(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: -)
من حديث أبي محمد ابن الأكفاني (هبة الله ابن الأكفاني المحدث)
القسم: كتب السنة
الكتاب: من حديث أبي محمد ابن الأكفاني - مخطوط
المؤلف: هبة الله بن أحمد بن محمد بن هبة الله، أبو محمد، الأمين، الأنصاري الدمشقيّ، ابن الأكفاني (ت 524هـ)
أعده للشاملة: أحمد الخضري
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 10
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু মুহাম্মদ ইবনুল আকফানি বর্ণিত হাদিসসমূহ থেকে (হিবাতুল্লাহ ইবনুল আকফানি, মুহাদ্দিস)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আবু মুহাম্মদ ইবনুল আকফানি বর্ণিত হাদিসসমূহ থেকে - পাণ্ডুলিপি
লেখক: হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হিবাতুল্লাহ، আবু মুহাম্মদ، আল-আমিন، আনসারি আদ-দিমাশকি، ইবনুল আকফানি (মৃত্যু ৫২৪ হিজরি)
শামিলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদরি
[বইটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ১)
الكتاب: من حديث أبي محمد ابن الأكفاني - مخطوطالمؤلف: أبو محمد هبة الله بن أحمد بن محمد الأنصاري المعروف بابن الأكفانيالمتوفى: 524 هـ
গ্রন্থ: আবু মুহাম্মদ ইবনুল আকফানির হাদিস থেকে - পাণ্ডুলিপিলেখক: আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারি, যিনি ইবনুল আকফানি নামে পরিচিতমৃত্যু: ৫২৪ হিজরি
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ১)
-ق2ب-أخبرنا جماعة من شيوخنا إجازة من ابن المحب وكتب يوسف بن عبد الهادي وجماعة عن عن ابن الخبازالحمد لله رب العالمين وصلى الله علي محمد وآله وصحبه وسلم، سمع هذا الجزء من لفظي مولاتي بليل بنت عبد الله الرومية وولدي عبد الهادي حاضرا في (غير واضح) ومولانا أخي بليل بنت عبد الله الرومية، وسمع عاليه مولاي جوهرة (غير واضح وهي كلمة تشبه الحسبة) وزوجتي خديجة بنت محمد بن يوسف الوراق وصح ذلك (غير واضح) يرووه عني وجميع ما يجوز (غير واضح. . . أظنها لزوجتي) رواية وكتب يوسف بن حسن بن عبد الهادي-ق3ب-الجزء فيه من حديث الشيخ أبي محمد هبة الله بن أحمد بن محمد الأنصاري المعروف بابن الأكفانيعن شيوخه رحمهم الله أجمعينرواية الشيخ الأمين الثقة أبي طاهر بركات بن إبراهيم بن طاهر القرشي الخشوعي عنه، سماع إسماعيل بن عبد الله بن عبد المحسن الأنصاري المعروف بالأنماطي (غير واضح) .
-পৃষ্ঠা ২ খ-আমাদের শাইখদের একদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল মুহিবের ইজাযাহ সূত্রে, এবং ইউসুফ বিন আব্দুল হাদী ও একদল ব্যক্তি ইবনুল খাব্বায থেকে এটি লিপিবদ্ধ করেছেন।সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সাহাবীদের ওপর। আমার উচ্চারিত শব্দ থেকে এই অংশটি শুনেছেন আমার মুক্তদাসী বুলাইল বিনতে আব্দুল্লাহ আর-রুমিয়্যাহ এবং উপস্থিত থাকাবস্থায় (অস্পষ্ট স্থানে) আমার পুত্র আব্দুল হাদী, এবং বুলাইল বিনতে আব্দুল্লাহ আর-রুমিয়্যাহর ভাই আমাদের মাওলা। এটি উচ্চ সনদে শ্রবণ করেছেন আমার মাওলা জাওহারাহ (অস্পষ্ট, শব্দটি 'আল-হিসবাহ' এর সদৃশ) এবং আমার স্ত্রী খাদিজা বিনতে মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-ওয়াররাক। এটি সঠিক প্রতিপন্ন হয়েছে (অস্পষ্ট), তাঁরা আমার পক্ষ থেকে এটি বর্ণনা করবেন এবং বর্ণনার জন্য বৈধ এমন সবকিছুই (অস্পষ্ট... আমার ধারণা তা আমার স্ত্রীর জন্য)। এটি লিখেছেন ইউসুফ বিন হাসান বিন আব্দুল হাদী।-পৃষ্ঠা ৩ খ-এই অংশে শাইখ আবু মুহাম্মাদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আনসারী, যিনি ইবনুল আকফানি নামে পরিচিত, তাঁর বর্ণিত হাদীসসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।তাঁর শাইখদের থেকে বর্ণিত, আল্লাহ তাঁদের সকলের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।নির্ভরযোগ্য ও আমানতদার শাইখ আবু তাহের বারাকাত বিন ইবরাহিম বিন তাহের আল-কুরাশি আল-খুশুয়ী কর্তৃক তাঁর থেকে বর্ণিত। এটি শ্রবণ করেছেন ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আল-আনসারী, যিনি আল-আনমাতি নামে পরিচিত (অস্পষ্ট)।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ২)
-ق4أ-بسم الله الرحمن الرحيم1- أخبرنا الشيخ الأمين الأصيل مسند الشام أبو طاهر بركات بن إبراهيم بن طاهر القرشي الخشوعي قال أخبرنا الشيخ الأمام جمال الأمناء أبو محمد هبة الله بن أحمد بن محمد بن الأكفاني الأنصاري رحمه الله إجازة إن لم يكن سماعا في سنة عشرة وخمس مائة أنا أبو الفضل عقيل بن محمد بن رافع الشافعي قراءة عليه أنا أبو محمد عبد الرحمن بن عثمان بن أبي نصر أنا أبو علي الحسن بن حبيب الحضائري الفقيه ثنا الربيع بن سليمان ثنا عبد الله وهب أنا مالك بن أنس عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أن النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قال يَقُولُ اللَّهَ تبارك وتعالى لأَهْلِ الْجَنَّةِ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ فَيَقُولُونَ لَبَّيْكَ رَبَّنَا وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ فَيَقُولُ الله عز وجل هَلْ رَضِيتُمْ فَيَقُولُونَ يا ربنا وَمَا لَنَا لَا نَرْضَى وَقَدْ أَعْطَيْتَنَا مَا لَمْ تُعْطِ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ قال فَيَقُولُ أَفلَا أُعْطِيكُمْ أَفْضَلَ مِنْ ذَلِكَ قال فَيَقُولُونَ يَا رَبنا وَأَىُّ شَىْءٍ أَفْضَلُ مِنْ ذَلِكَ فَيَقُولُ أُحِلُّ عَلَيْكُمْ رِضْوَانِي فَلَا أَسْخَطُ عَلَيْكُمْ بَعْدَهُ أَبَدًا هـ.2- وبه ثنا أبو علي الحسن بن حبيب ثنا أبو بكر الحراز ثنا أبو المغيرة عن الأوزاعي في قوله {فِي رَوْضَةٍ يُحْبَرُونَ} قَالَ هو السَّمَّاعُ إذا أرادوا أهل الجنة أن يطربوا أوحى الله عز وجل إلى رياح يقال لها: الهفافة، فدخلت في آجام قصب اللؤلؤ الرطب، فحركته، فضرب بعضه-ق4ب-بعضاً، فتطرُب الجنة، فإذا طربت لم يبق في الجنة شجرة إلا ورّدت هـ.
-পৃষ্ঠা ৪ক-পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।১- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নির্ভরযোগ্য ও সম্ভ্রান্ত শায়খ, শাম অঞ্চলের মুসনিদ আবু তাহির বারাকাত ইবনে ইবরাহিম ইবনে তাহির আল-কুরাশি আল-খুশুয়ি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ইমাম, জামালুল উমানা আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল আকফানি আল-আনসারি (আল্লাহ তার ওপর রহম করুন) ৫১০ হিজরি সালে ইজাজত (অনুমতি) সূত্রে, যদি শ্রবণের মাধ্যমে না হয়ে থাকে। তিনি বলেন, আমার নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় আবু ফজল আকিল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রাফি আশ-শাফিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে উসমান ইবনে আবি নাসর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ফকিহ আবু আলি হাসান ইবনে হাবিব আল-হাদাইরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, রাবি ইবনে সুলাইমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মহামহিমান্বিত ও সুউচ্চ আল্লাহ জান্নাতবাসীদের বলবেন, "হে জান্নাতবাসীরা!" তখন তারা বলবে, "হে আমাদের রব! আমরা আপনার দরবারে হাজির এবং আপনার সন্তুষ্টিই কাম্য, আর সকল কল্যাণ আপনার দুই হাতে।" তখন মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলবেন, "তোমরা কি সন্তুষ্ট হয়েছ?" তারা বলবে, "হে আমাদের রব! আমরা কেন সন্তুষ্ট হব না, অথচ আপনি আমাদের এমন কিছু দান করেছেন যা আপনার সৃষ্টির আর কাউকে দান করেননি।" রাসুল (সা.) বলেন, তখন আল্লাহ বলবেন, "আমি কি তোমাদের এর চেয়েও উত্তম কিছু দেব না?" তারা বলবে, "হে আমাদের রব! এর চেয়ে উত্তম আর কী হতে পারে?" তিনি বলবেন, "আমি তোমাদের ওপর আমার সন্তুষ্টি অবধারিত করলাম, এরপর আমি আর কখনো তোমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হব না।" (সমাপ্ত)২- এবং একই সূত্রে আবু আলি হাসান ইবনে হাবিব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন আবু বকর আল-হাররাজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন আবু আল-মুগিরা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আওজায়ি থেকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে— {তারা উদ্যানে আনন্দিত হবে}। তিনি বলেন: এটি হলো শ্রবণ। জান্নাতবাসীরা যখন আনন্দ-বিনোদনের ইচ্ছা করবে, তখন মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহ 'আল-হাফাফাহ' নামক বায়ুসমূহকে নির্দেশ প্রদান করবেন। ফলে সেই বায়ু সতেজ মুক্তার নলখাগড়াগুলোর বনের ভেতর প্রবেশ করবে এবং সেগুলোকে আন্দোলিত করবে। তখন একটির সাথে অন্যটির-পৃষ্ঠা ৪খ-সংঘর্ষ হবে এবং জান্নাত আনন্দধ্বনিতে মুখরিত হবে। যখন জান্নাত এমন সুরেলা ধ্বনি তুলবে, তখন জান্নাতের প্রতিটি গাছ ফুলে ফুলে সুশোভিত হয়ে উঠবে। (সমাপ্ত)
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ৩)
3- أخبرنا أبو محمد الأكفاني أنا أبو نصر الحسين بن محمد بن طلاب الخطيب إجازة إن لم يكن سماعا أنا الشيخ أبو بكر بن أبي الحديد ثنا أبو مروان عبد الرحيم بن محمد بن أحمد الجرشي ثنا وريزة بن محمد الغساني ثنا معمر بن شبيب ثنا الهيثم بن عدي قال ركب أبو علقمة النميري بغلاً، فوقف على أبي عبد الرحمن القرشي، فقال: يا أبا علقمة، إن لبغلك هذا منظراً، فهل مع حسن هذا المنظر من خبر؟ قال: سبحان الله، أو ما بلغك خبره؟ قال: لا؟. قال: لقد خرجت عليه مرة من مصر، فقفز بي قفزة إلى فلسطين، والثانية إلى الأردن، والثالثة إلى دمشق. فقال له أبو عبد الرحمن: تقدم إلى أهلك يدفنوه معك في قبرك، فلعله يقفز بك الصراط هـ.4- وأخبرنا أبو محمد الأكفاني أنا الشيخ أبو الحسن علي بن الحسين بن أحمد بن صصرى بقرائتي عليه في داره في مستهل ذي القعدة من سنة إحدى وستين وأربعمائة أنا أبو القاسم تمام بن محمد بن عبد الله بن جعفر الراوي الحافظ أنا أبو الحسن خيثمة بن سليمان بن بن حيدرة الأطرابلسي قراءة عليه بدمشق في جمادى الأولى من سنة ثلاث وأربعين وثلاثمائة ثنا يحيى بن أبي طالب الواسطي ثنا علي بن عاصم ثنا أبو هارون العبدي حدثني أبو سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يزني الزاني وهو مؤمن-ق5أ-ولا يسرق وهو مؤمن ولا يشرب الخمر وهو مؤمن هـ.5- وبه أنا خيثمة ثنا يحيى بن أبي طالب أنا محمد بن عبيد ثنا إسماعيل عن مجالد عن عامر عن عائشة أنها كانت تقول لو أن زيدا كان حيا لأستخلف رسول الله صلى الله عليه وسلم.
৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-আকফানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ বিন তুল্লাব আল-খাতিব—সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকলে ইজাযতক্রমে—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু বকর বিন আবি আল-হাদিদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মারওয়ান আব্দুল রহিম বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-জুরাশি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়ারিযা বিন মুহাম্মাদ আল-গাসসানি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন মা’মার বিন শাবিব, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হাইসাম বিন আদি। তিনি বলেন: আবু আলক্বামাহ আল-নুমাইরি একটি খচ্চরে আরোহণ করলেন। এরপর তিনি আবু আব্দুর রহমান আল-কুরাইশির সামনে এসে দাঁড়ালেন। তখন আবু আব্দুর রহমান বললেন: হে আবু আলক্বামাহ, আপনার এই খচ্চরটি দেখতে বেশ চমৎকার; এই সুন্দর চেহারার সাথে এর কি বিশেষ কোনো সংবাদ (গুণ) আছে? তিনি বললেন: সুবহানাল্লাহ! আপনি কি এর খবর শোনেননি? তিনি বললেন: না। আবু আলক্বামাহ বললেন: একবার আমি এর ওপর চড়ে মিশর থেকে বের হলাম, এটি আমাকে নিয়ে এক লাফে ফিলিস্তিনে পৌঁছে দিল, দ্বিতীয় লাফে জর্ডানে এবং তৃতীয় লাফে দামেস্কে। তখন আবু আব্দুর রহমান তাকে বললেন: আপনার পরিবারকে নির্দেশ দিন যেন তারা এটিকে আপনার কবরে আপনার সাথেই দাফন করে; সম্ভবত এটি আপনাকে নিয়ে সিরাত (পুলসিরাত) পার করে দেবে।৪- এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-আকফানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল হাসান আলী বিন আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন সসরা—চারশো একষট্টি হিজরি সনের যিলকদ মাসের শুরুতে তার ঘরে বসে তার নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম তাম্মাম বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-রাবি আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান খাইসামা বিন সুলাইমান বিন হাইদারা আল-আত্রাবুলুসি—তিনশো তেতাল্লিশ হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসে দামেস্কে তার নিকট পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আবি তালিব আল-ওয়াসিতি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন আসিম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হারুন আল-আবদি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সা’ঈদ আল-খুদরি। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন থাকে না,-পৃ৫ক-চোর যখন চুরি করে তখন সে মুমিন থাকে না এবং মদ্যপ যখন মদ পান করে তখন সে মুমিন থাকে না।"৫- এবং একই সনদে খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আবি তালিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন উবাইদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল, তিনি মুজালিদ থেকে, তিনি আমির থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিআল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেন: "যদি যায়িদ জীবিত থাকতেন, তবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকেই স্থলাভিষিক্ত (খলিফা) নিযুক্ত করতেন।"
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ৪)
6- وبه ثنا خيثمة ثنا يحيى بن أبي طالب أنا إسحاق بن سليمان الراوي ثنا المغيرة بن زياد الموصلي عن عطاء عن عائشة رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من ثابر على اثنتي عشرة ركعة من السنة بنى الله تعالى له بيتا في الجنة: أربع ركعات قبل الظهر، وركعتين بعدها وركعتين بعد المغرب وركعتين بعد العشاء وركعتين قبل الفجر هـ.7- وبه أنا خيثمة ثنا أبو قلابة عبد الملك بن محمد الرقاشي ثنا أبو نعيم ثنا زكريا بن أبي زائدة عن الشعبي عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الرهن تركب بعلفه والدر تحلب بعلفه هـ.8- وبه أنا خيثمة ثنا أبو قلابة عبد الملك بن محمد الرقاشي ثنا نصر بن قديد بن سيار الليثي حدثني أبو عمرو بن حميد الشغافي قال حدثني عبد الحميد بن أنس المرُّي ثنا نصر بن سيار وهو بخراسان عن عكرمة عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أنعم على قوم فلم يشكروه فدعا عليهم استجيب له اللهم وإني قد أنعمت على آل فلان فلم يشكروا هـ.9- وبه أنا خيثمة ثنا الحسن بن مكرم البغدادي ثنا يزيد بن هارون أنا حماد بن سلمة-ق5ب-عن علي بن زيد عن القاسم بن محمد عن عائشة قالت تمثلت بهذا البيت وأبو بكر رضي الله عنه يَقْضِيوَأَبْيَضُ يُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ********ثُمَّالُ الْيَتَامَى عِصْمَةٌ لِلأََرَامِلِفَقَالَ أَبُو بَكْرٍ ذَاكَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم هـ.10- وبه أنا خيثمة ثنا الحسن بن مكرم ثنا يزيد بن هارون انا حماد بن سلمة عن ابن سخبرة عن القاسم بن محمد عن عائشة رضي الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أعظم النساء بركة أيسرهن مؤونة هـ.11- وبه أنا خيثمة ثنا الحسن بن مكرم ثنا يزيد بن هارون ثنا عيسى بن ميمون عن القاسم بن محمد عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله هـ.
6- এবং তার মাধ্যমেই আমাদের নিকট খাইসামা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন আবু তালিব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাকে ইসহাক বিন সুলাইমান আর-রাবি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুগীরা বিন যিয়াদ আল-মাওসিলি আতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি সুন্নতের বারো রাকাতের ওপর নিয়মিত যত্নবান হবে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন: যোহরের পূর্বে চার রাকাত, তার পরে দুই রাকাত, মাগরিবের পরে দুই রাকাত, এশার পরে দুই রাকাত এবং ফজরের পূর্বে দুই রাকাত।7- এবং তার মাধ্যমেই আমাকে খাইসামা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু কিলাবা আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ আর-রাক্কাশি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু নুয়াইম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট যাকারিয়া বিন আবু যায়িদাহ আশ-শাবি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: বন্ধকী পশুর পিঠে আরোহণ করা যাবে তার খাবারের বিনিময়ে এবং দুগ্ধবতী পশুর দুধ দোহন করা যাবে তার খাবারের বিনিময়ে।8- এবং তার মাধ্যমেই আমাকে খাইসামা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু কিলাবা আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ আর-রাক্কাশি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট নাসর বিন কুদাইদ বিন সাইয়ার আল-লাইসি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাকে আবু আমর বিন হুমাইদ আশ-শাগাফি বলেছেন, তিনি বলেন আমাকে আব্দুল হামিদ বিন আনাস আল-মুরি বলেছেন, আমাদের নিকট নাসর বিন সাইয়ার খোরাসানে থাকা অবস্থায় বর্ণনা করেছেন ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো কওমের ওপর অনুগ্রহ করল কিন্তু তারা তার শুকরিয়া আদায় করল না, অতঃপর সে তাদের বিরুদ্ধে দুআ করল, তবে তার দুআ কবুল করা হবে। হে আল্লাহ! আমি অমুক বংশের ওপর অনুগ্রহ করেছি কিন্তু তারা শুকরিয়া আদায় করেনি।9- এবং তার মাধ্যমেই আমাকে খাইসামা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাসান বিন মাকরাম আল-বাগদাদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াযিদ বিন হারুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাকে হাম্মাদ বিন সালামাহ সংবাদ দিয়েছেন-পৃষ্ঠা ৫খ-আলী বিন যায়েদ থেকে, তিনি কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি এই কবিতাটি আবৃত্তি করছিলাম এমতাবস্থায় যে আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর শেষ সময় অতিবাহিত করছিলেন:“এবং শ্বেতবর্ণের অধিকারী সেই সত্তা, যাঁর চেহারার উসিলায় মেঘের নিকট বৃষ্টি প্রার্থনা করা হয়; যিনি ইয়াতীমদের আশ্রয়দাতা এবং বিধবাদের রক্ষাকারী।”তখন আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: তিনি হলেন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।10- এবং তার মাধ্যমেই আমাকে খাইসামা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাসান বিন মাকরাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াযিদ বিন হারুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাকে হাম্মাদ বিন সালামাহ ইবনে সাখবারাহ থেকে, তিনি কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: নারীদের মধ্যে বরকতের দিক দিয়ে তারা শ্রেষ্ঠ, যাদের ভরণপোষণ সবচেয়ে সহজ।11- এবং তার মাধ্যমেই আমাকে খাইসামা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাসান বিন মাকরাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াযিদ বিন হারুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ঈসা বিন মাইমুন কাসিম বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ৫)
12- وبه أنا خيثمة ثنا الحسن بن مكرم ثنا حجاج بن محمد المصيصي ثنا شعبة عن قتادة عن النضر بن أنس عن بشير بن نهيك عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى عن خاتم الذهب.13- وبه أنا خيثمة ثنا الحسن بن مكرم ثنا عن يونس اليمامي سنة سبع تسعين ومائة ثنا ابن أبي فروة عن صفوان بن سليم عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الغسل يوم الجمعة واجب على كل محتلم هـ.14- وبه أنا خيثمة ثنا الحسن بن مكرم ثنا روح بن عبادة ثنا صالح بن أبي الأخضر عن الزهري عن عروة أن عائشة وحفصة أصبحتا صائمتين فأهدي لهما طعام مرة والطعام إذ ذاك معروض عليه فقالت عائشة فذكرت ذاك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال صوما يوما مكانه هـ.15- وبه أنا خيثمة-ق6أ-ثنا عبد الله بن الحسين بن غنجدة الليثي ثنا سليمان بن عبد الرحمن ثنا سعيد بن إسحاق بن أبي حنيفة عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من حلف بالله لفعلن كذا وأضمره إن شاء الله ثم لم يفعل الذى حلف عليه لم يحنث هـ.16- وبه أنا خيثمة ثنا محمد بن الحسين بن موسى الحنيني ثنا الفضل بندكين ثنا الحسن بن صالح عن عاصم ين عبيد الله بن عاصم عن عبد الله بن عامر بن ربيعة أن رجلا تزوج بنعلين فأجازه النبي صلى الله عليه وسلم هـ.17- وبه أنا خيثمة ثَنَا أبو عتبة، ثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ ثنا يزيد بن عبد الله الجهني عن أبي جعونة عَنْ هَاشِمٍ الأوقص، قال سمعت ابْن عُمَرَ يقَول: مَنِ اشْتَرَى ثَوْبًا بِعَشَرَةِ دَرَاهِمَ وَفِي ثمنه دِرْهَم حَرَام لَمْ يَقْبَل لَهُ صَلَاةً مَا كان عَلَيْهِ، ثُمَّ أَدْخَلَ أُصْبُعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ ثُمَّ قَالَ صُمَّتَا إِنْ لَمْ أكُن سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
১২- এবং আমার নিকট খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন মুকরাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ বিন মুহাম্মদ আল-মাসিসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ কাতাদাহ থেকে, তিনি আন-নদ্বর বিন আনাস থেকে, তিনি বাশীর বিন নাহীক থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি সোনার আংটি পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।১৩- এবং আমার নিকট খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন মুকরাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস আল-ইয়ামামী থেকে একশত সাতানব্বই হিজরী সনে, ইবন আবি ফারওয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাফওয়ান বিন সালীম থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জুমার দিনে গোসল করা প্রত্যেক স্বপ্নদোষ হওয়া (প্রাপ্তবয়স্ক) ব্যক্তির জন্য ওয়াজিব।১৪- এবং আমার নিকট খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন মুকরাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রাওহ বিন উবাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ বিন আবিল আখদার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে যে, আয়িশা ও হাফসা রোজা রাখা অবস্থায় সকালে উপনীত হলেন, অতঃপর তাঁদেরকে কিছু খাদ্য উপহার দেওয়া হলো এবং তখন তাঁদের নিকট সেই খাদ্য পেশ করা হয়েছিল। তখন আয়িশা সেই কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন: তোমরা এর পরিবর্তে অন্য একদিন রোজা রাখো।১৫- এবং আমার নিকট খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন-পৃষ্ঠা ৬ক-আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন গানজাদাহ আল-লাইসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান বিন আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন ইসহাক বিন আবি হানীফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে শপথ করে যে সে অমুক কাজ করবে এবং মনে মনে 'ইনশাআল্লাহ' (যদি আল্লাহ চান) সংকল্প পোষণ করে, অতঃপর সে যদি শপথকৃত কাজটি না করে, তবে সে শপথ ভঙ্গকারী হবে না।১৬- এবং আমার নিকট খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মূসা আল-হুনাইনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফাদ্বল বিন দুকাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান বিন সালিহ আসিম বিন উবাইদুল্লাহ বিন আসিম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমির বিন রাবীআহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি এক জোড়া জুতার বিনিময়ে বিবাহ করেছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা বৈধ ঘোষণা করেছিলেন।১৭- এবং আমার নিকট খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, আবু উতবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জুহানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাউনা থেকে, তিনি হাশিম আল-আওকাস থেকে, তিনি বলেন, আমি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি দশ দিরহাম দিয়ে একটি কাপড় ক্রয় করল এবং তার মূল্যের মধ্যে এক দিরহাম হারাম ছিল, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই কাপড়টি তার পরিধানে থাকবে ততক্ষণ আল্লাহ তার কোনো সালাত কবুল করবেন না। অতঃপর তিনি তাঁর দুই আঙুল তাঁর দুই কানের ছিদ্রে প্রবেশ করালেন এবং বললেন: আমার এই কান দুটি বধির হয়ে যাক যদি আমি এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে না শুনে থাকি।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ৬)
18- وبه أنا خيثمة ثنا إبراهيم بن عبد الله العبسي ثنا وكيع بن الجراح عن الأعمش عن عطية بن سعد قال دخلت على جابر بن عبد الله وهو شيخ كبير فقلنا أخبرنا عن هذا الرجل علي بن أبي طالب قال فرفع حاجبيه بيده ثم قال ذاك من خير البشر هـ.19- وبه أنبا خيثمة ثنا أبو إسحاق إبراهيم بن سليمان بن جزازة النهمي ثنا الحسين بن سعيد النخعي ابن عم شريك قال ثنا شريك بن عبد الله عن أبي إسحاق عن أب وائل شقيق بن سلمة عن حذيفة بن اليمان قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم علي خير البشر من أبي فقد كفر هـ.-ق6ب-20- وبه أنا خيثمة ثنا أبو جعفر محمد بن مسلمة الواسطي بواسط ثنا أبو جابر محمد بن عبد الملك ثنا شعبة عن هسيم عن إسماعيل عن قيس عن جرير قال مَا حَجَبَنِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مُنْذُ أَسْلَمْت وَلَا رَآنِي إلَاّ تَبَسَّمَ صلى الله عليه وسلم هـ.
১৮- আর একই সূত্রে খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আবসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি ইবনুল জাররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি আতিয়্যাহ ইবনে সাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহর নিকট প্রবেশ করলাম যখন তিনি একজন অতিবৃদ্ধ মানুষ ছিলেন। তখন আমরা বললাম: আমাদের এই ব্যক্তি অর্থাৎ আলী ইবনে আবি তালিব সম্পর্কে কিছু বলুন। তিনি তাঁর হাত দিয়ে নিজের ভ্রুযুগল উপরে তুললেন এবং বললেন: তিনি সর্বোত্তম মানুষদের অন্তর্ভুক্ত।১৯- আর একই সূত্রে খাইসামা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে সুলায়মান ইবনে জাযাযাহ আন-নাহমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে সাঈদ আন-নাখায়ি—যিনি শারীকের চাচাতো ভাই—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শারীক ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু ওয়ায়েল শাকীক ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি হুযায়ফাহ ইবনুল ইয়ামান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আলী হলো সর্বোত্তম মানুষ, যে তা অস্বীকার করল সে কুফরি করল।-৬খ-২০- আর একই সূত্রে খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে মাসলামাহ আল-ওয়াসিতি ওয়াসিত নামক স্থানে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জাবির মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসিম থেকে, তিনি ইসমাইল থেকে, তিনি কায়স থেকে, তিনি জারীর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কখনো (তাঁর নিকট প্রবেশে) বাধা দেননি এবং তিনি যখনই আমাকে দেখতেন, মুচকি হাসতেন (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ৭)
21- وبه أنا خيثمة ثنا يحيى بن أبي طالب ثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الراسبي في سنة تسع وتسعين ومائة ثنا مالك بن أنس عن نافع عن ابن عمر قال كتب عمر بن الخطاب إلى سعد بن أبي وقاص وَهُوَ بِالْقَادِسِيَّةِ أَنْ وَجِّهْ نَضْلَةَ بْنَ مُعَاوِيَةَ الأَنْصَارِيَّ إِلَى حُلْوَانَ الْعِرَاقِ فَلْيُغِيروا عَلَى ضَوَاحِيهَا قَالَ فَوَجَّهَ سَعْدٌ نَضْلَةَ فِي ثَلاثِمِائَةِ فَارِسٍ فَخَرَجُوا حَتَّى أَتَوْا حُلْوَانَ الْعِرَاقِ فَأَغَارُوا عَلَى ضَوَاحِيهَا فَأَصَابُوا غَنِيمَةً وَسَبْيًا فَأَقْبَلُوا يَسُوقُونَ الْغَنِيمَةَ وَالسَّبْيَ إلى سفح جبل حَتَّى رَهقتهُمُ الْعَصْرُ وَكَادَتِ الشَّمْسُ أَنْ تَغْرُبَ قال فَأَلْجَأَ نَضْلَةُ الْغَنِيمَةَ وَالسَّبْيَ إِلَى سَفْحِ جَبَلِ ثُمَّ قَامَ فَأَذَّنَ فَقَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فإذا مُجِيب مِنَ الْجَبَلِ يُجِيبُهُ: كَبَّرْتَ كَبِيرًا يَا نَضْلَةُ قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلا اللَّهُ قَالَ كَلِمَةُ الإِخْلاصِ يَا نَضْلَةُ قَالَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ قَالَ هُوَ الدِّينُ وَهُوَ الَّذِي بَشَّرَنَا بِهِ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ وَعَلَى رَأْسِ أُمَّتِهِ تَقُومُ القيامة، قَالَ حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ قَالَ طُوبَى لِمَنْ مَشَى إِلَيْهَا وَوَاظَبَ عَلَيْهَا، قَالَ حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ قَالَ أَفْلَحَ مَنْ أَجَابَ مُحَمَّدًا وَهُوَ الْبَقَاءُ لأُمَّتِهِ، قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ، لا إله إلا الله قَالَ أَخْلَصْتَ الإِخْلاصَ كله
২১- আর তাঁর সূত্রে আমার নিকট খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনু আবি তালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনু ইবরাহিম আল-রাসবি ১৯৯ হিজরি সনে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনু আনাস আমাদের নিকট নাফি' থেকে, তিনি ইবনু উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব ক্বাদিসিয়্যাহতে অবস্থানরত সা'দ ইবনু আবি ওয়াক্কাসের নিকট এই মর্মে লিখে পাঠালেন যে, তিনি যেন নাজলাহ ইবনু মুয়াবিয়া আল-আনসারীকে ইরাকের হুলওয়ানের দিকে পাঠান, যাতে তারা এর আশপাশের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। তিনি বলেন: এরপর সা'দ তিনশত অশ্বারোহীসহ নাজলাহকে পাঠালেন। তারা বের হলেন এবং ইরাকের হুলওয়ানে পৌঁছালেন। তারা এর আশপাশে অভিযান চালালেন এবং গনিমত ও যুদ্ধবন্দী লাভ করলেন। এরপর তারা গনিমত ও যুদ্ধবন্দীদের তাড়িয়ে নিয়ে একটি পাহাড়ের পাদদেশে নিয়ে আসলেন, এমতাবস্থায় আসরের সময় হয়ে গেল এবং সূর্য ডোবার উপক্রম হলো। বর্ণনাকারী বলেন: নাজলাহ গনিমত ও যুদ্ধবন্দীদের পাহাড়ের পাদদেশে একত্র করলেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে আযান দিলেন। তিনি বললেন: আল্লাহ সবচেয়ে মহান, আল্লাহ সবচেয়ে মহান। তখন পাহাড় থেকে এক উত্তরদাতা তাকে উত্তর দিয়ে বললেন: হে নাজলাহ, আপনি মহান সত্তার বড়ত্ব ঘোষণা করেছেন। তিনি বললেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। উত্তরদাতা বললেন: হে নাজলাহ, এটিই হলো ইখলাস বা একনিষ্ঠতার বাণী। তিনি বললেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। উত্তরদাতা বললেন: এটিই হলো দ্বীন, আর তিনিই সেই সত্তা যাঁর সুসংবাদ ঈসা ইবনু মারইয়াম আমাদের দিয়েছিলেন, আর তাঁর উম্মতের শেষ ভাগেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। তিনি বললেন: নামাযের দিকে এসো। উত্তরদাতা বললেন: সৌভাগ্য তার জন্য যে নামাযের দিকে হেঁটে যায় এবং এর প্রতি যত্নবান হয়। তিনি বললেন: সফলতার দিকে এসো। উত্তরদাতা বললেন: সেই সফলকাম হয়েছে যে মুহাম্মাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে, আর এটিই তাঁর উম্মতের জন্য স্থায়ী কল্যাণ। তিনি বললেন: আল্লাহ সবচেয়ে মহান, আল্লাহ সবচেয়ে মহান, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। উত্তরদাতা বললেন: আপনি পূর্ণাঙ্গভাবে ইখলাস তথা একনিষ্ঠতা অবলম্বন করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ৮)
-ق7أ-يَا نَضْلَةُ فَحَرَّمَ اللَّهُ جَسَدَكَ عَلَى النَّارِ قَالَ فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ أَذَانِهِ قُمْنَا فَقُلْتُ مَنْ أَنْتَ رحمكَ اللَّهُ أَمَلَكٌ أَنْتَ أَمْ سَاكِنٌ مِنَ الْجِنِّ أم طائف مِنْ عِبَادِ اللَّهِ تعالى أَسْمَعْنا صَوْتَكَ وأَرِنَا صورتك فَإِنَّا وَفْدُ اللَّهِ وَوَفْدُ رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم وَوَفْدُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه قَالَ فَانْفَلَقَ الْجَبَلُ عَنْ هَامَةٍ كَالرَّحَى أَبْيَضَ الرَّأْسِ وَاللِّحْيَةِ عَلَيْهِ طِمْرَانَ مِنْ صُوفٍ فَقَالَ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ قُلْنَا وعَلَيْك السَّلامُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ مَنْ أَنْتَ يَرْحَمُكُ اللَّهُ؟ قَالَ أَنَا ذُرَيْبُ بْنُ بَرْثَمْلا وَصِيُّ الْعَبْدِ الصَّالِحِ عِيسَى بْنِ مَرْيَمَ أَسْكَنَنِي هَذَا الْجَبَلَ وَدَعَا لِي بِطُولِ الْبَقَاءِ إِلَى نُزُولِهِ مِنَ السَّمَاءِ فَيَقْتُلُ الْخِنْزِيرَ وَيَكْسِرُ الصَّلِيبَ وَيَتَبَرَّأُ مِمَّا عليه نَحَلْتَهُ النَّصَارَى، فَأَمَّا إِذْ فَاتَنِي لِقَاءُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم فَأَقْرِئُوا عُمَرَ مِنِّي السَّلامَ وَقُولُوا لَهُ يَا عُمَرُ سَدِّدْ وَقَارِبْ فَقَدْ دَنَا الأَمْرُ وَأخْبرُوهُ بِهَذِهِ الْخِصَالِ الَّتِي أُخْبِرُكُمْ بِهَا يَا عُمَرُ إِذَا ظَهَرَتْ هَذِهِ الْخِصَالُ فِي أُمَّةِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم فَالْهَرَبَ الْهَرَبَ إِذَا اسْتَغْنَى الرِّجَالُ بِالرِّجَالِ وَالنِّسَاءُ بِالنِّسَاءِ وَانْتَسَبُوا فِي غَيْرِ مَنَاسِبِهِمْ وَانْتَمَوْا إلى غَيْرِ مَوَالِيهِمْ، وَلَمْ يَرْحَمْ كَبِيرُهُمْ صَغِيرَهُمْ، وَلَمْ يُوَقِّرْ صَغِيرُهُمْ كَبِيرَهُمْ، وَتُرِكَ الْمَعْرُوفِ فَلَمْ يُؤْمَرْ بِهِ وَتُرِكَ الْمُنْكَرِ فَلَمْ يُنْهَ عَنْهُ، وَتَعَلَّمَ عَالِمُهُمُ الْعِلْمَ لِيَجْتذب بِهِ الدَّرَاهِمَ وَالدَّنَانِيرَ،
-পৃ৭ক-হে নাযলাহ, আল্লাহ তোমার দেহকে আগুনের জন্য হারাম করেছেন। তিনি বললেন, যখন তিনি তাঁর আযান সম্পন্ন করলেন, তখন আমরা দাঁড়ালাম এবং বললাম, আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন, আপনি কে? আপনি কি কোনো ফেরেশতা, নাকি কোনো জিন অধিবাসী, নাকি মহান আল্লাহর বান্দাদের মধ্য থেকে বিচরণকারী কেউ? আমাদের আপনার কণ্ঠস্বর শ্রবণ করান এবং আপনার রূপ দর্শন করান; কেননা আমরা আল্লাহর প্রতিনিধি দল, তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতিনিধি দল এবং উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রতিনিধি দল। তিনি বললেন, তখন পাহাড়টি যাতার মতো বড় এক মস্তক বিশিষ্ট ব্যক্তির সামনে বিদীর্ণ হলো, যাঁর মাথা ও দাড়ি ছিল শুভ্র এবং পরিধানে ছিল পশমের তৈরি দুটি জীর্ণ বস্ত্র। তিনি বললেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমরা বললাম, ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ; আল্লাহ আপনার ওপর রহম করুন, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি যুরাইব ইবনে বারসামলা, নেক বান্দা ঈসা ইবনে মারিয়ামের অসি। তিনি আমাকে এই পাহাড়ে বসবাসের অনুমতি দিয়েছেন এবং আকাশ থেকে তাঁর অবতরণ পর্যন্ত আমার দীর্ঘ জীবনের জন্য দোয়া করেছেন; যখন তিনি শূকর নিধন করবেন, ক্রুশ চূর্ণ করবেন এবং নাসারারা তাঁর প্রতি যে মিথ্যা আরোপ করেছে তা থেকে দায়মুক্ত হবেন। যেহেতু মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে আমার সাক্ষাৎ ঘটেনি, তাই উমরকে আমার পক্ষ থেকে সালাম পৌঁছে দিও এবং তাঁকে বলো: হে উমর, আপনি সঠিক পথে অবিচল থাকুন এবং মধ্যপন্থা অবলম্বন করুন, কারণ মহাপ্রলয় নিকটবর্তী হয়েছে। আর তাঁকে এই স্বভাবগুলো সম্পর্কে অবহিত করো যা আমি তোমাদের বলছি: হে উমর, যখন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের মধ্যে এই স্বভাবগুলো প্রকাশ পাবে, তখন পলায়ন করো, পলায়ন করো—যখন পুরুষরা পুরুষে এবং নারীরা নারীতে তুষ্ট হবে, যখন লোকেরা নিজেদের বংশ পরিচয় গোপন করে অন্য বংশের পরিচয় দেবে এবং নিজেদের প্রকৃত অভিভাবক ব্যতীত অন্যদের সাথে সম্বন্ধ করবে, যখন তাদের বড়রা ছোটদের প্রতি মমতা করবে না এবং ছোটরা বড়দের সম্মান করবে না, যখন সৎ কাজের আদেশ বর্জন করা হবে এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা হবে না, আর তাদের আলেমরা দিরহাম ও দিনার সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করবে।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ৯)
وَكَانَ الْمَطَرُ قَيْظًا، وَالْوَلَدُ غَيْظًا، وَطَوَّلُوا الْمَنَازل، وَفَضَّضُوا الْمَصَاحِفَ، وَزَخْرَفُوا الْمَسَاجِدَ، وَأَظْهَرُوا الرُّشَا، وَشَيَّدُوا الْبِنَاءَ، وَاتَّبَعُوا الْهَوَى، وَبَاعُوا الدِّينَ-ق7ب-بِالدُّنْيَا، وَاسْتَخَفُّوا بالدِّمَاءَ، وقَطَّعَتِ الأَرْحَامُ، وَبِيعَ الْحُكْمُ، وَأُكِلَ الرِّبَا فخرا، وَصَارَ الغناء عِزًّا، وَخَرَجَ الرَّجُلُ مِنْ بَيْتِهِ فَقَامَ إلَيْهِ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنْهُ فسلم عليه، وَرَكِبَ النِّسَاءُ السُّرُوجَ ثُمَّ غَابَ عَنَّا قال فكَتَبَ بِذَلِكَ نَضْلَةُ إِلَى سَعْدٍ فَكَتَبَ سَعْدٌ إِلَى عُمَرَ فَكَتَبَ إليه عُمَرُ لله أبوك سر أَنْتَ وَمَنْ مَعَكَ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ حَتَّى تَنْزِلَ هَذَا الْجَبَلَ فَإِن لَقِيتُهُ فَأَقْرِئْهُ مِنِّي السَّلامَ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أخبرنا أنَّ بَعْضَ أَوْصِيَاءِ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ نَزَلَ ذَلِكَ الْجَبَلَ بِنَاحِيَةِ الْعِرَاقِ قال فخرج سَعْدٌ فِي أَرْبَعَةِ آلافٍ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالأَنْصَارِ حَتَّى نَزَلَ بذلك الْجَبَلَ أَرْبَعِينَ يَوْمًا يُنَادِي بِالأَذَانِ فِي كُلِّ وَقْتِ بلا جواب هـ.22- وبه أنا خيثمة ثنا أبو عمرو هلال بن العلاء الرقي بالرقة سنة أربع وسبعين ومأتين ثنا إسماعيل بن زرارة ثنا عبيس أبو عبيدة ثنا مطر الوراق عن عطاء عن عائشة رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أوتروا يا أهل القرآن هـ.23- وبه أنا خيثمة أنا العباس بن الوليد أخبرني أبي ثنا سعيد بن عبد العزيز عن عبد الرحمن بن سلمة الجمحي قال سمعت عبد الله بن عمرو بن العاص يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حدثنا فكتبته فلا حفظته محوته قال قد أفلح من أسلم وكان رزقه كفافا وصبر على ذلك هـ.
এবং বৃষ্টি হবে উত্তপ্ত, সন্তান হবে রাগের কারণ, মানুষ ঘরবাড়ি দীর্ঘ করবে, মুসহাফসমূহকে রূপা দিয়ে অলংকৃত করবে, মসজিদসমূহ চাকচিক্যময় করবে, ঘুস প্রকাশ্যে গ্রহণ করবে, অট্টালিকা মজবুত করবে, প্রবৃত্তির অনুসরণ করবে, এবং দুনিয়ার বিনিময়ে দীনকে বিক্রি করে দিবে-পৃ ৭খ-দুনিয়ার বিনিময়ে; তারা রক্তপাতকে তুচ্ছ জ্ঞান করবে, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে, বিচারকার্য বিক্রি করা হবে, গর্বভরে সুদ খাওয়া হবে, গান-বাজনা সম্মানের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে, মানুষ যখন তার ঘর থেকে বের হবে তখন তার চেয়ে উত্তম ব্যক্তি (অনিষ্টের ভয়ে) তার দিকে এগিয়ে গিয়ে তাকে সালাম দিবে, এবং মহিলারা জিনের ওপর আরোহণ করবে। অতঃপর তিনি আমাদের থেকে অদৃশ্য হয়ে গেলেন। বর্ণনাকারী বলেন, নাদলাহ এ কথাগুলো লিখে সা’দ-এর কাছে পাঠালেন। সা’দ তা উমরের কাছে লিখে পাঠালেন। উমর তাকে লিখে পাঠালেন: "আল্লাহ তোমার পিতার মঙ্গল করুন! তুমি এবং তোমার সাথে থাকা মুহাজিরগণ অগ্রসর হও যতক্ষণ না এই পাহাড়ের পাদদেশে অবতরণ করো। যদি তোমার সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়, তবে তাঁকে আমার সালাম পৌঁছে দিও। কারণ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের জানিয়েছিলেন যে, ঈসা ইবনে মারয়ামের স্থলাভিষিক্তদের কেউ ইরাকের পার্শ্ববর্তী এই পাহাড়ে অবস্থান করছেন।" বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর সা’দ চার হাজার মুহাজির ও আনসার নিয়ে বের হলেন এবং সেই পাহাড়ে চল্লিশ দিন অবস্থান করলেন। তিনি প্রতি ওয়াক্তে আজান দিতেন কিন্তু কোনো উত্তর আসত না। সমাপ্ত।২২- একই সূত্রে আমাদের নিকট খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আমর হিলাল ইবনুল আলা আর-রাক্কি দুই শত চুয়াত্তর হিজরি সালে রাক্কায় বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনে যুরারাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবাইস আবু উবাইদাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মাতার আল-ওয়াররাক আতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "হে কুরআনের অনুসারীগণ! তোমরা বিতর নামাজ আদায় করো।" সমাপ্ত।২৩- একই সূত্রে আমাদের নিকট খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ আব্দুর রহমান ইবনে সালামাহ আল-জুমাহি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস-কে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে হাদিস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করলেন, আমি তা লিখলাম, কিন্তু যখন মুখস্থ করতে পারলাম না তখন তা মুছে ফেললাম। তিনি (রাসূলুল্লাহ ﷺ) বলেছেন: "সেই ব্যক্তি সফল হয়েছে যে ইসলাম গ্রহণ করেছে, যার রিযিক হয়েছে প্রয়োজন মাফিক এবং যে তার ওপর ধৈর্য ধারণ করেছে।" সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
মিন হাদীছি আবী মুহাম্মদ ইবনিল আকফানী
(পৃষ্ঠা: ১০)
24- أخبرنا أبو محمد الأكفاني أنا الشيخ أبو الحسن على بن الحسين بن صصرى أنا أبو القاسم تمام بن محمد الرازي الحافظ أنا أبو علي الحسن بن حبيب ثنا الربيع بن سليمان ثنا أسد بن موسى ثنا أبو توبة عن العلاء بن كثير عن مكحول عن واثلة بن الأسقع عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال من صام-ق8أ-أربعين صباحًا ما يريد إلا وجه الله عز وجل لم يسأل الله تعالى شيئًا إلا أعطاه هـ.25- وبه أنا تمام أنا أبو علي بن فضالة في فندق باب الصغير ثنا يزيد بن محمد بن عبد الصمد ثنا عمرو بن حفص ثنا أيوب بن تميم عن الأوزاعي عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أدرك من الصلاة ركعة فقد أدركها هـ.26- وبه أنا تمام أنا أبو بكر محمد بن عمرو بن إسحاق بن إبراهيم بن العلاء الزبيدي الحمصي يعرف بابن زبريق بدمشق قراءة عليه قال أخبرني أبي ثنا عمرو بن عثمان ثنا الوليد بن سلمة حدثني الأوزاعي عن الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول إياكم ومشارة الناس فإنها تدفن الغرة وتظهر العرة.27- وبه أنا تمام أنا محمد بن عمرو أنا أبي ثنا العباس بن إسماعيل بن حماد عن هانيء بن عبد الرحمن عن إبراهيم بن أبي عبلة حدثني عقبة بن وساج عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم قال نضر الله امراً سمع قولي ثم لم يزد فيه، ثلاث لا يغل عليهم قلب امرئ: إخلاص العمل لله. . الحديث هـ.آخر الجزء وصلاة الله وسلامه على عباده الذين اصطفى
২৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-আকফানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আবু আল-হাসান আলি বিন আল-হুসাইন বিন সাসরা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু আল-কাসিম তাম্মাম বিন মুহাম্মাদ আর-রাজি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাসান বিন হাবিব, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন রাবি বিন সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আসাদ বিন মুসা, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু তাওবাহ, তিনি আল-আলা বিন কাসির থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি ওয়াসিলা বিন আল-আসকা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি-পৃষ্ঠা ৮/ক-কেবল আল্লাহর চেহারা (সন্তুষ্টি) কামনা করে চল্লিশ দিন রোজা রাখবে, সে আল্লাহর কাছে যা কিছু প্রার্থনা করবে, তিনি তাকে তা অবশ্যই দান করবেন।২৫- এবং এই একই সনদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাম্মাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি বিন ফাদালা ‘ফুনদুক বাব আস-সগির’-এ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াজিদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুস সামাদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমর বিন হাফস, তিনি আইয়ুব বিন তামিম থেকে, তিনি আওজায়ি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে, তিনি আবু সালামা বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি নামাজের এক রাকাত পেল, সে নামাজ পেল।২৬- এবং এই একই সনদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাম্মাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আমর বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন আল-আলা আজ-জুবাইদি আল-হিমসি—যিনি দামেস্কে ইবনে জুবাইক নামে পরিচিত—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমর বিন উসমান, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ওয়ালিদ বিন সালামা, তিনি বলেন: আমার নিকট আওজায়ি হাদিস বর্ণনা করেছেন জুহরি থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: তোমরা মানুষের সাথে বিবাদে লিপ্ত হওয়া থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তা মানুষের মর্যাদা ও গুণাবলিকে বিলীন করে দেয় এবং দোষ-ত্রুটিকে প্রকাশ করে দেয়।২৭- এবং এই একই সনদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাম্মাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আমর, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-আব্বাস বিন ইসমাইল বিন হাম্মাদ, তিনি হানি বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি ইবরাহিম বিন আবি আবলা থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট উকবা বিন ওয়াসসাজ হাদিস বর্ণনা করেছেন আনাস বিন মালিক থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও সতেজ রাখুন যে আমার কথা শুনেছে এবং তাতে কোনো কিছু বৃদ্ধি করেনি। তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যাতে কোনো মুমিনের অন্তর খেয়ানত বা বিদ্বেষ পোষণ করে না: আল্লাহর জন্য আমলের একনিষ্ঠতা... (হাদিসের শেষ পর্যন্ত)।জুয বা খণ্ডের সমাপ্তি। এবং আল্লাহর মনোনীত বান্দাদের ওপর তাঁর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।