান হবে)।

তিনি বললেন: "তারা দণ্ডায়মান থাকবে যতক্ষণ না ঘাম তাদের কানের অর্ধেক পর্যন্ত পৌঁছে যায়।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৮৬)
11- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ وَاصِلٍ النَّيْسَابُورِيُّ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْفُضَيْلُ بْنُ سَالِمٍ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ عَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَدِّ الأَمَانَةَ إِلَى مَنِ ائْتَمَنَكَ وَلا تَخُنْ مَنْ خَانَكَ ".
১১- আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ ইবনে ওয়াসিল আন-নাইসাপুরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনুল ফুযাইল ইবনে সালিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব ইবনে সুওয়াইদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে শাওযাব থেকে, তিনি আবু আত-তায়্যাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে তোমার নিকট আমানত গচ্ছিত রেখেছে তার আমানত তাকে আদায় করে দাও এবং যে তোমার সাথে খিয়ানত করেছে তুমি তার সাথে খিয়ানত করো না।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯০)
12- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ الْبَغَوِيُّ حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ الْبَزَّارُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنِ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صُبْحَ رَابِعَةٍ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ وَجَاءَ عَلِيٌّ عليه السلام يَقُولُ: لَبَّيْكَ بِمَا أَهَلَّ بِهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَوْ قَالَ: لَبَّيْكَ بِحَجَّةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُقِيمَ عَلَى إِحْرَامِهِ وَأَشْرَكَهُ فِي الْهَدْيِ.
১২- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে হিশাম আল-বাযযার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যায়েদ, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিলহজ মাসের চতুর্থ তারিখের সকালে আগমন করলেন। এমতাবস্থায় আলী (আলাইহিস সালাম) আসলেন এবং বলছিলেন: "আমি হাজিরা দিচ্ছি সেই হজের নিয়তে যেটির জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম বেঁধেছেন," অথবা তিনি বলেছিলেন: "আমি হাজিরা দিচ্ছি নবীর হজের ন্যায়।" অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তার ইহরামের ওপর অবিচল থাকার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে কুরবানির পশুতে অংশীদার করলেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯০)
13- حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ ⦗ص: 91⦘ سُلَيْمَانَ بْنِ نَضْلَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لا يَقُولُ أَحَدُكُمْ: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ لِيَعْزِمِ الْمَسْأَلَةَ فَإِنَّهُ لا مُكْرِهَ لَهُ ".
১৩- আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৯১⦘ সুলাইমান ইবনে নাদলাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে আবিয যিনাদ তাঁর পিতা থেকে, তিনি আল-আ’রাজ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন না বলে: হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ! আপনি চাইলে আমাকে দয়া করুন; বরং সে যেন দৃঢ়তার সাথে প্রার্থনা করে, কেননা তাঁকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯১)
14- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الأَشْقَرِ الْقَاضِي بِالْبَصْرَةِ ⦗ص: 92⦘ حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " الْعَجْمَاءُ جَرْحُهَا جُبَارٌ وَالْبِئْرُ جُبَارٌ وَالْمَعْدِنُ جُبَارٌ وَفِي الرِّكَازِ الْخُمْسُ ".
১৪- বসরার বিচারক আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবনুল আশকার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৯২⦘ লুইন মুহাম্মাদ ইবন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আবিয যিনাদ তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আরাযের সূত্রে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "পশু কর্তৃক সংঘটিত জখম বা ক্ষতি নিরর্থক (ক্ষতিপূরণহীন), কূপ (খননকালে সংঘটিত দুর্ঘটনা) নিরর্থক, খনি (খননকালে সংঘটিত দুর্ঘটনা) নিরর্থক এবং রিকাজ (ভূগর্ভস্থ গুপ্তধন)-এ এক-পঞ্চমাংশ প্রদান করা আবশ্যক।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯৩)
15- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ جَعْفَرٍ الْكَوَاكِبِيُّ حَدَّثَنَا قَعْنَبُ بْنُ الْمُحَرَّرِ حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ حَبَشِيِّ بْنِ جَنَادَةَ قَالَ: أَنَا رَكَزْتُ الْعُكَّازَةَ قُدَّامَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيُصَلِّيَ إِلَيْهَا.
