القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: الكاشف في معرفة من له رواية في الكتب الستة
المؤلف: شمس الدين أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان بن قَايْماز الذهبي (ت 748هـ)
المحقق: محمد عوامة أحمد محمد نمر الخطيب
الناشر: دار القبلة للثقافة الإسلامية - مؤسسة علوم القرآن، جدة
الطبعة: الأولى، 1413 هـ - 1992 م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বিভাগ: জীবনী (تراجم) ও বর্ণনাকারীদের স্তর (طبقات)
বই: আল-কাশিফ ফী মারিফাতি মান লাহু রিওয়াহ ফিল কুতুবিস সিত্তাহ
লেখক: শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান বিন কায়মায আয-যাহাবী (মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি)
সম্পাদক: মুহাম্মদ আওয়ামাহ, আহমদ মুহাম্মদ নিমির আল-খাতিব
প্রকাশক: দারুল কিবলাহ লিস-সাকাফাতিল ইসলামিয়্যাহ - মুয়াসসাসাতু উলুমিল কুরআন, জেদ্দা
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩ হিজরি - ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দ
[বইটির সংখ্যায়ন মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
গ্রন্থের মানহাজ বা কর্মপদ্ধতি পর্যালোচনায় যাওয়ার আগে, আমি একটি বিষয় উপস্থাপন করা সমীচীন মনে করছি যে বিষয়ে ‘আল-কাশিফ’ গ্রন্থটির বর্ণনাকারীদের বক্তব্যের মধ্যে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়েছে। বিষয়টি হলো: ‘আল-কাশিফ’ কি সরাসরি ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে সংক্ষেপিত (مختصر) করা হয়েছে, নাকি ‘তাদহিবু তাদহিবিল কামাল’ থেকে?
قال المصنف رحمه الله في عنوان الكتاب: " كتاب الكاشف ي معرفة م له رواية في الكتب الستة.গ্রন্থকার (রহিমাহুল্লাহ) গ্রন্থের শিরোনামে বলেছেন: "কিতাবুল কাশিফ ফি মারিফাতি মান লাহু রিওয়ায়াতুন ফিল কুতুবিস সিত্তাহ।
اقتضبه محمد بن أحمد بن عثمان ابن الذهবি من تهذيب الكمال ".মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন উসমান ইবনে যাহাবি এটি ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে সংক্ষেপ করেছেন।"
ثم قال في مقدمته: " هذا مختصر نافع … متضب من تهذيب الكمال ".অতঃপর তিনি এর ভূমিকায় বলেছেন: "এটি একটি উপকারী সংক্ষেপিত (مختصر) সংস্করণ... যা ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।"
ومن هنا قال الحافظ في مقدمة " تهذيبه " 1: 3 وهو يثني على " تهذيب الكمال ": " هو الذي الذي وفق بين اسم الكتاب ومسماه … ، ولكن قصت الهمم عن تحصيله لطوله، فاقتصر بعض الناس على الكشف من " الكاشف " الذي اختصره منه الحافظ أبو عبد الله الذهبي ".এখান থেকেই হাফিজ তার ‘তাহযিব’ (১:৩) এর ভূমিকায় ‘তাহযিবুল কামাল’-এর প্রশংসা করতে গিয়ে বলেছেন: "এটি এমন একটি গ্রন্থ যা গ্রন্থের নাম ও বিষয়বস্তুর মধ্যে সমন্বয় সাধন করেছে... কিন্তু এর দীর্ঘ কলেবরের কারণে এটি অর্জনে মানুষের হিম্মত বা আগ্রহ কমে গিয়েছিল, ফলে কিছু মানুষ ‘আল-কাশিফ’ থেকে তথ্য অনুসন্ধানেই সীমাবদ্ধ থেকেছে, যা হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ আল-যাহাবি এটি থেকে সংক্ষেপিত (مختصر) করেছেন।"
أما غيره من العلماء فكلامهم متجه إلى أن " الكاشف " مختصر من " تذهيب التهذيب ".তবে অন্যান্য আলিমগণের বক্তব্য এই অভিমুখী যে, ‘আল-কাশিফ’ মূলত ‘তাদহিবুত তাহযিব’-এর একটি সংক্ষেপিত (مختصر) রূপ।
قال ذلك الصلاح الصفدي في " الوافي " 2: 164 - على احتمال فيه - والتاج السبكي في " طبقاته الكبرى " 9: 104، وابن العماد في " شذرات الذهب " 6: 155، والبرهان سبط ابن العجمي في مقدمة " نهاية السول، ولفظه المقصود منه: " كتاب التذهيب للحافظ أبي عبد الله الذهبي … ، وكتاب " الكاشف " مختصره … ".এ কথাটি ‘আল-ওয়াফি’ (২:১৬৪) গ্রন্থে সালাহ সাফাদি—একটি সম্ভাবনার ভিত্তিতে—বলেছেন, আর তাজ সুবকি তার ‘তাবাকাতুল কুবরা’ (৯:১০৪) গ্রন্থে, ইবনুল ইমাদ তার ‘শাযারাতুয যাহাব’ (৬:১৫৫) গ্রন্থে এবং বুরহান সিবত ইবনুল আজামি ‘নিহায়াতুস সুল’-এর ভূমিকায় উল্লেখ করেছেন। তার উদ্দিষ্ট বক্তব্যের শব্দগুলো হলো: "হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ আল-যাহাবির ‘কিতাবুত তাদহিব’... এবং ‘কিতাবুল কাশিফ’ হলো তার সংক্ষেপিত (مختصر) সংস্করণ...।"
ومنهم السيوطي رحمهم الله جميعا - في " ذيل تذكرة الفاظ " ص 348 قال وهو يعدد مصنفات الذهبي: " ومختصر " تهذيب الكمال " و " الكاشف " مختصر ذلك ".তাদের মধ্যে সুয়ুতি (আল্লাহ তাদের সকলের ওপর রহম করুন) ‘যাইলু তাযকিরাতিল হুফফাজ’ (পৃ. ৩৪৮) গ্রন্থে যাহাবির রচনাবলির তালিকা দিতে গিয়ে বলেছেন: "এবং ‘তাহযিবুল কামাল’-এর একটি সংক্ষেপিত (مختصر) রূপ রয়েছে এবং ‘আল-কাশিফ’ হলো সেটিরও সংক্ষেপিত (مختصر) সংস্করণ।"
فهؤلاء خمسة من العلماء السابقين يقولون: إن " الكاشف " مختصر من " التذهيب ".সুতরাং পূর্ববর্তী আলিমগণের মধ্যে এই পাঁচজন বলছেন যে: ‘আল-কাশিফ’ মূলত ‘তাদহিব’ থেকে সংক্ষেপিত (مختصر) করা হয়েছে।
والامر أبسط من أن يحتاج إلى عرض المشكلة ثم حلها، فهو أيسر من ذلك، غاية ما في الامر أنবিষয়টি কোনো সমস্যা হিসেবে উপস্থাপন করে তা সমাধান করার চেয়েও অনেক সহজ। এ ব্যাপারে সারকথা হলো:
المصنف قال: إنه مقتضب من " تهذيب الكمال " باعتبار الاصل الاول، ومن قال: إنه مقتضب من " تذهيبه " فقد لا حظ الواقع والتسلسل الصنيفي، فكتاب المزي أصل الكتابين، وهما مختصارن منه، " الكاشف " جاء اختصارا ثانيا بعد " التذهيب " فهو فرع عنه.গ্রন্থকার এটিকে ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে গৃহীত বলেছেন মূল উৎসের বিবেচনায়। আর যারা এটিকে ‘তাদহিব’ থেকে সংক্ষেপিত বলেছেন, তারা এর বাস্তব অবস্থা এবং রচনার ক্রমধারার দিকে লক্ষ্য করেছেন। মূলত মিযযির গ্রন্থটি এই উভয় গ্রন্থের মূল উৎস এবং এই উভয়টিই তা থেকে সংক্ষেপিত (مختصر)। ‘আল-কাশিফ’ হলো ‘তাদহিব’-এর পরবর্তী দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্ষেপিত (مختصر) রূপ, তাই এটি তার একটি শাখা।
وقد لا حظت في أكثر من موضع أن الوهم يحصل للمصنففي الكتابين معا، فكنتأعلق على هذه الظاهرة بان المصنف استخرج " الكاشف " واستخلصه من " التذهيب "আমি একাধিক স্থানে লক্ষ্য করেছি যে, উভয় গ্রন্থেই গ্রন্থকারের কিছুটা ভ্রম (وهم) হয়েছে; তাই আমি এই পরিস্থিতির ওপর মন্তব্য করেছি যে, গ্রন্থকার ‘আল-কাশিফ’ গ্রন্থটি ‘তাদহিব’ থেকে বের করেছেন এবং তার নির্যাস গ্রহণ করেছেন।
1) .১) ।
وقد جزم الدكتور بشار عواد في كتابه عن " الذهبي " ص 228، ومقدمة " تهذيب الكمال " ص 54 بان " الكاشف " مختصر من كتاب المزي، ووهم من قال خلاف ذلك، محتجا بقول الذهبي الذي قدمته، وب " أن " الكاشف " اقتصر على رجال الستة، في حين كان " التذهيب " كاصله، قد شمل رجال الكتب الستة وغيرها من التواليف ".ডক্টর বাশশার আওয়াদ ‘যাহাবি’ বিষয়ক তার গ্রন্থে (পৃ. ২২৮) এবং ‘তাহযিবুল কামাল’-এর ভূমিকায় (পৃ. ৫৪) নিশ্চিত করে বলেছেন যে, ‘আল-কাশিফ’ মিযযির গ্রন্থের একটি সংক্ষেপিত (مختصر) রূপ; আর যে এর বিপরীত বলেছে তার ভ্রম (وهم) হয়েছে। তিনি ইতিপূর্বে উল্লিখিত যাহাবির বক্তব্যকে এবং এই যুক্তিকে প্রমাণ হিসেবে পেশ করেছেন যে, ‘আল-কাশিফ’ শুধুমাত্র কুতুবে সিত্তার বর্ণনাকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ, যেখানে ‘তাদহিব’ তার মূল গ্রন্থের মতো কুতুবে সিত্তাহ ও অন্যান্য সংকলনের বর্ণনাকারীদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছে।
قلت: أما احتجاجه بتصريح الذهبي: فلا خلاف فيه، وأما احتجاجه بان " الكاشف " اقتصر على رجال الست،، وأن " التذهيب " فيه زيادة، وبناء على هذا فلا يصح أن يكون الكاشف " مختصرا من " التذهيب ": فكلام غريب! إذا كان هذا الفارق بين الكتابين سببا لا ستبعاد اختصار الاول من الثاني، فينبغي أن يستبعد أكثر وأكثر اختصار " الكاشف " من " تهذيب الكمال " والله أعلم.আমি বলি: যাহাবির স্পষ্ট বক্তব্যকে দলিল হিসেবে পেশ করার ক্ষেত্রে কোনো মতভেদ নেই। কিন্তু তার এই যুক্তি যে—‘আল-কাশিফ’ শুধু কুতুবে সিত্তার বর্ণনাকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং ‘তাদহিব’-এ অতিরিক্ত বর্ণনা রয়েছে, আর এর ওপর ভিত্তি করে ‘আল-কাশিফ’ গ্রন্থটি ‘তাদহিব’ থেকে সংক্ষেপিত (مختصر) হওয়া সঠিক নয়—এটি একটি অদ্ভুত কথা! যদি এই দুই গ্রন্থের মধ্যকার পার্থক্যই প্রথমটি থেকে দ্বিতীয়টির সংক্ষেপিত (مختصر) হওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করার কারণ হয়, তবে ‘তাহযিবুল কামাল’ থেকে ‘আল-কাশিফ’ সংক্ষেপিত (مختصر) হওয়ার বিষয়টি আরও বেশি মাত্রায় নাকচ হওয়া উচিত। আল্লাহই ভালো জানেন।
আপনি যদি এই বিষয়গুলো একত্রিত করেন এবং তা নিয়ে নিবিড়ভাবে চিন্তা করেন—এখানে প্রশ্নকারীকে সম্বোধন করা হয়েছে—তবে আপনি উল্লিখিত হাফেজগণের (الحفاظ) এই উক্তির মর্ম বুঝতে পারবেন যে: যদি কোনো অজ্ঞাত (مجهول) বর্ণনাকারী থেকে কোনো নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি বর্ণনা করেন এবং তিনি এমন কিছু বর্ণনা না করেন যা প্রত্যাখ্যানযোগ্য (ينكر), তবে তার হাদিস সহিহ (صحيح)। কারণ তিনি যখন এমন কিছু বর্ণনা করেন না যা প্রত্যাখ্যানযোগ্য (ينكر), তখন সেটি তার নির্ভরযোগ্য (ثقة) হওয়ার প্রমাণ বহন করে; যেখানে তার পরিচয় অস্পষ্ট রাখা বা নাম উল্লেখ না করার পেছনে তাকে দুর্বল (ضعيف) হওয়ার কারণে যাতে চেনা না যায়—এমন কোনো অভিসন্ধি থাকার সম্ভাবনা থাকে না। সুতরাং মূলনীতির দাবি অনুযায়ী হাদিসটি সহিহ (صحيح)।
পক্ষান্তরে জমহুর (الجمهور) আলেমগণ—যাদের মাজহাব হাফেজ ইবনে হাজার 'লিসানুল মিজান' গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন—তারা এই সূক্ষ্ম বিষয়টি বিবেচনা করেননি এবং তারা এ পথটি একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ সেই অজ্ঞাত (مجهول) ব্যক্তির ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য (ثقة) হওয়া বা দুর্বল (ضعيف) হওয়ার উভয় সম্ভাবনা বিদ্যমান; আর যেখানে সম্ভাবনা থাকে, সেখানে দলিল পেশ করা (الاستدلال) অকার্যকর হয়ে পড়ে। তাদের এই অবস্থানকে আরও জোরালো করেছে এই বিষয়টি যে, অধিকাংশ অজ্ঞাত (المجاهيل) বর্ণনাকারীর অবস্থা এমনই—অর্থাৎ তারা দুর্বল (ضعفاء)। কেননা তারা যদি নির্ভরযোগ্য (ثقات) হতেন, তবে অন্যান্য নির্ভরযোগ্য (الثقات) বর্ণনাকারীদের মতো মুহাদ্দিসগণের (المحدثين) নিকট প্রসিদ্ধ ও পরিচিত হতেন।
এটি অস্পষ্ট নয় যে, এই দৃষ্টিভঙ্গিতে সংকীর্ণতা ও কঠোরতা রয়েছে, যার ফলে বাস্তবে সাব্যস্ত অনেক হাদিস হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে এবং সেগুলোর ওপর আমল করা পরিত্যক্ত হতে পারে। তাই ইবনে হিব্বান এবং তার অনুসারী যাদের মাজহাব আমরা বর্ণনা করেছি, তাদের মতটিই পর্যালোচনা ও গ্রহণের ক্ষেত্রে অধিকতর উত্তম; কারণ এটি উভয় দিকের কল্যাণকে সমন্বয় করে।
আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
২ - আস-সাবত (الثبت): 'সা' (ث) বর্ণে ফাতহাহ (যবর), 'বা' (ب) বর্ণে সুকুন (জযম) ও ফাতহাহ এবং শেষে 'তা' (ت) বর্ণযোগে।
তবে 'বা' বর্ণে সুকুন পড়াই অধিকতর উত্তম, যাতে সুদৃঢ় (ثبت) ব্যক্তি এবং 'সাবত' (الثبت)—অর্থাৎ মুহাদ্দিসের উস্তাদ ও বর্ণনাগুলোর সংকলিত কিতাব—এই দুইয়ের মাঝে পার্থক্য করা যায়।
আর আভিধানিক অর্থে 'সাবত' (ثبت) হলো—যে ব্যক্তি তার কার্যাবলিতে অত্যন্ত সুদৃঢ় ও অবিচল।
৩ - আল-মুতকিন (المتقن): সাখাভী (রহ.) 'ফাতহুল মুগীস' গ্রন্থে (১: ৩৩৭) বলেছেন: "সুদৃঢ়তা বা ইতকান (الاتقان) পরিভাষাটি নির্ভুলতা বা জাবত (الضبط) অপেক্ষা অতিরিক্ত কিছু নয়, কেবল এটি অধিকতর জাবত বা মুখস্থ শক্তির প্রখরতা নির্দেশ করে।"
সুতরাং কোনো নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারীকে মুতকিন (متقن) বিশেষণে বিশেষায়িত করে যখন বলা হয়: 'সুদৃঢ় নির্ভরযোগ্য (ثقة متقن)', তখন এটি প্রমাণ করে যে, তার নির্ভুলতা বা জাবত (ضبط) সাধারণ নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী অপেক্ষা বেশি। তিনি সেই স্তরের বর্ণনাকারী যাকে 'সংরক্ষণকারী নির্ভরযোগ্য (ثقة حافظ)' বলা হয়।
আবু যুরআহকে আবু মামার আল-মিনকারি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আবিল হাজ্জাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: "তিনি ছিলেন সংরক্ষণকারী নির্ভরযোগ্য (حافظا ثقة)।"
ইবনে আবি হাতিম (৫: ৫৪৯) বলেন: "অর্থাৎ তিনি ছিলেন সুদৃঢ় (متقنا)।"
এক্ষেত্রে লেখক (রহ.)-এর 'আল-মুকিজাহ' (পৃষ্ঠা: ৭৬-৭৭) গ্রন্থের বক্তব্যটি লক্ষণীয়: "...অতঃপর সংরক্ষণকারী নির্ভরযোগ্য (ثقة حافظ), অতঃপর সুদৃঢ় নির্ভরযোগ্য (ثقة متقن)।"
২- ইমাম আব্দুর রহমান ইবনে মাহদীর সেই প্রসিদ্ধ উক্তিটি 'আল-জারহ ওয়াত তাদীল' (২: ৩৫-৩৬) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে: "মুখস্থ রাখা (الحفظ) মানেই হলো সুদৃঢ়তা (الاتقان)।"