(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: -)
من مجالس أبي سعيد النقاش رواية أبي مطيع الصحاف   (أبو سعيد النقاش)

القسم: كتب السنة


الكتاب: من مجالس أبي سعيد النقاش - مخطوط

المؤلف: أبو سعيد محمد بن علي بن عمر بن مهدي الأصبهاني الحنبلي النقاش (ت 414هـ)

رواية: أبو مطيع محمد بن عبد الواحد الصحاف

أعده للشاملة: أحمد الخضري

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 11

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু সাঈদ আন-নাক্কাস-এর মাজলিসসমূহ হতে আবু মুতি আল-সাহাফ-এর বর্ণনা   (আবু সাঈদ আন-নাক্কাস)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আবু সাঈদ আন-নাক্কাস-এর মাজলিসসমূহ হতে - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে উমর ইবনে মাহদী আল-আসবাহানী আল-হাম্বলী আন-নাক্কাস (মৃত্যু ৪১৪ হিজরী)

বর্ণনা: আবু মুতি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-সাহাফ

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমাদ আল-খুদরী

[গ্রন্থটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: من مجالس أبي سعيد النقاش - مخطوط

المؤلف: أبو سعيد محمد بن علي بن عمرو بن مهدي النقاش

المتوفى: 414 هـ

رواية: أبو مطيع محمد بن عبد الواحد الصحاف
গ্রন্থ: আবু সাঈদ আন-নাক্কাশের মজলিসসমূহ থেকে - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন আলী বিন আমর বিন মাহদী আন-নাক্কাশ

মৃত্যু: ৪১৪ হিজরি

বর্ণনায়: আবু মুতী মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আস-সাহহাফ
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ১)
ق2 (ب)

جزء فيه من مجالس أبي سعيد محمد بن علي بن عمرو بن مهدي النقاش رحمه الله

رواية أبي مطيع محمد بن عبد الواحد الصحاف عنه

وعنه الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد السلفي

وعنه أبو محمد عبد الوهاب بن ظافر بن علي القرشي

سماع محمد بن عبد الله بن عبد الغني المقدسي عفا الله عنه
২ (খ)

আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন আলী বিন আমর বিন মাহদী আন-নাক্কাশ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর মজলিসসমূহের অংশবিশেষ সংবলিত একটি জুয

তাঁর নিকট থেকে আবু মুতী মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আস-সাহহাফ-এর বর্ণনা

এবং তাঁর নিকট থেকে হাফেজ আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফী

এবং তাঁর নিকট থেকে আবু মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন জাফির বিন আলী আল-কুরাশী

মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল গনি আল-মাকদিসীর শ্রবণ, আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ২)
ق 3 (أ)

بسم الله الرحمن الرحيم ، رب يسر وأعن برحمتك

1-…أخبرنا الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد السلفي الأصبهاني قراءةً عليه وأنا أسمع في رجب سنة أربع وسبعين وخمسمائة بالإسكندرية ، أنا أبو مطيع محمد بن عبد الواحد بن عبد العزيز بن أحمد بن زكريا الصحاف المصري قراءةً عليه سنة ثلاث وتسعين وأربعمائة بأصبهان في الجامع العتيق ، أنا أبو سعيد محمد بن علي بن عمرو بن مهدي النقاش الحافظ إملاءً ، أنا أبو الحسن محمد بن محمود الفقيه المروزي ، ثنا أبو علي سعيد بن عمر بن سعيد التاجر ، ثنا أحمد بن عبد الله بن حكيم ، ثنا مروان بن معاوية (ح) وأخبرنا أبو علي محمد بن أحمد بن الحسن الصواف ، ثنا إسحاق بن الحسن بن ميمون الحربي ، ثنا أبو نعيم الفضل بن دكين (ح) وأنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن الحسن الكسائي ، ثنا إبراهيم بن سعدان ، ثنا بكر بن بكار ، قالوا: أنا عمر بن ذر ، عن أبيه ، عن سعيد بن جبير ، عن ابن عباس قال: (قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لجبريل: ما يمنعك أن تزورنا أكثر مما تزورنا ، فنزلت وما نتنزل إلا بأمر ربك) . رواه البخاري عن أبي نعيم.
পৃষ্ঠা ৩ (ক)

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। হে প্রতিপালক, সহজ করে দিন এবং আপনার রহমতের মাধ্যমে সাহায্য করুন।

১-…হাফেজ আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফি আল-আসবাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হচ্ছিল আর আমি তা শুনছিলাম—৫৭৪ হিজরি সালের রজব মাসে আলেকজান্দ্রিয়ায়। তিনি বলেন, আবু মুতি' মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আহমদ বিন যাকারিয়া আস-সাহহাফ আল-মিসরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—৪৯৩ হিজরি সালে আসবাহানের প্রাচীন জামে মসজিদে তাঁর সম্মুখে পাঠ করা অবস্থায়। তিনি বলেন, হাফেজ আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন আলি বিন আমর বিন মাহদি আন-নাক্কাশ শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন মাহমুদ আল-ফকিহ আল-মারওয়াযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু আলি সাঈদ বিন উমর বিন সাঈদ আত-তাজির আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাকিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া (হা) এবং আবু আলি মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আস-সাওয়াফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইসহাক বিন আল-হাসান বিন মাইমুন আল-হারবি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আবু নুআইম আল-ফদল বিন দুকাইন (হা) এবং আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-কিসায়ি বর্ণনা করছি। তিনি বলেন, ইব্রাহিম বিন সা'দান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, বকর বিন বক্কার আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সকলে বলেন: উমর বিন যারর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, আর তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরাঈলকে বললেন, "আপনি আমাদের নিকট বর্তমানে যতটা আসেন, তার চেয়ে অধিকবার আসতে আপনাকে কিসে বাধা দেয়?" তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হলো: "আর আমরা আপনার প্রতিপালকের আদেশ ব্যতিরেকে অবতরণ করি না।" ইমাম বুখারি এটি আবু নুআইম থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ৩)
2-…حدثنا أبو بكر عمر بن أحمد بن القاسم الفقيه النهاوندي ، ثنا أبو مسلم إبراهيم بن عبد الله الكشي

ق3 (ب)

، ثنا الحكم بن مروان ، ثنا سلام الطويل ، عن الأجلح بن عبد الله الكندي ، عن عدي بن عدي قال: قال عمر بن الخطاب رضي الله عنه: (جاء جبريل إلى النبي صلى الله عليه وسلم في حين غير حينه الذي كان يأتيه فيه ، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يا جبريل مالي أراك متغير اللون ، فقال: ما جئتك حتى أمر الله بمنافخ النار ، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يا جبريل صف لي النار ، وانعت لي جهنم ، فقال جبريل: إن الله أمر بجهنم فأوقد عليها ألف عام حتى ابيضت ، ثم أوقد عليها ألف عام حتى احمرت ، ثم أوقد عليها ألف عام حتى اسودت ، فهي سوداء مظلمة لا يضيء شررها ولا يطفئ لهبها ، والذي بعثك بالحق لو أن ثقب إبرة فتح من جهنم لمات من في الأرض جميعاً من حره ، والذي بعثك بالحق لو أن خازناً من خزنة جهنم برز إلى أهل الدنيا فنظروا إليه لمات من في الأرض كلهم من فيح وجهه ونتن ريحه ، والذي بعثك بالحق لو أن خلقة من حلق سلله (1) أهل النار التي نعت الله في كتابه وقعت على جبال الدنيا لارتهت (2) وما تقارت حتى تنتهي الأرض السفلى ، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: حسبي يا جبريل لا ينصدع قلبي فأموت ، قال: فنظر رسول الله

ــ

(1) هكذا بالأصل والصحيح "سلسلة"

(2) هكذا بالأصل ولعلها "لارتجت"
২-…আমাদের নিকট আবূ বকর উমর ইবনে আহমদ ইবনুল কাসিম আল-ফকিহ আন-নাহাওয়ান্দী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবূ মুসলিম ইব্রাহীম ইবনে আবদুল্লাহ আল-কাশশি বর্ণনা করেছেন

পৃষ্ঠা ৩ (খ)

আমাদের নিকট আল-হাকাম ইবনে মারওয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাল্লাম আত-তাবীল বর্ণনা করেছেন, তিনি আজলাহ ইবনে আবদুল্লাহ আল-কিন্দি থেকে, তিনি আদী ইবনে আদী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) বলেছেন: (জিবরীল নবী -আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক- এর নিকট এমন এক সময়ে আসলেন যা তাঁর আসার স্বাভাবিক সময় ছিল না। রাসূলুল্লাহ -আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক- বললেন: হে জিবরীল, কী হয়েছে যে আমি আপনাকে বিবর্ণ দেখছি? তিনি বললেন: আমি আপনার নিকট ততক্ষণ আসিনি যতক্ষণ না আল্লাহ জাহান্নামের হাপরসমূহ প্রজ্বলনের নির্দেশ দিয়েছেন। তখন রাসূলুল্লাহ -আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক- বললেন: হে জিবরীল, আমার নিকট জাহান্নামের আগুনের বিবরণ দিন এবং জাহান্নামের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করুন। জিবরীল বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ জাহান্নামকে প্রজ্বলিত করার নির্দেশ দিয়েছেন, ফলে তার ওপর এক হাজার বছর আগুন জ্বালানো হয়েছে যতক্ষণ না তা সাদা হয়ে গেছে। তারপর তার ওপর আরও এক হাজার বছর আগুন জ্বালানো হয়েছে যতক্ষণ না তা লাল হয়ে গেছে। এরপর আরও এক হাজার বছর তার ওপর আগুন জ্বালানো হয়েছে যতক্ষণ না তা কালো হয়ে গেছে। সুতরাং তা ঘোর কৃষ্ণবর্ণ অন্ধকারাচ্ছন্ন, যার আগুনের স্ফুলিঙ্গ আলো বিচ্ছুরণ করে না এবং তার শিখাও নির্বাপিত হয় না। সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, যদি জাহান্নামের সুঁইয়ের ছিদ্র পরিমাণ কোনো অংশ উন্মুক্ত করা হতো, তবে পৃথিবীর সকল মানুষ তার তাপে মৃত্যুবরণ করত। সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, যদি জাহান্নামের প্রহরীদের মধ্য হতে কোনো একজন দুনিয়াবাসীদের সামনে প্রকাশ পেতেন এবং তারা তাঁর দিকে তাকাত, তবে পৃথিবীর সকল মানুষ তাঁর চেহারার তেজ এবং তার পচা দুর্গন্ধের কারণে মারা যেত। সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, যদি জাহান্নামবাসীদের শিকলের (১) কড়াগুলোর মধ্য হতে কোনো একটি কড়া—যার বর্ণনা আল্লাহ তাঁর কিতাবে দিয়েছেন—দুনিয়ার পাহাড়গুলোর ওপর রাখা হতো, তবে তা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে ধসে যেত (২) এবং তা নিম্নতম যমীন পর্যন্ত না পৌঁছানো পর্যন্ত স্থির হতো না। রাসূলুল্লাহ -আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক- বললেন: হে জিবরীল, আমার জন্য এইটুকুই যথেষ্ট, পাছে আমার অন্তর বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং আমি মারা যাই। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর রাসূলুল্লাহ তাকালেন...)

ــ

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে সঠিক হলো "সিলসিলাহ" (শিকল)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, সম্ভবত এটি "লারতাজজাত" (প্রকম্পিত হওয়া) হবে।
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ৪)
ق 4 (أ)

صلى الله عليه وسلم إلى جبريل وهو يبكي ، فقال: أتبكي يا جبريل وأنت من الله بالمكان الذي أنت؟ قال: ومالي لا أبكي وأنا أحق بالبكاء لعلي أن أكون في علم الله على غير الحال التي أنا عليها ، وما يدريني لعلي أبتلى بمثل الذي أبتلى به إبليس وقد كان مع الملائكة ، وما يدريني لعلي أبتلى بمثل ما أبتلى به هاروت وماروت ، قال: فبكى رسول الله صلى الله عليه وسلم وبكى جبريل فما زالا يبكيان حتى نودي يا جبريل ويا محمد إن قد أمنكما أن تعصيانه ، فارتفع جبريل وخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فمر بقوم من الأنصار يضحكون ، فقال: أتضحكون ووراءكم جهنم ، ولو تعلمون ما أعلم لضحكتم قليلاً ولبكيتم كثيراً ولما شبعتم الطعام والشراب ولخرجتم إلى الصعدات تجأرون إلى الله عز وجل ، قال: فنودي يا محمد لا تقنط عبادي ، إنما بعثتك ميسراً ولم أبعثك معسراً ، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: سددو وقاربوا) . لا أعلم أحداً روى هذا الحديث غير سلام ، عن الأجلح ، وعنه الحكم.
পৃষ্ঠা ৪ (ক)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরাঈলের নিকট গেলেন এমতাবস্থায় যে তিনি কাঁদছিলেন। তিনি বললেন, "হে জিবরাঈল! আপনি কি কাঁদছেন অথচ আল্লাহর নিকট আপনার এমন উচ্চ মর্যাদা রয়েছে?" তিনি বললেন, "আমি কেন কাঁদব না? কান্নাকাটি করা তো আমার জন্যই অধিক শোভনীয়। হতে পারে আল্লাহর জ্ঞানে আমি বর্তমানে যে অবস্থায় আছি তার পরিবর্তে অন্য কোনো অবস্থায় পরিগণিত। আমি কীভাবে নিশ্চিত হব? হয়তো আমি ইবলিসের ন্যায় কোনো পরীক্ষায় নিপতিত হব, অথচ সে ফেরেশতাদের সাথেই ছিল। আমি কীভাবে জানব? হয়তো আমি হারূত ও মারূতের ন্যায় পরীক্ষায় নিপতিত হব।" বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁদলেন এবং জিবরাঈলও কাঁদলেন। তাঁরা উভয়ে অনবরত কাঁদতে থাকলেন যতক্ষণ না এই মর্মে ঘোষণা করা হলো যে, "হে জিবরাঈল এবং হে মুহাম্মদ! আল্লাহ তাআলা আপনাদের উভয়কে তাঁর অবাধ্যতা করা থেকে নিরাপদ করেছেন।" অতঃপর জিবরাঈল উপরে উঠে গেলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন। পথিমধ্যে তিনি আনসারদের একটি দলের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন যারা হাসাহাসি করছিল। তিনি বললেন, "তোমরা হাসছ অথচ তোমাদের পশ্চাতে জাহান্নাম বিদ্যমান। আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই অল্প হাসতে এবং অধিক কাঁদতে। তোমরা আহার ও পানীয় দ্বারা তৃপ্ত হতে পারতে না এবং তোমরা উচ্চ ভূমিতে বেরিয়ে আল্লাহ তাআলার নিকট উচ্চস্বরে রোনাজারি করতে।" বর্ণনাকারী বলেন, তখন ঘোষণা করা হলো, "হে মুহাম্মদ! আমার বান্দাদের হতাশ করবেন না। আমি আপনাকে সহজকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি, কঠোরতা আরোপকারী হিসেবে নয়।" অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তোমরা সঠিক পথে অটল থাকো এবং মধ্যপন্থা অবলম্বন করো।" আমি সাল্লাম ব্যতীত কাউকে জানি না যিনি আল-আহলাজ থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে আল-হাকাম এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ৫)
3-…أخبرنا الحسن بن محمد بن محمود المروزي ، ثنا أبو رجاء محمد بن حمدويه السنجري ، ثنا أحمد بن محمد بن أمية الساوي ، ثنا أبي ، ثنا عيسى بن موسى ، عن مقاتل بن حيان ، عن الأصبغ بن نباتة ، عن علي بن أبي طالب قال: (لما نزلت "فصل لربك وانحر"

ق 4 (ب)

قال النبي صلى الله عليه وسلم فقال (1) : يا جبريل ما هذه النحيرة التي يأمر بها ربي؟ قال: إنها ليست بنحيرة ولكنها رفع الأيدي في ثلاثة مواطن إذا تحرمت بالصلاة ، وإذا ركعت ، وإذا رفعت رأسك من الركوع ، إن لكل شيء زينة وزينة الصلاة رفع الأيدي في ثلاثة مواطن) . لا أعلم أحداً رواه غير علي وعنه الأصبغ تفرد به عيسى غنجار ، عن مقاتل.

4-…أخبرنا أبو بكر محمد بن أحمد عبدوس الجيري بنيسابور ، ثنا أبو بكر محمد بن أحمد بن دلويه الدقاق، ثنا أحمد بن حفص ، ثنا أبو الوليد خالد بن يزيد ، ثنا جرير بن حازم ، عن سعيد بن جبير ، عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (أتاني جبريل ، فقال: يا محمد أقرئ عمر بن الخطاب من ربه السلام ، وأعلمه أن رضاه حلم وغضبه عز)

5-…أخبرنا أبو يعلي الحسن بن محمد الزبيري بنيسابور ، ثنا محمد بن المسيب بن إسحاق الإرغياني ، ثنا محمد بن عبد الرحمن بن غزوان ، ثنا عبد الله بن المبارك ، عن حيوة بن شريح ، عن بكر بن ماعز ، عن مشرح بن هاعان ، عن عقبة بن عامر قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم

ــ

(1) هكذا بالأصل
৩-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন মুহাম্মদ বিন মাহমুদ আল-মারওয়াযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু রাজা মুহাম্মদ বিন হামদুওয়াহ আস-সিনজারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন উমাইয়াহ আস-সাবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন মূসা, তিনি মুকাতিল বিন হাইয়্যান থেকে, তিনি আসবাগ বিন নুবাতাহ থেকে, তিনি আলী বিন আবী তালিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (যখন "আপনার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন এবং নহর করুন" অবতীর্ণ হলো

পৃষ্ঠা ৪ (খ)

তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন (১): হে জিবরাঈল, এই 'নহিরাহ' (কোরবানি) কী যা আমার রব নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন: এটি জবাই করা নয়, বরং তা হলো তিন স্থানে হাত উঠানো; যখন আপনি সালাত শুরু করবেন, যখন রুকু করবেন এবং যখন রুকু থেকে আপনার মাথা উঠাবেন। নিশ্চয়ই প্রতিটি জিনিসের সৌন্দর্য রয়েছে এবং সালাতের সৌন্দর্য হলো তিন স্থানে হাত উঠানো)। আমি আলী ব্যতীত অন্য কাউকে এটি বর্ণনা করতে জানি না এবং তাঁর থেকে আসবাগ; এটি মুকাতিল থেকে বর্ণনায় ঈসা গুঞ্জার একক হয়ে পড়েছেন।

৪-…নিশাপুরে আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমাদ আবদুস আল-জীরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন দালওয়াহ আদ-দাক্কাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল ওয়ালিদ খালিদ বিন ইয়াযীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারীর বিন হাযিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (জিবরাঈল আমার নিকট আসলেন এবং বললেন: হে মুহাম্মদ, উমর বিন আল-খাত্তাবকে তাঁর রবের পক্ষ থেকে সালাম পৌঁছে দিন এবং তাঁকে জানিয়ে দিন যে, তাঁর সন্তুষ্টি হলো সহনশীলতা এবং তাঁর ক্রোধ হলো মহিমা)

৫-…নিশাপুরে আবু ইয়ালা হাসান বিন মুহাম্মদ আয-যুবাইরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আল-মুসাইয়িব বিন ইসহাক আল-আরগিয়ানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন গাযওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হাইওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে, তিনি বকর বিন মা'ইয থেকে, তিনি মিশরাহ বিন হা'আন থেকে, তিনি উকবাহ বিন আমির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি...

—

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ৬)
ق5 (أ)

يقول: (أتاني جبريل ، فقال: إن الله تبارك وتعالى أمرك أن تستشير أبا بكر)

6-…أخبرنا أبو عبد الله محمد بن أحمد بن علي الجوهري ببغداد (1) ، أنا أبو العباس محمد بن يونس بن موسى الكندي ، أبو عامر العقدي ، ثنا رباح بن أبي معروف ، عن سعيد بن عجلان ، عن سعيد بن جبير ، عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي بكر وعمر رضي الله عنهما: (ألا أخبركما بمثلكما في الملائكة ، ومثلكما في الأنبياء؟ مثلك يا أبا بكر كمثل ميكائيل ينزل بالرحمة ، ومثلك في الأنبياء كمثل إبراهيم كذبه قومه وهو يقول "من تبعني فإنه مني ومن عصاني فإنك غفور رحيم" ، ومثلك يا عمر كمثل جبريل ينزل البأس والشدة والنقمة على أعداءه ، وكمثل نوح قال: "رب لا تذر على الأرض من الكافرين دياراً")

7-…أخبرنا أبو يعقوب إسحاق بن أحمد بن علي التاجر ، ثنا إبراهيم بن يوسف بن خالد الهسنجاني ، ثنا الحسن بن الحسين الهسنجاني ، ثنا زهدم بن الحارث ، ثنا جعفر بن سليمان الضبعي ، عن مالك بن دينار ، عن سالم بن عبد الله ، عن أبيه قال: (مر عمر مع النبي صلى الله عليه وسلم على يهودي ، وعلى النبي صلى الله عليه وسلم قميصان ، فقال اليهودي: يا أبا القاسم اكسني ، فخلع رسول الله صلى الله عليه وسلم أفضل القميصين فكساه ، فقلت: يا رسول الله لو كسوت

ــ

(1) بالهامش بجانب السطر الثالث لفظة "الكذيمي"
পৃ. ৫ (ক)

তিনি বলেন: (জিবরাঈল আমার নিকট আসলেন এবং বললেন: আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছেন যেন আপনি আবু বকরের সাথে পরামর্শ করেন।)

৬-…বাগদাদে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলী আল-জাওহারী (১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইউনুস বিন মুসা আল-কিন্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমির আল-আকাদি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, রাবাহ বিন আবি মারুফ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আজলান থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-কে বললেন: (আমি কি তোমাদেরকে ফেরেশতাদের মধ্যে তোমাদের সাদৃশ্য এবং নবীদের মধ্যে তোমাদের সাদৃশ্য সম্পর্কে অবহিত করব না? হে আবু বকর, তোমার সাদৃশ্য হলো মিকাঈলের মতো যিনি রহমত নিয়ে অবতরণ করেন, আর নবীদের মধ্যে তোমার সাদৃশ্য হলো ইব্রাহীমের মতো যার কওম তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল আর তিনি বলছিলেন "যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার অন্তর্ভুক্ত, আর যে আমার অবাধ্য হবে তবে নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু", আর হে উমর, তোমার সাদৃশ্য হলো জিবরাঈলের মতো যিনি শত্রুদের ওপর কঠোরতা, তীব্রতা ও শাস্তি নিয়ে অবতরণ করেন, আর নবীদের মধ্যে তোমার সাদৃশ্য নূহের মতো যিনি বলেছিলেন: "হে আমার রব, আপনি জমিনের ওপর কাফেরদের একজনকেও অবশিষ্ট রাখবেন না।")

৭-…আবু ইয়াকুব ইসহাক বিন আহমদ বিন আলী আত-তাজির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহীম বিন ইউসুফ বিন খালিদ আল-হাসানজানি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, হাসান বিন আল-হুসাইন আল-হাসানজানি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, জাহদাম বিন আল-হারিস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন সুলায়মান আদ-দুবায়ি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মালিক বিন দিনার থেকে, তিনি সালেম বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (উমর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একজন ইহুদীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গায়ে দুটি জামা ছিল। ইহুদী বলল: হে আবুল কাসেম, আমাকে একটি জামা পরিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি জামার মধ্যে উত্তমটি খুলে তাকে পরিয়ে দিলেন। তখন আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি যদি পরিধান করতেন...)

──

(১) পার্শ্বটীকায় তৃতীয় লাইনের পাশে "আল-কুযাইমি" শব্দটি রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ৭)
ق 5 (ب)

الذي هو دون ، فقال: أليس تدري يا عمر أن ديننا الحنفيه السمحة لا شح فيها ، فكسوته أفضل القميصين ليكون أرغب في الإسلام)

8-…أخبرنا أبو بكر أحمد بن إبراهيم بن إسماعيل الجرجاني ، ثنا هارون بن يوسف بن زياد ، ثنا أبو مروان العثماني ، حدثني أبي ، عن عثمان بن خالد ، عن عبد الرحمن بن أبي الزناد ، عن أبيه ، عن الأعرج ، عن أبي هريرة: (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لقي عثمان عند باب المسجد ، فقال: يا عثمان هذا جبريل يخبرني أن الله زوجك أم كلثوم بمثل صداق رقية ، وعلى مثل مصاحبتها)

9-…أخبرنا أحمد بن جعفر بن مالك القطيعي ، نا عبد الله بن أحمد بن حنبل ، حدثني أبي ، عبد الله بن نمير ، ثنا عامر بن السمط ، عن (1) أبو الجحاف ، عن معاوية بن ثعلبة، عن أبي ذر قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: (يا علي من فارقني فقد فارق الله عز وجل ، ومن فارقك فقد فارقني)

10-…أخبرنا أبو بكر محمد بن عبد الله بن محمد بن إبراهيم الشافعي ، ثنا القاسم بن أحمد الخطابي ، ثنا هودة بن خليفة ، نا ابن جريج ، عن عطاء ، عن أبي الدرداء قال: (رآني النبي صلى الله عليه وسلم وأنا أمشي أمام أبي بكر الصديق رضي الله عنه ، فقال: يا أبا الدرداء أتمشي أمام من هو خير منك في الدنيا والآخرة ، ما طلعت الشمس ولا غربت على أحد بعد النبيين والمرسلين

ــ

(1) بالأصل "ثنا عامر بن السمط أبو الجحاف" والصحيح ما أثبت
পৃষ্ঠা ৫ (খ)

যিনি তার নিম্নমর্যাদার, অতঃপর তিনি বললেন: হে উমর, তুমি কি জানো না যে আমাদের দ্বীন হলো উদার হানিফিয়্যাহ, যাতে কোনো কৃপণতা নেই? তাই আমি তাকে দুটি কামিজের মধ্যে উত্তমটি পরিয়েছি যাতে সে ইসলামের প্রতি অধিক আগ্রহী হয়।

৮-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইসমাইল আল-জুরজানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হারুন ইবনে ইউসুফ ইবনে জিয়াদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মারওয়ান আল-উসমানি, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে খালিদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবিয যিনাদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের দরজার কাছে উসমানের সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং বললেন: হে উসমান, এই যে জিবরীল আমাকে সংবাদ দিচ্ছেন যে, আল্লাহ রুকাইয়্যাহর মোহরের সমপরিমাণ মোহরে এবং তার সাথে সাহচর্যের অনুরূপ শর্তে তোমার সাথে উম্মে কুলসুমের বিয়ে দিয়েছেন।)

৯-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে জাফর ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর থেকে, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমির ইবনে সামত, (১) আবু আল-জুহাফ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে সা'লাবাহ থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: (হে আলী, যে আমার থেকে বিচ্ছিন্ন হলো সে মহান আল্লাহর থেকে বিচ্ছিন্ন হলো, আর যে তোমার থেকে বিচ্ছিন্ন হলো সে আমার থেকে বিচ্ছিন্ন হলো।)

১০-…আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আশ-শাফিয়ী, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-কাসিম ইবনে আহমদ আল-খাত্তাবি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাওদাহ ইবনে খলিফা, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবনে জুরাইজ, তিনি আতা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহুর সামনে হাঁটতে দেখলেন। তখন তিনি বললেন: হে আবু দারদা, তুমি কি এমন ব্যক্তির সামনে হাঁটছ যে দুনিয়া ও আখিরাতে তোমার চেয়ে উত্তম? নবী ও রাসূলগণের পর এমন কারো উপর সূর্য উদিত হয়নি এবং অস্ত যায়নি [যে তার চেয়ে উত্তম])

—

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে "আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমির ইবনে সামত আবু আল-জুহাফ", আর সঠিক সেটিই যা এখানে সাব্যস্ত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ৮)
ق 6 (أ)

أفضل من أبي بكر الصديق)

11-…أخبرنا أبو أحمد محمد بن أحمد بن القاسم الدهشاني ، ثنا شعيب بن أحمد الجبلي ، ثنا علي بن المثنى ، ثنا عبيد الله بن موسى ، حدثني مطر ، عن أنس بن مالك قال: (كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فرأى علياً مقبلاً ، فقال: يا أنس ، قلت: لبيك يا رسول الله ، قال إن هذا المقبل حجتي عل أمتي يوم القيامة)

12-… أخبرنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن أحمد بن الليث الواسطي بها (1) ، ثنا أبو الحسن أسلم بن سهل ، ثنا وهب بن بقية ، ثنا خالد ، عن أبي ليلى ، عن الكريم (2) ، عن سعيد بن عمرو ، عن عائشة ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لها: (يا عائشة ما فعلت الجارية اليتيمة ، وكانت عند عائشة يتيمة ، قالت: قد حاضت ، فشق لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ، وقال: مريها فلتختمر)

13-…أخبرنا جدي أحمد بن الحسن بن أيوب التميمي ، نا أبو سعيد عمران بن عبد الرحمن ، ثنا محمد بن يزيد بن عبد الله ، ثنا معتمر بن سليمان ، ثنا عبد الله بن بشر ، عن محمد بن عجلان ، سعيد بن المسيب ، عن كعب بن عجرة ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له: (يا كعب إذا توضأت ثم خرجت إلى المسجد فلا تشبك بين أصابعك فإنك في الصلاة)

14-…أخبرنا أبو محمد عبد الله بن أحمد بن إبراهيم بن نصر المؤدب ، ثنا أبو عبد الله محمد بن

ــ

(1) بجانب السطر بالهامش مكتوب "محمد بن"

(2) هكذا بالأصل
পৃষ্ঠা ৬ (ক) (আবু বকর সিদ্দিকের চেয়ে শ্রেষ্ঠ)

১১-…আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-কাসিম আদ-দাহশানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শুয়াইব বিন আহমাদ আল-জাবালি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আলি বিন আল-মুসান্না আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ বিন মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মাতার আনাস বিন মালিক থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট ছিলাম, তখন তিনি আলিকে এগিয়ে আসতে দেখলেন। তিনি বললেন: হে আনাস! আমি বললাম: লাব্বাইক হে আল্লাহর রাসুল! তিনি বললেন: নিশ্চয়ই এই যে আগন্তুক, সে কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের ওপর আমার দলিল।)

১২-… আবু বকর আহমাদ বিন জাফর বিন আহমাদ বিন আল-লায়স আল-ওয়াসিতি সেখানে (১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান আসলাম বিন সাহল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ওয়াহাব বিন বাকিয়্যাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, খালিদ আবু লায়লা থেকে, তিনি আল-কারিম (২) থেকে, তিনি সাইদ বিন আমর থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: (হে আয়েশা, ইয়াতীম মেয়েটি কী করছে? আয়েশার কাছে একজন ইয়াতীম মেয়ে ছিল। তিনি বললেন: তার ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার জন্য কাপড় ছিঁড়লেন এবং বললেন: তাকে নির্দেশ দাও যেন সে খিমার পরিধান করে।)

১৩-…আমার দাদা আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আইয়ুব আত-তামিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ ইমরান বিন আব্দুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইয়াযিদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুতামির বিন সুলাইমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন বিশর মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি কাব বিন উজরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছিলেন: (হে কাব, যখন তুমি অজু করবে অতঃপর মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হবে, তখন তোমার আঙুলগুলো একে অপরের ভেতর ঢোকাবে না, কারণ তুমি তখন নামাজের মধ্যেই আছ।)

১৪-…আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন নাসর আল-মুআদ্দিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন...

—

(১) পঙক্তির পাশে পার্শ্বটীকায় "মুহাম্মাদ বিন" লেখা আছে।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে।
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ৯)
ق6 (ب)

يحيى بن منده ، ثنا إبراهيم بن سعيد الزهري ، ثنا يحيى بن سعيد الأموي ، عن يحيى بن سعيد الأنصاري ، عن نافع ، عن ابن عمر (أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث سعد بن معاذ مصدقاً ، فقال: انظر يا سعد تجيء يوم القيامة ببعير تحمله له رغاء ، قال: لا آخذه ولا أجيء به)

15-…أخبرنا أبو محمد عبد الله بن محمد بن عيسى بن مزيد الخشاب ، ثنا إبراهيم بن سعيد بن معدان بهمدان ، ثنا الحارث بن عبد الله ، ثنا هشيم ، عن سيار أبي الحكم ، قال: سمعت القسري يعني خالداً يخطب وهو يقول: حدثني أبي ، عن جدي قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: (يا يزيد بن أسد أحب للناس ما تحب لنفسك)

16-…أخبرنا أبو بكر محمد بن عبد الله بن كوشيد ، ثنا أحمد بن الحسين الحذاء ، ثنا علي بن المديني ، ثنا سفيان ، ثنا محمد بن عبد الله السلمي ، عن عبد الله بن محمد بن عقيل ، عن جابر بن عبد الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (يا جابر أعلمت أن الله أحيا أباك ثم قال: سلني أعطيك ، قال: أسألك أن أرد إلى الدنيا فأقتل فيك مرة أخرى ، قال: إني قضيت "أنهم إليها لا يرجعون")

17-…أخبرنا أبو عمرو شاكر بن جعفر ، ثنا عمير بن مرداس الدويفي (1) ، ثنا النضر بن محمد

ــ

(1) هكذا بالأصل ولعله "عمير بن مرداس الزريقي"
পৃষ্ঠা ৬ (খ)

ইয়াহইয়া ইবনে মান্দাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে সাঈদ আল-জুহরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-উমাওয়ি, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারি থেকে, নাফি' থেকে, ইবনে উমর থেকে যে, (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদ ইবনে মুয়াজকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে পাঠালেন এবং বললেন: হে সাদ, লক্ষ্য রেখো! তুমি যেন কিয়ামতের দিন এমন উট কাঁধে নিয়ে না আসো যা চিৎকার করতে থাকবে। তিনি বললেন: আমি তা গ্রহণ করব না এবং তা নিয়ে আসব না।)

১৫-...আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে মাজিদ আল-খাশ্শাব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে সাঈদ ইবনে মাদান হামাদানে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবনে আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম, সাইয়ার আবু আল-হাকাম থেকে, তিনি বলেন: আমি আল-কাসরি অর্থাৎ খালিদকে খুতবা দিতে শুনেছি এবং তিনি বলছিলেন: আমার পিতা আমার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (হে ইয়াজিদ ইবনে আসাদ, মানুষের জন্য তাই পছন্দ করো যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ করো।)

১৬-...আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কুশিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আল-হুসাইন আল-হাদ্দা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে আল-মাদিনি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সুলামি, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকিল থেকে, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (হে জাবির, তুমি কি জানো যে আল্লাহ তোমার পিতাকে জীবিত করেছেন এবং তারপর বলেছেন: আমার কাছে চাও, আমি তোমাকে দেব। তিনি বললেন: আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি যে আমাকে দুনিয়াতে ফিরিয়ে দেয়া হোক যাতে আপনার পথে আমি আবারও শহীদ হতে পারি। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আমি ফয়সালা করে দিয়েছি যে "তারা সেখানে আর ফিরে যাবে না"।)

১৭-...আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর শাকির ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমাইর ইবনে মিরদাস আদ-দুওয়াইফি (১), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নাদর ইবনে মুহাম্মদ।

--

(১) মূলে এভাবেই আছে, সম্ভবত এটি হবে "উমাইর ইবনে মিরদাস আজ-জুরায়কি"
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ১০)
(أ)

، ثنا هشام ، عن الفضل بن عطية ، عن مجاهد قال: (إن إبراهيم قام على المقام فنادى أن ربكم يأمركم أن تحجوا هذا البيت ، فأجابه الحق بقول: لبيك اللهم لبيك)

18-…أخبرنا أبو الحسن بن يونس بن أحمد الجامعي الطبري ، ثنا أحمد بن سعيد بن عثمان ، ثنا عمر بن علي بن عمران الجرجاني ، ثنا عيسى بن يونس ، عن محمد بن مجاشع التغلبي ، عن أبيه ، عن كميل قال: (رأيت علياً يخوض المطر ثم دخل المسجد يصلي ولم يغسل رجليه)

19-…أخبرنا أبو حامد أحمد بن محمد بن الحسين الجرجاني ، ثنا أبو عثمان سعيد بن جعفر التستري ، ثنا محمد بن مهدي ، ثنا عباد ، عن هشام ، عن الحسن قال: (أول ما يرفع في ميزان العبد نفقته على أهله)

20-…أخبرنا أبو الحسن أحمد بن محمد بن مقسم ، ثنا عبد الله بن عبد العزيز بن منيع ، ثنا محمد بن عباد المكي قال: سمعت سفيان بن عيينة يقول: (هذا زمان قد حلا عجبه صار رأسه دينه)

شيد (1) أبو العباس الوليد بن أحمد الزوزني حكم زمانه على رجل تائب من المعصية ، وهو يأكل الحرام ، فقال: وهل يأكل الحرام تائب ، لا إن التوبة تركك الحرام ، ثم قال: إن العبد إذا أكل

ــ

(1) هكذا بالأصل
(আ)

, হিশাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-ফদল ইবনে আতিয়্যাহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: (নিশ্চয়ই ইব্রাহিম মাকামে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছিলেন যে, তোমাদের পালনকর্তা তোমাদেরকে এই ঘরের হজ করার নির্দেশ দিচ্ছেন। তখন সত্য সত্তা [আল্লাহ] এই বলে তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন: হে আল্লাহ, আমি তোমার দরবারে হাজির, আমি হাজির।)

১৮-...আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান ইবনে ইউনুস ইবনে আহমাদ আল-জামি আল-তাবারী, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে সাঈদ ইবনে উসমান, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে আলী ইবনে ইমরান আল-জুরজানী, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইউনুস, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে মুজাশে আল-তাগলিবি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি কুমাইল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: (আমি আলী [রা.]-কে বৃষ্টির পানির মধ্য দিয়ে হাঁটতে দেখেছি, এরপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করলেন এবং তাঁর পা ধৌত করেননি।)

১৯-...আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন আল-জুরজানী, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে জাফর আল-তুস্তারি, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে মাহদী, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্বাদ, তিনি হিশাম থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: (বান্দার আমলনামার পাল্লায় সর্বপ্রথম যা তোলা হবে তা হলো তাঁর পরিবারের জন্য তাঁর ব্যয়।)

২০-...আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মিকসাম, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে মানি, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাদ আল-মাক্কী, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাকে বলতে শুনেছি: (এটি এমন এক সময় যার বিস্ময়কর বিষয়গুলো মিষ্ট হয়ে গেছে এবং এর শীর্ষ বিষয়ই এর দ্বীন হয়ে দাঁড়িয়েছে।)

আবু আব্বাস আল-ওয়ালিদ ইবনে আহমাদ আল-জাওজানি (১) তাঁর সমসাময়িক এক ব্যক্তির ওপর বিধান প্রয়োগ করলেন যে পাপাচার থেকে তওবা করেছিল অথচ সে হারাম ভক্ষণ করছিল। তখন তিনি বললেন: তওবাকারী কি হারাম ভক্ষণ করে? না, নিশ্চয়ই তওবা হলো তোমার হারাম বর্জন করা। এরপর তিনি বললেন: নিশ্চয়ই বান্দা যখন আহার করে...

--

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মিন মাজালিসি আবী সাঈদ আন-নাক্কাস রিওয়ায়াতু আবী মুতী আস-সাহহাফ (পৃষ্ঠা: ১১)
ق 7 (ب)

الحرام يصير الطعام في المعدة كالحجر الذي يجعل في الموضع الذي يطبخ فيه الأجر ، ويشعل نار الكبد تحته فينضج ، فإذا رش عليه الماء تفتت فيخرج منها دخان فيرتفع إلى الدماغ ، ثم ينزل فيتفرق في الأعضاء فحينئذٍ تنظر عينه لشهوة ، ويتكلم لسانه بغيبة ، ويستمع بأذنه إلى كل محظور وغناء ، وتبطش يده بالجناية ، ورجله إلى كل بلاء ، ولا يزال إلا ميت العين ، ميت اللسان ، ميت اليد ، ميت الرجل ، ميت القلب ، وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم في الإنسان: (إذا صلحت صلح سائر الجسد)

 

أنشدنا أبو جعفر الطبري بنيسابور قال: أنشدنا أبو الحسن علي بن مهدي لنفسه

كل البلاد عدوها سفهاؤها.........وبلادنا أعداؤها فقهاؤها

كتبوا الحديث وصيروه تجارةً.......فهم الولاة بها وهم أمراؤها

كيف احتيالي في طلاب ظلامتي.....والخصم مردود إليه قضاؤها

 

آخر المجلس والحمد لله رب العالمين وصلى الله على سيدنا محمد وآله وسلم تسليماً كثيراً ، بلغ الغرض ولله الحمد.
পৃষ্ঠা ৭ (খ)

হারাম খাদ্য পাকস্থলীতে এমন পাথরের মতো হয়ে যায় যা ইট পোড়ানোর স্থানে রাখা হয়। তার নিচে কলিজার আগুন প্রজ্বলিত হয় এবং তা সিদ্ধ হতে থাকে। অতঃপর যখন তার ওপর পানি ছিটানো হয়, তা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায় এবং তা থেকে ধোঁয়া নির্গত হয়ে মস্তিষ্কে আরোহণ করে। এরপর তা নিচে নেমে অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। তখন তার চোখ লালসা নিয়ে তাকায়, তার জিহ্বা গিবত বা পরনিন্দা করে কথা বলে, তার কান প্রতিটি নিষিদ্ধ বিষয় ও গান শ্রবণ করে, তার হাত অপরাধের মাধ্যমে আঘাত হানে এবং তার পা প্রতিটি বিপদের দিকে ধাবিত হয়। সে সর্বদা মৃত চক্ষু, মৃত জিহ্বা, মৃত হাত, মৃত পা এবং মৃত হৃদয়ের অধিকারী হয়ে থাকে। মানুষের সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: (যখন তা সংশোধিত হয়, তখন সমস্ত শরীর সংশোধিত হয়)।

 

নিসাবুরে আবু জাফর তাবারী আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী বিন মাহদী নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:

সকল ভূখণ্ডের শত্রু হলো তাদের নির্বোধরা... আর আমাদের ভূখণ্ডের শত্রু হলো এর ফকিহগণ (ধর্মতাত্ত্বিকরা)।

তারা হাদিস লিপিবদ্ধ করেছে এবং একে ব্যবসায় পরিণত করেছে... ফলে তারাই এর মাধ্যমে শাসক এবং তারাই এর আমীর হয়েছে।

আমার প্রতি হওয়া জুলুমের প্রতিকার চাওয়ায় আমার উপায় কী?... যেখানে বিচারটি খোদ প্রতিপক্ষের নিকটই সোপর্দ করা হয়েছে।

 

মজলিসের সমাপ্তি। সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর দরুদ ও অনেক অনেক সালাম বর্ষণ করুন। উদ্দেশ্য পূর্ণ হলো এবং আল্লাহরই জন্য সমস্ত প্রশংসা।