১৫- মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম ইবনে জাফর আল-কাওয়াকিবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কানাব ইবনুল মুহাররার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি হাবাশি ইবনে জুনাদাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে লাঠিটি গেঁথে দিয়েছিলাম যাতে তিনি সেটির দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতে পারেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯৪)
16- حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلالٍ حَدَّثَنَا أَبُو وَجْزَةَ عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ: كُنْتُ آكُلُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَكَانَتْ يَدِي تَدُورُ هَهُنَا وَهَهُنَا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " سَمِّ اللَّهَ وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ ".
১৬- আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগান্দি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট লুওয়াইন মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুলাইমান ইবনে বিলাল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু ওয়াজযাহ বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে আবি সালামাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আহার করছিলাম, তখন আমার হাত (পাত্রের) এদিক-ওদিক ঘুরছিল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "আল্লাহর নাম নাও এবং তোমার নিকটবর্তী অংশ থেকে খাও।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯৫)
17- حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ زَكَرِيَّا الْبَصْرِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْجُمَحِيُّ حَدَّثَنَا الْحَمَّادَانِ: حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ دِينَارٍ وَحَمَّادُ بْنُ زَيْدِ بْنِ دِرْهَمٍ قَالا: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَلا صَلاةَ إِلا الْمَكْتُوبَةَ ".
১৭- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন আলী ইবন জাকারিয়া আল-বাসরি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন মুআবিয়া আল-জুমাহি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দুই হাম্মাদ: হাম্মাদ ইবন সালামাহ ইবন দীনার এবং হাম্মাদ ইবন যায়দ ইবন দিরহাম। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবন দীনার, আতা ইবন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন ফরয সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯৬)
18- حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ الْفَضْلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَنْصُورٍ النَّسَائِيُّ وَهَارُونُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدَانَ الْبَغْدَادِيُّ قَالا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيُّ عَنْ أَبِي رَافِعٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ الْفَضْلُ بْنُ أَحْمَدَ: عَنِ ⦗ص: 97⦘ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: فِي رَجُلٍ زَارَ أَخًا لَهُ فِي قَرْيَةٍ أُخْرَى فَأَرْصَدَ اللَّهُ عَلَى مَدْرَجَتِهِ مَلَكًا فَلَمَّا أَتَى عَلَيْهِ قَالَ لَهُ الْمَلِكُ: وَأَيْنَ تُرِيدُ؟ قَالَ: أُرِيدُ أَخًا لي فِي هَذِهِ الْقَرْيَةِ أُسَلِّمُ عَلَيْهِ. قَالَ: فَهَلْ لَهُ عَلَيْكَ مِنْ نِعْمَةٍ تَرُبُّهَا؟ قَالَ: لا غَيْرُ أَنِّي أَحْبَبْتُهُ فِي اللَّهِ عز وجل. قَالَ: فَإِنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكَ لأُعْلِمَكَ أَنَّهُ قَدْ أَحَبَّكَ كَمَا حَبَبْتَهُ فِيهِ.
১৮- আবু আল-আব্বাস আল-ফাদল বিন আহমাদ বিন মানসুর আন-নাসায়ী এবং হারুন বিন মুহাম্মদ বিন সাদান আল-বাগদাদী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল আলা বিন হাম্মাদ আন-নারসি, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আবু রাফি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-ফাদল বিন আহমাদ বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৯৭⦘ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে তার এক ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য অন্য একটি গ্রামে যাচ্ছিল। আল্লাহ তাআলা তার গমনপথে একজন ফেরেশতাকে নিযুক্ত করলেন। অতঃপর যখন সেই ব্যক্তি ফেরেশতার নিকট আসলেন, তখন ফেরেশতা তাকে বললেন: "আপনি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা করেছেন?" তিনি বললেন: "আমি এই গ্রামে আমার এক ভাইয়ের কাছে যেতে চাই তাকে সালাম দেওয়ার জন্য।" ফেরেশতা বললেন: "তার কি তোমার ওপর এমন কোনো নেয়ামত বা অনুগ্রহ আছে যা তুমি প্রতিদান স্বরূপ রক্ষা করছ?" তিনি বললেন: "না, কেবল আমি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাকে ভালোবাসি।" ফেরেশতা বললেন: "নিশ্চয়ই আমি তোমার কাছে আল্লাহর প্রেরিত দূত (এই সুসংবাদ দিতে) যে, আল্লাহ তোমাকে ভালোবেসেছেন ঠিক যেমনটি তুমি তাকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবেসেছ।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯৭)
19- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النَّيْسَابُورِيُّ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أُذِنَ لِي أَنْ أُحَدِّثَ عَنْ ⦗ص: 98⦘ مَلَكٍ مِنْ مَلائِكَةِ اللَّهِ عز وجل مِنْ حَمَلَةِ الْعَرْشِ مَا بَيْنَ شَحْمَةِ أُذُنِهِ إِلَى عَاتِقِهِ مَسِيرَةُ سبعمائة عَامٍ ".
১৯- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সুলায়মান ইবনুল আশআস, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে হাফস ইবনে আবদুল্লাহ আন-নাইসাবুরী, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনে তাহমান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আমাকে মহান আল্লাহর ফেরেশতাদের মধ্য হতে ⦗পৃষ্ঠা: ৯৮⦘ আরশ বহনকারী একজন ফেরেশতা সম্পর্কে বর্ণনা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে; তার কানের লতি থেকে কাঁধ পর্যন্ত দূরত্ব হলো সাতশ বছরের পথ।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯৯)
20- حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الضَّبِّيُّ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى الأُمَوِيُّ حَدَّثَنَا أَبِي حَدَّثَنَا الأَحْوَصُ بْنُ حَكِيمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَائِذٍ الثُّمَالِيِّ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ أَقْرَبَ الْخَلْقِ إِلَى اللَّهِ عز وجل جَبْرِيلُ وَمِيكَائِيلُ وَإِسْرَافِيلُ وَإِنَّهُمْ مِنَ اللَّهِ لَبِمَسِيرَةِ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ ".
২০- আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আদ-দাব্বি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমায়ি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-আহওয়াস ইবনে হাকিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তার পিতা থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আইজ আস-সুমালি থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "সৃষ্টিজগতের মধ্যে মহান আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হলেন জিবরাঈল, মিকাঈল এবং ইসরাফিল। আর নিশ্চয়ই তারা মহান আল্লাহ থেকে পঞ্চাশ হাজার বছরের পথ দূরত্বে রয়েছেন।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ৯৯)
21- حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مَنْصُورٍ الإِمَامُ بِحِمْصَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مَعْرُوفٍ الْقَصَّاعُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُوسَى يَعْنِي اللاحُونِيَّ حَدَّثَنَا سَيْفُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنِ الأَحْوَصِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَائِذٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم..... فَذَكَرَ نَحْوَهُ.
২১- আমাদের নিকট হিমসের ইমাম হাসান ইবন মনসুর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবন হাসান ইবন মারূফ আল-কাসসা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল আজিজ ইবন মুসা অর্থাৎ আল-লাহুনী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাইফ ইবন মুহাম্মাদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-আহওয়াস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন আয়িয থেকে এবং তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন—অতঃপর তিনি এর অনুরূপ হাদীস উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ১০০)
22- حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ الْقَاسِمِ الْفَرَائِضِيُّ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ قَالا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارِ بْنِ الرَّيَّانِ حَدَّثَنَا أَبُو مَعْشَرٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَنْ مِنَ الشِّعْرِ حِكْمَةً ".
২২- নাসর ইবনুল কাসিম আল-ফারাঈদী এবং আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ আল-বাগাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: মুহাম্মাদ ইবনু বাক্কার ইবনুর রাইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মা'শার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনু উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই কোনো কোনো কবিতার মধ্যে প্রজ্ঞা রয়েছে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ১০০)
23- حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَزِيدَ الْمَدَنِيُّ حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ يَحْيَى الْحَاطِبِيُّ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " اسْتَنْزِلُوا الرِّزْقَ بِالصَّدَقَةِ ".
২৩- ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াজিদ আল-মাদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারুন ইবনে ইয়াহইয়া আল-হাতিবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে উসমান আমাদের নিকট তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আলি ইবনে আল-হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আলি ইবনে আবি তালিব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "তোমরা সাদাকার মাধ্যমে রিজিক নামিয়ে আনো।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ১০২)
24- حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَزِيدَ الْمَدَنِيُّ حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ يَحْيَى الْحَاطِبِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ خَالِدِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليه السلام أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " التَّوَدُّدُ نِصْفُ الدِّينِ ".
২৪- আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াজিদ আল-মাদানি, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হারুন ইবনে ইয়াহইয়া আল-হাতিবি, তিনি বলেন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে উসমান ইবনে খালিদ ইবনে আল-যুবায়ের, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবনে আল-হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ দ্বীনের অর্ধেক।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ১০২)
25- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَزَّانُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لا تَسُبُّوا الأَمْوَاتَ فَتُؤْذُوا الأَحْيَاءَ إِنِ الْبَذَاءَ لُؤْمٌ ".
২৫- আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান বিন আল-আশআস, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আইয়ুব বিন মুহাম্মাদ আল-ওয়াজ্জান, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন রাবিয়া, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম বিন আল-ফাদল, তিনি বর্ণনা করেন আবু জাফর থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা মৃতদের গালি দিও না, কারণ এতে তোমরা জীবিতদের কষ্ট দেবে; নিশ্চয়ই অশ্লীলতা হলো নীচতা।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ১০৩)
26- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ قَيْسٍ حَدَّثَنَا سَلَمُ بْنُ سَالِمٍ حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ يَعْنِي الْجَوْزَجَانِيَّ وَهُوَ مُحَمَّدُ بْنُ مَالِكٍ عَنْ الْبَرَاءِ بْنِ ⦗ص: 104⦘ عَازِبٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لا وَبَاءَ مَعَ السَّيْفِ وَلا نَجَاءَ مَعَ الْجَرَادِ ".
২৬- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশআস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াজিদ ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে কায়স বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সালাম ইবনে সালিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবুল মুগিরাহ অর্থাৎ আল-জাওযাজানি বর্ণনা করেছেন—যিনি মুহাম্মদ ইবনে মালিক—তিনি বারা ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১০৪⦘ আযিব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তলোয়ারের (যুদ্ধের) উপস্থিতিতে কোনো মহামারি নেই এবং পঙ্গপালের উপস্থিতিতে কোনো নিস্তার নেই।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ১০৪)
27- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الصَّوَّافُ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ رَاشِدٍ حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ رَجَاءٍ قَالَ: حَدَّثَتْنِي شَعْثَاءُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَتْ: سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى عَنْ صَلاةِ الضُّحَى؟ فَقَالَ: لَمَّا بُشِّرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِرَأْسِ أَبِي جَهْلٍ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ.
২৭- আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন ইবরাহীম আস-সাওয়াফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন রাশিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সালামাহ বিন রাজা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শা’সা বিনতে আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন আবু আওফাকে চাশতের নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যখন আবু জাহেলের মাথার (নিহত হওয়ার) সুসংবাদ দেওয়া হলো, তখন তিনি দুই রাকাত নামায আদায় করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ১০৫)
28- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ الْبَغَوِيُّ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمَرْوَزِيُّ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَالِدٍ الصَّنْعَانِيُّ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو وَائِلٍ الْقَاصُّ قَالَ: كُنَّا عِنْدَ عُرْوَةَ بن محمد إذ دخل عله رَجُلٌ فَكَلَّمَهُ بِشَيْءٍ فَأَغْضَبَهُ فَلَمَّا قَامَ رَجَعَ إِلَيْنَا وَقَدْ تَوَضَّأَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ جَدِّي أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " إِنَّ الْغَضَبَ مِنَ الشَّيْطَانِ وَإِنَّ الشَّيْطَانَ خُلِقَ مِنَ النَّارِ وَإِنَّ النَّارَ إنما يُطْفِئُهَا الْمَاءُ فَإِذَا غَضِبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَتَوَضَّأْ ".
২৮- আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগাভী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে খালিদ আস-সানআনী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ওয়াইল আল-কাস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা উরওয়াহ ইবনে মুহাম্মাদের নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তার নিকট প্রবেশ করল এবং তাকে এমন কিছু বলল যা তাকে রাগান্বিত করল। অতঃপর যখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং (কিছুক্ষণ পর ওজু করে) আমাদের নিকট ফিরে আসলেন, তখন তিনি বললেন: আমার পিতা আমার দাদার সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "নিশ্চয়ই ক্রোধ শয়তানের পক্ষ থেকে, আর শয়তানকে সৃষ্টি করা হয়েছে আগুন থেকে, আর আগুনকে কেবল পানি দ্বারাই নেভানো যায়। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন রাগান্বিত হয়, সে যেন ওজু করে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু ইবনি শাহীন (পৃষ্ঠা: ১০৬)
29- حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ الْبَغَوِيُّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ عَنْ أُمِّهِ قَالَتْ: رَأَيْتُ أَبَا صَفِيَّةَ رَجُلا مِنَ المهاجرين يسبح بالنوى.
২৯- আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগাওয়ী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাওয়ারীরী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইউনুস ইবনে উবাইদ তাঁর মাতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাজিরদের অন্তর্ভুক্ত আবু সাফিয়্যাহ নামক এক ব্যক্তিকে দেখেছি, তিনি খেজুরের আঁটি দিয়ে তাসবিহ পাঠ করছিলেন।