(খণ্ড: ১) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: -)
الكاشف في معرفة من له رواية في الكتب الستة   (شمس الدين الذهبي)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: الكاشف في معرفة من له رواية في الكتب الستة

المؤلف: شمس الدين أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان بن قَايْماز الذهبي (ت 748هـ)

المحقق: محمد عوامة أحمد محمد نمر الخطيب

الناشر: دار القبلة للثقافة الإسلامية - مؤسسة علوم القرآن، جدة

الطبعة: الأولى، 1413 هـ - 1992 م

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-কাশিফ ফী মারিফাতি মান লাহু রিওয়াহ ফিল কুতুবিস সিত্তাহ   (শামসুদ্দিন আয-যাহাবী)

বিভাগ: জীবনী (تراجم) ও বর্ণনাকারীদের স্তর (طبقات)


বই: আল-কাশিফ ফী মারিফাতি মান লাহু রিওয়াহ ফিল কুতুবিস সিত্তাহ

লেখক: শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান বিন কায়মায আয-যাহাবী (মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি)

সম্পাদক: মুহাম্মদ আওয়ামাহ, আহমদ মুহাম্মদ নিমির আল-খাতিব

প্রকাশক: দারুল কিবলাহ লিস-সাকাফাতিল ইসলামিয়্যাহ - মুয়াসসাসাতু উলুমিল কুরআন, জেদ্দা

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩ হিজরি - ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দ

[বইটির সংখ্যায়ন মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١)
الكاشف في معرفة من له رواية في الكتب الستة

 

للامام شمس الدين أبي عبد الله محمد بن أحمد بن الذهبي الدمشقي

ولد سنة 673 - وتوفي سنة 748 هـ

وحاشيته للامام برهان الدين أبي الوفاء إبراهيم بن محمد سبط ابن العجمي الحلبي ولد سنة 753 - وتوفي سنة 841 هـ رحمهما الله تعالى

قابلهما بأصل مؤلفيهما وقدم لهما وعلق عليهما وخرج نصوصهما

محمد عوامة أحمد محمد نمر الخطيب

دار القبلة للثقافة الاسلامية مؤسسة علوم القرآن جدة حقوق الطبع محفوظة الطبعة الاولى 1413 - 1992

دار القبلة للثقافة الاسلامية مؤسسة علوم القرآن المملكة العربية السعودية - جدة ص. ب: 10932.

الرمز: 21442 -

ت: 6652406 - 6659951.

فاكس: 6659476.
আল-কাশিফ ফী মারিফাতি মান লাহু বর্ণনা (رواية) ফিল কুতুবুস সিত্তাহ

 

ইমাম শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আয-যাহাবী আদ-দিমাশকি-এর রচিত

জন্ম ৬৭৩ হিজরি - মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি

এবং এর টীকা (حاشية) ইমাম বুরহানুদ্দিন আবুল ওয়াফা ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ সিবত ইবনে আল-আজামী আল-হালাবি-এর, জন্ম ৭৫৩ হিজরি - মৃত্যু ৮৪১ হিজরি, আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন

উভয় গ্রন্থকে তাঁদের মূল লেখকদের পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে, এগুলোর ভূমিকা ও টীকা (تعليق) প্রদান করা হয়েছে এবং সেগুলোর মূল পাঠের উদ্ধৃতি যাচাই (تخريج) করা হয়েছে

মুহাম্মদ আওয়ামাহ ও আহমদ মুহাম্মদ নিমর আল-খাতিব

দারুল কিবলাহ লিল সাকাফাহ আল-ইসলামিয়্যাহ, মুয়াসসাসাতু উলূমিল কুরআন, জেদ্দা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। প্রথম সংস্করণ ১৪১৩ - ১৯৯2

দারুল কিবলাহ লিল সাকাফাহ আল-ইসলামিয়্যাহ, মুয়াসসাসাতু উলূমিল কুরআন, সৌদি আরব রাজ্য - জেদ্দা। পি. ও. বক্স: ১০৯৩২।

কোড: ২১৪৪২ -

টেলিফোন: ৬৬৫২৪০৬ - ৬৬৫৯৯৫১।

ফ্যাক্স: ৬৬৫৯৪৭৬।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١)
‌‌دراسات بين يدي " الكاشف " للذهبي و " حاشيته " لسبط ابن العجمي

بقلم محمد عوامة
যাহাবির "আল-কাশিফ" এবং সিবত ইবনুল আজমির "হাশিয়া" সংক্রান্ত গবেষণামূলক ভূমিকা

মুহাম্মাদ আওয়ামাহ
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله رب العالمين على وافر نعمه وجزيل آلائه، والصلاة والسلام على سيدنا محمد خاتم.

رسل الله وأنبيائه، وعلى آله وأصحابه والتابعين لهم باحسان إلى يوم الدين.

أما بعد: فهذه دراسات موجزة حينا، ومطولة حينا آخر، بين يدي كتاب " الكاشف " للامام الحافظ الناقد شمس الدين أبي عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان الذهبي الدمشقي الشافعي 673 - 748- رحمه الله تعالى

متوجا ومتمما بحاشية الامام الحافظ الرحلة برهان الدين أبي الوفاء إبراهيم بن محمد بن خليل سبط ابن العجمي الحلبي الشافعي

753 - 841- رحمه الله تعالى.

وأركان الدراسات ثلاثة:

الركن الاول: دراسة عن " الكاشف " ص 5 - 88.

الركن الثاني: دراسة عن " الحاشية " ومؤلفها ص 89 - 147.

الركن الثالث: خدمتنا للكتابين ص 149 - 170.

والله أسال من فضله الكريم أن يمن علي بالاخلاص والسداد والقبول، إنه كريم جواد.

وكتبه محمد عوامة
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, তাঁর অফুরন্ত নিয়ামত ও সুমহান অনুগ্রহের বিনিময়ে। এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি, যিনি আল্লাহর রাসুল ও নবিদের সর্বশেষ;

এবং তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবেন, তাঁদের সবার প্রতি।

অতঃপর: ইমাম, হাফেজ (الحافظ), সমালোচক (الناقد) শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান আজ-যাহাবী আদ-দিমাশকি আশ-শাফিয়ি (৬৭৩ - ৭৪৮ হিজরি) - আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন - রচিত 'আল-কাশিফ' গ্রন্থের ভূমিকারূপে এখানে কখনো সংক্ষিপ্ত আবার কখনো দীর্ঘ আলোচনা পেশ করা হয়েছে;

এটি সুশোভিত এবং পূর্ণতা লাভ করেছে ইমাম, হাফেজ (الحافظ), প্রথিতযশা পর্যটক আলিম (الرحلة) বুরহানুদ্দিন আবু ওয়াফা ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে খলিল সিবত ইবনুল আজমি আল-হালাবি আশ-শাফিয়ি

৭৫৩ - ৮৪১ হিজরি - আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন - এর টীকা (حاشية) দ্বারা।

এই পর্যালোচনার ভিত্তিস্তম্ভ তিনটি:

প্রথম স্তম্ভ: 'আল-কাশিফ' গ্রন্থ সম্পর্কিত আলোচনা, পৃষ্ঠা ৫ - ৮৮।

দ্বিতীয় স্তম্ভ: 'টীকা' (حاشية) এবং এর রচয়িতা সম্পর্কিত আলোচনা, পৃষ্ঠা ৮৯ - ১৪৭।

তৃতীয় স্তম্ভ: উভয় গ্রন্থের ওপর আমাদের সম্পাদিত খিদমত, পৃষ্ঠা ১৪৯ - ১৭০।

আমি মহান আল্লাহর নিকট তাঁর সুমহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি যেন তিনি আমাকে ইখলাস, সঠিকতা এবং কবুলিয়াত দান করেন; নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত দয়ালু ও মহাদাতা।

এটি লিখেছেন মুহাম্মাদ আওয়ামাহ।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٥)
‌‌جوانب الركن الاول: دراسة " الكاشف "

بين يدي الدراسات

1 - مكانة الكتاب وبعض فوائده

2 - منهج الامام الذهبي في " الكاشف "

3 - ألفاظ الجرح والتعديل في " الكاشف "

4 - أحكام الذهبي في " الكاشف " خاصة

5 - رموز " الكاشف "

6 - النسخة الاصل وسماعاتها
‌‌প্রথম স্তম্ভের দিকসমূহ: "আল-কাশিফ" পর্যালোচনা

পর্যালোচনার প্রারম্ভে

1 - গ্রন্থের মর্যাদা ও এর কতিপয় উপকারিতা

2 - "আল-কাশিফ" গ্রন্থে ইমাম যাহাবীর পদ্ধতি (منهج)

3 - "আল-কাশিফ" গ্রন্থে সমালোচনা (جرح) ও সত্যায়ন (تعديل)-এর শব্দসমূহ

4 - বিশেষভাবে "আল-কাশিফ" গ্রন্থে ইমাম যাহাবীর সিদ্ধান্তসমূহ (أحكام)

5 - "আল-কাশিফ" গ্রন্থের সংকেতসমূহ (رموز)

6 - মূল পাণ্ডুলিপি ও এর শ্রবণ-সনদসমূহ (سماعات)
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٧)
بين يدي الدراسات

أستهل هذه الدراسات بمثل ما استهللت به مقدمة دراسة " تقريب التهذيب "، وذلك بالاعتذار عن كتابة ترجمة للامام الذهبي رحمه الذهبي رحمه الله تعالى، لكثرة ما كتب عنه في مقدمات كتبه المطبوعة، وأهمها الدراسة العلمية الجادة الضافية التي كتبها المحقق الدكتور بشار عواد معروف، في كتابه " الذهبي ومنهجه في كتابه تاريخ الاسلام " جزاه لله خيرا، وكان طبعه بالقاهرة سنة 1976، في مجلد: 540 صفحة مع الفهارس.

وأتم ابحث والدراسة ب " صفحات في ترجمة الحافظ الذهبي " الاخ الباحث الموفق الاستاذ قاسم علي سعد، وطبعها في أربعين صفحة مع الفهرس، استدرك فيها نحواسم أربعين كتابا لم يذكرها الدكتور بشار، زاده الله توفيقا.

وزادني الاخ الكريم الاستاذ مجد مكي سلمه الله أسماء ثمانية كتب أخرى، وقف عليها أثناء دراسته ل " سير أعلام النبلاء "، وها هي ذي أسماوها وتعليقي على بعضها، لاستكما الفائدة:

1 - " مسائل في طلب العلم وأقسامه "، وهي إحدى الرسائل الست التي طبعها الاستاذ جاسم سليمان الدوسري، وكلها للذهبي رحمه الله.

2 - مختصر الجهر بالبسملة لابي شامة.

منه نسخة ضمن مجموع رقمه 55 بظاهرية دمشق، وهو المجموع

الذي فيه مختصره الآخر لكتاب الخطيب البغدادي الذي ذكره الدكتور بشار عواد في كتابه ص 226.

وهو مطبوع ضمن الرسائل الست أيضا.

3 - ترجم التقي الفاسي للذهبي في ذيله على " سير أعلام النبلاء " الذي أسماه " تعريف أهل العلا " وذكر بعض مصنفاته، ومنها: " صحيفة نظيفة من حديث أبي حنيفة " 31 / ب.

4 - قال المصنف في " المعجم المختص " ص 259 ترجمة محمد بن محمد بن عيسى البعلي: " خرجت له جزاءا ".

5 - وقال في " السيرة " 20: 557 في ترجمة الامام ابن عساكر بعد ذكر جماعة من أصحابه: " وقد روى لشيوخي نحو من أربعين نفسا من أصحاب الحافظ - ابن عساكر - أفردت لهم جزء ".

6 - " فوائد الرحلة " نقل عنه السخاوي في " فتح المغيث " 1: 181.

قلت: والقصة التي نقلها السخاوي مصدره فيها شيخه ابن حجر في " طبقات المدلسين " ترجمة سفيان بن عيينة، عن المصدر المذكور.

7 - وقال المصنف في " السيبر " 11: 364 ترجمة الامام ابن راهويه: " إن النفاق يتبعض ويتشعب، كما أن الايمان ذ شعب ويزيد وينقص..أما من كان في قلبه شك من الايمان بالله ورسوله: فهذا ليس بمسلم، وهو من أصحاب النار، كما أن من في قلبه جزم بالايمان بالله ورسله وملائكته وكتبه وبالمعاد - وإن اقتحم الكبائر - فانه ليس بكافر.

وهذه مسالة جليلة … ، جمع فيها الامام أبو العباس شيخنا مجلدا حافلا، قد اختصرته ".

واستدراك الاخ الاستاذ مجد مكي لهذا المؤلف صحيح، أما كلام محقق هذا المجلد من " السير " في التعليق: فغير صحيح.

ذلك أنه قال: يريد " منهاج السنة " ومختصره للذهبي " المنتقى من منهاج الاعتدال " الذي طبعه الاستاذ محب الدين الخطيب.
গবেষণার প্রারম্ভে

আমি এই গবেষণাগুলো সেভাবেই শুরু করছি যেভাবে "তাকরিবুত তাহজিব"-এর ভূমিকার শুরুতে করেছিলাম; আর তা হলো ইমাম আয-যাহাবি (রহিমাহুল্লাহ)-এর একটি জীবনী রচনার ব্যাপারে ক্ষমা প্রার্থনা করা। কারণ, তাঁর মুদ্রিত বইগুলোর ভূমিকায় তাঁর সম্পর্কে অনেক কিছু লেখা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গবেষক ড. বাশার আওয়াদ মারুফ তাঁর "আয-যাহাবি ওয়া মানহাজুহু ফি কিতাবিহি তারিখিল ইসলাম" গ্রন্থে যে সারগর্ভ ও গম্ভীর বৈজ্ঞানিক গবেষণাটি করেছেন (আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন)। এটি ১৯৭৬ সালে কায়রো থেকে এক খণ্ডে ৫৪০ পৃষ্ঠায় সূচিপত্রসহ মুদ্রিত হয়েছে।

আর এই অনুসন্ধান ও গবেষণাকে পূর্ণতা দিয়েছেন সফল গবেষক উস্তাদ কাসেম আলী সাদ তাঁর "সাফাহাতুন ফি তারজামাতিল হাফিজ (الحافظ) আয-যাহাবি" নামক রচনার মাধ্যমে। এটি সূচিপত্রসহ ৪০ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হয়েছে, যেখানে তিনি ড. বাশারের অনুল্লিখিত প্রায় ৪০টি বইয়ের নাম সংযোজন করেছেন। আল্লাহ তাঁর তাওফিক বৃদ্ধি করুন।

শ্রদ্ধেয় ভাই উস্তাদ মাজদ মাক্কি (আল্লাহ তাঁকে নিরাপদ রাখুন) আমাকে আরও আটটি বইয়ের নাম দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, যা তিনি "সিয়ারু আলামিন নুবালা" অধ্যয়নের সময় পেয়েছেন। উপকারিতা পূর্ণ করার লক্ষ্যে সেগুলোর নাম এবং কয়েকটির ওপর আমার মন্তব্য নিচে দেওয়া হলো:

1 - "মাসাইলু ফি তলাবিল ইলমি ওয়া আকসামিহি", এটি সেই ছয়টি রিসালার একটি যা উস্তাদ জাসিম সুলাইমান আদ-দাওসারি মুদ্রণ করেছেন এবং এগুলোর সবই আয-যাহাবি (রহিমাহুল্লাহ)-এর লেখা।

2 - আবু শামা রচিত "আল-জাহরু বিল বাসমালা"-এর সারসংক্ষেপ।

এর একটি পাণ্ডুলিপি দামেস্কের জাহিরিয়া লাইব্রেরির ৫৫ নম্বর মজমুআর অন্তর্ভুক্ত। এটি সেই মজমুআ

যেখানে খতিব আল-বাগদাদির কিতাবের অপর একটি সারসংক্ষেপ রয়েছে, যা ড. বাশার আওয়াদ তাঁর বইয়ের ২২৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন।

এটিও উক্ত ছয়টি রিসালার অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত হয়েছে।

3 - তাকি আল-ফাসি তাঁর "সিয়ারু আলামিন নুবালা"-এর পরিশিষ্টে আয-যাহাবির জীবনী আলোচনা করেছেন, যার নামকরণ তিনি করেছেন "তারিফু আহলিল উলা"। সেখানে তিনি তাঁর কিছু রচনার কথা উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে: "সহিফা (صحيفة) নাজিফাহ মিন হাদিসি আবি হানিফা" ৩১/বি।

4 - লেখক তাঁর "আল-মুজামুল মুখতাস" গ্রন্থের ২৫৯ পৃষ্ঠায় মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আল-বালি-এর জীবনীতে বলেছেন: "আমি তাঁর জন্য একটি অংশ (جزء) সংকলন করেছি।"

5 - তিনি "আস-সিয়ার" ২০: ৫৫৭ পৃষ্ঠায় ইমাম ইবনে আসাকিরের জীবনীতে তাঁর একদল শিষ্যের কথা উল্লেখ করার পর বলেছেন: "হাফিজ (الحافظ) ইবনে আসাকিরের ছাত্রদের মধ্য থেকে আমার শিক্ষকদের নিকট থেকে প্রায় চল্লিশ জন বর্ণনা করেছেন, যাদের জন্য আমি একটি পৃথক অংশ (جزء) উৎসর্গ করেছি।"

6 - "ফাওয়াইদুর রিহলাহ", সাখাভি "ফাতহুল মুগিস" ১: ১৮১-এ তাঁর থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।

আমি বলছি: সাখাভি যে ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন তার উৎস হলো তাঁর উস্তাদ ইবনে হাজার কৃত "তাবাকাতুল মুদাল্লিসিন"-এ সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ-এর জীবনী, যা উক্ত সূত্র থেকে নেওয়া হয়েছে।

7 - লেখক "আস-সিয়ার" ১১: ৩৬৪ পৃষ্ঠায় ইমাম ইবনে রাহওয়াইহ-এর জীবনীতে বলেছেন: "নিশ্চয়ই নিফাক বিভক্ত ও শাখায়িত হয়, যেমন ঈমানের বিভিন্ন শাখা রয়েছে এবং এটি বৃদ্ধি পায় ও হ্রাস পায়... তবে যার অন্তরে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমানের ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে, সে মুসলিম নয় এবং সে জাহান্নামবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। পক্ষান্তরে যার অন্তরে আল্লাহ, তাঁর রাসুলগণ, ফেরেশতাকুল, কিতাবসমূহ এবং পরকালের প্রতি ঈমানের দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে—যদিও সে কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয়—তবুও সে কাফির (كافر) নয়।

এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় … , এ বিষয়ে আমাদের উস্তাদ ইমাম আবুল আব্বাস একটি পূর্ণাঙ্গ খণ্ড সংকলন করেছেন, যা আমি সংক্ষেপ করেছি।"

উস্তাদ মাজদ মাক্কি কর্তৃক এই রচনার সংযোজনটি সঠিক। তবে "আস-সিয়ার"-এর এই খণ্ডের গবেষকের মন্তব্যের কথাটি সঠিক নয়।

কারণ তিনি বলেছেন: এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো "মিনহাজুস সুন্নাহ" এবং আয-যাহাবি কর্তৃক এর সংক্ষিপ্তসার "আল-মুনতাকা মিন মিনহাজিল ইতিদাল", যা উস্তাদ মুহিব্বুদ্দিন আল-খাতিব মুদ্রণ করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٨)
ومعلوم أن " منهاج السنة " رد على الرافضي وقبيله، ولا علاقة له بهذه المسالة التي أشار إليها الذهبي أبدا، إنما يريد - والله أعلم - كتاب " الايمان " لابن تيمية رحمه الله، يكون للذهبي كتاب " مختصر كتاب الايمان "، والله أعلم باسمه وبحقيقة الامر.

8 - " فضل العلم " للذهبي، نقل عنه الامام مرتضى الزبيدي رحمه الله في " شرح الاحياء " 1: 74، 79، 82.

قلت: أما النقل عن الذهبي 1: 79، 82: فمسلم، والله أعلم من أي كتاب له، لكن النقل الاول 1: 74 يه تحريف، صوابه: " فضل العلم " للمرهبي، كما جاء في غير مصدر، وتحرف في " فيض القدير " إلى: الموهبي، وسيأتي نقل عن المرهبي في " شرح الاحياء " نفسه 1: 107، ويسمى فيه على الصواب.

‌‌1 - مكانة الكتاب وبعض فوائده

1 - إن كتاب " الكاشف " أحد الكتب التي دبجتها يراعة الامام الحافظ الناقد الذهبي، وكان فراغه من تأليفه في السابع والعشرين من شهر رمضان عام 720 هـ، وذلك بعد حوالي عام من فراغه من " تذهيب ويكفي " الكاشف " أنه من مصنفات هذا الامام، لا سيما أن تأليفه له كان بعد اكتماله في هذا الفن، فقد ألفه وله من العمر سبع وأربعون سنة، وسبقه قليلا تأليفه " تهذيب التهذيب " كما تقدم، وألف في العام نفسه " المغني في الضعفاء ".

ويكفيه أن مصنفه الامام قال عنه في مقدمته: " هذا مختصر نافع..".

و" الكاشف " هوو الكتاب الرابع المتفرع عن الكتاب الاول " الكمال في أسماء الرجال " للامام الحافظ عبد الغني المقدسي، المتوفى سنة 600، رحمه الله تعالى.

ويلي كتاب " الكمال: " تهذيب الكمال " للامام الاحافظ أبي الحجاج المزي المتوفى سنة 742 رحمه الله تعالى.

فهو الثاني.

ويليه: " تهذيب تهذيب الكمال " للمصنف الذهبي.

فهو الثالث.

وياتي من بعده: " الكاشف " رابع هذه السلسلة.

ويساويه في التسلسل: " خلاصة تذهيب تهذيب الكمال " للخزرجي المتوفى بعد سنة 923.

كما ترفع عن " تهذيب الكمال " صنوك " " التهذيب "، هو " تهذيب التهذيب " للحافظ ابن حجر، المتوفى سنة 852 رحمه الله تعالى.

وترع عن " تهذيب التهذيب ": " تقريب التهذيب " لابن حجر نفسه.

فتكون هذه الكتب الثلاثة بمرتبة واحدة في التسلسل، وهي: " الكاشف "، و " التقريب "، " الخلاصة ".

2 - مكانة الكتاب:

إن " الكاشف " كتاب تقتحمه العين من صغر حجمه إذا ما قيس بالكتب الكبيرة في هذا العلم الشريف، لكنه في حقيقته معلم مدرب، ومحرر معتمد.

وللحقيقة والانصاف أقول: إنه كتاب دربة وتعليم وتاسيس، أكثر من كونه مرجعا لحكم نهائي في
এটি সুবিদিত যে ‘মিনহাজুস সুন্নাহ’ হলো রাফেযী এবং তাদের গোষ্ঠীর ওপর একটি খণ্ডন (رد) মূলক গ্রন্থ, আর যাহাবী যে মাসআলার দিকে ইঙ্গিত করেছেন তার সাথে এই কিতাবের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং তিনি সম্ভবত — আল্লাহই ভালো জানেন — ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ)-এর ‘কিতাবুল ঈমান’ বুঝিয়েছেন; কেননা যাহাবীর ‘মুখতাসার কিতাবুল ঈমান’ নামে একটি সংক্ষেপিত (مختصر) গ্রন্থ রয়েছে। সেই গ্রন্থের নাম ও প্রকৃত বিষয় সম্পর্কে আল্লাহই ভালো জানেন।

8 - যাহাবীর ‘ফাদলুল ইলম’; ইমাম (الإمام) মুরতাজা আয-যাবীদী (রহিমাহুল্লাহ) ‘শারহুল ইহইয়া’ গ্রন্থের ১: ৭৪, ৭৯, ৮২ পৃষ্ঠায় এটি থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন।

আমি বলি: যাহাবীর উদ্ধৃতি ১: ৭৯ এবং ৮২ পৃষ্ঠায় থাকাটা স্বীকৃত, আল্লাহই ভালো জানেন এটি তাঁর কোন কিতাব থেকে নেওয়া। তবে ১: ৭৪ পৃষ্ঠার প্রথম উদ্ধৃতিটিতে একটি বিকৃতি (تحريف) ঘটেছে; এর সঠিক রূপ হবে: আল-মারহাবীর ‘ফাদলুল ইলম’, যা অন্যান্য অনেক উৎসে এসেছে। তবে ‘ফায়দুল কাদীর’ গ্রন্থে এটি বিকৃত (تحريف) হয়ে ‘আল-মাওহাবী’ হয়ে গেছে। অচিরেই ‘শারহুল ইহইয়া’ গ্রন্থের ১: ১০৭ পৃষ্ঠায় আল-মারহাবী থেকে একটি উদ্ধৃতি আসবে, যেখানে তাঁর নাম সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

‌‌১ - গ্রন্থের মর্যাদা এবং এর কিছু উপকারিতা

1 - নিশ্চয়ই ‘আল-কাশিফ’ হলো সেই সমস্ত কিতাবগুলোর একটি যা ইমাম (الإمام), হাফেজ (الحافظ) এবং সমালোচক (الناقد) যাহাবীর লেখনী দ্বারা রচিত হয়েছে। এটি সংকলন করে তিনি ৭২০ হিজরির ২৭শে রমজান তারিখে অবসর হন, যা তাঁর ‘তাযহীবু তাহযীবিল কামাল’ শেষ করার প্রায় এক বছর পরের ঘটনা। ‘আল-কাশিফ’-এর জন্য এটিই যথেষ্ট যে এটি এই ইমাম (الإمام)-এর অন্যতম সংকলন (مصنفات), বিশেষ করে এটি তিনি এই শাস্ত্র (الفن)-এ পূর্ণতা অর্জনের পর রচনা করেছেন। এটি রচনার সময় তাঁর বয়স ছিল সাতচল্লিশ বছর। এর কিছুকাল আগেই তিনি ‘তাহযীবুত তাহযীব’ (তাহযীবুল কামালের সারসংক্ষেপ) রচনা করেছিলেন, যেমনটি পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। একই বছর তিনি ‘আল-মুগনি ফিল দুয়াফা’ গ্রন্থটি রচনা করেন।

গ্রন্থটির জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, স্বয়ং সংকলক ইমাম (الإمام) এর ভূমিকায় বলেছেন: "এটি একটি উপকারী সংক্ষেপিত (مختصر) গ্রন্থ..."

‘আল-কাশিফ’ হলো চতুর্থ গ্রন্থ যা হাফেজ (الحافظ) আব্দুল গনি আল-মাকদিসী (মৃত্যু ৬০০ হি., রহিমাহুল্লাহ) রচিত প্রথম গ্রন্থ ‘আল-কামাল ফি আসমায়ির রিজাল’ থেকে শাখা হিসেবে বিস্তার লাভ করেছে।

‘আল-কামাল’-এর পরবর্তী স্তরে রয়েছে হাফেজ (الحافظ) আবুল হাজ্জাজ আল-মিযযী (মৃত্যু ৭৪২ হি., রহিমাহুল্লাহ) রচিত ‘তাহযীবুল কামাল’।

এটি হলো দ্বিতীয় পর্যায়ের গ্রন্থ।

এর পরের স্তরে রয়েছে সংকলক যাহাবীর ‘তাহযীবু তাহযীবিল কামাল’।

এটি হলো তৃতীয়।

আর এর পরে ‘আল-কাশিফ’ এই ধারার চতুর্থ গ্রন্থ হিসেবে এসেছে।

এই ধারায় একই সমান্তরালে রয়েছে আল-খাযরাজী (মৃত্যু ৯২৩ হিজরির পর) রচিত ‘খুলাসাতু তাযহীবু তাহযীবিল কামাল’।

যেভাবে ‘তাহযীবুল কামাল’ থেকে তার সমকক্ষ গ্রন্থ ‘আত-তাহযীব’ উৎসারিত হয়েছে, যা হলো হাফেজ (الحافظ) ইবনে হাজার (মৃত্যু ৮৫২ হি., রহিমাহুল্লাহ) রচিত ‘তাহযীবুত তাহযীব’।

আবার ‘তাহযীবুত তাহযীব’ থেকে উৎসারিত হয়েছে খোদ ইবনে হাজরের ‘তাকরীবুত তাহযীব’।

সুতরাং এই তিনটি গ্রন্থ পর্যায়ক্রমিক ধারায় একই স্তরের অন্তর্ভুক্ত, আর সেগুলো হলো: ‘আল-কাশিফ’, ‘তাকরীবুত তাহযীব’ এবং ‘খুলাসাতু তাযহীবু তাহযীবিল কামাল’।

2 - কিতাবের মর্যাদা:

এই মহান শাস্ত্র (الفن)-এর বিশাল গ্রন্থগুলোর সাথে তুলনা করলে ‘আল-কাশিফ’ তার ক্ষুদ্র অবয়বের কারণে সাধারণ দৃষ্টিতে তুচ্ছ মনে হতে পারে, কিন্তু এটি মূলত একজন দক্ষ নির্দেশক (معلم مدرب) এবং নির্ভরযোগ্য গবেষক (محرر معتمد)।

সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে আমি বলব: এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (حكم نهائي) প্রদানের রেফারেন্স হওয়ার চেয়ে বরং অনুশীলন, শিক্ষা এবং ভিত্তি নির্মাণের কিতাব হিসেবেই বেশি অগ্রগণ্য।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٩)
الجرح والتعديل، وأما " التقريب " فهو على خلاف ذلك،، هو مرجع لاخذ خلاصة في الجرح والتعديل أكثر منه مدربا معلما.

ولا ريب أن الرجوع إلى الكتابين معا خير ما يسلكه المبتدئ في هذا العلم.

قال تاج الدين السبكي رحمه الله تعالى في " طبقاته الكبرى " 9: 100 وهو يعدد مصنافت شيخه الذهبي: " و " الكاشف "، وهو مجلد نفيس ".

وهذا ثناء من تلميذ، لكنه ناقد إمام، وخبير بالكتاب، وسيرى القارئ الكريم في آخر هذه الدراسات - إن شاء الله تعالى - تناول التاج السبكي كتاب " الكاشف " من يد مؤلفه.

ومما يدل على نفاسه: اعتناء العلماء بسماعه من مؤلفه، وقراءتهم له عليه، ونسخهم منه نسخا، واختصره بعضهم، وذيل عليه آخر، وعمل بعضهم عليه " حاشية " و " نكتا " فهذه خمسة أعمال علمية.

وهاكم البيان: - لقد حفلت الصفحة الاولى والاخيرة من نسخة المصنف بوثاثق السماع والقراءة على مصنفه، والمناولة منه، لعدد غير قليل من العلماء الكبار، وفيها إشعار باستنساخ بعضهم نسخا عنه، ومنهم من نسخه ثلاث مرات، وسيرى القارئ الكريم ذلك مبينا آخر هذه الدراسات، فلا أتعجل ببيانها الآن.

ونسخه عليماء، قرئ على علماء، ويكرر الحافظ البرهان سبط ابن العجمي في " حاشيته " النقل عن نسخة قرئت على الامام الحافظ ابن رافع السلامي.

واعتقادي أنه لا تخلو مكتبة من مكتبات المخطوطات من نسخة، أو نسخ، أو عشرات النسخ، من هذا الكتاب، ولقد تيسر لي منه ست نسخ خطية دون تعمد ولا تكلف للصول عليها.

- ولكونه كتابا مختصرا لم تتوفر جهود العلماء على اختصاره، إلا واحدا منهم هوو أبو عبد الله محمد بن

منصور الاصبحي الحنفي المتوفى سنة 793، فانه لخصه، ومن تلخيصه مصورة محفوظة بين مخطوطات الجامعة الاسلامية بالمدينة المنورة، حت رقم 1701، في 156 ورقة.

- وهذه " حاشية " الامام برهان الدين سبط ابن العجمي، تقدم الآن إلى القراء، وأسال الله التوفيق والنفع بها.

- وللحافظ ابن حجر " النكت على الكاشف "، ذكر ذلك تلميذاه النجم ابن فهد المتوفى سنة 885 رحمه الله تعالى، في " معجم الشيوخ " ص 56، والسخاوي المتوفى سنة 902 رحمه الله تعالى، في " الضوء اللامع " 1: 251 كلاهما في ترجمة شهاب الدين أحمد بن أبي بكر البوصيري المتوفي سنة 840، قالا: إنه لازم ابن حجر وكتب عنه كتابه " لسان الميزان " و " النكت على الكاشف "، ولم أقف على خبره بعد.

ولا أستطيع المقارنة بين هذه " الكنت " و " الحاشية "، لعدم وقوفي على " النكت "، لكني أقدر أن طابع النقد يغلب على " النكتب "، لان ابن حجر كان ينظر إلى " الكاشف " أن فيه " الاحجاف "

1) ، وأن " تراجمه كالعنوان "

2) .

