(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: -)
فضل رجب لابن عساكر القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء في فضل رجب
المؤلف: ثقة الدين، أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله المعروف بابن عساكر (ت 571هـ)
المحقق: جمال عزون
الناشر: مؤسسة الريان - بيروت [طبع ضمن مجموع يبدأ بكتاب: أداء ما وجب من بيان وضع الوضاعين في رجب]
الطبعة: الأولى، 2000 م
عدد الصفحات: 320
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে আসাকিরের রজব মাসের ফজিলত বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: রজব মাসের ফজিলত বিষয়ক একটি পুস্তিকা
লেখক: সিকাতুদ্দীন، আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ, যিনি ইবনে আসাকির নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫৭১ হিজরি)
সম্পাদনা: জামাল আজজুন
প্রকাশক: মুআসসাসাতুর রায়ান - বৈরুত [একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত যা শুরু হয়েছে এই কিতাব দ্বারা: রজব মাসে জালিয়াতদের মিথ্যাচারের বর্ণনায় ওয়াজিব দায়িত্ব পালন]
সংস্করণ: প্রথম، ২০০০ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩২০
[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরি (অনুলিপি) ، এবং হে কল্যাণের অন্বেষী অগ্রসর হও (মিলকরণ)
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩০১)
جزء في فضل رجبمن إملاء
الشَّيْخِ الإِمَامِ الْعَالِمِ الحَافِظِ أَبِي القاسم ابن عساكر
رواية أَبِي الْفَضْلِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ الشَّافِعِيِّ عَنْهُ
রজব মাসের ফজিলত বিষয়ক পুস্তিকাশ্রুতিলিখন হতে
শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, হাফেজ আবুল কাসেম ইবনে আসাকির
তাঁর সূত্রে আবুল ফজল আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ আশ-শাফিয়ির বর্ণনা
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩০৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
1- حدثني عَمِّي الشَّيْخُ الأَجَلُّ الإِمَامُ الْعَالِمُ الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ إِمْلاءً من لفظه وقراءةً عليه مساء يَوْمِ الْخَمِيسِ خَامِسِ عَشَرَ رَجَبٍ سَنَةَ سِتٍّ وَسِتِّينَ وَخَمْسِمِاَئَةٍ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُسْتَمْلِي، أَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَحِيرِيُّ، أَنَا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ البحيري، ثنا عَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ الْعَسْكَرِيُّ، ثنا عُمَرُ بْنُ شَبَّةَ النُّمَيْرِيُّ، ثنا يُوسُفُ بْنُ عَطِيَّةَ، ثنا هِشَامُ بْنُ حَسَّانٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
((لا آمُرُ بِصَوْمِ شَهْرٍ بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ إِلا بِرَجَبٍ وَشَعْبَانَ)) .
لَمْ أَكْتُبْهُ إِلا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
১- আমার চাচা, সুমহান শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, হাফেজ আবুল কাসিম আলী বিন হাসান বিন হিবাতুল্লাহ তাঁর স্বীয় উচ্চারণ থেকে শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে এবং তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে ৫৬৬ হিজরি সনের ১৫ই রজব বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম বিন আবি আবদুর রহমান আল-মুস্তামলি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ বিন মুহাম্মদ আল-বুহাইরি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-বুহাইরি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন সাঈদ আল-আসকারি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন শাব্বাহ আন-নুমাইরি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন আতিয়্যাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন হাসসান, তিনি মুহাম্মদ বিন সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (আল্লাহর দরুদ ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন:
“আমি রমজান মাসের পর রজব ও শাবান মাস ব্যতীত অন্য কোনো মাসে রোজা রাখার নির্দেশ দিই না।”
আমি এটি কেবল এই সূত্র থেকেই লিপিবদ্ধ করেছি।
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩০৪)
2- أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ السُّلَمِيُّ إِذْنًا، أنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ بُنْدَارٍ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ مَكَّةَ.
ح: وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُسْلِمِ الْفَقِيهُ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ لَفْظًا، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ بُنْدَارِ بْنِ علي الشيرازي من لفظه بالمسجد الْحَرَامِ.
ح: وَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ التَّيْمِيُّ الْحَافِظُ بِأَصْبَهَانَ، أَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحَسَنِ الْأَنْصَارِيُّ بِمَكَّةَ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ بُنْدَارٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ.
قَالَ إسماعيل: ابن فِرَاسٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بن هارون.
وقال عليٌ: الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هَارُونَ.
وَقَالَ الدِّينَوَرِيُّ الْوَرَّاقُ: ثنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامٍ، ثنا أَبُو هَمَّامٍ،
⦗ص: 305⦘ ثنا عُثْمَانُ بْنُ مَطَرٍ، [عَنْ عَبْدِ الغفور بن سَعِيدٍ] ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((إن رجب شهرٌ عظيمٌ، تُضَاعَفُ فِيهِ الْحَسَنَاتُ، فَمَنْ صَامَ يَوْمًا مِنْ رَجَبٍ كَانَ كَصِيَامِ سَنَةٍ، وَمَنْ صَامَ سَبْعَةَ أَيَّامٍ أُغْلِقَ عَنْهُ سَبْعَةُ أَبْوَابِ جَهَنَّمَ، وَمَنْ صَامَ ثَمَانِيَةَ أَيَّامٍ فُتِحَتْ لَهُ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَمَنْ صَامَ عَشَرَةَ أَيَّامٍ لَمْ يَسْأَلِ اللَّهَ عز وجل شَيْئًا إلا أعطاه إياه، وَمَنْ صَامَ خَمْسَةَ عَشَرَ يَوْمًا نَادَى مُنَادٍ مِنَ السَّمَاءِ: أَنْ قَدْ غُفِرَ لَكَ مَا قَدْ سَلَفَ، فَاسْتَأْنِفِ الْعَمَلَ وَقَدْ بُدِّلْتَ بِالسَّيِّئَاتِ الْحَسَنَاتِ)) .
⦗ص: 306⦘وَقَالَ إِسْمَاعِيلُ: ((وَبُدِّلَتِ السَّيِّئَاتُ بِالْحَسَنَاتِ)) وَانْتَهَى حَدِيثُهُ، وَزَادَا إِلَى آخِرِ الْحَدِيثِ فَقَالا:
((وَمَنْ زَادَ زَادَهُ اللَّهُ عز وجل. وَفِي رَجَبٍ حَمَلَ اللَّهُ نُوحًا فِي السَّفِينَةِ، وَصَامَ نوحٌ وَأَمَرَ مَنْ مَعَهُ أَنْ يَصُومُوا، وَفِيهِ جَرَتِ السَّفِينَةُ سِتَّةَ أَشْهُرٍ إِلَى آخِرِ ذَلِكَ لِعَشْرٍ خَلَوْنَ مِنَ الْمُحَرَّمِ يَوْمَ عَاشُورَاءَ، وَأُهْبِطَ عَلَى الْجُودِيِّ بِهَا نوحٌ وَمَنْ مَعَهُ وَالْوَحْشُ، وَفِيهِ تَابَ عَلَى آدَمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ، وَنُبِذَ يُونُسُ يَوْمَ عَاشُوَرَاءَ، وَفِيهِ فُلِقَ الْبَحْرُ لِبَنِي إِسْرَائِيلَ، وَفِيهِ وُلِدَ إِبْرَاهِيمُ وَعِيسَى بن مَرْيَمَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِمَا)) .
২- আবুল হাসান আলী ইবনুল হাসান আস-সুলামী আমাদের অনুমতি সহকারে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আবদুল আজিজ ইবনে বুন্দার মক্কা থেকে প্রেরিত তাঁর পত্রে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন।
হ: এবং আবুল হাসান আলী ইবনুল মুসলিম আল-ফকীহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল আজিজ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আত-তামিমী আমাদের মৌখিকভাবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আবদুল আজিজ ইবনে বুন্দার ইবনে আলী আশ-শিরাজী মসজিদুল হারামে স্বীয় কণ্ঠে আমাদের বর্ণনা করেছেন।
হ: এবং হাফিজ আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল ফজল আত-তাইমী ইসফাহানে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মক্কায় আবদুল মালিক ইবনুল হাসান আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল আজিজ ইবনে বুন্দার আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে ইবরাহিম আমাদের বর্ণনা করেছেন।
ইসমাঈল বলেছেন: ইবনে ফিরাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে হারুন আমাদের বর্ণনা করেছেন।
আলী বলেছেন: আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে হারুন।
এবং আদ-দিনাওয়ারী আল-ওয়াররাক বলেছেন: আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে হিশাম আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু হাম্মাম আমাদের বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ৩০৫⦘ উসমান ইবনে মাতার আমাদের বর্ণনা করেছেন, [আবদুল গফুর ইবনে সাঈদ থেকে], তিনি আবদুল আজিজ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
((নিশ্চয়ই রজব এক মহান মাস, এতে পুণ্যসমূহ বৃদ্ধি করা হয়। সুতরাং যে ব্যক্তি রজব মাসে একদিন রোজা রাখবে, তা এক বছরের রোজার সমান হবে। যে ব্যক্তি সাত দিন রোজা রাখবে, তার জন্য জাহান্নামের সাতটি দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি আট দিন রোজা রাখবে, তার জন্য জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি দশ দিন রোজা রাখবে, সে আল্লাহর কাছে যা-ই চাইবে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তাকে তা দান করবেন। আর যে ব্যক্তি পনের দিন রোজা রাখবে, আকাশ থেকে একজন ঘোষক ঘোষণা করবেন: তোমার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে, সুতরাং তুমি নতুন করে আমল শুরু করো, তোমার মন্দ কাজগুলোকে পুণ্যে পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে।))।
⦗পৃষ্ঠা: ৩০৬⦘ইসমাঈল বলেছেন: ((এবং মন্দ কাজগুলোকে পুণ্যে রূপান্তরিত করা হয়েছে)) এবং এখানেই তাঁর বর্ণিত হাদিস শেষ হয়েছে। তবে তাঁরা দুজন হাদিসের শেষ পর্যন্ত বর্ধিত করে বলেছেন:
((আর যে ব্যক্তি আরও বৃদ্ধি করবে, আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তার জন্য আরও বৃদ্ধি করবেন। এবং রজব মাসেই আল্লাহ নূহকে নৌকায় আরোহণ করিয়েছিলেন, ফলে নূহ রোজা রেখেছিলেন এবং তাঁর সাথে যারা ছিল তাদের রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নৌকা ছয় মাস পর্যন্ত চলেছিল মহররমের দশ তারিখ অর্থাৎ আশুরার দিন পর্যন্ত। আশুরার দিন নূহ এবং তাঁর সঙ্গীরা ও বন্যপ্রাণীরা জুদি পাহাড়ের ওপর অবতরণ করেছিলেন। এই দিনেই আল্লাহ আদমের তাওবা কবুল করেছিলেন, এই দিনেই ইউনুসকে (মাছের পেট থেকে) বের করা হয়েছিল, বনী ইসরাঈলের জন্য সমুদ্র বিদীর্ণ করা হয়েছিল এবং এই দিনেই ইবরাহিম ও মারইয়াম পুত্র ঈসা সাল্লাল্লাহু আলাইহিমা জন্মগ্রহণ করেছিলেন।))।
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩০৬)
3- أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرٍ الشَّحَّامِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْحَافِظُ، أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثنا خَلَفُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكَرَابِيسِيُّ بِبُخَارَى، ثنا مَكِّيُّ بْنُ خَلَفٍ، ثنا نَصْرُ بْنُ الْحُسَيْنِ وَإِسْحَاقُ بْنُ حَمْزَةَ، قَالا: أنا عِيسَى وَهُوَ
⦗ص: 307⦘ الْغنْجَارُ، عَنْ أَبْيَنَ بْنِ سُفْيَانَ، عَنْ غَالِبِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((إن رجب شَهْرُ اللَّهِ، وَيُدْعَى الأَصَمَّ، وَكَانَ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ إِذَا دَخَلَ رَجَبٌ يُعَطِّلُونَ أَسْلِحَتَهُمْ وَيَضَعُونَهَا، فَكَانَ النَّاسُ يَأْمَنُونَ وَتَأْمَنُ السُّبُلُ، وَلا يَخَافُونَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا حَتَّى يَنْقَضِيَ)) .
৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম জাহির বিন তাহির আশ-শাহহামি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আল-হুসাইন আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন মুহাম্মাদ আল-কারাবিসি বুখারায়, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মাক্কি বিন খালাফ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন নাসর বিন আল-হুসাইন এবং ইসহাক বিন হামজাহ, তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা — আর তিনি হলেন
⦗পৃষ্ঠা: ৩০৭⦘ আল-গুনজার — তিনি আবইয়ান বিন সুফিয়ান থেকে, তিনি গালিব বিন উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
((নিশ্চয়ই রজব আল্লাহর মাস, একে 'আল-আসাম্ম' (নিস্তব্ধ) বলা হয়। জাহিলিয়াতের যুগের লোকেরা যখন রজব মাস প্রবেশ করত, তখন তারা তাদের অস্ত্রশস্ত্র অকেজো করে দিত এবং সেগুলো নামিয়ে রাখত। ফলে মানুষ নিরাপদ থাকত এবং পথঘাট নিরাপদ হতো; তারা মাসটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত একে অপরকে ভয় পেত না।))
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩০৭)
4- أَخْبَرَنَا أَبُو سَهْلٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدُوَيْهِ الْمُزَكِّي الأَصْبَهَانِيُّ بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الرَّازِيُّ الْمُقْرِئُ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ جَعْفَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ فَنَاكِيٍّ الرَّازِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الرُّويَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مَهْدِيٍّ الْعَطَّارُ الْمَصْرِيُّ، ثنا عَمْرُو بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، ثنا صَدَقَةُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ:
((أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه مَرَّ بِرَجُلٍ أَعْمَى مُقْعَدٍ فَقَالَ: أَمَا كَانَ هَذَا يَسْأَلُ اللَّهَ الْعَافِيَةَ؟ فَقَالَ رجلٌ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، أَمَا تَعْرِفُ هَذَا؟
⦗ص: 308⦘ هَذَا الَّذِي بَهَلَه بريقٌ، فَقَالَ عُمَرُ: إِنَّ بُرَيْقًا لقبٌ، وَلَكِنِ ادْعُ لِي عِيَاضًا، فَقَالَ: حَدِّثْنِي حَدِيثَ بَنِي الضَّبْعَاءِ، فَقَالَ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، إِنَّهُ حَدِيثُ جَاهِلِيَّةٍ، وَإِنَّهُ لا إِرْبَ لَكَ بِهِ فِي الإِسْلامِ، قَالَ: ذَلِكَ أَحْرَى أَنْ تُحَدِّثَنَا، فَقَالَ: إِنَّ بَنِي الضَّبْعَاءِ كَانُوا عَشَرَةً، وَكَانَتْ أُخْتُهُمْ تَحْتِي، فَأَرَادُوا أَنْ ينزعوها مني، فنشدتهم اللَّهَ وَالْقَرَابَةَ وَالرَّحِمَ فَأَبَوْا إِلا أَنْ يَنْزِعُوهَا مِنِّي، فَأَمْهَلْتُهُمْ حَتَّى دَخَلَ رَجَبُ مُضَرَ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ فَقُلْتُ:
اللَّهُمَّ أَدْعُوكَ دُعَاءً جَاهِدًا
… عَلَى بَنِي الضَّبْعَاءِ فَاتْرُكْ وَاحِدًا
وَكَسِّرِ الرَّجُلَ فَدَعْهُ قَاعِدًا
… أَعْمَى إِذَا قِيدَ يَعْنِي الْقَائِدَا
قَالَ: فَهَلَكُوا جَمِيعًا لَيْسَ هَذَا، فَقَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: تَاللَّهِ مَا رَأَيْتُ كَالْيَوْمِ حَدِيثًا أَعْجَبَ. فَقَالَ رجلٌ مِنَ الْقَوْمِ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، أَفَلا أُحَدِّثُكَ بأعجب من ذلك؟ قال: حدث حَتَّى يَسْمَعَ الْقَوْمُ، قَالَ: إِنِّي كُنْتُ مِنْ حَيٍّ مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ فَمَاتُوا كُلُّهُمْ فَأَصَبْتُ مَوَارِيثَهُمْ، فَانْتَجَعْتُ حَيًّا مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ يُقَالُ لَهُمْ: بَنُو الْمُؤَمَّلِ، كُنْتُ فِيهِمْ زَمَانًا طَوِيلا، ثُمَّ إِنَّهُمْ أَرَادُوا أَخْذَ مَالِي، فَنَاشَدْتُهُمُ اللَّهَ فَأَبَوْا إِلا أَنْ يَنْزِعُوا مَالِي، وَقَدْ كَانَ مِنْهُمْ رجلٌ يُقَالُ لَهُ: رِيَاحٌ، فَقَالَ: يَا بَنِي مُؤَمَّلٍ، جَارُكُمْ وَخَفِيرُكُمْ لا يَنْبَغِي لَكُمْ أَخْذَ مَالِهِ، قَالَ: فَعَصَوْهُ وَأَخَذُوا مَالِي، فَأَمْهَلْتُهُمْ حَتَّى دَخَلَ رَجَبُ مُضَرَ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ فقلت:
اللهم أزلها عَنْ بَنِي مُؤَمَّلِ
… وَارْمِ عَلَى أقفائهم بمنكل
بِصَخْرَةٍ أَوْ عُرْضِ جَيْشٍ جَحْفَلِ
… إِلا رِيَاحًا إِنَّهُ لَمْ يَفْعَلِ
قَالَ: فَبَيْنَا هُمْ يَسِيرُونَ فِي أَصْلِ جَبَلٍ أَوْ فِي سَفْحِ جَبَلٍ إِذْ تَدَاعَى عَلَيْهِمُ الْجَبَلُ، فَهَلَكُوا جَمِيعًا، لَيْسَ رِيَاحًا نَجَّاهُ اللَّهُ، فَقَالَ عُمَرُ رضي الله عنه:
⦗ص: 309⦘ تَاللَّهِ مَا رَأَيْتُ كَالْيَوْمِ حَدِيثًا أَعْجَبَ. فَقَامَ رجلٌ مِنَ الْقَوْمِ فَقَالَ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، أَفَلا أُحَدِّثُكَ بِأَعْجَبَ مِنْ ذَلِكَ؟ فَقَالَ: حَدِّثْ حَتَّى يَسْمَعَ الْقَوْمُ، فَقَالَ: إِنَّ أَبِي وَعَمِّي وَرِثَا أَبَاهُمَا، فَأَسْرَعَ عَمِّي فِي الَّذِي لَهُ وَبَقِيَ مَالِي، فَأَرَادَ بَنُوهُ أَنْ يَنْزِعُوا مَالِي، فَأَمْهَلْتُهُمْ حَتَّى دَخَلَ رَجَبُ مُضَرَ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ فَقُلْتُ:
اللَّهُمَّ رَبَّ كُلِّ آمِنٍ وَخَائِفٍ
… وَسَامِعًا نِدَاءَ كُلِّ هاتف
إن الخناعي أَبَا تُقَاصِفَ
… لَمْ يُعْطِنِي الْحَقَّ وَلَمْ يُنَاصِفِ
فَاجْمَعْ لَهُ الأَحِبَّةَ الألاطف
… بين القران السود والنواصف
قال: فبينا بَنُوهُ وَهُمْ عشرةٌ فِي بِئْرٍ يحفرونها إذ تهاوت عَلَيْهِمُ الْبِئْرُ فَكَانَتْ قُبُورَهُمْ، فَقَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: تَاللَّهِ مَا رَأَيْتُ كَالْيَوْمِ حَدِيثًا أَعْجَبَ. فَقَالَ الْقَوْمُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ كَانَ اللَّهُ يَصْنَعُ بِهِمْ مَا تَرَى فَأَهْلُ الإِسْلامِ أَحْرَى بِذَلِكَ، فَقَالَ: إِنَّ أَهْلَ الْجَاهِلِيَّةِ كَانَ اللَّهُ يَصْنَعُ بِهِمْ ما تسمعون ليحجز بعضهم عن بَعْضٍ، وَإِنَّ اللَّهَ عز وجل جَعَلَ السَّاعَةَ مَوْعِدَكُمْ، وَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرُّ)) .
هَذَا منقطعٌ بَيْنَ حَمَّادٍ وَعُمَرَ، وَقَدْ رُوِيَ مَوْصُولا مِنْ وجوه أخر.
৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাহল মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবন সা'দুওয়াইহ আল-মুযাক্কি আল-আসবাহানি বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল আবদুর রহমান ইবন আহমাদ ইবন আল-হাসান আর-রাজি আল-মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম জাফর ইবন আবদুল্লাহ ইবন ইয়াকুব ইবন ফানাকি আর-রাজি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন হারুন আর-রুয়ানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন মাহদি আল-আত্তার আল-মাসরি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমর ইবন আবি সালামাহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাদাকাহ, সাঈদ ইবন আবি আরুবাহ থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবন আবি সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেন:
((উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু একজন অন্ধ ও পঙ্গু ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন: এই ব্যক্তিটি কি আল্লাহর কাছে নিরাপত্তার (আফিয়াত) প্রার্থনা করত না? জনৈক ব্যক্তি বলল: হে আমিরুল মুমিনীন, আপনি কি একে চেনেন না?
⦗পৃষ্ঠা: ৩০৮⦘ এ সেই ব্যক্তি যাকে বুরাইকের বদদোয়া গ্রাস করেছে। তখন উমর বললেন: বুরাইক তো একটি উপাধি, তবে আমার কাছে ইয়াদকে ডেকে আনুন। এরপর তিনি বললেন: আমাকে বনু দাবাহ-এর ঘটনাটি শোনাও। সে বলল: হে আমিরুল মুমিনীন, তা তো জাহেলিয়াতের সময়ের ঘটনা, ইসলামে আপনার এ দিয়ে কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বললেন: সেটিই বরং আমাদের কাছে বর্ণনা করার জন্য অধিক উপযুক্ত। সে বলল: বনু দাবাহ ছিল দশ ভাই, আর তাদের বোন ছিল আমার স্ত্রী। তারা তাকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চাইল। আমি তাদের আল্লাহর দোহাই দিলাম এবং আত্মীয়তার সম্পর্কের দোহাই দিলাম, কিন্তু তারা তাকে আমার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ছাড়া আর কিছুতেই রাজি হলো না। আমি তাদের অবকাশ দিলাম যতক্ষণ না মুদার বংশের রজব মাস তথা আল্লাহর নিষিদ্ধ মাস এল। তখন আমি বললাম:
হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আকুল প্রার্থনা করছি
… বনু দাবাহ-এর বিরুদ্ধে, একজনকে ছাড়া সবাইকে ধ্বংস করুন।
তাকে পা ভেঙে পঙ্গু করে দিন এবং তাকে পঙ্গু অবস্থায় ছেড়ে দিন
… আর তাকে অন্ধ করে দিন যখন তাকে পথপ্রদর্শক দ্বারা টেনে নেওয়া হবে।
তিনি বললেন: ফলে এই ব্যক্তিটি ছাড়া তারা সবাই ধ্বংস হয়ে গেল। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আল্লাহর কসম, আজকের মতো এত আশ্চর্যজনক কাহিনী আমি আর শুনিনি। তখন সমবেতদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলল: হে আমিরুল মুমিনীন, আমি কি আপনাকে এর চেয়েও আশ্চর্যজনক কিছু শোনাব না? তিনি বললেন: বর্ণনা করো যাতে লোকেরা শুনতে পায়। সে বলল: আমি আরবের এক গোত্রভুক্ত ছিলাম, তাদের সবাই মারা গেল এবং আমি তাদের উত্তরাধিকার লাভ করলাম। এরপর আমি বনু মুয়াম্মিল নামক এক আরব্য গোত্রে আশ্রয় নিলাম। দীর্ঘ সময় আমি তাদের মাঝে অবস্থান করলাম। অতঃপর তারা আমার সম্পদ কেড়ে নিতে চাইল। আমি তাদের আল্লাহর দোহাই দিলাম কিন্তু তারা আমার সম্পদ কেড়ে নেওয়া ছাড়া আর কিছুতেই রাজি হলো না। তাদের মধ্যে রিয়াহ নামক এক ব্যক্তি ছিল, সে বলল: হে বনু মুয়াম্মিল, তোমাদের প্রতিবেশী এবং তোমাদের আশ্রিত ব্যক্তির সম্পদ কেড়ে নেওয়া তোমাদের জন্য উচিত নয়। বর্ণনাকারী বলেন: তারা তার অবাধ্য হলো এবং আমার সম্পদ কেড়ে নিল। আমি তাদের অবকাশ দিলাম যতক্ষণ না মুদার বংশের রজব মাস তথা আল্লাহর নিষিদ্ধ মাস এল। তখন আমি বললাম:
হে আল্লাহ, বনু মুয়াম্মিল থেকে এটি (সম্পদ) সরিয়ে নিন
… এবং তাদের ঘাড়ের ওপর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি নিক্ষেপ করুন।
পাথর নিক্ষেপ করে কিংবা এক বিশাল সৈন্যবাহিনীর আক্রমণ দিয়ে
… রিয়াহ ছাড়া, কারণ সে এটি করেনি।
বর্ণনাকারী বলেন: তারা যখন একটি পাহাড়ের পাদদেশ দিয়ে যাচ্ছিল, হঠাৎ পাহাড়টি তাদের ওপর ধসে পড়ল। ফলে রিয়াহ ছাড়া তারা সবাই ধ্বংস হয়ে গেল, আল্লাহ তাকে রক্ষা করলেন। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৩০৯⦘ আল্লাহর কসম, আজকের মতো এত আশ্চর্যজনক কাহিনী আমি আর শুনিনি। তখন উপস্থিত লোকদের মধ্য থেকে আরেক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল: হে আমিরুল মুমিনীন, আমি কি আপনাকে এর চেয়েও আশ্চর্যজনক কিছু শোনাব না? তিনি বললেন: বর্ণনা করো যাতে লোকেরা শুনতে পায়। সে বলল: আমার পিতা ও চাচা তাদের পিতার উত্তরাধিকার পেয়েছিলেন। আমার চাচা তার অংশের সম্পদ দ্রুত শেষ করে ফেললেন এবং আমার সম্পদ রয়ে গেল। তখন তার ছেলেরা আমার সম্পদ কেড়ে নিতে চাইল। আমি তাদের অবকাশ দিলাম যতক্ষণ না মুদার বংশের রজব মাস তথা আল্লাহর নিষিদ্ধ মাস এল। তখন আমি বললাম:
হে আল্লাহ, সকল নিরাপদ ও ভীত ব্যক্তির রব
… এবং প্রতিটি আহ্বানকারীর ডাক শ্রবণকারী।
নিশ্চয়ই খানাঈ আবু তুকাতিফ
… আমাকে আমার হক দেয়নি এবং ন্যায়বিচার করেনি।
তার জন্য তার অতি প্রিয়জনদের একত্র করুন
… কালো পাহাড় ও উপত্যকার মাঝখানে।
বর্ণনাকারী বলেন: তার দশজন ছেলে যখন একটি কূপ খনন করছিল, হঠাৎ কূপটি তাদের ওপর ধসে পড়ল এবং সেটিই তাদের কবরে পরিণত হলো। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আল্লাহর কসম, আজকের মতো এত আশ্চর্যজনক কাহিনী আমি আর শুনিনি। তখন উপস্থিত লোকেরা বলল: হে আমিরুল মুমিনীন, জাহেলিয়াতের লোকদের সাথে আল্লাহ এমন আচরণ করতেন যা আপনি দেখলেন, তাহলে ইসলাম পালনকারীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি ঘটার কথা। তিনি বললেন: জাহেলিয়াতের লোকদের সাথে আল্লাহ এমনটি করতেন যা তোমরা শুনলে, যাতে তারা একে অপরকে অন্যায় থেকে বিরত রাখে। কিন্তু আল্লাহ আযযা ওয়া জাল কিয়ামতকে তোমাদের জন্য নির্ধারিত সময় করেছেন, আর কিয়ামত হলো অধিক ভয়াবহ ও অধিক তিক্ত।))
এটি হাম্মাদ ও উমরের মাঝে বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি'), তবে এটি অন্য বিভিন্ন সূত্রে সংযুক্ত (মাউসুল) হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১০)
5- أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُسْلِمِ الْفَقِيهُ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ، أَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ نَصْرٍ إِجَازَةً، ثنا أَبُو الطَّيِّبِ غُنْدَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بِمِصْرَ، ثنا أَبُو خَلِيفَةَ، ثنا حَمَّادُ بن زاذان، عن مهدي بن ميمون، عَنِ ابْنِ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ عُبَادٍ قَالَ:
((يَوْمَ الْعَاشِرِ مِنْ رَجَبٍ يَمْحُو اللَّهُ عز وجل مَا يَشَاءُ وَيُثْبِتُ)) .
৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুসলিম আল-ফকিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ ইবনে আহমদ, আমাদের ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে উমর ইবনে নাসর, মিশরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাইয়্যিব গুনদার ইবনে আবদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খলিফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে জাযান, মাহদী ইবনে মাইমুন থেকে, তিনি ইবনে আবি নাদর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি কায়স ইবনে উবাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
((রজব মাসের দশম দিনে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ যা ইচ্ছা মিটিয়ে দেন এবং যা ইচ্ছা বহাল রাখেন।))
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১০)
6- أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْمُسْتَمْلِي، أَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَافِظُ، أَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْعُطَارِدِيُّ، ثنا أَبِي،
⦗ص: 311⦘ ثنا زهيرٌ، عَنْ بَيَانٍ، سَمِعْتُ قَيْسَ بْنَ أبي حازم -وذكرنا رجب- فَقَالَ:
((كُنَّا نُسَمِّيهِ الأَصَمَّ فِي الْجَاهِلِيَّةِ مِنْ حُرْمَتِهِ أَوْ شِدَّةِ حُرْمَتِهِ فِي أَنْفُسِنَا)) .
৬- আবুল কাসিম আল-মুস্তামলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আল-হাফিয আমাদের জানিয়েছেন, আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে মুসা আমাদের জানিয়েছেন, আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে আব্দুল জাব্বার আল-উতারিদি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ৩১১⦘ যুহাইর আমাদের বর্ণনা করেছেন বায়ান থেকে, আমি কায়স ইবনে আবু হাযিমকে বলতে শুনেছি—আর আমরা রজব মাসের কথা আলোচনা করছিলাম—অতঃপর তিনি বললেন:
((আমরা জাহেলিয়াতের যুগে এর পবিত্রতার কারণে অথবা আমাদের অন্তরে এর অত্যধিক মর্যাদার কারণে একে ‘আল-আসাম্ম’ (বধির) বলে অভিহিত করতাম।))
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১১)
7- وَقِيلَ:
تَوَخَّ الْخَيْرَ فِي رَجَبٍ
… وَصُمْهُ صِيَامَ مُحْتَسِبِ
وَذَرْ عَنْكَ التَّشَاغُلَ فِيهِ
… بِالْعِصْيَانِ وَالرِّيَبِ
وَلا تَعْصَ الإِلَهَ وَتُبْ
… وَخَفْ مِنْ شِدَّةِ الْغَضَبِ
فَكَمْ قَدْ تَابَ فِيهِ فَتًى
… وَأَشْيَبُ فِيهِ لَمْ يَتُبِ
وَلا تَبْغِ الْفَسَادَ وَكُنْ
… عَلَى حَذَرٍ مِنَ النُّوَبِ
فَكَمْ بَاغٍ بَغَى فِيهِ
… فَأَسْلَمَهُ إِلَى الْعَطَبِ
أَلَمْ تَسْمَعْ إِلَى مَا حَلَّ
… بِالْبَاغِينَ فِي الْحِقَبِ
بَنِي الضَّبْعَاءِ أَهْلَكَهُمْ
… وَغَيْرَهُمُ مِنَ الْعَرَبِ
وَكَانُوا قَبْلَ مَهْلِكِهِمْ
… بِبَغْيِهِمْ ذَوِي نَشَبِ
فَلَمَّا أَنْ بَغَوْا هَلَكُوا
… وَذَاقُوا شِدَّةَ الْحَرْبِ
فَشَمِّرْ فِي انْتِهَازِكَ مَا
… تُقَدِّمُهُ مِنَ الْقُرَبِ
فَمَا فَازَ الَّذِينَ نَجَوْا
… بِغَيْرِ الْجِدِّ وَالتَّعَبِ
فَيَا ذَا الطَّوْلِ مُنَّ عَلَى
… الْجَمِيعِ بِحُسْنِ مُنْقَلَبِ
⦗ص: 312⦘فَأَنْتَ الْغَافِرُ التَّوَّابُ
… وَالْمَنَّانُ بِالرُّتَبِ
وأنت القادر الوهاب
… والمعتلي بلا سبب
وما ترجو جماعتنا
… سواك لفادح الكرب
تم الإملاء ولله الحمد والمنة.
৭- এবং বলা হয়েছে:
রজব মাসে কল্যাণ অনুসন্ধান করো
… আর সওয়াবের আশায় তাতে রোজা রাখো।
তাতে নাফরমানি ও সংশয়পূর্ণ কাজে
… লিপ্ত হওয়া পরিহার করো।
ইলাহের অবাধ্য হয়ো না এবং তাওবা করো
… আর তাঁর তীব্র ক্রোধকে ভয় করো।
কত যুবকই না এতে তাওবা করেছে
… আর কত বৃদ্ধ এতে তাওবা করেনি।
বিপর্যয় কামনা করো না এবং
… বিপদাপদ সম্পর্কে সতর্ক থাকো।
কত সীমালঙ্ঘনকারীই না এতে সীমালঙ্ঘন করেছে
… অতঃপর তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
তুমি কি শোনোনি তাদের অবস্থা যা আপতিত হয়েছিল
… বিগত যুগের সীমালঙ্ঘনকারীদের ওপর?
বনু দ্বাবআকে তিনি ধ্বংস করেছেন
… এবং আরবদের মধ্য থেকে অন্যদেরও।
তাদের বিনাশের পূর্বে তারা ছিল
… তাদের অবাধ্যতা সত্ত্বেও ধন-সম্পদের অধিকারী।
অতঃপর যখন তারা সীমালঙ্ঘন করল, তারা ধ্বংস হলো
… এবং যুদ্ধের ভয়াবহতা আস্বাদন করল।
সুতরাং নৈকট্য লাভের আমল যা তুমি অগ্রিম পাঠাবে
… তা অর্জনের জন্য কোমর বাঁধো।
কেননা যারা মুক্তি পেয়েছে তারা সফল হয়নি
… কঠোর পরিশ্রম ও সাধনা ব্যতীত।
হে সুমহান অনুগ্রহের মালিক! আপনি দয়া করুন
… সকলের ওপর উত্তম পরিণতির মাধ্যমে।
⦗পৃষ্ঠা: ৩১২⦘কেননা আপনিই ক্ষমাশীল, তাওবা কবুলকারী
… এবং সুউচ্চ মর্যাদা দানকারী।
আপনিই সর্বশক্তিমান, মহা দাতা
… এবং কোনো মাধ্যম ছাড়াই আপনি সুউচ্চ।
আর আমাদের এই জামাত কঠিন বিপদে
… আপনি ব্যতীত অন্য কারো নিকট আশা পোষণ করে না।
শ্রুতিলিখনের সমাপ্তি হলো, আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
مجلسٌ آخَرُ وَهُوَ السَّابِعُ وَالسِّتُّونَ بعد.. .. (1)
قَالَ رضي الله عنه:
8- ثنا عَمِّي الشَّيْخُ الأَجَلُّ الإِمَامُ الْحَافِظُ الثِّقَةُ نَاصِرُ السُّنَّةِ مُحَدِّثُ الشَّامِ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ إِمْلاءً مِنْ لَفْظِهِ وَقِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ ثَانِي وَعِشْرِينَ رَجَبٍ سَنَةَ ست وستين وخمسمائة بِدَارِ السُّنَّةِ بِدِمَشْقَ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّحَّامِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَيْهَقِيُّ، أَنَا أَبُو زَكَرِيَّا بْنُ أبي إسحاق المزكي، ثنا أبو الحسن الطرائقي، ثنا عُثْمَانُ بْنُ سَعِيدٍ -هُوَ الرازي-، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما: فِي قَوْلِهِ عز وجل: {إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللَّهِ} إِلَى قَوْلِهِ: {مِنْهَا أربعةٌ حرمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ فَلا تَظْلِمُوا فيهن أنفسكم} ، قَالَ:
((لا تَظْلِمُوا أَنْفُسَكُمْ فِي كُلِّهِنَّ، ثُمَّ اخْتَصَّ مِنْ ذَلِكَ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ فَجَعَلَهُنَّ حُرُمًا، وَعَظَّمَ حُرُمَاتِهِنَّ، وَجَعَلَ الذَّنْبَ فِيهِنَّ أَعْظَمَ، وَالْعَمَلَ الصَّالِحَ وَالأَجْرَ أَعْظَمَ)) .
⦗ص: 314⦘مَا فَسَّرَهُ الصَّحَابِيُّ يُعَدُّ فِي جُمْلَةِ الْمَسَانِيدِ لأَنَّ الصَّحَابَةَ شَهِدُوا التَّنْزِيلَ.
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
অন্য একটি মজলিস, আর তা হলো সাতষট্টিতম মজলিস... এর পরে (১)
তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন:
৮- আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা, মহান শায়খ, ইমাম, হাফেজ, নির্ভরযোগ্য, সুন্নাহর সাহায্যকারী, শামের মুহাদ্দিস আবু আল-কাসিম আলি বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ। তিনি তাঁর নিজ মুখে শ্রুতিলিপি দিয়েছেন এবং তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে ৫৬৬ হিজরি সনের ২২ শে রজব বৃহস্পতিবার দামেস্কের দারুস সুন্নাহতে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম জহির বিন তাহির বিন মুহাম্মাদ আশ-শাহহামি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলি আল-বায়হাকি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যাকারিয়া বিন আবু ইসহাক আল-মুযাক্কি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আত-তারাইকি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন সাঈদ—যিনি আর-রাজি—। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সালিহ। আমাকে বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া বিন সালিহ, আলি বিন আবু তালহা থেকে, ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত: মহান আল্লাহর বাণী সম্পর্কে: "নিশ্চয় আল্লাহর নিকট তাঁর কিতাবে মাসের সংখ্যা বারোটি," আল্লাহর এই বাণী পর্যন্ত: "তার মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস; এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত দীন। সুতরাং তোমরা এতে নিজেদের প্রতি জুলুম করো না।" তিনি বলেছেন:
“তোমরা তাদের সবকটিতেই নিজেদের প্রতি জুলুম করো না, অতঃপর তিনি সেগুলোর মধ্য থেকে চারটি মাসকে নির্দিষ্ট করেছেন এবং সেগুলোকে পবিত্র করেছেন, আর সেগুলোর পবিত্রতাকে মহান করেছেন। তিনি সেগুলোতে পাপকে আরও গুরুতর করেছেন এবং নেক আমল ও এর প্রতিদানকে আরও মহান করেছেন।”
⦗পৃষ্ঠা: ৩১৪⦘সাহাবায়ে কেরাম যা ব্যাখ্যা করেছেন তা মুসনাদ হাদীসসমূহের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ সাহাবায়ে কেরাম ওহী নাযিল হওয়া প্রত্যক্ষ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১৪)
9- أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَصْبَهَانِيُّ الْحَافِظُ، أَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَغَيْرُهُ قَالُوا: ثنا أَبُو سَعِيدٍ النَّقَّاشُ، ثنا أَبُو أَحْمَدَ الْعَسَّالُ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، ثنا منصورٌ -يَعْنِي ابن يزيد-، ثنا مُوسَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْأَنْصَارِيُّ، سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((إِنَّ فِي الْجَنَّةِ نَهْرًا يُقَالُ لَهُ رَجَبٌ، أَشَدُّ بَيَاضًا مِنَ اللَّبَنِ، وَأَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ، مَنْ صَامَ يَوْمًا مِنْ رَجَبٍ سَقَاهُ اللَّهُ عز وجل مِنْ ذَلِكَ النَّهْرِ)) .
نَسَبُ مُوسَى هَذَا أَصَحُّ مِنْ قَوْلِ مَنْ قَالَ: مُوسَى بْنُ عِمْرَانَ.
৯- আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ আল-আসফাহানি আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন সুলাইমান ইবনে ইবরাহিম ও অন্যান্যরা, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আন-নাক্কাশ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ আল-আসসাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে আহমাদ ইবনে ফারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুগিরাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মানসুর—অর্থাৎ ইবনে ইয়াজিদ—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আল-আনসারি, আমি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
((নিশ্চয়ই জান্নাতে একটি নদী রয়েছে যাকে রজব বলা হয়, যা দুধের চেয়েও অধিক সাদা এবং মধুর চেয়েও অধিক মিষ্টি। যে ব্যক্তি রজব মাসে একদিন সিয়াম পালন করবে, আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তাকে সেই নদী হতে পান করাবেন।)) ।
এই মুসার বংশপরিচয় সেই ব্যক্তির উক্তির চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ যে বলেছে: মুসা ইবনে ইমরান।
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১৪)
10- أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُسْلِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْفَرَضِيُّ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَتَّانِيُّ لَفْظًا، أَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَافِظُ، أَنَا أَبُو يَعْقُوبَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمُعَدَّلُ الْقَرَّابُ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ السَّعْدِيُّ، أَنَا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دَلُّوَيْهِ، أَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ، ثنا خَالِدُ بْنُ الْهَيَّاجِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سُلَيْمَانَ التيمي، عن أبي عثمان المهدي، عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ((فِي رَجَبٍ يومٌ وليلةٌ، مِنْ صَامَ ⦗ص: 315⦘ ذَلِكَ الْيَوْمَ وَقَامَ تِلْكَ اللَّيْلَةَ كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ كَمَنْ صَامَ مِائَةَ سَنَةٍ، وَهُوَ لِثَلاثٍ بَقِينَ مِنْ رَجَبٍ، وذلك اليوم الَّذِي بَعَثَ اللَّهُ عز وجل فِيهِ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم) .
১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনুল মুসলিম ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফারাযী, আবু মুহাম্মাদ আব্দুল আযীয ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-কাত্তানী মৌখিকভাবে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে আব্দুর রহমান আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়াকুব ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আল-মুআদ্দাল আল-কাররাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মাদ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল ফাযল আস-সাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাসর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে দাল্লুওয়াইহ্ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হুসাইন ইবনে ইদ্রিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, খালিদ ইবনুল হাইয়্যাজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন তার পিতা থেকে, তিনি সুলায়মান আত-তাইমি থেকে, তিনি আবু উসমান আল-মাহদী থেকে, তিনি সালমান আল-ফারিসি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "রজব মাসে এমন একটি দিন ও রাত রয়েছে, যে ব্যক্তি ⦗পৃষ্ঠা: ৩১৫⦘ সেই দিনে রোজা পালন করবে এবং সেই রাতে (ইবাদতে) দণ্ডায়মান থাকবে, তার জন্য একশ বছর রোজা রাখার সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে। আর তা হলো রজব মাসের তিন দিন অবশিষ্ট থাকতে (অর্থাৎ সাতাশ তারিখ); আর এটিই সেই দিন যাতে মহান আল্লাহ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে (রাসূল হিসেবে) প্রেরণ করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১৫)
11- أخبرناه عَالِيًا أَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرٍ الْمُسْتَمْلِي، أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْحَافِظُ، أَنَا أبو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَنَا أَبُو نَصْرٍ رَشِيقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرُّومِيُّ إِمْلاءً مِنْ أَصْلِ كِتَابِهِ بِالطَّابِرَانِ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَنْصَارِيُّ، ثنا خَالِدُ بْنُ الْهَيَّاجِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
((فِي رَجَبٍ يومٌ وليلةٌ، مِنْ صَامَ ذَلِكَ الْيَوْمَ وَقَامَ تِلْكَ اللَّيْلَةَ كَانَ كَمَنْ صَامَ مِنَ الدَّهْرِ مِائَةَ سَنَةٍ وَقَامَ مِائَةَ سَنَةٍ، وَهُوَ لِثَلاثٍ بَقِينَ مِنْ رَجَبٍ، وَفِيهِ بَعَثَ اللَّهُ عز وجل مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم) .
اسم أبي عثمان بن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَلٍّ مخضرمٌ.
১১- উচ্চ সনদে আবুল কাসিম জাহির বিন তাহির আল-মুস্তামলি আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন যে, আবু বকর আহমাদ বিন আল-হুসাইন আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাসর রাশিক বিন আব্দুল্লাহ আর-রুমি তাবারানে তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হুসাইন বিন ইদরিস আল-আনসারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ বিন আল-হাইয়াজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি সুলাইমান আত-তাইমি থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে, তিনি সালমান আল-ফারসি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
“রজব মাসে এমন একটি দিন ও রাত রয়েছে, যে ব্যক্তি সেই দিনে রোজা রাখবে এবং সেই রাতে ইবাদতে দণ্ডায়মান থাকবে, সে যেন কালের একশ বছর রোজা রাখল এবং একশ বছর ইবাদতে দণ্ডায়মান থাকল। আর তা হলো রজব মাসের তিন দিন বাকি থাকতে (অর্থাৎ সাতাশ তারিখে); এবং এই দিনেই মহান আল্লাহ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রেরণ করেছেন।”
আবু উসমানের নাম আব্দুর রহমান বিন মাল, তিনি একজন মুখাদরাম।
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১৫)
12- أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُعَدَّلُ، أَنَا أَبُو بكر أحمد بن الحسين الخسروجردي، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَنَا أَبُو صَالِحٍ خَلَفُ بْنُ مُحَمَّدٍ
⦗ص: 316⦘ بِبُخَارَى، أَنَا مَكِّيُّ بْنُ خَلَفٍ وَإِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالا: ثنا نَصْرُ بْنُ الْحُسَيْنِ، ثنا عِيسَى -وَهُوَ الْغُنْجَارُ-، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ أَبَانٍ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
((فِي رَجَبٍ ليلةٌ يُكْتَبُ لِلْعَامِلِ فِيهَا حَسَنَاتُ مِائَةِ سَنَةٍ، وَذَلِكَ لِثَلاثٍ بَقِينَ مِنْ رَجَبٍ، فَمَنْ صَلَّى فيها اثنتي عشرة ركعةً فقرأ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ فَاتِحَةَ الْكِتَابِ وَسُورَةً مِنَ الْقُرْآنِ، يَتَشَهَّدُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ وَيُسَلِّمُ فِي آخِرِهِنَّ، ثُمَّ يَقُولُ: سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ مِائَةَ مَرَّةٍ، وَيَسْتَغْفِرُ اللَّهَ مِائَةَ مَرَّةٍ، وَيُصَلِّي عَلَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مِائَةَ مَرَّةٍ، وَيَدْعُو لِنَفْسِهِ مَا شَاءَ مِنْ أَمْرِ دُنْيَاهُ وَآخِرَتِهِ، وَيُصْبِحُ صَائِمًا، فَإِنَّ اللَّهُ يَسْتَجِيبُ دُعَاءَهُ كُلَّهُ إِلا أَنْ يَدْعُوَ فِي مَعْصِيَةٍ)) .
هَذَا الْحَدِيثُ وَالَّذِي قَبْلَهُ غَرِيبَانِ.
১২- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম বিন আবি আবদুর রহমান আল-মুআদ্দাল, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আল-হুসাইন আল-খুসরাওজারদি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-হাফিয, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সালিহ খালাফ বিন মুহাম্মদ
⦗পৃষ্ঠা: ৩১৬⦘ বুখারায়, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাক্কি বিন খালাফ এবং ইসহাক বিন আহমাদ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাসর বিন আল-হুসাইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা —তিনি হলেন আল-গুনজার— মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল থেকে, তিনি আবান থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
((রজব মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যাতে আমলকারীর জন্য একশ বছরের নেকি লেখা হয়, আর তা হলো যখন রজব মাসের তিন দিন বাকি থাকে। সুতরাং যে ব্যক্তি তাতে বারো রাকাত সালাত আদায় করবে এবং প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা ও কুরআনের একটি সূরা পাঠ করবে, প্রতি দুই রাকাতে আত্তাহিয়্যাতু পড়বে এবং সবশেষে সালাম ফেরাবে; এরপর ‘সুবহানাল্লাহ’, ‘আলহামদুলিল্লাহ’, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ও ‘আল্লাহু আকবার’ একশ বার বলবে, একশ বার ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করবে এবং নবীর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপর একশ বার দুরুদ পাঠ করবে; আর নিজের দুনিয়া ও আখিরাতের যা ইচ্ছা দোয়া করবে এবং সকালে রোজা রাখবে—তবে আল্লাহ তার সমস্ত দোয়া কবুল করবেন, যদি না সে কোনো পাপ কাজের জন্য দোয়া করে।))
এই হাদিসটি এবং এর পূর্বেরটি উভয়ই গরিব।
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১৬)
13- أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الشَّحَّامِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ الْبَيْهَقِيُّ سَمَاعًا أَوْ إِجَازَةً، أَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ السُّلَمِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُرَيْشٍ، أَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا أَبُو زُرْعَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بن عبد الله الأزدي، ثنا أَبُو سَهْلٍ يُوسُفُ بْنُ عَطِيَّةَ الصَّفَّارُ، ثنا هشامٌ الْقُرْدُوسِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ:
((أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يصم بعد رمضان إلا رجب وَشَعْبَانَ)) .
১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আশ-শাহহামি, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-বায়হাকি শ্রবণের মাধ্যমে অথবা ইজাজতক্রমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আস-সুলামি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কুরাইশ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু জুরআহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আজদি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু সাহল ইউসুফ ইবনে আতিয়্যাহ আস-সাফফার, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হিশাম আল-কুরদুসি, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন:
((রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানের পর রজব ও শাবান মাস ব্যতীত আর কোনো রোজা রাখতেন না।)) .
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১৭)
14- أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُسْلِمِ الْفَقِيهُ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ مِنْ لَفْظِهِ، قَالَ: ذَكَرَ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ بْنِ عَمْرَانَ الْقَزْوِينِيُّ الْمَعْرُوفُ بِالْبَلاذِرِيِّ قَدِمَ دِمَشْقَ في سنة أربع وسبعين وثلاثمائة وَحَدَّثَهُمْ بِهَا، ثنا أَبُو سَعِيدٍ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُبَارَكِ الطُّوسِيُّ بِتُسْتَرَ إِمْلاءً يَوْمَ الْجُمُعَةِ بعد الصلاة سنة أربع وأربعين وثلاثمائة، ثنا الْعَبَّاسُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْقَرَاطِيسِيُّ بِالْمَوْصِلِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ زُرَارَةَ السَّلِيطِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو الأَنْصَارِيُّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ [وأبان، عَنْ] ، أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ:
((خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قبل [رجب] بجمعة فَقَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّهُ قَدْ أَظَلَّكُمْ شهرٌ عظيمٌ، شَهْرُ رَجَبٍ شهر الله [الأصم] ، تضاعف فِيهِ الْحَسَنَاتُ، وَتُسْتَجَابُ فِيهِ الدَّعَوَاتُ، ويفرج فيه عن الكربات، لا يرد لِلْمُؤْمِنِ فِيهِ دعوةٌ، فَمَنِ اكْتَسَبَ فِيهِ خَيْرًا ضُوعِفَ لَهُ فِيهِ أَضْعَافًا مُضَاعَفَةً،
⦗ص: 318⦘ وَاللَّهُ يُضَاعِفُ لِمَنْ يَشَاءُ؛ فَعَلَيْكُمْ بِقِيَامِ لَيْلِهِ، وَصِيَامِ نَهَارِهِ، فَمَنْ صَلَّى فِي يَوْمٍ فِيهِ خَمْسِينَ صَلاةً يَقْرَأُ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ، أَعْطَاهُ اللَّهُ عز وجل مِنَ الْحَسَنَاتِ بِعَدَدِ الشَّفْعِ وَالْوَتْرِ، وَبِعَدَدِ الشَّعَرِ وَالْوَبَرِ، وَمَنْ صَامَ يوماً كتب الله له به صِيَامَ سَنَةٍ، وَمَنْ خَزَنَ فِيهِ لِسَانَهُ لَقَّنَهُ اللَّهُ عز وجل حُجَّتَهُ عِنْدَ مُسَائَلَةِ مُنْكَرٍ وَنَكِيرٍ، وَمَنْ تَصَدَّقَ فِيهِ بِصَدَقَةٍ كَانَ بِهَا فِكَاكُ رَقَبَتِهِ مِنَ النَّارِ، وَمَنْ وَصَلَ فِيهِ رَحِمَهُ وَصَلَهُ اللَّهُ عز وجل فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، وَنَصَرَهُ عَلَى أَعْدَائِهِ أَيَّامَ حَيَاتِهِ، وَمَنْ عَادَ فِيهِ مَرِيضًا أَمَرَ اللَّهُ عز وجل كِرَامَ مَلائِكَتِهِ بِزِيَارَتِهِ وَالتَّسْلِيمِ عَلَيْهِ، وَمَنْ صَلَّى فِيهِ عَلَى جِنَازَةٍ فَكَأَنَّمَا أحيا موءودةً، [ومن أطعم مؤمناً طَعَامًا] أَجْلَسَهُ اللَّهُ عز وجل يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى مَائِدَةٍ عَلَيْهَا إِبْرَاهِيمُ ومحمدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِمَا، وَمَنْ سَقَى شَرْبَةً مِنْ مَاءٍ سَقَاهُ اللَّهُ عز وجل مِنْ الرَّحِيقِ الْمَخْتُومِ، وَمَنْ كَسَا مُؤْمِنًا كَسَاهُ اللَّهُ أَلْفَ حُلَّةٍ مِنْ حُلَلِ الْجَنَّةِ، وَمَنْ أَكْرَمَ يَتِيمًا وَمَسَحَ يَدَهُ عَلَى رَأْسِهِ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ بِعَدَدِ كُلِّ شَعْرَةٍ مَسَّتْ يَدَهُ، وَمَنِ اسْتَغْفَرَ اللَّهَ عز وجل فِيهِ مَرَّةً وَاحِدَةً غَفَرَ اللَّهُ عز وجل لَهُ، وَمَنْ سَبَّحَ اللَّهَ عز وجل تَسْبِيحَةً، أَوْ هَلَّلَهُ تَهْلِيلَةً، كُتِبَ عِنْدَ اللَّهِ مِنَ الذَّاكِرِينَ اللَّهَ كثيراً والذاكرات، ومن ختم فيه الْقُرْآنَ مَرَّةً وَاحِدَةً أُلْبِسَ هُوَ ووالده يَوْمَ الْقِيَامَةِ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ تَاجًا مُكَلَّلا بِاللُّؤْلُؤِ وَالْمَرْجَانِ، وَأَمِنَ مِنْ فَزَعِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ)) .
১৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আল-মুসলিম আল-ফকিহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-হাফিজ তাঁর নিজ শব্দে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ বিন ইমরান আল-কাযউইনি, যিনি আল-বালাজুরি নামে পরিচিত, তিনি ৩৭৪ হিজরি সনে দামেস্কে আগমন করেন এবং তাদের নিকট বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু সাঈদ আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-মুবারক আত-তুসি তুস্তারে ৩৪৪ হিজরি সনের জুমার দিনে সালাতের পর শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্বাস বিন ইব্রাহিম আল-কারাতিসি মুসেলে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন যুরারাহ আস-সালিাতি বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আমর আল-আনসারি বর্ণনা করেন, মালিক বিন দিনার [এবং আবান] থেকে, আনাস বিন মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
((রাসূলুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) [রজব] মাসের আগের জুমায় আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন এবং বললেন: হে লোকসকল, একটি মহান মাস তোমাদের ছায়া দিচ্ছে; রজব মাস আল্লাহর [শব্দহীন] মাস, এতে নেক আমলসমূহ বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়, এতে দোয়া কবুল করা হয় এবং এতে বিপদ-আপদ দূর করা হয়। এতে মুমিনের কোনো দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। সুতরাং যে ব্যক্তি এতে কোনো কল্যাণ অর্জন করবে, তার জন্য তা বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেওয়া হবে,
⦗পৃষ্ঠা: ৩১৮⦘ আর আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা করেন বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন। অতএব তোমরা এর রাতে দণ্ডায়মান থাকো এবং দিনে রোজা রাখো। যে ব্যক্তি এর কোনো একদিনে পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে এবং প্রত্যেক রাকাতে কোরআন থেকে যা সহজসাধ্য হয় তা পাঠ করবে, আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) তাকে জোড় ও বিজোড় সংখ্যার সমপরিমাণ এবং পশম ও চুলের সমপরিমাণ নেকি দান করবেন। আর যে ব্যক্তি একদিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তার জন্য এক বছরের রোজার সওয়াব লিখে দেবেন। যে ব্যক্তি এতে তার জিহ্বাকে সংযত রাখবে, আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) মুনকার ও নাকিরের সওয়াল-জওয়াবের সময় তাকে তার দলিল শিখিয়ে দেবেন। যে ব্যক্তি এতে কোনো সদকা করবে, তা হবে তার জন্য জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির উপায়। যে ব্যক্তি এতে আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখবে, আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) দুনিয়া ও আখেরাতে তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখবেন এবং তার জীবনদ্দশায় শত্রুদের বিরুদ্ধে তাকে সাহায্য করবেন। যে ব্যক্তি এতে কোনো রোগীকে দেখতে যাবে, আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) তাঁর সম্মানিত ফেরেশতাদের নির্দেশ দেবেন তাকে দেখতে যেতে এবং তাকে সালাম প্রদান করতে। যে ব্যক্তি এতে কোনো জানাজার সালাত পড়বে, সে যেন জীবন্ত দাফনকৃত কন্যা শিশুকে পুনর্জীবিত করল। [আর যে ব্যক্তি কোনো মুমিনকে খাবার খাওয়াবে], কিয়ামতের দিন আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) তাকে এমন এক দস্তরখানে বসাবেন যেখানে ইব্রাহিম ও মুহাম্মদ (তাঁদের উভয়ের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) থাকবেন। যে ব্যক্তি এক ঢোক পানি পান করাবে, আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) তাকে মোহরকৃত সুধা থেকে পান করাবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুমিনকে পোশাক পরাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের হাজারো পোশাকের মধ্য থেকে পোশাক পরাবেন। যে ব্যক্তি কোনো এতিমকে সম্মান করবে এবং তার মাথার ওপর নিজের হাত বুলিয়ে দেবে, তার হাত যতগুলো চুল স্পর্শ করবে আল্লাহ তাকে তত সংখ্যক পাপ ক্ষমা করবেন। যে ব্যক্তি এতে একবার আল্লাহর (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) তাকে ক্ষমা করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি একবার আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করবে অথবা তাঁর একত্ববাদ ঘোষণা করবে, আল্লাহর নিকট সে অধিক জিকিরকারী পুরুষ ও জিকিরকারী নারীদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে লিপিবদ্ধ হবে। আর যে ব্যক্তি এতে একবার কোরআন খতম করবে, কিয়ামতের দিন তাকে এবং তার পিতাকে এমন এক মুকুট পরানো হবে যা মুক্তা ও প্রবাল খচিত, আর সে কিয়ামতের দিনের ভয়াবহতা থেকে নিরাপদ থাকবে।))
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩১৯)
15- أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْفَقِيهُ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ.
ح: وَأَنْبَأَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْمُوَازيني، قَالا: أَنَا الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ صَخْرٍ إِجَازَةً، ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْغَزَّالُ الأَصْبَهَانِيُّ بِالْبَصْرَةَ، قَالَ: فِي كِتَابِي عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَيْمُونٍ وَلَيْسَ عَلَيْهِ عَلامَةُ السَّمَاعِ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعُثْمَانِيُّ، ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرٍو رضي الله عنهما قَالَ:
((إِنَّمَا سُمِّيَ رَجَبٌ لأَنَّ الملائكة ترجب فيه بالتسبيح والتحميد والتمجيد لِلْجَبَّارِ عز وجل) .
১৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-ফকিহ, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ বিন আহমদ।
হ: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-মুওয়াজিনি। তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আলি বিন সাখর অনুমতিসূত্রে, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলি বিন আহমদ আল-গাজ্জাল আল-আসবাহানি বসরাতে। তিনি বলেন: মায়মুন বিন মুহাম্মদ বিন মায়মুন থেকে বর্ণিত যা আমার কিতাবে রয়েছে, তবে তাতে সরাসরি শ্রবণের কোনো চিহ্ন নেই; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আব্দুল্লাহ আল-উসমানি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মালিক বিন আনাস, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
((নিশ্চয়ই রজব মাসের নামকরণ এই জন্য করা হয়েছে যে, ফেরেশতারা এতে মহাপরাক্রমশালী মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা, প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা করার মাধ্যমে অত্যন্ত সম্মান প্রদর্শন করে থাকেন।))
(খণ্ড: ১)
ফাদলু রজব লিইবনি আসাকির
(পৃষ্ঠা: ৩২০)
16-أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ الْمِصِّيصِيُّ الْفَقِيهُ، ثنا أبو الفتح الفقيه، ثنا أبو عبد الله محمد بن الحسين الشيرازي لنفسه:
يا صائماً للمليك في رجب
… أبشر بشرب الرحيق من رجب
نهرٌ حريٌ في الجنان شاربه
… إن صام يوماً يقيه في الكرب
فرجب الشهر واغتنمه وكن
… فيه عبيداً يخاف من لهب
نار جحيم عساك يطفئها
… عنك بصوم موافق الأدب
تم الإملاء والحمد لله وحده، وصلى الله على محمد وآله.
১৬-আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ আল-মিসসিসি আল-ফকিহ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল ফাতহ আল-ফকিহ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আশ-শিরাজি তাঁর নিজের পক্ষ থেকে:
হে রজব মাসে রাজাধিরাজের সন্তুষ্টির জন্য রোজা পালনকারী
… রজবের নির্মল সুধা পান করার সুসংবাদ গ্রহণ করো
জান্নাতের মাঝে এটি একটি উপযুক্ত নদী, তার পানকারী
… যদি একদিন রোজা রাখে তবে তা তাকে সংকটকালে রক্ষা করবে
সুতরাং রজব মাসকে গনিমত হিসেবে গ্রহণ করো এবং এতে এমন এক
… বান্দা হয়ে যাও যে (জাহান্নামের) লেলিহান শিখাকে ভয় করে
জাহান্নামের আগুন, আশা করা যায় তা তোমার থেকে নির্বাপিত হবে
… শিষ্টাচারসম্মত রোজার বরকতে
শ্রুতিলিখন সমাপ্ত হলো, সকল প্রশংসা কেবল এক আল্লাহর জন্য। আর আল্লাহ রহমত বর্ষণ করুন মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর।