(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: -)
التسلي والاغتباط بثواب من تقدم من الأفراط (عبد المؤمن بن خلف الدمياطي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: التسلي والاغتباط بثواب من تقدم من الأفراط
المؤلف: عبد المؤمن بن خلف الدمياطيّ، أبو محمد، شرف الدين الشافعي (ت 705هـ)
تحقيق وتعليق: مجدي السيد إبراهيم
الناشر: مكتبة القرآن
عدد الصفحات: 99
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মৃত নাবালক সন্তানদের সওয়াবের মাধ্যমে সান্ত্বনা ও আনন্দ লাভ (আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিময়াতি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মৃত নাবালক সন্তানদের সওয়াবের মাধ্যমে সান্ত্বনা ও আনন্দ লাভ
লেখক: আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিময়াতি، আবু মুহাম্মাদ، শারফুদ্দীন আশ-শাফিয়ি (মৃত্যু ৭০৫ হিজরি)
তাহকীক ও তালীক: মাজদি আস-সাইয়্যিদ ইবরাহিম
প্রকাশক: মাকতাবাতুল কুরআন
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৯
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১ হিজরি
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
بسم الله الرحمن الرحيموَبِهِ نَسْتَعِينُأَمْلَى عَلَيْنَا الشَّيْخُ الْفَقِيهُ، الإِمَامُ الْعَالِمُ الْعَامِلُ، الْحَافِظُ الضَّابِطُ الْمُتْقِنُ، بَقِيَّةُ السَّلَفِ، شَرَفُ الدِّينِ، عُمْدَةُ الْمُحَدِّثِينَ فَسَحَ اللَّهُ فِي مُدَّتِهِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ خَلَفِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الدِّمْيَاطِيُّ بِالْمَدْرَسَةِ الظَّاهِرِيَّةِ بِالْقَاهِرَةِ الْمَحْرُوسَةِ، فِي الرَّابِعِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ رَبِيعٍ الأَوَّلِ، سَنَةَ ثَلاثٍ وَسَبْعِينَ وَسِتِّمِائَةٍ، قَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ أَحْمَدُهُ وَأَسْتَعِينُهُ وَأُومِنُ بِهِ وَأَتَوَكَّلُ عَلَيْهِ، وَأَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ.وَبَعْدُ …لَقَدْ أَوْدَعْتُ فِي هَذَا الْكِتَابِ فَضْلَ مَنْ أُصِيبَ بِوَلَدِهِ وَحَامَّتِهِ، بِفَقْدٍ وَذِهَابٍ، فَوُجِدَ مِنْهُ عِنْدَ الصَّدْمَةِ الأُولَى صَبْرٌ وَاحْتِسَابً، وَمَا أَعَدَّ اللَّهُ لَهُ مِنَ الْكَرَامَةِ وَالثَّوَابِ، مِنْ رِوَايَةِ جَمَاعَةٍ مِنَ النُّجُومِ الأَصْحَابِ، وَقَدَّمْتُ مَا وَرَدَ مِنَ الصَّحِيحِ فِي هَذَا الْبَابِ بَعْدَ ذِكْرِ آيَاتٍ فِي الصَّبْرِ الْمُفْضِي إِلَى حُسْنِ مَآبٍ، وَسَمَّيْتُهُ بـ «التَّسَلِّي وَالاغْتِبَاطِ بِثَوَابِ مَنْ تَقَدَّمَ مِنَ الأَفْرَاطِ» .وَاللَّهَ أَسْأَلُ أَنْ يَنْفَعَ بِهِ، وَيَجْعَلَهُ خَالِصًا لِوَجْهِهِ بِمَنِّهِ وَكَرَمِهِ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি।আমাদের নিকট শ্রুতিলিপি প্রদান করেছেন ফকিহ শাইখ, আমলকারী আলেম ইমাম, স্মৃতিশক্তিতে প্রাজ্ঞ ও সুনিপুণ হাফিজ, পূর্বসূরিদের যোগ্য উত্তরসূরি, দ্বীনের গৌরব, মুহাদ্দিসদের প্রধান স্তম্ভ—আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘায়িত করুন—আবু মুহাম্মাদ আব্দুল মুমিন ইবনে খালাফ ইবনে আবিল হাসান আদ-দিময়াতি। এটি সম্পন্ন হয়েছে সংরক্ষিত কায়রোর আল-মাদরাসা আল-জাহিরিয়াতে, ৬৭৩ হিজরি সনের ২৪শে রবিউল আউয়াল তারিখে। তিনি বলেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমি তাঁরই প্রশংসা করছি, তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করছি, তাঁর ওপর ঈমান আনছি এবং তাঁর ওপরই ভরসা করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসুল।অতঃপর …আমি এই গ্রন্থে সেই ব্যক্তির মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব গচ্ছিত রেখেছি, যে নিজের সন্তান ও নিকটাত্মীয়কে হারিয়ে বিপদে আক্রান্ত হয়েছে, অতঃপর বিপদের প্রথম আঘাতেই ধৈর্য ধারণ করেছে এবং সওয়াবের আশা রেখেছে। আর নক্ষত্রতুল্য সাহাবীগণের একদলের বর্ণনার ভিত্তিতে আল্লাহ তার জন্য যে সম্মান ও প্রতিদান প্রস্তুত রেখেছেন তাও এতে উল্লেখ করেছি। উত্তম পরিণামের দিকে ধাবিতকারী ধৈর্য সংক্রান্ত আয়াতসমূহ উল্লেখ করার পর আমি এই অধ্যায়ে বর্ণিত সহিহ হাদিসসমূহ পেশ করেছি। আমি গ্রন্থটির নামকরণ করেছি "অকালপ্রয়াত সন্তানদের জন্য নির্ধারিত প্রতিদানের মাধ্যমে সান্ত্বনা ও আনন্দ লাভ"।আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এর দ্বারা উপকার দান করেন এবং একে তাঁর অনুগ্রহ ও দাক্ষিণ্যে একান্তই তাঁর চেহারার জন্য নিবেদিত হিসেবে কবুল করেন।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
بِشَارَاتُ الصَّابِرِينَ فِي الْقُرْآنِقَالَ اللَّهُ تَعَالَى: {وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِنَ الأَمْوَالِ وَالأَنْفُسِ وَالثَّمَرَاتِ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ {155} الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُمْ مُصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ {156} أُولَئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِنْ رَبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ {157} } [البقرة: 155-157] فَقَوْلُهُ: وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ خِطَابٌ لِلْمُسْلِمِينَ، وَالْوَاوُ فِيهَا مَفْتُوحَةٌ لالْتِقَاءِ السَّاكِنَيْنِ عِنْدَ غَيْرِ سِيبَوَيْهِ، وَعِنْدَهُ مَبْنِيَّةٌ، وَمَعْنَى: وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ: وَلَنُصِيبُكُمْ بِذَلِكَ إِصَابَةً تُشْبِهُ فِعْلَ الْمُخْتَبِرِ لأَحْوَالِكُمْ، هَلْ تَصْبِرُونَ وَتَثْبُتُونَ عَلَى مَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ مِنَ الطَّاعَةِ وَالتَّسْلِيمِ لأَمْرِ اللَّهِ وَحُكْمِهِ أَمْ لا؟ بِشَيْءٍ بِقَلِيلٍ مِنْ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْ هَذِهِ الْبَلايَا، وَطَرَفٍ مِنْهُ، وَإِنَّمَا قَالَ فِي قَوْلِهِ: بِشَيْءٍ لِيُؤْذِنَ أَنَّ كُلَّ بَلاءٍ أَصَابَ الإِنْسَانَ وَإِنْ جَلَّ، فَفَوْقَهُ مَا يَقِلُّ عَنْهُ، وَلِيُخَفِّفَ عَنْهُمْ، وَيُرِيَهُمْ أَنَّ رَحْمَتَهُ مَعَهُمْ فِي كُلِّ حَالٍ لا تُزَايِلُهُمْ، وَإِنَّمَا وَعَدَهُمْ بِذَلِكَ قَبْلَ كَوْنِهِ، لِيُوَطِّنُوا عَلَيْهِ نُفُوسَهُمْ.
কুরআনে ধৈর্যশীলদের জন্য সুসংবাদসমূহমহান আল্লাহ বলেন: “আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়-ক্ষতির মাধ্যমে; আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। যারা, যখন বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, ‘নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী’। তারা ওই সব লোক, যাদের প্রতি তাদের রবের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমত বর্ষিত হয় এবং তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত।” [আল-বাকারাহ: ১৫৫-১৫৭] তাঁর বাণী: ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব’—এটি মুসলিমদের প্রতি সম্বোধন। সিবওয়াইহ ব্যতীত অন্যদের মতে এতে ‘ওয়াও’ বর্ণটি দুই সাকিন একত্রিত হওয়ার কারণে ফাতহাযুক্ত হয়েছে, আর তাঁর (সিবওয়াইহ) মতে এটি মাবনি বা অপরিবর্তনীয়। ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব’—এর অর্থ হলো: আমি তোমাদেরকে এসকল বিপদের সম্মুখীন করব এমনভাবে যা তোমাদের অবস্থা যাচাইকারীর কাজের সদৃশ; তোমরা তোমাদের আনুগত্য এবং আল্লাহর নির্দেশ ও ফয়সালার প্রতি আত্মসমর্পণের ওপর অটল ও অবিচল থাকো কি না, তা দেখার জন্য। ‘কিছুটা’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো এই প্রতিটি বিপদ থেকে সামান্য কিছু বা তার একটি অংশ। তিনি ‘কিছুটা’ শব্দটি এজন্যই ব্যবহার করেছেন যাতে তিনি জানিয়ে দেন যে, মানুষকে আক্রান্ত করা প্রতিটি বিপদ—তা যতই বড় হোক না কেন—তার চেয়েও বড় বিপদ হতে পারত যার তুলনায় এটি সামান্য; এবং এটি যেন তাদের ওপর বিপদ হালকা করে এবং তাদের দেখায় যে, তাঁর রহমত সর্বাবস্থায় তাদের সাথে থাকে ও তাদের ছেড়ে যায় না। আর তিনি বিপদ ঘটার পূর্বেই তাদের এ সম্পর্কে অবহিত করেছেন যাতে তারা মানসিকভাবে এর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারে।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
وَنَقْصٍ عَطْفٌ عَلَى «شَيْءٍ» ، أَوْ عَلَى الْخَوْفِ، بِمَعْنَى: وَشَيْءٍ مِنْ نَقْصِ الأَمْوَالِ.وَحَكَى الزَّمَخْشَرِيُّ عَنِ الشَّافِعِيِّ رضي الله عنه أَنَّ الْخَوْفَ: خَوْفُ اللَّهِ، وَالْجُوعُ: صِيَامُ شَهْرِ رَمَضَانَ، وَالنَّقْصُ مِنَ الأَمْوَالِ: الزَّكَاةُ، وَالصَّدَقَاتُ، وَمِنَ الأَنْفُسِ: الأَمْرَاضُ، وَمِنَ الثَّمَرَاتِ: مَوْتُ الأَوْلادِ، كَمَا وَرَدَ فِي حَدِيثِ أَبِي مُوسَى رضي الله عنه: «يَقُولُ اللَّهُ لِمَلائِكَتِهِ قَبَضْتُمْ وَلَدَ عَبْدِي، قَبَضْتُمْ ثَمَرَةَ فُؤَادِهِ» .وَسَيَرِدُ فِي مَوْضِعِهِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى.وَقِيلَ: الْخَوْفُ مِنَ الأَعْدَاءِ فِي الْحُرُوبِ، وَالْجُوعُ، وَالْجَدْبُ، وَالشِّدَّةُ، وَالسّنةُ.أَمَّا الْحَاجَةُ إِلَى الأَكْلِ فَإِنَّمَا اسْمُهَا: الْغَرَثُ، وَقَدِ اسْتَعْمَلَ فِيهَا الْمُحَدِّثُونَ الْجُوعَ اتِّسَاعًا، وَنَقْصُ الأَمْوَالِ: بِالْجَوَائِحِ، وَالْمَصَائِبِ، وَالأَنْفُسِ: بِالْمَوْتِ، وَالْقَتْلِ.وَالثَّمَرَاتِ: بِالْعَاهَاتِ، وَنَزْعِ الْبَرَكَةِ.وَقِيلَ: إِنَّمَا الْمُرَادُ فِي هَذِهِ الآيَةِ: مُؤَنُ الْجِهَادِ وَكُلَفِهِ، فَالْخَوْفُ مِنَ الْعَدُوِّ، وَالْجُوعُ بِهِ، وَبِالأَسْفَارِ إِلَيْهِ، وَنَقْصُ الأَمْوَالِ: بِالنَّفَقَاتِ، وَالأَنْفُسِ: بِالْقَتْلِ، وَالثَّمَرَاتِ: بِإِصَابَةِ الْعَدُوِّ لَهَا، أَوْ بِالْغَفْلَةِ عَنْهَا، بِسَبَبِ الْجِهَادِ.ثُمَّ وَصَفَ الصَّابِريَن الَّذِينَ بَشَّرَهُمْ بِقَوْلِهِ: {الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُمْ
'এবং সম্পদহানি' শব্দটি 'সামান্য' শব্দের সাথে সমজাতীয় হিসেবে যুক্ত, অথবা 'ভীতি' শব্দের সাথে। এর অর্থ হলো: সম্পদের ক্ষতির সামান্য কিছু অংশ।যামাখশারী ইমাম শাফেয়ী (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, 'ভীতি' বলতে আল্লাহর ভয়; 'ক্ষুধা' বলতে রমজান মাসের রোজা; 'সম্পদহানি' বলতে জাকাত ও সদকা; 'প্রাণহানি' বলতে বিভিন্ন রোগব্যাধি; এবং 'ফলফলাদির ক্ষতি' বলতে সন্তানদের মৃত্যু বুঝানো হয়েছে। যেমনটি আবু মুসা (রা.)-এর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে: “আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাদের বলেন, তোমরা কি আমার বান্দার সন্তানের জান কবজ করেছ? তোমরা কি তার অন্তরের ফল কেড়ে নিয়েছ?”এটি ইনশাআল্লাহ যথাস্থানে সামনে আসবে।বলা হয়েছে: ভীতি বলতে যুদ্ধে শত্রুর ভয়, এবং ক্ষুধা বলতে দুর্ভিক্ষ, কঠোরতা ও অনাবৃষ্টি।তবে খাবারের চাহিদাকে মূলত 'ক্ষুধা' বলা হয়, কিন্তু মুহাদ্দিসগণ একে ব্যাপক অর্থে ক্ষুধা শব্দেই ব্যবহার করেছেন। আর সম্পদের ক্ষতি হয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপদের মাধ্যমে, এবং প্রাণের ক্ষতি হয় মৃত্যু ও হত্যার মাধ্যমে।আর ফলফলাদির ক্ষতি হয় আপদ-বিপদ এবং বরকত তুলে নেওয়ার মাধ্যমে।বলা হয়েছে: এই আয়াতে মূলত জিহাদের ব্যয়ভার ও কষ্টসমূহ উদ্দেশ্য। ফলে ভীতি বলতে শত্রুর ভয়; ক্ষুধা বলতে শত্রুর কারণে বা জিহাদের সফরের কারণে সৃষ্ট ক্ষুধা; সম্পদহানি বলতে জিহাদের খরচ; প্রাণহানি বলতে শাহাদাত বরণ; এবং ফলফলাদির ক্ষতি বলতে শত্রুর আক্রমণ অথবা জিহাদে ব্যস্ত থাকার কারণে সেগুলোর প্রতি অবহেলা বুঝানো হয়েছে।এরপর তিনি সেই ধৈর্যশীলদের গুণাবলি বর্ণনা করেছেন যাদেরকে তিনি সুসংবাদ দিয়েছেন এই বাণীর মাধ্যমে: “যাদেরকে যখন কোনো বিপদ আক্রমণ করে...”