- وقد طبع عام 1406 " ذيل الكاشف " للامام الحافظ ولي الدين أبي زرعة العراقي المتوفي سنة 826 رحمه الله تعالى، لكنها طبعة سقيمة.
জারহ ও তা'দিল (الجرح والتعديل), পক্ষান্তরে "তাকরীব" এর বিষয়টি ভিন্ন; এটি কোনো শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার চেয়ে বরং জারহ ও তা'দিল (الجرح والتعديل) এর ক্ষেত্রে একটি সারসংক্ষেপ গ্রহণের রেফারেন্স হিসেবেই বেশি পরিচিত।

কোনো সন্দেহ নেই যে, এই ইলমে একজন শিক্ষার্থীর জন্য উভয় কিতাবের শরণাপন্ন হওয়া সর্বোত্তম পন্থা।

তাজউদ্দীন আস-সুবকি রাহিমাহুল্লাহ তা'আলা তার "তাবাকাত আল-কুবরা" (৯: ১০০) গ্রন্থে তার শাইখ আয-যাহাবীর রচনাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন: "এবং 'আল-কাশিফ', এটি একটি অমূল্য খণ্ড।"

এটি একজন ছাত্রের পক্ষ থেকে প্রশংসা, তবে তিনি একজন ইমাম পর্যায়ের সমালোচক (ناقد) এবং এই কিতাব সম্পর্কে অভিজ্ঞ। সম্মানিত পাঠক এই পর্যালোচনার শেষে—ইনশাআল্লাহ তা'আলা—দেখতে পাবেন যে, তাজ আস-সুবকি স্বয়ং লেখকের নিকট থেকে "আল-কাশিফ" কিতাবটি গ্রহণ করেছেন।

কিতাবটির অমূল্য হওয়ার অন্যতম প্রমাণ হলো: এর লেখকের নিকট থেকে এটি শোনার ব্যাপারে উলামায়ে কেরামের যত্নশীলতা, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা, এর অসংখ্য অনুলিপি তৈরি করা, কারো কারো এর সংক্ষিপ্তসার তৈরি করা, কারো এটি নিয়ে পরিশিষ্ট (ذيل) রচনা করা এবং কারো এর ওপর টীকা (حاشية) ও সূক্ষ্ম আলোচনা (نكتا) সংকলন করা। সুতরাং এই পাঁচটি জ্ঞানগর্ভ কাজ এই কিতাবকে কেন্দ্র করে সম্পন্ন হয়েছে।

এর বিবরণ নিম্নরূপ: লেখকের নিজস্ব পাণ্ডুলিপির প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠাটি বড় মাপের একদল আলেম কর্তৃক লেখকের নিকট শ্রবণ ও পাঠের সনদ এবং তাঁর থেকে সরাসরি পাণ্ডুলিপি গ্রহণের দলিলে পরিপূর্ণ। এতে ইঙ্গিত রয়েছে যে, তাঁদের মধ্যে অনেকে এটি থেকে অনুলিপি তৈরি করেছেন, এমনকি কেউ কেউ তিনবার এটি অনুলিপি করেছেন। সম্মানিত পাঠক এই পর্যালোচনার শেষে এর বিস্তারিত বিবরণ দেখতে পাবেন, তাই আমি এখনই তা প্রকাশে তাড়াহুড়ো করছি না।

এর অনুলিপি করেছেন উলামায়ে কেরাম এবং এটি পঠিত হয়েছে উলামায়ে কেরামের নিকট। হাফেজ বুরহান সিবত ইবনুল আজমী তাঁর টীকাগ্রন্থে (حاشية) ইমাম হাফেজ ইবনে রাফে আস-সালামীর নিকট পঠিত পাণ্ডুলিপি থেকে বারবার উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন।

আমার বিশ্বাস এই যে, পাণ্ডুলিপির সমৃদ্ধ এমন কোনো লাইব্রেরি নেই যেখানে এই কিতাবের একটি, একাধিক বা ডজনখানেক পাণ্ডুলিপি নেই। আমার কাছেই বিশেষ কোনো চেষ্টা বা পরিশ্রম ছাড়াই এর ছয়টি হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি সহজলভ্য হয়েছে।

- এটি একটি সংক্ষিপ্ত (مختصرا) কিতাব হওয়ায় উলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে এর সারসংক্ষেপ করার তেমন কোনো প্রচেষ্টা দেখা যায় না; কেবল একজন ব্যতীত, যিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মনসুর আল-আসবাহি আল-হানাফি (মৃত্যু: ৭৯৩ হিজরি)। তিনি এটি সংক্ষেপ করেছেন এবং মদীনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপি বিভাগে তার এই সংক্ষেপিত পাণ্ডুলিপিটির একটি কপি ১৭০১ নম্বরে ১৫৬ পৃষ্ঠায় সংরক্ষিত আছে।

- এটি ইমাম বুরহান উদ্দীন সিবত ইবনুল আজমীর টীকা (حاشية), যা এখন পাঠকদের সামনে পেশ করা হচ্ছে। আমি আল্লাহর নিকট এর তাওফিক এবং এর দ্বারা উপকারিতা প্রার্থনা করছি।

- হাফেজ ইবনে হাজারের "আন-নুকাত আলাল কাশিফ" নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে। তাঁর দুই ছাত্র—নাজম ইবনে ফাহাদ (মৃত্যু: ৮৮৫ হিজরি) তার "মু'জামুশ শুয়ুখ" এর ৫৬ পৃষ্ঠায় এবং সাখাভী (মৃত্যু: ৯০২ হিজরি) তার "আদ-দউ আল-লামি" গ্রন্থের ১: ২৫১ পৃষ্ঠায়—শিহাবুদ্দীন আহমদ বিন আবু বকর আল-বুসিরীর (মৃত্যু: ৮৪০ হিজরি) জীবনীতে (ترجمة) এর উল্লেখ করেছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন যে, তিনি ইবনে হাজারের সান্নিধ্যে ছিলেন এবং তাঁর থেকে "লিসানুল মিজান" ও "আন-নুকাত আলাল কাশিফ" কিতাব দুটি লিখেছেন। এরপর কিতাবটির ব্যাপারে আমি আর কোনো সংবাদ পাইনি।

আমি এই সূক্ষ্ম আলোচনা (النكت) এবং টীকা (الحاشية) এর মধ্যে তুলনা করতে সক্ষম নই, কারণ আমি সূক্ষ্ম আলোচনাটি (النكت) দেখার সুযোগ পাইনি। তবে আমি ধারণা করছি যে, সূক্ষ্ম আলোচনা (النكت) গ্রন্থটিতে সমালোচনার (النقد) ছাপই প্রবল হবে; কারণ ইবনে হাজার "আল-কাশিফ" কিতাবটিকে ত্রুটিপূর্ণ বা অসম্পূর্ণ (الإجحاف)

১) মনে করতেন এবং বলতেন যে, এর জীবনীগুলো (تراجمه) কেবল শিরোনামের মতো মাত্র।

২) ।

- ১৪০৬ হিজরিতে ইমাম হাফেজ ওয়ালিউদ্দীন আবু যুরআ আল-ইরাকীর (মৃত্যু: ৮২৬ হিজরি) লেখা পরিশিষ্ট "যাইলুল কাশিফ" (ذيل الكاشف) মুদ্রিত হয়েছে, তবে সেই মুদ্রণটি ছিল ত্রুটিপূর্ণ।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١٠)
وقد جمع فيه مصنفه تراجم مختصرة على نمط تراجم " الكاشف "، هي تراجم من ترك الذهبي ذكره عمدا من رجال تلك الكتب الزائدة على الستة الاصول، وأضاف إليها تراجم رجال " المسند " للامام أحمد وزوائد ابنه عبد الله.

ولولا هذه الاضافة لما كان من الكتاب جدوى.

على أن الذهبي نفسه قد استدرك هذا الاستدراك، فقد نسب إليه السخاوي في " الاعلان بالتوبيخ " ص 233 كتاب " أسماء من أخرج لهم أصحاب الكتب الستة في تواليفهم سواها، ممن لم يذكرهم في الكاشف "، فلا أدري ما وجه هذا الاستدراك؟.

3 - بعض فوائد " الكاشف ": هذا الشهرة والتداول ك " الكاشف " إنما يرجع إلى مزية واحدة رئيسية، تليها مزية ثانية هي أقل وجودا من الاولى، وهذا ما أردته بقولي السابق: إنه كتاب دربة وتعليم، ثم كتاب جرح وتعديل.

وبيان ذلك.

1 - أننك تقرأ فيه تراجم رجال الكتب الستة الاصول، ومع كل ترجمة ذكر أشهر شيوخ المترجم وتلامذته، وكثيرا ما ينقل لك حال الرجل جرحا وتعديلا، أو يعطيك من عنده خلاصة الاقوال فيه، ثم يشير برمز موجز إلى من أخرج حديثه من أصحاب الكتب الستة.

ورواة الكتب الستة هم أشهر رواة السنة، فمن أكثر من النظر في تراجمهم فقد استفاد رسوخ أسمائهم في حافظته.

ثم إن شيوخهم وتلامذتهم تداخلون في بعضهم بعضا، فكثيرون جدا يروون عن بعضهم، مما يسبب تكرار أسمائهم مئات المرات في الكتاب، وقسم منهم يكون تكرارهم أقل وأقل.

وهذا التكرار خير معين على حفظ أسماء هؤلاء الرواة، مع تقريب طبقاتهم الزمنية، ومعرفة الاتصال.

بينهم وعدمه.

وإن استحضار معاني هذا الفن لاسماء رجاله مع تقريب الطبقة الزمنية، ومعرفة الاتصال وعدمه: هو إولي لوازمه الاساسية.

2 - حكايته أقوال الجرح والتعديل عن أصحابها، مما ينمي ملكة هذا العلم في القارئ، ويورثه فهمها، وإذا كان في الرجل الواحد جرح وتعديل في أن واحد، اكتسب القارئ معرفة النتيجة التي يخلص إليها من جراء هذا التعارض.

وحينما يعطيك المصنف كلمة واحدة من عنده في الرجل، تعلم أن هذا هو القول المعتمد عنده، فإذا رجعتإلى أصوله، أمكنك أن تفسر الاقوال المتعارضة على ضوء ما اختاره لك.

ويزيد القارئ إفادة باخبار ثانوية عن المترجم: عبادته وتقواه، وعلمه وخلقه، مما يعطي صورة عنه أتم وأوفي.

ياتي بعد قليل إن شاء الله تعالى تفصيل ذلك في الحديث عن منهجه.
وقد جمع فيه مصنفه تراجم مختصرة على نمط تراجم " الكاشف "، هي تراجم من ترك الذهبي ذكره عمدا من رجال تلك الكتب الزائدة على الستة الاصول، وأضاف إليها تراجم رجال " المسند " للامام أحمد وزوائد ابنه عبد الله.

এর সংকলক এতে "আল-কাশিফ"-এর জীবনীর আদলে সংক্ষিপ্ত জীবনী (تراجم) সংগ্রহ করেছেন। এগুলো মূলত সেই সব বর্ণনাকারীদের জীবনী যাদের ইমাম যাহাবি ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিয়েছিলেন—অর্থাৎ যারা কুতুবুস সিত্তাহ বা প্রধান ছয়টি কিতাবের অতিরিক্ত কিতাবসমূহের বর্ণনাকারী ছিলেন। এর সাথে তিনি ইমাম আহমাদের মুসনাদ এবং তাঁর পুত্র আবদুল্লাহর বর্ণিত অতিরিক্ত (যাওয়ায়েদ) বর্ণনাকারীদের জীবনীও যুক্ত করেছেন।

ولولا هذه الاضافة لما كان من الكتاب جدوى.

যদি এই সংযোজন না থাকত, তবে কিতাবটির তেমন কোনো উপযোগিতা থাকত না।

على أن الذهبي نفسه قد استدرك هذا الاستدراك، فقد نسب إليه السخاوي في " الاعلان بالتوبيخ " ص 233 كتاب " أسماء من أخرج لهم أصحاب الكتب الستة في تواليفهم سواها، ممن لم يذكرهم في الكاشف "، فلا أدري ما وجه هذا الاستدراك؟.

যদিও ইমাম যাহাবি নিজেই এই ঘাটতি পূরণ (استدراك) করেছিলেন। আল-সাখাভি তাঁর "আল-ই'লান বিত-তাওবিখ" গ্রন্থের ২৩৩ পৃষ্ঠায় তাঁর (যাহাবির) প্রতি একটি কিতাব সোপর্দ করেছেন যার নাম: "আসমাউ মান আখরাজা লাহুম আসহাবু আল-কুতুব আল-সিত্তাহ ফি তাওয়ালিফিহিম সিওয়াহা, মিম্মান লাম ইয়াজকুরহুম ফিল কাশিফ"। ফলে আমি জানি না এই নতুন করে ঘাটতি পূরণের (استدراك) কারণ কী হতে পারে?

3 - بعض فوائد " الكاشف ": هذا الشهرة والتداول ك " الكاشف " إنما يرجع إلى مزية واحدة رئيسية، تليها مزية ثانية هي أقل وجودا من الاولى، وهذا ما أردته بقولي السابق: إنه كتاب دربة وتعليم، ثم كتاب جرح وتعديل.

৩ - "আল-কাশিফ"-এর কিছু উপকারিতা: "আল-কাশিফ"-এর মতো এই খ্যাতি ও বহুল প্রচার মূলত একটি প্রধান বৈশিষ্ট্যের কারণে, যার পরে আসে দ্বিতীয় একটি বৈশিষ্ট্য যা প্রথমটির চেয়ে কম বিদ্যমান। আর এটিই আমি আমার পূর্বের কথায় বুঝিয়েছি যে: এটি একটি অনুশীলন ও শিক্ষার কিতাব, এবং অতঃপর এটি একটি সমালোচনা ও গুণাগুণ বিশ্লেষণ (جرح وتعديل)-এর কিতাব।

وبيان ذلك.

এর ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:

1 - أننك تقرأ فيه تراجم رجال الكتب الستة الاصول، ومع كل ترجمة ذكر أشهر شيوخ المترجم وتلامذته، وكثيرا ما ينقل لك حال الرجل جرحا وتعديلا، أو يعطيك من عنده خلاصة الاقوال فيه، ثم يشير برمز موجز إلى من أخرج حديثه من أصحاب الكتب الستة.

১ - আপনি এতে কুতুবুস সিত্তাহ-র বর্ণনাকারীদের জীবনী (تراجم) পাঠ করবেন। প্রতিটি জীবনীর সাথে উক্ত ব্যক্তির প্রসিদ্ধ উস্তাদ ও ছাত্রদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে তিনি বর্ণনাকারীর অবস্থা সম্পর্কে সমালোচনা ও গুণাগুণ বিশ্লেষণ (جرح وتعديل) উদ্ধৃত করেন, অথবা তাঁর সম্পর্কে প্রচলিত বক্তব্যের একটি সারসংক্ষেপ প্রদান করেন। অতঃপর কুতুবুস সিত্তাহ-র সংকলকদের মধ্যে কে কে তাঁর হাদিস বর্ণনা করেছেন, তা একটি সংক্ষিপ্ত চিহ্নের মাধ্যমে ইঙ্গিত করেন।

ورواة الكتب الستة هم أشهر رواة السنة، فمن أكثر من النظر في تراجمهم فقد استفاد رسوخ أسمائهم في حافظته.

আর কুতুবুস সিত্তাহ-র বর্ণনাকারীরা হলেন সুন্নাহর সর্বাধিক প্রসিদ্ধ বর্ণনাকারী। সুতরাং যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণে তাঁদের জীবনী (تراجم) পর্যালোচনা করবে, সে তার স্মৃতিশক্তিতে তাঁদের নাম সুদৃঢ় করার মাধ্যমে উপকৃত হবে।

ثم إن شيوخهم وتلامذتهم تداخلون في بعضهم بعضا، فكثيرون جدا يروون عن بعضهم، مما يسبب تكرار أسمائهم مئات المرات في الكتاب، وقسم منهم يكون تكرارهم أقل وأقل.

তদুপরি তাঁদের উস্তাদ ও ছাত্ররা একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁদের মধ্যে অনেকেই একে অপরের থেকে বর্ণনা করেন, যার ফলে কিতাবটিতে তাঁদের নাম শত শত বার পুনরাবৃত্তি হয়, যদিও কারো কারো ক্ষেত্রে এই পুনরাবৃত্তি তুলনামূলক কম।

وهذا التكرار خير معين على حفظ أسماء هؤلاء الرواة، مع تقريب طبقاتهم الزمنية، ومعرفة الاتصال.

এই পুনরাবৃত্তি বর্ণনাকারীদের নাম মুখস্থ করার ক্ষেত্রে সর্বোত্তম সহায়ক, সেইসাথে তাঁদের সমসাময়িক স্তর (طبقات) কাছাকাছি নিয়ে আসা এবং তাঁদের মধ্যকার নিরবচ্ছিন্নতা (اتصال) সম্পর্কে জানার ক্ষেত্রেও তা সহায়ক।

بينهم وعدمه.

এবং নিরবচ্ছিন্নতার অভাব সম্পর্কেও ধারণা দেয়।

وإن استحضار معاني هذا الفن لاسماء رجاله مع تقريب الطبقة الزمنية، ومعرفة الاتصال وعدمه: هو إولي لوازمه الاساسية.

আর এই শাস্ত্রের বর্ণনাকারীদের নাম স্মরণে রাখা, তাঁদের সমসাময়িক স্তরকে (طبقات) কাছাকাছি আনা এবং নিরবচ্ছিন্নতা (اتصال) ও তার অভাব সম্পর্কে জ্ঞান রাখা—এই শাস্ত্রের অন্যতম প্রধান ও অপরিহার্য বিষয়।

2 - حكايته أقوال الجرح والتعديل عن أصحابها، مما ينمي ملكة هذا العلم في القارئ، ويورثه فهمها، وإذا كان في الرجل الواحد جرح وتعديل في أن واحد، اكتسب القارئ معرفة النتيجة التي يخلص إليها من جراء هذا التعارض.

২ - এতে সমালোচনা ও গুণাগুণ বিশ্লেষণ (جرح وتعديل) সংক্রান্ত বক্তব্যগুলো মূল প্রবক্তাদের উদ্ধৃতিসহ বর্ণনা করা হয়েছে, যা পাঠকের মধ্যে এই ইলমের বিশেষ দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং এর উপলব্ধি তৈরি করে। যখন একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই সাথে সমালোচনা (جرح) ও প্রশংসা (تعديل) বিদ্যমান থাকে, তখন পাঠক এই বৈপরীত্য থেকে উদ্ভূত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জ্ঞান অর্জন করতে পারেন।

وحينما يعطيك المصنف كلمة واحدة من عنده في الرجل، تعلم أن هذا هو القول المعتمد عنده، فإذا رجعتإلى أصوله، أمكنك أن تفسر الاقوال المتعارضة على ضوء ما اختاره لك.

যখন লেখক কোনো বর্ণনাকারী সম্পর্কে নিজের পক্ষ থেকে একটি মন্তব্য প্রদান করেন, তখন আপনি জানতে পারেন যে এটিই তাঁর নিকট নির্ভরযোগ্য মত। এরপর আপনি যখন মূল উৎসগুলোর দিকে ফিরে যাবেন, তখন তাঁর পছন্দের আলোকে আপনি পরস্পরবিরোধী বক্তব্যগুলোর ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হবেন।

ويزيد القارئ إفادة باخبار ثانوية عن المترجم: عبادته وتقواه، وعلمه وخلقه، مما يعطي صورة عنه أتم وأوفي.

এছাড়া বর্ণনাকারীর ইবাদত-বন্দেগি, তাকওয়া, ইলম ও চরিত্র সম্পর্কে আনুষঙ্গিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে পাঠক আরও উপকৃত হন, যা তাঁর সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ও বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে।

ياتي بعد قليل إن شاء الله تعالى تفصيل ذلك في الحديث عن منهجه.ইনশাআল্লাহ তাআলা, লেখকের কর্মপদ্ধতি (মানহাজ) আলোচনার সময় অচিরেই এর বিস্তারিত বিবরণ সামনে আসবে।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١١)
ولكن مما لا بد منه تحت هذا العنوان - بعض فوائده -: التنبيه إلى عدد يسير من فوائده العابرة مما تحتمله ذه الدراسة، وأثر منها عددا ما يجده المتتبع في التعليقات تصريحا أو إشارة.

ومن المعلوم: أن المترصد لحاجة ما يعتبرها فائدة غالية عليه حينما يقف عليها، في حين أن القارئ غير المترصد لها يمر بها وهو لا يشعر لها بقيمة، فما أذكره، وما لا أذكره - لكني أقدر أنه فائدة - قد لا يروق عند قارئ آخر ولا يراه فائدة.

فهي أمور نسبية.

فمن فوائده: 1 - تنبيهه إلى عدد من الرواة قد روى لهم مسلم في " صحيحة " وفيهم كلام وجرح: أن مسلما روى لهم متابعة، وهؤلاء يتسامح معهم في الرواية بما لا يتسامح في الرواية عنهم في الاصول.

فمنهم سليمان بن قرم، وصالح بن رستم الخزاز، وعبد العزيز بن المطلب بن حنطب، ولم ينبه المزي ولا بان حجر إلى شئ من هذا.

2 - وترجم المزي لعروة المزني الذي بروي عن عائشة رضي الله عنها، ورمز له: دت ق، وتبعه المصنف في " التهذيب " 3: 141 / آ، وابن حجر في كتابيه: " التهذيب " و " التقريب "، لكنه اقتصر هنا على: دت، وهو الصواب، ذلك أنه جاء في رواية ابن ماجه 1: 168

502- منسوبا: عروة بن الزبير، والمزني غيره.

واستمرارا على هذا الستنبه والدقة، فانه لم يترجم لعروة بن الزبير في كتابه " المجرد "، لانه لا ينفق مع شرطه فيه، ولا لعروة المزني، لانه ليس له ذكر فيه.

3 - وقال في ترجمة ممطور الحبشي: " روى عنه الاوزاعي، وما أراه لقيه، وقال أبو مسهر: سمع من عبادة بن الصامت، وغالب راياته مرسلة، ولذا ما أخرج له البخاري ".

أما قوله عن الاوزاعي: " ما أراه لقيه ": فمن فوائد هذا الكتاب النادرة.

وأما كلمة أبي مسهر: فمن زيادات المصنف في " تذهيبه " 4: 69 / آ، وليست عند المزي ولا ابن حجر.

وأما قوله: " غالب رواياته مرسلة ": فيلتقي من حيث الجملة بما في التهذيبين، لكن أفادنا بتعليله " لذا ما أخرج له البخاري ": ما هو سبب إعراض البخاري عن الرواية له، وأفادنا أن البخاري قد يعرض عن حديث الرجل لا لعلة ذاتية، بل لامر خارجي عن ذاته، لا يؤثر فيه جرحا وضعفا، إذ الاكثار من الروايات

المرسلة لا يؤثر في عدالة الرجل ولا في ضبطه.

4 - وقال في ترجمة صلة بن زفر العبسي أحد شيوخ أيوب السختياني: " قيل: توفي زمن مصعب، فعلى هذا لم يلقه أيوب ".

وها التنبيه من فوائد الكتاب النادرة أيضا.

إلى أمثلة أخرى يجدها المتتبع للكتاب.

ومما شاع على ألسته أهل العلم: لا يغني كتاب عن كتاب.

* * *
তবে এই শিরোনামের অধীনে—এর কিছু উপযোগিতা—যা অনিবার্য তা হলো: এই গবেষণার পরিসরে এর সামান্য কিছু প্রাসঙ্গিক উপযোগিতার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা। অনুসন্ধানকারী এর টীকা-টিপ্পনীতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এমন বেশ কিছু উপযোগিতার ছাপ খুঁজে পাবেন।

এটি সুবিদিত যে, কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয়ের সন্ধানী যখন তার কাঙ্ক্ষিত বিষয়টি খুঁজে পান, তখন তিনি তাকে একটি মূল্যবান উপযোগিতা হিসেবে গণ্য করেন। পক্ষান্তরে, যে পাঠক এর অন্বেষণে নেই, তিনি হয়তো বিষয়টি পড়ার সময় এর গুরুত্ব অনুভব করেন না। সুতরাং আমি যা উল্লেখ করছি এবং যা উল্লেখ করছি না—তবে আমি সেগুলোকে উপযোগিতা মনে করছি—তা অন্য কোনো পাঠকের কাছে পছন্দনীয় নাও হতে পারে এবং তিনি হয়তো সেটিকে উপযোগিতা হিসেবে গণ্য করবেন না।

সুতরাং এগুলো আপেক্ষিক বিষয়।

এর উপযোগিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১ - এমন কিছু বর্ণনাকারীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাদের থেকে ইমাম মুসলিম তাঁর 'সহিহ'-এ বর্ণনা গ্রহণ করেছেন, অথচ তাদের ব্যাপারে আপত্তি ও সমালোচনা (جرح) রয়েছে। ইমাম মুসলিম মূলত তাদের থেকে সমর্থনমূলক বর্ণনা (متابعة) হিসেবে হাদিস গ্রহণ করেছেন। আর এই শ্রেণির বর্ণনাকারীদের ক্ষেত্রে বর্ণনার যে শিথিলতা অবলম্বন করা হয়, তা মূল বর্ণনাসমূহ (الأصول)-এর ক্ষেত্রে করা হয় না।

তাদের মধ্যে রয়েছেন সুলাইমান বিন কারম, সালিহ বিন রুস্তম আল-খাযযায এবং আবদুল আজিজ বিন আল-মুত্তালিব বিন হানতাব। মিযযি বা ইবনে হাজার কেউই এ বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত দেননি।

২ - মিযযি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনাকারী উরওয়াহ আল-মুযানীর জীবনী আলোচনা (ترجم) করেছেন এবং তাঁর জন্য 'দা', 'তি', 'কা' (দাল, তা, কাফ) সংকেত ব্যবহার করেছেন। গ্রন্থকার 'আত-তাহযীব'-এর ৩: ১৪১/আ-তে তাঁকে অনুসরণ করেছেন এবং ইবনে হাজারও তাঁর দুই গ্রন্থ 'আত-তাহযীব' ও 'আত-তাকরীব'-এ তা-ই করেছেন। তবে তিনি এখানে কেবল 'দা' ও 'তি' সংকেতের ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছেন, আর এটিই সঠিক। কারণ ইবনে মাজাহ-র ১: ১৬৮ এর বর্ণনায় এসেছে—

৫০২- সম্বন্ধযুক্তভাবে: উরওয়াহ বিন আয-যুবাইর; আর আল-মুযানী অন্য ব্যক্তি।

এই পর্যবেক্ষণ ও সূক্ষ্মতার ধারাবাহিকতায় তিনি তাঁর 'আল-মুজাররাদ' গ্রন্থে উরওয়াহ বিন আয-যুবাইরের জীবনী আলোচনা করেননি, কারণ এটি তাঁর নির্ধারিত শর্তের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়; আবার উরওয়াহ আল-মুযানীরও উল্লেখ করেননি, কারণ সেখানে তাঁর কোনো বর্ণনা নেই।

৩ - মামতুর আল-হাবাশির জীবনী আলোচনায় তিনি বলেছেন: "আওযায়ি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে আমার মনে হয় না যে তিনি তাঁর সাক্ষাৎ পেয়েছেন। আবু মুশহির বলেছেন: তিনি উবাদাহ বিন আস-সামিত থেকে শুনেছেন, তবে তাঁর অধিকাংশ বর্ণনাই বিচ্ছিন্ন (مرسلة); আর এ কারণেই বুখারি তাঁর থেকে কোনো হাদিস গ্রহণ করেননি।"

আওযায়ি সম্পর্কে তাঁর এই উক্তি: "আমার মনে হয় না যে তিনি তাঁর সাক্ষাৎ পেয়েছেন"—এটি এই গ্রন্থের বিরল উপযোগিতাগুলোর একটি।

আর আবু মুশহিরের উক্তিটি গ্রন্থকার কর্তৃক তাঁর 'তাযহিব' (৪: ৬৯/আ) গ্রন্থে কৃত সংযোজনগুলোর একটি, যা মিযযি বা ইবনে হাজারের নিকট নেই।

আর তাঁর উক্তি: "তাঁর অধিকাংশ বর্ণনাই বিচ্ছিন্ন (مرسلة)"—এটি সারসংক্ষেপ হিসেবে উভয় 'তাহযীব'-এ যা আছে তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে তিনি "এ কারণেই বুখারি তাঁর থেকে হাদিস গ্রহণ করেননি" বলে যে কারণ উল্লেখ করেছেন, তা থেকে আমরা জানতে পারি কেন বুখারি তাঁর বর্ণনা গ্রহণ করা থেকে বিরত থেকেছেন। এটি আমাদের আরও শিক্ষা দেয় যে, বুখারি কোনো ব্যক্তির হাদিস বর্জন করতে পারেন তাঁর ব্যক্তিগত কোনো ত্রুটির জন্য নয়, বরং এমন কোনো বাহ্যিক কারণে যা তাঁর ওপর কোনো সমালোচনা (جرحا) বা দুর্বলতা (وضعفا) আরোপ করে না। কেননা বিচ্ছিন্ন (مرسلة) বর্ণনার আধিক্য কোনো ব্যক্তির ন্যায়পরায়ণতা (عدالة) বা তাঁর স্মৃতিশক্তির নির্ভুলতা (ضبطه)-এর ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না।

৪ - আইয়ুব আস-সাখতিয়ানির অন্যতম উস্তাদ সিলাহ বিন যুফার আল-আবসির জীবনীতে তিনি বলেছেন: "বলা হয়েছে যে, তিনি মুসয়াবের আমলে ইন্তেকাল করেন; সুতরাং সেই অনুযায়ী আইয়ুব তাঁর সাক্ষাৎ পাননি।"

এই পর্যবেক্ষণটিও গ্রন্থের অন্যতম বিরল উপযোগিতা।

এমন আরও অনেক উদাহরণ রয়েছে যা এই গ্রন্থের নিবিড় পাঠক খুঁজে পাবেন।

আর জ্ঞানীদের মুখে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে: এক গ্রন্থ অন্য গ্রন্থের বিকল্প হতে পারে না।

* * *
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١٢)
وقبل النقلة إلى دراسة منهج الكتاب، أرى من الماسب أن أعرض لامر اختلفت فيه عبارات من ذكر " الكاشف "، وهو: هل " الكاشف " مختصر من " تهذيب الكمال " مباشرة، أو من " تذهيب تذهيب الكمال ".

قال المصنف رحمه الله في عنوان الكتاب: " كتاب الكاشف ي معرفة م له رواية في الكتب الستة.

اقتضبه محمد بن أحمد بن عثمان ابن الذهبي من تهذيب الكمال ".

ثم قال في مقدمته: " هذا مختصر نافع … متضب من تهذيب الكمال ".

ومن هنا قال الحافظ في مقدمة " تهذيبه " 1: 3 وهو يثني على " تهذيب الكمال ": " هو الذي الذي وفق بين اسم الكتاب ومسماه … ، ولكن قصت الهمم عن تحصيله لطوله، فاقتصر بعض الناس على الكشف من " الكاشف " الذي اختصره منه الحافظ أبو عبد الله الذهبي ".

أما غيره من العلماء فكلامهم متجه إلى أن " الكاشف " مختصر من " تذهيب التهذيب ".

قال ذلك الصلاح الصفدي في " الوافي " 2: 164 - على احتمال فيه - والتاج السبكي في " طبقاته الكبرى " 9: 104، وابن العماد في " شذرات الذهب " 6: 155، والبرهان سبط ابن العجمي في مقدمة " نهاية السول، ولفظه المقصود منه: " كتاب التذهيب للحافظ أبي عبد الله الذهبي … ، وكتاب " الكاشف " مختصره … ".

ومنهم السيوطي رحمهم الله جميعا - في " ذيل تذكرة الفاظ " ص 348 قال وهو يعدد مصنفات الذهبي: " ومختصر " تهذيب الكمال " و " الكاشف " مختصر ذلك ".

فهؤلاء خمسة من العلماء السابقين يقولون: إن " الكاشف " مختصر من " التذهيب ".

والامر أبسط من أن يحتاج إلى عرض المشكلة ثم حلها، فهو أيسر من ذلك، غاية ما في الامر أن

المصنف قال: إنه مقتضب من " تهذيب الكمال " باعتبار الاصل الاول، ومن قال: إنه مقتضب من " تذهيبه " فقد لا حظ الواقع والتسلسل الصنيفي، فكتاب المزي أصل الكتابين، وهما مختصارن منه، " الكاشف " جاء اختصارا ثانيا بعد " التذهيب " فهو فرع عنه.

وقد لا حظت في أكثر من موضع أن الوهم يحصل للمصنففي الكتابين معا، فكنتأعلق على هذه الظاهرة بان المصنف استخرج " الكاشف " واستخلصه من " التذهيب "

1) .

وقد جزم الدكتور بشار عواد في كتابه عن " الذهبي " ص 228، ومقدمة " تهذيب الكمال " ص 54 بان " الكاشف " مختصر من كتاب المزي، ووهم من قال خلاف ذلك، محتجا بقول الذهبي الذي قدمته، وب " أن " الكاشف " اقتصر على رجال الستة، في حين كان " التذهيب " كاصله، قد شمل رجال الكتب الستة وغيرها من التواليف ".

قلت: أما احتجاجه بتصريح الذهبي: فلا خلاف فيه، وأما احتجاجه بان " الكاشف " اقتصر على رجال الست،، وأن " التذهيب " فيه زيادة، وبناء على هذا فلا يصح أن يكون الكاشف " مختصرا من " التذهيب ": فكلام غريب! إذا كان هذا الفارق بين الكتابين سببا لا ستبعاد اختصار الاول من الثاني، فينبغي أن يستبعد أكثر وأكثر اختصار " الكاشف " من " تهذيب الكمال " والله أعلم.
وقبل النقلة إلى دراسة منهج الكتاب، أرى من الماسب أن أعرض لامر اختلفت فيه عبارات من ذكر " الكاشف "، وهو: هل " الكاشف " مختصر من " تهذيب الكمال " مباشرة، أو من " تذهيب تذهيب الكمال ".

গ্রন্থের মানহাজ বা কর্মপদ্ধতি পর্যালোচনায় যাওয়ার আগে, আমি একটি বিষয় উপস্থাপন করা সমীচীন মনে করছি যে বিষয়ে ‘আল-কাশিফ’ গ্রন্থটির বর্ণনাকারীদের বক্তব্যের মধ্যে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়েছে। বিষয়টি হলো: ‘আল-কাশিফ’ কি সরাসরি ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে সংক্ষেপিত (مختصر) করা হয়েছে, নাকি ‘তাদহিবু তাদহিবিল কামাল’ থেকে?

قال المصنف رحمه الله في عنوان الكتاب: " كتاب الكاشف ي معرفة م له رواية في الكتب الستة.

গ্রন্থকার (রহিমাহুল্লাহ) গ্রন্থের শিরোনামে বলেছেন: "কিতাবুল কাশিফ ফি মারিফাতি মান লাহু রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ।

اقتضبه محمد بن أحمد بن عثمان ابن الذهবি من تهذيب الكمال ".

মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন উসমান ইবনে যাহাবি এটি ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে সংক্ষেপ করেছেন।"

ثم قال في مقدمته: " هذا مختصر نافع … متضب من تهذيب الكمال ".

অতঃপর তিনি এর ভূমিকায় বলেছেন: "এটি একটি উপকারী সংক্ষেপিত (مختصر) সংস্করণ... যা ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।"

ومن هنا قال الحافظ في مقدمة " تهذيبه " 1: 3 وهو يثني على " تهذيب الكمال ": " هو الذي الذي وفق بين اسم الكتاب ومسماه … ، ولكن قصت الهمم عن تحصيله لطوله، فاقتصر بعض الناس على الكشف من " الكاشف " الذي اختصره منه الحافظ أبو عبد الله الذهبي ".

এখান থেকেই হাফিজ তার ‘তাহযিব’ (১:৩) এর ভূমিকায় ‘তাহযিবুল কামাল’-এর প্রশংসা করতে গিয়ে বলেছেন: "এটি এমন একটি গ্রন্থ যা গ্রন্থের নাম ও বিষয়বস্তুর মধ্যে সমন্বয় সাধন করেছে... কিন্তু এর দীর্ঘ কলেবরের কারণে এটি অর্জনে মানুষের হিম্মত বা আগ্রহ কমে গিয়েছিল, ফলে কিছু মানুষ ‘আল-কাশিফ’ থেকে তথ্য অনুসন্ধানেই সীমাবদ্ধ থেকেছে, যা হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ আল-যাহাবি এটি থেকে সংক্ষেপিত (مختصر) করেছেন।"

أما غيره من العلماء فكلامهم متجه إلى أن " الكاشف " مختصر من " تذهيب التهذيب ".

তবে অন্যান্য আলিমগণের বক্তব্য এই অভিমুখী যে, ‘আল-কাশিফ’ মূলত ‘তাদহিবুত তাহযিব’-এর একটি সংক্ষেপিত (مختصر) রূপ।

قال ذلك الصلاح الصفدي في " الوافي " 2: 164 - على احتمال فيه - والتاج السبكي في " طبقاته الكبرى " 9: 104، وابن العماد في " شذرات الذهب " 6: 155، والبرهان سبط ابن العجمي في مقدمة " نهاية السول، ولفظه المقصود منه: " كتاب التذهيب للحافظ أبي عبد الله الذهبي … ، وكتاب " الكاشف " مختصره … ".

এ কথাটি ‘আল-ওয়াফি’ (২:১৬৪) গ্রন্থে সালাহ সাফাদি—একটি সম্ভাবনার ভিত্তিতে—বলেছেন, আর তাজ সুবকি তার ‘তাবাকাতুল কুবরা’ (৯:১০৪) গ্রন্থে, ইবনুল ইমাদ তার ‘শাযারাতুয যাহাব’ (৬:১৫৫) গ্রন্থে এবং বুরহান সিবত ইবনুল আজামি ‘নিহায়াতুস সুল’-এর ভূমিকায় উল্লেখ করেছেন। তার উদ্দিষ্ট বক্তব্যের শব্দগুলো হলো: "হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ আল-যাহাবির ‘কিতাবুত তাদহিব’... এবং ‘কিতাবুল কাশিফ’ হলো তার সংক্ষেপিত (مختصر) সংস্করণ...।"

ومنهم السيوطي رحمهم الله جميعا - في " ذيل تذكرة الفاظ " ص 348 قال وهو يعدد مصنفات الذهبي: " ومختصر " تهذيب الكمال " و " الكاشف " مختصر ذلك ".

তাদের মধ্যে সুয়ুতি (আল্লাহ তাদের সকলের ওপর রহম করুন) ‘যাইলু তাযকিরাতিল হুফফাজ’ (পৃ. ৩৪৮) গ্রন্থে যাহাবির রচনাবলির তালিকা দিতে গিয়ে বলেছেন: "এবং ‘তাহযিবুল কামাল’-এর একটি সংক্ষেপিত (مختصر) রূপ রয়েছে এবং ‘আল-কাশিফ’ হলো সেটিরও সংক্ষেপিত (مختصر) সংস্করণ।"

فهؤلاء خمسة من العلماء السابقين يقولون: إن " الكاشف " مختصر من " التذهيب ".

সুতরাং পূর্ববর্তী আলিমগণের মধ্যে এই পাঁচজন বলছেন যে: ‘আল-কাশিফ’ মূলত ‘তাদহিব’ থেকে সংক্ষেপিত (مختصر) করা হয়েছে।

والامر أبسط من أن يحتاج إلى عرض المشكلة ثم حلها، فهو أيسر من ذلك، غاية ما في الامر أن

বিষয়টি কোনো সমস্যা হিসেবে উপস্থাপন করে তা সমাধান করার চেয়েও অনেক সহজ। এ ব্যাপারে সারকথা হলো:

المصنف قال: إنه مقتضب من " تهذيب الكمال " باعتبار الاصل الاول، ومن قال: إنه مقتضب من " تذهيبه " فقد لا حظ الواقع والتسلسل الصنيفي، فكتاب المزي أصل الكتابين، وهما مختصارن منه، " الكاشف " جاء اختصارا ثانيا بعد " التذهيب " فهو فرع عنه.

গ্রন্থকার এটিকে ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে গৃহীত বলেছেন মূল উৎসের বিবেচনায়। আর যারা এটিকে ‘তাদহিব’ থেকে সংক্ষেপিত বলেছেন, তারা এর বাস্তব অবস্থা এবং রচনার ক্রমধারার দিকে লক্ষ্য করেছেন। মূলত মিযযির গ্রন্থটি এই উভয় গ্রন্থের মূল উৎস এবং এই উভয়টিই তা থেকে সংক্ষেপিত (مختصر)। ‘আল-কাশিফ’ হলো ‘তাদহিব’-এর পরবর্তী দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্ষেপিত (مختصر) রূপ, তাই এটি তার একটি শাখা।

وقد لا حظت في أكثر من موضع أن الوهم يحصل للمصنففي الكتابين معا، فكنتأعلق على هذه الظاهرة بان المصنف استخرج " الكاشف " واستخلصه من " التذهيب "

আমি একাধিক স্থানে লক্ষ্য করেছি যে, উভয় গ্রন্থেই গ্রন্থকারের কিছুটা ভ্রম (وهم) হয়েছে; তাই আমি এই পরিস্থিতির ওপর মন্তব্য করেছি যে, গ্রন্থকার ‘আল-কাশিফ’ গ্রন্থটি ‘তাদহিব’ থেকে বের করেছেন এবং তার নির্যাস গ্রহণ করেছেন।

1) .

১) ।

وقد جزم الدكتور بشار عواد في كتابه عن " الذهبي " ص 228، ومقدمة " تهذيب الكمال " ص 54 بان " الكاشف " مختصر من كتاب المزي، ووهم من قال خلاف ذلك، محتجا بقول الذهبي الذي قدمته، وب " أن " الكاشف " اقتصر على رجال الستة، في حين كان " التذهيب " كاصله، قد شمل رجال الكتب الستة وغيرها من التواليف ".

ডক্টর বাশশার আওয়াদ ‘যাহাবি’ বিষয়ক তার গ্রন্থে (পৃ. ২২৮) এবং ‘তাহযিবুল কামাল’-এর ভূমিকায় (পৃ. ৫৪) নিশ্চিত করে বলেছেন যে, ‘আল-কাশিফ’ মিযযির গ্রন্থের একটি সংক্ষেপিত (مختصر) রূপ; আর যে এর বিপরীত বলেছে তার ভ্রম (وهم) হয়েছে। তিনি ইতিপূর্বে উল্লিখিত যাহাবির বক্তব্যকে এবং এই যুক্তিকে প্রমাণ হিসেবে পেশ করেছেন যে, ‘আল-কাশিফ’ শুধুমাত্র কুতুবে সিত্তার বর্ণনাকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ, যেখানে ‘তাদহিব’ তার মূল গ্রন্থের মতো কুতুবে সিত্তাহ ও অন্যান্য সংকলনের বর্ণনাকারীদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছে।

قلت: أما احتجاجه بتصريح الذهبي: فلا خلاف فيه، وأما احتجاجه بان " الكاشف " اقتصر على رجال الست،، وأن " التذهيب " فيه زيادة، وبناء على هذا فلا يصح أن يكون الكاشف " مختصرا من " التذهيب ": فكلام غريب! إذا كان هذا الفارق بين الكتابين سببا لا ستبعاد اختصار الاول من الثاني، فينبغي أن يستبعد أكثر وأكثر اختصار " الكاشف " من " تهذيب الكمال " والله أعلم.

আমি বলি: যাহাবির স্পষ্ট বক্তব্যকে দলিল হিসেবে পেশ করার ক্ষেত্রে কোনো মতভেদ নেই। কিন্তু তার এই যুক্তি যে—‘আল-কাশিফ’ শুধু কুতুবে সিত্তার বর্ণনাকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং ‘তাদহিব’-এ অতিরিক্ত বর্ণনা রয়েছে, আর এর ওপর ভিত্তি করে ‘আল-কাশিফ’ গ্রন্থটি ‘তাদহিব’ থেকে সংক্ষেপিত (مختصر) হওয়া সঠিক নয়—এটি একটি অদ্ভুত কথা! যদি এই দুই গ্রন্থের মধ্যকার পার্থক্যই প্রথমটি থেকে দ্বিতীয়টির সংক্ষেপিত (مختصر) হওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করার কারণ হয়, তবে ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে ‘আল-কাশিফ’ সংক্ষেপিত (مختصر) হওয়ার বিষয়টি আরও বেশি মাত্রায় নাকচ হওয়া উচিত। আল্লাহই ভালো জানেন।

(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١٣)
‌‌2 - منهج الامام الذهبي في " الكاشف "

الحديث عن منهج الذهبي هنا يستدعي جعله في فقرتين رئيستين: آ - منهجه فيمن سيرتجم.

ب - منهجه في الترجمة.

آ - أما الفقرة الاولى: فالحديث عنها موضوعه: من الذين التزم الذهبي أن يترجم لهم في كتابه " الكاشف "؟ وجوابه: قول المصنف رحمه الله في تسمية الكتاب وفي مقدمته، قال: كتاب " الكاشف في معرفة من له رواية في الكتب الستة ".

ثم قال في المقدمة: " هذا مختصر نافع..اقتصرت فيه على ذكر من له رواية

في الكتب - الستة - دون باقي تلك التواليف التي في " التهذيب "، ودون من ذكر للتمييز، أوكرر للتنبيه ".

ثم ذكر الرموز الستة: خ، م، د، ت، ن، ق، ورمز ع للجماعة الستة، ورمز 4 للسنن الاربعة.

فهذه مقومات منهجه: - رجال الكتب الستة.

- الذينلهم رواية فيها.

- مع حذف من له رواية في كتب أخرى سواها اعتمدها المزي.

- وحذف من ذكر في " تهذيب الكمال " تمييزا.

- وحذف من كرر في " التهذيب " أيضا للتنبيه على وهم فيه أو نحوه.

فهذه خمسة مقومات.

وأقول نتيجة عجلى: إنه وفى بالتزامه في الاكثر الاغلب، وأخل به في الحالات النادرة.

ولا بد من البيان.

أولا - إن خلاصة المقومات الخمسة: أن المترجمين هم من رجال الكتب الستة، لا زيادة ولا نقصان، وإن كانت الزيادة - عرفا - مغتفرة أكثر من النقصان.

وفي المقومات الثلاثة الاخيرة زيادة طفية لا تؤثر على المنهج، لا سيما في فصوله الاخيرة: الكنى، والانساب، والالقاب، فنراه يذكر من رمزه: بخ، صد، قد.
২ - "আল-কাশিফ" গ্রন্থে ইমাম আয-যাহাবীর পদ্ধতি (منهج)

ইমাম আয-যাহাবীর পদ্ধতি (منهج) নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে একে দুটি প্রধান অনুচ্ছেদে বিন্যস্ত করা প্রয়োজন: ক - যাদের জীবনী তিনি আলোচনা করবেন তাদের ক্ষেত্রে তাঁর পদ্ধতি (منهج)।

খ - জীবনী আলোচনার (ترجمة) ক্ষেত্রে তাঁর পদ্ধতি (منهج)।

ক - প্রথম অনুচ্ছেদ: এই আলোচনার বিষয়বস্তু হলো: ইমাম আয-যাহাবী তাঁর "আল-কাশিফ" গ্রন্থে কাদের জীবনী আলোচনা (ترجمة) করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন? এর উত্তর রয়েছে গ্রন্থকারের (رحمه الله) বইটির নামকরণে এবং এর ভূমিকায়। তিনি বলেছেন: "ছয়টি কিতাবে যাদের বর্ণনা (رواية) রয়েছে, তাদের পরিচিতি বিষয়ে আল-কাশিফ নামক গ্রন্থ।"

অতঃপর তিনি ভূমিকায় বলেছেন: "এটি একটি উপকারী সংক্ষিপ্তসার... এতে আমি কেবল তাদের বর্ণনার (رواية) মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছি যাদের বর্ণনা (رواية) - ছয়টি - কিতাবে (কুতুবুস সিততাহ) রয়েছে। 'আত-তাহযীব' গ্রন্থে উল্লিখিত অন্যান্য সংকলনগুলোর রাবীদের এখানে আনা হয়নি, এবং যাদের নাম কেবল পৃথকীকরণের (تمييز) জন্য উল্লেখ করা হয়েছে কিংবা কোনো ভুলের প্রতি সতর্ক (تنبيه) করার জন্য পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে, তাদেরও বাদ দেওয়া হয়েছে।"

এরপর তিনি ছয়টি প্রতীক চিহ্নের কথা উল্লেখ করেছেন: খ, ম, দ, ত, ন, ক; এবং ছয়জনের সমষ্টির জন্য 'আইন' প্রতীক এবং চার সুনান গ্রন্থের জন্য '৪' প্রতীক ব্যবহার করেছেন।

এগুলোই তাঁর পদ্ধতির (منهج) মূল উপাদান: - কুতুবুস সিততাহ-র রাবী (رجال) সংক্রান্ত।

- যাদের বর্ণনা (رواية) তাতে রয়েছে।

- আল-মিযযী কর্তৃক গৃহীত অন্যান্য কিতাবসমূহে যাদের বর্ণনা (رواية) রয়েছে, তাদের বাদ দেওয়া।

- 'তাহযীবুল কামাল' গ্রন্থে পৃথকীকরণের (تمييز) জন্য যাদের উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের বাদ দেওয়া।

- এবং 'আত-তাহযীব' গ্রন্থে কোনো ভ্রান্তি (وهم) বা অনুরূপ বিষয়ে সতর্ক (تنبيه) করার জন্য যাদের নাম পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে, তাদেরও বাদ দেওয়া।

এই হলো পাঁচটি মূল উপাদান।

আমি দ্রুত একটি সিদ্ধান্তে বলতে পারি যে: তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁর এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন এবং অত্যন্ত বিরল কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন।

আর এর ব্যাখ্যা দেওয়া আবশ্যক।

প্রথমত - এই পাঁচটি উপাদানের সারকথা হলো: যাদের জীবনী আলোচনা (ترجمة) করা হয়েছে তারা কুতুবুস সিততাহ-র রাবী (رجال), এর চেয়ে বেশিও নয় এবং কমও নয়। যদিও প্রথাগতভাবে বর্ণনাকারী বৃদ্ধি পাওয়াটি হ্রাস পাওয়ার তুলনায় অধিক মার্জনীয়।

শেষ তিনটি উপাদানে সামান্য কিছু সংযোজন রয়েছে যা মূল পদ্ধতির (منهج) ওপর প্রভাব ফেলে না, বিশেষ করে শেষ অধ্যায়গুলোতে: উপনাম (كنى), বংশপরম্পরা (انساب) এবং উপাধি (القاب) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদে; সেখানে আমরা তাঁকে এমন রাবীদেরও উল্লেখ করতে দেখি যাদের প্রতীক হিসেবে তিনি 'بخ', 'صد', 'قد' ব্যবহার করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١٤)
ويذكر فيها - وفي ثنايا القسم الاعظم من الكتاب وهو الاسماء - من ذكره المزي تمييزا، أو يكرره تنبيها للاختلاف في اسمه، مثل: أنس بن أبي أنس، قال: " الاظهر أنه عمران بن أبي أنس "، ونحو هذا التنبيه، وهو - على فائدته - غير نار الامثلة.

أما المقومان الاولان - رجال الكتب الستة لا الذين لهم رواية -: فيحتاجان إلى توضيح وتعليق.

لا يخفى على الناظر في الكتب الستة طبيعة ما فيها من نقول: فيها الاحاديث المرفوعة، والآثار الموقوفة، والمقطوعة، وفيها الجرح والتعديل.

والاعلام المذكورون فيها: تارة يذكرون على أنهم رواة عن غيرهم، وهذا هو الاكثر الاغلب، وتارة يذرون على أنهم تروى عنهم أقوالهم وأفعالهم.

فابوا هريرة رضي الله عنه يذكر تارة راويا عن النبي صلى الله عليه وسلم،

وتارة يذكر على أنه مروي عنه قول أو فعل.

وشعبة ويحيى القطان وابن المدينز يذكرون رجالا في الاسناد يروون عن غيرهم، وتارة تسند إليهم أقوال في الجرح والتعديل.

والتفصيل الآن: إن الامام المزي - وأخصه بالذكر لانه هو واضع المنهج، والمصنف وغيره متابعون له -: يترجم لمن روى أحاديث مرفوعة أو موقوفة أو مقطوعة، باسناد متصل أو منقطع.

وهاهنا أسئلة: 1 - هل من شرط المزي أن يترجم لرجال الاسناد المعلق المصرح باسمائهم؟ 2 - وهل من شرطه أن يترجم لغير المصرح باسمائهم؟ 3 - وهل على الذهبي أن بتابعه في شرطه الاول؟.

4 - وفي أي كتاب من الكتب الستة ورد هذا التعليق؟.

5 - وهل على المزي أن يترجم لمن روي عنهم قول أو فعل - باسناد أو غير إسناد - من طبقة التابعين فمن بعدهم؟ 6 - وإذا روي عنهم شئ بغير إسناد فهل عليه أن يكشف عن سنده ثم يترجم لرجاله؟ 7 - وهناك رجال يذرون في الاسناد أو المتن ذكرا ليس لهم رواية، ولا عنهم رواية، فهل عليه أن يترجم لهم؟.

1 - والجواب عن السؤال الاول: أنه لا يخفى على الناظر في " صحيح البخاري " و " سنن أبي داود " و " سنن الترمذي " أن فيها أحاديث معلقة، وهي في البخاري أكثر من غيره، أوصل الحافظ عددها إلى 1341 حديث وأغلبها موصول في الصحيح نفسه، ولم يبق إلا 159 حديث أو 160 حديث - على اختلاف كلام الحافظ - غير موصولة فيه.

انظر مقدمة الفتح " ص 477 س 6، 469 س 21.

كما لا يخفى على الناظر في " تهذيب الكمال " أن المزي ترجم لرجال معلقات البخاري، وأفرد لهم رمزا خاصا بهم: خت، وكان وجهة نظره في ذلك أنهم مذكورون بين دفتي " الجامع الصحيح " للبخاري،
তিনি এখানে—এবং বইটির প্রধান অংশ যা নামগুলোর ওপর ভিত্তি করে—তাদের কথা উল্লেখ করেছেন যাদেরকে মিযযি 'পার্থক্য করার জন্য (تمييزا)' উল্লেখ করেছেন, অথবা নামের পার্থক্যের কারণে সতর্ক করতে সেগুলো পুনরাবৃত্তি করেছেন। যেমন: আনাস বিন আবি আনাস, তিনি বলেছেন: "এটি অধিক স্পষ্ট (الأظهر) যে তিনি ইমরান বিন আবি আনাস", এবং এই ধরণের সতর্কবার্তা—তার উপযোগিতা সত্ত্বেও—বিরল উদাহরণ নয়।

প্রথম দুটি স্তম্ভের ক্ষেত্রে—যেগুলো কুতুবে সিত্তাহর বর্ণনাকারীদের নিয়ে, তাদের নিয়ে নয় যাদের কেবল একটি বর্ণনা আছে—সেগুলোর ব্যাখ্যা ও পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

কুতুবে সিত্তাহ পর্যালোচনাকারীর কাছে সেখানে বিদ্যমান বর্ণনার প্রকৃতি গোপন নয়: এতে 'মারফু (المرفوعة)', 'মাওকুফ (الموقوفة)' ও 'মাকতু (المقطوعة)' হাদিস বা আছার রয়েছে এবং এতে 'জারহ ও তাদিল (الجرح والتعديل)' অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সেখানে উল্লিখিত বরেণ্য ব্যক্তিদের কখনো অন্যদের থেকে 'বর্ণনাকারী (رواة)' হিসেবে উল্লেখ করা হয়—যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঘটে থাকে—আবার কখনো তাদের কথা বা কাজ তাদের থেকে বর্ণিত হওয়ার প্রেক্ষিতে উল্লেখ করা হয়।

যেমন আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) কখনো নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনাকারী হিসেবে উল্লিখিত হন।

আবার কখনো তার কোনো কথা বা কাজ বর্ণিত হওয়ার সূত্রে তার উল্লেখ করা হয়।

শুবা, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান এবং ইবনে আল-মাদিনি কখনো 'সনদে (الإسناد)' এমন ব্যক্তি হিসেবে উল্লিখিত হন যারা অন্যদের থেকে বর্ণনা করেন, আবার কখনো তাদের 'জারহ ও তাদিল (الجرح والتعديل)' সংক্রান্ত উক্তিগুলো উদ্ধৃত করা হয়।

এখন বিস্তারিত আলোচনা হলো: ইমাম মিযযি—যাকে আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করছি কারণ তিনি এই পদ্ধতির উদ্ভাবক এবং সংকলক ও অন্যরা তাকে অনুসরণ করেন—তিনি এমন প্রত্যেকের জীবনী আলোচনা করেন যিনি মারফু, মাওকুফ বা মাকতু হাদিস বর্ণনা করেছেন, চাই তা 'নিরবচ্ছিন্ন (متصل)' সনদে হোক বা 'বিচ্ছিন্ন (منقطع)' সনদে।

এখানে কিছু প্রশ্ন রয়েছে: ১. মিযযির কি এটি শর্ত যে তিনি 'মুয়াল্লাক (المعلق)' সনদে স্পষ্টভাবে নাম উল্লেখ থাকা ব্যক্তিদের জীবনী বর্ণনা করবেন? ২. যাদের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই, তাদের জীবনী কি তিনি বর্ণনা করবেন? ৩. যাহাবীর কি তার প্রথম শর্তে তাকে অনুসরণ করা আবশ্যক?।

৪ - কুতুবে সিত্তাহর কোন গ্রন্থে এই মুয়াল্লাক বর্ণনাগুলো এসেছে?।

৫ - তাবেয়ি (التابعين) বা তার পরবর্তী স্তরের যাদের থেকে কোনো কথা বা কাজ বর্ণিত হয়েছে—সনদসহ হোক বা সনদ ছাড়া—তাদের জীবনী কি মিযযির উল্লেখ করা উচিত? ৬. যদি কোনো বিষয় সনদ ছাড়াই বর্ণিত হয়, তবে তার কি উচিত সেই সনদটি উন্মোচন করা এবং বর্ণনাকারীদের জীবনী আলোচনা করা? ৭. সনদে বা মূল পাঠে এমন কিছু ব্যক্তিদের নাম আসে যাদের থেকে কোনো বর্ণনা নেই বা যারা বর্ণনাকারী নন, তাদেরও কি জীবনী উল্লেখ করা তার কর্তব্য?।

১ - প্রথম প্রশ্নের উত্তর হলো: সহিহ বুখারি, সুনান আবু দাউদ এবং সুনান তিরমিজি পাঠকারীর কাছে এটি অস্পষ্ট নয় যে এতে 'মুয়াল্লাক (معلقة)' হাদিস রয়েছে। বুখারিতে এটি অন্যদের তুলনায় বেশি। হাফিজ (ইবনে হাজার) এর সংখ্যা ১৩৪১ টি পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন, যার অধিকাংশই সহিহ বুখারির মধ্যেই অন্য জায়গায় 'সংযুক্ত (موصول)' অবস্থায় আছে। কেবল ১৫৯ বা ১৬০টি হাদিস—হাফিজের কথার ভিন্নতা অনুযায়ী—সেখানে সংযুক্ত হিসেবে নেই।

দেখুন: মুকাদ্দিমা ফাতহুল বারি, পৃষ্ঠা ৪৭৭, লাইন ৬; পৃষ্ঠা ৪৬৯, লাইন ২১।

তেমনি তাহজিবুল কামাল পাঠকারীর নিকট এটি স্পষ্ট যে, মিযযি সহিহ বুখারির 'মুয়াল্লাক (معلقات)' বর্ণনাকারীদের জীবনী আলোচনা করেছেন এবং তাদের জন্য একটি বিশেষ প্রতীক 'خت' নির্ধারণ করেছেন। তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল এই যে, তারা সহিহ বুখারির দুই মলাটের মাঝেই উল্লিখিত হয়েছেন।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١٥)
لكن لما كان شري البخاري فيهم دون شرطه فيمن يسند لهم مازهم برمز خاص.

ومثل هذا يقال فيمن روى لهم سملم في مقدمة " صحيحة "، فهم دون شرطه في صلب " الصحيح "، كما بينته في دارسة " تقريب التهذيب " ص 49، وقد خصهم المزي برمز: مق، كما هو معلوم.

فخلاصة جواب السؤال الاول: نعم.

ولوضوحه لا حاجة إلى الدليل عليه بذكر أمثلة لا 2 - أما جواب السؤال الثاني - وهو: هل من شرط المزي أن يترجم لغير المصرح باسمائهم -، فاوضح السؤال أولا بالمثال ثم أذكر الجواب، وأنقله مما قلته في دراسة " التقريب " ص 13.

المثال: هو قول البخاري رحمه الله تعالى - أول كتاب اليمان من " صحيحه ": " وكتب عمر بن عبد العزيز إلى عدي بن عي: إن للايمان فرائض وشرائع … وقال معاذ: اجلس بنا نؤمن ساعة، وقال ابن مسعود: اليقين: الايمان كله ".

ولا ريب أن بين البخاري وعمر بن عبد العزيز ومعاذ بن جبل وعبد الله بن مسعود وسائط ورجلا، فهل على المزي - ومن بعده - أن يترجم لهؤلاء الرجل، فان كانت لهم تراجم - بسبب وجود رواية لهم في مناسبة أخرى - فهل عليه أن يرمز لهم " خت "، علامة تعليق البخاري لهم؟ وجواب ذلك: أن المزي ترجم لبعضهم ولم يستوعب، فكأنه لم يلتزم.

فترجم لعبد الرحمن بن فروخ العدوي مولى عمر، وأسند إليه من طريقه إنه قال: " اشترى نافع بن عبد الحارث من صفوان بن أمية دارا … " ثم قال المزي: " قال البخاري في " الصحيح ": واشترى نافع بن عبد الحارث، فذكره ".

يريد المزي: أن البخاري علق هذا الاثر، وهو من رواية عبد الرحمن بن فروخ، فلذا ترجم له، والاثر في كتاب الخصومات، باب الربط والحبس في الحرم 5: 75.

ينظر تمام كلامي هناك، ففيه أن المزي لم يلتزم، وتبعه ابن حجر أولا، ثم بدا له التزامه، أو انظر " تهذيب التهذيب " آخر ترجمة عبد الرحمن بن فروخ.

فمن لم يسم: ليس من شرط المزي، وأما من سمي: فهو من شرطه، وهم أصحاب السؤال الاول.

والسؤال الثالث: هل على الذهبي أن بتابع المزي في شرطه الاول فيترجم لكل من علق البخاري له وصرح باسمه؟ 3 - وجوابه: أني لا أستطيع الجزم بنفي أو إثبات، لان المصنف لم يطرد فيه، سلبا إو إيجابا، ذلك أن

المزي أفرد لهم رمزا خاصا بهم: خت، وقد أهمل المصنف هذا ارمز في مقدمة الكتاب، وهذا إيذان منه بعدم استعماله إياه، سواء في من ليس له رواية إلا في هذه المعلقات، فحقه إفراده برمز: خت، أو كان مشتركا مع رموزا أخرى.

وإذ بالمصنف يستعمله أول مرة في ترجمة إسحاق بن يحيى العوصي

329- مفردا دون رمز آخر معه!، ثم في ترجمة القاضي الشهير إياس بن معاوية المزني

502- ورمز له: خت مق

1-! ! وكلاهما ليس على شرطه، أهملهما في مقدمة كتابه.
কিন্তু যেহেতু তাদের ক্ষেত্রে ইমাম বুখারীর শর্ত (شرط) তাঁর মুসনাদ হিসেবে বর্ণনা (يسند) করা রাবিদের শর্তের চেয়ে নিম্নমানের ছিল, তাই তিনি তাদেরকে একটি বিশেষ প্রতীকের মাধ্যমে চিহ্নিত করেছেন।

ইমাম মুসলিম তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থের ভূমিকায় যাদের থেকে বর্ণনা করেছেন, তাদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তারা ‘সহীহ’ গ্রন্থের মূল অংশের বর্ণনাকারীদের জন্য নির্ধারিত তাঁর শর্তের (شرط) তুলনায় নিম্নমানের; যেমনটি আমি ‘তাকরিবুত তাহজিব’ গ্রন্থের গবেষণার ৪৯ পৃষ্ঠায় ব্যাখ্যা করেছি। আর আল-মিযযী তাদের জন্য ‘মুক’ (مق) প্রতীকটি নির্দিষ্ট করেছেন, যা সর্বজনবিদিত।

সুতরাং প্রথম প্রশ্নের উত্তর হলো: হ্যাঁ।

বিষয়টির স্পষ্টতার কারণে উদাহরণ দিয়ে দলিল পেশ করার প্রয়োজন নেই। ২- আর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর হলো—যা হলো: যারা স্পষ্টভাবে নামোল্লেখিত নয়, তাদের জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করা কি আল-মিযযীর শর্তের (شرط) অন্তর্ভুক্ত?—আমি প্রথমে উদাহরণ দিয়ে প্রশ্নটি স্পষ্ট করছি, এরপর উত্তর প্রদান করছি এবং তা ‘তাকরিব’ গবেষণার ১৩ পৃষ্ঠা থেকে উদ্ধৃত করছি।

উদাহরণ: ইমাম বুখারী (রহিমাহুল্লাহ)-এর উক্তি—তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থের ‘কিতাবুল ঈমান’-এর শুরুতে: “উমর ইবনে আব্দুল আজিজ আদী ইবনে আদীকে লিখেছিলেন: নিশ্চয়ই ঈমানের কিছু আবশ্যিক বিধান (فرائض) ও বিধি-বিধান (شرائع) রয়েছে … এবং মুয়াজ বলেছেন: আমাদের সাথে বসো, আমরা কিছুক্ষণ ঈমান আনি; আর ইবনে মাসউদ বলেছেন: একিন (يقين) হলো পূর্ণ ঈমান।”

নিঃসন্দেহে ইমাম বুখারী এবং উমর ইবনে আব্দুল আজিজ, মুয়াজ ইবনে জাবাল ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের মাঝে মধ্যবর্তী সূত্র ও বর্ণনাকারী (رجل) রয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, আল-মিযযীর জন্য—এবং তাঁর পরবর্তীগণের জন্য—কি এই বর্ণনাকারীদের (رجل) জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করা আবশ্যক? যদি অন্য কোনো সূত্রে বর্ণিত হওয়ার কারণে তাদের জীবনী (ترجمة) থেকে থাকে, তবে বুখারীর তাদের থেকে মুয়াল্লাক (تعليق) হিসেবে বর্ণনা করার চিহ্ন হিসেবে কি তাঁর জন্য ‘খত’ (خت) প্রতীক ব্যবহার করা আবশ্যক? এর উত্তর হলো: আল-মিযযী তাদের কয়েকজনের জীবনী (ترجمة) বর্ণনা করেছেন কিন্তু পূর্ণাঙ্গভাবে করেননি, যেন তিনি এটি পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন না।

তিনি উমরের মুক্তদাস আব্দুর রহমান ইবনে ফাররুখ আল-আদাবীর জীবনী (ترجمة) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সূত্রে বর্ণনা (أسند) করেছেন যে, তিনি বলেছেন: “নাফে ইবনে আব্দুল হারিস সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া থেকে একটি ঘর ক্রয় করেছিলেন …” অতঃপর আল-মিযযী বলেছেন: “বুখারী ‘সহীহ’ গ্রন্থে বলেছেন: এবং নাফে ইবনে আব্দুল হারিস ক্রয় করেছেন, এরপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।”

আল-মিযযী এর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন: ইমাম বুখারী এই আসার (اثر) বা বর্ণনাটি মুয়াল্লাক (علق) হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা আব্দুর রহমান ইবনে ফাররুখের বর্ণনা (رواية) থেকে নেওয়া। এই কারণেই তিনি তাঁর জীবনী (ترجمة) লিখেছেন। বর্ণনাটি (اثر) ‘কিতাবুল খুসুমাত’-এর ‘হারাম শরীফে আটক ও বন্দি করা’ শীর্ষক অনুচ্ছেদে (৫:৭৫) রয়েছে।

সেখানে আমার পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য দেখা যেতে পারে; তাতে বর্ণিত হয়েছে যে, আল-মিযযী এটি পালনে বাধ্য ছিলেন না। ইবনে হাজার প্রথমে তাঁকে অনুসরণ করেছিলেন, পরবর্তীতে তাঁর কাছে এটি বাধ্যতামূলক বলে মনে হয়েছে। অথবা আব্দুর রহমান ইবনে ফাররুখের জীবনীর (ترجمة) শেষে ‘تهذيب التهذيب’ দেখা যেতে পারে।

সুতরাং যাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তারা আল-মিযযীর শর্তের (شرط) অন্তর্ভুক্ত নয়। কিন্তু যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা তাঁর শর্তের (شرط) অন্তর্ভুক্ত; আর তারাই প্রথম প্রশ্নের উদ্দিষ্ট ব্যক্তি।

তৃতীয় প্রশ্ন: ইমাম যাহাবীর জন্য কি তাঁর প্রথম শর্তে (شرط) আল-মিযযীকে অনুসরণ করা এবং ইমাম বুখারী যাদের থেকে মুয়াল্লাক (علق) হিসেবে বর্ণনা করেছেন ও স্পষ্টভাবে নাম উল্লেখ করেছেন, তাদের সবার জীবনী (ترجمة) লেখা আবশ্যক? ৩ - এর উত্তর হলো: আমি এ ব্যাপারে নেতিবাচক বা ইতিবাচক কোনোটিই নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। কারণ লেখক (مصنف) এ বিষয়ে ইতিবাচক বা নেতিবাচক কোনো পথেই ধারাবাহিকভাবে চলেননি। কেননা

আল-মিযযী তাদের জন্য একটি বিশেষ প্রতীক ‘খত’ (خت) নির্দিষ্ট করেছেন। আর লেখক (مصنف) গ্রন্থের ভূমিকায় এই প্রতীকটি বর্জন করেছেন। এটি তাঁর পক্ষ থেকে এই প্রতীকটি ব্যবহার না করারই একটি ইঙ্গিত, চাই তার বর্ণনা (رواية) কেবল এই মুয়াল্লাকাত (معلقات) বা ঝুলে থাকা বর্ণনাগুলোতেই থাকুক—যার জন্য ‘খত’ (خت) প্রতীকটি বরাদ্দ পাওয়াই ছিল তার অধিকার—অথবা তা অন্যান্য প্রতীকের সাথে যুক্ত থাকুক।

অথচ লেখককে (مصنف) দেখা যায় তিনি প্রথমবার ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া আল-আওসির জীবনীতে (ترجمة)

329- অন্য কোনো প্রতীক ছাড়াই কেবল এককভাবে এটি ব্যবহার করেছেন! অতঃপর বিখ্যাত বিচারক ইয়াস ইবনে মুআবিয়া আল-মুযানির জীবনীতে (ترجمة)

502- তিনি তাঁর জন্য প্রতীক ব্যবহার করেছেন: খত মুক (خت مق)

1-! ! অথচ তারা উভয়েই তাঁর শর্তের (شرط) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না এবং তিনি তাঁর গ্রন্থের ভূমিকায় তাদেরকে বর্জন করেছিলেন।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١٦)
وتزيد الغرابة إذا علمنا أن ترجمة إياس جاءت في صلب الكتاب لا على حاشية الصفحة، كما هو الحال في تراجم سبقته، وتراجم كثيرة لحقته! وترجمة اسحاق العوصي المشار إليها جاءت على الحاشية.

وقد أهمل المصنف رمز " خت " من تراجم عديدة سبقت الترجمتين المذكورتين، وتراجم كثيرة لحقتهما، ومن التراجم السابقة عليهما التي إهمل من بين رموزها رمز " خت ": ترجمة أبان بن صالح القرشي: وأشعث بن عبد الله بن جابر الحداني، وأشعث بن عبد الملك الحمراني، فاقتصر على رمز السنن الاربعة.

كما أهمل الرمز المذكور من تراجم كثيرة لاحقة - كما قلت - ومنها، بل أول ترجمة جاءت هي ترجمة بشر بن ثابت البصري، اقتصر الذهبي على رمز: ق، وعند المزي: خت ق.

وهكذا وهكذا.

وخلاصة الجواب: أن لذهبي لم يطرد في استعماله رمز خت، بل أحيانا وأحيانا، فما الذي وراء ذلك؟ الله أعلم.

4 - وجواب السؤال الرابع: تقدم أن غير البخاري قد يعلق أحاديث في كتابه، وسميت منهم: أبا داود والترمذي، فهل من الحق على المزي أن يترجم لهؤلاء على النحو الذي تقدم في الكلام على معلقات البخاري: المسمين وغير المسمين؟.

والجواب: أن من لم يسم: فليس على شرطه، كما هو الحال فيمن لم يسم في معلقات البخاري، إما من سمي، فهم على شرطه، وحقه إن يلتزم ترجمتهم في كتابه، لكنه أهمل عددا منهم، استدرك الحافظ

ابن حجر عددا منهم، واستدركت من تنبهت لامره.

والدليل على أن هؤلاء من شرط المزي أمران.

: أولهما: أنه ترجم لابراهيم بن أدهم الزاهد المشهور رحمه الله تعالى، وصرح بان الترمذي روى له تعليقا، وتابعه على الترجمة له: الذهبي وابن حجر، مع أنك تجده قد فاته - أو أهمل - رمزت لمحمد بن ذكوان، فرمز له: تمييز.

وأغفل ترجمة عمرو بن ثابت بن هرمز، وعميرة بن أبي ناجية، وقد علق لهما أبو داود، فستدركهما عليه ابن حجر في " تهذيبه " 8: 10، 153.

ثانيهما: قول ابن حجر في " تهذيبه " بعد أن ترجم لعمرو بن ثابت بن هرمز: " من عادة المؤلف - أي المزي - أن من علق له أبو داود رقم له رقمه، وهذا منه، فاغفله " ونحوه في ترجمة عميرة بن أبي ناجية.

وقال الحافظ أيضا في ترجمة محمد بن ذكوان 9: 175 الذي رمز له المزي: تمييز: " كان ينبغي للمزي أن يرقم له رقم الترمذي، فقد اعتمد ذلك في أسماء جماعة لم يخرج لهم أبو داود والترمذي وغيرهما إلا تعليقا، ورقم لهم علامتهم مع ذلك ".

فالحافظ ابن حجر يقفهم من صنيع المزي في كتابه التزامه هذا ويلمه به، لذلك استدرك عليه من هذا القبيل في عدة مواضع.
বিস্ময় আরও বৃদ্ধি পায় যখন আমরা জানতে পারি যে ইয়াস-এর জীবনী (ترجمة) গ্রন্থের মূল পাঠে এসেছে, পৃষ্ঠার পাদটীকায় নয়, যেমনটি তার পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী অনেক জীবনীগুলোর (تراجم) ক্ষেত্রে ঘটেছে! অথচ ইশাক আল-আওসির যে জীবনীর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা পাদটীকায় এসেছে।

গ্রন্থকার উল্লিখিত দুটি জীবনীর পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী অসংখ্য জীবনী থেকে 'খত' (خت) প্রতীকটি বাদ দিয়েছেন। সেই সব পূর্ববর্তী জীবনীগুলোর মধ্যে যেখান থেকে প্রতীকের (رموز) মধ্য হতে 'খত' (خت) প্রতীকটি বাদ পড়েছে তার মধ্যে রয়েছে: আবান ইবনে সালিহ আল-কুরাশি, আশআস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে جাবির আল-হিদ্দানি এবং আশআস ইবনে আব্দুল মালিক আল-হামরানি-এর জীবনী (ترجمة)। তিনি কেবল চার সুনান-এর প্রতীকের (رمز) মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন।

অনুরূপভাবে তিনি পরবর্তী অনেক জীবনী থেকেও উল্লিখিত প্রতীকটি বাদ দিয়েছেন - যেমনটি আমি বলেছি - আর সেগুলোর মধ্যে প্রথম যে জীবনীটি (ترجمة) এসেছে তা হলো বিশর ইবনে সাবিত আল-বাসরি-এর জীবনী (ترجمة); ইমাম যাহাবি কেবল 'ক' (ق) প্রতীকের (رمز) ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছেন, অথচ আল-মিজ্জির নিকট তা ছিল: 'খত, ক' (خت ق)।

এভাবেই একের পর এক উদাহরণ পাওয়া যায়।

উত্তরের সারসংক্ষেপ হলো: ইমাম যাহাবি 'খত' (خت) প্রতীক (رمز) ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো ধারাবাহিকতা বজায় রাখেননি, বরং কখনো ব্যবহার করেছেন আবার কখনো করেননি। এর পেছনে কী রহস্য রয়েছে? আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

৪ - চতুর্থ প্রশ্নের উত্তর: পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে যে, ইমাম বুখারি ছাড়া অন্যরাও তাদের গ্রন্থে হাদিস তালীক হিসেবে (تعليقا) বর্ণনা করেছেন, তাদের মধ্য থেকে আমি আবু দাউদ ও তিরমিজি-এর নাম উল্লেখ করেছি। সুতরাং আল-মিজ্জির ওপর কি এটি আবশ্যক ছিল যে, তিনি তাদের জীবনীগুলো (ترجمة) সেই পদ্ধতিতে উল্লেখ করবেন যেভাবে ইমাম বুখারির তালীক বা ঝুলন্ত বর্ণনাগুলোর (معلقات) বর্ণনাকারীদের (নামোল্লিখিত বা অনুল্লিখিত) ক্ষেত্রে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে?

উত্তর হলো: যাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তারা তার শর্তের (شرط) অন্তর্ভুক্ত নন, যেমনটি ইমাম বুখারির ঝুলন্ত বর্ণনাগুলোর (معلقات) ক্ষেত্রে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি তাদের অবস্থা। তবে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা তার শর্তের (شرط) অন্তর্ভুক্ত, এবং তার জন্য আবশ্যক ছিল নিজ গ্রন্থে তাদের জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করা। কিন্তু তিনি তাদের অনেককেই বাদ দিয়েছেন, হাফেজ ইবনে হাজার তাদের অনেককে খুঁজে বের করেছেন এবং আমিও যাদের বিষয়ে সচেতন হয়েছি তাদের চিহ্নিত করেছি।

এরা যে আল-মিজ্জির শর্তের (شرط) অন্তর্ভুক্ত তার প্রমাণ দুটি।

: প্রথমত: তিনি প্রখ্যাত জাহেদ ইবরাহিম ইবনে আদহাম (রহ.)-এর জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করেছেন এবং স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ইমাম তিরমিজি তার থেকে তালীক হিসেবে (تعليقا) বর্ণনা করেছেন। ইমাম যাহাবি ও ইবনে হাজারও তার জীবনী (ترجمة) বর্ণনায় তার অনুসরণ করেছেন। অথচ আপনি দেখবেন যে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাকওয়ানের ক্ষেত্রে প্রতীক (رمز) দিতে ভুল করেছেন - বা অবহেলা করেছেন - এবং তার জন্য 'পার্থক্যকারী' (تمييز) প্রতীক ব্যবহার করেছেন।

তিনি আমর ইবনে সাবিত ইবনে হরমুজ এবং আমিরা ইবনে আবি নাজিয়ার জীবনী (ترجمة) বাদ দিয়েছেন, অথচ আবু দাউদ তাদের থেকে তালীক হিসেবে (علق) বর্ণনা করেছেন। হাফেজ ইবনে হাজার তার 'তাহজিব' গ্রন্থে (৮: ১০, ১৫৩) তাদের ভুলগুলো সংশোধন করেছেন।

দ্বিতীয়ত: ইবনে হাজার তার 'তাহজিব' গ্রন্থে আমর ইবনে সাবিত ইবনে হরমুজ-এর জীবনী (ترجمة) বর্ণনার পর বলেছেন: "গ্রন্থকারের - অর্থাৎ আল-মিজ্জির - অভ্যাস হলো, আবু দাউদ যার থেকে তালীক হিসেবে (علق) বর্ণনা করেছেন, তিনি তার জন্য প্রতীক (رقم) ব্যবহার করেন। এটিও তেমনই একটি বিষয় ছিল, কিন্তু তিনি তা এড়িয়ে গেছেন।" আমিরা ইবনে আবি নাজিয়ার জীবনীর (ترجمة) ক্ষেত্রেও তিনি অনুরূপ কথা বলেছেন।

হাফেজ আরও বলেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাকওয়ান-এর (৯: ১৭৫) জীবনীতে (ترجمة), যার জন্য আল-মিজ্জি 'পার্থক্যকারী' (تمييز) প্রতীক (رمز) ব্যবহার করেছেন: "আল-মিজ্জির উচিত ছিল তার জন্য তিরমিজির প্রতীক (رقم) ব্যবহার করা, কারণ তিনি এমন একদল ব্যক্তির নামের ক্ষেত্রে এটি অনুসরণ করেছেন যাদের থেকে আবু দাউদ, তিরমিজি ও অন্যরা কেবল তালীক হিসেবেই (تعليقا) বর্ণনা করেছেন, তবুও তিনি তাদের জন্য প্রতীক (علامة) ব্যবহার করেছেন।"

সুতরাং হাফেজ ইবনে হাজার আল-মিজ্জির গ্রন্থের কর্মপদ্ধতি থেকে এই বিষয়ের ওপর তার প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা প্রমাণ করেছেন এবং তাকে এর জন্য দায়বদ্ধ করেছেন। এই কারণেই তিনি বেশ কিছু স্থানে এই ধরণের ভুলগুলো সংশোধন করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١٧)
أما الذهبي فقد أغفل ذلك فلم يستدرك عليه شيئا منه.

انظر التعليق على الارام المذكورة: عند 1793، 2147، 2400، 2430، 3135، عند 3837، عند 4131، عند 4984، عند 5450، 6510.

5 - والمقصود بالتساؤل الخامس: يتضح بالمثال.

روى البخاري 3: 581

1750) ، ومسلم 9: 43 من طريق الاعمش أنه قال: " سمعت الحجاج بن يوسف يقول وهو يخطب على المنبر: ألفوا القرآن كما ألفه جبريل: السورة التي يذكر فيها البقرة، والسورة التي يذكر فيها النساء، والسورة التي يذكر فيها آل عمران ".

فالحجاج - الظالم المشهور - ليست له رواية في الصحيحين، لكن: عنه رواية، رورى عنه الاعمش أنه كان يقلو كذا وكذا، فهل شرط المزي أن يترجم له؟ الواقع أن المزي لم يترجم للحجاج، بل لم يذكر في ترجمة الاعمش أنه يروى عن الحجاج، وتبعه المصنف في " تذهيبه "، أما في " الكاشف " فترجم له

946- ورمز له خ، وأشار إلى حديثه الذي ذكرته، ولكن لا أدري لم أغفل رمز م، والامر هو هو؟ ! وقد ترجم الحافظ في كتابيه: " التهذيب " و " التقريب " ورمز له: تمييز، وقال: " لم يقصد الشيخان وغيرهما الرواية عنه، ووقع ذكره وكلامه في الصحيحين وغيرهما، وليس باهل أن يروى عنه "، ومقتضى هذا منه أن من له ذكر في كتاب فلا ينبغي أن يرمز له، وكذلك صنيعه في ترجمة هشام بن حكيم رضي الله عنه.

وصنيع اذهبي أقرب إلى الصواب، فالاولى استدراكه مع الرمز، ذلك أن البخاري روى 3: 59

1184- من طريق مرثد بن عبد الله اليزني قال: " أتيت عقبة بن عامر الجهني فقلت: ألا أعجبك من أبي تميم يركع ركعتين قبل صلاة المغرب … ".

فعلق الحافظ على قوله: " من أبي تميم "، فقال: 3: 60: " هو عبد الله بن مالك الجيشاني … لم يذكر المزي في " التهذيب " أن البخاري خرج له، وهو على شرطه، فيرد عليه بهذا الحديث ".

وأكد ذلك بقوله في " التقريب "

3564) : " أغفل المزي رقم خ "، وأنت ترى أنه ذكر له فعل ذكرا لا رواية، في حين أن ذكر الحجاج إلى الرواية أقرب، ومع ذلك ترى الحافظ استنكر للحجاج رمز خ، وألزم المزي بترجمة أبي تميم؟ ! ونحو هذا المثال: مثال آخر: روى أبو داود في " سننه " كتاب الايمان والنذور - باب كم الصاع في الكفارة 3: 586

3281- عن محمد بن محمد بن خلاد، عن مسدد، عن أمية بن خالد قال: " لما ولي خالد القسري أضعف الصاع، فصار الصاع ستة عشر رطلا ".

فهذه حكاية فعل لخالد القسري - كما هو حال أبي تميم - ومع ذلك ترجم له المزي والذهبي وابن حجر!.

وهذا هو موقف المزي ومتابعيه، وفيه من الاضطراب ما لا يخفى.
পক্ষান্তরে আয-যাহাবি এ বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন (أغفل), ফলে তিনি এর ওপর কোনো সংযোজনী (استدراك) প্রদান করেননি।

উল্লিখিত নম্বরগুলোর ওপর টীকা দেখুন: ১৭৯৩, ২১৪৭, ২৪০০, ২৪৩০, ৩১৩৫, ৩৮৩৭, ৪১৩১, ৪৯৮৪, ৫৪৫০, ৬৫১০-এর ক্ষেত্রে।

৫ - আর পঞ্চম জিজ্ঞাসার উদ্দেশ্য উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়।

ইমাম বুখারি ৩: ৫৮১

১৭৫০) এবং ইমাম মুসলিম ৯: ৪৩-এ আমাশের সূত্র (طريق) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "আমি হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফকে মিম্বারের ওপর খুতবা দেওয়ার সময় বলতে শুনেছি: তোমরা কুরআনকে সেভাবে বিন্যস্ত করো যেভাবে জিবরাঈল একে বিন্যস্ত করেছেন: সেই সূরা যাতে বাকারার উল্লেখ রয়েছে, সেই সূরা যাতে নিসার উল্লেখ রয়েছে এবং সেই সূরা যাতে আলে ইমরানের উল্লেখ রয়েছে।"

হাজ্জাজ—যিনি একজন প্রখ্যাত জালিম—সহিহাইন-এ তাঁর কোনো বর্ণনা (رواية) নেই, তবে: তাঁর থেকে বর্ণনা (رواية) এসেছে; আমাশ তাঁর থেকে বর্ণনা (روى) করেছেন যে তিনি এমন এমন কথা বলতেন। তাহলে মিজ্জি কি তাঁর জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করার শর্ত (شرط) করেছেন? প্রকৃতপক্ষে মিজ্জি হাজ্জাজের জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করেননি, এমনকি আমাশের জীবনীতেও (ترجمة) তিনি উল্লেখ করেননি যে তিনি হাজ্জাজ থেকে বর্ণনা (يروى) করেন। গ্রন্থকার তাঁর 'তাযহিব' গ্রন্থে তাঁকে অনুসরণ করেছেন, কিন্তু 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাঁর জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করেছেন।

৯৪৬- এবং তিনি তাঁর জন্য 'খ (خ)' প্রতীক (رمز) ব্যবহার করেছেন এবং আমি যে হাদিসটি উল্লেখ করেছি তার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। কিন্তু আমি জানি না কেন তিনি 'ম (م)' প্রতীক (رمز) দিতে অবহেলা (أغفل) করলেন, অথচ বিষয়টি একই রকম?! হাফিজ ইবনে হাজার তাঁর গ্রন্থদ্বয় 'আত-তাহযিব' এবং 'আত-তাকরিব'-এ তাঁর জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর জন্য 'তাময়িয (تمييز)' প্রতীক (رمز) ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেছেন: "শায়খাইন এবং অন্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা (رواية) করার সংকল্প করেননি। তবে সহিহাইন এবং অন্যান্য গ্রন্থে তাঁর নাম ও তাঁর বক্তব্য এসেছে। তিনি এমন ব্যক্তি নন যে তাঁর থেকে বর্ণনা (يروى) করা হবে।" হাফিজের এই বক্তব্যের দাবি হলো—কোনো কিতাবে যার নাম মাত্র উল্লেখ এসেছে, তার জন্য কোনো প্রতীক (رمز) ব্যবহার করা উচিত নয়। হিশাম বিন হাকিম (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জীবনী (ترجمة) বর্ণনার ক্ষেত্রেও তিনি অনুরূপ করেছেন।

আর আয-যাহাবির কর্মপন্থা সঠিকের অধিক নিকটবর্তী। প্রতীকসহ (رمز) তাঁর বিষয়টি সংযোজন (استدراك) করাই উত্তম ছিল। কারণ ইমাম বুখারি ৩: ৫৯-এ বর্ণনা (روى) করেছেন:

১১৮৪- মারছাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ইয়াযানি-এর সূত্র (طريق) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি উকবা বিন আমির আল-জুহানি-এর নিকট আসলাম এবং বললাম: আপনি কি আবু তামিমকে দেখে বিস্মিত হন না? তিনি মাগরিবের সালাতের পূর্বে দুই রাকাত নামাজ পড়েন … "।

তখন হাফিজ তাঁর "আবু তামিম থেকে" উক্তির ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে ৩: ৬০-এ বলেছেন: "তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন মালিক আল-জাইশানি … মিজ্জি 'তাহযিব' গ্রন্থে উল্লেখ করেননি যে ইমাম বুখারি তাঁর থেকে হাদিস সংকলন (خرج) করেছেন, অথচ তিনি বুখারির শর্তানুযায়ী (شرط) গ্রহণযোগ্য ছিলেন। সুতরাং এই হাদিসের মাধ্যমে তাঁর ওপর আপত্তি (يرد عليه) উত্থাপিত হয়।"

তিনি 'আত-তাকরিব' (৩৫৬৪) গ্রন্থে তাঁর এ কথাটি জোরালোভাবে ব্যক্ত করেছেন: "মিজ্জি 'খ (خ)' প্রতীকটি (رمز) বাদ দিয়েছেন (أغفل)।" আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে তিনি তাঁর একটি কর্মের কথা উল্লেখ করেছেন মাত্র, কোনো বর্ণনা (رواية) নয়। অথচ হাজ্জাজের উল্লেখটি বর্ণনার (رواية) অধিক নিকটবর্তী। এতদসত্ত্বেও আপনি দেখছেন যে হাফিজ হাজ্জাজের জন্য 'খ (خ)' প্রতীক (رمز) ব্যবহার করাকে অস্বীকার করেছেন, অথচ আবু তামিমের জীবনী (ترجمة) বর্ণনার জন্য মিজ্জিকে বাধ্য করেছেন?! এই উদাহরণের মতোই আরেকটি উদাহরণ: আবু দাউদ তাঁর 'সুনান'-এ কিতাবুল ইমান ও নুযুর—পরিচ্ছেদ: কাফফারায় সা'-এর পরিমাণ ৩: ৫৮৬-এ বর্ণনা (روى) করেছেন:

৩২৮১- মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন খাল্লাদ থেকে, তিনি মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি উমাইয়া বিন খালিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যখন খালিদ আল-কাসরি দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেন, তখন তিনি 'সা' (পরিমাপক)-কে দ্বিগুণ করে দিলেন। ফলে এক সা' ষোল রতলে পরিণত হলো।"

এটি খালিদ আল-কাসরির একটি কর্মের বর্ণনা—যেমনটি আবু তামিমের ক্ষেত্রে হয়েছিল। তা সত্ত্বেও মিজ্জি, আয-যাহাবি এবং ইবনে হাজার তাঁর জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করেছেন!

আর এটিই মিজ্জি এবং তাঁর অনুসারীদের অবস্থান, যার মধ্যে অস্থিরতা (اضطراب) অত্যন্ত স্পষ্ট।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١٨)
هذه أمثة على من له ذكر مسند من التابعين.

ومن الامثلة على من له ذكر غير مسند: محمد بن عبد الرحمن بن أبي ليلى، وسوار بن عبد الله العنبري، علق لهما البخاري في " صحيحه " 13: 140 - الباب الخامس عشر من كتاب الاحكام - ولم يرمز لهما خت، وعدم الرمز لهما بمثابة عدم الترجمة، إذ لو لم تكن لهما رواية في كتاب آخر لما ترجم لهما.

وقد عتب الحافظ في " الفتح " 13: 143 على المزي إذ أهمل هذا الرمز لهما، ثم وقع هو في ذلك.

انظر دراسة " تقريب التهذيب " ص 12.

6 - أما ترجمة رجال أسانيد هذه الاخبار: فاعتقد أن المزي ترجم لهم، وتوبع، من ذلك: محمد بن محمد بن خلاد المذكور عند أبي داود في الخبر المتقدم، فان المزي ترجمه، وتبعوه على ذلك، وليس له رواية في مكان آخر من " سنن أبي داود ".

لكن الامر يحتاج إلى تتبع واستقراء لنرى هل اطرد صنيعه وصنيعهم في ذلك أولا.

أما رجال أسانيد هذه الاخبار الذين لم يسموا: فحالهم وجوابهم يندرج تحت الجواب عن السؤال الثاني.

7 - وأخيرا: إن هناك رجالا كثيرين لهم ذكر جانبي محض في بعض الاسانيد والمتون، لا يمت إلى رواية أبدا.

وذلك مثل هني مولى عمر رضي الله عنه الذي قال له: " يا هني اضمم جناحك عن المسلمين، واتق دعوة المسلمين … " رواه البخاري 6: 175

3059) .

ومثل يزيد بن معاوية النخعي المذكور في آخر حديث في كتاب الدعوات في البخاري 9: 228

6411) ، قال شقيق: " كنا ننتظر عبد الله - بن مسعود - إذ جاء يزيد بن معاوية، قلت: ألا تجلس؟ قال: لا، ولكن أدخل فاخرج إليكم صاحبكم وإلا جئت أنا فجلست، فخرج عبد الله وهو آخذ بيده فقام علينا فقال … "، ولا ذكر ليزيد بعد ذلك أبدا.

ومن ذلك: موسى والخضر عليهما الصلاة والسلام في قصتهما المعروفة - بل: توف البكالي الذي حاور ابن عباس في قصتهما - ورفاعة القرظي صاحب حديث العسيلة، وشريك بن سحماء وهلال بن أمية،

وصفوان ابن المعطل وأم مسطح، وهاجر وسارة زوجتا إبراهيم الخليل عليه الصلاة والسلام … وكثير سواهم.

ولا أحب تشويش القارئ بان أقول: لان ترجموه، وفلان لم يترجموه، وفلان ترجمه المزي ولم يتابع، وفلان أهمله.

المزي وترجمه فلان … وهكذا … لكني أقتصر على أمثلة يسيرة محيرة.

1 - نوف البكالي: رمز له المزي وابن حجر: خ م، وهو مذكور ذكرا - لا رواية - في الصحيحين في قصة موسى والخضر عليهما الصلاة والسلام، ولم يترجمه الذهبي في " الكاشف ".

2 - وكذلك فعلوا في هني.

ترجماه، وحذفه الذهبي.
এগুলো হলো তাবেয়িদের (التابعين) মধ্য থেকে তাদের উদাহরণ যাদের মুসনাদ (مسند) বর্ণনা বিদ্যমান।

আর যাদের মুসনাদ ব্যতীত (غير مسند) উল্লেখ রয়েছে তাদের উদাহরণ হলো: মুহাম্মাদ ইবন আবদুর রহমান ইবন আবি লায়লা এবং সাওয়ার ইবন আবদুল্লাহ আল-আনবারি। ইমাম বুখারি তাঁর সহিহ-এর ১৩:১৪০ পৃষ্ঠায়—আহকাম অধ্যায়ের ১৫তম পরিচ্ছেদে—তাদের দুজনের কথা ঝুলন্ত অবস্থায় বর্ণনা (علق) করেছেন, কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে 'খ-ত' সংকেত ব্যবহার করেননি। আর সংকেত না দেওয়াটা জীবনী উল্লেখ না করার নামান্তর; কারণ অন্য কোনো কিতাবে যদি তাদের বর্ণনা না থাকত, তবে তাদের জীবনী আলোচনা করা হতো না।

হাফিজ ইবন হাজার তাঁর 'ফাতহুল বারি'-এর ১৩:১৪৩ পৃষ্ঠায় আল-মিজ্জির সমালোচনা করেছেন, যেহেতু তিনি তাদের ক্ষেত্রে এই সংকেতটি ব্যবহার করতে অবহেলা করেছেন; অথচ পরবর্তীতে তিনি নিজেও একই কাজ করেছেন।

দেখুন: 'তাকরিবুত তাহজিব'-এর গবেষণা, পৃষ্ঠা ১২।

৬ - এই সংবাদগুলোর সনদসমূহের (أسانيد) রাবিদের জীবনীর (ترجمة) ব্যাপারে: আমি মনে করি যে, আল-মিজ্জি তাদের জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করেছেন এবং পরবর্তীতে অন্যরা তাকে অনুসরণ করেছেন। এর উদাহরণ হলো: মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন খাল্লাদ, যার উল্লেখ পূর্ববর্তী বর্ণনায় সুনান আবু দাউদে রয়েছে। আল-মিজ্জি তার জীবনী (ترجمة) লিখেছেন এবং অন্যান্যরাও এক্ষেত্রে তাকে অনুসরণ করেছেন; অথচ সুনান আবু দাউদের অন্য কোথাও তার আর কোনো বর্ণনা (رواية) নেই।

তবে বিষয়টি অনুসন্ধান ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের (استقراء) দাবি রাখে, যাতে দেখা যায় যে তার এবং তাদের এই কর্মপদ্ধতি কি নিয়মিত ছিল কি না।

আর এই সংবাদগুলোর সনদসমূহের (أسانيد) সেই সকল রাবি যাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি: তাদের অবস্থা ও সমাধান দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরের অন্তর্ভুক্ত হবে।

৭ - পরিশেষে: এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন যাদের বিভিন্ন সনদ (الاسانيد) এবং মতন (المتون) বা মূলপাঠে কেবল আনুষঙ্গিক উল্লেখ রয়েছে, যা বর্ণনার (رواية) সাথে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়।

যেমন উমর (রা.)-এর মুক্তদাস হানি—যাকে তিনি বলেছিলেন: "হে হানি! মুসলমানদের প্রতি তোমার হাত গুটিয়ে রাখো এবং মজলুমের বদদোয়াকে ভয় করো..." এটি ইমাম বুখারি বর্ণনা করেছেন (৬:১৭৫, হাদিস নং ৩০৫৯)।

তদ্রূপ ইয়াজিদ ইবন মুয়াবিয়া আন-নাখায়ি, যার উল্লেখ বুখারি-র 'কিতাবুদ দাওয়াত'-এর শেষ হাদিসে (৯:২২৮, হাদিস নং ৬৪১১) রয়েছে। শাকিক বলেন: "আমরা আবদুল্লাহ ইবন মাসউদের অপেক্ষায় ছিলাম, এমন সময় ইয়াজিদ ইবন মুয়াবিয়া এলেন। আমি বললাম: আপনি কি বসবেন না? তিনি বললেন: না, তবে আমি ভেতরে যাব এবং আপনাদের সাথীকে (ইবন মাসউদ) আপনাদের কাছে পাঠিয়ে দেব, নতুবা আমি নিজেই এসে বসব। এরপর আবদুল্লাহ তার হাত ধরে বেরিয়ে এলেন এবং আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন..." এরপর ইয়াজিদের আর কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না।

এর মধ্যে আরও রয়েছে: মুসা ও খিজির (আ.)-এর প্রসিদ্ধ ঘটনা—বরং নওফ আল-বিকালি, যিনি এই ঘটনায় ইবন আব্বাসের সাথে আলোচনা করেছিলেন—এবং উসায়লা সংক্রান্ত হাদিসের বর্ণনাকারী রিফায়া আল-কুরাজি, শারিক ইবন সাহমা ও হিলাল ইবন উমাইয়া,

সাফওয়ান ইবন মুয়াত্তাল ও উম্মে মিস্তাহ এবং ইব্রাহিম খলিল (আ.)-এর দুই স্ত্রী হাজেরা ও সারা... এবং আরও অনেকে।

আমি পাঠকদের বিভ্রান্ত করতে চাই না এই বলে যে—অমুকের জীবনী (ترجمة) তারা লিখেছেন, অমুকের জীবনী (ترجمة) তারা লেখেননি, অমুকের জীবনী (ترجمة) আল-মিজ্জি লিখেছেন কিন্তু অন্যরা অনুসরণ করেননি, অমুককে আল-মিজ্জি বাদ দিয়েছেন কিন্তু অন্যজন তার জীবনী (ترجمة) লিখেছেন... ইত্যাদি। বরং আমি কেবল বিভ্রান্তিকর কয়েকটি সাধারণ উদাহরণের ওপর সীমাবদ্ধ থাকছি।

১ - নওফ আল-বিকালি: আল-মিজ্জি এবং ইবন হাজার তার ক্ষেত্রে 'খ ম' সংকেত ব্যবহার করেছেন। অথচ মুসা ও খিজির (আ.)-এর ঘটনায় সহিহাইন-এ কেবল তার উল্লেখ রয়েছে, কোনো বর্ণনা (رواية) নেই। ইমাম জাহাবি 'আল-কাশিফ'-এ তার জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করেননি।

২ - অনুরূপভাবে তারা হানির ক্ষেত্রেও করেছেন। তারা দুজন তাঁর জীবনী (ترجمة) লিখেছেন, কিন্তু জাহাবি তা বাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ١٩)
3 - وترجما: ليزيد بن أبي كبشة، وحديثه في البخاري 6: 136

2996- وهو مذكور ذكرا.

4 - ويزيد بن معاوية النخعي الذي تقدم حديثه، ورمزا لهما: خ، وكذلك فعل الذهبي رمز لهما: خ، فلماذا؟ ! 5 - ولزيد بن حارثة رضي الله عنه ذكر وقول في " صحيح مسلم " 9: 237 لا رواية، فما رمز المزي رمز مسلم، ولا الذهبي ولا ابن حجر.

6 - ومثله هشام بن حكيم رضي الله عنه المذكور في حديث الصحيحين لما سمعه عمر رضي الله عنه يقرأ سروة الفرقان، فاخذه بتلابيبه إلى النبي صلى اله عليه وسلم، وما رمز له رمز الصحيحين.

فتناقض المزي وابن حجر مع صنيعهما في ترجمة نوف وهني، واليزيدين.

في أمثلة أخرى، لا تفيد إلا الاضطراب.

ومنهج ابن الاثير رحمه الله في " جامع الاصول " - الركن الثالث منه الذي لم يطبع بعد - أقوم، فانه ترجم كل من له ذكر في كتابه، كما يبدو من مختصره للعلامة الفتني الذي طبعه شيخنا العلامة الاجل كبير محدثي الهند مولانا الشيخ حبيب الرحمن الاعظمي حفظه الله تعالى طبعه باسم: " تلخيص خواتم جامع الاصول ".

وأرى أنه لا بد لاحكام هذا الامر من استخدام الحاسب االي بعد وضع منهج دقيق من قبل طائفة متخصصة، ثم إحصاء النتائج عن طريقه، وحينئذ يتم اطراد المنهج، وتصح النتائج.

والله ولي التوفيق.

* * * ب - أما الفقرة الثانية: وهي منهج الذهبي في الترجمة: فالحديث عنها يكون في دراسة مقومات الترجمة الواحدة عنده.

إن مقومات كل ترجمة عند الذهبي في " الكاشف " سبعة، أسردها بالتسلسل المذكور في الكتاب، وهي: 1 - اسم المترجم ونسبه ونسبته.

2 - أسماء بعض شيوخه.

3 - أسماء بعض الرواة عنه.

4 - بعض معلومات عامة عنه.

5 - جرحه وتعديله.

6 - وفاته.

7 - رموز مخرجي حديثه.

وأربعة منها أساسية لا بد منها، هي الثلاثة الاولى منها، والاخيرة السابعة.

كما يتبين بجلاء للناظر في الكتاب، وهذا هو تفصيل الحديث عنها.
3 - এবং তাঁরা উভয়ে ইয়াজিদ ইবনে আবি কাবশাহ-র জীবনী (ترجمة) আলোচনা করেছেন, আর তাঁর হাদিস সহিহ বুখারী-র ৬: ১৩৬ পৃষ্ঠায় রয়েছে।

2996- সেখানে তাঁকে কেবল উল্লেখ করা হয়েছে।

4 - এবং ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া আন-নাখায়ি, যাঁর হাদিস পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে; তাঁরা উভয়ের জন্য ‘খ’ (خ) সংকেত প্রদান করেছেন। অনুরূপভাবে ইমাম যাহাবিও তাঁদের উভয়ের জন্য ‘খ’ সংকেত দিয়েছেন। কিন্তু কেন? ! ৫ - আর যায়িদ ইবনে হারিসা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-র উল্লেখ ও উক্তি সহিহ মুসলিম-এর ৯: ২৩৭ পৃষ্ঠায় রয়েছে, তবে তা কোনো বর্ণনা (رواية) হিসেবে নয়। তাই ইমাম মজি মুসলিম-এর সংকেত ব্যবহার করেননি এবং যাহাবি বা ইবনে হাজারও তা করেননি।

6 - অনুরূপ অবস্থা হিশাম ইবনে হাকিম (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এরও, যিনি সহিহাইন-এর হাদিসে উল্লিখিত হয়েছেন যখন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁকে সূরা আল-ফুরকান পাঠ করতে শোনেন এবং তাঁকে টেনে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নিয়ে যান। অথচ তাঁর ক্ষেত্রেও সহিহাইন-এর সংকেত দেওয়া হয়নি।

ফলে নাওফ, হনি এবং দুই ইয়াজিদের জীবনী (ترجمة) রচনার ক্ষেত্রে ইমাম মজি ও ইবনে হাজারের কর্মপদ্ধতির মধ্যে বৈপরীত্য পরিলক্ষিত হয়।

অন্যান্য উদাহরণে এটি কেবল বিভ্রান্তিই (اضطراب) বৃদ্ধি করে।

আর 'জামেউল উসুল'-এ ইবনে আসির (রহিমাহুল্লাহ)-এর কর্মপদ্ধতি—যার তৃতীয় খণ্ডটি এখনও মুদ্রিত হয়নি—অধিকতর সুসংগত। তিনি তাঁর কিতাবে উল্লিখিত প্রত্যেকের জীবনী (ترجمة) বর্ণনা করেছেন, যেমনটি আল্লামা ফাতানির সংক্ষেপিত গ্রন্থ থেকে স্পষ্ট হয়; যা আমাদের শাইখ, ভারতের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস মাওলানা শায়খ হাবিবুর রহমান আল-আজমি (হাফিযাহুল্লাহ) 'তালখিস খাওাতিম জামেউল উসুল' নামে প্রকাশ করেছেন।

আমি মনে করি, এই বিষয়টিকে সুসংহত করার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল কর্তৃক সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের পর কম্পিউটার ব্যবহার করা অপরিহার্য। অতঃপর এর মাধ্যমে ফলাফলগুলো পরিসংখ্যান করা হলে নীতিমালার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং ফলাফলও সঠিক হবে।

আর আল্লাহই তাওফিক দানকারী।

* * * খ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: জীবনী (ترجمة) রচনায় ইমাম যাহাবির পদ্ধতি: এ বিষয়ে আলোচনা হবে তাঁর প্রতিটি স্বতন্ত্র জীবনী (ترجمة) রচনার উপাদানগুলোর পর্যালোচনার ক্ষেত্রে।

ইমাম যাহাবির 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে প্রতিটি জীবনীর (ترجمة) উপাদান সাতটি, যা আমি কিতাবে বর্ণিত ক্রম অনুযায়ী উল্লেখ করছি: ১ - যাঁর জীবনী লেখা হচ্ছে তাঁর নাম, বংশপরিচয় ও সম্বন্ধ।

2 - তাঁর কতিপয় শিক্ষকের (شيوخ) নাম।

3 - তাঁর থেকে বর্ণনাকারী (رواة) কতিপয় ব্যক্তির নাম।

4 - তাঁর সম্পর্কে কিছু সাধারণ তথ্য।

5 - তাঁর জরাহ ও তাদিল (جرح وتعديل)।

6 - তাঁর মৃত্যু (وفاة)।

7 - তাঁর হাদিস সংকলনকারীদের প্রতীক চিহ্ন (رموز)।

এর মধ্যে চারটি মৌলিক যা অপরিহার্য; আর সেগুলো হলো প্রথম তিনটি এবং সর্বশেষ সপ্তমটি।

যেমনটি এই কিতাব পাঠকারীর কাছে স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়, আর এটিই সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
1 - لا بد من ذكر اسم المترجم أولا، مع ذكر نسبه: فلان بن فلان … ، ونسبته: إلى قبيلة أو بطن، أو بلد أو مهنة، وقد تجتمع هذه وقد تفترق.

والامثلة واضحة.

2 - ثم يسمي بعض شيوخه إلا إذا كان المترجم صحابيا.

وليس له فيمن يسميه من الشيوخ اصطلاح، فلا يشترط أن يكون من يذكر من شيوخه ضمن الكتب الستة، ولا أن يكونوا من كبار شيوخه، ولا أن يكونوا ثقات، ولا أن يذكر أكبر شيخ له، أو آخر شيخ، ولا يلتزم ما التزمه شيخه المزي: الترتيب الهجائي

1) .

3 - ثم يذكر بعض الرواة عنه.

وليس له اصطلاح فيهم أيضا.

4 - وقد ياتي ببعض أخباره، من مناقب ومآثر علمية أو عملية، مما يلقي ضوءا على حال الرجل.

والذهبي ذواقة في التراجم واختيار أخبار الرجال، وانتقاء الالفاظ ذات الدلالة الدقيقة على المراد، وهو محب ولو باخبار العلماء والعباد.

ويجد القارئ في هذا الكتاب اللطيف الحجم من الاخبار النادرة الهامة ما لا يجده في غيره من المطولات، من ذلك: - نقله عن ابن الكلبي في ترجمة حسان بن ثابت رضي الله عنه: " كان لسنا شجاعا فاصابته علة فجبن "، وهي عند المزي، وفاتت ابن حجر في كتابيه: " التهذيب " و " التقريب ".

وهي فائدة تصحح الفكر والنظرة نحو هذا الصحابي الجليل.

وانظر " الروض الانف " للسهيلي 3: 281.

- وقال في ترجمة إبراهيم بن سعيد الجوهري أحد شيوخ مسلم: " قال ابن خاقان: سألته عن حديث لابي بكر فقال لجاريته: أخرجي لي الجزء الثالث والعشرين من مسند أبي بكر!، فقلت له: أبو بكر لا يصح له خمصون حديثا، فمن أين هذا؟ ! فقال: كل حديث لا يكون عندي من مائة وجه فانا فيه يتيم! ".

- وقال في ترجمة زهير بن محمد بن قمير المروزي: " قال البغوي: ما رأيت بعد أحمد أفضل منه، حدثني ابنه محمد أنه كان يختم في رمضان تسعين ختمة ".

وقد يشير إلى ذلك إشارات دقيقة، كقوله في ترجمة منصور بن زاذان: " سريح القرائة جدا "، يريد: قراءة القرآن الكريم، وانظر التعليق عليه.

5 - وكثيرا ما يذكر بعض ما قيل في الرجل من جرح وتعديل، فيكون ناقلا عن غيره، وقد يقتصر على تعديله - وفيه جرح - دلالة على اختياره تعديل الرجل، أو العكس، وقد يولد هو قولا من أقوالهم ويصف به الراوي.

وقد يشير إلى الاختلاف فيه فقط دون ترجيح، كقوله: مختلف فيه، وقد يسكت عن ذلك، وهو كثير، وليس له اصطلاح في سكوته كان لا يسكت إلا عن ثقة، أو ضعف.

ولامثلة على هذه الاحتمالات كثيرة واضحة في الكتاب بذاته، أو بالمقارنة مع الحواشي، إلا احتمالا واحدا، هو حال اجتهاده في الرجل وإعطائه حكما فيه من عنده معتمدا مجموعة أقوالهم فيه، فهذا نادر في

الكتاب.
১ - সর্বপ্রথম অনুবাদকৃত ব্যক্তির (জীবনীগ্রন্থের মূল ব্যক্তিত্ব) নাম উল্লেখ করা আবশ্যক, সাথে তার বংশপরম্পরা: অমুকের পুত্র অমুক … , এবং তার নিসবত বা সম্বন্ধ: কোনো গোত্র বা উপশাখা, অথবা দেশ বা পেশার দিকে; আর এগুলো কখনো একত্রে থাকতে পারে আবার কখনো আলাদা হতে পারে।

এর উদাহরণগুলো স্পষ্ট।

২ - এরপর তিনি তার জনৈক শিক্ষকদের নাম উল্লেখ করেন, যদি না যার জীবনী বর্ণিত হচ্ছে তিনি একজন সাহাবী (صحابي) হন।

শিক্ষকদের নাম উল্লেখ করার ক্ষেত্রে তার কোনো নির্দিষ্ট পরিভাষা নেই। সুতরাং এটি শর্ত নয় যে, উল্লিখিত শিক্ষকগণ 'কুতুবে সিত্তা'র (ছয়টি কিতাব) অন্তর্ভুক্ত হতে হবে, কিংবা তারা তার প্রধান শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত হবেন, অথবা তারা নির্ভরযোগ্য (ثقات) হতে হবে। এমনকি এটিও জরুরি নয় যে তিনি তার জ্যেষ্ঠতম শিক্ষক বা সর্বশেষ শিক্ষকের কথা উল্লেখ করবেন। তিনি তার উস্তাদ মিযযি-র অনুসৃত বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতিও অনুসরণ করেননি।

১) ।

৩ - এরপর তিনি তার থেকে বর্ণনাকারী কতিপয় রাবীর কথা উল্লেখ করেন।

তাদের ক্ষেত্রেও তার কোনো নির্দিষ্ট পরিভাষা নেই।

৪ - কখনো কখনো তিনি সেই ব্যক্তির কিছু সংবাদ উল্লেখ করেন, যেমন তার ফযিলত এবং জ্ঞানতাত্ত্বিক বা ব্যবহারিক কৃতিত্বসমূহ, যা উক্ত ব্যক্তির অবস্থার ওপর আলোকপাত করে।

আয-যাহাবি জীবনী এবং বর্ণনাকারীদের সংবাদ চয়ন করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত রুচিশীল, এবং তিনি কাঙ্ক্ষিত অর্থের ওপর সূক্ষ্ম অর্থবোধক শব্দ নির্বাচনে অত্যন্ত পারদর্শী। তিনি আলেম ও আবিদদের সংবাদ বর্ণনা করতে পছন্দ করেন।

পাঠক এই সংক্ষিপ্ত আয়তনের কিতাবটিতে এমন কিছু বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পাবেন যা বড় বড় কিতাবেও পাওয়া যায় না। যেমন: হাসসান ইবনে সাবিত (রা.)-এর জীবনীতে ইবনে আল-কালবি থেকে তার উদ্ধৃতি: "তিনি ছিলেন বাগ্মী ও সাহসী, অতঃপর তিনি একটি রোগে আক্রান্ত হন ফলে তিনি ভীরু হয়ে পড়েন।" এটি মিযযি উল্লেখ করেছেন, কিন্তু ইবনে হাজার তার 'আত-তাহজিব' এবং 'আত-তাকরিব' কিতাবদ্বয়ে এটি উল্লেখ করতে পারেননি।

এটি এমন একটি তথ্য যা এই মহান সাহাবী (صحابي) সম্পর্কে চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গিকে সংশোধন করে।

আরও দেখুন সুহাইলির 'আর-রাওদুল উনুফ' ৩: ২৮১।

- মুসলিমের জনৈক শিক্ষক ইব্রাহিম ইবনে সাঈদ আল-জাওহারির জীবনীতে তিনি বলেন: "ইবনে খাকান বলেছেন: আমি তাকে আবু বকরের একটি হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি তার দাসীকে বললেন: আমার কাছে আবু বকরের মুসনাদ-এর তেইশতম খণ্ডটি নিয়ে এসো! তখন আমি তাকে বললাম: আবু বকরের তো পঞ্চাশটি হাদিসও সহিহ (صح) নয়, তবে এটি কোথা থেকে এলো?! তিনি বললেন: যে হাদিস আমার কাছে শত সূত্রে না থাকে, সে বিষয়ে আমি এতিম (অজ্ঞ)!"

- জুহাইর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কুমাইর আল-মারওয়াযির জীবনীতে তিনি বলেন: "বাগউয়ী বলেছেন: আমি আহমদের পর তার চেয়ে উত্তম কাউকে দেখিনি। তার পুত্র মুহাম্মদ আমাকে বলেছেন যে, তিনি রমজানে নব্বইবার খতম দিতেন।"

তিনি কখনো সূক্ষ্ম ইঙ্গিতও দিয়ে থাকেন, যেমন মানসুর ইবনে যাযানের জীবনীতে তার উক্তি: "খুবই দ্রুত কিরাত পাঠকারী", এর দ্বারা তিনি পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত বুঝিয়েছেন। এ বিষয়ে টীকা দেখুন।

৫ - তিনি প্রায়শই উক্ত ব্যক্তির ব্যাপারে জারহ (جرح) ও তাদিল (تعديل) সংক্রান্ত মন্তব্যগুলো উল্লেখ করেন, যা তিনি অন্যের কাছ থেকে উদ্ধৃত করেন। কখনো কখনো তিনি কেবল তার তাদিল (تعديل)—অথচ তার ওপর জারহ (جرح) রয়েছে—উল্লেখ করেন যা দ্বারা তিনি উক্ত ব্যক্তির নির্ভরযোগ্যতাকে প্রাধান্য দিয়েছেন বলে বোঝা যায়, অথবা এর বিপরীতটিও ঘটে থাকে। আবার কখনো তিনি তাদের বিভিন্ন উক্তি থেকে একটি নতুন মন্তব্য তৈরি করে রাবীকে বিশেষিত করেন।

কখনো কখনো তিনি কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া ছাড়াই কেবল মতবিরোধের প্রতি ইঙ্গিত করেন, যেমন তার উক্তি: মতভেদপূর্ণ (مختلف فيه)। আবার কখনো তিনি এ বিষয়ে নিশ্চুপ থাকেন, যার পরিমাণ অনেক। তার এই নীরব থাকার পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিভাষা নেই যে, তিনি কেবল নির্ভরযোগ্য (ثقة) অথবা দুর্বলতা (ضعف) থাকলেই নীরব থাকবেন।

এই সম্ভাবনাগুলোর উদাহরণ কিতাবটিতে নিজে থেকেই বা টীকাগুলোর সাথে তুলনা করলে প্রচুর ও স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়। তবে একটি সম্ভাবনা ছাড়া, আর তা হলো কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে তার নিজস্ব ইজতিহাদ (اجتهاد) এবং তাদের উক্তিগুলোর ওপর ভিত্তি করে নিজের পক্ষ থেকে কোনো হুকুম (حكم) প্রদান করা; এটি এই কিতাবে বিরল।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢١)
من ذلك: قوله في أحمد بن علي إمام سلمية: " جيد الحديث "، وإنما قال فيه أبو حاتم: " أرى أحاديثه مستقيمة ".

و" جيد الحديث " من ألفاظ المرتبة الاخيرة من مراتب التعديل عند المصنف.

انظر مقدمة " ميزانه " ص 4، فجزم الحافظ في " التقريب "

82- بانه " صدوق ": فيه رفع لمرتبته أكثر مما تفيده عبارة المتقدمين.

والله أعلم.

6 - وكثيرا ما يؤرخ وفاة الرجل جزما، وقد يحكي الخلاف، وكثيرا ما لا يؤرخها، ويكون المزي - أو غيره قبله - قد أرخها، ولمعرفة تاريخ الولادة والوفاة أهمية بالغة عند المحدثين، لما ينبني عليها من حكم على الرواية بالاتصال أو الانقطاع.

لذلك آخذ البرهان الحلبي سبط ابن العجمي المصنف الذهبي رحمهما الله تعالى على عدم اهمتماه بهذا الجانت في " الكاشف "، فقال في مقدمة كتابه " نهاية السول " - مخطوط -: " وكتاب " الكاشف " مختصره - أي مختصر " تذهيب التهذيب " - وكثيرا ما لا يذكر فيه تعديلا ولا تجريحا، ولا وفاة عض الشيوخ رمزا ولا تصريحا ".

7 - أما رموز الكتب التي فيها حديث المترجم: فهذا من المقومات الاساسية للترجمة في هذا الكتاب، كالثلاثة الاول، وسيأتي لحديث عنها إن شاء اللهتعالى صفحة 78.

وبعد: فهذا عرض مجمل لمنهج الامام الذهبي في كتابه " الكاشف ": منهجه العام فيمن عليه أن بترجمه، ومنهجه الخاص في كل ترجمة.

واستيفاء لدراسة المنهج أقول: لقد كان على التزام المصنف رحمه الله لمنهجه الذي اختطه بعض الملاحظات، سواء في منهجه العام، أو الخاص.

وأدم القول: إن الذهبي متابع لشيخه المزي رحمهما الله تعالى في كتابه هذا متابعة كبيرة قلما يخرج عنه، ولم تظهر فيه شخصيته الاستقلالية الناقدة، كما هي ظاهرة في " الميزان " و " سير أعلام النبلاء " مثلا.

وتقدمت كلمات حول منهجه العام، وأزيد هنا فاقول: 1 - ترجم المزي لبعض من علق له أبو داود والترمذي، وفاته عدد غير قليل، ولم يستدرك المصنف أحدا منهم، ليسد ثغرة بقيت في عمل شيخه، بل ذكر من ذكره المزي، وترك من تركه المزي! سواء كانت ترجمته تحتاج إلى إضافة رمز من علق له، أو أن الرجل يحتاج إلى ترجمة كاملة، أي: إن المزي إهمل الرمز فقط، أو أهمل الترجمة مطلقا.

ومن أمثلة الحال الاولى: سمرة بن سهم، رمزه عند المزي والذهبي: س ق، وعلق له الترمذي، فضاف رمزه ابن حجر.

وكذلك: داود بن جميل، علق له الترمذي، ولم يرمزوا له جميعهم، فاستدركت رمزه.

ومن أمثلة الحال الثانية: والمسور بن عبد الملك اليربوعي، لم يترجمه المزي ولا الذهبي، فاستدركها ابن حجر، لكون أبي داود علق له.
এর মধ্যে একটি হলো: সালামিয়ার ইমাম আহমাদ ইবনে আলি সম্পর্কে তাঁর উক্তি: "উত্তম হাদিস বিশিষ্ট (جيد الحديث)", অথচ আবু হাতিম তাঁর সম্পর্কে কেবল বলেছেন: "আমি তাঁর হাদিসগুলোকে সঠিক (مستقيمة) মনে করি"।

আর "উত্তম হাদিস বিশিষ্ট (جيد الحديث)" শব্দসমষ্টিটি লেখকের নিকট প্রশংসা বা সংশোধন (تعديل) এর স্তরসমূহের মধ্যে সর্বশেষ স্তরের অন্তর্ভুক্ত।

তাঁর "মিজান" এর ভূমিকা পৃষ্ঠা ৪ দ্রষ্টব্য। আর হাফিজ (ইবনে হাজার) "তাকরিব" গ্রন্থে

82- নিশ্চিত করেছেন যে তিনি "সত্যবাদী (صدوق)": এতে তাঁর স্তরকে পূর্ববর্তীদের বাণীর তুলনায় আরও বেশি উন্নীত করা হয়েছে।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

৬ - অনেক ক্ষেত্রে তিনি কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখ নিশ্চিতভাবে উল্লেখ করেন, আবার কখনো মতপার্থক্য বর্ণনা করেন। অনেক সময় তিনি তারিখ উল্লেখ করেন না, যদিও আল-মিযযি বা তাঁর পূর্ববর্তী অন্য কেউ তা উল্লেখ করেছিলেন। জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ জানা হাদিস বিশারদদের নিকট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর ওপর ভিত্তি করেই বর্ণনার অবিচ্ছিন্নতা (اتصال) বা বিচ্ছিন্নতা (انقطاع) বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এজন্যই বুরহান আল-হালাবি সিবত ইবনুল আজামি লেখক আয-যাহাবী (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন) কে "আল-কাশিফ" গ্রন্থে এই দিকে মনোনিবেশ না করার জন্য সমালোচনা করেছেন। তিনি তাঁর পাণ্ডুলিপি গ্রন্থ "নিহায়াতুস সুল" এর ভূমিকায় বলেছেন: "আর 'আল-কাশিফ' গ্রন্থটি হলো তাঁর সংক্ষিপ্তকরণ—অর্থাৎ 'তাজহিবুত তাহজিব' এর সংক্ষিপ্ত রূপ—এবং এতে তিনি প্রায়ই প্রশংসা (تعديل) বা সমালোচনা (تجريح) উল্লেখ করেন না, এমনকি কোনো কোনো শায়খের মৃত্যুর তারিখও সংকেত বা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন না।"

৭ - যেসব কিতাবে জীবনীকৃত ব্যক্তির হাদিস রয়েছে সেগুলোর সংকেত (রুমুজ): এটি এই গ্রন্থের জীবনীর একটি মৌলিক উপাদান, যেমনটি প্রথম তিনটির ক্ষেত্রে ছিল। এ সম্পর্কে ইনশাআল্লাহ ৭৮ পৃষ্ঠায় আলোচনা আসবে।

এরপর: এটি ইমাম আয-যাহাবীর "আল-কাশিফ" গ্রন্থে তাঁর অনুসৃত পদ্ধতির একটি সংক্ষিপ্ত উপস্থাপন: কাদের জীবনী তিনি লিখবেন সে বিষয়ে তাঁর সাধারণ পদ্ধতি এবং প্রতিটি জীবনীর ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ পদ্ধতি।

এই পদ্ধতির পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার জন্য আমি বলব: লেখক (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) নিজে যে পদ্ধতি নির্ধারণ করেছিলেন, তা পালনের ক্ষেত্রে কিছু পর্যবেক্ষণ লক্ষ্য করা যায়, তা সাধারণ বা বিশেষ উভয় পদ্ধতির ক্ষেত্রেই।

আমি আরও বলব: আয-যাহাবী এই গ্রন্থে তাঁর উস্তাদ আল-মিযযিকে (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন) ব্যাপকভাবে অনুসরণ করেছেন এবং খুব কমই তাঁর বাইরে গিয়েছেন। এতে তাঁর স্বাধীন ও সমালোচনামূলক ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠেনি, যা "মিজান" এবং "সিয়ারু আলামিন নুবালা" এর মতো গ্রন্থগুলোতে স্পষ্ট।

পূর্বে তাঁর সাধারণ পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু কথা আলোচিত হয়েছে, আমি এখানে আরও যোগ করে বলছি: ১ - আল-মিযযি এমন কিছু ব্যক্তির জীবনী উল্লেখ করেছেন যাদের হাদিস আবু দাউদ ও তিরমিযি 'তা'লিক (علق)' হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি বেশ কিছু ব্যক্তিকে বাদ দিয়েছেন। লেখক (যাহাবী) তাঁর উস্তাদের কাজের এই শূন্যতা পূরণে নতুন কাউকে যুক্ত করেননি; বরং মিযযি যাদের উল্লেখ করেছেন তিনি কেবল তাদেরই উল্লেখ করেছেন এবং মিযযি যাদের বাদ দিয়েছেন তিনিও তাদের বাদ দিয়েছেন! সেটি জীবনীতে সংকেত যোগ করার প্রয়োজন হোক বা ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ জীবনীর প্রয়োজন হোক; অর্থাৎ মিযযি কেবল সংকেত বাদ দিয়ে থাকুন অথবা পূর্ণ জীবনীই বাদ দিয়ে থাকুন।

প্রথম অবস্থার একটি উদাহরণ হলো: সামুরা বিন সাহম, আল-মিযযি ও আয-যাহাবীর নিকট তাঁর সংকেত হলো: সিন ক্বাফ, অথচ ইমাম তিরমিযি তাঁর থেকে 'তা'লিক (علق)' হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তাই ইবনে হাজার তাঁর সংকেতটি যোগ করেছেন।

তদ্রূপ: দাউদ বিন জামিল, তিরমিযি তাঁর থেকে 'তা'লিক (علق)' হিসেবে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তাঁরা কেউই তাঁর সংকেত দেননি, তাই আমি তাঁর সংকেতটি সংশোধন করে দিয়েছি।

দ্বিতীয় অবস্থার একটি উদাহরণ হলো: মিসওয়ার বিন আব্দুল মালিক আল-ইয়ারবুয়ি, আল-মিযযি বা আয-যাহাবী কেউই তাঁর জীবনী উল্লেখ করেননি। কিন্তু ইবনে হাজার তা সংশোধন করে যুক্ত করেছেন, কারণ আবু দাউদ তাঁর থেকে 'তা'লিক (علق)' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
ومنهم: عقبة بن سويد الجهني، علق له أبو داود حديثا عن أبيه سويد، ولم يترجموهما جميعا، فاستدركت ترجمتهما.

2 - ترجم المزي لبعض من له ذكر في الكتب الستة - لا رواية - فحذف الذهبي بعضا منهم، وأبقى بعضا آخر.

مثل: هني مولى عمر بن الخطاب، ونوف البكالي، وعبد الرحمن بن أيمن، ترجم لهم المزي، وتبعه المصنف في الاولين، وترك الثالث، وحكمهم سواء.

وترجم المزي لابي عمرو الشيباني، لان مسلما روى له تفسير غيرب " أخنع الاسماء " وتبعه المصنف، وفات المزي أن يترجم لابي حاتم السجستاني وله تفسير غريب أسنان الابل عند أبي داود، فلم يستدركه المصنف.

وتقدم أن المزي لم يترجم للحجاج الثقفي، فاستدرك المصنف ترجمته ورمز له خ فقط، مع أن كلمته التي في " صحيح البخاري " هي في " صحيح مسلم " أيضا، فلم يطرد في استدراكه!.

أما ما يقال في منهجه الخاص: فامور يسيرة، منها:

1 - أنه لم يسر على وتيرة واحدة في سياق نسب المترجم، فهو في الاكثر الاغلب يذكر اسم الرجل، واسم أبيه … ملتزما الترتيب الهجائي الدقيق، مما ييسر المراجعة على الباحث - وصاحب الفضل هو صاحب السبق: الحافظ المزي -.

لكنه تارة لا يسمي أباه، وتقع الترجمة وسط أسماء المذكورين بآبائهم، فلا يقع على بغيته إلا من عرف نسب الرجل.

ترجم لبكير بن ااخنس، ثم لابن أبي السميط، ثم ابن شهاب، ثم ابن عامر البجلي، ثم ابن عبد الله بن الاشج، ثم بكير الضخم، ثم بكير بن عطاء.

فالضخم صفة لبكير، ووفعت ترجمته بين: ابن عبد الله، وابن عطاء، فهو ابن من؟ فعلى القارئ أن يقدر ذلك من سياق الترتيب.

2 - وقلت فيما سبق: إنه لم يلتزم في ذكر شيوخ المترجم أي معنى وملحظ، ولو أنه التزم أن يكونوا من رجال الكتب الستة الثقات: لكان الغاية في الجودة! فان لم يتيسر اشتراط الثة - وهذا في عدد قليل من المترجمين - أشار إلى ذلك برمز يصطلح عليه، كما اصطلح أن يرمز لمن انفرد ابن حبان بتوثيقه ويقول فيه " وثق ": أن يضع فوق اسمه: حب.

وثمة ملاحظات حول أحكامه على الرواة، وأخرى على رموزه، لا أحب التعجل بذكرها، إذ محلها الاليق بها عند دراستهما في الفقرتين الرابعة والخامسة إن شاء الله تعالى.

ولكني أستطيع القول: إن التزام الحافظ ابن حجر لمقومات الترجمة في " التقريب " أو فى وأقوم من المصنف في " الكاشف " وإن كانت أوهام ابن حجر في رموز المترجم أكثر من الذهبي، رحمهما الله تعالى.
এবং তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: উকবা ইবনে সুওয়াইদ আল-জুহানি; আবু দাউদ তাঁর পিতা সুওয়াইদ থেকে বর্ণিত একটি হাদিস 'তালিক' (علق) হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁরা উভয়েরই জীবনী (ترجمة) আলোচনা করা হয়নি, তাই আমি তাঁদের জীবনী (ترجمة) সংযোজন করেছি।

2 - মিয্যি কুতুবুস সিত্তাহ-তে নামোল্লেখ আছে এমন কিছু ব্যক্তির জীবনী (ترجمة) বর্ণনা করেছেন—যাঁদের কোনো বর্ণনা (رواية) নেই—অতঃপর যাহাবি তাঁদের কাউকে বাদ দিয়েছেন এবং অন্যদের বহাল রেখেছেন।

যেমন: ওমর ইবনুল খাত্তাবের মুক্তদাস হানি, নাওফ আল-বিকালি এবং আব্দুর রহমান ইবনে আয়মান। মিয্যি তাঁদের জীবনী (ترجمة) আলোচনা করেছেন এবং গ্রন্থকার প্রথম দুইজনের ক্ষেত্রে তাঁকে অনুসরণ করেছেন কিন্তু তৃতীয়জনকে বাদ দিয়েছেন, যদিও তাঁদের হুকুম (حكم) একই।

মিয্যি আবু আমর আশ-শাইবানির জীবনী (ترجمة) উল্লেখ করেছেন, কারণ ইমাম মুসলিম তাঁর থেকে 'আখনাউল আসমা' শব্দটির অপরিচিত শব্দের ব্যাখ্যা (تفسير غريب) বর্ণনা করেছেন এবং গ্রন্থকার তাঁকে অনুসরণ করেছেন। কিন্তু মিয্যি আবু হাতিম আস-সিজিস্তানির জীবনী (ترجمة) আলোচনা করতে ভুলে গেছেন, অথচ আবু দাউদে উটের বয়সের সংজ্ঞায় তাঁর একটি বিরল শব্দের ব্যাখ্যা (تفسير غريب) রয়েছে; গ্রন্থকারও এটি আর সংযোজন করেননি।

পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে যে, মিয্যি হাজ্জাজ আস-সাকাফির জীবনী (ترجمة) বর্ণনা করেননি, তাই গ্রন্থকার তাঁর জীবনী (ترجمة) সংযোজন করেছেন এবং তাঁর জন্য শুধু 'খ' সংকেত ব্যবহার করেছেন। যদিও সহিহ বুখারিতে তাঁর যে উক্তিটি রয়েছে, তা সহিহ মুসলিম-এও আছে; সুতরাং তিনি তাঁর এই সংযোজন প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিকতা রক্ষা করেননি।

তাঁর নিজস্ব পদ্ধতি (منهج) সম্পর্কে যা বলা হয়, তা সামান্য কিছু বিষয় মাত্র, যার মধ্যে রয়েছে:

1 - তিনি জীবনীভুক্ত ব্যক্তির বংশপরম্পরা বর্ণনায় একক কোনো নীতি অনুসরণ করেননি। তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যক্তির নাম এবং তাঁর পিতার নাম উল্লেখ করেন... এবং সূক্ষ্ম বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস বজায় রাখেন, যা গবেষকের জন্য অনুসন্ধান সহজ করে দেয়—আর এই শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার হলেন এর পথিকৃৎ হাফিজ মিয্যি।

কিন্তু কখনও কখনও তিনি পিতার নাম উল্লেখ করেন না এবং জীবনীটি (ترجمة) তাঁদের মাঝে চলে আসে যাঁদের পিতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে সেই ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য খুঁজে পায় না যে উক্ত ব্যক্তির বংশ পরিচয় সম্পর্কে জানে।

তিনি বুকাইর ইবনুল আখ্নাস-এর জীবনী (ترجمة) বর্ণনা করেছেন, তারপর ইবনে আবিস সুমায়ত, এরপর ইবনে শিহাব, এরপর ইবনে আমির আল-বাজালি, এরপর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল আশাজ্জ, এরপর বুকাইর আদ-দখম, এবং শেষে বুকাইর ইবনে আতা-এর জীবনী (ترجمة) এনেছেন।

এখানে 'আদ-দখম' শব্দটি বুকাইরের একটি বিশেষণ (صفة); এবং তাঁর জীবনী (ترجمة) ইবনে আব্দুল্লাহ এবং ইবনে আতা-এর মাঝে এসেছে। এখন তিনি কার পুত্র? পাঠককে বিন্যাসের প্রেক্ষাপট থেকে তা অনুমান করে নিতে হবে।

2 - আমি আগে বলেছি যে, তিনি জীবনীভুক্ত ব্যক্তির শায়খদের নাম উল্লেখে কোনো নির্দিষ্ট নীতি বা পর্যবেক্ষণ মেনে চলেননি। তিনি যদি তাঁদের কুতুবুস সিত্তাহর নির্ভরযোগ্য (ثقات) বর্ণনাকারী হওয়ার শর্ত মেনে চলতেন, তবে তা অত্যন্ত চমৎকার হতো! যদি নির্ভরযোগ্যতা (ثقة)-এর শর্ত পালন সম্ভব না হতো—যা অল্প কিছু ব্যক্তির জীবনীতে (ترجمة) ঘটেছে—তবে তিনি নির্দিষ্ট পরিভাষাগত সংকেত দিয়ে তা নির্দেশ করতেন। যেমন ইবনে হিব্বান এককভাবে কাউকে নির্ভরযোগ্য বলা (توثيق) এবং তাঁর সম্পর্কে 'নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে' (وثق) পরিভাষা ব্যবহার করলে তিনি তাঁর নামের উপরে 'হাব' সংকেত দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছেন।

বর্ণনাকারীদের (رواة) ব্যাপারে তাঁর সিদ্ধান্ত এবং তাঁর সংকেতগুলো নিয়ে আরও কিছু পর্যবেক্ষণ আছে, যা আমি এখনই উল্লেখ করতে চাই না। ইনশাআল্লাহ চতুর্থ ও পঞ্চম অনুচ্ছেদে এ নিয়ে আলোচনার সময় উপযুক্ত স্থানে তা বিস্তারিত বলা হবে।

তবে আমি এটুকু বলতে পারি যে, হাফিজ ইবনে হাজার তাঁর তাক্বরিব গ্রন্থে জীবনী (ترجمة) সংক্রান্ত উপাদানগুলো বজায় রাখার ক্ষেত্রে গ্রন্থকারের আল-কাশিফ অপেক্ষা অধিক পূর্ণাঙ্গ ও সুসংহত ছিলেন; যদিও জীবনীভুক্তদের সংকেত প্রদানের ক্ষেত্রে যাহাবির চেয়ে ইবনে হাজারের বিভ্রম বা ভুল (أوهام) বেশি ছিল। আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
‌‌3 - ألفاظ الجرح والتعديل في " الكاشف "

يقتضي الحديث المستوعب لهذا العنوان إن أفصل القول في: - ألفاظهما، ودقة نقلها، وتميير ما كان من قبل الذهبي، عما كان من غيره.

- وفي شرح مدلولاتها، وترتيبها قوة وضعفا، وبيان ما فيه اصطلاح خاص بقائله، وما ليس كذك،

وقد يكون للذهبي اصطلاح ببعض الالفاظ.

وقد يقتضي استيفاء القول بيان من هو صاحب هذا الاصطلاح من المتقدمين الذي تأثر به الذهبي فاقتبس قوله … وما إلى ذلك من متممات.

وقد بدأت بالكتابة على هذا النحو، لكني رأيت نفسي كأنني أجمع ألفاظ الجرح والتعديل كلها، وأصنفها، وأفسرها، وأورخ لها، وأضم إلى ذلك ما عند الذهبي!.

فلذلك عدلت عن هذا إلى وقت آخر بعون الله وتوفيقه، واقتصرت على بعض ألفاظ أقدر أن لها حاجة خاصة، أذكر تحتها كلمات أنبه بها إلى جوانت خاصة لا أقصد منها الدراسة للفظة الجرح والتعديل، وأضع بجانب الكلمات النارد استعمالها رقم الترجمة التي ورد فيها هذا اللفظ، أما الكلمات التي يكثر استعمالها - مثل: ثقة، صدوق … - فلا أضع لها رقما.

1 - ثقة.

الثقة: هو العدل الضابط.

وبماذا تعرف العدالة؟ - وبماذا يعرف الضبط؟ آ - بماذا تعرف العدالة؟ ذكر الامام ابن الصلاح رحمه الله أول النوع الثالث والعشرين من " مقدمته " مسلكين لمعرفة العدالة - أو الثقة - وهما المسلكان المتفق عليهما: الشهرة بها، كحال الائمة المعروفين.

و" تنصيص معدلين على عدالته ".

وزاد الاصوليون: الحكم بمقتضى حديث الراوي، والعمل به كذلك

1) ، والرواية عنه من قبل من لا يروي إلا عن ثقة.

وفي ثلاثتها نظر واختلاف.
৩ - "আল-কাশিফ" গ্রন্থে জারহ ও তা'দীল (الجرح والتعديل) এর শব্দাবলি

এই শিরোনামের পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি হলো—উভয় প্রকারের শব্দাবলি, সেগুলোর উদ্ধৃতির নির্ভুলতা এবং ইমাম যাহাবীর নিজস্ব শব্দ ও অন্যদের থেকে চয়নকৃত শব্দের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করার ক্ষেত্রে বিস্তারিত আলোচনা করা।

- এবং সেগুলোর অর্থের ব্যাখ্যা, সক্ষমতা ও দুর্বলতার (قوة وضعفا) ভিত্তিতে সেগুলোর বিন্যাস, এবং যার মধ্যে প্রবক্তার নিজস্ব পরিভাষা (اصطلاح خاص) রয়েছে আর যার মধ্যে নেই তা স্পষ্ট করা।

আর কিছু শব্দের ক্ষেত্রে ইমাম যাহাবীর বিশেষ পরিভাষা (اصطلاح) থাকতে পারে।

বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ বর্ণনার জন্য পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে সেই পরিভাষার প্রবক্তাকে চিহ্নিত করা প্রয়োজন যার দ্বারা ইমাম যাহাবী প্রভাবিত হয়েছেন এবং যার বক্তব্য তিনি গ্রহণ করেছেন... এবং এই জাতীয় অন্যান্য সম্পূরক বিষয়াবলি।

আমি এইভাবে লেখা শুরু করেছিলাম, কিন্তু আমি অনুভব করলাম যে আমি যেন জারহ ও তা'দীল (الجرح والتعديل)-এর সকল শব্দাবলি সংগ্রহ করছি, সেগুলোকে শ্রেণিবিন্যস্ত করছি, ব্যাখ্যা করছি, সেগুলোর ইতিহাস লিপিবদ্ধ করছি এবং তার সাথে ইমাম যাহাবীর কাছে যা রয়েছে তাও যুক্ত করছি!

তাই আল্লাহর সাহায্য ও তাওফীকে আমি এই পদ্ধতি থেকে সরে এসে অন্য সময়ের জন্য তা তুলে রেখেছি এবং কেবল এমন কিছু শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছি যেগুলোর বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে বলে আমি মনে করি। সেগুলোর অধীনে আমি এমন কিছু বাক্য উল্লেখ করছি যা দিয়ে আমি বিশেষ কিছু দিকের প্রতি ইঙ্গিত করছি, যেখানে শব্দটির মাধ্যমে জারহ ও তা'দীলের (الجرح والتعديل) পূর্ণাঙ্গ অধ্যয়ন আমার উদ্দেশ্য নয়। আর যেসব শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলোর পাশে আমি জীবনী নম্বর (رقم الترجمة) উল্লেখ করেছি যেখানে সেই শব্দটি এসেছে। তবে যেসব শব্দের ব্যবহার অধিক—যেমন: নির্ভরযোগ্য (ثقة), সত্যবাদী (صدوق)...—সেগুলোর জন্য আমি কোনো নম্বর প্রদান করিনি।

১ - নির্ভরযোগ্য (ثقة)।

নির্ভরযোগ্য (ثقة): তিনি হলেন সেই ব্যক্তি যিনি ন্যায়নিষ্ঠ (عدل) ও প্রখর স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন (ضابط)।

আর কিসের মাধ্যমে ন্যায়নিষ্ঠতা (عدالة) চেনা যায়? - এবং কিসের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তির প্রখরতা (ضبط) চেনা যায়? ক- কিসের মাধ্যমে ন্যায়নিষ্ঠতা (عدالة) চেনা যায়? ইমাম ইবনুস সালাহ (রহ.) তাঁর "মুকাদ্দিমাহ"-এর ২৩তম প্রকারের শুরুতে ন্যায়নিষ্ঠতা (عدالة)—অথবা নির্ভরযোগ্যতা (ثقة)—চেনার দুটি পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেছেন, যা সর্বসম্মত দুটি পদ্ধতি: সেটির মাধ্যমে প্রসিদ্ধি লাভ করা, যেমনটি সুপরিচিত ইমামদের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।

এবং "ন্যায়নিষ্ঠ প্রতিপন্নকারী (معدلين) ইমামদের কর্তৃক তার ন্যায়নিষ্ঠতার (عدالة) সুস্পষ্ট স্বীকৃতি"।

এবং উসুলবিদগণ (الاصوليون) আরও যোগ করেছেন: বর্ণনাকারীর (الراوي) হাদিসের দাবি অনুযায়ী ফয়সালা প্রদান করা এবং একইভাবে তার ওপর আমল করা

১) , এবং এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে তার সূত্রে বর্ণনা করা, যিনি কেবল নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারও থেকে বর্ণনা করেন না।

তবে এই তিনটির বিষয়ই পর্যালোচনা ও মতভেদের অবকাশ রয়েছে।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
وأنبه إلى أمرين يتعلقان بالتنصيص على العدالة: أولهما: هل يشترط في النص إن يكون من إمام من أئمة الجرح والتعديل؟.

ثانيهما: هل يشترط فيه أن يكون نصا صريحا - فلان ثقة - أو: يقبل التوثيق الضمني، وذلك بتصحيح حديثه مثلا؟ والجواب عن الامر الاول: أنه لا بد من أهلية صاحب التعديل، وعبارة ابن الصلاح عامة: " تنصيص معدلين على عدالته ".

وهذا خلاف فيه.

لكن بعضهم ذكر صورة ما لو عدله أحد الرواة عنه، فهل يكتفى بذلك؟ كما لو قال رجل: حدثني فلان وكان صدوقا، أو كان ثقة، ونحو ذلك، فما القول؟ قال السخاوي رحمه الله في " فتح المغيث " 1: 296 " صرح ابن رشيد بانه لو عدله المنفرد عنه كفى، وصححه شيخنا - ابن حجر - أيضا إذا كان متاهلا لذلك، ومن هنا ثبتت صحبة الحابي برواية الواحد المصرح بصحبته عنه ".

والجواب عن الامر الثاني: أنهم صرحوا بقبول التوثيق الضمني، وهذه نصوص ما وقفت عليه.

- روى الترمذي عن فريعة أخت أبي سعيد الخدري حديثا في اعتدادها في بينها وأنه لا يجوز الاعتداد في بيت أهلها، وقال: حسن صحيح، وضعفه ابن حزم بجهالة حال زينب بنت كعب بن عرة رواية الحديث عن الفريعة، فتعقبه ابن القطان - كما في " نصب الراية " 3: 264 - فقال: " وليس عندي كما قال: بل الحديث صحيح، فان سعد بن إسحاق ثقة، وممن وثقه النسائي، وزينب كذلك ثقة، وفي تصحيح الترمذي إياه توثيقها وتوثيق سعد بن إسحاق، ولا يضر الثقة أن لا يروي عنه إلا واحد، وقد قال ابن عد البر: إنه حديث مشهور.

انتهى ".

ولما خالف ابن القطان هذا المنهج تعقبه الامام ابن دقيق العيد رحمهما الله تعالى: 2 - فقد روى عمرو بن بجدان، عن أبي ذر رضي الله عنه حديث: " الصعيد الطيب وضوء المسلم … "، ولم يرو عن عمرو إلا أبو قلابة، فضعف ابن القطان الحديث به فقال - كما في " نصب الراية " 1: 149 -: " هذا حديث ضعيف بلا شك، إذ لا بد فيه من عمرو بن بجدان، وعمرو بن بجدان لا يعرف له حال، وإنما روى عنه أبو قلابة ".

3 - وعقبه الزيلعي رحمه الله بكلام بن دقيق العيد فقال: " قال الشيخ تقي الدين في " الامام ": ونم العجب كون ابن القطان لم يكتف بتصحيح الترمذي في معرفة حال عمرو بن بجدان، مع تفرده بالحديث، وهو قد نقل كلامه: حدا حديث حسن صحيح، وأى فرق بين أن يقول: هو ثقة، أو يصحح له حديثا انفرد به! وإن كان توقف عن ذلك لكونه لم يرو عنه إلا أبو قلابة فليس هذا بمقتضى مذهبه، فانه لا يلتفت إلى كثرة الرواة في نفي جهالة الحال، فكذلك لا يوجب جهالة الحال بانفراد راو واحد عنه بعد وجود ما يقتضي تعديله، وهو تصحيح الترمذي ".

4 - وقال المصنففي " الميزان " 4

10478) : " أبو عمير بن أنس بن مالك … تفرد عنه أبو بشر،
আমি ন্যায়পরায়ণতা (عدالة) নির্ধারণ সংক্রান্ত দুটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি: প্রথমত: ন্যায়পরায়ণতা সংক্রান্ত ভাষ্যটি কি হাদিস সমালোচনা ও যাচাই-বাছাইয়ের (الجرح والتعديل) ইমামগণের মধ্য হতে কোনো ইমামের পক্ষ থেকে হওয়া কি শর্ত?

দ্বিতীয়ত: এতে কি সুস্পষ্ট ভাষ্য হওয়া শর্ত—যেমন: 'অমুক ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য (ثقة)'—নাকি পরোক্ষভাবে নির্ভরযোগ্যতা প্রদান (توثيق ضمني) গ্রহণযোগ্য হবে, যেমন উদাহরণস্বরূপ তার বর্ণিত হাদিসকে সহিহ (تصحيح) বলা? প্রথম বিষয়ের উত্তর হলো: যিনি ন্যায়পরায়ণ সাব্যস্ত (تعديل) করছেন তার যোগ্যতা থাকা আবশ্যক। ইবনে আল-সালাহ-এর উক্তিটি সাধারণ: "ন্যায়পরায়ণতা প্রদানকারীদের পক্ষ থেকে তার ন্যায়পরায়ণতার (عدالة) ওপর সুস্পষ্ট ভাষ্য থাকা।"

এবং এতে দ্বিমত রয়েছে।

কিন্তু তাঁদের কেউ কেউ এমন একটি সুরত উল্লেখ করেছেন যে, যদি তার থেকে বর্ণনাকারী রাবিদের মধ্য হতে কোনো একজন তাকে ন্যায়পরায়ণ সাব্যস্ত (عدله) করেন, তবে কি তা যথেষ্ট হবে? যেমন কোনো ব্যক্তি যদি বলে: "অমুক আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি সত্যবাদী (صدوق) ছিলেন" অথবা "নির্ভরযোগ্য (ثقة) ছিলেন" এবং এই জাতীয় কিছু, তবে এর হুকুম কী? সাখাভি (রাহিমাহুল্লাহ) 'ফাতহুল মুগিস' (১: ২৯৬)-এ বলেন: "ইবনে রুশাইদ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, যদি কেবল তার থেকে বর্ণনাকারী ব্যক্তিই তাকে ন্যায়পরায়ণ সাব্যস্ত (عدله) করেন তবে তা যথেষ্ট হবে। আমাদের শাইখ—ইবনে হাজারও—একে সঠিক (صححه) বলে গণ্য করেছেন যদি সেই বর্ণনাকারী এর যোগ্য হন। আর এভাবেই কোনো সাহাবির সাহচর্য কেবল একজনের বর্ণনার মাধ্যমে সাব্যস্ত হয় যিনি তার থেকে বর্ণনার সময় সাহচর্য লাভের বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন।"

দ্বিতীয় বিষয়ের উত্তর হলো: ইমামগণ পরোক্ষভাবে নির্ভরযোগ্যতা প্রদান (توثيق ضمني) কবুল করার ব্যাপারে স্পষ্ট মত দিয়েছেন। আমি যেসকল ভাষ্য পেয়েছি সেগুলো নিচে দেওয়া হলো।

- তিরমিজি আবু সাঈদ খুদরি (রা.)-এর বোন ফুরাইআহ থেকে তার ঘরে ইদ্দত পালন করা এবং বাবার বাড়িতে ইদ্দত পালন করা জায়েজ না হওয়ার বিষয়ে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি হাসান সহিহ (حسن صحيح)। কিন্তু ইবনে হাজম ফুরাইআহ থেকে হাদিস বর্ণনাকারী জয়নাব বিনতে কাব বিন উজরাহ-এর অবস্থা অজ্ঞাত (جهالة حال) হওয়ার কারণে হাদিসটিকে দুর্বল (ضعفه) বলেছেন। ইবনে আল-কাত্তান—যেমনটি 'নাসবুর রায়াহ' (৩: ২৬৪)-তে আছে—তার প্রতিবাদ করে বলেন: "আমার কাছে বিষয়টি তেমন নয় যেমনটি তিনি (ইবনে হাজম) বলেছেন; বরং হাদিসটি সহিহ (صحيح)। কারণ সাদ ইবনে ইসহাক নির্ভরযোগ্য (ثقة), আর নাসায়িও তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন। তদ্রূপ জয়নাবও নির্ভরযোগ্য (ثقة)। তিরমিজির এই হাদিসটিকে সহিহ (تصحيح) বলা জয়নাব এবং সাদ ইবনে ইসহাক উভয়কে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার (توثيق) নামান্তর। আর নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তির জন্য এটি ক্ষতিকর নয় যে তার থেকে মাত্র একজন বর্ণনা করেছেন। ইবনে আব্দুল বার বলেছেন: এটি একটি প্রসিদ্ধ (مشهور) হাদিস।

সমাপ্ত।"

যখন ইবনে আল-কাত্তান এই মূলনীতির বিরোধিতা করলেন, তখন ইমাম ইবনে দাকিক আল-ঈদ (রাহিমাহুমাল্লাহ) তার প্রতিবাদ করেন: ২ - আমর ইবনে বাজদান আবু জার (রা.) থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: "পবিত্র মাটি মুসলমানের ওজু …", আর আমরের থেকে আবু কিলাবা ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি। ফলে ইবনে আল-কাত্তান এর কারণে হাদিসটিকে দুর্বল (ضعف) সাব্যস্ত করেছেন এবং বলেছেন—যেমনটি 'নাসবুর রায়াহ' (১: ১৪৯)-তে আছে—: "এটি নিঃসন্দেহে একটি দুর্বল (ضعيف) হাদিস। কারণ এতে আমর ইবনে বাজদান আছে এবং তার অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানা যায় না (لا يعرف له حال); তার থেকে কেবল আবু কিলাবা বর্ণনা করেছেন।"

৩ - যাইলায়ি (রাহিমাহুল্লাহ) ইবনে দাকিক আল-ঈদের বক্তব্যের মাধ্যমে এর ওপর টীকা দিয়ে বলেন: "শাইখ তাকিউদ্দীন 'আল-ইমাম' গ্রন্থে বলেছেন: আশ্চর্যের বিষয় হলো যে, ইবনে আল-কাত্তান আমর ইবনে বাজদানের অবস্থা জানার ক্ষেত্রে তিরমিজির সহিহ (تصحيح) বলার ওপর সন্তুষ্ট হতে পারেননি, যদিও তিনি এই হাদিসটি বর্ণনায় একক। অথচ তিনি তিরমিজির বক্তব্যই উদ্ধৃত করেছেন যে: এটি একটি হাসান সহিহ (حسن صحيح) হাদিস। কোনো রাবিকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলা আর তার এককভাবে বর্ণিত কোনো হাদিসকে সহিহ (يصحح) বলার মধ্যে পার্থক্য কী! যদি তিনি (ইবনে আল-কাত্তান) এ কারণে বিরত থেকে থাকেন যে তার থেকে শুধু আবু কিলাবা বর্ণনা করেছেন, তবে এটি তার নিজের মাযহাবের অনুকূল নয়। কেননা তিনি রাবি অজ্ঞাত (جهالة الحال) হওয়ার বিষয়টি নাকচ করার ক্ষেত্রে বর্ণনাকারীর আধিক্যের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেন না। তেমনিভাবে, তার ন্যায়পরায়ণতা (تعديله) সাব্যস্ত হওয়ার মতো কারণ—অর্থাৎ তিরমিজির সহিহ বলা (تصحيح)—থাকার পর কেবল একজন রাবির একক বর্ণনার কারণে তিনি অজ্ঞাত (جهالة الحال) সাব্যস্ত হতে পারেন না।"

৪ - এবং গ্রন্থকার 'মিজানুল ইতিদাল' (৪: ১০৪৭৮)-এ বলেন: "আবু উমাইর বিন আনাস বিন মালিক … তার থেকে আবু বিশর এককভাবে বর্ণনা করেছেন (تفرد عنه),"
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
قال ابن القطان: لم تثبت عدالته.

وصحح حديثه ابن المنذر وابن حزك وغيرهما فذلك توثيق له.

فالله أعلم "

1) .

5 " - وقال أيضا 1

2125) : " حفص بن عبد الله الليثي، ما علمت روى عنه سوى أبي التياح، ففيه جهالة، لكن صحح التزمذي حديثه ".

وفحواه في " الكاشف "

1149) .

6 " - وقال الحافظ ابن حجر في " تعجيل المنفعة "

561- في ترجمة عبد الله بن عبيد الديلي: " أخرج حديثه الترمذي والنسائي، وقال الترمذي حسن غيرب، وهذا يقتضي أنه عنده صدوق معروف ".

7 " - وقال الامام اكمال ابن الهمام رحمه الله تعالى في " فبح القدير " 2: 134: " تحسين الترمذي الحديث فرع معرفته حاله وعينه ".

فهذه نصوص خمسة من أئمة الحديث في المتأخرين اعتمدت هذا المنهج، لذلك تبعتهم في التعليق على هذا الكتاب، فتجدني كثيرا ما أستدرك على حكم المصنف إو ابن حجر في " التقريب " بان هذا المترجم صحح أو حسن له الترمذي، فهو أحسن حالا من قول المصنف أو ابن حجر المذكور.

ب - بماذا يعرف الضبط؟ لا ريب أنه يعرف باختيار حديثه وعرضه على رواية الثقات الاثبات له، فان وافقها قبل، وإن خالفها: رد بمقدار ما تكون المخالفة.

وهذا هو السير والاعتبار الذي يوصل - بعد معرفة العدالة - إلى الامر المتقدم، وهو النص الصريح على توثيقه، أو تصحيح حديثه.

وهذه العملة تكون منهم للراة المتقدمين عليهم أو المعاصرين لهم.

أما العدالة: فيأخذونها عن شيوخهم بالنسبة لمن قبلهم، ويتعرفون عليها بانفسهم بالنسبة لمعاصريهم.

وإذا اعتبروا حديث الرجل - سواء روى عنه واحد أو أكثر - فوجدوه موافقا لحديث الثقات - أو نادر المخالفة -: صرحوا بتوثيقه، أو صححوا حديثه.

قال المزي في " التهذيب " 15: 344 ف ترجمة عبد الله بن عمر بن غانم الرعيني: " قال أبو عبيد الاجري عن أبي داود: أحاديثه مستقيمة، ما أعلم حدث عنه غير القعنبي

2) ، لقيه بالاندلس ".

وهذا - مع وضوحه - يحتاج إلى شئ من السبط والشرح، أنقله من جواب خطي وقفت عليه لشيخنا الحافظ الناقد أحمد الصديق الغماري رحمه الله تعالى

1320 - 1380) ، قال فيه: " إن رد رواية المجهول ليست لذات كونه مجهولا، بل لعدم تحققنا بحاله من جهة الجرح والعدالة، فقد يكون عدلا ضابطا

3) ، وقد يكون مجروحا ساقطا

3) ، فلما تردد حاله في علمنا بين الحالتين سقط حديثه، لوجود هذا الاحتمال، لا لذات الجهالة، لانها قد ترتفع ويرتفع معها ضعف الحديث، كالنوم في نواقص الوضوء، فانه ليس ناقضا لذاته …
ইবনে আল-কাত্তান বলেছেন: তার ন্যায়পরায়ণতা (عدالة) প্রমাণিত হয়নি।

ইবনে আল-মুনজির, ইবনে হাজাক এবং অন্যরা তার হাদিসকে সহিহ (صحح) সাব্যস্ত করেছেন, যা তার নির্ভরযোগ্যতার (توثيق) প্রমাণস্বরূপ।

আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

১) ।

৫ " - তিনি আরও বলেছেন ১

২১২৫) : "হাফস ইবনে আব্দুল্লাহ আল-লাইসি, আবু তিয়্যাহ ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, তাই তার মাঝে অজ্ঞাত অবস্থা (جهالة) বিদ্যমান, কিন্তু তিরমিজি তার হাদিসকে সহিহ (صحح) সাব্যস্ত করেছেন।"

যার সারমর্ম 'আল-কাশিফ'-এ রয়েছে

১১৪৯) ।

৬ " - হাফেজ ইবনে হাজার 'তাজিলুল মানফায়াহ'-তে বলেছেন

৫৬১- আব্দুল্লাহ ইবনে উবায়েদ আদ-দাইলি-এর জীবনীতে: "তিরমিজি ও নাসায়ি তার হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিজি বলেছেন এটি হাসান গরিব (حسن غريب), যা নির্দেশ করে যে তিনি তার নিকট সত্যবাদী (صدوق) ও পরিচিত।"

৭ " - ইমাম কামাল ইবনুল হুমাম (রাহিমাহুল্লাহ) 'ফাতহুল কাদির'-এর ২:১৩৪ পৃষ্ঠায় বলেছেন: "তিরমিজি কোনো হাদিসকে হাসান (تحسين) বলা তার অবস্থা ও সত্তা সম্পর্কে জানারই একটি শাখা।"

পরবর্তী যুগের হাদিস বিশারদদের মধ্য থেকে এই পাঁচটি উদ্ধৃতি এই মূলনীতিটি গ্রহণ করেছে, এই কারণে আমি এই কিতাবের টীকা রচনার ক্ষেত্রে তাদের অনুসরণ করেছি। তাই আপনি আমাকে প্রায়ই মূল গ্রন্থকার বা ইবনে হাজরের 'তাকরিব'-এর মন্তব্যের ওপর এই বলে সংশোধনী (استدراك) দিতে দেখবেন যে, এই বর্ণনাকারীর হাদিসকে তিরমিজি সহিহ (صحح) বা হাসান (حسن) বলেছেন; সুতরাং তার অবস্থা গ্রন্থকার বা ইবনে হাজারের উল্লিখিত মন্তব্যের চেয়ে উত্তম।

খ - স্মৃতিশক্তির প্রখরতা (ضبط) কীসের মাধ্যমে জানা যায়? নিঃসন্দেহে এটি জানা যায় তার বর্ণিত হাদিসগুলো বাছাই করে এবং সেগুলোকে নির্ভরযোগ্য (ثقات) ও সুদৃঢ় (اثبات) বর্ণনাকারীদের বর্ণনার সাথে তুলনা করার মাধ্যমে। যদি তা অনুকূল হয় তবে গ্রহণ করা হয়, আর যদি ভিন্ন হয় তবে ভিন্নতার মাত্রা অনুযায়ী তা প্রত্যাখ্যান (رد) করা হয়।

আর এটিই হলো সেই নিরীক্ষণ ও বিশ্লেষণ (اعتبار) যা ন্যায়পরায়ণতা (عدالة) জানার পর পূর্বোক্ত বিষয়ে পৌঁছে দেয়, আর তা হলো তার নির্ভরযোগ্যতার (توثيق) সুস্পষ্ট ঘোষণা অথবা তার হাদিসকে সহিহ (تصحيح) সাব্যস্ত করা।

আর এই কর্মপদ্ধতি তাদের পূর্ববর্তী বা সমসাময়িক বর্ণনাকারীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।

ন্যায়পরায়ণতার (عدالة) ক্ষেত্রে: তারা তাদের পূর্বসূরিদের বিষয়ে তাদের উস্তাদদের কাছ থেকে তথ্য গ্রহণ করেন এবং সমসাময়িকদের ক্ষেত্রে তারা নিজেরাই তা অবগত হন।

যখন তারা কোনো ব্যক্তির হাদিস বিশ্লেষণ (اعتبار) করেন—চাই তার থেকে একজন বর্ণনা করুক বা একাধিক—এবং তারা তাকে নির্ভরযোগ্যদের (ثقات) হাদিসের অনুকূল পান—অথবা বিরোধিতার পরিমাণ খুব কম হয়—তখন তারা তাকে নির্ভরযোগ্য (توثيق) বলে ঘোষণা করেন অথবা তার হাদিসকে সহিহ (صحح) সাব্যস্ত করেন।

আল-মিজ্জি 'তাহজিব'-এর ১৫:৩৪৪ পৃষ্ঠায় আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর ইবনে গানিম আর-রুয়াইনি-এর জীবনীতে বলেছেন: "আবু উবায়েদ আল-আজেরি আবু দাউদ থেকে বর্ণনা করেছেন: তার হাদিসগুলো সঠিক (مستقيمة); আল-কানাবি ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই

২) , তিনি তার সাথে আন্দালুসে সাক্ষাৎ করেছিলেন।"

এটি স্পষ্ট হওয়া সত্ত্বেও কিছুটা বিশদ ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন। আমি তা আমাদের উস্তাদ হাফেজ ও সমালোচক আহমদ আস-সিদ্দিক আল-গুমারি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর একটি হস্তলিখিত উত্তর থেকে উদ্ধৃত করছি

১৩২০ - ১৩৮০), তিনি সেখানে বলেছেন: "নিশ্চয়ই অজ্ঞাত (مجهول) ব্যক্তির বর্ণনা প্রত্যাখ্যান করা তার সত্তাগত অজ্ঞাত হওয়ার কারণে নয়, বরং জরাহ (جرح) ও ন্যায়পরায়ণতার (عدالة) দিক থেকে তার অবস্থা আমাদের নিকট সুনিশ্চিত না হওয়ার কারণে। কেননা তিনি হয়তো ন্যায়পরায়ণ (عدل) ও প্রখর স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন (ضابط) হতে পারেন

৩) , আবার হয়তো দোষযুক্ত (مجروح) ও অগ্রহণযোগ্য (ساقط) হতে পারেন

৩) , যখন আমাদের জ্ঞানে তার অবস্থা এই দুই অবস্থার মাঝে দোদুল্যমান থাকে, তখন এই সম্ভাবনার কারণেই তার হাদিস বাতিল হয়ে যায়; কেবল অজ্ঞাত অবস্থার (جهالة) কারণে নয়। কারণ এই অজ্ঞাত অবস্থা দূর হতে পারে এবং সেই সাথে হাদিসের দুর্বলতাও (ضعف) দূর হতে পারে। যেমন ওজু ভঙ্গের কারণসমূহের মধ্যে ঘুমের বিষয়টি, কেননা এটি সত্তাগতভাবে ওজু ভঙ্গকারী নয় …
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
فكذلك جهالة الرواي بالنسبة لكذبه وتهمته وفسقه، فالاولى

يريد: الجهالة- مظنة لضعف الحديث فحسب، ولاخرى أسباب حقيقة لضعف الحديث، فالمحدث إذا نظر في سند حديث ووجد فيه رجلا مجهولا: حكم بضعفه، لاحتمال ضعف ذلك المجهول، وربما حكم بوضعه، لغلبة الظن عنده بان ذلك المجهول كذاب لاسباب أذكرها بعد إن شاء الله تعالى.

ثم قد يبقى ذلك الحكم مستمرا عنده وعند غيره، لاستمرار الجهل بذلك الراوى عند الجميع، وقد يرتفع ذلك الحكم عنده أو عند غيره لارتفاع جهالة الراوي المذكور، فكم من محدث يجزم بضعف الحديث لظنه بجهالة راو بسنده، ثم بعد ذلك يقف على ترجمته وكونه ثقة معروفا، فيرجع عن حكمه السابق، وكم من حافظ حكم بضعف حديث أو بطلانه معللا ذلك بجهالة بعض الرواة، فتعقبه من بعده بكون ذلك الراوي غير مجهول وأنه معروف إما بالجرح، وقد وقع هذا بكثرة لابن حزم، وعبد الحق، وابن القطان، وابن الجوزي، بل لابن حبان وغيره من المتقدمين، ومن قرأ " اللآلئ المصنوعة " و " اللسان " و " تعجيل المنفعة " رأى من التعقب بمثل هذا على المذكورين وغيرهم الكثير … والمقصود: أن الجهل بالرواي ليس ضعفا حقيقيا، وإنما هو مظنة قد ترتفع، وقد تكون مرفوعة في نفس الامر.

فابن حزم لما ضعف الحديث بجهالة الترمذي: لم يكن تضعيفه واقعا على الحديث إذ ذاك، لكون الترمذي إماما مشهورا حافظا ثقة باتفاق، ولكن ابن حزم جهله، لعدم اشتهار " سننه " بالافدلس في عصره، والكمال لله تعالى.

ثم إن المجهول لا يخلو من أن يكون حديثه معروفا أو مننكرا، فان كان معروفا فجهالته لا تضر، وإن كان منكرا وعرف تفرده به فهو - أي المجهول - ضعيف محقق الضعف حتى لو رفعت جهالته العينية برواية اثنين فصاعدا عنه، أو لم ترفع، فهو ضعيف مجروح خارج من حيز المجاهيل إلى حيز الضعفاء المحقق ضعفهم.

وبهذا الضابط يعرف المتأخرون ضعف الراوي المتقدم عنهم، أو ثقته

1) ، مع أنهم لم يروه ولم يعاشروه، بل يتكلمون في الرواة المتقدمين عنهم بمئات السنين … وذلك أنهم يعتبرون أحاديث الراوي ويتتبعونها، فان وجدوها موافقة للاصول وأحاديث الثقات، ليس فيها تفرد بغرائب ومناكير، وليس فيها قلب ولا غلط ولا تخليط: حكموا بضبط الراوي وثقته

1) ، وإن وجدوها بخلاف ذلك: حكموا بضعفه وأنزلوه بالمنزلة التي تدل عليها أحاديثه من كونه وضاعا أو كثير الخطا فاحشه، أو غير ذلك مما له ألقاب تخصه

2) .
একইভাবে বর্ণনাকারীর অজ্ঞাত অবস্থা (جهالة) তার মিথ্যাচার, অভিযুক্ত হওয়া এবং পাপাচারের (فسق) তুলনায় ভিন্ন। কারণ প্রথমটি—অর্থাৎ অজ্ঞাত অবস্থা (جهالة)—কেবল হাদিসের দুর্বলতার (ضعف الحديث) আশঙ্কা তৈরি করে, পক্ষান্তরে অন্যান্য বিষয়গুলো হাদিস দুর্বল হওয়ার প্রকৃত কারণ। সুতরাং একজন মুহাদ্দিস যখন কোনো হাদিসের সনদের দিকে তাকান এবং সেখানে একজন অজ্ঞাত (مجهول) ব্যক্তিকে পান, তখন তিনি ওই অজ্ঞাত (مجهول) ব্যক্তির সম্ভাব্য দুর্বলতার কারণে হাদিসটিকে দুর্বল (ضعيف) বলে রায় দেন। আবার কখনও কখনও নির্দিষ্ট কারণে ওই অজ্ঞাত (مجهول) ব্যক্তি চরম মিথ্যাবাদী (كذاب) হওয়ার প্রবল ধারণার ভিত্তিতে তিনি হাদিসটি জাল (وضع) হওয়ারও রায় দিয়ে থাকেন, যা আমি পরে ইনশাআল্লাহ বর্ণনা করব।

অতঃপর বর্ণনাকারী সম্পর্কে সবার মাঝে অজ্ঞতা অব্যাহত থাকার কারণে তাঁর এবং অন্যদের নিকট এই হুকুমটি বজায় থাকতে পারে। আবার বর্ণনাকারীর সেই অজ্ঞাত অবস্থা (جهالة) দূর হওয়ার কারণে তাঁর নিকট বা অন্যদের নিকট এই হুকুমে পরিবর্তন আসতে পারে। কত মুহাদ্দিস এমন আছেন যারা সনদে কোনো বর্ণনাকারীকে অজ্ঞাত (مجهول) মনে করে হাদিসটিকে দুর্বল (ضعيف) বলে নিশ্চিতভাবে গণ্য করেন, কিন্তু পরবর্তীতে যখন তাঁর জীবনী এবং নির্ভরযোগ্য (ثقة) ও সুপরিচিত হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন, তখন পূর্বের রায় থেকে ফিরে আসেন। আবার কত হাফিজ কোনো হাদিসকে দুর্বল (ضعيف) বা বাতিল হওয়ার রায় দিয়েছেন এই যুক্তিতে যে, এর কিছু বর্ণনাকারী অজ্ঞাত (مجهول), কিন্তু পরবর্তীগণ তাঁদের অনুসরণ করে দেখিয়েছেন যে ওই বর্ণনাকারী অজ্ঞাত (مجهول) নন, বরং তিনি সমালোচনার (الجرح) মাধ্যমে পরিচিত। ইবন হাজম, আবদুল হক, ইবনুল কাত্তান, ইবনুল জাওজি, এমনকি ইবনে হিব্বান ও অন্যান্য পূর্বসূরিদের ক্ষেত্রে এটি প্রচুর ঘটেছে। যারা "আল-লাআলি আল-মাসনুআহ", "আল-লিসান" এবং "তাজিলুল মানফায়াহ" পড়েছেন, তারা উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ ও অন্যদের ওপর এ জাতীয় প্রচুর পর্যালোচনা দেখতে পাবেন … উদ্দেশ্য হলো: বর্ণনাকারীর অজ্ঞাত হওয়া (الجهل بالراوي) কোনো প্রকৃত দুর্বলতা নয়, বরং এটি একটি আশঙ্কা মাত্র যা দূর হতে পারে, এমনকি প্রকৃত বিচারে সেটি পূর্বেই অপসারিত থাকতে পারে।

ইবন হাজম যখন ইমাম তিরমিজির অজ্ঞাত অবস্থার (جهالة) কারণে হাদিস দুর্বল (ضعف الحديث) বলেছিলেন, তখন তাঁর সেই দুর্বল (تضعيف) করাটি বাস্তবে হাদিসের ওপর কার্যকর ছিল না। কারণ ইমাম তিরমিজি সর্বসম্মতভাবে একজন প্রসিদ্ধ ইমাম, হাফিজ এবং নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু ইবন হাজম তাঁর সম্পর্কে অবগত ছিলেন না, কারণ তাঁর যুগে আন্দালুসে তাঁর সুনান প্রসিদ্ধ ছিল না। আর পূর্ণতা কেবল মহান আল্লাহর জন্য।

তাছাড়া অজ্ঞাত (مجهول) বর্ণনাকারীর হাদিস সুপরিচিত বা অস্বাভাবিক (منكر) হওয়া থেকে খালি নয়। যদি তা সুপরিচিত হয় তবে তার অজ্ঞাত অবস্থা (جهالة) কোনো ক্ষতি করে না। আর যদি তা অস্বাভাবিক (منكر) হয় এবং এটি তাঁর একক বর্ণনা হিসেবে প্রমাণিত হয়, তবে সেই অজ্ঞাত (مجهول) ব্যক্তিটি নিশ্চিতভাবে দুর্বল (ضعيف)। এমনকি যদি তাঁর থেকে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বর্ণনা করার মাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত অজ্ঞাত অবস্থা দূর হয়ে যায় অথবা না-ও হয়, তবুও তিনি দুর্বল (ضعيف) ও সমালোচিত (مجروح) হিসেবে গণ্য হবেন; যিনি অজ্ঞাতদের (مجاهيل) গণ্ডি থেকে বের হয়ে ওইসব দুর্বলদের (ضعفاء) অন্তর্ভুক্ত হবেন যাদের দুর্বলতা নিশ্চিত।

এই মানদণ্ডের মাধ্যমেই পরবর্তী যুগের আলিমগণ তাঁদের পূর্ববর্তী বর্ণনাকারীদের দুর্বলতা (ضعف) বা নির্ভরযোগ্যতা (ثقة) সম্পর্কে জানতে পারেন

১) , যদিও তাঁরা তাঁদের দেখেননি বা তাঁদের সাথে জীবনযাপন করেননি। বরং তাঁরা তাঁদের কয়েকশ বছর পূর্বের বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে মন্তব্য করেন … আর তা এভাবে যে, তাঁরা বর্ণনাকারীর হাদিসসমূহ পর্যালোচনা ও অনুসন্ধান করেন। যদি তাঁরা দেখেন যে সেগুলো মূলনীতি ও নির্ভরযোগ্য (ثقات) বর্ণনাকারীদের হাদিসের অনুকূল, এবং তাতে বিরল (غرائب) ও অস্বাভাবিক (مناكير) বিষয়ের একক বর্ণনা নেই, এবং তাতে কোনো উল্টে যাওয়া, ভুল বা সংমিশ্রণ নেই, তবে তাঁরা ওই বর্ণনাকারীর প্রখর স্মৃতিশক্তি (ضبط) ও নির্ভরযোগ্যতার (ثقة) রায় দেন

১) , আর যদি তাঁরা এর বিপরীত কিছু পান, তবে তাঁরা তাঁর দুর্বলতার (ضعف) রায় দেন এবং তাঁর হাদিসগুলো যে স্তরের নির্দেশ করে সেই স্তরে তাঁকে নামিয়ে দেন—যেমন তিনি জালকারী (وضاع), অথবা অত্যধিক ভুলকারী (كثير الخطأ), কিংবা এ জাতীয় অন্য কোনো বিশেষ উপাধির অধিকারী

২) ।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
فإذا جمعت هذا وتدبرته - الخطاب للسائل -: تعلم معنى قول الحفاظ المذكورين: إن المجهول إذا روى عنه ثقة ولم

يات بما- ينكر فحديثه صحيح، لانه إذا أتى بما لم ينكر فذلك دليل على كونه ثقة في يحتمل قصد إبهماه وترك اسمه لئلا يعرف، لكونه ضعيفا: فالحديث صحيح على ما تفيده القواعد.

أما الجمهور الذين نقل مذهبهم الحافظ في " اللسان ": فلم يراعوا هذا التدقيق، وسدوا الباب مرة واحدة، للاحتمال المتطرق إلى ذلك المجهول بكونه ثقة أو كونه ضعيفا، والاحتمال يسقط معه الاستدلال، وأكد لهم ذلك أن أغلب المجاهيل حالهم كذلك - أعني: ضعفاء - لانهم لو كانوا ثقات لاشتهروا وعرفوا بين المحدثين، كما هو حال سائر الثقات.

ولا يخفى أن هذا المنزع فيه ضيق وتشديد، قد يفوت معه كثير من الاحاديث الثابتة في نفس الامر ويضيع العمل بها، وأن مذهب ابن حبان ومووافقيه ممن حكينا مذهبهم أولى بالنظر والقبول، لجمعه بين المصلحتين.

والله أعلم ".

2 - الثبت: بفتح الثاء المثلثة، وسكون الباء الموحدة وفتحها، وتاء مثناة.

والاولى الاقتصار على

سكون الباء الموحدة، للتمييزيين الرجل الثبت، وبين الثبت الذي هو الكتاب الجامع لشيوخ المحدث ومرواياته.

ومعين " ثبت " في اللغة " المتثبت في أموره.

3 - المتقن: قال السخاوي رحمه الله في " فتح المغيث " 1: 337: " لا يزيد الاتقان على الضبط سوى إشعاره بمزيد الضبط ".

فيكون وصف الثقة ب " متقن " في قولهم: ثقة متقن: ديلا على أن ضابط ضبطا أزيد من مطلق الثقة، وهو بدرجة من يوصف ب " ثقة حافظ ".

فقد سئل أبو زرعة عن أبي معمر المنقري عبد الله بن عمرو بن أبي الحجاج فقال: " كان حافظا ثقة ".

قال ابن أبي حاتم 5

549) : " يعني أنه كان متقنا ".

فينظر قول المصنف رحمه الله في " الموقظة " ص 76 - 77: " … ثم ثقة حافظ، ثم ثقة متقن "

2- واشتهر قول الامام عبد الرحمن بن مهدي: " الحفظ: الاتقان " المذكور في " الجرح " 2: 35 - 36.

আপনি যদি এই বিষয়গুলো একত্রিত করেন এবং তা নিয়ে নিবিড়ভাবে চিন্তা করেন—এখানে প্রশ্নকারীকে সম্বোধন করা হয়েছে—তবে আপনি উল্লিখিত হাফেজগণের (الحفاظ) এই উক্তির মর্ম বুঝতে পারবেন যে: যদি কোনো অজ্ঞাত (مجهول) বর্ণনাকারী থেকে কোনো নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি বর্ণনা করেন এবং তিনি এমন কিছু বর্ণনা না করেন যা প্রত্যাখ্যানযোগ্য (ينكر), তবে তার হাদিস সহিহ (صحيح)। কারণ তিনি যখন এমন কিছু বর্ণনা করেন না যা প্রত্যাখ্যানযোগ্য (ينكر), তখন সেটি তার নির্ভরযোগ্য (ثقة) হওয়ার প্রমাণ বহন করে; যেখানে তার পরিচয় অস্পষ্ট রাখা বা নাম উল্লেখ না করার পেছনে তাকে দুর্বল (ضعيف) হওয়ার কারণে যাতে চেনা না যায়—এমন কোনো অভিসন্ধি থাকার সম্ভাবনা থাকে না। সুতরাং মূলনীতির দাবি অনুযায়ী হাদিসটি সহিহ (صحيح)।

পক্ষান্তরে জমহুর (الجمهور) আলেমগণ—যাদের মাজহাব হাফেজ ইবনে হাজার 'লিসানুল মিজান' গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন—তারা এই সূক্ষ্ম বিষয়টি বিবেচনা করেননি এবং তারা এ পথটি একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ সেই অজ্ঞাত (مجهول) ব্যক্তির ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য (ثقة) হওয়া বা দুর্বল (ضعيف) হওয়ার উভয় সম্ভাবনা বিদ্যমান; আর যেখানে সম্ভাবনা থাকে, সেখানে দলিল পেশ করা (الاستدلال) অকার্যকর হয়ে পড়ে। তাদের এই অবস্থানকে আরও জোরালো করেছে এই বিষয়টি যে, অধিকাংশ অজ্ঞাত (المجاهيل) বর্ণনাকারীর অবস্থা এমনই—অর্থাৎ তারা দুর্বল (ضعفاء)। কেননা তারা যদি নির্ভরযোগ্য (ثقات) হতেন, তবে অন্যান্য নির্ভরযোগ্য (الثقات) বর্ণনাকারীদের মতো মুহাদ্দিসগণের (المحدثين) নিকট প্রসিদ্ধ ও পরিচিত হতেন।

এটি অস্পষ্ট নয় যে, এই দৃষ্টিভঙ্গিতে সংকীর্ণতা ও কঠোরতা রয়েছে, যার ফলে বাস্তবে সাব্যস্ত অনেক হাদিস হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে এবং সেগুলোর ওপর আমল করা পরিত্যক্ত হতে পারে। তাই ইবনে হিব্বান এবং তার অনুসারী যাদের মাজহাব আমরা বর্ণনা করেছি, তাদের মতটিই পর্যালোচনা ও গ্রহণের ক্ষেত্রে অধিকতর উত্তম; কারণ এটি উভয় দিকের কল্যাণকে সমন্বয় করে।

আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

২ - আস-সাবত (الثبت): 'সা' (ث) বর্ণে ফাতহাহ (যবর), 'বা' (ب) বর্ণে সুকুন (জযম) ও ফাতহাহ এবং শেষে 'তা' (ت) বর্ণযোগে।

তবে 'বা' বর্ণে সুকুন পড়াই অধিকতর উত্তম, যাতে সুদৃঢ় (ثبت) ব্যক্তি এবং 'সাবত' (الثبت)—অর্থাৎ মুহাদ্দিসের উস্তাদ ও বর্ণনাগুলোর সংকলিত কিতাব—এই দুইয়ের মাঝে পার্থক্য করা যায়।

আর আভিধানিক অর্থে 'সাবত' (ثبت) হলো—যে ব্যক্তি তার কার্যাবলিতে অত্যন্ত সুদৃঢ় ও অবিচল।

৩ - আল-মুতকিন (المتقن): সাখাভী (রহ.) 'ফাতহুল মুগীস' গ্রন্থে (১: ৩৩৭) বলেছেন: "সুদৃঢ়তা বা ইতকান (الاتقان) পরিভাষাটি নির্ভুলতা বা জাবত (الضبط) অপেক্ষা অতিরিক্ত কিছু নয়, কেবল এটি অধিকতর জাবত বা মুখস্থ শক্তির প্রখরতা নির্দেশ করে।"

সুতরাং কোনো নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারীকে মুতকিন (متقن) বিশেষণে বিশেষায়িত করে যখন বলা হয়: 'সুদৃঢ় নির্ভরযোগ্য (ثقة متقن)', তখন এটি প্রমাণ করে যে, তার নির্ভুলতা বা জাবত (ضبط) সাধারণ নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী অপেক্ষা বেশি। তিনি সেই স্তরের বর্ণনাকারী যাকে 'সংরক্ষণকারী নির্ভরযোগ্য (ثقة حافظ)' বলা হয়।

আবু যুরআহকে আবু মামার আল-মিনকারি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আবিল হাজ্জাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: "তিনি ছিলেন সংরক্ষণকারী নির্ভরযোগ্য (حافظا ثقة)।"

ইবনে আবি হাতিম (৫: ৫৪৯) বলেন: "অর্থাৎ তিনি ছিলেন সুদৃঢ় (متقنا)।"

এক্ষেত্রে লেখক (রহ.)-এর 'আল-মুকিজাহ' (পৃষ্ঠা: ৭৬-৭৭) গ্রন্থের বক্তব্যটি লক্ষণীয়: "...অতঃপর সংরক্ষণকারী নির্ভরযোগ্য (ثقة حافظ), অতঃপর সুদৃঢ় নির্ভরযোগ্য (ثقة متقن)।"

২- ইমাম আব্দুর রহমান ইবনে মাহদীর সেই প্রসিদ্ধ উক্তিটি 'আল-জারহ ওয়াত তাদীল' (২: ৩৫-৩৬) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে: "মুখস্থ রাখা (الحفظ) মানেই হলো সুদৃঢ়তা (الاتقان)।"

(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
ومن كان شانه التثبت في أموره: فهو متقن، ولا يكون ارجل متقنا إلا إذا كان كلما عرض له شك في محفوظ له أزال الشك بالمراجعة.

فالمتقن والثبت سيان متلازمان، ذ لا يتم الاتقان إلا بعملية التثبت.

4 - وقد يكون الرجل ثقة، ولا يكون حجة، كما يستفاد من قول الامام يحيى بن معين في محمد بن إسحاق صاحب " المغازي ".

ففي رواية الدوري عن ابن معين 2: 504

1047) : " ثقة ولكنه ليس بحجة "

1) .

ونحوه قوله في إسماعيل بن أبي أويس: " صدوق وليس بحجة "، كما في " فتح المغيث " 1: 338، و " توضيح الافكار " 2: 264 - 265.

وقال يعقوب بن شيبة في أحمد بن عبد الله بن يونس اليربوعي: " ثقة وليس بحجة " حكاه في " تهذيب التهذيب " 1: 50، و " فتح المغيث " 1: 338.

فإذا قالوا في رجل ما

حجة- فيكون قد جاز قنطرة النظر في حديثه: هل يحتج به أو لا؟ وهذه الالفاظ الاربعة وردت في " الكاشف " ويلحق بها لفظ خامس لم أره فيه - فيما أذكر - أذكره

للفائدة وهو: 5 - متين: ففي " صحيح ابن خزيمة " 2: 312

1376- عن الامام محمد بن يحيى الذهلي أنه قال في حجاج الصواف: " متين "، وفسرها ابن خزيمة بانه يريد: " ثقة حافظ ".

ففيها الدلالة على مزيد الحفظ، فهي بمثابة قولهم: متقن، واله أعلم.

6 - موثق

1488) : وظاهر هذا التعبير يفيد أن صاحبه ملحق بالثقة إلحاقا ولم يسلم له وصلوه مرتبة

الثقة) ، فهو دونها، نظير تفرقتهم بين: ضعيف ومضعف، وضعيف ومتكلم فيه، وصحيح ومصحح، وحلال ومحلل … ، لكن عكر علي قول الحافظ في مقدمة " لسان الميزان " 1: 4 عن رجال " التهذيب ": " إما أئمة موثقون، وإما ثقات مقبولون … "، فوصف الائمة بانهم موثقون، وكذلك جاء النص في النسخة الخطبة من " اللسان " المحفوظ أصلها في مكتبة أحمد الثالث باصطنبول، فقد راجعتها خشية أن يكون صواب ما في النسخة المطبوعة: أئمة موثوقون.

ثم سالت عنها شيخنا اعلامة المحدث الطليع الشيخ عبد الله الصديق الغماري حفظه الله تعالى حين زيارته المدينة المنورة في شهر رجب من هذا العام 1410، فقال: مراد الحافظ أنهم متفق على ثقتهم.

وهذا المراد هو المتعين من سياق كلامه، لكن هل هذا يسوغ استعمال هذه اللفظة في هذا المقام؟.

والرجل الذي أشرت إلى ترجته برقم

1488- وقال عنه المصنف

موثق- قال عنه المصنف نفسه في " الميزان " 2

2697- حكما من عنده: " ثقة ".
যারা প্রতিটি বিষয়ে যাচাই-বাছাই (تثبت) করতে অভ্যস্ত, তারা হলেন নিপুণ (متقن)। কোনো ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত নিপুণ (متقন) হতে পারেন না, যতক্ষণ না তার মুখস্থ করা কোনো বিষয়ে সন্দেহ দেখা দিলে তিনি সেই সন্দেহ নিরসন করে পুনরায় তা পর্যালোচনার (مراجعة) মাধ্যমে দূর করেন।

সুতরাং নিপুণ (متقن) এবং দৃঢ় নির্ভরযোগ্য (ثبت) শব্দ দুটি সমার্থবোধক ও ওতপ্রোতভাবে জড়িত; কেননা যাচাই-বাছাই (تثبت) প্রক্রিয়া ছাড়া নিপুণতা অর্জন করা সম্ভব নয়।

4 - কখনো কোনো ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য (ثقة) হতে পারেন, কিন্তু প্রমাণযোগ্য (حجة) নাও হতে পারেন। যেমনটি আল-মাগাজি এর লেখক মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক সম্পর্কে ইমাম ইয়াহইয়া ইবনে মঈনের বক্তব্য থেকে জানা যায়।

ইবনে মঈন থেকে আদ-দাওরির বর্ণনায় (২: ৫০৪

১০৪৭) : "তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), তবে তিনি প্রমাণযোগ্য (حجة) নন।"

১) ।

অনুরূপ বক্তব্য ইসমাইল ইবনে আবি উওয়াইস সম্পর্কেও তার বর্ণিত হয়েছে: "তিনি সত্যবাদী (صدوق), তবে প্রমাণযোগ্য (حجة) নন", যেমনটি ফাতহুল মুগিস (১: ৩৩৮) এবং তাওদিহুল আফকার (২: ২৬৪-২৬৫) গ্রন্থে রয়েছে।

ইয়াকুব ইবনে শায়বাহ আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইউনুস আল-ইয়ারবুয়ি সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), তবে তিনি প্রমাণযোগ্য (حجة) নন।" এটি তাহজিবুত তাহজিব (১: ৫০) এবং ফাতহুল মুগিস (১: ৩৩৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে।

সুতরাং তারা যখন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন—

প্রমাণযোগ্য (حجة)—তখন বুঝতে হবে যে, তিনি তার হাদিস দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে কি না, সেই পর্যালোচনার সেতুটি পার হয়ে গেছেন। এই চারটি শব্দ আল-কাশিফ গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে। এর সাথে পঞ্চম একটি শব্দ যুক্ত করা যায় যা আমি সেখানে দেখেছি বলে মনে পড়ে না—যতদূর আমার মনে পড়ে—তবে উপকারের জন্য তা উল্লেখ করছি, আর তা হলো: ৫ - সুদৃঢ় (متين): সহিহ ইবনে খুজাইমা (২: ৩১২) গ্রন্থে—

১৩৭৬- ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আজ-যুহলি থেকে বর্ণিত যে, তিনি হাজ্জাজ আস-সাওয়াফ সম্পর্কে বলেছেন: "সুদৃঢ় (متين)"। ইবনে খুজাইমা এর ব্যাখ্যায় বলেছেন যে, তিনি এর দ্বারা "নির্ভরযোগ্য হাফেজ (ثقة حافظ)" বুঝিয়েছেন।

এতে মুখস্থশক্তির প্রাবল্যের ইঙ্গিত রয়েছে, যা তাদের 'নিপুণ (متقن)' বলার সমতুল্য। আল্লাহই ভালো জানেন।

৬ - নির্ভরযোগ্য বিবেচিত (موثق)

১৪৮৮) : এই পরিভাষাটির বাহ্যিক অর্থ হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্ভরযোগ্যতার (ثقة) সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে মাত্র, কিন্তু তিনি পূর্ণাঙ্গ নির্ভরযোগ্যতার (ثقة) স্তরে পৌঁছাতে পারেননি। সুতরাং এটি সেই স্তরের নিচে; যেমন তাদের এই পরিভাষাগুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে: দুর্বল (ضعيف) ও দুর্বল সাব্যস্তকৃত (مضعف), দুর্বল (ضعيف) ও সমালোচিত (متكلم فيه), বিশুদ্ধ (صحيح) ও বিশুদ্ধ সাব্যস্তকৃত (مصحح), হালাল (حلال) ও হালাল সাব্যস্তকৃত (محلল)...। তবে লিসানুল মিজান (১: ৪) এর ভূমিকায় তাহজিব এর বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে হাফেজ ইবনে হাজারের একটি বক্তব্য আমাকে দ্বিধায় ফেলেছে: "হয় তারা নির্ভরযোগ্য ইমামগণ (موثقون), অথবা নির্ভরযোগ্য গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিবর্গ (ثقات مقبولون)..."। এখানে তিনি ইমামদের 'নির্ভরযোগ্য বিবেচিত (موثقون)' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। লিসানুল মিজান এর ইস্তাম্বুলের আহমদ আল-সালিদ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপিতেও ঠিক এভাবেই এসেছে। মুদ্রিত কপির পাঠ্যটি সঠিক কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্যই আমি পাণ্ডুলিপিটি পরীক্ষা করেছি।

এরপর আমি আমাদের উস্তাদ, প্রখ্যাত মুহাদ্দিস শেখ আবদুল্লাহ আস-সিদ্দিক আল-গুমাারি (হাফিজাহুল্লাহ) যখন এই ১৪১০ হিজরির রজব মাসে মদিনা মুনাওয়ারা সফরে এসেছিলেন, তখন তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: হাফেজ ইবনে হাজারের উদ্দেশ্য হলো তারা এমন বর্ণনাকারী যাদের নির্ভরযোগ্যতার (ثقة) ব্যাপারে ঐক্যমত রয়েছে।

তার বক্তব্যের প্রেক্ষাপট থেকে এই অর্থটিই নিশ্চিত বলে মনে হয়, তবে প্রশ্ন থাকে যে, এই স্থানে কি এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা সমীচীন?

আর যে ব্যক্তিটির জীবনী সম্পর্কে আমি নম্বর দিয়ে ইশারা করেছি—

১৪৮৮- এবং তার সম্পর্কে গ্রন্থকার বলেছেন—

নির্ভরযোগ্য বিবেচিত (موثق)—সে ব্যক্তি সম্পর্কে গ্রন্থকার নিজেই আল-মিজান (২: ২৬৯৭) গ্রন্থে নিজস্ব সিদ্ধান্ত হিসেবে বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة)"।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٢٩)
7 - ومن ألفاظ التعديل في الكتاب: وثقة فلان، مثل: وثقه أحمد، وثقه ابن معين، وثقه النسائي، وثقه الخطيب

1440) ، وثقه بحشل

1045) ، وثقه العجلي

343) ، وثقه ابن حبان

127) ، وهكذا، يقيد التوثيق برجل من رجال الجرح والتعديل.

فقد يكون الرجل ثقة دون اختلاف فيه وخصه الذهبي بالذكر، وقد يكون فيه اختلاف فاختار توثيقه ونص على من وثقه، ولا تهمني الامثلة كثيرا بقدر ما يهمني التنبيه إلى أن المترجم إن كان ثقة - كما يفيده صريح الكلام - سكت عنه، وإن كان غير ذلك نبهت إليه في التعليق بالنقل عن " التقريب " أو بغير ذلك.

ويلاحظ أن ابن حجر رحمه الله يقول غالبا عمن يوثقه الخطيب، ومسلمة بن قاسم القرطبي، ونحوهما: صدوق ويشكل هذا في جانب الخطيب، فانه قد نص في كتابه " الكفاية " ص 22 على أن أرفع عبارات التعديل: " أن يقال: حجة أو ثقة "، فحينما يقول في راو

ثقة) : لا بد أنه راعى هذا الاصطلاح، فكيف ننزل بقوله إلى: صدوق!.

وأما توثيق العجلي: فقد قال المصنف في ترجمة عبد الملك بن سبرة بن الربيع الجهني: " ثقة ضعفه ابن معين " مع أنه لم يذكر فيه إلا توثيق العجلي له فاختاره مع أن ابن معين ضعفه! حتى لو أخذنا بقوله في " الميزان " 2

5205) : " صدوق إن شاء الله ": لكان مخالفا للمعلمي - ومتابعيه - أيضا، ذلك أنه حكى هناك تضعيف ابن معين، وقول ابن القطان " لا يحتج به "، ومع ذلك قال: " صدوق إن شاء الله ".

وقال في أول ترجمة في " ميزانه ": " قال أبو الفتح الازدي: متروك.

قلت: لا يترك، فقد وثقه أحمد العجلي ".

وفي المطبوع: أحمد والعجلي، والواو زائدة فتحذف، كما في " الرفع والتكميل " ص 271.

وفي " تهذيب التهذيب " 1: 427 ترجمة البراء بن ناجية: " قال العجلي: كوفي ثقة، وذكره ابن حبان في " الثقات "، وأخرج هو والحاكم حديثه في صحيحهما وقرأت بخط الذهبي " في الميزان ": فيه جهالة لا يعرف.

قلت: قد عرفه العجلي وابن حبان فيكفيه ".

وفي " التهذيب " أيضا 4: 9 ترجمة سعيد بن حيان التيمي: ذكره ابن حبان في " الثقات " وقال العجلي: كوفي ثقة، ولم يقف ابن القطان على توثيق العجلي، فزعم أنه مجهول ".

وقال أيضا في ترجمة كثير بن أبي كثير البصري مولى عبد الرحمن بن سمرة: " قال العجلي: تابعي ثقة، وذكره ابن حبان في الثقات … ، وزعم عبد الحق تبعا لابن حزم أنه مجهول، فتعقب ذلك عليه ابن القطان يتوثيق العجلي ".

فهذه شواهد على اعتماد العلماء توثيق العجلي، وأنه ليس كما قال المعلمي رحمه الله في " التنكيل " 1: 66، وفي تعليقه على " الفوائد المجموعة، ص 282: يوثق المجاهيل من القدماء، وأنه أشد تسهلا من ابن حبان في توثيق التابعين! وليس حال ابن سعد وابن معين والنسائي في التوثيق كما زعم عليهم، بل لقد

جار وقسط في حق ابن معين، وأساء الظن والاتهام لابن عبد البر، وتخرص على السيوطي، رحمهم الله تعالى، انظر " التنكيل " 1: 67، 152، والتعليق على " الفوائد المجموعة " 30، 355، وهو يشهد على نفسه بالتشدد، انظر صفحة

د- من مقدمة " الفوائد ".
৭ - এই কিতাবে ব্যবহৃত প্রশংসা (تعديل)-সূচক শব্দগুলোর মধ্যে একটি হলো: অমুক তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। যেমন: আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন, ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন, নাসাঈ তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন, খতিব তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন (১৪৪০), বাহশাল তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন (১০৪৫), আজলি তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন (৩৪৩), ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন (১২৭), ইত্যাদি। এভাবে নির্ভরযোগ্যতা প্রদানের বিষয়টি সমালোচনা ও প্রশংসা (الجرح والتعديل) শাস্ত্রের কোনো একজন ইমামের সাথে নির্দিষ্ট করা হয়।

কোনো কোনো বর্ণনাকারী হয়তো সর্বসম্মতভাবে নির্ভরযোগ্য (ثقة) হয়ে থাকেন এবং যাহাবি তাকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। আবার কখনও বর্ণনাকারীর ব্যাপারে মতভেদ থাকতে পারে, তখন তিনি তাকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে গ্রহণ করেন এবং কে তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন। আমার কাছে উদাহরণের চেয়ে এই বিষয়টি স্পষ্ট করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে, যদি জীবনীতে উল্লিখিত ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য (ثقة) হন—যেমনটি বক্তব্যের স্পষ্ট অর্থ প্রকাশ পায়—তবে লেখক তার ব্যাপারে নীরব থাকেন। আর যদি তিনি অন্য কিছু হন, তবে আমি টীকায় ‘তাকরিব’ বা অন্য কোনো উৎস থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে তা নির্দেশ করে দিয়েছি।

এটি লক্ষণীয় যে, খতিব, মাসলামাহ ইবনে কাসিম আল-কুরতুবি এবং তাদের সমপর্যায়ের যারা কোনো বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেন, হাফেজ ইবনে হাজার তাদের ব্যাপারে সাধারণত ‘সত্যবাদী’ (صدوق) শব্দ ব্যবহার করেন। খতিবের ক্ষেত্রে এটি একটি সমস্যা তৈরি করে; কারণ তিনি তার ‘আল-কিফায়াহ’ কিতাবের ২২ পৃষ্ঠায় স্পষ্ট করেছেন যে, প্রশংসার (تعديل) সর্বোচ্চ শব্দগুলো হলো: ‘দলিল’ (حجة) বা ‘নির্ভরযোগ্য’ (ثقة) বলা। সুতরাং তিনি যখন কোনো বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেন, তখন তিনি অবশ্যই এই পরিভাষাটি (اصطلاح) রক্ষা করেছেন। এমতাবস্থায় আমরা কীভাবে তার সেই উক্তিকে নিছক ‘সত্যবাদী’ (صدوق) পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পারি?

আজলির নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলার প্রসঙ্গে লেখক আব্দুল মালিক ইবনে সাবরাহ ইবনে রাবি আল-জুহানির জীবনীতে বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة), ইবনে মাঈন তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন।" অথচ তিনি সেখানে আজলি কর্তৃক নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলা ছাড়া অন্য কোনো নির্ভরযোগ্যতার কথা উল্লেখ করেননি। সুতরাং তিনি আজলির মতটিই গ্রহণ করেছেন, যদিও ইবনে মাঈন তাকে দুর্বল (ضعيف) বলেছেন! এমনকি আমরা যদি ‘মিজান’ (২: ৫২০৫)-এ তার উক্তিটি গ্রহণ করি: "আল্লাহ চাইলে সত্যবাদী (صدوق إن شاء الله)", তবে সেটিও মুআল্লিমি এবং তার অনুসারীদের মতের বিরোধী হবে। কারণ তিনি সেখানে ইবনে মাঈনের দুর্বল (تضعيف) বলার বিষয়টি এবং ইবনে কাত্টানের উক্তি "তার মাধ্যমে দলিল পেশ করা যায় না" (لا يحتج به) উল্লেখ করেছেন; তা সত্ত্বেও তিনি বলেছেন: "আল্লাহ চাইলে সত্যবাদী (صدوق إن شاء الله)"।

তিনি তার ‘মিজান’ কিতাবের প্রথম জীবনীতে বলেছেন: "আবু ফাতহ আল-আজদি বলেছেন: বর্জনীয় (متروك)। আমি বলি: তাকে বর্জন করা যাবে না, কারণ আহমাদ আল-আজলি তাকে নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন।"

মুদ্রিত কপিতে ‘আহমাদ ও আজলি’ রয়েছে, এখানে ‘ওয়াও’ (এবং) অক্ষরটি অতিরিক্ত, যা বাদ দিতে হবে; যেমনটি ‘আর-রাফ ওয়াত-তাকমিল’ (পৃষ্ঠা: ২৭১)-এ উল্লেখ আছে।

‘তাহজিবুত তাহজিব’ (১: ৪২৭)-এ বারা ইবনে নাজিয়ার জীবনীতে আছে: "আজলি বলেছেন: কুফাবাসী, নির্ভরযোগ্য (ثقة)। ইবনে হিব্বান তাকে ‘আত-থিকাত’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তিনি ও হাকেম তাদের সহিহ কিতাবদ্বয়ে তার হাদিস বর্ণনা করেছেন। আমি যাহাবির হস্তাক্ষরে ‘মিজান’ কিতাবে পড়েছি: তার মধ্যে পরিচয়হীনতা (جهالة) রয়েছে, তাকে চেনা যায় না। আমি বলি: আজলি ও ইবনে হিব্বান তাকে চিনেছেন, তাই এটিই তার জন্য যথেষ্ট।"

‘তাহজিব’ (৪: ৯)-এ সাঈদ ইবনে হাইয়্যান আত-তাইমির জীবনীতে আছে: "ইবনে হিব্বান তাকে ‘আত-থিকাত’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং আজলি বলেছেন: কুফাবাসী, নির্ভরযোগ্য (ثقة)। ইবনে কাত্টান আজলির দেওয়া নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে অবগত ছিলেন না, তাই তিনি তাকে অজ্ঞাত (مجهول) বলে দাবি করেছেন।"

আব্দুর রহমান ইবনে সামুরার আযাদকৃত দাস কাসির ইবনে আবি কাসির আল-বাসরির জীবনীতেও তিনি বলেছেন: "আজলি বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (ثقة) তাবেঈ (تابعي)। ইবনে হিব্বান তাকে ‘আত-থিকাত’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন...। ইবনে হাজমের অনুসরণে আব্দুল হক দাবি করেছেন যে তিনি অজ্ঞাত (مجهول), ইবনে কাত্টান আজলির নির্ভরযোগ্যতা (توثيق) প্রদানের উদ্ধৃতি দিয়ে এর প্রতিবাদ করেছেন।"

এগুলো উলামায়ে কেরামের নিকট আজলির নির্ভরযোগ্যতা (توثيق) প্রদানের ওপর আস্থা রাখার প্রমাণ। বিষয়টি এমন নয় যেমনটি মুআল্লিমি (রাহিমাহুল্লাহ) তার ‘আত-তানকিল’ (১: ৬৬) এবং ‘আল-ফাওয়ায়িদ আল-মাজমুআহ’ (পৃষ্ঠা: ২৮২)-এর টীকায় বলেছেন যে, তিনি প্রাচীন অজ্ঞাত (مجهول) ব্যক্তিদের নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেন এবং তাবেঈদের নির্ভরযোগ্য (توثيق) বলার ক্ষেত্রে তিনি ইবনে হিব্বানের চেয়েও বেশি শিথিল! ইবনে সা’দ, ইবনে মাঈন এবং নাসাঈর নির্ভরযোগ্যতা প্রদানের বিষয়টিও তেমন নয় যেমনটি তিনি তাদের ব্যাপারে দাবি করেছেন। বরং তিনি ইবনে মাঈনের ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘন ও অবিচার করেছেন, ইবনে আব্দুল বার সম্পর্কে কুধারণা ও অপবাদ পোষণ করেছেন এবং সুয়ুতির ব্যাপারে মিথ্যাচার করেছেন (রাহিমাহুমুল্লাহ)। দেখুন: ‘আত-তানকিল’ (১: ৬৭, ১৫২) এবং ‘আল-ফাওয়ায়িদ আল-মাজমুআহ’-এর টীকা (৩০, ৩৫৫)। তিনি নিজেই নিজের কঠোরতার (تشدد) সাক্ষ্য দিয়েছেন, দেখুন: ‘আল-ফাওয়ায়িদ’-এর ভূমিকার ‘দাল’ পৃষ্ঠা।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٣٠)
وأما موقف الذهبي ممن ينفرد ابن حبان بتوثيقه: فانه تارة يعبر عنه في حق الراوي فيقول: ثقة، وتارة: صدوق، وتارة: وثق - وقد يضع فوقها رمز: حب - ولفت نظري أنه قال في عبد الله بن مالك الهمداني: " شيخ ".

وهو ممن ذكره ابن حبان في " ثقاته ".

ولعلها مرة واحدة لم تتكرر.

أما مرات قوله " ثقة ": فكثيرة، أحصيت منها تسعا وستين مرة، وأما مرات قوله: " صدوق " فقليلة جدا: سبع مرات، وأما استعماله كلمة " وثق ": فكثير جدا لا داعي لاحصائه.

وهذه أرقام تراجم من وثقهم: 354، 361، 383، 777، 795، 808، 1072، 1283، 1507، 1609، 1628، 1741، 1770، 2120، 2188، 2255، 2264، 2341، 2352، 2355، 2489، 2603، 2629، 2683، 2705، 2816، 2833، 2858، 2927، 3039، 3043، 3060، 3311، 3383، 3475، 3489، 3512، 3515، 3518، 4154، 5073، 5146، 5425، 5589، 5629، 5675، 5700، 5915 5795، 5933، 5951، 6064، 6065، 6115، 6320، 6327، 6348، 6349، 6373، 6391، 6413، 6503، 6692، 6730، 6767، 6801، 6834، 6907، وانظر لزاما التعليق على رقم: 5915، 5933.

وأرقام من قال فيهم " صدوق ": 353، 2891، 2907، 3008، 3149، 3211، 3463.

ولكن لا بد من التنبيه إلى أنه قد يقول " وثق " وفي الرجل توثيق من غير ابن حبان، مثل: صدقة بن المثنى الخعي، وثقه أبو داود وابن حبان، وعاصم العدوي: لم يحك المزي إلا توثيق النسائي - وهو في " ثقات " ابن حبان - فقال الذهبي: وثق، وعباد بن موسى الختلي وثقه ابن معين وأبو زرعة وصالح جزرة وابن حبان، وعباد بن نسيب وثقه ابن معين وابن حبان.

وهذا نادر.

وقد يقتصر المزي على توثيق ابن حبان فيقول الذهبي: وثق، ويكون فيه توثيق من غير ابن حبان، كما

حصل له في سليمان بن سنان.

وهذا نادر أيضا.

وهذا الانحاء الثلاثة التي وقفها الذهبي من توثيق ابن حبان: ثقة، صدوق، وثق، جاء مثلها من ابن حجر في " التقريب "، فهو يقول: ثقة، صدوق، مقبول، وهذا اللفظ الاخير هو الاكثر الاغلب، وهو يعادل من كلام الذهبي: وثق، وهو إولى وأدق من " مقبول "، لان للمقبول اصطلاحا خاصا عند ابن حجر: من لم يرو من الحديث إلا القليل، ولم يثبت فيه ما يترك من أجله، وتوبع، فإذا لم يتابع قال عنه: لين الحديث.

وقد أحصيت من وثقهم ابن حجر في " التقريب " وانفرد ابن حبان بتوثيقهم فبلغ عددهم واحدا وعشرين رجلا، ولا ريب عندي أن هناك آخرين سواهم، وهذه أرقام تراجمهم في " التقريب ": 1701، 1863، 2143، 2149، 2448، 2785، 3024، 3048، 3210، 4214، 4307، 4442، 4828، 5052، 5090، 5474، 7280، 7710، 7763، 8205، 8419، لكنه قال عن هذا الاخير " مقبول " تحت رقم 4524.

وسبقه الذهبي إلى توثيق ثلاثة منهم، وأرقامهم في " الكاشف ": 1507، 5951، 6348، وهذه أرقام من قال فيهم " صدوق " من " تقريب التهذيب ": 243، 271، 453، 497، 585، 668، 695، 696، 1292، 2224، 2252، 2256، 2763، 3059، 3080، 3209، 3232،
আর যেসব বর্ণনাকারীকে ইবনে হিব্বান এককভাবে নির্ভরযোগ্য হিসেবে সত্যায়ন (توثيق) করেছেন, তাদের ব্যাপারে ইমাম আদ-দাহাবির অবস্থান হলো: তিনি কখনও বর্ণনাকারীর হুকুম বর্ণনায় বলেন: নির্ভরযোগ্য (ثقة), কখনও বলেন: সত্যবাদী (صدوق), আবার কখনও বলেন: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে (وثق) — এবং কখনও কখনও এর উপরে সংকেত হিসেবে 'হাব' (حب) লিখে দেন। আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মালিক আল-হামদানির ক্ষেত্রে বলেছেন: "শায়খ (شيخ)"।

তিনি সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যাদের ইবনে হিব্বান তার 'আস-সিকাত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

সম্ভবত এটি একবারই ঘটেছে যা আর পুনরাবৃত্তি হয়নি।

তার 'নির্ভরযোগ্য (ثقة)' বলার বিষয়টি অনেক; আমি এ পর্যন্ত উনসত্তর বার তা গণনা করেছি। অন্যদিকে তার 'সত্যবাদী (صدوق)' বলার বিষয়টি অত্যন্ত কম: মাত্র সাতবার। আর 'নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে (وثق)' শব্দটির ব্যবহার এত বেশি যে তা গণনা করার প্রয়োজন নেই।

যাদের তিনি নির্ভরযোগ্য বলেছেন তাদের জীবনী নম্বরগুলো হলো: ৩৫৪, ৩৬১, ৩৮৩, ৭৭৭, ৭৯৫, ৮০৮, ১০৭২, ১২৮৩, ১৫০৭, ১৬০৯, ১৬২৮, ১৭৪১, ১৭৭০, ২১২০, ২১৮৮, ২২৫৫, ২২৬৪, ২৩৪১, ২৩৫২, ২৩৫৫, ২৪৮৯, ২৬০৩, ২৬২৯, ২৬৮৩, ২৭০৫, ২৮১৬, ২৮৩৩, ২৮৫৮, ২৯২৭, ৩০৩৯, ৩০৪৩, ৩০৬০, ৩৩১১, ৩৩৮৩, ৩৪৭৫, ৩৪৮৯, ৩৫১২, ৩৫১৫, ৩৫১৮, ৪১৫৪, ৫০৭৩, ৫১৪৬, ৫৪২৫, ৫৫৮৯, ৫৬২৯, ৫৬৭৫, ৫৭০০, ৫৯১৫, ৫৭৯৫, ৫৯৩৩, ৫৯৫১, ৬০৬৪, ৬০৬৫, ৬১১৫, ৬৩২০, ৬৩২৭, ৬৩৪৮, ৬৩৪৯, ৬৩৭৩, ৬৩৯১, ৬৪১৩, ৬৫০৩, ৬৬৯২, ৬৭৩০, ৬৭৬৭, ৬৮০১, ৬৮৩৪, ৬৯০৭; এবং আবশ্যিকভাবে ৫৯১৫ ও ৫৯৩৩ নম্বরের টীকা দেখুন।

আর যাদের ক্ষেত্রে তিনি 'সত্যবাদী (صدوق)' বলেছেন তাদের নম্বরগুলো হলো: ৩৫৩, ২৮৯১, ২৯০৭, ৩০০৮, ৩১৪৯, ৩২১১, ৩৪৬৩।

তবে এটি লক্ষ্য রাখা জরুরি যে, তিনি কখনও 'নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে (وثق)' বলেন অথচ সেই ব্যক্তির ব্যাপারে ইবনে হিব্বান ছাড়াও অন্য মুহাদ্দিসের সত্যায়ন (توثيق) বিদ্যমান থাকে। যেমন: সাদাকা ইবনুল মুসান্না আল-খাআয়ি, তাকে আবু দাউদ এবং ইবনে হিব্বান নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقه)। আসিম আল-আদাবি: আল-মিযযি কেবল আন-নাসায়ির সত্যায়ন (توثيق) উল্লেখ করেছেন — যদিও তিনি ইবনে হিব্বানের 'আস-সিকাত' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত — এমতাবস্থায় আদ-দাহাবি বলেছেন: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে (وثق)। আব্বাদ ইবনে মুসা আল-খাতলিকে ইবনে মুঈন, আবু যুরআ, সালিহ জাযারা এবং ইবনে হিব্বান নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقه)। আর আব্বাদ ইবনে নাসিবকে ইবনে মুঈন এবং ইবনে হিব্বান নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقه)।

এটি বিরল।

আবার কখনও কখনও আল-মিযযি কেবল ইবনে হিব্বানের সত্যায়ন (توثيق) উল্লেখ করার ওপর সীমাবদ্ধ থাকেন, ফলে আদ-দাহাবি বলেন: নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে (وثق), অথচ ইবনে হিব্বান ছাড়াও অন্যদের সত্যায়ন সেখানে বিদ্যমান থাকে; যেমনটি

সুলাইমান ইবনে সিনানের ক্ষেত্রে ঘটেছে।

এটিও বিরল।

ইবনে হিব্বানের সত্যায়নের (توثيق) ক্ষেত্রে আদ-দাহাবি যে তিনটি পন্থা অবলম্বন করেছেন (যথা: নির্ভরযোগ্য (ثقة), সত্যবাদী (صدوق), এবং নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে (وثق)), হাফিজ ইবনে হাজারও 'আত-তাকরীবে' অনুরূপ করেছেন। তিনি বলেন: নির্ভরযোগ্য (ثقة), সত্যবাদী (صدوق), গ্রহণযোগ্য (مقبول)। এই শেষোক্ত শব্দটিই সেখানে অধিক মাত্রায় ব্যবহৃত হয়েছে, যা ইমাম আদ-দাহাবির 'নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে (وثق)' পরিভাষার সমতুল্য। তবে এটি 'গ্রহণযোগ্য (مقبول)' শব্দের চেয়ে অধিক উত্তম ও নির্ভুল। কারণ ইবনে হাজরের নিকট 'গ্রহণযোগ্য (مقبول)' শব্দের একটি বিশেষ পরিভাষাগত অর্থ রয়েছে: তিনি এমন ব্যক্তি যিনি খুব অল্প হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তার মধ্যে এমন কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি যার কারণে তাকে বর্জন করা যায়, আর তার সমর্থক বর্ণনা (متابعة) পাওয়া গেছে। যদি তার সমর্থক বর্ণনা (متابعة) না পাওয়া যায়, তবে তিনি তাকে হাদিস বর্ণনায় শিথিল (لين الحديث) বলেন।

আমি 'আত-তাকরীবে' ইবনে হাজরের সেই সমস্ত সত্যায়নকৃত বর্ণনাকারীদের গণনা করেছি যাদের ব্যাপারে ইবনে হিব্বান এককভাবে সত্যায়ন (توثيق) করেছেন, তাদের সংখ্যা একুশ জনে পৌঁছেছে। আমার কোনো সন্দেহ নেই যে সেখানে আরও অনেকে রয়েছেন। 'আত-তাকরীব' গ্রন্থে তাদের জীবনী নম্বর হলো: ১৭০১, ১৮৬৩, ২১৪৩, ২১৪৯, ২৪৪৮, ২৭৮৫, ৩০২৪, ৩০৪৮, ৩২১০, ৪২১৪, ৪৩০৭, ৪৪৪২, ৪৮২৮, ৫০৫২, ৫০৯০, ৫৪৭৪, ৭২৮০, ৭৭১০, ৭৭৬৩, ৮২০৫, ৮৪১৯; কিন্তু তিনি এই শেষোক্ত ব্যক্তির ব্যাপারে ৪৫২৪ নম্বরের অধীনে 'গ্রহণযোগ্য (مقبول)' বলেছেন।

তাদের মধ্যে তিনজনকে সত্যায়ন (توثيق) করার ক্ষেত্রে আদ-দাহাবি তার অগ্রগামী ছিলেন এবং 'আল-কাশিফ' গ্রন্থে তাদের নম্বর হলো: ১৫০৭, ৫৯৫১, ৬৩৪৮। আর 'তাকরীবুত তাহযীব' গ্রন্থে যাদের 'সত্যবাদী (صدوق)' বলা হয়েছে তাদের নম্বরগুলো হলো: ২৪৩, ২৭১, ৪৫৩, ৪৯৭, ৫৮৫, ৬৬৮, ৬৯৫, ৬৯৬, ১২৯২, ২২২৪, ২২৫২, ২২৫৬, ২৭৬৩, ৩০৫৯, ৩০৮০, ৩২০৯, ৩২৩২।
(খণ্ড: ١) আল কাশিফু ফী মারিফাতি মান লাহূ রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ (পৃষ্ঠা: ٣١)
3348، 3370، 3530، 3553، 3569، 3624، 3711، 3859، 4044، 4069، 4091، 4183، 4253، 4256، 4260، 4354، 4617، 4680، 4693، 4697، 4718، 4828، 4900، 4914، 4929، 4950، 5063، 5131، 5481، 6170، 6285، 6334، 7798.

فمجموعهم اثنان وخمسون رجلا، وثمة آخرون جزما.

أما من قال عنهم " مقبول ": فكثيرون جدا لا داعي إلى إحصائهم.

وقد قلبت وجوه النظر كثيرا لا تعرف على ضابط ينتظم في سلكه سبب توثيق - أو تصديق - هذين الامامينلمن انفد ابن حبان بتوثيقهم، فلم أقف على ما أطمئن إليه.

وزعم بعض الناس على الامامين الذهبي وابن حجر أن سبب ذلك عندهما: رواية عدد من الثقات عن

الرجل! وهذا إن صح في عدد من الامثلة، فانه لا يصح في عدد آخر كثير.

فقد اتفق الذهبي وابن حجر على توثيق زيد بن عبد الله بن عمر بن الخطاب ولم يرو عنه إلا اثنان! في حين أن وهب بن مانوس روى عنه اثنان أيضا، فوثقه الذهبي وقال ابن حجر: مستور.

وميمون بن الاصبغ: وثقه الذهبي وقال ابن حجر: مقبول، وقد روى عنه اثنان وثلاثون رجلا! !.

والزبير بن الوليد: وثقه الذهبي وقال ابن حجر: مقبول، ولم يرو عنه سوى واحد! !.

وإسماعيل بن إبراهيم الكرابيسي: روى عنه أربعة، ووثقه الذهبي، وقال ابن حجر: لين الحديث.

وعبد الله بن محمد بن عمر بن علي بن أبي طالب، وعبد الله بن واقد بن عبد الله بن عمر، وعبد الله ابن الوضاح اللؤلؤي، روى عن كل منهم أكثر من عشرة، وقال عنهم ابن حجر: مقبول، ووثقهم الذهبي.

في حين أن ابن حجر قال صدوق عن كل من: عبد الوهاب بن عبد الكريم الاشجعي، ومحمد بن عمر بن علي بن أبي طالب، ومحمد بن مزاحم، والوليد بن سريع، وقد روى عن كل واحد منهم عشرة فاكثر، فما الفرق بينهم وبين من قبلهم؟ ! أما الذهبي فوثقهم أيضا.

وشريك بن حنبل العبسي قال فيه الذهبي هنا: وثق، وقال في " الميزان " 2

3693) : " لا يدرى من هو، ووثقه ابن حبان " ولم يرو عنه إلا اثنان، ومع ذلك قال ابن حجر: ثقة!.

في أمثلة كثيرة لا داعي إلى الاطالة بها، لكنى أنبه القارئ الكريم إلى ضرورة التنبه إلى هذه الجوانب أثناء قراءة التعليقات، فقد كنت أشير إليها إشارة دون تصريح، إما بنقل كلام ابن حجر " مقبول "، وإما بالاحالة على ترجمة المترجم من " ثقات " ابن حبان بذكر الجزء والصفحة.

واختلاف هذين الامامين في الحكم على الرجل، بل تباينهما في الحكم - من: ثقة إلى: لين، ومن: ثقة إلى: مستور - لهو أذل دليل على عدم صحة اعتبارهما كثرة الرواة الثقاتعن رجل، مع توثيق ابن حبان له: سببا لتوثيقه.

أما ما جاء في " فتح المغيث " 1: 298: " كثرة رواية الثقات عن الشخص توقي حسن الظن فيه " ففيه: أن هذا أمير غير التوثيق والتصديق، كما هو واضح من العبارة نفسها، ومن سياقهما هناك، وفيه أيضا: أن هذا
3348, 3370, 3530, 3553, 3569, 3624, 3711, 3859, 4044, 4069, 4091, 4183, 4253, 4256, 4260, 4354, 4617, 4680, 4693, 4697, 4718, 4828, 4900, 4914, 4929, 4950, 5063, 5131, 5481, 6170, 6285, 6334, 7798.

সুতরাং তাঁদের মোট সংখ্যা বায়ান্ন জন, এবং নিশ্চিতভাবেই আরও অনেকে রয়েছেন।

আর যাদের সম্পর্কে তিনি "গ্রহণযোগ্য (مقبول)" বলেছেন, তারা সংখ্যায় এত বেশি যে তাদের গণনা করার প্রয়োজন নেই।

আমি বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করেছি যাতে এমন কোনো সুসংবদ্ধ মূলনীতি (ضابط) খুঁজে পাওয়া যায়, যার ভিত্তিতে এই দুই ইমাম সেইসব বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করা (توثيق) — অথবা সত্যায়ন (تصديق) — করেছেন যাদেরকে এককভাবে ইবনে হিব্বান নির্ভরযোগ্য (ثقة) বলেছেন; কিন্তু আমি এমন কিছু পাইনি যাতে আমি আশ্বস্ত হতে পারি।

কেউ কেউ ইমাম আজ-জাহাবি ও ইবনে হাজারের ব্যাপারে দাবি করেছেন যে, তাঁদের নিকট এর কারণ হলো: সেই ব্যক্তির নিকট থেকে একাধিক নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর (الثقات) হাদিস বর্ণনা করা! এটি যদি কিছু উদাহরণের ক্ষেত্রে সঠিকও হয়, তবে আরও অনেক উদাহরণের ক্ষেত্রে তা সঠিক নয়।

কেননা আজ-জাহাবি ও ইবনে হাজার উভয়েই জায়েদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আল-খাত্তাবকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার (توثيق) ব্যাপারে একমত হয়েছেন, অথচ তাঁর থেকে মাত্র দুইজন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন! অন্যদিকে, ওয়াহাব বিন মানুস থেকেও দুইজন বর্ণনা করেছেন, কিন্তু আজ-জাহাবি তাঁকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বললেও ইবনে হাজার বলেছেন: "অজ্ঞাত পরিচিতি (مستور)"।

আর মায়মুন বিন আল-আসবাহ: আজ-জাহাবি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقه), আর ইবনে হাজার বলেছেন: "গ্রহণযোগ্য (مقبول)", অথচ তাঁর থেকে বত্রিশ জন ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন!!

এবং যুবাইর বিন আল-ওয়ালিদ: আজ-জাহাবি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقه), আর ইবনে হাজার বলেছেন: "গ্রহণযোগ্য (مقبول)", অথচ তাঁর থেকে মাত্র একজন ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি!!

ইসমাঈল বিন ইব্রাহিম আল-কারাবিসি: তাঁর থেকে চারজন বর্ণনা করেছেন এবং আজ-জাহাবি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقه), কিন্তু ইবনে হাজার বলেছেন: "হাদিস বর্ণনায় শিথিল (لين الحديث)"।

আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী বিন আবী তালিব, আব্দুল্লাহ বিন ওয়াকিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর এবং আব্দুল্লাহ ইবনুল ওয়াদদাহ আল-লুলুয়ী; তাঁদের প্রত্যেকের থেকে দশজনের বেশি বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন, অথচ ইবনে হাজার তাঁদের সম্পর্কে বলেছেন: "গ্রহণযোগ্য (مقبول)", আর আজ-জাহাবি তাঁদের নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقهم)।

অন্যদিকে ইবনে হাজার নিচের ব্যক্তিদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে "সত্যবাদী (صدوق)" বলেছেন: আব্দুল ওয়াহহাব বিন আব্দুল কারিম আল-আশজা'ই, মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী বিন আবী তালিব, মুহাম্মদ বিন মুজাহিম এবং আল-ওয়ালিদ বিন সারী'; এবং তাঁদের প্রত্যেকের থেকে দশজন বা তার বেশি বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। তাহলে তাদের এবং পূর্ববর্তীদের মধ্যে পার্থক্য কী?! অথচ আজ-জাহাবি তাঁদেরকেও নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقهم)।

শুরাইক বিন হানবাল আল-আবসি সম্পর্কে আজ-জাহাবি এখানে বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে (وثق)", কিন্তু 'আল-মিজান' ২ (৩৬৯৩)-এ বলেছেন: "সে কে তা জানা নেই, তবে ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (وثقه)"। তাঁর থেকে মাত্র দুইজন বর্ণনা করেছেন, তা সত্ত্বেও ইবনে হাজার বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة)"!

এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যা দীর্ঘায়িত করার প্রয়োজন নেই, তবে আমি সম্মানিত পাঠককে মন্তব্যগুলো পড়ার সময় এই দিকগুলোর প্রতি সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি এগুলোর দিকে স্পষ্ট বর্ণনা ছাড়াই ইঙ্গিত করতাম; হয় ইবনে হাজারের মন্তব্য "গ্রহণযোগ্য (مقبول)" উদ্ধৃত করার মাধ্যমে, অথবা ইবনে হিব্বানের 'কিতাবুত থিকাত (ثقات)' থেকে সংশ্লিষ্ট বর্ণনাকারীর জীবনীর খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ করার মাধ্যমে।

কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে এই দুই ইমামের রায়ের ভিন্নতা, এমনকি রায়ের বৈপরীত্য — যেমন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة)" থেকে "শিথিল (لين)" হওয়া, এবং "নির্ভরযোগ্য (ثقة)" থেকে "অজ্ঞাত পরিচিতি (مستور)" হওয়া — এটিই সবচেয়ে বড় প্রমাণ যে, ইবনে হিব্বান কর্তৃক কোনো বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার (توثيق) পাশাপাশি তাঁর থেকে অধিক সংখ্যক নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর (الثقات) বর্ণনা থাকাকে তাঁরা নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার (توثيق) কারণ হিসেবে গণ্য করার বিষয়টি সঠিক নয়।

আর 'ফাতহুল মুগীস' ১:২৯৮-এ যা এসেছে: "কোনো ব্যক্তির থেকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের (الثقات) অধিক বর্ণনা তার সম্পর্কে সুধারণা সৃষ্টি করে" — এর উত্তরে বলা যায় যে: এটি নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করা (توثيق) এবং সত্যায়ন (تصديق) করা থেকে ভিন্ন বিষয়, যেমনটি উক্ত ইবারত এবং সেখানে তাঁদের প্রসঙ্গের মাধ্যমেই স্পষ্ট। আর এতে ইহাও রয়েছে যে...