(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: -)
من حديث مالك بن أنس لأبي الحسن الأزدي   (ابن صخر)

القسم: كتب السنة


الكتاب: من حديث مالك بن أنس - مخطوط

المؤلف: أَبُو الحَسَنِ مُحَمَّدُ بنُ عَلِيِّ بنِ مُحَمَّدِ بنِ صَخْرٍ الأَزْدِيُّ، البَصْرِيُّ (ت 443هـ)

أعده للشاملة: أحمد الخضري

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 27

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আল-হাসান আল-আজদীর সংকলিত মালিক বিন আনাসের হাদিস থেকে   (ইবনে সাখর)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মালিক বিন আনাসের হাদিস থেকে - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন সাখর আল-আজদী، আল-বসরী (মৃত্যু ৪৪৩ হিজরি)

শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খোদারি

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৭

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: من حديث مالك بن أنس - مخطوط

المؤلف: أبو الحسن محمد بن علي بن محمد بن عبد الله بن صخر الأزدي

المتوفى: في القرن الخامس تقريبا
গ্রন্থ: মালিক ইবনে আনাস-এর হাদিস থেকে - পাণ্ডুলিপি

লেখক: আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন সাখর আল-আজদী

মৃত্যু: আনুমানিক পঞ্চম হিজরি শতাব্দীতে
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১)
-1ب-

الجزء فيه من حديث مالك بن أنس

من رواية القاضي (1) بن صخر الأزدي عن شيوخه.

رواية أبي صادق (2) علي المديني عنه إذن.

رواية أبي القاسم هبة (3) بن علي البوصيري عنه.

رواية أبي الطاهرإسماعيل بن عبد القوي بن عزون عنه.

رواية الحافظ أبي الحسن علي بن مسعود بن نفيس عنه.

--------------------------------------------

(1) بياض بالأصل والكلمة الساقطة هي (أبي الحسن) .

(2) بياض بالأصل والكلمة الساقطة هي (مرشد) .

(3) بياض بالأصل والكلمة الساقطة هي (الله) .
-১খ-

মালিক ইবনে আনাস-এর হাদীস সম্বলিত অংশ

কাযী (১) ইবনে সাখর আল-আযদী-এর সূত্রে তাঁর শিক্ষকগণের থেকে বর্ণিত।

তাঁর থেকে অনুমতিপ্রাপ্ত আবু সাদিক (২) আলী আল-মাদীনীর বর্ণনা।

তাঁর থেকে আবুল কাসেম হিবাত (৩) ইবনে আলী আল-বূসীরীর বর্ণনা।

তাঁর থেকে আবু তাহের ইসমাঈল ইবনে আব্দুল কাওয়ী ইবনে আযযূন-এর বর্ণনা।

তাঁর থেকে হাফেজ আবুল হাসান আলী ইবনে মাসঊদ ইবনে নাফীস-এর বর্ণনা।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান ছিল এবং বিলুপ্ত শব্দটি হলো (আবুল হাসান)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান ছিল এবং বিলুপ্ত শব্দটি হলো (মুরশিদ)।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান ছিল এবং বিলুপ্ত শব্দটি হলো (আল্লাহ)।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ২)
-3أ-

بسم الله الرحمن الرحيم

رب يسر

أخبرنا الشيخان الشيخ الصالح أبو الوحش لامع بن إبراهيم ابن حسن العسقلاني قراءة عليه وأنا أسمع في عشية الأربعاء باثنى عشر جمادي الآخرة سنة أربع وثلاثين وستماية والشيخ المعمر أبو عبد الله محمد بن إسماعيل بن أحمد بن أبي الفتح المقدسي بقراءتي عليه في يوم الخميس ثلاث وخمسين وستماية قالا أنا الشيخ أبو القاسم هبة الله بن علي بن مسعود (1) الأنصاري البوصيري (2) الإمام ضياء الدين محمد بن عبد الواحد المقدسيفي شهور سنة أربع وخمس وسبعين وخمس ماية قال أنا أبو صادق مرشد بن يحيى بن القاسم بن علي بن محمد بن خلف المديني قراءة عليه وأنا أسمع في منزله بمصر في ذي القعدة سنة ست عشرة وخمس ماية قال كتب إلي القاضي أبو الحسن محمد بن علي ابن محمد بن عبد الله بن صخر الأزدي من مكة حرسها الله قال:

--------------------------------------------

(1) سواد بالأصل.

(2) كلمة غير واضحة بالأصل.
-৩অ-

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে রব, সহজ করে দিন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ—সৎকর্মপরায়ণ শাইখ আবু আল-ওয়াহশ লামে ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হাসান আল-আসকালানি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম ৬৩৪ হিজরি সনের ১২ই জুমাদাল আখিরা বুধবার সন্ধ্যায়; এবং দীর্ঘজীবী শাইখ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আহমাদ বিন আবি আল-ফাতহ আল-মাকদিসি, ৬৫৩ হিজরি সনের বৃহস্পতিবার তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলি বিন মাসউদ (১) আল-আনসারি আল-বুসিরি (২)—ইমাম দিয়াউদ্দীন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি—৫৭৪ বা ৫৭৫ হিজরি সনের মাসগুলোতে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদিক মুরশিদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-কাসিম বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন খালাফ আল-মাদিনি, ৫১৬ হিজরি সনের জিলকদ মাসে মিশরে তাঁর নিজ গৃহে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: মক্কা—আল্লাহ একে রক্ষা করুন—থেকে কাজী আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আলি ইবনে মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সাখর আল-আজদি আমার নিকট লিখেছেন, তিনি বলেন:

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে কালির দাগ বা অন্ধকার অংশ।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে শব্দটি অস্পষ্ট।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ৩)
1-ثنا أبو يعقوب يوسف بن يعقوب النجيري بالبصرة إملاء ثنا أبو خليفة الفضل بن الحباب الجمحي قال ثنا أبو الوليد والقعنبي والحجبي عن مالك بن أنس عن الزهري عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مكة وعلى رأسه المغفر فقيل هذا ابن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال اقتلوه هـ.

2-أخبرنا أبو العباس أحمد بن الحسن بن بطانة بالبصرة إملاء ثنا ابراهيم ابن عبد الصمد الهاشمي ثناأبو مصعب الزهري أحمد بن أبي بكر ثنا مالك بن أنس عن الزهري عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مكة وعلى رأسه

-3ب-

المغفر فقالوا يا رسول (1) هذا بن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال اقتلوه. قال مالك قال الزهري ولم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ محرما هـ.

3-أخبرنا أبو العباس بن بطانة ثنا عبد الله بن محمد بن صاعد وأخبرنا القاسم بن نصر وإبراهيم بن نقيرة وأحمد بن محمد التمار قالوا ثنا لوين محمد بن سليمان بن حبيب المصيصي ثنا مالك بن أنس عن الزهري عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مكى وعلى رأسه المغفر فقالوا يا رسول الله هذا بن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال اقتلوه، ولفظهم قريب بعضه من لفظ بعض هـ.

--------------------------------------------

(1) لفظ الجلالة ساقط من الأصل.
১-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-নাজারি বসরায় শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খলিফা আল-ফজল ইবনুল হুবাব আল-জুমাহি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ওয়ালিদ, আল-কা'নাবি এবং আল-হাজাবি। তারা মালেক ইবনে আনাস থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কায় প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় লৌহবর্ম ছিল। তখন বলা হলো, এই যে ইবনে খাতাল কাবার পর্দা ধরে ঝুলে আছে। তিনি বললেন, তাকে হত্যা করো। সমাপ্ত।

২-আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে বতানা বসরায় শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ আল-হাশিমি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসআব আল-যুহরি আহমদ ইবনে আবি বকর, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালেক ইবনে আনাস, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কায় প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায়

-৩খ-

লৌহবর্ম ছিল। তখন তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (১), এই যে ইবনে খাতাল কাবার পর্দা ধরে ঝুলে আছে। তিনি বললেন, তাকে হত্যা করো। মালেক বলেন, যুহরি বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেদিন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন না। সমাপ্ত।

৩-আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস ইবনে বতানা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাসিম ইবনে নাসর, ইবরাহিম ইবনে নুকাইরা এবং আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-তাম্মার, তারা বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লুয়াইন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে হাবিব আল-মাসিসসি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালেক ইবনে আনাস, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কায় প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় লৌহবর্ম ছিল। তখন তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, এই যে ইবনে খাতাল কাবার পর্দা ধরে ঝুলে আছে। তিনি বললেন, তাকে হত্যা করো। আর তাদের বর্ণিত শব্দসমূহ একে অপরের কাছাকাছি। সমাপ্ত।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে মহিমান্বিত শব্দটি (আল্লাহ) নেই।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ৪)
4-أخبرنا أبو العباس أحمد بن عبد الرحمن بن أبي المغيرة الأزدي الخاركي إملاء سنة ثلاث وستين وثلثماية بالبصرة ببني رياح ثنا أحمد بن عمرو القطواني ثنا عمرو بن مرزوق ثنا مالك بن أنس عن ابن شهاب عن عطاء بن يزيد الليثي عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله عليه وسلم إذا سمعتم المؤذن يؤذن فقولوا كما يقول هـ.

5-حدثنا أبو يعقوب يوسف بن يعقوب النجيرمي بالبصرة ثنا إبراهيم بن عبد الله الكشي أبو مسلم ثنا عبد الله بن مسلم بن قعنب عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها أنها قالت كان يوم عاشوراء يوما تصومه قريش في الجاهلية وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصومه فلما قدم المدينة صامه وأمر بصيامه فلما فرض رمضان كان هو الفريضة وترك عاشوراء فمن شاء صامه ومن شاء تركه هـ.

6-حدثنا أبو يعقوب النجيرمي ثنا إبراهيم الكشي ثنا القعنبي عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن أنه سمع معاوية بن أبي سفيان يوم عاشوراء عام حج وهو على المنبر يقول يا أهل المدينة أين علماؤكم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم

-4أ-

يقول إن هذا اليوم يوم عاشوراء ولم يكتب عليكم صيامه وأنا صايم فمن شاء فليصم ومن شاء فليفطر هـ.
৪-আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবি আল-মুগিরা আল-আজদি আল-খারকি, ৩৬৩ হিজরি সনে বসরার বানি রিয়াহ পল্লীতে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আমর আল-কাতওয়ানি; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আমর বিন মারজুক; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন মালিক বিন আনাস, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াজিদ আল-লাইসি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমরা মুয়াজ্জিনকে আজান দিতে শুনবে, তখন সে যা বলে তোমরাও অনুরূপ বলো।”

৫-আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-নুজাইরমি বসরায়; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কাশ্শি আবু মুসলিম; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম বিন কা’নাব, মালিক থেকে, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আশুরার দিন এমন এক দিন ছিল যখন জাহেলি যুগে কুরাইশরা রোজা রাখত এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সেই দিনে রোজা রাখতেন। অতঃপর যখন তিনি মদীনায় আসলেন, তখন তিনি নিজে রোজা রাখলেন এবং অন্যদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন। এরপর যখন রমজানের রোজা ফরজ করা হলো, তখন সেটিই ফরজ হিসেবে নির্ধারিত হলো এবং আশুরার রোজা (আবশ্যকতা) ত্যাগ করা হলো; সুতরাং যার ইচ্ছা সে রোজা রাখত আর যার ইচ্ছা সে রোজা ছেড়ে দিত।

৬-আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব আল-নুজাইরমি; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম আল-কাশ্শি; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-কা’নাবি, মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি হজের বছর আশুরার দিনে মুয়াবিয়া বিন আবি সুফিয়ানকে মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন: হে মদীনার অধিবাসী! তোমাদের আলেমগণ কোথায়? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি—

-৪আ-

তিনি বলতেন, “নিশ্চয়ই আজকের এই দিনটি আশুরার দিন, অথচ তোমাদের ওপর এর রোজা ফরজ করা হয়নি। তবে আমি রোজাদার; সুতরাং তোমাদের মধ্যে যার ইচ্ছা সে রোজা রাখুক এবং যার ইচ্ছা সে রোজা না রাখুক।”
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ৫)
7-حدثنا أبو محمد الحسن بن علي بن عمرو القطان الحافظ بالبصرة ثنا عبد الله بن محمد البغوي ثنا مصعب بن عبد الله الزبيري حدثني مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فرض صدقة الفطر من رمضان على الناس صاعا من تمر أو صاعا من شعير على كل ذكر وأنثى حر أوعبد من المسلمين هـ.

8-حدثنا عبد العزيز بن عبد الله بن محمد الهاشمي بالبصرة ثنا إبراهيم بن عبد الصمد الهاشمي ينا أبو مصعب عن مالك سمي مولى أبي بكر عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم السفر قطعة من العذاب يمنع أحدكم نومه وطعامه وشرابه فإذا قضى أحدكم نهمته فليعجل الرجوع إلى أهله هـ.

9-أخبرنا أبو بكر أحمد بن عبدان الحافظ أخبرني عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي ثنا مصعب بن عبد الله الزبيري عن مالك عن الزهري عن أبي سلمة عن عايشة رضي الله عنها سيل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن البتع فقال كل شراب أسكر فهو حرام هـ.

10-أخبرنا أبو بكر بن عبدان أخبرني محمد بن محمد بن سليمان ثنا هشام بن عمار وأبو نعيم الحلبي وسويد بن سعيد ومحمد بن سليمان قالوا ثنا مالك عن الزهري عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مكه وعلي رأسه المغفر هـ.

أخبرنا محمد بن أحمد بن إسحاق ثنا الباغندي وهو محمد بن محمد بن سلينان ثنا سويد بن سعيد الحدثاني ثنا مالك بن أنس عن نافع عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يتناجا اثنان دون الثالث هـ.
৭-বসরায় অবস্থিত হাফিজ আবু মুহাম্মদ হাসান ইবনে আলী ইবনে আমর আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুসআব ইবনে আবদুল্লাহ আল-জুবাইরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের ওপর রমজানের সদকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন—এক সা’ খেজুর অথবা এক সা’ যব; প্রত্যেক মুসলিম স্বাধীন বা দাস, পুরুষ ও নারীর ওপর। (ইতি)

৮-বসরায় আবদুল আজিজ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-হাশিমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইব্রাহিম ইবনে আবদুস সামাদ আল-হাশিমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি আবু বকরের মুক্তদাস সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: সফর হচ্ছে আজাব বা যন্ত্রণার একটি অংশ, যা তোমাদের কাউকে তার ঘুম, খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত রাখে। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন তার প্রয়োজন পূরণ করে ফেলে, সে যেন দ্রুত তার পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে যায়। (ইতি)

৯-হাফিজ আবু বকর আহমদ ইবনে আবদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাওয়ী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, মুসআব ইবনে আবদুল্লাহ আল-জুবাইরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি জুহরী থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে 'বিত' (মধুর তৈরি মদ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন: প্রত্যেক নেশাজাতীয় পানীয়ই হারাম। (ইতি)

১০-আবু বকর ইবনে আবদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, হিশাম ইবনে আম্মার, আবু নুআইম আল-হালাবী, সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ এবং মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন, মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহরী থেকে, তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করেছিলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় লৌহবর্মের শিরস্ত্রাণ (মিগফার) ছিল। (ইতি)

মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-বাগিন্দি—যিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আল-হাদাসানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তৃতীয় ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে যেন দুইজন লোক কানে কানে গোপন কথা না বলে। (ইতি)
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ৬)
11-حدثنا أبو زيد عمرو بن أحمد العسكري بالبصرة ثنا أبو أيوب سليمان بن صلاية الملطي ثنا الحسن بن علي أبو الشيبان ببغداد ثنا ذو النون المصري ثنا مالك بن أنس عن أبي الزبير عن جابر قال قال رسول الله

-4ب-

صلى الله عليه وسلم من تنصل إليكم فلم يقبل فلن يرد على الحوض هـ.

12-حدثنا أبو زيد بن عمرو بن أحمد ثنا أبو أيوب ثنا الحسن بن علي ثنا ذو النون المصري ثنا مالك عن الزهري عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن لله أهلين من الناس قالوا من هم يا رسول الله قال أهل القرآن هم أهل الله وخاصته هـ.

13-حدثنا أبو زيد بن عمرو بن أحمد ثنا أبو أيوب ثنا أبو اليقين رضوان بن محمد ثنا ذو النون ثنا مالك عن سمي عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قال في كل يوم سبحان الله وبحمده ماية مرة غفرت ذنوبه وإن كانت مثل زبد البحر هـ.

14-حدثنا أبو القاسم عمر بن محمد بن سيف بالبصرة ينا محمد بن محمد الباغندي ثنا محمد بن حميد ثنا مهران بن أبي عمر عن سفيان الثوري عن مالك بن أنس عن عبد الله بن الفضل عن نافع بن جبير بن مطعم عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الأيم أحق بنفسها من وليها والبكر تستأذن وإذنها صماتها قال مهران وقد سمعته من مالك هـ.

15-حدثنا عمر بن محمد بن سيف ثنا محمد بن الحسين العلاف ثنا حماد بن الحسن ثنا روح ثنا شعبة ومالك وسفيان عن عبد الله بن دينار قال سمعت بن عمر يقول نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الولاء وعن هبته هـ.

16-حدثنا عثمان بن أحمد العجلي المؤدب ببغداد ثنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي ثنا أبو الربيع الزهراني ثنا مالك عن نافع عن ابن عمر قال كانت تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم لبيك اللهم لبيك لا شريك لك لبيك إن الحمد والنعمة لك والملك لا شريك لك قال البغوي لم يكن عند أبي الربيع الزهراني عن مالك غير هذا الحديث.
১১-আমাদের নিকট বসরার আবু যায়েদ আমর বিন আহমদ আল-আসকারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু আইয়ুব সুলায়মান বিন সালায়া আল-মালতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বাগদাদের আল-হাসান বিন আলী আবু আল-শাইবান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট যুন-নুন আল-মিসরি বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি আবু আল-যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল

-৪-খ-

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো ওজর পেশ করল কিন্তু তা গ্রহণ করা হলো না, সে হাউযের (হাউযে কাওসার) পাড়ে আমার নিকট আসতে পারবে না।

১২-আমাদের নিকট আবু যায়েদ বিন আমর বিন আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু আইয়ুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আল-হাসান বিন আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট যুন-নুন আল-মিসরি বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: মানুষের মধ্যে আল্লাহর কিছু আপনজন রয়েছে। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, তারা কারা? তিনি বললেন, কুরআনের ধারক-বাহকগণ; তারা আল্লাহর পরিজন এবং তাঁর বিশেষ নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দা।

১৩-আমাদের নিকট আবু যায়েদ বিন আমর বিন আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু আইয়ুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু আল-ইয়াকীন রিদওয়ান বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট যুন-নুন বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক থেকে, তিনি সুমাইয়্য থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রতিদিন একশ বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ (আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি তাঁরই প্রশংসার সাথে) বলবে, তার পাপরাশি ক্ষমা করে দেওয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার ন্যায় বিশাল হয়।

১৪-আমাদের নিকট বসরার আবু আল-কাসিম উমর বিন মুহাম্মদ বিন সাইফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বাগিন্দি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মেহরান বিন আবি উমর বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান আল-সাওরি থেকে, তিনি মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আল-ফাদল থেকে, তিনি নাফি' বিন জুবায়ের বিন মুত'ইম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: অভিভাবকের তুলনায় স্বামীহীনা নারী (বিধবা বা তালাকপ্রাপ্তা) তার নিজের বিষয়ে অধিক অধিকার রাখে, আর কুমারী মেয়ের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে এবং তার নীরবতাই তার অনুমতি হিসেবে গণ্য হবে। মেহরান বলেন, আমি এটি মালিকের নিকট থেকে শুনেছি।

১৫-আমাদের নিকট উমর বিন মুহাম্মদ বিন সাইফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-আল্লাফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাম্মাদ বিন আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট রাউহ বর্ণনা করেছেন, তিনি শু'বা, মালিক ও সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেন, তারা আবদুল্লাহ বিন দীনার থেকে, তিনি বলেন আমি ইবনে উমর (রা.)-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ওয়ালা’ (মুক্ত দাসের সাথে উত্তরাধিকারের সম্পর্ক) বিক্রয় করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন।

১৬-আমাদের নিকট বাগদাদের উসমান বিন আহমদ আল-আজলি আল-মুয়াদ্দিব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু আল-রাবী' আল-যাহরানি বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক থেকে, তিনি নাফি' থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তালবিয়া ছিল: ‘লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক, লা শারীকা লাকা লাব্বায়েক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি'মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারীকা লাক’ (আমি হাজির হে আল্লাহ, আমি হাজির, আপনার কোনো শরিক নেই, আমি হাজির। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা, নেয়ামত এবং রাজত্ব আপনারই, আপনার কোনো শরিক নেই)। আল-বাগাউয়ি বলেন, আবু আল-রাবী' আল-যাহরানির নিকট মালিকের সূত্রে এই একটি হাদীস ছাড়া অন্য কোনো হাদীস ছিল না।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ৭)
17-حدثنا أبو بكر محمد بن عمر بن محمد الوراق ببغداد ثنا الحسين بن محمد بن عفير

-5أ-

الأنصاري ثنا أبو محمد المدايني عن مالك بن أنس عن جعفر بن محمد عن أبيه عن جده علي بن الحسين قال ماتت فاطمة رضي الله عنها بين المغرب والعشاء فحضرها أبو بكر وعمر وعثمان والزبير وعبد الرحمن بن عوف فلما وضعت ليصلي قال علي رضي الله عنه تقدم يا أبا بكر قال وانت شاهد يا أبا بكر قال نعم تقدم فوالله لا يصلى عليها غيرك فصلى عليها أبو بكر رضي الله عنهم أجمعين ودفنت ليلا هـ.

18-حدثنا أبو محمد عمرو أحاديث بالبصرة ثنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز ثنا مصعب بن عبد الله الزبيري عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عايشة رضي الله عنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره حتى إذا كنا بالبيداء أو بذات الجيش انقطع عقدي فأقام رسول الله صلى الله عليه وسلم على التماسه وأقام الناس معه وليسوا على ماء فأتى الناس أبا بكر فقالوا ألا ترى الى ما صنعت عايشة أقامت برسول الله صلى الله عليه وسلم وبالناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء فجاء أبو بكر رضي الله عنه ورسول الله صلى الله عليه وسلم واضع رأسه على فخذي قد نام فقال حبست رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء فقالت عائشة فعاتبني أبو بكر وقال ماشاء الله أن يقول وجعل يطعن بيده في خاصرتي فلا يمنعني من التحرك إلا مكان رسول الله صلى الله عليه وسلم على فخذي فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أصبح على غير ماء فأنزل الله عزوجل آية التيمم فقال أسيد بن حضير ما هي بأول بركتكم يا آل أبي بكر قالت فبعثوا البعيرالذي كنت عليه فوجدنا العقد تحته. قال أبو محمد الحافظ هذا معنى لفظ الحديث الذي أورده البخاري

-5ب-

عن عبد الله بن يوسف عن مالك وأورده مسلم عن يحيى بن يحيى عن مالك.
১৭-আমাদের নিকট বাগদাদে বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন উফাইর

-৫অ-

আল-আনসারী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-মাদায়িনী, মালিক বিন আনাস থেকে, জাফর বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আলী বিন আল-হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ে ইন্তেকাল করেন। সেখানে আবু বকর, উমর, উসমান, যুবাইর এবং আবদুর রহমান বিন আউফ উপস্থিত হলেন। যখন জানাজার সালাত আদায়ের জন্য তাঁকে রাখা হলো, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আবু বকর, আপনি সামনে এগিয়ে যান। তিনি (আবু বকর) বললেন, আপনি উপস্থিত থাকা অবস্থায় হে আবু বকর? আলী বললেন, হ্যাঁ, আপনি সামনে এগিয়ে যান; আল্লাহর কসম, আপনি ছাড়া অন্য কেউ তাঁর জানাজার সালাত পড়াবে না। অতঃপর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর জানাজার সালাত পড়ালেন—আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন—এবং তাঁকে রাতেই দাফন করা হলো।

১৮-আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আমর বসরার হাদিসসমূহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসআব বিন আবদুল্লাহ আল-যুবাইরী, মালিক থেকে, আবদুর রহমান বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তাঁর কোনো এক সফরে বের হলাম। যখন আমরা বায়দা অথবা জাতুল জাইশ নামক স্থানে পৌঁছালাম, তখন আমার একটি হার ছিঁড়ে হারিয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটি খোঁজার জন্য অবস্থান করলেন এবং সাহাবীগণও তাঁর সাথে অবস্থান করলেন, অথচ তাঁরা কোনো পানির নিকট ছিলেন না এবং তাঁদের সাথে কোনো পানিও ছিল না। তখন লোকেরা আবু বকরের নিকট এসে বলল, আপনি কি দেখছেন না আয়িশা কী করেছেন? তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও লোকজনকে আটকে রেখেছেন অথচ তাঁরা কোনো পানির নিকট নেই এবং তাঁদের সাথে কোনো পানিও নেই। অতঃপর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু আসলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উরুর ওপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে ছিলেন। তিনি (আবু বকর) বললেন, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও লোকজনকে আটকে রেখেছেন অথচ তাঁরা পানির নিকট নেই এবং তাঁদের সাথে কোনো পানি নেই। আয়িশা বলেন, অতঃপর আবু বকর আমাকে তিরস্কার করলেন এবং আল্লাহ যা চাইলেন তিনি তা-ই বললেন। তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার পাঁজরে গুঁতো দিতে লাগলেন, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উরুর ওপর থাকার কারণে আমি নড়াচড়া করতে পারছিলাম না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমিয়ে থাকলেন এবং অবশেষে পানি ছাড়াই তাঁর ভোর হলো। তখন আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তায়াম্মুমের আয়াত নাজিল করলেন। উসাইদ বিন হুদাইর বললেন, হে আবু বকরের পরিবার! এটিই আপনাদের প্রথম বরকত নয়। আয়িশা বলেন, অতঃপর তাঁরা সেই উটটিকে দাঁড় করালো যার ওপর আমি সওয়ার ছিলাম এবং আমরা হারটি তার নিচেই খুঁজে পেলাম। আবু মুহাম্মদ আল-হাফিজ বলেন, এটিই বুখারীতে বর্ণিত হাদিসের মর্মার্থ,

-৫ব-

যা তিনি আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ থেকে এবং তিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন; আর মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে এবং তিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ৮)
19-حدثنا أبو يعقوب النجيرمي (1) سنة خمس وستين وثلاثماية ثنا الحسن بن المثنى ثنا عبد الله بن جعفر (2) ثنا مالك عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم (3) الفطر من رمضان على الناس صاعا من تمر أو صاعا من شعير على كل حر وربما قال أو عبد ذكر أو أنثى من المسلمين هـ.

20-حدثنا يوسف بن يعقوب النجيرمي ثنا الحسن بن المثنى ثنا عبد الله بن معن ثنا مالك عن زيد بن أسلم عن عياض بن عبد الله بن سعد العامري أنه سمع أبا سعيد الخدري رضي الله عنه يقول كنا نخرج زكاة الفطر صاعا من طعام صاعا من شعير صاعا من تمر صاعا من زبيب هـ.

21-حدثنا يوسف بن يعقوب ثنا زكريا بن يحيى ثنا الربيع نا الشافعي قال نا مالك عن نافع عن ابن عمر أنه كان يغتسل يوم الفطر قبل أن يغدو هـ.

22-حدثنا عمر بن محمد بن يوسف ثنا أحمد بن الحسن بن عبد الجبار ثنا أبو خيثمة زهير بن حرب ثنا بشر بن عمر الزهراني نا مالك عن نافع عن ابن عمر أن عايشة رضي الله عنها أرادت أن تشتري جارية تعتقها فقال أهلها نبيعكها على أن ولاءها لنا فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا يمنعك ذلك فإنما الولاء لمن أعتق هـ.

23-حدثنا عمر بن محمد بن يوسف ثنا أحمد بن الحسن ثنا أبو خيثمة ثنا إسماعيل بن عمر نا مالك عن قطن بن وهب عن يحنس ان مولاة لابن عمر أتته فقالت السلام عليك يا أبا عبد الرحمن قال ما شأنك قالت أردت الخروج إلى الريف وذكرت السفر فقال لها اقعدي لكع فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول

--------------------------------------------

(1)) بياض بالأصل.

(2) بياض بالأصل والكلمة الساقطة (عن معن) .

(3) بياض بالأصل والكلمة الساقطة هي (فرض زكاة) .
১৯-আমাদের কাছে আবু ইয়াকুব আল-নাজিরামি (১) তিনশত পঁয়ষট্টি হিজরী সনে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে হাসান ইবনুল মুসান্না বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (২) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে মালিক বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (৩) রমজানের ফিতরা হিসেবে মানুষের উপর এক সা’ খেজুর অথবা এক সা’ যব ফরজ করেছেন প্রত্যেক স্বাধীন ব্যক্তির উপর, আর কখনো তিনি বলেছেন অথবা দাসের উপর, পুরুষ বা নারী, মুসলমানদের মধ্য থেকে। হ.

২০-আমাদের কাছে ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-নাজিরামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে হাসান ইবনুল মুসান্না বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে মা’ন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে মালিক বর্ণনা করেছেন জায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি ইয়াদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সা’দ আল-আমিরি থেকে যে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন, আমরা জাকাতুল ফিতর হিসেবে বের করতাম এক সা’ খাদ্যশস্য, এক সা’ যব, এক সা’ খেজুর, এক সা’ কিসমিস। হ.

২১-আমাদের কাছে ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে রাবি’ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে শাফি’ঈ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে মালিক বর্ণনা করেছেন নাফি’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে যে, তিনি ঈদুল ফিতরের দিনে (নামাজের উদ্দেশ্যে) বের হওয়ার আগে গোসল করতেন। হ.

২২-আমাদের কাছে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে আব্দুল জব্বার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আবু খাইসামা জুহাইর ইবনে হারব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে বিশর ইবনে উমর আল-জাহরানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে মালিক বর্ণনা করেছেন নাফি’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে যে, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা একটি দাসী কিনে তাকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। তখন তার মালিকপক্ষ বলল যে, আমরা এই শর্তে আপনার কাছে তাকে বিক্রি করব যে তার 'ওয়ালা' (উত্তরাধিকারের অধিকার) আমাদের থাকবে। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলেন। তখন তিনি বললেন: এটি যেন তোমাকে বাধা না দেয়, কারণ 'ওয়ালা' তো কেবল তার জন্য যে মুক্ত করে। হ.

২৩-আমাদের কাছে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আহমদ ইবনুল হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আবু খাইসামা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে ইসমাইল ইবনে উমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে ক্বাতান ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন ইয়ুহান্নাস থেকে যে, ইবনে উমরের এক মুক্তদাসী তাঁর কাছে এসে বলল, আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক হে আবু আব্দুর রহমান। তিনি বললেন, তোমার কী হয়েছে? সে বলল, আমি গ্রামে যেতে চাই এবং সফরের কথা উল্লেখ করল। তখন তিনি তাকে বললেন, ওরে নির্বোধ, বসে থাকো, কারণ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান এবং বাদ পড়া শব্দ হলো (মা’ন থেকে)।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান এবং বাদ পড়া শব্দগুলো হলো (জাকাত ফরজ করেছেন)।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ৯)
-6أ-

لا يصبر على لأوائها وشدتها أحد إلا كنت له شهيدا أو شفيعا يوم القيامة.

24-حدثنا عمر بن محمد نا أحمد بن الحسن نا أبو خيثمة ثنا إسماعيل بن أبي أويس حدثني مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع رأسه من الركوع رفع يديه وقال سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد.

25-حدثنا عمر بن محمد بن يوسف نا أحمد بن الحسن ثنا أبو خيثمة ثنا إسحاق بن سليمان الرازي نا مالك بن أنس عن نافع عن ابن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة ومعه عثمان بن طلحة وأسامة وبلال فسألت بلالا كيف صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ترك عمودين عن يمينه وعمودا عن يساره وثلاثة أعمدة وراءه وتقدم بين الساريتين وكان بينه وبين الحائط ثلاثة أذرع أو قدر ثلاثة أذرع وكان البيت يومئذ علي ستة أعمدة.

26-حدثنا علي بن عبد الرحمن الأصبهاني بالبصرة ليلا ثنا القاسم بن عباد ثنا محمد بن حميد ثنا زافر بن سليمان نا مالك بن أنس عن يحيى بن سعيد الأنصاري عن أنس بن مالك قال لما كان اليوم الذي احتلمت فيه أخبرت النبي صلى الله عليه وسلم فقال لا يدخل على النساء قال فما مر علي يوم أشد علي منه هـ.

27-حدثنا ابن يوسف حدثني أحمد بن إسحاق بن بهلول حدثني أبي نا معن بن عيسى القزاز عن مالك عن بن أبي بكر عن أبي مليكة أن عمر بن الخطاب رضي الله عنه مر بإمرأة مجذومة وهي يطوف بالبيت فقال لها يا أمة الله لو قعدت في بيتك لا تؤذين الناس قال فقعدت فمر بها رجل بعد ذلك فقال إن الذي نهاك قد مات فاخرجي فقالت ما كنت لأطيعه حيا وأعصيه ميتا هـ.

28-حدثنا أبو يعقوب النجيرمي ثنا الحسن بن المثنى با عبد الله بن جعفر نا معن عن مالك عن أبيحازم عن سهل بن سعد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يزال الناس بخير ما عجلوا

-6ب-

الفطر هـ.
-৬ক-

যে ব্যক্তি এর (মদিনার) কষ্ট ও সংকটে ধৈর্য ধারণ করবে, আমি কিয়ামতের দিন তার জন্য সাক্ষী বা সুপারিশকারী হব।

২৪-উমর ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমদ ইবনে হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইসমাইল ইবনে আবি উয়াইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মালিক ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন রুকু থেকে মাথা তুলতেন, তখন তিনি তাঁর হাত তুলতেন এবং বলতেন: আল্লাহ তাঁর কথা শোনেন যিনি তাঁর প্রশংসা করেন, হে আমাদের রব, সমস্ত প্রশংসা আপনারই।

২৫-উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমদ ইবনে হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইসহাক ইবনে সুলায়মান আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মালিক ইবনে আনাস নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবা ঘরে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর সাথে ছিলেন উসমান ইবনে তালহা, উসামা ও বিলাল। অতঃপর আমি বিলালকে জিজ্ঞাসা করলাম, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী করেছিলেন? তিনি বললেন, তিনি তাঁর ডান দিকে দুটি স্তম্ভ এবং বাম দিকে একটি স্তম্ভ রেখেছিলেন এবং তিনটি স্তম্ভ পিছনে রেখেছিলেন, আর দুই স্তম্ভের মাঝখানে এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর ও দেয়ালের মধ্যে তিন হাত বা প্রায় তিন হাত দূরত্ব ছিল। সেই সময় ঘরটি ছয়টি স্তম্ভের ওপর ছিল।

২৬-আলী ইবনে আবদুর রহমান আল-আসফাহানি বসরায় রাতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন কাসিম ইবনে আব্বাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন জাফির ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মালিক ইবনে আনাস ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যেদিন আমার স্বপ্নদোষ হয়েছিল, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তা অবহিত করলাম। তিনি বললেন: সে যেন মহিলাদের কাছে প্রবেশ না করে। তিনি (আনাস) বললেন: আমার ওপর এর চেয়ে কঠিন দিন আর কখনো আসেনি। সমাপ্ত।

২৭-ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে বাহলুল আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মা'ন ইবনে ঈসা আল-কাযযায মালিক থেকে, তিনি ইবনে আবু বকর থেকে, তিনি আবু মুলাইকা থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) এক কুষ্ঠরোগী মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন তিনি কাবা ঘর তাওয়াফ করছিলেন। তিনি তাকে বললেন: হে আল্লাহর বান্দী! তুমি যদি তোমার ঘরে বসে থাকতে তবে মানুষকে কষ্ট দিতে না। ফলে তিনি ঘরেই বসে রইলেন। এরপর এক ব্যক্তি তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলল: যিনি তোমাকে নিষেধ করেছিলেন তিনি ইন্তেকাল করেছেন, সুতরাং তুমি বের হও। তখন সেই মহিলা বললেন: আমি এমনটি করতে পারি না যে তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর আনুগত্য করব আর তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর অবাধ্য হব। সমাপ্ত।

২৮-আবু ইয়াকুব আন-নুজাইরমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন হাসান ইবনে মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মা'ন মালিক থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল ইবনে সা'দ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: মানুষ ততক্ষণ কল্যাণের মধ্যে থাকবে যতক্ষণ তারা দ্রুত

-৬খ-

ইফতার করবে। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১০)
29- (1) ثنا عبد الله بن جعفر ثنا معن بن عيسى أخبرنا مالك عن عبد الله بن عبد الرحمن بن معمر الأنصاري عن أبي يونس مولى عايشة عن عايشة رضي الله عنها أن رجلا قال يا رسول الله وهو واقف على الباب يا رسول الله أني أصبح جنبا وأنا أريد الصيام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أصبح جنبا وأنا أريد الصيام فأغتسل وأصوم فقال الرجل يا رسول الله إنك لست مثلنا قد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال والله إني لأرجو أن أكون أخشاكم لله وأعلمكم بما أتقى هـ.

30-حدثنا أبو يعقوب ثنا الحسن بن المثنى ثنا عبد الله بن جعفر ثنا معن بن عيسى ثنا مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أنه كان يقول من كان عليه صيام من رمضان ففرط فيه وهو قوي على الصيام حتى دخل رمضان آخر أطعم مكان كل يوم مدا من حنطة وكان عليه القضاء هـ.

31-حدثنا أبو يعقوب ثنا أبو خليفة الجمحي ثنا عبد الله بن محمد بن إسماعيل (2) جويرية عن مالك عن الزهري أن أبا سلمة بن عبد الرحمن حدث أن عايشة أم المؤمنين حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سيل عن البتع فقال صلى الله عليه وسلم كل شراب أسكر حرام هـ.

32-حدثنا أبو بكر محمد بن عمر الوراق ثنا محمد بن السري بن عثمان التمار ثنا عبد الله بن أحمد بن حنبل حدثني أبي رحمه الله ثنا إسحاق بن عيسى الطباع قال سألت مالك بن أنس رضي الله عنه عما يترخص فيه أهل المدينة من الغناء فقال مالك إنما يفعله عندنا الفساق هـ.

33-حدثنا عمر بن محمد بن يوسف ثنا أحمد بن الحسن بن عبد الجبار الصوفي ثنا أبو خيثمة ثنا إسحاق بن عيسى أنبا مالك عن الزهري عن سالم وحمزة ابني عبد الله بن عمر عن أبيهما عبد الله بن عمر أن رسول الله

--------------------------------------------

(1) بياض بالأصل.

(2) بياض بالأصل والكلمة الساقطة (عن أو ثنا) .
২৯- (১) আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন জাফর, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন মা'ন বিন ঈসা, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন মুআম্মার আল-আনসারী থেকে, তিনি আয়েশার মুক্তদাস আবু ইউনুস থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি দরজায় দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি জানাবাত (নাপাকি) অবস্থায় ভোর করি অথচ আমি রোজা রাখার ইচ্ছা রাখি। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমিও জানাবাত অবস্থায় ভোর করি এবং রোজা রাখার ইচ্ছা রাখি, এরপর আমি গোসল করি এবং রোজা রাখি। তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো আমাদের মতো নন, আল্লাহ আপনার পূর্বাপর সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। এতে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাগান্বিত হলেন এবং বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি আশা করি যে আমি তোমাদের মধ্যে আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় করি এবং যা থেকে বেঁচে থাকা উচিত সে সম্পর্কে তোমাদের চেয়ে বেশি জানি।

৩০-আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আল-মুসান্না, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন জাফর, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন মা'ন বিন ঈসা, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন মালিক, তিনি আবদুর রহমান বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেন: যার ওপর রমজানের কাজা রোজা ছিল কিন্তু সে তাতে অবহেলা করেছে এবং রোজা রাখার শক্তি থাকা সত্ত্বেও পরবর্তী রমজান চলে এসেছে, সে যেন প্রত্যেক দিনের পরিবর্তে এক মুদ্দ গম দান করে এবং তার ওপর কাজা করাও আবশ্যক।

৩১-আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু খলিফা আল-জুমাহি, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল (২) জুয়াইরিয়াহ থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি জুহরী থেকে, তিনি আবু সালামা বিন আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে 'বিত' (মধুর মদ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: প্রতিটি পানীয় যা নেশাগ্রস্ত করে, তা হারাম।

৩২-আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন উমর আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আস-সারী বিন উসমান আত-তাম্মার, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন আমাকে আমার পিতা (রহিমাহুল্লাহ) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ঈসা আত-তাব্বা, তিনি বলেন: আমি মালিক বিন আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে মদিনাবাসীরা গানের ব্যাপারে যে শিথিলতা দেখায় সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন মালিক বললেন: আমাদের ওখানে কেবল ফাসেকরাই (পাপাচারী) এটি করে থাকে।

৩৩-আমাদের বর্ণনা করেছেন উমর বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আবদিল জাব্বার আস-সুফী, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ঈসা, তিনি মালিক থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি জুহরী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমরের দুই পুত্র সালিম ও হামজা থেকে, তারা তাদের পিতা আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল...

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান রয়েছে।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান রয়েছে এবং বাদ পড়া শব্দটি হলো (হতে অথবা আমাদের বর্ণনা করেছেন)।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১১)
-7أ-

صلى الله عليه وسلم (1)

34-حدثنا عمر بن (2) ثنا أبو خيثمة (3) أنا مالك عن (4) إسماعيل بن أبي أويس حدثني.

حدثنا (5) ابن الحجاج رسول الله صلى الله عليه وسلم (6)

35-حدثنا عمر بن محمد بن محمد (7) قال قرأت على مالك عن أبي الزناد عن الأعرج (8) صلى الله عليه وسلم قال يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة الفجر وصلاة العصر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم تعالى وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون هـ.

36-حدثنا أبو القاسم عبد العزيز بن عبد الله الهاشمي المنصوري بالبصرة ثنا أبو بكر بن مجاهد نا عبد الله بن شبيب ثنا يحيى بن سليمان بن بطه قال قال الرشيد لمالك بن أنس كيف كانت منزلة أبي بكر وعمر من رسول الله صلى الله عليه وسلم في حياته قال لقرب قبريهما من قبره بعد وفاته قال شفيتني يا مالك هـ.

37-حدثنا عمر بن محمد بن محمد أنبا محمد بن عيسى أنا أبراهيم بن محمد ثنا مسلم ثنا يحيى بن يحيى قال قرأت على مالك عن زيد بن أسلم عن ابن يسار وعن بسر بن سعيد وعن الأعرج حدثوه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أدرك ركعة من الصلاة مع الإمام فقد أدرك الصلاة هـ.

38-حدثنا عمر بن سيف ثنا إسماعيل بن سعدان بن يزيد نا جويرية بن محمد ثنا حماد بن مسعدة عن مالك عن نافع عن ابن عمر قال أدرك النبي صلى الله

--------------------------------------------

(1) بياض بالأصل والجملة الساقطة هي (قال الشؤم في الدار والمرأة والفرس) .

(2، 3، 4، 5، 6، 7، 8) بياض بالأصل.
-৭-ক-

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (১)

৩৪-আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উমর বিন (২) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা (৩) আমাদের খবর দিয়েছেন মালিক (৪) থেকে, ইসমাইল বিন আবি উওয়াইস আমাকে বর্ণনা করেছেন।

আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন (৫) ইবনুল হাজ্জাজ, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (৬)

৩৫-আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উমর বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ (৭) তিনি বলেন: আমি মালিকের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আরায (৮) থেকে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের নিকট পর্যায়ক্রমে রাতে একদল ফেরেশতা এবং দিনে একদল ফেরেশতা আসে। তারা ফজর ও আসরের সালাতে একত্রিত হয়। এরপর যারা তোমাদের মাঝে রাত কাটিয়েছিল তারা উপরে উঠে যায়। তখন মহান আল্লাহ তাদের জিজ্ঞাসা করেন—যদিও তিনি তাদের সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত—‘তোমরা আমার বান্দাদের কোন অবস্থায় রেখে এসেছ?’ তারা বলে, ‘আমরা যখন তাদের ছেড়ে এসেছি তখন তারা সালাত আদায় করছিল এবং যখন তাদের কাছে গিয়েছিলাম তখনও তারা সালাত আদায় করছিল’।" সমাপ্ত।

৩৬-আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল কাসেম আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল-হাশেমি আল-মানসুরি বসরার, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন মুজাহিদ, আমাদের খবর দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন শাবীব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সুলাইমান বিন বাত্তাহ, তিনি বলেন: (খলিফা) রশীদ মালিক বিন আনাসকে জিজ্ঞাসা করলেন, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশায় আবু বকর ও উমরের মর্যাদা তাঁর কাছে কেমন ছিল?" তিনি বললেন, "মৃত্যুর পর তাঁর কবরের সাথে তাঁদের কবরদ্বয়ের নৈকট্যের মতোই।" তিনি বললেন, "হে মালিক! আপনি আমাকে তৃপ্ত করেছেন।" সমাপ্ত।

৩৭-আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উমর বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ, আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ঈসা, আমাদের খবর দিয়েছেন ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসলিম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমি মালিকের নিকট পাঠ করেছি, তিনি যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি ইবনে ইয়াসার থেকে এবং বুসর বিন সাঈদ থেকে এবং আরায থেকে, তাঁরা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি ইমামের সাথে সালাতের এক রাকাত পেল, সে সালাত পেল।" সমাপ্ত।

৩৮-আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উমর বিন সাইফ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন সাদান বিন ইয়াজিদ, আমাদের খবর দিয়েছেন জুওয়াইরিয়া বিন মুহাম্মদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন মাসআদা, তিনি মালিক থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু [আলাইহি ওয়াসাল্লামকে] তিনি পেলেন...

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান রয়েছে এবং বাদ পড়া বাক্যটি হলো: (তিনি বলেছেন: অশুভ বা কুলক্ষণ থাকে বাড়িতে, নারীতে এবং ঘোড়ায়)।

(২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১২)
-7ب-

39- (1) ثنا إسماعيل بن (2) ثنا معن بن عيسى ثنا مالك (3) عن عبد الله (4) عن أبي يونس مولى عايشة (5) يوسف (6) أن رجلا (7) قال والذي (8) قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أفلح (9)

40-أبو محمد الحسين بن علي بن عمرو ثنا عبد الملك (10) ثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي نا عبد الله بن إدريس ثنا محمد (11) قال أبو محمد وحدثنا (12) ثنا عبد الرحمن بن مهدي واللفظ لحديثه ثنا مالك عن محمد بن عمارة هو ابن عمرو بن حزم عن محمد بن إبراهيم عن أم ولد لإبراهيم بن عبد الرحمن بن عوف قالت سألت أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقلت إني امرأة أطيل ذيلي وأمشي في مكان قذر فقالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يطهره ما بعده هـ.

41-حدثنا أبو محمد الحسن بن علي ثنا عبد الله بن محمد بن زياد النيسابوري ثنا يونس بن عبد الأعلى ثنا عبد الله بن وهب أن مالكا حدثه عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر عن أسماء بنت أبي بكر أنها قالت سألت امرأة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله أرأيت إحدانا إذا أصاب ثوبها الدم في الحيض كيف تصنع فقال رسول الله عليه وسلم إذا أصاب ثوب إحداكن الدم من الحيضة فلتقرصه ثم لتنضحه بماء ثم لتصلي فيه

--------------------------------------------

(1، 2، 3، 4، 5، 6، 7، 8،، 10، 11، 12) بياض بالأصل.

(9) بياض بالأصل وهو يشبه الحديث الذي أخرجه مالك والبخاري ومسلم وأبو داود والنسائي عن طلحة بن عبيد الله أن أعرابيا جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثائر الرأس فقال يا رسول الله أخبرني بما فرض الله علي من الصيام فقال شهر رمضان إلا إن تطوع فقال أخبرني بما فرض الله علي من الزكاة فأخبره رسول الله صلى الله عليه وسلم بشرائع الإسلام قال والذي أكرمك لا أتطوع شيئا ولا أنقص مما فرض الله علي شيئا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أفلح إن صدق أو دخل الجنة إن صدق وهو لفظ عبد الله بن يوسف.
-৭খ-

৩৯- (১) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন (২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'ন বিন ঈসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক (৩) আবদুল্লাহ থেকে (৪) আবু ইউনুস থেকে, যিনি আয়িশার (৫) মুক্তদাস ছিলেন, ইউসুফ (৬) জনৈক ব্যক্তি (৭) বললেন, সেই সত্তার কসম যিনি (৮) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে সফল হয়েছে (৯)

৪০-আবু মুহাম্মদ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক (১০) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম আদ-দাওরাকী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ইদ্রিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ (১১) আবু মুহাম্মদ বলেন এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (১২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন মাহদী, এবং শব্দবিন্যাস তার বর্ণিত হাদিসের, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, মুহাম্মদ বিন আমারা থেকে, তিনি হলেন ইবনে আমর বিন হাজম, তিনি মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন আব্দুর রহমান বিন আউফের উম্মে ওয়ালাদ (সন্তানের জননী দাসী) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহধর্মিনী উম্মে সালামাহকে জিজ্ঞাসা করলাম এবং বললাম, আমি এমন একজন নারী যে নিজের কাপড়ের আঁচল দীর্ঘ রাখি এবং নোংরা স্থানের ওপর দিয়ে হেঁটে যাই। তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তার পরবর্তী অংশ তাকে পবিত্র করে দেয়।"

৪১-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জিয়াদ আন-নিশাপুরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন আব্দুল আ'লা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব যে, মালিক তার নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি ফাতিমা বিনতে আল-মুনজির থেকে, তিনি আসমা বিনতে আবি বকর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: জনৈক নারী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার কী অভিমত আমাদের কারো কাপড়ে যদি ঋতুর রক্ত লাগে তবে সে কী করবে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমাদের কারো কাপড়ে ঋতুর রক্ত লাগলে সে যেন তা ঘষে ফেলে, এরপর তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে, তারপর তাতে সালাত আদায় করে।"

--------------------------------------------

(১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ১০, ১১, ১২) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান।

(৯) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান, তবে এটি মালিক, বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও নাসায়ী কর্তৃক তালহা বিন উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণিত হাদিসের সদৃশ যে, এক গ্রাম্য ব্যক্তি উস্কোখুস্কো চুলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আমার ওপর যে রোজা ফরজ করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে জানান। তিনি বললেন: রমজান মাস, তবে তুমি নফল হিসেবে যা করো তা ভিন্ন। এরপর সে বলল, আল্লাহ আমার ওপর যে জাকাত ফরজ করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে জানান। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইসলামের বিধানসমূহ সম্পর্কে অবহিত করলেন। সে বলল, সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আমি এতে কোনো নফল যোগ করব না এবং আল্লাহ আমার ওপর যা ফরজ করেছেন তা থেকে কিছু কমাবও না। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "সে সফল হবে যদি সে সত্য বলে থাকে" অথবা "সে জান্নাতে প্রবেশ করবে যদি সে সত্য বলে থাকে", আর এটি আবদুল্লাহ বিন ইউসুফের শব্দবিন্যাস।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১৩)
-8أ-

42-حدثنا أبو (1) ابن إسحاق ثنا عبد الله (2) ابن عبد الله بن عتبة (3) رسول الله صلى الله عليه وسلم (4)

حدثنا (5) يونس (6) عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عايشة رضي الله عنها السنن قالت أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بصبي فبال على ثوبه فدعا بماء فأتبعه إياه هـ.

قال أبو محمد أورده الخاري عن عبد الله بن يوسف عن مالك بن أنس.

43-حدثنا أبو محمد بن عمرو ثنا عبد الله بن محمد بن (7) ثنا يونس بن عبد الأعلى ثنا عبد الله بن وهب أخبرني مالك بن أنس والليث بن سعد وعمرو بن الحارثعن يونس بن يزيد أن ابن شهاب حدثه عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن أم قيس بنت محصن أنها جاءت النبي صلى الله عليه وسلم بابن لها صغير لم يأكل الطعام فأجلسه رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجره فبال فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بالماء فنضحه ولم يغسله.

44-قال أبو محمد أورده البخاري عن عبد الله بن يوسف عن مالك عن ابن شهاب، وأورده أبو داود عن عبد الله بن مسلمة عن مالك، أورده مسلم عن حرملة عن ابن وهب عن يونس بن يزيد عن ابن شهاب هـ.

حدثنا أبو محمد ثنا عمر بن أحمد بن علي القطان ثنا محمد بن عثمان بن كرامة ثنا أبو أسامة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عايشة أنها استعارت من أسماء قلادة وذكره بنحوه هـ.

--------------------------------------------

(1، 2، 3، 4، 5، 6، 7) بياض بالأصل.
-৮-ক-

৪২-আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু (১) ইবনে ইসহাক, তিনি বলেছেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ (২) ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবা (৩) আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (৪)

আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন (৫) ইউনুস (৬) মালেক থেকে, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন (সুনান গ্রন্থে); তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে একটি শিশু আনা হলো, সে তাঁর কাপড়ে প্রস্রাব করে দিল। তখন তিনি পানি চাইলেন এবং তার ওপর তা ঢেলে দিলেন। সমাপ্ত।

আবু মুহাম্মদ বলেন, বুখারি এটি আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ থেকে, তিনি মালিক ইবনে আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

৪৩-আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ বিন আমর, তিনি বলেছেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন (৭), তিনি বলেছেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন আবদুল আলা, তিনি বলেছেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন ওয়াহাব, তিনি বলেন, আমাকে মালিক ইবনে আনাস, লাইস ইবনে সাদ এবং আমর ইবনুল হারিস সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ থেকে, যে ইবনে শিহাব তাকে বর্ণনা করেছেন ওবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবা থেকে, তিনি উম্মে কায়েস বিনতে মিহসান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর এক ছোট সন্তানকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলেন যে তখনও খাবার খাওয়া শুরু করেনি। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে তাঁর কোলে বসালেন। তখন সে প্রস্রাব করে দিল। এরপর আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পানি চাইলেন এবং তার ওপর তা ছিটিয়ে দিলেন, কিন্তু তা ধৌত করেননি।

৪৪-আবু মুহাম্মদ বলেন, বুখারি এটি আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ এটি আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামা থেকে, তিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি হারমালা থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ওমর বিন আহমদ বিন আলী আল-কাত্তান, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন উসমান বিন কারামাহ, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আসমা থেকে একটি হার ধার নিয়েছিলেন এবং তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

--------------------------------------------

(১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭) মূল পাণ্ডুলিপিতে স্থানটি শূন্য ছিল।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১৪)
-8ب-

45- (1) بكر بن سليمان الصواف قال دخلنا على مالك بن أنس في العشية التي قبض فيها فقلنا يا أبا عبد الله كيف تجدك قال ما أدري ما أقول لكم إلا أنكم ستعاينون غدا من عفو الله ما لم يكن لكم في حساب قال ثم ما برحنا حتى أغمضناه رحمه الله هـ.

46-حدثنا أبو (2) بن عمرو بن زيتون (3) ثنا عبد الله بن سليمان (4) أخبرني مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عبد الرحمن بن عبد القاري أنه سمع عمر بن الخطاب وهو على المنبر وهو يعلم الناس التشهد يقول قولوا التحيات لله الزكيات الطيبات الصلوات لله السلام عليك أيها النبي ورحمة الله السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله هـ.

47-حدثنا محمد بن عمر ثنا عبد الله بن سليمان ثنا محمد بن يحيى النيسابوري قال قرأت على عبد الله بن نافع قال حدثنى مطرف عن مالك عن ابن شهاب عن عروة عن عبد الرحمن بن عبد القارى انه سمع عمر بن الخطاب رضى الله عنه بمثله هـ.

48-حدثنا محمد بن عمرو ثنا عبد الله بن سليمان ثنا احمد بن عبد الرحمن بن وهب ثنا عمى ثنا عمرو بن الحارث والليث بن سعد ومالك بن أنس عن يحيى بن سعيد الأنصارى أن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمى حدثه أن علقمة بن وقاص الليثى حدثه انه سمع عمر بن الخطاب رضى الله عنه

--------------------------------------------

(1، 2، 3، 4) بياض بالأصل.
-৮ব-

৪৫- (১) বকর বিন সুলাইমান আস-সাওওয়াফ বলেন, আমরা মালিক বিন আনাসের নিকট সেই বিকেলে প্রবেশ করলাম যে বিকেলে তিনি ইন্তেকাল করেন। আমরা বললাম, হে আবু আব্দুল্লাহ! আপনি নিজেকে কেমন বোধ করছেন? তিনি বললেন, আমি জানি না তোমাদের কী বলব, তবে আগামীকাল তোমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন ক্ষমা প্রত্যক্ষ করবে যা তোমাদের ধারণাতীত। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা তাঁর নিকট থেকে সরিনি যতক্ষণ না আমরা তাঁর চোখদ্বয় বন্ধ করে দিলাম, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন। সমাপ্ত।

৪৬-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু (২) বিন আমর বিন জাইতুন (৩), তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান (৪), তিনি বলেন আমাকে মালিক সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ বিন যুবাইর থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আব্দুল কারী থেকে যে, তিনি উমর বিন আল-খাত্তাবকে মিম্বরে থাকা অবস্থায় লোকদের তাশাহহুদ শিক্ষা দিতে শুনেছেন। তিনি বলছিলেন: তোমরা বলো—সমস্ত অভিবাদন আল্লাহর জন্য, সমস্ত পবিত্রতা আল্লাহর জন্য, সমস্ত উত্তম বস্তু আল্লাহর জন্য, সমস্ত প্রার্থনা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি শান্তি এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। আমাদের প্রতি এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। সমাপ্ত।

৪৭-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন উমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আন-নিশাপুরী, তিনি বলেন আমি আব্দুল্লাহ বিন নাফে’-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন আমাকে মুতাররিফ মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আব্দুল কারী থেকে যে, তিনি উমর বিন আল-খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ শুনেছেন। সমাপ্ত।

৪৮-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন ওয়াহাব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন আল-হারিস ও লাইস বিন সাদ এবং মালিক বিন আনাস, ইয়াহইয়া বিন সাইদ আল-আনসারী থেকে যে, মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আল-হারিস আত-তৈমী তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, আলকামা বিন ওয়াক্কাস আল-লাইসী তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি উমর বিন আল-খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন...

--------------------------------------------

(১, ২, ৩, ৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১৫)
-9أ-

على المنبر يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول انما الأعمال بالنيات وإنما للمرء ما نوى فمن كانت هجرته الى الله ورسوله فهجرته الى الله ورسوله ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها أو امراه يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه هـ.

49-حدثنا محمد بن عمرو ثنا عبد الله بن سليمان ثنا أحمد بن عمرو بن نوح انبا ابن وهب اخبرنى مالك عن ابن شهاب عن أبى عبيد مولى بن الأزهر أنه قال شهدت العيد مع عمر رضى الله عنه فجاء فصلى ثم انصرف فخطب الناس فقال إن هذين يومان نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامهما يوم فطركم من صيامكم والأخر يوم تأكلون فيه نسككم قال أبوعبيد ثم شهدت العيد مع عثمان بن عفان فجاء فصلى بهم ثم انصرف فخطب فقال إنه قد اجتمع لكم فى يومكم هذا عيدان فمن احب من اهل العاليه ان ينتظر الجمعه فلينتظرها ومن أحب أن يرجع فقد أذنت له قال ابو عبيد ثم شهدت العيد مع على بن أبى طالب وهو محصور فجاء فصلى ثم انصرف فخطب هـ.

50-حدثني محمد بن عثمان الدينوري بالكوفة ثنا علي بن شاكر ثنا أبو خليفة ثنا عبد الله بن مسلم عن مالك عن نافع عن عمر (1) قال قال النبي صلى الله عليه وسلم طلب العلم فريضة على كل مسلم ومعلم الخير يستغفر لهما كل شيء حتى الحيتان في البحر

51-وروى النينان (2) حدثنا أبو زيد عمرو بن أحمد ثنا أبو أيوب الملطي ثنا إسحاق بن يونس ثنا إبراهيم بن أبي داود البرلسي ثنا ثوبان ثنا مالك عن صفوان بن سليم عن سعيد بن سلمة الزرقي عن المغيرة بن أبي بردة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في البحر هو الطهور ماؤه الحل ميتته هـ.

--------------------------------------------

(1) كذا بالأصل عن عمر وليس ابن عمر.

(2) كلمة غير واضحة بالأصل.
-৯অ-

মিম্বরের উপর দাঁড়িয়ে তিনি বলছিলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: "সমস্ত কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল, আর প্রতিটি মানুষ যা নিয়ত করবে তাই সে পাবে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্য হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্যই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া হাসিল করার জন্য কিংবা কোনো নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে, তবে তার হিজরত সে উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।" সমাপ্ত।

৪৯-মুহাম্মাদ ইবন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবদুল্লাহ ইবন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আহমাদ ইবন আমর ইবন নূহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইবন ওয়াহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন মালিক ইবন শিহাব থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনুল আযহারের আযাদকৃত গোলাম আবু উবাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ঈদ উদযাপন করেছি। তিনি এসে সালাত আদায় করলেন, তারপর ফিরে গিয়ে মানুষের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই এই দুই দিন এমন দিন যে দিনগুলোতে রোজা রাখতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করেছেন; একটি হলো তোমাদের সিয়াম পালনের পর ইফতারের দিন এবং অপরটি হলো যে দিন তোমরা তোমাদের কুরবানির গোশত আহার করো।" আবু উবাইদ বলেন, তারপর আমি উসমান ইবন আফফানের সাথে ঈদ উদযাপন করেছি। তিনি এসে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, এরপর ফিরে গিয়ে খুতবা দিলেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই তোমাদের এই দিনে দু’টি ঈদ একত্রিত হয়েছে। সুতরাং উচ্চভূমির বাসিন্দাদের মধ্যে যারা জুমার জন্য অপেক্ষা করতে চাও, তারা অপেক্ষা করতে পারো, আর যারা ফিরে যেতে চাও, আমি তাদের অনুমতি দিলাম।" আবু উবাইদ বলেন, এরপর আমি আলী ইবন আবু তালিবের সাথে ঈদ উদযাপন করেছি যখন তিনি অবরুদ্ধ ছিলেন। তিনি এসে সালাত আদায় করলেন, এরপর ফিরে গিয়ে খুতবা দিলেন। সমাপ্ত।

৫০-মুহাম্মাদ ইবন উসমান আদ-দিনাওয়ারী কূফায় আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আলী ইবন শাকির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবদুল্লাহ ইবন মুসলিম মালিক থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি উমর (১) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "ইলম অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরজ। আর কল্যাণ শিক্ষাদানকারীর জন্য সব কিছুই ক্ষমা প্রার্থনা করে, এমনকি সমুদ্রের মাছ পর্যন্ত।"

৫১-এবং আন-নাইনান (২) বর্ণনা করেছেন, আবু যাইদ আমর ইবন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আবু আইয়ুব আল-মালতী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইসহাক ইবন ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইবরাহিম ইবন আবু দাউদ আল-বুরুল্লুসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন সাওবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মালিক সাফওয়ান ইবন সুলাইম থেকে, তিনি সাঈদ ইবন সালামাহ আয-যুরাকী থেকে, তিনি মুগীরা ইবন আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি সমুদ্র সম্পর্কে বলেছেন: "এর পানি পবিত্র এবং এর মৃত প্রাণী হালাল।" সমাপ্ত।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই উমর থেকে বর্ণিত হয়েছে, ইবন উমর থেকে নয়।

(২) শব্দটি মূল পাণ্ডুলিপিতে স্পষ্ট নয়।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১৬)
-9ب-

52-حدثنا أبو عمرو محمد ثنا محمد بن (1) بن بشر بن (2) ثنا معن ثنا مالك عن عبد الله (3) عن أبيه (4)

53-حدثنا (5) بن إبراهيم حدثني (6) حدثني إسحاق بن موسى الأنصاري حدثنا معن حدثنا مالك عن عبد الله بن يزيد مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن ومحمد بن عبد الرحمن بن ثوبان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا كان الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم وذكر أن النار اشتكت إلى ربها فإذن لها في كل عام بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف.

54-حدثنا (7) علي بن محمد بن عبد الله بالبصرة قال حدثني القاضي أبو بكر محمد بن إسحاق الأهوازي حدثني إبراهيم بن محمد بن الناقد قال سمعت سهل بن عثمان العسكري يقول سمعت أبا الأحوص يقول سمعت أبا إسحاق السبيعي يقول كانت الصيحانية على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنه أكل منها ودعا فيها بالبركة. قال أبو إسحاق فألقيت هذه الحكاية على جماعة من الحفاظ فأنكروها وقالوا إنما ظهرت بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم هـ.

55-فحدثني بمكة حماها الله لا لؤش (8) الصيدلاني هكذا عن أبيه عن معن بن عيسى عن مالك عن الزهري أن النبي صلى الله عليه وسلم أتى بتمر صيجاني فقال أنى لكم هذا فقال له أنس أبدلت بصاعين من تمرنا صاعا من هذا التمر فرفع النبي صلى الله عليه وسلم يده وقال إذا أردت هذا فبع تمرك بورق ثم اشتر به ما شئت فإن التمر بالتمر لا يجوز إلا مثلا بمثل يدا بيد ها وهات هـ.

56-حدثنا عبد الله بن إبراهيم الغامي ثنا أحمد بن إبراهيم الإمام ثنا أحمد بن محمد بن الحسين العطار

--------------------------------------------

(1، 8) كلمة غير واضحة بالأصل.

(2، 3، 4، 5، 6، 7) بياض بالأصل.
-৯-খ-

৫২-আমাদের নিকট আবু আমর মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন (১) বিন বিশর বিন (২) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মা'ন বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ (৩) থেকে, তিনি তাঁর পিতা (৪) থেকে বর্ণনা করেন।

৫৩-আমাদের নিকট (৫) বিন ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট (৬) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইসহাক বিন মুসা আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মা'ন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন, তিনি আসওয়াদ বিন সুফিয়ানের আযাদকৃত গোলাম আবদুল্লাহ বিন ইয়াযিদ থেকে, তিনি আবু সালামাহ বিন আবদুর রহমান এবং মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন সাওবান থেকে, তাঁরা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যখন উত্তাপ তীব্র হয়, তখন নামাজ ঠান্ডা করে (দেরিতে) আদায় করো, কেননা উত্তাপের তীব্রতা জাহান্নামের নিশ্বাস থেকে সৃষ্টি হয়। আর বর্ণিত আছে যে, জাহান্নাম তার রবের নিকট অভিযোগ করেছিল, ফলে তিনি তাকে প্রতি বছর দুটি নিশ্বাসের অনুমতি প্রদান করেন; একটি নিশ্বাস শীতকালে এবং একটি নিশ্বাস গ্রীষ্মকালে।

৫৪-আমাদের নিকট (৭) আলি বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বসরায় বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট বিচারক আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইসহাক আল-আহওয়াজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার নিকট ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আন-নাক্বিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমি সাহল বিন উসমান আল-আসকারিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি আবুল আহওয়াসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি আবু ইসহাক আস-সাবি'ইকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সাইহানিয়া খেজুর বিদ্যমান ছিল এবং তিনি তা থেকে আহার করেছিলেন এবং তাতে বরকতের জন্য দোয়া করেছিলেন। আবু ইসহাক বলেন, আমি এই বর্ণনাটি একদল হাফিজের নিকট উপস্থাপন করলে তাঁরা এটি অস্বীকার করেন এবং বলেন যে, এটি কেবল আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের পরেই প্রকাশ পেয়েছে।

৫৫-মক্কায় (আল্লাহ একে সুরক্ষিত রাখুন) আস-সাইদালানি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মা'ন বিন ঈসা থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি জুহরি থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সাইজানি খেজুর আনা হলো। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "এটি তোমাদের নিকট কোত্থেকে এলো?" আনাস তাঁকে বললেন, "আমি আমাদের খেজুরের দুই সা'-এর বিনিময়ে এই খেজুরের এক সা' অদলবদল করেছি।" তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত তুললেন এবং বললেন: "তুমি যখন এই খেজুরটি পেতে চাইবে, তখন তোমার খেজুর রৌপ্যমুদ্রার বিনিময়ে বিক্রি করো, অতঃপর তা দিয়ে যা খুশি ক্রয় করো। কেননা খেজুরের বিনিময়ে খেজুর কেবল সমান সমান এবং হাতে হাতে লেনদেন ব্যতীত বৈধ নয়।"

৫৬-আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-গামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ বিন ইব্রাহিম আল-ইমাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-আত্তার বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

(১, ৮) মূল পাণ্ডুলিপিতে শব্দটি অস্পষ্ট।

(২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১৭)
-10أ-

(1) مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنما مثل صاحب القرآن كمثل الإبل المعقلة إن عاهد عليها أمسكها وإن أطلقها ذهبت هـ.

57-حدثنا أبو يعقوب النجيرمي بالبصرة ثنا أبو خليفة ثنا عبد الله بن محمد بن إسماعيل عن جويرية عن مالك عن الوهري أن سعيد بن المسيب أخبره أن أبا هريرة أخبره عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس الشديد بالصرعة ولكن الذي يملك نفسه عند الغضب.

58-حدثنا أبو محمد بن عمرو ثنا علي بن عبد الله بن مبشر ثنا أحمد بن سنان القطان ثنا عبد الرحمن بن مهدي عن مالك عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فيما يلبس لا يلبس القمص ولا العمائم ولا البرانس ولا السراويل ولا الخفاف إلا من لا يجد نعلين فليقطعهما أسفل من الكعبين ولا يلبس من الثياب ما مسه ورس أو زعفران هـ.

59-حدثنا أبو محمد بن عمرو ثنا عبد الله بن محمد بن زياد ثنا يونس بن عبد الأعلى ثنا عبد الله بن وهب أن مالكا حدثه عن نافع عن ابن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم أناخ بالبطحاء وصلى بها قال نافع وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك هـ.

60-حدثنا أبو يعقوب ثنا أبو خليفة ثنا عبد الله يعني ابن محمد بن إسماعيل عن جويرية عن مالك عن الزهري أن سعيد بن المسيب وأبا سلمة بن عبد الرحمن أخبراه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خرج العجماء جبار والمعدن جبار والبئر جبار وفي الركاز الخمس هـ.

--------------------------------------------

(1) بياض بالأصل.
-১০অ-

(১) মালিক নাফে‘ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কুরআনের অধিকারীর (হাফেজের) উদাহরণ হলো রশি দিয়ে বাঁধা উটের মতো। সে যদি তার দেখাশোনা করে তবে সেটিকে ধরে রাখতে পারে, আর যদি ছেড়ে দেয় তবে সেটি চলে যায়।"

৫৭-বসরায় আবু ইয়াকুব আন-নুজাইরিমি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু খলিফা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জুওয়াইরিয়া থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি জুহরী থেকে, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু হুরায়রা তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: "সেই ব্যক্তি শক্তিশালী নয় যে কুস্তিতে অন্যকে আছাড় দেয়, বরং প্রকৃত শক্তিশালী সেই যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।"

৫৮-আবু মুহাম্মদ ইবনে আমর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুবাশির আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে সিনান আল-কাত্তান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি নাফে‘ থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে (মুহরিম ব্যক্তির) পোশাক পরিধান সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: "সে জামা পরিধান করবে না, পাগড়ি পরবে না, টুপিযুক্ত দীর্ঘ চাদর (আলখাল্লা) পরবে না, পাজামা পরবে না এবং মোজাও পরবে না। তবে যার জুতো নেই সে যেন মোজা দুটি টাখনুর নিচ থেকে কেটে ফেলে। আর এমন কোনো পোশাক সে পরবে না যাতে ওয়ারস বা জাফরান লেগে আছে।"

৫৯-আবু মুহাম্মদ ইবনে আমর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনে আব্দুল আ’লা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, মালিক তাকে নাফে‘ থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাতহা নামক স্থানে উট বসিয়েছিলেন এবং সেখানে সালাত আদায় করেছিলেন। নাফে‘ বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে ওমরও সেরূপ করতেন।

৬০-আবু ইয়াকুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু খলিফা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ অর্থাৎ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জুওয়াইরিয়া থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি জুহরী থেকে, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব এবং আবু সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান তাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরায়রা থেকে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "পশু কর্তৃক সংঘটিত ক্ষতি নিরর্থক, খনি (খননকালে দুর্ঘটনা) নিরর্থক, কূপ (খননকালে দুর্ঘটনা) নিরর্থক; আর ‘রিকাজ’ (গুপ্তধন) থেকে এক-পঞ্চমাংশ প্রদান করতে হবে।"

--------------------------------------------

(১) মূলে শূন্যস্থান রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১৮)
-10ب-

61-حدثنا أبو عمرو محمد (1) بن سابق ثنا إبراهيم

(2) عبد الله العمري سمعت (3) عن أبيه (4) رسول الله عليه وسلم وعن (5) صلى الله عليه وسلم يقول أساس الإسلام (6) له وأن محمدا عبده ورسوله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة (7) وصوم شهر رمضان (8) يقول الصوم قبل الحج وعبد الله يقول وحج البيت قبل صوم رمضان هـ.

62-حدثنا أبو محمد الحسن بن علي بن الحسن بن عمرو ثنا عبد الله بن محمد البغوي ثنا مصعب بن عبد الله الزبيري ثنا مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عايشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقر ذلكم هـ.

63-حدثنا محمد بن عمرو ثنا علي بن عبد الله بن مبشر ثنا أحمد بن سنان القطان ثنا عبد الله (9) بن مهدي عن مالك بن أنس عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عايشة بمثله هـ.

64-حدثنا أبو محمد الحسن بن محمد بن صخر عمي رحمه الله ثنا الحسين بن يحيى بن عياش ثنا الحسن بن محمد الزعفران ثنا يحيى بن عباد ثنا مالك عن ابن شهاب عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل يوم الفتح مكة وعلى رأسه مغفر فقيل له إن ابن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال اقتلوه.

--------------------------------------------

(1،2، 3، 4، 5) بياض بالأصل.

(6، 7، 8) مطموسة بالأصل.

(9) كذا بالأصل وأظنها عبد الرحمن فهو الذي يروي عن مالك.
-১০খ-

৬১-আবু আমর মুহাম্মদ (১) বিন সাবিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম (২) আব্দুল্লাহ আল-উমরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি (৩) তাঁর পিতার (৪) সূত্রে আল্লাহর রাসূল (সা.) থেকে এবং (৫) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছেন, তিনি বলেন: ইসলামের ভিত্তি হলো (৬) তাঁর জন্য এবং সাক্ষ্য দেয়া যে মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, আর সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা (৭) এবং রমজান মাসের সিয়াম পালন করা (৮)। তিনি বলেন, সিয়াম হজের আগে; আর আব্দুল্লাহ বলেন, রমজানের সিয়ামের আগে বাইতুল্লাহর হজ। সমাপ্ত।

৬২-আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী বিন আল-হাসান বিন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসআব বিন আব্দুল্লাহ আজ-জুবাইরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক আব্দুর রহমান বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটি অনুমোদন করেছেন। সমাপ্ত।

৬৩-মুহাম্মদ বিন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন মুবাশির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ বিন সিনান আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ (৯) বিন মাহদি মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আল-কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

৬৪-আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন সাখর আমার চাচা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আল-জাফরানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন আব্বাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করেন এবং তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। এমতাবস্থায় তাঁকে বলা হলো যে, ইবনে খাতাল কাবার পর্দা ধরে ঝুলে আছে। তখন তিনি বললেন, "তাকে হত্যা করো।"

--------------------------------------------

(১, ২, ৩, ৪, ৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান।

(৬, ৭, ৮) মূল পাণ্ডুলিপিতে মুছে গেছে বা অস্পষ্ট।

(৯) মূলে এভাবেই আছে, তবে আমার ধারণা এটি আব্দুর রহমান হবে, কারণ তিনিই মালিক থেকে বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ১৯)
65-حدثنا العم أبو محمد ثنا الحسين ثنا حماد بن خالد الخياط عن مالك عن الزهري عن أنس مثله هـ.

حدثنا العم أبو محمد ثنا الحسين ثنا محمد بن إدريس الشافعي ثنا مالك عن ابن شهاب عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عام الفتح

-11أ-

وعلى رأسه المغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال ابن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال اقتلوه (1)

66-حدثنا (2) أنا أحمد بن صاعد ثنا ابن وهب (3)

لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار قال صدق الله وقوله الحق أن الله عز وجل لا يدرك بأبصار تبلى وأبصار الناس في الدنيا تبلى فإذا كان يوم القيامة خلق الله جل اسمه أبصارا لا تبلى فينظر ما لا يبلى لما لا يبلى هـ.

67-في كتابي بخطي حدثني أبو حفص عمر بن أحمد بن علي المروزي ثنا أبو سعيد ثنا مالك بن أنس عن سهل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتح باب الجنة يوم الخميس ويوم الاثنين فيغفر لكل عبد لا يشرك بالله إلا رجل بينه وبين أخيه شحناء فيقال انتظرا هذين حتى يصطلحا هـ.

68-وحدثنا بمثله أبو زيد عمرو بن أحمد العسكري ثنا أبو أيوب الملطي ثنا أحمد بن الحجاج ثنا ثوبان بن إبراهيم ثنا مالك عن مسلم بن أبي مريم عن صالح عن أبي

--------------------------------------------

(1، 2، 3) بياض وطمس في الأصل.
৬৫-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন চাচা আবু মুহাম্মদ, তিনি আল-হুসাইন থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন খালিদ আল-খাইয়্যাত থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি আয-যুহরী থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন চাচা আবু মুহাম্মদ, তিনি আল-হুসাইন থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইদরিস আশ-শাফিঈ থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কা বিজয়ের বছর (মক্কায়) প্রবেশ করলেন

-১১অ-

এমতাবস্থায় তাঁর মাথায় ছিল শিরস্ত্রাণ। যখন তিনি তা খুললেন, তখন এক ব্যক্তি এসে বলল, ইবনে খাতাল কাবার গিলাফ ধরে ঝুলে আছে। তিনি বললেন: তাকে হত্যা করো। (১)

৬৬-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (২), আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন সাঈদ, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন (৩)

দৃষ্টিসমূহ তাঁকে আয়ত্ত করতে পারে না, কিন্তু তিনি দৃষ্টিসমূহকে আয়ত্ত করেন। তিনি বলেন, আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং তাঁর কথা সত্য যে, মহান আল্লাহ এমন চোখ বা দৃষ্টির মাধ্যমে পরিদৃষ্ট হন না যা বিনাশপ্রাপ্ত হবে। দুনিয়াতে মানুষের চোখ বা দৃষ্টি বিনাশশীল। যখন কিয়ামতের দিন হবে, তখন আল্লাহ (যাঁর নাম মহিমান্বিত) এমন সব চোখ বা দৃষ্টি সৃষ্টি করবেন যা বিনাশ হবে না। সুতরাং যা বিনাশহীন তা তাকাবে তাঁর প্রতি যিনি বিনাশহীন।

৬৭-আমার স্বহস্তে লিখিত কিতাবে আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন আলী আল-মারওয়াযী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু সাঈদ থেকে, তিনি মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি সাহল বিন আবু সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: প্রতি বৃহস্পতিবার ও সোমবার জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। অতঃপর এমন প্রত্যেক বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয় যে আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করে না, তবে সেই ব্যক্তি ব্যতীত যার ও তার ভাইয়ের মধ্যে বিদ্বেষ রয়েছে। তখন বলা হয়, এই দুইজনকে অবকাশ দাও যতক্ষণ না তারা আপোষ-নিস্পত্তি করে।

৬৮-আমাদের নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন আবু যায়েদ আমর বিন আহমাদ আল-আসকারী, তিনি আবু আইয়ুব আল-মালতী থেকে, তিনি আহমাদ বিন আল- হাজ্জাজ থেকে, তিনি সাওবান বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি মুসলিম বিন আবু মারইয়াম থেকে, তিনি সালিহ থেকে, তিনি আবু... থেকে।

--------------------------------------------

(১, ২, ৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে শূন্যস্থান ও অস্পষ্ট অংশ।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ২০)
-11ب-

حـ (1) ابن شبيب ثنا مروان (2) القدرية فقال (3) حتى يصطلحا. (4)

69-حدثنا علي بن (5) عن نافع عن ابن عمر (6) رسول الله صلى الله عليه وسلم لكل شيء مفتاح ومفتاح الجنة حب المساكين والفقراء وظاهر صنيع المصنف أن هذا هو الحديث بتمامه والأمر بخلافه بل بقيته عند مخرجه ابن لال والفقراء الصبر هم جلساء الله عز وجل يوم القيامة.

70-حدثنا أبو حفص عمر بن إبراهيم المقريء الكتاني بغداد ثنا علي بن عمر عن مالك بن أنس عن نافع عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تكرهوا مرضاكم على الطعام والشراب فإن الله تعالى يطعمهم ويسقيهم هـ. حدثنا أبو حفص عمر المقريء الكتاني ثنا أحمد بن إبراهيم الزراد ثنا يوسف بن سعيد بن مسلم المصيصي ثنا عبد الله بن زمعة ثنا مالك بن أنس عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم من نسي صلاة فليصلها إذا ذكرها فإن الله تعالى يقول أقم الصلاة لذكري هـ.

71-حدثني علي بن أحمد بن موسى الأهوازي بكسلر (7) ثنا أحمد بن محمد بن بكر ثنا الربيع بن سليمان ثنا عبد الله بن وهب ثنا مالك بن أنس عن يحيى بن سعيد أخبرني عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت أخبرني أبي عن عبادة بن الصامت قال بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة في العسر واليسر والمنشط والمكره

--------------------------------------------

(1، 2، 3، 5) بياض وطمس في الأصل.

(7) كذا بالأصل وهي (بعسكر) .

(4) هذا الجزء من الصفحة نسخة طبق الأصل من الصفحة رقم 12ب لكنه مطموس وأدخلت عليه كلمة (حتى يصطلحا) في آخره وهذا تصحيف.
-১১খ-

হ (১) ইবনে শাবীব বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (২) কাদরিয়া সম্প্রদায় সম্পর্কে, অতঃপর তিনি বললেন (৩) যতক্ষণ না তারা আপস-নিষ্পত্তি করে। (৪)

৬৯-আলী ইবনে (৫) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন (৬) যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "প্রত্যেক বস্তুর একটি চাবিকাঠি রয়েছে, আর জান্নাতের চাবিকাঠি হলো মিসকিন ও অভাবীদের ভালোবাসা।" গ্রন্থকারের উপস্থাপনা থেকে বাহ্যত মনে হয় যে এটিই সম্পূর্ণ হাদিস, কিন্তু বিষয়টি এর বিপরীত; বরং এর অবশিষ্টাংশ হাদিস সংকলক ইবনে লালের বর্ণনায় রয়েছে: "এবং ধৈর্যশীল দরিদ্ররা কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহর সঙ্গী হবেন।"

৭০-বাগদাদে আবু হাফস উমর ইবনে ইব্রাহিম আল-মুুকরি আল-কাত্তানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের অসুস্থদের খাবার ও পানীয় গ্রহণে বাধ্য করো না, কারণ আল্লাহ তাআলা তাদের খাওয়ান এবং পান করান।" সমাপ্ত। আবু হাফস উমর আল-মুুকরি আল-কাত্তানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আল-জাররাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনে সাঈদ ইবনে মুসলিম আল-মাসসীসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে জামআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন: "যে ব্যক্তি সালাত আদায় করতে ভুলে যায়, সে যেন তা মনে হওয়ার সাথে সাথে আদায় করে নেয়; কেননা মহান আল্লাহ বলেন: 'আমার স্মরণে সালাত কায়েম করো'।" সমাপ্ত।

৭১-আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুসা আল-আহওয়াজি আসকারে (৭) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রাবি ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি বলেন, উবাদাহ ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে উবাদাহ ইবনে আস-সামিত আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে উবাদাহ ইবনে আস-সামিত থেকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: "আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সংকটে ও স্বাচ্ছন্দ্যে, খুশিতে ও অখুশিতে শ্রবণ ও আনুগত্য করার ওপর বায়াত গ্রহণ করেছি।"

--------------------------------------------

(১, ২, ৩, ৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে ফাঁকা স্থান ও অস্পষ্টতা রয়েছে।

(৭) মূলে এভাবেই আছে, তবে তা হবে (আসকার)।

(৪) পৃষ্ঠার এই অংশটি ১২খ নম্বর পৃষ্ঠার হুবহু প্রতিলিপি, তবে এটি অস্পষ্ট এবং এর শেষে 'যতক্ষণ না তারা আপস-নিষ্পত্তি করে' শব্দগুলো যুক্ত করা হয়েছে যা মূলত একটি অনুলিপিজনিত ভুল।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ২১)
-12أ-

وأن لا ننازع الأمر أهله وأن نقول أو نقوم بالحق حيثما كنا لا نخاف لومة لائم هـ.

72-حدثنا أبو زيد عمرو بن أحمد ثنا أبو أيوب سليمان بن صلاية الملطي ثنا الحسين بن علي النخعي ثنا ثوبان بن إبراهيم ثنا مالك عن يحيى بن سعيد الأنصاري عن سعيد بن المسيب عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أكثروا ذكر هادم اللذات قلنا يا رسول الله وما هادم اللذات قال الموت هـ.

73-حدثنا أبو زيد ثنا أبو أيوب ثنا أحمد بن محمد ثنا ثوبان ثنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قال الله عز وجل ابن آدم أنفق أنفق عليك هـ.

74-حدثنا أبو زيد ثنا أحمد بن الحسن الحضرمي ثنا علي بن معبد ثنا ثوبان ثنا مالك بن أنس عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في الغيبة إذا قلت مافي أخيك فقد اغتبته وإذا قلت ما ليس فيه فقد بهته هـ.

75-حدثنا عمر بن محمد بن سيف ثنا أحمد بن الحسن بن عبد الجبار ثنا يحيى بن معين ثنا معن عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عايشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا مات صاحبكمم فدعوه هـ.

76-حدثنا عمر بن محمد بن سيف ثنا عبد الله بن سليمان ثنا خالد بن المغيرة ثنا موسى بن داود نا مالك بن أنس عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة فصلى بين الساريتين بينه وبين الجدار قدر ثلاثة أذرع هـ.

77-حدثنا أبو يعقوب النجيرمي ثنا أبو خليفة ثنا عبد الله عن جويرية عن مالك عن الزهري أن عايشة كانت تقول من لم يجمع الصيام قبل الفجر فلا يصوم هـ.
-১২আ-

এবং আমরা যেন যোগ্য ব্যক্তিদের থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা না করি, আর আমরা যেখানেই থাকি না কেন সত্য বলি বা সত্যের ওপর অটল থাকি, কোনো নিন্দুকের নিন্দাকে যেন ভয় না করি। সমাপ্ত।

৭২-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যায়েদ আমর ইবনে আহমদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আইয়ুব সুলাইমান ইবনে সালায়া আল-মালতি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে আলী আন-নাখয়ী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাওবান ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারী হতে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব হতে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন) বলেছেন: তোমরা স্বাদ বিনষ্টকারীকে বেশি বেশি স্মরণ করো। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! স্বাদ বিনষ্টকারী কী? তিনি বললেন: মৃত্যু। সমাপ্ত।

৭৩-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যায়েদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আইয়ুব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাওবান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, তিনি আবুয যিনাদ হতে, তিনি আল-আ’রাজ হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে, তিনি নবী (আল্লাহ তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: হে আদমের সন্তান! তুমি খরচ করো, আমি তোমার ওপর খরচ করব। সমাপ্ত।

৭৪-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যায়েদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনুল হাসান আল-হাদরামি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মাবাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাওবান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি আল-আলা ইবনে আবদুর রহমান হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন) গীবত (পরনিন্দা) সম্পর্কে বলেছেন: তোমার ভাইয়ের মধ্যে যা বিদ্যমান তা যদি তুমি বলো, তবে তুমি তার গীবত করলে। আর যদি তার মধ্যে যা নেই তা বলো, তবে তুমি তাকে অপবাদ দিলে। সমাপ্ত।

৭৫-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাইফ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে আব্দুল জাব্বার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা’ন, তিনি মালিক হতে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়া হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি আয়েশা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন) বলেছেন: যখন তোমাদের কোনো সাথী মারা যায়, তখন তাকে ছেড়ে দাও (তার সমালোচনা বন্ধ করো)। সমাপ্ত।

৭৬-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাইফ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনুল মুগিরা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে দাউদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি নাফে হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন) কাবার ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং দুই স্তম্ভের মাঝে সালাত আদায় করলেন, তাঁর ও দেয়ালের মাঝে তিন হাত পরিমাণ দূরত্ব ছিল। সমাপ্ত।

৭৭-আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব আন-নাজাইরমি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খলিফা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ, তিনি জুওয়াইরিয়া হতে, তিনি মালিক হতে, তিনি যুহরী হতে বর্ণনা করেন যে, আয়েশা বলতেন: যে ব্যক্তি ফজরের আগে সিয়ামের নিয়ত সুসংহত করেনি, সে যেন সিয়াম পালন না করে। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ২২)
-12ب-

78-حدثنا أبو يعقوب النجيرمي ثنا أبو يحيى (1) الساجي ثنا سلمة بن شبيب ثنا مروان بن محمد قال سألت مالك بن أنس عن تزويج القدرية فقال ولعبد مؤمن خير من مشرك ولو أعجبكم هـ.

79-حدثنا علي بن محمد التمار ثنا أحمد بن إبراهيم بن حبيب الزراد ثنا محمد بن عبد الرحيم بن شماخ القرشي ثنا عمرو بن (2) ثنا مالك بن أنس عن الزهري عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سمعتم المؤذن فقولوا كما يقول هـ.

80-حدثنا عمر بن محمد بن سيف ثنا أحمد بن عبد الله بن محمد الوكيل نا عبد الله بن عبد الصمد ثنا أبو المعالي بن عمر (3) عن سفيان وشعبة ومالك عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر عن الببى صلى الله عليه وسلم انه نهى عن بيع الولاء وعن هبته هـ.

81-حدثنا عمر بن سيف ثنا محمد بن محمد بن سليمان ثنا عيسى بن حماد زغبة انا الليث بن سعد قال ابن سيف وحدثنا محمد بن محمد ثنا أبو الطاهر أحمد بن عمرو بن السرح ثنا ابن وهب أخبرنى عمرو بن الحارث ومالك بن أنس والليث بن سعد جميعا عن يحيى بن سعيد الأنصارى عن محمد بن إبراهيم التيمى عن علقمة بن وقاص الليثى عن عمر بن الخطاب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما الاعمال بالنيات فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله ما نوى ومن كانت هجرته إلى مال أو زوجه يتزوج بها فهجرته إلى ما نوى هـ.

82-حدثنا عمر بن محمد بن سيف ثنا محمد بن (4) الزارع ثنا ابو بكر

--------------------------------------------

(1، 2، 3) طمس في الأصل.

(4) كلمة غير واضحة بالأصل.
-১২খ-

৭৮-আবু ইয়াকুব আল-নুজাইরমি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু ইয়াহইয়া (১) আল-সাজি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সালামাহ ইবনে শাবিব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক ইবনে আনাসকে কাদারিয়া সম্প্রদায়ের সাথে বিবাহ দেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: "আর মুমিন দাস অবশ্যই একজন মুশরিকের চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদের বিমোহিত করে।" (সমাপ্ত)।

৭৯-আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-তাম্মার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হাবিব আল-জাররাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহিম ইবনে শাম্মাখ আল-কুরাশি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমর ইবনে (২) আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন জুহরি থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যখন তোমরা মুয়াযযিনকে (আযান দিতে) শুনবে, তখন সে যা বলে তোমরাও তাই বলো। (সমাপ্ত)।

৮০-উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাইফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াকিল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আবদুস সামাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল মায়ালি ইবনে উমর (৩) আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান, শু'বাহ এবং মালিক থেকে, তাঁরা আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি 'ওয়ালা' (মুক্ত দাসের উত্তরাধিকারের অধিকার) বিক্রয় করা এবং তা দান করা থেকে নিষেধ করেছেন। (সমাপ্ত)।

৮১-উমর ইবনে সাইফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলায়মান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ঈসা ইবনে হাম্মাদ জুগবাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, লায়স ইবনে সাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; ইবনে সাইফ বলেন, এবং মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু তাহির আহমদ ইবনে আমর ইবনে আল-সারহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমর ইবনে আল-হারিস, মালিক ইবনে আনাস এবং লায়স ইবনে সাদ সকলেই ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারী থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-তাইমি থেকে, তিনি আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস আল-লায়সি থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যেই হবে যা সে নিয়ত করেছে। আর যার হিজরত পার্থিব কোনো সম্পদ অর্জনের জন্য অথবা কোনো নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে, তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।" (সমাপ্ত)।

৮২-উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাইফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে (৪) আল-জারি' আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু বকর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন...

--------------------------------------------

(১, ২, ৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে এই অংশগুলো মুছে গেছে।

(৪) শব্দটি মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ২৩)
-13أ-

(1) القرآن ليس بخالق ولا مخلوق ولكنه كلام (2)

83-حدثنا عمر بن محمد بن يوسف (3) ثنا الحسن بن داود ثنا احمد بن يعقوب (4) قال قلت لمالك أى شى من يقول أن القرآن مخلوق قال (5) من زعم ان القران مخلوق فهو كافر هـ.

84-حدثنا العم أبو محمد وأحمد بن إبراهيم قالا ثنا الحسين بن يحيى ثنا الحسن بن محمد ثنا محمد بن ادريس ثنا مالك عن عبيد الله بن عبد الرحمن بن عبد الله عن عبيد بن حنين مولى الزبير (6) بن الخطاب أنه قال سمعت أبا هريرة يقول أقبلت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمع رجلا يقرأ قل هو الله أحد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وجبت فسألته ماذا يا رسول الله قال الجنة قال أبوهريرة فأردت أن أذهب فأبشره ثم فرقت أن يفوتني الغداء مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فآثرت الغداء ثم ذهبت إلى الرجل فوجدته قد ذهب هـ.

85-حدثنا الحسين بن محمد بن إسحق السوطى ببغداد ثنا الحسين بن أحمد بن عثمان الآدمى أنا أبو جعفر محمد بن ماهان السمسار ثنا عبد الرحمن بن مهدى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عايشه أن النبى صلى الله عليه وسلم أفرد الحج هـ.

86-حدثنا أبو القاسم عبد الله بن إبراهيم الفامي ببغداد ثنا أبو الفوارس أحمد بن محمد بن الحسين العطار بمصر ثنا إبراهيم المدنى ثنا الشافعى أنا مالك عن نافع عن ابن عمر أنه أذن بالصلاه فى ليلة

--------------------------------------------

(1، 2) بياض وطمس في الأصل.

(3، 4، 5) طمس في الأصل.

(6) في الموطأ (مولى آل زيد بن الخطاب) .
-১৩অ-

(১) কুরআন স্রষ্টা নয় এবং সৃষ্টিও নয়, বরং এটি (আল্লাহর) কালাম (বাণী) (২)

৮৩-উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ (৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে ইয়াকুব (৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি মালিককে বললাম, যে ব্যক্তি বলে কুরআন সৃষ্টি, তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন (৫): যে ব্যক্তি দাবি করে যে কুরআন সৃষ্টি, সে কাফির। সমাপ্ত।

৮৪-চাচা আবু মুহাম্মদ এবং আহমাদ ইবনে ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন, হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন—যিনি যুবাইর (৬) ইবনুল খাত্তাবের মুক্তদাস—থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আসছিলাম। তখন তিনি এক ব্যক্তিকে 'কুল হুয়াল্লাহু আহাদ' (সূরা ইখলাস) পাঠ করতে শুনলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "ওয়াজিব হয়ে গেল।" আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম: হে আল্লাহর রাসূল, কী (ওয়াজিব হল)? তিনি বললেন: "জান্নাত।" আবু হুরায়রা বলেন, আমি লোকটির কাছে গিয়ে তাকে সুসংবাদ দিতে চাইলাম, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে দুপুরের খাবার ছুটে যাওয়ার ভয় করলাম। তাই আমি দুপুরের খাবার গ্রহণ করাকেই অগ্রাধিকার দিলাম। এরপর আমি লোকটির কাছে গেলাম, কিন্তু দেখলাম সে চলে গিয়েছে। সমাপ্ত।

৮৫-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাওতী বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান আল-আদামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে মাহান আস-সিমসার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুর রহমান ইবনে মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জে ইফরাদ করেছিলেন। সমাপ্ত।

৮৬-আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম আল-ফামী বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল ফাওয়ারিস আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন আল-আত্তার মিসরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আল-মাদানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাফিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এক রাতে সালাতের জন্য আজান দিলেন...

--------------------------------------------

(১, ২) মূল পাণ্ডুলিপিতে সাদা জায়গা (শূন্যস্থান) এবং মুছে যাওয়া অংশ রয়েছে।

(৩, ৪, ৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে মুছে যাওয়া অংশ রয়েছে।

(৬) মুয়াত্তায় রয়েছে: (আলে জাইদ ইবনুল খাত্তাবের মুক্তদাস)।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ২৪)
-13ب-

ذات برد وريح ثم قال ألا صلوا في الرحال ثم قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأمر المؤذن إذا كانت ليلة ذات برد ومطر أن يقول ألا صلوا في الرحال هـ.

87-حدثنا عبد الله بن إبراهيم قال حدثتنا فاطمة بنت الحسن بن الريان المخزومية بمصر قالت أنا يونس بن (1) نا مالك بن أنس عن صفوان بن سليم عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن أهل الجنة يتراءون أهل الغرف من فوقهم كما يتراءون الكوكب الدري الغابر في الأفق من المشرق أو المغرب لتفاضل ما بينهم قالوا يا رسول الله تلك منازل الأنبياء لا يبلغها غيرهم قال بلى والذي نفسي بيده رجال آمنوا بالله وصدقوا المرسلين هـ.

88-حدثنا أبو بكر محمد بن الحسن بن سليم النجاد ببغداد الطاق ثنا أبو عثمان سعيد بن عبدان بن سهلان البزاز ثنا عبد الملك بن محمد بن عبد الله الرقاشي البصري سنة اثنان وسبعين ومائتين ثنا بشر بن عمر الزهراني ثنا مالك بن أنس عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك مع كل وضوء هـ.

89-حدثنا محمد بن عمر الوراق ببغداد ثنا عبد الله بن سليمان ثنا أحمد بن عمرو ثنا ابن وهب أنا مالك عن زيد بن أبي أنيسة أن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب أخبره عن مسلم بن يسار الجهني أن عمر بن الخطاب رضي الله عنه سئل عن هذه الآية وإذ أخذ ربك من بني آدم من ظهورهم ذرياتهم وأشهدهم على أنفسهم ألست بربكم قالوا بلى

--------------------------------------------

(1) طمس في الأصل.
-১৩বি-

ঠাণ্ডা ও বাতাসপূর্ণ (রাত), অতঃপর তিনি বললেন, শোনো, তোমরা তোমাদের বাসস্থানে সালাত আদায় করো। এরপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঠাণ্ডা ও বৃষ্টিপূর্ণ রাত হতো, তখন মুয়াজ্জিনকে নির্দেশ দিতেন যেন সে বলে: শোনো, তোমরা তোমাদের বাসস্থানে সালাত আদায় করো। সমাপ্ত।

৮৭-আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ফাতেমা বিনতে হাসান ইবনে রাইয়ান আল-মাখজুমিয়্যাহ মিসরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইউনুস ইবনে (১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “জান্নাতবাসীরা তাদের উপরের কক্ষবাসীদের এমনভাবে দেখবে যেমন তোমরা পূর্ব বা পশ্চিম দিগন্তে উজ্জ্বল অস্তগামী নক্ষত্র দেখতে পাও, তাদের মধ্যকার মর্যাদার পার্থক্যের কারণে।” তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সেগুলো কি নবীদের আবাসস্থল যা অন্য কেউ অর্জন করতে পারবে না? তিনি বললেন: “অবশ্যই [পারবে], যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ, তারা এমন সব ব্যক্তি যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং রাসূলদের সত্য বলে স্বীকার করেছে।” সমাপ্ত।

৮৮-আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে হাসান ইবনে সুলাইম আন-নাজ্জাদ বাগদাদের আত-তাক নামক স্থানে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উসমান সাঈদ ইবনে আবদান ইবনে সাহলান আল-বাজ্জায আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রাক্কাশি আল-বাসরি দুইশত বাহাত্তর হিজরি সনে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে উমর আয-যাহরানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে তাদের প্রত্যেক ওযুর সাথে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।” সমাপ্ত।

৮৯-বাগদাদে মুহাম্মাদ ইবনে উমর আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন যায়েদ ইবনে আবু আনীসা থেকে যে, আব্দুল হামিদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে খাত্তাব তাকে সংবাদ দিয়েছেন মুসলিম ইবনে ইয়াসার আল-জুহানি থেকে যে, উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: “আর যখন তোমার রব আদম-সন্তানদের পৃষ্ঠদেশ থেকে তাদের বংশধরদের বের করে আনলেন এবং তাদের নিজেদের সম্পর্কে সাক্ষী করলেন যে, আমি কি তোমাদের রব নই? তারা বলেছিল, হ্যাঁ...”

--------------------------------------------

(১) মূল কপিতে অস্পষ্ট।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ২৫)
-14أ-

شهدنا الآية فقال عمر سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن هذه الآية فقال إن الله خلق آدم ثم مسح ظهره بيمينه فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هؤلاء للنار وبعمل أهل النار يعملون فقال رجل يا رسول الله ففيم العمل يا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله إذا خلق العبد للجنة استعمله بعمل أهل الجنة حتى يموت على عمل من أعمال أهل الجنة فيدخله به الجنة وإذا خلق العبد للنار استعمله بعمل أهل النار حتى يموت على عمل من أعمال أهل النار فيدخله النار هـ.

90-قال وحدثنا عبد الله بن سليمان عن الحارث بن (1) عن رجل من بني جهينة ثنا ابن وهب إلى آخر الحديث هـ.

91-وحدثنا محمد بن عمر ثنا عبد الله بن أبي داود ثنا إسحاق بن منصور أنبا روح بن عبادة ثنا مالك بن أنس عن زيد بن أبي أنيسة أن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب أخبره عن مسلم بن يسار الجهني عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه فذكر نحوه.

92-حدثنا أبو الحسن بن علي بن أحمد الغزال الأصبهاني بالبصرة سنة ثلاث وستين وثلاثماية قال في كتابي عن ميمون بن محمد بن ميمون وليس عليه إجازة السماع ثنا عمر بن مدرك ثنا عثمان بن عبد الله العثماني ثنا مالك بن أنس عن ابن شهاب عن عروة عن عبد الله بن عمر قال إنما سمي شهر رمضان لأنه يرمض الذنوب رمضا وإنما سمي شوال لأنه تشول فيه الذنوب كما تشول الناقة ذنبها وكان ابن عباس يقول يوم الفطر يوم الجوايز وإنما سمي شعبان لأن الأرزاق تتشعب فيه وإنما سمي رجب لأن الملايكة

--------------------------------------------

(1) طمس في الأصل.
-১৪ক-

আমরা আয়াতটি প্রত্যক্ষ করেছি, অতঃপর উমর (রা.) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ আদমকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাঁর ডান হাত দিয়ে তাঁর পিঠ স্পর্শ করেছেন এবং তা থেকে তাঁর বংশধরদের বের করেছেন। এরপর তিনি বললেন: আমি এদের জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি এবং তারা জাহান্নামবাসীদের আমলই করবে। তখন এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে আমলের সার্থকতা কী? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আল্লাহ যখন কোনো বান্দাকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তাকে জান্নাতবাসীদের আমলের তাওফিক দেন, এমনকি সে জান্নাতবাসীদের আমলের ওপরই মৃত্যুবরণ করে এবং এর মাধ্যমে তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান। আর আল্লাহ যখন কোনো বান্দাকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তাকে জাহান্নামবাসীদের আমলের তাওফিক দেন, এমনকি সে জাহান্নামবাসীদের আমলের ওপরই মৃত্যুবরণ করে এবং তিনি তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করান। সমাপ্ত।

90-তিনি বললেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান বর্ণনা করেছেন হারিস বিন (১) থেকে, তিনি জুহায়না গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে, আমাদের নিকট ইবনুল ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন হাদীসের শেষ পর্যন্ত। সমাপ্ত।

91-এবং আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন উমর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসহাক বিন মানসুর বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রাওহ বিন উবাদাহ, আমাদের নিকট মালিক বিন আনাস বর্ণনা করেছেন যায়েদ বিন আবু আনীসা থেকে, আব্দুর রহমান বিন যায়েদ বিন খাত্তাব তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন মুসলিম বিন ইয়াসার আল-জুহানি থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে—অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

92-আমাদের নিকট আবুল হাসান বিন আলী বিন আহমাদ আল-গাজ্জাল আল-আসফাহানী বসরায় ৩৬৩ হিজরীতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার কিতাবে মাইমুন বিন মুহাম্মদ বিন মাইমুন থেকে বর্ণিত হয়েছে—তবে তার ওপর শ্রবণের অনুমতি নেই—আমাদের নিকট উমর বিন মুদরিক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উসমান বিন আবদুল্লাহ আল-উসমানী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মালিক বিন আনাস বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রমজান মাসের নামকরণ এই কারণে করা হয়েছে যে, এটি গুনাহসমূহকে দহন করে নিঃশেষ করে দেয়। আর শাওয়ালের নামকরণ এই কারণে করা হয়েছে যে, এতে গুনাহসমূহ উধাও হয়ে যায়, যেমন উট তার লেজ উঠায়। ইবনে আব্বাস (রা.) বলতেন: ফিতরের দিন হলো পুরস্কারের দিন। আর শাবানের নামকরণ এই কারণে করা হয়েছে যে, এতে রিজিকসমূহ বণ্টিত হয়। আর রজবের নামকরণ এই কারণে করা হয়েছে যে, ফেরেশতারা...

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে অস্পষ্ট।
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ২৬)
-14ب-

ترتج فيه بالتسبيح والتحميد والتمجيد للجبار عز وجل هـ.

93-حدثنا عمر بن محمد بن سيف ثنا حماد بن بلال البخاري ثنا محمد بن عبد الله البخاري ثنا بجير بن النضر ثنا عيسى بن موسى التيمي عنجار عن خارجة عن مالك بن أنس عن عامر بن عبد الله عن عمرو بن سليم عن أبي قتادة قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم حمل أمامة بنت زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبوها أبو العاص وهو يصلي فإذا ركع أو سجد وضعها وإذا قام حملها هـ.

94-حدثنا محمد بن عمر الأرموي ببغداد ثنا عبد الله بن سليمان ثنا إسحاق بن منصور ثنا بشر بن عمر حدثني مالك بن أنس عن ابن شهاب عن مالك بن أوس بن الحدثان قال أرسل إلي عمر بن الخطاب رضي الله عنه حين تعالا النهار فجئته فوجدته جالسا على سرير مفض إلى رماله فقال حين دخلت عليه يا مالك إنه قد دف أهل أبيات من قومك وذكر الحديث بطوله هـ.

95-أخبرنا عمر بن محمد بن سيف ثنا عبد الله بن سليمان ثنا علي بن محمد الزياداباذي ثنا معن بن عيسى ثنا مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا مرض العبد بعث الله إليه ملكين فقال انظرا ما يقول لعواده فإنهم إذا دخلوا عليه حمد الله رفعوا ذلك إلى الله عز وجل وهو أعلم فيقول لعبدي إن أنا توفيته أن أدخله الجنة وإن أنا شفيته أن أبدل له لحما خيرا من لحمه ودما خيرا من دمه وأن أكفر عنه سيئاته هـ.
-১৪ব-

সেখানে প্রতাপশালী মহান আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা, প্রশংসা এবং মহিমা ঘোষণার মাধ্যমে প্রকম্পিত হতে থাকে।

৯৩-উমর বিন মুহাম্মদ বিন সাইফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন হাম্মাদ বিন বিলাল আল-বুখারি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-বুখারি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন বুজাইর বিনুন নাজর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ঈসা বিন মুসা আত-তাইমি জার থেকে, তিনি খারিজাহ থেকে, তিনি মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি আমির বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আমর বিন সুলাইম থেকে, তিনি আবু কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা যাইনাবের কন্যা উমামাহকে বহন করছেন, যার পিতা ছিলেন আবুল আস। তিনি যখন নামাজ পড়তেন, তখন রুকু বা সিজদা করার সময় তাকে নামিয়ে রাখতেন এবং যখন দাঁড়াতেন তখন তাকে বহন করতেন।

৯৪-বাগদাদে মুহাম্মদ বিন উমর আল-আরমাউয়ি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইসহাক বিন মানসুর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন বিশর বিন উমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মালিক বিন আনাস আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি মালিক বিন আউস বিন আল-হাদাছান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: দিনের বেলা যখন প্রখর হলো, তখন উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু আমার কাছে লোক পাঠালেন। আমি তাঁর কাছে এলাম এবং তাঁকে একটি খাটিয়ার ওপর বসে থাকতে দেখলাম যার বুনন সরাসরি তাঁর শরীরের চামড়ায় মিশে ছিল। আমি তাঁর কাছে প্রবেশ করলে তিনি বললেন, ‘হে মালিক! তোমার সম্প্রদায়ের কিছু পরিবার অভাবগ্রস্ত হয়ে এখানে এসেছে...’ এরপর তিনি দীর্ঘ হাদিসটি বর্ণনা করলেন।

৯৫-উমর বিন মুহাম্মদ বিন সাইফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আলী বিন মুহাম্মদ আজ-জিয়াদাবাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মা’ন বিন ঈসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মালিক আমাদের কাছে সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয়, তখন আল্লাহ তার কাছে দুইজন ফেরেশতা পাঠান এবং বলেন, ‘দেখো সে তার দর্শনার্থীদের কী বলে।’ যদি তারা তার কাছে আসলে সে আল্লাহর প্রশংসা করে, তবে তারা তা মহান আল্লাহর কাছে নিয়ে যায়—যদিও তিনি এ বিষয়ে অধিক অবগত। তখন তিনি বলেন, ‘আমার এই বান্দার জন্য ওয়াদা রইল যে, যদি আমি তার মৃত্যু ঘটাই তবে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাব, আর যদি তাকে আরোগ্য দান করি তবে তাকে তার বর্তমান গোশতের তুলনায় উত্তম গোশত এবং বর্তমান রক্তের তুলনায় উত্তম রক্ত দান করব এবং তার গুনাহসমূহ মোচন করে দেব’।”
(খণ্ড: ১) মিন হাদীছি মালিক বিন আনাস লি-আবীল হাসান আল-আযদী (পৃষ্ঠা: ২৭)
96-قال القاضي أبو الحسن بن صخر رضي الله عنه في كتابه إلي يحكي

-15أ-

عن مالك رضي الله عنه أنه سئل عن رجل حلف أن لا يعصي الله فقال من أعظم معصية ممن حلف أن لا ينفذ قدر الله هـ.

97-وعلى ابن وهب عن مالك رضي الله عنه قال بينا أنا في فلاة من الأرض لقيني رجل فقال ما الزهد في الدنيا قلت تركها قال لا إنما الزهد في الدنيا أن لا تبالي من أقبل عليك فيها بوجهه ولا من أدبر وأنت مع ذلك قائم بما يجب لهم هـ.

98-وحكى يحيى بن سابق الخولاني أنه سمع محمد بن إدريس يقول قال لي مالك رحمه الله يا محمد اتق الله إذا خلوت بالله حتى عملت حسنة فاحذر بأن يعلم بهاأحد من الناس فإن الله عز وجل لا يقبل إلا ما كان لوجهه خالصا فإنه قال كل شيء هالك إلا وجهه يعني ما أريد به وجهه عليك بدرجة العلم فإنها متصلة بدرجة النبوة هكذا حدثني ربيعة بن أبي عبد الرحمن ثم بكى مالك حتى أبكاني قال محمد بن إدريس فعلمت أن الله لم يرفع مقدار مالك إلا لسريرة كانت بينه وبين الله عز وجل هـ.

99-وعن عبد الله بن بكير قال سمعت مالكا يقول ما جلست إلى عالم فرجعت من مجلسه حتى أحفظ كل حديث سمعته منه ولا رجعت إلى مجلسه حتى أعاقل الله كل حديث سمعته منه هـ.

آخر الجزء والحمد لله رب العالمين
৯৬-কাজী আবুল হাসান বিন সাখর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর কিতাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে,

-১৫ক-

ইমাম মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে আল্লাহর অবাধ্য না হওয়ার শপথ করেছে। তিনি বললেন: সেই ব্যক্তির চেয়ে বড় নাফরমান আর কে হতে পারে, যে আল্লাহর তকদির কার্যকর না হওয়ার জন্য শপথ করে? (হ- সমাপ্তি)।

৯৭-ইবনে ওয়াহাব ইমাম মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদিন আমি এক নির্জন প্রান্তরে ছিলাম, তখন এক ব্যক্তির সাথে আমার দেখা হলো। সে জিজ্ঞাসা করল, দুনিয়ায় যুহদ (বিরাগ) কী? আমি বললাম, দুনিয়া ত্যাগ করা। সে বলল, না; বরং দুনিয়ায় যুহদ হলো এই বিষয়ে ভ্রূক্ষেপ না করা যে, কে আপনার দিকে দুনিয়াবি উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসল আর কে মুখ ফিরিয়ে নিল, অথচ আপনি তাদের প্রতি পাওনা আবশ্যকীয় দায়িত্বসমূহ পালন করে যাচ্ছেন। (হ- সমাপ্তি)।

৯৮-ইয়াহইয়া বিন সাবিক আল-খাওলানি বর্ণনা করেন যে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইদ্রিসকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) আমাকে বললেন, হে মুহাম্মদ! যখন আল্লাহর সাথে নির্জনে থাকবে তখন আল্লাহকে ভয় করো; এমনকি যদি কোনো নেক আমল করো তবে সতর্ক থেকো যেন কোনো মানুষ তা জানতে না পারে। কেননা মহান আল্লাহ কেবল তা-ই কবুল করেন যা কেবল তাঁর চেহারার জন্য একনিষ্ঠভাবে করা হয়। কারণ তিনি বলেছেন: "সবকিছুই ধ্বংসশীল কেবল তাঁর চেহারা ব্যতীত", অর্থাৎ যা দ্বারা তাঁর চেহারা (সন্তুষ্টি) উদ্দেশ্য করা হয়েছে। তুমি ইলমের মর্যাদাকে আঁকড়ে ধরো, কারণ তা নবুয়তের মর্যাদার সাথে যুক্ত। রবীআহ বিন আবু আবদুর রহমান আমাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। এরপর ইমাম মালিক কাঁদলেন, এমনকি আমাকেও কাঁদালেন। মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস বললেন: তখন আমি বুঝতে পারলাম যে মহান আল্লাহ ইমাম মালিকের মর্যাদা কেবল তাঁর ও মহান আল্লাহর মধ্যকার কোনো গোপন রহস্যের (নিষ্ঠার) কারণেই উচ্চ করেছেন। (হ- সমাপ্তি)।

৯৯-আবদুল্লাহ বিন বুকাইর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি মালিককে বলতে শুনেছি, আমি কোনো আলিমের মজলিসে বসার পর সেখান থেকে ফেরার আগেই তাঁর নিকট থেকে শোনা প্রতিটি হাদিস মুখস্থ করে নিতাম। আর আমি পুনরায় তাঁর মজলিসে ফিরে যেতাম না যতক্ষণ না তাঁর থেকে শোনা প্রতিটি হাদিস সম্পর্কে আল্লাহর ওয়াস্তে গভীর চিন্তা ও অনুধাবন সম্পন্ন করতাম। (হ- সমাপ্তি)।

খণ্ডটির সমাপ্তি এবং সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।