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
مُصِيبَةٌ} [البقرة: 156] الآية.وَجَعَلَ هَذِهِ الْكَلِمَاتِ مَلْجَأً لِذَوِي الْمَصَائِبِ، لِمَا جَمَعَتْ مِنَ الْمَعَانِي الْمُبَارَكَةِ، وَهِيَ: تَوْحِيدُ اللَّهِ، وَالإِقْرَارُ لَهُ بِالْعُبُودِيَّةِ، وَالْبَعْثُ مِنَ الْقُبُورِ، وَالْيَقِينُ بِأَنَّ رُجُوعَ الأَمْرِ كُلِّهِ إِلَيْهِ كَمَا هُوَ لَهُ، وَهَذَا الابْتِلاءُ لِلزِّيَادَةِ فِي ثَوَابِهِمْ.قَالَ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ: لَمْ يُعْطَ هَذِهِ الْكَلِمَاتِ نَبِيٌّ قَبْلَ نَبِيِّنَا، وَلَوْ عَرَفَهَا يَعْقُوبُ لَمَا قَالَ: {يَا أَسَفَى عَلَى يُوسُفَ} [يوسف: 84] .وَالْخِطَابُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَلِكُلِّ مَنْ تَأْتِي مِنْهُ الْبِشَارَةُ، أَيْ: وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ، الْمُسْتَرْجِعِينَ عِنْدَ الْبَلاءِ، لأَنَّ الاسْتِرْجَاعَ تَسْلِيمٌ، وَإِذْعَانٌ.ـ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «مَنِ اسْتَرْجَعَ عِنْدَ الْمُصِيبَةِ جَبَرَ اللَّهُ مُصِيبَتَهُ، وَأَحْسَنَ عُقْبَاهُ، وَجَعَلَ لَهُ خَلَفًا صَالِحًا يَرْضَاهُ» .ـ وَرُوِيَ أَنَّ مِصْبَاحَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم انْطَفَأَ، فَقَالَ: «إِنَّ لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ» .فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمُصِيبَةٌ هِيَ؟ قَالَ: «نَعَمْ كُلُّ شَيْءٍ
বিপদ} [আল-বাকারা: ১৫৬] আয়াত।এবং তিনি এই শব্দগুলোকে বিপদগ্রস্তদের জন্য আশ্রয়স্থল বানিয়েছেন, কারণ এতে বরকতময় অর্থসমূহ একত্রিত হয়েছে। সেগুলো হলো: আল্লাহর তাওহীদ (একত্ববাদ), তাঁর দাসত্বের স্বীকৃতি প্রদান, কবর থেকে পুনরুত্থান এবং এই দৃঢ় বিশ্বাস যে, সকল বিষয়ের প্রত্যাবর্তন যেমন তাঁর কাছে, তেমনি সকল বিষয় তাঁরই মালিকানাধীন। আর এই পরীক্ষা তাদের সওয়াব বৃদ্ধির জন্য।সাঈদ ইবনে জুবায়ের বলেন: আমাদের নবীর আগে অন্য কোনো নবীকে এই শব্দগুলো দেওয়া হয়নি; যদি ইয়াকুব এগুলো জানতেন, তবে তিনি বলতেন না: {হায় আফসোস ইউসুফের জন্য!} [ইউসুফ: ৮৪]।আর এই সম্বোধন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি এবং প্রত্যেকের প্রতি যার পক্ষ থেকে সুসংবাদ আসে। অর্থাৎ: আপনি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন, যারা বিপদের সময় ইস্তিরজা (ইন্নালিল্লাহ) পাঠ করে। কারণ ইস্তিরজা হলো আত্মসমর্পণ ও আনুগত্য প্রকাশ।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি বিপদের সময় ইস্তিরজা পাঠ করবে, আল্লাহ তার বিপদ কাটিয়ে দেবেন, তার পরিণাম সুন্দর করবেন এবং তাকে তার পছন্দনীয় এক উত্তম বিনিময় দান করবেন।"বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রদীপ নিভে গিয়েছিল, তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।"জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, এটিও কি কোনো বিপদ? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, প্রতিটি বস্তু যা...
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
يُؤْذِي الْمُؤْمِنَ فَهُوَ مُصِيبَةٌ» .وَقَوْلُهُ: {أُولَئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِنْ رَبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ} [البقرة: 157] نِعَمٌ مِنَ اللَّهِ عَلَى الْمُسْتَرْجِعِينَ، الصَّابِرِينَ، وَصَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَى عَبْدِهِ: عَفْوُهُ، وَرَحْمَتُهُ، وَتَزْكِيَتُهُ وَتَشْرِيفُهُ إِيَّاهُ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ.وَكَرَّرَ الرَّحْمَةَ لَمَّا اخْتَلَفَ اللَّفْظُ تَأْكِيدًا، وَهِيَ مِنْ أَعْظَمِ جَزَاءِ الصَّلاةِ مِنْهُ تَعَالَى.وَقَالَ الزَّمَخْشَرِيُّ: الصَّلاةُ: الْحُنُوُّ، وَالتَّعَطُّفُ، فَوُضِعَتْ مَوْضِعَ الرَّأْفَةِ، وَجُمِعَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ الرَّحْمَةِ كَقَوْلِهِ تَعَالَى: {رَأْفَةً وَرَحْمَةً} [الحديد: 27] ، و {رَءُوفٌ رَحِيمٌ} [التوبة: 117] وَالْمَعْنَى: عَلَيْهِمْ رَأْفَةٌ بَعْدَ رَأْفَةٍ، وَرَحْمَةٌ أَيُّ رَحْمَةٍ.وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ لِطَرِيقِ الصَّوَابِ حَيْثُ اسْتَرْجَعُوا؛ وَسَلَّمُوا لأَمْرِ اللَّهِ.وَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه حِينَ تَلا هَذِهِ الآيَةَ: «نِعْمَ الْعَدْلانِ، وَنِعْمَ الْعُلاوَةُ» أَرَادَ بِالْعَدْلَيْنِ: الصَّلاةَ وَالرَّحْمَةَ، وَبِالْعُلاوَةِ: الاهْتِدَاءَ.
যা মুমিনকে কষ্ট দেয়, তা-ই বিপদ। .এবং তাঁর বাণী: {তাদেরই উপর রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমত} [আল-বাকারাহ: ১৫৭] এটি আল্লাহ্র পক্ষ থেকে সেই সকল ব্যক্তিদের জন্য নেয়ামত যারা বিপদে ‘ইন্নালিল্লাহ’ পাঠ করে এবং ধৈর্য ধারণ করে। বান্দার প্রতি আল্লাহ্র সালাত হলো: তাঁর ক্ষমা, তাঁর রহমত, বান্দাকে পবিত্র করা এবং দুনিয়া ও আখিরাতে তাকে সম্মানিত করা।শাব্দিক ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও গুরুত্বারোপের জন্য এখানে ‘রহমত’ শব্দের পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। আর এটি আল্লাহ্ তাআলার পক্ষ থেকে সালাত বা বিশেষ অনুগ্রহের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিদান।যামাখশারী বলেন: সালাত হলো মমতা ও কোমলতা; তাই একে অনুকম্পার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। সালাত ও রহমতকে একত্রে উল্লেখ করা হয়েছে আল্লাহ্ তাআলার এই বাণীর ন্যায়: {দয়া ও করুণা} [আল-হাদীদ: ২৭], এবং {অতিশয় দয়ালু ও পরম করুণাময়} [আত-তাওবাহ: ১১৭]। এর অর্থ হলো: তাদের উপর দয়ার পর দয়া এবং রহমত—আর তা কতই না মহান রহমত।আর তারাই হলো সঠিক পথের দিশারী, যেহেতু তারা ‘ইন্নালিল্লাহ’ পাঠ করেছে এবং আল্লাহ্র নির্দেশের প্রতি আত্মসমর্পণ করেছে।উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু যখন এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন, তখন তিনি বললেন: ‘ভার বহনের সমপর্যায়ের দুটি বোঝা কতই না চমৎকার, আর উপরের অতিরিক্ত বোঝাটিও কতই না চমৎকার!’ এখানে দুটি সমান বোঝা দ্বারা তিনি ‘সালাত’ ও ‘রহমত’কে বুঝিয়েছেন এবং অতিরিক্ত বোঝা দ্বারা ‘হিদায়াত’ বা সঠিক পথ প্রাপ্তিকে বুঝিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ صَخْرٍ، وَقِيلَ: عُمَيْرُ بْنُ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ ذِي الشَّرَى الأَزْدِيِّ الدَّوْسِيِّ السُّلَمِيِّ، مِنْ وَلَدِ سُلَيْمِ بْنِ فَهْمِ بْنِ غَنْمِ بْنِ دَوْسٍ.وَذُو الشَّرَى: صَنَمٌ كَانَ لِدَوْسٍ. فَضْلُ مَنْ مَاتَ لَهُ ثَلاثَةُ أَوْلادٍ3 - أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بْنُ خَلِيلٍ الدِّمَشْقِيُّ، رحمه الله قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِحَلَبَ عَوْدًا عَلَى بَدْءٍ قَالَ: أنبأ أَبُو الْحَسَنِ مَسْعُودُ بْنُ أَبِي الْمَنْصُورِ الْجَمَّالُ، أنبا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ، أنبا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْحُمَيْدِيُّ (ح) .قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وثنا فَارُوقٌ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، وَالزِّيَادِيُّ.قَالَ: وثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ مَالِكٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي.قَالَ: وثنا أَبُو عُمَيْرٍ ، وَابْنُ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ ، وَأَبُو الرَّبِيعِ قَالُوا: ثنا سُفْيَانُ.قَالَ الْحُمَيْدِيُّ: قَالَ سُفْيَانُ: سَمِعْتُ مِنْ فِي ابْنِ شِهَابٍ قَالَ:
আবু হুরায়রা আবদুর রহমান বিন সাখর-এর হাদীস; এবং বলা হয়: উমায়ের বিন আমির বিন আবদ যিশ-শারা আল-আযদি আদ-দাওসি আস-সুলামি, তিনি সুলাইম বিন ফাহম বিন গানাম বিন দাওস-এর বংশধর।আর যিশ-শারা ছিল দাওস গোত্রের একটি মূর্তি। যার তিনটি সন্তান মারা যায় তার ফজিলত৩ - হাফেয আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলিল আদ-দিমাশকি (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হালব শহরে তাঁর নিকট আদ্যোপান্ত পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান মাসউদ বিন আবিল মনসুর আল-জাম্মাল আমাদের অবহিত করেছেন, আবু আলি আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আমাদের অবহিত করেছেন, আবু নুয়াইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফেয আমাদের অবহিত করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুমাইদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (হ)।আবু নুয়াইম বলেন: ফারুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-কায়নাবি এবং আয-যিয়াদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।তিনি বলেন: আবু বকর বিন মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।তিনি বলেন: আবু উমায়ের এবং ইবনে হামদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান বিন সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমায়ের এবং আবুুর রাবি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা সকলে বলেছেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।আল-হুমাইদি বলেন: সুফিয়ান বলেছেন: আমি ইবনে শিহাবের মুখ থেকে শুনেছি, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يَمُوتُ لِمُسْلِمٍ ثَلاثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ فَيَلِجُ النَّارَ إِلا تَحِلَّةَ الْقَسَمِ» .لَفْظُ الْحُمَيْدِيِّ.وَقَالَ الْقَعْنَبِيُّ رِوَايَةَ: «لا يَمُوتَنَّ» .وَقَالَ أَحْمَدُ: يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم.رَوَاهُ الإِمَامُ الْبُخَارِيُّ فِي الْجَنَائِزِ، عَنْ عَلِيٍّ ـ هُوَ ابْنُ الْمَدِينِيِّ ـ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي آخِرِ كِتَابِ الْبِرِّ وَالصِّلَةِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ، وَالنَّاقِدِ، وَزُهَيْرٍ، وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ أَرْبَعَتُهُمْ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، وَرَوَاهُ رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَزَادَ فِيهِ بَعْدَ قَوْلِهِ: «إِلا تَحِلَّةَ الْقَسَمِ» ثُمَّ قَرَأَ {وَإِنْ مِنْكُمْ إِلا وَارِدُهَا} [مريم: 71] .
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কোনো মুসলিমের তিনটি সন্তান মারা গেলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না, তবে শপথ পূর্ণ করার পরিমাণ ব্যতিরেকে।»এটি আল-হুমায়দী-র শব্দাবলি।আর আল-কা'নাবী বর্ণনায় বলেছেন: «নিশ্চয়ই মারা যাবে না।»আর আহমাদ বলেন: তিনি একে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছেছেন।ইমাম বুখারী এটি জানাযা অধ্যায়ে আলী —তিনি ইবনুল মাদীনী— থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি বির (সদাচরণ) ও সিলাহ (আত্মীয়তার সম্পর্ক) কিতাবের শেষে আবু বকর, আন-নাক্বিদ এবং যুহাইর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা চারজনই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে। রাওহ ইবনে উবাদাহ এটি ইবনে উইয়াইনাহ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। এতে «তবে শপথ পূর্ণ করার পরিমাণ ব্যতিরেকে» কথাটির পর তিনি এই অংশটুকু বৃদ্ধি করেছেন: তারপর তিনি পাঠ করলেন: {তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যাকে তা অতিক্রম করতে হবে না} [মারইয়াম: ৭১]।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
وَرَوَاهُ يَاسِينُ بْنُ مُعَاذٍ الزَّيَّاتُ الْكُوفِيُّ، وَهُوَ ضَعِيفٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَفِيهِ: ثُمَّ قَرَأَ {وَإِنْ مِنْكُمْ إِلا وَارِدُهَا} [مريم: 71] .وَزَادَ فِيهِ أَيْضًا: قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: مَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: صَبَرَ أَوْ لَمْ يَصْبِرْ، احْتَسَبَ أَوْ لَمْ يَحْتَسِبْ.
এটি ইয়াসিন ইবনে মুয়াজ আল-যায়্যাত আল-কুফি বর্ণনা করেছেন, আর তিনি দুর্বল; তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। এতে রয়েছে: অতঃপর তিনি পাঠ করলেন, "তোমাদের প্রত্যেককেই সেখানে (জাহান্নামে) পৌঁছাতে হবে।" [মারিয়াম: ৭১]।এবং এতে আরও বর্ণিত হয়েছে যে, আবু হুরায়রা বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনিনি: সে ধৈর্য ধারণ করুক বা না করুক, সওয়াবের প্রত্যাশা করুক বা না করুক।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣١)
مَعْنَى الْوُرُودِ عَلَى النَّارِ يَوْمَ الْقِيَامَةِوَمَعْنَى الآيَةِ: وَاللَّهِ «إِنْ مِنْكُمْ» أَيْ: مَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ إِلا وَارِدُهَا يَعْنِي: النَّارَ، فَأَضْمَرَ الْقَسَمَ، وَقَدِ اخْتُلِفَ فِي مَعْنَى الْوُرُودِ هَهُنَا، أَهُوَ الدُّخُولُ، أَمَّا الْحُضُورُ وَالْمُرُورُ؟7 - بِالإِسْنَادِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلادٍ وَغَيْرُهُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ غَالِبٍ، ثنا الْقَعْنَبِيُّ (ح) .قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وثنا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا مُحْرِزُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لا يَمُوتُ لأَحَدٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ثَلاثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ، فَتَمَسُّهُ النَّارُ إِلا تَحِلَّةَ الْقَسَمِ» رَوَاهُ أَبُو قُرَّةَ مُوسَى بْنُ طَارِقٍ فِي سُنَنِهِ عَنْ مَالِكٍ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، عَن يَحْيَى بْن يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ مَالِكٍ، وَعَنِ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ مَعْنٍ، عَنْ مَالِكٍ، وَقَالَ: وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ، وَمُعَاذٍ، وَكَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، وَعُتْبَةَ بْنِ عَبْدٍ، وَأُمِّ سُلَيْمٍ، وَجَابِرٍ، وَأَنَسٍ، وَأَبِي ذَرٍّ، وَابْنِ مَسْعُودٍ، وَأَبِي ثَعْلَبَةَ الأَشْجَعِيِّ، وَابْنِ عَبَّاسٍ، وَعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، وَأَبِي سَعِيدٍ، وَقُرَّةَ بْنِ إِيَاسٍ الْمُزَنِيِّ رضي الله عنهم أَجْمَعِينَ.
কিয়ামতের দিন জাহান্নামের ওপর উপনীত হওয়ার অর্থআর আয়াতের অর্থ হলো: আল্লাহর কসম, «তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই» অর্থাৎ: তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে তাতে—অর্থাৎ জাহান্নামে—উপনীত হবে না। এখানে শপথ উহ্য রাখা হয়েছে। আর এখানে ‘উরুদে’র (উপনীত হওয়া) অর্থ নিয়ে মতভেদ রয়েছে; এটি কি প্রবেশ করা, নাকি কেবল উপস্থিত হওয়া ও ওপর দিয়ে অতিক্রম করা?৭ - আবু নুয়াইমের সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন খাল্লাদ ও অন্যান্যরা, তারা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন গালিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কানাবী (হ)।আবু নুয়াইম বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়্যান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহরিজ বিন সালামাহ, তিনি মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কোনো মুসলিমের যদি তিনটি সন্তান মারা যায়, তবে তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না, কেবল শপথ পূর্ণ করার পরিমাণ ছাড়া»। এটি আবু কুররাহ মুসা বিন তারিক তার সুনানে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মালিক থেকে। এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ থেকে, তিনি মালিক থেকে; এবং আনসারী থেকে, তিনি মান’ থেকে, তিনি মালিক থেকে এবং তিনি (তিরমিযী) বলেন: এই অধ্যায়ে উমর, মুয়াজ, কা’ব বিন মালিক, উতবাহ বিন আবদ, উম্মে সুলাইম, জাবির, আনাস, আবু যার, ইবনে মাসউদ, আবু সা’লাবাহ আল-আশজায়ি, ইবনে আব্বাস, উকবাহ বিন আমির, আবু সাঈদ এবং কুররাহ বিন ইয়াস আল-মুযানী (আল্লাহ তাদের সকলের ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
الْبَلاءُ يَمْحُو الْخَطَايَا عَنِ الْمُؤْمِنِوَذَكَرَ مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّأِ أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ أَبِي الْحُبَابِ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا يَزَالُ الْمُؤْمِنُ يُصَابُ فِي وَلَدِهِ وَحَامَّتِهِ حَتَّى يَلْقَى اللَّهَ وَلَيْسَتْ عَلَيْهِ خَطِيئَةٌ» .10 - وَبِالإِسْنَادِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ: ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أنبا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، ثنا مَعْمَرٌ (ح) .وَثنا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا فَيَّاضُ بْنُ زُهَيْرٍ، ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، ثنا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «مَنْ مَاتَ لَهُ ثَلاثَةٌ لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْثَ لَمْ تَمَسَّهُ النَّارُ إِلا تَحِلَّةَ الْقَسَمِ» لَفْظُهُمَا سَوَاءٌ، رَوَاهُ
বিপদ-আপদ মুমিনের পাপসমূহ মোচন করেমালিক মুয়াত্তায় উল্লেখ করেছেন যে, আবু আল-হুবাব সাঈদ ইবন ইয়াসার থেকে তাঁর নিকট পৌঁছেছে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন: "মুমিন ব্যক্তি তার সন্তান ও নিকটাত্মীয়দের ব্যাপারে ক্রমাগত বিপদে পতিত হতে থাকে, যতক্ষণ না সে আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করে যে তার কোনো গুনাহ থাকে না।"১০ - আবু নুয়াইম পর্যন্ত সনদের মাধ্যমে তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুলাইমান ইবন আহমদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসহাক ইবন ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার (হ)।এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবন হামদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন সুফিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফায়্যাজ ইবন জুহাইর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার, যুহরী থেকে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন: "যার তিনটি (নাবালক) সন্তান মারা গিয়েছে যারা এখনও প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি, তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না, কেবল শপথ পূর্ণ করার জন্য যতটুকু প্রয়োজন (ততটুকু ব্যতীত)।" তাদের উভয়ের শব্দ বিন্যাস অভিন্ন, এটি বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
مُسْلِمٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رَافِعٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ.-10 - 12 - وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ: ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ (ح) .قَالَ: وثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا أَبُو الْحُصَيْنِ الْوَادِعِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ قَالا: ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ نِسْوَةً مِنَ الأَنْصَارِ قُلْنَ لِرَسُولِ اللَّه صلى الله عليه وسلم: يَا رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم أنا لا نَسْتَطِيعُ أَنْ نَأْتِيَكَ، قَالَ: فَقَالَ لَهُنَّ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «مَوْعِدُكُنَّ بَيْتُ فُلانَةٍ» ، فَجَاءَ فَتَحَدَّثَ مَعَهُنَّ، ثُمَّ قَالَ: «لا يَمُوتُ لإِحْدَاكُنَّ ثَلاثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ، فَتَحْتَسِبُهُمْ إِلا دَخَلَتِ الْجَنَّةَ» .فَقَالَتِ امْرَأَةٌ مِنْهُنَّ: أَوِ اثْنَانِ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «أَوِ اثْنَانِ» .رَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدِ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَلَمْ يَذْكُرْ قُتَيْبَةُ قِصَّةَ ذِكْرِ النِّسْوَةِ، وَالْمَوْضِعَ، إِنَّمَا اقْتَصَرَ عَلَى قَوْلِهِ «لا يَمُوتُ لإِحْدَاكُنَّ» إِلَى آخِرِهِ.وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الْعِلْمِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ سُهَيْلٍ.
মুসলিম (বর্ণনা করেছেন) মুহাম্মদ ইবনে রাফি ও আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে, তাঁরা আবদুর রাজ্জাক থেকে।-১০ - ১২ - এবং এর মাধ্যমেই আবু নুআইম পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট কুতাইবা ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন (হ)।তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট জাফর ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবুল হুসাইন আল-ওয়াদি'য়ী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন সুহাইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আনসারদের কিছু নারী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আমরা আপনার নিকট উপস্থিত হতে সক্ষম হই না। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের বললেন: «তোমাদের সাক্ষাতের নির্ধারিত স্থান হলো অমুক মহিলার বাড়ি», এরপর তিনি আসলেন এবং তাঁদের সাথে কথা বললেন, তারপর বললেন: «তোমাদের মধ্যে যার তিনটি সন্তান মারা যায় এবং সে (ধৈর্য ধারণ করে) তাদের বিনিময়ে সওয়াবের আশা করে, সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে»।তখন তাঁদের মধ্য থেকে এক নারী বললেন: অথবা দুইজন, হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন: «অথবা দুইজন»।মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ থেকে। তবে কুতাইবা নারীদের কাহিনী এবং স্থান উল্লেখের বিষয়টি বর্ণনা করেননি, বরং তিনি কেবল তাঁর এই বাণী «তোমাদের মধ্যে যার (সন্তান) মারা যায় না» থেকে শেষ পর্যন্ত উল্লেখ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছেন।ওরাহিম ইবনে মুহাম্মদ নাসাঈ এটি 'ইলম' (জ্ঞান) অধ্যায়ে মুহাম্মদ ইবনে মনসুর থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি সুহাইল থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
14 - وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّه أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: أنبا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ثنا التَّمِيمِيُّ، عَنْ أَبِي السَّلِيلِ، عَنْ أَبِي حَسَّانٍ قَالَ: قُلْتُ لأَبِي هُرَيْرَةَ تُوُفِّيَ لِي ابْنَانِ فَحَدِّثْنِي شَيْئًا قَالَ: سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّه صلى الله عليه وسلم حَدِيثًا تَطِيبُ بِهِ أَنْفُسُنَا عَنْ مَوْتَانَا قَالَ: «صِغَارُهُمْ دَعَامِيصُ الْجَنَّةِ، يَتَلَقَّى أَحَدُهُمْ أَبَاهُ، فَيَأْخُذُ بِصَنِفَةِ ثَوْبِهِ، كَمَا آخُذُ أنا بِصَنِفَةِ ثَوْبِكَ هَذَا، فَلا يُفَارِقُهُ حَتَّى يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ» .رَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ سُوَيْدٍ ومُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَى عَنِ الْمُعْتَمِرِ عَنْ أَبِيهِ، وَعَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ.وَالدُّعْمُوصُ: دُوَيْبَةٌ تَكُونُ فِي الْمَاءِ، وَصَنِفَةُ الثَّوْبِ: طَرْفُهُ، وَنَاحِيَتُهُ.15 - وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ.قَالَ: وثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ قَالَ: ثنا حَفْصٌ، عَنْ طَلْقِ بْنِ مُعَاوِيَةَ قَالَ.
১৪ - এবং তাঁর থেকে আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ আবু মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আলী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আত-তামিমি, আবু আস-সালীল থেকে, তিনি আবু হাসসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে বললাম, আমার দুই পুত্র মারা গেছে, সুতরাং আমাকে (সান্ত্বনা স্বরূপ) কিছু হাদীস শোনান। তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এমন একটি হাদীস শুনেছি যা আমাদের মৃতদের বিয়োগব্যথায় আমাদের মনকে শান্ত করে। তিনি বলেছেন: «তাদের ছোট শিশুরা জান্নাতের ক্ষুদ্র প্রাণীতুল্য। তাদের কেউ তার পিতার সাথে সাক্ষাৎ করে তার কাপড়ের আঁচল বা প্রান্ত ধরে ফেলে, ঠিক যেমন আমি আপনার কাপড়ের এই প্রান্তটি ধরছি। অতঃপর সে তাকে ছেড়ে যায় না যতক্ষণ না তাকে জান্নাতে প্রবেশ করায়।»এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ ও মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আ'লা থেকে, তাঁরা মুতামির থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে; এবং উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে।আর 'দু'মুস' হলো: পানিতে থাকা একটি ছোট প্রাণী; এবং কাপড়ের 'সানিফাহ' হলো: তার পাড় এবং তার প্রান্তভাগ।১৫ - এবং তাঁর থেকে আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আলী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবু শায়বাহ।তিনি বলেন: এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে হামদান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে সুফিয়ান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাফস, তালক ইবনে মুআবিয়াহ থেকে, তিনি বলেন।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
وثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُكْرَمٍ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، ثنا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ قَالَ: سَمِعْتُ طَلْقَ بْنَ مُعَاوِيَةَ قَالَ.وثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا أَبُو خَيْثَمَةَ، ثنا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ طَلْقِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: أَتَتِ امْرَأَةٌ بِصَبِيٍّ لَهَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، ادْعُ اللَّهَ لَهُ، فَلَقَدْ دَفَنْتُ ثَلاثَةً.قَالَ: «دَفَنْتِ ثَلاثَةً» ؟ .فَقَالَتْ: نَعَمْ، فَقَالَ: «لَقَدِ احْتَظَرْتِ بِحِظَارٍ شَدِيدٍ مِنَ النَّارِ» .رَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي بَكْرٍ وَابْنِ نُمَيْرٍ وَأَبِي سَعِيدٍ الأَشَجِّ كُلِّهِمْ عَنْ حَفْصٍ عَنْ طَلْقٍ، وَعَنْ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ غِيَاثِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ طَلْقٍ.19 - وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ: ثنا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، أنا أَبُو يَعْلَى، ثنا أَبُو خَيْثَمَةَ، ثنا جَرِيرٌ، عَنْ طَلْقٍ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِابْنٍ لَهَا، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُ يَشْتَكِي، وَإِنِّي أَخَافُ عَلَيْهِ، وَقَدْ دَفَنْتُ ثَلاثَةً، فَقَالَ: «قَدِ احْتَظَرْتِ بِحِظَارٍ شَدِيدٍ مِنَ النَّارِ» .رَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي خَيْثَمَةَ وَقُتَيْبَةُ عَنْ جَرِيرٍ.
এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুকরাম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-মাদিনি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস বিন গিয়াস, তিনি বলেন: আমি তালক বিন মুয়াবিয়াকে বলতে শুনেছি।এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন আহমদ বিন আলী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস বিন গিয়াস, তালক বিন মুয়াবিয়া থেকে, তিনি আবু যুরআহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক মহিলা তার এক সন্তানকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর নবী, তার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, কারণ আমি ইতিপূর্বে তিনজনকে দাফন করেছি।তিনি বললেন: "তুমি কি তিনজনকে দাফন করেছ?"।তিনি বললেন: হ্যাঁ, তখন তিনি বললেন: "তুমি তো জাহান্নামের আগুন থেকে এক মজবুত প্রাচীর দ্বারা নিজেকে রক্ষা করেছ"।এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর, ইবন নুমাইর এবং আবু সাঈদ আল-আশাজ থেকে, তারা সকলেই হাফস থেকে, তিনি তালক থেকে; এবং ওমর বিন হাফস বিন গিয়াস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা তালক থেকে।১৯ - এবং সেই একই সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন আবু ইয়ালা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর, তালক থেকে, তিনি আবু যুরআহ বিন আমর বিন জারীর থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক মহিলা তার এক পুত্রকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, সে অসুস্থ এবং আমি তার ব্যাপারে শঙ্কিত, অথচ আমি ইতিমধ্যে তিনজনকে দাফন করেছি, তখন তিনি বললেন: "তুমি তো জাহান্নামের আগুন থেকে এক মজবুত প্রাচীর দ্বারা নিজেকে রক্ষা করেছ"।এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা ও কুতাইবা থেকে, তারা জারীর থেকে।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
فَضْلُ مَنْ مَاتَ لَهُ سِقْطٌ20 - وَكَتَبَ إِلَيْنَا أَبُو طَالِبٍ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيُّ قَالَ: أنا أَبُو زُرْعَةَ طَاهِرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَقْدِسِيُّ، أنا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْمُقَوِّمِيُّ إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، قَالَ: أنبا أَبُو طَلْحَةَ بْنُ الْمُنْذِرِ الْخَطِيبُ، أنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْقَطَّانُ، أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَاجَهِ الْقَزْوِينِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ النَّوْفَلِيُّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «لَسِقْطٌ أُقَدِّمُهُ بَيْنَ يَدَيَّ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ فَارِسٍ أُخَلِّفُهُ خَلْفِي» .أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ فِي سُنَنِهِ مُنْفَرِدًا بِهِ.
যার গর্ভপাত হওয়া সন্তান মারা যায় তার ফজিলত২০ - আবু তালিব আব্দুল লতিফ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগদাদি আমাদের নিকট লিখেছেন, তিনি বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন আবু যুরআ তাহির ইবনে মুহাম্মদ আল-মাকদিসি, আমাদের খবর দিয়েছেন আবু মানসুর মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-মুকাউউইমি এজাজতসূত্রে যদি শ্রবণসূত্রে না হয়ে থাকে, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু তালহা ইবনুল মুনযির আল-খতিব, আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে ইব্রাহিম আল-কাত্তান, আমাদের জানিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মাজাহ আল-কাযউইনি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন খালিদ ইবনে মাখলাদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াযিদ ইবনে আব্দুল মালিক আন-নাওফালি, ইয়াজিদ ইবনে রুমান থেকে বর্ণিত, আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «একটি গর্ভপাত হওয়া সন্তানকে আমার আগে (পরকালের জন্য) পাঠানো আমার নিকট একজন অশ্বারোহী যোদ্ধাকে আমার পেছনে (দুনিয়াতে) রেখে যাওয়ার চেয়ে অধিক প্রিয়।»ইবনে মাজাহ তাঁর সুনান গ্রন্থে এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
حَدِيثُ أَبِي سَعِيدٍ سَعْدِ بْنِ مَالِكِ بْنِ سِنَانٍ الأَنْصَارِيِّ الْخُدْرِيِّ مِنْ وَلَدِ خُدْرَةَ بْنِ عَوْفِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ الْخَزْرَجِ رضي الله عنه.21 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَجَّاجِ الْحَافِظُ رحمه الله، قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ الْجَمَّالُ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ، أنا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ، ثنا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا أَبُو كَامِلٍ الْفُضَيْلُ بْنُ حُسَيْنٍ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ.قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ، وثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا أَبُو الْحُصَيْنِ، ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، ثنا شَرِيكٌ وَأَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَصْبَهَانِيِّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ ذَكْوَانَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ: جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّه صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ: " يَا رَسُولَ اللَّه، ذَهَبَ الرِّجَالُ بِحَدِيثِكَ، فَاجْعَلْ لَنَا مِنْ نَفْسِكَ يَوْمًا نَأْتِيكَ فِيهِ، تُعَلِّمُنَا مِمَّا عَلَّمَكَ اللَّهُ، قَالَ: «اجْتَمِعْنَ يَوْمَ كَذَا فِي مَكَانِ كَذَا وَكَذَا» فَاجْتَمَعْنَ، فَأَتَاهُنَّ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم فَعَلَّمَهُنَّ مِمَّا عَلَّمَهُ اللَّهُ، ثُمَّ قَالَ: «مَا مِنْكُنَّ امْرَأَةٌ تُقَدِّمُ بَيْنَ يَدَيْهَا مِنْ وَلَدِهَا ثَلاثَةً إِلا كَانُوا لَهَا حِجَابًا مِنَ النَّارِ» .فَقَالَتِ امْرَأَةٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَاثْنَيْنِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «وَاثْنَيْنِ، وَاثْنَيْنِ، وَاثْنَيْنِ» لَفْظُ أَبِي كَامِلٍ رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي الاعْتِصَامِ عَنْ مُسَدَّدٍ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي آخِرِ
খুদরাহ বিন আউফ বিন আল-হারিস বিন আল-খাযরাজ বংশীয় আবু সাঈদ সা'দ বিন মালিক বিন সিনান আল-আনসারী আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণিত হাদিস।২১ - হাফেজ আবু আল-হাজ্জাজ রহিমাহুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আল-জাম্মাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর বিন হামদান আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন সুফিয়ান আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু কামিল আল-ফুদাইল বিন হুসাইন আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানা আমাদের বর্ণনা করেছেন।আবু নুআইম বলেন, এবং জাফর বিন মুহাম্মদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু আল-হুসাইন আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন আব্দুল হামিদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, শারিক ও আবু আওয়ানা আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন আল-আসবাহানী থেকে, তিনি আবু সালিহ যাকওয়ান থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক নারী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, পুরুষেরা আপনার হাদিস (শিক্ষা) নিয়ে গেছে। সুতরাং আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে একটি দিন নির্ধারণ করুন যে দিন আমরা আপনার কাছে আসব এবং আল্লাহ আপনাকে যা শিখিয়েছেন তা থেকে আপনি আমাদের শিক্ষা দেবেন।" তিনি বললেন: "তোমরা অমুক দিন অমুক অমুক স্থানে একত্রিত হও।" অতঃপর তারা একত্রিত হলো এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট আসলেন এবং আল্লাহ তাঁকে যা শিখিয়েছেন তা থেকে তাদের শিক্ষা দিলেন। এরপর তিনি বললেন: "তোমাদের মধ্য থেকে যে নারী তার সন্তানদের মধ্য হতে তিনজনকে (মৃত্যুর মাধ্যমে পরকালে) আগে পাঠিয়ে দেবে, তারা তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে অন্তরায় স্বরূপ হবে।"তখন এক নারী বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, আর যদি দুইজন হয়?" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "আর দুইজনও, আর দুইজনও, আর দুইজনও।" এটি আবু কামিলের শব্দ। বুখারী এটি 'আল-ইতিসাম' অধ্যায়ে মুসাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং মুসলিম এটি শেষ ভাগে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
الْبِرِّ وَالصِّلَةِ عَنْ أَبِي كَامِلٍ كِلاهُمَا عَنْ أَبِي عَوَانَةَ.وَبِالإِسْنَادِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ. فَضْلُ مَنْ مَاتَ لَهَا اثْنَانِ مِنَ الأَوْلادِ24 - قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وثنا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا بُنْدَارٌ، ثنا غُنْدَرٌ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَصْبَهَانِيِّ، عَنْ ذَكْوَانَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ النِّسَاءَ قُلْنَ: " غَلَبَنَا عَلَيْكَ الرِّجَالُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَاجْعَلْ لَنَا يَوْمًا نَأْتِيكَ فِيهِ، فَوَعَدَهُنَّ مِيعَادًا، فَأَمَرَهُنَّ وَوَعَظَهُنَّ، وَقَالَ: «مَا مِنْكُنَّ مِنَ امْرَأَةٍ يَمُوتُ لَهَا ثَلاثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ إِلا كَانُوا لَهَا حِجَابًا مِنَ النَّارِ» فَقَالَتِ امْرَأَةٌ: أَوِ اثْنَانِ، فَإِنَّهُ مَاتَ لِي اثْنَانِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «أَوِ اثْنَانِ» رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي الْعِلْمِ عَنْ أَدْهَمَ، وَفِي الْجَنَائِزِ عَنْ مُسْلِمٍ كِلاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، وَعَلَّقَهُ فِي الْجَنَائِزِ بَعْدَ حَدِيثِ مُسْلِمٍ، فَقَالَ: قَالَ شَرِيكٌ، عَنِ ابْنِ الأَصْبَهَانِيِّ، ثنا أَبُو صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: «لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْثَ» .وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الْبِرِّ وَالصِّلَةِ عَقِيبَ حَدِيثِ أَبِي عَوَانَةَ، فَقَالَ: ثنا
সদাচরণ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক অধ্যায়ে আবু কামিল থেকে, তাঁরা উভয়েই আবু আওয়ানাহ থেকে।এবং আবু নুয়াইমের নিকট পৌঁছানো সনদের মাধ্যমে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন জাফর। যার দুই সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা২৪ - আবু নুয়াইম বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবন হামদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন সুফিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বুন্দার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন গুন্দার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আবদুর রহমান ইবনুল আসবাহানি থেকে, তিনি যাকওয়ান থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, মহিলারা আরজ করলেন: "হে আল্লাহর রাসুল! পুরুষরা আপনার সান্নিধ্য লাভের ক্ষেত্রে আমাদের ওপর জয়ী হয়ে গেছে, তাই আপনি আমাদের জন্য একটি দিন নির্ধারণ করুন যে দিন আমরা আপনার কাছে আসব।" তখন তিনি তাদের একটি নির্দিষ্ট সময়ের প্রতিশ্রুতি দিলেন। অতঃপর তিনি তাদের নির্দেশ দিলেন এবং উপদেশ দিলেন। তিনি বললেন: "তোমাদের মধ্য থেকে যে মহিলার তিনটি সন্তান মারা যাবে, তারা তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে আড়াল স্বরূপ হবে।" তখন একজন মহিলা বললেন: "যদি দুইজন হয়? কারণ আমার দুইজন সন্তান মারা গেছে।" তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "দুইজন হলেও।" এটি বুখারি 'ইলম' অধ্যায়ে আদহাম থেকে এবং 'জানায়েয' অধ্যায়ে মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই শু'বাহ থেকে। আর তিনি 'জানায়েয' অধ্যায়ে মুসলিমের হাদিসের পর এটি তালীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: শারিক ইবনুল আসবাহানি থেকে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ, তিনি আবু সাঈদ ও আবু হুরায়রা থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন: "তারা যেন প্রাপ্তবয়স্ক না হয় (অর্থাৎ শৈশবে মারা যায়)।"এবং মুসলিম এটি 'সদাচরণ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক' অধ্যায়ে আবু আওয়ানাহর হাদিসের পর বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى وَابْنُ بَشَّارٍ قَالا: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ.قَالَ: وثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، ثنا أَبِي قَالا: ثنا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَصْبَهَانِيِّ فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِمِثْلِ مَعْنَاهُ.وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ: ثنا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا حَازِمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مِثْلَهُ.وَقَالَ: «ثَلاثَةٌ لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْثَ» وَالْحِنْثُ: الذَّنْبُ وَالإِثْمُ.رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي الْعِلْمِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بَشَّارٍ، عَنْ غُنْدَرٍ، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الْبِرِّ عَلَى الْمُوَافَقَةِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى عَنْ غُنْدَرٍ، وَعَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُعَاذٍ عَنْ أَبِيهِ كِلاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ.حَدِيثُ خَادِمِ رَسُولِ اللَّه صلى الله عليه وسلم أَبُو حَمْزَةَ أَنَسُ بْنُ مَالِكِ بْنِ النَّضْرِ بْنِ ضَمْضَمِ بْنِ زَيْدِ بْنِ حَرَامٍ الأَنْصَارِيُّ مِنْ وَلَدِ عَدِيِّ بْنِ النَّجَّارِ بْنِ ثَعْلَبَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْخَزْرَجِ أَخْوَالِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ بْنِ هَاشِمِ بْنِ عَبْدِ مَنَافٍ.
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না এবং ইবনু বাশশার বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনু জাফর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন।তিনি বলেন: উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: শু'বাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনুল আসবাহানি থেকে এই সনদে একই অর্থের হাদিস।এবং এই একই সূত্রে আবু নুয়াইম পর্যন্ত পৌঁছেছে, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ ইবনু হাইয়ান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু মানদাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনু জাফর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, শু'বাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুর রহমান থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু হাজিমকে আবু হুরায়রা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি।এবং তিনি বলেছেন: "তিনজন যারা গুনাহের বয়সে পৌঁছেনি।" আর 'হিনস' অর্থ হলো: পাপ ও গুনাহ।বুখারি এটি 'ইলম' অধ্যায়ে মুহাম্মদ ইবনু বাশশারের সূত্রে গুন্দার থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি 'আল-বিরর' অধ্যায়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি গুন্দার থেকে এবং উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে শু'বাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খাদেম আবু হামজাহ আনাস ইবনু মালিক ইবনু নাদর ইবনু দামদাম ইবনু যাইদ ইবনু হারাম আল-আনসারীর হাদিস; যিনি আদী ইবনুন নাজ্জার ইবনু সা'লাবাহ ইবনু আমর ইবনুল খাজরাজ-এর বংশধর এবং আবদুল মুত্তালিব ইবনু হাশিম ইবনু আবদে মানাফের মাতুল গোষ্ঠীভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
خَادِمُ الرَّسُولِ يَتَحَدَّثُ عَنْ فَضْلِ الْبَلاءِ فِي الأَوْلادِ27 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ الأَنْجَبِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الأَزَجِيُّ رحمه الله قَالَ: أنا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ رَمَضَانَ الْمُقْرِئُ، أنا أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْمَاوَرْدِيُّ، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّقُّورِ الْبَزَّازُ (ح) .وَأَخْبَرَنَا عَالِيًا: أَبُو الْحُسَيْنِ الْبَغْدَادِيُّ، عَنْ أَبِي الْفَضْلِ مُحَمَّدِ بْنِ نَاصِرٍ الْحَافِظِ وَغَيْرِهِ، عَنْ ابْنِ النَّقُّورِ قَالَ: أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ الدَّقَّاقُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ الْبَغَوِيُّ، ثنا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ، ثنا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى بْنِ عُمَارَةَ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «مَنْ مَاتَ لَهُ ثَلاثَةُ أَوْلادٍ لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْثَ أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ بِفَضْلِ رَحْمَتِهِ إِيَّاهُمْ» .
রাসুলের খাদেম সন্তানদের বিপদে ধৈর্য ধারণের ফজিলত সম্পর্কে আলোচনা করছেন২৭ - আবুল হাসান ইবনুল আনজাব ইবনে আবি আবদিল্লাহ আল-আজাজি (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে রামাদান আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আলি আল-মাওয়ার্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আন-নাক্কুর আল-বাজজাজ (হ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।এবং উচ্চতর সনদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আল-হুসাইন আল-বাগদাদি, তিনি আবু আল-ফজল মুহাম্মদ ইবনে নাসির আল-হাফিজ ও অন্যান্যদের থেকে, তারা ইবনে আন-নাক্কুর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল হুসাইন আদ-দাক্কাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ (যিনি আল-বাগাউয়ি) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল আজিজ ইবনে সুহাইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যার তিনটি সন্তান মারা যায় যারা তখনও প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি, আল্লাহ তাদের প্রতি তাঁর রহমতের অনুগ্রহে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।»
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤١)
هَلْ مَاتَ لَكَ ثَلاثَةٌ؟29 - وَكَتَبَ إِلَيْنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ الأَزْجِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرٍ الزَّاغُونِيِّ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْبُسْرِيِّ الْبُنْدَارُ، أنا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ، ثنا إِسْمَاعِيلُ هُوَ ابْنُ عَبَّاسِ بْنِ مُحَمَّدٍ أَبُو عَلِيٍّ الْوَرَّاقُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثنا أَبُو مَعْمَرٍ، ثنا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنَ النَّاسِ مِنْ مُسْلِمٍ يَتَوَفَّى لَهُ ثَلاثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْثَ إِلا أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ بِفَضْلِ رَحْمَةِ اللَّهِ عز وجل» .رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَلَى الْمُوَافَقَةِ عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَبِي الْحَجَّاجِ الْمِنْقَرِيِّ مَوْلاهُمُ الْمُقْعَدُ، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ فِي الْجَنَائِزِ جَمِيعًا عَنْ يُوسُفَ بْنِ حَمَّادٍ الْمَعْنَى عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ بْنِ سَعِيدٍ الثَّوْرِيِّ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ.ـ حَدِيثُ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ.ابْنِ غَافِلٍ ـ بِالْغَيْنِ الْمُعْجَمَةِ، وَالْفَاءِ ـ الْهُذَلِيِّ بْنِ هُذَيْلِ بْنِ مُدْرِكَةَ بْنِ إِلْيَاسَ بْنِ مُضَرَ حَلِيفِ بَنِي زُهْرَةَ. هَلْ تَدْرِي مَا الرَّقُوبُ؟30 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَجَّاجِ الْحَافِظِ بِحَلَبَ، أَخْبَرَكَ أَبُو الْحَسَنِ الْخَيَّاطُ،
আপনার কি তিনটি সন্তান মারা গেছে?২৯ - আমাদের নিকট আলী ইবনুল হুসাইন আল-আজজি লিখেছেন, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উবাইদিল্লাহ ইবনে নাসর আজ-জাগুনি থেকে, তিনি আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনুল বুসরি আল-বুন্দার থেকে, তিনি আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্বাস ইবনে আব্দুর রহমান আল-মুখাল্লিস থেকে, তিনি আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল — তিনি ইবনে আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আবু আলী আল-ওয়াররাক — তিনি আহমদ ইবনে মানসুর থেকে, তিনি আবু মা'মার থেকে, তিনি আব্দুল ওয়ারিস থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মানুষের মধ্যে এমন কোনো মুসলিম নেই যার তিনটি সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে মারা যায়, তবে মহান আল্লাহর রহমতের অনুগ্রহে আল্লাহ তাকে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।»ইমাম বুখারী এটি আবু মা'মার আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আবিল হাজ্জাজ আল-মিনকারি মাওলাহুম আল-মুকআদ-এর সূত্রে একইভাবে বর্ণনা করেছেন। আর নাসায়ী এবং ইবনে মাজাহ এটি জানাজা অধ্যায়ে ইউসুফ ইবনে হাম্মাদের সূত্রে আব্দুল ওয়ারিস ইবনে সাঈদ আস-সাওরি থেকে আব্দুল আজিজের মাধ্যমে একই অর্থে বর্ণনা করেছেন।— আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের হাদিস।ইবনে গাফিল — 'গাইন' এবং 'ফা' সহযোগে — আল-হুযালি ইবনে হুযায়িল ইবনে মুদরিকা ইবনে ইলিয়াস ইবনে মুদার, বনু জুহরার মিত্র। তুমি কি জানো 'রাকুব' কে?৩০ - আমি আলেপ্পোতে হাফেজ আবু আল-হাজ্জাজের নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন: আপনাকে আবু আল-হাসান আল-খাইয়াত সংবাদ দিয়েছেন,
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ، أنا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الثَّقَفِيُّ، ثنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ.قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالا: أنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا أَبُو خَيْثَمَةَ، ثنا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ سُوَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «مَا تَعُدُّونَ الرَّقُوبَ فِيكُمْ؟» قَالَ: قُلْنَا: الَّذِي لا يُولَدُ لَهُ.قَالَ: «لَيْسَ ذَاكَ بِالرَّقُوبِ، وَلَكِنَّ الرَّقُوبَ الَّذِي لَمْ يُقَدِّمْ مِنْ وَلَدِهِ شَيْئًا» .قَالَ: «فَمَا تَعُدُّونَ الصُّرَعَةَ فِيكُمْ؟» قُلْنَا: الَّذِي لا تَصْرَعُهُ الرِّجَالُ.قَالَ: «لَيْسَ بِذَاكَ، وَلَكِنَّهُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ» .وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ الطَّلْحِيُّ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ تَمَّامٍ.قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: وثنا أَحْمَدُ بْنُ بُنْدَارٍ، ثنا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ الأَعْمَشِ (ح) .قَالَ: وثنا أَبُو أَحْمَدَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ شِيرَوَيْهِ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أنا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، ثنا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنِ
আমি আবু আলী আল-হাদ্দাদ, আমাকে আবু নুআইম আল-হাফিজ সংবাদ প্রদান করেছেন, আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাকাফি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট কুতায়বাহ ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন।আবু নুআইম বলেন: এবং আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আলী সংবাদ প্রদান করেছেন, আমাদের নিকট আবু খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট জারীর বর্ণনা করেছেন, আ'মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে, আমাদের নিকট হারিস ইবনে সুওয়াইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা তোমাদের মাঝে কাকে 'রাকুব' (নিঃসন্তান) গণ্য করো?" তিনি বলেন: আমরা বললাম: যার কোনো সন্তান জন্ম নেয় না।তিনি বললেন: "সে ব্যক্তি রাকুব নয়, বরং প্রকৃত রাকুব তো সেই ব্যক্তি যার কোনো সন্তান (তার মৃত্যুর আগে পরকালে) অগ্রিম প্রেরিত হয়নি।"তিনি বললেন: "তোমরা তোমাদের মাঝে কাকে 'সুরাআহ' (শক্তিশালী কুস্তিগীর) গণ্য করো?" আমরা বললাম: যাকে মানুষ কুস্তিতে আছাড় দিতে পারে না।তিনি বললেন: "সে তেমন নয়, বরং প্রকৃত শক্তিশালী সেই ব্যক্তি যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।"এবং উক্ত সূত্রের মাধ্যমে আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর আত-তালহি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইদ ইবনে তাম্মাম বর্ণনা করেছেন।আবু নুআইম বলেন: এবং আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে বুন্দার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে আবি আসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন, আ'মাশ থেকে (হ)।তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট আবু আহমাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে শিরওয়াইহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ঈসা ইবনে ইউনুস সংবাদ প্রদান করেছেন, আমাদের নিকট আ'মাশ বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
الْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَنَحْوُهُ.انْفَرَدَ بِهِ مُسْلِمٌ فَرَوَاهُ فِي (الْبِرِّ وَالصِّلَةِ) عَنْ عُثْمَانَ وَقُتَيْبَةَ عَنْ جَرِيرٍ، وَعَنْ أَبِي بَكْرٍ وَأَبِي كُرَيْبٍ عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، وَعَنْ إِسْحَاقَ عَن عِيسَى بْنِ يُونُسَ.وَأَخْرَجَ أَبُو دَاوُدَ مِنْهُ قِصَّةَ الصُّرَعَةِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ.وَالرَّقُوبُ بِفَتْحِ الرَّاءِ فِي اللُّغَةِ: الَّذِي لا يُولَدُ لَهُ، وَلا يَعِيشُ لَهُ وَلَدٌ.قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: مَعْنَاهُ فِي كَلامِهِمْ: فَقْدُ الأَوْلادِ فِي الدُّنْيَا، فَجَعَلَهُ اللَّهُ فَقْدَهُمْ فِي الآخِرَةِ، فَكَأَنَّهُ حَوَّلَ الْمَوْضِعَ إِلَى غَيْرِهِ. الْمُفْلِسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِقُلْتُ: وَمِنْ بَابِ تَحْوِيلِ الْكَلامِ إِلَى مَعْنًى آخَرَ، قَوْلُهُ عليه السلام: «مَا تَعُدُّونَ الْمُفْلِسَ فِيكُمْ؟» قَالُوا: الَّذِي لا دِرْهَمَ لَهُ، وَلا دِينَارَ، وَلا مَتَاعَ قَالَ: «الْمُفْلِسُ مِنْ أُمَّتِي مَنْ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِصَلاةٍ وَصِيَامٍ، وَزَكَاةٍ، وَيَأْتِي وَقَدْ شَتَمَ هَذَا، وَأَكَلَ مَالَ هَذَا، وَسَفَكَ دَمَ هَذَا» .الْحَدِيثَ.وَكَذَلِكَ «الْمَحْرُوبُ مَنْ حَرَبَ دِينَهُ» .وَالْمَعْنَى: أَنَّ الرَّقُوبَ ذُو مُصِيبَةٍ، بِفَقْدِ بَنِيهِ، كَثِيرُ الأَسَفِ عَلَى ذَلِكَ، فَأَعْلَمَهُمْ عليه السلام،
হারিস ইবনে সুওয়াইদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এবং এর অনুরূপ (বর্ণিত হয়েছে)।ইমাম মুসলিম এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি (আল-বিরর ওয়াস-সিলাহ) অধ্যায়ে উসমান ও কুতাইবা থেকে, তারা জারীর থেকে; এবং আবু বকর ও আবু কুরাইব থেকে, তারা আবু মুয়াবিয়া থেকে; এবং ইসহাক থেকে, তিনি ঈসা ইবনে ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন।আর আবু দাউদ এর মধ্য থেকে কুস্তিগীরের ঘটনাটি আবু বকর থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।আর আরবী ভাষায় 'রাকুব' (রা বর্ণের উপরে যবরসহ) হলো সেই ব্যক্তি, যার কোনো সন্তান জন্মায় না অথবা যার কোনো সন্তান বেঁচে থাকে না।আবু উবাইদ বলেন: তাদের পরিভাষায় এর অর্থ হলো: দুনিয়াতে সন্তান হারানো। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা এটিকে আখিরাতে (সাওয়াব থেকে) বঞ্চিত হওয়া হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। ফলে তিনি যেন বিষয়টিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তিত করেছেন। কিয়ামতের দিনের নিঃস্ব ব্যক্তিআমি বলছি: বক্তব্যকে অন্য অর্থে রূপান্তরের অধ্যায় থেকে হলো নবী আলাইহিস সালামের বাণী: "তোমরা তোমাদের মাঝে কাকে নিঃস্ব মনে করো?" তারা বললেন: যার কোনো দিরহাম নেই, দীনার নেই এবং কোনো আসবাবপত্রও নেই। তিনি বললেন: "আমার উম্মতের মধ্যে সেই প্রকৃত নিঃস্ব, যে কিয়ামতের দিন নামায, রোযা ও যাকাত নিয়ে উপস্থিত হবে, কিন্তু সে একে গালি দিয়েছে, তার সম্পদ আত্মসাৎ করেছে এবং ওর রক্ত প্রবাহিত করেছে..."হাদীসটি (শেষ পর্যন্ত)।অনুরূপভাবে: "প্রকৃত সর্বস্বান্ত সেই ব্যক্তি যে তার দ্বীন হারিয়েছে।"আর অর্থ হলো: 'রাকুব' হলো সেই বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি যে তার সন্তানদের হারিয়ে তার জন্য অত্যন্ত আক্ষেপ করে। তখন নবী আলাইহিস সালাম তাদেরকে জানালেন যে, (প্রকৃত রাকুব তো সে-ই যার কোনো সন্তান আগে আখেরাতে পাঠানো হয়নি)।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
أَنَّ الَّذِي أُصِيبَ بِفَقْدِهِمْ فِي الآخِرَةِ هُوَ الْمُصَابُ حَقِيقَةً، لِمَا فَاتَهُ مِنْ أَجْرِ تَقْدِيمِهِمْ. حِصْنٌ حَصِينٌ مِنَ النَّارِ35 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْبَصْرِيُّ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الصَّيْدَلانِيِّ، عَنْ أَبِي عَامِرٍ الأَزْدِيِّ قَالَ: أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ الْجَرَّاحِيُّ، أنا أَبُو الْعَبَّاسِ الْمَحْبُوبِيُّ، أنا أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيُّ، ثنا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، نا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ، نا الْعَوَّامُ بْنُ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قَدَّمَ ثَلاثَةً مِنَ الْوَلَدِ لَمْ يَبْلُغُوا الْحِنْثَ كَانُوا لَهُ حِصْنًا حَصِينًا» .قَالَ أَبُو ذَرٍّ: قَدَّمْتُ اثْنَيْنِ؟ قَالَ: «وَاثْنَيْنِ» .فَقَالَ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ سَيِّدُ الْقُرَّاءِ: قَدَّمْتُ وَاحِدًا؟ قَالَ: «وَوَاحِدًا، إِنَّمَا ذَلِكَ عِنْدَ الصَّدْمَةِ الأُولَى» قَالَ أَبُو عِيسَى: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، أَبُو عُبَيْدَةَ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ أَبِيهِ، قُلْتُ: رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنْ نَصْرِ بْنِ عَلِيٍّ أَيْضًا، وَآخِرُ حَدِيثِهِ إِلَى قَوْلِهِ وَاحِدًا.
প্রকৃতপক্ষে সেই ব্যক্তিই প্রকৃত বিপদগ্রস্ত, যে পরকালে তাদের হারানোর ফলে বিপদে পড়বে; যেহেতু সে তাদের আগে পাঠানোর সওয়াব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। জাহান্নাম থেকে রক্ষাকারী এক সুদৃঢ় দুর্গ৩৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-বাসরি, আবু জাফর আস-সাইদালানি থেকে, তিনি আবু আমির আল-আজদি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-জাররাহি, তিনি আবু আব্বাস আল-মাহবুবি থেকে, তিনি আবু ঈসা আত-তিরমিজি থেকে। আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন নাসর ইবনে আলি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইউসুফ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আওয়াম ইবনে হাওশাব, আবু মুহাম্মদ থেকে যিনি ওমর ইবনুল খাত্তাবের মুক্তদাস ছিলেন, তিনি আবু উবাইদাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি (প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পূর্বে) নিজের তিনটি সন্তানকে অগ্রিম পাঠাল, তারা তার জন্য জাহান্নাম থেকে রক্ষাকারী এক সুদৃঢ় দুর্গ হবে।»আবু যার (রা.) বললেন: আমি কি দুইজনকে পাঠিয়েছি? তিনি (সা.) বললেন: «দুইজন পাঠালেও (তা হবে)।»অতঃপর কারীগণের সরদার উবাই ইবনে কাব (রা.) বললেন: আমি কি একজনকে পাঠিয়েছি? তিনি (সা.) বললেন: «একজনকে পাঠালেও; তবে তা হতে হবে বিপদের প্রথম আঘাতের সময়।’ আবু ঈসা (তিরমিজি) বলেন: এই হাদিসটি গরিব। আবু উবাইদাহ তার পিতা থেকে সরাসরি হাদিস শোনেননি। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: ইবনে মাজাহ-ও এটি নাসর ইবনে আলির সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তার বর্ণিত হাদিসটি 'একজনকে' শব্দ পর্যন্ত রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
ـ حَدِيثُ الإِمَامِ أَبِي السِّبْطَيْنِ الْحَسَنِ وَالْحُسَيْنِ الشَّهِيدَيْنِ.أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ وَابْنِ عَمِّ سَيِّدِ الْمُرْسَلِينَ أَبِي الْحَسَنِ وَأَبِي تُرَابٍ، عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبِ بْنِ عَبْدِ مَنَافِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، أُضِيفَ إِلَى عَمِّهِ الْمُطَّلِبِ وَاسْمُهُ شَيْبَةُ الْحَمْدِ، سَمَّتْهُ بِهِ أُمُّهُ أَسْمَاءُ النَّجَّارِيَّةُ النَّبَوِيَّةُ لِشَيْبَةٍ كَانَتْ بِرَأْسِهِ حِينَ وَلَدَتْهُ بِيَثْرِبَ، وَهِيَ الْمَدِينَةُ، بَعْدَ مَوْتِ أَبِيهِ بِغَزَّةَ، ابْن هَاشِمٍ، لِهَشْمِهِ الثَّرِيدَ، وَاسْمُهُ عَمْرٌو، أَوَّلُ مَنْ سَنَّ الرِّحْلَتَيْنِ ابْنُ عَبْدِ مَنَافٍ ـ وَاسْمُهُ الْمُغِيرَةُ وَيُدْعَى الْقَمَرُ بْنُ قُصَيٍّ، وَاسْمُهُ زَيْدٌ، وَيُدْعَى مُجَمِعًّا ابْنَ كِلابٍ، وَاسْمُهُ حَكِيمُ بْنُ مُرَّةَ بْنِ كَعْبِ بْنِ لُؤَيِّ بْنِ غَالِبِ بْنِ فِهْرٍ، وَهُوَ جِمَاعُ قُرَيْشٍ.الْقُرَشِيُّ، الْهَاشِمِيُّ رضي الله عنه.وَكَانَ الْوَاجِبُ أَنْ يُقَدَّمَ لَوْلا مَا شَرَطْنَاهُ مِنْ تَقْدِيمِ الْحَدِيثِ. السِّقْطُ يُرَاغِمُ رَبَّهُ إِذَا أَدْخَلَ وَالِدَيْهِ النَّارَ36 - كَتَبَ إِلَيْنَا أَبُو طَالِبٍ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَغْدَادِيُّ قَالَ: أنبا أَبُو زُرْعَةَ طَاهِرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَاهِرٍ الْمَقْدِسِيُّ، أنبا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ الْمُقَوِّمِيُّ الْقَزْوِينِيُّ إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، أنا أَبُو طَلْحَةَ الْقَاسِمُ بْنُ أَبِي الْمُنْذِرِ الْخَطِيبُ، أنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ
দুই নাতি—শহীদ হাসান ও হুসাইনের পিতা, মুমিনদের আমির এবং রাসূলগণের সরদারের চাচাতো ভাই, আবুল হাসান ও আবু তুরাব, আলী ইবন আবি তালিব ইবন আবদে মানাফ ইবন আবদুল মুত্তালিবের বর্ণিত হাদীস। তাঁকে (আবদুল মুত্তালিবকে) তাঁর চাচা মুত্তালিবের সাথে সম্পৃক্ত করা হয় এবং তাঁর নাম ছিল শায়বাতুল হামদ। তাঁর মা আসমা আল-নাজ্জারিয়া আল-নাবাবিয়া তাঁর এই নামকরণ করেছিলেন তাঁর মাথায় একটি সাদা চুলের কারণে যখন তিনি ইয়াসরিবে—যা মদীনা শহর—তাঁকে জন্ম দেন, তাঁর পিতার গাজায় মৃত্যুর পর। তিনি হাশিমের পুত্র, যিনি সারীদ (ঝোল-রুটি) চূর্ণ করার কারণে ‘হাশিম’ নামে অভিহিত হন, আর তাঁর আসল নাম আমর, যিনি প্রথম দুই সফরের (শীত ও গ্রীষ্মকালীন বাণিজ্য কাফেলা) নিয়ম প্রবর্তন করেন। তিনি আবদে মানাফের পুত্র—যার নাম আল-মুগীরা এবং তাঁকে ‘চাঁদ’ বলে ডাকা হতো। তিনি কুসাইয়ের পুত্র, যাঁর নাম যায়দ এবং তাঁকে ‘একত্রকারী’ বলা হতো। তিনি কিলাবের পুত্র, যাঁর নাম হাকীম ইবন মুররা ইবন কাব ইবন লুয়াই ইবন গালিব ইবন ফিহর, আর তিনিই কুরাইশ বংশের মিলনবিন্দু।কুরাইশী ও হাশিমী, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন।আর তাঁকে প্রথমেই উপস্থাপন করা কর্তব্য ছিল, যদি না হাদীসকে অগ্রগণ্য করার ব্যাপারে আমাদের পূর্বশর্ত থাকত। গর্ভপাত হওয়া সন্তান তার রবের সাথে বিতর্ক করবে যখন তিনি তার পিতামাতাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন৩৬ - আবু তালিব আবদুল লতিফ ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী আল-বাগদাদী আমাদের নিকট লিখেছেন, তিনি বলেছেন: আবু যুরআ তাহির ইবন মুহাম্মদ ইবন তাহির আল-মাকদিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মনসুর মুহাম্মদ ইবন আল-হুসাইন ইবন আহমদ আল-মুকাউউমি আল-কাযউইনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—সরাসরি শ্রবণ না হলেও অনুমতিসূত্রে (ইজাযাহ), তিনি বলেন: আবু তালহা আল-কাসিম ইবন আবিল মুনযির আল-খাতীব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবন ইবরাহীম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
بْنِ سَلَمَةَ بْنِ بَحْرٍ الْقَطَّانُ، أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الْقَزْوِينِيُّ الْحَافِظُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ مَاجَهْ، ثنا مُحَمَّدُ بْن يَحْيَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، أَبُو بَكْرٍ الْبَكَّائِيُّ، قَالا: ثنا أَبُو غَسَّانَ، هُوَ مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا مَنْدَلٌ هُوَ ابْنُ عَلِيٍّ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحَكَمِ النَّخَعِيِّ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ عَابِسِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ أَبِيهَا، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ السِّقْطَ لَيُرَاغِمُ رَبَّهُ إِذَا أَدْخَلَ أَبَوَيْهِ النَّارَ، فَيُقَالُ: أَيُّهَا السِّقْطُ الْمُرَاغِمُ رَبَّهُ، أَدْخِلْ أَبَوَيْكَ الْجَنَّةَ فَيَجُرُّهُمَا بِسَرَرِهِ حَتَّى يُدْخِلَهُمَا الْجَنَّةَ ".أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ مُنْفَرِدًا بِهِ،وَعَابِسُ بْنُ رَبِيعَةَ وَالنَّخَعِيُّ الْكُوفِيُّ بِالْبَاءِ الْمُوَحَّدَةِ، وَالسِّينِ الْمُهْمَلَةِ، رَوَى لَهُ الْجَمَاعَةُ، وَفِي طَبَقَتِهِ عَايِشُ بْنُ أَنَسٍ الْبَكْرِيُّ الْكُوفِيُّ، بِالْيَاءِ آخِرِ الْحُرُوفِ وَالشِّينِ الْمُعْجَمَةِ، وَرُوِيَ عَنْ عَلِيٍّ أَيْضًا حَدِيثُ: «كُنْتُ رَجُلا مَذَّاءً فَأَمَرْتُ عَمَّارَ بْنَ يَاسِرٍ» الْحَدِيثَ، رَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الطَّهَارَةِ عَنْ قُتَيْبَةَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ عَنْ عَائِشٍ.
বিন সালামাহ বিন বাহর আল-কাত্তান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আল-কাযউইনি আল-হাফিয যিনি ইবনে মাজাহ নামে পরিচিত, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া এবং আবু বকর আল-বাক্কায়ি মুহাম্মদ বিন ইসহাক, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু গাসসান, তিনি মালিক বিন ইসমাঈল, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মানদাল যিনি ইবনে আলী, হাসান বিন হাকাম আন-নাখায়ি থেকে, আসমা বিনতে আবিস বিন রাবিয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই গর্ভপাত হওয়া সন্তান তার রবের সঙ্গে অভিমান করবে যখন তার পিতামাতাকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে। তখন বলা হবে: হে রবের সঙ্গে অভিমানকারী গর্ভপাত হওয়া সন্তান, তোমার পিতামাতাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও। অতঃপর সে তার নাড়ি দিয়ে তাদের টেনে নিয়ে যাবে যতক্ষণ না তাদের জান্নাতে প্রবেশ করায়।"ইবনে মাজাহ এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।আর আবিস বিন রাবিয়াহ এবং আন-নাখায়ি আল-কুফি এর নাম এক নুকতাহ বিশিষ্ট ‘বা’ এবং নুকতাহীন ‘সিন’ যোগে; জামায়াত (প্রধান হাদিস বিশারদগণ) তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর সমপর্যায়ের স্তরে রয়েছেন আয়িশ বিন আনাস আল-বাকরি আল-কুফি, যার নাম শেষ অক্ষর ‘ইয়া’ এবং তিন নুকতাহ বিশিষ্ট ‘শিন’ যোগে। আর আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এই হাদিসটিও বর্ণিত হয়েছে: "আমি ছিলাম প্রচুর মযি নির্গত হওয়া এক ব্যক্তি, তাই আমি আম্মার বিন ইয়াসিরকে নির্দেশ দিলাম..." হাদিসটি। এটি নাসায়ি পবিত্রতা অধ্যায়ে কুতাইবাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আমর বিন আতা থেকে, তিনি আয়িশ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
وَقَوْلُهُ: إِنَّ السِّقْطَ لَيُرَاغِمُ رَبَّهُ أَيْ لَيُغَاضِبُهُ، وَالْمُرَاغَمَةُ: الْمُغَاضَبَةُ، وَالتَّرَغُّمُ: التَّغَضُّبُ، يُقَالُ: رَاغَمَ قَوْمَهُ إِذَا نَبَذَهُمْ، وَخَرَجَ عَنْهُمْ.وَقَوْلُ: فَيَجُرُّهُمَا بِسَرَرِهِ: بِفَتْحِ السِّينِ، وَكَسْرِهَا، وَهُوَ مَا تَقْطَعُهُ الْقَابِلَةُ مِنْ سُرَّةِ الْمَوْلُودِ، الَّتِي هِيَ مَوْضِعُ الْقَطْعِ، وَكَذَلِكَ السُّرُّ بِضَمِّ السِّينِ لِلَّذِي يُقْطَعُ أَيْضًا، وَسَرَرْتُ الصَّبِيَّ أَسُرُّهُ سَرًّا إِذَا قَطَعْتُ سَرَرَهُ، وَوَادِي السُّرَرِ بِمِنًى عَلَى أَرْبَعَةِ أَمْيَالٍ مِنْ مَكَّةَ كَانَتْ فِيهِ دَوْحَةٌ سُرَّ تَحْتَهَا سَبْعُونَ نَبِيًّا.حَدِيثُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ الْقُرَشِيِّ الْهَاشِمِيِّ، سِبْطِ رَسُولِ اللَّه صلى الله عليه وسلم، وَرَيْحَانَتِهِ، وَشَبَهِهِ مِنَ الصَّدْرِ إِلَى مَا سَفَلَ مِنْهُ، وَخَادِمِهِ، أَهْلِ الْعُبَّادِ، وَسَيِّدِ شَبَابِ أَهْلِ الْجَنَّةِ، عَلِقَتْ بِهِ فَاطِمَةُ عليها السلام لِخَمْسٍ خَلَوْنَ مِنْ ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ ثَلاثٍ مِنَ الْهِجْرَةِ، بَعْدَ وِلادَةِ أَخِيهِ بِخَمْسِينَ لَيْلَةً، لأَنَّ وِلادَةَ الْحَسَنِ كَانَتْ فِي النِّصْفِ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ مِنَ السَّنَةِ، وَوُلِدَ الْحُسَيْنُ لِخَمْسٍ خَلَوْنَ مِنْ شَعْبَانَ سَنَةَ أَرْبَعٍ مِنَ الْهِجْرَةِ، وَقُتِلَ بِالطَّفِّ مِنْ أَهْلِ الْعِرَاقِ، يَوْمَ عَاشُورَاءَ، سَنَةَ إِحْدَى وَسِتِّينَ، وَهُوَ ابْنُ سِتٍّ وَخَمْسِينَ سَنَةً، وَأَشْهُرٍ، وَمَاتَ الْحَسَنُ بِالْمَدِينَةِ سَنَةَ تِسْعٍ وَأَرْبَعِينَ، وَقِيلَ سَنَةَ خَمْسِينَ، وَهُوَ ابْنُ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ.وَقِيلَ: إِنَّ اللَّهَ حَجَبَ اسْمَ الْحَسَنِ وَالْحُسَيْنِ رضي الله عنهما.
আর তাঁর উক্তি: "নিশ্চয়ই গর্ভপাত হওয়া সন্তান তার রবের প্রতি রাগ প্রকাশ করবে", অর্থাৎ সে তাঁর প্রতি ক্রোধান্বিত হবে। 'মুরাঘামাহ' অর্থ হলো রাগ প্রকাশ করা, আর 'তারাগঘুম' অর্থ হলো রাগান্বিত হওয়া। বলা হয়: সে তার কওম বা জাতির সাথে রাগ করেছে, যখন সে তাদের বর্জন করে এবং তাদের থেকে বের হয়ে যায়।এবং উক্তি: "অতঃপর সে তার নাড়ি দ্বারা তাদের উভয়কে টেনে নিয়ে যাবে": 'সীন' বর্ণে ফাতাহ (যবর) ও কাসরা (যের) উভয়ই হতে পারে। এটি হলো সেই অংশ যা দাই নবজাতকের নাভি থেকে কেটে দেয়, যা হলো কাটার স্থান। অনুরূপভাবে 'সীন' বর্ণে যম্মাহ (পেশ) দিয়ে 'সুররুন' শব্দটিও সেই কর্তিত অংশের জন্য ব্যবহৃত হয়। আমি শিশুটির নাড়ি কেটে দিয়েছি (সারারতু) - যখন আমি তার নাড়ি কেটে দেই। আর মক্কার মিনা থেকে চার মাইল দূরে অবস্থিত 'ওয়াদিউস সুরার', যেখানে একটি বিশাল গাছ ছিল এবং যার নিচে সত্তরজন নবীর নাড়ি কাটা হয়েছিল।আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবী তালিব আল-কুরাশী আল-হাশিমীর হাদীস, যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দৌহিত্র, তাঁর সুগন্ধি ফুল, এবং বুক থেকে নিচ পর্যন্ত তাঁর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, তাঁর খাদেম, ইবাদতকারীদের অন্তর্ভুক্ত এবং জান্নাতী যুবকদের সরদার। ফাতিমা আলাইহাস সালাম হিজরী ৩য় সনের যিলকদ মাসের পাঁচ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর গর্ভে ধারণ করেন, যা ছিল তাঁর ভাইয়ের জন্মের পঞ্চাশ রাত পর। কেননা হাসানের জন্ম হয়েছিল সেই বছরের রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়ে। আর হুসাইন জন্মলাভ করেন হিজরী ৪র্থ সনের শাবান মাসের পাঁচ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর। তিনি আশুরার দিনে ৬১ হিজরীতে ইরাকবাসীদের হাতে 'তাফ' (কারবালা) নামক স্থানে নিহত হন, তখন তাঁর বয়স ছিল ছাপ্পান্ন বছর কয়েক মাস। হাসান মদীনায় ৪৯ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে ৫০ হিজরীতে, এবং তখন তাঁর বয়স ছিল ছেচল্লিশ বছর।আরও বলা হয়েছে যে: নিশ্চয়ই আল্লাহ হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-এর নাম গোপন রেখেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
فَضْلُ ذِكْرِ الاسْتِرْجَاعِ عِنْدَ الْمُصِيبَةِ37 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ الْفَقِيهُ، وَيُوسُفُ بْنُ مَحْمُودٍ الدِّمْشَقِيُّ، وَعَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ ظَافِرٍ الْمَالِينِيُّ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ الأَنْصَارِيُّ قَالُوا: ثنا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، أنا أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْقَارِئُ بِبَغْدَادَ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْبَيِّعِ، ثنا الْقَاضِي أَبُو عُبَيْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِلِيُّ، ثنا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ أَبِي هِشَامٍ، عَنْ أُمِّهِ فَاطِمَةَ بِنْتِ حُسَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ حُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ مُسْلِمٍ وَلا مُسْلِمَةٍ يُصَابُ بِمُصِيبَةٍ، فَيَذْكُرُ مُصِيبَتَهُ فِيَّ، وَإِنْ كَانَ قَدُمَ عَهْدُهَا، وَيُحْدِثُ لَهَا اسْتِرْجَاعًا إِلا جَدَّدَ اللَّهُ عز وجل.وَأَعْطَاهُ مِثْلَ ثَوَابِهَا يَوْمَ أُصِيبَ بِهَا»ـ رَوَاهُ أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ فِي مُسْنَدِهِ مِنْ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ فَاطِمَةَ أَنَّهَا سَمِعَتْ أَبَاهَا يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " مَا مِنْ مُسْلِمٍ وَلا مُسْلِمَةٍ تُصِيبُهُ مُصِيبَةٌ وَإِنْ قَدُمَ عَهْدُهَا، فَيُحْدِثُ لَهَا اسْتِرْجَاعًا، إِلا جَدَّدَ اللَّهُ عِنْدَ ذَلِكَ، وَأَعْطَاهُ ثَوَابَ مَا
বিপদের সময় ইস্তিরজা (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) পাঠ করার ফযীলত৩৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন হিবাতুল্লাহ আল-ফকীহ, ইউসুফ বিন মাহমুদ আদ-দিমাশকী, আবদুল ওয়াহহাব বিন জাফির আল-মালীনি এবং আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন আল-আনসারী; তাঁরা বলেছেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাগদাদের আবু আল-খাত্তাব নাসর বিন আহমাদ বিন আবদুল্লাহ আল-কারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন উবায়দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-বায়্যি‘, আমাদের বর্ণনা করেছেন কাজী আবু উবায়দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাঈল আল-মাহামিলী, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইব্রাহীম, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবনে উলাইয়্যাহ, হিশাম বিন আবি হিশাম থেকে, তিনি তাঁর মা ফাতিমা বিনতে হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা হুসাইন বিন আলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোনো মুসলিম পুরুষ বা নারী যদি কোনো বিপদে পতিত হয়, অতঃপর সে তার বিপদের কথা স্মরণ করে—চাই তা অনেক পুরাতনই হোক না কেন—এবং তার জন্য নতুন করে ইস্তিরজা পাঠ করে, তবে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তার জন্য সওয়াব নবায়ন করে দেন।এবং তাকে সেই দিনের সওয়াবের ন্যায় সওয়াব দান করেন, যেদিন সে তাতে আক্রান্ত হয়েছিল।»— এটি আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি তাঁর মুসনাদে হিশাম বিন যিয়াদ সূত্রে, তাঁর মা থেকে, তিনি ফাতিমা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে বলতে শুনেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "কোনো মুসলিম পুরুষ বা নারী কোনো বিপদে পতিত হলে—চাই তা অনেক পুরাতনই হোক না কেন—অতঃপর সে তার জন্য পুনরায় ইস্তিরজা পাঠ করে, তবে আল্লাহ সেই সময়ে সওয়াব নবায়ন করে দেন এবং তাকে সেই সওয়াব দান করেন যা..."
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
وَعَدَهُ بِهَا يَوْمَ أُصِيبَ. الْمُصِيبَةُ بِمَوْتِ الرَّسُولِ صلى الله عليه وسلم عَظِيمَةٌـ وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ فِي الْجَنَائِزِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ فَاطِمَةَ، عَنْ أَبِيهَا وَلَفْظُهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أُصِيبَ بِمُصِيبَةٍ فَذَكَرَ مُصِيبَتَهُ فِيَّ، وَأَحْدَثَ اسْتِرْجَاعًا، وَإِنْ تَقَادَمَ عَهْدُهَا، كَتَبَ اللَّهُ لَهُ مِنَ الأَجْرِ، مِثْلَهُ يَوْمَ أُصِيبَ» .ـ حَدِيثُ الْحَبْرِ الْبَحْرِ رَبَّانِيِّ هَذِهِ الأُمَّةِ ابْنِ عَمِّ رَسُولِ اللَّه صلى الله عليه وسلم أَبِي الْعَبَّاسِ عَبْدِ اللَّه بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ بْنِ هَاشِمٍ الْقُرَشِيِّ الْهَاشِمِيِّ رضي الله عنه، وَكَانَ الْعَبَّاسُ أَسَنَّ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِثَلاثِ سِنِينَ، وَحَمْزَةُ أَسَنَّ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِأَرْبَعِ سِنِينَ. فَضْلُ مَنْ مَاتَ لَهُ فَرَطَانِ40 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَجَّاجِ الْحَافِظُ رحمه الله قَالَ: أنا أَبُو عَبْدِ
তিনি তাকে সেই দিনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যেদিন তিনি মুসিবতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুজনিত মুসিবত অনেক মহান— ইবনে মাজাহ তাঁর সুনানের জানাযা অধ্যায়ে আবু বকর থেকে, তিনি ওয়াকি থেকে, তিনি হিশাম থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে, তিনি ফাতিমা থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন; এর শব্দ হলো: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো মুসিবতে আক্রান্ত হয়, অতপর সে আমার বিয়োগের মুসিবত স্মরণ করে এবং 'ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন' পাঠ করে—যদিও তা অনেক আগের ঘটনা হয়—তবুও আল্লাহ তার জন্য সেই পরিমাণ সওয়াব লিখে দেন, যেমন সওয়াব তিনি সেই দিন লিখেছিলেন যেদিন সে মুসিবতে আক্রান্ত হয়েছিল»।— এই উম্মতের বিদগ্ধ পণ্ডিত, জ্ঞানের সমুদ্র, রব্বানী আলেম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচাতো ভাই আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশেম আল-কুরাশী আল-হাশেমী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হাদিস। আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপেক্ষা তিন বছরের বড় ছিলেন এবং হামযা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপেক্ষা চার বছরের বড় ছিলেন। যার দুটি সন্তান মারা গেছে তার মর্যাদা৪০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবুল হাজ্জাজ (রাহিমাহুল্লাহ), তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আবদ...
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَيْدِ بْنِ حَمْدٍ الْكَرَّانِيُّ بِأَصْبَهَانَ، أنبا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ الصَّيْرَفِيُّ، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ فَاذشَاهْ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ فِي الْمُعْجَمِ الْكَبِيرِ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ الصَّنْعَانِيُّ، ثنا زَيْدُ بْنُ الْمُبَارَكِ، ثنا عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ بَارِقٍ الْحَنَفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي سِمَاكٌ الْحَنَفِيُّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ مَاتَ لَهُ فَرَطَانِ مِنْ أُمَّتِي أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ» قَالَتْ عَائِشَةُ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا: وَمَنْ مَاتَ لَهُ فَرَطٌ؟ قَالَ: «وَمَنْ مَاتَ لَهُ فَرَطٌ يَا مُوَفَّقَةُ» قَالَتْ: فَمَنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ فَرَطٌ؟ قَالَ: «فَأَنَا فَرَطُ أُمَّتِي لَمْ يُصَابُوا بِمِثْلِي» .رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الْجَنَائِزِ مِنْ جَامِعِهِ عَنْ نَصْرِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيِّ وَزِيَادِ بْن يَحْيَى أَبِي الْخَطَّابِ الْبَصْرِيِّ عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ بَارِقٍ الْحَنَفِيِّ قَالَ: سَمِعْتُ جَدِّي أَبَا أُمِّي سِمَاكَ بْنَ الْوَلِيدِ يَعْنِي أَبَا زُمَيْلٍ الْحَنَفِيَّ يُحَدِّثُ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يُحَدِّثُ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّه صلى الله عليه وسلم.فَذَكَرَهُ.وَعَنْ أَحْمَدَ بْنِ سَعِيدٍ الْمُرَابِطِيِّ، عَنْ حِبَّانَ بْنِ هِلالٍ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ فَذَكَرَ نَحْوَهُ، وَقَالَ: غَرِيبٌ لا نَعْرِفُهُ إِلا مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ رَبِّهِ، وَقَدْ رَوَى عَنْهُ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ الأَئِمَّةِ.وَقَالَ عِيَاضٌ: الْفَرَطُ الَّذِي يَتَقَدَّمُ
আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করছি, ইস্পাহানের মুহাম্মদ বিন আবি জায়েদ বিন হামদ আল-কাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সায়রাফি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন ফাযশাহ আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-কাসিম সুলায়মান বিন আহমদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানি তাঁর ‘আল-মুজাম আল-কাবীর’-এ আমাদের জানিয়েছেন, আলী বিন আল-মুবarak আস-সানআনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, জায়েদ বিন আল-মুবarak আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদে রাব্বিহি বিন বারিক আল-হানাফি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সিমাক আল-হানাফি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমার উম্মতের মধ্য থেকে যার (নাবালক অবস্থায়) দুটি সন্তান মারা যাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।" আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা) জিজ্ঞেস করলেন: "আর যার একটি সন্তান মারা যাবে?" তিনি বললেন: "আর যার একটি সন্তান মারা যাবে, হে পুণ্যবতী (তাওফিকপ্রাপ্তা)।" তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন: "তবে যার কোনো সন্তান (অগ্রগামী হিসেবে) মারা যায়নি?" তিনি বললেন: "তবে আমিই আমার উম্মতের জন্য অগ্রগামী (ফারাত), তারা আমার বিয়োগের মতো আর কোনো বিপদে আক্রান্ত হয়নি।"ইমাম তিরমিযী তাঁর জামি'র জানায়েয অধ্যায়ে নসর বিন আলী আল-জাহদামি এবং যিয়াদ বিন ইয়াহইয়া আবু আল-খাত্তাব আল-বাসরি থেকে, তাঁরা আবদে রাব্বিহি বিন বারিক আল-হানাফি থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (আবদে রাব্বিহি) বলেন: আমি আমার মাতামহ সিমাক বিন আল-ওয়ালিদ তথা আবু যুমাইল আল-হানাফিকে বলতে শুনেছি যে, তিনি ইবনে আব্বাসকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন—অতঃপর তিনি পুরো হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।আহমদ বিন সাঈদ আল-মুরাবিতী থেকে বর্ণিত, তিনি হিব্বান বিন হিলাল থেকে, তিনি আবদে রাব্বিহি থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর তিনি বলেছেন: এটি একটি গরীব (অপ্রসিদ্ধ) হাদীস, আবদে রাব্বিহির হাদীস ছাড়া এটি আমাদের জানা নেই। তবে একাধিক ইমাম তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।আর (কাযী) ইয়াদ বলেছেন: 'ফারাত' হলো সেই ব্যক্তি যে (অন্যদের আগে পৌঁছানোর জন্য) অগ্রে গমন করে।
(খণ্ড: ১)
আত তাসাল্লি ওয়াল ইগতিবাত বিসাওয়াবি মান তাকাদ্দামা মিনাল আফরাত
(পৃষ্ঠা: ٥١)
الْوَارِدَةَ فَيُهَيِّئُ لَهُمْ مَا يَحْتَاجُونَ إِلَيْهِ، وَهُوَ فِي هَذِهِ الأَحَادِيثِ الثَّوَابُ وَالشَّفَاعَةُ، وَالْجَنَّةُ ، وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَتَقَدَّمُ أُمَّتَهُ لِيَشْفَعَ لَهُمْ، وَكَذَلِكَ الْوَلَدُ يَكُونُ لأَبَوَيْهِ، وَلِلْمُؤْمِنِينَ الْمُصَلِّينَ عَلَيْهِ أَجْرًا لَهُمْ، وَثَوَابًا.يُقَالُ: فَرَطَهُمْ، يَفْرُطُهُمْ إِذَا سَبَقَهُمْ فَهُوَ فَارِطٌ، وَفَرَطٌ، وَالْجَمْعُ فُرَّاطٌ.ـ حَدِيثُ أَبِي مُوسَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسِ بْنِ سُلَيْمٍ الأَشْعَرِيِّ الْيَمَانِ. بَيْتُ الْحَمْدِ ثَوَابُ الصَّابِرِ فِي الْجَنَّةِ43 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ الْفَقِيهُ، وَعَلِيُّ بْنُ مَحْمُودٍ الصُّوفِيُّ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ الْحَارِثِيُّ، وَعَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ التّسارسِيُّ، وَعَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ ظَافِرٍ الْمَالِكِيُّ قَالُوا: أنا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ الثَّقَفِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ مَرْدَوَيْهِ الْحَافِظُ إِمْلاءً، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْخُطَبِيُّ نُسِبَ إِلَى الْخُطَبِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَرْوَزِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ الطَّائِيُّ الْمَرْوَزِيُّ، ثنا عَبْدُ الْحَكَمِ بْنُ مَيْسَرَةَ الْحَارِثِيُّ أَبُو يَحْيَى، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
(যারা পানি পানে) আগমনকারী হবে তাদের জন্য তিনি প্রয়োজনীয় বিষয়ের ব্যবস্থা করবেন। আর এই হাদিসগুলোতে তা হলো সওয়াব বা প্রতিদান, সুপারিশ এবং জান্নাত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতের অগ্রগামী হবেন যাতে তিনি তাদের জন্য সুপারিশ করতে পারেন। তদ্রূপ সন্তান তার পিতামাতার জন্য এবং মুমিনরা যারা তার জানাজায় অংশগ্রহণ করে, তাদের জন্য প্রতিদান ও সওয়াবস্বরূপ অগ্রগামী হবে।বলা হয়: 'ফরাতাহুম' (সে তাদের অগ্রগামী হয়েছে), 'ইয়াফরুতুহুম' (সে তাদের অগ্রগামী হয়) যখন সে তাদের আগে চলে যায়। সুতরাং সে হলো 'ফারিদ' ও 'ফরাত' (অগ্রগামী), আর এর বহুবচন হলো 'ফুররাত'।— আবু মুসা আবদুল্লাহ ইবনে কাইস ইবনে সুলাইম আল-আশআরি আল-ইয়ামানির হাদিস। জান্নাতে ধৈর্যশীলদের প্রতিদান হলো প্রশংসার ঘর (বাইতুল হামদ)৪৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-ফকিহ, আলী ইবনে মাহমুদ আস-সুফি, আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন আল-হারিসি, আলী ইবনে যাইদ আত-তাসারুসি এবং আবদুল ওয়াহহাব ইবনে জাফির আল-মালিকি। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-হাফিজ। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-কাসিম ইবনে আল-ফাদল আস-সাকাফি। আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মুসা ইবনে মারদাওয়াইহ আল-হাফিজ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আলী ইবনে ইসমাইল আল-খুত্বাবি (যিনি খুতবার দিকে সম্বন্ধযুক্ত)। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-মারওয়াযি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হারব আত-তায়ি আল-মারওয়াযি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল হাকাম ইবনে মাইসারা আল-হারিসি আবু ইয়াহইয়া। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আলকামা ইবনে মারসাদ থেকে, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরি থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: