(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১)
مقدمة مفتي عام المملكة
سماحة الشيخ: عبد العزيز بن عبد الله آل الشيخ
الحمد لله وحده، والصلاة والسلام على من لا نبي بعده، وبعد:
فإن من نعم الله علينا في الرئاسة العامة للبحوث العلمية والإفتاء، إتمام جمع وطباعة (فتاوى اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء) ، وهي جملة من الفتاوى الهامة والمؤصلة، الواردة أسئلتها إلى دار الإفتاء بالمملكة العربية السعودية، وتوارد على الإجابة عليها جملة من جلة وخيرة علماء البلاد -نحسبهم ولا نزكي على الله أحدا- وكانت في أبواب العلم المختلفة: من عقيدة وتفسير وفقه. . . وغير ذلك مما تمس حاجة الناس إليها وترد أسئلتهم عليها.
وقد أشرف على جمعها فضيلة الشيخ: أحمد بن عبد الرزاق الدويش وفقه الله لكل خير، فكان مجدا في جمع الفتاوى وترتيبها ثم إعدادها للطباعة، فجزاه الله خير الجزاء.
وبعد انتهاء (الفتاوى) اجتمع لدينا مما استجد من الفتاوى
سماحة الشيخ: عبد العزيز بن عبد الله آل الشيخ
الحمد لله وحده، والصلاة والسلام على من لا نبي بعده، وبعد:
فإن من نعم الله علينا في الرئاسة العامة للبحوث العلمية والإفتاء، إتمام جمع وطباعة (فتاوى اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء) ، وهي جملة من الفتاوى الهامة والمؤصلة، الواردة أسئلتها إلى دار الإفتاء بالمملكة العربية السعودية، وتوارد على الإجابة عليها جملة من جلة وخيرة علماء البلاد -نحسبهم ولا نزكي على الله أحدا- وكانت في أبواب العلم المختلفة: من عقيدة وتفسير وفقه. . . وغير ذلك مما تمس حاجة الناس إليها وترد أسئلتهم عليها.
وقد أشرف على جمعها فضيلة الشيخ: أحمد بن عبد الرزاق الدويش وفقه الله لكل خير، فكان مجدا في جمع الفتاوى وترتيبها ثم إعدادها للطباعة، فجزاه الله خير الجزاء.
وبعد انتهاء (الفتاوى) اجتمع لدينا مما استجد من الفتاوى
**রাজ্যের গ্র্যান্ড মুফতির ভূমিকা**
**মহামান্য শায়খ: আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ আলে শায়খ**
একক আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা, এবং তাঁর পরে আর কোনো নবী নেই—তাঁর উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক। অতঃপর:
সাধারণ গবেষণা ও ফতোয়া বিভাগের উপর আল্লাহর যে সকল অনুগ্রহ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো (স্থায়ী গবেষণা ও ফতোয়া কমিটির ফতোয়াসমূহ) সংকলন ও মুদ্রণ সম্পন্ন করা। এগুলো হলো গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক ফতোয়ার সমষ্টি, যার প্রশ্নাবলী সৌদি আরবের ফতোয়া বিভাগে এসেছিল, এবং দেশের শ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত আলেমগণের একটি দল এর উত্তর প্রদানে অংশগ্রহণ করেছেন—আমরা তাদের এমনটাই মনে করি, তবে আল্লাহর কাছে কাউকে পবিত্র ঘোষণা করি না—
আর এই ফতোয়াগুলো ছিল জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায়: আকীদা (বিশ্বাস), তাফসীর (ব্যাখ্যা), ফিকহ (আইনশাস্ত্র)... এবং অন্যান্য বিষয় যা মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং যে বিষয়ে তাদের প্রশ্ন আসে।
ফযীলতপূর্ণ শায়খ আহমাদ ইবনে আব্দুর রাযযাক আদ-দুওয়াইশ—আল্লাহ তাকে সকল কল্যাণের তাওফীক দিন—এর সংকলনের তত্ত্বাবধান করেছেন। তিনি ফতোয়াগুলো সংগ্রহ, বিন্যস্তকরণ এবং মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন।
আর (ফতোয়াসমূহ) সমাপ্ত হওয়ার পর, নতুন উদ্ভূত ফতোয়াগুলো থেকে আমাদের কাছে আরও কিছু জমা হয়েছে।
**মহামান্য শায়খ: আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ আলে শায়খ**
একক আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা, এবং তাঁর পরে আর কোনো নবী নেই—তাঁর উপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক। অতঃপর:
সাধারণ গবেষণা ও ফতোয়া বিভাগের উপর আল্লাহর যে সকল অনুগ্রহ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো (স্থায়ী গবেষণা ও ফতোয়া কমিটির ফতোয়াসমূহ) সংকলন ও মুদ্রণ সম্পন্ন করা। এগুলো হলো গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক ফতোয়ার সমষ্টি, যার প্রশ্নাবলী সৌদি আরবের ফতোয়া বিভাগে এসেছিল, এবং দেশের শ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত আলেমগণের একটি দল এর উত্তর প্রদানে অংশগ্রহণ করেছেন—আমরা তাদের এমনটাই মনে করি, তবে আল্লাহর কাছে কাউকে পবিত্র ঘোষণা করি না—
আর এই ফতোয়াগুলো ছিল জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায়: আকীদা (বিশ্বাস), তাফসীর (ব্যাখ্যা), ফিকহ (আইনশাস্ত্র)... এবং অন্যান্য বিষয় যা মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং যে বিষয়ে তাদের প্রশ্ন আসে।
ফযীলতপূর্ণ শায়খ আহমাদ ইবনে আব্দুর রাযযাক আদ-দুওয়াইশ—আল্লাহ তাকে সকল কল্যাণের তাওফীক দিন—এর সংকলনের তত্ত্বাবধান করেছেন। তিনি ফতোয়াগুলো সংগ্রহ, বিন্যস্তকরণ এবং মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন।
আর (ফতোয়াসমূহ) সমাপ্ত হওয়ার পর, নতুন উদ্ভূত ফতোয়াগুলো থেকে আমাদের কাছে আরও কিছু জমা হয়েছে।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২)
شيء كثير، رأينا أن نطبع المجموعة الثانية من (الفتاوى) بنفس ترتيب الفتاوى الأصل، وكانت طريقتنا في ذلك أن نجمع ما استجد من الفتاوى في كل باب، مما لم تكن له سابقة في الفتاوى الأصل التي طبعت سابقا، أجتمع أنا ومعالي الشيخ: عبد الله بن عبد الرحمن بن غديان حفظه الله، وفضيلة الشيخ: أحمد الدويش -وفقه الله- كل يوم اثنين لقراءة هذه الفتاوى وإقرارها، فاجتمع لنا عدد كبير من الفتاوى هذه هي باكورتها، وسيتبعها -بإذن الله تعالى- ما يتممها.
وإني إذ أحمد الله عز وجل الذي تابع علينا نعمه ظاهرة وباطنة، ويسر لنا إنجاز هذا العمل - لأشكر معالي الشيخ: عبد الله بن عبد الرحمن بن غديان حفظه الله، على صبره وجلده ومراجعته لهذه الفتاوى، كما أشكر فضيلة الشيخ: أحمد الدويش على عنايته واهتمامه وحسن جمعه وترتيبه، فجزاهم الله عنا خير الجزاء.
وأسأل الله العلي القدير أن يكون هذا العمل خالصا لوجهه الكريم، موافقا لمرضاته، مقربا عنده زلفى، عميم النفع، جزيل الفائدة، حسن العاقبة، إنه سبحانه ولي ذلك والقادر عليه.
وصلى الله وسلم وبارك على نبينا محمد، وعلى آله وصحبه أجمعين.
المفتي العام للمملكة العربية السعودية
ورئيس هيئة كبار العلماء وإدارة البحوث العلمية والإفتاء
عبد العزيز بن عبد الله بن محمد آل الشيخ
وإني إذ أحمد الله عز وجل الذي تابع علينا نعمه ظاهرة وباطنة، ويسر لنا إنجاز هذا العمل - لأشكر معالي الشيخ: عبد الله بن عبد الرحمن بن غديان حفظه الله، على صبره وجلده ومراجعته لهذه الفتاوى، كما أشكر فضيلة الشيخ: أحمد الدويش على عنايته واهتمامه وحسن جمعه وترتيبه، فجزاهم الله عنا خير الجزاء.
وأسأل الله العلي القدير أن يكون هذا العمل خالصا لوجهه الكريم، موافقا لمرضاته، مقربا عنده زلفى، عميم النفع، جزيل الفائدة، حسن العاقبة، إنه سبحانه ولي ذلك والقادر عليه.
وصلى الله وسلم وبارك على نبينا محمد، وعلى آله وصحبه أجمعين.
المفتي العام للمملكة العربية السعودية
ورئيس هيئة كبار العلماء وإدارة البحوث العلمية والإفتاء
عبد العزيز بن عبد الله بن محمد آل الشيخ
অনেক কাজের পর, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে (ফতোয়া)-এর দ্বিতীয় সংকলনটি মূল ফতোয়াগুলোর মতোই একই বিন্যাসে প্রকাশ করব। এই ক্ষেত্রে আমাদের পদ্ধতি ছিল—প্রতিটি অধ্যায়ে নতুন যে ফতোয়াগুলো এসেছে, যা পূর্বে প্রকাশিত মূল ফতোয়াগুলোতে ছিল না, সেগুলোকে একত্রিত করা।
আমি, মহামান্য শাইখ: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে গুদাইয়্যান (আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন), এবং শ্রদ্ধেয় শাইখ: আহমাদ আদ-দুওয়াইশ (আল্লাহ তাঁকে তাওফীক দিন)—আমরা প্রতি সোমবার একত্রিত হতাম এই ফতোয়াগুলো পাঠ ও অনুমোদনের জন্য। এভাবে আমাদের কাছে বিপুল সংখ্যক ফতোয়া জমা হয়েছে, যার এই সংকলনটি হলো প্রথম ফল (বা সূচনা), এবং আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় এর পূর্ণতাদানকারী অংশগুলো এর পরে আসবে।
আমি যখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল-এর প্রশংসা করছি, যিনি আমাদের ওপর তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নিয়ামতসমূহ অব্যাহত রেখেছেন এবং এই কাজটি সম্পন্ন করা সহজ করে দিয়েছেন—তখন আমি মহামান্য শাইখ: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে গুদাইয়্যান (আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন)-কে ধন্যবাদ জানাই এই ফতোয়াগুলো পর্যালোচনায় তাঁর ধৈর্য, অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের জন্য। একই সাথে আমি শ্রদ্ধেয় শাইখ: আহমাদ আদ-দুওয়াইশ-কেও ধন্যবাদ জানাই তাঁর যত্ন, মনোযোগ এবং উত্তমভাবে সংকলন ও বিন্যাসের জন্য। আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে তাঁদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন।
আমি মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, যেন এই কাজটি তাঁর সম্মানিত চেহারার জন্য একনিষ্ঠ হয়, তাঁর সন্তুষ্টির অনুকূল হয়, তাঁর কাছে নৈকট্য লাভকারী হয়, ব্যাপক কল্যাণকর হয়, বিপুল উপকারী হয় এবং এর পরিণতি যেন শুভ হয়। নিশ্চয়ই তিনি (সুবহানাহু) এর অভিভাবক এবং এর ওপর ক্ষমতাবান।
আল্লাহ সালাত, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর।
সৌদি আরব রাজ্যের গ্র্যান্ড মুফতি
এবং সর্বোচ্চ উলামা পরিষদ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ফতোয়া বিভাগের প্রধান।
আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আলে শাইখ।
আমি, মহামান্য শাইখ: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে গুদাইয়্যান (আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন), এবং শ্রদ্ধেয় শাইখ: আহমাদ আদ-দুওয়াইশ (আল্লাহ তাঁকে তাওফীক দিন)—আমরা প্রতি সোমবার একত্রিত হতাম এই ফতোয়াগুলো পাঠ ও অনুমোদনের জন্য। এভাবে আমাদের কাছে বিপুল সংখ্যক ফতোয়া জমা হয়েছে, যার এই সংকলনটি হলো প্রথম ফল (বা সূচনা), এবং আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় এর পূর্ণতাদানকারী অংশগুলো এর পরে আসবে।
আমি যখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল-এর প্রশংসা করছি, যিনি আমাদের ওপর তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নিয়ামতসমূহ অব্যাহত রেখেছেন এবং এই কাজটি সম্পন্ন করা সহজ করে দিয়েছেন—তখন আমি মহামান্য শাইখ: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে গুদাইয়্যান (আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন)-কে ধন্যবাদ জানাই এই ফতোয়াগুলো পর্যালোচনায় তাঁর ধৈর্য, অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের জন্য। একই সাথে আমি শ্রদ্ধেয় শাইখ: আহমাদ আদ-দুওয়াইশ-কেও ধন্যবাদ জানাই তাঁর যত্ন, মনোযোগ এবং উত্তমভাবে সংকলন ও বিন্যাসের জন্য। আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে তাঁদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন।
আমি মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, যেন এই কাজটি তাঁর সম্মানিত চেহারার জন্য একনিষ্ঠ হয়, তাঁর সন্তুষ্টির অনুকূল হয়, তাঁর কাছে নৈকট্য লাভকারী হয়, ব্যাপক কল্যাণকর হয়, বিপুল উপকারী হয় এবং এর পরিণতি যেন শুভ হয়। নিশ্চয়ই তিনি (সুবহানাহু) এর অভিভাবক এবং এর ওপর ক্ষমতাবান।
আল্লাহ সালাত, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর।
সৌদি আরব রাজ্যের গ্র্যান্ড মুফতি
এবং সর্বোচ্চ উলামা পরিষদ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ফতোয়া বিভাগের প্রধান।
আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আলে শাইখ।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
مقدمة
الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على النبي الأمين، وآله وصحبه ومن تبعه إلى يوم الدين، أما بعد:
فقد تم بحمد الله ترتيب: (فتاوى اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء) في المملكة العربية السعودية (المجموعة الأولى) وبلغت: (ستة وعشرين جزءا) تفصيلها على النحو التالي:
1- الأجزاء (من 1- 3) في العقيدة.
2- الجزء (4) في التفسير وعلوم القرآن.
3- الأجزاء (من 5- 23) في الفقه، وترتيب أبوابه على نهج (مختصر المقنع) .
4- الأجزاء (من 24- 26) كتاب جامع.
ولقد تم عزو كثير من الأحاديث التي استدل بها إلى مخرجيها؛ ليسهل على الباحث وطالب العلم معرفة حال الدليل، وتم الفراغ من طبعها عام 1425 من هجرة الرسول صلى الله عليه وسلم.
وهذه الفتاوى صدرت من علماء أجلاء، أعطاهم الله العلم والفقه والأمانة والغيرة، مما جعلهم محل ثقة المسلمين في مشارق
الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على النبي الأمين، وآله وصحبه ومن تبعه إلى يوم الدين، أما بعد:
فقد تم بحمد الله ترتيب: (فتاوى اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء) في المملكة العربية السعودية (المجموعة الأولى) وبلغت: (ستة وعشرين جزءا) تفصيلها على النحو التالي:
1- الأجزاء (من 1- 3) في العقيدة.
2- الجزء (4) في التفسير وعلوم القرآن.
3- الأجزاء (من 5- 23) في الفقه، وترتيب أبوابه على نهج (مختصر المقنع) .
4- الأجزاء (من 24- 26) كتاب جامع.
ولقد تم عزو كثير من الأحاديث التي استدل بها إلى مخرجيها؛ ليسهل على الباحث وطالب العلم معرفة حال الدليل، وتم الفراغ من طبعها عام 1425 من هجرة الرسول صلى الله عليه وسلم.
وهذه الفتاوى صدرت من علماء أجلاء، أعطاهم الله العلم والفقه والأمانة والغيرة، مما جعلهم محل ثقة المسلمين في مشارق
ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক বিশ্বস্ত নবী, তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ এবং যারা তাঁকে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত অনুসরণ করেন তাদের উপর। অতঃপর:
আল্লাহর প্রশংসায়, সৌদি আরব রাজ্যের (স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা)-এর ফতোয়াসমূহ (প্রথম সংকলন) বিন্যস্ত করা সম্পন্ন হয়েছে। এর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে (ছাব্বিশটি খণ্ডে)। এর বিস্তারিত বিবরণ নিম্নরূপ:
১- খণ্ডসমূহ (১ থেকে ৩) আকীদা (বিশ্বাস) বিষয়ক।
২- খণ্ড (৪) তাফসীর ও কুরআন বিষয়ক জ্ঞান (উলূমুল কুরআন) বিষয়ক।
৩- খণ্ডসমূহ (৫ থেকে ২৩) ফিকহ (ইসলামী আইনশাস্ত্র) বিষয়ক, এবং এর অধ্যায়গুলোর বিন্যাস (মুখতাসার আল-মুকনি') গ্রন্থের পদ্ধতি অনুসারে করা হয়েছে।
৪- খণ্ডসমূহ (২৪ থেকে ২৬) একটি جامع (ব্যাপক/সংকলিত) গ্রন্থ।
যে সকল হাদীস দ্বারা প্রমাণ পেশ করা হয়েছে, তার বহুলাংশের সূত্র এর মূল বর্ণনাকারী বা উৎসগ্রন্থের দিকে উল্লেখ করা হয়েছে; যাতে গবেষক ও জ্ঞান অন্বেষণকারীর জন্য দলিলের অবস্থা জানা সহজ হয়। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হিজরতের ১৪২৫ সনে এর মুদ্রণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
আর এই ফতোয়াসমূহ সম্মানিত আলিমগণের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হয়েছে, আল্লাহ যাদেরকে জ্ঞান, ফিকহ (আইনশাস্ত্র), আমানতদারি এবং (দ্বীনের প্রতি) তীব্র আগ্রহ দান করেছেন, যা তাদেরকে মুসলিমদের আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে পূর্বের (অঞ্চলসমূহে)...
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক বিশ্বস্ত নবী, তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ এবং যারা তাঁকে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত অনুসরণ করেন তাদের উপর। অতঃপর:
আল্লাহর প্রশংসায়, সৌদি আরব রাজ্যের (স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা)-এর ফতোয়াসমূহ (প্রথম সংকলন) বিন্যস্ত করা সম্পন্ন হয়েছে। এর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে (ছাব্বিশটি খণ্ডে)। এর বিস্তারিত বিবরণ নিম্নরূপ:
১- খণ্ডসমূহ (১ থেকে ৩) আকীদা (বিশ্বাস) বিষয়ক।
২- খণ্ড (৪) তাফসীর ও কুরআন বিষয়ক জ্ঞান (উলূমুল কুরআন) বিষয়ক।
৩- খণ্ডসমূহ (৫ থেকে ২৩) ফিকহ (ইসলামী আইনশাস্ত্র) বিষয়ক, এবং এর অধ্যায়গুলোর বিন্যাস (মুখতাসার আল-মুকনি') গ্রন্থের পদ্ধতি অনুসারে করা হয়েছে।
৪- খণ্ডসমূহ (২৪ থেকে ২৬) একটি جامع (ব্যাপক/সংকলিত) গ্রন্থ।
যে সকল হাদীস দ্বারা প্রমাণ পেশ করা হয়েছে, তার বহুলাংশের সূত্র এর মূল বর্ণনাকারী বা উৎসগ্রন্থের দিকে উল্লেখ করা হয়েছে; যাতে গবেষক ও জ্ঞান অন্বেষণকারীর জন্য দলিলের অবস্থা জানা সহজ হয়। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হিজরতের ১৪২৫ সনে এর মুদ্রণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
আর এই ফতোয়াসমূহ সম্মানিত আলিমগণের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হয়েছে, আল্লাহ যাদেরকে জ্ঞান, ফিকহ (আইনশাস্ত্র), আমানতদারি এবং (দ্বীনের প্রতি) তীব্র আগ্রহ দান করেছেন, যা তাদেরকে মুসলিমদের আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে পূর্বের (অঞ্চলসমূহে)...
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
الأرض ومغاربها، وهذا جعل لهذه الفتاوى انتشارا بينهم، مما استدعى دور النشر والمحتسبين للأجر التسابق لطبعها، وقد اتسمت بوضوح العبارة والإيجاز غير المخل، وكانت في مجملها معتمدة على الدليل، موضحة بالتعليل، يستفيد منها العالم والمتعلم والمحتاج لمعرفة الحكم ممن لا يستطيعون الوصول إليه، فكل يجد بغيته لأن فيها العلم وفيها بيان الأحكام، وفيها حكم النوازل، ولما كان عمل اللجنة مستمرا كان العمل في تنسيقها وطبعها كذلك، وقد جرى استئناف العمل فيما جد بعد ما تم ترتيبه على النهج الأول في الطريقة والأسلوب، مع مراعاة استبعاد ما نشر مما يغني عنه تلافيا للتكرار، وقد لا يخلو منه، إما لزيادة فائدة، أو تغير أسماء المفتين، وقد يشذ ما يسهى عنه، وعلى القارئ غض الطرف وتلمس العذر، واخترنا لها اسم: (المجموعة الثانية) .
وفق الله الجميع لما يحبه ويرضاه، ونفع بها القارئ والمتعلم، وأثاب المفتي والجامع والمعاون والناشر والباذل، إنه جواد كريم، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.
أحمد بن عبد الرزاق الدويش
وفق الله الجميع لما يحبه ويرضاه، ونفع بها القارئ والمتعلم، وأثاب المفتي والجامع والمعاون والناشر والباذل، إنه جواد كريم، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.
أحمد بن عبد الرزاق الدويش
পৃথিবীর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত। আর এই কারণে এই ফতোয়াগুলো (সাধারণ) মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রচার লাভ করেছে, যা প্রকাশনা সংস্থা এবং সওয়াবের প্রত্যাশীরা (পুণ্যকামীরা) এগুলো ছাপানোর জন্য প্রতিযোগিতা করতে উৎসাহিত হয়েছে।
এগুলো (ফতোয়াগুলো) স্পষ্ট ভাষা এবং ত্রুটিমুক্ত সংক্ষিপ্ততার বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ছিল। আর সামগ্রিকভাবে এগুলো দলিলের ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং যুক্তিসঙ্গত কারণ দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়েছিল।
এগুলো থেকে আলেম, শিক্ষার্থী এবং যারা (শরয়ী) হুকুম জানতে চান কিন্তু (আলেমের কাছে) পৌঁছাতে পারেন না, তারা সবাই উপকৃত হন। প্রত্যেকেই তাদের কাঙ্ক্ষিত বিষয় খুঁজে পান, কারণ এতে রয়েছে জ্ঞান, এতে রয়েছে আহকাম (বিধানাবলি)-এর বর্ণনা এবং এতে রয়েছে নতুন উদ্ভূত সমস্যাবলির (নাওয়াযিল) সমাধান।
যেহেতু কমিটির কাজ চলমান ছিল, তাই এগুলো বিন্যাস ও ছাপানোর কাজও একইভাবে চলমান ছিল। প্রথম পদ্ধতির বিন্যাস ও শৈলী অনুসারে যা নতুন উদ্ভূত হয়েছে, সেগুলোর ওপর কাজ পুনরায় শুরু করা হয়েছে।
পুনরাবৃত্তি এড়ানোর জন্য যা প্রকাশিত হয়েছে এবং যা অপ্রয়োজনীয়, তা বাদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে পুনরাবৃত্তি থাকতে পারে—হয়তো অতিরিক্ত কোনো উপকারের জন্য, অথবা মুফতিদের নাম পরিবর্তনের কারণে। অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু ভুলও থেকে যেতে পারে। পাঠকের উচিত হবে তা উপেক্ষা করা এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা।
আর আমরা এর নাম নির্বাচন করেছি: (দ্বিতীয় সংকলন)।
আল্লাহ যেন সকলকে তাঁর পছন্দনীয় ও সন্তোষজনক কাজের তাওফীক দেন। তিনি যেন এর দ্বারা পাঠক ও শিক্ষার্থীর উপকার করেন এবং মুফতি, সংকলক, সহযোগী, প্রকাশক ও ব্যয়কারীকে উত্তম প্রতিদান দেন। নিশ্চয়ই তিনি পরম দাতা, মহৎ।
আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। আর আমাদের শেষ প্রার্থনা হলো—সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
আহমাদ ইবনে আবদুর রাযযাক আদ-দুওয়াইশ।
এগুলো (ফতোয়াগুলো) স্পষ্ট ভাষা এবং ত্রুটিমুক্ত সংক্ষিপ্ততার বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ছিল। আর সামগ্রিকভাবে এগুলো দলিলের ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং যুক্তিসঙ্গত কারণ দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়েছিল।
এগুলো থেকে আলেম, শিক্ষার্থী এবং যারা (শরয়ী) হুকুম জানতে চান কিন্তু (আলেমের কাছে) পৌঁছাতে পারেন না, তারা সবাই উপকৃত হন। প্রত্যেকেই তাদের কাঙ্ক্ষিত বিষয় খুঁজে পান, কারণ এতে রয়েছে জ্ঞান, এতে রয়েছে আহকাম (বিধানাবলি)-এর বর্ণনা এবং এতে রয়েছে নতুন উদ্ভূত সমস্যাবলির (নাওয়াযিল) সমাধান।
যেহেতু কমিটির কাজ চলমান ছিল, তাই এগুলো বিন্যাস ও ছাপানোর কাজও একইভাবে চলমান ছিল। প্রথম পদ্ধতির বিন্যাস ও শৈলী অনুসারে যা নতুন উদ্ভূত হয়েছে, সেগুলোর ওপর কাজ পুনরায় শুরু করা হয়েছে।
পুনরাবৃত্তি এড়ানোর জন্য যা প্রকাশিত হয়েছে এবং যা অপ্রয়োজনীয়, তা বাদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে পুনরাবৃত্তি থাকতে পারে—হয়তো অতিরিক্ত কোনো উপকারের জন্য, অথবা মুফতিদের নাম পরিবর্তনের কারণে। অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু ভুলও থেকে যেতে পারে। পাঠকের উচিত হবে তা উপেক্ষা করা এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা।
আর আমরা এর নাম নির্বাচন করেছি: (দ্বিতীয় সংকলন)।
আল্লাহ যেন সকলকে তাঁর পছন্দনীয় ও সন্তোষজনক কাজের তাওফীক দেন। তিনি যেন এর দ্বারা পাঠক ও শিক্ষার্থীর উপকার করেন এবং মুফতি, সংকলক, সহযোগী, প্রকাশক ও ব্যয়কারীকে উত্তম প্রতিদান দেন। নিশ্চয়ই তিনি পরম দাতা, মহৎ।
আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। আর আমাদের শেষ প্রার্থনা হলো—সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
আহমাদ ইবনে আবদুর রাযযাক আদ-দুওয়াইশ।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
توحيد الربوبية
তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
صفحة فارغة
খালি পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
السؤال الأول من الفتوى رقم (11843)
س 1: ما معنى توحيد الربوبية والألوهية؟
ج 1: معنى توحيد الربوبية: إفراد الله جل وعلا بأفعاله؛ كالخلق والإيجاد والرزق والإحياء والإماتة.
ومعنى توحيد الألوهية: إفراد الله بأفعال العباد، كالدعاء، والاستعانة، والاستغاثة، والخوف، والرجاء، والتوكل، وجميع أنواع العبادة.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
عبد الله بن غديان ... عبد الرزاق عفيفي ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
س 1: ما معنى توحيد الربوبية والألوهية؟
ج 1: معنى توحيد الربوبية: إفراد الله جل وعلا بأفعاله؛ كالخلق والإيجاد والرزق والإحياء والإماتة.
ومعنى توحيد الألوهية: إفراد الله بأفعال العباد، كالدعاء، والاستعانة، والاستغاثة، والخوف، والرجاء، والتوكل، وجميع أنواع العبادة.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
عبد الله بن غديان ... عبد الرزاق عفيفي ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
ফতোয়া নং (১১৩৪৩০)-এর প্রথম প্রশ্ন
**প্রশ্ন ১:** তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ (তাওহীদ-এ রুবুবিয়্যাহ) এবং তাওহীদে উলূহিয়্যাহ (তাওহীদ-এ উলূহিয়্যাহ)-এর অর্থ কী?
**উত্তর ১:** তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ-এর অর্থ হলো: আল্লাহ জাল্লা ওয়া আলা-কে তাঁর কর্মসমূহে একক সাব্যস্ত করা; যেমন সৃষ্টি করা, অস্তিত্ব দান করা, রিযিক প্রদান করা, জীবন দান করা এবং মৃত্যু দান করা।
আর তাওহীদে উলূহিয়্যাহ-এর অর্থ হলো: বান্দাদের কর্মসমূহে আল্লাহকে একক সাব্যস্ত করা, যেমন দু'আ (আহ্বান), সাহায্য প্রার্থনা (ইসতিআনাহ), বিপদমুক্তি কামনা (ইসতিগাছাহ), ভয় (খাওফ), আশা (রাজা), ভরসা (তাওয়াক্কুল) এবং সকল প্রকার ইবাদত।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দায়িমাহ লিল-বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল-ইফতা)
| সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :--- | :--- | :--- |
| আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান | আব্দুল রাযযাক আফীফী | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায |
**প্রশ্ন ১:** তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ (তাওহীদ-এ রুবুবিয়্যাহ) এবং তাওহীদে উলূহিয়্যাহ (তাওহীদ-এ উলূহিয়্যাহ)-এর অর্থ কী?
**উত্তর ১:** তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ-এর অর্থ হলো: আল্লাহ জাল্লা ওয়া আলা-কে তাঁর কর্মসমূহে একক সাব্যস্ত করা; যেমন সৃষ্টি করা, অস্তিত্ব দান করা, রিযিক প্রদান করা, জীবন দান করা এবং মৃত্যু দান করা।
আর তাওহীদে উলূহিয়্যাহ-এর অর্থ হলো: বান্দাদের কর্মসমূহে আল্লাহকে একক সাব্যস্ত করা, যেমন দু'আ (আহ্বান), সাহায্য প্রার্থনা (ইসতিআনাহ), বিপদমুক্তি কামনা (ইসতিগাছাহ), ভয় (খাওফ), আশা (রাজা), ভরসা (তাওয়াক্কুল) এবং সকল প্রকার ইবাদত।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দায়িমাহ লিল-বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল-ইফতা)
| সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :--- | :--- | :--- |
| আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান | আব্দুল রাযযাক আফীফী | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায |
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
الفتوى رقم (16950)
س: من الذي أوجد الشر، هذا الأمر تناقشت فيه أنا وأخ لي في الدين، أنا قلت له: إن الشر هو من خلق الله، فكما خلق الله الخير، فهو أيضا خلق الشر، وكما خلق الجنة خلق النار، وكما خلق المؤمن خلق الكافر. أما أخي فهو يقول: إن الشر من صنع الإنسان، وإن الله لا يخلق إلا كل ما هو خير وفيه نفع للناس، وقال لي: كيف يخلق الله الشر ثم يعاقبنا إذا فعلناه أو اقترفناه فقلت له: إن الله يأمر بالخير وينهى عن الشر، وهناك فرق بين الأمر والخلق، فالله خلق النار ولكنه ينهانا عنها. وقد تمسك كل منا برأيه عن قناعة، وإذا كان
س: من الذي أوجد الشر، هذا الأمر تناقشت فيه أنا وأخ لي في الدين، أنا قلت له: إن الشر هو من خلق الله، فكما خلق الله الخير، فهو أيضا خلق الشر، وكما خلق الجنة خلق النار، وكما خلق المؤمن خلق الكافر. أما أخي فهو يقول: إن الشر من صنع الإنسان، وإن الله لا يخلق إلا كل ما هو خير وفيه نفع للناس، وقال لي: كيف يخلق الله الشر ثم يعاقبنا إذا فعلناه أو اقترفناه فقلت له: إن الله يأمر بالخير وينهى عن الشر، وهناك فرق بين الأمر والخلق، فالله خلق النار ولكنه ينهانا عنها. وقد تمسك كل منا برأيه عن قناعة، وإذا كان
ফতোয়া নং (১৬৯৫0)
**প্রশ্ন:** অকল্যাণ (শর)-এর সৃষ্টিকর্তা কে? এই বিষয়টি নিয়ে আমি এবং আমার এক দ্বীনি ভাই আলোচনা করছিলাম। আমি তাকে বললাম: নিশ্চয়ই অকল্যাণ আল্লাহর সৃষ্টি। আল্লাহ যেমন কল্যাণ (খায়ের) সৃষ্টি করেছেন, তেমনি তিনি অকল্যাণও সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ যেমন জান্নাত সৃষ্টি করেছেন, তেমনি জাহান্নামও সৃষ্টি করেছেন। আর যেমন মুমিন সৃষ্টি করেছেন, তেমনি কাফিরও সৃষ্টি করেছেন।
কিন্তু আমার ভাই বলেন: অকল্যাণ মানুষের তৈরি। আর আল্লাহ কেবল তাই সৃষ্টি করেন যা কল্যাণকর এবং যাতে মানুষের জন্য উপকার রয়েছে। তিনি আমাকে বললেন: আল্লাহ কীভাবে অকল্যাণ সৃষ্টি করেন, অথচ আমরা তা করলে বা তাতে লিপ্ত হলে তিনি আমাদের শাস্তি দেন?
তখন আমি তাকে বললাম: আল্লাহ কল্যাণের আদেশ দেন এবং অকল্যাণ থেকে নিষেধ করেন। আদেশ (আমর) এবং সৃষ্টি (খলক)-এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আল্লাহ জাহান্নাম সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু তিনি আমাদের তা থেকে নিষেধ করেছেন।
আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ মতের ওপর দৃঢ়ভাবে সন্তুষ্ট আছি। আর যদি... (বাক্যটি অসম্পূর্ণ)
**প্রশ্ন:** অকল্যাণ (শর)-এর সৃষ্টিকর্তা কে? এই বিষয়টি নিয়ে আমি এবং আমার এক দ্বীনি ভাই আলোচনা করছিলাম। আমি তাকে বললাম: নিশ্চয়ই অকল্যাণ আল্লাহর সৃষ্টি। আল্লাহ যেমন কল্যাণ (খায়ের) সৃষ্টি করেছেন, তেমনি তিনি অকল্যাণও সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ যেমন জান্নাত সৃষ্টি করেছেন, তেমনি জাহান্নামও সৃষ্টি করেছেন। আর যেমন মুমিন সৃষ্টি করেছেন, তেমনি কাফিরও সৃষ্টি করেছেন।
কিন্তু আমার ভাই বলেন: অকল্যাণ মানুষের তৈরি। আর আল্লাহ কেবল তাই সৃষ্টি করেন যা কল্যাণকর এবং যাতে মানুষের জন্য উপকার রয়েছে। তিনি আমাকে বললেন: আল্লাহ কীভাবে অকল্যাণ সৃষ্টি করেন, অথচ আমরা তা করলে বা তাতে লিপ্ত হলে তিনি আমাদের শাস্তি দেন?
তখন আমি তাকে বললাম: আল্লাহ কল্যাণের আদেশ দেন এবং অকল্যাণ থেকে নিষেধ করেন। আদেশ (আমর) এবং সৃষ্টি (খলক)-এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আল্লাহ জাহান্নাম সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু তিনি আমাদের তা থেকে নিষেধ করেছেন।
আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ মতের ওপর দৃঢ়ভাবে সন্তুষ্ট আছি। আর যদি... (বাক্যটি অসম্পূর্ণ)
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
الحق سبحانه وتعالى يقول: {وَمَا أُوتِيتُمْ مِنَ الْعِلْمِ إِلَّا قَلِيلًا} (¬1) فأنا أعلم أنني لم أوت من القليل إلا القليل؛ ولذلك جادلته بقدر علمي وعن قناعة، مع العلم بأن هذا الأخ يعلم من أمور الدين أكثر مما أعلم أنا، ولكنه لم يستطع أن يقنعني، وأنا أيضا لم أستطع أن أقنعه، وأنا أعلم أن رأيي بالنسبة لي وعلى قدر علمي هو الصواب، ولكني أيضا أعلم أنه قابل للخطأ، ورأيه خطأ قابل للصواب، وأعلم أيضا أن الله ينهانا عن الجدال بغير علم؛ ولذلك كتبت هذه الرسالة إلى فضيلتكم للإفادة أفادكم الله.
سائلا المولى عز وجل أن يلهمنا جميعا الرشد والصواب إنه هو السميع العليم، وآخر دعوانا أن الحمد له رب العالمين، مع الشكر مقدما للرد والإفادة والسلام عليكم ورحمة الله وبركاته.
ج: الأصل عموم خلق الله لجميع الأشياء، قال تعالى: {اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ} (¬2) وقال تعالى: {وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ} (¬3) .
فالله سبحانه خلق الخير وأمر به وأحبه، وخلق الشر ونهى عنه والله لا يحبه، فهناك فرق بين خلق الله للأشياء وإرادته لها، وبين حبها والأمر بها والرضا عنها، قال تعالى: {إِنْ تَكْفُرُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنْكُمْ وَلَا يَرْضَى لِعِبَادِهِ الْكُفْرَ وَإِنْ تَشْكُرُوا يَرْضَهُ لَكُمْ} (¬4) وقال
¬__________
(¬1) سورة الإسراء الآية 85
(¬2) سورة الرعد الآية 16
(¬3) سورة الصافات الآية 96
(¬4) سورة الزمر الآية 7
سائلا المولى عز وجل أن يلهمنا جميعا الرشد والصواب إنه هو السميع العليم، وآخر دعوانا أن الحمد له رب العالمين، مع الشكر مقدما للرد والإفادة والسلام عليكم ورحمة الله وبركاته.
ج: الأصل عموم خلق الله لجميع الأشياء، قال تعالى: {اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ} (¬2) وقال تعالى: {وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ} (¬3) .
فالله سبحانه خلق الخير وأمر به وأحبه، وخلق الشر ونهى عنه والله لا يحبه، فهناك فرق بين خلق الله للأشياء وإرادته لها، وبين حبها والأمر بها والرضا عنها، قال تعالى: {إِنْ تَكْفُرُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنْكُمْ وَلَا يَرْضَى لِعِبَادِهِ الْكُفْرَ وَإِنْ تَشْكُرُوا يَرْضَهُ لَكُمْ} (¬4) وقال
¬__________
(¬1) سورة الإسراء الآية 85
(¬2) سورة الرعد الآية 16
(¬3) سورة الصافات الآية 96
(¬4) سورة الزمر الآية 7
মহান সত্য (আল্লাহ) সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন: "আর তোমাদেরকে জ্ঞান হতে সামান্যই দেওয়া হয়েছে।" (১) তাই আমি জানি যে, আমাকে সেই সামান্য জ্ঞান থেকেও সামান্যই দেওয়া হয়েছে; এই কারণে আমি আমার জ্ঞান অনুযায়ী এবং দৃঢ় বিশ্বাসের ভিত্তিতে তার সাথে তর্ক করেছি। যদিও আমি জানি যে, এই ভাই আমার চেয়ে দ্বীনের বিষয়ে বেশি জানেন, তবুও তিনি আমাকে সন্তুষ্ট করতে পারেননি, আর আমিও তাকে সন্তুষ্ট করতে পারিনি। আমি জানি যে, আমার জ্ঞান অনুযায়ী আমার কাছে আমার মতামতটি সঠিক, কিন্তু আমি এও জানি যে, তা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। আর তার মতামতটি ভুল, যা সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। আমি আরও জানি যে, আল্লাহ আমাদেরকে জ্ঞান ছাড়া তর্ক করতে নিষেধ করেছেন; এই কারণে আমি আপনাদের সম্মানিত খেদমতে এই চিঠিটি লিখেছি, যাতে আপনারা উপকৃত করেন—আল্লাহ আপনাদের উপকৃত করুন।
আমি পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যে, তিনি যেন আমাদের সকলকে সঠিক পথ ও সত্যের জ্ঞান দান করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। আর আমাদের শেষ প্রার্থনা হলো—সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। উত্তর ও উপদেশের জন্য অগ্রিম ধন্যবাদসহ, আপনাদের উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।
**উত্তর (জবাব):**
মূলনীতি হলো, আল্লাহ তাআলা সকল বস্তুর স্রষ্টা। আল্লাহ তাআলা বলেন: "আল্লাহ সকল কিছুর স্রষ্টা।" (২) তিনি আরও বলেন: "অথচ আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা করো, তা সৃষ্টি করেছেন।" (৩)
সুতরাং, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কল্যাণ (খায়ের) সৃষ্টি করেছেন, এর আদেশ দিয়েছেন এবং একে ভালোবাসেন। আর তিনি অকল্যাণ (শার) সৃষ্টি করেছেন, তা থেকে নিষেধ করেছেন এবং আল্লাহ তা ভালোবাসেন না।
অতএব, আল্লাহর কোনো কিছু সৃষ্টি করা এবং সেটির ইচ্ছা করা, আর সেটিকে ভালোবাসা, সেটির আদেশ দেওয়া এবং সেটির প্রতি সন্তুষ্ট থাকার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: "যদি তোমরা কুফরি করো, তবে আল্লাহ তোমাদের থেকে মুখাপেক্ষীহীন। আর তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য কুফরি পছন্দ করেন না। আর যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তবে তিনি তোমাদের জন্য তা পছন্দ করেন।" (৪) তিনি আরও বলেন:
***
(১) সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৮৫
(২) সূরা আর-রা'দ, আয়াত: ১৬
(৩) সূরা আস-সাফফাত, আয়াত: ৯৬
(৪) সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৭
আমি পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যে, তিনি যেন আমাদের সকলকে সঠিক পথ ও সত্যের জ্ঞান দান করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। আর আমাদের শেষ প্রার্থনা হলো—সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। উত্তর ও উপদেশের জন্য অগ্রিম ধন্যবাদসহ, আপনাদের উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।
**উত্তর (জবাব):**
মূলনীতি হলো, আল্লাহ তাআলা সকল বস্তুর স্রষ্টা। আল্লাহ তাআলা বলেন: "আল্লাহ সকল কিছুর স্রষ্টা।" (২) তিনি আরও বলেন: "অথচ আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা করো, তা সৃষ্টি করেছেন।" (৩)
সুতরাং, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কল্যাণ (খায়ের) সৃষ্টি করেছেন, এর আদেশ দিয়েছেন এবং একে ভালোবাসেন। আর তিনি অকল্যাণ (শার) সৃষ্টি করেছেন, তা থেকে নিষেধ করেছেন এবং আল্লাহ তা ভালোবাসেন না।
অতএব, আল্লাহর কোনো কিছু সৃষ্টি করা এবং সেটির ইচ্ছা করা, আর সেটিকে ভালোবাসা, সেটির আদেশ দেওয়া এবং সেটির প্রতি সন্তুষ্ট থাকার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: "যদি তোমরা কুফরি করো, তবে আল্লাহ তোমাদের থেকে মুখাপেক্ষীহীন। আর তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য কুফরি পছন্দ করেন না। আর যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তবে তিনি তোমাদের জন্য তা পছন্দ করেন।" (৪) তিনি আরও বলেন:
***
(১) সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৮৫
(২) সূরা আর-রা'দ, আয়াত: ১৬
(৩) সূরা আস-সাফফাত, আয়াত: ৯৬
(৪) সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৭
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
تعالى: {وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ الْفَسَادَ} (¬1) .
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... عضو ... الرئيس
بكر أبو زيد ... عبد العزيز آل الشيخ ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
¬__________
(¬1) سورة البقرة الآية 205
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... عضو ... الرئيس
بكر أبو زيد ... عبد العزيز آل الشيخ ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
¬__________
(¬1) سورة البقرة الآية 205
তাআলা (বলেন): "আর আল্লাহ ফাসাদ (বিশৃঙ্খলা) পছন্দ করেন না।" (১)
আল্লাহর তাওফীক (সাহায্য) দ্বারাই (আমরা এই ফতোয়া প্রদান করলাম)। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম (শান্তি) বর্ষণ করুন।
গবেষণা ও ফতোয়া প্রদানের স্থায়ী কমিটি
(আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সভাপতি
বকর আবু যায়দ ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... সালিহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
__________
(১) সূরা আল-বাক্বারাহ, আয়াত ২০৫।
আল্লাহর তাওফীক (সাহায্য) দ্বারাই (আমরা এই ফতোয়া প্রদান করলাম)। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম (শান্তি) বর্ষণ করুন।
গবেষণা ও ফতোয়া প্রদানের স্থায়ী কমিটি
(আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সভাপতি
বকর আবু যায়দ ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... সালিহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
__________
(১) সূরা আল-বাক্বারাহ, আয়াত ২০৫।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
الفتوى رقم (20164)
س: معلوم أن الله عز وجل خلق السماوات والأرض في ستة أيام، وهذا ثابت في الكتاب والسنة، ولكن يوجد حديث في (صحيح مسلم) أن خلق السماوات والأرض وآدم عليه السلام في سبعة أيام. كيف نوفق بين آيات الستة أيام وهذا الحديث في (صحيح مسلم) . نرجو توضيح ذلك؟
وجزاكم الله خيرا.
ج: الثابت والصحيح الذي دلت عليه الأدلة الصحيحة: أن الله خلق العالم كله سماواته وأرضه وما بينهما في ستة أيام، كما أخبر بذلك في كتابه بقوله تعالى: {إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ} (¬1) .
وقول الله تعالى: {اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ} (¬2) وقوله تعالى: {وَلَقَدْ خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ} (¬3) وغير
¬__________
(¬1) سورة الأعراف الآية 54
(¬2) سورة السجدة الآية 4
(¬3) سورة ق الآية 38
س: معلوم أن الله عز وجل خلق السماوات والأرض في ستة أيام، وهذا ثابت في الكتاب والسنة، ولكن يوجد حديث في (صحيح مسلم) أن خلق السماوات والأرض وآدم عليه السلام في سبعة أيام. كيف نوفق بين آيات الستة أيام وهذا الحديث في (صحيح مسلم) . نرجو توضيح ذلك؟
وجزاكم الله خيرا.
ج: الثابت والصحيح الذي دلت عليه الأدلة الصحيحة: أن الله خلق العالم كله سماواته وأرضه وما بينهما في ستة أيام، كما أخبر بذلك في كتابه بقوله تعالى: {إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ} (¬1) .
وقول الله تعالى: {اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ} (¬2) وقوله تعالى: {وَلَقَدْ خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ} (¬3) وغير
¬__________
(¬1) سورة الأعراف الآية 54
(¬2) سورة السجدة الآية 4
(¬3) سورة ق الآية 38
ফতোয়া নং (২০১৬৪)
**প্রশ্ন:** এটা জানা যে মহিমান্বিত আল্লাহ আসমানসমূহ ও যমীনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, আর এটি কিতাব (কুরআন) ও সুন্নাহ দ্বারা সুপ্রতিষ্ঠিত। কিন্তু সহীহ মুসলিমে একটি হাদীস পাওয়া যায় যে, আসমানসমূহ, যমীন এবং আদম (আলাইহিস সালাম)-এর সৃষ্টি সাত দিনে হয়েছে। ছয় দিনের আয়াতসমূহ এবং সহীহ মুসলিমে বর্ণিত এই হাদীসের মধ্যে আমরা কীভাবে সমন্বয় সাধন করব? আমরা এর ব্যাখ্যা কামনা করছি। আল্লাহ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দিন।
**উত্তর:** সুপ্রতিষ্ঠিত ও সহীহ (সঠিক) মত হলো, যা সহীহ দলীলসমূহ দ্বারা প্রমাণিত, তা হলো: আল্লাহ তাআলা সমগ্র বিশ্বজগত—এর আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু—ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। যেমন তিনি তাঁর কিতাবে (কুরআনে) এ সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর বাণী হলো:
১. আল্লাহ তাআলার বাণী:
{إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ}
"নিশ্চয় তোমাদের রব হলেন আল্লাহ, যিনি আসমানসমূহ ও যমীনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর আরশের উপর সমুন্নত হয়েছেন।" (১)
২. এবং আল্লাহ তাআলার বাণী:
{اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ}
"আল্লাহই তিনি, যিনি আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর আরশের উপর সমুন্নত হয়েছেন।" (২)
৩. এবং তাঁর বাণী:
{وَلَقَدْ خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ}
"আর আমরা আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছি।" (৩) এবং অন্যান্য (দলীল)।
***
(১) সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ৫৪।
(২) সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত ৪।
(৩) সূরা ক্বাফ, আয়াত ৩৮।
**প্রশ্ন:** এটা জানা যে মহিমান্বিত আল্লাহ আসমানসমূহ ও যমীনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, আর এটি কিতাব (কুরআন) ও সুন্নাহ দ্বারা সুপ্রতিষ্ঠিত। কিন্তু সহীহ মুসলিমে একটি হাদীস পাওয়া যায় যে, আসমানসমূহ, যমীন এবং আদম (আলাইহিস সালাম)-এর সৃষ্টি সাত দিনে হয়েছে। ছয় দিনের আয়াতসমূহ এবং সহীহ মুসলিমে বর্ণিত এই হাদীসের মধ্যে আমরা কীভাবে সমন্বয় সাধন করব? আমরা এর ব্যাখ্যা কামনা করছি। আল্লাহ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দিন।
**উত্তর:** সুপ্রতিষ্ঠিত ও সহীহ (সঠিক) মত হলো, যা সহীহ দলীলসমূহ দ্বারা প্রমাণিত, তা হলো: আল্লাহ তাআলা সমগ্র বিশ্বজগত—এর আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু—ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। যেমন তিনি তাঁর কিতাবে (কুরআনে) এ সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর বাণী হলো:
১. আল্লাহ তাআলার বাণী:
{إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ}
"নিশ্চয় তোমাদের রব হলেন আল্লাহ, যিনি আসমানসমূহ ও যমীনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর আরশের উপর সমুন্নত হয়েছেন।" (১)
২. এবং আল্লাহ তাআলার বাণী:
{اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ}
"আল্লাহই তিনি, যিনি আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর আরশের উপর সমুন্নত হয়েছেন।" (২)
৩. এবং তাঁর বাণী:
{وَلَقَدْ خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ}
"আর আমরা আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছি।" (৩) এবং অন্যান্য (দলীল)।
***
(১) সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত ৫৪।
(২) সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত ৪।
(৩) সূরা ক্বাফ, আয়াত ৩৮।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
ذلك من الآيات الكثيرة. والأيام هي الأحد والاثنين والثلاثاء والأربعاء والخميس والجمعة، فأما يوم السبت فلم يقع فيه خلق؛ لأنه اليوم السابع ومنه سمي السبت وهو القطع، وقد دلت الأحاديث الصحيحة على خلق السماوات والأرض وما بينهما في ستة أيام، فأما الحديث الذي رواه أبو هريرة رضي الله عنه بلفظ: «خلق الله التربة يوم السبت، وخلق الجبال يوم الأحد، وخلق الشجر فيها يوم الاثنين، وخلق المكروه يوم الثلاثاء، وخلق النور يوم الأربعاء، وبث فيها الدواب يوم الخميس، وخلق آدم بعد العصر يوم الجمعة، آخر الخلق في آخر ساعة من ساعات يوم الجمعة فيما بين العصر إلى الليل (¬1) » فقد أخرجه الإمام أحمد والنسائي ومسلم من غير وجه، وفيه استيعاب الأيام السبعة، وقد تكلم البخاري وغير واحد من أئمة الحديث على أن هذا الحديث من رواية أبي هريرة عن كعب الأحبار، وليس مرفوعا إلى النبي صلى الله عليه وسلم، وإنما وهم بعض الرواة في رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم، وعلى ذلك فإن هذا الحديث الموقوف لا يقوى على معارضة الآيات والأحاديث الصحيحة المرفوعة، فلا يحتج به عليها، وبذلك يزول الإشكال ويتم الجمع بينهما.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
¬__________
(¬1) صحيح مسلم صفة القيامة والجنة والنار (2789) ، مسند أحمد (2/327) .
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
¬__________
(¬1) صحيح مسلم صفة القيامة والجنة والنار (2789) ، مسند أحمد (2/327) .
এটি বহু আয়াতের (দালিলিক প্রমাণাদির) অন্তর্ভুক্ত। আর দিনগুলো হলো: রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার। কিন্তু শনিবারের ক্ষেত্রে, তাতে কোনো সৃষ্টি সংঘটিত হয়নি; কারণ এটি সপ্তম দিন। আর এই দিন থেকেই ‘আস-সাবত’ (السبت) নামটি এসেছে, যার অর্থ হলো ‘বিরতি’ বা ‘ছেদ’ (القطع)।
সহীহ হাদীসসমূহ এই মর্মে প্রমাণ দেয় যে, আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করা হয়েছে।
পক্ষান্তরে, যে হাদীসটি আবূ হুরায়রাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: «আল্লাহ তাআলা শনিবার দিন মাটি সৃষ্টি করেছেন, রবিবার দিন পাহাড় সৃষ্টি করেছেন, সোমবার দিন তাতে গাছপালা সৃষ্টি করেছেন, মঙ্গলবার দিন অপছন্দনীয় বস্তুসমূহ সৃষ্টি করেছেন, বুধবার দিন নূর সৃষ্টি করেছেন, বৃহস্পতিবার দিন তাতে চতুষ্পদ জন্তুসমূহ ছড়িয়ে দিয়েছেন, আর আদমকে সৃষ্টি করেছেন শুক্রবার দিন আসরের পরে, যা ছিল জুমুআর দিনের শেষ মুহূর্তে, আসর থেকে রাতের মধ্যবর্তী সময়ে (¬1)»— এই হাদীসটি ইমাম আহমাদ, নাসাঈ এবং মুসলিম একাধিক সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর এতে সাতটি দিনেরই বিবরণ রয়েছে।
কিন্তু ইমাম বুখারী এবং হাদীসের অন্যান্য ইমামগণ এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন যে, এই হাদীসটি আবূ হুরায়রাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কা’ব আল-আহবার থেকে বর্ণিত, এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত ‘মারফূ’ (উত্থাপিত) নয়। বরং কিছু বর্ণনাকারী ভুলবশত এটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে ‘মারফূ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এই কারণে, এই ‘মাওকূফ’ (সাহাবীর উপর স্থগিত) হাদীসটি সহীহ ‘মারফূ’ হাদীসসমূহ এবং (কুরআনের) আয়াতসমূহের বিরোধিতা করার ক্ষমতা রাখে না। সুতরাং এর মাধ্যমে সেগুলোর বিরুদ্ধে প্রমাণ পেশ করা যাবে না। আর এভাবেই সমস্যাটি দূরীভূত হয় এবং উভয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধিত হয়।
তাওফীক (সফলতা) আল্লাহর পক্ষ থেকেই। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দা’ইমাহ লিল-বুহূস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল-ইফতা)
| সদস্য | সদস্য | সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :---: | :---: | :---: | :---: | :---: |
| বকর আবূ যায়দ | সালিহ আল-ফাওযান | আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান | আব্দুল আযীয আলে শাইখ | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায |
***
(¬1) সহীহ মুসলিম, ক্বিয়ামাত ও জান্নাত-জাহান্নামের বিবরণ অধ্যায় (২৭৮৯), মুসনাদ আহমাদ (২/৩২৭)।
সহীহ হাদীসসমূহ এই মর্মে প্রমাণ দেয় যে, আসমানসমূহ, যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করা হয়েছে।
পক্ষান্তরে, যে হাদীসটি আবূ হুরায়রাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: «আল্লাহ তাআলা শনিবার দিন মাটি সৃষ্টি করেছেন, রবিবার দিন পাহাড় সৃষ্টি করেছেন, সোমবার দিন তাতে গাছপালা সৃষ্টি করেছেন, মঙ্গলবার দিন অপছন্দনীয় বস্তুসমূহ সৃষ্টি করেছেন, বুধবার দিন নূর সৃষ্টি করেছেন, বৃহস্পতিবার দিন তাতে চতুষ্পদ জন্তুসমূহ ছড়িয়ে দিয়েছেন, আর আদমকে সৃষ্টি করেছেন শুক্রবার দিন আসরের পরে, যা ছিল জুমুআর দিনের শেষ মুহূর্তে, আসর থেকে রাতের মধ্যবর্তী সময়ে (¬1)»— এই হাদীসটি ইমাম আহমাদ, নাসাঈ এবং মুসলিম একাধিক সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর এতে সাতটি দিনেরই বিবরণ রয়েছে।
কিন্তু ইমাম বুখারী এবং হাদীসের অন্যান্য ইমামগণ এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন যে, এই হাদীসটি আবূ হুরায়রাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কা’ব আল-আহবার থেকে বর্ণিত, এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত ‘মারফূ’ (উত্থাপিত) নয়। বরং কিছু বর্ণনাকারী ভুলবশত এটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে ‘মারফূ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এই কারণে, এই ‘মাওকূফ’ (সাহাবীর উপর স্থগিত) হাদীসটি সহীহ ‘মারফূ’ হাদীসসমূহ এবং (কুরআনের) আয়াতসমূহের বিরোধিতা করার ক্ষমতা রাখে না। সুতরাং এর মাধ্যমে সেগুলোর বিরুদ্ধে প্রমাণ পেশ করা যাবে না। আর এভাবেই সমস্যাটি দূরীভূত হয় এবং উভয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধিত হয়।
তাওফীক (সফলতা) আল্লাহর পক্ষ থেকেই। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দা’ইমাহ লিল-বুহূস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল-ইফতা)
| সদস্য | সদস্য | সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :---: | :---: | :---: | :---: | :---: |
| বকর আবূ যায়দ | সালিহ আল-ফাওযান | আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান | আব্দুল আযীয আলে শাইখ | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায |
***
(¬1) সহীহ মুসলিম, ক্বিয়ামাত ও জান্নাত-জাহান্নামের বিবরণ অধ্যায় (২৭৮৯), মুসনাদ আহমাদ (২/৩২৭)।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
السؤال الأول والثاني من الفتوى رقم (19147)
س 1: هل هذه العبارة صحيحة من حيث المعنى: (لولا النبي
س 1: هل هذه العبارة صحيحة من حيث المعنى: (لولا النبي
ফতোয়া নং (১৯১৪৭) এর প্রথম ও দ্বিতীয় প্রশ্ন
প্রশ্ন ১: অর্থগত দিক থেকে এই বাক্যটি কি সঠিক: (যদি নবী না হতেন... [বাক্যটি অসম্পূর্ণ])
প্রশ্ন ১: অর্থগত দিক থেকে এই বাক্যটি কি সঠিক: (যদি নবী না হতেন... [বাক্যটি অসম্পূর্ণ])
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
صلى الله عليه وسلم لكانت العرب في جاهلية) ؟
ج 1: الصواب: أن يقال: (لولا الله ثم بعثة النبي صلى الله عليه وسلم) ، أو (لولا بعث الله للنبي صلى الله عليه وسلم) ؛ ابتعادا عما يمس العقيدة من الألفاظ.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
ج 1: الصواب: أن يقال: (لولا الله ثم بعثة النبي صلى الله عليه وسلم) ، أو (لولا بعث الله للنبي صلى الله عليه وسلم) ؛ ابتعادا عما يمس العقيدة من الألفاظ.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
প্রশ্ন: (সা. হলে আরবরা জাহেলিয়াতে থাকত)?
উত্তর ১: সঠিক হলো এই যে, বলা হবে: (যদি আল্লাহ না হতেন, অতঃপর নবীর সা. আগমন না ঘটত) অথবা (যদি আল্লাহ কর্তৃক নবীর সা. প্রেরণ না ঘটত); এমন শব্দাবলী পরিহার করার জন্য যা আকিদার (ইসলামি বিশ্বাসের) সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
স্থায়ী কমিটি, গবেষণা ও ফতোয়া (আল-লাজনাহ আদ-দায়িমাহ লিল-বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল-ইফতা)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়িদ ... সালেহ আল-ফাওজান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায।
উত্তর ১: সঠিক হলো এই যে, বলা হবে: (যদি আল্লাহ না হতেন, অতঃপর নবীর সা. আগমন না ঘটত) অথবা (যদি আল্লাহ কর্তৃক নবীর সা. প্রেরণ না ঘটত); এমন শব্দাবলী পরিহার করার জন্য যা আকিদার (ইসলামি বিশ্বাসের) সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
স্থায়ী কমিটি, গবেষণা ও ফতোয়া (আল-লাজনাহ আদ-দায়িমাহ লিল-বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল-ইফতা)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়িদ ... সালেহ আল-ফাওজান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
س 2: نحن نعلم أن لا إله إلا الله معناها: لا معبود حق إلا الله، فهل يجوز أن نقول: (لا غالب إلا الله) ؟
ج 2: لا مانع من إطلاق هذه العبارة؛ لصحة معناها، وهي من توحيد الربوبية، لكن لا يجوز أن تجعل تفسيرا لكلمة لا إله إلا الله.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
ج 2: لا مانع من إطلاق هذه العبارة؛ لصحة معناها، وهي من توحيد الربوبية، لكن لا يجوز أن تجعل تفسيرا لكلمة لا إله إلا الله.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
প্রশ্ন ২: আমরা জানি যে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর অর্থ হলো: আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনো উপাস্য নেই। তাহলে কি আমরা ‘লা গালিব ইল্লাল্লাহ’ (আল্লাহ ব্যতীত কোনো বিজয়ী নেই) বলতে পারি?
উত্তর ২: এই বাক্যটি (লা গালিব ইল্লাল্লাহ) উচ্চারণ করতে কোনো বাধা নেই; কারণ এর অর্থ সঠিক। এটি তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ (আল্লাহর প্রভুত্বের একত্ববাদ)-এর অন্তর্ভুক্ত। তবে এটিকে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ কালিমার ব্যাখ্যা হিসেবে ব্যবহার করা জায়েয নয়।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা
(আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ লিল বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়দ ... সালিহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
উত্তর ২: এই বাক্যটি (লা গালিব ইল্লাল্লাহ) উচ্চারণ করতে কোনো বাধা নেই; কারণ এর অর্থ সঠিক। এটি তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ (আল্লাহর প্রভুত্বের একত্ববাদ)-এর অন্তর্ভুক্ত। তবে এটিকে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ কালিমার ব্যাখ্যা হিসেবে ব্যবহার করা জায়েয নয়।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা
(আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ লিল বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়দ ... সালিহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
السؤال الثاني من الفتوى رقم (18252)
س 2: ما حكم من قال: (لك رب ولي رب) . وما كفارتها؟
ج 2: الواجب أن يقال: (الله ربنا وربكم) . كما في القرآن الكريم، فيقال: (الله ربي وربك) مثلا، ولا تقال هذه العبارة: (لي رب ولك رب) ؛ للإيهام بتعدد الأرباب.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
س 2: ما حكم من قال: (لك رب ولي رب) . وما كفارتها؟
ج 2: الواجب أن يقال: (الله ربنا وربكم) . كما في القرآن الكريم، فيقال: (الله ربي وربك) مثلا، ولا تقال هذه العبارة: (لي رب ولك رب) ؛ للإيهام بتعدد الأرباب.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
ফতোয়া নং (১৮২৫২)-এর দ্বিতীয় প্রশ্ন
**প্রশ্ন ২:** যে ব্যক্তি বলে: (তোমার একজন রব আছে এবং আমারও একজন রব আছে) – এর বিধান কী? এবং এর কাফফারা কী?
**উত্তর ২:** ওয়াজিব (বাধ্যতামূলক) হলো বলা: (আল্লাহ আমাদের রব এবং তোমাদেরও রব), যেমনটি কুরআনুল কারীমে রয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ, বলা যেতে পারে: (আল্লাহ আমার রব এবং তোমারও রব)।
আর এই বাক্যটি: (আমার একজন রব আছে এবং তোমারও একজন রব আছে) – বলা উচিত নয়; কারণ এটি একাধিক রবের (প্রভুর) অস্তিত্বের ধারণা সৃষ্টি করে (বা ইঙ্গিত দেয়)।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দায়িমাহ লিল বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
| সদস্য | সদস্য | সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :---: | :---: | :---: | :---: | :---: |
| বকর আবু যায়দ | সালেহ আল-ফাওজান | আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান | আব্দুল আযীয আলে শাইখ | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায |
**প্রশ্ন ২:** যে ব্যক্তি বলে: (তোমার একজন রব আছে এবং আমারও একজন রব আছে) – এর বিধান কী? এবং এর কাফফারা কী?
**উত্তর ২:** ওয়াজিব (বাধ্যতামূলক) হলো বলা: (আল্লাহ আমাদের রব এবং তোমাদেরও রব), যেমনটি কুরআনুল কারীমে রয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ, বলা যেতে পারে: (আল্লাহ আমার রব এবং তোমারও রব)।
আর এই বাক্যটি: (আমার একজন রব আছে এবং তোমারও একজন রব আছে) – বলা উচিত নয়; কারণ এটি একাধিক রবের (প্রভুর) অস্তিত্বের ধারণা সৃষ্টি করে (বা ইঙ্গিত দেয়)।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দায়িমাহ লিল বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
| সদস্য | সদস্য | সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :---: | :---: | :---: | :---: | :---: |
| বকর আবু যায়দ | সালেহ আল-ফাওজান | আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান | আব্দুল আযীয আলে শাইখ | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায |
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
السؤال الثالث من الفتوى رقم (18885)
س 3: دخل معنا أحد المسيحيين في محاورة، فكان من ضمن ما سألنا عنه هذا السؤال الذي نصه: (هل يستطيع الله عز وجل أن يخلق إلها مثله) ؟ فوقفت عاجزا ولم أستطع الإجابة عن ذلك.
فنرجو الإجابة عن ذلك.
ج 3: قال الله سبحانه وتعالى في كتابه الكريم: {مَا اتَّخَذَ اللَّهُ مِنْ وَلَدٍ وَمَا كَانَ مَعَهُ مِنْ إِلَهٍ إِذًا لَذَهَبَ كُلُّ إِلَهٍ بِمَا خَلَقَ وَلَعَلَا بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ} (¬1) فبين الله في هذه الآية امتناع وجود إله، إذ يترتب على هذا ويلزم منه المحاذير التالية:
المحذور الأول: وقد بينه الله بقوله: {إِذًا لَذَهَبَ كُلُّ إِلَهٍ بِمَا خَلَقَ} (¬2) أي لانفرد كل إله بما خلقه، واستبد به، وامتاز ملكه عن ملك الآخر، ووقع بينهم المطالبة والتحارب والتغالب. تعالى الله عن ذلك.
المحذور الثاني: التنازع بينهما كل يطلب العلو على الآخر، وانتزاع ما بيده وقهره، وأخذ ملكه وغلبة القوي للضعيف، كما قال تعالى: {وَلَعَلَا بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ} (¬3) تعالى الله عما يقول الظالمون علوا كبيرا. المحذور الثالث: فساد الأرض والسماوات وما فيهما من
¬__________
(¬1) سورة المؤمنون الآية 91
(¬2) سورة المؤمنون الآية 91
(¬3) سورة المؤمنون الآية 91
س 3: دخل معنا أحد المسيحيين في محاورة، فكان من ضمن ما سألنا عنه هذا السؤال الذي نصه: (هل يستطيع الله عز وجل أن يخلق إلها مثله) ؟ فوقفت عاجزا ولم أستطع الإجابة عن ذلك.
فنرجو الإجابة عن ذلك.
ج 3: قال الله سبحانه وتعالى في كتابه الكريم: {مَا اتَّخَذَ اللَّهُ مِنْ وَلَدٍ وَمَا كَانَ مَعَهُ مِنْ إِلَهٍ إِذًا لَذَهَبَ كُلُّ إِلَهٍ بِمَا خَلَقَ وَلَعَلَا بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ} (¬1) فبين الله في هذه الآية امتناع وجود إله، إذ يترتب على هذا ويلزم منه المحاذير التالية:
المحذور الأول: وقد بينه الله بقوله: {إِذًا لَذَهَبَ كُلُّ إِلَهٍ بِمَا خَلَقَ} (¬2) أي لانفرد كل إله بما خلقه، واستبد به، وامتاز ملكه عن ملك الآخر، ووقع بينهم المطالبة والتحارب والتغالب. تعالى الله عن ذلك.
المحذور الثاني: التنازع بينهما كل يطلب العلو على الآخر، وانتزاع ما بيده وقهره، وأخذ ملكه وغلبة القوي للضعيف، كما قال تعالى: {وَلَعَلَا بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ} (¬3) تعالى الله عما يقول الظالمون علوا كبيرا. المحذور الثالث: فساد الأرض والسماوات وما فيهما من
¬__________
(¬1) سورة المؤمنون الآية 91
(¬2) سورة المؤمنون الآية 91
(¬3) سورة المؤمنون الآية 91
ফতোয়া নং (১৮৮৮৫)-এর তৃতীয় প্রশ্ন
**প্রশ্ন ৩:** আমাদের সাথে একজন খ্রিস্টান আলোচনায় লিপ্ত হয়েছিল। সে আমাদের কাছে যে প্রশ্নগুলো করেছিল, তার মধ্যে এই প্রশ্নটিও ছিল, যার ভাষ্য হলো: (আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল কি তাঁর মতো আরেকজন ইলাহ (উপাস্য) সৃষ্টি করতে সক্ষম?) তখন আমি অপারগ হয়ে গেলাম এবং এর উত্তর দিতে পারলাম না। অতএব, আমরা এর উত্তর কামনা করছি।
**উত্তর ৩:** আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর সম্মানিত কিতাবে বলেছেন:
{আল্লাহ কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি এবং তাঁর সাথে অন্য কোনো ইলাহও (উপাস্য) নেই। যদি থাকত, তবে প্রত্যেক ইলাহ তার সৃষ্ট বস্তু নিয়ে পৃথক হয়ে যেত এবং একে অপরের উপর প্রাধান্য বিস্তার করত। তারা যা বর্ণনা করে, আল্লাহ তা থেকে পবিত্র, মহান।} (১)
এই আয়াতে আল্লাহ একাধিক ইলাহের অস্তিত্ব অসম্ভব হওয়াকে স্পষ্ট করেছেন। কেননা, এর ফলে নিম্নোক্ত অনিবার্য পরিণতিসমূহ (বাধা) সৃষ্টি হয়:
**প্রথম অনিবার্য পরিণতি:** আল্লাহ তাআলা তাঁর এই বাণীতে তা স্পষ্ট করেছেন: {তবে প্রত্যেক ইলাহ তার সৃষ্ট বস্তু নিয়ে পৃথক হয়ে যেত} (২) অর্থাৎ, প্রত্যেক ইলাহ তার সৃষ্ট বস্তু নিয়ে এককভাবে পৃথক হয়ে যেত, সে তার উপর একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রয়োগ করত, তার রাজত্ব অন্যের রাজত্ব থেকে স্বতন্ত্র হয়ে যেত এবং তাদের মধ্যে দাবি, যুদ্ধ ও একে অপরের উপর জয়লাভের চেষ্টা শুরু হয়ে যেত। আল্লাহ তাআলা এসব থেকে অনেক ঊর্ধ্বে।
**দ্বিতীয় অনিবার্য পরিণতি:** তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হতো, প্রত্যেকেই অন্যের উপর শ্রেষ্ঠত্ব কামনা করত, অন্যের হাত থেকে তার সৃষ্টি কেড়ে নিতে চাইত, তাকে পরাভূত করতে চাইত, তার রাজত্ব দখল করতে চাইত এবং শক্তিশালী দুর্বলকে পরাস্ত করত। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {এবং একে অপরের উপর প্রাধান্য বিস্তার করত।} (৩) জালিমরা যা বলে, আল্লাহ তা থেকে অনেক ঊর্ধ্বে, মহান।
**তৃতীয় অনিবার্য পরিণতি:** পৃথিবী ও আকাশসমূহের এবং সেগুলোর মধ্যে যা কিছু আছে, সেগুলোর (ফাসাদ বা বিপর্যয়)।
---
(১) সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত ৯১
(২) সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত ৯১
(৩) সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত ৯১
**প্রশ্ন ৩:** আমাদের সাথে একজন খ্রিস্টান আলোচনায় লিপ্ত হয়েছিল। সে আমাদের কাছে যে প্রশ্নগুলো করেছিল, তার মধ্যে এই প্রশ্নটিও ছিল, যার ভাষ্য হলো: (আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল কি তাঁর মতো আরেকজন ইলাহ (উপাস্য) সৃষ্টি করতে সক্ষম?) তখন আমি অপারগ হয়ে গেলাম এবং এর উত্তর দিতে পারলাম না। অতএব, আমরা এর উত্তর কামনা করছি।
**উত্তর ৩:** আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর সম্মানিত কিতাবে বলেছেন:
{আল্লাহ কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি এবং তাঁর সাথে অন্য কোনো ইলাহও (উপাস্য) নেই। যদি থাকত, তবে প্রত্যেক ইলাহ তার সৃষ্ট বস্তু নিয়ে পৃথক হয়ে যেত এবং একে অপরের উপর প্রাধান্য বিস্তার করত। তারা যা বর্ণনা করে, আল্লাহ তা থেকে পবিত্র, মহান।} (১)
এই আয়াতে আল্লাহ একাধিক ইলাহের অস্তিত্ব অসম্ভব হওয়াকে স্পষ্ট করেছেন। কেননা, এর ফলে নিম্নোক্ত অনিবার্য পরিণতিসমূহ (বাধা) সৃষ্টি হয়:
**প্রথম অনিবার্য পরিণতি:** আল্লাহ তাআলা তাঁর এই বাণীতে তা স্পষ্ট করেছেন: {তবে প্রত্যেক ইলাহ তার সৃষ্ট বস্তু নিয়ে পৃথক হয়ে যেত} (২) অর্থাৎ, প্রত্যেক ইলাহ তার সৃষ্ট বস্তু নিয়ে এককভাবে পৃথক হয়ে যেত, সে তার উপর একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রয়োগ করত, তার রাজত্ব অন্যের রাজত্ব থেকে স্বতন্ত্র হয়ে যেত এবং তাদের মধ্যে দাবি, যুদ্ধ ও একে অপরের উপর জয়লাভের চেষ্টা শুরু হয়ে যেত। আল্লাহ তাআলা এসব থেকে অনেক ঊর্ধ্বে।
**দ্বিতীয় অনিবার্য পরিণতি:** তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হতো, প্রত্যেকেই অন্যের উপর শ্রেষ্ঠত্ব কামনা করত, অন্যের হাত থেকে তার সৃষ্টি কেড়ে নিতে চাইত, তাকে পরাভূত করতে চাইত, তার রাজত্ব দখল করতে চাইত এবং শক্তিশালী দুর্বলকে পরাস্ত করত। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {এবং একে অপরের উপর প্রাধান্য বিস্তার করত।} (৩) জালিমরা যা বলে, আল্লাহ তা থেকে অনেক ঊর্ধ্বে, মহান।
**তৃতীয় অনিবার্য পরিণতি:** পৃথিবী ও আকাশসমূহের এবং সেগুলোর মধ্যে যা কিছু আছে, সেগুলোর (ফাসাদ বা বিপর্যয়)।
---
(১) সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত ৯১
(২) সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত ৯১
(৩) সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত ৯১
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
المخلوقات، كما قال تعالى: {لَوْ كَانَ فِيهِمَا آلِهَةٌ إِلَّا اللَّهُ لَفَسَدَتَا فَسُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ عَمَّا يَصِفُونَ} (¬1) إذ كون مع الله إلها آخر يستلزم أن يكون كل واحد قادرا على الاستبداد بالتصرف، ويقع التنازع والاختلاف، فيحدث بسبب ذلك فساد الأرض والسماوات وما فيها. تعالى الله عن ذلك علوا كبيرا.
ولا يجوز للمسلم لا سيما من كان قليل العلم والمعرفة أن يدخل في حوار وجدال مع أولئك المشككين الضالين؛ لأن عدم العلم عنده يسبب له انقداح بعض الشبه في نفسه، وعدم القدرة على الإجابة، وإعطاء الخصم المحاور موقف القوي، وجعل المحاور المسلم في موقف الضعيف بإقامة الحجة عليه.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
¬__________
(¬1) سورة الأنبياء الآية 22
ولا يجوز للمسلم لا سيما من كان قليل العلم والمعرفة أن يدخل في حوار وجدال مع أولئك المشككين الضالين؛ لأن عدم العلم عنده يسبب له انقداح بعض الشبه في نفسه، وعدم القدرة على الإجابة، وإعطاء الخصم المحاور موقف القوي، وجعل المحاور المسلم في موقف الضعيف بإقامة الحجة عليه.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
¬__________
(¬1) سورة الأنبياء الآية 22
সৃষ্টিকুল। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন: **{যদি আকাশ ও পৃথিবীতে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য থাকত, তবে উভয়ই বিপর্যস্ত হয়ে যেত। সুতরাং তারা যা বর্ণনা করে, আরশের অধিপতি আল্লাহ তাআলা তা থেকে পবিত্র}** (১)। কারণ, আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য থাকার অর্থ হলো—প্রত্যেকেই এককভাবে কর্তৃত্ব করার ক্ষমতা রাখবে, ফলে তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও মতবিরোধ সৃষ্টি হবে। এর ফলস্বরূপ আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, তার মধ্যে বিপর্যয় দেখা দেবে। আল্লাহ তাআলা এসব থেকে অনেক ঊর্ধ্বে ও মহান।
কোনো মুসলিমের জন্য, বিশেষত যার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা কম, তার জন্য ওইসব সন্দেহ সৃষ্টিকারী পথভ্রষ্টদের সাথে আলোচনা বা বিতর্কে লিপ্ত হওয়া জায়েয নয়। কারণ, তার জ্ঞানের অভাবের কারণে তার নিজের মনেই কিছু সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে, এবং সে উত্তর দিতে অক্ষম হবে। ফলে সে প্রতিপক্ষ আলোচককে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে এবং তার (প্রতিপক্ষের) পক্ষ থেকে যুক্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে মুসলিম আলোচককে দুর্বল অবস্থানে ফেলে দেবে।
আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা
(আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ লিল বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়েদ ... সালেহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
__________
(১) সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ২২।
কোনো মুসলিমের জন্য, বিশেষত যার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা কম, তার জন্য ওইসব সন্দেহ সৃষ্টিকারী পথভ্রষ্টদের সাথে আলোচনা বা বিতর্কে লিপ্ত হওয়া জায়েয নয়। কারণ, তার জ্ঞানের অভাবের কারণে তার নিজের মনেই কিছু সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে, এবং সে উত্তর দিতে অক্ষম হবে। ফলে সে প্রতিপক্ষ আলোচককে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে এবং তার (প্রতিপক্ষের) পক্ষ থেকে যুক্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে মুসলিম আলোচককে দুর্বল অবস্থানে ফেলে দেবে।
আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা
(আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ লিল বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়েদ ... সালেহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
__________
(১) সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ২২।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
الفتوى رقم (20823)
س: أرجو من فضيلتكم التكرم بالاطلاع على قصيدة بعنوان (هي الأقدار) والتي نصها:
س: أرجو من فضيلتكم التكرم بالاطلاع على قصيدة بعنوان (هي الأقدار) والتي نصها:
ফতোয়া নম্বর (২০৮২৩)
প্রশ্ন:
আমি আপনাদের ফযীলতপূর্ণ খেদমতে বিনীত অনুরোধ করছি যে, আপনারা যেন ‘(হিইয়াল আকদার)’ (এগুলোই তাকদীর) শিরোনামের কবিতাটি অনুগ্রহপূর্বক পর্যালোচনা করেন, যার মূল পাঠ নিম্নরূপ:
প্রশ্ন:
আমি আপনাদের ফযীলতপূর্ণ খেদমতে বিনীত অনুরোধ করছি যে, আপনারা যেন ‘(হিইয়াল আকদার)’ (এগুলোই তাকদীর) শিরোনামের কবিতাটি অনুগ্রহপূর্বক পর্যালোচনা করেন, যার মূল পাঠ নিম্নরূপ:
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
هي الأقدار تطعن من تشاء ... برمح الدهر يرسله البلاء
يصيب المرء في الأوداج حينا ... فيصرعه تضرجه الدماء
هي الأقدار نعرفها جميعا ... تدمدمها على الأرض السماء
لها وقع على القلب المعنى ... فيجثوا المرء حيلته البكاء
هي الأقدار إن رضيت علينا ... سقتنا العذب وانتفض النماء
وإن غضبت علينا لا تبالي ... إذا جفت وأجدبت السماء
وما هو رأيكم فيها حفظكم الله من الناحية الشرعية؟ وهل يجوز نشرها في إحدى المجلات المدرسية التي توزع بين طلاب المرحلة الابتدائية؟
أفتونا مأجورين.
ج: هذا الكلام المذكور في هذه القصيدة لا يجوز؛ لأنه يسند أفعال الله إلى القدر، والواجب إسناد الأمور إلى الله مقدر الأقدار، مع الرضا بقضائه وقدره ومحاسبة النفس والتوبة من الذنوب؛ لأنها هي التي تسبب العقوبات، كما قال تعالى: {وَمَا أَصَابَكُمْ مِنْ مُصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ} (¬1) .
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز بن عبد الله آل الشيخ
¬__________
(¬1) سورة الشورى الآية 30
يصيب المرء في الأوداج حينا ... فيصرعه تضرجه الدماء
هي الأقدار نعرفها جميعا ... تدمدمها على الأرض السماء
لها وقع على القلب المعنى ... فيجثوا المرء حيلته البكاء
هي الأقدار إن رضيت علينا ... سقتنا العذب وانتفض النماء
وإن غضبت علينا لا تبالي ... إذا جفت وأجدبت السماء
وما هو رأيكم فيها حفظكم الله من الناحية الشرعية؟ وهل يجوز نشرها في إحدى المجلات المدرسية التي توزع بين طلاب المرحلة الابتدائية؟
أفتونا مأجورين.
ج: هذا الكلام المذكور في هذه القصيدة لا يجوز؛ لأنه يسند أفعال الله إلى القدر، والواجب إسناد الأمور إلى الله مقدر الأقدار، مع الرضا بقضائه وقدره ومحاسبة النفس والتوبة من الذنوب؛ لأنها هي التي تسبب العقوبات، كما قال تعالى: {وَمَا أَصَابَكُمْ مِنْ مُصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ} (¬1) .
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز بن عبد الله آل الشيخ
¬__________
(¬1) سورة الشورى الآية 30
**প্রশ্ন:**
এগুলোই হলো তাকদীর, যা যাকে ইচ্ছা আঘাত করে...
যুগের বর্শা দিয়ে, যা বিপদ দ্বারা প্রেরিত হয়।
কখনও তা মানুষের কণ্ঠনালীতে আঘাত হানে...
ফলে রক্তে রঞ্জিত হয়ে সে ভূপাতিত হয়।
এই তাকদীরকে আমরা সবাই জানি...
আকাশ তা জমিনের উপর বজ্রের মতো নিক্ষেপ করে।
মর্মাহত হৃদয়ের উপর এর প্রভাব পড়ে...
ফলে মানুষ হাঁটু গেড়ে বসে, তার উপায় কেবল ক্রন্দন।
এই তাকদীর, যদি সে আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়...
তবে সে আমাদের সুমিষ্ট পানি পান করায় এবং প্রবৃদ্ধি বিকশিত হয়।
আর যদি সে আমাদের প্রতি রাগান্বিত হয়, তবে সে পরোয়া করে না...
যদি আকাশ শুকিয়ে যায় এবং অনুর্বর হয়ে যায়।
আল্লাহ আপনাদের রক্ষা করুন, শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে এ বিষয়ে আপনাদের অভিমত কী? প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এমন কোনো স্কুল ম্যাগাজিনে এটি প্রকাশ করা কি জায়েয হবে? ফতোয়া দিয়ে আমাদের পুরস্কৃত করুন।
***
**উত্তর:**
জবাব: এই কবিতায় উল্লিখিত বক্তব্য জায়েয নয় (অনুমতিযোগ্য নয়); কারণ, এটি আল্লাহর কাজসমূহকে তাকদীরের (ভাগ্যের) দিকে সম্পর্কিত করে।
অথচ আবশ্যক হলো, সকল বিষয়কে তাকদীর নির্ধারণকারী মহান আল্লাহর দিকে সম্পর্কিত করা। পাশাপাশি, তাঁর ফায়সালা ও তাকদীরের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা, নফসের হিসাব নেওয়া এবং গুনাহ থেকে তওবা করা আবশ্যক; কারণ গুনাহই শাস্তির কারণ হয়ে থাকে।
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন:
{وَمَا أَصَابَكُمْ مِنْ مُصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ} (১)
তাওফীক (সাফল্য) আল্লাহর পক্ষ থেকে। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
***
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ লিল বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
| সদস্য | সদস্য | সদস্য | সভাপতি |
| :---: | :---:: | :---: | :---: |
| বকর আবু যায়িদ | সালেহ আল-ফাওজান | আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়্যান | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ আলে শাইখ |
***
(১) সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৩০।
এগুলোই হলো তাকদীর, যা যাকে ইচ্ছা আঘাত করে...
যুগের বর্শা দিয়ে, যা বিপদ দ্বারা প্রেরিত হয়।
কখনও তা মানুষের কণ্ঠনালীতে আঘাত হানে...
ফলে রক্তে রঞ্জিত হয়ে সে ভূপাতিত হয়।
এই তাকদীরকে আমরা সবাই জানি...
আকাশ তা জমিনের উপর বজ্রের মতো নিক্ষেপ করে।
মর্মাহত হৃদয়ের উপর এর প্রভাব পড়ে...
ফলে মানুষ হাঁটু গেড়ে বসে, তার উপায় কেবল ক্রন্দন।
এই তাকদীর, যদি সে আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়...
তবে সে আমাদের সুমিষ্ট পানি পান করায় এবং প্রবৃদ্ধি বিকশিত হয়।
আর যদি সে আমাদের প্রতি রাগান্বিত হয়, তবে সে পরোয়া করে না...
যদি আকাশ শুকিয়ে যায় এবং অনুর্বর হয়ে যায়।
আল্লাহ আপনাদের রক্ষা করুন, শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে এ বিষয়ে আপনাদের অভিমত কী? প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এমন কোনো স্কুল ম্যাগাজিনে এটি প্রকাশ করা কি জায়েয হবে? ফতোয়া দিয়ে আমাদের পুরস্কৃত করুন।
***
**উত্তর:**
জবাব: এই কবিতায় উল্লিখিত বক্তব্য জায়েয নয় (অনুমতিযোগ্য নয়); কারণ, এটি আল্লাহর কাজসমূহকে তাকদীরের (ভাগ্যের) দিকে সম্পর্কিত করে।
অথচ আবশ্যক হলো, সকল বিষয়কে তাকদীর নির্ধারণকারী মহান আল্লাহর দিকে সম্পর্কিত করা। পাশাপাশি, তাঁর ফায়সালা ও তাকদীরের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা, নফসের হিসাব নেওয়া এবং গুনাহ থেকে তওবা করা আবশ্যক; কারণ গুনাহই শাস্তির কারণ হয়ে থাকে।
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন:
{وَمَا أَصَابَكُمْ مِنْ مُصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ} (১)
তাওফীক (সাফল্য) আল্লাহর পক্ষ থেকে। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
***
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ লিল বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
| সদস্য | সদস্য | সদস্য | সভাপতি |
| :---: | :---:: | :---: | :---: |
| বকর আবু যায়িদ | সালেহ আল-ফাওজান | আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়্যান | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ আলে শাইখ |
***
(১) সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৩০।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
التطور والارتقاء
نظرية داروين
السؤال الأول من الفتوى رقم (2872)
س 1: لقد تعلمنا من خلال المقررات الدراسية شيئا عن نظرية (التطور) وكل ما يتعلق بالخلق، وكلما قرأت مزيدا من هذا الموضوع، كلما زاد اقتناعي بأن الله هو خالق الكون وما فيه، ولكن لدهشتي التامة فوجئت بكتاب من تأليف أحد المسلمين يؤيد نظرية التطور، مستشهدا بالقرآن، كما أن أحد المسلمين من أساتذتي سألني قائلا: بما أن الإسلام يمنع الزواج بين الأخ وأخته، فكيف تم الزواج بين ذرية آدم وحواء؟
ج 1: نظرية التطور المعروفة بنظرية (داروين) مخالفة لكتاب الله وسنة رسوله صلى الله عليه وسلم ولإجماع أهل العلم والإيمان، فقد ثبت في القرآن والسنة ما يدل على خلق آدم من تراب، وخلق زوجه حواء منه.
أما تزويج آدم عليه الصلاة والسلام لأبنائه من بناته، فذلك شيء درج فيه على شرع شرعه الله له، ليس لنا أن نخوض فيه، وأما شريعة محمد صلى الله عليه وسلم فقد حرم الله فيها تزويج الأخ من أخته، وغير ذلك من المحرمات المعروفة في هذه الشريعة، وقد قال الله عز وجل
نظرية داروين
السؤال الأول من الفتوى رقم (2872)
س 1: لقد تعلمنا من خلال المقررات الدراسية شيئا عن نظرية (التطور) وكل ما يتعلق بالخلق، وكلما قرأت مزيدا من هذا الموضوع، كلما زاد اقتناعي بأن الله هو خالق الكون وما فيه، ولكن لدهشتي التامة فوجئت بكتاب من تأليف أحد المسلمين يؤيد نظرية التطور، مستشهدا بالقرآن، كما أن أحد المسلمين من أساتذتي سألني قائلا: بما أن الإسلام يمنع الزواج بين الأخ وأخته، فكيف تم الزواج بين ذرية آدم وحواء؟
ج 1: نظرية التطور المعروفة بنظرية (داروين) مخالفة لكتاب الله وسنة رسوله صلى الله عليه وسلم ولإجماع أهل العلم والإيمان، فقد ثبت في القرآن والسنة ما يدل على خلق آدم من تراب، وخلق زوجه حواء منه.
أما تزويج آدم عليه الصلاة والسلام لأبنائه من بناته، فذلك شيء درج فيه على شرع شرعه الله له، ليس لنا أن نخوض فيه، وأما شريعة محمد صلى الله عليه وسلم فقد حرم الله فيها تزويج الأخ من أخته، وغير ذلك من المحرمات المعروفة في هذه الشريعة، وقد قال الله عز وجل
বিবর্তন ও ক্রমোন্নতি: ডারউইনের তত্ত্ব
ফতোয়া নং (২৮৭২)-এর প্রথম প্রশ্ন
প্রশ্ন ১: আমরা শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে (বিবর্তন) তত্ত্ব এবং সৃষ্টি সম্পর্কিত বিষয়াদি সম্পর্কে জেনেছি। আমি যত বেশি এই বিষয়ে পড়ি, তত বেশি আমার এই দৃঢ় বিশ্বাস জন্মায় যে আল্লাহ্ই এই মহাবিশ্ব ও এর ভেতরের সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা। কিন্তু আমার চরম বিস্ময়ের বিষয় হলো, আমি একজন মুসলিম লেখকের লেখা একটি বইয়ে দেখতে পেলাম, তিনি কুরআন থেকে প্রমাণ পেশ করে বিবর্তনবাদকে সমর্থন করছেন। এছাড়াও, আমার একজন মুসলিম শিক্ষক আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন: যেহেতু ইসলামে ভাই-বোনের বিবাহ নিষিদ্ধ, তাহলে আদম ও হাওয়ার বংশধরদের মধ্যে বিবাহ কীভাবে সম্পন্ন হয়েছিল?
উত্তর ১: ডারউইন তত্ত্ব নামে পরিচিত বিবর্তনবাদ আল্লাহ্র কিতাব, তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহ এবং জ্ঞান ও ঈমানের অধিকারীদের ঐকমত্যের (ইজমা) পরিপন্থী। কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত যে আদমকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তাঁর স্ত্রী হাওয়াকে তাঁর (আদম) থেকেই সৃষ্টি করা হয়েছে।
আর আদম (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) তাঁর পুত্রদের সাথে কন্যাদের যে বিবাহ দিয়েছিলেন, তা এমন একটি বিধানের ভিত্তিতে হয়েছিল যা আল্লাহ্ তাদের জন্য প্রবর্তন করেছিলেন। এ বিষয়ে আমাদের হস্তক্ষেপ করা বা আলোচনা করা উচিত নয়। পক্ষান্তরে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শরীয়তে আল্লাহ্ ভাই-বোনের বিবাহ হারাম করেছেন এবং এই শরীয়তে অন্যান্য পরিচিত হারাম বিষয়াদিও রয়েছে। আল্লাহ্ তাআলা বলেছেন:
ফতোয়া নং (২৮৭২)-এর প্রথম প্রশ্ন
প্রশ্ন ১: আমরা শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে (বিবর্তন) তত্ত্ব এবং সৃষ্টি সম্পর্কিত বিষয়াদি সম্পর্কে জেনেছি। আমি যত বেশি এই বিষয়ে পড়ি, তত বেশি আমার এই দৃঢ় বিশ্বাস জন্মায় যে আল্লাহ্ই এই মহাবিশ্ব ও এর ভেতরের সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা। কিন্তু আমার চরম বিস্ময়ের বিষয় হলো, আমি একজন মুসলিম লেখকের লেখা একটি বইয়ে দেখতে পেলাম, তিনি কুরআন থেকে প্রমাণ পেশ করে বিবর্তনবাদকে সমর্থন করছেন। এছাড়াও, আমার একজন মুসলিম শিক্ষক আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন: যেহেতু ইসলামে ভাই-বোনের বিবাহ নিষিদ্ধ, তাহলে আদম ও হাওয়ার বংশধরদের মধ্যে বিবাহ কীভাবে সম্পন্ন হয়েছিল?
উত্তর ১: ডারউইন তত্ত্ব নামে পরিচিত বিবর্তনবাদ আল্লাহ্র কিতাব, তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহ এবং জ্ঞান ও ঈমানের অধিকারীদের ঐকমত্যের (ইজমা) পরিপন্থী। কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত যে আদমকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তাঁর স্ত্রী হাওয়াকে তাঁর (আদম) থেকেই সৃষ্টি করা হয়েছে।
আর আদম (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) তাঁর পুত্রদের সাথে কন্যাদের যে বিবাহ দিয়েছিলেন, তা এমন একটি বিধানের ভিত্তিতে হয়েছিল যা আল্লাহ্ তাদের জন্য প্রবর্তন করেছিলেন। এ বিষয়ে আমাদের হস্তক্ষেপ করা বা আলোচনা করা উচিত নয়। পক্ষান্তরে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শরীয়তে আল্লাহ্ ভাই-বোনের বিবাহ হারাম করেছেন এবং এই শরীয়তে অন্যান্য পরিচিত হারাম বিষয়াদিও রয়েছে। আল্লাহ্ তাআলা বলেছেন:
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
في كتابه الكريم لما ذكر شريعة التوراة والإنجيل والقرآن: {لِكُلٍّ جَعَلْنَا مِنْكُمْ شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا} (¬1) فهكذا آدم عليه الصلاة والسلام له شرعة سار عليها.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
عبد الله بن قعود ... عبد الله بن غديان ... عبد الرزاق عفيفي ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
¬__________
(¬1) سورة المائدة الآية 48
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
عبد الله بن قعود ... عبد الله بن غديان ... عبد الرزاق عفيفي ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
¬__________
(¬1) سورة المائدة الآية 48
আল্লাহ তাআলা তাঁর সম্মানিত কিতাবে যখন তাওরাত, ইঞ্জিল ও কুরআনের শরীয়তের কথা উল্লেখ করেছেন, তখন বলেছেন: **{তোমাদের প্রত্যেকের জন্য আমি একটি শরীয়ত ও সুস্পষ্ট পথ নির্ধারণ করেছি।}** (১) অনুরূপভাবে, আদম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামেরও একটি শরীয়ত ছিল, যা তিনি অনুসরণ করতেন।
তাওফীক (সফলতা) আল্লাহর পক্ষ থেকে। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
আব্দুল্লাহ ইবনে কাঊদ ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল রাজ্জাক আফীফী ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
(১) সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত ৪৮।
তাওফীক (সফলতা) আল্লাহর পক্ষ থেকে। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
আব্দুল্লাহ ইবনে কাঊদ ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল রাজ্জাক আফীফী ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
(১) সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত ৪৮।
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
السؤال الثالث من الفتوى رقم (8139)
س 3: ما حقيقة أصل الإنسان. هل صحيح أن الإنسان الأول الذي عاش قبل ملايين السنين كان له ذنب، وما الرأي فيما يردده بعض علماء الغرب حول أصل الإنسان؟
ج 3: زعم أن أصل الإنسان قرد كذب وتقول على شرع الله، وإنما أبوه وأصله الأول آدم عليه الصلاة والسلام، وآدم خلق من طين.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
عبد الله بن قعود ... عبد الله بن غديان ... عبد الرزاق عفيفي ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
س 3: ما حقيقة أصل الإنسان. هل صحيح أن الإنسان الأول الذي عاش قبل ملايين السنين كان له ذنب، وما الرأي فيما يردده بعض علماء الغرب حول أصل الإنسان؟
ج 3: زعم أن أصل الإنسان قرد كذب وتقول على شرع الله، وإنما أبوه وأصله الأول آدم عليه الصلاة والسلام، وآدم خلق من طين.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
عبد الله بن قعود ... عبد الله بن غديان ... عبد الرزاق عفيفي ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
ফতোয়া নং (৮১৩৯)-এর তৃতীয় প্রশ্ন
**প্রশ্ন ৩:** মানুষের মূল উৎস কী? এটা কি সঠিক যে লক্ষ লক্ষ বছর আগে বসবাসকারী প্রথম মানুষের লেজ ছিল? আর মানুষের উৎস সম্পর্কে পশ্চিমা কিছু বিজ্ঞানী যা প্রচার করে, সে বিষয়ে শরীয়তের অভিমত কী?
**উত্তর ৩:** এই দাবি করা যে মানুষের মূল উৎস বানর, তা আল্লাহর শরীয়তের উপর মিথ্যা আরোপ এবং মনগড়া কথা। বরং তার পিতা এবং তার প্রথম উৎস হলেন আদম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম। আর আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে মাটি থেকে।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি (আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ)
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ফতোয়া প্রদানের জন্য**
| সদস্য | সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :---: | :---: | :---: | :---: |
| আব্দুল্লাহ ইবনে কুঊদ | আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান | আব্দুর রাযযাক আফীফী | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায |
**প্রশ্ন ৩:** মানুষের মূল উৎস কী? এটা কি সঠিক যে লক্ষ লক্ষ বছর আগে বসবাসকারী প্রথম মানুষের লেজ ছিল? আর মানুষের উৎস সম্পর্কে পশ্চিমা কিছু বিজ্ঞানী যা প্রচার করে, সে বিষয়ে শরীয়তের অভিমত কী?
**উত্তর ৩:** এই দাবি করা যে মানুষের মূল উৎস বানর, তা আল্লাহর শরীয়তের উপর মিথ্যা আরোপ এবং মনগড়া কথা। বরং তার পিতা এবং তার প্রথম উৎস হলেন আদম আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম। আর আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে মাটি থেকে।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি (আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ)
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও ফতোয়া প্রদানের জন্য**
| সদস্য | সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :---: | :---: | :---: | :---: |
| আব্দুল্লাহ ইবনে কুঊদ | আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান | আব্দুর রাযযাক আফীফী | আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায |
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
توحيد الألوهية
**তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ**
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
صفحة فارغة
ফাঁকা পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
توحيد العبادة
الفتوى رقم (16085)
س: أجد في كتب التوحيد تقسيما على النحو الآتي:
1- التوحيد العلمي الخبري.
2- التوحيد الإرادي الطلبي.
ما المراد من كلمة الإرادي في القسم الثاني، هل هو ما أراده الله من عبده في شرعه وأحكامه، أم ما أراده العبد من ربه بأن لا يريد شيئا غير الله، وما هي الإرادة الإلهية؟
وما المراد من كلمة (الطلبي) هل المقصود منها توحيد ما يطلبه العبد من ربه بأن لا يطلبه ويطلب غيره؟
وفي بعض الكتب نجد التقسيم الثاني بعبارة (التوحيد في القصد والإرادة) ما المقصود من كلمة (القصد) ، هل المراد به توحيد قصد العبد ربه، أي أنه يقصد ربه ولا يقصد غيره؟ أفيدونا يرحمكم الله.
ج: إن المراد بالتوحيد الطلبي الإرادي: أن يفرد العبد ربه بالعبادة من صلاة وصوم وذبح ونذر ودعاء وغير ذلك من أنواع العبادة، ويسمى هذا النوع: توحيد العبادة؛ عملا بقول الله سبحانه:
الفتوى رقم (16085)
س: أجد في كتب التوحيد تقسيما على النحو الآتي:
1- التوحيد العلمي الخبري.
2- التوحيد الإرادي الطلبي.
ما المراد من كلمة الإرادي في القسم الثاني، هل هو ما أراده الله من عبده في شرعه وأحكامه، أم ما أراده العبد من ربه بأن لا يريد شيئا غير الله، وما هي الإرادة الإلهية؟
وما المراد من كلمة (الطلبي) هل المقصود منها توحيد ما يطلبه العبد من ربه بأن لا يطلبه ويطلب غيره؟
وفي بعض الكتب نجد التقسيم الثاني بعبارة (التوحيد في القصد والإرادة) ما المقصود من كلمة (القصد) ، هل المراد به توحيد قصد العبد ربه، أي أنه يقصد ربه ولا يقصد غيره؟ أفيدونا يرحمكم الله.
ج: إن المراد بالتوحيد الطلبي الإرادي: أن يفرد العبد ربه بالعبادة من صلاة وصوم وذبح ونذر ودعاء وغير ذلك من أنواع العبادة، ويسمى هذا النوع: توحيد العبادة؛ عملا بقول الله سبحانه:
ইবাদতের তাওহীদ
ফতোয়া নং (১৬০৮৫)
**প্রশ্ন:** আমি তাওহীদ বিষয়ক কিতাবসমূহে নিম্নোক্ত বিভাজন দেখতে পাই:
১- তাওহীদুল ইলমি আল-খাবারি (জ্ঞানগত ও সংবাদভিত্তিক তাওহীদ)।
২- তাওহীদুল ইরাদি আত-তালাবি (সংকল্পগত ও প্রার্থনাসূচক তাওহীদ)।
দ্বিতীয় প্রকারের মধ্যে 'আল-ইরাদি' (সংকল্পগত) শব্দটির উদ্দেশ্য কী? এর দ্বারা কি আল্লাহ তাঁর বান্দার নিকট তাঁর শরীয়ত ও বিধানাবলীতে যা চেয়েছেন, তা বোঝানো হয়েছে? নাকি বান্দা তার রবের নিকট যা চেয়েছে—এই মর্মে যে সে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছু চাইবে না—তা বোঝানো হয়েছে? আর 'আল-ইরাদাতুল ইলাহিয়্যাহ' (আল্লাহর সংকল্প/ইচ্ছা) কী?
আর 'আত-তালাবি' (প্রার্থনাসূচক) শব্দটির উদ্দেশ্য কী? এর দ্বারা কি বান্দা তার রবের নিকট যা প্রার্থনা করে, তার তাওহীদ বোঝানো হয়েছে—এই মর্মে যে সে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নিকট প্রার্থনা করবে না?
কিছু কিছু কিতাবে আমরা দ্বিতীয় বিভাজনটিকে (التوحيد في القصد والإرادة) 'উদ্দেশ্য ও সংকল্পের তাওহীদ' এই বাক্যাংশ দ্বারাও দেখতে পাই। 'আল-কাসদ' (উদ্দেশ্য) শব্দটির উদ্দেশ্য কী? এর দ্বারা কি বান্দার তার রবের উদ্দেশ্যে নিবেদিত সংকল্পের তাওহীদ বোঝানো হয়েছে, অর্থাৎ সে কেবল তার রবকেই উদ্দেশ্য করবে, অন্য কাউকে নয়? আপনারা আমাদের উপকৃত করুন, আল্লাহ আপনাদের প্রতি রহম করুন।
**উত্তর:** তাওহীদুল ইরাদি আত-তালাবি (সংকল্পগত ও প্রার্থনাসূচক তাওহীদ)-এর উদ্দেশ্য হলো: বান্দা তার রবকে ইবাদতের ক্ষেত্রে একক সাব্যস্ত করবে, যেমন সালাত, সাওম, যবেহ, মান্নত, দু'আ এবং ইবাদতের অন্যান্য প্রকারসমূহ। আর এই প্রকারকে 'তাওহীদুল ইবাদাহ' (ইবাদতের তাওহীদ) নামে অভিহিত করা হয়; আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার বাণী অনুসারে:
ফতোয়া নং (১৬০৮৫)
**প্রশ্ন:** আমি তাওহীদ বিষয়ক কিতাবসমূহে নিম্নোক্ত বিভাজন দেখতে পাই:
১- তাওহীদুল ইলমি আল-খাবারি (জ্ঞানগত ও সংবাদভিত্তিক তাওহীদ)।
২- তাওহীদুল ইরাদি আত-তালাবি (সংকল্পগত ও প্রার্থনাসূচক তাওহীদ)।
দ্বিতীয় প্রকারের মধ্যে 'আল-ইরাদি' (সংকল্পগত) শব্দটির উদ্দেশ্য কী? এর দ্বারা কি আল্লাহ তাঁর বান্দার নিকট তাঁর শরীয়ত ও বিধানাবলীতে যা চেয়েছেন, তা বোঝানো হয়েছে? নাকি বান্দা তার রবের নিকট যা চেয়েছে—এই মর্মে যে সে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছু চাইবে না—তা বোঝানো হয়েছে? আর 'আল-ইরাদাতুল ইলাহিয়্যাহ' (আল্লাহর সংকল্প/ইচ্ছা) কী?
আর 'আত-তালাবি' (প্রার্থনাসূচক) শব্দটির উদ্দেশ্য কী? এর দ্বারা কি বান্দা তার রবের নিকট যা প্রার্থনা করে, তার তাওহীদ বোঝানো হয়েছে—এই মর্মে যে সে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নিকট প্রার্থনা করবে না?
কিছু কিছু কিতাবে আমরা দ্বিতীয় বিভাজনটিকে (التوحيد في القصد والإرادة) 'উদ্দেশ্য ও সংকল্পের তাওহীদ' এই বাক্যাংশ দ্বারাও দেখতে পাই। 'আল-কাসদ' (উদ্দেশ্য) শব্দটির উদ্দেশ্য কী? এর দ্বারা কি বান্দার তার রবের উদ্দেশ্যে নিবেদিত সংকল্পের তাওহীদ বোঝানো হয়েছে, অর্থাৎ সে কেবল তার রবকেই উদ্দেশ্য করবে, অন্য কাউকে নয়? আপনারা আমাদের উপকৃত করুন, আল্লাহ আপনাদের প্রতি রহম করুন।
**উত্তর:** তাওহীদুল ইরাদি আত-তালাবি (সংকল্পগত ও প্রার্থনাসূচক তাওহীদ)-এর উদ্দেশ্য হলো: বান্দা তার রবকে ইবাদতের ক্ষেত্রে একক সাব্যস্ত করবে, যেমন সালাত, সাওম, যবেহ, মান্নত, দু'আ এবং ইবাদতের অন্যান্য প্রকারসমূহ। আর এই প্রকারকে 'তাওহীদুল ইবাদাহ' (ইবাদতের তাওহীদ) নামে অভিহিত করা হয়; আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার বাণী অনুসারে:
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
{وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا} (¬1) وقوله سبحانه: {وَمَا أُمِرُوا إِلَّا لِيَعْبُدُوا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ حُنَفَاءَ} (¬2) . وهذا هو معنى كلمة التوحيد: (لا إله إلا الله) ؛ ولهذا أنكرها المشركون لما أمرهم بها النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا: {أَجَعَلَ الْآلِهَةَ إِلَهًا وَاحِدًا إِنَّ هَذَا لَشَيْءٌ عُجَابٌ} (¬3) . وأما إرادة الله سبحانه فهي صفة من صفاته اللائقة به، وهي نوعان:
أ- إرادة كونية، كإرادته خلق السماوات والأرض والأرزاق والآجال، فهو سبحانه فعال لما يريد ما أراده كونا فلا بد من وقوعه؛ لقوله سبحانه: {إِنَّ رَبَّكَ فَعَّالٌ لِمَا يُرِيدُ} (¬4) .
ب- إرادة شرعية، وهي إرادته، من عباده أن يعبدوه وحده ولا يشركوا به شيئا، وهذه الإرادة قد يحصل المراد بها من العبد وقد لا يحصل؛ وذلك لحكمة من الله سبحانه وتعالى، وهي المرادة في مثل قوله تعالى: {يُرِيدُ اللَّهُ لِيُبَيِّنَ لَكُمْ وَيَهْدِيَكُمْ سُنَنَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَيَتُوبَ عَلَيْكُمْ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ} (¬5)
¬__________
(¬1) سورة النساء الآية 36
(¬2) سورة البينة الآية 5
(¬3) سورة ص الآية 5
(¬4) سورة هود الآية 107
(¬5) سورة النساء الآية 26
أ- إرادة كونية، كإرادته خلق السماوات والأرض والأرزاق والآجال، فهو سبحانه فعال لما يريد ما أراده كونا فلا بد من وقوعه؛ لقوله سبحانه: {إِنَّ رَبَّكَ فَعَّالٌ لِمَا يُرِيدُ} (¬4) .
ب- إرادة شرعية، وهي إرادته، من عباده أن يعبدوه وحده ولا يشركوا به شيئا، وهذه الإرادة قد يحصل المراد بها من العبد وقد لا يحصل؛ وذلك لحكمة من الله سبحانه وتعالى، وهي المرادة في مثل قوله تعالى: {يُرِيدُ اللَّهُ لِيُبَيِّنَ لَكُمْ وَيَهْدِيَكُمْ سُنَنَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَيَتُوبَ عَلَيْكُمْ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ} (¬5)
¬__________
(¬1) سورة النساء الآية 36
(¬2) سورة البينة الآية 5
(¬3) سورة ص الآية 5
(¬4) سورة هود الآية 107
(¬5) سورة النساء الآية 26
**আর তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না।** (১) এবং তাঁর সুবহানাহু ওয়া তাআলার বাণী: **তাদেরকে কেবল এই নির্দেশই দেওয়া হয়েছিল যে, তারা যেন আল্লাহর ইবাদত করে, তাঁরই জন্য দ্বীনকে একনিষ্ঠ করে, একমুখী হয়ে।** (২)
আর এটাই হলো তাওহীদের কালেমা: (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ)-এর অর্থ; এই কারণেই যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে এর (কালেমার) নির্দেশ দিলেন, তখন মুশরিকরা তা অস্বীকার করল এবং বলল: **সে কি বহু উপাস্যকে এক উপাস্যে পরিণত করেছে? নিশ্চয়ই এটা এক বিস্ময়কর ব্যাপার।** (৩)
আর আল্লাহর সুবহানাহু ওয়া তাআলার 'ইরাদা' (সংকল্প/ইচ্ছা) হলো তাঁর জন্য শোভনীয় গুণাবলির (সিফাত) মধ্যে একটি, আর তা দুই প্রকার:
**ক- ইরাদাহ কাওনিয়্যাহ (সৃষ্টিগত বা মহাজাগতিক সংকল্প):**
যেমন তাঁর আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী, রিযিক (জীবিকা) এবং আজাল (মৃত্যুর সময়) সৃষ্টির সংকল্প। তিনি সুবহানাহু ওয়া তাআলা যা চান, তা-ই করেন। তিনি সৃষ্টিগতভাবে (কাওনান) যা সংকল্প করেন, তা অবশ্যই ঘটবে; কেননা তাঁর সুবহানাহু ওয়া তাআলার বাণী: **নিশ্চয়ই আপনার রব যা চান, তা-ই করেন।** (৪)
**খ- ইরাদাহ শারঈয়্যাহ (শরীয়তগত সংকল্প):**
আর তা হলো তাঁর বান্দাদের প্রতি তাঁর এই সংকল্প যে, তারা যেন কেবল তাঁরই ইবাদত করে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক না করে। এই সংকল্পের মাধ্যমে যা চাওয়া হয়েছে, তা বান্দার পক্ষ থেকে বাস্তবায়িত হতেও পারে, আবার নাও হতে পারে; আর এটা আল্লাহর সুবহানাহু ওয়া তাআলার হিকমত (মহাজ্ঞান) অনুসারে হয়ে থাকে। আর এই (শারঈয়্যাহ) সংকল্পই উদ্দেশ্য যখন আল্লাহ তাআলা বলেন: **আল্লাহ তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট করতে চান, তোমাদের পূর্ববর্তীদের পথ দেখাতে চান এবং তোমাদের তাওবা কবুল করতে চান। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।** (৫)
***
(১) সূরা আন-নিসা, আয়াত ৩৬
(২) সূরা আল-বাইয়্যিনাহ, আয়াত ৫
(৩) সূরা সাদ, আয়াত ৫
(৪) সূরা হূদ, আয়াত ১০৭
(৫) সূরা আন-নিসা, আয়াত ২৬
আর এটাই হলো তাওহীদের কালেমা: (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ)-এর অর্থ; এই কারণেই যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে এর (কালেমার) নির্দেশ দিলেন, তখন মুশরিকরা তা অস্বীকার করল এবং বলল: **সে কি বহু উপাস্যকে এক উপাস্যে পরিণত করেছে? নিশ্চয়ই এটা এক বিস্ময়কর ব্যাপার।** (৩)
আর আল্লাহর সুবহানাহু ওয়া তাআলার 'ইরাদা' (সংকল্প/ইচ্ছা) হলো তাঁর জন্য শোভনীয় গুণাবলির (সিফাত) মধ্যে একটি, আর তা দুই প্রকার:
**ক- ইরাদাহ কাওনিয়্যাহ (সৃষ্টিগত বা মহাজাগতিক সংকল্প):**
যেমন তাঁর আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী, রিযিক (জীবিকা) এবং আজাল (মৃত্যুর সময়) সৃষ্টির সংকল্প। তিনি সুবহানাহু ওয়া তাআলা যা চান, তা-ই করেন। তিনি সৃষ্টিগতভাবে (কাওনান) যা সংকল্প করেন, তা অবশ্যই ঘটবে; কেননা তাঁর সুবহানাহু ওয়া তাআলার বাণী: **নিশ্চয়ই আপনার রব যা চান, তা-ই করেন।** (৪)
**খ- ইরাদাহ শারঈয়্যাহ (শরীয়তগত সংকল্প):**
আর তা হলো তাঁর বান্দাদের প্রতি তাঁর এই সংকল্প যে, তারা যেন কেবল তাঁরই ইবাদত করে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক না করে। এই সংকল্পের মাধ্যমে যা চাওয়া হয়েছে, তা বান্দার পক্ষ থেকে বাস্তবায়িত হতেও পারে, আবার নাও হতে পারে; আর এটা আল্লাহর সুবহানাহু ওয়া তাআলার হিকমত (মহাজ্ঞান) অনুসারে হয়ে থাকে। আর এই (শারঈয়্যাহ) সংকল্পই উদ্দেশ্য যখন আল্লাহ তাআলা বলেন: **আল্লাহ তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট করতে চান, তোমাদের পূর্ববর্তীদের পথ দেখাতে চান এবং তোমাদের তাওবা কবুল করতে চান। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।** (৫)
***
(১) সূরা আন-নিসা, আয়াত ৩৬
(২) সূরা আল-বাইয়্যিনাহ, আয়াত ৫
(৩) সূরা সাদ, আয়াত ৫
(৪) সূরা হূদ, আয়াত ১০৭
(৫) সূরা আন-নিসা, আয়াত ২৬
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... عبد العزيز آل الشيخ ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد الرزاق عفيفي ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... عبد العزيز آل الشيخ ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد الرزاق عفيفي ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
আল্লাহর তাওফীক (সাহায্য) কাম্য। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
গবেষণা ও ফতোয়া প্রদানের স্থায়ী কমিটি (আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়দ ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... সালিহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুর রাযযাক আফীফী ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
গবেষণা ও ফতোয়া প্রদানের স্থায়ী কমিটি (আল-লাজনাহ আদ-দা'ইমাহ)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়দ ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... সালিহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুর রাযযাক আফীফী ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
السؤال- الثالث والثلاثون من الفتوى رقم (18612)
س 33: نرجو التفضل ببيان: المراد بـ: (أصول الدين) على وجه التحديد.
ج 33: يختلف المراد بأصول الدين، فمرة يقصد به أركان الإسلام والإيمان، ومرة يقصد به مباحث العقيدة، ومرة يقصد به ما لا يعذر المسلم بجهله من أحكام الإسلام؛ كتحريم الزنا والخمر، وهي اصطلاحات تختلف باختلاف آراء المصطلحين. ولا مشاحة في الاصطلاح، والذي يهم المسلم القيام بأمر الله تعالى، والانتهاء عن نهيه بسلوك جادة الشرع المطهر.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
س 33: نرجو التفضل ببيان: المراد بـ: (أصول الدين) على وجه التحديد.
ج 33: يختلف المراد بأصول الدين، فمرة يقصد به أركان الإسلام والإيمان، ومرة يقصد به مباحث العقيدة، ومرة يقصد به ما لا يعذر المسلم بجهله من أحكام الإسلام؛ كتحريم الزنا والخمر، وهي اصطلاحات تختلف باختلاف آراء المصطلحين. ولا مشاحة في الاصطلاح، والذي يهم المسلم القيام بأمر الله تعالى، والانتهاء عن نهيه بسلوك جادة الشرع المطهر.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
ফতোয়া নং (১৮৬১২)-এর তেত্রিশতম (৩৩) প্রশ্ন।
**প্রশ্ন ৩৩:** আমরা অনুগ্রহপূর্বক জানতে চাই যে, ‘উসূলুদ দ্বীন’ (أصول الدين) বলতে সুনির্দিষ্টভাবে কী বোঝানো হয়?
**উত্তর ৩৩:** ‘উসূলুদ দ্বীন’-এর উদ্দেশ্য ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
১. কখনও এর দ্বারা ইসলামের রুকনসমূহ (স্তম্ভসমূহ) এবং ঈমানের রুকনসমূহকে বোঝানো হয়।
২. আবার কখনও এর দ্বারা আকীদা (ধর্মবিশ্বাস) সংক্রান্ত আলোচনাকে বোঝানো হয়।
৩. আবার কখনও এর দ্বারা ইসলামের এমন বিধানসমূহকে বোঝানো হয়, যা সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে কোনো মুসলিমকে ছাড় দেওয়া হয় না; যেমন— ব্যভিচার ও মদ হারাম হওয়া।
এই পরিভাষাগুলো পরিভাষাবিদদের মতামতের ভিন্নতার কারণে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। পরিভাষাগত বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই (বা পরিভাষা নিয়ে বাড়াবাড়ি করার প্রয়োজন নেই)। একজন মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পবিত্র শরীয়তের পথ অবলম্বন করে আল্লাহ তাআলার আদেশ পালন করা এবং তাঁর নিষেধ থেকে বিরত থাকা।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দা’ইমাহ লিল বুহুসিল ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
| সদস্য | সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :---: | :---: | :---: | :---: |
| বকর আবু যায়দ | সালিহ আল-ফাওযান | আব্দুল আযীয আলে শাইখ | আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায |
**প্রশ্ন ৩৩:** আমরা অনুগ্রহপূর্বক জানতে চাই যে, ‘উসূলুদ দ্বীন’ (أصول الدين) বলতে সুনির্দিষ্টভাবে কী বোঝানো হয়?
**উত্তর ৩৩:** ‘উসূলুদ দ্বীন’-এর উদ্দেশ্য ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
১. কখনও এর দ্বারা ইসলামের রুকনসমূহ (স্তম্ভসমূহ) এবং ঈমানের রুকনসমূহকে বোঝানো হয়।
২. আবার কখনও এর দ্বারা আকীদা (ধর্মবিশ্বাস) সংক্রান্ত আলোচনাকে বোঝানো হয়।
৩. আবার কখনও এর দ্বারা ইসলামের এমন বিধানসমূহকে বোঝানো হয়, যা সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে কোনো মুসলিমকে ছাড় দেওয়া হয় না; যেমন— ব্যভিচার ও মদ হারাম হওয়া।
এই পরিভাষাগুলো পরিভাষাবিদদের মতামতের ভিন্নতার কারণে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। পরিভাষাগত বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই (বা পরিভাষা নিয়ে বাড়াবাড়ি করার প্রয়োজন নেই)। একজন মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পবিত্র শরীয়তের পথ অবলম্বন করে আল্লাহ তাআলার আদেশ পালন করা এবং তাঁর নিষেধ থেকে বিরত থাকা।
আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দা’ইমাহ লিল বুহুসিল ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা)
| সদস্য | সদস্য | সহ-সভাপতি | সভাপতি |
| :---: | :---: | :---: | :---: |
| বকর আবু যায়দ | সালিহ আল-ফাওযান | আব্দুল আযীয আলে শাইখ | আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায |
(খণ্ড: ২১)
ফাতাওয়াল লাজনাতুদ দাইমাহ - আল-মাজমুআতুস সানিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
الفتوى رقم (18330)
س: نسمع بعض الناس يقولون: يا إلهي أنت جاهي، فما حكم الشرع في التلفظ بمثل هذه الألفاظ، وهل هي محظورة شرعا؛ وذلك لأن ظاهرها والله أعلم يوحي بعدم التلفظ بها، لحين جوابكم، هل هي محظورة شرعا، أم لا شيء فيها. أفيدونا حفظكم الله بالجواب الشافي الكافي.
ج: لا يجوز الدعاء بهذه الجملة؛ لأنها لفظة لم ترد في الكتاب والسنة، ولأن الجاه ليس من صفات الله، ولأنها لفظة محتملة بأن يكون الجاه بمعنى التوجه وقضاء الحاجة، وهذا خطأ لفظا، وإن كان المعنى صحيحا. وإما أن يكون بمعنى التوجيه لي بالشفاعة، وهذا خطأ لفظا ومعنى.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
س: نسمع بعض الناس يقولون: يا إلهي أنت جاهي، فما حكم الشرع في التلفظ بمثل هذه الألفاظ، وهل هي محظورة شرعا؛ وذلك لأن ظاهرها والله أعلم يوحي بعدم التلفظ بها، لحين جوابكم، هل هي محظورة شرعا، أم لا شيء فيها. أفيدونا حفظكم الله بالجواب الشافي الكافي.
ج: لا يجوز الدعاء بهذه الجملة؛ لأنها لفظة لم ترد في الكتاب والسنة، ولأن الجاه ليس من صفات الله، ولأنها لفظة محتملة بأن يكون الجاه بمعنى التوجه وقضاء الحاجة، وهذا خطأ لفظا، وإن كان المعنى صحيحا. وإما أن يكون بمعنى التوجيه لي بالشفاعة، وهذا خطأ لفظا ومعنى.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وآله وصحبه وسلم.
اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء
عضو ... عضو ... عضو ... نائب الرئيس ... الرئيس
بكر أبو زيد ... صالح الفوزان ... عبد الله بن غديان ... عبد العزيز آل الشيخ ... عبد العزيز بن عبد الله بن باز
ফতোয়া নং (১৮৩৩০)
**প্রশ্ন:** আমরা কিছু লোককে বলতে শুনি: "ইয়া ইলাহী আনতা জাহী" (يا إلهي أنت جاهي)। শরীয়তের দৃষ্টিতে এই ধরনের শব্দ উচ্চারণ করার বিধান কী? শরীয়তের দৃষ্টিতে কি এগুলো নিষিদ্ধ? কারণ, আল্লাহই ভালো জানেন, এর বাহ্যিক অর্থ এমন কিছু ইঙ্গিত করে যে এটি উচ্চারণ করা উচিত নয়। আপনাদের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছি, এটি কি শরীয়তসম্মতভাবে নিষিদ্ধ, নাকি এতে কোনো সমস্যা নেই? আল্লাহ আপনাদের রক্ষা করুন, আমাদের পর্যাপ্ত ও সন্তোষজনক উত্তর দিয়ে উপকৃত করুন।
**উত্তর:** এই বাক্যটি দ্বারা দু'আ করা জায়েয নয়। কারণ:
১. এই শব্দটি কিতাব (কুরআন) ও সুন্নাহতে আসেনি।
২. 'জাহ' (মর্যাদা বা প্রতিপত্তি) আল্লাহর গুণাবলীর (সিফাত) অন্তর্ভুক্ত নয়।
৩. শব্দটি সম্ভাব্য অর্থবোধক।
ক. যদি 'জাহ'-এর অর্থ হয় 'তাওয়াজ্জুহ' (তাঁর দিকে মনোনিবেশ করা) অথবা 'হাজত পূরণ' (প্রয়োজন মেটানো), তবে অর্থ সঠিক হলেও শব্দটি (উচ্চারণগতভাবে) ভুল।
খ. আর যদি এর অর্থ হয় 'আমার জন্য শাফাআতের দিকে পরিচালিত করা', তবে এটি শব্দগত ও অর্থগত উভয় দিক থেকেই ভুল।
আল্লাহর পক্ষ থেকেই সকল সফলতা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দায়েমাহ লিল-বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল-ইফতা)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়দ ... সালেহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায
**প্রশ্ন:** আমরা কিছু লোককে বলতে শুনি: "ইয়া ইলাহী আনতা জাহী" (يا إلهي أنت جاهي)। শরীয়তের দৃষ্টিতে এই ধরনের শব্দ উচ্চারণ করার বিধান কী? শরীয়তের দৃষ্টিতে কি এগুলো নিষিদ্ধ? কারণ, আল্লাহই ভালো জানেন, এর বাহ্যিক অর্থ এমন কিছু ইঙ্গিত করে যে এটি উচ্চারণ করা উচিত নয়। আপনাদের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছি, এটি কি শরীয়তসম্মতভাবে নিষিদ্ধ, নাকি এতে কোনো সমস্যা নেই? আল্লাহ আপনাদের রক্ষা করুন, আমাদের পর্যাপ্ত ও সন্তোষজনক উত্তর দিয়ে উপকৃত করুন।
**উত্তর:** এই বাক্যটি দ্বারা দু'আ করা জায়েয নয়। কারণ:
১. এই শব্দটি কিতাব (কুরআন) ও সুন্নাহতে আসেনি।
২. 'জাহ' (মর্যাদা বা প্রতিপত্তি) আল্লাহর গুণাবলীর (সিফাত) অন্তর্ভুক্ত নয়।
৩. শব্দটি সম্ভাব্য অর্থবোধক।
ক. যদি 'জাহ'-এর অর্থ হয় 'তাওয়াজ্জুহ' (তাঁর দিকে মনোনিবেশ করা) অথবা 'হাজত পূরণ' (প্রয়োজন মেটানো), তবে অর্থ সঠিক হলেও শব্দটি (উচ্চারণগতভাবে) ভুল।
খ. আর যদি এর অর্থ হয় 'আমার জন্য শাফাআতের দিকে পরিচালিত করা', তবে এটি শব্দগত ও অর্থগত উভয় দিক থেকেই ভুল।
আল্লাহর পক্ষ থেকেই সকল সফলতা। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
**স্থায়ী কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা**
(আল-লাজনাহ আদ-দায়েমাহ লিল-বুহুস আল-ইলমিয়্যাহ ওয়াল-ইফতা)
সদস্য ... সদস্য ... সদস্য ... সহ-সভাপতি ... সভাপতি
বকর আবু যায়দ ... সালেহ আল-ফাওযান ... আব্দুল্লাহ ইবনে গুদাইয়ান ... আব্দুল আযীয আলে শাইখ ... আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায