(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: -)
مشيخة دانيال القسم: كتب السنة
الكتاب: مشيخة دانيال - مخطوط
المؤلف: دانيال بن منكلي بن صرفا ضياء الدين أبو الفضائل التركماني الشافعي المقرىء قاضي الكرك (ت 696هـ)
تخريج: محمد بن محمد بن الحسين بن عبدك الكنجي
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 76
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
দানিয়ালের মাশয়াখাহ বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: দানিয়ালের মাশয়াখাহ - পাণ্ডুলিপি
লেখক: দানিয়াল বিন মানকালি বিন সারফা জিয়াউদ্দীন আবুল ফাদাইল আত-তুর্কমানি আশ-শাফিয়ি আল-মুকরি আল-কারাকের বিচারক (মৃত্যু ৬৯৬ হিজরি)
তাখরিজ: মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আবদুক আল-কানজি
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খিদরি
[গ্রন্থটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৭৬
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١)
الكتاب: مشيخة دانيال - مخطوط
المؤلف: دانيال بن منكلي بن صرفا الكركي
المتوفى: 696 هـ
تخريج: محمد بن محمد بن الحسين بن عبدك الكنجي
[ل2- أ] /
مشيخةدانيال بن منكلي بن صرفا الكركي الفضائل
لقاضي القضاة أبو الفضائل دانيال بن منكلي بن صرفا الكركي
أدام الله أيامه
تخريج
محمد بن محمد بن الحسين بن عبدك الكنجي
[ل2- ب] / بسم الله الرحمن الرحيم
وبه نستعين
الحمد لله رب العالمين وأشهد أن لا إله إلا الله وحده، لا شريك له الملك الحق المبين، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله سيد المرسلين وخيرة الله من خلقه وخاتم النبيين، صلوات الله عليه وسلامه وعلى آله الطيبين الطاهرين وعلى صحابته البررة المنتخبين، وعلى أزواجه الطاهرات أمهات المؤمنين وعلى التابعين لهم بإحسان إلى يوم الدين. أما بعد:
فإن الإمام الصدر الفاضل الأوحد قاضي القضاة ضياء الدين أبو الفضائل دانيال أدام الله رفعته وشيد منعته ممن طهرت مناقبه واشتهرت مكارمه ومواهبه وشاع حسن تحصيله له للعلوم لاسيما علم الحديث النبوي وأخذه عن شيخ ثقة مرضي وقد سألني أن أخرج له مشيخة من أصول سماعاته ومشهور رواياته عن المشايخ الثقات والسادة الهدات وثبوته عند الأئمة الثقات [ل3- أ] / فبادرت إلى إجابة سؤاله وإظهار الجميل من فضائله وأفضاله راجيا من الله جزيل الثواب والله الهادي إلى الصراط المستقيم ولا حول ولا قوة إلا به العلي العظيم.
شيخ آخر:
বই: মাশয়াখাতু দানিয়াল - পাণ্ডুলিপি
লেখক: দানিয়াল ইবনে মানকালি ইবনে সরফা আল-কারাকি
মৃত্যু: ৬৯৬ হিজরি
তাখরিজ: মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আবদাক আল-কুঞ্জি
[ল২- আ] /
দানিয়াল ইবনে মানকালি ইবনে সরফা আল-কারাকিরমাশয়াখাহ (শিক্ষক তালিকা) ফযিলতসমূহ
কাযিল কুযাত (প্রধান বিচারপতি) আবু আল-ফাদায়িল দানিয়াল ইবনে মানকালি ইবনে সরফা আল-কারাকির জন্য
আল্লাহ তাঁর দিনগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী করুন
তাখরিজ
মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আবদাক আল-কুঞ্জি
[ল২- ব] / পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি।
সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; তিনি সত্য ও স্পষ্ট রাজত্বের মালিক। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল, সকল রাসুলের সর্দার, আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে মনোনীত শ্রেষ্ঠ এবং নবীদের মোহর (সর্বশেষ নবী)। তাঁর প্রতি এবং তাঁর পবিত্র পরিচ্ছন্ন পরিবারবর্গ, তাঁর নেককার ও মনোনীত সাহাবীগণ, তাঁর পবিত্রা পত্নীগণ যারা মুমিনদের মাতা এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবে—সবার প্রতি আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর:
নিশ্চয়ই শ্রেষ্ঠ ইমাম, একক ফযিলতধারী, প্রধান বিচারপতি যিয়াউদ্দীন আবু আল-ফাদায়িল দানিয়াল—আল্লাহ তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন এবং তাঁর প্রতিপত্তি সুদৃঢ় করুন—এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যাঁদের গুণাবলী পবিত্র, যাঁর মর্যাদা ও দানসমূহ সুপরিচিত এবং যাঁর জ্ঞানার্জন—বিশেষ করে নববী হাদিসের ইলম এবং নির্ভরযোগ্য ও সন্তোষজনক শায়খদের নিকট থেকে তা গ্রহণ করার দক্ষতা—ব্যাপকভাবে প্রচারিত। তিনি আমার নিকট অনুরোধ করেছিলেন যেন আমি তাঁর শ্রুত মূল পাণ্ডুলিপিসমূহ এবং নির্ভরযোগ্য শায়খ ও হিদায়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে তাঁর প্রসিদ্ধ বর্ণনাগুলো থেকে একটি ‘মাশয়াখাহ’ (শিক্ষক তালিকা) সংকলন করে দিই এবং নির্ভরযোগ্য ইমামদের নিকট তাঁর বর্ণিত হাদিসসমূহের গ্রহণযোগ্যতা সাব্যস্ত করি। [ল৩- আ] / তাই আমি তাঁর অনুরোধ পালনে এবং তাঁর ফযিলত ও শ্রেষ্ঠত্বের সৌন্দর্য প্রকাশে দ্রুত অগ্রসর হলাম, আল্লাহর নিকট থেকে মহাপুরস্কারের আশা রেখে। আল্লাহই সঠিক পথের দিশারি। আর সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ব্যতীত কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই।
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢)
أخبرنا الشيخ السعيد الحاجب أبو جعفر محمد بن عبد الكريم بن محمد بن أحمد بن أبي علي السيدي البغدادي قراءة عليه وأنا أسمع ببغداد قال: أخبرتنا الشيخة أم عتب تجنى بنت عبد الله الوهبانية قالت: أنبأنا أبو الفوارس طراد بن محمد بن علي العباسي، أنبأنا أبو الفتح هلال بن محمد الكسكري، أنبأنا أبو عبد الله الحسين بن يحيى المتوني، حَدَّثَنَا أَبُو الأَشْعَثِ أحمد بن المقدام، حَدَّثَنَا حَزْمُ بْنُ أَبِي حَزْمٍ، حَدَّثَنَا مَيْمُونُ بْنُ سِيَاهٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُمِدَّ اللَّهُ فِي عُمْرِهِ، وَيَزِيدَ فِي رِزْقِهِ، فَلْيَبَرَّ وَالِدَيْهِ، وَلْيَصِلْ رَحِمَهُ.
غريب من هذا الوجه صحيح من حديث أبي مكي ابن شهاب الزهري عن أنس.
أخرجه البخاري ومسلم وأبو داود في كتبهم بطرق شتى والله أعلم [ل3- ب] /
شيخ آخر:
أخبرنا الشيخ أبو يعقوب يوسف بن محمود ابن الحسين الساوي قراءة عليه وأنا أسمع بالقاهرة المحروسة، قيل له أخبركم أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد السلفي الحافظ قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به أبو عبد الله القاسم بن الفضل الثقفي، أنبأنا أبو زكريا يحيى بن إبراهيم بن محمد المزكى أنبأنا أبو محمد عبد الله بن إسحاق بن إبراهيم، حدثنا أحمد بن محمد بن عيسى القاضي وأحمد بن إسحاق الوراق قالا: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الحَكَمِ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ إِلَى تَبُوكَ، وَاسْتَخْلَفَ عَلِيًّا، فَقَالَ: أَتُخَلِّفُنِي فِي الصِّبْيَانِ وَالنِّسَاءِ؟ قَالَ: أَلَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ، مِنْ مُوسَى إِلَاّ أَنَّهُ لَيْسَ نَبِيٌّ بَعْدِي.
ধন্য শায়খ হাজিব আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কারিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবি আলি আস-সায়্যিদি আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার নিকট পাঠ করা হয়েছে যখন আমি বাগদাদে শুনছিলাম, তিনি বলেন: শায়খা উম্মু উতাব তুজনা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-ওয়াহবানিয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল ফাওয়ারিস তুরাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-আব্বাসি আমাদের অবহিত করেছেন, আবুল ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মদ আল-কাসকারি আমাদের অবহিত করেছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাতুনি আমাদের অবহিত করেছেন, আবুল আশআস আহমাদ ইবনুল মিকদাম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হাজম ইবনে আবি হাজম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মায়মুন ইবনে সিয়াহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে আল্লাহ তার আয়ু দীর্ঘায়িত করুন এবং তার রিজিকে প্রবৃদ্ধি দান করুন, সে যেন তার পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ করে এবং তার আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখে।"
এই সূত্রে এটি গারিব, তবে আবু মাক্কি ইবনে শিহাব আজ-জুহরি কর্তৃক আনাস থেকে বর্ণিত হাদিস হিসেবে এটি সহিহ।
ইমাম বুখারি, মুসলিম এবং আবু দাউদ তাদের কিতাবসমূহে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন। [পৃষ্ঠা ৩- খ] /
অপর একজন শায়খ:
শায়খ আবু ইয়াকুব ইউসুফ ইবনে মাহমুদ ইবনুল হুসাইন আস-সাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার নিকট পাঠ করা হয়েছে যখন আমি সুরক্ষিত কায়রোতে শুনছিলাম। তাকে বলা হলো, হাফিজ আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আস-সিলাফি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি তা শুনছিলেন, ফলে তিনি তা স্বীকার করেছেন। আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফাদল আস-সাকাফি (আমাদের সংবাদ দিয়েছেন), আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-মুজাক্কি আমাদের অবহিত করেছেন, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আমাদের অবহিত করেছেন, আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আল-কাদি এবং আহমাদ ইবনে ইসহাক আল-ওয়াররাক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেন: মুসাদ্দাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন শু'বাহ থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি মুসআব ইবনে সাদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবুকের উদ্দেশ্যে বের হলেন এবং আলীকে (মদিনায়) স্থলাভিষিক্ত করে গেলেন। তখন তিনি (আলী) বললেন: "আপনি কি আমাকে শিশুদের এবং নারীদের মাঝে রেখে যাচ্ছেন?" তিনি বললেন: "তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আমার নিকট তোমার মর্যাদা হারুনের মর্যাদা মুসার নিকট যেমন ছিল তেমন হোক? তবে পার্থক্য কেবল এই যে, আমার পরে আর কোনো নবী নেই।"
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٣)
صحيح رواه البخاري عن مسدد فوقع لنا موافق ولله الحمد.
شيخ آخر:
أخبرنا الشيخ الفقيه ابن المعالي أحمد بن القاضي أبو نصر محمد بن هبة الله الشيرازي قراءة عليه وأنا أسمع بجامع دمشق في ربيع الأول سنة تسع وثلاثين وست مئة، أنبأنا أبو عبد الله محمد بن الحسن ابن صدقة الحراني، أنبأنا فقيه الحرمين أبو عبد الله محمد بن الفضل [ل4- أ] / الفراوي، أنبأنا أبو سعيد محمد بن عبد الرحمن النحوي، أنبأنا أبو عمر ومحمد ابن أحمد العدل،، أنبأنا أبو يعلى أحمد بن علي بن المثنى، حدثنا محرر بن عون عن ابن عون، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عن أَبِيه، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، يَأْكُلُ الْقِثَّاءَ بِالرُّطَبِ.
صحيح غريب عال، أخرجه البخاري عن محمد بن مقاتل المروزي عن عبد الله بن المبارك عن إبراهيم بن سعد.
وأخرجه مسلم عن يحيى بن يحيى وعبد الله بن عون الحرار عن إبراهيم
وقد تفرد إبراهيم بن سعد عن أبيه سعد بن إبراهيم بن عبد الرحمن بن عوف وليس لسعد بن إبراهيم في الصحيحين عن عبد الله بن جعفر بن أبي طالب سوى هذا الحديث فوقع لنا موافقا، والله أعلم.
[وبالإسناد المتقدم، إلى أبي عبد الله محمد بن الفضل الفراوي، أنبأنا الأستاذ أبو يعلى إسحاق بن عبد الرحمن الصابوني، أنبأنا أبو سعيد عبد الله بن محمد القرشي الضرسي، حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بن أبي كثير، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَدْعُو: اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ النَّارِ، وَمِنْ فِتْنَةِ المَحْيَا وَالمَمَاتِ، وَمِنْ فِتْنَةِ المَسِيحِ الدَّجَّالِ]
شيخ آخر:
এটি সহীহ, ইমাম বুখারী এটি মুসাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাই এটি আমাদের জন্য মুওয়াফিক হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে, আল্লাহর সমস্ত প্রশংসা।
অন্য একজন শাইখ:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আল-ফকিহ ইবনুল মা’আলী আহমাদ বিন আল-কাজী আবু নাসর মুহাম্মদ বিন হিবাতুল্লাহ আশ-শিরাজি, তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম দামেস্কের জামে মসজিদে ছয়শত ঊনচল্লিশ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-হাসান ইবনে সাদাকা আল-হাররানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহুল হারামাঈন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল [পত্র ৪- ক] / আল-ফারাবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আন-নাহবী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-আদল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়া’লা আহমাদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহররির বিন আউন, তিনি ইবনে আউন থেকে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম বিন সা’দ, তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাজা খেজুরের সাথে শসা খেতে দেখেছি।
এটি সহীহ, গরিব এবং উচ্চপর্যায়ের (আলি) সনদ সম্পন্ন, ইমাম বুখারী এটি মুহাম্মদ বিন মুকাতিল আল-মারওয়াযী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন সা’দ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া এবং আবদুল্লাহ বিন আউন আল-হাররার থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর ইব্রাহিম বিন সা’দ তাঁর পিতা সা’দ বিন ইব্রাহিম বিন আবদুর রহমান বিন আউফ থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, এবং সহীহাইন-এ আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন আবি তালিব থেকে বর্ণিত সা’দ বিন ইব্রাহিমের এই একটিমাত্র হাদীস রয়েছে, ফলে এটি আমাদের কাছে মুওয়াফিক হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
[এবং পূর্বোক্ত সনদে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আল-ফারাবি পর্যন্ত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উস্তাদ আবু ইয়া’লা ইসহাক বিন আবদুর রহমান আস-সাবুনী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কুরাশী আদ-দারসী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসলিম বিন ইব্রাহিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হিশাম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আবু কাসীর, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বলে দোয়া করতেন: হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।]
অন্য একজন শাইখ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٤)
أخبرنا الشيخ ابن المنجا عبد الله بن عمر بن اللتي قراءة عليه وأنا أسمع قيل له: أخبركم أبو الوقت عبد الأول بن عيسى بن شعيب السجزي الصوفي قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به، أنبأنا أبو الحسن عبد الرحمن بن محمد بن المظفر الداودي قراءة عليه وأنا أسمع، أنبأنا أبو محمد عبد الله بن أحمد بن حمويه السرخسي، أنبأنا أبو عمران عيسى بن [ل4- ب] / عمر بن العباس السمرقندي، أنبأنا أبو محمد عبد الله بن عبد الرحمن الداري، أنبأنا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ قَيْسٍ عَنْ قَزَعَةَ ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ قَالَ: رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَاوَاتِ وَمِلْءَ الأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ أَحَقُّ مَا قَالَ الْعَبْدُ وَكُلُّنَا لَكَ عَبْدٌ اللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ.
صحيح أخرجه مسلم في الصلاة عن عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي عن مروان بن محمد عن سعيد بن عبد العزيز عن عطية بن قيس عن قزعة بن يحيى كما أخرجناه فوقع لنا موافقا.
শেখ ইবনুল মানজা আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আল-লাত্তি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তাঁকে বলা হয়েছে: আবুল ওয়াক্ত আবদুল আউয়াল ইবনে ঈসা ইবনে শুআইব আস-সিজজি আস-সুফি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি তা শুনছিলেন, এরপর তিনি তা স্বীকার করেছেন; আবুল হাসান আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-মুজাফ্ফার আদ-দাউদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম; আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হামউয়াহ আস-সারখাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু ইমরান ঈসা ইবনে [৪-খ] / উমর ইবনে আল-আব্বাস আস-সামারকান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আদ-দারিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; সাঈদ ইবনে আবদুল আজিজ আতিয়্যাহ ইবনে কায়াস থেকে, তিনি কাজাআ থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু থেকে তাঁর মাথা উঠাতেন তখন বলতেন: "হে আমাদের রব, আপনার জন্যই সকল প্রশংসা; যা আকাশমন্ডলী পূর্ণ করে, পৃথিবী পূর্ণ করে এবং এরপর আপনি যা চান তা পূর্ণ করে। হে প্রশংসা ও মহিমার অধিকারী, বান্দা যা বলে তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় সত্য, আর আমরা সবাই আপনারই বান্দা। হে আল্লাহ, আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর কেউ নেই, আর আপনি যা আটকে দেন তা দান করার কেউ নেই। আর কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার কাছে কোনো কাজে আসবে না।"
এটি সহিহ। ইমাম মুসলিম এটি সালাত অধ্যায়ে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আদ-দারিমি হতে, তিনি মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ হতে, তিনি সাঈদ ইবনে আবদুল আজিজ হতে, তিনি আতিয়্যাহ ইবনে কায়াস হতে, তিনি কাজাআ ইবনে ইয়াহইয়া হতে বর্ণনা করেছেন যেমনটি আমরা বর্ণনা করেছি। ফলে এটি আমাদের নিকট 'মুওয়াফাকা' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٥)
أخبرنا عبد الله بن عمر أبو المنجا، أنبأنا أبو الفتوح محمد بن محمد الطائي، أنبأنا أبو محمد الحسن بن منصور السمعاني، أنبأنا والدي شيخ الإسلام أبو المظفر منصور بن محمد السمعاني قال حكي عن سَمِعْتُ إِسْحَاقَ بْنَ رَاهُوَيْهِ، أنه قال: إن الله تعالى قَالَ: لَمْ يَكُنْ لِيَجْمَعَ أُمَّةَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم عَلَى ضَلَالَةٍ، فَإِذَا رَأَيْتُمُ الاِخْتِلَافَ فَعَلَيْكُمْ بِالسَّوَادِ الأَعْظَمِ فقيل له: يَا أَبَا يَعْقُوبَ مَنِ السَّوَادُ الأَعْظَمُ؟ فَقَالَ: مُحَمَّدُ بْنُ أَسْلَمَ ومن معه قال إسحاق:ولو سألت الجهال عن ذلك لقالوا جماعة الناس ولايعلمون أن الجماعة عالم متمسك بالكتاب والسنة ثم قال إسحاق: لم أسمع [ل5- أ] / عالما منذ خمسين سنة اشد تمسكا بأثر النبي صلى الله عليه وسلم من محمد بن اسلم الطوسي.
وبه أخبرنا أبو الفتوح الطائي قال: أنشدنا الشيخ الإمام جمال الإسلام أبو الحسن فيد بن عبد الرحمن بن شاذي الشعراني لبعضهم:
كل العلوم سوى القرآن زندقة = إلا الحديث وإلا الفقه في الدين
والعلم متبع ما قال حدثنا = وما سوى ذاك وسواس الشياطين
شيخ آخر:
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আবুল মানজা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল ফুতুহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আত-তাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে মনসুর আস-সামআনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতা শায়খুল ইসলাম আবু মুজাফফর মনসুর ইবনে মুহাম্মদ আস-সামআনী আমাদের সংবাদ দিয়ে বলেছেন যে, ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা বলেছেন: তিনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতকে পথভ্রষ্টতার ওপর একত্রিত করবেন না। সুতরাং যখন তোমরা মতভেদ দেখবে, তখন তোমরা ‘সাওয়াদে আজম’ (বৃহত্তম দল)-কে আঁকড়ে ধরবে। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আবু ইয়াকুব, সাওয়াদে আজম কারা? তিনি বললেন: মুহাম্মদ ইবনে আসলাম এবং যারা তাঁর সাথে আছে। ইসহাক বলেন: যদি আপনি মূর্খদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন তবে তারা বলবে সাধারণ মানুষের জনসমষ্টি, অথচ তারা জানে না যে ‘জামাআত’ হলো এমন একজন আলেম যিনি কিতাব ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরেন। এরপর ইসহাক বলেন: আমি গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে মুহাম্মদ ইবনে আসলাম আত-তুসীর চেয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শকে (আসার) অধিকতর শক্তভাবে আঁকড়ে ধরা কোনো আলেম সম্পর্কে শুনিনি। [৫-ক] /
এবং এর মাধ্যমে আবুল ফুতুহ আত-তাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: শায়খ ইমাম জামালুল ইসলাম আবু হাসান ফায়দ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে শাজী আশ-শারানী আমাদের নিকট কোনো এক কবির এই কবিতা আবৃত্তি করেছেন:
কুরআন ব্যতীত সকল ইলমই হলো বিভ্রান্তি বা যিন্দিকি; তবে হাদিস এবং দ্বীনের ফিকহ (গভীর জ্ঞান) ব্যতিরেকে।
আর ইলম হলো তা-ই, যা ‘আমাদের নিকট বর্ণনা করা হয়েছে’ (সনদ) অনুসরণ করে; এছাড়া যা কিছু আছে তা শয়তানের কুমন্ত্রণা।
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٦)
أخبرنا أبو حفص عمر بن نصر الله بن محفوظ بن الحسن بن صصرى التغلبي قراءة عليه وأنا أسمع بجامع دمشق، قيل له أخبركم أبو عبد الله محمد بن صدقة الحراني قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به، أنبأنا أبو عبد الله محمد بن الفضل الفراوي الفقيه،، أنبأنا محمد بن أبو سعد بن أبي مكي النحوي،، أنبأنا أبو سعيد عبد الله بن محمد الرازي، أنبأنا محمد بن أيوب البجلي، أنبأنا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَلَدَ فِي الْخَمْرِ بِالْجَرِيدِ وَالنِّعَالِ، ثُمَّ جَلَدَ أَبُو بَكْرٍ أَرْبَعِينَ، فَلَمَّا وَلِيَ عُمَرُ دَعَا النَّاسَ، فَقَالَ لَهُمْ: إِنَّ النَّاسَ قَدْ دَنَوْا مِنَ الرِّيفِ، فَمَا تَرَوْنَ فِي حَدِّ الْخَمْرِ، فَقَالَ لَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ: نَرَى [ل5- ب] / أَنْ تَجْعَلَهُ كَأَخَفِّ الْحُدُودِ فَجَلَد فيه ثَمَانِينَ.
صحيح رواه البخاري عن مسلم بن إبراهيم فوقع لنا موافقا.
شيخ آخر:
أخبرنا الشيخ المرجا بن أبي الحسن علي بن هبة الله الواسطي قراءة عليه وأنا أسمع، قيل له أخبركم القاضي أبو طالب بن اللبابي قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به، أنبأنا أبو القاسم علي بن أحمد بن محمد بن بيان الوزان، أنبأنا أبو الحسن محمد بن محمد بن محمد بن مخلد، أنبأنا إسماعيل بن محمد بن إسماعيل عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ الحَضْرَمِيِّ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: الجَاهِرُ بِالقُرْآنِ، كَالجَاهِرِ بِالصَّدَقَةِ، وَالمُسِرُّ بِالقُرْآنِ، كَالمُسِرِّ بِالصَّدَقَةِ.
আবু হাফস উমর বিন নাসরুল্লাহ বিন মাহফুজ বিন আল-হাসান বিন সাসরা আত-তাগলিবি দামেস্কের জামে মসজিদে আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম। তাঁকে বলা হলো, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন সাদাকা আল-হাররানি আপনার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ প্রদান করেছেন এবং আপনি তা শুনছিলেন ও স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফদল আল-ফাররাবি। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন মুহাম্মদ বিন আবু সাদ বিন আবি মাক্কি আন-নাহবি। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আবু সাইদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আর-রাজি। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব আল-বাজালি। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন মুসলিম বিন ইব্রাহিম। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন আবি আব্দুল্লাহ। তিনি কাতাদা থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সা.) মদের (শাস্তিতে) খেজুরের ডাল ও জুতা দিয়ে কশাঘাত করেছেন। অতঃপর আবু বকর (রা.) চল্লিশটি কশাঘাত করেছেন। এরপর যখন উমর (রা.) খলিফা হলেন, তিনি লোকজনকে ডেকে বললেন, "মানুষ উর্বর ভূমির নিকটবর্তী হয়েছে, সুতরাং মদের শাস্তির বিষয়ে তোমাদের অভিমত কী?" তখন আব্দুর রহমান বিন আউফ (রা.) তাঁকে বললেন, "আমরা মনে করি যে আপনি একে সর্বনিম্ন হদ (শাস্তি) হিসেবে নির্ধারণ করুন।" ফলে তিনি এতে আশিটি কশাঘাত করলেন।
সহিহ, ইমাম বুখারি এটি মুসলিম বিন ইব্রাহিমের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যা আমাদের নিকট একইভাবে পৌঁছেছে।
অন্য একজন শাইখ:
শাইখ আল-মুরজা বিন আবুল হাসান আলী বিন হিবাতুল্লাহ আল-ওয়াসিতি আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম। তাঁকে বলা হলো, কাজি আবু তালিব বিন আল-লুবাবি আপনার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ প্রদান করেছেন এবং আপনি তা শুনছিলেন ও স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আবুল কাসিম আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন বয়ান আল-ওয়াযান। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন আবু হাসান মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মাখলাদ। তিনি বলেন, আমাদের অবহিত করেছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল, তিনি বাহীর বিন সাদ থেকে, তিনি খালিদ বিন মাদান থেকে, তিনি কাসীর বিন মুররা আল-হাদরামি থেকে, তিনি উকবা বিন আমির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি: প্রকাশ্যে কুরআন তিলাওয়াতকারী প্রকাশ্যে দানকারীর ন্যায়, আর গোপনে কুরআন তিলাওয়াতকারী গোপনে দানকারীর ন্যায়।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٧)
حديث حسن أخرجه أبو عيسى الترمذي في جامعه عن الحسن بن عرفة كما أخرجناه فوقع لنا موافقا وقال هذا حسن غريب.
شيخ آخر:
أخبرنا الصدر الصاحب أبي المعالي [ل6- أ] / هبة الله بن أبي علي، الحسن بن هبة الله بن الدواي، قراءة عليه وأنا أسمع ببغداد قال: أخبرتنا تجنى بنت عبد الله الأبري قالت: أنبأنا أبو الفضل محمد بن عبد السلام الأنصاري أبو الفوارس طراد بن محمد بن علي القرشي العباسي قراءة عليه، أنبأنا أبو نصر أحمد بن محمد بن أحمد بن حسنون النرسي الشيخ الصالح، أنبأنا أبو جعفر محمد بن عمرو بن البختري الدرار إملاء، حدثنا سعدان بن نصر بن منصور، حَدَّثَنَا سفيان عن الزُّهْرِيَّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أبي سَلَمَةَ، عَنْ حبيبة عن أمهاأُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ زوج النبي صلى الله عليه وسلم قَالَتْ: اسْتَيْقَظَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنَ النَّوْمِ مُحْمَرًّا وَجْهُهُ يَقُولُ: لَا إِلَهَ إِلَاّ اللَّهُ، ثلاث مرات وَيْلٌ لِلْعَرَبِ مِنْ شَرٍّ قَدِ اقْتَرَبَ، فُتِحَ اليَوْمَ مِنْ رَدْمِ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مِثْلُ هَذِهِ وحلق حلقة قلت يا رسول الله: أَنَهْلِكُ وَفِينَا الصَّالِحُونَ؟ قَالَ: نَعَمْ، إِذَا كَثُرَ الخَبَثُ.
رواه البخاري عن أبي غسان مالك بن إسماعيل النهدي
ورواه مسلم عن أبي بكر بن أبي شيبة الكوفي وسعيد ابن عمرو الأشعثي، وزهير بن حرب كلهم عن سفيان إلا أن البخاري لم يذكر حبيبة في الإسناد.
شيخ آخر:
এটি একটি হাসান হাদীস। ইমাম আবু ঈসা আত-তিরমিযী তাঁর জামে গ্রন্থে এটি হাসান ইবনে আরাফাহর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যেমনটি আমরা বর্ণনা করেছি, ফলে এটি আমাদের নিকট তাঁর বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ (মুওয়াফাক) হিসেবে পৌঁছেছে। তিনি বলেছেন, এটি হাসান গারীব।
অন্য একজন শাইখ:
আস-সাদর আস-সাহিব আবিল মাআলি [৬- ক] / হিবাতুল্লাহ ইবনে আবি আলি, হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে আদ-দাওয়াই আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: তাজনি বিনতে আবদুল্লাহ আল-আবরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে আবদুস সালাম আল-আনসারী আবু ফাওয়ারিস তুরাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-কুরাশি আল-আব্বাসি আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে জানিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু নাসর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হাসনুন আন-নারসি আশ-শাইখ আস-সালিহ আমাদের জানিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে আল-বাখতারি আদ-দাররার আমাদের ইমলার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: সাদান ইবনে নাসর ইবনে মানসুর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। সানি বলেন: সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি যয়নব বিনতে আবি সালামাহ থেকে, তিনি হাবীবা থেকে, তিনি তাঁর মা উম্মে হাবীবা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী যয়নব থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে জাগলেন, তাঁর চেহারা মোবারক রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছিল, তিনি বলছিলেন: "আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই" - এ কথাটি তিনবার বললেন। "আরবদের জন্য ধ্বংস সেই অনিষ্টের কারণে যা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরে এই পরিমাণ ছিদ্র হয়ে গেছে" - এই বলে তিনি একটি বৃত্ত তৈরি করলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মাঝে পুণ্যবান লোক থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, যখন পাপাচার বৃদ্ধি পাবে।"
ইমাম বুখারী এটি আবু গাসসান মালিক ইবনে ইসমাইল আন-নাহদি থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ আল-কুফি, সাঈদ ইবনে আমর আল-আশআসি এবং যুহাইর ইবনে হারব থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে বুখারী তাঁর সনদে হাবীবাহর উল্লেখ করেননি।
অন্য একজন শাইখ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٨)
أخبرنا الشيخ أبو عبد الله محمد بن عبد القادر [ل6- ب] / بن محمد بن أبي سهيل البنديجي قال: أنبأنا أبو القاسم يحيى بن أسعد بن يحيى بن بوش، أنبأنا أبو طالب عبد القادر بن محمد بن يوسف، أنبأنا أبو محمد الحي بن علي بن محمد الجوهري، أنبأنا أبو الحسين محمد بن المظفر الحافظ، حدثنا أبو الحسن علي بن أحمد بن سليمان، أنبأنا الحارث يعني ابن مسكين، أنبأنا أبو القاسم حدثني مَالِكٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى المَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ الخُدْرِيَّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ مِنَ الإِبِلِ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ.
صحيح من حديث يحيى بن عمارة عن أبي سعيد سعد بن مالك الأنصاري مشهور من حديث الزهري عن سفيان بن عيينة عن عمرو بن يحيى المازني.
شيخ آخر:
শায়খ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কাদির [ল৬- ব] / ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি সুহাইল আল-বান্দিজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম ইয়াহইয়া ইবনে আসআদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বুশ আমাদের জানিয়েছেন, আবু তালিব আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আমাদের জানিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আল-হাই ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারি আমাদের জানিয়েছেন, আবু হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুজাফ্ফার আল-হাফিজ আমাদের জানিয়েছেন, আবুল হাসান আলী ইবনে আহমাদ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস অর্থাৎ ইবনে মিসকিন আমাদের জানিয়েছেন, আবুল কাসিম আমাদের জানিয়েছেন, মালিক আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাজিনি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু সাঈদ আল-খুদরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: পাঁচটির কম উটের ক্ষেত্রে কোনো সদকা নেই, পাঁচ উকিয়ার কম (রৌপ্যের) ক্ষেত্রে কোনো সদকা নেই এবং পাঁচ ওয়াসাকের কম (শস্যের) ক্ষেত্রে কোনো সদকা নেই।
এটি ইয়াহইয়া ইবনে উমারা কর্তৃক বর্ণিত আবু সাঈদ সাদ ইবনে মালিক আল-আনসারির হাদীস থেকে সহীহ এবং যুহরি হতে সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা কর্তৃক বর্ণিত আমর ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাজিনির হাদীস হিসেবে প্রসিদ্ধ।
অন্য শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٩)
أخبرنا الشيخ عبد الحميد بن محمد بن سعد بن الطنان المقدسي قراءة عليه وأنا أسمع بجامع دمشق، أنبأنا أبو الفرح يحيى بن محمود الثقفي، أنبأنا أبو علي الحسن بن أحمد الحداد، أنبأنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ أبو بكر محمد بن الحسين، حدثنا جعفر بن محمد الفريابي، حدثنا محمد بن الحسين البلخي، أخبرنا ابن المبارك، أنبأنا زكريا بن أبي زائدة، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قال: سمعت النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، يَقُولُ على المنبر: وَأَهْوَى بِإِصْبَعَيْهِ إِلَى أُذُنَيْهِ يقول: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم،، الْحَلَالَ بَيِّنٌ، الْحَرَامَ بَيِّنٌ [ل7- أ] /، وَبَيْنَهُمَا مُشْتَبِهَاتٌ لَا يَعْلَمُها كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ، فَمَنِ اتَّقَى الشُّبُهَاتِ فقد اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ، وَعِرْضِهِ، وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ وَقَعَ فِي الْحَرَامِ، كَالرَّاعِي يَرْعَى حَوْلَ الْحِمَى، يُوشِكُ أَنْ يَرْتَعَ فِيهِ، أَلَا وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى، أَلَا وَإِنَّ حِمَى اللهِ مَحَارِمُهُ.
أخرجه البخاري من غير هذا الوجه عن أبي نعيم وهو الفضل بن دكين فذكره بإسناد، ومعناه زائد ألا وأن في الجسد مضغة إذا صلحت صلح الحسد كله وإذا فسدت فسد الجسد كله وزاد غيره ألا وهي القلب.
أخرجه البخاري عن أبي نعيم عن زكريا بن أبي زائدة.
وأخرجه مسلم من أوجه عن زكريا بن أبي زائدة فوقع لنا بدلا عاليا وبالله التوفيق.
شيخ آخر:
শেখ আব্দুল হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন সাদ বিন আত-তান্নান আল-মাকদিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি দামেস্কের জামে মসজিদে তা শুনছিলাম। তিনি বলেন, আবুল ফরাহ ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ আস-সাকাফি আমাদের জানিয়েছেন, আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ আল-হাদ্দাদ আমাদের জানিয়েছেন, আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ এবং আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আমাদের জানিয়েছেন, জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরিয়াবি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-বালখি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যাকারিয়া বিন আবি যায়িদাহ আমাদের জানিয়েছেন, আশ-শাবি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নুমান বিন বশিরকে মিম্বারের উপর বলতে শুনেছি, এবং তিনি তাঁর দুই আঙ্গুল দিয়ে নিজের দুই কানের দিকে ইশারা করে বলছিলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট [ল৭- অ] /, আর এ দুয়ের মাঝে রয়েছে সন্দেহযুক্ত বিষয়াদি যা অনেক মানুষই জানে না। অতএব যে ব্যক্তি সন্দেহযুক্ত বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকল, সে নিজের দ্বীন ও সম্মানকে পবিত্র রাখল। আর যে ব্যক্তি সন্দেহযুক্ত বিষয়ে লিপ্ত হলো, সে হারামে পতিত হলো; ওই রাখালের মতো যে সংরক্ষিত চারণভূমির আশেপাশে পশু চরায়, অচিরেই তার পশু সেখানে ঢুকে পড়ার উপক্রম হয়। জেনে রেখো, প্রত্যেক রাজারই একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে। আরও জেনে রেখো যে, আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ।
ইমাম বুখারি এটি অন্য সূত্রে আবু নুআইম—যিনি ফজল বিন দুকাইন—থেকে বর্ণনা করেছেন এবং একটি সনদে এটি উল্লেখ করেছেন। এর অর্থে অতিরিক্ত রয়েছে: "জেনে রেখো, শরীরের মধ্যে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে, যদি তা সংশোধন হয়ে যায় তবে পুরো শরীরই সংশোধন হয়ে যায়, আর যদি তা নষ্ট হয়ে যায় তবে পুরো শরীরই নষ্ট হয়ে যায়।" এবং অন্য বর্ণনাকারী অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন: "জেনে রেখো, সেটি হলো কলব (অন্তর)।"
ইমাম বুখারি এটি আবু নুআইম থেকে, তিনি যাকারিয়া বিন আবি যায়িদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম মুসলিম যাকারিয়া বিন আবি যায়িদাহ থেকে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের কাছে একটি উচ্চমানের বিকল্প সনদ (বাদাল আলি) হিসেবে পৌঁছেছে। আর আল্লাহর মাধ্যমেই তাওফিক লাভ হয়।
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١٠)
أخبرنا الشيخ الزاهد أبو محمد نفيس بن سعيد بن نجم بن الحمود الدارقزي إجازة إن لم يكن سماعا قال أنبأنا أبو الفتح عبيد الله بن عبد الله بن شاتيك قراءة عليه وأن أسمع أنبأنا أبو الحسن علي بن محمد بن علي بن العلاف، أنبأنا أبو الحسن علي بن أحمد بن عمر المقريء، أنبأنا أبو بكر محمد بن الحسين الأجري، حدثنا محمد بن داود، حدثنا محمد بن معمر، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة قال: سمعت إِسْمَاعِيلُ [ل7- ب] / بْنُ أَبِي خَالِدٍ قال: سمعت قَيْسُ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ جَرِيرَ قال كنا مع رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ الْبَدْرِ، فَقَالَ: إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هَذَا الْقَمَرَ، لَا تُضَامُّونَ فِي رُؤْيَتِهِ، حافظوا على هاتين صلاتين قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ، وَقَبْلَ غُرُوبِهَا، وقَرَأَ هاتين الأيتين {وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا} .
صحيح من طرق إلى إسماعيل وذكر فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لَا تُغْلَبُوا عَلَى صَلَاةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا، فَافْعَلُوا، ثُمَّ قَرَأَ: {وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ.
وأخبرنا أبو محمد نفيس، أخبرنا أبو الفتح عبيد الله بن شاتيك، أنبأنا أبو الحسن علي بن محمد العلاني، أنبأنا أبو الحسن علي بن أحمد بن عمر المقريء قراءة عليه قيل له حدثكم أبو بكر أحمد بن جعفر بن سالم، حدثنا أبو بكر محمد بن إسماعيل بن عامر التمار الرقي، حدثنا الربيع بن سليمان قال: سمعت الشافعي يقول ليس العلم ما حفظ، العلم ما نفع وبه سمعت الربيع بن سليمان يقول: سمعت الشافعي يقول: أنفع الزخائر التقوى وأضرها العدوان.
شيخ آخر:
যাহিদ শায়খ আবু মুহাম্মদ নাফিস বিন সাঈদ বিন নাজমু বিন হামুদ আদ-দারাকযি আমাদের ইজাযাহ প্রদান করেছেন, যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে; তিনি বলেন: আবু আল-ফাতহ উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন শাতিক আমাদের নিকট পাঠ করেছেন এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম; তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-আল্লাফ আমাদের অবহিত করেছেন; তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন উমর আল-মুকরি আমাদের অবহিত করেছেন; তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-আজুরি আমাদের অবহিত করেছেন; তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন দাউদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন মা'মার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: রাওহ বিন উবাদাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: শুবা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইসমাইল বিন আবি খালিদকে বলতে শুনেছি: আমি কায়স বিন আবি হাযিমকে বলতে শুনেছি: আমি জারীরকে বলতে শুনেছি: আমরা পূর্ণিমার রাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে দেখতে পাবে যেভাবে তোমরা এই পূর্ণিমার চাঁদটিকে দেখছ; তাঁকে দেখার ক্ষেত্রে তোমরা কোনো ভিড়ের কারণে একে অপরকে কষ্ট দিবে না বা কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হবে না। অতএব তোমরা সূর্যোদয়ের পূর্বের এবং সূর্যাস্তের পূর্বের এই দুই সালাত (আদায়ে) যত্নবান হও।" অতঃপর তিনি এই দুটি আয়াত পাঠ করলেন: {এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে আপনার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করুন}।
এটি ইসমাইল পর্যন্ত বিভিন্ন সূত্রে সহীহ। আর এতে বর্ণিত হয়েছে: "যদি তোমরা সূর্যোদয়ের পূর্বের এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সালাতের ব্যাপারে পরাজিত না হতে সক্ষম হও (অর্থাৎ তা আদায়ে যত্নবান হতে পারো), তবে তা করো।" অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {এবং আপনার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করুন...}।
আবু মুহাম্মদ নাফিস আমাদের অবহিত করেছেন; আবু আল-ফাতহ উবায়দুল্লাহ বিন শাতিক আমাদের অবহিত করেছেন; আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ আল-আল্লানি আমাদের অবহিত করেছেন; আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন উমর আল-মুকরি পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন, তাঁকে বলা হলো: আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন সালিম আপনাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আমির আত-তাম্মার আর-রাক্কি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আর-রাবি বিন সুলাইমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমি ইমাম শাফিয়ীকে বলতে শুনেছি: "ইলম তা নয় যা মুখস্থ করা হয়, বরং ইলম হলো তা যা উপকারে আসে।" এবং এই সূত্রেই আমি আর-রাবি বিন সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: আমি ইমাম শাফিয়ীকে বলতে শুনেছি: "সবচেয়ে উপকারী সঞ্চয় হলো তাকওয়া এবং সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো সীমালঙ্ঘন।"
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١١)
أخبرنا الشيخ المسند أبو بكر محمد بن سعيد أبي الموفق المعروف بابن الخازن النيسابوري شيخ المتصدقة [ل8- أ] / برباط دار الذهب به شرقي مدينة السلام بغداد قراءة عليه وأنا أسمع، قيل له أخبركم أبو زرعة طاهر بن محمد بن طاهر المقدسي قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به، أنبأنا مكي بن منصور بن علان الكرجي، أنبأنا أبو بكر احمد بن الحسن بن أحمد الحيري، أنبأنا أبو العباس محمد بن يعقوب الأصم، أنبأنا الربيع بن سليمان المرادي، أنبأنا الإمام أبو عبد الله محمد بن إدريس الشافعي، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ ذَاتُ رِيحٍ يَقُولُ: أَلَا صَلُّوا فِي الرِّحَالِ.
متفق على صحته.
وبه أخبرنا الشافعي أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: بَيْنَا النَّاسُ بِقُبَاءٍ فِي صَلَاةِ الصُّبْحِ، إِذْ جَاءَهُمْ آتٍ، فَقَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ أُنْزِلَ عَلَيْهِ اللَّيْلَةَ قُرْآنٌ، وَقَدْ أُمِرَ أَنْ يَسْتَقْبِلَ الكَعْبَةَ، فَاسْتَقْبِلُوهَا، وَكَانَتْ وُجُوهُهُمْ إِلَى الشَّأْمِ، فَاسْتَدَارُوا إِلَى الكَعْبَةِ.
متفق علي صحته.
شيخ آخر:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আল-মুসনিদ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আবি আল-মুওয়াফফাক, যিনি ইবনুল খাযিন আন-নিশাপুরী নামে পরিচিত এবং মুতাসাদদিকাহ-এর শায়খ [পৃষ্ঠা ৮- ক]। এটি মদিনাতুস সালাম বাগদাদের পূর্বে অবস্থিত দারুয যাহাব নামক খানকাহে তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তাঁকে বলা হয়েছিল যে, আবু যুরআ তাহির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে তাহির আল-মাকদিসি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আপনি শুনছিলেন, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাক্কি ইবনে মানসুর ইবনে আল্লান আল-কারজি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমদ আল-হিরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-আসাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রাবি ইবনে সুলাইমান আল-মুরাদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শাফিয়ি। মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঠান্ডা ও ঝড়ো রাতে মুয়াজ্জিনকে নির্দেশ দিতেন যেন সে বলে: সাবধান, তোমরা নিজ নিজ বাসস্থানে সালাত আদায় করো।
এর বিশুদ্ধতার ওপর ইমামগণ একমত।
এবং সেই একই সনদে শাফিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন লোকেরা কুবায় ফজরের সালাত আদায় করছিল, তখন এক আগমনকারী তাদের নিকট এসে বলল: নিশ্চয়ই আজ রাতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং তাঁকে কাবার দিকে মুখ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সুতরাং তোমরাও কাবার অভিমুখী হও। তখন তাদের মুখ ছিল সিরিয়ার দিকে, অতঃপর তারা কাবার দিকে ঘুরে গেল।
এর বিশুদ্ধতার ওপর ইমামগণ একমত।
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١٢)
أخبرنا الشيخ أبو العباس أحمد بن عبد الملك بن عثمان المقدسي قراءة عليه وأنا أسمع بجامع دمشق في سنة تسع وثلاثين وست مئة قيل له أخبركم أبو الفرح يحيى بن محمود الثقفي قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به، أنبأنا أبو علي الحسن بن أحمد [ل8- ب] / الحداد، أنبأنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ، حدثنا أبو بكر محمد بن الحسين الأجري، أنبأنا أبو مسلم إبراهيم بن عبد الله الكشي، حدثنا سليمان بن داود الشاذكوني، حدثنا عبد الواحد بن زياد عن معمر عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ.
وبه حدثنا أبو بكر محمد بن الحسين، حدثنا أبو بكر جعفر بن محمد الفريابي، حدثنا هشام بن عمار الدمشقي، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ خَالِدٍ ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي الْعَاتِكَةِ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ ، رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: عَلَيْكُمْ بِالْعِلْمِ قَبْلَ أَنْ يُقْبَضَ ، وَقَبْلَ أَنْ يُرْفَعَ ثُمَّ جَمَعَ بَيْنَ أُصْبُعَيْهِ الْوُسْطَى وَالَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ ، ثُمَّ قَالَ: الْعَالِمُ وَالْمُتَعَلِّمُ شَرِيكَانِ فِي الأَجْرِ ، وَلَا خَيْرَ فِي سائر النَّاسِ بَعْدُ.
شيخ آخر:
শেখ আবু আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল মালিক বিন উসমান আল-মাকদিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি দামেস্কের জামে মসজিদে ৬৩৯ হিজরি সনে তা শ্রবণ করছিলাম। তাঁকে বলা হয়েছিল যে, আবুল ফারাহ ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ আস-সাকাফি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন আপনি শ্রবণ করছিলেন এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন। আবু আলি হাসান বিন আহমদ [ল৮- খ] আল-হাদ্দাদ আমাদের জানিয়েছেন, হাফিজ আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-আজুরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু মুসলিম ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কাশ্শি আমাদের জানিয়েছেন, সুলাইমান বিন দাউদ আশ-শাযকুনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মা'মার থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করেন।
এবং এই একই সূত্রে আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু বকর জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হিশাম বিন আম্মার আদ-দিমাশকি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সাদাকা বিন খালিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, উসমান বিন আবিল আতিকা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলি বিন ইয়াযিদ থেকে, তিনি আল-কাসিম থেকে, তিনি আবু উমামা আল-বাহিলি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ইলম উঠিয়ে নেওয়ার আগে এবং তা বিলুপ্ত হওয়ার আগে তোমরা ইলম অর্জন করো। অতঃপর তিনি তাঁর মধ্যমা ও তর্জনী (বৃদ্ধাঙ্গুলির পার্শ্ববর্তী আঙ্গুল) একত্রিত করলেন এবং বললেন: আলেম (শিক্ষক) ও মুতাআল্লিম (শিক্ষার্থী) উভয়েই সওয়াবের অংশীদার, আর এছাড়া অন্য অবশিষ্ট মানুষের মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই।
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١٣)
أخبرنا أبو بكر أحمد بن عبد الله بن عمر بن أبي بكر البجال قراءة عليه وأنا أسمع بمدينة السلام بغداد قيل له أخبركم شهدة بنت أحمد الأبري قراءة عليها وأنت تسمع فأقر به قالت، أنبأنا أبو الفضل محمد بن عبد السلام الأنصاري، أنبأنا أبو بكر أحمد بن محمد بن أحمد الخوارري البرقاني، أنبأنا أبو بكر الإسماعيلي لفظا لابن يوسف القاضي، حدثنا أبو عمرو بن مرزوق، حدثنا شعبة عنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: لا عدوة [ل9- أ] / لَا طِيَرَةَ، وَيُعْجِبُنِي الْفَأْلُ قيل يَا رَسُولَ اللهِ وَمَا الفَأْلُ؟ قَالَ: الكَلِمَةُالطيبة
صحيح متفق عليه.
رواه البخاري ومسلم جميعا عن بندار عن غندر عن شعبة.
وبه أخبرنا أبو بكر أحمد بن محمد البرقاني، قال: قريء على أبي محمد بن ماسي وأنا أسمع أخبركم يوسف القاضي، حدثنا عمرو بن مرزوق، أنبأنا شعبة عن قتادة عَنْ أَنَسٍ، أن رسول صلى الله عليه وسلم قَنَتَ شَهْرًا يَدْعُو عَلَى رِعْلٍ وَذَكْوَانَ.
رواه مسلم عن عمرو الناقد عن أسود بن عامر عن شعبة.
وقع لنا عاليا وبالله التوفيق.
شيخ آخر:
আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আবি বকর আল-বাজ্জাল, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম শান্তির নগরী বাগদাদে। তাঁকে বলা হলো, শাহদাহ বিনতে আহমাদ আল-আবারি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আপনি শ্রবণ করছিলেন? তখন তিনি তা স্বীকার করলেন। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাদল মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সালাম আল-আনসারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-খাওয়ারিজমি আল-বারকানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-ইসমাঈলি, ইবনে ইউসুফ আল-কাদির শব্দে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবনে মারযুক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: রোগের কোনো সংক্রামকতা নেই এবং কুলক্ষণ বলতেও কিছু নেই, আর আমার নিকট ‘ফাল’ পছন্দনীয়। জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! ‘ফাল’ কী? তিনি বললেন: উত্তম বাক্য।
সহীহ, মুত্তাফাকুন আলাইহি।
ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম উভয়ে এটি বুন্দার থেকে, তিনি গুন্দার থেকে, তিনি শু’বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর এই একই সনদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বারকানি, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ ইবনে মাসির নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম যে, ইউসুফ আল-কাদি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মারযুক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু’বাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাস যাবৎ কুনুত পাঠ করেছেন এবং রি’ল ও যাকওয়ান গোত্রের বিরুদ্ধে প্রার্থনা (বদদোয়া) করেছেন।
ইমাম মুসলিম এটি আমর আন-নাকিদ থেকে, তিনি আসওয়াদ ইবনে আমির থেকে, তিনি শু’বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে এবং আল্লাহর তৌফীকই কাম্য।
অন্য একজন শাইখ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١٤)
أخبرنا الشيخ أبو العباس أحمد بن حامد بن حمد قراءة عليه وأنا أسمع بمصر قال: أنبأنا أبو عبد الله محمد بن حمد بن حامد الأتاجي، أنبأنا أبو الحسن علي بن الحسين بن عمر الفراء الموصلي إجازة، أنبأنا أبو القاسم عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل العناني قراءة عليه وأنا أسمع قال: أنبأنا والدي، أنبأنا أبو بكر أحمد بن مروان المالكي، حدثنا عباس بن محمد الدوري حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ رُومَانَ ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: لَوْ أَنَّ رَجُلاً تَزَوَّجَ امْرَأَةً عَلَى مِلْءِ كَفٍّ مِنْ طَعَامٍ [ل9- ب] / لَكَانَ ذَلِكَ صَدَاقًَا.
وبه حدثنا أبو بكر أحمد بن مروان المالكي، حدثنا جعفر بن أبي عثمان الطيالسي، حدثنا يحيى بن معين، حدثنا محمد بن كثير الصنعاني عن بعض أهل الحجاز قال أبو حازم: كل نعمة لا تقرب من الله عز وجل فهي بلية.
وبه حدثنا أحمد بن مروان، حدثنا أحمد بن عباد التميمي، حدثنا ابن خبيق، عن خلف بن تميم قال: سمعت إبراهيم بن أدهم ينشد:
أرى أناسا بأدنى الدين قد قنعوا
… ولا أراهم رضوا في العيش بالدون
فاستغن بالله عن دنيا الملوك كما
… استغنى الملوك بدنياهم عن الدين
شيخ آخر:
শাইখ আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে হামিদ ইবনে হামদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মিশরে তাঁর সামনে তা পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে হামদ ইবনে হামিদ আল-আতাজি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে উমর আল-ফাররা আল-মাওসিলি ইজাজাহ বা অনুমতির মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল আজিজ ইবনে আল-হাসান ইবনে ইসমাইল আল-আনানি, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মারওয়ান আল-মালিকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দুরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে মুহাম্মাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ ইবনে রুমান, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যদি কোনো ব্যক্তি এক অঞ্জলি পরিমাণ খাদ্যের বিনিময়ে কোনো নারীকে বিবাহ করে, তবে তা-ই মোহর হিসেবে গণ্য হবে।" [৯-খ] /
এবং উক্ত সনদেই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মারওয়ান আল-মালিকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে আবি উসমান আত-তায়ালিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে কাসির আস-সানআনি হিজাজের জনৈক ব্যক্তি থেকে, আবু হাজিম বলেছেন: "যে নেয়ামত বা অনুগ্রহ আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার নিকটবর্তী করে না, তা আসলে একটি বিপদ।"
এবং উক্ত সনদেই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মারওয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্বাদ আত-তামিমি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে খুবাইক, খালাফ ইবনে তামিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম ইবনে আদহামকে এই কবিতা আবৃত্তি করতে শুনেছি:
আমি দেখছি মানুষ সামান্যতম দ্বীন নিয়ে তুষ্ট হয়ে আছে
… অথচ আমি তাদের জীবন যাপনের ক্ষেত্রে নগণ্য কিছুতে সন্তুষ্ট হতে দেখছি না
সুতরাং আল্লাহর সাহায্যে রাজাদের দুনিয়া থেকে অমুখাপেক্ষী হয়ে যাও যেমনভাবে
… রাজারা তাদের দুনিয়া পেয়ে দ্বীন থেকে অমুখাপেক্ষী হয়ে গেছে
অন্য জন শাইখ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١٥)
أخبرنا أبو الرجاء سالم بن عبد الرزاق بن يحيى المقدسي قراءة عليه وأنا أسمع بجامع دمشق، أنبأنا عبد الله محمد بن صدقة الحراني قراءة عليه وأنا أسمع سنة ثمانين وخمس مئة، أخبرنا الفقيه ابن عبد الله محمد بن الفضل الفراوي، أنبأنا أبو الحسين عبد الغافر بن محمد بن عبد الغافر الفارسي، أنبأنا أبو سهل بشر بن أحمد [ل10- أ] / الإسفرايني، حدثنا داود بن الحسين البيهقي، حدثنا يحيى بن يحيى، أنبأنا عباد بن عباد عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو، رضي الله عنه، قَالَ: قال رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ اللَّهَ لَا يَقْبِضُ العِلْمَ انْتِزَاعًا يَنْتَزِعُهُ مِنَ الناس، وَلَكِنْ يَقْبِضُ العُلَمَاء، حَتَّى إِذَا لَمْ يترك عَالِمًا اتَّخَذَ النَّاسُ رُؤُوسًا جُهَّالاً، فَإذاسُئِلُوا أَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ، فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا.
حديث صحيح عال من حديث هشام بن عروة متفق عليه فرواه البخاري عن إسماعيل بن أويس عن مالك.
ورواه مسلم عن يحيى بن يحيى عن عباد بن عباد المهلبي كلاهما عن هشام بن عروة فوقع لنا موافقا عاليا ولله الحمد.
شيخ آخر:
আবু আল-রাজা সালিম বিন আব্দুল রাজ্জাক বিন ইয়াহইয়া আল-মাকদিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি দামেস্কের জামে মসজিদে শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন সাদাকা আল-হাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি ৫৮০ হিজরি সনে শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: ফকিহ ইবনে আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আল-ফারাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আব্দুল গাফির বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল গাফির আল-ফারিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাহল বিশর বিন আহমাদ [ল১০- ক] / আল-ইসফারাইনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: দাউদ বিন আল-হুসাইন আল-বাইহাকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাদ বিন আব্বাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের মধ্য থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে ইলম বা জ্ঞান কবজ করবেন না; বরং তিনি আলেমদের কবজ করার (মৃত্যুর) মাধ্যমে ইলম কবজ করবেন। এমনকি যখন কোনো আলেম অবশিষ্ট থাকবে না, তখন মানুষ মূর্খদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে। অতঃপর তাদের নিকট ফতোয়া চাওয়া হলে তারা ইলম ছাড়াই ফতোয়া দেবে, ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে।
এটি হিশাম বিন উরওয়াহ-এর বর্ণিত একটি সহিহ ও উচ্চ পর্যায়ের (আলি) হাদিস, যা মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারি এটি ইসমাইল বিন উওয়াইস থেকে, তিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আব্বাদ বিন আব্বাদ আল-মুহাল্লাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়েই হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদ ও ঐকমত্যের সাথে পৌঁছেছে, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١٦)
أخبرنا الشيخ الإمام العالم مفتي الشام الخطيب أبو الفضائل عبد الكريم بن القاضي الإمام أبي القاسم عبد الصمد بن محمد الأنصاري قراءة عليه [ل10- ب] / وأنا أسمع، بجامع دمشق، قيل له أخبركم أبو طاهر بركات بن إبراهيم بن طاهر الخشوعي، قراءة، وأنت تسمع، فأقر به، أنبأنا أبو محمد هبة الله بن أحمد الأكفاني، أنبأنا أبو الحسين محمد بن مكي بن عثمان الأزدي، أنبأنا أبو مسلم محمد بن أحمد بن علي الكاتب، حدثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي، حَدَّثَنَا أبو نصر عبد الملك بن عبد العزيز النسائي التمار، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الْوَرْقَاءِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: مَنْ قَالَ إِحْدَى عَشْرَةَ مَرَّةً: لَا إِلَهَ إِلَاّ اللَّهُ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، أَحَدًا صَمدًا، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ، كَتَبَ اللَّهُ لَهُ أَلْفَيْ حَسَنَةٍ.
شيخ آخر:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, আলিম, শামের মুফতি, খতিব আবুল ফাদায়িল আব্দুল কারিম বিন আল-কাদি আল-ইমাম আবুল কাসিম আব্দুস সামাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আনসারি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে [ল১০- খ] এবং আমি শুনছিলাম দামেস্কের জামে মসজিদে। তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বারাকাত বিন ইবরাহিম বিন তাহির আল-খুশুয়ি, পাঠ করার মাধ্যমে এবং আপনি শুনছিলেন, আর তিনি তা স্বীকার করেছেন। আমাদের জানিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ আল-আকফানি, আমাদের জানিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ বিন মাক্কি বিন উসমান আল-আযদি, আমাদের জানিয়েছেন আবু মুসলিম মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আলি আল-কাতিব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু নাসর আব্দুল মালিক বিন আব্দুল আজিজ আন-নাসায়ি আত-তাম্মার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, আবুল ওয়ারকা থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেন যে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি এগারো বার বলবে: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই, তিনি এক, অমুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি, আর তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই; আল্লাহ তার জন্য দুই হাজার সওয়াব লিখে দেবেন।"
অন্য একজন শাইখ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١٧)
أخبرنا الشيخ المسند أبو المظفر محمد بن أبي البدر بن غسان بن المني، إجازة إن لم يكن سماعا، قال: أخبرتنا شهدة بنت أحمد بن أبي الفرج الأبري، قراءة علينا وأنا أسمع، بقراءة الحافظ ابن أبي الأخضر، قالت: أنبأنا أبو الخطاب نصر بن أحمد بن عبد الله بن البطر، أنبأنا أبو محمد عبد الله بن عبيد الله بن [ل11- أ] / حيى بن زكريا البيع، حدثنا القاضي أبو عبد الله الحسين بن إسماعيل المحاملي، إملاء، حدثنا يوسف بن موسى، حدثنا جرير، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عَبْدِ اللهِ الثَّقَفِيِّ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ، قُلْ لِي فِي الإِسْلَامِ قَوْلاً لَا أَسْأَلُ عَنْهُ أَحَدًا بَعْدَكَ، وَفِي حَدِيثِ أَبِي أُسَامَةَ غَيْرَكَ، قَالَ: قُلْ: آمَنْتُ بِاللَّهِ، ثم اسْتَقِمْ.
صحيح، رواه مسلم من حديث هشام، عن إسحاق بن إبراهيم، وليس في الصحيح لسفيان هذا غيره.
أخبرنا الشيخ المسند أبو القاسم يحيى بن نصر بن التميمي الأزجي، قراءة عليه وأنا أسمع ببغداد، قال:، قال: أخبرتنا شهدة بنت أحمد الأبري، قالت: أنبأنا أبو غالب محمد بن الحسن بن أحمد القافلاني، أخبرنا أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان، أخبرنا أبو بكر أحمد بن سلمان بن الحسن بن إبراهيم النجاد، قراءة عليه وأنا أسمع في شهر ربيع الأول، سنة أربع وأربعين وثلاث مئة، قال: قرىء على الحسن بن مكي وأنا أسمع، حَدَّثَنَا علي بن عاصم، حَدَّثَنَا خالد الحذاء هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: إِذَا جاء أَحَدُكُمْ إلى الصَّلَاةِ فَلَا يَسْعَ إِلَيْهَا وَلَكِنْ يَمْشِ عَلَيْهِ [ل11- ب] / السَّكِينَةُ وَالْوَقَارُ، صَلِّ مَا أَدْرَكْتَ وَليقْضِ مَا سُبِقْه.
আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন মুসনিদ শাইখ আবুল মুজাফফর মুহাম্মাদ ইবন আবিল বদর ইবন গাসসান ইবনুল মানী, সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকলে তা এজাজত সূত্রে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন শাহদাহ বিনতে আহমাদ ইবন আবিল ফারাজ আল-আবরি, আমাদের নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম হাফেজ ইবন আবিল আখদারের পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খাত্তাব নাসর ইবন আহমাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল বাতির; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবন উবাইদুল্লাহ ইবন [ল১১- ক] / হাইয়্যা ইবন যাকারিয়া আল-বাই’; আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন বিচারক আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবন ইসমাইল আল-মাহামিলি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবন মুসা; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর, হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবন আব্দুল্লাহ আস-সাকাফী থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে এমন একটি কথা বলে দিন, যা আপনার পর আমি অন্য কাউকে জিজ্ঞাসা করব না। আর আবু উসামার হাদিসে রয়েছে 'আপনার ব্যতীত'। তিনি বললেন: "তুমি বলো: আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি, অতঃপর অবিচল থাকো।"
সহিহ, ইমাম মুসলিম এটি হিশামের হাদিস থেকে ইসহাক ইবন ইবরাহিমের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং সহিহ গ্রন্থে সুফিয়ানের এর বাইরে অন্য কোনো হাদিস নেই।
আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন মুসনিদ শাইখ আবুল কাসেম ইয়াহইয়া ইবন নাসর ইবনুত তামিমি আল-আযজি, বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন শাহদাহ বিনতে আহমাদ আল-আবরি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবন আহমাদ আল-কাফালানি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবন আহমাদ ইবন ইব্রাহিম ইবন শাযান; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবন সালমান ইবনুল হাসান ইবন ইব্রাহিম আন-নাজ্জাদ, তিনশত চুয়াল্লিশ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: আল-হাসান ইবন মাক্কির নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন আসিম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ আল-হাদ্দা ও হিশাম ইবন হাসসান, মুহাম্মাদ ইবন সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের কেউ সালাতের দিকে আসে, তখন সে যেন দৌড়ে না আসে, বরং তার ওপর যেন [ল১১- খ] / প্রশান্তি ও গাম্ভীর্য বজায় থাকে। তোমরা সালাতের যতটুকু অংশ পাবে তা আদায় করবে এবং যতটুকু তোমাদের থেকে ছুটে যাবে তা পূর্ণ করবে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١٨)
هذا حديث صحيح متفق عليه.
أخبرنا أبو القاسم يحيى، قال: أخبرتنا شهدة، قالت: [أنبأنا]
ابن طراد ابن محمد الزينبي، أنبأنا أبو الحسين علي بن محمد بن عبد الله بن بشران، أنبأنا أبو علي الحسين بن صفوان البرذعي، حدثنا أبو بكر عبد الله بن محمد بن أبي الدنيا، حدثني أزهر بن مروان الرقاشي، حدثني قزعة بن سويد، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، مُؤَذِّنِ الطَّائِفِ، أَنَّ جِبْرِيلَ أَتَى يُوسُفَ عليهما السلام، فَقَالَ: يَا يُوسُفُ اشْتَدَّ عَلَيْكَ الْحَبْسُ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: قُلِ: اللَّهُمَّ اجْعَلْ لِي مِنْ كُلِّ مَا أَهَمَّنِي وَكَرَبَنِي مِنْ أَمْرِ دُنْيَايَ وَآخِرَتِي فَرَجًا وَمَخْرَجًا، وَارْزُقْنِي مِنْ حَيْثُ لَا أَحْتَسِبُ، وَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي، وَثَبِّتْ رَجَاءَكَ فِي قَلْبِي، وَاقْطَعْهُ مِمَّنْ سِوَاكَ حَتَّى لَا أَرْجُوَ أَحَدًا غَيْرَكَ.
وبه أبو بكر بن أبي الدنيا، قال: أَنْشَدَنِي رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ:
أَلَمْ تَرَ أَنَّ رَبَّكَ لَيْسَ تُحْصَى أَيَادِيهِ الْحَدِيثَةُ وَالْقَدِيمَهْ
تَسَلَّ عَنِ الْهُمُومِ فَلَيْسَ شَيْءٌ يُقِيمُ وَمَا هُمُومِكُ بِالْمُقْيمَهْ
لَعَلَّ اللَّهَ يَنْظُرُ بَعْدَ هَذَا إِلَيْكَ بِنَظْرَةٍ مِنْهُ رَحِيمَهْ
شيخ آخر:
এটি একটি সহীহ হাদীস, যার বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য রয়েছে।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাহদাহ, তিনি বলেন: [আমাদের খবর দিয়েছেন]
ইবনে তরাদ ইবনে মুহাম্মাদ আয-যায়নাবী, আমাদের খবর দিয়েছেন আবুল হুসাইন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান, আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান আল-বারযাঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবিদ দুনইয়া, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আযহার বিন মারওয়ান আর-রাকাশী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন কাযাআ বিন সুওয়াইদ, আবু সাঈদ থেকে বর্ণিত, যিনি তায়েফের মুয়াজ্জিন ছিলেন যে, জিবরাঈল (আলাইহিমাস সালাম) ইউসুফ (আলাইহিমাস সালাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: হে ইউসুফ! কারাবাস কি আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আপনি বলুন: হে আল্লাহ! আমার দুনিয়া ও আখিরাতের যা কিছু আমাকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও ক্লিষ্ট করে, তা থেকে আমার জন্য প্রশস্ততা ও নিষ্কৃতির পথ তৈরি করে দিন, এবং আমাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করুন যা আমি কল্পনাও করতে পারি না, আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন, আমার অন্তরে আপনার প্রতি প্রত্যাশাকে সুদৃঢ় করে দিন এবং আপনি ব্যতীত অন্য সকল থেকে তা ছিন্ন করে দিন, যেন আমি আপনি ছাড়া আর কারো নিকট প্রত্যাশা না করি।
এবং তাঁর মাধ্যমেই আবু বকর বিন আবিদ দুনইয়া বলেন: কুরাইশ বংশীয় এক ব্যক্তি আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:
তুমি কি দেখনি যে তোমার রবের নতুন ও পুরাতন হাতসমূহ গণনা করা যায় না
দুশ্চিন্তা দূর করো, কেননা কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয় এবং তোমার দুশ্চিন্তাও স্থায়ী হবে না
হয়তো আল্লাহ এর পরে তোমার প্রতি তাঁর পক্ষ থেকে একটি করুণাময় দৃষ্টি দেবেন
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ١٩)
أخبرنا الشيخ أبو المكارم لاحق [ل12- أ] / بن عبد المنعم بن قاسم الأرتاجي، قراءة عليه وأنا أسمع بمصر، أنبأنا أبو عبد الله محمد بن حمد بن حامد الأرتاجي، أنبأنا أبو الحسن علي بن الحسين بن عمر الفراء الموصلي،إجازة، أنبأنا ابن القاسم عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل الغساني قراءة عليه وأنا أسمع قال: أنبأنا والدي، أنبأنا أبو بكر أحمد بن مروان المالكي، حدثنا عباس بن محمد الدوري، حدثنا أبو السكن مكي بن إبراهيم، حدثنا بهز بن حكيم عن أبيه عن جده قال: كَانَ النبي صلى الله عليه وسلم إِذَا أُتِيَ بالشيء سَأَلَ عَنْهُ: أَهَدِيَّةٌ أَمْ صَدَقَةٌ؟ فَإِنْ قالوا هَدِيَّةٌ، مد يَده، وإن قالوا صدقة قال لأصحابه خذوا.
وبه حدثنا أبو بكر أحمد بن مروان، حدثنا الحماني عن الأَعْمَشُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَطَاءٍ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى {هُوَ الَّذِي يُصَلِّي عَلَيْكُمْ وَمَلَائِكَتُهُ} قَالَ: صَلَاتُهُ: سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ، سَبَقَتْ رَحْمَتِي غَضَبِي.
وبه حدثنا أبو بكر أحمد بن مروان، حدثنا عباس بن محمد قال:
أنشدنا يحيى بن معين هذا الشعر:
المال ينفذ حله وحرامه
… يوماً، وتبقى في غد آثامه
ليس التقي بمتق في دينه
… حتى يطيب شرابه وطعامه
ويطيب ما تحوي وتكسب كفه
… ويطيب في حسن الحديث كلامه
نطق النبي لنا به عن ربه
… فعلى النبي صلاته وسلامه
شيخ آخر:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আল-মাকারিম লাহেক [ল১২- আ] ইবনে আবদুল মুনয়িম ইবনে কাসেম আল-আরতাজি, মিসরে তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে হামাদ ইবনে হামিদ আল-আরতাজি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে উমর আল-ফাররা আল-মাওসিলি, অনুমতিক্রমে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল কাসেম আবদুল আজিজ ইবনে আল-হাসান ইবনে ইসমাইল আল-গাসসানি, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মারওয়ান আল-মালিকি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দাওরি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আস-সাকান মাক্কি ইবনে ইবরাহিম। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বাহয ইবনে হাকিম তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট যখন কোনো কিছু আনা হতো, তিনি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন: "এটি কি উপহার নাকি সদকা?" যদি তারা বলত উপহার, তবে তিনি তাঁর হাত প্রসারিত করতেন। আর যদি তারা বলত সদকা, তবে তিনি তাঁর সাহাবীদের বলতেন: "তোমরা এটি গ্রহণ করো।"
একই সূত্রে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মারওয়ান। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-হিমানি, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আতা থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: {তিনিই তোমাদের প্রতি রহমত বর্ষণ করেন এবং তাঁর ফেরেশতারাও (তোমাদের জন্য দোয়া করে)}। তিনি বলেন: তাঁর (আল্লাহর) সালাত হলো: "অতি পবিত্র, অতি মহান, আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর প্রাধান্য পেয়েছে।"
একই সূত্রে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মারওয়ান। তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেন:
ইয়াহইয়া ইবনে মাইন আমাদের উদ্দেশ্যে এই কবিতাটি পাঠ করেছেন:
সম্পদ একদিন নিঃশেষ হয়ে যায়, চাই তা হালাল হোক বা হারাম
… আর আগামীকালের জন্য অবশিষ্ট থাকে তার পাপসমূহ
পরহেযগার ব্যক্তি তার দ্বীনের বিষয়ে প্রকৃত মুত্তাকি নয়
… যতক্ষণ না তার পানীয় এবং খাদ্য পবিত্র হয়
এবং পবিত্র হয় যা তার হাত ধারণ ও অর্জন করে
… আর সুন্দর আলাপচারিতায় তার কথা পবিত্র হয়
নবী আমাদের নিকট তাঁর রবের পক্ষ থেকে এটি ব্যক্ত করেছেন
… সুতরাং নবীর ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
أخبرنا الإمام الحافظ أبو محمد عبد اللطيف بن علي بن النفيس البغدادي إجازة إن لم يكن سماعا قال: أنبأنا مسند الوقت أبو العباس أحمد بن أبي الفتح يوسف بن أبي الحسن محمد بن أبي الغنايم الدقاق، أنبأنا أبو الفرج عبد الخالق بن أحمد بن عبد القادر اليوسفي، أنبأنا الحافظ أبو الغنايم محمد بن علي بن ميمون، حدثنا محمد بن علي بن عبد الرحمن إملاءا، حدثنا محمد بن حسين التيملي، حدثنا علي بن إسماعيل البجلي، حدثنا محمد بن موسى الحرشي، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:، مَا مِنْ رَجُلٍ يَدْعُو امْرَأَتَهُ إِلَى فِرَاشِهِ، فَتَأْبَى عَلَيْهِ، إلَاّ كَانَ الَّذِي فِي السَّمَاءِ عَلَيْهَا سَاخِطًا.
صحيح أخرجه مسلم بمعناه عن ابن أبي عمر عن مروان.
وأخرجه البخاري عن مسدد عن أبي عوانة
شيخ آخر:
ইমাম হাফিজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বিন আলি বিন আন-নাফিস আল-বাগদাদি আমাদের ইজাযাতান সংবাদ দিয়েছেন যদি তা শ্রবণসূত্রে না হয়ে থাকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এ সময়ের মুসনিদ আবু আব্বাস আহমদ বিন আবিল ফাতহ ইউসুফ বিন আবিল হাসান মুহাম্মদ বিন আবিল গানায়িম আদ-দাক্কাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ আব্দুল খালিক বিন আহমদ বিন আব্দুল কাদির আল-ইউসুফি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু আল-গানায়িম মুহাম্মদ বিন আলি বিন মাইমুন, মুহাম্মদ বিন আলি বিন আব্দুর রহমান শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন হুসাইন আত-তাইমালি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলি বিন ইসমাইল আল-বাজালি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মুসা আল-হারাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ বিন কায়সান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "কোনো ব্যক্তি যখন তার স্ত্রীকে তার বিছানার দিকে ডাকে আর সে তা অস্বীকার করে, তবে যিনি আকাশে আছেন তিনি তার ওপর রাগান্বিত হন।"
এটি সহিহ, ইমাম মুসলিম এর মর্মার্থ ইবনে আবি উমর থেকে এবং তিনি মারওয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম বুখারি এটি মুসাদ্দাদ থেকে এবং তিনি আবু আওয়ানা থেকে বর্ণনা করেছেন।
অন্য শাইখ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢١)
أخبرنا الشيخ الصالح أبو محمد عبد الحميد بن عبد الهادي بن يوسف المقدسي قراءة عليه وأنا أسمع بدمشق قيل له أخبركم أبو الفرج يحيى بن محمود الثقفي قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به، أنبأنا أبو علي الحسن بن أحمد الحداد حضورا، أنبأنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ، أنبأنا أبو بكر محمد بن الحسين الأجري، أنبأنا أبو أحمد هارون بن يوسف التاجر، أنبأنا ابن أبي عمر يعني محمد العدني، حدثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ سُعَيْرُ [ل13- أ] / بْنُ الْخِمْسِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: بُنِيَ الإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ، شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَاّ اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللهِ، وَإِقَامِ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَصَوْمِ شَهْرِ رَمَضَانَ، وَحَجَّ الْبَيْتِ. وهذا حديث صحيح عال
شيخ آخر:
أخبرنا أقضى القضاة أبو منصور نصر الله بن علي بن عبد الرشيد الهمذاني إجازة إن لم يكن سماعا، أنبأنا أبو الفرج عبد الوهاب بن عبد المنعم بن كليب الحراني قراءة عليه وأنا أسمع،أنبأنا أبو القاسم علي بن أحمد بن بيان، أنبأنا أبو الحسن محمد بن محمد بن محمد بن مخلد، أنبأنا أبو علي إسماعيل بن علي بن إسماعيل الصفار، أنبأنا الحسن بن عرفة، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ ، عن سُلَيْمَان بْنُ الْمُغِيرَةِ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: آتِي بَابٌ الْجَنَّةِ فَأَسْتَفْتِحَ فَيَقُولُ الْخَازِنُ: مَنْ أَنْتَ؟ فَأَقُولُ: مُحَمَّدٌ ، فَيَقُولُ: بِكَ أُمِرْتُ أَنْ لَا أَفْتَحَ لأَحَدٍ قَبْلَكَ.
صحيح انفرد به مسلم بن الحجاج بإخراجه في كتابه.
সৎ শায়খ আবু মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ বিন আব্দুল হাদি বিন ইউসুফ আল-মাকদিসি দামেস্কে আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তাঁকে বলা হয়েছিল যে, আবুল ফারাজ ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ আস-সাকাফি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আপনি তা শ্রবণ করছিলেন, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেন। আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ আল-হাদ্দাদ উপস্থিতির মাধ্যমে। আমাদের অবহিত করেছেন আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ। আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-আজুররি। আমাদের অবহিত করেছেন আবু আহমাদ হারুন বিন ইউসুফ আত-তাজির। আমাদের অবহিত করেছেন ইবনে আবি উমর অর্থাৎ মুহাম্মদ আল-আদনি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ, সুআইর [পৃষ্ঠা ১৩-ক] বিন আল-খিমস থেকে, তিনি হাবিব বিন আবি সাবিত থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি স্তম্ভের ওপর: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, রমজান মাসের সিয়াম পালন করা এবং বাইতুল্লাহর হজ করা। এবং এটি একটি সহিহ ও উচ্চ পর্যায়ের (আলি) হাদিস।
অন্য একজন শায়খ:
প্রধান বিচারপতি আবু মানসুর নাসরুল্লাহ বিন আলী বিন আব্দুর রাশিদ আল-হামদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইজাজতসূত্রে যদি শ্রবণের মাধ্যমে না হয়ে থাকে। আমাদের অবহিত করেছেন আবুল ফারাজ আব্দুল ওয়াহহাব বিন আব্দুল মুনইম বিন কুলাইব আল-হারرানি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। আমাদের অবহিত করেছেন আবুল কাসিম আলী বিন আহমাদ বিন বায়ান। আমাদের অবহিত করেছেন আবু হাসান মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মাখলাদ। আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলী ইসমাইল বিন আলী বিন ইসমাইল আস-সাফফার। আমাদের অবহিত করেছেন হাসান বিন আরাফাহ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আন-নাদর হাশিম বিন আল-কাসিম, সুলাইমান বিন আল-মুগিরা থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমি জান্নাতের দরজায় এসে তা খোলার আবেদন করব। তখন জান্নাতের রক্ষী জিজ্ঞেস করবেন: আপনি কে? আমি বলব: মুহাম্মদ। তখন তিনি বলবেন: আপনার ব্যাপারেই আমি আদিষ্ট হয়েছি যে, আপনার পূর্বে যেন কারো জন্য দরজা না খুলি।
সহিহ হাদিস, যা ইমাম মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ এককভাবে তাঁর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
فرواه عن أبي خيثمة زهير بن حرب بن شداد، وعمرو بن محمد بن بكير الناقد كليهما عن أبي النضر هاشم بن القاسم كما أخرجنه فوقع لنا بدلا عاليا، ولله الحمد.
وأخبر به القاضي أبو منصور نصر الله، أنبأنا أبو محمد بن أبي غالب بن نزال [ل13- ب] / وعبد العزيز بن منينا وغيرهم قالوا أنبأنا أبو بكر محمد بن عبد الباقي الثوار، أنبأنا إبراهيم بن علي البرمكي، أنبأنا عبد الله بن إبراهيم بن ماسي، حدثنا إبراهيم بن عبد الله الكجي، حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، حَدَّثَنَا سليمان التَّيْمِيُّ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما قَالَ: كُلُّ مِصْرٍ مَصَّرَهُ الْمُسْلِمُونَ لَا يُبْنَى فِيهِ بَيْعَةٌ، وَلَا كَنِيسَةٌ، وَلَا يُضْرَبُ فِيهِ بِنَاقُوسٍ، وَلَا يُبَاعُ فِيهِ لَحْمُ الْخِنْزِيرِ.
شيخ آخر:
এটি বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামাহ জুহাইর বিন হারব বিন শাদ্দাদ এবং আমর বিন মুহাম্মাদ বিন বুকাইর আন-নাক্বিদ—তাঁরা উভয়ই আবু আন-নাদর হাশিম বিন আল-কাসিম থেকে। যেমনটি আমরা তা উদ্ধৃত করেছি, ফলে তা আমাদের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের ‘বাদাল’ (বিকল্প উচ্চতর সনদ) হিসেবে গণ্য হয়েছে, আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এর সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু মানসুর নাসরুল্লাহ; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ বিন আবি গালিব বিন নাজ্জাল [ল১৩- খ] এবং আব্দুল আজিজ বিন মুনাইনা ও অন্যান্যরা। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকী আস-সাউওয়ার; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম বিন আলী আল-বারমাকি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন মাসি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কাজ্জি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমি; হানাশ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: মুসলিমরা যে শহরই পত্তন করেছে, সেখানে কোনো উপাসনালয় কিংবা গির্জা নির্মাণ করা যাবে না, সেখানে কোনো ঘণ্টা বাজানো যাবে না এবং সেখানে শুকরের মাংস বিক্রি করা যাবে না।
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
أخبرنا الشيخ المسند إبراهيم بن محمود بن سالم بن مهدي عرف والده بالخير ببغداد قال: أخبرتنا شهدة بنت أبي نضر أحمد بن الفرج الأبري قالت: أنبأنا أبو الفوارس طراد بن محمد بن علي الزينبي، أنبأنا القاضي الشريف أبو الحسن علي بن عبد الله بن إبراهيم بن أحمد بن عبد الله بن محمد بن عبد الله بن محمد بن داود بن علي بن موسى بن علي بن عبد الله بن عباس في سلخ شهر رمضان سنة إحدى عشرة وأربع مئة، أنبأنا أبو عمر وعثمان بن أحمد بن عبد الله الدقاق إملاء، حدثنا أبو إسماعيل عبد الرحمن بن محمد بن منصور الحارثي سنة إحدى وسبعين ومئتين، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بن مسعود، رضي الله عنه،، قَالَ: حَدَّثَنَا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، وَهُوَ الصَّادِقُ الْمَصْدُوقُ، قَالَ: إِنَّ أَحَدَكُمْ يُجْمَعُ خَلْقُهُ فِي بَطْنِ أُمِّهِ فِي أَرْبَعِينَ يَوْمًا، أَوْ قَالَ: أَرْبَعِينَ لَيْلَةً، ثُمَّ يَكُونُ عَلَقَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يَكُونُ مُضْغَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يُرْسِلُ اللَّهُ عز وجل إِلَيْهِ الْمَلَكَ [ل14- أ] / فيؤمر بِأَرْبَعِ كَلِمَاتٍ قال فيكتب َرِزْقُهُ، وَأَجَلُهُ، وعَمَلُهُ، وَشَقِيٌّ، أَوْ سَعِيدٌ، ثُمَّ يُنْفَخُ فِيهِ الرُّوحُ،قال: فَوَالَّذِي لَا إِلَهَ غَيْرُهُ، إِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ، حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَِِا إِلَاّ ذِرَاعٌ، فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ، فَيُخْتَمُ لَهُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ، فَيَكُونُ مِنْ أَهْلِهَا، وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ، حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إِلَاّ ذِرَاعٌ، فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ، فَيُخْتَمُ لَهُ بِعَمَلِ أَهْلِ
শায়খুল মুসনিদ ইবরাহিম ইবনে মাহমুদ ইবনে সালিম ইবনে মাহদি (বাগদাদে তাঁর পিতা কল্যাণের গুণে পরিচিত ছিলেন) আমাদের সংবাদ দিয়ে বলেছেন: শুহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমাদ ইবনুল ফারাজ আল-আবরি আমাদের সংবাদ দিয়ে বলেছেন: আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলি আজ-জায়নাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কাযী আশ-শারিফ আবুল হাসান আলি ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ ইবনে আলি ইবনে মুসা ইবনে আলি ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ৪১১ হিজরি সনের রমজান মাসের শেষাংশে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু উমর উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দাক্কাক শ্রুতিলিপি অনুযায়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইসমাইল আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর আল-হারিসি ২৭১ হিজরি সনে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আ’মাশ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, যায়িদ ইবনে ওয়াহাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন—আর তিনি সত্যবাদী ও সত্যপ্রত্যায়িত—তিনি বলেছেন: “তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদান তার মায়ের পেটে চল্লিশ দিন (অথবা তিনি বলেছেন চল্লিশ রাত) পর্যন্ত জমা করা হয়, অতঃপর একইভাবে তা রক্তপিণ্ডে পরিণত হয়, অতঃপর একইভাবে তা গোশতপিণ্ডে পরিণত হয়, অতঃপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তার কাছে একজন ফেরেশতা পাঠান [ল ১৪- অ] এবং তাকে চারটি বিষয় লিখে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বলেন: অতঃপর তার রিযিক, তার আয়ু, তার আমল এবং সে কি হতভাগ্য নাকি সৌভাগ্যবান—তা লিখে দেওয়া হয়। অতঃপর তার মধ্যে রূহ ফুঁকে দেওয়া হয়।” তিনি বলেন: “সেই সত্তার কসম, যাঁর ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, তোমাদের কোনো ব্যক্তি জান্নাতীদের মতো আমল করতে থাকে, এমনকি তার এবং জান্নাতের মধ্যে মাত্র এক হাতের ব্যবধান থাকে, এমন সময় তার ওপর তাকদীর প্রবল হয় এবং সে জাহান্নামীদের আমল দ্বারা তার জীবনের সমাপ্তি ঘটায়, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবার তোমাদের কোনো ব্যক্তি জাহান্নামীদের মতো আমল করতে থাকে, এমনকি তার এবং জাহান্নামের মধ্যে মাত্র এক হাতের ব্যবধান থাকে, তখন তার ওপর তাকদীর প্রবল হয় এবং সে জান্নাতীদের আমল দ্বারা...”
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
الْجَنَّةِ، فَيَكُونُ مِنْ أَهْلِهَا.
أخرجه البخاري عن أبي الوليد هشام بن عبد الملك الطيالسي عن آدم بن أبي إياس وهو أبو الحسن المروزي ثم نزل عسقلان فقيل له العسقلاني عن شعبة.
وأخرجه مسلم عن أبي بكر بن أبي شيبة عن أبي معاوية محمد بن حازم وعن محمد بن عبد الله بن تميم عن عبد الله وعن عثمان بن أبي شيبة عن جرير بن عبد الحميد كلهم عن الأعمش.
وأخرجه مسلم أيضا نازلا عن عبيد الله بن معاذ بن معاذ العنبري عن عبد الله عن شعبة عن الأعمش فباعتبار العدد كأني سمعته من عبد الغافر الفارسي، ولله الحمد. [ل14- ب] /
شيخ آخر:
أخبرنا الشيخ ابن القاسم صدقة بن محمد بن محمد بن علي بن عامر بن الوكيل إجازة إن لم يكن سماعا، أنبأنا أبي محمد عبد الخالق بن أبي الفتح عبد الوهاب بن محمد، أنبأنا أبو القاسم زاهر بن طاهر الشحامي، أنبأنا أبو عبد الله محمد بن محمد بن يحيى الزاهد، أنبأنا أبو طاهر محمد بن الفضل، أنبأنا جدي كلاما، حدثنا أبو بكر محمد بن إسحاق بن خزيمة، حدثنا احمد بن عبدة الضبي، حدثنا سفيان بن عيينة عن عبد الملك بن عمير عن عمارة بن روبية قال قال رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم " لن تلج النار من صلى قبل طلوع الشمس وقبل غروبها.
شيخ آخر:
أخبر به الشيخ أبو الفضل محمد بن سليمان بن أبي الفضل الأنصاري الصقلي قراءة عليه وأنا أسمع بجامع دمشق، قيل له أخبركم أبو عبد الله محمد بن الحسين بن صدقة الحراني قراءة عليه وأنت تسمع فأقر به، أنبأنا فقيه الحرمين أبو عبد الله محمد بن الفضل الفراوي، أنبأنا إسحاق بن عبد الرحمن الواعظ، أنبأنا أبو سعيد عبد الله بن محمد الصوفي، أنبأنا محمد بن أيوب البجلي، أنبأنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا شعبة بن الحجاج عن منصور بن المعتمر عن أبي حازم عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: "من حج ولم يرفث ولم يفسق رجع كيوم ولدته أمه "
জান্নাত (প্রবেশ করবেন), ফলে তিনি জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।
ইমাম বুখারী এটি আবু ওয়ালিদ হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক আল-তায়ালিসি থেকে, তিনি আদম ইবনে আবি ইয়াস থেকে—যিনি আবুল হাসান আল-মারওয়াজি এবং পরবর্তীতে আসকালানে বসতি স্থাপন করায় তাকে আসকালানি বলা হয়—তিনি শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মদ ইবনে হাযিম থেকে, এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে তামীম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, এবং উসমান ইবনে আবি শাইবাহ থেকে, তিনি জারীর ইবনে আব্দুল হামিদ থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলেই আল-আমাশ থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম মুসলিম এটি উবায়দুল্লাহ ইবনে মুয়ায ইবনে মুয়ায আল-আনবারী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি শু’বাহ থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে নিম্ন সনদেও (নাযিল) বর্ণনা করেছেন। রাবীর সংখ্যার বিচারে মনে হচ্ছে যেন আমি এটি আব্দুল গাফির আল-ফারিসি থেকে শুনেছি, আর আল্লাহর জন্যই সমস্ত প্রশংসা। [পৃষ্ঠা ১৪- খ] /
অন্য একজন শায়খ:
শায়খ ইবনুল কাসিম সাদাকাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আমির ইবনুল ওয়াকিল আমাদের ইজাযাত প্রদান করেছেন—যদি সরাসরি শ্রবণ (সামা') না হয়ে থাকে—তিনি বলেন, আমার পিতা মুহাম্মদ আব্দুল খালিক ইবনে আবুল ফাতহ আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম যাহির ইবনে তাহির আল-শাহামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আয-যাহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনুল ফাদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার দাদা আমাদের কাছে মৌখিকভাবে বর্ণনা করেছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুযাইমাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমদ ইবনে আবদাহ আদ-দাব্বি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ আমাদের আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি উমারাহ ইবনে রুওয়ায়বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে সালাত আদায় করবে, সে কখনও জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।"
অন্য একজন শায়খ:
শায়খ আবু ফাদল মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আবুল ফাদল আল-আনসারী আস-সিকিল্লি দামেস্কের জামে মসজিদে এটি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—আমি যখন শ্রবণ করছিলাম তখন তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছিল। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে সাদাকাহ আল-হাররানি কি আপনার নিকট এটি পাঠ করেছেন যখন আপনি তা শ্রবণ করছিলেন? তিনি তা স্বীকার করলেন। তিনি বলেন: হারামাইন শরিফাইনের ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ফাদল আল-ফারাওয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক ইবনে আব্দুর রহমান আল-ওয়ায়িয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আস-সুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব আল-বাজালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুসলিম ইবনে ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের মানসুর ইবনুল মুতামির থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি হজ করল এবং অশ্লীল কথা ও পাপাচার থেকে বিরত থাকল, সে সেই দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসবে যেদিন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছিলেন।"
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
متفق على صحته من حديث منصور بن المعتمر فرواه البخاري عن سليمان بن حرب عن شعبة فوقع لنا بدلا عاليا.
ورواه مسلم عن ابن أبي شيبة عن وكيع عن سفيان كلاهما عن منصور.
شيخ آخر:
أخبرنا الشيخ الإمام الحافظ أبو الحسن علي بن المعالي بن أبي عبد الله بن غانم المقريء الرصافي ببغداد قال: أنبأنا أبو الفرج عبد المنعم بن عبد الوهاب بن كليب، أخبرنا أبو القاسم علي بن أحمد بن محمد بن بيان، أنبأنا أبو الحسن محمد بن محمد بن محمد بن مخلد، أنبأنا أبو علي الحسن بن إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصفار، حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ [ل15- أ] / اللهِ صلى الله عليه وسلم: إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ، وأهل النار النار نُودُوا: يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ، إِنَّ لَكُمْ عِنْدَ اللهِ مَوْعِدًا لَمْ تَرَوْهُ، فَقَالُوا: وَمَا هُوَ أَلَمْ يُبَيِّضْ وُجُوهَنَا، وَيُزَحْزِحْنَا عَنِ النَّارِ، وَيُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ؟ قَالَ: فَيُكْشَفُ الْحِجَابُ، قَالَ: فَيَنْظُرُونَ إِلَيْهِ، فَوَاللهِ مَا أَعْطَاهُمُ اللَّهُ شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنْهُ، ثُمَّ قَرَأَ: {لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ} .
صحيح عال من حديث حماد بن سلمة بن دينار عن ثابت البناني عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، واسم أبي ليلى يسار وثابت من رواية أبي خالد يزيد بن هارون
انفرد مسلم بن الحجاج بإخراجه دون البخاري فرواه عن أبي بكر بن أبي شيبة عن يزيد بن هارون عن حماد بن سلمة كما أخرجناه فوقع لنا بدلا عاليا وبالله التوفيق. [ل15- ب] /
شيخ آخر:
মনসুর ইবনে মুতামিরের হাদিস থেকে এর বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য রয়েছে। ইমাম বুখারি এটি সুলাইমান ইবনে হারব থেকে, তিনি শু’বা থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের 'বদল' হিসেবে পৌঁছেছে।
ইমাম মুসলিম এটি ইবনে আবি শায়বা থেকে, তিনি ওকি’ থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে—তাঁরা উভয়েই মনসুর থেকে বর্ণনা করেছেন।
অন্য একজন শায়খ:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, হাফিজ আবুল হাসান আলী ইবনুল মা’আলী ইবনে আবি আব্দুল্লাহ ইবনে গানিম আল-মুকরি আর-রুসাফি বাগদাদে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আব্দুল মুনয়িম ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে কুলাইব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বায়ান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান ইবনে ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আস-সাফফার, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাসান ইবনে আরাফাহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, সাবিত থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি সুহাইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল [পত্র ১৫- ক] / সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যখন জান্নাতবাসীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং জাহান্নামবাসীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন ঘোষণা করা হবে: হে জান্নাতবাসী! আল্লাহর কাছে তোমাদের জন্য একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তোমরা এখনো দেখনি। তারা বলবে: সেটা কী? তিনি কি আমাদের চেহারাগুলো উজ্জ্বল করে দেননি, আমাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি এবং আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাননি? তিনি বলেন: তখন পর্দা উন্মোচন করা হবে। তিনি বলেন: ফলে তারা তাঁর দিকে তাকাবে। আল্লাহর কসম! আল্লাহ তাদের যা কিছু দান করেছেন তার মধ্যে তাঁর দিকে তাকানোর চেয়ে প্রিয় আর কিছুই তাদের কাছে হবে না। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: "যারা কল্যাণকর কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে শুভ পরিণাম এবং আরও অতিরিক্ত।"
এটি হাম্মাদ ইবনে সালামাহ ইবনে দিনারের হাদিস থেকে একটি বিশুদ্ধ ও উচ্চ পর্যায়ের বর্ণনা, যা তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু লায়লার নাম হলো ইয়াসার এবং সাবিত থেকে এটি আবু খালিদ ইয়াজিদ ইবনে হারুনের বর্ণনা।
ইমাম বুখারি ছাড়া কেবল মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আবু বকর ইবনে আবি শায়বা থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যেমনটি আমরা বর্ণনা করেছি; ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের 'বদল' হিসেবে পৌঁছেছে। আর আল্লাহর পক্ষ থেকেই তাওফিক অর্জিত হয়। [পত্র ১৫- খ] /
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
أخبرنا الشيخ المحدث ابن الحسن المبارك بن أبي بكر محمد بن يزيد بن هلال الخواص ببغداد، أنبأنا أبو الفتح عبيد الله بن محمد بن عبيد الله بن شاتيك قراءة عليه وأنا أسمع أنبأنا بن عبد الله الحسين بن علي بن أحمد بن السري، أنبأنا أبو محمد عبد الله بن يحيى عبد الجبار السكري قال: قريء على أبي علي إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصفار وأنا أسمع في المحرم سنة أربعين وثلاث مئة، حدثنا عباس بن عبد الله الترقفي، حدثنا محمد بن يوسف عن سفيان عن سهيل بن أبي صالح، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: الإِيمَانُ بِضْعٌ وَسِتُّونَ، أَوْ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ أفضلها شهادة أن لَا إلَهَ إلَاّ اللَّهُ، وَأَدْنَاهَا إمَاطَةُ الأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الإِيمَانِ.
صحيح عال متفق على صحته.
وأخبرنا أبوالحسن المبارك الخواص، أنبأنا أبو السعادات نصر الله بن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الواحد القزاز، أنبأنا أبو سعد محمد بن عبد الكريم بن حسنس، أنبأنا أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان، حدثنا أبو محمد عبد الله بن جعفر بن درستويه النحوي، حدثنا أبو يوسف يعقوب بن سفيان الفسوي، حدثنا أحمد بن أبي الحواري قال: سمعت [ل16- أ] / أبا سليمان عبد الرحمن بن أحمد بن عطيه العنسي يقول: مفتاح الدنيا الشبع ومفتاح الآخرة الجوع وأصل كل خير في الدنيا والآخرة الخوف من الله عز وجل وإن الله عز وجل يعطي الدنيا من يحب ومن لا يحب وإن الجوع عنده في خزائن مدخرة فلا يعطي إلا لمن أحب خاصة ولإن أدع من عشائي لقمة أحب إلي من أن أكلها وأقوم من أول الليل إلى آخره.
شيخ آخر:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ মুহাদ্দিস ইবনুল হাসান মুবারক বিন আবি বকর মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ বিন হিলাল আল-খাওয়াস বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন শাতীক—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আহমাদ বিন আস-সাররি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আব্দুল জব্বার আস-সুক্কারি, তিনি বলেন: ৩৪০ হিজরি সালের মহররম মাসে আবু আলী ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আস-সাফফারের সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস বিন আব্দুল্লাহ আত-তারকুফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ঈমানের ষাটের অধিক অথবা সত্তরের অধিক শাখা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বোত্তম হলো এই সাক্ষ্য প্রদান করা যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই; আর এর সর্বনিম্ন স্তর হলো পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া। এবং লজ্জা হলো ঈমানের একটি শাখা।
এটি একটি উচ্চ পর্যায়ের সহীহ হাদিস এবং এর বিশুদ্ধতার ব্যাপারে ঐকমত্য রয়েছে।
আমাদের আরও সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুবারক আল-খাওয়াস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুস সাআদাত নাসরুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-কাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারীম বিন হাসনাস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন দুরুস্তাওয়াইহ আন-নাহবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইউসুফ ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসায়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আবি আল-হাওয়ারি, তিনি বলেন: আমি [ল১৬- আ] / আবু সুলাইমান আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন আতিয়্যাহ আল-আনসিকে বলতে শুনেছি: দুনিয়ার চাবিকাঠি হলো তৃপ্তি সহকারে আহার করা এবং আখিরাতের চাবিকাঠি হলো ক্ষুধা। দুনিয়া ও আখিরাতের সকল কল্যাণের মূল হলো মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ভয়। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা দুনিয়া তাকেও দান করেন যাকে তিনি ভালোবাসেন এবং তাকেও দেন যাকে তিনি ভালোবাসেন না। কিন্তু ক্ষুধা তাঁর কাছে এমন এক সংরক্ষিত ভাণ্ডারে রয়েছে যা তিনি কেবল তাঁর বিশেষ প্রিয় পাত্রদেরই দান করেন। আর রাতের খাবার থেকে এক লোকমা বর্জন করা আমার কাছে প্রথম রাত থেকে শেষ পর্যন্ত ইবাদতে দাঁড়িয়ে থাকার চেয়েও বেশি প্রিয়।
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
أخبرنا الشيخ الأمين المسند أبو إسحاق إبراهيم بن بركات بن إبراهيم الخشوعي قراءة عليه وأنا أسمع بدمشق أنبأنا أبو الفرج يحيى بن محمود بن سعد الثقفي قراءة عليه وأنا أسمع، أنبأنا أبو علي الحسن بن أحمد الحداد، أنبأنا أبو نعيم أحمد بن عبد الله الحافظ، أنبأنا أبو بكر محمد بن الحسين الآجُرِّيُّ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِي ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه قَالَ: كُنَّا فِي جَِنَازَةٍ فِي بَقِيعِ الْغَرْقَدِ قَالَ: فَأَتَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَعَدَ وَقَعَدْنَا حَوْلَهُ ، وَمَعَهُ مِخْصَرَةٌ ، فَنَكَسَ رَأْسَهُ فَجَعَلَ يَنْكُتُ بِمِخْصَرَتِهِ ، ثُمَّ قَالَ: مَا مِنْكُمْ مِنْ نَفْسٍ مَنْفُوسَةٍ إِلَاّ وَقَدْ كُتِبَ مَكَانُهَا مِنَ الْجَنَّةِ وَالنَّارِ ، وَإِلَاّ وَقَدْ كُتِبَتْ شَقِيَّةً أَوْ سَعِيدَةً.
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নির্ভরযোগ্য শাইখ, মুসনিদ আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে বারাকাত ইবনে ইবরাহিম আল-খশুয়ী দামেশকে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ ইয়াহইয়া ইবনে মাহমুদ ইবনে সাদ আস-সাকাফী তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ আল-হাদ্দাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন আল-আজুররী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফিরইয়াবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আবু শায়বাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জারীর ইবনে আব্দুল হামিদ, মানসুর থেকে, তিনি সাদ ইবনে উবায়দাহ থেকে, তিনি আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা বাকী আল-গারকাদে একটি জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি বললেন: এমতাবস্থায় আমাদের নিকট আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন, অতঃপর তিনি বসলেন এবং আমরাও তাঁর চারপাশে বসলাম। তাঁর সাথে একটি ছোট লাঠি ছিল। তিনি তাঁর মাথা নিচু করলেন এবং লাঠি দিয়ে মাটিতে আঁচড় কাটতে লাগলেন। অতঃপর তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যকার এমন কোনো জন্মলাভকারী প্রাণ নেই যার জান্নাত এবং জাহান্নামের স্থান লিখে রাখা হয়নি, এবং সে দুর্ভাগা নাকি সৌভাগ্যবান তা লিখে রাখা হয়নি।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفَلَا نَتَّكِلُ عَلَى كِتَابِنَا وَنَدَعُ الْعَمَلَ ، فَمَنْ [ل16- ب] / كَانَ مِنَّا مِنْ أَهْلِ السَّعَادَةِ فَسَيَصِيرُ إِلَى عَمِلِ أَهْلِ السَّعَادَةِ ، وَمَنْ كَانَ مِنَّا مِنْ أَهْلِ الشَّقَاءِ فَسَيَصِيرُ إِلَى عَمِلِ أَهْلِ الشَّقَاوَةِ؟ فَقَالَ: اعْمَلُوا ، فَكُلٌّ مُيَسَّرٌ لِعَمَلِهِ ، أَمَّا أَهْلُ السَّعَادَةِ فَيُيَسَّرُونَ لِعَمَلِ أَهْلِ السَّعَادَةِ ، وَأَمَّا أَهْلُ الشَّقَاوَةِ فَيُيَسَّرُونَ لِعَمَلِ أَهْلِ الشَّقَاوَةِ ثُمَّ قَرَأَ {فَأَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَى ، وَأَمَّا مَنْ بَخِلَ وَاسْتَغْنَى وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَى فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَى} [الليل:] .
صحيح متفق عليه أخرجه البخاري، ومسلم جميعا عن عثمان بن أبي شيبة فوقع لنا، موافقا ولله الحمد.
شيخ آخر:
أخبرنا الشيخ الصالح أبو بكر عبد الله بن أبي الحسن بن علي بن ثابت بن طاهر النعال إجازة إن لم يكن سماعا قال: أنبأنا أبو القاسم يحيى بن إسحاق بن يحيى، أنبأنا أبو طالب عبد القادر بن محمد بن عبد القادر، أنبأنا الحسن بن علي بن محمد الجوهري، أنبأنا أبو بكر محمد بن إبراهيم بن حمدان الدرعاقولي، أنبأنا عمر بن إسماعيل بن سلمة الثقفي، حدثنا علي بن الجعد، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَدِيُّ بْنُ ثَابِتٍ، عن سَعِيد بْنَ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ يَوْمَ الفِطْرِ، فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ لَمْ يُصَلِّ قَبْلَهَا، وَلَا بَعْدَهَا وَمَعَهُ بِلَال ثُمَّ أَتَى النِّسَاءَ وَمَعَهُ بِلَالٌ فَأَمَرَهُنَّ بِالصَّدَقَةِ.
شيخ آخر:
এক ব্যক্তি বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আমাদের লিখিত ভাগ্যের ওপর ভরসা করব না এবং আমল ছেড়ে দেব না? কারণ আমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি [১৬-খ] সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত, সে তো সৌভাগ্যবানদের আমলের দিকেই ধাবিত হবে; আর আমাদের মধ্যে যে দুর্ভাগাদের অন্তর্ভুক্ত, সে দুর্ভাগাদের আমলের দিকেই ধাবিত হবে।" তিনি বললেন: "তোমরা আমল করতে থাকো, কারণ প্রত্যেককেই তার কাজের জন্য সহজ সুযোগ করে দেওয়া হয়। যারা সৌভাগ্যবান, তাদের জন্য সৌভাগ্যবানদের আমল সহজ করে দেওয়া হয়; আর যারা দুর্ভাগা, তাদের জন্য দুর্ভাগাদের আমল সহজ করে দেওয়া হয়।" অতপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: "সুতরাং যে দান করে ও তাকওয়া অবলম্বন করে, এবং যা উত্তম তাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে, আমি তার জন্য সুগম পথকে সহজ করে দেব। আর যে কার্পণ্য করে ও নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ মনে করে, এবং যা উত্তম তাকে অস্বীকার করে, আমি তার জন্য কঠিন পথকে সহজ করে দেব।" [সূরা আল-লাইল]।
এটি সহীহ ও মুত্তাফাকুন আলাইহি। ইমাম বুখারী ও মুসলিম উভয়েই এটি উসমান ইবনে আবী শাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি উচ্চতর সূত্রে আমাদের নিকট পৌঁছেছে, আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা।
অন্য একজন শায়খ:
সালেহ শায়খ আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন আবু হাসান বিন আলী বিন সাবিত বিন তাহের আন-নাআল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইজাজতসূত্রে, যদি শ্রুত না হয়ে থাকে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসেম ইয়াহইয়া বিন ইসহাক বিন ইয়াহইয়া, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কাদির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জাওহারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন হামদান আদ-দিরআকুলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর বিন ইসমাইল বিন সালামা আস-সাকাফী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-জাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুবা, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আদি বিন সাবিত, সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন বের হলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন, যার আগে বা পরে কোনো সালাত তিনি আদায় করেননি; বিলাল (রা.) তাঁর সাথে ছিলেন। অতপর তিনি নারীদের নিকট আসলেন এবং তাঁর সাথে বিলাল (রা.) ছিলেন, তখন তিনি তাদের সদকা করার নির্দেশ দিলেন।
অন্য একজন শায়খ:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়াখাতু দানিয়াল
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
أخبرنا الشيخ أبو زكريا يحيى بن عبد الرزاق بن يحيى المقدسي قراءة عليه وأنا أسمع بجامع دمشق سنة تسع وثلاثين وست مئة [ل17- أ] / قال أنبأنا عبد الله محمد بن الحسن بن صدقة الحراني قراءة عليه وأنا أسمع سنة ثمانين وخمس مئة، أنبأنا الإمام فقيه الحرمين أبو عبد الله محمد بن الفضل الفراوي سنة سبع وعشرين وخمس مئة بنيسابور، أنبأنا أبو عثمان سعيد بن محمد البحيري، أنبأنا أبو علي زاهر بن أحمد الفقيه، أنبأنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي، أنبأنا علي بن الجعد، أنبأنا شعبة عن حبيب قال سمعت أبا العباس المكي قال: سمعت عبد الله بن عمرو يقول: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم يستأذن في الجهاد قال: أَحَيُّ والدين؟ قال: نعم. قال: ففيهما فجاهد.
صحيح متفق عليه
فرواه البخاري عن مسدد بن مسرهد عن يحيى عن شعبة.
ورواه مسلم عن القاسم بن زكريا عن الحسين عن زائدة عن الأعمش كلاهما عن حبيب بن أبي ثابت فكأني سمعته من عبد الغافر شيخ شيخ شيخ شيخي.
شيخ آخر:
أخبرنا أبو عبد الله عبد الرحمن بن حارث بن مجاشن البغدادي إجازة إن لم يكن سماعا قال: أنبأنا أبو محمد عبد الله بن أحمد بن أبي المجد، أنبأنا أبو القاسم هبة الله بن الحصين، أنبأنا أبو علي الحسن بن علي بن المذهب، أنبأنا أبو بكر أحمد بن جعفر بن حمدان القطيعي، حدثنا عبد الله بن أحمد، حدثني أبي، حدثنا إبراهيم بن سعد، حدثني أبي عن عَبْدِ اللهِ بْنِ جَعْفَرٍ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَأْكُلُ الْقِثَّاءَ بِالرُّطَبِ.
صحيح غريب عال من هذا الوجه.
أخرجه البخاري عن محمد بن مقاتل المروزي عن عبد الله بن المبارك عن إبراهيم بن سعد.
وأخرجه [ل17- ب] / مسلم عن يحيى بن يحيى وعبد الله بن عون الخراز عن إبراهيم.
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল রাজ্জাক ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাকদিসি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম দামেস্কের জামে মসজিদে ছয়শ উনচল্লিশ হিজরি সনে [পত্র ১৭-ক] / তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে সাদাকা আল-হাররানি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম পাঁচশ আশি হিজরি সনে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারামাইনের ফকিহ ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আল-ফাদল আল-ফারাওয়ি পাঁচশ সাতাশ হিজরি সনে নিশাপুরে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বুহাইরি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি জাহির ইবনে আহমাদ আল-ফকিহ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি ইবনুল জা'দ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ, হাবিব থেকে, তিনি বলেন, আমি আবু আব্বাস আল-মাক্কিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আমরকে বলতে শুনেছি: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তোমার পিতামাতা কি জীবিত?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "তবে তাঁদের সেবাতেই জিহাদ করো।"
সহিহ, সর্বসম্মত (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।
ইমাম বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে।
আর ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন কাসিম ইবনে জাকারিয়া থেকে, তিনি হুসাইন থেকে, তিনি জাইদাহ থেকে, তিনি আমাশ থেকে; তাঁরা উভয়েই হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি যেন আমি আমার শিক্ষকের শিক্ষকের শিক্ষকের শিক্ষক আব্দুল গাফফার থেকে শ্রবণ করলাম।
অন্য একজন শিক্ষক:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আব্দুর রহমান ইবনে হারিস ইবনে মুজাশিন আল-বাগদাদি, সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকলে ইজাজতসূত্রে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আবিল মাজদ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনুল হুসাইন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি হাসান ইবনে আলি ইবনুল মুজাহহিব; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে জা'ফর ইবনে হামদান আল-কাতিয়ি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ; আমার পিতা (ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল) আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে সা'দ; আমার পিতা আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে জা'ফর থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাজা খেজুরের সাথে শসা খেতে দেখেছি।
এই সূত্রে হাদিসটি সহিহ, গরিব এবং উচ্চ পর্যায়ের।
ইমাম বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুকাতিল আল-মারওয়াজি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে সা'দ থেকে।
আর ইমাম মুসলিম এটি [পত্র ১৭-খ] / ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আওন আল-খাররাজ থেকে, তাঁরা ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন।